দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

মিরপুরে আলোচিত ওসি হাফিজুর রহমান

মিরপুরে আলোচিত ওসি হাফিজুর রহমান

রাজধানীর ব্যস্ততম ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোর একটি মিরপুর। প্রতিদিন লাখো মানুষের যাতায়াত, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা ও বসবাসের কেন্দ্র এই এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। চুরি, ছিনতাই, মাদক, কিশোর গ্যাং বিভিন্ন অপরাধের কারণে অনেক সময় আতঙ্কে থাকতে হয় সাধারণ মানুষকে। ঠিক এমন এক প্রেক্ষাপটে মিরপুর মডেল থানার দায়িত্বে এসেছেন আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা ওসি হাফিজুর রহমান (পিপিএম)। তার আগমনকে ঘিরে মিরপুরবাসীর মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন প্রত্যাশা, আবার একইসঙ্গে পুরনো বিতর্কও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।আরও পড়ুন: পুলিশের দায়িত্ব পালনে বাধা মব কালচারওসি হাফিজুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ থানায় দায়িত্ব পালন করেছেন। তার কর্মজীবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সততা, কঠোরতা এবং দায়িত্ব পালনে আপসহীন মনোভাব। সহকর্মীদের ভাষায়, তিনি এমন একজন কর্মকর্তা যিনি দায়িত্বে অবহেলা করেন না এবং অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান নিতে কখনো দ্বিধা করেন না।তার কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি “বিপিএম” (বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল) অর্জন করেছেন, যা পুলিশ বাহিনীর একটি সম্মানজনক পুরস্কার। এছাড়া “শ্রেষ্ঠ অফিসার” হিসেবেও পুরস্কৃত হয়েছেন একাধিকবার। এসব অর্জন তাকে পুলিশ প্রশাসনের ভেতরে একটি শক্ত অবস্থানে নিয়ে গেছে।আরও পড়ুন: আইনের শাসন না মবের রাজত্ব?ওসি হাফিজুর রহমানের কাজের ধরন নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে যেমন ইতিবাচক ধারণা রয়েছে, তেমনি অপরাধীদের কাছে তিনি এক আতঙ্কের নাম। দায়িত্ব পালনকালে তিনি মাদক ব্যবসায়ী, ছিনতাইকারী ও বিভিন্ন অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযান পরিচালনা করেছেন। তবে শুধু প্রশংসাই নয়, দায়িত্ব পালনের সময় তাকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে নানা আলোচনা ও সমালোচনাও। বিশেষ করে অপরাধ দমনে তার কঠোর অবস্থান অনেক সময় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ ও সমালোচনা উঠে এসেছে। কেউ কেউ তার কর্মকাণ্ডকে অতিরিক্ত কঠোর বলে উল্লেখ করেছেন, আবার কেউ বলেছেন এ ধরনের কঠোরতা ছাড়া অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।এছাড়া রাজনৈতিক চাপের বিষয়টিও তার কর্মজীবনের একটি আলোচিত দিক। বিভিন্ন সময় অপরাধ দমনে গিয়ে তিনি নানামুখী রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েছেন বলে জানা যায়। কিন্তু এসব চাপ উপেক্ষা করে দায়িত্ব পালন করে যাওয়ার কারণে অনেকেই তাকে সাহসী কর্মকর্তা হিসেবে দেখেন।আরও পড়ুন: মাঠে মব, কোণঠাসা পুলিশ বাহিনীবাংলাদেশের বাস্তবতায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের অনেক সময় রাজনৈতিক প্রভাবের মুখোমুখি হতে হয়। ওসি হাফিজুর রহমানও এর ব্যতিক্রম নন। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গিয়ে তিনি একাধিকবার রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী মহলের চাপের সম্মুখীন হয়েছেন। তবে তার ঘনিষ্ঠরা জানান, তিনি এসব চাপকে উপেক্ষা করেই কাজ করার চেষ্টা করেছেন। তার মতে, “আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়” এই নীতিতে বিশ্বাসী তিনি।একজন সিনিয়র সাংবাদিক বলেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একজন পুলিশ কর্মকর্তার জন্য নিরপেক্ষ থাকা খুব সহজ নয়। কিন্তু হাফিজুর রহমান চেষ্টা করেছেন নিজের অবস্থান ধরে রাখতে। এজন্যই তিনি আলোচিত।মিরপুর মডেল থানায় যোগদানের পর থেকেই এলাকাবাসীর মধ্যে একটি আশাবাদ তৈরি হয়েছে। তারা মনে করছেন, তার অভিজ্ঞতা ও কঠোরতা মিরপুরের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে মাদক, ছিনতাই ও কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে তার কার্যকর পদক্ষেপের প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা। অনেকেই চান, তিনি যেন নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং কোনো প্রকার প্রভাবের কাছে নতি স্বীকার না করেন। আরও পড়ুন: এক সপ্তাহে শূন্য লোডশেডিং: বিদ্যুতে স্বস্তি এর নতুন রেকর্ডসাংবাদিক মহলেও ওসি হাফিজুর রহমান একটি আলোচিত নাম। তার কাজের ধরণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি এবং বিতর্ক সবকিছুই সংবাদমাধ্যমের নজরে এসেছে বিভিন্ন সময়ে। তিনি একদিকে যেমন কার্যকর কর্মকর্তা, অন্যদিকে তার কিছু পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্নও উঠেছে। তবে তারা মনে করেন, একজন কর্মকর্তার কাজের মূল্যায়ন করতে হলে তার সামগ্রিক অবদান বিবেচনা করা উচিত।একজন প্রতিবেদক বলেন, তিনি নিঃসন্দেহে অ্যাকটিভ অফিসার। তবে তাকে আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মধ্যে থেকে কাজ করতে হবে এটাই সবার প্রত্যাশা।মিরপুরের মতো একটি এলাকায় দায়িত্ব পালন করা সহজ নয়। এখানে রয়েছে জনসংখ্যার চাপ, অপরাধের বৈচিত্র্য এবং সামাজিক জটিলতা। তাই ওসি হাফিজুর রহমানের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে এই সবকিছু সামলে একটি স্থিতিশীল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করা।আরও পড়ুন: দেশজুড়ে বাড়ছে নিষ্ঠুর অপরাধ মাদকের ভয়াল কিশোর গ্যাংসবকিছু মিলিয়ে বলা যায়, ওসি হাফিজুর রহমান (বিপিএম) একজন অভিজ্ঞ, সাহসী এবং বিতর্কিত হলেও কার্যকর পুলিশ কর্মকর্তা। তার অতীত অভিজ্ঞতা এবং কাজের ধরণ মিরপুরে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে যদি তিনি নিরপেক্ষতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে পারেন। মিরপুরবাসী এখন তাকিয়ে আছে তার কর্মকাণ্ডের দিকে। আলোচনা-সমালোচনার বাইরে গিয়ে তিনি কেমনভাবে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা শুধু পুলিশের একার দায়িত্ব নয়; এর সঙ্গে জড়িত সমাজের প্রতিটি স্তর। তবে একজন দায়িত্বশীল ও সাহসী কর্মকর্তার উপস্থিতি একটি এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। ওসি হাফিজুর রহমান (বিপিএম) সেই পরিবর্তনের প্রতীক হতে পারবেন কিনা তা সময়ই বলে দেবে। তবে আপাতত মিরপুরবাসীর প্রত্যাশা একটাই নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ এবং অপরাধমুক্ত একটি এলাকা।

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

ঈদুল আজহায় স্কুল-কলেজে ১৬ দিন ও মাদ্রাসায় ২১ দিনের ছুটি নির্ধারণ

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ৭ দিনের ছুটি নির্ধারণ করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ছুটির সময়সূচি অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা কয়েকদিন ঈদের ছুটি উপভোগ করবেন।আরও পড়ুন, ‎ভুল সেটে এসএসসি পরীক্ষা: শিক্ষার্থীর ফল নিয়ে উদ্বেগতবে বিশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২৩ মে শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে। ওই দিন সকল সরকারি কর্মচারীকে অফিসে উপস্থিত থাকতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। নতুন শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী প্রাথমিক, নিম্নমাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুলগুলোতে গ্রীষ্মকালীন অবকাশ ও ঈদুল আজহার ছুটি শুরু হবে ২৪ মে থেকে, যা চলবে ৪ জুন পর্যন্ত।আরও পড়ুন, ১২৪ হজ ফ্লাইটে সৌদি পৌঁছেছেন ৪৮ হাজারের বেশি হাজি, মৃত্যু ১০ জনসাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ১৬ দিনের টানা ছুটি মিলবে। কলেজ পর্যায়ে মূল ছুটি ১২ দিন হলেও সাপ্তাহিক বন্ধ যুক্ত হয়ে তা ১৬ দিনে পৌঁছাবে। আরও পড়ুন, ঈদুল আজহা ঘিরে দূরপাল্লার বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরুঅন্যদিকে মাদ্রাসাগুলোতে ছুটি শুরু হবে ২৪ মে এবং শেষ হবে ১১ জুন পর্যন্ত। সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় সেখানে শিক্ষার্থীরা টানা ২১ দিনের দীর্ঘ ছুটি উপভোগ করবে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশজুড়ে এক ধরনের দীর্ঘ ছুটির পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।

ঈদুল আজহা ঘিরে দূরপাল্লার বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে দূরপাল্লার বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে শুক্রবার (৮ মে) থেকে। বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন–এর পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সকাল থেকেই বিভিন্ন বাস কোম্পানি অনলাইন ও কাউন্টার—উভয় মাধ্যমেই অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে।আরও পড়ুন, রাজশাহীতে ১৩ দিন এলাকাভিত্তিক বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবেজানা গেছে, ২১ মে থেকে ঈদের আগ পর্যন্ত যাত্রার জন্য অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। অর্থাৎ আজ থেকেই যাত্রীরা ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন রুটের বাসের আগাম টিকিট সংগ্রহ করতে পারছেন। শ্যামলী এন আর ট্রাভেলসের জেনারেল ম্যানেজার জীবন চক্রবর্তী জানান, সকাল থেকেই তাদের সব টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে এবং অনলাইন ও কাউন্টার উভয় মাধ্যমেই টিকিট দেওয়া হচ্ছে।আরও পড়ুন, ১২৪ হজ ফ্লাইটে সৌদি পৌঁছেছেন ৪৮ হাজারের বেশি হাজি, মৃত্যু ১০ জনতিনি আরও বলেন, যাত্রীদের সবচেয়ে বেশি চাহিদা ২৪ মে রাত, ২৫ মে সারাদিন এবং ২৬ মে সকালের টিকিটে। সরকারি ছুটি ২৫ মে থেকে শুরু হওয়ায় এসব দিনের টিকিটে বাড়তি চাপ দেখা যাচ্ছে। সকাল ১০টার মধ্যেই অনেক রুটের অগ্রিম টিকিট প্রায় শেষ হয়ে গেছে। আরও পড়ুন, আগামী ৫ দিন ঝড়বৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেতএদিকে বাস মালিক সমিতি জানিয়েছে, বিআরটিএ নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া যাবে না। অনলাইনেও একই ভাড়া কার্যকর থাকবে। পাশাপাশি প্রতিটি কাউন্টারে অনুমোদিত ভাড়ার চার্ট টাঙানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

১২৪ হজ ফ্লাইটে সৌদি পৌঁছেছেন ৪৮ হাজারের বেশি হাজি, মৃত্যু ১০ জন

পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশে বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত ১২৪টি হজ ফ্লাইটে ৪৮ হাজার ৬০৫ জন হাজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। আজ শুক্রবার (৮ মে) প্রকাশিত হজ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বুলেটিন অনুযায়ী, এ পর্যন্ত সরকারি ব্যবস্থাপনায় গেছেন ৪ হাজার ৭১ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় গেছেন ৪৪ হাজার ৫৩৪ জন হাজি।আরও পড়ুন, আগামী ৫ দিন ঝড়বৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেতচলতি বছর মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন বাংলাদেশি হজ পালনের অনুমতি পেয়েছেন। এ পর্যন্ত হজে গিয়ে ১০ জন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ৮ জন মক্কায় এবং ২ জন মদিনায় মারা যান। মৃতদের মধ্যে দুইজন নারী রয়েছেন। ফ্লাইট তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৫৭টি ফ্লাইটে ২২ হাজার ৮১৯ জন, সৌদি এয়ারলাইনসের ৪৬টি ফ্লাইটে ১৭ হাজার ২৯২ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনসের ২১টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৪৯৪ জন যাত্রী সৌদি আরবে গেছেন।আরও পড়ুন, রাজশাহীতে ১৩ দিন এলাকাভিত্তিক বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবেহজ কার্যক্রম পরিচালনায় মোট ৬৬০টি এজেন্সি কাজ করছে, যার মধ্যে ৩০টি প্রধান এবং ৬৩০টি সমন্বয়কারী এজেন্সি রয়েছে। গত ১৭ এপ্রিল প্রথম হজ ফ্লাইট ঢাকা থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।আরও পড়ুন, ৭ জুন বসছে বাজেট অধিবেশন, ১১ জুন বাজেট পেশচাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। হজ শেষে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে ৩০ মে এবং শেষ ফ্লাইটটি ৩০ জুন ঢাকায় পৌঁছাবে।

রাজশাহীতে ১৩ দিন এলাকাভিত্তিক বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে

আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকায় জরুরি উন্নয়নকাজ শুরু করছে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো)। এ কারণে আগামী ১০ মে থেকে পরবর্তী ১৩ দিন নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় প্রতিদিন ৬ ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। নেসকো রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।আরও পড়ুন, ৭ জুন বসছে বাজেট অধিবেশন, ১১ জুন বাজেট পেশবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৩৩ কেভি ও ১১ কেভি বিদ্যুৎ লাইনের পাশের গাছের শাখা-প্রশাখা কাটার কাজের জন্য প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হবে। ১০ মে দেওয়ানপাড়া ফিডারের আওতাধীন দেওয়ানপাড়া, বাখরাবাজ, আমিনের মোড়, চেয়ারম্যানের মোড়সহ কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না। ১১ মে রাবি স্টেশন ফিডারের আওতাধীন জলিলের মোড়, মেহেরচন্ডি পূর্বপাড়া ও বুধপাড়া এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।আরও পড়ুন, আগামী ৫ দিন ঝড়বৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেত১২ মে সুগারমিল ফিডারের আওতায় কাটাখালি বাজার, আদর্শ কলেজ, নতুন এমাদপুর ও সুগারমিল এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট হবে। ১৩ মে শ্যামপুরের কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এছাড়া ১৪ মে থেকে ২৪ মে পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে মেহেরচন্ডি, বনগ্রাম, কাটাখালী, কাপাশিয়া, বিহাস ও পদ্মা আবাসিক এলাকার বিভিন্ন ফিডারে উন্নয়নকাজ চলবে। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকবে না।আরও পড়ুন, হাওর কৃষকদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এমপি ফজলুর রহমানের বৈঠকনেসকো জানিয়েছে, ঈদের আগে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এই উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

রাজনীতিরাজনীতি

হেফাজতে ইসলাম মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমানের দ্বিতীয় বিয়ে সম্পন্ন

হেফাজতে ইসলাম মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমানের দ্বিতীয় বিয়ে সম্পন্ন

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমান দ্বিতীয় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে তার নিজ এলাকা ভাদুঘর গ্রাম-এ পারিবারিক আয়োজনে বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বিয়েতে স্থানীয় কয়েকজন বিশিষ্ট আলেম এবং দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।আরও পড়ুন, শাপলা চত্বরের ঘটনা পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্তির দাবিকনে আমাতুর রহমান ভাদুঘর গ্রামের বাসিন্দা মাওলানা মাকবুল হাসানের মেয়ে। তিনি এর আগে স্বামী হারিয়েছেন এবং তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। অন্যদিকে আল্লামা সাজিদুর রহমানের প্রথম স্ত্রী চলতি বছরের ৩০ মার্চ রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।আরও পড়ুন, ২৫০ শয্যার হাসপাতালে ভর্তি ৯০০ রোগী, ক্ষোভ নূরুল হক নূরেরপ্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর মাত্র কয়েক সপ্তাহের মাথায় তিনি নতুন সংসার শুরু করলেন। বর্তমানে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জামিয়া দারুল আরকাম আল ইসলামিয়া প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল এবং জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার শায়খুল হাদিস হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আরও পড়ুন, টোকিওতে জামায়াত আমীরের বৈঠকস্থানীয় পর্যায়ে এই বিয়েকে ঘিরে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

২৫০ শয্যার হাসপাতালে ভর্তি ৯০০ রোগী, ক্ষোভ নূরুল হক নূরের

২৫০ শয্যার হাসপাতালে ভর্তি ৯০০ রোগী, ক্ষোভ নূরুল হক নূরের

পটুয়াখালীর হাসপাতালগুলোর নাজুক অবস্থা ও চিকিৎসাসেবার দুর্দশা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মো. নূরুল হক নূর। তিনি বর্তমানে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর সভাপতি। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর পর্যন্ত পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পটুয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।আরও পড়ুন, জিয়া উদ্যানে শ্রদ্ধা জানিয়ে ঐক্যের বার্তা দিলেন বিএনপি নেতা দুদুপ্রতিমন্ত্রী জানান, সীমিত অবকাঠামো ও জনবল নিয়েই পটুয়াখালীর দুটি হাসপাতাল দুই জেলার বিপুলসংখ্যক মানুষের চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ২৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রতিদিন ৮০০ থেকে ৯০০ রোগী ভর্তি থাকছেন। ফলে হাসপাতালের কক্ষ ছাড়াও করিডোর পর্যন্ত রোগীতে ভরে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, শিশু থেকে বৃদ্ধ—অনেক রোগীকেই মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। হাসপাতালের কয়েকটি ভবনও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।আরও পড়ুন, টোকিওতে জামায়াত আমীরের বৈঠকনূরুল হক নূর জানান, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সঙ্গে ৫০০ শয্যার একটি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা আগে থেকেই ছিল। তবে নানা জটিলতায় সেটি বাস্তবায়িত হয়নি। ভবিষ্যতে হাসপাতাল এলাকার বাইরে আরও একটি আধুনিক ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন, শাপলা চত্বরের ঘটনা পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্তির দাবিতিনি বলেন, বর্তমান জনবল ও পরিবেশে মানুষ যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হচ্ছেন, সেটি আল্লাহর রহমত ছাড়া আর কিছু নয়। সরকার সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ই-স্বাস্থ্য কার্ড চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে বলেও জানান তিনি। হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন-এর সম্মেলন কক্ষে জেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। সেখানে জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং সরকারি সেবা মানুষের কাছে স্বচ্ছভাবে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে নির্দেশনা দেন তিনি।

শাপলা চত্বরের ঘটনা পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্তির দাবি

শাপলা চত্বরের ঘটনা পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্তির দাবি

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত কথিত ‘শাপলা গণহত্যা’র বিচার এবং শিক্ষা কারিকুলামে ওই ঘটনা অন্তর্ভুক্তির দাবি জানিয়েছেন মদিনাতুস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর নেতারা। বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাব-এ আয়োজিত ‘শিক্ষা কারিকুলামে শাপলা গণহত্যার ঘটনা অন্তর্ভুক্তি’ শীর্ষক এক সেমিনার থেকে এ দাবি জানানো হয়।আরও পড়ুন, মির্জা আব্বাসকে নিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পোস্ট ভাইরালফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাফেজ মাহমুদুল হক হাফিজ্জী-র সভাপতিত্বে এবং পরিচালক মুফতি ইলিয়াস হোসাইন আরবী-র পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাশেদ খান। সেমিনারে রাশেদ খান বলেন, শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়ের হত্যাযজ্ঞের বিচার হতে হবে। তিনি দাবি করেন, শাপলা চত্বরের ঘটনাকে পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অতীতের ঘটনাগুলো সম্পর্কে জানতে পারবে।আরও পড়ুন, জিয়া উদ্যানে শ্রদ্ধা জানিয়ে ঐক্যের বার্তা দিলেন বিএনপি নেতা দুদুতিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার দমন-পীড়ন ও সহিংসতার ঘটনাগুলো নিয়ে ‘শেখ হাসিনার জুলুমতন্ত্র’ নামে একটি ডকুমেন্টারি নির্মাণ করা প্রয়োজন। একইসঙ্গে তিনি জানান, এ দাবিগুলো বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর কাছে পৌঁছে দেবেন। সভাপতির বক্তব্যে মাহমুদুল হক হাফিজ্জী বলেন, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনার বিচার এখনও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি পায়নি। তিনি অভিযোগ করেন, জুলাইয়ের শহীদ পরিবারগুলো যেসব সুযোগ-সুবিধা পেয়েছে, হেফাজতের নিহতদের পরিবার তা পায়নি।আরও পড়ুন, টোকিওতে জামায়াত আমীরের বৈঠক সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন হেফাজতে ইসলাম-এর যুক্তরাজ্য শাখার মাওলানা গোলাম কিবরিয়া, জাতীয় ইমাম খতিব সংস্থার চেয়ারম্যান মুফতি আবু তাহের আল মাদানী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম লন্ডনের মাওলানা শোয়াইব আহমেদ, ইমাম সমাজের চেয়ারম্যান মাওলানা আবুল হোসাইন, মাওলানা রুহুল আমীন সাদী, মুফতি রহমাতুল্লাহ আরাবী, শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি আব্দুর রহমান, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট পারভেজ আহমেদসহ আরও অনেকে।

টোকিওতে জামায়াত আমীরের বৈঠক

টোকিওতে জামায়াত আমীরের বৈঠক

জাপানের রাজধানী টোকিও-তে টোকিও মেট্রোপলিটন গভর্নমেন্টের ভাইস গভর্নর মাৎসুমোতো আকিকোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।বৃহস্পতিবার (৭ মে) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সিনিয়র প্রচার সহকারী মুজিবুল আলম গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানান।আরও পড়ুন, মির্জা আব্বাসকে নিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পোস্ট ভাইরালবৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন এবং বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান এমপি। আলোচনায় নগর ব্যবস্থাপনা, আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়ন, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে। জাপানের পক্ষ থেকে ভাইস গভর্নর মাৎসুমোতো আকিকো টোকিওর উন্নত নগর ব্যবস্থাপনা, বন্যা ও ভূমিকম্প মোকাবিলা ব্যবস্থা, পরিবেশবান্ধব নগর পরিকল্পনা এবং বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেন।আরও পড়ুন, জিয়া উদ্যানে শ্রদ্ধা জানিয়ে ঐক্যের বার্তা দিলেন বিএনপি নেতা দুদুতিনি বাংলাদেশের বড় শহরগুলোতে এসব আধুনিক ব্যবস্থা বাস্তবায়নের পরামর্শ দেন। এর জবাবে ডা. শফিকুর রহমান জাপানের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের নগর উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এ ক্ষেত্রে সহযোগিতা কামনা করেন। বৈঠকে ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। পরে টোকিওর স্মার্ট সিটি কার্যক্রম, আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়।

সারাবাংলা

কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের কমিটি বাতিলের দাবিতে সড়ক অবরোধ, ক্ষোভে ফুঁসে উঠলেন বঞ্চিত নেতাকর্মীরা

কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের কমিটি বাতিলের দাবিতে সড়ক অবরোধ, ক্ষোভে ফুঁসে উঠলেন বঞ্চিত নেতাকর্মীরা

সদ্য ঘোষিত কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি বাতিলের দাবিতে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন বঞ্চিত নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার (৭ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা শহরের গৌরাঙ্গ বাজার মোড়ে এ কর্মসূচি পালিত হয়। বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা গৌরাঙ্গ বাজারের গুরুত্বপূর্ণ তিন রাস্তার মোড়ে অবস্থান নিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। এতে শহরের বিভিন্ন সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ ভোগান্তি দেখা দেয়। প্রায় আধাঘণ্টা পর অবরোধ কর্মসূচি শেষ হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।আরও পড়ুন, চট্টগ্রাম পুলিশের নেতৃত্বে নতুন অধ্যায়, দায়িত্ব নিলেন আলোচিত মাসুদ আলম বিপিএমএ সময় আন্দোলনকারীরা নবঘোষিত কমিটিকে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে গঠিত” দাবি করে বিভিন্ন স্লোগান দেন। একই সঙ্গে জেলা বিএনপির সভাপতি শরীফুল আলমের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি হুমায়ুন কবির অমি, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত রাতুল, গুরুদয়াল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক রিয়াদ আহমেদ, যুগ্ম-আহ্বায়ক সানি আহমেদ খান, পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মোহাম্মদ পাভেল হাসানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।আরও পড়ুন, মাদ্রাসায় ছাত্র নির্যাতন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবিপৌর ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মোহাম্মদ পাভেল হাসান বলেন, ঘোষিত কমিটি সম্পূর্ণভাবে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে করা হয়েছে। ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা হয়নি। আমরা এই কমিটি মানি না এবং ভবিষ্যতেও মানবো না।” তিনি আরও বলেন, বিষয়টি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে পুনর্বিবেচনার দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।”আরও পড়ুন, বাসনে মাদকবিরোধী অভিযানের গ্রেপ্তার একাধিকগুরুদয়াল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক রিয়াদ আহমেদ বলেন, আজকের কর্মসূচি ছিল সতর্কবার্তা। আগামীতে ছাত্রসমাজকে সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।” উল্লেখ্য, গত ২ মে রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করে। এরপর থেকেই সংগঠনের একাংশের নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। বিশেষ করে আগের কমিটির সাধারণ সম্পাদক রেদোয়ানুর রহমান ওয়াকিউরকে নতুন কমিটিতে না রাখায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়।

বাসনে মাদকবিরোধী অভিযানের গ্রেপ্তার একাধিক

বাসনে মাদকবিরোধী অভিযানের গ্রেপ্তার একাধিক

গত ০৬/০৫/২৬ তারিখ বাসন থানা পুলিশ কর্তৃক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বাসন থানা পুলিশ। আসামীদের গ্রেফতার করিয়া বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।হত্যা মামলার তদন্তে সন্ধিগ্ধ  আসামীঃনুর আলম মিয়া (২৩), পিতা-মোঃ খোয়াজ উল্লাহ, মাতা-মোসা: সাহেরা বেগম, সাং-কৃষ্ণপুর (মনুয়া), থানা-সাল্লা, জেলা-সুনামগঞ্জ, এ/পি সাং-ছয়দানা মালেকের বাড়ী (জাহানারা বেগমের বাড়ীর ভাড়াটিয়া), থানা-গাছা, গাজীপুর মহানগর গাজীপুর। দেশীয় অস্ত্র মামলার তদন্তে সন্ধিগ্ধ আসামীঃ (কুখ্যাত ছিনতাইকারী) মোঃ তানভীর আহম্মেদ(২৫), পিতা- মোঃ নজরুল ইসলাম, মাতা: মোছাঃ পারভীন আক্তার-স্থায়ী: গ্রাম- জৈনপুর, উপজেলা/থানা- মোহনগঞ্জ, জেলা -নেত্রকোনা, বাংলাদেশ:বর্তমান: গ্রাম- আউটপাড়া (হাজী মোল্লার বাড়ির ভাড়াটিয়া) , উপজেলা/থানা- বাসন, জেলা -গাজীপুর, বাংলাদেশ।আরও পড়ুন, মাদ্রাসায় ছাত্র নির্যাতন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি৩. রোমান ব্যাপারী(৩২), পিতা- দিদার বক্স ব্যাপারী, মাতা: আলেয়া বেগম-বর্তমান: গ্রাম- গছা (বড়বাড়ী হিমেল সরকার এর বাড়ীর ভাড়াটিয়া) , উপজেলা/থানা- গাছা, জেলা -গাজীপুর, বাংলাদেশ:স্থায়ী: গ্রাম- লোনসিং, উপজেলা/থানা- নড়িয়া, জেলা -শরীয়তপুর, বাংলাদেশ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক মামলা এজাহার নামীয়  আসামীঃমেহেদী হাসান রনি (৩৫),পিতার নাম: আবুল কাশেম, মাতার নাম: রমিজা খাতুন, ঠিকানা: স্থায়ী: (সাং-মোয়াজ্জেমপুর) , থানা- নান্দাইল মডেল, জেলা -ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ:বর্তমান: গ্রাম- টেকনাগপাড়া (সাহেব আলীর বাসার ভাড়াটিয়া) , উপজেলা/থানা- বাসন, জেলা -গাজীপুর, বাংলাদেশআরও পড়ুন, মিঠাপুকুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিতচুরি মামলার তদন্তে সন্ধিগ্ধ  আসামীঃমোঃ সোহেল(২৯) পিতা-ইব্রাহিম, সাং-চকাউরিয়া, বনপাড়া, থানা-শ্রীবর্দী, জেলা-শেরপুর। মোঃ রানা হোসেন(২৬) পিতা-মৃত জাহিদুল, সাং-নজীপুর, থানা-পত্নীতলা, জেলা-নওগাঁ।প্রসিকিউশনভুক্ত আসামীঃনূপুর (৩০),পিতা-বাকু শেখ, মাতা-ছামিরন, সাং-দাপুনিয়া, থানা-সদর, জেলা-পাবনা, বর্তমান সাং-হারিনাচালা, (সেলিম এর বাসার ভাড়াটিয়া),থানা-কোনাবাড়ী, গাজীপুর মহানগর,গাজীপুর। মোসাঃ রত্মা খাতুন (২৫),পিতা-আইয়ুব আলী, মাতা-রোকেয়া বেগম, সাং-সাংদা লক্মীপুর, থানা-সদর, জেলা-মাগুড়া, ফারজানা আক্তার (২০),পিতা-আইনুল হক, মাতা-জমিলা খাতুন, সাং-তিলাটিয়া, থানা-ফুলপুর, জেলা-ময়মনসিংহ, বর্তমান সাং-চান্দনা চৌরাস্তা (রনির এর বাসার ভাড়াটিয়া), থানা-বাসন, গাজীপুর মহানগর, গাজীপুর। মিতু (২১),পিতা-আঃ বারেক,মাতা-সীমা খাতুন, সাং-ঝগড়াচর, আইরমারী, থানা-বকশিগঞ্জ, জেলা-জামালপুর, বর্তমান সাং-সাইন বোর্ড বাজার (রকি মিয়ার বাসার ভাড়াটিয়া), থানা-গাছা, গাজীপুর মহানগর, গাজীপুর। মোসাঃ সুমাইয়া (২৪),পিতা-জাহেদুল ইসলাম, মাতা-ফুলেছা বেগম, সাং-রতারগাঁও, থানা-বিশম্ভপুর, জেলা-সুনামগঞ্জ, বর্তমান সাং-সালনা, (আব্বাসের বাড়ীর ভাড়াটিয়া), থানা-সদর, গাজীপুর মহানগর, গাজীপুর। নয়ন চন্দ্র (৩০),পিতা-মৃত কানু চন্দ্র, মাতা-রাধা রাণী, সাং-গাগোয়া, থানা-সন্দুরগঞ্জ, জেলা-গাইবান্ধা, বর্তমান সাং-ডেগেরচালা, থানা-গাছা, গাজীপুর মহানগর, গাজীপুর।মোঃ শামীম (৩২),পিতা-মৃত দুলাল মিয়া, মাতা-সুফিয়া বেগম, সাং-ঘোষপালা, থানা-নান্দাইল, জেলা-ময়মনসিংহ, বর্তমান সাং-বোর্ড বাজার, (মান্নান এর বাসার ভাড়াটিয়া), থানা-গাছা, গাজীপুর মহানগর, গাজীপুর। মোঃ স্বপন (২৪),পিতা-মোঃ হাবিল, মাতা-নাজমা খাতুন, সাং-বরি, থানা-বারহাট্টা, জেলা-নেত্রকোনা, বর্তমান সাং-বাসন সড়ক (আমজাদের বাসার ভাড়াটিয়া),  থানা-বাসন, গাজীপুর মহানগর, গাজীপুরসহ মোট ১৪ জনকে গ্রেফতার পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।আরও পড়ুন, চট্টগ্রাম পুলিশের নেতৃত্বে নতুন অধ্যায়, দায়িত্ব নিলেন আলোচিত মাসুদ আলম বিপিএমমাদক ছিনতাই  বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সহকারী পুলিশ কমিশনার।  

মাদ্রাসায় ছাত্র নির্যাতন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

মাদ্রাসায় ছাত্র নির্যাতন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার একটি বেসরকারি মাদ্রাসায় ১১ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি শিশু অধিকার ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয় হিসেবে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। আহত শিক্ষার্থীর হাতে, পেটে, মুখে ও পিঠে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। বর্তমানে সে চন্দনাইশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।আরও পড়ুন, ব্যক্তিস্বার্থে কালভার্ট বন্ধে ডুবছে ফসল, দিশেহারা পাকুন্দিয়ার কৃষকগত বুধবার (৬ মে) চন্দনাইশ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ওপরে অবস্থিত ‘গুলজারে মদিনা হিফজুল কোরআন প্রাইভেট মাদ্রাসা’-য় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী মো. আহিল ওই মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের ছাত্র এবং দক্ষিণ জোয়ারা হারলা গ্রামের নুরুল আলমের ছেলে।আরও পড়ুন, চট্টগ্রাম পুলিশের নেতৃত্বে নতুন অধ্যায়, দায়িত্ব নিলেন আলোচিত মাসুদ আলম বিপিএমআহত শিক্ষার্থীর স্বজনরা অভিযোগ করেন, সামান্য ভুলের কারণে শিশুটিকে অমানবিকভাবে বেত্রাঘাত করা হয়েছে। তাদের দাবি, একজন শিক্ষকের এমন আচরণ শুধু শিক্ষানীতির পরিপন্থী নয়, বরং শিশুদের নিরাপদ শিক্ষার অধিকার ও মানবাধিকারেরও লঙ্ঘন। স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শারীরিক শাস্তি বন্ধে সরকারের কঠোর নির্দেশনা থাকলেও এখনো কিছু প্রতিষ্ঠানে শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।আরও পড়ুন, মিঠাপুকুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিতঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ আশিক ইলাহী জানান, ঘটনার সময় তিনি মাদ্রাসায় উপস্থিত ছিলেন না। শিক্ষক মো. আমান উল্লাহ পাঠ আদায়ের উদ্দেশ্যে ছাত্রটিকে মারধর করেছেন বলে তিনি নিশ্চিত করেন। বিষয়টি নিয়ে অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম দিদারুল ইসলাম সিকদার বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মিঠাপুকুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

মিঠাপুকুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬” এর উপজেলা পর্যায়ের চূড়ান্ত খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় জীবনপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে। এতে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। খেলা শেষে বিজয়ী ও রানারআপ দলের মাঝে ট্রফি, মেডেল ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।আরও পড়ুন, ব্যক্তিস্বার্থে কালভার্ট বন্ধে ডুবছে ফসল, দিশেহারা পাকুন্দিয়ার কৃষকঅনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিঠাপুকুরের মাননীয় এমপি গোলাম রব্বানী। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, খেলাধুলা শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। লেখাপড়ার পাশাপাশি ক্রীড়াচর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব ও দলগত মনোভাব গড়ে তুলতে পারে। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ এনামুল হক, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ গোলাম রব্বানী এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসার নিখিল চন্দ্র রায়।আরও পড়ুন, চট্টগ্রাম পুলিশের নেতৃত্বে নতুন অধ্যায়, দায়িত্ব নিলেন আলোচিত মাসুদ আলম বিপিএমঅনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউএনও মোঃ পারভেজ। তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায় থেকেই শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নেই। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসন, মিঠাপুকুর, রংপুরের বাস্তবায়নে আয়োজিত এ টুর্নামেন্টকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

আন্তর্জাতিক

কলকাতা-দিল্লি ফ্লাইটে মহুয়া মৈত্রকে লক্ষ্য করে স্লোগান ‘তৃণমূল চোর’

কলকাতা-দিল্লি ফ্লাইটে মহুয়া মৈত্রকে লক্ষ্য করে স্লোগান ‘তৃণমূল চোর’

ভারতের মহুয়া মৈত্র বিমানযাত্রার সময় হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৬ মে) ইন্ডিগো এয়ারলাইন্স ফ্লাইট-এর কলকাতা থেকে দিল্লিগামী একটি ফ্লাইটে এই ঘটনা ঘটে। তিনি জানান, উড্ডয়নরত অবস্থায় একদল যাত্রী তার দিকে ‘তৃণমূল চোর’ এবং ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দেয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি ভিডিও প্রকাশ করে তিনি বিষয়টি সামনে আনেন।আরও পড়ুন, ঘুষ কেলেঙ্কারিতে চীনের দুই সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মৃত্যুদণ্ডমহুয়া মৈত্র দাবি করেন, তিনি একটি সংসদীয় বৈঠকে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। বিমানে ১এফ আসনে বসা অবস্থায় কয়েকজন যাত্রী তাকে উদ্দেশ্য করে অশালীন আচরণ করে এবং পরে অবতরণের সময় একত্র হয়ে স্লোগান দেয় ও ভিডিও ধারণ করে। তিনি বলেন, এটি সাধারণ ক্ষোভ নয়, বরং পরিকল্পিত হেনস্তা। এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।আরও পড়ুন, নারী সেজে রাতে রাস্তায় দাঁড়ালেন পুলিশ কমিশনার, সামনে এলো ভয়াবহ বাস্তবতাঘটনার পর তিনি ইন্ডিগো কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন এবং অভিযুক্তদের ‘নো-ফ্লাই’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান। বিষয়টি তিনি ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রীকেও ট্যাগ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।আরও পড়ুন, ভারতকে ‘সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী’ বললেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মুখপাত্রবিমান সংস্থা জানিয়েছে, তারা অভিযোগ পেয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ভারতে রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

৩ ঘন্টা আগে

রাজধানী

বৃষ্টিভেজা সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডেমরায় কিশোর নিহত, আহত বন্ধু

বৃষ্টিভেজা সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডেমরায় কিশোর নিহত, আহত বন্ধু

রাজধানীর ডেমরায় বৃষ্টিভেজা সড়কে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে মো. নাজমুল নামে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোর নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার বন্ধু ইমন (১৮) আহত হয়েছেন।বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে ডেমরার বাঁশেরপুল এলাকায় ঢাকা পেপার মিলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল ছিল। মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে পড়ে গেলে এই দুর্ঘটনা ঘটে।দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে মুগদা হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাত পৌনে ১টার দিকে নাজমুলকে ্‌।আরও পড়ুন , কদমতলীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গুলি-সংঘর্ষ, ব্যবসায়ীসহ আহত ৬ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।আহত ইমন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।নিহত নাজমুল চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার রাজারগাঁও গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে। তিনি পরিবারের সঙ্গে ডেমরার বাঁশেরপুল এলাকায় থাকতেন এবং বাবার সঙ্গে গুঁড়া মসলার দোকানে কাজ করতেন বলে জানা গেছে।ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।

০৭ মে ২০২৬

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্টে টস হেরে ব্যাটিংয়ে স্বাগতিকরা

বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্টে টস হেরে ব্যাটিংয়ে স্বাগতিকরা

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচ। টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। অন্যদিকে সিরিজের প্রথম টেস্ট খেলতে নেমেই ইতিহাস গড়েছে পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল। নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে প্রথমবার তারা এক ম্যাচে সাতজন বাঁ-হাতি ব্যাটার নিয়ে মাঠে নেমেছে।আরও পড়ুন, বিসিসিআই নিয়ন্ত্রণ করে আইসিসিকেএটি পাকিস্তানের ৪৬৮তম টেস্ট ম্যাচ, যেখানে তারা প্রথমবার এত সংখ্যক বাঁ-হাতি ব্যাটার নিয়ে একাদশ সাজিয়েছে। এর আগে ২০২১ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ক্রাইস্টচার্চ টেস্টে ছয়জন বাঁ-হাতি ব্যাটার নিয়ে খেলেছিল পাকিস্তান। পরে ২০২৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে রাওয়ালপিন্ডি টেস্টেও একই সংখ্যক বাঁ-হাতি ব্যাটার খেলায় তারা। তবে এবার সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে প্রথমবার সাতজন বাঁ-হাতি ব্যাটার নিয়ে মাঠে নেমেছে পাকিস্তান।আরও পড়ুন, পাকিস্তানে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে অংশ নিচ্ছে শ্রীলঙ্কা, সম্ভাব্য ইংল্যান্ডওপাকিস্তানের একাদশে থাকা সাত বাঁ-হাতি ব্যাটার হলেন আজান আওয়াইস, ইমাম-উল-হক, শান মাসুদ, আব্দুল্লাহ ফজল, সৌদ শাকিল, শাহিন শাহ আফ্রিদি ও নোমান আলি। এই ম্যাচে অভিষেক হয়েছে দুই ব্যাটার আজান আওয়াইস ও আব্দুল্লাহ ফজলের। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তাদের পারফরম্যান্সও রয়েছে উল্লেখযোগ্য।আরও পড়ুন, বায়ার্নকে বিদায় করে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে পিএসজিবাংলাদেশ ও পাকিস্তান এখন পর্যন্ত টেস্টে মুখোমুখি হয়েছে ১৫ বার। এর মধ্যে পাকিস্তান জিতেছে ১২টি ম্যাচে, বাংলাদেশ জয় পেয়েছে ২টিতে এবং একটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালে পাকিস্তানের মাটিতে সিরিজ জিতে ইতিহাস গড়েছিল বাংলাদেশ। এবার মিরপুরে নতুন সিরিজে দুই দলই চাইছে সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে।

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর

অপরাধ

এসআরবি স্টেশনের বস্তি এলাকা যেন

এসআরবি স্টেশনের বস্তি এলাকা যেন

চট্টগ্রাম মহানগরীর সদরঘাট থানাধীন পশ্চিম মাদারবাড়ি এসআরবি স্টেশন সংলগ্ন রেলবিট এলাকা যেন ধীরে ধীরে পরিণত হয়েছে এক অঘোষিত মাদক মার্কেটে। দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যেই চলছে প্রাণঘাতী ইয়াবা ট্যাবলেটের বেচাকেনা যা এখন এলাকাবাসীর কাছে ‘ওপেন সিক্রেট’।স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নির্দিষ্ট কয়েকটি পয়েন্টে দাঁড়িয়ে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট খুচরা ক্রেতাদের কাছে ইয়াবা সরবরাহ করছে। মোটরসাইকেল ও অটোরিকশায় করে আসা ক্রেতাদের সঙ্গে দ্রুত হাতবদল হচ্ছে মাদক, যেন এটি কোনো সাধারণ লেনদেন। একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাসিন্দা বলেন, এখানে প্রতিদিন লাখ টাকার ইয়াবা বিক্রি হয়। সবাই দেখে, কিন্তু কেউ কিছু বলতে পারে না ভয়ে।”আরও পড়ুন, মহেশপুরে দলিল লেখকদের উদ্যোগে উন্মুক্ত সবজি বাগান, অসহায়দের জন্য স্বস্তির ঠিকানাস্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এসআরবি স্টেশন সংলগ্ন রেলবিট এলাকায় গড়ে উঠেছে একাধিক অস্থায়ী ‘ড্রাগ পয়েন্ট’। এসব পয়েন্টে নিয়মিত অবস্থান নেয় সিন্ডিকেটের সদস্যরা। লেনদেনের পুরো প্রক্রিয়া এতটাই স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে যে এলাকাবাসীর দৈনন্দিন জীবনের অংশে পরিণত হয়েছে এই চিত্র। উল্লেখ্য যে, গেল মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) এসআরবি স্টেশনের পরিত্যক্ত রেল বগিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাও এই মাদক চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে অভিযোগ উঠেছে।রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী (আরএনবি) এর হাবিলদার পঙ্কজ রায় গণমাধ্যমকে জানান, স্টেশন এলাকায় বহিরাগতরা প্রবেশ করে নিয়মিত মাদক বিক্রি ও সেবন করে। তাদের বাধা দিতে গিয়ে আরএনবি সদস্যরা বিভিন্ন সময় শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হয়েছেন। তিনি আরও জানান, ঘটনার দিন মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় বহিরাগতরা প্রথমে সরে গেলেও পরে ফিরে এসে পরিত্যক্ত কোচের সিটের ফোমে আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায়।আরও পড়ুন, মহেশপুরে কোদালের কোপে গৃহবধুকে হত্যাঅভিযোগ রয়েছে, পুরো মাদক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করছে একটি সুসংগঠিত ও প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি দাবি করেছেন, একাধিক মামলার আসামি জসিম উদ্দিন ও ঝুমকা বাদলসহ একটি চক্র এই সিন্ডিকেট পরিচালনা করছে। তাদের সঙ্গে স্থানীয় কিছু অসাধু প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগসাজশ রয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন।স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সিন্ডিকেটটি এলাকাকে কার্যত ‘সেফ জোন’ হিসেবে ব্যবহার করছে, যেখানে নির্বিঘ্নে চলে মাদক ব্যবসা। ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি থাকলেও কার্যকর অভিযান খুব একটা চোখে পড়ে না।উক্ত বিষয়ে সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ গোলাম রাব্বানীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। উক্ত বিষয়ে আমি অবগত নই তবে বিষয়টি দেখছি কেউ মাদক ব্যবসা করলে অবশ্যই তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের সংগঠিত মাদক চক্র সাধারণত বহুস্তর বিশিষ্ট হয়। এতে সরবরাহকারী,পরিবেশক, খুচরা বিক্রেতা এবং একটি শক্তিশালী ‘প্রটেকশন নেটওয়ার্ক’ একসঙ্গে কাজ করে। ফলে এই চক্র ভাঙতে হলে প্রয়োজন সমন্বিত গোয়েন্দা নজরদারি এবং ধারাবাহিক অভিযান।আরও পড়ুন, স্বনামধন্য সেলিম আচার ব্যান্ড নকল করে প্রতারণার অভিযোগে আদালতে মামলা, তবুও মিলছে না প্রতিকারসচেতন মহল বলছে, এই মাদক সিন্ডিকেট শুধু একটি এলাকাকে নয় পুরো প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ইয়াবার সহজলভ্যতা তরুণদের দ্রুত আসক্তির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও সহিংসতার মতো অপরাধও বেড়েই চলছে। এলাকাবাসীর প্রশ্ন, প্রতিদিন প্রকাশ্যে এমন মাদক বাণিজ্য চললেও তা প্রশাসনের নজর এড়িয়ে যাচ্ছে কীভাবে নাকি কোনো কারণে অভিযান থেমে আছে। স্থানীয়দের দাবি,অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে কার্যকর অভিযান চালিয়ে এই মাদক সিন্ডিকেট ভেঙে না দিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

আর্কাইভ

অর্থনীতি

লাগামহীন নিত্যপণ্যের দামে চাপে সাধারণ মানুষ, ফের ঊর্ধ্বমুখী মূল্যস্ফীতি

লাগামহীন নিত্যপণ্যের দামে চাপে সাধারণ মানুষ, ফের ঊর্ধ্বমুখী মূল্যস্ফীতি

দেশে নিত্যপণ্যের দামের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে চরম চাপে পড়েছে সাধারণ মানুষ। চাল, ডিম, ভোজ্যতেল, সবজি, মাছ-মাংস থেকে শুরু করে এলপিজি গ্যাস—সব ক্ষেত্রেই বেড়েছে খরচ। একই সঙ্গে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে দেশের মূল্যস্ফীতি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.০৪ শতাংশে, যা মার্চে ছিল ৮.৭১ শতাংশ। অর্থাৎ এক মাসে বেড়েছে ০.৩৩ শতাংশ।আরও পড়ুন, দেশে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ল, ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকাফলে সীমিত ও মধ্যবিত্ত আয়ের পরিবারগুলোর জীবনযাত্রায় নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, গত কয়েক মাস ধরেই মূল্যস্ফীতি ৮ থেকে ৯ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে, যা প্রকৃত আয় কমিয়ে দিচ্ছে। বাজারে দেখা গেছে, গত তিন মাসে কিছু সবজির দাম ১৬৭ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। এলপিজি সিলিন্ডারের দামও বেড়েছে প্রায় ৪৩ শতাংশ।আরও পড়ুন, ‘করের টাকা কী করেন,’ সরকারকে বিটিএমএ সভাপতির প্রশ্নব্যবসায়ীরা বলছেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও পরিবহন ব্যয়ের কারণে পণ্যের দাম বাড়ছে। ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়ার পর ট্রাকভাড়াও কয়েক হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে পাইকারি থেকে খুচরা বাজারে। সবজি ব্যবসায়ীরা বলছেন, বৃষ্টির কারণে সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম আরও বাড়ছে। আরও পড়ুন, আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারএদিকে ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) বলছে, জ্বালানি, পরিবহন ও বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, জ্বালানি মূল্য নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বাজারে কঠোর তদারকি ছাড়া এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ কঠিন।

আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার

আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছেন এক কোটির বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের ফলে প্রতিনিয়ত বাড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন। ফলে প্রবাসী আয় দেশে পাঠানো ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনায় প্রতিদিনের মুদ্রার বিনিময় হার জানা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। শুক্রবার (৮ মে) বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার সর্বশেষ বিনিময় হার প্রকাশ করা হয়েছে।আরও পড়ুন, দেশে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ল, ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকাতথ্য অনুযায়ী, সৌদি রিয়ালের বিনিময় হার ৩২ টাকা ৭৭ পয়সা এবং মার্কিন ডলার বা ইউএস ডলারের বিনিময় হার ১২২ টাকা ৮৫ পয়সা। এছাড়া ইউরোর দাম দাঁড়িয়েছে ১৪৪ টাকা ১৪ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের বিনিময় হার ১৬৬ টাকা ৬৪ পয়সা। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে কুয়েতি দিনারের দাম ৩৯৯ টাকা ৬০ পয়সা, বাহরাইনি দিনার ৩২৬ টাকা ৮৪ পয়সা এবং ওমানি রিয়াল ৩১৯ টাকা ৩০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।আরও পড়ুন, ‘করের টাকা কী করেন,’ সরকারকে বিটিএমএ সভাপতির প্রশ্নএদিকে মালয়েশিয়ান রিংগিতের দাম ৩১ টাকা ৯৮ পয়সা, সিঙ্গাপুর ডলার ৯৬ টাকা ৮৬ পয়সা এবং কানাডিয়ান ডলার ৮৯ টাকা ৮৬ পয়সা। এছাড়া ভারতীয় রুপির বিনিময় হার ১ টাকা ৩০ পয়সা এবং জাপানি ইয়েনের দাম ৭৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজার, ডলারের চাহিদা এবং বৈদেশিক রিজার্ভ পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে যেকোনো সময় মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তিত হতে পারে।

‘করের টাকা কী করেন,’ সরকারকে বিটিএমএ সভাপতির প্রশ্ন

সরকারকে উদ্দেশ করে কঠোর প্রশ্ন তুলেছেন বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)-এর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল। তিনি সরাসরি প্রশ্ন রাখেন, “করের টাকা কী করেন?” রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট গোলটেবিল আলোচনায় তিনি বলেন, কর আদায় হলেও সেই অর্থ কীভাবে ব্যয় হচ্ছে, সে বিষয়ে জবাবদিহিতা থাকা জরুরি।আরও পড়ুন, বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়ে ৩৫.৩০ বিলিয়ন ডলারেতিনি সরকারের কাছে করের টাকা ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে একটি পৃথক সেল গঠনেরও প্রস্তাব দেন। শওকত আজিজ রাসেল বলেন, সাবেক অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান শিল্পায়নে নীতিসহায়তা দিয়ে অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমান সময়ে সেই ধারাবাহিকতা নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন। তার অভিযোগ, বর্তমানে শিল্প খাতে ধস নামছে, অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং ব্যবসার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।আরও পড়ুন, এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.০৪ শতাংশ, বাড়ছে জনজীবনের চাপতিনি আরও বলেন, কর না দিলে সরকার ধরপাকড় করে, জেলে দেয়—তাহলে করের অর্থ কীভাবে ব্যয় হচ্ছে, সেটারও জবাবদিহি থাকতে হবে। অনুষ্ঠানে তিনি আগামী বাজেটে শিল্প, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দের হার স্পষ্টভাবে ঘোষণা করার আহ্বান জানান। অন্যদিকে আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থনীতিবিদরা বলেন, প্রত্যক্ষ কর বাড়ানো, ভ্যাট ফাঁকি রোধ এবং ডিজিটাল হিসাব ব্যবস্থার মাধ্যমে রাজস্ব ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ করা প্রয়োজন।আরও পড়ুন, দেশে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ল, ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকাএ সময় আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম)-এর সভাপতি সৈয়দ এরশাদ আহমেদ বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কার্যক্রম ঢেলে সাজানো না হলে বিদেশি বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হবে। সরকারের উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, কর ফাঁকি কমাতে হলে নাগরিকদের সঙ্গে করের সম্পর্ক দৃঢ় করতে হবে এবং করের অর্থ কোথায় ব্যয় হচ্ছে তা জানানো জরুরি।

‘করের টাকা কী করেন,’ সরকারকে বিটিএমএ সভাপতির প্রশ্ন

দেশে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ল, ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা

দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন দফায় স্বর্ণের মূল্য বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে, ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ছাড়িয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা।বৃহস্পতিবার সকালে নতুন দর ঘোষণা করে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দামের পরিবর্তনের কারণে এই সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে বর্ধিত দাম।নতুন দামে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। ২১ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ২১৩ টাকা ।আরও পড়ুন , এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.০৪ শতাংশ, বাড়ছে জনজীবনের চাপবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।এর আগে মাত্র একদিন আগেই স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল। ফলে টানা দুই দফা সমন্বয়ে বাজারে স্বর্ণের দাম আরও বেড়ে গেছে।বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৬৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা ও স্থানীয় সরবরাহ পরিস্থিতির কারণে স্বর্ণের দামে এই অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এর প্রভাব পড়ছে সাধারণ ক্রেতা ও গহনা ব্যবসায়ীদের ওপর।

দেশে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ল, ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা

এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.০৪ শতাংশ, বাড়ছে জনজীবনের চাপ

দেশের অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বেড়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো—বিবিএসের প্রকাশিত এপ্রিল মাসের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ০৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। মার্চ মাসে এই হার ছিল ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে শূন্য দশমিক ৩৩ শতাংশ।সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ বাড়িয়েছে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতের মূল্যস্ফীতি। এপ্রিল মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ, যা মার্চে ছিল ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ। অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশে।বিবিএস জানায়, গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০৫ শতাংশে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ২৩ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ।আর ও পড়ুন , বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়ে ৩৫.৩০ বিলিয়ন ডলারেঅন্যদিকে শহরাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ০২ শতাংশ। শহরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ১৫ শতাংশ।অর্থনীতিবিদদের মতে, সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রভাব বাজারে সরাসরি পড়েছে। গত ১৯ এপ্রিল সরকার ডিজেলের দাম লিটারে ১০০ টাকা থেকে ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১১২ থেকে ১৩০ টাকা, অকটেন ১২০ থেকে ১৪০ টাকা এবং পেট্রলের দাম ১১৬ থেকে ১৩৫ টাকায় উন্নীত করে।জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন, শিল্পকারখানা ও সরবরাহ ব্যবস্থার খরচও বৃদ্ধি পেয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়বে এবং নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের সংকট তীব্র হতে পারে।

এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.০৪ শতাংশ, বাড়ছে জনজীবনের চাপ

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়ে ৩৫.৩০ বিলিয়ন ডলারে

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়েছে। সর্বশেষ তথ্যে মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রবণতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।মঙ্গলবার (৫ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ৫ মে পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ৩০৫ দশমিক ৪২ মিলিয়ন ডলার। একই সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ ৩০ হাজার ৬১৫ দশমিক ২৭ মিলিয়ন ডলার।আরও পড়ুন , পাইকারি বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব পিডিবিরএর আগে ৪ মে পর্যন্ত গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৫ হাজার ২৯০ দশমিক ৬১ মিলিয়ন ডলার, আর বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ৩০ হাজার ৫৯৭ দশমিক ৯১ মিলিয়ন ডলার।বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে স্বল্পমেয়াদি দায় বাদ দিয়ে প্রকৃত বা নিট রিজার্ভ হিসাব করা হয়।বিশ্লেষকরা বলছেন, রিজার্ভের এই ধীর কিন্তু ধারাবাহিক বৃদ্ধি বৈদেশিক লেনদেন ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে ইতিবাচক সংকেত।আর ও পড়ুন , ঈদে চামড়া খাতে ঋণ বিতরণের নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়ে ৩৫.৩০ বিলিয়ন ডলারে

লাইফস্টাইললাইফস্টাইল

জেন-জির ডেটিং ডিকশনারিতে যুক্ত নতুন ৫ শব্দ

জেন-জির ডেটিং ডিকশনারিতে যুক্ত নতুন ৫ শব্দ

সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সম্পর্কের ধরন যেমন বদলাচ্ছে, তেমনি বদলাচ্ছে সম্পর্ক বোঝার ভাষাও। বিশেষ করে জেন-জি প্রজন্মের মধ্যে ডেটিং সংস্কৃতি এখন নতুন শব্দ ও ধারণার মাধ্যমে আরও ব্যাখ্যাযোগ্য হয়ে উঠছে। বর্তমানে আলোচনায় থাকা এমনই কয়েকটি নতুন ডেটিং টার্ম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।প্রথমটি হলো “পকেটিং”। এতে কেউ সম্পর্কে থাকলেও পরিবার বা বন্ধুদের কাছে নিজেকে সিঙ্গেল হিসেবে উপস্থাপন করেন। দীর্ঘ সময় এই আচরণ চললে তা সম্পর্কের জন্য সতর্ক সংকেত হিসেবে ধরা হয়।আরও পড়ুন, প্রিয় ফল আম সঠিকভাবে খেলেই হতে পারে স্বাস্থ্যকর ডায়েটের অংশদ্বিতীয়টি “ফিজলিং”, যেখানে কোনো ঝগড়া ছাড়াই সম্পর্ক বা যোগাযোগ ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে একসময় শেষ হয়ে যায়।তৃতীয় ধারণা “ইমোশনাল এয়ারবিএনবি”, যেখানে কেউ কেবল মানসিক সহায়তা নেওয়ার জন্য সম্পর্ক ব্যবহার করেন, কিন্তু পরে দূরে সরে যান।আরও পড়ুন, বৃষ্টিতে মন ফুরফুরে হওয়ার কারণ কীচতুর্থটি “জম্বিড”, যেখানে হঠাৎ যোগাযোগ বন্ধ করে পরে আবার অজুহাত দিয়ে ফিরে আসা হয়।পঞ্চম শব্দ “রোচিং”, যা প্রতারণামূলক সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যেখানে একজন ব্যক্তি একাধিক সম্পর্কে জড়িত থাকেন কিন্তু একটিই সম্পর্কের ভান করেন।আরও পড়ুন, দ্রুত পানি পানেই হতে পারে হজমের সমস্যা বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব নতুন টার্ম মূলত আধুনিক সম্পর্কের জটিলতা ও আচরণগত পরিবর্তনকে তুলে ধরছে, যা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে।