দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1009.7 hPa
29.5° 81%
300° 15mm
চট্টগ্রাম 1009.7 hPa
31° 78%
15mm
রাজশাহী 1008.3 hPa
35.5° 77%
12mm
খুলনা 1009.6 hPa
30° 86%
15mm
বরিশাল 1009.8 hPa
28° 92%
15mm
সিলেট 1009.4 hPa
29° 83%
20° 15mm
রংপুর 1009.5 hPa
29.6° 88%
15mm
ময়মনসিংহ 1009.9 hPa
30.4° 76%
15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

গুলশানে গেস্ট হাউজ-স্পা, পেছনে মিরাজের অজানা সাম্রাজ্য?

গুলশানে গেস্ট হাউজ-স্পা, পেছনে মিরাজের অজানা সাম্রাজ্য?

বরগুনার বেতাগী উপজেলার গরিচন্না বাজার এলাকায় জম্ম মিরাজের। তিনি ঢাকার বুকে হোটেল ব্যবসায় অঙ্গনে যিনি ‘মোল্লা মিরাজ’ নামে পরিচিত বলে স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে। প্রায় এক দশক আগে ঢাকায় এসে মিরপুরের একটি আবাসিক হোটেলে ক্লিনারের চাকরি নেওয়া থেকে তার কর্মজীবনের শুরু। সময়ের ব্যবধানে সেই চাকরি থেকে হোটেল, স্পা ও গেস্ট হাউজ ব্যবসায় প্রবেশ এবং পরবর্তীতে রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে ফ্ল্যাট, বাড়ি-গাড়িসহ বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, মিরাজের বর্তমান জীবনযাপন ও সম্পদের সঙ্গে তার অতীত আর্থিক অবস্থার ব্যাপক পার্থক্য রয়েছে। একসময় সাধারণ কর্মচারী হিসেবে কাজ করলেও বর্তমানে তিনি ভিআইপি স্টাইলে চলাফেরা করেন। তার মালিকানাধীন বা নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন হোটেল, স্পা ও গেস্ট হাউজকে ঘিরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, মাদক, মানবপাচার এবং ব্ল্যাকমেইলিংয়ের মতো গুরুতর অভিযোগও রয়েছে বলে দাবি সূত্রগুলোর। অভিযোগগুলোর স্বাধীন যাচাই প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।আরও পড়ুন: গুলশানে গেস্ট হাউজ ও দীর্ঘদিনের স্পা ব্যবসায় কোটিপতি মিরাজপ্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১০ বছর আগে বরগুনা থেকে ঢাকায় আসেন মিরাজ। তখন তার আর্থিক অবস্থা ছিল সাধারণ। রাজধানীর মিরপুর এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে ক্লিনার হিসেবে চাকরি নেন তিনি। হোটেলকেন্দ্রিক পরিবেশে কাজ করতে গিয়ে ধীরে ধীরে ব্যবসার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে ধারণা নেন বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি। পরবর্তীতে চাকরি ছেড়ে নিজেই হোটেল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। সময়ের সঙ্গে স্পা ও গেস্ট হাউজ ব্যবসাতেও তার সম্পৃক্ততা বাড়তে থাকে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসা সম্প্রসারণের মাধ্যমে তিনি অল্প সময়ের মধ্যেই বড় অঙ্কের অর্থ ও সম্পদের মালিক হয়েছেন।সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন, একজন সাধারণ কর্মচারী থেকে এত অল্প সময়ে কীভাবে বিপুল সম্পদের মালিক হলেন মিরাজ? তার ব্যবসার মূলধন কোথা থেকে এসেছে, কোন কোন প্রতিষ্ঠানের নামে সম্পদ রয়েছে এবং এসব ব্যবসা থেকে অর্জিত অর্থের উৎস কী এসব বিষয়ে যথাযথ তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।আরও পড়ুন: অপসাংবাদিকতার তাণ্ডব: মূলধারা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার বড় সংকটঅভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে রাজধানীর গুলশানে ৩৩ নং রোডে অবৈধ গেস্ট হাউজ ও ৪১ নং রোডে একটি স্পা এবং আর এম সেন্টারে ভিআইপি সেলুন ও স্পেশাল সার্ভিসের ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া  একটি ফ্ল্যাটসহ বিভিন্ন স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মালিক মিরাজ। তার নামে বা ঘনিষ্ঠদের নামে আরও সম্পদ রয়েছে বলেও বিভিন্ন সূত্র দাবি করেছে। তবে এসব সম্পদের প্রকৃত মালিকানা, ক্রয়ের অর্থের উৎস এবং আয়কর নথিতে সেগুলোর যথাযথ হিসাব রয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি যাচাই প্রয়োজন। অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তার সম্পদ ও ব্যবসায়িক লেনদেন যাচাই করা গেলে অভিযোগের সত্যতা বা অসত্যতা স্পষ্ট হতে পারে বলে মনে করছেন সাংবাদিক ও স্থানীয়রা।রাজধানীর গুলশানের একটি গেস্ট হাউজ ও স্পা সেন্টারকে ঘিরে মিরাজের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ উঠেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, প্রতিষ্ঠানটির আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়ে আসছে। একই সঙ্গে সেখানে মাদকসেবী, মাদক কারবারি কিংবা মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কথিত আনাগোনা রয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে মাদক ব্যবসা বা মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত হিসেবে চিহ্নিত করার মতো আদালতসিদ্ধ তথ্য এই প্রতিবেদকের হাতে নেই। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত জরুরি।আরও পড়ুন: ডেঙ্গু ঠেকাতে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে তিন মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রীস্থানীয়দের প্রশ্ন, আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকায় পরিচালিত এসব প্রতিষ্ঠান নিয়ম অনুযায়ী নিবন্ধিত ও অনুমোদিত কি না? তাদের ট্রেড লাইসেন্স, অগ্নিনিরাপত্তা, পরিবেশগত ছাড়পত্র এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন রয়েছে কি না এ বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি প্রয়োজন। মিরাজের বিরুদ্ধে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগগুলোর একটি হলো মানবপাচার চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততার দাবি। কয়েকটি সূত্রের ভাষ্য, হোটেল ও গেস্ট হাউজ ব্যবসাকে কেন্দ্র করে একটি বড় সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে, যার মাধ্যমে বিপুল অর্থ লেনদেন হয়।অভিযোগ রয়েছে, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তরুণী ও তরুণদের রাজধানীতে এনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজে নিয়োগ বা অন্য সুযোগ দেওয়ার কথা বলে তাদের একটি চক্রের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরে তাদের ব্যবহার করে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করা হয় বলেও অভিযোগকারীদের দাবি। তবে এ অভিযোগের পক্ষে কোনো মামলার নথি, তদন্ত প্রতিবেদন বা আদালতের রায় এই প্রতিবেদনের সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব হয়নি। ফলে বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।আরও পড়ুন: অনলাইন পোর্টাল ও ফেসবুক পেজ খুলেই কথিত ‘সাংবাদিক’!মানবপাচারের অভিযোগ সত্য হলে এটি অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ। তাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও মানবপাচারবিরোধী সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর উচিত অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা।হোটেল ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের দাবি, মিরাজ রাজধানীর হোটেল অঙ্গনে ‘মোল্লা মিরাজ’ নামে পরিচিত। ব্যবসায়িক যোগাযোগের পাশাপাশি বিভিন্ন মহলে তার প্রভাব রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে তার সামাজিক ও ব্যবসায়িক প্রভাবও বেড়েছে। বর্তমানে তিনি দামি গাড়িতে চলাফেরা করেন এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে এমন কথাও শোনা যায়। মিরাজকে নিয়ে ইতিপূর্বে দৈনিক সংবাদ দিগন্তে প্রতিবেদন প্রকাশের পর সাংবাদিকদের হুমকি-ধমকি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।প্রতিবেদন প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ কিংবা হয়রানির চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু সংবাদ প্রকাশ বন্ধ করতে ভয়ভীতি বা চাপ প্রয়োগ করা হলে তা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য উদ্বেগের বিষয়। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কোনো পক্ষ যাতে সংবাদ প্রকাশের কারণে হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজর দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টরা।আরও পড়ুন: শিকলে বেঁধে বেল্ট দিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ, পরে গৃহবধূর মৃত্যুমিরাজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগও সামনে এসেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, বিভিন্ন ব্যক্তির ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি বা ভিডিওকে কেন্দ্র করে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হয়। তবে কার কাছ থেকে কত টাকা আদায় করা হয়েছে বা এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়েছে কি না এমন নির্ভরযোগ্য নথি প্রতিবেদকের হাতে না থাকায় অভিযোগটি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। যদি সত্যিই এমন কোনো কর্মকাণ্ড থেকে থাকে, তাহলে ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে তদন্ত করা সম্ভব। একজন সাধারণ কর্মচারী থেকে কয়েক বছরের ব্যবধানে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ উঠলে স্বাভাবিকভাবেই সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। মিরাজের আয়কর নথি, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, ব্যাংক লেনদেন, সম্পত্তি ক্রয়ের দলিল এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স যাচাই করলে প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসতে পারে। বিশেষ করে তার মালিকানাধীন বা নিয়ন্ত্রণাধীন হোটেল, স্পা ও গেস্ট হাউজগুলোর বৈধতা, অনুমোদন এবং আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কোনো প্রতিষ্ঠান অন্য কারও নামে পরিচালিত হলেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রক কে সেটিও তদন্তের আওতায় আনা উচিত।আরও পড়ুন: বাঁধনের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা, ‘আমরা সবাই বিচার চাই’: পাটওয়ারীরাজধানীর অভিজাত এলাকাগুলোতে হোটেল, গেস্ট হাউজ ও স্পা ব্যবসার আড়ালে যাতে কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতে না পারে, সে বিষয়ে নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মাদক, মানবপাচার, অনৈতিক কর্মকাণ্ড বা ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগ থাকলে তা তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করা উচিত। অভিযোগ সত্য হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং অভিযোগ মিথ্যা হলে সংশ্লিষ্টদেরও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ থাকা প্রয়োজন।মিরাজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর বিষয়ে তার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত তার কাছ থেকে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। দৈনিক সংবাদ দিগন্তের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হচ্ছে, এই প্রতিবেদনে উত্থাপিত অনৈতিক কর্মকাণ্ড, মাদক, মানবপাচার, অবৈধ সম্পদ ও ব্ল্যাকমেইলিং সংক্রান্ত বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট সূত্র ও অভিযোগকারীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। রাজধানীতে একজন সাধারণ কর্মচারী থেকে দ্রুত বিপুল সম্পদের মালিক হয়ে ওঠার অভিযোগ এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঘিরে ওঠা গুরুতর অভিযোগগুলো তাই যথাযথ কর্তৃপক্ষের নজরে এনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি রাখে। তদন্তেই বেরিয়ে আসতে পারে মিরাজের বিপুল সম্পদের প্রকৃত উৎস কী এবং তার পরিচালিত হোটেল, স্পা ও গেস্ট হাউজ ব্যবসার আড়ালে আদৌ কোনো অপরাধী চক্র সক্রিয় রয়েছে কি না।আরও পড়ুন: আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ডিএমপি, দুই দিনে ৩২০৬ মামলাআইন বিশেষজ্ঞদের মতে, আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অবৈধ ব্যবসা, মাদক, মানবপাচার, ব্ল্যাকমেইলিং কিংবা অবৈধ সম্পদ অর্জনের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠলে তা যথাযথভাবে তদন্ত ও প্রমাণের মাধ্যমে যাচাই করা জরুরি। গণমাধ্যমে এসব অভিযোগ প্রকাশের ক্ষেত্রে অভিযোগকে সরাসরি প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে উপস্থাপন না করে ‘অভিযোগ’ বা ‘সূত্রের দাবি’ হিসেবে উল্লেখ করা উচিত।বিশেষজ্ঞরা বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স, ব্যবসায়িক নথি, সম্পত্তির দলিল, আয়কর নথি ও আর্থিক লেনদেন যাচাই করলে সম্পদের প্রকৃত উৎস সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া সম্ভব। একই সঙ্গে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়াও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আইন বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিককে ভয়ভীতি বা হুমকি দেওয়া হলে সেটিও আইনগতভাবে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। সংবাদে আপত্তি থাকলে আইনসম্মতভাবে প্রতিবাদ বা প্রতিকার চাওয়া যায়; কিন্তু চাপ প্রয়োগ করে সংবাদ বন্ধের চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। তাই মিরাজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন জরুরি।আরও পড়ুন: সকালেই মেঘে ঢাকা রাজধানী, দুপুরের মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনাএবিষয়ে মিরাজের পরিচালিত গেস্ট হাউজ ও স্পা সেন্টারকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দাউদ হোসেনের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, গুলশান এলাকায় কোনো হোটেল, গেস্ট হাউজ বা স্পা সেন্টারের আড়ালে অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হবে না। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে পুলিশ তা যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। আরও পড়ুন: পুলিশে বড় রদবদল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১০ কর্মকর্তা বদলিওসি আরও বলেন, গুলশান এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় এর আগে বিভিন্ন স্পা সেন্টারে অভিযান চালিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মাদক, মানবপাচার, ব্ল্যাকমেইলিং কিংবা অন্য কোনো অপরাধের সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলে তা পুলিশকে জানালে তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

ইউপি নির্বাচনের রোডম্যাপ প্রস্তুত: ৭ ধাপে ভোট, শুরু ১২ নভেম্বর

নির্বাচনের মাঠে বড় প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রাথমিকভাবে সাত ধাপে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। প্রথম ধাপের ভোটের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ নভেম্বর। আর শেষ ধাপের ভোট হতে পারে আগামী বছরের ২৭ মে।সাড়ে চার হাজার ইউনিয়ন পরিষদ। আর এই বিশাল ভোটযজ্ঞ আয়োজনের জন্য সাত ধাপের প্রাথমিক পরিকল্পনা করেছে নির্বাচন কমিশন।সোমবার কমিশন সভা শেষে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।তিনি জানান, স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে প্রাক-প্রস্তুতিমূলক সভা হয়েছে। সেখানেই প্রাথমিকভাবে সাত ধাপে ভোট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপের ভোট হতে পারে আগামী ১২ নভেম্বর। এ ধাপে ৮০ উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদে ভোট দিয়ে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন।আরও  পড়ুন, নির্বাচনের মাঠ প্রস্তুতিতে ইসি, বৃহস্পতিবার ২৬ মন্ত্রণালয়-সংস্থার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকএরপর দ্বিতীয় ধাপে ১৩ ডিসেম্বর এবং তৃতীয় ধাপে ৩০ ডিসেম্বর ভোটের সম্ভাব্য তারিখ রাখা হয়েছে।চতুর্থ ধাপের ভোট আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপ ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপ ২২ এপ্রিল এবং সপ্তম ও শেষ ধাপের ভোট হতে পারে ২৭ মে।অর্থাৎ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে কয়েক মাস ধরে চলবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।তবে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এগুলো এখনো সম্ভাব্য সময়সূচি। আনুষ্ঠানিকভাবে তফসিল ঘোষণা করলেই চূড়ান্ত হবে ভোটের তারিখ।এর আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় বৈঠকের উদ্যোগ নেয় নির্বাচন কমিশন।সব মিলিয়ে জাতীয় সংসদের উপনির্বাচনের পাশাপাশি স্থানীয় সরকারের সবচেয়ে বড় এই নির্বাচনের প্রস্তুতিও এখন দৃশ্যমান পর্যায়ে।প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ নভেম্বর শুরু হয়ে ২৭ মে শেষ হবে সাত ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। এখন আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণার অপেক্ষা। এরপরই জানা যাবে কোন ধাপে কোন এলাকার ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হবে।

নির্বাচনের মাঠ প্রস্তুতিতে ইসি, বৃহস্পতিবার ২৬ মন্ত্রণালয়-সংস্থার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন সামনে রেখে বড় ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।নির্বাচন আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে আগামী বৃহস্পতিবার ২৬টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইসি।স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে ধাপে ধাপে প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।এরই অংশ হিসেবে আগামী বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ২টায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতিমূলক সভা।প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য এ সভায় উপস্থিত থাকবেন নির্বাচন কমিশনাররাও।ইসির পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ নির্বাচনী এলাকার শূন্য আসনের উপনির্বাচন এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করতেই এ বৈঠক।সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র, অর্থ, আইন, পররাষ্ট্র, তথ্য ও সম্প্রচার এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা থাকবেন।আরও  পড়ুন, সরকারি হারানো অস্ত্রের তথ্য দিলে মিলবে নগদ পুরস্কার : র‍্যাবএ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন—বিটিআরসি, বাংলাদেশ ডাক বিভাগ, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসার-ভিডিপি, ডিজিএফআই, এনএসআই এবং এনটিএমসিসহ গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাগুলোকেও বৈঠকে অংশ নিতে বলা হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন।এরপর নভেম্বরের মাঝামাঝি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের। পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত হবে অন্যান্য স্থানীয় সরকার নির্বাচনও।নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা, প্রশাসনিক সমন্বয়, যোগাযোগ, অর্থায়ন, গণমাধ্যম, প্রযুক্তি ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রস্তুতি ও করণীয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হতে পারে।অর্থাৎ, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের পাশাপাশি স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি আরও জোরদার করছে নির্বাচন কমিশন। এখন বৃহস্পতিবারের বৈঠকেই স্পষ্ট হতে পারে নির্বাচন আয়োজনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা ও সমন্বয় কাঠামো।

সরকারি হারানো অস্ত্রের তথ্য দিলে মিলবে নগদ পুরস্কার : র‍্যাব

হারানো সরকারি অস্ত্র ও গোলাবারুদের সন্ধানে পুরস্কার ঘোষণা করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‍্যাব। আগামী ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত স্বেচ্ছায় এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদের তথ্য দিয়ে উদ্ধারে সহায়তা করলে তথ্যদাতার বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।সোমবার চট্টগ্রাম নগরীর বহদ্দারহাটে র‍্যাব-৭-এর চান্দগাঁও ক্যাম্পের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানান র‍্যাব-৭-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান।র‍্যাবের গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী রাইফেল সাবমেশিন গান লাইট মেশিনগান ও স্নাইপারের তথ্য দিয়ে উদ্ধারে সহায়তা করলে দুই লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।আরও  পড়ুন, নগদের সাবেক এমডি মিশুকসহ সংশ্লিষ্টদের শেয়ার অবরুদ্ধএ ছাড়া শটগান পিস্তল ও গ্যাস গানের ক্ষেত্রে পুরস্কার দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা করে।প্রতিটি সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার সেলের তথ্যের জন্য দেওয়া হবে এক হাজার ৫০০ টাকা। আর সব ধরনের গোলাবারুদের ক্ষেত্রে প্রতি রাউন্ডের জন্য ৫০ টাকা হারে পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে র‍্যাব।সংস্থাটি জানিয়েছে তথ্যদাতার পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে। পাশাপাশি তার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।র‍্যাব আরও জানিয়েছে আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে হারানো সরকারি অস্ত্র ও গোলাবারুদের তথ্য দিলে আইনি সুরক্ষা পাওয়া যাবে। তবে নির্ধারিত সময়ের পর কারও কাছে এসব অস্ত্র বা গোলাবারুদ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।জনস্বার্থে হারানো সরকারি অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়াতেই এই গণবিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

নগদের সাবেক এমডি মিশুকসহ সংশ্লিষ্টদের শেয়ার অবরুদ্ধ

থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিস লিমিটেডের পরিবর্তিত নাম নগদ লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর আহমেদ মিশুকসহ অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ৭৮৬ কোটি টাকার শেয়ার ফ্রিজ বা অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত।রোববার দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এই আদেশ দেন।দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে অননুমোদিত ডিস্ট্রিবিউটরের মাধ্যমে সরকারি অর্থ বের করে নেওয়া বৈধ চ্যানেলে বৈদেশিক মুদ্রা না এনে অনাবাসী বিনিয়োগকারীদের অনুকূলে শেয়ার হস্তান্তর জিরো কুপন বন্ডের অর্থ দিয়ে বিদেশি ঋণ পরিশোধ বিদেশে অর্থ পাচার এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তানভীর আহমেদ মিশুকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে।দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নগদের মাধ্যমে বিতরণ করা সরকারি ভাতার অব্যবহৃত অর্থ সফটওয়্যার জালিয়াতির মাধ্যমে ২৪ হাজার ১৫৯টি ভুয়া উদ্যোক্তার ওয়ালেটে স্থানান্তর করা হয়।আরও  পড়ুন,জুলাইয়ের ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ ৬৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রপরে এসব অর্থ ৬৪৮টি ভুয়া ডিএসও এবং ৩৪টি অননুমোদিত ডিস্ট্রিবিউটরের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।দুদকের দাবি এ প্রক্রিয়ায় প্রাথমিকভাবে এক হাজার ৭০৬ কোটি ৩৮ লাখ ৫৪ হাজার ২২৯ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে।অভিযোগ অনুযায়ী আত্মসাৎ করা অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে লেয়ারিংয়ের মাধ্যমে থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিস লিমিটেডের ১৬ কোটি ৮৪ লাখের বেশি শেয়ার কেনায় ব্যবহার করা হয়েছে।দুদক আশঙ্কা করছে এসব শেয়ার বিক্রি বা স্থানান্তরের মাধ্যমে অর্থ বিদেশে পাচার হতে পারে। তাই অনুসন্ধান শেষ হওয়ার আগে শেয়ারগুলো বিক্রি বা হস্তান্তর ঠেকাতে আদালতের কাছে অবরুদ্ধের আবেদন করা হয়।দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ৭৮৬ কোটি ৩৯ হাজার ২৮৪ টাকার শেয়ার ফ্রিজের আদেশ দিয়েছেন।

রাজনীতিরাজনীতি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক, শূন্য পদ পূরণ ও স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে সিদ্ধান্ত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক, শূন্য পদ পূরণ ও স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে সিদ্ধান্ত

সরকার গঠনের পর তৃতীয়বারের মতো স্থায়ী কমিটির বৈঠক করেছে বিএনপি। শনিবার রাজধানীর গুলশানে দলের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বৈঠকে প্রথমবারের মতো অংশ নেন স্থায়ী কমিটির নতুন চার সদস্য—ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, আমান উল্লাহ আমান, অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার ও ইসমাঈল জবিউল্লাহ। দীর্ঘদিন বিদেশে চিকিৎসা শেষে মির্জা আব্বাস বৈঠকে যোগ দেওয়ায় তার সুস্থতা নিয়েও শুভকামনা জানানো হয়।বৈঠকে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন, ডেঙ্গু ও জ্বালানি পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়।আরও  পড়ুন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত হবে ১৮ সেদলের বিভিন্ন কমিটিতে শূন্য হওয়া পদগুলো পূরণে নিচের সারির নেতাদের পদোন্নতি দেওয়ার বিষয়ে নীতিগত আলোচনা হয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছেন, গঠনতন্ত্রের বিধান অনুযায়ী শূন্য পদে সংশ্লিষ্ট নেতাদের পদোন্নতির বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ের আগে মনোনয়ন ফরম বিতরণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরে আগ্রহী প্রার্থীদের তথ্য যাচাই-বাছাই করে মনোনয়ন বোর্ড চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।বৈঠকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে কর্মসূচি নেওয়ার বিষয়েও নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে সাংগঠনিক শক্তি আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত হবে ১৮ সে

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত হবে ১৮ সে

আগামী ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন। এই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী কে হচ্ছেন, তা চূড়ান্ত হবে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর।শনিবার রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে এ তথ্য জানিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী।তিনি জানান, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীরা আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করবেন। পরদিন ১৬ সেপ্টেম্বর সেই ফরম জমা নেওয়া হবে।এরপর ১৮ সেপ্টেম্বর দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উপনির্বাচনের জন্য বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও বর্তমান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আসন হিসেবে পরিচিত। তার আসন শূন্য হওয়ায় এই উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।আরও  পড়ুন, স্থানীয় নির্বাচন ঘিরে মাঠ গরম, প্রার্থী বাছাইয়ে ব্যস্ত বিএনপি-জামায়াত-এনসিপিএদিকে বৈঠকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়েও বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। দলটির পক্ষ থেকে সারা দেশে ডেঙ্গু সচেতনতা বাড়াতে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।রুহুল কবীর রিজভী জানান, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে মশারি সরবরাহ করা হবে। পাশাপাশি নামকরা চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে তৈরি ডেঙ্গু সচেতনতামূলক প্রচারপত্র ঢাকাসহ সারা দেশে বিতরণ করা হবে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাশাপাশি গণমাধ্যম, রেডিও ও টেলিভিশনে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হবে।এ ছাড়া স্কুল, মাদরাসা ও হাটবাজারে আবর্জনা ফেলার জন্য বিনের ব্যবস্থা করার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিএনপি।

স্থানীয় নির্বাচন ঘিরে মাঠ গরম, প্রার্থী বাছাইয়ে ব্যস্ত বিএনপি-জামায়াত-এনসিপি

স্থানীয় নির্বাচন ঘিরে মাঠ গরম, প্রার্থী বাছাইয়ে ব্যস্ত বিএনপি-জামায়াত-এনসিপি

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন ব্যস্ততা। চলতি বছরের শেষ দিকে ছয় বা সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকারের ভোটযাত্রা শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। এরপর ধাপে ধাপে পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের কথা রয়েছে।দলীয় মনোনয়ন ও প্রতীক ব্যবহারের সুযোগ না থাকলেও মাঠপর্যায়ে নিজেদের সমর্থিত একক প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো।সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জে রয়েছে বিএনপি। ইউনিয়ন পরিষদসহ বিভিন্ন স্থানীয় নির্বাচনে দলটির একাধিক নেতা প্রার্থী হতে আগ্রহী। কোথাও কোথাও সমর্থনপ্রত্যাশীর সংখ্যা ৭ থেকে ১৭ জন পর্যন্ত বলে জানা গেছে। ফলে একক প্রার্থী বাছাই এখন দলটির জন্য বড় পরীক্ষা।অন্যদিকে স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আগেভাগেই মাঠ গোছাতে শুরু করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির দাবি, তৃণমূল পর্যায়ে ইতোমধ্যে প্রায় ৭৫ শতাংশ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। সিটি করপোরেশনগুলোর প্রার্থীও প্রায় চূড়ান্ত বলে জানা গেছে।আরও  পড়ুন, ফ্যাসিস্ট চরিত্রের পুনরাবৃত্তি হলে মানুষ আবারও রুখে দাঁড়াবে: চরমোনাই পীরজাতীয় রাজনীতিতে ১১ দলীয় ঐক্যের অংশীদার হলেও স্থানীয় নির্বাচনে আলাদাভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপি।ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মহানগর উত্তর শাখার আমির সেলিম উদ্দিনের নামও সামনে এসেছে।অন্যদিকে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন তাবিথ আউয়াল, এম এ কাইয়ুম ও শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।ঢাকা দক্ষিণে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং জামায়াতের পক্ষ থেকে ডাকসুর ভিপি মো. আবু সাদিক বা সাদিক কায়েমের নাম আলোচনায় রয়েছে। বিএনপিতে হাবিব উন নবী খান সোহেল, আব্দুস সালাম ও ইশরাক হোসেনের নাম নিয়ে আলোচনা চলছে।সব মিলিয়ে স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখন থেকেই দলগুলোর মাঠপর্যায়ের তৎপরতা বাড়ছে।

ফ্যাসিস্ট চরিত্রের পুনরাবৃত্তি হলে মানুষ আবারও রুখে দাঁড়াবে: চরমোনাই পীর

ফ্যাসিস্ট চরিত্রের পুনরাবৃত্তি হলে মানুষ আবারও রুখে দাঁড়াবে: চরমোনাই পীর

দেশে আবারও ফ্যাসিস্ট চরিত্রের পুনরাবৃত্তি হলে জনগণ তা মেনে নেবে না বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম।শনিবার বিকেলে কুড়িগ্রামের রাজারহাট সমবায় মার্কেট চত্বরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাজারহাট উপজেলা শাখার আয়োজনে গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।মুফতি রেজাউল করিম বলেন, বাংলাদেশের মানুষ সংগ্রাম করতে শিখেছে। অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে প্রয়োজনে জীবন দেওয়ার মানসিকতাও মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে। দেশে অশান্তির পরিস্থিতি তৈরি হলে জনগণ আবারও রুখে দাঁড়াবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তিনি বলেন, ইসলামের নীতি-আদর্শ ছাড়া অন্য কোনো নীতি-আদর্শে শান্তি আসেনি, ভবিষ্যতেও আসবে না। আরও  পড়ুন, ঢাকার দুই সিটিতে জামায়াত এনসিপি মুখোমুখিদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ নিয়ে জনগণকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি অন্যায়, অনিয়ম ও অশান্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।সমাবেশে রাজারহাট উপজেলার ভোটারদের উদ্দেশে চরমোনাই পীর বলেন, বিভিন্ন সময়ে জনগণ বিভিন্ন প্রার্থী ও দলকে ভোট দিয়েছে। এবার ইসলামের পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।পরে তিনজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর হাতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নির্বাচনী প্রতীক হাতপাখা তুলে দেন মুফতি রেজাউল করিম।সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাজারহাট উপজেলা শাখার আমির মাওলানা মো. আব্দুল ওয়াহেদ। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মী, সমর্থকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে উপস্থিত ছিলেন।

সারাবাংলা

রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে কালিয়াকৈরে অভিযান, উদ্ধার নকল সিগারেট ও তামাক

রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে কালিয়াকৈরে অভিযান, উদ্ধার নকল সিগারেট ও তামাক

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অভিযান চালিয়ে স্ট্যাম্প-ব্যান্ডরোলবিহীন নকল সিগারেট, প্রসেসড টোব্যাকো ও সিগারেট তৈরির কাঁচামাল অ্যাসিটেট টো উদ্ধার করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা। অভিযানে র‍্যাব-১ সদস্যরা সহায়তা করেন। এসব পণ্যের উৎপাদন, সরবরাহ ও সম্ভাব্য রাজস্ব ফাঁকির বিষয়টি তদন্ত করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।অবৈধ ও নকল সিগারেট উৎপাদনের অভিযোগ। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকায় অভিযান চালায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর—সিআইআইডি।অভিযানে উদ্ধার করা হয় লাকি স্ট্রাইক, ডার্বি ও রয়্যালস ব্র্যান্ডের নকল সিগারেট। পাশাপাশি পাওয়া যায় প্রসেসড টোব্যাকো এবং সিগারেট তৈরির গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল অ্যাসিটেট টো।অভিযানে বিশেষভাবে নজরে আসে উদ্ধার করা সিগারেটের প্যাকেট। কাস্টমস গোয়েন্দার দাবি, এসব প্যাকেটে কোনো রাজস্ব স্ট্যাম্প বা ব্যান্ডরোল পাওয়া যায়নি।ফলে অবৈধভাবে সিগারেট উৎপাদন ও বাজারজাত করে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়েছে কি না, তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।আরও  পড়ুন, কুমিল্লায় রাতভর মাদকবিরোধী অভিযান, গ্রেপ্তার ৫৬এর আগে কালিয়াকৈরের পাঁচগাছী এলাকায় শামস টোব্যাকোর বিরুদ্ধে ব্যান্ডরোলবিহীন বা নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করে সিগারেট উৎপাদন ও বাজারজাতের অভিযোগ ওঠে।তবে এবারের অভিযানে উদ্ধার হওয়া নকল সিগারেট, প্রসেসড টোব্যাকো ও অ্যাসিটেট টোর সঙ্গে শামস টোব্যাকোর সম্পৃক্ততা এখনো চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত হয়নি।কাস্টমস গোয়েন্দা বলছে, উদ্ধার করা পণ্যের উৎস, উৎপাদন ও সরবরাহ চেইন, কাঁচামাল সংগ্রহের উৎস এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।একই সঙ্গে সম্ভাব্য রাজস্ব ফাঁকির পরিমাণও যাচাই করা হবে।তদন্তে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা এবং রাজস্ব ফাঁকির প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।অর্থাৎ, নকল সিগারেট উদ্ধারের ঘটনায় এখন মূল প্রশ্ন—এসব পণ্য কোথায় তৈরি হয়েছে, কারা এর সঙ্গে জড়িত এবং এর মাধ্যমে কী পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা হয়েছে। তদন্ত শেষেই এসব প্রশ্নের উত্তর মিলবে।

কুমিল্লায় রাতভর মাদকবিরোধী অভিযান, গ্রেপ্তার ৫৬

কুমিল্লায় রাতভর মাদকবিরোধী অভিযান, গ্রেপ্তার ৫৬

কুমিল্লায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ইয়াবা ও বিয়ারসহ ৫৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জেলার বিভিন্ন স্থানে একযোগে ৪৯টি অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার হয়েছে প্রায় দেড় হাজার পিস ইয়াবা ও ২৪ বোতল বিয়ার।মাদকের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযান।রোববার রাতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে ৪৯টি বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ—ডিবি।অভিযানে উদ্ধার করা হয় ১ হাজার ৪৯৫ পিস ইয়াবা এবং ২৪ বোতল বিয়ার।এ সময় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীসহ মোট ৫৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে ১০ জন মাদক ব্যবসায়ী এবং ৪৬ জন মাদকসেবী।পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের পাশাপাশি মোবাইল কোর্ট ও বিচারিক আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।আরও  পড়ুন, পাঁচবিবিতে বিজিবির বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণজেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামানের নির্দেশে জেলার সব থানায় সমন্বিতভাবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।পুলিশ বলছে, যুবসমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষা করতেই এই অভিযান।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান জানিয়েছেন, মাদকের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে পুলিশ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।পাশাপাশি মাদক নির্মূলে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ।কুমিল্লা জেলা পুলিশ বলছে, মাদক নির্মূলে অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে মাদকের বিস্তার ঠেকাতে পরিবার ও সমাজের সবাইকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

পাঁচবিবিতে বিজিবির বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ

পাঁচবিবিতে বিজিবির বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ

দেশের সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এরই ধারাবাহিকতায় জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে সীমান্তবর্তী এলাকার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলার কয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। ২০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আয়োজনে এবং দিনাজপুর সেক্টর সদর দপ্তর, বিজিবির বাস্তবায়নে আয়োজিত ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি দিনাজপুর সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. ফয়সাল হাসান খান, বিজিবিএম, এমপিবিজিএম, পিএসসি।আরও  পড়ুন, টুঙ্গিপাড়ায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার বিক্রি ১৪ হাজার টাকা জরিমানাএ সময় উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাট ২০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী, পিবিজিএমএস, সহকারী পরিচালক মো. হুমায়ুন করিম, পিবিজিএমএসসহ বিজিবির অন্যান্য কর্মকর্তারা।ক্যাম্পে সীমান্তবর্তী এলাকার বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত এবং চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত ৭ শতাধিক স্থানীয় মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রোগীদের মধ্যে প্রয়োজনীয় ওষুধও বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।বিজিবি কর্মকর্তারা জানান, সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মানবিক সহায়তায় বিজিবি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

টুঙ্গিপাড়ায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার বিক্রি ১৪ হাজার টাকা জরিমানা

টুঙ্গিপাড়ায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার বিক্রি ১৪ হাজার টাকা জরিমানা

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় অস্বাস্থ্যকর ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশনের অভিযোগে দুটি রেস্টুরেন্টকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।সোমবার দুপুরে উপজেলার পাটগাতী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ দিদারুল আলম, সাথী সুইটস এর মালিক মো. হাসিব বিশ্বাস এবং মায়ের দোয়া বিরানি হাউস অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের মালিক মো. তুহিন হোসেনকে ৭ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।আরও  পড়ুন, গোপালগঞ্জে পাটক্ষেতের মধ্যে বৃদ্ধা নারীর লাশ উদ্ধার এতে দুই প্রতিষ্ঠানকে মোট ১৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন,২০০৯-এর ৫২ ধারায় তাদের বিরুদ্ধে এ অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এ সময় কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকির হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। জনসাধারণের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত খাবার নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক

ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার আশাবাদ ট্রাম্পের

ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার আশাবাদ ট্রাম্পের

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।তার ধারণা, আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটতে পারে। একই সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামও দ্রুত কমে আসবে বলে দাবি করেছেন তিনি।আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরান যতটা সম্ভব যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার চেষ্টা করছে। এর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে জটিল করে তোলার উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।ট্রাম্প বলেন, তাঁর মনে হচ্ছে খুব শিগগিরই যুদ্ধ শেষ হবে। এমনকি মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঠিক পরেই যুদ্ধ শেষ হওয়ার সম্ভাবনার কথাও জানান তিনি।মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ইরান যতটা সম্ভব টিকে থাকার চেষ্টা করছে। তবে মানুষ বিষয়টি বুঝতে পারছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।যুদ্ধের অবসান হলে জ্বালানি তেলের বাজারেও বড় পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন ট্রাম্প।আড়ও পড়ুন,মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলছে ১০ হাজার কর্মী যাবে শূন্য খরচে তাঁর দাবি, সংঘাত শেষ হলে তেলের দাম দ্রুত নিচের দিকে নেমে আসবে।তবে ইরান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো সময়সীমা নেই। এর আগে ট্রাম্প প্রশাসনের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা ইরানের সঙ্গে সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন।বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধ শুধু মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকেই প্রভাবিত করছে না, এর প্রভাব পড়ছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে তেল সরবরাহ ও পরিবহনব্যবস্থায় ঝুঁকি বাড়তে পারে। আর সংঘাতের অবসান হলে সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি এবং বাজারের ঝুঁকি কমার কারণে তেলের দাম কমার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।তবে নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরই যুদ্ধ শেষ হবে—ট্রাম্পের এই বক্তব্য এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি বা সমঝোতার ভিত্তিতে নয়। ফলে যুদ্ধ কবে এবং কীভাবে শেষ হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো রয়েছে।

১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানী

দাবানল সংসদের উদ্যোগে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প, সেবা পেলেন স্থানীয়রা

দাবানল সংসদের উদ্যোগে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প, সেবা পেলেন স্থানীয়রা

রাজধানীর রামপুরায় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনে আজ ১৪-০৯-২০২৬ রোজ সোমবার দাবানল সংসদের সার্বিক সহযোগিতায় চক্ষু  চিকিৎসা ক্যাম্প ২০২৬ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল দশটায় চিকিৎসা ক্যাম্প উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন দাবানল ক্লাবের সাধারণ  সম্পাদক অ্যাডভোকেট কাজী  শামীম হোসেন, দপ্তার সম্পাদক মোঃ মাসুদ মিয়া, জিয়া পরিষদ রামপুরা থানার প্রচার  সম্পাদক মিজানুর রহমান খান। আরও  পড়ুন, ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে ৫৪৭ গ্রেপ্তার, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সামাজিক সংস্কৃতিক ও ক্রিয়া সংগঠনটি বহু সামাজিক কার্যক্রমে জড়িত। সদস্যদের অর্থে পরিচালিত এই সংগঠনটির সাথে জড়িত সম্মানিত সভাপতি গাজী সাইফুল তারেক, আব্দুল্লাহ আল হিরা মিজান সকলের পরিশ্রমের ফসল দাবানল  কার্যক্রমে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, বৃক্ষরোপণ ও দোয়া মাহফিল, ক্রিয়া প্রতিযোগিতা, প্রতি রবিবার, সোমবার  চিকিৎসা দেওয়া হয়। আরো উপস্থিত ছিলেন,  কাজী সাব্বির ফয়সাল, মোহাইমেন রশিদ নেছার, হাসিব আহসান আন্টু, মোস্তফা রবি, মাহাবুল আলম তুহিন, জুয়েল খান।

১১ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

ভিএআর নাটক আর লাল কার্ডের ম্যাচে ইউনাইটেডকে হারাল সিটি

ভিএআর নাটক আর লাল কার্ডের ম্যাচে ইউনাইটেডকে হারাল সিটি

ভিএআর নাটক, লাল কার্ড আর উত্তেজনায় ভরা ম্যানচেস্টার ডার্বিতে শেষ হাসি হাসল ম্যানচেস্টার সিটি। ওল্ড ট্রাফোর্ডে স্বাগতিক ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ১-০ গোলে হারিয়েছে পেপ গার্দিওলার দল।ম্যাচের ২৩তম মিনিটে ঘটে বড় বিতর্ক। বল দখলের লড়াইয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেস ও সিটির ফিল ফোডেন মাটিতে পড়ে যান। ফোডেনকে সরাতে গিয়ে ফার্নান্দেস বল লাথি মারলে সেটি গিয়ে লাগে ফোডেনের পিঠে। ক্ষুব্ধ ফোডেন পাল্টা ফার্নান্দেসের পেটে লাথি মারেন।ঘটনাটি পর্যালোচনা করে সিটির ফোডেনকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি মাইকেল অলিভার। ফলে ম্যাচের বড় একটা সময় ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় সিটিকে।তবে একজন কম নিয়েও ম্যাচের ৬০তম মিনিটে এগিয়ে যায় সফরকারীরা। আরও  পড়ুন, অভিষেকের ঝড়ে আফগানিস্তানকে উড়িয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভারতের দুর্দান্ত শুরুজোসকো গাভার্দিওলের দিক পরিবর্তন করা ক্রস থেকে পেছনের পোস্টে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোল করেন আর্লিং হালান্ড।প্রথমে অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করা হলেও দীর্ঘ ভিএআর পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত বদলে যায়। রিপ্লেতে দেখা যায়, ইউনাইটেডের প্যাট্রিক ডরগুর কারণে অল্পের জন্য অনসাইডে ছিলেন হালান্ড।গোল হজমের পর শেষ দিকে মরিয়া হয়ে আক্রমণে ওঠে ইউনাইটেড। কিন্তু সিটির রক্ষণ ভাঙতে পারেনি স্বাগতিকরা।শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ম্যানচেস্টার সিটি। এই জয়ে চার ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে তারা। অন্যদিকে চার ম্যাচে এক ড্র ও দুই হারে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ১৩তম স্থানে রয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর