দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

সাংবাদিকতা ও সমাজসেবায় দীর্ঘ পথচলা: শেখ আমিনুর হোসেনের নিরলস কর্মযাত্রা

সাংবাদিকতা ও সমাজসেবায় দীর্ঘ পথচলা: শেখ আমিনুর হোসেনের নিরলস কর্মযাত্রা

সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়, সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতারও এক অনন্য মাধ্যম। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া, অনিয়ম-দুর্নীতি ও অসঙ্গতির চিত্র তুলে ধরা, নিপীড়িত মানুষের কথা বলা এবং জনস্বার্থের বিষয়গুলোকে সামনে নিয়ে আসার মধ্য দিয়ে একজন সাংবাদিক সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সেই দায়িত্ববোধ ও পেশাগত নিষ্ঠাকে ধারণ করে দীর্ঘ সময় ধরে সাংবাদিকতায় কাজ করে আসছেন সাতক্ষীরার সিনিয়র সাংবাদিক শেখ আমিনুর হোসেন।দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত থেকে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন গণমাধ্যমে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। মাঠপর্যায়ে সংবাদ সংগ্রহ থেকে শুরু করে রিপোর্টিং, সম্পাদনা, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড এবং গণমাধ্যম পরিচালনা—সাংবাদিকতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে রয়েছে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। একই সঙ্গে সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তার সম্পৃক্ততা তাকে সাতক্ষীরার নাগরিক সমাজের একটি পরিচিত মুখে পরিণত করেছে।সাংবাদিকতার পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা তার কর্মজীবনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি স্থানীয় পর্যায়ে নানা ধরনের জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে আসছেন।সাংবাদিকতায় পথচলার শুরু-শেখ আমিনুর হোসেনের সাংবাদিকতা জীবনের সূচনা ২০০০ সালে। খুলনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক পাঠকের কাগজে সদর থানা প্রতিনিধি হিসেবে তিনি সাংবাদিকতায় আত্মপ্রকাশ করেন।আরও পড়ুন,ট্রাফিক আইন মানবো, নিরাপদ সিলেট গড়বো সেই সময় সাতক্ষীরার স্থানীয় সংবাদ, জনজীবনের সমস্যা, প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সাধারণ মানুষের নানা প্রত্যাশার বিষয় সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরার মধ্য দিয়ে তার পেশাগত পথচলা শুরু হয়।শুরু থেকেই সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশনের ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতাকে গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। একজন সংবাদকর্মীর জন্য স্থানীয় মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ, ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়া, তথ্য যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা তার পেশাগত অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে।সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সাংবাদিকতায় তার দায়িত্ব ও পরিধিও বাড়তে থাকে। স্থানীয় পর্যায়ের প্রতিনিধি থেকে তিনি বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করার সুযোগ পান। একপর্যায়ে তিনি সাতক্ষীরার সংবাদপেশায় পরিচিত ও অভিজ্ঞ সাংবাদিক হিসেবে নিজের অবস্থান তৈরি করেন।বিভিন্ন গণমাধ্যমে দায়িত্ব পালন-শেখ আমিনুর হোসেন বর্তমানে দৈনিক তৃতীয় মাত্রার সাতক্ষীরা ব্যুরো প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর পাশাপাশি তিনি সংবাদ দিগন্তের জেলা প্রতিনিধি, অনলাইন নিউজ পোর্টাল আওয়াজ নিউজবিডি, আইনিউজবিডি, কাল মহাকাল, দিগন্তের কাগজে সিনিয়র প্রতিবেদক হিসেবেও কাজ করছেন। সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক সাতক্ষীরার সকাল-এর চিফ রিপোর্টার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। একজন সাংবাদিকের পেশাগত দক্ষতার অন্যতম মাপকাঠি হলো বিভিন্ন ধরনের সংবাদ নিয়ে কাজ করার সক্ষমতা। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংবাদ থেকে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উন্নয়ন, জনদুর্ভোগ, সামাজিক সমস্যা, সংস্কৃতি ও মানবিক নানা বিষয়ে সংবাদ সংগ্রহের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। স্থানীয় সংবাদকে আঞ্চলিক ও জাতীয় গণমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত করার ক্ষেত্রেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন। সাতক্ষীরার বিভিন্ন ঘটনা, সমস্যা, সম্ভাবনা ও মানুষের প্রত্যাশা বৃহত্তর পরিসরে তুলে ধরার ক্ষেত্রে স্থানীয় সাংবাদিকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এ দায়িত্ব পালনে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছেন।এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ মেইল ২৪.নিউজ-এর সাতক্ষীরার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয়, খুলনা ও যশোরের আঞ্চলিক এবং ঢাকার বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকেও তিনি বিভিন্ন সময়ে সাংবাদিকতা করেছেন বলে জানা যায়। গণমাধ্যম পরিচালনায় নতুন অভিজ্ঞতাশুধু সংবাদ সংগ্রহ বা রিপোর্টিংয়ের মধ্যেই তার সাংবাদিকতা সীমাবদ্ধ থাকেনি। গণমাধ্যম পরিচালনার ক্ষেত্রেও তিনি নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েছেন। তিনি জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল দেশ টাইমস ২৪.নিউজ-এর সম্পাদক ও প্রকাশক।বর্তমান সময়ে সংবাদপত্রের পাশাপাশি অনলাইন গণমাধ্যম মানুষের সংবাদ গ্রহণের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে। দ্রুত সংবাদ প্রকাশ, তাৎক্ষণিক আপডেট এবং পাঠকের কাছে সহজে তথ্য পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে অনলাইন সংবাদমাধ্যমের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। এই পরিবর্তিত গণমাধ্যম বাস্তবতায় নিজস্ব সংবাদমাধ্যম পরিচালনার মাধ্যমে সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতাকে নতুন পরিসরে কাজে লাগাচ্ছেন শেখ আমিনুর হোসেন।সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে একটি সংবাদমাধ্যমের নীতি নির্ধারণ, সংবাদ নির্বাচন, রিপোর্টিং কাঠামো, সম্পাদনা এবং সামগ্রিক পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত থাকার সুযোগ তৈরি হয়েছে তার। ফলে মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকতার পাশাপাশি সংবাদ ব্যবস্থাপনারও বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন তিনি।সাংবাদিক সংগঠনে নেতৃত্ব-পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি সাংবাদিকদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে শেখ আমিনুর হোসেনের। তিনি সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সদস্য।এছাড়া তিনি সাতক্ষীরা জেলা সাংবাদিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক। সংগঠনটির নিবন্ধন নম্বর ৫৮৩/০৪। সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার, পারস্পরিক সহযোগিতা, ঐক্য এবং গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার সুযোগ পেয়েছেন তিনি।সাংবাদিকদের সংগঠনগুলো সাধারণত পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, পারস্পরিক সহযোগিতা, আরও পড়ুন,সাতক্ষীরায় মারামারি থামাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র নিহতসামাজিক দায়িত্ব পালন এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কাজ করে থাকে। দীর্ঘ সময় ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত থাকার পাশাপাশি সংগঠনের দায়িত্ব পালন তার কর্মজীবনে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।সাংবাদিকতার বাইরে সমাজসেবার বিস্তৃত পরিসরশেখ আমিনুর হোসেনের কর্মপরিধি শুধু সাংবাদিকতা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নয়। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও মানবিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।তিনি নলকুড়া দারুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি নলকুড়া কাসিমুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানার সহ-সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত থাকা স্থানীয় পর্যায়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক দায়িত্ব। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও এতিম শিশুদের শিক্ষা, নৈতিক বিকাশ এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়, তার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার সুযোগ রয়েছে তার।মানবিক কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রেও রয়েছে তার সম্পৃক্ততা। তিনি বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, সাতক্ষীরা ইউনিটের আজীবন সদস্য। দুর্যোগ, মানবিক সংকট ও বিভিন্ন সামাজিক প্রয়োজনে রেড ক্রিসেন্টের কার্যক্রম দেশের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ধরনের একটি মানবিক সংগঠনের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পৃক্ততা তার সামাজিক কর্মকাণ্ডের পরিধিকে আরও বিস্তৃত করেছে।সংস্কৃতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয়-সাংবাদিকতার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। তিনি সাতক্ষীরা জেলা সাংস্কৃতিক পরিষদের সদস্য এবং সাতক্ষীরা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য হিসেবে যুক্ত রয়েছেন।সংস্কৃতি একটি সমাজের মূল্যবোধ, ঐতিহ্য ও ইতিহাসকে ধারণ করে। সাংবাদিকতার মাধ্যমে যেমন সমাজের বাস্তব চিত্র মানুষের সামনে তুলে ধরা হয়, তেমনি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড মানুষের সৃজনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে ভূমিকা রাখে। আরও পড়ুন,শশিরচরে মাদক নির্মূলে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা চান এলাকাবাসীসাংবাদিকতা ও সংস্কৃতির এই দুই ক্ষেত্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততা তার কর্মজীবনকে বহুমাত্রিক করেছে।তিনি সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের সদস্য হিসেবেও যুক্ত রয়েছেন। ব্যবসায়ী ও পেশাজীবী সমাজের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও উদ্যোক্তাদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কেও কাজ করার সুযোগ রয়েছে তার।তরুণদের সংগঠিত করতে উদ্যোগ-স্থানীয় তরুণদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রেও তার উদ্যোগ রয়েছে। তিনি নলকুড়া তরুণ সংঘের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি।একটি এলাকার তরুণদের সংগঠিত করে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার উদ্যোগ স্থানীয় সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তরুণদের মাদক, অপরাধ ও বিভিন্ন নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে শিক্ষা, খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সামাজিক কাজে সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে স্থানীয় সংগঠনগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।নলকুড়া তরুণ সংঘের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততাও এ ধরনের সামাজিক কর্মকাণ্ডের একটি অংশ। একই সঙ্গে তিনি নলকুড়া নাট্যগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। নাট্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে স্থানীয় মানুষের মধ্যে সৃজনশীলতা, সামাজিক সচেতনতা এবং সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি হয়।নলকুড়ার মাটিতে বেড়ে ওঠাশেখ আমিনুর হোসেনের শিকড় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১৩ নম্বর লাবসা ইউনিয়নের নলকুড়া গ্রামে। একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা। তার বাবা শেখ আজাদ হোসেন এবং মা মোছা. আয়শা খাতুন।চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি পঞ্চম। গ্রামীণ পরিবেশে বেড়ে ওঠা একজন মানুষের জন্য স্থানীয় সমাজ, মানুষের জীবনযাপন ও নানা সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে প্রত্যক্ষ পরিচয় তার পরবর্তী জীবনের কর্মধারায় প্রভাব ফেলতে পারে। সাংবাদিকতা জীবনে স্থানীয় মানুষের জীবন, সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রেও নিজের শিকড়ের সঙ্গে তার সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হতে পারে।নলকুড়ার সঙ্গে তার সম্পর্ক কেবল জন্মসূত্রের নয়; সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়েও তিনি নিজ এলাকার মানুষের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। বিভিন্ন সংগঠনের দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে মানুষের সঙ্গে তার যোগাযোগ আরও বিস্তৃত হয়েছে।আরও পড়ুন,রামুতে ৫৯ হাজার ৭৭৫ ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তারপেশার প্রতি দায়িত্ববোধ-সাংবাদিকতা এমন একটি পেশা, যেখানে প্রতিদিনই নতুন ঘটনা, নতুন তথ্য ও নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়। একটি সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য সংগ্রহ, ঘটনার প্রেক্ষাপট বোঝা এবং পাঠকের কাছে সঠিক তথ্য তুলে ধরার দায়িত্ব সাংবাদিকের ওপর থাকে।দীর্ঘ সময় ধরে এই পেশায় থাকার কারণে শেখ আমিনুর হোসেনের সাংবাদিকতা জীবনে বিভিন্ন সময়ের পরিবর্তন প্রত্যক্ষ করার সুযোগ হয়েছে। প্রিন্টনির্ভর সংবাদমাধ্যমের সময় থেকে বর্তমানের দ্রুতগতির অনলাইন সাংবাদিকতা—গণমাধ্যমের পরিবর্তিত বাস্তবতার সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিয়ে কাজ করে চলেছেন তিনি।একই সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের দায়িত্বশীলতা, সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা এবং স্থানীয় সংবাদকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়েও তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।সম্মাননা ও স্বীকৃতি-দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবন এবং সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্মাননা পেয়েছেন শেখ আমিনুর হোসেন।২০২০ সালে এবং ২০২৪ সালের শেষদিকে তাকে বিশেষ ও আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। এসব সম্মাননা তার দীর্ঘ কর্মজীবনের প্রতি বিভিন্ন সংগঠন ও মানুষের স্বীকৃতির বহিঃপ্রকাশ।তবে একজন মানুষের কর্মজীবনের প্রকৃত মূল্যায়ন শুধু পুরস্কার বা সম্মাননার সংখ্যায় সীমাবদ্ধ থাকে না। দীর্ঘ সময় ধরে একটি পেশায় দায়িত্বশীলভাবে কাজ করে যাওয়া, মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করা এবং নিজের কর্মের মাধ্যমে সমাজে ভূমিকা রাখার ধারাবাহিকতাই একজন পেশাজীবীর সবচেয়ে বড় পরিচয় হয়ে ওঠে।সময়ের সঙ্গে বদলেছে সাংবাদিকতা, বদলায়নি দায়বদ্ধতা-গত দুই দশকের বেশি সময়ে সাংবাদিকতার ধরন অনেক বদলে গেছে। একসময় সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট সময়, মুদ্রণপ্রক্রিয়া এবং পত্রিকা প্রকাশের ওপর নির্ভর করতে হতো। এখন মোবাইল ফোন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন নিউজ পোর্টালের কারণে মুহূর্তেই একটি সংবাদ মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।এই পরিবর্তনের ফলে সাংবাদিকদের দায়িত্বও বেড়েছে।আরও পড়ুন,মধ্যনগরে মাদরাসায় অভিভাবক সমাবেশ দ্রুততার সঙ্গে সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি তথ্যের সত্যতা যাচাই, গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে পাঠককে সুরক্ষা দেওয়া এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নিশ্চিত করা এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ।শেখ আমিনুর হোসেনের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবন এই পরিবর্তনশীল সময়েরই একটি প্রতিচ্ছবি। স্থানীয় সংবাদপত্রের প্রতিনিধি হিসেবে শুরু করে বিভিন্ন গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল পদে কাজ করা এবং পরবর্তীতে নিজেই একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমের সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া তার পেশাগত পথচলার ধারাবাহিক পরিবর্তনকে তুলে ধরে।বহুমাত্রিক পরিচয়ের মানুষ- শেখ আমিনুর হোসেনকে শুধু একজন সাংবাদিক হিসেবে দেখলে তার কর্মপরিধির একটি অংশই সামনে আসে। সাংবাদিকতা, গণমাধ্যম পরিচালনা, সাংবাদিক সংগঠন, ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মানবিক সংগঠন, সাংস্কৃতিক সংগঠন, তরুণদের সংগঠন এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডবিভিন্ন ক্ষেত্রে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।একজন পেশাজীবীর সামাজিক পরিচয় যখন পেশার সীমানা ছাড়িয়ে মানুষের কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন তার কর্মপরিধিও বিস্তৃত হয়। শেখ আমিনুর হোসেনের দীর্ঘ পথচলায় সেই বহুমাত্রিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।সাংবাদিক হিসেবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পাশাপাশি তিনি সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে কাজ করেছেন; সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন; ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করেছেন; মানবিক সংগঠনের সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়েছেন এবং স্থানীয় তরুণদের সংগঠিত করার উদ্যোগ নিয়েছেন।সামনে আরও দীর্ঘ পথ-সাংবাদিকতা একটি চলমান পেশা। প্রতিদিন নতুন ঘটনা, নতুন প্রশ্ন ও নতুন বাস্তবতার জন্ম হয়। সেই বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে একজন সাংবাদিককে নিজেকেও প্রতিনিয়ত পরিবর্তন ও পরিমার্জন করতে হয়।দীর্ঘ সময়ের অভিজ্ঞতা, স্থানীয় সমাজ সম্পর্কে প্রত্যক্ষ ধারণা এবং বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে শেখ আমিনুর হোসেন এখনও সাংবাদিকতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়। তার কর্মজীবনের পরবর্তী অধ্যায়েও সংবাদপেশার পাশাপাশি সমাজ ও মানুষের জন্য বিভিন্ন ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা রয়েছে।আরও পড়ুন,এক পরিবারের চারজনসহ সাতজনের দাফন কান্নায় ভারী জামালপুরএকটি কলম কখনো শুধু সংবাদ লেখে না; মানুষের কথা বলে, সমাজের বাস্তবতা তুলে ধরে এবং কখনো কখনো পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তাকেও সামনে আনে। দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে সেই কলমকেই পেশার প্রধান হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছেন শেখ আমিনুর হোসেন।সাতক্ষীরার নলকুড়া গ্রামের একটি সম্ভ্রান্ত পরিবার থেকে উঠে এসে সাংবাদিকতার মাঠে পা রাখা, স্থানীয় প্রতিনিধি থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন, নিজস্ব অনলাইন সংবাদমাধ্যমের সম্পাদক ও প্রকাশক হওয়া এবং একই সঙ্গে সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকা—তার কর্মজীবনের এই দীর্ঘ পথচলা নিঃসন্দেহে বহুমাত্রিক।তার জীবন ও কর্মের দিকে তাকালে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে ওঠে সাংবাদিকতা তার কাছে শুধু জীবিকার মাধ্যম নয়; এটি মানুষের সঙ্গে যুক্ত থাকার, সমাজের কথা বলার এবং নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী জনকল্যাণে ভূমিকা রাখার একটি ক্ষেত্র। সেই পথচলায় অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দায়িত্ব, আর দায়িত্বের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা।দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনের অভিজ্ঞতা, পেশাগত দায়িত্ব ও সামাজিক সম্পৃক্ততার সমন্বয়ে শেখ আমিনুর হোসেন সাতক্ষীরার গণমাধ্যম অঙ্গনে নিজের একটি স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করেছেন। ভবিষ্যতেও সেই অভিজ্ঞতা ও কর্মস্পৃহা সাংবাদিকতা এবং সমাজসেবার বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে—এমন প্রত্যাশা তার সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও পরিচিতজনদের।

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

রেলের লোকসান কমাতে কার্গো পরিবহন বাড়ানোর তাগিদ

লোকসান কমিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়েকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে মালবাহী ক্যারেজ বাড়ানো এবং কার্গো পরিবহনের মাধ্যমে আয় বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। রোববার জাতীয় সংসদ ভবনের স্থায়ী কমিটি কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে এসব সুপারিশ ও নির্দেশনা দেওয়া হয়। কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আলি আসগারের সভাপতিত্বে বৈঠকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদসহ কমিটির সদস্যরা অংশ নেন। বৈঠকে রেলপথ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ রেলওয়ের সার্বিক কার্যক্রম কমিটির কাছে উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি রেল পরিদর্শন অধিদপ্তর এবং কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের কার্যক্রম সম্পর্কেও কমিটিকে অবহিত করা হয়। নতুন সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা এবং এর অগ্রগতিও বৈঠকে পর্যালোচনা করা হয়। আলোচনায় যাত্রীবাহী ক্যারেজের পাশাপাশি মালবাহী ক্যারেজের সংখ্যা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। আরও পড়ুন,বাংলাদেশ যুক্তরাজ্য সম্পর্ক আরও জোরদারে গুরুত্ব দিলেন তারেক রহমান ও সারাহ কুককার্গো পরিবহন এবং রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশ রেলওয়ের আয় বাড়াতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার সুপারিশ করেছে কমিটি। এ ছাড়া রেলওয়ের ডিজিটাল সেবা আরও কার্যকর করা এবং নির্ধারিত স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী লোকোমোটিভ তৈরি ও এর সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়েও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। দীর্ঘদিনের সমস্যা ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি বন্ধেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়। টিকিট কালোবাজারি রোধে মন্ত্রণালয়ের নেওয়া পদক্ষেপ নিয়েও বৈঠকে আলোচনা করা হয়েছে। বৈঠকে পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত প্রস্তাবিত নতুন রেলপথের অগ্রগতির বিষয়েও প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করা হয়। বৈঠকের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত এবং কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সংসদ সচিবালয় ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। রেলওয়ের আয় বাড়ানো, লোকসান কমানো এবং যাত্রীসেবার মান উন্নয়নে এসব সুপারিশ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলে বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ যুক্তরাজ্য সম্পর্ক আরও জোরদারে গুরুত্ব দিলেন তারেক রহমান ও সারাহ কুক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। রোববার ৪ অক্টোবর বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর দফতরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব একেএম নাজমুল হক বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি জানান, সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সার্বিক বিষয় এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় হয়। এ সময় দুই দেশের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় এবং বহুমাত্রিক করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা হয়। সাক্ষাতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, অভিবাসন ও মানবসম্পদ উন্নয়নসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতবিনিময় হয়েছে। আরও পড়ুন,এলপিজির পর বাড়ল অটোগ্যাসের দাম লিটারে ৮৪ টাকাবাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়েও আলোচনা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিধি আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় করেন তারা। দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি এবং বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে। সাক্ষাৎটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হলো যখন বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে অর্থনীতি বাণিজ্য শিক্ষা দক্ষতা উন্নয়ন ও অভিবাসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর দফতরে অনুষ্ঠিত এ সৌজন্য সাক্ষাতে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এলপিজির পর বাড়ল অটোগ্যাসের দাম লিটারে ৮৪ টাকা

এলপিজির পর এবার যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। অক্টোবর মাসের জন্য অটোগ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ করে রবিবার এ ঘোষণা দেওয়া হয়।নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অটোগ্যাসের দাম লিটারপ্রতি ৮৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ছিল ৭৩ টাকা ৯ পয়সা। ফলে লিটারপ্রতি দাম বেড়েছে ১০ টাকা ৯১ পয়সা।বিইআরসি জানিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে অটোগ্যাসের নতুন মূল্য কার্যকর হবে। পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত নির্ধারিত এ দাম বহাল থাকবে।অটোগ্যাসের দাম বাড়ায় গ্যাসচালিত যানবাহনের পরিচালন ব্যয়ও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।আরও পড়ুন, খুন ছিনতাই মাদক চাঁদাবাজি কিশোর গ্যাংয়ের দাপট এর প্রভাব গণপরিবহন ও ব্যক্তিগত যানবাহনের যাতায়াত ব্যয়ের ওপর পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে নিয়মিত অটোগ্যাস ব্যবহারকারী যানবাহনের মালিক ও চালকদের ব্যয় বাড়বে।এদিকে একই সঙ্গে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডারের দামও বাড়ানো হয়েছে। ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। এর আগে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৫৮৫ টাকা।এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম একসঙ্গে বাড়ায় ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি ব্যয়ের চাপ আরও বাড়তে পারে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পরিবহন খরচসহ বিভিন্ন পণ্য ও সেবার দামের ওপরও পড়তে পারে।

খুন ছিনতাই মাদক চাঁদাবাজি কিশোর গ্যাংয়ের দাপট

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও খুলনায় খুন, ছিনতাই, মাদক, চাঁদাবাজি, আধিপত্য বিস্তারসহ নানা অপরাধে কিশোর-তরুণদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে কিছু গ্যাংয়ের কথিত আশ্রয়দাতা বা ‘বড়ভাই’ বদলালেও অপরাধের ধরন বদলায়নি। তবে এসব রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অস্বীকার করেছেন এবং পুলিশও প্রতিটি গ্যাংয়ের সঙ্গে রাজনৈতিক যোগাযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখার কথা জানিয়েছে।খুলনায় কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নাগরিক সমাজে উদ্বেগ রয়েছে। গত ১৪ সেপ্টেম্বর নগরীর আহসান আহমেদ রোডে দুই নারীর ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় শিশু-কিশোরদের একটি দলের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে। কৌশলে ডিম ছুড়ে পথরোধ করে পরে ব্যাগ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করা হয়।এর আগে ১৯ আগস্ট লবণচরা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই তরুণ হত্যার ঘটনায় ১৪ থেকে ২০ বছর বয়সী কিশোর-তরুণদের সম্পৃক্ততা পায় পুলিশ। চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ছোট অপরাধী চক্রের মধ্যে বিরোধ থেকেই এমন সংঘর্ষের সূত্রপাত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।আরও  পড়ুন, পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২৪ কর্মকর্তাকে বদলিগোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, খুলনা মহানগরীতে টিপসি বয়েজ, ডেঞ্জার বয়েজ, গোল্ডেন বয়েজ, কিং অব রূপসা ও টাইগার টিমসহ কয়েকটি কিশোর ও তরুণ গ্যাং সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব গ্রুপের বিরুদ্ধে মাদক, অস্ত্র, চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে।স্থানীয় পর্যায়ে আরও কয়েকটি সিনিয়র অপরাধী গ্রুপ কিশোরদের ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ অবশ্য কোনো নির্দিষ্ট গ্রুপের বিষয়ে তথ্য যাচাই ও তদন্তের কথা জানিয়েছে।কেএমপি কমিশনার সাজ্জাদুর রহমান বলেন, ‘টাইগার টিম’ নামে কোনো বাহিনীর তথ্য পুলিশের কাছে নেই। তবে নগরীতে একাধিক অপরাধী গ্রুপ গড়ে ওঠার বিষয়টি তারা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছেন। তার মতে, কিশোর গ্যাং দমনে শুধু অভিযান নয়, সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগও প্রয়োজন। অপরাধে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।কুমিল্লায় ‘রাও’ ও ‘ক্রাইম সেটআপ’সহ কয়েকটি কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে খুন, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এসব গ্রুপের সঙ্গে নতুন কিছু রাজনৈতিক নেতাকর্মীর যোগাযোগ তৈরি হয়েছে।সম্প্রতি কক্সবাজারে অভিযান চালিয়ে রাও গ্যাংয়ের প্রধান ইমরান হোসেন রতন ও তার সহযোগী সাইফুল ইসলাম এবং ক্রাইম সেটআপের প্রধান মো. সাব্বির ওরফে পয়েন্ট সাব্বির ও তার সহযোগী রবিউল ইসলাম নবী ওরফে কিং মেকারকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে কয়েকজন কথিত ‘অভিভাবকের’ নাম উঠে এসেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।আরও  পড়ুন, ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৫২ টাকাকুমিল্লা ডিবির ওসি মোহাম্মদ শামছুল আলম শাহ জানান, গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাজনৈতিক পরিচয় থাকলেও কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, কিশোর গ্যাং নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে। ইতোমধ্যে বিপুলসংখ্যক কিশোর-তরুণকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং অন্যদের অভিভাবকদের জিম্মায় দিয়ে সতর্ক করা হচ্ছে।কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদুজ্জামান রানা বলেন, সংগঠনের কোনো নেতা কিশোর গ্যাংকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।চট্টগ্রামেও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। পুলিশের তথ্যানুযায়ী, গত কয়েক বছরে কিশোর গ্যাং-সংশ্লিষ্ট সহিংসতায় বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। খুন, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক ও আধিপত্য বিস্তারসহ বিভিন্ন অপরাধে কিশোর-তরুণদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।সিএমপির তালিকায় বিভিন্ন এলাকায় সক্রিয় কিশোর গ্যাংয়ের নাম রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এর মধ্যে ৫জি, ৭জি, ৭ বয়েজ, কিউট বয়েজ, এমবিএস, কেবি, এনএস, ৯৯৯, এক্স-মার্ক, ব্যাকহোল, ডট গ্যাং, বিসু, পাইথন, সেভেন স্টার ও ফাইভ স্টারের নাম আলোচনায় এসেছে।স্থানীয় সূত্রের অভিযোগ, স্টেশন রোড, কদমতলী, চকবাজার, সিআরবি, খুলশি, ফয়েস লেক, চান্দগাঁও, আগ্রাবাদ, হালিশহর ও পতেঙ্গাসহ বিভিন্ন এলাকায় সন্ধ্যার পর কিশোরদের দলবদ্ধ চলাচল ও আড্ডার পাশাপাশি ছিনতাই ও মাদক বেচাকেনার ঘটনা ঘটে।

রাজনীতিরাজনীতি

জাতিকে বিভক্ত না করলে বাংলাদেশও এগিয়ে যাবে: নূরুল ইসলাম সাদ্দাম

জাতিকে বিভক্ত না করলে বাংলাদেশও এগিয়ে যাবে: নূরুল ইসলাম সাদ্দাম

একাত্তরের চেতনার নামে জাতির মধ্যে বিভাজন তৈরি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম।রোববার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর ইউসুফ আলী সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে একাদশ ও স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।শিবির সভাপতি বলেন, সবসময় তাদের একাত্তরের চেতনার কথা শেখানো হয়। তার দাবি, এই চেতনার ব্যবসা করে জাতির মধ্যে বিভাজন তৈরি করে রাখা হয়েছে। জাতিকে সামনে এগিয়ে যেতে না দেওয়ার জন্য বিভাজনকে কাজে লাগানো হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মতো দেশ নানা সংকটের মধ্য দিয়েও ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তার মতে, জাতিকে বিভক্ত না করায় তারা পরবর্তী সময়ে বিশ্বকে চ্যালেঞ্জ করতে সক্ষম হয়েছে।আরও পড়ুন,নিরাপত্তা ও শান্তি নিশ্চিত না হলে বিকল্প নেতৃত্ব আসবে: শফিকুর রহমাননিজের প্রসঙ্গ তুলে শিবির সভাপতি বলেন, তিনি এ দেশে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং দেশের আলো-বাতাসে বেড়ে উঠেছেন। তার বক্তব্য, ১৯৯০ সালের পর জন্মগ্রহণ করলেও তাকে রাজাকার, আলবদর বা আল-শামস বলা হয় এবং দেশ থেকে বের করে দেওয়ার কিংবা হত্যার হুমকির কথা বলা হয়।তিনি আরও বলেন, তিনি কর দেন, দেশের মানুষ ও জাতিকে নিয়ে ভাবেন, দুর্নীতি করেন না এবং মানুষের সম্পদ লুটপাট বা চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজির সঙ্গে জড়িত নন। তারপরও তাকে রাজাকার বলা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।নূরুল ইসলাম সাদ্দামের দাবি, মুক্তিযুদ্ধের সময় জন্ম না হলেও কাউকে যদি চেতনায় রাজাকার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, তাহলে এর মাধ্যমে জাতিকে বিভক্ত রাখা হচ্ছে। গত ৫৫ বছরে দেশের সামনে এগিয়ে যেতে না পারার পেছনে এটিও অন্যতম একটি কারণ বলে মন্তব্য করেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পূর্ব শিবিরের সভাপতি মোহা. আব্দুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শাহ হোসাইন আহমদ মেহদীসহ অন্যরা।

নিরাপত্তা ও শান্তি নিশ্চিত না হলে বিকল্প নেতৃত্ব আসবে: শফিকুর রহমান

নিরাপত্তা ও শান্তি নিশ্চিত না হলে বিকল্প নেতৃত্ব আসবে: শফিকুর রহমান

দেশের নাগরিকরা যদি নিজেদের জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে শান্তিতে ঘুমাতে না পারেন, তাহলে সেই সরকারের ক্ষমতায় থাকার কোনো প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। জনগণের নিরাপত্তা ও শান্তি নিশ্চিত করতে সরকার ব্যর্থ হলে সক্ষম নেতৃত্বের হাতে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব তুলে দেওয়ার কথাও বলেন তিনি।রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর মধুবাগ মাঠে দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মারাত্মক অবনতির দিকে যাচ্ছে বলে তিনি মনে করেন। জনগণের মৌলিক স্বাস্থ্য সুরক্ষাসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার দাবি, সরকার জনস্বার্থে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি বিরোধী পক্ষগুলোর ভালো উদ্যোগেও বাধা দিচ্ছে।আরও  পড়ুন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জামায়াতের সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি ৪ থেকে ১০ অক্টোবর দেশব্যাপীবিমানবন্দরে দলীয় সংসদ সদস্যদের হেনস্তার অভিযোগ প্রসঙ্গে জামায়াত আমির অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে করা মামলাকে ‘ভিত্তিহীন ও মিথ্যা’ বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, মেজর আখতারুজ্জামান কারও ওপর চড়াও হননি এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সত্য নয়। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার জন্য দেশবাসী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে দ্বিমুখী আচরণের অভিযোগ তুলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার ব্যক্তিদের সঙ্গে নির্মম আচরণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সরকারি অর্থের দুর্নীতি ও লুটপাট বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন জামায়াত আমির। ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ ও মানুষের জীবন রক্ষায় দলটির পক্ষ থেকে মাঠপর্যায়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণের মৌলিক অধিকার, নিরাপত্তা ও শান্তি নিশ্চিত করতে নিষ্ক্রিয় থাকলে জনগণ আন্দোলনের মাধ্যমে জবাব দেবে। নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে বিকল্প নেতৃত্বের বিষয়টি সামনে আসবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জামায়াতের সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি  ৪ থেকে ১০ অক্টোবর দেশব্যাপী

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জামায়াতের সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি ৪ থেকে ১০ অক্টোবর দেশব্যাপী

ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশব্যাপী সপ্তাহব্যাপী জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি শুরু করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। রোববার (৪ অক্টোবর) থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করাই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।রোববার সকাল ৯টায় রাজধানীর মগবাজারের মধুবাগ খেলার মাঠে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। দলটির পক্ষ থেকে দেশবাসী, নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।আরও  পড়ুন, গ্রেফতার আখতারুজ্জামানকে নেতা মানছে না জামায়াতদলটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কর্মসূচির মাধ্যমে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা, মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত ও ধ্বংস করা এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।এর আগে রাজধানী ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সপ্তাহব্যাপী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছিল জামায়াতে ইসলামী। এবার ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশব্যাপী জনসচেতনতা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু কোনো একক প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। এ কারণে কর্মসূচিতে সর্বস্তরের জনগণকে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

গ্রেফতার আখতারুজ্জামানকে নেতা মানছে না জামায়াত

গ্রেফতার আখতারুজ্জামানকে নেতা মানছে না জামায়াত

ঢাকার হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে (ইডি) হুমকি ও নিরাপত্তা সুপারভাইজারকে মারধরের অভিযোগে করা মামলায় গ্রেফতার মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে দলের নেতা হিসেবে মানতে নারাজ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, আখতারুজ্জামান জামায়াতের নেতা নন, তিনি সহযোগী সদস্য। শনিবার (৩ অক্টোবর) রংপুর নগরীর শাপলা চত্বরে জেলা জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। রংপুর বিভাগীয় উন্নয়ন ফোরামের ১৩ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন এবং প্রাথমিক সহযোগী সদস্য হওয়ার জন্য ফরম পূরণ করেছেন। সে হিসেবে তাকে দলের নেতা হিসেবে পরিচয় দেওয়ার সুযোগ নেই বলে তিনি দাবি করেন। আরও  পড়ুন, সরকারের নাম ভাঙিয়ে অপকর্ম করলে দায় নেবে না সরকার বললেন পার্থ সংবাদ সম্মেলনে রংপুর বিভাগের উন্নয়ন বৈষম্য দূর করতে তিস্তা মহাপরিকল্পনাসহ ১৩ দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়। এটিএম আজহারুল ইসলাম অভিযোগ করেন, একটি দেশের আপত্তির কারণে সরকার তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে না। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য দেন তিনি। তার দাবি, আওয়ামী লীগের মতো বিএনপিকেও একসময় জনগণের চাপের মুখে সরে যেতে হবে। চাঁদাবাজির কারণে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, ভয় দেখিয়ে জামায়াতকে দমিয়ে রাখা যাবে না। অযোগ্য ও দুর্নীতিপরায়ণ নেতৃত্বের কারণে দেশে অস্থিরতা বিরাজ করছে এবং সরকার সংবিধানের দোহাই দিয়ে ইচ্ছামতো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য, রংপুর মহানগর জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ এটিএম আজম খানসহ জেলা ও মহানগরের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সারাবাংলা

কসবায় স্কুল শিক্ষিকাকে অপহরণ চেষ্টার প্রতিবাদে মানবন্ধন

কসবায় স্কুল শিক্ষিকাকে অপহরণ চেষ্টার প্রতিবাদে মানবন্ধন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় আকছিনা-কুল্লাবাড়ি মডার্ণ স্কুলের শিক্ষিকাকে দিনে-দুপুরে জোরপূর্বক অপহরণ চেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্তকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবক ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে ওই স্কুলের সামনের সড়কে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ৪৮ ঘন্টার মধ্যে অভিযুক্ত কসবা পশ্চিম ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি দেলোয়ার হোসেন জিন্নাহকে গ্রেফতার না করা হলে এলাকাবাসী কসবা থানা ঘেরাওসহ আরও কঠোর কর্মসূচীর ঘোষণা মানববন্ধনে উপস্থিত নেতৃবৃন্দের।মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, আকছিনা-কুল্লাবাড়ী আলিম মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা নুরুল আমিন মোল্লা, আরও পড়ুন,দ্বিতীয়বারের মতো গাজীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত হলেন শ্রীপুর মডেল থানার আ. জলিল মন্ডলখন্দকার জাহাঙ্গীর আলম, খন্দকার আজাদ মিয়া, ছাত্রদল নেতা খন্দকার সাদ্দাম হোসেন, খন্দকার রনি, খন্দকার জসিম উদ্দিন, শাহআলম জমাদ্দার, হাজী নুরুল আমিন, হাজী শামিম আহমেদ, কাজী জিলানী ভূইয়া, শামিম রেজা, শিশু ভূইয়া ও আকছিনা-কুল্লাবাড়ী মডার্ণ স্কুলের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম প্রমুখ। এসময় এলাকার বিভিন্ন শ্রেণীপেশার বিপুল সংখ্যক জনতা উপস্থিত ছিলেন।মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, কসবা আকছিনা-কুল্লাবাড়ী মডার্ণ স্কুলের শিক্ষিকাকে অপরহরণ চেষ্টার অভিযোগে কসবা পশ্চিম ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি দেলোয়ার হোসেন জিন্নাহকে আসামী করে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষিকা ঘটনার দিন সন্ধ্যায় কসবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ৬ দিন পেরিয়ে গেলেও ওই ছাত্রদল নেতাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ । এতে আতংকে রয়েছে স্কুলের অন্যান্য শিক্ষক শিক্ষিকাসহ নারী শিক্ষার্থীরা। তাকে দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি ব্যবস্থা করতে আহ্বান জানান উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি। বক্তারা জানান, এলাকার কুলাংগার একাধিকবার অস্ত্রসহ বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতারকৃত বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত দেলোয়ার হোসেন জিন্নাহকে তার পদ এবং দল থেকে বহিস্কারের জন্য জেলা ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের প্রতি আহ্বান জানান।আল্টিমেটাম দিয়ে বক্তারা বলেন, দেলোয়ার হোসেন জিন্নাহকে আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার না করা হলে ৪৮ ঘন্টার পর এলাকার সম্মান রক্ষায় থানা ঘেরাওসহ আরও একাধিক কঠোর কর্মসূচী গ্রহণ করবে এলাকাবাসী। ৪৮ ঘন্টা পর থেকে তাকে গ্রামে ঘুরতে দেখা গেলে সে জনরোষের শিকার হলে এর দায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই গ্রহণ করতে হবে।২৮ সেপ্টেম্বর স্কুল ছুটি শেষে বাড়ি ফেরার পথে আকছিনা-কুল্লাবাড়ী মডার্ণ স্কুলের এক শিক্ষিকাকে পথরোধ দাঁড়ায় উপজেলার কসবা পশ্চিম ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি দেলোয়ার হোসেন জিন্নাহ। দেলোয়ার হোসেন ওই শিক্ষিকার সাথে ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলতে চাইলে শুনতে রাজি না হয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন শিক্ষিকা। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে দেলোয়ার হোসেন একটি কালো রঙ্গের পিস্তল বের করে শিক্ষিকার পেটে ঠেকিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে অপহরণের উদ্দেশ্যে জোরপূর্বক একটি সিএনজিতে তুলে নিয়ে যায় বলে শিক্ষিকা অভিযোগে উল্লেখ করেন। কয়েক কিলোমিটার যাওয়ার পর সুযোগ বুঝে চলন্ত সিএনজি থেকে লাফিয়ে পড়ে আর্তচিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন তাকে রক্ষা করে। ব্যর্থ হয়ে সিএনজিসহ পালিয়ে যায় অভিযুক্ত জিন্নাহ। পরে ওই দিন সন্ধ্যায়ই ভুক্তোভোগী শিক্ষিকা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ছাত্রদল নেতা দেলোয়ার হোসেন জিন্নাহর বিরুদ্ধে। এখনো অভিযুক্ত গ্রেফতার না হওয়ায় দ্রুত গ্রেফতারের দাবীতে এলাকাবাসী মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে।তবে অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেন জিন্নাহ দাবী করেন, সে ওই শিক্ষিকাকে অপহরণের চেষ্টা করে করেননি। সম্পর্কের খাতিরে তাকে নিয়ে সিএনজিতে ঘুরে বেড়িয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন বলে দাবী করেন। তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা তাকে হেয় করার জন্য এসব করছেন বলে দাবী করেন।এ বিষয়ে কসবা থানা অফিসার ইনচার্জ আলী মোহাম্মদ রাশেদ জানান,  আমরা ওই ভুক্তভোগী শিক্ষিকার মামলা গ্রহণ করেছি। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের বিষয়ে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আমরা আশাবাদী দ্রুত তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হবো।

দ্বিতীয়বারের মতো গাজীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত হলেন শ্রীপুর মডেল থানার আ. জলিল মন্ডল

দ্বিতীয়বারের মতো গাজীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত হলেন শ্রীপুর মডেল থানার আ. জলিল মন্ডল

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন, ওয়ারেন্ট তামিল এবং জনসেবামূলক কাজে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আবারও গাজীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ উপ-পরিদর্শক (এসআই) নির্বাচিত হয়েছেন আ. জলিল মন্ডল। তিনি বর্তমানে শ্রীপুর মডেল থানায় ‘সেকেন্ড অফিসার’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।  ​ গাজীপুর জেলা পুলিশ আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তাঁর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সম্মাননা ও প্রশংসা পত্র তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে পুলিশের স্লোগান "সেবাই পুলিশের ধর্ম"-কে পাথেয় করে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানানো হয়।  ​সাফল্যের ধারা বজায় রাখা: এটি তাঁর জন্য একটি বিরল ও গৌরবজনক অর্জন। এর আগেও তিনি তাঁর দক্ষতা ও কর্মনিষ্ঠার মাধ্যমে জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে মনোনীত হয়েছিলেন। দ্বিতীয়বারের মতো এই সম্মাননা অর্জন করায় শ্রীপুর মডেল থানা পুলিশ পরিবার ও স্থানীয় শুভাকাঙ্ক্ষীদের পক্ষ থেকে তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।  আরও পড়ুন,গঙ্গাচড়ায় ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩ দুজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩ মাসের কারাদণ্ড, একজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা​পুলিশ প্রশাসনে প্রশংসার জোয়ার: পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পেশাগত দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করার ফলেই তিনি এই সাফল্য অর্জন করতে পেরেছেন। তাঁর এই গৌরবময় অর্জন শ্রীপুর মডেল থানা তথা পুরো গাজীপুর জেলা পুলিশের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা।  ​নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে এবং সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সহকর্মীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, তিনি ভবিষ্যতে আরও সততা ও নিষ্ঠার সাথে জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন।

গঙ্গাচড়ায় ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩  দুজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩ মাসের কারাদণ্ড, একজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা

গঙ্গাচড়ায় ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩ দুজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩ মাসের কারাদণ্ড, একজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। পরে তাঁদের মধ্যে দুই মাদকসেবীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাঁদের আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপরজনের কাছ থেকে ৮০টি ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা প্রক্রিয়াধীন ।রোববার (৪ অক্টোবর) গঙ্গাচড়া উপজেলার বেতগাড়ী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কিশামত শেরপুর মিয়াপাড়া ও বেতগাড়ী বাজার এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর রংপুর জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপপরিদর্শক মো. তাহামুদার রহমানের নেতৃত্বে একটি দল প্রথমে কিশামত শেরপুর মিয়াপাড়ার কথিত মাদক ব্যবসায়ী মো. ইব্রাহিমের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে কোনো মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়নি।পরে অভিযানকারী দল বেতগাড়ী বাজারে মো. মিলনের দোকানে অভিযান চালায়।আরও পড়ুন,হামলায় আহত সাংবাদিক দুলালকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন এমপি রায়হান এ সময় দোকানের ভেতরে মিলন (৩৫), মো. আইনুল (৩৩) ও আকরাম (৩২) অবস্থান করছিলেন। তাঁদের আটক করে দোকানে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির সময় মিলনের কাছ থেকে ৮০টি ইয়াবা, আইনুলের কাছ থেকে একটি এবং আকরামের কাছ থেকে একটি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ইয়াবা সেবনের সরঞ্জামও জব্দ করা হয়।পরে বিষয়টি গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ হামিদুল ইসলাম ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।ভ্রাম্যমাণ আদালত আইনুল ও আকরামকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৯(১)(ক) ধারায় নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য সেবনের অপরাধে একই আইনের ৩৬(১) ধারার সংশ্লিষ্ট দণ্ডবিধান/তফসিল অনুযায়ী তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।অন্যদিকে, ৮০টি ইয়াবাসহ আটক মো. মিলনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় নিয়মিত মামলা করার প্রক্রিয়া নেওয়া হয়।অভিযানের সময় স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আরও কঠোর শাস্তির দাবি জানান। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাঁদের আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবহিত করে শান্ত করেন।এলাকার সচেতন নাগরিকদের পক্ষ থেকে সামছুল হক মুকুল মাস্টার বলেন, এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলায় তিনি হুমকির মুখে পড়েছেন। মাদক ব্যবসা ও মাদকসেবন বন্ধে প্রশাসনের আরও কঠোর ও ধারাবাহিক অভিযান দাবি করেন তিনি।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের গঙ্গাচড়া মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

হামলায় আহত সাংবাদিক দুলালকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন এমপি রায়হান

হামলায় আহত সাংবাদিক দুলালকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন এমপি রায়হান

সংবাদ প্রকাশের জেরে হামলায়  আহত জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আব্দুল বারী দুলালকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে গেছেন রংপুর-১ (গংগাচড়া ও সিটির আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী। এ সময় গংগাচড়ার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সুধীজনও হাসপাতালে গিয়ে আহত সাংবাদিকের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। রবিবার (৪ অক্টোবর) বিকেলে গংগাচড়া ৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাংবাদিক আব্দুল বারী দুলালকে দেখতে যান তারা। আব্দুল বারী দুলাল দৈনিক প্রতিদিনের বার্তা ও দৈনিক লাখোকণ্ঠের গংগাচড়া প্রতিনিধি এবং গংগাচড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি। হাসপাতালে আহত সাংবাদিকের চিকিৎসার খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসকদের কাছ থেকে তার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চান সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী। আরও পড়ুন,মেঘ-পাহাড়ের টানে লামায় ছুটছেন পর্যটকউন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দেন তিনি। এ সময় এমপি রায়হান সিরাজী বলেন, নিজের দায়বদ্ধতার জায়গা থেকেই তিনি আহত সাংবাদিককে দেখতে হাসপাতালে এসেছেন। সাংবাদিকরা দেশের দর্পণ। তারা সমাজের নানা অনিয়ম, অসঙ্গতি ও বাস্তবতা জাতির সামনে তুলে ধরেন। একজন সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় তিনি তীব্র নিন্দা জানান। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্রুত হামলার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই। একই সঙ্গে আহত সাংবাদিকের চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে এবং তার চিকিৎসাসেবা যথাযথভাবে চলছে।\ উল্লেখ্য, সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক আব্দুল বারী দুলালের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় সাংবাদিক মহলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিকরা

আন্তর্জাতিক

ত্রাণ নিতে গিয়ে হেলিকপ্টার থেকে পড়া প্যাকেটের আঘাতে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

ত্রাণ নিতে গিয়ে হেলিকপ্টার থেকে পড়া প্যাকেটের আঘাতে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

ভারতের বিহারে বন্যার্তদের জন্য হেলিকপ্টার থেকে ফেলা ত্রাণের প্যাকেট মাথায় পড়ে ৫৮ বছর বয়সী এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নিহতের নাম অনিল কুমার সিং। শুক্রবার সারান জেলার পরশুরামপুর গ্রামের একটি ত্রাণকেন্দ্রের কাছে এ ঘটনা ঘটে। শনিবার স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।বন্যার কারণে দুর্গত এলাকায় সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ায় ভারতীয় বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছিল। এ সময় হেলিকপ্টার থেকে ফেলা একটি ত্রাণের প্যাকেট অনিল কুমারের মাথায় আঘাত করে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।মারহাওরার সাব-ডিভিশনাল পুলিশ কর্মকর্তা সবিন্দ্র কুমার দাস জানান, আরও পড়ুন,সৌদি বিমান হামলার জবাবেই তেল স্থাপনায় হামলা হুথিদের দাবিশুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। ত্রাণের প্যাকেটের আঘাতেই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।স্থানীয় থানার কর্মকর্তা বিমলেশ কুমার জানান, গ্রামবাসীর কাছ থেকেই তারা জানতে পেরেছেন যে ত্রাণের প্যাকেট মাথায় পড়ে অনিল কুমারের মৃত্যু হয়েছে। তবে নিহতের মাথা বা শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।এদিকে হেলিকপ্টার থেকে ত্রাণ বিতরণের সময় সৃষ্ট প্রবল বাতাসে একটি বাড়ির টিনের চাল উড়ে গিয়ে এক নারীর পায়ে আঘাত লাগে। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে তার অবস্থা গুরুতর নয় বলে জানা গেছে।অনিল কুমারের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে তারা মরদেহ মহাসড়কে রেখে বিক্ষোভ করেন। এ সময় তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

৫ ঘন্টা আগে

রাজধানী

শাহজালাল  বিমানকর্মীর জুতায় ৮০ স্বর্ণবার উদ্ধার

শাহজালাল বিমানকর্মীর জুতায় ৮০ স্বর্ণবার উদ্ধার

 হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে দুই বিমানকর্মীর জুতার ভেতর বিশেষ কায়দায় লুকানো ৮০টি স্বর্ণবার উদ্ধার করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)। উদ্ধার করা স্বর্ণের মোট ওজন প্রায় ৯ দশমিক ৩৪ কেজি। এর আনুমানিক বাজারমূল্য ১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা।কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিআইআইডির কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে সতর্ক অবস্থান নেন। পরে দুবাই থেকে ঢাকায় আসা এমিরেটস এয়ারলাইন্সের EK0582 ফ্লাইটের দুই বিমানকর্মীর গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে রানওয়েতে তাদের তল্লাশি করা হয়।তল্লাশির একপর্যায়ে তাদের পরিহিত জুতার ভেতরে বিশেষ কায়দায় লুকানো অবস্থায় স্বর্ণবারগুলো পাওয়া যায়।আরও  পড়ুন, গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়ার বাস টার্মিনাল সরছে কেরানীগঞ্জে উদ্ধার করা স্বর্ণের সংখ্যা ৮০টি। প্রতিটি স্বর্ণবারের ওজন প্রায় ১১৭ গ্রাম বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। সব মিলিয়ে স্বর্ণের ওজন প্রায় ৯ দশমিক ৩৪ কেজি।কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, বিমানকর্মীদের জুতার ভেতরে স্বর্ণবার লুকিয়ে আনার ঘটনাটি চোরাচালানের একটি অভিনব কৌশল। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের উৎস, কারা এসব স্বর্ণ সংগ্রহ করেছে এবং ঢাকায় কার কাছে তা পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সংঘবদ্ধ একটি চক্র বিমানকর্মীদের ব্যবহার করে স্বর্ণ চোরাচালানের চেষ্টা করে থাকতে পারে। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, তা জানতে সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদসহ তদন্ত চলছে।এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

১৪ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৫ জন

খেলাধুলা

ছয় মিনিটেই গোল ইয়ামালের টানা তৃতীয় ম্যাচে বিরল কীর্তি

ছয় মিনিটেই গোল ইয়ামালের টানা তৃতীয় ম্যাচে বিরল কীর্তি

উয়েফা নেশনস লিগের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে চেক প্রজাতন্ত্রকে ৩-১ গোলে হারিয়ে জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন। টানা তৃতীয় জয়ে দারুণ ছন্দে থাকা স্পেনের হয়ে ম্যাচের শুরুতেই গোল করে অনন্য এক কীর্তি গড়েছেন বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল।ওভিয়েদোতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে স্পেন। ম্যাচের মাত্র ষষ্ঠ মিনিটেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ইয়ামাল। দুর্দান্ত এই গোলের মাধ্যমে টানা তৃতীয় আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম ছয় মিনিটের মধ্যে গোল করার বিরল কীর্তি গড়েন ১৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।এর আগে ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষেও ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে গোল করেছিলেন ইয়ামাল। ফলে টানা তিন আন্তর্জাতিক ম্যাচে শুরুর ছয় মিনিটের মধ্যেই গোল করার নজির গড়লেন তিনি।আরও  পড়ুন,  লড়াই করেও ব্রাজিলের কাছে ৪-০ গোলে হার ভারতফুটবল পরিসংখ্যানভিত্তিক জনপ্রিয় মাধ্যম ‘মিস্টার চিপ’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানায়, আন্তর্জাতিক ফুটবলে এমন কীর্তি সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল ২০১৭ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৮ সালের মার্চের মধ্যে। সে সময় কিরগিজস্তানের হয়ে আতোঁয়ান জেমলিয়ানুখিন ব্রুনাইয়ের বিপক্ষে প্রথম মিনিটে, মিয়ানমারের বিপক্ষে পঞ্চম মিনিটে এবং ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয় মিনিটে গোল করেছিলেন।ইয়ামালের ধারাবাহিকতা সেই রেকর্ডের সঙ্গেই নতুন করে ইতিহাসে জায়গা করে নিল। ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় মিনিটে গোলের পর এবার চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে ষষ্ঠ মিনিটে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি।ইয়ামালের দুর্দান্ত ফর্মে স্পেনও নেশনস লিগে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে চলছে। লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা ম্যাচে আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রদর্শন করে শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের জয় তুলে নেয়। বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ধারাবাহিক 

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!