দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 999.3 hPa
34.6° 59%
20° 9mm
চট্টগ্রাম 1001.4 hPa
30.7° 73%
150° 6mm
রাজশাহী 1000.1 hPa
35.3° 61%
9mm
খুলনা 998.9 hPa
30° 88%
9mm
বরিশাল 998.9 hPa
31° 73%
30° 9mm
সিলেট 999.2 hPa
35.2° 56%
20° 9mm
রংপুর 1000.4 hPa
34.7° 58%
9mm
ময়মনসিংহ 1000.2 hPa
35° 59%
400° 9mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

গুলশান ২৬-এ কথিত গেস্ট হাউস সিন্ডিকেটের রহস্য

গুলশান ২৬-এ কথিত গেস্ট হাউস সিন্ডিকেটের রহস্য

রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান। কূটনৈতিক এলাকা, আবাসিক ভবন, করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার কারণে রাজধানীর অন্যতম সংবেদনশীল এলাকা হিসেবে পরিচিত এই অঞ্চল। অথচ গুলশান ২৬ নম্বর রোডের ২০/সি বাড়িটির গেস্ট হাউসকে ঘিরে ওঠা নানা অভিযোগ এখন নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে আবাসিক এলাকার ভবনে গেস্ট হাউস পরিচালনার বৈধতা কতটুকু, এসব প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত ব্যবহার কী, আর সেখানে বাস্তবে কী ধরনের ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে?আরও পড়ুন: গুলশান ২৬ নাম্বার রোডে গেস্ট হাউসের আড়ালে ‘স্কর্ট সার্ভিস’ ও মাদকের অভিযোগআগের অনুসন্ধানে গেস্ট হাউসের আড়ালে কথিত ‘স্কর্ট সার্ভিস’, মাদক সিন্ডিকেটের আনাগোনা, ঘণ্টাভিত্তিক কক্ষ বরাদ্দ এবং মধ্যস্থতাকারী বা দালাল চক্রের তৎপরতার অভিযোগ সামনে আসে। এসব অভিযোগের সবকটি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে অনুসন্ধানের সময় সংবাদকর্মীদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার ঘটনা এবং সংশ্লিষ্ট এক কর্তৃপক্ষের বক্তব্য“এখন ব্যবসার ধরন পাল্টিয়েছি।কোনো আবাসিক এলাকায় সাইন বোর্ডবিহীন গেস্ট হাউস দেখা গেলেই সেটিকে অবৈধ বলা যায়। একইভাবে শুধু একটি ট্রেড লাইসেন্স থাকলেই কোনো ভবনের ব্যবহার স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৈধ হয়ে যায় না। ভবনটির অনুমোদিত ব্যবহার, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি, ব্যবসার ধরন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র—সবকিছু মিলিয়েই বৈধতার বিষয়টি নির্ধারিত হয়।আরও পড়ুন: বনানীতে শৈশবের স্পা সেন্টার ঘিরে নারী ও দালাল সিন্ডিকেটভবনটি মূলত কী ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত? সেখানে গেস্ট হাউস পরিচালনার অনুমোদন আছে কি? ব্যবসার ধরন পরিবর্তন করা হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে কি? ট্রেড লাইসেন্সে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম কী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে? অগ্নিনিরাপত্তা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন রয়েছে কি?অনুসন্ধানের সময় গেস্ট হাউসের এক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “ভাই, এখন ব্যবসার ধরন পাল্টিয়েছি। এই সংক্ষিপ্ত বক্তব্যই নতুন অনুসন্ধানের দরজা খুলে দিয়েছে। কারণ ব্যবসার ধরন পরিবর্তন একটি সাধারণ বিষয় হলেও, আবাসিক এলাকার কোনো ভবনে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অনুমোদন ও ব্যবহারবিধির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।  যদি প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে শুধুই বৈধ আবাসনসেবা দিয়ে থাকে, তাহলে সেই কার্যক্রমের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে আপত্তি থাকার কথা নয়। আবার যদি আগের অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন হয়, তাহলে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও তা পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করার সুযোগ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি কামরুজ্জামানসহ একাধিক পার্টনার রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে গেস্ট হাউসের আড়ালে কথিত ‘স্কর্ট সার্ভিস’, মাদক সিন্ডিকেটের আনাগোনা, ঘণ্টাভিত্তিক কক্ষ বরাদ্দ এবং মধ্যস্থতাকারী বা দালাল চক্রের তৎপরতায় চলছে তাদেও অবৈধ গেষ্ট হাউজটি।আরও পড়ুন: বনানীর ২৭ নম্বর রোডের স্পা নিয়ে প্রশ্নের শেষ কোথায়?অনুসন্ধানের সময় সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগটিও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। গেস্ট হাউসের মতো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তার জন্য কর্মী থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু কোনো সাংবাদিক তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে প্রবেশমুখে একাধিক ব্যক্তি বাধা দিলে কিংবা তাদের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে ভেতরে প্রবেশের সুযোগ না দিলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে কী এমন তথ্য রয়েছে, যা বাইরে প্রকাশ পেতে দেওয়া হচ্ছে না? আসলে বাইরে থেকে অনুমান করা খুবই কঠিন ভিতওে কি হচ্ছে।স্থানীয় পর্যায়ে আরও একটি অভিযোগ রয়েছে, গেস্ট হাউসকেন্দ্রিক কিছু মধ্যস্থতাকারী বা কথিত দালাল বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে। এই অভিযোগও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। কারণ কাউকে দালাল হিসেবে চিহ্নিত করতে হলে তার ভূমিকার নির্ভরযোগ্য প্রমাণ থাকা জরুরি। তবে কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রবেশমুখে নিয়মিতভাবে এমন ব্যক্তিদের উপস্থিতি থাকে কি না, তারা অতিথিদের সঙ্গে কী ধরনের যোগাযোগ করে এবং প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনার সঙ্গে তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক সম্পর্ক রয়েছে কি না এসব বিষয় তদন্তের আওতায় আনা যেতে পারে। গেস্ট হাউসকে ঘিরে মাদক সিন্ডিকেটের আড্ডার অভিযোগও সামনে এসেছে। কিন্তু এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ প্রমাণের জন্য প্রয়োজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত। আরও পড়ুন: দারুস সালামে আবাসিক হোটেলের আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগগুলশানের আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক পরিবেশ। একটি ভবনে যদি দিনের পর দিন অপরিচিত মানুষের যাতায়াত বাড়ে, দিনে বা রাতে অস্বাভাবিক গতিবিধি দেখা যায়, বিভিন্ন গাড়ি স্বল্প সময়ের জন্য আসা-যাওয়া করে অথবা ভবনের সামনে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের অবস্থান দেখা যায় তাহলে আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, কোনো এলাকায় অপরাধের পরিবেশ তৈরি হওয়ার আগে সাধারণত কিছু ছোটখাটো অনিয়ম দেখা দিতে পারে। পরিচয় যাচাই না করা, সন্দেহজনক ব্যক্তিদের অবাধ যাতায়াত, স্বল্পমেয়াদি কক্ষ ব্যবহার এবং স্থানীয়দের অভিযোগকে গুরুত্ব না দেওয়া এসব বিষয় ভবিষ্যতে বড় সমস্যার কারণ হতে পারে।আরও পড়ুন: মাদারীপুর সদর থানার অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিসহ আটক ৩গণমাধ্যমের দায়িত্ব হলো প্রশ্ন তোলা, তথ্য সংগ্রহ করা এবং জনস্বার্থের বিষয় সামনে আনা। একই সঙ্গে সংবাদ প্রকাশের আগে অভিযোগের পক্ষে যতটা সম্ভব নথি, প্রত্যক্ষ তথ্য, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এবং অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য সংগ্রহ করা সাংবাদিকতার মৌলিক দায়িত্ব। এর পাশাপাশি প্রশ্ন রয়েছে, কক্ষগুলো কীভাবে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, অতিথিদের পরিচয় কীভাবে সংরক্ষণ করা হয়, প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান ব্যবসার ধরন কী এবং প্রবেশমুখে সাংবাদিকদের বাধা দেওয়ার কারণই বা কী।আরও পড়ুন: টেকনাফে পুলিশের অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও ৭৯ রাউন্ড গুলিসহ পলাতক আসামি গ্রেপ্তারগেস্ট হাউস কর্তৃপক্ষ যদি বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট অনুমোদন ও কার্যক্রম সম্পর্কে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দেওয়ার সুযোগ তাদের রয়েছে। অন্যদিকে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উচিত দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া। কারণ গুলশানের মতো আবাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে শুধু ব্যবসা করাই যথেষ্ট নয় আইন, অনুমোদন, নিরাপত্তা ও জনস্বার্থ সবকিছুর সমন্বয় নিশ্চিত করাও জরুরি।গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দাউদ হোসেন বলেন, “গুলশান ২৬ নম্বর রোডের গেস্ট হাউসকে ঘিরে যেসব অভিযোগের কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখব। কোনো প্রতিষ্ঠান বৈধ অনুমোদনের বাইরে কার্যক্রম পরিচালনা করছে কি না, মাদক বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তা যাচাই করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যাতে ভিত্তিহীন অভিযোগ না ওঠে, সেটিও আমরা গুরুত্ব দিয়ে দেখব।”

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

শিশু রামিসা ধর্ষণ হত্যা মামলা হাইকোর্টে শুনানি শুরু শিগগিরই

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত ও মাগুরার আছিয়া হত্যা মামলার শুনানি শেষ হওয়ার পরই রামিসা হত্যা মামলার শুনানি শুরু হবে।বুধবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল।জানা গেছে, বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের পাশাপাশি আসামিপক্ষের আইনি প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের নির্দেশ দেন।আরও  পড়ুন. সাবেক রাষ্ট্রপতিসহ ২০ জনের তদন্ত প্রতিবেদন ২৭ অক্টোবরএর পর গত ২৫ জুন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের পক্ষে আইনি লড়াইয়ের জন্য সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাফিজুর রহমান খানকে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন সোহেল রানা। এ ঘটনায় তাকে সহযোগিতা করেন তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার। মামলার বিচার শেষে অপরাধের গুরুত্ব ও নৃশংসতা বিবেচনায় দুজনকেই মৃত্যুদণ্ড দেন ঢাকার শিশু অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।রায় ঘোষণার পর দুই আসামিকে কনডেম সেলে পাঠানো হয়। পরে তারা রায়ের বিরুদ্ধে জেল আপিল করেন।এখন হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে মামলাটি। নুসরাত ও আছিয়া হত্যা মামলার শুনানি শেষ হলেই রামিসা হত্যা মামলার শুনানি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

সাবেক রাষ্ট্রপতিসহ ২০ জনের তদন্ত প্রতিবেদন ২৭ অক্টোবর

ইসলামী ব্যাংকের ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার অধিগ্রহণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৭ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত।মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবিরের আদালতে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ছিল। তবে তদন্তকারী সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন, দুদক নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, পারস্পরিক যোগসাজশে ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের নামে ইসলামী ব্যাংকের প্রায় ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার অধিগ্রহণ করা হয়।আরও পড়ুন, কিশোরগঞ্জ থেকে যাত্রা, পর্যায়ক্রমে সারাদেশে চালু হবে ফ্যামিলি কার্ডবাদীর অভিযোগ অনুযায়ী, কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ছিল মাত্র ৮ লাখ টাকা, অথচ তাদের নামে প্রায় ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার অধিগ্রহণ করা হয়, যা আর্থিক সক্ষমতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।মামলায় সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ১২ নম্বর আসামি করা হয়েছে। এছাড়া এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ওরফে এস আলমসহ আরও ১৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ইসলামী ব্যাংকের এক কর্মকর্তা আদালতে মামলার আবেদন করলে আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে দুদককে তদন্তের নির্দেশ দেন।

কিশোরগঞ্জ থেকে যাত্রা, পর্যায়ক্রমে সারাদেশে চালু হবে ফ্যামিলি কার্ড

দেশের দরিদ্র মানুষের জন্য সরকারের বহুল আলোচিত ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি আগামী ১৬ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হচ্ছে। প্রথম ধাপে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।এর আগে গত ১০ মার্চ দিনাজপুর থেকে এই কর্মসূচির পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছিল। পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে ইতিবাচক ফল পাওয়ার পর এবার সারাদেশে পর্যায়ক্রমে কর্মসূচি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী চার বছরের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে। আরও  পড়ুন, তিন দশকের বেশি সময় পর ফিরছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ২০ আগস্ট সংসদে ভোটতবে তথ্য সংগ্রহ ও মূল্যায়নের ভিত্তিতে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো প্রকৃত দরিদ্র পরিবারকে সঠিকভাবে শনাক্ত করে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পদ্ধতিতে সামাজিক নিরাপত্তা সহায়তা পৌঁছে দেওয়া।জানা গেছে, ইউনিয়ন পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ের দায়িত্বে থাকবেন প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তারা। উপজেলা পর্যায়ে ইউএনওর নেতৃত্বে, জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে এবং বিভাগীয় পর্যায়ে বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে পৃথক কমিটি কাজ করবে।সরকারের আশা, অক্টোবরের শেষ নাগাদ দেশের সব উপজেলা ও ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির কার্যক্রম শুরু হবে।

তিন দশকের বেশি সময় পর ফিরছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ২০ আগস্ট সংসদে ভোট

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর দেশে আবারও ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্যদের প্রকাশ্য ভোটে নির্বাচিত হবেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি।নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তবে সাধারণ নির্বাচনের মতো দেশের সাধারণ ভোটাররা এ নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন না। সংসদ সদস্যদের ভোটেই নির্বাচিত হবেন রাষ্ট্রপতি।বর্তমান সংসদে বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীর জয় একপ্রকার নিশ্চিত বলেই রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।আরও  পড়ুন, মার্কিন বিনিয়োগ বাড়াতে সরকারের পূর্ণ সহযোগিতার বার্তা প্রধানমন্ত্রীরএবারের নির্বাচনে ১১ দলীয় জোট কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করেছে। তার পক্ষে ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। অন্যদিকে বিএনপিও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও এখনো তাদের আনুষ্ঠানিক প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি।৩৫০ আসনের সংসদে বিএনপির রয়েছে ২৪৭টি আসন, জামায়াতে ইসলামীর ৭৭টি এবং এনসিপির ৮টি আসন। ফলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফল নির্ধারণে সংসদের দলীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৩ আগস্ট, যাচাই-বাছাই ১৬ আগস্ট এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৮ আগস্ট। ভোটগ্রহণ হবে ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

রাজনীতিরাজনীতি

রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল চূড়ান্ত ঘোষণা বৃহস্পতিবার

রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল চূড়ান্ত ঘোষণা বৃহস্পতিবার

রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী কে—এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জল্পনা এখন তুঙ্গে। দলীয় সূত্র বলছে, সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করবে না বিএনপি। বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়ই বিষয়টি স্পষ্ট হবে।বিএনপির দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র জানিয়েছে, দলের স্থায়ী কমিটি রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মনোনয়নের দায়িত্ব দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করেছে। এরই মধ্যে মির্জা ফখরুলের মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থীর সম্মতিসূচক স্বাক্ষর বা লিখিত সম্মতির প্রয়োজন থাকায় সেই প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের দাবি।এদিকে নির্বাচন কমিশন থেকে বিএনপির পক্ষ থেকে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে একই প্রার্থীর নামে একাধিক মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।আরও পড়ুন. ভারত শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশ বিরোধী কর্মকাণ্ডের সুযোগ দিচ্ছে: নাহিদ ইসলামঅন্যদিকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিশ্চিত করতে মাঠে নেমেছে জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। জোটটি বিএনপির সাবেক নেতা ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত অলি আহমদকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে।নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে। আর ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হবে ভোট।রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরা। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকায় সংসদ সদস্যরা নিজ দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ভোট দিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম।ফলে শেষ পর্যন্ত বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরই মনোনয়ন পান কি না, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত।

ভারত শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশ বিরোধী কর্মকাণ্ডের সুযোগ দিচ্ছে: নাহিদ ইসলাম

ভারত শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশ বিরোধী কর্মকাণ্ডের সুযোগ দিচ্ছে: নাহিদ ইসলাম

ভারত তার ভূখণ্ড ব্যবহার করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।তিনি দাবি করেন, এটি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, বিচারব্যবস্থা এবং জনগণের গণতান্ত্রিক রায়ের প্রতি সরাসরি অবমাননা।এক প্রতিক্রিয়ায় নাহিদ ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে চলমান বিচারিক প্রক্রিয়া এবং রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে ভারতের এমন ভূমিকা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের জন্যও নেতিবাচক বার্তা বহন করছে।আরও  পড়ুন, জুলাই সনদ অবিলম্বে বাস্তবায়ন করুন : মামুনুল হকতিনি আরও বলেন, একটি প্রতিবেশী রাষ্ট্রের উচিত অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে এমন কোনো অবস্থান না নেওয়া, যা ওই দেশের বিচারব্যবস্থা বা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।এনসিপির আহ্বায়ক অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনাকে কেন্দ্র করে ভারত যে অবস্থান নিয়েছে বলে তিনি দাবি করছেন, তা বাংলাদেশের জনগণের রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।তবে নাহিদ ইসলামের এই বক্তব্যের বিষয়ে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুলাই সনদ অবিলম্বে বাস্তবায়ন করুন : মামুনুল হক

জুলাই সনদ অবিলম্বে বাস্তবায়ন করুন : মামুনুল হক

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, গণভোটের রায় অনুযায়ীই বর্তমান শাসনব্যবস্থা পরিচালনা করতে হবে। গণভোটকে অবৈধ ঘোষণা করা হলে সরকারের নিজস্ব বৈধতাও প্রশ্নবিদ্ধ হবে।রোববার দিবাগত রাতে ফরিদপুরের সদরপুর স্টেডিয়ামে উপজেলা খেলাফত মজলিস আয়োজিত এক নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মামুনুল হক দাবি করেন, বিপুল অর্থ ব্যয়ে অনুষ্ঠিত গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট দিয়েছেন। এটি জনগণের সুস্পষ্ট ম্যান্ডেট এবং ৩৩টি রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যে প্রস্তুত ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল।আরও  পড়ুন, ভিডিও ফাঁসের জেরে এমপি গাজী নজরুলসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলাতিনি বলেন, তাদের আন্দোলন সরকার পতনের জন্য নয়; বরং জনগণের রায় অনুযায়ী জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য। সরকারের নৈতিক দায়িত্ব হলো জনগণের সেই রায়কে সম্মান জানানো।শাসনিক সংস্কারের বিষয়ে তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে প্রশাসনকে দলীয়করণ করা হয়েছিল। ভবিষ্যতে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত প্রশাসনিক নিয়োগ নিশ্চিত করতে একটি নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সার্ভিস কমিশন গঠনের দাবি জানান তিনি।সমাবেশে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ভিডিও ফাঁসের জেরে এমপি গাজী নজরুলসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা

ভিডিও ফাঁসের জেরে এমপি গাজী নজরুলসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ব্যক্তিগত ভিডিওকে কেন্দ্র করে এবার আইনি জটিলতায় পড়েছেন সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।ভিডিও ফাঁসের সন্দেহ এবং কথিত অনৈতিক সম্পর্কের প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গাজী নজরুল ইসলামসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ওবায়দুর রহমান নামে এক ব্যক্তি।গত ২২ জুলাই রাজধানীর পল্লবী থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বাদী ওবায়দুর রহমান দাবি করেছেন, তিনি সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত গাড়িচালক হিসেবে কাজ করতেন এবং পল্লবীর কালশী এলাকায় তার বোনের বাসায় থাকতেন।এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, আত্মীয়তার সূত্রে ওই বাসায় যাতায়াতের সময় গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে বাদীর ভাগ্নির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। বিষয়টি জানতে পেরে ওবায়দুর রহমান তাকে এ সম্পর্ক থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।আরও পড়ুন. ‘নিয়োগ বাণিজ্য অনেকের কাছে মধুর চাক’ জামায়াত আমিরের তীব্র সমালোচনাবাদীর আরও অভিযোগ, মগবাজারের একটি চক্র গাজী নজরুল ইসলাম ও ওই তরুণীর কিছু ব্যক্তিগত ভিডিও সংগ্রহ করে তাকে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে। সংসদ সদস্যের ধারণা ছিল, ওবায়দুর রহমান ওই ভিডিও ধারণ করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও গণমাধ্যমের কাছে দিয়েছেন।এই বিরোধের জেরে গত ১৪ জুলাই হামলার ঘটনা ঘটে বলে মামলার এজাহারে দাবি করা হয়েছে।এজাহার অনুযায়ী, ওইদিন আমিনুর রহমান কৌশলে ওবায়দুর রহমানকে একটি ড্রয়িংরুমে ডেকে নেন। সেখানে অন্য আসামিদের সঙ্গে নিয়ে তাকে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তাকে মাটিতে ফেলে গলা টিপে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এ সময় পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে এসে চিৎকার করলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে কুর্মিটোলা হাসপাতালে চিকিৎসা নেন ওবায়দুর রহমান।এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় এর আগে গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।পরে গত ২২ জুলাই জরুরি বৈঠকে নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানায় জামায়াত।তবে মামলায় করা অভিযোগগুলোর বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। ঘটনার তদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারিত হবে।

সারাবাংলা

হিজলায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা বাল্যবিয়ে মাদক অপরাধ দমনে সামাজিক প্রতিরোধের ডাক

হিজলায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা বাল্যবিয়ে মাদক অপরাধ দমনে সামাজিক প্রতিরোধের ডাক

হিজলায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা: বাল্যবিয়ে, মাদক ও অপরাধ দমনে সামাজিক প্রতিরোধের ডাকবরিশালের হিজলা উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বাল্যবিয়ে, ইভটিজিং, কিশোরদের ঝুঁকিপূর্ণ ও অবৈধভাবে ড্রাইভিং, অবৈধ ড্রেজার এবং ইয়াবা-গাঁজাসহ মাদকের বিস্তার রোধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একইসঙ্গে এসব অপরাধ নির্মূলে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়।উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হিজলা উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জনাব ইলিয়াস শিকদার। আরও পড়ুন. হরিনাথপুর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিতসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জনাব সুলাইমান হোসেন, বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সাংবাদিকরা।সভায় বক্তারা বলেন, মাদক ও ইভটিজিংয়ের মতো সামাজিক ব্যাধি থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করতে হলে আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক ও অভিভাবকসহ সর্বস্তরের মানুষকে একসাথে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলেদের মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহন চালানো বন্ধে এবং নদীপথে অবৈধ ড্রেজার চালানো রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে থাকবে বলে জানান বক্তারা।উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব ইলিয়াস শিকদার তাঁর বক্তব্যে বলেন, "উপজেলার সর্বত্র শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি অনুসরণ করবে।আরও পড়ুন. মাদারীপুরে হত্যা ও বিস্ফোরক মামলার পলাতক আসামিসহ তিনজন গ্রেপ্তারমাদক, ইভটিজিং ও বাল্যবিয়ের মতো অপরাধ সামাজিক অভিশাপ। এগুলো প্রতিরোধে প্রতিটি ইউনিয়নে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হবে।"হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব সুলাইমান হোসেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সুরক্ষায় উপস্থিত সকলকে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান এবং যেকোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

 হরিনাথপুর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

হরিনাথপুর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

বরিশালের হিজলা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী হরিনাথপুর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার গুণগতমান উন্নয়নের লক্ষ্যে এক সুধী ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ সমাবেশে শিক্ষক, অভিভাবক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হিজলা উপজেলার সুযোগ্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনাব ইলিয়াস শিকদার।তিনি তাঁর বক্তব্যে শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে অভিভাবক ও শিক্ষকদের যৌথ ভূমিকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পুলিশ এসআই ফোরকান।আরও পড়ুন. মাদারীপুর সদর থানার অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিসহ আটক ৩এছাড়া আমন্ত্রিত অতিথি ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হরিনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক সালাউদ্দিন সরদার, হিজলা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক বারেক মাঝি, হরিনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আব্দুস সাত্তার মাঝী, হিজলা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য ইমরান খন্দকার, বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান হিরা, হরিনাথপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আরিফ হোসেন এবং ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সালাম খানসহ এলাকার অন্যান্য রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ।সমাবেশে বক্তারা বিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষার পরিবেশ সৃষ্টি, সুশাসন ও ছাত্রীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। মুক্ত আলোচনা পর্বে অভিভাবকগণ তাঁদের সন্তানদের পড়াশোনার অগ্রগতি ও নানা বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন। পরিশেষে, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সমাপনী বক্তব্য ও ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে সমাবেশ সম্পন্ন হয়।

মাদারীপুর সদর থানার অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিসহ আটক ৩

মাদারীপুর সদর থানার অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিসহ আটক ৩

মাদারীপুর জেলার মাননীয় পুলিশ সুপার জনাব মোঃ হাবিবুর রহমান মহোদয়ের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ফোর্সের সমন্বয়ে মাদক, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের বিরুদ্ধে চলমান সাড়াঁশি অভিযান পরিচালনা কালে মাদারীপুর জেলার সদর মডেল থানা এলাকা হতে ৩০০ (তিনশত) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও একটি আগ্নেয়াস্ত্র (পিস্তল) উদ্ধার।মাদারীপুর জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ফোর্সসহ মাদকদ্রব্য, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার বিশেষ অভিযানআরও  পড়ুন, মাদারীপুরে হত্যা ও বিস্ফোরক মামলার পলাতক আসামিসহ তিনজন গ্রেপ্তারপরিচালনাকালে ১০/০৮/২০২৬ খ্রি. ১৮.৪০ ঘটিকার সময় মাদারীপুর জেলার সদর মডেল থানাধীন চর খোয়াজপুর টেকেরহাট সাকিনস্থ আঃ জব্বার তালুকদার (৭৮) এর মালিকানাধীন তিন তলা বিল্ডিং এর ৩য় তলার উত্তর পার্শ্বের ১ম ইউনিটের ভাড়াটিয়া পলাতক আসামী সাব্বির হোসেন হৃদয়ের (২৬) বসত রুম হতে ৩০০ (তিনশত) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও একটি আগ্নেয়াস্ত্র (পিস্তল) উদ্ধার করা হয়।উল্লেখ্য, পলাতক আসামির বিরুদ্ধে প্রেফতারের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চলমান ও আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।মাদক, কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজসহ অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মাদারীপুরে হত্যা ও বিস্ফোরক মামলার পলাতক আসামিসহ তিনজন গ্রেপ্তার

মাদারীপুরে হত্যা ও বিস্ফোরক মামলার পলাতক আসামিসহ তিনজন গ্রেপ্তার

মাদারীপুর জেলার মাননীয় পুলিশ সুপার জনাব মোঃ হাবিবুর রহমান মহোদয়ের নির্দেশনায় মাদারীপুর সদর মডেল থানার বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে মাদারীপুর সদর মডেল থানাধীন নতুন মাদারীপুর এলাকা হইতে আসামী  গ্রেফতার।মাদারীপুর  সদর মডেল থানার ইন্সপেক্টর(তদন্ত) মোঃ মহসীন, এসআই/সুমন খান সহ সঙ্গীয় ফোর্সের সমন্বয়ে সদর থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে ১১/০৮/২০২৬ খ্রি. বেলা  ১১:১০  ঘটিকার সময় মাদারীপুর জেলার সদর মডেল থানাধীন নতুন মাদারীপুর এলাকা হইতে হত্যা,মারামারি, বিষ্ফোরক সহ সর্বমোট ০৭ টি মামলার পলাতক আসামি ও ওয়ারেন্ট ভুক্ত পলাতক আসামি  ১) ইয়াছিন বেপারী (৩২), পিতা- এলাহী, মাতা-কুট্টি, সাং-পশ্চিম রাস্তি,থানা-সদর মডেল,জেলা-মাদারীপুর ও  একাধিক মারামারি মামলা ও ছিনতাই মামলার আসামী ২)আরও  পড়ুন, সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা, গাজীপুর মাইক্রোস্ট্যান্ড মালিক সমিতির বার্ষিক বনভোজনহুমায়ুন মাতুব্বর (৩৪),পিতা-মৃত রহমান মাতুব্বর, সাং-পশ্চিম রাস্তি,থানা-সদর মডেল,জেলা-মাদারীপুর ও তাদের সহযোগী আসামি ৩) সজল বেপারী (১৮),পিতা-মোঃ সুমন বেপারী,সাং-পশ্চিম মাদারীপুর, থানা-সদর মডেল,জেলা- মাদারীপুরদ্বয় দের আটক করা হয়।  কিছুদিন আগে এক প্রবাসীর বাসায় ঢুকে দেশীয় অস্ত্র হাতে ইয়াছিন বেপারীর ডাকাতির চেষ্টার একটি সিসিটিভি ফুটেজ ফেসবুকে ভাইরাল হয় যা পুলিশের নজরে আসে এবং তাকে গ্রেফতারের সর্বোত্মক প্রচেষ্টা চালানো হয়।গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা  প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।মাদারীপুর জেলা পুলিশের হত্যা,মাদক, সন্ত্রাস, কিশোর গ্যাং, নিষিদ্ধ সংগঠনের দুষ্কৃতিকারী, ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি ও অন্যান্য অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আন্তর্জাতিক

কোকোর কবর জিয়ারতে রিজভী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ

কোকোর কবর জিয়ারতে রিজভী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ ছেলে মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বনানী কবরস্থানে তার কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।কবর জিয়ারত শেষে রিজভী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন এবং তিনি ছিলেন একজন বরেণ্য মুক্তিযোদ্ধা। তার দাবি, মুক্তিযুদ্ধের এই পরিবারকে ধ্বংস করতে শেখ হাসিনা এমন কোনো কাজ নেই যা করেননি।রিজভী অভিযোগ করেন, জিয়াউর রহমানের পরিবারকে রাজনৈতিকভাবে পর্যুদস্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ড, অপপ্রচার ও মিথ্যাচার করা হয়েছে।আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুর প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশের মধ্যেই কোকো পৃথিবী থেকে চলে যান।আরও পড়ুন. সৌদিতে নিহত নলডাঙ্গার ৩ প্রবাসীর পরিবারের পাশে জামায়াতহৃদরোগে আক্রান্ত কোকোর মৃত্যুকে ঘিরে বেগম খালেদা জিয়ার কষ্টের কথাও তুলে ধরেন তিনি।রিজভী বলেন, বালুর ট্রাক দিয়ে বন্দী করে রাখা খালেদা জিয়ার কোলে সন্তানের লাশ দেওয়ার ঘটনা ছিল অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও মর্মান্তিক। তার ভাষায়, এটি ছিল একজন শাসকের প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ।তিনি আরও অভিযোগ করেন, জিয়া পরিবারের জনপ্রিয়তা মুছে দিতে শেখ হাসিনা বিভিন্ন কৌশল নিয়েছেন। অপপ্রচার ও মিথ্যাচারের মাধ্যমে পরিবারটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।বিএনপির এই নেতা বলেন, জনগণের ধাওয়ায় শেখ হাসিনাকে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে। আর শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ সন্তান তারেক রহমান বর্তমানে জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

৪ ঘন্টা আগে

রাজধানী

গুলশান ২৬-এ কথিত গেস্ট হাউস সিন্ডিকেটের রহস্য

গুলশান ২৬-এ কথিত গেস্ট হাউস সিন্ডিকেটের রহস্য

রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান। কূটনৈতিক এলাকা, আবাসিক ভবন, করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার কারণে রাজধানীর অন্যতম সংবেদনশীল এলাকা হিসেবে পরিচিত এই অঞ্চল। অথচ গুলশান ২৬ নম্বর রোডের ২০/সি বাড়িটির গেস্ট হাউসকে ঘিরে ওঠা নানা অভিযোগ এখন নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে আবাসিক এলাকার ভবনে গেস্ট হাউস পরিচালনার বৈধতা কতটুকু, এসব প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত ব্যবহার কী, আর সেখানে বাস্তবে কী ধরনের ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে?আরও পড়ুন: গুলশান ২৬ নাম্বার রোডে গেস্ট হাউসের আড়ালে ‘স্কর্ট সার্ভিস’ ও মাদকের অভিযোগআগের অনুসন্ধানে গেস্ট হাউসের আড়ালে কথিত ‘স্কর্ট সার্ভিস’, মাদক সিন্ডিকেটের আনাগোনা, ঘণ্টাভিত্তিক কক্ষ বরাদ্দ এবং মধ্যস্থতাকারী বা দালাল চক্রের তৎপরতার অভিযোগ সামনে আসে। এসব অভিযোগের সবকটি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে অনুসন্ধানের সময় সংবাদকর্মীদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার ঘটনা এবং সংশ্লিষ্ট এক কর্তৃপক্ষের বক্তব্য“এখন ব্যবসার ধরন পাল্টিয়েছি।কোনো আবাসিক এলাকায় সাইন বোর্ডবিহীন গেস্ট হাউস দেখা গেলেই সেটিকে অবৈধ বলা যায়। একইভাবে শুধু একটি ট্রেড লাইসেন্স থাকলেই কোনো ভবনের ব্যবহার স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৈধ হয়ে যায় না। ভবনটির অনুমোদিত ব্যবহার, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি, ব্যবসার ধরন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র—সবকিছু মিলিয়েই বৈধতার বিষয়টি নির্ধারিত হয়।আরও পড়ুন: বনানীতে শৈশবের স্পা সেন্টার ঘিরে নারী ও দালাল সিন্ডিকেটভবনটি মূলত কী ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত? সেখানে গেস্ট হাউস পরিচালনার অনুমোদন আছে কি? ব্যবসার ধরন পরিবর্তন করা হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে কি? ট্রেড লাইসেন্সে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম কী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে? অগ্নিনিরাপত্তা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন রয়েছে কি?অনুসন্ধানের সময় গেস্ট হাউসের এক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “ভাই, এখন ব্যবসার ধরন পাল্টিয়েছি। এই সংক্ষিপ্ত বক্তব্যই নতুন অনুসন্ধানের দরজা খুলে দিয়েছে। কারণ ব্যবসার ধরন পরিবর্তন একটি সাধারণ বিষয় হলেও, আবাসিক এলাকার কোনো ভবনে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অনুমোদন ও ব্যবহারবিধির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।  যদি প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে শুধুই বৈধ আবাসনসেবা দিয়ে থাকে, তাহলে সেই কার্যক্রমের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে আপত্তি থাকার কথা নয়। আবার যদি আগের অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন হয়, তাহলে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও তা পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করার সুযোগ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি কামরুজ্জামানসহ একাধিক পার্টনার রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে গেস্ট হাউসের আড়ালে কথিত ‘স্কর্ট সার্ভিস’, মাদক সিন্ডিকেটের আনাগোনা, ঘণ্টাভিত্তিক কক্ষ বরাদ্দ এবং মধ্যস্থতাকারী বা দালাল চক্রের তৎপরতায় চলছে তাদেও অবৈধ গেষ্ট হাউজটি।আরও পড়ুন: বনানীর ২৭ নম্বর রোডের স্পা নিয়ে প্রশ্নের শেষ কোথায়?অনুসন্ধানের সময় সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগটিও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। গেস্ট হাউসের মতো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তার জন্য কর্মী থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু কোনো সাংবাদিক তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে প্রবেশমুখে একাধিক ব্যক্তি বাধা দিলে কিংবা তাদের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে ভেতরে প্রবেশের সুযোগ না দিলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে কী এমন তথ্য রয়েছে, যা বাইরে প্রকাশ পেতে দেওয়া হচ্ছে না? আসলে বাইরে থেকে অনুমান করা খুবই কঠিন ভিতওে কি হচ্ছে।স্থানীয় পর্যায়ে আরও একটি অভিযোগ রয়েছে, গেস্ট হাউসকেন্দ্রিক কিছু মধ্যস্থতাকারী বা কথিত দালাল বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে। এই অভিযোগও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। কারণ কাউকে দালাল হিসেবে চিহ্নিত করতে হলে তার ভূমিকার নির্ভরযোগ্য প্রমাণ থাকা জরুরি। তবে কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রবেশমুখে নিয়মিতভাবে এমন ব্যক্তিদের উপস্থিতি থাকে কি না, তারা অতিথিদের সঙ্গে কী ধরনের যোগাযোগ করে এবং প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনার সঙ্গে তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক সম্পর্ক রয়েছে কি না এসব বিষয় তদন্তের আওতায় আনা যেতে পারে। গেস্ট হাউসকে ঘিরে মাদক সিন্ডিকেটের আড্ডার অভিযোগও সামনে এসেছে। কিন্তু এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ প্রমাণের জন্য প্রয়োজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত। আরও পড়ুন: দারুস সালামে আবাসিক হোটেলের আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগগুলশানের আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক পরিবেশ। একটি ভবনে যদি দিনের পর দিন অপরিচিত মানুষের যাতায়াত বাড়ে, দিনে বা রাতে অস্বাভাবিক গতিবিধি দেখা যায়, বিভিন্ন গাড়ি স্বল্প সময়ের জন্য আসা-যাওয়া করে অথবা ভবনের সামনে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের অবস্থান দেখা যায় তাহলে আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, কোনো এলাকায় অপরাধের পরিবেশ তৈরি হওয়ার আগে সাধারণত কিছু ছোটখাটো অনিয়ম দেখা দিতে পারে। পরিচয় যাচাই না করা, সন্দেহজনক ব্যক্তিদের অবাধ যাতায়াত, স্বল্পমেয়াদি কক্ষ ব্যবহার এবং স্থানীয়দের অভিযোগকে গুরুত্ব না দেওয়া এসব বিষয় ভবিষ্যতে বড় সমস্যার কারণ হতে পারে।আরও পড়ুন: মাদারীপুর সদর থানার অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিসহ আটক ৩গণমাধ্যমের দায়িত্ব হলো প্রশ্ন তোলা, তথ্য সংগ্রহ করা এবং জনস্বার্থের বিষয় সামনে আনা। একই সঙ্গে সংবাদ প্রকাশের আগে অভিযোগের পক্ষে যতটা সম্ভব নথি, প্রত্যক্ষ তথ্য, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এবং অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য সংগ্রহ করা সাংবাদিকতার মৌলিক দায়িত্ব। এর পাশাপাশি প্রশ্ন রয়েছে, কক্ষগুলো কীভাবে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, অতিথিদের পরিচয় কীভাবে সংরক্ষণ করা হয়, প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান ব্যবসার ধরন কী এবং প্রবেশমুখে সাংবাদিকদের বাধা দেওয়ার কারণই বা কী।আরও পড়ুন: টেকনাফে পুলিশের অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও ৭৯ রাউন্ড গুলিসহ পলাতক আসামি গ্রেপ্তারগেস্ট হাউস কর্তৃপক্ষ যদি বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট অনুমোদন ও কার্যক্রম সম্পর্কে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দেওয়ার সুযোগ তাদের রয়েছে। অন্যদিকে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উচিত দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া। কারণ গুলশানের মতো আবাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে শুধু ব্যবসা করাই যথেষ্ট নয় আইন, অনুমোদন, নিরাপত্তা ও জনস্বার্থ সবকিছুর সমন্বয় নিশ্চিত করাও জরুরি।গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দাউদ হোসেন বলেন, “গুলশান ২৬ নম্বর রোডের গেস্ট হাউসকে ঘিরে যেসব অভিযোগের কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখব। কোনো প্রতিষ্ঠান বৈধ অনুমোদনের বাইরে কার্যক্রম পরিচালনা করছে কি না, মাদক বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তা যাচাই করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যাতে ভিত্তিহীন অভিযোগ না ওঠে, সেটিও আমরা গুরুত্ব দিয়ে দেখব।”

২০ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

মিয়ামিতে ফিরছে বার্সার এমএসএন মেসি সুয়ারেজের সঙ্গে নেইমার

মিয়ামিতে ফিরছে বার্সার এমএসএন মেসি সুয়ারেজের সঙ্গে নেইমার

ফুটবল বিশ্বে আবারও আলোচনায় বার্সেলোনার বিখ্যাত ‘এমএসএন’ ত্রয়ী। লিওনেল মেসি ও লুইস সুয়ারেজের সঙ্গে এবার যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের ক্লাব ইন্টার মিয়ামিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমারের।মেসি ও সুয়ারেজ বর্তমানে ইন্টার মিয়ামির সতীর্থ। নেইমারও যদি শেষ পর্যন্ত এই ক্লাবে যোগ দেন, তাহলে প্রায় এক দশক পর একই দলের জার্সিতে আবারও দেখা যাবে মেসি, সুয়ারেজ ও নেইমারকে।২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বার্সেলোনার আক্রমণভাগে এই তিন তারকার সমন্বয় ছিল বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম ভয়ংকর শক্তি। তাদের অসাধারণ পারফরম্যান্সে বার্সেলোনা চ্যাম্পিয়নস লিগসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শিরোপা জিতেছিল।তবে ২০১৭ সালে নেইমার বার্সেলোনা ছেড়ে পিএসজিতে পাড়ি জাওয়ার পর ভেঙে যায় ঐতিহাসিক ‘এমএসএন’ ত্রয়ী। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তিন তারকাকে আর একই দলের হয়ে খেলতে দেখা যায়নি।এবার সেই অপেক্ষার অবসান হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রে।আরও পড়ুন.ব্যাটে-বলে রশিদের ঝড়, সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে আফগানরাব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য সান’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইন্টার মিয়ামির সহ-মালিক ডেভিড বেকহাম নেইমারকে দলে ভেড়ানোর চেষ্টা করতে পারেন।নেইমারের মিয়ামিতে যাওয়ার গুঞ্জনে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন সাবেক ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার ফেলিপে মেলো। তার দাবি, নেইমারের বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে ব্রাজিলিয়ান এই তারকা ইন্টার মিয়ামিতে যেতে পারেন। এমনকি আগামী জানুয়ারি থেকেই তাকে মিয়ামির জার্সিতে দেখা যেতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে এটি এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য নয়।নেইমার নিজেও ভবিষ্যৎ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাননি। সান্তোসের সঙ্গে তার বর্তমান চুক্তি ডিসেম্বর পর্যন্ত। এরপর তিনি কোথায় যাবেন, সান্তোসেই থাকবেন, নাকি ক্যারিয়ার নিয়ে অন্য সিদ্ধান্ত নেবেন—তা এখনো অনিশ্চিত।তাই আপাতত মেসি-সুয়ারেজ-নেইমারের পুনর্মিলন শুধুই সম্ভাবনা। তবে নেইমার মিয়ামিতে গেলে ফুটবলপ্রেমীরা আবারও উপভোগ করতে পারবেন বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ত্রয়ী ‘এমএসএন’-এর নতুন অধ্যায়।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর