দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1003.2 hPa
27° 98%
540° 15mm
চট্টগ্রাম 1005.1 hPa
26.7° 96%
540° 15mm
রাজশাহী 1001.9 hPa
28.1° 99%
540° 15mm
খুলনা 1003 hPa
28.5° 94%
540° 15mm
বরিশাল 1001.9 hPa
29° 98%
240° 12mm
সিলেট 1003.8 hPa
26° 96%
540° 15mm
রংপুর 1002 hPa
27.5° 93%
540° 15mm
ময়মনসিংহ 1003.5 hPa
26.3° 97%
540° 15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

উজাড় হচ্ছে লামার সংরক্ষিত বন, রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ

উজাড় হচ্ছে লামার সংরক্ষিত বন, রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ

বান্দরবানের লামা উপজেলার বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল একসময় ছিল ঘন সবুজে আচ্ছাদিত| পাহাড়ের ঢালে সারি সারি গাছ, জীববৈচিত্রের সমৃদ্ধ আবাসস্থল এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ এই বনাঞ্চল আজ নানা কারণে সংকটের মুখে| স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত অবৈধ গাছ কাটা, জোত পারমিটের অপব্যবহার এবং সংঘবদ্ধ কাঠ পাচারের কারণে প্রতিনিয়ত উজাড় হচ্ছে সংরক্ষিত বনাঞ্চল| সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, বন রক্ষার দায়িত্বে থাকা একটি অংশের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেই উঠেছে এসব অনিয়মে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহযোগিতার অভিযোগ|আরও পড়ুন: প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমস্থানীয় বাসিন্দা, কাঠ ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের অভিযোগ অনুযায়ী, লামা বন বিভাগের সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা এম কবির উদ্দিন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই এলাকায় কিছু অসাধু কাঠ ব্যবসায়ীকে নিয়ে একটি প্রভাবশালী চক্র গড়ে ওঠে| অভিযোগ রয়েছে, এই চক্রের মাধ্যমে জোত পারমিটের অপব্যবহার, অতিরিক্ত গাছ কাটা এবং সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে কাঠ পাচারের সুযোগ ˆতরি করা হচ্ছে| তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা|স্থানীয়দের দাবি, বন সংরক্ষণ, অবৈধ গাছ কাটা প্রতিরোধ এবং সরকারি বনসম্পদ রক্ষার দায়িত্ব বন বিভাগের হলেও বাস্তবে উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে| তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও বন বিভাগের একটি অংশের যোগসাজশে দিনের পর দিন নির্বিচারে গাছ কাটা হচ্ছে|অভিযোগ রয়েছে, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সংরক্ষিত বনাঞ্চলে গাছ কাটা, নতুন জোত সৃষ্টি কিংবা জোত বিক্রি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হলেও বাস্তবে বিভিন্ন কৌশলে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে| স্থানীয়দের দাবি, প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের সুবিধা দিতে নিয়ম ভেঙে জোত পারমিট ইস্যু করা হচ্ছে এবং সেই পারমিট ব্যবহার করে অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে অনেক বেশি গাছ কেটে পাচার করা হচ্ছে|আরও পড়ুন:  অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে করণিক ভুলের স্বীকারোক্তি, তদন্তে কঠোর নির্দেশস্থানীয়দের অভিযোগ, রেঞ্জ কর্মকর্তা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বনজ সম্পদকে কেন্দ্র করে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে| এর ফলে পাহাড়ি বনাঞ্চলে আগের তুলনায় অনেক বেশি গাছ নিধনের ঘটনা ঘটছে|আরও পড়ুন: একযোগে ৩৩ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকারজোত পারমিট মূলত নির্দিষ্ট ব্যক্তি ও নির্দিষ্ট পরিমাণ গাছ পরিবহনের অনুমোদন হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার কথা| কিন্তু স্থানীয়দের দাবি, বাস্তবে একটি পারমিট ব্যবহার করে বিভিন্ন এলাকা থেকে অতিরিক্ত গাছ পরিবহন করা হচ্ছে|নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কাঠ ব্যবসায়ী বলেন, বন বিভাগ থেকে যতসংখ্যক জোত পারমিট ইস্যু করা হয়েছে, সেই হিসাব অনুযায়ী যে পরিমাণ কাঠ বাজারে আসার কথা, বাস্তবে তার চেয়ে অনেক বেশি কাঠ প্রতিদিন বিভিন্ন ডিপো ও বাজারে পৌঁছাচ্ছে| তার ভাষ্য, একটি ˆবধ পারমিট দেখিয়ে একাধিক বাগান কিংবা অন্য উৎসের গাছ পরিবহন করা হচ্ছে| ফলে কাগজে-কলমে ˆবধতা থাকলেও বাস্তবে অতিরিক্ত গাছ কাটা এবং পাচারের সুযোগ ˆতরি হচ্ছে|আরও পড়ুন:  সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে আবারও আদালতে শুনানিতিনি আরও বলেন, একবার কাঠ গাড়িতে উঠে ডিপো পার হয়ে গেলে পরে কোন কাঠ কোন জোতের সেটা প্রমাণ করা খুব কঠিন হয়ে যায়| এ সুযোগটাই কাজে লাগানো হয়| তার দাবি, বড় ব্যবসায়ীরা সাধারণত প্রশাসনিক জটিলতায় পড়েন না| বরং ছোট ব্যবসায়ীদের কাঠ বেশি জব্দ হয়|এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, লামা বনাঞ্চল থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ কাঠ বিভিন্ন স্থানে পাচার হচ্ছে| এসব কাঠের বাজারমূল্য লাখ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যায়| তাদের দাবি, বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা অর্থের বিনিময়ে কাঠ পরিবহনে সহযোগিতা করেন| ফলে নিয়মিতভাবে কাঠবোঝাই ট্রাক ও পিকআপ বিভিন্ন সড়ক দিয়ে বনাঞ্চল থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে|একাধিক বাসিন্দা বলেন, দূর থেকে পাহাড়গুলো এখনও সবুজ দেখালেও ভেতরে প্রবেশ করলে প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হয়| বহু এলাকায় বড় বড় গাছ কেটে নেওয়ায় বনভূমির ভেতর ফাঁকা হয়ে গেছে| কোথাও কোথাও শুধু ছোট গাছ ও ঝোপঝাড় রয়ে গেছে|আরও পড়ুন:  তারেক রহমানকে উরসুলা ফন ডের লায়েনের আমন্ত্রণস্থানীয় পরিবেশ সচেতনদের মতে, এভাবে চলতে থাকলে কয়েক বছরের মধ্যেই লামার অনেক বনাঞ্চল পরিবেশগত ভারসাম্য হারাবে| এতে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি পাহাড় ধস, ভূমিক্ষয় ও জলবায়ু ঝুঁকিও বাড়বে|সম্প্রতি বনাঞ্চল থেকে কাঠ পরিবহনের সময় একটি ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় আসে বিষয়টি| জানা গেছে, গত ২৩ জুন রূপসীপাড়া এলাকায় সেনাবাহিনীর একটি ক্যাম্পের সদস্যরা সন্দেহজনকভাবে কাঠবোঝাই দুটি গাড়ি আটক করেন| আটকের সময় সেনাসদস্যরা জোতের মালিক হিসেবে পরিচিত শফিককে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি দাবি করেন, কাঠগুলো তার নয়|আরও পড়ুন: শিশু ধর্ষণের ঘটনায় এক আসামির মৃত্যুদণ্ডশফিকের ভাষ্য অনুযায়ী, গাছগুলো জহির নামের আরেক ব্যক্তির| তিনি তার জোত পারমিট ব্যবহার করে রূপসীপাড়া এলাকা থেকে কাঠ গাড়িতে তুলেছেন| এই বক্তব্য সামনে আসার পর একটি পারমিট অন্য ব্যক্তি ব্যবহার করতে পারেন কি না সেই প্রশ্নও নতুন করে সামনে আসে| বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সেনাবাহিনীর মাধ্যমে জব্দ হওয়া কাঠের ˆবধতা যাচাই করা হচ্ছে| সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বন আইনে ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে|সূত্র জানায়, জব্দকৃত কাঠের উৎস, পারমিটের ˆবধতা এবং পরিবহনের নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছিল কি না এসব বিষয় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে| ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত জোতের মালিক শফিক বলেন, নির্ধারিত ডিপো থেকে কাঠ লোড না করাটা তার ভুল হয়েছে| প্রায় প্রতিদিন সন্ধ্যার পর লামা বন বিভাগের কার্যালয়ে বিভিন্ন কাঠ ব্যবসায়ীর যাতায়াত লক্ষ্য করা যায়| এসব ˆবঠকে কাঠ পরিবহনের অনুমতি, জোত পারমিট এবং অন্যান্য প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়|আরও পড়ুন: কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে নিহত বেড়ে ৯, টানা বৃষ্টিতে চরম ঝুঁকিযদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে বন বিভাগের কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্দিষ্ট কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি| এসব ˆবঠককে ঘিরে নানা ধরনের প্রশ্ন ˆতরি হলেও বিষয়টি নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো স্বাধীন তদন্ত হয়নি| তবে পরিবেশবিদদের মতে, পাহাড়ি বন শুধু কাঠের উৎস নয়; এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক প্রতিবেশ ব্যবস্থা| নিয়মবহির্ভূত গাছ কাটার ফলে মাটির উর্বরতা কমে যায়, পাহাড়ের স্থিতিশীলতা নষ্ট হয় এবং বৃষ্টির সময় ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়ে| এছাড়া বন্যপ্রাণীর বিচরণক্ষেত্র ধ্বংস হওয়ায় জীববৈচিত্র্যও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়|আরও পড়ুন: খাগড়াছড়িতে সশস্ত্র হামলা: ৩ যুবককে গুলি করে হত্যা, থমথমে এলাকাস্থানীয়দের মতে, বন উজাড়ের এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে লামার পরিবেশ ও কৃষি ব্যবস্থার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে| অতীতে বিভিন্ন সময় বন বিভাগের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠলেও কার্যকর তদন্ত কিংবা দৃশ্যমান শাস্তির নজির খুব কম| বন রক্ষায় দায়িত্বপ্রাপ্তদের জবাবদিহির আওতায় আনা না হলে অবৈধ গাছ কাটা ও কাঠ পাচার বন্ধ করা সম্ভব হবে না| তারা অবৈধ জোত পারমিট ইস্যু, কাঠ পরিবহন এবং বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে একটি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন| পাশাপাশি বনাঞ্চলে সেনাবাহিনী, বন বিভাগ ও প্রশাসনের যৌথ নজরদারি বাড়ানোরও আহ্বান জানিয়েছেন তারা|অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে লামা সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা এম কবির উদ্দিন বলেন, রূপসীপাড়া এলাকায় বন বিভাগের কোনো কাঠের ডিপো নেই| তার ভাষ্য, গাছ ব্যবসায়ীরা সেখান থেকে গাড়িতে কাঠ তুলে নিয়ে যাচ্ছিলেন| পরে সেনাবাহিনী গাড়ি দুটি আটক করলে বন বিভাগকে জানানো হয় এবং বন বিভাগ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাঠ জব্দ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে|একজনের নামে ইস্যু করা জোত পারমিট অন্য কেউ ব্যবহার করতে পারেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যার নামে পারমিট ইস্যু করা হয়েছে কেবল তিনিই ওই জোতের কাঠ পরিবহনের অধিকারী| এছাড়া নির্ধারিত ডিপোতে বন বিভাগের সদস্যদের উপস্থিতিতেই কাঠ গাড়িতে তোলার নিয়ম রয়েছে| তিনি আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে অবৈধ জোত পারমিট প্রদান কিংবা অর্থের বিনিময়ে অনিয়মে সহযোগিতার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন|আরও পড়ুন: বনানীতে অপহরণের অভিযোগে চাঞ্চল্য তথ্য, উদ্ধার হল শিশুস্থানীয় সচেতন মহলের মতে, অভিযোগগুলো যেহেতু সরাসরি বন বিভাগের কার্যক্রম ও সরকারি সম্পদ রক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, তাই বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন| যদি অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়, তবে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে| আর অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে সেটিও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়া উচিত| বন রক্ষার দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি জনআস্থা ফিরিয়ে আনতে ¯^চ্ছতা, জবাবদিহি এবং নিয়মিত নজরদারির কোনো বিকল্প নেই বলেও মনে করছেন স্থানীয়রা|

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

ডিজিটাল জালিয়াতি ঠেকাতে নতুন আইন, অপরাধে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড

প্রশ্নপত্র ফাঁস, ডিজিটাল কারসাজি, জাল সনদ এবং প্রযুক্তিনির্ভর পরীক্ষা সংক্রান্ত অপরাধ ঠেকাতে কঠোর শাস্তির বিধান রেখে সংসদে পাস হয়েছে ‘পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’।মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বিলটি পাসের প্রস্তাব দেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।নতুন আইনে পাবলিক পরীক্ষা ব্যবস্থায় আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।সংশোধিত আইনে পরীক্ষার ডাটাবেজে অননুমোদিত প্রবেশ, হ্যাকিং, আরো পড়ুন, বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট: লিখিত পরীক্ষা ২২ আগস্ট সকাল ৯টায়তথ্য পরিবর্তন বা মুছে ফেলার মতো ডিজিটাল কারসাজির অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।এছাড়া প্রশ্নপত্র বা উত্তরপত্র ফাঁস, প্রকাশ বা বিতরণের অপরাধেও সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।পরীক্ষাকক্ষে নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ করলে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড হতে পারে।পাশাপাশি অনুমোদনহীন পরীক্ষাকেন্দ্র পরিচালনা, নম্বর কারসাজি এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত অপরাধে সহযোগিতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।নতুন আইনে অপরাধগুলোকে আমলযোগ্য করা হয়েছে। ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আদালতের পূর্বানুমতি ছাড়াই ব্যবস্থা নিতে পারবে।

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট: লিখিত পরীক্ষা ২২ আগস্ট সকাল ৯টায়

আইনজীবী তালিকাভুক্তির লিখিত পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। আগামী ২২ আগস্ট শনিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে এ পরীক্ষা।মঙ্গলবার বার কাউন্সিলের সচিব কামাল হোসেন শিকদার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ১২ জুন অনুষ্ঠিতআরো পড়ুন , সংসদে প্রকাশ্যে ফোন ব্যবহারে অসন্তোষ, এমপিকে সতর্ক করলেন স্পিকারএমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরাই লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে সব প্রার্থীকে নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইন ফরম পূরণ বা প্রোফাইল সাবমিট করতে হবে। নির্ধারিত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করলে পরীক্ষার প্রবেশপত্র দেওয়া হবে না।বার কাউন্সিল জানিয়েছে, রি-অ্যাপিয়ার প্রার্থীদের ফরম পূরণ, ফি প্রদান এবং নিয়মিত প্রার্থীদের প্রোফাইল সাবমিট সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা শিগগির প্রকাশ করা হবে।উল্লেখ্য, গত ১২ জুন অনুষ্ঠিত আইনজীবী তালিকাভুক্তির এমসিকিউ পরীক্ষায় অংশ নেন ৩৭ হাজার ৮০ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে প্রথম ধাপে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৯ হাজার ২০১ জন।

সংসদে প্রকাশ্যে ফোন ব্যবহারে অসন্তোষ, এমপিকে সতর্ক করলেন স্পিকার

সংসদ অধিবেশন চলাকালে মোবাইল ফোন ব্যবহার করায় সংসদ সদস্যদের সতর্ক করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি রুলিং দিয়ে বলেন, ‘অনুগ্রহ করে সংসদে ফোন ব্যবহার করবেন না। এটি রীতিবিরুদ্ধ। এটি সবার জন্য প্রযোজ্য। সংসদের মর্যাদা সমুন্নত আরো পড়ুন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আলাপ, দেশ গঠনে প্রস্তুতির আহ্বানরাখবেন, এটাই আমি আশা করি।’মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদে ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস অফেন্সেস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ নিয়ে জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাবের ওপর আলোচনার সময় তিনি এ কথা বলেন।স্পিকার একজন সংসদ সদস্যকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখে বলেন, ‘মাননীয় সংসদ সদস্য, সংসদে কেউ কেউ টেলিফোন ব্যবহার করেন একটা আড়াল রেখে। আপনি তো খুল্লাম খুল্লা ইউজ করছেন।’

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আলাপ, দেশ গঠনে প্রস্তুতির আহ্বান

জাতীয় সংসদ অধিবেশন দেখতে আসা দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।মঙ্গলবার বিকেলে সংসদ অধিবেশনের বিরতির সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তিনি। এ সময় তাদের পড়াশোনার খোঁজখবর নেন এবং ভবিষ্যতে দক্ষ, যোগ্য ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মীর শাহে আলম এবং আরো পড়ুন , "৭২ ঘণ্টার বন্যা সতর্কতা, ঝুঁকিতে ১২ জেলা"অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।সংসদ অধিবেশন দেখার কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি চারজন বিদেশি শিক্ষার্থীও সংসদ ভবন পরিদর্শনের সুযোগ পান।তারা সংসদ ভবনের স্থাপত্য, লাইব্রেরি ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান ঘুরে দেখেন এবং পরে সংসদের কার্যক্রম সরাসরি প্রত্যক্ষ করেন।নামাজের বিরতির সময় প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। এ ধরনের উদ্যোগ তরুণদের সংসদীয় গণতন্ত্র ও রাষ্ট্র পরিচালনা সম্পর্কে জানার সুযোগ আরও বাড়াবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাজনীতিরাজনীতি

সাভারে ককটেল হামলার প্রতিবাদে মধ্যরাতে রাজধানীতে এনসিপির মশাল মিছিল

সাভারে ককটেল হামলার প্রতিবাদে মধ্যরাতে রাজধানীতে এনসিপির মশাল মিছিল

সাভারে দলীয় পদযাত্রা-পরবর্তী সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার প্রতিবাদে রাজধানীতে মশাল মিছিল করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।সোমবার রাত ১২টার দিকে বাংলামোটরে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে মিছিলটি শাহবাগে গিয়ে শেষ হয়। এরপর জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের পাদদেশে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।সমাবেশে বক্তব্য দেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। এ সময় দলের যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নাল আবদিন শিশির এবং যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আরিফুর রহমান তুহিনসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।আরও  পড়ুন, ফার-রাইট নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য মাহফুজ আলমেরএর আগে সোমবার সাভারে এনসিপির পদযাত্রা-পরবর্তী সমাবেশ চলাকালে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দলটির তথ্যমতে, এ ঘটনায় অন্তত চারজন আহত হন।এনসিপি এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।এদিকে, ঘটনার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। হামলার কারণ ও দায়ীদের শনাক্তে তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

ফার-রাইট নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য মাহফুজ আলমের

ফার-রাইট নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য মাহফুজ আলমের

বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম উগ্র ডানপন্থী বা ফার-রাইট গোষ্ঠীগুলোর রাজনৈতিক ব্যবহার, মব সহিংসতা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বিস্ফোরক পোস্ট দিয়েছেন।সোমবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে 'খেলা শেষ, খোদা হাফেজ!' শিরোনামে দেওয়া পোস্টে তিনি মাজার, পত্রিকা অফিস ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে হামলার তীব্র সমালোচনা করেন।পোস্টে মাহফুজ আলম দাবি করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ফার-রাইট গোষ্ঠীগুলোকে ব্যবহার করা হয়েছে। তার ভাষ্য, নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার পর এখন সেই গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার চেষ্টা চলছে।আরও পড়ুন ,অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে মির্জা ফখরুলের শোকতিনি আরও লেখেন, গত দুই বছরে ফার-রাইট গোষ্ঠীগুলোকে পরিকল্পিতভাবে শক্তিশালী করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, এসব গোষ্ঠী অনলাইন ও অফলাইনে মব নৈরাজ্য চালিয়ে জুলাইয়ের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহকে একটি নির্দিষ্ট আদর্শিক কাঠামোয় উপস্থাপনের চেষ্টা করেছে।মাহফুজ আলম আরও বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরেই ফার-রাইট গুন্ডাতন্ত্র ও ডিজিটাল মবের বিরুদ্ধে কথা বলে আসছেন। এ কারণে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র ও চাপের মুখোমুখি হতে হয়েছে বলেও তিনি পোস্টে উল্লেখ করেন।পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, "সামনের দিনগুলো সবার জন্য Reckoning-এর।"তবে মাহফুজ আলমের পোস্টে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা রাজনৈতিক পক্ষগুলোর আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে মির্জা ফখরুলের শোক

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে মির্জা ফখরুলের শোক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান, বাংলা একাডেমি-র সভাপতি এবং বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক-এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রোববার বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক একজন স্বনামধন্য লেখক, আরও  পড়ুন, জুলাই পদযাত্রায় ৬ জেলা বাদ, কারণ জানাল এনসিপিগবেষক ও শিক্ষাবিদ হিসেবে দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তিনি ছিলেন একজন আদর্শ শিক্ষক এবং মানুষ গড়ার কারিগর। তাঁর মৃত্যু দেশের শিক্ষা, সাহিত্য ও গবেষণা অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।এ ছাড়া বিএনপির মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকেও পৃথক শোকবার্তায় মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা এবং তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে।উল্লেখ্য, রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে রাজধানীর ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

জুলাই পদযাত্রায় ৬ জেলা বাদ, কারণ জানাল এনসিপি

জুলাই পদযাত্রায় ৬ জেলা বাদ, কারণ জানাল এনসিপি

জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মাসব্যাপী ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি। তবে ঘোষিত পথনকশায় নেই দেশের ছয়টি জেলার নাম। এগুলো হলো গোপালগঞ্জ, নরসিংদী, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর, সুনামগঞ্জ ও রাঙামাটি।এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম জানিয়েছেন, প্রথম ধাপে যেসব ১০০ উপজেলা ও পৌরসভায় দলের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে, কেবল সেসব স্থানেই পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। যেসব জেলায় এখনো প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি, সেগুলো এই ধাপে অন্তর্ভুক্ত হয়নি।আরও  পড়ুন, যুবদলের জরুরি সভায় হট্টগোল, সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের তর্কে বৈঠক স্থগিততিনি আরও জানান, দ্বিতীয় ধাপে আরও ১০০ প্রার্থী ঘোষণা করা হলে বাদ পড়া জেলাগুলোতেও সাংগঠনিক সফর ও পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।এদিকে দলীয় সূত্র জানিয়েছে, গত বছরের গোপালগঞ্জের সহিংস ঘটনার অভিজ্ঞতার কারণে আপাতত ওই জেলায় পদযাত্রা না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আগামী ৬ জুলাই গাজীপুরের কালীগঞ্জ থেকে শুরু হবে উত্তরাঞ্চলের পদযাত্রা। অন্যদিকে দক্ষিণাঞ্চলের কর্মসূচি শুরু হবে ৭ জুলাই কক্সবাজারের উখিয়া থেকে। মাসজুড়ে দেশের ১০০টি উপজেলা ও পৌরসভায় এই কর্মসূচি চলবে।

সারাবাংলা

২০২৩ সালের ধর্ষণ মামলায় তিন আসামির দণ্ড, আদালতের কঠোর রায়

২০২৩ সালের ধর্ষণ মামলায় তিন আসামির দণ্ড, আদালতের কঠোর রায়

টাঙ্গাইলে বহুল আলোচিত এক নারী ধর্ষণ মামলায় তিন আসামির বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক রায় দিয়েছেন আদালত। দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অপর একজনকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আনম ইলিয়াছ এ রায় ঘোষণা করেন।যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার শফিকুল ইসলাম শফি ও সামছুল হক সামছু। তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।অন্যদিকে, জামালপুর সদর উপজেলার আরো পাড়ুন , এক নারীর সাহসে বদলে গেল একটি গ্রাম, স্বাবলম্বী হচ্ছেন শতাধিক নারীআব্দুর রহিমকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২২ জুন টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলের দোখলা এলাকায় একটি টংঘরে নিয়ে ভুক্তভোগী নারীকে রাতভর ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার চার দিন পর তিনি মধুপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। মামলায় সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এই রায় দেন।রায় ঘোষণার পর তিন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এক নারীর সাহসে বদলে গেল একটি গ্রাম, স্বাবলম্বী হচ্ছেন শতাধিক নারী

এক নারীর সাহসে বদলে গেল একটি গ্রাম, স্বাবলম্বী হচ্ছেন শতাধিক নারী

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার ধুলজুরী গ্রাম। কয়েক বছর আগেও এ গ্রামের অধিকাংশ নারী ছিলেন পুরোপুরি পরিবারের পুরুষ সদস্যদের আয়ের ওপর নির্ভরশীল। ঘরের চার দেয়ালের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল তাদের জীবন। সংসারের কাজই ছিল তাদের একমাত্র দায়িত্ব। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে সেই চিত্র বদলাতে শুরু করেছে। এখন একই গ্রামের অনেক নারী নিজেদের আয় করছেন, পরিবারে অর্থনৈতিক অবদান রাখছেন, সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ বহন করছেন এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সিদ্ধান্ত গ্রহণেও অংশ নিচ্ছেন।এই পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছেন নারী উদ্যোক্তা সামিয়া নাছরিন প্রীতি। নিশ্চিত ভবিষ্যৎ, সামাজিক মর্যাদা ও স্থায়ী আয়ের সরকারি চাকরি ছেড়ে তিনি বেছে নিয়েছেন গ্রামের নারীদের অর্থনৈতিক মুক্তির পথ। তার বিশ্বাস—একজন নারী স্বাবলম্বী হলে বদলে যায় একটি পরিবার, আর অসংখ্য পরিবার বদলে গেলে বদলে যায় একটি সমাজ।সেই বিশ্বাস থেকেই ২০২৪ সালে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত অর্থায়নে মাত্র ১০ জন নারীকে নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন নকশীকাঁথা মহিলা উন্নয়ন সংস্থা। নিজের বাড়ির একটি ছোট কক্ষে কয়েকজন নারীকে নিয়ে শুরু হয়েছিল নকশীকাঁথা তৈরির প্রশিক্ষণ ও উৎপাদন কার্যক্রম। শুরুটা ছিল সীমিত, কিন্তু লক্ষ্য ছিল অনেক বড়।মাত্র এক বছরের ব্যবধানে সেই ক্ষুদ্র উদ্যোগ এখন একটি বহুমুখী নারী উন্নয়ন প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ১৪০ জন নারী সরাসরি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। নকশীকাঁথার পাশাপাশি গড়ে উঠেছে উদ্যমী মহিলা সমবায় সমিতি লিমিটেড। এছাড়া পাটের পরিবেশবান্ধব হস্তশিল্প, মাশরুম চাষ, মৎস্য চাষসহ বিভিন্ন আয়বর্ধক কর্মসূচির মাধ্যমে নারীদের জন্য সৃষ্টি হয়েছে বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ।সরেজমিনে ধুলজুরী কমিউনিটি ক্লিনিক সংলগ্ন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, গ্রামের অনেক বাড়িই এখন ছোট ছোট উৎপাদনকেন্দ্রে রূপ নিয়েছে। কোথাও কয়েকজন নারী একসঙ্গে বসে নকশীকাঁথায় নিখুঁত নকশা ফুটিয়ে তুলছেন। কোথাও তৈরি হচ্ছে পাটের ব্যাগ, শোপিস, ঝুড়ি ও বিভিন্ন হস্তশিল্প। আবার কেউ মাশরুম উৎপাদনে ব্যস্ত, কেউ মাছের খামার পরিচর্যা করছেন।আরও পড়ুন, পাঁচবিবিতে ট্রাক-অটোর মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৫প্রতিদিন কয়েক ঘণ্টা কাজ করেই অনেক নারী মাস শেষে সম্মানজনক আয় করছেন। সেই আয় দিয়ে পরিবারের বাজার খরচ, সন্তানদের স্কুলের ফি, চিকিৎসা ব্যয় এবং দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানো সম্ভব হচ্ছে। ফলে পরিবারগুলোতে আর্থিক স্বস্তি ফিরে এসেছে।প্রতিষ্ঠানটির সদস্য মাহমুদা আক্তার বলেন, আগে সংসারের কাজের বাইরে তার কোনো পরিচয় ছিল না। প্রতিটি প্রয়োজনেই অন্যের কাছে হাত পাততে হতো। এখন নিজের উপার্জন রয়েছে। পরিবারের ব্যয়ে সহযোগিতা করতে পারছেন, নিজের প্রয়োজনও নিজেই পূরণ করছেন। এতে আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়েছে।আরেক সদস্য ফারিয়া জাহান বলেন, এই উদ্যোগ শুধু তাদের আয় দেয়নি, দিয়েছে আত্মমর্যাদা। আগে পরিবারের সিদ্ধান্তে তাদের মতামতের তেমন গুরুত্ব ছিল না। এখন পরিবারের সদস্যরা তাদের মতামতকে মূল্য দিচ্ছেন। নিজেদের দক্ষতা প্রমাণের সুযোগও তৈরি হয়েছে।উদ্যোক্তা সামিয়া নাছরিন প্রীতি বলেন, সরকারি চাকরিতে দায়িত্ব পালনকালে তিনি উপলব্ধি করেন, গ্রামের অসংখ্য নারী দক্ষ হলেও কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকায় তাদের সম্ভাবনা নষ্ট হচ্ছে। তখনই তিনি সিদ্ধান্ত নেন চাকরি ছেড়ে নারীদের নিয়েই কাজ করবেন।তিনি বলেন, "আমার লক্ষ্য শুধু কয়েকজন নারীকে কাজ দেওয়া নয়। আমি চাই গ্রামের প্রতিটি নারী নিজের পায়ে দাঁড়াক। একজন নারী স্বাবলম্বী হলে তার সন্তান, পরিবার এবং সমাজ—সবাই উপকৃত হয়।"সফলতার পাশাপাশি রয়েছে নানা সীমাবদ্ধতাও। উদ্যোক্তা জানান, বর্তমানে নিজের বাড়ির একটি ছোট কক্ষকে অফিস হিসেবে ব্যবহার করতে হচ্ছে। অংশগ্রহণকারী নারীর সংখ্যা বাড়লেও প্রশিক্ষণ, পণ্য সংরক্ষণ, সভা ও প্রদর্শনীর জন্য পর্যাপ্ত জায়গা নেই।তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ব্যক্তিগত অর্থেই সব কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। অনেক নারীকে প্রশিক্ষণ, চিকিৎসা ও জরুরি প্রয়োজনেও ব্যক্তিগতভাবে সহায়তা দিয়েছেন। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এভাবে এগিয়ে নেওয়া কঠিন। সরকারি কিংবা বেসরকারি সহযোগিতা পেলে আরও অনেক নারীকে কর্মসংস্থানের আওতায় আনা সম্ভব হবে।আরও  পড়ুন, গঙ্গাচড়ায় স্থানীয় সাংবাদিকদের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, চ্যাম্পিয়ন ‘মিডিয়া পাওয়ার্স’বর্তমানে ইউনিসেফের সহযোগিতায় শিশুদের জন্য কিছু শিক্ষা ও খেলাধুলার উপকরণ পাওয়া গেলেও নারী উদ্যোক্তাদের সন্তানদের নিরাপদে রাখার জন্য একটি শিশু যত্নকেন্দ্র বা টয় কর্নার নেই। ফলে অনেক নারী কাজ করতে এসে সন্তানদের দেখাশোনা নিয়ে সমস্যায় পড়েন।উদ্যোক্তার স্বামী রুবায়েদ হোসেন রায়হান সাকিব জানান, বর্তমানে প্রায় ৩০ জন নারী মাছ চাষে, ৩০ জন মাশরুম উৎপাদনে এবং শতাধিক নারী নকশীকাঁথা তৈরির কাজে যুক্ত রয়েছেন।তিনি বলেন, শুধু কর্মসংস্থান নয়, পরিবেশ সংরক্ষণেও প্রতিষ্ঠানটি কাজ করছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে বিভিন্ন পরিবারের মধ্যে প্রায় ৫০০টি ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।স্থানীয়দের মতে, এই উদ্যোগের ফলে গ্রামের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থায় দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে। আগে যেসব নারী পুরোপুরি নির্ভরশীল ছিলেন, তারা এখন নিজেরাই সংসারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যয় বহন করছেন। অনেক পরিবারে সন্তানদের লেখাপড়া, চিকিৎসা ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে নারীদের আয় বড় ভূমিকা রাখছে।হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী নাহিদ ইভা বলেন, সামিয়া নাছরিন প্রীতির উদ্যোগটি অত্যন্ত ইতিবাচক ও প্রশংসার দাবিদার। নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। একটি স্থায়ী কার্যালয়ের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি প্রশাসনের নজরে রয়েছে। ভবিষ্যতে কীভাবে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা যায়, সে বিষয়ে পরিকল্পনা নেওয়া হবে।বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের জন্য এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত কার্যকর। প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, আর্থিক সহায়তা, বাজার সম্প্রসারণ এবং অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে এই মডেল দেশের অন্যান্য এলাকাতেও অনুসরণ করা সম্ভব।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সরকারি ও বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে হোসেনপুরের এই উদ্যোগ শুধু কিশোরগঞ্জ নয়, সারা দেশের নারী উন্নয়নের একটি সফল উদাহরণ হয়ে উঠবে। গ্রামের নারীদের স্বপ্ন, আত্মবিশ্বাস ও অর্থনৈতিক মুক্তির এই যাত্রা আগামী দিনে আরও বিস্তৃত হবে—এমন আশাই সবার।

পাঁচবিবিতে ট্রাক-অটোর মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৫

পাঁচবিবিতে ট্রাক-অটোর মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৫

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত এবং অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে উপজেলার শিমুলতলী বাজারের দক্ষিণে বুনখুর এলাকায় জয়পুরহাট-পাঁচবিবি সড়কে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জয়পুরহাট থেকে ছেড়ে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাকের সঙ্গে পাঁচবিবি থেকে জয়পুরহাটগামী একটি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন। গুরুতর আহত পাঁচজনকে স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আরও একজনকে মৃত ঘোষণা করেন।জয়পুরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ নূরে আলম সিদ্দিকী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,আরও  পড়ুন, গঙ্গাচড়ায় স্থানীয় সাংবাদিকদের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, চ্যাম্পিয়ন ‘মিডিয়া পাওয়ার্স’ খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।নিহতদের মধ্যে অটোরিকশাচালক তৌহিদ হোসেনের বাড়ি পাঁচবিবি উপজেলায়। অপর নিহত নারীও একই উপজেলার বীরনগর গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে বীরনগর গ্রামের শেফালী, বাসন্তী ও কেশোমনির নাম জানা গেছে। অপর দুই আহত ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।দুর্ঘটনার পর স্থানীয় জনতা ট্রাকটি আটক করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সেটি জব্দ করে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতদের স্বজনদের আহাজারিতে হাসপাতাল ও ঘটনাস্থলের পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।

গঙ্গাচড়ায় স্থানীয় সাংবাদিকদের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, চ্যাম্পিয়ন ‘মিডিয়া পাওয়ার্স’

গঙ্গাচড়ায় স্থানীয় সাংবাদিকদের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, চ্যাম্পিয়ন ‘মিডিয়া পাওয়ার্স’

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় স্থানীয় সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘প্রেসমিট ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’।সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে উপজেলা পরিষদ মাঠে গঙ্গাচড়া প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকেরা অংশ নেন।‘সততা, সৌহার্দ্য, সাংবাদিকতা ও খেলায় ঐক্য’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার প্রতিটি ম্যাচ ছিল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। ব্যাট-বলের লড়াই ও দর্শকদের উপস্থিতিতে মাঠজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। আয়োজকদের ভাষ্য, পেশাগত ব্যস্ততার বাইরে সাংবাদিকদের মধ্যে সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করাই ছিল এ আয়োজনের উদ্দেশ্য।টুর্নামেন্ট উপভোগ করতে প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাঙ্গনের বিভিন্ন ব্যক্তি এবং স্থানীয় বাসিন্দারা মাঠে উপস্থিত ছিলেন।আরও  পড়ুন, লক্ষ্মীপুর পৌরসভায় ৮৬ কোটি ৬১ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণাফাইনালে ‘মিডিয়া পাওয়ার্স’ দল ‘মিডিয়া চ্যালেঞ্জার্স’কে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। খেলা শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন গঙ্গাচড়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাজু আহাম্মেদ লাল এবং সাধারণ সম্পাদক আলী আরিফ সরকার রিজু।টুর্নামেন্টে অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য জি এম মাসুদুর রহমান শিমু–দৈনিক মুক্ত খবর-এর স্টাফ রিপোর্টার ও বিজয় টিভির উপজেলা প্রতিনিধি–ম্যান অব দ্য ম্যাচ ও ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট নির্বাচিত হন।দৈনিক মানবজমিন-এর গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রতিনিধি ও সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুল বারী স্বপন বলেন, ‘‘এ ধরনের আয়োজন সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক আন্তরিকতা, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় করতে সহায়ক হবে।’’আয়োজকেরা জানান, সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য, সৌহার্দ্য, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সুস্থ ক্রীড়াচর্চা জোরদারে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

আন্তর্জাতিক

রুশ হামলা ঠেকাতে ন্যাটোর দ্বারস্থ জেলেনস্কি

রুশ হামলা ঠেকাতে ন্যাটোর দ্বারস্থ জেলেনস্কি

রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে এবার ন্যাটোর কাছে জরুরি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চাইতে যাচ্ছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।তুরস্কে অনুষ্ঠিতব্য ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে তিনি মিত্র দেশগুলোর প্রতি দ্রুত প্রতিরক্ষা সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানাবেন।সম্প্রতি এক সপ্তাহেরও কম সময়ে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে দুই দফা বড় ধরনের রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আবাসিক ভবন ধ্বংস হয়েছে। এসব হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ৫০ জনের বেশি বেসামরিক নাগরিক। এতে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে।আরো পড়ুন , এক রাতের অপেক্ষা, তারপরই নতুন ঠিকানা কিন্তু ভোরের আগেই মৃত্যুসম্মেলনের ফাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর সঙ্গে জেলেনস্কির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে। ওই বৈঠকে ইউক্রেনের জন্য অতিরিক্ত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং রাশিয়ার ওপর আরও কূটনৈতিক চাপ বাড়ানোর বিষয়টি তুলে ধরতে পারেন তিনি।এদিকে ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে বলেছেন, ইউক্রেনকে তার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যা প্রয়োজন, তা নিশ্চিত করতে মিত্র দেশগুলোর এগিয়ে আসা উচিত।তাই তুরস্কের এই ন্যাটো সম্মেলন ইউক্রেনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

৪ ঘন্টা আগে

রাজধানী

বংশালে দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীর মৃত্যু, দ্বিতীয় স্ত্রীকে ঘিরে তদন্তে পুলিশ

বংশালে দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীর মৃত্যু, দ্বিতীয় স্ত্রীকে ঘিরে তদন্তে পুলিশ

রাজধানীর বংশালে দাম্পত্য কলহের জেরে সুমন নামে ৪২ বছর বয়সী এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে দৈনিকভিত্তিক কর্মচারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।মঙ্গলবার সকালে বংশাল থানার নাজিমউদ্দীন রোডের জমিদার গলির একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।পরে আহত অবস্থায় সুমনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।আরও  পড়ন, মিরপুর-৬ সরকারি কোয়ার্টারে অগ্নিকাণ্ড, আগুন নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিটসুমনের স্ত্রী নাসিমার দাবি, সংসারের টাকা নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। তিনি অভিযোগ করেন, সুমন প্রথমে একটি লোহার রড দিয়ে তাকে আঘাত করার চেষ্টা করেন। আত্মরক্ষার চেষ্টার সময় রডটি সুমনের বুকে বিদ্ধ হয়।পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করছে বংশাল থানা।পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন, আলামত এবং অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা হবে।

১০ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

 মিসরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

মিসরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপে আবারও দেখা গেল আর্জেন্টিনার অদম্য লড়াইয়ের গল্প। দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন করে মিসরকে ৩-২ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। আর এই জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি।ভয়েসওভার:মঙ্গলবার আটলান্টায় বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায় আর্জেন্টিনা। এক পর্যায়ে ৭৮ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল মিসর। তখন মনে হচ্ছিল, বিশ্বকাপ অভিযান হয়তো এখানেই শেষ হতে যাচ্ছে মেসিদের।কিন্তু শেষ মুহূর্তে বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। শুরু হয় আর্জেন্টিনার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন।৭৯তম মিনিটে লিওনেল মেসির দারুণ অ্যাসিস্ট থেকে ক্রিস্টিয়ান রোমেরো গোল করে ব্যবধান কমান। মাত্র চার মিনিট পর ৮৩তম মিনিটে নিজেই গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।আরো পড়ুন , মিসর ম্যাচের আগে আর্জেন্টিনার একাদশে বড় রদবদলমেসির সেই গোলে নতুন প্রাণ ফিরে পায় পুরো দল। এরপর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে নাটকীয় মুহূর্ত। লাউতারো মার্তিনেজের নিখুঁত ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে জয়সূচক গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ।শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা। নিশ্চিত করে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট। আর বিশ্বকাপের মঞ্চে আরও কিছুটা সময় টিকে রইলেন ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসি।অ্যাঙ্কর আউট: দুই গোলের ঘাটতি পেরিয়ে এমন জয় আবারও প্রমাণ করল—শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত আর্জেন্টিনা কখনো হাল ছাড়ে না।

আইন আদালত

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে আটকের পর কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা সাজিয়ে গুলি ও নির্যাতনের মাধ্যমে পঙ্গু করার অভিযোগে দায়ের করা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার আজ শুরু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলাটির সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) ও সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।আরও পড়ুন, ‘আমি শুধু ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার’: আসামি সোহেলমামলাটি শুনানি করবেন মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। মামলার প্রধান আসামি আনিসুর রহমান-সহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম চলবে।প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর চৌগাছা উপজেলা শাখার তৎকালীন সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন এবং সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিন-কে একটি মামলায় আটক করে পুলিশ। অভিযোগে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারের পর তাদের আদালতে হাজির না করে কয়েকদিন নির্যাতন করা হয়।আরও পড়ুন, শিশু রামিসা হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি আজপ্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ একটি সাজানো ঘটনা তৈরি করে দুই নেতার পায়ে গুলি করা হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে চিকিৎসার একপর্যায়ে তাদের পা কেটে ফেলতে হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় আরও বলা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অস্ত্র মামলাটি পরবর্তীতে আদালতে ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়।এর আগে গত ২০ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। সে সময় আদালতে উপস্থিত আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। বর্তমানে অভিযুক্তদের মধ্যে আকিকুল ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান এবং জহরুল হক কারাগারে রয়েছেন।আরও পড়ুন, সাইপ্রাসে এস আলমের ভবন জব্দের নির্দেশঅন্যদিকে প্রধান আসামি আনিসুর রহমান, সাবেক ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল এবং এসআই মাজেদুল পলাতক রয়েছেন বলে ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানিয়েছে। উল্লেখ্য, মামলার অভিযোগগুলো প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত অভিযোগ। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের রায়ের মাধ্যমে অভিযুক্তদের দায়-দায়িত্ব চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর