দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1005.1 hPa
29.1° 81%
340° 3mm
চট্টগ্রাম 1006.1 hPa
29.8° 78%
340° 3mm
রাজশাহী 1004.4 hPa
29.8° 84%
340° 3mm
খুলনা 1003.6 hPa
27.3° 97%
340° 3mm
বরিশাল 1004.4 hPa
26.5° 96%
340° 3mm
সিলেট 1007.2 hPa
26.5° 92%
340° 3mm
রংপুর 1006.1 hPa
27.4° 92%
340° 3mm
ময়মনসিংহ 1006.6 hPa
29.3° 86%
340° 3mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

Divine Group ঘিরে এবার মামলার হিসাব

Divine Group ঘিরে এবার মামলার হিসাব

Divine Group-এর প্রকল্প, জমির মালিকানা, গ্রাহকের অর্থ ব্যবস্থাপনা, রিফান্ড এবং করপোরেট গভর্ন্যান্স নিয়ে প্রশ্নের পর এবার প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে থাকা মামলা ও আদালতের আদেশ নিয়েও অনুসন্ধানের দাবি উঠেছে। বিভিন্ন গ্রাহকের করা মামলার পাশাপাশি একটি ব্যাংক-সংক্রান্ত মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সেই পরোয়ানা গুলশান থানায় পৌঁছানোর পরও কেন তা কার্যকর হয়নি এ প্রশ্ন এখন সামনে এসেছে। তবে মামলার সংখ্যা, পরোয়ানার বর্তমান কার্যকারিতা এবং কোনো মামলায় আসামির জামিন বা স্থগিতাদেশ রয়েছে কি না এসব বিষয়ে আদালতের নথি ও সংশ্লিষ্ট থানার রেকর্ড দিয়ে পূর্ণাঙ্গ যাচাই জরুরি। সংবাদ দিগন্তের অনুসন্ধানেও এসব নথির সত্যতা ও বর্তমান অবস্থা যাচাইয়ের চেষ্টা চলছে। গুলশানের মত এমন একটি এলাকায় প্রতারনার ফাঁদ গ্রাহকের টাকা লুটেপুটে খাচ্ছে ডিভাইন গ্রুপ।আরও পড়ুন: গ্রাহকের অর্থ কোথায়? Divine Group-এর প্রকল্প ও সম্পদDivine Group-এর ওপর করা প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক স্বচ্ছতা, গ্রাহকের রিফান্ড, ব্যাংক দায়, জমির মালিকানা, কর-ভ্যাট ও করপোরেট গভর্ন্যান্স নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রতিবেদনে SM Habibur Rahman-এর বিরুদ্ধে ব্যাংক ঋণ খেলাপি, আইনগত পদক্ষেপ এবং ব্যাংকগুলোর recovery চেষ্টার অভিযোগের কথাও উল্লেখ রয়েছে। তবে ওই রিপোর্টও এসব অভিযোগকে প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে উপস্থাপন না করে ব্যাংক নথি, আদালতের রেকর্ড ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রের মাধ্যমে যাচাইয়ের কথা বলেছে। আরও পড়ুন: অপসাংবাদিকতার তাণ্ডব: মূলধারা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার বড় সংকটঅনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, One Bank-এর একটি মামলায় এস এম হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে এবং ওই পরোয়ানা গুলশান থানায় পাঠানো হয়েছে। কিন্তু পরোয়ানা থানায় পৌঁছানোর পর সেটি কার্যকর হয়েছে কি না, হলে কখন হয়েছে, না হলে তার কারণ কী এসব প্রশ্নের উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো থানায় আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পৌঁছালে সেটির কার্যকর করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্ব থাকে। তবে কোনো আসামির বিরুদ্ধে পরোয়ানা থাকলেই তিনি গ্রেপ্তারযোগ্য অবস্থায় আছেন এমন সরল সিদ্ধান্তে যাওয়ার আগে পরোয়ানার সর্বশেষ অবস্থা, জামিন, স্থগিতাদেশ, প্রত্যাহার বা অন্য কোনো আদালতের আদেশ আছে কি না তা যাচাই করা প্রয়োজন। সুতরাং এখানে মূল অনুসন্ধানের বিষয় শুধু ‘ওয়ারেন্ট আছে কি না’ নয়; বরং ওয়ারেন্টটি বর্তমানে কার্যকর কি না এবং থাকলে সেটি বাস্তবায়নে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন: চোরাচালান-মাদকপাচার ও সীমান্ত হত্যা বন্ধে বিজিবিকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশএদিকে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, এস এম হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আদালতে মোট ৫৪টি মামলা রয়েছে। তবে সংবাদ দিগন্তের হাতে এই মুহূর্তে ৫৪টি মামলার পূর্ণাঙ্গ মামলানম্বর, আদালতের নাম, মামলার ধারা, বাদীর পরিচয় এবং বর্তমান অবস্থার সমন্বিত তালিকা নেই।ফলে ৫৪টি মামলাকে নিশ্চিত সংখ্যা হিসেবে প্রকাশের আগে আদালতের নথি দিয়ে তা যাচাই করা জরুরি। কারণ একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভিন্ন পর্যায়ের মামলা, আপিল, রিভিশন বা আর্থিক বিরোধের মামলা থাকতে পারে; আবার কোনো মামলা নিষ্পত্তি, খারিজ, স্থগিত কিংবা জামিনের আওতায়ও থাকতে পারে।এ কারণে সংবাদ দিগন্তের অনুসন্ধানের পরবর্তী ধাপে মামলার নম্বর ধরে ধরে যাচাই করার প্রয়োজন রয়েছে। প্রথম পর্বের অনুসন্ধানে যে বিষয়টি সামনে এসেছিল, সেটি হলো Divine Group-এর বিভিন্ন প্রকল্পে দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকের অর্থ, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং রিফান্ড নিয়ে প্রশ্ন। প্রাথমিক প্রতিবেদনে ২০ কোটি টাকার বেশি refund-related issue থাকার দাবি এবং কিছু গ্রাহকের রিফান্ড দীর্ঘ সময় ধরে অনিষ্পন্ন থাকার অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।Divine Group-সংক্রান্ত প্রাথমিক রিপোর্টে এস এম হাবিবুর রহমানের বিভিন্ন সম্পত্তির বিপরীতে ব্যাংক ঋণ নেওয়ার তথ্যের সঙ্গে একাধিক ঋণ খেলাপির অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কয়েকটি ক্ষেত্রে ব্যাংক আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছে এবং recovery proceedings চলার দাবিও সেখানে রয়েছে। সম্মিলিত ব্যাংক দাবির পরিমাণ ১০ কোটি টাকার বেশি হতে পারে বলে একটি প্রাথমিক অনুমানের কথা বলা হয়েছে।তবে এটিও মনে রাখা জরুরি ব্যাংক ঋণ, ঋণখেলাপি, দেওয়ানি অর্থঋণ মামলা এবং ফৌজদারি মামলা এক বিষয় নয়। কোন মামলায় কী অভিযোগ রয়েছে এবং আদালত কী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন তা নথি দেখে আলাদাভাবে নির্ধারণ করতে হবে।আরও পড়ুন: ‘সাংবাদিক আবদুস সালাম সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার প্রতীক’: রিজভীDivine Group-এর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি হলো গ্রাহক বা প্রকল্পের অর্থ অন্যত্র ব্যবহারের অভিযোগ। প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এ বিষয়টিকে সরাসরি ‘মানি লন্ডারিং’ না বলে Potential Fund Diversion/Misuse of Customer Funds/Related-Party Transaction Risk হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং forensic verification-এর প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য শুধু মুখের কথা বা বাজারের গুঞ্জন যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন হবে ব্যাংক স্টেটমেন্ট, গ্রাহকের পেমেন্ট রেকর্ড, প্রকল্পের হিসাব, জমি কেনার দলিল, নির্মাণ ব্যয়, রিফান্ডের হিসাব এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বা প্রতিষ্ঠানের কাছে অর্থ স্থানান্তরের নথি। প্রতিবেদনটির ভাষায়, গ্রাহকের টাকা থেকে শুরু করে ব্যাংক হিসাব, অর্থ স্থানান্তর, প্রাপক, ব্যয়ের উদ্দেশ্য, ভাউচার এবং শেষ পর্যন্ত প্রকৃত সুবিধাভোগী পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে।আরও পড়ুন:আইসিসিবিতে ৩ সেপ্টেম্বর শুরু কসমেটিকা ঢাকা ২০২৬২০২৫ সাল থেকে Divine Purbachal City এবং Cox Holiday Inn প্রকল্পকে সামনে রেখে নতুন করে বাজারে সক্রিয় হওয়ার তথ্যও প্রাথমিক প্রতিবেদনে রয়েছে। সেখানে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রায় ৫ কোটি টাকার hotel share sale এবং প্রায় ২.৫ কোটি টাকা collection হওয়ার দাবি উল্লেখ করা হয়েছে। একই সময়ে প্রকল্প উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব তথ্য ব্যাংক স্টেটমেন্ট, শেয়ার রেজিস্টার ও গ্রাহক লেজার দিয়ে যাচাইয়ের প্রয়োজন রয়েছে। এখানেই অনুসন্ধানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন পুরোনো প্রকল্পের গ্রাহক, বিনিয়োগকারী ও পাওনাদারদের দায় পরিশোধের আগে নতুন প্রকল্প বা শেয়ারের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে কি না। এটি কোনো অপরাধের প্রমাণ নয়; তবে একটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা মূল্যায়নে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।আরও পড়ুন: আমিরাতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি নাকচCox Holiday Inn প্রকল্পটি নিয়েও দীর্ঘদিনের স্থবিরতার অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হয়ে basement ও একতলা পর্যন্ত নির্মাণের পর কাজ বন্ধ হয়ে যায় এবং প্রায় ২০২১ সাল থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রকল্পটি কার্যত stalled অবস্থায় রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। যদি এই তথ্য নথিপত্রে সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে বিনিয়োগকারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াবে প্রকল্পের বর্তমান সম্পদ কত, ইতোমধ্যে কত টাকা ব্যয় হয়েছে, বাকি নির্মাণে কত টাকা লাগবে এবং সেই অর্থের উৎস কী। Cox Holiday Inn-এর জমির মালিকানা নিয়েও প্রাথমিক রিপোর্টে প্রশ্ন রয়েছে। সেখানে কিছু জমি Divine Holdings Limited, কিছু Divine Hotel and Resort Limited-এর নামে এবং কিছু জমি খাস হতে পারে বলে তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। কিছু জমি Power of Attorney-ভিত্তিক হওয়ার সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে। প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়নে Divine Group-এর corporate governance নিয়ে board oversight, financial control, segregation of duties, project accounting, customer fund segregation, contract management, investor reporting এবং related-party transactionসহ একাধিক ক্ষেত্রে দুর্বলতার আশঙ্কা চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষ করে Managing Director-কেন্দ্রিক অতিরিক্ত আর্থিক ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ থাকায় কোম্পানির সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাঠামো নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। একটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক নিয়ন্ত্রণে সাধারণত কে টাকা গ্রহণ করবে, কে অনুমোদন দেবে, কে ব্যয় করবে এবং কে হিসাব নিরীক্ষা করবে—এসব দায়িত্ব আলাদা থাকার কথা। সেখানে একই ব্যক্তির হাতে অতিরিক্ত ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হলে governance risk তৈরি হতে পারে।আরও পড়ুন: লংমার্চ ঘিরে সিএমপির সঙ্গে জামায়াতের মতবিনিময়এসব অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে একটি বিষয় পরিষ্কার রাখা জরুরি মামলা হওয়া মানেই অপরাধ প্রমাণিত হওয়া নয়। আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত কোনো ব্যক্তিকে অপরাধী বলা আইনগত ও সাংবাদিকতার দিক থেকে সমীচীন নয়। একইভাবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকলেও তার বর্তমান অবস্থা জামিন, স্থগিতাদেশ, প্রত্যাহার বা অন্য কোনো আদালতের আদেশ যাচাই করা জরুরি। তাই এস এম হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ৫৪টি মামলা রয়েছে এই তথ্যটি বর্তমানে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সংবাদ দিগন্ত আদালতের নথির ভিত্তিতে মামলাগুলোর প্রকৃত সংখ্যা ও বর্তমান অবস্থা যাচাই করার চেষ্টা করছে।Divine Group-এর প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রতিবেদনের চূড়ান্ত মতামতেও বলা হয়েছে, নতুন বিনিয়োগ বা আর্থিক সম্পর্ক স্থাপনের আগে independent forensic investigation প্রয়োজন। এজন্য forensic financial audit, land audit, legal audit, tax/VAT audit এবং project audit করার সুপারিশ করা হয়েছে।প্রাথমিক রিপোর্টে stakeholder-দের জন্যও নতুন আর্থিক সম্পর্ক স্থাপনের আগে জমির বৈধ মালিকানা, প্রকল্পের অনুমোদন, বাস্তব নির্মাণ অবস্থা, audited financial statement, customer/refund liability, ব্যাংক ও creditor position এবং customer fund-এর source ও utilization যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন: জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সংসদে সরকার-বিরোধী দলের টানাপোড়েন ফের উত্তাপDivine Group নিয়ে প্রথম পর্বে উঠে এসেছিল প্রকল্পের অগ্রগতি, জমির মালিকানা, অর্থ ব্যবস্থাপনা ও করপোরেট গভর্ন্যান্সের প্রশ্ন। দ্বিতীয় পর্বে সামনে এসেছে মামলা, ব্যাংক-সংক্রান্ত বিরোধ এবং কথিত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা।

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

জিরো কস্ট স্কিমে ক্ষতিগ্রস্তদের অগ্রাধিকার

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নতুন ‘জিরো কস্ট স্কিমে’ তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে চিহ্নিত ১৭ হাজার ৭৭৭ জনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।সোমবার এ সংক্রান্ত এক আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী তানভীর আহমেদ।শুনানিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর বিষয়ে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে একটি কমপ্লায়েন্স প্রতিবেদন দাখিল করে।আরও পড়ুন.প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠক, আলোচনায় নতুন পে-স্কেলপ্রতিবেদনে অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কিংবা কর্মী পাঠাতে ব্যর্থ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে নেওয়া প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থার তথ্যও জানানো হয়।রাষ্ট্রপক্ষ আদালতকে জানায়, নতুন উদ্যোগের আওতায় কোনো ধরনের খরচ ছাড়াই ১০ হাজার কর্মীকে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর ব্যবস্থা করছে সরকার।তবে আদালত বলেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে মালয়েশিয়ায় যেতে না পেরে ১৭ হাজার ৭৭৭ জন কর্মীকে আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাই নতুন ‘জিরো কস্ট স্কিমে’ কর্মী নির্বাচনের সময় এসব ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।একই সঙ্গে মামলাটি চার মাসের জন্য মুলতবি রেখেছেন আদালত। পাশাপাশি সরকারের পরবর্তী অগ্রগতি জানিয়ে আদালতে কমপ্লায়েন্স প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এর আগে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে রিট করা হয়। সেই রিটের ধারাবাহিক শুনানিতে বিভিন্ন সময়ে একাধিক নির্দেশনা দেন আদালত।নতুন নির্দেশনার ফলে মালয়েশিয়ায় যেতে না পেরে ক্ষতিগ্রস্ত হাজারো কর্মীর জন্য নতুন সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠক, আলোচনায় নতুন পে-স্কেল

নতুন বেতন কাঠামোর চূড়ান্ত প্রস্তাব নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক চলছে।সোমবার বিকেলে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়। বিষয়টি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ।বৈঠকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নতুন পে-স্কেলের চূড়ান্ত প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন এবং এর বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, নতুন বেতন কাঠামো একসঙ্গে বাস্তবায়ন না করে ধাপে ধাপে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর পাশাপাশি নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় এবং বাজেটের ওপর সম্ভাব্য প্রভাবও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।এর আগে সোমবার সকালে নতুন পে-স্কেল নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আরও পড়ুন, দেশে হামের উপসর্গে বাড়ছে মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল ৬ জনেরসেখানে বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান এবং সরকারের ওপর সম্ভাব্য আর্থিক প্রভাবসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং অর্থসচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে অতিরিক্ত কী পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হবে এবং এর ফলে বাজেট ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, তা নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে।এর আগে নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে বলে জানানো হয়েছিল।সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামো চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হতে পারে। তবে আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় পুরো কাঠামো একসঙ্গে না করে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।এখন মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর নতুন পে-স্কেল নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই নজর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।

দেশে হামের উপসর্গে বাড়ছে মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল ৬ জনের

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি।সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে এই ছয়জনের মৃত্যু হয়।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, গত ১৫ মার্চ থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত নিশ্চিত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৯৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ৯৯ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ৮৭৪ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ১৬২ জন। আর ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৯৯১ জনে।আরও  পড়ুন, গত ১৭ বছর ‘শতভাগ বিদ্যুতায়ন’সহ স্বয়ংসম্পূর্ণতার বয়ান ছিল শুভঙ্করের ফাঁকি: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রীএকই সময়ে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৯৪ জন। ফলে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৩১২ জনে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৪৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৪০৪ জন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত পরিসংখ্যানে রোগীদের বয়সভিত্তিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে রোগতত্ত্ববিদদের মতে, হাম সব বয়সী মানুষের হতে পারে, যদিও শিশুরা এতে তুলনামূলক বেশি আক্রান্ত হয়।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম প্রাদুর্ভাবের সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে যেসব মৃত্যু ঘটে, সেগুলোও পরিস্থিতি মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ। ফলে দেশে হামের বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত শনাক্তকরণ, চিকিৎসা এবং প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

গত ১৭ বছর ‘শতভাগ বিদ্যুতায়ন’সহ স্বয়ংসম্পূর্ণতার বয়ান ছিল শুভঙ্করের ফাঁকি: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী

গত ১৭ বছর ‘শতভাগ বিদ্যুতায়ন’সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতার যে বয়ান দেওয়া হয়েছে, তা ছিল ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ বলে মন্তব্য করেছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এমপি। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট দীর্ঘদিনের সমস্যা। স্থায়ী সমাধানের পরিবর্তে কুইক রেন্টালের নামে বিশেষ ব্যক্তিদের মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে।সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে নরসিংদী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলার আইনশৃঙ্খলা, উন্নয়নমূলক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম সমন্বয়ের লক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘গত ১৭ বছর বিভিন্ন জায়গায় সাইনবোর্ড দিয়ে বলা হতো, এই এলাকা শতভাগ বিদ্যুতায়ন হয়ে গেছে। আমরা অনেক কিছুতে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এসবই ছিল শুভঙ্করের ফাঁকি।’তিনি বলেন, বিদ্যুৎ সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান না করে কুইক রেন্টালের নামে বিশেষ ব্যক্তিদের মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জনগণের কাছে বিদ্যুৎ ও গ্যাস পৌঁছে দিতে স্থায়ী সমাধানের পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে। এজন্য কিছুটা সময় প্রয়োজন।আরও  পড়ুন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সংসদে সরকার-বিরোধী দলের টানাপোড়েন ফের উত্তাপমাদক ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে শরীফুল আলম বলেন, আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে মাদকের বিষয়টি ওতপ্রোতভাবে জড়িত হয়ে গেছে। পুলিশের একার পক্ষে মাদক নির্মূলসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এ জন্য সামাজিকভাবে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। অপরাধীদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। অপরাধী যে পরিচয়ই বহন করুক না কেন, তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের অর্জনগুলোকে নষ্ট করার জন্য একটি মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাইছে। তাদের উদ্দেশ্য বুঝতে হবে। তারা যেন কোনো ধরনের অরাজকতা সৃষ্টি করতে না পারে, সে জন্য আমাদের এই সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে।’জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান কেয়ার সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও নরসিংদী-১ (সদর) আসনের এমপি খায়রুল কবির খোকন, নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনের এমপি মনজুর এলাহী, নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের এমপি ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এবং নরসিংদীর পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল ফারুক।

রাজনীতিরাজনীতি

লংমার্চ ঘিরে সিএমপির সঙ্গে জামায়াতের মতবিনিময়

লংমার্চ ঘিরে সিএমপির সঙ্গে জামায়াতের মতবিনিময়

চট্টগ্রামে আগামী ৫ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ ও লালদিঘী সমাবেশকে ঘিরে নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও জননিরাপত্তা নিয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন মহানগর জামায়াতের নেতারা।সোমবার সিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ফয়সল মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।বৈঠকে জামায়াত নেতারা জানান, ৫ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ ও লালদিঘী সমাবেশ শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে সম্পন্ন করতে চান তারা। কর্মসূচিকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় বজায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন তারা।আরও পড়ুন.বিএনপি আমলে ফের সিন্ডিকেট সক্রিয় হওয়ার অভিযোগ আসিফেরএ সময় নগরীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, জননিরাপত্তা এবং কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়।বৈঠকে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মেয়র প্রার্থী অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগরীর সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান এবং কোতোয়ালী থানা সেক্রেটারি মোস্তাক আহমদ উপস্থিত ছিলেন।পুলিশের পক্ষ থেকে সিএমপি কমিশনার ছাড়াও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে অংশ নেন।পরে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে জামায়াত নেতারা জানান, নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা চেয়েছেন সিএমপি কমিশনার।সব মিলিয়ে ৫ সেপ্টেম্বরের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম নগরীতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিএনপি আমলে ফের সিন্ডিকেট সক্রিয় হওয়ার অভিযোগ আসিফের

বিএনপি আমলে ফের সিন্ডিকেট সক্রিয় হওয়ার অভিযোগ আসিফের

সরকারি দল বিএনপির আমলে আবারও সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।তার দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সৌদি আরবের বিমানের টিকিটের দাম কমে এসেছিল। কিন্তু বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আবারও সিন্ডিকেট সক্রিয় হওয়ায় টিকিটের দাম বেড়েছে।সোমবার সকালে পবিত্র ওমরা পালন শেষে দেশে ফিরে বিমানবন্দরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন আসিফ মাহমুদ।আরও  পড়ুন, মকবুল হত্যা মামলা: সোলায়মান সেলিম ও মোস্তফা জালালকে গ্রেপ্তারতিনি বলেন, শুধু বিমান টিকিট নয়, নির্বাচনের পর বিভিন্ন খাতে মূল্যবৃদ্ধি ও চাঁদাবাজির প্রবণতাও বেড়েছে। এতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় চাপ তৈরি হয়েছে।গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কথাও তুলে ধরে এনসিপির এই নেতা বলেন, বিভিন্ন সেক্টরে সংকটের কারণে জনগণের নাভিশ্বাস অবস্থা তৈরি হয়েছে। দ্রুত এসব সমস্যা সমাধানে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।এ সময় মক্কা প্যাক্ট প্রসঙ্গে আসিফ মাহমুদ বলেন, বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে এনসিপি। তবে এ বিষয়ে দলের উপ-কমিটি বিশেষভাবে নজর রাখছে।সৌদি আরবের টিকিটের মূল্যবৃদ্ধি, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট এবং বিভিন্ন খাতে চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়ে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ চান এনসিপির এই মুখপাত্র।

‘সাংবাদিক আবদুস সালাম সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার প্রতীক’: রিজভী

‘সাংবাদিক আবদুস সালাম সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার প্রতীক’: রিজভী

সাংবাদিক আবদুস সালামকে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, একসময় সাংবাদিকরা পয়সা, হুমকি কিংবা ক্ষমতার কাছে মাথা নত করতেন না।রোববার রাজধানীর সার্কিট হাউস রোডের প্রেস ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে সাংবাদিক আবদুস সালামের ১১৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।রিজভী বলেন, আগের দিনের সাংবাদিকরা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ বিষয় স্বাধীনভাবে প্রকাশ করতেন। তাদের কাছে সাংবাদিকতা ছিল মানুষের সত্য জানার অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যম।নোয়াম চমস্কির বক্তব্য উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, স্বৈরাচারী শাসনে জনগণকে দমনের জন্য যেমন লাঠি ব্যবহৃত হয়, তেমনি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রেও স্বৈরাচারী মানসিকতার শাসকরা মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।আরও  পড়ুন, ‘গুমের বিরুদ্ধে আইন বাতিল নয়, বহাল রাখতে হবে’: মিয়া গোলাম পরওয়ারভারতের গণমাধ্যম প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, সেখানে ‘গদি মিডিয়া’ শব্দটি চালু হয়েছে। শাসকের অনুগত গণমাধ্যম মানুষের চিন্তা ও মন নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তার ভাষ্য, শুধু বাংলাদেশ নয়, গোটা বিশ্বেই সাংবাদিক আবদুস সালামের মতো সত্যনিষ্ঠ ও স্বাধীনচেতা মানুষের প্রয়োজন। এমন সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠিত হলে সত্য-মিথ্যার বিভাজন স্পষ্ট হবে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।এদিকে সভায় সাংবাদিক আবদুস সালামের নামে রাজধানীর তোপখানা রোডের নামকরণের দাবি জানানো হয়। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম জানান, এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

‘গুমের বিরুদ্ধে আইন বাতিল নয়, বহাল রাখতে হবে’: মিয়া গোলাম পরওয়ার

‘গুমের বিরুদ্ধে আইন বাতিল নয়, বহাল রাখতে হবে’: মিয়া গোলাম পরওয়ার

গুম প্রতিরোধের অর্ডিন্যান্স বহাল রাখার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার।তিনি অভিযোগ করেছেন, অর্ডিন্যান্স বাতিল করে গুমের ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব পুলিশের হাতে দিলে দেশে আবারও গুমের সুযোগ তৈরি হতে পারে।রোববার আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে আয়োজিত পদযাত্রা ও সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।বাংলামোটরে সমাবেশের পর হাজারো মানুষ জাতীয় সংসদ অভিমুখে পদযাত্রা করেন। পরে সংসদ ভবনের সামনে সমাবেশ শেষে স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, গুমের শিকার সংগ্রামী জনতা, জুলাই যোদ্ধা এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যারা গুম হয়েছেন, তাদের স্বার্থেই গুম প্রতিরোধের অর্ডিন্যান্স বহাল রাখতে হবে।আরও  পড়ুন, মিরাজসহ সব গুমের শিকার ব্যক্তিকে খুঁজে বের করার দাবি নাহিদ ইসলামেরসমাবেশে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন অভিযোগ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরও সরকার গুম-খুন বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না।জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান বলেন, সরকার বিভিন্ন অধ্যাদেশ বাতিলের পাশাপাশি এমন কিছু আইন করছে, যা আগের সরকারের চেয়েও খারাপ বলে তারা মনে করেন।আয়নাঘরে গুমের শিকার ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাশেম আরমান বলেন, দেশে যেন আর কোনোভাবেই গুম ফিরে না আসে, সে জন্য কার্যকর আইন প্রয়োজন।পরে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস পালন জাতীয় কমিটির প্রতিনিধিরা স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি দেন। তাদের দাবি, গুম প্রতিরোধের আগের অর্ডিন্যান্স বহাল রেখে গুমের বিচার ও তদন্তে কার্যকর ও স্বাধীন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

সারাবাংলা

কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ৩ মামলায় ৫৬ হাজার টাকা জরিমানা

কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ৩ মামলায় ৫৬ হাজার টাকা জরিমানা

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার খলাপাড়া ও বাসাইর বাজার এলাকায় পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ৩টি মামলায় মোট ৫৬ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।সোমবার (৩১ আগস্ট ২০২৬) অভিযান পরিচালনা করেন কালীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আল-আমিন হালদার (১৯১১৫)। অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মহিউদ্দীন ওয়ারেছী, পরিদর্শক, বিএসটিআই, গাজীপুর এবং তানজিনা আফরিন, ঔষধ তত্ত্বাবধায়ক, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, গাজীপুর। বেঞ্চ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাহবুবুল ইসলাম।আদালত সূত্রে জানা যায়, ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮ এর ৫২ ধারায় একটি মামলায় ইসলাম বাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, খলাপাড়াকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।আরও পড়ুন, সোনারগাঁয়ে পুলিশের অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ১০এছাড়া ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩ এর ৪০(খ) ও ৪০(গ) ধারায় দুটি মামলায় মোট ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এর মধ্যে সবুজ মেডিকেল হল-এর মালিক তাপস ধর (৩৩), পিতা: বিষ্ণু চন্দ্র ধর, ফিজিশিয়ান স্যাম্পল জাতীয় ঔষধ বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে প্রদর্শন করায় ৩ হাজার টাকা এবং ভাই ভাই মেডিকেল হল-এর মালিক জামিল আহম্মেদ (৩৯), পিতা: ওসমান গণি, মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ সংরক্ষণ করায় ৩ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেন।অভিযানে মোট ৩টি মামলা দায়ের করা হয় এবং মোট ৫৬ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়। এ সময় কোনো কারাদণ্ড প্রদান করা হয়নি।জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানানো হয়েছে।

সোনারগাঁয়ে পুলিশের অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ১০

সোনারগাঁয়ে পুলিশের অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ১০

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত তিন আসামি ও মাদকসেবনের অভিযোগে সাতজনসহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।রোববার (৩০ আগস্ট) দিনব্যাপী সোনারগাঁ থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুল বারিক।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর নির্দেশনায় এবং সোনারগাঁ থানার ওসি মুহাম্মদ আব্দুল বারিকের নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্তরা হলেন—পেকিরচর এলাকার দিলু মিয়ার ছেলে আরিফ,আরও  পড়ুন, মাদারগঞ্জে কেমিক্যালের পরিত্যক্ত ড্রাম বিস্ফোরণ এক যুবকের মৃত্যু  কাঁচপুর এলাকার মৃত সুরুজ মিয়ার ছেলে মো. তোফাজ্জল ওরফে তুহিন এবং আষাড়িয়ার চর এলাকার জিন্নত আলীর ছেলে সাদেকুর রহমান (৩৫)।অন্যদিকে, মাদকসেবনের অভিযোগে সিদ্ধিরগঞ্জের পাঠানটুলী এলাকার সজল (২৮) ও রিফাত (২৮), সোনারগাঁয়ের মহজমপুর এলাকার মো. সাদ্দাম হোসেন (৩২), চৌরাপাড়া এলাকার ইব্রাহিম (৩০), রংপুরের বচ্চুনা এলাকার মো. নাজমুল (২০), শরীয়তপুরের নড়িয়া এলাকার মো. মাসুম রানা (৪০) এবং রংপুরের মডেলপাড়া এলাকার হাসান (১৮)কে গ্রেপ্তার করা হয়।সোনারগাঁ থানার ওসি মুহাম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে। অপরাধ দমনে পুলিশের এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মাদারগঞ্জে কেমিক্যালের পরিত্যক্ত ড্রাম বিস্ফোরণ এক  যুবকের মৃত্যু

মাদারগঞ্জে কেমিক্যালের পরিত্যক্ত ড্রাম বিস্ফোরণ এক যুবকের মৃত্যু

জামালপুরের মাদারগঞ্জ পৌরসভা এলাকায় জোনাইল বাজারে ওয়ার্কশপে পরিত্যক্ত ক্যামিকেলের ড্রাম কাটার সময় আকষ্মিক জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে নুরনবী ফকির (৪৫) নামে এক ব্যবসায়ী মৃত্যুরবন করেন।সোমবার (৩১ আগস্ট) আনুমানিক বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার জোনাইল বাজারে জনতা ব্যাংক সংলগ্ন একটি ওয়ার্কশপে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।জানা গেছে,আরও  পড়ুন, লক্ষীপুরে জমি নিয়ে বিরোধ আদালতে মামলা ওয়ার্কশপ ব্যবসায়ী নুরনবী ফকির কেমিক্যালের একটি পরিত্যক্ত ড্রাম কাটার সময় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা প্রথমে মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স এ নিয়ে যায় অবস্থা গুরুত্বর হওয়ায় তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।নিহত নুরনবী ফকির জোনাইল পক্ষীমারী এলাকার মতি ফকিরের ছেলে। তার স্ত্রী এবং এক ছেলে অন্তর (১৯) মেয়ে নূরী (১৬)।তিনি (নূরনবী) দির্ঘ্যদিন ধরে জোনাইল বাজারে এ ওয়ার্কশপ ব্যবসা ও ওয়েল্ডিং কাজের সাথে জড়িত। তার মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

লক্ষীপুরে জমি নিয়ে বিরোধ আদালতে মামলা

লক্ষীপুরে জমি নিয়ে বিরোধ আদালতে মামলা

 লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়নের মহাদেবপুর গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে আদালতে পাল্টাপাল্টি মামলা ও অভিযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তাজুল ইসলামের ছেলে মো. সোহেল লক্ষ্মীপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতে সিআর মামলা নং ১৩৭১/২০২৬ দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে।মামলার নথি ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মহাদেবপুর এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে রফিকুল আলম স্বপন ও মো. সোহেলের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত। এর আগে গত ২৭ জুলাই ২০২৬ রফিকুল আলম স্বপন আদালতে ওই জমিতে ১৪৪ ধারা জারি ও নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে সংশ্লিষ্টদের নোটিশ জারি করেন বলে দাবি করেছেন রফিকুল আলমের পক্ষ।রফিকুল আলমের অভিযোগ, আদালতের নোটিশ জারির পরও সোহেল ওই স্থানে নির্মাণকাজ অব্যাহত রাখেন। স্থানীয়ভাবে কাজ বন্ধ রাখার অনুরোধ করেও কোনো ফল হয়নি। পরে বিষয়টি আদালতের নজরে আনা হলে সংশ্লিষ্ট থানাকে কাজ বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।তবে রফিকুল আলমের দাবি, আদালতের নির্দেশের পরও রাতের বেলায় সেখানে কাজ চালানো হয়েছে।অন্যদিকে, এ ঘটনায় সোহেল পাল্টা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় রফিকুল আলম, তার ছেলে মো. কাউছার এবং আত্মীয় শাকিল চৌধুরীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, লুটপাট ও শ্লীলতাহানিসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগকে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক বলে দাবি করেছেন অভিযুক্তরা।আরও  পড়ুন, লাকসাম জংশন বাজারে ভয়াবহ আগুন, পুড়ল কনফেকশনারি ক্ষতি ১৫ লাখ টাকারফিকুল আলম বলেন, “জায়গা-জমি নিয়ে আমাদের সঙ্গে সোহেলের বিরোধ রয়েছে। আমরা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি। আদালতের রায় যা হবে, আমরা তা মেনে নেব।”অভিযুক্ত পক্ষের দাবি, সোহেলের সঙ্গে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছাড়া তাদের আর কোনো বিরোধ বা যোগাযোগ নেই। তারা আদালতে দায়ের করা মামলাকে বিরোধের জের হিসেবে দেখছেন।এলাকাবাসীর কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জমি নিয়ে বিরোধের কারণে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করেন, সোহেল দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলেন এবং বর্তমানে তার শ্বশুরবাড়ির এলাকায় বসবাস করছেন। তারা আরও অভিযোগ করেন, তিনি জমি কিনে সেখানে বাড়ির নির্মাণকাজ করছেন। একই সঙ্গে বাড়ির সামনের সরকারি জায়গা ভরাট করে রাস্তা তৈরিরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।তবে সরকারি জায়গা দখল বা ভরাট এবং এ কাজে বিভিন্ন মহলে অর্থ দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া গেছে কি না, তা প্রতিবেদনের সময় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এসব অভিযোগের বিষয়ে সোহেলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি প্রবাসী। আমি এখানে জমি ক্রয় করার কারনে এরা আমার কাছে চাঁদা দাবি করে তাই আমি কোর্টে মামলা করেছি। সরকারি জমি দখলের বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে তিনি কোন বলতে রাজি হন নি।আরও  পড়ুন, রংপুরের চার খুন : চার খুনের আসামিদের ডোপ টেস্ট নেগেটিভ, মাদক সেবনের প্রমাণ নেইএদিকে, সংশ্লিষ্টরা জানান, এর আগেও একটি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিযোগ ও মামলা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়েছিল। রফিকুল আলমের পক্ষের দাবি, ওই ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তদন্তে সত্য প্রমাণিত হয়নি। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট তদন্ত প্রতিবেদন বা আদালতের নথি যাচাই ছাড়া অভিযোগটির চূড়ান্ত সত্যতা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।দায়ের কৃত মামলার ৩ নং বিবাদী শাকিল চৌধুরীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এই মামলা সম্পর্কে আমি কিছুই জাননি না আমাকে কেন বিবাদী করেছে তা ও বুজতে পারতেছি না আমি ঢাকায় চাকরী করি সে সুবাদে আমাকে ঢাকায় থাকতে হয়। বাদী সোহেল একজন মামলাবাজ লোক। সে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মামলায় মানুষদের হয়রানি করে বলেও আমরা জানতে পারি। তিনি আরো বলেন সঠিক তদন্তের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।জমি সংক্রান্ত বিরোধ এবং পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। মামলার তদন্ত অফিসার এস আই হানিফ বলেন আমার কাছে মামলাটিট বিষয়  সঠিক তথ্য উদঘাটনের জন্য কোর্ট থেকে  তদন্তের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। আমি বিষয়টি খুবই গুরুত্বসহকারে দেখছি এবং সত্য ঘটনা উদঘাটন করতে পারব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছি। 

আন্তর্জাতিক

আমিরাতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি নাকচ

আমিরাতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি নাকচ

সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি নাকচ করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।সোমবার ইরান দাবি করে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে কয়েক ডজন ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে।তবে ইরানের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আল মিনহাদ বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন ভিত্তিহীন।আরও পড়ুন.খার্গে ভিডিও কি এআইয়ের তৈরি?এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাত জানায়, তাদের পানিসীমায় একটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।এদিকে ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাব হিসেবেই তারা আমিরাতে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।তবে আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, আল মিনহাদ বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কোনো ঘটনা ঘটেনি।ফলে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি এবং আমিরাতের তা প্রত্যাখ্যান—দুই পক্ষের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যকে ঘিরে নতুন করে তৈরি হয়েছে উত্তেজনা।আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করার খবর এবং মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার পাল্টা দাবি পরিস্থিতিকে আরও আলোচনায় এনেছে।

১৪ ঘন্টা আগে

রাজধানী

ঢাকায় পুলিশের রাতভর অভিযান, গ্রেপ্তার ৪১৬

ঢাকায় পুলিশের রাতভর অভিযান, গ্রেপ্তার ৪১৬

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন অভিযোগে ৩০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।রোববার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানান।ডিএমপির আটটি বিভাগে পরিচালিত অভিযানে সবচেয়ে বেশি গ্রেপ্তার করা হয়েছে মিরপুর বিভাগে—১২৫ জন। এছাড়া উত্তরা বিভাগে ৫০, তেজগাঁওয়ে ৪৯, মতিঝিলে ৪৮, ওয়ারীতে ৪০, গুলশানে ৪০, রমনায় ৩৮ এবং লালবাগ বিভাগে ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক ও বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।আরও  পড়ুন, গেন্ডারিয়ায় সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি গুলি, নারীসহ গুলিবিদ্ধ ৩ এর মধ্যে রয়েছে ২ হাজার ৬৮৩ পিস রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন অভিযোগে ৩০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।রোববার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিকইয়াবা, ৫ কেজি ১৮০ গ্রাম গাঁজা এবং ২ দশমিক ০৪ গ্রাম ইয়াবার গুঁড়া।এছাড়া ১৭ রাউন্ড শটগানের গুলি, ৩ রাউন্ড চায়না রাইফেলের গুলি, ৯টি মোবাইল ফোন এবং ২ লাখ ৮০ হাজার ৪৯০ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ।অভিযানকালে একজন ভিকটিমকেও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অপরাধ দমন, মাদকবিরোধী অভিযান ও বিভিন্ন মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।

১৯ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

 ইনিংসে ২১ সাবেক ফুটবলার প্রশ্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে

ইনিংসে ২১ সাবেক ফুটবলার প্রশ্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে

ফুটবলের বাইরে নতুন ইনিংসে ২১ সাবেক ফুটবলার, প্রশ্ন অভিজ্ঞতা নিয়েদেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন দায়িত্বে একঝাঁক সাবেক ফুটবলার। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও দেশের অন্যতম সেরা গোলকিপার আমিনুল হক ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশনের অ্যাডহক কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন ২১ সাবেক ফুটবলার। গত ১৮ জুলাই সরকার গঠিত ২৮টি ক্রীড়া ফেডারেশনের নতুন অ্যাডহক কমিটিতে হকি, হ্যান্ডবল, টেনিস, কুস্তি, দাবা, বক্সিং, সাইক্লিং, ক্যারম ও জিমন্যাস্টিকসসহ বিভিন্ন খেলায় তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আলফাজ আহমেদ হয়েছেন হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সহসভাপতি। একই ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক করা হয়েছে সাবেক স্ট্রাইকার এনামুল হককে। সদস্য হিসেবে আছেন মুরাদ আহমেদ মিলন।আরও পড়ুন .একটু দূরেই ফাইনাল, শেষ উইকেটে থামল বাংলাদেশ এইচপির স্বপ্নসাবেক স্ট্রাইকার ইমতিয়াজ আহমেদ নকীবকে টেনিস ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক এবং মিজানুর রহমান ডনকে হকি ফেডারেশনের কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে। এছাড়া কুস্তি, বক্সিং, ফেন্সিং, দাবা, সাইক্লিং, ক্যারম, জিমন্যাস্টিকস, জুডো ও ভারোত্তোলন ফেডারেশনেও যুক্ত হয়েছেন সাবেক ফুটবলাররা।তবে প্রশ্ন উঠেছে, যে খেলায় কখনো সম্পৃক্ত ছিলেন না, সেই খেলার ফেডারেশনে দায়িত্ব পেয়ে তারা কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন?আলফাজ আহমেদ বলছেন, তাকে হ্যান্ডবলের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও সঠিকভাবে কাজ হচ্ছে কি না দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ইমতিয়াজ আহমেদ নকীব জানিয়েছেন, টেনিস ফেডারেশনের দায়িত্বে তার কোনো আগ্রহ নেই এবং এখন পর্যন্ত কোনো সভাতেও যাননি।হকি ফেডারেশনের দায়িত্ব পাওয়া মিজানুর রহমান ডনের যুক্তি, ফুটবল ও হকি কাছাকাছি খেলা এবং হকি খেলোয়াড়দের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের যোগাযোগ রয়েছে।এনএসসির পরিচালক ক্রীড়া জাহেদ পারভেজ চৌধুরীর দাবি, এসব সাবেক ফুটবলার নামকরা খেলোয়াড়। খেলোয়াড় তৈরির প্রক্রিয়া সম্পর্কে তাদের অভিজ্ঞতা রয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতেই বিভিন্ন ফেডারেশনে তাদের যুক্ত করা হয়েছে।তবে সাবেক ফুটবলারদের অন্য খেলায় দায়িত্ব দেওয়ার এই উদ্যোগ ক্রীড়াঙ্গনে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে, নাকি সংশ্লিষ্ট খেলায় অভিজ্ঞতার ঘাটতি তৈরি করবে—এখন সেটিই দেখার বিষয়।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর