দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1004.5 hPa
28° 85%
15mm
চট্টগ্রাম 1005.6 hPa
28.3° 88%
50° 15mm
রাজশাহী 1003.4 hPa
27.5° 83%
10° 15mm
খুলনা 1004 hPa
30° 88%
40° 15mm
বরিশাল 1004.2 hPa
28° 87%
20° 15mm
সিলেট 1005 hPa
27.5° 83%
15mm
রংপুর 1002.9 hPa
30.6° 77%
15mm
ময়মনসিংহ 1004.6 hPa
29° 91%
20° 15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

ডিএমপির কয়েকটি থানায় দৃশ্যমান পরিবর্তন

ডিএমপির কয়েকটি থানায় দৃশ্যমান পরিবর্তন

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে পুলিশ বাহিনীর কার্যক্রমে ধীরে ধীরে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসছে বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। দীর্ঘদিন পর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের সক্রিয়তা, জনবান্ধব আচরণ এবং অপরাধ দমনে দৃশ্যমান তৎপরতায় নতুন করে আশার আলো দেখছেন নগরবাসী। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও জনমুখী করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি, সেবা প্রদান সহজ করা এবং অপরাধ দমনে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমে পুলিশের সক্ষমতা উন্নয়নের চেষ্টা চলছে।আরও পড়ুন: অবৈধ স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযানের পরও থামেনি বাহারের নেটওয়ার্ক!রাজধানী ঢাকা দেশের অর্থনৈতিক, প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক কেন্দ্র হওয়ায় এখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ। প্রতিদিন কোটি টাকার লেনদেন, হাজারো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যালয় এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) আওতাধীন কয়েকটি থানার কার্যক্রম বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে। গুলশান, বনানী, মিরপুর, বংশাল, রামপুরা, পল্টন ও যাত্রাবাড়ি থানার বিভিন্ন উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান ও বনানীতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা, মাদক, প্রতারণা ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে অভিযোগ ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ গ্রহণের কারণে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখন অভিযোগ করলে দ্রুত সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের উপস্থিতিও বেড়েছে। এতে নিরাপত্তা নিয়ে মানুষের মধ্যে আস্থা বাড়ছে।আরও পড়ুন: আইনশৃঙ্খলা শক্তিশালী করতে পুলিশের জন্য ২১২ ডাবল কেবিন পিকআপ অনুমোদনরাজধানীর সবচেয়ে জনবহুল এলাকাগুলোর একটি মিরপুর। এই এলাকায় ছিনতাই, কিশোর গ্যাং ও মাদকসংক্রান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ আগের তুলনায় অনেক বেশি সক্রিয় বলে দাবি স্থানীয়দের। রাতের টহল, সন্দেহভাজনদের ওপর নজরদারি এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম বৃদ্ধির ফলে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলে মনে করছেন বাসিন্দারা।আরও পড়ুন: জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসে বীর শান্তিরক্ষীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন তারেক রহমানপুরান ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ দুটি থানা বংশাল ও পল্টন। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের অভিযোগ থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা দৃশ্যমান হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিয়মিত অভিযান, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার এবং অপরাধপ্রবণ এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধির ফলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।রামপুরা ও যাত্রাবাড়ি এলাকায়ও পুলিশের কার্যক্রমে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ দ্রুত গ্রহণ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা এবং স্থানীয় সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ প্রশংসিত হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, পুলিশের সঙ্গে জনগণের দূরত্ব কমলে অপরাধ প্রতিরোধ আরও সহজ হবে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, পুলিশের সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে জনগণের আস্থা। জনগণ যদি পুলিশের ওপর বিশ্বাস রাখে, তাহলে অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা অনেক সহজ হয়ে যায়। তারা বলছেন, শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না, অভিযানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। পাশাপাশি অপরাধী যে-ই হোক, তার বিরুদ্ধে সমানভাবে আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।আরও পড়ুন: প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদবর্তমানে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সিসিটিভি মনিটরিং, ডিজিটাল অভিযোগ ব্যবস্থা, অনলাইন সেবা এবং তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। এতে অপরাধ শনাক্তকরণ ও তদন্তের গতি বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার যত বাড়বে, অপরাধ দমনে তত বেশি সফলতা আসবে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, পুলিশের এই ইতিবাচক পরিবর্তন যেন সাময়িক না হয়। বরং এটি যেন একটি স্থায়ী সংস্কৃতিতে পরিণত হয়। দুর্নীতি, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রেখে জনগণের আস্থা আরও শক্তিশালী করতে হবে। অনেকের মতে, রাজধানীর কয়েকটি থানায় যে পরিবর্তনের বার্তা দেখা যাচ্ছে, সেটি পুরো পুলিশ বাহিনীর জন্য একটি ইতিবাচক উদাহরণ হতে পারে।আরও পড়ুন: সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী মান্নানের সহকারী একান্ত সচিব' হাসনাত জেল হাজতেরাজধানীর বিভিন্ন এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলে যে চিত্র পাওয়া গেছে, তাতে স্পষ্ট পুলিশের কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত সাধারণ মানুষ অনুভব করতে শুরু করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পেশাদারিত্ব, জবাবদিহিতা ও জনসম্পৃক্ততা বাড়লে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন তারা। সব মিলিয়ে, পুলিশের পরিবর্তনের এই ধারা জনমনে নতুন আশা তৈরি করেছে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে এটাই এখন সবার প্রত্যাশা।  

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

পেকুয়ায় উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে বক্তব্য তারেক রহমানের

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার দুপুর দেড়টায় ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। পরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রায় ২৫ বছর আগে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া পেকুয়া উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। আজ সেই ধারাবাহিকতায় বিএনপি সরকার পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলো।তারেক রহমান বলেন, “এটি বারবার আরো পড়ুন , সৌদি থেকে ফিরেছেন ৫৪ হাজারের বেশি হাজি, এখনও হাসপাতালে ১৮ জনপ্রমাণ করে, বিএনপি যখন রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকে তখন জনগণের জন্য কাজ করে, দেশের কল্যাণে কাজ করে।”তিনি আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় না থাকলেও মানুষের কল্যাণ ও দেশের স্বার্থে কাজ করে এবং জনমানুষের কথা বলে। তাঁর ভাষায়, “বিএনপির ক্ষমতায় থাকুক আর না থাকুক, দলের প্রধান লক্ষ্য দেশ ও মানুষের স্বার্থ রক্ষা।”অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ বিভিন্ন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।স্থানীয়দের মতে, পেকুয়া পৌরসভা বাস্তবায়িত হলে নাগরিক সেবা সম্প্রসারণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

সৌদি থেকে ফিরেছেন ৫৪ হাজারের বেশি হাজি, এখনও হাসপাতালে ১৮ জন

পবিত্র হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরছেন বাংলাদেশি হাজিরা। এখন পর্যন্ত ১২৭টি ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন ৫৪ হাজার ৩২৩ জন হজযাত্রী। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্যে এ তথ্য জানা গেছে।ফিরে আসা হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় এসেছেন ৪ হাজার ৩১৩ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৫০ হাজার ১০ জন।তবে হজ সম্পন্ন হওয়ার আগে ও পরে এখন পর্যন্ত সৌদি আরবে মারা গেছেন ৫০ জন বাংলাদেশি হাজি। মৃতদের মধ্যে ৩৩ জন পুরুষ ও ১৭ জন নারী। এর মধ্যে মক্কায় মারা গেছেন ৩৫ জন, মদিনায় ১৪ জন এবং জেদ্দায় একজন।ফিরতি হজযাত্রী পরিবহনে শীর্ষে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। সংস্থাটি এখন পর্যন্ত ২২ হাজার ৯৫২ জন হাজিকে দেশে ফিরিয়েছে। এছাড়া সৌদি এয়ারলাইনস পরিবহন করেছে ১৯ হাজার ২৮৫ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ফিরিয়েছে ৮ হাজার ৩৮০ জন আরো পড়ুন, জুলাই আন্দোলনের শহীদের কবর জিয়ারত, ওয়াসিম পরিবারকে সহায়তার ঘোষণাহাজিকে। অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে দেশে ফিরেছেন আরও ৩ হাজার ৭০৬ জন।হজযাত্রীদের দেশে ফেরাতে মোট ১২৭টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ পরিচালনা করেছে ৫৮টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৪৮টি এবং ফ্লাইনাস পরিচালনা করেছে ২১টি ফ্লাইট।এদিকে সৌদি আরবে বাংলাদেশি চিকিৎসাকেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে ৬২ হাজার ৮৩৭টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র দেওয়া হয়েছে। আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে সেবা পেয়েছেন ২৭ হাজার ৬৬৫ জন।বর্তমানে সৌদির বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৮ বাংলাদেশি হাজি। মোট ৪১০ জন চিকিৎসা নিয়েছেন বিভিন্ন হাসপাতালে।ল্লেখ্য, চলতি বছরের পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় ২৬ মে। বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজে অংশ নেন। প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় ৩০ মে, আর শেষ ফিরতি ফ্লাইট নির্ধারিত রয়েছে আগামী ৩০ জুন।

জুলাই আন্দোলনের শহীদের কবর জিয়ারত, ওয়াসিম পরিবারকে সহায়তার ঘোষণা

চব্বিশের জুলাইয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শহীদ মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার দুপুরে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মেহেরনামা বাজারপাড়া এলাকায় যান তিনি।প্রধানমন্ত্রী শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত করে দোয়া ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজলসহ স্থানীয় আরো পড়ুন , “চীন সফর শেষে দেশে কায়সার কামাল”ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতারা।কবর জিয়ারতের পর ওয়াসিম আকরামের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং তাদের প্রতি সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে পরিবারের হাতে ২০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র তুলে দেন তিনি।উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই চট্টগ্রামের মুরাদপুর এলাকায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষে নিহত হন ওয়াসিম আকরাম। তিনি চট্টগ্রাম কলেজের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের স্নাতক চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। পাশাপাশি কলেজ ছাত্রদলের সদস্য হিসেবেও যুক্ত ছিলেন।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর এ ধরনের উদ্যোগ সরকারের রাজনৈতিক ও মানবিক বার্তা বহন করছে।

“চীন সফর শেষে দেশে কায়সার কামাল”

চার দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের সংসদীয় দল। শনিবার দুপুর ২টায় ঢাকায় পৌঁছান তারা।চীনের ইউনান প্রদেশের ভাইস গভর্নর ইয়ুয়ান ফাং কুনমিং বিমানবন্দরে ভিআইপি প্রটোকলে বিদায় জানান ডেপুটি স্পিকারকে। স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে প্রতিনিধি দল।চীনের ইউনান প্রদেশের গভর্নরের আমন্ত্রণে ১১ জুন অনুষ্ঠিত সপ্তম চায়না-সাউথ এশিয়া ফোরামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য দেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।আরো পড়ুন , বিএনপির রাজনীতি মানুষের জন্য পথসভায় তারেক রহমানএদিকে, চলমান দশম চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপোজিশনে ‘থিম কান্ট্রি’ হিসেবে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। দেশীয় পণ্য নিয়ে ৮৪টি প্যাভিলিয়ন অংশ নিচ্ছে এবারের আয়োজনে। ১৬ জুন পর্যন্ত চলা আন্তর্জাতিক এই বাণিজ্য মেলায় বিশ্বের ৬৮টি দেশ অংশ নিচ্ছে।সফরকালে চীনের পিপলস কংগ্রেসের ভাইস চেয়ারম্যান হি ওয়াই, কমিউনিস্ট পার্টির ইউনান প্রদেশের সেক্রেটারি ওয়াং নিং এবং গভর্নর ওয়াং ইয়োবোর সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেন ডেপুটি স্পিকার।দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে কুনমিং-চট্টগ্রাম সরাসরি সংযোগ সড়ক নির্মাণের প্রস্তাব দেন তিনি। পাশাপাশি তিস্তা ব্যারেজ নির্মাণে চীনা সহযোগিতা অব্যাহত রাখা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিল্প, অর্থনৈতিক অঞ্চল, পরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নে আরও সহযোগিতা কামনা করেন।এ সময় চলতি মাসের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য চীন সফরের বিষয়টিও আলোচনায় আসে। জবাবে চীনা প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

রাজনীতিরাজনীতি

ভারত-বাংলাদেশ ‘এক হয়ে যাওয়ার’ মন্তব্যে উদ্বেগ, সরকারের ব্যাখ্যা চাইলেন জামায়াত আমির

ভারত-বাংলাদেশ ‘এক হয়ে যাওয়ার’ মন্তব্যে উদ্বেগ, সরকারের ব্যাখ্যা চাইলেন জামায়াত আমির

ভারতীয় হাইকমিশনারের মন্তব্যে বিতর্ক, ব্যাখ্যা দাবি শফিকুর রহমানেরবাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কূটনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।তিনি বলেন, “ভারত-বাংলাদেশ এক হয়ে যাওয়ার” মতো মন্তব্য কী অর্থে বলা হয়েছে, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন।আরও  পড়ুন , ‘গুমের নাটক সাজিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চাইছে শিবির’ : রাশেদ খানতার মতে, বাংলাদেশ ও ভারত দুইটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র, তাই এ ধরনের বক্তব্যের ব্যাখ্যা না থাকলে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।তিনি সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন, বিষয়টি দ্রুত পরিষ্কার করে জনসম্মুখে ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য।কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের বক্তব্যকে ঘিরে ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে উভয় দেশেরই আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন।এ ঘটনায় সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনা চলছে।

‘গুমের নাটক সাজিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চাইছে শিবির’ : রাশেদ খান

‘গুমের নাটক সাজিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চাইছে শিবির’ : রাশেদ খান

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের এক কেন্দ্রীয় নেতাকে ঘিরে আলোচিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংগঠনটির বিরুদ্ধে ‘গুমের নাটক’ সাজানোর অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান।নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি দাবি করেন, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসানকে ঘিরে ওঠা বিতর্ক আড়াল করতে রাজনৈতিকভাবে একটি ‘গুমের নাটক’ তৈরি করা হয়েছে।রাশেদ খান অভিযোগ করেন, জিসান এক নারীর সঙ্গে প্রতারণা ও ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত। আরও  পড়ুন, ‘চানাচুরের মতো বাজেট, দেখতে ভালো কিন্তু পুষ্টিগুণ নেই’ : নাহিদ ইসলামপরে আত্মগোপনে গিয়ে তাকে ‘গুম’ করা হয়েছে বলে প্রচার চালানো হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকারকে দায়ী করে ছাত্রশিবির বিক্ষোভ কর্মসূচিও পালন করেছে।এদিকে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান-এর বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন রাশেদ খান। তিনি দাবি করেন, গুম একটি গুরুতর অপরাধ, তবে ‘গুমের নাটক’ করাও সমান গুরুতর বিষয়।তবে এ বিষয়ে ছাত্রশিবির বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

‘চানাচুরের মতো বাজেট, দেখতে ভালো কিন্তু পুষ্টিগুণ নেই’ : নাহিদ ইসলাম

‘চানাচুরের মতো বাজেট, দেখতে ভালো কিন্তু পুষ্টিগুণ নেই’ : নাহিদ ইসলাম

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বাজেটকে ‘উচ্চাভিলাষী, বাস্তবতাবিবর্জিত ও ঋণগ্রস্ত’ হিসেবে উল্লেখ করে এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নাহিদ ইসলাম বলেন, বাজেটের বাহ্যিক চাকচিক্য থাকলেও সাধারণ মানুষের জন্য এতে বাস্তব কোনো সুফল নেই। তিনি রূপকভাবে বলেন, “এই বাজেট অনেকটা চানাচুরের মতো—দেখতে আকর্ষণীয়, খেতেও ভালো লাগতে পারে, কিন্তু এর কোনো পুষ্টিগুণ নেই।”নাহিদের অভিযোগ, অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তব্যে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়নের কথা বললেও ব্যাংকিং খাত সংস্কার, ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, অর্থপাচারকারীদের জবাবদিহির আওতায় আনা কিংবা অভ্যন্তরীণ রাজস্ব বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে কার্যকর কোনো দিকনির্দেশনা দেননি। আরও  পড়ুন, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট বাস্তবসম্মত নয়: ফয়জুল করিমতিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি বর্তমানে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবসম্মত সংস্কারের পরিবর্তে ঋণনির্ভর প্রবৃদ্ধিকে উৎসাহিত করবে। ফলে দেশি-বিদেশি ঋণের পরিমাণ এবং মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়তে পারে।ব্যাংকিং খাত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক প্রভাব ও দলীয়করণের কারণে ব্যাংকিং খাতে সাধারণ আমানতকারীদের আস্থা কমছে। ইসলামী ব্যাংকের প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, ব্যাংকটিকে আবারও একটি প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে দেওয়ার চেষ্টা চলছে, যা ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতার জন্য উদ্বেগজনক।তিনি আরও বলেন, বাজেটের সুষ্ঠু বাস্তবায়নের জন্য বিচার বিভাগ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সংস্কার অত্যন্ত জরুরি। এসব প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর ও স্বাধীন না করা গেলে বড় বাজেটের আড়ালে দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।নাহিদ ইসলামের ভাষ্য, রাজনৈতিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা ছাড়া অর্থনৈতিক সংস্কার সফল হবে না। তাই জনগণের কল্যাণে কার্যকর বাজেট বাস্তবায়নের জন্য রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট বাস্তবসম্মত নয়: ফয়জুল করিম

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট বাস্তবসম্মত নয়: ফয়জুল করিম

সরকার ঘোষিত নতুন বাজেটকে ‘ভঙ্গুর অর্থনীতির ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া উচ্চাভিলাষী বাজেট’ আখ্যা দিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম।বৃহস্পতিবার বিকেলে সিলেট নগরীর সারদা হলে জেলা ও মহানগর ইসলামী আন্দোলনের উদ্যোগে আয়োজিত দায়িত্বশীল সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।ফয়জুল করিম বলেন, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেটের বিপরীতে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি রয়েছে। এই ঘাটতি পূরণে সরকারকে দেশি-বিদেশি উৎস থেকে ঋণ নিতে হবে, আরও পড়ুন , প্রবাসীদের ‘টাকার মেশিন’ নয়, বীরের মর্যাদা দেওয়ার আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতারযা ব্যাংক খাতের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে এবং সাধারণ মানুষের ওপর অর্থনৈতিক বোঝা আরও বাড়াবে।তিনি দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। খুন, গুম, ধর্ষণ, অপহরণ, ছিনতাই ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের ঘটনা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।সীমান্তে পুশইন ও উত্তেজনার জন্য সরকারের পররাষ্ট্রনীতির সমালোচনা করে সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান ফয়জুল করিম। পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষায় ঢোল-তবলা ও নৃত্য শিক্ষার উদ্যোগ বন্ধ না হলে কঠোর আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

সারাবাংলা

গলা চেপে ধরবে জানতাম না’ ভয়াবহ রাতের বর্ণনা দিলেন নাঈম হাসান

গলা চেপে ধরবে জানতাম না’ ভয়াবহ রাতের বর্ণনা দিলেন নাঈম হাসান

চট্টগ্রামে পুলিশের বিরুদ্ধে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ তুলে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসান। তিনি বলেছেন, সিএনজি অটোরিকশায় তুলে নেওয়ার সময় খুব ভয় পেয়েছিলেন এবং স্থানীয় লোকজন না থাকলে ঘটনা আরও ভয়াবহ হতে পারত।শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের বহদ্দারহাটের ফরিদাপাড়া এলাকায় নিজ বাসায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গত শুক্রবার রাতের ঘটনার বর্ণনা দেন নাঈম।তিনি বলেন, “যখন সিএনজিতে তুলে ফেলে, তখন খুব ভয় পেয়েছিলাম। সেখানে ১০০ থেকে ১২০ জনের মতো সমর্থক ভাইয়ারা না থাকলে ঘটনাটি অন্য রকম হতো।” নাঈম জানান, পুলিশ তাঁকে খুলশী থানায় নিয়ে গেলে স্থানীয় লোকজনও থানায় যান, ফলে “অন্য কিছু ট্রাই করতে পারেনি”।ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে নাঈম বলেন, তিনি সাদাসিধে জীবনযাপন করেন এবং পুলিশ আরো পড়ুন , জ্বালানির দাম বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষোভ, গাইবান্ধায় মাঠে সিপিবিচাইলে তাঁর জিনিসপত্র তল্লাশি করতে পারত। কিন্তু তাঁকে না জানিয়ে গলা চেপে ধরা ও হেনস্তা করায় তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।নাঈম আরও অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি তামিম ইকবাল ফোন করার পর পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়। তাঁর ভাষায়, “তামিম ভাই ফোন দেওয়ায় কাজ হয়েছে।” তবে থানায় ওসির সঙ্গে কথা বলার সময় তাঁকে চুপ থাকতে ইশারা করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে ফেরার পর লালখান বাজার এলাকায় অটোরিকশা থেকে নামিয়ে তাঁকে লাঠি ও পাইপ দিয়ে মারধরের অভিযোগ ওঠে খুলশী থানার এক এসআই ও পুলিশের সোর্সের বিরুদ্ধে।এ ঘটনায় খুলশী থানার এসআই শফিকুল ইসলাম ও কনস্টেবল রাসেল চৌধুরীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ। পুলিশের সোর্স সোহেলকেও আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিএমপি কমিশনার।

. জ্বালানির দাম বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষোভ, গাইবান্ধায় মাঠে সিপিবি

. জ্বালানির দাম বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষোভ, গাইবান্ধায় মাঠে সিপিবি

জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ এবং সরকারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি—সিপিবি। একই সঙ্গে হামে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের বিচার এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘অসম বাণিজ্য চুক্তি’ বাতিলের দাবিও জানিয়েছে দলটি।শনিবার বেলা ১১টায় গাইবান্ধা সদর উপজেলা শাখা কমিটির উদ্যোগে শহরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি আরো পড়ুন , জুলাই আন্দোলনের শহীদের কবর জিয়ারত, ওয়াসিম পরিবারকে সহায়তার ঘোষণাশহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পদক্ষেপ থিয়েটার মিলনায়তনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত হয় সাধারণ সভা।সভায় বক্তব্য দেন সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্যাহ ক্বাফী রতন। তিনি অভিযোগ করেন, দেশের জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম দফায় দফায় বাড়ানো হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও কঠিন করে তুলছে।তিনি আরও বলেন, সরকার যে বাজেট উপস্থাপন করেছে তা ‘গতানুগতিক ধনিক তোষণ বাজেট’। এতে কৃষক, ক্ষেতমজুর ও মেহনতি মানুষের স্বার্থ উপেক্ষিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।সমাবেশে হামে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের বিচারের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো ‘অসম বাণিজ্য চুক্তি’ বাতিলের আহ্বান জানানো হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মিহির ঘোষ, কেন্দ্রীয় সংগঠক কাফি সরকার, জেলা কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুরাদ জামান রব্বানীসহ দলীয় নেতারা।

৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন গংগাচড়ায়

৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন গংগাচড়ায়

সরকারের নেওয়া ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে রংপুরের গংগাচড়া উপজেলায়। আজ শনিবার দুপুরে উপজেলার পশ্চিম মান্দ্রাইন চেংমারী উচ্চবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন রংপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. রায়হান সিরাজী।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার–এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হামিদুল ইসলাম, উপজেলা বন কর্মকর্তা আখতারুল ইসলাম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাহফুজুর রহমান, উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মারুফা আক্তার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সাইদ মো. আরিফ মাহফুজ, এমপি রায়হান সিরাজীর প্রতিনিধি মাওলানা নায়েবুজ্জামান, সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান দুলু এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আফরোজা বেগম। এ ছাড়া শিক্ষক, শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।আরও  পড়ুন ,​ধামরাইয়ে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনপ্রধান অতিথির বক্তব্যে রায়হান সিরাজী বলেন, বৃক্ষ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সহায়তা করে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সবাইকে বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে এবং সেগুলোর পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। সরকারের এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, লাগানো গাছের সঠিক পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে।অনুষ্ঠান শেষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা রোপণ করা হয়।

​ধামরাইয়ে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

​ধামরাইয়ে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত ৫ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় ঢাকার ধামরাইয়ে চারা রোপণ ও বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।​আজ দুপুরে ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ তমিজ উদ্দিন ধামরাই উপজেলা পরিষদ চত্বরে একটি ফলজ ও একটি ওষুধি গাছের চারা রোপণ করে এই সবুজায়ন প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেন।দেশব্যাপী পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর এই বিশেষ উদ্যোগ বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ একযোগে কাজ করছেন।​পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য সবুজ বাংলাদেশ গড়তে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। ধামরাইকে একটি সবুজ ও আদর্শ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি এ কথা বলেন মোঃ তমিজ উদ্দিন, সংসদ সদস্য, ঢাকা-২০। ​উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আরও  পড়ুন,থানার ১০০ গজের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা সংসদে লুটপাট, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা পরিবেশ রক্ষায় গাছের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং সাধারণ মানুষকে নিজ নিজ উদ্যোগে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ,​বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচির এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,​মোঃ আল মামুন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও), ধামরাই।মোঃ ​রিদওয়ান আহমেদ রাফি, সহকারী কমিশনার (ভূমি), ধামরাই। মোঃ গোলাম নবী, পৌরসভা সচিব,ধামরাই। ​শামসুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক, ধামরাই থানা বিএনপি।​আতিকুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, ধামরাই পৌর বিএনপি। মোঃ আনোয়ার জাহিদ তালুকদার, সহ-সভাপতি, ধামরাই পৌর বিএনপি, মোঃ আশিকুজ্জামান স্বপন, সাধারণ সম্পাদক, ধামরাই পৌর বিএনপি,​ইঞ্জিঃ মারুফ শিকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক, ধামরাই পৌর বিএনপি। উদ্বোধন শেষে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের মাঝে বিনামূল্যে ৩০৮০০ ফলজ, বনজ ও ওষুধি গাছের চারা বিতরণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে ধামরাইয়ের বিভিন্ন ইউনিয়ন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই চারা বিতরণ ও রোপণ কার্যক্রম জোরদার করা হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

আন্তর্জাতিক

. তেহরান-ওয়াশিংটন সমঝোতা ঘিরে রাশিয়া-চীনের সঙ্গে ইরানের সমন্বয় বৈঠক

. তেহরান-ওয়াশিংটন সমঝোতা ঘিরে রাশিয়া-চীনের সঙ্গে ইরানের সমন্বয় বৈঠক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য খসড়া সমঝোতা স্মারকের ‘সবশেষ অগ্রগতি’ নিয়ে তেহরানে রাশিয়া ও চীনের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি।ইরানের স্টুডেন্টস নিউজ এজেন্সি—আইএসএনএ-তে প্রকাশিত বিবৃতি অনুযায়ী, বৈঠকে ইসলামাবাদে আলোচিত খসড়া সমঝোতা স্মারক নিয়ে সর্বশেষ পরিস্থিতি ও অগ্রগতি নিয়ে মতবিনিময় হয়।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরান, চীন ও রাশিয়ার মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার পাশাপাশি সমন্বয় ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও পাকিস্তানের কর্মকর্তারা তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথা বললেও এর আরো পড়ুন , যুদ্ধের ইতি নয়, কৌশলগত সুবিধা চাইছে ইসরায়েল আল জাজিরার দাবিসুনির্দিষ্ট শর্ত প্রকাশ করা হয়নি।এর আগে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ইরানি প্রতিপক্ষের বেইজিং সফরের সময় চলমান আলোচনায় সমর্থন জানানোর প্রতিশ্রুতি দেন। একই সময়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকেও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবস্থান নিয়ে ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দেওয়ার দাবি সামনে আসে।এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ দাবি করেছেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে একটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ইরানের সংসদ স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ বলেছেন, চূড়ান্ত বিজয় না আসা পর্যন্ত তেহরান তার অবস্থানে অটল থাকবে।তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে তীব্র সমালোচনা করেন এবং বলেন, “আমরা শেষ পর্যন্ত দৃঢ় থাকব।”বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান তার কূটনৈতিক অবস্থানকে রাশিয়া-চীন জোটের সঙ্গে সমন্বয় করে আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে।

২ ঘন্টা আগে

রাজধানী

গুলশানে স্পা নেটওয়ার্কের নেপথ্যে কে এই নুর-ইসলাম?

গুলশানে স্পা নেটওয়ার্কের নেপথ্যে কে এই নুর-ইসলাম?

রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান, বনানী ও বারিধারা দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত| তবে সময়ে সময়েই এসব এলাকায় কথিত স্পা সেন্টার, ওয়েলনেস সেন্টার ও হোটেল ব্যবসার আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ সামনে এসেছে| সাম্প্রতিক সময়ে এমনই এক আলোচিত নাম নুর ইসলাম, যাকে ঘিরে স্থানীয় ব্যবসায়ী মহল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সূত্র এবং সংশ্লিষ্ট মহলে নানা আলোচনা চলছে| একাধিক সূত্রের দাবি, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে স্পা ও হোটেল ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন নুর ইসলাম| যদিও তিনি প্রকাশ্যে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে থাকেন এবং নিজেকে একজন ˆবধ ব্যবসায়ী ও ডেভেলপার হিসেবে পরিচয় দেন| তবে অভিযোগকারীদের দাবি, তার প্রকৃত ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড এবং প্রকাশ্য পরিচয়ের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য রয়েছে|আরও পড়ুন: গুলশানে স্পা সেন্টারে অভিযান: মালিকসহ নারী সিন্ডিকেট গ্রেফতার ও মামলা প্রক্রিয়াধীনস্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গুলশানের ৫৫ ও ৪৭ নং রোডে অবস্থিত কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নুর ইসলামের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে| যদিও এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকানা নিয়ে প্রকাশ্যে খুব বেশি তথ্য পাওয়া যায় না| অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে নিজের সরাসরি সম্পৃক্ততা আড়াল করার চেষ্টা করা হয়|আরও পড়ুন: ভারত-বাংলাদেশ ‘এক হয়ে যাওয়ার’ মন্তব্যে উদ্বেগ, সরকারের ব্যাখ্যা চাইলেন জামায়াত আমিরসংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি দাবি করেছেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভিন্ন ভিন্ন ব্যবস্থাপনা কাঠামো থাকলেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ একই কেন্দ্র থেকে পরিচালিত হয়| তবে এই দাবির পক্ষে আনুষ্ঠানিক কোনো নথি প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি| ব্যবসায়ী মহলে প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন সময় নুর ইসলাম তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অ¯^ীকার করে বলেছেন, তিনি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিক নন| বরং তিনি নিজেকে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও ডেভেলপার হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন| তবে অভিযোগকারীরা বলছেন, মালিকানা সরাসরি নিজের নামে না থাকলেও বিভিন্ন প্রতিনিধি, ম্যানেজার বা সহযোগীর মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনার কৌশল নতুন কিছু নয়| ফলে প্রকৃত মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন|আরও পড়ুন: কেরানীগঞ্জে নিষিদ্ধ সংগঠনের ছয় নেতা–কর্মী গ্রেফতার, ডিবির অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বছর ধরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন নুর ইসলাম| এই সময়ে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসার পাশাপাশি স্পা ও হোটেল খাতেও তার প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে|আরও পড়ুন: রামপুরায় প্রকাশ্যে গুলিতে ‘কাইল্যা পলাশ’ গুরুতর আহত, আইসিইউতে চিকিৎসাধীনস্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে পরিচালিত কোনো ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও প্রশাসনিক নানা সম্পর্ক ˆতরি হয়| ফলে এসব বিষয়ে তদন্ত করতে হলে আর্থিক লেনদেন, মালিকানা কাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা গভীরভাবে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন| শুধু স্পা ব্যবসাই নয়, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় হোটেল ব্যবসার সঙ্গেও নুর ইসলামের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে| অভিযোগকারীদের দাবি, কিছু প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্য মালিকানা না থাকলেও নেপথ্যে তার প্রভাব রয়েছে| তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে নির্ভরযোগ্য নথিপত্র বা আদালতের সিদ্ধান্ত ছাড়া চূড়ান্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয় বলে মনে করেন আইন বিশেষজ্ঞরা|সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্রের দাবি, অতীতে নুর ইসলামের বিরুদ্ধে মানবপাচার দমন আইনে মামলা হয়েছে| তবে মামলার বর্তমান অবস্থা, বিচারিক অগ্রগতি কিংবা আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি|আরও পড়ুন: উত্তরায় পুলিশের নাকের ডগায় গ্রান্ড প্লাজায় সোহেলের অসামাজিক কার্যক্রমআইন বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা থাকা এবং আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়া এক বিষয় নয়| তাই সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুযায়ী অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই উপস্থাপন করা উচিত এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার প্রতি সম্মান দেখানো প্রয়োজন| সম্প্রতি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কথিত স্পা সেন্টার ও হোটেল ব্যবসার ওপর নজরদারি বৃদ্ধি করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী| বিশেষ করে গুলশান ও বনানী এলাকায় পরিচালিত একাধিক অভিযানের পর অনেক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নতুন করে আলোচনায় এসেছে|আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে| কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান প্রভাবশালী হলেই তাকে ছাড় দেওয়া হবে না| নুর ইসলামকে ঘিরে সবচেয়ে বড় প্রশ্নগুলোর একটি হলো, তিনি কি কেবল একজন ডেভেলপার ও বিনিয়োগকারী, নাকি অভিযোগকারীদের দাবি অনুযায়ী বিভিন্ন ব্যবসার নেপথ্য নিয়ন্ত্রক? আরও পড়ুন: মুগদা পেট্রল পাম্প সংলগ্ন হোটেল গ্রীন সিলেট ঘিরে চাঞ্চল্যগুলশান ও বনানী এলাকার অনেক বাসিন্দা মনে করেন, কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যদি দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখা| একই সঙ্গে অভিযোগ মিথ্যা হলে সেটিও স্পষ্টভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন| তাদের মতে, আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ হলে জনমনে আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে| বর্তমানে নুর ইসলামকে ঘিরে যে অভিযোগ, আলোচনা ও প্রশ্ন ˆতরি হয়েছে, তার সঠিক উত্তর দিতে পারে কেবল নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিক তদন্ত| অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, আর অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে সেটিও স্পষ্ট হয়ে উঠবে| আরও পড়ুন: ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন গংগাচড়ায়তবে একটি বিষয় স্পষ্ট রাজধানীর স্পা ও হোটেল ব্যবসা নিয়ে যে আলোচনা চলছে, সেখানে নুর ইসলাম নামটি এখন অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে| আর সেই কারণেই তাকে ঘিরে ওঠা অভিযোগ, ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততা এবং বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর জানতে আগ্রহ বাড়ছে সংশ্লিষ্ট মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে|

৫ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন