দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

সাভার গেন্ডায় ঢাকা ইন গেস্ট হাউজে জুলহাসের অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মাদক সিন্ডিকেট

কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা / সাভার গেন্ডায় ঢাকা ইন গেস্ট হাউজে জুলহাসের অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মাদক সিন্ডিকেট

ঢাকার সাভার থানাধীন গেন্ডা এলাকায় আবাসিক হোটেল ও গেস্ট হাউজকে ঘিরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, মাদক বেচাকেনা এবং অপরাধী চক্রের তৎপরতার অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গেন্ডা এলাকার ‘ঢাকা ইন গেস্ট হাউজ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে জড়িত জুলহাস নামের এক ব্যক্তিকে ঘিরে মানব পাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগও রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে পূর্ণাঙ্গ যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া জরুরি। অভিযোগের সত্যতা নিরূপণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।সরেজমিন অনুসন্ধান ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গেন্ডা এলাকায় আবাসিক হোটেল ও গেস্ট হাউজের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কিছু কিছু ক্ষেত্রে বৈধ অনুমোদন, ব্যবসায়িক লাইসেন্স, অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা, অতিথিদের তথ্য সংরক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন রয়েছে কি না—তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়মিত নজরদারি ও যথাযথ যাচাই না থাকায় কিছু প্রতিষ্ঠান অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছে।আরও  পড়ুন : বনানীতে গেস্ট হাউজ-স্পা, ওসির ভূমিকা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্নস্থানীয়দের একটি অংশের দাবি, ঢাকা ইন গেস্ট হাউজের সঙ্গে জুলহাস নামের এক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তাকে ঘিরে মানব পাচার ও বিভিন্ন স্থানে গেস্ট হাউজ, আবাসিক হোটেল এবং কথিত অনৈতিক ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের ব্যবসার সঙ্গে তিনি যুক্ত বলে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা রয়েছে। তবে জুলহাসের বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব অভিযোগের পক্ষে আদালতের রায় বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিশ্চিত তথ্য পাওয়া না গেলেও তাকে অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে উল্লেখ করেছেন স্থানীয়রা। ঢাকা ইন গেস্ট হাউজকে ঘিরে মাদক বেচাকেনা ও সরবরাহের অভিযোগও তুলেছেন স্থানীয় কয়েকজন। তাদের দাবি, বিভিন্ন বয়সী তরুণদের আনাগোনা এবং রাতের বেলায় সন্দেহজনক ব্যক্তিদের চলাচল নিয়ে এলাকায় উদ্বেগ রয়েছে। গেস্ট হাউজের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো যদি যথাযথভাবে তদারকি না করা হয়, তাহলে সেখানে মাদক ব্যবসায়ী বা অপরাধী চক্রের সদস্যরা সহজেই অবস্থান নেওয়ার সুযোগ পেতে পারে। বিশেষ করে তরুণদের মাদকাসক্তির ঝুঁকি বাড়লে তার প্রভাব পড়ে পরিবার ও সামাজিক পরিবেশের ওপর। প্রতিষ্ঠানের মালিক জুলহাসের দালাল চক্র খদ্দের যোগানের তাগিদে বিভিন্ন সোসাল মিডিয়াতে সুন্দরী নারীদের ছবি দিয়ে প্রচার করে থাকে এবং ওইসব খদ্দেররা তাদেও হাতে ব্ল্যাক মেইলের শিকার হয় বলে জানা গেছে।আরও  পড়ুন :পুলিশে একের পর এক রদবদল, অপরাধ দমনে নতুন পরীক্ষাসাভার এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও বিভিন্ন সময়ে তৎপরতা চালিয়েছে। চলতি বছর ঢাকা জেলার পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকেও মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদারের কথা জানানো হয়েছে।গেন্ডা এলাকায় কিশোর ও তরুণদের একটি অংশকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের মতে, মাদক, আড্ডা, অপরাধপ্রবণ পরিবেশ এবং অপরাধীদের আনাগোনা কিশোরদের একটি অংশকে বিপথে ঠেলে দিতে পারে। কোনো এলাকায় মাদক বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিস্তার ঘটলে সেখানে কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও বাড়ে। এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মারামারি, মাদক পরিবহনসহ নানা অপরাধ। তবে গেন্ডা এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে ঢাকা ইন গেস্ট হাউজের সরাসরি সাংগঠনিক সম্পর্ক রয়েছে—এমন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া না গেলেও আলোচনায় এসেছে।  আরও  পড়ুন:গুলশানে গেস্ট হাউজ-স্পা, পেছনে মিরাজের অজানা সাম্রাজ্য?একটি আবাসিক হোটেল বা গেস্ট হাউজ পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন, ব্যবসায়িক লাইসেন্স, অগ্নিনিরাপত্তা এবং অতিথিদের তথ্য সংরক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। কোনো প্রতিষ্ঠান এসব নিয়ম না মেনে পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা প্রশাসনের নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। সাভার ও আশুলিয়া এলাকায় গেস্ট হাউজকে কেন্দ্র করে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ নিয়ে এর আগেও সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। ২০২৬ সালের একটি প্রতিবেদনে গেন্ডাসহ সাভারের বিভিন্ন এলাকায় গেস্ট হাউজ ও আবাসিক হোটেলকে ঘিরে এমন অভিযোগের কথা উঠে আসে। বাংলাদেশ পুলিশও মানব পাচারসংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট ব্যবস্থা রেখেছে। পুলিশ সদর দপ্তরের সেবা সংক্রান্ত তথ্যে মানব পাচার অপরাধের অভিযোগ গ্রহণের কথা উল্লেখ রয়েছে। অন্যদিকে, গেস্ট হাউজ বা আবাসিক প্রতিষ্ঠানের আড়ালে অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে কি না, তা যাচাইয়ে পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট অনুমোদনকারী সংস্থার সমন্বিত নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।ঢাকা ইন গেস্ট হাউজের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ এবং জুলহাসের সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে তার বক্তব্য জানার চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায়নি। প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ বা জুলহাসের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তি প্রতিবেদনে যথাযথভাবে সংযোজন করা হবে।অভিযোগের সত্যতা থাকলে দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে সেটিও তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হবে। কারণ কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগের কারণে পুরো ব্যবসায়ী বা আবাসিক হোটেল খাতকে প্রশ্নবিদ্ধ না করে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়াই হতে পারে কার্যকর সমাধান। গেন্ডার মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় অপরাধ, মাদক ও মানব পাচারের মতো অভিযোগকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। একই সঙ্গে অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত না করে নিরপেক্ষ অনুসন্ধান ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করাও জরুরি।আর ও পড়ুন :তৃণমূলের কাণ্ডারী বকুল: ফরিদপুর বিএনপিতে ফের নেতৃত্বের আশাবাদএবিষয়ে সাভার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, গেন্ডা এলাকায় কোনো গেস্ট হাউজ বা আবাসিক প্রতিষ্ঠানের আড়ালে মাদক, মানব পাচার কিংবা কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে—এমন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা তথ্য পাওয়া গেলে তা আইনের আওতায় আনা হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করছে। কোনো প্রতিষ্ঠান বৈধ অনুমোদন ছাড়া পরিচালিত হচ্ছে কি না, সেটিও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে যাচাই করা হবে। তিনি বলেন, অপরাধের সঙ্গে কারও সম্পৃক্ততা তদন্তে প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

জাতিসংঘে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিউইয়র্কে অবস্থানকালে বিশ্বনেতা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠকে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় তুলে ধরছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর এসব বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকট। জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেন তারেক রহমান। এ ছাড়া জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহর সঙ্গেও বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। আলোচনায় রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান এবং বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে। আড়ও পড়ুন,আজ রাতে বাংলায় জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমাননিউইয়র্কে তুর্কি হাউসে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের সঙ্গেও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন তারেক রহমান। সেখানে বাংলাদেশ ও তুরস্কের সম্পর্ক আরও জোরদারের পাশাপাশি অর্থনীতি বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। দুই দেশ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে মতবিনিময় করে। জাতিসংঘ সদর দপ্তরে হাইতির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ে ফিস-আইমের সঙ্গেও বৈঠক করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। আলোচনায় উঠে আসে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পারস্পরিক স্বার্থ এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়। প্রধানমন্ত্রীর এসব বৈঠকের পাশাপাশি বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ ব্যক্তিদের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে। সব মিলিয়ে জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে ধারাবাহিক কূটনৈতিক তৎপরতায় বাংলাদেশের রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে তারেক রহমানের। 

আজ রাতে বাংলায় জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে আজ বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান। নিউইয়র্ক স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় তার এ ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী ভাষণটি হবে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ভোর ৩টায়। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন নিউইয়র্কে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন।এটি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তারেক রহমানের প্রথম বক্তব্য। এর আগে তিনি ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছান এবং ৮১তম অধিবেশনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের হয়ে তিনি দেশের বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয় তুলে ধরবেন।মাহ্‌দী আমিন জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলা ভাষায় বক্তব্য দেবেন। তার ভাষণে বাংলাদেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষা ও দেশের বিভিন্ন অগ্রাধিকার তুলে ধরার কথা রয়েছে। তারেক রহমানের ভাষণের মধ্য দিয়ে তার বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর একই পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেওয়ার ঘটনা ঘটবে।আরও  পড়ুন, এমপি গাজী নজরুল ফের চার দিনের রিমান্ডেপ্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান, জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মতো বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে। এর আগে জাতিসংঘের বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও জলবায়ু অর্থায়নের বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেছেন।এবারের অধিবেশনে বাংলাদেশের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। ফলে একই অধিবেশনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্ব এবং প্রধানমন্ত্রীর সাধারণ বিতর্কে বক্তব্য দেওয়ার বিষয়টি দেশের কূটনৈতিক অংশগ্রহণে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।নিউইয়র্ক সফরে প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। রোহিঙ্গা সংকট, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয় এসব আলোচনায় উঠে এসেছে।

এমপি গাজী নজরুল ফের চার দিনের রিমান্ডে

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) চার দিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকার আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেন চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বিষয়টি ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের কর্মকর্তাও নিশ্চিত করেছেন।এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর একই মামলায় গাজী নজরুল ইসলামকে চার দিনের এবং তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামকে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছিলেন আদালত।আরও  পড়ুন : ৫১তম বিশেষ বিসিএসে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ, আবেদন ১ অক্টোবরমামলার সূত্রে জানা যায়, গত ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামা মো. ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে।তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে জানিয়েছেন, মরিয়মের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং তার মৃত্যুর সঙ্গে কারও প্ররোচনা বা সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না, তা যাচাই করতে গাজী নজরুলকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন। আগের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার কথাও রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে মামলার অভিযোগগুলোর সত্যতা এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তী তথ্য পাওয়া যাবে।

৫১তম বিশেষ বিসিএসে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ, আবেদন ১ অক্টোবর

৫১তম বিসিএসের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।বিশেষ এই বিসিএসের মাধ্যমে দেশের সরকারি স্বাস্থ্য খাতে মোট ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।পিএসসির প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৫১তম বিসিএসের বিশেষ পরীক্ষায় মোট ৫ হাজার পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ৪ হাজার ৭০০ জনকে সহকারী সার্জন এবং অবশিষ্ট ৩০০ জনকে ডেন্টাল সার্জন পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগের উদ্যোগকে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায় জনবল ঘাটতি পূরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আরও  পড়ুন, সাগর উত্তাল, চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, শুক্রবার পর্যন্ত থাকবে বৃষ্টিবিশেষ করে সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক সংকট মোকাবিলায় এ নিয়োগ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনসংক্রান্ত যোগ্যতা, আবেদন প্রক্রিয়া, পরীক্ষার ধরন, ফি এবং অন্যান্য শর্তাবলি উল্লেখ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগ্য প্রার্থীদের আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।পিএসসির এ উদ্যোগের ফলে চিকিৎসা পেশায় সদ্য উত্তীর্ণ ও যোগ্য প্রার্থীদের সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায় চিকিৎসকের সংখ্যা বাড়লে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চিকিৎসাসেবা আরও বিস্তৃত করার সুযোগ তৈরি হবে।তবে নিয়োগের পরিপূর্ণ সময়সূচি, পরীক্ষার তারিখ ও অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য পিএসসির পরবর্তী নির্দেশনা ও বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

রাজনীতিরাজনীতি

চারদিকে জল্লাদরা কিলবিল করছে বললেন রিজভী

চারদিকে জল্লাদরা কিলবিল করছে বললেন রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, চারদিকে ‘জল্লাদরা কিলবিল করছে’ এবং ‘মীরজাফররা’ অবস্থান নিয়ে আছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সাংবাদিক নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন গাজীর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। রিজভী একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন উল্লেখ করে দাবি করেন, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে টেলিফোনে বোমা সংগ্রহ করে বিস্ফোরণের ছবি পাঠানোর নির্দেশ এবং এর বিনিময়ে অর্থ দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। তবে এটি তার বক্তব্যে উত্থাপিত অভিযোগ; তিনি যে প্রতিবেদনটির কথা বলেছেন তার স্বাধীন যাচাই এখানে পাওয়া যায়নি।বিরোধী দলের লংমার্চ প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন ও কথা বলার অধিকার বিরোধী দলের রয়েছে। তার দাবি, সাম্প্রতিক দুটি লংমার্চে কোনো বাধা দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, বিএনপি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে এবং বিরোধী দল তাদের কর্মসূচি পালন করবে এতে অসুবিধা নেই। তবে রাজনৈতিক বক্তব্যে সত্য ও তথ্যভিত্তিক কথা বলার আহ্বান জানান তিনি।আড়ও পড়ুন,মীর শাহে আলমকে ‘নতুন হাওয়া ভবনের ম্যানেজার’ বললেন সারজিসজ্বালানি ও গ্যাস সংকট নিয়েও কথা বলেন বিএনপির এই নেতা। তার বক্তব্য, বৈশ্বিক যুদ্ধ ও সংকটের প্রভাব নিয়ে তথ্য-পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে আলোচনা করা যেতে পারে। তবে কয়েক দিনের মধ্যে সরকারকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিতে হবে—এ ধরনের বক্তব্য তিনি সমর্থন করেন না বলে জানান।রিজভী আরও বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচি ও বক্তব্যে মতপার্থক্য থাকলেও দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ন্যূনতম একটি বোঝাপড়ার জায়গা থাকা প্রয়োজন। তার ভাষ্য, ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান ঘটলে গণতন্ত্র তো দূরের কথা রাষ্ট্রই টিকবে না। রুহুল আমিন গাজী সম্পর্কে রিজভী অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক কারণে তাকে কারাগারে রেখে নির্যাতন করা হয়েছিল এবং শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা হয়েও রুহুল আমিন গাজী তৎকালীন সরকারের রাজনৈতিক দমন-পীড়ন থেকে ছাড় পাননি।

মীর শাহে আলমকে ‘নতুন হাওয়া ভবনের ম্যানেজার’ বললেন সারজিস

মীর শাহে আলমকে ‘নতুন হাওয়া ভবনের ম্যানেজার’ বললেন সারজিস

স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে ‘নতুন হাওয়া ভবনের ম্যানেজার’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মীর শাহে আলমকে ঘিরে বেশ কিছু অভিযোগও তোলেন তিনি। সারজিসের দাবি, দলীয় লুটপাট চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির ভাগ-বাটোয়ারা মীর শাহে আলমের মাধ্যমে হয়।পোস্টে তিনি আরও দাবি করেন, মীর শাহে আলম তাঁর ছেলে ও পরিবারের সদস্যদের নামে বিভিন্ন কোম্পানি খুলে সরকারি টেন্ডার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন। এ ক্ষেত্রে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে এস আলমের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সঙ্গে তুলনাও করেন সারজিস। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে পোস্টে কোনো নথি বা প্রমাণ উপস্থাপন করেননি তিনি। এ ছাড়া বিএনপির বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে সারজিস দাবি করেন, দলটির দীর্ঘদিনের নেতাদের মধ্যে মীর শাহে আলমকে নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। সময়ের সঙ্গে সেই ক্ষোভ আরও বাড়ছে বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।আড়ও পড়ুন,ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি হলে রাষ্ট্রই থাকবে না: রিজভীসারজিস তাঁর বক্তব্যে মীর শাহে আলমকে নিয়ে ভবিষ্যতে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার আশঙ্কার কথাও বলেন। তবে এসব বক্তব্য তিনি ‘মানুষ বলছে’ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন এবং নিজে কোনো তথ্য জানেন না—এমন মন্তব্যও করেছেন।অন্যদিকে মীর শাহে আলম বর্তমানে বগুড়া-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী তিনি ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-২ আসন থেকে নির্বাচিত হন এবং পরে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। সারজিস আলমের পোস্টে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে মীর শাহে আলমের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই ছাড়া সেগুলোকে প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি হলে রাষ্ট্রই থাকবে না: রিজভী

ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি হলে রাষ্ট্রই থাকবে না: রিজভী

ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান ঘটলে কেউ রক্ষা পাবে না এবং এর পুনরাবৃত্তি হলে রাষ্ট্রই টিকে থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।বিএফইউজের সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় রিজভী বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য ও কর্মসূচিগত বিরোধ থাকতে পারে। তবে গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের মতো মৌলিক প্রশ্নে ন্যূনতম ঐকমত্য থাকা প্রয়োজন।তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী রাজনৈতিক দলের কিছু নেতা বর্তমানে সরকারি দলের নেতাদের উদ্দেশে অসম্মানজনক ভাষা ব্যবহার করছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক বক্তব্যে সমালোচনা থাকতে পারে, তবে ব্যক্তিগত অবমাননাকর ভাষা ব্যবহার করা উচিত নয়।আরও  পড়ুন, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে কোনো রাজনৈতিক শক্তি প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে না: খোকনরিজভী আরও বলেন, অতীতে রাজনৈতিক বিরোধ ও কর্তৃত্ববাদী পরিস্থিতির যে অভিজ্ঞতা তৈরি হয়েছে, তার পুনরাবৃত্তি এড়াতে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি দাবি করেন, ফ্যাসিবাদী পরিস্থিতির পুনরুত্থান ঘটলে এর প্রভাব কোনো একটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; রাষ্ট্র ও সমাজের ওপরও এর প্রভাব পড়বে।বিএনপির এই নেতা আরও অভিযোগ করেন, দেশের বাইরে থেকে অস্থিতিশীলতা তৈরির জন্য বিভিন্ন ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করেছেন কি না, তা তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট নয়।বিরোধী দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, কর্মসূচি পালন করা রাজনৈতিক দলগুলোর অধিকার। একই সঙ্গে কথা বলার স্বাধীনতা এবং শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনের সুযোগ থাকা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে বিভিন্ন ইস্যুতে মতানৈক্য থাকলেও গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতার স্বার্থে পারস্পরিক যোগাযোগ এবং ন্যূনতম ঐকমত্য বজায় রাখার আহ্বান জানান রিজভী।আলোচনা সভায় সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে কোনো রাজনৈতিক শক্তি প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে না: খোকন

বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে কোনো রাজনৈতিক শক্তি প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে না: খোকন

সারা বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের আবার হুমকি ধামকি শুরু হয়েছে প্রশাসনের উপর আঘাত শুরু হয়েছে,আবার সেই বোমের সাউন্ড,গাড়ি পোড়ানো শুরু হয়ে গেছে। আমরা বলে দিতে চাই এসব ভয় দেখিয়ে অরাজগতা করে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার। বুধবার দুপুরে কালকিনি উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির আয়োজনে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশে অংশ নিয়ে প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। খোকন তালুকদার আরো বলেন,এই বাংলাদেশের মানুষ ফ্যাসিস্টদের বিদায় করেছেন। এখন আবার যারা এ দেশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করার জন্য বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করছে আমরা মনে করি এই বাংলাদেশের মানুষ দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে আছে। আমাদের যে বিরোধী দল আছে তাদের বলে দিতে চাই ১৭ বছর রাজপথে যুদ্ধ করেছেন আপনাদের মুরুব্বীরা জীবন দিয়েছে বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মীরা জীবন দিয়েছে,কারাবরণ করেছে, আরও  পড়ন : সুন্দরবনের গোলাখালীতে কেউড়া গাছ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যুসারা বাংলাদেশের মানুষ নির্যাতিত নিষ্পেষিত ছিল। আজকে বিএনপি সরকার গঠন করেছে ছয় মাস হতে পারে নাই এখনই রাজপথে হুমকি ধামকি দেওয়া শুরু করেছেন। এনসিপি নেতাদের উদ্দেশ্যে খোকন তালুকদার বলেন,এনসিপি নেতারা তারেক রহমানের সম্বন্ধে যেভাবে বলছে তাতে আমি মনে করি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এবং জাতীয়তাবাদী দলের কর্মীরা যদি মাঠে না থাকে আপনাদেরকে বাড়ি থেকে টেনে এনে এই বাংলার মাটিতে পুঁতে রাখবে আওয়ামী লীগ। আজকে জাতীয়তাবাদী দলের কর্মীরা আছে বলেই বড় বড় কথা বলার সুযোগ পান,রাস্তায় বড় বড় গলাবাজি করেন। মনে করেন এই জাতীয়তাবাদী শক্তি থাকতে আওয়ামী লীগ আর ফিল্ডে নামতে পারবে না। বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়। পাশাপাশি ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ,ডেঙ্গু মশা নিধনে ফগার মেশিনের মাধ্যমে মশক নিধন কর্মসূচির উদ্বোধন এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।এসময় উপস্থিত ছিলেন কালকিনি উপজেলার বিএনপির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক বেপারী,সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন মুন্সি,যুবদল নেতা মামুন শিকদার,শামিম মোল্লা,পৌর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নান্না শিকদার,কালকিনি উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব নাজমুল হাসানসহ বিএনপির অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। 

সারাবাংলা

কাশিমপুরে ঝালমুড়ি বিক্রেতার ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, আহত ২

কাশিমপুরে ঝালমুড়ি বিক্রেতার ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, আহত ২

গাজীপুরের কাশিমপুরে ঝালমুড়ি বিক্রেতার ছুরিকাঘাতে গাজী রাফেজ আহমেদ (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মুরাদ হোসেন ও আশরাফ আলী নামে আরও দুজন আহত হয়েছেন। তারা কেপিজে বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে কাশিমপুর থানাধীন চক্রবর্তী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত গাজী রাফেজ আহমেদ খুলনা জেলার দাকোপ থানার বাঁশখালী গ্রামের গাজী খোরশেদ আলমের ছেলে। তিনি গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় আতাউর রহমান (৪২) নামে এক ঝালমুড়ি বিক্রেতাকে আটক করা হয়েছে। তিনি গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থানার ফলগাছা গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে এর আগেও একটি হত্যা মামলা রয়েছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে চক্রবর্তী এলাকায় একটি দোকানে বসে ঝালমুড়ি খাচ্ছিলেন রাফেজ আহমেদ। এ সময় পাশের একটি দোকানের ঝালমুড়ি বিক্রেতা কয়েকজন পথচারীর সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে সেখানে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হয়।আড়ও পড়ুন,সোনারগাঁয়ে ট্রলারডুবি: নিখোঁজ একই পরিবারের চারজন, উদ্ধার এক নারীর মরদেহপরিস্থিতি দেখে রাফেজ আহমেদ সেখানে গিয়ে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ঝালমুড়ি বিক্রেতা তার কাছে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে রাফেজ আহমেদসহ আরও দুজনের ওপর হামলা চালান। এতে রাফেজ আহমেদের পেটের ডান পাশে গভীর ছুরিকাঘাত লাগে।গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাত ১টার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।এদিকে আহত মুরাদ হোসেন ও আশরাফ আলীকে কেপিজে বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।কাশিমপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শফিক আহমেদ বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ঝালমুড়ি বিক্রেতা আতাউর রহমানকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আটক আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে এর আগেও একটি হত্যা মামলা রয়েছে বলেও জানান তিনি।ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কেউ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

সোনারগাঁয়ে ট্রলারডুবি: নিখোঁজ একই পরিবারের চারজন, উদ্ধার এক নারীর মরদেহ

সোনারগাঁয়ে ট্রলারডুবি: নিখোঁজ একই পরিবারের চারজন, উদ্ধার এক নারীর মরদেহ

আমিনুল ইসলাম: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ১৪ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় একই পরিবারের চারজন নিখোঁজ রয়েছেন। দুর্ঘটনার পর রায়েশা বেগম (৫৫) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত কয়েকজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।জানা গেছে, উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের হারিয়া এলাকার সাজিয়া আক্তার (১৯) ও শিশিরের বিয়েতে অংশ নিতে স্বজনরা ট্রলারে করে রওনা দেন। পথে ট্রলারটি ডুবে গেলে যাত্রীরা পানিতে পড়ে যান। খবর পেয়ে স্থানীয়রা উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন।নিখোঁজ চারজন হলেন হেলাল উদ্দিন (৫৫), সজীব (২৪), সামিয়া (১৭) ও সামিন (৫)। একই পরিবারের শিরিন বেগম (৪৫) ও তাঁর অপর মেয়ে লামিয়া আক্তারকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।এ ঘটনায় রায়েশা বেগম (৫৫) নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আড়ও পড়ুন,গঙ্গাচড়ায় দেশি পিস্তল উদ্ধারএছাড়া ট্রলারে থাকা আহত কয়েকজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে।নিখোঁজদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস, নৌপুলিশ ও সোনারগাঁ থানা পুলিশের সদস্যরা অভিযান চালাচ্ছেন। স্থানীয় জেলেরাও নৌকা নিয়ে উদ্ধারকাজে সহযোগিতা করছেন। পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় বাসিন্দারা তল্লাশি অভিযানে অংশ নিয়েছেন।নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ এবং ট্রলারটির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উদ্ধারের পর জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

গঙ্গাচড়ায় দেশি পিস্তল উদ্ধার

গঙ্গাচড়ায় দেশি পিস্তল উদ্ধার

‎রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার গজঘন্টা ইউনিয়নের বাবুপাড়া এলাকা থেকে একটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শ্যুটার পিস্তল উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৩ (এসআরবি-১৩)।‎‎বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৩টার দিকে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অস্ত্রটি জব্দ করা হয়।আড়ও পড়ুন,জামায়াতের এমপির ভাইকে গণধোলাইয়ে অভিযোগ - এমপির বিলবোর্ড ভাঙচুর‎‎এসআরবি-১৩ জানায়, রংপুরের সিপিএসসি-এর একটি আভিযানিক দল গঙ্গাচড়া থানাধীন গজঘন্টা ইউনিয়নের গজঘন্টা বাবুপাড়া গ্রামের মো. নজরুল হক (৬০)-এর বাড়ির পেছনের রাস্তার পাশে একটি বাঁশঝাড়ে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সেখানে পরিত্যক্ত অবস্থায় লোহার তৈরি সিলভার রঙের একটি ওয়ান শ্যুটার পিস্তল উদ্ধার করা হয়।‎‎র‍্যাব জানায়, জব্দকৃত অস্ত্রটি পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

জামায়াতের এমপির ভাইকে গণধোলাইয়ে অভিযোগ - এমপির বিলবোর্ড ভাঙচুর

জামায়াতের এমপির ভাইকে গণধোলাইয়ে অভিযোগ - এমপির বিলবোর্ড ভাঙচুর

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ সময় ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়ীয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাঃ কামরুল হাসান মিলনের ছোট ভাই  কিরণকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। ২৪ শে চত্বরে স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাঃ কামরুল হাসান মিলনের বিলবোর্ড গুড়িয়ে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফুলবাড়ীয়া উপজেলা পরিষদ চত্বর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ‘ভয়েস অব ফুলবাড়ীয়া’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ফুলবাড়ীয়ায় সার ডিলার নিয়োগে অর্থনৈতিক লেনদেনের অভিযোগ এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে মানববন্ধনের ঘোষণা দেওয়া হয়। এ কর্মসূচির প্রতিবাদে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপজেলা পরিষদ এলাকায় জড়ো হন।একপর্যায়ে সেখানে জামায়াত নেতা কিরণকে গণধোলাই করা হয়।একপর্যায়ে তার গায়ের পাঞ্জাবি টা ছেরে ফেলে বিএনপির নেতা কর্মীরা। বিএনপি নেতারা স্লোগানে বলেন জামায়াত শিবির রাজাকার এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, মারধরের সময় জামায়াত শিবির নেতা কিরণ তার পরনের পাঞ্জাবি ছিঁড়ে ফেলা হয়।একপর্যায়ে তাকে গণধোলাই দেয়। পরে তিনি ঘটনাস্থল থেকে গণধোলাই খেয়ে চলে যান।এদিকে, বৃহস্পতিবার সকালে ‘ভয়েস অব ফুলবাড়ীয়া’র ফেসবুক আইডি থেকে ঘোষিত মানববন্ধন কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়।সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও অর্থনৈতিক লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে বিএনপি নেতারা তা অস্বীকার করে বলেন, ডিলার নিয়োগে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়নি। তাদের দাবি, একটি পক্ষ বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে উপজেলা পরিষদ ঘেরাওয়ের কর্মসূচি দেওয়ার চেষ্টা করছিল।এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ ছাইফুল ইসলাম বাদল বলেন, ফুলবাড়ীয়া উপজেলা পরিষদ ভবন ঘেরাও করতে চেয়েছিল জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। এর প্রতিবাদে সাধারণ জনগণ ও বিএনপির নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে যায়।তিনি আরও বলেন, সার ডিলার নিয়োগে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়নি। জামায়াত-শিবিরের যেকোনো কর্মসূচি রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা হবে।আড়ও পড়ুন,মাদকবিরোধী অভিযানে সোনারগাঁয়ে ৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১এ বিষয়ে জামায়াতের পরামর্শ বোর্ড সভার সদস্য মো. আব্দুল মজিদ বলেন, পরিষদ ঘেরাও এ জামায়াতের কোন কর্মসূচী ছিল না। কিরণ আমাদের দলের কেউ না। তবে এ ধরনের ঘটনা দু:খজনক।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফুলবাড়ীয়া উপজেলা পরিষদ চত্বর ও আশপাশের এলাকায় কিছু সময় উত্তেজনা বিরাজ করে। পরে বিএনপি নেতা কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। বিক্ষোভ মিছিল নেতৃত্ব দেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ছাইফুল ইসলাম বাদল, পৌর বিএনপির আহবায়ক একেএম শমসের আলী,পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবুল ফাজল,রুবেল আকন্দ,জেলা যুবদলের সহ সভাপতি আনোয়ার শাহাদাত আনার,যুবদলের সবুজ তালুকদার, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক জাকির হোসেন রিপন,পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু সালেক,মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক ডাঃ মোজাম্মেল হক মীর,উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক কামাল হোসেন প্রমুখ।

আন্তর্জাতিক

ইউক্রেনের খারকিভে রুশ ড্রোন হামলায় নিহত ৬

ইউক্রেনের খারকিভে রুশ ড্রোন হামলায় নিহত ৬

ইউক্রেনের খারকিভ অঞ্চলের একটি কৃষি খামারে রুশ ড্রোন হামলায় ছয়জন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকালে এ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী সের্গেই কোরেৎস্কি।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানান, সকালে একটি কৃষি প্রতিষ্ঠানে ড্রোন হামলা চালানো হয়। হামলার সময় সেখানে কৃষিকাজ চলছিল।স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, শাকসবজি বাছাইয়ের কাজ চলাকালীন খামারটিতে হামলা চালানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই কয়েকজন হতাহত হন।আড়ও পড়ুন,ইরানকে ‘নরকে’ পাঠানোর হুঁশিয়ারি ট্রাম্পেরপরে জরুরি সেবা বিভাগ ছয়জন নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করে। হামলার পর ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী ও জরুরি সেবা বিভাগের সদস্যরা কাজ শুরু করেন। রাশিয়া ও ইউক্রেনের চলমান সংঘাতের মধ্যে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়মিত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটছে। খারকিভও এসব হামলার অন্যতম লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিভিন্ন সময় উঠে এসেছে।

৯ ঘন্টা আগে

রাজধানী

ডিএমপিতে তিন পরিদর্শক বদলি , ক্যান্টনমেন্ট থানায় নতুন ওসি

ডিএমপিতে তিন পরিদর্শক বদলি , ক্যান্টনমেন্ট থানায় নতুন ওসি

রাজধানী ঢাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তিন পুলিশ পরিদর্শককে নতুন কর্মস্থলে বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনকে ক্যান্টনমেন্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর প্রশাসন) মো. শাহরিয়ার আলী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।আদেশ অনুযায়ী, লাইনওআর ডিএমপিতে কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনকে ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি হিসেবে বদলি করা হয়েছে। একই আদেশে লাইনওআর ডিএমপিতে কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুস সেলিমকে গুলশান থানার নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।আরও  পড়ুন, বনশ্রী-আফতাবনগরে চালু হলো স্টিল ফুট ব্রিজঅন্যদিকে, গুলশান থানার নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মো. মিজানুর রহমানকে কাউন্টার টেররিজম ইনভেস্টিগেশন বিভাগে বদলি করা হয়েছে।ডিএমপির আদেশে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের নামে বর্ণিত স্থানে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।পুলিশের নিয়মিত প্রশাসনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ বদলি ও পদায়নের আদেশ দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন দায়িত্বে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার পর দায়িত্ব পালন করবেন।রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ থানা ক্যান্টনমেন্ট ও গুলশানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এই পরিবর্তনের ফলে সংশ্লিষ্ট থানাগুলোর প্রশাসনিক ও অপারেশনাল কার্যক্রমে নতুন নেতৃত্ব যুক্ত হলো।

১৪ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৫ জন

খেলাধুলা

ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা

ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা

আগামী ২ অক্টোবর পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ নারী অনূর্ধ্ব-১৯ দল। টুর্নামেন্টে তিন দল একে অপরের বিপক্ষে তিনবার করে খেলবে। লিগ পর্ব শেষে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দুই দল জায়গা করে নেবে ফাইনালে।ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৬ অক্টোবর। টুর্নামেন্টের সবগুলো ম্যাচই হবে পাকিস্তানের ফয়সালাবাদের ইকবাল স্টেডিয়ামে।স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় ম্যাচগুলো শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। বাংলাদেশ সময় ম্যাচ শুরু হবে সকাল ১১টায়।টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে ঘোষিত বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের দলে অধিনায়ক করা হয়েছে সাদিয়া ইসলামকে। সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন নিশিতা আক্তার নিশি।আরও  পড়ুন, আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগে নাম লেখালেন তাসকিনবাংলাদেশের স্কোয়াডে রয়েছেন অরিত্রি নির্জনা মণ্ডল, মাইমুনা নাহের, অচেনা জান্নাত ইমান্তা, সাদিয়া ইসলাম, সাদিয়া আক্তার, বিবি আয়েশা, শিরিনা খাতুন, ফানিহা ইয়াসমিন, নিশিতা আক্তার নিশি, তিথি দাস অপর্ণা, আফরিন মিম, ফারজানা ইয়াসমিম মেধা, অদ্রিতা নওশিন, শ্রাবণী শীল ও জান্নাতুল ফেরদৌসি।পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের পর বাংলাদেশ মুখোমুখি হবে শ্রীলঙ্কার। তিন দলের পারস্পরিক লড়াই শেষে পয়েন্ট তালিকার সেরা দুই দল খেলবে শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালে।ফয়সালাবাদের ইকবাল স্টেডিয়ামে এই সিরিজে নিজেদের সামর্থ্য তুলে ধরার সুযোগ পাবে বাংলাদেশের তরুণ ক্রিকেটাররা। আর ১৬ অক্টোবর ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে নারী অনূর্ধ্ব-১৯ ত্রিদেশীয় সিরিজের।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!