দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 998.2 hPa
35.4° 53%
9mm
চট্টগ্রাম 997.9 hPa
34.5° 61%
120° 9mm
রাজশাহী 1008.8 hPa
35.5° 63%
10° 9mm
খুলনা 998.1 hPa
34° 65%
9mm
বরিশাল 998.1 hPa
34° 58%
20° 9mm
সিলেট 997.7 hPa
35° 62%
60° 9mm
রংপুর 998.9 hPa
35.1° 58%
10° 9mm
ময়মনসিংহ 999.1 hPa
34.5° 62%
9mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

গুলশান ২৬ নাম্বার রোডে গেস্ট হাউসের আড়ালে ‘স্কর্ট সার্ভিস’ ও মাদকের অভিযোগ

গুলশান ২৬ নাম্বার রোডে গেস্ট হাউসের আড়ালে ‘স্কর্ট সার্ভিস’ ও মাদকের অভিযোগ

 রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানের ২৬ নাম্বার রোড| একসময় কূটনৈতিক ও আবাসিক পরিবেশের জন্য পরিচিত এ এলাকার বিভিন্ন ভবনে এখন গেস্ট হাউস, সার্ভিস অ্যাপার্টমেন্ট ও আবাসিক বাণিজ্যিক কার্যক্রমের বিস্তার নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন| এর মধ্যে কয়েকটি গেস্ট হাউসকে ঘিরে ‘স্কর্ট সার্ভিস’, মাদকসহ নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগও সামনে এসেছে|স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, কিছু গেস্ট হাউসে দীর্ঘমেয়াদি আবাসনের পরিবর্তে সল্প সময়ের জন্য কক্ষ ভাড়া দেওয়ার প্রবণতা রয়েছে । অভিযোগ রয়েছে, ঘণ্টাভিত্তিক কক্ষ বরাদ্দের মাধ্যমে সেখানে বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ ˆতরি হচ্ছে ।তবে এসব অভিযোগের  সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন এবং কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে অপরাধে জড়িত হিসেবে চূড়ান্তভাবে চিহ্নিত করার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত জরুর ।আরও  পড়ুন, বনানীতে শৈশবের স্পা সেন্টার ঘিরে নারী ও দালাল সিন্ডিকেটসম্প্রতি বিষয়টি অনুসন্ধান করতে গেলে সংবাদকর্মীদের একটি গেস্ট হাউসে প্রবেশের মুখেই বাধার মুখে পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে| সেখানে গেস্ট হাউসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তি সাংবাদিকদের পরিচয় ও প্রবেশের উদ্দেশ্য জানতে চান এবং ভেতরে প্রবেশে বাধা দেন| এতে প্রশ্ন উঠেছে একটি ˆবধ আবাসিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হলে সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে এমন বাধা দেওয়ার কারণ কী? গুলশানের ২৬ নং রোডে ২০/সি বাড়িটিতে কামরুজ্জামানের দির্ঘদীনের এমন অনৈতিক কর্মকান্ড আবারো নতুন করে আলোচনায় এসেছে| অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে গেস্ট হাউসটির এক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “ভাই, এখন ব্যবসার ধরন পাল্টিয়েছি| তবে ব্যবসার ধরন কীভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি কী ধরনের সেবা দিচ্ছে, ঘণ্টাভিত্তিক কক্ষ বরাদ্দ দেওয়া হয় কি না কিংবা প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তার বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি|আরও  পড়ুন,সংবাদ দিগন্তকে আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ভুইয়াএই বক্তব্যই বরং নতুন প্রশ্ন ˆতরি করেছে| ব্যবসার ধরন পরিবর্তনের অর্থ কী? পূর্বের কার্যক্রম কী ছিল? বর্তমানে কী ধরনের সেবা চালু রয়েছে? এসব পরিবর্তনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেওয়া হয়েছে কি না—এসব বিষয়ও এখন খতিয়ে দেখা প্রয়োজন| গুলশানের মতো পরিকল্পিত ও গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক এলাকায় কোনো ভবনে গেস্ট হাউস, হোটেল, সার্ভিস অ্যাপার্টমেন্ট বা এ ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে কি না, তা যাচাইয়ের বিষয় রয়েছে|একটি ভবনে গেস্ট হাউস পরিচালনা করলেই সেটি ¯^য়ংক্রিয়ভাবে অবৈধ এমন সিদ্ধান্তে যাওয়া যেমন ঠিক নয়, তেমনি আবাসিক ভবনে ব্যবসা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন, ব্যবহার অনুমতি, অগ্নিনিরাপত্তা, ট্রেড লাইসেন্স, কর-সংক্রান্ত কাগজপত্র ও অন্যান্য বিধিবদ্ধ শর্ত পূরণ করা হয়েছে কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ|বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠান ˆবধভাবে পরিচালিত হলেও তার ভেতরে যদি মাদক, মানবপাচার, যৌন শোষণ কিংবা অন্য কোনো অপরাধমূলক কার্যক্রম সংঘটিত হয়, তাহলে সেটি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য গুরুতর ঝুঁকি ˆতরি করতে পারে|আরও  পড়ুন, চট্রগ্রাম গোয়ালপাড়ায় মাদক সম্রাজ্ঞী "আকলিমার" মাদকের হাটসাধারণত আবাসিক হোটেল বা গেস্ট হাউসে অতিথিদের পরিচয় যাচাই, রেজিস্ট্রেশন এবং অবস্থানের তথ্য সংরক্ষণ করা হয়| কিন্তু কোনো প্রতিষ্ঠান যদি দীর্ঘমেয়াদি বা রাতযাপনের পরিবর্তে মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য কক্ষ বরাদ্দ দেওয়ার ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তখন সেখানে অপরাধ সংঘটনের সম্ভাব্য ঝুঁকি বাড়তে পারে| অবশ্য ঘণ্টাভিত্তিক কক্ষ ভাড়া দেওয়াই অপরাধের প্রমাণ নয়| ব্যবসায়িক বাস্তবতায় বিভিন্ন ধরনের সল্পমেয়াদি থাকার ব্যবস্থা থাকতে পারে| কিন্তু এর সঙ্গে যদি পরিচয় গোপন রাখা, সন্দেহজনক অতিথি, মাদক লেনদেন, দালালদের তৎপরতা কিংবা অন্য কোনো বেআইনি কর্মকাণ্ডের অভিযোগ যুক্ত|স্থানীয়দের অভিযোগ, গেস্ট হাউসকেন্দ্রিক কিছু ব্যক্তির আনাগোনা এবং প্রবেশমুখে মধ্যস্থতাকারী বা কথিত দালালদের উপস্থিতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা রয়েছে| সাংবাদিকরা অনুসন্ধানে গেলে তাদের প্রবেশের বিষয়ে প্রশ্ন তোলা এবং বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে| একটি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে সাংবাদিক অনুসন্ধান করবেন এটি সাভাবিক গণমাধ্যমীয় দায়িত্ব|  কিন্তু কোনো প্রতিষ্ঠান যদি নিয়মিতভাবে সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহে বাধা দেয়, তাহলে সেটি বিচ্ছতার প্রশ্নকে আরও জোরালো করে|আরও  পড়ুন,গাজীপুরে লাইসেন্স ছাড়া এমএলএম কার্যক্রমের অভিযোগবর্তমান সময়ে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে কথিত ‘স্কর্ট সার্ভিস’ পরিচালনার অভিযোগ বিভিন্ন এলাকায় শোনা যায়| অনেক ক্ষেত্রে আবাসিক হোটেল, গেস্ট হাউস বা সার্ভিস অ্যাপার্টমেন্টকে অস্থায়ী মিলনস্থল হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগও উঠে আসে|গুলশান ২৬ ন¤^র রোডের ২০/সি বাড়িটির সংশ্লিষ্ট গেস্ট হাউসগুলোকে ঘিরে এমন অভিযোগ রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে| তবে এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ করতে হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত, ডিজিটাল তথ্য যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের রেজিস্টার ও সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা প্রয়োজন|আইনশৃঙ্খলা বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো আবাসিক ভবনে নিয়মবহির্ভূতভাবে অপরিচিত ব্যক্তিদের ঘন ঘন যাতায়াত, পরিচয় যাচাইয়ে দুর্বলতা এবং ¯^ল্পমেয়াদি কক্ষ ব্যবহারের সুযোগ থাকলে সেটি অপরাধীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ আশ্রয়স্থলে পরিণত হতে পারে| এ ধরনের জায়গায় মাদক লেনদেন, প্রতারণা, ব্ল্যাকমেইল, চুরি, মারামারি, নারী ও শিশু পাচারসহ নানা অপরাধের সুযোগ ˆতরি হতে পারে| বিশেষ করে কক্ষ বরাদ্দের ক্ষেত্রে অতিথির পরিচয় যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করলে কোনো অপরাধের পর তদন্তে তথ্য সংগ্রহ কঠিন হয়ে যায়|বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোনো ভবনে রাত-বিরাতে অপরিচিত মানুষের আনাগোনা বেড়ে গেলে আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে অ¯^স্তি ˆতরি হয়| একই সঙ্গে রাস্তায় অপরিচিত গাড়ির অবস্থান,আরও  পড়ুন, হামলা-হয়রানিতে চ্যালেঞ্জে পুলিশ সন্দেহজনক ব্যক্তিদের চলাচল এবং ভবনের প্রবেশপথে মধ্যস্থতাকারীদের উপস্থিতি স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি সৃষ্টি করতে পারে| তাদের দাবি, কোনো প্রতিষ্ঠান ˆবধভাবে পরিচালিত হলে তার ˆবধতার কাগজপত্র, কার্যক্রম ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিচ্ছতা থাকা উচিত ।প্রথমত, গেস্ট হাউসটির ট্রেড লাইসেন্স, ভবন ব্যবহারের অনুমোদন এবং ব্যবসার প্রকৃতি যাচাই করা প্রয়োজন । দ্বিতীয়ত, অগ্নিনিরাপত্তা ও অন্যান্য নিরাপত্তা বিধি মানা হচ্ছে কি না তা দেখা দরকার| তৃতীয়ত, অতিথিদের পরিচয় সংরক্ষণ ও রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা যথাযথভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না তা পরীক্ষা করা প্রয়োজন|  গুলশান ২৬ নম্বর রোডে গেস্ট হাউসের আড়ালে কথিত অনৈতিক কর্মকাণ্ড, মাদক সিন্ডিকেট ও ঘণ্টাভিত্তিক কক্ষ বরাদ্দের অভিযোগ নিয়ে এখন কয়েকটি প্রশ্ন সামনে এসেছে| প্রতিষ্ঠানগুলোর ˆবধ অনুমোদন আছে কি না, তাদের ব্যবসার ধরন কী, কক্ষ কীভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়, অতিথিদের পরিচয় যাচাই করা হয় কি না এবং কোনো অপরাধী চক্র এসব স্থাপনাকে ব্যবহার করছে কি না এসব প্রশ্নের উত্তর প্রয়োজন| 

