দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1002.6 hPa
30.8° 71%
20° 3mm
চট্টগ্রাম 1002 hPa
32.2° 66%
300° 3mm
রাজশাহী 1002.1 hPa
31.2° 87%
20° 3mm
খুলনা 1001.4 hPa
31.8° 79%
20° 3mm
বরিশাল 1001.8 hPa
29.5° 84%
20° 3mm
সিলেট 1003.3 hPa
29.8° 78%
3mm
রংপুর 1002.2 hPa
31.3° 78%
3mm
ময়মনসিংহ 1003.2 hPa
30.3° 75%
3mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

গ্রাহকের অর্থ কোথায়? Divine Group-এর প্রকল্প ও সম্পদ

গ্রাহকের অর্থ কোথায়? Divine Group-এর প্রকল্প ও সম্পদ

দেশের আবাসন ও পর্যটন খাতে দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম চালিয়ে আসা Divine Group-এর বিভিন্ন প্রকল্প, গ্রাহকের অর্থ ব্যবস্থাপনা, জমির মালিকানা, প্রকল্প বাস্তবায়ন, কর্পোরেট গভর্ন্যান্স, কর-ভ্যাট ও কমপ্লায়েন্স এবং গ্রাহক রিফান্ড নিয়ে একাধিক গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। ১৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রস্তুত করা একটি Preliminary Findings, Risk Assessment & Corporate Governance Report-এ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমের ওপর প্রাথমিক মূল্যায়নে একাধিক ক্ষেত্রে ‘অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকি’ চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে প্রতিবেদনের শুরুতেই স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এতে থাকা প্রতারণা, অর্থ পাচার, অর্থ আত্মসাৎ, রাজনৈতিক প্রভাব, ব্যক্তিগত স্বার্থে অর্থ ব্যবহার কিংবা অন্য কোনো বেআইনি কর্মকাণ্ডের অভিযোগকে আদালত বা নিয়ন্ত্রক সংস্থা কর্তৃক প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে না। বরং এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে নথিপত্র, ব্যাংক রেকর্ড, ভূমি রেকর্ড, আদালতের নথি, অডিট এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাইয়ের প্রয়োজন রয়েছে।আরও পড়ুন: ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে দেশজুড়ে র‍্যাবের বাড়তি নিরাপত্তাপ্রাথমিক অনুসন্ধানভিত্তিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, Divine প্রায় ২০০৯ সালে Divine Holdings Limited নামে ব্যবসা শুরু করে। শুরুতে রাজধানীর পূর্বাচল এলাকার ২৬ ও ২৭ নম্বর সেক্টরের কাছাকাছি একটি ভূমি উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়। সময়ের সঙ্গে প্রকল্পটি বিভিন্ন নামে বাজারজাত করা হয়েছে এবং বর্তমানে সেটি Divine Purbachal City নামে উপস্থাপিত হচ্ছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, পূর্বাচল প্রকল্পে প্রায় ৫৫৬ কাঠা জমি গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে বলে দাবি রয়েছে। এসব গ্রাহকের প্রায় ৯০ শতাংশ মধ্যপ্রাচ্য ও মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি বা NRB বলে উল্লেখ করা হয়েছে।বিদেশে থাকা গ্রাহকদের বড় অংশের ওপর নির্ভরশীল এই ব্যবসায়িক মডেলকে প্রতিবেদনে একটি ঝুঁকির কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। কারণ, দেশের বাইরে অবস্থানরত ক্রেতাদের পক্ষে প্রকল্পের জমির বাস্তব অবস্থা, মালিকানা, দখল ও উন্নয়নকাজ সরেজমিনে যাচাই করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে।Divine-এর ভূমি প্রকল্পের জমির পরিমাণ নিয়েও প্রতিবেদনে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে প্রায় ১ হাজার ৩০০ বিঘার একটি land project উপস্থাপনের তথ্য রয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় ৪৫ বিঘা জমি acquisition করা হয়েছে বলে দাবি থাকার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, বাস্তবে প্রতিষ্ঠানের নিজস্বভাবে অর্জিত জমির পরিমাণ হয়তো পাঁচ বিঘার বেশি নয়। তবে প্রতিবেদনে এটিকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি; বরং ভূমি-সংক্রান্ত নথি দিয়ে বিষয়টি সম্পূর্ণ যাচাই করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।এক্ষেত্রে নিবন্ধিত দলিল, নামজারি, খতিয়ান, ভূমি উন্নয়ন করের রসিদ, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি, বিক্রয় চুক্তি, জমির মূল্য পরিশোধের রেকর্ড, দখল সংক্রান্ত নথি, মামলা-মোকদ্দমার তথ্য এবং গ্রাহকের কাছে বরাদ্দ দেওয়া জমির তালিকা যাচাইয়ের কথা বলা হয়েছে। এসব নথিতে ঘোষিত জমি ও আইনগতভাবে অর্জিত জমির মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য পাওয়া গেলে সেটি ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় ধরনের সতর্কসংকেত হতে পারে।আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানদের সৌজন্য সাক্ষাৎপ্রাথমিক প্রতিবেদনে গত প্রায় ১৭ বছরের কার্যক্রম নিয়ে আরও একটি প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, Divine-এর ব্যবসার বড় অংশ ভূমি বিক্রি ও গ্রাহকের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের ওপর নির্ভরশীল ছিল বলে তথ্য পাওয়া যায়। অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্প এলাকায় পর্যাপ্ত site development হয়নি, অবকাঠামো উন্নয়ন সীমিত এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের তুলনায় sales activity বেশি ছিল। ফলে গ্রাহকদের কাছ থেকে সংগৃহীত অর্থের কত অংশ প্রকৃত প্রকল্প উন্নয়নে ব্যয় হয়েছে সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। এই প্রশ্নের উত্তর পেতে project-wise accounting এবং প্রতিটি প্রকল্পের আয়-ব্যয়ের পৃথক হিসাব যাচাই করা জরুরি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।Divine-এর ব্যবসার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় কক্সবাজারের হোটেল প্রকল্প। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পূর্বাচলের ভূমি ব্যবসার পর কক্সবাজারে একটি পাঁচ তারকা হোটেল প্রকল্পের জন্য অর্থ সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্পটির প্রাথমিক নাম ছিল Divine Sea Point। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটির জন্য ১ হাজার ৩০০টির বেশি শেয়ার বিক্রি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে এবং প্রতি শেয়ারের গড় মূল্য ছিল প্রায় ৬ লাখ টাকা। প্রায় ২০১৭ সাল পর্যন্ত শেয়ার বিক্রির কার্যক্রম চলেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। পরবর্তীতে একই প্রকল্প Cox Holiday Inn নামে বাজারজাত করা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া যায়।এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রশ্ন দাঁড়িয়েছে গ্রাহকের কাছ থেকে মোট কত টাকা সংগ্রহ হয়েছে, তার কত অংশ জমি কেনায়, কত অংশ নির্মাণকাজে, কত অংশ প্রকল্প পরিচালনায় এবং কত টাকা রিফান্ড হিসেবে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বর্তমানে প্রকল্পটির সম্পদ ও দায় কত সেটিও নির্ভরযোগ্য নথি দিয়ে পুনর্মিলন করা প্রয়োজন।আরও পড়ুন: শিক্ষা সহযোগিতা জোরদারে চীন সফরে শিক্ষামন্ত্রী মিলনCox Holiday Inn প্রকল্পের নির্মাণ অগ্রগতি নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, করোনা মহামারির সময়ে নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল। বেজমেন্ট এবং একতলা পর্যন্ত নির্মাণের পর কাজ বন্ধ হয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। প্রায় ২০২১ সাল থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রকল্পটি কার্যত stalled অবস্থায় থাকার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। ফলে পুরোনো নির্মাণ অসম্পূর্ণ থাকার পরও কেন নতুন করে গ্রাহক বা বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে—এ প্রশ্ন সামনে এসেছে।Cox Holiday Inn-এর জমির মালিকানা নিয়ে আরও গুরুতর প্রশ্নের কথা বলা হয়েছে। কিছু জমি Divine Holdings Limited-এর নামে, কিছু Divine Hotel and Resort Limited-এর নামে এবং কিছু জমি খাস হতে পারে এমন তথ্য প্রতিবেদনে রয়েছে। এছাড়া কিছু জমি এখনও Power of Attorney-ভিত্তিক হতে পারে এবং সম্পূর্ণ clean title chain প্রস্তুত হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে। এসব তথ্য সত্য হলে প্রকল্পটির জন্য বড় ধরনের আইনি ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এ কারণে স্বাধীন সম্পত্তি আইনজীবীর মাধ্যমে root of title, বর্তমান মালিকানা, নামজারি, খতিয়ান, ভূমি কর, দখল, খাস মর্যাদা, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি, বন্ধক, মামলা, অধিগ্রহণ নোটিশ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন যাচাই করার সুপারিশ করা হয়েছে।আরও পড়ুন: আব্দুল্লাহপুরে রাহিমের দাপটে হোটেল সি-গাল ও রাজমনিতে নারী-মাদক সিন্ডিকেটপ্রকল্পের নকশা, নির্মাণ এলাকা ও মার্কেটিং উপস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনুমোদিত বা নথিভুক্ত construction area প্রায় ৭৬ হাজার বর্গফুট হলেও marketing presentation-এ প্রায় ১ লাখ বর্গফুট দেখানো হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে প্রকল্পের মূল্য প্রায় ৩০০ কোটি টাকা হিসেবে উপস্থাপনের কথাও উল্লেখ রয়েছে। অনুমোদিত নকশা, স্থাপত্য পরিকল্পনা, structural design, MEP design, BOQ, construction permit ও হালনাগাদ অনুমোদন পরস্পরের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।Divine-এর বিভিন্ন প্রকল্প থেকে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে অন্য সম্পদ কেনা বা নিয়ন্ত্রণের অভিযোগও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এর মধ্যে কুড়িল এলাকায় হাসপাতালের জন্য জমি, প্রায় ২০০ কোটি টাকার প্রস্তাবিত হাসপাতাল প্রকল্প, সংসদ এলাকার কাছাকাছি হোটেল প্রকল্পের জমি, পূর্বাচলের বিভিন্ন জমি এবং ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অ্যাপার্টমেন্টের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, এসব সম্পদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ SM Habibur Rahman অথবা তাঁর step-brother Hedayat Mowla-এর নামে থাকতে পারে। তবে প্রায় ৯০ শতাংশ identified asset একজনের নামে থাকার যে দাবি করা হয়েছে, সেটি certified property record দিয়ে যাচাই করার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। এখানেই সামনে এসেছে একটি মৌলিক প্রশ্ন—কোনো সম্পদ যদি গ্রাহক বা প্রকল্পের অর্থ দিয়ে কেনা হয়ে থাকে, তাহলে সেটি সংশ্লিষ্ট কোম্পানি বা প্রকল্পের নামে নয় কেন? এর উত্তর পেতে source of funds এবং beneficial ownership অনুসন্ধান প্রয়োজন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।SM Habibur Rahman-এর বিভিন্ন সম্পত্তির বিপরীতে ব্যাংক ঋণ নেওয়া এবং কয়েকটি ঋণ খেলাপি হওয়ার অভিযোগও প্রতিবেদনে রয়েছে। ব্যাংকগুলোর আইনগত পদক্ষেপ, recovery proceedings এবং কয়েকটি মামলায় judgment হওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।সম্মিলিত ব্যাংক দাবির পরিমাণ ১০ কোটি টাকার বেশি হতে পারে বলে প্রাথমিক তথ্যের কথা বলা হয়েছে। তবে এসব দাবিও ব্যাংক ঋণের হিসাব, mortgage document, আদালতের রায়, recovery proceedings এবং বর্তমান outstanding-এর মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।আরও পড়ুন: গোবিপ্রবিতে মাসের ব্যবধানে ২ ভিসি পরিবর্তন, নতুন ভিসি ড. মো. সোহেল হাসানব্যবসায়িক আস্থা তৈরিতে রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিচয় ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, SM Habibur Rahman নিজেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্কের মাধ্যমে উপস্থাপন করেছেন এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে ছবি ব্যবহার করে গ্রাহক ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা তৈরির চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে রিপোর্টটি নিজেই সতর্ক করেছে এসবকে প্রমাণিত রাজনৈতিক সম্পর্ক বা অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না, যতক্ষণ না নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়।প্রতিবেদনে Divine-এর কথিত business model নিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর একটি তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে একটি সম্ভাব্য চিত্র দেখানো হয়েছে project presentation, customer trust, fund collection, fund utilization, project delay, new project বা resale এবং এরপর continued fund collection। অর্থাৎ পুরোনো প্রকল্পের দায় ও কাজ সম্পন্ন করার পরিবর্তে নতুন গ্রাহকের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের ওপর ব্যবসার ধারাবাহিকতা নির্ভর করছে কি না সেটিই অনুসন্ধানের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এজন্য গ্রাহকের টাকা কোন ব্যাংক হিসাবে গেছে, কার কাছে স্থানান্তর হয়েছে, কী উদ্দেশ্যে ব্যয় হয়েছে, কোন নথি দিয়ে তা সমর্থিত এবং শেষ পর্যন্ত প্রকৃত সুবিধাভোগী কে প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করার সুপারিশ করা হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে Divine নতুন করে Divine Purbachal City এবং Cox Holiday Inn প্রকল্পকে সামনে নিয়ে বাজারে সক্রিয় হয়। ২০২৫ সাল থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রায় ৫ কোটি টাকার hotel share sale এবং প্রায় ২.৫ কোটি টাকা collection হয়েছে বলে তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু একই সময়ে প্রকল্প উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এই হিসাব bank statement, share register ও customer ledger দিয়ে যাচাই করা প্রয়োজন।আরও পড়ুন: ঈদে মিলাদুন্নবী ঘিরে জশনে জুলুস ঘিরে চট্টগ্রামে কঠোর নিরাপত্তা, অস্ত্র বহনে নিষেধাজ্ঞাগ্রাহকদের রিফান্ড বা ফেরতযোগ্য অর্থ নিয়েও বড় ধরনের উদ্বেগের কথা বলা হয়েছে। প্রাথমিক প্রতিবেদনে ২০ কোটি টাকার বেশি refund-related issue থাকার দাবি এবং কিছু refund claim প্রায় ১৩ বছর ধরে unresolved থাকার অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিটি গ্রাহকের জন্য কত টাকা জমা হয়েছে, কোন প্রকল্পে, কখন দেওয়া হয়েছে, চুক্তি কী ছিল, রিফান্ডের তারিখ কখন, কত টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে এবং কত টাকা বকেয়া—এসব তথ্য নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ customer liability schedule তৈরির সুপারিশ করা হয়েছে।Divine-এর বিরুদ্ধে ৬০ থেকে ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত investor/client fund mismanagement-এর একটি estimate থাকার কথাও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে স্পষ্ট করা হয়েছে এটি কোনো verified liability নয় এবং documentary evidence দিয়ে যাচাই করতে হবে। প্রস্তাবিত reconciliation অনুযায়ী মোট customer collection থেকে বৈধ ভূমি অধিগ্রহণ, নির্মাণ, পরিচালন ব্যয়, রিফান্ড, কর-ভ্যাট এবং যাচাইকৃত প্রকল্প সম্পদের মূল্য বাদ দিয়ে অব্যাখ্যাত অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে।Cox Holiday Inn-এর নামে customer money গ্রহণের জন্য একটি proprietorship account ব্যবহারের কথাও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। সেখানে Cox Holiday Inn একটি proprietorship business এবং সেটি SM Habibur Rahman-এর নিয়ন্ত্রণে বলে দাবি করা হয়েছে। এখানে প্রশ্ন উঠেছে যদি গ্রাহকের কাছে company share বা ownership বিক্রি করা হয়, তাহলে কেন সেই অর্থ proprietorship account-এ যাবে? কে অর্থ গ্রহণ করছে, কোন entity contract করছে, কে share issue করছে, প্রকল্পের মালিক কে, জমির মালিক কে এবং বিনিয়োগকারীর কাছে আইনগতভাবে দায়ী entity কোনটি এসব বিষয়ে স্পষ্টতা থাকা জরুরি।আরও পড়ুন: অনৈতিক কর্মকাণ্ড নয়, গঠনমূলক কাজে দল শক্তিশালী করুন: রিজভীDivine-এর বিভিন্ন কোম্পানির Tax, VAT, Trade License এবং অন্যান্য regulatory compliance দীর্ঘদিন সঠিকভাবে maintained হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ২০১৩ সালের পর থেকে compliance gap থাকার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে RJSC filing, আয়কর রিটার্ন, VAT return, trade license, corporate annual return, audited financial statement, bank account status এবং regulatory approval যাচাই করার সুপারিশ করা হয়েছে।প্রতিবেদনটির একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হলোসাধারণ management accounting-এর পরিবর্তে Divine-এর ক্ষেত্রে forensic audit বেশি উপযোগী হতে পারে। Cash book, general ledger, customer ledger, bank reconciliation, project accounts, refund ledger, share-sale ledger, construction expense, related-party payment, personal expense, loan liability এবং asset register যাচাইয়ের কথা বলা হয়েছে।গ্রাহকের অর্থ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিযোগ থাকলেও রিপোর্টে এটিকে সরাসরি ‘money laundering’ হিসেবে ঘোষণা না করার সতর্কতা রয়েছে। বরং Potential Fund Diversion/Misuse of Customer Funds/Related-Party Transaction Risk হিসেবে forensic verification-এর বিষয় হিসেবে দেখানো হয়েছে।প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে কর্মীদের বেতন বিলম্ব, sales team-এর বেতন সমস্যা, প্রশিক্ষণের অভাব, HR policy-এর ঘাটতি, শ্রম আইন বাস্তবায়নের প্রশ্ন, unpaid/free work এবং কর্মী হয়রানির অভিযোগও প্রতিবেদনে রয়েছে। Sales team-এর প্রায় ৯০ শতাংশ কর্মী চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন বলে একটি দাবি উল্লেখ করা হয়েছে। এর সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বেতন সমস্যা, ব্যবস্থাপনার আচরণ, প্রশিক্ষণের অভাব, HR কাঠামোর দুর্বলতা, অবাস্তব প্রতিশ্রুতি এবং sales support-এর অভাবের কথা বলা হয়েছে। তবে এসব তথ্য payroll, employment contract, attendance, resignation record ও employee complaint দিয়ে যাচাই করা প্রয়োজন।আরও পড়ুন: ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ, নিরাপত্তা শঙ্কা নেই: জামায়াতপ্রতিবেদনে Divine-এর corporate governance কাঠামো নিয়েও একাধিক প্রশ্ন রয়েছে। Board oversight, financial control, segregation of duties, project accounting, customer fund segregation, contract management, tax/VAT compliance, HR, asset ownership, related-party transaction এবং investor reporting বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্বলতার আশঙ্কা চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষ করে Managing Director-কেন্দ্রিক অতিরিক্ত প্রশাসনিক ও আর্থিক নিয়ন্ত্রণের অভিযোগকে বড় governance risk হিসেবে দেখা হয়েছে।প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়নে Project Execution, Land Title, Financial Transparency, Customer Refund, Corporate Governance, Accounting Control, Investor Protection, Management Dependency এবং Construction Risk এসব ক্ষেত্রে ‘অত্যন্ত উচ্চ’ ঝুঁকি দেখানো হয়েছে। Regulatory Compliance-কে উচ্চ থেকে অত্যন্ত উচ্চ এবং HR & Employment-কে উচ্চ ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। Related-party transaction ও fund diversion-এর ঝুঁকিও অত্যন্ত উচ্চ বলা হয়েছে, তবে যাচাই সাপেক্ষে।প্রতিবেদনের চূড়ান্ত মূল্যায়নে বলা হয়েছে, নতুন বিনিয়োগ, share purchase বা customer fund collection-এর আগে ব্যাপক independent due diligence প্রয়োজন। এজন্য forensic financial audit, land audit, legal audit, tax/VAT audit এবং project audit করার সুপারিশ করা হয়েছে।আরও পড়ুন: ছয় মাসে সরকার একটি কথাও রাখতে পারেনি: মান্নাDivine Group-কে ঘিরে উঠে আসা প্রশ্নগুলোর ব্যাপ্তি এখন শুধু একটি প্রকল্পের নির্মাণ অগ্রগতি বা গ্রাহকের রিফান্ডে সীমাবদ্ধ নেই। জমির মালিকানা, প্রকল্প অনুমোদন, গ্রাহকের অর্থ কোথায় যাচ্ছে, কোম্পানির নামে সম্পদ কেন নেই, কর্পোরেট কাঠামো কতটা স্বচ্ছ, রিফান্ডের দায় কত এবং নতুন করে অর্থ সংগ্রহের আর্থিক ভিত্তি কী—এসব প্রশ্ন একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত।তবে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো—অভিযোগকে রায় হিসেবে উপস্থাপন না করা। Divine Group বা সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তিকে প্রতারক, অর্থ পাচারকারী বা অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করার মতো প্রমাণ এই রিপোর্টে নেই। বরং মূল নথিটিও বলছে, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ভূমির দলিল, customer ledger, আদালতের নথি, tax/VAT record, approved plan, construction BOQ এবং audited financial statement স্বাধীনভাবে যাচাই করাই হবে প্রকৃত সত্য নির্ধারণের ভিত্তি।অতএব এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন দীর্ঘদিনের পুরোনো প্রকল্প, অসম্পূর্ণ নির্মাণ, সম্ভাব্য রিফান্ড দায় এবং নতুন করে অর্থ সংগ্রহের মধ্যে বাস্তব আর্থিক ভারসাম্য কোথায়? গ্রাহকদের অর্থ যে উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে, সেই অর্থের প্রতিটি টাকা কি প্রকল্প পর্যন্ত trace করা সম্ভব?

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

ভারতের বিদ্যুৎ করিডর হতে শর্ত দিচ্ছে ঢাকা, চার দাবিতে অনড় বাংলাদেশ

ভারতের বিদ্যুৎ সঞ্চালনের করিডর হতে গিয়ে নিজেদের স্বার্থ বিসর্জন দিতে চায় না বাংলাদেশ। আসামের বরনগর থেকে বিহারের কাটিহার পর্যন্ত ৭৬৫ কেভি উচ্চক্ষমতার সঞ্চালন লাইন বাংলাদেশের ওপর দিয়ে নিতে ভারতের আগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতে চারটি শর্ত সামনে আনছে ঢাকা।সরকারি সূত্র বলছে, প্রস্তাবিত এই গ্রিড লাইন নিয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্তের আগে বাংলাদেশের স্বার্থ, জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক লাভ-ক্ষতির বিষয়টি নিশ্চিত করতে চায় সরকার।প্রথম শর্ত হিসেবে ভারতকে স্পষ্ট করতে হবে—ব্রহ্মপুত্র নদে বাঁধ দিয়ে উৎপাদিত বিদ্যুৎ এই সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে পরিবহন করা হবে কি না। কারণ, ব্রহ্মপুত্রে বাঁধ নির্মাণ হলে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।দ্বিতীয় শর্তে নেপাল ও ভুটান থেকে কম দামে জলবিদ্যুৎ আমদানির জন্য বাংলাদেশকে পৃথক গ্রিড লাইন নির্মাণের সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে।তৃতীয়ত, প্রস্তাবিত সঞ্চালন লাইন দিয়ে বাংলাদেশ কী পরিমাণ বিদ্যুৎ আমদানি করতে পারবে, তা স্পষ্ট করতে চায় ঢাকা।আরও  পড়ুন, ৩১ সম্মেলনে যোগ দিতে নভেম্বরে তুরস্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীআর চতুর্থ শর্ত হিসেবে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে এই লাইন নির্মাণের আগে পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক লাভ-ক্ষতির হিসাব করার দাবি জানানো হচ্ছে।গত ৬ আগস্ট ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ৭৬৫ কেভি গ্রিড লাইন নির্মাণের বিষয়টি উত্থাপন করেন।তবে বাংলাদেশ শুধু ভারতের বিদ্যুৎ সঞ্চালনের পথ হতে চায় না। বরং নেপাল, ভারত, ভুটান ও বাংলাদেশকে নিয়ে একটি যৌথ গ্রিড ব্যবস্থার বিষয়েও আলোচনা করতে চায় ঢাকা।জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আন্তঃদেশীয় গ্রিড সংযোগ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। বিশেষ করে নেপাল ও ভুটান থেকে সস্তায় জলবিদ্যুৎ আমদানির সুযোগ তৈরি হলে তা বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

৩১ সম্মেলনে যোগ দিতে নভেম্বরে তুরস্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১-এ অংশ নিতে আগামী নভেম্বরে তুরস্ক সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বৃহস্পতিবার সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ২৩তম ওআইসি কাউন্সিল অব ফরেন মিনিস্টার্স বৈঠকের সাইডলাইনে তুরস্কের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মুসা কুলাকলিকায়ার সঙ্গে বৈঠকে এ তথ্য জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের প্রতিনিধিরা আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন। একই সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যুতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রস্তুতির কথাও জানান তারা।আরও  পড়ুন, সেপ্টেম্বরের শুরুতেও বৃষ্টি, ৫ দিনজুড়ে ভিজবে দেশদুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেন বৈঠকে অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কূটনীতি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে উভয় পক্ষ অভিন্ন আগ্রহের কথা তুলে ধরেন।বাংলাদেশ ও তুরস্কের বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।বৈঠকের একপর্যায়ে তুরস্কের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, আসন্ন কপ-৩১ সম্মেলনে অংশ নিতে নভেম্বরে তুরস্ক সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, জলবায়ু অর্থায়ন এবং ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর স্বার্থের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরার ক্ষেত্রে এই সফর গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

সেপ্টেম্বরের শুরুতেও বৃষ্টি, ৫ দিনজুড়ে ভিজবে দেশ

সারা দেশে আগামী কয়েকদিন বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও হতে পারে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ। পাশাপাশি সামান্য কমতে পারে দিন ও রাতের তাপমাত্রা।শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এমন তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও হতে পারে মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ।পরবর্তী ২৪ ঘণ্টাতেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে।আরও  পড়ুন, বিদ্যুৎ সংকট তীব্র: শুক্রবার সর্বোচ্চ ২,৬৯৫ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস তবে এ সময়ে তাপমাত্রায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।তৃতীয় দিনে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।চতুর্থ দিনে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সেই সঙ্গে তাপমাত্রাও কিছুটা কমতে পারে।সেপ্টেম্বরের শুরুর দিনেও বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস রয়েছে। বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বিদ্যুৎ সংকট তীব্র: শুক্রবার সর্বোচ্চ ২,৬৯৫ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস

দেশে বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে শুক্রবার সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৯৫ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ—পিজিসিবির পাওয়ার সিস্টেমের পূর্বাভাসে এমন তথ্য উঠে এসেছে।পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে বিদ্যুতের চাহিদা সবচেয়ে বেশি হতে পারে। রাত ১১টায় চাহিদা দাঁড়াতে পারে ১৭ হাজার ১৪০ মেগাওয়াটে। বিপরীতে উৎপাদনের পূর্বাভাস রয়েছে ১৪ হাজার ৩১৭ মেগাওয়াট। ফলে ওই সময়ে দিনের সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৯৫ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে।পূর্বাভাস বলছে, দুপুরের পর থেকেই বিদ্যুৎ ঘাটতি বাড়তে পারে। দুপুর ১২টায় ৩৬৩ মেগাওয়াট এবং দুপুর ১টায় ১ হাজার ১৪১ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে। বিকাল ৩টায় ৯৪১, ৪টায় ৭৩৮ এবং ৫টায় ৫২৭ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস রয়েছে।আরও  পড়ুন, দক্ষতা উন্নয়নে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের নতুন অংশীদারিত্বসন্ধ্যার পর পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ২৬৮ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পর সন্ধ্যা ৭টায় তা বেড়ে দাঁড়াতে পারে ১ হাজার ৮ মেগাওয়াটে।রাত সাড়ে ৭টায় লোডশেডিং হতে পারে ১ হাজার ৭০৪ মেগাওয়াট এবং রাত ৮টায় ১ হাজার ৭৪৪ মেগাওয়াট।এরপর রাত ৯টায় ঘাটতি বেড়ে ২ হাজার ১৩৩ মেগাওয়াট এবং রাত ১০টায় ২ হাজার ১৬ মেগাওয়াটে পৌঁছানোর পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।সবশেষে রাত ১১টায় দিনের সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৯৫ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে।চলতি আগস্টেও দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতিতে বড় ধরনের ঘাটতির চিত্র দেখা গেছে। বিভিন্ন সময়ে ২ হাজার থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিংয়ের তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে।

রাজনীতিরাজনীতি

আইনশৃঙ্খলা নিয়ে হাসনাতের প্রশ্ন, সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাল্টা জবাব

আইনশৃঙ্খলা নিয়ে হাসনাতের প্রশ্ন, সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাল্টা জবাব

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গান-বাজনা ও নৌকাবাইচ বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে গত ছয় মাসে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুনরুদ্ধারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সফল হয়েছেন কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রথম কার্যদিবসে সম্পূরক প্রশ্নে তিনি এ প্রশ্ন করেন।হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই একটি সাংস্কৃতিক জেলা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অথচ সেখানে গান-বাজনা ও নৌকাবাইচ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি সিনেমা হলও প্রায় বন্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।এ অবস্থায় গত ছয় মাসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুনরুদ্ধার এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পর্যাপ্ত ভূমিকা রাখতে পেরেছেন কি না, নাকি ব্যর্থ হয়েছেন—তা জানতে চান হাসনাত।আরও  পড়ুন, ‘এনসিপির বেরিয়ে যাওয়ার প্রশ্নই নেই, এটা কারও এজেন্ডা না’: শফিকুর রহমানজবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এটা প্রশ্ন হলো, না পল্টনের বক্তৃতা—বুঝতে পারিনি।’তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে কি না, তা দৃশ্যমান। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন অপরাধের ঘটনায় ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।হাসনাতের বক্তব্যে বিভিন্ন হত্যা ও আহতের যে পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে, তার ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ওই পরিসংখ্যান কীসের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে, তা তার জানা নেই।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, কোনো নির্দিষ্ট ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যর্থ হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নোটিশ দিলে সংসদে এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও বিতর্ক করা যাবে।তিনি বলেন, সংসদে তথ্যভিত্তিক কথা বলতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতা থাকলে নির্দিষ্ট ঘটনার ভিত্তিতে তা তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।

‘এনসিপির বেরিয়ে যাওয়ার প্রশ্নই নেই, এটা কারও এজেন্ডা না’: শফিকুর রহমান

‘এনসিপির বেরিয়ে যাওয়ার প্রশ্নই নেই, এটা কারও এজেন্ডা না’: শফিকুর রহমান

জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপি বেরিয়ে যাচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেছেন, এটি এনসিপি কিংবা জামায়াত—কারও এজেন্ডা নয়।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কার্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।জামায়াতের আমির বলেন, ১১ দলীয় ঐক্য মূলত কোনো আনুষ্ঠানিক জোট নয়। এটি একটি নির্বাচনি ঐক্য। বর্তমানে জনগণের স্বার্থে তারা একসঙ্গে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।ঐক্য থেকে কোনো দল বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আরও  পড়ুন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইসলামের আদর্শ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করছেন: ড. মঈন খানগণতন্ত্রে প্রত্যেক দলের নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম বেছে নেওয়ার অধিকার রয়েছে। কাউকে জোর করে ঐক্যে রাখা সম্ভব নয়। তবে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এই ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা থাকবে।নিজেদের দীর্ঘ জোট রাজনীতির অভিজ্ঞতা তুলে ধরে শফিকুর রহমান বলেন, সময়ের সঙ্গে বিভিন্ন জোটে দলের সংখ্যা পরিবর্তন হয়েছে। মতপার্থক্য থাকলেও একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্য ধরে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।এদিকে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের বিষয়ে তিনি জানান, এ নিয়ে হোমওয়ার্ক শুরু হয়েছে। শরিক দলগুলোর সম্ভাবনাময় ব্যক্তিদের পাশাপাশি দেশ-বিদেশে থাকা যোগ্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদেরও এতে যুক্ত করা হবে।দেশের স্বার্থে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে থাকা মেধাবী ও অভিজ্ঞ বাংলাদেশিদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর কথাও জানান জামায়াতের আমির।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইসলামের আদর্শ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করছেন: ড. মঈন খান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইসলামের আদর্শ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করছেন: ড. মঈন খান

বাংলাদেশে ইসলামের আদর্শ প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজ করছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ইসলামের মূল শিক্ষা হচ্ছে ন্যায়, সাম্য, মানবতা ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই মূল্যবোধকে সামনে রেখে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।ড. মঈন খান বলেন, ইসলাম শুধু ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের প্রতি দায়িত্বশীলতা, অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে অবস্থান এবং সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মধ্যেই ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা নিহিত।আরও  পড়ুন, প্রশাসনিক দক্ষতা ও সততায় মানুষের মন জয় করেছেন ইউএনও সাইফ উল আরেফীন: এমপি খোকনতিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় মানুষের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা জরুরি। সে লক্ষ্যেই বর্তমান সরকার কাজ করছে।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, একটি শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণমুখী সমাজ প্রতিষ্ঠায় ধর্মীয় মূল্যবোধের পাশাপাশি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখা প্রয়োজন।ড. মঈন খান বলেন, বাংলাদেশে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেখানে সব মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় ও সামাজিক অধিকার নিয়ে নিরাপদে বসবাস করতে পারেন। এ জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পাঁচ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পাঁচ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পাঁচ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের যৌথসভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ১ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টায় দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।এ ছাড়া ৫ সেপ্টেম্বর আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। এতে দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেবেন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উন্মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণ এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও পালন করবে দলটি।আরও  পড়ুন, ৬ দফা দাবিতে ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ, সফল করার আহ্বান জামায়াতেরসংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী জানান, বিএনপির কাউন্সিলের দিন-তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে শিগগিরই কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে।তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে বিএনপি সবসময় সততার পরিচয় দিয়েছে। নানা সংগ্রাম ও শোক ধারণ করে দলটি এগিয়ে যাচ্ছে। নিপীড়ন ও অত্যাচারের মুখেও ফ্যাসিবাদীরা বিএনপিকে ন্যূনতম ক্ষতি বা আত্মসমর্পণ করাতে পারেনি।শরীয়তপুরে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, বিষয়টি দলের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সারাবাংলা

যশোরে মাকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে হত্যা, ১৭ ঘণ্টায় শিক্ষক ছেলে গ্রেফতার

যশোরে মাকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে হত্যা, ১৭ ঘণ্টায় শিক্ষক ছেলে গ্রেফতার

যশোরে মাকে কুপিয়ে হত্যার পর মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগে শিক্ষক ছেলে মামুনুর রশিদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন—পিবিআই।হত্যাকাণ্ডের মাত্র ১৭ ঘণ্টার মধ্যেই শুক্রবার সকালে যশোর সদর উপজেলার তেঘরিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে সদর উপজেলার বাজেদুর্গাপুর এলাকায় ঘটে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ড। নিহত আনোয়ারা খাতুনের বয়স ৬৫ বছর। তিনি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. আলতাফ হোসেনের স্ত্রী।পিবিআইয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় মামুনুর রশিদ বাড়িতে এসে মায়ের কাছে গোসলের জন্য গামছা চান। এ সময় তার দুই স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যাওয়ার বিষয় নিয়ে মায়ের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়।আরও  পড়ুন, বেলকুচি মা ও শিশু হাসপাতাল উদ্বোধন করলেন এমপি আলীমএকপর্যায়ে মা ঘরের দিকে ফিরে যাওয়ার সময় পাশে থাকা তরকারি কাটার বঁটি দিয়ে তার ওপর হামলা করেন মামুনুর রশিদ। মাটিতে পড়ে যাওয়ার পরও তাকে একাধিকবার কোপানোর অভিযোগ রয়েছে। পরে মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান তিনি।হত্যার পর মোবাইল ফোন বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যান মামুন। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ও স্থানীয় তদন্তের সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে পিবিআই। এরপর তেঘরিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।পিবিআই জানিয়েছে, মামুনুর রশিদ একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।নিহতের আরেক ছেলে মঞ্জুর হাসান বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে জানিয়েছে পিবিআই।

বেলকুচি মা ও শিশু হাসপাতাল উদ্বোধন করলেন এমপি আলীম

বেলকুচি মা ও শিশু হাসপাতাল উদ্বোধন করলেন এমপি আলীম

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে স্বাস্থ্যসেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতালের উদ্বোধন করা হয়েছে।শুক্রবার (২৮ আগষ্ট) সকালে মুকুন্দগাঁতী বাসট্যান্ড এলাকায় মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতালের উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।হাসপাতালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সিরাজগঞ্জ- ৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খান আলীম।অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান ডাঃ শরীফ আহামেদের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন, সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম গোলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল, সাবেক সদস্য সচিব বনি আমিন, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন প্রমানিক, বেলকুচি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, উপজেলা যুবদলের সাবেক হেলাল উদ্দিন প্রমানিক, মুকুন্দগাঁতী বাজার বনিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী ভূইঁয়া, হাসপাতালের চিকিৎসক, আরও  পড়ুন, রায়পুরে ফেইক আইডি ব্যবহারকারী ও তার সহযোগী সজীবের বিরুদ্ধে ১ কোটি টাকার মানহানীর মামলাকর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা।পরিচালক ডাঃ শরীফ আহামেদ জানান, আধুনিক সরঞ্জামাদি, অভিজ্ঞ চিকিৎসক, দক্ষ টেকনিশিয়ান দ্বারা পরিচালিত বেলকুচি মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতাল। মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই হাসপাতালটি নতুন আঙ্গিকে শুরু করা হয়েছে। মা ও শিশুদের জন্য উন্নত ও সহজলভ্য চিকিৎসা সেবা দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কাজ করে যাবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খান আলীম বক্তব্যে বলেন, ডাঃ শরীফ আহামেদের এ উদ্যোগকে স্বাগতম জানাই। তিনি হয় তো অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান চালু করতে পারতো। কিন্তু আমাদের এলাকায় অত্যাধুনিক হাসপাতালের খুবই প্রয়োজন ছিলো। এই হাসপাতালের কারনে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী উপকৃত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

রায়পুরে ফেইক আইডি ব্যবহারকারী ও তার সহযোগী সজীবের বিরুদ্ধে ১ কোটি টাকার মানহানীর মামলা

রায়পুরে ফেইক আইডি ব্যবহারকারী ও তার সহযোগী সজীবের বিরুদ্ধে ১ কোটি টাকার মানহানীর মামলা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মানহানিকর ও আপত্তিকর বক্তব্য প্রচারের অভিযোগে লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ফেইক আইডি ব্যবহারকারী ও তার সহযোগী সজীবের বিরুদ্ধে থানায় জিডি ও জেলা জর্জ কোর্ট আদালতে ১ কোটি টাকার মানহানীর মামলা করা হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) রায়পুর থানায় করা জিডিতে ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, ‘Adv MA Mofizur Rahman’ নামের একটি ফেসবুক ভুয়া আইডি থেকে তাকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মানহানিকর বক্তব্য ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। যার ফলে থানায় জিডি করেন ভুক্তভোগী। যাহার জিডি নম্বর ১২৪৩। এবং পরোপ্রেক্ষিতে ২৭ ই আগস্ট লক্ষ্মীপুর জেলা জর্জ কোর্ট আদালতে গিয়ে তিনি ফেইক ফেসবুক আইডি ব্যবহারকারী ও তার সহযোগী সজীব মিঝির বিরুদ্ধে ১ কোটি টাকার মানহানীর মামলা করেন। আরও  পড়ুন, বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ১১ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণসজীব মিঝি ৪নং সোনাপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড লাল গাজী মিঝি বাড়ির আবদুল হাইর মেজো ছেলে। তিনি পেশাগতভাবে রায়পুর কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজের কেএফসি শিশু কানন (প্রাইমারি কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষক)।  অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ফেসবুক পোস্টের লিংক জিডি ও মামলাতে সংযুক্ত করেছেন তিনি। পাশাপাশি ভবিষ্যতে ওই ব্যক্তি বা সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে আরও হয়রানি কিংবা অপপ্রচারের আশঙ্কা করছেন বলেও উল্লেখ করেন।এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই পোস্টে আপত্তিকর ও মানহানীকর শব্দ ব্যবহার করা পোস্টটির সত্যতা ও এর পেছনে কারা জড়িত, তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।  রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বলে জিডিটি গ্রহণ করা হয়েছে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।

বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ১১ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ১১ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা পুলিশ ২৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন মামলা ও অভিযোগে ১১ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে সন্ত্রাসবিরোধী মামলার আসামী, মাদক মামলার আসামী, ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার সন্দেহভাজন, জিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামী, ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারার আসামী এবং জিএমপি অধ্যাদেশ প্রসিকিউশনের আসামীরা রয়েছেন। পরে তাদেরকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সন্ত্রাসবিরোধী মামলার এজাহারভুক্ত আসামী আমজাদ হোসেন মন্ডল (৩৫) কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি গাজীপুর মহানগরের বাসন থানার আউটপাড়া এলাকার বাসিন্দা।অপরদিকে, ৪০০ গ্রাম গাঁজা ও ৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাদক মামলায় দুই এজাহারভুক্ত আসামী মোছাঃ চাঁদনী আক্তার (৩০) ও মোছাঃ আখি আক্তার (২৮) কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।আরও  পড়ুন, তাহেরপুরে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলএছাড়া সাত ক্যান বিয়ারসহ মাদক মামলার এজাহারভুক্ত আসামী মোঃ সায়েম (২৬) কে আটক করা হয়।ডাকাতির প্রস্তুতি সংক্রান্ত মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে সুমন হোসেন (২৮) কে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই অভিযানে জিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামী মোঃ হামিদুল ইসলাম (২৭) কেও আটক করা হয়।ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় মোঃ আক্তার হোসেন (৩২) কে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।অন্যদিকে, জিএমপি অধ্যাদেশ প্রসিকিউশন মামলায় মোঃ আলামিন (২০), মোঃ জিহাদ (২১), মোঃ রাসেল (২৬) এবং মোঃ জাকির হোসেন (২৬) কে গ্রেফতার করা হয়েছে।বাসন থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মহানগর এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, সন্ত্রাস, মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।গ্রেফতারকৃত সকল আসামীকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক

গাজা থেকে ঘুড়ি বেলুন ড্রোন পাঠালে অভিযান বাড়াবে ইসরাইল

গাজা থেকে ঘুড়ি বেলুন ড্রোন পাঠালে অভিযান বাড়াবে ইসরাইল

গাজা থেকে ইসরাইলের দিকে ঘুড়ি, ড্রোন ও বেলুন পাঠানো অব্যাহত থাকলে গাজায় সামরিক অভিযান আরও জোরদার করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসরাইল।রোববার গাজা সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর এ সতর্কবার্তা দেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ।ইসরাইলি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক দিনে গাজা সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রায় ১০টি ঘুড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে শনিবার বিভিন্ন এলাকায় চারটি ঘুড়ি পাওয়া যায়। রোববার আরও একটি ঘুড়ি গুলি করে নামায় ইসরাইলি সেনারা।ইসরাইলের দাবি, এসব উড়ন্ত বস্তুর পেছনে হামাসের হাত থাকতে পারে। যদিও ঘুড়ি, ড্রোন ও বেলুন পাঠানোর অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে হামাস।ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, সাম্প্রতিক ঘটনায় উদ্ধার হওয়া এসব ঘুড়িতে কোনো বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি। আরও পড়ুন. সংঘাত থামাতে চায় ইরান চাপ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রতবে ইসরাইলের প্রতিক্রিয়া যাচাই করতেই এগুলো পাঠানো হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে দেশটির সামরিক বাহিনী।নেতানিয়াহু ও কাটজ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ইসরাইলের দিকে ঘুড়ি, ড্রোন ও বেলুন পাঠানো বন্ধ না হলে এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান আরও জোরদার করা হবে।এমনকি যেসব এলাকা থেকে এসব উড়ন্ত বস্তু পাঠানো হচ্ছে, সেসব এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার কথাও জানিয়েছে ইসরাইল।এরই মধ্যে কয়েক বছর আগের স্মৃতি ফিরে এসেছে। সে সময় গাজা থেকে আগুন ধরিয়ে দিতে সক্ষম ঘুড়ি ও বেলুন পাঠানো হতো। এতে দক্ষিণ ইসরাইলের কৃষিজমিতে ব্যাপক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।তবে হামাস বলছে, এসব ঘুড়ি গাজা থেকে শিশুরাই উড়িয়েছে। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে হারিয়ে যাওয়া শৈশব ফিরে পাওয়ার চেষ্টা থেকেই তারা এসব করেছে বলে দাবি সংগঠনটির।একই সঙ্গে হামাস অভিযোগ করেছে, ঘুড়ি ওড়ানোর ঘটনাকে মধ্য গাজায় বিমান হামলার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছে ইসরাইল।গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা ও উদ্ধারকারী সংস্থার দাবি, রোববারের ওই বিমান হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন।ফলে ঘুড়ি, বেলুন ও ড্রোন ঘিরে নতুন করে গাজা-ইসরাইল সীমান্তে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

২৪ আগস্ট ২০২৬

রাজধানী

রাতের সড়কে তরুণীকে নিয়ে রহস্য, পরিবারের বক্তব্যে মিলল নতুন তথ্য

রাতের সড়কে তরুণীকে নিয়ে রহস্য, পরিবারের বক্তব্যে মিলল নতুন তথ্য

রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর-টঙ্গী সড়কে গভীর রাতে মোটরসাইকেলে দুই যুবকের মাঝখানে এক তরুণীকে নিস্তেজ অবস্থায় দেখতে পাওয়ার ঘটনায় তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই দৃশ্যের ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর উদ্বেগ তৈরি হয় নেটিজেনদের মধ্যে।তবে পরিবারের দাবি, ওই তরুণী জীবিত এবং বর্তমানে সুস্থ আছেন। তার বড় বোন জানিয়েছেন, স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার পর অভিমান করে বাসা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। পরে একটি বারে গিয়ে মদ্যপান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে পরিবারের ভাষ্য।শুক্রবার গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন ২৬ বছর বয়সী ওই তরুণী। তিনি জানান, বর্তমানে তিনি ভালো আছেন। তবে ঘটনার বিস্তারিত দুই দিন পর সরাসরি সাক্ষাৎ করে জানাবেন বলে ফোনে কথা শেষ করেন তিনি।পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, মোটরসাইকেলের চালকের নামের শেষাংশ আলম। তিনি বিবাহিত এবং তার সন্তানও রয়েছে। ওই তরুণীকে বাসায় পৌঁছে দিতে গিয়ে তিনি বিপাকে পড়েছেন বলেও দাবি করেছেন তার বোন।আরও  পড়ুন, ঢাকার আকাশ মেঘলা, কোথাও কোথাও বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাসপরিবার জানায়, অসুস্থ অবস্থায় তরুণীকে নিয়ে আলম ও তার এক বন্ধু টঙ্গীর দিকে রওনা হলেও পরে তাকে মিরপুরে এক বান্ধবীর বাসায় রেখে দেওয়া হয়। এরপর পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়।এর আগে বুধবার গভীর রাতে আব্দুল্লাহপুর থেকে টঙ্গীর দিকে যাওয়ার সময় মুফতি মনোয়ার হোসেন নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী মোটরসাইকেলটিকে দেখতে পান। তার চোখে পড়ে, চালকের পেছনে থাকা এক যুবক তরুণীকে শক্ত করে ধরে রেখেছেন। তরুণীর পা ছিল অস্বাভাবিকভাবে ঝুলে থাকা অবস্থায়।দৃশ্যটি অস্বাভাবিক মনে হওয়ায় তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে পোস্ট দিলে বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।তবে পরিবারের বক্তব্যের পর এখন সামনে এসেছে ঘটনার ভিন্ন একটি ব্যাখ্যা। বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য পেতে তরুণীর সরাসরি বক্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

১ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

পেসারদের আত্মবিশ্বাসে নতুন স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ

পেসারদের আত্মবিশ্বাসে নতুন স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের পর নতুন আত্মবিশ্বাসে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। জাতীয় দলের পেস বোলিং কোচ তালহা জুবায়ের মনে করেন, বিদেশের মাটিতে টেস্ট জিততে যে ২০ উইকেট নেওয়ার সামর্থ্য প্রয়োজন, বাংলাদেশের পেস বোলিং ইউনিট এখন সেই আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছে।অস্ট্রেলিয়া সফর শেষে গতকাল রাতে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ দল। বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দলের পারফরম্যান্স ও ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেন তালহা জুবায়ের।দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ হলেও বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অর্জন ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারানো। স্বাগতিকদের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে দাপুটে পারফরম্যান্স দেখিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের সামর্থ্যের জানান দেয় বাংলাদেশ।তালহা জুবায়ের বলেন, বিদেশের মাটিতে টেস্ট জিততে পেসারদের ভালো পারফরম্যান্স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ একটি টেস্ট জিততে হলে প্রতিপক্ষের ২০ উইকেট নিতে হয়।আরও পড়ুন.দক্ষিণ আফ্রিকাকে আবারও হারাল নামিবিয়া, ১৮ রানে ঐতিহাসিক জয়বাংলাদেশের পেসাররা সেই জায়গায় আত্মবিশ্বাস তৈরি করতে পেরেছেন বলেও মনে করেন তিনি।তবে ম্যাকাইয়ে দ্বিতীয় টেস্টে ব্যাটিং ব্যর্থতার কারণে সিরিজ জয়ের সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে বলে স্বীকার করেন তালহা। দুই ইনিংসেই ১০০ রানের নিচে অলআউট হয় বাংলাদেশ। মাত্র দুই দিনেই ম্যাচটি হেরে যায় সফরকারীরা।তালহার মতে, দ্বিতীয় টেস্টে ব্যাটসম্যানরা আরেকটু ভালো করতে পারলে ফলাফল বাংলাদেশের পক্ষেও আসতে পারত। পাশাপাশি টস এবং উইকেটের অস্বাভাবিক বাউন্সও ম্যাচের ফলে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করেন তিনি।তারপরও অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্টে দাপুটে জয়কে বাংলাদেশের জন্য বিশাল অর্জন হিসেবে দেখছেন এই পেস বোলিং কোচ।তালহার ভাষায়, অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাটিতে এভাবে হারানো বিশ্ব ক্রিকেটে একটি বার্তা দিয়েছে—বাংলাদেশ যেকোনো দলকে হারাতে পারে।আগামী সফরগুলোতে অস্ট্রেলিয়ার এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আরও বড় সাফল্যের প্রত্যাশা বাংলাদেশের।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর