দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1005.1 hPa
25.8° 95%
15mm
চট্টগ্রাম 1006.8 hPa
26.6° 97%
40° 15mm
রাজশাহী 1004.1 hPa
27.5° 96%
20° 15mm
খুলনা 1004.5 hPa
27.2° 94%
20° 15mm
বরিশাল 1004.8 hPa
26.2° 98%
15mm
সিলেট 1005.9 hPa
26.8° 93%
15mm
রংপুর 1004.8 hPa
27.1° 95%
15mm
ময়মনসিংহ 1005.7 hPa
26.5° 96%
15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

চট্রগ্রাম গোয়ালপাড়ায় মাদক সম্রাজ্ঞী

চট্রগ্রাম গোয়ালপাড়ায় মাদক সম্রাজ্ঞী "আকলিমার" মাদকের হাট

চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালী থানাধীন ২২ নং এনায়েত বাজার ওয়ার্ডের গোয়ালপাড়া ও সংলগ্ন তুলাতলী বস্তি দীর্ঘদিন ধরে মাদক কেনাবেচার অন্যতম আলোচিত স্পট হিসেবে পরিচিত| বিভিন্ন সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান, গণমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধারের ঘটনায় এলাকাটির নাম বারবার সামনে এসেছে| তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানের ১/২ ঘন্টা পর পরই আবারো পুনরায় বীরদর্পে মাদক বাণিজ্য পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে|স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, গোয়ালপাড়া ও তুলাতলীর মাদক সমস্যা কেবল একটি এলাকার বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয় বরং এটি বৃহত্তর সরবরাহ ও পাচার নেটওয়ার্কের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারে| ফলে শুধু খুচরা বিক্রেতাদের গ্রেপ্তার করলেই স্থায়ী সমাধান আসবে না|আরও পড়ুন: বনানীতে স্পা কাণ্ডে প্রশাসনের নীরবতাস্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, গোয়ালপাড়ার আলোচিত মাদক কারবারিদের মধ্যে আকলিমা নামে এক নারীর নাম দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত| তার বিরুদ্ধে ১৮টির বেশি মামলা রয়েছে এবং তিনি ২১ বারের অধিক কারাভোগও করেছেন| তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত রায়ের বিষয়টি প্রতিবেদকের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি| নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রির পাশাপাশি বস্তির ভেতরে টিনশেডের কয়েকটি ঘরে মাদকসেবনের সুযোগও রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে| একই সঙ্গে অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরদের মাধ্যমে মাদক বিক্রির অভিযোগও উঠেছে| প্রতিবেদকের কাছে থাকা একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি ঘরের সামনে দুই কিশোর পলিথিনে মোড়ানো গাঁজার পুরিয়া ও ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট নিয়ে অবস্থান করছে ক্রেতাদের অপেক্ষায়|আরও পড়ুন: উজাড় হচ্ছে লামার সংরক্ষিত বন, রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগঅভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আকলিমা বলেন, আগে একাই ব্যবসা করতাম| এখন গোয়ালপাড়ায় অনেকেই মাদক ব্যবসা ও স্পট পরিচালনা করে| আমার অনেক মামলা আছে|তাই এখন শুধু গাঁজা বিক্রি করি|"এছাড়াও তিনি আরও দাবি করেন, "আপনাকে খরচের জন্য মাঝে মাঝে টাকা দেব| পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী বলেন, দিন-রাত প্রায় সব সময়ই অনেক অপরিচিত মানুষের আনাগোনা দেখা যায়| এতে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে|" একজন অভিভাবকের ভাষ্য, "আমাদের সবচেয়ে বড় ভয় হচ্ছে কিশোররা|সহজ টাকার লোভে অনেকেই অপরাধচক্রে জড়িয়ে পড়ছে|একজন রিকশাচালক বলেন, পুলিশ অভিযান চালালে কিছু সময় শান্ত থাকে| ১/২ ঘন্টা পরে আবার আগের মতো হয়ে যায়|" এছাড়াও একজন শিক্ষক বলেন, "মাদক শুধু একজন মানুষকে নয়, পুরো একটি প্রজন্মকে ধ্বংস করে দেয়| স্থানীয়দের মতে, অপরাধচক্রে কিশোরদের সম্পৃক্ত করা হলে তারা ভবিষ্যতে সংঘবদ্ধ অপরাধের অংশ হয়ে পড়তে পারে| শিশু ও কিশোরদের অপরাধে ব্যবহার তাদের শিক্ষা,মানসিক বিকাশ ও সামাজিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি| গোয়ালপাড়া ও আশপাশের এলাকায় মাদকের প্রভাবে স্থানীয়দের মতে, কিশোর অপরাধ বৃদ্ধি, চুরি, ছিনতাই ও সহিংসতা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা ˆতরি, পরিবারে অশান্তি ও অর্থনৈতিক সংকট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার বৃদ্ধি,নারীরা ও সাধারণ পথচারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন,স্থানীয় ব্যবসা ও বিনিয়োগের পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ও নতুন প্রজন্ম মাদকের সহজ প্রাপ্যতার ঝুঁকিতে রয়েছে|আরও পড়ুন: গাজীপুরে লাইসেন্স ছাড়া এমএলএম কার্যক্রমের অভিযোগনিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, খুচরা বিক্রেতাদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি মাদকের অর্থের উৎস শনাক্ত করা, সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে দেওয়া, পাচারকারীদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা অভিযান, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি, কিশোরদের পুনর্বাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক ও ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ততা| এসব উদ্যোগ একসঙ্গে বাস্তবায়ন না হলে দীর্ঘমেয়াদে সুফল পাওয়া কঠিন হতে পারে| সচেতন নাগরিকদের মতে, গোয়ালপাড়া ও তুলাতলীর মতো আলোচিত এলাকায় ধারাবাহিক ও গোয়েন্দা-তথ্যভিত্তিক অভিযান, সন্দেহভাজন অর্থনৈতিক লেনদেনের তদন্ত, কিশোরদের পুনর্বাসন এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি| একই সঙ্গে আইনের শাসন নিশ্চিত করা হলে এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে| আরও পড়ুন: বনানীর ২৭ নম্বর রোডের স্পা নিয়ে প্রশ্নের শেষ কোথায়?গোয়ালপাড়া ও তুলাতলীর মাদক সমস্যাকে কেবল একটি বস্তির সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই| এটি জননিরাপত্তা, কিশোরদের ভবিষ্যৎ, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং নগর নিরাপত্তার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত| উল্লেখ্য যে, উক্ত বিষয়ে অতি দ্রুত আরও চমকপ্রদ তথ্য নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বক্তব্য সহ থাকছে অনুসন্ধানী ধারাবাহিক প্রতিবেদন -২|

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

পাঁচ দিন দেশজুড়ে ভারী বর্ষণের সতর্কতা বৃষ্টি থামার লক্ষণ নেই

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ৯টায় প্রকাশিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে। এদিন সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।বৃহস্পতিবার রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে।আরও  পড়ুন, হত্যাচেষ্টা মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেন ব্যারিস্টার সুমন দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।শুক্রবারও আট বিভাগেই বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এদিন দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।শনিবার খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণ হতে পারে।রোববারও একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করবে। খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং দেশের অন্যান্য বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এদিনও দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকায় নদী-নালা, নিম্নাঞ্চল ও পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

হত্যাচেষ্টা মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেন ব্যারিস্টার সুমন

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন হবিগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। তবে তার বিরুদ্ধে আরও একাধিক মামলা থাকায় এখনই কারামুক্ত হচ্ছেন না তিনি। ভয়েসওভার: বুধবার বিচারপতি শেখ জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে ব্যারিস্টার সুমনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার পূর্ণিমা জাহান। মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রিজ গোলচত্বরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের ওপর হামলা এবং গুলি চালিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ ওঠে। আরও  পড়ুন, সন্ধ্যার মধ্যে ৭ জেলায় ঝোড়ো হাওয়া-বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা ঘটনার পর একই বছরের সেপ্টেম্বরে চুনারুঘাট থানায় ব্যারিস্টার সুমনসহ ৯৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর রাজধানীর মিরপুর-৬ এলাকা থেকে ব্যারিস্টার সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে রাজধানীর খিলগাঁও ও আদাবর থানার পৃথক দুটি হত্যা মামলায় তার জামিনের রুল হাইকোর্টে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকটি মামলা বিচারাধীন থাকায় এই মামলায় জামিন পেলেও আপাতত কারাগারেই থাকতে হবে তাকে। অ্যাঙ্কার আউট: ব্যারিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে থাকা অন্যান্য মামলার আইনি প্রক্রিয়ার অগ্রগতির ওপরই নির্ভর করছে তার মুক্তির বিষয়টি।

সন্ধ্যার মধ্যে ৭ জেলায় ঝোড়ো হাওয়া-বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা

দেশের সাত জেলায় আজ সন্ধ্যার মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।বুধবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য প্রকাশিত পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার আরও  পড়ুন, বন্যাকবলিতদের পাশে এমআরএ, ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি তিন মাস স্থগিতবেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।এ কারণে এসব অঞ্চলের নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা নৌযান চালকদের সতর্কতার সঙ্গে চলাচল এবং ঝোড়ো আবহাওয়ার সময় নিরাপদ স্থানে অবস্থান নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।আবহাওয়ার সর্বশেষ পূর্বাভাস জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বন্যাকবলিতদের পাশে এমআরএ, ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি তিন মাস স্থগিত

বন্যাকবলিত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি—এমআরএ। ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে আগামী তিন মাস ঋণের কিস্তি আদায় না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দেশের সব ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানকে।সম্প্রতি দেশের সব ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠিয়েছে এমআরএ।নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অতিবৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানসহ বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।আরও  পড়ুন, বস্ত্র শিল্পে গতি ফেরাতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ, ১৫ লাখ কর্মসংস্থানের আশাএই পরিস্থিতিতে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে জরুরি খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ এবং বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনে সহায়তা অব্যাহত রাখতে বলা হয়েছে।একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের জন্য আগামী তিন মাস ঋণের কিস্তি আদায় স্থগিত, প্রয়োজন অনুযায়ী দুর্যোগকালীন ঋণ প্রদান এবং গ্রাহকদের সঞ্চয়ের অর্থ দ্রুত ফেরত দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এমআরএ জানিয়েছে, উদ্বৃত্ত তহবিল থেকে ব্যয় করা অর্থের হিসাব স্থানীয় প্রশাসনের প্রত্যয়নপত্রসহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে।বন্যাদুর্গত মানুষের আর্থিক চাপ কমাতে এমআরএর এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাজনীতিরাজনীতি

গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে বিতর্ক: নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি ডা. তাসনিম জারার

গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে বিতর্ক: নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি ডা. তাসনিম জারার

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও বিতর্কে এবার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সাবেক এনসিপি নেত্রী ডা. তাসনিম জারা।বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, বিষয়টি শুধু ব্যক্তিগত বিতর্ক হিসেবে নয়, বরং ক্ষমতার প্রভাব ও চাকরিতে সুপারিশনির্ভর সংস্কৃতির আলোকে দেখা প্রয়োজন।ডা. তাসনিম জারা অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, অভিযোগ মিথ্যা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কলঙ্কমুক্ত হবেন, আর অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।আরও  পড়ুন, গাজী নজরুল ইস্যুতে তদন্তে জামায়াত, তথ্য যাচাই শেষে সিদ্ধান্তএকই পোস্টে তিনি দেশে চাকরির ক্ষেত্রে সুপারিশনির্ভর সংস্কৃতির সমালোচনা করে বলেন, এই বাস্তবতায় সাধারণ মানুষ অনেক সময় ক্ষমতাবানদের দ্বারস্থ হতে বাধ্য হন।উল্লেখ্য, সম্প্রতি গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে তিনি লিখিত বিবৃতি ও ফেসবুক পোস্টে ভিডিওতে থাকা তরুণীকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেন।এর আগে জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের পর সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো তদন্তের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ হয়নি।

গাজী নজরুল ইস্যুতে তদন্তে জামায়াত, তথ্য যাচাই শেষে সিদ্ধান্ত

গাজী নজরুল ইস্যুতে তদন্তে জামায়াত, তথ্য যাচাই শেষে সিদ্ধান্ত

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন খবরের বিষয়ে নজর রাখছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি জানিয়েছে, তথ্য-উপাত্ত যাচাই শেষে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।বিবৃতিতে বলা হয়, গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিষয়গুলো দলটি পর্যবেক্ষণ করছে।আরও  পড়ুন, ‘জুলাইয়ের রক্ত লুটপাটের জন্য নয়’ : হাসনাত আবদুল্লাহএছাড়া, এ বিষয়ে গাজী নজরুল ইসলামের নিজস্ব বক্তব্য, তার প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রীর বক্তব্য এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবার ভিডিও বক্তব্যও দলটি বিবেচনায় নিচ্ছে।জামায়াত জানিয়েছে, প্রকৃত ঘটনার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান শেষে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সাংগঠনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গাজী নজরুল ইসলামের একটি ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। পরে তিনি দাবি করেন, ভিডিওতে থাকা তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী।এ বিষয়ে দলীয় অনুসন্ধান শেষ হওয়ার পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

‘জুলাইয়ের রক্ত লুটপাটের জন্য নয়’ : হাসনাত আবদুল্লাহ

‘জুলাইয়ের রক্ত লুটপাটের জন্য নয়’ : হাসনাত আবদুল্লাহ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ঘোষিত মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাগেরহাটের চিতলমারীতে পদযাত্রা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপি। এ সময় দলটির মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, জুলাই আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্র সংস্কার, কোনো নতুন লুটপাটের সুযোগ তৈরি করা নয়।মঙ্গলবার বিকেলে চিতলমারী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়েই তারা জনগণের দুয়ারে এসেছেন। তিনি বলেন, কৃষক, শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষের সমান নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করাই এনসিপির লক্ষ্য।তিনি আরও বলেন, একদলকে সরিয়ে আরেক দলের লুটপাটের জন্য ছাত্র-জনতা রক্ত দেয়নি। আরও  পড়ুন, কুরআনের আলোয় ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের আহ্বানযদি দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দুঃশাসন আগের মতোই চলতে থাকে, তবে জুলাইয়ের আত্মত্যাগের মূল্য থাকবে না।পথসভায় হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, শেখ পরিবার আর দেশের নেতৃত্ব দিতে পারবে না এবং ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। এ সময় তিনি চিতলমারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে এনসিপি মনোনীত প্রার্থী ইসতিয়াক হোসেন জামির পক্ষে সমর্থন কামনা করেন।অনুষ্ঠানে এনসিপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দাবি তুলে ধরেন।পথসভা শেষে হাসনাত আবদুল্লাহর নেতৃত্বে এনসিপির নেতাকর্মীরা চিতলমারী উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করেন।

কুরআনের আলোয় ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের আহ্বান

কুরআনের আলোয় ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের আহ্বান

ফেনীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে তালিমুল কুরআন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মুয়াল্লেম সম্মেলন। এতে কুরআন-হাদিসের আলোকে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে মুয়াল্লেমদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।সোমবার বিকেলে আয়োজিত এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও তালিমুল কুরআন ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল হালিম।তিনি বলেন, কুরআন-হাদিসের আলোকে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সকল মুয়াল্লেমকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। কুরআনই আল্লাহর নৈকট্য লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা কুরআনকে হৃদয়ে ধারণ করেছেন, তারা কঠিন পরীক্ষার মুখেও অবিচল থাকতে পারেন। তাই কুরআনের শিক্ষার মাধ্যমে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে আলোকিত করার আহ্বান জানান তিনি।ফাউন্ডেশনের ফেনী জেলা পরিচালক মাওলানা আব্দুল মালেকের সভাপতিত্বে এবং জেলা সেক্রেটারি মাওলানা নাজমুল আহসানের সঞ্চালনায় সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেনআরও পড়ুন.‘মিথ্যা মামলা, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও অর্থপাচার বন্ধ হোক’ : চরমোনাই পীরজামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া, ফেনী জেলা আমির মুফতি আব্দুল হান্নান, নোয়াখালীর সাবেক জেলা আমির মাওলানা আলাউদ্দিন, ফেনী জেলা নায়েবে আমির অধ্যাপক আবু ইউসুফ, মাওলানা মাহমুদুল হক এবং জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুর রহিম।বক্তারা বলেন, শিক্ষকতাকে শুধু পেশা হিসেবে নয়, বরং কুরআনের খেদমতের একটি দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি সমাজে নৈতিকতা ও মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় কুরআনের চর্চা আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।সম্মেলনের শেষে ৪৫ দিনব্যাপী মুয়াল্লিম প্রশিক্ষণে উত্তীর্ণ সাতজনকে পুরস্কার এবং প্রশিক্ষকদের মাঝে সনদপত্র প্রদান করা হয়।

সারাবাংলা

দল থেকে বহিষ্কার, এমপি পদও ঝুঁকিতে? আসন শূন্যের ইঙ্গিত ইসির

দল থেকে বহিষ্কার, এমপি পদও ঝুঁকিতে? আসন শূন্যের ইঙ্গিত ইসির

দলীয় সিদ্ধান্তে বহিষ্কৃত হলে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হয়ে যেতে পারে—এমন গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, আনুষ্ঠানিক নথিপত্র হাতে পাওয়ার আগে এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে না নির্বাচন কমিশন।বুধবার গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে নির্বাচন কমিশনার বলেন, দলীয় প্রতীকে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির আইনগত ভিত্তি দলীয় কাঠামোর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ফলে কোনো রাজনৈতিক দল আনুষ্ঠানিকভাবে একজন সংসদ সদস্যকে বহিষ্কার করলে এবং তার দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাহার বা বাতিল করলে, আইনগতভাবে তার আসন শূন্য হওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় আসতে পারে।তবে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট বহিষ্কারের কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি বা নথি নির্বাচন কমিশনের হাতে পৌঁছায়নি বলেও জানান তিনি। কমিশনের নিজস্ব প্রক্রিয়া অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাওয়ার পর সংবিধান, নির্বাচন আইন ও বিধিমালা পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।আরও পড়ুন. বিয়ের পাঁচ মাসের মাথায় নববধূকে তালাক, বিচারের দাবিতে স্বামীর বাড়ির সামনে স্ত্রীর অবস্থানএদিকে, নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে দলের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু—দলীয় বহিষ্কারের পর সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের সাংবিধানিক অবস্থান কী হবে, সেই প্রশ্নের উত্তর মিলবে নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের পর।

বিয়ের পাঁচ মাসের মাথায় নববধূকে তালাক, বিচারের দাবিতে স্বামীর বাড়ির সামনে স্ত্রীর অবস্থান

বিয়ের পাঁচ মাসের মাথায় নববধূকে তালাক, বিচারের দাবিতে স্বামীর বাড়ির সামনে স্ত্রীর অবস্থান

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আটাপুর ইউনিয়নের বরন গ্রামে বিয়ের মাত্র পাঁচ মাসের মাথায় এক নববধূকে তালাক দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদ এবং সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে স্বামীর বাড়ির সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ওই নারী। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।সরেজমিনে জানা যায়, গত মঙ্গলবার  (২১ জুলাই ২৬) বিকেলে দিবাকরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহিনুর রহমানের বাড়ির সামনে অবস্থান নেন তার স্ত্রী মাহমুদা আক্তার। শাহিনুর রহমান মৃত আশরাফ আলী মাস্টারের ছেলে।মাহমুদা আক্তারের অভিযোগ, পারিবারিকভাবে প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস আগে তাদের বিয়ে হয়। কিছুদিন আগে তার স্বামী তাকে বাবার বাড়িতে রেখে যান। পরে ডাকযোগে আদালতের মাধ্যমে পাঠানো একটি তালাকনামা তার কাছে পৌঁছায়। তবে তালাকের কারণ সম্পর্কে তাকে কিছু জানানো হয়নি বলে তিনি দাবি করেন। তালাকের কারণ জানতে এবং সংসার করার ইচ্ছা প্রকাশ করে তিনি স্বামীর বাড়ির সামনে অবস্থান নেন।তিনি আরও অভিযোগ করেন, শাহিনুর রহমানের প্রথম স্ত্রী দুই সন্তান রেখে মারা যান। পরে তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেন এবং সেই স্ত্রীকেও বিভিন্ন অভিযোগ তুলে তালাক দেন। আরও  পড়ুন, আলমবিদিতর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রে চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল মতিনমাহমুদা বলেন, তার আগের বিয়ে ও একটি সন্তান থাকার বিষয়টি জেনেশুনেই শাহিনুর তাকে বিয়ে করেছিলেন। বর্তমানে তার স্বর্ণালংকার, জামাকাপড়সহ ব্যক্তিগত মালামাল স্বামীর বাড়িতে রয়েছে।মাহমুদার মা চানতারা খাতুন ও ছোট ভাই ইমরান হোসেন তৌহিদ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। তাদের অভিযোগ, এ ধরনের ঘটনা নারীদের জীবনে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি করছে।অভিযোগের বিষয়ে শাহিনুর রহমানের সঙ্গে ঘটনাস্থলে সরাসরি কথা বলা সম্ভব না হলেও মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমাদের বনিবনা হচ্ছিল না। তাই আদালতের মাধ্যমে তালাক দিয়েছি।”এ ঘটনায় শিক্ষক শাহিনুর রহমানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে মাহমুদা আক্তার উপজেলা প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, উপজেলা শিক্ষা অফিসসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বা শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা রয়েছে।

আলমবিদিতর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রে চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল মতিন

আলমবিদিতর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রে চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল মতিন

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার ৮ নম্বর আলমবিদিতর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুল মতিন। তিনি ইউনিয়নবাসীর কাছে সমর্থন, সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করে নির্বাচনী প্রচারণা ও গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন। আব্দুল মতিন বলেন, একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও উন্নত সমাজ গঠনের জন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আলমবিদিতর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, উন্নত ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সমর্থন ও ভোট প্রত্যাশা করছেন।তিনি বলেন, জনগণের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা, সামাজিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করা এবং একটি জনবান্ধব ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তোলাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। নির্বাচিত হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য,আরও  পড়ুন, আন্তর্জাতিক বৃত্তি ও বিশ্বসেরা জার্নালে গবেষণা এক বছরেই চবির ৭৭ শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনন্য অর্জন অবকাঠামো উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা ও সেবার মান বৃদ্ধিতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করবেন বলে জানান তিনি।স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও সেবামূলক  কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় আব্দুল মতিন ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের কাছে পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। ধর্ম, বর্ণ, দল ও মতের ঊর্ধ্বে উঠে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন বলে অনেকেই মন্তব্য করেন।ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে তাঁর পক্ষে গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ফলে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আলমবিদিতর ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গনে চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল মতিনকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বৃত্তি ও বিশ্বসেরা জার্নালে গবেষণা এক বছরেই চবির ৭৭ শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনন্য অর্জন

আন্তর্জাতিক বৃত্তি ও বিশ্বসেরা জার্নালে গবেষণা এক বছরেই চবির ৭৭ শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনন্য অর্জন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার একটি শক্তিশালী কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। বিশ্বের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উচ্চশিক্ষার সুযোগ, মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক বৃত্তি অর্জন এবং বিশ্বসেরা গবেষণা সাময়িকীতে গবেষণাপত্র প্রকাশ সব মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা নতুন এক সাফল্যের ইতিহাস লিখছেন।এই ধারাবাহিক অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে চলতি বছরে আন্তর্জাতিক বৃত্তি ও গবেষণায় কৃতিত্ব অর্জনকারী ৭৭ জন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিয়েছে চিটাগাং ইউনিভার্সিটি রিসার্চ অ্যান্ড হায়ার স্টাডি সোসাইটি (সিইউআরএইচএস) এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স অফিস।মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিভার্সিটি ইনোভেশন হাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ট্রপিক্যাল ডিজিজ রিসার্চ প্রোগ্রামের কনসালট্যান্ট সায়েন্টিস্ট অধ্যাপক ড. এমরান বিন ইউনুস।আরও  পড়ুন. সিরাজগঞ্জ পৌরকর্মচারী ইউনিয়নের নবনির্বাচিত পরিষদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিতআয়োজকদের তথ্যমতে, চলতি বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৭ জন শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জন্য আন্তর্জাতিক বৃত্তি অর্জন করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন দুইজন কমনওয়েলথ স্কলারশিপপ্রাপ্ত, তিনজন ইরাসমাস মুন্ডুস স্কলারশিপপ্রাপ্ত, চারজন জাপানের মনবুশো স্কলারশিপপ্রাপ্ত এবং তিনজন অস্ট্রেলিয়া সরকারের মর্যাদাপূর্ণ স্কলারশিপপ্রাপ্ত।সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক সুযোগ পেয়েছেন জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি, অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।শুধু বিদেশে উচ্চশিক্ষাই নয়, গবেষণার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা স্পষ্ট হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়জন শিক্ষকের গবেষণাপত্র বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় গবেষণা সাময়িকী দ্য ল্যানসেট, নেচার কমিউনিকেশনস এবং পিএনএএস-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।উচ্চ ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টরসম্পন্ন গবেষণা এবং সর্বাধিক সাইটেশন অর্জনের জন্য অধ্যাপক ড. খাদিজা মিতু, অধ্যাপক ড. ফারজানা ইয়াসমিন চৌধুরী, অধ্যাপক ড. সুমন গাঙ্গুলি, অধ্যাপক ড. কমল দে, ড. অলি আহমেদ, ড. শহিদুল্লাহ কায়সার,আরও  পড়ুন,গ্যাস না পেয়ে ক্ষুব্ধ চালকরা, মহাসড়ক অবরোধে দীর্ঘ যানজট অধ্যাপক ড. মাসুদ কামাল এবং ড. হুমায়ুন কবিরকে বিশেষ সম্মাননা জানানো হয়।এছাড়া বিশ্বব্যাংকের হায়ার এডুকেশন অ্যাকসিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (HEAT) প্রকল্পের অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত, আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পুরস্কারজয়ী এবং উচ্চপ্রভাবসম্পন্ন আন্তর্জাতিক সাময়িকীতে গবেষণাপত্র প্রকাশকারী শিক্ষক-গবেষকদেরও সংবর্ধনা দেওয়া হয়।প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সাফল্য বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার মান ও বৈশ্বিক সক্ষমতার প্রতিফলন। গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে। বিদেশে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা দেশের উন্নয়নে কাজে লাগানোরও আহ্বান জানান তিনি।বিশেষ অতিথি অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় অংশগ্রহণ দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও সমৃদ্ধ করবে এবং নতুন প্রজন্মের গবেষকদের বিশ্বমানের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।অনুষ্ঠানে সিইউআরএইচএসের মডারেটর অধ্যাপক ড. আদনান মান্নান বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক বৃত্তি অর্জনের পরিসংখ্যান এবং গবেষণায় বর্তমান অবস্থান তুলে ধরেন। বিদেশে উচ্চশিক্ষার বাস্তব অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন অধ্যাপক ড. অলক পাল, অধ্যাপক ড. কাজি তানভীর আহাম্মেদ এবং অধ্যাপক ড. শাহনেওয়াজ চৌধুরী।বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের মতে, আন্তর্জাতিক বৃত্তি, বিশ্বমানের গবেষণা এবং বৈশ্বিক একাডেমিক যোগাযোগের এই ধারা অব্যাহত থাকলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শুধু দেশের নয়, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গবেষণানির্ভর উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা আরও জোরালো হবে।

আন্তর্জাতিক

যুদ্ধ চালাতে আরও ৮৭ বিলিয়ন চায় যুক্তরাষ্ট্র

যুদ্ধ চালাতে আরও ৮৭ বিলিয়ন চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতে ব্যয় দ্রুত বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের। এখন পর্যন্ত এই যুদ্ধে ওয়াশিংটনের খরচ পৌঁছেছে ৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে। এমন পরিস্থিতিতে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখতে কংগ্রেসের কাছে অতিরিক্ত ৮৭ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ চেয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ।ভয়েসওভার:মঙ্গলবার সিনেট অ্যাপ্রোপ্রিয়েশনস কমিটির শুনানিতে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানান, মে মাসের তুলনায় যুদ্ধ ব্যয় প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, অতিরিক্ত অর্থ অনুমোদন না হলে সামরিক বাহিনীর প্রশিক্ষণ, অস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুত পুনর্গঠন এবং চলমান সামরিক অভিযান পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়বে।পেন্টাগনের প্রস্তাব অনুযায়ী, চাওয়া অতিরিক্ত ৮৭ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে ৬৭ বিলিয়ন ডলার মধ্যপ্রাচ্যে পরিচালিত সামরিক অভিযানে ব্যয় করা হবে।আরও পড়ুন. জেলেনস্কির বড় সিদ্ধান্ত, বরখাস্ত ইউক্রেনের সেনাপ্রধান সিরস্কি হেগসেথের ভাষায়, বর্তমান বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে দ্রুত অর্থায়ন নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।এর আগে, আগামী অর্থবছরের জন্য ১ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেটের প্রস্তাব কংগ্রেসে পাঠায় হোয়াইট হাউস। এটি অনুমোদিত হলে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রতিরক্ষা বাজেট হিসেবে বিবেচিত হবে।এদিকে যুদ্ধও থেমে নেই। টানা ১১তম দিনের মতো ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পাল্টা জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইরান। ফলে অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা আরও বাড়ছে।

১৪ ঘন্টা আগে

রাজধানী

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ডিএমপির অভিযান একদিনে ১,৩৮৬ মামলা

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ডিএমপির অভিযান একদিনে ১,৩৮৬ মামলা

রাজধানীর সড়কে ট্রাফিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে অভিযান জোরদার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ। একদিনের অভিযানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে করা হয়েছে ১ হাজার ৩৮৬টি মামলা।সোমবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ২৯৯টি মামলা হয়েছে ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে। এরপর গুলশান বিভাগে ২৫১টি, তেজগাঁওয়ে ১৮০টি, উত্তরায় ১৭৪টি এবং ওয়ারী বিভাগে ১৬৬টি মামলা করা হয়েছে।আরও  পড়ুন, সবুজবাগে বিএনপি কর্মী পলাশকে কুপিয়ে হত্যা, দুই হাতের কবজি বিচ্ছিন্নএ ছাড়া মিরপুরে ১৫৩টি, লালবাগে ৯৪টি এবং রমনা বিভাগে ৬৯টি মামলা হয়েছে।অভিযানে বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।শুধু মামলা নয়, অভিযান চলাকালে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে ৩৯৪টি যানবাহন ডাম্পিং এবং ৩১৪টি যানবাহন রেকার করা হয়েছে।ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীতে সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে।ট্রাফিক আইন মেনে চলার পাশাপাশি নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে চালক ও পথচারীদের সহযোগিতা কামনা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।

১৩ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

ফের মুখোমুখি স্পেন-আর্জেন্টিনা

ফের মুখোমুখি স্পেন-আর্জেন্টিনা

২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের রোমাঞ্চ শেষ হলেও ফুটবলপ্রেমীদের সামনে আবারও স্পেন ও আর্জেন্টিনার মহারণ দেখার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আলোচনায় এসেছে বহু প্রতীক্ষিত ফিনালিসিমা।ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেন এবং কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে নিয়ে আয়োজিত হওয়ার কথা এই আন্তঃমহাদেশীয় ফাইনালের।প্রথমে ম্যাচটি ২০২৬ বিশ্বকাপের আগেই কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল। তবে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে সেই পরিকল্পনা স্থগিত হয়ে যায়।এরপর স্পেনের সান্তিয়াগো বার্নাবেউ স্টেডিয়াম কিংবা দুই দেশের হোম-অ্যাওয়ে ভেন্যু নিয়ে আলোচনা হলেও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।আরও  পড়ুন, দ্বিতীয়ার্ধে দাপট, নেপালকে উড়িয়ে সিরিজ নিশ্চিত বাংলাদেশেরএদিকে ইএসপিএন আর্জেন্টিনার সাংবাদিক মার্টিন আরেভালোর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চলতি বছরের নভেম্বরে আবারও লুসাইল স্টেডিয়ামেই ফিনালিসিমা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এমনকি কাতার সরকার ম্যাচ আয়োজনের স্বত্বও পেয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে এখনো উয়েফা কিংবা কনমেবল এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি।উল্লেখ্য, ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জেতে স্পেন।আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও সম্ভাব্য এই ম্যাচ ঘিরে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে।

আইন আদালত

বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতা

বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতা

বর্ষার বৃষ্টির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি জেলা শহরগুলোতেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এডিস মশাবাহিত এই রোগ। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু সংক্রমণের উচ্চ প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২০ জুলাই পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০ হাজার ৪৮৫ জন। এ সময় ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৯ হাজার ৪৪০ জন।শুধু জুলাই মাসের প্রথম ১৯ দিনেই আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৮১ জন, যা জুন মাসের মোট আক্রান্ত ২ হাজার ৯০৭ জনের তুলনায় প্রায় ৩৪ শতাংশ বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪৭৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর ডেঙ্গুর জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়। বিশেষ করে বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং ঢাকার আশপাশের জেলাগুলোতে সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।আরও  পড়ুন, জুলাই আন্দোলনের রক্তাক্ত দিন: ২০ জুলাইয়ে দেশজুড়ে কারফিউ ও সেনা টহলতিনি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত লার্ভা ধ্বংস, লার্ভিসাইড প্রয়োগ এবং জেলা-উপজেলা হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী জানান, ডেঙ্গুর উৎস শনাক্ত ও ধ্বংসে কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। শিগগিরই ৩০০ স্বেচ্ছাসেবক বাসাবাড়ির ছাদ, গ্যারেজ ও সম্ভাব্য প্রজননস্থল পরিদর্শনে নামবেন।জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু ফগিং করে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। জমে থাকা পরিষ্কার পানি অপসারণ, নির্মাণাধীন ভবনে নিয়মিত তদারকি, লার্ভা জরিপ এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিই ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।চিকিৎসকদের পরামর্শ, জ্বর, শরীরব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, বমি বা রক্তক্ষরণের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও দীর্ঘমেয়াদি রোগীদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর