দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1001.7 hPa
27.2° 94%
620° 15mm
চট্টগ্রাম 1003.3 hPa
26.8° 95%
100° 15mm
রাজশাহী 1000.5 hPa
29° 92%
10° 15mm
খুলনা 1000 hPa
28.5° 92%
20° 15mm
বরিশাল 1000.2 hPa
27.5° 96%
15mm
সিলেট 1003.8 hPa
27.1° 92%
30° 15mm
রংপুর 1001.6 hPa
30.6° 73%
200° 15mm
ময়মনসিংহ 1002.2 hPa
28.3° 89%
80° 15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

বনানীর আবাসিক ভবনে স্পা-গেস্ট হাউজ এখন অন্ধকার জগৎ

বনানীর আবাসিক ভবনে স্পা-গেস্ট হাউজ এখন অন্ধকার জগৎ

রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানীতে আবাসিক ভবনকে কেন্দ্র করে পরিচালিত বিভিন্ন ব্যবসা ও গেস্ট হাউজের কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বনানীর ২৭ নং রোডের ৬৫ নং বাড়ির ‘করিম ভিলা’ নামের একটি আবাসিক ভবনে পরিচালিত কয়েকটি পার্লার, সেলুন ও স্পা সেন্টারকে ঘিরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, মাদক সরবরাহ এবং কথিত দালালচক্রের তৎপরতার অভিযোগের পাশাপাশি ডেল্টা ডালিয়া নামের একটি বহুতল ভবনের ষষ্ঠ তলায় পরিচালিত ‘লাক্সারি’ গেস্ট হাউজ নিয়েও উঠেছে গুরুতর অভিযোগ।আরও পড়ুন: গুলশান ২৬-এ কথিত গেস্ট হাউস সিন্ডিকেটের রহস্যস্থানীয় বাসিন্দা, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং সাংবাদিকদের মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানে এসব অভিযোগের বিভিন্ন দিক সামনে এসেছে। তবে অনুসন্ধানে পাওয়া প্রতিটি অভিযোগ স্বাধীনভাবে এবং আইনগতভাবে চূড়ান্তভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে না দেখে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং দায়িত্বশীল নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে দুটি বিষয় আবাসিক ভবনে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার বৈধতা এবং এসব প্রতিষ্ঠানে আগত ব্যক্তিদের পরিচয় ও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা। স্থানীয়দের প্রশ্ন, আবাসিক ভবনে যদি বৈধ ব্যবসা পরিচালিত হয়ে থাকে, তাহলে তার ট্রেড লাইসেন্স, ভবনের ব্যবহার অনুমোদন, অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা, কর্মী গ্রাহকের নিরাপত্তা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অনুমোদন কতটা সঠিকভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে?আরও পড়ুন: বনানীতে শৈশবের স্পা সেন্টার ঘিরে নারী ও দালাল সিন্ডিকেটবনানীর ‘করিম ভিলা’ নামের আবাসিক ভবনের কয়েকটি ফ্ল্যাটে দীর্ঘদিন ধরে বিউটি পার্লার, সেলুন ও স্পা-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন না থাকলেও অভিযোগ উঠেছে, কিছু প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের আড়ালে ভিন্ন ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতে পারে।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, দিনের তুলনায় সন্ধ্যার পর ভবনটিতে অপরিচিত নারী-পুরুষের চলাচল বেড়ে যায়। গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যক্তির যাতায়াত নিয়ে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, কোনো ব্যক্তিগত ব্যবসা পরিচালনায় আপত্তি না থাকলেও আবাসিক ভবনের পরিবেশ, নিরাপত্তা এবং অন্য বাসিন্দাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা যাতে ব্যাহত না হয়, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি।অভিযোগ রয়েছে, কথিত কিছু মধ্যস্থতাকারী বা দালালের মাধ্যমে নির্দিষ্ট গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরে তাদের বিভিন্ন পার্লার, সেলুন কিংবা নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে নেওয়া হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মোবাইল ফোন ব্যবহার করে যোগাযোগ করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল নথি বা আইনগতভাবে যাচাইকৃত তথ্য প্রতিবেদকের হাতে পাওয়া যায়নি।আরও পড়ুন: চট্রগ্রাম গোয়ালপাড়ায় মাদক সম্রাজ্ঞী "আকলিমার" মাদকের হাটমাদকদ্রব্য সরবরাহের অভিযোগও উঠেছে করিম ভিলাকে ঘিরে। অভিযোগকারীদের কেউ কেউ দাবি করেছেন, ইয়াবা ও ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য সরবরাহের সঙ্গে কথিত একটি চক্র জড়িত থাকতে পারে। ফলে এ অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।অভিযোগ সূত্রে করিম ভিলাকে ঘিরে কথিত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সোলেমান ওরফে সাকিব এবং মাসুদ নামের দুই ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ করা হলেও স্বাধীনভাবে সেসব অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ প্রকাশের আগে তার বক্তব্য নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রতিবেদনের সময় পর্যন্ত সোলেমান ওরফে সাকিব এবং মাসুদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য বা অভিযোগের বিষয়ে কোনো নথি পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে যথাযথভাবে তুলে ধরা হবে।আরও পড়ুন: https://www.youtube.com/watch?v=p5fy5JPIYPUঅভিযোগ সূত্রে তাদের রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে যোগাযোগ থাকার কথাও বলা হয়েছে। তবে এ ধরনের দাবিরও স্বাধীন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাবের বিষয়টি অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে, প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে নয়।অভিযোগের বিভিন্ন দিক যাচাই করতে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে মাঠপর্যায়ে অনুসন্ধান চালানো হয়। অনুসন্ধানের সময় কথিত মাদকদ্রব্যের মূল্য নিয়ে এক ব্যক্তির সঙ্গে কথোপকথন রেকর্ড করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। কথোপকথনের প্রেক্ষাপট, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়, আর্থিক লেনদেন এবং কথিত মাদকদ্রব্যের অস্তিত্ব আইনগতভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। তাই অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে উপস্থাপন করে প্রয়োজনীয় তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।আরও পড়ুন: https://www.youtube.com/shorts/_rE9ZWrEISUকরিম ভিলার ব্যবস্থাপকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি বলে জানা গেছে। ফলে ভবন কর্তৃপক্ষের অবস্থান এই প্রতিবেদনে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা সম্ভব হয়নি। তবে ভবন কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মালিক-কর্তৃপক্ষ পরবর্তীতে কোনো বক্তব্য, নথি বা ব্যাখ্যা দিলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।এদিকে করিম ভিলাকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের পাশাপাশি বনানীর ডেল্টা ডালিয়া নামের একটি বহুতল ভবনের ষষ্ঠ তলায় পরিচালিত ‘লাক্সারি’ গেস্ট হাউজ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে গেস্ট হাউজটির কার্যক্রম, অতিথি নিবন্ধন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং ব্যবসায়িক বৈধতা নিয়ে একাধিক বিষয় সামনে আসে। সরেজমিনে গেস্ট হাউজটির বাইরে উল্লেখযোগ্য কোনো স্পষ্ট সাইনবোর্ড চোখে পড়েনি বলে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ষষ্ঠ তলায় গেস্ট হাউজ পরিচালনার কিছু নির্দেশনা দেখা গেলেও অতিথিদের পরিচয় যাচাই ও নিবন্ধন সংক্রান্ত নথি সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। অনুসন্ধানের সময় কয়েকজন অবস্থানরত অতিথির সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। তাদের কয়েকজন দাবি করেন, কক্ষ নেওয়ার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র জমা বা পরিচয় নিবন্ধনের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। তবে এটি গেস্ট হাউজটির নিয়মিত নীতি কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ কারণে গেস্ট হাউজটির অতিথি নিবন্ধন খাতা, পরিচয়পত্র সংরক্ষণের তথ্য, সিসিটিভি ফুটেজ এবং ব্যবসা পরিচালনার বৈধ কাগজপত্র যাচাই করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।আরও পড়ুন: প্রভার পোস্টে আলোড়নঅনুসন্ধানের সময় একটি কক্ষে এক তরুণী নারী ও চল্লিশোর্ধ্ব এক ব্যক্তিকে মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ দেখা গেছে বলে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। ওই কক্ষে কিছু ট্যাবলেট সদৃশ বস্তু দেখা যায় বলেও জানানো হয়েছে। তবে সেগুলো আদৌ মাদকদ্রব্য কি না, ঘটনাস্থলে বৈজ্ঞানিকভাবে নিশ্চিত করার সুযোগ ছিল না। অন্য একটি কক্ষে একজন নারী ও এনামুল হক নামে পরিচয় দেওয়া এক পুরুষকে অবস্থান করতে দেখা যায়। তারা স্বামী-স্ত্রী নন বলে স্বীকার করেছেন এমন দাবি প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে করা হয়েছে। তবে প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষ একই গেস্ট হাউজের কক্ষে অবস্থান করলেই তা কোনো অপরাধের প্রমাণ নয়। এখানে মূল প্রশ্ন হলো গেস্ট হাউজ কর্তৃপক্ষ অতিথিদের পরিচয় যাচাই করেছে কি না এবং আইন ও ব্যবসায়িক বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করছে কি না।সাংবাদিকরা গেস্ট হাউজটির অন্যান্য কক্ষ ও কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করলে আল-আমিন নামের এক ব্যক্তি নিজেকে প্রতিষ্ঠানের মালিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে অনুসন্ধানে বাধা দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করেন এবং সংবাদ প্রকাশ নিয়ে আপত্তি জানান। অনুসন্ধানের সময় তিনি স্থানীয় বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন, সুজন ও শুভসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে তাদের কথিত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার দাবি করেন।ডেল্টা ডালিয়া ভবনের কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, গত কয়েক বছর ধরে ভবনে অপরিচিত মানুষের যাতায়াত বেড়েছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় বিভিন্ন ব্যক্তির চলাচল নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলে তারা দাবি করেন। আবার একজন বাসিন্দার ভাষ্য, “আমরা কারও বৈধ ব্যবসার বিরুদ্ধে নই। কিন্তু আবাসিক ভবনে এমন কোনো কর্মকাণ্ড চললে, যার কারণে বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়, তাহলে প্রশাসনের বিষয়টি দেখা উচিত। গেস্ট হাউজ এবং করিম ভিলাকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ তদন্তই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগটি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে পুলিশ চাইলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স, ব্যবসার অনুমোদন, অতিথি নিবন্ধন খাতা, সিসিটিভি ফুটেজ, কর্মচারীদের পরিচয় এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য নথি যাচাই করতে পারে। শুধু তাই নয় এসব আপরাধীদের যেকোন মুহুর্তে দমন করতে পারে। আরও পড়ুন: দারুসসালামে অনুমোদনহীন অনৈতিক কর্মকান্ডে জসিম ও হারুনের দাপটকোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শুধু অভিযোগ উঠলেই সেটিকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা সাংবাদিকতার নীতি নয়। একইভাবে ব্যবসার আড়ালে যদি সত্যিই মাদক সরবরাহ, মানবপাচার, প্রতারণা কিংবা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়, তাহলে সেটিও উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। এ কারণে করিম ভিলা ও লাক্সারি গেস্ট হাউজ দুই ক্ষেত্রেই প্রয়োজন নথি ও প্রমাণভিত্তিক তদন্ত। প্রতিষ্ঠানগুলোর লাইসেন্স বৈধ কি না, ভবনের ব্যবহার অনুমোদিত কি না, অতিথিদের পরিচয় সংরক্ষণ করা হচ্ছে কি না, সিসিটিভি সচল আছে কি না এবং কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ রয়েছে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করাই এখন মূল বিষয়।সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আবাসিক ভবনে বেআইনি কোনো কার্যক্রমের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। করিম ভিলা এবং লাক্সারি গেস্ট হাউজকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের মধ্যে কিছু অভিযোগ গুরুতর হলেও এখন পর্যন্ত সবকটির আইনগত সত্যতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। কোথাও মাদক পাওয়া গেছে কি না, কথিত দালালচক্র সত্যিই সক্রিয় কি না, কোনো ব্যবসা অনুমোদনহীন কি না কিংবা কোনো ব্যক্তি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত কি না এসব প্রশ্নের উত্তর নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।আরও পড়ুন: বনানীতে শহিদের অবৈধ স্পা সেন্টার ঘিরে অন্ধকার জগৎঅন্যদিকে কোনো অভিযোগ সত্য হলে শুধু তদন্তের আশ্বাসে বিষয়টি থেমে থাকা উচিত নয়। প্রমাণের ভিত্তিতে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়াও জরুরি। কারণ বনানীর মতো ঘনবসতিপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ দীর্ঘদিন অনিষ্পন্ন থাকলে তার প্রভাব আশপাশের বাসিন্দাদের ওপর পড়তে পারে। সবশেষে, করিম ভিলা ও ডেল্টা ডালিয়ার ‘লাক্সারি’ গেস্ট হাউজকে ঘিরে ওঠা অভিযোগ এখন তদন্তের দাবি রাখে। সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যকে চূড়ান্ত রায় হিসেবে নয়, বরং তদন্তের সূত্র হিসেবে দেখা প্রয়োজন। অভিযোগ সত্য হলে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা যেমন জরুরি, তেমনি অভিযোগ অসত্য হলে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানেরও দায়মুক্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

দুই-তিন বছরের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হবে: ববি হাজ্জাজ

আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় দৃশ্যমান ও গুণগত পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।রোববার (১৬ আগস্ট) ময়মনসিংহে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মিলনায়তনে আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।‘প্রাথমিক শিক্ষায় শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি পরিবর্তিত প্রত্যাশা’ শীর্ষক এ কর্মশালার আয়োজন করে ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়।প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রাথমিক শিক্ষার পরিবর্তনে যে স্বপ্ন ও দায়িত্ব দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে সরকার সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করছে। সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের পরিকল্পনা, পাইলটিং ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।তিনি বলেন, কারিকুলাম উন্নয়ন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, নতুন শিক্ষক নীতিমালা প্রণয়ন, মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা, সাংস্কৃতিক শিক্ষা, ক্রীড়া শিক্ষা এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কারভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন কোনো শিশু যেন শ্রেণিকক্ষের বাইরে না থাকে। আরও  পড়ুন কিশোরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী, ব্রহ্মপুত্রে অবমুক্ত হলো মাছের পোনাএ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রতিটি প্রাথমিক শিক্ষার্থীর জন্য পুষ্টিকর মিড-ডে মিল, বিনামূল্যে ইউনিফর্ম, জুতা ও ব্যাগসহ বিভিন্ন সহায়তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।অবকাঠামো উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ নয়; প্রতিটি বিদ্যালয়কে শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা অর্জনের উপযোগী আধুনিক, নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশে রূপান্তর করা। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে প্রতিটি এলাকার ‘উজ্জ্বল নক্ষত্র’ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আগামী ছয় মাসের লক্ষ্যমাত্রাগুলোও যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া প্রতিশ্রুতি ও সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে করা অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও সক্ষমতা নিশ্চিত করেই এসব পরিবর্তন বিদ্যালয় পর্যায়ে বাস্তবায়ন করা হবে।আগামী কারিকুলামে ইংরেজি লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ দক্ষতা বাড়াতে স্পিকিং টেস্ট চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের তথ্য ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষা কার্যক্রম আরও আধুনিক করতে একটি সমন্বিত আইটি ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা হচ্ছে। এর আওতায় প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য একটি করে ইউনিক আইডি থাকবে।আরও পড়ুন. অপরাধ দমনে দেশজুড়ে ১০ লাখ এআই ক্যামেরা বসাবে পুলিশ, ব্যয় ১,৩০০ কোটি টাকাশিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও বিদ্যালয়ের পরিবেশ উন্নয়নে পৃথক ওয়াশ ব্লকের পরিবর্তে স্কুল ভবনের মধ্যেই প্রয়োজনীয় ওয়াশ ব্লক স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।স্কুল ফিডিং কার্যক্রম নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ কার্যক্রমে যেসব ভুল-ত্রুটি হচ্ছে, তার তুলনায় এ নিয়ে অপপ্রচারই বেশি হচ্ছে। তবে সরকার প্রকৃত সমস্যা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানে কাজ করছে।সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাধারণত মসজিদে এ ধরনের ঘটনা দেখা যায় না। এর অন্যতম কারণ মানুষ মসজিদকে নিজের প্রতিষ্ঠান মনে করে। কিন্তু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে অনেকেই নিজের প্রতিষ্ঠান হিসেবে মনে করেন না। অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সবার নিজের প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষার বিভাগীয় উপপরিচালক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমেদ এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশনসের পরিচালক।এ ছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন জেলার পিটিআই সুপার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন।

কিশোরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী, ব্রহ্মপুত্রে অবমুক্ত হলো মাছের পোনা

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়ি ঘাট এলাকায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে তিনি এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।ঢাকা থেকে সড়কপথে পাকুন্দিয়ায় পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।মাছের পোনা অবমুক্ত করার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব মাছ বড় হয়ে ডিম ছাড়ার পর বিভিন্ন নদী, খাল ও বিলে ছড়িয়ে পড়বে। এর সুফল বাংলাদেশের মানুষই ভোগ করবে। তিনি বলেন, আজ যে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হলো, সেগুলো বড় হয়ে বিভিন্ন জলাশয়ে ছড়িয়ে পড়লে এর উপকার লন্ডন বা জাপানের মানুষ নয়, বাংলাদেশের মানুষই পাবেন।আরও  পড়ুন, অপরাধ দমনে দেশজুড়ে ১০ লাখ এআই ক্যামেরা বসাবে পুলিশ, ব্যয় ১,৩০০ কোটি টাকাপ্রধানমন্ত্রী জানান, পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন নদী, খাল ও বিলে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হবে। দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে বিএনপির সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ধাপে ধাপে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে জানিয়ে জনগণকে বিভ্রান্তকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।এর আগে সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে গুলশানের বাসা থেকে গাড়িবহর নিয়ে কিশোরগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। পথে বিভিন্ন এলাকায় তাকে স্বাগত জানাতে সড়কের দুই পাশে দলীয় নেতাকর্মী, নারী, শিশু-কিশোরসহ বিপুলসংখ্যক মানুষ অবস্থান নেন।প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, পথে জড়ো হওয়া মানুষকে প্রধানমন্ত্রী হাত নেড়ে শুভেচ্ছার জবাব দেন।

অপরাধ দমনে দেশজুড়ে ১০ লাখ এআই ক্যামেরা বসাবে পুলিশ, ব্যয় ১,৩০০ কোটি টাকা

অপরাধ দমন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবার সারাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিনির্ভর ক্যামেরা বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ।পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৬৪ জেলা, সব মহানগর এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ককে এ নজরদারির আওতায় আনা হবে। এ জন্য প্রায় ১০ লাখ এআই ক্যামেরা কেনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হতে পারে প্রায় এক হাজার ৩০০ কোটি টাকা। আগামী দুই বছরের মধ্যে ক্যামেরাগুলো স্থাপনের লক্ষ্য রয়েছে।পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এসব ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপরাধী শনাক্ত, গাড়ির নম্বর প্লেট পড়া, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন এবং সন্দেহজনক গতিবিধি রিয়েল টাইমে শনাক্ত করতে পারবে।আরও  পড়ুন, হাসিনা-হাদি ইস্যুতে অনড় ঢাকা, অনিশ্চয়তায় তারেকের দিল্লি সফরজনবহুল এলাকায় ফেসিয়াল রিকগনিশনের মাধ্যমে ডেটাবেজে থাকা সাজাপ্রাপ্ত বা পরোয়ানাভুক্ত আসামি এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের শনাক্তের সক্ষমতাও থাকবে।রাজধানীর ১৬টি পয়েন্টে ইতোমধ্যে ৩৭টি এআই ক্যামেরা বসানো হয়েছে। আগামী ছয় মাসে ঢাকার দুই শতাধিক পয়েন্টে এ ব্যবস্থা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।এআই ক্যামেরার মাধ্যমে সিগন্যাল অমান্য, উল্টোপথে গাড়ি চালানো, হেলমেট না পরা, অতিরিক্ত গতি কিংবা ট্রাফিক লাইন অতিক্রমের মতো অপরাধ শনাক্ত হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ই-মামলা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। মামলার তথ্য এসএমএসে পাঠানো হবে গাড়ির মালিকের কাছে।ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কেও চালু হচ্ছে এআইনির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’।পুলিশ বলছে, প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি নাগরিকদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও তথ্য সুরক্ষায়ও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

হাসিনা-হাদি ইস্যুতে অনড় ঢাকা, অনিশ্চয়তায় তারেকের দিল্লি সফর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের আগে দিল্লির কাছে দুটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত তুলে ধরেছে বাংলাদেশ। শর্ত দুটি হলো—সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার আসামিদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো।রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম।তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে ঢাকা ও দিল্লির কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা চলছিল। তবে ভারতে শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক প্রকাশ্য রাজনৈতিক বক্তব্যের পর সফরের পরিবেশ কিছুটা বাধাগ্রস্ত হয়েছে।বাংলাদেশ মনে করছে, সফরটি বাস্তবায়নে একটি ‘অনুকূল পরিবেশ’ প্রয়োজন। এ জন্য দুই দেশের প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনা ও অন্যান্য পলাতক অপরাধীর প্রত্যর্পণের অনুরোধ দ্রুত বাস্তবায়নের পাশাপাশি হাদি হত্যা মামলার অভিযুক্তদের বাংলাদেশে হস্তান্তর প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে দিল্লিকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।আরও পড়ুন, নারীদের অনার্স পর্যন্ত পড়ার খরচ দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রীবাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ বিষয়ে ভারতের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা।এর আগে ১০ আগস্ট ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহের কথা জানানো হলেও সহায়ক পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।এর আগে কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে ২২ বা ২৩ আগস্ট তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের কথা বলা হয়েছিল। তবে ঢাকার নতুন দুই শর্তের পর সফরের তারিখ ও বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, ‘বাংলাদেশ প্রথম’ নীতিতে সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায় ঢাকা।

রাজনীতিরাজনীতি

উত্তরা পূর্বে জিয়া সাইবার ফোর্সের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

উত্তরা পূর্বে জিয়া সাইবার ফোর্সের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানাধীন এলাকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সচেতনতা বৃদ্ধি, তথ্যপ্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার এবং সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে ২১ সদস্যবিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করেছে জিয়া সাইবার ফোর্স জেডসিএফ, ঢাকা মহানগর উত্তর।সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সাংগঠনিক নথিতে এ কমিটির অনুমোদনের তথ্য উঠে এসেছে। নথিতে সংগঠনের ঢাকা মহানগর উত্তরের আওতাধীন উত্তরা পূর্ব থানার ২১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির বিভিন্ন পদে দায়িত্বপ্রাপ্তদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। নথিটি সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, ঢাকা মহানগর উত্তর থেকে প্রকাশ করা হয়েছে বলে এতে উল্লেখ রয়েছে।প্রকাশিত নথি অনুযায়ী, কমিটিতে মো. সাজ্জাদ হোসেন শিশুকে আহ্বায়ক এবং আজম কানাম আজাদকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে। এছাড়া আব্দুর রশিদ রানা, সায়মন ইসলাম, আশিকুর রহমান আশিক ও মো. মামুনকে যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শাওন চৌধুরী লিংকনকে যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে ‘প্রচার এর দায়িত্বে’ রাখা হয়েছে বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।আরও পড়ুন: বিএনপিতে নেতৃত্ব পুনর্বিন্যাসের তোড়জোড়কমিটির সদস্য সচিব করা হয়েছে মো. মামুনুর রশিদ রানাকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন রাসেল আশিক হিমেল, শাহিন আহমদ আশিক, অভিজিৎ হোসেন, জহিরুল ইসলাম, রিয়াজুল ইসলাম রবিন, আশিক প্রামাণিক, ওবায়দুল্লাহ, আরিফুর ইসলাম, ফরিদুল ইসলাম, মো. রাকিবুল হাসান খান রিমি, মো. তানিম আহমেদ, মো. হানিফ উদ্দিন এবং মো. গোলাম হোসেন।নথির নিচের অংশে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে আহ্বায়ক কমিটি পূর্ণাঙ্গ করে জমা দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রাথমিকভাবে অনুমোদিত এ কমিটির দায়িত্ব হবে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া।ডিজিটাল প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান এখন মানুষের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে সাইবার অপরাধ, গুজব, ভুয়া তথ্য, অনলাইন হয়রানি, প্রতারণা ও ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহারসহ নানা ধরনের ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে। এ বাস্তবতায় সাইবার সচেতনতা তৈরিতে বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।আরও পড়ুন: বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে চার জ্যেষ্ঠ নেতা, রিজভী-আমানসহ নতুন সদস্য মনোনীতউত্তরা পূর্ব থানার নতুন কমিটি যদি সাইবার নিরাপত্তা, প্রযুক্তি সম্পর্কে সচেতনতা এবং তরুণদের ইতিবাচকভাবে প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত করার মতো কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাহলে তা স্থানীয় পর্যায়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণ, অনলাইনে প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকা এবং সাইবার অপরাধের শিকার হলে কোথায় অভিযোগ করতে হবে—এসব বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রমের সুযোগ রয়েছে। কমিটিতে আহ্বায়ক থেকে শুরু করে যুগ্ম আহ্বায়ক, সদস্য সচিব ও সাধারণ সদস্য—বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। এতে সংগঠনের সাংগঠনিক কাঠামোকে কার্যকর করার একটি প্রাথমিক রূপরেখা পাওয়া যায়।আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের নেতৃত্বে কমিটির সদস্যরা সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রচার ও জনসম্পৃক্ততার দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরার সুযোগ রয়েছে।সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনো সংগঠনের কমিটি অনুমোদনের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ঘোষিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন। শুধু কমিটি গঠন নয়, নিয়মিত সভা, প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, সাইবার সচেতনতামূলক প্রচারণা এবং সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে দৃশ্যমান করা প্রয়োজন।আরও পড়ুন: জ্বালানি সংকট নিয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জামায়াতনথিতে ৬০ দিনের মধ্যে আহ্বায়ক কমিটি পূর্ণাঙ্গ করে জমা দেওয়ার নির্দেশনা থাকায় ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি অন্তর্বর্তী সাংগঠনিক কাঠামো হিসেবে কাজ করবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে সদস্যদের সাংগঠনিক দক্ষতা, সক্রিয়তা ও স্থানীয় পর্যায়ে কাজের সক্ষমতাকে গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংগঠনের দায়িত্বশীলদের বক্তব্য পাওয়া গেলে কমিটি গঠনের উদ্দেশ্য, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা এবং পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যাবে। সামাজিক সংগঠন কিংবা সাইবারভিত্তিক কোনো প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে সাইবার সচেতনতার নামে কোনো ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার, ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ড যেন না ঘটে সে বিষয়ে সংগঠনের দায়িত্বশীলদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন।বিশেষজ্ঞদের মতে, সাইবার সচেতনতা কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত প্রযুক্তিকে নিরাপদ, আইনসম্মত ও ইতিবাচক কাজে ব্যবহার করার বিষয়ে মানুষকে উৎসাহিত করা। একই সঙ্গে অনলাইন অপরাধের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা নেওয়াও জরুরি। উত্তরা পূর্ব থানার ২১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠনটির নতুন সাংগঠনিক কার্যক্রমের সূচনা হলো। এখন এই কমিটির সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে সক্রিয় করা এবং ৬০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা। তথ্য অনুযায়ী, কমিটির সদস্যরা নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করে সংগঠনের কার্যক্রমকে এগিয়ে নিলে উত্তরা পূর্ব থানা এলাকায় সাইবার সচেতনতা ও সামাজিক কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে। তবে এর বাস্তব সাফল্য নির্ভর করবে কমিটির কার্যক্রম কতটা নিয়মতান্ত্রিক, স্বচ্ছ, জনকল্যাণমুখী ও আইনসম্মতভাবে পরিচালিত হয় তার ওপর।

হাসিনার কারনেই তারেক রহমানের সফলতা দেখে যেতে পারেননি বেগম খালেদা জিয়া :- খায়রুল কবির খোকন এমপি

হাসিনার কারনেই তারেক রহমানের সফলতা দেখে যেতে পারেননি বেগম খালেদা জিয়া :- খায়রুল কবির খোকন এমপি

বিএনপির যুগ্ন মহাসচিব ও নরসিংদী সদর আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন বলেছেন, গণহত্যা এবং মানবতা বিরোধী অপরাধের কারণে ৭৫ বছরের পুরানো দল আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধ হয়েছে। পক্ষান্তরে বেগম খালেদা জিয়া কোন প্রতিহিংশার রাজনীতি করেন নি, জনগণকে সাথে নিয়ে গণতন্ত্রের পথে হেটে গেছেন তিনি। দেশের জনগণ দেখেছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমাদের ওপর নির্যাতন করা হয়েছে, বেগম জিয়াকেও তারা অমানবিক নির্যাতন করেছে। ফরমায়েশি রায়ের মাধ্যমে তাকে সাজা দিয়ে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। শেখ হাসিনার প্রতিহিংশার ফলে তাকে জরাজির্ন কারাগারে হত্যা চেষ্টাও করা হয়েছিল। চোর-ডাকাত খুনিরাও বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেয়া হয়েছিল, কিন্তু তিন বারের প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার কোন সুযোগ দেয়া হয়নি। আরও  পড়ুন, সিরাজগঞ্জে পৌর স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিতপ্রতিহিংশার রাজনীতির কারনেই তারেক রহমানের সফলতা দেখে যেতে পারেননি বেগম খালেদা জিয়া, নির্যাতিত না হলো হয়তো সেটি সম্ভব হতো। বেগম জিয়ার জন্ম না হলে গণতন্ত্র আর ন্যায় বিচার পেতাম না। আইনের শাসন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং অর্থনীতির উন্নতির সব কিছুই অর্জিত হয়েছে বেগম জিয়ার আমলে।তিনি শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে নরসিংদীর শিশু একাডেমি মিলনায়তনে জেলা বিএনপি আয়োজিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম জিয়ার ৮২ তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নরসিংদী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মনজুর এলাহীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি গোলাম কবির কামাল, আবু সালেহ চৌধুরী, আব্দুল বাসেত, আব্দুল জলিলসহ জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জ্বালানি সংকট নিয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জামায়াত

জ্বালানি সংকট নিয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জামায়াত

দেশের চলমান জ্বালানি সংকট ও উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।রোববার (১৬ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর মগবাজারে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।আরও  পড়ুন, বিএনপিতে নেতৃত্ব পুনর্বিন্যাসের তোড়জোড়বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার দেশের চলমান জ্বালানি সংকট এবং এর ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দেবেন।এ সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতারাও উপস্থিত থাকবেন বলে দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে।জ্বালানি সংকট নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও সমালোচনা বাড়ার মধ্যেই জামায়াতের এই জরুরি সংবাদ সম্মেলনকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

বিএনপিতে নেতৃত্ব পুনর্বিন্যাসের তোড়জোড়

বিএনপিতে নেতৃত্ব পুনর্বিন্যাসের তোড়জোড়

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করার পর বিএনপিতে শুরু হয়েছে নেতৃত্ব ও দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের আলোচনা। এরই মধ্যে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে একসঙ্গে চার নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।নতুন সদস্যরা হলেন—রুহুল কবির রিজভী, আমানউল্লাহ আমান, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং ফরহাদ হালিম ডোনার।শনিবার বিএনপির গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক গতিশীলতা বাড়াতে দলীয় সিদ্ধান্তে এই চার নেতাকে স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাদের যুক্ত করার পর বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ জনে।তবে মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে দলের মহাসচিব পদ শূন্য হবে। এ পদে কে আসবেন, তা নিয়ে দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা চলছে। রুহুল কবির রিজভীকে স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার পর তাকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব করার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি।আরও  পড়ুন, ‘ছয় মাসের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম, সমাধান পরিকল্পনা আমাদের হাতে’: হাসনাতএদিকে মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হওয়ায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সরকারের ছয় মাস পূর্তি উপলক্ষে মন্ত্রিসভায় সীমিত রদবদলের বিষয়েও আলোচনা চলছে।সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে নতুন দায়িত্ব বণ্টনের পাশাপাশি কয়েকজন নতুন মুখকে মন্ত্রিসভায় যুক্ত করা এবং কয়েকজন প্রতিমন্ত্রীকে পূর্ণ মন্ত্রী করার সম্ভাবনাও আলোচনায় রয়েছে। তবে এসব বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পর মির্জা ফখরুলের ঠাকুরগাঁও-১ আসন শূন্য হলে উপনির্বাচনের প্রয়োজন হবে। সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তার ছোট ভাই মির্জা ফয়সল আমিন ও বড় মেয়ে মির্জা শামারুহর নাম স্থানীয়ভাবে আলোচনায় রয়েছে।সব মিলিয়ে রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের প্রার্থিতা ঘিরে বিএনপির দলীয় নেতৃত্ব, সরকারে দায়িত্ব বণ্টন এবং ঠাকুরগাঁওয়ের রাজনীতিতে একাধিক পরিবর্তনের সম্ভাবনা সামনে এসেছে।

সারাবাংলা

সিরাজগঞ্জে  পৌর স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা  অনুষ্ঠিত

সিরাজগঞ্জে পৌর স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

"যুক্তির আলোয় খুঁজি মানুষের মুক্তি, এই প্রতিপাদ্য শ্লোগানকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জে  স্কুল পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে পৌর স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা ২০২৬  অনুষ্ঠিত হয়েছে।প্রতিপাদ্য বিষয় ছিলো জনসচেতনতাই পরিচ্ছন্ন শহর গড়ার একমাত্র উপায়"রবিবার (১৬ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১০ টায় সিরাজগঞ্জ পৌরসভায়, সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী হলরুমে সিরাজগঞ্জ পৌরসভা এবং সবার জন্য  বাসযোগ্য ও অন্তভূক্তিমূলক শহর ( লাইকা) প্রকল্পের আয়োজনে ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর  স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও  সমবায় মন্ত্রণালয় এবং জিআইজেড বাংলাদেশের সহযোগিতায়,,  পৌর স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠান শুরুতে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ওজনসচেতনতাই পরিচ্ছন্ন শহর গড়ার বিষয়ে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিরাজগঞ্জ পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম।আরও পড়ুন, ফুলবাড়ীয়া কলেজে ইদ্রিছ আলীর স্মরণে আলোচনা ও দোয়া মাহফিলঅনুষ্ঠানে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের( উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) ও সিরাজগঞ্জ পৌরসভার পৌর প্রশাসক শাহাদাত হুসেইন এর সভাপতিত্বে। অনুষ্ঠানের সভাপতি পৌর প্রশাসক শাহাদাত হুসেইনবলেন, ১৫ আগস্ট এই প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। আজকেআমাদের সিরাজগঞ্জে পৌর শহরের স্কুলের শিক্ষার্থীদের যুক্তি ও চিন্তাশক্তির বিকাশে এই আয়োজনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পৌর স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের চিন্তাশক্তি, আত্মবিশ্বাস এবং নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।” এসময়ে  সন্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন লাইকা প্রকল্পের প্রধান (জিআইজেড)সিনিয়র পোর্টফোলিও ম্যানেজার, ক্যাথরিনা ম্যানাচাকী, সহ  উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তাগণ এবং সিরাজগঞ্জ পৌরসভার কর্মকর্তাগণ সহ আরো অন্যন্য সম্মানিত অতিথি বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।বিতর্ক প্রতিযোগিতার শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। 

ফুলবাড়ীয়া কলেজে ইদ্রিছ আলীর স্মরণে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

ফুলবাড়ীয়া কলেজে ইদ্রিছ আলীর স্মরণে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া কলেজের প্রয়াত অফিস সহায়ক ইদ্রিছ আলীর স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ১টায় কলেজের শহিদ রিদওয়ান হোসাইন (সাগর) হল রুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কলেজের অধ্যক্ষ ড. গোপাল চন্দ্র সরদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আজহারুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন কলেজের হিসাবরক্ষক আব্দুল লতিফ খান, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক এফএ নয়ন, গ্রন্থাগার সহকারী আবুল হাসনাত মো. জামান, আরও পড়ুন, সিলেটে বৃদ্ধ দম্পতি ও গৃহকর্মী হত্যা: বাবুলের ৪ দিনের রিমান্ডবিএমটি শাখার সহকারী অধ্যাপক মো. রহুল আমিন, সহকারী অধ্যাপক মোঃ খাইরুল ইসলাম উপাধ্যক্ষ মো. আমজাদ হোসেন এবং অধ্যক্ষ ড. গোপাল চন্দ্র সরদার।বক্তারা মরহুম ইদ্রিছ আলীর কর্মময় জীবন, দায়িত্বশীলতা, সহকর্মীদের সঙ্গে তাঁর আন্তরিক সম্পর্ক এবং কলেজের প্রতি তাঁর অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। বক্তারা বলেন, মরণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৮ আগস্ট ঢাকার আহ্ছানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতালে ইদ্রিছ আলীর মৃত্যুতে ফুলবাড়ীয়া কলেজ পরিবারে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।আলোচনা সভা শেষে মরহুম ইদ্রিছ আলীর রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন।এ সময় বক্তারা মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

সিলেটে বৃদ্ধ দম্পতি ও গৃহকর্মী হত্যা: বাবুলের ৪ দিনের রিমান্ড

সিলেটে বৃদ্ধ দম্পতি ও গৃহকর্মী হত্যা: বাবুলের ৪ দিনের রিমান্ড

সিলেট নগরের রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকায় বৃদ্ধ দম্পতি ও তাদের গৃহপরিচারিকা হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার বাবুল মিয়ার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।রোববার (১৬ আগস্ট) সিলেটের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বাবুল মিয়াকে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালতের বিচারক ফারহানা সুলতানা চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মামলার তদন্তের স্বার্থে বাবুল মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল।আরও  পড়ুন, সিরাজগঞ্জে এমপির গাড়িতে হামলা : ১৫ জনের নামে মামলাপুলিশ জানিয়েছে, রিমান্ডে হত্যাকাণ্ডের কারণ, ঘটনার পেছনে অন্য কারও সম্পৃক্ততা এবং নিহতদের সঙ্গে বাবুল মিয়ার সম্পর্কসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হবে।এর আগে গত বুধবার সকালে রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসার দোতলা থেকে আব্দুস সাত্তার (৮২), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭২) ও তাদের গৃহকর্মী তাহমিনার (১৫) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।আব্দুস সাত্তার সিলেট চেম্বার অব কমার্সের সাবেক পরিচালক ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ছিলেন।ঘটনার দিন বিকেল ৩টার দিকে রায়নগর রাজবাড়ি এলাকার প্রয়াত নূর মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়।

সিরাজগঞ্জে এমপির গাড়িতে হামলা : ১৫ জনের নামে মামলা

সিরাজগঞ্জে এমপির গাড়িতে হামলা : ১৫ জনের নামে মামলা

সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আয়নুল হকের গাড়িতে হামলার ঘটনায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৩০ থেকে ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে।রোববার রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসানুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার রাতে স্থানীয় বিএনপি নেতা শামীমুল হাসান খন্দকার বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার আসামিদের নাম তদন্তের স্বার্থে প্রকাশ করা হয়নি। তবে বাদীর দাবি, অভিযুক্তদের মধ্যে ছাত্রদলের চার থেকে পাঁচজন, এনসিপির ছয় থেকে সাতজন এবং শিবিরের দুই থেকে তিনজন রয়েছেন।শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া বাজার এলাকায় সংসদ সদস্য আয়নুল হকের গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে এমপি শারীরিকভাবে আহত না হলেও গাড়ির পেছনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।আরও  পড়ুন, ‘গণভোটের দোহাই দিয়ে জামায়াত রাজনৈতিক ফায়দা নিতে চায়’: এমপি খোকন তালুকদারপুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়ে আয়োজিত একটি মতবিনিময় সভা শেষে বের হওয়ার সময় এমপির গাড়িতে হামলা হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।ঘটনার পর এমপির সঙ্গে থাকা এক ব্যক্তির ফেসবুক লাইভে হামলার জন্য জামায়াত ও এনসিপিকে দায়ী করা হয়। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে জেলা জামায়াত। দলটির সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম দাবি করেন, হামলার সময় জামায়াত নেতাকর্মীরা অন্য কর্মসূচিতে ছিলেন।এদিকে হামলার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করেছে পুলিশ। ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

আন্তর্জাতিক

আব্রাহাম লিংকনে নৌসেনাদের সংঘর্ষ নিহত ৭ দাবি তাসনিমের

আব্রাহাম লিংকনে নৌসেনাদের সংঘর্ষ নিহত ৭ দাবি তাসনিমের

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের ভেতরে নৌসেনাদের মধ্যে সংঘর্ষে সাতজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন—এমন দাবি করেছে ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ।তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে রণতরীটি ওই অঞ্চলে মোতায়েন থাকায় নৌসেনাদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। এমনকি নৌসেনাদের পরিবারের সদস্যরাও দীর্ঘমেয়াদি মোতায়েনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।এই অসন্তোষ নিয়ে আলোচনা করতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান ব্র্যাড কুপারের এক উপদেষ্টা রণতরীটিতে যান বলে জানিয়েছে তাসনিম।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নৌসেনাদের এক সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় ওই উপদেষ্টাকে দুয়োধ্বনি দেওয়া হয় এবং তার দিকে পানির বোতল ছুড়ে মারা হয়। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ক্রুদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।আরও পড়ুন. ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীনের ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ইরানতাসনিমের দাবি, সংঘর্ষের সময় ছুরি ও অন্যান্য ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। এতে সাতজন নৌসেনা নিহত এবং কয়েকজন আহত হন। ঘটনার পরও রণতরীটির ভেতরে উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে দাবি করা হয়েছে।ইরানি সংবাদমাধ্যমটির আরও দাবি, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন টানা ২৬৩ দিন ধরে মোতায়েন রয়েছে এবং বর্তমানে ভারত মহাসাগরে অবস্থান করছে। রণতরীটির অন্যতম দায়িত্ব হিসেবে ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ কার্যকর করার কথাও উল্লেখ করেছে তারা।এ ছাড়া টানা ২০৮ দিন সমুদ্রে অবস্থানের দাবি করে তাসনিম বলেছে, আধুনিক সময়ে কোনো মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর জন্য এটি দীর্ঘতম একটানা সমুদ্র মোতায়েনের ঘটনা।তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নৌসেনাদের সংঘর্ষে সাতজন নিহত হওয়ার এই দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে নিহতের সংখ্যা ও ঘটনার বিস্তারিত তথ্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

১৩ আগস্ট ২০২৬

রাজধানী

অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর ডিএমপি

অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর ডিএমপি

রাজধানীতে যন্ত্রচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ এবং চাঁদাবাজি দমনে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. মাসুদ করিম।রোববার রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা ও মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য, আইনশৃঙ্খলা, যানজট পরিস্থিতির উন্নয়ন ও ট্রেড লাইসেন্স সেবা নিয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।মাসুদ করিম বলেন, রাজধানীতে যন্ত্রচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে এবং সমস্যাটির স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ও আন্তরিকভাবে কাজ করছে।যানজট নিরসনে ট্রাফিক ক্যামেরা সচল করার উদ্যোগের কথাও জানান তিনি। বলেন, রাজধানীর যানজট নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক ক্যামেরাগুলো সচল করা হবে।আরও পড়ৃন, সদরঘাটে পূর্বশত্রুতার জেরে সংঘর্ষ, কাঁচির আঘাতে যুবক নিহতরাজধানীকে নিরাপদ শহর হিসেবে গড়ে তুলতে পুলিশের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে জানিয়ে ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, ছোট ছোট পরিবর্তনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে বড় পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে।চাঁদাবাজির বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সদস্যদের চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোরভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।ডিসিসিআই ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় লাইসেন্স নবায়ন সেবা সপ্তাহের উদ্বোধন এবং নবায়ন করা ট্রেড লাইসেন্স বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম। স্বাগত বক্তব্য দেন ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ।

৭ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

৭ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার লিড ১৫, স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৭ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার লিড ১৫, স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

ডারউইন টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। চতুর্থ দিনের প্রথম দেড় ঘণ্টাতেই অস্ট্রেলিয়ার তিন ব্যাটারকে সাজঘরে ফেরান এই টাইগার অলরাউন্ডার। তবে ক্যামেরন গ্রিন ও মিচেল স্টার্কের দৃঢ় প্রতিরোধে শেষ পর্যন্ত ইনিংস হার এড়িয়েছে স্বাগতিকরা।রোববার ৪ উইকেটে ১৬১ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। দিনের সপ্তম ওভারেই আঘাত হানেন মিরাজ। ৭২ বলে ৩০ রান করা অ্যালেক্স ক্যারিকে লিটন দাসের গ্লাভসবন্দি করে গ্রিনের সঙ্গে তার ৫৬ রানের জুটি ভাঙেন তিনি।এরপর মাত্র ৫ রানে বেউ ওয়েবস্টারকে বোল্ড করেন মিরাজ। ১৩ মাস ও ১৩ ইনিংস পর হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেওয়া ক্যামেরন গ্রিনকে সঙ্গ দিতে নেমে প্যাট কামিন্সও টিকতে পারেননি।আরও  পড়ুন, মিরাজের ঘূর্ণিতে কাঁপল অস্ট্রেলিয়া, তবু লিড নিয়ে লড়াইয়ে অজিরা ৮ রান করা অজি অধিনায়ককে সাদমান ইসলামের ক্যাচে পরিণত করেন মিরাজ।তাতে ২০৭ রানেই সপ্তম উইকেট হারিয়ে ইনিংস হারের শঙ্কায় পড়ে অস্ট্রেলিয়া।তবে অষ্টম উইকেটে ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিকরা। ক্যামেরন গ্রিন ও মিচেল স্টার্কের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ফেরানোর চেষ্টা করে অস্ট্রেলিয়া।৭৯তম ওভারের শেষ বলে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের ৪২৬ রান স্পর্শ করে অস্ট্রেলিয়া। পরের ওভারেই সিঙ্গেল নিয়ে লিড নিশ্চিত করেন গ্রিন।লাঞ্চে যাওয়ার সময় অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৭ উইকেটে ২৪৩ রান। বাংলাদেশের বিপক্ষে লিড দাঁড়িয়েছে ১৫ রান।বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রান করেছিল। জবাবে অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে অলআউট হয় ১৯৮ রানে। ফলে ম্যাচের শেষ ভাগে এখনো বাংলাদেশের সামনে জয়ের সুযোগ থাকলেও অস্ট্রেলিয়ার গ্রিন-স্টার্ক জুটি ম্যাচের উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছে।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর