দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1009.7 hPa
31.6° 70%
340° 3mm
চট্টগ্রাম 1010.3 hPa
29° 85%
340° 3mm
রাজশাহী 1009.1 hPa
30.5° 84%
340° 3mm
খুলনা 1009.4 hPa
29.2° 90%
340° 3mm
বরিশাল 1009.7 hPa
29.2° 86%
340° 3mm
সিলেট 1010.4 hPa
29° 83%
340° 3mm
রংপুর 1009.1 hPa
29.8° 82%
340° 3mm
ময়মনসিংহ 1010.3 hPa
28.6° 87%
340° 3mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

Divine Group ঘিরে এবার মামলার হিসাব

Divine Group ঘিরে এবার মামলার হিসাব

Divine Group-এর প্রকল্প, জমির মালিকানা, গ্রাহকের অর্থ ব্যবস্থাপনা, রিফান্ড এবং করপোরেট গভর্ন্যান্স নিয়ে প্রশ্নের পর এবার প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে থাকা মামলা ও আদালতের আদেশ নিয়েও অনুসন্ধানের দাবি উঠেছে। বিভিন্ন গ্রাহকের করা মামলার পাশাপাশি একটি ব্যাংক-সংক্রান্ত মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সেই পরোয়ানা গুলশান থানায় পৌঁছানোর পরও কেন তা কার্যকর হয়নি এ প্রশ্ন এখন সামনে এসেছে। তবে মামলার সংখ্যা, পরোয়ানার বর্তমান কার্যকারিতা এবং কোনো মামলায় আসামির জামিন বা স্থগিতাদেশ রয়েছে কি না এসব বিষয়ে আদালতের নথি ও সংশ্লিষ্ট থানার রেকর্ড দিয়ে পূর্ণাঙ্গ যাচাই জরুরি। সংবাদ দিগন্তের অনুসন্ধানেও এসব নথির সত্যতা ও বর্তমান অবস্থা যাচাইয়ের চেষ্টা চলছে। গুলশানের মত এমন একটি এলাকায় প্রতারনার ফাঁদ গ্রাহকের টাকা লুটেপুটে খাচ্ছে ডিভাইন গ্রুপ।আরও পড়ুন: গ্রাহকের অর্থ কোথায়? Divine Group-এর প্রকল্প ও সম্পদDivine Group-এর ওপর করা প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক স্বচ্ছতা, গ্রাহকের রিফান্ড, ব্যাংক দায়, জমির মালিকানা, কর-ভ্যাট ও করপোরেট গভর্ন্যান্স নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রতিবেদনে SM Habibur Rahman-এর বিরুদ্ধে ব্যাংক ঋণ খেলাপি, আইনগত পদক্ষেপ এবং ব্যাংকগুলোর recovery চেষ্টার অভিযোগের কথাও উল্লেখ রয়েছে। তবে ওই রিপোর্টও এসব অভিযোগকে প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে উপস্থাপন না করে ব্যাংক নথি, আদালতের রেকর্ড ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রের মাধ্যমে যাচাইয়ের কথা বলেছে। আরও পড়ুন: অপসাংবাদিকতার তাণ্ডব: মূলধারা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার বড় সংকটঅনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, One Bank-এর একটি মামলায় এস এম হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে এবং ওই পরোয়ানা গুলশান থানায় পাঠানো হয়েছে। কিন্তু পরোয়ানা থানায় পৌঁছানোর পর সেটি কার্যকর হয়েছে কি না, হলে কখন হয়েছে, না হলে তার কারণ কী এসব প্রশ্নের উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো থানায় আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পৌঁছালে সেটির কার্যকর করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্ব থাকে। তবে কোনো আসামির বিরুদ্ধে পরোয়ানা থাকলেই তিনি গ্রেপ্তারযোগ্য অবস্থায় আছেন এমন সরল সিদ্ধান্তে যাওয়ার আগে পরোয়ানার সর্বশেষ অবস্থা, জামিন, স্থগিতাদেশ, প্রত্যাহার বা অন্য কোনো আদালতের আদেশ আছে কি না তা যাচাই করা প্রয়োজন। সুতরাং এখানে মূল অনুসন্ধানের বিষয় শুধু ‘ওয়ারেন্ট আছে কি না’ নয়; বরং ওয়ারেন্টটি বর্তমানে কার্যকর কি না এবং থাকলে সেটি বাস্তবায়নে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন: চোরাচালান-মাদকপাচার ও সীমান্ত হত্যা বন্ধে বিজিবিকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশএদিকে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, এস এম হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আদালতে মোট ৫৪টি মামলা রয়েছে। তবে সংবাদ দিগন্তের হাতে এই মুহূর্তে ৫৪টি মামলার পূর্ণাঙ্গ মামলানম্বর, আদালতের নাম, মামলার ধারা, বাদীর পরিচয় এবং বর্তমান অবস্থার সমন্বিত তালিকা নেই।ফলে ৫৪টি মামলাকে নিশ্চিত সংখ্যা হিসেবে প্রকাশের আগে আদালতের নথি দিয়ে তা যাচাই করা জরুরি। কারণ একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভিন্ন পর্যায়ের মামলা, আপিল, রিভিশন বা আর্থিক বিরোধের মামলা থাকতে পারে; আবার কোনো মামলা নিষ্পত্তি, খারিজ, স্থগিত কিংবা জামিনের আওতায়ও থাকতে পারে।এ কারণে সংবাদ দিগন্তের অনুসন্ধানের পরবর্তী ধাপে মামলার নম্বর ধরে ধরে যাচাই করার প্রয়োজন রয়েছে। প্রথম পর্বের অনুসন্ধানে যে বিষয়টি সামনে এসেছিল, সেটি হলো Divine Group-এর বিভিন্ন প্রকল্পে দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকের অর্থ, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং রিফান্ড নিয়ে প্রশ্ন। প্রাথমিক প্রতিবেদনে ২০ কোটি টাকার বেশি refund-related issue থাকার দাবি এবং কিছু গ্রাহকের রিফান্ড দীর্ঘ সময় ধরে অনিষ্পন্ন থাকার অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।Divine Group-সংক্রান্ত প্রাথমিক রিপোর্টে এস এম হাবিবুর রহমানের বিভিন্ন সম্পত্তির বিপরীতে ব্যাংক ঋণ নেওয়ার তথ্যের সঙ্গে একাধিক ঋণ খেলাপির অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কয়েকটি ক্ষেত্রে ব্যাংক আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছে এবং recovery proceedings চলার দাবিও সেখানে রয়েছে। সম্মিলিত ব্যাংক দাবির পরিমাণ ১০ কোটি টাকার বেশি হতে পারে বলে একটি প্রাথমিক অনুমানের কথা বলা হয়েছে।তবে এটিও মনে রাখা জরুরি ব্যাংক ঋণ, ঋণখেলাপি, দেওয়ানি অর্থঋণ মামলা এবং ফৌজদারি মামলা এক বিষয় নয়। কোন মামলায় কী অভিযোগ রয়েছে এবং আদালত কী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন তা নথি দেখে আলাদাভাবে নির্ধারণ করতে হবে।আরও পড়ুন: ‘সাংবাদিক আবদুস সালাম সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার প্রতীক’: রিজভীDivine Group-এর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি হলো গ্রাহক বা প্রকল্পের অর্থ অন্যত্র ব্যবহারের অভিযোগ। প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এ বিষয়টিকে সরাসরি ‘মানি লন্ডারিং’ না বলে Potential Fund Diversion/Misuse of Customer Funds/Related-Party Transaction Risk হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং forensic verification-এর প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য শুধু মুখের কথা বা বাজারের গুঞ্জন যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন হবে ব্যাংক স্টেটমেন্ট, গ্রাহকের পেমেন্ট রেকর্ড, প্রকল্পের হিসাব, জমি কেনার দলিল, নির্মাণ ব্যয়, রিফান্ডের হিসাব এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বা প্রতিষ্ঠানের কাছে অর্থ স্থানান্তরের নথি। প্রতিবেদনটির ভাষায়, গ্রাহকের টাকা থেকে শুরু করে ব্যাংক হিসাব, অর্থ স্থানান্তর, প্রাপক, ব্যয়ের উদ্দেশ্য, ভাউচার এবং শেষ পর্যন্ত প্রকৃত সুবিধাভোগী পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে।আরও পড়ুন:আইসিসিবিতে ৩ সেপ্টেম্বর শুরু কসমেটিকা ঢাকা ২০২৬২০২৫ সাল থেকে Divine Purbachal City এবং Cox Holiday Inn প্রকল্পকে সামনে রেখে নতুন করে বাজারে সক্রিয় হওয়ার তথ্যও প্রাথমিক প্রতিবেদনে রয়েছে। সেখানে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রায় ৫ কোটি টাকার hotel share sale এবং প্রায় ২.৫ কোটি টাকা collection হওয়ার দাবি উল্লেখ করা হয়েছে। একই সময়ে প্রকল্প উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব তথ্য ব্যাংক স্টেটমেন্ট, শেয়ার রেজিস্টার ও গ্রাহক লেজার দিয়ে যাচাইয়ের প্রয়োজন রয়েছে। এখানেই অনুসন্ধানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন পুরোনো প্রকল্পের গ্রাহক, বিনিয়োগকারী ও পাওনাদারদের দায় পরিশোধের আগে নতুন প্রকল্প বা শেয়ারের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে কি না। এটি কোনো অপরাধের প্রমাণ নয়; তবে একটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা মূল্যায়নে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।আরও পড়ুন: আমিরাতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি নাকচCox Holiday Inn প্রকল্পটি নিয়েও দীর্ঘদিনের স্থবিরতার অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হয়ে basement ও একতলা পর্যন্ত নির্মাণের পর কাজ বন্ধ হয়ে যায় এবং প্রায় ২০২১ সাল থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রকল্পটি কার্যত stalled অবস্থায় রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। যদি এই তথ্য নথিপত্রে সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে বিনিয়োগকারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াবে প্রকল্পের বর্তমান সম্পদ কত, ইতোমধ্যে কত টাকা ব্যয় হয়েছে, বাকি নির্মাণে কত টাকা লাগবে এবং সেই অর্থের উৎস কী। Cox Holiday Inn-এর জমির মালিকানা নিয়েও প্রাথমিক রিপোর্টে প্রশ্ন রয়েছে। সেখানে কিছু জমি Divine Holdings Limited, কিছু Divine Hotel and Resort Limited-এর নামে এবং কিছু জমি খাস হতে পারে বলে তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। কিছু জমি Power of Attorney-ভিত্তিক হওয়ার সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে। প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়নে Divine Group-এর corporate governance নিয়ে board oversight, financial control, segregation of duties, project accounting, customer fund segregation, contract management, investor reporting এবং related-party transactionসহ একাধিক ক্ষেত্রে দুর্বলতার আশঙ্কা চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষ করে Managing Director-কেন্দ্রিক অতিরিক্ত আর্থিক ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ থাকায় কোম্পানির সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাঠামো নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। একটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক নিয়ন্ত্রণে সাধারণত কে টাকা গ্রহণ করবে, কে অনুমোদন দেবে, কে ব্যয় করবে এবং কে হিসাব নিরীক্ষা করবে—এসব দায়িত্ব আলাদা থাকার কথা। সেখানে একই ব্যক্তির হাতে অতিরিক্ত ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হলে governance risk তৈরি হতে পারে।আরও পড়ুন: লংমার্চ ঘিরে সিএমপির সঙ্গে জামায়াতের মতবিনিময়এসব অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে একটি বিষয় পরিষ্কার রাখা জরুরি মামলা হওয়া মানেই অপরাধ প্রমাণিত হওয়া নয়। আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত কোনো ব্যক্তিকে অপরাধী বলা আইনগত ও সাংবাদিকতার দিক থেকে সমীচীন নয়। একইভাবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকলেও তার বর্তমান অবস্থা জামিন, স্থগিতাদেশ, প্রত্যাহার বা অন্য কোনো আদালতের আদেশ যাচাই করা জরুরি। তাই এস এম হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ৫৪টি মামলা রয়েছে এই তথ্যটি বর্তমানে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সংবাদ দিগন্ত আদালতের নথির ভিত্তিতে মামলাগুলোর প্রকৃত সংখ্যা ও বর্তমান অবস্থা যাচাই করার চেষ্টা করছে।Divine Group-এর প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রতিবেদনের চূড়ান্ত মতামতেও বলা হয়েছে, নতুন বিনিয়োগ বা আর্থিক সম্পর্ক স্থাপনের আগে independent forensic investigation প্রয়োজন। এজন্য forensic financial audit, land audit, legal audit, tax/VAT audit এবং project audit করার সুপারিশ করা হয়েছে।প্রাথমিক রিপোর্টে stakeholder-দের জন্যও নতুন আর্থিক সম্পর্ক স্থাপনের আগে জমির বৈধ মালিকানা, প্রকল্পের অনুমোদন, বাস্তব নির্মাণ অবস্থা, audited financial statement, customer/refund liability, ব্যাংক ও creditor position এবং customer fund-এর source ও utilization যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন: জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সংসদে সরকার-বিরোধী দলের টানাপোড়েন ফের উত্তাপDivine Group নিয়ে প্রথম পর্বে উঠে এসেছিল প্রকল্পের অগ্রগতি, জমির মালিকানা, অর্থ ব্যবস্থাপনা ও করপোরেট গভর্ন্যান্সের প্রশ্ন। দ্বিতীয় পর্বে সামনে এসেছে মামলা, ব্যাংক-সংক্রান্ত বিরোধ এবং কথিত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা।

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

মাদক মামলার দ্রুত বিচার নিশ্চিতে ১০ জেলায় ২২ ট্রাইব্যুনাল গঠন

মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত মামলার দ্রুত ও কার্যকর বিচার নিশ্চিত করতে দেশের ১০ জেলায় ২২টি মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছে সরকার।একই সঙ্গে এসব ট্রাইব্যুনালের স্থানীয় অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮-এর ৪৪ ধারা অনুযায়ী এসব ট্রাইব্যুনাল গঠন এবং তাদের বিচারিক এলাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন অধিক্ষেত্র অনুযায়ী, বর্তমানে বিচারাধীন মাদক মামলাগুলো প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করতে হবে।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা জেলা ও ঢাকা মহানগরের জন্য রাখা হয়েছে পাঁচটি ট্রাইব্যুনাল।আরও  পড়ুন, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা সংখ্যালঘু নন, সমান অধিকারভুক্ত নাগরিক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এর মধ্যে ঢাকা জেলার জন্য একটি এবং মহানগরের বিভিন্ন থানাকে ভাগ করে চারটি পৃথক ট্রাইব্যুনালের অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করা হয়েছে।এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জে দুটি, চট্টগ্রামে চারটি, কক্সবাজারে তিনটি এবং কুমিল্লায় দুটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।অন্যদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাজশাহী, বগুড়া, দিনাজপুর ও যশোরে একটি করে মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, কোনো মামলা যে ট্রাইব্যুনালের অধিক্ষেত্রের মধ্যে পড়বে, সেই ট্রাইব্যুনালেই মামলাটির বিচারকার্য পরিচালিত হবে।সরকারের এই উদ্যোগের ফলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের হওয়া মামলার বিচার প্রক্রিয়ায় গতি আসবে এবং নির্ধারিত বিচারিক কাঠামোর মাধ্যমে দ্রুত নিষ্পত্তির সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীরা সংখ্যালঘু নন, সমান অধিকারভুক্ত নাগরিক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যালঘু হিসেবে নয়, বাংলাদেশের সমান অধিকারভুক্ত নাগরিক হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।তিনি বলেছেন, ধর্মীয় পরিচয় থাকতে পারে, তবে জাতীয়তা হিসেবে সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। ধর্মীয় স্বাধীনতা, সহাবস্থান এবং সামাজিক শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রাখাই সরকারের লক্ষ্য।শুক্রবার রাজধানীর শ্রীশ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাঙনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ আয়োজিত শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী মিছিলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দেশের সব নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও উপাসনালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সংবিধান রাষ্ট্রকে দিয়েছে। সরকার শুধু সংবিধানে বিষয়গুলো লিখে রাখতে চায় না, আরও  পড়ুন, অবশেষে নবম পে স্কেলের গেজেট, রোববার জারি হতে পারে প্রজ্ঞাপনবাস্তবেও ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে চায়।তিনি বলেন, মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কিংবা নৃগোষ্ঠী—যে ধর্ম বা সম্প্রদায়েরই হোক, সবাই নিজ নিজ ধর্ম ও সংস্কৃতি পালন করবেন। তবে জাতীয়তার পরিচয়ে সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বাংলাদেশের স্বাধীন নাগরিক। তাই কেউ যেন নিজেদের সংখ্যালঘু হিসেবে পরিচয় না দেন। বরং দেশের সমান অধিকারভুক্ত নাগরিক হিসেবে পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।তিনি বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—এই নীতির ভিত্তিতে জাতীয় পরিচয় সবার আগে। এরপর থাকতে পারে ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক কিংবা নৃতাত্ত্বিক পরিচয়।সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবর্তে ধর্মীয় সম্প্রীতি, সহাবস্থান, সামাজিক শান্তি ও সম্প্রীতির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

নতুন পরিচয়পত্রে সেবা সহজ, নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা

একবার নাগরিকের তথ্য দিলেই মিলবে জন্মনিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ভূমি ও করসহ বিভিন্ন সরকারি সেবা। একই তথ্য বারবার জমা দেওয়ার ভোগান্তি কমবে, দ্রুত হবে সেবা প্রদান।এমন লক্ষ্য সামনে রেখে ৯ হাজার ১৯৩ কোটি টাকার ‘ডি-স্টার’ প্রকল্প হাতে নিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ। তবে প্রকল্পটি এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন পায়নি।প্রস্তাব অনুযায়ী, ১৮ কোটি নাগরিকের জন্য তৈরি করা হবে ২০ কোটি পলিকার্বোনেট চিপ কার্ড। প্রতিটি কার্ড উৎপাদন, মুদ্রণ ও বিতরণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৬৯ টাকা। কার্ড, বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ ও বিতরণেই ব্যয় হবে প্রায় ৭ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা।পুরো প্রকল্পে সরকারি অর্থায়ন থাকবে ৭ হাজার ৬৬৩ কোটি টাকা এবং বিশ্বব্যাংকের ঋণ ১ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা। আড়ও পড়ুন,অবশেষে নবম পে স্কেলের গেজেট, রোববার জারি হতে পারে প্রজ্ঞাপনপ্রকল্পের প্রস্তাবিত মেয়াদ ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল।প্রকল্পটির অন্যতম লক্ষ্য একটি নির্ভরযোগ্য পরিচয় নম্বরের সঙ্গে বিভিন্ন সরকারি সেবার তথ্য নিরাপদে যুক্ত করা। এতে ভুয়া সুবিধাভোগী শনাক্ত করা এবং সামাজিক নিরাপত্তার তালিকা হালনাগাদ করা সহজ হতে পারে।তবে বিশেষজ্ঞদের প্রশ্ন—এসব সুবিধা পেতে নতুন কার্ড কতটা জরুরি?কারণ দেশে ইতোমধ্যেই জন্মনিবন্ধন নম্বর ও বায়োমেট্রিক জাতীয় পরিচয়পত্র রয়েছে। ফলে নতুন কার্ড তৈরির আগে বিদ্যমান ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং নতুন ব্যবস্থার খরচ ও সুফলের তুলনা করা জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।এর চেয়েও বড় প্রশ্ন নাগরিকের তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে।একটি পরিচয় নম্বরের সঙ্গে বহু সেবার তথ্য যুক্ত হলে তথ্য ফাঁস বা ভুল তথ্যের প্রভাবও পড়তে পারে একাধিক সরকারি সেবায়। বিশেষ করে বায়োমেট্রিক তথ্য ফাঁস হলে তা সহজে পরিবর্তন করার সুযোগ নেই।এ ছাড়া বাড়িতে জন্ম নেওয়া শিশু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি কিংবা যাদের নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট ও প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ নেই—তাদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে।তাই প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে সীমিত পরিসরে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম, স্বাধীন নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিরীক্ষা, ব্যয়ের স্বচ্ছ হিসাব এবং তথ্য ব্যবহারের পূর্ণাঙ্গ নজরদারি ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

অবশেষে নবম পে স্কেলের গেজেট, রোববার জারি হতে পারে প্রজ্ঞাপন

অবশেষে নবম জাতীয় পে স্কেল-২০২৬-এর গেজেট প্রকাশের অপেক্ষা শেষ হতে যাচ্ছে। আগামী রোববার, ৬ সেপ্টেম্বর নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।এরই মধ্যে নবম পে স্কেলের খসড়া বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়—বিজি প্রেসে পাঠানো হয়েছে। এখন প্রজ্ঞাপন প্রকাশের আগে কয়েকটি আনুষ্ঠানিক ধাপ সম্পন্ন করার কাজ চলছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিজি প্রেসে খসড়া পাঠানোর মধ্য দিয়ে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং এবং এসআরও নম্বর পাওয়ার পরই চূড়ান্ত হবে নবম জাতীয় পে স্কেল-২০২৬-এর গেজেট।গত সোমবার মন্ত্রিসভায় নবম জাতীয় পে স্কেল অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্য দিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো চালুর ক্ষেত্রে নীতিগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।আরও  পড়ুন, নেপালের বন্যা-ভূমিধসে ত্রাণ সহায়তায় বাংলাদেশ দিচ্ছে ১০ লাখ ডলারপ্রজ্ঞাপন জারি হলে নতুন বেতন কাঠামোর বিস্তারিত বিধান স্পষ্ট হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ, বিভিন্ন ভাতা সমন্বয় এবং বাস্তবায়নসংক্রান্ত প্রশাসনিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে।এর আগে সাবেক মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনি বৃহস্পতিবারের মধ্যে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের কথা জানিয়েছিলেন। তবে প্রজ্ঞাপন জারির আগে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কিছুটা বেশি সময় লাগছে।ফলে বৃহস্পতিবারের পরিবর্তে আগামী রোববার, ৬ সেপ্টেম্বরকে নতুন সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে ধরা হচ্ছে। প্রজ্ঞাপন প্রকাশ হলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন কাঠামোয় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে নতুন অধ্যায়।

রাজনীতিরাজনীতি

ছয় দফা দাবিতে ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ শুরু

ছয় দফা দাবিতে ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ শুরু

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।শনিবার সকাল সোয়া ৮টার পর রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে শুরু হয় এই কর্মসূচি। এর আগে সকাল ৭টায় সেখানে সমাবেশ করে জোটটি।গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ছয় দফা দাবিতে এই লং মার্চের আয়োজন করা হয়েছে।জোটের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের মূল্য ঊর্ধ্বগতি রোধে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা।কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে পথসভা করার কথা রয়েছে। আরও  পড়ুন, শিক্ষার মানোন্নয়নে বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশএর মধ্যে নারায়ণগঞ্জের কাচপুর ব্রিজসংলগ্ন ট্রাকস্ট্যান্ড, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল ও মীরসরাইয়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে।পরে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে জনসভার মধ্য দিয়ে আজকের কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।এর আগে গত ৬ আগস্ট ঢাকার মুক্তাঙ্গনে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচি থেকে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকা থেকে চারটি বিভাগীয় শহরে লং মার্চ ও মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর, ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেটে রেলপথে লং মার্চ হওয়ার কথা রয়েছে। সবশেষে ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে জোটটি।

ওয়ান ইলেভেনের ষড়যন্ত্র ছিল বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এবং বিএনপি'র বিরুদ্ধে -ড. আবদুল মঈন খান

ওয়ান ইলেভেনের ষড়যন্ত্র ছিল বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এবং বিএনপি'র বিরুদ্ধে -ড. আবদুল মঈন খান

 স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, ওয়ান ইলেভেনের ষড়যন্ত্র ছিল বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এবং বিএনপি'র বিরুদ্ধে। আর বিএনপি জাতীয়তাবাদী শক্তিতে বিশ্বাসী এবং দেশকে ভালোবাসে বলে এই ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। বাংলাদেশ ও বিএনপি একটি অভিন্ন নাম। বিএনপিকে ওয়ান ইলেভেনের সময় অপসারণ করে অন্যের কুক্ষিগত একটি রাষ্ট্রের অধিনস্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। যার ফলশ্রুতিতে দীর্ঘ ১৭ বছর আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিদেশে নির্বাসিত করে দেওয়া হয়েছিল। সেই অন্যায়ের বিচার আজকে হয়েছে।তিনি শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শহরের সাহেপ্রতাব এলাকার তাঁত বোর্ড ইনিস্টিটিউটের অডিটরিয়ামে জেলা বিএনপি আয়োজিত ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিগত সতের বছর যেভাবে ধ্বংস হয়েছিল, সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে আবার নতুন করে একটি নতুন সাজে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন। বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না, কিন্তু আমরা ন্যায় বিচার চাই। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সতেরো বছর পরে বাংলাদেশে ফিরে এসেছেন এবং একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষের সরাসরি ভোটে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। সামনে আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সিটি কর্পোরেশন থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পর্যন্ত সুষ্ঠ নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে বাংলাদেশের মানুষের কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।আরও  পড়ুন, আন্দোলনের হুমকি নয়, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে বিকল্প পরিকল্পনা দিন: রিজভীমন্ত্রী আরো বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কোনদিন পিছনের দিকে তাকাননি। বিএনপি'র ইতিহাস সামনে চলার ইতিহাস, আওয়ামী লীগের ইতিহাস পিছনে চলার ইতিহাস। আমরা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের আগে যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিলেন আজকে কিন্তু তিনি তা একটি একটি করে বাস্তবায়ন করছেন। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করে যাচ্ছেন।বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও নরসিংদী-১ সদর আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন এর সভাপতিত্বে ও নরসিংদী-৩ শিবপুর আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনজুর এলাহী এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য এড. শিরীন সুলতানা, রায়পুরা আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, নরসিংদী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীরমুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন মাস্টার, জেলা বিএনপির সহসভাপতি হারুন অর রশিদ,খবিরুল ইসলাম বাবুল,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহসিন হোসাইন বিদুৎ, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান সরকার,ছাত্রদলের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান নাহিদ সহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

আন্দোলনের হুমকি নয়, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে বিকল্প পরিকল্পনা দিন: রিজভী

আন্দোলনের হুমকি নয়, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে বিকল্প পরিকল্পনা দিন: রিজভী

গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সরকারকে বিকল্প পরিকল্পনা দেওয়ার জন্য বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।তিনি বলেছেন, রাজপথে আন্দোলনের হুমকি না দিয়ে জাতীয় সংসদে এসে সংকট সমাধানে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেওয়া উচিত বিরোধী দলের।শুক্রবার ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থার নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।রিজভী বলেন, গ্যাস ও বিদ্যুতের জন্য বিরোধীরা লংমার্চ বা বিভিন্ন কর্মসূচি দিতে পারেন। তবে একই সঙ্গে কীভাবে এবং কোথা থেকে জ্বালানি ও বিদ্যুতের সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়, তার বিকল্প প্রস্তাবও দিতে হবে।আরও  পড়ুন, ‘ব্যবসার নামে ১২ কোটি টাকা আত্মসাৎ’, জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগতিনি বলেন, বর্তমান সংকট আন্তর্জাতিক যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং বিগত সরকারের ভুল পরিকল্পনার ফল। বৈশ্বিক যুদ্ধের পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি পরিবহনে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছে।রিজভী আরও বলেন, দেশের সংকটকালে পরিকল্পিতভাবে অচলাবস্থা তৈরি করা সমীচীন নয়। বরং সরকারকে সমালোচনার পাশাপাশি সংকট মোকাবিলায় কার্যকর পথ দেখানো প্রয়োজন।জুলাই আন্দোলনে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন তিনি। রিজভীর ভাষ্য, গান ও নৃত্যের মতো সাংস্কৃতিক পরিবেশনা আন্দোলনকারীদের মধ্যে উদ্দীপনা ও সাহস জুগিয়েছিল।অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থার নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যরা আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেন।

‘ব্যবসার নামে ১২ কোটি টাকা আত্মসাৎ’, জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

‘ব্যবসার নামে ১২ কোটি টাকা আত্মসাৎ’, জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

কুড়িগ্রামে ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর চার নেতার বিরুদ্ধে। টাকা ফেরত ও অভিযুক্তদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন দলটির তৃণমূল নেতাকর্মী ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।বুধবার দুপুরে কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে ‘ভুক্তভোগী মাজলুম পরিবার’-একুড়িগ্রামে ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর চার নেতার বিরুদ্ধে। টাকা ফেরত ও অভিযুক্তদের বিচারের র ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ২০২০ সালে জামায়াতে ইসলামীর কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি শাহজালাল সবুজ, কর্মপরিষদ সদস্য রফিকুল ইসলাম, জামায়াতের রোকন আব্দুস সালাম সুজা এবং সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রশিবিরের বায়তুল মাল সদস্য রফিকুল ইসলাম—এই চারজন ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ নামে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।তাদের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে কুড়িগ্রামের প্রায় ১৫০ জন জামায়াত সদস্যের কাছ থেকে ১২ কোটি টাকা নিয়ে ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়। পরে বিনিয়োগের টাকা ও লভ্যাংশ ফেরত না দিয়ে ২০২৪ সালের ১৬ নভেম্বর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান এবং যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।আরও  পড়ুন, বর্তমান দুদকের নৈতিক ও আইনি বৈধতা নেই’: নাহিদ-আখতারদীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরতের চেষ্টা করেও প্রতিকার না পাওয়ায় অনেক পরিবার আর্থিক সংকটে পড়েছে বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।তারা জানান, বিষয়টি জেলা জামায়াতের আমিরকে জানানো হলে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে অর্থ ফেরতের বিষয়ে কাঙ্ক্ষিত সমাধান না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত মামলা করেন ভুক্তভোগীরা।মানববন্ধনে বক্তারা দাবি করেন, মামলায় ওয়ারেন্ট জারি হলেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। দ্রুত তাদের আইনের আওতায় এনে ভুক্তভোগীদের ১২ কোটি টাকা ফেরতের দাবি জানান তারা।তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শাহজালাল সবুজ দাবি করেন, ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ মূলত রফিকুল ইসলাম রাজারহাটের ব্যক্তিগত ব্যবসা। ২০২০ সালে ভবিষ্যতে ব্যবসার জন্য যৌথ চুক্তি হলেও ওই চুক্তির মাধ্যমে কোনো ব্যবসা শুরু হয়নি। তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

সারাবাংলা

শিক্ষার মানোন্নয়নে বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ

শিক্ষার মানোন্নয়নে বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে পিংনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্যোগে বিদ্যালয়ের নবম ও ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিয়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।গতকাল দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।সমাবেশে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার মানোন্নয়ন, নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি, অভিভাবকদের ভূমিকা এবং শিক্ষার্থীদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে করণীয় বিষয়ে আলোচনা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।এতে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. আবু হানিফা (হানিফ)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে  সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আফসানা বক্তব্য রাখেন । বিশেষ অতিথি হিসেবে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার এ.টি.এম. রুহুল আমিন  বেগ, শিক্ষকদের পক্ষে ইমরুল কায়েস,আরও  পড়ুন, বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতবার্ষিকীতে টুঙ্গিপাড়ায় নেই আগের সেই আয়োজন, সর্বত্র জোরদার নিরাপত্তাইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল রশিদ , ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি বেলাল হোসেন ময়না, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, পিংনা  ইউনিয়ন ছাত্র দলের সভাপতি তমাল মিয়া। শিক্ষার্থীর অভিভাবক, হাফেজ মাওলানা গাউছুল আজম,শিউলি চৌধুরী, রিনা রানী পাল ,সালমা বেগম, বিলকিস আক্তার, তানিয়া আক্তার, শিক্ষার্থী মোহনা আক্তার , কানিজ ফাতেমা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. হেদায়েতুল ইসলাম (অপু)। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোজামেল হক-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয় । সমাবেশ পরিচালনা করেন শিক্ষক আইয়ুব আলী।

বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতবার্ষিকীতে টুঙ্গিপাড়ায় নেই আগের সেই আয়োজন, সর্বত্র জোরদার নিরাপত্তা

বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতবার্ষিকীতে টুঙ্গিপাড়ায় নেই আগের সেই আয়োজন, সর্বত্র জোরদার নিরাপত্তা

নিরাপত্তার চাদরে টুঙ্গিপাড়া,নীরব বঙ্গবন্ধু সমাধিসৌধ এলাকা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর  রহমানের ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকীতে জন্মভূমি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় এবারও নেই আগের মতো রাজনৈতিক ও আনুষ্ঠানিক আয়োজন। ১৫ আগস্টকে ঘিরে গতকাল শুক্রবার (১৪ আগস্ট) থেকেই টুঙ্গিপাড়া উপজেলা ও বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ কমপ্লেক্স এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে সমাধিসৌধ সহ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), বিজিবি, র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের টহল ও অবস্থান চোখে পড়েছে। সরেজমিনে দেখা  গেছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সের আশপাশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ ও সড়কে দায়িত্ব পালন করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। নিরাপত্তার কারণে সমাধিসৌধ এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচলও সীমিত রাখা হয়েছে। আজকের প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে টুঙ্গিপাড়া ও গোপালগঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ,এপিবিএন এবং পাঁচ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েনের তথ্য এসেছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের নিজ বাসভবনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। পরে তাঁর মরদেহ জন্মস্থান টুঙ্গিপাড়ায় নিয়ে সমাহিত করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে ১৫ আগস্ট টুঙ্গিপাড়ার বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়ে আসছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এ দিনটিকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবেও পালন করা হতো। ২০২৪   সালের ১৫ আগস্ট পর্যন্ত টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেছে। ওই বছর সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল এবং বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলে সে সময়ের সংবাদ প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।আরও  পড়ুন, কসবায় ২২০০ পিস ইয়াবাসহ ভাই-বোন আটক তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ২০২৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে টুঙ্গিপাড়ায় আগের মতো কোনো রাজনৈতিক বা ধর্মীয় আয়োজন দেখা যায়নি। সে সময়ও সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সের প্রবেশপথ বন্ধ রাখা হয়েছিল এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা ছিল। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদেরও প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। চলতি বছর ১৫  আগস্টেও টুঙ্গিপাড়ায় একই ধরনের পরিস্থিতি দেখা গেছে। মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কোনো নেতা কর্মীকে প্রকাশ্যে কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায়নি। সমাধিসৌধ কমপ্লেক্স ও এর আশপাশে নেই আগের মতো নেতাকর্মীদের ভিড় কিংবা শোকের আনুষ্ঠানিক আয়োজন ফলে অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেকটাই নীরব পরিবেশে পার হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী। গতকাল ১৪ আগস্ট থেকেই টুঙ্গিপাড়ায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। শনিবার সকালেও উপজেলার বিভিন্ন সড়ক, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সের আশপাশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে। গোপালগঞ্জের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকাতেও বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত   কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী বলেন, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ কমপ্লেক্স এলাকায় ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর।  পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি ও টহল। ১৫ এই আগস্ট শনিবার বিকেল পর্যন্ত টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

কসবায় ২২০০ পিস ইয়াবাসহ ভাই-বোন আটক

কসবায় ২২০০ পিস ইয়াবাসহ ভাই-বোন আটক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ২ হাজার ২০০ পিস ইয়াবাসহ আপন ভাই ও বোনকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।আটকরা হলেন—কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের মজলিশপুর পশ্চিমপাড়া এলাকার আবু তাহেরের ছেলে মিন্টু মিয়া (৪৭) ও মেয়ে সেলিনা আক্তার (৪৩)।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া কার্যালয়ের উপপরিচালক সাজেদুল হাসান জানান, বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কসবার তিনলাখপীর বাসস্ট্যান্ড মোড়সংলগ্ন সৈয়দাবাদ এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়।আরও  পড়ুন, কালকিনিতে সরকারি বন্দোবস্তের জমি দখলের চেষ্টা:প্রতিপক্ষের হামলায় দম্পতি গুরতর আহতএ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়াগামী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিকালে ওই অটোরিকশায় থাকা এক নারী ও পুরুষের কাছ থেকে ২ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের আটক করা হয়।উপপরিচালক সাজেদুল হাসান আরও জানান, এ ঘটনায় আটক দুজনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

কালকিনিতে সরকারি বন্দোবস্তের জমি দখলের চেষ্টা:প্রতিপক্ষের হামলায় দম্পতি গুরতর আহত

কালকিনিতে সরকারি বন্দোবস্তের জমি দখলের চেষ্টা:প্রতিপক্ষের হামলায় দম্পতি গুরতর আহত

মাদারীপুরের কালকিনিতে সরকার কর্তৃক বন্দোবস্ত পাওয়া জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে। এতে বাধা দিতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলায় একই পরিবারের স্বামী-স্ত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন।​গত বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার আলীপুর এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন—ভুক্তভোগী আব্দুল হামিদ আকন (৫০) ও তার স্ত্রী ঝুমকি বেগম (৪০)। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে,কালকিনি উপজেলার পূর্ব এনায়েতনগর ইউনিয়নের ভূক্তভোগী আব্দুল হামিদ আকনের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে সরকারি আইনি প্রক্রিয়ায় বন্দোবস্ত প্রাপ্ত জমিতে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস ও ভোগদখল করে আসছিল। কিন্তু স্থানীয় কবির খান, ফারুক মালত, নজরুল মালত, আমির হোসেন মৃধা, হাবি মালত ও হারুন মালত উক্ত জমিটি নিজেদের দাবি করে একটি মাদ্রাসা নির্মাণের অজুহাতে দখলের পাঁচতারা করে আসছিল। ​উক্ত জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। ঘটনার দিন বিকেলে কালকিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাইফ-উল আরেফীন ভুক্তভোগী আব্দুল হামিদ আকন এর জমি মিউটেশনের আবেদনের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। অভিযোগ রয়েছে, ইউএনও ঘটনাস্থল ত্যাগ করার পরপরই প্রতিপক্ষ কবির খান ও ফারুক মালতের নেতৃত্বে একদল লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে উক্ত জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে দখলের চেষ্টা চালায়।আরও  পড়ুন, নাসিরনগরে ভয়াবহ সংঘর্ষ, প্রাণ গেল যুবকের এতে জমির বৈধ মালিক আব্দুল হামিদ আকন ও তার স্ত্রী বাধা দিলে সন্ত্রাসী বাহিনী তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং ঘরবাড়ি ভাংচুর করে। হামলায় স্বামী স্ত্রী দুজনেই গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আব্দুল হামিদ আকন বলেন,"সরকার সব আইনি প্রক্রিয়া মেনে আমাদের নামে জমি বন্দোবস্ত দিয়েছে। কিন্তু প্রতিপক্ষ গায়ের জোরে আমাদের ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করতে চাইছে। তারা আমাদের হত্যার উদ্যোশ্যে হামলা করেছে আমরা এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও জীবনের নিরাপত্তা চাই।হামলার অভিযোগের বিষয়ে জানতে মুঠোফোন হাবি মালত বলেন,গতকাল ইউএনও স্যার আসছিলো ইউএনও স্যার চলে যাওয়ার পরে মহিলারা মহিলারা মারামারি করেছে আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম না। ঘটনার বিষয়ে কালকিনি থানা অফিসার ইনচার্জ জহিরুল আলম জানায়,খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে ঘটনা সত্য হওয়ায় কালকিনি থানা একটি মামলা হয়েছে  আসামি গ্রেফতারের   চেষ্টা চলছে  এবিষয়ে কালকিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফ-উল আরেফীন বলেন,ওই জমি নিয়ে বিরোধ চলছে,মিউটেশনের জন্য হামিদ আকন নামে একজন আবেদন করেছে সেটি আমি সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়েছিলাম,গতকাল আমার শেষ কর্মদিবস ছিলো আমার বদলি হয়ে গেছে। আমি চলে আসার পর শুনছি সেখানে ঝামেলা হয়েছে এমন খবর পাওয়ার পরে আমি পুলিশ পাঠিয়েছি পরে তারা থানায় অভিযোগ করেছি কি না সেটা জানিনা।

আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশিদের অভিবাসী ভিসায় ফের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া

বাংলাদেশিদের অভিবাসী ভিসায় ফের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া

বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত রাখার নীতি প্রত্যাহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র।দেশটির একটি ফেডারেল আদালতের আদেশের পর ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, গত ২১ আগস্ট থেকে ওই স্থগিতাদেশ আর কার্যকর নেই। এর আগে গত ২১ জানুয়ারি থেকে স্থগিতাদেশটি কার্যকর ছিল।এই নীতির আওতায় বাংলাদেশ ছাড়াও ভুটান, নেপাল ও পাকিস্তানসহ মোট ৭৫টি দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা আবেদন স্থগিত রাখা হয়েছিল।মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, অভিবাসী ভিসা যাচাই-বাছাইয়ের নীতিমালা পর্যালোচনার অংশ হিসেবে সাময়িকভাবে এই স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল, যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীরা যেন নিজেদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর রাখতে পারেন এবং সরকারি সুবিধার ওপর নির্ভরশীল না হন—তা নিশ্চিত করা।আড়ও পড়ুন,চীনে গ্যাস পাঠাতে নতুন পাইপলাইন রাশিয়ারতবে স্থগিতাদেশের সময় সংশ্লিষ্ট দেশের আবেদনকারীরা ভিসার আবেদন জমা দেওয়া এবং সাক্ষাৎকারে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন।এখন স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হওয়ায় বাংলাদেশসহ তালিকাভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকরা নিয়ম অনুযায়ী অভিবাসী ভিসার আবেদন করতে এবং প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে পারবেন।এদিকে, ২১ আগস্ট ম্যানহাটান ডিস্ট্রিক্ট আদালত ট্রাম্প প্রশাসনের এই নীতি বাতিল করে রায় দেন। বিচারক জ্যানেট ভার্গাস বলেন, জানুয়ারিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ঘোষণা করা অভিবাসী ভিসা-সংক্রান্ত নীতিটি স্পষ্টতই বেআইনি এবং কেন্দ্রীয় অভিবাসন আইনের পরিপন্থী।আদালত আরও বলেন, বিদ্যমান আইনে অভিবাসী ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের ওপর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্ষমতা স্পষ্টভাবে সীমিত। ফলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তার আইনগত এখতিয়ারের সীমা অতিক্রম করে ওই নীতি গ্রহণ করেছেন।ফলে আদালতের রায়ের পরই ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়ার ওপর আরোপিত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জানায় যুক্তরাষ্ট্র।

১৬ ঘন্টা আগে

রাজধানী

তেজগাঁওয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল অজ্ঞাত ব্যক্তির

তেজগাঁওয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল অজ্ঞাত ব্যক্তির

রাজধানীর তেজগাঁও থানাধীন কারওয়ান বাজার এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কারওয়ান বাজারের পেছনের রেললাইনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের সহায়তায় গুরুতর আহত অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে রাত ১টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।আরও  পড়ুন, ডেমরায় মাদক সেবন নিয়ে বিরোধ, রিকশাচালককে ইট দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগতিনি জানান, নিহত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৫৫ বছর। তবে তার নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি।মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি রেলওয়ে থানায় জানানো হয়েছে।নিহতের পরিচয় শনাক্তে চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে ঘটনার বিস্তারিত জানতে সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন।ঘটনার বিষয়ে সিআইডির ক্রাইমসিন ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

৩৭ মিনিট আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

বিশ্বকাপের কয়েক মাস পরই আবার ব্রাজিল-জাপান লড়াই, এবার সিঙ্গাপুরে

বিশ্বকাপের কয়েক মাস পরই আবার ব্রাজিল-জাপান লড়াই, এবার সিঙ্গাপুরে

২০২৬ বিশ্বকাপে নাটকীয় হারের কয়েক মাসের মধ্যেই আবারও ব্রাজিলের মুখোমুখি হচ্ছে জাপান। নভেম্বরে সিঙ্গাপুরে বসতে যাওয়া চার জাতির আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্ট ‘মিজুহো ব্লু চ্যালেঞ্জে’ দেখা হবে দুই দলের।ব্রাজিল ও জাপানের সঙ্গে টুর্নামেন্টে অংশ নেবে প্যারাগুয়ে ও স্বাগতিক সিঙ্গাপুর। ১৩ থেকে ১৭ নভেম্বর ফিফা আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে সিঙ্গাপুর জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচগুলো।১৪ নভেম্বর মুখোমুখি হবে ব্রাজিল ও জাপান। মাত্র কয়েক মাস আগে ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ৩২ পর্বেও লড়েছিল দুই দল। যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে ২-১ গোলে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করে ব্রাজিল।ম্যাচের যোগ করা সময়ে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির গোলেই নাটকীয় জয় পায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।বিশ্বকাপের সেই পরাজয়ের স্মৃতি জাপানের জন্য এখনো তাজা। আরও  পড়ুন, ক্রিকেটের সবার বেতন-ভাতা পর্যালোচনা করবে বিসিবিফলে সিঙ্গাপুরের ম্যাচটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রীতি ম্যাচ হলেও জাপানের কাছে এটি হয়ে উঠতে পারে হারের জবাব দেওয়ার বড় সুযোগ।১৩ নভেম্বর প্যারাগুয়ে ও স্বাগতিক সিঙ্গাপুরের ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে টুর্নামেন্ট। পরদিন ব্রাজিল-জাপান লড়াই। আর ১৭ নভেম্বর শেষ দিনে ব্রাজিল খেলবে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে। একই দিনে জাপানের প্রতিপক্ষ হবে প্যারাগুয়ে।বিশ্বকাপ-পরবর্তী ব্যস্ত সূচির অংশ হিসেবেই টুর্নামেন্টে খেলবে ব্রাজিল। কার্লো আনচেলত্তির দল সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে। ২৫ সেপ্টেম্বর কুইন্সল্যান্ডে এবং ২৯ সেপ্টেম্বর ব্রিসবেনে হওয়ার কথা রয়েছে ম্যাচ দুটি।এরপর ৩ অক্টোবর কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে প্রথমবারের মতো ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামার কথা ব্রাজিলের। সেই ধারাবাহিকতায় নভেম্বরে সিঙ্গাপুরে আবারও জাপানের মুখোমুখি হবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।ফলে বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের পর ব্রাজিল-জাপানের আরেকটি দ্বৈরথ নিয়ে এখন থেকেই তৈরি হচ্ছে বাড়তি উত্তেজনা।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর