দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1002.4 hPa
29.5° 80%
15mm
চট্টগ্রাম 1005.1 hPa
28° 90%
110° 15mm
রাজশাহী 1002.2 hPa
31° 77%
10° 15mm
খুলনা 1002.1 hPa
29° 88%
15mm
বরিশাল 1002.9 hPa
29° 83%
30° 15mm
সিলেট 1004.6 hPa
27.5° 88%
15mm
রংপুর 1002.4 hPa
30.6° 76%
15mm
ময়মনসিংহ 1003.3 hPa
30° 81%
20° 15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

হামলা-হয়রানিতে চ্যালেঞ্জে পুলিশ

হামলা-হয়রানিতে চ্যালেঞ্জে পুলিশ

রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা| একটি দেশের নাগরিক নিরাপদে চলাফেরা করবে, ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করবে, বিনিয়োগ করবে এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন করবে এর পূর্বশর্ত হচ্ছে কার্যকর আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা| আর সেই দায়িত্ব পালনের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পুলিশ| অপরাধ দমন, আইন প্রয়োগ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং রাষ্ট্রের শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব পুলিশ বাহিনীর ওপরই বর্তায়| তবে সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের নানা ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা আলোচনায় এসেছে| কোথাও অভিযানে বাধা, কোথাও থানা বা পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগ, কোথাও সামাজিক ও রাজনৈতিক চাপের কথা উঠে এসেছে| এসব ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং পুলিশের কার্যক্রম নিয়ে জনপরিসরে আলোচনা ˆতরি হয়েছে|আরও পড়ুন:  পুলিশ সংস্কার কতদূর, কী ভাবছে সাধারণ মানুষ?নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, যদি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আইনসম্মতভাবে দায়িত্ব পালনে ধারাবাহিকভাবে বাধার মুখে পড়ে, তাহলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি ˆতরি হতে পারে| তবে প্রতিটি ঘটনার প্রেক্ষাপট আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা এবং অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ|বাংলাদেশ পুলিশ শুধু অপরাধী গ্রেপ্তার বা মামলা তদন্তই করে না; জনসমাবেশে নিরাপত্তা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, সন্ত্রাসবাদ দমন, মাদকবিরোধী অভিযান, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ, সাইবার অপরাধ তদন্ত, দুর্যোগকালে উদ্ধারকাজসহ বহু দায়িত্ব পালন করে| একজন পুলিশ সদস্যকে প্রায়ই দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করতে হয়| ঈদ, পূজা, নির্বাচন, জাতীয় অনুষ্ঠান কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগ সব ক্ষেত্রেই পুলিশকে সামনের সারিতে থাকতে হয়| ফলে বাহিনীটির ওপর দায়িত্বের চাপও তুলনামূলক বেশি|আরও পড়ুন:  গুলশান পুলিশকে বিতর্কিত করতেই মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারমাঠপর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক সময় তারা স্থানীয় প্রতিরোধ, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের চাপ কিংবা উত্তেজিত জনতার প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়েন| তবে এসব অভিজ্ঞতা অঞ্চলভেদে ভিন্ন হতে পারে এবং প্রতিটি ঘটনার নিজস্ব প্রেক্ষাপট রয়েছে|কিছু কর্মকর্তা মনে করেন, আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগের পরিবেশ নিশ্চিত হলে দায়িত্ব পালন আরও কার্যকর হবে| অন্যদিকে মানবাধিকারকর্মীরা মনে করেন, আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জবাবদিহি ও নাগরিক অধিকার রক্ষাও সমান গুরুত্বপূর্ণ| বিগত কয়েক বছরে দেশের বিভিন্ন স্থানে থানা, পুলিশ ফাঁড়ি বা টহলরত সদস্যদের ওপর হামলার খবর প্রকাশিত হয়েছে| কোথাও ভাঙচুর, কোথাও সরকারি সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি, আবার কোথাও পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন|নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এমন ঘটনা শুধু পুলিশের জন্য নয়, রাষ্ট্রীয় আইন প্রয়োগ ব্যবস্থার জন্যও উদ্বেগের বিষয়| তারা বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানে হামলার প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি|আরও পড়ুন: আলোচনা, সমালোচনা আর দায়িত্বের গল্প: ওসি দাউদদায়িত্ব পালনের সময় কোনো সিদ্ধান্ত পরে বিতর্কের জন্ম দিতে পারে| এমন আশঙ্কাও কিছু পুলিশ সদস্যের মধ্যে কাজ করে বলে বিভিন্ন পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে| ফলে কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতার কারণে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সময় লাগতে পারে| বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত সুরক্ষা থাকতে হবে, অন্যদিকে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্তের ব্যবস্থাও থাকতে হবে|অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, যখন আইন প্রয়োগের গতি মন্থর হয় বা বাহিনী চাপে থাকে, তখন সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে| মাদক, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, কিশোর গ্যাং, অনলাইন প্রতারণা ও সাইবার অপরাধের মতো