দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

গুলশানে গেস্ট হাউজ-স্পা, পেছনে মিরাজের অজানা সাম্রাজ্য?

গুলশানে গেস্ট হাউজ-স্পা, পেছনে মিরাজের অজানা সাম্রাজ্য?

বরগুনার বেতাগী উপজেলার গরিচন্না বাজার এলাকায় জম্ম মিরাজের। তিনি ঢাকার বুকে হোটেল ব্যবসায় অঙ্গনে যিনি ‘মোল্লা মিরাজ’ নামে পরিচিত বলে স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে। প্রায় এক দশক আগে ঢাকায় এসে মিরপুরের একটি আবাসিক হোটেলে ক্লিনারের চাকরি নেওয়া থেকে তার কর্মজীবনের শুরু। সময়ের ব্যবধানে সেই চাকরি থেকে হোটেল, স্পা ও গেস্ট হাউজ ব্যবসায় প্রবেশ এবং পরবর্তীতে রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে ফ্ল্যাট, বাড়ি-গাড়িসহ বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, মিরাজের বর্তমান জীবনযাপন ও সম্পদের সঙ্গে তার অতীত আর্থিক অবস্থার ব্যাপক পার্থক্য রয়েছে। একসময় সাধারণ কর্মচারী হিসেবে কাজ করলেও বর্তমানে তিনি ভিআইপি স্টাইলে চলাফেরা করেন। তার মালিকানাধীন বা নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন হোটেল, স্পা ও গেস্ট হাউজকে ঘিরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, মাদক, মানবপাচার এবং ব্ল্যাকমেইলিংয়ের মতো গুরুতর অভিযোগও রয়েছে বলে দাবি সূত্রগুলোর। অভিযোগগুলোর স্বাধীন যাচাই প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।আরও পড়ুন: গুলশানে গেস্ট হাউজ ও দীর্ঘদিনের স্পা ব্যবসায় কোটিপতি মিরাজপ্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১০ বছর আগে বরগুনা থেকে ঢাকায় আসেন মিরাজ। তখন তার আর্থিক অবস্থা ছিল সাধারণ। রাজধানীর মিরপুর এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে ক্লিনার হিসেবে চাকরি নেন তিনি। হোটেলকেন্দ্রিক পরিবেশে কাজ করতে গিয়ে ধীরে ধীরে ব্যবসার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে ধারণা নেন বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি। পরবর্তীতে চাকরি ছেড়ে নিজেই হোটেল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। সময়ের সঙ্গে স্পা ও গেস্ট হাউজ ব্যবসাতেও তার সম্পৃক্ততা বাড়তে থাকে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসা সম্প্রসারণের মাধ্যমে তিনি অল্প সময়ের মধ্যেই বড় অঙ্কের অর্থ ও সম্পদের মালিক হয়েছেন।সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন, একজন সাধারণ কর্মচারী থেকে এত অল্প সময়ে কীভাবে বিপুল সম্পদের মালিক হলেন মিরাজ? তার ব্যবসার মূলধন কোথা থেকে এসেছে, কোন কোন প্রতিষ্ঠানের নামে সম্পদ রয়েছে এবং এসব ব্যবসা থেকে অর্জিত অর্থের উৎস কী এসব বিষয়ে যথাযথ তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।আরও পড়ুন: অপসাংবাদিকতার তাণ্ডব: মূলধারা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার বড় সংকটঅভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে রাজধানীর গুলশানে ৩৩ নং রোডে অবৈধ গেস্ট হাউজ ও ৪১ নং রোডে একটি স্পা এবং আর এম সেন্টারে ভিআইপি সেলুন ও স্পেশাল সার্ভিসের ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া  একটি ফ্ল্যাটসহ বিভিন্ন স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মালিক মিরাজ। তার নামে বা ঘনিষ্ঠদের নামে আরও সম্পদ রয়েছে বলেও বিভিন্ন সূত্র দাবি করেছে। তবে এসব সম্পদের প্রকৃত মালিকানা, ক্রয়ের অর্থের উৎস এবং আয়কর নথিতে সেগুলোর যথাযথ হিসাব রয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি যাচাই প্রয়োজন। অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তার সম্পদ ও ব্যবসায়িক লেনদেন যাচাই করা গেলে অভিযোগের সত্যতা বা অসত্যতা স্পষ্ট হতে পারে বলে মনে করছেন সাংবাদিক ও স্থানীয়রা।রাজধানীর গুলশানের একটি গেস্ট হাউজ ও স্পা সেন্টারকে ঘিরে মিরাজের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ উঠেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, প্রতিষ্ঠানটির আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়ে আসছে। একই সঙ্গে সেখানে মাদকসেবী, মাদক কারবারি কিংবা মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কথিত আনাগোনা রয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে মাদক ব্যবসা বা মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত হিসেবে চিহ্নিত করার মতো আদালতসিদ্ধ তথ্য এই প্রতিবেদকের হাতে নেই। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত জরুরি।আরও পড়ুন: ডেঙ্গু ঠেকাতে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে তিন মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রীস্থানীয়দের প্রশ্ন, আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকায় পরিচালিত এসব প্রতিষ্ঠান নিয়ম অনুযায়ী নিবন্ধিত ও অনুমোদিত কি না? তাদের ট্রেড লাইসেন্স, অগ্নিনিরাপত্তা, পরিবেশগত ছাড়পত্র এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন রয়েছে কি না এ বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি প্রয়োজন। মিরাজের বিরুদ্ধে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগগুলোর একটি হলো মানবপাচার চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততার দাবি। কয়েকটি সূত্রের ভাষ্য, হোটেল ও গেস্ট হাউজ ব্যবসাকে কেন্দ্র করে একটি বড় সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে, যার মাধ্যমে বিপুল অর্থ লেনদেন হয়।অভিযোগ রয়েছে, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তরুণী ও তরুণদের রাজধানীতে এনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজে নিয়োগ বা অন্য সুযোগ দেওয়ার কথা বলে তাদের একটি চক্রের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরে তাদের ব্যবহার করে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করা হয় বলেও অভিযোগকারীদের দাবি। তবে এ অভিযোগের পক্ষে কোনো মামলার নথি, তদন্ত প্রতিবেদন বা আদালতের রায় এই প্রতিবেদনের সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব হয়নি। ফলে বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।আরও পড়ুন: অনলাইন পোর্টাল ও ফেসবুক পেজ খুলেই কথিত ‘সাংবাদিক’!মানবপাচারের অভিযোগ সত্য হলে এটি অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ। তাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও মানবপাচারবিরোধী সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর উচিত অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা।হোটেল ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের দাবি, মিরাজ রাজধানীর হোটেল অঙ্গনে ‘মোল্লা মিরাজ’ নামে পরিচিত। ব্যবসায়িক যোগাযোগের পাশাপাশি বিভিন্ন মহলে তার প্রভাব রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে তার সামাজিক ও ব্যবসায়িক প্রভাবও বেড়েছে। বর্তমানে তিনি দামি গাড়িতে চলাফেরা করেন এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে এমন কথাও শোনা যায়। মিরাজকে নিয়ে ইতিপূর্বে দৈনিক সংবাদ দিগন্তে প্রতিবেদন প্রকাশের পর সাংবাদিকদের হুমকি-ধমকি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।প্রতিবেদন প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ কিংবা হয়রানির চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু সংবাদ প্রকাশ বন্ধ করতে ভয়ভীতি বা চাপ প্রয়োগ করা হলে তা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য উদ্বেগের বিষয়। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কোনো পক্ষ যাতে সংবাদ প্রকাশের কারণে হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজর দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টরা।আরও পড়ুন: শিকলে বেঁধে বেল্ট দিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ, পরে গৃহবধূর মৃত্যুমিরাজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগও সামনে এসেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, বিভিন্ন ব্যক্তির ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি বা ভিডিওকে কেন্দ্র করে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হয়। তবে কার কাছ থেকে কত টাকা আদায় করা হয়েছে বা এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়েছে কি না এমন নির্ভরযোগ্য নথি প্রতিবেদকের হাতে না থাকায় অভিযোগটি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। যদি সত্যিই এমন কোনো কর্মকাণ্ড থেকে থাকে, তাহলে ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে তদন্ত করা সম্ভব। একজন সাধারণ কর্মচারী থেকে কয়েক বছরের ব্যবধানে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ উঠলে স্বাভাবিকভাবেই সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। মিরাজের আয়কর নথি, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, ব্যাংক লেনদেন, সম্পত্তি ক্রয়ের দলিল এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স যাচাই করলে প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসতে পারে। বিশেষ করে তার মালিকানাধীন বা নিয়ন্ত্রণাধীন হোটেল, স্পা ও গেস্ট হাউজগুলোর বৈধতা, অনুমোদন এবং আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কোনো প্রতিষ্ঠান অন্য কারও নামে পরিচালিত হলেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রক কে সেটিও তদন্তের আওতায় আনা উচিত।আরও পড়ুন: বাঁধনের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা, ‘আমরা সবাই বিচার চাই’: পাটওয়ারীরাজধানীর অভিজাত এলাকাগুলোতে হোটেল, গেস্ট হাউজ ও স্পা ব্যবসার আড়ালে যাতে কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতে না পারে, সে বিষয়ে নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মাদক, মানবপাচার, অনৈতিক কর্মকাণ্ড বা ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগ থাকলে তা তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করা উচিত। অভিযোগ সত্য হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং অভিযোগ মিথ্যা হলে সংশ্লিষ্টদেরও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ থাকা প্রয়োজন।মিরাজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর বিষয়ে তার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত তার কাছ থেকে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। দৈনিক সংবাদ দিগন্তের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হচ্ছে, এই প্রতিবেদনে উত্থাপিত অনৈতিক কর্মকাণ্ড, মাদক, মানবপাচার, অবৈধ সম্পদ ও ব্ল্যাকমেইলিং সংক্রান্ত বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট সূত্র ও অভিযোগকারীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। রাজধানীতে একজন সাধারণ কর্মচারী থেকে দ্রুত বিপুল সম্পদের মালিক হয়ে ওঠার অভিযোগ এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঘিরে ওঠা গুরুতর অভিযোগগুলো তাই যথাযথ কর্তৃপক্ষের নজরে এনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি রাখে। তদন্তেই বেরিয়ে আসতে পারে মিরাজের বিপুল সম্পদের প্রকৃত উৎস কী এবং তার পরিচালিত হোটেল, স্পা ও গেস্ট হাউজ ব্যবসার আড়ালে আদৌ কোনো অপরাধী চক্র সক্রিয় রয়েছে কি না।আরও পড়ুন: আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ডিএমপি, দুই দিনে ৩২০৬ মামলাআইন বিশেষজ্ঞদের মতে, আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অবৈধ ব্যবসা, মাদক, মানবপাচার, ব্ল্যাকমেইলিং কিংবা অবৈধ সম্পদ অর্জনের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠলে তা যথাযথভাবে তদন্ত ও প্রমাণের মাধ্যমে যাচাই করা জরুরি। গণমাধ্যমে এসব অভিযোগ প্রকাশের ক্ষেত্রে অভিযোগকে সরাসরি প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে উপস্থাপন না করে ‘অভিযোগ’ বা ‘সূত্রের দাবি’ হিসেবে উল্লেখ করা উচিত।বিশেষজ্ঞরা বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স, ব্যবসায়িক নথি, সম্পত্তির দলিল, আয়কর নথি ও আর্থিক লেনদেন যাচাই করলে সম্পদের প্রকৃত উৎস সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া সম্ভব। একই সঙ্গে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়াও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আইন বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিককে ভয়ভীতি বা হুমকি দেওয়া হলে সেটিও আইনগতভাবে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। সংবাদে আপত্তি থাকলে আইনসম্মতভাবে প্রতিবাদ বা প্রতিকার চাওয়া যায়; কিন্তু চাপ প্রয়োগ করে সংবাদ বন্ধের চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। তাই মিরাজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন জরুরি।আরও পড়ুন: সকালেই মেঘে ঢাকা রাজধানী, দুপুরের মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনাএবিষয়ে মিরাজের পরিচালিত গেস্ট হাউজ ও স্পা সেন্টারকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দাউদ হোসেনের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, গুলশান এলাকায় কোনো হোটেল, গেস্ট হাউজ বা স্পা সেন্টারের আড়ালে অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হবে না। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে পুলিশ তা যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। আরও পড়ুন: পুলিশে বড় রদবদল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১০ কর্মকর্তা বদলিওসি আরও বলেন, গুলশান এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় এর আগে বিভিন্ন স্পা সেন্টারে অভিযান চালিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মাদক, মানবপাচার, ব্ল্যাকমেইলিং কিংবা অন্য কোনো অপরাধের সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলে তা পুলিশকে জানালে তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ সাময়িক বরখাস্ত

পুলিশের সাবেক সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি ও সাবেক পুলিশ সুপার মো. আপেল মাহমুদকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নের সাবেক পুলিশ সুপার মো. আপেল মাহমুদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা ২০১৮-এর ৩ খ বিধি অনুযায়ী অসদাচরণের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা রুজুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আরও  পড়ুন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের পাশে জুবাইদা রহমানআদেশে আরও বলা হয় সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা ২০১৮-এর ১২ ১ বিধি অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা সমীচীন বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সাময়িক বরখাস্তের সময়ে মো. আপেল মাহমুদ রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত থাকবেন। এ সময় বিধি অনুযায়ী তিনি খোরপোষ ভাতা পাওয়ারও অধিকারী হবেন।তবে তার বিরুদ্ধে আনা অসদাচরণের অভিযোগের বিস্তারিত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়নি।

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের পাশে জুবাইদা রহমান

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান বাংলাদেশ বিমান বাহিনী পরিচালিত বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের বিশেষায়িত স্কুল ব্লু স্কাই পরিদর্শন করেছেন।মঙ্গলবার সকালে ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত স্কুলটিতে যান তিনি। সেখানে পৌঁছালে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী মহিলা কল্যাণ সমিতি বাফওয়া ও আদার্স উইমেন অ্যান্ড চিলড্রেন ক্লাবের সভাপতি সালেহা খান তাকে স্বাগত জানান। এ সময় স্কুলের শিক্ষার্থীরা ফুল দিয়ে তাকে বরণ করে নেয়।পরিদর্শনকালে জুবাইদা রহমান স্কুলের বিভিন্ন শ্রেণি কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সার্বিক বিকাশে পরিচালিত বিভিন্ন থেরাপি কার্যক্রমও সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।এর মধ্যে ছিল হাইড্রোথেরাপি ফিজিওথেরাপি অকুপেশনাল থেরাপি স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপি সাইকোলজি এবং মিউজিক থেরাপি। স্কুলের শিক্ষা কার্যক্রম কারিগরি প্রশিক্ষণ থেরাপি সুবিধা এবং জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থাসহ সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন স্কুলের অধ্যক্ষ।বিমান বাহিনী মহিলা কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ব্লু স্কাই স্কুল। বর্তমানে বিশেষভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ২৮ জন শিক্ষক ও থেরাপিস্ট এখানে কাজ করছেন। প্রতি পাঁচজন শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক এবং একজন সিস্টার বা ব্রাদার দায়িত্ব পালন করছেন।আরও  পড়ুন, একনেকে উঠছে ৪৫ হাজার কোটি টাকার মেট্রোরেল প্রকল্পবিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে স্কুলটিতে কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্থাও রয়েছে। এর আওতায় কয়েকজন শিক্ষার্থীকে সহকারী থেরাপিস্ট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।পরিদর্শনের পর জুবাইদা রহমান বাফওয়া ক্রাফটস অ্যান্ড বুটিক দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ প্রকল্প এবং বাফওয়া ইন্ডাস্ট্রিয়াল হোমের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। প্রশিক্ষণার্থীদের তৈরি বিভিন্ন হস্তশিল্প সামগ্রীও দেখেন তিনি।পরে ব্লু স্কাই স্কুলের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু এবং বাফওয়া গোল্ডেন ঈগল নার্সারির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন জুবাইদা রহমান। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা গান নৃত্য ফ্যাশন শোসহ বিভিন্ন পরিবেশনায় অংশ নেয়।পরিদর্শন শেষে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা ও থেরাপি সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে বাফওয়ার বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন ডা. জুবাইদা রহমান।অনুষ্ঠানে বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বাফওয়া কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

একনেকে উঠছে ৪৫ হাজার কোটি টাকার মেট্রোরেল প্রকল্প

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির একনেক সভা চলছে। বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এ সভা শুরু হয়।একনেকের আজকের এজেন্ডায় রয়েছে গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন রুট নির্মাণের প্রকল্প। ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে।পরিকল্পনা কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ১৭ দশমিক ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মেট্রোরেলের ১৩ দশমিক ১০ কিলোমিটার থাকবে পাতালপথে এবং ৪ দশমিক ১০ কিলোমিটার হবে উড়ালপথ। রুটে থাকবে ১৫টি স্টেশন। এর মধ্যে ১১টি পাতাল এবং চারটি উড়াল স্টেশন।গাবতলী থেকে টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, কলেজ গেট, আসাদ গেট, শুক্রাবাদ, কারওয়ান বাজার, হাতিরঝিল, তেজগাঁও ও আফতাবনগর হয়ে দাশেরকান্দি পর্যন্ত যাবে এই মেট্রোরেল। পুরো পথ যেতে সময় লাগতে পারে প্রায় ২৮ মিনিট।প্রকল্পের প্রস্তাব অনুযায়ী, শুরুতে ছয়টি কোচের ১৯টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি ট্রেনে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯০৮ জন যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা থাকবে। প্রকল্পটি চালু হলে প্রতিদিন প্রায় ৯ লাখ ২৪ হাজার যাত্রী এই রুটে চলাচল করতে পারবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।আরও  পড়ুন, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষায় মালয়েশিয়া যাচ্ছেন মির্জা আব্বাসপ্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন থাকবে ১৫ হাজার ১৯৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। আর ৩০ হাজার ৩০৬ কোটি ১০ লাখ টাকা বৈদেশিক ঋণ হিসেবে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এবং দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহযোগিতা তহবিল থেকে।প্রকল্পটির ব্যয় শুরুতে ধরা হয়েছিল ৫৪ হাজার ৬১৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন খাত পর্যালোচনা করে ব্যয় কমিয়ে সর্বশেষ ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রাথমিক প্রস্তাবের তুলনায় ব্যয় কমেছে ৯ হাজার ১১৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা।তবে ব্যয় কমানোর ক্ষেত্রে ঋণের সুদ ও কমিটমেন্ট চার্জের মতো কিছু দায় প্রকল্পের হিসাব থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রকল্প ব্যয়ের অঙ্ক কমলেও এসব দায় পরবর্তী সময়ে সরকারের নিয়মিত অর্থপ্রদানের আওতায় থাকতে পারে।প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০৩৩ সালের আগস্ট পর্যন্ত। একনেকে অনুমোদন পেলে অর্থায়ন চুক্তি, জমি অধিগ্রহণ ও ঠিকাদার নিয়োগসহ পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।তবে প্রকল্পটি আজ একনেকের এজেন্ডায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত অনুমোদন দেওয়া হবে কি না তা সভার সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষায় মালয়েশিয়া যাচ্ছেন মির্জা আব্বাস

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মালয়েশিয়া যাচ্ছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস।বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ঢাকা থেকে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে তার যাত্রা করার কথা রয়েছে।জানা গেছে, চিকিৎসকের পরামর্শে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন মির্জা আব্বাস। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তিনি দ্রুত দেশে ফিরবেন।আরও  পড়ুন, চার দিনের সরকারি সফরে জাপান গেলেন সেনাপ্রধানএ সময় তার সঙ্গে স্ত্রী আফরোজা আব্বাস থাকবেন।এর আগে চলতি মাসের শুরুতে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছিলেন মির্জা আব্বাস। এবার নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আবারও মালয়েশিয়া যাচ্ছেন তিনি।এদিকে মির্জা আব্বাসের পরিবারের সদস্য ও দলীয় নেতাকর্মীরা তার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

রাজনীতিরাজনীতি

শাপলা কর্নার উদ্বোধনে আসিফ মাহমুদকে ধন্যবাদ জানালেন মামুনুল হক

শাপলা কর্নার উদ্বোধনে আসিফ মাহমুদকে ধন্যবাদ জানালেন মামুনুল হক

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।রাজধানীতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত ইসলামী বইমেলায় শাপলা কর্নারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কৃতজ্ঞতা জানান।মামুনুল হক বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে রাষ্ট্রীয় আয়োজনে সম্মাননা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উদ্যোগের জন্য তিনি আসিফ মাহমুদকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।তিনি বলেন, শাপলা চত্বরের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আরও  পড়ুন, আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানি মামলার হুঁশিয়ারি ফরিদা ইয়াসমিনের২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেরণার সঙ্গেও ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনার একটি যোগসূত্র রয়েছে।মামুনুল হক আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের শহীদদের মতো শাপলা চত্বরের নিহতদেরও পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়ার দাবি অব্যাহত থাকবে। এ দাবিতে সংসদ ও রাজপথে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে ঘিরে সংঘর্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দাবি ও হিসাব সামনে এসেছে। ঘটনাটি নিয়ে বিচার ও তদন্তের দাবিও বিভিন্ন পক্ষ থেকে অব্যাহত রয়েছে।

আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানি মামলার হুঁশিয়ারি ফরিদা ইয়াসমিনের

আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানি মামলার হুঁশিয়ারি ফরিদা ইয়াসমিনের

কুষ্টিয়া-৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে তার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন।মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে ভেড়ামারায় নিজের বাসভবনে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা জানান তিনি। ফরিদা ইয়াসমিনের অভিযোগ, তাকে ও তার দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে নিয়ে আমির হামজা কুরুচিপূর্ণ ও কটূক্তিমূলক মন্তব্য করেছেন।ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, দলের অনুমতি পেলে তিনি এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ হিসেবে মানহানির মামলা করবেন। জনপ্রতিনিধিদের বক্তব্য ও আচরণে একটি নির্দিষ্ট সীমা থাকা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সম্প্রতি দৌলতপুরে এক মতবিনিময় সভায় আমির হামজার দেওয়া বক্তব্য নিয়ে এই বিরোধের সূত্রপাত। সেখানে তিনি প্রশাসনিক কার্যক্রমে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পাশ কাটিয়ে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যকে যুক্ত করার বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। আরও  পড়ুন, ১১ হাজার কোটি টাকা ফিরিয়ে আনার দাবি আসিফ মাহমুদেরএকই বক্তব্যে সংরক্ষিত নারী আসনের সাংবিধানিক গুরুত্ব নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি।এদিকে আমির হামজার বক্তব্যের প্রতিবাদে কুষ্টিয়ায় জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের নেতাকর্মীরা ঝাড়ু মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। মঙ্গলবার দুপুরে কুষ্টিয়া শহরে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।মহিলা দলের নেতাকর্মীরা আমির হামজার বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।অন্যদিকে আমির হামজা তার বক্তব্যে মূলত কুষ্টিয়ার প্রশাসনিক কার্যক্রমে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভূমিকা এবং সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।এ ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে রাজনৈতিক বক্তব্য-পাল্টা বক্তব্যের পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপের বিষয়টিও সামনে এসেছে।

১১ হাজার কোটি টাকা ফিরিয়ে আনার দাবি আসিফ মাহমুদের

১১ হাজার কোটি টাকা ফিরিয়ে আনার দাবি আসিফ মাহমুদের

বিদেশে পাচারের অভিযোগে আলোচিত ১১ হাজার কোটি টাকা দ্রুত দেশে ফিরিয়ে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি জানান তিনি। পোস্টে আসিফ মাহমুদ লেখেন—‘১১ হাজার কোটি টাকা দ্রুত ফিরিয়ে এনে গ্যাস বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের জোর দাবি জানাচ্ছি।’সম্প্রতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিদেশে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক। সংস্থাটি জানিয়েছে অভিযোগটি তার বিরুদ্ধে চলমান অনুসন্ধানের সঙ্গে যুক্ত করে খতিয়ে দেখা হবে।দুদকের বক্তব্য অনুযায়ী আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের পাশাপাশি নিয়োগ বদলি পদায়ন ও বিভিন্ন প্রকল্পসংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে।আরও  পড়ুন, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নপত্র বিক্রি শুরু এসব অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে।তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অর্থপাচারের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছেন আসিফ মাহমুদ। দেশের বাইরে তার কোনো সম্পদ থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।এদিকে তার নতুন ফেসবুক পোস্টে আলোচিত ১১ হাজার কোটি টাকা দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় ব্যবহারের দাবি জানানো হয়েছে।তবে ওই অর্থপাচারের অভিযোগের সত্যতা এখনো অনুসন্ধানাধীন। ফলে অভিযোগ হিসেবে উল্লেখিত অর্থ দেশে ফেরানোর বিষয়টিও সংশ্লিষ্ট তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত।

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নপত্র বিক্রি শুরু

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নপত্র বিক্রি শুরু

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার থেকে বিএনপির মনোনয়নপত্র বিক্রি শুরু হচ্ছে।দলের সহদপ্তর সম্পাদক মু. মুনির হোসেনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা যাবে।মনোনয়নপ্রত্যাশীদের পূরণ করা মনোনয়নপত্র আগামীকাল ১৬ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় দপ্তর শাখায় জমা দিতে হবে।এরপর আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় বিএনপি চেয়ারম্যানের গুলশান কার্যালয়ে মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাকর্মীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে। সাক্ষাৎকার শেষে চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করবে বিএনপি।আরও  পড়ুন, ঢাকার দুই সিটিতে জামায়াতের প্রার্থী সেলিম ও সাদিকএদিকে নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন।২৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ৭ অক্টোবর। পরদিন ৮ অক্টোবর প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।সবশেষে আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।বিএনপির সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় গত ২০ আগস্ট ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।শূন্য আসনটিতে বিএনপির মনোনয়ন পেতে দলটির একাধিক নেতাকর্মী আগ্রহী বলে জানা গেছে।

সারাবাংলা

সাতক্ষীরায় পুলিশের নির্বাচনী বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স এর উদ্ধোধন

সাতক্ষীরায় পুলিশের নির্বাচনী বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স এর উদ্ধোধন

'নির্বাচনী দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি'' সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ কোর্স এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকার সার্বিক দিকনির্দেশনায়  ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, সাতক্ষীরার আয়োজনে ০২ (দুই) দিন মেয়াদী “নির্বাচনী দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি” বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। আরও  পড়ুন, অনলাইন জুয়া চক্রের বিরুদ্ধে অভিযানে শ্রেষ্ঠত্ব, পুরস্কৃত জয়পুরহাট ডিবির এসআই শাখাওয়াতউক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি” বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স এর শুভ উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম।এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন এ.এস.এম হাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও কমান্ড্যান্ট (ভারপ্রাপ্ত), ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, সাতক্ষীরাসহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থী পুলিশ সদস্যবৃন্দ।

অনলাইন জুয়া চক্রের বিরুদ্ধে অভিযানে শ্রেষ্ঠত্ব, পুরস্কৃত জয়পুরহাট ডিবির এসআই শাখাওয়াত

অনলাইন জুয়া চক্রের বিরুদ্ধে অভিযানে শ্রেষ্ঠত্ব, পুরস্কৃত জয়পুরহাট ডিবির এসআই শাখাওয়াত

অনলাইন জুয়া চক্রের বিরুদ্ধে সফল অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় রাজশাহী রেঞ্জের আগস্ট ২০২৬ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি পেয়েছেন জয়পুরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) এসআই (নিরস্ত্র) মো. শাখাওয়াত হোসেন।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের ‘পদ্মা’ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা অনলাইন জুয়া চক্রের বিরুদ্ধে অভিযানে শ্রেষ্ঠত্বপুরস্কৃত জয়পুরহাট ডিবির এসআই শাখাওয়াতরাজশাহী রেঞ্জের আগস্ট ২০২৬ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি পেয়েছেন জয়পুরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) এসআই (নিরস্ত্র) মো. শাখাওয়াত হোসেন।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের ‘পদ্মা’ সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ।আরও  পড়ুন, বড় ভাইয়ের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে দোয়া ও সমর্থন চান আনোয়ার হোসেনসভায় আগস্ট মাসের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধচিত্র, গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত ও রহস্য উদ্ঘাটন, মাদকবিরোধী অভিযান, গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল এবং অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।সভায় জানানো হয়, আগস্ট মাসে অনলাইনে জুয়া খেলার সময় এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে জয়পুরহাট জেলা ডিবি। এ সময় তার কাছ থেকে ১৯টি স্মার্টফোন, ১ হাজারটি সিমকার্ড এবং বিভিন্ন ব্যাংকের ৭টি এটিএম কার্ড জব্দ করা হয়। অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এসআই (নিরস্ত্র) মো. শাখাওয়াত হোসেন।উত্তম কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ এসআই শাখাওয়াত হোসেনকে পুরস্কৃত করেন।সভায় রাজশাহী রেঞ্জের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাসহ রেঞ্জাধীন সব জেলার পুলিশ সুপার ও বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তাকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ।

বড় ভাইয়ের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে দোয়া ও সমর্থন চান আনোয়ার হোসেন

বড় ভাইয়ের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে দোয়া ও সমর্থন চান আনোয়ার হোসেন

বড় ভাইয়ের অসমাপ্ত স্বপ্নগুলো ঠিক যেখানে শেষ করে গেছেন আমি ঠিক ঐ খান থেকে কাজ শুধু করতে চাই । আর এই কাজগুলো শেষ করতে বিরুলিয়া ইউনিয়ন বাসীর সার্বিক সহযোগিতা ও সমর্থন চেয়েছেন আসন্ন বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহবায়ক এবং সাত নং বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম মাহমুদুল হাসান আলাল এর ছোট ভাই মোঃ আনোয়ার হোসেন । সাভার উপজেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও ঐতিহ্যের প্রাণকেন্দ্র ৭ নং বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ  । বিখ্যাত 'গোলাপ গ্রাম' সাদুল্লাপুর, তুরাগ নদের কোলঘেঁষে গড়ে ওঠা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, একাধিক খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজধানী ঢাকা সংলগ্ন কৌশলগত অবস্থানের কারণে পুরো সাভারের মধ্যে বিরুলিয়া ইউনিয়ন এক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্হান হিসেবে এরই মধ্যে পরিচিত লাব করেছে । তবে সম্ভাবনাময় এই জনপদ দ্রুত নগরায়নের দিকে ধাবিত হলেও, স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ 'গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সঠিক নেতৃত্ব ও সঠিক পরিকল্পনার অভাবে অবহেলা আর বঞ্চিত হওয়ার শিকার হয়েছেন বিরুলিয়া ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ ।এমন প্রেক্ষাপটে বিরুলিয়া ইউনিয়নের পিছিয়ে পড়া জনপদকে নতুন আলোয় উদ্ভাসিত করতে এবং সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রার্থী হিসেবে জোরালো ভূমিকা রাখছেন সাভার থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, আরও  পড়ুন, ঠাকুরগাঁওয়ে পরিত্যক্ত ঘরে জুয়া ৪ পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তারবিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এবং ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ডাঃ দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবুর অত্যন্ত আস্থাভাজন, বিশ্বস্ত ও প্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত ও বিরুলিয়ার জনপ্রিয় বিএনপি নেতা মোঃ আনোয়ার হোসেন ।​বিরুলিয়া ইউনিয়নের রাজনীতি ও সমাজসেবার ইতিহাসে অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় একটি নাম মরহুম আলাল চেয়ারম্যান । সাধারণ মানুষের বিপদ-আপদে পাশে থেকে তিনি যে ভালোবাসা অর্জন করেছিলেন, তা আজও বিরুলিয়াবাসীর স্মৃতিতে উজ্জ্বল । সাবেক এই চেয়ারম্যানের ছোট ভাই মোঃ আনোয়ার হোসেন রাজপথের দুর্দিনের ত্যাগী নেতা হিসেবে নিজের পরিচয় গড়ে তুলেছেন । কাজ করে যাচ্ছেন বিরুলিয়া ইউনিয়নের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে । দল, মত,ধর্ম - বর্ণ নির্বিশেষে কাজ করে যাচ্ছেন সবাই কে নিয়ে ।এলাকার সর্বস্তরের জনগণ মনে করছেন, মরহুম আলাল চেয়ারম্যানের রেখে যাওয়া অসমাপ্ত কাজ ও সেবার ধারা অব্যাহত রাখতে আনোয়ার হোসেনই সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও যোগ্য প্রার্থী ।​বিরুলিয়া ইউনিয়নে বিগত দিনে উন্নয়ন ও নাগরিক সুবিধা প্রদানে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে একজন দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয়দের সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ।ভোটারদের মন জয় করতে বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপার্থী মোঃ আনোয়ার হোসেনের বিশেষ প্রতিশ্রুতি ও বক্তব্য আরও  পড়ুন, রাজশাহীতে বরাদ্দ স্বাভাবিক তবু কাটছে না সারের সংকট-"জনগণের প্রতি গত ১ যুগের বেশি সময় ধরে অবহেলা দেখেছি, আর দেখতে চাই না "এই স্লোগানকে সামনে রেখে তিনি ভোটারদের সামনে যেসব প্রধান প্রতিশ্রুতি ও বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন তা হলো --মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স'সমাজে মাদক, জুয়া ও নারী নির্যাতনের কারণে তৈরি হওয়া পারিবারিক অশান্তি বন্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে ।-শালিশ বাণিজ্য ও চাঁদাবাজিমুক্ত বিরুলিয়াবিচার প্রক্রিয়াকে সাধারণ মানুষের জন্য সহজ করা, যেখানে ধনী-দরিদ্রের কোনো ভেদাভেদ থাকবে না । ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা হবে ।-যুব সমাজ ও নারীদের কর্মসংস্থানবেকার যুবকদের কারিগরি প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা, যাতে তরুণেরা মাদকের দিকে ধাবিত না হয় । পাশাপাশি নারীদের সেলাই, ব্লক ও বাটির কাজ সহ নানা ক্ষুদ্র কাজের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তোলা হবে ।-নাগরিক বান্ধব পরিষদইউনিয়ন পরিষদকে কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর কার্যালয় না বানিয়ে সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত সেবাকেন্দ্রে রূপান্তর করা হবে ।জনগণের প্রত্যাশা ও নির্বাচনী হাওয়া -​স্থানীয় ভোটাররা জানান, বিরুলিয়ার মানুষ এখন এমন একজন প্রতিনিধি চায় যিনি সুখে-দুঃখে পাশে থাকবেন এবং স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতিমুক্ত হয়ে কাজ করবেন । রাজনৈতিক মাঠে মোঃ আনোয়ার হোসেনের উপস্থিতি এবং তাঁর ভাই মরহুম আলাল চেয়ারম্যানের সুনাম এই দুইয়ের সমন্বয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে এক নতুন আশার সঞ্চার সৃষ্টি  হয়েছে ।

রাজশাহীতে বরাদ্দ স্বাভাবিক তবু কাটছে না সারের সংকট

রাজশাহীতে বরাদ্দ স্বাভাবিক তবু কাটছে না সারের সংকট

রাজশাহীতে রাসায়নিক সারের বরাদ্দ স্বাভাবিক থাকলেও বাস্তবে কাটছে না সার-সংকট। কৃষকদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে সার কিনতে হচ্ছে। কোথাও কোথাও সারের দাবিতে বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধের ঘটনাও ঘটেছে।কৃষি বিভাগ বলছে চলতি সেপ্টেম্বরে রাজশাহীতে ৫ হাজার ১৮৬ মেট্রিক টন ইউরিয়া ১ হাজার ৪৫ মেট্রিক টন টিএসপি ১ হাজার ৬২৯ মেট্রিক টন এমওপি এবং ৩ হাজার ১৫ টন ডিএপি বরাদ্দ রয়েছে। গত বছরের একই সময়ের বরাদ্দের সঙ্গে তুলনা করলে এবার পরিমাণে বড় ধরনের ঘাটতি নেই।তবে মাঠের চিত্র বলছে ভিন্ন কথা। আগস্টের শুরু থেকেই রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকায় সারের জন্য কৃষকদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি পুঠিয়ার বানেশ্বরে সারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভও করেছেন কৃষকেরা।সংশ্লিষ্টদের মতে এর পেছনে কয়েকটি কারণ কাজ করছে। অক্টোবর থেকে রাজশাহীতে আলু চাষ শুরু হবে। আলু আবাদে তুলনামূলক বেশি সার প্রয়োজন হওয়ায় অনেক চাষি আগেভাগেই সার কিনছেন। আবার সার-সংকটের খবর ছড়িয়ে পড়ায় কেউ কেউ ভবিষ্যতের জন্য অতিরিক্ত সার মজুত করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।এ ছাড়া রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে কেউ কেউ অতিরিক্ত সার নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে কিছু অসাধু ডিলার সার গোপনে মজুত রেখে বেশি দামে বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আরও পড়ুন, ঠাকুরগাঁওয়ে পরিত্যক্ত ঘরে জুয়া ৪ পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তারএরই মধ্যে গোদাগাড়ী ও দুর্গাপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে সার জব্দ এবং ডিলারদের জেল-জরিমানা করা হয়েছে।সারের সংকটের আরেকটি কারণ হিসেবে উঠে এসেছে মাছের পুকুরে রাসায়নিক সার ব্যবহার। রাজশাহীতে প্রায় ১ লাখ ৮৫ হাজার হেক্টর আবাদি জমির পাশাপাশি প্রায় ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে রয়েছে প্রায় ৫০ হাজার পুকুর। মাছের প্রাকৃতিক খাদ্য তৈরিতে ইউরিয়া ও টিএসপি সার ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়।রাজশাহীর মৎস্য কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্য তৈরির জন্য প্রতি শতকে প্রতিদিন ১০ গ্রাম ইউরিয়া ও ১০ গ্রাম টিএসপি প্রয়োজন। সেই হিসাবে রাজশাহীর পুকুরগুলোতে প্রতি মাসে প্রায় ১ হাজার ৩৩৪ মেট্রিক টন ইউরিয়া এবং একই পরিমাণ টিএসপি প্রয়োজন হতে পারে। মৎস্য বিভাগ প্রতিবছর এ সারের চাহিদা মন্ত্রণালয়ে জানায়।কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রাজশাহীর উপপরিচালক মোস্তফা কামাল হোসেন বলেন পুকুরের জন্য আলাদা সার বরাদ্দ নেই। ফসলি জমির জন্য বরাদ্দ করা সার থেকেই পুকুরের প্রয়োজন মেটানো হচ্ছে। তার মতে এটিও সার-সংকটের অন্যতম কারণ।এদিকে রাজশাহীতে সারের মজুত পরিস্থিতি দেখতে সম্প্রতি বিএডিসি ও বিসিআইসি সারের গুদাম পরিদর্শন করেছেন বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলী। পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন রাজশাহীতে সারের কোনো সংকট নেই।তবে কৃষকের অভিযোগ এবং মাঠপর্যায়ের চিত্রের সঙ্গে এই বক্তব্যের পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ফলে বরাদ্দ স্বাভাবিক থাকার পরও কৃষকের হাতে সার পৌঁছাতে কোথায় ঘাটতি তৈরি হচ্ছে তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।

আন্তর্জাতিক

ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার আশাবাদ ট্রাম্পের

ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার আশাবাদ ট্রাম্পের

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।তার ধারণা, আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটতে পারে। একই সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামও দ্রুত কমে আসবে বলে দাবি করেছেন তিনি।আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরান যতটা সম্ভব যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার চেষ্টা করছে। এর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে জটিল করে তোলার উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।ট্রাম্প বলেন, তাঁর মনে হচ্ছে খুব শিগগিরই যুদ্ধ শেষ হবে। এমনকি মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঠিক পরেই যুদ্ধ শেষ হওয়ার সম্ভাবনার কথাও জানান তিনি।মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ইরান যতটা সম্ভব টিকে থাকার চেষ্টা করছে। তবে মানুষ বিষয়টি বুঝতে পারছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।যুদ্ধের অবসান হলে জ্বালানি তেলের বাজারেও বড় পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন ট্রাম্প।আড়ও পড়ুন,মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলছে ১০ হাজার কর্মী যাবে শূন্য খরচে তাঁর দাবি, সংঘাত শেষ হলে তেলের দাম দ্রুত নিচের দিকে নেমে আসবে।তবে ইরান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো সময়সীমা নেই। এর আগে ট্রাম্প প্রশাসনের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা ইরানের সঙ্গে সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন।বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধ শুধু মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকেই প্রভাবিত করছে না, এর প্রভাব পড়ছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে তেল সরবরাহ ও পরিবহনব্যবস্থায় ঝুঁকি বাড়তে পারে। আর সংঘাতের অবসান হলে সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি এবং বাজারের ঝুঁকি কমার কারণে তেলের দাম কমার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।তবে নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরই যুদ্ধ শেষ হবে—ট্রাম্পের এই বক্তব্য এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি বা সমঝোতার ভিত্তিতে নয়। ফলে যুদ্ধ কবে এবং কীভাবে শেষ হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো রয়েছে।

১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানী

মোহাম্মদপুরে পার্ক করা বাসে আগুন

মোহাম্মদপুরে পার্ক করা বাসে আগুন

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলা রোডে পার্ক করা মিডলাইন পরিবহনের একটি বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে বসিলা রোডের জল তরঙ্গ সুইমিং পুলের গেটে এ ঘটনা ঘটে।মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল হালিম জানান রাত পৌনে ১২টার দিকে জল তরঙ্গ সুইমিং পুলের সামনে পার্ক করা মিডলাইন পরিবহনের বাসটিতে হঠাৎ আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।আরও  পড়ুন, ট্রাফিক আইন ভাঙলেই মামলা রাজধানীতে কঠোর ডিএমপিপুলিশ জানায় বাসটি দিনের বেলায় মেরামত করা হয়েছিল। বাস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মেরামতের পর কোনো যান্ত্রিক বা ইঞ্জিনের ত্রুটির কারণে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।তবে অগ্নিকাণ্ডের পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না সেটিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এরই মধ্যে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে তদন্ত শেষে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

১ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

৩১ বল হাতে রেখে আফগানিস্তানকে হারাল ভারত

৩১ বল হাতে রেখে আফগানিস্তানকে হারাল ভারত

দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে ভারত।টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় আফগানিস্তান। রানের খাতা খোলার আগেই রাহমানউল্লাহ গুরবাজকে হারায় তারা। অধিনায়ক ইব্রাহিম জাদরান করেন ৩৭ রান। দারবিশ রাসুলি ২৬ এবং শেষদিকে মোহাম্মদ নাবি ও রাশিদ খানের ছোট দুটি ইনিংসে ভর করে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৯ রান সংগ্রহ করে আফগানিস্তান।ভারতের হয়ে বল হাতে আলো ছড়ান নিতিশ কুমার রেড্ডি। মাত্র তিন ওভারে ২৪ রান দিয়ে তিন উইকেট নেন তিনি। আর্শদিপ সিং নেন দুটি উইকেট। নিতিশের এই পারফরম্যান্সে ম্যাচসেরার পুরস্কারও ওঠে তার হাতে।১৫৯ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ভারত। অভিশেক শর্মা ও সাঞ্জু স্যামসনের উদ্বোধনী জুটিতে পাওয়ারপ্লেতেই আসে ৮২ রান। ১৯ বলে চার ছক্কা ও দুই চারে ৩৯ রান করে অভিশেক ফিরলে ভাঙে ৮৮ রানের জুটি।আরও  পড়ুন, ব্যালন ডি’অর দৌড়ে এমবাপ্পে মেসি নাকি দেম্বেলেএরপর মাত্র ২০ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন সাঞ্জু স্যামসন। শেষ পর্যন্ত ২২ বলে সাত চার ও চার ছক্কায় ৫৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। রশিদ খানের বলে সাঞ্জু ফিরলেও জয়ের পথে কোনো বাধা তৈরি হয়নি।অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার ১৫ রান করে রশিদের শিকার হন। এরপর তিলাক ভার্মাকে সঙ্গে নিয়ে বাকি কাজ শেষ করেন ইশান কিষান। ২৩ বলে দুই ছক্কা ও তিন চারে ৩৮ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তিলাক করেন ১৫ রান।শেষ পর্যন্ত ১৪ দশমিক ৫ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৬৩ রান তুলে ৭ উইকেটের জয় পায় ভারত। ফলে প্রথম ম্যাচের পর দ্বিতীয় ম্যাচেও জয় নিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে তারা।সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি আগামী বৃহস্পতিবার একই মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর