দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1003.2 hPa
25.4° 96%
540° 15mm
চট্টগ্রাম 1003.8 hPa
31° 78%
540° 15mm
রাজশাহী 1003.5 hPa
27° 92%
540° 15mm
খুলনা 1002.7 hPa
90%
540° 15mm
বরিশাল 1003 hPa
26.5° 96%
540° 15mm
সিলেট 1002.9 hPa
29.7° 81%
540° 15mm
রংপুর 1002.7 hPa
29.5° 85%
540° 15mm
ময়মনসিংহ 1002.9 hPa
28.5° 88%
540° 15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদ

প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদ

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাম্প্রতিক প্রশাসনিক রদবদলে মো. দাউদ হোসেনকে গুলশান থানার নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার পর রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও অভিজাত এলাকা গুলশান থানার দায়িত্ব পাওয়াকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভ্যন্তরে একটি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে| দীর্ঘদিনের মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা, অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান এবং আলোচিত বিভিন্ন মামলার তদন্তে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি ইতোমধ্যেই পুলিশের একটি পরিচিত মুখে পরিণত হয়েছেন|আরও পড়ুন:  সংকট থেকে সাহসিকতায় আপেল মাহমুদের গল্পযশোর জেলার কৃতি সন্তান মো. দাউদ হোসেন কর্মজীবনের শুরু থেকেই দায়িত্বশীল ও পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত| বিভিন্ন সময়ে দেশের গুরুত্বপূর্ণ থানায় দায়িত্ব পালন করে তিনি নিজের দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন| বিশেষ করে রাজধানীর খিলগাঁও থানা এবং পরবর্তীতে ক্যান্টনমেন্ট থানায় দায়িত্ব পালনকালে তার কর্মকাণ্ড সাধারণ মানুষের পাশাপাশি পুলিশের উচ্চপর্যায়েও প্রশংসিত হয়েছে| পুলিশ সূত্রে জানা যায়, খিলগাঁও থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি মাদক, চুরি, ছিনতাই ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে বেশ সক্রিয় ভূমিকা রাখেন| তার নেতৃত্বে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে একাধিক অপরাধী চক্র ভেঙে দেওয়া হয়| একই সঙ্গে থানাভিত্তিক জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার করার ক্ষেত্রেও তিনি কাজ করেছেন| পরবর্তীতে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার দায়িত্ব পাওয়ার পরও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান বজায় রাখেন| বিশেষ করে চব্বিশের ৫ আগস্ট পরবর্তী পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিভিন্ন সংবেদনশীল মামলার তদন্ত ও আসামি গ্রেপ্তারে তার ভূমিকা ব্যাপক আলোচনায় আসে| ˆবষম্যবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় সাবেক সংসদ সদস্যসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের আইনের আওতায় আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি| আরও পড়ুন: আপেল মাহমুদকে ঘিরে সংবাদ নিয়ে প্রশ্ন, ভুয়া তথ্য ও অপপ্রচারআইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তার এই পদক্ষেপ বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হয়| তবে এসব কার্যক্রমের কারণে তাকে নানা ধরনের সমালোচনারও মুখোমুখি হতে হয়েছে| সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ও সমর্থকগোষ্ঠীর পক্ষ থেকে তাকে নিয়ে একাধিক নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হয়| বিশেষ করে আওয়ামী লীগের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে পোস্ট দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়| কিন্তু এসব প্রচারণা কিংবা সমালোচনাকে গুরুত্ব না দিয়ে তিনি তার দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন| আরও পড়ুন: পুলিশের দায়িত্ব পালনে বাধা মব কালচারআইনশৃঙ্খলা বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর মামলাগুলোতে পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করার কারণেই তিনি আলোচনায় আসেন| একজন পুলিশ কর্মকর্তার মূল দায়িত্ব আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা এবং সেই জায়গা থেকে তিনি দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছেন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা| ক্যান্টনমেন্ট থানায় দায়িত্ব পালনকালে অপরাধ দমনের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগেও অংশ নিতে দেখা গেছে তাকে| স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময়, বিট পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করেছেন তিনি|রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান থানা দীর্ঘদিন ধরেই নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ| এখানে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী, কূটনীতিক, বিদেশি নাগরিক এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বসবাস| একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানের হোটেল, দূতাবাস, করপোরেট অফিস এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থাকায় গুলশানের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়|সাম্প্রতিক সময়ে গুলশান এলাকায় সাইবার অপরাধ, প্রতারণা, মাদক ব্যবসা, অবৈধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ নিয়েও আলোচনা রয়েছে| ফলে এই থানার দায়িত্বে একজন অভিজ্ঞ ও দক্ষ কর্মকর্তার প্রয়োজন ছিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা|আরও পড়ুন: আইনের শাসন না মবের রাজত্ব?পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মো. দাউদ হোসেন মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে পছন্দ করেন| তিনি শুধুমাত্র অফিসকেন্দ্রিক কার্যক্রমে সীমাবদ্ধ না থেকে সরাসরি অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম তদারকি করেন| ফলে অধস্তন কর্মকর্তাদের মধ্যেও দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক চাপ ˆতরি হয়| তবে সাংবাদিক মহলেও তার কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা রয়েছে| বিভিন্ন অপরাধবিরোধী অভিযানে তথ্যভিত্তিক বক্তব্য প্রদান এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে সমš^য় রেখে কাজ করার কারণে অনেক প্রতিবেদকের কাছেও তিনি পরিচিত মুখ| তবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তিনি বরাবরই আইনি প্রক্রিয়াকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন বলে জানা যায়|নগরবাসীর প্রত্যাশা, গুলশান থানার নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি এলাকার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করবেন| বিশেষ করে অভিজাত এলাকার আড়ালে পরিচালিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, প্রতারণা চক্র, মাদক ব্যবসা এবং প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে আশা করা হচ্ছে|আরও পড়ুন: পুলিশ হত্যা, সংস্কার ও জননিরাপত্তা: সংকট উত্তরণের পথ কোথায়?অন্যদিকে অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান সময়ে নগর অপরাধের ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে| ফলে শুধু প্রচলিত পুলিশিং নয়, আধুনিক প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যনির্ভর কার্যক্রমও সমান গুরুত্বপূর্ণ| মো. দাউদ হোসেন তার পূর্ববর্তী দায়িত্বগুলোতে প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত কার্যক্রমে গুরুত্ব দিয়েছেন| গুলশান থানাতেও সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে|এদিকে তার নতুন দায়িত্ব গ্রহণকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নানা আলোচনা দেখা গেছে| অনেকেই তাকে একজন দৃঢ়চেতা ও পেশাদার কর্মকর্তা হিসেবে উল্লেখ করছেন| আবার কেউ কেউ তার সামনে থাকা চ্যালেঞ্জগুলোর কথাও তুলে ধরছেন| কারণ গুলশান থানা শুধু একটি সাধারণ থানা নয়, বরং দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর থানা এলাকাগুলোর একটি| পুলিশের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো বলছে, দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠা, সাহসিকতা এবং কর্মদক্ষতার কারণেই তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ থানার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে| অতীত অভিজ্ঞতা ও অর্জন বিবেচনায় গুলশান থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট মহল|আরও পড়ুন:  পেশা নাকি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলমের যুদ্ধ?সব মিলিয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানা থেকে গুলশান থানায় মো. দাউদ হোসেনের পদায়ন শুধুমাত্র একটি প্রশাসনিক রদবদল নয়; বরং এটি একজন আলোচিত ও অভিজ্ঞ পুলিশ কর্মকর্তার প্রতি কর্তৃপক্ষের আস্থার প্রতিফলন বলেও মনে করছেন অনেকে| এখন সময়ই বলে দেবে রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই থানায় দায়িত্ব পালন করে তিনি কতটা সফলতার সঙ্গে নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারেন| তবে আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্টদের মতে, অতীতের অভিজ্ঞতা, পেশাদার মনোভাব এবং অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে গুলশান থানার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে| তবে তার কর্মদক্ষতা আরো কাজে লাগিয়ে সাধারন মানুষের সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

ঘণ্টায় ৬০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কা, সতর্ক আবহাওয়া অফিস

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আবারও ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা। রাতের মধ্যেই দেশের ১৮ অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া, বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।শনিবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।পূর্বাভাস অনুযায়ী, রাত ১টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম কিংবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ী দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একইসঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।এ অবস্থায় এসব এলাকার আরো পড়ুন , জামালপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে আকস্মিক ভিসি পরিবর্তন, শুরু আলোচনানদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।অন্যদিকে আবহাওয়া অফিসের ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু স্থানে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।শুধু তাই নয়, দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের আশঙ্কাও রয়েছে। ফলে জলাবদ্ধতা, দুর্বল স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং নৌযান চলাচলে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, বৃষ্টিপাতের কারণে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। অর্থাৎ ভ্যাপসা গরম থেকে সাময়িক স্বস্তি মিললেও ঝড়-বৃষ্টির কারণে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে

জামালপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে আকস্মিক ভিসি পরিবর্তন, শুরু আলোচনা

জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মাত্র ২৩ দিনের মাথায় বদলে গেল ভাইস চ্যান্সেলর বা ভিসি। নতুন করে বিশ্ববিদ্যালয়টির ভিসি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে সদ্য নিয়োগ পাওয়া ভিসিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে উচ্চশিক্ষা অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।শনিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।নতুন ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. মো. আমির হোসেন। তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়-এর কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।এর আগে গত ১৪ মে জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন ড. মোহাম্মদ আমির হোসেন ভূঁইয়া। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়-এর পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং আরো পড়ুন , গরমের দাপটের পর দেশজুড়ে স্বস্তির বৃষ্টিইতোমধ্যে দায়িত্বও গ্রহণ করেছিলেন। তবে মাত্র ২৩ দিনের মাথায় তাকে ভিসি পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে নিজ বিভাগের মূল পদে যোগদানের অনুমতি দিয়েছে সরকার।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নতুন ভিসির নিয়োগের মেয়াদ হবে চার বছর। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর তথা রাষ্ট্রপতি প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।একই দিনে উচ্চশিক্ষা প্রশাসনে আরও কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি-র নতুন কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জৈব রসায়ন ও আণবিক জীববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন।এছাড়া জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর (শিক্ষা) পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে ড. এম মাহফুজুর রহমান-কে।বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে এই আকস্মিক পরিবর্তন নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হলেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা জানানো হয়নি।

গরমের দাপটের পর দেশজুড়ে স্বস্তির বৃষ্টি

টানা কয়েকদিনের তীব্র গরম আর ভ্যাপসা আবহাওয়ার পর অবশেষে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নেমেছে স্বস্তির বৃষ্টি। এতে জনজীবনে ফিরেছে স্বস্তি, কমতে শুরু করেছে তাপমাত্রাও।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন বিভাগে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণেরও সম্ভাবনা রয়েছে।রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির কারণে সড়কে মানুষের ভিড় কমে গেছে। আরও  পড়ুন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক, সম্পর্ক জোরদারে নতুন উদ্যোগগরমে অতিষ্ঠ মানুষ বৃষ্টিকে স্বস্তির বার্তা হিসেবে দেখছেন। কৃষকরাও এই বৃষ্টিকে আবাদি জমির জন্য উপকারী বলে মনে করছেন।আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ সক্রিয় থাকায় এবং দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ধীরে ধীরে অগ্রসর হওয়ায় এই বৃষ্টিপাত হচ্ছে। আগামী কয়েকদিন দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বৃষ্টির কারণে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমবে এবং গরমের তীব্রতা কিছুটা প্রশমিত হবে। তবে বজ্রপাত ও দমকা হাওয়ার সময় সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক, সম্পর্ক জোরদারে নতুন উদ্যোগ

বাংলাদেশ ও তুরস্কের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে রাজধানীতে। ঢাকা সফররত তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান আজ শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।তেজগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের প্রতি অব্যাহত সমর্থনের জন্য তুরস্ককে ধন্যবাদ জানান। বিশেষ করে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ায় তুরস্ক সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।আরও  পড়ুন, বৃষ্টি-বজ্রপাতে ভিজবে দেশ, ৫ দিনের পূর্বাভাসে স্বস্তির বার্তাবৈঠকে দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে প্রতিবছর পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠক আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এছাড়া প্রতিরক্ষা ও রাজনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে দুই দেশের প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পর্যায়ে একটি যৌথ কমিটি গঠনের বিষয়েও ঐকমত্য হয়।বৈঠকে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, যৌথ উৎপাদন এবং রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান নিয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

রাজনীতিরাজনীতি

চাঁদপুরে এনসিপিতে যোগ দিলেন ৪ বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ দুই শতাধিক নেতাকর্মী

চাঁদপুরে এনসিপিতে যোগ দিলেন ৪ বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ দুই শতাধিক নেতাকর্মী

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও যোগদান অনুষ্ঠান বড় ধরনের রাজনৈতিক সমাবেশে পরিণত হয়েছে। অনুষ্ঠানে চারজন বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ দুই শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থক দলটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন।শুক্রবার ছেংগারচর ডিগ্রি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। দলটির দাবি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন থেকে আগত নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রতি মানুষের আগ্রহের প্রতিফলন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, যুগ্ম সদস্য সচিব মোহাম্মদ নিজামউদ্দিন, চাঁদপুর জেলা আহ্বায়ক মাহবুব আলম, আরও পড়ুন, ‘আওয়ামী লীগের ফাঁদে আবারও পা দিয়েছে বিএনপি’ : নাসীরুদ্দীনসদস্য সচিব আমানউল্লাহ পাটওয়ারীসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।এছাড়া ছাত্রশক্তি, যুবশক্তি, নারীশক্তি ও শ্রমিকশক্তির নেতাকর্মীরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।অনুষ্ঠানে বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদ, আপ বাংলাদেশসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক প্ল্যাটফর্ম থেকে দুই শতাধিক ব্যক্তি এনসিপিতে যোগদান করেন। নতুন যোগদানকারীদের মধ্যে চারজন বীর মুক্তিযোদ্ধার উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে বিশেষ তাৎপর্য দেয়।যোগদানকারী বীর মুক্তিযোদ্ধারা হলেন আবু বকর সিদ্দিক, ওসমান গনি, রমিজ উদ্দিন ও মোহাম্মদ আলী। তাদের মধ্যে একজন মুক্তিযুদ্ধকালীন কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

‘আওয়ামী লীগের ফাঁদে আবারও পা দিয়েছে বিএনপি’ :  নাসীরুদ্দীন

‘আওয়ামী লীগের ফাঁদে আবারও পা দিয়েছে বিএনপি’ : নাসীরুদ্দীন

‘আওয়ামী লীগের ফাঁদে আবারও পা দিয়েছে বিএনপি’— চাঁদপুরে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীজাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সমালোচনা করে বলেছেন, অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কৌশলের কারণে বিএনপি বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিল। তার দাবি, দলটি আবারও একই ধরনের রাজনৈতিক ফাঁদে পা দিচ্ছে।শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, বিএনপি অতীতে নানা রাজনৈতিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছে এবং সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন। তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে বলেন, অতীতের বিভিন্ন ঘটনার জন্য যাদের দায়ী করা হয়, তাদের বিষয়ে রাজনৈতিকভাবে আরও সতর্ক থাকা উচিত।আরও  পড়ুন , সিলেটে জামায়াত নেতার বক্তব্য ঘিরে উত্তাপ, পাল্টা বিবৃতিতে বিএনপিবক্তব্যে তিনি আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সহিংসতা, নির্যাতন এবং বিভিন্ন আলোচিত ঘটনার অভিযোগ উত্থাপন করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, দেশের গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও রাজনৈতিক সংস্কার প্রতিষ্ঠার জন্য নতুন রাজনৈতিক শক্তির প্রয়োজন রয়েছে।অনুষ্ঠানে এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং রাজনৈতিক কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, অনুষ্ঠানে পাঁচজন মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে শতাধিক নেতাকর্মী এনসিপিতে যোগদান করেন। নতুন সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন দলের নেতারা।এ সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, দেশের জনগণ একটি বৈষম্যহীন, জবাবদিহিমূলক এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রত্যাশা করে। সেই লক্ষ্যেই এনসিপি কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।অনুষ্ঠানটি ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।আরও  পড়ুন , ‘বাংলাদেশ ২.০’ গড়তে ৮.৫২ লাখ কোটি টাকার ছায়া বাজেট দিল এনসিপি

সিলেটে জামায়াত নেতার বক্তব্য ঘিরে উত্তাপ, পাল্টা বিবৃতিতে বিএনপি

সিলেটে জামায়াত নেতার বক্তব্য ঘিরে উত্তাপ, পাল্টা বিবৃতিতে বিএনপি

সিলেটে জামায়াত নেতার এক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। জ্বালানি তেল, গ্যাস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে আয়োজিত এক সমাবেশে বিএনপি সম্পর্কে দেওয়া মন্তব্যের জেরে এই বিতর্কের সূত্রপাত।সিলেট মহানগর জামায়াতের আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন সিলেট জেলা জামায়াতের আমির ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মাওলানা হাবিবুর রহমান। তার বক্তব্যকে ‘অসংলগ্ন’ ও ‘কুরুচিপূর্ণ’ আখ্যা দিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় স্থানীয় বিএনপি।সমালোচনার মুখে পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে দুঃখ প্রকাশ করেন জামায়াত নেতা। আরও  পড়ুন, ‘বাংলাদেশ ২.০’ গড়তে ৮.৫২ লাখ কোটি টাকার ছায়া বাজেট দিল এনসিপিতিনি জানান, বক্তব্য দেওয়ার সময় শব্দচয়নে ভুল হয়েছিল এবং সিলেটি ভাষার একটি শব্দ ব্যবহার করা ঠিক হয়নি।তবে এই দুঃখ প্রকাশকে যথেষ্ট মনে করছে না বিএনপি। এক যৌথ বিবৃতিতে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদি এবং সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, এমন বক্তব্য সিলেটের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।বিএনপি নেতারা আরও বলেন, শুধুমাত্র ‘শব্দচয়ন ভুল হয়েছে’ বলে দুঃখ প্রকাশ করলেই এ ধরনের বক্তব্যের দায় এড়ানো যায় না। তারা রাজনৈতিক সৌজন্য, শালীনতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখার আহ্বান জানান।আরও  পড়ুন, বাজেট ঘিরে অর্থনৈতিক সংকটের শঙ্কা : আসিফ মাহমুদ

‘বাংলাদেশ ২.০’ গড়তে ৮.৫২ লাখ কোটি টাকার ছায়া বাজেট দিল এনসিপি

‘বাংলাদেশ ২.০’ গড়তে ৮.৫২ লাখ কোটি টাকার ছায়া বাজেট দিল এনসিপি

জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ‘বাংলাদেশ ২.০: সংস্কার, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের মাধ্যমে টেকসই প্রবৃদ্ধি’ শীর্ষক ৮ লাখ ৫২ হাজার ১৫৭ কোটি টাকার একটি ছায়া বাজেট ঘোষণা করেছে। রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ বাজেট উপস্থাপন করেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।দলটির দাবি, জনকল্যাণ বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিনিয়োগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে একটি টেকসই অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলাই এই বাজেটের মূল লক্ষ্য।এনসিপির প্রস্তাব অনুযায়ী, বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৩ দশমিক ০৯ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হবে। পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৮ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা পরবর্তী অর্থবছরে ৬ শতাংশে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।রাজস্ব বাড়াতে দলটি বিদ্যুৎ সংযোগের সঙ্গে আয়কর রিটার্ন বাধ্যতামূলক, টিআইএন-এনআইডি-ব্যাংক ও মোবাইল আর্থিক সেবার তথ্য সংযুক্তিকরণ এবং সম্পদ কর চালুর মতো প্রস্তাব দিয়েছে। এনসিপির দাবি, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে অতিরিক্ত ৭৬ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় সম্ভব হবে।কর কাঠামোতেও বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। সাধারণ করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা, নারী ও প্রবীণদের জন্য ৪ লাখ ৭৫ হাজার এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ৫ লাখ টাকা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। আরো পড়ুন , বাজেট ঘিরে অর্থনৈতিক সংকটের শঙ্কা : আসিফ মাহমুদএকই সঙ্গে জাকাতকে আয়কর রিবেট হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ারও প্রস্তাব রয়েছে।শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে সর্বোচ্চ ১ লাখ ২৪ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা বরাদ্দের পাশাপাশি পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে এনসিপি। স্বাস্থ্য খাতে জাতীয় স্বাস্থ্য বিমা, দুরারোগ্য রোগে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ভর্তুকি এবং আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল স্থাপনের পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়েছে।এছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানি, নারী উদ্যোক্তা তহবিল, কৃষি ভর্তুকি, ব্যাংক খাত সংস্কার এবং প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির মতো বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এই ছায়া বাজেটে।সংবাদ সম্মেলনে এনসিপি নেতারা বলেন, এটি কেবল একটি বিকল্প বাজেট নয়; বরং দুর্নীতিমুক্ত, বৈষম্যহীন ও বিনিয়োগবান্ধব ‘বাংলাদেশ ২.০’ গঠনের একটি পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ।

সারাবাংলা

সোনাতলায় নদীর স্রোতে ভেসে যাওয়া তীর্থের লাশ মিলল সেতুর নিচে

সোনাতলায় নদীর স্রোতে ভেসে যাওয়া তীর্থের লাশ মিলল সেতুর নিচে

বগুড়ার সোনাতলায় পরিবারের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে নেমেছিল এক কিশোর। হাসি-আনন্দের সেই মুহূর্তই মুহূর্তে পরিণত হয় শোকে। তীব্র স্রোতে ভেসে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ১৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে স্কুলছাত্র শ্রী তীর্থ সাহার মরদেহ।শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের আড়িয়াঘাট সেতুর নিচ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।নিহত তীর্থ সাহার বয়স ছিল ১৭ বছর। তিনি সোনাতলা নতুন বন্দর এলাকার বাসিন্দা শ্রী দীপক সাহার ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মধুপুর ইউনিয়নের আড়িয়াঘাট এলাকায় বাঙালি নদীতে গোসল করতে যান তীর্থ। সঙ্গে ছিলেন তার মা, বোন, চাচি ও চাচাতো ভাই-বোনসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য।একপর্যায়ে নদীর তীব্র স্রোতে পড়ে ভেসে যান তিনি। পরিবারের আরো পড়ুন , খুঁটিতে উঠেছিল ঘুঘুর বাচ্চার জন্য, ফিরল নিথর দেহসদস্যরা চেষ্টা করেও তাকে উদ্ধার করতে পারেননি। পরে দ্রুত খবর দেওয়া হয় ফায়ার সার্ভিসকে।ঘটনার পর সোনাতলা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এবং রাজশাহী থেকে আসা ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তবে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসায় শুক্রবার রাতের জন্য অভিযান স্থগিত করা হয়।শনিবার ভোরে আবারও উদ্ধার কাজ শুরু হলে সকাল ৭টার দিকে আড়িয়াঘাট সেতুর নিচে ভেসে থাকা অবস্থায় তীর্থ সাহার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো পরিবেশ।

খুঁটিতে উঠেছিল ঘুঘুর বাচ্চার জন্য, ফিরল নিথর দেহ

খুঁটিতে উঠেছিল ঘুঘুর বাচ্চার জন্য, ফিরল নিথর দেহ

রাজশাহীতে ঘুঘু পাখির বাচ্চা নামাতে গিয়ে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছে এক কিশোর। একটি ছোট্ট প্রাণীকে বাঁচাতে গিয়ে নিজেই চলে গেল না ফেরার দেশে— হৃদয়বিদারক এ ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজশাহীর তেরোখাদিয়া বিভাগীয় স্টেডিয়ামের সামনে ফ্লাইওভারের পূর্ব পাশে ঘটে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।নিহত কিশোরের নাম সাজ্জাদ। বয়স মাত্র ১৪ বছর। তার বাবার নাম সাজু। পরিবারের সঙ্গে তিনি রাজপাড়া থানা এলাকার গ্রেটার রোডের বন্ধ গেট মসজিদের পেছনে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। তাদের গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে।ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থলের একটি বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ঘুঘু পাখির বাসা ছিল। কিশোর সাজ্জাদ সেই বাসা থেকে পাখির বাচ্চা নামানোর আরো পড়ুন , দিরাইয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে ধাক্কা ট্রাক, নিহত ইটভাটার ম্যানেজারচেষ্টা করে। এ সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুতের সংস্পর্শে এসে গুরুতর বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় সে।দুর্ঘটনার পর সাজ্জাদ একটি বাড়ির টিন ও বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে আটকে ঝুলে ছিল। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা বিদ্যুৎ বিভাগের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করেন।গুরুতর অবস্থায় দ্রুত তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।এ ঘটনায় গভীর শোক নেমে এসেছে স্থানীয়দের মধ্যে। অনেকেই বলছেন, পাখির বাচ্চা বাঁচাতে গিয়ে এমন মর্মান্তিক মৃত্যু কেউ কল্পনাও করেননি।এদিকে রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

দিরাইয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে ধাক্কা ট্রাক, নিহত ইটভাটার ম্যানেজার

দিরাইয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে ধাক্কা ট্রাক, নিহত ইটভাটার ম্যানেজার

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে গাছের সঙ্গে ট্রাকের ধাক্কায় নিহত হয়েছেন এক ইটভাটার ম্যানেজার। শনিবার দুপুরে সুনামগঞ্জ-দিরাই সড়কের দিরাই পৌরসভার সুজানগর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত আনোয়ার হোসেন, বয়স ৩৮ বছর। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা এবং একটি ইটভাটার ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শরিফপুর এলাকার একটি ইটভাটা থেকে কাজ শেষে ট্রাকে করে ফিরছিলেন আনোয়ার হোসেন ও চালক খালেক মিয়া। পথে সুজানগর এলাকায় পৌঁছালে চালক ট্রাকের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এরপর দ্রুতগতির ট্রাকটি সড়কের পাশের একটি গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়।আরও  পড়ুন , পত্নীতলায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিতদুর্ঘটনায় ট্রাকের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান আনোয়ার হোসেন। দুর্ঘটনার পর চালক খালেক মিয়া ট্রাক ফেলে পালিয়ে যান।খবর পেয়ে দিরাই ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকের ভেতর থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এনামুল হক জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।এদিকে, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ ও চালকের অবস্থান জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পত্নীতলায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত

পত্নীতলায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত

"জলবায়ু পরিবর্তন আজকের পদক্ষেপ আগামীর নিরাপত্তা ''এই প্রতিপাদ্য নিয়ে নওগাঁর পত্নীতলায়  বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও বৃক্ষ রোপণ  কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ৯ টায় ডাসকো ফাউন্ডেশনের আয়োজনে  উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে  সহকারী কমিশনার (ভুমি ) মোছাঃ শাহনাজ পারভিন  বিশ্ব পরিবেশ দিবসের  তাৎপর্য ও গুরুত্ব তুলে ধরে সভাপতির বক্তব্য রাখেন। থ্রাইভ প্রকল্পএর কর্মকর্তা মোঃ লুৎফর রহমান রাফিনের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন  পি এফ জি কোঅর্ডিনেটর মোঃ সাজেদুর রহমান( দুলাল), আরও  পড়ুন, আম খাওয়ানোর প্রলোভনে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার যুবকহাঙ্গার প্রজেক্টের কর্মকর্তা মাসুদ রানা, পরিবেশ কর্মী ও ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার নওগাঁ জেলার সাবেক কো-অডিনেটর মোঃ শাহারিয়ার শাকিল। এসময় উপস্থিত ছিলেন  নজিপুর পৌরসভার  ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আপেল মাহমুদ, পত্নীতলা জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কমিটির সাবেক সাধারন সম্পাদক সাংবাদিক মাসুদ রানা,  সহ হাঙ্গার প্রজেক্ট এবং থ্রাইভ প্রকল্পের  সিডিও প্রকল্প অংশগ্রহণকারী ও গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ প্রমূখ ।এর আগে সকালে নজিপুর কারিগরি কলেজ মোড় এলাকায় বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধন করে একটি  র‍্যালি বের হয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদিক্ষন করে উপজেলা চত্বরে এসে শেষ হয়।

আন্তর্জাতিক

আবার হামলা চালানো খুব সহজ  ইরানকে কড়া বার্তা ট্রাম্পের

আবার হামলা চালানো খুব সহজ ইরানকে কড়া বার্তা ট্রাম্পের

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনার মধ্যে ইরানকে নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ভাষ্য, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর ইরানের সামরিক সক্ষমতা প্রায় সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। এমনকি দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মজুত এখন মাত্র ২১ থেকে ২২ শতাংশে নেমে এসেছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।শনিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে জেরুজালেম পোস্ট।এর আগে শুক্রবার এনবিসি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এসব মন্তব্য করেন।সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের ড্রোন অবকাঠামো ও উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর অবস্থান সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে স্পষ্ট তথ্য ছিল এবং সেসব স্থাপনার বড় অংশ ধ্বংস করা হয়েছে। একইসঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির বেশিরভাগ সক্ষমতাও অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।তবে ইরানের হাতে বর্তমানে ঠিক কত ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন রয়েছে— সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যা দেননি ট্রাম্প। তার দাবি, “তাদের কিছু অস্ত্র আছে, কিন্তু আগের তুলনায় তা এখন প্রায় ২১ বা ২২ শতাংশে নেমে এসেছে।”এদিকে সামরিক উত্তেজনার মধ্যেও কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে এবং চলতি সপ্তাহেই কোনো ধরনের সমঝোতায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। আরো পড়ুন , রাডার স্টেশনে মার্কিন বোমাবর্ষণের পর পাল্টা আঘাত তেহরানেরযদিও তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতি মেনে নিতে না পারায় আলোচনা ধীরগতিতে চলছে।একইসঙ্গে সতর্কবার্তাও দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক অভিযান চালানো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য “খুব সহজ” হবে। তবে যুদ্ধ নয়, লিখিত চুক্তির মাধ্যমে সংকট সমাধানই তার অগ্রাধিকার।বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্ক নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি করতে পারে। যদিও ইরানের পক্ষ থেকে এ দাবির আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি।

৫ ঘন্টা আগে

রাজধানী

শাহজালাল বিমানবন্দরে ফের আগুন, পুরোনো প্রশ্নে নতুন বিতর্ক

শাহজালাল বিমানবন্দরে ফের আগুন, পুরোনো প্রশ্নে নতুন বিতর্ক

ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে আবারও আগুন। আর এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছেন ব্যবসায়ীরা— কেন বারবার ছুটির দিনেই আগুন লাগছে? এটি কি শুধুই দুর্ঘটনা, নাকি এর পেছনে রয়েছে গাফিলতি কিংবা অন্য কোনো রহস্য?শুক্রবার রাত ১১টা ২৪ মিনিটে বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ কমপ্লেক্সের ৯ নম্বর ফটকের পাশে মালামাল রাখার স্থানে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। দ্রুত চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাত্র ১৪ মিনিটের চেষ্টায় রাত ১১টা ৩৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, সর্বশেষ আগুনের ঘটনা ঘটেছে ডিএইচএল কুরিয়ার সার্ভিসের মালামাল সংরক্ষণের একটি কনটেইনারে। তবে কী কারণে আগুন লেগেছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত— তা তদন্তের পর জানা যাবে।বে এই ঘটনায় ক্ষোভ ও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের প্রশ্ন— কেন বারবার শুক্র ও শনিবার, অর্থাৎ ছুটির দিনেই কার্গো ভিলেজে আগুন লাগছে?ফেডারেশন অব বাংলাদেশ কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন-আরো পড়ুন , অভিযানের পরও অধরা বাহার, গুলশানে নেপথ্য নিয়ন্ত্রণের অভিযোগএর সভাপতি মো. মিজানুর রহমান বলেছেন, গত বছরের অক্টোবরেও ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড হয়েছিল। কিন্তু সেই ঘটনায় কার দায়িত্বে অবহেলা ছিল, কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না— তা আজও স্পষ্ট নয়। দায়ীদের শাস্তি না হলে এ ধরনের ঘটনা বন্ধ হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।উল্লেখ্য, গত বছরের ১৮ অক্টোবর একই কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ আগুন লাগে। তখন ১৩টি ফায়ার স্টেশনের ৩৭টি ইউনিট প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।এদিকে আগুনের কারণ ও সম্ভাব্য গাফিলতি খতিয়ে দেখতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সরকার। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে শর্টসার্কিটের সম্ভাবনা দেখা গেলেও প্রশ্ন হচ্ছে— একই কারণে বারবার আগুন লাগছে কেন? আগের তদন্তেও শর্টসার্কিটের কথা উঠে এসেছিল, তাই গাফিলতির বিষয়টি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।শনিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করলেও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা না বলেই বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।

২ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

ভারতকে চাপে রেখেও গোল পাচ্ছে না বাংলাদেশ

ভারতকে চাপে রেখেও গোল পাচ্ছে না বাংলাদেশ

গোয়ার জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা নির্ধারণী লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ও ভারত। ম্যাচের শুরু থেকে সতর্ক ফুটবল খেললেও ধীরে ধীরে আক্রমণে গতি বাড়িয়েছে বাংলাদেশ। তবে একের পর এক সহজ সুযোগ নষ্ট হওয়ায় এখনও গোলের দেখা পায়নি লাল-সবুজের মেয়েরা।ম্যাচের প্রথম পাঁচ মিনিটে রক্ষণ সামলাতেই বেশি মনোযোগী ছিল বাংলাদেশ। ভারতের আক্রমণ ঠেকিয়ে পাল্টা আক্রমণের কৌশলে খেলতে দেখা যায় কোচ পিটার বাটলারের দলকে। চতুর্থ মিনিটে ভারতীয় আক্রমণ থামাতে ফাউল করতে হয় আফঈদা খন্দকারকে।১২তম মিনিটে আসে বাংলাদেশের প্রথম বড় সুযোগ। বাঁ প্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণা চাকমার দারুণ ক্রসে গোলমুখে পৌঁছে যান শামসুন্নাহার জুনিয়র। কিন্তু খুব কাছ থেকে বল ছুঁতে না পারায় নিশ্চিত গোলের সুযোগ হাতছাড়া হয়।এরপর ১৯তম মিনিটে পরপর দুইবার গোলের সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি বাংলাদেশ। প্রথমে তহুরা খাতুন প্রায় একা পেয়ে যান ভারতীয় গোলরক্ষককে। তবে শেষ মুহূর্তে ভারতীয় ডিফেন্ডার জুলি কিশান বাধা হয়ে দাঁড়ান। বল নিয়ন্ত্রণে নিতে একটু বেশি সময় নেওয়ায় সুযোগ নষ্ট হয় বাংলাদেশের এই ফরোয়ার্ডের।অন্যদিকে ১৬তম মিনিটে ভারতও বড় সুযোগ পেয়েছিল। নির্মলা দেবীর শট বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাত ফসকে গেলেও শেষ পর্যন্ত বিপদ কাটিয়ে ওঠে বাংলাদেশ। পরে ভারতীয় খেলোয়াড় আস্তাম ওরাওনও ফাঁকা জালে বল আরো পড়ুন , বিশ্বকাপ ধরে রাখার মিশনে আর্জেন্টিনা, ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা ১৮.৩%জড়ানোর সুযোগ হারান।ফাইনালে দুটি পরিবর্তন এনে একাদশ সাজিয়েছেন বাংলাদেশ কোচ পিটার বাটলার। সেমিফাইনালের একাদশ থেকে উমেলা মারমা ও সুরভী আকন্দ প্রীতিকে বেঞ্চে রেখে শুরুর একাদশে জায়গা দেওয়া হয়েছে তহুরা খাতুন ও শামসুন্নাহার জুনিয়রকে।দুইবারের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের সামনে ইতিহাস গড়ার সুযোগ— টানা তৃতীয় শিরোপা জয়ের হাতছানি। অন্যদিকে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ভারত চায় শিরোপা পুনরুদ্ধার করতে। ফলে উত্তেজনায় জমে উঠেছে সাফ ফাইনাল।

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর

অপরাধ

অভিযানের পরও অধরা বাহার, গুলশানে নেপথ্য নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ

অভিযানের পরও অধরা বাহার, গুলশানে নেপথ্য নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ

রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে কথিত স্পা সেন্টারের আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসার অভিযোগ নতুন নয়| আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান, নজরদারি ও সতর্কতার পরও কিছু ব্যক্তি ও চক্র নানা কৌশলে এসব কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে| এমনই এক আলোচিত নাম বাহার, যাকে ঘিরে সম্প্রতি গুলশান এলাকায় নানা আলোচনা শুরু হয়েছে| ব্যবসায়ী মহল ও সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তির অভিযোগ, গুলশানের ৯৯ ন¤^র রোডের ৩৩/এ নং বাড়ির দুটি ফ্লোর ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একটি স্পা সেন্টারের আড়ালে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল একটি চক্র| ওই চক্রের অন্যতম নিয়ন্ত্রক হিসেবে বাহারের নাম সামনে এসেছে বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা| তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বাহারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি| ফলে অভিযোগগুলোর স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি| আরও পড়ুন:  প্রভাবশালী পরিচয়ের আড়ালে বাহারের গুলশানে কথিত স্পা ব্যবসা?সম্প্রতি গুলশান থানার একটি অভিযানের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে| অভিযোগ রয়েছে, অভিযানের আগেই বা অভিযানের সময় বাহার নিজেকে আড়ালে নিয়ে যান এবং এরপর থেকে প্রকাশ্যে দেখা না গেলেও তার নিয়ন্ত্রণে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে|স্থানীয়দের দাবি, গুলশানের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পরও সেটি পরিচালিত হওয়া নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে| অনেকেই মনে করছেন, এসব প্রতিষ্ঠানের পেছনে প্রভাবশালী ব্যক্তি বা সংঘবদ্ধ চক্রের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে| যদিও এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ এখনো প্রকাশ্যে আসেনি| অভিযোগ রয়েছে, বাহারের অনুপস্থিতিতেও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে| বিশেষ করে সুমন নামে এক ব্যক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ও অন্যান্য কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে| অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাহারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে এই ব্যক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন|আরও পড়ুন:  গুলশানে স্পা সেন্টারে অভিযান: মালিকসহ নারী সিন্ডিকেট গ্রেফতার ও মামলা প্রক্রিয়াধীনএদিকে বাড়ির মালিক ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধেও নানা অভিযোগ উঠেছে| স্থানীয়দের একটি অংশের দাবি, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে তারা অবগত থাকা সত্ত্বেও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি| বরং তাদের সহযোগিতার কারণেই প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পেরেছে বলে অভিযোগ রয়েছে| তবে বাড়ির মালিক কিংবা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা যায়নি| তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি| আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সূত্র জানিয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় স্পা, বিউটি সেলুন, ওয়েলনেস সেন্টার কিংবা অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হয়| গুলশান, বনানী ও বারিধারার মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এ ধরনের অভিযোগের বিষয়ে বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে| সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, গুলশান থানার সাম্প্রতিক অভিযানের পর কয়েকজন ব্যক্তি নজরদারির আওতায় রয়েছেন| অভিযানে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে|আরও পড়ুন:  রামিসা হত্যা মামলার আসামি সোহেল রানা: গ্রামের নীরব লজ্জা ও অপরাধের পেছনের গল্পএ বিষয়ে গুলশান থানা সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ ব্যবসা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না| অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে| একই সঙ্গে যেসব ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন বা আত্মগোপনে আছেন বলে অভিযোগ রয়েছে, তাদেরও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে|স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, গুলশান একটি কূটনৈতিক ও আবাসিক এলাকা| এখানে কোনো ধরনের অবৈধ কার্যক্রম এলাকার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে| তাই নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর আইন প্রয়োগের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম বন্ধ করা প্রয়োজন| সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও মনে করেন, কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে শুধু প্রতিষ্ঠান নয়, এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি, পৃষ্ঠপোষক ও সহযোগীদের ভূমিকাও তদন্ত করা জরুরি| অন্যথায় মূল হোতারা আড়ালে থেকে গেলেও কার্যক্রম বন্ধ হয় না|আরও পড়ুন: নাম বিহীন আবাসিক হোটেল চলছে গাজীপুর চন্দ্রায়,, "শাজাহান, বাবুল, জাকির সিন্ডিকেট "অভিযোগ রয়েছে, বাহার দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন নামে বা বিভিন্ন ব্যক্তিকে সামনে রেখে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন| ফলে কোনো একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালিত হলেও অন্য মাধ্যমে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ ˆতরি হয়| তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি| আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, অপরাধ দমনে তথ্যভিত্তিক অভিযান পরিচালনা করা হয়| কোনো ব্যক্তি প্রভাবশালী বা পরিচিত হলেই তাকে ছাড় দেওয়া হবে এমন সুযোগ নেই| সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে|আরও পড়ুন: এনবিআরের কর্মকর্তা সহিদুল ইসলামের অবৈধ সম্পদের পাহাড়স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, গুলশানে সাম্প্রতিক অভিযানগুলো প্রমাণ করেছে যে প্রশাসন অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে| তবে শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না, অভিযানের পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে| একই সঙ্গে ভবন মালিক, ব্যবস্থাপক এবং ব্যবসা পরিচালনার সঙ্গে জড়িত সকল পক্ষের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন|আরও পড়ুন:  আম খাওয়ানোর প্রলোভনে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগগুলশান থানার এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আইনের চোখে সবাই সমান| কোনো ব্যক্তি যদি অবৈধ ব্যবসা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে| কাউকে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই| সাম্প্রতিক অভিযানের ধারাবাহিকতায় অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হবে এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে| একই সঙ্গে যারা আইন লঙ্ঘন করে ব্যবসা পরিচালনা করছেন কিংবা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে|

আর্কাইভ

অর্থনীতি

১১ মাসে ৯ মাসই রপ্তানি আয় কমেছে, বাড়ছে অর্থনীতির উদ্বেগ

১১ মাসে ৯ মাসই রপ্তানি আয় কমেছে, বাড়ছে অর্থনীতির উদ্বেগ

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি খাতে ধীরগতি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ১১ মাসের মধ্যে ৯ মাসেই রপ্তানি আয় কমেছে, যা বৈদেশিক বাণিজ্য ও অর্থনীতির জন্য নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো বা ইপিবির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মে মাসে দেশের রপ্তানি আয় হয়েছে ৪৪০ কোটি ২৮ লাখ ডলার। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ দশমিক ০৯ শতাংশ কম।চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মে পর্যন্ত মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩৭৯ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ৪ হাজার ৪৯৪ কোটি ডলার। অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে রপ্তানি আয় কমেছে ২ দশমিক ৫৫ শতাংশ।আরও  পড়ুন, ঈদের পর স্বস্তি সবজির বাজারে, কমেনি মাছ-মাংস-ডিমের দামদেশের প্রচলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি খাতে ধীরগতি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ১১ মাসের মধ্যে ৯ মাসেই রপ্তানি আয় কমেছে, যা বৈদেশিক বাণিজ্য ও অর্থনীতির জন্য নতুনচলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি খাতে ধীরগতি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ১১ মাসের মধ্যে ৯ মাসেই রপ্তানি আয় কমেছে, যা বৈদেশিক বাণিজ্য ও অর্থনীতির জন্য নতুন উদ্বেগের কারণ উদ্বেগের কারণধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পেও দেখা গেছে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি। এ খাতের রপ্তানি কমেছে ৩ দশমিক ৪১ শতাংশ। নিটওয়্যার রপ্তানি কমেছে ৪ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং ওভেন পোশাক কমেছে ২ দশমিক ৪২ শতাংশ।তবে আশার খবরও রয়েছে। ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, প্লাস্টিক, পাটপণ্য এবং সাইকেল রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। এর মধ্যে সাইকেল রপ্তানি বেড়েছে ২৮ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং ওষুধ রপ্তানি বেড়েছে ১০ দশমিক ৭৩ শতাংশ।অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, ক্রয়াদেশ কমে যাওয়া, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং জ্বালানি সংকট রপ্তানি খাতকে চাপে ফেলছে। তারা টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণের পাশাপাশি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।আরও  পড়ুন, উৎপাদন বাড়াতে বিশেষ তহবিল ঘোষণা বাংলাদেশ ব্যাংকের

ঈদের পর স্বস্তি সবজির বাজারে, কমেনি মাছ-মাংস-ডিমের দাম

ঈদের পর স্বস্তি সবজির বাজারে, কমেনি মাছ-মাংস-ডিমের দাম

পবিত্র ঈদুল আজহার পর রাজধানীর কাঁচাবাজারে ফিরতে শুরু করেছে কিছুটা স্বস্তি। সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। তবে মাছ, মাংস ও ডিমের বাজারে এখনো মিলছে না স্বস্তির খবর।রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, ঈদের আগের তুলনায় বেশিরভাগ সবজির দাম কমেছে। যাত্রাবাড়ী বাজারে কাঁকরোল ও করলা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, ঢেঁড়শ ও উচ্ছে ৬০ টাকা, ঝিঙে ৬০ টাকা, গোল বেগুন ৬০ টাকা এবং লম্বা বেগুন ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ও লতিও মিলছে ৬০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়।বিক্রেতাদের দাবি, ঈদের আগে পরিবহন সংকট ও বাড়তি চাহিদার কারণে দাম বেড়েছিল।আরও  পড়ুন , উৎপাদন বাড়াতে বিশেষ তহবিল ঘোষণা বাংলাদেশ ব্যাংকের এখন দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পর্যাপ্ত সরবরাহ আসায় বাজারে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।তবে মাছের বাজারে এখনো স্বস্তি ফেরেনি। চাষের রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৩৫০ টাকা, পাঙ্গাস ২২০ টাকা, শিং মাছ ৩৮০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা এবং চিংড়ি ৮০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে।ডিমের বাজারেও দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ফার্মের ডিম প্রতি ডজন ১২০ টাকা এবং দেশি ডিম ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।অন্যদিকে গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।ক্রেতারা বলছেন, সবজির দাম কমায় কিছুটা স্বস্তি মিললেও মাছ, মাংস ও ডিমের উচ্চমূল্য এখনো সংসারের ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, মৌসুমি সবজির সরবরাহ আরও বাড়লে বাজারে ইতিবাচক প্রভাব অব্যাহত থাকতে পারে। তবে আমিষ পণ্যের বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

উৎপাদন বাড়াতে বিশেষ তহবিল ঘোষণা বাংলাদেশ ব্যাংকের

দেশের শিল্প খাতে স্থবিরতা কাটিয়ে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়াতে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বন্ধ ও আংশিক সচল শিল্প পুনরায় চালুর লক্ষ্যে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে জারি করা নীতিমালার নাম ‘বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত–সহায়ক প্রাক্‌-অর্থায়ন স্কিম’।এই স্কিমের আওতায় বড় শিল্প ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো সর্বোচ্চ ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবে। সুদের হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ শতাংশ, যা বর্তমানে বাজারের স্বাভাবিক ঋণের তুলনায় প্রায় অর্ধেক।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ৪ শতাংশ সুদে অর্থ নিয়ে ঋণ বিতরণ করবে। এর মাধ্যমে বন্ধ কারখানা পুনরায় চালু করা, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং রপ্তানি সম্প্রসারণকে লক্ষ্য করা হয়েছে।আরও  পড়ুন, মাসের শুরুতে রেমিট্যান্সে ধীরগতি, তিন দিনে এলো ৪৮৩ মিলিয়ন ডলারনীতিমালায় বলা হয়েছে, শুধুমাত্র সেই প্রতিষ্ঠানগুলোই এই সুবিধা পাবে, যেগুলো আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকলেও কার্যকর মূলধন পেলে আবার চালু হতে সক্ষম। একই সঙ্গে যেসব প্রতিষ্ঠান সচল থাকলেও পূর্ণ সক্ষমতায় যেতে পারছে না, তারাও অন্তর্ভুক্ত হবে।রপ্তানিমুখী ও প্রচ্ছন্ন রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি দক্ষ প্রতিষ্ঠান যদি বন্ধ কারখানা অধিগ্রহণ বা ইজারা নিয়ে পুনরায় চালু করতে চায়, তারাও এই সুবিধা পাবে।তবে খেলাপি ঋণ, অর্থপাচার বা অনিয়মে জড়িত প্রতিষ্ঠানের জন্য এই সুবিধা প্রযোজ্য হবে না।ঋণের অর্থ ব্যবহারে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন সরাসরি ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি ইউটিলিটি বিল ও কাঁচামাল কেনার বাইরে অর্থ ব্যবহার করা যাবে না। পুরোনো ঋণ পরিশোধের জন্য এই অর্থ ব্যবহার নিষিদ্ধ।আরও  পড়ুন, ২৭ মাস পর বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, বাড়তি চাপে পড়বেন কোটি কোটি গ্রাহক

উৎপাদন বাড়াতে বিশেষ তহবিল ঘোষণা বাংলাদেশ ব্যাংকের

মাসের শুরুতে রেমিট্যান্সে ধীরগতি, তিন দিনে এলো ৪৮৩ মিলিয়ন ডলার

চলতি জুন মাসের প্রথম তিন দিনে দেশে ৪৮৩ দশমিক ০৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। তবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ সময়ে প্রবাসী আয় প্রায় ২০ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান রেমিট্যান্স প্রবাহের সর্বশেষ তথ্য প্রকাশ করেন।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুনের ১ থেকে ৩ তারিখ পর্যন্ত মোট ৪৮৩ দশমিক ০৫ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। এর মধ্যে শুধু ৩ জুন একদিনেই এসেছে ১১৬ দশমিক ৩১ মিলিয়ন ডলার।আরও  পড়ুন, ২৭ মাস পর বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, বাড়তি চাপে পড়বেন কোটি কোটি গ্রাহকঅন্যদিকে, গত বছরের একই সময়ে দেশে এসেছিল ৬০৩ দশমিক ৫১ মিলিয়ন ডলার। ফলে চলতি বছরের জুনের শুরুতে রেমিট্যান্স প্রবাহে প্রায় ২০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।তবে সামগ্রিক চিত্রে রেমিট্যান্স প্রবাহ ইতিবাচক রয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৩ জুন পর্যন্ত দেশে মোট ৩৩ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮ দশমিক ২৫ শতাংশ বেশি। অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে প্রবাসীদের আগ্রহ বৃদ্ধি পাওয়ায় বছরজুড়ে রেমিট্যান্সে ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে।আরও  পড়ুন, মে মাসে রপ্তানি আয় কমলো ৭ শতাংশ, প্রধান কারণ পোশাক খাতে ধাক্কা

মাসের শুরুতে রেমিট্যান্সে ধীরগতি, তিন দিনে এলো ৪৮৩ মিলিয়ন ডলার

২৭ মাস পর বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, বাড়তি চাপে পড়বেন কোটি কোটি গ্রাহক

দীর্ঘ ২৭ মাস পর দেশে বিদ্যুতের খুচরা মূল্য বৃদ্ধি করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বা বিইআরসি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের গড় দাম ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা করা হয়েছে।নতুন এই মূল্যহার চলতি জুন মাসের ১ তারিখ থেকেই কার্যকর হবে। গ্রাহক শ্রেণিভেদে বিদ্যুতের দাম ১০ থেকে প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ সংবাদ সম্মেলনে জানান, পাইকারি পর্যায়েও বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে।আরও  পড়ুন , মে মাসে রপ্তানি আয় কমলো ৭ শতাংশ, প্রধান কারণ পোশাক খাতে ধাক্কাপ্রতি ইউনিট বিদ্যুতের গড় পাইকারি মূল্য ৭ টাকা ৪ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সঞ্চালন মাশুলও বৃদ্ধি করা হয়েছে।সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে আবাসিক গ্রাহকদের ওপর। প্রায় ৪ কোটি ২৬ লাখ আবাসিক গ্রাহকের মধ্যে ১ কোটি ৭৮ লাখের বেশি লাইফলাইন গ্রাহক রয়েছেন। এদের বেশিরভাগই নিম্ন ও সীমিত আয়ের পরিবার।বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ফলে শুধু পরিবারের মাসিক ব্যয়ই বাড়বে না, কৃষি, ক্ষুদ্র শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং উৎপাদন খরচও বৃদ্ধি পাবে। এর প্রভাব মূল্যস্ফীতিতেও পড়তে পারে।আরও  পড়ুন ,ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবিতে টানা বিক্ষোভ, সাত দফা দাবিতে মাঠে গ্রাহকরা

২৭ মাস পর বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, বাড়তি চাপে পড়বেন কোটি কোটি গ্রাহক

মে মাসে রপ্তানি আয় কমলো ৭ শতাংশ, প্রধান কারণ পোশাক খাতে ধাক্কা

দেশের রপ্তানি আয়ে আবারও পতনের ধারা দেখা দিয়েছে। প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকের চালান কমে যাওয়ায় মে মাসে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ শতাংশ কমেছে।রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো বা ইপিবির সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মে মাসে দেশের মোট রপ্তানি আয় হয়েছে ৪ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলার।এর মধ্যে তৈরি পোশাক খাত থেকে আয় এসেছে ৩ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ কম।আরও  পড়ুন , ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবিতে টানা বিক্ষোভ, সাত দফা দাবিতে মাঠে গ্রাহকরাচলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মে পর্যন্ত ১১ মাসে দেশের মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪৩ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলার। এ সময়ে সামগ্রিক রপ্তানি কমেছে ২ দশমিক ৫৫ শতাংশ।একই সময়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি ৩৬ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে ৩৫ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে, যা ৩ দশমিক ৪১ শতাংশ হ্রাসের ইঙ্গিত দেয়।উল্লেখ্য, টানা আট মাস রপ্তানি আয় কমার পর গত এপ্রিলে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছিল দেশের রপ্তানি খাত। তবে মে মাসের পরিসংখ্যান সেই ইতিবাচক ধারা ধরে রাখতে না পারার ইঙ্গিত দিচ্ছে।আরও  পড়ুন , ব্যাংক খাতে ভয়াবহ চাপ তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়ে ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা

মে মাসে রপ্তানি আয় কমলো ৭ শতাংশ, প্রধান কারণ পোশাক খাতে ধাক্কা

লাইফস্টাইললাইফস্টাইল

গরমে প্রাণ জুড়াবে ডাবের পানি কয়েকটি উপাদান মিশলেই পাবেন বেশি উপকার

গরমে প্রাণ জুড়াবে ডাবের পানি কয়েকটি উপাদান মিশলেই পাবেন বেশি উপকার

এই গরমে শরীরকে সতেজ ও পানিশূন্যতামুক্ত রাখতে সবচেয়ে কার্যকর প্রাকৃতিক পানীয়গুলোর একটি হলো ডাবের পানি। পুষ্টিবিদদের মতে, ডাবের পানিতে থাকা পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালসিয়াম শরীরের ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি শরীর ঠান্ডা রাখে, হজমশক্তি উন্নত করে এবং ক্লান্তি দূর করতে ভূমিকা রাখে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডাবের পানির উপকারিতা আরও বাড়াতে এর সঙ্গে কিছু স্বাস্থ্যকর উপাদান যোগ করা যেতে পারে।ডাবের পানির সঙ্গে বিট লবণ মিশালে সোডিয়াম ও অন্যান্য খনিজ উপাদান যুক্ত হয়, যা শরীরের পানির ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক। অন্যদিকে চিয়া সিডসে থাকা ফাইবার ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরকে দীর্ঘ সময় হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে।আরও  পড়ুন, স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে আজই ছাড়ুন ধূমপানলেবুর রস মিশিয়ে পান করলে বাড়ে ভিটামিন সি-এর যোগান। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করার পাশাপাশি হজমেও সহায়তা করে।এছাড়া মধু যোগ করলে পাওয়া যায় প্রাকৃতিক শক্তি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সুবিধা। পুদিনা পাতা মিশিয়ে পান করলে শরীরে আসে বাড়তি সতেজতা এবং হজমের সমস্যাও কমে।তবে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ডায়াবেটিস বা কিডনিসংক্রান্ত জটিলতা থাকলে নিয়মিত বা অতিরিক্ত ডাবের পানি পান করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।গরমে সুস্থ থাকতে পর্যাপ্ত পানি পান, স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ডাবের পানি খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।