দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1001.2 hPa
27.4° 95%
15mm
চট্টগ্রাম 1003.2 hPa
28.3° 92%
90° 15mm
রাজশাহী 1001.1 hPa
28.2° 94%
20° 15mm
খুলনা 1001.8 hPa
27.8° 97%
20° 15mm
বরিশাল 1002.4 hPa
27.2° 98%
15mm
সিলেট 1001.8 hPa
26.7° 98%
20° 15mm
রংপুর 1000.8 hPa
27° 94%
20° 15mm
ময়মনসিংহ 1001.5 hPa
27.7° 92%
20° 15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

উজাড় হচ্ছে লামার সংরক্ষিত বন, রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ

উজাড় হচ্ছে লামার সংরক্ষিত বন, রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ

বান্দরবানের লামা উপজেলার বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল একসময় ছিল ঘন সবুজে আচ্ছাদিত| পাহাড়ের ঢালে সারি সারি গাছ, জীববৈচিত্রের সমৃদ্ধ আবাসস্থল এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ এই বনাঞ্চল আজ নানা কারণে সংকটের মুখে| স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত অবৈধ গাছ কাটা, জোত পারমিটের অপব্যবহার এবং সংঘবদ্ধ কাঠ পাচারের কারণে প্রতিনিয়ত উজাড় হচ্ছে সংরক্ষিত বনাঞ্চল| সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, বন রক্ষার দায়িত্বে থাকা একটি অংশের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেই উঠেছে এসব অনিয়মে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহযোগিতার অভিযোগ|আরও পড়ুন: প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমস্থানীয় বাসিন্দা, কাঠ ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের অভিযোগ অনুযায়ী, লামা বন বিভাগের সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা এম কবির উদ্দিন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই এলাকায় কিছু অসাধু কাঠ ব্যবসায়ীকে নিয়ে একটি প্রভাবশালী চক্র গড়ে ওঠে| অভিযোগ রয়েছে, এই চক্রের মাধ্যমে জোত পারমিটের অপব্যবহার, অতিরিক্ত গাছ কাটা এবং সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে কাঠ পাচারের সুযোগ ˆতরি করা হচ্ছে| তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা|স্থানীয়দের দাবি, বন সংরক্ষণ, অবৈধ গাছ কাটা প্রতিরোধ এবং সরকারি বনসম্পদ রক্ষার দায়িত্ব বন বিভাগের হলেও বাস্তবে উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে| তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও বন বিভাগের একটি অংশের যোগসাজশে দিনের পর দিন নির্বিচারে গাছ কাটা হচ্ছে|অভিযোগ রয়েছে, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সংরক্ষিত বনাঞ্চলে গাছ কাটা, নতুন জোত সৃষ্টি কিংবা জোত বিক্রি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হলেও বাস্তবে বিভিন্ন কৌশলে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে| স্থানীয়দের দাবি, প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের সুবিধা দিতে নিয়ম ভেঙে জোত পারমিট ইস্যু করা হচ্ছে এবং সেই পারমিট ব্যবহার করে অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে অনেক বেশি গাছ কেটে পাচার করা হচ্ছে|আরও পড়ুন:  অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে করণিক ভুলের স্বীকারোক্তি, তদন্তে কঠোর নির্দেশস্থানীয়দের অভিযোগ, রেঞ্জ কর্মকর্তা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বনজ সম্পদকে কেন্দ্র করে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে| এর ফলে পাহাড়ি বনাঞ্চলে আগের তুলনায় অনেক বেশি গাছ নিধনের ঘটনা ঘটছে|আরও পড়ুন: একযোগে ৩৩ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকারজোত পারমিট মূলত নির্দিষ্ট ব্যক্তি ও নির্দিষ্ট পরিমাণ গাছ পরিবহনের অনুমোদন হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার কথা| কিন্তু স্থানীয়দের দাবি, বাস্তবে একটি পারমিট ব্যবহার করে বিভিন্ন এলাকা থেকে অতিরিক্ত গাছ পরিবহন করা হচ্ছে|নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কাঠ ব্যবসায়ী বলেন, বন বিভাগ থেকে যতসংখ্যক জোত পারমিট ইস্যু করা হয়েছে, সেই হিসাব অনুযায়ী যে পরিমাণ কাঠ বাজারে আসার কথা, বাস্তবে তার চেয়ে অনেক বেশি কাঠ প্রতিদিন বিভিন্ন ডিপো ও বাজারে পৌঁছাচ্ছে| তার ভাষ্য, একটি ˆবধ পারমিট দেখিয়ে একাধিক বাগান কিংবা অন্য উৎসের গাছ পরিবহন করা হচ্ছে| ফলে কাগজে-কলমে ˆবধতা থাকলেও বাস্তবে অতিরিক্ত গাছ কাটা এবং পাচারের সুযোগ ˆতরি হচ্ছে|আরও পড়ুন:  সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে আবারও আদালতে শুনানিতিনি আরও বলেন, একবার কাঠ গাড়িতে উঠে ডিপো পার হয়ে গেলে পরে কোন কাঠ কোন জোতের সেটা প্রমাণ করা খুব কঠিন হয়ে যায়| এ সুযোগটাই কাজে লাগানো হয়| তার দাবি, বড় ব্যবসায়ীরা সাধারণত প্রশাসনিক জটিলতায় পড়েন না| বরং ছোট ব্যবসায়ীদের কাঠ বেশি জব্দ হয়|এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, লামা বনাঞ্চল থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ কাঠ বিভিন্ন স্থানে পাচার হচ্ছে| এসব কাঠের বাজারমূল্য লাখ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যায়| তাদের দাবি, বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা অর্থের বিনিময়ে কাঠ পরিবহনে সহযোগিতা করেন| ফলে নিয়মিতভাবে কাঠবোঝাই ট্রাক ও পিকআপ বিভিন্ন সড়ক দিয়ে বনাঞ্চল থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে|একাধিক বাসিন্দা বলেন, দূর থেকে পাহাড়গুলো এখনও সবুজ দেখালেও ভেতরে প্রবেশ করলে প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হয়| বহু এলাকায় বড় বড় গাছ কেটে নেওয়ায় বনভূমির ভেতর ফাঁকা হয়ে গেছে| কোথাও কোথাও শুধু ছোট গাছ ও ঝোপঝাড় রয়ে গেছে|আরও পড়ুন:  তারেক রহমানকে উরসুলা ফন ডের লায়েনের আমন্ত্রণস্থানীয় পরিবেশ সচেতনদের মতে, এভাবে চলতে থাকলে কয়েক বছরের মধ্যেই লামার অনেক বনাঞ্চল পরিবেশগত ভারসাম্য হারাবে| এতে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি পাহাড় ধস, ভূমিক্ষয় ও জলবায়ু ঝুঁকিও বাড়বে|সম্প্রতি বনাঞ্চল থেকে কাঠ পরিবহনের সময় একটি ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় আসে বিষয়টি| জানা গেছে, গত ২৩ জুন রূপসীপাড়া এলাকায় সেনাবাহিনীর একটি ক্যাম্পের সদস্যরা সন্দেহজনকভাবে কাঠবোঝাই দুটি গাড়ি আটক করেন| আটকের সময় সেনাসদস্যরা জোতের মালিক হিসেবে পরিচিত শফিককে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি দাবি করেন, কাঠগুলো তার নয়|আরও পড়ুন: শিশু ধর্ষণের ঘটনায় এক আসামির মৃত্যুদণ্ডশফিকের ভাষ্য অনুযায়ী, গাছগুলো জহির নামের আরেক ব্যক্তির| তিনি তার জোত পারমিট ব্যবহার করে রূপসীপাড়া এলাকা থেকে কাঠ গাড়িতে তুলেছেন| এই বক্তব্য সামনে আসার পর একটি পারমিট অন্য ব্যক্তি ব্যবহার করতে পারেন কি না সেই প্রশ্নও নতুন করে সামনে আসে| বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সেনাবাহিনীর মাধ্যমে জব্দ হওয়া কাঠের ˆবধতা যাচাই করা হচ্ছে| সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বন আইনে ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে|সূত্র জানায়, জব্দকৃত কাঠের উৎস, পারমিটের ˆবধতা এবং পরিবহনের নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছিল কি না এসব বিষয় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে| ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত জোতের মালিক শফিক বলেন, নির্ধারিত ডিপো থেকে কাঠ লোড না করাটা তার ভুল হয়েছে| প্রায় প্রতিদিন সন্ধ্যার পর লামা বন বিভাগের কার্যালয়ে বিভিন্ন কাঠ ব্যবসায়ীর যাতায়াত লক্ষ্য করা যায়| এসব ˆবঠকে কাঠ পরিবহনের অনুমতি, জোত পারমিট এবং অন্যান্য প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়|আরও পড়ুন: কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে নিহত বেড়ে ৯, টানা বৃষ্টিতে চরম ঝুঁকিযদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে বন বিভাগের কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্দিষ্ট কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি| এসব ˆবঠককে ঘিরে নানা ধরনের প্রশ্ন ˆতরি হলেও বিষয়টি নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো স্বাধীন তদন্ত হয়নি| তবে পরিবেশবিদদের মতে, পাহাড়ি বন শুধু কাঠের উৎস নয়; এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক প্রতিবেশ ব্যবস্থা| নিয়মবহির্ভূত গাছ কাটার ফলে মাটির উর্বরতা কমে যায়, পাহাড়ের স্থিতিশীলতা নষ্ট হয় এবং বৃষ্টির সময় ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়ে| এছাড়া বন্যপ্রাণীর বিচরণক্ষেত্র ধ্বংস হওয়ায় জীববৈচিত্র্যও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়|আরও পড়ুন: খাগড়াছড়িতে সশস্ত্র হামলা: ৩ যুবককে গুলি করে হত্যা, থমথমে এলাকাস্থানীয়দের মতে, বন উজাড়ের এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে লামার পরিবেশ ও কৃষি ব্যবস্থার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে| অতীতে বিভিন্ন সময় বন বিভাগের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠলেও কার্যকর তদন্ত কিংবা দৃশ্যমান শাস্তির নজির খুব কম| বন রক্ষায় দায়িত্বপ্রাপ্তদের জবাবদিহির আওতায় আনা না হলে অবৈধ গাছ কাটা ও কাঠ পাচার বন্ধ করা সম্ভব হবে না| তারা অবৈধ জোত পারমিট ইস্যু, কাঠ পরিবহন এবং বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে একটি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন| পাশাপাশি বনাঞ্চলে সেনাবাহিনী, বন বিভাগ ও প্রশাসনের যৌথ নজরদারি বাড়ানোরও আহ্বান জানিয়েছেন তারা|অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে লামা সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা এম কবির উদ্দিন বলেন, রূপসীপাড়া এলাকায় বন বিভাগের কোনো কাঠের ডিপো নেই| তার ভাষ্য, গাছ ব্যবসায়ীরা সেখান থেকে গাড়িতে কাঠ তুলে নিয়ে যাচ্ছিলেন| পরে সেনাবাহিনী গাড়ি দুটি আটক করলে বন বিভাগকে জানানো হয় এবং বন বিভাগ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাঠ জব্দ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে|একজনের নামে ইস্যু করা জোত পারমিট অন্য কেউ ব্যবহার করতে পারেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যার নামে পারমিট ইস্যু করা হয়েছে কেবল তিনিই ওই জোতের কাঠ পরিবহনের অধিকারী| এছাড়া নির্ধারিত ডিপোতে বন বিভাগের সদস্যদের উপস্থিতিতেই কাঠ গাড়িতে তোলার নিয়ম রয়েছে| তিনি আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে অবৈধ জোত পারমিট প্রদান কিংবা অর্থের বিনিময়ে অনিয়মে সহযোগিতার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন|আরও পড়ুন: বনানীতে অপহরণের অভিযোগে চাঞ্চল্য তথ্য, উদ্ধার হল শিশুস্থানীয় সচেতন মহলের মতে, অভিযোগগুলো যেহেতু সরাসরি বন বিভাগের কার্যক্রম ও সরকারি সম্পদ রক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, তাই বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন| যদি অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়, তবে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে| আর অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে সেটিও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়া উচিত| বন রক্ষার দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি জনআস্থা ফিরিয়ে আনতে ¯^চ্ছতা, জবাবদিহি এবং নিয়মিত নজরদারির কোনো বিকল্প নেই বলেও মনে করছেন স্থানীয়রা|

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

আসক্তি তৈরির অভিযোগে ফেসবুক ইনস্টাগ্রামের বিরুদ্ধে ইইউর কঠোর অবস্থান

ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের আসক্তিকর ডিজাইন নিয়ে এবার কঠোর অবস্থানে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ব্যবহারকারীদের, বিশেষ করে শিশুদের দীর্ঘ সময় প্ল্যাটফর্মে আটকে রাখে—এমন ফিচার পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মেটাকে। নির্দেশ না মানলে বড় অঙ্কের জরিমানার মুখে পড়তে পারে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি। বিস্তারিত প্রতিবেদনে—ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের তথাকথিত ‘অ্যাডিকটিভ ডিজাইন’ বা আসক্তি তৈরির কৌশল নিয়ে মেটার বিরুদ্ধে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।ইউরোপীয় কমিশনের অভিযোগ, মেটা এমন কিছু ফিচার ব্যবহার করছে, যা বিশেষ করে শিশু ও ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবহারকারীদের দীর্ঘ সময় প্ল্যাটফর্মে আটকে রাখে। এর মধ্যে রয়েছে ইনফিনিট স্ক্রল, অত্যন্ত ব্যক্তিকেন্দ্রিক নিউজ ফিড এবং অটোপ্লে ভিডিও সুবিধা।আরো পড়ুন , আগামী ৭২ ঘণ্টা গুরুত্বপূর্ণ, বন্যার ঝুঁকিতে একাধিক জেলাশুক্রবার প্রকাশিত প্রাথমিক মূল্যায়নে কমিশন জানায়, এসব ফিচার ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডিজিটাল কনটেন্টবিষয়ক বিধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাই ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের ডিজাইনে পরিবর্তন আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মেটাকে।ইইউর প্রযুক্তিবিষয়ক প্রধান হেনা ভিরক্কুনেন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রথম দায়িত্ব হওয়া উচিত ব্যবহারকারীদের, বিশেষ করে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা।বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিগ টেক কোম্পানিগুলোর ওপর নজরদারি আরও জোরদার করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। নির্দেশনা না মানলে মেটাকে বড় অঙ্কের আর্থিক জরিমানার মুখে পড়তে হতে পারে।অনলাইন নিরাপত্তা ও শিশুদের সুরক্ষায় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই পদক্ষেপকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আগামী ৭২ ঘণ্টা গুরুত্বপূর্ণ, বন্যার ঝুঁকিতে একাধিক জেলা

একই সঙ্গে আরও কয়েকটি জেলাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে সতর্ক করেছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। বিস্তারিত দেখুন এই প্রতিবেদনে।সারা দেশে অব্যাহত বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলের প্রভাবে নদ-নদীর পানি বাড়ছে দ্রুত। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, বান্দরবান, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে বর্তমানে বন্যা পরিস্থিতি বিরাজ করছে।এদিকে ফেনী, সিলেট, সুনামগঞ্জ, নীলফামারী ও লালমনিরহাট আরো পড়ুন , ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনার কথা জানালেন শেখ হাসিনাজেলাকে বন্যার ঝুঁকিতে রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টায় গোমতী, মুহুরি, ফেনী, হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি আরও দ্রুত বাড়তে পারে। এতে কক্সবাজার, ফেনী, চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির কিছু এলাকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। পাশাপাশি লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর নিম্নাঞ্চলও সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, মনু, ধলাই ও খোয়াই নদীর পানিও বৃদ্ধি পেতে পারে। এর প্রভাবে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।তবে স্বস্তির খবর হলো, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, গঙ্গা ও পদ্মা নদীর পানি এখনো বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। রাজধানীর তুরাগ, বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী ও বালু নদীর পানিও আপাতত স্থিতিশীল রয়েছে।আবহাওয়া ও নদ-নদীর পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। তাই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের সর্বশেষ তথ্য অনুসরণ এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনার কথা জানালেন শেখ হাসিনা

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, আগামী ডিসেম্বরের দিকে দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন। দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করার ইচ্ছার কথাও তিনি প্রকাশ করেন।শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে কিংবা প্রাণনাশের ঝুঁকি থাকতে পারে—এ বিষয়ে তিনি অবগত। তবুও তিনি নিজের জন্মভূমিতেই ফিরতে চান। তার ভাষ্য, নিজের বাবা-মায়ের কবর যেখানে, সেই মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ফেলতে চান।সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, আরও পড়ুন, সক্রিয় মৌসুমি বায়ু: দেশজুড়ে ভারী বর্ষণ, পাহাড়ে ভূমিধসের আশঙ্কাদেশে ফিরে বিচার প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে বর্তমান বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে নিজের অবস্থান জনগণের সামনে তুলে ধরতে চান। তবে আত্মসমর্পণের নির্দিষ্ট সময় বা আদালতের নাম উল্লেখ করেননি।তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মামলার মুখোমুখি এবং অনেকেই আত্মগোপনে রয়েছেন। বর্তমানে তিনি ভারতে অবস্থান করে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন এবং অনলাইনে বিভিন্ন নেতার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন বলেও জানান।প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, শেখ হাসিনার পাশাপাশি ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতাও দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা করছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার বা ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সক্রিয় মৌসুমি বায়ু: দেশজুড়ে ভারী বর্ষণ, পাহাড়ে ভূমিধসের আশঙ্কা

সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের আট বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।আরও  পড়ুন, আগস্টে ২ দিনের ছুটিতে মিলবে ৮ দিনের দীর্ঘ অবকাশএতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরের কিছু এলাকায় অস্থায়ী জলাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলে অতিবৃষ্টির কারণে ভূমিধসের ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্ক করা হয়েছে।এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে মৌসুমি বায়ু সক্রিয় ও প্রবল অবস্থায় রয়েছে। ফলে আগামী পাঁচ দিনও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।

রাজনীতিরাজনীতি

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি : সারজিস আলম

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি : সারজিস আলম

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে এবং দেশের মানুষকে বাংলাদেশপন্থী রাজনৈতিক শক্তিকে বেছে নিতে হবে।বৃহস্পতিবার রাতে পাবনার চাটমোহরের বালুচর মাঠে আয়োজিত ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।সারজিস আলম বলেন, নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে প্রশাসনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করতে হবে। তিনি শিক্ষা, আরও পড়ুন, দুর্যোগকবলিত চট্টগ্রাম পরিদর্শনে যাচ্ছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানস্বাস্থ্য ও স্থানীয় প্রশাসনে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের সমালোচনা করেন এবং যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।বিএনপির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, কোনো দল ক্ষমতায় থাকলেই প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার করার সুযোগ থাকা উচিত নয়। একই সঙ্গে জনগণকে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।এনসিপির বিরুদ্ধে ওঠা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করেন সারজিস আলম। তিনি দাবি করেন, এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি এবং এগুলো রাজনৈতিক অপপ্রচার।

দুর্যোগকবলিত চট্টগ্রাম পরিদর্শনে যাচ্ছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

দুর্যোগকবলিত চট্টগ্রাম পরিদর্শনে যাচ্ছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য অঞ্চলে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের প্রেক্ষাপটে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান আজ সকালে দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে যাচ্ছেন।সফরকালে তিনি বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং তাদের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেবেন। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন, দলীয় নেতাকর্মী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করে দুর্যোগ মোকাবিলার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন।আরও  পড়ুন, ‘সরকারকে ঘিরে ষড়যন্ত্র হতে পারে’, সতর্ক থাকার আহ্বান রিজভীরজামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ডা. শফিকুর রহমান চলমান উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ এবং পুনর্বাসন কার্যক্রমের অগ্রগতিও পর্যবেক্ষণ করবেন। পাশাপাশি দুর্গত মানুষের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করবেন।টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় প্রাণহানি, ভূমিধস এবং হাজারো পরিবার পানিবন্দি হওয়ার ঘটনায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

‘সরকারকে ঘিরে ষড়যন্ত্র হতে পারে’, সতর্ক থাকার আহ্বান রিজভীর

‘সরকারকে ঘিরে ষড়যন্ত্র হতে পারে’, সতর্ক থাকার আহ্বান রিজভীর

সরকারকে ঘিরে সম্ভাব্য ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।বৃহস্পতিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ব্যাপক আন্দোলন, আত্মত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে ক্ষমতায় এসেছে। তাই সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে বিভিন্ন অপচেষ্টা হতে পারে।রিজভীর ভাষ্য, বর্তমান সরকার স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের নিরাপত্তার প্রহরী হিসেবে কাজ করছে। এ কারণে পরাজিত শক্তি বিভিন্ন ধরনের চক্রান্তে লিপ্ত হতে পারে। আরও পড়ুন, রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় আদালতের নির্দেশে কারাগারে আ.লীগ নেতাবিএনপির চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।রথযাত্রা উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিএনপির নেতাকর্মীরা মাঠে থাকবেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনো উসকানিতে যেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।এ ছাড়া সরকারের বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান রিজভী। একই সঙ্গে স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের অসুস্থ হওয়ার ঘটনায় দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানান।

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় আদালতের নির্দেশে কারাগারে আ.লীগ নেতা

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় আদালতের নির্দেশে কারাগারে আ.লীগ নেতা

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা ও আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম এম মুজিবর রহমানের স্থায়ী জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বুধবার খুলনা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আসাদুর জামান এ আদেশ দেন।এর আগে চলতি বছরের ১৩ মে উচ্চ আদালত থেকে আট সপ্তাহের জামিন পেয়েছিলেন মুজিবর রহমান।আরও  পড়ুন, রাজধানীজুড়ে ডিএমপির অভিযান, মাদক-অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২৯৬ জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তিনি স্থায়ী জামিনের আবেদন নিয়ে আদালতে হাজির হন।মুজিবর রহমান খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এবং জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।আদালত সূত্র জানায়, সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় দায়ের হওয়া রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় তিনি আসামি। শুনানি শেষে আদালত তার স্থায়ী জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সারাবাংলা

৪৮ ঘণ্টায় উন্নতি হতে পারে চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি, নতুন শঙ্কা রংপুর-সিলেটে

৪৮ ঘণ্টায় উন্নতি হতে পারে চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি, নতুন শঙ্কা রংপুর-সিলেটে

চট্টগ্রাম বিভাগ ও পার্বত্য অঞ্চলের চলমান বন্যা পরিস্থিতির ধীরগতিতে উন্নতি হতে পারে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে। এমন পূর্বাভাস দিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।তবে একই সময়ে রংপুর ও সিলেট বিভাগের কয়েকটি জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।পূর্বাভাস অনুযায়ী, বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে পানি কমতে পারে। অন্যদিকে ফেনী, খাগড়াছড়ি, নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, শেরপুর ও ময়মনসিংহের কিছু এলাকায় নতুন করে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে।আরও পড়ুন, ফরিদপুরের নতুন পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াযীএদিকে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় সিলেট, চট্টগ্রাম, রংপুর, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।বন্যা পরিস্থিতির অবনতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন পাঁচ জেলার শনিবারের এইচএসসি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।অন্যদিকে সরকার জানিয়েছে, দুর্গত এলাকায় ১ হাজার ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু, নগদ সহায়তা, চাল বিতরণ, সেনাবাহিনীর প্রস্তুতি এবং উদ্ধার কার্যক্রমসহ ১০টি জরুরি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

ফরিদপুরের নতুন পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াযী

ফরিদপুরের নতুন পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াযী

ফরিদপুর জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও জনবান্ধব পুলিশিং ব্যবস্থা জোরদার করার লক্ষ্যে জেলা পুলিশের নতুন অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াযী। গতকাল বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে তিনি ফরিদপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যভার গ্রহণ করেন।​তিনি বিদায়ী পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হলেন। মো. নজরুল ইসলামকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।​এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াযীকে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে পদায়ন করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌছিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত এই আদেশটি জনস্বার্থে অবিলম্বে কার্যকরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।আরও  পড়ুন, টানা বর্ষণে কটিয়াদী সরকারি পাইলট বালক উচ্চ বিদ্যালয় জলাবদ্ধ শ্রেণিকক্ষ শিক্ষক-শিক্ষার্থী​নবনির্বাচিত পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াযী ২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের একজন চৌকস কর্মকর্তা। ফরিদপুরে আসার আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)-এর উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। অন্যদিকে, বিদায়ী এসপি মো. নজরুল ইসলাম (২৫তম বিসিএস) বিগত ২০২৫ সালের ২৯ নভেম্বর দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রায় সাত মাস ফরিদপুরে কর্মরত ছিলেন।​নতুন এই পরিবর্তনের পর ফরিদপুরের সাধারণ নাগরিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা করছেন। বিশেষ করে জেলায় কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত বন্ধ, মাদক নির্মূল, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস দমনে নতুন পুলিশ সুপার কঠোর ভূমিকা রাখবেন বলে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। একই সাথে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক ও কার্যকর পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে নতুন এসপির নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

টানা বর্ষণে কটিয়াদী সরকারি পাইলট বালক উচ্চ বিদ্যালয় জলাবদ্ধ  শ্রেণিকক্ষ  শিক্ষক-শিক্ষার্থী

টানা বর্ষণে কটিয়াদী সরকারি পাইলট বালক উচ্চ বিদ্যালয় জলাবদ্ধ শ্রেণিকক্ষ শিক্ষক-শিক্ষার্থী

টানা তিন-চারদিনের দিনের ভারী বর্ষণে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। উপজেলার বিভিন্ন সড়ক, বাজার ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হলেও সবচেয়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে শতবর্ষী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কটিয়াদী সরকারি পাইলট বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে। বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ, শ্রেণিকক্ষের সামনের অংশ, শিক্ষক কক্ষ, মিলনায়তন, চলাচলের পথ এবং বিভিন্ন স্থানে হাঁটুসমান পানি জমে থাকায় স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় চলমান অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, পুরো ক্যাম্পাস যেন ছোট একটি জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। মাঠের পানি বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষের সামনে পর্যন্ত চলে এসেছে। শিক্ষার্থীরা জুতা হাতে নিয়ে খালি পায়ে নোংরা পানি মাড়িয়ে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করছে। অনেক অভিভাবক ছোট শিশুদের কোলে করে বা হাত ধরে শ্রেণিকক্ষে পৌঁছে দিচ্ছেন। শিক্ষক-কর্মচারীরাও একই দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করছেন।বিদ্যালয়ের পাশের মসজিদে মুসল্লিদের যাতায়াতও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। পানি জমে থাকায় বয়স্ক মানুষ ও শিশুদের চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এলাকাবাসী জানান, সামান্য বৃষ্টিতেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পানি জমে যায়। তবে এবারের টানা বর্ষণে পরিস্থিতি অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ে কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি দ্রুত বের হতে পারে না। ফলে প্রতিবার বর্ষা মৌসুমে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়। দীর্ঘদিন পানি জমে থাকায় পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে। মশার বংশবিস্তার বৃদ্ধি পাওয়ায় ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া এবং বিভিন্ন পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ছে বলে অভিভাবকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।এদিকে টানা বর্ষণের কারণে উপজেলার আরও কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও নির্ধারিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় সড়কের ওপর পানি জমে থাকায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষ ও দিনমজুরদের স্বাভাবিক কর্মজীবন ব্যাহত হয়েছে।সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক ও সাংবাদিক হামিদ হাসান বলেন, "সকালে সন্তানকে পরীক্ষা দিতে নিয়ে এসেছিলাম।আরও  পড়ুন, রমেক হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির দায়িত্বে আসাদুল হাবিব দুলু কিন্তু বিদ্যালয়ের চারদিকে পানি জমে থাকায় খুবই কষ্ট করতে হয়েছে। শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকতে হচ্ছে। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হওয়া জরুরি।"কয়েকজন পরীক্ষার্থী জানায়, দীর্ঘদিন প্রস্তুতি নেওয়ার পর পরীক্ষার দিন বিদ্যালয়ে এসে জানতে হয়েছে পরীক্ষা স্থগিত। এতে তারা মানসিকভাবে হতাশ হয়ে পড়েছে। অনেক শিক্ষার্থী দূর-দূরান্ত থেকে ভিজে কাপড়ে বিদ্যালয়ে এলেও পরীক্ষা দিতে পারেনি।স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, বছরের পর বছর ধরে বিদ্যালয়টিতে জলাবদ্ধতার সমস্যা থাকলেও কোনো স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি বিদ্যালয়ের ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন না হওয়া দুঃখজনক। তারা দ্রুত পানি নিষ্কাশনের আধুনিক ব্যবস্থা নির্মাণ, মাঠ ভরাট এবং স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবি জানান।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বদিউল আলম মাহফুজ বলেন, "টানা বৃষ্টিতে শ্রেণিকক্ষ, শিক্ষক কক্ষ ও মাঠে পানি জমে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ পুরোপুরি বিঘ্নিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে চলমান অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছি। বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। দ্রুত ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন ও প্রয়োজনীয় সংস্কার করা না হলে ভবিষ্যতেও একই ধরনের সমস্যা দেখা দেবে।"এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।শিক্ষাবিদদের মতে, একটি বিদ্যালয়ে নিয়মিত জলাবদ্ধতা শুধু শিক্ষা কার্যক্রমই ব্যাহত করে না, বরং শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি, উপস্থিতি এবং শিক্ষার মানের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই বিষয়টিকে জরুরি ভিত্তিতে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।স্থানীয় অভিভাবক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকদের দাবি, কটিয়াদী সরকারি পাইলট বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের জলাবদ্ধতা নিরসনে জরুরি ভিত্তিতে আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ, মাঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ নিতে হবে। অন্যথায় প্রতি বর্ষা মৌসুমেই শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়বে।

রমেক হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির দায়িত্বে আসাদুল হাবিব দুলু

রমেক হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির দায়িত্বে আসাদুল হাবিব দুলু

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব আসাদুল হাবিব দুলু, এমপি।স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ মনোনয়নের তথ্য জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।আরও  পড়ুন, বান্দরবানে লামায় পাহাড়ধসে নিহত ৫, বন্যায় পানিবন্দী ৩৫ হাজার পরিবারসংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, নতুন সভাপতির নেতৃত্বে হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং রোগীবান্ধব সেবার পরিধি আরও শক্তিশালী হবে।স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কার্যক্রমে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। নতুন এই দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আন্তর্জাতিক

হামলা হলে পাল্টা জবাব, ইসরায়েলকে ছাড় দেবে না ইরান

হামলা হলে পাল্টা জবাব, ইসরায়েলকে ছাড় দেবে না ইরান

মধ্যপ্রাচ্যে আবারও বাড়ছে যুদ্ধের উত্তেজনা। ইরানের কোনো অবকাঠামোতে হামলা চালানো হলে ইসরায়েলকে ‘কোনো রেহাই’ দেওয়া হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। একই সময়ে উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক তৎপরতাও জোরদার হয়েছে। বিস্তারিত জানাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই নতুন করে কড়া বার্তা দিয়েছে ইরান।শুক্রবার দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহাম্মদ বাঘের জোলঘাদর বলেন, ইরানের যেকোনো স্থাপনা বা অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হলে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে। এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েলকে আরো পড়ুন , চাবাহারে বিস্ফোরণ, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত ছড়ানোর আশঙ্কাকোনো ধরনের রেহাই দেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি।বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার পর এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও স্পর্শকাতর করে তুলতে পারে।তবে সামরিক উত্তেজনার পাশাপাশি কূটনৈতিক যোগাযোগও অব্যাহত রয়েছে।মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিস্থিতির আরও অবনতি ঠেকাতে এবং তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে যোগাযোগের পথ খোলা রাখতে মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে কাতার।পর্যবেক্ষকদের ধারণা, একদিকে কঠোর হুঁশিয়ারি, অন্যদিকে কূটনৈতিক উদ্যোগ—এই দুই পথেই এগোচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকট। এখন পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক মহলের।মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ে সর্বশেষ সব আপডেট জানতে আমাদের সঙ্গেই থাকুন।

৩ ঘন্টা আগে

রাজধানী

গ্যাস বিস্ফোরণে আগারগাঁওয়ের রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ড

গ্যাস বিস্ফোরণে আগারগাঁওয়ের রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ড

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ৬০ ফিট সড়কে অবস্থিত ‘কলাপাতা’ রেস্টুরেন্টে গ্যাস বিস্ফোরণের পর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পরে আগুন পাশের একটি ভবনেও ছড়িয়ে পড়ে।বুধবার রাত প্রায় ৯টা ৪৫ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন।আরও পড়ুন, রাজধানীজুড়ে ডিএমপির অভিযান, মাদক-অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২৯৬প্রায় ৩৫ মিনিটের চেষ্টায় রাত ১০টা ২০ মিনিটে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালিদ জানান, তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

০৯ জুলাই ২০২৬

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

বিশ্বকাপে রেকর্ডের পর রেকর্ড, এবার ফন্তেইনের দিকে মেসির চোখ

বিশ্বকাপে রেকর্ডের পর রেকর্ড, এবার ফন্তেইনের দিকে মেসির চোখ

বিশ্বকাপে রেকর্ড যেন লিওনেল মেসির নিত্যসঙ্গী। ২০২৬ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দ ধরে রেখে এবার তিনি চোখ রাখছেন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এক কীর্তিতে।শেষ ষোলোর লড়াই শেষে মেসির গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে আট। ফলে ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপে ফরাসি কিংবদন্তি জুস্ত ফন্তেইনের এক আসরে ১৩ গোলের ঐতিহাসিক রেকর্ড স্পর্শ করতে প্রয়োজন আর মাত্র পাঁচটি গোল।সামনে রয়েছে কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল এবং সম্ভাব্য ফাইনাল—অর্থাৎ সর্বোচ্চ তিনটি ম্যাচ। তাই ফুটবলপ্রেমীদের চোখ এখন মেসির দিকেই।আরও পড়ুন, সিরিজ বাঁচাতে আজ মাঠে বাংলাদেশ, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে লড়াইম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমকে মেসি বলেন, ব্যক্তিগত রেকর্ড নয়, দলের সাফল্যই তাঁর মূল লক্ষ্য। তবে মাঠের পারফরম্যান্স বলছে ভিন্ন গল্প। টুর্নামেন্টে ইতোমধ্যেই একাধিক ম্যাচে গোল করে দলকে এগিয়ে নিয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।গোল্ডেন বুটের লড়াইটাও জমে উঠেছে। মেসির পেছনে রয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আর্লিং হালান্ড, দুজনেরই গোল সাতটি। আর ছয় গোল নিয়ে আছেন হ্যারি কেইন।এখন দেখার বিষয়, কোয়ার্টার ফাইনালে মেসি কি আরেকটি ঐতিহাসিক অধ্যায়ের দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে যেতে পারেন।

আইন আদালত

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে আটকের পর কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা সাজিয়ে গুলি ও নির্যাতনের মাধ্যমে পঙ্গু করার অভিযোগে দায়ের করা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার আজ শুরু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলাটির সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) ও সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।আরও পড়ুন, ‘আমি শুধু ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার’: আসামি সোহেলমামলাটি শুনানি করবেন মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। মামলার প্রধান আসামি আনিসুর রহমান-সহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম চলবে।প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর চৌগাছা উপজেলা শাখার তৎকালীন সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন এবং সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিন-কে একটি মামলায় আটক করে পুলিশ। অভিযোগে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারের পর তাদের আদালতে হাজির না করে কয়েকদিন নির্যাতন করা হয়।আরও পড়ুন, শিশু রামিসা হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি আজপ্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ একটি সাজানো ঘটনা তৈরি করে দুই নেতার পায়ে গুলি করা হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে চিকিৎসার একপর্যায়ে তাদের পা কেটে ফেলতে হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় আরও বলা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অস্ত্র মামলাটি পরবর্তীতে আদালতে ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়।এর আগে গত ২০ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। সে সময় আদালতে উপস্থিত আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। বর্তমানে অভিযুক্তদের মধ্যে আকিকুল ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান এবং জহরুল হক কারাগারে রয়েছেন।আরও পড়ুন, সাইপ্রাসে এস আলমের ভবন জব্দের নির্দেশঅন্যদিকে প্রধান আসামি আনিসুর রহমান, সাবেক ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল এবং এসআই মাজেদুল পলাতক রয়েছেন বলে ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানিয়েছে। উল্লেখ্য, মামলার অভিযোগগুলো প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত অভিযোগ। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের রায়ের মাধ্যমে অভিযুক্তদের দায়-দায়িত্ব চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর