দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1005.1 hPa
30.8° 75%
300° 15mm
চট্টগ্রাম 1006 hPa
29.3° 83%
15mm
রাজশাহী 1004.6 hPa
31° 80%
15mm
খুলনা 1004.8 hPa
30.5° 77%
20° 15mm
বরিশাল 1005.2 hPa
29.4° 80%
300° 15mm
সিলেট 1005.2 hPa
27.5° 96%
15mm
রংপুর 1001.6 hPa
34.8° 67%
12mm
ময়মনসিংহ 1004.9 hPa
30° 88%
20° 15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

পুলিশ সংস্কার কতদূর, কী ভাবছে সাধারণ মানুষ?

পুলিশ সংস্কার কতদূর, কী ভাবছে সাধারণ মানুষ?

দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ| সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশ প্রশাসনে একাধিক রদবদল, বদলি ও প্রশাসনিক সংস্কার উদ্যোগ নেওয়া হলেও সাধারণ মানুষের মনে এখনো একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, এই পরিবর্তন কি জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছে? নাকি কাঠামোগত ও নীতিগত আরও বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন? সাংবাদিকদের পর্যবেক্ষণ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, পুলিশ বাহিনীতে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হলেও এখনো অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে| বিশেষ করে অপরাধ দমন, রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী মহলের চাপ, জনসেবার মান এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাগত স্বাধীনতা নিয়ে নানা প্রশ্ন বিদ্যমান|আরও পড়ুন: আলোচনা, সমালোচনা আর দায়িত্বের গল্প: ওসি দাউদসাম্প্রতিক সময়ে পুলিশ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে কর্মকর্তাদের বদলি, নতুন দায়িত্ব প্রদান এবং কিছু ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে| সরকারের পক্ষ থেকে জনবান্ধব পুলিশিংয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে| থানাগুলোতে সেবার মান বাড়ানো, অভিযোগ গ্রহণে আন্তরিকতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত ব্যবস্থা চালুর মতো পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে| তবে শুধুমাত্র প্রশাসনিক রদবদল করলেই যে জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, বিষয়টি এত সহজ নয়| কারণ অপরাধের ধরন পরিবর্তন হচ্ছে, সাইবার অপরাধ বাড়ছে, মাদক ব্যবসা নতুন নতুন কৌশলে পরিচালিত হচ্ছে এবং সংঘবদ্ধ অপরাধচক্র আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে|বিশ্লেষকরা বলছেন, পুলিশে ব্যক্তি পরিবর্তনের চেয়ে প্রতিষ্ঠানগত সংস্কার বেশি জরুরি| একজন কর্মকর্তা বদলি হলে সাময়িক পরিবর্তন দেখা যেতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে হলে পুরো ব্যবস্থার সংস্কার প্রয়োজন| রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা এখনো নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে পুরোপুরি নিশ্চিন্ত নন| চুরি, ছিনতাই, কিশোর গ্যাং, মাদক ব্যবসা এবং বিভিন্ন ধরনের অপরাধের অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়| অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, থানায় গিয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেতে বিল¤^ হয়| আবার কোথাও কোথাও অভিযোগ গ্রহণে অনীহা বা দীর্ঘসূত্রতার অভিযোগও রয়েছে| যদিও পুলিশ কর্মকর্তারা এসব অভিযোগ অ¯^ীকার করে বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে সময় লাগে| তবে বাস্তবতা হলো, জনগণ দ্রুত ও কার্যকর সেবা প্রত্যাশা করে| একজন ভুক্তভোগী যখন থানায় যান, তখন তিনি আইনের জটিলতা নয়, সমস্যার সমাধান চান| সেই জায়গায় পুলিশকে আরও জনবান্ধব হতে হবে বলে মনে করেন সচেতন নাগরিকরা|আরও পড়ুন: গুলশান পুলিশকে বিতর্কিত করতেই মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারপুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনেক সময় বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতা বা স্থানীয় ক্ষমতাবানদের চাপের মুখে পড়তে হয়| ফলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে জটিলতা ˆতরি হয়| সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গিয়ে পুলিশ সদস্যরা নানা ধরনের চাপের সম্মুখীন হন| কখনো ফোনকল, কখনো সুপারিশ, আবার কখনো রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বাধা সৃষ্টি হয়|বিশেষজ্ঞদের মতে, পুলিশ যদি আইন প্রয়োগে ¯^াধীনতা না পায়, তাহলে অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখা কঠিন হয়ে পড়ে| কারণ অপরাধী যদি মনে করে তার রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রভাব তাকে রক্ষা করবে, তাহলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন সম্ভব নয়|পুলিশ বাহিনীকে কার্যকর করতে হলে তাদের পেশাগত স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে| একজন পুলিশ কর্মকর্তা যেন আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অযাচিত হস্তক্ষেপের শিকার না হন, সেই পরিবেশ সৃষ্টি করা জরুরি|আরও পড়ুন: প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদআইন-শৃঙ্খলা বিশ্লেষকরা বলছেন, একটি আধুনিক রাষ্ট্রে পুলিশকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে হয়| এতে জনগণের আস্থা বাড়ে এবং অপরাধীরা দ্রুত আইনের আওতায় আসে| বাংলাদেশে অনেক দক্ষ ও সৎ পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন| তারা আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন| কিন্তু যদি তাদের ওপর অযাচিত চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে তাদের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়| ফলে সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হন|রাজধানীর কয়েকটি থানার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, অনেক পুলিশ সদস্য আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করলেও কোথাও কোথাও সিদ্ধান্তহীনতা কাজ করছে| বিশেষ করে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা দেখা যায়|আরও পড়ুন: অপরাধ দমনে নতুন ছকে ডিএমপিএকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, থানায় গিয়ে অভিযোগ দেওয়ার পরও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি| পরে বিষয়টি উচ্চপর্যায়ে জানালে তদন্ত শুরু হয়| যদিও সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তারা দাবি করেন, প্রতিটি অভিযোগ আইন অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়|অন্যদিকে কিছু থানায় ভালো উদাহরণও রয়েছে| সেখানে ওসি ও তদন্ত কর্মকর্তারা সরাসরি অভিযোগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছেন| এমন উদ্যোগ জনমনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে|বর্তমান সময়ে শুধু অপরাধী গ্রেফতার করাই পুলিশের একমাত্র দায়িত্ব নয়| জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অপরাধ প্রতিরোধেও পুলিশের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ|বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে হবে| স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে অপরাধ প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করলে ইতিবাচক ফল পাওয়া সম্ভব| অনেক উন্নত দেশে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা রয়েছে| বাংলাদেশেও সেই ধরনের সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে| থানাকে ভয় নয়, আস্থার জায়গা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে|আরও পড়ুন: এনবিআরের কর্মকর্তা সহিদুল ইসলামের অবৈধ সম্পদের পাহাড়বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে| বাংলাদেশেও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে, তবে তা আরও বিস্তৃত করা প্রয়োজন| সিসিটিভি ক্যামেরা, ডিজিটাল ডাটাবেজ, সাইবার মনিটরিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং আধুনিক ফরেনসিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ালে অপরাধ তদন্ত আরও দ্রুত ও নির্ভুল হবে| অপরাধীরা প্রতিনিয়ত নতুন কৌশল ব্যবহার করছে| তাই পুলিশকেও প্রযুক্তিগতভাবে আরও দক্ষ হতে হবে| শুধু জনবল বৃদ্ধি নয়, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোও সময়ের দাবি| অনেক পুলিশ সদস্য দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন| উৎসব, ছুটির দিন কিংবা দুর্যোগকালেও তারা মাঠে কাজ করেন| কিন্তু তাদের কর্মপরিবেশ এবং কল্যাণমূলক সুবিধা নিয়ে এখনো নানা প্রশ্ন রয়েছে|বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পুলিশ সদস্যদের মানসিক চাপ কমানো, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করা এবং পেশাগত প্রশিক্ষণ বাড়ানো প্রয়োজন| কারণ একজন ক্লান্ত ও মানসিকভাবে চাপে থাকা সদস্যের কাছ থেকে সর্বোচ্চ সেবা আশা করা কঠিন| যদি পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করা যায়, তাহলে তাদের কর্মদক্ষতা এবং জনগণের প্রতি সেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে|আরও পড়ুন: ডিজিটাল হাইড্রোগ্রাফিতে নতুন সম্ভাবনা দেখছেন তারেক রহমানপুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা বাড়াতে হলে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি| কোনো সদস্য ক্ষমতার অপব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে| ভালো কাজের ¯^ীকৃতির পাশাপাশি অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে| এতে পুরো বাহিনীর ভাবমূর্তি উন্নত হবে| সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ক্ষেত্রে অনিয়মে জড়িত সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যা ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে| তবে এই প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করতে হবে|সাধারণ মানুষ একটি নিরাপদ সমাজ চায়| তারা চায় থানায় গেলে সম্মানজনক আচরণ, দ্রুত সেবা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হোক| পুলিশ রাজনৈতিক বা অন্য কোনো প্রভাবের ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করবে| অপরাধী যেই হোক, তার বিরুদ্ধে সমানভাবে আইন প্রয়োগ করা হবে|একজন নাগরিকের ভাষায়, “পুলিশ যদি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে এবং জনগণের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে অপরাধ অনেকটাই কমে আসবে| পুলিশ প্রশাসনে সাম্প্রতিক পরিবর্তন নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক উদ্যোগ| তবে শুধুমাত্র বদলি বা প্রশাসনিক রদবদল দিয়ে জননিরাপত্তার সব সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়| প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার, পেশাগত ¯^াধীনতা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, জবাবদিহিতা এবং জনবান্ধব পুলিশিং ব্যবস্থা| অপরাধ দমনে পুলিশকে কার্যকরভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে| একই সঙ্গে জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য বাহিনীকে আরও ¯^চ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং সেবামুখী হতে হবে| রাজনৈতিক বা প্রভাবশালী মহলের অযাচিত হস্তক্ষেপ বন্ধ করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা গেলে পুলিশ বাহিনী আরও শক্তিশালী হবে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ হবে| আরও পড়ুন: ১৫ বছরে যা হয়নি, ৩ মাসে তার চেয়ে বেশি হয়েছে : মির্জা ফখরুলসবশেষে বলা যায়, একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে পুলিশের ভূমিকা অপরিসীম| তাই পুলিশকে প্রয়োজনীয় স্বাধীনতা, আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং জনসমর্থন দিতে হবে| একই সঙ্গে বাহিনীর ভেতরে সংস্কার অব্যাহত রাখতে হবে| তাহলেই জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নয়ন সম্ভব হবে|

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়া ও চীনে রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শুক্রবার রাত ৮টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।এর আগে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায়, বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায়, চীনের বেইজিং তাসিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী।গত ২১ জুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া যান তারেক রহমান। আরো পড়ুন , শাহবাগের ফ্ল্যাটে মিলল তরুণী চিকিৎসকের নিথর দেহএরপর ২২ জুন তিনি চীন সফরে যান।চীন সফরে দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। সফরে বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।এছাড়া সফরকালে চীনা ব্যবসায়ী ও শিল্পখাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। এসব বৈঠক থেকে বাংলাদেশে সম্ভাব্য নতুন বিনিয়োগ, রেয়াতি ঋণ এবং অনুদান নিয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির তথ্য জানানো হয়।সরকারের পক্ষ থেকে এই সফরকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা এবং বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মাইলফলক হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে।

শাহবাগের ফ্ল্যাটে মিলল তরুণী চিকিৎসকের নিথর দেহ

রাজধানীর শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটের একটি ফ্ল্যাট থেকে ফারা ফেরদৌস নামে এক নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।শুক্রবার বিকেলে মার্কেটটির ১৪ তলার একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে বিকেল পৌনে ৬টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।নিহত ফারা ফেরদৌসের বয়স ৩২ বছর। তিনি খুলনা জেলার ফুলতলা উপজেলার পয়গ্রাম এলাকার বাসিন্দা এবং মো. আবদুর রশিদের মেয়ে।জানা গেছে, ফারা ফেরদৌস স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ, অর্থাৎ মিটফোর্ড হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্ডিওভাসকুলার অ্যান্ড থোরাসিক সার্জারি বিভাগের এমএস ফেজ-বি তৃতীয় বর্ষের রেসিডেন্ট শিক্ষার্থী ছিলেন।পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র আরো পড়ুন . প্রশ্নফাঁসের ভুয়া প্রচারণায় কঠোর সরকার, দিলেন শিক্ষামন্ত্রী‘জানায়, তিনি অবিবাহিত ছিলেন এবং শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটের ১৪ তলার ৮/এস নম্বর ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে একাই বসবাস করতেন।তবে ঠিক কখন এবং কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে অজ্ঞাত কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহের ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

প্রশ্নফাঁসের ভুয়া প্রচারণায় কঠোর সরকার, দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

আসন্ন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সামনে রেখে প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছে সরকার।শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, কোনো ব্যক্তি উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়া প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ তুলে বিভ্রান্তি ছড়ালে বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে তা ভাইরাল করার চেষ্টা করলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেফতার করা হবে।শুক্রবার দিনাজপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষায় সরকার সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে কারও সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিললে তার বিরুদ্ধেও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিবদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো ধরনের অনিয়ম, নকল বা অসাধু চক্রের তৎপরতার সুযোগ দেওয়া হবে না।শিক্ষা প্রশাসনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রেখে সবার জন্য সমানভাবে কাজ করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন শিক্ষামন্ত্রী। এ সময় জেলা প্রশাসন, শিক্ষা বোর্ড এবং শিক্ষা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শি জিনপিংয়ের বড় প্রতিশ্রুতি, বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু থাকবে চীন

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত মিলেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেইজিং সফরে।সফরের শেষ দিনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশের উন্নয়ন-দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নে চীন ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ হয়ে থাকবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানান, প্রেসিডেন্ট শি বলেছেন—বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক সাময়িক নয়, বরং এটি দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে আরও শক্তিশালী হবে।তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়ন পরিকল্পনা, অর্থনৈতিক রূপান্তর, আরো পড়ুন , ন্যায়বিচারের পাশাপাশি ভাতা, গুমের শিকার পরিবার নিয়ে সরকারের নতুন পরিকল্পনাআঞ্চলিক সহযোগিতা ও স্থিতিশীলতার ভাবনার প্রশংসা করেছেন শি জিনপিং এবং তার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছেন।বৈঠকে ব্রিকসে বাংলাদেশের সদস্যপদ, সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার অংশীদার হওয়া এবং আরসিইপিতে যুক্ত হওয়ার প্রচেষ্টার প্রতিও চীনের সমর্থনের কথা জানানো হয়।এছাড়া স্বাস্থ্য, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, কারিগরি প্রশিক্ষণ, পানি ও নদী ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা জানান, চীনা বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বৈঠক থেকে কয়েক বিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য বিনিয়োগ আসতে পারে। পাশাপাশি ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি অনুদান দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে চীন।তার ভাষায়, এই সফর শুধু ঐতিহাসিক নয়, বরং বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের নতুন যুগের সূচনা করেছে।

রাজনীতিরাজনীতি

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি ধরে রাখতে ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা ১১ দলের

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি ধরে রাখতে ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা ১১ দলের

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় জোট।রাজধানীর মগবাজারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত কর্মসূচি আগামী ১ জুলাই থেকে শুরু হয়ে ৫ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১ থেকে ১৫ জুলাই দেশের বিভিন্ন জেলা শহরে সেমিনার আয়োজন করা হবে। এছাড়া ২৩, ২৪ ও ২৫ জুলাই চিত্র প্রদর্শনী ও গ্রাফিতি অঙ্কনের আয়োজন করা হবে।আরও  পড়ুন, সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় চার নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করল জামায়াতজুলাই আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে স্মৃতিচারণমূলক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি ৫ আগস্ট সারাদেশের জেলা, উপজেলা ও মহানগরে বিক্ষোভ সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটবে।সংবাদ সম্মেলনে নেতারা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন বক্তব্য তুলে ধরেন। তারা বিচার প্রক্রিয়ায় বিলম্ব এবং রাজনৈতিক পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক পক্ষগুলোর আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে ঘোষিত এ কর্মসূচি আগামী দিনের রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় চার নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করল জামায়াত

সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় চার নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করল জামায়াত

রাজধানীর ধানমন্ডিতে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত চার সদস্যকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বুধবার (২৪ জুন) গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।বহিষ্কৃতরা হলেন—শফিকুল ইসলাম, খায়রুল আলম রাসেল, আবুল কালাম ও মামুন হোসেন।জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী প্রচার সম্পাদক আব্দুস সাত্তার সুমন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক ঘটনার পরপরই সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য চার সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই অভিযুক্ত চার সদস্যকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আরও  পড়ুন, ‘মানহানিকর’ বক্তব্যের অভিযোগ, মুফতি ফয়জুল করিমের বিরুদ্ধে মামলাদলীয় সূত্র জানায়, ঘটনার পর জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নেতারা আহত সাংবাদিক মাহফুজুর রহমান শিশিরের বাসায় গিয়ে তার খোঁজখবর নেন। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় ও মহানগর শাখার পক্ষ থেকে ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতিও দেওয়া হয়।উল্লেখ্য, গত ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় সংবাদ সংগ্রহের সময় কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় তাদের ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।ঘটনাটি নিয়ে সাংবাদিক সমাজ ও বিভিন্ন মহলে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নিজস্ব তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে। তদন্ত শেষে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

‘মানহানিকর’ বক্তব্যের অভিযোগ, মুফতি ফয়জুল করিমের বিরুদ্ধে মামলা

‘মানহানিকর’ বক্তব্যের অভিযোগ, মুফতি ফয়জুল করিমের বিরুদ্ধে মামলা

কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক ও মানহানিকর বক্তব্য প্রচারের অভিযোগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।বুধবার (২৪ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম।তিনি জানান, গত ২০ জুন জালাল আহমেদ খোকন তালুকদার নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। তিনি নিজেকে যুবদলের নেতা বলে দাবি করেছেন।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ জুন ফেসবুক ও ইউটিউবের বিভিন্ন কনটেন্টে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীকে নিয়ে কটূক্তি, বিদ্রুপ এবং মানহানিকর বক্তব্য প্রচার করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, একটি ইউটিউব ভিডিওতে তার দাড়ি, টুপি ও পোশাক নিয়ে বিদ্রুপাত্মক মন্তব্য করা হয়। এছাড়া একটি ফেসবুক আইডি থেকে তার ছবি ব্যবহার করে তাকে ‘গুপ্ত আওয়ামী লীগ নেতা’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দিয়ে পোস্ট দেওয়া হয়।এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক তথ্য ছড়িয়ে সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।আরও  পড়ুন, আওয়ামী লীগ বিচারের কাঠগড়ায়, বিএনপি জনগণের কাঠগড়ায় : নাহিদ ইসলামএদিকে মামলাটি ঘিরে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের নেতারা।কুমিল্লা মহানগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ বলেন, জালাল আহমেদ খোকন তালুকদার যুবদলের নেতা নন। তিনি পূর্বে যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত একজন ব্যক্তি কীভাবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমিরের বিরুদ্ধে মামলা করেন, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।অন্যদিকে, কুমিল্লা মহানগর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সভাপতি এম এম বিলাল হোসাইন দাবি করেন, মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বিষয়টি তারা আইনগতভাবে মোকাবিলা করবেন।বাদী জালাল আহমেদ খোকন তালুকদার বলেন, তার নেতা মনিরুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ায় তিনি মামলা করেছেন।সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মামলাটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সদর দক্ষিণ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস বলেন, যে কেউ আইনের আশ্রয় নিয়ে মামলা করতে পারেন। অভিযোগ যাচাই করেই মামলাটি গ্রহণ করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগ বিচারের কাঠগড়ায়, বিএনপি জনগণের কাঠগড়ায় : নাহিদ ইসলাম

আওয়ামী লীগ বিচারের কাঠগড়ায়, বিএনপি জনগণের কাঠগড়ায় : নাহিদ ইসলাম

রাজধানীর বিজয়নগরে ১১ দলীয় ঐক্য সমাবেশে কঠোর রাজনৈতিক মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, গণহত্যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ইতোমধ্যে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েছে, আর সংস্কার না করায় বিএনপি জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েছে।মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে নাহিদ ইসলাম বলেন, গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পার হলেও এখনো বিচার দাবিতে রাজপথে নামতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত হতাশাজনক।তিনি দাবি করেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা হত্যাকাণ্ড, জুলাইয়ের ঘটনা এবং ওসমান হাদীর হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় বর্তমান সরকারের টিকে থাকা কঠিন হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।আরও  পড়ুন, নাশকতা ও হামলার অভিযোগে সারাদেশে পুলিশের অভিযান, আটক ৮৪নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, গত চার মাসে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে কোনো নতুন রায় বা তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়েনি, যা বিচার প্রক্রিয়ায় ব্যর্থতার ইঙ্গিত দেয়।তিনি আইনমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও তথ্যমন্ত্রীকে ব্যর্থ বলে উল্লেখ করে তাদের পদত্যাগ দাবি করেন।আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে দলটি গুম, খুন ও সহিংসতার সঙ্গে জড়িত ছিল, যার ফলেই গণঅভ্যুত্থানের মুখে তাদের নেতৃত্ব দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়।সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকসহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সারাবাংলা

রংপুরে হেরোইন, ঠাকুরগাঁওয়ে এসকাফ একদিনে র‌্যাবের বড় অভিযান

রংপুরে হেরোইন, ঠাকুরগাঁওয়ে এসকাফ একদিনে র‌্যাবের বড় অভিযান

রংপুর ও ঠাকুরগাঁওয়ে পৃথক অভিযান চালিয়ে ১৯৬ গ্রাম হেরোইন এবং ১৯৩ বোতল এসকাফসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বা র‌্যাব।বৃহস্পতিবার দুপুরে র‌্যাব-১৩ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।র‌্যাব জানায়, বুধবার বিকেলে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বড়দরগাহ ইউনিয়নে অভিযান চালানো হয়। এ সময় মো. সুমন শেখ নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে তার দেহ তল্লাশি করে দুইটি প্যাকেটে থাকা ১৯৬ গ্রাম হেরোইন জব্দ করা হয়। গ্রেফতার সুমন শেখ দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার মৃত ইদ্রিশ আলীর ছেলে।অন্যদিকে, ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নে চালানো আরেকটি অভিযানে ১৯৩ বোতল এসকাফ জব্দসহ মো. মনির হোসেন আরো পড়ুন , রায়পুরে ভয়াবহ ট্র্যাজেডি: মা ও দুই মেয়েকে হত্যা, গণপিটুনিতে নিহত সন্দেহভাজনওরফে মঈনুদ্দীনকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি ওই উপজেলার আব্দুল করিমের ছেলে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।র‌্যাব আরও জানায়, গ্রেফতার দুইজনই মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে জব্দকৃত আলামতসহ আসামিদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবেই এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী ও উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে মাদকের বিস্তার ঠেকাতে নজরদারি আরও জোরদার করা হবে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

রায়পুরে ভয়াবহ ট্র্যাজেডি: মা ও দুই মেয়েকে হত্যা, গণপিটুনিতে নিহত সন্দেহভাজন

রায়পুরে ভয়াবহ ট্র্যাজেডি: মা ও দুই মেয়েকে হত্যা, গণপিটুনিতে নিহত সন্দেহভাজন

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ঘটেছে হৃদয়বিদারক এক হত্যাকাণ্ড। মা ও দুই মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। আহত হয়েছেন পরিবারের আরেক সদস্য। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক যুবক গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রায়পুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গোডাউন রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন— শাহিনুর বেগম, তার বড় মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সায়মা আক্তার এবং ছোট মেয়ে শিফা আক্তার। গুরুতর আহত হয়েছেন মেঝো মেয়ে কলেজছাত্রী ইকরা আক্তার। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।আরও  পড়ুন, কসবায় বিনামূল্যে বীজ-সার পেলেন ২৬০০ কৃষকপুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েক বছর আগে পরিবারের কর্তা কামাল হোসেনের মৃত্যু হয়। এরপর থেকে শাহিনুর বেগম সন্তানদের নিয়ে ওই এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।ঘটনার পর স্থানীয়রা অভিযুক্ত হিসেবে অন্তর মজুমদার নামে এক যুবককে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে বিক্ষুব্ধ জনতার ইটপাটকেলে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

কসবায় বিনামূল্যে বীজ-সার পেলেন ২৬০০ কৃষক

কসবায় বিনামূল্যে বীজ-সার পেলেন ২৬০০ কৃষক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ২৬০০ কৃষক-কৃষাণীর মাঝে বিনামূল্যে বীজ-সার ও বিভিন্ন প্রজাতির চারা বিতরণ করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার কৃষকদের মাঝে এসব কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়।কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ছামিউল ইসলাম।উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, প্রণোদনার আওতায় উচ্চ ফলনশীল উফশী রোপা আমন ধানের বীজ, মরিচ বীজ, বিভিন্ন শাকসবজির বীজ, বৃক্ষ ও লেবুর চারা বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি কৃষককে ১০ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার দেওয়া হয়।বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় ৩০ কেজি করে জৈব সার এবং লাউ, চালকুমড়া, মিষ্টিকুমড়া, কলমি শাক, শশা, বেগুন ও পুঁইশাকের বীজও সরবরাহ করা হয়।আরও  পড়ুন, চীনা নাগরিকের অভিযোগ: স্ত্রী ২৪ লাখ টাকার ডলার ও গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে উধাওমোঅনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আয়েশা আক্তার, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শাকিল মাহমুদ, উপজেলা কৃষকদল সভাপতি মো. শাম মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন, পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি বশির আহাম্মদ চৌধুরী, সাবেক সভাপতি আশরাফ আলী, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা শিবলী নোমানী, বিএনপি নেতা বাদল আহমেদ ও ছাত্রদল নেতা রাজু আহমেদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।এ সময় উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাসহ উপকারভোগী কৃষক-কৃষাণীরা উপস্থিত ছিলেন।বিতরণ অনুষ্ঠানে ইউএনও মো. ছামিউল ইসলাম বলেন, সরকারি প্রণোদনার আওতায় পাওয়া বীজ-সার ও কৃষি উপকরণ গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। এক পরিবার থেকে একাধিক নামে সুবিধা নেওয়া বা এসব উপকরণ বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি কৃষকদের প্রাপ্ত উপকরণ যথাযথভাবে ব্যবহারেরও আহ্বান জানান।

চীনা নাগরিকের অভিযোগ: স্ত্রী ২৪ লাখ টাকার ডলার ও গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে উধাওমো

চীনা নাগরিকের অভিযোগ: স্ত্রী ২৪ লাখ টাকার ডলার ও গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে উধাওমো

সুদূর চীন থেকে ভালোবাসার টানে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে এসে সংসার পেতেছিলেন চীনা নাগরিক আন হংওয়েই। কিন্তু সেই ভালোবাসার সংসারে নেমে এসেছে চরম ভাঙন। স্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রায় ২৪ লাখ টাকা সমমূল্যের মার্কিন ডলার ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত নথিপত্র নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন তিনি।এ ঘটনায় গত সোমবার রাতে ফুলবাড়ী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আন হংওয়েই। অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর আগে বাংলাদেশি নারী মোর্শেদা বেগমের সঙ্গে পরিচয়ের সূত্র ধরে আন হংওয়েইর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে ফুলবাড়ী উপজেলায় বসবাস শুরু করেন। সংসার জীবনে সবকিছু স্বাভাবিকভাবেই চলছিল বলে দাবি করেন আন হংওয়েই।আরও পড়ুন, বিশেষ অভিযানে ৩ সন্দেহভাজন আসামি গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণতবে সম্প্রতি হঠাৎ করেই স্ত্রী মোর্শেদা বেগম কোনো ধরনের পূর্বাভাস ছাড়াই বাড়ি থেকে চলে যান। আন হংওয়েইর অভিযোগ, যাওয়ার সময় তিনি স্বামীর কাছে থাকা প্রায় ২৪ লাখ টাকা সমমূল্যের মার্কিন ডলার এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত ও পরিচয় সংক্রান্ত নথিপত্র সঙ্গে নিয়ে গেছেন।চীনা নাগরিক আন হংওয়েই জানান, তিনি বর্তমানে চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন। গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র হারিয়ে তিনি আইনি ও ব্যক্তিগত নানা জটিলতার মুখোমুখি হয়েছেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।এ বিষয়ে ফুলবাড়ী থানার দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়দের মধ্যে এ নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে। পুলিশ বলছে, তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করা হবে।

আন্তর্জাতিক

ব্রিটিশ রাজতন্ত্রে আসছে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তন।

ব্রিটিশ রাজতন্ত্রে আসছে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তন।

দীর্ঘ ১০ বছরের সংস্কারকাজ শেষ হলেও ঐতিহ্যবাহী বাকিংহাম প্যালেসে আর সপরিবারে বসবাস করবেন না রাজা তৃতীয় চার্লস। রাজপরিবারের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তিনি লন্ডনের ক্ল্যারেন্স হাউসেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এর ফলে প্রায় দুই শতাব্দী ধরে ব্রিটিশ রাজাদের প্রধান বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত বাকিংহাম প্যালেসের একটি ঐতিহাসিক অধ্যায়ের অবসান ঘটতে যাচ্ছে।তবে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান, বিদেশি অতিথিদের অভ্যর্থনা এবং রাজকীয় আনুষ্ঠানিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবেই ব্যবহৃত হবে এই প্রাসাদ। রাজা লন্ডনে আরো পড়ুন , দক্ষিণ লেবাননে অভিযান চলাকালে গাড়ি উল্টে ইসরায়েলি সেনা নিহতঅবস্থান করলে আগের মতোই প্রাসাদের ছাদে উড়বে রাজকীয় পতাকা।অন্যদিকে, প্রথমবারের মতো প্রকাশ করা হয়েছে রাজা চার্লসের কর পরিশোধের তথ্য। জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তিনি ১ কোটি ২৯ লাখ পাউন্ড কর দিয়েছেন। সিংহাসনে বসার পর থেকে তার মোট কর পরিশোধ ৩ কোটি পাউন্ড ছাড়িয়েছে।রাজপরিবারের আর্থিক বিষয়ে স্বচ্ছতা বাড়ানোর অংশ হিসেবেই এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।এদিকে, সিংহাসনের উত্তরাধিকারী প্রিন্স উইলিয়ামও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৭৭ লাখ ৬০ হাজার পাউন্ড কর দিয়েছেন। এছাড়া একটি বন্ধ কারাগার থেকে পাওয়া ভাড়ার অর্থ স্থানীয় জনগণের কল্যাণে দান করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।সব মিলিয়ে, রাজপরিবারের বাসস্থান, অর্থনীতি ও স্বচ্ছতা—এই তিন ক্ষেত্রেই নতুন বার্তা দিচ্ছে ব্রিটিশ রাজতন্ত্র।

৫ ঘন্টা আগে

রাজধানী

বংশালের আবাসিক হোটেলে রহস্যজনক মৃত্যু, কক্ষ থেকে ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

বংশালের আবাসিক হোটেলে রহস্যজনক মৃত্যু, কক্ষ থেকে ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর বংশালের একটি আবাসিক হোটেল থেকে মো. শামীম হাসনাত নামে ৪৬ বছর বয়সী এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকালে সিদ্দিক বাজার এলাকার ‘ঢাকা প্যালেস’ নামের আবাসিক হোটেলের চতুর্থ তলার ১২১ নম্বর কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহত শামীম হাসনাত কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার শশেয়দিঘী গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে।বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম মাহফুজুল হক জানান, বুধবার রাত থেকেই শামীমের কক্ষটি ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। আরও  পড়ুন, রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনা: মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল পথচারীরবৃহস্পতিবার সকালে হোটেলের পরিচ্ছন্নতাকর্মী রুম পরিষ্কার করতে গিয়ে দরজায় ধাক্কা দিলে সেটি খুলে যায়। পরে তিনি শামীমকে বিবস্ত্র অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে হোটেল কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।হোটেল সূত্রে জানা গেছে, গত ঈদুল ফিতরের পর থেকেই শামীম ওই হোটেলে অবস্থান করছিলেন। পারিবারিক সূত্র বলছে, তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন এবং সে কারণেই বাসার পরিবর্তে হোটেলে থাকতেন।

২৫ জুন ২০২৬

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

চেকদের উড়িয়ে শতভাগ জয় নিয়ে শেষ ষোলোয় মেক্সিকো

চেকদের উড়িয়ে শতভাগ জয় নিয়ে শেষ ষোলোয় মেক্সিকো

নিশ্ছিদ্র আধিপত্যে গ্রুপ পর্ব শেষ করল স্বাগতিক মেক্সিকো। ‘এ’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে শতভাগ জয়ের রেকর্ড ধরে রেখে নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে এল ত্রি।মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলই গোলের দেখা পায়নি। বলের দখলে এগিয়ে থাকলেও আক্রমণে কাঙ্ক্ষিত ধার দেখাতে পারেনি স্বাগতিকরা। অন্যদিকে টিকে থাকার লড়াইয়ে নামা চেক প্রজাতন্ত্রও কার্যকর সুযোগ তৈরি করতে ব্যর্থ হওয়ায় বিরতিতে স্কোরলাইন ছিল গোলশূন্য।তবে দ্বিতীয়ার্ধে যেন ভিন্ন রূপে মাঠে নামে মেক্সিকো। ম্যাচের ৫৫তম মিনিটে দ্রুতগতির পাল্টা আক্রমণ থেকে দলকে এগিয়ে দেন মাতেও চাভেজ। লুইস রোমোর নিখুঁত পাস কাজে লাগিয়ে গোল করে গ্যালারিতে উচ্ছ্বাসের জোয়ার তোলেন তিনি।প্রথম গোলের ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই আরও বিপদে পড়ে চেকরা। আরও  পড়ুন, গ্রুপ পর্বে টানা তিন ম্যাচে গোল, ভিনিসিয়ুসে নতুন স্বপ্ন দেখছে ব্রাজিল৬১তম মিনিটে তরুণ মিডফিল্ডার গিলবার্তো মোরার দারুণ আক্রমণ সাজানোর পর জুলিয়ান কিনিওনেস সহজ ফিনিশে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।দুই গোলের লিড পাওয়ার পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় মেক্সিকো। যোগ করা সময়ে আলভারো ফিদালগো শক্তিশালী শটে বল জালে জড়িয়ে ৩-০ গোলের দাপুটে জয় নিশ্চিত করেন।তবে ম্যাচের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত আসে ৭৮তম মিনিটে। বদলি হিসেবে মাঠে নামেন মেক্সিকোর কিংবদন্তি গোলরক্ষক গুইয়ের্মো ওচোয়া। ৪০ বছর বয়সী এই তারকার জন্য এটি ছিল জাতীয় দলের জার্সিতে ১৫৩তম ম্যাচ। বিশ্বকাপের মঞ্চে তাকে আবারও মাঠে দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে পুরো অ্যাজটেকা স্টেডিয়াম।এই জয়ে তিন ম্যাচে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে মেক্সিকো। অন্যদিকে মাত্র এক পয়েন্ট সংগ্রহ করে গ্রুপের তলানিতে থেকেই বিশ্বকাপ মিশন শেষ করতে হয়েছে চেক প্রজাতন্ত্রকে।

আইন আদালত

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে আটকের পর কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা সাজিয়ে গুলি ও নির্যাতনের মাধ্যমে পঙ্গু করার অভিযোগে দায়ের করা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার আজ শুরু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলাটির সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) ও সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।আরও পড়ুন, ‘আমি শুধু ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার’: আসামি সোহেলমামলাটি শুনানি করবেন মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। মামলার প্রধান আসামি আনিসুর রহমান-সহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম চলবে।প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর চৌগাছা উপজেলা শাখার তৎকালীন সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন এবং সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিন-কে একটি মামলায় আটক করে পুলিশ। অভিযোগে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারের পর তাদের আদালতে হাজির না করে কয়েকদিন নির্যাতন করা হয়।আরও পড়ুন, শিশু রামিসা হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি আজপ্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ একটি সাজানো ঘটনা তৈরি করে দুই নেতার পায়ে গুলি করা হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে চিকিৎসার একপর্যায়ে তাদের পা কেটে ফেলতে হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় আরও বলা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অস্ত্র মামলাটি পরবর্তীতে আদালতে ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়।এর আগে গত ২০ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। সে সময় আদালতে উপস্থিত আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। বর্তমানে অভিযুক্তদের মধ্যে আকিকুল ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান এবং জহরুল হক কারাগারে রয়েছেন।আরও পড়ুন, সাইপ্রাসে এস আলমের ভবন জব্দের নির্দেশঅন্যদিকে প্রধান আসামি আনিসুর রহমান, সাবেক ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল এবং এসআই মাজেদুল পলাতক রয়েছেন বলে ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানিয়েছে। উল্লেখ্য, মামলার অভিযোগগুলো প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত অভিযোগ। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের রায়ের মাধ্যমে অভিযুক্তদের দায়-দায়িত্ব চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর