দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

গুলশানের বাড়িধারায় ‘আবেরা’ স্পা সেন্টার ঘিরে নানা অভিযোগ

কোনমতে দুই চারটি মেয়ে রাখি / গুলশানের বাড়িধারায় ‘আবেরা’ স্পা সেন্টার ঘিরে নানা অভিযোগ

রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান থানাধীন বাড়িধারার ৫৫, সোহরাওয়ার্দী রোডের একটি ফ্ল্যাটে পরিচালিত ‘আবেরা’ নামের একটি স্পা সেন্টারকে ঘিরে নানা অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে পাওয়া অভিযোগ অনুযায়ী, ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়ে দোলা নামের এক নারী এই প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। স্পা ব্যবসার আড়ালে সেখানে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, গ্রাহকদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলার অভিযোগ এবং সন্দেহভাজন মাদকসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যাতায়াত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।আরও পড়ুন: গুলশান বারিধারায় দোলার অবৈধ স্পা সেন্টার নিয়ে বিতর্কঅভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য, বাড়ির মালিকের তথ্য, প্রয়োজনীয় অনুমোদনপত্র এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তের তথ্য পাওয়া গেলে অভিযোগগুলোর প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হতে পারে।অভিযোগকারীদের দাবি, ‘আবেরা’ স্পা সেন্টারকে কেন্দ্র করে একটি নারীচক্র বিভিন্ন গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের প্রলোভন বা প্রতারণার ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করে। স্পা সেবার নামে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করে পরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় কিংবা অন্য কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর অভিযোগও আলোচনায় এসেছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো যাচাইকৃত নথি, প্রত্যক্ষদর্শীর বিস্তারিত বক্তব্য, ভুক্তভোগীর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিশ্চিত করা তথ্য পাওয়া যায়নি। আরও পড়ুন:  বাহরের ৯৯ রোডে স্পা সেন্টার ঘিরে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের অভিযোগসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কী ধরনের সেবা দেওয়া হয়, গ্রাহকদের কাছ থেকে কীভাবে অর্থ নেওয়া হয়, সেবার মূল্যতালিকা ও রসিদ সংরক্ষণ করা হয় কি না এবং ব্যবসাটি প্রয়োজনীয় আইনগত অনুমোদন নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে কি না এসব বিষয় যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার সচেতন ব্যক্তিরা। স্পা সেন্টারটিতে সন্দেহভাজন মাদকসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগটি সত্য হলে তা এলাকার নিরাপত্তা, আবাসিক পরিবেশ এবং মাদক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তৈরি করে। তবে মাদকদ্রব্যের লেনদেন, সংরক্ষণ কিংবা সরবরাহের মতো অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে কি না, তা নির্ধারণের জন্য নির্ভরযোগ্য তথ্য, প্রয়োজনীয় তদন্ত এবং আইনগত প্রমাণ দরকার। এ ক্ষেত্রে গুলশান থানা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা যেতে পারে। প্রয়োজন হলে আইনানুগ পদ্ধতিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম, অনুমোদন এবং অভিযোগে উল্লিখিত ঘটনাগুলো খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। বাড়িধারার মতো গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক এলাকায় কোনো ফ্ল্যাটে স্পা বা এ ধরনের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অনুমোদন, ভবনের অনুমোদিত ব্যবহার, ট্রেড লাইসেন্স এবং অন্যান্য বিধিবিধান মানা হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা প্রয়োজন।প্রতিষ্ঠানটির বৈধতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নথি পর্যালোচনা গুরুত্বপূর্ণ। ভবনটি কোন ধরনের ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত, ফ্ল্যাটে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি রয়েছে কি না এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রয়োজনীয় নিবন্ধন বা লাইসেন্স আছে কি না এসব প্রশ্নের উত্তর নথিপত্র যাচাই ছাড়া দেওয়া সম্ভব নয়।আরও পড়ুন: গুলশানে গেস্ট হাউজ-স্পা, পেছনে মিরাজের অজানা সাম্রাজ্য?একই সঙ্গে ভবনের নিরাপত্তাব্যবস্থা, প্রবেশপথের ব্যবস্থাপনা, অগ্নিনিরাপত্তা এবং প্রতিবেশীদের অভিযোগ থাকলে সেগুলোর নিষ্পত্তির বিষয়ও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। তবে কোনো প্রতিষ্ঠানে স্পা সেবা দেওয়া হচ্ছে বলেই সেটিকে অবৈধ বা অপরাধমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আখ্যা দেওয়া সমীচীন নয়। অভিযোগে যদি গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, অনৈতিকভাবে অর্থ আদায় কিংবা অন্য কোনো অপরাধের ঘটনা থেকে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে তা তদন্ত করা প্রয়োজন।  কোনো ব্যক্তি প্রতারণার শিকার হয়ে থাকলে তাঁর উচিত সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ জানানো এবং প্রাসঙ্গিক তথ্যপ্রমাণ সংরক্ষণ করা। গুলশানের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পরিচালিত যেকোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আইন ও বিধিবিধানের আওতায় থাকা প্রয়োজন। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।আরও পড়ুন: পরকীয়ার জেরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে খুনএ ক্ষেত্রে গুলশান থানা পুলিশ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। অভিযোগের ধরন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স, ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং সম্ভাব্য অপরাধের বিষয়ে তথ্য চাওয়া যেতে পারে। ‘আবেরা’ স্পা সেন্টার, এর পরিচালনার দায়িত্বে থাকা বলে অভিযোগে উল্লিখিত দোলা নামের নারী, বলেন, ভাই আমি এটি দিয়ে কোনমতে চলি। এখন আগের মত তেমন ব্যবসাও নেই। এসব প্রতিষ্ঠান চালাতে ব্যয়বহুল খরচ। কোনমতে দুই চারটি মেয়েদের রেখে ব্যবসা করি। এছাড়া এাঁ বাড়িধারা এখানে কাষ্টমার আসতে চায়না তেমন এবং বাড়িধারায় ঢুকতে সোসাইটির অনুমতি প্রয়োজন হয়। কিন্তু আমরা সোসাইটির গার্ডদের সাথে সমন্ময় রেখে লোকজন প্রবেশ করিয়ে থাকি। আরও পড়ুন: গুলশানে স্পা নেটওয়ার্কের নেপথ্যে কে এই নুর-ইসলাম?‘আবেরা’ নামের একটি স্পা সেন্টারকে ঘিরে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে গুলশান থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে অবহিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধও জানানো হয়। তবে অভিযোগ জানানোর পরও সংশ্লিষ্ট স্পা সেন্টারে পুলিশের কোনো দৃশ্যমান অভিযান চোখে পড়েনি। অভিযোগ রয়েছে, ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানটিতে স্পা ব্যবসার আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং সন্দেহভাজন মাদকসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যাতায়াত রয়েছে।  প্রশ্ন উঠেছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অভিযোগ জানানোর পরও কেন দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না? তবে পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে সংশ্লিষ্ট থানার বক্তব্য এবং সম্ভাব্য তদন্তের অগ্রগতি জানা জরুরি।

