দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

শীতের আগমনী বার্তা, প্রস্তুত হচ্ছে যশোরের ঐতিহ্যবাহী খেজুরের রস ও গুড়

শীতের আগমনী বার্তা, প্রস্তুত হচ্ছে যশোরের ঐতিহ্যবাহী খেজুরের রস ও গুড়

শীতের হিমেল হাওয়া আর ভোরের কুয়াশার অপেক্ষায় বৃহত্তর যশোরের গাছিরা, রস সংগ্রহ ও খেজুরের গুড় তৈরির প্রস্তুতিতে ব্যস্ত হয়ে উঠবে গ্রামবাংলা। শীত আসতে আর বেশি দেরি নেই। প্রকৃতিতে বইতে শুরু করেছে শীতের আগমনী বার্তা। আর শীতের কথা মনে এলেই বাঙালির মনে ভেসে ওঠে খেজুরের রস, টাটকা পাটালি গুড়, ঝোলা গুড় আর খেজুরের গুড় দিয়ে তৈরি নানা রকম পিঠাপুলির ছবি। বিশেষ করে বৃহত্তর যশোর অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী খেজুরের রস ও গুড়ের স্বাদ যেন শীতের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দেয়। শীতের মৌসুমে বৃহত্তর যশোরের গ্রামাঞ্চলে খেজুরগাছকে ঘিরে শুরু হয় এক চিরচেনা কর্মযজ্ঞ। গাছিরা খেজুরগাছের পরিচর্যা, গাছের মাথা পরিষ্কার করা এবং রস সংগ্রহের উপযোগী করে তোলার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। সন্ধ্যার পর গাছের সঙ্গে বাঁধা হয় মাটির হাঁড়ি, আর রাতভর সেই হাঁড়িতে জমতে থাকে মিষ্টি রস।ভোরের আলো ফোটার আগেই গাছিরা গাছ থেকে হাঁড়ি নামিয়ে সংগ্রহ করেন টাটকা খেজুরের রস। গ্রামের পথ ধরে রস নিয়ে ফেরার সেই দৃশ্য শীতের গ্রামীণ জীবনের এক অনন্য সৌন্দর্য। কোথাও রস পান করার ধুম, কোথাও আবার রস জ্বাল দিয়ে তৈরি হচ্ছে সুস্বাদু গুড়।বৃহত্তর যশোর অঞ্চলের খেজুরের গুড়ের রয়েছে দীর্ঘদিনের সুনাম। ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে খেজুরের রস জ্বাল দিয়ে তৈরি করা হয় নানা ধরনের গুড়। এর মধ্যে পাটালি গুড়, ঝোলা গুড় ও দানাদার গুড়ের কদর রয়েছে মানুষের কাছে। রস জ্বাল দেওয়ার সময় ছড়িয়ে পড়া মিষ্টি সুবাস যেন শীতের গ্রামের পরিবেশকে অন্য রকম মায়ায় ভরিয়ে তোলে।আরোও পড়ুন,মব আতঙ্ক ও আইনশৃঙ্খলার চ্যালেঞ্জএই গুড় শুধু একটি খাদ্যপণ্য নয়; এটি এ অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা, লোকজ সংস্কৃতি ও গ্রামীণ ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শীতের সকালে খেজুরের রস, আর পিঠা-পায়েসে খেজুরের গুড়—এ যেন বাঙালির চিরন্তন শীতকালীন উৎসব। শীতের সঙ্গে বাঙালির পিঠাপুলির সম্পর্ক বহু পুরোনো। খেজুরের গুড় দিয়ে তৈরি ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, পাটিসাপটা, পায়েস ও ক্ষীরের স্বাদে মুগ্ধ হন সব বয়সের মানুষ। শহরে বসবাস করা অনেক মানুষও শীতের শুরুতে গ্রামের বাড়ির খাঁটি খেজুরের গুড়ের জন্য অপেক্ষা করেন। এ সময় বাজারে খেজুরের গুড়ের চাহিদা বাড়ে। ফলে গাছি ও গুড় প্রস্তুতকারকদের জন্য এটি হয়ে ওঠে বাড়তি আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ মৌসুম। তবে ভেজালমুক্ত ও নিরাপদ গুড় নিশ্চিত করতে উৎপাদক ও ক্রেতা—উভয়কেই সচেতন থাকতে হবে। খেজুরের রস সংগ্রহ ও গুড় তৈরি করা সহজ কাজ নয়। প্রচণ্ড ঠান্ডায় ভোরে উঠে কাজ করা, গাছে ওঠা, রস সংগ্রহ এবং দীর্ঘ সময় ধরে চুলায় রস জ্বাল দেওয়ার প্রতিটি ধাপেই রয়েছে শ্রম ও দক্ষতা। এই পেশার সঙ্গে জড়িয়ে আছে বহু পরিবারের জীবিকা। তাই বৃহত্তর যশোরের ঐতিহ্যবাহী খেজুরের রস ও গুড়ের সুনাম ধরে রাখতে গাছিদের যথাযথ মূল্য দেওয়া, নিরাপদ উৎপাদনব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং খেজুরগাছ সংরক্ষণ করা জরুরি। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কাছে এই লোকজ ঐতিহ্য তুলে ধরাও সময়ের দাবি।

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন নেদারল্যান্ডসের বৈদেশিক বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতাবিষয়ক মন্ত্রী শুর্দ শুর্দসমারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়।বৈঠকে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, আন্তসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনা, ভূমি পুনরুদ্ধার, কৃষি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন দুই পক্ষের প্রতিনিধিরা। এসব খাতে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তি ও কারিগরি জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পায়।তিস্তা প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা এবং এ বিষয়ে জ্ঞান ও কারিগরি সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে নেদারল্যান্ডস সরকারের আগ্রহকে স্বাগত জানায় বাংলাদেশ। আরও  পড়ুন, শারদীয় দুর্গাপূজায় নিরাপত্তায় মাঠে নামছে ১০ হাজার বিজিবিপানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও নদীসংক্রান্ত উন্নয়ন কার্যক্রমে নেদারল্যান্ডসের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য সহায়ক হতে পারে বলে বৈঠকে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।এ ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার, সম্ভাব্য মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান এবং গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সুরক্ষার বিষয়েও আলোচনা হয়।বৈঠকের শেষ পর্যায়ে নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নেদারল্যান্ডস সফরের আমন্ত্রণ জানান। এ আমন্ত্রণ দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করতে পারে।বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পানি ব্যবস্থাপনা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে এ বৈঠক দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।

শারদীয় দুর্গাপূজায় নিরাপত্তায় মাঠে নামছে ১০ হাজার বিজিবি

শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে সারাদেশে প্রায় ১০ হাজার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন থাকবে। আগামী ১৬ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত তাঁরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন।সোমবার (১২ অক্টোবর) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) এ তথ্য জানান বিজিবি সদর দপ্তরের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান।তিনি জানান, দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় বিজিবি সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর আওতায় নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করা হবে।সম্ভাব্য ঝুঁকি আগেই শনাক্ত করা, গুজব ও সাম্প্রদায়িক উসকানির বিষয়ে সতর্ক নজর রাখা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।আরও পড়ুন, বিদেশি পর্যটকের ল্যাপটপ উদ্ধার, দুই পুলিশ সদস্য পুরস্কৃতবিজিবির এই কর্মকর্তা বলেন, সীমান্তের আট কিলোমিটারের মধ্যে এবং ব্যাটালিয়ন সদরের কাছাকাছি এলাকাসহ মোট ২ হাজার ৭২৭টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা সহায়তা দেওয়া হবে। দূরবর্তী ও দুর্গম এলাকায় দ্রুত টহল এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।রাজধানী ঢাকায় বিজিবি মোতায়েন ও দায়িত্বের পরিধি সরকারের নির্দেশনা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চাহিদার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে টহল, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা সহায়তা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার প্রস্তুতি থাকবে।লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান বলেন, দুর্গাপূজা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশ। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যেন নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে উৎসব পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুত রয়েছে।দুর্গাপূজাকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত নিরাপত্তা কার্যক্রমের মাধ্যমে পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

বিদেশি পর্যটকের ল্যাপটপ উদ্ধার, দুই পুলিশ সদস্য পুরস্কৃত

জার্মান পর্যটক ক্রিল ল্যান্ডার-ওয়েবারের হারিয়ে যাওয়া ল্যাপটপ উদ্ধার করে তাঁর কাছে হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে আনুষ্ঠানিকভাবে ল্যাপটপটি তাঁর হাতে তুলে দেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। এ সময় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত আইজিপিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।পুলিশ জানায়, গত ৭ অক্টোবর নাটোর রেলওয়ে স্টেশনে ল্যাপটপটি হারিয়ে যায়। এটি উদ্ধারে নাটোর সদর থানা, নাটোর জেলা পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশের একাধিক দল যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে। এর ধারাবাহিকতায় গত ১১ অক্টোবর রাত সাড়ে ৯টার দিকে নাটোর সদর থানার কাপুড়িয়াপট্টি এলাকার নূর ক্লোথিং স্টোর থেকে ল্যাপটপটি উদ্ধার করা হয়।গত ২৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে এ দেশে আসেন জার্মান পর্যটক ক্রিল। ৭ অক্টোবর নাটোর রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছে দর্শনা সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। আরও  পড়ুন, সৌদিগামী যাত্রীদের সহায়তায় বিমান সংস্থাগুলোকে বেবিচকের নির্দেশস্টেশনের অপেক্ষাকক্ষে ল্যাপটপ ও ক্যামেরা রেখে পাশের একটি এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে যান। ফিরে এসে সেগুলো খুঁজে না পেয়ে নাটোর থানায় পুলিশের সহায়তা চান।ল্যাপটপটিতে তাঁর গত ছয় মাসের কার্যক্রমের তথ্যসহ গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সংরক্ষিত ছিল। ফলে সেটি ফিরে পাওয়া তাঁর জন্য অত্যন্ত জরুরি ছিল। তাঁর লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ ইউনিটগুলো সমন্বিতভাবে উদ্ধার অভিযান চালায়।ল্যাপটপ ফিরে পেয়ে বাংলাদেশ পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান ক্রিল। বাংলাদেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।বিদেশি পর্যটকের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি এবং ল্যাপটপ উদ্ধারে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনসুর রহমান ও উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেনকে আর্থিক পুরস্কার দেন আইজিপি।এ সময় আইজিপি সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের কর্মদক্ষতা, আন্তরিকতা, দায়িত্ববোধ ও দলগত প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দ্রুত ও পেশাদার সেবা প্রদান, জনসাধারণের আস্থা অর্জন এবং পর্যটনবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে পুলিশের সব ইউনিটকে নির্দেশনা দেন।

সৌদিগামী যাত্রীদের সহায়তায় বিমান সংস্থাগুলোকে বেবিচকের নির্দেশ

সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইট চলাচল বিঘ্নিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থাগুলোকে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। যাত্রীদের ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা জানানো, টিকিট পুনঃবুকিং ও অর্থ ফেরতের বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য দেওয়া এবং বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) প্রকাশিত নির্দেশনায় বলা হয়, ফ্লাইট বাতিল, বিলম্ব কিংবা সময়সূচি পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের দ্রুত অবহিত করতে হবে। এ জন্য এসএমএস, টেলিফোন, ইমেইল, ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মতো কার্যকর যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করতে হবে।বেবিচক জানিয়েছে, ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা নিশ্চিত না করে যাত্রীদের বিমানবন্দরে যেতে বলা যাবে না। পাশাপাশি পরিবর্তিত সময়সূচি, পুনঃবুকিংয়ের সুযোগ, টিকিটের অর্থ ফেরতের প্রক্রিয়া এবং যাত্রীদের করণীয় সম্পর্কে সুস্পষ্ট তথ্য দিতে হবে।আরও পড়ুন, ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবিলায় পরিকল্পিত নগরায়ণের তাগিদ রাষ্ট্রপতিরনির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, পরিস্থিতির কারণে যেসব যাত্রী হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকে পড়েছেন, তাঁদের বসার ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানি, হালকা খাবারসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে হবে। বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি, শিশু, প্রতিবন্ধী ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রীর প্রতি বাড়তি মনোযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্নের কারণে কোনো যাত্রীর সৌদি আরবে ভিসার মেয়াদ বা অভিবাসনসংক্রান্ত সহায়তা প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থাকে সৌদি কর্তৃপক্ষ ও ঢাকায় অবস্থিত সৌদি দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগে সহায়তা করতে বলা হয়েছে। তবে ভিসার মেয়াদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়বে এমন কোনো নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি।এ ছাড়া প্রতিটি সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থাকে একজন দায়িত্বশীল সমন্বয় কর্মকর্তা নিয়োগ করে তাঁর যোগাযোগের তথ্য বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এ পরিস্থিতিতে সৌদি আরবগামী ও দেশটি হয়ে ট্রানজিট নেওয়া যাত্রীদের বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

রাজনীতিরাজনীতি

জুলাই হত্যার বিচার নিয়ে প্রশ্ন এনসিপির

জুলাই হত্যার বিচার নিয়ে প্রশ্ন এনসিপির

সরকারের মুখে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কথা থাকলেও অন্তরে আওয়ামী লীগ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ। তাঁর অভিযোগ, রাষ্ট্র সংস্কারের পরিবর্তে সরকার ক্ষমতাকেন্দ্রিক ব্যবসা, দুর্নীতি এবং আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের পথে এগোচ্ছে। একই সঙ্গে জুলাই গণহত্যার বিচারও দায়সারা বিষয়ে পরিণত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘জুলাই গণহত্যার বিচার: রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতার ব্যবধান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন হাসনাত আবদুল্লাহ। এনসিপির জুলাই গণহত্যা ও গুমের বিচার পর্যবেক্ষণবিষয়ক কমিটি এ সভার আয়োজন করে। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তাঁরা রাষ্ট্রকাঠামোর পরিবর্তন চেয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবে রাষ্ট্রের কাঠামো না বদলে শুধু ক্ষমতার চেয়ার বদল হয়েছে। কেউ সংসদ সদস্য হয়েছেন, কেউ মন্ত্রী হয়েছেন; অথচ রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক কাঠামোয় পরিবর্তন আসেনি। তাঁর ভাষায়, ফিটনেসবিহীন গাড়িতে দক্ষ চালক বসালেও গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব নয়। রাষ্ট্রের কাঠামো ঠিক না হলে সরকারও সফল হতে পারবে না। বিএনপির ভূমিকা নিয়েও সমালোচনা করেন এনসিপির এই নেতা। তাঁর অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্যাতিত বিএনপির নেতা-কর্মীরা এখন দলে যথাযথ গুরুত্ব পাচ্ছেন না। বরং ৫ আগস্টের পর বিএনপিতে যুক্ত হওয়া একটি অংশ ব্যবসায়িক সুবিধা ও প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পাচ্ছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলাগুলোর তদন্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলেন হাসনাত আবদুল্লাহ।আরোও পড়ুন,ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় নিন্দা, তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপের দাবি তিনি বলেন, ভুক্তভোগীদের সঙ্গে আলোচনা না করেই অনেক মামলায় বিপুলসংখ্যক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। পরে এসব মামলা অর্থ আদায় ও আপস-বাণিজ্যের উপলক্ষ হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়ার পাশাপাশি আওয়ামী লীগকে দল হিসেবে বিচারের মুখোমুখি করার আহ্বান জানান। সরকারের অর্থনৈতিক নীতির সমালোচনা করে হাসনাত বলেন, ৬ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হতে পারে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ডিলারশিপ ও সরকারি ঠিকাদারি কাজ বণ্টনে স্বজনপ্রীতির অভিযোগও তোলেন তিনি। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ তুলে জবাবদিহি দাবি করেন এনসিপির এই নেতা। সভায় এনসিপির অন্যান্য নেতারাও জুলাই গণহত্যার বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁরা তদন্তে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা, নির্দোষ ব্যক্তিদের হয়রানি বন্ধ এবং বিচার দ্রুত করতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর দাবি জানান। বক্তারা বলেন, জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে বিচার ও তদন্তপ্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিশ্চিত করা জরুরি।

ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় নিন্দা, তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপের দাবি

ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় নিন্দা, তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপের দাবি

সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হেনস্তার ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দায়ী করেছেন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। একই ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত, আইনি পদক্ষেপ এবং বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন জামায়াত ও আমার বাংলাদেশ পার্টির নেতারা। মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত তাঁর সমর্থকদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে উসকানি দিচ্ছেন। অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে বিমানবন্দরে ঘটে যাওয়া আচরণের জন্যও তিনি শেখ হাসিনাকে দায়ী করেন। আরও পড়ুন,মাদারগঞ্জে দায়সারাভাবে দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালন, প্রশ্নে পিআইও কার্যালয়এ ঘটনায় বাংলাদেশ সরকারকে দ্রুত যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান জামায়াতের আমির। অন্যদিকে, অধ্যাপক ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ও জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, নোবেলজয়ী অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে অশালীন আচরণ অগ্রহণযোগ্য ও নিন্দনীয়। তাঁর ভাষ্য, এ ধরনের ঘটনা দেশের নাগরিকদের সম্মান এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের দূতাবাস ও হাইকমিশনগুলোর কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বানও জানান তিনি। এদিকে, অধ্যাপক ইউনূসকে ঘিরে স্লোগান, অপমান ও হেনস্তার ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি—এবি পার্টি। দলটির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ যৌথ বিবৃতিতে বলেন, অধ্যাপক ইউনূসের নীতি বা ভূমিকার সমালোচনা করার অধিকার সবার রয়েছে। তবে বিদেশের মাটিতে একজন সম্মানিত নাগরিককে হেনস্তা করা গ্রহণযোগ্য নয়।

নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তার অভিযোগ, নিন্দা এনসিপির

নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তার অভিযোগ, নিন্দা এনসিপির

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশের সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরে হেনস্তা ও আক্রমণাত্মক স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগকে দল হিসেবে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানিয়েছে দলটি।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও ও প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে এনসিপি এ প্রতিক্রিয়া জানায়। প্রকাশিত ভিডিওতে নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ চৌধুরী এবং যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান চৌধুরীসহ আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের কয়েকজন নেতাকর্মীকে দেখা গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।এনসিপির বক্তব্য অনুযায়ী, একজন সাবেক সরকারপ্রধান ও বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্বকে বিদেশের মাটিতে ঘিরে ধরে অপদস্থ করার ঘটনা নিন্দনীয়। দলটি ঘটনাটিকে দেশবিরোধী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করেছে।আরও পড়ুন, বাংলাদেশ-স্পেন সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্ব, স্পেনের রাজাকে জামায়াত আমিরের শুভেচ্ছাপত্রএনসিপি আরও দাবি করেছে, ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মী বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অপমান ও হেনস্তার পথ বেছে নিয়েছেন। দলটির মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে রাজনৈতিক প্রতিবাদের নামে গ্রহণযোগ্যতা দেওয়া যায় না।বিবৃতিতে এনসিপি বলেছে, এ ঘটনার মাধ্যমে আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতা বা পুনর্মিলনের সম্ভাবনা আরও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। তবে এটি দলটির নিজস্ব রাজনৈতিক অবস্থান।এনসিপি ঘটনার ভিডিও, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য যাচাই করে হেনস্তায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের শনাক্ত করার দাবি জানিয়েছে। সংবাদমাধ্যমে যেসব আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতার নাম এসেছে, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছে দলটি।ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, মার্কিন কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য যাচাই করে পরবর্তী তথ্য প্রকাশ করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশ-স্পেন সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্ব, স্পেনের রাজাকে জামায়াত আমিরের শুভেচ্ছাপত্র

বাংলাদেশ-স্পেন সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্ব, স্পেনের রাজাকে জামায়াত আমিরের শুভেচ্ছাপত্র

স্পেনের জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার। এ সময় স্পেনের রাজা ষষ্ঠ ফিলিপের উদ্দেশে জামায়াতের আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের পাঠানো শুভেচ্ছাপত্র ঢাকায় নিযুক্ত স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল সিস্তিয়াগা ওচোয়া দে চিনচেত্রুর হাতে হস্তান্তর করেন তিনি। সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরাটন ঢাকা হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে স্পেন দূতাবাসের আয়োজনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, বিশিষ্ট ব্যক্তি ও আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশ নেন। স্পেনের রাজাকে পাঠানো শুভেচ্ছাপত্রে ডা. শফিকুর রহমান দেশটির জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ, রাজপরিবার, সরকার ও স্পেনের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে তিনি স্পেনের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। আরও পড়ুন,জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বিচার চেয়ে বাসার সামনে মিছিলশুভেচ্ছাপত্রে বাংলাদেশ ও স্পেনের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা, সংস্কৃতি, শিক্ষা, অভিবাসন ও পর্যটনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।চিঠিতে স্পেনে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের অবদানের কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রবাসীরা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন ও পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন—এ বিষয়টি শুভেচ্ছাবার্তায় স্থান পেয়েছে। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ ও মোবারক হোসাইন এবং বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন। কূটনৈতিক সৌজন্য বিনিময়ের এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও স্পেনের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণ এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের প্রত্যাশা তুলে ধরা হয়েছে।

সারাবাংলা

কসবায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে র‍্যালি, মহড়া ও বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত

কসবায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে র‍্যালি, মহড়া ও বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত

‘ঘর থেকেই শুরু করি, দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি’ প্রতিপাদ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে র‍্যালি ও দুর্যোগ মোকাবিলাবিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১১টায় কসবা উপজেলা পরিষদ থেকে র‍্যালিটি বের হয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কসবা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে সমাপ্ত হয়। পরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কসবা-কুটি ফায়ার স্টেশনের কমান্ডার রিয়াজ মোহাম্মদের নেতৃত্বে ফায়ার সার্ভিসের একদল প্রশিক্ষিত কর্মী অগ্নিনির্বাপণ ও ভূমিকম্পের সময় করণীয় বিষয়ে মহড়া প্রদর্শন করেন। আরোও পড়ুন,ফুলবাড়ীয়ায় আ.লীগ নেতা হারুন গ্রেপ্তার, আসামি বিস্ফোরক মামলারএতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। মহড়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দুর্যোগকালীন করণীয় ও নিরাপত্তাবিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ সময় মহড়া প্রত্যক্ষ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ছামিউল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. তানজিল কবির, কসবা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল খায়ের স্বপন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি ইকলিল আজম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আহম্মদুর রহমান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সদানন্দ পাল, কসবা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুরাইয়া বেগম, সিনিয়র শিক্ষক মো. সফিকুর রহমান, ফায়েজুল ইসলাম আখন্দ, সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম, কসবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক  কামরুন্নাহার বেগম প্রমুখ। এ সময় কসবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কসবা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ফায়ার সার্ভিসের সদস্য, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ প্রত্যক্ষ করেন।

ফুলবাড়ীয়ায় আ.লীগ নেতা হারুন গ্রেপ্তার, আসামি বিস্ফোরক মামলার

ফুলবাড়ীয়ায় আ.লীগ নেতা হারুন গ্রেপ্তার, আসামি বিস্ফোরক মামলার

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. হারুন অর রশিদকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফুলবাড়ীয়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসসংলগ্ন তাঁর নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ফুলবাড়ীয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ওসি জানান, আরও পড়ুন,মাদারগঞ্জে দায়সারাভাবে দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালন, প্রশ্নে পিআইও কার্যালয়হারুন অর রশিদ এর আগেও গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং কয়েক মাস কারাগারে ছিলেন। পরে জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। তিনি আরও জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা এবং বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হারুন অর রশিদ। তবে তাঁকে গ্রেপ্তারের কারণ, সংশ্লিষ্ট মামলার অগ্রগতি এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ সম্পর্কে ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

মাদারগঞ্জে দায়সারাভাবে দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালন, প্রশ্নে পিআইও কার্যালয়

মাদারগঞ্জে দায়সারাভাবে দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালন, প্রশ্নে পিআইও কার্যালয়

জামালপুরের মাদারগঞ্জে ব্যাপক অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও দায়সারা গোছের আয়োজনের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও মহড়ায় সাধারণ মানুষের কোনো অংশগ্রহণ ছিল না বললেই চলে। নামমাত্র কিছু লোক নিয়ে তড়িঘড়ি করে অনুষ্ঠান শেষ করায় স্থানীয় সচেতন মহল ও সাংবাদিকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। একই সাথে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়ের স্বচ্ছতা ও সার্বিক কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবছর এই দিবসে দুর্যোগ মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ মহড়ার আয়োজন করা হলেও এবার মাদারগঞ্জে ছিল উল্টো চিত্র। লোকদেখানো আয়োজনের মাধ্যমে সরকারি নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো হয়েছে। অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়ে আগে থেকে প্রচার-প্রচারণা না করায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী কিংবা সাধারণ মানুষ এই বিষয়ে কিছুই জানতে পারেননি। আরও পড়ুন,সিলেট জেলা পুলিশ লাইন্সে বিশেষ কল্যাণসভা ও ক্রাইম কনফারেন্স অনুষ্ঠিতঅভিযোগ উঠেছে, উপজেলা পিআইও কার্যালয় দিবসটির জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি টাকা নামমাত্র খরচ করে বাকি অর্থ আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে অত্যন্ত গোপনে ও দায়সারাভাবে এই কর্মসূচি শেষ করেছে। মহড়ার নামে যা করা হয়েছে, তা দুর্যোগ সচেতনতা সৃষ্টির চেয়ে এক ধরনের প্রহসন ছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। এই বিষয়ে উপজেলার একাধিক সংবাদকর্মী ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা জানান, দুর্যোগপ্রবণ এলাকা হিসেবে মাদারগঞ্জে এই দিবসের গুরুত্ব অনেক বেশি। অথচ পিআইও অফিসের খামখেয়ালিপনা এবং দায়িত্বহীনতার কারণে দিবসের মূল উদ্দেশ্যই ভেস্তে গেছে। পিআইও কার্যালয়ের এমন কর্মকাণ্ড ও সরকারি অর্থের অপচয় নিয়ে এখন সর্বত্র সমালোচনা চলছে। দায়সারাভাবে দিবস পালনের বিষয়ে জানতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও)-এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি এবং বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। স্থানীয়রা মাদারগঞ্জ উপজেলা পিআইও কার্যালয়ের বিগত দিনের বিভিন্ন প্রকল্পের অনিয়মসহ এই দিবসের নামে বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

সিলেট জেলা পুলিশ লাইন্সে বিশেষ কল্যাণসভা ও  ক্রাইম কনফারেন্স  অনুষ্ঠিত

সিলেট জেলা পুলিশ লাইন্সে বিশেষ কল্যাণসভা ও ক্রাইম কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

 সিলেট রেঞ্জের সম্মানিত  ডিআইজি জনাব মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন মহোদয় জেলা পুলিশ লাইন্স, সিলেটে আগমন করলে একটি সুসজ্জিত চৌকস পুলিশ দল তাঁকে সালামি প্রদান করে। পরে তিনি পুলিশ লাইন্সস্থ বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ এসপি এম. শামসুল হক মিলনায়তনে বিশেষ কল্যাণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট জেলার পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মোঃ যাবের সাদেক মহোদয়। এ সময় সিলেট জেলার সকল পর্যায়ের অফিসার ও ফোর্স উপস্থিত ছিলেন। উক্ত বিশেষ কল্যাণ সভায়  ডিআইজি মহোদয় অফিসার ও ফোর্সের  কথা শুনেন  এবং বিভিন্ন বিষয়ে  দিক-নির্দেশনা মূলক বক্তব্য প্রদান করেন। এ সময় তিনি  জেলার শ্রেষ্ঠ পাফরমেন্সকারী অফিসার ও পুলিশ পরিবারের সন্তানদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে পুলিশ লাইন্স হলরুমে ডিআইজি মহোদয়ের সাথে জেলার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ও সকল থানার অফিসার ইনচার্জদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। আরও পড়ুন,ময়মনসিংহ বিভাগীয় উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিতএ সময় জেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। মতবিনিময় সভা শেষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করেন ডিআইজি মহোদয়। এরপর  সিলেট পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সেপ্ট‌েম্বর-২০২৬ মাসের মাসিক অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলার পুলিশ সুপার মহোদয়ের সভাপত্বিতে সভায় জেলার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় জেলার উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট সার্কেলগণসহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জ ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। এসময় আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনসহ  সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

আন্তর্জাতিক

জরুরি অবস্থার বিরুদ্ধে আইনি লড়াই

জরুরি অবস্থার বিরুদ্ধে আইনি লড়াই

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়ায় গভর্নরের শাসন ও জরুরি অবস্থা জারির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। দলটির চেয়ারম্যান গহর আলী খান বলেছেন, এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি ও সাংবিধানিক লড়াই চালিয়ে যাবে তাঁর দল। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় গহর আলী খান বলেন, গভর্নরের শাসন ও জরুরি অবস্থা জারির বিরুদ্ধে তাঁরা হাইকোর্টে আবেদন করছেন। পিটিআই অবাধ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা এবং স্বাধীন বিচার বিভাগের পক্ষে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রতিষ্ঠিত দল পিটিআই গভর্নরের শাসন ও জরুরি অবস্থা জারির পদক্ষেপকে অবৈধ বলে দাবি করেছে। দলটির নেতাদের অভিযোগ, গণতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত একটি প্রাদেশিক সরকারকে কার্যত অকার্যকর করে দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক সংকট আরও বাড়াতে পারে। পিটিআইয়ের সাধারণ সম্পাদক সালমান আকবর রাজাও সরকারের পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, আন্দোলন করা তাঁদের অধিকার। একই সঙ্গে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে সমঝোতার উদ্যোগ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর দাবি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম-পাকিস্তানের নেতা মাওলানা ফজলুর রহমানের মধ্যস্থতায় প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে কয়েকটি বিষয়ে সমঝোতার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু পরে সরকার আলোচ্যসূচি পরিবর্তন করে।আরোও পড়ুন,যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ বন্ধ, আন্দোলনের মাঠে ভাড়া আরোপ নিয়ে বিতর্ক ইমরান খানের মুক্তিসহ বিভিন্ন দাবিতে পিটিআই এবং কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে বিরোধ চলার মধ্যেই গত রোববার খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা ও গভর্নরের শাসন জারির ঘোষণা দেওয়া হয়। পাকিস্তান সরকার সংবিধানের নিরাপত্তাসংক্রান্ত দুটি অনুচ্ছেদের আওতায় এ পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানায়। এর ফলে পিটিআই পরিচালিত প্রাদেশিক সরকারের কার্যক্রম কার্যত স্থগিত হয়ে পড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে, সরকার ও পিটিআইয়ের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে মধ্যস্থতার চেষ্টা করছেন মাওলানা ফজলুর রহমান। সম্ভাব্য সংঘাত এড়াতে উভয় পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তালাল চৌধুরী বলেছেন, খাইবার পাখতুনখাওয়ায় রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা সরকারের উদ্দেশ্য নয়। তাঁর ভাষ্য, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় সব রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। গভর্নরের শাসন জারির পর পেশোয়ারে সড়ক অবরোধের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও পরে সেগুলো খুলে দেওয়া হয়। তবে নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় শহরটিতে সাত দিনের জন্য সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে জেলা প্রশাসন। এখন হাইকোর্টে পিটিআইয়ের আবেদনের মাধ্যমে এই রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকট কোন দিকে এগোয়, সেদিকে নজর রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলের।

৫ ঘন্টা আগে

রাজধানী

দুপুর পর্যন্ত ঢাকায় বৃষ্টির আভাস নেই, রাতে বাড়তে পারে তাপমাত্রা

দুপুর পর্যন্ত ঢাকায় বৃষ্টির আভাস নেই, রাতে বাড়তে পারে তাপমাত্রা

রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় আজ সোমবার দুপুরের মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। দিনের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। তবে রাতে তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।সোমবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময় আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। তবে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তর বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে।আরও পড়ুন, জীবিকার সুরক্ষা চান ব্যাটারিচালিত যানবাহনের শ্রমিকেরাআবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। ফলে রাতে গরমের অনুভূতি কিছুটা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।এদিকে, সোমবার সকাল ৬টায় রাজধানী ঢাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৬৬ শতাংশ।আবহাওয়ার এমন পরিস্থিতিতে দিনের বেলায় বাইরে চলাচলের ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী সতর্কতা অবলম্বন করা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

১২ অক্টোবর ২০২৬

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৫ জন

খেলাধুলা

লিটনের বিশ্বরেকর্ড: দুই ফিফটির সঙ্গে ৯ ডিসমিসাল

লিটনের বিশ্বরেকর্ড: দুই ফিফটির সঙ্গে ৯ ডিসমিসাল

টেস্ট ক্রিকেটে অনন্য বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন বাংলাদেশের উইকেটকিপার-ব্যাটার লিটন কুমার দাস। আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে দুই ইনিংসেই অর্ধশতক করার পাশাপাশি উইকেটের পেছনে ৯টি ডিসমিসাল করে ইতিহাস গড়েছেন তিনি। টেস্টের এক ম্যাচে দুই ইনিংসে অন্তত ৫০ রান এবং ৯টি ডিসমিসালের কীর্তি গড়া প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে রেকর্ড গড়েছেন লিটন।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ম্যাচের পঞ্চম ও শেষ দিনে আফগান ব্যাটার ইকরাম আলিখিলকে ফিরিয়ে এ মাইলফলক স্পর্শ করেন বাংলাদেশের এই উইকেটরক্ষক। এবাদত হোসেনের বলে ব্যাট চালাতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ইকরাম। শরীর থেকে বেশ দূরে চলে যাওয়া বলটি ক্ষিপ্রতার সঙ্গে তালুবন্দি করেন লিটন। এতে আফগানিস্তানের ৬৬ রানের জুটি ভেঙে যায় এবং ২০২ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় দলটি।এর আগে টেস্টের এক ম্যাচে দুই ইনিংসে অর্ধশতক ও উইকেটের পেছনে সর্বোচ্চ আটটি ডিসমিসালের রেকর্ড ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার ডেনিস লিন্ডসের। ১৯৬৬ সালে জোহানেসবার্গে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিনি এ কীর্তি গড়েছিলেন। আরও  পড়ুন, হ্যাটট্রিকসহ পাঁচ উইকেট হাসানের, চালকের আসনে বাংলাদেশলিটন এবার সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে নতুন ইতিহাস গড়লেন।চলতি টেস্টের প্রথম ইনিংসেও দারুণ উইকেটকিপিং করেন লিটন। প্রথম স্লিপের কাছাকাছি চলে যাওয়া একটি ক্যাচ ঝাঁপিয়ে ধরে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি। দুই ইনিংসেই ব্যাটিং ও উইকেটকিপিংয়ে তাঁর পারফরম্যান্স বাংলাদেশের জন্য বড় প্রাপ্তি হয়ে উঠেছে।বাংলাদেশের দেওয়া ৪৭৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চতুর্থ দিন শেষে আফগানিস্তানের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ১৩২ রান। শেষ দিনে জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন ছিল আরও ৩৪৭ রান। অন্যদিকে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল সাত উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে এবাদত হোসেন তিনটি এবং হাসান মাহমুদ একটি উইকেট নিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।লিটনের এই রেকর্ড টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের উইকেটকিপিংয়ের ইতিহাসে স্মরণীয় অর্জন হিসেবে বিবেচিত হবে।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!