ক্ষেত্রগুলোতে কার্যকর নজরদারি গুরুত্বপূর্ণ| তবে কোনো নির্দিষ্ট কারণেই অপরাধ বাড়ে এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হলে সরকারি অপরাধ পরিসংখ্যান, বিচারিক তথ্য এবং গবেষণা একসঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন|আরও পড়ুন: ডিএমপির কয়েকটি থানায় দৃশ্যমান পরিবর্তনআইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মানুষের ধারণা অনেক সময় বাস্তব অপরাধের পরিসংখ্যানের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, প্রচারিত ঘটনা এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ওপরও নির্ভর করে| ফলে জনমনে নিরাপত্তাবোধ বজায় রাখতে শুধু অপরাধ দমন নয়, কার্যকর যোগাযোগও গুরুত্বপূর্ণ| সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, মানুষ যদি বিশ্বাস করে যে অপরাধের বিচার হবে এবং আইন সবার জন্য সমানভাবে কার্যকর, তাহলে রাষ্ট্রের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পায়|বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশেই আইন প্রয়োগকারী সংস্থার স্বাধীনতা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়| বিশেষজ্ঞরা বলেন, আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বা অন্য কোনো অযাচিত প্রভাবের অভিযোগ উঠলে তা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা উচিত| তাদের মতে, পেশাদার পুলিশিং নিশ্চিত করতে আইনের শাসন, নিরপেক্ষতা এবং জবাবদিহি এই তিনটি বিষয় অপরিহার্য| বর্তমানে শুধু প্রচলিত অপরাধ নয়, সাইবার জালিয়াতি, অনলাইন প্রতারণা, ডিজিটাল ব্ল্যাকমেইল, মোবাইল ব্যাংকিং জালিয়াতি এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ চক্রের মতো নতুন চ্যালেঞ্জও পুলিশের সামনে এসেছে|আরও পড়ুন:  প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদবিশেষজ্ঞদের মতে, এসব অপরাধ মোকাবিলায় উন্নত প্রযুক্তি, প্রশিক্ষিত জনবল এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন| একটি বাহিনীর কার্যকারিতা অনেকাংশে নির্ভর করে তার সদস্যদের মনোবলের ওপর| কর্মপরিবেশ, প্রশিক্ষণ, নিরাপত্তা, স্বীকৃতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা মনোবল বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে| অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তারা মনে করেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে আইনগত সুরক্ষা, পর্যাপ্ত সরঞ্জাম, আধুনিক প্রযুক্তি এবং স্বচ্ছ মূল্যায়ন ব্যবস্থা থাকলে বাহিনীর দক্ষতা আরও বাড়তে পারে|বিশেষজ্ঞরা বলেন, শুধু পুলিশ নয়, সাধারণ জনগণেরও দায়িত্ব রয়েছে আইন মেনে চলা এবং অপরাধ দমনে সহযোগিতা করা| সন্দেহজনক কার্যকলাপ সম্পর্কে তথ্য দেওয়া, গুজব না ছড়ানো এবং আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়া এসব বিষয়ও জননিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত| কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করার মাধ্যমে জনগণ ও পুলিশের মধ্যে আস্থা বাড়ানো সম্ভব বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা|আরও পড়ুন:  অপরাধ দমনে নতুন ছকে ডিএমপিআইন বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি রাষ্ট্রে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়| সেখানে অপরাধী যেমন আইনের বাইরে থাকতে পারে না, তেমনি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরাও আইনের ঊর্ধ্বে নন| তাদের মতে, দায়িত্ব পালনে স্বাধীনতা এবং জবাবদিহি দুইয়ের সমম্মই একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে কার্যকর মডেল|জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নগরায়ণ, প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ, আন্তঃদেশীয় অপরাধ চক্র এবং সামাজিক পরিবর্তনের কারণে ভবিষ্যতে পুলিশের দায়িত্ব আরও বাড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা| এ কারণে এখন থেকেই আধুনিক পুলিশিং, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, গোয়েন্দা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে|আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ| দায়িত্ব পালনের সময় তাদের নিরাপত্তা, পেশাগত স্বধীনতা এবং আইনসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা যেমন জরুরি, তেমনি নাগরিক অধিকার, মানবাধিকার এবং জবাবদিহিও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ|আরও পড়ুন:  আইনের শাসন না মবের রাজত্ব?পুলিশের ওপর হামলা, দায়িত্ব পালনে বাধা বা অযাচিত প্রভাবের যেকোনো অভিযোগ নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করা প্রয়োজন| একই সঙ্গে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আইনের সীমার মধ্যে থেকে কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব| নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে সরকার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিচার বিভাগ, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যম এবং সাধারণ জনগণ সব পক্ষের সম্মতি ভূমিকা অপরিহার্য| আইনের শাসন, পেশাদার পুলিশিং, জবাবদিহি এবং জনগণের আস্থা এই চারটি স্তম্ভের ওপরই একটি নিরাপদ, স্থিতিশীল ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব|

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

পিলখানায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন বিজিবি মহাপরিচালক

সবুজে ঘেরা বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সারাদেশে ৭৩ হাজার বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি শুরু করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ—বিজিবি।বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরের বীর উত্তম আনোয়ার হোসেন প্যারেড গ্রাউন্ডের পশ্চিম পাশে একটি নারকেল গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬’-এর উদ্বোধন করেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।এবারের জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির প্রতিপাদ্য—‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।আরও পড়ুন. প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ মোকাবিলায় দক্ষতা বাড়ানোর আহ্বান আইজিপির  অনুষ্ঠানে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, বৃক্ষরোপণ শুধু একটি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য ও সবুজ পৃথিবী গড়ে তোলার দায়িত্ব।তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশগত সংকট মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তাই দেশের প্রতিটি বিজিবি স্থাপনায় পরিকল্পিতভাবে ফলজ, বনজ ও ওষুধি গাছ রোপণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।বিজিবির প্রতিটি সদস্যকে বছরে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়ে মহাপরিচালক বলেন, শুধু গাছ লাগানোই যথেষ্ট নয়, নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করলেই এ উদ্যোগ সফল হবে।তিনি জানান, ২০২৬ সালে বিজিবি সদর দপ্তরসহ সারাদেশে মোট ৭৩ হাজার গাছ রোপণ করা হবে। পরিকল্পিতভাবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে বিজিবি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ মোকাবিলায় দক্ষতা বাড়ানোর আহ্বান আইজিপির

সাইবার অপরাধ, অনলাইন জুয়া, ফিশিং এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানোর মতো অপরাধ এখন দেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির।বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে রাজশাহীর সারদা পুলিশ অ্যাকাডেমির প্যারেড মাঠে ৪২তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।আইজিপি বলেন, অপরাধ মোকাবিলায় দক্ষতার কোনো বিকল্প নেই। নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিনিয়ত নিজেকে আপডেট রাখতে হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিজিটাল ফরেনসিক বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ দমনে সক্ষমতা বাড়াতে হবে।তিনি নবীন পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে বলেন,আরও  পড়ুন, খাদ্যে সিসা, ক্যাডমিয়াম, জীবাণু ও বিষাক্ত রাসায়নিকের উদ্বেগজনক উপস্থিতি সব ধরনের ভয়ভীতি, অনুরাগ, অনুকম্পা ও প্রলোভনের ঊর্ধ্বে থেকে নিরপেক্ষভাবে মামলা তদন্ত, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সব শ্রেণি-পেশার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।জনগণের আস্থা অর্জনে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে আইজিপি বলেন, নিরপরাধ, বিপন্ন ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিই হবে বাংলাদেশ পুলিশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।এর আগে আইজিপি প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন। এবারের কুচকাওয়াজে ১৯ জন নারী ও ৪৮১ জন পুরুষসহ মোট ৫০০ জন শিক্ষানবিশ ক্যাডেট এসআই অংশ নেন। পরে বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী ক্যাডেটদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন তিনি।উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জুলাই মাসে ৪২তম ক্যাডেট এসআই ব্যাচে ৫২৭ জন প্রশিক্ষণ শুরু করেছিলেন।

খাদ্যে সিসা, ক্যাডমিয়াম, জীবাণু ও বিষাক্ত রাসায়নিকের উদ্বেগজনক উপস্থিতি

দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত শাকসবজি, পানি, শিশুখাদ্য, রান্নার তেল, মুড়ি, গুড়, বিস্কুট ও বিভিন্ন খাদ্যপণ্যে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর বিষাক্ত উপাদান ও ভেজালের উদ্বেগজনক উপস্থিতি পেয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। সংস্থাটির ২০২৪-২৫ অর্থবছরের পরীক্ষার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, বাজারে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন খাদ্যপণ্যে সিসা, ক্যাডমিয়াম, মলজাত জীবাণু, ট্রান্সফ্যাট, ইউরিয়া ও নিষিদ্ধ রাসায়নিকের উপস্থিতি জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খাগড়াছড়ি, দিনাজপুর ও বাগেরহাটের পানির নমুনায় বিপজ্জনক মাত্রায় ফিকাল কলিফর্ম শনাক্ত হয়েছে, যা পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের পানি দীর্ঘদিন পান করলে ডায়রিয়া, আমাশয়, টাইফয়েড ও হেপাটাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য পাওয়া গেছে শিশুখাদ্যে। পরীক্ষায় কয়েকটি নমুনায় নিরাপদ সীমার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি সিসা পাওয়া গেছে। চিকিৎসকদের মতে, শিশুদের শরীরে অল্প পরিমাণ সিসাও মস্তিষ্কের বিকাশ ব্যাহত করতে পারে এবং বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা, শেখার ক্ষমতা ও আচরণগত বিকাশে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার শাকসবজির নমুনায় অনুমোদিত সীমার অনেক বেশি সিসা এবং ক্যাডমিয়াম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি কিছু নমুনায় ই-কোলাই, ফিকাল কলিফর্ম ও সালমোনেলা জীবাণুর উপস্থিতিও পাওয়া গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ভারী ধাতু দীর্ঘদিন শরীরে জমতে থাকলে কিডনি, লিভার ও স্নায়ুতন্ত্রের স্থায়ী ক্ষতি, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়তে পারে।প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আরও  পড়ুন, চেক ডিজঅনার মামলায় আদালতে জামিন পেলেন সালমান এফ রহমানবিভিন্ন জেলার গুড়ে নিষিদ্ধ সোডিয়াম হাইড্রোসালফাইট, মুড়িতে ইউরিয়া, বিস্কুটে ক্ষতিকর রাসায়নিক, চানাচুরে অতিরিক্ত লবণ ও অ্যাফ্লাটক্সিন, রান্নার তেলে অতিরিক্ত ট্রান্সফ্যাট এবং বিভিন্ন পানীয়তে অতিরিক্ত বেনজোয়িক অ্যাসিড, টারট্রাজিন ও ক্যাফেইনের উপস্থিতি মিলেছে।এছাড়া ঘিতে দুধের চর্বির ঘাটতি, মিল্ক পাউডারে সিসা, মধুতে অতিরিক্ত চিনি, আচারে অনুমোদিত সীমার চেয়ে বেশি সংরক্ষণকারী রাসায়নিক এবং পশুখাদ্যেও অতিরিক্ত ক্রোমিয়াম পাওয়া গেছে।পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউট্রিশন অ্যান্ড ডায়েটেটিক্স বিভাগের প্রধান ডা. নিশাত শারমিন নিশি বলেন, ভেজাল ও দূষিত খাদ্য দীর্ঘদিন গ্রহণ করলে হৃদরোগ, কিডনি ও লিভারের জটিলতা, হাড়ের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, প্রজননক্ষমতা হ্রাস এবং শিশুদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে।বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম জানান, সারা দেশে নিয়মিত খাদ্যের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং বিএসটিআই ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সঙ্গে যৌথ অভিযান জোরদার করা হয়েছে। তিনি বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকারি সংস্থার পাশাপাশি উৎপাদক, ব্যবসায়ী ও ভোক্তা—সবার সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, খাদ্যদূষণ নিয়ন্ত্রণে শুধু ভ্রাম্যমাণ আদালত নয়, উৎপাদন থেকে বাজার পর্যন্ত নিয়মিত নজরদারি, পরীক্ষাগারের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কৃষি, স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

চেক ডিজঅনার মামলায় আদালতে জামিন পেলেন সালমান এফ রহমান

১১২ কোটি টাকার চেক ডিজঅনারের এক মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা এবং বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এক হাজার টাকার মুচলেকায় তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।আরও  পড়ুন, দেশে ফিরলেই শেখ হাসিনা গ্রেপ্তার, রায় কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীবিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মোহাদ্দেসুল আমিন।এর আগে মামলায় জামিন চেয়ে আবেদন করেন সালমান এফ রহমানের আইনজীবীরা। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে তাকে এক হাজার টাকার মুচলেকায় জামিন দেন।

রাজনীতিরাজনীতি

কেন্দ্রীয় সেক্রেটারিয়েট পুনর্গঠন, একাধিক পদে নতুন মুখ

কেন্দ্রীয় সেক্রেটারিয়েট পুনর্গঠন, একাধিক পদে নতুন মুখ

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে এসেছে বড় ধরনের পরিবর্তন। কার্যকরী পরিষদের উপনির্বাচন শেষে পুনর্গঠন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় সেক্রেটারিয়েট। এতে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদে দায়িত্ব পেয়েছেন নতুন নেতারা।নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা ডা. জায়েদ আহমাদ। তাকে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি এর আগে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ শাখার সভাপতি এবং মেডিকেল জোনের সেক্রেটারি ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।অন্যদিকে, সদ্য বিদায় নেওয়া আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন আসিফ আব্দুল্লাহ ্,আর পড়ুন.স্থানীয় নির্বাচন সামনে, দল পুনর্গঠনে মাঠে নামছে বিএনপিএছাড়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি বা ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম দায়িত্ব পেয়েছেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ছাত্র অধিকার সম্পাদক হিসেবে।একই সঙ্গে জকসুর সাধারণ সম্পাদক এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আব্দুল আলিম আরিফকে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য নির্বাচিত করা হয়েছে।বুধবার কেন্দ্রীয় সেক্রেটারিয়েটের আংশিক হালনাগাদ দায়িত্বপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ছাত্রজীবন শেষ হওয়ায় শূন্য হওয়া পদগুলো পূরণে সংবিধান অনুযায়ী উপনির্বাচনের মাধ্যমে ১২ জন সদস্য নির্বাচিত হন। পরে কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলামের মনোনয়নে আরও একজন সদস্য যুক্ত করে নতুন সেক্রেটারিয়েট গঠন করা হয়।

স্থানীয় নির্বাচন সামনে, দল পুনর্গঠনে মাঠে নামছে বিএনপি

স্থানীয় নির্বাচন সামনে, দল পুনর্গঠনে মাঠে নামছে বিএনপি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আনতে বড় ধরনের পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপি। বছরের মধ্যেই জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের আভাস দিয়েছেন দলটির শীর্ষ নেতারা।দলীয় সূত্র জানায়, বর্তমান সরকারের দায়িত্বে যাওয়ায় বিএনপির অনেক নেতা মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে দলীয় কার্যক্রমে কিছুটা স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতেই পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।জানা গেছে, বিএনপির ৮২টি সাংগঠনিক ইউনিটের মধ্যে ৭২টিরই মেয়াদ শেষ হয়েছে। এছাড়া ১১টি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের মধ্যে ১০টির কমিটিও মেয়াদোত্তীর্ণ।দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিন বছর পরপর জাতীয় কাউন্সিল হওয়ার কথা থাকলেও সর্বশেষ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ।আরও  পড়ুন, সরকারের কূটনীতি ও শিক্ষা ইস্যুতে কড়া সমালোচনা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর প্রায় এক দশক পর এবার সপ্তম জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, নতুন কমিটি গঠন দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রমের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। আর জাতীয় কাউন্সিলের মাধ্যমে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়ন করা হবে।অন্যদিকে স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, অতীতের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে কাউন্সিল করা সম্ভব হয়নি। এখন রাজনৈতিক পরিবেশ অনুকূলে থাকায় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে।বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও জানিয়েছেন, চলতি বছরের মধ্যেই জাতীয় কাউন্সিল হবে। তবে এখনো নির্দিষ্ট তারিখ চূড়ান্ত হয়নি।দলীয় নেতাদের মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানো এবং নতুন নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠাই এখন বিএনপির প্রধান লক্ষ্য।

সরকারের কূটনীতি ও শিক্ষা ইস্যুতে কড়া সমালোচনা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর

সরকারের কূটনীতি ও শিক্ষা ইস্যুতে কড়া সমালোচনা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর

আন্দোলনরত এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে অহংকার নয়, সংলাপে বসে দ্রুত সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ওপর বলপ্রয়োগেরও সমালোচনা করেছেন তিনি।বুধবার দুপুরে বগুড়ার নামাজগড় আঞ্জুমান-ই-গোরস্থানে জুলাই আন্দোলনের শহীদদের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।তিনি বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ ও কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়। ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষার্থীর ওপর বলপ্রয়োগ বা গ্রেপ্তার না করার আহ্বানও জানান তিনি।আরও  পড়ুন, জুলাইয়ের রাজনীতিই নতুন বাংলাদেশের রাজনীতি: নাহিদ ইসলামনাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ভাষ্য, বর্তমান আন্দোলনকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। এটি শিক্ষা সংস্কারের দাবি নিয়ে গড়ে ওঠা আন্দোলন। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর ব্যর্থতা থাকলে তার দায়ও নিতে হবে।এনসিপির এই নেতা আরও অভিযোগ করেন, ভারতের সঙ্গে কার্যকর কূটনৈতিক সক্ষমতার অভাবে সরকার শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে পারছে না। ক্ষমতায় এলে তাকে দেশে ফিরিয়ে বিচারের মুখোমুখি করার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন তিনি।সরকারের সমালোচনা করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, বর্তমান সরকার জুলাই আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষা থেকে সরে এসেছে এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে।এ সময় জুলাই আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের আদর্শ বাস্তবায়নের আহ্বান জানান এনসিপির নেতারা।

জুলাইয়ের রাজনীতিই নতুন বাংলাদেশের রাজনীতি: নাহিদ ইসলাম

জুলাইয়ের রাজনীতিই নতুন বাংলাদেশের রাজনীতি: নাহিদ ইসলাম

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হয়নি—এমন মন্তব্য করে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, যারা একে ব্যর্থ বলতে চান, তারা মূলত গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকেই অস্বীকার করতে চান। একই সঙ্গে গণতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য ধরে রাখতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।বুধবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামে জাতীয় ছাত্রশক্তি আয়োজিত ‘স্মরণগাথায় জুলাই: বিপ্লবের দিনগুলি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।তিনি বলেন, ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা আন্দোলনের একটি বড় মোড় তৈরি করেছিল। এরপর সারাদেশের মানুষ আন্দোলনের পক্ষে দাঁড়ায় এবং আবু সাঈদের শাহাদাত, কফিন মিছিল, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়।আরও  পড়ুন, মহাসড়কে ঝটিকা মিছিল, রাতেই পুলিশের অভিযানে আটক ১৩নাহিদ ইসলাম বলেন, নতুন বাংলাদেশের রাজনীতি হবে জুলাইয়ের রাজনীতি—যে রাজনীতি গণতন্ত্র, বৈষম্যহীনতা এবং স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের পক্ষে কথা বলে।বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ১৪ ও ১৫ জুলাইকে ঘিরে কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি না থাকা দুঃখজনক। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশ, নিয়মিত ছাত্রসংসদ নির্বাচন এবং উপাচার্য নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।এনসিপি আহ্বায়ক আরও বলেন, ১৫ জুলাইয়ের হামলায় জড়িতদের তালিকা প্রকাশ করে দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে এবং হামলায় সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে।আলোচনা সভায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিচার, রাষ্ট্র সংস্কার এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কাঠামো নিয়েও নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন এনসিপির নেতারা।

সারাবাংলা

রংপুরে জুলাই শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর বক্তব্য

রংপুরে জুলাই শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর বক্তব্য

জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে দেশের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছে সরকার। একই সঙ্গে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের অঙ্গীকারের কথাও জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।বৃহস্পতিবার সকালে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে রংপুরের জুলাই স্মৃতি স্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, জুলাইয়ের আত্মত্যাগ শুধু একটি স্মৃতি নয়, এটি আগামী দিনের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের প্রেরণা। আর পড়ুন. লামায় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ১ হাজার বন্যার্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ: জাবেদ রেজাজুলাই যোদ্ধা ও শহীদদের প্রতি যথাযথ সম্মান জানিয়েই বর্তমান সরকার দেশকে উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে নিতে কাজ করছে।তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে।শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামুসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।জুলাই শহীদ দিবসে শহীদদের স্মরণ এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্তের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করা হয়

লামায় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ১ হাজার বন্যার্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ: জাবেদ রেজা

লামায় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ১ হাজার বন্যার্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ: জাবেদ রেজা

সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে মানবিক উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে এসেছেন,বান্দরবান জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও সাবেক বান্দরবান পৌরসভার মেয়র জাবেদ রেজা। নিজস্ব অর্থায়নে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পক্ষে লামা পৌরসভা সহ ৭ টি ইউনিয়নে ১০০০ বন্যাকবলিত অসহায় ও দুর্গত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সহায়তা বিতরণ করেছেন। ত্রাণ সহায়তার অংশ হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে চাল ১০ কেজি,আলু ২ কেজি ও পিয়াছ ১ কেজি মোট ১৩ কেজি করে নিজে উপস্থিত হয়ে বন্যার্ত মানুষের খোঁজখবর নিয়ে তাদের হাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব,তারেক রহমানের সহায়তা তুলে দেন।এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন,বান্দরবান জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক জসিম উদ্দিন তুষার,রিটল বিশ্বাস,সেলিম রেজা,শাহাদাত হোসেন,এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী,সাবেক কমিশনার আইয়ুব,লামা উপজেলা বিএনপির সাবেক আরও পড়ুন, জুলাই শহীদ দিবসে ত্যাগের চেতনায় ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়সভাপতি আব্দুর রব,পৌর বিএনপির সাবেক আহবায়ক সাইপুউদ্দিন,সাবেক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জাঙ্গীর আলম,পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সাবেক কমিশনার ইউচুপ আলী,পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব এডভোকেট আরিফ চৌধুরী,পৌরসভা যুবদলের সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম,উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক সাফায়ত হোসেন রাসেল প্রমুখ। ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে লামা স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ উদ্যোগকে স্বাগত ও জানান এবং ভবিষ্যতেও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।ত্রাণ সহায়তা পেয়ে উপকারভোগী পরিবারগুলো সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দুর্যোগের সময় পাশে থাকার জন্য মানবিক নেতা বান্দরবান জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও সাবেক পৌরসভার মেয়র জাবেদ রেজা সহ ওনার সাথে সফর সঙ্গী ও ঝড় বৃষ্টিতে পরিশ্রম করা সহযোগী সংগঠনের সংশ্লিষ্টদের প্রতি ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

জুলাই শহীদ দিবসে  ত্যাগের চেতনায় ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়

জুলাই শহীদ দিবসে ত্যাগের চেতনায় ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়

জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে যশোরের মনিরামপুরে গভীর শ্রদ্ধা, স্মরণ ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে দিনটি। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে  স্মরণসভা ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সম্রাট হোসেনের সভাপতিত্বে ও  সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহির দয়ান আমিনের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য দেনমনিরামপুর থানার ওসি মোঃ আবু সাঈদ,উপজেলা  জামায়াতের আমির অধ্যাপক ফজলুল হকউপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিন্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা খান আক্তার হোসেন মনিরামপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এস. এম. মজনুর রহমান,জুলাই আন্দোলনের প্রতিনিধি সাংবাদিক মোস্তাকিম আল রাব্বি সাকিব,জুলাই যোদ্ধা আনাস মাহমুদ রুম্মন, রিযাদ হোসেন,মোঃ মনিরুজ্জামান প্রমূখ।সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সম্রাট হোসেন বলেন, জুলাইয়ের শহীদদের আত্মত্যাগ আমাদের ন্যায়, সাম্য ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনের প্রেরণা। তাদের রক্তের ঋণ কেবল স্মরণে নয়আরও  পড়ুন , ঢাকার ধামরাইয়ে ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী যশোমাধবের রথযাত্রার শুরু আজ, সুশাসন, ন্যায়বিচার ও জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই শোধ করতে হবে। উপজেলা প্রশাসন শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের আদর্শ বাস্তবায়নে সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ।"অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সেলিম রেজা, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা শারমিন শাহনাজ, উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মাশুক শাহরিয়ার, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবু মোত্তালেব আলম, সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন, সমবায় কর্মকর্তা রনজিৎ দাস, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পুলক কুমার শিকদার, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মৌসুমী আক্তার, উপজেলা ইনস্ট্রাক্টর মো. মনির হোসেন, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা শাফায়েত হোসেন, বিএনপি নেতা খায়রুল ইসলাম, সন্তোষ স্বরসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সুধীজন।আলোচনা সভা শেষে লাউড়ীরামনগর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ মুফিজুর রহমানের পরিচালনায়জুলাই আন্দোলনে শহীদদের রুহের মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকার ধামরাইয়ে ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী যশোমাধবের রথযাত্রার শুরু আজ

ঢাকার ধামরাইয়ে ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী যশোমাধবের রথযাত্রার শুরু আজ

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। এরপরই অগণিত ভক্তের জয়ধ্বনি আর হরি বোল ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠবে ঢাকার ধামরাই। আজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এশিয়া মহাদেশের অন্যতম দ্বিতীয় বৃহত্তম ও ৪০০ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক শ্রী শ্রী যশোমাধবের ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা উৎসব।​শুভ রথযাত্রা উপলক্ষে ধামরাইয়ের ঐতিহাসিক এই রথটিকে সাজানো হয়েছে সম্পূর্ণ নতুন ও নান্দনিক রূপে। গত কয়েকদিন ধরে দিনরাত এক করে কাজ করেছেন দক্ষ কারিগররা। তাদের হাতের ছোঁয়ায় আর রং-তুলির আঁচড়ে রথের গায়ে ফুটে উঠেছে বিভিন্ন দেব-দেবীর অবয়ব এবং অনন্য সব কারুকার্য। লোকজ সংস্কৃতি ও ধর্মীয় আবেগের এক অপূর্ব সংমিশ্রণ দেখা যাচ্ছে রথটি জুড়ে।​এবারের রথযাত্রা উৎসবের মূল আকর্ষণ ও উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মাননীয় চিফ হুইপ জনাব নুরুল ইসলাম মনি, এমপি।​এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রথযাত্রার গৌরবময় মুহূর্তের সাক্ষী হবেন,​জনাব মোঃ তমিজ উদ্দিন, মাননীয় সংসদ সদস্য, ঢাকা-২০ (ধামরাই)।​সুলতানা আহমেদ, মাননীয় সংসদ সদস্য (সংরক্ষিত নারী আসন, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ)আরও পড়ুন, গঙ্গাচড়ায় পুলিশের অভিযানে ১৫ বোতল এস্কাফ উদ্ধার, মাদক কারবারি পলাতক​জনাব মোঃ ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ, মাননীয় প্রশাসক, জেলা পরিষদ, জনাব মোঃ আল মামুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ধামরাই ঢাকা। মোঃ রিদওয়ান আহমেদ রাফি, সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ধামরাই ঢাকা। মোঃ নাজমুল হুদা খান অফিসার ইনচার্জ ধামরাই থানা। ​নিরাপত্তা ও উৎসবের আমেজ​বিকেল গড়াতেই মূল রথ টানার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। ধামরাইয়ের কায়েতপাড়া এলাকার যশোমাধব মন্দির থেকে শ্রী শ্রী যশোমাধব বিগ্রহসহ অন্যান্য দেব-দেবীকে রথের ওপর অধিষ্ঠান করানোর পর টান দেওয়া হবে বিশাল এই রথের রশি। ঐতিহাসিক এই উৎসবকে কেন্দ্র করে ধামরাইয়ে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুলিশ, আনসার ও স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর সমন্বয়ে পুরো এলাকা জুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়।​শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীই নন, ধামরাইয়ের এই রথযাত্রা যুগ যুগ ধরে অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। মাসব্যাপী শুরু হওয়া এই রথমেলাকে ঘিরে উৎসবের আমেজ এখন পুরো ধামরাই উপজেলা জুড়ে।

আন্তর্জাতিক

মিয়ানমার উপকূলে রোহিঙ্গাবাহী দুটি নৌকাডুবি, ৫০০ জনের বেশি মৃত্যার আশঙ্কা

মিয়ানমার উপকূলে রোহিঙ্গাবাহী দুটি নৌকাডুবি, ৫০০ জনের বেশি মৃত্যার আশঙ্কা

মিয়ানমারের উপকূলে রোহিঙ্গা শরণার্থী বহনকারী দুটি নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনায় ৫০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। যদিও ঘটনাটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি, তবুও এটিকে চলমান মানবিক সংকটের ভয়াবহ উদাহরণ হিসেবে দেখছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো।জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, দুটি নৌকায় মোট ৫০০ জনের বেশি আরোহী ছিলেন। তাদের অধিকাংশই ছিলেন রোহিঙ্গা শরণার্থী।প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, জুনের শেষ দিকে রাখাইন রাজ্য থেকে যাত্রা শুরু করে নৌকাগুলো। আরও  পড়ুন, যুদ্ধবিরতির পর ফের সংঘর্ষ, ইরান প্রসঙ্গে ট্রাম্পের নতুন বক্তব্যআরোহীদের মধ্যে বাংলাদেশের কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবির থেকে যাওয়া কিছু শরণার্থীও ছিলেন।একটি নৌকায় প্রায় ২৫০ জন ছিলেন, যা যাত্রার কিছুক্ষণের মধ্যেই নিখোঁজ হয়ে যায়। অন্য নৌকাটিতে প্রায় ২৮০ জন ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, এটি ৮ জুলাই মিয়ানমারের আয়েয়ারওয়াডি উপকূলের কাছে ডুবে যায়।ইউএনএইচসিআর ও আইওএম বলেছে, হতাহতের সঠিক সংখ্যা এখনো নিশ্চিত না হলেও সম্ভাব্য বিপুল প্রাণহানি গভীর উদ্বেগের বিষয়।বর্তমানে নৌকায় থাকা ব্যক্তিদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা জানতে উদ্ধার অভিযান ও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে জীবন বাজি রেখে সমুদ্রপথে পাড়ি দেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য এটি আরেকটি মর্মান্তিক মানবিক বিপর্যয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

১৩ ঘন্টা আগে

রাজধানী

উত্তরায় দ্রুতগতির ট্রাকের ধাক্কায় পথচারীর মৃত্যু

উত্তরায় দ্রুতগতির ট্রাকের ধাক্কায় পথচারীর মৃত্যু

রাজধানীর উত্তরায় রাস্তা পারাপারের সময় দ্রুতগতির একটি ট্রাকের ধাক্কায় আনোয়ারুল হক নামে এক পথচারীর মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি।বুধবার রাত ৯টার দিকে উত্তরা জসীমউদ্দীন রোডের ইউ-টার্ন মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত আনোয়ারুল হক পাবনার সুজানগর উপজেলার ঘোড়াদহ গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি পরিবারের সঙ্গে গাজীপুরের কোনাবাড়িতে বসবাস করতেন। জীবিকার অংশ হিসেবে তার চারটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ভাড়ায় চলত।আরও  পড়ুন, যানজট কমাতে মহাখালী টার্মিনাল থেকে পূর্বাচলে বাস স্থানান্তর শুরুস্বজনদের ভাষ্য, উত্তরায় ব্যবসার কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি দ্রুতগতির ট্রাক তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।স্থানীয়দের সহায়তায় প্রথমে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাত তিনটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।উত্তরা পূর্ব থানার পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারের আবেদনের পর ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।ঘটনার পর দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক ও চালকের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

১৩ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

মেসির জাদুতে হার, তবু প্রশংসায় ভাসালেন কেইন

মেসির জাদুতে হার, তবু প্রশংসায় ভাসালেন কেইন

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নাটকীয়ভাবে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ শেষে হারলেও আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসির প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইন।আটলান্টায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ৮৪ মিনিট পর্যন্ত ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। তবে শেষ মুহূর্তে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয় আর্জেন্টিনা।ম্যাচে গোল না করলেও দুটি অ্যাসিস্ট করেন লিওনেল মেসি। তার তৈরি সুযোগ থেকেই গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্তিনেজ। ২-১ গোলের জয় নিয়ে টানা আরেকটি বিশ্বকাপ ফাইনাল নিশ্চিত করে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।আরও  পড়ুন, এমবাপ্পেকে হারিয়ে ফাইনালে স্পেন, ইয়ামালের বার্তায় জয়ের প্রত্যয়ম্যাচ শেষে মিক্সড জোনে হ্যারি কেইন বলেন, বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের হাতে বল থাকলে তারা যেকোনো মুহূর্তে জাদু দেখাতে পারে। মেসি এ ম্যাচেও সেটিই করেছেন।কেইনের ভাষায়, “লিওনেল মেসি নিঃসন্দেহে সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার।”ইংল্যান্ড অধিনায়ক আরও বলেন, শেষ ২০ মিনিটে তার দল অতিরিক্ত জায়গা ছেড়ে দিয়েছিল। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আর্জেন্টিনা ম্যাচে ফিরে আসে এবং শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নেয়।ফাইনালে ওঠার পথে আবারও নিজের অসাধারণ ফুটবল মেধার ছাপ রেখে মেসি প্রমাণ করলেন, বড় ম্যাচের বড় তারকা তিনি এখনও।

আইন আদালত

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে আটকের পর কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা সাজিয়ে গুলি ও নির্যাতনের মাধ্যমে পঙ্গু করার অভিযোগে দায়ের করা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার আজ শুরু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলাটির সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) ও সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।আরও পড়ুন, ‘আমি শুধু ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার’: আসামি সোহেলমামলাটি শুনানি করবেন মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। মামলার প্রধান আসামি আনিসুর রহমান-সহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম চলবে।প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর চৌগাছা উপজেলা শাখার তৎকালীন সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন এবং সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিন-কে একটি মামলায় আটক করে পুলিশ। অভিযোগে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারের পর তাদের আদালতে হাজির না করে কয়েকদিন নির্যাতন করা হয়।আরও পড়ুন, শিশু রামিসা হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি আজপ্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ একটি সাজানো ঘটনা তৈরি করে দুই নেতার পায়ে গুলি করা হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে চিকিৎসার একপর্যায়ে তাদের পা কেটে ফেলতে হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় আরও বলা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অস্ত্র মামলাটি পরবর্তীতে আদালতে ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়।এর আগে গত ২০ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। সে সময় আদালতে উপস্থিত আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। বর্তমানে অভিযুক্তদের মধ্যে আকিকুল ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান এবং জহরুল হক কারাগারে রয়েছেন।আরও পড়ুন, সাইপ্রাসে এস আলমের ভবন জব্দের নির্দেশঅন্যদিকে প্রধান আসামি আনিসুর রহমান, সাবেক ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল এবং এসআই মাজেদুল পলাতক রয়েছেন বলে ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানিয়েছে। উল্লেখ্য, মামলার অভিযোগগুলো প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত অভিযোগ। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের রায়ের মাধ্যমে অভিযুক্তদের দায়-দায়িত্ব চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর