দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1005.4 hPa
30.7° 72%
340° 3mm
চট্টগ্রাম 1005.7 hPa
31.1° 69%
340° 3mm
রাজশাহী 1005.3 hPa
32° 74%
340° 3mm
খুলনা 1004.9 hPa
31.1° 80%
340° 3mm
বরিশাল 1005.2 hPa
29.2° 83%
340° 3mm
সিলেট 1006.6 hPa
26.5° 85%
340° 3mm
রংপুর 1005.5 hPa
28.9° 90%
340° 3mm
ময়মনসিংহ 1006.3 hPa
29.5° 88%
340° 3mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

গুলশান ২৬ নাম্বার রোডে গেস্ট হাউসের আড়ালে ‘স্কর্ট সার্ভিস’ ও মাদকের অভিযোগ

গুলশান ২৬ নাম্বার রোডে গেস্ট হাউসের আড়ালে ‘স্কর্ট সার্ভিস’ ও মাদকের অভিযোগ

 রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানের ২৬ নাম্বার রোড| একসময় কূটনৈতিক ও আবাসিক পরিবেশের জন্য পরিচিত এ এলাকার বিভিন্ন ভবনে এখন গেস্ট হাউস, সার্ভিস অ্যাপার্টমেন্ট ও আবাসিক বাণিজ্যিক কার্যক্রমের বিস্তার নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন| এর মধ্যে কয়েকটি গেস্ট হাউসকে ঘিরে ‘স্কর্ট সার্ভিস’, মাদকসহ নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগও সামনে এসেছে|স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, কিছু গেস্ট হাউসে দীর্ঘমেয়াদি আবাসনের পরিবর্তে সল্প সময়ের জন্য কক্ষ ভাড়া দেওয়ার প্রবণতা রয়েছে । অভিযোগ রয়েছে, ঘণ্টাভিত্তিক কক্ষ বরাদ্দের মাধ্যমে সেখানে বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ ˆতরি হচ্ছে ।তবে এসব অভিযোগের  সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন এবং কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে অপরাধে জড়িত হিসেবে চূড়ান্তভাবে চিহ্নিত করার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত জরুর ।আরও  পড়ুন, বনানীতে শৈশবের স্পা সেন্টার ঘিরে নারী ও দালাল সিন্ডিকেটসম্প্রতি বিষয়টি অনুসন্ধান করতে গেলে সংবাদকর্মীদের একটি গেস্ট হাউসে প্রবেশের মুখেই বাধার মুখে পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে| সেখানে গেস্ট হাউসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তি সাংবাদিকদের পরিচয় ও প্রবেশের উদ্দেশ্য জানতে চান এবং ভেতরে প্রবেশে বাধা দেন| এতে প্রশ্ন উঠেছে একটি ˆবধ আবাসিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হলে সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে এমন বাধা দেওয়ার কারণ কী? গুলশানের ২৬ নং রোডে ২০/সি বাড়িটিতে কামরুজ্জামানের দির্ঘদীনের এমন অনৈতিক কর্মকান্ড আবারো নতুন করে আলোচনায় এসেছে| অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে গেস্ট হাউসটির এক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “ভাই, এখন ব্যবসার ধরন পাল্টিয়েছি| তবে ব্যবসার ধরন কীভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি কী ধরনের সেবা দিচ্ছে, ঘণ্টাভিত্তিক কক্ষ বরাদ্দ দেওয়া হয় কি না কিংবা প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তার বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি|আরও  পড়ুন,সংবাদ দিগন্তকে আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ভুইয়াএই বক্তব্যই বরং নতুন প্রশ্ন ˆতরি করেছে| ব্যবসার ধরন পরিবর্তনের অর্থ কী? পূর্বের কার্যক্রম কী ছিল? বর্তমানে কী ধরনের সেবা চালু রয়েছে? এসব পরিবর্তনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেওয়া হয়েছে কি না—এসব বিষয়ও এখন খতিয়ে দেখা প্রয়োজন| গুলশানের মতো পরিকল্পিত ও গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক এলাকায় কোনো ভবনে গেস্ট হাউস, হোটেল, সার্ভিস অ্যাপার্টমেন্ট বা এ ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে কি না, তা যাচাইয়ের বিষয় রয়েছে|একটি ভবনে গেস্ট হাউস পরিচালনা করলেই সেটি ¯^য়ংক্রিয়ভাবে অবৈধ এমন সিদ্ধান্তে যাওয়া যেমন ঠিক নয়, তেমনি আবাসিক ভবনে ব্যবসা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন, ব্যবহার অনুমতি, অগ্নিনিরাপত্তা, ট্রেড লাইসেন্স, কর-সংক্রান্ত কাগজপত্র ও অন্যান্য বিধিবদ্ধ শর্ত পূরণ করা হয়েছে কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ|বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠান ˆবধভাবে পরিচালিত হলেও তার ভেতরে যদি মাদক, মানবপাচার, যৌন শোষণ কিংবা অন্য কোনো অপরাধমূলক কার্যক্রম সংঘটিত হয়, তাহলে সেটি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য গুরুতর ঝুঁকি ˆতরি করতে পারে|আরও  পড়ুন, চট্রগ্রাম গোয়ালপাড়ায় মাদক সম্রাজ্ঞী "আকলিমার" মাদকের হাটসাধারণত আবাসিক হোটেল বা গেস্ট হাউসে অতিথিদের পরিচয় যাচাই, রেজিস্ট্রেশন এবং অবস্থানের তথ্য সংরক্ষণ করা হয়| কিন্তু কোনো প্রতিষ্ঠান যদি দীর্ঘমেয়াদি বা রাতযাপনের পরিবর্তে মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য কক্ষ বরাদ্দ দেওয়ার ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তখন সেখানে অপরাধ সংঘটনের সম্ভাব্য ঝুঁকি বাড়তে পারে| অবশ্য ঘণ্টাভিত্তিক কক্ষ ভাড়া দেওয়াই অপরাধের প্রমাণ নয়| ব্যবসায়িক বাস্তবতায় বিভিন্ন ধরনের সল্পমেয়াদি থাকার ব্যবস্থা থাকতে পারে| কিন্তু এর সঙ্গে যদি পরিচয় গোপন রাখা, সন্দেহজনক অতিথি, মাদক লেনদেন, দালালদের তৎপরতা কিংবা অন্য কোনো বেআইনি কর্মকাণ্ডের অভিযোগ যুক্ত|স্থানীয়দের অভিযোগ, গেস্ট হাউসকেন্দ্রিক কিছু ব্যক্তির আনাগোনা এবং প্রবেশমুখে মধ্যস্থতাকারী বা কথিত দালালদের উপস্থিতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা রয়েছে| সাংবাদিকরা অনুসন্ধানে গেলে তাদের প্রবেশের বিষয়ে প্রশ্ন তোলা এবং বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে| একটি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে সাংবাদিক অনুসন্ধান করবেন এটি সাভাবিক গণমাধ্যমীয় দায়িত্ব|  কিন্তু কোনো প্রতিষ্ঠান যদি নিয়মিতভাবে সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহে বাধা দেয়, তাহলে সেটি বিচ্ছতার প্রশ্নকে আরও জোরালো করে|আরও  পড়ুন,গাজীপুরে লাইসেন্স ছাড়া এমএলএম কার্যক্রমের অভিযোগবর্তমান সময়ে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে কথিত ‘স্কর্ট সার্ভিস’ পরিচালনার অভিযোগ বিভিন্ন এলাকায় শোনা যায়| অনেক ক্ষেত্রে আবাসিক হোটেল, গেস্ট হাউস বা সার্ভিস অ্যাপার্টমেন্টকে অস্থায়ী মিলনস্থল হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগও উঠে আসে|গুলশান ২৬ ন¤^র রোডের ২০/সি বাড়িটির সংশ্লিষ্ট গেস্ট হাউসগুলোকে ঘিরে এমন অভিযোগ রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে| তবে এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ করতে হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত, ডিজিটাল তথ্য যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের রেজিস্টার ও সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা প্রয়োজন|আইনশৃঙ্খলা বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো আবাসিক ভবনে নিয়মবহির্ভূতভাবে অপরিচিত ব্যক্তিদের ঘন ঘন যাতায়াত, পরিচয় যাচাইয়ে দুর্বলতা এবং ¯^ল্পমেয়াদি কক্ষ ব্যবহারের সুযোগ থাকলে সেটি অপরাধীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ আশ্রয়স্থলে পরিণত হতে পারে| এ ধরনের জায়গায় মাদক লেনদেন, প্রতারণা, ব্ল্যাকমেইল, চুরি, মারামারি, নারী ও শিশু পাচারসহ নানা অপরাধের সুযোগ ˆতরি হতে পারে| বিশেষ করে কক্ষ বরাদ্দের ক্ষেত্রে অতিথির পরিচয় যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করলে কোনো অপরাধের পর তদন্তে তথ্য সংগ্রহ কঠিন হয়ে যায়|বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোনো ভবনে রাত-বিরাতে অপরিচিত মানুষের আনাগোনা বেড়ে গেলে আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে অ¯^স্তি ˆতরি হয়| একই সঙ্গে রাস্তায় অপরিচিত গাড়ির অবস্থান,আরও  পড়ুন, হামলা-হয়রানিতে চ্যালেঞ্জে পুলিশ সন্দেহজনক ব্যক্তিদের চলাচল এবং ভবনের প্রবেশপথে মধ্যস্থতাকারীদের উপস্থিতি স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি সৃষ্টি করতে পারে| তাদের দাবি, কোনো প্রতিষ্ঠান ˆবধভাবে পরিচালিত হলে তার ˆবধতার কাগজপত্র, কার্যক্রম ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিচ্ছতা থাকা উচিত ।প্রথমত, গেস্ট হাউসটির ট্রেড লাইসেন্স, ভবন ব্যবহারের অনুমোদন এবং ব্যবসার প্রকৃতি যাচাই করা প্রয়োজন । দ্বিতীয়ত, অগ্নিনিরাপত্তা ও অন্যান্য নিরাপত্তা বিধি মানা হচ্ছে কি না তা দেখা দরকার| তৃতীয়ত, অতিথিদের পরিচয় সংরক্ষণ ও রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা যথাযথভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না তা পরীক্ষা করা প্রয়োজন|  গুলশান ২৬ নম্বর রোডে গেস্ট হাউসের আড়ালে কথিত অনৈতিক কর্মকাণ্ড, মাদক সিন্ডিকেট ও ঘণ্টাভিত্তিক কক্ষ বরাদ্দের অভিযোগ নিয়ে এখন কয়েকটি প্রশ্ন সামনে এসেছে| প্রতিষ্ঠানগুলোর ˆবধ অনুমোদন আছে কি না, তাদের ব্যবসার ধরন কী, কক্ষ কীভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়, অতিথিদের পরিচয় যাচাই করা হয় কি না এবং কোনো অপরাধী চক্র এসব স্থাপনাকে ব্যবহার করছে কি না এসব প্রশ্নের উত্তর প্রয়োজন| 

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

মাদকের ভয়ংকর বিস্তার, সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে শিক্ষার্থী ও তরুণরা

দেশে মাদকের বিস্তার ও অনলাইন জুয়ার প্রসার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে তরুণ সমাজ, বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা। সরকারের পক্ষ থেকে মাদকের মূল হোতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, ইয়াবাসহ কোনো মাদক যেন দেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য সীমান্ত নজরদারি জোরদার করতে হবে। একই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরে মাদক ব্যবসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন অভিযানে রাজধানীসহ দেশের কয়েকটি এলাকায় ইয়াবা তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, রাজধানী থেকে গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত মাদকের সহজলভ্যতা তরুণদের আসক্তির ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।আরও  পড়ুন, দক্ষিণ সুদান ও আবেই সফরে সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, শীর্ষ মাদক কারবারিদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে।মনোরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল বলেন, চিকিৎসার জন্য আসা মাদকাসক্তদের বড় অংশই ইয়াবাসক্ত, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী রয়েছে। তিনি মনে করেন, মাদক একটি পরিবারের সামাজিক ও মানসিক কাঠামোকে ভেঙে দিতে পারে।ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করার কথা জানিয়েছে পুলিশ ও র‌্যাব। তাদের দাবি, তালিকাভুক্ত মাদক কারবারি, ডিলার ও কিশোর গ্যাং সদস্যদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু আইন প্রয়োগ নয়, পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া মাদকের বিস্তার রোধ করা কঠিন হবে।

দক্ষিণ সুদান ও আবেই সফরে সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান

পাঁচ দিনের সরকারি সফরে দক্ষিণ সুদান ও আবেই গেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সফরকালে তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত বাংলাদেশি কন্টিনজেন্টের কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন।শনিবার ঢাকা ত্যাগ করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর—আইএসপিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।আইএসপিআর জানায়, সফরকালে দক্ষিণ সুদান ও আবেইতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে মোতায়েন বাংলাদেশি সেনাসদস্যদের কার্যক্রম, অপারেশনাল প্রস্তুতি এবং সার্বিক দায়িত্ব পালন পরিদর্শন করবেন তিনি।আরও  পড়ুন, সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু কমাতে বড় পরিকল্পনা ২০৩০ সালের মধ্যেএছাড়া উভয় স্থানের রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ এবং জাতিসংঘ মিশনসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করবেন সেনাপ্রধান।বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এই সফরের মাধ্যমে শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত বাংলাদেশি সেনাসদস্যদের কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সরাসরি ধারণা নেবেন সেনাবাহিনী প্রধান।আইএসপিআরের তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ দিনের সফর শেষে সেনাপ্রধানের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু কমাতে বড় পরিকল্পনা ২০৩০ সালের মধ্যে

সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ২০৩০ সালের মধ্যে অর্ধেকে নামিয়ে আনতে সরকার ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। চালকদের প্রশিক্ষণ, ডোপ টেস্ট, যানবাহনের ফিটনেস এবং স্পিড ম্যানেজমেন্টে জোর দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।শনিবার বিকেলে বগুড়া শহরের চেলোপাড়ায় করতোয়া নদীর ওপর নবনির্মিত শাহ ফতেহ আলী সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন সেতুমন্ত্রী।তিনি জানান, দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় এখনো উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় নিরাপদ সড়ক আইন বাস্তবায়ন, স্পিড ম্যানেজমেন্ট এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহযোগিতায় একটি সমন্বিত কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।আরও  পড়ুন, আজ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সফরে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীমন্ত্রী দাবি করেন, আগের তুলনায় দেশে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকটাই কমেছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি দুর্ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, চালকদের ফিটনেস পরীক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং লাইসেন্স প্রদানের আগে কঠোর মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।দুর্ঘটনা কমাতে জনসচেতনতা, দক্ষ চালক এবং ফিটনেসযুক্ত যানবাহন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। চালকদের মাদকাসক্তি রোধে ডোপ টেস্টের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত শাহ ফতেহ আলী সেতু বগুড়ার পূর্ব ও পশ্চিম অংশের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করেছে। এতে চারটি উপজেলার প্রায় ১৬ লাখ মানুষের যাতায়াত ও কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হবে।সেতুমন্ত্রীর এই ঘোষণা সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আজ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সফরে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে এক ব্যস্ত সফরসূচি পালন করবেন। মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প পরিদর্শনের পাশাপাশি বন্যাদুর্গত মানুষের পুনর্বাসন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। দিনের শেষে চট্টগ্রামে সাংগঠনিক সভায় যোগ দিয়ে রাতে ঢাকায় ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী।রবিবার সকালে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীর উদ্দেশ্যে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সফরসূচি অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ—মিডার বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন।এরপর বাহারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বাঁশখালী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।আরও  পড়ুন, জুলাইয়ের যোদ্ধাদের সিএনজি রিকশা উপহার প্রধানমন্ত্রীরদুপুর দেড়টার দিকে ফটিকছড়ির পেহেলগাজী দিঘির মাঠে অবতরণ করে আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসা পরিদর্শন করবেন তিনি।বিকেল পৌনে ৪টায় হাটহাজারী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোতে সংক্ষিপ্ত বিরতির পর বিকেল ৫টায় হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের রেডিসন ব্লু হোটেলের অডিটরিয়ামে আয়োজিত সাংগঠনিক সভায় অংশ নেবেন তিনি। দিনের কর্মসূচি শেষে রাতে ঢাকায় ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকি এবং বন্যাদুর্গত মানুষের পুনর্বাসনে এই সফরকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাজনীতিরাজনীতি

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে জামায়াত, একক প্রার্থী চূড়ান্ত আজ ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠক

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে জামায়াত, একক প্রার্থী চূড়ান্ত আজ ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠক

আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বিরোধী জোটের একক প্রার্থী দেওয়ার বিষয়টি আজ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠকে চূড়ান্ত হতে পারে।শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।দলের এক বার্তায় জানানো হয়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা শেষে সর্বসম্মতভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে রোববার জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে।আরও  পড়ুন, ‘জুলাই জাদুঘরে দলীয় ইতিহাস নয়, চাই পূর্ণাঙ্গ জাতীয় ইতিহাস’ : নাহিদ ইসলামসেখানে বিরোধী জোটের একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।বৈঠকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংবিধান সংস্কার ইস্যু এবং ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা হয়।সভায় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী জোটের অংশগ্রহণ ও একক প্রার্থী দেওয়ার উদ্যোগ রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

‘জুলাই জাদুঘরে দলীয় ইতিহাস নয়, চাই পূর্ণাঙ্গ জাতীয় ইতিহাস’ : নাহিদ ইসলাম

‘জুলাই জাদুঘরে দলীয় ইতিহাস নয়, চাই পূর্ণাঙ্গ জাতীয় ইতিহাস’ : নাহিদ ইসলাম

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসকে কোনো দল বা গোষ্ঠীর একক বয়ানে পরিণত না করে প্রকৃত ও পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।শনিবার সকালে রাজধানীর গণভবনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ আহ্বান জানান।নাহিদ ইসলাম বলেন, জাদুঘরের বর্তমান প্রদর্শনীতে কিছু পরিচিত মুখ ও ঘটনার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।আরও  পড়ুন, পল্লবীতে চায়ের দোকানে গুলিবর্ষণ: বিএনপি নেতা ও পথচারী নারী আহত কিন্তু গণঅভ্যুত্থানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল, বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসা এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ যথাযথভাবে উঠে আসেনি।তিনি বলেন, জুলাই জাদুঘরে কোনো ধরনের দলীয় ইতিহাস দেখতে চান না। এটি জাতীয় ইতিহাস চর্চার একটি কেন্দ্র হওয়া উচিত।জাদুঘরের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। পর্যাপ্ত জনবল ও প্রশিক্ষিত কর্মী নিয়োগের পাশাপাশি জাদুঘরকে স্বায়ত্তশাসিত কাঠামোয় পরিচালনার দাবি জানান নাহিদ ইসলাম।

পল্লবীতে চায়ের দোকানে গুলিবর্ষণ: বিএনপি নেতা ও পথচারী নারী আহত

পল্লবীতে চায়ের দোকানে গুলিবর্ষণ: বিএনপি নেতা ও পথচারী নারী আহত

রাজধানীর পল্লবীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে বিএনপির এক নেতাসহ দুইজন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত মো. আলমগীরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি লালবাগ–নবাবগঞ্জ রোড এলাকার ২৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য বলে জানিয়েছেন।শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পল্লবী থানাধীন মিরপুর-১১ নম্বরের রোড-২, ব্লক-বি এলাকার একটি চায়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।পুলিশ জানিয়েছে, আলমগীর চায়ের দোকানে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়লে তিনি এবং পথচারী জোসনা নামে এক নারী আহত হন।আরও  পড়ুন, গুলশানে রেস্টুরেন্টে গোপন বৈঠকের অভিযোগ, ৬ জন আটক আলমগীরের মাথা ও পিঠে তিনটি গুলি লাগে। আহত নারীকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আলমগীর দাবি করেছেন, একটি প্রাইভেট কার থেকে চারজন নেমে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। তিনি হামলাকারীদের মধ্যে দুজনকে চিনতে পেরেছেন বলেও দাবি করেন।পল্লবী থানার ওসি হাসান বাসির জানিয়েছেন, স্থানীয় সন্ত্রাসী রুবেল ওরফে ল্যাংড়া রুবেল আলমগীরকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। হামলার কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।

গুলশানে রেস্টুরেন্টে গোপন বৈঠকের অভিযোগ, ৬ জন আটক

গুলশানে রেস্টুরেন্টে গোপন বৈঠকের অভিযোগ, ৬ জন আটক

রাজধানীর গুলশান এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে গোপন বৈঠকের অভিযোগে ছয়জনকে আটক করেছে গুলশান থানা পুলিশ। আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাত আনুমানিক ৯টা ১৫ মিনিটে গুলশান থানাধীন পুলিশ প্লাজার পঞ্চম তলার একটি রেস্টুরেন্টে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পুলিশের দাবি, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে সেখানে কয়েকজন ব্যক্তি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বৈঠক করছিলেন। পরে ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করে ছয়জনকে আটক করা হয়।আরও পড়ুন:ট্রাফিক আইন ভাঙায় একদিনে ১,৪৬৮ মামলা, রেকার ৩২০ যানবাহনপুলিশ জানায়, অভিযানে গুলশান থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন), নিকেতন-৮১ ও পিংকি সিটি-৮১ টহল দলের সদস্যরা অংশ নেন। অভিযানের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়।আরও পড়ুন:রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে অভিযান, ২০ জনকে আটক করেছে পুলিশআটক ব্যক্তিরা হলেন,  মো. মেহেদী মাসুদ চৌধুরী (৫৫), এস. এম. রেজওয়ান হাবিব আলিফ (৩৩), মো. নান্নু মিয়া (৩৮), মো. আমিনুর রহমান (৪২), সজল আহমেদ (২৯) এবং মো. ইব্রাহিম হোসেন (৩৩)। তাদের মধ্যে কয়েকজনের স্থায়ী ঠিকানা যশোর জেলার চৌগাছা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এবং একজনের স্থায়ী ঠিকানা মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলায়। পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, সজল আহমেদের বর্তমান ঠিকানা ঢাকার রামপুরা থানার বনশ্রী এলাকায়।আরও পড়ুন:রাজধানীর দুই শিক্ষাঙ্গনে উত্তেজনা, সংঘর্ষে আহত বহু শিক্ষার্থীইনসিডেন্ট রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে পুলিশ প্লাজার একটি রেস্টুরেন্টে কয়েকজন ব্যক্তি বৈঠক করছেন। ওই তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে উপস্থিত ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাইয়ের পাশাপাশি বৈঠকের উদ্দেশ্য সম্পর্কেও প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু করে পুলিশ।আরও পড়ুন:মেঘলা আকাশ, দুপুরের মধ্যে বৃষ্টি হতে পারে ঢাকায়পুলিশ বলছে, ঘটনাস্থল থেকে আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তাদের পরিচয়, পারস্পরিক যোগাযোগ, বৈঠকের কারণ ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আটক ব্যক্তিদের নাম-ঠিকানা যাচাই, তাদের মোবাইল ফোন ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত পরীক্ষা, পারস্পরিক যোগাযোগের ধরন এবং বৈঠকের সম্ভাব্য উদ্দেশ্য সম্পর্কে অনুসন্ধান চলছে। পাশাপাশি তারা কোনো রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন কি না, কিংবা বৈঠকটি অন্য কোনো উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছিল কি না—সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।আরও পড়ুন:ডিএমপির অভিযানে একদিনে গ্রেফতার ৪১৪, উদ্ধার অস্ত্র-মাদক ও জাল নোটএছাড়া পুলিশ পিসিপিআর (PCPR) ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক রেকর্ড যাচাইয়ের কাজও শুরু করেছে বলে ইনসিডেন্ট রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে। গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দাউদ হোসেন জানিয়েছেন, তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার আগে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোনো চূড়ান্ত মন্তব্য করা সমীচীন নয়। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।আরও পড়ুন:গোলাপবাগে বাসচাপায় যুবক নিহত, আহত দুইজনআইন বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো ব্যক্তিকে আটকের ঘটনা এবং তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ এক বিষয়, আর আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। তাই তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগে কাউকে দোষী হিসেবে গণ্য করা উচিত নয়।রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, বাণিজ্যিক ভবন ও জনসমাগমস্থলে সন্দেহজনক কার্যক্রমের বিষয়ে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, যেকোনো তথ্য পাওয়ার পর তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে সাধারণ জনগণকেও সন্দেহজনক কোনো কর্মকাণ্ড চোখে পড়লে দ্রুত নিকটস্থ থানায় বা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে।আরও পড়ুন:শাহবাগ, সোহরাওয়ার্দী ও মানিক মিয়া এলাকায় বিশেষ ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণএ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তদন্ত চলমান রয়েছে। বৈঠকের প্রকৃত উদ্দেশ্য, অংশগ্রহণকারীদের ভূমিকা এবং কোনো আইন লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে কি না এসব বিষয়ে তদন্ত শেষ হওয়ার পরই স্পষ্ট চিত্র পাওয়া যাবে। তদন্তে অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে, অভিযোগের সমর্থনে পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ না পাওয়া গেলে সে বিষয়টিও তদন্ত প্রতিবেদনে প্রতিফলিত হবে।

সারাবাংলা

গাজীপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে দম্পতির মৃত্যু, তদন্তে নেমেছে পুলিশ

গাজীপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে দম্পতির মৃত্যু, তদন্তে নেমেছে পুলিশ

গাজীপুরের শ্রীপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে এক দম্পতির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার বিকেলে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথের ইজ্জতপুর এলাকার আউটার সিগন্যালে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।নিহতরা হলেন আল আমিন, বয়স ৩২, এবং তার স্ত্রী রিনা আক্তার, বয়স ৩০। রিনার বাড়ি শ্রীপুর উপজেলার বর্মি ইউনিয়নে।পুলিশ জানায়, শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে স্থানীয় লোকজন রেললাইনের পাশে এক যুবক ও এক যুবতীর ছিন্নভিন্ন মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পরে শ্রীপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।কোন ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে,আরও  পড়ুন, সুনামগঞ্জে অনশনরত নারী, স্বামীর ‘দুধ দিয়ে গোসল’এক পারিবারিক বিরোধে এলাকায় আলোড়ন তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।স্বজনরা জানান, চার বছর আগে পরিবারের অমতে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন আল আমিন ও রিনা। এরপর তারা শ্রীপুর পৌরসভার ভাংনাহাটি এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।পরিবারের সদস্যরা তাদের ব্যক্তিগত জীবনে কিছু সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে পুলিশ এখনো কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি।শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহিনুর আলম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।পুলিশ বলছে, তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

সুনামগঞ্জে অনশনরত নারী, স্বামীর ‘দুধ দিয়ে গোসল’এক পারিবারিক বিরোধে এলাকায় আলোড়ন

সুনামগঞ্জে অনশনরত নারী, স্বামীর ‘দুধ দিয়ে গোসল’এক পারিবারিক বিরোধে এলাকায় আলোড়ন

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার উত্তর কলাউরা গ্রামে এক নারী বিয়ের দাবিতে অনশন করছেন বলে স্থানীয়দের দাবি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার স্বামীর প্রতীকী সম্পর্কচ্ছেদের ঘোষণার ঘটনাও এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।স্থানীয় সূত্রের দাবি, উপজেলার রাঙাউটি গ্রামের বাসিন্দা মাহমুদা আক্তার তিন দিন ধরে উত্তর কলাউরা গ্রামে অবস্থান করে অনশন করছেন। তিনি বিয়ের দাবিতে ওই অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।শনিবার দুপুরে তার স্বামী সোহেল মিয়া দুধ দিয়ে গোসল করে স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের ইতি টানার ঘোষণা দেন বলে স্থানীয়দের ভাষ্য। বিষয়টি দ্রুত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।আরও  পড়ুন, গঙ্গাচড়ায় সার বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, কৃষকদের মানববন্ধনস্থানীয়দের অভিযোগ, মাহমুদা আক্তারের সঙ্গে একই গ্রামের এক ব্যক্তির সম্পর্ক নিয়ে পারিবারিক বিরোধের সৃষ্টি হয়েছিল। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য ভিন্ন হতে পারে।সাংবাদিকদের কাছে মাহমুদা আক্তার তার ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, যার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।বর্তমানে স্থানীয় মাতব্বররা বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে।পারিবারিক বিরোধ ও সামাজিক প্রতিক্রিয়ার এই ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিলেও অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।

গঙ্গাচড়ায় সার বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, কৃষকদের মানববন্ধন

গঙ্গাচড়ায় সার বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, কৃষকদের মানববন্ধন

কৃষি অফিসের পর্যাপ্ত নজরদারি না থাকায় সার বিতরণে অনিয়ম ও কৃষকদের হয়রানির অভিযোগ তুলে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় মানববন্ধন করেছেন কৃষকরা। আমন মৌসুমে প্রয়োজনীয় সার না পাওয়া এবং সার সংগ্রহে ভোগান্তির জন্য কৃষি বিভাগের তদারকির ঘাটতিকে দায়ী করেছেন তারা।শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকালে উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের ঠাকুরাদহ বাজারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ঠাকুরাদহ গ্রামের শতাধিক কৃষক অংশ নেন।মানববন্ধনে কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, আমন মৌসুমে জমিতে সার প্রয়োগের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তারা প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না। সার সংগ্রহ করতে গিয়ে নানা ধরনের ভোগান্তি ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। সার বিতরণ কার্যক্রমে কৃষি অফিসের মাঠপর্যায়ে পর্যাপ্ত নজরদারিও নেই।আরও  পড়ুন, ছাত্রদল নেতা মোনারুলের মৃত্যুতে পুলিশের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে পীরগাছা থানা ঘেরাও ফলে সার বিতরণ ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।বক্তারা আরও বলেন, কৃষকদের প্রকৃত চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহ ও বিতরণ হচ্ছে কি না, তা কৃষি অফিসের নিয়মিত তদারকি করা প্রয়োজন। কিন্তু কার্যকর নজরদারি না থাকায় কৃষকদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।দ্রুত মাঠপর্যায়ে নজরদারি বাড়িয়ে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে সার বিতরণ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।মানববন্ধনে বক্তব্য দেন কৃষক আব্দুল জব্বার (৭৭), রহিদুল ইসলাম (৫৫), এজারুল (৩৫), রফিকুল ইসলাম (৫৭), যোগেশ চন্দ্র সরকার (৪২) ও আফজালুল হক (৬২)।কৃষকরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সার বিতরণ কার্যক্রমে কৃষি বিভাগের নিয়মিত তদারকি, পর্যাপ্ত সার সরবরাহ এবং কৃষকদের হয়রানি বন্ধের দাবি জানান।

ছাত্রদল নেতা মোনারুলের মৃত্যুতে পুলিশের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে পীরগাছা থানা ঘেরাও

ছাত্রদল নেতা মোনারুলের মৃত্যুতে পুলিশের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে পীরগাছা থানা ঘেরাও

সাভারে ছাত্রদল নেতা মোনারুল হোসেন বকশীর মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে গাইবান্ধার পীরগাছায়।মরদেহ নিয়ে থানার সামনে অবস্থান নেন স্বজন ও স্থানীয়রা। তারা পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানান এবং সড়ক অবরোধ করেন।পরিবারের অভিযোগ, নিখোঁজ এক কিশোরীকে উদ্ধারে সাভারে পরিচালিত অভিযানে পুলিশের সঙ্গে বেসামরিক ব্যক্তিরাও পুলিশের পোশাক পরে অংশ নেন।তাদের দাবি, মোনারুল অভিযানে অংশ নেওয়া কয়েকজনকে চিনে ফেলায় ছাদে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে এবং পরে তাকে নিচে ফেলে দেওয়া হয়।স্বজনরা বলছেন, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে এবং সেটি পর্যালোচনা করলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।অন্যদিকে পুলিশ বলছে, আরও  পড়ুন, তনু হত্যা মামলায় জামিন স্থগিতের পর গ্রেপ্তার হাফিজুর, কারাগারে প্রেরণঅভিযানের সময় মোনারুলের বাবার সঙ্গে কথা বলার সময় ওপর থেকে ভারী কিছু পড়ে যাওয়ার শব্দ শোনা যায়। পরে নিচে গিয়ে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।পীরগাছা থানার ওসি সেলিম মালিক পুলিশের পোশাক পরে বেসামরিক ব্যক্তিদের অভিযানে অংশ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।ঘটনার তদন্তে সাভারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের এবং রংপুরে সহকারী পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।বিক্ষুব্ধ স্বজন ও স্থানীয়দের দাবি, সিসিটিভি ফুটেজসহ সব তথ্য যাচাই করে মোনারুলের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করতে হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ ঘটনায় প্রশ্ন ও বিতর্ক থেকেই যাচ্ছে।

আন্তর্জাতিক

মেক্সিকান জ্যালোপেনো মরিচে স্যামোনেলা আতঙ্ক, যুক্তরাষ্ট্রের ২৭ রাজ্যে অসুস্থ ৩৪৫

মেক্সিকান জ্যালোপেনো মরিচে স্যামোনেলা আতঙ্ক, যুক্তরাষ্ট্রের ২৭ রাজ্যে অসুস্থ ৩৪৫

মেক্সিকান জ্যালোপেনো মরিচ থেকে ছড়ানো স্যামোনেলা সংক্রমণে যুক্তরাষ্ট্রের ২৭টি রাজ্যে অন্তত ৩৪৫ জন অসুস্থ হয়েছেন। এ ঘটনায় ৩৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন এবং ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন যৌথভাবে এই প্রাদুর্ভাবের তদন্ত করছে। আক্রান্তদের অসুস্থ হওয়ার সময়কাল ছিল ১৯ জুন থেকে ২০ জুলাইয়ের মধ্যে।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, স্যামোনেলা সংক্রমণে ডায়রিয়া, জ্বর এবং তীব্র পেটব্যথা হতে পারে। ছোট শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন মানুষের জন্য এটি মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।আরও  পড়ুন, শ্রীলঙ্কায় টানা বর্ষণে ভয়াবহ বিপর্যয়: ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় নিহত ৭, বন্ধ সব স্কুলএফডিএ জানিয়েছে, সংক্রমণের উৎস হিসেবে মেক্সিকোর সিনালোয়া অঞ্চলের একটি খামারের জ্যালোপেনো মরিচ শনাক্ত করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে এই মরিচ সরবরাহ করেছিল কোস্ট সাইট্রাস ডিস্ট্রিবিউটরস।এই মরিচ চিপোটলে এবং কিউডিওবাসহ একাধিক রেস্তোরাঁয় সরবরাহ করা হয়েছিল। ঘটনার পর চিপোটলে সরবরাহকারী পরিবর্তন করেছে এবং কিউডিওবা জ্যালোপেনো পরিবেশন বন্ধ রেখেছে।স্বাস্থ্য সংস্থাগুলো বলছে, বর্তমানে রেস্তোরাঁগুলোতে ভোক্তাদের জন্য চলমান ঝুঁকি দেখা যাচ্ছে না। তবে প্রত্যাহার করা মরিচ ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।এফডিএ এবং সিডিসি তদন্ত অব্যাহত রেখেছে এবং প্রয়োজন হলে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে।

০৬ আগস্ট ২০২৬

রাজধানী

দারুস সালামে আবাসিক হোটেলের আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ

দারুস সালামে আবাসিক হোটেলের আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ

রাজধানীর দারুস সালাম থানাধীন দারুস সালাম রোডের একটি আবাসিক হোটেলকে ঘিরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে| স্থানীয় বাসিন্দা ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, হোটেল দোয়েল আবাসিক নামের প্রতিষ্ঠানটিতে বিভিন্ন সময় অপরিচিত নারী-পুরুষের আনাগোনা দেখা যায়| সন্ধ্যার পর থেকে রাত গভীর পর্যন্ত হোটেলটির আশপাশে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের চলাচল বাড়ে বলেও অভিযোগ রয়েছে|সম্প্রতি সরেজমিনে হোটেলটির আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ব্যস্ত সড়কের পাশে অবস্থান হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির সামনে দিনের বেলায়ও মানুষের চলাচল রয়েছে| হোটেলের প্রবেশপথের আশপাশে বিভিন্ন দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে| ভবনের বিভিন্ন অংশে আবাসিক হোটেল সংক্রান্ত সাইনবোর্ড দেখা যায়| একই সঙ্গে পুরো এলাকায় রয়েছে ঘনবসতিপূর্ণ পরিবেশ ও বিপুল সংখ্যক মানুষের চলাচল| তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, সাভাবিক আবাসিক হোটেলের আড়ালে এখানে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশাসনের কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন|আরও  পড়ুন, বনানীতে শৈশবের স্পা সেন্টার ঘিরে নারী ও দালাল সিন্ডিকেটস্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, হোটেলটিতে ¯^ল্প সময়ের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তির আসা-যাওয়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন রয়েছে| অভিযোগকারীদের দাবি, অনেকেই হোটেলে প্রবেশের পর অল্প সময়ের মধ্যে বের হয়ে যান| আবার কিছু অতিথির গতিবিধি নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহ ˆতরি হয়েছে| তবে এসব অভিযোগের ¯^াধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি| সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যও এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ| কারণ একটি আবাসিক হোটেলে অতিথিদের আসা-যাওয়া থাকাটাই ¯^াভাবিক| কিন্তু যদি হোটেলের কক্ষ কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়ে থাকে, তাহলে সেটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব|বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো আবাসিক হোটেলে মাদক ব্যবসা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চললে সেটি শুধু ওই প্রতিষ্ঠানের সমস্যা নয়; এর প্রভাব আশপাশের পরিবার, শিক্ষার্থী, পথচারী ও ব্যবসায়ীদের ওপরও পড়ে| ফলে অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা জরুরি|আরও  পড়ুন,দারুসসালামে অনুমোদনহীন অনৈতিক কর্মকান্ডে জসিম ও হারুনের দাপটহোটেলটিতে অনৈতিক কর্মকাণ্ড বা মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে অতিথি রেজিস্টার, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, সিসিটিভি ফুটেজ, কক্ষ বরাদ্দের তথ্য এবং কর্মচারীদের বক্তব্য| কোন সময়ে কে হোটেলে প্রবেশ করেছেন, কতক্ষণ অবস্থান করেছেন এবং কার মাধ্যমে কক্ষ বুকিং হয়েছে এসব তথ্য পর্যালোচনা করলে প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসতে পারে| এ ছাড়া হোটেলটির ˆবধ লাইসেন্স, ব্যবসায়িক অনুমোদন, অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা, অতিথিদের তথ্য সংরক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত পরিদর্শনের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন| অথচ নেই এর কোনটাই|স্থানীয়দের প্রশ্ন, আবাসিক হোটেল হিসেবে পরিচালিত কোনো প্রতিষ্ঠানে যদি দীর্ঘদিন ধরে অনিয়মের অভিযোগ থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি কোথায়? দারুস সালাম থানার আওতাধীন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের দায়িত্ব রয়েছে| কোনো হোটেলে মাদক, মানবপাচার, যৌন শোষণ, জুয়া কিংবা অন্য কোনো অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে এমন নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেলে পুলিশ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারে|আরও  পড়ুন, পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগআবাসিক হোটেল পরিচালনার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো অতিথিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রতিষ্ঠানের কোনো কক্ষ যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য ব্যবহৃত না হয় তা নিশ্চিত করা| এলাকাবাসীর অনেকেই বলছেন, তারা কোনো আবাসিক হোটেলের ব্যবসার বিরোধী নন| কিন্তু কোনো প্রতিষ্ঠানের আড়ালে যদি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়, তাহলে তা বন্ধ করা জরুরি| এক স্থানীয় বাসিন্দার ভাষায়, “হোটেল থাকবে, ব্যবসা করবে এতে সমস্যা নেই| কিন্তু যদি এখানে মাদক বা অন্য কোনো অপরাধ হয়ে থাকে| আরেক বাসিন্দা বলেন, রাতের বেলায় অপরিচিত মানুষের আনাগোনা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে| বিষয়টি নিয়ে নিয়মিত নজরদারি হলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে|দারুস সালাম রোডের মতো ব্যস্ত ও জনবহুল এলাকায় কোনো আবাসিক হোটেলকে ঘিরে মাদক বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠলে সেটিকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই| অভিযোগ সত্য হলে এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে; আর অভিযোগের সত্যতা না থাকলে তদন্তের মাধ্যমে হোটেল কর্তৃপক্ষকেও দায়মুক্ত করা উচিত|

১৬ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

অস্ট্রেলিয়া একাদশের কাছে ইনিংস ব্যবধানে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়া একাদশের কাছে ইনিংস ব্যবধানে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ

ডারউইনের স্পিন সহায়ক উইকেটে শুরুতে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েছিল বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে মেহেদী হাসান মিরাজের সেঞ্চুরিতে দল ২৬৩ রান তোলে। সেই ইনিংসই মূলত বাংলাদেশের মান রক্ষা করেছিল।জবাবে অনভিজ্ঞ ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশ ৩৫৫ রান করে ৯২ রানের লিড নেয়। বাংলাদেশ স্পিন আক্রমণে চাপ সৃষ্টি করলেও প্রতিপক্ষকে অলআউট করতে অনেক সময় লেগে যায়।দ্বিতীয় ইনিংসে ১৯ রানে ২ উইকেট হারিয়ে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু তৃতীয় দিনের শুরুতেই ব্যাটিং ধস নামে।আরও  পড়ুন , মেসিকে কোনো চাপ নয়, ২০২৮ কোপা নিয়ে স্পষ্ট বার্তা এএফএরক্যাম্পবেল থমসনের স্পিনের সামনে কোনো জবাব ছিল না বাংলাদেশের ব্যাটারদের। তিনি ১১ ওভারে ৮ উইকেট নিয়ে একাই সফরকারীদের গুঁড়িয়ে দেন। কোরি রোকিচ্চিওলি নেন বাকি দুই উইকেট।বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসে সর্বোচ্চ ২২ রান করেন তানজিদ হাসান তামিম। বাকিদের রান ছিল ৬, ৬, ৫, ৪, ২, ২, ০, ০ এবং ০—যা দলের ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়েরই প্রতিচ্ছবি।প্রস্তুতি ম্যাচে এমন বড় পরাজয় শুধু ফলাফলের দিক থেকে নয়, আত্মবিশ্বাসের দিক থেকেও বড় ধাক্কা। বিশেষ করে মূল সিরিজ শুরুর আগে বাংলাদেশের ব্যাটিং ও টেকনিক নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আইন আদালত

বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতা

বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতা

বর্ষার বৃষ্টির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি জেলা শহরগুলোতেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এডিস মশাবাহিত এই রোগ। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু সংক্রমণের উচ্চ প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২০ জুলাই পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০ হাজার ৪৮৫ জন। এ সময় ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৯ হাজার ৪৪০ জন।শুধু জুলাই মাসের প্রথম ১৯ দিনেই আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৮১ জন, যা জুন মাসের মোট আক্রান্ত ২ হাজার ৯০৭ জনের তুলনায় প্রায় ৩৪ শতাংশ বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪৭৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর ডেঙ্গুর জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়। বিশেষ করে বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং ঢাকার আশপাশের জেলাগুলোতে সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।আরও  পড়ুন, জুলাই আন্দোলনের রক্তাক্ত দিন: ২০ জুলাইয়ে দেশজুড়ে কারফিউ ও সেনা টহলতিনি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত লার্ভা ধ্বংস, লার্ভিসাইড প্রয়োগ এবং জেলা-উপজেলা হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী জানান, ডেঙ্গুর উৎস শনাক্ত ও ধ্বংসে কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। শিগগিরই ৩০০ স্বেচ্ছাসেবক বাসাবাড়ির ছাদ, গ্যারেজ ও সম্ভাব্য প্রজননস্থল পরিদর্শনে নামবেন।জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু ফগিং করে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। জমে থাকা পরিষ্কার পানি অপসারণ, নির্মাণাধীন ভবনে নিয়মিত তদারকি, লার্ভা জরিপ এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিই ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।চিকিৎসকদের পরামর্শ, জ্বর, শরীরব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, বমি বা রক্তক্ষরণের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও দীর্ঘমেয়াদি রোগীদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর