দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1002.6 hPa
30.2° 79%
300° 15mm
চট্টগ্রাম 1004.2 hPa
27.8° 87%
80° 15mm
রাজশাহী 1001.4 hPa
31.5° 83%
15mm
খুলনা 1002.4 hPa
30° 84%
20° 15mm
বরিশাল 1002.7 hPa
28.6° 87%
300° 15mm
সিলেট 1003.3 hPa
26.8° 95%
20° 15mm
রংপুর 1001.6 hPa
29° 86%
15mm
ময়মনসিংহ 1002.9 hPa
30° 81%
15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

পুলিশ সংস্কার কতদূর, কী ভাবছে সাধারণ মানুষ?

পুলিশ সংস্কার কতদূর, কী ভাবছে সাধারণ মানুষ?

দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ| সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশ প্রশাসনে একাধিক রদবদল, বদলি ও প্রশাসনিক সংস্কার উদ্যোগ নেওয়া হলেও সাধারণ মানুষের মনে এখনো একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, এই পরিবর্তন কি জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছে? নাকি কাঠামোগত ও নীতিগত আরও বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন? সাংবাদিকদের পর্যবেক্ষণ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, পুলিশ বাহিনীতে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হলেও এখনো অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে| বিশেষ করে অপরাধ দমন, রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী মহলের চাপ, জনসেবার মান এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাগত স্বাধীনতা নিয়ে নানা প্রশ্ন বিদ্যমান|আরও পড়ুন: আলোচনা, সমালোচনা আর দায়িত্বের গল্প: ওসি দাউদসাম্প্রতিক সময়ে পুলিশ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে কর্মকর্তাদের বদলি, নতুন দায়িত্ব প্রদান এবং কিছু ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে| সরকারের পক্ষ থেকে জনবান্ধব পুলিশিংয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে| থানাগুলোতে সেবার মান বাড়ানো, অভিযোগ গ্রহণে আন্তরিকতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত ব্যবস্থা চালুর মতো পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে| তবে শুধুমাত্র প্রশাসনিক রদবদল করলেই যে জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, বিষয়টি এত সহজ নয়| কারণ অপরাধের ধরন পরিবর্তন হচ্ছে, সাইবার অপরাধ বাড়ছে, মাদক ব্যবসা নতুন নতুন কৌশলে পরিচালিত হচ্ছে এবং সংঘবদ্ধ অপরাধচক্র আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে|বিশ্লেষকরা বলছেন, পুলিশে ব্যক্তি পরিবর্তনের চেয়ে প্রতিষ্ঠানগত সংস্কার বেশি জরুরি| একজন কর্মকর্তা বদলি হলে সাময়িক পরিবর্তন দেখা যেতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে হলে পুরো ব্যবস্থার সংস্কার প্রয়োজন| রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা এখনো নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে পুরোপুরি নিশ্চিন্ত নন| চুরি, ছিনতাই, কিশোর গ্যাং, মাদক ব্যবসা এবং বিভিন্ন ধরনের অপরাধের অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়| অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, থানায় গিয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেতে বিল¤^ হয়| আবার কোথাও কোথাও অভিযোগ গ্রহণে অনীহা বা দীর্ঘসূত্রতার অভিযোগও রয়েছে| যদিও পুলিশ কর্মকর্তারা এসব অভিযোগ অ¯^ীকার করে বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে সময় লাগে| তবে বাস্তবতা হলো, জনগণ দ্রুত ও কার্যকর সেবা প্রত্যাশা করে| একজন ভুক্তভোগী যখন থানায় যান, তখন তিনি আইনের জটিলতা নয়, সমস্যার সমাধান চান| সেই জায়গায় পুলিশকে আরও জনবান্ধব হতে হবে বলে মনে করেন সচেতন নাগরিকরা|আরও পড়ুন: গুলশান পুলিশকে বিতর্কিত করতেই মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারপুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনেক সময় বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতা বা স্থানীয় ক্ষমতাবানদের চাপের মুখে পড়তে হয়| ফলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে জটিলতা ˆতরি হয়| সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গিয়ে পুলিশ সদস্যরা নানা ধরনের চাপের সম্মুখীন হন| কখনো ফোনকল, কখনো সুপারিশ, আবার কখনো রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বাধা সৃষ্টি হয়|বিশেষজ্ঞদের মতে, পুলিশ যদি আইন প্রয়োগে ¯^াধীনতা না পায়, তাহলে অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখা কঠিন হয়ে পড়ে| কারণ অপরাধী যদি মনে করে তার রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রভাব তাকে রক্ষা করবে, তাহলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন সম্ভব নয়|পুলিশ বাহিনীকে কার্যকর করতে হলে তাদের পেশাগত স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে| একজন পুলিশ কর্মকর্তা যেন আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অযাচিত হস্তক্ষেপের শিকার না হন, সেই পরিবেশ সৃষ্টি করা জরুরি|আরও পড়ুন: প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদআইন-শৃঙ্খলা বিশ্লেষকরা বলছেন, একটি আধুনিক রাষ্ট্রে পুলিশকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে হয়| এতে জনগণের আস্থা বাড়ে এবং অপরাধীরা দ্রুত আইনের আওতায় আসে| বাংলাদেশে অনেক দক্ষ ও সৎ পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন| তারা আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন| কিন্তু যদি তাদের ওপর অযাচিত চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে তাদের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়| ফলে সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হন|রাজধানীর কয়েকটি থানার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, অনেক পুলিশ সদস্য আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করলেও কোথাও কোথাও সিদ্ধান্তহীনতা কাজ করছে| বিশেষ করে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা দেখা যায়|আরও পড়ুন: অপরাধ দমনে নতুন ছকে ডিএমপিএকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, থানায় গিয়ে অভিযোগ দেওয়ার পরও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি| পরে বিষয়টি উচ্চপর্যায়ে জানালে তদন্ত শুরু হয়| যদিও সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তারা দাবি করেন, প্রতিটি অভিযোগ আইন অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়|অন্যদিকে কিছু থানায় ভালো উদাহরণও রয়েছে| সেখানে ওসি ও তদন্ত কর্মকর্তারা সরাসরি অভিযোগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছেন| এমন উদ্যোগ জনমনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে|বর্তমান সময়ে শুধু অপরাধী গ্রেফতার করাই পুলিশের একমাত্র দায়িত্ব নয়| জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অপরাধ প্রতিরোধেও পুলিশের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ|বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে হবে| স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে অপরাধ প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করলে ইতিবাচক ফল পাওয়া সম্ভব| অনেক উন্নত দেশে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা রয়েছে| বাংলাদেশেও সেই ধরনের সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে| থানাকে ভয় নয়, আস্থার জায়গা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে|আরও পড়ুন: এনবিআরের কর্মকর্তা সহিদুল ইসলামের অবৈধ সম্পদের পাহাড়বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে| বাংলাদেশেও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে, তবে তা আরও বিস্তৃত করা প্রয়োজন| সিসিটিভি ক্যামেরা, ডিজিটাল ডাটাবেজ, সাইবার মনিটরিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং আধুনিক ফরেনসিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ালে অপরাধ তদন্ত আরও দ্রুত ও নির্ভুল হবে| অপরাধীরা প্রতিনিয়ত নতুন কৌশল ব্যবহার করছে| তাই পুলিশকেও প্রযুক্তিগতভাবে আরও দক্ষ হতে হবে| শুধু জনবল বৃদ্ধি নয়, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোও সময়ের দাবি| অনেক পুলিশ সদস্য দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন| উৎসব, ছুটির দিন কিংবা দুর্যোগকালেও তারা মাঠে কাজ করেন| কিন্তু তাদের কর্মপরিবেশ এবং কল্যাণমূলক সুবিধা নিয়ে এখনো নানা প্রশ্ন রয়েছে|বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পুলিশ সদস্যদের মানসিক চাপ কমানো, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করা এবং পেশাগত প্রশিক্ষণ বাড়ানো প্রয়োজন| কারণ একজন ক্লান্ত ও মানসিকভাবে চাপে থাকা সদস্যের কাছ থেকে সর্বোচ্চ সেবা আশা করা কঠিন| যদি পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করা যায়, তাহলে তাদের কর্মদক্ষতা এবং জনগণের প্রতি সেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে|আরও পড়ুন: ডিজিটাল হাইড্রোগ্রাফিতে নতুন সম্ভাবনা দেখছেন তারেক রহমানপুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা বাড়াতে হলে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি| কোনো সদস্য ক্ষমতার অপব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে| ভালো কাজের ¯^ীকৃতির পাশাপাশি অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে| এতে পুরো বাহিনীর ভাবমূর্তি উন্নত হবে| সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ক্ষেত্রে অনিয়মে জড়িত সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যা ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে| তবে এই প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করতে হবে|সাধারণ মানুষ একটি নিরাপদ সমাজ চায়| তারা চায় থানায় গেলে সম্মানজনক আচরণ, দ্রুত সেবা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হোক| পুলিশ রাজনৈতিক বা অন্য কোনো প্রভাবের ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করবে| অপরাধী যেই হোক, তার বিরুদ্ধে সমানভাবে আইন প্রয়োগ করা হবে|একজন নাগরিকের ভাষায়, “পুলিশ যদি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে এবং জনগণের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে অপরাধ অনেকটাই কমে আসবে| পুলিশ প্রশাসনে সাম্প্রতিক পরিবর্তন নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক উদ্যোগ| তবে শুধুমাত্র বদলি বা প্রশাসনিক রদবদল দিয়ে জননিরাপত্তার সব সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়| প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার, পেশাগত ¯^াধীনতা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, জবাবদিহিতা এবং জনবান্ধব পুলিশিং ব্যবস্থা| অপরাধ দমনে পুলিশকে কার্যকরভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে| একই সঙ্গে জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য বাহিনীকে আরও ¯^চ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং সেবামুখী হতে হবে| রাজনৈতিক বা প্রভাবশালী মহলের অযাচিত হস্তক্ষেপ বন্ধ করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা গেলে পুলিশ বাহিনী আরও শক্তিশালী হবে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ হবে| আরও পড়ুন: ১৫ বছরে যা হয়নি, ৩ মাসে তার চেয়ে বেশি হয়েছে : মির্জা ফখরুলসবশেষে বলা যায়, একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে পুলিশের ভূমিকা অপরিসীম| তাই পুলিশকে প্রয়োজনীয় স্বাধীনতা, আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং জনসমর্থন দিতে হবে| একই সঙ্গে বাহিনীর ভেতরে সংস্কার অব্যাহত রাখতে হবে| তাহলেই জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নয়ন সম্ভব হবে|

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

বিনিয়োগ, রপ্তানি ও এলডিসি উত্তরণে সরকারের বড় পরিকল্পনা

সরকার ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।রোববার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, এই লক্ষ্য অর্জনে ধারাবাহিকভাবে ৮ দশমিক ৫ থেকে ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে হবে।বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, সরকার মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি আরও জোরদার করছে।তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে বড় অবকাঠামো প্রকল্পের পরিবর্তে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দক্ষতা উন্নয়ন ও মানবসম্পদে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে উৎপাদন, পরিবহন ও লজিস্টিক ব্যয় কমানোর কৌশল নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো, কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সময় কমানো এবং কাস্টমস প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ চলছে।গ্যাস সংকট মোকাবিলায় নতুন ভাসমান এলএনজি সংরক্ষণ ও পুনর্গ্যাসীকরণ ইউনিট স্থাপনের মাধ্যমে প্রতিদিন অতিরিক্ত ৫৫০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের পরিকল্পনার কথাও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।ব্যবসা সহজীকরণে শিগগিরই সম্পূর্ণ অনলাইনে ট্রেড লাইসেন্স পাওয়া যাবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি। একই সঙ্গে কোম্পানি নিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স ও আমদানি-রপ্তানি নিবন্ধন একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনার কাজ চলছে।তিনি আরও বলেন, চামড়া ও পাট শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিতে সরকার সমন্বিত সংস্কার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে, যা ভবিষ্যতে রপ্তানি আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে সহায়ক হবে।সরকার মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, রপ্তানিমুখী শিল্পকে শক্তিশালী করা এবং স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি আরও সুসংহত করতে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।রোববার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাবিত বাজেটের ভূয়সী আরো পড়ুন , পুলিশে নতুন নেতৃত্ব, একযোগে ২১ কর্মকর্তার পদায়নপ্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এই বাজেট তাঁর প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বেশি ইতিবাচক।মন্ত্রী জানান, সরকার আগামী অর্থবছরে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। পাশাপাশি ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।তিনি বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে সরকারি ব্যয়ের দক্ষতা বৃদ্ধি, কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানো এবং সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি অপরিহার্য।মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকার শুধু মুদ্রানীতির ওপর নির্ভর না করে উৎপাদন, পরিবহন ও লজিস্টিক ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সময় কমানো এবং কাস্টমস প্রক্রিয়া সহজ করার কাজও চলছে।গ্যাস সংকট নিরসনে নতুন একটি ভাসমান এলএনজি সংরক্ষণ ও পুনর্গ্যাসীকরণ ইউনিট স্থাপনের মাধ্যমে প্রতিদিন ৫৫০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট অতিরিক্ত গ্যাস সরবরাহের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।ব্যবসা সহজীকরণে সরকার বিভিন্ন সেবা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে একীভূত করছে। খুব শিগগিরই কোনো সরকারি অফিসে না গিয়ে অনলাইনে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করা যাবে বলেও জানান মন্ত্রী।চামড়া শিল্পকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার সাভারের সিইটিপি উন্নয়ন, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন এবং আন্তর্জাতিক মানের সার্টিফিকেশন অর্জনের উদ্যোগ নিয়েছে। এতে ভবিষ্যতে চামড়া রপ্তানি ১০ থেকে ১২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।এ ছাড়া পাট শিল্পে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, বহুমুখী পণ্য উদ্ভাবন এবং চীনের সঙ্গে যৌথ গবেষণাগার স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

পুলিশে নতুন নেতৃত্ব, একযোগে ২১ কর্মকর্তার পদায়ন

পুলিশ প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল করেছে সরকার। বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ২১ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে অতিরিক্ত আইজি, ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি এবং পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তারা রয়েছেন।রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ডিআইজি মুশফেকুর রহমান পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজি হিসেবে পুলিশ সদর দপ্তরে দায়িত্ব পেয়েছেন। এনএসআই পরিচালক ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন পদোন্নতি পেয়ে সিআইডির অতিরিক্ত আইজি হয়েছেন।এছাড়া ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামানকে পুলিশ টেলিকমের অতিরিক্ত আইজি এবং র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ফারুক আহমেদকে পদোন্নতি দিয়ে হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।ডিআইজি অরো পড়ুন , নতুন প্ল্যাটফর্মে যাচ্ছে ইসি, নিরাপত্তা যাচাইয়ে বসছে বিশেষ সভাপর্যায়ে প্রলয় চিসিম, মিয়া মাসুদ করিম, মোহাম্মদ ওসমান গনি এবং এএফএম মোশাররফ হোসেন মিয়াজীকে বিভিন্ন পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার ও এপিবিএনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পদায়ন করা হয়েছে।অতিরিক্ত ডিআইজি পর্যায়েও একাধিক কর্মকর্তাকে র‌্যাব, পুলিশ সদর দপ্তর, এপিবিএন, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি ও অন্যান্য ইউনিটে বদলি করা হয়েছে।পুলিশ সুপার পর্যায়ে কয়েকজন কর্মকর্তাকে পুলিশ সদর দপ্তর, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, রংপুর রেঞ্জ এবং বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা এ প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

নতুন প্ল্যাটফর্মে যাচ্ছে ইসি, নিরাপত্তা যাচাইয়ে বসছে বিশেষ সভা

নির্বাচন কমিশনের নতুন ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা ও সক্ষমতা যাচাইয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার দুপুর আড়াইটায় রাজধানীর নির্বাচন ভবনে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।ইসির সহকারী প্রোগ্রামার (উপাত্ত ও প্রশাসন) এস এম সাদমান সাকিবের সই করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।চিঠিতে বলা হয়, পরীক্ষাধীন ওয়েবসাইটটির রিডিজাইন, হালনাগাদ ও ডেভেলপমেন্ট কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ফাংশনাল, সিকিউরিটি ও লোড টেস্টিং সম্পন্ন করা হবে।সভায় অংশ নেবেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অনুবিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা, টেস্টিং পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) প্রতিনিধিরা এবং ওয়েবসাইট ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান রাইজআপ ল্যাবসের প্রতিনিধিরা।সিস্টেম ম্যানেজারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা দুর্বলতা, একসঙ্গে বিপুল ব্যবহারকারীর চাপ সামলানোর সক্ষমতা এবং সামগ্রিক কার্যকারিতা নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে।নির্বাচন কমিশনের বর্তমান ওয়েবসাইটকে আধুনিকায়নের লক্ষ্যে নতুন প্ল্যাটফর্মে স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে পরীক্ষামূলকভাবে নতুন ওয়েবসাইটের বিভিন্ন প্রযুক্তিগত যাচাই-বাছাই চলছে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভবিষ্যতে ভোটার, রাজনৈতিক দল ও সাধারণ নাগরিকদের জন্য আরও নিরাপদ ও কার্যকর ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করতেই এই আধুনিকায়ন কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরীক্ষাধীন নতুন ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা ও সক্ষমতা যাচাইয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল সোমবার।রোববার ইসির সহকারী প্রোগ্রামার (উপাত্ত ও প্রশাসন) এস এম সাদমান সাকিবের সই করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ওয়েবসাইটটির রিডিজাইন, হালনাগাদ ও আরো পড়ুন , যোগ্য ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীরডেভেলপমেন্ট কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ফাংশনাল টেস্টিং, সিকিউরিটি টেস্টিং এবং লোড টেস্টিং সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে নির্বাচন ভবনে একটি সভা আয়োজন করা হয়েছে।সভায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অনুবিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পাশাপাশি টেস্টিং কার্যক্রম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এবং ওয়েবসাইট ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান Riseup Labs-এর প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।সিস্টেম ম্যানেজারের সভাপতিত্বে সোমবার দুপুর আড়াইটায় নির্বাচন ভবনে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে।জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের বর্তমান ওয়েবসাইট আধুনিকায়নের লক্ষ্যে নতুন প্ল্যাটফর্মে স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন সাইটটি চালুর আগে নিরাপত্তা, কার্যকারিতা এবং একযোগে বিপুল ব্যবহারকারীর চাপ সামলানোর সক্ষমতা যাচাই করতেই এই টেস্টিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।ইসির কর্মকর্তারা বলছেন, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর, নিরাপদ ও ব্যবহারবান্ধব ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই নতুন ওয়েবসাইট উন্নয়ন করা হচ্ছে।

যোগ্য ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বর্তমান প্রজন্মই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। আর সেই ভবিষ্যৎকে সমৃদ্ধ করতে শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই নিজেদের যোগ্য ও দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।রোববার জাতীয় সংসদ ভবনের ভিআইপি ক্যাফেটেরিয়ায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও দর্শনার্থীদের সম্মানে আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি জানান, এ আয়োজনে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের আইন বিভাগের ২৯ জন শিক্ষার্থী, গণসাক্ষরতা অভিযানের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘সুরভী’র মাধ্যমে আসা সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসহ ২১ জন এবং তেজগাঁও কলেজ ডিবেটিং সোসাইটির শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসহ ১৬ জন অংশ নেন।মধ্যাহ্নভোজের সময় প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কথা বলেন, তাদের পড়াশোনার খোঁজখবর নেন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চান।তিনি বলেন, শুধু লেখাপড়া নয়, খেলাধুলা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমেও সমান আরো পড়ুন , সংসদ পরিদর্শনে আসা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানগুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি নিজেকে একজন যোগ্য, দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বর্তমান প্রজন্মকে প্রস্তুত থাকতে হবে। কারণ দেশের আগামীর নেতৃত্ব ও উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হবে আজকের শিক্ষার্থীরাই।এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, সংসদ ভবন ঘুরে দেখা এবং সংসদের কার্যক্রম কাছ থেকে পর্যবেক্ষণের এই অভিজ্ঞতা তাদের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে।উল্লেখ্য, সংসদ ভবন পরিদর্শন কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা সংসদ সচিবালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা নেন। পাশাপাশি সংসদ লাইব্রেরি পরিদর্শন, উত্তর প্লাজায় ফটোসেশন এবং অধিবেশন কক্ষে সংসদের কার্যক্রমও প্রত্যক্ষ করেন।

রাজনীতিরাজনীতি

এনসিপি জনগণের আশা পূরণে ব্যর্থ, অভিজ্ঞতার অভাবে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে

এনসিপি জনগণের আশা পূরণে ব্যর্থ, অভিজ্ঞতার অভাবে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে

এনসিপির অঙ্গসংগঠন যুব শক্তির ঢাকা জেলা উত্তরের আহ্বায়ক সেঁজুতি হোসাইন বলেছেন, অভিজ্ঞতার অভাবের কারণে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) অনেক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর শনিবার (২৭ জুন) একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।সেঁজুতি হোসাইন বলেন, তিনি কোনো পদ-পদবির লোভে বিএনপিতে যোগ দেননি। জনগণের জন্য কাজ করা এবং গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের প্রতি বিশ্বাস থেকেই তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি বলেন, এলাকার সমস্যার সমাধানে কাজ করবেন এবং সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকবেন।আরও  পড়ুন, গণভোটে জনগণ যে রায় দিয়েছে তা সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে : মামুনুল হকএনসিপির সাংগঠনিক কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও নাগরিক কমিটির ব্যানারে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়েছেন। তবে মানুষ নাগরিক কমিটি বা এনসিপিকে সেভাবে চিনত না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সেঁজুতি আরও বলেন, পরিবারকে দূরে ঠেলে, ব্যক্তিগত অর্থ ও সময় ব্যয় করে তিনি এনসিপিকে সংগঠিত করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু বিশেষ করে ঢাকা উত্তর জেলায় দলের কর্মীদের হতাশ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।দলীয় মনোনয়ন প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলে সেঁজুতি অভিযোগ করেন, যোগ্যতা ও সাংগঠনিক অবদান বিবেচনা না করেই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

গণভোটে জনগণ যে রায় দিয়েছে তা সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে : মামুনুল হক

গণভোটে জনগণ যে রায় দিয়েছে তা সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে : মামুনুল হক

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ময়মনসিংহে সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। শনিবার (২৮ জুন) বিকেলে ময়মনসিংহ নগরীর রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বরে আয়োজিত এ সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা বক্তব্য দেন।সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ময়মনসিংহ অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।বক্তব্যে মামুনুল হক বলেন, গণভোটে জনগণ যে রায় দিয়েছে, তা শান্তিপূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা উচিত। তিনি দাবি করেন, জনগণের মতামতের প্রতিফলন ঘটাতে সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।আরও পড়ুন, ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকার এগোচ্ছে না’, অভিযোগ রাজনৈতিক নেতাদেরজুলাই সনদ প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে দীর্ঘ আলোচনার পর রাজনৈতিক দলগুলো যে সংস্কার প্রস্তাবে একমত হয়েছিল, তা পরবর্তীতে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, গণভোটে জনগণ সরাসরি মতামত দিয়েছে এবং সেই রায়ের যথাযথ বাস্তবায়ন হওয়া প্রয়োজন। তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম হয়েছে। তবে বৃহত্তর রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে তারা নির্বাচনের ফল মেনে নিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন।জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সরকারের বিভিন্ন নীতি ও কার্যক্রমের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

‘গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকার এগোচ্ছে না’, অভিযোগ রাজনৈতিক নেতাদের

‘গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকার এগোচ্ছে না’, অভিযোগ রাজনৈতিক নেতাদের

গণভোটে জনগণ রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে রায় দিলেও সরকার তা বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। তারা বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে।শনিবার (২৭ জুন) রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি মিলনায়তনে নাগরিক ঐক্যের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা এসব কথা বলেন।আলোচনা সভায় বক্তারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণ এবং জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সংসদের কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতি পরিচালনা সহজ নয়। এ দেশের মানুষ অত্যন্ত আবেগপ্রবণ এবং সংকট দেখা দিলে দ্রুত ধৈর্য হারিয়ে ফেলেন। ফলে রাজনৈতিক নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হচ্ছে ধৈর্য, সংলাপ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে সংকট মোকাবিলা করা।আরও  পড়ুন, ‘আওয়ামী লীগ দেশকে ভারতের করদরাজ্যে পরিণত করেছিল’ : রাশেদ খানতিনি বলেন, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের আগে দীর্ঘদিন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল একসঙ্গে আন্দোলন করেছে। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পারস্পরিক আস্থা ও সমন্বয়ের ভিত্তিতে এগোতে পারলে দেশের বিদ্যমান সংকট মোকাবিলা সহজ হবে।সভাপতির বক্তব্যে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, নাগরিক ঐক্য প্রতিষ্ঠার পর থেকেই একটি কল্যাণ রাষ্ট্র গড়ার লক্ষ্য নিয়ে রাজনীতি করছে। ক্ষমতায় যাওয়া নয়, মানুষের মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করাই রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত।তিনি বলেন, জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার মধ্য দিয়েই একটি প্রকৃত কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব। মানুষের জীবনে স্বস্তি না এলে রাজনৈতিক পরিবর্তনেরও কোনো অর্থ থাকে না।বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক সরকারের প্রতি জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, গণভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানোর পর সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের উদ্যোগ প্রত্যাহার করায় ভবিষ্যতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

‘আওয়ামী লীগ দেশকে ভারতের করদরাজ্যে পরিণত করেছিল’ : রাশেদ খান

‘আওয়ামী লীগ দেশকে ভারতের করদরাজ্যে পরিণত করেছিল’ : রাশেদ খান

বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, গত ১৮ বছরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকার দেশকে ভারতের করদরাজ্যে পরিণত করেছিল বলেই বাংলাদেশ চীনের মতো উন্নত হতে পারেনি। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বর্তমানে সীমান্তে বিজিবি আগের চেয়ে বেশি সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে।শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।রাশেদ খান বলেন, ‘আজ যারা বলে বিএনপি ভারতের দালালি করছে, তারা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। বিএনপি ভারতের দালালি করলে চীন সফরের আগে সরকারপ্রধান ভারত সফর করতেন।’তিনি আরও বলেন, ‘ভারত আমাদের প্রতিবেশী ও বন্ধু রাষ্ট্র। আমরা ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক চাই। তবে কোনো ধরনের দাদাগিরি বরদাস্ত করা হবে না।’আরও  পড়ুন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি: ডা. শফিকুর রহমানবিএনপির এই নেতা বলেন, ‘জামায়াত ও এনসিপির নেতারা আজ সরকার পতনের হুমকি দিচ্ছেন। অথচ দীর্ঘ ১৭ বছর তারা নিজেদের দলীয় কার্যালয়ের তালাও খুলতে পারেননি। এখন তারা বড় বড় কথা বলছেন।’তিনি এনসিপির নেতা হাসনাত আবদুল্লাহর সমালোচনা করে বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলার আগে নিজের অবস্থানও পর্যালোচনা করা উচিত।’সীমান্ত পরিস্থিতি প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, ‘বিজিবি এখন সাহসের সঙ্গে কথা বলছে। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর সীমান্তে চোখে চোখ রেখে জবাব দেওয়া হচ্ছে।’তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি কোনো দেশের দালালি করে না। বিএনপি ভারতের দালালি করে না, পাকিস্তানের দালালিও করে না।’এ সময় তিনি শিবির-জামায়াতের কিছু নেতার সাম্প্রতিক বিদেশ সফরের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন এবং এ বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন।

সারাবাংলা

গার্ল ইন রোভারদের উদ্যোগে দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক বিউটিশিয়ান কোর্স   সম্পন্ন

গার্ল ইন রোভারদের উদ্যোগে দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক বিউটিশিয়ান কোর্স সম্পন্ন

বাংলাদেশ স্কাউটস রোভার অঞ্চলের উদ্যোগে  গার্ল ইন স্কাউটিং বিভাগ ইডেন মহিলা কলেজে ২১ থেকে ২৩ জুন ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত তিনদিন ব্যাপী গার্ল ইন রোভারদের দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক বিউটিশিয়ান কোর্স  সফলভাবে সম্পন্ন হলো। এই আয়োজনে  ইডেন মহিলা কলেজের সম্মানিত অধ্যক্ষ ম্যাডাম,উপাধ্যক্ষ ম্যাডাম সর্বাত্মক সহযোগিতা করায় গার্ল ইন স্কাউটিং বিভাগের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। ধন্যবাদ জানাচ্ছি ব্যবস্হাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ম্যাডামকে নিজের বিভাগের  ক্লাসরুমকে আমাদের সেশন হল হিসেবে তিনদিন ব্যবহারের সুযোগ করে  দিয়েছিলেন। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা  জানাচ্ছি ইডেন মহিলা কলেজ রোভার স্কাউটস গ্রুপের সম্পাদক,  আরএসএল এবং রোভারদেরকে।তাদের নিরলস পরিশ্রম আমাদের আয়োজনকে স্বার্থক করে তুলেছিল।সারাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গার্ল ইন আরও  পড়ুন, পল্লী বিদ্যুতের বিল নিয়ে গ্রাহকদের ক্ষোভ: এক মাসে দ্বিগুণ বিল, দুর্ভোগের শেষ কোথায়রোভাররা  এসেছিল এই প্রশিক্ষণে অংশ নিতে। বাংলাদেশ স্কাউটস রোভার অঞ্চলের প্রথম আয়োজন ছিল এই বিউটিশিয়ান কোর্স । প্রথমবারের এই আয়োজনে অংশ নিয়ে ৩৭জন গার্ল ইন রোভার দক্ষতা উন্নয়নের এই বিউটিশিয়ান কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করে সার্টিফিকেট অর্জন করে।যা ভবিষ্যতে তাদের  স্বাবলম্বী হতে সহায়ক হবে। আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।ইডেন মহিলা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক সাবিনা ইয়াসমিন ম্যাডাম বলেন - আমি আঞ্চলিক উপ কমিশনার,( গার্ল ইন স্কাউটিং) বাংলাদেশ স্কাউটস রোভার অঞ্চল  এর দায়িত্ব পাওয়ার পর এরকম একটা আয়োজন করতে পারায় মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। আমার সাথে এই  কোর্স এর কর্মকর্তা  হিসেবে উপস্থিত  ছিলেন বাংলাদেশ স্কাউটস রোভার অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, আঞ্চলিক উপ কমিশনার প্রোগ্রাম,আঞ্চলিক উপকমিশনার সিডি এবং আমার সহকর্মী রোমানা আক্তার শিরিন। সকলের প্রতি  কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

পল্লী বিদ্যুতের বিল নিয়ে গ্রাহকদের ক্ষোভ: এক মাসে দ্বিগুণ বিল, দুর্ভোগের শেষ কোথায়

পল্লী বিদ্যুতের বিল নিয়ে গ্রাহকদের ক্ষোভ: এক মাসে দ্বিগুণ বিল, দুর্ভোগের শেষ কোথায়

গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকদের মধ্যে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অসন্তোষ ও ক্ষোভ দিন দিন বাড়ছে। অনেক গ্রাহকের অভিযোগ, গত মাসের তুলনায় চলতি মাসে বিদ্যুৎ বিল অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। একই পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করেও দ্বিগুণ বিল আসছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।স্থানীয় কয়েকজন গ্রাহক জানান, গত দুই থেকে তিন মাস ধরেই বিল আদায়ে নানা ধরনের অসঙ্গতি দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ অভিযোগ করেন, একটি মাসের বিল ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করার পরও একই বিল বিকাশের মাধ্যমেও আদায়ের চেষ্টা করা হয়েছে। এতে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।ভুক্তভোগীদের প্রশ্ন, বিদ্যুৎ ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন না থাকলেও কী কারণে বিল হঠাৎ করে দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে? আরও  পড়ুন ,বগুড়া কাচ্চি ডাইনের ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়যদি এমন পরিস্থিতি চলতেই থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষের ওপর আর্থিক চাপ আরও বাড়বে। অনেকেই মনে করছেন, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা প্রয়োজন।গ্রাহকদের দাবি, বিদ্যুৎ বিল প্রণয়ন ও আদায় ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি দ্বৈত বিল আদায় বা অতিরিক্ত বিলের অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।সচেতন মহল বলছে, বিদ্যুৎ সেবা জনগণের মৌলিক প্রয়োজনের অন্যতম অংশ। তাই বিল সংক্রান্ত যেকোনো অনিয়ম বা ভোগান্তি দ্রুত সমাধান করা না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে।এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর, বিদ্যুৎ বিভাগ এবং পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকরা। তারা আশা করছেন, অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে গ্রাহকবান্ধব ও স্বচ্ছ সেবা নিশ্চিত করা হবে।

বগুড়া কাচ্চি ডাইনের ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়

বগুড়া কাচ্চি ডাইনের ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়

রবিবার (২৮ জুন) দুপুর ১২টা থেকে ২ টা থেকে বগুড়া মহানগরের ইয়াকুবিয়ার মোড়ে অবস্থিত কাচ্চি ডাইন রেস্টুরেন্টে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান পরিচালিত হয়। উক্ত অভিযানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যদ্রব্য এবং খাদ্য তৈরীর উপকরণ ও সরঞ্জামাদি সংরক্ষণ করে রাখতে দেখা যায়। কাঁচা মাছ মাংসের সাথে টক দই ও মসলা জাতীয় খাবার ফ্রিজে সংরক্ষণ করে রাখতে দেখা যায়। এছাড়াও নষ্ট ও ফাংগাসযুক্ত বাসমতি চাল দিয়ে কাচ্চি তৈরি করতে দেখা যায়।আরও পড়ুন, নারায়ণগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন কিচেনে ও স্টোর রুমে ইদুর ও চিকা বিচরণ করতে দেখা যায় এবং এদের মলমূত্রাদি বিভিন্ন খাদ্য সরবরাহের সরঞ্জামাদীতে দেখা যায়।এই সকল অপরাধের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে কাচ্চি ডাইন বগুড়াকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এ ৪০ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানা আরোপ করা হয়। মোহাম্মদ মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে আরো উপস্থিত ছিলেন ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক জনাব ফজিলাতুন্নেছা ফৌজিয়া।অভিযানটিতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন RAB-12 এবং জেলা পুলিশের চৌকস টীম।

নারায়ণগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

নারায়ণগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে 'জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন'-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।রোববার (২৮ জুন ২০২৬) নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান কবির।এ সময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জেরসিভিল সার্জন, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলারউপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও),আরও  পড়ুন, নাটোরে পুকুরে ভাসছিল রিকশাচালকের মরদেহ, উদ্ধার করল পুলিশ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ এবং টিকা গ্রহণে আগত শিশু ও তাদের অভিভাবকরা।অনুষ্ঠানে বক্তারা শিশুদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইনের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং নির্ধারিত বয়সী সকল শিশুকে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান।জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে নির্ধারিত বয়সী শিশুদের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে, যা শিশুর পুষ্টি নিশ্চিতকরণ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আন্তর্জাতিক

তেলবাহী জাহাজে হামলা, উত্তপ্ত হরমুজ প্রণালী

তেলবাহী জাহাজে হামলা, উত্তপ্ত হরমুজ প্রণালী

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালীতে একটি তেলবাহী ট্যাংকার অজ্ঞাত একটি প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা ইউকেএমটিও জানিয়েছে, জাহাজটির ক্যাপ্টেন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন যে, ট্যাংকারটি অজ্ঞাত একটি প্রজেক্টাইলের আঘাতে আক্রান্ত হয়েছে। এতে জাহাজের ব্রিজ বা নিয়ন্ত্রণকক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সব নাবিক নিরাপদ রয়েছেন এবং এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, হামলার পর সমুদ্রে তেল ছড়িয়ে পড়া বা পরিবেশগত কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্যও পাওয়া যায়নি। ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।তদন্তে হামলায় কী ধরনের প্রজেক্টাইল ব্যবহার করা হয়েছে, কারা এর পেছনে রয়েছে এবং হামলার উদ্দেশ্য কী—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এমন এক সময়ে এই ঘটনা ঘটল, যখন হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র আরো পড়ুন , ট্রাম্পের নতুন চমক, বিশেষ সংস্করণের পাসপোর্ট প্রকাশআকার ধারণ করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে উভয় দেশই একে অপরের বিরুদ্ধে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে।বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালীতে যেকোনো নিরাপত্তা সংকট আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার, তেলের দাম এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এই হামলার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২৭ জুন ২০২৬

রাজধানী

মোহাম্মদপুরে র‍্যাবের অভিযানে শামীম পাটালিসহ আটক ৮, উদ্ধার বিদেশি অস্ত্র

মোহাম্মদপুরে র‍্যাবের অভিযানে শামীম পাটালিসহ আটক ৮, উদ্ধার বিদেশি অস্ত্র

রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে কুখ্যাত পাটালি গ্রুপের সেকেন্ড ইন কমান্ড শামীম পাটালিসহ ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-২।রোববার র‍্যাবের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।র‍্যাব জানায়, মোহাম্মদপুর এলাকায় সংঘবদ্ধ ছিনতাই ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত একটি চক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।আরও  পড়ুন, রাজধানীতে ডিবির জালে জামালপুর-১ আসনের সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদঅভিযানে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে বিদেশি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে দুপুর আড়াইটায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে র‍্যাব-২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরবেন।অভিযানটি রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

৯ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

মেসির নতুন ইতিহাস, টানা সাত বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল

মেসির নতুন ইতিহাস, টানা সাত বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল

বিশ্বকাপের মঞ্চে রেকর্ড যেন লিওনেল মেসির নিত্যসঙ্গী। জর্ডানের বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমে দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিকে গোল করে নতুন ইতিহাস গড়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত গ্রুপ ‘জে’-এর ম্যাচে জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শতভাগ জয় নিয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। তবে ম্যাচের সবচেয়ে বড় আলোচনার জন্ম দিয়েছেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি।প্রথমার্ধেই জিওভানি লো সেলসো ও লাউতারো মার্টিনেজের গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। বিরতির পর ৫৫তম মিনিটে মুসা আল তামারির গোলে ব্যবধান কমিয়ে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেয় জর্ডান।আরও্র  পড়ুন, মেসিকে বেঞ্চে রেখেও দাপুটে আর্জেন্টিনা, ৩০ মিনিটেই জর্ডানের জালে দুই গোলএরপর ৬০ মিনিটে লাউতারো মার্টিনেজের বদলি হিসেবে মাঠে নামেন মেসি। মাঠে নেমেই আক্রমণে নতুন গতি যোগ করেন তিনি। ম্যাচের ৮০তম মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে পাওয়া ফ্রি-কিক থেকে নিজের চেনা নিখুঁত শটে জর্ডানের জালে বল জড়ান এই আর্জেন্টাইন তারকা।এই গোলের মধ্য দিয়ে চলতি বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা ছয়ে উন্নীত করেন মেসি। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে টানা সাত ম্যাচে গোল করে গড়েন নতুন ইতিহাস।মেসির গোলেই শেষ পর্যন্ত ৩-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা। এই জয়ে গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচ থেকেই পূর্ণ ৯ পয়েন্ট সংগ্রহ করে গ্রুপ ‘জে’-এর শীর্ষে থেকে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে লিওনেল স্কালোনির দল। নকআউট পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ কেপ ভার্দে।

আইন আদালত

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে আটকের পর কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা সাজিয়ে গুলি ও নির্যাতনের মাধ্যমে পঙ্গু করার অভিযোগে দায়ের করা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার আজ শুরু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলাটির সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) ও সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।আরও পড়ুন, ‘আমি শুধু ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার’: আসামি সোহেলমামলাটি শুনানি করবেন মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। মামলার প্রধান আসামি আনিসুর রহমান-সহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম চলবে।প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর চৌগাছা উপজেলা শাখার তৎকালীন সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন এবং সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিন-কে একটি মামলায় আটক করে পুলিশ। অভিযোগে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারের পর তাদের আদালতে হাজির না করে কয়েকদিন নির্যাতন করা হয়।আরও পড়ুন, শিশু রামিসা হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি আজপ্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ একটি সাজানো ঘটনা তৈরি করে দুই নেতার পায়ে গুলি করা হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে চিকিৎসার একপর্যায়ে তাদের পা কেটে ফেলতে হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় আরও বলা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অস্ত্র মামলাটি পরবর্তীতে আদালতে ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়।এর আগে গত ২০ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। সে সময় আদালতে উপস্থিত আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। বর্তমানে অভিযুক্তদের মধ্যে আকিকুল ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান এবং জহরুল হক কারাগারে রয়েছেন।আরও পড়ুন, সাইপ্রাসে এস আলমের ভবন জব্দের নির্দেশঅন্যদিকে প্রধান আসামি আনিসুর রহমান, সাবেক ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল এবং এসআই মাজেদুল পলাতক রয়েছেন বলে ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানিয়েছে। উল্লেখ্য, মামলার অভিযোগগুলো প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত অভিযোগ। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের রায়ের মাধ্যমে অভিযুক্তদের দায়-দায়িত্ব চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর