দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1002.4 hPa
29.5° 80%
540° 15mm
চট্টগ্রাম 1003.6 hPa
26° 87%
540° 15mm
রাজশাহী 1001.6 hPa
29.8° 69%
540° 15mm
খুলনা 1002.8 hPa
27.5° 88%
540° 15mm
বরিশাল 1002 hPa
27.3° 80%
540° 15mm
সিলেট 1002.7 hPa
26.2° 95%
540° 15mm
রংপুর 1001.1 hPa
30.7° 75%
540° 15mm
ময়মনসিংহ 1002.2 hPa
29.3° 90%
540° 15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদ

প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদ

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাম্প্রতিক প্রশাসনিক রদবদলে মো. দাউদ হোসেনকে গুলশান থানার নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার পর রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও অভিজাত এলাকা গুলশান থানার দায়িত্ব পাওয়াকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভ্যন্তরে একটি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে| দীর্ঘদিনের মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা, অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান এবং আলোচিত বিভিন্ন মামলার তদন্তে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি ইতোমধ্যেই পুলিশের একটি পরিচিত মুখে পরিণত হয়েছেন|আরও পড়ুন:  সংকট থেকে সাহসিকতায় আপেল মাহমুদের গল্পযশোর জেলার কৃতি সন্তান মো. দাউদ হোসেন কর্মজীবনের শুরু থেকেই দায়িত্বশীল ও পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত| বিভিন্ন সময়ে দেশের গুরুত্বপূর্ণ থানায় দায়িত্ব পালন করে তিনি নিজের দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন| বিশেষ করে রাজধানীর খিলগাঁও থানা এবং পরবর্তীতে ক্যান্টনমেন্ট থানায় দায়িত্ব পালনকালে তার কর্মকাণ্ড সাধারণ মানুষের পাশাপাশি পুলিশের উচ্চপর্যায়েও প্রশংসিত হয়েছে| পুলিশ সূত্রে জানা যায়, খিলগাঁও থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি মাদক, চুরি, ছিনতাই ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে বেশ সক্রিয় ভূমিকা রাখেন| তার নেতৃত্বে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে একাধিক অপরাধী চক্র ভেঙে দেওয়া হয়| একই সঙ্গে থানাভিত্তিক জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার করার ক্ষেত্রেও তিনি কাজ করেছেন| পরবর্তীতে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার দায়িত্ব পাওয়ার পরও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান বজায় রাখেন| বিশেষ করে চব্বিশের ৫ আগস্ট পরবর্তী পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিভিন্ন সংবেদনশীল মামলার তদন্ত ও আসামি গ্রেপ্তারে তার ভূমিকা ব্যাপক আলোচনায় আসে| ˆবষম্যবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় সাবেক সংসদ সদস্যসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের আইনের আওতায় আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি| আরও পড়ুন: আপেল মাহমুদকে ঘিরে সংবাদ নিয়ে প্রশ্ন, ভুয়া তথ্য ও অপপ্রচারআইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তার এই পদক্ষেপ বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হয়| তবে এসব কার্যক্রমের কারণে তাকে নানা ধরনের সমালোচনারও মুখোমুখি হতে হয়েছে| সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ও সমর্থকগোষ্ঠীর পক্ষ থেকে তাকে নিয়ে একাধিক নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হয়| বিশেষ করে আওয়ামী লীগের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে পোস্ট দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়| কিন্তু এসব প্রচারণা কিংবা সমালোচনাকে গুরুত্ব না দিয়ে তিনি তার দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন| আরও পড়ুন: পুলিশের দায়িত্ব পালনে বাধা মব কালচারআইনশৃঙ্খলা বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর মামলাগুলোতে পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করার কারণেই তিনি আলোচনায় আসেন| একজন পুলিশ কর্মকর্তার মূল দায়িত্ব আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা এবং সেই জায়গা থেকে তিনি দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছেন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা| ক্যান্টনমেন্ট থানায় দায়িত্ব পালনকালে অপরাধ দমনের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগেও অংশ নিতে দেখা গেছে তাকে| স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময়, বিট পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করেছেন তিনি|রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান থানা দীর্ঘদিন ধরেই নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ| এখানে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী, কূটনীতিক, বিদেশি নাগরিক এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বসবাস| একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানের হোটেল, দূতাবাস, করপোরেট অফিস এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থাকায় গুলশানের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়|সাম্প্রতিক সময়ে গুলশান এলাকায় সাইবার অপরাধ, প্রতারণা, মাদক ব্যবসা, অবৈধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ নিয়েও আলোচনা রয়েছে| ফলে এই থানার দায়িত্বে একজন অভিজ্ঞ ও দক্ষ কর্মকর্তার প্রয়োজন ছিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা|আরও পড়ুন: আইনের শাসন না মবের রাজত্ব?পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মো. দাউদ হোসেন মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে পছন্দ করেন| তিনি শুধুমাত্র অফিসকেন্দ্রিক কার্যক্রমে সীমাবদ্ধ না থেকে সরাসরি অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম তদারকি করেন| ফলে অধস্তন কর্মকর্তাদের মধ্যেও দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক চাপ ˆতরি হয়| তবে সাংবাদিক মহলেও তার কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা রয়েছে| বিভিন্ন অপরাধবিরোধী অভিযানে তথ্যভিত্তিক বক্তব্য প্রদান এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে সমš^য় রেখে কাজ করার কারণে অনেক প্রতিবেদকের কাছেও তিনি পরিচিত মুখ| তবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তিনি বরাবরই আইনি প্রক্রিয়াকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন বলে জানা যায়|নগরবাসীর প্রত্যাশা, গুলশান থানার নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি এলাকার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করবেন| বিশেষ করে অভিজাত এলাকার আড়ালে পরিচালিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, প্রতারণা চক্র, মাদক ব্যবসা এবং প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে আশা করা হচ্ছে|আরও পড়ুন: পুলিশ হত্যা, সংস্কার ও জননিরাপত্তা: সংকট উত্তরণের পথ কোথায়?অন্যদিকে অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান সময়ে নগর অপরাধের ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে| ফলে শুধু প্রচলিত পুলিশিং নয়, আধুনিক প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যনির্ভর কার্যক্রমও সমান গুরুত্বপূর্ণ| মো. দাউদ হোসেন তার পূর্ববর্তী দায়িত্বগুলোতে প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত কার্যক্রমে গুরুত্ব দিয়েছেন| গুলশান থানাতেও সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে|এদিকে তার নতুন দায়িত্ব গ্রহণকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নানা আলোচনা দেখা গেছে| অনেকেই তাকে একজন দৃঢ়চেতা ও পেশাদার কর্মকর্তা হিসেবে উল্লেখ করছেন| আবার কেউ কেউ তার সামনে থাকা চ্যালেঞ্জগুলোর কথাও তুলে ধরছেন| কারণ গুলশান থানা শুধু একটি সাধারণ থানা নয়, বরং দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর থানা এলাকাগুলোর একটি| পুলিশের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো বলছে, দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠা, সাহসিকতা এবং কর্মদক্ষতার কারণেই তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ থানার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে| অতীত অভিজ্ঞতা ও অর্জন বিবেচনায় গুলশান থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট মহল|আরও পড়ুন:  পেশা নাকি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলমের যুদ্ধ?সব মিলিয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানা থেকে গুলশান থানায় মো. দাউদ হোসেনের পদায়ন শুধুমাত্র একটি প্রশাসনিক রদবদল নয়; বরং এটি একজন আলোচিত ও অভিজ্ঞ পুলিশ কর্মকর্তার প্রতি কর্তৃপক্ষের আস্থার প্রতিফলন বলেও মনে করছেন অনেকে| এখন সময়ই বলে দেবে রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই থানায় দায়িত্ব পালন করে তিনি কতটা সফলতার সঙ্গে নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারেন| তবে আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্টদের মতে, অতীতের অভিজ্ঞতা, পেশাদার মনোভাব এবং অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে গুলশান থানার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে| তবে তার কর্মদক্ষতা আরো কাজে লাগিয়ে সাধারন মানুষের সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

দেশ কতটা নাজুক, পরিসংখ্যানই প্রমাণ’ রুমিন ফারহানা

জাতীয় সংসদে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র আলোচনা হয়েছে। সরকারের প্রথম ১০০ দিনে হত্যা, অপহরণ, ছিনতাই, ডাকাতি এবং নারী-শিশু নির্যাতনের উদ্বেগজনক পরিসংখ্যান তুলে ধরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে ‘নাজুক ও ভয়াবহ’ বলে মন্তব্য করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।সোমবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ বিধিতে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। বক্তব্যের শুরুতেই সংসদকক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর খালি আসনের দিকে ইঙ্গিত করে রুমিন বলেন, ‘সামনে তাকিয়ে দেখলাম তাঁর আসনটি খালি, অর্থাৎ তিনি উপস্থিত নেই। কী আর করা, তাঁর অনুপস্থিতিতেই বলি।’ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের—টিআইবির একটি প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, মার্চ ও এপ্রিল—এই দুই মাসে দেশে ৬০৫টি খুন, ২৯৪টি ছিনতাই, ৯০টি ডাকাতি এবং ১৯৬টি অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। একই আরো পড়ুন , শিক্ষা বোর্ডে বড় রদবদল, ঢাকা বোর্ডে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগসময়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে ১২৯টি এবং চুরির ঘটনা ঘটেছে ২ হাজার ২১৪টি।নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে রুমিন ফারহানা বলেন, আলোচিত সময়ে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ৩ হাজার ৪৯৬টি। ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৭৮ থেকে ১০২ জন, দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ৩০ থেকে ৩৬ জন এবং শিশু ধর্ষণের শিকার ৪৯ থেকে ৭১ জন।তিনি আরও বলেন, সরকারের সাফল্য ও ব্যর্থতার বড় দুটি মানদণ্ড হলো অর্থনীতি ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি। এই দুই ক্ষেত্রেই সরকারের কার্যকারিতা দেশের জনগণ মূল্যায়ন করবে।অন্যদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে ভালো। টিআইবির প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘টিআইবি রিপোর্ট করে পত্রিকার কাটিং থেকে, তারা কোনো তদন্ত করে না।’এ ঘটনায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সরকার ও সমালোচকদের ভিন্ন অবস্থান আবারও সামনে এলো।

শিক্ষা বোর্ডে বড় রদবদল, ঢাকা বোর্ডে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ

দেশের শিক্ষা প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল আনা হয়েছে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডসহ একাধিক শিক্ষা বোর্ড এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড— এনসিটিবিতে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়েছে সরকার।ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান। তিনি এতদিন ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করছিলেন। অন্যদিকে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বর্তমান চেয়ারম্যান খন্দোকার এহসানুল কবিরকে ঢাকা কলেজে সংযুক্ত করা হয়েছে।এ ছাড়া যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান হয়েছেন অধ্যাপক ফারুখে আযম মু. আব্দুস ছালাম। তিনি খুলনার সরকারি হাজী মুহাম্মদ মুহসিন কলেজের অধ্যক্ষ আরো পড়ুন , মরিশাসের শ্রমবাজার খুললে কতটা লাভবান হবে বাংলাদেশহিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বোর্ডটির সচিব শামীম আরা চৌধুরী। আর কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হয়েছেন দেবীদ্বার সরকারি এস এ কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আহসান পারভেজ।বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান করা হয়েছে অধ্যাপক খোন্দকার মোহাম্মদ সাদেকুর রহমানকে। তিনি এর আগে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।এদিকে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড— এনসিটিবির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা। হিসাববিজ্ঞানের এই অধ্যাপক বর্তমানে চট্টগ্রামের সরকারি কমার্স কলেজের উপাধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিক্ষা খাতে চলমান সংস্কার, নতুন শিক্ষাক্রম এবং পরীক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের সময় এ প্রশাসনিক পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

মরিশাসের শ্রমবাজার খুললে কতটা লাভবান হবে বাংলাদেশ

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আবারও বাংলাদেশিদের জন্য খুলতে যাচ্ছে মরিশাসের শ্রমবাজার। জনশক্তি রপ্তানির লক্ষ্যে দ্রুত একটি সমঝোতা স্মারক বা এমওইউ স্বাক্ষরের বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও মরিশাস সরকার।সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত ১১৪তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনের সাইডলাইনে বাংলাদেশের শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং মরিশাসের শ্রমমন্ত্রী মুহাম্মদ রেজা কাসাম উতিমের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।বৈঠকে মরিশাসে বাংলাদেশি শ্রমিকদের বর্তমান অবস্থা, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা শ্রমবাজার পুনরায় চালু এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। দুই দেশ দ্রুত একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়ে নীতিগত ঐকমত্যে পৌঁছায়।বৈঠকের শুরুতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেন মন্ত্রী আরিফুল হক আরো পড়ুন , ২০২৭ থেকে স্কুলে নতুন ৪ বাধ্যতামূলক বিষয়, আসছে নতুন শিক্ষাক্রমচৌধুরী। তিনি মরিশাস সরকারকে দ্রুত ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ শুধু টেক্সটাইল খাত নয়— ডাক্তার, প্রকৌশলী, নার্স, অ্যাকাউন্ট্যান্টসহ বিভিন্ন পেশার দক্ষ জনশক্তি পাঠাতে প্রস্তুত।বাংলাদেশের এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে মরিশাসের শ্রমমন্ত্রী বলেন, বিশেষ করে দেশটির ওয়ান-স্টপ টেক্সটাইল শিল্পের জন্য প্রচুর দক্ষ কর্মী প্রয়োজন। তাই বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি নিতে মরিশাস সরকার আগ্রহী।তিনি আরও জানান, শ্রমবাজার পুনরায় চালুর লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারকের খসড়া দ্রুত বাংলাদেশ সরকারের কাছে পাঠানো হবে। একইসঙ্গে বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতে বিনিয়োগের আগ্রহও প্রকাশ করেছে মরিশাস সরকার।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে নতুন শ্রমবাজার চালু হলে বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান বাড়বে এবং রেমিট্যান্স প্রবাহেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

২০২৭ থেকে স্কুলে নতুন ৪ বাধ্যতামূলক বিষয়, আসছে নতুন শিক্ষাক্রম

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে চারটি নতুন বাধ্যতামূলক বিষয় যুক্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ২০২৮ সাল থেকে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।সোমবার সচিবালয়ে সরকারের ১৮০ দিনের শিক্ষা কর্মসূচি তুলে ধরতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন এসব তথ্য জানান।ঘোষণা অনুযায়ী, চতুর্থ শ্রেণি থেকে দুটি নতুন বিষয় যুক্ত হবে— ক্রীড়া এবং সংস্কৃতি। আর ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে ‘কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা’ এবং ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ নামে দুটি নতুন বিষয়।শিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেন, আনন্দময় শিক্ষা, দক্ষতা আরো পড়ুন, যুবশক্তিকে দক্ষতায় রূপান্তর, দেশে চলছে ১১০ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রউন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই নতুন বিষয়গুলো চালু করা হচ্ছে। বিশেষ করে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ কোর্সের মাধ্যমে মূল্যবোধ, শেখার আনন্দ এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।এদিকে শিক্ষামন্ত্রী জানান, শিক্ষাক্রম পরিবর্তন একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। তাই ২০২৭ সাল থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবসম্মত পরিবর্তন আনা হবে এবং ২০২৮ সাল থেকে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে।সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশ করা হবে। আর ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে ৭ জানুয়ারি এবং শেষ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি। একই বছরের এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে ৬ জুন, চলবে ১৩ জুলাই পর্যন্ত।বিশেষজ্ঞদের মতে, খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও কারিগরি শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা হলে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক দক্ষতা বাড়বে এবং মুখস্থনির্ভর শিক্ষা থেকে বেরিয়ে বাস্তবমুখী শিক্ষার সুযোগ তৈরি হবে।

রাজনীতিরাজনীতি

সীমান্তে সজাগ বিজিবি, ভারতের পুশইন নিয়ে দিল্লিকে একের পর এক চিঠি

সীমান্তে সজাগ বিজিবি, ভারতের পুশইন নিয়ে দিল্লিকে একের পর এক চিঠি

বাংলাদেশে ভারতের কথিত ‘পুশইন’ চেষ্টার ঘটনায় দিল্লিকে ১২ থেকে ১৩টি চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, যথাযথ কূটনৈতিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে কাউকে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, অবৈধ অভিবাসীদের নাগরিকত্ব যাচাই করে ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে একটি নির্ধারিত প্রক্রিয়া বা মেকানিজম রয়েছে।তিনি বলেন, কোনো বাংলাদেশি নাগরিক অবৈধভাবে বিদেশে অবস্থান করলে যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ফেরত আনার একটি নিয়ম রয়েছে। একইভাবে ভারতে থাকা বাংলাদেশি বা বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় অবৈধ নাগরিকদের ক্ষেত্রেও বিদ্যমান কূটনৈতিক ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ আছে।তবে এই প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ‘পুশইন’ বা সীমান্ত আরো পড়ুন , ভুয়া কমিটি ও ভুয়া পেজ নিয়ে বিএনপির সতর্কবার্তাদিয়ে জোরপূর্বক লোক ঢুকিয়ে দেওয়ার বিষয়টি একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেন শামা ওবায়েদ। তিনি জানান, সীমান্তে এ ধরনের ঘটনার অভিযোগ পাওয়ার পরপরই দিল্লিকে একাধিক কূটনৈতিক চিঠি পাঠানো হয়েছে।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং কোনোভাবেই এ ধরনের অনুপ্রবেশ অনুমোদন করা হচ্ছে না।তিনি জানান, যদি কোনো বাংলাদেশি নাগরিক ভারতে অবৈধভাবে অবস্থান করেন, তাহলে বিদ্যমান কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় তাদের ফেরত আনা হচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ভারতের চেন্নাই থেকে ৩৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।একইসঙ্গে ভারত সরকার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নিয়ে কূটনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাধান করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। অন্যথায় এটি বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন প্রতিমন্ত্রী।

ভুয়া কমিটি ও ভুয়া পেজ নিয়ে বিএনপির সতর্কবার্তা

ভুয়া কমিটি ও ভুয়া পেজ নিয়ে বিএনপির সতর্কবার্তা

দেশের বিভিন্ন জেলায় বিএনপি মিডিয়া সেলের নামে ভুয়া কমিটি গঠন ও প্রচারের অভিযোগে সতর্কবার্তা দিয়েছে দলটির মিডিয়া সেল।সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল জানান, সম্প্রতি কয়েকটি জেলায় মিডিয়া সেলের নামে অনুমোদনহীন কমিটি ঘোষণা ও প্রচারের তথ্য তাদের নজরে এসেছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কেন্দ্রীয় কমিটি ছাড়া বিএনপি মিডিয়া সেলের কোনো জেলা বা মহানগর পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়নি।আরও  পড়ুন, সংসদে হাসনাতের প্রশ্ন: ‘গুম-খুনের বৈধতা দেওয়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা তাই যারা নিজেদের অনুমোদিত কমিটির সদস্য হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন, তাদের সঙ্গে বিএনপি মিডিয়া সেলের কোনো সম্পর্ক নেই।এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপি মিডিয়া সেলের নামে পরিচালিত বিভিন্ন ভুয়া পেজ, গ্রুপ ও কমিউনিটি থেকেও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অননুমোদিত কমিটি গঠন বা প্রচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ আনা হবে।বিএনপি নেতাকর্মী, সাংবাদিক ও সাধারণ জনগণকে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও ভুয়া তালিকা সম্পর্কে সচেতন থাকার অনুরোধ জানিয়েছে দলটি।আরও  পড়ুন, রূপগঞ্জে এনসিপির ফল উৎসবে হামলার অভিযোগ, মামলা; গ্রেফতার ২

সংসদে হাসনাতের প্রশ্ন: ‘গুম-খুনের বৈধতা দেওয়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা

সংসদে হাসনাতের প্রশ্ন: ‘গুম-খুনের বৈধতা দেওয়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা

সংসদে আওয়ামী লীগ আমলে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ অভিযোগ করেছেন, কিছু সাংবাদিক ও গণমাধ্যম গণহত্যা, গুম, খুন, ভোট চুরি এবং ব্যাংক লুটপাটের বৈধতা দিতে ভূমিকা রেখেছে।রোববার জাতীয় সংসদে সম্পূরক প্রশ্নে তিনি জানতে চান, এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।জবাবে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী বলেন, সাংবাদিক, রাজনীতিক, ব্যবসায়ী কিংবা সরকারি কর্মকর্তা—কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন। কেউ আইনের পরিপন্থী কাজ করলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।আরও পড়ুন, রূপগঞ্জে এনসিপির ফল উৎসবে হামলার অভিযোগ, মামলা; গ্রেফতার ২হাসনাত আবদুল্লাহ আরও অভিযোগ করেন, অতীতে বিতর্কিত ভূমিকা পালন করা কিছু সাংবাদিককে আবার বিভিন্ন গণমাধ্যমে পুনর্বাসন করা হচ্ছে। তিনি কয়েকটি গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।এদিকে সংসদে ভুয়া সাংবাদিকতা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতথ্য ছড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। প্রতিমন্ত্রী জানান, মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন মোকাবিলায় সরকার একটি বিশেষ মনিটরিং টিম গঠন করেছে।তিনি আরও জানান, নতুন অনলাইন পোর্টাল ও ডিজিটাল গণমাধ্যমের অনুমোদনের জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে।আরও  পড়ুন, ছাত্রলীগের সভা-মিছিলের অভিযোগ, সাবেক মেয়র মনজুর আলমসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

রূপগঞ্জে এনসিপির ফল উৎসবে হামলার অভিযোগ, মামলা; গ্রেফতার ২

রূপগঞ্জে এনসিপির ফল উৎসবে হামলার অভিযোগ, মামলা; গ্রেফতার ২

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপির ফল উৎসবকে কেন্দ্র করে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।রোববার রূপগঞ্জ উপজেলা জাতীয় যুবশক্তি কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব আল ফারাবী বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় মামলাটি করেন। মামলায় ২০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৮০ থেকে ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়,আরও  পড়ুন, ছাত্রলীগের সভা-মিছিলের অভিযোগ, সাবেক মেয়র মনজুর আলমসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা শনিবার দাউদপুর ইউনিয়নের কুলিয়াদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এনসিপির ফল উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর আগমনের আগেই হামলাকারীরা মঞ্চ, প্যান্ডেল, চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করে এবং সাউন্ড সিস্টেম ও মৌসুমি ফল লুট করে নিয়ে যায়।হামলায় এনসিপি ও জাতীয় যুবশক্তির কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিলয় ও রাজু মিয়াকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।আরও  পড়ুন , বাজেট অধিবেশনে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে: জামায়াত আমির

সারাবাংলা

নতুন কমিটি গঠনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বিসিবিতে পদত্যাগ

নতুন কমিটি গঠনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বিসিবিতে পদত্যাগ

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড—বিসিবির নতুন কমিটি গঠনের একদিনের মাথায় পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মীর শাকরুল আলম সীমান্ত। সোমবার বিসিবি সভাপতি বরাবর আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি।স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের ছেলে মীর শাকরুল আলম সীমান্ত রাজশাহী অঞ্চল থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির পরিচালক নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে নির্বাচিত হওয়ার মাত্র একদিন পরই দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি।পদত্যাগপত্রে সীমান্ত উল্লেখ করেন, বর্তমানে পারিবারিক ব্যবসা-বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব তার ওপর রয়েছে। বিশেষ করে তার পিতা সরকারের প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনায় তাকে অধিক সময় দিতে হচ্ছে। এ কারণে বিসিবির মতো আরো পড়ুন . কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা, আহত অর্ধশতাধিকগুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিষ্ঠানে পরিচালকের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা তার পক্ষে সম্ভব হবে না বলে উল্লেখ করেন তিনি।তিনি আরও জানান, দায়িত্বশীলতার জায়গা থেকে এবং প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ বিবেচনায় তিনি পরিচালক পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে তার পদত্যাগপত্র গ্রহণের জন্য বিসিবি সভাপতির প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, রাজশাহী অঞ্চল থেকে একক প্রার্থী হওয়ায় মীর শাকরুল আলম সীমান্ত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক নির্বাচিত হন। তবে নির্বাচনের আগেই পরিচালক পদে দায়িত্ব পালন না করার ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত নির্বাচিত হওয়ার একদিনের মাথায় আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করলেন তিনি।

কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা, আহত অর্ধশতাধিক

কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা, আহত অর্ধশতাধিক

কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়ায় দুটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৫০ জন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে পুলিশ। কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আবারও প্রাণঘাতী সড়ক দুর্ঘটনা।সোমবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে চকরিয়ার খুটাখালী ইউনিয়নের মেদাকচ্ছপিয়া ঢালায় মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে কক্সবাজারগামী ‘এভারগ্রীন’ এসি বাস এবং ‘চকরিয়া সার্ভিস’ নামের একটি মিনিবাস।সংঘর্ষের তীব্রতায় মিনিবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিনিবাসের ছাদ ছিটকে সড়কে পড়ে যায় এবং গাড়ির মূল অংশ রাস্তার পাশের ফুটপাতে গিয়ে পড়ে।অন্যদিকে এভারগ্রীন বাসটির সামনের অংশও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই এক শিশুর মৃত্যু হয়।আরও  পড়ুন, ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন আহত হন অন্তত ৫০ জন যাত্রী। আহতদের মালুমঘাট, চকরিয়া ও আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।পুলিশ জানায়, আহতদের মধ্যে চালক, হেলপার ও কয়েকজন নারী যাত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক।দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে মালুমঘাট হাইওয়ে থানা পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে।মাহবুব, অফিসার ইনচার্জ, মালুমঘাট হাইওয়ে থানা"দুর্ঘটনায় এক শিশু নিহত হয়েছে এবং বহু যাত্রী আহত হয়েছেন। বাস দুটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদ্ধার ও যান চলাচল স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে।"পুলিশ বলছে, দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করা হচ্ছে। বাস দুটি জব্দ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।আরও  পড়ুন, কোনাবাড়ী থানার ওসি ইফতেখার হোসেনের নেতৃত্বে সফল অভিযান: ৫২ বোতল বিদেশি মদসহ ৩ জন গ্রেপ্তার

ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন

ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন

পাবনার ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুর ১২টায় প্রেসক্লাব সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত  সাধারণ সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়। ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্রে উল্লেখিত ১৭ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটির ১১ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। গঠনতন্ত্রের বিধি মোতাবেক সাবজেক্ট কমিটির পরামর্শে সভাপতি সাপ্তাহিক সমকোণ পত্রিকার সম্পাদক আব্দুল মান্নান টিপু ও সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে কালের কন্ঠ ঈশ্বরদী প্রতিনিধি শেখ মেহেদী হাসানকে। আরও পড়ুন , কোনাবাড়ী থানার ওসি ইফতেখার হোসেনের নেতৃত্বে সফল অভিযান: ৫২ বোতল বিদেশি মদসহ ৩ জন গ্রেপ্তারএ ছাড়া সহসভাপতি খবরের কাগজ ঈশ্বরদী  প্রতিনিধি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, সমকাল প্রতিনিধি সেলিম সরদার, সহ সাধারণ সম্পাদক দৈনিক বীর বাংলা সম্পাদক ওহেদুজ্জামান টিপু, কোষাধ্যক্ষ দৈনিক নয়া দিগন্ত প্রতিনিধি শহীদুল্লাহ্ খান, কার্যনির্বাহী সদস্য দৈনিক করতোয়া প্রতিনিধি । এস এম ফজলুর রহমান, ইত্তেফাক প্রতিনিধি স্বপন কুমার কুন্ডু, সাপ্তাহিক জংশন সম্পাদক এস এম রাজা,সাপ্তাহিক ঈশ্বরদী বার্তা সম্পাদক আজিজুর রহমান খান।প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী খুব শীঘ্রই ১৭ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে বলে জানান নতুন কমিটির সভাপতি আব্দুল মান্নান টিপু।আরও  পড়ুন, এইচএসসি কেন্দ্র নিয়ে ক্ষোভ, সড়কে নেমে বিক্ষোভ টুঙ্গিপাড়ার শিক্ষার্থীদের

কোনাবাড়ী থানার ওসি ইফতেখার হোসেনের নেতৃত্বে সফল অভিযান: ৫২ বোতল বিদেশি মদসহ ৩ জন গ্রেপ্তার

কোনাবাড়ী থানার ওসি ইফতেখার হোসেনের নেতৃত্বে সফল অভিযান: ৫২ বোতল বিদেশি মদসহ ৩ জন গ্রেপ্তার

গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী থানার জয়েরটেক এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৫২ বোতল বিদেশি মদসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে কোনাবাড়ী থানা পুলিশ। অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন সুরঞ্জন দাস ইমন, তাপস ও রাকিব।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোনাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইফতেখার হোসেনের দিকনির্দেশনায় জয়েরটেক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় অভিযুক্তদের হেফাজত থেকে ৫২ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকেই তাদের আটক করা হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করে ওসি মো. ইফতেখার হোসেন বলেন, মাদক নির্মূলে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত বিদেশি মদ জব্দ করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।আরও পড়ুন, এইচএসসি কেন্দ্র নিয়ে ক্ষোভ, সড়কে নেমে বিক্ষোভ টুঙ্গিপাড়ার শিক্ষার্থীদেরস্থানীয়দের মতে, কোনাবাড়ী থানার ওসি মো. ইফতেখার হোসেনের নেতৃত্বে এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ দমনে ধারাবাহিকভাবে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। সাম্প্রতিক এই সফল অভিযানের ফলে মাদক কারবারিদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।ওসি ইফতেখার হোসেন আরও বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অবস্থান জিরো টলারেন্স। মাদক ব্যবসা ও সেবনের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”মাদক নিয়ন্ত্রণে কোনাবাড়ী থানা পুলিশের এমন তৎপরতাকে এলাকাবাসী সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেনআরও  পড়ুন , চালু হবে গন্ধর্বপুর পানি শোধনাগার প্রকল্প, ঢাকায় মিলবে দৈনিক ৫০ কোটি লিটার পানি

আন্তর্জাতিক

বিয়েতে না গড়ালেই প্রতারণা নয় ঐতিহাসিক রায় ভারতের সুপ্রিম কোর্টের

বিয়েতে না গড়ালেই প্রতারণা নয় ঐতিহাসিক রায় ভারতের সুপ্রিম কোর্টের

বিয়ে ছাড়াও যেকোনো সম্পর্কের স্বাভাবিক সমাপ্তি হতে পারে—এমন বাস্তবতাকে সামনে রেখে এক গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত রায় দিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। আদালত স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, দুই প্রাপ্তবয়স্ক ও অবিবাহিত মানুষের পারস্পরিক সম্মতিতে গড়ে ওঠা শারীরিক সম্পর্ককে কোনোভাবেই একজন ব্যক্তির নৈতিক চরিত্রের দুর্বলতা হিসেবে দেখা যাবে না।ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির তথ্য অনুযায়ী, বিচারপতি মনমোহন ও বিচারপতি মনোজ মিশ্রের সমন্বয়ে গঠিত সুপ্রিম কোর্টের একটি বিশেষ বেঞ্চ তেলেঙ্গানার এক পুলিশ কনস্টেবল পদপ্রার্থীর নিয়োগ বাতিলের মামলার শুনানিতে এই পর্যবেক্ষণ দেন।মামলার তথ্য বলছে, ২০১৪ সালে ওই প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে এক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার অভিযোগে মামলা হয়েছিল। তবে পরে ২০১৫ সালে লোক আদালতে দুই পক্ষের পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে মামলাটি নিষ্পত্তি হয়। এরপরও তেলেঙ্গানা স্টেট আরো পড়ুন , যুদ্ধ থামছে নাকি নতুন ঝড় ইসরায়েলকে কড়া সতর্কবার্তা তেহরানেরলেভেল পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ড তার নিয়োগ বাতিল করে, দাবি করে—এই ঘটনায় প্রার্থীর নৈতিকতা ও চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।তবে সুপ্রিম কোর্ট এই অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে জানায়, সব সম্পর্কের শেষ পরিণতি বিয়ে নয়। শুধু সম্পর্ক বিয়েতে গড়ায়নি বলেই একজনকে প্রতারক বা সরকারি চাকরির অযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করার সুযোগ নেই। আদালত আরও বলে, দুই প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের পারস্পরিক সম্মতিতে গড়ে ওঠা সম্পর্ককে নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখা বা সেটিকে চরিত্রগত দুর্বলতা হিসেবে বিবেচনা করা আইনসম্মত নয়।সুপ্রিম কোর্ট আরও পর্যবেক্ষণ করে, আধুনিক সমাজে বিয়ের আগের সম্পর্ক অস্বাভাবিক কিছু নয়। আর কোনো নারী নিজেকে প্রতারিত মনে করেছেন কি না, সেটি সবচেয়ে ভালো বলতে পারেন সেই নারী নিজেই—তৃতীয় কেউ নয়। যেহেতু মামলার অভিযোগকারী নিজেই সমঝোতায় সম্মতি দিয়েছিলেন, তাই প্রার্থীর চাকরির যোগ্যতা নিয়ে নেতিবাচক সিদ্ধান্ত দেওয়ার যৌক্তিক ভিত্তি ছিল না বলেও মন্তব্য করেছে আদালত।

১ ঘন্টা আগে

রাজধানী

রামপুরায় শ্রমিক বিক্ষোভে অচল সড়ক, চাকরি ফেরতের দাবিতে উত্তাল বিটিভি মোড়

রামপুরায় শ্রমিক বিক্ষোভে অচল সড়ক, চাকরি ফেরতের দাবিতে উত্তাল বিটিভি মোড়

রাজধানীর রামপুরায় চাকরি হারানো পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভে প্রায় এক ঘণ্টা অচল হয়ে পড়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। তীব্র গরমের মধ্যে যানজটে আটকা পড়ে দুর্ভোগে পড়েন হাজারো যাত্রী।সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন ‘টেক্সাস ড্রেসেস লিমিটেড’-এর কয়েকশ শ্রমিক। তাদের অভিযোগ, কোনো পূর্বনোটিশ ছাড়াই এবং পাওনা পরিশোধের সুনির্দিষ্ট ঘোষণা না দিয়ে ১৪৭ জন শ্রমিককে চাকরিচ্যুত করেছে কারখানা কর্তৃপক্ষ।বিক্ষোভকারীরা জানান, চাকরি হারিয়ে তারা মানবেতর জীবনযাপনের মুখে পড়েছেন। তাই দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা।আরও  পড়ুন , রাস্তা পার হতে গিয়ে প্রাণ হারালেন পথচারী, আটক মোটরসাইকেল চালকশ্রমিকদের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের পুনর্বহাল, হয়রানি বন্ধ, আগের নিয়মে কারখানা পরিচালনা, নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং চাকরির স্থায়ী নিরাপত্তা।ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত হয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন। পরে শ্রমিকদের রাস্তা থেকে সরিয়ে শ্রম অধিদপ্তরে পাঠানো হয়।ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার হারুন অর রশীদ জানান, শ্রমিকদের বুঝিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।আরও পড়ুন, মতিঝিলে দিনদুপুরে গুলির শব্দ, ব্যবসায়ীকে আহত করে লাখো টাকা লুট

৭ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

তীব্র গরম আর বজ্রঝড়ে থমকে যেতে পারে ২০২৬ বিশ্বকাপ

তীব্র গরম আর বজ্রঝড়ে থমকে যেতে পারে ২০২৬ বিশ্বকাপ

উত্তর আমেরিকার তীব্র গরম ও গ্রীষ্মকালীন বজ্রঝড় ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের সূচি ও ম্যাচ পরিচালনায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটাতে পারে— এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর বিভিন্ন অঞ্চলে চরম আবহাওয়া এখন বড় বাস্তবতা, যা বিশ্বকাপের মতো মেগা আয়োজনের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো, বজ্রপাতের ক্ষেত্রে ফিফার নিজস্ব কোনো আলাদা নিয়ম নেই। আয়োজক দেশগুলোর স্থানীয় নিরাপত্তা নীতিই অনুসরণ করতে হবে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে। যুক্তরাষ্ট্রে ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফিয়ারিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, স্টেডিয়ামের ১৩ কিলোমিটার বা ৮ মাইলের মধ্যে কোথাও বজ্রপাত শনাক্ত হলেই ম্যাচ সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করতে হবে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে বিশ্বকাপের সূচি বড় ধরনের বিশৃঙ্খলার মুখে পড়তে পারে। কারণ গ্রুপপর্বের আরো পড়ুন , ৪৫ বলেই সেঞ্চুরি , বাংলাদেশের দ্রুততম শতকের নতুন রাজা সোহানশেষ ম্যাচ কিংবা নকআউট পর্বে একই সময়ে একাধিক ম্যাচ আয়োজনের বাধ্যবাধকতা থাকে। একটি ম্যাচ ঝড় বা বজ্রপাতের কারণে বন্ধ হলে পুরো সময়সূচিই এলোমেলো হয়ে যেতে পারে।অতীতে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের একটি ম্যাচ বজ্রপাতের কারণে সাড়ে তিন ঘণ্টার বেশি সময় বন্ধ থাকার নজিরও রয়েছে। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত দিনে খেলা শেষ না হলে তা পরবর্তী দিনে পুনরায় শুরু করা হবে এবং ঠিক যে মিনিটে খেলা বন্ধ হয়েছিল, সেখান থেকেই আবার শুরু হবে ম্যাচ।বিশ্বকাপের আয়োজক শহরগুলোর মধ্যে আটলান্টা, বোস্টন, ডালাস, হিউস্টন, কানসাস সিটি, মায়ামি, নিউ জার্সি, মেক্সিকো সিটি ও মনটেইরে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। যদিও কয়েকটি স্টেডিয়ামে ছাদ থাকায় ঝুঁকি কিছুটা কমতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ১৯৯৪ সালের তুলনায় বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়ায় উত্তর আমেরিকায় এখন আরও ঘন ঘন বজ্রঝড় হচ্ছে। ফলে খেলোয়াড় ও দর্শকদের নিরাপত্তায় ‘মেঘ ডাকলেই খেলা বন্ধ’ নীতি বিশ্বকাপের মাঠে বড় বাস্তবতা হয়ে উঠতে পারে।

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর

অপরাধ

গুলশানে স্পা সেন্টারে অভিযান: মালিকসহ নারী সিন্ডিকেট গ্রেফতার ও মামলা প্রক্রিয়াধীন

গুলশানে স্পা সেন্টারে অভিযান: মালিকসহ নারী সিন্ডিকেট গ্রেফতার ও মামলা প্রক্রিয়াধীন

রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে স্পা সেন্টারের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে চলা কথিত অসামাজিক কর্মকাণ্ড ও অপরাধমূলক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে মালিকসহ একটি সংঘবদ্ধ নারী সিন্ডিকেটের সদস্যদের গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গুলশান থানার নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে কয়েকটি স্পা সেন্টার থেকে একাধিক ব্যক্তি আটক করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গুলশান এলাকার ৯৯ নম্বর রোডে অবস্থিত বাহার পরিচালিত একটি স্পা সেন্টার এবং গুলশান-২ এলাকার এইচ হোটেলে অবস্থিত রত্না পরিচালিত স্পা সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্পা ব্যবসার আড়ালে অসামাজিক কর্মকাণ্ড, দেহব্যবসা এবং বিভিন্ন ধরনের অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ ছিল।স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহলের অভিযোগ, রাজধানীর অভিজাত এলাকাগুলোতে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু স্পা সেন্টার স্বাস্থ্যসেবা বা সৌন্দর্যচর্চার নামে পরিচালিত হলেও এর আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে গ্রাহক সংগ্রহ, নারী সরবরাহ এবং অর্থ লেনদেনের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।অভিযান প্রসঙ্গে গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাংবাদিকদের বলেন, “অপরাধীরা দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটি আরো পড়ুন ,যুবদলের নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ, গুরুত্বপূর্ণ পদে নতুন মুখসংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে স্পা সেন্টারের আড়ালে অসামাজিক কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধ করে আসছিল। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ বিষয়ে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়। পাশাপাশি সাংবাদিকরা তথ্য দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করেছেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে অপরাধীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং উক্ত বিষয়টি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।পুলিশের এ বক্তব্যের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, অপরাধ দমনে সংবাদমাধ্যম ও পুলিশের সমন্বিত উদ্যোগ ইতিবাচক ফল বয়ে আনছে।তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, অভিযানের আগে বেশ কিছুদিন ধরে সন্দেহভাজন প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নজরদারি চালানো হয়। বিভিন্ন অভিযোগ, তথ্য ও গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অভিযানের সময় স্পা সেন্টারগুলোতে কর্মরত কয়েকজন নারী, ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং মালিকপক্ষের প্রতিনিধিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয় অভিযানে উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন নথি, মোবাইল ফোন ও অন্যান্য আলামত পর্যালোচনা করে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের কার্যক্রম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। তদন্তকারীরা এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করছেন এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।স্থানীয়দের অভিযোগ, গুলশানের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কিছু প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে নানা অভিযোগের জন্ম দিলেও প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। অনেক সময় সাধারণ মানুষ অভিযোগ করলেও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বিলম্ব হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক এই অভিযানের ফলে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে মনে করছেন অনেকেই।একজন স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে এসব প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে বিভিন্ন কথা শুনে আসছিলাম। গভীর রাত পর্যন্ত সন্দেহজনক লোকজনের যাতায়াত ছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এ ধরনের অভিযান নিয়মিত হলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।”সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় স্পা, ম্যাসাজ পার্লার ও ওয়েলনেস সেন্টারের নামে বৈধ ব্যবসার পাশাপাশি কিছু প্রতিষ্ঠান অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সময়ে সময়েই অভিযান পরিচালনা করা হলেও নতুন নামে বা নতুন স্থানে আবারও কার্যক্রম শুরু করার অভিযোগ রয়েছে। ফলে আরো পড়ুন , কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণস্থায়ীভাবে এ ধরনের অপরাধ বন্ধে নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর আইন প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করছেন সংশ্লিষ্টরা।বিশেষজ্ঞদের মতে, নগর জীবনে স্পা ও ওয়েলনেস সেবা একটি বৈধ ও প্রয়োজনীয় খাত। তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এ খাতকে ব্যবহার করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করায় পুরো শিল্পখাতের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই বৈধ প্রতিষ্ঠান ও অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনাকারীদের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য নির্ধারণ করে কঠোর মনিটরিং প্রয়োজন।গণমাধ্যমকর্মীরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে স্পা সেন্টারের আড়ালে পরিচালিত অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিষয়টি তুলে ধরা হচ্ছিল। এসব প্রতিবেদনের পর প্রশাসনের নজরদারি বৃদ্ধি পায় এবং সাম্প্রতিক অভিযানের পথ সুগম হয়। তারা মনে করেন, জনস্বার্থে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা অব্যাহত থাকলে সমাজের বিভিন্ন অপরাধচক্র চিহ্নিত করা সহজ হবে।অভিযানের পর গুলশান এলাকায় অন্যান্য স্পা সেন্টারেও সতর্কতা দেখা গেছে বলে জানা গেছে। অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের লাইসেন্স, কার্যক্রম ও কর্মীদের তথ্য হালনাগাদ করার উদ্যোগ নিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নিয়মিত তদারকির আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ, আলামত বিশ্লেষণ এবং তথ্য যাচাই শেষে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে এ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তি বা সহযোগীদের শনাক্ত করার কাজও চলছে।সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, রাজধানীতে অপরাধ দমনে অভিযানের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত তদারকি এবং তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতার সমন্বয় প্রয়োজন। তাহলেই স্পা সেন্টার বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের আড়ালে সংঘটিত অপরাধ কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

আর্কাইভ

অর্থনীতি

তেলের বাজারে অস্থিরতা, বিনিয়োগকারীদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে

তেলের বাজারে অস্থিরতা, বিনিয়োগকারীদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা শুরু হওয়ায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আবারও বেড়েছে।সোমবার সকালে এশিয়ার বাজারে এই ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়।আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯৫ দশমিক ৫০ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) তেলের দামও ২ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৯২ দশমিক ৭৫ ডলারে।আরও  পড়ুন, বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধাক্কা, বাংলাদেশেও কমতে পারে ভরির দামবিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঘিরে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় বাজারে এই অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।গত এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির পর এবারই প্রথম ইরান ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। পাল্টা হামলায় জড়ায় ইসরায়েলও।ফলে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহ ও বৈশ্বিক বাজারে সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা এখন হিসাব-নিকাশ করছেন, এই সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে জ্বালানি সংকট ও মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়তে পারে।আরও  পড়ুন, নিত্যপণ্যের আগুনে পুড়ছে বাজার, ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি ৯.৪২ শতাংশ

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধাক্কা, বাংলাদেশেও কমতে পারে ভরির দাম

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধাক্কা, বাংলাদেশেও কমতে পারে ভরির দাম

বিশ্ববাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা এবং শক্তিশালী কর্মসংস্থান প্রতিবেদনের কারণে বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণ থেকে সরে আসছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।সোমবার স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম শূন্য দশমিক ২ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৩২১ ডলার ৪৯ সেন্টে নেমে এসেছে। এর আগে শুক্রবার প্রায় ৩ শতাংশ দরপতনের মাধ্যমে স্বর্ণের দাম গত মার্চের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছায়।অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২ ডলারের বেশি বেড়েছে।আরও পড়ুন, নিত্যপণ্যের আগুনে পুড়ছে বাজার, ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি ৯.৪২ শতাংশ মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা এবং ইরান-ইসরায়েল পরিস্থিতি ঘিরে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বেড়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, তেলের দাম বৃদ্ধি বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। ফলে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন আশঙ্কা স্বর্ণের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।এদিকে বিশ্ববাজারে দাম কমায় বাংলাদেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম আরও কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাজুস ইতোমধ্যে ৬ জুন ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা দাম কমিয়েছে।আরও  পড়ুন, জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন, নতুন নির্দেশনা এনবিআরের

নিত্যপণ্যের আগুনে পুড়ছে বাজার, ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি ৯.৪২ শতাংশ

দেশে মূল্যস্ফীতি আবারও ঊর্ধ্বমুখী। গত মে মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে, যা গত ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএসের সর্বশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই তথ্য। এতে দেখা যায়, টানা দুই মাস ধরে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপরে অবস্থান করছে।মে মাসে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০৬ শতাংশে, যা এপ্রিল মাসে ছিল ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ। অর্থাৎ চাল, ডাল, ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আরও বেড়েছে।আরও  পড়ুন, জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন, নতুন নির্দেশনা এনবিআরেরখাদ্যবহির্ভূত খাতেও মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ৭১ শতাংশে পৌঁছেছে। বাসাভাড়া, পরিবহন, জ্বালানি এবং অন্যান্য দৈনন্দিন ব্যয়ের চাপও বেড়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দিয়েছে। এপ্রিল ও মে মাসে দুই দফা জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়। এর ফলে উৎপাদন থেকে পরিবহন—সব ক্ষেত্রেই ব্যয় বেড়েছে।এদিকে সম্প্রতি বিদ্যুতের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে জুন মাসে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা।আরও  পড়ুন , এলপিজি বাজারে বড় পরিবর্তনের আভাস, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির পথে বাংলাদেশ

নিত্যপণ্যের আগুনে পুড়ছে বাজার, ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি ৯.৪২ শতাংশ

জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন, নতুন নির্দেশনা এনবিআরের

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর ভ্যাট ব্যবস্থাকে পুরোপুরি ডিজিটাল করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে ই-ভ্যাট সিস্টেমে ‘হার্ড কপি রিটার্ন এন্ট্রি’ নামে একটি নতুন সাব-মডিউল চালু করা হয়েছে।রোববার এনবিআরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, করদাতারা অতীতে হার্ডকপি আকারে জমা দেওয়া মাসিক ভ্যাট রিটার্ন এখন অনলাইন সিস্টেমে সংরক্ষণ করতে পারবেন।এনবিআর জানায়, ৩১ মার্চ ২০২৬-এর মধ্যে সব হার্ডকপি রিটার্ন অনলাইনে এন্ট্রি করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে এখনো বিপুল সংখ্যক রিটার্ন অনলাইনে এন্ট্রি হয়নি।আরও  পড়ুন, এলপিজি বাজারে বড় পরিবর্তনের আভাস, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির পথে বাংলাদেশ এ কারণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সুবিধার্থে সময়সীমা বাড়িয়ে আগামী ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত করা হয়েছে।এনবিআর আরও জানিয়েছে, জুলাই ২০২৬ থেকে অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হবে। যেসব প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরোনো হার্ডকপি রিটার্ন অনলাইনে এন্ট্রি করবে না, তাদের ক্লোজিং ব্যালেন্স ‘ফ্রিজ’ করা হবে এবং সেই স্থিতির বিপরীতে কোনো সমন্বয় করা যাবে না।এছাড়া ভ্যাট রিফান্ড আবেদন করতে চাইলে পূর্বের সব রিটার্ন ই-ভ্যাট সিস্টেমে এন্ট্রি থাকা বাধ্যতামূলক হবে।কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে করদাতাদের সহযোগিতা কামনা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।আরও  পড়ুন , ১১ মাসে ৯ মাসই রপ্তানি আয় কমেছে, বাড়ছে অর্থনীতির উদ্বেগ

জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন, নতুন নির্দেশনা এনবিআরের

এলপিজি বাজারে বড় পরিবর্তনের আভাস, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির পথে বাংলাদেশ

দেশের জ্বালানি খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বছরে ১০ লাখ টনের বেশি এলপিজি আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে একটি চুক্তির খসড়া ইতোমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে।চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল আজ যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছে। প্রতিনিধি দলের সঙ্গে রয়েছেন জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, যিনি সরকারের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন।জ্বালানি বিভাগ বলছে, মধ্যপ্রাচ্যসহ অন্যান্য উৎসের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে এলপিজির দাম তুলনামূলক কম। ফলে সেখান থেকে আমদানি করা গেলে দেশের ভোক্তারা উপকৃত হতে পারেন।আরও পড়ুন , ১১ মাসে ৯ মাসই রপ্তানি আয় কমেছে, বাড়ছে অর্থনীতির উদ্বেগ একই সঙ্গে সরকারি পর্যায়ে এলপিজি সরবরাহ শুরু হলে বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়বে বলেও আশা করা হচ্ছে।আগামী ১২ বা ১৩ জুন চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে প্রতি মাসে ৪৫ হাজার টন এবং পরবর্তীতে ৭৫ হাজার টন এলপিজি আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিবহন ব্যয়, খালাস সুবিধা এবং আমদানি প্রক্রিয়ার বিভিন্ন বিষয় এখনো পুরোপুরি চূড়ান্ত হয়নি। বিশেষ করে মাতারবাড়ি বন্দরে বড় জাহাজ থেকে এলপিজি খালাসের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।সরকারের দাবি, এই উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে দেশের এলপিজি বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে প্রকৃত লাভ-ক্ষতির হিসাব এখনো বিশ্লেষণ করা হয়নি।আরও  পড়ুন , ঈদের পর স্বস্তি সবজির বাজারে, কমেনি মাছ-মাংস-ডিমের দাম

এলপিজি বাজারে বড় পরিবর্তনের আভাস, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির পথে বাংলাদেশ

১১ মাসে ৯ মাসই রপ্তানি আয় কমেছে, বাড়ছে অর্থনীতির উদ্বেগ

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি খাতে ধীরগতি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ১১ মাসের মধ্যে ৯ মাসেই রপ্তানি আয় কমেছে, যা বৈদেশিক বাণিজ্য ও অর্থনীতির জন্য নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো বা ইপিবির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মে মাসে দেশের রপ্তানি আয় হয়েছে ৪৪০ কোটি ২৮ লাখ ডলার। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ দশমিক ০৯ শতাংশ কম।চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মে পর্যন্ত মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩৭৯ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ৪ হাজার ৪৯৪ কোটি ডলার। অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে রপ্তানি আয় কমেছে ২ দশমিক ৫৫ শতাংশ।আরও  পড়ুন, ঈদের পর স্বস্তি সবজির বাজারে, কমেনি মাছ-মাংস-ডিমের দামদেশের প্রচলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি খাতে ধীরগতি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ১১ মাসের মধ্যে ৯ মাসেই রপ্তানি আয় কমেছে, যা বৈদেশিক বাণিজ্য ও অর্থনীতির জন্য নতুনচলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি খাতে ধীরগতি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ১১ মাসের মধ্যে ৯ মাসেই রপ্তানি আয় কমেছে, যা বৈদেশিক বাণিজ্য ও অর্থনীতির জন্য নতুন উদ্বেগের কারণ উদ্বেগের কারণধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পেও দেখা গেছে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি। এ খাতের রপ্তানি কমেছে ৩ দশমিক ৪১ শতাংশ। নিটওয়্যার রপ্তানি কমেছে ৪ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং ওভেন পোশাক কমেছে ২ দশমিক ৪২ শতাংশ।তবে আশার খবরও রয়েছে। ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, প্লাস্টিক, পাটপণ্য এবং সাইকেল রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। এর মধ্যে সাইকেল রপ্তানি বেড়েছে ২৮ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং ওষুধ রপ্তানি বেড়েছে ১০ দশমিক ৭৩ শতাংশ।অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, ক্রয়াদেশ কমে যাওয়া, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং জ্বালানি সংকট রপ্তানি খাতকে চাপে ফেলছে। তারা টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণের পাশাপাশি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।আরও  পড়ুন, উৎপাদন বাড়াতে বিশেষ তহবিল ঘোষণা বাংলাদেশ ব্যাংকের

১১ মাসে ৯ মাসই রপ্তানি আয় কমেছে, বাড়ছে অর্থনীতির উদ্বেগ

লাইফস্টাইললাইফস্টাইল

গরমে প্রাণ জুড়াবে ডাবের পানি কয়েকটি উপাদান মিশলেই পাবেন বেশি উপকার

গরমে প্রাণ জুড়াবে ডাবের পানি কয়েকটি উপাদান মিশলেই পাবেন বেশি উপকার

এই গরমে শরীরকে সতেজ ও পানিশূন্যতামুক্ত রাখতে সবচেয়ে কার্যকর প্রাকৃতিক পানীয়গুলোর একটি হলো ডাবের পানি। পুষ্টিবিদদের মতে, ডাবের পানিতে থাকা পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালসিয়াম শরীরের ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি শরীর ঠান্ডা রাখে, হজমশক্তি উন্নত করে এবং ক্লান্তি দূর করতে ভূমিকা রাখে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডাবের পানির উপকারিতা আরও বাড়াতে এর সঙ্গে কিছু স্বাস্থ্যকর উপাদান যোগ করা যেতে পারে।ডাবের পানির সঙ্গে বিট লবণ মিশালে সোডিয়াম ও অন্যান্য খনিজ উপাদান যুক্ত হয়, যা শরীরের পানির ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক। অন্যদিকে চিয়া সিডসে থাকা ফাইবার ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরকে দীর্ঘ সময় হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে।আরও  পড়ুন, স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে আজই ছাড়ুন ধূমপানলেবুর রস মিশিয়ে পান করলে বাড়ে ভিটামিন সি-এর যোগান। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করার পাশাপাশি হজমেও সহায়তা করে।এছাড়া মধু যোগ করলে পাওয়া যায় প্রাকৃতিক শক্তি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সুবিধা। পুদিনা পাতা মিশিয়ে পান করলে শরীরে আসে বাড়তি সতেজতা এবং হজমের সমস্যাও কমে।তবে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ডায়াবেটিস বা কিডনিসংক্রান্ত জটিলতা থাকলে নিয়মিত বা অতিরিক্ত ডাবের পানি পান করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।গরমে সুস্থ থাকতে পর্যাপ্ত পানি পান, স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ডাবের পানি খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।