দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1003.2 hPa
28° 92%
540° 15mm
চট্টগ্রাম 1005.4 hPa
27° 95%
540° 15mm
রাজশাহী 1002 hPa
28.2° 92%
540° 15mm
খুলনা 1002.5 hPa
28.4° 92%
540° 15mm
বরিশাল 1003.9 hPa
26.3° 97%
540° 15mm
সিলেট 1004.1 hPa
26.3° 97%
540° 15mm
রংপুর 1001.8 hPa
28.5° 0%
540° 15mm
ময়মনসিংহ 1003.4 hPa
27.8° 93%
540° 15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

উজাড় হচ্ছে লামার সংরক্ষিত বন, রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ

উজাড় হচ্ছে লামার সংরক্ষিত বন, রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ

বান্দরবানের লামা উপজেলার বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল একসময় ছিল ঘন সবুজে আচ্ছাদিত| পাহাড়ের ঢালে সারি সারি গাছ, জীববৈচিত্রের সমৃদ্ধ আবাসস্থল এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ এই বনাঞ্চল আজ নানা কারণে সংকটের মুখে| স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত অবৈধ গাছ কাটা, জোত পারমিটের অপব্যবহার এবং সংঘবদ্ধ কাঠ পাচারের কারণে প্রতিনিয়ত উজাড় হচ্ছে সংরক্ষিত বনাঞ্চল| সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, বন রক্ষার দায়িত্বে থাকা একটি অংশের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেই উঠেছে এসব অনিয়মে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহযোগিতার অভিযোগ|আরও পড়ুন: প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমস্থানীয় বাসিন্দা, কাঠ ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের অভিযোগ অনুযায়ী, লামা বন বিভাগের সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা এম কবির উদ্দিন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই এলাকায় কিছু অসাধু কাঠ ব্যবসায়ীকে নিয়ে একটি প্রভাবশালী চক্র গড়ে ওঠে| অভিযোগ রয়েছে, এই চক্রের মাধ্যমে জোত পারমিটের অপব্যবহার, অতিরিক্ত গাছ কাটা এবং সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে কাঠ পাচারের সুযোগ ˆতরি করা হচ্ছে| তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা|স্থানীয়দের দাবি, বন সংরক্ষণ, অবৈধ গাছ কাটা প্রতিরোধ এবং সরকারি বনসম্পদ রক্ষার দায়িত্ব বন বিভাগের হলেও বাস্তবে উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে| তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও বন বিভাগের একটি অংশের যোগসাজশে দিনের পর দিন নির্বিচারে গাছ কাটা হচ্ছে|অভিযোগ রয়েছে, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সংরক্ষিত বনাঞ্চলে গাছ কাটা, নতুন জোত সৃষ্টি কিংবা জোত বিক্রি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হলেও বাস্তবে বিভিন্ন কৌশলে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে| স্থানীয়দের দাবি, প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের সুবিধা দিতে নিয়ম ভেঙে জোত পারমিট ইস্যু করা হচ্ছে এবং সেই পারমিট ব্যবহার করে অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে অনেক বেশি গাছ কেটে পাচার করা হচ্ছে|আরও পড়ুন:  অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে করণিক ভুলের স্বীকারোক্তি, তদন্তে কঠোর নির্দেশস্থানীয়দের অভিযোগ, রেঞ্জ কর্মকর্তা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বনজ সম্পদকে কেন্দ্র করে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে| এর ফলে পাহাড়ি বনাঞ্চলে আগের তুলনায় অনেক বেশি গাছ নিধনের ঘটনা ঘটছে|আরও পড়ুন: একযোগে ৩৩ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকারজোত পারমিট মূলত নির্দিষ্ট ব্যক্তি ও নির্দিষ্ট পরিমাণ গাছ পরিবহনের অনুমোদন হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার কথা| কিন্তু স্থানীয়দের দাবি, বাস্তবে একটি পারমিট ব্যবহার করে বিভিন্ন এলাকা থেকে অতিরিক্ত গাছ পরিবহন করা হচ্ছে|নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কাঠ ব্যবসায়ী বলেন, বন বিভাগ থেকে যতসংখ্যক জোত পারমিট ইস্যু করা হয়েছে, সেই হিসাব অনুযায়ী যে পরিমাণ কাঠ বাজারে আসার কথা, বাস্তবে তার চেয়ে অনেক বেশি কাঠ প্রতিদিন বিভিন্ন ডিপো ও বাজারে পৌঁছাচ্ছে| তার ভাষ্য, একটি ˆবধ পারমিট দেখিয়ে একাধিক বাগান কিংবা অন্য উৎসের গাছ পরিবহন করা হচ্ছে| ফলে কাগজে-কলমে ˆবধতা থাকলেও বাস্তবে অতিরিক্ত গাছ কাটা এবং পাচারের সুযোগ ˆতরি হচ্ছে|আরও পড়ুন:  সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে আবারও আদালতে শুনানিতিনি আরও বলেন, একবার কাঠ গাড়িতে উঠে ডিপো পার হয়ে গেলে পরে কোন কাঠ কোন জোতের সেটা প্রমাণ করা খুব কঠিন হয়ে যায়| এ সুযোগটাই কাজে লাগানো হয়| তার দাবি, বড় ব্যবসায়ীরা সাধারণত প্রশাসনিক জটিলতায় পড়েন না| বরং ছোট ব্যবসায়ীদের কাঠ বেশি জব্দ হয়|এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, লামা বনাঞ্চল থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ কাঠ বিভিন্ন স্থানে পাচার হচ্ছে| এসব কাঠের বাজারমূল্য লাখ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যায়| তাদের দাবি, বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা অর্থের বিনিময়ে কাঠ পরিবহনে সহযোগিতা করেন| ফলে নিয়মিতভাবে কাঠবোঝাই ট্রাক ও পিকআপ বিভিন্ন সড়ক দিয়ে বনাঞ্চল থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে|একাধিক বাসিন্দা বলেন, দূর থেকে পাহাড়গুলো এখনও সবুজ দেখালেও ভেতরে প্রবেশ করলে প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হয়| বহু এলাকায় বড় বড় গাছ কেটে নেওয়ায় বনভূমির ভেতর ফাঁকা হয়ে গেছে| কোথাও কোথাও শুধু ছোট গাছ ও ঝোপঝাড় রয়ে গেছে|আরও পড়ুন:  তারেক রহমানকে উরসুলা ফন ডের লায়েনের আমন্ত্রণস্থানীয় পরিবেশ সচেতনদের মতে, এভাবে চলতে থাকলে কয়েক বছরের মধ্যেই লামার অনেক বনাঞ্চল পরিবেশগত ভারসাম্য হারাবে| এতে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি পাহাড় ধস, ভূমিক্ষয় ও জলবায়ু ঝুঁকিও বাড়বে|সম্প্রতি বনাঞ্চল থেকে কাঠ পরিবহনের সময় একটি ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় আসে বিষয়টি| জানা গেছে, গত ২৩ জুন রূপসীপাড়া এলাকায় সেনাবাহিনীর একটি ক্যাম্পের সদস্যরা সন্দেহজনকভাবে কাঠবোঝাই দুটি গাড়ি আটক করেন| আটকের সময় সেনাসদস্যরা জোতের মালিক হিসেবে পরিচিত শফিককে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি দাবি করেন, কাঠগুলো তার নয়|আরও পড়ুন: শিশু ধর্ষণের ঘটনায় এক আসামির মৃত্যুদণ্ডশফিকের ভাষ্য অনুযায়ী, গাছগুলো জহির নামের আরেক ব্যক্তির| তিনি তার জোত পারমিট ব্যবহার করে রূপসীপাড়া এলাকা থেকে কাঠ গাড়িতে তুলেছেন| এই বক্তব্য সামনে আসার পর একটি পারমিট অন্য ব্যক্তি ব্যবহার করতে পারেন কি না সেই প্রশ্নও নতুন করে সামনে আসে| বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সেনাবাহিনীর মাধ্যমে জব্দ হওয়া কাঠের ˆবধতা যাচাই করা হচ্ছে| সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বন আইনে ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে|সূত্র জানায়, জব্দকৃত কাঠের উৎস, পারমিটের ˆবধতা এবং পরিবহনের নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছিল কি না এসব বিষয় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে| ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত জোতের মালিক শফিক বলেন, নির্ধারিত ডিপো থেকে কাঠ লোড না করাটা তার ভুল হয়েছে| প্রায় প্রতিদিন সন্ধ্যার পর লামা বন বিভাগের কার্যালয়ে বিভিন্ন কাঠ ব্যবসায়ীর যাতায়াত লক্ষ্য করা যায়| এসব ˆবঠকে কাঠ পরিবহনের অনুমতি, জোত পারমিট এবং অন্যান্য প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়|আরও পড়ুন: কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে নিহত বেড়ে ৯, টানা বৃষ্টিতে চরম ঝুঁকিযদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে বন বিভাগের কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্দিষ্ট কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি| এসব ˆবঠককে ঘিরে নানা ধরনের প্রশ্ন ˆতরি হলেও বিষয়টি নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো স্বাধীন তদন্ত হয়নি| তবে পরিবেশবিদদের মতে, পাহাড়ি বন শুধু কাঠের উৎস নয়; এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক প্রতিবেশ ব্যবস্থা| নিয়মবহির্ভূত গাছ কাটার ফলে মাটির উর্বরতা কমে যায়, পাহাড়ের স্থিতিশীলতা নষ্ট হয় এবং বৃষ্টির সময় ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়ে| এছাড়া বন্যপ্রাণীর বিচরণক্ষেত্র ধ্বংস হওয়ায় জীববৈচিত্র্যও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়|আরও পড়ুন: খাগড়াছড়িতে সশস্ত্র হামলা: ৩ যুবককে গুলি করে হত্যা, থমথমে এলাকাস্থানীয়দের মতে, বন উজাড়ের এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে লামার পরিবেশ ও কৃষি ব্যবস্থার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে| অতীতে বিভিন্ন সময় বন বিভাগের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠলেও কার্যকর তদন্ত কিংবা দৃশ্যমান শাস্তির নজির খুব কম| বন রক্ষায় দায়িত্বপ্রাপ্তদের জবাবদিহির আওতায় আনা না হলে অবৈধ গাছ কাটা ও কাঠ পাচার বন্ধ করা সম্ভব হবে না| তারা অবৈধ জোত পারমিট ইস্যু, কাঠ পরিবহন এবং বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে একটি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন| পাশাপাশি বনাঞ্চলে সেনাবাহিনী, বন বিভাগ ও প্রশাসনের যৌথ নজরদারি বাড়ানোরও আহ্বান জানিয়েছেন তারা|অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে লামা সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা এম কবির উদ্দিন বলেন, রূপসীপাড়া এলাকায় বন বিভাগের কোনো কাঠের ডিপো নেই| তার ভাষ্য, গাছ ব্যবসায়ীরা সেখান থেকে গাড়িতে কাঠ তুলে নিয়ে যাচ্ছিলেন| পরে সেনাবাহিনী গাড়ি দুটি আটক করলে বন বিভাগকে জানানো হয় এবং বন বিভাগ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাঠ জব্দ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে|একজনের নামে ইস্যু করা জোত পারমিট অন্য কেউ ব্যবহার করতে পারেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যার নামে পারমিট ইস্যু করা হয়েছে কেবল তিনিই ওই জোতের কাঠ পরিবহনের অধিকারী| এছাড়া নির্ধারিত ডিপোতে বন বিভাগের সদস্যদের উপস্থিতিতেই কাঠ গাড়িতে তোলার নিয়ম রয়েছে| তিনি আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে অবৈধ জোত পারমিট প্রদান কিংবা অর্থের বিনিময়ে অনিয়মে সহযোগিতার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন|আরও পড়ুন: বনানীতে অপহরণের অভিযোগে চাঞ্চল্য তথ্য, উদ্ধার হল শিশুস্থানীয় সচেতন মহলের মতে, অভিযোগগুলো যেহেতু সরাসরি বন বিভাগের কার্যক্রম ও সরকারি সম্পদ রক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, তাই বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন| যদি অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়, তবে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে| আর অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে সেটিও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়া উচিত| বন রক্ষার দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি জনআস্থা ফিরিয়ে আনতে ¯^চ্ছতা, জবাবদিহি এবং নিয়মিত নজরদারির কোনো বিকল্প নেই বলেও মনে করছেন স্থানীয়রা|

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

আকাশপথে বাংলাদেশ সৌদি সম্পর্ক আরও দৃঢ়, চালু হচ্ছে সরাসরি ফ্লাইট

বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের আকাশ যোগাযোগে যুক্ত হচ্ছে নতুন অধ্যায়। আগামী ৭ আগস্ট থেকে ঢাকা-রিয়াদ রুটে সরাসরি দৈনিক ফ্লাইট চালু করছে সৌদি আরবের নতুন জাতীয় এয়ারলাইন্স রিয়াদ এয়ার। এরই মধ্যে আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে এ রুটের টিকিট বিক্রি।রিয়াদ এয়ারের নতুন এই সেবায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত প্রতিদিন চলবে ফ্লাইট। যাত্রী পরিবহনে ব্যবহার করা হবে আধুনিক বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ।এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই রুট চালুর ফলে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে ভ্রমণ, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পর্যটন খাতে যোগাযোগ আরও বাড়বে। পাশাপাশি রিয়াদ এয়ারের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন গন্তব্যে যাত্রীদের জন্য তৈরি হবে সহজ সংযোগ সুবিধা।রিয়াদ থেকে আরএক্স০৭৬৩ ফ্লাইট স্থানীয় সময় রাত ৯টা ২০ মিনিটে ছেড়ে পরদিন সকাল ৬টা ১০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে। আর ঢাকা থেকে আরএক্স০৭৬৪ ফ্লাইট সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে ছেড়ে সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে রিয়াদে পৌঁছাবে।রিয়াদ এয়ার জানিয়েছে, নতুন এই সেবা ব্যবসায়ী, পর্যটক ও শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক যাতায়াতে নতুন সুযোগ তৈরি করবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশিআরো পড়ুন ,সিলেটের প্রশাসনে পরিবর্তন, নতুন জেলা প্রশাসক হলেন আব্দুল্লাহ আল মামুনযাত্রীদের জন্য রিয়াদকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে তাদের।বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনারে থাকবে চার ধরনের কেবিন সুবিধা—বিজনেস এলিট, বিজনেস, প্রিমিয়াম ইকোনমি এবং ইকোনমি। যাত্রীদের জন্য থাকছে আধুনিক ইন-ফ্লাইট বিনোদন, ওয়্যারলেস সংযোগ এবং উন্নত সেবা।বাংলাদেশের দ্রুত বাড়তে থাকা আন্তর্জাতিক ভ্রমণ বাজার এবং সৌদি আরবের সঙ্গে শক্তিশালী অর্থনৈতিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে ঢাকা-রিয়াদ সরাসরি ফ্লাইট দুই দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে দেখছে সংশ্লিষ্টরা।

১২ জুলাই ঢাকা পৌঁছাবেন আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী

উপমহাদেশের প্রখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গবেষক আল্লামা খলিলুর রহমান সাজ্জাদ নোমানী ১১ দিনের দাওয়াতি সফরে বাংলাদেশে আসছেন। আগামী ১২ জুলাই ভারতের মুম্বাই থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি।সফরকালে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে আয়োজিত বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান, দ্বীনি সেমিনার, শিক্ষাবিষয়ক মতবিনিময় সভা এবং তরুণদের উদ্দেশ্যে দাওয়াহভিত্তিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী।এ ছাড়া দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তিনি। তার সফরকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।বাংলাদেশ সফরের অন্যতম প্রধান আয়োজন আগামী ১৮ জুলাই রাজধানীর কাকরাইলে আরো পড়ুন , জাতীয় সংসদে নতুন মুখ, শপথ নিলেন সরোয়ার আলমগীরআইডিইবি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘ইমাম শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী (রহ.) কনফারেন্স’। সেখানে প্রধান অতিথি ও মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক হিসেবে বক্তব্য দেবেন আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী।একই অনুষ্ঠানে তার উপস্থিতিতে ‘ইমাম শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী (রহ.) স্মারকগ্রন্থ’-এর মোড়ক উন্মোচন করা হবে।চট্টগ্রাম সফরে দেশের ঐতিহ্যবাহী দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—হাটহাজারী ও পটিয়া মাদ্রাসা পরিদর্শনেরও কথা রয়েছে তার।১৯৫৫ সালে ভারতের লখনৌতে জন্ম নেওয়া আল্লামা খলিলুর রহমান সাজ্জাদ নোমানী উপমহাদেশের অন্যতম প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ, গবেষক, শিক্ষাবিদ ও লেখক হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুপরিচিত।আয়োজকদের আশা, আল্লামা সাজ্জাদ নোমানীর এ সফর ইসলামী চিন্তা, গবেষণা ও জ্ঞানচর্চায় নতুন মাত্রা যোগ করবে

জাতীয় সংসদে নতুন মুখ, শপথ নিলেন সরোয়ার আলমগীর

চট্টগ্রাম-২ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী সরোয়ার আলমগীর। গেজেট প্রকাশের পর বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি শপথ গ্রহণ করেন।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসন থেকে নির্বাচিত হন বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীর। নির্বাচন কমিশন সচিবালয় বৃহস্পতিবার তার নির্বাচিত হওয়ার গেজেট প্রকাশ করে।প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ২৭৯ নম্বর আরো পড়ুন , দেশজুড়ে টানা বর্ষণ: ৪ বিভাগে বন্যার শঙ্কা, ৫ জেলায় ভূমিধসের বিশেষ সতর্কতাচট্টগ্রাম-২ আসনে জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত সরোয়ার আলমগীরের নাম ও ঠিকানা সম্বলিত গেজেট বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে।গেজেট প্রকাশের পরই তিনি জাতীয় সংসদে সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। শপথের মাধ্যমে সংসদ সদস্য হিসেবে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলো তার।চট্টগ্রাম-২ আসনের জনগণের প্রতিনিধিত্বের পাশাপাশি জাতীয় সংসদে বিএনপির প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালী হবে বলে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা।শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে সংসদীয় কার্যক্রমে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হলেন চট্টগ্রাম-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর।

দেশজুড়ে টানা বর্ষণ: ৪ বিভাগে বন্যার শঙ্কা, ৫ জেলায় ভূমিধসের বিশেষ সতর্কতা

সারা দেশে টানা ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাতের কারণে বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি আরও বেড়েছে। দেশের বিভিন্ন জেলায় ইতোমধ্যে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পার্বত্য অঞ্চল ও কক্সবাজারে গত তিন দিনে পাহাড়ধসে কয়েকজনের প্রাণহানির পর বৃহস্পতিবারও আরও সাতজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী কয়েকদিনও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। একই সঙ্গে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি) চার বিভাগের বিভিন্ন জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার সতর্কতা জারি করেছে।যেসব নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে :বর্তমানে বান্দরবানের সাঙ্গু, কক্সবাজারের লামা এলাকার মাতামুহুরী, মৌলভীবাজারের মনু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া হবিগঞ্জের খোয়াই, মৌলভীবাজারের ধলাই এবং সুনামগঞ্জের কুশিয়ারা নদীর পানিও বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে।বন্যার ঝুঁকিতে যেসব এলাকা :বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার সাঙ্গু ও মাতামুহুরীসহ বিভিন্ন নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ির গোমতী, মুহুরী, ফেনী, সেলোনিয়া ও হালদা নদীর পানিও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে এসব জেলার নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। একইসঙ্গে লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর নদীসংলগ্ন নিচু এলাকাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের নদ-নদীর পানিও বাড়ছে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের মনু, ধলাই ও খোয়াই নদীর পানি স্থিতিশীল থাকলেও সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, শেরপুর ও ময়মনসিংহের নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। আগামী তিন দিন সিলেট ও সুনামগঞ্জের পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলেও সতর্ক করেছে এফএফডব্লিউসি।অন্যদিকে রংপুর অঞ্চলে ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বাড়ছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর পানিও বৃদ্ধি পেয়ে নীলফামারী, লালমনিরহাট ও রংপুরের কিছু এলাকায় বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এছাড়া কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটের নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।আরও দুই দিন ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টির সম্ভাবনাআবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী দুই দিন সিলেট, চট্টগ্রাম, রংপুর, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী বিভাগসহ ভারতের ত্রিপুরা, আসাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গেও ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। এর প্রভাবে উজানের ঢল নেমে দেশের নদ-নদীর পানি আরও বাড়তে পারে।৫ জেলায় ভূমিধসের বিশেষ সতর্কতা আবহাওয়া অধিদপ্তর চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় বিশেষ ভূমিধস সতর্কতা জারি করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় মৌসুমি বায়ু এবং ভারতের উত্তর-পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত এসব জেলায় ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। পাহাড়ের ঢালে বসবাসকারী মানুষকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

রাজনীতিরাজনীতি

‘সরকারকে ঘিরে ষড়যন্ত্র হতে পারে’, সতর্ক থাকার আহ্বান রিজভীর

‘সরকারকে ঘিরে ষড়যন্ত্র হতে পারে’, সতর্ক থাকার আহ্বান রিজভীর

সরকারকে ঘিরে সম্ভাব্য ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।বৃহস্পতিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ব্যাপক আন্দোলন, আত্মত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে ক্ষমতায় এসেছে। তাই সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে বিভিন্ন অপচেষ্টা হতে পারে।রিজভীর ভাষ্য, বর্তমান সরকার স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের নিরাপত্তার প্রহরী হিসেবে কাজ করছে। এ কারণে পরাজিত শক্তি বিভিন্ন ধরনের চক্রান্তে লিপ্ত হতে পারে। আরও পড়ুন, রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় আদালতের নির্দেশে কারাগারে আ.লীগ নেতাবিএনপির চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।রথযাত্রা উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিএনপির নেতাকর্মীরা মাঠে থাকবেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনো উসকানিতে যেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।এ ছাড়া সরকারের বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান রিজভী। একই সঙ্গে স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের অসুস্থ হওয়ার ঘটনায় দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানান।

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় আদালতের নির্দেশে কারাগারে আ.লীগ নেতা

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় আদালতের নির্দেশে কারাগারে আ.লীগ নেতা

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা ও আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম এম মুজিবর রহমানের স্থায়ী জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বুধবার খুলনা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আসাদুর জামান এ আদেশ দেন।এর আগে চলতি বছরের ১৩ মে উচ্চ আদালত থেকে আট সপ্তাহের জামিন পেয়েছিলেন মুজিবর রহমান।আরও  পড়ুন, রাজধানীজুড়ে ডিএমপির অভিযান, মাদক-অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২৯৬ জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তিনি স্থায়ী জামিনের আবেদন নিয়ে আদালতে হাজির হন।মুজিবর রহমান খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এবং জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।আদালত সূত্র জানায়, সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় দায়ের হওয়া রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় তিনি আসামি। শুনানি শেষে আদালত তার স্থায়ী জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সংসদের সরকারি হিসাব কমিটির সভাপতি হলেন ডা. তাহের

সংসদের সরকারি হিসাব কমিটির সভাপতি হলেন ডা. তাহের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কমিটি ‘সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি’ বা পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কুমিল্লা-১১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।বুধবার জাতীয় সংসদের বৈঠকে সংসদ নেতার পক্ষে চিফ হুইপ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে সর্বসম্মতিক্রমে তা গৃহীত হয়।আরও  পড়ুন, সিরিজ বাঁচাতে আজ মাঠে বাংলাদেশ, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে লড়াইনবগঠিত কমিটিতে সভাপতির পাশাপাশি বিএনপির ১২ জন এবং জামায়াতে ইসলামীর তিনজন সংসদ সদস্য সদস্য হিসেবে স্থান পেয়েছেন।সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কমিটি হিসেবে বিবেচিত। সরকারি ব্যয়, নিরীক্ষা আপত্তি এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার আর্থিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করাই এ কমিটির প্রধান দায়িত্ব।

সিরিজ বাঁচাতে আজ মাঠে বাংলাদেশ, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে  লড়াই

সিরিজ বাঁচাতে আজ মাঠে বাংলাদেশ, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে লড়াই

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ বাঁচাতে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে হারের পর দ্বিতীয় ওয়ানডে এখন টাইগারদের জন্য ‘করো বা মরো’ লড়াই।বাংলাদেশ সময় দুপুর দেড়টায় শুরু হবে ম্যাচটি। প্রথম ওয়ানডেতে মাত্র ১৪২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে ব্যর্থ হয়ে হতাশাজনক হার দেখে বাংলাদেশ। এর আগে একমাত্র টেস্টেও ইনিংস ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল সফরকারীরা।দ্বিতীয় ম্যাচে একাদশে পরিবর্তনের আভাস রয়েছে। চোট কাটিয়ে ফিট হলে দলে ফিরতে পারেন লিটন দাস। সে ক্ষেত্রে উইকেটকিপার ব্যাটার নুরুল হাসান সোহানকে জায়গা ছাড়তে হতে পারে।আরও পড়ুন, কোয়ার্টার ফাইনালের আগে ইনজুরিতে মরক্কোর ভরসা সাইবারিব্যাটিংয়ে তিন নম্বরে অধিনায়কত্বের অভিজ্ঞতা থাকা শান্ত, চারে তাওহীদ হৃদয় এবং মাঝের সারিতে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের ওপর থাকবে বড় দায়িত্ব।বোলিং বিভাগে তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানার খেলা প্রায় নিশ্চিত। স্পিন বিভাগে সুযোগ পেতে পারেন তানভীর ইসলাম।আজকের ম্যাচে জয় পেলেই সিরিজে সমতা ফেরানোর সুযোগ থাকবে বাংলাদেশের। আর হারলে সিরিজ নিশ্চিতভাবেই জিতে নেবে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে।

সারাবাংলা

সিলেট সীমান্তে ৭ জনকে ঢোকানোর চেষ্টা, রুখে দিল বিজিবি

সিলেট সীমান্তে ৭ জনকে ঢোকানোর চেষ্টা, রুখে দিল বিজিবি

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের কথিত পুশইন চেষ্টা রুখে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি। বিজিবির কড়া অবস্থানের মুখে বিএসএফ পিছু হটে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কালাইরাগ সীমান্ত দিয়ে নারী-পুরুষসহ সাতজনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালায় বিএসএফ—এমন অভিযোগ করেছে বিজিবি।বিজিবি সিলেট ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হক জানান, ঘটনাটি টের পেয়ে বিজিবি আরো পড়ুন , লামায় আশিকা এনজিও কর্তৃক পাহাড়ধস ও বন্যাকবলিত ৫০ পরিবারকে আর্থিক সহায়তাসদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে কড়া প্রতিবাদ জানায় এবং সীমান্তে দৃঢ় অবস্থান নেয়।বিজিবির বাধার মুখে বিএসএফ শেষ পর্যন্ত পিছু হটতে বাধ্য হয় এবং যাদের বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়েছিল, তাদের ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে বিএসএফের সঙ্গে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছে বিজিবি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঠেকাতে সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।সীমান্তে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

লামায় আশিকা এনজিও কর্তৃক পাহাড়ধস ও বন্যাকবলিত ৫০ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা

লামায় আশিকা এনজিও কর্তৃক পাহাড়ধস ও বন্যাকবলিত ৫০ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা

বান্দরবানের লামা উপজেলায় সাম্প্রতিক পাহাড়ধস ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আশিকা (ASHIKA)। ৯ জুলাই, বৃহস্পতিবার বিকেল ৩:০০ টায় উপজেলা হল রুমে সংস্থাটির উদ্যোগে লামা সদর ইউনিয়ন ও রূপসীপাড়া ইউনিয়নের পাহাড়ধস ও বন্যাকবলিত ৫০টি পরিবারের মাঝে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বিকাশ/নগদ-এর মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোঃ মঈন উদ্দিন। তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর মানবিক সহায়তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আরও পড়ুন, কসবায় হত্যা মামলার অভিযুক্ত আসামীকে গ্রেফতারের দাবীতে ব্যাংকার্স ফোরাম ও ব্যাংকার্স মানববন্ধনএ ধরনের উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।আশিকা এনজিওর কর্মকর্তারা জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জরুরি প্রয়োজন বিবেচনায় স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে বিকাশ/ নগদ মোবাইল ব্যাংক সেবার মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও দুর্যোগ ও মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তারা।এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা,প্রশাসনের কর্মকর্তা, আশিকা এনজিওর কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় সাংবাদিক কর্মী, উপকারভোগী পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উপকারভোগীরা সময়োপযোগী এই সহায়তার জন্য আশিকা এনজিও ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

কসবায় হত্যা মামলার অভিযুক্ত আসামীকে গ্রেফতারের দাবীতে ব্যাংকার্স ফোরাম ও ব্যাংকার্স  মানববন্ধন

কসবায় হত্যা মামলার অভিযুক্ত আসামীকে গ্রেফতারের দাবীতে ব্যাংকার্স ফোরাম ও ব্যাংকার্স মানববন্ধন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা পৌর শহরের কসবা সুপারমার্কেটের সামনে ব্যাংকার্স ফোরাম, কসবা এবং কসবা ব্যাংকার্স সোসাইটির উদ্যোগে এক মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) আয়োজিত এ কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন ব্যাংকের শাখা ও উপশাখার ব্যবস্থাপক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ব্যাংকার্স ফোরাম, কসবার সাধারণ সম্পাদক ও জনতা ব্যাংক পিএলসি, কসবা শাখার ব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান। পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করেন ব্যাংকার্স ফোরামের অর্থ সম্পাদক এবং আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, কসবা উপশাখার ব্যবস্থাপক মোঃ ইয়াকুব আলী।স্বাগত বক্তব্যে কসবা ব্যাংকার্স সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ও রুপালী ব্যাংক পিএলসির প্রিন্সিপাল অফিসার মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে ব্যাংকারদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাংকিং সেবাকে আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ব্যাংকার্স ফোরাম, কসবায়ের দপ্তর সম্পাদক ও সিটি ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপক সুব্রত মালীকবিআরও  পড়ুন, অপরাধ দমন, পেশাদারিত্ব ও জনসেবায় অবদানের স্বীকৃতি পেলেন বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরা, ক্রীড়া সম্পাদক ও কর্মসংস্থান ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ এরশাদুল হক, প্রচার সম্পাদক ও ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপক দীপক চন্দ্র সূত্রধর, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ও ইউসিবি ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপক সাইদুর রহমান মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপক মোঃ নূরুল আলম, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির কসবা শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ আবদুল্লাহিল বাকী, সহ-সভাপতি ও ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপক মোঃ শফিউল্লা এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সোনালী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপক মোঃ ছানাউল হক সরকার।সভাপতির বক্তব্যে ব্যাংকার্স ফোরাম, কসবায়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সোনালী ব্যাংক পিএলসির সাবেক ব্যবস্থাপক এস এম কামরুজ্জামান বলেন, ব্যাংকারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পেশাগত মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা এবং গ্রাহকসেবার মান আরও উন্নত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।মানববন্ধনে বক্তারা ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কর্মস্থলে সুরক্ষিত পরিবেশ বজায় রাখা এবং ব্যাংকিং খাতের প্রতি জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অপরাধ দমন, পেশাদারিত্ব ও জনসেবায় অবদানের স্বীকৃতি পেলেন বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরা

অপরাধ দমন, পেশাদারিত্ব ও জনসেবায় অবদানের স্বীকৃতি পেলেন বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরা

নারায়ণগঞ্জ, ৯ জুলাই: নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পুলিশ লাইনস ড্রিল শেডে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ, বিভিন্ন ইউনিটের কার্যক্রম এবং জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।সকাল সাড়ে ৯টায় অনুষ্ঠিত মাসিক কল্যাণ সভায় জেলার বিভিন্ন ইউনিটের ইউনিট ইনচার্জরা তাদের নিজ নিজ ইউনিটের সমস্যা ও প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো তুলে ধরেন। এ সময় নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী সংশ্লিষ্ট সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।সভায় জুন মাসে কর্মদক্ষতা ও বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ পুলিশ সদস্যদের সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান করা হয়।শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত হন আড়াইহাজার থানার এসআই (নিঃ) অজিত চন্দ্র বর্মন। শ্রেষ্ঠ এএসআই হন ফতুল্লা থানার এএসআই (নিঃ) মো. আব্দুল হামিদ খান। শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী হিসেবে পুরস্কৃত হন ফতুল্লা থানার এসআই (নিঃ) নন্দন চন্দ্র সরকার।আরও  পড়ুন, সোনারগাঁয়ে নোয়াগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ে নতুন এডহক কমিটি গঠন, সভাপতি রাশেদুল ইসলাম শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক অফিসার নির্বাচিত হন ট্রাফিক শাখার সার্জেন্ট মো. সাইফুল ইসলাম এবং শ্রেষ্ঠ ডিবি অফিসার হিসেবে সম্মাননা পান এসআই (নিঃ) মো. শরীফুল হাসান।এছাড়া ক্লুলেস মামলা উদঘাটনে বিশেষ অবদানের জন্য ফতুল্লা থানার এসআই (নিঃ) মো. রফিক (বিপিএম), এসআই (নিঃ) নন্দন চন্দ্র সরকার, এএসআই (নিঃ) মনির হোসেন এবং রূপগঞ্জ থানার এসআই (নিঃ) মো. ফজলে রাব্বীকে পুরস্কৃত করা হয়। ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ জেলা বিশেষ শাখার এসআই (নিঃ) মো. শরীফ হোসেন, এসআই (নিঃ) আশরাফুল সিকদার, এএসআই (নিঃ) মো. সোহেল চৌধুরী, ওয়াচার কনস্টেবল জাহাঙ্গীর আলম এবং কনস্টেবল তারেক মিয়াকেও সম্মাননা প্রদান করা হয়।পরে দুপুর ১২টায় একই স্থানে জুন ২০২৬ মাসের বিভিন্ন মামলার অগ্রগতি নিয়ে অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) তারেক আল মেহেদী পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন মামলার অগ্রগতি, তদন্তের অবস্থা এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গৃহীত পদক্ষেপ তুলে ধরেন।সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী। এছাড়াও র‌্যাব, পিবিআই, সিআইডি, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ, নৌ-পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।সভায় জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করা, অপরাধ দমন কার্যক্রম জোরদার করা এবং জনগণকে আরও কার্যকর পুলিশি সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

আন্তর্জাতিক

চাবাহারে বিস্ফোরণ, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত ছড়ানোর আশঙ্কা

চাবাহারে বিস্ফোরণ, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত ছড়ানোর আশঙ্কা

যুদ্ধবিরতির সমঝোতা ভেঙে আবারও ইরানে হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের বিভিন্ন শহরে বিস্ফোরণের পাশাপাশি এবার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর। ভারতের অর্থনৈতিক ও আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই বন্দরে হামলার ঘটনায় নতুন করে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দিবাগত রাত থেকে ইরানের বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এর মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলীয় চাবাহার শহরেও হামলার ঘটনা ঘটেছে।ইরানের সিস্তান-বালুচিস্তান প্রদেশে আরো পড়ুন , রুশ হামলা ঠেকাতে ন্যাটোর দ্বারস্থ জেলেনস্কিঅবস্থিত চাবাহার বন্দর শুধু ইরানের জন্য নয়, ভারতের কাছেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারত ও ইরানের যৌথ উদ্যোগে গড়ে ওঠা এই বন্দরের একটি টার্মিনাল পরিচালনা করে ভারত। আফগানিস্তানসহ মধ্য এশিয়া, ইউরোপ ও রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য যোগাযোগে পাকিস্তানকে পাশ কাটিয়ে বিকল্প পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয় চাবাহার।হামলার পর চাবাহার শহরের বড় অংশে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম। একই সময়ে বন্দর আব্বাস ও সিরিক এলাকাতেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। বন্দর আব্বাসের কাছে ইরানি বাহিনী বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করেছে।যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে হরমুজ প্রণালী এলাকায় ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে মার্কিন বাহিনী। ওয়াশিংটনের দাবি, ইরানের কর্মকাণ্ড যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন এবং এর জবাব দিতেই এই অভিযান।বিশ্লেষকদের মতে, চাবাহার বন্দরে হামলা শুধু ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এর প্রভাব পড়তে পারে ভারতসহ পুরো অঞ্চলের কৌশলগত ও বাণিজ্যিক সম্পর্কেও।চাবাহার বন্দরে হামলার ঘটনায় এখন নজর আন্তর্জাতিক মহলের দিকে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

২ ঘন্টা আগে

রাজধানী

গ্যাস বিস্ফোরণে আগারগাঁওয়ের রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ড

গ্যাস বিস্ফোরণে আগারগাঁওয়ের রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ড

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ৬০ ফিট সড়কে অবস্থিত ‘কলাপাতা’ রেস্টুরেন্টে গ্যাস বিস্ফোরণের পর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পরে আগুন পাশের একটি ভবনেও ছড়িয়ে পড়ে।বুধবার রাত প্রায় ৯টা ৪৫ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন।আরও পড়ুন, রাজধানীজুড়ে ডিএমপির অভিযান, মাদক-অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২৯৬প্রায় ৩৫ মিনিটের চেষ্টায় রাত ১০টা ২০ মিনিটে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালিদ জানান, তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

৮ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

বিশ্বকাপে রেকর্ডের পর রেকর্ড, এবার ফন্তেইনের দিকে মেসির চোখ

বিশ্বকাপে রেকর্ডের পর রেকর্ড, এবার ফন্তেইনের দিকে মেসির চোখ

বিশ্বকাপে রেকর্ড যেন লিওনেল মেসির নিত্যসঙ্গী। ২০২৬ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দ ধরে রেখে এবার তিনি চোখ রাখছেন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এক কীর্তিতে।শেষ ষোলোর লড়াই শেষে মেসির গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে আট। ফলে ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপে ফরাসি কিংবদন্তি জুস্ত ফন্তেইনের এক আসরে ১৩ গোলের ঐতিহাসিক রেকর্ড স্পর্শ করতে প্রয়োজন আর মাত্র পাঁচটি গোল।সামনে রয়েছে কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল এবং সম্ভাব্য ফাইনাল—অর্থাৎ সর্বোচ্চ তিনটি ম্যাচ। তাই ফুটবলপ্রেমীদের চোখ এখন মেসির দিকেই।আরও পড়ুন, সিরিজ বাঁচাতে আজ মাঠে বাংলাদেশ, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে লড়াইম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমকে মেসি বলেন, ব্যক্তিগত রেকর্ড নয়, দলের সাফল্যই তাঁর মূল লক্ষ্য। তবে মাঠের পারফরম্যান্স বলছে ভিন্ন গল্প। টুর্নামেন্টে ইতোমধ্যেই একাধিক ম্যাচে গোল করে দলকে এগিয়ে নিয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।গোল্ডেন বুটের লড়াইটাও জমে উঠেছে। মেসির পেছনে রয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আর্লিং হালান্ড, দুজনেরই গোল সাতটি। আর ছয় গোল নিয়ে আছেন হ্যারি কেইন।এখন দেখার বিষয়, কোয়ার্টার ফাইনালে মেসি কি আরেকটি ঐতিহাসিক অধ্যায়ের দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে যেতে পারেন।

আইন আদালত

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে আটকের পর কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা সাজিয়ে গুলি ও নির্যাতনের মাধ্যমে পঙ্গু করার অভিযোগে দায়ের করা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার আজ শুরু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলাটির সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) ও সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।আরও পড়ুন, ‘আমি শুধু ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার’: আসামি সোহেলমামলাটি শুনানি করবেন মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। মামলার প্রধান আসামি আনিসুর রহমান-সহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম চলবে।প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর চৌগাছা উপজেলা শাখার তৎকালীন সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন এবং সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিন-কে একটি মামলায় আটক করে পুলিশ। অভিযোগে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারের পর তাদের আদালতে হাজির না করে কয়েকদিন নির্যাতন করা হয়।আরও পড়ুন, শিশু রামিসা হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি আজপ্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ একটি সাজানো ঘটনা তৈরি করে দুই নেতার পায়ে গুলি করা হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে চিকিৎসার একপর্যায়ে তাদের পা কেটে ফেলতে হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় আরও বলা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অস্ত্র মামলাটি পরবর্তীতে আদালতে ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়।এর আগে গত ২০ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। সে সময় আদালতে উপস্থিত আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। বর্তমানে অভিযুক্তদের মধ্যে আকিকুল ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান এবং জহরুল হক কারাগারে রয়েছেন।আরও পড়ুন, সাইপ্রাসে এস আলমের ভবন জব্দের নির্দেশঅন্যদিকে প্রধান আসামি আনিসুর রহমান, সাবেক ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল এবং এসআই মাজেদুল পলাতক রয়েছেন বলে ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানিয়েছে। উল্লেখ্য, মামলার অভিযোগগুলো প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত অভিযোগ। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের রায়ের মাধ্যমে অভিযুক্তদের দায়-দায়িত্ব চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর