দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

সত্য ও জনমানুষের কথা বলার প্রত্যয়ে আরও দূর পথ

১৪ বছরে দৈনিক সংবাদ দিগন্ত / সত্য ও জনমানুষের কথা বলার প্রত্যয়ে আরও দূর পথ

একটি সংবাদপত্রের পথচলা কেবল কাগজে ছাপা কিছু সংবাদ প্রকাশের ইতিহাস নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে সময়কে ধারণ করা, মানুষের কথা বলা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলা এবং সমাজের বিবেককে জাগ্রত রাখার এক নিরন্তর দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধকে ধারণ করেই জাতীয় দৈনিক সংবাদ দিগন্ত আজ ১৪ বছরে পদার্পণ করছে। এই দীর্ঘ পথচলার প্রতিটি অধ্যায় আমাদের জন্য যেমন গৌরবের, তেমনি আত্মসমালোচনা ও নতুন প্রত্যয়েরও।১৪ বছর একটি সংবাদপত্রের জন্য কম সময় নয়। এই সময়ে দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি ও জনজীবনে এসেছে নানা পরিবর্তন। পাল্টেছে মানুষের চিন্তা ও প্রত্যাশা। বদলে গেছে সংবাদ গ্রহণের মাধ্যম। ছাপা পত্রিকার পাশাপাশি অনলাইন সংবাদমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এখন মানুষের তথ্য পাওয়ার অন্যতম প্রধান উৎস। এই পরিবর্তনের মধ্যেও একটি সংবাদপত্রের মূল শক্তি একই রয়ে গেছে বিশ্বাসযোগ্যতা। দৈনিক সংবাদ দিগন্ত সেই বিশ্বাসযোগ্যতার জায়গাটি আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যেতে চায়। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, সংবাদপত্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার পাঠক। পাঠকের আস্থা অর্জন করা কঠিন, কিন্তু সেই আস্থা হারানো খুব সহজ। একটি ভুল তথ্য, একটি যাচাইহীন সংবাদ কিংবা পক্ষপাতদুষ্ট উপস্থাপন অনেক বছরের অর্জনকে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে। তাই আমাদের কাছে প্রতিটি সংবাদ শুধু একটি প্রতিবেদন নয়; এটি দায়িত্বের একটি অংশ।আরও পড়ুন: পুলিশে একের পর এক রদবদল, অপরাধ দমনে নতুন পরীক্ষাআমরা মনে করি, সাংবাদিকতার প্রথম শর্ত সত্যের প্রতি দায়বদ্ধতা। সত্য কখনো কখনো কঠিন, কখনো অস্বস্তিকর। কিন্তু সত্যকে আড়াল করে সংবাদপত্র তার দায়িত্ব পালন করতে পারে না। একই সঙ্গে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য, তথ্যের যথার্থতা এবং মানুষের মর্যাদার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হয়। সংবাদ দিগন্ত আগামী দিনেও যাচাই করা তথ্য, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা এবং জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।বাংলাদেশের গণমাধ্যম দীর্ঘদিন ধরে নানা চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে পথ চলছে। রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তন, অর্থনৈতিক চাপ, প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তার, ভুয়া তথ্যের প্রবাহ এবং পাঠকের পরিবর্তিত রুচি—সবকিছু মিলিয়ে সংবাদপত্রের সামনে নতুন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে একটি খবর প্রকাশের কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা লাখো মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। কিন্তু দ্রুততার সঙ্গে যদি সত্যতা যাচাই না থাকে, তাহলে সেই গতি সমাজের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। তাই আমরা মনে করি, ভবিষ্যতের সাংবাদিকতায় গতি ও নির্ভুলতার মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করা জরুরি। সংবাদ দ্রুত পৌঁছাতে হবে, কিন্তু তার আগে নিশ্চিত হতে হবে সংবাদটি সত্য কি না। তথ্যের উৎস কতটা নির্ভরযোগ্য, বক্তব্যের অন্য পক্ষ কী বলছে, ঘটনার প্রকৃত প্রেক্ষাপট কী এসব প্রশ্ন সাংবাদিকতার অবিচ্ছেদ্য অংশ।আরও পড়ুন: বনানীতে গেস্ট হাউজ-স্পা, ওসির ভূমিকা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্নদৈনিক সংবাদ দিগন্তের ১৪ বছরের পথচলায় রাজধানীর পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সংবাদকে আমরা গুরুত্ব দিয়ে এসেছি। কারণ বাংলাদেশের প্রকৃত চিত্র কেবল রাজধানীর সংবাদে সীমাবদ্ধ নয়। গ্রামের কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, নারী, শিশু, প্রবীণ এবং প্রান্তিক মানুষের জীবন ও সংগ্রামের মধ্যেই দেশের বাস্তব গল্প লুকিয়ে আছে। একটি রাস্তা নির্মাণ, একটি বিদ্যালয়ের সংকট, কৃষকের উৎপাদন ব্যয়, নদীভাঙনে মানুষের ঘর হারানো কিংবা কোনো প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের সাফল্য এসবই সংবাদ।আমাদের বিশ্বাস, স্থানীয় সাংবাদিকতা জাতীয় সাংবাদিকতার ভিত্তি শক্তিশালী করে। তাই জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত সাংবাদিকদের আমরা সংবাদ দিগন্ত পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখি। তাদের সাহস, শ্রম ও দায়িত্বশীলতার ওপর নির্ভর করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসংখ্য মানুষের কথা পাঠকের কাছে পৌঁছে যায়। একই সঙ্গে আমরা মনে করি, সাংবাদিকতার অন্যতম দায়িত্ব হলো ক্ষমতাবানকে প্রশ্ন করা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরা। তবে প্রশ্ন করা মানেই কাউকে অভিযুক্ত করা নয়। সংবাদ ও মতামতের পার্থক্য বজায় রেখে তথ্যের ভিত্তিতে মানুষের সামনে বিষয়টি তুলে ধরাই দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পথ।আমরা এমন একটি সাংবাদিকতা চাই, যেখানে সমালোচনা থাকবে কিন্তু বিদ্বেষ থাকবে না; প্রশ্ন থাকবে কিন্তু উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার থাকবে না; অনুসন্ধান থাকবে কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে না। কারণ গণমাধ্যমের শক্তি তার ভাষার উচ্চতায় নয়, তার তথ্যের গভীরতায়। ১৪ বছরে পদার্পণের এই মুহূর্তে আমরা আমাদের পাঠক, সংবাদকর্মী, লেখক, কলাকুশলী, বিজ্ঞাপনদাতা, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা সংবাদ দিগন্ত পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। তাদের সহযোগিতা ও ভালোবাসাই আমাদের পথচলার শক্তি।আরও পড়ুন: পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে নরসিংদীতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিলবিশেষ করে আমাদের সাংবাদিকদের কথা বলতে হয়। একজন সাংবাদিককে অনেক সময় প্রতিকূল পরিবেশে কাজ করতে হয়। কখনো রাতের পর রাত ঘটনাস্থলে থাকতে হয়, কখনো ঝুঁকি নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে হয়, কখনো নানা চাপের মধ্যেও সত্যতা যাচাই করতে হয়। তাদের এই শ্রমের প্রতি সম্মান রেখেই আমরা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, মর্যাদা ও স্বাধীনতার গুরুত্বকে সামনে রাখতে চাই। আগামী দিনের সংবাদ দিগন্ত কেবল একটি ছাপা পত্রিকা হিসেবে নয়, একটি আধুনিক ও দায়িত্বশীল সংবাদপ্রতিষ্ঠান হিসেবে আরও এগিয়ে যেতে চায়। মুদ্রিত পত্রিকার পাশাপাশি ডিজিটাল সাংবাদিকতা, ভিডিও সংবাদ, মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এবং তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণের পরিধি আরও বিস্তৃত করার প্রত্যয় আমাদের রয়েছে। তবে প্রযুক্তি যতই পরিবর্তিত হোক, সাংবাদিকতার মৌলিক নীতি—সত্য, নিরপেক্ষতা, মানবিকতা ও জনস্বার্থ—কখনো পরিবর্তিত হবে না। আমরা জানি, পথচলা সবসময় সহজ হবে না। সামনে আরও প্রতিযোগিতা আসবে, নতুন প্রযুক্তি আসবে, নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির যুগে সাংবাদিকতার ধরনও বদলাবে। কিন্তু মানুষের সত্য জানার প্রয়োজন কখনো শেষ হবে না। বরং তথ্যের অতিরিক্ত প্রবাহের এই সময়ে নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমের প্রয়োজন আরও বাড়বে। তাই ১৪ বছরে দাঁড়িয়ে আমাদের অঙ্গীকার একটাই পাঠকের আস্থা ধরে রেখে আরও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা করা। ভুল হলে তা সংশোধন করা, সমালোচনা থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং প্রতিদিন নিজেদের আরও উন্নত করার চেষ্টা করা।আরও পড়ুন: সাভার গেন্ডায় ঢাকা ইন গেস্ট হাউজে জুলহাসের অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মাদক সিন্ডিকেটদৈনিক সংবাদ দিগন্তের এই ১৪ বছর কেবল একটি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নয়; এটি নতুন করে পথচলার একটি উপলক্ষ। অতীতের অর্জন আমাদের অনুপ্রেরণা দেবে, আর সীমাবদ্ধতাগুলো আমাদের আরও সতর্ক করবে। সত্যের পথে, মানুষের পাশে এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে দৈনিক সংবাদ দিগন্ত আগামী দিনেও মানুষের কথা বলতে চায়। দেশের গণতান্ত্রিক ও সামাজিক অগ্রযাত্রায় দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের যে ভূমিকা রয়েছে, সেই ভূমিকা পালনে আমরা আরও নিষ্ঠাবান হতে চাই। ১৪ বছরে পদার্পণের এই শুভক্ষণে আমাদের একমাত্র প্রত্যাশা পাঠক আমাদের পাশে থাকবেন। কারণ পাঠকের আস্থা ও ভালোবাসাই একটি সংবাদপত্রের সবচেয়ে বড় শক্তি। দৈনিক সংবাদ দিগন্ত এগিয়ে যাক আরও বহুদূর। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার আলোয় আলোকিত হোক আগামী দিনের পথ। জনমানুষের কথা বলার এই যাত্রা অব্যাহত থাকুক নিরন্তর।

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

নারীদের যাতায়াতে দ্রুত চালু হচ্ছে আরও ১০০ পিংক বাস

নারীদের স্কুল কলেজ ও কর্মক্ষেত্রে যাতায়াতের সুবিধা বাড়াতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আরও ১০০টি পিংক বাস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ১৩টি রুটে ১৪টি পিংক বাস চলাচল করলেও যাত্রী চাহিদার তুলনায় এই সংখ্যা অপ্রতুল বলে জানিয়েছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে এসব তথ্য জানানো হয়। কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ মোড় ও দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে সড়ক সোজা ও প্রশস্ত করার উদ্যোগের কথা জানানো হয়। পাশাপাশি নতুন যেসব সড়ক প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে সেগুলোতে স্ট্রেইট লাইন করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়েও আলোচনা হয়।এ ছাড়া কর্ণফুলী টানেলের সার্ভিস এলাকায় ৭২ একর জমির ওপর নির্মিত অত্যাধুনিক বিলাসবহুল রিসোর্টের বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগ নেওয়ার সুপারিশ করেছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।আড়ও পড়ুন,সত্য ও জনমানুষের কথা বলার প্রত্যয়ে আরও দূর পথবৈঠকের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের পর স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মন্ত্রণালয় বিভাগ ও দপ্তরগুলোর কর্মকর্তাদের পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। পরে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং এর অধীন বিভাগ ও দপ্তরগুলোর সার্বিক কার্যক্রম এবং সড়ক-মহাসড়কে শৃঙ্খলা আনতে মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা ও গৃহীত পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়।বৈঠকে কমিটির সদস্য ও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা অংশ নেন। বিশেষ আমন্ত্রণে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসানও বৈঠকে যোগ দেন।এ সময় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব, সেতু বিভাগের সচিব, মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ-দপ্তর সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সত্য ও জনমানুষের কথা বলার প্রত্যয়ে আরও দূর পথ

একটি সংবাদপত্রের পথচলা কেবল কাগজে ছাপা কিছু সংবাদ প্রকাশের ইতিহাস নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে সময়কে ধারণ করা, মানুষের কথা বলা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলা এবং সমাজের বিবেককে জাগ্রত রাখার এক নিরন্তর দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধকে ধারণ করেই জাতীয় দৈনিক সংবাদ দিগন্ত আজ ১৪ বছরে পদার্পণ করছে। এই দীর্ঘ পথচলার প্রতিটি অধ্যায় আমাদের জন্য যেমন গৌরবের, তেমনি আত্মসমালোচনা ও নতুন প্রত্যয়েরও।১৪ বছর একটি সংবাদপত্রের জন্য কম সময় নয়। এই সময়ে দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি ও জনজীবনে এসেছে নানা পরিবর্তন। পাল্টেছে মানুষের চিন্তা ও প্রত্যাশা। বদলে গেছে সংবাদ গ্রহণের মাধ্যম। ছাপা পত্রিকার পাশাপাশি অনলাইন সংবাদমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এখন মানুষের তথ্য পাওয়ার অন্যতম প্রধান উৎস। এই পরিবর্তনের মধ্যেও একটি সংবাদপত্রের মূল শক্তি একই রয়ে গেছে বিশ্বাসযোগ্যতা। দৈনিক সংবাদ দিগন্ত সেই বিশ্বাসযোগ্যতার জায়গাটি আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যেতে চায়। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, সংবাদপত্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার পাঠক। পাঠকের আস্থা অর্জন করা কঠিন, কিন্তু সেই আস্থা হারানো খুব সহজ। একটি ভুল তথ্য, একটি যাচাইহীন সংবাদ কিংবা পক্ষপাতদুষ্ট উপস্থাপন অনেক বছরের অর্জনকে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে। তাই আমাদের কাছে প্রতিটি সংবাদ শুধু একটি প্রতিবেদন নয়; এটি দায়িত্বের একটি অংশ।আরও পড়ুন: পুলিশে একের পর এক রদবদল, অপরাধ দমনে নতুন পরীক্ষাআমরা মনে করি, সাংবাদিকতার প্রথম শর্ত সত্যের প্রতি দায়বদ্ধতা। সত্য কখনো কখনো কঠিন, কখনো অস্বস্তিকর। কিন্তু সত্যকে আড়াল করে সংবাদপত্র তার দায়িত্ব পালন করতে পারে না। একই সঙ্গে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য, তথ্যের যথার্থতা এবং মানুষের মর্যাদার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হয়। সংবাদ দিগন্ত আগামী দিনেও যাচাই করা তথ্য, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা এবং জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।বাংলাদেশের গণমাধ্যম দীর্ঘদিন ধরে নানা চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে পথ চলছে। রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তন, অর্থনৈতিক চাপ, প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তার, ভুয়া তথ্যের প্রবাহ এবং পাঠকের পরিবর্তিত রুচি—সবকিছু মিলিয়ে সংবাদপত্রের সামনে নতুন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে একটি খবর প্রকাশের কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা লাখো মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। কিন্তু দ্রুততার সঙ্গে যদি সত্যতা যাচাই না থাকে, তাহলে সেই গতি সমাজের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। তাই আমরা মনে করি, ভবিষ্যতের সাংবাদিকতায় গতি ও নির্ভুলতার মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করা জরুরি। সংবাদ দ্রুত পৌঁছাতে হবে, কিন্তু তার আগে নিশ্চিত হতে হবে সংবাদটি সত্য কি না। তথ্যের উৎস কতটা নির্ভরযোগ্য, বক্তব্যের অন্য পক্ষ কী বলছে, ঘটনার প্রকৃত প্রেক্ষাপট কী এসব প্রশ্ন সাংবাদিকতার অবিচ্ছেদ্য অংশ।আরও পড়ুন: বনানীতে গেস্ট হাউজ-স্পা, ওসির ভূমিকা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্নদৈনিক সংবাদ দিগন্তের ১৪ বছরের পথচলায় রাজধানীর পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সংবাদকে আমরা গুরুত্ব দিয়ে এসেছি। কারণ বাংলাদেশের প্রকৃত চিত্র কেবল রাজধানীর সংবাদে সীমাবদ্ধ নয়। গ্রামের কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, নারী, শিশু, প্রবীণ এবং প্রান্তিক মানুষের জীবন ও সংগ্রামের মধ্যেই দেশের বাস্তব গল্প লুকিয়ে আছে। একটি রাস্তা নির্মাণ, একটি বিদ্যালয়ের সংকট, কৃষকের উৎপাদন ব্যয়, নদীভাঙনে মানুষের ঘর হারানো কিংবা কোনো প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের সাফল্য এসবই সংবাদ।আমাদের বিশ্বাস, স্থানীয় সাংবাদিকতা জাতীয় সাংবাদিকতার ভিত্তি শক্তিশালী করে। তাই জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত সাংবাদিকদের আমরা সংবাদ দিগন্ত পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখি। তাদের সাহস, শ্রম ও দায়িত্বশীলতার ওপর নির্ভর করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসংখ্য মানুষের কথা পাঠকের কাছে পৌঁছে যায়। একই সঙ্গে আমরা মনে করি, সাংবাদিকতার অন্যতম দায়িত্ব হলো ক্ষমতাবানকে প্রশ্ন করা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরা। তবে প্রশ্ন করা মানেই কাউকে অভিযুক্ত করা নয়। সংবাদ ও মতামতের পার্থক্য বজায় রেখে তথ্যের ভিত্তিতে মানুষের সামনে বিষয়টি তুলে ধরাই দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পথ।আমরা এমন একটি সাংবাদিকতা চাই, যেখানে সমালোচনা থাকবে কিন্তু বিদ্বেষ থাকবে না; প্রশ্ন থাকবে কিন্তু উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার থাকবে না; অনুসন্ধান থাকবে কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে না। কারণ গণমাধ্যমের শক্তি তার ভাষার উচ্চতায় নয়, তার তথ্যের গভীরতায়। ১৪ বছরে পদার্পণের এই মুহূর্তে আমরা আমাদের পাঠক, সংবাদকর্মী, লেখক, কলাকুশলী, বিজ্ঞাপনদাতা, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা সংবাদ দিগন্ত পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। তাদের সহযোগিতা ও ভালোবাসাই আমাদের পথচলার শক্তি।আরও পড়ুন: পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে নরসিংদীতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিলবিশেষ করে আমাদের সাংবাদিকদের কথা বলতে হয়। একজন সাংবাদিককে অনেক সময় প্রতিকূল পরিবেশে কাজ করতে হয়। কখনো রাতের পর রাত ঘটনাস্থলে থাকতে হয়, কখনো ঝুঁকি নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে হয়, কখনো নানা চাপের মধ্যেও সত্যতা যাচাই করতে হয়। তাদের এই শ্রমের প্রতি সম্মান রেখেই আমরা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, মর্যাদা ও স্বাধীনতার গুরুত্বকে সামনে রাখতে চাই। আগামী দিনের সংবাদ দিগন্ত কেবল একটি ছাপা পত্রিকা হিসেবে নয়, একটি আধুনিক ও দায়িত্বশীল সংবাদপ্রতিষ্ঠান হিসেবে আরও এগিয়ে যেতে চায়। মুদ্রিত পত্রিকার পাশাপাশি ডিজিটাল সাংবাদিকতা, ভিডিও সংবাদ, মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এবং তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণের পরিধি আরও বিস্তৃত করার প্রত্যয় আমাদের রয়েছে। তবে প্রযুক্তি যতই পরিবর্তিত হোক, সাংবাদিকতার মৌলিক নীতি—সত্য, নিরপেক্ষতা, মানবিকতা ও জনস্বার্থ—কখনো পরিবর্তিত হবে না। আমরা জানি, পথচলা সবসময় সহজ হবে না। সামনে আরও প্রতিযোগিতা আসবে, নতুন প্রযুক্তি আসবে, নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির যুগে সাংবাদিকতার ধরনও বদলাবে। কিন্তু মানুষের সত্য জানার প্রয়োজন কখনো শেষ হবে না। বরং তথ্যের অতিরিক্ত প্রবাহের এই সময়ে নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমের প্রয়োজন আরও বাড়বে। তাই ১৪ বছরে দাঁড়িয়ে আমাদের অঙ্গীকার একটাই পাঠকের আস্থা ধরে রেখে আরও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা করা। ভুল হলে তা সংশোধন করা, সমালোচনা থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং প্রতিদিন নিজেদের আরও উন্নত করার চেষ্টা করা।আরও পড়ুন: সাভার গেন্ডায় ঢাকা ইন গেস্ট হাউজে জুলহাসের অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মাদক সিন্ডিকেটদৈনিক সংবাদ দিগন্তের এই ১৪ বছর কেবল একটি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নয়; এটি নতুন করে পথচলার একটি উপলক্ষ। অতীতের অর্জন আমাদের অনুপ্রেরণা দেবে, আর সীমাবদ্ধতাগুলো আমাদের আরও সতর্ক করবে। সত্যের পথে, মানুষের পাশে এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে দৈনিক সংবাদ দিগন্ত আগামী দিনেও মানুষের কথা বলতে চায়। দেশের গণতান্ত্রিক ও সামাজিক অগ্রযাত্রায় দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের যে ভূমিকা রয়েছে, সেই ভূমিকা পালনে আমরা আরও নিষ্ঠাবান হতে চাই। ১৪ বছরে পদার্পণের এই শুভক্ষণে আমাদের একমাত্র প্রত্যাশা পাঠক আমাদের পাশে থাকবেন। কারণ পাঠকের আস্থা ও ভালোবাসাই একটি সংবাদপত্রের সবচেয়ে বড় শক্তি। দৈনিক সংবাদ দিগন্ত এগিয়ে যাক আরও বহুদূর। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার আলোয় আলোকিত হোক আগামী দিনের পথ। জনমানুষের কথা বলার এই যাত্রা অব্যাহত থাকুক নিরন্তর।

সালমানের স্টুডিও ভাঙচুর বিএনপিকে চাঁদাবাজ বলার অভিযোগ ষড়যন্ত্রের অংশ

জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ নিয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন।রোববার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, নিউ গিনি প্রোপার্টিজের মালিক নাজিম উদ্দীনের সঙ্গে কয়েকজন সাবেক সামরিক কর্মকর্তার জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই স্টুডিওতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। তাঁর দাবি, ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে ঢালাওভাবে বিএনপিকে চাঁদাবাজ হিসেবে তুলে ধরা পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ।রাশেদ খাঁন আরও দাবি করেন, নিউ গিনি প্রোপার্টিজের আশপাশে গেট নির্মাণ করে অন্য জমির মালিকদের চলাচলে বাধা দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিরোধ তৈরি হয়। সাবেক কর্মকর্তাদের পক্ষের লোকজন ওই গেট ভাঙতে গেলে নাজিম উদ্দীনের সম্পদ মনে করে ভুলবশত সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতেও ভাঙচুর চালানো হয় বলে তিনি দাবি করেন। একই ধরনের ব্যাখ্যা বিভিন্ন প্রতিবেদনে পুলিশের বক্তব্যেও এসেছে।তবে ঘটনার পর সালমান মুক্তাদির অভিযোগ করেন, বিএনপির লোকজন তাঁর কাছে চাঁদা দাবি করেছিলেন এবং চাঁদা না দেওয়ার জেরেই স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। এ অভিযোগের বিষয়ে বিএনপির সংশ্লিষ্ট কোনো নেতাকর্মীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। আড়ও পড়ুন,কৃষকদের স্বার্থে জাতীয় কেন্দ্রীয় সংগঠন গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতিররাশেদ খাঁন বলেন, সালমান মুক্তাদিরের কাছে কেউ চাঁদা দাবি করেছে—এমন তথ্য তাঁর জানা নেই। তাঁর দাবি, ঘটনাটির সঙ্গে দখল ও পাল্টা দখলের বিষয় জড়িত এবং এর সঙ্গে বিএনপির রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নেই।এদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রাথমিক বক্তব্যেও ঘটনাস্থলে জমি নিয়ে বিরোধের কথা উঠে এসেছে। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, জায়গা নিয়ে বিরোধের কারণে এক পক্ষ জমি দখলে যেতে গেলে সেখানে থাকা সালমানের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।রাশেদ খাঁন আরও বলেন, ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে দায়ী করার প্রচেষ্টার সমালোচনা করেন তিনি। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও কারা হামলায় জড়িত ছিলেন তা নিয়ে তদন্ত চলছে। ফলে চাঁদাবাজির অভিযোগ এবং জমি বিরোধের ব্যাখ্যার মধ্যে কোনটি ঘটনার মূল কারণ ছিল তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় স্পষ্ট হওয়ার বিষয়।

কৃষকদের স্বার্থে জাতীয় কেন্দ্রীয় সংগঠন গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

দল-মত-পথ নির্বিশেষে কৃষকদের সামগ্রিক উন্নয়ন ও সার্বিক স্বার্থ সংরক্ষণে জাতীয় পর্যায়ে কৃষকদের একটি কেন্দ্রীয় সংগঠন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বঙ্গভবনে বাংলাদেশ কৃষক সমিতির সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান কুল ময়েজের নেতৃত্বে আট সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব সরওয়ার আলম এ তথ্য জানান।সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল জলিল, হাসান আলী, মোছা. বেলী বেগম, আবু তালেব জোয়াদ্দার, হাফিজুর রহমান মুকুল, তোফাজ্জল হোসাইন (পল্টি) ও শওকত আলম।রাষ্ট্রপতি বলেন, কৃষকরা দেশের অর্থনীতি ও খাদ্য উৎপাদনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। কৃষকদের সম্মান জানানো এবং কৃষিক্ষেত্রে নতুন উদ্ভাবন ও অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি দিতে রাষ্ট্রপতি কৃষি পুরস্কার চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।তিনি কৃষকদের সর্বাঙ্গীণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে কৃষি ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সর্বোচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগের পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে কৃষকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোকে একটি বৃহত্তর আন্দোলনে পরিণত করার আহ্বান জানান।রাষ্ট্রপতি বলেন, কৃষকের শ্রম, নতুন উচ্চফলনশীল জাতের উদ্ভাবন এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের ফলে দেশের কৃষি উৎপাদন বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আরও  পড়ুন, অক্টোবরে জাপান, নভেম্বরে তুরস্ক-সৌদি সফরে প্রস্তুতি প্রধানমন্ত্রীরকৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।কৃষিপণ্য যাতে সহজে ভোক্তার কাছে পৌঁছাতে পারে এবং কৃষক যাতে উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পান, সেজন্য কার্যকর বিপণন ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। এ বিষয়ে কৃষকদের আরও সচেতন ও উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।রাষ্ট্রপতি জানান, কৃষকদের উন্নয়ন ও কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার নতুন একটি স্কিম চালু করেছে, যার আওতায় ইতোমধ্যে ৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এছাড়া কৃষকদের জন্য সহজ শর্তে কম সুদে কৃষিঋণের ব্যবস্থা গ্রহণসহ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।সাক্ষাৎকালে কৃষক সমিতির পক্ষ থেকে কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, বিনা সুদে ঋণের সুবিধা, কৃষক দিবস পালন, কৃষকদের জাতীয় পুরস্কার প্রদান, শস্যবীমা চালু, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটিতে কৃষকদের প্রতিনিধিত্ব, বজ্রপাত ও সাপের কামড় থেকে কৃষকদের সুরক্ষা এবং কৃষি উপকরণ সুলভে সরবরাহের দাবি তুলে ধরা হয়।রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশে উৎপাদিত ফলমূল ও বিভিন্ন কৃষিজাত পণ্যের বিদেশে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এসব কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত পণ্য রপ্তানিতে আরও উদ্যোগী হওয়ার জন্য কৃষক সমিতির সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

রাজনীতিরাজনীতি

৫৪ দেশের প্রতিনিধিদের ভোটে ডংফাং স্কলারশিপের অ্যাম্বাসেডর ডা. আউয়াল

৫৪ দেশের প্রতিনিধিদের ভোটে ডংফাং স্কলারশিপের অ্যাম্বাসেডর ডা. আউয়াল

চীনের পিকিং ইউনিভার্সিটির ডংফাং স্কলারশিপে অ্যাম্বাসেডর নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল। ৫৪ দেশের প্রতিনিধিদের সরাসরি ভোটে সর্বোচ্চ ১৯ ভোট পেয়ে তিনি এই পদে নির্বাচিত হন। বিষয়টি রোববার প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।উদীয়মান রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে আয়োজিত ডংফাং স্কলারশিপ কর্মসূচিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন ডা. আউয়াল। এতে ৫৪টি দেশের ৫৪ জন প্রতিনিধি অংশ নেন। কর্মসূচির নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে অ্যাম্বাসেডর নির্বাচন করা হয়।নির্বাচনে ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল ১৯ ভোট পান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইকুয়েডরের উপরাষ্ট্রপতির উপদেষ্টা লোরেনা পোন্সে পান ১৭ ভোট। জিম্বাবুয়ের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এলবার্ট মাভুঙ্গা পান ৮ ভোট এবং মালদ্বীপের উপমন্ত্রী আহমেদ আরিম পান ৫ ভোট।আড়ও পড়ুন,দখলের অভিযোগ খতিয়ে দেখার দাবি তাসনিম জারারপিকিং ইউনিভার্সিটি ২০২৭ সালের কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংয়ে বিশ্বে ১৩তম অবস্থানে রয়েছে। কিউএসের প্রকাশিত ফলাফলেও বিশ্ববিদ্যালয়টির ১৩তম অবস্থান নিশ্চিত করা হয়েছে।তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ডা. আউয়াল তার রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর কথা বলেন। তিনি জানান, তাদের আস্থা রক্ষায় তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। অ্যাম্বাসেডর নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশ ও দেশটির নেতৃত্বের সঙ্গে সহযোগিতার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

দখলের অভিযোগ খতিয়ে দেখার দাবি তাসনিম জারার

দখলের অভিযোগ খতিয়ে দেখার দাবি তাসনিম জারার

দেশজুড়ে জমি, বাড়ি ও দোকান দখলের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন চিকিৎসক ও রাজনীতিক ডা. তাসনিম জারা। এসব অভিযোগের অনেকগুলো স্থানীয় বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের শিকার বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।তাসনিম জারা বলেন, বিএনপি তাদের দলের একজন নেতাকে বহিষ্কার করেছে—সম্ভবত জয়পুরহাটের ঘটনা। তিনি এটিকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে শুধু বহিষ্কার বা দলীয় বিবৃতির মধ্যে বিষয়টি সীমাবদ্ধ না রেখে দখলের অভিযোগের পেছনের কারণ এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি প্রশ্ন তোলেন।তিনি আরও প্রশ্ন করেন, ক্ষমতায় আসার পর স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা কেন এ ধরনের দখলের ক্ষেত্রে উৎসাহ বা সুযোগ পাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠছে। আরও  পড়ুন ,‘সবার ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে না, ভালো মানুষ হতে হবে’ : হাসনাতএকই সঙ্গে দখলের অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তাসনিম জারা। তিনি জানতে চান, একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলার সময় পুলিশ কী দায়িত্ব পালন করেছে এবং এ ধরনের পরিস্থিতি চলতে থাকলে সাধারণ মানুষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর কীভাবে আস্থা রাখবে।গত ২৪ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় করা মামলায় ২৫ সেপ্টেম্বর চারজনকে গ্রেপ্তারের পর ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট নয়জনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে লুট হওয়া দুই ট্রাক মালামাল উদ্ধারের তথ্যও জানানো হয়েছে।ঘটনার পর শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলমকে প্রশাসনিক কারণে প্রত্যাহার করে ডিএমপি সদরদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, এ ঘটনায় কোনো পুলিশ সদস্যের দায়িত্বে অবহেলা বা গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘সবার ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে না, ভালো মানুষ হতে হবে’ : হাসনাত

‘সবার ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে না, ভালো মানুষ হতে হবে’ : হাসনাত

সবার ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে না, তবে কেউ যেন মাদকাসক্ত বা অপরাধের সঙ্গে জড়িত না হয়—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে এমন বার্তা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার দেবিদ্বার সরকারি রেয়াজ উদ্দিন পাইলট মডেল উচ্চবিদ্যালয়ে এ প্লাস ও বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, সবাইকে ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে—এমন কোনো কথা নেই। কেউ বিদেশে যেতে পারে, কেউ নিজের পছন্দের অন্য কোনো পেশায় যেতে পারে। তবে জীবনে যে পথই বেছে নেওয়া হোক, মাদক, অপরাধ ও দুর্নীতি থেকে দূরে থাকতে হবে।তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার নিয়ে এখন থেকেই সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। তার ভাষ্য, পড়াশোনার মাধ্যমে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে কলেজের ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। এই সময়টিকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে উচ্চশিক্ষার পথও উন্মুক্ত হবে।নিজের স্কুলজীবনের স্মৃতিচারণ করে হাসনাত বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর পুরোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসে তিনি দেখছেন, যে শিক্ষকরা তাদের তারুণ্যের সময় শিক্ষার্থীদের পেছনে শ্রম ও সময় দিয়েছেন, তারা এখন বার্ধক্যে পৌঁছেছেন। শিক্ষকদের পাশাপাশি মা-বাবার প্রতিও শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব ও ঋণ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।আরও  পড়ুন : গুলিস্তানে জাসদ কার্যালয় থেকে শতাধিক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী আটককিশোর গ্যাংয়ের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, দেবিদ্বারের কয়েকজন কিশোরকে কিশোর গ্যাংয়ের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে থানায় নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীও রয়েছে বলে তিনি জানান। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য পৃথকভাবে পাওয়া যায়নি।হাসনাত বলেন, এলাকার কোনো শিক্ষার্থীর ভালো কাজের খবর শুনলে সেটি গর্বের বিষয় হবে। অন্যদিকে অপরাধে জড়ানোর খবর এলে তা হতাশার কারণ। ভালো কাজে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, অপরাধ করলে নিজের ভাই কিংবা নিজের এলাকার বা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হলেও ছাড় দেওয়া হবে না—এমন বক্তব্যও তিনি দেন।অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের মাদক, কিশোর গ্যাং ও বিপথগামী কর্মকাণ্ডে না জড়ানোর শপথ করান তিনি।অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. শরিফুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবিদ্বার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেওয়ান মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. কামরুজ্জামান মজুমদার, সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুস সবুর এবং সাবেক শিফট ইনচার্জ জামাল মো. কবীরসহ অন্যরা।

গুলিস্তানে জাসদ কার্যালয় থেকে শতাধিক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী আটক

গুলিস্তানে জাসদ কার্যালয় থেকে শতাধিক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী আটক

রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের জাসদের প্রধান কার্যালয় থেকে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতাকর্মীকে আটক করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ডিএমপি।শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে জাসদের প্রধান কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে গোপন বৈঠক চলছিল এবং ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি বহিরাগত অনেকে অবস্থান করছিলেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে ক্রাইম ও গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ অভিযান চালানো হয়।পল্টন মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আরিফুর ইসলাম জানান, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কয়েকজনকে থানায় আনা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই শেষে এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে।আড়ও পড়ুন,নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর পাঞ্জাবি ছিঁড়ে ফেলার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল নেতা তমিজেরডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপকমিশনার মো. আকতার হোসেন জানান, অভিযান চলাকালে ইতোমধ্যে অর্ধশতাধিক ব্যক্তিকে হেফাজতে নিয়ে পল্টন থানায় নেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তথ্য বিশ্লেষণ এবং জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পুলিশ জানিয়েছে, জাসদের প্রধান কার্যালয়ে অভিযান এখনো চলমান রয়েছে। আটক ব্যক্তিদের পরিচয় ও তাদের বিরুদ্ধে কোনো নির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে কি না তা যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সারাবাংলা

পুলিশ সুপার কাপ প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লীগ উপলক্ষে ক্লাব প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা সভা

পুলিশ সুপার কাপ প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লীগ উপলক্ষে ক্লাব প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা সভা

ময়মনসিংহে পুলিশ সুপার কাপ প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লীগ আয়োজন উপলক্ষে ক্লাব প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ সুপার ও ময়মনসিংহ জেলা ক্রীড়া সংস্থার ক্রিকেট উপ-কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কামরুল হাসান সভায় সভাপতিত্ব করেন।আড়ও পড়ুন,গাজীপুরে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে ‘প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’-এর উদ্বোধনসভায় প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লীগ আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতি, অংশগ্রহণকারী ক্লাবগুলোর বিভিন্ন বিষয় এবং প্রতিযোগিতাটি সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।সভায় সংশ্লিষ্ট ক্লাব প্রতিনিধিরা লীগ আয়োজন নিয়ে তাদের মতামত ও বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, সবার সহযোগিতায় পুলিশ সুপার কাপ প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লীগ সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।

গাজীপুরে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে ‘প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’-এর উদ্বোধন

গাজীপুরে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে ‘প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’-এর উদ্বোধন

তরুণ ও যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রেখে একটি সুস্থ, সুন্দর ও সামাজিক শৃঙ্খলাবদ্ধ সমাজ গঠনের লক্ষ্যে গাজীপুরে বিপুল উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শুভ উদ্বোধন হলো ‘প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের উদ্দ্যোগে আয়োজিত ঐতিহাসিক এই টুর্নামেন্টকে ঘিরে পুরো সিটি এলাকা জুড়ে ক্রীড়াপ্রেমীদের মাঝে এক উৎসবমুখর আমেজ ও প্রবল প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।আজ গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৫ নং অঞ্চলের কাশিমপুর গিয়াসউদ্দিন সরকার খেলার মাঠে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই ফুটবলের মহারণের আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়।​প্রধান অতিথির বক্তব্য ও মূল ভাবনা​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মান্যবর প্রশাসক জনাব শওকত হোসেন সরকার।​উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধান অতিথি বলেন, “মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। যুবসমাজকে অপরাধমূলক কাজ ও মাদকের করাল গ্রাস থেকে দূরে রেখে মাঠমুখী করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সকল নাগরিককে বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে ক্রীড়ামুখী করতেই এই প্রশাসক গোল্ডকাপের আয়োজন করা হয়েছে। খেলাধুলা শুধু শারীরিকভাবে সুস্থ রাখে না, এটি মানসিক বিকাশ ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বাড়াতেও সাহায্য করে।” ​টুর্নামেন্ট কাঠামো ও পরিচালনাআড়ও পড়ুন,বাসন তৈয়জউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি তানভীর সিরাজ​গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের বিস্তীর্ণ এলাকাকে অন্তর্ভুক্ত করে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের তুলে আনতে পুরো অঞ্চলকে ৮টি জোনে বিভক্ত করে এই টুর্নামেন্টের নকশা করা হয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের ৮টি অঞ্চলের দলগুলো একে অপরের মুখোমুখি হয়ে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে নামবে। ক্রীড়াপ্রেমীদের মতে, এমন আঞ্চলিক ভাগ করে বড় আকারের আয়োজন গাজীপুরের ফুটবল অঙ্গনে এক নতুন উদ্দীপনা সঞ্চার করেছে।​উপস্থিত অতিথিবৃন্দ ও ব্যবস্থাপনা ​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিলা খানম। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত সচিব ফিরোজ আল মামুন।​অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন:​গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী​৮টি জোনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ (আনিক)​আঞ্চলিক নির্বাহী প্রকৌশলীবৃন্দ​সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।​উদ্বোধনী ম্যাচের নাটকিয়তা: টাইব্রেকারে পুবাইল অঞ্চলের জয়​উদ্বোধনী দিনের প্রথম ম্যাচেই মাঠে মুখোমুখি হয় কাশিমপুর অঞ্চল বনাম পুবাইল অঞ্চল। শুরু থেকেই দু’দলের খেলোয়াড়দের আক্রমণ ও পাল্টা-আক্রমণে ম্যাচটি অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ ও জমজমাট রূপ নেয়।​নির্ধারিত সময়ের তুমুল লড়াই শেষে ম্যাচটি সমতায় শেষ হলে খেলা গড়ায় ভাগ্যনির্ধারণী টাইব্রেকারে। শেষ পর্যন্ত স্নায়ুচাপ ধরে রেখে নৈপুণ্য প্রদর্শন করে কাশিমপুর অঞ্চলকে পরাজিত করে বিজয়ের হাসি হাসে পুবাইল অঞ্চল। প্রথম ম্যাচটির এমন রোমাঞ্চকর লড়াই দর্শকদের আনন্দে উদ্বেলিত করে এবং পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে আরও দৃষ্টিনন্দন ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ ফুটবলের আভাস দিয়ে গেল।

বাসন তৈয়জউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি তানভীর সিরাজ

বাসন তৈয়জউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি তানভীর সিরাজ

গাজীপুর মহানগরীর বাসন তৈয়জউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাসন মেট্রো থানা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব তানভীর সিরাজ।সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পর তাকে বিদ্যালয়টির এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়।তানভীর সিরাজ দীর্ঘদিন ধরে বাসন মেট্রো থানা বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং শিক্ষার্থীদের সহশিক্ষা কার্যক্রমে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।আড়ও পড়ুন,কসবায় কৃষকদের আস্থা ও সফলতার প্রতীক হয়ে উঠছেন কৃষি অফিসার আয়েশা আক্তারবিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা জানান, এডহক কমিটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।নবনির্বাচিত সভাপতি আলহাজ্ব তানভীর সিরাজ বলেন, “বিদ্যালয়ের শিক্ষা ও সার্বিক পরিবেশ উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা নিয়ে কাজ করতে চাই। শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সুন্দর ও নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করাই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা নতুন কমিটির মাধ্যমে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

কসবায় কৃষকদের আস্থা ও সফলতার প্রতীক হয়ে উঠছেন কৃষি অফিসার আয়েশা আক্তার

কসবায় কৃষকদের আস্থা ও সফলতার প্রতীক হয়ে উঠছেন কৃষি অফিসার আয়েশা আক্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার কৃষি খাতে ইতিবাচক পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন কৃষি অফিসার আয়েশা আক্তার।দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করছেন এবং সরাসরি কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যা, চাহিদা ও পরামর্শ সম্পর্কে অবগত হচ্ছেন।কৃষকদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, রোগবালাই দমন, সুষম সার ব্যবস্থাপনা এবং অধিক ফলনশীল ফসল চাষে উৎসাহ প্রদান করছেন।তার এই মাঠমুখী কার্যক্রমের ফলে অনেক কৃষক নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারে আগ্রহী হচ্ছেন এবং বিভিন্ন ফসলে ভালো ফলন পাচ্ছেন।এরই অংশ হিসেবে সম্প্রতি কুটি এলাকায় কৃষক বিশ্বজিৎ দে-এর কৃষি মাঠ পরিদর্শন করেন আয়েশা আক্তার। পরিদর্শনকালে তিনি ফসলের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন।আড়ও পড়ুন,লামায় উপজলো সমবায় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে রিকশা চালক সমবায় সমিতির সংবাদ সম্মেলনস্থানীয় কৃষকদের মতে, কৃষি অফিসার আয়েশা আক্তার নিয়মিত মাঠে এসে তাদের কথা শোনেন, সমস্যার সমাধানে পরামর্শ দেন এবং কৃষি বিভাগের সেবা সহজে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেন। ফলে কৃষকদের মধ্যে কৃষি বিভাগের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং উৎপাদনশীলতাও বাড়ছে।কৃষি সংশ্লিষ্টদের আশা, মাঠ পর্যায়ে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে কসবা উপজেলার কৃষি খাত আরও সমৃদ্ধ হবে এবং কৃষকরা অধিক লাভবান হবেন।

আন্তর্জাতিক

মার্কিন বিমানঘাঁটির কাছে নাশকতার সন্দেহে কয়েকজন আটক

মার্কিন বিমানঘাঁটির কাছে নাশকতার সন্দেহে কয়েকজন আটক

ঘটনার পর যুক্তরাজ্যের কাউন্টার টেরর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালানোর সন্দেহে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।তবে পুলিশ জানিয়েছে পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বিমানঘাঁটির পাশের এলাকাটি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ঘিরে রেখেছেন। পাশাপাশি আশপাশের বাড়িঘর থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে।অভিযানে যুক্তরাজ্যের সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশ নেতৃত্ব দিচ্ছে। তাদের বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থলে বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি চালাচ্ছেন।ঘটনাটি ঘটেছে আরএএফ ফেয়ারফোর্ডের কাছাকাছি এলাকায়। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের দফতর জানিয়েছে তিনি পরিস্থিতির বিষয়ে নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন।সরকারের একজন মুখপাত্র জরুরি পরিষেবাগুলোর দ্রুত পদক্ষেপের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। তিনি বলেন কয়েকজন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।আড়ও পড়ুন,চীন থেকে আটলান্টায় যাচ্ছে দুই জায়ান্ট পান্ডাইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ারফোর্সের এই বিমানঘাঁটি মার্কিন সেনারা ব্যবহার করে আসছেন। সর্বশেষ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন মার্কিন সেনারা সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন।তবে এখন পর্যন্ত ঘটনার প্রকৃতি বা সম্ভাব্য হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনাটি নিয়ে আরও তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

৫ ঘন্টা আগে

রাজধানী

বাহরের ৯৯ রোডে স্পা সেন্টার ঘিরে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের অভিযোগ

বাহরের ৯৯ রোডে স্পা সেন্টার ঘিরে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের অভিযোগ

রাজধানীর অভিজাত গুলশান এলাকার ৯৯ নম্বর রোডে একটি স্পা সেন্টারকে ঘিরে ফের নানা অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটিতে বৈধ স্পা সেবার আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, মাদক সংশ্লিষ্টতা এবং কিশোর গ্যাংয়ের আনাগোনার মতো বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা আলোচনা রয়েছে। এর আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানের পর প্রতিষ্ঠানটি কিছুদিন বন্ধ থাকলেও সম্প্রতি নতুন কৌশলে আবারও কার্যক্রম শুরু করার অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গুলশানের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও আবাসিক-ব্যবসায়িক এলাকায় কোনো স্পা সেন্টারের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন, ট্রেড লাইসেন্স, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত কার্যক্রমের বিষয়ে স্বচ্ছতা থাকা জরুরি। কিন্তু বাহারের ৯৯ নম্বর রোডের ওই প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে এসব বিষয়ে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, এর আগে ওই স্পা সেন্টারে অভিযান চালানো হয়েছিল। অভিযানে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাজা হওয়ার কথাও জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। অভিযানের পর কয়েকদিন প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ ছিল।তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার পর আবারও ভিন্ন পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, আগের মতো প্রকাশ্যে কার্যক্রম পরিচালনার পরিবর্তে এখন যোগাযোগের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। পরিচিত ব্যক্তি কিংবা নির্দিষ্ট যোগাযোগের মাধ্যমে গ্রাহক প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছেন এমন অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।আরও  পড়ুন : বনানীতে গেস্ট হাউজ-স্পা, ওসির ভূমিকা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্নগুলশান এলাকায় স্পা, বিউটি সেলুন ও বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্রের আড়ালে অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ মাঝে মধ্যেই সামনে আসে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালিয়ে অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়। কিন্তু অভিযান শেষ হওয়ার পর একই ধরনের প্রতিষ্ঠান আবার চালু হওয়ার অভিযোগ থাকায় নজরদারি ও নিয়মিত তদারকি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠান একবার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে এলে শুধু অভিযান চালিয়েই দায়িত্ব শেষ করা যথেষ্ট নয়। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটি কীভাবে আবার চালু হলো, নতুন মালিকানা বা ব্যবস্থাপনা এসেছে কি না, লাইসেন্স ও অনুমোদন।  ওই স্পা সেন্টারকে ঘিরে মাদক কারবারি ও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা বাড়ছে বলেও স্থানীয়দের মধ্যে অভিযোগ রয়েছে। তাদের দাবি, রাতের দিকে অপরিচিত তরুণদের চলাচল এবং সন্দেহজনক ব্যক্তিদের আনাগোনা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। তবে মাদক ব্যবসা বা কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির সরাসরি সম্পৃক্ততার বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন বা আদালতের রায় এই প্রতিবেদকের হাতে নেই। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, গুলশানের মতো এলাকায় কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ড নিয়ে অভিযোগ উঠলে বিষয়টি দ্রুত যাচাই করা দরকার। বিশেষ করে কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত নজরদারি প্রয়োজন।আরও  পড়ুন : গুলশানে গেস্ট হাউজ-স্পা, পেছনে মিরাজের অজানা সাম্রাজ্যএকটি স্পা সেন্টার পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির বৈধতা, ট্রেড লাইসেন্স, কর-সংক্রান্ত কাগজপত্র, অগ্নিনিরাপত্তা এবং ভবন ব্যবহারের অনুমোদনসহ সংশ্লিষ্ট সব নথি যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি যে উদ্দেশ্যে অনুমোদন পেয়েছে, বাস্তবে সেই কার্যক্রমই পরিচালনা করছে কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।স্থানীয়দের প্রশ্ন, আগে যদি অভিযান হয়ে থাকে এবং অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটি কীভাবে পুনরায় কার্যক্রম শুরু করল? নতুন করে কোনো অনুমোদন নেওয়া হয়েছে কি না, ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন এসেছে কি না এবং প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান কার্যক্রম নিয়ম অনুযায়ী চলছে কি না এসব বিষয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।গুলশান থানার আওতাধীন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে। কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে বারবার অভিযোগ উঠলে সেটি আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।তাদের মতে, শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে কোনো প্রতিষ্ঠানকে অপরাধের সঙ্গে যুক্ত বলে চিহ্নিত করা যেমন ঠিক নয়, তেমনি অভিযোগ পাওয়ার পর তা যাচাই না করাও উচিত নয়। প্রয়োজন হলে সাদা পোশাকে নজরদারি, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা, প্রতিষ্ঠানের রেজিস্টার পরীক্ষা এবং সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে প্রকৃত পরিস্থিতি বের করা যেতে পারে।আরও  পড়ুন :গুলশানে গেস্ট হাউজ ও দীর্ঘদিনের স্পা ব্যবসায় কোটিপতি মিরাজঅভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি মাদক, কিশোর গ্যাং ও অপরাধী চক্রের সঙ্গে কারও সম্পৃক্ততা থাকলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা না থাকলে সেটিও তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার করা জরুরি।স্থানীয়দের দাবি, গুলশানের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন বা অভিযোগযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে সমন্বিতভাবে অভিযান পরিচালনা করা হোক। পুলিশ, সিটি করপোরেশন, ফায়ার সার্ভিস, রাজউক ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিজ নিজ এখতিয়ার অনুযায়ী নথিপত্র ও কার্যক্রম যাচাই করলে প্রকৃত চিত্র সামনে আসতে পারে। এদিকে ওই স্পা সেন্টারের মালিক বাহার বলেন আমি অনেক পুরানো ব্যবসায়ী এসব বিষয়ে গুলশানের মানুষ জানে এবং আমি একাধিক মামলা খেয়েছি। যাহা গুলশান থানায় রেকর্ড ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া এসব ব্যবসা সম্পর্কে  গুলশান থান পুলিশ সব জানে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গুলশানের মতো এলাকায় ব্যবসার আড়ালে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সুযোগ থাকা উচিত নয়। আবার কোনো বৈধ ব্যবসা যেন কেবল অভিযোগের ভিত্তিতে হয়রানির শিকার না হয়, সেটিও নিশ্চিত করা জরুরি। তাই ৯৯ নম্বর রোডের ওই স্পা সেন্টারকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, বৈধতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়াই এখন গুরুত্বপূর্ণ।

১৩ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৫ জন

খেলাধুলা

বিদায়ী ইনিংসে ১০৮ রানের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি এলগারের

বিদায়ী ইনিংসে ১০৮ রানের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি এলগারের

পেশাদার ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শেষ ইনিংসটি স্মরণীয় করে রাখলেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক ব্যাটার ডিন এলগার। কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ডিভিশন ওয়ানে গ্লামরগনের বিপক্ষে বিদায়ী ম্যাচে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি করেছেন এসেক্সের এই বাঁহাতি ব্যাটার।কার্ডিফে অনুষ্ঠিত ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮১ বল মোকাবিলা করে ১৫টি চারের সাহায্যে ১০৮ রান করেন এলগার। প্রথম ইনিংসে মাত্র ২ রান করলেও দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি করে নিজের শেষ ম্যাচকে স্মরণীয় করে রাখেন তিনি।প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ২৮৪ ম্যাচে এটি এলগারের ৫৬তম সেঞ্চুরি। ২০০৬ সালে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেকের পর ১৯ হাজারের বেশি রান করেছেন তিনি।২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্ট খেলার পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানান এলগার। এরপর ইংল্যান্ডের এসেক্সের সঙ্গে তিন বছরের চুক্তি করেন তিনি। চলতি মৌসুমের কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ শেষে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট থেকেও অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এই সাবেক দক্ষিণ আফ্রিকান অধিনায়ক।গ্লামরগনের বিপক্ষে ম্যাচটিই তাই এলগারের পেশাদার ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। চলতি মৌসুমে ১৪ ম্যাচের ২৬ ইনিংসে তিন সেঞ্চুরি ও দুই হাফ সেঞ্চুরিতে ৮১৭ রান করেছেন তিনি।আড়ও পড়ুন,এশিয়ান গেমসে জয় অধরাই থাকল বাংলাদেশের নারী হকিতেতবে এলগারের সেঞ্চুরির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে নেই এসেক্স। গ্লামরগনের প্রথম ইনিংসে ৫০৫ রানের জবাবে মাত্র ১২৯ রানে অলআউট হয় এসেক্স। এরপর ফলো-অনে পড়ে তৃতীয় দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেটে ৩৩১ রান করেছে তারা।আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারেও এলগারের রয়েছে দীর্ঘ সাফল্যের ইতিহাস। ২০১২ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট অভিষেকের পর দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ৮৬ টেস্টে ১৪টি সেঞ্চুরি ও ২৩টি হাফ সেঞ্চুরিতে ৫ হাজার ৩৪৭ রান করেন তিনি।দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট দলকে ১৮ ম্যাচে নেতৃত্বও দিয়েছেন এলগার। অধিনায়ক হিসেবে তার নেতৃত্বে ৯টি ম্যাচ জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, ৮টিতে হেরেছে এবং একটি ম্যাচ ড্র হয়েছে।বিদায়ী ম্যাচে সেঞ্চুরি করে ব্যাট হাতে নিজের শেষ অধ্যায়টাও দারুণভাবেই লিখে রাখলেন ডিন এলগার।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!