দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1003.5 hPa
30.2° 73%
20° 15mm
চট্টগ্রাম 1005.2 hPa
28.1° 82%
130° 15mm
রাজশাহী 1003 hPa
29.5° 88%
20° 15mm
খুলনা 1002.8 hPa
29° 92%
40° 15mm
বরিশাল 1003.3 hPa
28° 90%
300° 15mm
সিলেট 1004.2 hPa
30.4° 85%
80° 15mm
রংপুর 1003.5 hPa
31.2° 0%
20° 15mm
ময়মনসিংহ 1004.4 hPa
28° 93%
15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

বনানীতে ফের সক্রিয় অপরাধচক্র, পুলিশের মাসোহারা

বনানীতে ফের সক্রিয় অপরাধচক্র, পুলিশের মাসোহারা

রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানীতে আবাসিক ভবনে পরিচালিত কয়েকটি গেস্ট হাউজ ও স্পা সেন্টারকে ঘিরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, মাদক সেবন এবং অপরাধীচক্রের তৎপরতার অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সম্প্রতি বনানীর ডেলটা ডালিয়া ভবনের ষষ্ঠ তলায় পরিচালিত একটি গেস্ট হাউজে পুলিশের অভিযানে একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের পরও কয়েকদিনের ব্যবধানে সেখানে আবারও একই ধরনের কার্যক্রম শুরু হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে বনানীর ২৭ নম্বর সড়কের করিম ভিলা ভবনকে ঘিরেও একটি লাক্সারি গেস্ট হাউজ ও স্পা এবং সংশ্লিষ্ট মাদকচক্রের তৎপরতা নিয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে।স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান কিংবা গ্রেপ্তারের পর কিছুদিন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও পরবর্তীতে আবারও সক্রিয় হয়ে ওঠে সংশ্লিষ্ট চক্র। ফলে প্রশ্ন উঠেছে শুধু অভিযান ও গ্রেপ্তার করলেই কি এসব কর্মকাণ্ড বন্ধ করা সম্ভব, নাকি এর পেছনে থাকা মূল হোতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন?আরও পড়ুন: বনানীতে স্পা-গেস্ট হাউজ ঘিরে ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, বনানীর ডেলটা ডালিয়া ভবনের ষষ্ঠ তলায় পরিচালিত একটি গেস্ট হাউজে সম্প্রতি পুলিশের অভিযান চালানো হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মাদক সেবনের সময় কয়েকজনকে আটক/গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানের পর সাময়িকভাবে কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও কয়েকদিন পরই পুনরায় আগের পরিবেশ ফিরে আসার অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয়দের ভাষ্য, কোনো একটি স্থাপনায় অভিযান পরিচালনার পর যদি একই ধরনের কার্যক্রম আবারও শুরু হয়, তাহলে শুধু সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার নয় কারা এটি পরিচালনা করছে, কারা অর্থের জোগান দিচ্ছে, কারা ভাড়া দিয়েছে এবং কারা নিয়মিত যাতায়াত করছে এসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় আনা জরুরি। অভিযোগ রয়েছে, ডেলটা ডালিয়ার ষষ্ঠ তলার ওই গেস্ট হাউজটি শুভসহ কয়েকজন ব্যক্তি পরিচালনা করেন। তবে এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।আরও পড়ুন: গুলশান ২৬-এ কথিত গেস্ট হাউস সিন্ডিকেটের রহস্যএদিকে বনানীর ২৭ নম্বর সড়কের ৬৫/এ করিমস ভিলা ভবনকে ঘিরেও নানা অভিযোগ সামনে এসেছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ভবনটির একটি অংশে লাক্সারি গেস্ট হাউজ ও স্পা ব্যবসার আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং মাদক সংশ্লিষ্ট একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, গেস্ট হাউজে আগত ব্যক্তিদের পরিচয় ও অবস্থানের বিষয়ে যথাযথ নজরদারি না থাকলে আবাসিক এলাকায় অপরাধীচক্রের নিরাপদ আস্তানা গড়ে ওঠার সুযোগ তৈরি হয়। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানে নিয়মিতভাবে ভাড়াটিয়া বা অতিথিদের তথ্য সংরক্ষণ, পরিচয় যাচাই, সিসিটিভি নজরদারি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন রয়েছে কি না এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তবে করিম ভিলাকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও নথিপত্র যাচাই ছাড়া কোনো অভিযোগকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে বিবেচনা করা সমীচীন নয়। সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে। সংশ্লিষ্ট গেস্ট হাউজগুলোর মালিক বা পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কয়েকজনের দাবি তাদের ব্যবসা সম্পর্কে স্থানীয় থানা পুলিশ অবগত এবং পুলিশের ‘নলেজে’ রেখেই ব্যবসা পরিচালনা করতে হয়। তবে মোবাইল ফোনে জানা গেছে মাসুদ রনা নামের এক ব্যক্তি।এমন বক্তব্য সত্য হলে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্তের দাবি রাখে। কারণ কোনো অবৈধ কার্যক্রম সম্পর্কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে তথ্য থাকার পরও তা বন্ধ না হলে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তবে গেস্ট হাউজ মালিকদের এমন দাবির স্বাধীন কোনো প্রমাণ এই প্রতিবেদকের হাতে নেই। ফলে তাদের বক্তব্যকে অভিযোগ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বক্তব্য ছাড়া এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোও সম্ভব নয়।