দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1000.4 hPa
32° 77%
12mm
চট্টগ্রাম 1001 hPa
33° 83%
80° 12mm
রাজশাহী 999.7 hPa
35.2° 80%
20° 12mm
খুলনা 1000.1 hPa
34° 82%
20° 12mm
বরিশাল 1000.6 hPa
33° 87%
12mm
সিলেট 999.6 hPa
36° 76%
12mm
রংপুর 999.4 hPa
28.5° 83%
12mm
ময়মনসিংহ 1000.5 hPa
31.8° 92%
40° 12mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

বনানীতে অপহরণের অভিযোগে চাঞ্চল্য তথ্য, উদ্ধার হল শিশু

বনানীতে অপহরণের অভিযোগে চাঞ্চল্য তথ্য, উদ্ধার হল শিশু

রাজধানীর বনানী এলাকায় এক যুবককে অপহরণ করে আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবি এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বনানী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী যুবকের বাবা মো. বরিশ গাজী। অভিযোগে এক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ আনা হয়েছে।থানায় জমা দেওয়া অভিযোগে মো. বরিশ গাজী উল্লেখ করেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বনানীর সাততলা বস্তি এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন। জীবিকার তাগিদে তিনি বিভিন্ন ধরনের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তার এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করলেও সম্প্রতি একটি ঘটনার পর পুরো পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।আরও পড়ুন: পুলিশ সংস্কার কতদূর, কী ভাবছে সাধারণ মানুষ?অভিযোগ অনুযায়ী, পূর্ব থেকে পরিচিত এক ব্যক্তির সঙ্গে তাদের পারিবারিক ও আর্থিক বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। অভিযোগকারী দাবি করেন, সেই বিরোধের জের ধরেই তার ছেলে আতিফুল ইসলামকে টার্গেট করা হয়।লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২২ জুন রাতে বনানী এলাকায় একটি দোকান থেকে আতিফুল ইসলামকে কৌশলে ডেকে নেওয়া হয়। এরপর তার সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার কোনো সন্ধান না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।অভিযোগকারী দাবি করেন, পরদিন রাতের দিকে একটি মোবাইল ফোন থেকে যোগাযোগ করে জানানো হয় যে তার ছেলে তাদের হেফাজতে রয়েছে। তাকে মুক্ত করতে হলে চার লাখ টাকা দিতে হবে। অন্যথায় ছেলেকে হত্যা করা হতে পারে বলেও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।আরও পড়ুন: গুলশান পুলিশকে বিতর্কিত করতেই মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারঅভিযোগে আরও বলা হয়, প্রথমদিকে অভিযুক্ত ব্যক্তি আটকের বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে বিভিন্ন কথোপকথনের একপর্যায়ে স্বীকার করেন যে আতিফুল ইসলাম তাদের কাছে রয়েছে। অভিযোগকারী বলেন, এ সময় তাকে দ্রুত টাকা জোগাড় করার জন্য চাপ দেওয়া হয় এবং বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হলে ভয়াবহ পরিণতির হুমকি দেওয়া হয়।পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে বনানী থানার শরণাপন্ন হন ভুক্তভোগীর পরিবার। অভিযোগকারী দাবি করেন, পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনা করে তার ছেলেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তবে এরপরও অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ছেলেকে ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে চার লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে মিথ্যা মামলা, মারধর এবং হত্যার মতো পরিণতির ভয় দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।আরও পড়ুন: প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ঘটনার পর থেকে তারা চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। সন্তান ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন তারা। তাই অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে বনানী থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগ গ্রহণের পর বিষয়টি আইন অনুযায়ী তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।আইনজীবীরা বলছেন, অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে গুরুতর অপরাধ। এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। তবে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।আরও পড়ুন: অপরাধ দমনে নতুন ছকে ডিএমপিনিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ব্যক্তিগত বিরোধ কিংবা আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রায়ই সামনে আসে। তাই এমন ঘটনায় ভুক্তভোগীদের দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নেওয়া এবং সব ধরনের তথ্য-প্রমাণ সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।এদিকে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে তিনি এ বিষয়ে বক্তব্য দিলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।আরও পড়ুন: বাজেটে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত, শিল্প-শিক্ষা-স্টার্টআপে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি অংশও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এ ধরনের অভিযোগ জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

বাজেটে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত, শিল্প-শিক্ষা-স্টার্টআপে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব

দেশের অর্থনীতিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরানো এবং সাধারণ মানুষের করের চাপ কমাতে একগুচ্ছ জনবান্ধব সংশোধনী প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।সোমবার জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি ব্যক্তি করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করার প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি পরবর্তী কর বছরগুলোতে ধাপে ধাপে এই সীমা ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত উন্নীত করারও আহ্বান জানান।প্রধানমন্ত্রী কালো টাকা সাদা করার বিতর্কিত বিধান প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা আরো পড়ুন , কৃষকের কল্যাণেই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে: কায়সার কামালফিরিয়ে আনতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।উচ্চশিক্ষা খাতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর আরোপিত ১০ শতাংশ কর কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাবও দেন তিনি। একই সঙ্গে গবেষণা বৃদ্ধি, ভাষা শিক্ষা উন্নয়ন এবং দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা বেতনে পড়াশোনার সুযোগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।দেশীয় শিল্পের বিকাশে চিংড়ি, ওষুধ, এলইডি, বৈদ্যুতিক তার, পিভিসি, পেট রেজিনসহ বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক ও ভ্যাট কমানোর প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী।এছাড়া তিনি জানান, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল রাখা হয়েছে। ফ্রিল্যান্সারদের জন্যও বাজেটে বিশেষ সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর এসব প্রস্তাবে সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যরা টেবিল চাপড়ে সমর্থন জানান।

কৃষকের কল্যাণেই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে: কায়সার কামাল

দেশের কৃষক ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, কৃষকের জীবনমান উন্নয়ন এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করাই সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনে নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রান্তিক কৃষকদের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।ডেপুটি স্পিকার বলেন, কৃষকের উন্নয়ন মানেই দেশের উন্নয়ন। তাই আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার, উন্নতমানের বীজ ও সার সরবরাহ, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ, কৃষি প্রণোদনা এবং সহজ শর্তে কৃষিঋণ প্রদানের মাধ্যমে কৃষিকে আরও উৎপাদনশীল ও লাভজনক করতে সরকার কাজ করছে।এ সময় কৃষক আরো পড়ুন , দূতাবাসগুলোর সঙ্গে সরাসরি নিরাপত্তা সমন্বয়ের উদ্যোগ বাংলাদেশ পুলিশেরপ্রতিনিধিরা হারভেস্টার যন্ত্র সরবরাহ, কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, ভর্তুকি বৃদ্ধি, কৃষিঋণ সহজলভ্য করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সহায়তার দাবি জানান।এছাড়া রাস্তা, সেতু-কালভার্ট নির্মাণ, নদীভাঙন রোধ, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের বিষয়েও ডেপুটি স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল এসব দাবি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়ে বলেন, দেশের অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রান্তিক কৃষকদের অবদান অপরিসীম। কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় জাতীয় সংসদ ও সরকার সবসময় পাশে থাকবে।

দূতাবাসগুলোর সঙ্গে সরাসরি নিরাপত্তা সমন্বয়ের উদ্যোগ বাংলাদেশ পুলিশের

বৈশ্বিক অপরাধ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে প্রথমবারের মতো কূটনৈতিক নিরাপত্তা, তথ্য বিনিময় ও সক্ষমতা বৃদ্ধিবিষয়ক সমন্বয় সভার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ পুলিশ।সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ মহাপরিদর্শক আলী হোসেন ফকির। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী এবং পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম। এছাড়া বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, দূতাবাসের নিরাপত্তা কর্মকর্তা, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।সভায় উপস্থাপিত মূল প্রবন্ধে বলা হয়, বর্তমানে সাইবার অপরাধ, মানব পাচার, মানি লন্ডারিং, অনলাইন জুয়া, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক অপরাধ, ডিপফেক, ভুল তথ্য ও অপতথ্য এখন আর কোনো একক দেশের সমস্যা নয়; এগুলো বৈশ্বিক নিরাপত্তার বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে।আরো পড়ুন , পদোন্নতির পদায়ন পাননি অতিরিক্ত আইজিপি রেজাউল করিম মল্লিকআইজিপি আলী হোসেন ফকির বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ শুধু দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নয়, বরং বৈশ্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থারও একটি নির্ভরযোগ্য অংশীদার। কার্যকর পুলিশিংয়ের জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, তথ্য বিনিময় এবং কূটনৈতিক সমন্বয়ের বিকল্প নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।পররাষ্ট্র সচিব দূতাবাসগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অন্যদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বলেন, বর্তমান বিশ্বে এককভাবে কোনো দেশ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না। এজন্য আন্তঃদেশীয় সমন্বয় ও তথ্য আদান-প্রদান অত্যন্ত জরুরি।সভায় অংশ নেওয়া বিদেশি কূটনীতিকরা বাংলাদেশ পুলিশের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং ভবিষ্যতে সাইবার অপরাধ, মানব পাচার, মানি লন্ডারিং ও আন্তঃদেশীয় অপরাধ দমনে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।বৈশ্বিক অপরাধের পরিবর্তিত বাস্তবতায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে প্রথমবারের মতো 'ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি কোঅপারেশন, ইনফরমেশন শেয়ারিং অ্যান্ড ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অব বাংলাদেশ পুলিশ' শীর্ষক সমন্বয় সভার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ পুলিশ।সোমবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী ও পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।সভায় বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, দূতাবাসের নিরাপত্তা কর্মকর্তা, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরে পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি বেলাল উদ্দিন মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়, বর্তমান বিশ্বে সহিংস উগ্রবাদ, আন্তঃদেশীয় সংগঠিত অপরাধ, সাইবার হামলা, মানব পাচার, অনলাইন জুয়া, মানি লন্ডারিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর অপরাধ, ডিপফেক এবং ভুল তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার মতো অপরাধ দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। এসব অপরাধ মোকাবিলায় কেবল জাতীয় উদ্যোগ নয়, আন্তর্জাতিক সমন্বয়ও অপরিহার্য।আরো পড়ুন , নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন চূড়ান্ত পর্যায়ে, দুই ধাপে বাড়বে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতনআইজিপি আলী হোসেন ফকির বলেন, ১৯৮৯ সাল থেকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পেশাদারিত্বের স্বাক্ষর রেখে চলেছে। তিনি বলেন, বিদেশি দূতাবাস ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ও তথ্য বিনিময় আরও জোরদার হলে অপরাধ দমনে কার্যকর সমন্বয় সম্ভব হবে।পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম দূতাবাসগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। অন্যদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় তথ্য বিনিময় ও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা ছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন।উন্মুক্ত আলোচনায় পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি মো. কামরুল আহসান, ডিআইজি তাপতুন নাসরীন এবং জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর অতিরিক্ত ডিআইজি মহিউল ইসলাম বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।সভায় বিদেশি কূটনীতিকরা বাংলাদেশ পুলিশের এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী আখ্যা দিয়ে ভবিষ্যতে সাইবার অপরাধ, মানব পাচার, আর্থিক অপরাধ ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।সভা শেষে অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানান।

পদোন্নতির পদায়ন পাননি অতিরিক্ত আইজিপি রেজাউল করিম মল্লিক

পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক ( অতিরিক্ত আইজিপি ) পদে পদোন্নতি পাওয়ার প্রায় এক মাস পরও কোনো ইউনিটে পদায়ন পাননি রেজাউল করিম মল্লিক। একই দিনে পদোন্নতি পাওয়া অন্য চার অতিরিক্ত আইজিপিকে পদায়ন করা হলেও তাঁকে এখনো কোনো দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।গত ৪ জুন ডিআইজি থেকে পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হন রেজাউল করিম মল্লিক। একই দিনে পুলিশের আরও চার কর্মকর্তা অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি পান। পরে রোববার (২৮ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওই চার কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ইউনিটে পদায়ন করলেও বর্তমানে ঢাকা রেঞ্জের দায়িত্বে থাকা রেজাউল করিম মল্লিককে কোনো ইউনিটে পদায়ন করা হয়নি।জানা গেছে, চলতি মাসেই অবসরে যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। এ অবস্থায় পদোন্নতির পরও পদায়ন না হওয়ায় পুলিশ প্রশাসনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্ট একটি পক্ষের অভিযোগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তরের একটি প্রভাবশালী চক্রের কারণে তিনি এখনো পদায়ন পাননি। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর রেজাউল করিম মল্লিক ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধানের দায়িত্ব পান। তাঁর দায়িত্বকালে আওয়ামী লীগের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে প্রায় তিন শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।আরও  পড়ুন, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক এমপি আশিকা সুলতানার ফের ৩ দিনের রিমান্ডএসব অভিযানের পর রেজাউল করিম মল্লিক বিভিন্ন ধরনের হুমকি পেয়েছেন বলে তাঁর ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি। নিষিদ্ধ সংগঠনের দেওয়া একাধিক হুমকি এবং নিরাপত্তা-শঙ্কার কারণে তাঁর দুই সন্তান শিক্ষা কার্যক্রম থেকে সরে গেছে বলেও দাবি করা হয়েছে।এ ছাড়া সম্প্রতি ছাত্রলীগের একটি ফেসবুক পেজ থেকে রেজাউল করিম মল্লিকের বিরুদ্ধে মামলা করার হুমকি দেওয়া হয়েছে। ঘনিষ্ঠদের আশঙ্কা, ভবিষ্যতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে গ্রেপ্তার, মামলা ও নির্যাতনের প্রথম সারির লক্ষ্যবস্তু হতে পারেন তিনি। রেজাউল করিম মল্লিকের ঘনিষ্ঠদের দাবি, ডিবি প্রধান ও ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আওয়ামী লীগের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তারের কারণে তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ঝুঁকিতে রয়েছেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় ডিবিপ্রধানের দায়িত্ব থেকে রেজাউল করিম মল্লিকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী খোদা বখস চৌধুরীর তাঁকে কৌশলে ওই পদ থেকে সরান। বিষয়টি সে সময়ও আলোচনার জন্ম দেয়।এ ছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এসপি পদে থাকার পর দীর্ঘদিন তাঁকে আর পদোন্নতি দেওয়া হয়নি। তাঁকে পুলিশের কম গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে রাখা হয়েছিল এবং জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক মতাদর্শের অনুসারী হিসেবে বিবেচনা করে কোণঠাসা করা হয়েছিল।

রাজনীতিরাজনীতি

সংসদের দুই টায়ার সরকার ও বিরোধী দল, একটিও অচল হওয়া যাবে না: জামায়াত আমির

সংসদের দুই টায়ার সরকার ও বিরোধী দল, একটিও অচল হওয়া যাবে না: জামায়াত আমির

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে রাজনৈতিক সহনশীলতা, দায়িত্বশীল আচরণ এবং কার্যকর সংসদীয় চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।সোমবার সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, সংসদকে কার্যকর রাখতে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে ভারসাম্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ থাকতে হবে। তিনি সংসদকে একটি যানবাহনের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, যেমন একটি গাড়ি চালাতে দুটি চাকা প্রয়োজন হয়, তেমনি সংসদ পরিচালনার জন্যও সরকার ও বিরোধী দলের সমান ভূমিকা রয়েছে।তিনি সতর্ক করে বলেন, কোনো পক্ষ যদি অপর পক্ষকে দুর্বল বা অকার্যকর করার চেষ্টা করে, তাহলে পুরো সংসদীয় ব্যবস্থাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।আরও  পড়ুন, আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা হলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীরসরকারি দলের কয়েকজন সদস্যের বক্তব্যের সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে আক্রমণ বা বিভক্ত করার প্রবণতা পরিহার করতে হবে। তিনি ঐক্য, সহমর্মিতা এবং ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানান।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের ট্যাক্সের অর্থে পরিচালিত সংসদে ব্যক্তিপূজা, তোষামূলক বক্তব্য কিংবা অপ্রয়োজনীয় প্রশংসা কাম্য নয়। নবীন সংসদ সদস্যদের উচিত অতীত থেকে ভালো শিক্ষা গ্রহণ করা এবং সংসদের মর্যাদা রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা।তিনি বলেন, এই সংসদ দেশের সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তাই সংসদের প্রতিটি আচরণ ও বক্তব্য এমন হওয়া উচিত, যা জনগণকে অনুপ্রাণিত করবে এবং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।

আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা হলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর

আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা হলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে আয়োজিত এক পথসভায় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গ এবং সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।রোববার দুপুরে বড়লেখায় যাওয়ার পথে জুড়ী উপজেলার বিজিবি ক্যাম্প চত্বরে অনুষ্ঠিত পথসভায় তিনি বলেন, দেশে ভবিষ্যতে কোনো ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হলে তা প্রতিরোধে তাদের দল রাজপথে থাকবে।তিনি আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গেও দলের অবস্থান তুলে ধরে বলেন, দলটির পুনর্বাসনের যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।আরও  পড়ুন, এনসিপি জনগণের আশা পূরণে ব্যর্থ, অভিজ্ঞতার অভাবে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছেসীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেন, সীমান্ত দিয়ে ‘পুশইন’-এর মতো ঘটনা ঘটছে। এ বিষয়ে স্থানীয় জনগণকে সতর্ক থাকার এবং সীমান্ত নিরাপত্তায় বিজিবিকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।পথসভায় এনসিপি নেতা আব্দুল মালিক সাচ্চু, প্রীতম দাস, মৌলভীবাজার জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আফজাল হোসেন, আমির হামজাসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।এদিকে, আসরের নামাজের পর বড়লেখা উপজেলা সদরের হাজীগঞ্জ বড় মসজিদে মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। পরে উপজেলা পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন তিনি।

এনসিপি জনগণের আশা পূরণে ব্যর্থ, অভিজ্ঞতার অভাবে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে

এনসিপি জনগণের আশা পূরণে ব্যর্থ, অভিজ্ঞতার অভাবে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে

এনসিপির অঙ্গসংগঠন যুব শক্তির ঢাকা জেলা উত্তরের আহ্বায়ক সেঁজুতি হোসাইন বলেছেন, অভিজ্ঞতার অভাবের কারণে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) অনেক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর শনিবার (২৭ জুন) একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।সেঁজুতি হোসাইন বলেন, তিনি কোনো পদ-পদবির লোভে বিএনপিতে যোগ দেননি। জনগণের জন্য কাজ করা এবং গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের প্রতি বিশ্বাস থেকেই তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি বলেন, এলাকার সমস্যার সমাধানে কাজ করবেন এবং সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকবেন।আরও  পড়ুন, গণভোটে জনগণ যে রায় দিয়েছে তা সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে : মামুনুল হকএনসিপির সাংগঠনিক কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও নাগরিক কমিটির ব্যানারে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়েছেন। তবে মানুষ নাগরিক কমিটি বা এনসিপিকে সেভাবে চিনত না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সেঁজুতি আরও বলেন, পরিবারকে দূরে ঠেলে, ব্যক্তিগত অর্থ ও সময় ব্যয় করে তিনি এনসিপিকে সংগঠিত করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু বিশেষ করে ঢাকা উত্তর জেলায় দলের কর্মীদের হতাশ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।দলীয় মনোনয়ন প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলে সেঁজুতি অভিযোগ করেন, যোগ্যতা ও সাংগঠনিক অবদান বিবেচনা না করেই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

গণভোটে জনগণ যে রায় দিয়েছে তা সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে : মামুনুল হক

গণভোটে জনগণ যে রায় দিয়েছে তা সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে : মামুনুল হক

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ময়মনসিংহে সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। শনিবার (২৮ জুন) বিকেলে ময়মনসিংহ নগরীর রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বরে আয়োজিত এ সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা বক্তব্য দেন।সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ময়মনসিংহ অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।বক্তব্যে মামুনুল হক বলেন, গণভোটে জনগণ যে রায় দিয়েছে, তা শান্তিপূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা উচিত। তিনি দাবি করেন, জনগণের মতামতের প্রতিফলন ঘটাতে সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।আরও পড়ুন, ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকার এগোচ্ছে না’, অভিযোগ রাজনৈতিক নেতাদেরজুলাই সনদ প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে দীর্ঘ আলোচনার পর রাজনৈতিক দলগুলো যে সংস্কার প্রস্তাবে একমত হয়েছিল, তা পরবর্তীতে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, গণভোটে জনগণ সরাসরি মতামত দিয়েছে এবং সেই রায়ের যথাযথ বাস্তবায়ন হওয়া প্রয়োজন। তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম হয়েছে। তবে বৃহত্তর রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে তারা নির্বাচনের ফল মেনে নিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন।জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সরকারের বিভিন্ন নীতি ও কার্যক্রমের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

সারাবাংলা

চট্টগ্রামে মাদক ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে জামায়াতের যুব র‍্যালি

চট্টগ্রামে মাদক ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে জামায়াতের যুব র‍্যালি

চট্টগ্রাম মহানগরীতে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার সামাজিক নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, রাজনৈতিক অঙ্গীকার, আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা ছাড়া এ সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়।আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে রোববার নগরের জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে মহানগর যুব বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত যুব র‍্যালি ও পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, নগরের বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসা, ছিনতাই, চাঁদাবাজি এবং কিশোর অপরাধ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। মাদকাসক্তি ও কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার একে অপরকে উৎসাহিত করছে, যার ফলে খুন, ধর্ষণ, সহিংসতাসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ বাড়ছে।তিনি বলেন, মাদক প্রবেশের পথ বন্ধে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা জোরদার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি। পাশাপাশি মাদক ব্যবসায়ী ও তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আরও বলেন, কেবল আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নয়, পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেও মাদক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। অভিভাবকদের সন্তানদের চলাফেরা, বন্ধুবান্ধব নির্বাচন ও জীবনযাপনের বিষয়ে আরও সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।আরও  পড়ুন,নরসিংদী কোঠাবাড়ি শপিং সেন্টারে র‍্যাফেল ড্র ও পুরস্কার বিতরণ চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুব কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশ সঞ্চালনা করেন যুব কমিটির সেক্রেটারি আ ন ম জোবায়ের।সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নুরুল আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম লুৎফর রহমান, যুব কমিটির সহ-সভাপতি মুহাম্মদ ইসমাইল, পাঁচলাইশ থানা আমীর ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল হাছান রুমি, ১৫ নম্বর বাগমনিরাম ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী তাওসীফ সুলতান রাফি এবং ফিরিঙ্গিবাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী ওয়াসি উদ্দিন আনসারী।এছাড়া অনুষ্ঠানে মহানগর জামায়াতের অফিস সম্পাদক হামেদ হাসান ইলাহী, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরী, কোতোয়ালী থানা সেক্রেটারি মোস্তাক আহমদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী বলেন, সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে চায় জামায়াতের যুব বিভাগ। তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় কেবল আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি নয়, প্রতিটি মহল্লা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক পরিসরে ধারাবাহিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা প্রয়োজন।তিনি আরও বলেন, মাদক একটি ব্যক্তি নয়, বরং পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ। তাই নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তুলতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

নরসিংদী কোঠাবাড়ি শপিং সেন্টারে র‍্যাফেল ড্র ও পুরস্কার বিতরণ

নরসিংদী কোঠাবাড়ি শপিং সেন্টারে র‍্যাফেল ড্র ও পুরস্কার বিতরণ

নরসিংদীর অন্যতম জনপ্রিয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান কোঠাবাড়ি শপিং সেন্টার-এর উদ্যোগে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে র‍্যাফেল ড্র ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে শপিং সেন্টার প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দোকান মালিক,ক্রেতা, শুভানুধ্যায়ী ও আমন্ত্রিত অতিথিদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।এসময অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কোঠাবাড়ী শপিং সেন্টার দোকান ও ফ্ল্যাট মালিক সোসাইটির সভাপতি এবং কোঠাবাড়ী কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হান্নান মিঞা। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সোসাইটির সহ-সভাপতি মো. কামরুজ্জামান নয়ন ও মো. মাসুদ মিয়া,সাধারণ সম্পাদক এবং কোঠাবাড়ী কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরহাদ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আমজাদ মিয়া,সাংগঠনিক সম্পাদক মো.আল-আমিন, সহ-কোষাধ্যক্ষ এইচ. এম. মোজাহিদুজ্জামান, কোটাবাড়ি শপিং সেন্টার দোকান ও ফ্ল্যাট সোসাইটির সদস্য ও নরসিংদী সরকারি কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা শেখ মাসুদ রানাসহ সোসাইটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।আরও  পড়ুন,খাগড়াছড়িতে আলপালন উৎসব উদযাপন ও গুণীজন সম্মাননা প্রদানঅনুষ্ঠানে লাকি ড্রয়ের মাধ্যমে মোট ১০০ জন সৌভাগ্যবান বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে প্রথম তিনটি আকর্ষণীয় পুরস্কারের বিজয়ীদের নাম প্রকাশ করা হলেও তারা এখনো পুরস্কার গ্রহণ করেননি।লাকি ড্রয়ের শীর্ষ তিন বিজয়ী হলেন—প্রথম পুরস্কার (মোটরবাইক) পেয়েছেন শহিদুল হাসান। দ্বিতীয় পুরস্কার (ফ্রিজ) পেয়েছেন শিরীর সুলতানা। তৃতীয় পুরস্কার (ওয়াশিং মেশিন) পেয়েছেন মাহি।কোঠাবাড়ি শপিং সেন্টার কর্তৃপক্ষ বিজয়ীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেছে, লাকি ড্রয়ের মূল টিকিট বা কুপন সঙ্গে নিয়ে যত দ্রুত সম্ভব কোঠাবাড়ি শপিং সেন্টার কার্যালয়ে যোগাযোগ করে নিজ নিজ পুরস্কার গ্রহণ করতে।আয়োজকরা জানান, ক্রেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ, তাদের সঙ্গে সুদৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং কেনাকাটায় উৎসাহিত করতেই এ ধরনের আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও ক্রেতাদের জন্য আরও আকর্ষণীয় আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

খাগড়াছড়িতে আলপালন উৎসব উদযাপন ও গুণীজন সম্মাননা প্রদান

খাগড়াছড়িতে আলপালন উৎসব উদযাপন ও গুণীজন সম্মাননা প্রদান

খাগড়াছড়ি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট হলরুমে আজ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পাহাড়ি সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী আলপালনি, আলপালন, এফল্লা ও বর্ষাবরণ উৎসব-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে।২৯ জুন (সোমবার) বিকেলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সংগীতে অনন্য অবদানের জন্য বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী রতন ত্রিপুরা ও সম্রাটসুর চাকমা’কে বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।একই সাথে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।আরও  পড়ুন, ডিবি হেফাজতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ব্রেইন স্ট্রোক, গুজব না ছড়ানোর আহ্বান জেলা পুলিশেরউক্ত অনুষ্ঠানে ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের পরিচালক ঞ্যোহ্লা মং এর সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, খাগড়াছড়ি জেলা তথ্য অফিসার বেলায়েত হোসেন, মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ পুলক বরণ চাকমা, খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের সভাপতি তরুণ কুমার ভট্টাচার্য। অনুষ্ঠানে বক্তারা পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী উৎসব ও সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং নতুন প্রজন্মের মাঝে এই সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান। গুণীজনদের সম্মাননা ও শিশুদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি মুখরিত হয়ে ওঠে।

ডিবি হেফাজতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ব্রেইন স্ট্রোক, গুজব না ছড়ানোর আহ্বান জেলা পুলিশের

ডিবি হেফাজতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ব্রেইন স্ট্রোক, গুজব না ছড়ানোর আহ্বান জেলা পুলিশের

ফরিদপুরের মধুখালীতে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ আটক মো. ইমতিয়াজ আহমেদ প্রান্ত (২৮) নামের এক আসামির হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও সিটিস্ক্যান রিপোর্টে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ গুরুতর ব্রেইন স্ট্রোক ও মস্তিষ্কে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ (Cerebral Hemorrhage)। নিহতের শরীরে কোনো ধরনের আঘাত বা নির্যাতনের আলামত পাওয়া যায়নি।শনিবার (২০ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে মধুখালী পৌরসভার গোন্দারদিয়া এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ প্রান্তকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। নিহত প্রান্ত স্থানীয় মৃত ইস্কেন্দার হায়দারের ছেলে এবং তাঁর বিরুদ্ধে ২০১৬ সাল থেকেই মধুখালী থানায় মাদক মামলা (জিআর ৭২/১৬) রয়েছে।জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন জানান,"আটকের ঘণ্টা খানেক পর প্রান্ত হঠাৎ শ্বাসকষ্ট ও শারীরিক অসুস্থতার কথা জানান। আসামির অসুস্থতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত তাঁকে ফরিদপুর সদর হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার সকাল ৮টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।"আরও  পড়ুন , ব্যাংক কর্মকর্তা ছেলের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও ভরণপোষণ না দেওয়ার অভিযোগ, বৃদ্ধ মায়ের সংবাদ সম্মেলনফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, জরুরি ভিত্তিতে প্রান্তর সিটিস্ক্যানসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। রিপোর্টে দেখা যায়, তিনি গুরুতর ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ সময় মাদক সেবন করতে না পারার কারণেও তিনি স্ট্রোকের শিকার হয়ে থাকতে পারেন। চিকিৎসকরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এটি সম্পূর্ণ একটি স্ট্রোকজনিত মৃত্যু এবং শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই।এই বিষয়ে ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহীদুল ইসলাম বাবুল গণমাধ্যমকে বলেন,"আমরা জেনেছি গ্রেফতারকৃত আসামির স্ট্রোক/হার্ট অ্যাটাক জনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে। এ ধরনের মৃত্যু যেকোনো স্থানেই ঘটতে পারত। তবে ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ইতোমধ্যে কমিটি গঠন করা হয়েছে।"ফরিদপুর জেলার পুলিশ এসপি মো. নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, পুলিশ হেফাজতে যেকোনো মৃত্যুর ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হয়। প্রকৃত ঘটনা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ইতোমধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তাধীন এই বিষয়টি নিয়ে কোনো ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য বা গুজব না ছড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানিয়েছে জেলা পুলিশ। ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট এলে যাবতীয় বিতর্কের অবসান ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক

তেলবাহী জাহাজে হামলা, উত্তপ্ত হরমুজ প্রণালী

তেলবাহী জাহাজে হামলা, উত্তপ্ত হরমুজ প্রণালী

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালীতে একটি তেলবাহী ট্যাংকার অজ্ঞাত একটি প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা ইউকেএমটিও জানিয়েছে, জাহাজটির ক্যাপ্টেন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন যে, ট্যাংকারটি অজ্ঞাত একটি প্রজেক্টাইলের আঘাতে আক্রান্ত হয়েছে। এতে জাহাজের ব্রিজ বা নিয়ন্ত্রণকক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সব নাবিক নিরাপদ রয়েছেন এবং এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, হামলার পর সমুদ্রে তেল ছড়িয়ে পড়া বা পরিবেশগত কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্যও পাওয়া যায়নি। ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।তদন্তে হামলায় কী ধরনের প্রজেক্টাইল ব্যবহার করা হয়েছে, কারা এর পেছনে রয়েছে এবং হামলার উদ্দেশ্য কী—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এমন এক সময়ে এই ঘটনা ঘটল, যখন হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র আরো পড়ুন , ট্রাম্পের নতুন চমক, বিশেষ সংস্করণের পাসপোর্ট প্রকাশআকার ধারণ করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে উভয় দেশই একে অপরের বিরুদ্ধে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে।বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালীতে যেকোনো নিরাপত্তা সংকট আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার, তেলের দাম এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এই হামলার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২৭ জুন ২০২৬

রাজধানী

বনানীতে কোটি টাকার লাভের লোভ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

বনানীতে কোটি টাকার লাভের লোভ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

রাজধানীর বনানীতে মূল্যবান পাথর বিক্রির নামে কোটি টাকার লেনদেনের প্রলোভন এবং চাকরির আশ্বাস দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে কয়েকজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগকারী দাবি করেছেন, একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের প্রভাবশালী পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে মূল্যবান পাথর বিক্রি ও উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করে আসছে।আরও পড়ুন: কৃষকের কল্যাণেই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে: কায়সার কামালবনানী থানায় দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযোগকারী মো. জুন্নান আইউবীন সম্প্রতি চাকরির সন্ধানে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করছিলেন। সেই সূত্র ধরে তার পরিচয় হয় অভিযুক্ত মোশারফিকুর রহমানের সঙ্গে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রথমদিকে চাকরির বিষয়ে আশ্বাস দিয়ে তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করা হয়।অভিযোগকারী দাবি করেন, একপর্যায়ে তাকে বনানীর একটি অফিসে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে উপস্থিত কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের কাছে থাকা একটি মূল্যবান পাথর বিক্রির বিষয়ে আলোচনা করেন এবং সেটি বিদেশে বিক্রি করলে কয়েক কোটি টাকা লাভ হবে বলে জানান। তারা অভিযোগকারীকে আশ্বস্ত করেন, এই কাজে সহযোগিতা করলে তাকেও মোটা অঙ্কের অর্থ দেওয়া হবে।আরও পড়ুন: দূতাবাসগুলোর সঙ্গে সরাসরি নিরাপত্তা সমন্বয়ের উদ্যোগ বাংলাদেশ পুলিশেরঅভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কথিত ওই মূল্যবান পাথরটি বিদেশে বিক্রি করতে হলে বিভিন্ন ধাপে অর্থের প্রয়োজন হবে বলে জানানো হয়। কখনও বিশেষজ্ঞ দিয়ে পরীক্ষা, কখনও কেমিক্যাল, আবার কখনও বিভিন্ন প্রশাসনিক খরচের কথা বলে অভিযোগকারীর কাছ থেকে পর্যায়ক্রমে টাকা নেওয়া হয়।অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তরা প্রথমে সীমিত অঙ্কের অর্থ নিলেও পরে ধাপে ধাপে আরও বেশি অর্থ দাবি করতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি নিজের সঞ্চয় শেষ করে ব্যাংকে থাকা ৩১ লাখ টাকার একটি ফিক্সড ডিপোজিট (এফডিআর) ভেঙে তাদের হাতে তুলে দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন।আরও পড়ুন: সংসদের দুই টায়ার সরকার ও বিরোধী দল, একটিও অচল হওয়া যাবে না: জামায়াত আমিরলিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা বারবার আশ্বাস দেন যে অল্প সময়ের মধ্যেই মূল্যবান পাথরটি বিক্রি হবে এবং তখন অভিযোগকারী তার সমস্ত অর্থের পাশাপাশি অতিরিক্ত লাভও পাবেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও পাথর বিক্রির কোনো অগ্রগতি হয়নি।অভিযোগকারী দাবি করেন, পরে তিনি নিজের টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্তরা বিভিন্ন অজুহাত দিতে থাকেন। কখনও নতুন ক্রেতার কথা, কখনও বিদেশি কোম্পানির প্রতিনিধি আসার কথা, আবার কখনও কাগজপত্র প্রস্তুতের অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হয়।আরও পড়ুন:  গুলশান-বনানীতে অবৈধ স্পা সেন্টার কেন্দ্র করে পুলিশের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের চেষ্টাঅভিযোগে আরও বলা হয়েছে, দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরও টাকা ফেরত না পাওয়ায় তিনি বিষয়টি নিয়ে সন্দিহান হয়ে পড়েন। এরপর অভিযুক্তদের অফিসে গিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাদের কাউকে পাননি। অভিযোগকারীর দাবি, পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন অফিসটিও বন্ধ হয়ে গেছে।এ অবস্থায় প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে দাবি করে তিনি বনানী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানান।অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে মোশারফিকুর রহমান ছাড়াও ওমর ফারুক, আব্দুর রহমান এবং আরও অজ্ঞাত কয়েকজন এই ঘটনায় জড়িত বলে তার সন্দেহ।আরও পড়ুন: আদাবর-তেজগাঁওয়ে র‍্যাবের অভিযান, কিশোর গ্যাং লিডারসহ আটক ৩আইন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মূল্যবান পাথর, স্বর্ণ, প্রাচীন মুদ্রা কিংবা গুপ্তধনের মতো বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রতারণার ঘটনা নতুন নয়। প্রতারক চক্রগুলো সাধারণত প্রথমে বিশ্বাস অর্জন করে, পরে অল্প বিনিয়োগে বিপুল লাভের প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে ধাপে ধাপে অর্থ আদায় করে থাকে।বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি কোনো মূল্যবান বস্তু বিক্রির আগে নগদ অর্থ দাবি করে কিংবা অস্বাভাবিক মুনাফার প্রতিশ্রুতি দেয়, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করা উচিত। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়া উচিত।এদিকে অভিযোগের বিষয়ে বনানী থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি আইন অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করা হবে। অভিযোগে উল্লিখিত তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।আরও পড়ুন: রাজধানীতে জাল টাকার কারবারে বড় আঘাত, শাহবাগে গ্রেফতার ৪অন্যদিকে, এই প্রতিবেদনের জন্য অভিযুক্তদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও প্রকাশের সময় পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে তারা এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন হবে এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে এ ধরনের প্রতারণার বিষয়ে সাধারণ মানুষকে আরও সচেতন হওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

২১ মিনিট আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

১ রানের রুদ্ধশ্বাস জয়, টানা দ্বিতীয়বার ভারতকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল আয়ারল্যান্ড

১ রানের রুদ্ধশ্বাস জয়, টানা দ্বিতীয়বার ভারতকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল আয়ারল্যান্ড

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারতের বিপক্ষে আরেকটি রূপকথা লিখেছে আয়ারল্যান্ড। বেলফাস্টে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে শেষ ওভারের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ১ রানের জয় তুলে নিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ভারতকে হারিয়েছে স্বাগতিকরা।এই পরাজয়ের মাধ্যমে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ভারতের টানা ১৬ সিরিজ বা টুর্নামেন্টে অপরাজিত থাকার রেকর্ডের অবসান ঘটেছে। ২০২৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ হারার পর এবারই প্রথম কোনো দ্বিপাক্ষিক টি-টোয়েন্টি সিরিজে হারল ভারত।টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে আয়ারল্যান্ড। রস অ্যাডেয়ারের ঝড়ো সূচনার পর হ্যারি টেক্টর ও বেনজামিন ক্যালিটজের ৬৫ রানের জুটিতে লড়াকু সংগ্রহ পায় দলটি। টেক্টর ৫৩ ও ক্যালিটজ ৩৭ রান করেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৪ রান তোলে স্বাগতিকরা।আরও  পড়ুন, বিশ্বকাপে মেসির রাজত্ব, এক আসরেই গড়লেন ৮ রেকর্ডভারতের হয়ে প্রিন্স যাদব ২২ রানে ৩টি এবং শিবম দুবে ২টি উইকেট শিকার করেন।জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই জোড়া ধাক্কা খায় ভারত। শূন্য রানে ফেরেন সাঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মা। পরে শ্রেয়াস আইয়ারও দ্রুত বিদায় নিলে বড় বিপদে পড়ে সফরকারীরা।তবে তিলক ভার্মা দুর্দান্ত লড়াই চালিয়ে যান। ৪৭ বলে ৫৫ রান করে তিনি ভারতকে জয়ের আশা দেখান। শেষদিকে হর্ষিত রানার ঝোড়ো ব্যাটিং ম্যাচে উত্তেজনা ফিরিয়ে আনে।শেষ ওভারে ভারতের প্রয়োজন ছিল ২১ রান। নাটকীয় সেই ওভারে একাধিক ওয়াইড, নো-বল ও বাউন্ডারি হলেও শেষ পর্যন্ত ১৫২ রানেই থেমে যায় ভারতের ইনিংস।আয়ারল্যান্ডের হয়ে জয় মুন্দ্রা ও ম্যাথু হল্যান্ড ৩টি করে উইকেট নিয়ে দলের ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করেন

আইন আদালত

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে আটকের পর কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা সাজিয়ে গুলি ও নির্যাতনের মাধ্যমে পঙ্গু করার অভিযোগে দায়ের করা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার আজ শুরু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলাটির সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) ও সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।আরও পড়ুন, ‘আমি শুধু ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার’: আসামি সোহেলমামলাটি শুনানি করবেন মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। মামলার প্রধান আসামি আনিসুর রহমান-সহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম চলবে।প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর চৌগাছা উপজেলা শাখার তৎকালীন সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন এবং সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিন-কে একটি মামলায় আটক করে পুলিশ। অভিযোগে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারের পর তাদের আদালতে হাজির না করে কয়েকদিন নির্যাতন করা হয়।আরও পড়ুন, শিশু রামিসা হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি আজপ্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ একটি সাজানো ঘটনা তৈরি করে দুই নেতার পায়ে গুলি করা হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে চিকিৎসার একপর্যায়ে তাদের পা কেটে ফেলতে হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় আরও বলা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অস্ত্র মামলাটি পরবর্তীতে আদালতে ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়।এর আগে গত ২০ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। সে সময় আদালতে উপস্থিত আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। বর্তমানে অভিযুক্তদের মধ্যে আকিকুল ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান এবং জহরুল হক কারাগারে রয়েছেন।আরও পড়ুন, সাইপ্রাসে এস আলমের ভবন জব্দের নির্দেশঅন্যদিকে প্রধান আসামি আনিসুর রহমান, সাবেক ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল এবং এসআই মাজেদুল পলাতক রয়েছেন বলে ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানিয়েছে। উল্লেখ্য, মামলার অভিযোগগুলো প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত অভিযোগ। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের রায়ের মাধ্যমে অভিযুক্তদের দায়-দায়িত্ব চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর