দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1007 hPa
28.4° 80%
340° 3mm
চট্টগ্রাম 1007 hPa
30.4° 77%
340° 3mm
রাজশাহী 1006.4 hPa
26.8° 98%
340° 3mm
খুলনা 1005.8 hPa
29° 92%
340° 3mm
বরিশাল 1006.3 hPa
28° 94%
340° 3mm
সিলেট 1007.9 hPa
27.5° 85%
340° 3mm
রংপুর 1007.8 hPa
27.9° 86%
340° 3mm
ময়মনসিংহ 1008.1 hPa
29.2° 83%
340° 3mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

Divine Group ঘিরে এবার মামলার হিসাব

Divine Group ঘিরে এবার মামলার হিসাব

Divine Group-এর প্রকল্প, জমির মালিকানা, গ্রাহকের অর্থ ব্যবস্থাপনা, রিফান্ড এবং করপোরেট গভর্ন্যান্স নিয়ে প্রশ্নের পর এবার প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে থাকা মামলা ও আদালতের আদেশ নিয়েও অনুসন্ধানের দাবি উঠেছে। বিভিন্ন গ্রাহকের করা মামলার পাশাপাশি একটি ব্যাংক-সংক্রান্ত মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সেই পরোয়ানা গুলশান থানায় পৌঁছানোর পরও কেন তা কার্যকর হয়নি এ প্রশ্ন এখন সামনে এসেছে। তবে মামলার সংখ্যা, পরোয়ানার বর্তমান কার্যকারিতা এবং কোনো মামলায় আসামির জামিন বা স্থগিতাদেশ রয়েছে কি না এসব বিষয়ে আদালতের নথি ও সংশ্লিষ্ট থানার রেকর্ড দিয়ে পূর্ণাঙ্গ যাচাই জরুরি। সংবাদ দিগন্তের অনুসন্ধানেও এসব নথির সত্যতা ও বর্তমান অবস্থা যাচাইয়ের চেষ্টা চলছে। গুলশানের মত এমন একটি এলাকায় প্রতারনার ফাঁদ গ্রাহকের টাকা লুটেপুটে খাচ্ছে ডিভাইন গ্রুপ।আরও পড়ুন: গ্রাহকের অর্থ কোথায়? Divine Group-এর প্রকল্প ও সম্পদDivine Group-এর ওপর করা প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক স্বচ্ছতা, গ্রাহকের রিফান্ড, ব্যাংক দায়, জমির মালিকানা, কর-ভ্যাট ও করপোরেট গভর্ন্যান্স নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রতিবেদনে SM Habibur Rahman-এর বিরুদ্ধে ব্যাংক ঋণ খেলাপি, আইনগত পদক্ষেপ এবং ব্যাংকগুলোর recovery চেষ্টার অভিযোগের কথাও উল্লেখ রয়েছে। তবে ওই রিপোর্টও এসব অভিযোগকে প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে উপস্থাপন না করে ব্যাংক নথি, আদালতের রেকর্ড ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রের মাধ্যমে যাচাইয়ের কথা বলেছে। আরও পড়ুন: অপসাংবাদিকতার তাণ্ডব: মূলধারা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার বড় সংকটঅনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, One Bank-এর একটি মামলায় এস এম হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে এবং ওই পরোয়ানা গুলশান থানায় পাঠানো হয়েছে। কিন্তু পরোয়ানা থানায় পৌঁছানোর পর সেটি কার্যকর হয়েছে কি না, হলে কখন হয়েছে, না হলে তার কারণ কী এসব প্রশ্নের উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো থানায় আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পৌঁছালে সেটির কার্যকর করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্ব থাকে। তবে কোনো আসামির বিরুদ্ধে পরোয়ানা থাকলেই তিনি গ্রেপ্তারযোগ্য অবস্থায় আছেন এমন সরল সিদ্ধান্তে যাওয়ার আগে পরোয়ানার সর্বশেষ অবস্থা, জামিন, স্থগিতাদেশ, প্রত্যাহার বা অন্য কোনো আদালতের আদেশ আছে কি না তা যাচাই করা প্রয়োজন। সুতরাং এখানে মূল অনুসন্ধানের বিষয় শুধু ‘ওয়ারেন্ট আছে কি না’ নয়; বরং ওয়ারেন্টটি বর্তমানে কার্যকর কি না এবং থাকলে সেটি বাস্তবায়নে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন: চোরাচালান-মাদকপাচার ও সীমান্ত হত্যা বন্ধে বিজিবিকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশএদিকে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, এস এম হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আদালতে মোট ৫৪টি মামলা রয়েছে। তবে সংবাদ দিগন্তের হাতে এই মুহূর্তে ৫৪টি মামলার পূর্ণাঙ্গ মামলানম্বর, আদালতের নাম, মামলার ধারা, বাদীর পরিচয় এবং বর্তমান অবস্থার সমন্বিত তালিকা নেই।ফলে ৫৪টি মামলাকে নিশ্চিত সংখ্যা হিসেবে প্রকাশের আগে আদালতের নথি দিয়ে তা যাচাই করা জরুরি। কারণ একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভিন্ন পর্যায়ের মামলা, আপিল, রিভিশন বা আর্থিক বিরোধের মামলা থাকতে পারে; আবার কোনো মামলা নিষ্পত্তি, খারিজ, স্থগিত কিংবা জামিনের আওতায়ও থাকতে পারে।এ কারণে সংবাদ দিগন্তের অনুসন্ধানের পরবর্তী ধাপে মামলার নম্বর ধরে ধরে যাচাই করার প্রয়োজন রয়েছে। প্রথম পর্বের অনুসন্ধানে যে বিষয়টি সামনে এসেছিল, সেটি হলো Divine Group-এর বিভিন্ন প্রকল্পে দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকের অর্থ, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং রিফান্ড নিয়ে প্রশ্ন। প্রাথমিক প্রতিবেদনে ২০ কোটি টাকার বেশি refund-related issue থাকার দাবি এবং কিছু গ্রাহকের রিফান্ড দীর্ঘ সময় ধরে অনিষ্পন্ন থাকার অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।Divine Group-সংক্রান্ত প্রাথমিক রিপোর্টে এস এম হাবিবুর রহমানের বিভিন্ন সম্পত্তির বিপরীতে ব্যাংক ঋণ নেওয়ার তথ্যের সঙ্গে একাধিক ঋণ খেলাপির অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কয়েকটি ক্ষেত্রে ব্যাংক আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছে এবং recovery proceedings চলার দাবিও সেখানে রয়েছে। সম্মিলিত ব্যাংক দাবির পরিমাণ ১০ কোটি টাকার বেশি হতে পারে বলে একটি প্রাথমিক অনুমানের কথা বলা হয়েছে।তবে এটিও মনে রাখা জরুরি ব্যাংক ঋণ, ঋণখেলাপি, দেওয়ানি অর্থঋণ মামলা এবং ফৌজদারি মামলা এক বিষয় নয়। কোন মামলায় কী অভিযোগ রয়েছে এবং আদালত কী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন তা নথি দেখে আলাদাভাবে নির্ধারণ করতে হবে।আরও পড়ুন: ‘সাংবাদিক আবদুস সালাম সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার প্রতীক’: রিজভীDivine Group-এর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি হলো গ্রাহক বা প্রকল্পের অর্থ অন্যত্র ব্যবহারের অভিযোগ। প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এ বিষয়টিকে সরাসরি ‘মানি লন্ডারিং’ না বলে Potential Fund Diversion/Misuse of Customer Funds/Related-Party Transaction Risk হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং forensic verification-এর প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য শুধু মুখের কথা বা বাজারের গুঞ্জন যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন হবে ব্যাংক স্টেটমেন্ট, গ্রাহকের পেমেন্ট রেকর্ড, প্রকল্পের হিসাব, জমি কেনার দলিল, নির্মাণ ব্যয়, রিফান্ডের হিসাব এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বা প্রতিষ্ঠানের কাছে অর্থ স্থানান্তরের নথি। প্রতিবেদনটির ভাষায়, গ্রাহকের টাকা থেকে শুরু করে ব্যাংক হিসাব, অর্থ স্থানান্তর, প্রাপক, ব্যয়ের উদ্দেশ্য, ভাউচার এবং শেষ পর্যন্ত প্রকৃত সুবিধাভোগী পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে।আরও পড়ুন:আইসিসিবিতে ৩ সেপ্টেম্বর শুরু কসমেটিকা ঢাকা ২০২৬২০২৫ সাল থেকে Divine Purbachal City এবং Cox Holiday Inn প্রকল্পকে সামনে রেখে নতুন করে বাজারে সক্রিয় হওয়ার তথ্যও প্রাথমিক প্রতিবেদনে রয়েছে। সেখানে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রায় ৫ কোটি টাকার hotel share sale এবং প্রায় ২.৫ কোটি টাকা collection হওয়ার দাবি উল্লেখ করা হয়েছে। একই সময়ে প্রকল্প উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব তথ্য ব্যাংক স্টেটমেন্ট, শেয়ার রেজিস্টার ও গ্রাহক লেজার দিয়ে যাচাইয়ের প্রয়োজন রয়েছে। এখানেই অনুসন্ধানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন পুরোনো প্রকল্পের গ্রাহক, বিনিয়োগকারী ও পাওনাদারদের দায় পরিশোধের আগে নতুন প্রকল্প বা শেয়ারের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে কি না। এটি কোনো অপরাধের প্রমাণ নয়; তবে একটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা মূল্যায়নে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।আরও পড়ুন: আমিরাতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি নাকচCox Holiday Inn প্রকল্পটি নিয়েও দীর্ঘদিনের স্থবিরতার অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হয়ে basement ও একতলা পর্যন্ত নির্মাণের পর কাজ বন্ধ হয়ে যায় এবং প্রায় ২০২১ সাল থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রকল্পটি কার্যত stalled অবস্থায় রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। যদি এই তথ্য নথিপত্রে সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে বিনিয়োগকারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াবে প্রকল্পের বর্তমান সম্পদ কত, ইতোমধ্যে কত টাকা ব্যয় হয়েছে, বাকি নির্মাণে কত টাকা লাগবে এবং সেই অর্থের উৎস কী। Cox Holiday Inn-এর জমির মালিকানা নিয়েও প্রাথমিক রিপোর্টে প্রশ্ন রয়েছে। সেখানে কিছু জমি Divine Holdings Limited, কিছু Divine Hotel and Resort Limited-এর নামে এবং কিছু জমি খাস হতে পারে বলে তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। কিছু জমি Power of Attorney-ভিত্তিক হওয়ার সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে। প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়নে Divine Group-এর corporate governance নিয়ে board oversight, financial control, segregation of duties, project accounting, customer fund segregation, contract management, investor reporting এবং related-party transactionসহ একাধিক ক্ষেত্রে দুর্বলতার আশঙ্কা চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষ করে Managing Director-কেন্দ্রিক অতিরিক্ত আর্থিক ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ থাকায় কোম্পানির সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাঠামো নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। একটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক নিয়ন্ত্রণে সাধারণত কে টাকা গ্রহণ করবে, কে অনুমোদন দেবে, কে ব্যয় করবে এবং কে হিসাব নিরীক্ষা করবে—এসব দায়িত্ব আলাদা থাকার কথা। সেখানে একই ব্যক্তির হাতে অতিরিক্ত ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হলে governance risk তৈরি হতে পারে।আরও পড়ুন: লংমার্চ ঘিরে সিএমপির সঙ্গে জামায়াতের মতবিনিময়এসব অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে একটি বিষয় পরিষ্কার রাখা জরুরি মামলা হওয়া মানেই অপরাধ প্রমাণিত হওয়া নয়। আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত কোনো ব্যক্তিকে অপরাধী বলা আইনগত ও সাংবাদিকতার দিক থেকে সমীচীন নয়। একইভাবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকলেও তার বর্তমান অবস্থা জামিন, স্থগিতাদেশ, প্রত্যাহার বা অন্য কোনো আদালতের আদেশ যাচাই করা জরুরি। তাই এস এম হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ৫৪টি মামলা রয়েছে এই তথ্যটি বর্তমানে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সংবাদ দিগন্ত আদালতের নথির ভিত্তিতে মামলাগুলোর প্রকৃত সংখ্যা ও বর্তমান অবস্থা যাচাই করার চেষ্টা করছে।Divine Group-এর প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রতিবেদনের চূড়ান্ত মতামতেও বলা হয়েছে, নতুন বিনিয়োগ বা আর্থিক সম্পর্ক স্থাপনের আগে independent forensic investigation প্রয়োজন। এজন্য forensic financial audit, land audit, legal audit, tax/VAT audit এবং project audit করার সুপারিশ করা হয়েছে।প্রাথমিক রিপোর্টে stakeholder-দের জন্যও নতুন আর্থিক সম্পর্ক স্থাপনের আগে জমির বৈধ মালিকানা, প্রকল্পের অনুমোদন, বাস্তব নির্মাণ অবস্থা, audited financial statement, customer/refund liability, ব্যাংক ও creditor position এবং customer fund-এর source ও utilization যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন: জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সংসদে সরকার-বিরোধী দলের টানাপোড়েন ফের উত্তাপDivine Group নিয়ে প্রথম পর্বে উঠে এসেছিল প্রকল্পের অগ্রগতি, জমির মালিকানা, অর্থ ব্যবস্থাপনা ও করপোরেট গভর্ন্যান্সের প্রশ্ন। দ্বিতীয় পর্বে সামনে এসেছে মামলা, ব্যাংক-সংক্রান্ত বিরোধ এবং কথিত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা।

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

বিমানবন্দরে ৭৫ লাখ টাকার স্বর্ণসহ দুইজন আটক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ৭৫ লাখ টাকার স্বর্ণালংকারসহ দুইজনকে আটক করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন—এপিবিএন।আটকরা হলেন খায়রুল হাসান আকন, বয়স ২৯ বছর এবং শেখ আরিফুল ইসলাম, বয়স ৪৬ বছর।এয়ারপোর্ট এপিবিএন জানায়, মঙ্গলবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে বিমানবন্দরের বহুতল কার পার্কিংয়ের নিচতলার বহির্গেট এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন ওই দুই ব্যক্তি।পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা সেখান থেকে সুকৌশলে পালানোর চেষ্টা করলে এপিবিএনের সদস্যরা তাদের আটক করেন।পরে তাদের শরীর তল্লাশি করে মোট ৪৭৫ দশমিক ৬ গ্রাম বা প্রায় ৪০ দশমিক ৭৮ ভরি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা সব স্বর্ণালংকার ২১ ক্যারেটের বলে জানিয়েছে পুলিশ।আরও  পড়ুন, দুই দিনের সফরে ঠাকুরগাঁওয়ে রাষ্ট্রপতি বরণে ব্যাপক প্রস্তুতি এপিবিএনের হিসাবে, উদ্ধার করা স্বর্ণালংকারের আনুমানিক বাজারমূল্য ৭৫ লাখ ৬২ হাজার ৪০ টাকা।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা জানিয়েছেন—বিভিন্ন দেশ থেকে অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের মাধ্যমে এসব স্বর্ণালংকার বাংলাদেশে আনা হয়। পরে চোরাচালানের উদ্দেশ্যে তারা স্বর্ণগুলো নিজেদের হেফাজতে নেন।পুলিশের দাবি, আটক দুজন দীর্ঘদিন ধরে বিমানবন্দরকেন্দ্রিক স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত।এ ঘটনায় মঙ্গলবার বিমানবন্দর থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে স্বর্ণ এনে নিজেদের হেফাজতে রাখার অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলাটি করা হয়।এয়ারপোর্ট এপিবিএনের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান জানিয়েছেন, বিমানবন্দর এলাকায় স্বর্ণ ও মাদকসহ সব ধরনের চোরাচালান রোধে এপিবিএনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

দুই দিনের সফরে ঠাকুরগাঁওয়ে রাষ্ট্রপতি বরণে ব্যাপক প্রস্তুতি

রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে আনুষ্ঠানিক সফরে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দুই দিনের সফরে আগামী ৬ সেপ্টেম্বর ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছানোর কথা রয়েছে রাষ্ট্রপতির।তার আগমনকে ঘিরে ইতোমধ্যে জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। শহরের প্রধান সড়ক, গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও সরকারি দপ্তরগুলোতে চলছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ। রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাতে স্থানীয়দের মধ্যেও তৈরি হয়েছে উৎসাহ-উদ্দীপনা।সফরের প্রথম দিন ৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে নাগরিক কমিটির আয়োজনে বিশাল সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন রাষ্ট্রপতি। আরও  পড়ুন, বাংলাদেশ পুলিশের ৬ কর্মকর্তাকে বদলি-পদায়ন, ১২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যোগদানের নির্দেশ নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক ড. আবু মো. খয়রুল কবির জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি হেলিকপ্টারে ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছাবেন। এরপর জেলা সার্কিট হাউজে গার্ড অব অনার গ্রহণ করবেন তিনি।পরে শহরের সেনুয়া গোরস্থানে গিয়ে বাবার কবর জিয়ারত করবেন রাষ্ট্রপতি। এরপর নিজ বাসভবনে কিছু সময় কাটিয়ে নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তার।সফরের দ্বিতীয় দিন ৭ সেপ্টেম্বর ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের জামালপুর এলাকায় ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রাষ্ট্রপতির এই সফরকে ঘিরে পুরো জেলায় এখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। তাকে স্বাগত জানাতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

বাংলাদেশ পুলিশের ৬ কর্মকর্তাকে বদলি-পদায়ন, ১২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যোগদানের নির্দেশ

বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে প্রশাসনিক রদবদল করা হয়েছে। জনস্বার্থে ছয় কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে পুলিশ সদর দপ্তর।মঙ্গলবার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-১ শাখার অতিরিক্ত ডিআইজি রায়হান উদ্দিন খানের সই করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিথুন সরকারকে চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার-রিভার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।ঢাকার পুলিশ স্টাফ কলেজে কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম আশিকুর রহমানকে ভোলা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।হবিগঞ্জের মাধবপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এ কে এম সালিমুল হককে হাইওয়ে পুলিশে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।আরও  পড়ুন, স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদেরকে নির্বাচিত করার জন্য এলাকায় কাজ শুরু করেন : রাশেদ খাঁনএপিবিএনে কর্মরত সহকারী পুলিশ সুপার তানিয়া ইসলামকেও হাইওয়ে পুলিশে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।এদিকে চট্টগ্রামের মীরসরাই সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. নাদিম হায়দার চৌধুরীকে ঢাকা মহানগর পুলিশ—ডিএমপিতে সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ট্যুরিস্ট পুলিশে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে তার আগের বদলির আদেশ বাতিল করা হয়েছে।অন্যদিকে শিল্পাঞ্চল পুলিশে কর্মরত সহকারী পুলিশ সুপার অনিক চৌধুরীকে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বদলি ও পদায়ন হওয়া কর্মকর্তাদের আগামী ১২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্ব অর্পণ করে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে।পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নতুন কর্মস্থলেই দায়িত্ব পালন করবেন এসব কর্মকর্তা।

স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদেরকে নির্বাচিত করার জন্য এলাকায় কাজ শুরু করেন : রাশেদ খাঁন

বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন আসন্নস্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদেরকে নির্বাচিত না করতে পারলে এলাকার উন্নয়ন ব্যাহত হতে পারে। তাইআপনারা সকলেই দলীয় প্রার্থীদেরকে নির্বাচিত করার জন্য এখন থেকেই ভোটারদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে ভোটচাইতে পারেন। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই স্থানীয় নির্বাচনের তফসীল ঘোষনা হতে পারে। মহেশপুরের ১২টিইউনিয়নে দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থীকেই বিজয়ী করতে হবে। আপনারা মনে রাখবেন ক্ষমতায় বিএনপি,অন্যদলের চেয়ারম্যান বিজয়ী হলে সে এলাকার উন্নয়ন কেমন হবে তা আপনারা জানেন। তাই দলীয়প্রার্থীদেরকেই বিজয়ী করবেন।মঙ্গলবার বিকালে ঝিনাইদহের মহেশপুর বাসষ্ট্যান্ডে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনা সভায়প্রধান অতিথির বক্তব্য দান কালে তিনি এ কথা বলেন।আরও  পড়ুন, আনসার-ভিডিপি সদস্যদের দক্ষতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতিরমহেশপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান রনির সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথিরবক্তব্য রাখেন ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম মনা, সাংগঠনিক সম্পাদকসাজেদুর রহমান পাপ্পু, তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক ড. নান্নু মিয়া, মহেশপুর উপজেলা বিএনপিরসাধারণ সম্পাদক দবির উদ্দীন বিশ্বাস, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র এ্যাডঃ আমিরুলইসলাম খান চুন্নু, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম,সংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া,মহেশপুর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুল্লা আল ফারুক বাবু, মহেশপুর উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতিকামরুজ্জামান রতন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক প্রমুখ।পরে বাসষ্ট্যান্ড থেকে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে একটি বনাঢ্য র‌্যালী বের করা হয়।

রাজনীতিরাজনীতি

সংগ্রাম, সাফল্য ও গৌরবের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির

সংগ্রাম, সাফল্য ও গৌরবের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির

আজ ১লা সেপ্টেম্বর—বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।সংগ্রাম, ত্যাগ, সাহস, নেতৃত্ব ও দীর্ঘ পথচলার এই গৌরবময় দিনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় নানা প্রতিকূলতা, চ্যালেঞ্জ ও কঠিন সময় অতিক্রম করে বিএনপি বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের নাম হয়ে আছে। দেশের মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক পরিবেশ এবং মানুষের প্রত্যাশাকে সামনে রেখে দলটির দীর্ঘ পথচলা ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে।আরও  পড়ুন, স্থানীয় ভোটে জোট ছাড়াই মাঠে নামবে দলগুলো: গোলাম পরওয়ারপ্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই শুভক্ষণে অতীতের ত্যাগ ও সংগ্রামকে স্মরণ করে আগামী দিনের জন্য আরও সুন্দর, শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের প্রত্যাশা করি। দেশের মানুষের ভালোবাসা, আস্থা ও কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হোক—এটাই হোক আজকের দিনের প্রত্যাশা।৪৮ বছরের এই গৌরবময় পথচলা আরও সাফল্যমণ্ডিত হোক।সংগ্রাম হোক মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য,রাজনীতি হোক দেশ ও জনগণের কল্যাণের জন্য।বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল

স্থানীয় ভোটে জোট ছাড়াই মাঠে নামবে দলগুলো: গোলাম পরওয়ার

স্থানীয় ভোটে জোট ছাড়াই মাঠে নামবে দলগুলো: গোলাম পরওয়ার

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যের ব্যানারে নয়, নিজ নিজ দলের পক্ষ থেকে আলাদাভাবে প্রার্থী দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি। বিষয়টি নিয়ে আজকের বৈঠকের পর একই বক্তব্য একাধিক সংবাদমাধ্যমেও এসেছে।মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জাতীয় নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্য থাকলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সেই জোটগত ঐক্য থাকবে না। দলগুলো নিজ নিজ অবস্থান থেকে আলাদাভাবে প্রার্থী দেবে।তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের প্রতি জামায়াতে ইসলামী এখনো আস্থাশীল। নির্বাচন বর্জনের মতো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। ইতোমধ্যে দলের স্থানীয় শাখাগুলোকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।তবে ইসির অতিরিক্ত সচিবকে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন জামায়াতের এই নেতা। তাকে পদে বহাল রেখে নির্বাচন নিরপেক্ষভাবে আয়োজন করা সম্ভব হবে না বলে দাবি করেন তিনি। এর আগে জুলাইয়ের বৈঠকেও জামায়াত একই কর্মকর্তার রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে তাকে অপসারণের দাবি জানিয়েছিল।আরও  পড়ুন, বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: জিয়া-খালেদার মাজারে যুবদলের শ্রদ্ধামিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়ার বিষয়টি সংবিধানবিরোধী। ইসি এ বিষয়ে যে সুপারিশ করেছে, তা বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে।এ ছাড়া নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের কোনো নেতা যাতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন, সে বিষয়েও নির্বাচন কমিশনের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।ইসির অতিরিক্ত সচিবকে সরানোর দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, ওই কর্মকর্তা বিএনপির একটি পদে ছিলেন বলে তারা জানতে পেরেছেন। তবে ইসি জানিয়েছে, সরকারই তাকে নিয়োগ দিয়েছে।নির্বাচন কমিশন আগামী অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনার কথা আগেই জানিয়েছে কমিশন।

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: জিয়া-খালেদার মাজারে যুবদলের শ্রদ্ধা

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: জিয়া-খালেদার মাজারে যুবদলের শ্রদ্ধা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানিয়েছে জাতীয়তাবাদী যুবদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণ।মঙ্গলবার সকালে যুবদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নেতাকর্মীরা মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং জিয়া ও খালেদা জিয়ার স্মৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন।কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম নয়নের নেতৃত্বে এ কর্মসূচিতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আহ্বায়ক, সদস্যসচিবসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।আরও  পড়ুন, লংমার্চ ঘিরে সিএমপির সঙ্গে জামায়াতের মতবিনিময় শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় ‘আজকের এই দিনে, জিয়া তোমায় মনে পড়ে’, ‘লাল-সবুজের পতাকায়, জিয়া তোমায় দেখা যায়’ এবং ‘যুবদলের পক্ষ থেকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা’সহ বিভিন্ন স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে মাজার এলাকা।বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকেও নানা কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের নেতাকর্মীরা দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

লংমার্চ ঘিরে সিএমপির সঙ্গে জামায়াতের মতবিনিময়

লংমার্চ ঘিরে সিএমপির সঙ্গে জামায়াতের মতবিনিময়

চট্টগ্রামে আগামী ৫ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ ও লালদিঘী সমাবেশকে ঘিরে নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও জননিরাপত্তা নিয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন মহানগর জামায়াতের নেতারা।সোমবার সিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ফয়সল মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।বৈঠকে জামায়াত নেতারা জানান, ৫ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ ও লালদিঘী সমাবেশ শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে সম্পন্ন করতে চান তারা। কর্মসূচিকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় বজায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন তারা।আরও পড়ুন.বিএনপি আমলে ফের সিন্ডিকেট সক্রিয় হওয়ার অভিযোগ আসিফেরএ সময় নগরীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, জননিরাপত্তা এবং কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়।বৈঠকে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মেয়র প্রার্থী অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগরীর সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান এবং কোতোয়ালী থানা সেক্রেটারি মোস্তাক আহমদ উপস্থিত ছিলেন।পুলিশের পক্ষ থেকে সিএমপি কমিশনার ছাড়াও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে অংশ নেন।পরে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে জামায়াত নেতারা জানান, নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা চেয়েছেন সিএমপি কমিশনার।সব মিলিয়ে ৫ সেপ্টেম্বরের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম নগরীতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সারাবাংলা

রিকশা গ্যারেজের আড়ালে অস্ত্র কারখানা, পেনগান-পিস্তলসহ গ্রেফতার ২

রিকশা গ্যারেজের আড়ালে অস্ত্র কারখানা, পেনগান-পিস্তলসহ গ্রেফতার ২

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে সিএনজিচালিত অটোরিকশার গ্যারেজের আড়ালে অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।সোমবার রাতে হাটহাজারীর মির্জাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতার দুজন হলেন জামাল হোসেন ওরফে জামাল মিস্ত্রি, বয়স ৪৪ বছর এবং কবির, বয়স ৪৭ বছর। তাদের দুজনেরই বাড়ি হাটহাজারী উপজেলায়। জামাল পেশায় রাজমিস্ত্রি এবং কবির অটোরিকশাচালক।চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের ভাষ্য, অটোরিকশার গ্যারেজের মালিক দেশের বাইরে থাকার সুযোগে মেকানিক ওসমান দীর্ঘদিন ধরে গ্যারেজটি পরিচালনা করতেন। গ্যারেজ পরিচালনার আড়ালে সেখানে অস্ত্র তৈরি করতেন তিনি।আরও  পড়ুন, মাজার বস্তি উচ্ছেদ অভিযানের পর ফুলেল শুভেচ্ছা ঘিরে প্রশ্ন, তদন্তের দাবিপুলিশের দাবি, ওসমানের তৈরি অস্ত্র চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের কাছে বিক্রি করতেন গ্রেফতার জামাল ও কবির।অভিযানে তাদের হেফাজত থেকে একটি অত্যাধুনিক পেনগান, চারটি দেশীয় পিস্তল, ১৮টি পেনগানের গুলি এবং দুটি পিস্তলের বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে।চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও হাটহাজারী সার্কেলের কর্মকর্তা কাজী তারেক আজিজ জানান, দুজনকে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে অস্ত্র তৈরির কারখানা ও এর সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে।এ ঘটনায় পলাতক মেকানিক ওসমানসহ সংশ্লিষ্ট অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধ এবং অস্ত্রের উৎস নির্মূলে অভিযান ও আইনগত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মাজার বস্তি উচ্ছেদ অভিযানের পর ফুলেল শুভেচ্ছা ঘিরে প্রশ্ন, তদন্তের দাবি

মাজার বস্তি উচ্ছেদ অভিযানের পর ফুলেল শুভেচ্ছা ঘিরে প্রশ্ন, তদন্তের দাবি

গাজীপুরের মাজার বস্তি উচ্ছেদ অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তাদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় নানা আলোচনা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের মতে, এই শুভেচ্ছা বিনিময়ের পেছনে শুধুই সৌজন্য রয়েছে, নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্য কাজ করেছে—তা নিয়ে জনমনে কৌতূহল দেখা দিয়েছে।এদিকে, স্থানীয়ভাবে পরিচিত দারোয়ান নুরুর জীবনযাপন ও সম্পদের উৎস নিয়েও বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, একজন সাধারণ দারোয়ানের হাতে দামী মোবাইল ফোন, বাড়ি-গাড়িসহ বিভিন্ন সম্পদের মালিকানা কীভাবে এসেছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করেন, নুরু কথিতভাবে মাদক কারবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।আরও   পড়ুন, কসবায় মাদক চোরাচালানীর কোনো জায়গা নেই : মুশফিকুর রহমান এমপিতবে অভিযোগের বিষয়গুলো জনমনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকের প্রশ্ন, যদি এসব অভিযোগের কোনো ভিত্তি থাকে, তাহলে ফুলেল শুভেচ্ছা বা সামাজিক আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে কি প্রকৃত ঘটনা আড়াল করা সম্ভব?স্থানীয়দের মতে, মাজার বস্তি উচ্ছেদ অভিযান, পরবর্তী ফুলেল শুভেচ্ছা এবং এর আড়ালে চলমান বিভিন্ন আলোচনা ও অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পদের উৎস যাচাই এবং অভিযোগের সত্যতা অনুসন্ধানের দাবিও জানিয়েছেন তারা।সচেতন মহলের অভিমত, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট যেকোনো অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরা উচিত। অভিযোগ সত্য হলে আইনগত ব্যবস্থা এবং মিথ্যা হলে সংশ্লিষ্টদের দায়বদ্ধতার আওতায় আনা প্রয়োজন।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের প্রত্যাশা, স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে এবং জনমনে সৃষ্টি হওয়া প্রশ্নের জবাব মিলবে।

কসবায় মাদক চোরাচালানীর কোনো জায়গা নেই : মুশফিকুর রহমান এমপি

কসবায় মাদক চোরাচালানীর কোনো জায়গা নেই : মুশফিকুর রহমান এমপি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় মাদক কিংবা চোরাচালানীদের কোন জায়গা নেই এবং যারা মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই করবে তারাই বিএনপিতে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মুশফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কসবাআদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, এবছর যারা এবছর এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে তারা ভবিষ্যতে ইঞ্জিনিয়ার হবে, ডাক্তার হবে, আইনবিদ হবে। এসব শিক্ষার্থীরা যেন মাদকে জড়িয়ে পড়তে না পারে সেদিকে অভিভাবকদের খেয়াল রাখতে হবে। দলীয় নেতাকর্মীদেরও মাদক থেকে দুরে থাকতে বলেন। আলোচনা সভা শুরু হওয়ার আগে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে আলোচনা সভাস্থলে উপস্থিত হন।আরও  পড়ুন, পুলিশের হেফাজত থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, বাদীসহ ৩ জন আহতপরে স্থানীয় সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং শান্তির পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন। আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি মুহাম্মদ ইলিয়াস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লায়ন ইঞ্জিনিয়ার নাজমুল হুদা খন্দকার, সদস্য হানিফ খন্দকার, জেলা কৃষক দলের সাবেক সহ সভাপতি নাছির উদ্দীন হাজারী, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকলিল আজম, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো সানাউল্লাহ উপজেলা বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামাল উদ্দিন, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া, সাবেক সভাপতি আশরাফ আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো আলমগীর কবির। উপজেলা ছাত্রদল সাবেক সভাপতি মেহেদী হাসান রুবেল ও যুবদলের আহবায়ক মাসুদুল হক দিপু, সদস্য সচিব জিয়াউল হুদা শিপন, যুবদল নেতা সাহিদুল খাঁ, ছাত্রদল নেতা রাজু আহমেদ প্রমুখ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে কসবা উপজেলার ১০ ইউনিয়নের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। 

পুলিশের হেফাজত থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, বাদীসহ ৩ জন আহত

পুলিশের হেফাজত থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, বাদীসহ ৩ জন আহত

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার জৈনা বাজার এলাকায় পুলিশের উপস্থিতিতে এক আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়া এবং বাদীসহ তিনজনকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ আগস্ট সকালে জৈনা বাজার এলাকায় মাদক ব্যবসা সংক্রান্ত একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, জনি (পিতা-মৃত আয়ুব আলী), কবির হোসেন (পিতা-মৃত আয়ুব আলী), হাবিব (পিতা-মৃত আয়ুব আলী), সাইফুল ইসলাম (পিতা-মৃত বাদল মিয়া), আমিনুল ইসলাম (পিতা-মৃত আতাউল্লা মাস্টার), রুহুল কদ্দুস (পিতা-সবদর আলী ফকির), দোলন (পিতা-রুহুল কদ্দুস), শরিফ (পিতা-মৃত ইব্রাহিম) ও শামিম (পিতা-শফিক)-এর নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ দল পুলিশের হেফাজত থেকে এক আসামিকে ছিনিয়ে নেয়।ভুক্তভোগীদের দাবি, আসামিরা ঘটনাস্থলে মাদক ব্যবসায়ী ধরা হয়েছে বলে প্রচার চালিয়ে সাধারণ মানুষকে জড়ো করে একটি মব (উত্তেজিত জনতা) সৃষ্টি করে। এতে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।আরও  পড়ুন, গাজীপুরে বৃষ্টিতে ভিজে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনপ্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে মাত্র তিনজন পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। উত্তেজিত জনতার কারণে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি বলে অভিযোগ রয়েছে।এ সময় মামলার বাদী হাবিবুর রহমান ঘটনাটির প্রতিবাদ ও বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাকে মারধর করা হয়। তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তার ছেলেকেও বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে তাদের উদ্ধার করতে গেলে হাবিবুর রহমানের এক বন্ধুও হামলার শিকার হন।স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আসামিরা সংঘবদ্ধভাবে হামলা চালিয়ে তাদের গুরুতর জখম করেছে এবং এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এদিকে পুলিশের উপস্থিতিতে আসামি ছিনিয়ে নেওয়া এবং প্রকাশ্যে হামলার ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন..

আন্তর্জাতিক

আমিরাতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি নাকচ

আমিরাতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি নাকচ

সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি নাকচ করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।সোমবার ইরান দাবি করে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে কয়েক ডজন ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে।তবে ইরানের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আল মিনহাদ বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন ভিত্তিহীন।আরও পড়ুন.খার্গে ভিডিও কি এআইয়ের তৈরি?এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাত জানায়, তাদের পানিসীমায় একটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।এদিকে ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাব হিসেবেই তারা আমিরাতে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।তবে আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, আল মিনহাদ বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কোনো ঘটনা ঘটেনি।ফলে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি এবং আমিরাতের তা প্রত্যাখ্যান—দুই পক্ষের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যকে ঘিরে নতুন করে তৈরি হয়েছে উত্তেজনা।আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করার খবর এবং মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার পাল্টা দাবি পরিস্থিতিকে আরও আলোচনায় এনেছে।

৩১ আগস্ট ২০২৬

রাজধানী

২১ মিলিমিটার বৃষ্টিতে ভিজল ঢাকা, দুপুর পর্যন্ত বজ্রবৃষ্টির আভাস

২১ মিলিমিটার বৃষ্টিতে ভিজল ঢাকা, দুপুর পর্যন্ত বজ্রবৃষ্টির আভাস

রাজধানী ঢাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ২১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টির এই ধারা বুধবার দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।বুধবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময় ঢাকার আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ সময় রাজধানীতে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে।আরও  পড়ুন, বাংলাদেশ পুলিশের ৬ কর্মকর্তাকে বদলি-পদায়ন, ১২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যোগদানের নির্দেশবৃষ্টির পাশাপাশি দিনের তাপমাত্রাও সামান্য বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।বুধবার সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৬ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে রাজধানীতে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৫ শতাংশ।ফলে বৃষ্টির পরও আর্দ্রতার কারণে রাজধানীতে ভ্যাপসা আবহাওয়া অনুভূত হতে পারে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দুপুর পর্যন্ত বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় নগরবাসীকে প্রয়োজন অনুযায়ী সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

১ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

মেসির পর আর্জেন্টিনার হাল ধরবেন কে, এগিয়ে ৪ ফুটবলার

মেসির পর আর্জেন্টিনার হাল ধরবেন কে, এগিয়ে ৪ ফুটবলার

লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা অধ্যায়ের অবসানের পর এখন ফুটবল বিশ্বে বড় প্রশ্ন—আর্জেন্টিনার পরবর্তী মহাতারকা কে?মেসির মতো একজন ফুটবলার পাওয়া যে কতটা কঠিন, সেটি ইতিহাসই বলে। দিয়েগো ম্যারাডোনার পর আর্জেন্টিনাকে মেসির মতো একজন খেলোয়াড় পেতে অপেক্ষা করতে হয়েছে প্রায় এক যুগ। তাই হুবহু মেসির উত্তরসূরি পাওয়া কঠিন হলেও তার কাছাকাছি প্রোফাইলের কয়েকজন ফুটবলারের দিকে তাকিয়ে আছে আর্জেন্টিনা।এই তালিকায় আলোচনায় রয়েছেন চারজন।প্রথমেই আছেন পাউলো দিবালা। বাম পায়ের এই আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড রাইট উইং থেকে ভেতরে ঢুকে আক্রমণ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। একসময় তাকে মেসির উত্তরসূরি হিসেবেও দেখা হয়েছিল। তবে জাতীয় দলে নিজেকে সেভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেননি তিনি। ২০২৬ বিশ্বকাপের দলেও জায়গা হয়নি তার। তবে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে এখনো নিজের সামর্থ্যের জানান দিচ্ছেন দিবালা।দ্বিতীয় নাম নিকো পাজ। তরুণ এই মিডফিল্ডার ২০২৬ বিশ্বকাপের দলে ছিলেন এবং মাঠেও সময় পেয়েছেন। আরও  পড়ুন , ইনিংসে ২১ সাবেক ফুটবলার প্রশ্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে কোমোর হয়ে ১০ নম্বর জার্সিতে তার পারফরম্যান্স ভবিষ্যতের জন্য আশাবাদী করে তুলছে আর্জেন্টাইনদের।তৃতীয় জন ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুওনো। তরুণ এই প্রতিভার ওপর অনেক প্রত্যাশা থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে ফর্মটা পক্ষে নেই। তবে নিজের সেরা ছন্দে ফিরতে পারলে জাতীয় দলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন তিনি।আর চতুর্থ নাম ক্লদিও এচেভরি। ২০২৩ অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপে আলো ছড়িয়ে ‘নতুন মেসি’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন এই ফুটবলার। তবে ক্লাব ফুটবলে এখনো প্রত্যাশা অনুযায়ী নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি।তবুও বয়স কম হওয়ায় সুযোগ শেষ হয়ে যায়নি এচেভরির।সব মিলিয়ে মেসির শূন্যস্থান পূরণ করা কারও পক্ষেই সহজ নয়। তবে দিবালা, পাজ, মাস্তানতুওনো ও এচেভরির মধ্য থেকেই ভবিষ্যতের নতুন আর্জেন্টাইন তারকা উঠে আসবেন—এমনটাই প্রত্যাশা ফুটবলপ্রেমীদের।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর