দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1000 hPa
30.1° 76%
30° 9mm
চট্টগ্রাম 1002.9 hPa
28.3° 92%
90° 9mm
রাজশাহী 998.1 hPa
32° 74%
40° 9mm
খুলনা 998.5 hPa
28.5° 92%
30° 9mm
বরিশাল 1000.1 hPa
27.6° 93%
20° 9mm
সিলেট 1003.1 hPa
27° 92%
30° 9mm
রংপুর 1000 hPa
33.1° 67%
40° 9mm
ময়মনসিংহ 1001.1 hPa
30.5° 80%
80° 9mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

বনানীর আবাসিক ভবনে স্পা-গেস্ট হাউজ এখন অন্ধকার জগৎ

বনানীর আবাসিক ভবনে স্পা-গেস্ট হাউজ এখন অন্ধকার জগৎ

রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানীতে আবাসিক ভবনকে কেন্দ্র করে পরিচালিত বিভিন্ন ব্যবসা ও গেস্ট হাউজের কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বনানীর ২৭ নং রোডের ৬৫ নং বাড়ির ‘করিম ভিলা’ নামের একটি আবাসিক ভবনে পরিচালিত কয়েকটি পার্লার, সেলুন ও স্পা সেন্টারকে ঘিরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, মাদক সরবরাহ এবং কথিত দালালচক্রের তৎপরতার অভিযোগের পাশাপাশি ডেল্টা ডালিয়া নামের একটি বহুতল ভবনের ষষ্ঠ তলায় পরিচালিত ‘লাক্সারি’ গেস্ট হাউজ নিয়েও উঠেছে গুরুতর অভিযোগ।আরও পড়ুন: গুলশান ২৬-এ কথিত গেস্ট হাউস সিন্ডিকেটের রহস্যস্থানীয় বাসিন্দা, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং সাংবাদিকদের মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানে এসব অভিযোগের বিভিন্ন দিক সামনে এসেছে। তবে অনুসন্ধানে পাওয়া প্রতিটি অভিযোগ স্বাধীনভাবে এবং আইনগতভাবে চূড়ান্তভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে না দেখে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং দায়িত্বশীল নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে দুটি বিষয় আবাসিক ভবনে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার বৈধতা এবং এসব প্রতিষ্ঠানে আগত ব্যক্তিদের পরিচয় ও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা। স্থানীয়দের প্রশ্ন, আবাসিক ভবনে যদি বৈধ ব্যবসা পরিচালিত হয়ে থাকে, তাহলে তার ট্রেড লাইসেন্স, ভবনের ব্যবহার অনুমোদন, অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা, কর্মী গ্রাহকের নিরাপত্তা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অনুমোদন কতটা সঠিকভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে?আরও পড়ুন: বনানীতে শৈশবের স্পা সেন্টার ঘিরে নারী ও দালাল সিন্ডিকেটবনানীর ‘করিম ভিলা’ নামের আবাসিক ভবনের কয়েকটি ফ্ল্যাটে দীর্ঘদিন ধরে বিউটি পার্লার, সেলুন ও স্পা-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন না থাকলেও অভিযোগ উঠেছে, কিছু প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের আড়ালে ভিন্ন ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতে পারে।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, দিনের তুলনায় সন্ধ্যার পর ভবনটিতে অপরিচিত নারী-পুরুষের চলাচল বেড়ে যায়। গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যক্তির যাতায়াত নিয়ে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, কোনো ব্যক্তিগত ব্যবসা পরিচালনায় আপত্তি না থাকলেও আবাসিক ভবনের পরিবেশ, নিরাপত্তা এবং অন্য বাসিন্দাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা যাতে ব্যাহত না হয়, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি।অভিযোগ রয়েছে, কথিত কিছু মধ্যস্থতাকারী বা দালালের মাধ্যমে নির্দিষ্ট গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরে তাদের বিভিন্ন পার্লার, সেলুন কিংবা নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে নেওয়া হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মোবাইল ফোন ব্যবহার করে যোগাযোগ করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল নথি বা আইনগতভাবে যাচাইকৃত তথ্য প্রতিবেদকের হাতে পাওয়া যায়নি।আরও পড়ুন: চট্রগ্রাম গোয়ালপাড়ায় মাদক সম্রাজ্ঞী "আকলিমার" মাদকের হাটমাদকদ্রব্য সরবরাহের অভিযোগও উঠেছে করিম ভিলাকে ঘিরে। অভিযোগকারীদের কেউ কেউ দাবি করেছেন, ইয়াবা ও ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য সরবরাহের সঙ্গে কথিত একটি চক্র জড়িত থাকতে পারে। ফলে এ অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।অভিযোগ সূত্রে করিম ভিলাকে ঘিরে কথিত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সোলেমান ওরফে সাকিব এবং মাসুদ নামের দুই ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ করা হলেও স্বাধীনভাবে সেসব অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ প্রকাশের আগে তার বক্তব্য নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রতিবেদনের সময় পর্যন্ত সোলেমান ওরফে সাকিব এবং মাসুদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য বা অভিযোগের বিষয়ে কোনো নথি পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে যথাযথভাবে তুলে ধরা হবে।আরও পড়ুন: https://www.youtube.com/watch?v=p5fy5JPIYPUঅভিযোগ সূত্রে তাদের রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে যোগাযোগ থাকার কথাও বলা হয়েছে। তবে এ ধরনের দাবিরও স্বাধীন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাবের বিষয়টি অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে, প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে নয়।অভিযোগের বিভিন্ন দিক যাচাই করতে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে মাঠপর্যায়ে অনুসন্ধান চালানো হয়। অনুসন্ধানের সময় কথিত মাদকদ্রব্যের মূল্য নিয়ে এক ব্যক্তির সঙ্গে কথোপকথন রেকর্ড করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। কথোপকথনের প্রেক্ষাপট, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়, আর্থিক লেনদেন এবং কথিত মাদকদ্রব্যের অস্তিত্ব আইনগতভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। তাই অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে উপস্থাপন করে প্রয়োজনীয় তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।আরও পড়ুন: https://www.youtube.com/shorts/_rE9ZWrEISUকরিম ভিলার ব্যবস্থাপকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি বলে জানা গেছে। ফলে ভবন কর্তৃপক্ষের অবস্থান এই প্রতিবেদনে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা সম্ভব হয়নি। তবে ভবন কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মালিক-কর্তৃপক্ষ পরবর্তীতে কোনো বক্তব্য, নথি বা ব্যাখ্যা দিলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।এদিকে করিম ভিলাকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের পাশাপাশি বনানীর ডেল্টা ডালিয়া নামের একটি বহুতল ভবনের ষষ্ঠ তলায় পরিচালিত ‘লাক্সারি’ গেস্ট হাউজ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে গেস্ট হাউজটির কার্যক্রম, অতিথি নিবন্ধন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং ব্যবসায়িক বৈধতা নিয়ে একাধিক বিষয় সামনে আসে। সরেজমিনে গেস্ট হাউজটির বাইরে উল্লেখযোগ্য কোনো স্পষ্ট সাইনবোর্ড চোখে পড়েনি বলে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ষষ্ঠ তলায় গেস্ট হাউজ পরিচালনার কিছু নির্দেশনা দেখা গেলেও অতিথিদের পরিচয় যাচাই ও নিবন্ধন সংক্রান্ত নথি সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। অনুসন্ধানের সময় কয়েকজন অবস্থানরত অতিথির সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। তাদের কয়েকজন দাবি করেন, কক্ষ নেওয়ার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র জমা বা পরিচয় নিবন্ধনের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। তবে এটি গেস্ট হাউজটির নিয়মিত নীতি কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ কারণে গেস্ট হাউজটির অতিথি নিবন্ধন খাতা, পরিচয়পত্র সংরক্ষণের তথ্য, সিসিটিভি ফুটেজ এবং ব্যবসা পরিচালনার বৈধ কাগজপত্র যাচাই করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।আরও পড়ুন: প্রভার পোস্টে আলোড়নঅনুসন্ধানের সময় একটি কক্ষে এক তরুণী নারী ও চল্লিশোর্ধ্ব এক ব্যক্তিকে মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ দেখা গেছে বলে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। ওই কক্ষে কিছু ট্যাবলেট সদৃশ বস্তু দেখা যায় বলেও জানানো হয়েছে। তবে সেগুলো আদৌ মাদকদ্রব্য কি না, ঘটনাস্থলে বৈজ্ঞানিকভাবে নিশ্চিত করার সুযোগ ছিল না। অন্য একটি কক্ষে একজন নারী ও এনামুল হক নামে পরিচয় দেওয়া এক পুরুষকে অবস্থান করতে দেখা যায়। তারা স্বামী-স্ত্রী নন বলে স্বীকার করেছেন এমন দাবি প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে করা হয়েছে। তবে প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষ একই গেস্ট হাউজের কক্ষে অবস্থান করলেই তা কোনো অপরাধের প্রমাণ নয়। এখানে মূল প্রশ্ন হলো গেস্ট হাউজ কর্তৃপক্ষ অতিথিদের পরিচয় যাচাই করেছে কি না এবং আইন ও ব্যবসায়িক বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করছে কি না।সাংবাদিকরা গেস্ট হাউজটির অন্যান্য কক্ষ ও কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করলে আল-আমিন নামের এক ব্যক্তি নিজেকে প্রতিষ্ঠানের মালিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে অনুসন্ধানে বাধা দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করেন এবং সংবাদ প্রকাশ নিয়ে আপত্তি জানান। অনুসন্ধানের সময় তিনি স্থানীয় বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন, সুজন ও শুভসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে তাদের কথিত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার দাবি করেন।ডেল্টা ডালিয়া ভবনের কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, গত কয়েক বছর ধরে ভবনে অপরিচিত মানুষের যাতায়াত বেড়েছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় বিভিন্ন ব্যক্তির চলাচল নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলে তারা দাবি করেন। আবার একজন বাসিন্দার ভাষ্য, “আমরা কারও বৈধ ব্যবসার বিরুদ্ধে নই। কিন্তু আবাসিক ভবনে এমন কোনো কর্মকাণ্ড চললে, যার কারণে বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়, তাহলে প্রশাসনের বিষয়টি দেখা উচিত। গেস্ট হাউজ এবং করিম ভিলাকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ তদন্তই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগটি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে পুলিশ চাইলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স, ব্যবসার অনুমোদন, অতিথি নিবন্ধন খাতা, সিসিটিভি ফুটেজ, কর্মচারীদের পরিচয় এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য নথি যাচাই করতে পারে। শুধু তাই নয় এসব আপরাধীদের যেকোন মুহুর্তে দমন করতে পারে। আরও পড়ুন: দারুসসালামে অনুমোদনহীন অনৈতিক কর্মকান্ডে জসিম ও হারুনের দাপটকোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শুধু অভিযোগ উঠলেই সেটিকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা সাংবাদিকতার নীতি নয়। একইভাবে ব্যবসার আড়ালে যদি সত্যিই মাদক সরবরাহ, মানবপাচার, প্রতারণা কিংবা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়, তাহলে সেটিও উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। এ কারণে করিম ভিলা ও লাক্সারি গেস্ট হাউজ দুই ক্ষেত্রেই প্রয়োজন নথি ও প্রমাণভিত্তিক তদন্ত। প্রতিষ্ঠানগুলোর লাইসেন্স বৈধ কি না, ভবনের ব্যবহার অনুমোদিত কি না, অতিথিদের পরিচয় সংরক্ষণ করা হচ্ছে কি না, সিসিটিভি সচল আছে কি না এবং কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ রয়েছে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করাই এখন মূল বিষয়।সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আবাসিক ভবনে বেআইনি কোনো কার্যক্রমের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। করিম ভিলা এবং লাক্সারি গেস্ট হাউজকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের মধ্যে কিছু অভিযোগ গুরুতর হলেও এখন পর্যন্ত সবকটির আইনগত সত্যতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। কোথাও মাদক পাওয়া গেছে কি না, কথিত দালালচক্র সত্যিই সক্রিয় কি না, কোনো ব্যবসা অনুমোদনহীন কি না কিংবা কোনো ব্যক্তি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত কি না এসব প্রশ্নের উত্তর নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।আরও পড়ুন: বনানীতে শহিদের অবৈধ স্পা সেন্টার ঘিরে অন্ধকার জগৎঅন্যদিকে কোনো অভিযোগ সত্য হলে শুধু তদন্তের আশ্বাসে বিষয়টি থেমে থাকা উচিত নয়। প্রমাণের ভিত্তিতে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়াও জরুরি। কারণ বনানীর মতো ঘনবসতিপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ দীর্ঘদিন অনিষ্পন্ন থাকলে তার প্রভাব আশপাশের বাসিন্দাদের ওপর পড়তে পারে। সবশেষে, করিম ভিলা ও ডেল্টা ডালিয়ার ‘লাক্সারি’ গেস্ট হাউজকে ঘিরে ওঠা অভিযোগ এখন তদন্তের দাবি রাখে। সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যকে চূড়ান্ত রায় হিসেবে নয়, বরং তদন্তের সূত্র হিসেবে দেখা প্রয়োজন। অভিযোগ সত্য হলে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা যেমন জরুরি, তেমনি অভিযোগ অসত্য হলে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানেরও দায়মুক্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, নতুন রোগী ১ হাজার ৩১

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৩১ জন।সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ৫০ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। আর ৯৮১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ রয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গে মোট ৯১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গে ৮১৬ জন এবং নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হয়ে ৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।আরও  পড়ুন, আইনশৃঙ্খলার উন্নতি হয়েছে, তবে জনপ্রত্যাশা পূরণ হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীএ সময়ের মধ্যে দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭৭৮ জনে। আর নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে মোট ১৭ হাজার ৯৩০ জনের শরীরে।হামের উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৩৮৬ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৯১৩ জন।হাম পরিস্থিতিতে শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায় আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা এবং উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

আইনশৃঙ্খলার উন্নতি হয়েছে, তবে জনপ্রত্যাশা পূরণ হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে, তবে এখনো জনগণের প্রত্যাশা পুরোপুরি পূরণ হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।সোমবার সচিবালয়ে জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকারের ১৮০ দিনের কর্মকাণ্ডে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কতটা উন্নতি হয়েছে, তা জনগণই মূল্যায়ন করবে। তবে মানুষের প্রত্যাশা পূরণে আরও সময় প্রয়োজন।আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে দ্রুত জনপ্রত্যাশা পূরণের নির্দেশনার কথাও জানিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।আরও  পড়ুন. সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া চার্জ করলে রেজিস্ট্রেশন নয় অটোরিকশারআল-কায়েদা নিয়ে জাতিসংঘের প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জাতিসংঘের প্রতিবেদনটি অনুমাননির্ভর। তাই অনুমাননির্ভর কোনো প্রতিবেদনকে সরকার আমলে নিচ্ছে না।এদিকে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়েও সরকারের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরে ল্যান্ডবেইজড এলএনজি টার্মিনাল করার পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য গ্যাস মজুত রাখার ব্যবস্থা করার চেষ্টা চলছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশা, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশের অভ্যন্তরীণ গ্যাসের চাহিদা দেশের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকেই পূরণ করা সম্ভব হবে।

সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া চার্জ করলে রেজিস্ট্রেশন নয় অটোরিকশার

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনা হচ্ছে। তবে রেজিস্ট্রেশন পেতে হলে এসব অটোরিকশার ব্যাটারি সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে রিচার্জ করতে হবে। সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যমে ব্যাটারি চার্জ করা হলে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।সোমবার সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান।প্রতিমন্ত্রী বলেন, ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলোকে নিয়মের আওতায় আনতে রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা করা হবে। ঢাকাকে ভাগ করা হবে আটটি জোনে। প্রতিটি জোনে থাকবে নির্দিষ্ট রঙের ই-রিকশা। এসব রিকশা নির্ধারিত জোনের বাইরে যেতে পারবে না। জোনের বাইরে গেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।আরও  পড়ুন, বাচ্চু রাজাকারের আপিল গ্রহণযোগ্যতার শুনানি ৩১ আগস্ট তিনি জানান, বিধিমালা প্রণয়ন হওয়ার পর এ কার্যক্রম শুরু হবে। শুধু ঢাকা নয়, দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা এবং অন্যান্য স্থানীয় সরকার এলাকায়ও এই ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে।এদিকে চলতি অর্থবছরের মধ্যেই সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ—এই পাঁচ স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।তিনি বলেন, এসব নির্বাচন আয়োজনের জন্য চলতি অর্থবছরের বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে প্রাথমিক প্রস্তুতি নিচ্ছে। পাঁচটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করতে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে বলে প্রাথমিক হিসাব করা হয়েছে।

বাচ্চু রাজাকারের আপিল গ্রহণযোগ্যতার শুনানি ৩১ আগস্ট

মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম আযাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারের করা আপিল গ্রহণ করা হবে কি না, সে বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী ৩১ আগস্ট দিন নির্ধারণ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।সোমবার আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ দিন নির্ধারণ করেন।আদালতে আবুল কালাম আযাদের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।এর আগে রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ আগস্ট আপিল বিভাগের শুনানিতে ১৭ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়েছিল। আরও  পড়ুন, ‘বিভ্রান্তকারীদের চোখে চোখে রাখুন’: প্রধানমন্ত্রীআজকের শুনানি শেষে আপিলটি গ্রহণযোগ্য কি না, সে বিষয়ে শুনানির জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়।সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় করা আপিলে আবুল কালাম আযাদ বিলম্ব মার্জনার আবেদন করেছেন। পাশাপাশি আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার সাজা স্থগিত রাখার আবেদনও জানিয়েছেন।আবুল কালাম আযাদ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সদস্য ছিলেন। পলাতক অবস্থায় ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন।দীর্ঘদিন পর চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তিনি ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন। এরপর আপিলের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র সরবরাহের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।এখন ৩১ আগস্টের শুনানিতে তার আপিল গ্রহণ করা হবে কি না, সেদিকেই নজর থাকবে।

রাজনীতিরাজনীতি

‘জামায়াত-শিবির পুরোপুরি জালিম সংগঠনে পরিণত হয়েছে’: রাশেদ খান

‘জামায়াত-শিবির পুরোপুরি জালিম সংগঠনে পরিণত হয়েছে’: রাশেদ খান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে ‘জালিম সংগঠন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। একই সঙ্গে জামায়াত আওয়ামী লীগের ‘সব বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন রাশেদ খান।পোস্টে তিনি দাবি করেন, কুষ্টিয়ায় গণ-অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের রক্তাক্ত করার পর আবারও দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে জামায়াত-শিবির ‘পেশিশক্তির মহড়া’ দিয়েছে। এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সংগঠন দুটিকে নিয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি।রাশেদ খান বলেন, অতীতে বিরোধী দলগুলোকে ‘মজলুম ও বিনয়ী’ হিসেবে দেখা গেলেও প্রধান বিরোধী দল হওয়ার পর জামায়াত আওয়ামী লীগের বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে। ভবিষ্যতে দলটি ক্ষমতায় গেলে ভিন্নমতের কোনো জায়গা থাকবে না বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।জামায়াতের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার জন্য গণ-অধিকার পরিষদের নেতাদের ধন্যবাদ জানান রাশেদ খান। আরও  পড়ুন, এনসিপির কমিটিতে মৃত তরুণের নাম, একই ব্যক্তির নামও দুইবারবিশেষ করে দলটির সভাপতি নুরুল হক নুর ও সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুনের প্রশংসা করেন তিনি।রাশেদ খান দাবি করেন, গণ-অধিকার পরিষদকে জামায়াতমুখী করতে চেয়েছিলেন—এমন নেতাদের বিষয়ে দলটির বর্তমান নেতৃত্ব সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।এদিকে জামায়াত ও দলটির সেক্রেটারি জেনারেল গণ-অধিকার পরিষদকে নিয়ে ‘জঘন্য বক্তব্য’ দিয়েছেন দাবি করে এর প্রতিবাদ জানান রাশেদ খান।তিনি আরও বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রাম ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে দল হিসেবে জামায়াতের তুলনায় গণ-অধিকার পরিষদের অবদান বেশি। জামায়াত যখন ‘গুপ্ত’ ছিল, তখন গণ-অধিকার পরিষদ রাজপথে ছিল বলেও দাবি করেন তিনি।রাশেদ খানের ভাষ্য, সাম্প্রতিক বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড দেখে জামায়াত এমনভাবে আচরণ করছে যেন তারাই সবকিছু করেছে। তবে ইতিহাস পরিবর্তন করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এনসিপির কমিটিতে মৃত তরুণের নাম, একই ব্যক্তির নামও দুইবার

এনসিপির কমিটিতে মৃত তরুণের নাম, একই ব্যক্তির নামও দুইবার

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটির বর্ধিত তালিকায় ৪০ দিন আগে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত এক তরুণের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে তালিকায় ১৫ জনের নাম দুইবার করে রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।দলটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহর সই করা বর্ধিত কমিটিতে মোট ৩১২ জনের নাম রয়েছে। এর আগে গত ১৪ মে ১৬৮ সদস্যের আংশিক আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল।বর্ধিত কমিটির এক নম্বরে রাখা হয়েছে তাজরিন ফায়াজের নাম। অথচ গত ৭ জুলাই চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়। ২৮ বছর বয়সী তাজরিন মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়ার সময় শহীদ ওয়াসিম আকরাম উড়ালসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি কাভার্ডভ্যানের পেছনে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মারা যান।আরও  পড়ুন, উত্তরা পূর্বে জিয়া সাইবার ফোর্সের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণাএদিকে নতুন কমিটিতে অন্তত ১৫ জনের নাম দুইবার করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি একই ব্যক্তির নামের পাশে একাধিক পদও উল্লেখ করা হয়েছে।এ বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির আহ্বায়ক মীর মোহাম্মদ শোয়াইব বলেন, বর্ধিত কমিটিতে অসাবধানতাবশত কিছু ভুল হয়েছে। এটিকে ‘প্রিন্টিং মিসটেক’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগের ১৬৮ সদস্যের কমিটি থেকে জনবল সমন্বয়ের সময় কম্পিউটার ম্যানের ভুলে এমনটি হয়েছে।তিনি জানান, ভুলগুলো সংশোধন করা হবে এবং সংশোধিত কমিটির তালিকা আবার প্রকাশ করা হবে।

উত্তরা পূর্বে জিয়া সাইবার ফোর্সের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

উত্তরা পূর্বে জিয়া সাইবার ফোর্সের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানাধীন এলাকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সচেতনতা বৃদ্ধি, তথ্যপ্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার এবং সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে ২১ সদস্যবিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করেছে জিয়া সাইবার ফোর্স জেডসিএফ, ঢাকা মহানগর উত্তর।সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সাংগঠনিক নথিতে এ কমিটির অনুমোদনের তথ্য উঠে এসেছে। নথিতে সংগঠনের ঢাকা মহানগর উত্তরের আওতাধীন উত্তরা পূর্ব থানার ২১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির বিভিন্ন পদে দায়িত্বপ্রাপ্তদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। নথিটি সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, ঢাকা মহানগর উত্তর থেকে প্রকাশ করা হয়েছে বলে এতে উল্লেখ রয়েছে।প্রকাশিত নথি অনুযায়ী, কমিটিতে মো. সাজ্জাদ হোসেন শিশুকে আহ্বায়ক এবং আজম কানাম আজাদকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে। এছাড়া আব্দুর রশিদ রানা, সায়মন ইসলাম, আশিকুর রহমান আশিক ও মো. মামুনকে যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শাওন চৌধুরী লিংকনকে যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে ‘প্রচার এর দায়িত্বে’ রাখা হয়েছে বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।আরও পড়ুন: বিএনপিতে নেতৃত্ব পুনর্বিন্যাসের তোড়জোড়কমিটির সদস্য সচিব করা হয়েছে মো. মামুনুর রশিদ রানাকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন রাসেল আশিক হিমেল, শাহিন আহমদ আশিক, অভিজিৎ হোসেন, জহিরুল ইসলাম, রিয়াজুল ইসলাম রবিন, আশিক প্রামাণিক, ওবায়দুল্লাহ, আরিফুর ইসলাম, ফরিদুল ইসলাম, মো. রাকিবুল হাসান খান রিমি, মো. তানিম আহমেদ, মো. হানিফ উদ্দিন এবং মো. গোলাম হোসেন।নথির নিচের অংশে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে আহ্বায়ক কমিটি পূর্ণাঙ্গ করে জমা দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রাথমিকভাবে অনুমোদিত এ কমিটির দায়িত্ব হবে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া।ডিজিটাল প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান এখন মানুষের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে সাইবার অপরাধ, গুজব, ভুয়া তথ্য, অনলাইন হয়রানি, প্রতারণা ও ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহারসহ নানা ধরনের ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে। এ বাস্তবতায় সাইবার সচেতনতা তৈরিতে বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।আরও পড়ুন: বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে চার জ্যেষ্ঠ নেতা, রিজভী-আমানসহ নতুন সদস্য মনোনীতউত্তরা পূর্ব থানার নতুন কমিটি যদি সাইবার নিরাপত্তা, প্রযুক্তি সম্পর্কে সচেতনতা এবং তরুণদের ইতিবাচকভাবে প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত করার মতো কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাহলে তা স্থানীয় পর্যায়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণ, অনলাইনে প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকা এবং সাইবার অপরাধের শিকার হলে কোথায় অভিযোগ করতে হবে—এসব বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রমের সুযোগ রয়েছে। কমিটিতে আহ্বায়ক থেকে শুরু করে যুগ্ম আহ্বায়ক, সদস্য সচিব ও সাধারণ সদস্য—বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। এতে সংগঠনের সাংগঠনিক কাঠামোকে কার্যকর করার একটি প্রাথমিক রূপরেখা পাওয়া যায়।আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের নেতৃত্বে কমিটির সদস্যরা সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রচার ও জনসম্পৃক্ততার দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরার সুযোগ রয়েছে।সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনো সংগঠনের কমিটি অনুমোদনের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ঘোষিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন। শুধু কমিটি গঠন নয়, নিয়মিত সভা, প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, সাইবার সচেতনতামূলক প্রচারণা এবং সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে দৃশ্যমান করা প্রয়োজন।আরও পড়ুন: জ্বালানি সংকট নিয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জামায়াতনথিতে ৬০ দিনের মধ্যে আহ্বায়ক কমিটি পূর্ণাঙ্গ করে জমা দেওয়ার নির্দেশনা থাকায় ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি অন্তর্বর্তী সাংগঠনিক কাঠামো হিসেবে কাজ করবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে সদস্যদের সাংগঠনিক দক্ষতা, সক্রিয়তা ও স্থানীয় পর্যায়ে কাজের সক্ষমতাকে গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংগঠনের দায়িত্বশীলদের বক্তব্য পাওয়া গেলে কমিটি গঠনের উদ্দেশ্য, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা এবং পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যাবে। সামাজিক সংগঠন কিংবা সাইবারভিত্তিক কোনো প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে সাইবার সচেতনতার নামে কোনো ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার, ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ড যেন না ঘটে সে বিষয়ে সংগঠনের দায়িত্বশীলদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন।বিশেষজ্ঞদের মতে, সাইবার সচেতনতা কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত প্রযুক্তিকে নিরাপদ, আইনসম্মত ও ইতিবাচক কাজে ব্যবহার করার বিষয়ে মানুষকে উৎসাহিত করা। একই সঙ্গে অনলাইন অপরাধের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা নেওয়াও জরুরি। উত্তরা পূর্ব থানার ২১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠনটির নতুন সাংগঠনিক কার্যক্রমের সূচনা হলো। এখন এই কমিটির সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে সক্রিয় করা এবং ৬০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা। তথ্য অনুযায়ী, কমিটির সদস্যরা নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করে সংগঠনের কার্যক্রমকে এগিয়ে নিলে উত্তরা পূর্ব থানা এলাকায় সাইবার সচেতনতা ও সামাজিক কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে। তবে এর বাস্তব সাফল্য নির্ভর করবে কমিটির কার্যক্রম কতটা নিয়মতান্ত্রিক, স্বচ্ছ, জনকল্যাণমুখী ও আইনসম্মতভাবে পরিচালিত হয় তার ওপর।

হাসিনার কারনেই তারেক রহমানের সফলতা দেখে যেতে পারেননি বেগম খালেদা জিয়া :- খায়রুল কবির খোকন এমপি

হাসিনার কারনেই তারেক রহমানের সফলতা দেখে যেতে পারেননি বেগম খালেদা জিয়া :- খায়রুল কবির খোকন এমপি

বিএনপির যুগ্ন মহাসচিব ও নরসিংদী সদর আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন বলেছেন, গণহত্যা এবং মানবতা বিরোধী অপরাধের কারণে ৭৫ বছরের পুরানো দল আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধ হয়েছে। পক্ষান্তরে বেগম খালেদা জিয়া কোন প্রতিহিংশার রাজনীতি করেন নি, জনগণকে সাথে নিয়ে গণতন্ত্রের পথে হেটে গেছেন তিনি। দেশের জনগণ দেখেছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমাদের ওপর নির্যাতন করা হয়েছে, বেগম জিয়াকেও তারা অমানবিক নির্যাতন করেছে। ফরমায়েশি রায়ের মাধ্যমে তাকে সাজা দিয়ে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। শেখ হাসিনার প্রতিহিংশার ফলে তাকে জরাজির্ন কারাগারে হত্যা চেষ্টাও করা হয়েছিল। চোর-ডাকাত খুনিরাও বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেয়া হয়েছিল, কিন্তু তিন বারের প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার কোন সুযোগ দেয়া হয়নি। আরও  পড়ুন, সিরাজগঞ্জে পৌর স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিতপ্রতিহিংশার রাজনীতির কারনেই তারেক রহমানের সফলতা দেখে যেতে পারেননি বেগম খালেদা জিয়া, নির্যাতিত না হলো হয়তো সেটি সম্ভব হতো। বেগম জিয়ার জন্ম না হলে গণতন্ত্র আর ন্যায় বিচার পেতাম না। আইনের শাসন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং অর্থনীতির উন্নতির সব কিছুই অর্জিত হয়েছে বেগম জিয়ার আমলে।তিনি শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে নরসিংদীর শিশু একাডেমি মিলনায়তনে জেলা বিএনপি আয়োজিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম জিয়ার ৮২ তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নরসিংদী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মনজুর এলাহীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি গোলাম কবির কামাল, আবু সালেহ চৌধুরী, আব্দুল বাসেত, আব্দুল জলিলসহ জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সারাবাংলা

লামায় পৌর যুবদলের উদ্যোগে খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

লামায় পৌর যুবদলের উদ্যোগে খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

বান্দরবানের লামায় পৌরসভা যুবদলের উদ্যোগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বান্দরবানের লামায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।রোববার (১৬ আগস্ট ২০২৬) লামা পৌর যুবদলের উদ্যোগে এ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।আরও  পড়ুন, গুলিস্তান বাজারে মাদকবিরোধী র‍্যালি, লামা পুলিশের জিরো টলারেন্স ঘোষণাউক্ত দোয়া ও মিলাত মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লামা পৌর যুবদলের সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন করিম মীর যুগ্ম আহবায়ক লামা পৌরসভা যুবদল। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন লামা পৌরসভা যুবদের আহবায়ক সদস্য বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আগত ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দগণ উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকরা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও তার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

গুলিস্তান বাজারে মাদকবিরোধী র‍্যালি, লামা পুলিশের জিরো টলারেন্স ঘোষণা

গুলিস্তান বাজারে মাদকবিরোধী র‍্যালি, লামা পুলিশের জিরো টলারেন্স ঘোষণা

মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের গুলিস্তান বাজারে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। লামা থানা পুলিশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে পুলিশ সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।র‍্যালিটি গুলিস্তান বাজারের সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় অংশগ্রহণকারীদের হাতে মাদকবিরোধী বিভিন্ন সচেতনতামূলক প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন দেখা যায়। পরে বাজারের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আয়োজিত পথসভায় মাদকের ভয়াবহতা ও এর ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরে জনসচেতনতা সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।পথসভায় বক্তারা বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবনকেই ধ্বংস করে না, এর নেতিবাচক প্রভাব পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের ওপরও পড়ে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষা করতে পরিবার ও সমাজের সবাইকে আরও সচেতন হতে হবে। মাদক ব্যবসা, সরবরাহ ও সেবনের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর ভূমিকা আরও জোরদার করার আহ্বান জানান তারা।বক্তারা আরও বলেন, মাদক নির্মূলে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি, পারিবারিক মূল্যবোধ জোরদার এবং তরুণদের খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা জরুরি। সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া একটি মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।আরও  পড়ুন, লামা বন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’, তীব্র প্রতিবাদকর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ কায়সার হামিদ, কুমারী পুলিশ ক্যাম্পের আইসি জামিল আহমেদ, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ ফসিউল আলম, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ জাকের হোসেন মজুমদার ও মোঃ আবু বক্করসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।এ সময় বক্তারা মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি মাদক ব্যবসা ও সেবনের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকেও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। কর্মসূচিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে গুলিস্তান বাজারে মাদকবিরোধী সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে পড়ে।লামা থানার ওসি মোঃ কায়সার হামিদ বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে লামা থানা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। মাদক একটি পরিবারকে ধ্বংস করার পাশাপাশি সমাজে নানা ধরনের অপরাধ ও অস্থিরতা সৃষ্টি করে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে হলে পরিবার, সমাজ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। মাদক ব্যবসায়ী কিংবা মাদক সরবরাহকারীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। পাশাপাশি মাদক নির্মূলে পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকেও তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ফাঁসিয়াখালীসহ পুরো লামা উপজেলাকে মাদকমুক্ত ও নিরাপদ এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

লামা বন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’, তীব্র প্রতিবাদ

লামা বন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’, তীব্র প্রতিবাদ

 লামা বন বিভাগের বন সংরক্ষক (ডিএফও) মুস্তাফিজুর রহমান ও ফরেস্টার রনি পারভেজের বিরুদ্ধে সম্প্রতি প্রকাশিত বিভিন্ন অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন তারা।এক প্রতিবাদে মুস্তাফিজুর রহমান ও রনি পারভেজ বলেন, কিছু সুবিধাবাদী ব্যক্তি নিজেদের স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে তাদের বিরুদ্ধে মনগড়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে সামাজিক ও পেশাগতভাবে হেয় করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। প্রকাশিত সংবাদের অভিযোগগুলোর সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই বলেও দাবি করেন তারা।বন কর্মকর্তা বলেন, সরকারি বিধিবিধান ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নির্দেশনা অনুসরণ করেই তারা দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা কিংবা অবৈধ অর্থ লেনদেনের সঙ্গে তারা জড়িত নন।আরও  পড়ুন, পাঁচবিবিতে ৩৯ পিস নেশাজাতীয় অ্যাম্পলসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তারবন কর্মকর্তারা আরও বলেন, কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করে তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করা উচিত। কিন্তু তথ্য-প্রমাণ যাচাই না করে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করা হলে তা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্মান ও পেশাগত ভাবমূর্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।তাদের বিরুদ্ধে প্রকাশিত মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মুস্তাফিজুর রহমান ও রনি পারভেজ বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালিয়ে তাদের মানহানি করার যে কোনো অপচেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। একই সঙ্গে তারা প্রকৃত তথ্য যাচাই করে দায়িত্বশীলভাবে সংবাদ পরিবেশনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান।

পাঁচবিবিতে ৩৯ পিস নেশাজাতীয় অ্যাম্পলসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার

পাঁচবিবিতে ৩৯ পিস নেশাজাতীয় অ্যাম্পলসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩৯ পিস নেশাজাতীয় অ্যাম্পলসহ স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে পাঁচবিবি বাজারের শুভ জুয়েলার্সের সামনে পাকা রাস্তার ওপর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—নওগাঁ জেলার আত্রাই থানার কাশিয়াবাড়ীআরও  পড়ুন, ভারী বৃষ্টিতে আবারও পানির নিচে চট্টগ্রাম, কোথাও কোমরসমান জলাবদ্ধতা গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে মোহাম্মদ ওয়াসিম আলী প্রামাণিক (৩০) এবং তার স্ত্রী মোছা. সোহাগী আক্তার (২২)।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে ৩৯ পিস নেশাজাতীয় অ্যাম্পল উদ্ধার করা হয়।পাঁচবিবি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তামবিরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

আন্তর্জাতিক

আব্রাহাম লিংকনে নৌসেনাদের সংঘর্ষ নিহত ৭ দাবি তাসনিমের

আব্রাহাম লিংকনে নৌসেনাদের সংঘর্ষ নিহত ৭ দাবি তাসনিমের

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের ভেতরে নৌসেনাদের মধ্যে সংঘর্ষে সাতজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন—এমন দাবি করেছে ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ।তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে রণতরীটি ওই অঞ্চলে মোতায়েন থাকায় নৌসেনাদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। এমনকি নৌসেনাদের পরিবারের সদস্যরাও দীর্ঘমেয়াদি মোতায়েনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।এই অসন্তোষ নিয়ে আলোচনা করতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান ব্র্যাড কুপারের এক উপদেষ্টা রণতরীটিতে যান বলে জানিয়েছে তাসনিম।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নৌসেনাদের এক সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় ওই উপদেষ্টাকে দুয়োধ্বনি দেওয়া হয় এবং তার দিকে পানির বোতল ছুড়ে মারা হয়। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ক্রুদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।আরও পড়ুন. ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীনের ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ইরানতাসনিমের দাবি, সংঘর্ষের সময় ছুরি ও অন্যান্য ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। এতে সাতজন নৌসেনা নিহত এবং কয়েকজন আহত হন। ঘটনার পরও রণতরীটির ভেতরে উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে দাবি করা হয়েছে।ইরানি সংবাদমাধ্যমটির আরও দাবি, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন টানা ২৬৩ দিন ধরে মোতায়েন রয়েছে এবং বর্তমানে ভারত মহাসাগরে অবস্থান করছে। রণতরীটির অন্যতম দায়িত্ব হিসেবে ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ কার্যকর করার কথাও উল্লেখ করেছে তারা।এ ছাড়া টানা ২০৮ দিন সমুদ্রে অবস্থানের দাবি করে তাসনিম বলেছে, আধুনিক সময়ে কোনো মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর জন্য এটি দীর্ঘতম একটানা সমুদ্র মোতায়েনের ঘটনা।তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নৌসেনাদের সংঘর্ষে সাতজন নিহত হওয়ার এই দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে নিহতের সংখ্যা ও ঘটনার বিস্তারিত তথ্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

১৩ আগস্ট ২০২৬

রাজধানী

ঢাকায় ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৬৪, উদ্ধার অস্ত্র-মাদক

ঢাকায় ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৬৪, উদ্ধার অস্ত্র-মাদক

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন ঘটনায় ৫২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।সোমবার ডিএমপির মিডিয়া বিভাগ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩৫ জন, লালবাগে ৪১, ওয়ারীতে ৫৩, মতিঝিলে ৪৮, তেজগাঁওয়ে ৫৮, মিরপুরে ১২৩, গুলশানে ৪৪ এবং উত্তরা বিভাগে ৫৪ জন রয়েছেন। এছাড়া গোয়েন্দা বিভাগ গ্রেপ্তার করেছে আরও ৮ জনকে।অভিযানকালে পুলিশের হাতে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। আরও পড়ুন, মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় মিতুলকে কুপিয়ে হত্যা, পুলিশের জালে ১০এছাড়া একটি বিদেশি রিভলবার, দুটি সামুরাই, একটি ছুরি ও একটি আংশিক ব্লেডও উদ্ধার করা হয়েছে।মাদকবিরোধী অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ৮৬ কেজি ৫৯০ গ্রাম গাঁজা, ৩ হাজার ৭৬৩ পিস ইয়াবা এবং ৩ দশমিক ৩৫ গ্রাম হেরোইন। পাশাপাশি এক বোতল বিদেশি মদ ও তিন বোতল দেশি মদ জব্দ করা হয়েছে।অভিযানে ট্রেনের টয়লেটের চারটি স্টিলের ট্যাপ, পাঁচটি প্লাস্টিকের ট্যাপ, ১০টি মোবাইল ফোন এবং ২১ দশমিক ২ লিটার ওষুধের কেমিক্যালও উদ্ধার করা হয়েছে।গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।

২ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

২৩৭ রানের বিশাল জয়ে মালয়েশিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ

২৩৭ রানের বিশাল জয়ে মালয়েশিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ

ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ের উচ্ছ্বাসের মধ্যেই আরও একটি বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। মালয়েশিয়াকে ২৩৭ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ধবলধোলাই করেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল।বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে টস জিতে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ৩৬৯ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে বাংলাদেশ।দলের হয়ে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন আদিল বিন সিদ্দিক। ১১১ বলে ১৩৫ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। তাঁর ইনিংসের ওপর ভর করেই বড় সংগ্রহের ভিত পায় বাংলাদেশ। আদিলকে দারুণ সঙ্গ দেন খালিদ হাসান। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ৭৩ রান।এর আগে ইনিংসের শুরুতেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন জাওয়াদ আবরার ও মঈনুল ইসলাম তন্ময়। মাত্র ৮ দশমিক ৩ ওভারে ৮২ রান যোগ করেন তারা। জাওয়াদ ৩২ বলে ৫৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। তাঁর ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার ও পাঁচটি ছক্কা।আরও  পড়ুন,৭ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার লিড ১৫, স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের৩৭০ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে মালয়েশিয়া। ইনিংসের প্রথম বলেই উল্লাহ মালিককে ফেরান বাংলাদেশের পেসার রাহিন আহমেদ।এরপর বাংলাদেশের স্পিনারদের ঘূর্ণিতে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে সফরকারীরা। রাফিউজ্জামান রাফি ও শেখ পারভেজ জীবন নেন তিনটি করে উইকেট। রাহিন আহমেদ শিকার করেন দুটি উইকেট।মালয়েশিয়ার সাত ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছালেও কেউ ইনিংস বড় করতে পারেননি। দলের সর্বোচ্চ ২০ রান করেন অধিনায়ক সায়েদ আজিজ।শেষ পর্যন্ত মাত্র ১৩২ রানে গুটিয়ে যায় মালয়েশিয়ার ইনিংস। ফলে ২৩৭ রানের বড় জয় নিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে জিতে নেয় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর