দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

গুলশানে বাহারের স্পা সেন্টার ঘিরে রহস্য অনৈতিক কারবার

অনৈতিক কারবার, মাদক ব্যবসা, মানব পাচার / গুলশানে বাহারের স্পা সেন্টার ঘিরে রহস্য অনৈতিক কারবার

রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে একটি স্পা সেন্টারকে ঘিরে নানা অভিযোগ ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাহার নামে পরিচিত এক ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণাধীন বলে পরিচিত ওই স্পা সেন্টারকে ঘিরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, মাদক ব্যবসা, দালালচক্রের আনাগোনা এবং মানব পাচারের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান ও তৎপরতার পরও কথিত এসব কর্মকাণ্ড পুরোপুরি বন্ধ হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। অভিযোগ রয়েছে, বাইরে থেকে এটি সাধারণ স্পা সেন্টার হিসেবে পরিচালিত হলেও এর আড়ালে বিভিন্ন ধরনের সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড চলে। সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সেখানে অপরিচিত ব্যক্তিদের আনাগোনা বাড়ে বলেও স্থানীয়দের দাবি। বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষের যাতায়াত, মধ্যস্থতাকারী বা দালাল হিসেবে পরিচিত কিছু ব্যক্তির নিয়মিত উপস্থিতি এবং স্বল্প সময়ের ব্যবধানে অতিথিদের আসা-যাওয়া নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রগুলোর ভাষ্য, স্পা সেন্টারটিকে কেন্দ্র করে একটি সংঘবদ্ধ চক্র গড়ে উঠেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিশেষ করে মাদক সরবরাহ, অনৈতিক কারবার এবং মানব পাচারের অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা দরকার। কারণ এসব অভিযোগ সত্য হলে একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের আড়ালে সংগঠিত অপরাধচক্র পরিচালিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা জরুরি।আরও  পড়ুন, সাংবাদিকতা ও সমাজসেবায় দীর্ঘ পথচলা: শেখ আমিনুর হোসেনের নিরলস কর্মযাত্রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও নথিপত্র ছাড়া কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করার সুযোগ নেই। তারপরও একই প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে বারবার অভিযোগ ওঠা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান পরিচালনার বিষয়টি নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে এর আগে একাধিকবার অভিযান পরিচালিত হয়েছে। বিভিন্ন সময় অভিযান, জিজ্ঞাসাবাদ কিংবা আইনগত তৎপরতা হলেও পরবর্তী সময়ে আবারও আগের মতো কার্যক্রম শুরু হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ফলে স্থানীয়দের প্রশ্ন অভিযানের পরও যদি একই ধরনের অভিযোগ অব্যাহত থাকে, তাহলে এর নেপথ্যে কারা রয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কি না? স্পা সেন্টারের মালিক হিসেবে পরিচিত বাহার বিভিন্ন সময় নিজেকে ভিন্ন ভিন্ন পরিচয়ে উপস্থাপন করেন। প্রতিষ্ঠানের মালিকানা, পরিচালনা কিংবা সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে স্পষ্টতা না থাকলে আইনগত জবাবদিহি এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। অনুসন্ধানে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে স্পা সেন্টারটির ট্রেড লাইসেন্স, ব্যবসার অনুমোদন, ভবন ব্যবহারের অনুমতি, অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র। পাশাপাশি সেখানে কর্মরত নারী ও পুরুষদের পরিচয়, নিয়োগপ্রক্রিয়া, কর্মঘণ্টা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে কি না এসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় আসা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।মানব পাচারের অভিযোগটি সবচেয়ে গুরুতর। কোনো নারী বা পুরুষকে প্রলোভন, প্রতারণা, জোরপূর্বক বা অন্য কোনো অবৈধ পন্থায় একটি স্থান থেকে অন্যত্র নিয়ে গিয়ে শোষণের কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকলে তা গুরুতর অপরাধ। আরও  পড়ুন, মেঘনা পেট্রোলিয়ামের এজিএম রাশেদুল হকের শত কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগতাই স্পা সেন্টারটির সঙ্গে এমন কোনো চক্রের যোগাযোগ রয়েছে কি না, থাকলে কারা এর সঙ্গে জড়িত, কীভাবে লোক সংগ্রহ করা হয় এবং অর্থের লেনদেন কীভাবে হয় এসব বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ নজরদারি প্রয়োজন। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসার অভিযোগও গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা দরকার। স্পা সেন্টার বা এর আশপাশে মাদক সরবরাহ, সংরক্ষণ কিংবা সেবনের কোনো ঘটনা ঘটছে কি না, তা জানতে প্রয়োজনে সিসিটিভি ফুটেজ, প্রবেশ ও বের হওয়ার রেকর্ড, কর্মচারীদের বক্তব্য এবং আর্থিক লেনদেনের তথ্য যাচাই করা যেতে পারে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত তদন্ত হলে অভিযোগের প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসতে পারে। স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটির আশপাশে বিভিন্ন ধরনের দালালচক্র সক্রিয় রয়েছে। কেউ নতুন কর্মী সংগ্রহ, কেউ গ্রাহক আনা কিংবা কেউ নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার কাজ করে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের পেছনে কারা রয়েছে, তাদের সঙ্গে স্পা সেন্টারের সরাসরি কোনো সম্পর্ক আছে কি না, সেটিও তদন্তের বিষয়। অপরাধ দমনে শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না অভিযানের পর প্রতিষ্ঠানটি নিয়ম মেনে পরিচালিত হচ্ছে কি না, সেটিও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে গুরুতর অভিযোগ উঠলে প্রশাসনিক ও আইনগতভাবে বিষয়টি পুনরায় পর্যালোচনা করা উচিত। এ ক্ষেত্রে গুলশান এলাকার সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, সিটি করপোরেশন এবং অন্যান্য অনুমোদনকারী সংস্থার সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের মালিক বা পরিচালকের বক্তব্য নেওয়াও জরুরি।আরও  পড়ুন, দেশে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি দমনে প্রয়োজন ‘অপারেশন ক্লিন হান্ট’ অভিযোগের বিষয়ে বাহারের বক্তব্য, স্পা সেন্টারের বৈধ কাগজপত্র এবং পূর্ববর্তী অভিযানের নথি প্রকাশ্যে এলে প্রকৃত পরিস্থিতি আরও পরিষ্কার হবে। সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে দোষী সাব্যস্ত না করে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সত্য উদঘাটন করা। গুলশানের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও কূটনৈতিকভাবে সংবেদনশীল এলাকায় কোনো প্রতিষ্ঠানের আড়ালে যদি সত্যিই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়ে থাকে, তাহলে তা শুধু স্থানীয় নিরাপত্তার জন্য নয়, সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলার জন্যও উদ্বেগের বিষয়। অন্যদিকে অভিযোগগুলো যদি ভিত্তিহীন হয়ে থাকে, তাহলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে তা পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন। কারণ দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ চলতে থাকলে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তেমনি প্রকৃত অপরাধচক্র থাকলে তারাও আড়ালে থেকে যেতে পারে। তাই বাহারের স্পা সেন্টারকে ঘিরে ওঠা অনৈতিক কারবার, মাদক ব্যবসা, মানব পাচার ও দালালচক্রের তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এখন দেখার বিষয়, ধারাবাহিক এসব অভিযোগের পেছনে বাস্তবতা কতটুকু এবং কথিত অপরাধচক্রের সঙ্গে কারা জড়িত। যথাযথ তদন্ত, তথ্য-প্রমাণ যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতেই বেরিয়ে আসতে পারে গুলশানের এই স্পা সেন্টারকে ঘিরে তৈরি হওয়া রহস্যের প্রকৃত চিত্র।

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ছে একদিনে আক্রান্ত ১ হাজার ৯০২

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৯০২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২১৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৭২ জন, ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে ৪০১ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২০৬ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২২৩ জন রয়েছেন।এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ২০৬ জন, আরও  পড়ুন, শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রীময়মনসিংহ বিভাগে ৯৮ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০৫ জন, রংপুর বিভাগে ৬৬ জন এবং সিলেট বিভাগে ৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, চলতি বছরের ৫ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ৮৮ হাজার ৩৬০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৩৩৫ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন আরও ১ হাজার ৯৮৮ জন। ফলে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য রয়েছে।চলতি বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ২৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং জ্বর বা ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষকতা পেশাকে মেধাবীদের প্রথম পছন্দের পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত ১০২ জন গুণী শিক্ষকের হাতে দুই লাখ টাকা, ক্রেস্ট ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকরা জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। কর্মজীবন কিংবা অবসরযে অবস্থাতেই থাকুন না কেন, মহান এই পেশার কারণে একজন শিক্ষক আমৃত্যু রাষ্ট্রের কাছে সম্মানীয়।শিক্ষকদের বেতন ও অবসরভাতা পেতে যাতে অফিসে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হতে না হয়, সে বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।আরও  পড়ুন, পিচ্চি রাজার পলায়ন রহস্য উদঘাটন টাকার বিনিময়ে পুলিশ সদস্যদের সহায়তার তথ্য যথানিয়মে ও যথাসময়ে শিক্ষকদের প্রাপ্য অর্থ ব্যাংকের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়ার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।তিনি শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা সমুন্নত রাখা, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও নৈতিক মূল্যবোধের সমন্বয়ে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন।এ ছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার, কারিগরি ও ব্যবহারিক শিক্ষার প্রসার, শিক্ষকদের আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং শহর-গ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষাকে আনন্দময় করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও দক্ষতা বিকাশে গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষা থেকে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির ওপরও জোর দেন তিনি।বক্তব্যের শেষে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব শিক্ষক সমাজের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।

পিচ্চি রাজার পলায়ন রহস্য উদঘাটন টাকার বিনিময়ে পুলিশ সদস্যদের সহায়তার তথ্য

গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়ার পথে আসামি পিচ্চি রাজা পুলিশের কাছ থেকে পালিয়ে যাননি; বরং পুলিশের কয়েকজন সদস্যের সহায়তায় পরিকল্পিতভাবে তাকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছিল বলে তদন্তে তথ্য পেয়েছে গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ।সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে জিএমপি সদরদপ্তরে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার এসব তথ্য জানান।পুলিশ কমিশনার বলেন, গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা জেলা জজ কোর্ট থেকে ২৯ জন আসামিকে প্রিজনভ্যানে করে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হচ্ছিল। পথে কোনাবাড়ী থানার বাইমাইল এলাকায় পিচ্চি রাজা (৩৪) পালিয়ে যান বলে প্রাথমিকভাবে জানানো হয়। এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ২২৪ ধারায় মামলা করা হয়। পরে মামলাটির তদন্তভার জিএমপির ডিবি দক্ষিণ বিভাগকে দেওয়া হয়।তদন্তে বিভিন্ন সাক্ষ্য, আলামত ও তথ্য বিশ্লেষণ করে ভিন্ন চিত্র পাওয়া যায় বলে জানান কমিশনার। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আদালত থেকে ফেরার পথে পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার এলাকায় প্রিজনভ্যান থামানো হয়। আরও  পড়ুন, আইপিইউর এপিজি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিলেন বাংলাদেশের স্পিকারসেখানে স্কট পার্টির ইনচার্জ এসআই প্রবীর কুমার বিশ্বাস চালকের কাছ থেকে ভ্যানের চাবি নিয়ে পিচ্চি রাজা ও আরেক হাজতি খাইরুল বাশারকে নামান।পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, খাইরুল বাশারকে ভ্যানের সামনের অংশে রাখা হলেও পিচ্চি রাজা ও এসআই প্রবীর আর ভ্যানে ওঠেননি। পরে আগে থেকে অপেক্ষমাণ একটি প্রাইভেটকারে পিচ্চি রাজাকে তুলে দেওয়া হয়। এরপর কোনাবাড়ী এলাকায় তিনি পালিয়ে গেছেন—এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হয় বলে তদন্তে দাবি করা হয়েছে।ঘটনার পর দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে এসআই প্রবীর কুমার, কনস্টেবল মো. জাকির হোসেন, মো. সাকিব, শাকিল হোসেন এবং প্রিজনভ্যানের চালক নায়েক কামাল হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পাশাপাশি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।তদন্তে পাওয়া তথ্য ও আলামতের ভিত্তিতে পিচ্চি রাজার বোন তাসলিমা, এসআই প্রবীর কুমার ও নায়েক কামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কামাল হোসেনের বাড়ি থেকে নগদ ৬০ হাজার টাকা উদ্ধারের কথাও জানিয়েছে পুলিশ।পিচ্চি রাজাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন জিএমপি কমিশনার।

আইপিইউর এপিজি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিলেন বাংলাদেশের স্পিকার

ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের (এপিজি) চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। সোমবার (৫ অক্টোবর) তানজানিয়ার আরুশায় আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি এ দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ভুটানের স্পিকার টেম্পা দর্জির কাছ থেকে তিনি এ দায়িত্ব নেন। জাতীয় সংসদ সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আইপিইউর এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপে বর্তমানে ৩৭টি দেশ সদস্য হিসেবে রয়েছে। এ গ্রুপের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে আইপিইউতে এ অঞ্চলের সংসদগুলোর প্রতিনিধিত্ব, পারস্পরিক যোগাযোগ ও সমন্বয়ে বাংলাদেশের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি হয়েছে।আরও  পড়ুন, মা ইলিশ রক্ষায় ৮ অক্টোবর থেকে নিষেধাজ্ঞা বাড়ছে ইলিশের দাম এদিকে ১৫৩তম আইপিইউ অ্যাসেম্বলিতে যোগ দিতে রোববার (৪ অক্টোবর) তানজানিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তানজানিয়ার আরুশায় ৫ থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত আইপিইউর এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংসদীয় প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। সেখানে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয়ে সংসদীয় সহযোগিতা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সমন্বয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশের স্পিকারের দায়িত্ব গ্রহণকে আন্তর্জাতিক সংসদীয় অঙ্গনে দেশের প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ দায়িত্বের মাধ্যমে এ অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের সংসদগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সংসদীয় সম্পর্ক আরও জোরদার হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

রাজনীতিরাজনীতি

বাংলাবান্ধা থেকে টেকনাফ ৩৬ দিনের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’

বাংলাবান্ধা থেকে টেকনাফ ৩৬ দিনের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’

ন্যায়বিচার, রাষ্ট্রীয় জবাবদিহি এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের দাবিতে ৩৬ দিনের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ইনকিলাব মঞ্চ। আগামী ৭ অক্টোবর দেশের সর্বউত্তরের বাংলাবান্ধা থেকে শুরু হবে এই কর্মসূচি। পরে দেশের বিভিন্ন এলাকা অতিক্রম করে এটি টেকনাফের জিরো পয়েন্টে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, লেখক, অ্যাক্টিভিস্ট, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ব্যক্তি এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল জাবেরের সভাপতিত্বে সভায় কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরেন সংগঠনের সদস্যসচিব ফাতেমা তাসনিম জুমা। তিনি জানান, ৩৬ দিনের মার্চে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পদযাত্রা, পথসভা ও সমাবেশ করা হবে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের পাশাপাশি ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার পক্ষে জনমত গড়ে তোলাই কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য। কর্মসূচির প্রথম ধাপে উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকার দিকে যাত্রা করবে ইনকিলাব মঞ্চ। আগামী ২১ অক্টোবর রাজধানীর শাহবাগে শহীদ শরীফ ওসমান হাদি চত্বরে সমাবেশ করার কথা রয়েছে। আরও পড়ুন,এনসিপির পাঁচ নেতাকে উপদেষ্টা রেখে জুলাই ওয়ারিয়র্স অ্যালায়েন্সের কমিটিএরপর মার্চটি দেশের পূর্বাঞ্চলের দিকে অগ্রসর হয়ে টেকনাফের জিরো পয়েন্টে গিয়ে শেষ হবে।‘মার্চ ফর ইনসাফ’-এর তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিত করা, গণভোটের গণরায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং জুলাই, পিলখানা ও শাপলা গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করা। সভায় বক্তারা শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার ঘটনায় সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন এবং কর্মসূচির প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। তারা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দাবিতে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে সর্বস্তরের মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।

এনসিপির পাঁচ নেতাকে উপদেষ্টা রেখে জুলাই ওয়ারিয়র্স অ্যালায়েন্সের কমিটি

এনসিপির পাঁচ নেতাকে উপদেষ্টা রেখে জুলাই ওয়ারিয়র্স অ্যালায়েন্সের কমিটি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পাঁচ কেন্দ্রীয় নেতাকে উপদেষ্টা রেখে জুলাই যোদ্ধাদের সংগঠন ‘জুলাই ওয়ারিয়র্স অ্যালায়েন্স’-এর আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী এক বছরের জন্য এ কমিটি দায়িত্ব পালন করবে।সোমবার (৫ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির নতুন কমিটি ও উপদেষ্টা পরিষদের তথ্য জানানো হয়।ঘোষিত কমিটিতে সভাপতি হয়েছেন সালমান হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন মুস্তাইন বিল্লাহ হাবিবী। সংগঠনটির কার্যক্রম পরিচালনা ও সাংগঠনিক কাঠামো আরও শক্তিশালী করতে আগামী এক বছরের জন্য কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।আরও  পড়ুন, পাটওয়ারীর ওপর হামলায় বিএনপির সম্পৃক্ততা নেই: রাশেদ খাঁনএদিকে এনসিপির পাঁচ কেন্দ্রীয় নেতাকে নিয়ে জুলাই ওয়ারিয়র্স অ্যালায়েন্সের উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছে। এতে রয়েছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতু ও নুসরাত তাবাসসুম এবং কেন্দ্রীয় সংগঠক আরমান হোসাইন।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ও অর্জনকে সমুন্নত রাখা এবং জুলাইয়ের শহীদ ও আহতদের ন্যায়বিচার, মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই জুলাই ওয়ারিয়র্স অ্যালায়েন্সের উপদেষ্টা পরিষদ ও কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।নতুন কমিটির নেতারা সংগঠনের ঘোষিত লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি জুলাইয়ের শহীদ ও আহতদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় সংগঠনটি ভূমিকা রাখবে বলে জানানো হয়েছে।

পাটওয়ারীর ওপর হামলায় বিএনপির সম্পৃক্ততা নেই: রাশেদ খাঁন

পাটওয়ারীর ওপর হামলায় বিএনপির সম্পৃক্ততা নেই: রাশেদ খাঁন

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় লালন শাহের মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা ও তার গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। তবে এ ঘটনার সঙ্গে বিএনপি বা দলটির অঙ্গসংগঠনের কোনো নেতাকর্মী জড়িত নন বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন।রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খাঁন বলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আগের দিন থেকেই কুষ্টিয়ায় অবস্থান করছিলেন। বিভিন্ন স্থান ঘোরার পর রোববার রাতে তিনি এনসিপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে লালন শাহের মাজারে যান।রাশেদ খাঁনের দাবি, মাজার থেকে ফেরার সময় এনসিপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে কয়েকজন ব্যক্তির বাকবিতণ্ডা হয়। এর একপর্যায়ে একটি গাড়ি ভাঙচুরের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কুষ্টিয়া বিএনপির নেতাকর্মীদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও তিনি দাবি করেন।আরও  পড়ুন, সংবিধান সংশোধন কমিটিকে ‘আমরা-মামুরা’ বললেন হাসনাততিনি আরও দাবি করেন, বিষয়টি জানতে পেরে তিনি কুষ্টিয়ার স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিএনপির নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মাজারে যাওয়ার বিষয়টি প্রশাসনকে আগে জানানো হয়নি বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।এর আগে রোববার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে লালন শাহের মাজার প্রাঙ্গণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা ও তার গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পর সেখানে কিছু সময় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং পরে রাত ৮টার দিকে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিরাপদে মাজার এলাকা থেকে বের করে আনে।এনসিপির পক্ষ থেকে হামলার জন্য বিএনপির নেতাকর্মীদের দায়ী করার অভিযোগ উঠলেও হামলাকারীদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

সংবিধান সংশোধন কমিটিকে ‘আমরা-মামুরা’ বললেন হাসনাত

সংবিধান সংশোধন কমিটিকে ‘আমরা-মামুরা’ বললেন হাসনাত

সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটিকে ‘আমরা-মামুরা সংশোধন কমিটি’ বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ। রোববার (৪ অক্টোবর) অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।হাসনাত আবদুল্লাহ অভিযোগ করেন, সংস্কারের দাবিতে দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রাম করা অনেককে পদ, চেয়ার কিংবা মন্ত্রণালয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নিজেদের পক্ষে নেওয়া হয়েছে। শেষ পর্যন্ত জনগণই সংশ্লিষ্টদের কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।গণভোট প্রসঙ্গে হাসনাতের দাবি, মৌলিক সংস্কার এড়িয়ে যাওয়ার জন্য শুরুতে গণভোট নিয়ে আপত্তি তোলা হয়েছিল। পরে গণভোটের ফলাফলের কিছু অংশ মেনে নেওয়া হলেও অন্য অংশ বাস্তবায়ন করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার ভাষায়, এ ধরনের অবস্থান সরকারের প্রতি মানুষের আস্থার সংকট তৈরি করেছে।তিনি আরও বলেন, জনগণের রায় বাস্তবায়ন না করে আবারও জনগণের অর্থ ব্যয়ে গণভোট আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আরও  পড়ুন, জাতিকে বিভক্ত না করলে বাংলাদেশও এগিয়ে যাবে: নূরুল ইসলাম সাদ্দামএকই সঙ্গে সংস্কারের পক্ষে জনগণ যে মত দিয়েছে, তা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।বগুড়ার আলুর বাজার ও কৃষকদের উৎপাদন খরচের বিষয়টিও তুলে ধরেন হাসনাত। তার দাবি, বগুড়ায় উৎপাদন খরচের তুলনায় কম দামে কৃষকদের আলু বিক্রি করতে হচ্ছে। কৃষক যাতে উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পান, সে জন্য কার্যকর নীতি গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।এ ছাড়া নতুন কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েও আশঙ্কা প্রকাশ করেন এনসিপির এই নেতা। ২০০৬ সালের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করে তিনি দাবি করেন, নতুন কোনো ব্যবস্থার মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের চেষ্টা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ধর্মীয় ইস্যু ব্যবহারের আশঙ্কার কথাও বলেন তিনি। এসব বক্তব্য হাসনাত আবদুল্লাহর রাজনৈতিক অভিযোগ ও আশঙ্কা হিসেবে এসেছে।হাসনাতের বক্তব্য, জনগণ যেসব বিষয়ে রায় দিয়েছে, আগে সেগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। জনগণের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নই সরকারের প্রথম দায়িত্ব বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

সারাবাংলা

জবি কেন্দ্রীয় মন্দির কমিটির নেতৃত্বে অজয় পাল ও জয় সাহা

জবি কেন্দ্রীয় মন্দির কমিটির নেতৃত্বে অজয় পাল ও জয় সাহা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেন্দ্রীয় মন্দির পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নয় সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে মার্কেটিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী অজয় পালকে আহ্বায়ক এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ১৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জয় সাহাকে সদস্য-সচিব করা হয়েছে।সোমবার (৫ অক্টোবর) পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. সুরঞ্জন কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দির’-এর জন্য গঠনতন্ত্র প্রণয়ন এবং সে অনুযায়ী নতুন কমিটি গঠিত না হওয়া পর্যন্ত মন্দির পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নয় সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নতুন কমিটি গঠিত হলে বর্তমান আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত বলে গণ্য হবে।কমিটিতে বাংলা বিভাগের ১৭তম ব্যাচের সুমন কুমার দাসকে কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ১৬তম ব্যাচের প্রিয়ন্ত স্বর্ণকার,আরও পড়ুন,কালকিনিতে পাঁচ বছরের শিশু ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগে লম্পটের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করলেন এলাকাবাসী সংগীত বিভাগের ১৭তম ব্যাচের অনন্ত বিশ্বাস, লোকপ্রশাসন বিভাগের ১৮তম ব্যাচের গৌরব দাস, ফিন্যান্স বিভাগের ১৮তম ব্যাচের অবন্তি রায়, অর্থনীতি বিভাগের ১৯তম ব্যাচের অতসী দাস এবং মনোবিজ্ঞান বিভাগের ২০তম ব্যাচের বিশাল কুমার সাহা।কমিটিতে সদস্য সচিবের দায়িত্ব পেয়ে জয় সাহা বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দিরের সদস্য সচিব হিসেবে আমাকে নির্বাচিত করায় সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এই দায়িত্ব আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের এবং একই সঙ্গে একটি বড় দায়িত্বের। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অধিকার, পারস্পরিক সম্প্রীতি এবং সৌহার্দ্য বজায় রাখতে আমি নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যেতে চাই।” তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দিরকে আরও সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও সকলের অংশগ্রহণের একটি মিলনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। ঐক্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দিরের কার্যক্রম আরও সমৃদ্ধ হবে।” কমিটি গঠনের বিষয়ে আহ্বায়ক অজয় পাল বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দিরের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা এবং সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে মন্দিরের কার্যক্রমে সমন্বয়, শৃঙ্খলা ও সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখতে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।”

কালকিনিতে পাঁচ বছরের শিশু ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগে লম্পটের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করলেন এলাকাবাসী

কালকিনিতে পাঁচ বছরের শিশু ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগে লম্পটের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করলেন এলাকাবাসী

মাদারীপুরের কালকিনিতে ৫ বছর বয়সের এক শিশুকে ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগ এনে অভিযুক্ত লম্পট বসতবাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী। এ সময় বিক্ষুদ্ধ জনতা ওই লম্পটকে গ্রেফতারের দাবিতে ঝাড়ু মিছিল করেছে। পরে খবর পেয়ে থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং উপজেলা ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালান। আজ সোমবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী ও পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, উপজেলার সাহেবরামপুর এলাকার মধ্যেরচর সাহেবরামপুর গ্রামের ৫ বছরের এক শিশুকে সম্প্রতি বাড়িতে একা পেয়ে ধর্ষন চেষ্টা চালায় একই গ্রামের হাবুল শিকদার(৫৭)। এ বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে হাবুল শিকদার গা ঢাকা দিয়ে থাকেন।আড়ও পড়ুন,শিক্ষক গড়েন আলোকিত জাতি, তাঁদের মর্যাদা রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরিপরে হাবুল শিকদার ওই বিষয়টি নিয়ে আপোষ মিমাংসা করার জন্য এবং থানায় মামলা না করার জন্য ভুক্তভোগী পরিবারকে বিভিন্ন লোকজনের মাধ্যমে চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আজ সোমবার সন্ধ্যায় ওই গ্রামের প্রায় ৫ শতাধিক লোকজন ভুক্তভোগী পরিবারকে সাথে নিয়ে অভিযুক্ত হাবুল শিকদারের বিচারের দাবিতে ঝাড়ু মিছিল বের করেন। এক পর্যায় এই মিছিল শেষে বিক্ষুদ্ধ জনতা অভিযুক্ত হাবুল শিকদারের বসতবাড়িতে ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটায়। পরে খবর পেয়ে কালকিনি থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং উপজেলা ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আগুন নেভাতে সক্ষম হন। ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বলেন, হাবুল শিকদার আমার শিশু কন্যাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। আমি বিচার চেয়েও বিচার পাইনি। তাই ক্ষিপ্ত হয়ে এলাকাবাসী হাবুলের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছে। আমি থানায় অভিযোগ করেছি।এ বিষয় জানতে চাইলে অভিযুক্ত ও তার পরিবারের কাউকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। এব্যাপারে কালকিনি থানার ওসি জহিরুল আলম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

শিক্ষক গড়েন আলোকিত জাতি, তাঁদের মর্যাদা রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি

শিক্ষক গড়েন আলোকিত জাতি, তাঁদের মর্যাদা রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি

শিক্ষকতা শুধু একটি পেশা নয়, এটি একটি আলোকিত, মানবিক ও উন্নত জাতি গঠনের মহান দায়িত্ব। শিক্ষার্থীদের পাঠ্যজ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ, দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধে উদ্বুদ্ধ করতে শিক্ষকদের ভূমিকা অনন্য। তাই শিক্ষকদের যথাযথ মর্যাদা, সম্মান, নিরাপত্তা ও পেশাগত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা। বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে গোপালগঞ্জে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ‘স্বচ্ছতা’ সম্মেলনকক্ষে জেলা প্রশাসন ও জেলা শিক্ষা অফিসের উদ্যোগে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য গণনেতা ডা. কে এম বাবর। গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আরিফ-উজ-জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোঃ হাবীবুল্লাহ, বিপিএম-সেবা, জেলা পরিষদের প্রশাসক শরীফ রফিকুজ্জামান এবং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খোঃ রুহুল আমীন। সভায় বিশ্ব শিক্ষক দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি, পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। বক্তারা বলেন, একটি দেশের টেকসই উন্নয়ন ও অগ্রগতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো মানসম্মত শিক্ষা। আর সেই শিক্ষাব্যবস্থার মূল কারিগর শিক্ষক। একজন শিক্ষক শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানই দেন না; তাঁর জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, মেধা ও প্রজ্ঞার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সততা, শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ, মানবিকতা ও দেশপ্রেমের মতো মূল্যবোধ গড়ে তোলেন। তাঁদের হাত ধরেই নতুন প্রজন্ম ভবিষ্যতের নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে। তাঁরা আরও বলেন, সময়ের সঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থায় নানা পরিবর্তন ও নতুন চ্যালেঞ্জ যুক্ত হয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা, সৃজনশীল চিন্তা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং নৈতিক শিক্ষার সমন্বয় ঘটাতে শিক্ষকদের আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। এ জন্য শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, আরও পড়ুন,মহেশপুরে বসতবাড়ীর জমি নিয়ে বিরোধে জুয়েলার্স ব্যবসায়ীআধুনিক শিক্ষা উপকরণ, উপযুক্ত কর্মপরিবেশ এবং পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। আলোচনায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সমাজের পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। বক্তারা বলেন, শিক্ষকদের প্রতি সম্মানজনক ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করা গেলে শিক্ষার পরিবেশ আরও ইতিবাচক হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জন ও সৃজনশীল বিকাশের পথও আরও সুগম হবে। বক্তারা বলেন, বিশ্ব শিক্ষক দিবস কেবল একটি আনুষ্ঠানিক দিবস নয়; এটি শিক্ষকদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের অধিকার, মর্যাদা ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকারের দিন। শিক্ষকদের সম্মান জানানো মানেই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সম্ভাবনা ও দেশের অগ্রযাত্রাকে সম্মান জানানো। সভায় শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্কের আরও উন্নয়ন এবং বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। উল্লেখ্য, প্রতি বছর ৫ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়। শিক্ষকদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া, তাঁদের অধিকার ও মর্যাদা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষার উন্নয়নে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরাই এ দিবসের মূল উদ্দেশ্য।গোপালগঞ্জে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ আলোচনা সভা শিক্ষকদের অবদানকে নতুন করে স্মরণ করার পাশাপাশি তাঁদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রত্যয়কে আরও জোরালো করবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।

মহেশপুরে বসতবাড়ীর জমি নিয়ে বিরোধে জুয়েলার্স ব্যবসায়ী

মহেশপুরে বসতবাড়ীর জমি নিয়ে বিরোধে জুয়েলার্স ব্যবসায়ী

ঝিনাইদহের মহেশপুরে বসত বাড়ীর জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে সুমন কুমারকে (২৭) পিটিয়ে আহত করে কাছে থাকা স্বর্ন ও নগত টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আহত সুমন কুমার মহেশপুর উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের সন্নসী কুমারের ছেলে। থানায় দায়ের করা অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, বসত বাড়ীর জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে শনিবার (৩ অক্টোবর) যাদবপুর বাজারের নিজের জুয়েলার্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ বাড়ী ফেরার সময় গয়েশপুর গ্রামের রাব্বি,ছানোয়র,শাহিন,আনোয়র ও মনোয়ার সুমন কুমারকে পিটিয়ে আহত করে। আরও পড়ুন,স্টেশনের ৭ নং পার্কিংয়ে জামাই-বউ-শাশুড়ির রমরমা ইয়াবার হাটএ সময় সুমন কুমারের কাছে থাকা ১০ স্বর্নের গহনা ও নগত ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে চলে যায়। এলাকাবাসী জানান, এই হিন্দু পরিবারটি বর্তমানে চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে। আর বাড়ীর পুরুষ মানুষ গলো পালিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। আহত সুমন কুমার জানান, বাড়ীর জায়গা না ছাড়লে আমাকে মেরে ফেলা হবে,আমি সে কারনেই বাড়ীতে যাচ্ছিনা। বিভিন্ন জায়গাতে পালিয়ে থাকতে হচ্ছে। মহেশপুরে বিজিবি’র অভিযানে ৩৩৪ বোতল মাদকসহ ব্যবসায়ী আজিজ

আন্তর্জাতিক

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাবে ২০২৭ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য সময়

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাবে ২০২৭ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য সময়

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব-নিকাশের ভিত্তিতে ২০২৭ সালের পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য সময়সূচি সামনে এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক গণমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের গাণিতিক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে সম্ভাব্য এসব তারিখের কথা জানানো হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি সোমবার থেকে হিজরি ১৪৪৮ সনের পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে। সে হিসাবে এর আগের দিন ৭ ফেব্রুয়ারি রবিবার সন্ধ্যায় রমজানের চাঁদ অনুসন্ধান করা হবে। চাঁদ দেখা গেলে ওই রাতেই প্রথম তারাবিহ নামাজ আদায় করবেন মুসল্লিরা। একই সঙ্গে পরদিন রোজা রাখার জন্য রাতে সেহরি গ্রহণ করবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাবে রমজান মাস ২৯ দিনে শেষ হলে ২০২৭ সালের ১০ মার্চ বুধবার পবিত্র ঈদুল ফিতর পালিত হতে পারে। তবে রমজান ৩০ দিন পূর্ণ হলে ঈদের তারিখ একদিন পিছিয়ে যেতে পারে। আরও পড়ুন,ত্রাণ নিতে গিয়ে হেলিকপ্টার থেকে পড়া প্যাকেটের আঘাতে প্রাণ গেল বৃদ্ধেরএখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, প্রকাশিত তারিখগুলো এখনো চূড়ান্ত নয়। এগুলো মূলত জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ও গাণিতিক হিসাবের ভিত্তিতে করা সম্ভাব্য পূর্বাভাস। ইসলামি বর্ষপঞ্জির মাস শুরুর ক্ষেত্রে নতুন চাঁদের উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ। তাই বাস্তবে চাঁদ দেখা এবং সংশ্লিষ্ট দেশের সিদ্ধান্তের ওপরই রমজান ও ঈদুল ফিতরের চূড়ান্ত তারিখ নির্ভর করবে। বাংলাদেশেও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি চাঁদ দেখার তথ্য পর্যালোচনা করে রমজান শুরুর ও ঈদুল ফিতরের তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবে। অর্থাৎ জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাবে ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি রমজান শুরু এবং ১০ মার্চ ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে সামনে এলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য চাঁদ দেখা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

৮ ঘন্টা আগে

রাজধানী

আগারগাঁওয়ে চোরাই তেলের রমরমা কারবার, শেরেবাংলা নগর থানার বিশেষ অভিযান

আগারগাঁওয়ে চোরাই তেলের রমরমা কারবার, শেরেবাংলা নগর থানার বিশেষ অভিযান

রাজধানীর আগারগাঁও এলাকায় অবৈধভাবে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন বিক্রির অভিযোগে কয়েকটি দোকান ও স্থাপনায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ। গতকাল সোমবার (৫ অক্টোবর) শেরেবাংলা নগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন থানার এসআই শাহীন। এ সময় অবৈধভাবে মজুত ও বিক্রির অভিযোগে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল ও সংশ্লিষ্ট মালামাল জব্দ করা হয়েছে,বলে,জানা,গেছে,স্থানীয়দের অভিযোগ, আগারগাঁও এলাকায় একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে দিন-রাত বিভিন্ন যানবাহন থেকে ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন ও মবিল কম দামে সংগ্রহ করে তা গোপনে মজুত করে আসছে। পরে এসব জ্বালানি বাজারমূল্যের তুলনায় চড়া দামে বিক্রি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।অভিযোগ রয়েছে,আরও  পড়ুন, খিলক্ষেত বিআরটিএতে লাইসেন্স পরীক্ষাকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ যানবাহন থেকে তেল নামিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে চালক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগসাজশের মাধ্যমে একটি চক্র এ অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করছে। ফলে একদিকে যেমন বৈধ ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, অন্যদিকে অগ্নিঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে খোলামেলা স্থানে জ্বালানি মজুত ও বিক্রির কারণে জননিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।পুলিশের বিশেষ অভিযানে কয়েকটি দোকান ও স্থাপনায় তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় অবৈধভাবে মজুত করা জ্বালানি ও অন্যান্য মালামাল জব্দ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। অভিযানের পর স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি দেখা গেলেও তারা এই চক্রের মূলহোতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।স্থানীয়দের প্রশ্ন ,যদি দিনের পর দিন এভাবে গাড়ি থেকে জ্বালানি সরিয়ে অবৈধভাবে বিক্রি হয়ে থাকে, তাহলে এর পেছনে কারা রয়েছে এবং কীভাবে এতদিন ধরে এ ব্যবসা চলছিল?এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি অবৈধ জ্বালানি ব্যবসার নেপথ্যে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

১০ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৫ জন

খেলাধুলা

বাংলাদেশ এখন টেস্টে রাজত্ব করার সময় এসেছে: হাসান মাহমুদ

বাংলাদেশ এখন টেস্টে রাজত্ব করার সময় এসেছে: হাসান মাহমুদ

একসময় টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে বড় প্রত্যাশা করা কঠিন হলেও সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে বদলেছে সেই চিত্র। পেসার হাসান মাহমুদ মনে করেন, এখন টেস্টে বড় লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার ভিত্তি তৈরি হয়েছে। এমনকি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার সম্ভাবনাও দেখছেন তিনি। গত আগস্টে ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ঐতিহাসিক জয় পায় বাংলাদেশ। ওই ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং করে ৫৫ রানে ৬ উইকেট নেন হাসান মাহমুদ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয়ের পর বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় চতুর্থ স্থানে উঠে আসে বাংলাদেশ। বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হাসান বলেন, দলের মধ্যে এখন ধারাবাহিকতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বিশ্ব টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ নিজেদের প্রভাব বিস্তারের জন্য প্রস্তুত বলেও মনে করেন তিনি। তার মতে, আগে টেস্টে বাংলাদেশ সেভাবে প্রভাব বিস্তার করতে না পারলেও এখন সেই সময় এসেছে। গত দুই বছরে ১৩টি টেস্টের মধ্যে ছয়টিতে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। হাসানের কাছে ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো ছিল দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি মোড় পরিবর্তনের ঘটনা। চলতি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রে বাংলাদেশের সামনে রয়েছে আরও ছয়টি টেস্ট। ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চারটি ম্যাচ এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তাদের মাটিতে দুটি টেস্ট খেলার সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের।আরও পড়ুন,পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্বে আবারও পরিবর্তনের আভাস হাসানের হিসাব, ঘরের মাঠের চারটি ম্যাচ জিততে পারলে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার সুযোগ তৈরি হতে পারে। টেস্ট ক্রিকেট নিয়ে বাংলাদেশের ভাবনা এখন এতটাই বড় জায়গায় পৌঁছেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। চলতি বছর ইংলিশ কাউন্টি দল কেন্টের হয়ে নজরকাড়া বোলিং করেছেন হাসান। বোলিংয়ের ধরন ও নিয়ন্ত্রণের কারণে তাকে ‘মিনি-ম্যাকগ্রা’ নামেও ডাকা হয়। তার বিশ্বাস, বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের পেসারদের উত্থানে বিশ্ব ক্রিকেটে দেশের টেস্ট দলের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিও বদলাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া সিরিজে নিজের বোলিং পরিকল্পনা নিয়েও কথা বলেন হাসান। ব্যাটারদের রান করার সুযোগ না দিয়ে নিখুঁত জায়গায় বল করে যাওয়াই ছিল তার মূল লক্ষ্য। শর্ট বল ও বাউন্সার দিয়ে ব্যাটারদের পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনাতেও অটল ছিলেন তিনি। তবে দ্বিতীয় টেস্টে ইনিংস ও ৫১ রানে হেরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জেতা হয়নি বাংলাদেশের। এরপরও এই হারকে দলের অগ্রগতির পথে বড় বাধা হিসেবে দেখছেন না হাসান। তার মতে, পেসাররা ফিট থাকলে এবং ব্যাটাররা নিয়মিত রান করতে পারলে খুব দ্রুতই বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটে আরও উঁচু স্তরে পৌঁছাতে পারবে।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!