দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1003.8 hPa
28.2° 83%
15mm
চট্টগ্রাম 1004.8 hPa
28.4° 91%
90° 15mm
রাজশাহী 1002.9 hPa
26.3° 97%
30° 15mm
খুলনা 1003 hPa
28° 93%
20° 15mm
বরিশাল 1004.1 hPa
27.6° 95%
15mm
সিলেট 1005 hPa
26° 97%
20° 15mm
রংপুর 1003.2 hPa
28.7° 88%
15mm
ময়মনসিংহ 1004.4 hPa
28.8° 83%
40° 15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

সংবাদ দিগন্তকে আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ভুইয়া

সংবাদ দিগন্তকে আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ভুইয়া

বাংলাদেশের আবাসন খাতের পরিচিত উদ্যোক্তা ও আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও অন্যান্য খাতে তার প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে যেমন আলোচনা রয়েছে, তেমনি বিভিন্ন সময়ে নানা অভিযোগ ও বিতর্কও সামনে এসেছে।সম্প্রতি এসব বিষয়, ব্যবসায়িক দর্শন, আইনি অবস্থান এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে দৈনিক সংবাদ দিগন্তের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছেন নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া।প্রশ্ন: দীর্ঘ ব্যবসায়িক পথচলায় আপনার সবচেয়ে বড় অর্জন কী বলে মনে করেন?নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া: আমার কাছে সবচেয়ে বড় অর্জন হলো মানুষের আস্থা অর্জন করা। একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সহজ নয়, কিন্তু সেই প্রতিষ্ঠানকে দীর্ঘদিন ধরে টিকিয়ে রাখা আরও কঠিন। আমরা চেষ্টা করেছি সততা, পরিশ্রম ও পরিকল্পনার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে।ব্যবসার পাশাপাশি মানুষের জন্য কাজ করার বিষয়টিকে আমরা গুরুত্ব দিয়েছি। আবাসন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে আমাদের কার্যক্রম সেই লক্ষ্য থেকেই পরিচালিত হচ্ছে।আরও  পড়ুন, চট্রগ্রাম গোয়ালপাড়ায় মাদক সম্রাজ্ঞী "আকলিমার" মাদকের হাটপ্রশ্ন: আশিয়ান গ্রুপের মূল দর্শন কী?নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া: আশিয়ান গ্রুপ শুধু একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান নয়, আমরা এটিকে একটি সামাজিক দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চাই।একটি দেশের উন্নয়নে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই আমরা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি, যাতে মানুষের প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সেবা দেওয়া যায়।প্রশ্ন: আপনার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। আপনি বিষয়গুলো কীভাবে দেখেন?নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া: যেকোনো বড় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ বা সমালোচনা আসতে পারে। কিন্তু অভিযোগ আর প্রমাণিত সত্য এক বিষয় নয়।আমি সবসময় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কোনো অভিযোগ থাকলে সেটির নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। আমি বিশ্বাস করি, সত্য শেষ পর্যন্ত প্রমাণের মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠিত হয়।প্রশ্ন: গণমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু অভিযোগ আপনার দীর্ঘদিনের সুনামকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এ বিষয়ে আপনার বক্তব্য কী?নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া: আমি মনে করি, একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে মতামত দেওয়ার আগে সব পক্ষের বক্তব্য জানা প্রয়োজন।গণমাধ্যম সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে সত্য তুলে ধরা হলে জনগণ সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে।আমার বিশ্বাস, সময় ও তথ্যই প্রকৃত সত্য সামনে নিয়ে আসবে।আরও  পড়ুন, গাজীপুরে লাইসেন্স ছাড়া এমএলএম কার্যক্রমের অভিযোগপ্রশ্ন: অভিনেত্রী স্নিগ্ধা চৌধুরীকে ঘিরে যে অভিযোগ ও মামলা হয়েছে, সে বিষয়ে আপনার বক্তব্য কী?নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া: যেহেতু বিষয়টি আইনগত প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে, তাই আমি আদালতের বাইরে বিস্তারিত মন্তব্য করতে চাই না।আমি শুধু বলতে চাই, আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে।যে কোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রকৃত ঘটনা, প্রমাণ ও আইনি প্রক্রিয়াই চূড়ান্ত বিষয় হওয়া উচিত।প্রশ্ন: আপনি কি মনে করেন গণমাধ্যমে কোনো কোনো ক্ষেত্রে একপাক্ষিক তথ্য প্রকাশ পেতে পারে?নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া: বর্তমান সময়ে তথ্য খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তাই যাচাই-বাছাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।একজন মানুষের বক্তব্য, অভিযোগকারী পক্ষের বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট নথি—সবকিছু বিবেচনা করেই সংবাদ প্রকাশ করা উচিত।প্রশ্ন: আশিয়ান সিটি প্রকল্প নিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া: আমাদের লক্ষ্য হলো আধুনিক ও পরিকল্পিত আবাসন তৈরি করা।বর্তমান সময়ে মানুষ শুধু একটি জায়গা কিনতে চায় না; তারা নিরাপদ, সুন্দর ও সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন একটি জীবনব্যবস্থা চায়।আমরা সেই বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি।প্রশ্ন: আবাসন খাতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী বলে মনে করেন?নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া: আবাসন খাতে সবচেয়ে বড় বিষয় হলো আস্থা।একজন মানুষ যখন জমি বা বাড়িতে বিনিয়োগ করেন, তখন তিনি তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি সিদ্ধান্ত নেন। তাই আবাসন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব অনেক বেশি।স্বচ্ছতা, নিয়মনীতি অনুসরণ এবং গ্রাহকের আস্থা—এসব বিষয়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।আরও  পড়ুন, হামলা-হয়রানিতে চ্যালেঞ্জে পুলিশপ্রশ্ন: বিভিন্ন সময়ে অপপ্রচারের অভিযোগও করেছেন। এর কারণ কী?নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া: বড় প্রতিষ্ঠান বা সফল ব্যক্তিদের নিয়ে অনেক সময় বিভিন্ন ধরনের আলোচনা হয়।তবে কোনো বিষয় যদি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে উপস্থাপন করা হয়, তাহলে সেটি একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করতে পারে।আমার বিশ্বাস, সত্য তথ্য ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এসব মোকাবিলা করা সম্ভব।প্রশ্ন: তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য আপনার পরামর্শ কী?নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া: পরিশ্রম, ধৈর্য এবং সততা ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে সফল হওয়া যায় না।ব্যবসায় শুধু লাভ নয়, মানুষের আস্থা অর্জন করাও গুরুত্বপূর্ণ।তরুণদের উচিত জ্ঞান অর্জন করা, প্রযুক্তিকে গ্রহণ করা এবং দায়িত্বশীলভাবে এগিয়ে যাওয়া।প্রশ্ন: ভবিষ্যতে আশিয়ান গ্রুপকে কোথায় দেখতে চান?নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া: আমরা চাই আশিয়ান গ্রুপ একটি দায়িত্বশীল ও মানুষের আস্থার প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক।প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা, উন্নত সেবা এবং নতুন নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা সামনে এগিয়ে যেতে চাই।আরও  পড়ুন, উজাড় হচ্ছে লামার সংরক্ষিত বন, রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগপ্রশ্ন: আপনার সফল ক্যারিয়ার হতে কি শিক্ষা নিতে পারি?নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া: পরিশ্রম ও সততাই একজন মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় তৈরি করে।সাফল্যের পাশাপাশি চ্যালেঞ্জও আসে। তবে ধৈর্য ধরে, আইন মেনে এবং মানুষের আস্থা ধরে রেখে এগিয়ে যেতে হয়।শেষ প্রশ্ন: আপনার বিরুদ্ধে যারা সমালোচনা করেন, তাদের জন্য আপনার বার্তা কী?নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া: আমি সমালোচনাকে স্বাভাবিকভাবে দেখি। তবে সমালোচনা যেন তথ্যভিত্তিক হয়, সেটিই প্রত্যাশা করি।আমার বিশ্বাস, শেষ পর্যন্ত মানুষের মূল্যায়ন হয় কাজের মাধ্যমে। আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করে যেতে চাই।

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জন্য বড় সুখবর, আসছে ‘এক পদ, এক বেতন’

অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জন্য সরকারের ‘এক পদ, এক বেতন’ নীতি বাস্তবায়নের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম।বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর কাকরাইলে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বোর্ড পরিদর্শনকালে তিনি এ ঘোষণা দেন।প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বলেন, অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কল্যাণ ও প্রাপ্য সুবিধা নিশ্চিত করতে সমপদের জন্য সমান বেতন নীতি কার্যকর করার বিষয়টি ত্বরান্বিত করা হবে।তিনি জেলা পর্যায়ের সশস্ত্র বাহিনী বোর্ডগুলোকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করার নির্দেশনা দেন,আরও  পড়ুন, ডিএসসিসির ৪ হাজার ৪ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা, কর না বাড়িয়ে রাজস্ব বৃদ্ধির পরিকল্পনা যাতে এগুলো অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের মিলনমেলা ও সহায়তার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে।চিকিৎসা সেবার সম্প্রসারণে ৬১টি জেলায় মেডিক্যাল স্টোরের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং জীবনরক্ষাকারী ওষুধের সরবরাহ বাড়ানোর নির্দেশনাও দেন তিনি।এছাড়া, অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের জন্য সম্মানজনক জীবনযাপন ও টেকসই পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ‘ডিফেন্স কলোনি’ গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানান। ঠাকুরগাঁও, গাইবান্ধা ও দিনাজপুরে এ প্রকল্পের জন্য জমি নির্ধারণ করা হয়েছে এবং দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, অবসরপ্রাপ্ত সৈনিকদের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও শেষকৃত্য সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতায় সশস্ত্র বাহিনী বোর্ডের সম্পৃক্ততা ও সহায়তা আরও বাড়ানো হবে।

ডিএসসিসির ৪ হাজার ৪ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা, কর না বাড়িয়ে রাজস্ব বৃদ্ধির পরিকল্পনা

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৪ হাজার ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন-ডিএসসিসি। বৃহস্পতিবার নগর ভবনের অডিটরিয়ামে এই বাজেট ঘোষণা করেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।ঘোষিত বাজেট অনুযায়ী, প্রারম্ভিক স্থিতিসহ মোট প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪০০৪.৬০ কোটি টাকা। এর মধ্যে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ১৮১৫.৭৪ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন বাবদ আয় ধরা হয়েছে ১৪৫৭.৯৩ কোটি টাকা।ব্যয়ের ক্ষেত্রে পরিচালন ও মূলধন ব্যয়, উন্নয়ন ব্যয় এবং সমাপনী স্থিতিসহ মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪০০৪.৬০ কোটি টাকা। এর মধ্যে উন্নয়ন ব্যয়ের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৯০৪.৪২ কোটি টাকা।আরও  পড়ুন, শাপলা চত্বর মামলায় গ্রেফতার লতিফ সিদ্দিকী কারাগারে, ট্রাইব্যুনালের নির্দেশডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, অতিরিক্ত করারোপ বা করহার বৃদ্ধি না করে বরং নতুন নতুন রাজস্ব খাত সৃষ্টি এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যয় সংকোচনের মাধ্যমে একটি বাস্তবায়নযোগ্য বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।তিনি জানান, অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ, পরিবেশদূষণ রোধ, সড়ক ও ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ‘ক্লিন সিটি-গ্রিন সিটি’ বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।প্রশাসক আরও বলেন, এই বাজেট শুধু আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়, বরং নাগরিকদের আস্থার প্রতিফলন। প্রতিটি টাকা সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও দক্ষতার সঙ্গে ব্যয় করার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন তিনি।

শাপলা চত্বর মামলায় গ্রেফতার লতিফ সিদ্দিকী কারাগারে, ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে ‘হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের’ মামলায় গ্রেফতার সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই আদেশ দেন।এর আগে, ২৯ জুলাই সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশান-১ এলাকার নিজ বাসভবন থেকে তাকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি। ট্রাইব্যুনালে হাজির করার আগ পর্যন্ত তিনি ডিবির হেফাজতেই ছিলেন।আরও  পড়ুন, নিম্নচাপের প্রভাবে টানা পাঁচ দিনের বৃষ্টির আভাসশাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গত সোমবার ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।এই মামলায় আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ১০ নম্বর আসামি। চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম দাবি করেছেন, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বর অভিযানে সংঘটিত গণহত্যার পরিকল্পনাকারীদের একজন ছিলেন তৎকালীন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী।আদালতের আদেশের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার পরবর্তী কার্যক্রম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান রয়েছে।

নিম্নচাপের প্রভাবে টানা পাঁচ দিনের বৃষ্টির আভাস

নিম্নচাপের প্রভাবে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে আগামী পাঁচ দিন টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক এলাকায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে।আরও  পড়ুন,৪ আগস্ট বিএনপির আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি তারেক রহমানআবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তর ওড়িশা ও তৎসংলগ্ন এলাকার গভীর নিম্নচাপটি বর্তমানে ছত্তিশগড় ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম দিকে সরে গিয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হতে পারে।তবে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় থাকায় বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।আজ ঢাকার আকাশ মেঘলা থেকে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।আগামী শুক্রবার থেকে সোমবার পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন বিভাগে বৃষ্টি অব্যাহত থাকার পাশাপাশি উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

রাজনীতিরাজনীতি

হবিগঞ্জের হামলায় চোখ হারালেন এনসিপি কর্মী আলিফ

হবিগঞ্জের হামলায় চোখ হারালেন এনসিপি কর্মী আলিফ

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে হামলায় গুরুতর আহত জাতীয় ছাত্রশক্তির নবীগঞ্জ উপজেলা সংগঠক আলিফ চৌধুরীর বাঁ চোখের দৃষ্টিশক্তি আর ফিরবে না। রাজধানীর জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পরও চিকিৎসকরা তার চোখের দৃষ্টি ফিরিয়ে আনতে পারেননি।বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতু। তিনি দাবি করেন, ছাত্রদলের সন্ত্রাসীদের রডের আঘাতে আলিফের চোখ গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অস্ত্রোপচার শেষ হলেও বাম চোখের আলো আর কোনোদিন ফিরবে না।এর আগে এনসিপি জানিয়েছিল, আলিফের চোখে গুরুতর আঘাত লাগায় দৃষ্টিশক্তি হারানোর আশঙ্কা ছিল।আরও পড়ুন. মারলে সেটাই আমার কামাই’ হবিগঞ্জে যেতে গিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহর বক্তব্যসেই আশঙ্কাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হলো।উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার হবিগঞ্জে এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি শেষে কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে হামলা ও নেতা-কর্মীদের মারধরের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় গুরুতর আহত হন আলিফ চৌধুরীসহ একাধিক নেতা-কর্মী।পরে শহরে প্রতিবাদ মিছিল বের করলে আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ আরও কয়েকজন আহত হন।এদিকে হামলার ঘটনায় এনসিপি ক্ষমতাসীন বিএনপিকে দায়ী করলেও এ বিষয়ে বিএনপির আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

‘মারলে সেটাই আমার কামাই’ হবিগঞ্জে যেতে গিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহর বক্তব্য

‘মারলে সেটাই আমার কামাই’ হবিগঞ্জে যেতে গিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহর বক্তব্য

হবিগঞ্জে হামলার ঘটনায় মামলা করতে যাওয়ার পথে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে অনড় অবস্থান নিয়েছেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।বুধবার বিকেলে বাহুবল উপজেলার রশিদপুর এলাকায় পুলিশ তাদের গাড়িবহর আটকে দিলে তিনি বলেন, ‘আমরা একটি গাড়ি নিয়ে পাঁচজন শুধু হবিগঞ্জে যাব। হবিগঞ্জে গিয়ে মামলা না করে আমরা ফিরব না। আমাকে যদি হবিগঞ্জের মানুষ মারে, তবে আমি ধরে নেব এটি আমার কামাই।’প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সারজিস আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, ডা. মাহমুদা মিতুসহ কয়েকজন মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হন।আরও পড়ুন, বাউফলে পরকীয়ার অভিযোগে গণপিটুনির শিকার জামায়াত নেতা  প্রথমে শ্রীমঙ্গলের মুছাই এলাকায় এবং পরে বাহুবলের রশিদপুর এলাকায় তাদের গাড়িবহর আটকে দেয় পুলিশ। দুই দফাতেই পুলিশ ও এনসিপি নেতাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে।হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. তারেক মাহমুদ বলেন, তাদের নিরাপত্তার স্বার্থে হবিগঞ্জে প্রবেশ না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার হবিগঞ্জে এনসিপির জুলাই পদযাত্রা শেষে সারজিস আলম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িবহরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে সারজিস আলমসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। ঘটনার পর জেলায় ১৪৪ ধারা জারি এবং তিন প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

হবিগঞ্জে এনসিপি পুলিশ মুখোমুখি, ব্যারিকেড ভেঙে অগ্রযাত্রা

হবিগঞ্জে এনসিপি পুলিশ মুখোমুখি, ব্যারিকেড ভেঙে অগ্রযাত্রা

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ ঘিরে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো উত্তেজনা বিরাজ করেছে। আগের দিনের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করলেও পুলিশি বাধার মুখে তা কার্যত পণ্ড হয়ে যায়।বুধবার বিকেলে শ্রীমঙ্গল থেকে হবিগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহর প্রথমে সাতগাঁও এলাকায় এবং পরে বাহুবলের কামাইছড়া এলাকায় আটকে দেয় পুলিশ। এ সময় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহসহ কেন্দ্রীয় নেতারা সড়কে অবস্থান নেন।বৃষ্টির মধ্যেই প্রায় চার ঘণ্টা ধরে পুলিশ ও এনসিপি নেতাদের মধ্যে উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডা চলে। একপর্যায়ে নেতারা কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। অভিযোগে আগের দিনের হামলার বিচার এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।আরও পড়ুন. মির্জা ফখরুলের জুতা টানার যোগ্যতা আছে?’ রাশেদ খাঁনের প্রশ্নএর আগে মঙ্গলবার হবিগঞ্জ শহরে এনসিপির সমাবেশ শেষে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরে ইটপাটকেল নিক্ষেপের অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সারজিস আলমকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়। ওই ঘটনার জেরে বুধবার একই সময়ে এনসিপি ও ছাত্রদলের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসন শহরের নির্দিষ্ট এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে।এদিকে হামলায় আহত জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতা আলিফ চৌধুরীকে গুরুতর চোখের আঘাত নিয়ে ঢাকার জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এনসিপির দাবি, তাঁর চোখে রড দিয়ে আঘাত করা হয়েছে এবং অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি চলছে।এ ঘটনায় হবিগঞ্জের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। হামলার অভিযোগ, পুলিশি বাধা এবং পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ঘিরে পরিস্থিতি এখনো থমথমে।

‘মির্জা ফখরুলের জুতা টানার যোগ্যতা আছে?’ রাশেদ খাঁনের প্রশ্ন

‘মির্জা ফখরুলের জুতা টানার যোগ্যতা আছে?’ রাশেদ খাঁনের প্রশ্ন

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিয়ে কড়া মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রাশেদ খাঁন। রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ঘিরে দেওয়া বক্তব্যের সমালোচনা করেন।মঙ্গলবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে ‘ন্যায়ভিত্তিক বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে বিভাজন নয়, ঐক্য’ শীর্ষক আলোচনাসভায় বক্তব্য দেন রাশেদ খাঁন।তিনি বলেন, একজন বলেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্ত্রিত্ব পাওয়ার যোগ্য নন, অথচ রাষ্ট্রপতি হওয়ার কথা বলা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সেই ধরনের মন্তব্য করার যোগ্যতা আছে কি না।আরও  পড়ুন, প্রধান বিরোধী দল হওয়ার পরই বিতর্কে জামায়াত সামনে তিন চ্যালেঞ্জরাশেদ খাঁন আরও বলেন, ফালতু কথাবার্তা, ভণ্ডামি ও নোংরামির রাজনৈতিক সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে এবং বিভাজনের পরিবর্তে ঐক্য প্রতিষ্ঠায় সবাইকে আন্তরিক হতে হবে।তিনি বিরোধী দলের প্রতিও আহ্বান জানিয়ে বলেন, মিথ্যাচার ও প্রপাগান্ডার রাজনীতি পরিহার করা উচিত।একই সঙ্গে তিনি সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ, প্রধানমন্ত্রীর জনসম্পৃক্ততা এবং সরকারি ব্যয় সাশ্রয়ের পদক্ষেপের প্রশংসা করেন।রাশেদ খাঁনের এই বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

সারাবাংলা

সিরাজগঞ্জে শতবর্ষী কড়ই গাছের ঝুঁকিপূর্ণ শুকনো ডাল অপসারণ, স্বস্তি পথচারীদের

সিরাজগঞ্জে শতবর্ষী কড়ই গাছের ঝুঁকিপূর্ণ শুকনো ডাল অপসারণ, স্বস্তি পথচারীদের

দৈনিক আমার স্বাদ ও দৈনিক সিরাজগঞ্জ সংবাদ নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে সিরাজগঞ্জ শহরের ঐতিহাসিকইলিয়ট ব্রিজসংলগ্ন শতবর্ষী কড়ই গাছের ঝুঁকিপূর্ণ শুকনো ডাল অপসারণ করেছে পৌর কর্তৃপক্ষ। বুধবার (২৯ জুলাই ২০২৬) পৌর নির্বাহী মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তাৎক্ষণিকভাবে শুকনো ডালপালা অপসারণের নির্দেশ দেন। পরে পৌরসভার কর্মীরা ঝুঁকিপূর্ণ ডালগুলো কেটে অপসারণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।দীর্ঘদিন ধরে গাছটির অন্তত পাঁচটি বড় শুকনো ডাল ঝুলে থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছিল। যেকোনো সময় ডাল ভেঙে পড়ে পথচারী, দর্শনার্থী ও যানবাহনের ওপর দুর্ঘটনা ঘটতে পারে—এমন আশঙ্কার কথা স্থানীয়রা বারবার তুলে ধরেছিলেন। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে ঝড়-বৃষ্টির সময় ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।আরও  পড়ুন, বিশেষ অভিযানে অস্ত্র মামলার আসামিসহ ৪ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণস্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিদিন শত শত মানুষ ও যানবাহন ইলিয়ট ব্রিজ দিয়ে চলাচল করে। তাই জননিরাপত্তার স্বার্থে শুকনো ডালগুলো অপসারণ ছিল অত্যন্ত জরুরি।ইলিয়ট ব্রিজ ও এর পাশের শতবর্ষী কড়ই গাছটি সিরাজগঞ্জের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বহু বছর ধরে এটি শহরবাসীর মিলনস্থল, বিশ্রাম ও আড্ডার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। পরিবেশপ্রেমী ও সচেতন নাগরিকরা গাছটি কেটে না ফেলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শে নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন।এদিকে, ঝুঁকিপূর্ণ শুকনো ডাল অপসারণের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করায় পৌর প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম ও পৌর কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়েছেন শহরবাসী। তাদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও গাছটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় পরিচর্যা ও সংরক্ষণে নিয়মিত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে একদিকে জননিরাপত্তা নিশ্চিত হয় এবং অন্যদিকে সিরাজগঞ্জের ইতিহাসের নীরব সাক্ষী এই শতবর্ষী কড়ই গাছটি টিকে থাকে। 

বিশেষ অভিযানে অস্ত্র মামলার আসামিসহ ৪ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

বিশেষ অভিযানে অস্ত্র মামলার আসামিসহ ৪ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা পুলিশ ৩০ জুলাই ২০২৬ তারিখে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অস্ত্র মামলা, ডাকাতির প্রস্তুতি মামলা এবং সিআর গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্তসহ মোট ৪ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অস্ত্র মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ও কুখ্যাত ছিনতাইকারী মোঃ জুয়েল (২৬)-কে গ্রেফতার করা হয়। তিনি নান্দাইল মডেল থানা, ময়মনসিংহ জেলার কাদিরপুর এলাকার আঃ কুদ্দুসের ছেলে। বর্তমানে তিনি গাজীপুর মহানগরের সদর থানাধীন সাহাপাড়া এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন।এছাড়া ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।আরও  পড়ুন,‘অসময়ের বন্ধু’র উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, মেধাবীদের হাতে সম্মাননা তারা হলেন রমজান আলী (২৬) ও মোঃ আলামিন (২৪)। রমজান আলীর বাড়ি বরিশাল জেলার মুলাদী থানার চরমাদবপুর এলাকায় হলেও তিনি ঢাকার হাতিরঝিল এলাকায় ভাসমান অবস্থায় বসবাস করতেন। অপরদিকে আলামিনের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার পাঁচপাড়া গ্রামে এবং তিনি গাজীপুর সদর থানাধীন বিলাশপুর এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে অবস্থান করছিলেন।এদিকে সিআর মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি বাছির উদ্দিন (৩০)-কেও গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি গাজীপুর মহানগরের বাসন থানার চান্দনা এলাকার বাসিন্দা।বাসন থানা পুলিশ জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।পুলিশের এ ধরনের বিশেষ অভিযান অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

‘অসময়ের বন্ধু’র উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, মেধাবীদের হাতে সম্মাননা

‘অসময়ের বন্ধু’র উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, মেধাবীদের হাতে সম্মাননা

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে "অসময়ের বন্ধু" স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই ২০২৬) সকাল ১১টায় কোতোয়ালীবাগ উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কোতোয়ালীবাগ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ আব্দুর রহমান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ স্বাধীন হোসেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কোতোয়ালী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আল জাকারিয়া হোসেন এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ আবুল কাশেম। আরও  পড়ুন, মাদারীপুরের কালকিনি ও ডাসারে দুইটি পরিবারে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেন - এমপি খোকন তালুকদারএ সময় বক্তব্য প্রদান করেন সাংবাদিক ও অপেক্ষা সিঁড়ি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোঃ হারুনুর রশিদ, কোতোয়ালী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক আলহাজ্ব মোঃ হাফিজার রহমান, বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মোঃ শামসুজ্জামান, হাকিমপুর মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোঃ মোজাহার হোসেন এবং কোতোয়ালী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ ফরহাদুল ইসলাম। বক্তারা শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান এবং সমাজের বিত্তবান ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে শিক্ষার উন্নয়নে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানের শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়

মাদারীপুরের কালকিনি ও ডাসারে দুইটি পরিবারে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেন - এমপি খোকন  তালুকদার

মাদারীপুরের কালকিনি ও ডাসারে দুইটি পরিবারে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেন - এমপি খোকন তালুকদার

মাদারীপুরের কালকিনি ও ডাসারে দুইটি অসহায়  পরিবারের মাঝে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন। বৃহস্পতিবার সকালে এমপির প্রতিনিধিদল ডাসারের তিন প্রতিবন্ধী বোন ও কালকিনিতে বাদাম বিক্রি করে লেখাপড়া খরচ চালানো এই দুটি পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ,বস্ত্র ও খাদ্য সামগ্রী প্রদান করেন।এদিকে আর্থিক সহায়তায় পেয়ে উপকাভোগী পরিবার ও সাধারণ জনগণ এমপি খোকন তালুকদারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।  জনা'গেছে,মাদারীপুরের ডাসারের পূর্ব দর্শনা এলাকার বাবা-মা হারা তিন প্রতিবন্ধী বোন উম্মি বেগম (৬২), আকিতন (৫৫) ও নুননাহার (৩৯)। মানবেতর জীবন যাপন নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর স্থানীয় এমপি আনিসুর রহমান খোকন তালুকদারের নজরে আসলে তার পক্ষ থেকে পরিবারটিকে আর্থিক সহযোগিতা করা হয়। এবং কালকিনি  পৌরসভার মিনাজদী এলাকার অষ্টম শ্রেণির ছাত্র রবিউল শেখের বাবা ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর পরেই সংসারের হাল ধরতে ও নিজের শিক্ষার স্বপ্ন পূরণে । আরও  পড়ুন, মৌলভীবাজার থেকে সিলেটের পথে এনসিপি নেতারা, হামলার বিচার ও নিরাপত্তার দাবি রাজপথে বাদাম বিক্রি করে অভাবের সংসারে সংগ্রাম করেও লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছে রবিউল শেখ। এমন খবর সুনে এমপি সেই ছাত্র রবিউলের লেখাপড়ার দায়িত্ব নিয়েছেন বলে জানান এমপির প্রতিনিধি নেতৃবৃন্দরা।এমপির প্রতিনিধি নুরুজ্জামান তালুকদার বলেন, আজকে মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান খোকন তালুকদারের নিদর্শনায় ডাসারে একটি প্রতিবন্ধী পরিবার ও কালকিনিতে বাদাম বিক্রি করে লেখাপড়ার খরচ চালানো এই দুটি পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ, বস্ত্র ও খাদ্য সামগ্রী প্রদান করলাম। তবে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন,মাদারীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক নুরুজ্জামান তালুকদার,সমাজসেবক ইরান তালুকদার,ডাসার উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ও সাবেক ছাত্র নেতা আতিকুর রহমান আজাদ, কালকিনি উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব নাজমুল হাসান,ডাসার উপজেলা ছাত্র দলের যুগ্ম আহবায়ক মেহেদী হাসান,ডাসার উপজেলা যুবদল নেতা রেদোয়ান হাসান রুবেল প্রমুখ।

আন্তর্জাতিক

ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীনের ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ইরান

ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীনের ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা আরও শক্তিশালী করতে চীনের কাছ থেকে কাঁধে বহনযোগ্য আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র বা ম্যানপ্যাডস কেনার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানিয়েছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এসব ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম চালান তেহরানে পৌঁছাতে পারে।রয়টার্সের দাবি, প্রায় ৬০ থেকে ৭০ মিলিয়ন ডলারের এই চুক্তির আওতায় ইরান মোট ৩০০ থেকে ৪০০টি চীনা ম্যানপ্যাড সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে। চুক্তিতে কিউডব্লিউ-১২ এবং এফএন-১৬ মডেলের ইনফ্রারেড-নির্দেশিত ক্ষেপণাস্ত্র থাকার কথা বলা হয়েছে, যা নিচু দিয়ে উড়ন্ত যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার ও ড্রোন ভূপাতিত করতে সক্ষম।আরও পড়ুন. নিট আন্দোলনে গ্রেপ্তার শিক্ষার্থীদের মামলা প্রত্যাহারের পথে পশ্চিমবঙ্গপ্রতিবেদন অনুযায়ী, হংকংভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে চুক্তিটি সম্পন্ন হয়েছে বলে তিনটি সূত্র জানিয়েছে। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।অন্যদিকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রয়টার্সের এই প্রতিবেদনকে "সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন" বলে দাবি করেছে। একইভাবে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীও চীন থেকে ইরানে অস্ত্র সরবরাহে পাকিস্তানের সম্পৃক্ততার খবরকে "মনগড়া ও মিথ্যা" বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।রয়টার্স বলছে, সাম্প্রতিক হামলায় নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তায় দুর্বলতা সামনে আসার পরই আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদারে এই উদ্যোগ নিয়েছে তেহরান। তবে সরবরাহের সময়সূচি ও চূড়ান্ত পরিমাণ এখনো পরিবর্তন হতে পারে বলেও সূত্রগুলো জানিয়েছে।

২৯ জুলাই ২০২৬

রাজধানী

মেরাদিয়ায় দুই ট্রাক বিকল, রামপুরা-নতুনবাজার সড়কে ভয়াবহ যানজট

মেরাদিয়ায় দুই ট্রাক বিকল, রামপুরা-নতুনবাজার সড়কে ভয়াবহ যানজট

রাজধানীর রামপুরা থেকে নতুনবাজার পর্যন্ত সড়কে বৃহস্পতিবার সকালে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। মেরাদিয়া এলাকায় দুটি ট্রাক বিকল হয়ে পড়ায় দীর্ঘ সময় স্থবির হয়ে পড়ে যান চলাচল।ট্রাফিক পুলিশ জানায়, ভোর চারটার দিকে বৃষ্টির কারণে মেরাদিয়া এলাকায় সড়কে পানি জমে যায়। এ সময় দুটি ট্রাক বিকল হয়ে সড়কে আটকে পড়লে রামপুরা, মেরাদিয়া, বাড্ডা হয়ে নতুনবাজার পর্যন্ত যানজট ছড়িয়ে পড়ে।সড়কে শত শত বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি, সিএনজি অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল দীর্ঘ সময় আটকে থাকে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন অফিসগামী যাত্রীরা।আরও  পড়ুন, রাজধানীতে ডিএমপির সাঁড়াশি অভিযান, তেজগাঁও বিভাগে ৭৪ জন আটক অনেকেই সময়মতো কর্মস্থলে পৌঁছাতে না পেরে বাস থেকে নেমে বৃষ্টির মধ্যেই হেঁটে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেন।নারী, শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ যাত্রীদের দুর্ভোগ ছিল সবচেয়ে বেশি। যানজট এড়াতে আলিফ, বৈশাখীসহ কয়েকটি গণপরিবহনকে গুলশান-২ হয়ে বিকল্প পথে চলাচল করতে দেখা যায়। এতে ওই সড়কেও যানবাহনের চাপ বেড়ে যায়।ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের রামপুরা জোনের সহকারী কমিশনার আসাদুজ্জামান বলেন, বিকল হওয়া দুটি ট্রাকের একটি ইতোমধ্যে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং অন্যটি অপসারণের কাজ চলছিল। ট্রাক দুটি বিকল হয়ে পড়ায় নতুনবাজার থেকে রামপুরা পর্যন্ত যান চলাচল ব্যাহত হয়।

৮ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

ইয়ামালের কার্ডে ইতিহাস, নিলামে মেসি পেলেকেও ছাড়িয়ে স্প্যানিশ বিস্ময়

ইয়ামালের কার্ডে ইতিহাস, নিলামে মেসি পেলেকেও ছাড়িয়ে স্প্যানিশ বিস্ময়

বিশ্বকাপ জয়ের পর এবার মাঠের বাইরেও নতুন ইতিহাস গড়লেন স্পেনের তরুণ ফুটবল সেনসেশন লামিন ইয়ামাল। পারফরম্যান্সের পাশাপাশি স্মারক সংগ্রহের বাজারেও এখন সবচেয়ে আলোচিত নাম তিনি।সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক নিলামে ইয়ামালের বিরল ‘ওয়ান অব ওয়ান’ কাবুম রুকি কার্ড বিক্রি হয়েছে ৭ লাখ ৭ হাজার ৬০০ মার্কিন ডলারে। এই বিক্রির মাধ্যমে নিলামের মূল্য তালিকায় পেছনে পড়ে গেছেন ফুটবল ইতিহাসের দুই কিংবদন্তি—ব্রাজিলের পেলে এবং আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি।একই নিলামে পেলের রুকি কার্ড বিক্রি হয়েছে ৬ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলারে।আরও পড়ুন. রিয়ালের স্পষ্ট বার্তা ভিনিসিয়াস বিক্রির প্রশ্নই নেই, আর্সেনালের স্বপ্নে ধাক্কাঅন্যদিকে মেসির ক্রোম স্যাফায়ার সিরিজের বিশেষ কার্ডের দাম উঠেছে ৩ লাখ ১৭ হাজার ২০০ মার্কিন ডলার।শুধু একটি কার্ড নয়, ইয়ামালের আরও দুটি স্মারকও বিক্রি হয়েছে উল্লেখযোগ্য দামে। সব মিলিয়ে তার তিনটি স্মারক থেকেই নিলাম কর্তৃপক্ষ আয় করেছে ১০ লাখ ৪৯ হাজার ২০০ মার্কিন ডলার।বিশেষজ্ঞদের মতে, মাত্র অল্প বয়সেই বিশ্বকাপ জয় এবং অসাধারণ পারফরম্যান্সের কারণে সংগ্রাহকদের কাছে ইয়ামালের স্মারকের চাহিদা দ্রুত বেড়েছে। ফলে মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি স্মারক বাজারেও নতুন এক রেকর্ডের মালিক হয়েছেন স্পেনের এই তরুণ তারকা।

আইন আদালত

বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতা

বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতা

বর্ষার বৃষ্টির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি জেলা শহরগুলোতেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এডিস মশাবাহিত এই রোগ। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু সংক্রমণের উচ্চ প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২০ জুলাই পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০ হাজার ৪৮৫ জন। এ সময় ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৯ হাজার ৪৪০ জন।শুধু জুলাই মাসের প্রথম ১৯ দিনেই আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৮১ জন, যা জুন মাসের মোট আক্রান্ত ২ হাজার ৯০৭ জনের তুলনায় প্রায় ৩৪ শতাংশ বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪৭৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর ডেঙ্গুর জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়। বিশেষ করে বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং ঢাকার আশপাশের জেলাগুলোতে সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।আরও  পড়ুন, জুলাই আন্দোলনের রক্তাক্ত দিন: ২০ জুলাইয়ে দেশজুড়ে কারফিউ ও সেনা টহলতিনি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত লার্ভা ধ্বংস, লার্ভিসাইড প্রয়োগ এবং জেলা-উপজেলা হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী জানান, ডেঙ্গুর উৎস শনাক্ত ও ধ্বংসে কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। শিগগিরই ৩০০ স্বেচ্ছাসেবক বাসাবাড়ির ছাদ, গ্যারেজ ও সম্ভাব্য প্রজননস্থল পরিদর্শনে নামবেন।জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু ফগিং করে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। জমে থাকা পরিষ্কার পানি অপসারণ, নির্মাণাধীন ভবনে নিয়মিত তদারকি, লার্ভা জরিপ এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিই ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।চিকিৎসকদের পরামর্শ, জ্বর, শরীরব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, বমি বা রক্তক্ষরণের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও দীর্ঘমেয়াদি রোগীদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর