দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

পুলিশে একের পর এক রদবদল, অপরাধ দমনে নতুন পরীক্ষা

পুলিশে একের পর এক রদবদল, অপরাধ দমনে নতুন পরীক্ষা

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ে ধারাবাহিক রদবদল, বদলি ও পদায়নকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এই পরিবর্তন মাঠপর্যায়ে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে? সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন পর্যায় থেকে শুরু করে বিভিন্ন ইউনিট ও জেলা পর্যায়ে একাধিক দফায় বদলি ও পদায়ন হয়েছে। আগস্ট ২০২৬-এ ২৩ জন সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি এবং ছয়জনকে চাকরি থেকে অপসারণের খবর প্রকাশিত হয়েছে। এর আগে জুলাই মাসেও একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়। প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকে বদলি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কোনো কর্মকর্তা দীর্ঘদিন একই এলাকায় দায়িত্ব পালন করলে প্রশাসনিক ভারসাম্য, জবাবদিহি ও কার্যক্রমে নতুন গতি আনতে বদলি প্রয়োজন হতে পারে। আবার কোনো কর্মকর্তার কর্মদক্ষতা, তদন্তের অগ্রগতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কিংবা প্রশাসনিক প্রয়োজন বিবেচনায় নতুন দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।আরও পড়ুন: অনলাইন পোর্টাল ও ফেসবুক পেজ খুলেই কথিত ‘সাংবাদিক’!একটি থানার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ শুধু একজন ওসির ব্যক্তিগত দক্ষতার ওপর নির্ভর করে না। এর সঙ্গে যুক্ত থাকে বিট পুলিশিং, সোর্স নেটওয়ার্ক, স্থানীয় অপরাধীদের তথ্যভান্ডার, মামলার তদন্ত, গোয়েন্দা তথ্য, সিসিটিভি বিশ্লেষণ, মাদক ও অস্ত্রের উৎস শনাক্তকরণ এবং স্থানীয় মানুষের সঙ্গে পুলিশের যোগাযোগ। একজন নতুন কর্মকর্তা দায়িত্ব গ্রহণ করলে তাকে প্রথমে এলাকার অপরাধের ধরন, অপরাধী চক্র, মাদক ব্যবসার রুট, চুরি-ছিনতাইয়ের স্পট, কিশোর গ্যাংয়ের গতিবিধি এবং স্থানীয় বিরোধ সম্পর্কে ধারণা নিতে হয়। ফলে ঘন ঘন পরিবর্তন হলে তথ্য ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।অন্যদিকে নতুন কর্মকর্তার আগমন অনেক ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তনের সুযোগও তৈরি করে। দীর্ঘদিনের কোনো সমস্যা যদি আগের নেতৃত্বের সময়ে সমাধান না হয়, নতুন কর্মকর্তা নতুন কৌশল গ্রহণ করে সেটি মোকাবিলা করতে পারেন। অর্থাৎ বদলি নিজে ভালো বা খারাপ—এমন সরল সমীকরণে বিষয়টি দেখার সুযোগ নেই। আসল বিষয় হচ্ছে, বদলির পর নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে কতটা স্বাধীনতা, প্রয়োজনীয় জনবল, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং জবাবদিহির কাঠামো দেওয়া হচ্ছে।আরও পড়ুন: বনানীতে ফের সক্রিয় অপরাধচক্র, পুলিশের মাসোহারাসাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের মধ্যে বদলি, অবসর, শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ও পদোন্নতি নিয়ে অনিশ্চয়তার প্রভাব পড়ছে বলে সংবাদমাধ্যমে কর্মকর্তাদের বক্তব্য ও পর্যবেক্ষণ উঠে এসেছে। দ্য ডেইলি স্টারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব অনিশ্চয়তার কারণে কিছু পুলিশ কর্মকর্তা সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সতর্ক হয়ে উঠছেন, বিশেষ করে যেসব সিদ্ধান্ত পরবর্তীতে বিতর্কিত হতে পারে।আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের মনোবল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন মাঠ কর্মকর্তা যদি প্রতিটি সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক দ্বিধায় থাকেন, তাহলে অপরাধী শনাক্ত, অভিযান পরিচালনা কিংবা তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তার কার্যকারিতা কমে যেতে পারে। তবে একই সঙ্গে জবাবদিহিও অপরিহার্য। পুলিশের হাতে আইন প্রয়োগের ক্ষমতা রয়েছে। সেই ক্ষমতা যেন আইনের বাইরে ব্যবহার না হয়, সেটি নিশ্চিত করাও রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তাই প্রয়োজন এমন একটি পরিবেশ, যেখানে সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তা আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজনীয় স্বাধীনতা পাবেন এবং একই সঙ্গে বেআইনি কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহিও নিশ্চিত হবে।আরও পড়ুন: বনানীতে স্পা-গেস্ট হাউজ ঘিরে ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগসাধারণ মানুষের কাছে পুলিশের কার্যকারিতা মূলত দৃশ্যমান হয় থানায়। একজন নাগরিক থানায় গিয়ে মামলা করতে পারছেন কি না, অভিযোগের তদন্ত হচ্ছে কি না, বিপদের সময় পুলিশ দ্রুত পৌঁছাচ্ছে কি না, মাদক বা কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কি না এসব প্রশ্নের উত্তরই জনমনে পুলিশের প্রতি আস্থার ভিত্তি তৈরি করে। ২০২৬ সালের পুলিশ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীও পুলিশ ও জনগণের মধ্যে আস্থার সম্পর্ককে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পুলিশ যদি জনগণের কাছে আস্থা ও নিরাপত্তার প্রতীক হয়ে উঠতে পারে, তাহলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়। নতুন কর্মকর্তারা দায়িত্ব নেওয়ার পর যদি থানাভিত্তিক অপরাধের তালিকা তৈরি করেন, পুরোনো মামলার তদন্তের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে কার্যকর অভিযান পরিচালনা করেন এবং স্থানীয় জনগণের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ স্থাপন করেন, তাহলে রদবদল কার্যকর ফল দিতে পারে।অন্যদিকে শুধু চেয়ার বদল হলে কিন্তু কার্যপদ্ধতিতে পরিবর্তন না এলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া কঠিন। বর্তমান সময়ে অপরাধের ধরনও পরিবর্তিত হচ্ছে। প্রচলিত চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসার পাশাপাশি কিশোর গ্যাং, অনলাইন প্রতারণা, সাইবার অপরাধ, ডিজিটাল ব্ল্যাকমেইল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক অপরাধ বাড়ছে। বিশেষ করে সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সরকারও গুরুত্ব দিচ্ছে। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একটি পূর্ণাঙ্গ প্রাতিষ্ঠানিক সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন। পাশাপাশি পুলিশ সদস্যদের আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এটি দেখিয়ে দেয়, শুধু মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তা পরিবর্তন করলেই আধুনিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। প্রয়োজন দক্ষতা ও প্রযুক্তির সমন্বয়।আরও পড়ুন: অপরাধ দমনে নতুন ছকে ডিএমপিঢাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ মহানগরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ পুলিশের জন্য আরও জটিল। এখানে একদিকে রয়েছে চুরি-ছিনতাই, মাদক, কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড; অন্যদিকে রয়েছে সাইবার অপরাধ, প্রতারণা, অবৈধ ব্যবসা এবং বিভিন্ন ধরনের সংঘবদ্ধ অপরাধ। রাজধানীর কোনো থানায় নতুন কর্মকর্তা দায়িত্ব নেওয়ার পর তাকে শুধু মামলা তদন্ত করলেই হবে না। এলাকার অপরাধের হটস্পট, অপরাধী চক্রের যোগাযোগ, স্থানীয় প্রভাবশালী মহল, মাদক সরবরাহের পথ, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপরাধীদের তৎপরতা—সবকিছু সম্পর্কে দ্রুত তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে গোয়েন্দা পুলিশ, থানা পুলিশ, সাইবার ইউনিট ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় অপরিহার্য।অপরাধ দমনে পুলিশের কার্যকারিতা বাড়াতে হলে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের পেশাগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ থাকতে হবে। একই সঙ্গে তাদের কর্মকাণ্ডের ওপর যথাযথ নজরদারিও থাকতে হবে। কারণ পুলিশকে একদিকে অপরাধীর বিরুদ্ধে কঠোর হতে হয়, অন্যদিকে সাধারণ নাগরিকের অধিকারও রক্ষা করতে হয়। আইনের প্রয়োগে ভারসাম্য নষ্ট হলে পুলিশের প্রতি জনআস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ কারণে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জন্য স্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন। কতগুলো মামলা তদন্তাধীন, কতজন পলাতক আসামি রয়েছে, কোন এলাকায় অপরাধ বেশি, কোন অপরাধের হার বাড়ছে এবং কোন অপরাধী চক্র সক্রিয় এসব তথ্যের ভিত্তিতে থানার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ পরিকল্পনা করা যেতে পারে।আরও পড়ুন: ডিএমপির কয়েকটি থানায় দৃশ্যমান পরিবর্তনআইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করার দায়িত্ব শুধু পুলিশের নয়। প্রশাসন, স্থানীয় সরকার, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ জনগণকেও এতে যুক্ত হতে হবে। একটি এলাকায় কিশোর গ্যাং তৈরি হলে শুধু কয়েকজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। তাদের পেছনের সামাজিক পরিবেশ, মাদক, বেকারত্ব, পারিবারিক সংকট এবং অপরাধী চক্রের প্রভাবও বিবেচনায় নিতে হয়। একইভাবে মাদক ব্যবসা বন্ধ করতে হলে শুধু খুচরা বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করলে হবে না; সরবরাহের উৎস, অর্থের প্রবাহ ও নেটওয়ার্ক শনাক্ত করতে হবে।অপরাধী যদি রাজনৈতিক পরিচয়, সামাজিক প্রভাব, অর্থনৈতিক ক্ষমতা কিংবা অন্য কোনো পরিচয়ের কারণে আইনের বাইরে থাকার সুযোগ পায়, তাহলে সাধারণ মানুষের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থা কমে যেতে পারে। অপরাধ দমনে পুলিশের জন্য তাই একটি মৌলিক নীতি কার্যকর হওয়া প্রয়োজন অপরাধীর পরিচয় নয়, অপরাধের প্রমাণ ও আইনের বিধানই হবে ব্যবস্থা গ্রহণের ভিত্তি।আরও পড়ুন: অনলাইন পোর্টাল ও ফেসবুক পেজ খুলেই কথিত ‘সাংবাদিক’!বর্তমান রদবদলের পর পুলিশের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো প্রশাসনিক পরিবর্তনকে মাঠপর্যায়ের কার্যকর পরিবর্তনে রূপ দেওয়া। নতুন কর্মকর্তারা যদি শুধু দায়িত্ব বুঝে নিয়ে নিয়মিত প্রশাসনিক কাজ চালিয়ে যান, তাহলে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করা কঠিন হবে। বিপরীতে তারা যদি অপরাধের ধরন বিশ্লেষণ করে তথ্যভিত্তিক পুলিশিং, দ্রুত তদন্ত, প্রযুক্তির ব্যবহার, গোয়েন্দা তথ্যের কার্যকর প্রয়োগ এবং জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে পারেন, তাহলে পরিবর্তনের বাস্তব সুফল দেখা যেতে পারে। বর্তমানে সরকারও পুলিশের আধুনিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং সাইবার অপরাধ মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।সব মিলিয়ে পুলিশের বর্তমান রদবদলকে শুধু কর্মকর্তা পরিবর্তন হিসেবে দেখলে এর প্রকৃত প্রভাব বোঝা যাবে না। এর সফলতা নির্ভর করবে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দক্ষতা, পেশাদারিত্ব, আইনানুগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ, জবাবদিহি, জনবল ও প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং সর্বোপরি জনগণের সঙ্গে পুলিশের আস্থার সম্পর্ক কতটা শক্তিশালী করা যায় তার ওপর।আরও পড়ুন: পুলিশের দায়িত্ব পালনে বাধা মব কালচারকারণ শেষ পর্যন্ত একজন সাধারণ নাগরিকের কাছে পুলিশের সাফল্যের হিসাব খুবই সরল বিপদের সময় পুলিশ পাশে দাঁড়িয়েছে কি না, অপরাধীর বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ হয়েছে কি না এবং মানুষ নিজেকে নিরাপদ মনে করছে কি না। সুতরাং বর্তমান রদবদলের প্রকৃত মূল্যায়ন হবে আগামী দিনগুলোর মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে। নতুন কর্মকর্তাদের জন্য এটি যেমন নতুন দায়িত্ব, তেমনি পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা পুনর্গঠনেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। আর সেই সুযোগ কতটা কাজে লাগানো যায় তার উত্তর দেবে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের বাস্তব চিত্র।

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কাদের সিদ্দিকীর সাক্ষাৎ

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম।বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান কাদের সিদ্দিকী।এ সময় কাদের সিদ্দিকীর প্রতি ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।আরও  পড়ুন, আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৪৮১ জনেরসাক্ষাতের একপর্যায়ে রাষ্ট্রপতি কাদের সিদ্দিকীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। তারা পারস্পরিক কুশল বিনিময় করেন।এ সময় দেশের বিভিন্ন বিষয় নিয়েও তাদের মধ্যে আলোচনা হয়।বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত এই সৌজন্য সাক্ষাতে সাম্প্রতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দুইজনের মধ্যে মতবিনিময় হয়েছে বলে জানা গেছে।

আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৪৮১ জনের

দেশের সড়ক-মহাসড়কে আগস্ট মাসে প্রাণ হারিয়েছেন ৪৮১ জন। এ সময়ে ৫১৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৬৬৪ জন।রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ের তুলনায় আগস্টে দৈনিক গড় প্রাণহানি বেড়েছে ১৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ।সড়ক দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি প্রাণ যাচ্ছে মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীদের। আগস্টে ১৮৩টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৭৬ জন। যা জুলাইয়ের তুলনায় প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি। মোট সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ৩৬ দশমিক ৫৯ শতাংশই হয়েছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, সড়কে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন মোটরসাইকেল আরোহীরা। এরপরই রয়েছে পথচারীরা। আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় ১০২ জন পথচারী নিহত হয়েছেন। যা মোট নিহতের ২১ দশমিক ২০ শতাংশ।আরও  পড়ুন, রাত ১টার মধ্যে আট অঞ্চলে ঝড়ের আভাস একই সময়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৬৭ জন যানবাহনের চালক ও সহকারী।যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ড. শামসুল হক বলছেন, মহাসড়কে একই লেনে স্বল্পগতির ভ্যান রিকশা ও থ্রি-হুইলারের পাশাপাশি উচ্চগতির ভারী যান ও মোটরসাইকেল চলাচল করলে সংঘর্ষের ঝুঁকি বেড়ে যায়।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে শুধু আইন প্রয়োগ যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ। সময়োপযোগী নীতিমালা প্রণয়ন, প্রযুক্তির ব্যবহার, সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং চালক ও পথচারীসহ সব সড়ক ব্যবহারকারীর সচেতনতা বাড়াতে হবে।পাশাপাশি সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ ও ধারাবাহিক বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাত ১টার মধ্যে আট অঞ্চলে ঝড়ের আভাস

দেশের আট অঞ্চলে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।বৃহস্পতিবার দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, রাত ১টার মধ্যে এসব অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব অথবা পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে হতে পারে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি।আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া ও খুলনা অঞ্চলে এ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।আরও  পড়ুন, আগামী ৬ জুনের মধ্যে ইউপি নির্বাচন শেষ করতে চায় ইসিএদিকে শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে।কোথাও কোথাও হতে পারে মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণও।অন্যদিকে ঢাকা, ফরিদপুর, রংপুর, যশোর ও খুলনা জেলার ওপর দিয়ে যে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে তা প্রশমিত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলেও পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।

আগামী ৬ জুনের মধ্যে ইউপি নির্বাচন শেষ করতে চায় ইসি

আগামী বছরের ৬ জুনের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শেষ করার বিষয়ে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকে অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা সম্মত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর নির্বাচন ভবনে ২৬টি মন্ত্রণালয় বিভাগ ও সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ তথ্য জানান।নির্বাচন কমিশনার বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।তবে নভেম্বর থেকে নির্বাচন শুরু হবে কি না সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বৈঠক থেকে পাওয়া তথ্য কমিশন সভায় পর্যালোচনার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে জানান তিনি।ইসি জানিয়েছে, আরও  পড়ুন, রাজধানীর পাঁচ লেকের দূষণ রোধে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনভেম্বর ও ডিসেম্বরে দেশজুড়ে বিভিন্ন স্তরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর জানুয়ারিতে কিছুটা সময় পাওয়া গেলেও তার পরপরই শুরু হবে পবিত্র রমজান। একই সময়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের পাবলিক পরীক্ষাও অনুষ্ঠিত হবে।এই ব্যস্ত সময়সূচির মধ্যে উপনির্বাচন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন কীভাবে আয়োজন করা যায় তা নিয়ে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন।বৈঠকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।এর আগে ইসি সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের একটি প্রাথমিক সময়সূচি জানিয়েছিল। সেখানে প্রথম ধাপে ১২ নভেম্বর এবং শেষ ধাপে আগামী বছরের ২৭ মে ভোটের সম্ভাব্য তারিখ রাখা হয়েছিল। তবে ইসি জানিয়েছে ওই সময়সূচি চূড়ান্ত ছিল না।

রাজনীতিরাজনীতি

চলতি বছরের শেষে ইউপি ভোট পাঁচ ধাপে চায় বিএনপি

চলতি বছরের শেষে ইউপি ভোট পাঁচ ধাপে চায় বিএনপি

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পাঁচ ধাপে আয়োজনের পক্ষে বিএনপি। চলতি বছরের শেষ দিকে প্রথম ধাপ শুরু করে আগামী বছরের মার্চের মধ্যে সব ধাপের ভোট শেষ করার পক্ষে দলটি।বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দলের নীতিনির্ধারণী ফোরামে পাঁচ ধাপে স্থানীয় নির্বাচন আয়োজন নিয়ে আলোচনা হয়েছে।বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, নির্বাচন কমিশনই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে। তবে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন।তার ভাষ্য, আইনশৃঙ্খলাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার আগে নির্বাচন কমিশনের সরকারের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা ভালো। স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে কোনো দূরত্ব তৈরি হবে না বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।আরও  পড়ুন, ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে: রিজভীএর আগে নির্বাচন কমিশন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সাত ধাপে আয়োজনের প্রাথমিক পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল। কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রথম ধাপে আগামী ১২ নভেম্বর ভোট আয়োজনের কথা জানানো হয়। তবে এগুলো ছিল প্রাথমিক পরিকল্পনা।এদিকে বিএনপি পাঁচ ধাপে ভোট আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়ার কথা জানিয়েছে। দলটির পরিকল্পনা অনুযায়ী চলতি বছরের শেষ দিকে ভোট শুরু করে আগামী বছরের মার্চের মধ্যে তা শেষ করার কথা বলা হয়েছে।স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের পরিকল্পনাও জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ২৩ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর তিন দিনে দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার কথা রয়েছে। সেখানে স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন মতামত নেওয়া হবে।

ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে: রিজভী

ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে: রিজভী

শেখ হাসিনাসহ গণহত্যায় অভিযুক্তদের আশ্রয় দিয়ে ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গভীর চক্রান্ত করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও প্রজন্ম দলের আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।রিজভী বলেন, শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের ফেরত চেয়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বারবার তাগাদা দেওয়া হলেও ভারত তাতে সাড়া দিচ্ছে না। এ নিয়ে ভারতের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তেরও প্রশংসা করেন বিএনপির এই নেতা। তার দাবি, প্রধানমন্ত্রীকে সরকারপ্রধান হিসেবে আমন্ত্রণ না জানিয়ে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।রিজভীর অভিযোগ, ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী না যাওয়ার সিদ্ধান্তের পরদিনই ভারতের ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত আদানি পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের ঘটনা ঘটে। আরও  পড়ুন, বিলুপ্ত হলো নীলফামারী জেলা বিএনপির ৩৩ সদস্যের কমিটিতিনি এটিকে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে দাবি করেন। এ বক্তব্যের বিষয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে রিজভীর অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।দেশের জ্বালানি সংকট নিয়েও বক্তব্য দেন রিজভী। তিনি দাবি করেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে এই সংকট তৈরি হয়েছে এবং সরকার বিকল্প উৎস থেকে গ্যাস আমদানির উদ্যোগ নিচ্ছে।এ সময় বর্তমান সরকারের সময় দেশে আইনশৃঙ্খলা ও বাকস্বাধীনতা পরিস্থিতি নিয়ে নিজের দলের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি। রিজভীর দাবি, রাজনৈতিক বিরোধিতার কারণে বর্তমানে কেউ গুম বা বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হচ্ছেন না।এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের ঐতিহ্য নিয়েও কথা বলেন বিএনপির এই নেতা। ঐতিহাসিক স্থানটির চরিত্র পরিবর্তনের যেকোনো উদ্যোগের বিরোধিতা করেন তিনি।সমাবেশে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও প্রজন্ম দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন ।

বিলুপ্ত হলো নীলফামারী জেলা বিএনপির ৩৩ সদস্যের কমিটি

বিলুপ্ত হলো নীলফামারী জেলা বিএনপির ৩৩ সদস্যের কমিটি

নীলফামারী জেলা বিএনপির ৩৩ সদস্যবিশিষ্ট বিদ্যমান আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে বিএনপি।বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নীলফামারী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুক এবং সদস্যসচিব এ এইচ এম সাইফুল্লাহ রুবেলের নেতৃত্বাধীন ৩৩ সদস্যবিশিষ্ট বিদ্যমান আহ্বায়ক কমিটি নির্দেশক্রমে বিলুপ্ত করা হয়েছে। আরও  পড়ুন, শাপলা কর্নার উদ্বোধনে আসিফ মাহমুদকে ধন্যবাদ জানালেন মামুনুল হকতবে কমিটি বিলুপ্তের কারণ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি।একই সঙ্গে নীলফামারী জেলা বিএনপির নতুন কমিটি শিগগিরই ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।দলের পক্ষ থেকে নতুন কমিটি গঠনের বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানানো হয়নি। ফলে নতুন কমিটিতে কারা দায়িত্ব পাচ্ছেন তা নিয়ে এখন দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।এদিকে বিদ্যমান আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত হওয়ায় নীলফামারী জেলা বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমে নতুন নেতৃত্ব আসার প্রক্রিয়া শুরু হলো।দলীয় বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে।

শাপলা কর্নার উদ্বোধনে আসিফ মাহমুদকে ধন্যবাদ জানালেন মামুনুল হক

শাপলা কর্নার উদ্বোধনে আসিফ মাহমুদকে ধন্যবাদ জানালেন মামুনুল হক

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।রাজধানীতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত ইসলামী বইমেলায় শাপলা কর্নারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কৃতজ্ঞতা জানান।মামুনুল হক বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে রাষ্ট্রীয় আয়োজনে সম্মাননা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উদ্যোগের জন্য তিনি আসিফ মাহমুদকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।তিনি বলেন, শাপলা চত্বরের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আরও  পড়ুন, আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানি মামলার হুঁশিয়ারি ফরিদা ইয়াসমিনের২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেরণার সঙ্গেও ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনার একটি যোগসূত্র রয়েছে।মামুনুল হক আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের শহীদদের মতো শাপলা চত্বরের নিহতদেরও পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়ার দাবি অব্যাহত থাকবে। এ দাবিতে সংসদ ও রাজপথে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে ঘিরে সংঘর্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দাবি ও হিসাব সামনে এসেছে। ঘটনাটি নিয়ে বিচার ও তদন্তের দাবিও বিভিন্ন পক্ষ থেকে অব্যাহত রয়েছে।

সারাবাংলা

সখীপুরে সতীনকে ‘মা’ ডাকায় কোলের শিশুকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ

সখীপুরে সতীনকে ‘মা’ ডাকায় কোলের শিশুকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ

টাঙ্গাইলের সখীপুরে আশরাফুল (৩) নামে এক শিশুকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর মাআকলিমা বেগমের (৩৫) বিরুদ্ধে। এ সময় তাঁর আরেক মেয়ে সিদরাতুলকে (৮) ছুরিকাঘাতে হত্যার চেষ্টা করা হয়বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরে আকলিমা আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে জানিয়েছে পরিবার।বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে উপজেলার বড়চওনা ইউনিয়নের খালিয়ার বাইদ (মুজিবনগর মোড়) এলাকায় এঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার সকালে সখীপুর থানা-পুলিশ আকলিমাকে তাদের হেফাজতে নিয়েছে।পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাহিন মিয়ার প্রথম স্ত্রী নাসিমা আক্তারের সন্তান না হওয়ায় তিনি চারবছরের এক মেয়েসহ আকলিমাকে বিয়ে করেন। পরে আকলিমার ঘরে আশরাফুলের জন্ম হয়। শিশুটির বয়স ৪০ দিনহওয়ার পর আকলিমা তাঁকে প্রথম স্ত্রী নাসিমার কাছে রেখে ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতে যান।এরপর নাসিমার কাছেই বড় হয় আশরাফুল। আশরাফুল নাসিমাকে ‘বড় মা’ এবং আকলিমাকে ‘আন্টি’ বলে ডাকত।আরও  পড়ুন, গলাচিপায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ৫০পরিবারের সদস্যরা জানান, বুধবার রাতে আকলিমা তাঁর ছেলে আশরাফুল ও মেয়ে সিদরাতুলকে ছুরিকাঘাত করেন।এতে আশরাফুল গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরতচিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সিদরাতুলও গুরুতর আহত হয়েছে। ঘটনার পর আকলিমা আত্মহত্যার চেষ্টাকরলে স্থানীয়রা তাঁকে বাড়ির উঠানে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখেন। সকালে পুলিশ গিয়ে তাঁকে হেফাজতে নেয়।শিশুটির বাবা শাহিন মিয়া বলেন, ‘প্রায় ৩০ বছর পর আল্লাহ আমাকে একটি পুত্রসন্তান দান করেছিলেন। সেইসন্তানকে আমার দ্বিতীয় স্ত্রী এভাবে হত্যা করেছে। এটা আমি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না। শুধু আমারসন্তানই নয়, আকলিমার আগের ঘরের মেয়ে সিদরাতুলকেও গুরুতর আহত করা হয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠুতদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই।’সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুরাদ হোসেন জানান, ঘটনাস্থল সখীপুর ও ভালুকা থানার মধ্যবর্তীএলাকায়। ঘটনার পর শিশুটিকে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছিল। তার মরদেহ সেখানেইরয়েছে। নিরাপত্তা ও চিকিৎসার স্বার্থে শিশুটির মাকে সখীপুর থানা-পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। অন্যান্যআইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

গলাচিপায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ৫০

গলাচিপায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ৫০

পটুয়াখালীর গলাচিপায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গলাচিপা সদর ইউনিয়নের কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কালিকাপুর একাদশ ও মাটিভাঙ্গা চ্যালেঞ্জ একাদশের মধ্যে কোয়ার্টার ফাইনালের খেলা চলছিল। ম্যাচে কালিকাপুর একাদশ এক গোলে এগিয়ে ছিল।খেলা শেষ হওয়ার প্রায় ১০ মিনিট আগে দুই দলের দুই খেলোয়াড়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে তা মাঠের বাইরে ছড়িয়ে পড়ে।আরও  পড়ুন, বাসনে বিশেষ অভিযানে ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার ৬ সন্দেহভাজনসহ ৮ জন গ্রেপ্তারঅভিযোগ করা হয়েছে, কালিকাপুর একাদশের টিম লিডার মিরাজ খানকে ইট দিয়ে মুখমণ্ডলে আঘাত করা হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।এ সময় দুই পক্ষের অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুরুতর আহত মিরাজ খানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।এ ঘটনায় মিরাজের বাবা আবুল হোসেন খান বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। পরে বৃহস্পতিবার দুপুরে রতনদীতালতলী ইউনিয়নের মাটিভাঙ্গা এলাকা থেকে জাহাঙ্গীর হোসেন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।গলাচিপা থানার ওসি মো. ইমতিয়াজ আহমেদ জানিয়েছেন, ঘটনায় মামলা হয়েছে। তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাসনে বিশেষ অভিযানে ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার ৬ সন্দেহভাজনসহ ৮ জন গ্রেপ্তার

বাসনে বিশেষ অভিযানে ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার ৬ সন্দেহভাজনসহ ৮ জন গ্রেপ্তার

গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা পুলিশ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার তদন্তে ৬ জন সন্দেহভাজন আসামি এবং জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত ২ জন আসামিসহ মোট ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের পরবর্তীতে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মোঃ টিটু (৩১), মোঃ নাইম ইসলাম (২১), মোঃ ওমর সানি (২১), আখি বেগম (২৬), মোঃ সাকিব হোসেন (২৬) এবং ফরহাদ (২৫)। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।আরও  পড়ুন, নরসিংদীতে নামাজরত বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩এদিকে পৃথক অভিযানে জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মোঃ ফয়সাল আহম্মেদ (৩০) এবং মোঃ সাফি (২০)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে তাদের বিরুদ্ধে আদালত কর্তৃক জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।বাসন থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।গ্রেপ্তারকৃত সকল আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

নরসিংদীতে নামাজরত বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩

নরসিংদীতে নামাজরত বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩

নরসিংদীর মাধবদীতে নামাজরত অবস্থায় বৃদ্ধা জাহানারা বেগম (৭৩) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে দুজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মাধবদী থানা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোঃ আশিকুর রহমান এ তথ্য দেন। পুলিশ জানায়, গত ৩০ জুলাই বিকেলে মাধবদী থানার মেহেরপাড়া ইউনিয়নের স্বর্ননিগৈড় গ্রামে নিজ বাড়ির বারান্দায় নামাজরত অবস্থায় জাহানারা বেগমকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মোহাম্মদ ইসমাইল মিয়া বাদী হয়ে মাধবদী থানায় হত্যা মামলা করেন।মামলাটি নরসিংদী জেলা পুলিশ সুপারের ব্যক্তিগত তত্ত্বাবধানে তদন্ত শুরু করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।গ্রেপ্তাররা হলেন স্বর্ননিগৈড় গ্রামের মৃত হারুন মিয়ার ছেলে হৃদয় মিয়া (২৭), একই গ্রামের ছায়েদের ছেলে কাদির মিয়া (২৭) ও আকমান মিয়ার ছেলে আবু মিয়া (২৯)।আরও  পড়ুন ,কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যুআশিকুর রহমান বলেন, হৃদয় মিয়াকে ৯ আগস্ট, কাদির মিয়াকে ৩০ জুলাই এবং আবু মিয়াকে ১৬ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার সুমন ও কাদিরের বিরুদ্ধে এর আগেও পৃথক মামলা রয়েছে।তিনি আরো বলেন , আবু মিশ্রের দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি অনুযায়ী, জহুরা খাতুনের গলার সোনার চেইন চুরির উদ্দেশ্যে প্রায় ৭/৮ মাস আগে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় বসে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। ঘটনার দিন বিদ্যুৎ না থাকার সুযোগে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয় তারা। আসামিরা জহুরা খাতুনের বাড়িতে প্রবেশ করে। তিনি নামাজরত অবস্থায় থাকাকালে তার ওপর হামলা চালানো হয়। এ পর্যায়ে বিদ্যুৎ চলে আসে এবং তাদের চিনে ফেলে এবং বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পিঠ ও মাথায় আঘাত করা হয়। পরে তার গলার সোনার চেইন নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় তারা।পুলিশের ভাষ্য, হত্যাকাণ্ডের পর অল্প সময়ের মধ্যেই আসামিরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোঃ আশিকুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজীব শাহরীন এবং ওসি মাধবদী মোঃ কামাল হোসেন সহ জেলার সম্মানিত সংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আন্তর্জাতিক

হুতিদের ড্রোন ভূপাতিতের পর মক্কা চুক্তি নিয়ে খাজা আসিফ

হুতিদের ড্রোন ভূপাতিতের পর মক্কা চুক্তি নিয়ে খাজা আসিফ

পবিত্র মক্কা নগরীর কাছে হুতিদের একটি ড্রোন সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভূপাতিত করার পর পাকিস্তান সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি কার্যকরের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ।বুধবার জিও নিউজের একটি অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তিন দেশের যেকোনো একটির ভৌগোলিক অখণ্ডতা বা সীমান্ত লঙ্ঘিত হলে পারস্পরিক প্রতিরক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে চুক্তিতে। প্রয়োজন হলে পাকিস্তান নিজেদের দায়িত্ব পালন করবে বলেও জানান তিনি।খাজা আসিফ বলেন, চুক্তির সামরিক ও প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে না। তবে পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আলাদা কোনো চুক্তির প্রয়োজন নেই। মক্কা বা অন্য কোনো পবিত্র স্থান আক্রান্ত হলে তা রক্ষা করা পাকিস্তানের দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।আরও  পড়ুন, ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার আশাবাদ ট্রাম্পেরএর আগে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মক্কার নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই একটি হুতি ড্রোন শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়। সৌদি জোটের মুখপাত্র তুরকি আল-মালকি মক্কার নিরাপত্তাকে রেড লাইন হিসেবে উল্লেখ করেন।তবে মক্কা বা কোনো পবিত্র স্থানে হামলার লক্ষ্য থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে হুতিরা। তাদের দাবি, সৌদি আরবের তেল স্থাপনা ও সামরিক ঘাঁটিই তাদের অভিযানের লক্ষ্য।এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। একই সঙ্গে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে সব পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

২৩ ঘন্টা আগে

রাজধানী

শুক্রবার থেকে ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

শুক্রবার থেকে ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের আওতায় গ্যাস পাইপলাইন স্থানান্তরের কাজের জন্য রাজধানীর আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় ২৪ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আগামী শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা থেকে শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা পর্যন্ত মোট ২৪ ঘণ্টা আশুলিয়া বাজার থেকে বাইপাইল পর্যন্ত সড়কের উভয় পাশের এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।একই সময়ে আশপাশের কিছু এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকতে পারে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস।গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকার তালিকায় রয়েছে ঢাকা ইপিজেড মালঞ্চ পাওয়ার প্লান্ট বেক্সিমকো ডিআরএস কাশিমপুর সারদাগঞ্জ হাজী আরও  পড়ুন, বনশ্রীতে দুই বাসের চাপায় শিক্ষিকা নিহত মার্কেট শ্রীপুর চন্দ্রা চন্দ্রা মোড় নবীনগর সাভার টাউন সাভার ক্যান্টনমেন্ট উলাইল ব্যাংক টাউন এবং সাভার রেডিও কলোনি।এ ছাড়া কলমা দোসাইদ কুমকুমারী আক্রান চারাবাগ বড় আশুলিয়া টঙ্গাবাড়ী কাঠগড়া জিরাবো গাজীরচট নয়াপাড়া ও দেওয়ান ইদ্রিস সড়কের উভয় পাশের এলাকাতেও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।নয়ারহাট বলিভদ্রপুর পল্লীবিদ্যুৎ ডেন্ডারবর ভাদাইল লতিফপুর মানিকগঞ্জ ও তৎসংলগ্ন এলাকাতেও সাময়িকভাবে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।তিতাস গ্যাস জানিয়েছে পাইপলাইন স্থানান্তরের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। সাময়িক অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।

২১ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

বৃষ্টিতে ম্যাচ পরিত্যক্ত না খেলেই সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

বৃষ্টিতে ম্যাচ পরিত্যক্ত না খেলেই সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

বৃষ্টির কারণে চীনের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে হলো না বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলকে। ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় র‍্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকার সুবাদে এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল।বৃহস্পতিবার জাপানের নাগোয়ার নিশিনের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে বাংলাদেশ ও চীনের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল স্থানীয় সময় সকাল ৯টায়।মাঠে বৃষ্টি না থাকলেও আগের কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে আউটফিল্ড ভেজা থাকায় শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি শুরু করা সম্ভব হয়নি। নির্ধারিত সময় পর্যন্ত মাঠ খেলার উপযোগী না হওয়ায় ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।এশিয়ান গেমসের নারী ক্রিকেটে বাংলাদেশ সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে প্রতিযোগিতা শুরু করেছে। ম্যাচ পরিত্যক্ত হলে র‍্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা দলকে বিজয়ী ঘোষণা করার নিয়ম রয়েছে।আরও  পড়ুন ,মেসির হেডে শততম গোল মায়ামির ঘরে ক্যাম্পেওনেস কাপ সেই নিয়মেই বাংলাদেশ পেয়েছে সেমিফাইনালের টিকিট।বর্তমানে টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান দশম। বিপরীতে চীনের অবস্থান ৩৬তম। ফলে ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ার পর বাংলাদেশকেই পরবর্তী রাউন্ডের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।এখন বাংলাদেশের সামনে সেমিফাইনাল। আগামীকাল ভারত ও জাপানের মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ী দলের বিপক্ষে ২০ সেপ্টেম্বর সেমিফাইনালে খেলবে বাংলাদেশ নারী দল।এশিয়ান গেমসের নারী ক্রিকেটে এর আগে বাংলাদেশ দুবার রুপা ও একবার ব্রোঞ্জ পদক জিতেছে। এবারও পদকের লড়াইয়ে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল নিগার সুলতানা জ্যোতির দল।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!