আরও পড়ুন: বরেন্দ্র এক্সপ্রেসের স্প্রিং ভেঙে সাময়িকভাবে রেল চলাচল বন্ধগেস্ট হাউজ ও স্পা ব্যবসাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পর্যায়ে পুলিশের কোনো কোনো সদস্য নিয়মিত অর্থ গ্রহণ করেন এমন অভিযোগও উঠেছে। কয়েকটি সূত্র দাবি করেছে, এসব প্রতিষ্ঠান থেকে কথিত ‘মাসোহারা’ যাওয়ার কারণে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরও ব্যবসা আবার চালু করার সুযোগ তৈরি হয়। তবে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে মাসোহারা গ্রহণ করেন ওসি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে সংবাদকর্মীরা একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। পাশাপাশি তার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে বার্তা পাঠিয়ে ডেলটা ডালিয়া ও করিম ভিলা-সংক্রান্ত অভিযোগ, পুলিশের অভিযান এবং গেস্ট হাউজগুলো পুনরায় অপরাধের বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। কিন্তু প্রতিবেদন প্রস্তুত করা পর্যন্ত তিনি ফোন রিসিভ করেননি এবং অভিযোগগুলোর বিষয়ে বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। এতে স্পষ্ট বোঝা যায় ওসি ও বনানী থানার পুলিশ কর্মকর্তাদের অপরাধীদেও সাথে সম্পৃক্তা রয়েছে।একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য এ ধরনের প্রতিবেদনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অভিযোগের সত্যতা, অভিযানের বিস্তারিত, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা, গেস্ট হাউজের বৈধতা এবং পরবর্তী ব্যবস্থা সম্পর্কে পুলিশের কাছ থেকেই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া সম্ভব। বনানীর মতো ঘনবসতিপূর্ণ ও আবাসিক এলাকায় গেস্ট হাউজ, কিংবা স্পা পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানটির বৈধ ট্রেড লাইসেন্স, ভবন ব্যবহারের অনুমোদন, অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা, অতিথি নিবন্ধন এবং অন্যান্য প্রযোজ্য অনুমোদন রয়েছে কি না এসব বিষয় যাচাই করা জরুরি। শুধু একটি ট্রেড লাইসেন্স থাকলেই কোনো প্রতিষ্ঠানে যেকোনো ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার বৈধতা পাওয়া যায় না। প্রতিষ্ঠানটি যে ধরনের ব্যবসা করছে, তার সঙ্গে অনুমোদিত ব্যবসার ধরন মিলছে কি না, ভবনের ব্যবহার অনুমোদিত কি না এবং নিরাপত্তা বিধি মানা হচ্ছে কি না এসব প্রশ্নের উত্তরও প্রয়োজন।আরও পড়ুন: মির্জা ফখরুলের শপথে তারেক রহমানের শুভকামনাঅভিজ্ঞ মহলের মতে, কোনো গেস্ট হাউজে অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করার পর যদি মূল পরিচালনাকারী বা অর্থদাতাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে একই ব্যবসা অন্য নামে বা একই ভবনে পুনরায় চালু হওয়ার ঝুঁকি থেকেই যায়।এ ক্ষেত্রে তদন্তে কয়েকটি বিষয় গুরুত্ব পাওয়া উচিত প্রতিষ্ঠানটির মালিকানা কার, ভাড়া নিয়েছেন কে, পরিচালনা করেন কারা, অতিথিদের রেজিস্টার সংরক্ষণ করা হয় কি না, সিসিটিভি ফুটেজ কী বলছে, কোনো মাদক উদ্ধার হয়েছে কি না, পূর্বের মামলায় গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং অভিযানের পর প্রতিষ্ঠানটি কীভাবে পুনরায় কার্যক্রম শুরু করল।একই সঙ্গে স্থানীয় থানা পুলিশের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে সেটিও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা দরকার। এতে একদিকে যেমন পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগের অবসান হবে, অন্যদিকে সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।বনানীর বিভিন্ন আবাসিক ভবনে গেস্ট হাউজ ও স্পা ব্যবসাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অভিযোগ রয়েছে। সব প্রতিষ্ঠান অবৈধ বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত এমন ধারণা অবশ্যই সঠিক নয়। অনেক বৈধ প্রতিষ্ঠান নিয়ম মেনে ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে। কিন্তু বৈধ ব্যবসার আড়ালে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে ওঠে, তাহলে সেটি শুধু আইনশৃঙ্খলার জন্য নয়, আশপাশের সাধারণ বাসিন্দাদের নিরাপত্তার জন্যও হুমকি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে মাদক সেবন, অপরাধীচক্রের আনাগোনা কিংবা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ সত্য হলে সংশ্লিষ্ট ভবনের অন্যান্য বাসিন্দারাও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে পারেন।আরও পড়ুন: জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের শ্রদ্ধাডেলটা ডালিয়া ভবনের ষষ্ঠ তলা এবং বনানীর ২৭ নম্বর সড়কের করিম ভিলাকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের বিষয়টি এখন অলোচনায়। পুলিশ যদি বলে থাকে যে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তাহলে সেই অভিযানের ফলাফল জনসমক্ষে স্পষ্ট করা উচিত। আর যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বৈধভাবে পরিচালিত হয়, তাহলে তাদের বৈধতার নথিও যাচাই করে অভিযোগের অবসান ঘটানো যেতে পারে। সবশেষে প্রশ্ন একটাই অভিযানের পরও যদি কয়েকদিনের মধ্যে একই ধরনের কার্যক্রম আবার শুরু হয়, তাহলে এর পেছনে কারা রয়েছে?

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে বাহিনীতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে উঠে বাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।রোববার সকালে ঢাকা সেনানিবাসে বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে ‘নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬’-এর উদ্বোধনকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, কর্মকর্তাদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলি, শৃঙ্খলা, সততা, বিশ্বস্ততা, আনুগত্য এবং সর্বোপরি দায়িত্ব পালনের উপযুক্ততাকে গুরুত্ব দিতে হবে।তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় নৌ ও বিমান বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।আরও  পড়ুন, অপরাধীর কোনো পরিচয় নেই অপরাধী অপরাধীই : মীর হেলালএ সময় বাহিনীর সদস্যদের ত্যাগ ও দায়িত্ব পালনের জন্য প্রধানমন্ত্রী নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।অনুষ্ঠানের পর প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালন কেন্দ্রে স্থাপিত এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন বা এডিএসআই-এর উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করেন।পরে এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টার পরিদর্শনের পাশাপাশি বিমান বাহিনীর অ্যারোস্পেস রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্সের গবেষণা কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন।এ সময় বিমান বাহিনীর নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ড্রোন, কামিকাজি ড্রোন, ইন্টারসেপ্টর ড্রোন ও ভিটিওএলসহ বিভিন্ন ধরনের আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল প্রদর্শন করা হয়।নিজস্ব প্রযুক্তিতে আধুনিক উড্ডয়ন ব্যবস্থা তৈরিকে বিমান বাহিনীর গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

অপরাধীর কোনো পরিচয় নেই অপরাধী অপরাধীই : মীর হেলাল

অপরাধীর রাজনৈতিক পরিচয়, সামাজিক অবস্থান কিংবা দলীয় পরিচয় বিবেচনায় না এনে অপরাধের প্রমাণের ভিত্তিতে প্রত্যেককে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন ভূমি ও চট্টগ্রাম পার্বত্যবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দীন।শনিবার চট্টগ্রামের হালিশহর সিভিক সেন্টারে জেলা পুলিশ বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত মাদকবিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, “অপরাধীর কোনো দল নেই, গোত্র নেই, বর্ণ নেই। অপরাধী মানেই অপরাধী।” কারও বিরুদ্ধে অপরাধে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার পরিচয় কিংবা প্রভাবের দিকে না তাকিয়ে আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার হচ্ছে অপরাধের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা। একজন সমাজকর্মী, রাজনৈতিক কর্মী ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।মীর হেলাল উদ্দীন বলেন, “ইনশাআল্লাহ, চট্টগ্রামকে মাদকমুক্ত, অস্ত্রবাজমুক্ত ও চাঁদাবাজমুক্ত করে ছাড়ব।” এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সর্বস্তরের মানুষের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।মাদক নির্মূলের দায়িত্ব কেবল পুলিশ, আইনজীবী কিংবা বিচার বিভাগের ওপর ছেড়ে দিলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া সম্ভব নয় উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে প্রয়োজন একটি সমন্বিত ও সর্বজনীন সামাজিক উদ্যোগ।আরও  পড়ুন, মহেশপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঘুষের অভিযোগ, টাকা কম দেওয়ায় চাকরি গেল কর্মীরপ্রতিমন্ত্রী বলেন, পুলিশ একা মাদক নির্মূল করতে পারবে না, আইনজীবী কিংবা বিচারকদের পক্ষেও এককভাবে এ সংকট মোকাবিলা সম্ভব নয়। পরিবার থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সমাজ থেকে প্রশাসন—সব পর্যায়ে সমন্বিত প্রতিরোধ গড়ে তোলাই হবে মাদক নিয়ন্ত্রণের কার্যকর পথ।চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় নতুন কারাগার নির্মাণের পরিকল্পনার প্রসঙ্গ তুলে মীর হেলাল উদ্দীন জানান, সেখানে মাদক ও মাদকসংক্রান্ত মামলার আসামিদের জন্য পৃথক কারাগার বা আলাদা বন্দোবস্ত রাখার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।তিনি বলেন, মাদকসংক্রান্ত অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের সাধারণ অপরাধীদের সঙ্গে একই পরিবেশে রাখার ফলে অপরাধের নেটওয়ার্ক বিস্তার কিংবা নতুন যোগাযোগ তৈরির ঝুঁকি থাকে। পৃথক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মাদকচক্রের সঙ্গে সাধারণ বন্দিদের সংস্পর্শ কমানো সম্ভব হতে পারে।সমাবেশে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম।এ ছাড়া বক্তব্য দেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন, জেলা পুলিশ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বিচার বিভাগ ও আইনজীবী সমাজের প্রতিনিধিরা, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি, সামাজিক ও অরাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।মাদকবিরোধী এ সমাবেশে শিক্ষক, অভিভাবক এবং বিভিন্ন স্কুল-কলেজের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীও অংশ নেন।বক্তারা মাদকের বিস্তারকে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য একটি গুরুতর হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিরোধমূলক সচেতনতা, আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং সামাজিক নজরদারি জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে একটি মাদকবিরোধী র‌্যালি বের করা হয়।

স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা: রাশেদ খাঁন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ প্রার্থী হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।বুধবার সকালে ঝিনাইদহের শিশুকুঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।রাশেদ খাঁন বলেন, বিএনপি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একক প্রার্থী দেওয়ার নীতিতে থাকবে। তাই দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কারও প্রার্থী হওয়ার সুযোগ থাকবে না।তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে অনেকে স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিলেন। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এ ধরনের সুযোগ রাখা হবে না। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ নির্বাচনে গেলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।আরও  পড়ুন, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে কাতারের আমিরের অভিনন্দনদেশের চলমান লোডশেডিং পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ সংকটে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে রয়েছেন। সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং দ্রুত পরিস্থিতির উন্নয়নে কাজ করছে। এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুঃখ প্রকাশ করেছেন বলেও জানান তিনি।জ্বালানি সংকটের বিষয়ে রাশেদ খাঁন বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি তেলের সংকট তৈরি হয়েছে। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ তুলনামূলকভাবে দেরিতে জ্বালানির দাম সমন্বয় করেছে।বিদ্যুৎ খাতের বর্তমান সংকটের জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের দুর্নীতি ও লুটপাট এবং পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেন তিনি।এ সময় জামায়াতে ইসলামীর উদ্দেশে রাশেদ খাঁন বলেন, দেশে ফ্যাসিবাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে হলে সরকারকে সহযোগিতা করা উচিত। কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ধারণার মধ্যে শরিয়াহভিত্তিক আইন ব্যবস্থারও স্থান রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে কাতারের আমিরের অভিনন্দন

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি।রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের কাছে পাঠানো এক অভিনন্দন বার্তায় কাতারের আমির নতুন রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তার দায়িত্ব পালনে সাফল্য কামনা করেন।অভিনন্দন বার্তায় শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার ও সম্প্রসারিত হবে।আরও  পড়ুন, বুধবার ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে সরকারি ছুটি, মিলবে টানা ৪ দিনের অবকাশদুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্ক রয়েছে। নতুন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে এ সম্পর্ক আরও গভীর হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন কাতারের আমির।উল্লেখ্য, গত ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। পরদিন ২১ আগস্ট বঙ্গভবনের দরবার হলে তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন।রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বিভিন্ন দেশ ও রাষ্ট্রপ্রধানের পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানানো হচ্ছে।

রাজনীতিরাজনীতি

রংপুরে একই পরিবারের ৪ জন হত্যাসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে শফিকুর রহমানের উদ্বেগ

রংপুরে একই পরিবারের ৪ জন হত্যাসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে শফিকুর রহমানের উদ্বেগ

রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার একটি বাসা থেকে রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তী ও মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।আরও  পড়ুন, ছয় মাসে সরকার একটি কথাও রাখতে পারেনি: মান্নাএ ঘটনাকে অত্যন্ত নিন্দনীয়, বেদনাদায়ক ও লোমহর্ষক হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।ডা. শফিকুর রহমান একই পোস্টে ঢাকায় এক চিকিৎসকের কাছে ডলারে চাঁদা দাবি ও পরে হামলা এবং ময়মনসিংহে এক পশুচিকিৎসকের কাছে চাঁদা দাবি করে হামলার ঘটনাও তুলে ধরেন।তার দাবি, এসব ঘটনা দেশে সামাজিক অপরাধ, খুন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ভয়াবহতা তুলে ধরছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে জনগণ উদ্বিগ্ন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিতে হবে—এমন মন্তব্য করে জামায়াত আমির বলেন, রংপুরের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।একই সঙ্গে বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি সরকারের ব্যর্থতা কাটিয়ে ওঠার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ছয় মাসে সরকার একটি কথাও রাখতে পারেনি: মান্না

ছয় মাসে সরকার একটি কথাও রাখতে পারেনি: মান্না

ছয় মাসে সরকার একটি কথাও রাখতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বলেছেন, ছয় মাসের হানিমুন পিরিয়ড ছয় বছর ধরে চলতে পারে না। সরকার যদি ছয় মাসেও নড়তে না পারে, তাহলে পাঁচ বছর সময় পার করবে কীভাবে—এমন প্রশ্নও তোলেন তিনি।শনিবার রাজধানীর মিরপুরে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি সংকট নিরসন এবং দ্রব্যমূল্য কমানোর দাবিতে নাগরিক ঐক্য আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মান্না।তিনি বলেন, ছয় মাস চলে গেছে, এখন সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা শুরু হবে। ছয় মাসে একটি শিশু হামাগুড়ি দিয়ে উঠে দাঁড়াতে শুরু করে। অথচ সরকার যদি ছয় মাসেও নড়তে না পারে, তাহলে পাঁচ বছর কীভাবে পার করবে?সরকার সাত দিনে বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের কথা বললেও দুই মাসেও এর সমাধান হয়নি বলেও অভিযোগ করেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি। তাঁর দাবি, একের পর এক সমস্যা তৈরি হচ্ছে, কিন্তু কোনো সমস্যার কার্যকর সমাধান দেখা যাচ্ছে না।আরও  পড়ুন, কাজী জাফর জাতীয় পার্টিতে নতুন নেতৃত্ব, মহাসচিব নাহিদগণঅভ্যুত্থানে মানুষের ত্যাগ ও মৃত্যুর পরও দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কি না—এমন প্রশ্ন তুলে মান্না বলেন, শুধু কথা বলতে পারাটাই গণতন্ত্র নয়। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়েও শঙ্কা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে মান্না বলেন, উন্নয়ন মানে শুধু বড় বড় ভবন বা স্থাপনা নির্মাণ নয়। উন্নয়ন মানে গরিব মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দারিদ্র্য দূর করা। ২০৩১ সালের মধ্যে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের কথা বলা হলেও গত ছয় মাসে কতজনের চাকরি হয়েছে—সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট সমাধানে সরকারের কাছে দ্রুত একটি সুনির্দিষ্ট রূপরেখা দেওয়ার আহ্বান জানান মান্না। পাশাপাশি প্রতিটি বাসাবাড়িতে সরকারি খরচে সোলার প্যানেল স্থাপনের প্রস্তাব দেন তিনি।তবে এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নের আগে সরকারের ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত ঘুষ ও দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি।সভায় বৃহত্তর মিরপুর এলাকায় দলের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ছয় সদস্যের সমন্বয় কমিটি ঘোষণা করেন মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বলেন, দেশকে নতুনভাবে নেতৃত্ব দিতে হলে দল ও নেতৃত্বের ধরনেও পরিবর্তন আনতে হবে।

কাজী জাফর জাতীয় পার্টিতে নতুন নেতৃত্ব, মহাসচিব নাহিদ

কাজী জাফর জাতীয় পার্টিতে নতুন নেতৃত্ব, মহাসচিব নাহিদ

বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের অন্যতম শরিক জাতীয় পার্টি—কাজী জাফর অংশের নতুন মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী মো. নাহিদ।একই সঙ্গে দলের কো-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আহসান হাবীব লিংকন ও নওয়াব আলী আব্বাস খান।শনিবার সকালে রাজধানীর খিলগাঁওয়ে জাতীয় পার্টি—কাজী জাফরের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন দলটির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার।দলটির দপ্তর সম্পাদক গোলাম মোস্তফা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন নেতৃত্বের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।আরও  পড়ুন, রাজপথের দীর্ঘ লড়াই শেষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভীসভায় দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা রুহুল আমিন, সেলিম মাস্টার ও জুবায়ের হায়দার উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান কামরুল হুদা, যুগ্ম মহাসচিব এএসএম শামীম ও কাজী মোহাম্মদ নজরুল, দপ্তর সম্পাদক গোলাম মোস্তফাসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা সভায় অংশ নেন।এ সময় ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গাজী ওমর ফারুক, জাতীয় যুব সংহতির আহ্বায়ক নিজাম উদ্দিন সরকার, জাতীয় ছাত্র সমাজের সভাপতি কাজী ফয়েজ আহমেদ ও সদস্য সচিব মেহেদী হাসানসহ কেন্দ্রীয় ও অঙ্গসংগঠনের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার এবং দলের নেতৃত্ব কাঠামো আরও সক্রিয় করার বিষয়ে আলোচনা হয়।নতুন মহাসচিব ও কো-চেয়ারম্যান নিয়োগের মধ্য দিয়ে জাতীয় পার্টি—কাজী জাফর অংশের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করছেন দলটির নেতারা।

রাজপথের দীর্ঘ লড়াই শেষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভী

রাজপথের দীর্ঘ লড়াই শেষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভী

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, আন্দোলন-সংগ্রাম আর দলীয় সংকটে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়েছেন রুহুল কবির রিজভী।আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপি যখন রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা, তখন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিয়মিত দেখা যেত রিজভীকে। দলের চেয়ারপারসন কারাগারে এবং বিএনপির বর্তমান চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লন্ডনে অবস্থানকালে প্রায় প্রতিদিনই সংবাদ সম্মেলনে দলের অবস্থান তুলে ধরতেন তিনি।টানা প্রায় ১৫ বছর নানা রাজনৈতিক সংকট ও আন্দোলনে দলের হয়ে কথা বলেছেন রিজভী। এ কারণে তার নতুন দায়িত্বে খুশি নিজ জেলা কুড়িগ্রামের নেতাকর্মী ও সমর্থকরাও।রাজনীতিতে রিজভীর হাতেখড়ি বামপন্থি বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের মাধ্যমে। আরও পড়ুন. বাংলাদেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক চাইলে ভারতকে সীমান্তহত্যা ও পুশইন বন্ধ করতে হবে : রাশেদ খানপরে ছাত্রদলে যোগ দিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রচার সম্পাদক ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৯ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ—রাকসু নির্বাচনে ভিপি নির্বাচিত হন তিনি।পরবর্তীতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন রিজভী। ২০১৬ সালে বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে তিনি জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হন।২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে মন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগ পান।চলতি আগস্টে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য করা হয় তাকে। এর মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে ২০ আগস্ট দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে মনোনীত হন রুহুল কবির রিজভী।দীর্ঘ ছাত্ররাজনীতি, রাজপথের আন্দোলন এবং দলের কঠিন সময়ে সক্রিয় ভূমিকার পর এবার বিএনপির সাংগঠনিক নেতৃত্বে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রিজভী।

সারাবাংলা

ইয়াবাসহ ১ মাদক কারবারি ও ২ মাদক সেবী গ্রেফতার

ইয়াবাসহ ১ মাদক কারবারি ও ২ মাদক সেবী গ্রেফতার

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) অপরাধ দক্ষিণ বিভাগের আওতাধীন টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ ২৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখে থানার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৩১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে। একই অভিযানে দুইজন মাদক সেবীকেও আটক করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদকবিরোধী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে।আরও  পড়ুন, মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আউটসোর্সিং কর্মচারীদের কাছে ঘুসের দাবিতে মানববন্ধন এ সময় অভিযুক্তদের কাছ থেকে ৩১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ জানায়, মাদক নির্মূলে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক কারবারি ও সেবীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আউটসোর্সিং কর্মচারীদের কাছে  ঘুসের দাবিতে মানববন্ধন

মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আউটসোর্সিং কর্মচারীদের কাছে ঘুসের দাবিতে মানববন্ধন

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আউটসোর্সিং কর্মচারীদের কাছ থেকে ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। দাবি করা ঘুষের টাকা কম দেওয়ায় এক কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করারও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।অভিযোগ রয়েছে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া কর্মচারীদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় টাকা দাবি করা হয়। নির্ধারিত টাকার তুলনায় কম দেওয়ায় এক কর্মচারীকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।ভুক্তভোগীদের দাবি, চাকরি ধরে রাখা এবং বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার জন্য তাদের কাছ থেকে অনৈতিকভাবে টাকা নেওয়ার চাপ দেওয়া হচ্ছে। আরও  পড়ুন, হায়দরগঞ্জে বসতঘরে ভয়াবহ আগুন, ফায়ার সার্ভিসের উপকেন্দ্রের দাবিএতে আউটসোর্সিং কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।একজন কর্মচারী অভিযোগ করেন, ঠিকাদারের দাবি করা ঘুষের টাকা পুরোপুরি দিতে না পারায় তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিকার দাবি করেছেন তিনি।অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী কর্মচারীরা। একই সঙ্গে আউটসোর্সিং কর্মীদের চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও দাবি তাদের।তবে ঘুষ দাবি ও কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

হায়দরগঞ্জে বসতঘরে ভয়াবহ আগুন, ফায়ার সার্ভিসের উপকেন্দ্রের দাবি

হায়দরগঞ্জে বসতঘরে ভয়াবহ আগুন, ফায়ার সার্ভিসের উপকেন্দ্রের দাবি

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে বসতঘরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২২ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার ১ নম্বর উত্তর চর আবাবিল ইউনিয়নের চরপাঙ্গাসিয়া গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের এলাই বক্স পাটোয়ারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে একজন আহত হয়েছেন।স্থানীয়রা জানান, কুদরত উল্লাহ পাটোয়ারীর বসতঘরে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা পানি দিয়ে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনাস্থলে যাওয়ার সড়কটি বেহাল হওয়ায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়িকে ধীরগতিতে চলতে হয়েছে। আরও  পড়ুন,মিঠাপুকুরে জমি দখল ও ভুয়া রেকর্ড তৈরির অভিযোগে এসিল্যান্ড কার্যালয়ে আবেদনএতে জরুরি সময়ে অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হলেও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।এদিকে এ ঘটনার পর হায়দরগঞ্জে দ্রুত একটি উপ-ফায়ার সার্ভিস কেন্দ্র স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, হায়দরগঞ্জ বাজার ও আশপাশের এলাকায় এর আগেও একাধিক অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দূরবর্তী স্থান থেকে ফায়ার সার্ভিস আসতে সময় লাগায় আগুনের প্রাথমিক পর্যায়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।স্থানীয়দের দাবি, হায়দরগঞ্জে উপ-ফায়ার সার্ভিস কেন্দ্র স্থাপনের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি চলাচলের উপযোগী সড়ক নিশ্চিত করা হলে ভবিষ্যতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে।

মিঠাপুকুরে জমি দখল ও ভুয়া রেকর্ড তৈরির অভিযোগে এসিল্যান্ড কার্যালয়ে আবেদন

মিঠাপুকুরে জমি দখল ও ভুয়া রেকর্ড তৈরির অভিযোগে এসিল্যান্ড কার্যালয়ে আবেদন

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার পশ্চিমপাড়া মাঝিপাড়ায় পৈতৃক ও ক্রয়কৃত সম্পত্তি বেআইনিভাবে দখল এবং জালিয়াতির মাধ্যমে রেকর্ডভুক্ত করার অভিযোগে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরোবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, উপজেলার হরিহরপুর মৌজার ৪১৯০ নং দাগের ১২ শতক এবং ৪১৬০ নং দাগের ৮ শতক জমির মূল মালিক ছিলেন জামাল উদ্দীন। পরবর্তীতে বিভিন্ন হস্তান্তর, ক্রয় ও ওয়ারিশ সূত্রে উক্ত জমির মালিক হন তোতা মিয়া ও তাঁর পরিবার। তবে বিআরএস/আর.এস রেকর্ডে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রতিপক্ষ জমি নিজেদের নামে অন্তর্ভূক্ত করে নেয় এবং তা দখলের চেষ্টা চালায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।আরও  পড়ুন, বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ৩ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ​এদিকে, মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় অধিবাসীরা। সরজমিনে গিয়ে কথা বললে স্থানীয় বাসিন্দা মোকলেছার রহমান, সাহাদুল মিয়া ও মোছা: হাফিজা খাতুন নিশ্চিত করেন যে, দায়িত্বে থাকা তহসিলদার নুরুজ্জামান সরেজমিনে বিতর্কিত জমিতে যাননি। তিনি রাস্তা থেকেই ফেরত চলে যান এবং জমিতে পা না দিয়েই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।​তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে মিঠাপুকুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশিক জামান বলেন, "যেহেতু তদন্ত প্রতিবেদন ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে, তাই আদালত আদেশ করলে আমরা পুর্নতদন্ত করতে পারবো।"​তহসিলদারের এমন অপূর্ণাঙ্গ তদন্তে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করে জমিটির নিরপেক্ষ পুনর্ তদন্ত ও সঠিক প্রতিকারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।

আন্তর্জাতিক

সংঘাত থামাতে চায় ইরান চাপ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

সংঘাত থামাতে চায় ইরান চাপ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাত অবসানের আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেছেন, তেহরান এখন শক্তিশালী ও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।শুক্রবার চিকিৎসকদের এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে পেজেশকিয়ান বলেন, কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় স্থবিরতা থাকলেও বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গত জুনে হওয়া সমঝোতা নিয়ে কট্টরপন্থীদের সমালোচনারও জবাব দেন তিনি। পেজেশকিয়ানের দাবি, ওই চুক্তিতে ইরানের নতিস্বীকারের মতো কোনো ধারা ছিল না।এদিকে সংঘাত অবসানে আলোচনার উদ্যোগও চলছে। আরও পড়ুন. আব্রাহাম লিংকনে নৌসেনাদের সংঘর্ষ নিহত ৭ দাবি তাসনিমেরওমানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। তবে আলোচনার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনাও অব্যাহত রয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের জবাবে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের সামরিক নেতৃত্ব। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আলি আবদোল্লাহি বলেছেন, নতুন কোনো হুমকি তৈরি হলে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সর্বাত্মক ও কঠোর জবাব দিতে প্রস্তুত।অন্যদিকে ইরানের ওপর আরও কঠোর আর্থিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।আরও পড়ুন. ১ সেপ্টেম্বর থেকে কুয়েতে বন্ধ ভিজিট ভিসা ও ছুটির স্বয়ংক্রিয় নবায়নমার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বলেছেন, তেহরান আলোচনায় আগ্রহ দেখালেও এখনো একটি গ্রহণযোগ্য চুক্তিতে পৌঁছানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালিসহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে ধরে রেখেছে।ফলে একদিকে কূটনৈতিক যোগাযোগ, অন্যদিকে সামরিক হুঁশিয়ারি ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা—সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা এখনো কাটেনি। সংঘাতের অবসানে শেষ পর্যন্ত কূটনীতিই কার্যকর সমাধান এনে দিতে পারে কি না, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

২২ আগস্ট ২০২৬

রাজধানী

স্লিপার বাসের বৈধতার দাবিতে বনানীতে সড়ক অবরোধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

স্লিপার বাসের বৈধতার দাবিতে বনানীতে সড়ক অবরোধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

সারা দেশে চলাচল করা স্লিপার বাসের বৈধতা ও চলাচলের অনুমোদনের দাবিতে রাজধানীর বনানীতে সড়ক অবরোধ করেছেন বাংলাদেশ স্লিপার এসি বাস মালিক সমিতির নেতাকর্মীরা।রোববার দুপুর সোয়া ১টার দিকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ—বিআরটিএর সদর দপ্তরের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তারা।আন্দোলনকারীদের অবরোধের কারণে বনানী থেকে মহাখালীগামী যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। ফলে ওই সড়কে তৈরি হয় যানজট। ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রী ও পথচারীরা।আন্দোলনকারীরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন রুটে স্লিপার বাস চলাচল করলেও বর্তমানে এসব বাসের বৈধতা ও অনুমোদন নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। এ কারণে স্লিপার বাস চলাচলের অনুমোদন ও বৈধতার দাবিতে তারা এই কর্মসূচি পালন করছেন।আরও  পড়ুন, ডেমরায় ঢালাইয়ের কাজ করতে গিয়ে ট্রাক থেকে পড়ে শ্রমিক নিহতডিএমপির ট্রাফিক মহাখালী জোনের সহকারী কমিশনার ইশরাকুল কবীর জানান, স্লিপার কোচের মালিক ও কর্মচারীরা সড়কে বাস চালানোর অনুমোদনের দাবিতে বনানীতে আন্দোলন করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যরা রয়েছেন।এক আন্দোলনকারী দাবি করেন, স্লিপার বাস খাতে তাদের তিন হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ রয়েছে। এ খাতের সঙ্গে এক হাজারের বেশি মালিক ও তাদের পরিবার জড়িত। দীর্ঘ আট থেকে ১০ বছর ধরে দেশে স্লিপার বাস চলাচল করছে বলেও দাবি করেন তিনি।তাদের দাবি, দ্রুত স্লিপার বাস চলাচলের বৈধতা ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন দিতে হবে। দাবি আদায় না হলে আন্দোলন আরও জোরদার করার কথাও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

১২ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

অস্ট্রেলিয়ার কাছে হার, তবু টেস্ট র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস

অস্ট্রেলিয়ার কাছে হার, তবু টেস্ট র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস

ম্যাকাই টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার কাছে দুই দিনেই হারের হতাশার মধ্যেই বাংলাদেশ ক্রিকেটে এলো বড় সুখবর। টেস্ট র‍্যাংকিংয়ে ইতিহাসের সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠেছে টাইগাররা।রোববার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাকাই টেস্ট শেষ হওয়ার পর দলীয় টেস্ট র‍্যাংকিং হালনাগাদ করে আইসিসি। সেখানে তিন ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ছয়ে। সাদা পোশাকের ক্রিকেটে এটিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ র‍্যাংকিং।বাংলাদেশের বর্তমান রেটিং পয়েন্ট ৭৮। টাইগারদের পেছনে রয়েছে শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।বাংলাদেশ ছয়ে ওঠায় এক ধাপ করে পিছিয়েছে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান। শ্রীলঙ্কার রেটিং ৭৬ নিয়ে অবস্থান সাত নম্বরে, পাকিস্তান ৭৫ রেটিং নিয়ে আটে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭৪ রেটিং নিয়ে নেমে গেছে নয় নম্বরে।টেস্ট র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষ পাঁচে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত, নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ড।আরও  পড়ুন, ২৫ বছরেই ফুটবল মাঠে মৃত্যু পর্তুগিজ মিডফিল্ডারেরঅন্যদিকে, ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর পর বাংলাদেশের র‍্যাংকিংয়ে এই বড় লাফ এসেছে। তবে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ২০২৫-২৭ চক্রে বাংলাদেশের পয়েন্ট কিছুটা কমেছে।ছয় ম্যাচে তিন জয়, দুই হার ও এক ড্রয়ে বাংলাদেশের পয়েন্টের হার ৫৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ। এরপরও টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।এর আগে টেস্ট র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ অবস্থান ছিল সাত নম্বর। চলতি বছরের মে মাসে ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে দুই ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করে প্রথমবারের মতো সাত নম্বরে উঠেছিল টাইগাররা।এবার সেই রেকর্ডও ছাড়িয়ে নতুন ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হারের হতাশার দিনেই টেস্ট র‍্যাংকিংয়ে ছয়ে উঠে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করল লাল-সবুজের দল।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর