দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1003.4 hPa
29.5° 81%
15mm
চট্টগ্রাম 1004.7 hPa
28.4° 89%
100° 15mm
রাজশাহী 1003.1 hPa
28° 95%
20° 15mm
খুলনা 1003.6 hPa
28.6° 90%
20° 15mm
বরিশাল 1003.6 hPa
28.2° 90%
15mm
সিলেট 1003.6 hPa
28.5° 91%
15mm
রংপুর 1002.8 hPa
30° 0%
20° 15mm
ময়মনসিংহ 1003.7 hPa
28° 92%
15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

সংবাদ দিগন্তকে আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ভুইয়া

সংবাদ দিগন্তকে আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ভুইয়া

বাংলাদেশের আবাসন খাতের পরিচিত উদ্যোক্তা ও আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও অন্যান্য খাতে তার প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে যেমন আলোচনা রয়েছে, তেমনি বিভিন্ন সময়ে নানা অভিযোগ ও বিতর্কও সামনে এসেছে।সম্প্রতি এসব বিষয়, ব্যবসায়িক দর্শন, আইনি অবস্থান এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে দৈনিক সংবাদ দিগন্তের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছেন নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া।প্রশ্ন: দীর্ঘ ব্যবসায়িক পথচলায় আপনার সবচেয়ে বড় অর্জন কী বলে মনে করেন?নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া: আমার কাছে সবচেয়ে বড় অর্জন হলো মানুষের আস্থা অর্জন করা। একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সহজ নয়, কিন্তু সেই প্রতিষ্ঠানকে দীর্ঘদিন ধরে টিকিয়ে রাখা আরও কঠিন। আমরা চেষ্টা করেছি সততা, পরিশ্রম ও পরিকল্পনার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে।ব্যবসার পাশাপাশি মানুষের জন্য কাজ করার বিষয়টিকে আমরা গুরুত্ব দিয়েছি। আবাসন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে আমাদের কার্যক্রম সেই লক্ষ্য থেকেই পরিচালিত হচ্ছে।আরও  পড়ুন, চট্রগ্রাম গোয়ালপাড়ায় মাদক সম্রাজ্ঞী "আকলিমার" মাদকের হাটপ্রশ্ন: আশিয়ান গ্রুপের মূল দর্শন কী?নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া: আশিয়ান গ্রুপ শুধু একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান নয়, আমরা এটিকে একটি সামাজিক দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চাই।একটি দেশের উন্নয়নে আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই আমরা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি, যাতে মানুষের প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সেবা দেওয়া যায়।প্রশ্ন: আপনার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। আপনি বিষয়গুলো কীভাবে দেখেন?নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া: যেকোনো বড় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ বা সমালোচনা আসতে পারে। কিন্তু অভিযোগ আর প্রমাণিত সত্য এক বিষয় নয়।আমি সবসময় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কোনো অভিযোগ থাকলে সেটির নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। আমি বিশ্বাস করি, সত্য শেষ পর্যন্ত প্রমাণের মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠিত হয়।প্রশ্ন: গণমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু অভিযোগ আপনার দীর্ঘদিনের সুনামকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এ বিষয়ে আপনার বক্তব্য কী?নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া: আমি মনে করি, একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে মতামত দেওয়ার আগে সব পক্ষের বক্তব্য জানা প্রয়োজন।গণমাধ্যম সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে সত্য তুলে ধরা হলে জনগণ সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে।আমার বিশ্বাস, সময় ও তথ্যই প্রকৃত সত্য সামনে নিয়ে আসবে।আরও  পড়ুন, গাজীপুরে লাইসেন্স ছাড়া এমএলএম কার্যক্রমের অভিযোগপ্রশ্ন: অভিনেত্রী স্নিগ্ধা চৌধুরীকে ঘিরে যে অভিযোগ ও মামলা হয়েছে, সে বিষয়ে আপনার বক্তব্য কী?নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া: যেহেতু বিষয়টি আইনগত প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে, তাই আমি আদালতের বাইরে বিস্তারিত মন্তব্য করতে চাই না।আমি শুধু বলতে চাই, আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে।যে কোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রকৃত ঘটনা, প্রমাণ ও আইনি প্রক্রিয়াই চূড়ান্ত বিষয় হওয়া উচিত।প্রশ্ন: আপনি কি মনে করেন গণমাধ্যমে কোনো কোনো ক্ষেত্রে একপাক্ষিক তথ্য প্রকাশ পেতে পারে?নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া: বর্তমান সময়ে তথ্য খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তাই যাচাই-বাছাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।একজন মানুষের বক্তব্য, অভিযোগকারী পক্ষের বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট নথি—সবকিছু বিবেচনা করেই সংবাদ প্রকাশ করা উচিত।প্রশ্ন: আশিয়ান সিটি প্রকল্প নিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া: আমাদের লক্ষ্য হলো আধুনিক ও পরিকল্পিত আবাসন তৈরি করা।বর্তমান সময়ে মানুষ শুধু একটি জায়গা কিনতে চায় না; তারা নিরাপদ, সুন্দর ও সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন একটি জীবনব্যবস্থা চায়।আমরা সেই বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি।প্রশ্ন: আবাসন খাতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী বলে মনে করেন?নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া: আবাসন খাতে সবচেয়ে বড় বিষয় হলো আস্থা।একজন মানুষ যখন জমি বা বাড়িতে বিনিয়োগ করেন, তখন তিনি তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি সিদ্ধান্ত নেন। তাই আবাসন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব অনেক বেশি।স্বচ্ছতা, নিয়মনীতি অনুসরণ এবং গ্রাহকের আস্থা—এসব বিষয়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।আরও  পড়ুন, হামলা-হয়রানিতে চ্যালেঞ্জে পুলিশপ্রশ্ন: বিভিন্ন সময়ে অপপ্রচারের অভিযোগও করেছেন। এর কারণ কী?নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া: বড় প্রতিষ্ঠান বা সফল ব্যক্তিদের নিয়ে অনেক সময় বিভিন্ন ধরনের আলোচনা হয়।তবে কোনো বিষয় যদি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে উপস্থাপন করা হয়, তাহলে সেটি একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করতে পারে।আমার বিশ্বাস, সত্য তথ্য ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এসব মোকাবিলা করা সম্ভব।প্রশ্ন: তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য আপনার পরামর্শ কী?নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া: পরিশ্রম, ধৈর্য এবং সততা ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে সফল হওয়া যায় না।ব্যবসায় শুধু লাভ নয়, মানুষের আস্থা অর্জন করাও গুরুত্বপূর্ণ।তরুণদের উচিত জ্ঞান অর্জন করা, প্রযুক্তিকে গ্রহণ করা এবং দায়িত্বশীলভাবে এগিয়ে যাওয়া।প্রশ্ন: ভবিষ্যতে আশিয়ান গ্রুপকে কোথায় দেখতে চান?নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া: আমরা চাই আশিয়ান গ্রুপ একটি দায়িত্বশীল ও মানুষের আস্থার প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক।প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা, উন্নত সেবা এবং নতুন নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা সামনে এগিয়ে যেতে চাই।আরও  পড়ুন, উজাড় হচ্ছে লামার সংরক্ষিত বন, রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগপ্রশ্ন: আপনার সফল ক্যারিয়ার হতে কি শিক্ষা নিতে পারি?নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া: পরিশ্রম ও সততাই একজন মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় তৈরি করে।সাফল্যের পাশাপাশি চ্যালেঞ্জও আসে। তবে ধৈর্য ধরে, আইন মেনে এবং মানুষের আস্থা ধরে রেখে এগিয়ে যেতে হয়।শেষ প্রশ্ন: আপনার বিরুদ্ধে যারা সমালোচনা করেন, তাদের জন্য আপনার বার্তা কী?নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া: আমি সমালোচনাকে স্বাভাবিকভাবে দেখি। তবে সমালোচনা যেন তথ্যভিত্তিক হয়, সেটিই প্রত্যাশা করি।আমার বিশ্বাস, শেষ পর্যন্ত মানুষের মূল্যায়ন হয় কাজের মাধ্যমে। আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করে যেতে চাই।

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের পুনর্গঠিত নির্বাহী কমিটিতে সদস্য হলেন এমপি ফজলুর রহমান

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের পুনর্গঠিত নির্বাহী কমিটিতে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান। ট্রাস্টের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে এই কমিটি পুনর্গঠন করেছে সরকার। বিস্তারিত জানাচ্ছেন…মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮-এর ১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী নির্বাহী কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে।পুনর্গঠিত কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।আরও  পড়ুন, আইন সংস্কারে নতুন অগ্রগতি, কমিশনের প্রস্তাব বাস্তবায়নের ঘোষণা : আইনমন্ত্রীকমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান, কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী এবং নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক।এছাড়া অর্থ বিভাগ, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবরা পদাধিকারবলে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।নির্বাহী কমিটি ট্রাস্টের সার্বিক কার্যক্রম তদারকি, উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন, প্রকল্প বাস্তবায়ন, আর্থিক নিরীক্ষা এবং ট্রাস্টি বোর্ডের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করবে।সরকার আশা করছে, পুনর্গঠিত এই নির্বাহী কমিটির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের উন্নয়ন ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ হবে।

আইন সংস্কারে নতুন অগ্রগতি, কমিশনের প্রস্তাব বাস্তবায়নের ঘোষণা : আইনমন্ত্রী

আইন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনাগুলো জুলাই সনদের আলোকে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। ঝিনাইদহে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জারি হওয়া অধিকাংশ অধ্যাদেশ বর্তমান সরকার গ্রহণ করেছে। শুক্রবার সকালে ঝিনাইদহ শহরের পুরাতন ডিসি কোর্ট চত্বরে বৃক্ষমেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন আইনমন্ত্রী।তিনি জানান, আইন সংস্কার কমিশন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করেছিল। এর প্রায় সবগুলোই বর্তমান সরকার গ্রহণ করেছে এবং জুলাই সনদের আলোকে সেগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।আরও  পড়ুন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমানআইনমন্ত্রী বলেন, আইনি সংস্কারের মাধ্যমে বিচারব্যবস্থা, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং জনসেবাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।একই অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, দেশের পর্যটন খাতকে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করতে একটি মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।তার মতে, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের পর্যটন শিল্পে নতুন গতি আসবে এবং বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আইন সংস্কার ও পর্যটন উন্নয়নের এই দুই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে প্রশাসনিক দক্ষতা এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম—উভয় ক্ষেত্রেই ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটিই হবে তার প্রথম নিউইয়র্ক সফর এবং প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।এবারের অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। কারণ, অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।আরও  পড়ুন, আগামীকাল সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক করল সরকারসফরকালে প্রধানমন্ত্রী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। এছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন এবং কয়েকজন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠকে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে চার থেকে পাঁচ দিন অবস্থান করবেন এবং ২৫ বা ২৬ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরবেন। সফরসঙ্গীর সংখ্যা ৩৫ জনের মধ্যে সীমিত রাখা হবে।৮১তম অধিবেশনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠন, পরিবর্তন মোকাবিলা এবং সবার জন্য কার্যকর জাতিসংঘ গড়ে তোলা।বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের প্রথম জাতিসংঘ ভাষণ বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থান, উন্নয়ন, জলবায়ু, শান্তি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করতে পারে।

আগামীকাল সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক করল সরকার

দেশের সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামীকাল শনিবার, ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম বা জিপিএস ডিভাইস সংযোজন ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নতুন নিবন্ধন ও ফিটনেস সনদ নবায়নের ক্ষেত্রেও জিপিএস সংযুক্তির প্রমাণ দেখাতে হবে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ১ আগস্ট থেকে কোনো গণপরিবহনের নতুন নিবন্ধন বা ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে না, যদি যানবাহনে জিপিএস ডিভাইস সংযুক্ত ও সচল না থাকে।বিআরটিএ জানিয়েছে, জিপিএস সংযোজনের প্রমাণপত্রের পাশাপাশি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে এর কার্যকারিতাও প্রদর্শন করতে হবে।রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন সড়কে যাত্রী তোলার প্রতিযোগিতা, বেপরোয়া রেষারেষি, যেখানে-সেখানে থামা এবং লেন দখল করে দাঁড়িয়ে থাকার মতো অনিয়ম নিয়ন্ত্রণে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।আরও  পড়ুন, রাতে নিজেই গাড়ি চালিয়ে রাজধানী পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানবাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি জানিয়েছে, বিভিন্ন কোম্পানির গাড়িতে জিপিএস সংযোজনের কাজ চলছে। তবে ১ আগস্ট থেকেই সব যানবাহনে এটি পুরোপুরি কার্যকর করা সম্ভব হবে না।বিআরটিএ চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেছেন, নতুন নিবন্ধনের জন্য জিপিএস সংযুক্ত অবস্থায় গাড়ি আনতে হবে এবং ফিটনেস নবায়নের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা নয়, কার্যকর তদারকি, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং পরিবহন খাতে কাঠামোগত সংস্কার নিশ্চিত না হলে প্রত্যাশিত সুফল পাওয়া কঠিন হবে।বিশ্লেষকদের মতে, জিপিএস উদ্যোগ ইতিবাচক হলেও বাস্তবায়নের সাফল্য নির্ভর করবে কঠোর নজরদারি এবং পরিবহন ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের ওপর।

রাজনীতিরাজনীতি

আইন সংস্কারে নতুন অগ্রগতি, কমিশনের প্রস্তাব বাস্তবায়নের ঘোষণা : আইনমন্ত্রী

আইন সংস্কারে নতুন অগ্রগতি, কমিশনের প্রস্তাব বাস্তবায়নের ঘোষণা : আইনমন্ত্রী

আইন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনাগুলো জুলাই সনদের আলোকে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। ঝিনাইদহে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জারি হওয়া অধিকাংশ অধ্যাদেশ বর্তমান সরকার গ্রহণ করেছে। শুক্রবার সকালে ঝিনাইদহ শহরের পুরাতন ডিসি কোর্ট চত্বরে বৃক্ষমেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন আইনমন্ত্রী।তিনি জানান, আইন সংস্কার কমিশন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করেছিল। এর প্রায় সবগুলোই বর্তমান সরকার গ্রহণ করেছে এবং জুলাই সনদের আলোকে সেগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।আরও  পড়ুন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমানআইনমন্ত্রী বলেন, আইনি সংস্কারের মাধ্যমে বিচারব্যবস্থা, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং জনসেবাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।একই অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, দেশের পর্যটন খাতকে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করতে একটি মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।তার মতে, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের পর্যটন শিল্পে নতুন গতি আসবে এবং বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আইন সংস্কার ও পর্যটন উন্নয়নের এই দুই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে প্রশাসনিক দক্ষতা এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম—উভয় ক্ষেত্রেই ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

এনসিপি নেতাদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ১১ দলীয় ঐক্যের

এনসিপি নেতাদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ১১ দলীয় ঐক্যের

দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে রাজধানীতে বৈঠক করেছে ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটি। বৈঠকে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপির নেতাদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে জোটটি। বিস্তারিত জানাচ্ছেন…বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয় ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক। এতে সভাপতিত্ব করেন জোটের সমন্বয়ক এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।বৈঠকে দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, চলমান আন্দোলনের ভবিষ্যৎ কর্মসূচি এবং জোটের পরবর্তী রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়।আরও  পড়ুন, হবিগঞ্জের হামলায় চোখ হারালেন এনসিপি কর্মী আলিফসভায় সম্প্রতি হবিগঞ্জে ‘জুলাই পদযাত্রা ২০২৬’ কর্মসূচিতে এনসিপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানানো হয়। একই সঙ্গে হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায় ১১ দলীয় ঐক্য।বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, আন্দোলনের ভবিষ্যৎ কর্মসূচি আগামী ৩ আগস্ট শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে চূড়ান্ত করা হবে।সভায় ৫ আগস্ট রক্তাক্ত জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে ঘোষিত কর্মসূচি সফল করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়। জোটের নেতারা রাজনৈতিক সহিংসতা পরিহার এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।বৈঠকে এলডিপি, জাগপা, লেবার পার্টি, খেলাফত মজলিস, এনসিপি, নেজামে ইসলাম পার্টি ও বিডিপিসহ জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

হবিগঞ্জের হামলায় চোখ হারালেন এনসিপি কর্মী আলিফ

হবিগঞ্জের হামলায় চোখ হারালেন এনসিপি কর্মী আলিফ

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে হামলায় গুরুতর আহত জাতীয় ছাত্রশক্তির নবীগঞ্জ উপজেলা সংগঠক আলিফ চৌধুরীর বাঁ চোখের দৃষ্টিশক্তি আর ফিরবে না। রাজধানীর জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পরও চিকিৎসকরা তার চোখের দৃষ্টি ফিরিয়ে আনতে পারেননি।বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতু। তিনি দাবি করেন, ছাত্রদলের সন্ত্রাসীদের রডের আঘাতে আলিফের চোখ গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অস্ত্রোপচার শেষ হলেও বাম চোখের আলো আর কোনোদিন ফিরবে না।এর আগে এনসিপি জানিয়েছিল, আলিফের চোখে গুরুতর আঘাত লাগায় দৃষ্টিশক্তি হারানোর আশঙ্কা ছিল।আরও পড়ুন. মারলে সেটাই আমার কামাই’ হবিগঞ্জে যেতে গিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহর বক্তব্যসেই আশঙ্কাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হলো।উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার হবিগঞ্জে এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি শেষে কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে হামলা ও নেতা-কর্মীদের মারধরের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় গুরুতর আহত হন আলিফ চৌধুরীসহ একাধিক নেতা-কর্মী।পরে শহরে প্রতিবাদ মিছিল বের করলে আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ আরও কয়েকজন আহত হন।এদিকে হামলার ঘটনায় এনসিপি ক্ষমতাসীন বিএনপিকে দায়ী করলেও এ বিষয়ে বিএনপির আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

‘মারলে সেটাই আমার কামাই’ হবিগঞ্জে যেতে গিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহর বক্তব্য

‘মারলে সেটাই আমার কামাই’ হবিগঞ্জে যেতে গিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহর বক্তব্য

হবিগঞ্জে হামলার ঘটনায় মামলা করতে যাওয়ার পথে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে অনড় অবস্থান নিয়েছেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।বুধবার বিকেলে বাহুবল উপজেলার রশিদপুর এলাকায় পুলিশ তাদের গাড়িবহর আটকে দিলে তিনি বলেন, ‘আমরা একটি গাড়ি নিয়ে পাঁচজন শুধু হবিগঞ্জে যাব। হবিগঞ্জে গিয়ে মামলা না করে আমরা ফিরব না। আমাকে যদি হবিগঞ্জের মানুষ মারে, তবে আমি ধরে নেব এটি আমার কামাই।’প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সারজিস আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, ডা. মাহমুদা মিতুসহ কয়েকজন মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হন।আরও পড়ুন, বাউফলে পরকীয়ার অভিযোগে গণপিটুনির শিকার জামায়াত নেতা  প্রথমে শ্রীমঙ্গলের মুছাই এলাকায় এবং পরে বাহুবলের রশিদপুর এলাকায় তাদের গাড়িবহর আটকে দেয় পুলিশ। দুই দফাতেই পুলিশ ও এনসিপি নেতাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে।হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. তারেক মাহমুদ বলেন, তাদের নিরাপত্তার স্বার্থে হবিগঞ্জে প্রবেশ না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার হবিগঞ্জে এনসিপির জুলাই পদযাত্রা শেষে সারজিস আলম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িবহরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে সারজিস আলমসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। ঘটনার পর জেলায় ১৪৪ ধারা জারি এবং তিন প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

সারাবাংলা

বরিশালের হিজলায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু, এলাকাজুড়ে শোক

বরিশালের হিজলায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু, এলাকাজুড়ে শোক

গভীর শোকের সঙ্গে জানানো যাচ্ছে যে, বরিশালের হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়ীয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা, মরহুম ছাদের হাওলাদারের নাতি এবং মোঃ ফরিদ হাওলাদারের পুত্র মোঃ মিরাজ হাওলাদার আজ এক মর্মান্তিক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।মরহুমের অকাল মৃত্যুতে আমরা গভীর শোক প্রকাশ করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।আরও  পড়ুন, মিঠাপুকুরে শিক্ষকের বেধড়ক মারধরে শিক্ষার্থীর হাত ভাঙার অভিযোগ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধেমহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন এবং তাঁর পরিবারকে এই শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন। আমীন।তার মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজন, প্রতিবেশী ও স্থানীয়রা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন।স্থানীয়দের ভাষ্য, মিরাজ হাওলাদার একজন পরিচিত তরুণ ছিলেন এবং তার অকাল মৃত্যু পরিবার ও এলাকার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।মরহুমের জানাজা ও দাফনের বিষয়ে পারিবারিকভাবে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

মিঠাপুকুরে শিক্ষকের বেধড়ক মারধরে শিক্ষার্থীর হাত ভাঙার অভিযোগ  ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

মিঠাপুকুরে শিক্ষকের বেধড়ক মারধরে শিক্ষার্থীর হাত ভাঙার অভিযোগ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার সেরুডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে এক সহকারী শিক্ষকের মারধরে এক শিক্ষার্থীর হাত ভেঙে (ফ্র্যাকচার) যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই ঘটনায় আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়জুড়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. নূর আলম শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে এক শিক্ষার্থীর হাতে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে তাকে মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক এক্স-রে করার পরামর্শ দেন। এক্স-রে রিপোর্টে তার হাতে ফ্র্যাকচার ধরা পড়ে। আহত অন্য শিক্ষার্থীদেরও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার পর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে অভিযুক্ত শিক্ষক নামমাত্র দুঃখ প্রকাশ করে দ্রুত বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার অভিভাবকরা বিদ্যালয়ে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ সময় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রোববার বিষয়টি নিয়ে বসে সমাধানের আশ্বাস দেন।আরও  পড়ুন, রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক মোঃ সাইফুল ইসলাম উপমন্ত্রী পদমর্যাদা লাভ করেছেনসরেজমিনে ওই শ্রেণির একাধিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষকের আচরণে তারা দীর্ঘদিন ধরেই আতঙ্কিত। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তিনি প্রায়ই শ্রেণিকক্ষে অশালীন ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন, সামান্য বিষয়েও শারীরিক নির্যাতন করেন এবং অনেক সময় পাঠদানের পরিবর্তে মোবাইল ফোনে টিকটক ও রিলস দেখতে ব্যস্ত থাকেন। এছাড়া, সাম্প্রতিক অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার সময় তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ কর্তৃপক্ষের কাছে দেওয়ার পর থেকেই তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতি আরও কঠোর ও আক্রমণাত্মক আচরণ করছেন বলেও দাবি তাদের।আহত শিক্ষার্থীর চাচা মাহাবুল ইসলাম বলেন, “স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পর আমার ভাতিজার চলাফেরা অস্বাভাবিক মনে হয়। পরে জানতে পারি শিক্ষক নূর আলম তাকে ও আরও কয়েকজনকে মারধর করেছেন। শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। চিকিৎসকের পরামর্শে এক্স-রে করলে তার হাতে ফ্র্যাকচার ধরা পড়ে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষী শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।আরও  পড়ুন, এদিকে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রওশন আলম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেও অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি আহত শিক্ষার্থীর অভিভাবক একজন রাজনৈতিক দলের সক্রিয় কর্মী এবং তার বিরুদ্ধে ১৬টি মামলা রয়েছে বলে দাবি করে ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেন। তবে তিনি তার দাবির পক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি।অভিযুক্ত শিক্ষক মো. নূর আলমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যস্ত থাকার কথা বলে সংক্ষিপ্ত উত্তর দিয়ে কল কেটে দেন। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তার বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।এ বিষয়ে মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. পারভেজ এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এদিকে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাবি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ ও ভয়মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত, অভিযোগ প্রমাণিত হলে দোষী শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক মোঃ সাইফুল ইসলাম উপমন্ত্রী পদমর্যাদা লাভ করেছেন

রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক মোঃ সাইফুল ইসলাম উপমন্ত্রী পদমর্যাদা লাভ করেছেন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপন জারি; সরকারি অনুষ্ঠানে প্রোটোকল ও অগ্রাধিকার তালিকায় উপমন্ত্রীর মর্যাদা প্রযোজ্য।রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক মোঃ সাইফুল ইসলাম উপমন্ত্রীর পদমর্যাদা লাভ করেছেন। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে Warrant of Precedence, ১৯৮৬ (২০২৩ পর্যন্ত সংশোধিত) অনুযায়ী উপমন্ত্রীর পদমর্যাদা প্রদান করা হয়েছে।প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি বিভিন্ন অনুষ্ঠান, আরও  পড়ুন, ফটিকছড়িতে ধানের চারা রোপণের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কৃষি শ্রমিকের মৃত্যুসভা-সমাবেশ ও রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতায় অগ্রাধিকার নির্ধারণের ক্ষেত্রে তিনি উপমন্ত্রীর সমমানের প্রোটোকল সুবিধা পাবেন।একই সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর, সংস্থা এবং মাঠ প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছে।এ প্রজ্ঞাপনের ফলে রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সরকারি প্রোটোকল ও আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমে মোঃ সাইফুল ইসলামের মর্যাদা ও অগ্রাধিকার উপমন্ত্রীর সমপর্যায়ে বিবেচিত হবে।

ফটিকছড়িতে ধানের চারা রোপণের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কৃষি শ্রমিকের মৃত্যু

ফটিকছড়িতে ধানের চারা রোপণের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কৃষি শ্রমিকের মৃত্যু

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ধানের চারা রোপণ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক কৃষি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। পানিতে পড়ে থাকা ছেঁড়া বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তিনি। শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে ফটিকছড়ি উপজেলার লেলাং ইউনিয়নের শাহনগর গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত মুস্তাকিম নেত্রকোনা জেলার বাসিন্দা। জীবিকার তাগিদে তিনি ফটিকছড়িতে কৃষি শ্রমিকের কাজ করতে এসেছিলেন।স্থানীয়দের ভাষ্য, শুক্রবার সকালে মুস্তাকিমসহ তিন শ্রমিক একটি কৃষিজমিতে ধানের চারা রোপণ করতে নামেন। আগে থেকেই বিদ্যুতের একটি ছেঁড়া তার জমির পানিতে পড়ে ছিল। বিষয়টি তারা বুঝতে পারেননি।আরও  পড়ুন, ফেনীতে টিকটক ভিডিও বানাতে শিশু উত্যক্তের অভিযোগ, প্রধান আসামি গ্রেফতারকাজ করার একপর্যায়ে মুস্তাকিম বিদ্যুৎবাহী পানির সংস্পর্শে এলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। তবে তার সঙ্গে থাকা অন্য দুই শ্রমিক অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান।স্থানীয় ইউপি সদস্য জানিয়েছেন, জমিতে ছেঁড়া বিদ্যুতের তার পড়ে থাকাই এই দুর্ঘটনার কারণ।ফটিকছড়ি থানার পুলিশ জানিয়েছে, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যুতের ছেঁড়া তার দ্রুত অপসারণ ও নিরাপত্তা তদারকি জোরদার করা হলে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব।

আন্তর্জাতিক

ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীনের ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ইরান

ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীনের ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা আরও শক্তিশালী করতে চীনের কাছ থেকে কাঁধে বহনযোগ্য আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র বা ম্যানপ্যাডস কেনার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানিয়েছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এসব ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম চালান তেহরানে পৌঁছাতে পারে।রয়টার্সের দাবি, প্রায় ৬০ থেকে ৭০ মিলিয়ন ডলারের এই চুক্তির আওতায় ইরান মোট ৩০০ থেকে ৪০০টি চীনা ম্যানপ্যাড সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে। চুক্তিতে কিউডব্লিউ-১২ এবং এফএন-১৬ মডেলের ইনফ্রারেড-নির্দেশিত ক্ষেপণাস্ত্র থাকার কথা বলা হয়েছে, যা নিচু দিয়ে উড়ন্ত যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার ও ড্রোন ভূপাতিত করতে সক্ষম।আরও পড়ুন. নিট আন্দোলনে গ্রেপ্তার শিক্ষার্থীদের মামলা প্রত্যাহারের পথে পশ্চিমবঙ্গপ্রতিবেদন অনুযায়ী, হংকংভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে চুক্তিটি সম্পন্ন হয়েছে বলে তিনটি সূত্র জানিয়েছে। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।অন্যদিকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রয়টার্সের এই প্রতিবেদনকে "সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন" বলে দাবি করেছে। একইভাবে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীও চীন থেকে ইরানে অস্ত্র সরবরাহে পাকিস্তানের সম্পৃক্ততার খবরকে "মনগড়া ও মিথ্যা" বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।রয়টার্স বলছে, সাম্প্রতিক হামলায় নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তায় দুর্বলতা সামনে আসার পরই আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদারে এই উদ্যোগ নিয়েছে তেহরান। তবে সরবরাহের সময়সূচি ও চূড়ান্ত পরিমাণ এখনো পরিবর্তন হতে পারে বলেও সূত্রগুলো জানিয়েছে।

২৯ জুলাই ২০২৬

রাজধানী

মাছ, ডিম ও ব্রয়লার মুরগির দাম; চাপে রাজধানীর ক্রেতারা

মাছ, ডিম ও ব্রয়লার মুরগির দাম; চাপে রাজধানীর ক্রেতারা

চলতি সপ্তাহে রাজধানীর বাজারে আবারও বেড়েছে মাছ, ডিম ও ব্রয়লার মুরগির দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন ধরনের মাছের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের বাজারে নতুন করে চাপ বেড়েছে সাধারণ মানুষের ওপর। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের তুলনায় মাছের বাজারে উল্লেখযোগ্য মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। পাঙাশের কেজি ২০০ টাকা ছাড়িয়েছে। তেলাপিয়া, রুই, কাতলা, মৃগেল ও পোয়া মাছের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।বর্তমানে বাজারে মানভেদে চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, রুই ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং টেংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে।আরও  পড়ুন, বৃষ্টিতে মরিচের আগুন: রাজধানীর বাজারে কেজি ৪০০ টাকা ছুঁইছুঁইডিমের বাজারেও বেড়েছে দাম। গত সপ্তাহের তুলনায় ডজনে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়ে ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫৫ টাকায়।মুরগির বাজারে ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৩০ টাকা কেজি দরে। গরুর মাংসের দাম স্থির থাকলেও তা ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১,১০০ থেকে ১,২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।ক্রেতাদের অভিযোগ, বৃষ্টি ও বন্যার কারণে বাজারে প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম বেড়েছে, যা সীমিত আয়ের মানুষের জন্য বড় চাপ তৈরি করছে।ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহব্যবস্থা স্বাভাবিক না হলে এবং বাজার তদারকি জোরদার না হলে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে।বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজারে নিয়মিত তদারকি, পরিবহন ও সরবরাহব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা এবং অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

১৩ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

বিশ্বকাপ ফাইনালের বিশৃঙ্খলা প্যারেদেসের বিরুদ্ধে ফিফার তদন্ত

বিশ্বকাপ ফাইনালের বিশৃঙ্খলা প্যারেদেসের বিরুদ্ধে ফিফার তদন্ত

বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে মাঠে ঘটে যাওয়া সংঘর্ষ ও বিশৃঙ্খলার ঘটনায় বড় ধরনের শাস্তির ঝুঁকিতে পড়তে পারেন আর্জেন্টিনার অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো প্যারেদেস। ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটির তদন্তে তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৯ ম্যাচের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার সম্ভাবনার কথা বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ফিফার তদন্ত-সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, ম্যাচ-পরবর্তী উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের প্রতি অন্তত তিনবার আগ্রাসী আচরণ করেছেন প্যারেদেস। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দীর্ঘ সময়ের জন্য জাতীয় দলের বাইরে থাকতে হতে পারে তাকে।এ ঘটনায় শুধু প্যারেদেসই নন, আর্জেন্টিনার নাহুয়েল মোলিনা,আরও পড়ুন, ইয়ামালের কার্ডে ইতিহাস, নিলামে মেসি পেলেকেও ছাড়িয়ে স্প্যানিশ বিস্ময় থিয়াগো আলমাদা এবং সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালার বিরুদ্ধেও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে তদন্ত চলছে।অন্যদিকে, স্পেনের মিডফিল্ডার গাভিকেও অসংলগ্ন আচরণের অভিযোগে তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।ফিফা আরও খতিয়ে দেখছে নিরাপত্তা প্রটোকল ভঙ্গ, গ্যালারি থেকে বৈষম্যমূলক স্লোগান এবং মাঠে রাজনৈতিক বার্তাসংবলিত ব্যানার প্রদর্শনের অভিযোগ।ফিফা জানিয়েছে, আর্জেন্টিনা ও স্পেনের ফুটবল কর্তৃপক্ষের লিখিত ব্যাখ্যা, ম্যাচ প্রতিবেদন এবং সংগৃহীত প্রমাণ পর্যালোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সংস্থার বিরুদ্ধে কী ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবে ফিফা।

আইন আদালত

বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতা

বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতা

বর্ষার বৃষ্টির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি জেলা শহরগুলোতেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এডিস মশাবাহিত এই রোগ। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু সংক্রমণের উচ্চ প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২০ জুলাই পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০ হাজার ৪৮৫ জন। এ সময় ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৯ হাজার ৪৪০ জন।শুধু জুলাই মাসের প্রথম ১৯ দিনেই আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৮১ জন, যা জুন মাসের মোট আক্রান্ত ২ হাজার ৯০৭ জনের তুলনায় প্রায় ৩৪ শতাংশ বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪৭৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর ডেঙ্গুর জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়। বিশেষ করে বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং ঢাকার আশপাশের জেলাগুলোতে সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।আরও  পড়ুন, জুলাই আন্দোলনের রক্তাক্ত দিন: ২০ জুলাইয়ে দেশজুড়ে কারফিউ ও সেনা টহলতিনি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত লার্ভা ধ্বংস, লার্ভিসাইড প্রয়োগ এবং জেলা-উপজেলা হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী জানান, ডেঙ্গুর উৎস শনাক্ত ও ধ্বংসে কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। শিগগিরই ৩০০ স্বেচ্ছাসেবক বাসাবাড়ির ছাদ, গ্যারেজ ও সম্ভাব্য প্রজননস্থল পরিদর্শনে নামবেন।জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু ফগিং করে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। জমে থাকা পরিষ্কার পানি অপসারণ, নির্মাণাধীন ভবনে নিয়মিত তদারকি, লার্ভা জরিপ এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিই ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।চিকিৎসকদের পরামর্শ, জ্বর, শরীরব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, বমি বা রক্তক্ষরণের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও দীর্ঘমেয়াদি রোগীদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর