দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1002.5 hPa
27° 78%
540° 15mm
চট্টগ্রাম 1003.9 hPa
28.4° 85%
540° 15mm
রাজশাহী 1002.1 hPa
29° 86%
540° 15mm
খুলনা 1001.8 hPa
30° 80%
540° 15mm
বরিশাল 1003.3 hPa
24.3° 99%
540° 15mm
সিলেট 1003.1 hPa
25.5° 91%
540° 15mm
রংপুর 1001.1 hPa
28.6° 0%
540° 15mm
ময়মনসিংহ 1002.5 hPa
26.8° 88%
540° 15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদ

প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদ

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাম্প্রতিক প্রশাসনিক রদবদলে মো. দাউদ হোসেনকে গুলশান থানার নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার পর রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও অভিজাত এলাকা গুলশান থানার দায়িত্ব পাওয়াকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভ্যন্তরে একটি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে| দীর্ঘদিনের মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা, অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান এবং আলোচিত বিভিন্ন মামলার তদন্তে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি ইতোমধ্যেই পুলিশের একটি পরিচিত মুখে পরিণত হয়েছেন|আরও পড়ুন:  সংকট থেকে সাহসিকতায় আপেল মাহমুদের গল্পযশোর জেলার কৃতি সন্তান মো. দাউদ হোসেন কর্মজীবনের শুরু থেকেই দায়িত্বশীল ও পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত| বিভিন্ন সময়ে দেশের গুরুত্বপূর্ণ থানায় দায়িত্ব পালন করে তিনি নিজের দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন| বিশেষ করে রাজধানীর খিলগাঁও থানা এবং পরবর্তীতে ক্যান্টনমেন্ট থানায় দায়িত্ব পালনকালে তার কর্মকাণ্ড সাধারণ মানুষের পাশাপাশি পুলিশের উচ্চপর্যায়েও প্রশংসিত হয়েছে| পুলিশ সূত্রে জানা যায়, খিলগাঁও থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি মাদক, চুরি, ছিনতাই ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে বেশ সক্রিয় ভূমিকা রাখেন| তার নেতৃত্বে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে একাধিক অপরাধী চক্র ভেঙে দেওয়া হয়| একই সঙ্গে থানাভিত্তিক জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার করার ক্ষেত্রেও তিনি কাজ করেছেন| পরবর্তীতে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার দায়িত্ব পাওয়ার পরও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান বজায় রাখেন| বিশেষ করে চব্বিশের ৫ আগস্ট পরবর্তী পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিভিন্ন সংবেদনশীল মামলার তদন্ত ও আসামি গ্রেপ্তারে তার ভূমিকা ব্যাপক আলোচনায় আসে| ˆবষম্যবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় সাবেক সংসদ সদস্যসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের আইনের আওতায় আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি| আরও পড়ুন: আপেল মাহমুদকে ঘিরে সংবাদ নিয়ে প্রশ্ন, ভুয়া তথ্য ও অপপ্রচারআইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তার এই পদক্ষেপ বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হয়| তবে এসব কার্যক্রমের কারণে তাকে নানা ধরনের সমালোচনারও মুখোমুখি হতে হয়েছে| সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ও সমর্থকগোষ্ঠীর পক্ষ থেকে তাকে নিয়ে একাধিক নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হয়| বিশেষ করে আওয়ামী লীগের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে পোস্ট দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়| কিন্তু এসব প্রচারণা কিংবা সমালোচনাকে গুরুত্ব না দিয়ে তিনি তার দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন| আরও পড়ুন: পুলিশের দায়িত্ব পালনে বাধা মব কালচারআইনশৃঙ্খলা বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর মামলাগুলোতে পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করার কারণেই তিনি আলোচনায় আসেন| একজন পুলিশ কর্মকর্তার মূল দায়িত্ব আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা এবং সেই জায়গা থেকে তিনি দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছেন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা| ক্যান্টনমেন্ট থানায় দায়িত্ব পালনকালে অপরাধ দমনের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগেও অংশ নিতে দেখা গেছে তাকে| স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময়, বিট পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করেছেন তিনি|রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান থানা দীর্ঘদিন ধরেই নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ| এখানে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী, কূটনীতিক, বিদেশি নাগরিক এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বসবাস| একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানের হোটেল, দূতাবাস, করপোরেট অফিস এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থাকায় গুলশানের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়|সাম্প্রতিক সময়ে গুলশান এলাকায় সাইবার অপরাধ, প্রতারণা, মাদক ব্যবসা, অবৈধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ নিয়েও আলোচনা রয়েছে| ফলে এই থানার দায়িত্বে একজন অভিজ্ঞ ও দক্ষ কর্মকর্তার প্রয়োজন ছিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা|আরও পড়ুন: আইনের শাসন না মবের রাজত্ব?পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মো. দাউদ হোসেন মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে পছন্দ করেন| তিনি শুধুমাত্র অফিসকেন্দ্রিক কার্যক্রমে সীমাবদ্ধ না থেকে সরাসরি অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম তদারকি করেন| ফলে অধস্তন কর্মকর্তাদের মধ্যেও দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক চাপ ˆতরি হয়| তবে সাংবাদিক মহলেও তার কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা রয়েছে| বিভিন্ন অপরাধবিরোধী অভিযানে তথ্যভিত্তিক বক্তব্য প্রদান এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে সমš^য় রেখে কাজ করার কারণে অনেক প্রতিবেদকের কাছেও তিনি পরিচিত মুখ| তবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তিনি বরাবরই আইনি প্রক্রিয়াকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন বলে জানা যায়|নগরবাসীর প্রত্যাশা, গুলশান থানার নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি এলাকার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করবেন| বিশেষ করে অভিজাত এলাকার আড়ালে পরিচালিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, প্রতারণা চক্র, মাদক ব্যবসা এবং প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে আশা করা হচ্ছে|আরও পড়ুন: পুলিশ হত্যা, সংস্কার ও জননিরাপত্তা: সংকট উত্তরণের পথ কোথায়?অন্যদিকে অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান সময়ে নগর অপরাধের ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে| ফলে শুধু প্রচলিত পুলিশিং নয়, আধুনিক প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যনির্ভর কার্যক্রমও সমান গুরুত্বপূর্ণ| মো. দাউদ হোসেন তার পূর্ববর্তী দায়িত্বগুলোতে প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত কার্যক্রমে গুরুত্ব দিয়েছেন| গুলশান থানাতেও সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে|এদিকে তার নতুন দায়িত্ব গ্রহণকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নানা আলোচনা দেখা গেছে| অনেকেই তাকে একজন দৃঢ়চেতা ও পেশাদার কর্মকর্তা হিসেবে উল্লেখ করছেন| আবার কেউ কেউ তার সামনে থাকা চ্যালেঞ্জগুলোর কথাও তুলে ধরছেন| কারণ গুলশান থানা শুধু একটি সাধারণ থানা নয়, বরং দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর থানা এলাকাগুলোর একটি| পুলিশের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো বলছে, দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠা, সাহসিকতা এবং কর্মদক্ষতার কারণেই তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ থানার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে| অতীত অভিজ্ঞতা ও অর্জন বিবেচনায় গুলশান থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট মহল|আরও পড়ুন:  পেশা নাকি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলমের যুদ্ধ?সব মিলিয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানা থেকে গুলশান থানায় মো. দাউদ হোসেনের পদায়ন শুধুমাত্র একটি প্রশাসনিক রদবদল নয়; বরং এটি একজন আলোচিত ও অভিজ্ঞ পুলিশ কর্মকর্তার প্রতি কর্তৃপক্ষের আস্থার প্রতিফলন বলেও মনে করছেন অনেকে| এখন সময়ই বলে দেবে রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই থানায় দায়িত্ব পালন করে তিনি কতটা সফলতার সঙ্গে নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারেন| তবে আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্টদের মতে, অতীতের অভিজ্ঞতা, পেশাদার মনোভাব এবং অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে গুলশান থানার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে| তবে তার কর্মদক্ষতা আরো কাজে লাগিয়ে সাধারন মানুষের সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার ৫ বছরেও শেষ নয়, বিচারককে তলব হাইকোর্টের

প্রায় পাঁচ বছরেও একটি ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিচারকাজ শেষ না হওয়ায় হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারককে তলব করেছেন হাইকোর্ট।মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম ইমরুল কায়েশ ও বিচারপতি সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। মামলার আসামি গোলাম হোসেনের জামিন শুনানিকালে বিচার বিলম্বের বিষয়টি আরো পড়ুন , বিমান বাহিনীর ৫৮ কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ সমাপ্তআদালতের নজরে আসে।আদালত হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক সৈয়দা মিনহাজ উম মুনীরাকে আগামী ২৩ জুন সশরীরে হাজির হয়ে বিচারকাজ বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যা করতে নির্দেশ দিয়েছেন।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মহসিন কবির।আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, গুরুতর অপরাধের মামলায় দীর্ঘসূত্রতা বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে বাধা সৃষ্টি করে। বিশেষ করে নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো সংবেদনশীল মামলায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা জরুরি।এ ঘটনায় বিচার ব্যবস্থার কার্যকারিতা ও মামলার দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিমান বাহিনীর ৫৮ কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ সমাপ্ত

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ১৩১তম জুনিয়র কমান্ড ও স্টাফ কোর্স—জেসিএসসি’র সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে কক্সবাজার বিমান ঘাঁটিতে।মঙ্গলবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টারের এয়ার অধিনায়ক এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়া। তিনি প্রশিক্ষণ সমাপ্তকারী কর্মকর্তাদের হাতে সনদপত্র ও ট্রফি তুলে দেন এবং দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।কোর্সে শ্রেষ্ঠ নৈপুণ্যের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর স্কোয়াড্রন লিডার আহমদ মুসা—জিডি পাইলট ‘বিমান বাহিনী প্রধানের ট্রফি’ অর্জন করেন।বিমান বাহিনী সূত্র জানায়, কোর্সটিতে দেশি-বিদেশি বিমান বাহিনীর মোট ৫৮ জন কর্মকর্তা অংশ নেন। অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের কমান্ড, স্টাফ ও নির্দেশনামূলক আরো পড়ুন , . ইসলামী ব্যাংক নিয়ে জামায়াতের অভিযোগ, পাল্টা জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদায়িত্ব পালনে আরও দক্ষ ও প্রস্তুত করে তুলতেই বিশেষভাবে পরিকল্পিত ছিল এই প্রশিক্ষণ।অনুষ্ঠানে বিমান সদর দপ্তর, কক্সবাজার ঘাঁটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রশিক্ষক এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর পেশাগত দক্ষতা ও নেতৃত্ব উন্নয়নের অংশ হিসেবে ১৩১তম জুনিয়র কমান্ড ও স্টাফ কোর্সের সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি কক্সবাজারে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়া প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দায়িত্বশীল নেতৃত্ব, কৌশলগত পরিকল্পনা ও পেশাগত উৎকর্ষ অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।কোর্সে অংশ নেওয়া ৫৮ জন দেশি-বিদেশি কর্মকর্তাকে কমান্ড ও স্টাফ পর্যায়ে দক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য আধুনিক প্রশিক্ষণ কাঠামোর আওতায় পাঠদান করা হয়।

. ইসলামী ব্যাংক নিয়ে জামায়াতের অভিযোগ, পাল্টা জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ এবং ব্যাংকটির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে জাতীয় সংসদে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এ সময় কড়া মন্তব্য করে আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।মঙ্গলবার সংসদ অধিবেশনে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে অভিযোগ তোলেন। জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয়, আবার জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয়।” একই সঙ্গে তিনি বলেন, সব বিষয়ে ইসলামের দোহাই দেওয়া সমীচীন নয়।ব্যাংকে চলমান আন্দোলন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বৈধ গ্রাহকদের কোনো সমস্যা হবে না এবং আইন অনুযায়ী তাদের মালিকানা নিশ্চিত করা হবে। তবে তিনি অভিযোগ আরো পড়ুন , ইরানের হুঁশিয়ারির পরই লেবাননে ফের ইসরায়েলি হামলাকরেন, পর্দার আড়াল থেকে বিশৃঙ্খলা তৈরির উদ্দেশ্যে গ্রাহকের নামে আন্দোলন করানো হচ্ছে।চেয়ারম্যান ও পরিচালনা পর্ষদ নিয়োগ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক যে কোনো সময় পর্ষদকে অব্যাহতি দিতে পারে। এ বিষয়ে আপত্তি থাকলে আইন পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেন তিনি।একই সঙ্গে নাবিল গ্রুপসহ যেসব প্রতিষ্ঠান ঋণ নিয়ে ফেরত দেয়নি, তাদের বিরুদ্ধে তদন্তের ঘোষণা দেন মন্ত্রী। পাশাপাশি নিয়ম বহির্ভূতভাবে ৯ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দেন।এর আগে সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের অভিযোগ করেন, এস আলম গ্রুপ অতীতে ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক থেকে বিপুল অর্থ সরিয়েছে। নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগের মাধ্যমে আবারও লুটপাটের সুযোগ তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

অর্থনীতি ও জ্বালানিতে বড় সহায়তা, বাংলাদেশকে ৩৮০০ কোটি টাকার ঋণ জাপানের

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে বড় সহায়তা নিয়ে এগিয়ে এসেছে জাপান। বাংলাদেশ সরকার ও জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি—জাইকার মধ্যে সই হয়েছে ৫০ বিলিয়ন জাপানি ইয়েন বা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকার একটি ঋণচুক্তি।‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট লোন ফর এনহ্যান্সিং ইকোনমিক রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড স্টেবল এনার্জি সাপ্লাই’ শীর্ষক এই ঋণ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশকে এই অর্থ সহায়তা দেবে জাইকা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের চলমান অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম এবং বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতের সক্ষমতা বাড়াতে এ সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।জানা গেছে, জাপান সরকারের ‘পাওয়ার এশিয়া’ উদ্যোগের আওতায় এটিই প্রথম সরকারি উন্নয়ন সহায়তা বা ওডিএ ঋণ। এর লক্ষ্য এশিয়ার দেশগুলোকে জ্বালানি সরবরাহ ঝুঁকি এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় সহযোগিতা করা।ঋণচুক্তিতে সই করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহ্‌রিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং জাইকা বাংলাদেশ অফিসের প্রধান প্রতিনিধি আরো পড়ুন , নভেম্বরে শেষ হচ্ছে স্মার্টকার্ড প্রকল্প, পরবর্তী পরিকল্পনা অনিশ্চিততাকাহাশি জুনকো। একই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচির উপস্থিতিতে নোট বিনিময় চুক্তিও সম্পন্ন হয়।এই কর্মসূচির আওতায় বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার উন্নয়ন, জ্বালানি উৎসের বহুমুখীকরণ, জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি এবং উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর টেকসই পরিচালনায় সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে বিভিন্ন নীতিগত পদক্ষেপ বাস্তবায়নে সহায়তা করবে জাইকা।এছাড়া এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সহ-অর্থায়নে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা ও সুশাসনসংক্রান্ত সংস্কার কার্যক্রমেও সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।বিশ্লেষকদের মতে, এমন এক সময়ে এই সহায়তা এলো যখন বাংলাদেশ টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে নানা সংস্কার বাস্তবায়ন করছে। ফলে জাপানের এই সহায়তা দেশের অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

রাজনীতিরাজনীতি

দুর্নীতি-অর্থ পাচারের ক্ষত সারাতে বিকল্প বাজেট দিল জামায়াতে ইসলামী

দুর্নীতি-অর্থ পাচারের ক্ষত সারাতে বিকল্প বাজেট দিল জামায়াতে ইসলামী

বিরোধী দল হিসেবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার বিকল্প বা ‘ছায়া বাজেট’ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।মঙ্গলবার রাজধানীর আল ফালাহ মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হয়। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, পতিত ফ্যাসিবাদী আমলের দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের ক্ষত কাটিয়ে একটি ইনসাফভিত্তিক ও জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যেই এ বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে।প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে আরো পড়ুন , জনগণ সবকিছু মনে রেখেছে বর্তমান রাজনীতি নিয়ে মোহাম্মদ হোসেনের মন্তব্যসর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার পাশাপাশি ইমাম-মুয়াজ্জিন ভাতা বৃদ্ধি, শিক্ষায় করছাড় এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সম্প্রসারণের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন দলের নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের আর্থিক, রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন খাতে ‘অন্যায্য রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ’ দৃশ্যমান। কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিতর্কিত ব্যক্তিদের বসানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।এ সময় তিনি আরও বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে অতীত সরকার ব্যর্থ হয়েছে এবং দেশের অর্থনৈতিক সংকট ও বৈষম্য নিরসনে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন।

জনগণ সবকিছু মনে রেখেছে বর্তমান রাজনীতি নিয়ে মোহাম্মদ হোসেনের মন্তব্য

জনগণ সবকিছু মনে রেখেছে বর্তমান রাজনীতি নিয়ে মোহাম্মদ হোসেনের মন্তব্য

দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, অতীত সরকারের কর্মকাণ্ড এবং গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ হোসেন। তিনি বলেছেন, রাজনৈতিক ইতিহাস ও অতীতের ঘটনাবলি ভুলে গিয়ে বর্তমান পরিস্থিতির মূল্যায়ন করা হলে জাতি সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারবে না।সম্প্রতি এক রাজনৈতিক বক্তব্যে মোহাম্মদ হোসেন দাবি করেন, দীর্ঘ সময় ধরে দেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীরা নানা ধরনের মামলা, গ্রেপ্তার, নির্যাতন এবং রাজনৈতিক  হয়রানির শিকার হয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে ক্ষমতাসীনদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনের বিভিন্ন ঘটনা দেশ-বিদেশে আলোচিত হয়েছে এবং মানবাধিকার সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রতিবেদনে এসব বিষয় উঠে এসেছে।তিনি বলেন, যারা আজ গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের কথা বলছেন, তাদের উচিত নিজেদের অতীত কর্মকাণ্ডের প্রতিও দৃষ্টি দেওয়া। ইতিহাসকে আড়াল করে কিংবা ভুলে গিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করা সম্ভব নয়। দেশের মানুষ সবকিছু দেখেছে এবং মনে রেখেছে।মোহাম্মদ হোসেন আরও বলেন, রাজনৈতিক সহিংসতা, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তার মতে, যে দল বা ব্যক্তি অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকুক না কেন, তাদের আইনের আওতায় এনে জবাবদিহির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি দাবি করেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আইনের শাসন এবং নাগরিক অধিকারের সুরক্ষা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।আরও  পড়ুন ,সংসদে গিয়েই গাড়ি-অফিস চাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রাশেদ খানবর্তমান রাজনৈতিক অঙ্গন সম্পর্কে তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে শত্রু মনে না করে পারস্পরিক সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক চর্চা জোরদার করতে হবে। মতভিন্নতা থাকলেও তা যেন শান্তিপূর্ণ ও সাংবিধানিক উপায়ে প্রকাশ পায়, সে বিষয়ে তিনি গুরুত্বারোপ করেন।বক্তব্যে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাজনৈতিক ভূমিকার প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা, জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাদের অবদান তিনি বিশ্বাস করেন এবং সেই আদর্শ ধারণ করে রাজনৈতিক কর্মীদের এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।তিনি আরও বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় ঐক্য এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে সব রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সংলাপের সংস্কৃতি গড়ে তোলা জরুরি। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পরিবর্তে জনগণের কল্যাণ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।বক্তব্যের শেষাংশে মোহাম্মদ হোসেন বলেন, ইতিহাস ভুলে গেলে চলবে না। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়েই আমাদের ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে হবে। দেশের স্বার্থে সকল রাজনৈতিক শক্তিকে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় একযোগে কাজ করতে হবে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় অতীত ও বর্তমান নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য নতুন নয়। তবে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে সংলাপ, সহনশীলতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টি সব রাজনৈতিক দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।

সংসদে গিয়েই গাড়ি-অফিস চাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রাশেদ খান

সংসদে গিয়েই গাড়ি-অফিস চাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রাশেদ খান

জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির সমালোচনা করে বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, নির্বাচনের আগে তাদের গাড়ি, বাড়ি কিংবা অফিসের প্রয়োজন ছিল না, কিন্তু নির্বাচনের পর এসব সুবিধাই তারা চাইছেন।মঙ্গলবার নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি দাবি করেন, শুরুতে জামায়াত-এনসিপি বলেছিল ক্ষমতায় গেলে সরকারি গাড়ি-বাড়ির সুবিধা নেবে না। কিন্তু সংসদে যাওয়ার পর তারা গাড়ি এবং পরে অফিস দাবি করেছে।একই পোস্টে তিনি সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি মারদিয়া মমতাজ-এর বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন। আরও  পড়ুন, সীমান্তে পুশইনের প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা গণঅধিকার পরিষদেররাশেদ খানের ভাষ্য, আত্মীয়ের বাসা থেকে সংসদে যাতায়াতে কষ্ট হওয়ার যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।তিনি আরও দাবি করেন, অতীতে একটি টেলিভিশন টকশোতে মারদিয়া মমতাজ নিজেকে জামায়াতের সমর্থক হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন।রাশেদ খান তার পোস্টে রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও বাস্তব কর্মকাণ্ডের মধ্যে অসঙ্গতির অভিযোগ তুলে সমালোচনা করেন। তবে এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি বা সংশ্লিষ্টদের কোনো প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

সীমান্তে পুশইনের প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা গণঅধিকার পরিষদের

সীমান্তে পুশইনের প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা গণঅধিকার পরিষদের

বাংলাদেশ সীমান্তে ভারত কর্তৃক জোরপূর্বক পুশইন ও আগ্রাসী আচরণের অভিযোগের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা মহানগর গণঅধিকার পরিষদ।দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বুধবার বিকেল ৪টায় রাজধানীর পল্টন এলাকার আল-রাজি কমপ্লেক্সের সামনে থেকে এই বিক্ষোভ মিছিল শুরু হবে।গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার দাবিতে এই কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে।আরও  পড়ুন, বাজেট বাস্তবায়নে দুর্নীতি ও অপচয়ের অভিযোগ, কঠোর নজরদারি চান চরমোনাইতিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তে পুশইনের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। জোরপূর্বক মানুষকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের পরিপন্থী।দলটির দাবি, সীমান্তে যেকোনো ধরনের আগ্রাসী আচরণের বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নিতে হবে। একই সঙ্গে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচির মাধ্যমে জনমত গড়ে তোলা হবে বলে জানানো হয়।

সারাবাংলা

পুকুরে ডু'বে মাদ্রাসা ছাত্রের ম'র্মা'ন্তি'ক মৃ'ত্যু

পুকুরে ডু'বে মাদ্রাসা ছাত্রের ম'র্মা'ন্তি'ক মৃ'ত্যু

‘আমার ছেলে সাঁতার জানতো না। বিষয়টি মাদরাসা কর্তৃপক্ষ জানতেন। কিন্তু সে সময় কোনো শিক্ষক বা তত্ত্বাবধায়ক উপস্থিত ছিলেন না। সকালে মাদরাসায় গিয়ে সে আর বাসায় ফেরেনি। পরে খোঁজ নিতে গিয়ে জানতে পারি পুকুরে ডুবে মারা গেছে। তাদের গাফিলতির কারণেই আমার সন্তান মারা গেছে।’কান্না জড়িত কণ্ঠে কথাগুলো বলছিলেন পুকুরে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা যাওয়া মাদরাসা ছাত্র মারুফের মা তানিয়া খানম।ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে পুকুরের পানিতে ডুবে মো. মারুফ (৮) নামের এক মাদরাসা ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহতের পরিবার মাদরাসা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে দায়িত্বহীনতার অভিযোগ তুলেছে। তাদের দাবি, যথাযথ তদারকির অভাবে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।আরও  পড়ুন,হবিগঞ্জের চা বাগান থেকে কসবার এক যুবকের লাশ উদ্ধারসোমবার (৮ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শহরের মুন্সেফপাড়ার বডিংমাঠ এলাকার একটি পুকুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।নিহত মারুফ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর গ্রামের বাসিন্দা মোক্তার হোসেন ও তানিয়া খানম দম্পতির সন্তান। তার বাবা সৌদি আরব প্রবাসী। বর্তমানে পরিবারটি শহরের মুন্সেফপাড়ার গোলাপ টাওয়ারের পঞ্চম তলায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিল। মারুফ মুন্সেফপাড়া এলাকার তাহমিদুল কোরআন সোলাইমানিয়া মাদরাসার হাফেজিয়া বিভাগের ছাত্র ছিল। সে ইতোমধ্যে পবিত্র কোরআনের তিন পারা মুখস্থ করেছিল বলে জানা গেছে।পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুরে মাদরাসার ৭-৮ জন ছাত্র প্রতিদিনের ন্যায় বডিংমাঠ পুকুরে গোসল করতে যায়।আরও  পড়ুন , চলে গেলেন সমবায় ও নাট্য স‌ংগঠক কসবায় খাইরুল রেজা শরীফ গোসল শেষে অন্য শিক্ষার্থীরা মাদরাসায় ফিরে এলেও মারুফ ফিরে আসেনি। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে মাদরাসার শিক্ষকরা পুকুর থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।এ বিষয়ে মাদরাসার পরিচালক মাওলানা সাইফ উদ্দিন বলেন, প্রতিদিনের ন্যায় শিক্ষার্থীরা গোসল করতে পুকুরে যায়। সবাই ফিরে এলেও মারুফ আসেনি। পরে তাকে পুকুর থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম বলেন, মাদরাসা ছাত্রের পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। মাদরাসা কর্তৃপক্ষের কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

হবিগঞ্জের চা বাগান থেকে কসবার এক যুবকের লাশ উদ্ধার

হবিগঞ্জের চা বাগান থেকে কসবার এক যুবকের লাশ উদ্ধার

হবিগঞ্জের চা বাগান থেকে কসবার এক যুবকের লা*শ উদ্ধার। নিহত যুবকের নাম চয়ন বণিক (২৪)। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার চন্ডিদ্বার গ্রামের বাসিন্দা।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৬ জুন) দুপুরে মাধবপুর উপজেলার সুরমা চা-বাগানের ২০ নম্বর ডিভিশনের ১ নম্বর সেকশনের একটি নিচু ড্রেনের ওপর যুবকের লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।‎আরও পড়ুন, চলে গেলেন সমবায় ও নাট্য স‌ংগঠক কসবায় খাইরুল রেজা শরীফ‎লাশ উদ্ধারের সময় তার পরিচয় জানা না গেলেও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ছবি দেখে স্বজনেরা তাকে শনাক্ত করেন। নিহত চয়ন বনিক সাহাদেব বণিকের ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি প্রায় চার বছর ধরে ভারতের আগরতলা শহরে অবস্থান করছিলেন।‎মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা বলেন, লাশ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনি বিষয়গুলোও তদন্তের আওতায় রয়েছে।

চলে গেলেন সমবায় ও নাট্য স‌ংগঠক কসবায় খাইরুল রেজা শরীফ

চলে গেলেন সমবায় ও নাট্য স‌ংগঠক কসবায় খাইরুল রেজা শরীফ

  কসবা উপজেলায় সমবায় আন্দোলনের নিবেদিত প্রাণ বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন সমিতির সাবেক পরিদর্শক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক মোঃ খাইরুল রেজা শরীফ(৬৮) গত সোমবার পিজি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন।(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নামে এসেছে। মৃত্যুকালে তিনি তিন কন্যা সন্তান রেখে গেছেন। আজ ৯ জুন সকাল ১১ টায় পৌর ঈদগাহ  মাঠে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয় বাদ জোহর তার নিজ জন্মস্থান কসবা পৌর এলাকার তালতলা গ্রামে।আরও  পড়ুন , আখাউড়ায় বিস্ফোরক মামলার আসামি ও যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতারখাইরুল রেজা শরীফ এক দিকে সমবায় আন্দোলনের একজন নিবেদিত সংগঠক, অন্যদিকে ছিলেন একজন নাট্য অভিনেতা ও নাট্য পরিচালক।তাঁর মৃত্যুতে কসবার সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে।প্রায় বিশ বছর পূর্বে তাঁর স্ত্রী কসবা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষীকা ফিরোজা আক্তার কিডনি জনীত রোগে ইন্তেকাল করেন।

আখাউড়ায় বিস্ফোরক মামলার আসামি ও যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার

আখাউড়ায় বিস্ফোরক মামলার আসামি ও যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযান "কোয়ালিটি এরেস্ট"-এ গ্রেফতার হয়েছেন দক্ষিণ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হিরাপুর গ্রামের বাসিন্দা ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহনোয়াজ ভুইয়া।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে দায়েরকৃত একটি মামলা রয়েছে। আখাউড়া থানার মামলা নম্বর ১৫/২৩৪,আরও পড়ুন , ক্ষতির তুলনায় সহায়তা অপ্রতুল"তবুও স্বস্তি পেলেন ৭৫০ কৃষক তারিখ ১২ নভেম্বর ২০২৪-এর এজাহারে তাকে ৪৬ নম্বর আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।মামলাটিতে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারাসহ The Explosive Substances Act, 1908-এর ৩, ৫ ও ৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।আখাউড়া থানা অফিসার ইনর্চাজ জাবেদ উল ইসলাম জানান, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, ড্রোনে উদ্ধার দুই সেনা

হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, ড্রোনে উদ্ধার দুই সেনা

বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে টহল দেওয়ার সময় বিধ্বস্ত হয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার। তবে দ্রুত উদ্ধার অভিযানে প্রাণে বেঁচেছেন হেলিকপ্টারে থাকা দুই মার্কিন সেনা সদস্য।মঙ্গলবার মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ওমান উপকূলের কাছে দুর্ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একটি সারফেস ড্রোন পানিতে থাকা দুই সেনাকে শনাক্ত করে উদ্ধার করে।যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিমোথি হকিন্স জানান, উদ্ধার অভিযানে নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের টাস্ক ফোর্স ৫৯ অংশ নেয়। এটি মার্কিন নৌবাহিনীর প্রথম কার্যকরী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ড্রোনভিত্তিক ইউনিট।মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, দুর্ঘটনার প্রায় দুই ঘণ্টার মধ্যেই সেনা সদস্যদের নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, হেলিকপ্টারের পাইলটরা নিরাপদে আছেন আরো পড়ুন , ইরানের হুঁশিয়ারির পরই লেবাননে ফের ইসরায়েলি হামলাএবং কেউ আহত হননি।বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালীর মতো কৌশলগত এলাকায় এমন দুর্ঘটনা নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়াতে পারে। হেলিকপ্টারটি কেন বিধ্বস্ত হয়েছে, তা তদন্তের পর জানা যাবে।ওমান উপকূলের কাছে হরমুজ প্রণালীতে টহলের সময় একটি মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে। ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একটি সারফেস ড্রোনের সহায়তায় দুই মার্কিন সেনা সদস্যকে উদ্ধার করা হয়।মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিমোথি হকিন্স জানান, উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয় টাস্ক ফোর্স ৫৯—যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ড্রোন প্রযুক্তিনির্ভর একটি বিশেষ ইউনিট।মার্কিন সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার প্রায় দুই ঘণ্টার মধ্যেই সেনাদের নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাদের অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।ঘটনার কারণ এখনও নিশ্চিত নয়। প্রযুক্তিগত ত্রুটি, দুর্ঘটনা কিংবা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

৬ ঘন্টা আগে

রাজধানী

স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা হত্যায় গ্রেপ্তার ২

স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা হত্যায় গ্রেপ্তার ২

ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিল্লাল হত্যা মামলায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। মামলায় তাদের আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করা হবে।’রাজধানীর মৌচাকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল হোসেন তালুকদারকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় জড়িত অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে একজনকে ঢাকা এবং অন্যজনকে মুন্সিগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।আরও  পড়ুন , এলপিজি-বিদ্যুৎ দামের চাপে ঢাকার রেস্তোরাঁ খাত, কমছে খাবারের পরিমাণ গ্রেপ্তাররা হলেন— মো. রিয়াজ ও আল আমিন।এর আগে সোমবার রাজধানীর মৌচাক এলাকার আনারকলি মার্কেটের সামনে বিল্লাল হোসেন তালুকদার ছুরিকাঘাতের শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।স্বজনদের দাবি, একটি সালিশ বৈঠকে অংশ নিতে মৌচাকে গিয়েছিলেন বিল্লাল। সেখানে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়।

১৪ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

বজ্রপাতে বন্ধ ম্যাচ, এগিয়ে বাংলাদেশ

বজ্রপাতে বন্ধ ম্যাচ, এগিয়ে বাংলাদেশ

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে জয়ের খুব কাছে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ। তবে বজ্রপাত ও বৃষ্টির কারণে ম্যাচে হঠাৎ বিরতি পড়েছে।খেলা বন্ধ হওয়ার সময় ৪২ দশমিক ২ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ১৯১ রান। জয়ের জন্য সফরকারীদের প্রয়োজন আরও ৯৪ রান, হাতে মাত্র একটি উইকেট এবং বাকি ৪৬ বল। ক্রিজে অপরাজিত আছেন ক্যামেরন গ্রিন ৫২ ও অ্যাডাম জাম্পা ৬ রানে।বজ্রপাত শুরু হওয়ায় প্রটোকল অনুযায়ী দুই আম্পায়ার খেলোয়াড়দের মাঠ ছাড়ার নির্দেশ দেন। এরপর মিরপুরে বৃষ্টি শুরু হয়। খেলা আর মাঠে না গড়ালে ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে ৮৬ রানে জয় পাবে বাংলাদেশ।এর আগে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৮৪ আরো পড়ুন , নাহিদের বাউন্সারে কাঁপল অস্ট্রেলিয়া, দুর্দান্ত বোলিংয়ে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশরানের লড়াকু সংগ্রহ গড়ে বাংলাদেশ। চার বছর পর ওয়ানডে দলে ফিরে ব্যাট হাতে উজ্জ্বল ছিলেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। তিনি ৮৬ রানে অপরাজিত থাকেন। এছাড়া নাজমুল হোসেন শান্ত ৬৭ এবং তানজিদ হাসান তামিম ৫৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন।২৮৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। ইনিংসের প্রথম বলেই ম্যাথিউ শর্টকে বোল্ড করেন তাসকিন আহমেদ। এরপর একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে অজিরা।আগুনে বোলিং করেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা। একাই ৪ উইকেট শিকার করেন তিনি। এছাড়া মোসাদ্দেক হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান নেন দুটি করে উইকেট। ফলে বড় জয়ের সুবাস পাচ্ছে টাইগাররা।

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর

অপরাধ

গুলশানে স্পা সেন্টারে অভিযান: মালিকসহ নারী সিন্ডিকেট গ্রেফতার ও মামলা প্রক্রিয়াধীন

গুলশানে স্পা সেন্টারে অভিযান: মালিকসহ নারী সিন্ডিকেট গ্রেফতার ও মামলা প্রক্রিয়াধীন

রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে স্পা সেন্টারের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে চলা কথিত অসামাজিক কর্মকাণ্ড ও অপরাধমূলক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে মালিকসহ একটি সংঘবদ্ধ নারী সিন্ডিকেটের সদস্যদের গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গুলশান থানার নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে কয়েকটি স্পা সেন্টার থেকে একাধিক ব্যক্তি আটক করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গুলশান এলাকার ৯৯ নম্বর রোডে অবস্থিত বাহার পরিচালিত একটি স্পা সেন্টার এবং গুলশান-২ এলাকার এইচ হোটেলে অবস্থিত রত্না পরিচালিত স্পা সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্পা ব্যবসার আড়ালে অসামাজিক কর্মকাণ্ড, দেহব্যবসা এবং বিভিন্ন ধরনের অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ ছিল।স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহলের অভিযোগ, রাজধানীর অভিজাত এলাকাগুলোতে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু স্পা সেন্টার স্বাস্থ্যসেবা বা সৌন্দর্যচর্চার নামে পরিচালিত হলেও এর আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে গ্রাহক সংগ্রহ, নারী সরবরাহ এবং অর্থ লেনদেনের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।অভিযান প্রসঙ্গে গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাংবাদিকদের বলেন, “অপরাধীরা দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটি আরো পড়ুন ,যুবদলের নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ, গুরুত্বপূর্ণ পদে নতুন মুখসংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে স্পা সেন্টারের আড়ালে অসামাজিক কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধ করে আসছিল। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ বিষয়ে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়। পাশাপাশি সাংবাদিকরা তথ্য দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করেছেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে অপরাধীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং উক্ত বিষয়টি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।পুলিশের এ বক্তব্যের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, অপরাধ দমনে সংবাদমাধ্যম ও পুলিশের সমন্বিত উদ্যোগ ইতিবাচক ফল বয়ে আনছে।তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, অভিযানের আগে বেশ কিছুদিন ধরে সন্দেহভাজন প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নজরদারি চালানো হয়। বিভিন্ন অভিযোগ, তথ্য ও গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অভিযানের সময় স্পা সেন্টারগুলোতে কর্মরত কয়েকজন নারী, ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং মালিকপক্ষের প্রতিনিধিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয় অভিযানে উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন নথি, মোবাইল ফোন ও অন্যান্য আলামত পর্যালোচনা করে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের কার্যক্রম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। তদন্তকারীরা এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করছেন এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।স্থানীয়দের অভিযোগ, গুলশানের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কিছু প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে নানা অভিযোগের জন্ম দিলেও প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। অনেক সময় সাধারণ মানুষ অভিযোগ করলেও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বিলম্ব হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক এই অভিযানের ফলে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে মনে করছেন অনেকেই।একজন স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে এসব প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে বিভিন্ন কথা শুনে আসছিলাম। গভীর রাত পর্যন্ত সন্দেহজনক লোকজনের যাতায়াত ছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এ ধরনের অভিযান নিয়মিত হলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।”সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় স্পা, ম্যাসাজ পার্লার ও ওয়েলনেস সেন্টারের নামে বৈধ ব্যবসার পাশাপাশি কিছু প্রতিষ্ঠান অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সময়ে সময়েই অভিযান পরিচালনা করা হলেও নতুন নামে বা নতুন স্থানে আবারও কার্যক্রম শুরু করার অভিযোগ রয়েছে। ফলে আরো পড়ুন , কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণস্থায়ীভাবে এ ধরনের অপরাধ বন্ধে নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর আইন প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করছেন সংশ্লিষ্টরা।বিশেষজ্ঞদের মতে, নগর জীবনে স্পা ও ওয়েলনেস সেবা একটি বৈধ ও প্রয়োজনীয় খাত। তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এ খাতকে ব্যবহার করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করায় পুরো শিল্পখাতের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই বৈধ প্রতিষ্ঠান ও অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনাকারীদের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য নির্ধারণ করে কঠোর মনিটরিং প্রয়োজন।গণমাধ্যমকর্মীরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে স্পা সেন্টারের আড়ালে পরিচালিত অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিষয়টি তুলে ধরা হচ্ছিল। এসব প্রতিবেদনের পর প্রশাসনের নজরদারি বৃদ্ধি পায় এবং সাম্প্রতিক অভিযানের পথ সুগম হয়। তারা মনে করেন, জনস্বার্থে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা অব্যাহত থাকলে সমাজের বিভিন্ন অপরাধচক্র চিহ্নিত করা সহজ হবে।অভিযানের পর গুলশান এলাকায় অন্যান্য স্পা সেন্টারেও সতর্কতা দেখা গেছে বলে জানা গেছে। অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের লাইসেন্স, কার্যক্রম ও কর্মীদের তথ্য হালনাগাদ করার উদ্যোগ নিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নিয়মিত তদারকির আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ, আলামত বিশ্লেষণ এবং তথ্য যাচাই শেষে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে এ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তি বা সহযোগীদের শনাক্ত করার কাজও চলছে।সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, রাজধানীতে অপরাধ দমনে অভিযানের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত তদারকি এবং তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতার সমন্বয় প্রয়োজন। তাহলেই স্পা সেন্টার বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের আড়ালে সংঘটিত অপরাধ কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

আর্কাইভ

অর্থনীতি

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য বড় সুখবর, ৫ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য বড় সুখবর, ৫ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল

দেশের কুটির, অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতকে আরও গতিশীল করতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।‘সিএমএসএমই খাতে চলতি মূলধন পুনঃঅর্থায়ন তহবিল’ নামে এই উদ্যোগের আওতায় উদ্যোক্তারা সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন। প্রাথমিকভাবে তহবিলটির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে তিন বছর।বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, চলতি মূলধনের ঘাটতির কারণে অনেক ছোট ও মাঝারি প্রতিষ্ঠান তাদের পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন ও ব্যবসা পরিচালনা করতে পারছে না। আরও  পড়ুন, জ্বালানি-বিদ্যুৎ ভর্তুকিতে ৭৫ হাজার কোটি টাকার চাপ, বাজেটের বড় দুশ্চিন্তাএই সমস্যা দূর করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতেই এই তহবিল গঠন করা হয়েছে।তহবিলের আওতায় ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ৪ শতাংশ সুদে অর্থ পাবে এবং তা উদ্যোক্তাদের কাছে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ সুদে বিতরণ করতে পারবে।তবে ঋণখেলাপিরা এই সুবিধা পাবেন না। পাশাপাশি উদ্যোক্তারা ঋণ নেওয়ার পর ৩ থেকে ৬ মাস পর্যন্ত গ্রেস পিরিয়ড সুবিধা পাবেন, অর্থাৎ এ সময়ে কোনো কিস্তি পরিশোধ করতে হবে না।অর্থনীতিবিদদের মতে, সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে এই তহবিল দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতে নতুন গতি আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।আরও  পড়ুন, তেলের বাজারে অস্থিরতা, বিনিয়োগকারীদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে

জ্বালানি-বিদ্যুৎ ভর্তুকিতে ৭৫ হাজার কোটি টাকার চাপ, বাজেটের বড় দুশ্চিন্তা

জ্বালানি-বিদ্যুৎ ভর্তুকিতে ৭৫ হাজার কোটি টাকার চাপ, বাজেটের বড় দুশ্চিন্তা

আসন্ন জাতীয় বাজেটে সরকারের সবচেয়ে বড় মাথাব্যথা হয়ে উঠেছে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের ক্রমবর্ধমান ভর্তুকি। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগ আগামী অর্থবছরের জন্য মোট ৭৫ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি চেয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ খাতে ৪৯ হাজার কোটি এবং গ্যাস খাতে ২৬ হাজার কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে।এদিকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বা বিপিসি জানিয়েছে, গত তিন মাসে জ্বালানি তেল আমদানি করে তাদের লোকসান হয়েছে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা। এ লোকসান পূরণে বিশেষ বরাদ্দ চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন করা হয়েছে।আরও  পড়ুন, তেলের বাজারে অস্থিরতা, বিনিয়োগকারীদের দুশ্চিন্তা বাড়ছেসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও এলএনজির দাম বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। গত বছর এলএনজি আমদানিতে ব্যয় হয়েছিল ৪৫ হাজার কোটি টাকার বেশি, যা এবার ৬০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহে প্রতি ইউনিটে খরচ হচ্ছে প্রায় ১৩ টাকা, অথচ বিক্রি হচ্ছে গড়ে ৮ টাকা ৩৯ পয়সায়। ফলে বিশাল আর্থিক ঘাটতির মুখে পড়ছে সংস্থাটি।অন্যদিকে, পেট্রোবাংলা বলছে, গ্যাসের বিক্রয়মূল্য ও আমদানি ব্যয়ের মধ্যে বড় ব্যবধান থাকায় প্রতি মাসেই কয়েক হাজার কোটি টাকার লোকসান গুনতে হচ্ছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির এই চাপ আগামী বাজেট ও সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।আরও  পড়ুন,বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধাক্কা, বাংলাদেশেও কমতে পারে ভরির দাম

তেলের বাজারে অস্থিরতা, বিনিয়োগকারীদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা শুরু হওয়ায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আবারও বেড়েছে।সোমবার সকালে এশিয়ার বাজারে এই ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়।আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯৫ দশমিক ৫০ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) তেলের দামও ২ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৯২ দশমিক ৭৫ ডলারে।আরও  পড়ুন, বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধাক্কা, বাংলাদেশেও কমতে পারে ভরির দামবিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঘিরে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় বাজারে এই অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।গত এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির পর এবারই প্রথম ইরান ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। পাল্টা হামলায় জড়ায় ইসরায়েলও।ফলে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহ ও বৈশ্বিক বাজারে সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা এখন হিসাব-নিকাশ করছেন, এই সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে জ্বালানি সংকট ও মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়তে পারে।আরও  পড়ুন, নিত্যপণ্যের আগুনে পুড়ছে বাজার, ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি ৯.৪২ শতাংশ

তেলের বাজারে অস্থিরতা, বিনিয়োগকারীদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধাক্কা, বাংলাদেশেও কমতে পারে ভরির দাম

বিশ্ববাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা এবং শক্তিশালী কর্মসংস্থান প্রতিবেদনের কারণে বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণ থেকে সরে আসছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।সোমবার স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম শূন্য দশমিক ২ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৩২১ ডলার ৪৯ সেন্টে নেমে এসেছে। এর আগে শুক্রবার প্রায় ৩ শতাংশ দরপতনের মাধ্যমে স্বর্ণের দাম গত মার্চের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছায়।অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২ ডলারের বেশি বেড়েছে।আরও পড়ুন, নিত্যপণ্যের আগুনে পুড়ছে বাজার, ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি ৯.৪২ শতাংশ মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা এবং ইরান-ইসরায়েল পরিস্থিতি ঘিরে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বেড়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, তেলের দাম বৃদ্ধি বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। ফলে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন আশঙ্কা স্বর্ণের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।এদিকে বিশ্ববাজারে দাম কমায় বাংলাদেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম আরও কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাজুস ইতোমধ্যে ৬ জুন ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা দাম কমিয়েছে।আরও  পড়ুন, জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন, নতুন নির্দেশনা এনবিআরের

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধাক্কা, বাংলাদেশেও কমতে পারে ভরির দাম

নিত্যপণ্যের আগুনে পুড়ছে বাজার, ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি ৯.৪২ শতাংশ

দেশে মূল্যস্ফীতি আবারও ঊর্ধ্বমুখী। গত মে মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে, যা গত ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএসের সর্বশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই তথ্য। এতে দেখা যায়, টানা দুই মাস ধরে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপরে অবস্থান করছে।মে মাসে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০৬ শতাংশে, যা এপ্রিল মাসে ছিল ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ। অর্থাৎ চাল, ডাল, ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আরও বেড়েছে।আরও  পড়ুন, জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন, নতুন নির্দেশনা এনবিআরেরখাদ্যবহির্ভূত খাতেও মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ৭১ শতাংশে পৌঁছেছে। বাসাভাড়া, পরিবহন, জ্বালানি এবং অন্যান্য দৈনন্দিন ব্যয়ের চাপও বেড়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দিয়েছে। এপ্রিল ও মে মাসে দুই দফা জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়। এর ফলে উৎপাদন থেকে পরিবহন—সব ক্ষেত্রেই ব্যয় বেড়েছে।এদিকে সম্প্রতি বিদ্যুতের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে জুন মাসে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা।আরও  পড়ুন , এলপিজি বাজারে বড় পরিবর্তনের আভাস, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির পথে বাংলাদেশ

নিত্যপণ্যের আগুনে পুড়ছে বাজার, ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি ৯.৪২ শতাংশ

জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন, নতুন নির্দেশনা এনবিআরের

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর ভ্যাট ব্যবস্থাকে পুরোপুরি ডিজিটাল করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে ই-ভ্যাট সিস্টেমে ‘হার্ড কপি রিটার্ন এন্ট্রি’ নামে একটি নতুন সাব-মডিউল চালু করা হয়েছে।রোববার এনবিআরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, করদাতারা অতীতে হার্ডকপি আকারে জমা দেওয়া মাসিক ভ্যাট রিটার্ন এখন অনলাইন সিস্টেমে সংরক্ষণ করতে পারবেন।এনবিআর জানায়, ৩১ মার্চ ২০২৬-এর মধ্যে সব হার্ডকপি রিটার্ন অনলাইনে এন্ট্রি করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে এখনো বিপুল সংখ্যক রিটার্ন অনলাইনে এন্ট্রি হয়নি।আরও  পড়ুন, এলপিজি বাজারে বড় পরিবর্তনের আভাস, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির পথে বাংলাদেশ এ কারণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সুবিধার্থে সময়সীমা বাড়িয়ে আগামী ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত করা হয়েছে।এনবিআর আরও জানিয়েছে, জুলাই ২০২৬ থেকে অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হবে। যেসব প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরোনো হার্ডকপি রিটার্ন অনলাইনে এন্ট্রি করবে না, তাদের ক্লোজিং ব্যালেন্স ‘ফ্রিজ’ করা হবে এবং সেই স্থিতির বিপরীতে কোনো সমন্বয় করা যাবে না।এছাড়া ভ্যাট রিফান্ড আবেদন করতে চাইলে পূর্বের সব রিটার্ন ই-ভ্যাট সিস্টেমে এন্ট্রি থাকা বাধ্যতামূলক হবে।কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে করদাতাদের সহযোগিতা কামনা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।আরও  পড়ুন , ১১ মাসে ৯ মাসই রপ্তানি আয় কমেছে, বাড়ছে অর্থনীতির উদ্বেগ

জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন, নতুন নির্দেশনা এনবিআরের

লাইফস্টাইললাইফস্টাইল

গরমে প্রাণ জুড়াবে ডাবের পানি কয়েকটি উপাদান মিশলেই পাবেন বেশি উপকার

গরমে প্রাণ জুড়াবে ডাবের পানি কয়েকটি উপাদান মিশলেই পাবেন বেশি উপকার

এই গরমে শরীরকে সতেজ ও পানিশূন্যতামুক্ত রাখতে সবচেয়ে কার্যকর প্রাকৃতিক পানীয়গুলোর একটি হলো ডাবের পানি। পুষ্টিবিদদের মতে, ডাবের পানিতে থাকা পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালসিয়াম শরীরের ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি শরীর ঠান্ডা রাখে, হজমশক্তি উন্নত করে এবং ক্লান্তি দূর করতে ভূমিকা রাখে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডাবের পানির উপকারিতা আরও বাড়াতে এর সঙ্গে কিছু স্বাস্থ্যকর উপাদান যোগ করা যেতে পারে।ডাবের পানির সঙ্গে বিট লবণ মিশালে সোডিয়াম ও অন্যান্য খনিজ উপাদান যুক্ত হয়, যা শরীরের পানির ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক। অন্যদিকে চিয়া সিডসে থাকা ফাইবার ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরকে দীর্ঘ সময় হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে।আরও  পড়ুন, স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে আজই ছাড়ুন ধূমপানলেবুর রস মিশিয়ে পান করলে বাড়ে ভিটামিন সি-এর যোগান। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করার পাশাপাশি হজমেও সহায়তা করে।এছাড়া মধু যোগ করলে পাওয়া যায় প্রাকৃতিক শক্তি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সুবিধা। পুদিনা পাতা মিশিয়ে পান করলে শরীরে আসে বাড়তি সতেজতা এবং হজমের সমস্যাও কমে।তবে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ডায়াবেটিস বা কিডনিসংক্রান্ত জটিলতা থাকলে নিয়মিত বা অতিরিক্ত ডাবের পানি পান করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।গরমে সুস্থ থাকতে পর্যাপ্ত পানি পান, স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ডাবের পানি খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।