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

ঘাতকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি অপ্রতিমের বাবার

কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির মেধাবী স্কুলছাত্র ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেছে পুলিশ। গত ২০ অক্টোবর দুই কিশোরসহ মোট চারজনকে অভিযুক্ত করে এ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) লুৎফর রহমান।পুলিশের দেওয়া চার্জশিটে সরাসরি হত্যাকাণ্ডে যুক্ত থাকার অপরাধে সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিন, মোজাফ্ফর হোসেন ফাহাদ ও কামরুল হাসানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে সিয়াম নামের আরেকজনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। নিহত অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম এবং ব্যবসায়ী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র সন্তান ছিল। সে কুমিল্লার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের ছাত্র ছিল।আরোও পড়ুন,হামলার দায় অস্বীকার ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদেরতদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে অভিযুক্ত তুহিন কৌশলে অপ্রতিমকে লালমাই পাহাড়সংলগ্ন সানন্দা এলাকার নির্জন জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে অপ্রতিম তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি দিতে বাধা দিলে বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্ত তুহিন, ফাহাদ ও কামরুল বাঁশের লাঠি দিয়ে অপ্রতিমের মাথায় নির্মমভাবে আঘাত করে, যার ফলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।ঘটনার পরদিন পুলিশ পাহাড়ের জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে পুলিশ প্রথমে প্রধান অভিযুক্ত তুহিনকে আটক করে এবং তার বাসা থেকে অপ্রতিমের ছিনতাই হওয়া মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফাহাদ ও কামরুলকে আটক করা হয়। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে শোকে বিহ্বল অপ্রতিমের বাবা অভিযুক্তদের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন, যেন বয়সের অজুহাতে কোনো আইনি ফাঁকফোকর দিয়ে অপরাধীরা ছাড় না পায়।

হামলার দায় অস্বীকার ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের

সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তাঝুঁকি ও আকাশপথের বিধিনিষেধের কারণে বাংলাদেশের মধ্যপ্রাচ্যগামী যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যাপক বিপর্যয় নেমে এসেছে। গত বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দাম্মামে কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একজন সৌদি ও একজন ভারতীয় নাগরিক নিহত হন। এ ঘটনায় আহত আটজনের মধ্যে দুজন বাংলাদেশি প্রবাসী রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ (জিএসিএ)।সংকটময় পরিস্থিতিতে বেবিচক (বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ) জানিয়েছে, ঢাকা থেকে সৌদিগামী সরাসরি ও বিভিন্ন দেশের ট্রানজিট মিলিয়ে সর্বমোট ১৩৫টি ফ্লাইট বাতিল বা স্থগিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬২টি সরাসরি (বিমান বাংলাদেশ, সৌদিয়া, ইউএস-বাংলা ও রিয়াদ এয়ার) এবং ৭৩টি ট্রানজিট ফ্লাইট (ইন্ডিগো, এমিরেটস, কাতার এয়ারওয়েজ ইত্যাদি) রয়েছে। এই আকস্মিক ফ্লাইট বাতিলের ফলে ২০ হাজার ৬৭২ জন যাত্রীর ভ্রমণ পরিকল্পনা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে, যাদের বড় অংশই প্রবাসী কর্মী।আরোও পড়ুন,সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির তথ্য নেইহামলার পর দাম্মাম বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্বাভাবিক করা হলেও নতুন করে রুটটি সচল রাখা নিয়ে তীব্র অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা এই সুনির্দিষ্ট হামলার দায় অস্বীকার করলেও সৌদি আরবের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির মুখে ওয়াশিংটন সে দেশে কর্মরত নিজ দেশের কূটনীতিকদের ফেরত যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ থেকে সৌদিগামী যাত্রীদের টিকিট বা ভ্রমণের হালনাগাদ তথ্যের জন্য স্ব-স্ব এয়ারলাইনসের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির তথ্য নেই

সৌদি আরবে সাজাপ্রাপ্ত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির বিষয়ে সরকারের কাছে বর্তমানে হালনাগাদ কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে এ কথা বলেন।আরোও পড়ুন,বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা ১৬তমপ্রতিমন্ত্রী জানান, সৌদি আরবের বিভিন্ন কারাগারে বর্তমানে প্রায় সাড়ে সাত হাজার বাংলাদেশি বন্দি রয়েছেন। তাঁদের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার ও সংশ্লিষ্ট দূতাবাস প্রতিনিয়ত সার্বিক খোঁজখবর রাখছে এবং প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সহায়তা প্রদান অব্যাহত রেখেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে আরও জানা যায়, সৌদিতে আটক ও সাজাপ্রাপ্ত বাংলাদেশিদের প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা দিতে এবং সামগ্রিক কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রাখতে সরকার নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা ১৬তম

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর ঢাকার বায়ুদূষণের মাত্রা কিছুটা কমলেও বায়ুমান এখনো ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) প্রকাশিত আইকিউএয়ার সূচকে ১৫১ স্কোর নিয়ে বিশ্বের ১২৬টি শহরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান ১৬তম।অন্যদিকে, পাকিস্তানের লাহোর শহর ৩৯৮ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকার শীর্ষে রয়েছে, যার বাতাস নাগরিকদের জন্য ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচিত। এছাড়া ২২৮ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ভারতের দিল্লি, আরোও পড়ুন,কূটনীতিক মহলে নজিরবিহীন আলোচনা১৭৮ স্কোর নিয়ে তৃতীয় স্থানে মুম্বাই, ১৭৫ স্কোর নিয়ে চতুর্থ স্থানে সেনেগালের ডাকার এবং ১৭২ স্কোর নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর। আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।বিশেষজ্ঞদের মতে, ঢাকার বায়ুদূষণের প্রধান উৎসগুলোর মধ্যে রয়েছে ইটভাটা, যানবাহনের কালো ধোঁয়া এবং বিভিন্ন নির্মাণ সাইটের উন্মুক্ত ধুলাবালি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ফুসফুসের ক্যান্সার ও তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের মতো প্রাণঘাতী রোগের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়, যার কারণে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর প্রায় ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু ঘটে।

রাজনীতিরাজনীতি

গুপ্ত রাজনীতির চর্চা ও অবিশ্বাসের বেড়াজালে রাজনৈতিক দলগুলো

গুপ্ত রাজনীতির চর্চা ও অবিশ্বাসের বেড়াজালে রাজনৈতিক দলগুলো

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সাম্প্রতিক সময়ে ‘গুপ্ত-সুপ্ত’ রাজনীতি এবং অনুপ্রবেশ ও প্রক্সি সংগঠনের তৎপরতা নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বক্তব্যে গুপ্ত রাজনীতির মাধ্যমে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ওঠার পর থেকেই মূলত এই আলোচনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। বিশেষ করে বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীদের পাল্টাপাল্টি অবস্থানে রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে সন্দেহ ও অবিশ্বাসের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। গত ১ অক্টোবর ফেনীর এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অভিযোগ করেন যে, অতীতে বিভিন্ন সময়ে পর্দার আড়ালে থেকে যারা ষড়যন্ত্র করেছে, সেই গুপ্ত চক্র এখনও সক্রিয় রয়েছে এবং বিভিন্নভাবে জোটবদ্ধ হয়ে কাজ করছে। জামায়াতকে ইঙ্গিত করে দেওয়া এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে জামায়াতের পক্ষ থেকে বলা হয়, রাজপথে ত্যাগ স্বীকার করা দলগুলোর বিরুদ্ধে এ ধরনের তকমা দেওয়া অনভিপ্রেত। অন্যদিকে, সরকারের অন্য শরিক দলের নেতারাও প্রক্সি রাজনীতি ও বেনামি সংগঠনের আড়ালে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ তুলছেন।আরোও পড়ুন,নির্বাচনে কোনো হস্তক্ষেপ হবে না জানালেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্লেষকদের মতে, মূলত রাজনৈতিক কৌশল এবং ভিন্ন দলের অন্দরমহলে অনুপ্রবেশের নানা অভিযোগ থেকেই এই গুপ্ত রাজনীতির প্রসঙ্গটি সামনে আসছে। অতীতে নিষিদ্ধ বা আন্ডারগ্রাউন্ড রাজনীতির যে ধারা ছিল, বর্তমান সময়ে তার রূপ পরিবর্তন হয়ে বিভিন্ন কৌশলী ও অপ্রকাশ্য তৎপরতায় রূপ নিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, এই গুপ্ত-সুপ্ত রাজনীতির সংস্কৃতি রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও বেশি দূরত্বে ঠেলে দিচ্ছে এবং দলের ভেতরেও আস্থার সংকট তৈরি করছে। একে অপরকে সন্দেহ করার এই প্রবণতা দেশের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক পরিবেশকে জটিল করে তুলছে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চার দিনের জাপান সফরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে চারটিরও বেশি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের প্রস্তুতি চলছে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে আগামী ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর এ সফর অনুষ্ঠিত হবে। সফরকালে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার সাফল্য ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হবে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকগুলোর মধ্যে কৃষি, মৎস্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন, কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধি, বেসামরিক বিমান চলাচল, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার আধুনিকায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া সফরকালে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব এগিয়ে নিতে প্রায় আটটি দ্বিপক্ষীয় দলিল চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী মনে করেন, এ সফর দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে নতুন গতি সঞ্চার করবে এবং জাপানের প্রযুক্তিগত দক্ষতার সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রাধিকারের সমন্বয় ঘটাবে।আরোও পড়ুন,সাত ইসলামি দলের জোট আলোচনাসফরসূচি অনুযায়ী, ২৭ অক্টোবর জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে বাণিজ্য-বিনিয়োগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি মেট্রোরেল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ী প্রকল্পের মতো মেগা অবকাঠামো প্রকল্পের ব্যয় ও অর্থায়ন সহজীকরণের বিষয়টি আলোচনায় আসবে। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী ‘জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ফোরাম’-এ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন এবং দেশটির শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী হবেন তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানসহ একটি উচ্চপর্যায়ের সরকারি প্রতিনিধিদল। দ্বিপক্ষীয় বিষয়ের বাইরে আঞ্চলিক শান্তি, জ্বালানি সংকট ও রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান নিয়ে দুই দেশের সরকারপ্রধানের মধ্যে আলোচনা হবে। সার্বিকভাবে, এ সফর দুই দেশের মধ্যে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও বিনিয়োগের দ্বার উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

‘বসে তামাশা দেখবো না, এবার প্রতিরোধ হবে’

‘বসে তামাশা দেখবো না, এবার প্রতিরোধ হবে’

বিগত জাতীয় নির্বাচনে নিজেদের ভুলত্রুটি ও দুর্বলতার জায়গাগুলো চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ভবিষ্যতে যেন আর একই ভুলের পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা এবং আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ বিগত নির্বাচনে জামায়াতকে ভোট দিয়েছিল, কিন্তু সেই ভোট ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে জামায়াতের দুর্বলতার কারণেই সেই ভোট রক্ষা করা সম্ভব হয়নি বলে স্বীকার করেন তিনি। তবে আগামী সিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভুলগুলো সংশোধন করে মাঠপর্যায়ে সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান তিনি। তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, জামায়াত আর বসে বসে কোনো তামাশা দেখবে না। সংগতভাবেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা হবে এবং যেখানে সামর্থ্য থাকবে, সেখানেই শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।আরোও পড়ুন,অপপ্রচারনির্ভর রাজনীতি বর্জনের আহ্বানসম্মেলনে ঢাকা মহানগরী উত্তরের উদ্যোগে তৈরি ‘নাগরিক সেবা’ নামের একটি আধুনিক অ্যাপের শুভ উদ্বোধন করেন ডা. শফিকুর রহমান। এছাড়া বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার আগামী মেয়র নির্বাচনে বীরত্বপূর্ণ ও সক্রিয় ভূমিকা পালনের মাধ্যমে সাফল্য ছিনিয়ে আনার ওপর জোর দেন।এই সুবিশাল রুকন সম্মেলনটি দুটি সেশনে বিভক্ত ছিল। প্রথম সেশনে ২০২৭-২০২৮ সেশনের জন্য ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির নির্বাচনে প্রায় ১৩ হাজারেরও বেশি শপথধারী রুকন তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। দ্বিতীয় সাংগঠনিক সেশনে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। পুরো আয়োজনে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে আগামী দিনের রাজনৈতিক আন্দোলন ও সাংগঠনিক তৎপরতা বৃদ্ধির জন্য রুকনদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেন।

মিনুর সুস্থতা কামনায় মির্জা আব্বাস

মিনুর সুস্থতা কামনায় মির্জা আব্বাস

বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ/পিজি) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে তিনি সরাসরি হাসপাতালে উপস্থিত হন এবং অসুস্থ প্রবীণ এই রাজনীতিবিদের শারীরিক অবস্থার সার্বিক খোঁজখবর নেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মির্জা আব্বাস চিকিৎসাধীন ভূমিমন্ত্রীর শয্যাপাশে বেশ কিছু সময় কাটান এবং তাঁর সাথে কুশল বিনিময় করেন। একই সঙ্গে তিনি হাসপাতালে উপস্থিত কর্তব্যরত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং মিজানুর রহমান মিনুর চিকিৎসা প্রক্রিয়া ও বর্তমান স্বাস্থ্যগত অগ্রগতির বিস্তারিত বিবরণ নেন। সাক্ষাৎ শেষে তিনি জ্যেষ্ঠ এই রাজনৈতিক নেতার দ্রুত আরোগ্য, দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করেন।আরোও পড়ুন,হাসপাতালে অসুস্থ দুই মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু ও আবদুল মঈন খানবিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান সংবাদ মাধ্যমকে এই খবরটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মিজানুর রহমান মিনু চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন এবং তাঁর চিকিৎসার বিষয়ে সার্বক্ষণিক খেয়াল রাখা হচ্ছে। বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ দুই প্রভাবশালী নেতার এই সাক্ষাৎকার ও সৌজন্য সাক্ষাৎ দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝেও বেশ সুসংবাদ বহন এনেছে। রাজশাহীর বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বিগত কিছু দিন ধরে শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনায় দলীয় নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা প্রার্থনা ও সামাজিক মাধ্যমে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠাচ্ছেন। জ্যেষ্ঠ রাজনেতা মির্জা আব্বাসের এই সফর অসুস্থ ভূমিমন্ত্রীর চিকিৎসায় মানসিক উদ্দীপনা জোগাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সারাবাংলা

 টাকা ছাড়াই পারাপার জনস্বার্থে কাঠের সেতু বানিয়ে

টাকা ছাড়াই পারাপার জনস্বার্থে কাঠের সেতু বানিয়ে

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার সদর ইউনিয়নে টাকা ছাড়াই গোদারা পারাপার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। জনস্বার্থে নিজের অর্থায়ানে কাঠের সেতু বানিয়ে উন্মুক্ত করে দিলেন ছাত্র দলের নেতা। উপজেলা ছাত্র দলের আহ্বায়ক মধ্যনগর সদর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু'র নিজ উদ্যোগে গতবছরের ন্যায় এবছরেও জনস্বার্থে ফ্রিতে কাঠের সেতু নির্মাণ করে দিলেন। সেতুটি মধ্যনগর ও নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার সাথে একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়ক। উপজেলার সদর ইউনিয়নের জোরখালি নামক স্থানে নির্মিত হয়েছে এই কাঠের সেতু। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে নির্মাণকাজ শেষ হলে,সেতুটি সর্বসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। গত বছরও একই স্থানে নিজস্ব অর্থায়নে সেতু নির্মাণ করে দিয়েছিলেন মিজানুর রহমান মিনু। টাকা ছাড়াই পারাপার হচ্ছে যানবাহনসহ হাজার হাজার পথযাত্রী। একটি খাল,দুই পাড়ের মানুষের নিত্যদিনের দুর্ভোগ ছিল। ছাত্র ছাত্রী,চাকরিজীবী,শ্রমীক,ব্যবসায়ীরা রাত পোহালেই ছুটেন কর্মস্থলে। তাছাড়াও বিভিন্ন এলাকার পথযাত্রী চলাচল করছে ঐ সড়কে। অথচ মাঝখানের এই খালটি পার হতে গুনতে হতো টাকা। প্রতিদিনের এই দুর্ভোগ লাগবের জন্য,আর মানুষের বাড়তি খরচ কমানোর জন্য এই উদ্যোগ নিয়েছেন। দুই বছর ধরে নিজ উদ্যোগে কাঠের সেতুটি নির্মাণ করে দেন তিনি। মধ্যনগর ও কলমাকান্দার মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে সড়কটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ।পথচারী সহ অসংখ্য মানুষ এ পথে চলাচল করেন।আরোও পড়ুন,জামায়াত ভিন্ন পথে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করছে- এমপি আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার যানবাহনের ক্ষেত্রে চলাচল করে মোটরসাইকেল,অটোরিকশা ও সিএনজি। ফলে সেতুটি নির্মিত হওয়ায় নিয়মিত যাতায়াতে মানুষের অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি চলাচলও সহজ হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,বিগত দিনে ওই স্থানে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে ইজারা দিয়ে গোদারা পরিচালনা করা হতো। নৌকায় খাল পারাপারের জন্য প্রতিটি মোটরসাইকেল থেকে ২০ টাকা করে নেওয়া হতো। কখনো কখনো এর চেয়েও বেশি টাকা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে। ফলে প্রতিদিন একাধিকবার এই পথ ব্যবহার করা মোটরসাইকেল চালকদের বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হতো। সাধারণ যাত্রীদেরও পড়তে হতো ভোগান্তিতে। মোটরসাইকেল চালক হারুন মিয়া বলেন,আমরা এই রাস্তা দিয়ে দিনে পাঁচ-ছয়বার যাওয়া-আসা করি। গত বছর থেকে আমাদের কোনো টাকা লাগছে না। এর আগে প্রতিদিন এই গোদারায় দুই-তিনশ টাকা দিতে হতো। এখন বিনা মূল্যে পার হতে পারছি। এতে আমাদের অনেক উপকার হয়েছে। মধ্যনগর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান বাশার বলেন, এটি নিঃসন্দেহে একটি ভালো উদ্যোগ। গত বছরও মানুষ এখানে বিনা মূল্যে পারাপারের সুযোগ পেয়েছেন। এবারও মিনু নিজের অর্থায়নে সেতু নির্মাণ করে দেওয়ায় এলাকার শিক্ষার্থী,ব্যবসায়ী ও দূরদূরান্ত থেকে আসা পথচারীরা উপকৃত হবেন। নিজের উদ্যোগ সম্পর্কে মিজানুর রহমান মিনু বলেন, আমার বাবা মধ্যনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি সব সময় এলাকার মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন। তাঁর সেই আদর্শ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই আমিও মানুষের উপকারে আসার চেষ্টা করছি। দুই উপজেলার মানুষের যাতায়াত আরও সহজ করতে এখানে একটি স্থায়ী কালভার্ট নির্মাণের জন্য, স্থানীয় সংসদ সদস্যকে অনুরোধ জানিয়েছি। মাননীয় সংসদ সদস্যও শিগগিরই এখানে একটি স্থায়ী কালভার্ট নির্মাণের আশ্বাস দিয়েছেন। সামান্য একটি উদ্যোগের মাধ্যমেও যদি মানুষের উপকার করা যায়, সেটিই আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে করার চেষ্টা করেছি। আল্লাহ তায়ালা যত দিন সামর্থ্য দেবেন, তত দিন মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ। পরিশেষে এলাকার সকল শ্রেনী পেশার মানুষের কাছে দোয়া ও আশির্বাদ প্রার্থনা করেন তিনি।

কোনাবাড়ীতে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ গণঅধিকার পরিষদ নেতার বিরুদ্ধে

কোনাবাড়ীতে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ গণঅধিকার পরিষদ নেতার বিরুদ্ধে

নেশার টাকার জন্য স্ত্রীর পার্লারে হামলা ও মারধরের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে গণঅধিকার পরিষদের কোনাবাড়ী মেট্রো থানা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী স্ত্রীর অভিযোগ, নেশার টাকার জন্য তিনি স্ত্রীর নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আমবাগ এলাকার একটি পার্লারে হামলা চালিয়ে তাঁকে মারধর করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী কোনাবাড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, ঘটনার সময় তাঁর স্বামী তাঁকে সজোরে চড় মারেন এবং তলপেটে লাথি মারেন। সম্প্রতি সিজারের মাধ্যমে সন্তান জন্ম দেওয়ায় তাঁর তলপেটে অস্ত্রোপচারের সেলাইয়ের স্থানে আঘাত লাগে বলে দাবি করেন তিনি। এতে তিনি শারীরিকভাবে কষ্টের মধ্যে পড়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন। মাদকাসক্তির কারণে নির্যাতনের অভিযোগ ভুক্তভোগী স্ত্রীর দাবি, তাঁর স্বামী ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ার পর থেকে তাঁর ওপর নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছেন। নেশার টাকার জন্য তাঁকে চাপ দেওয়া এবং এ নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আবু বক্কর সিদ্দিকীর বক্তব্য এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। একইভাবে থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এবং অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গৃহীত আইনগত পদক্ষেপও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অভিযুক্তের বক্তব্য ও পুলিশের প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।আরোও পড়ুন,ডান্স ক্লাব থেকে আবাসিক হোটেল, রকি-মুরাদ চক্রের চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস! এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে এলাকায় ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তাঁদের মতে, রাজনৈতিক সংগঠনের থানা পর্যায়ের দায়িত্বশীল পদে থাকা কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ উঠলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন। এলাকাবাসী ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে বলেছেন, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তিনি যাতে কোনো ধরনের হুমকি বা হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তাঁরা। প্রবাসে থাকা স্বজনদের উদ্বেগ ভুক্তভোগী নারীর মা ও ভাই দুবাইয়ে প্রবাসী। দেশের বাইরে অবস্থান করায় তাঁরা এ ঘটনায় উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী নারীর পাশে দাঁড়াতে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে নারী অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন ও মহিলা সংগঠনগুলোর সদস্যদের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে পরিবার। সুষ্ঠু তদন্ত ও নিরাপত্তার দাবি ভুক্তভোগী নারী ও তাঁর পরিবারের দাবি, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্‌ঘাটন করতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীর শারীরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও আইনি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি করা এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে..

গাজীপুরে ​স্বাদে অনন্য ও ঔষধি গুণে ভরপুর ফল ‘আনারকলি’ বাড়ছে চাহিদা

গাজীপুরে ​স্বাদে অনন্য ও ঔষধি গুণে ভরপুর ফল ‘আনারকলি’ বাড়ছে চাহিদা

গাজীপুর কাশিমপুরের ভবানীপুর ভাই ভাই ফলের বাগানে, পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ ও চমৎকার স্বাদের ফল হিসেবে ইদানীং নজর কাড়ছে ‘আনারকলি’। গ্রামীণ ফলপ্রেমীদের পাশাপাশি শহুরে পুষ্টিসচেতন মানুষের কাছেও ফলটির জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আকর্ষণীয় রূপ এবং অনন্য স্বাদের কারণে এটি ফলপ্রেমীদের কাছে বিশেষ এক আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। ​বিশেষজ্ঞদের মতে, আনারকলি ফল শুধুমাত্র খেতেই সুস্বাদু নয়, এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন ‘সি’, পটাশিয়াম এবং খাদ্যআঁশ (ফাইবার)। নিয়মিত এই ফল খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং হজমপ্রক্রিয়া উন্নত হয়। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং ত্বক উজ্জ্বল রাখার ক্ষেত্রেও আনারকলির বেশ কিছু ইতিবাচক গুণ রয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানান।আরোও পড়ুন,গাজীপুরে বিআরটি প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ​স্থানীয় ফল চাষিরা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে আনারকলি ফলের চাহিদার কারণে চাষের দিকে ঝুঁকছেন অনেকেই। এটি চাষে তুলনামূলক খরচ কম এবং বাজারে দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরাও বেশ লাভবান হচ্ছেন। দেশের বেশ কয়েকটি এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে আনারকলি চাষের আগ্রহ বাড়ছে। ভাই ভাই ফল বাগানের মালিক, আবুল হাসান সুমন বলেন, আমাদের দৈনন্দিন ফল গ্রহণের তালিকায় আনারকলির মতো দেশীয় ও পুষ্টিকর ফল যুক্ত করা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এখানে চারা বিক্রি করা হয়, যারা নতুন বাগান করতে চান যোগাযোগ করুন, ০১৯৩৮-৮৯৩৬৭৩/ ০১৯৬৯২৭১৮১১ বাজারে সরবরাহ বাড়লে সর্বস্তরের মানুষ সহজেই এ ফলের গুণাগুণ উপভোগ করতে পারবে বলে আশা করছেন তারা।

সাজেকে হামলার প্রতিবাদে অচল দূরপাল্লার যান চলাচল

সাজেকে হামলার প্রতিবাদে অচল দূরপাল্লার যান চলাচল

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে সড়ক অবরোধ চলাকালে অবরোধকারীদের ওপর হামলার অভিযোগে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে আধাবেলা সড়ক ও নৌপথ অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদ। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচির কারণে খাগড়াছড়ির সঙ্গে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন গন্তব্যে দূরপাল্লার যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ যাত্রী ও পর্যটকেরা। সকালে খাগড়াছড়ি জেলা সদরের ফায়ার সার্ভিস এলাকায় সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে পিকেটিং করেন অবরোধকারীরা। এ ছাড়া খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম সড়কের বাইল্ল্যাছড়ি, দীঘিনালা, পানছড়ি ও সাজেক সড়কের বিভিন্ন স্থানে কাঠের গুঁড়ি ফেলে এবং টায়ারে আগুন দিয়ে যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা হয়। অবরোধের কারণে জেলার নয়টি উপজেলায় যানবাহন চলাচল কমে গেছে। দূরপাল্লার বাস বন্ধ থাকায় বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রীরা আটকা পড়েছেন। জরুরি কাজে বের হওয়া মানুষও পড়েছেন বিপাকে। তবে শনিবার সকাল পর্যন্ত বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। আরোও পড়ুন,টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কায় কিসলু বলেন, অবরোধকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ কাজ করছে। শহরের চেঙ্গী স্কয়ার, স্বনির্ভর, জিরো মাইল ও আলুটিলাসহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের দুটি মোবাইল টিম দায়িত্ব পালন করছে। তিনি আরও বলেন, ঢাকা থেকে আসা রাতের বাসগুলো পুলিশি পাহারায় খাগড়াছড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে। এদিকে অবরোধের কারণে খাগড়াছড়িতে আটকা পড়েছেন অনেক যাত্রী ও পর্যটক। তাঁদের একজন জানান, জরুরি কাজে গন্তব্যে যাওয়ার জন্য সকালে বের হলেও কোনো যানবাহন পাচ্ছেন না। স্থানীয় এক বাসিন্দাও জানান, জরুরি প্রয়োজনে জেলার অন্য উপজেলায় যাওয়ার কথা থাকলেও যান চলাচল বন্ধ থাকায় যেতে পারছেন না। সাজেকে ভ্রমণে যেতে না পেরে কয়েক দিন ধরে খাগড়াছড়িতে অবস্থান করছেন এক পর্যটক। তিনি জানান, সাজেক ভ্রমণের উদ্দেশ্যে বুধবার খাগড়াছড়িতে আসেন। সেখানে যেতে না পেরে রাঙামাটি শহর ঘুরে আবার খাগড়াছড়িতে ফিরে আসেন। এরপরও পর্যটনকেন্দ্রে যেতে না পারায় হতাশ তিনি। অবরোধ শেষ হলে ঢাকায় ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। সড়ক ও নৌপথে যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ায় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি পর্যটন খাতেও ভোগান্তি বেড়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া এবং যান চলাচল পুনরায় শুরু হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন আটকে পড়া যাত্রী ও পর্যটকেরা।

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...

আন্তর্জাতিক

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চার দিনের জাপান সফরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে চারটিরও বেশি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের প্রস্তুতি চলছে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে আগামী ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর এ সফর অনুষ্ঠিত হবে। সফরকালে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার সাফল্য ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হবে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকগুলোর মধ্যে কৃষি, মৎস্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন, কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধি, বেসামরিক বিমান চলাচল, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার আধুনিকায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া সফরকালে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব এগিয়ে নিতে প্রায় আটটি দ্বিপক্ষীয় দলিল চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী মনে করেন, এ সফর দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে নতুন গতি সঞ্চার করবে এবং জাপানের প্রযুক্তিগত দক্ষতার সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রাধিকারের সমন্বয় ঘটাবে।আরোও পড়ুন,সাত ইসলামি দলের জোট আলোচনাসফরসূচি অনুযায়ী, ২৭ অক্টোবর জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে বাণিজ্য-বিনিয়োগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি মেট্রোরেল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ী প্রকল্পের মতো মেগা অবকাঠামো প্রকল্পের ব্যয় ও অর্থায়ন সহজীকরণের বিষয়টি আলোচনায় আসবে। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী ‘জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ফোরাম’-এ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন এবং দেশটির শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী হবেন তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানসহ একটি উচ্চপর্যায়ের সরকারি প্রতিনিধিদল। দ্বিপক্ষীয় বিষয়ের বাইরে আঞ্চলিক শান্তি, জ্বালানি সংকট ও রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান নিয়ে দুই দেশের সরকারপ্রধানের মধ্যে আলোচনা হবে। সার্বিকভাবে, এ সফর দুই দেশের মধ্যে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও বিনিয়োগের দ্বার উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

৩ ঘন্টা আগে

রাজধানী

গুলশানের বাড়িধারায় ‘আবেরা’ স্পা সেন্টার ঘিরে নানা অভিযোগ

কোনমতে দুই চারটি মেয়ে রাখি / গুলশানের বাড়িধারায় ‘আবেরা’ স্পা সেন্টার ঘিরে নানা অভিযোগ

রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান থানাধীন বাড়িধারার ৫৫, সোহরাওয়ার্দী রোডের একটি ফ্ল্যাটে পরিচালিত ‘আবেরা’ নামের একটি স্পা সেন্টারকে ঘিরে নানা অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে পাওয়া অভিযোগ অনুযায়ী, ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়ে দোলা নামের এক নারী এই প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। স্পা ব্যবসার আড়ালে সেখানে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, গ্রাহকদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলার অভিযোগ এবং সন্দেহভাজন মাদকসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যাতায়াত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।আরও পড়ুন: গুলশান বারিধারায় দোলার অবৈধ স্পা সেন্টার নিয়ে বিতর্কঅভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য, বাড়ির মালিকের তথ্য, প্রয়োজনীয় অনুমোদনপত্র এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তের তথ্য পাওয়া গেলে অভিযোগগুলোর প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হতে পারে।অভিযোগকারীদের দাবি, ‘আবেরা’ স্পা সেন্টারকে কেন্দ্র করে একটি নারীচক্র বিভিন্ন গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের প্রলোভন বা প্রতারণার ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করে। স্পা সেবার নামে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করে পরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় কিংবা অন্য কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর অভিযোগও আলোচনায় এসেছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো যাচাইকৃত নথি, প্রত্যক্ষদর্শীর বিস্তারিত বক্তব্য, ভুক্তভোগীর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিশ্চিত করা তথ্য পাওয়া যায়নি। আরও পড়ুন:  বাহরের ৯৯ রোডে স্পা সেন্টার ঘিরে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের অভিযোগসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কী ধরনের সেবা দেওয়া হয়, গ্রাহকদের কাছ থেকে কীভাবে অর্থ নেওয়া হয়, সেবার মূল্যতালিকা ও রসিদ সংরক্ষণ করা হয় কি না এবং ব্যবসাটি প্রয়োজনীয় আইনগত অনুমোদন নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে কি না এসব বিষয় যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার সচেতন ব্যক্তিরা। স্পা সেন্টারটিতে সন্দেহভাজন মাদকসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগটি সত্য হলে তা এলাকার নিরাপত্তা, আবাসিক পরিবেশ এবং মাদক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তৈরি করে। তবে মাদকদ্রব্যের লেনদেন, সংরক্ষণ কিংবা সরবরাহের মতো অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে কি না, তা নির্ধারণের জন্য নির্ভরযোগ্য তথ্য, প্রয়োজনীয় তদন্ত এবং আইনগত প্রমাণ দরকার। এ ক্ষেত্রে গুলশান থানা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা যেতে পারে। প্রয়োজন হলে আইনানুগ পদ্ধতিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম, অনুমোদন এবং অভিযোগে উল্লিখিত ঘটনাগুলো খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। বাড়িধারার মতো গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক এলাকায় কোনো ফ্ল্যাটে স্পা বা এ ধরনের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অনুমোদন, ভবনের অনুমোদিত ব্যবহার, ট্রেড লাইসেন্স এবং অন্যান্য বিধিবিধান মানা হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা প্রয়োজন।প্রতিষ্ঠানটির বৈধতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নথি পর্যালোচনা গুরুত্বপূর্ণ। ভবনটি কোন ধরনের ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত, ফ্ল্যাটে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি রয়েছে কি না এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রয়োজনীয় নিবন্ধন বা লাইসেন্স আছে কি না এসব প্রশ্নের উত্তর নথিপত্র যাচাই ছাড়া দেওয়া সম্ভব নয়।আরও পড়ুন: গুলশানে গেস্ট হাউজ-স্পা, পেছনে মিরাজের অজানা সাম্রাজ্য?একই সঙ্গে ভবনের নিরাপত্তাব্যবস্থা, প্রবেশপথের ব্যবস্থাপনা, অগ্নিনিরাপত্তা এবং প্রতিবেশীদের অভিযোগ থাকলে সেগুলোর নিষ্পত্তির বিষয়ও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। তবে কোনো প্রতিষ্ঠানে স্পা সেবা দেওয়া হচ্ছে বলেই সেটিকে অবৈধ বা অপরাধমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আখ্যা দেওয়া সমীচীন নয়। অভিযোগে যদি গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, অনৈতিকভাবে অর্থ আদায় কিংবা অন্য কোনো অপরাধের ঘটনা থেকে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে তা তদন্ত করা প্রয়োজন।  কোনো ব্যক্তি প্রতারণার শিকার হয়ে থাকলে তাঁর উচিত সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ জানানো এবং প্রাসঙ্গিক তথ্যপ্রমাণ সংরক্ষণ করা। গুলশানের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পরিচালিত যেকোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আইন ও বিধিবিধানের আওতায় থাকা প্রয়োজন। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।আরও পড়ুন: পরকীয়ার জেরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে খুনএ ক্ষেত্রে গুলশান থানা পুলিশ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। অভিযোগের ধরন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স, ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং সম্ভাব্য অপরাধের বিষয়ে তথ্য চাওয়া যেতে পারে। ‘আবেরা’ স্পা সেন্টার, এর পরিচালনার দায়িত্বে থাকা বলে অভিযোগে উল্লিখিত দোলা নামের নারী, বলেন, ভাই আমি এটি দিয়ে কোনমতে চলি। এখন আগের মত তেমন ব্যবসাও নেই। এসব প্রতিষ্ঠান চালাতে ব্যয়বহুল খরচ। কোনমতে দুই চারটি মেয়েদের রেখে ব্যবসা করি। এছাড়া এাঁ বাড়িধারা এখানে কাষ্টমার আসতে চায়না তেমন এবং বাড়িধারায় ঢুকতে সোসাইটির অনুমতি প্রয়োজন হয়। কিন্তু আমরা সোসাইটির গার্ডদের সাথে সমন্ময় রেখে লোকজন প্রবেশ করিয়ে থাকি। আরও পড়ুন: গুলশানে স্পা নেটওয়ার্কের নেপথ্যে কে এই নুর-ইসলাম?‘আবেরা’ নামের একটি স্পা সেন্টারকে ঘিরে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে গুলশান থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে অবহিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধও জানানো হয়। তবে অভিযোগ জানানোর পরও সংশ্লিষ্ট স্পা সেন্টারে পুলিশের কোনো দৃশ্যমান অভিযান চোখে পড়েনি। অভিযোগ রয়েছে, ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানটিতে স্পা ব্যবসার আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং সন্দেহভাজন মাদকসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যাতায়াত রয়েছে।  প্রশ্ন উঠেছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অভিযোগ জানানোর পরও কেন দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না? তবে পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে সংশ্লিষ্ট থানার বক্তব্য এবং সম্ভাব্য তদন্তের অগ্রগতি জানা জরুরি।

১৯ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৬ জন

খেলাধুলা

গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে তালায় হাডুডু খেলা, দর্শকদের উপচেপড়া ভিড়

গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে তালায় হাডুডু খেলা, দর্শকদের উপচেপড়া ভিড়

গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলাকে নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচিত করে তোলা এবং গ্রামীণ ক্রীড়াঙ্গনে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে চার দলীয় হাডুডু প্রতিযোগিতা। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফাইনালে আগোলঝাড়া দলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আটারই হাডুডু একাদশ। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে তালা সদর ইউনিয়নের আগোলঝাড়া যুবকমিটির আয়োজনে স্থানীয় মাদ্রাসা চত্বরে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনাল খেলা ঘিরে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ঐতিহ্যবাহী এ খেলা উপভোগ করতে মাঠে উপস্থিত হন শত শত ক্রীড়ামোদী দর্শক। আরোও পড়ুন,ম্যাচসেরা রত্নায়েক, শানাকা ও আভিস্কার দুর্দান্ত ইনিংস খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক এস এম নজরুল ইসলাম। জাতীয় পার্টির ওয়ার্ড সভাপতি মোঃ আব্দুর রহমান শেখের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য মোঃ আসাদুজ্জামান, বিএনপি নেতা মোঃ আব্দুল আলীম মোড়ল, মোঃ হালিম বিশ্বাস ও মোঃ নজরুল ইসলাম শেখ। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোঃ কুদ্দুস মোড়ল, জাসাস নেতা মোঃ হয়বত মোল্লা, ছাত্রদলের ওয়ার্ড সভাপতি মোঃ আব্দুর রাজ্জাক শেখসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। খেলার সার্বিক পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন লিটন হুসাইন, মোঃ রবিউল বাবুচি, মোঃ ফারুক সেখ, রমজান হলদার ও মোঃ আব্দুর রাজ্জাক। ম্যাচ রেফারির দায়িত্ব পালন করেন বিএম বাবলুর রহমান। প্রতিযোগিতায় অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়ে ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট নির্বাচিত হন চ্যাম্পিয়ন আটারই হাডুডু একাদশেরচ খেলোয়াড় মোঃ রেজাউল ইসলাম গোলদার। গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী হাডুডু খেলা একসময় গ্রামীণ জনপদের অন্যতম জনপ্রিয় বিনোদন ছিল। সময়ের পরিবর্তনে এ ধরনের খেলাধুলার আয়োজন কমে এলেও আগোলঝাড়ার এই প্রতিযোগিতা স্থানীয় মানুষের মধ্যে নতুন করে উৎসাহ সৃষ্টি করেছে। এমন আয়োজন গ্রামীণ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!