দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

সত্য ও জনমানুষের কথা বলার প্রত্যয়ে আরও দূর পথ

১৪ বছরে দৈনিক সংবাদ দিগন্ত / সত্য ও জনমানুষের কথা বলার প্রত্যয়ে আরও দূর পথ

একটি সংবাদপত্রের পথচলা কেবল কাগজে ছাপা কিছু সংবাদ প্রকাশের ইতিহাস নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে সময়কে ধারণ করা, মানুষের কথা বলা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলা এবং সমাজের বিবেককে জাগ্রত রাখার এক নিরন্তর দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধকে ধারণ করেই জাতীয় দৈনিক সংবাদ দিগন্ত আজ ১৪ বছরে পদার্পণ করছে। এই দীর্ঘ পথচলার প্রতিটি অধ্যায় আমাদের জন্য যেমন গৌরবের, তেমনি আত্মসমালোচনা ও নতুন প্রত্যয়েরও।১৪ বছর একটি সংবাদপত্রের জন্য কম সময় নয়। এই সময়ে দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি ও জনজীবনে এসেছে নানা পরিবর্তন। পাল্টেছে মানুষের চিন্তা ও প্রত্যাশা। বদলে গেছে সংবাদ গ্রহণের মাধ্যম। ছাপা পত্রিকার পাশাপাশি অনলাইন সংবাদমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এখন মানুষের তথ্য পাওয়ার অন্যতম প্রধান উৎস। এই পরিবর্তনের মধ্যেও একটি সংবাদপত্রের মূল শক্তি একই রয়ে গেছে বিশ্বাসযোগ্যতা। দৈনিক সংবাদ দিগন্ত সেই বিশ্বাসযোগ্যতার জায়গাটি আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যেতে চায়। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, সংবাদপত্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার পাঠক। পাঠকের আস্থা অর্জন করা কঠিন, কিন্তু সেই আস্থা হারানো খুব সহজ। একটি ভুল তথ্য, একটি যাচাইহীন সংবাদ কিংবা পক্ষপাতদুষ্ট উপস্থাপন অনেক বছরের অর্জনকে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে। তাই আমাদের কাছে প্রতিটি সংবাদ শুধু একটি প্রতিবেদন নয়; এটি দায়িত্বের একটি অংশ।আরও পড়ুন: পুলিশে একের পর এক রদবদল, অপরাধ দমনে নতুন পরীক্ষাআমরা মনে করি, সাংবাদিকতার প্রথম শর্ত সত্যের প্রতি দায়বদ্ধতা। সত্য কখনো কখনো কঠিন, কখনো অস্বস্তিকর। কিন্তু সত্যকে আড়াল করে সংবাদপত্র তার দায়িত্ব পালন করতে পারে না। একই সঙ্গে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য, তথ্যের যথার্থতা এবং মানুষের মর্যাদার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হয়। সংবাদ দিগন্ত আগামী দিনেও যাচাই করা তথ্য, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা এবং জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।বাংলাদেশের গণমাধ্যম দীর্ঘদিন ধরে নানা চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে পথ চলছে। রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তন, অর্থনৈতিক চাপ, প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তার, ভুয়া তথ্যের প্রবাহ এবং পাঠকের পরিবর্তিত রুচি—সবকিছু মিলিয়ে সংবাদপত্রের সামনে নতুন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে একটি খবর প্রকাশের কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা লাখো মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। কিন্তু দ্রুততার সঙ্গে যদি সত্যতা যাচাই না থাকে, তাহলে সেই গতি সমাজের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। তাই আমরা মনে করি, ভবিষ্যতের সাংবাদিকতায় গতি ও নির্ভুলতার মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করা জরুরি। সংবাদ দ্রুত পৌঁছাতে হবে, কিন্তু তার আগে নিশ্চিত হতে হবে সংবাদটি সত্য কি না। তথ্যের উৎস কতটা নির্ভরযোগ্য, বক্তব্যের অন্য পক্ষ কী বলছে, ঘটনার প্রকৃত প্রেক্ষাপট কী এসব প্রশ্ন সাংবাদিকতার অবিচ্ছেদ্য অংশ।আরও পড়ুন: বনানীতে গেস্ট হাউজ-স্পা, ওসির ভূমিকা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্নদৈনিক সংবাদ দিগন্তের ১৪ বছরের পথচলায় রাজধানীর পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সংবাদকে আমরা গুরুত্ব দিয়ে এসেছি। কারণ বাংলাদেশের প্রকৃত চিত্র কেবল রাজধানীর সংবাদে সীমাবদ্ধ নয়। গ্রামের কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, নারী, শিশু, প্রবীণ এবং প্রান্তিক মানুষের জীবন ও সংগ্রামের মধ্যেই দেশের বাস্তব গল্প লুকিয়ে আছে। একটি রাস্তা নির্মাণ, একটি বিদ্যালয়ের সংকট, কৃষকের উৎপাদন ব্যয়, নদীভাঙনে মানুষের ঘর হারানো কিংবা কোনো প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের সাফল্য এসবই সংবাদ।আমাদের বিশ্বাস, স্থানীয় সাংবাদিকতা জাতীয় সাংবাদিকতার ভিত্তি শক্তিশালী করে। তাই জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত সাংবাদিকদের আমরা সংবাদ দিগন্ত পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখি। তাদের সাহস, শ্রম ও দায়িত্বশীলতার ওপর নির্ভর করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসংখ্য মানুষের কথা পাঠকের কাছে পৌঁছে যায়। একই সঙ্গে আমরা মনে করি, সাংবাদিকতার অন্যতম দায়িত্ব হলো ক্ষমতাবানকে প্রশ্ন করা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরা। তবে প্রশ্ন করা মানেই কাউকে অভিযুক্ত করা নয়। সংবাদ ও মতামতের পার্থক্য বজায় রেখে তথ্যের ভিত্তিতে মানুষের সামনে বিষয়টি তুলে ধরাই দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পথ।আমরা এমন একটি সাংবাদিকতা চাই, যেখানে সমালোচনা থাকবে কিন্তু বিদ্বেষ থাকবে না; প্রশ্ন থাকবে কিন্তু উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার থাকবে না; অনুসন্ধান থাকবে কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে না। কারণ গণমাধ্যমের শক্তি তার ভাষার উচ্চতায় নয়, তার তথ্যের গভীরতায়। ১৪ বছরে পদার্পণের এই মুহূর্তে আমরা আমাদের পাঠক, সংবাদকর্মী, লেখক, কলাকুশলী, বিজ্ঞাপনদাতা, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা সংবাদ দিগন্ত পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। তাদের সহযোগিতা ও ভালোবাসাই আমাদের পথচলার শক্তি।আরও পড়ুন: পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে নরসিংদীতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিলবিশেষ করে আমাদের সাংবাদিকদের কথা বলতে হয়। একজন সাংবাদিককে অনেক সময় প্রতিকূল পরিবেশে কাজ করতে হয়। কখনো রাতের পর রাত ঘটনাস্থলে থাকতে হয়, কখনো ঝুঁকি নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে হয়, কখনো নানা চাপের মধ্যেও সত্যতা যাচাই করতে হয়। তাদের এই শ্রমের প্রতি সম্মান রেখেই আমরা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, মর্যাদা ও স্বাধীনতার গুরুত্বকে সামনে রাখতে চাই। আগামী দিনের সংবাদ দিগন্ত কেবল একটি ছাপা পত্রিকা হিসেবে নয়, একটি আধুনিক ও দায়িত্বশীল সংবাদপ্রতিষ্ঠান হিসেবে আরও এগিয়ে যেতে চায়। মুদ্রিত পত্রিকার পাশাপাশি ডিজিটাল সাংবাদিকতা, ভিডিও সংবাদ, মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এবং তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণের পরিধি আরও বিস্তৃত করার প্রত্যয় আমাদের রয়েছে। তবে প্রযুক্তি যতই পরিবর্তিত হোক, সাংবাদিকতার মৌলিক নীতি—সত্য, নিরপেক্ষতা, মানবিকতা ও জনস্বার্থ—কখনো পরিবর্তিত হবে না। আমরা জানি, পথচলা সবসময় সহজ হবে না। সামনে আরও প্রতিযোগিতা আসবে, নতুন প্রযুক্তি আসবে, নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির যুগে সাংবাদিকতার ধরনও বদলাবে। কিন্তু মানুষের সত্য জানার প্রয়োজন কখনো শেষ হবে না। বরং তথ্যের অতিরিক্ত প্রবাহের এই সময়ে নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমের প্রয়োজন আরও বাড়বে। তাই ১৪ বছরে দাঁড়িয়ে আমাদের অঙ্গীকার একটাই পাঠকের আস্থা ধরে রেখে আরও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা করা। ভুল হলে তা সংশোধন করা, সমালোচনা থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং প্রতিদিন নিজেদের আরও উন্নত করার চেষ্টা করা।আরও পড়ুন: সাভার গেন্ডায় ঢাকা ইন গেস্ট হাউজে জুলহাসের অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মাদক সিন্ডিকেটদৈনিক সংবাদ দিগন্তের এই ১৪ বছর কেবল একটি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নয়; এটি নতুন করে পথচলার একটি উপলক্ষ। অতীতের অর্জন আমাদের অনুপ্রেরণা দেবে, আর সীমাবদ্ধতাগুলো আমাদের আরও সতর্ক করবে। সত্যের পথে, মানুষের পাশে এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে দৈনিক সংবাদ দিগন্ত আগামী দিনেও মানুষের কথা বলতে চায়। দেশের গণতান্ত্রিক ও সামাজিক অগ্রযাত্রায় দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের যে ভূমিকা রয়েছে, সেই ভূমিকা পালনে আমরা আরও নিষ্ঠাবান হতে চাই। ১৪ বছরে পদার্পণের এই শুভক্ষণে আমাদের একমাত্র প্রত্যাশা পাঠক আমাদের পাশে থাকবেন। কারণ পাঠকের আস্থা ও ভালোবাসাই একটি সংবাদপত্রের সবচেয়ে বড় শক্তি। দৈনিক সংবাদ দিগন্ত এগিয়ে যাক আরও বহুদূর। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার আলোয় আলোকিত হোক আগামী দিনের পথ। জনমানুষের কথা বলার এই যাত্রা অব্যাহত থাকুক নিরন্তর।

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

দুর্গাপূজায় ৫ কোটি, কঠিন চীবর দানে ৩ কোটি টাকা অনুদান

শারদীয় দুর্গাপূজা ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানে অনুদানের পরিমাণ বাড়িয়েছে সরকার। দুর্গাপূজার জন্য হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের চাওয়া চার কোটি টাকার বিপরীতে পাঁচ কোটি টাকা এবং কঠিন চীবর দানের জন্য চাওয়া দুই কোটি টাকার বিপরীতে তিন কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।এদিকে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি ছুটিও একদিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে ছুটি রয়েছে। এর সঙ্গে ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত ছুটি যুক্ত হলে ২৩ ও ২৪ অক্টোবরের সাপ্তাহিক ছুটিসহ সরকারি চাকরিজীবীরা টানা পাঁচ দিনের ছুটি পাবেন।সরকারি ছুটির দিনে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সাধারণত বন্ধ থাকে। তবে নির্দিষ্ট শাখা বা বিশেষ সেবা চালু থাকতে পারে। এটিএম, কার্ড ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মতো আড়ও পড়ুন,অপরাধীর একমাত্র পরিচয় সে অপরাধী: আইজিপিডিজিটাল সেবাও সাধারণত চালু থাকে। অন্যদিকে হাসপাতাল, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহের মতো জরুরি সেবায় নিয়োজিতদের প্রয়োজন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করতে হবে।অনুদান বাড়ানোর ফলে দুর্গাপূজা ও কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানের আয়োজনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টগুলো অতিরিক্ত অর্থ পাবে। দুর্গাপূজার অনুদান এক কোটি এবং কঠিন চীবর দানের অনুদানও এক কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে।সরকারি এই সিদ্ধান্তের ফলে দুর্গাপূজা উপলক্ষে উৎসবের সময় সরকারি চাকরিজীবীদের টানা পাঁচ দিনের ছুটির সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় সেবার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব দায়িত্ব বণ্টন কার্যকর থাকবে।

অপরাধীর একমাত্র পরিচয় সে অপরাধী: আইজিপি

মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের কঠোরভাবে আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। তিনি বলেছেন, কোনো অপরাধীর ক্ষেত্রে দলীয় পরিচয় বিবেচনার সুযোগ নেই। অপরাধীর একমাত্র পরিচয় সে অপরাধী।মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে অনুষ্ঠিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তিনি এসব নির্দেশনা দেন। সভায় আগস্ট ২০২৬ মাসের সার্বিক অপরাধ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। এ সময় মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।আইজিপি কিশোর অপরাধীদের বিরুদ্ধেও যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি পুনর্ব্যক্ত করে মাদক নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেন। মাদকবিরোধী কার্যক্রমে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়াতে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যকরভাবে ব্যবহারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।আরও  পড়ুন, পিপিএমের মুকুট মাথায় নিয়ে কোতোয়ালীর কমান্ডে ওসি জাহেদুল কবিরআইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম আরও জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি আসন্ন দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন আইজিপি। পূজাকে কেন্দ্র করে গুজব ও অপপ্রচার রোধে পুলিশ সদস্যদের সতর্ক থাকার কথাও বলেন তিনি।সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. সায়েদুর রহমান। তিনি কিশোর গ্যাং সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ এবং তাদের পেছনে কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি রয়েছে কি না, তা খুঁজে বের করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।পাশাপাশি দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশ সদস্যদের যথাযথভাবে বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়। সভায় আগস্ট মাসের গুরুত্বপূর্ণ অপরাধ, মামলা তদন্ত, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, পুলিশ আক্রান্ত, অপহরণ, ডাকাতি, হত্যা, ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধ পরিস্থিতি ও আইনগত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।

পিপিএমের মুকুট মাথায় নিয়ে কোতোয়ালীর কমান্ডে ওসি জাহেদুল কবির

রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির সর্বোচ্চ মর্যাদার সম্মাননা মাথায় নিয়ে এবার চট্টগ্রাম নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আইনশৃঙ্খলা ইউনিটের দায়িত্বে নতুন অধ্যায় শুরু করলেন চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা জাহেদুল কবির। পেশাগত দক্ষতা, দায়িত্বনিষ্ঠা, জনসেবায় বিশেষ অবদান, গুরুত্বপূর্ণ মামলার সফল তদন্ত এবং উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে অর্জন করেছেন রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা।আর এই সম্মান অর্জনের মাত্র আনুমানিক ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ঐতিহ্যবাহী ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে।একদিকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির গৌরব, অন্যদিকে চট্টগ্রামের প্রাণকেন্দ্রের নিরাপত্তার বিশাল দায়িত্ব দুটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যেন একই সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এই পুলিশ কর্মকর্তার কর্মজীবনে।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-২ শাখার প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ের কর্মদক্ষতার মূল্যায়নে সাহসিকতা, সেবায় অনন্য অবদান, গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত এবং উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে চারটি ক্যাটাগরিতে মোট ৯২ জন পুলিশ সদস্যকে পদক প্রদান করা হয়েছে। সেই তালিকায় পিপিএম-সেবা পদকে ভূষিত হয়েছেন জাহেদুল কবির।চট্টগ্রাম নগরীর ইতিহাস, বাণিজ্য ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম কেন্দ্রস্থল কোতোয়ালী থানা। পুরনো নগরীর ঐতিহ্য, ব্যবসায়িক প্রাণচাঞ্চল্য এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনার সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই থানা এলাকার দায়িত্ব সবসময়ই বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।আরও  পড়ুন, হিজলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার পরকীয়া, ভাঙনের মুখে দুইটি সংসারকোতোয়ালী থানার আওতাধীন এলাকায় রয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, জেলা পরিষদ, চট্টগ্রাম আদালত ভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান। একই সঙ্গে দেশের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক এলাকা খাতুনগঞ্জ, আছদগঞ্জ, চাক্তাই, রিয়াজউদ্দিন বাজার, তামাকুমণ্ডি লেন, নিউমার্কেটসহ বিস্তীর্ণ ব্যবসায়িক অঞ্চল এই থানার নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। প্রতিদিন হাজারো ব্যবসায়ী, আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের পদচারণায় মুখর থাকে পুরো এলাকা। বিপুল আর্থিক লেনদেন, ব্যবসায়িক কার্যক্রম, জনসমাগম ও নাগরিক সেবার কারণে কোতোয়ালী থানার দায়িত্ব শুধু আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সীমাবদ্ধ নয়; বরং নগরের বাণিজ্যিক নিরাপত্তা, অপরাধ প্রতিরোধ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার সঙ্গেও গভীরভাবে যুক্ত। এছাড়া চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় রেলওয়ে স্টেশন (বটতলী স্টেশন), লালদিঘী ময়দান, লালদিঘী মসজিদসহ ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোও এই এলাকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।পুলিশ পদক একটি কর্মকর্তার কর্মদক্ষতা, পেশাগত সক্ষমতা ও দায়িত্বশীলতার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। সেই সম্মান অর্জনের পরপরই কোতোয়ালী থানার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটের দায়িত্ব পাওয়া জাহেদুল কবিরের প্রতি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আস্থা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, একটি থানার অফিসার ইনচার্জের সিদ্ধান্ত, নেতৃত্ব ও দায়িত্ব পালনের সঙ্গে সরাসরি জড়িয়ে থাকে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা।আরও  পড়ুন, চট্টগ্রামের বেসরকারি হাসপাতাল থেকে ছাত্রলীগের সাবেক নেতা গ্রেপ্তারকোতোয়ালীর মতো ঐতিহ্যবাহী থানার নেতৃত্বে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর জাহেদুল কবিরের সামনে রয়েছে একাধিক চ্যালেঞ্জ সংগঠিত অপরাধ দমন, দ্রুত নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা, জনবান্ধব পুলিশিং আরও শক্তিশালী করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করা।চট্টগ্রামের পুরনো নগরীর হৃদপিণ্ড হিসেবে পরিচিত কোতোয়ালী থানায় নতুন নেতৃত্ব ঘিরে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মহলে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বাণিজ্যিক নিরাপত্তা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, জনসাধারণের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি এবং নাগরিকবান্ধব পুলিশিংয়ের ক্ষেত্রে নতুন কী উদ্যোগ নেওয়া হয়, তা পর্যবেক্ষণ করছেন সংশ্লিষ্টরা।রাষ্ট্রীয় পদকের সম্মান এবং মানুষের প্রত্যাশাকে সঙ্গে নিয়ে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী কোতোয়ালী থানার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জাহেদুল কবির। এখন তার অভিজ্ঞতা, নেতৃত্বগুণ ও কর্মদক্ষতার সমন্বয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট কোন নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করে, সেটিই দেখার বিষয়।জাহেদুল কবির বলেন, "রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা অর্জন আমার জন্য যেমন গৌরবের, তেমনি এটি আরও বড় দায়িত্বের স্মারক। এই স্বীকৃতি আমাকে জনগণের প্রতি দায়িত্ব আরও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের অনুপ্রেরণা দেবে। আমি কোতোয়ালি এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দ্রুত নাগরিক সেবা প্রদান, অপরাধ দমন এবং সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেব। থানায় আগত প্রতিটি মানুষ যেন সম্মানজনক ও কাঙ্ক্ষিত সেবা পান, সেটি নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করব।" তিনি আরো বলেন, "আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জনগণের সহযোগিতা, ব্যবসায়ী সমাজ, বিভিন্ন পেশাজীবী ও স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কোতোয়ালী থানাকে আরও জনবান্ধব সেবাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য।”

সাংবাদিকদের ওয়েজবোর্ড ও বেতন কাঠামো নিয়ে কাজ চলছে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

গণমাধ্যমকর্মীদের কোনো আইনের আওতায় আনার প্রয়োজন হলে আদালতের অনুমতি নেওয়ার বিধান রাখার একটি প্রস্তাব সরকার বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেন, সরকার গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না; সাংবাদিকরা যাতে অবাধে কাজ করতে পারেন, সে পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) কার্যনির্বাহী কমিটির সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে এবং তা অব্যাহত রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে অপতথ্য ও গুজব মোকাবিলায় বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে সাংবাদিক নেতা ও গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে একাধিক দফা আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।আরও  পড়ুন, জনকল্যাণে এআই ও আধুনিক প্রযুক্তির গবেষণায় এগিয়ে আসার আহ্বান রাষ্ট্রপতিরইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন—অর্থাৎ ভুল, অসত্য ও অপতথ্যের বিস্তার নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন রয়েছে। তবে কীভাবে এবং কোন পর্যায়ে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা নির্ধারণে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে পরামর্শ করা হচ্ছে।সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতির প্রস্তাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নিবন্ধিত ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট বা অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের আইনের আওতায় আনতে হলে আদালতের অনুমতি নেওয়ার একটি প্রস্তাব এসেছে। সরকার সেটি বিবেচনা করছে।তিনি আরও জানান, সাংবাদিকদের ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন এবং টেলিভিশন সাংবাদিকদের একটি বেতন কাঠামোর আওতায় আনার বিষয়েও কাজ চলছে। দ্রুত এ বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নের সঙ্গে শ্রম মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট এবং এ বিষয়ে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

রাজনীতিরাজনীতি

জাসদ কার্যালয় ঘেরাও ও নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারে উদ্বেগ জিএম কাদেরের

জাসদ কার্যালয় ঘেরাও ও নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারে উদ্বেগ জিএম কাদেরের

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘেরাও এবং পরবর্তী পুলিশি অভিযান ও গ্রেপ্তারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জিএম কাদের)। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যালয় ঘেরাও করা, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা সৃষ্টি করা কিংবা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তার বিবৃতির বিষয়টি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।জিএম কাদের বলেন, কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রচলিত আইনের মাধ্যমে তার প্রতিকার করতে হবে। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।বিবৃতিতে তিনি বলেন, গত ২৬ সেপ্টেম্বর জাসদ কার্যালয়ে একটি সভা চলাকালে একদল লোক কার্যালয়টি ঘিরে অবস্থান নেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। পরে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে বিপুলসংখ্যক মানুষকে হেফাজতে নেয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানের পর ২৭৮ জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল এবং পরিচয় যাচাই শেষে ২৪৯ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।পরবর্তীতে ২৭ জনকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয় এবং আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।আড়ও পড়ুন,এনসিপির ২৩ সদস্যের সাংগঠনিক উপকমিটির প্রধান সারজিস আলম২৮ সেপ্টেম্বর তাদের জামিন আবেদনও নামঞ্জুর করা হয়েছে।জিএম কাদেরের বিবৃতিতে বলা হয়, জাসদ নেতাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই সভাটি ছিল দলের নিয়মিত কর্মসূচির অংশ এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি নিয়ে আয়োজন করা হয়েছিল। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ওই কার্যালয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে নাশকতার পরিকল্পনা করছেন—এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়েছিল।জিএম কাদের বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের সভায় বাধা দেওয়া এবং পরবর্তী পুলিশি অভিযান শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে করা হয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদ্‌ঘাটনের আহ্বান জানান।তিনি আরও বলেন, আইনি প্রক্রিয়ায় কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে কোএনসিপির ২৩ সদস্যের সাংগঠনিক উপকমিটির প্রধান সারজিস আলমনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

এনসিপির ২৩ সদস্যের সাংগঠনিক উপকমিটির প্রধান সারজিস আলম

এনসিপির ২৩ সদস্যের সাংগঠনিক উপকমিটির প্রধান সারজিস আলম

দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে সমন্বয় ও গতিশীলতা বাড়াতে ২৩ সদস্যের সাংগঠনিক উপকমিটি গঠন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। নতুন এই উপকমিটির প্রধান করা হয়েছে দলটির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমকে।সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত রাজনৈতিক পর্ষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকটি সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলে। এতে সভাপতিত্ব করেন দলের আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। দলীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সাংগঠনিক উপকমিটিতে রাজনৈতিক পর্ষদ থেকে দুজন উপপ্রধান থাকবেন। পাশাপাশি দেশের প্রতিটি বিভাগের জন্য একজন করে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং একজন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক দায়িত্ব পালন করবেন। এর মাধ্যমে বিভাগ ও মাঠপর্যায়ের সাংগঠনিক কার্যক্রমে সমন্বয় বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।আড়ও পড়ুন,এনসিপির ২৩ সদস্যের উপ-কমিটির প্রধান সারজিস আলমএনসিপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দলের সাংগঠনিক কাঠামো আরও কার্যকর করা এবং তৃণমূল পর্যায়ে কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যেই এই উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে অক্টোবরের মধ্যে সব উপজেলা কমিটি গঠনের পরিকল্পনার কথাও দলটির বৈঠকে জানানো হয়েছে।এ ছাড়া রাজনৈতিক পর্ষদ ও কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠন এবং দায়িত্ব বণ্টনের একটি রূপরেখা বৈঠকে চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার কথা রয়েছে।নতুন সাংগঠনিক উপকমিটির মাধ্যমে দেশের বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রম আরও সমন্বিতভাবে পরিচালনার কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এনসিপির ২৩ সদস্যের উপ-কমিটির প্রধান সারজিস আলম

এনসিপির ২৩ সদস্যের উপ-কমিটির প্রধান সারজিস আলম

সাংগঠনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে ২৩ সদস্যের একটি বিশেষ সাংগঠনিক উপ-কমিটি গঠন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি। এই উপ-কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দলটির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দলটির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।দলীয় সূত্র জানিয়েছে, সাংগঠনিক কার্যক্রমে সমন্বয় ও দক্ষতা বাড়াতে এই উপ-কমিটিতে নির্দিষ্ট কাঠামো রাখা হয়েছে। আরও  পড়ুন, যুবদলের সাংগঠনিক সিদ্ধান্তে কেন্দ্রের জরুরি নির্দেশনারাজনৈতিক পর্ষদ থেকে দুজন উপ-প্রধান কমিটিতে দায়িত্ব পালন করবেন।এ ছাড়া দেশের প্রতিটি বিভাগে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একজন করে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদককে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদের বৈঠকে সাংগঠনিক কাঠামো নিয়ে আরও কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে। দলের ৬৪ জেলায় কমিটি গঠনের পর উপজেলা পর্যায়েও কমিটি গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।নতুন সাংগঠনিক উপ-কমিটির মাধ্যমে দলের মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে সমন্বয় বাড়ানো এবং সাংগঠনিক কাজ আরও সুসংগঠিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

যুবদলের সাংগঠনিক সিদ্ধান্তে কেন্দ্রের জরুরি নির্দেশনা

যুবদলের সাংগঠনিক সিদ্ধান্তে কেন্দ্রের জরুরি নির্দেশনা

সংগঠনের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখতে জেলা ও মহানগরসহ অধীনস্থ সব ইউনিটকে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল২৮সেপ্টেম্বরযুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক এমপি মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এ জরুরি নির্দেশনা দেন।সংগঠনটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে উপজেলা, পৌর ও থানা পর্যায়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের এখতিয়ার কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির। জেলা ও মহানগর যুবদলের সুপারিশের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি।নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিটি গঠন, পুনর্গঠন বা বিলুপ্তির পাশাপাশি কোনো নেতাকর্মীকে বহিষ্কার, অব্যাহতি বা পদ স্থগিত করা এবং কারণ দর্শানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিকে অবহিত করতে হবে।ৎআরও  পড়ুন, রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ৫০ লাখ টাকা দেবে জামায়াত: শফিকুর রহমানজেলা ও মহানগর যুবদল সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। তবে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিকে অবহিত করা বা তাদের পরামর্শ ছাড়া সংশ্লিষ্ট ইউনিটে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া যাবে না।অন্যদিকে, ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন, পুনর্গঠন, বিলুপ্তি, বহিষ্কার, অব্যাহতি, পদ স্থগিত কিংবা কারণ দর্শানোর বিষয়ে জেলা বা মহানগর যুবদলকে অবহিত করে উপজেলা, পৌর বা থানা পর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, কোনো উপজেলা, পৌরসভা বা থানার অধীন ওয়ার্ডে কমিটি না থাকলে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের বিষয়ে জেলা বা মহানগর যুবদল সরাসরি সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সাংগঠনিক কাঠামো ও অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এসব নির্দেশনা মেনে চলা বাধ্যতামূলক। নির্দেশনা অমান্য করে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সারাবাংলা

কক্সবাজারের  চোর, ছিনতাই  মাদকসহ  বিভিন্ন অপরাধে ১৫ জন আসামি গ্রেফতার

কক্সবাজারের চোর, ছিনতাই মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে ১৫ জন আসামি গ্রেফতার

এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে উপরের নির্দেশে কক্সবাজার থানার  পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে  ১৫ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে। গত ২৪ ঘন্টায় কক্সবাজার সদর মডেল থানার পুলিশ কক্সবাজার পৌরসভা ও  উপজেলার বিভিন্ন  এলাকায় এই  অভিযান চালায়  এসময়  বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৫ জন আসামী গ্রেফতার করা হয়।  এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার মডেল থানার ওসি মোঃ আলী। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন (ক) চোর/ছিনতাইকারী,  তুহিন (২০), পিতা-জিয়াউর রহমান, 2. মেজবাহ উদ্দিন (২০), পিতা-সৈয়দ আলম,  3. সাগরিকা (৩৫), পিতা-মোঃ কাদের, উদ্ধার ১২০ (একশত বিশ দশমিক ৭ কেজি তামার তার), (খ)  সন্ত্রাস বিরোধী আইনে গ্রেফতারঃ1. আবুল কাশেম (৪২), পিতা-মৃত সোলেমান, (গ) মাদক সেবনকারী আফছার (১৯), পিতা- মৃত গিয়াস উদ্দিন, মাতা- সাকেরা বেগম, সাং- খুরুশকুল ল-মাঝি পাড়া, ০৮নং ওয়ার্ড, খুরুশকুল ইউপি, থানা- কক্সবাজার সদর, জেলা- কক্সবাজার।2.  বেলাল মিয়া(৩০), পিতা- বদি আলম, মাতা- আয়েশা বেগম, সাং- খুরুশকুল ল-মাঝি পাড়া, ০৮নং ওয়ার্ড, খুরুশকুল ইউপি, থানা- কক্সবাজার সদর, জেলা- কক্সবাজার।(ঘ) ধর্তব্য অপরাধে আসামী গ্রেফতার।1.  মোঃ তুষার ইমরান (২৭), পিতা- আবুল কাশেম, 2.  আব্দুল হামিদ (৫০), পিতা- মৃত ছেয়দ আহাম্মদ,1. মোহাম্মদ জলিল তালুকদার (৫৩), পিতা- মৃত সিরাজুল হক তালুকদার প্রকাশ মিয়া, মাতা- মৃত আনোয়ারা খাতুন, সাং- তোতোকখালী, তেহরিয়াঘোনা, ৩নং ওয়ার্ড, পিএমখালী ইউপি, থানা- কক্সবাজার সদর, জেলা- কক্সবাজার(ঙ) ওয়ারেন্ট1. মোহাম্মদ শফিক, পিতা-মৃত আনু মিয়া, সাং-দক্ষিণ মুহুরীপাড়া, ৪নং ওয়ার্ড, ঝিলংজা ইউপি, থানা-কক্সবাজার সদর, জেলা-কক্সবাজার।2. নুর আনা, স্বামী-আব্দুল্লাহ, সাং-দক্ষিণ মুহুরীপাড়া, ৪নং ওয়ার্ড, ঝিলংজা ইউপি, থানা-কক্সবাজার সদর, জেলা-কক্সবাজার।3. মোঃ রায়হান ৥ ডাকু রায়হান (৩০), পিতা-ফরিদ আলম, সাং-দক্ষিন রুমালিয়ারছড়া, কক্সবাজার পৌরসভা, থানা-কক্সবাজার সদর, জেলা-কক্সবাজার।4. মোহাম্মদ ছৈয়দ (২৫), পিতা-নুর মোহাম্মদ, মাতা-মৃত পারভীন আক্তার, স্থায়ী সাং-হরিয়ারগুড়া, ২নং ওয়ার্ড, হোয়ানক ইউপি, থানা-মহেশখালী, জেলা-কক্সবাজার, বর্তমান সাং-কলাতলী, আদর্শগ্রাম, ১২নং ওয়ার্ড, কক্সবাজার পৌরসভা, থানা-কক্সবাজার সদর, জেলা-কক্সবাজার।আড়ও পড়ুন,১০ মাসের অসুস্থ শিশুকে কোলে নিয়েই জীবিকার লড়াইয়ে সুমন5. মোঃ জাহেদ হোসেন, পিতা-হাফেজ আহমদ, সাং-সমিতি পাড়া, ৮নং মিঠাছড়ি ইউনিয়ন, থানা-রামু, জেলা-কক্সবাজার, স্থায়ী সাং-দক্ষিন রুমালিয়ারছড়া, কক্সবাজার পৌরসভা, থানা-কক্সবাজার সদর, জেলা-কক্সবাজার।6. আবুল কাশেম (৪৫), পিতা-মৃত হাজী সোলেমান, সাং-উত্তর পাড়া, ৭নং ওয়ার্ড, চৌফলদন্ডী, থানা-কক্সবাজার সদর, জেলা-কক্সবাজার।(২৮/৯/২০২৬ খ্রি: হতে ২৯/৯/২০২৬ খ্রিঃ দুপুর ১২ টা পর্যন্ত)। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে ০৩ জন চোর, ছিনতাইকারী, ০১ জন সন্ত্রাস বিরোধী আইনে, ০২ জন মাদক সেবনকারী, ০৩ জনধর্তব্য অপরাধে এবং ০৬ জন ওয়ারেন্টমূলে   সর্ব মোট ১৫ জন আসামী গ্রেফতার।  এদিকে এলাকা হতে নানান  অপরাধ নির্মূল করতে জনস্বার্থে  মানুষের জানমাল নিরাপত্তার জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে  কক্সবাজার  মডেল থানার  ওসি মোহাম্মদ আলী জানিয়েছেন। ###

১০ মাসের অসুস্থ শিশুকে কোলে নিয়েই জীবিকার লড়াইয়ে সুমন

১০ মাসের অসুস্থ শিশুকে কোলে নিয়েই জীবিকার লড়াইয়ে সুমন

এক হাতে অটোর স্টিয়ারিং, পাশে ১০ মাসের অসুস্থ সন্তান। জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন এমন দৃশ্যই দেখা যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা পৌর এলাকায়। তালতলা গ্রামের সুমন মিয়া। ৪৫ বছর বয়সী সুমনের সংসারে অভাব যেন নিত্যসঙ্গী। তার স্ত্রী মানসিক ভারসাম্যহীন। অন্যদিকে ১০ মাস বয়সী শিশুটিও অসুস্থ। শিশুটিকে দেখাশোনার জন্য বাড়িতে কেউ না থাকায় বাধ্য হয়ে তাকে সঙ্গে নিয়েই অটো চালাতে বের হন সুমন।সুমনের আবার নেই নিজের কোনো অটো নেই। ভাড়ায় ব্যাটারিচালিত অটো চালিয়েই চলে তার সংসার। একদিন গাড়ি চালাতে না পারলে পরিবারের খাবার জোগাড় করাও কঠিন হয়ে পড়ে।সুমন মিয়া জানান, প্রতিদিন অটো ভাড়া নিয়ে বের হন তিনি। সারাদিন পরিশ্রম করে যে আয় হয়, তা দিয়ে খাবারসহ সংসারের প্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে হয়। শিশুটির চিকিৎসার প্রয়োজন হলেও অর্থের অভাবে নিয়মিত চিকিৎসা করানো সম্ভব হচ্ছে না।তিনি বলেন, ‘আমি অটো চালালে সংসারে খাবার আসে। যেদিন গাড়ি চালাতে পারি না, সেদিন সংসারে খাবার জোগাড় করা কঠিন হয়ে যায়। বাচ্চাকে বাড়িতে রেখে যাওয়ার মতো কেউ নেই। তাই অসুস্থ বাচ্চাকে সঙ্গে নিয়েই গাড়ি চালাতে হয়।সুমন আরও বলেন, ‘আড়ও পড়ুন,সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলআমার বাচ্চার চিকিৎসা দরকার। কিন্তু আমার একার পক্ষে চিকিৎসার খরচ বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান মানুষের কাছে আমার বাচ্চার চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা চাই।স্থানীয় অটোচালক কামাল হোসেন বলেন, ‘সুমনের অবস্থা খুবই কষ্টের। নিজের কোনো অটো নেই, ভাড়ায় গাড়ি চালিয়ে সংসার চালান। স্ত্রী অসুস্থ, ছোট বাচ্চাটিও অসুস্থ। বাচ্চাকে সঙ্গে নিয়েই তাকে গাড়ি চালাতে হয়। শিশুটির চিকিৎসার জন্য কেউ সহযোগিতা করলে পরিবারটির অনেক উপকার হবে।’আরেক অটোচালক জামাল মোল্লা বলেন, ‘সুমনকে আমরা প্রতিদিন গাড়ি চালাতে দেখি। অনেক সময় তার ছোট বাচ্চাটিও অটোর মধ্যে থাকে। সংসারের দায়িত্ব সামলাতে তাকে একাই অনেক পরিশ্রম করতে হচ্ছে। বাচ্চাটির চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা প্রয়োজন।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অভাবের কারণে অসুস্থ শিশুকে সঙ্গে নিয়ে সুমনের এভাবে অটো চালানোর দৃশ্য তাদেরও কষ্ট দেয়। শিশুটির চিকিৎসায় সহযোগিতার জন্য সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা। 

সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগর বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মহানগরীর সালনা নাসির উদ্দিন মেমোরিয়াল স্কুল মাঠ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের তেলীপাড়া এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী ছাইয়েদুল আলম বাবুল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম. মঞ্জুরুল করিম রনি।সমাবেশে বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকাকালে দেশের মানুষের ওপর নির্যাতন, গুম ও হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। তাদের দাবি, এসব কর্মকাণ্ডের জন্য সংশ্লিষ্টদের রাজনৈতিক জবাবদিহির আওতায় আনা প্রয়োজন।বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা দেশের বাইরে অবস্থান করে বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা আড়ও পড়ুন,লামায় ‘রয়েল হিল’ রিসোর্টে হামলা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আদালতে মামলাতৈরির ষড়যন্ত্র করছেন এবং দেশের ভেতরে একটি গোষ্ঠীর মাধ্যমে খুন, অগ্নিসংযোগ ও নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তারা দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট শহীদুজ্জামান, আহমেদ আলী রুশদী, সদর মেট্রো থানা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান এলিস, অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম, বিএনপি নেতা রকিব উদ্দিন সরকার পাপ্পু, প্রভাষক বশির, সরকার জাবেদ সুমন, মোফাজ্জল চেয়ারম্যান, হান্নান মিয়া হান্নু, হাসান আজমল ভূঁইয়া, সুরুজ আহমেদ, বশির আহমেদ বাচ্চু, কিরণ, গাজী সালাহউদ্দিন, জয়নাল আবেদীন তালুকদার, সাহাদাত হোসেন শাহীন, আরিফ হাওলাদারসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।এ সময় বক্তারা সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য প্রতিহত করার পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান।

লামায় ‘রয়েল হিল’ রিসোর্টে হামলা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আদালতে মামলা

লামায় ‘রয়েল হিল’ রিসোর্টে হামলা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আদালতে মামলা

বান্দরবানের লামা উপজেলার মিরিঞ্জা ভ্যালিতে অবস্থিত ‘রয়েল হিল’ রিসোর্ট দখলের চেষ্টা, হামলা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে ৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২৫-২৬ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ভুক্তভোগী মো. রাসেল চৌধুরী বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, লামায় এই মামলাটি দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্তপূর্বক লামা থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।​মামলার বাদী মো. রাসেল চৌধুরী (৩৬) লামা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লাইনঝিরি এলাকার রায়হান চৌধুরীর ছেলে।মামলার প্রধান আসামিরা হলেন— মো. সুলতান (৪৫), পিতা- মৃত আব্দুল মালেক মুন্সী; মো. জাফর (৩৮), পিতা- ছান্দু মিয়া; মো. আইয়ুব (৩৫), পিতা- মৃত রতন; মো. আরিফ (৩৬), পিতা- বাহার উদ্দিন এবং মো. শাহাদাত (৪২), পিতা- শাহজাহান। এ ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ২৫ থেকে ২৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। অভিযুক্তরা সবাই লামা পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাসিন্দা।মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর দুপুর ১টা থেকে ৩টার মধ্যে আসামিরা সংঘবদ্ধ হয়ে এবং পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মিরিঞ্জা ভ্যালিতে অবস্থিত ‘রয়েল হিল’ রিসোর্ট দখলের চেষ্টা চালায়। আড়ও পড়ুন,গংগাচড়ায় বিদ্যালয়ের যাতায়াতের রাস্তায় গাছ লাগিয়ে রাস্তা বন্ধ করার অভিযোগএ সময় তারা বাদীর লোকজনের ওপর হামলা চালায় এবং মারধর, জখম, ভাঙচুর, চুরি ও প্রাণনাশের মতো গুরুতর অপরাধ সংঘটিত করে।মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৭, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬, ৪২৭, ৩০৭, ৩৭০, ৩৮৬, ৫০৬(২) ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বেআইনিভাবে জনতাবদ্ধ হওয়া, অনধিকার প্রবেশ, সাধারণ ও গুরুতর জখম, মারাত্মক অস্ত্র দিয়ে আঘাত, সম্পত্তি নষ্ট করা, খুন করার উদ্দেশ্যে জখম, চুরি এবং জোরপূর্বক চাঁদা আদায় ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের গুরুতর অভিযোগ।মামলার বাদী মো. রাসেল চৌধুরী জানান, ঘটনার পর থেকেই মামলা না করার জন্য আসামিরা তাকে ও তার লোকজনকে অব্যাহতভাবে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। বর্তমানে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।এ বিষয়ে লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কাইছার হামিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, "ঘটনাটি সম্পর্কে আমি অবগত আছি। তবে এখনো আদালত থেকে মামলার কপি আমাদের হাতে এসে পৌঁছায়নি। আদেশের কপি হাতে পাওয়া মাত্রই আইনগত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।"

আন্তর্জাতিক

যুদ্ধের রাজনৈতিক ক্ষতি কমানোর পথ খুঁজছেন ট্রাম্প: অধ্যাপক মাসগ্রেভ

যুদ্ধের রাজনৈতিক ক্ষতি কমানোর পথ খুঁজছেন ট্রাম্প: অধ্যাপক মাসগ্রেভ

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উদ্বিগ্ন এবং আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে রিপাবলিকান পার্টির ওপর সম্ভাব্য চাপ কমানোর পথ খুঁজছেন বলে মন্তব্য করেছেন জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি ইন কাতারের সরকারি প্রশাসনের সহযোগী অধ্যাপক পল মাসগ্রেভ।আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মাসগ্রেভ বলেন, যুদ্ধের রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে ট্রাম্প ভাবছেন না—এমন বক্তব্যকে তিনি বিশ্বাসযোগ্য মনে করেন না। তার মতে, নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যুদ্ধের সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে ট্রাম্পের আগ্রহ রয়েছে এবং সংঘাত থেকে এমন একটি সমাধানের পথ খোঁজা হচ্ছে, যাতে রাজনৈতিক ক্ষতি সীমিত রাখা যায়।মাসগ্রেভ আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি সম্পর্কে ইরানেরও দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে তেহরান মার্কিন রাজনীতির বিভিন্ন গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করে আসছে। এ প্রসঙ্গে তিনি ১৯৮০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের কথা উল্লেখ করেন, যখন ইরানের জিম্মি সংকট ও উচ্চ জ্বালানি মূল্যের প্রভাব তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের নির্বাচনী প্রচারে পড়েছিল।তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরান মনে করতে পারে যে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে রিপাবলিকানদের ওপর চাপ বাড়লে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনায় তেহরান অতিরিক্ত সুবিধা আদায়ের সুযোগ পেতে পারে। আড়ও পড়ুন,দুই দশকের সংঘাত পেরিয়ে ইরাক ছাড়ছে মার্কিন সেনা, সামনে নতুন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জতবে এটি মাসগ্রেভের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ; ইরানের এমন নির্দিষ্ট কৌশল বা উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত কোনো প্রমাণ এই প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি।এদিকে চলমান যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাবও যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে আলোচনায় রয়েছে। আল জাজিরার সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জ্বালানি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং যুদ্ধের ব্যয় সংঘাতকে মধ্যবর্তী নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত করেছে।রয়টার্স জানিয়েছে, ২৯ সেপ্টেম্বর ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডসের পক্ষ থেকে মার্কিন ভোটারদের উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে ট্রাম্পের নীতির বিরোধিতা করে মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রসঙ্গও তোলা হয়েছে।তবে ট্রাম্প প্রশাসন যুদ্ধের রাজনৈতিক ক্ষতি কমানোর জন্য কোনো নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিচ্ছে—এমন স্বাধীনভাবে নিশ্চিত তথ্য নেই। ফলে যুদ্ধ, অর্থনীতি ও নভেম্বরের নির্বাচনের মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে বর্তমানে বিভিন্ন বিশ্লেষকের ভিন্ন ভিন্ন মূল্যায়নই সামনে আসছে।

৫ ঘন্টা আগে

রাজধানী

তেজগাঁওয়ে তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

তেজগাঁওয়ে তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ও জনপথ স্টাফ কোয়ার্টারের একটি তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে নিশি আক্তার (১৯) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী সাগর পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে কম্বলে মোড়ানো অবস্থায় কক্ষ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুল হামিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে মারধরের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। পরে বাইরে থেকে কক্ষটি তালাবদ্ধ করে হত্যাকারী পালিয়ে গেছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।আরও  পড়ুন, আদাবরে আসামি ধরতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে আহত ২নিহত নিশি আক্তার চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মো. খোকনের মেয়ে। স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় পাঁচ থেকে ছয় বছর আগে সাগরের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের চার বছরের একটি সন্তান রয়েছে।লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশ বলছে, কী কারণে নিশি আক্তারকে হত্যা করা হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িতএসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিহতের স্বামী সাগরকে ঘিরে সন্দেহ তৈরি হলেও তাকে এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি। তাকে আটক করতে পুলিশ বিভিন্নভাবে চেষ্টা চালাচ্ছে।এ ঘটনায় থানায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে পারিবারিক বিরোধ, নির্যাতন কিংবা অন্য কোনো কারণ এই মৃত্যুর পেছনে ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

১০ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৫ জন

খেলাধুলা

বৃষ্টিতে ম্যাচ বাতিল, সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

বৃষ্টিতে ম্যাচ বাতিল, সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

বৃষ্টির কারণে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি পরিত্যক্ত হওয়ায় সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার নাগোয়ায় নির্ধারিত ম্যাচটি একটি বলও মাঠে না গড়িয়েই শেষ হয়। র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকার সুবাদে মালয়েশিয়াকে টপকে শেষ চার নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।সকাল থেকেই নাগোয়ায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল। স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার ম্যাচটি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও মাঠের পরিস্থিতি বিবেচনায় নির্ধারিত সময়ের প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা আগেই ম্যাচ বাতিলের ঘোষণা দেয় আয়োজকরা।বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার নাফিস ইকবাল জানান, সকাল থেকেই বৃষ্টি থাকায় ম্যাচ না হওয়ার আশঙ্কা ছিল। শেষ পর্যন্ত আয়োজকরা ম্যাচ বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করায় বাংলাদেশ দলকে আর মাঠে যেতে হয়নি।আড়ও পড়ুন,বেলজিয়ামকে হারিয়ে জিদানের অধীনে জয়ের ধারা ফ্রান্সেরবৃষ্টির প্রভাব পড়েছে টুর্নামেন্টের অন্য কোয়ার্টার ফাইনালেও। একই কারণে মঙ্গলবার সকালে শ্রীলঙ্কা ও নেপালের মধ্যকার তৃতীয় কোয়ার্টার ফাইনালও অনুষ্ঠিত হয়নি। এর আগে সোমবার পাকিস্তান-হংকং এবং ভারত-আফগানিস্তানের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচও বৃষ্টির কারণে বাতিল হয়।সেমিফাইনালে আগামী ১ অক্টোবর বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান। অন্য সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কা। ফলে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে বাংলাদেশের সামনে এখন শক্ত প্রতিপক্ষ পাকিস্তান।এশিয়ান গেমসে পুরুষ ক্রিকেটে বাংলাদেশের রয়েছে সাফল্যের ইতিহাস। ২০১০ সালের আসরে স্বর্ণপদক জিতেছিল বাংলাদেশ, যা এখন পর্যন্ত এশিয়াডে পুরুষ ক্রিকেটে দেশের সর্বোচ্চ সাফল্য। এরপর ২০১৪ সালে ইনচন এশিয়ান গেমসে রৌপ্য এবং ২০২৩ সালে হাংজু এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জপদক জেতে বাংলাদেশ পুরুষ ক্রিকেট দল।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!