দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

বনানীতে গেস্ট হাউজ-স্পা, ওসির ভূমিকা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন

ফোনে মেলেনা আইগত সেবা / বনানীতে গেস্ট হাউজ-স্পা, ওসির ভূমিকা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন

রাজধানীর অভিজাত বনানী থানা এলাকায় গেস্ট হাউজ, স্পা সেন্টার ও আবাসিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ঘিরে নানা অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে কথিত মাসোহারা, অপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়, মাদক সেবন, নারী পাচার ও স্কর্ট সার্ভিসের আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন অনিয়ম। এসব অভিযোগের সঙ্গে বনানী থানার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলামের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। তবে অভিযোগগুলোর সবকটির স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈধ কাগজপত্র, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান।আরও পড়ুন: পুলিশে একের পর এক রদবদল, অপরাধ দমনে নতুন পরীক্ষাঅনুসন্ধানে জানা যায়, এসব বিষয়ে গত ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। পরে অভিযোগটি ৭ সেপ্টেম্বর গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারের কাছে পাঠানো হয়। অভিযোগটির স্মারক নম্বর ২৯৯৩৫ বলে উল্লেখ করা হয়েছে এবং তৎকালীন গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার তানভীর আহম্মেদ আইনগত ব্যবস্থা নিতে বনানী থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশও অমাণ্য করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি তিনি। অভিযোগে বনানী এলাকার কয়েকটি গেস্ট হাউজ ও স্পা সেন্টারের কার্যক্রম খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। পরবর্তী সময়ে বিষয়টি বনানী থানার ওসির কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।অভিযোগকারী পক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, বিষয়টি নিয়ে বনানী থানার ওসির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সংবাদকর্মীদের থানায় আসতে বলা হয়। পরে সংবাদকর্মীরা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন এবং সংবাদকর্মীকে গেষ্ট হাউজটিতে যেতে বলেন আমি তাদেরকে বলে দিয়েছি। তার এই ভাষ্য অনুযায়ী স্পষ্ট ফটে উঠে যাতে সংবাদকর্মীর উপর অপরাধীদেও দিয়ে মব সৃষ্টি হয়। কিন্তু এরপরও সংশ্লিষ্ট গেস্ট হাউজ ও স্পা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর অভিযান বা আইনগত পদক্ষেপ তারা দেখতে পাননি। শুধু তাই নয় তাকে একের পর এক ফোন করলেও পাওয়া যায়না ও মিলেনা আইনগত সেবাও।আরও পড়ুন: বনানীতে স্পা-গেস্ট হাউজ ঘিরে ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগএখানেই উঠছে মূল প্রশ্ন কোনো লিখিত অভিযোগ পুলিশের ঊর্ধ্বতন পর্যায় থেকে থানায় পাঠানোর পর তার তদন্ত বা যাচাই প্রক্রিয়া কীভাবে পরিচালিত হয়েছে? অভিযোগ সত্য হলে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, আর অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে সেটি তদন্ত করে অভিযোগকারীকে কী জানানো হয়েছে এসব বিষয়ও পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।বনানীর ২৭ নম্বর সড়কের ৮ নং বাড়িটিতে বিগত আ.লীগের কর্মী ও গোপালগঞ্জে তার বাড়ি  পরিচয়ে মার্ভেল ইন গেস্ট হাউজ এবং একই সড়কে ৬৫/এ নম্বরের লাক্সারী গেষ্ট হাউজ যাহার মালিক সাকিব ও হান্নানসহ বেশ কয়েকজন। এসব প্রতিষ্ঠানে নিয়মিতভাবে নারী ও মানব পাচারচক্রের তৎপরতা, কথিত স্কর্ট সার্ভিস এবং মাদকসেবনের আসর বসার মতো কর্মকাণ্ড চলে। তবে এসব অভিযোগের কোনোটি আদালতে প্রমাণিত হয়েছে এমন তথ্য এই প্রতিবেদনের অনুসন্ধানে পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স, ফায়ার সেফটি ছাড়পত্র, ভবনের ব্যবহার অনুমোদন, অতিথি নিবন্ধন খাতা, সিসিটিভি ফুটেজ এবং পুলিশের তদন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। বিশেষ করে কোনো গেস্ট হাউজ বা স্পা প্রতিষ্ঠানে মানব পাচারের মতো গুরুতর অপরাধের অভিযোগ থাকলে সেটি কেবল স্থানীয় থানার পর্যায়ে সীমাবদ্ধ না রেখে সংশ্লিষ্ট বিশেষায়িত ইউনিটের মাধ্যমে তদন্তের প্রয়োজন হতে পারে।আরও পড়ুন: বনানীর আবাসিক ভবনে স্পা-গেস্ট হাউজ এখন অন্ধকার জগৎঅভিযোগের সবচেয়ে গুরুতর অংশগুলোর একটি হলো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে বনানী থানার ওসির বিরুদ্ধে নিয়মিত মাসোহারা নেওয়ার অভিযোগ। কথিত অবৈধ ব্যবসা পরিচালনাকারী কয়েকজন ব্যক্তি তাদের প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে পুলিশের স্থানীয় পর্যায়ে জানাশোনা থাকার কথা বলেছেন এবং মাসোহারা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। তবে এই অভিযোগের পক্ষে ব্যাংক লেনদেন, রসিদ, অডিও-ভিডিও, প্রত্যক্ষদর্শীর জবানবন্দি কিংবা অন্য কোনো স্বাধীন প্রমাণ এই প্রতিবেদকের হাতে আসেনি। ফলে অভিযোগটিকে আপাতত অভিযোগ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। বর্তমান অভিযোগের পাশাপাশি মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলামের ২০২৩ সালের একটি ঘটনাও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ২০২৩ সালের ২৬ আগস্ট একাধিক সংবাদমাধ্যমে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর থানার তৎকালীন ওসি মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলামকে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রথম আলো, কালের কণ্ঠ, ঢাকা ট্রিবিউন, ইত্তেফাক ও যুগান্তরসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, বদলির আদেশ পাওয়ার পর ভূঞাপুর থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম থানায় ব্যবহৃত এসি, টেলিভিশন, আইপিএস ও সোফা খুলে নিজের কোয়ার্টারে নিয়ে যান।যুগান্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৪ আগস্ট ২০২৩ তারিখে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সারের স্বাক্ষরিত আদেশে ফরিদুল ইসলামকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়। এর পরদিন রাতে থানার কক্ষ থেকে এসি, টেলিভিশন, সোফা ও আইপিএস খুলে নেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রের দাবি ছিল, এসব সামগ্রী স্থানীয় ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের অনুদানে থানার উন্নয়ন ও ব্যবহারের জন্য দেওয়া হয়েছিল।আরও পড়ুন: বনানীতে মার্ভেল ইন গেষ্ট হাউজ ঘিরে আবারও পায়েলের অপরাধ সিন্ডিকেটঅন্যদিকে ফরিদুল ইসলাম তখন সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, থানা থেকে খুলে নেওয়া সামগ্রীগুলো তার ব্যক্তিগত অর্থে কেনা। তাই সেগুলো তিনি নিতে পারেন। তৎকালীন জেলা পুলিশ সুপারও বলেছিলেন, যদি জিনিসগুলো ব্যক্তিগত অর্থে কেনা হয়ে থাকে, তাহলে নেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা নেই; তবে অনুদানের অর্থে কেনা হলে তিনি নিতে পারবেন না।অর্থাৎ ওই ঘটনার মূল বিতর্ক ছিল সামগ্রীগুলো ব্যক্তিগত অর্থে কেনা হয়েছিল, নাকি থানার জন্য অনুদান হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদনে স্থানীয় পক্ষের বক্তব্য এবং ফরিদুল ইসলামের বক্তব্য দুই ধরনের অবস্থানই উঠে এসেছিল।২০২৬ সালের মার্চে ডিএমপির এক আদেশে মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলামকে বনানী থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। একই আদেশে বনানী থানার তৎকালীন ওসি মোহাম্মদ খালিদ মুনসুরকে উত্তরা-পশ্চিম থানায় বদলি করা হয়। এরপর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও তার নতুন দায়িত্ব নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। মে ২০২৬-এ যুগান্তর ‘থানা থেকে এসি-সোফা সেট নিয়ে যাওয়া সেই ওসি এখন বনানী থানায়’ শিরোনামে ২০২৩ সালের ঘটনাটিকে সামনে এনে তার বর্তমান পদায়নের বিষয়টি তুলে ধরে।আরও পড়ুন: অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান দিলে পুরস্কার দেবে এসআরবিঅন্যদিকে ২০২৬ সালেই বনানী থানার বিভিন্ন অপরাধ দমন কার্যক্রমে ফরিদুল ইসলামের বক্তব্য সংবাদমাধ্যমে এসেছে। সেপ্টেম্বরের শুরুতে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বনানী অংশ থেকে মুখে স্কচটেপ বাঁধা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায়ও বনানী থানার ওসি হিসেবে তিনি গণমাধ্যমকে তথ্য দেন। অর্থাৎ একদিকে ২০২৩ সালের পুরোনো বিতর্কিত ঘটনা, অন্যদিকে ২০২৬ সালে গুরুত্বপূর্ণ বনানী থানায় তার পদায়ন—এই দুই বিষয়কে কেন্দ্র করে এখন নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।অভিযোগকারীদের বক্তব্য, বনানীর গেস্ট হাউজ ও স্পা সেন্টারগুলোতে যদি সত্যিই কোনো অপরাধী চক্রের তৎপরতা থাকে, তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন। বিশেষ করে মানব পাচার, মাদক ব্যবসা, যৌন হয়রানি বা সংঘবদ্ধ অপরাধের অভিযোগ থাকলে শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে দোষী সাব্যস্ত না করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করে আনা জরুরি।এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর লাইসেন্স, নিবন্ধন, ভবন ব্যবহারের অনুমোদন, কর্মচারীদের পরিচয়, অতিথি রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং অভিযোগে উল্লেখিত কথিত আর্থিক লেনদেনের তথ্য যাচাই করা যেতে পারে। কারণ একজন থানার ওসির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠলে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের পাশাপাশি অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য প্রকাশ করাও সাংবাদিকতার মৌলিক নীতির অংশ।সব মিলিয়ে বনানীর গেস্ট হাউজ ও স্পা সেন্টার ঘিরে ওঠা অভিযোগকে কেন্দ্র করে কয়েকটি প্রশ্ন সামনে এসেছে। ৩ সেপ্টেম্বরের অভিযোগের পর কী তদন্ত হয়েছে? ৭ সেপ্টেম্বর গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে পাঠানো অভিযোগের পর কী নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল? স্মারক নম্বর ২৯৯৩৫-এর অভিযোগের বর্তমান অবস্থা কী? বনানী থানায় পাঠানোর পর তদন্ত কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কি কোনো প্রতিবেদন দিয়েছেন? অভিযোগে উল্লেখ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈধতা যাচাই করা হয়েছে কি না? এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ওসির বিরুদ্ধে ওঠা মাসোহারা নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা কি কোনো অনুসন্ধান করবেন? এসব প্রশ্নের উত্তর মিললেই বোঝা যাবে অভিযোগগুলো কতটা বাস্তব, কতটা অতিরঞ্জিত এবং কোথাও দায়িত্বে অবহেলা বা অন্য কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না।আরও পড়ুন: এনআইডিতে ভুল থাকলে সংশোধনে লাগতে পারে যেসব কাগজএকই সঙ্গে ২০২৩ সালের ভূঞাপুর থানার ঘটনারও একটি বিষয় পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন সেই ঘটনায় সরকারি বা অনুদানের অর্থে কেনা সামগ্রী ব্যক্তিগতভাবে নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে শেষ পর্যন্ত কী প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হয়েছিল এবং তার কোনো তদন্ত বা নিষ্পত্তির নথি রয়েছে কি না। কারণ পুলিশের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে জনআস্থা বজায় রাখতে অভিযোগের সত্যতা যেমন নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন, তেমনি কোনো কর্মকর্তা সম্পর্কে ভিত্তিহীন অভিযোগ থাকলেও সেটির তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য জনসম্মুখে আনা জরুরি।বনানীর মতো রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকায় গেস্ট হাউজ ও স্পা সেন্টারকে ঘিরে অপরাধের অভিযোগ থাকলে তার দায় শুধু একটি থানার ওপর নয়; সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা কর্তৃপক্ষেরও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। আর যদি অভিযোগগুলো মিথ্যা হয়, তাহলেও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তা স্পষ্ট হওয়া দরকার।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বনানীর মতো গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক এলাকায় গেস্ট হাউজ ও স্পা সেন্টারের কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা অভিযোগ শোনা যায়। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ থাকলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি ও প্রয়োজনীয় তদন্ত করা উচিত। তাদের ভাষ্য, অভিযোগ সত্য হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। স্থানীয়দের দাবি, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিয়মিতভাবে এসব প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স, অনুমোদন, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও কার্যক্রম যাচাই করলে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও স্বচ্ছ থাকবে। একই সঙ্গে কোনো পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা জনসমক্ষে আনার দাবি জানান তারা।আরও পড়ুন: ডিএমপির অভিযানে অস্ত্র মাদকসহ গ্রেফতার ৫১৫এ বিষয়ে একজন আইন বিশেষজ্ঞ বলেন, কোনো পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মাসোহারা গ্রহণ, অপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় কিংবা দায়িত্বে অবহেলার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠলে শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যেমন ঠিক নয়, তেমনি অভিযোগটি উপেক্ষা করাও সমীচীন নয়। অভিযোগের ধরন ও গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে নিরপেক্ষভাবে তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা প্রয়োজন। অভিযোগের পক্ষে অর্থ লেনদেনের তথ্য, অডিও-ভিডিও, কল রেকর্ড, সাক্ষ্য বা অন্যান্য নথি থাকলে সেগুলো আইনানুগভাবে পরীক্ষা করা যেতে পারে। একই সঙ্গে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়াও ন্যায়সংগত তদন্তের অংশ। তিনি আরও বলেন, অভিযোগটি যদি পুলিশের কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হয়, তাহলে একই চেইন অব কমান্ডের মধ্যে তদন্তের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বা উপযুক্ত স্বাধীন তদন্তকারী সংস্থার মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই করা হলে জনআস্থা বাড়বে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা এবং অভিযোগ প্রমাণিত না হলে সেটিও স্পষ্টভাবে জানানো উচিত।এ বিষয়ে পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কোনো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়। অভিযোগের ধরন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈধতা, তাদের কার্যক্রম, পুলিশের ভূমিকা এবং অভিযোগের পক্ষে থাকা তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, কোনো গেস্ট হাউজ বা স্পা সেন্টারে মাদক, মানব পাচার কিংবা অন্য কোনো অপরাধ সংঘটনের তথ্য পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। একইভাবে কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অর্থ গ্রহণ বা দায়িত্ব পালনে অনিয়মের অভিযোগ থাকলে তারও তদন্ত হওয়া উচিত। প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।আরও পড়ুন: পুলিশে একের পর এক রদবদল, অপরাধ দমনে নতুন পরীক্ষাপুলিশে একের পর এক রদবদল, অপরাধ দমনে নতুন পরীক্ষাওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা পড়লে সেটির নথিভুক্তি, যাচাই এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের প্রক্রিয়া রয়েছে। অভিযোগের স্মারক নম্বর থাকলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে তার বর্তমান অবস্থাও জানা সম্ভব। বনানীর মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা পুলিশের দায়িত্ব। তাই কোনো অভিযোগকে ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থের ঊর্ধ্বে রেখে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করা উচিত।এবিষয়ে বানানী থানার ওসির মুঠোফোনে একাধিক ফোন করলে তাকে পাওয়া যায়নি।

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

২৩ সেপ্টেম্বর ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি

আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার সারা দেশে পালিত হবে পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম।এ উপলক্ষে দেশের স্কুল কলেজ ও মাদরাসায় সব ধরনের শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ফলে শিক্ষার্থী শিক্ষক ও কর্মচারীরা এদিন ছুটি পাবেন।তবে ২৩ সেপ্টেম্বর সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সাধারণ ছুটি নয়। সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম মুসলিম পর্বের একটি ঐচ্ছিক ছুটি।সরকারি আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য দিনটি নিয়মিত কর্মদিবস হিসেবে গণ্য হবে। তবে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে তারা ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারবেন।আরও  পড়ুন, বাড়ি দখল ও চাঁদা দাবির মামলায় এসআরবিকে তদন্তের নির্দেশএদিকে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির অধীন ডিপ্লোমা ইন প্রাইমারি এডুকেশন বোর্ড ময়মনসিংহ দেশের পিটিআইগুলোর ছুটির তারিখ পরিবর্তন করেছে। পূর্বনির্ধারিত ২৪ সেপ্টেম্বরের পরিবর্তে ২৩ সেপ্টেম্বর ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহমের ছুটি পালন করা হবে।অন্যদিকে ব্যাংক বীমা করপোরেট অফিসসহ বেসরকারি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জন্যও ২৩ সেপ্টেম্বর সাধারণ ছুটি নয়। এসব প্রতিষ্ঠানে নিজস্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কার্যক্রম চলবে।অর্থাৎ ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকলেও সরকারি অফিসসহ অধিকাংশ কর্মস্থলে এটি স্বাভাবিক কর্মদিবস।

বাড়ি দখল ও চাঁদা দাবির মামলায় এসআরবিকে তদন্তের নির্দেশ

রাজধানীর মিরপুরে বাড়ি দখল ভাঙচুর মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্তের দায়িত্ব প্রথমবারের মতো পেয়েছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন বা এসআরবি।রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত বাদী মো. মিজানুর রহমান ওরফে বাচ্চুর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটি আমলে নিয়ে এসআরবিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।মামলায় হেমায়েত উদ্দিন সুমন মো. নাজমুল হোসেন ও মুন্নী আক্তার মিষ্টিকে আসামি করা হয়েছে।আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, এসআরবি আইনে মাদক সাইবার অপরাধ ভূমি ও ভূমিদস্যুতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। মামলাটি ভূমিসংক্রান্ত হওয়ায় আইন অনুযায়ী এসআরবিকে দিয়ে তদন্ত করা যুক্তিযুক্ত।আদেশ অনুযায়ী,আরও  পড়ুন, উপকূলের নিরাপত্তায় কোস্ট গার্ডকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির এসআরবির মহাপরিচালক উপ-পরিদর্শক পদমর্যাদার নিচে নয় এমন কোনো সদস্যকে দিয়ে মামলাটি তদন্ত করাবেন। পরে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে হবে।মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, মিরপুর হাউজিং এস্টেটের জমিতে নির্মিত বহুতল ভবনটির মালিক মো. ইউনুস আলী ও রুমা আক্তার সপরিবারে কানাডায় অবস্থান করছেন। তাদের স্থাবর সম্পত্তি দেখাশোনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করছেন বাদী মিজানুর রহমান।বাদীর অভিযোগ, মালিকদের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে আসামিরা বাড়িটি দখলের চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং বাড়িতে ভাঙচুর করে দুই লাখ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তের পরই নিশ্চিত হবে। আদালতের নির্দেশে এখন মামলাটির তদন্ত করবে এসআরবি।

উপকূলের নিরাপত্তায় কোস্ট গার্ডকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

দেশের সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডকে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রোববার সকালে বঙ্গভবনে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মঈনুল হাসান রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।রাষ্ট্রপতির প্রেস উইংয়ের তথ্য অনুযায়ী, সাক্ষাৎকালে উপকূলীয় এলাকার নিরাপত্তা রক্ষা, মাদক পাচার, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধে কোস্ট গার্ডকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।এ ছাড়া মৎস্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ, পরিবেশ রক্ষা এবং পানিদূষণ রোধেও কোস্ট গার্ডকে কার্যকর ভূমিকা রাখার কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।আরও পড়ুন, টোল অনিয়মের মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের প্রতিবেদন ১০ ডিসেম্বরদেশের সমুদ্রসীমায় অবৈধ মৎস্য আহরণ বন্ধে কোস্ট গার্ডকে সজাগ থাকার নির্দেশও দেন তিনি।রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের বিস্তীর্ণ উপকূলীয় অঞ্চল ও সমুদ্রসীমা রক্ষায় কোস্ট গার্ডকে আধুনিক ও দক্ষ বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। বাহিনীর আধুনিকায়ন এবং সদস্যদের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।সাক্ষাৎকালে কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক বাহিনীর সামগ্রিক কার্যক্রম এবং সক্ষমতা বাড়ানোর বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।এ সময় নতুন পেট্রোল বোট ও আধুনিক রেসকিউ হেলিকপ্টার সংগ্রহ এবং অ্যাভিয়েশন উইং স্থাপনের অগ্রগতির বিষয়ও তুলে ধরা হয়।

টোল অনিয়মের মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের প্রতিবেদন ১০ ডিসেম্বর

মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়ের চুক্তিতে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে সরকারের ৩০৯ কোটি টাকার বেশি ক্ষতির অভিযোগে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১০ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।রোববার ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।মামলাটি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১২ অক্টোবর দুদক মামলাটি দায়ের করে।দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম লিমিটেড সিএনএসকে একক উৎসভিত্তিক দরপত্রের মাধ্যমে মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। আরও পড়ুন , জানুয়ারিতে হতে পারে ইউপি নির্বাচন : ইসি মাছউদএতে প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।সিএনএসকে মোট আদায় করা টোলের ১৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জে পাঁচ বছরের জন্য কাজ দেওয়া হয়। এতে প্রতিষ্ঠানটি ৪৮৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকার বেশি বিল গ্রহণ করে বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।দুদকের তুলনামূলক হিসাব অনুযায়ী, আগের মেয়াদে একই সেতুর টোল আদায়ে ব্যয় হয়েছিল প্রায় ১৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। আর ২০২২ থেকে ২০২৫ মেয়াদে একই ধরনের প্রযুক্তিতে ইউডিসি কনস্ট্রাকশনকে তিন বছরের জন্য প্রায় ৬৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকায় কাজ দেওয়া হয়।এসব হিসাবের ভিত্তিতে সিএনএসকে দেওয়া চুক্তির কারণে সরকারের ৩০৯ কোটি ৪২ লাখ টাকার বেশি আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে দুদক।

রাজনীতিরাজনীতি

নারীর শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে বিএনপি উদ্যোগ নিয়েছে রিজভী

নারীর শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে বিএনপি উদ্যোগ নিয়েছে রিজভী

নারীর শিক্ষা ও ক্ষমতায়নে বিএনপি বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।শনিবার কেরানীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজে এসএসসি পরীক্ষায় কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।রিজভী বলেন নারীদের শিক্ষিত ও দক্ষ করে গড়ে তোলা হলে এর সুফল শুধু পরিবারে সীমাবদ্ধ থাকে না। এর প্রভাব পড়ে সমাজ ও রাষ্ট্রের অগ্রগতিতেও।তিনি বলেন নারীদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে বিএনপি গুরুত্ব দিয়েছে। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নারীদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ স্নাতক বা অনার্স পর্যায় পর্যন্ত সম্প্রসারণের প্রস্তাব দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।আরও  পড়ুন,হাফেজদের ‘নেক্সাস’ বই উপহার নিয়ে হেফাজতের ক্ষোভশিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে রিজভী বলেন একটি জাতির অগ্রগতির জন্য মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা অপরিহার্য। তাঁর অভিযোগ গত ১৭ বছরে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা হয়েছে। এসব কারণে শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতায় গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন রিজভী।তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আধুনিক অবকাঠামো প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম এবং জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে কেরানীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক শিক্ষার্থী অভিভাবক ও স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় কৃতী এসএসসি পরীক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

হাফেজদের ‘নেক্সাস’ বই উপহার নিয়ে হেফাজতের ক্ষোভ

হাফেজদের ‘নেক্সাস’ বই উপহার নিয়ে হেফাজতের ক্ষোভ

বিশ্বজয়ী কুরআনের হাফেজদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে ইউভাল নোয়াহ হারারির লেখা ‘নেক্সাস’ বই উপহার দেওয়ার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটির আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব শায়েখ সাজিদুর রহমান এ প্রতিবাদ জানান।হেফাজতের নেতারা বলেন, বিশ্বজয়ী হাফেজদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মানিত করার উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তবে ওই অনুষ্ঠানে ‘নেক্সাস’ বই উপহার দেওয়া অনভিপ্রেত বলে তারা মনে করেন। বইটি কীভাবে উপহারের তালিকায় এলো তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।হেফাজত নেতারা হাফেজদের কাছ থেকে বইটি প্রত্যাহার করে ইসলামি ঐতিহ্যবাহী গ্রন্থ দেওয়ার আরও পড়ুন, ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজে ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণাপাশাপাশি সরকারি ও ইসলামি অনুষ্ঠানে বই বা উপহার নির্বাচনের জন্য স্ক্রিনিং কমিটি গঠনেরও দাবি জানান।এদিকে সংবিধান প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের একটি বক্তব্যেরও সমালোচনা করেছে হেফাজত। শুক্রবার এক অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী বলেন, কুরআনের আলোকে সংবিধান প্রণয়ন করা যেতে পারে। তবে কুরআনকে সরাসরি সংবিধান হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। তার ব্যাখ্যা ছিল, সংবিধান পরিবর্তনযোগ্য হলেও ধর্মীয় গ্রন্থের মূল বাণী পরিবর্তন করা যায় না।হেফাজতের নেতারা এ বক্তব্যের বিরোধিতা করে আইনমন্ত্রীর কাছে অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছেন তারা।

ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজে ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা

ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজে ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা

ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ ও ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক তানজীম রুবাইয়াত আফিফ এবং সদস্য সচিব মোস্তাফিজুল কবীর মমি আলসারীর স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক করা হয়েছে জিহাদুল মোতালেব মার্শালকে। সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হয়েছেন রায়হান আমিন ফাহিম এবং সদস্য সচিব করা হয়েছে জোবায়েল আলম পাভেলকে।আহ্বায়ক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের যৌথ স্বাক্ষরে শাখাটির সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। আরও  পড়ুন, জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে- মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ এমপিপাশাপাশি আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক করা হয়েছে মো. মহিবুর রহমানকে। যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন মো. হাসান আল বান্না, আমির হাসনাত খান, জোবায়ের ইবনে আলম, জান্নাতুল ফেরদৌস প্রীতি, সাবরিনা ইসলাম তরী, আশরাফুল ইসলাম ইমন ও ফাতেমা তুজ জোহুরা।এ শাখায় সদস্য সচিব করা হয়েছে গোলাম সরোয়ার হিমেলকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন ইশতিয়াকুর রহমান, মো. এমরামুল ইসলাম নাবিল, ইয়ামিন সরকার, ঐশ্বর্য মৃধা, সিনথিয়া ইসলাম ও এস এম ইয়াসিন আহমেদ।বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন কমিটির নেতাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে-  মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ এমপি

জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে- মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ এমপি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ বলেছেন, জনগণের দেওয়া গণরায় বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই দেশের মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি ও অনিয়মমুক্ত প্রশাসন এবং মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে দেশের মানুষ রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতার পাশাপাশি একটি জবাবদিহিমূলক ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রত্যাশা করছে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে। ক্ষমতা ভোগের বিষয় নয়; এটি জনগণের সেবা ও দায়িত্ব পালনের মাধ্যম।আরও  পড়ুন, সাতক্ষীরা পৌরসভা নির্বাচন আলোচনায় বিএনপির দুই প্রার্থীর মধ্যে মিঠু খান এগিয়েশনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর '২৬) দুপুর ১২টায় সাতক্ষীরা শহরের মুন্সিপাড়াস্থ কাজী শামছুর রহমান মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত দায়িত্বশীল শিক্ষা বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।বৈঠকের উদ্বোধনী বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও তারবিয়াত বিভাগের সেক্রেটারি ডা. মাহমুদুল হক।বৈঠকে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা জামাতের আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, জেলা নায়েবে আমির শেখ নুরুল হুদা, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক ওবায়দুল্লাহ, অফিস সেক্রেটারি মাওলানা রুহুল আমিন প্রমুখ। কর্মশালায় সাতক্ষীরা জেলার প্রত্যেকটা ইউনিয়ন এবং পৌরসভার আমির, ও সেক্রেটারি উপস্থিত ছিলেন।

সারাবাংলা

ধামরাইয়ে চীনা ব্যাটারি কারখানায় চীনা কর্মকর্তাকে বেঁধে ৭০ লাখ টাকা লুট

ধামরাইয়ে চীনা ব্যাটারি কারখানায় চীনা কর্মকর্তাকে বেঁধে ৭০ লাখ টাকা লুট

ঢাকার ধামরাইয়ে একটি চীনা মালিকানাধীন ব্যাটারি কারখানায় চীনা কর্মকর্তাকে অস্ত্রের মুখে বেঁধে প্রায় ৭০ লাখ টাকা লুটের ঘটনা ঘটেছে।শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত সোয়া ১২টার দিকে উপজেলার সুতিপাড়া ইউনিয়নের বেলিশ্বর এলাকায় জিয়াংশু স্টোরেজ ব্যাটারি বিডি কোং লিমিটেড নামে ওই কারখানায় এ ঘটনা ঘটে।কারখানা সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে কারখানার ইনচার্জ ও ক্যাশিয়ার লি পেংগুই তার নিজ কক্ষে ঘুমাতে যান। রাত সোয়া ১২টার দিকে মাস্ক পরিহিত অন্তত ৩ জনের একটি দুর্বৃত্ত দল কারখানার পেছনের টয়লেটের জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তারা ঘুমন্ত অবস্থায় থাকা চীনা কর্মকর্তার গলায় ছুরি ধরে হাত-পা রশি দিয়ে বেঁধে ফেলে।আরও  পড়ুন, টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত পেট্রোল পাম্পে সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যাভুক্তভোগী লি পেংগুই সাংবাদিকদের বলেন, রুমে ঢুকে প্রথমে আমার গলায় ছুরি ধরেছে, এরপর বলেছে চাবি দাও। তখন চাবি নিয়ে লকার ও ব্যাগ থেকে ৭০ লাখ টাকা নিয়ে চলে গেছে। দুষ্কৃতকারীদের মুখে মাস্ক পরা ছিল। আর আমার হাত-পা বাঁধা ছিল।কারখানা কর্তৃপক্ষের দাবি, লকারে ব্যাগে রাখা নগদ প্রায় ৭০ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতরা।এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে রবিবার দুপুরের দিকে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নাজমুল হুদা খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।ধামরাই থানার ওসি মোঃ নাজমুল হুদা খান বলেন, আমি নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। খুব দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবো।

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত পেট্রোল পাম্পে সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত পেট্রোল পাম্পে সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা

 টাঙ্গাইলে একটি পরিত্যক্ত তেলের পাম্পের সামনে সুরমান রেজা (৪০) নামে এক সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর বিকেলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের দরুন এলাকায় সাবেক সংসদ সদস্য ছোট মনিরের একটি পরিত্যক্ত তেলের পাম্পে এ ঘটনা ঘটে। সুরমান রেজা টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের ভারচান্দা এলাকার আবু হানিফের ছেলে। তিনি সদর উপজেলার গালা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য ছিলেন।আরও  পড়ুন, কোতোয়ালীর ভাইরাল ছিনতাইয়ের ঘটনায় সংঘবদ্ধ চক্রের এক সদস্য গ্রেপ্তার পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহাসড়কের পাশে পরিত্যক্ত তেলের পাম্পের সামনে সুরমান রেজাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে। টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী বলেন, ঘটনাস্থল থেকে সাবেক ইউপি সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।

কোতোয়ালীর ভাইরাল ছিনতাইয়ের ঘটনায় সংঘবদ্ধ চক্রের এক সদস্য গ্রেপ্তার

কোতোয়ালীর ভাইরাল ছিনতাইয়ের ঘটনায় সংঘবদ্ধ চক্রের এক সদস্য গ্রেপ্তার

চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালী থানাধীন পাথরঘাটা এলাকায় অটোরিকশা যাত্রীকে ছুরির ভয় দেখিয়ে ছিনতাইয়ের ঘটনায় ছিনতাই চক্রের অন্যতম সদস্য মনির হোসেন (৩৮)-কে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালী থানা পুলিশ। এ সময় ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে।পুলিশ জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছিনতাইয়ের ঘটনার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করে কোতোয়ালী থানা পুলিশ। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার ও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনারের দিকনির্দেশনায় এবং কোতোয়ালী জোনের সহকারী কমিশনারের তত্ত্বাবধানে কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)-এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানে ছিনতাই চক্রের সদস্য মনির হোসেনকে আটক করা হয়। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত তার আরও দুই সহযোগীর নাম-ঠিকানা প্রকাশ করেছেন। তবে তারা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৬টা ৪০ মিনিটে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাযোগে কোতোয়ালী থানার পাথরঘাটা ১৬ নম্বর সতীশ বাবুর লেইনে মজিবুর রহমানের ৬ষ্ঠ তলা ভবনের সামনে যায় ছিনতাইকারীরা।আরও  পড়ুন, বাসন থানার বিশেষ অভিযানে তিন আসামি গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ সেখানে এক অজ্ঞাতনামা অটোরিকশা যাত্রীকে পথরোধ করে ছুরির ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেয় তারা।গ্রেপ্তার মনির হোসেনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাটি উদ্ধার করে পুলিশ জব্দ করেছে।এ ঘটনায় কোতোয়ালী থানায় ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মামলা নম্বর-৩৮ দায়ের করা হয়েছে। মামলায় দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারায় (ছিনতাই) অভিযোগ আনা হয়েছে। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার মনির হোসেন এর আগেও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ ভবনের সামনে ছিনতাইয়ের সময় একজনকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার ঘটনায় কোতোয়ালী থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলার আসামি তিনি।গ্রেপ্তার মনির হোসেন চট্টগ্রামের বন্দর থানাধীন সোনাঝুড়ি এলাকার বাসিন্দা। তার পিতার নাম নূরুল ইসলাম এবং মাতার নাম মোছা. মায়া বেগম। কোতোয়ালী থানা পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক অপর দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নগরীতে সংঘবদ্ধ ছিনতাই চক্রের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।

বাসন থানার বিশেষ অভিযানে তিন আসামি গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

বাসন থানার বিশেষ অভিযানে তিন আসামি গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা পুলিশ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন মামলার তিনজন আসামিকে গ্রেফতার করেছে। পরে তাদেরকে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে শাকিল খান (২৫) নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আলী আহমদ ও লাকী বেগমের ছেলে। তার স্থায়ী ঠিকানা নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ কেশবপুর এলাকায়। বর্তমানে তিনি গাজীপুর মহানগরের বাসন থানাধীন চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় বসবাস করতেন।এছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগে দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি পুকুল ইসলাম ওরফে দিপু (৩১)কে গ্রেফতার করা হয়েছে।আরও  পড়ুন, কালকিনিতে সোনালী ব্যাংকের সিআরএম বুথের শুভ উদ্বোধনতিনি মৃত মোতালেপ ও মোছা. লাল ভানুর ছেলে এবং যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার চান্দা গ্রামের বাসিন্দা।অপরদিকে প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হারুন অর রশিদ (৪৮)কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি মো. লাল মিয়া ও হামিনা বেগমের ছেলে। তার স্থায়ী ঠিকানা গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার কুমেদপুর গ্রামে। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানাধীন পশ্চিম আরিচপুর এলাকায় বসবাস করতেন।বাসন থানা পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আন্তর্জাতিক

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে সৌদি তেল সরবরাহে নতুন চাপ

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে সৌদি তেল সরবরাহে নতুন চাপ

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাব এবার সরাসরি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে পড়তে শুরু করেছে। অক্টোবরে ইউরোপের অন্তত দুটি তেল শোধনাগারে নির্ধারিত অপরিশোধিত তেল সরবরাহ করতে পারবে না বলে গ্রাহকদের জানিয়েছে সৌদি আরব।ইউরোপের বিভিন্ন শোধনাগার দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় সৌদি আরব থেকে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ অপরিশোধিত তেল কিনে থাকে। তবে জরুরি পরিস্থিতিতে চুক্তির সরবরাহ বাতিল করার সুযোগ রয়েছে।এর আগে কাতারও হরমুজ প্রণালির সামুদ্রিক অবরোধের কারণে এলএনজি রপ্তানিতে জারি থাকা জরুরি পরিস্থিতির ঘোষণা নভেম্বরের শুরু পর্যন্ত বাড়িয়েছে।সংঘাতের শুরুতে সৌদি আরব তুলনামূলক নিরাপদ অবস্থানে ছিল। কারণ দেশটির পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইন পারস্য উপসাগর এড়িয়ে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে তেল পরিবহনের সুযোগ দেয়।আরও  পড়ুন, হুতিদের ড্রোন ভূপাতিতের পর মক্কা চুক্তি নিয়ে খাজা আসিফতবে গত সপ্তাহে ড্রোন হামলায় পাইপলাইনটি অচল হয়ে পড়ে। সৌদি আরবের দাবি,হামলাটি ইরাক থেকে চালানো হয়েছে। অন্যদিকে ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী ইয়ানবু বন্দরসহ সৌদি আরামকোর বিভিন্ন তেল স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে।হুতিদের সঙ্গে সংঘাতের প্রভাবে লোহিত সাগর ও আশপাশের নৌপথে জাহাজ চলাচলও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে তেল ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বাড়ছে অনিশ্চয়তা।শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৩ ডলারে লেনদেন হয়েছে। জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, ডিজেল ও জেট ফুয়েলের মতো পরিশোধিত জ্বালানির দাম আরও বেশি বেড়েছে।এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে গত এক সপ্তাহে ডিজেলের দাম ৭ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও দামের ওপর এর প্রভাব আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানী

রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণের পর জোরদার নিরাপত্তা

রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণের পর জোরদার নিরাপত্তা

রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনার পর নগরজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।শুক্রবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অন্তত আটটি ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ও ট্রাফিক পুলিশ বক্সের কাছে বিস্ফোরণের পাশাপাশি মালিবাগ রেলগেট, আগারগাঁও ও মহাখালীসহ বিভিন্ন এলাকায়ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। রাতে কাফরুল থানার সামনে একটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় একজন রিকশাচালক আহত হওয়ার তথ্যও জানিয়েছে পুলিশ।এরপর শনিবার রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মোড়, উড়ালসড়ক ও প্রবেশপথে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি জোরদার করা হয়। মোটরসাইকেলসহ সন্দেহজনক যানবাহনে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে পিকেট ডিউটি এবং গাড়ি ও মোটরসাইকেলে টহল। হেঁটেও টহল দিচ্ছে পুলিশ।আরও  পড়ুন, পুরান ঢাকায় অজ্ঞাত যুবকের মৃত্যু ঘিরে রহস্যআইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা শাখা ডিবি, কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট সিটিটিসি এবং এপিবিএনের সদস্যদেরও মাঠে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।এদিকে বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। বিশেষ করে বিস্ফোরণের আগে ও পরে মোটরসাইকেলসহ সন্দেহজনক যানবাহনের গতিবিধি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঘটনাগুলোর সঙ্গে কারা জড়িত তা তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সম্পৃক্ততার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।শুক্রবারের ঘটনাগুলোর পর রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে চেকপোস্ট ও টহল বাড়ানো হয়েছে। ফলে নগরীর প্রবেশপথ থেকে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পর্যন্ত চলছে বাড়তি নজরদারি ও তল্লাশি।

১৪ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

রদ্রির গোল্ডেন বুট নিয়ে প্রশ্ন তুললেন লামিন ইয়ামাল

রদ্রির গোল্ডেন বুট নিয়ে প্রশ্ন তুললেন লামিন ইয়ামাল

সবশেষ ফুটবল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয় স্পেন। শিরোপা জয়ের পথে স্পেনের মাঝমাঠের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছিলেন রদ্রি।পুরো টুর্নামেন্টে গোল না করেও মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণ পাসিং বল পুনরুদ্ধার এবং রক্ষণ ও আক্রমণের মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডার।ফাইনালেও ছিল তার দারুণ পারফরম্যান্স। ফিফার হিসাবে ম্যাচটিতে ১০৫টি পাসের মধ্যে ১০১টি সফল করেন রদ্রি। জেতেন ৮০ শতাংশ ডুয়েল এবং তৈরি করেন দুটি গোলের সুযোগ। এসব পারফরম্যান্স বিবেচনায় তার হাতে ওঠে গোল্ডেন বুট।তবে ফিফার এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত নন রদ্রির স্পেন সতীর্থ লামিন ইয়ামাল। আরও   পড়ুন, আজ বাংলাদেশের সামনে ভারত মাদ্রিদ ডার্বিতে রিয়াল আতলেতিকোতার মতে বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় ছিলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি।মুভিস্টারের ‘ইউনিভার্সো ভালদানো’ অনুষ্ঠানে ইয়ামাল বলেন, তার কাছে বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় মেসি। বয়সের কারণে মেসির কাছ থেকে এমন পারফরম্যান্স কেউ আশা করেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন মেসি। একটি হ্যাটট্রিকসহ করেন আট গোল। সতীর্থদের দিয়ে করান আরও চারটি গোল। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে ২১ গোল নিয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।দল শিরোপা না জিতলেও মেসির পারফরম্যান্স নিয়ে ইয়ামালের এমন মন্তব্য নতুন করে আলোচনায় এনেছে বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের বিতর্ক।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!