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

কিশোরগঞ্জ থেকে যাত্রা, পর্যায়ক্রমে সারাদেশে চালু হবে ফ্যামিলি কার্ড

দেশের দরিদ্র মানুষের জন্য সরকারের বহুল আলোচিত ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি আগামী ১৬ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হচ্ছে। প্রথম ধাপে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।এর আগে গত ১০ মার্চ দিনাজপুর থেকে এই কর্মসূচির পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছিল। পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে ইতিবাচক ফল পাওয়ার পর এবার সারাদেশে পর্যায়ক্রমে কর্মসূচি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী চার বছরের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে। আরও  পড়ুন, তিন দশকের বেশি সময় পর ফিরছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ২০ আগস্ট সংসদে ভোটতবে তথ্য সংগ্রহ ও মূল্যায়নের ভিত্তিতে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো প্রকৃত দরিদ্র পরিবারকে সঠিকভাবে শনাক্ত করে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পদ্ধতিতে সামাজিক নিরাপত্তা সহায়তা পৌঁছে দেওয়া।জানা গেছে, ইউনিয়ন পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ের দায়িত্বে থাকবেন প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তারা। উপজেলা পর্যায়ে ইউএনওর নেতৃত্বে, জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে এবং বিভাগীয় পর্যায়ে বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে পৃথক কমিটি কাজ করবে।সরকারের আশা, অক্টোবরের শেষ নাগাদ দেশের সব উপজেলা ও ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির কার্যক্রম শুরু হবে।

তিন দশকের বেশি সময় পর ফিরছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ২০ আগস্ট সংসদে ভোট

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর দেশে আবারও ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্যদের প্রকাশ্য ভোটে নির্বাচিত হবেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি।নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তবে সাধারণ নির্বাচনের মতো দেশের সাধারণ ভোটাররা এ নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন না। সংসদ সদস্যদের ভোটেই নির্বাচিত হবেন রাষ্ট্রপতি।বর্তমান সংসদে বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীর জয় একপ্রকার নিশ্চিত বলেই রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।আরও  পড়ুন, মার্কিন বিনিয়োগ বাড়াতে সরকারের পূর্ণ সহযোগিতার বার্তা প্রধানমন্ত্রীরএবারের নির্বাচনে ১১ দলীয় জোট কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করেছে। তার পক্ষে ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। অন্যদিকে বিএনপিও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও এখনো তাদের আনুষ্ঠানিক প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি।৩৫০ আসনের সংসদে বিএনপির রয়েছে ২৪৭টি আসন, জামায়াতে ইসলামীর ৭৭টি এবং এনসিপির ৮টি আসন। ফলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফল নির্ধারণে সংসদের দলীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৩ আগস্ট, যাচাই-বাছাই ১৬ আগস্ট এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৮ আগস্ট। ভোটগ্রহণ হবে ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

মার্কিন বিনিয়োগ বাড়াতে সরকারের পূর্ণ সহযোগিতার বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশে বর্তমানে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, আগ্রহী বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে সরকার প্রস্তুত।মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ, অ্যামচেমের একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে সরকারের ইতিবাচক অবস্থানের কথা তুলে ধরেন।অ্যামচেম বাংলাদেশের সভাপতি ও মাস্টারকার্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ কামালের নেতৃত্বে আট সদস্যের প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নেয়।আরও পড়ুন, শাহজালালসহ তিন বিমানবন্দরে ফেসিয়াল রিকগনিশন ও গোল্ড ডিটেকশন প্রযুক্তিপ্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীকে জানায়, সংগঠনটির নতুন কমিটি বাংলাদেশে আরও মার্কিন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদারে কাজ করছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

শাহজালালসহ তিন বিমানবন্দরে ফেসিয়াল রিকগনিশন ও গোল্ড ডিটেকশন প্রযুক্তি

বিদেশে পালিয়ে গিয়ে আইনের হাত এড়ানোর সুযোগ ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। এখন থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে কোনো অপরাধীর একটি ছবি থাকলেই দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে তাকে শনাক্ত করতে পারবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-চালিত ক্যামেরা।হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশের তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদারে চালু করা হয়েছে এআই-ভিত্তিক সিসিটিভি ক্যামেরা, ফেসিয়াল রিকগনিশন সিস্টেম এবং উচ্চ সংবেদনশীল গোল্ড ডিটেকশন প্রযুক্তি।আরও পড়ুন .সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ বাংলাদেশির পরিবারকে বিশেষ অনুদান, মরদেহ আনবে সরকারনিরাপত্তা সূত্র জানায়, কোনো সন্দেহভাজন ব্যক্তি ভিন্ন পরিচয়ে বা পরিচয় গোপন করে বিদেশে পালানোর চেষ্টা করলে তার ছবি ডাটাবেজে যুক্ত করা হলে এআই ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাকে শনাক্ত করবে। শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের কাছে সতর্কবার্তা পৌঁছে যাবে।শুধু অপরাধী নয়, বিমানবন্দরে অস্বাভাবিক আচরণ, দীর্ঘ সময় সন্দেহজনকভাবে অবস্থান বা পরিত্যক্ত বস্তু শনাক্ত করতেও সক্ষম এই প্রযুক্তি।এদিকে সোনা চোরাচালান ঠেকাতে যুক্ত হয়েছে আধুনিক গোল্ড ডিটেকশন প্রযুক্তি, যা শরীর বা পোশাকে লুকিয়ে রাখা ক্ষুদ্র ধাতব বস্তু শনাক্ত করতে পারে।বেবিচক জানিয়েছে, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে গত দুই থেকে আড়াই বছরে অপরাধী শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্যএসেছে।

রাজনীতিরাজনীতি

ভারত শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশ বিরোধী কর্মকাণ্ডের সুযোগ দিচ্ছে: নাহিদ ইসলাম

ভারত শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশ বিরোধী কর্মকাণ্ডের সুযোগ দিচ্ছে: নাহিদ ইসলাম

ভারত তার ভূখণ্ড ব্যবহার করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।তিনি দাবি করেন, এটি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, বিচারব্যবস্থা এবং জনগণের গণতান্ত্রিক রায়ের প্রতি সরাসরি অবমাননা।এক প্রতিক্রিয়ায় নাহিদ ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে চলমান বিচারিক প্রক্রিয়া এবং রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে ভারতের এমন ভূমিকা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের জন্যও নেতিবাচক বার্তা বহন করছে।আরও  পড়ুন, জুলাই সনদ অবিলম্বে বাস্তবায়ন করুন : মামুনুল হকতিনি আরও বলেন, একটি প্রতিবেশী রাষ্ট্রের উচিত অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে এমন কোনো অবস্থান না নেওয়া, যা ওই দেশের বিচারব্যবস্থা বা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।এনসিপির আহ্বায়ক অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনাকে কেন্দ্র করে ভারত যে অবস্থান নিয়েছে বলে তিনি দাবি করছেন, তা বাংলাদেশের জনগণের রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।তবে নাহিদ ইসলামের এই বক্তব্যের বিষয়ে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুলাই সনদ অবিলম্বে বাস্তবায়ন করুন : মামুনুল হক

জুলাই সনদ অবিলম্বে বাস্তবায়ন করুন : মামুনুল হক

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, গণভোটের রায় অনুযায়ীই বর্তমান শাসনব্যবস্থা পরিচালনা করতে হবে। গণভোটকে অবৈধ ঘোষণা করা হলে সরকারের নিজস্ব বৈধতাও প্রশ্নবিদ্ধ হবে।রোববার দিবাগত রাতে ফরিদপুরের সদরপুর স্টেডিয়ামে উপজেলা খেলাফত মজলিস আয়োজিত এক নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মামুনুল হক দাবি করেন, বিপুল অর্থ ব্যয়ে অনুষ্ঠিত গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট দিয়েছেন। এটি জনগণের সুস্পষ্ট ম্যান্ডেট এবং ৩৩টি রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যে প্রস্তুত ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল।আরও  পড়ুন, ভিডিও ফাঁসের জেরে এমপি গাজী নজরুলসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলাতিনি বলেন, তাদের আন্দোলন সরকার পতনের জন্য নয়; বরং জনগণের রায় অনুযায়ী জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য। সরকারের নৈতিক দায়িত্ব হলো জনগণের সেই রায়কে সম্মান জানানো।শাসনিক সংস্কারের বিষয়ে তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে প্রশাসনকে দলীয়করণ করা হয়েছিল। ভবিষ্যতে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত প্রশাসনিক নিয়োগ নিশ্চিত করতে একটি নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সার্ভিস কমিশন গঠনের দাবি জানান তিনি।সমাবেশে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ভিডিও ফাঁসের জেরে এমপি গাজী নজরুলসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা

ভিডিও ফাঁসের জেরে এমপি গাজী নজরুলসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ব্যক্তিগত ভিডিওকে কেন্দ্র করে এবার আইনি জটিলতায় পড়েছেন সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।ভিডিও ফাঁসের সন্দেহ এবং কথিত অনৈতিক সম্পর্কের প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গাজী নজরুল ইসলামসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ওবায়দুর রহমান নামে এক ব্যক্তি।গত ২২ জুলাই রাজধানীর পল্লবী থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বাদী ওবায়দুর রহমান দাবি করেছেন, তিনি সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত গাড়িচালক হিসেবে কাজ করতেন এবং পল্লবীর কালশী এলাকায় তার বোনের বাসায় থাকতেন।এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, আত্মীয়তার সূত্রে ওই বাসায় যাতায়াতের সময় গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে বাদীর ভাগ্নির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। বিষয়টি জানতে পেরে ওবায়দুর রহমান তাকে এ সম্পর্ক থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।আরও পড়ুন. ‘নিয়োগ বাণিজ্য অনেকের কাছে মধুর চাক’ জামায়াত আমিরের তীব্র সমালোচনাবাদীর আরও অভিযোগ, মগবাজারের একটি চক্র গাজী নজরুল ইসলাম ও ওই তরুণীর কিছু ব্যক্তিগত ভিডিও সংগ্রহ করে তাকে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে। সংসদ সদস্যের ধারণা ছিল, ওবায়দুর রহমান ওই ভিডিও ধারণ করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও গণমাধ্যমের কাছে দিয়েছেন।এই বিরোধের জেরে গত ১৪ জুলাই হামলার ঘটনা ঘটে বলে মামলার এজাহারে দাবি করা হয়েছে।এজাহার অনুযায়ী, ওইদিন আমিনুর রহমান কৌশলে ওবায়দুর রহমানকে একটি ড্রয়িংরুমে ডেকে নেন। সেখানে অন্য আসামিদের সঙ্গে নিয়ে তাকে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তাকে মাটিতে ফেলে গলা টিপে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এ সময় পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে এসে চিৎকার করলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে কুর্মিটোলা হাসপাতালে চিকিৎসা নেন ওবায়দুর রহমান।এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় এর আগে গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।পরে গত ২২ জুলাই জরুরি বৈঠকে নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানায় জামায়াত।তবে মামলায় করা অভিযোগগুলোর বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। ঘটনার তদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারিত হবে।

‘নিয়োগ বাণিজ্য অনেকের কাছে মধুর চাক’ জামায়াত আমিরের তীব্র সমালোচনা

‘নিয়োগ বাণিজ্য অনেকের কাছে মধুর চাক’ জামায়াত আমিরের তীব্র সমালোচনা

নিয়োগ বাণিজ্য ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।সোমবার গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া কাজী আজহার আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় তিনি বলেন, ‘নিয়োগ বাণিজ্যের জায়গাটাকে অনেকেই মধুর চাক মনে করেন। ওখানে মধু আছে, চুষলেই জিহ্বায় মজা লাগে। এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে।’তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন খাতে চুরি-চামারি, লুটপাট ও দুর্নীতি বেড়েছে।আরও  পড়ুন, ‘সব প্রতিষ্ঠানে রাজনীতিকরণ চলছে’: সরকারের বিরুদ্ধে : শফিকুর রহমানে চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।জামায়াত আমির বলেন, দেশের মানুষের স্বার্থে প্রয়োজন হলে একবার নয়, শতবার রাজপথে নামবেন। জনগণের অধিকার রক্ষায় আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষের বিরুদ্ধে যারা অবস্থান নেবে, তাদের এ দেশে থাকার সুযোগ হবে না। একইসঙ্গে তিনি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি প্রভাব নিয়ে সমালোচনামূলক মন্তব্য করেন।জনসভায় স্থানীয় নেতাকর্মী, সমর্থক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সারাবাংলা

ফেনীতে ট্রান্সফরমার চুরির মহামারি, বিদ্যুৎহীন শত শত পরিবার

ফেনীতে ট্রান্সফরমার চুরির মহামারি, বিদ্যুৎহীন শত শত পরিবার

একদিকে লোডশেডিং, অন্যদিকে ট্রান্সফরমার চুরি। এই দুই সংকটে ফেনীর বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে অন্তত ১০০টি ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চুরি হয়েছে ফেনী সদর ও ছাগলনাইয়া উপজেলায়।ট্রান্সফরমার চুরির পর দিনের পর দিন বিদ্যুৎহীন থাকছেন গ্রাহকরা। তীব্র গরমে দুর্ভোগের পাশাপাশি নষ্ট হচ্ছে পচনশীল পণ্য, ব্যাহত হচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পকারখানার উৎপাদন।ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তথ্য অনুযায়ী, ফেনী সদর থেকে ৫৮টি এবং ছাগলনাইয়া থেকে ৩৬টি ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে।আরও  পড়ুন, সাভার ডেইরী ফার্মে বহিরাগত বখাটের হামলায় এক কর্মচারী মৃত্যুশয্যায়সবচেয়ে বড় ক্ষোভের বিষয় হলো, চুরি যাওয়া ট্রান্সফরমার পুনঃস্থাপনে অনেক ক্ষেত্রে গ্রাহকদেরই বড় অঙ্কের টাকা পরিশোধ করতে হচ্ছে।উত্তর কুহুমা গ্রামের একটি মসজিদের ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনায় ৬৩টি পরিবার বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। নতুন ট্রান্সফরমার বসাতে গ্রাহকদের ৮১ হাজার টাকা জমা দিতে হয়েছে।পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি জানিয়েছে, নীতিমালা অনুযায়ী প্রথমবার চুরি হলে ট্রান্সফরমারের অর্ধেক এবং দ্বিতীয়বার চুরি হলে পুরো মূল্য গ্রাহকদের বহন করতে হয়।পুলিশ বলছে, ট্রান্সফরমার চুরির সঙ্গে একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত। বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সাভার ডেইরী ফার্মে বহিরাগত বখাটের হামলায় এক কর্মচারী মৃত্যুশয্যায়

সাভার ডেইরী ফার্মে বহিরাগত বখাটের হামলায় এক কর্মচারী মৃত্যুশয্যায়

সাভার কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধখামারে (ডেইরীফার্ম) বহিরাগত এক বখাটের মারধরে প্রতিষ্ঠানটির এক কর্মচারী মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। বর্তমানে মুমুর্ষ অবস্থায় আহত ওই কর্মচারী শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।মারধরের ঘটনায় বহিরাগত বখাটের নাম শেখ আবেদ আলী (৩৫) বলে জানা গেছে। সে ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ থানার কলাতিয়া গ্রামের মৃত আমির আলীর ছেলে। অন্যদিকে ভুক্তভোগীর নাম জয়নাল হাজারী । সে সাভার ডেইরী ফার্মের স্টাফ কোয়ার্টারে থেকে প্রতিষ্ঠানটির বায়ার শাখায় রাজস্ব খাতে চাকুরী করেন পাশাপাশি স্থানীয় ক্যান্টিনে একটি দোকান পরিচালনা করেন । প্রতক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, রবিবার সকালে স্থানীয় একটি লীজকৃত পুকুরে মাছ ধরছিলেন জয়নাল হাজারী ও তার পরিবারের সদস্যরা । একপর্যায়ে সকাল ১১ টার দিকে সেখানে পৌছায় বহিরাগত বখাটে শেখ আবেদ আলী । এসময় মাছ ধরা এবং পুকুরের লীজের টাকার বিষয় দুই তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডার ঘটনা ঘটলে বখাটে আবেদ আলী বহিরাগত লোকজন নিয়ে এসে জয়নাল হাজারীকে মারধর করেন অন্ডকোষে চেপে হত্যার চেষ্টা চালায় । এসময় জয়নাল হাজারীর ছেলে ও স্থানীয়দের সহযোগীতায় বাবাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় ।আরও  পড়ুন, ঈশ্বরগঞ্জে সড়কে পড়ে ছিল নারীর মরদেহ, পরিচয় শনাক্তে পুলিশের চেষ্টানাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী জানান, এই বখাটে শেখ আবেদ আলী জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয় সংলগ্ন ইসলাম নগর এলাকার মৃত কোরবান মাস্টারের ছেলে সাইকো মারুফের সহযোগী। আবেদ আলী বহিরাগত হয়েও একটি সরকারী প্রতিষ্ঠানের ভিতরে বসবাস করে এবং বখাটে ও সন্ত্রাসীদের নিয়ে বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম করে বেড়ায়। তাদের ভয়ে কেউ এসব বিষয়ে প্রতিবাদ করতে সাহস পায়না । আবেদ আলীর শেল্টারদাতা সাইকো মারুফ পতিত সরকারের ঢাকা জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সদস্য হলেও এখনো প্রকাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং এলাকায় বিভিন্ন ধরনের অপরাধ কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। মারধরের বিষয়ে অভিযুক্ত শেখ আবেদ আলী বলেন, আমার চাচা এখানে মাস্টার রোলে চাকুুরী করে সেই সুবাদে আমি দীর্ঘদিন ধরে এখানেই থাকি। রবিবার সকালে এখানকার একটি লীজ দেয়া পুকুরে মাছ ধরা হচ্ছিলো। আমি সেখানে গিয়ে কিভাবে এবং কেন মাছ ধরা হচ্ছে জানতে চাইলে জয়নাল হাজারী ও তার দুই ছেলে মিলে আমাকে মারধর করে। তাহলে সে কিভাবে আহত হলো এমন কারন জানতে চাইলে শেখ আবেদ আলী একটি মোটরসাইল নিয়ে আসা দুই ব্যক্তির সাথে দ্রুত সটকে পড়েন। সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে এবং স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, শেখ আবেদ আলী একজন চিহ্নিত বখাটে এবং মাদকাসক্ত। আগে সে পাশর্^বর্তী বিএলআরআইএ মাস্টাররোলে চাকুরী করলেও বর্তমানে তার চাকুরী নাই। সে পতিত সরকারের দলীয় কর্মীদের সাথে নিয়ে সাভার ডেইরী ফার্মে বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম করে থাকে। কিন্তু খারাপ প্রকৃতির লোক হওয়ায় কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পায়না। প্রাথমিকভাবে শেখ আবেদ আলীকে বিভিন্ন অপকর্মে শেল্টারদাতা হিসেবে স্থানীয় আমবাগান এলাকার কোরবান আলী মাস্টারের ছেলে সাইকো মারুফের নাম জানা গেছে। এই মারুফ ঢাকা জেলা বঙ্গবন্ধ পরিষদের সদস্য হিসেবে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতো এবং রবিবার সন্ধ্যায় মোটরসাইকেল করে শেখ আবেদ আলীকে নিয়ে যায় তার শেল্টারদাতা সাইকো মারুফ। আরও  পড়ুন, ঈশ্বরগঞ্জে সড়কে পড়ে ছিল নারীর মরদেহ, পরিচয় শনাক্তে পুলিশের চেষ্টাসাভার কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামারের পরিচালক মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমাদের প্রতিষ্ঠানের রাজস্ব খাতের একজন কর্মচারীকে বহিরাগত লোক এসে মারধর করেছে। এসময় আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা আহত ওই কর্মচারীকে উদ্ধার করে প্রথমে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু তার অবস্থা খারাপ হওয়য় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে রেফার্ড করেন। বর্তমানে তিনি ভর্তি আছেন।তিনি আরও বলেন, বহিরাগত সন্ত্রাসীদের হামলার ঘটনায় যার ভাতিজা সন্ত্রাসীদের নিয়ে এসেছে সেই মাস্টার রোলের কর্মচারী শহর আলীকে সোকস করা হয়েছে এবং এই মারধনের বিষয়ে কারন দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া আহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্ততি চলৈছেন বলেও জানান এই কর্মকর্তা ।

ঈশ্বরগঞ্জে সড়কে পড়ে ছিল নারীর মরদেহ, পরিচয় শনাক্তে পুলিশের চেষ্টা

ঈশ্বরগঞ্জে সড়কে পড়ে ছিল নারীর মরদেহ, পরিচয় শনাক্তে পুলিশের চেষ্টা

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ পৌর শহরের রহমতগঞ্জ মোড় মহাসড়ক থেকে প্রায় ৫৫ বছর বয়সী এক অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস।মঙ্গলবার ভোরে স্থানীয়দের খবরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।স্থানীয়দের ভাষ্য, গত তিন থেকে চার দিন ধরে ওই নারীকে এলাকায় ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে ধারণা করছেন এলাকাবাসী।আরও পড়ুন, গাজীপুরে দুই অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও ছিনতাইকারী গ্রেপ্তারভোর ৫টার দিকে প্রচণ্ড বৃষ্টির সময় রাস্তা পার হওয়ার সময় অজ্ঞাত কোনো যানবাহনের চাপায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শুরু করে।ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি রবিউল আজম জানিয়েছেন, নিহত নারীর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, পরিচয় শনাক্তের পর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গাজীপুরে দুই অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

গাজীপুরে দুই অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

গাজীপুর মহানগরের গাছা থানাধীন বসুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি লোহার তৈরি ধারালো সামুরাই উদ্ধার করা হয়েছে।মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) গাছা থানা পুলিশ বসুরা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করে।গ্রেপ্তাররা হলেন—মো. নাছির মোল্লা (৩৪) ও মো. তরিকুল ইসলাম অপু (৩৬)।আরও  পড়ুন, পার্বত্য শিশুদের পুষ্টি-স্বাস্থ্য সুরক্ষায় তহজিংডং ও হেলেন কেলারপুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার দুজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও ছিনতাইকারী হিসেবে এলাকায় পরিচিত। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে দুটি লোহার তৈরি ধারালো সামুরাই উদ্ধার করা হয়।এ ঘটনায় গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশ জানায়, অপরাধ দমনে গাছা থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আন্তর্জাতিক

মেক্সিকান জ্যালোপেনো মরিচে স্যামোনেলা আতঙ্ক, যুক্তরাষ্ট্রের ২৭ রাজ্যে অসুস্থ ৩৪৫

মেক্সিকান জ্যালোপেনো মরিচে স্যামোনেলা আতঙ্ক, যুক্তরাষ্ট্রের ২৭ রাজ্যে অসুস্থ ৩৪৫

মেক্সিকান জ্যালোপেনো মরিচ থেকে ছড়ানো স্যামোনেলা সংক্রমণে যুক্তরাষ্ট্রের ২৭টি রাজ্যে অন্তত ৩৪৫ জন অসুস্থ হয়েছেন। এ ঘটনায় ৩৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন এবং ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন যৌথভাবে এই প্রাদুর্ভাবের তদন্ত করছে। আক্রান্তদের অসুস্থ হওয়ার সময়কাল ছিল ১৯ জুন থেকে ২০ জুলাইয়ের মধ্যে।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, স্যামোনেলা সংক্রমণে ডায়রিয়া, জ্বর এবং তীব্র পেটব্যথা হতে পারে। ছোট শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন মানুষের জন্য এটি মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।আরও  পড়ুন, শ্রীলঙ্কায় টানা বর্ষণে ভয়াবহ বিপর্যয়: ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় নিহত ৭, বন্ধ সব স্কুলএফডিএ জানিয়েছে, সংক্রমণের উৎস হিসেবে মেক্সিকোর সিনালোয়া অঞ্চলের একটি খামারের জ্যালোপেনো মরিচ শনাক্ত করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে এই মরিচ সরবরাহ করেছিল কোস্ট সাইট্রাস ডিস্ট্রিবিউটরস।এই মরিচ চিপোটলে এবং কিউডিওবাসহ একাধিক রেস্তোরাঁয় সরবরাহ করা হয়েছিল। ঘটনার পর চিপোটলে সরবরাহকারী পরিবর্তন করেছে এবং কিউডিওবা জ্যালোপেনো পরিবেশন বন্ধ রেখেছে।স্বাস্থ্য সংস্থাগুলো বলছে, বর্তমানে রেস্তোরাঁগুলোতে ভোক্তাদের জন্য চলমান ঝুঁকি দেখা যাচ্ছে না। তবে প্রত্যাহার করা মরিচ ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।এফডিএ এবং সিডিসি তদন্ত অব্যাহত রেখেছে এবং প্রয়োজন হলে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে।

০৬ আগস্ট ২০২৬

রাজধানী

বেইলি রোডে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

বেইলি রোডে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর বেইলি রোডে জেবা আদিবা নামে ৩১ বছর বয়সী এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার বেলা ১১টার দিকে বেইলি রোডের কেএফসি গলির একটি বাসার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি পেশায় নেইল আর্টিস্ট ছিলেন।রমনা থানার এসআই মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং মরদেহ উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে সন্ধ্যায় ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।আরও  পড়ুন, ‘১০০ টাকার গরুর মাংস-ভাত’ খ্যাত ভাইরাল মিজান গ্রেপ্তারপুলিশের প্রাথমিক তদন্তে পারিবারিক ও দাম্পত্য বিরোধের বিষয়টি সামনে এসেছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তিনি কিছুদিন ধরে মানসিক অস্থিরতায় ভুগছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।তবে মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কিনা, তা তদন্ত এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।মৃত জেবা আদিবার বাবার নাম আবুল আহসান। তাদের বাড়ি রাজধানীর হাতিরঝিলের নিউ ইস্কাটন এলাকায়।

৫ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

ব্যাটে-বলে রশিদের ঝড়, সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে আফগানরা

ব্যাটে-বলে রশিদের ঝড়, সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে আফগানরা

রশিদ খানের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে আয়ারল্যান্ডকে ৩ উইকেটে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে আফগানিস্তান। একই সঙ্গে নিশ্চিত করেছে আগামী বছরের ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ।বেলফাস্টে ২০৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩১ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় আফগানরা।এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ২০৬ রানে অলআউট হয় আয়ারল্যান্ড। আফগানিস্তানের হয়ে রশিদ খান ও এএম গাজানফার নেন তিনটি করে উইকেট।জবাবে শুরুটা ভালো করে আফগানিস্তান। রহমানউল্লাহ গুরবাজ খেলেন ৭১ রানের দারুণ ইনিংস। তবে শেষ দিকে ম্যাচে উত্তেজনা তৈরি হয়, আরও  পড়ুন, বিশ্বকাপে সরাসরি বাংলাদেশ, আবারও বাছাইপর্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজযখন জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৩০ রান এবং হাতে ছিল মাত্র তিন উইকেট।সেই কঠিন মুহূর্তে ব্যাট হাতে দায়িত্ব নেন রশিদ খান। ৪৩ বলে ৩৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তিনি।বোলিংয়ে তিন উইকেট এবং ব্যাটিংয়ে ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হন রশিদ।এই জয়ে টানা চতুর্থবারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করল আফগানিস্তান। সিরিজের পরবর্তী ম্যাচে জিতলেই এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিজেদের করে নেবে আফগানরা।

আইন আদালত

বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতা

বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতা

বর্ষার বৃষ্টির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি জেলা শহরগুলোতেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এডিস মশাবাহিত এই রোগ। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু সংক্রমণের উচ্চ প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২০ জুলাই পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০ হাজার ৪৮৫ জন। এ সময় ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৯ হাজার ৪৪০ জন।শুধু জুলাই মাসের প্রথম ১৯ দিনেই আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৮১ জন, যা জুন মাসের মোট আক্রান্ত ২ হাজার ৯০৭ জনের তুলনায় প্রায় ৩৪ শতাংশ বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪৭৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর ডেঙ্গুর জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়। বিশেষ করে বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং ঢাকার আশপাশের জেলাগুলোতে সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।আরও  পড়ুন, জুলাই আন্দোলনের রক্তাক্ত দিন: ২০ জুলাইয়ে দেশজুড়ে কারফিউ ও সেনা টহলতিনি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত লার্ভা ধ্বংস, লার্ভিসাইড প্রয়োগ এবং জেলা-উপজেলা হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী জানান, ডেঙ্গুর উৎস শনাক্ত ও ধ্বংসে কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। শিগগিরই ৩০০ স্বেচ্ছাসেবক বাসাবাড়ির ছাদ, গ্যারেজ ও সম্ভাব্য প্রজননস্থল পরিদর্শনে নামবেন।জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু ফগিং করে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। জমে থাকা পরিষ্কার পানি অপসারণ, নির্মাণাধীন ভবনে নিয়মিত তদারকি, লার্ভা জরিপ এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিই ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।চিকিৎসকদের পরামর্শ, জ্বর, শরীরব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, বমি বা রক্তক্ষরণের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও দীর্ঘমেয়াদি রোগীদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর