দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1007.9 hPa
29.8° 74%
340° 3mm
চট্টগ্রাম 1009 hPa
27.2° 90%
340° 3mm
রাজশাহী 1007.5 hPa
30° 94%
340° 3mm
খুলনা 1007.4 hPa
29.5° 88%
340° 3mm
বরিশাল 1008 hPa
28.4° 89%
340° 3mm
সিলেট 1009.2 hPa
26.7° 90%
340° 3mm
রংপুর 1007.3 hPa
29.1° 83%
340° 3mm
ময়মনসিংহ 1008.5 hPa
28.6° 85%
340° 3mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

Divine Group ঘিরে এবার মামলার হিসাব

Divine Group ঘিরে এবার মামলার হিসাব

Divine Group-এর প্রকল্প, জমির মালিকানা, গ্রাহকের অর্থ ব্যবস্থাপনা, রিফান্ড এবং করপোরেট গভর্ন্যান্স নিয়ে প্রশ্নের পর এবার প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে থাকা মামলা ও আদালতের আদেশ নিয়েও অনুসন্ধানের দাবি উঠেছে। বিভিন্ন গ্রাহকের করা মামলার পাশাপাশি একটি ব্যাংক-সংক্রান্ত মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সেই পরোয়ানা গুলশান থানায় পৌঁছানোর পরও কেন তা কার্যকর হয়নি এ প্রশ্ন এখন সামনে এসেছে। তবে মামলার সংখ্যা, পরোয়ানার বর্তমান কার্যকারিতা এবং কোনো মামলায় আসামির জামিন বা স্থগিতাদেশ রয়েছে কি না এসব বিষয়ে আদালতের নথি ও সংশ্লিষ্ট থানার রেকর্ড দিয়ে পূর্ণাঙ্গ যাচাই জরুরি। সংবাদ দিগন্তের অনুসন্ধানেও এসব নথির সত্যতা ও বর্তমান অবস্থা যাচাইয়ের চেষ্টা চলছে। গুলশানের মত এমন একটি এলাকায় প্রতারনার ফাঁদ গ্রাহকের টাকা লুটেপুটে খাচ্ছে ডিভাইন গ্রুপ।আরও পড়ুন: গ্রাহকের অর্থ কোথায়? Divine Group-এর প্রকল্প ও সম্পদDivine Group-এর ওপর করা প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক স্বচ্ছতা, গ্রাহকের রিফান্ড, ব্যাংক দায়, জমির মালিকানা, কর-ভ্যাট ও করপোরেট গভর্ন্যান্স নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রতিবেদনে SM Habibur Rahman-এর বিরুদ্ধে ব্যাংক ঋণ খেলাপি, আইনগত পদক্ষেপ এবং ব্যাংকগুলোর recovery চেষ্টার অভিযোগের কথাও উল্লেখ রয়েছে। তবে ওই রিপোর্টও এসব অভিযোগকে প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে উপস্থাপন না করে ব্যাংক নথি, আদালতের রেকর্ড ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রের মাধ্যমে যাচাইয়ের কথা বলেছে। আরও পড়ুন: অপসাংবাদিকতার তাণ্ডব: মূলধারা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার বড় সংকটঅনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, One Bank-এর একটি মামলায় এস এম হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে এবং ওই পরোয়ানা গুলশান থানায় পাঠানো হয়েছে। কিন্তু পরোয়ানা থানায় পৌঁছানোর পর সেটি কার্যকর হয়েছে কি না, হলে কখন হয়েছে, না হলে তার কারণ কী এসব প্রশ্নের উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো থানায় আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পৌঁছালে সেটির কার্যকর করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্ব থাকে। তবে কোনো আসামির বিরুদ্ধে পরোয়ানা থাকলেই তিনি গ্রেপ্তারযোগ্য অবস্থায় আছেন এমন সরল সিদ্ধান্তে যাওয়ার আগে পরোয়ানার সর্বশেষ অবস্থা, জামিন, স্থগিতাদেশ, প্রত্যাহার বা অন্য কোনো আদালতের আদেশ আছে কি না তা যাচাই করা প্রয়োজন। সুতরাং এখানে মূল অনুসন্ধানের বিষয় শুধু ‘ওয়ারেন্ট আছে কি না’ নয়; বরং ওয়ারেন্টটি বর্তমানে কার্যকর কি না এবং থাকলে সেটি বাস্তবায়নে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন: চোরাচালান-মাদকপাচার ও সীমান্ত হত্যা বন্ধে বিজিবিকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশএদিকে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, এস এম হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আদালতে মোট ৫৪টি মামলা রয়েছে। তবে সংবাদ দিগন্তের হাতে এই মুহূর্তে ৫৪টি মামলার পূর্ণাঙ্গ মামলানম্বর, আদালতের নাম, মামলার ধারা, বাদীর পরিচয় এবং বর্তমান অবস্থার সমন্বিত তালিকা নেই।ফলে ৫৪টি মামলাকে নিশ্চিত সংখ্যা হিসেবে প্রকাশের আগে আদালতের নথি দিয়ে তা যাচাই করা জরুরি। কারণ একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভিন্ন পর্যায়ের মামলা, আপিল, রিভিশন বা আর্থিক বিরোধের মামলা থাকতে পারে; আবার কোনো মামলা নিষ্পত্তি, খারিজ, স্থগিত কিংবা জামিনের আওতায়ও থাকতে পারে।এ কারণে সংবাদ দিগন্তের অনুসন্ধানের পরবর্তী ধাপে মামলার নম্বর ধরে ধরে যাচাই করার প্রয়োজন রয়েছে। প্রথম পর্বের অনুসন্ধানে যে বিষয়টি সামনে এসেছিল, সেটি হলো Divine Group-এর বিভিন্ন প্রকল্পে দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকের অর্থ, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং রিফান্ড নিয়ে প্রশ্ন। প্রাথমিক প্রতিবেদনে ২০ কোটি টাকার বেশি refund-related issue থাকার দাবি এবং কিছু গ্রাহকের রিফান্ড দীর্ঘ সময় ধরে অনিষ্পন্ন থাকার অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।Divine Group-সংক্রান্ত প্রাথমিক রিপোর্টে এস এম হাবিবুর রহমানের বিভিন্ন সম্পত্তির বিপরীতে ব্যাংক ঋণ নেওয়ার তথ্যের সঙ্গে একাধিক ঋণ খেলাপির অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কয়েকটি ক্ষেত্রে ব্যাংক আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছে এবং recovery proceedings চলার দাবিও সেখানে রয়েছে। সম্মিলিত ব্যাংক দাবির পরিমাণ ১০ কোটি টাকার বেশি হতে পারে বলে একটি প্রাথমিক অনুমানের কথা বলা হয়েছে।তবে এটিও মনে রাখা জরুরি ব্যাংক ঋণ, ঋণখেলাপি, দেওয়ানি অর্থঋণ মামলা এবং ফৌজদারি মামলা এক বিষয় নয়। কোন মামলায় কী অভিযোগ রয়েছে এবং আদালত কী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন তা নথি দেখে আলাদাভাবে নির্ধারণ করতে হবে।আরও পড়ুন: ‘সাংবাদিক আবদুস সালাম সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার প্রতীক’: রিজভীDivine Group-এর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি হলো গ্রাহক বা প্রকল্পের অর্থ অন্যত্র ব্যবহারের অভিযোগ। প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এ বিষয়টিকে সরাসরি ‘মানি লন্ডারিং’ না বলে Potential Fund Diversion/Misuse of Customer Funds/Related-Party Transaction Risk হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং forensic verification-এর প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য শুধু মুখের কথা বা বাজারের গুঞ্জন যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন হবে ব্যাংক স্টেটমেন্ট, গ্রাহকের পেমেন্ট রেকর্ড, প্রকল্পের হিসাব, জমি কেনার দলিল, নির্মাণ ব্যয়, রিফান্ডের হিসাব এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বা প্রতিষ্ঠানের কাছে অর্থ স্থানান্তরের নথি। প্রতিবেদনটির ভাষায়, গ্রাহকের টাকা থেকে শুরু করে ব্যাংক হিসাব, অর্থ স্থানান্তর, প্রাপক, ব্যয়ের উদ্দেশ্য, ভাউচার এবং শেষ পর্যন্ত প্রকৃত সুবিধাভোগী পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে।আরও পড়ুন:আইসিসিবিতে ৩ সেপ্টেম্বর শুরু কসমেটিকা ঢাকা ২০২৬২০২৫ সাল থেকে Divine Purbachal City এবং Cox Holiday Inn প্রকল্পকে সামনে রেখে নতুন করে বাজারে সক্রিয় হওয়ার তথ্যও প্রাথমিক প্রতিবেদনে রয়েছে। সেখানে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রায় ৫ কোটি টাকার hotel share sale এবং প্রায় ২.৫ কোটি টাকা collection হওয়ার দাবি উল্লেখ করা হয়েছে। একই সময়ে প্রকল্প উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব তথ্য ব্যাংক স্টেটমেন্ট, শেয়ার রেজিস্টার ও গ্রাহক লেজার দিয়ে যাচাইয়ের প্রয়োজন রয়েছে। এখানেই অনুসন্ধানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন পুরোনো প্রকল্পের গ্রাহক, বিনিয়োগকারী ও পাওনাদারদের দায় পরিশোধের আগে নতুন প্রকল্প বা শেয়ারের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে কি না। এটি কোনো অপরাধের প্রমাণ নয়; তবে একটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা মূল্যায়নে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।আরও পড়ুন: আমিরাতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি নাকচCox Holiday Inn প্রকল্পটি নিয়েও দীর্ঘদিনের স্থবিরতার অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হয়ে basement ও একতলা পর্যন্ত নির্মাণের পর কাজ বন্ধ হয়ে যায় এবং প্রায় ২০২১ সাল থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রকল্পটি কার্যত stalled অবস্থায় রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। যদি এই তথ্য নথিপত্রে সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে বিনিয়োগকারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াবে প্রকল্পের বর্তমান সম্পদ কত, ইতোমধ্যে কত টাকা ব্যয় হয়েছে, বাকি নির্মাণে কত টাকা লাগবে এবং সেই অর্থের উৎস কী। Cox Holiday Inn-এর জমির মালিকানা নিয়েও প্রাথমিক রিপোর্টে প্রশ্ন রয়েছে। সেখানে কিছু জমি Divine Holdings Limited, কিছু Divine Hotel and Resort Limited-এর নামে এবং কিছু জমি খাস হতে পারে বলে তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। কিছু জমি Power of Attorney-ভিত্তিক হওয়ার সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে। প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়নে Divine Group-এর corporate governance নিয়ে board oversight, financial control, segregation of duties, project accounting, customer fund segregation, contract management, investor reporting এবং related-party transactionসহ একাধিক ক্ষেত্রে দুর্বলতার আশঙ্কা চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষ করে Managing Director-কেন্দ্রিক অতিরিক্ত আর্থিক ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ থাকায় কোম্পানির সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাঠামো নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। একটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক নিয়ন্ত্রণে সাধারণত কে টাকা গ্রহণ করবে, কে অনুমোদন দেবে, কে ব্যয় করবে এবং কে হিসাব নিরীক্ষা করবে—এসব দায়িত্ব আলাদা থাকার কথা। সেখানে একই ব্যক্তির হাতে অতিরিক্ত ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হলে governance risk তৈরি হতে পারে।আরও পড়ুন: লংমার্চ ঘিরে সিএমপির সঙ্গে জামায়াতের মতবিনিময়এসব অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে একটি বিষয় পরিষ্কার রাখা জরুরি মামলা হওয়া মানেই অপরাধ প্রমাণিত হওয়া নয়। আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত কোনো ব্যক্তিকে অপরাধী বলা আইনগত ও সাংবাদিকতার দিক থেকে সমীচীন নয়। একইভাবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকলেও তার বর্তমান অবস্থা জামিন, স্থগিতাদেশ, প্রত্যাহার বা অন্য কোনো আদালতের আদেশ যাচাই করা জরুরি। তাই এস এম হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ৫৪টি মামলা রয়েছে এই তথ্যটি বর্তমানে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সংবাদ দিগন্ত আদালতের নথির ভিত্তিতে মামলাগুলোর প্রকৃত সংখ্যা ও বর্তমান অবস্থা যাচাই করার চেষ্টা করছে।Divine Group-এর প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রতিবেদনের চূড়ান্ত মতামতেও বলা হয়েছে, নতুন বিনিয়োগ বা আর্থিক সম্পর্ক স্থাপনের আগে independent forensic investigation প্রয়োজন। এজন্য forensic financial audit, land audit, legal audit, tax/VAT audit এবং project audit করার সুপারিশ করা হয়েছে।প্রাথমিক রিপোর্টে stakeholder-দের জন্যও নতুন আর্থিক সম্পর্ক স্থাপনের আগে জমির বৈধ মালিকানা, প্রকল্পের অনুমোদন, বাস্তব নির্মাণ অবস্থা, audited financial statement, customer/refund liability, ব্যাংক ও creditor position এবং customer fund-এর source ও utilization যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন: জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সংসদে সরকার-বিরোধী দলের টানাপোড়েন ফের উত্তাপDivine Group নিয়ে প্রথম পর্বে উঠে এসেছিল প্রকল্পের অগ্রগতি, জমির মালিকানা, অর্থ ব্যবস্থাপনা ও করপোরেট গভর্ন্যান্সের প্রশ্ন। দ্বিতীয় পর্বে সামনে এসেছে মামলা, ব্যাংক-সংক্রান্ত বিরোধ এবং কথিত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা।

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

সিএসআর ফান্ডের ২৭৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

৪১টি তফসিলি ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর ফান্ড থেকে ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের সাবেক সভাপতি ও এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন—দুদক।বৃহস্পতিবার ঢাকার সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মামলাটি করেন দুদকের সহকারী পরিচালক ইসমাইল হোসেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদক সচিব সাইদুর রহমান।মামলার এজাহার অনুযায়ী, শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সভাপতি এবং শেখ রেহানা সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।আড়ও পড়ুন, লোডশেডিংয়ে যখন হাঁসফাঁস, তখন বাতিল ৩ হাজার ২৮৭ মেগাওয়াটের প্রকল্পট্রাস্টটি ১৯৯৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নিবন্ধিত একটি দলিলের মাধ্যমে গঠিত হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।দুদকের অনুসন্ধানে ৪১টি ব্যাংকের তথ্য ও নথি পর্যালোচনা করে অভিযোগ করা হয়, বিএবির সভাপতি থাকাকালে নজরুল ইসলাম মজুমদার নির্বাহী কমিটির সভার আলোচ্যসূচিতে না থাকা সত্ত্বেও ‘বিবিধ’ আলোচনায় ট্রাস্টকে ব্যাংকগুলোর সিএসআর ফান্ড থেকে অর্থ দেওয়ার বিষয়টি উপস্থাপন করেন।পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সভার সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ব্যাংকগুলোতে চিঠি পাঠানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর ফান্ড থেকে মোট ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হয় বলে দাবি করেছে দুদক।তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিএসআর-সংক্রান্ত নির্দেশনা এবং ২০২২ সালের সিএসআর নীতিমালায় নির্ধারিত খাতগুলোর মধ্যে ওই ট্রাস্টে অর্থ দেওয়ার কোনো নির্দেশনা নেই বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।দুদকের আরও অভিযোগ, সরেজমিনে ট্রাস্টের ঠিকানায় দাফতরিক কার্যক্রমের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে সমাজসেবা অধিদপ্তর ও এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর অনুমোদনও নেই বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।দুদকের দাবি, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে ব্যাংকগুলোর সিএসআর ফান্ড থেকে অর্থ সংগ্রহ করে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি করেছেন

লোডশেডিংয়ে যখন হাঁসফাঁস, তখন বাতিল ৩ হাজার ২৮৭ মেগাওয়াটের প্রকল্প

জ্বালানি সংকটে গত মাসে দেশে বিদ্যুৎ সংকট চরম আকার ধারণ করে। দিনে-রাতে গড়ে দুই থেকে তিন হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হয়েছে। অথচ একই সময়ে জাতীয় গ্রিডে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে সর্বোচ্চ পাওয়া গেছে মাত্র ৬৫০ মেগাওয়াট।এর মধ্যেই সামনে এসেছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে তিন হাজার ২৮৭ মেগাওয়াটের বেশি সক্ষমতার ৩৭টি নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প বাতিল করা হয়েছিল।জাতীয় অর্থনীতির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দায়মুক্তির বিশেষ আইনের আওতায় লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল—এমন যুক্তিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর এসব প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাতিল হওয়া প্রকল্পগুলোর মধ্যে ২৭টি সৌরবিদ্যুৎ, তিনটি বায়ুবিদ্যুৎ এবং একটি বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পসহ বিভিন্ন উদ্যোগ ছিল।এসব প্রকল্পের মোট উৎপাদন সক্ষমতা ছিল তিন হাজার ২৮৭ মেগাওয়াট। অনেক প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণসহ অবকাঠামোগত কাজও এগিয়ে যাচ্ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।পরবর্তীতে পাঁচ হাজার ২৩৮ মেগাওয়াট সক্ষমতার ৫৫টি গ্রিড-সংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য নতুন করে দরপত্র আহ্বান করা হয়। কিন্তু এতে তেমন সাড়া মেলেনি। মাত্র ১১টি প্রকল্পের জন্য দরপত্র জমা পড়ে, যার সক্ষমতা প্রায় ৯০০ মেগাওয়াট।আরও  পড়ুন,আসিফ মাহমুদসহ সহযোগীদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, অনুসন্ধানে দুদকখাত-সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন প্রকল্পে বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহের অন্যতম কারণ ছিল সরকারের ‘সভরেন গ্যারান্টি’ না থাকা। আন্তর্জাতিক অর্থায়ন ও প্রকল্পের নির্ভরযোগ্যতার জন্য এ ধরনের নিশ্চয়তা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তারা।এদিকে বাতিল হওয়া প্রকল্পগুলোর মধ্যে কিছু কোম্পানি জমি কেনা, কর পরিশোধসহ বিভিন্ন পর্যায়ে বিনিয়োগ করেছিল। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে ইতোমধ্যে প্রায় ৩০ কোটি ডলার বিনিয়োগ হয়েছিল।বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডিও বাতিল হওয়া ৩৭টি নবায়নযোগ্য প্রকল্প পুনর্মূল্যায়নের পরামর্শ দিয়েছে। সংস্থাটির মতে, প্রকল্পগুলোতে প্রায় ছয় বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের সম্ভাবনা ছিল।বিদ্যুৎ খাতের সংশ্লিষ্টদের একাংশ মনে করছেন, প্রকল্পগুলো বাতিল না হলে এর কয়েকটি এরই মধ্যে উৎপাদনে আসতে পারত। এতে দিনের বেলায় বিদ্যুৎ সংকট কিছুটা হলেও কমানো সম্ভব হতো।এখন জ্বালানি সংকট ও বাড়তি লোডশেডিংয়ের মধ্যে বাতিল প্রকল্পগুলোর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হবে কি না—সেটিই হয়ে উঠেছে বড় প্রশ্ন।

আসিফ মাহমুদসহ সহযোগীদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, অনুসন্ধানে দুদক

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধানে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন—দুদক।দুদক সূত্রে জানা গেছে, সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ এবং তার কথিত ‘নেপথ্যের নায়ক’ ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ করছে দুদক।তবে অনুসন্ধানের এই পর্যায়ে অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়েছে—এমন কোনো দাবি করা হয়নি। অভিযোগের ভিত্তি, সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা এবং অনিয়মের মাধ্যমে কোনো আর্থিক বা অন্য কোনো সুবিধা নেওয়া হয়েছে কি না—এসব বিষয়ই যাচাই করা হবে।আরও পড়ুন, নাশকতার শঙ্কায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিরাপত্তা জোরদারদুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। আর অভিযোগের সত্যতা না মিললে সেটিও অনুসন্ধান প্রক্রিয়ায় স্পষ্ট হবে।সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের পাশাপাশি তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কথিত সহযোগী ও ‘নেপথ্যের নায়ক’ হিসেবে যাদের নাম বা ভূমিকার কথা উঠে এসেছে, তাদের বিষয়েও অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।দুদকের এই অনুসন্ধানকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনেও তৈরি হয়েছে আগ্রহ। এখন অনুসন্ধানে কী ধরনের তথ্য ও প্রমাণ উঠে আসে এবং এর ভিত্তিতে কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয় কি না, সেদিকেই নজর সংশ্লিষ্টদের।

নাশকতার শঙ্কায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিরাপত্তা জোরদার

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নাশকতার শঙ্কায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।বৃহস্পতিবার নিজ কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি।চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা আগের তুলনায় বাড়ানো হয়েছে। প্রভাবশালী আসামিদের বিরুদ্ধে বিচার যখন শেষ পর্যায়ে পৌঁছায় কিংবা রায় ঘোষণার অপেক্ষায় থাকে, ঠিক সেই সময় ট্রাইব্যুনালে নাশকতার চেষ্টা হতে পারে—এমন কিছু গোপন তথ্য তাদের কাছে রয়েছে।তিনি বলেন, সম্ভাব্য যেকোনো নাশকতা ঠেকাতে ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সদস্যদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান আমিনুল ইসলাম।আরও  পড়ুন, জন্মের পরই একক পরিচয়পত্র, ‘এক-আইডি’ চালুর উদ্যোগ সরকারের বাহিনীর সদস্যরাই বর্তমানে নিরাপত্তা কার্যক্রম তদারক করছেন।চিফ প্রসিকিউটরের ভাষ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিচার শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এ অবস্থায় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে বিচারিক কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করতে না পারে, সে বিষয়েই বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে।তিনি আরও জানান, ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আগের তুলনায় সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।রায় ও বিচারিক কার্যক্রম ঘিরে সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর।

রাজনীতিরাজনীতি

‘ব্যবসার নামে ১২ কোটি টাকা আত্মসাৎ’, জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

‘ব্যবসার নামে ১২ কোটি টাকা আত্মসাৎ’, জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

কুড়িগ্রামে ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর চার নেতার বিরুদ্ধে। টাকা ফেরত ও অভিযুক্তদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন দলটির তৃণমূল নেতাকর্মী ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।বুধবার দুপুরে কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে ‘ভুক্তভোগী মাজলুম পরিবার’-একুড়িগ্রামে ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর চার নেতার বিরুদ্ধে। টাকা ফেরত ও অভিযুক্তদের বিচারের র ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ২০২০ সালে জামায়াতে ইসলামীর কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি শাহজালাল সবুজ, কর্মপরিষদ সদস্য রফিকুল ইসলাম, জামায়াতের রোকন আব্দুস সালাম সুজা এবং সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রশিবিরের বায়তুল মাল সদস্য রফিকুল ইসলাম—এই চারজন ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ নামে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।তাদের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে কুড়িগ্রামের প্রায় ১৫০ জন জামায়াত সদস্যের কাছ থেকে ১২ কোটি টাকা নিয়ে ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়। পরে বিনিয়োগের টাকা ও লভ্যাংশ ফেরত না দিয়ে ২০২৪ সালের ১৬ নভেম্বর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান এবং যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।আরও  পড়ুন, বর্তমান দুদকের নৈতিক ও আইনি বৈধতা নেই’: নাহিদ-আখতারদীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরতের চেষ্টা করেও প্রতিকার না পাওয়ায় অনেক পরিবার আর্থিক সংকটে পড়েছে বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।তারা জানান, বিষয়টি জেলা জামায়াতের আমিরকে জানানো হলে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে অর্থ ফেরতের বিষয়ে কাঙ্ক্ষিত সমাধান না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত মামলা করেন ভুক্তভোগীরা।মানববন্ধনে বক্তারা দাবি করেন, মামলায় ওয়ারেন্ট জারি হলেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। দ্রুত তাদের আইনের আওতায় এনে ভুক্তভোগীদের ১২ কোটি টাকা ফেরতের দাবি জানান তারা।তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শাহজালাল সবুজ দাবি করেন, ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ মূলত রফিকুল ইসলাম রাজারহাটের ব্যক্তিগত ব্যবসা। ২০২০ সালে ভবিষ্যতে ব্যবসার জন্য যৌথ চুক্তি হলেও ওই চুক্তির মাধ্যমে কোনো ব্যবসা শুরু হয়নি। তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

বর্তমান দুদকের নৈতিক ও আইনি বৈধতা নেই’: নাহিদ-আখতার

বর্তমান দুদকের নৈতিক ও আইনি বৈধতা নেই’: নাহিদ-আখতার

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধান নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপি। দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেছেন, বর্তমান দুদকের কোনো ধরনের নৈতিক ও আইনি বৈধতা নেই।বুধবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বর্তমান দুদক পুনর্গঠন করা হলেই কেবল আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত সম্ভব। অন্যথায় এসব অনুসন্ধানকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনের নতুন কৌশল হিসেবে দেখবে জনগণ।এর আগে বুধবার দুপুরে দুদকের সংবাদ সম্মেলনে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরুর কথা জানানো হয়।আড়ও পড়ুন,সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার কথা বলা হলেও পরে দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম এ বক্তব্য থেকে সরে আসেন।এই ঘটনাকে দুদকের বিশ্বাসযোগ্যতার জন্য প্রশ্নবিদ্ধ বলে দাবি করেছেন এনসিপির দুই নেতা। তাদের অভিযোগ, তদন্ত শুরুর আগেই সংবাদমাধ্যমে পরস্পরবিরোধী তথ্য দেওয়া হয়েছে। ফলে বর্তমান কমিশনের অধীনে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত সম্ভব নয়।বিবৃতিতে নাহিদ ও আখতার আরও অভিযোগ করেন, গত কয়েক মাসে ক্ষমতাসীন দলের বিভিন্ন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও তাদের পরিবারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, প্রভাব খাটানো এবং স্বার্থের সংঘাতের গুরুতর অভিযোগ উঠলেও দুদক এসব বিষয়ে নীরব রয়েছে।তাদের দাবি, বিরোধী দলগুলো যখন জনগণের মৌলিক অধিকার ও রাষ্ট্র সংস্কারের দাবিতে রাজপথে আন্দোলন করছে, ঠিক তখনই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমনে দুদককে ব্যবহারের পুরোনো কৌশল আবারও সামনে এসেছে।এনসিপির নেতারা বলেন, অতীতে দুদককে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ ছিল। বর্তমান কমিশনের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রবণতার পুনরাবৃত্তি দেখা যাচ্ছে।আড়ও পড়ুন,কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি গয়েশ্বর চন্দ্র রায়তারা বর্তমান দুদককে ‘অসাংবিধানিক ও বিতর্কিত প্রক্রিয়ায়’ গঠিত দাবি করে অবিলম্বে বাতিলের আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও যোগ্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছেন।একই সঙ্গে দুদককে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনের হাতিয়ার না বানিয়ে সরকারের ভেতরে থাকা দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এনসিপি।

কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

জাতীয় সংসদে কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটির সভাপতি মনোনীত হয়েছেন ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।বুধবার ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলাম কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে সংসদ সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে তা অনুমোদন করেন।গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের নেতৃত্বে গঠিত কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম, নওগাঁ-১ আসনের মো. মোস্তাফিজুর রহমান, জামালপুর-৪ আসনের মো. ফরিদুল কবীর তালুকদার এবং ময়মনসিংহ-৪ আসনের মো. আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ।আরও  পড়ুন, জাতীয় ছাত্রশক্তিতে নেতৃত্বে পরিবর্তন, সভাপতির পদত্যাগ জাহিদ আহসানেরএ ছাড়া কমিটিতে রয়েছেন মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী, সংরক্ষিত নারী আসন-১৪-এর সংসদ সদস্য মোছা. সাবিরা সুলতানা, যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. গোলাম রছুল এবং রংপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. রায়হান সিরাজী।সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা, নীতি ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত এই কমিটিও দেশের কৃষি, কৃষক, খাদ্য উৎপাদন এবং কৃষি খাতের বিভিন্ন নীতি ও কার্যক্রমে সংসদীয় নজরদারি করবে।গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের নেতৃত্বে পুনর্গঠিত কমিটি কৃষি খাতের বিভিন্ন বিষয় কতটা কার্যকরভাবে সংসদে তুলে ধরে—এখন সেদিকেই নজর সংশ্লিষ্টদের।

জাতীয় ছাত্রশক্তিতে নেতৃত্বে পরিবর্তন, সভাপতির পদত্যাগ জাহিদ আহসানের

জাতীয় ছাত্রশক্তিতে নেতৃত্বে পরিবর্তন, সভাপতির পদত্যাগ জাহিদ আহসানের

জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপির সহযোগী সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন জাহিদ আহসান।বুধবার সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক মাহফুজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।তিনি জানান, জাতীয় ছাত্রশক্তির পঞ্চম সাধারণ সভায় ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ান জাহিদ আহসান। পরে সভায় উপস্থিত কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্যদের মতামত এবং সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি আহসান লাবিবকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়।গত বছরের ৩১ অক্টোবর এনসিপির সহযোগী সংগঠন হিসেবে জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। আরও  পড়ুন, সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাসওই কমিটিতে কেন্দ্রীয় সভাপতি করা হয় জাহিদ আহসানকে। সাধারণ সম্পাদক হন আবু বাকের মজুমদার।একই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় তাহমিদ আল মুদ্দাসসির চৌধুরীকে সভাপতি এবং আল আমিন সরকারকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।এর আগে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ—বাগছাসের নাম পরিবর্তন করে জাতীয় ছাত্রশক্তি করার এক সপ্তাহের মধ্যে সংগঠনটির চার সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল।নেতৃত্বে পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে এখন সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন সিনিয়র সহ-সভাপতি আহসান লাবিব।তবে জাহিদ আহসানের পদত্যাগের কারণ হিসেবে সংগঠনের পক্ষ থেকে শুধু ব্যক্তিগত কারণের কথাই জানানো হয়েছে।

সারাবাংলা

ভুল বিকাশের টাকা রংপুর থেকে উদ্ধার করল রাজগঞ্জ পুলিশ

ভুল বিকাশের টাকা রংপুর থেকে উদ্ধার করল রাজগঞ্জ পুলিশ

ভুলবশত বিকাশে চলে যাওয়া টাকা তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রংপুর থেকে উদ্ধার করেছে যশোরের রাজগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র।মনিরামপুরের রত্নেশাহপুর গ্রামের হাফিজুর রহমানের টাকা ভুল নম্বরে চলে গেলে তিনি জিডি করেন। জিডির ভিত্তিতে এসআই হাফিজ ও ইনচার্জ মো. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে টাকা উদ্ধার করে।আরও  পাড়ুন, বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ৯ আসামি গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণটাকা ফিরে পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী। রাজগঞ্জ পুলিশের দ্রুত ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়রা।রাজগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামাল হোসেন বলেন, বিকাশ  নগত বা অনলাইন লেনদেনের পূর্বে অবশ্যই সর্তকতা অবলম্বন করা উচিত। আমরা সর্বদাই চেষ্টা করি নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে। 

বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ৯ আসামি গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ৯ আসামি গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা পুলিশ ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন মামলার ৯ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ডাকাতি প্রস্তুতি, সড়ক পরিবহন আইন, মাদক এবং জিএমপি অধ্যাদেশ সংশ্লিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে তাদেরকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন ছিনতাইকারী হিসেবে মোঃ পাপ্পু হাসান রাব্বি (৩০) ও মোঃ ফিরোজ শেখ (২৪)-কে গ্রেফতার করা হয়।এছাড়া সড়ক পরিবহন আইনের মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ও ঢাকা মেট্রো-ট-১৫-৬৩৯২ নম্বর কভার্ড ভ্যানের চালক মোঃ রাজিব কবিরাজ (৩০)-কে গ্রেফতার করা হয়েছে।আরও  পড়ুন, নিরাপত্তার দাবিতে জামালপুর-ঢাকা রুটে বাস চলাচল বন্ধ, দুর্ভোগে যাত্রীরাঅভিযানের সময় দুই পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ সামারি ট্রায়াল মামলার আসামি মোঃ জাকির হোসেন (২৮)-কেও আটক করা হয়।অপরদিকে জিএমপি অধ্যাদেশে দায়েরকৃত মামলায় মাজাহারুল ইসলাম (৩২), মোঃ কামরুল হোসেন (২৮), মোঃ মনির হোসেন (২৫), মোঃ আক্কাস (৩৫) এবং মোঃ আকাশ (২৮)-কে গ্রেফতার করা হয়েছে।বাসন থানা পুলিশ জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। গ্রেফতারকৃত সকল আসামির বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

নিরাপত্তার দাবিতে জামালপুর-ঢাকা রুটে বাস চলাচল বন্ধ, দুর্ভোগে যাত্রীরা

নিরাপত্তার দাবিতে জামালপুর-ঢাকা রুটে বাস চলাচল বন্ধ, দুর্ভোগে যাত্রীরা

মহাসড়কে চালক ও শ্রমিকদের নিরাপত্তার দাবিতে জামালপুর-ঢাকা রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে শ্রমিক ইউনিয়ন।বুধবার রাতে জামালপুর আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালে সংবাদ সম্মেলনে কর্মবিরতির ঘোষণা দেন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা।শ্রমিকদের কর্মবিরতির কারণে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জামালপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে রাজধানী ঢাকাসহ দূরপাল্লার কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। এতে হঠাৎ করে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।অনেকে টার্মিনালে এসে বাস না পেয়ে বিকল্প যানবাহনে এবং বাড়তি ভাড়া দিয়ে ভেঙে ভেঙে গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা অভিযোগ করেন, বুধবার সকালে জামালপুরের নান্দিনা বাজার এলাকায় রাজীব পরিবহনের দুটি যাত্রীবাহী বাস আটকে অতর্কিত হামলা চালায় একদল দুর্বৃত্ত।আরও  পড়ুন, দুমড়েমুচড়ে যাওয়া কাভার্ড ভ্যানের ভেতর থেকে ৪ ঘণ্টা পর চালক উদ্ধারএ সময় বাস দুটিতে ব্যাপক ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি চালক ও তাদের সহকারীদের মারধর করে আহত করা হয় বলে অভিযোগ করেন তারা। শ্রমিকদের কাছে থাকা ট্রিপের নগদ টাকাও ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন সংগঠনটির নেতারা।ঘটনার পর চালক ও শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তারা।জামালপুর বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম আহ্বায়ক হারুনুর রশিদ বলেন, নান্দিনা বাজার এলাকায় দুটি বাসে ভাঙচুর ও চালক-সহকারীদের মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় বাস থেকে টাকা নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার পর শ্রমিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা জানান, মহাসড়কে চালক ও শ্রমিকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত জামালপুর-ঢাকা রুটে বাস চলাচল বন্ধ থাকবে।

দুমড়েমুচড়ে যাওয়া কাভার্ড ভ্যানের ভেতর থেকে ৪ ঘণ্টা পর চালক উদ্ধার

দুমড়েমুচড়ে যাওয়া কাভার্ড ভ্যানের ভেতর থেকে ৪ ঘণ্টা পর চালক উদ্ধার

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর ফাজিলপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উলটে যাওয়া কাভার্ড ভ্যানের ভেতর প্রায় চার ঘণ্টা আটকে থাকার পর চালক মো. শামীমকে জীবিত উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস।বৃহস্পতিবার ভোরে ফাজিলপুরের খাইয়ারা সংলগ্ন জেনিথ পাম্পের বিপরীত এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। সকাল ৯টার দিকে দীর্ঘ উদ্ধার অভিযানের পর শামীমকে ভ্যানের ভেতর থেকে বের করে আনা হয়।উদ্ধার হওয়া চালক মো. শামীম পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার ইদ্রিস আকনের ছেলে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ‘রহিম ইন্ডাস্ট্রিজের’ প্রায় ২১ টন স্ক্র্যাপ ও লোহার মালামাল নিয়ে কাভার্ড ভ্যানটি ঢাকার কাঁচপুরের দিকে যাচ্ছিল।ফাজিলপুর এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাসের চাপে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান বলে জানা গেছে। এ সময় কাভার্ড ভ্যানটি সড়কের পাশে উলটে যায়।আরও  পড়ুন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখায় দুই ভেটেরিনারি ফার্মেসিকে জরিমানাদুর্ঘটনার পর চালকের সহকারী বের হতে পারলেও ভ্যানের ভেতরে আটকা পড়েন শামীম। পরে টহলরত হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি দেখতে পেয়ে কাছে যান। এ সময় তারা ভেতর থেকে চালকের চিৎকার ও আকুতি শুনতে পান।পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। ফেনী সদর ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মো. আবদুল্লাহ হারুন পাশার নেতৃত্বে একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করে।দুমড়েমুচড়ে যাওয়া কাভার্ড ভ্যানের ভেতরে প্রায় ২১ টন ভারী লোহার মালামাল থাকায় উদ্ধারকাজে বেশ বেগ পেতে হয়। প্রায় চার ঘণ্টার প্রচেষ্টায় শামীমকে জীবিত ও নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।পরে তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।ফাজিলপুর হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক এম. এ. ইমরান হোসেন জানান, টহলের সময় ভ্যানটি উলটে থাকতে দেখে পুলিশ এগিয়ে যায়। পরে চালকের চিৎকার শুনে তার অবস্থা বুঝতে পেরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়।ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, দীর্ঘ ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানের পর চালককে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন তারা।

আন্তর্জাতিক

মিনিয়াপোলিসে বন্দুক হামলা

মিনিয়াপোলিসে বন্দুক হামলা

যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপোলিস শহরে আবাসিক ভবনে বন্দুক হামলায় নিহত হয়েছেন দুইজন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন তিন পুলিশ কর্মকর্তা। পুলিশের দাবি, হামলার সন্দেহভাজন বন্দুকধারীও মারা গেছেন।বুধবার বিকেলে মিনিয়াপোলিসের একটি বহুতল আবাসিক ভবনে এই হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সময় সাড়ে চারটার কিছু পর ভবনটিতে গুলির খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে পৌঁছায়।পুলিশের মুখপাত্র গ্যারেট পার্টেন জানান, কর্মকর্তারা ভবনে প্রবেশের পর একাধিক গুলির শব্দ শুনতে পান। পরে গুলির উৎস অনুসরণ করে ভবনের ওপরের একটি তলায় পৌঁছান তাঁরা। সেখানে ধোঁয়া বা কুয়াশার মতো একটি আবরণ থাকায় দৃশ্যমানতা মারাত্মকভাবে কমে যায়।পুলিশের সঙ্গে বন্দুকধারীর গুলি বিনিময়ের সময় তিন কর্মকর্তা আহত হন। তাঁদের মধ্যে দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। র্আড়ও পড়ুন,বিষাক্ত বাতাসের তালিকায় আবারও ঢাকা, বিশ্বে ১১তমহাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা জানান, আহত তিন পুলিশ কর্মকর্তার অবস্থাই স্থিতিশীল।ঘটনায় ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আরও একজন। এদিকে হামলার সন্দেহভাজন বন্দুকধারীকেও মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। তবে কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করেনি পুলিশ।হামলার পরপরই ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নিরাপত্তার স্বার্থে স্থানীয় বাসিন্দাদের ওই এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়।তবে কেন এই হামলা চালানো হয়েছে, এর সম্ভাব্য উদ্দেশ্য কী—এ বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি পুলিশ। ঘটনার তদন্তে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোও সহায়তা করছে।হামলার ঘটনায় মিনিয়াপোলিসজুড়ে তৈরি হয়েছে আতঙ্ক। কী কারণে এই সহিংসতার ঘটনা ঘটল এবং এর সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা।

১৭ ঘন্টা আগে

রাজধানী

জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রা শুক্রবার, বিকল্প সড়কে চলার অনুরোধ ডিএমপির

জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রা শুক্রবার, বিকল্প সড়কে চলার অনুরোধ ডিএমপির

শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে রাজধানীতে শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। এ কারণে নগরবাসীকে পুলিশের নির্দেশনা মেনে চলার পাশাপাশি বিকল্প সড়ক ব্যবহারের অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ—ডিএমপি।বৃহস্পতিবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার আকতার হোসেন এ তথ্য জানান।ডিএমপি জানিয়েছে, শুক্রবার বিকেল ৩টায় শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হবে। পরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ঘুরে বাহাদুর শাহ পার্কে গিয়ে শেষ হবে। শোভাযাত্রা চলবে বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত।শোভাযাত্রার নির্ধারিত রুট হচ্ছে—ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, পলাশী বাজার, জগন্নাথ হল, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট, বঙ্গবাজার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ভবন, গোলাপশাহ মাজার, গুলিস্তান মোড়, নবাবপুর রোড ও রায় সাহেব বাজার মোড় হয়ে বাহাদুর শাহ পার্ক।শোভাযাত্রার রুটে কোনো ধরনের যানবাহন পার্কিং করা যাবে না বলে জানিয়েছে ডিএমপি। পাশাপাশি উচ্চস্বরে পিএ বা সাউন্ড সিস্টেম বাজানো থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।আরও  পড়ুন, জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাটে হকারমুক্ত সড়ক, মতিঝিলে নাইট মার্কেটশোভাযাত্রায় অংশ নিতে ইচ্ছুকদের শুরুতেই নির্ধারিত স্থানে যোগ দিতে হবে। মাঝপথে শোভাযাত্রায় যোগ দেওয়া যাবে না।নিরাপত্তার স্বার্থে হ্যান্ডব্যাগ, ট্রলি, বড় ভ্যানিটি ব্যাগ, পোটলা, দাহ্য পদার্থ, ছুরি, অস্ত্র, কাঁচি, ক্ষয়কারক তরল, ব্রেড, দিয়াশলাই ও গ্যাসলাইটারসহ বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া নিষিদ্ধ করেছে ডিএমপি।এ ছাড়া শোভাযাত্রার রুটে কোনো ধরনের ফলমূল ছোড়া, রাস্তায় অহেতুক দাঁড়িয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি কিংবা সন্দেহজনক ব্যক্তি বা বস্তু দেখেও নীরব থাকা যাবে না। এমন কিছু চোখে পড়লে দ্রুত পুলিশকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের স্বেচ্ছাসেবক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নির্দেশনা মেনে চলতে এবং ব্যারিকেড, পিকেট ও আর্চওয়ে ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে।শোভাযাত্রা চলাকালে যানজট এড়াতে নগরবাসীকে পুলিশের নির্দেশিত বিকল্প সড়ক ব্যবহার করার অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপি।ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রা সম্পন্ন করতে নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।

১৮ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

দলে ফিরলেন শানাকা

দলে ফিরলেন শানাকা

ইংল্যান্ড সফরে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য পৃথক দল ঘোষণা করেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট। আর ঘোষিত ওয়ানডে দলে সবচেয়ে বড় চমক সাবেক অধিনায়ক দাসুন শানাকার প্রত্যাবর্তন।দীর্ঘ ৩২ মাস পর আবারও শ্রীলঙ্কার ওয়ানডে দলে ফিরেছেন শানাকা। সর্বশেষ ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে খেলেছিলেন তিনি। দেশের হয়ে এখন পর্যন্ত ৭১টি ওয়ানডে খেলে ২টি সেঞ্চুরি ও ৪টি হাফ-সেঞ্চুরিতে ১ হাজার ২৯৯ রান করেছেন এই অলরাউন্ডার। পাশাপাশি নিয়েছেন ২৭ উইকেট।এবার ইংল্যান্ড সফরের ওয়ানডে দলে প্রথমবারের মতো জায়গা পেয়েছেন লেগ স্পিনার সাচিন্দু কলম্বাগে।আড়ও পড়ুন,সিরিয়ার বিপক্ষে জিততেই হবে বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবেই জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন ২৮ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ৪৪ ম্যাচে ৬৯ উইকেট রয়েছে কলম্বাগের ঝুলিতে। এর মধ্যে দুইবার ইনিংসে পাঁচ উইকেটও নিয়েছেন তিনি। সর্বশেষ লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে ছয় ইনিংসে ১০ উইকেট শিকার করেন এই লেগ স্পিনার।ইংল্যান্ড সফরে দুই সংস্করণেই শ্রীলঙ্কাকে নেতৃত্ব দেবেন কুসাল মেন্ডিস। তাঁর সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন চারিথ আসালাঙ্কা। সর্বশেষ ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক ছিলেন আসালাঙ্কা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর দল থেকে বাদ পড়ার পর এবার আবারও ফিরেছেন তিনি।টি-টোয়েন্টি দলে আসালাঙ্কার সঙ্গে ফিরেছেন লাহিরু উদারা, জানিথ লিয়ানাগে ও থারিন্দু রাত্নায়েকে। অন্যদিকে বাদ পড়েছেন পবন রাত্নায়েকে, লাসিথ ক্রুসপুলে, মিলান রাত্নায়েকে ও দিলশান মাদুশাঙ্কা।আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে ইংল্যান্ড-শ্রীলঙ্কার টি-টোয়েন্টি সিরিজ। আর তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু হবে ২২ সেপ্টেম্বর।ফলে দীর্ঘ বিরতির পর দাসুন শানাকার প্রত্যাবর্তন এবং নতুন মুখ সাচিন্দু কলম্বাগের অভিষেক—ইংল্যান্ড সফরে শ্রীলঙ্কার দলে থাকছে বাড়তি আকর্ষণ।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর