দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

শীতের আগমনী বার্তা, প্রস্তুত হচ্ছে যশোরের ঐতিহ্যবাহী খেজুরের রস ও গুড়

শীতের আগমনী বার্তা, প্রস্তুত হচ্ছে যশোরের ঐতিহ্যবাহী খেজুরের রস ও গুড়

শীতের হিমেল হাওয়া আর ভোরের কুয়াশার অপেক্ষায় বৃহত্তর যশোরের গাছিরা, রস সংগ্রহ ও খেজুরের গুড় তৈরির প্রস্তুতিতে ব্যস্ত হয়ে উঠবে গ্রামবাংলা। শীত আসতে আর বেশি দেরি নেই। প্রকৃতিতে বইতে শুরু করেছে শীতের আগমনী বার্তা। আর শীতের কথা মনে এলেই বাঙালির মনে ভেসে ওঠে খেজুরের রস, টাটকা পাটালি গুড়, ঝোলা গুড় আর খেজুরের গুড় দিয়ে তৈরি নানা রকম পিঠাপুলির ছবি। বিশেষ করে বৃহত্তর যশোর অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী খেজুরের রস ও গুড়ের স্বাদ যেন শীতের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দেয়। শীতের মৌসুমে বৃহত্তর যশোরের গ্রামাঞ্চলে খেজুরগাছকে ঘিরে শুরু হয় এক চিরচেনা কর্মযজ্ঞ। গাছিরা খেজুরগাছের পরিচর্যা, গাছের মাথা পরিষ্কার করা এবং রস সংগ্রহের উপযোগী করে তোলার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। সন্ধ্যার পর গাছের সঙ্গে বাঁধা হয় মাটির হাঁড়ি, আর রাতভর সেই হাঁড়িতে জমতে থাকে মিষ্টি রস।ভোরের আলো ফোটার আগেই গাছিরা গাছ থেকে হাঁড়ি নামিয়ে সংগ্রহ করেন টাটকা খেজুরের রস। গ্রামের পথ ধরে রস নিয়ে ফেরার সেই দৃশ্য শীতের গ্রামীণ জীবনের এক অনন্য সৌন্দর্য। কোথাও রস পান করার ধুম, কোথাও আবার রস জ্বাল দিয়ে তৈরি হচ্ছে সুস্বাদু গুড়।বৃহত্তর যশোর অঞ্চলের খেজুরের গুড়ের রয়েছে দীর্ঘদিনের সুনাম। ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে খেজুরের রস জ্বাল দিয়ে তৈরি করা হয় নানা ধরনের গুড়। এর মধ্যে পাটালি গুড়, ঝোলা গুড় ও দানাদার গুড়ের কদর রয়েছে মানুষের কাছে। রস জ্বাল দেওয়ার সময় ছড়িয়ে পড়া মিষ্টি সুবাস যেন শীতের গ্রামের পরিবেশকে অন্য রকম মায়ায় ভরিয়ে তোলে।আরোও পড়ুন,মব আতঙ্ক ও আইনশৃঙ্খলার চ্যালেঞ্জএই গুড় শুধু একটি খাদ্যপণ্য নয়; এটি এ অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা, লোকজ সংস্কৃতি ও গ্রামীণ ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শীতের সকালে খেজুরের রস, আর পিঠা-পায়েসে খেজুরের গুড়—এ যেন বাঙালির চিরন্তন শীতকালীন উৎসব। শীতের সঙ্গে বাঙালির পিঠাপুলির সম্পর্ক বহু পুরোনো। খেজুরের গুড় দিয়ে তৈরি ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, পাটিসাপটা, পায়েস ও ক্ষীরের স্বাদে মুগ্ধ হন সব বয়সের মানুষ। শহরে বসবাস করা অনেক মানুষও শীতের শুরুতে গ্রামের বাড়ির খাঁটি খেজুরের গুড়ের জন্য অপেক্ষা করেন। এ সময় বাজারে খেজুরের গুড়ের চাহিদা বাড়ে। ফলে গাছি ও গুড় প্রস্তুতকারকদের জন্য এটি হয়ে ওঠে বাড়তি আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ মৌসুম। তবে ভেজালমুক্ত ও নিরাপদ গুড় নিশ্চিত করতে উৎপাদক ও ক্রেতা—উভয়কেই সচেতন থাকতে হবে। খেজুরের রস সংগ্রহ ও গুড় তৈরি করা সহজ কাজ নয়। প্রচণ্ড ঠান্ডায় ভোরে উঠে কাজ করা, গাছে ওঠা, রস সংগ্রহ এবং দীর্ঘ সময় ধরে চুলায় রস জ্বাল দেওয়ার প্রতিটি ধাপেই রয়েছে শ্রম ও দক্ষতা। এই পেশার সঙ্গে জড়িয়ে আছে বহু পরিবারের জীবিকা। তাই বৃহত্তর যশোরের ঐতিহ্যবাহী খেজুরের রস ও গুড়ের সুনাম ধরে রাখতে গাছিদের যথাযথ মূল্য দেওয়া, নিরাপদ উৎপাদনব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং খেজুরগাছ সংরক্ষণ করা জরুরি। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কাছে এই লোকজ ঐতিহ্য তুলে ধরাও সময়ের দাবি।

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

পরিবেশ রক্ষায় দায়িত্বের বাইরে কাজের আহ্বান তারেক রহমানের

পরিবেশ ও বন রক্ষায় জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তাদের নির্ধারিত দায়িত্বের বাইরেও উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার নির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশের মাতৃগাছ চিহ্নিত করে সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার ১৫ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও বাস্তবায়নবিষয়ক সভায় এসব নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। সভায় গাছ লাগানোর পর নিয়মিত পরিচর্যা নিশ্চিত করা এবং রোপণ করা চারাগুলোর বেঁচে থাকার বিষয়টি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামে বনায়ন বাড়ানোর উপায় বের করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন,পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুর রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সফরে তারেক রহমানপূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুর রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সফরে তারেক রহমানঅন্য মন্ত্রণালয়গুলো নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম গাছ লাগালে সেই ঘাটতি পূরণে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগ নেওয়ার সিদ্ধান্তও হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রকৃতির মাঝে সময় কাটানোর উপযোগী জায়গা দেশে আরও বাড়াতে হবে। এ জন্য ছাদবাগান, স্কুলবাগানসহ বিভিন্ন ভবনে বাগান তৈরিতে মানুষকে উৎসাহিত করতে হবে। পরিবেশ রক্ষায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা বাড়ানো জরুরি বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরগুলোর তালিকায় প্রথম বা দ্বিতীয় অবস্থানে থাকছে। এ পরিস্থিতি দেশের জন্য লজ্জার বিষয়। দূষণ কমাতে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব নিতে হবে। সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করেই থেমে থাকা উচিত নয়। দেশের মানুষের কল্যাণে প্রত্যেকের নিজস্ব সক্ষমতা অনুযায়ী আরও উদ্যোগী হওয়া প্রয়োজন। পরিবেশের অবনতি হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হবে উল্লেখ করে তিনি সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। বৈঠকে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, পরিকল্পনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে এর সুফল পাবে দেশের মানুষ। এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুর রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সফরে তারেক রহমান

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে আগামী ২০ অক্টোবর চট্টগ্রাম সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরসূচি অনুযায়ী, চট্টগ্রাম নগরের রহমতগঞ্জের জে এম সেন হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন তিনি। বৃহস্পতিবার ১৫ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রটোকল অফিসার-১ মো. উজ্জ্বল হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম। সফরসূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় জে এম সেন হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি। আরও পড়ুন,ঢাকা থেকে দাম্মাম ও রিয়াদগামী সব ফ্লাইট রোববার পর্যন্ত স্থগিতপূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে কিছুক্ষণ বিরতির পর সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি। রাত ৮টা ৩০ মিনিটে বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করার কথা রয়েছে তাঁর। চট্টগ্রাম সফরের আগে প্রধানমন্ত্রী রংপুর ও রাজশাহী সফর করবেন। কর্মসূচি অনুযায়ী, সকালে রংপুরের রাধা গোবিন্দ মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন তিনি। এরপর দুপুরে রাজশাহী ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের কথা রয়েছে। পরে বিকেলে রাজশাহীতে একটি জনসভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের কর্মসূচি রাখা হয়েছে। রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সফরের মধ্য দিয়ে পূজার উৎসবে ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি।

ঢাকা থেকে দাম্মাম ও রিয়াদগামী সব ফ্লাইট রোববার পর্যন্ত স্থগিত

সৌদি আরবের বিমানবন্দরে হামলার পরিপ্রেক্ষিতে যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ঢাকা থেকে দাম্মাম ও রিয়াদগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সব ফ্লাইট আগামী রোববার (১৮ অক্টোবর) পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থগিত ফ্লাইটগুলোর বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত ও নতুন সময়সূচি পরবর্তী সময়ে গণমাধ্যম এবং সংশ্লিষ্ট যাত্রীদের জানিয়ে দেওয়া হবে।তবে জরুরি প্রয়োজনে যাত্রীরা সৌদি আরবের জেদ্দা ও মদিনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করে যাতায়াত করতে পারবেন। যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ সামলাতে মদিনা রুটে উড়োজাহাজের সক্ষমতাও বাড়ানো হয়েছে।আরও  পড়ুন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে নতুন সুযোগ, বিনা খরচে নেওয়া হবে ১০ হাজার কর্মীবিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মদিনা রুটে বোয়িং ৭৮৭-এর পরিবর্তে বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ পরিচালনা করা হচ্ছে। এতে প্রতি ফ্লাইটে অতিরিক্ত ১৪৮টি আসন যুক্ত হয়েছে। পাশাপাশি জেদ্দা রুটে আরও তিনটি অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এদিকে ফ্লাইট স্থগিত হওয়ায় যাত্রীদের ভ্রমণ পরিকল্পনায় পরিবর্তন আসতে পারে। তাই যাত্রার আগে সংশ্লিষ্ট ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা ও সময়সূচি জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।টিকিট, ফ্লাইটের সময়সূচি ও ভ্রমণসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের জন্য যাত্রীদের নিকটস্থ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সেলস সেন্টারে যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে নতুন সুযোগ, বিনা খরচে নেওয়া হবে ১০ হাজার কর্মী

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। দেশটিতে ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী সম্পূর্ণ বিনা খরচে নেওয়ার বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে মালয়েশিয়া। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।মন্ত্রণালয় জানায়, মালয়েশিয়া বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার। দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী দেশটিতে কাজ করছেন। বন্ধ ও সীমিত হয়ে যাওয়া বৈদেশিক শ্রমবাজার পুনরায় চালু ও সম্প্রসারণের উদ্যোগের অংশ হিসেবে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত যোগ্যতার ভিত্তিতে বাংলাদেশের ৩৩৮টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে তালিকাভুক্ত করতে সম্মত হয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল), ২৫টি বেসরকারি প্রসেসিং বা সার্ভিস এজেন্সি এবং ৩১২টি রিক্রুটিং এজেন্সি।তালিকাভুক্ত এজেন্সিগুলো নিজেদের উদ্যোগে মালয়েশিয়ায় নিয়োগকর্তা খুঁজে বের করা, চাকরির চাহিদাপত্র সংগ্রহ এবং বাংলাদেশ থেকে কর্মী নির্বাচন করে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।আরও  পড়ুন, ভ্যাট রিটার্ন জমার সময় ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়াল এনবিআরনিয়োগকর্তার চাহিদা অনুযায়ী কর্মী নির্বাচনের পর কলিং ভিসা, ই-ভিসাসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় বোয়েসেল ও তালিকাভুক্ত ২৫টি প্রসেসিং বা সার্ভিস এজেন্সি সহায়তা করবে।মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচন ও তালিকাভুক্ত করার বিধান রয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ৪২৩টি এজেন্সির তালিকা মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে দুই দেশের ধারাবাহিক আলোচনার ভিত্তিতে এজেন্সি তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া এগিয়েছে।সরকার জানিয়েছে, কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় কমানো এবং নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। অনুমোদিত এজেন্সিগুলো নিজস্ব লাইসেন্সের অধীনে কর্মীদের জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) ছাড়পত্র নিতে পারবে। এ ক্ষেত্রে বোয়েসেল ও ২৫টি প্রসেসিং বা সার্ভিস এজেন্সি প্রয়োজনীয় অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দিতে পারবে।মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারের তালিকা চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া এখনো চলমান। দুই দেশের সমঝোতা অনুযায়ী এ তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য, মানবসম্পদ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যৌথ প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে সরেজমিন পরিদর্শনের পর নতুন তালিকার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার কথা রয়েছে।

রাজনীতিরাজনীতি

সারসংকট নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে জামায়াতের অভিযোগ

সারসংকট নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে জামায়াতের অভিযোগ

সার বিতরণ ও ডিলার নিয়োগে দুর্নীতি, অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি এবং রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির অভিযোগ, অর্থের বিনিময়ে ডিলার নিয়োগ এবং দলীয় বিবেচনায় তালিকা তৈরির কারণে সার বিতরণব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার ১৫ অক্টোবর বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সারসংকট ও ডিলার নিয়োগে অনিয়মের প্রতিবাদে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে সার ডিলার নিয়োগে দলীয়করণ করা হয়েছে। এর প্রভাব পড়ছে কৃষি খাত ও সাধারণ মানুষের ওপর। তাঁর দাবি, সরকারের অব্যবস্থাপনা, স্বজনপ্রীতি, কালোবাজারে সার বিক্রি এবং চোরাচালানের কারণে দেশে সারসংকট তৈরি হয়েছে। গোলাম পরওয়ার আরও অভিযোগ করেন, কিছু এলাকায় রাজনৈতিক দলের প্যাডে দেওয়া তালিকা অনুসারে ডিলার নিয়োগ করা হয়েছে।আরও পড়ুন,পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুর রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সফরে তারেক রহমানদিনাজপুর ও রংপুরের বদরগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় অর্থের বিনিময়ে ডিলারশিপ দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাঁর দাবি, কোথাও একই পরিবারের একাধিক সদস্য ডিলারশিপ পেয়েছেন, আবার কোথাও সারের ব্যবসার পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ভুয়া গুদাম ও চুক্তিনামা ব্যবহারের অভিযোগও তুলে ধরেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে সার ডিলার নিয়োগ ও বিতরণব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ছয় দফা দাবি জানায় জামায়াত। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, অনিয়ম ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, ডিলার নিয়োগের যোগ্যতার মানদণ্ড ও তালিকা তৈরির প্রক্রিয়া প্রকাশ করা এবং তদন্তের অগ্রগতি জনগণকে জানানো। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণের ভিত্তিতে যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়। মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, সারসংকট নিয়ে সরকার অসংগতিপূর্ণ তথ্য দিচ্ছে এবং ব্যর্থতা আড়াল করতে অন্যের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছে। এ পরিস্থিতিতে দুর্নীতি ও দলীয়করণের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এদিকে সংবাদ সম্মেলনে সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গেও বক্তব্য দেন জামায়াতের এই নেতা। তিনি বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং অনুমোদিত আইনি কাঠামো অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের মাধ্যমে সংস্কার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে হবে। আগামী সংসদ অধিবেশনে সরকার বিরোধী দলকে সঙ্গে নিয়ে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় বিএনপির পর্যবেক্ষণ কমিটি

দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় বিএনপির পর্যবেক্ষণ কমিটি

রাজনৈতিক অঙ্গনকে অস্থিতিশীল করতে নানা ষড়যন্ত্র চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। বিরোধী দলগুলোর লং মার্চ কর্মসূচি নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের সমাধান কোথা থেকে হবে, সে বিষয়ে বিরোধী দলগুলোকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে নবাবগঞ্জের দোহারে জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন রিজভী। বিরোধী দলের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। তাই বিরোধী দল কথা বলতে পারে এবং লং মার্চের মতো কর্মসূচিও পালন করতে পারে। তবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি কোথা থেকে পাওয়া যাবে, সেই প্রশ্নের উত্তরও তাদের দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। রিজভী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সরকার একদিকে যেমন জ্বালানির বিকল্প উৎস খুঁজছে,আরও পড়ুন,হাসপাতাল থেকে ছিনিয়ে হত্যা জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিঅন্যদিকে এ খাতে বাজেটের বরাদ্দের বাইরে অতিরিক্ত ৪০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে বলে দাবি করেন তিনি। বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের ১৭ বছরে রাজনৈতিক আন্দোলনে অংশ নেওয়া অনেক মানুষ গুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। অনেকে প্রাণ হারিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সময়ে শিক্ষাঙ্গনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে হতাশা ও নৈরাজ্য তৈরি হয়েছিল। শিক্ষার প্রকৃত মান ও শিক্ষার্থীদের প্রতিযোগিতার মানসিকতাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। রিজভী বলেন, ৫ আগস্টের পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন করে প্রত্যাশা ও প্রতিযোগিতার মনোভাব তৈরি হয়েছে। মেধা ও অর্জিত শিক্ষার যথাযথ মূল্যায়নের পরিবেশ গড়ে উঠছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এদিকে আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দুধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিএনপি পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠন করেছে বলে জানান রিজভী। তিনি বলেন, ধর্মীয় উৎসবে যাতে কোনো ধরনের ভয়ভীতি তৈরি না হয়, সে বিষয়ে দলটি সতর্ক থাকবে। নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করবেন বলেও জানান তিনি।

হাসপাতাল থেকে ছিনিয়ে হত্যা জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি

হাসপাতাল থেকে ছিনিয়ে হত্যা জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি

সাতক্ষীরার দেবহাটায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ওয়াহিদুজ্জামান শামীম নামে এক যুবককে হাসপাতাল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও মানবাধিকার সংস্থা। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানোর পাশাপাশি দায়িত্ব পালনে প্রশাসনের কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্তের আহ্বান জানানো হয়েছে। ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার বিকেল ও রাতে দেবহাটায় দুই দফায় মারধরের শিকার হন শামীম। প্রথম দফায় পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, রাতে হামলাকারীরা হাসপাতাল থেকে তাঁকে ছিনিয়ে নিয়ে আবারও মারধর করে। পরে তাঁর মৃত্যু হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন একজন আহত ব্যক্তিকে কীভাবে আবার হামলার শিকার হতে হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিভিন্ন সংগঠন। বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বিবৃতিতে জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি বলেছে, ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে গণপিটুনি এবং পুলিশ উদ্ধার করার পর হাসপাতাল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে হত্যার ঘটনা আইনের শাসন ও নাগরিকের নিরাপত্তার জন্য গুরুতর উদ্বেগের বিষয়। দলটি প্রশ্ন তুলেছে, হাসপাতালেও যদি আহত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হয়, তাহলে সাধারণ নাগরিকের নিরাপত্তা কোথায়? আরও পড়ুন,চিকিৎসা শেষে মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাসএনসিপি আরও বলেছে, অভিযোগ সত্য হোক বা মিথ্যা, আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কাউকে শাস্তি দেওয়ার অধিকার কারও নেই। নিহত ব্যক্তি মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে করা দাবি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অডিওর সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করার আহ্বান জানিয়েছে দলটি। পাশাপাশি জড়িতদের গ্রেপ্তার, হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যর্থতার জবাবদিহি এবং নিহতের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে তারা। গণসংহতি আন্দোলনও ঘটনাটিকে চরম বর্বরতা হিসেবে উল্লেখ করে নিন্দা জানিয়েছে। দলটির নেতারা বলেছেন, চিকিৎসাধীন একজন মানুষকে হাসপাতাল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে হত্যার ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁরা পুলিশের ভূমিকা এবং হাসপাতালের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে তদন্ত করে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। এদিকে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি—এইচআরএসএস বলেছে, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ উঠলে তার বিচার করার দায়িত্ব আদালত ও আইনানুগ কর্তৃপক্ষের। গণপিটুনি দিয়ে কাউকে হত্যা করার অধিকার কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নেই। সংগঠনটি দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা এবং নিহতের পরিবারকে নিরাপত্তা ও আইনি সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

চিকিৎসা শেষে মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস

চিকিৎসা শেষে মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস

চিকিৎসা শেষে প্রায় এক মাস পর মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস। বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী আফরোজা আব্বাস ও ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাস।মির্জা আব্বাসের সহকারী একান্ত সচিব মিজানুর রহমান সোহেল গণমাধ্যমকে তাঁর দেশে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন মির্জা আব্বাস এবং বর্তমানে তিনি অনেকটাই সুস্থ।এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর ফলোআপ চিকিৎসার জন্য মালয়েশিয়া যান মির্জা আব্বাস।আরও  পড়ুন, নাগরিক সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার নির্দেশসেখানে প্রিন্স কোর্ট মেডিক্যাল সেন্টারে তাঁর চিকিৎসা চলে। এরও আগে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় দীর্ঘ প্রায় পাঁচ মাস চিকিৎসা শেষে গত ২ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরেছিলেন তিনি।উল্লেখ্য, গত ১১ মার্চ ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারালে মির্জা আব্বাসকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকেরা জানান, তাঁর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে। পরে সেখানে তাঁর মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়।পরবর্তী সময়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ মার্চ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাঁকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে প্রায় দেড় মাস চিকিৎসা নেওয়ার পর তাঁকে মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।দীর্ঘ চিকিৎসা ও ফলোআপ শেষে দেশে ফেরায় তাঁর শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বিএনপির নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

সারাবাংলা

গোপালগঞ্জে একমাস ধরে বন্ধ ব্রিজের নির্মাণকাজ, ভোগান্তিতে নগরবাসী

গোপালগঞ্জে একমাস ধরে বন্ধ ব্রিজের নির্মাণকাজ, ভোগান্তিতে নগরবাসী

গোপালগঞ্জ জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ পাচুড়িয়া খাল ব্রিজের নির্মাণকাজ প্রায় এক মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চালকেরা। বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত বেইলি ব্রিজ দিয়ে যান চলাচল অব্যাহত থাকায় এর নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রিজটির নির্মাণকাজের দায়িত্বে রয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মাসুদ হাইটেক। নির্মাণস্থলে থাকা প্রতিষ্ঠানের এক ব্যক্তির দাবি, কাজের বিপরীতে দুটি বিল জমা দেওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে টাকা পরিশোধ করা হয়নি। এ কারণে নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। তবে বিলের পরিমাণ ও পরিশোধে বিলম্বের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মুঠোফোনে জানান, অতিরিক্ত পানির চাপে বর্তমানে নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবরও খোঁজখবর নিয়েছেন। আগামী পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে কাজ শুরু করা হবে বলে জানান তিনি। আরও পড়ুন,সোনারগাঁয়ে ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল জব্দতবে নির্মাণকাজ বন্ধের কারণ নিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বক্তব্যে অমিল পাওয়া গেছে। প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা সওজের উপসহকারী প্রকৌশলী (এসও) সুমন কর্মকারের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। ওয়েবসাইটে দেওয়া নম্বরটিও খোলা পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে। এদিকে, ব্রিজের নির্মাণকাজ বন্ধ থাকায় বিকল্প বেইলি ব্রিজ দিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। এতে প্রতিদিনের যাতায়াতে ভোগান্তির পাশাপাশি ব্রিজটির নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। যদিও এর কাঠামোগত অবস্থা সম্পর্কে প্রকৌশলগত পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। স্থানীয়দের দাবি, নির্মাণকাজ বন্ধ থাকার প্রকৃত কারণ প্রকাশ, বিল পরিশোধের বিষয়টি পরিষ্কার করা এবং দ্রুত কাজ পুনরায় শুরু করতে হবে। পাশাপাশি বেইলি ব্রিজের নিরাপত্তা পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা। গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রিজের নির্মাণকাজ কবে শেষ হবে, তা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে। জনদুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে—এমন প্রত্যাশা গোপালগঞ্জবাসীর।

সোনারগাঁয়ে ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল জব্দ

সোনারগাঁয়ে ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল জব্দ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মা ইলিশের প্রজনন সুরক্ষা ও ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিচালিত অভিযানে ১ লাখ ২৫ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। এ সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় ৫ কেজি ইলিশ মাছ উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধার করা মাছ স্থানীয় একটি এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার বৈদ্যেরবাজার সংলগ্ন মেঘনা নদীতে ‘ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৬’-এর অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এবং নৌ পুলিশের সহযোগিতায় অভিযানটি চালানো হয়।উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)আরও পড়ুন,কসবায় ‘মহানগর প্রভাতী’র নতুন যাত্রাবিরতি: স্টেশনে উৎসুক জনতার ঢল মো. মামুন সরকার ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তারের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে নদী থেকে অবৈধ কারেন্ট জালগুলো জব্দ করা হয়। পরে জনসম্মুখে জব্দ করা জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।অভিযান সম্পর্কে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মামুন সরকার বলেন, জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষা এবং মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর অবস্থান বজায় রাখা হয়েছে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ যাতে নদীতে জাল ফেলতে না পারে, সে লক্ষ্যে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, ইলিশের বংশবৃদ্ধি নিশ্চিত করা গেলে এর সুফল স্থানীয় জেলেসহ দেশের সর্বস্তরের মানুষ পাবেন। তাই মা ইলিশ সংরক্ষণে সবাইকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি অবৈধভাবে মাছ শিকারের তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।

কসবায় ‘মহানগর প্রভাতী’র নতুন যাত্রাবিরতি: স্টেশনে উৎসুক জনতার ঢল

কসবায় ‘মহানগর প্রভাতী’র নতুন যাত্রাবিরতি: স্টেশনে উৎসুক জনতার ঢল

কসবাবাসীর দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষিত দাবির প্রতিফলন ঘটিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা রেলওয়ে স্টেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো আন্তঃনগর ‘মহানগর প্রভাতী’ ট্রেনের যাত্রাবিরতি। কাঙ্ক্ষিত এই ট্রেনের যাত্রাবিরতিকে ঘিরে কসবা স্টেশনে নেমেছিল উৎসুক জনতার ঢল। ফুল ছিটিয়ে ও উৎসবমুখর পরিবেশে ট্রেনটিকে বরণ করে উৎসুক জনতা। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে কসবা রেলওয়ে স্টেশনে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত ট্রেনের যাত্রাবিরতি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং কসবা-আখাউড়া আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান। তিনি নিজেই এই ট্রেনে চড়ে কসবা স্টেশনে এসে পৌঁছান এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নামেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংসদ মুশফিকুর রহমান বলেন, "বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হলো শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ ও বেকার সমস্যা দূরীকরণ। বেকারত্ব দূর করতে হলে আমাদের বেশি বেশি শিল্প-কারখানা গড়ে তুলতে হবে। গত ১৭ বছরে আমরা কীভাবে লাঞ্চনার শিকার হয়েছি, তার বড় প্রমাণ আমাদের রাস্তাঘাট, রেল যোগাযোগ ও স্বাস্থ্য খাতের বেহাল দশা। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার উন্নয়নের নামে অর্থ এনে কাজ না করে আত্মসাৎ করেছে।" তিনি বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ তরুণদের সতর্ক করে বলেন, "আমাদের সময় যেন উন্নয়নকাজে কোনো ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়ম না হয়, সে বিষয়ে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। আরও পড়ুন,আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের এআই প্রযুক্তিতে দক্ষ হতে হবে: সাঈদ আল নোমানতরুণ সমাজকে ভালো হতে হবে এবং মাদক থেকে শতভাগ দূরে থাকতে হবে। কারণ আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি ঘোষণা করেছেন। মাদকের সঙ্গে জড়িতদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। কসবাবাসীর এই অর্জনে আনন্দ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, "আজ থেকে মহানগর প্রভাতী ট্রেনের যাত্রাবিরতি শুরু হলো, যা কসবাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি ছিল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও রেলমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিকতায় এটি সম্ভব হয়েছে। আগামীতে সকলের সহযোগিতায় 'মহানগর গোধূলী' ট্রেনের যাত্রাবিরতিও কার্যকর করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করছি।" জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মুহাম্মদ ইলিয়াসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কসবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ছামিউল ইসলাম, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলীয় বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান এবং বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা ফারহান মাসুদ। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লায়ন নাজমুল হুদা খন্দকার, জেলা কৃষক দলের সাবেক সহ-সভাপতি নাছির উদ্দীন হাজারী, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ইকলিল আযম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামাল উদ্দিন, সাবেক পৌর সভাপতি আশরাফ আলী, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাসুদুল হক দিপু, সদস্য সচিব জিয়াউল হুদা শিপন, সাবেক ছাত্রদল সভাপতি মেহেদী হাসান রুবেল এবং যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান বাবুসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের এআই প্রযুক্তিতে দক্ষ হতে হবে: সাঈদ আল নোমান

আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের এআই প্রযুক্তিতে দক্ষ হতে হবে: সাঈদ আল নোমান

প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বব্যবস্থায় নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের প্রচলিত পাঠ্যশিক্ষার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান। তিনি বলেছেন, একবিংশ শতাব্দীর বহুমুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাই যথেষ্ট নয়; শিক্ষার্থীদের আধুনিক প্রযুক্তিজ্ঞান, সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক চর্চার সমন্বয়ে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।বুধবার (১৪ অক্টোবর) চট্টগ্রাম নগরীর ঐতিহ্যবাহী প্রবর্তক স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা এবং অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ইন্দু নন্দন দত্তের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাঈদ আল নোমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক। যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করতে হলে শিক্ষার প্রচলিত কাঠামোর পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে তাদের পরিচিত ও দক্ষ করে তুলতে হবে।তিনি আরও বলেন, একটি সমৃদ্ধ ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের পাশাপাশি সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সম্মিলিত আন্তরিকতা এবং দায়িত্বশীল ভূমিকার কোনো বিকল্প নেই। আগামী দিনের প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে নতুন প্রজন্মকে এখন থেকেই যথাযথভাবে প্রস্তুত করতে হবে।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, আরও  পড়ুন, কসবায় উৎসব মুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হবেচট্টগ্রামের সচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ জহিরুল হক স্বপন এবং প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদের সদস্য অধ্যাপক রীতা দত্ত ও সালাহ্ উদ্দীন মোহাম্মদ রেজা।অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আয়োজনের আহ্বায়ক ও প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র শিক্ষক দীপন কান্তি দাশ। তিনি বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার সার্বিক আয়োজনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সুচিত্রা চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে প্রধান অতিথির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির সার্বিক অগ্রগতি, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।এদিকে আনুষ্ঠানিক আলোচনা পর্বের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা পুরো আয়োজনকে ভিন্নমাত্রা দেয়। প্রবর্তক সংঘের গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে উপজীব্য করে জারি গান পরিবেশন করে প্রতিষ্ঠানের সাংস্কৃতিক দল। দেশাত্মবোধক গানের সঙ্গে দলীয় নৃত্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা নিজেদের সৃজনশীল প্রতিভার প্রকাশ ঘটায়।এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের সাবেক অধ্যক্ষ মনোজ কুমার দেবের রচনা ও সুরে প্রবর্তকের ইতিহাস-ঐতিহ্যনির্ভর পরিবেশনা এবং শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত আবৃত্তি অনুষ্ঠানে বিশেষ মাত্রা যোগ করে। পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন প্রতিষ্ঠানের প্রভাষক মুক্তা দত্ত ও সিনিয়র শিক্ষক সীমা রানী দেব। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও আমন্ত্রিত অতিথিদের অংশগ্রহণে প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার বিভিন্ন বিভাগে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি সাঈদ আল নোমান। শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক প্রতিভার বিকাশের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরার মধ্য দিয়ে প্রবর্তক স্কুল অ্যান্ড কলেজের এ আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।

আন্তর্জাতিক

ইরানের ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় মোয়াবের কার্যকারিতা নিয়ে সংশয়

ইরানের ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় মোয়াবের কার্যকারিতা নিয়ে সংশয়

ইরানের বিরুদ্ধে আবারও সামরিক অভিযান শুরু হলে দেশটিতে ‘মাদার অব অল বোম্বস’ নামে পরিচিত শক্তিশালী অ-পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের বরাতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তবে এই বোমা দিয়ে ইরানের ভূগর্ভস্থ পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের। প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জিবিইউ-৪৩/বি ম্যাসিভ অর্ডন্যান্স এয়ার ব্লাস্ট বা মোয়াব বোমা ব্যবহারের সম্ভাব্য পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। এ বিষয়ে অবগত কয়েকজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। মোয়াব যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম শক্তিশালী অ-পারমাণবিক বোমা। এটি বিশাল এলাকাজুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে সক্ষম। তবে ভূগর্ভের অনেক গভীরে অবস্থিত স্থাপনা ধ্বংস করার জন্য বোমাটি বিশেষভাবে তৈরি করা হয়নি। ফলে ইরানের সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ পরমাণু স্থাপনাগুলোতে এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। আরও পড়ুন,মদিনায় ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের দাবি সৌদি জোটেরপ্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে সংঘাতের সূচনা হয়। এরপর যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চললেও গ্রীষ্মকাল থেকে আলোচনা কার্যত অচলাবস্থায় রয়েছে। এদিকে আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিভিন্ন জনমত জরিপে ইরান যুদ্ধ নিয়ে অসন্তোষের পাশাপাশি জ্বালানিসহ বিভিন্ন পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি উঠে এসেছে। এসব পরিস্থিতি ট্রাম্পের রিপাবলিকান দলের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।মোয়াব বোমার সম্ভাব্য ব্যবহার নিয়ে বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কাও রয়েছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ওয়াশিংটন সামরিক তৎপরতার পরিবর্তে অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের দিকে বেশি মনোযোগ দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের কাছে মন্তব্য চেয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে আফগানিস্তানে ইসলামিক স্টেটের অবস্থান লক্ষ্য করে প্রথমবারের মতো মোয়াব বোমা ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। সে সময় সুড়ঙ্গ ও বাংকারের জটিল নেটওয়ার্কে হামলায় ৯০ জনের বেশি যোদ্ধা নিহত হয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ইরানে এই বোমা ব্যবহারের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ এবং কূটনৈতিক পরিস্থিতির পরবর্তী অগ্রগতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নজর রয়েছে।

৫ ঘন্টা আগে

রাজধানী

উত্তরা আজমপুরে পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজটে ভোগান্তি

উত্তরা আজমপুরে পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজটে ভোগান্তি

বকেয়া বেতন পরিশোধ, মজুরি বৃদ্ধি ও অন্যান্য দাবি আদায়ের লক্ষ্যে রাজধানীর উত্তরার আজমপুর এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচির কারণে আশপাশের সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে অফিসগামী মানুষসহ সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।বৃহস্পতিবার উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. রেজাউল করিম জানান, আজমপুর এলাকায় ছয় থেকে সাতটি কারখানার শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।আন্দোলনরত শ্রমিকদের অভিযোগ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন দামের কারণে বর্তমান বেতনে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে বকেয়া বেতন পরিশোধ না হওয়ায় তাঁরা আর্থিক সংকটে পড়েছেন। দাবি আদায়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেও কার্যকর সমাধান না পাওয়ায় তাঁরা সড়কে নামতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান।আরও পড়ুন, চলতি মাসে এমআরটি লাইন-১-এর চার স্টেশনে ইউটিলিটি স্থানান্তর শুরুপরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে শিল্প পুলিশ ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে। শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে অবরোধ প্রত্যাহার এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। তবে সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শ্রমিকরা সড়কে অবস্থান করছিলেন।এদিকে, গত বুধবার দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর বিমানবন্দর গোলচত্বর এলাকায় পোশাকশ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবি জানান। ধারাবাহিক এসব শ্রমিক আন্দোলনের কারণে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ ও মজুরি-সংক্রান্ত দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগের পাশাপাশি জনদুর্ভোগ কমাতে দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

১৫ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৫ জন

খেলাধুলা

সংঘাতের প্রভাবে পিছিয়ে গেল রোনালদোর ম্যাচ

সংঘাতের প্রভাবে পিছিয়ে গেল রোনালদোর ম্যাচ

সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে চলমান সামরিক সংঘাতের প্রভাব পড়েছে সৌদি আরবের ঘরোয়া ফুটবলে। নিরাপত্তা শঙ্কা ও সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সৌদি প্রো লিগের নবম রাউন্ডের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ স্থগিত করা হয়েছে। স্থগিত হওয়া ম্যাচগুলোর মধ্যে রয়েছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দল আল নাসর ও আল আহলির লড়াই। সৌদি প্রো লিগ কর্তৃপক্ষ নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিবৃতিতে ম্যাচগুলোর নতুন সূচি ঘোষণা করেছে। সেখানে সূচি পরিবর্তনের কারণ হিসেবে খেলোয়াড়দের বাধ্যতামূলক ন্যূনতম বিশ্রাম নিশ্চিত করা এবং ব্যবস্থাপনাগত বিষয়গুলোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন সূচি অনুযায়ী, আল হিলাল ও আল রিয়াদের মধ্যকার ম্যাচটি আগামী ১৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে মাঠে নামবে আল ইত্তিহাদ ও আল শাবাব। তবে আল নাসর ও আল আহলির ম্যাচের জন্য সমর্থকদের অপেক্ষা করতে হবে আরও কয়েক মাস। ম্যাচটি পিছিয়ে আগামী ৬ মার্চ ২০২৭ তারিখে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন,বিগ ব্যাশের ১৬তম আসরেও হোবার্টের জার্সিতে রিশাদনবম রাউন্ডের বাকি ম্যাচগুলো ১৫ অক্টোবর পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। চলমান সংঘাতের কারণে সৌদি ফুটবলের সূচিতে বিঘ্ন ঘটার ঘটনা অবশ্য এবারই প্রথম নয়। এর আগে গত সোমবার রিয়াদে উজবেকিস্তানের ক্লাব নেফচি ফারগানার বিপক্ষে আল নাসরের এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচ নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা পর শুরু হয়েছিল। রিয়াদের আকাশসীমায় হুথিদের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার ঘোষণা আসার পর ম্যাচ শুরুর সময় পিছিয়ে দেওয়া হয়। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ও ইয়েমেনের হুথিদের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দর ও জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় ১৩ জন নিহত হন এবং সংশ্লিষ্ট একটি টার্মিনাল অচল হয়ে পড়ে। ২০১৫ সালে ইয়েমেন যুদ্ধ শুরুর পর সৌদি আরবে এটিকে অন্যতম প্রাণঘাতী হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সামরিক সংঘাতের প্রভাবে ক্রীড়াঙ্গনের কার্যক্রমেও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আল নাসরের মতো জনপ্রিয় দলের ম্যাচ পিছিয়ে যাওয়ায় সমর্থকদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছে নতুন সূচি নিয়ে।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!