দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

মেঘনা পেট্রোলিয়ামের এজিএম রাশেদুল হকের শত কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ

মেঘনা পেট্রোলিয়ামের এজিএম রাশেদুল হকের শত কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ

রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি বিপণন প্রতিষ্ঠান মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডে (পিএলসি) নিয়োগপ্রক্রিয়া, পদোন্নতি, বদলি, আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও সম্পদ অর্জনকে কেন্দ্র করে অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম-এমআই) মো. রাশেদুল হকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ভুয়া সনদ ব্যবহার করে চাকরি নেওয়া, দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে বহাল থাকা, নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার এবং কোম্পানির অর্থ আত্মসাতের মতো গুরুতর অভিযোগ সামনে এনেছেন অভিযোগকারীরা। তাঁদের দাবি, এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হলে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরীণ অনিয়মের চিত্র এবং কথিত সিন্ডিকেটের কার্যক্রম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা নথি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রতিবেদন কিংবা অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য এখানে পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোকে প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই এবং অভিযুক্তের বক্তব্য গ্রহণের মাধ্যমে বিষয়গুলোর সত্যতা নির্ধারণ করা প্রয়োজন।আরও পড়ুন: মৌচাক এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান ইয়াবা ও গাঁজাসহ তিনজন আটকঅভিযোগের প্রথম দিকেই রয়েছে মো. রাশেদুল হকের নিয়োগপ্রক্রিয়া ও শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন। অভিযোগকারীদের দাবি, ২০১২ সালের ১ নভেম্বর মেঘনা পেট্রোলিয়ামে যোগদানের সময় তিনি নিয়োগসংক্রান্ত কাগজপত্র ও ছাড়পত্রের ক্ষেত্রে অনিয়মের আশ্রয় নিয়েছিলেন। তাঁদের অভিযোগ, নিয়োগের জন্য নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ না করেও তিনি জাল বা ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে চাকরি লাভ করেন এবং কারিগরি শাখার পদসংশ্লিষ্ট সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করেন। তথ্য অনুযায়ী, কোম্পানির তৎকালীন সার্ভিস নীতিমালা ও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে সাধারণ শাখার সপ্তম গ্রেডের অফিসার পদে প্রথম বিভাগে স্নাতকোত্তর ডিগ্রির পাশাপাশি ন্যূনতম তিন বছরের অভিজ্ঞতার শর্ত ছিল। অন্যদিকে, কারিগরি শাখার পঞ্চম গ্রেডের পদের জন্য বিএসসি ডিগ্রির যোগ্যতা নির্ধারিত ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। এই দুই পদের নিয়োগযোগ্যতা, গ্রেড ও দায়িত্বের মধ্যে পার্থক্য থাকায় রাশেদুল হকের নিয়োগের সময় কোন পদে কী যোগ্যতা নির্ধারিত ছিল, তিনি কোন সনদ জমা দিয়েছিলেন এবং সেসব সনদ কোন কর্তৃপক্ষ যাচাই করেছিল, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, নিয়োগপত্র, শিক্ষাগত সনদ, অভিজ্ঞতার প্রত্যয়নপত্র এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র পরীক্ষা করা প্রয়োজন। যদি নথি যাচাইয়ে সনদ জালিয়াতি বা নিয়োগবিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তা শুধু একজন কর্মকর্তার নিয়োগসংক্রান্ত অনিয়মের বিষয় থাকবে না; বরং রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করবে।আরও পড়ুন: দেশে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি দমনে প্রয়োজন ‘অপারেশন ক্লিন হান্ট’রাশেদুল হকের বিরুদ্ধে ওঠা আরেকটি অভিযোগ হলো, তিনি দীর্ঘ সময় ধরে একই গুরুত্বপূর্ণ কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করছেন। অভিযোগকারীদের দাবি, প্রশাসনিক বদলি ও পদায়নের প্রচলিত প্রক্রিয়া কার্যকর থাকা সত্ত্বেও তিনি দীর্ঘদিন একই জায়গায় দায়িত্বে বহাল রয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার মাধ্যমে তিনি নিজের অবস্থান শক্তিশালী করেছেন। তবে তাঁর কর্মজীবনের সুনির্দিষ্ট সময়কাল, দায়িত্ব পরিবর্তনের ইতিহাস এবং সংশ্লিষ্ট পদে থাকার প্রশাসনিক অনুমোদন যাচাই না করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়। বদলি নীতিমালা, পদায়ন আদেশ, দায়িত্ব বণ্টনের নথি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করলে বিষয়টি স্পষ্ট হতে পারে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার ফলে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি হয়ে থাকতে পারে। তাঁদের দাবি, এই অবস্থানের সঙ্গে অন্য কোনো অনিয়মের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।আরও পড়ুন: মেঘনা পেট্রোলিয়ামের অভ্যন্তরে নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলিকে কেন্দ্র করে একটি অঘোষিত সিন্ডিকেট গড়ে তোলার অভিযোগও রয়েছে রাশেদুল হকের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারীদের দাবি, এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিয়োগপ্রার্থী এবং পদোন্নতি ও বদলিপ্রত্যাশী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর প্রভাব বিস্তার করা হতো।  যোগ্যতা ও জ্যেষ্ঠতার পরিবর্তে আর্থিক লেনদেনের ভিত্তিতে নিয়োগ কিংবা পদোন্নতির সুযোগ তৈরি করা হতো। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কোম্পানির ডিপো থেকে নিয়মিত অর্থ আদায়ের অভিযোগও সামনে এসেছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কথিত এই অর্থ আদায়ে সম্মত না হলে বদলি বা প্রশাসনিক হয়রানির আশঙ্কা দেখানো হতো। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে নির্দিষ্ট লেনদেনের নথি, অর্থ প্রদানের রসিদ, ব্যাংক হিসাব, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের লিখিত অভিযোগ কিংবা প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য এখানে উপস্থাপিত হয়নি। ফলে কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের সত্যতা প্রতিষ্ঠার জন্য স্বাধীন তদন্ত প্রয়োজন। নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি, মূল্যায়নপত্র, বোর্ডের কার্যবিবরণী, জ্যেষ্ঠতার তালিকা এবং অনুমোদনসংক্রান্ত নথি পরীক্ষা করা যেতে পারে। পাশাপাশি ডিপোভিত্তিক আর্থিক লেনদেন ও বদলির আদেশ পর্যালোচনা করলে অভিযোগগুলোর প্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া সম্ভব।আরও পড়ুন: সত্য ও জনমানুষের কথা বলার প্রত্যয়ে আরও দূর পথকোম্পানির অর্থ ব্যবস্থাপনাকে ঘিরেও রাশেদুল হকের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, মামলা পরিচালনার ব্যয়, দাপ্তরিক খরচ, আপ্যায়ন এবং রক্ষণাবেক্ষণের নামে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে কোম্পানির অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, কোম্পানির নামে পরিচালিত বিভিন্ন মামলার আইনি ব্যয়ের হিসাবেও অনিয়মের আশ্রয় নেওয়া হয়ে থাকতে পারে। এ ছাড়া কোম্পানির বরাদ্দ করা গাড়ি ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কাজে ব্যবহার এবং সেই গাড়ির জ্বালানি ব্যয় প্রতিষ্ঠানের তহবিল থেকে পরিশোধের অভিযোগও করা হয়েছে।রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় এসব অভিযোগের গুরুত্ব রয়েছে। কারণ, প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি ব্যয়ের বিপরীতে যথাযথ অনুমোদন, গ্রহণযোগ্য বিল-ভাউচার এবং নিরীক্ষাযোগ্য হিসাব থাকা প্রয়োজন। কোনো ব্যয় বাস্তবে সংঘটিত হয়েছে কি না, অর্থ নির্ধারিত খাতে ব্যবহার করা হয়েছে কি না এবং অনুমোদিত ব্যক্তিরাই ব্যয়ের সুবিধা পেয়েছেন কি না, তা নথি যাচাইয়ের মাধ্যমে নির্ধারণ করা যায়। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সময়ের হিসাববই, ভাউচার, ব্যাংক লেনদেন, আইনি পরামর্শকের বিল, মামলার নথি, গাড়ির লগবুক এবং জ্বালানি ব্যবহারের হিসাব নিরীক্ষা করা প্রয়োজন। কোনো ব্যয়ে অসংগতি পাওয়া গেলে তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষের ভূমিকা আলাদাভাবে পরীক্ষা করা জরুরি।আরও পড়ুন: বনানীতে গেস্ট হাউজ-স্পা, ওসির ভূমিকা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্নরাশেদুল হকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো তাঁর কথিত বিপুল সম্পদ অর্জন। অভিযোগকারীদের দাবি, ভোলায় তাঁর গ্রামের বাড়িতে বিপুল অর্থ ব্যয়ে বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া নিজের ও পরিবারের সদস্যদের ব্যবহারের জন্য একাধিক দামি গাড়ি কেনা এবং স্ত্রী-সন্তানদের নামে ব্যাংকে স্থায়ী আমানত বা এফডিআর ও সরকারি সঞ্চয়পত্রে বড় অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগের অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগকারীদের একাংশের দাবি, এসব সম্পদের পরিমাণ তাঁর বৈধ আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা তদন্ত করা প্রয়োজন। তবে বাড়ি, গাড়ি, ব্যাংক আমানত ও সঞ্চয়পত্রের প্রকৃত পরিমাণ, মালিকানা এবং অর্থের উৎস সম্পর্কে যাচাই করা নথি এখানে নেই। তাই তাঁর বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগকে প্রমাণিত তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না।সম্পদের উৎস যাচাই করতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আয়কর রিটার্ন, বেতন-ভাতা, সম্পদ বিবরণী, জমি ও বাড়ির দলিল, গাড়ির নিবন্ধন, ব্যাংক হিসাব এবং বিনিয়োগের নথি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা সম্পদের ক্ষেত্রে মালিকানা ও অর্থের প্রকৃত উৎস অনুসন্ধান করা যেতে পারে। কোনো সম্পদ শুধু পরিবারের সদস্যের নামে রয়েছে বলেই সেটিকে অবৈধ সম্পদ বলা যায় না। একইভাবে সম্পদের পরিমাণ বেশি হলেই দুর্নীতি প্রমাণিত হয় না। বৈধ আয়ের সঙ্গে সম্পদের অসামঞ্জস্য, অর্থের উৎস এবং সংশ্লিষ্ট লেনদেনের প্রমাণের ভিত্তিতেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।আরও পড়ুন: ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রীমেঘনা পেট্রোলিয়ামের একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিয়োগসংক্রান্ত জালিয়াতি, প্রশাসনিক প্রভাব বিস্তার, আর্থিক অনিয়ম এবং বিপুল সম্পদ অর্জনের মতো একাধিক অভিযোগ ওঠায় বিষয়গুলো নথিভিত্তিকভাবে যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা। তাঁদের মতে, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন ও প্রতিষ্ঠানের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে কোম্পানির অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা বিভাগ, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং এখতিয়ারসম্পন্ন তদন্তকারী সংস্থা নিজ নিজ ক্ষমতার মধ্যে থেকে বিষয়গুলো পরীক্ষা করতে পারে। দুর্নীতি বা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের প্রমাণ পাওয়া গেলে দুর্নীতি দমন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারে।তদন্তে শুধু অভিযুক্ত কর্মকর্তার ভূমিকা নয়, নিয়োগ অনুমোদনকারী, আর্থিক ব্যয় অনুমোদনকারী এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের দায়িত্বও প্রাসঙ্গিক হলে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগকারীদের বক্তব্য, নথিপত্র এবং অভিযুক্ত কর্মকর্তার ব্যাখ্যা বিবেচনায় নেওয়া হলে তদন্তের নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে। অভিযোগগুলোর বিষয়ে মো. রাশেদুল হকের বক্তব্য, মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের অগ্রগতি জানা গেলে প্রতিবেদনটি আরও পূর্ণাঙ্গ হবে। এসব বক্তব্য ছাড়া অভিযোগগুলোর চূড়ান্ত সত্যতা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।আরও পড়ুন:Divine Group ঘিরে এবার মামলার হিসাবরাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি প্রতিষ্ঠানের অর্থ ও প্রশাসনিক ক্ষমতা জনস্বার্থের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। তাই সেখানে নিয়োগ থেকে শুরু করে পদোন্নতি, বদলি, ব্যয় ব্যবস্থাপনা এবং সম্পদ অর্জন—প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। মেঘনা পেট্রোলিয়ামের এজিএম মো. রাশেদুল হকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর ক্ষেত্রেও প্রয়োজন নথিনির্ভর অনুসন্ধান, সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য গ্রহণ এবং আইনসম্মত তদন্ত। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং অভিযোগ প্রমাণিত না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সুনাম ও ন্যায্য অধিকার সুরক্ষিত রাখাই হবে ন্যায়সংগত প্রক্রিয়ার অংশ।

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু ২৫০

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫০ জনে।একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ১৬৩ জন। ফলে চলতি বছর এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮২ হাজার ৭৬১ জনে।শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের ডেঙ্গুবিষয়ক ড্যাশবোর্ডে প্রকাশিত তথ্য থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে ১৫১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৩৩ জন,আরও  পড়ুন, ভূমিকম্পে উদ্ধার তৎপরতা সচল রাখতে ৪১ পয়েন্টে সরঞ্জাম ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৯৫ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৮০ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৪৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ১১১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৭৭ জন এবং রংপুর বিভাগে ৭১ জন ভর্তি হয়েছেন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, চলতি বছর এ পর্যন্ত ৭৬ হাজার ৮৬২ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ১৬৩ জন।নতুন রোগী ভর্তি ও মৃত্যুর পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও ডেঙ্গুর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

ভূমিকম্পে উদ্ধার তৎপরতা সচল রাখতে ৪১ পয়েন্টে সরঞ্জাম

বড় ধরনের ভূমিকম্পে ফায়ার স্টেশন কিংবা সদর দপ্তর ক্ষতিগ্রস্ত হলেও যাতে উদ্ধার কার্যক্রম থেমে না যায়, সে লক্ষ্যে জনবল, উদ্ধার সরঞ্জাম ও কমান্ড কাঠামো বিকেন্দ্রীকরণের উদ্যোগ নিয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। এর অংশ হিসেবে ঢাকা ও আশপাশের ৪১টি পয়েন্টে উদ্ধার সরঞ্জাম ছড়িয়ে দেওয়া, পূর্বাচলে বিশেষ রেসকিউ টিম মোতায়েন এবং বিভাগীয় শহরগুলোতে পৃথক উদ্ধার দল গঠন করা হয়েছে।ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজাহান শিকদার জানান, বড় ভূমিকম্প হলে একই সময়ে বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধার অভিযান চালানোর প্রয়োজন হতে পারে। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জনবল, সরঞ্জাম ও কমান্ড ব্যবস্থা বিকেন্দ্রীকরণ করা হচ্ছে।ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, পুরান ঢাকার সদর দপ্তর ভবন ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও যাতে কমান্ড ব্যবস্থা সচল থাকে, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মিরপুরে অফিস করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সদর দপ্তরের মিডিয়া উইংয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশও সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি মিরপুর-১০-এর ট্রেনিং কমপ্লেক্সের কার্যক্রম পূর্বাচলের নতুন মাল্টিপারপাস ট্রেনিং কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।মিরপুর-১০ এলাকায় জাইকার সহযোগিতায় ভূমিকম্প প্রতিরোধক বহুতল সদর দপ্তর ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে ‘বেজ আইসোলেশন প্রযুক্তি’ ব্যবহার করা হচ্ছে। আরও  পড়ুন, শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতকে চিঠি সরকারের : সংস্কৃতিমন্ত্রীগণপূর্ত অধিদপ্তরের সহযোগিতায় ২০২৮ সালে প্রকল্পটির কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।ভূমিকম্পে সদর দপ্তরের সরঞ্জাম আটকে গেলে উদ্ধার কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থেকে ঢাকা ও আশপাশের ৪১টি পয়েন্টে উদ্ধার সরঞ্জাম ভাগ করে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি পূর্বাচলে ৫০ থেকে ৬০ সদস্যের একটি স্পেশাল রেসকিউ টিম রাখা হয়েছে। বিভাগীয় শহরগুলোতেও ২০ সদস্যের পৃথক বিশেষ উদ্ধার দল গঠন করা হয়েছে।এ ছাড়া ঢাকার বাইরে ১০০টি ফায়ার স্টেশনকে জরুরি প্রয়োজনে রাজধানীকে সহায়তার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হলে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে উদ্ধার সরঞ্জাম ও রেসকিউ টিম স্থানান্তরের বিষয়েও বিমান বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা চলছে।ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, বড় ভূমিকম্পের পর একই সময়ে বিভিন্ন স্থানে ভবনধস, মানুষ আটকে পড়া, গ্যাসলাইন থেকে অগ্নিকাণ্ড ও বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সরু সড়ক, যানজট, অবৈধ পার্কিং ও ধ্বংসস্তূপের কারণে উদ্ধারকারী যান ঘটনাস্থলে পৌঁছানোও কঠিন হতে পারে।

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতকে চিঠি সরকারের : সংস্কৃতিমন্ত্রী

শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ভারত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী। শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকালে মাগুরার নোমানী ময়দানে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে ভারত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠিও দেওয়া হয়েছে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।নিতাই রায় চৌধুরী আরও বলেন, বিগত সরকারের সময়ে দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও অর্থনীতিসহ বিভিন্ন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। বর্তমান সরকার সেই পরিস্থিতি থেকে দেশকে উত্তরণের চেষ্টা করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।শেখ হাসিনার দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হলে বিএনপি তা মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। এ সময় তিনি শেখ হাসিনার পরিবার ও আওয়ামী লীগ নিয়েও রাজনৈতিক মন্তব্য করেন।অনুষ্ঠানে মাগুরা জেলা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন সভাপতিত্ব করেন। উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নেওয়াজ হালিমা আরলী, জেলা প্রশাসক মোতাকাব্বীর আহমেদ, জেলা পরিষদ প্রশাসক আলি আহমেদ, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. মাসুদ হাসান খান কিজিলসহ পুলিশ কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, ক্রীড়া সংগঠক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

আকাশসীমা জটিলতা কাটিয়ে আজ দেশে আসছে রূপপুরের জ্বালানি

পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি-সংক্রান্ত জটিলতা কাটিয়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি আজ শুক্রবার (২ অক্টোবর) বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে। সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট সূত্র। পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাশিয়া থেকে বিশেষ কার্গো উড়োজাহাজে জ্বালানি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।প্রকল্পসংশ্লিষ্ট এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে শুক্রবার দুপুরের মধ্যে বিশেষ কার্গো বিমানটি ঢাকায় পৌঁছাতে পারে। এরপর শনিবার (৩ অক্টোবর) কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যে বিশেষ ব্যবস্থায় জ্বালানি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নেওয়া হবে।এর আগে বৃহস্পতিবারই জ্বালানি দেশে পৌঁছানোর কথা ছিল। তবে শেষ মুহূর্তে নির্ধারিত ফ্লাইট বাতিল করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বিমানটি যে দেশগুলোর আকাশসীমা ব্যবহার করবে,আরও  পড়ুন, দুর্গাপূজায় শিক্ষার্থীদের টানা ৯ দিনের ছুটিসেসব দেশের কাছ থেকে আগাম অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন হয়। রাশিয়া ও বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করলেও পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না পাওয়ায় বৃহস্পতিবারের ফ্লাইটটি বাতিল করতে হয়।বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সংবেদনশীল এই পারমাণবিক জ্বালানি পরিবহনে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দর থেকে রূপপুর পর্যন্ত পরিবহনেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য সাতটি কার্গো এবং প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিংয়ের জন্য দুটি কার্গোতে মোট নয়টি চালানে পারমাণবিক জ্বালানি আনা হবে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি করপোরেশন রোসাটমের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে পুরো জ্বালানি সরবরাহ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

রাজনীতিরাজনীতি

ফ্যামিলি কার্ডে দুর্নীতি হলে নিজেই মামলা করবেন ডেপুটি স্পিকার

ফ্যামিলি কার্ডে দুর্নীতি হলে নিজেই মামলা করবেন ডেপুটি স্পিকার

ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণে কেউ দুর্নীতি করলে আইনজীবী হিসেবে নিজেই বাদী হয়ে মামলা করার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। বৃহস্পতিবার দুপুরে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার বলেন, তার নির্বাচনী প্রধান ওয়াদা ছিল ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড নিয়ে কেউ দুর্নীতি করলে তিনি নিজেই বাদী হয়ে মামলা করবেন। তিনি সেই ওয়াদা রক্ষা করবেন। তবে এমন পরিস্থিতি তিনি চান না। তাই মাঠকর্মীদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে প্রকৃত তথ্য সংগ্রহের আহ্বান জানান। তথ্য সংগ্রহকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দল-মত ধর্ম-বর্ণ ও শ্রেণির ঊর্ধ্বে উঠে প্রকৃত হকদারদের খুঁজে বের করতে হবে। তালিকা তৈরির কাজ একেবারে সর্বনিম্ন পর্যায় থেকে শুরু করতে হবে। দুর্গাপুরের কোনো দরিদ্র মানুষ যেন এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। আরও পড়ুন,জামায়াতের রাজনৈতিক বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রাশেদ খানডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, অতীতে তালিকা তৈরিতে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ ছিল। সচ্ছল ও ভবন মালিকদেরও ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এসব অনিয়ম থেকে বেরিয়ে এসে স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চান তারা। তিনি সতর্ক করে বলেন, অনিয়ম বা ঘুষের অভিযোগ পাওয়া গেলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। সরাসরি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সভায় জানানো হয়, দুর্গাপুর উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের শুমারি ও তথ্য সংগ্রহের কাজে ১০৭ জন মাঠকর্মী দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের মধ্যে ৯৭ জন তথ্য সংগ্রহকারী এবং ১০ জন সুপারভাইজার। মাঠপর্যায়ে কোনো সমস্যা হলে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ও ইউএনওর সঙ্গে যোগাযোগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জামায়াতের রাজনৈতিক বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রাশেদ খান

জামায়াতের রাজনৈতিক বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রাশেদ খান

ইসলামী রাজনীতি ও শরিয়াহ আইন প্রতিষ্ঠার দাবির প্রসঙ্গ তুলে জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি বলেছেন, ইসলামী মূল্যবোধের কথা বলে ইসলামের বুকে ছুরি মারা উচিত নয়।শুক্রবার (২ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।রাশেদ খান বলেন, জামায়াতে ইসলামী যেহেতু ইসলামী রাজনীতি করে এবং শরিয়াহ আইন প্রতিষ্ঠার কথা বলে, তাই ইসলামী মূল্যবোধের প্রচার কীভাবে করতে হয়, তা হেফাজতে ইসলামের কাছ থেকে শেখা উচিত। তার দাবি, জামায়াতের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড নিয়ে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।আরও  পড়ুন, রাড্ডা ক্লিনিকে হামলা লুটপাট ও ভাঙচুরে আইনি পদক্ষেপ চাইলেন শফিকুর রহমানহেফাজতে ইসলামের আমিরের সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গ তুলে রাশেদ খান বলেন, বর্তমান সরকারকে সহযোগিতা করা উচিত বলে তিনি মত দিয়েছেন। একই সঙ্গে যারা একসঙ্গে আন্দোলন করে আগের সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল, তাদের ঐক্যবদ্ধ থেকে রাষ্ট্র পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখার কথাও আলোচনায় এসেছে বলে জানান তিনি।রাশেদ খানের অভিযোগ, জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রধান লক্ষ্য রাষ্ট্র পুনর্গঠনের পরিবর্তে ক্ষমতায় যাওয়া। তিনি আরও দাবি করেন, জামায়াত সরকারের সহযোগিতার কথা বললেও একই সময়ে সরকারবিরোধী আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য রাজনৈতিক কর্মসূচির প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয়ের মাস। এ সময়ে যারা সরকারকে সহযোগিতা না করে সরকার পতনের আন্দোলন করবে, জনগণ তাদের রাজনৈতিক অবস্থান বিবেচনা করবে।তিনি আরও বলেন, হেফাজতে ইসলামের আমিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে তিনি দোয়া নিয়েছেন।

রাড্ডা ক্লিনিকে হামলা লুটপাট ও ভাঙচুরে আইনি পদক্ষেপ চাইলেন শফিকুর রহমান

রাড্ডা ক্লিনিকে হামলা লুটপাট ও ভাঙচুরে আইনি পদক্ষেপ চাইলেন শফিকুর রহমান

রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ঘটনায় জড়িত বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে শুধু সাংগঠনিক ব্যবস্থা নয় বরং আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন রাতের অন্ধকারে রাড্ডা ক্লিনিক দখলের ঘটনায় অবশেষে সরকার ও সরকারি দল সাংগঠনিক পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে।আড়ও পড়ুন,‘পদ বাণিজ্যের প্রমাণ দিন’ শিবির ও পাকিস্তান শিবিরকে রাকসু জিএসের চ্যালেঞ্জ তবে এত বড় অপকর্মের জন্য শুধু সাংগঠনিক ব্যবস্থা মোটেই যথেষ্ট নয়। শফিকুর রহমান বলেন যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়ে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তার ভাষায় দেশবাসী এ ঘটনায় দৃশ্যমান ও বিশ্বাসযোগ্য আইনি পদক্ষেপ দেখতে চায়। একই সঙ্গে হামলা ও লুটপাটে ক্ষতিগ্রস্ত স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটি টেকসইভাবে পুনর্নির্মাণের দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন জামায়াতের আমির। তিনি বলেন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। এদিকে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় সরকারের পক্ষ থেকে সাংগঠনিক পদক্ষেপের পাশাপাশি আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না এখন সেদিকেই নজর সংশ্লিষ্টদের।

‘পদ বাণিজ্যের প্রমাণ দিন’ শিবির ও পাকিস্তান শিবিরকে রাকসু জিএসের চ্যালেঞ্জ

‘পদ বাণিজ্যের প্রমাণ দিন’ শিবির ও পাকিস্তান শিবিরকে রাকসু জিএসের চ্যালেঞ্জ

বাংলাদেশের শিবির ও পাকিস্তান শিবিরকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আম্মার। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পদ বাণিজ্য নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে করা অভিযোগের প্রমাণ দিতে তিনি সংশ্লিষ্টদের ২৪ ঘণ্টার সময় দিয়েছেন।বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে সালাউদ্দিন আম্মার এ চ্যালেঞ্জ জানান। পোস্টে তিনি অভিযোগের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, তিনি টাকার বিনিময়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোনো পদ দিয়েছেন—এমন প্রমাণ দেখাতে হবে।সালাউদ্দিন আম্মার তাঁর পোস্টে লেখেন, ‘গোটা বাংলাদেশের শিবিরের (সঙ্গে পাকিস্তান শিবিরকেও নিয়েন) প্রতি চ্যালেঞ্জ-০১।’ এরপর তিনি বলেন, টাকার বিনিময়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পদ দেওয়ার অভিযোগের প্রমাণ দিতে হবে।আরও  পড়ুন, জামায়াত-আওয়ামী লীগের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই: উমামা ফাতেমাতিনি আরও উল্লেখ করেন, অভিযোগকারীরা চাইলে নিজেদের গোয়েন্দা বাহিনী, সরকারি গোয়েন্দা সংস্থাসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন। এ জন্য তিনি ২৪ ঘণ্টা সময় নির্ধারণ করে দেন।ফেসবুক পোস্টে রাকসুর জিএস আরও বলেন, সামনে তাঁর পক্ষ থেকে আরও চ্যালেঞ্জ আসছে। একই সঙ্গে অভিযোগের প্রমাণ দিতে সংশ্লিষ্টদের সাহসের সঙ্গে চ্যালেঞ্জ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে কোনো স্বাধীন তদন্ত বা প্রমাণের তথ্য এই পোস্টে উপস্থাপন করা হয়নি। একইভাবে যাদের উদ্দেশে তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন, তাদের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া গেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এই পোস্টকে কেন্দ্র করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণ সামনে আসে কি না, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

সারাবাংলা

ময়মনসিংহে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৬ জন গ্রেপ্তার

ময়মনসিংহে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৬ জন গ্রেপ্তার

ময়মনসিংহ নগরীতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ডাকাত ও ছিনতাইকারী চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় আসামিদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে এক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটের দিকে নগরীর গোহাইলকান্দি এলাকায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) কার্যালয়ের পেছনের একটি নির্জন স্থান থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় একদল সশস্ত্র ব্যক্তি ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছে বলে জানতে পারে পুলিশ। পরে কোতোয়ালী মডেল থানার ২ নম্বর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক সেলিম মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই ব্যক্তিরা পালানোর চেষ্টা করেন এবং পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন। এতে এক পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে পুলিশ চারদিক থেকে ঘেরাও করে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—আজমতপুর এলাকার মো. সজিব মিয়া (২০), সানকিপাড়া এলাকার মো. আকাশ (২২), গোহাইলকান্দি এলাকার মো. ইমন আহম্মেদ আবির (৩০), গোহাইলকান্দি দরগা এলাকার মো. শাহেদ (২১), চরগোবিন্দপুরের মো. মোফাজ্জল (৩৫) এবংআরও পড়ুন,ময়মনসিংহে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ৭, একই পরিবারের ৪তিনকোনা পুকুরপাড় এলাকার মো. জাহাঙ্গীর (৪০)।পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার সজিবের কাছ থেকে একটি সুইচ গিয়ার চাকু, আকাশের কাছ থেকে একটি ধারালো দা, ইমন আহম্মেদ আবিরের কাছ থেকে একটি চাকু এবং শাহেদের কাছ থেকে একটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে। মোফাজ্জল ও জাহাঙ্গীরকে তাঁদের সহযোগী হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়।কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা পেশাদার ছিনতাই ও ডাকাত চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে। তাঁরা নগরীর বিভিন্ন নির্জন এলাকায় পথচারীদের জিম্মি করে ছিনতাই ও ডাকাতি করে আসছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তাঁদের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।পুলিশ জানায়, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ও ওসি মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় ২ নম্বর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক সেলিম মিয়ার নেতৃত্বে এসআই কাইয়ূম, এএসআই আজহারুল ইসলামসহ পুলিশের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।এ ঘটনায় এসআই কাইয়ূম বাদী হয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় দণ্ডবিধির ৩৯৯ ও ৪০২ ধারায় মামলা করেছেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ময়মনসিংহে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ৭, একই পরিবারের ৪

ময়মনসিংহে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ৭, একই পরিবারের ৪

ময়মনসিংহের আকুয়া বাইপাস সড়কে রাজীব পরিবহনের বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে সাতজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের চারজন রয়েছেন।শুক্রবার (২ অক্টোবর) দুপুর ১টা ১৫ মিনিটের দিকে বাইপাস সড়কের পূর্ব গন্দ্রপা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।নিহতরা হলেন জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা এলাকার দড়ি হামিদপুর গ্রামের রাজমিস্ত্রি মোফাজ্জল হোসেন লেবু (৫০), তাঁর মা রাশিদা বেগম (৭০), মেয়ে মর্জিনা (২৫) ও মর্জিনার ছেলে মিনাল (৫)। তাঁরা গাজীপুরে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আরও পড়ুন,তালায় সর্বদলীয় প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলজামালপুর থেকে ঢাকাগামী রাজীব পরিবহনের একটি বাস পূর্ব গন্দ্রপা এলাকায় পৌঁছালে মুক্তাগাছাগামী সিএনজিচালিত অটোরিকশাটির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই সাতজনের মৃত্যু হয়।খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ চালান। পরে নিহতদের মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।ওসি মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, উভয় যানবাহনের অতিরিক্ত গতির কারণে কেউ কাউকে সাইড দিতে না পারায় মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর বাসটি আটক করা হয়েছে। তবে বাসের চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছেন।এদিকে দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। মহাসড়কে বেপরোয়া গতিতে বাস চলাচল বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।দুর্ঘটনার কারণে আকুয়া বাইপাস সড়কে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

তালায় সর্বদলীয় প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল

তালায় সর্বদলীয় প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার জাতপুর বাজারে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দাবিতে সর্বদলীয় জনগণের উদ্যোগে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টায় জাতপুর বাজারে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে শাহাদাত হোসেন মিন্টুর সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন ইসলামকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক গোলাম ফারুক, ক্বারী মোস্তাফিজুর রহমান, প্রভাষক মোস্তাফিজুর রহমান রেন্টু, অ্যাডভোকেট মশিয়ার রহমান, বিএনপি নেতা মাস্টার আব্দুল মজিদ সরদার ও আব্দুল হালিম।সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় সাধারণ মানুষ অংশ নেন।বক্তারা বলেন, জাতপুর বাজারের শান্তি-শৃঙ্খলা ও স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ভূমিকা রাখতে হবে। আরও পড়ুন,শ্যামনগরে কাঠের কাজ করার সময় বজ্রপাতে কাঠমিস্ত্রির মৃত্যুবাজারে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কিংবা জনসাধারণের হয়রানি বরদাশত করা হবে না। ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঘটলে স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে তার প্রতিবাদ করা হবে বলেও জানান তারা।সমাবেশে বক্তারা জাতপুর বাজারের পেরিফেরিভুক্ত সরকারি জায়গা নিয়েও কথা বলেন। তাদের অভিযোগ, বাজারের পেরিফেরিভুক্ত কিছু জায়গা দীর্ঘদিন ধরে দখলে রয়েছে। এসব জায়গা দ্রুত সরকারের কাছে হস্তান্তর করে সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানান তারা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন বক্তারা।এর আগে বিকেলে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি জাতপুর বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় সমাবেশস্থলে এসে শেষ হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন এবং অন্যায়-অনিয়মের প্রতিবাদ জানান।সমাবেশ থেকে স্থানীয় জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ এবং বাজারের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

শ্যামনগরে কাঠের কাজ করার সময় বজ্রপাতে কাঠমিস্ত্রির মৃত্যু

শ্যামনগরে কাঠের কাজ করার সময় বজ্রপাতে কাঠমিস্ত্রির মৃত্যু

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে কাঠের কাজ করার সময় হঠাৎ বজ্রপাতে শওকত গাজী (৫৫) নামে এক কাঠমিস্ত্রির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়নের বন্যাতলা এলাকায় হালকা বৃষ্টির মধ্যে বজ্রপাতের এ ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই পাঁচ সন্তানের জনক শওকত গাজীর মৃত্যু হয়।নিহত শওকত গাজী আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের কুড়িকাহনিয়া লঞ্চঘাট এলাকার সামাদ গাজীর ছেলে। তিনি পাঁচ সন্তানের জনক ছিলেন।আরও  পড়ুন, দেবহাটায় পোল্ট্রি খামারে সশস্ত্র হামলা-লুটের অভিযোগনিহতের চাচাতো ভাই আব্দুল খালেক জানান, শুক্রবার দুপুরে শওকত গাজী বন্যাতলা এলাকায় কাঠের কাজ করছিলেন। এ সময় হঠাৎ হালকা বৃষ্টি শুরু হয়। একপর্যায়ে বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।ঘটনার পর স্থানীয়রা বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানান। পরে মরদেহ বাড়িতে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়।প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু দাউদ ঢালী শওকত গাজীর বজ্রপাতে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করে মরদেহ দাফনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক

তুরস্কে খনি ধসে নিহত ৫ শ্রমিক

তুরস্কে খনি ধসে নিহত ৫ শ্রমিক

তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলীয় মানিসা প্রদেশে খনি ধসে আটকা পড়া আরও তিন শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) ভোরে তাদের মরদেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে এ দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে পাঁচজনে দাঁড়িয়েছে। উদ্ধার অভিযানও শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় গভর্নরের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ইজমির শহর থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে মানিসা প্রদেশের সোমা জেলায় একটি খনিতে ধসের ঘটনা ঘটে। এ সময় খনির ভেতরে সাতজন শ্রমিক আটকা পড়েন। দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু করেন কর্মীরা। প্রথম পর্যায়ে দুই শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আরও পড়ুন,তুরস্কে গোপনে সিরিয়া সরকার ও হিজবুল্লাহর বৈঠকএকই সময় আরও দুজন শ্রমিককে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে খনির ভেতরে আরও তিন শ্রমিক আটকা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। শুক্রবার ভোরে তাদের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকর্মীরা। পাঁচ শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তবে খনিধসের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, তুরস্কের সোমা এলাকায় ২০১৪ সালেও ভয়াবহ খনি দুর্ঘটনা ঘটেছিল। ওই ঘটনায় খনির ভেতরে আগুন লাগার পর কার্বন মনোক্সাইড বিষক্রিয়ায় ৩০১ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়। এটি তুরস্কের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী খনি দুর্ঘটনা হিসেবে পরিচিত।

৮ ঘন্টা আগে

রাজধানী

বাংলামোটরে চাঁদা দাবির অভিযোগে সাইমনের চার দিনের রিমান্ড

বাংলামোটরে চাঁদা দাবির অভিযোগে সাইমনের চার দিনের রিমান্ড

রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা ফেরদৌস আহমেদ সাইমনের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একই মামলায় গ্রেপ্তার ওমর, মোর্শেদ ও মো. শাওনকে তিন দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আরিফ রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শুনানির সময় আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না বলে তিনি জানান।এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হাতিরঝিল থানার এসআই মো. নাসিম চার আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। মামলার তদন্ত এগিয়ে নিতে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়। শুনানি শেষে আদালত সাইমনের চার দিন এবং অপর তিন আসামির তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।মামলার এজাহার ও পুলিশের আবেদনে বলা হয়েছে,আরও  পড়ুন, হাজারীবাগে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার ঘটনায় তদন্তে পুলিশ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় হাতিরঝিল থানার বাংলামোটর এলাকার নিউ ইস্কাটনে একটি বাসার সামনে মো. সোহানের পথরোধ করেন আসামিরা। সেখানে সাইমন তার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।এজাহার অনুযায়ী, সোহান টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সাইমন পিস্তল বের করে তাকে ভয় দেখান এবং পরে পিস্তলের বাঁট দিয়ে তার মাথায় আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অন্য আসামিরাও তাকে মারধর করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে তারা সেখান থেকে চলে যান। পরে সাইমনসহ অন্যরা মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থলের কাছে ফিরে এসে সোহানকে ফের মারধরের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তার ভগ্নিপতি মো. মোক্তার হোসেনকেও মারধর করা হয় বলে মামলায় বলা হয়েছে।পুলিশের রিমান্ড আবেদনে আরও বলা হয়েছে, এ সময় সাইমন পিস্তল দিয়ে ফাঁকা গুলি ছোড়েন। গুলির শব্দে স্থানীয় লোকজন জড়ো হলে আসামিরা পালানোর চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় কয়েকজনকে আটক করা হয় এবং খবর পেয়ে হাতিরঝিল থানা-পুলিশ তাদের হেফাজতে নেয়। ঘটনাটি নিয়ে অন্যান্য সংবাদমাধ্যমেও সাইমনসহ চারজনকে আটকের তথ্য প্রকাশিত হয়েছে

৯ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৫ জন

খেলাধুলা

বিশ্বকাপের আগে ১০ দলের বাছাইপর্ব ফেব্রুয়ারিতে

বিশ্বকাপের আগে ১০ দলের বাছাইপর্ব ফেব্রুয়ারিতে

২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের মূল পর্ব শুরুর আগে ১০ দলের বাছাইপর্ব আয়োজনের সময়সূচি চূড়ান্ত করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। আগামী বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকা ও নামিবিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে এই বাছাইপর্ব।১০ দলের এই প্রতিযোগিতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের পাশাপাশি র‍্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে পূর্ণ সদস্য দেশ আয়ারল্যান্ডও অংশ নেবে। দক্ষিণ আফ্রিকার ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি লিগ এসএ২০ শেষ হওয়ার পর এবং আইপিএল শুরুর আগের সময়ে বাছাইপর্ব আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। আগামী ১৭ জানুয়ারি শুরু হয়ে এসএ২০ শেষ হওয়ার কথা ২১ ফেব্রুয়ারি।২০২৭ বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে সরাসরি মূল পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে। র‍্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে ভারত, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশও সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়েছে।বাকি চারটি জায়গা নির্ধারিত হবে বাছাইপর্বের মাধ্যমে। বাছাইপর্বের চ্যাম্পিয়ন দল সরাসরি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে জায়গা পাবে।আরও  পড়ুন, ২০২৭ ক্রিকেট বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ শুরু করবে ইংল্যান্ডের বিপক্ষেঅন্য তিন দল শুরুতে তিন ম্যাচের একটি ‘সুপার সিরিজে’ অংশ নেবে। নামিবিয়ায় অনুষ্ঠিত ওই সিরিজের বিজয়ী দলও মূল বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।বাছাইপর্বে ‘ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট লিগ ডিভিশন ২’-এর শীর্ষ চার দল হিসেবে বর্তমানে স্কটল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস ও ওমান রয়েছে। এর বাইরে বিশ্বকাপ বাছাই প্লে-অফ থেকে চারটি দল উঠে আসবে। আগামী ১ থেকে ২২ ডিসেম্বর প্লে-অফ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।প্লে-অফে ডিভিশন-২-এর তলানির চার দল নামিবিয়া, কানাডা, নেপাল ও সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং চ্যালেঞ্জ লিগের শীর্ষ চার দল অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। বর্তমানে চ্যালেঞ্জ লিগের শীর্ষ দলগুলো হলো ইতালি, উগান্ডা, জার্সি ও কুয়েত।সহ-আয়োজক নামিবিয়ার সামনে অবশ্য প্লে-অফ এড়িয়ে সরাসরি বাছাইপর্বে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এজন্য ৩ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া সিরিজে যুক্তরাষ্ট্র ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে দুটি করে ম্যাচ জিততে হবে তাদের। পাশাপাশি ওমান, নেপাল ও কানাডার মধ্যকার ম্যাচগুলোর ফলও নামিবিয়ার অনুকূলে আসতে হবে।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!