দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1005.7 hPa
32.5° 65%
940° 9mm
চট্টগ্রাম 1007.7 hPa
31.3° 75%
940° 9mm
রাজশাহী 1005.9 hPa
29.5° 84%
940° 9mm
খুলনা 1006.1 hPa
32° 70%
940° 9mm
বরিশাল 1006.2 hPa
30.2° 80%
940° 9mm
সিলেট 1006.4 hPa
31.7° 69%
940° 9mm
রংপুর 1006 hPa
32.5° 70%
940° 9mm
ময়মনসিংহ 1007.3 hPa
27° 96%
940° 9mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

Divine Group ঘিরে এবার মামলার হিসাব

Divine Group ঘিরে এবার মামলার হিসাব

Divine Group-এর প্রকল্প, জমির মালিকানা, গ্রাহকের অর্থ ব্যবস্থাপনা, রিফান্ড এবং করপোরেট গভর্ন্যান্স নিয়ে প্রশ্নের পর এবার প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে থাকা মামলা ও আদালতের আদেশ নিয়েও অনুসন্ধানের দাবি উঠেছে। বিভিন্ন গ্রাহকের করা মামলার পাশাপাশি একটি ব্যাংক-সংক্রান্ত মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সেই পরোয়ানা গুলশান থানায় পৌঁছানোর পরও কেন তা কার্যকর হয়নি এ প্রশ্ন এখন সামনে এসেছে। তবে মামলার সংখ্যা, পরোয়ানার বর্তমান কার্যকারিতা এবং কোনো মামলায় আসামির জামিন বা স্থগিতাদেশ রয়েছে কি না এসব বিষয়ে আদালতের নথি ও সংশ্লিষ্ট থানার রেকর্ড দিয়ে পূর্ণাঙ্গ যাচাই জরুরি। সংবাদ দিগন্তের অনুসন্ধানেও এসব নথির সত্যতা ও বর্তমান অবস্থা যাচাইয়ের চেষ্টা চলছে। গুলশানের মত এমন একটি এলাকায় প্রতারনার ফাঁদ গ্রাহকের টাকা লুটেপুটে খাচ্ছে ডিভাইন গ্রুপ।আরও পড়ুন: গ্রাহকের অর্থ কোথায়? Divine Group-এর প্রকল্প ও সম্পদDivine Group-এর ওপর করা প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক স্বচ্ছতা, গ্রাহকের রিফান্ড, ব্যাংক দায়, জমির মালিকানা, কর-ভ্যাট ও করপোরেট গভর্ন্যান্স নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রতিবেদনে SM Habibur Rahman-এর বিরুদ্ধে ব্যাংক ঋণ খেলাপি, আইনগত পদক্ষেপ এবং ব্যাংকগুলোর recovery চেষ্টার অভিযোগের কথাও উল্লেখ রয়েছে। তবে ওই রিপোর্টও এসব অভিযোগকে প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে উপস্থাপন না করে ব্যাংক নথি, আদালতের রেকর্ড ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রের মাধ্যমে যাচাইয়ের কথা বলেছে। আরও পড়ুন: অপসাংবাদিকতার তাণ্ডব: মূলধারা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার বড় সংকটঅনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, One Bank-এর একটি মামলায় এস এম হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে এবং ওই পরোয়ানা গুলশান থানায় পাঠানো হয়েছে। কিন্তু পরোয়ানা থানায় পৌঁছানোর পর সেটি কার্যকর হয়েছে কি না, হলে কখন হয়েছে, না হলে তার কারণ কী এসব প্রশ্নের উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো থানায় আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পৌঁছালে সেটির কার্যকর করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্ব থাকে। তবে কোনো আসামির বিরুদ্ধে পরোয়ানা থাকলেই তিনি গ্রেপ্তারযোগ্য অবস্থায় আছেন এমন সরল সিদ্ধান্তে যাওয়ার আগে পরোয়ানার সর্বশেষ অবস্থা, জামিন, স্থগিতাদেশ, প্রত্যাহার বা অন্য কোনো আদালতের আদেশ আছে কি না তা যাচাই করা প্রয়োজন। সুতরাং এখানে মূল অনুসন্ধানের বিষয় শুধু ‘ওয়ারেন্ট আছে কি না’ নয়; বরং ওয়ারেন্টটি বর্তমানে কার্যকর কি না এবং থাকলে সেটি বাস্তবায়নে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন: চোরাচালান-মাদকপাচার ও সীমান্ত হত্যা বন্ধে বিজিবিকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশএদিকে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, এস এম হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আদালতে মোট ৫৪টি মামলা রয়েছে। তবে সংবাদ দিগন্তের হাতে এই মুহূর্তে ৫৪টি মামলার পূর্ণাঙ্গ মামলানম্বর, আদালতের নাম, মামলার ধারা, বাদীর পরিচয় এবং বর্তমান অবস্থার সমন্বিত তালিকা নেই।ফলে ৫৪টি মামলাকে নিশ্চিত সংখ্যা হিসেবে প্রকাশের আগে আদালতের নথি দিয়ে তা যাচাই করা জরুরি। কারণ একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভিন্ন পর্যায়ের মামলা, আপিল, রিভিশন বা আর্থিক বিরোধের মামলা থাকতে পারে; আবার কোনো মামলা নিষ্পত্তি, খারিজ, স্থগিত কিংবা জামিনের আওতায়ও থাকতে পারে।এ কারণে সংবাদ দিগন্তের অনুসন্ধানের পরবর্তী ধাপে মামলার নম্বর ধরে ধরে যাচাই করার প্রয়োজন রয়েছে। প্রথম পর্বের অনুসন্ধানে যে বিষয়টি সামনে এসেছিল, সেটি হলো Divine Group-এর বিভিন্ন প্রকল্পে দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকের অর্থ, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং রিফান্ড নিয়ে প্রশ্ন। প্রাথমিক প্রতিবেদনে ২০ কোটি টাকার বেশি refund-related issue থাকার দাবি এবং কিছু গ্রাহকের রিফান্ড দীর্ঘ সময় ধরে অনিষ্পন্ন থাকার অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।Divine Group-সংক্রান্ত প্রাথমিক রিপোর্টে এস এম হাবিবুর রহমানের বিভিন্ন সম্পত্তির বিপরীতে ব্যাংক ঋণ নেওয়ার তথ্যের সঙ্গে একাধিক ঋণ খেলাপির অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কয়েকটি ক্ষেত্রে ব্যাংক আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছে এবং recovery proceedings চলার দাবিও সেখানে রয়েছে। সম্মিলিত ব্যাংক দাবির পরিমাণ ১০ কোটি টাকার বেশি হতে পারে বলে একটি প্রাথমিক অনুমানের কথা বলা হয়েছে।তবে এটিও মনে রাখা জরুরি ব্যাংক ঋণ, ঋণখেলাপি, দেওয়ানি অর্থঋণ মামলা এবং ফৌজদারি মামলা এক বিষয় নয়। কোন মামলায় কী অভিযোগ রয়েছে এবং আদালত কী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন তা নথি দেখে আলাদাভাবে নির্ধারণ করতে হবে।আরও পড়ুন: ‘সাংবাদিক আবদুস সালাম সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার প্রতীক’: রিজভীDivine Group-এর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি হলো গ্রাহক বা প্রকল্পের অর্থ অন্যত্র ব্যবহারের অভিযোগ। প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এ বিষয়টিকে সরাসরি ‘মানি লন্ডারিং’ না বলে Potential Fund Diversion/Misuse of Customer Funds/Related-Party Transaction Risk হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং forensic verification-এর প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য শুধু মুখের কথা বা বাজারের গুঞ্জন যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন হবে ব্যাংক স্টেটমেন্ট, গ্রাহকের পেমেন্ট রেকর্ড, প্রকল্পের হিসাব, জমি কেনার দলিল, নির্মাণ ব্যয়, রিফান্ডের হিসাব এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বা প্রতিষ্ঠানের কাছে অর্থ স্থানান্তরের নথি। প্রতিবেদনটির ভাষায়, গ্রাহকের টাকা থেকে শুরু করে ব্যাংক হিসাব, অর্থ স্থানান্তর, প্রাপক, ব্যয়ের উদ্দেশ্য, ভাউচার এবং শেষ পর্যন্ত প্রকৃত সুবিধাভোগী পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে।আরও পড়ুন:আইসিসিবিতে ৩ সেপ্টেম্বর শুরু কসমেটিকা ঢাকা ২০২৬২০২৫ সাল থেকে Divine Purbachal City এবং Cox Holiday Inn প্রকল্পকে সামনে রেখে নতুন করে বাজারে সক্রিয় হওয়ার তথ্যও প্রাথমিক প্রতিবেদনে রয়েছে। সেখানে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রায় ৫ কোটি টাকার hotel share sale এবং প্রায় ২.৫ কোটি টাকা collection হওয়ার দাবি উল্লেখ করা হয়েছে। একই সময়ে প্রকল্প উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব তথ্য ব্যাংক স্টেটমেন্ট, শেয়ার রেজিস্টার ও গ্রাহক লেজার দিয়ে যাচাইয়ের প্রয়োজন রয়েছে। এখানেই অনুসন্ধানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন পুরোনো প্রকল্পের গ্রাহক, বিনিয়োগকারী ও পাওনাদারদের দায় পরিশোধের আগে নতুন প্রকল্প বা শেয়ারের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে কি না। এটি কোনো অপরাধের প্রমাণ নয়; তবে একটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা মূল্যায়নে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।আরও পড়ুন: আমিরাতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি নাকচCox Holiday Inn প্রকল্পটি নিয়েও দীর্ঘদিনের স্থবিরতার অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হয়ে basement ও একতলা পর্যন্ত নির্মাণের পর কাজ বন্ধ হয়ে যায় এবং প্রায় ২০২১ সাল থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রকল্পটি কার্যত stalled অবস্থায় রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। যদি এই তথ্য নথিপত্রে সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে বিনিয়োগকারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াবে প্রকল্পের বর্তমান সম্পদ কত, ইতোমধ্যে কত টাকা ব্যয় হয়েছে, বাকি নির্মাণে কত টাকা লাগবে এবং সেই অর্থের উৎস কী। Cox Holiday Inn-এর জমির মালিকানা নিয়েও প্রাথমিক রিপোর্টে প্রশ্ন রয়েছে। সেখানে কিছু জমি Divine Holdings Limited, কিছু Divine Hotel and Resort Limited-এর নামে এবং কিছু জমি খাস হতে পারে বলে তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। কিছু জমি Power of Attorney-ভিত্তিক হওয়ার সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে। প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়নে Divine Group-এর corporate governance নিয়ে board oversight, financial control, segregation of duties, project accounting, customer fund segregation, contract management, investor reporting এবং related-party transactionসহ একাধিক ক্ষেত্রে দুর্বলতার আশঙ্কা চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষ করে Managing Director-কেন্দ্রিক অতিরিক্ত আর্থিক ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ থাকায় কোম্পানির সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাঠামো নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। একটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক নিয়ন্ত্রণে সাধারণত কে টাকা গ্রহণ করবে, কে অনুমোদন দেবে, কে ব্যয় করবে এবং কে হিসাব নিরীক্ষা করবে—এসব দায়িত্ব আলাদা থাকার কথা। সেখানে একই ব্যক্তির হাতে অতিরিক্ত ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হলে governance risk তৈরি হতে পারে।আরও পড়ুন: লংমার্চ ঘিরে সিএমপির সঙ্গে জামায়াতের মতবিনিময়এসব অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে একটি বিষয় পরিষ্কার রাখা জরুরি মামলা হওয়া মানেই অপরাধ প্রমাণিত হওয়া নয়। আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত কোনো ব্যক্তিকে অপরাধী বলা আইনগত ও সাংবাদিকতার দিক থেকে সমীচীন নয়। একইভাবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকলেও তার বর্তমান অবস্থা জামিন, স্থগিতাদেশ, প্রত্যাহার বা অন্য কোনো আদালতের আদেশ যাচাই করা জরুরি। তাই এস এম হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ৫৪টি মামলা রয়েছে এই তথ্যটি বর্তমানে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সংবাদ দিগন্ত আদালতের নথির ভিত্তিতে মামলাগুলোর প্রকৃত সংখ্যা ও বর্তমান অবস্থা যাচাই করার চেষ্টা করছে।Divine Group-এর প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রতিবেদনের চূড়ান্ত মতামতেও বলা হয়েছে, নতুন বিনিয়োগ বা আর্থিক সম্পর্ক স্থাপনের আগে independent forensic investigation প্রয়োজন। এজন্য forensic financial audit, land audit, legal audit, tax/VAT audit এবং project audit করার সুপারিশ করা হয়েছে।প্রাথমিক রিপোর্টে stakeholder-দের জন্যও নতুন আর্থিক সম্পর্ক স্থাপনের আগে জমির বৈধ মালিকানা, প্রকল্পের অনুমোদন, বাস্তব নির্মাণ অবস্থা, audited financial statement, customer/refund liability, ব্যাংক ও creditor position এবং customer fund-এর source ও utilization যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন: জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সংসদে সরকার-বিরোধী দলের টানাপোড়েন ফের উত্তাপDivine Group নিয়ে প্রথম পর্বে উঠে এসেছিল প্রকল্পের অগ্রগতি, জমির মালিকানা, অর্থ ব্যবস্থাপনা ও করপোরেট গভর্ন্যান্সের প্রশ্ন। দ্বিতীয় পর্বে সামনে এসেছে মামলা, ব্যাংক-সংক্রান্ত বিরোধ এবং কথিত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা।

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে।সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি সপ্তাহেই নতুন বেতন কাঠামোর গেজেট প্রকাশ হতে পারে। সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে ১০ সেপ্টেম্বরের কথা জানা গেছে।অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এরই মধ্যে নবম জাতীয় পে স্কেলের প্রজ্ঞাপনের খসড়া বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়—বিজি প্রেসে পাঠানো হয়েছে। সেখানে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে খসড়াটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে ফেরত আসবে।এরপর প্রজ্ঞাপনের খসড়া আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষ হলে এসআরও নম্বর দিয়ে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে।আর ও পড়ুন, সৌদি আরবে ই-পাসপোর্ট পেতে কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে, জানাল দূতাবাসঅর্থ মন্ত্রণালয়ের পে স্কেল সংক্রান্ত কাজের সঙ্গে যুক্ত এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বুধবার রেজল্যুশন বিজি প্রেসে পাঠানো হয়েছে। প্রক্রিয়াগত কারণে যতটুকু সময় প্রয়োজন, সেটুকুই লাগছে। গেজেট প্রকাশে কোনো ধরনের বিলম্ব করতে চায় না সরকার বলেও জানান তিনি।এর আগে সোমবার মন্ত্রিসভায় নবম জাতীয় পে স্কেল অনুমোদন করা হয়। নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে এর কার্যকারিতা ধরা হয়েছে।এর আগে মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনি চলতি সপ্তাহেই পে স্কেলের আদেশ জারির কথা জানিয়েছিলেন। তবে প্রশাসনিক ও আইনগত কিছু প্রক্রিয়া শেষ করতে অতিরিক্ত সময় লাগছে।এখন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অপেক্ষা, কবে চূড়ান্তভাবে প্রকাশ হচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট।

ঢাকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির পূর্বাভাস

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। রাজধানীর আকাশ শনিবার আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। দিনজুড়ে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঢাকায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময় দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে।আজ সকাল ৬টায় রাজধানীর তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮৯ শতাংশ।গতকাল ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি।ঢাকার পাশাপাশি দেশের অন্যান্য বিভাগেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।এ ছাড়া দেশের কিছু অঞ্চলে মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।তবে আপাতত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য কোনো সতর্কসংকেত নেই।এদিকে, আজ সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিটে ঢাকায় সূর্যাস্ত এবং আগামীকাল ভোর ৫টা ৪২ মিনিটে সূর্যোদয় হবে।অর্থাৎ দিনভর মেঘ-বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও তাপমাত্রায় বড় কোনো পরিবর্তনের আভাস নেই। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির এই প্রবণতা দিনের আবহাওয়ায় স্বস্তি আনতে পারে, তবে কোথাও কোথাও বজ্রপাত ও ভারী বৃষ্টির কারণে সাময়িক দুর্ভোগের আশঙ্কাও রয়েছে।

সৌদি আরবে ই-পাসপোর্ট পেতে কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে, জানাল দূতাবাস

সৌদি আরবে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ই-পাসপোর্ট সেবা নিয়ে নতুন আপডেট দিয়েছে রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।দূতাবাস জানিয়েছে, ই-পাসপোর্টের ব্যাপক চাহিদার পাশাপাশি তথ্য যাচাই ও প্রসেসিং কার্যক্রমের কারণে পাসপোর্ট পেতে কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে।বৃহস্পতিবার দূতাবাসের যাচাইকৃত ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে জানানো হয়, আগে প্রতি মাসে গড়ে ১১ হাজার পাসপোর্টের জন্য এনরোলমেন্ট করা হলেও দূতাবাসের প্রচেষ্টায় গত দেড় মাসে ৬৫ হাজারের বেশি পাসপোর্টের বায়োমেট্রিক গ্রহণ করা হয়েছে।এর মধ্যে ১৫ হাজার ৪৩৪টি পাসপোর্ট ইতোমধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। আরও ২৫ হাজার ৪৬৭টি পাসপোর্ট রয়েছে প্রিন্টিং পর্যায়ে। পাশাপাশি ২১ হাজার ৬৭৮টি পাসপোর্টের ফিঙ্গারপ্রিন্ট গ্রহণের পরবর্তী কার্যক্রম চলছে।আরও  পড়ুন, আইনের ফাঁকফোকরে বেরিয়ে অপরাধীরা আবার অপরাধে জড়ায় : আইজিপিদূতাবাস আরও জানিয়েছে, বর্তমানে দাম্মাম অঞ্চলে নয় দিনব্যাপী ক্যাম্পের মাধ্যমে ১৫ হাজার ২০০টি পাসপোর্ট আবেদনের ফিঙ্গারপ্রিন্ট গ্রহণের কার্যক্রম চলছে।তবে পরবর্তী প্রক্রিয়ায় অনেক আবেদনে তথ্যগত ভুল, জন্মনিবন্ধন বা জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের সঙ্গে অসংগতি এবং একাধিক পাসপোর্ট সংক্রান্ত জটিলতা পাওয়া যাচ্ছে।এসব ক্ষেত্রে তথ্য যাচাই ও প্রয়োজনীয় প্রসেসিং সম্পন্ন করতে অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে। ফলে পাসপোর্ট পেতে কিছুটা বিলম্ব হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।এ পরিস্থিতিতে সৌদি আরবে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ধৈর্য ধারণের অনুরোধ জানিয়েছে দূতাবাস। একই সঙ্গে ই-পাসপোর্ট সেবা আরও দ্রুত ও সহজ করতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

আইনের ফাঁকফোকরে বেরিয়ে অপরাধীরা আবার অপরাধে জড়ায় : আইজিপি

মাদক ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধে জড়িত ব্যক্তিরা একাধিকবার আইনের আওতায় এলেও আইনের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে তাদের দীর্ঘদিন আটক রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে তারা আবারও একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির।শনিবার সকালে রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে কমিউনিটি ব্যাংকের উদ্যোগে আয়োজিত ‘আমার শহর, আমার দেশ—পরিচ্ছন্নতায় বদলে যায় বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।আইজিপি বলেন, মাদক ও ছিনতাইয়ের বিরুদ্ধে পুলিশ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। প্রত্যেক মাদক কারবারি ও ছিনতাইকারীকে একাধিকবার আইনের আওতায় আনা হয়েছে। কিন্তু আইনের ফাঁকফোকর ও বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে তাদের দীর্ঘদিন আটক রাখা যাচ্ছে না। পরে তারা আবার একই ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।তিনি আরও বলেন, দেশের জনসংখ্যার তুলনায় পুলিশের সংখ্যা খুবই কম। প্রায় এক হাজার মানুষের জন্য মাত্র একজন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। আরও পড়ুন, ব্রিকসের আগে তারেকের ভারত সফর নিয়ে কাটেনি অনিশ্চয়তাতাই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে হবে।মাদককে নতুন প্রজন্মের জন্য বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক নানা আকর্ষণীয় নামে তরুণদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। কখনো এগুলোকে এনার্জি ট্যাবলেট বা অন্য কোনো নামে পরিচয় করানো হয়। তাই সন্তানদের এ বিষয়ে সচেতন করার আহ্বান জানান তিনি।পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে আইজিপি বলেন, লোক দেখানো নয়, বাস্তব পরিবর্তনের লক্ষ্যেই এ ধরনের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ঢাকা শহরের পরিবেশ দূষণ কমাতে বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন।ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ বলেন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে শুধু গাছ লাগানো নয়, পুরো ঢাকা শহরে একটি সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন শুরু করা হয়েছে।অনুষ্ঠান শেষে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে নিমগাছ রোপণ করেন আইজিপি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম।

রাজনীতিরাজনীতি

‘ওয়াদা দিয়ে সরকার প্রতারণা করছে, জনগণ ক্ষমা করবে না’: শফিকুর রহমান

‘ওয়াদা দিয়ে সরকার প্রতারণা করছে, জনগণ ক্ষমা করবে না’: শফিকুর রহমান

সরকার জনগণের সঙ্গে ভাঁওতাবাজি ও প্রতারণা করছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।তিনি বলেছেন, ওয়াদা দিয়ে তা লঙ্ঘন করছে সরকার। জনগণ তাদের ক্ষমা করবে না। জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকার ঘোষণাও দেন তিনি।শনিবার দুপুরে কুমিল্লা নগরীর পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শফিকুর রহমান।তিনি বলেন, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এই রাস্তায় যারা রক্ত দিয়েছেন, তাদের দাবি এখনো পূরণ হয়নি। সেই দাবি পূরণ করতেই তারা রাজপথে নেমেছেন। দাবি পূরণ করেই ঘরে ফেরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন জামায়াত আমির।গণভোটের রায় ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নের দাবি তুলে তিনি বলেন, জনগণের ঘরে গ্যাস ও বিদ্যুৎ নিশ্চিত করার জন্যও তারা রাস্তায় নেমেছেন।আরও  পড়ুন, লংমার্চে বাধা দিলে ছয় দফা এক দফায় পরিণত হবে : নাহিদ ইসলামএকই সঙ্গে চাঁদাবাজি বন্ধ এবং মাদক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।পথসভায় জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের ১১ দলীয় জোটের ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। এসব মৌলিক দাবি পূরণ না হলে সরকার ক্ষমতায় থাকতে পারবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত অলি আহমদ গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি জানান। আর খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক বলেন, আন্দোলনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হচ্ছে এবং সামনে আরও কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে।এর আগে সকালে ছয় দফা দাবি নিয়ে রাজধানী থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ শুরু করে ১১ দলীয় ঐক্যজোট। বিভিন্ন স্থানে পথসভা শেষে লংমার্চটি কুমিল্লা হয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করে।

লংমার্চে বাধা দিলে ছয় দফা এক দফায় পরিণত হবে : নাহিদ ইসলাম

লংমার্চে বাধা দিলে ছয় দফা এক দফায় পরিণত হবে : নাহিদ ইসলাম

সরকার লংমার্চে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে ছয় দফা এক দফায় পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।শনিবার সকালে রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচারসহ ছয় দফা বাস্তবায়নের দাবিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য এ কর্মসূচির আয়োজন করে।নাহিদ ইসলাম বলেন, তারা শান্তিপূর্ণভাবে লংমার্চ পালন করতে চান। তবে সরকার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে কর্মসূচির ছয় দফা এক দফায় পরিণত হবে।তিনি বলেন, দেশে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের পাশাপাশি চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এ লংমার্চ। তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পেছনে যারা সিন্ডিকেট করছে, তাদের বিরুদ্ধেও এই কর্মসূচি বলে মন্তব্য করেন তিনি।আরও পড়ুন, ‘১৮ কোটি মানুষের অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে’: শফিকুর রহমাননাহিদ ইসলামের অভিযোগ, যারা গণভোটের গণরায়ের সঙ্গে প্রতারণা করেছে, লংমার্চ তাদের বিরুদ্ধেও। তিনি বলেন, যত বাধাই আসুক, ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ চট্টগ্রামে পৌঁছাবে।জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের এই কর্মসূচিতে ছয়টি দাবি তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জুলাই গণহত্যার বিচার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ ও সারের সংকট সমাধানসহ বিভিন্ন দাবি।লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ জোটের অন্যান্য নেতারা।ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী এই লংমার্চকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।

‘১৮ কোটি মানুষের অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে’: শফিকুর রহমান

‘১৮ কোটি মানুষের অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে’: শফিকুর রহমান

বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, কোনো দল, ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর জন্য নয়, বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য তারা রাজপথে নেমেছেন।শনিবার সকালে রাজধানীর শাপলা চত্বর থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ শুরুর আগে তিনি এসব কথা বলেন।জামায়াত আমির বলেন, তাদের ছয় দফা দাবির সঙ্গে আরও একটি দাবি যুক্ত হবে—বাংলাদেশে কোনো চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজের অস্তিত্ব বরদাশত করা হবে না। জনগণ চাঁদাবাজদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এবং দুর্নীতির কারণে তাদের অধিকার লুণ্ঠিত হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।শফিকুর রহমান বলেন, দেশে গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সংকট রয়েছে; অথচ এসব সেবার বিল নিয়মিতই দিতে হচ্ছে। জনগণ এসব কারণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।আরও পড়ুন, ছয় দফা দাবিতে ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ শুরু সিফাত নামের এক তরুণের গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াত আমির বলেন, তার মুখের ভাষা তারা সমর্থন করেন না। তবে যে বিষয়ে তিনি প্রতিবাদ করেছেন, সেই বিষয়ে প্রয়োজনে দেশের ১৮ কোটি মানুষ প্রতিবাদী হয়ে উঠবে।সিফাতকে ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেললে জনগণও কাউকে ছাড় দেবে না।ঢাকাবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের দাবি আদায়ের অঙ্গীকার নিয়েই ১১ দলের লংমার্চ শুরু হয়েছে। চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে এই যাত্রায় কোনো বাধা এলে তা অতিক্রম করেই গন্তব্যে পৌঁছানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।তিনি আরও বলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত রাজপথের পাশাপাশি জাতীয় সংসদেও তাদের আন্দোলন চলবে।মহান আল্লাহর সাহায্য কামনা করে লংমার্চ সফল ও নিরাপদ করার জন্য সবার কাছে দোয়া চান জামায়াত আমির।

ছয় দফা দাবিতে ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ শুরু

ছয় দফা দাবিতে ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ শুরু

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।শনিবার সকাল সোয়া ৮টার পর রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে শুরু হয় এই কর্মসূচি। এর আগে সকাল ৭টায় সেখানে সমাবেশ করে জোটটি।গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ছয় দফা দাবিতে এই লং মার্চের আয়োজন করা হয়েছে।জোটের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের মূল্য ঊর্ধ্বগতি রোধে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা।কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে পথসভা করার কথা রয়েছে। আরও  পড়ুন, শিক্ষার মানোন্নয়নে বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশএর মধ্যে নারায়ণগঞ্জের কাচপুর ব্রিজসংলগ্ন ট্রাকস্ট্যান্ড, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল ও মীরসরাইয়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে।পরে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে জনসভার মধ্য দিয়ে আজকের কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।এর আগে গত ৬ আগস্ট ঢাকার মুক্তাঙ্গনে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচি থেকে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকা থেকে চারটি বিভাগীয় শহরে লং মার্চ ও মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর, ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেটে রেলপথে লং মার্চ হওয়ার কথা রয়েছে। সবশেষে ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে জোটটি।

সারাবাংলা

 প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনায় চাকরি  ফিরে পেতে হাজ্জাজ বিন আজিজের

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনায় চাকরি ফিরে পেতে হাজ্জাজ বিন আজিজের

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) কেমিকৌশল বিভাগের অফিস সহায়ক হাজ্জাজ বিন আজিজ চাকরি হারিয়ে বর্তমানে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন।যশোরের মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ এলাকার চন্ডিপুর গ্রামের দরিদ্র পরিবারের সন্তান হাজ্জাজ বিন আজিজের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের বহিষ্কৃত সহকারী অধ্যাপক ও আওয়ামী দোসর হিসেবে পরিচিত ড. সুজন চৌধুরীর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে তিনি চাকরি হারিয়েছেন।তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া যায়নি।হাজ্জাজ বিন আজিজ জানান, তিনি দীর্ঘ প্রায় ছয় বছর যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। তিনি ২৮ জানুয়ারি ২০১৭ সালে চাকরিতে যোগদান করেন। তার দাবি, ২০২২ সালে ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে তিনি চাকরি হারান।তিনি আরও জানান, চাকরি হারানোর পরও প্রতিষ্ঠানের পরিবহন দপ্তরে প্রায় ১৪ মাস বিনা বেতনে শ্রম দিয়েছেন তিনি। চাকরিটিই ছিল তার পরিবারের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র অবলম্বন। সেই চাকরি হারিয়ে বর্তমানে তিনি পরিবার নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বলে জানান।দাবি, চাকরি স্থায়ী করার বিষয়ে তদন্তের সময় তিনি জানতে পারেন যে, তিনি বিএনপি পরিবারের সন্তান হওয়ায় তার চাকরি স্থায়ীকরণ করা হয়নি।তিনি যশোর সরকারি এম এম কলেজ থেকে সমাজবিজ্ঞানে অনার্স মাস্টার্স কমপ্লিট করেছেন।অতি দরিদ্র পরিবারের সন্তান হাজ্জাজ নিজেকে এতিম ও অসহায় উল্লেখ করে বলেন, জীবনে অনেক কষ্ট করে তিনি চাকরিটি পেয়েছিলেন। দীর্ঘদিন কর্মজীবনের পর হঠাৎ চাকরি হারানোয় তার পরিবারও চরম সংকটে পড়েছে। বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করাও তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।আরও  পড়ুন, আবাসিক মিটারে ১১ বছর ধরে বাণিজ্যিক ডিস-ইন্টারনেটের সার্ভার, রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগহাজ্জাজ বিন আজিজ বলেন,“আমি একজন এতিম, অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের সন্তান। প্রায় ছয় বছর প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছি। চাকরিটিই ছিল আমার বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন। এখন চাকরি হারিয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি।আমি কারও অন্যায় সুবিধা চাই না। শুধু আমার সঙ্গে কী ঘটেছে, তার নিরপেক্ষ তদন্ত চাই। যদি তদন্তে আমার কোনো অপরাধ প্রমাণিত হয়, আমি তা মেনে নেব। আর যদি আমি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে থাকি, তাহলে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আমার চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করছি।”তিনি আরও বলেন, এতদিন তিনি বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার অপেক্ষায় ছিলেন, যাতে বিষয়টি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছভাবে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা হয় এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়।হারানো চাকরি ফিরে পাওয়ার আশায় হাজ্জাজ বিন আজিজ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আকুল আবেদন জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি তার বিষয়টি মানবিক ও ন্যায়সংগত দৃষ্টিতে বিবেচনা করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।এছাড়াও তিনি মাননীয় প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের আন্তরিক সহযোগিতা ও সদয় হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা করেছেন।স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করার পর জীবিকার একমাত্র অবলম্বন হারিয়ে কোনো মানুষ যেন অসহায় হয়ে না পড়েন, বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেও বিবেচনা করা প্রয়োজন। অভিযোগগুলো যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হবে।হাজ্জাজ বিন আজিজের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত তার বিষয়টি তদন্তের উদ্যোগ নেবে এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে তার ভবিষ্যৎ জীবনের অনিশ্চয়তা দূর করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে—এমনটাই তার প্রত্যাশা।

আবাসিক মিটারে ১১ বছর ধরে বাণিজ্যিক ডিস-ইন্টারনেটের সার্ভার, রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ

আবাসিক মিটারে ১১ বছর ধরে বাণিজ্যিক ডিস-ইন্টারনেটের সার্ভার, রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ

​সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার শিমলাবাজার এলাকায় আবাসিক বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে নিয়মবহির্ভূতভাবে দীর্ঘ ১১ বছর ধরে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। অগ্রণী ব্যাংক সরিষাবাড়ী শাখার বিপরীতে অবস্থিত একটি ভবনের দ্বিতীয় তলায় বিটিআরসি অনুমোদিত 'হীরা ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং' নামের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এ ইন্টারনেট ও ডিস ক্যাবল ব্যবসার বড় ধরনের কন্ট্রোলরুম ও সার্ভার রুম পরিচালিত হচ্ছে।​অভিযোগে জানা যায়, উক্ত ভবনের দ্বিতীয় তলায় গ্রাহক কৌশিক দে সরকারের নামে থাকা একটি আবাসিক বিদ্যুৎ সংযোগ (গ্রাহক নং-৭৩৬১৪২০৪, মিটার নং-৩৭০৪৬০, হিসাব নং-৮৯২১, ট্যারিফ-এ) দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্যিক সার্ভার রুম চালানো হচ্ছে। তিন কক্ষবিশিষ্ট এই কন্ট্রোলরুমে একাধিক এয়ার কন্ডিশনার (এসি), আইপিএস, কম্পিউটার, টিভি, সিলিং ও স্ট্যান্ড ফ্যান এবং বহুতল ভবনটির ছাদে অবস্থিত বিশাল আকৃতির নেট টাওয়ারের ভারী বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহৃত হচ্ছে।আরও  পড়ুন, রাজগঞ্জের কৃতি সন্তান স্বচ্ছ রাজনীতিবিদ কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা মুতাছিম বিল্লাহস্থানীয়দের অভিযোগ, সরিষাবাড়ী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) কিছু অসাধু কর্মচারীর যোগসাজশে প্রকৃত খরচের তুলনায় অনেক কম বিল প্রস্তুত করে নেওয়া হতো। এর ফলে দীর্ঘ ১১ বছরে সরকার বিপুল অঙ্কের রাজস্ব হারিয়েছে। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং পিডিবির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে সরজমিনে অভিযান চালিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।​এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিক কৌশিক দে সরকারের পক্ষে তার ছোট ভাই সৌভিক দে সরকার বলেন, "মিটারটি আবাসিক এবং এটি বাসা থেকে স্থানান্তর করে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছ বিষয়টি পিডিবি সংশ্লিষ্ট অনেকেই জানেন। এছাড়াও তাদের কাছে আমাদের কয়েক বছরের ওয়াইফাই ইন্টারনেট বিল বকেয়া রয়েছে বলে জানান তিনি। যা আনুমানিক ১০ লক্ষ টাকা হবে।​অভিযোগ প্রসঙ্গে উপজেলা পিডিবির বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ওয়াদুদ আলী জানান, বিষয়টি অবগত হওয়ার পর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

রাজগঞ্জের কৃতি সন্তান স্বচ্ছ রাজনীতিবিদ কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা মুতাছিম বিল্লাহ

রাজগঞ্জের কৃতি সন্তান স্বচ্ছ রাজনীতিবিদ কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা মুতাছিম বিল্লাহ

 যশোরের মনিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ মনোহরপুর গ্রামের মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন জাতীয় পুরুষ্কার প্রাপ্ত শিক্ষক মোঃ আঃ রশিদ ও মোছাঃ রৌশনারা খাতুনের গর্বে  মোঃ মুতাছিম বিল্লাহ। স্থানীয় স্কুল ও কলেজ থেকে লেখাপড়া শেষ করে উচ্চ শিক্ষা নিতে পাড়ি দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং সেখানে লেখাপড়া পাশাপাশি শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে শুরু করেন ছাত্র রাজনীতি।  তার রাজনৈতিক দূরদর্শীতায় আর পিছনে ফিরতে হয়নি একে একে রাজনৈতিক জীবনে নাম লেখাতে সক্ষম হয় উদীয়মান উজ্জ্বল নক্ষত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা'র বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সহ সম্পাদক পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ সভাপতি তরুন ছাত্রনেতা মোঃ মুতাছিম বিল্লাহ। শহীদ জিয়ার আদর্শ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০০৫ সাল থেকে ছাত্র রাজনীতি শুরু করেন।ততকালীন ফখরুদ্দিন -মঈনউদ্দীন সরকারের বিরুদ্ধে  দলের নির্দেশনা বাস্তবায়নে ছিলেন রাজপথে। তরুণ এই নেতা দলের দুঃসময়ে যেমন ছিল অপ্রতিরোধ্য , আজ দলের সুসময়েও দুর্বার গতিতে চলছে তার সেই কার্যক্রম l রাজপথ, সামাজিক , সাংস্কৃতিক,  ক্রীড়াঙ্গন সহ সকল ক্ষেত্রেই, লড়াই- সংগ্রাম করে চলেছে নিজ উদ্যোগে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে।তরুন ছাত্র নেতার সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহে উঠে আসে তার রাজনৈতিক দূরদর্শিতার কথা।  রাজগঞ্জ  এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে আলাপচারিতা জানা যায়,মফস্বল অঞ্চলের মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান হয়েও তিনি  দলের দুঃসময়ে  হামলা মামলার ভয় উপেক্ষা করে ঢাকার রাজপথে গণতন্ত্র পূনরোদ্ধারে মিটিং মিছিলে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছেন।আরও  পড়ুন, চকরিয়ায় এক মাসে ২২৯ আসামি গ্রেপ্তার, ইয়াবা উদ্ধার ১০ হাজার ৬৬৪ পিসগণতন্ত্র পুনরোদ্ধারে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের সময়ে তিনি ১২টির বেশি মামলার শিকার হয়েছেন এবং বিভিন্ন সময়ে প্রায় এক বছর কারাভোগও করেছেন।সংক্ষিপ্ত রাজনৈতিক জীবনে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী আন্দোলনে হামলা ও গ্রেপ্তার হন,২০২১ সালে২৬ অক্টোবর সম্প্রীতি সমাবেশ থেকে গ্রেপ্তার হন,২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে গ্রেপ্তার ও ২মাস কারাবরন, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ধারাবাহিক আন্দোলনে নেতৃত্ব এবং ২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে ১ দফা আদায়ে ছিলেন সক্রিয় ভূমিকায়।দল তার সাহসীকতার পুরষ্কার হিসাবে বাংলাদেশ ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সম্পাদক হিসাবে মনোনীত করেন ততকালীন সময়ে। যা রাজগঞ্জ অঞ্চলের মানুষের জন্য এক বিরল সম্মানের। কেন্দ্রীয় পর্যায়ের ছাত্রনেতা হলেও কখনো তার মধ্য আত্মঅহংকার প্রকাশিত হয়নি। বিগত সময়ে যেমন স্বচ্ছতার মধ্য দিয়ে  দলের জন্য কাজ করেছেন, বর্তমান সময়েও নিজ এলাকায় স্বচ্ছতার মধ্য দিয়ে  বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক কার্যক্রমে অব্যাহত রেখেছেন। সমগ্র মণিরামপুর বাসি এমন ক্লিন ইমেজের কর্মিবান্ধব নিরহংকারী রাজনীতিবিদ  হিসাবে  আগামী দিনের জন্য  প্রত্যাশা করে।।  এসময় এলাকাবাসী তরুণ ছাত্রনেতা মোঃ মুতাছিম বিল্লাহ'র দীর্ঘায়ু , সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করে দোয়া কামনা করেন।তরুণ প্রজন্মের ক্লিন ইমেজের ত্যাগী নেতা মুতাছিম বিল্লাহ'র সাথে ফোনে কথা হলে  তিনি প্রতিনিধিকে জানান

চকরিয়ায় এক মাসে ২২৯ আসামি গ্রেপ্তার, ইয়াবা উদ্ধার ১০ হাজার ৬৬৪ পিস

চকরিয়ায় এক মাসে ২২৯ আসামি গ্রেপ্তার, ইয়াবা উদ্ধার ১০ হাজার ৬৬৪ পিস

পুলিশ ও সচেতন মহলের মতে “মাদক নয়—সুন্দর ভবিষ্যৎ চাই”“অপরাধমুক্ত চকরিয়া গড়তে সবাই একসঙ্গে এগিয়ে আসুন”— এ স্লোগানকে সামনে রেখে  কক্সবাজারের চকরিয়ায়  থানা পুলিশের অপরাধবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান যোগদানের পর থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদক ও অপরাধ দমন এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় মাঠপর্যায়ে তৎপর রয়েছেন বলে থানা সূত্রে জানা গেছে। বিভিন্ন অপরাধীর আস্তানায় অভিযান চালানোর পাশাপাশি মাদক, সন্ত্রাস, চুরি-ডাকাতি ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে পুলিশ কাজ করছে বলে  আলাপকালে তিনি জানান। থানা সূত্রে জানা গেছে, আগস্ট ২০২৬ মাসে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মোট ২২৯ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে  পুলিশ। তাদের মধ্যে রয়েছেন—পেশাদার ডাকাত ৬ জন, হত্যা মামলার আসামি ৩ জন, চোর ২১ জন, মাদক ব্যবসায়ী ১১ জন, পুরোনো মামলার আসামি ২০ জন, বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৩১ জন এবং সাজাপ্রাপ্ত আসামি ২৩ জন।এছাড়া ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১১৪ জনকে। এর মধ্যে জিআর মামলার আসামি ৫০ জন এবং সিআর মামলার আসামি ৬৪ জন।আরও  পড়ুন, 'সাংবাদিক পুত্র শিশু রিহানের বিদেশে দ্বিতীয় সার্জারি জরুরি, সহায়তার হাত বাড়ান'মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারচকরিয়া থানা পুলিশের  বিশেষ অভিযানে আগস্ট মাসে ১০ হাজার ৬৬৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২৮ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাইমদ এবং ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে অস্ত্র উদ্ধারের মধ্যে রয়েছে ১টি এলজি, ১টি একনলা বন্দুক ও ২টি কার্তুজ। সরাসরি ওসি আরিফুর রহমানের সাথে আলাপকালে  বলেন, “অপরাধীর পরিচয় নয়—আইনের শাসনই চকরিয়া থানা পুলিশের অঙ্গীকার।” মাদক, সন্ত্রাস, চুরি-ডাকাতিসহ অন্যান্য অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে বলেও জানান তিনি। তিনি চকরিয়ার মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশকে সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।পুলিশ ও সচেতন মহলের মতে, “মাদক নয়—সুন্দর ভবিষ্যৎ চাই। অপরাধমুক্ত চকরিয়া গড়তে সবাইকে একসঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে।” সঠিক সময়ে দেওয়া একটি তথ্যও অপরাধ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তারা মনে করেন।

আন্তর্জাতিক

পাত্রী সংকটে মহারাষ্ট্রে আত্মহত্যা ২৯ পুরুষের

পাত্রী সংকটে মহারাষ্ট্রে আত্মহত্যা ২৯ পুরুষের

পাত্রী সংকটে মহারাষ্ট্রে ভয়াবহ চিত্র। বিয়ের জন্য পাত্রী না পেয়ে গত ছয় মাসে আত্মহত্যা করেছেন ২৯ পুরুষ। আর একই সময়ে জলগাঁও জেলায় আত্মহত্যা করেছেন মোট ৩৮৩ জন পুরুষ। মহারাষ্ট্র পুলিশের পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য।চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত জলগাঁও জেলায় আত্মহত্যার ঘটনাগুলো বিশ্লেষণ করেছে পুলিশ। এতে মাদকাসক্তি, হতাশা, পারিবারিক সমস্যা ও ঋণের পাশাপাশি বিয়ে না হওয়ার বিষয়টিও আত্মহত্যার কারণ হিসেবে উঠে এসেছে।তবে বিষয়টি শুধু পাত্রী না পাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। গ্রামাঞ্চলে বিয়ের ক্ষেত্রে চাকরি, আয়, জমি, নিজস্ব বাড়ি, জাতি ও সামাজিক অবস্থান—সবকিছুই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।একসময় পাত্রের জমিজমা ছিল বড় যোগ্যতা। এখন অনেক পরিবার খুঁজছে স্থায়ী চাকরি, আড়ও পড়ুন,বাংলাদেশিদের অভিবাসী ভিসায় ফের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ানিয়মিত আয় কিংবা শহরে বসবাসের সুযোগ। ফলে আর্থিকভাবে প্রতিষ্ঠিত না হলে অনেক পুরুষকেই বারবার প্রত্যাখ্যাত হতে হচ্ছে।পরিসংখ্যান বলছে, মহারাষ্ট্রে ২০ থেকে ৪৯ বছর বয়সী অবিবাহিত পুরুষের হার নারীদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের সামাজিক ও জনমিতিক পরিবর্তন।বিশেষজ্ঞদের মতে, কয়েক দশক ধরে কন্যাভ্রূণ হত্যার ফলে নারী-পুরুষের অনুপাতেও এর প্রভাব পড়েছে। একই সঙ্গে নারীদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও বিয়ে নিয়ে প্রত্যাশার পরিবর্তনও বদলে দিয়েছে প্রচলিত বিবাহব্যবস্থা।তবে এর দায় শুধু নারীদের ওপর চাপানো ঠিক নয় বলে মনে করছেন গবেষকরা। কারণ বিয়ের সিদ্ধান্তে এখনো জাতি, পরিবার, অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও সামাজিক চাপ বড় ভূমিকা রাখছে।জলগাঁওয়ের অনেক পরিবার ছেলের বিয়ের আশায় বাড়ি তৈরি করছে, জমি কিনছে কিংবা ঘটকের মাধ্যমে পাত্রী খুঁজছে। কোথাও কোথাও বিয়ের জন্য অর্থ লেনদেনের ঘটনাও সামনে আসছে।অর্থাৎ বিয়ে এখন আর শুধু দুই মানুষের সম্পর্ক নয়—এর সঙ্গে জড়িয়ে গেছে অর্থনীতি, সামাজিক মর্যাদা, পারিবারিক প্রত্যাশা এবং বহু বছরের জনমিতিক পরিবর্তনের প্রভাব।আর সেই চাপ সামলাতে না পেরে কেউ কেউ বেছে নিচ্ছেন ভয়াবহ পথ—আত্মহত্যা।

৪৪ মিনিট আগে

রাজধানী

তেজগাঁওয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল অজ্ঞাত ব্যক্তির

তেজগাঁওয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল অজ্ঞাত ব্যক্তির

রাজধানীর তেজগাঁও থানাধীন কারওয়ান বাজার এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কারওয়ান বাজারের পেছনের রেললাইনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের সহায়তায় গুরুতর আহত অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে রাত ১টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।আরও  পড়ুন, ডেমরায় মাদক সেবন নিয়ে বিরোধ, রিকশাচালককে ইট দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগতিনি জানান, নিহত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৫৫ বছর। তবে তার নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি।মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি রেলওয়ে থানায় জানানো হয়েছে।নিহতের পরিচয় শনাক্তে চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে ঘটনার বিস্তারিত জানতে সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন।ঘটনার বিষয়ে সিআইডির ক্রাইমসিন ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

৬ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

৭ গোলের ঝড়ে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশের

৭ গোলের ঝড়ে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশের

গোলের বন্যায় অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়া কাপ হকিতে দুর্দান্ত শুরু করেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। নিজেদের প্রথম ম্যাচেই চাইনিজ তাইপেকে ৭-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ।চীনে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই ছিল বাংলাদেশের মেয়েদের দাপট। আক্রমণের পর আক্রমণে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখে তারা। ম্যাচের শুরুতেই বাংলাদেশের হয়ে গোলের খাতা খোলেন কনা আক্তার।এরপর আক্রমণের ধার আরও বাড়ায় বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেঙে পরপর গোল করেন ইমা ও আইরিন আক্তার রিয়া। দুজনেই জোড়া গোল করে দলের বড় জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।ম্যাচের শেষ কোয়ার্টারে বাংলাদেশের আক্রমণ যেন আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে। এ সময় অধিনায়ক সারিকা রিমন দেখান দুর্দান্ত নৈপুণ্য। পরপর দুই গোল করে দলের জয়কে আরও বড় করে তোলেন তিনি।কনা আক্তারের এক গোল, ইমা ও আইরিন আক্তার রিয়ার জোড়া গোল এবং অধিনায়ক সারিকা রিমনের জোড়া গোলে ৭-০ ব্যবধানের বিশাল জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।পুরো ম্যাচজুড়েই বল দখল, আক্রমণ এবং গোলের সুযোগ তৈরিতে চাইনিজ তাইপের ওপর একচেটিয়া আধিপত্য দেখিয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা।দাপুটে এই জয়ে টুর্নামেন্টে আত্মবিশ্বাসী শুরু পেল বাংলাদেশ।আড়ও পড়ুন,দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিও পেয়েছেন আইরিন আক্তার রিয়া। ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে তার হাতে।তবে বড় জয় পেয়েই থেমে থাকার সুযোগ নেই বাংলাদেশের সামনে। টুর্নামেন্টে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে রোববার পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে তারা।অন্যদিকে, নিজেদের প্রথম ম্যাচে হংকং চায়নার কাছে ২-০ গোলে হেরেছে পাকিস্তান।ফলে চাইনিজ তাইপের বিপক্ষে ৭ গোলের দাপুটে জয় পাওয়া বাংলাদেশের মেয়েরা এবার পাকিস্তানের বিপক্ষেও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চাইবে।এশিয়া কাপের শুরুতেই বাংলাদেশের মেয়েদের এমন গোলবন্যা তাই শুধু বড় জয়ই নয়, সামনে আরও ভালো কিছুর প্রত্যাশাও জাগিয়েছে।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর