দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1000.1 hPa
29.8° 72%
15mm
চট্টগ্রাম 1000.3 hPa
28.2° 80%
110° 15mm
রাজশাহী 999.3 hPa
29.4° 89%
15mm
খুলনা 998.9 hPa
28.5° 86%
30° 15mm
বরিশাল 999.1 hPa
27.7° 86%
20° 15mm
সিলেট 1001 hPa
30.3° 82%
20° 15mm
রংপুর 999.4 hPa
31.6° 80%
300° 15mm
ময়মনসিংহ 1000 hPa
30.5° 77%
40° 15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

গুলশানে অভিযোগের কেন্দ্রে অবৈধ স্পা ব্যবসায়ী নুর-ইসলাম

গুলশানে অভিযোগের কেন্দ্রে অবৈধ স্পা ব্যবসায়ী নুর-ইসলাম

রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে পরিচালিত কয়েকটি স্পা সেন্টার এবং উত্তরায় একটি আবাসিক হোটেলকে ঘিরে নুরইসলাম নামে এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহলে অভিযোগ উঠেছে| অভিযোগকারীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ রয়েছে| স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, গুলশানের কয়েকটি বাণিজ্যিক ভবন ছাড়া পরিচালিত কিছু স্পা সেন্টারে নিয়মিত বিভিন্ন ব্যক্তির যাতায়াত নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা রয়েছে| তাদের অভিযোগ, এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম যথাযথভাবে তদারকি করা হচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে| আরও পড়ুন: বনানীতে শহিদের অবৈধ স্পা সেন্টার ঘিরে অন্ধকার জগৎঅভিযোগকারীদের ভাষ্য, নুরইসলাম দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীতে ব্যবসা পরিচালনা করছেন এবং গুলশান ও উত্তরায় তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নাম বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় এসেছে| তবে এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকানা, লাইসেন্স এবং পরিচালনার ˆবধতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি কোনটাই নেই| এসব ব্যবসা নুরইসলাম নারী ও মাদক সিন্ডিকেট দিয়ে পরিচালনা করে থাকেন| একটি গুলশানের ৪৭ নং রোডে  এবং অণ্যটি ৫৫ নং রোডে বিলাশ বহুল অবৈধ স্পা সেন্টার রয়েছে তার| এসব অবৈধ ব্যবসায় হয়েছেন কোটিপতি|    এলাকাবাসীর একাংশের মতে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় স্পা ও আবাসিক হোটেল পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন| তাদের দাবি, লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স, অগ্নিনিরাপত্তা, স্বাস্থ্যবিধি ও অন্যান্য আইনগত শর্ত যথাযথভাবে মানা হচ্ছে কি না তা নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে নিশ্চিত করা উচিত|আরও পড়ুন: বনানীর ২৭ নম্বর রোডের স্পা নিয়ে প্রশ্নের শেষ কোথায়?সুশাসন ও আইন প্রয়োগ বিষয়ে কাজ করা বিশ্লেষকদের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন| অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, আর অভিযোগ প্রমাণিত না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সুনাম যেন অযথা ক্ষুণ্ন না হয়, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ|স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমšি^ত তদন্ত হলে প্রকৃত চিত্র সামনে আসবে| একই সঙ্গে তারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং নিয়মিত মনিটরিং জোরদারের আহ্বান জানান|আরও পড়ুন: গুলশান বারিধারায় দোলার অবৈধ স্পা সেন্টার নিয়ে বিতর্কএই প্রতিবেদনের জন্য নুরইসলামের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তা পাওয়া যায়নি| ভবিষ্যতে তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে| একইভাবে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), সিটি করপোরেশন এবং অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার বক্তব্যও সংগ্রহের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে|সাংবাদিকতা বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিযোগভিত্তিক প্রতিবেদন প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্য-প্রমাণ, নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এবং কর্তৃপক্ষের অবস্থান তুলে ধরা অপরিহার্য| এতে পাঠক একটি ভারসাম্যপূর্ণ চিত্র পান এবং তদন্ত প্রক্রিয়াও আরও স্বচ্ছ হতে সহায়তা করে|আরও পড়ুন: বনানীতে অনুমোদনহীন হোটেল ‘মার্ভেল ইন’ নারী সিন্ডিকেটের দাপটরাজধানীর অভিজাত এলাকাগুলোতে পরিচালিত স্পা, ওয়েলনেস সেন্টার ও আবাসিক হোটেলগুলোর কার্যক্রম আইন অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মিত পরিদর্শন ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা| তাদের মতে, অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা উদ্ঘাটন এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণই হবে সবচেয়ে কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য পথ|একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেই আমরা সেটিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করি| অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়| যদি তদন্তে কোনো ধরনের অনিয়ম, আইন লঙ্ঘন বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে| একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে কাউকে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা সমীচীন নয়| আমরা সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণ পেলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করব|আরও পড়ুন: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগনিজাম নামের একজন পথচারী বলেন, আমি নিয়মিত এই এলাকা দিয়ে যাতায়াত করি| এখানে বেশ কয়েকটি স্পা সেন্টারে দিনের তুলনায় সন্ধ্যার পর মানুষের আনাগোনা অনেক বেশি দেখা যায়| এলাকায় কী ধরনের ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি করা উচিত| কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে সেটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন| এতে আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনাকারীরাও উপকৃত হবেন, আবার অনিয়ম থাকলে সেটিরও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে|

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

প্রতারণার মামলায় সাবেক পরিচালক আহমেদ জোবায়েরের জামিন নামঞ্জুর

প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ ও জালিয়াতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সময় টেলিভিশনের সাবেক পরিচালক আহমেদ জোবায়েরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।রোববার (২৬ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল হাসান এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আহমেদ জোবায়েরের আইনজীবী ফরহাদ হোসাইন নিয়ন।এর আগে, গত ১৮ জুন আত্মসমর্পণ করলে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই মামলায় ওইদিন তিন আসামির জামিন মঞ্জুর করা হয়।জামিন পাওয়া আসামিরা হলেন—আহমেদ রাফিদ কাদের ঋভু, শেখ মাহমুদ ইয়াসিন এবং সানি চৌধুরী।আরও  পড়ুন, শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের গুরুত্বপূর্ণ আদেশমামলার অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ এবং কাগজপত্র জালিয়াতির অভিযোগে গত ১০ মে আহমেদ জোবায়েরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন সৈয়দ আসাদুজ্জামান।মামলা গ্রহণ করে আদালত অভিযুক্তদের ১৭ জুনের মধ্যে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। তবে নির্ধারিত দিনে আদালতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ জুন ছয় আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।মামলার অন্য পরোয়ানাভুক্ত দুই আসামি হলেন আহমেদ জোবায়েরের স্ত্রী শামীমা সুলতানা চৌধুরী এবং তাদের সন্তান সারাফ নাওয়ার জয়ীতা।সবশেষে জামিন আবেদন নাকচ হওয়ায় প্রতারণা ও জালিয়াতির এ মামলায় আপাতত কারাগারেই থাকছেন আহমেদ জোবায়ের।

শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের গুরুত্বপূর্ণ আদেশ

কক্সবাজারের টেকনাফে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যার ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আনা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।আদালত অভিযোগ গ্রহণের পাশাপাশি আট আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। অন্য মামলায় গ্রেপ্তার থাকা তিন আসামিকে পরবর্তী শুনানিতে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।কক্সবাজারের টেকনাফে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যার ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আনা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।আদালত অভিযোগ গ্রহণের পাশাপাশি আট আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। অন্য মামলায় গ্রেপ্তার থাকা তিন আসামিকে পরবর্তী শুনানিতে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন, ‘সংখ্যা নয়, সক্ষমতাই হবে শক্তি’সেনা আধুনিকায়নে নতুন বার্তা প্রধানমন্ত্রীররাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন শুনানিতে অভিযোগ উপস্থাপন করে তা আমলে নেওয়ার আবেদন জানান। শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল আগামী ২৫ আগস্ট মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করেন।মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদসহ মোট ১১ জন।২০১৮ সালের ২৬ মে কক্সবাজারের টেকনাফে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি একরামুল হক। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে এই মামলা বিচারাধীন রয়েছে।মামলাটির পরবর্তী কার্যক্রম এখন ২৫ আগস্টের শুনানিকে ঘিরে এগোবে।রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন শুনানিতে অভিযোগ উপস্থাপন করে তা আমলে নেওয়ার আবেদন জানান। শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল আগামী ২৫ আগস্ট মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করেন।মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদসহ মোট ১১ জন।২০১৮ সালের ২৬ মে কক্সবাজারের টেকনাফে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি একরামুল হক। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে এই মামলা বিচারাধীন রয়েছে।মামলাটির পরবর্তী কার্যক্রম এখন ২৫ আগস্টের শুনানিকে ঘিরে এগোবে।

‘সংখ্যা নয়, সক্ষমতাই হবে শক্তি’সেনা আধুনিকায়নে নতুন বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

সময়োপযোগী, প্রযুক্তিনির্ভর ও সক্ষম বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী তারেক রহমান। সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ভবিষ্যতের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সেনাবাহিনীকে আরও আধুনিক ও দক্ষ করে গড়ে তোলা হবে।রোববার ঢাকা সেনানিবাসে সেনাসদর দপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে নিরাপত্তার ধারণা বদলে গেছে। সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি এখন সাইবার স্পেস, তথ্যযুদ্ধ, ড্রোন প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধের সক্ষমতা বাড়ানো সময়ের দাবি।তিনি জানান, সরকার এমন একটি প্রতিরক্ষা নীতিমালা প্রণয়ন করছে, যেখানে সশস্ত্র বাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বেসামরিক প্রশাসন, শিল্প, প্রযুক্তি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমন্বিত জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোর অংশ হিসেবে কাজ করবে।আরও পড়ুন, বঙ্গভবনকে বিদায়, গুলশানের বাসায় ফিরলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনপ্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সেনাবাহিনীতে পদোন্নতি ও পদায়নের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক বিবেচনা নয়, বরং মেধা, যোগ্যতা, সততা, নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বই হবে প্রধান মূল্যায়নের ভিত্তি।তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবদানের প্রশংসা করেন এবং দেশের সার্বভৌমত্ব, সীমান্ত নিরাপত্তা, পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থিতিশীলতা, দুর্যোগ মোকাবিলা ও জাতীয় সংকটে সেনাবাহিনীর ভূমিকারও ভূয়সী প্রশংসা করেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য সংখ্যায় বড় নয়, বরং প্রযুক্তিনির্ভর, আত্মনির্ভরশীল ও কার্যকর একটি আধুনিক সেনাবাহিনী গড়ে তোলা, যা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সর্বদা প্রস্তুত থাকবে।

বঙ্গভবনকে বিদায়, গুলশানের বাসায় ফিরলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

পদত্যাগের দুই দিন পর সরকারি বাসভবন বঙ্গভবন ছাড়লেন বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। রবিবার দুপুরে তিনি রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনের উদ্দেশে রওনা হন। রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগের দুই দিন পর আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গভবন ছাড়লেন মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু।রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে তিনি সরকারি বাসভবন ত্যাগ করে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনের উদ্দেশে রওনা হন।এর আগে, গত ২৪ জুলাই তিনি রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন। যদিও সংবিধান অনুযায়ী পাঁচ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন, তবে প্রায় তিন বছর তিন মাস দায়িত্ব পালন শেষে পদ ছাড়েন তিনি।আরও  পড়ুন, ঢাকায় বাড়ছে খুন ও সশস্ত্র হামলা, নিরাপত্তাহীনতায় নগরবাসী২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু।তার পদত্যাগের পর সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব ছাড়ার মধ্য দিয়ে দেশের সাংবিধানিক কাঠামো অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির অধীনে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া নির্ধারিত সাংবিধানিক সময়সীমার মধ্যেই সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

রাজনীতিরাজনীতি

দাবি আদায়ে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে সবার প্রতি আহ্বান জামায়াত আমিরের

দাবি আদায়ে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে সবার প্রতি আহ্বান জামায়াত আমিরের

আন্দোলনের জন্য সবাইকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “সবাই প্রস্তুত থাকুন। ঢাকা থেকে ডাক আসবে। দাবি আদায়ে সবাইকে সেই আন্দোলনে অংশ নিতে হবে।”শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে সিলেটে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।সরকারের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটার অভিযোগ তুলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “হাসিনাকে তাড়িয়েছি। যদি আপনারাও ফ্যাসিবাদ কায়েম করেন, তাহলে জনগণ আপনাদেরও ছেড়ে কথা বলবে না।”তিনি বলেন, দেশের মানুষ পরিবর্তন ও সংস্কারের পক্ষে গণভোটে রায় দিয়েছে এবং ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে। আরও  পড়ুন, মতিঝিল মেট্রো স্টেশনে বোমা উদ্ধারে উদ্বেগ জামায়াতের, নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বানসেই গণরায় বাস্তবায়ন না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।জামায়াত আমির আরও বলেন, “আজ যারা সরকারে আছেন, তারাও একসময় মজলুম ছিলেন। কিন্তু এখন তারা ফ্যাসিবাদের পথেই হাঁটতে শুরু করেছেন। সমাজের সব ক্ষেত্রে বেপরোয়া দলীয়করণ করে দুর্নীতিকে জাতীয়করণ করতে চাইছেন।”সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম।ডা. শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে আরও বলেন, “ভালোয় ভালোয় দাবি মেনে নিন। এ দেশের মানুষ জীবন দিয়ে শিখেছে মুক্তির পথে কীভাবে হাঁটতে হয়। আমরা আমাদের শহীদদের সঙ্গে বেঈমানি করব না, ১৮ কোটি মানুষের সঙ্গেও বেঈমানি করব না।” 

মতিঝিল মেট্রো স্টেশনে বোমা উদ্ধারে উদ্বেগ জামায়াতের, নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান

মতিঝিল মেট্রো স্টেশনে বোমা উদ্ধারে উদ্বেগ জামায়াতের, নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান

রাজধানীর মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল স্থাপনাগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে দলটি।শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার এ উদ্বেগের কথা জানান।তিনি বলেন, মতিঝিলের মতো ব্যস্ত এলাকায় প্রাণঘাতী বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ঘটনা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করেছে।আরও  পড়ুন , ‘খাল খনন থেকে খাল খাওয়া পর্যন্ত’ বিএনপিকে নিয়ে সারজিসের কড়া মন্তব্যমিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, এ ধরনের দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের লক্ষ্য হতে পারে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করা।তিনি বলেন, নাশকতা ও ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।বিবৃতিতে জামায়াত নেতা বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম দায়িত্ব। তাই মেট্রোরেল স্টেশনসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ ও জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তিনি।এ সময় বোমা নিষ্ক্রিয় করার সময় স্প্লিন্টারের আঘাতে আহত পথচারীর প্রতি সমবেদনা জানান এবং তার উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানান মিয়া গোলাম পরওয়ার।

‘খাল খনন থেকে খাল খাওয়া পর্যন্ত’ বিএনপিকে নিয়ে সারজিসের কড়া মন্তব্য

‘খাল খনন থেকে খাল খাওয়া পর্যন্ত’ বিএনপিকে নিয়ে সারজিসের কড়া মন্তব্য

জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বিএনপির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তীব্র সমালোচনা করেছেন। ধোবাউড়ায় ‘জুলাই পদযাত্রা’ শেষে এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, আগামীর রাজনীতি হবে ভালো-মন্দ ও ন্যায়-অন্যায়ের লড়াই।ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় জুলাই পদযাত্রা শেষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।বক্তব্যে বিএনপিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, খাল খনন করতে গিয়ে শ্রমিকের টাকা ও মাটি নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তাঁর দাবি, দুর্নীতির রাজনীতি থেকে জনগণকে বেরিয়ে আসতে হবে।সারজিস আলম বলেন, আগামী দিনের লড়াই কোনো দলীয় লড়াই নয়,আরও  পড়ুন, নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে সম্পৃক্ততা, ছাত্র ইউনিয়ন ছাড়লেন দুই কেন্দ্রীয় নেতা এটি ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায় এবং জুলুম-মজলুমের লড়াই। তিনি বলেন, কোনো দল ভালো কাজ করলে জনগণ সমর্থন দেবে, আর ভালো কাজ না করলে সমর্থনের প্রয়োজন নেই।এর আগে ধোবাউড়া উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে শুরু হয় এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’। পদযাত্রাটি ধোবাউড়া বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ধোবাউড়া মোহাম্মদীয়া দাখিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।এ সময় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান। তিনি বলেন, সরকার ব্যবস্থা না নিলে জনগণের কাছে সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হবে।আলোচনা সভায় এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারাও বক্তব্য দেন।

নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে সম্পৃক্ততা, ছাত্র ইউনিয়ন ছাড়লেন দুই কেন্দ্রীয় নেতা

নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে সম্পৃক্ততা, ছাত্র ইউনিয়ন ছাড়লেন দুই কেন্দ্রীয় নেতা

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু এবং সহসভাপতি মাঈন আহমেদ সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একই সঙ্গে সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকেও সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।শনিবার সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শিমুল কুম্ভকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।ছাত্র ইউনিয়ন জানায়, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের নীতিনির্ধারণী দায়িত্ব পালন করলে স্বার্থের দ্বন্দ্ব বা সাংগঠনিক মতদ্বৈধতার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। এ কারণেই মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদ স্বেচ্ছায় পদত্যাগপত্র জমা দেন এবং কেন্দ্রীয় কমিটি তা গ্রহণ করে।একই প্রেক্ষাপটে সংগঠনের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকেও দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ছাত্র ইউনিয়নের ভাষ্য, সংগঠনের আদর্শ, নীতিমালা এবং সাংগঠনিক স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন. ১১ দলীয় ঐক্য থেকে সরে দাঁড়াল খেলাফত মজলিসবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিদায়ী নেতাদের সাংগঠনিক অবদানকে সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করছে ছাত্র ইউনিয়ন। পাশাপাশি শিক্ষার অধিকার, অসাম্প্রদায়িকতা, গণতন্ত্র, সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রাম এবং বৈষম্যহীন সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে সংগঠনটি।উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি যাত্রা শুরু করা নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন’ বা এনপিএর প্রতিষ্ঠাকালীন ১০১ সদস্যের কাউন্সিলে যুক্ত হয়েছিলেন মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদ।পদত্যাগের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মেঘমল্লার বসু লিখেছেন, ছাত্র ইউনিয়ন তাঁর কাছে রাজনৈতিক শিক্ষার একটি বিদ্যালয়, যার আদর্শ ও শিক্ষা ভবিষ্যতেও তাঁর রাজনৈতিক পথচলায় প্রেরণা হয়ে থাকবে।

সারাবাংলা

অভিযানে পুলিশের ওপর কিশোর গ্যাংয়ের হামলা, গুরুতর আহত দুই এসআই

অভিযানে পুলিশের ওপর কিশোর গ্যাংয়ের হামলা, গুরুতর আহত দুই এসআই

চট্টগ্রাম মহানগরীর খুলশী আমবাগান এলাকায় চিহ্নিত মাদক কারবারি আলমগীরকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে সংঘবদ্ধ কিশোর গ্যাংয়ের হামলার মুখে পড়েছে পুলিশ। অভিযানের সময় ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও হামলায় দুই উপপরিদর্শক (এসআই)সহ সাতজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আহতদের কয়েকজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে রাতভর বিশেষ অভিযান চালিয়ে অবশেষে ১৫ মামলার আসামি ও আলোচিত মাদক কারবারি আলমগীরকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে খুলশী আমবাগান রেললাইনসংলগ্ন তরুণ সংঘ মাঠ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন দেওয়ানহাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মহসিন উদ্দিন রুবেল ও আগ্রাবাদ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মমিনুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন একটি দল। অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা মাদক কারবারি আলমগীরকে আটক করা।অভিযানের একপর্যায়ে আলমগীরের অনুসারী হিসেবে পরিচিত একদল কিশোর গ্যাং সদস্য পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তারা ইট-পাটকেল ছুড়ে পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে। এতে দুই এসআইসহ মোট সাতজন সদস্য আহত হন।পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে গেলে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করে এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা হয়।স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আলমগীর দীর্ঘদিন ধরে খুলশী ঝর্ণাপাড়া এলাকায় মাদক ব্যবসার একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। অভিযোগ রয়েছে, ওই ব্যবসা টিকিয়ে রাখতেআরও পড়ুন, প্রতারণার মামলায় সাবেক পরিচালক আহমেদ জোবায়েরের জামিন নামঞ্জুর সে একাধিক কিশোর গ্যাং পরিচালনা করে এবং এলাকায় ভয়ভীতি সৃষ্টি করে আধিপত্য বজায় রাখে। অস্ত্রের মহড়া, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদক ব্যবসার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।এলাকাবাসীর দাবি, আলমগীরের বিরুদ্ধে অন্তত ১৫টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। অতীতেও একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে গেলেও জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর পুনরায় মাদক ব্যবসায় সক্রিয় হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ রয়েছে।হামলার সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়। পরে স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে হামলাকারীদের প্রতিরোধের চেষ্টা করলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনাও ঘটে। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, আলমগীরের পরিবারের কয়েকজন সদস্যও মাদক কারবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তার মা রেনু বেগম ও ভাই জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনূর আলম বলেন, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার কার্যক্রম চলছে। একই সঙ্গে রাত ১১টার দিকে পরিচালিত পৃথক সাঁড়াশি অভিযানে প্রধান অভিযুক্ত আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিদ্যমান মামলাগুলোর পাশাপাশি পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায়ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম নগরীতে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার রোধে বিশেষ অভিযান আরও জোরদার করা হবে। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি মাদক সিন্ডিকেটের মূল হোতাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

বরিশাল সিভিল সার্জন কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

বরিশাল সিভিল সার্জন কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

বরিশালের নতুন সিভিল সার্জন হিসেবে ডা. এস. এম. মনিরুজ্জামান শাহিনের নিয়োগের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। কর্মসূচি শেষে তার অপসারণ এবং নতুন কর্মকর্তা নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।রোববার সকাল ১০টার দিকে বরিশাল সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে এই অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ফ্যাসিস্ট সরকারের সুবিধাভোগী, স্বৈরাচারের দোসর এবং শাস্তিপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তাকে জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা তারা মেনে নেবেন না।পরে আন্দোলনকারীরা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গিয়ে জানতে পারেন, যোগদানের শেষ দিন হলেও ডা. মনিরুজ্জামান অফিসে উপস্থিত হননি। আরও  পড়ুন, রাজস্ব আয় বাড়িয়ে উন্নয়নের নতুন লক্ষ্য, ২,৬২১ কোটি টাকার বাজেট গাসিকেরএরপর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তার জন্য নির্ধারিত কক্ষের দরজায় প্রতীকীভাবে তালা ঝুলিয়ে প্রতিবাদ জানান।বিএম কলেজের শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন বলেন, নানা অভিযোগে অভিযুক্ত একজন কর্মকর্তাকে বরিশালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার দায়িত্ব দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।আরেক শিক্ষার্থী লাবণ্য আক্তার বলেন, বরিশালের মানুষ উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রাখে। তাই বিতর্কমুক্ত ও সৎ কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে।শিক্ষার্থী নাঈম ইসলাম অভিযোগ করেন, অতীতে শিক্ষার্থীদের ওপর জুলুমের অভিযোগ থাকা কোনো কর্মকর্তাকে বরিশালে দায়িত্ব দেওয়া উচিত নয়।কর্মসূচি শেষে শিক্ষার্থীরা দ্রুত বিতর্কিত নিয়োগ বাতিল করে নতুন সিভিল সার্জন নিয়োগের দাবি জানান। দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেন তারা।

রাজস্ব আয় বাড়িয়ে উন্নয়নের নতুন লক্ষ্য, ২,৬২১ কোটি টাকার বাজেট গাসিকের

রাজস্ব আয় বাড়িয়ে উন্নয়নের নতুন লক্ষ্য, ২,৬২১ কোটি টাকার বাজেট গাসিকের

গাজীপুর সিটি করপোরেশন (গাসিক) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৫ হাজার ১০২ কোটি ৩৫ লাখ ৮ হাজার টাকার জনকল্যাণমুখী ও উন্নয়নভিত্তিক প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেছে। বাজেটের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক হলো, এটি একটি বৃহৎ উদ্বৃত্ত বাজেট। অর্থবছর শেষে প্রায় ২ হাজার ৬২১ কোটি ৮৭ লাখ ৫৮ হাজার টাকা উদ্বৃত্ত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে নগর ভবনের মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গাসিকের প্রশাসক মো. শওকত হোসেন সরকার বাজেট উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ তানজিলা খানম।প্রস্তাবিত বাজেটে নগর উন্নয়ন, অবকাঠামো সম্প্রসারণ, পানি সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বৈদেশিক সহায়তাপুষ্ট উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গাজীপুরকে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ, আধুনিক ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।বাজেটের প্রধান চিত্রমোট আয়ের লক্ষ্যমাত্রা: ৫,১০২ কোটি ৩৫ লাখ ৮ হাজার টাকামোট প্রস্তাবিত ব্যয়: ২,৪৮০ কোটি ৪৭ লাখ ৫০ হাজার টাকাসমাপনী স্থিতি (উদ্বৃত্ত): ২,৬২১ কোটি ৮৭ লাখ ৫৮ হাজার টাকাআয়ের প্রধান উৎসবাজেটের আয়ের বড় অংশ আসবে বৈদেশিক সহায়তাপুষ্ট উন্নয়ন প্রকল্প থেকে। আয়ের বিভিন্ন উৎসের মধ্যে রয়েছে—প্রারম্ভিক স্থিতি: ২,৪৩৭ কোটি ২৬ লাখ ৩৩ হাজার টাকাবৈদেশিক সহায়তাপুষ্ট ও প্রকল্প খাত: ২,০১০ কোটি ৯১ লাখ ৫০ হাজার টাকারাজস্ব খাত (সাধারণ তহবিল): ৪৪৩ কোটি ৩৬ লাখ ৫০ হাজার টাকাসরকারি অনুদান: প্রায় ১৪০ কোটি টাকাপানি সরবরাহ খাত: ৭০ কোটি ৮০ লাখ ৭৫ হাজার টাকাব্যয়ের অগ্রাধিকারনগরবাসীর নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন খাতে ব্যয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।বৈদেশিক সহায়তাপুষ্ট উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয়: ১,৬০৮ কোটি ৭৩ লাখ ২০ হাজার টাকারাজস্ব ব্যয়: ৪১৭ কোটি ৬৯ লাখ ৬০ হাজার টাকানিজস্ব রাজস্বভিত্তিক উন্নয়ন প্রকল্প: ২৩৬ কোটি ২৫ লাখ টাকাপানি সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন: ৭৮ কোটি ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকাএছাড়া রাস্তাঘাট নির্মাণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।আগের বছরের তুলনায় বড় বাজেটগাসিক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে মোট আয় ছিল ৩,৪৬৩ কোটি ৬ লাখ ৯৭ হাজার টাকা এবং মোট ব্যয় ছিল ১,০২৫ কোটি ৮০ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। বছর শেষে সমাপনী স্থিতি দাঁড়ায় ২,৪৩৭ কোটি ২৬ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। সেই তুলনায় নতুন অর্থবছরের বাজেটের আকার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।প্রশাসকের বক্তব্যবাজেট উপস্থাপনকালে প্রশাসক মো. শওকত হোসেন সরকার বলেন, “তারেক রহমানের নির্দেশনায় জনকল্যাণমুখী এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। আমাদের মূল লক্ষ্য গাজীপুরকে একটি ‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলা। এজন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।”তিনি আরও বলেন, এই বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে গাজীপুরকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি নগরবাসী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।অনুষ্ঠানে সিটি করপোরেশনের সচিব, প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল বারেক, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সুদীপ বসাক, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়াসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে ৪ জনের অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা প্রতিহত

কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে ৪ জনের অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা প্রতিহত

কুমিল্লার- ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্ত কসবা উপজেলার সালদানদী সীমান্তে ১ নারী ও ৩ শিশুসহ ৪ জনের অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা প্রতিহত করেছে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি)।রোববার (২৬ জুলাই ২০২৬) সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে সালদানদী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, ১ নারী ও ৩ শিশুসহ মোট ৪ জন জোরপূর্বক বাংলাদেশে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করে। পরে সকাল আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে সালদানদী বিওপির নিয়মিত টহল দলের সদস্যরা শূন্যরেখার নিকট তাদের শনাক্ত করেন।আরও  পড়ুন, ভালোবাসার শেষ অধ্যায়! স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ দিলেন স্ত্রী দুজনেরই মর্মান্তিক মৃত্যুপরিস্থিতি মূল্যায়নের পর টহল দলটি তাদের অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা প্রতিহত করে। বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটির পর সীমান্ত পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সীমান্তে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে।সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম বলেন, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা এবং মাদক ও অন্যান্য চোরাচালান প্রতিরোধে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রেখে আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে।

আন্তর্জাতিক

নিট প্রশ্নফাঁসের আন্দোলনের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

নিট প্রশ্নফাঁসের আন্দোলনের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

ভারতের বহুল আলোচিত মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে টানা আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেছেন দেশটির শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। শনিবার নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে গত দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে শিক্ষার্থীরা লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন। আন্দোলনের মূল দাবি ছিল, পরীক্ষায় অনিয়মের দায় নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা।এই আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বে শিক্ষার্থী ও তরুণদের একটি বড় অংশ আন্দোলনে যুক্ত হয়আরও পড়ুন. ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম মোদি সরকারকে, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগে অনড় সিজেপিশিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর অভিজিৎ দীপক বলেন, দেশের হিন্দু-মুসলিম বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে যদি মানুষ জনস্বার্থের ইস্যুতে একত্রিত হয়, তবে আরও বড় পরিবর্তন সম্ভব। তাঁর ভাষায়, ধর্মীয় বিভাজনের বদলে সাধারণ মানুষের সমস্যা নিয়ে রাজনীতি শক্তিশালী গণআন্দোলনের পথ তৈরি করতে পারে।একই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারকে উদ্দেশ করে বলেন, এতদিন ধারণা ছিল এই সরকারের অভিধানে পদত্যাগ বলে কিছু নেই। কিন্তু ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের শক্তির কাছে শেষ পর্যন্ত সরকারকে নতি স্বীকার করতেই হয়েছে।উল্লেখ্য, ভারতের চিকিৎসা শিক্ষায় ভর্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা ‘নিট’-এ প্রতি বছর লাখো শিক্ষার্থী অংশ নেন। প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ সামনে আসার পর দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং তা রূপ নেয় দীর্ঘ আন্দোলনে

২৫ জুলাই ২০২৬

রাজধানী

গুলশানে অভিযোগের কেন্দ্রে অবৈধ স্পা ব্যবসায়ী নুর-ইসলাম

গুলশানে অভিযোগের কেন্দ্রে অবৈধ স্পা ব্যবসায়ী নুর-ইসলাম

রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে পরিচালিত কয়েকটি স্পা সেন্টার এবং উত্তরায় একটি আবাসিক হোটেলকে ঘিরে নুরইসলাম নামে এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহলে অভিযোগ উঠেছে| অভিযোগকারীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ রয়েছে| স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, গুলশানের কয়েকটি বাণিজ্যিক ভবন ছাড়া পরিচালিত কিছু স্পা সেন্টারে নিয়মিত বিভিন্ন ব্যক্তির যাতায়াত নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা রয়েছে| তাদের অভিযোগ, এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম যথাযথভাবে তদারকি করা হচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে| আরও পড়ুন: বনানীতে শহিদের অবৈধ স্পা সেন্টার ঘিরে অন্ধকার জগৎঅভিযোগকারীদের ভাষ্য, নুরইসলাম দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীতে ব্যবসা পরিচালনা করছেন এবং গুলশান ও উত্তরায় তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নাম বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় এসেছে| তবে এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকানা, লাইসেন্স এবং পরিচালনার ˆবধতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি কোনটাই নেই| এসব ব্যবসা নুরইসলাম নারী ও মাদক সিন্ডিকেট দিয়ে পরিচালনা করে থাকেন| একটি গুলশানের ৪৭ নং রোডে  এবং অণ্যটি ৫৫ নং রোডে বিলাশ বহুল অবৈধ স্পা সেন্টার রয়েছে তার| এসব অবৈধ ব্যবসায় হয়েছেন কোটিপতি|    এলাকাবাসীর একাংশের মতে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় স্পা ও আবাসিক হোটেল পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন| তাদের দাবি, লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স, অগ্নিনিরাপত্তা, স্বাস্থ্যবিধি ও অন্যান্য আইনগত শর্ত যথাযথভাবে মানা হচ্ছে কি না তা নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে নিশ্চিত করা উচিত|আরও পড়ুন: বনানীর ২৭ নম্বর রোডের স্পা নিয়ে প্রশ্নের শেষ কোথায়?সুশাসন ও আইন প্রয়োগ বিষয়ে কাজ করা বিশ্লেষকদের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন| অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, আর অভিযোগ প্রমাণিত না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সুনাম যেন অযথা ক্ষুণ্ন না হয়, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ|স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমšি^ত তদন্ত হলে প্রকৃত চিত্র সামনে আসবে| একই সঙ্গে তারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং নিয়মিত মনিটরিং জোরদারের আহ্বান জানান|আরও পড়ুন: গুলশান বারিধারায় দোলার অবৈধ স্পা সেন্টার নিয়ে বিতর্কএই প্রতিবেদনের জন্য নুরইসলামের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তা পাওয়া যায়নি| ভবিষ্যতে তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে| একইভাবে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), সিটি করপোরেশন এবং অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার বক্তব্যও সংগ্রহের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে|সাংবাদিকতা বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিযোগভিত্তিক প্রতিবেদন প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্য-প্রমাণ, নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এবং কর্তৃপক্ষের অবস্থান তুলে ধরা অপরিহার্য| এতে পাঠক একটি ভারসাম্যপূর্ণ চিত্র পান এবং তদন্ত প্রক্রিয়াও আরও স্বচ্ছ হতে সহায়তা করে|আরও পড়ুন: বনানীতে অনুমোদনহীন হোটেল ‘মার্ভেল ইন’ নারী সিন্ডিকেটের দাপটরাজধানীর অভিজাত এলাকাগুলোতে পরিচালিত স্পা, ওয়েলনেস সেন্টার ও আবাসিক হোটেলগুলোর কার্যক্রম আইন অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মিত পরিদর্শন ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা| তাদের মতে, অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা উদ্ঘাটন এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণই হবে সবচেয়ে কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য পথ|একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেই আমরা সেটিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করি| অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়| যদি তদন্তে কোনো ধরনের অনিয়ম, আইন লঙ্ঘন বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে| একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে কাউকে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা সমীচীন নয়| আমরা সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণ পেলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করব|আরও পড়ুন: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগনিজাম নামের একজন পথচারী বলেন, আমি নিয়মিত এই এলাকা দিয়ে যাতায়াত করি| এখানে বেশ কয়েকটি স্পা সেন্টারে দিনের তুলনায় সন্ধ্যার পর মানুষের আনাগোনা অনেক বেশি দেখা যায়| এলাকায় কী ধরনের ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি করা উচিত| কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে সেটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন| এতে আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনাকারীরাও উপকৃত হবেন, আবার অনিয়ম থাকলে সেটিরও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে|

৪ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ-ভারত সিরিজের সম্ভাবনা, পিছিয়ে যাচ্ছে আফগানিস্তান সফর

সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ-ভারত সিরিজের সম্ভাবনা, পিছিয়ে যাচ্ছে আফগানিস্তান সফর

আগামী সেপ্টেম্বর মাসে মাঠে গড়াতে পারে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সিরিজ। আর এই সিরিজের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় পিছিয়ে যেতে পারে ভারত-আফগানিস্তানের টি-টোয়েন্টি সিরিজ।ক্রিকেটভিত্তিক বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ সফরে আসতে পারে ভারতীয় ক্রিকেট দল।প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ১, ৩ ও ৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে পারে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। এরপর ৯, ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর হওয়ার কথা তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ।অন্যদিকে, ১৩, ১৫ ও ১৭ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যকার তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ হওয়ার কথা ছিল।আরও  পড়ুন, টি-টোয়েন্টিতে এক বছরে ২০০ রানের নতুন বিশ্বরেকর্ডকিন্তু বাংলাদেশ সিরিজের সূচির সঙ্গে আফগানিস্তান সিরিজের সময় মিলে যাওয়ায় নতুন করে ভাবতে হচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে।ভারতের মাটিতে কয়েক বছর ধরে নিজেদের হোম সিরিজ আয়োজন করে আসছে আফগানিস্তান। এবারই প্রথম ভারতের বিপক্ষে তাদের অ্যাওয়ে সিরিজ হওয়ার কথা ছিল দিল্লিতে।তবে সূচি সমন্বয়ের জন্য আফগানিস্তান সিরিজ পিছিয়ে দেওয়া হতে পারে। আবার বিকল্প হিসেবে একই সময়ে দুই দলকে খেলানোর পরিকল্পনাও বিবেচনায় রয়েছে।বাংলাদেশ-ভারত সিরিজের বিষয়টি চূড়ান্ত হলে আগামী মাসের ক্রিকেট সূচিতে বড় পরিবর্তন আসতে পারে।

আইন আদালত

বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতা

বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতা

বর্ষার বৃষ্টির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি জেলা শহরগুলোতেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এডিস মশাবাহিত এই রোগ। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু সংক্রমণের উচ্চ প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২০ জুলাই পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০ হাজার ৪৮৫ জন। এ সময় ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৯ হাজার ৪৪০ জন।শুধু জুলাই মাসের প্রথম ১৯ দিনেই আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৮১ জন, যা জুন মাসের মোট আক্রান্ত ২ হাজার ৯০৭ জনের তুলনায় প্রায় ৩৪ শতাংশ বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪৭৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর ডেঙ্গুর জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়। বিশেষ করে বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং ঢাকার আশপাশের জেলাগুলোতে সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।আরও  পড়ুন, জুলাই আন্দোলনের রক্তাক্ত দিন: ২০ জুলাইয়ে দেশজুড়ে কারফিউ ও সেনা টহলতিনি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত লার্ভা ধ্বংস, লার্ভিসাইড প্রয়োগ এবং জেলা-উপজেলা হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী জানান, ডেঙ্গুর উৎস শনাক্ত ও ধ্বংসে কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। শিগগিরই ৩০০ স্বেচ্ছাসেবক বাসাবাড়ির ছাদ, গ্যারেজ ও সম্ভাব্য প্রজননস্থল পরিদর্শনে নামবেন।জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু ফগিং করে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। জমে থাকা পরিষ্কার পানি অপসারণ, নির্মাণাধীন ভবনে নিয়মিত তদারকি, লার্ভা জরিপ এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিই ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।চিকিৎসকদের পরামর্শ, জ্বর, শরীরব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, বমি বা রক্তক্ষরণের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও দীর্ঘমেয়াদি রোগীদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর