দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1002.4 hPa
30.3° 81%
300° 15mm
চট্টগ্রাম 1003.1 hPa
28.2° 92%
80° 15mm
রাজশাহী 1002.5 hPa
30.7° 90%
30° 15mm
খুলনা 1002.2 hPa
29° 96%
15mm
বরিশাল 1002.4 hPa
29.3° 83%
20° 15mm
সিলেট 1002.1 hPa
30° 88%
15mm
রংপুর 1001.7 hPa
31.8° 81%
15mm
ময়মনসিংহ 1002.7 hPa
30.5° 91%
15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

বনানীতে ফের সক্রিয় অপরাধচক্র, পুলিশের মাসোহারা

বনানীতে ফের সক্রিয় অপরাধচক্র, পুলিশের মাসোহারা

রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানীতে আবাসিক ভবনে পরিচালিত কয়েকটি গেস্ট হাউজ ও স্পা সেন্টারকে ঘিরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, মাদক সেবন এবং অপরাধীচক্রের তৎপরতার অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সম্প্রতি বনানীর ডেলটা ডালিয়া ভবনের ষষ্ঠ তলায় পরিচালিত একটি গেস্ট হাউজে পুলিশের অভিযানে একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের পরও কয়েকদিনের ব্যবধানে সেখানে আবারও একই ধরনের কার্যক্রম শুরু হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে বনানীর ২৭ নম্বর সড়কের করিম ভিলা ভবনকে ঘিরেও একটি লাক্সারি গেস্ট হাউজ ও স্পা এবং সংশ্লিষ্ট মাদকচক্রের তৎপরতা নিয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে।স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান কিংবা গ্রেপ্তারের পর কিছুদিন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও পরবর্তীতে আবারও সক্রিয় হয়ে ওঠে সংশ্লিষ্ট চক্র। ফলে প্রশ্ন উঠেছে শুধু অভিযান ও গ্রেপ্তার করলেই কি এসব কর্মকাণ্ড বন্ধ করা সম্ভব, নাকি এর পেছনে থাকা মূল হোতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন?আরও পড়ুন: বনানীতে স্পা-গেস্ট হাউজ ঘিরে ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, বনানীর ডেলটা ডালিয়া ভবনের ষষ্ঠ তলায় পরিচালিত একটি গেস্ট হাউজে সম্প্রতি পুলিশের অভিযান চালানো হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মাদক সেবনের সময় কয়েকজনকে আটক/গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানের পর সাময়িকভাবে কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও কয়েকদিন পরই পুনরায় আগের পরিবেশ ফিরে আসার অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয়দের ভাষ্য, কোনো একটি স্থাপনায় অভিযান পরিচালনার পর যদি একই ধরনের কার্যক্রম আবারও শুরু হয়, তাহলে শুধু সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার নয় কারা এটি পরিচালনা করছে, কারা অর্থের জোগান দিচ্ছে, কারা ভাড়া দিয়েছে এবং কারা নিয়মিত যাতায়াত করছে এসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় আনা জরুরি। অভিযোগ রয়েছে, ডেলটা ডালিয়ার ষষ্ঠ তলার ওই গেস্ট হাউজটি শুভসহ কয়েকজন ব্যক্তি পরিচালনা করেন। তবে এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।আরও পড়ুন: গুলশান ২৬-এ কথিত গেস্ট হাউস সিন্ডিকেটের রহস্যএদিকে বনানীর ২৭ নম্বর সড়কের ৬৫/এ করিমস ভিলা ভবনকে ঘিরেও নানা অভিযোগ সামনে এসেছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ভবনটির একটি অংশে লাক্সারি গেস্ট হাউজ ও স্পা ব্যবসার আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং মাদক সংশ্লিষ্ট একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, গেস্ট হাউজে আগত ব্যক্তিদের পরিচয় ও অবস্থানের বিষয়ে যথাযথ নজরদারি না থাকলে আবাসিক এলাকায় অপরাধীচক্রের নিরাপদ আস্তানা গড়ে ওঠার সুযোগ তৈরি হয়। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানে নিয়মিতভাবে ভাড়াটিয়া বা অতিথিদের তথ্য সংরক্ষণ, পরিচয় যাচাই, সিসিটিভি নজরদারি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন রয়েছে কি না এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তবে করিম ভিলাকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও নথিপত্র যাচাই ছাড়া কোনো অভিযোগকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে বিবেচনা করা সমীচীন নয়। সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে। সংশ্লিষ্ট গেস্ট হাউজগুলোর মালিক বা পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কয়েকজনের দাবি তাদের ব্যবসা সম্পর্কে স্থানীয় থানা পুলিশ অবগত এবং পুলিশের ‘নলেজে’ রেখেই ব্যবসা পরিচালনা করতে হয়। তবে মোবাইল ফোনে জানা গেছে মাসুদ রনা নামের এক ব্যক্তি।এমন বক্তব্য সত্য হলে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্তের দাবি রাখে। কারণ কোনো অবৈধ কার্যক্রম সম্পর্কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে তথ্য থাকার পরও তা বন্ধ না হলে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তবে গেস্ট হাউজ মালিকদের এমন দাবির স্বাধীন কোনো প্রমাণ এই প্রতিবেদকের হাতে নেই। ফলে তাদের বক্তব্যকে অভিযোগ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বক্তব্য ছাড়া এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোও সম্ভব নয়।আরও পড়ুন: বরেন্দ্র এক্সপ্রেসের স্প্রিং ভেঙে সাময়িকভাবে রেল চলাচল বন্ধগেস্ট হাউজ ও স্পা ব্যবসাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পর্যায়ে পুলিশের কোনো কোনো সদস্য নিয়মিত অর্থ গ্রহণ করেন এমন অভিযোগও উঠেছে। কয়েকটি সূত্র দাবি করেছে, এসব প্রতিষ্ঠান থেকে কথিত ‘মাসোহারা’ যাওয়ার কারণে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরও ব্যবসা আবার চালু করার সুযোগ তৈরি হয়। তবে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে মাসোহারা গ্রহণ করেন ওসি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে সংবাদকর্মীরা একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। পাশাপাশি তার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে বার্তা পাঠিয়ে ডেলটা ডালিয়া ও করিম ভিলা-সংক্রান্ত অভিযোগ, পুলিশের অভিযান এবং গেস্ট হাউজগুলো পুনরায় অপরাধের বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। কিন্তু প্রতিবেদন প্রস্তুত করা পর্যন্ত তিনি ফোন রিসিভ করেননি এবং অভিযোগগুলোর বিষয়ে বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। এতে স্পষ্ট বোঝা যায় ওসি ও বনানী থানার পুলিশ কর্মকর্তাদের অপরাধীদেও সাথে সম্পৃক্তা রয়েছে।একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য এ ধরনের প্রতিবেদনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অভিযোগের সত্যতা, অভিযানের বিস্তারিত, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা, গেস্ট হাউজের বৈধতা এবং পরবর্তী ব্যবস্থা সম্পর্কে পুলিশের কাছ থেকেই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া সম্ভব। বনানীর মতো ঘনবসতিপূর্ণ ও আবাসিক এলাকায় গেস্ট হাউজ, কিংবা স্পা পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানটির বৈধ ট্রেড লাইসেন্স, ভবন ব্যবহারের অনুমোদন, অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা, অতিথি নিবন্ধন এবং অন্যান্য প্রযোজ্য অনুমোদন রয়েছে কি না এসব বিষয় যাচাই করা জরুরি। শুধু একটি ট্রেড লাইসেন্স থাকলেই কোনো প্রতিষ্ঠানে যেকোনো ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার বৈধতা পাওয়া যায় না। প্রতিষ্ঠানটি যে ধরনের ব্যবসা করছে, তার সঙ্গে অনুমোদিত ব্যবসার ধরন মিলছে কি না, ভবনের ব্যবহার অনুমোদিত কি না এবং নিরাপত্তা বিধি মানা হচ্ছে কি না এসব প্রশ্নের উত্তরও প্রয়োজন।আরও পড়ুন: মির্জা ফখরুলের শপথে তারেক রহমানের শুভকামনাঅভিজ্ঞ মহলের মতে, কোনো গেস্ট হাউজে অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করার পর যদি মূল পরিচালনাকারী বা অর্থদাতাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে একই ব্যবসা অন্য নামে বা একই ভবনে পুনরায় চালু হওয়ার ঝুঁকি থেকেই যায়।এ ক্ষেত্রে তদন্তে কয়েকটি বিষয় গুরুত্ব পাওয়া উচিত প্রতিষ্ঠানটির মালিকানা কার, ভাড়া নিয়েছেন কে, পরিচালনা করেন কারা, অতিথিদের রেজিস্টার সংরক্ষণ করা হয় কি না, সিসিটিভি ফুটেজ কী বলছে, কোনো মাদক উদ্ধার হয়েছে কি না, পূর্বের মামলায় গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং অভিযানের পর প্রতিষ্ঠানটি কীভাবে পুনরায় কার্যক্রম শুরু করল।একই সঙ্গে স্থানীয় থানা পুলিশের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে সেটিও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা দরকার। এতে একদিকে যেমন পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগের অবসান হবে, অন্যদিকে সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।বনানীর বিভিন্ন আবাসিক ভবনে গেস্ট হাউজ ও স্পা ব্যবসাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অভিযোগ রয়েছে। সব প্রতিষ্ঠান অবৈধ বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত এমন ধারণা অবশ্যই সঠিক নয়। অনেক বৈধ প্রতিষ্ঠান নিয়ম মেনে ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে। কিন্তু বৈধ ব্যবসার আড়ালে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে ওঠে, তাহলে সেটি শুধু আইনশৃঙ্খলার জন্য নয়, আশপাশের সাধারণ বাসিন্দাদের নিরাপত্তার জন্যও হুমকি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে মাদক সেবন, অপরাধীচক্রের আনাগোনা কিংবা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ সত্য হলে সংশ্লিষ্ট ভবনের অন্যান্য বাসিন্দারাও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে পারেন।আরও পড়ুন: জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের শ্রদ্ধাডেলটা ডালিয়া ভবনের ষষ্ঠ তলা এবং বনানীর ২৭ নম্বর সড়কের করিম ভিলাকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের বিষয়টি এখন অলোচনায়। পুলিশ যদি বলে থাকে যে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তাহলে সেই অভিযানের ফলাফল জনসমক্ষে স্পষ্ট করা উচিত। আর যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বৈধভাবে পরিচালিত হয়, তাহলে তাদের বৈধতার নথিও যাচাই করে অভিযোগের অবসান ঘটানো যেতে পারে। সবশেষে প্রশ্ন একটাই অভিযানের পরও যদি কয়েকদিনের মধ্যে একই ধরনের কার্যক্রম আবার শুরু হয়, তাহলে এর পেছনে কারা রয়েছে?

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

সড়কপথে রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ হয়ে ভোলা নতুন দিগন্ত, মহাসড়ক নির্মাণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নদীবেষ্টিত দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে নতুন মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বরিশালের রহমতপুর থেকে হিজলা ও মেহেন্দিগঞ্জ হয়ে ভোলা পর্যন্ত এই মহাসড়ক নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটি দ্রুত এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শনিবার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় ভোলার সঙ্গে ঢাকা ও বরিশালের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের বিষয়ে আলোচনা হয়।প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান, ভোলার সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগের জন্য তিনটি প্রস্তাবের মধ্যে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রস্তাবিত রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটটি বেছে নেওয়া হয়েছে।প্রস্তাবিত রুটে বিদ্যমান সড়ক প্রশস্ত করার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন সড়ক নির্মাণ এবং তিনটি ছোট সেতু নির্মাণ করতে হবে।আরও  পড়ুন, রোববার উঠছেন বঙ্গভবনে নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলপ্রকল্পটির সম্ভাব্যতা ও বাস্তবায়নযোগ্যতা দ্রুত যাচাই করা হবে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভৌগোলিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ বাড়াতে সমন্বিত সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। ভোলাকে মূল সড়ক নেটওয়ার্কে যুক্ত করার কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ভোলার সঙ্গে বরিশাল, ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ আরও সহজ হবে। একই সঙ্গে কমবে যাতায়াতের সময় ও খরচ।প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ভোলার সঙ্গে বরিশাল, ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ আরও সহজ হবে। একই সঙ্গে কমবে যাতায়াতের সময় ও খরচ।

রোববার উঠছেন বঙ্গভবনে নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর এবার বঙ্গভবনে উঠছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রাষ্ট্রপতির কার্যালয় জানিয়েছে, রোববার সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে মিন্টু রোডের সরকারি বাসভবন থেকে বঙ্গভবনের উদ্দেশে রওনা হবেন রাষ্ট্রপতি।বঙ্গভবনে যাওয়ার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার আনুষ্ঠানিক বাসভবনে ওঠার প্রক্রিয়া শুরু হবে।এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের দরবার হলে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল তাকে শপথবাক্য পাঠ করান।শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুলের দায়িত্ব গ্রহণ আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়।আরও  পড়ুন, আনসার-ভিডিপির সক্ষমতা বাড়াতে ৮ আধুনিক স্থাপনা উদ্বোধনরাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগে দীর্ঘদিন বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি দলীয় পদ থেকে সরে দাঁড়ান।বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ২৫৫ ভোট পেয়ে তিনি দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।এদিকে দায়িত্ব গ্রহণের পর শনিবার সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান নতুন রাষ্ট্রপতি।এবার রোববার বঙ্গভবনে ওঠার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার আনুষ্ঠানিক কর্মকাণ্ডের নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছে।

আনসার-ভিডিপির সক্ষমতা বাড়াতে ৮ আধুনিক স্থাপনা উদ্বোধন

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাংগঠনিক সক্ষমতা বাড়ানো এবং মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে গতি আনতে দেশের আটটি স্থানে আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে।এর মধ্যে দুই উপজেলায় নির্মাণ করা হয়েছে আধুনিক উপজেলা আনসার ও ভিডিপি অফিস ভবন। আর ছয় জেলায় নির্মাণ করা হয়েছে কর্মকর্তাদের জন্য দৃষ্টিনন্দন অফিসার্স আবাসন।শনিবার গাজীপুরের সফিপুরে আনসার-ভিডিপি একাডেমি থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এসব নবনির্মিত স্থাপনার উদ্বোধন করেন বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ।আরও  পড়ুন, দেশে হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৯৩০উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মহাপরিচালক বলেন, বাহিনীর সার্বিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় এসব অবকাঠামো নির্মাণ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ।তিনি নবনির্মিত ভবনগুলোর যথাযথ ব্যবহার, রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনে আর্থিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধ বজায় রাখার আহ্বান জানান।ছয় জেলায় নির্মিত অফিসার্স আবাসনগুলো রয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, যশোর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম ও লক্ষ্মীপুরে।আর ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর ও বগুড়ার ধুনট উপজেলায় নির্মাণ করা হয়েছে তিনতলা ভিতবিশিষ্ট আধুনিক উপজেলা আনসার ও ভিডিপি অফিস ভবন।সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এসব আধুনিক অবকাঠামোর ফলে মাঠপর্যায়ে আনসার-ভিডিপির দাপ্তরিক কার্যক্রম আরও গতিশীল, কার্যকর ও জনমুখী হবে।

দেশে হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৯৩০

দেশে হামের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ কাটছে না। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি।শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে ঢাকা ও সুনামগঞ্জ জেলায় একজন করে মারা গেছে।এ নিয়ে চলতি বছর দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৩০ জনে।আরও  পড়ুন, দিল্লির আগ্রহ, ঢাকার শর্ত , ঝুলে গেল তারেক রহমানের ভারত সফরএর মধ্যে নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ৯৯ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৮৩১ জনের।এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬৫ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। ফলে চলতি বছর এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ২৭৩ জনে।একই সময়ে আরও ৮১৫ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এতে চলতি বছর মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৪৮ হাজার ৪০৬ জনে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই পরিসংখ্যান হাম প্রতিরোধে টিকাদান, দ্রুত শনাক্তকরণ এবং আক্রান্তদের যথাযথ চিকিৎসার গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

রাজনীতিরাজনীতি

রাজপথের দীর্ঘ লড়াই শেষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভী

রাজপথের দীর্ঘ লড়াই শেষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভী

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, আন্দোলন-সংগ্রাম আর দলীয় সংকটে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়েছেন রুহুল কবির রিজভী।আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপি যখন রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা, তখন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিয়মিত দেখা যেত রিজভীকে। দলের চেয়ারপারসন কারাগারে এবং বিএনপির বর্তমান চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লন্ডনে অবস্থানকালে প্রায় প্রতিদিনই সংবাদ সম্মেলনে দলের অবস্থান তুলে ধরতেন তিনি।টানা প্রায় ১৫ বছর নানা রাজনৈতিক সংকট ও আন্দোলনে দলের হয়ে কথা বলেছেন রিজভী। এ কারণে তার নতুন দায়িত্বে খুশি নিজ জেলা কুড়িগ্রামের নেতাকর্মী ও সমর্থকরাও।রাজনীতিতে রিজভীর হাতেখড়ি বামপন্থি বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের মাধ্যমে। আরও পড়ুন. বাংলাদেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক চাইলে ভারতকে সীমান্তহত্যা ও পুশইন বন্ধ করতে হবে : রাশেদ খানপরে ছাত্রদলে যোগ দিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রচার সম্পাদক ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৯ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ—রাকসু নির্বাচনে ভিপি নির্বাচিত হন তিনি।পরবর্তীতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন রিজভী। ২০১৬ সালে বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে তিনি জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হন।২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে মন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগ পান।চলতি আগস্টে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য করা হয় তাকে। এর মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে ২০ আগস্ট দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে মনোনীত হন রুহুল কবির রিজভী।দীর্ঘ ছাত্ররাজনীতি, রাজপথের আন্দোলন এবং দলের কঠিন সময়ে সক্রিয় ভূমিকার পর এবার বিএনপির সাংগঠনিক নেতৃত্বে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রিজভী।

বাংলাদেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক চাইলে ভারতকে সীমান্তহত্যা ও পুশইন বন্ধ করতে হবে : রাশেদ খান

বাংলাদেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক চাইলে ভারতকে সীমান্তহত্যা ও পুশইন বন্ধ করতে হবে : রাশেদ খান

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক চাইলে ভারতকে অবশ্যই সীমান্তহত্যা ও পুশইন বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক হবে মূল্যায়নের ভিত্তিতে। মর্যাদা ও পারস্পরিক স্বার্থ সুরক্ষার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক নির্ভর করবে।তিনি বলেছেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সময় ভারতের সঙ্গে স্বামী স্ত্রীর মতো, বা রাখি বাঁধার সম্পর্ক ছিল। ভারতকে মনে রাখতে হবে আওয়ামী লীগ নেই। বাংলাদেশের নেতৃত্বে এখন বিএনপি। কাজেই, বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক তৈরি করতে হবে।শনিবার (২২ আগস্ট) দুপু্রে ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলে।আরও  পড়ুন, বিএনপির ৪৬ বছরে স্বেচ্ছাসেবক দল, দেশজুড়ে কর্মসূচিরাশেদ খান বলেন, ভারতের বর্তমান রাষ্ট্রদূত একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে ভারত সম্পর্ক স্থাপন করতে চায়। এটি অত্যন্ত প্রশংসনীয় মনোভাব। ভারত এরই মধ্যে বিএনপির 'সবার আগে বাংলাদেশ' স্লোগান গ্রহণ করেছে।এর আগে মতবিনিময় সভায় হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান সভাপতিত্বে হাসপাতালের নানা সংকট ও সীমাবদ্ধতা বিষয়ক নানা প্রসঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এমএ মজিদ, ড্যাবের কেন্দ্রীয় নেতা ডা. হাসানুজ্জামান সহ গণমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বিএনপির ৪৬ বছরে স্বেচ্ছাসেবক দল, দেশজুড়ে কর্মসূচি

বিএনপির ৪৬ বছরে স্বেচ্ছাসেবক দল, দেশজুড়ে কর্মসূচি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীসহ সারা দেশে নানা কর্মসূচি পালন করছে সংগঠনটি।বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিভিন্ন দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে ১৯৮০ সালের ১৯ আগস্ট জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল প্রতিষ্ঠা করেন।প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সকালে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।এরপর সকাল ১০টায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ,আরও  পড়ুন. ১৫ বছরের রাজপথের কণ্ঠস্বর, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভী ফাতেহা পাঠ ও দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।এ ছাড়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগর শাখায় আলোচনা সভা ও র‌্যালির আয়োজন করা হয়েছে।সংগঠনের ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার থানা, উপজেলা ও পৌর শাখার উদ্যোগে ফলজ ও বনজ বৃক্ষরোপণ এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হবে।গত ১৫ আগস্ট স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সভায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এসব কর্মসূচি নেওয়া হয়।সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ঘোষিত কর্মসূচি যথাযথভাবে পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

১৫ বছরের রাজপথের কণ্ঠস্বর, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভী

১৫ বছরের রাজপথের কণ্ঠস্বর, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভী

রাজপথের আন্দোলন, দলীয় সংকট আর রাজনৈতিক নানা টানাপোড়েনে দীর্ঘদিন বিএনপির অন্যতম দৃশ্যমান মুখ ছিলেন রুহুল কবির রিজভী। এবার দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পেলেন তিনি।আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপি যখন নানা প্রতিকূলতার মধ্যে ছিল, তখন দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিয়মিত দেখা যেত রিজভীকে। দলের কর্মসূচি, আন্দোলন কিংবা সংকট—প্রায় প্রতিদিনই সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমের সামনে দলের অবস্থান তুলে ধরতেন তিনি।দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর বিএনপির হয়ে প্রকাশ্যে কথা বলা এই নেতার নতুন দায়িত্বে খুশি তার নিজ এলাকা কুড়িগ্রামের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।রুহুল কবির রিজভীর রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয় ছাত্রজীবনে। উচ্চ মাধ্যমিকের পর বামপন্থি বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন তিনি। পরে ছাত্রদল প্রতিষ্ঠার পর যোগ দেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলে।রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক থেকে সাধারণ সম্পাদক এবং পরে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন রিজভী।আরও  পড়ুন, নতুন রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানিয়ে ঢাবিতে ছাত্রদলের সমাবেশ১৯৮৯ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ—রাকসু নির্বাচনে সহসভাপতি বা ভিপি নির্বাচিত হন তিনি। দায়িত্ব পালন করেন ১৯৯০ সাল পর্যন্ত।পরবর্তীতে বিএনপির কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন রিজভী। ২০১৬ সালের ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হন।২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে মন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগ পান।এরপর ১৫ আগস্ট বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হন রিজভী। আর এবার ২০ আগস্ট তাকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে মনোনীত করা হলো।দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার পর বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্বে রিজভীর সামনে এখন দলকে সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী করার বড় দায়িত্ব।

সারাবাংলা

কালিহাতীতে জরাজীর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের টিনের ঘরে চলছে পাঠদান

কালিহাতীতে জরাজীর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের টিনের ঘরে চলছে পাঠদান

কালিহাতীতে নারান্দিয়া ইউনিয়নে আনোয়ারা হাসেম মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ে জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ টিনের ঘরে নানা সংকট নিয়ে চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম। আর সেই ঘরেই ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। শুধু তাই নয়, বিদ্যালয়টিতে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য নেই কোনো পরীক্ষণ যন্ত্রপাতি। ফলে সঠিক শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা।জানা যায়, উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের চরনগরবাড়ী এলাকায় ১৯৯৫ সালে শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব আবু হাসেম স্থানীয়দের সহায়তায় আনোয়ারা হাসেম মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত করেন। ২০০১ সালে বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত করা হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই টিনের ঘর দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হলেও এখনো ওই ঘরেই চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান। বিদ্যালয়ের ঘরগুলো পরিত্যক্ত হওয়ায় ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে তিন কক্ষবিশিষ্ট একটি একতলা ভবন নির্মাণ করা হয়। বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন না থাকায় পূর্বের টিনের ঘরেই ঝুঁকির মধ্যেই শিক্ষা কার্যক্রম চলছে।সহকারী শিক্ষক আব্দুল মজিদ ও বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ভাই তারা মিয়া জানান, বিদ্যালয়টির টিনের চালাগুলো মরিচা ধরে ছিদ্র হয়ে যাওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই শ্রেণিকক্ষে পানি পড়ে এবং মাটির মেঝে কাঁদাপানিতে একাকার হয়ে যায়। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের। এছাড়া, স্কুলের খেলার মাঠটি নিচু হওয়ায়দীর্ঘদিন ধরে তা ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে। আর শিক্ষার্থীরা যেখানে ক্লাস করছে, সেটি জরাজীর্ণটিনের ঘর। আর সেই ঘরেই ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।শিক্ষার্থীরা জানায়, প্রচণ্ড সূর্যের তাপে সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত টিনশেড ঘরের ক্লাসে গরমে আমরা প্রায় অসুস্থ হয়ে পড়ি। আর বৃষ্টি হলেই টিনের চালা দিয়ে পানি পড়ে ভিজে যায় বই-খাতা। বৃষ্টির পানিতে কাঁচা ফ্লোরের শ্রেণিকক্ষের মধ্যে বসে থাকাও অনেক কষ্টকর ব্যাপার হয়ে পড়ে। আরও পড়ুন, বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ৭ আসামি গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণখেলার মাঠটি নিচু হওয়ায় বৃষ্টি পানিতে জমে থাকায় তা ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে। আমরা দ্রুত স্কুলের জন্য একটি পাকা ভবনের দাবি জানাচ্ছি সরকারের কাছে।বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তুলনায় সুবিধাবঞ্চিত ও অবহেলিত নারান্দিয়া ইউনিয়নের চরনগরবাড়ী এ উচ্চ বিদ্যালয়টি। বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৪ শতাধিক শিক্ষার্থী পাঠদান করছে। এছাড়া বিজ্ঞানাগারের পরীক্ষণ যন্ত্রাদির অভাবে সংশ্লিষ্ট শাখায় ব্যবহারিক জ্ঞান থেকে বঞ্চিতহচ্ছে এ প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞান শাখার শিক্ষার্থীরা।স্থানীয়রা জানান, শিক্ষার্থীরা যেখানে ক্লাস করছে, সেটি জরাজীর্ণ টিনের ঘর। ঝুঁকিপূর্ণ টিনের ঘরের কারণেআমাদের ছেলে মেয়েদের অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করতে হচ্ছে। সরকার যদি নতুন ভবনের ব্যবস্থা না করে এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমে যাবে।আনোয়ারা হাসেম মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি তামিম আকতার প্রামাণিক বলেন,বিদ্যালয়ের টিনের ঘরগুলো জরাজীর্ণ হয়ে পড়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে চরম দুর্ভোগে রয়েছি। এতে করেছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ার মান ব্যাহত হচ্ছে এবং ভবন নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।আনোয়ারা হাসেম মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মালেক বলেন, ভবন সংকটের কারণে ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ার মান ব্যাহত হচ্ছে এবং বিদ্যালয়ের নানা সংকট নিয়ে অনেকটা ঝুঁকি নিয়েই আমরাপাঠদান চালিয়ে যাচ্ছি।কালিহাতী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার একেএম আমির হোসেন এবিষয়ে কোন মন্তব্য করেননি।এবিষয়ে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা আক্তার জানান, আনোয়ারা হাসেম মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে আবেদন করতে হবে। ভবন নির্মাণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে শীঘ্রই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ৭ আসামি গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ৭ আসামি গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা পুলিশ ২২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন, সিআর পরোয়ানাভুক্ত এবং জিএমপি অধ্যাদেশ প্রসিকিউশনের মোট ৭ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ডাকাতি প্রস্তুতি সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে কুখ্যাত ছিনতাইকারী মোঃ মিনারুল ইসলাম ওরফে বাবু (২৬), মোঃ পারভেজ হাসান (২৫), নয়ন শেখ (৩০) এবং হিমেল (২২) কে গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে মিনারুল ইসলাম একটি জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি বলে জানা গেছে।এছাড়া সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি মোঃ নুর ইসলাম (৪০) কে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরও  পড়ুন, বাড়িতে নারী কর্মচারীর সঙ্গে ‘আপত্তিকর অবস্থায়’ প্রধান শিক্ষক আটকঅন্যদিকে জিএমপি অধ্যাদেশ প্রসিকিউশনের আওতায় ইরফান (৩৮) ও আনোয়ার হোসেন (৩৫) কে আটক করা হয়।বাসন থানা পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে তাদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে বাসন থানা পুলিশের এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের এ ধরনের অভিযানের প্রশংসা করে বলেন, নিয়মিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে এলাকায় অপরাধ প্রবণতা হ্রাস পাবে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা আরও নিশ্চিত হবে।গাজীপুর মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও বিশেষ অভিযান জোরদার করা হবে।

বাড়িতে নারী কর্মচারীর সঙ্গে ‘আপত্তিকর অবস্থায়’ প্রধান শিক্ষক আটক

বাড়িতে নারী কর্মচারীর সঙ্গে ‘আপত্তিকর অবস্থায়’ প্রধান শিক্ষক আটক

রাজশাহীর বাঘায় এক নারী কর্মচারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় থাকার অভিযোগে খারিজাথাক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ।একই ঘটনায় ওই নারী কর্মচারীকেও আটক করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।শুক্রবার বিকেলে বাঘা পৌরসভার গাওপাড়া এলাকার একটি বাড়ি থেকে স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে পুলিশ তাদের আটক করে।স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে বিদ্যালয়ের এক নারী কর্মচারীর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। শুক্রবার বিদ্যালয়ের অফিসের কাজের কথা বলে ওই নারী কর্মচারীকে গাওপাড়া এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে যান প্রধান শিক্ষক।আরও  পড়ুন, ইয়াবার ‘হটস্পট’ মাদারবাড়ির এসআরবি স্টেশন নেপথ্যে জসিম-ঝুমকা বাদল সিন্ডিকেটবিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষক জানিয়েছেন, এর আগেও বিদ্যালয়ে বসে তাদের কয়েকবার সতর্ক করা হয়েছিল। তবে এরপরও তারা একই ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতিও ঘটনাটি উপজেলা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানোর কথা জানিয়েছেন।বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেরাজুল হক বলেন, আটক দুইজনকে শনিবার আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালতের আদেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ইয়াবার ‘হটস্পট’ মাদারবাড়ির এসআরবি স্টেশন নেপথ্যে জসিম-ঝুমকা বাদল সিন্ডিকেট

ইয়াবার ‘হটস্পট’ মাদারবাড়ির এসআরবি স্টেশন নেপথ্যে জসিম-ঝুমকা বাদল সিন্ডিকেট

চট্টগ্রাম মহানগরীর সদরঘাট থানাধীন পশ্চিম মাদারবাড়ি রেলবিটের এসআরবি স্টেশনসংলগ্ন এলাকা দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের একটি সক্রিয় স্পটে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এসআরবি স্টেশনের পোলের গোড়ায় মানিকের লোহার দোকানের সামনে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মরণনেশা ইয়াবা ট্যাবলেট কেনাবেচা চলে বলে স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি।অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন মাদকসহ একাধিক মামলার আসামি জসিম ও মাদারবাড়ি এসআরবি স্টেশন এলাকার মা-ছেলে খুনসহ একাধিক মামলার আসামি ঝুমকা বাদল নামে পরিচিত দুই ব্যক্তি। স্থানীয়দের দাবি, তাদের নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্র ওই এলাকায় মাদক সংগ্রহ, সরবরাহ ও খুচরা বিক্রির নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, এসআরবি স্টেশনের পোলের গোড়ায় কালুর দোকানের সামনে প্রতিদিন মাদক বেচাকেনা চলে। সেখানে জসিম-ঝুমকা বাদলের সিন্ডিকেটের সদস্যরা খুচরা ক্রেতাদের কাছে ইয়াবা সরবরাহ করে বলে তাদের অভিযোগ।উল্লেখ্য যে, গেল কিছুদিন পূর্বে এসআরবি স্টেশন এলাকায় সিএমপির সদরঘাট জোনের সহকারি পুলিশ কমিশনার সহ সদরঘাট থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন মাদক সেবীদের ও উক্ত এলাকা থেকে আটক করেছিল।মাদারবাড়ি এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, “রাতে কে কোন বাড়িতে ঢুকছে বা বের হচ্ছে, তা বোঝার উপায় থাকে না। প্রতিদিনই এখানে বড় অঙ্কের মাদকের লেনদেন হয় বলে আমরা শুনি। প্রতিবাদ করতে মানুষ ভয় পান। তিনি আরো বলেন, প্রতিবাদ করলেই হামলার স্বীকার হতে হয় অতীতে তাদের এই মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে অনেকেই গুরুতর হামলার শিকার হয়েছে।"আরও  পড়ুন, মহেশপুরে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ আটকস্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে চক্রটি নিজেদের অবস্থান শক্ত রাখছে। ফলে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস করছেন না অনেকে।সূত্রগুলোর আরো দাবি করেন, দীর্ঘ সময় ধরে মাদক কারবারের টাকা দিয়ে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ বনে গেছেন জসিম ও ঝুমকা বাদল। এছাড়াও বর্তমানে তাদের সিন্ডিকেটে আনুমানিক ১৫ থেকে ২০ জন সক্রিয় সদস্য রয়েছে বলে স্থানীয়রা দাবি করছেন। তাদের কেউ মাদক সংগ্রহ, কেউ সরবরাহ, কেউ খুচরা বিক্রির দায়িত্বে থাকে বলে অভিযোগ।অভিযোগের বিষয়ে মো. জসিমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে বলেন, “ইয়াবা ব্যবসার টাকা আমি একা খাই না, সবাইকে নিয়ে খাই।"স্থানীয়দের প্রশ্ন, একটি এলাকায় দিনের পর দিন প্রকাশ্যে মাদক বিক্রির অভিযোগ থাকলেও তা কীভাবে অব্যাহত রয়েছে। তাদের দাবি, কেবল খুচরা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে বিচ্ছিন্ন অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। মাদকের উৎস, অর্থায়ন, সরবরাহকারী, স্থানীয় সহযোগী এবং অবৈধ সম্পদের সন্ধান করতে সমন্বিত তদন্ত প্রয়োজন।এক সামাজিক সংগঠনের নেতা বলেন, “এটি শুধু মাদক বিক্রির বিষয় নয়। এর প্রভাব পুরো এলাকার তরুণ সমাজের ওপর পড়ছে। এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে এসআরবি স্টেশনকেন্দ্রিক এই সমস্যা আরও বিস্তৃত হতে পারে।”মাদারবাড়ি এলাকার কয়েকজন অভিভাবক জানান, সহজে মাদকের সহজলভ্যতাথ পাওয়ার কারণে স্কুল-কলেজপড়ুয়া সন্তানদের নিয়ে তাদের উদ্বেগ বাড়ছে। এক অভিভাবক বলেন,“ছেলেমেয়েরা কখন কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে, তা নিয়ে সবসময় চিন্তায় থাকতে হয়। এলাকায় মাদকের এমন সহজলভ্যতায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ছে।”আরও  পড়ুন, আধুনিকতার ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে গঙ্গাচড়ার মাটির তৈজসপসংশ্লিষ্টদের মতে, ইয়াবা বা অন্য কোনো মাদকের বিস্তার শুধু একজন ব্যবহারকারীর ক্ষতির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। এর প্রভাব পরিবার, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, অপরাধপ্রবণতা ও সামগ্রিক সামাজিক নিরাপত্তার ওপরও পড়ে।মাদকবিরোধী কার্যক্রম সংশ্লিষ্টদের মতে, একটি সংঘবদ্ধ মাদক নেটওয়ার্ক ভাঙতে শুধু মাঠপর্যায়ের বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার যথেষ্ট নয়। কারবারের অর্থ কোথায় যাচ্ছে, কারা অর্থায়ন করছে, কীভাবে অর্থ লেনদেন হচ্ছে এবং মাদক থেকে অর্জিত অর্থ দিয়ে কোনো সম্পদ গড়ে তোলা হয়েছে কি না, সেসব বিষয়ও তদন্ত করা জরুরি। প্রয়োজন হলে ব্যাংকিং লেনদেন, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস, সন্দেহজনক সম্পদ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আর্থিক কার্যক্রম আইনি প্রক্রিয়ায় খতিয়ে দেখা উচিত।এ বিষয়ে সদরঘাট থানার ওসি (তদন্ত) বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। স্পটগুলোতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, উক্ত এলাকায় অভিযান আরও জোরদার করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। মাদক স্পট পরিচালনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।”মাদারবাড়ির বাসিন্দাদের মতে, জসিম বা ঝুমকা বাদলকে আইনের আওতায় আনলেই সমস্যার সমাধান হবে না। মাদকের পুরো সরবরাহ শৃঙ্খল, অর্থায়নের উৎস, সহযোগী নেটওয়ার্ক, সম্ভাব্য আশ্রয়দাতা এবং অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদের বিষয়েও অনুসন্ধান প্রয়োজন। এসআরবি স্টেশনের মাদকের এই সহজলভ্যতা আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নের পাশাপাশি চট্টগ্রাম নগরীতে মাদকের সরবরাহ ও সামাজিক প্রভাব নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

আন্তর্জাতিক

সংঘাত থামাতে চায় ইরান চাপ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

সংঘাত থামাতে চায় ইরান চাপ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাত অবসানের আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেছেন, তেহরান এখন শক্তিশালী ও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।শুক্রবার চিকিৎসকদের এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে পেজেশকিয়ান বলেন, কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় স্থবিরতা থাকলেও বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গত জুনে হওয়া সমঝোতা নিয়ে কট্টরপন্থীদের সমালোচনারও জবাব দেন তিনি। পেজেশকিয়ানের দাবি, ওই চুক্তিতে ইরানের নতিস্বীকারের মতো কোনো ধারা ছিল না।এদিকে সংঘাত অবসানে আলোচনার উদ্যোগও চলছে। আরও পড়ুন. আব্রাহাম লিংকনে নৌসেনাদের সংঘর্ষ নিহত ৭ দাবি তাসনিমেরওমানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। তবে আলোচনার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনাও অব্যাহত রয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের জবাবে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের সামরিক নেতৃত্ব। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আলি আবদোল্লাহি বলেছেন, নতুন কোনো হুমকি তৈরি হলে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সর্বাত্মক ও কঠোর জবাব দিতে প্রস্তুত।অন্যদিকে ইরানের ওপর আরও কঠোর আর্থিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।আরও পড়ুন. ১ সেপ্টেম্বর থেকে কুয়েতে বন্ধ ভিজিট ভিসা ও ছুটির স্বয়ংক্রিয় নবায়নমার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বলেছেন, তেহরান আলোচনায় আগ্রহ দেখালেও এখনো একটি গ্রহণযোগ্য চুক্তিতে পৌঁছানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালিসহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে ধরে রেখেছে।ফলে একদিকে কূটনৈতিক যোগাযোগ, অন্যদিকে সামরিক হুঁশিয়ারি ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা—সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা এখনো কাটেনি। সংঘাতের অবসানে শেষ পর্যন্ত কূটনীতিই কার্যকর সমাধান এনে দিতে পারে কি না, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

৮ ঘন্টা আগে

রাজধানী

প্রশাসনিক কারণে দুই পুলিশ পরিদর্শককে প্রত্যাহার

প্রশাসনিক কারণে দুই পুলিশ পরিদর্শককে প্রত্যাহার

রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও পুলিশের প্রশাসনিক কার্যক্রমে দায়িত্ব পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) দুই নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শককে বর্তমান দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট ২০২৬) ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্স থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।ডিএমপির পুলিশ কমিশনারের পক্ষে উপ-পুলিশ কমিশনার (সদরদপ্তর ও প্রশাসন) স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, ঢাকায় কর্মরত নিম্নবর্ণিত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শকদের প্রশাসনিক কারণে ২২ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ অপরাহ্নে বর্তমান কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহারপূর্বক সদর দপ্তর ও প্রশাসন বিভাগের কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তর, ডিএমপি, ঢাকার সঙ্গে সংযুক্ত (Closed) করা হলো।অফিস আদেশে প্রত্যাহার করা দুই কর্মকর্তার নাম, বিপি নম্বর, পদবি ও বর্তমান কর্মস্থলের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন বর্তমানে তেজগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।আরও পড়ুন.আদালতের স্থিতাবস্থা অমান্যের অভিযোগ, ওয়াকফ জমি রক্ষায় দুয়ারীপাড়ায় মানববন্ধনঅপর কর্মকর্তা পল্লবী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।আদেশ অনুযায়ী, তেজগাঁও থানায় দায়িত্ব পালনকারী নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক এবং পল্লবী মডেল থানায় দায়িত্ব পালনকারী নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক উভয়কেই বর্তমান দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে ডিএমপির কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তর, সদর দপ্তর ও প্রশাসন বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।তবে অফিস আদেশে দুই কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের নির্দিষ্ট কারণ হিসেবে কোনো অভিযোগ, তদন্ত বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করা হয়নি। সেখানে কেবল ‘প্রশাসনিক কারণে’ তাদের প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে। ফলে এই আদেশকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অভিযোগ বা অনিয়মের সঙ্গে তাদের প্রত্যাহারকে যুক্ত করার সুযোগ নেই, যদি না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরবর্তীতে এ বিষয়ে আলাদা কোনো তথ্য প্রকাশ করে।ডিএমপির প্রশাসনিক কাঠামোতে কোনো কর্মকর্তাকে বর্তমান দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরে সংযুক্ত করা একটি প্রচলিত প্রশাসনিক ব্যবস্থা। দায়িত্ব পুনর্বিন্যাস, জনবল ব্যবস্থাপনা, নতুন দায়িত্ব প্রদান কিংবা সাংগঠনিক প্রয়োজনের ভিত্তিতে এ ধরনের আদেশ জারি হতে পারে। তবে আলোচ্য আদেশে প্রত্যাহারের পেছনে সুনির্দিষ্ট প্রশাসনিক কারণ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়নি।ডিএমপির গুরুত্বপূর্ণ দুটি থানা তেজগাঁও ও পল্লবী। রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদকবিরোধী অভিযান, ছিনতাই-চুরি প্রতিরোধ, সন্ত্রাস ও অন্যান্য অপরাধ দমনে এসব থানার পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ফলে দুই থানার ওসিকে একই দিনে বর্তমান দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহারের বিষয়টি পুলিশের অভ্যন্তরীণ মহলে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।বিশেষ করে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের কর্মস্থল পরিবর্তন ও দায়িত্ব পুনর্বিন্যাসের বিষয়টি নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ। ডিএমপি সদর দপ্তর প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন থানার কর্মকর্তা ও সদস্যদের দায়িত্ব পরিবর্তন করে থাকে।আরও পড়ুন.বনানীতে ফের সক্রিয় অপরাধচক্র, পুলিশের মাসোহারাএ ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তার বর্তমান দায়িত্বের পরিবর্তে কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরে সংযুক্তির আদেশ দেওয়া হয়েছে।অফিস আদেশের শেষাংশে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুলিপি পাঠানোর কথা উল্লেখ রয়েছে। এর মধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, যুগ্ম-পুলিশ কমিশনার, উপ-পুলিশ কমিশনারসহ ডিএমপির বিভিন্ন প্রশাসনিক শাখা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নতুন কর্মস্থলে যোগদান ও দায়িত্ব হস্তান্তরের বিষয়টিও এই আদেশের আলোকে সম্পন্ন হওয়ার কথা।এদিকে, দুই কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের পর তেজগাঁও ও পল্লবী মডেল থানায় নতুন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে কি না, নাকি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে থানার কার্যক্রম পরিচালিত হবে—তা পরবর্তী প্রশাসনিক আদেশের মাধ্যমে স্পষ্ট হতে পারে।ডিএমপির এ ধরনের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালন, জনবল ব্যবস্থাপনা এবং রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রয়োজনীয়তার বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়। তবে প্রকাশিত অফিস আদেশে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার তথ্য না থাকায় বিষয়টিকে আপাতত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবেই দেখার সুযোগ রয়েছে।

৪ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

স্টার্ক শরিফুলের তাণ্ডবে ম্যাকাই টেস্টে প্রথম দিনেই ১৮ উইকেট

স্টার্ক শরিফুলের তাণ্ডবে ম্যাকাই টেস্টে প্রথম দিনেই ১৮ উইকেট

মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ের পর জ্বলে উঠলেন বাংলাদেশের পেসার শরিফুল ইসলাম। দুই বাঁহাতি পেসারের দাপটে ম্যাকাই টেস্টের প্রথম দিনেই পড়েছে ১৮ উইকেট।প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। জবাবে দিনের খেলা শেষে ৮ উইকেটে ১৬৫ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। ফলে প্রথম ইনিংসে ১০১ রানের লিড নিয়েছে স্বাগতিকরা।বাংলাদেশের বিপক্ষে বল হাতে একাই তাণ্ডব চালান মিচেল স্টার্ক। মাত্র ১২ রান খরচ করে নেন ৬ উইকেট। মাত্র ২২ বলে ৫ উইকেট পূর্ণ করেন এই বাঁহাতি পেসার। এর মধ্য দিয়ে টেস্ট ইতিহাসে দ্রুততম পাঁচ উইকেটের পাঁচ কীর্তির দুটিই এখন স্টার্কের দখলে।বাংলাদেশের ইনিংসে শাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাসসহ শীর্ষ ব্যাটারদের বিপদে ফেলেন স্টার্ক। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে প্যাট কামিন্স নেন ৩ উইকেট।তবে বাংলাদেশের জবাব আসে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংয়ে।আরও পড়ুন.ম্যাকাইয়ে চার পেসার নাকি তিন একাদশ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত বাংলাদেশেরহ্যামস্ট্রিংয়ের চোট কাটিয়ে দলে ফিরে দুর্দান্ত বোলিং করেন শরিফুল ইসলাম। নিজের প্রথম ওভারেই ট্রাভিস হেড ও মার্নাস লাবুশানেকে ফিরিয়ে দেন তিনি।দিনের শেষ ঘণ্টায় মাত্র পাঁচ বলের মধ্যে তিন উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংয়ে ধস নামান শরিফুল। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেট তুলে নেন তিনি।অস্ট্রেলিয়ার বিপর্যয়ের মধ্যেও একপ্রান্ত আগলে রাখেন ক্যামেরন গ্রিন। ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে অর্ধশতক তুলে নিয়ে ৫১ রানে অপরাজিত আছেন তিনি। তার সঙ্গে ১০ রানে অপরাজিত নাথান লায়ন।বাংলাদেশের ৬৪ রান অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২০২০ সালের অ্যাডিলেড টেস্টে ভারতের ৩৬ রানে অলআউট হওয়ার পর সবচেয়ে কম দলীয় সংগ্রহ। তবে দিনের শেষে শরিফুলের বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়াও চাপে।সব মিলিয়ে প্রথম দিনেই ১৮ উইকেটের পতন। ১০১ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় দিনে ঘুরে দাঁড়ানোই এখন বাংলাদেশের বড় চ্যালেঞ্জ।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর