দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1003.3 hPa
34.1° 55%
9mm
চট্টগ্রাম 1004.4 hPa
31.8° 74%
100° 9mm
রাজশাহী 1002.7 hPa
29.5° 92%
20° 9mm
খুলনা 1003.3 hPa
31.3° 76%
9mm
বরিশাল 1003.9 hPa
32° 66%
9mm
সিলেট 1003.6 hPa
31.5° 70%
20° 9mm
রংপুর 1003.1 hPa
32.5° 0%
20° 9mm
ময়মনসিংহ 1003.5 hPa
32.8° 65%
40° 9mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

বনানীর আবাসিক ভবনে স্পা-গেস্ট হাউজ এখন অন্ধকার জগৎ

বনানীর আবাসিক ভবনে স্পা-গেস্ট হাউজ এখন অন্ধকার জগৎ

রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানীতে আবাসিক ভবনকে কেন্দ্র করে পরিচালিত বিভিন্ন ব্যবসা ও গেস্ট হাউজের কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বনানীর ২৭ নং রোডের ৬৫ নং বাড়ির ‘করিম ভিলা’ নামের একটি আবাসিক ভবনে পরিচালিত কয়েকটি পার্লার, সেলুন ও স্পা সেন্টারকে ঘিরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, মাদক সরবরাহ এবং কথিত দালালচক্রের তৎপরতার অভিযোগের পাশাপাশি ডেল্টা ডালিয়া নামের একটি বহুতল ভবনের ষষ্ঠ তলায় পরিচালিত ‘লাক্সারি’ গেস্ট হাউজ নিয়েও উঠেছে গুরুতর অভিযোগ।আরও পড়ুন: গুলশান ২৬-এ কথিত গেস্ট হাউস সিন্ডিকেটের রহস্যস্থানীয় বাসিন্দা, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং সাংবাদিকদের মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানে এসব অভিযোগের বিভিন্ন দিক সামনে এসেছে। তবে অনুসন্ধানে পাওয়া প্রতিটি অভিযোগ স্বাধীনভাবে এবং আইনগতভাবে চূড়ান্তভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে না দেখে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং দায়িত্বশীল নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে দুটি বিষয় আবাসিক ভবনে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার বৈধতা এবং এসব প্রতিষ্ঠানে আগত ব্যক্তিদের পরিচয় ও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা। স্থানীয়দের প্রশ্ন, আবাসিক ভবনে যদি বৈধ ব্যবসা পরিচালিত হয়ে থাকে, তাহলে তার ট্রেড লাইসেন্স, ভবনের ব্যবহার অনুমোদন, অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা, কর্মী গ্রাহকের নিরাপত্তা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অনুমোদন কতটা সঠিকভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে?আরও পড়ুন: বনানীতে শৈশবের স্পা সেন্টার ঘিরে নারী ও দালাল সিন্ডিকেটবনানীর ‘করিম ভিলা’ নামের আবাসিক ভবনের কয়েকটি ফ্ল্যাটে দীর্ঘদিন ধরে বিউটি পার্লার, সেলুন ও স্পা-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন না থাকলেও অভিযোগ উঠেছে, কিছু প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের আড়ালে ভিন্ন ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতে পারে।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, দিনের তুলনায় সন্ধ্যার পর ভবনটিতে অপরিচিত নারী-পুরুষের চলাচল বেড়ে যায়। গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যক্তির যাতায়াত নিয়ে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, কোনো ব্যক্তিগত ব্যবসা পরিচালনায় আপত্তি না থাকলেও আবাসিক ভবনের পরিবেশ, নিরাপত্তা এবং অন্য বাসিন্দাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা যাতে ব্যাহত না হয়, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি।অভিযোগ রয়েছে, কথিত কিছু মধ্যস্থতাকারী বা দালালের মাধ্যমে নির্দিষ্ট গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরে তাদের বিভিন্ন পার্লার, সেলুন কিংবা নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে নেওয়া হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মোবাইল ফোন ব্যবহার করে যোগাযোগ করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল নথি বা আইনগতভাবে যাচাইকৃত তথ্য প্রতিবেদকের হাতে পাওয়া যায়নি।আরও পড়ুন: চট্রগ্রাম গোয়ালপাড়ায় মাদক সম্রাজ্ঞী "আকলিমার" মাদকের হাটমাদকদ্রব্য সরবরাহের অভিযোগও উঠেছে করিম ভিলাকে ঘিরে। অভিযোগকারীদের কেউ কেউ দাবি করেছেন, ইয়াবা ও ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য সরবরাহের সঙ্গে কথিত একটি চক্র জড়িত থাকতে পারে। ফলে এ অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।অভিযোগ সূত্রে করিম ভিলাকে ঘিরে কথিত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সোলেমান ওরফে সাকিব এবং মাসুদ নামের দুই ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ করা হলেও স্বাধীনভাবে সেসব অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ প্রকাশের আগে তার বক্তব্য নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রতিবেদনের সময় পর্যন্ত সোলেমান ওরফে সাকিব এবং মাসুদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য বা অভিযোগের বিষয়ে কোনো নথি পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে যথাযথভাবে তুলে ধরা হবে।আরও পড়ুন: https://www.youtube.com/watch?v=p5fy5JPIYPUঅভিযোগ সূত্রে তাদের রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে যোগাযোগ থাকার কথাও বলা হয়েছে। তবে এ ধরনের দাবিরও স্বাধীন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাবের বিষয়টি অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে, প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে নয়।অভিযোগের বিভিন্ন দিক যাচাই করতে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে মাঠপর্যায়ে অনুসন্ধান চালানো হয়। অনুসন্ধানের সময় কথিত মাদকদ্রব্যের মূল্য নিয়ে এক ব্যক্তির সঙ্গে কথোপকথন রেকর্ড করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। কথোপকথনের প্রেক্ষাপট, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়, আর্থিক লেনদেন এবং কথিত মাদকদ্রব্যের অস্তিত্ব আইনগতভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। তাই অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে উপস্থাপন করে প্রয়োজনীয় তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।আরও পড়ুন: https://www.youtube.com/shorts/_rE9ZWrEISUকরিম ভিলার ব্যবস্থাপকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি বলে জানা গেছে। ফলে ভবন কর্তৃপক্ষের অবস্থান এই প্রতিবেদনে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা সম্ভব হয়নি। তবে ভবন কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মালিক-কর্তৃপক্ষ পরবর্তীতে কোনো বক্তব্য, নথি বা ব্যাখ্যা দিলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।এদিকে করিম ভিলাকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের পাশাপাশি বনানীর ডেল্টা ডালিয়া নামের একটি বহুতল ভবনের ষষ্ঠ তলায় পরিচালিত ‘লাক্সারি’ গেস্ট হাউজ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে গেস্ট হাউজটির কার্যক্রম, অতিথি নিবন্ধন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং ব্যবসায়িক বৈধতা নিয়ে একাধিক বিষয় সামনে আসে। সরেজমিনে গেস্ট হাউজটির বাইরে উল্লেখযোগ্য কোনো স্পষ্ট সাইনবোর্ড চোখে পড়েনি বলে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ষষ্ঠ তলায় গেস্ট হাউজ পরিচালনার কিছু নির্দেশনা দেখা গেলেও অতিথিদের পরিচয় যাচাই ও নিবন্ধন সংক্রান্ত নথি সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। অনুসন্ধানের সময় কয়েকজন অবস্থানরত অতিথির সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। তাদের কয়েকজন দাবি করেন, কক্ষ নেওয়ার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র জমা বা পরিচয় নিবন্ধনের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। তবে এটি গেস্ট হাউজটির নিয়মিত নীতি কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ কারণে গেস্ট হাউজটির অতিথি নিবন্ধন খাতা, পরিচয়পত্র সংরক্ষণের তথ্য, সিসিটিভি ফুটেজ এবং ব্যবসা পরিচালনার বৈধ কাগজপত্র যাচাই করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।আরও পড়ুন: প্রভার পোস্টে আলোড়নঅনুসন্ধানের সময় একটি কক্ষে এক তরুণী নারী ও চল্লিশোর্ধ্ব এক ব্যক্তিকে মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ দেখা গেছে বলে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। ওই কক্ষে কিছু ট্যাবলেট সদৃশ বস্তু দেখা যায় বলেও জানানো হয়েছে। তবে সেগুলো আদৌ মাদকদ্রব্য কি না, ঘটনাস্থলে বৈজ্ঞানিকভাবে নিশ্চিত করার সুযোগ ছিল না। অন্য একটি কক্ষে একজন নারী ও এনামুল হক নামে পরিচয় দেওয়া এক পুরুষকে অবস্থান করতে দেখা যায়। তারা স্বামী-স্ত্রী নন বলে স্বীকার করেছেন এমন দাবি প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে করা হয়েছে। তবে প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষ একই গেস্ট হাউজের কক্ষে অবস্থান করলেই তা কোনো অপরাধের প্রমাণ নয়। এখানে মূল প্রশ্ন হলো গেস্ট হাউজ কর্তৃপক্ষ অতিথিদের পরিচয় যাচাই করেছে কি না এবং আইন ও ব্যবসায়িক বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করছে কি না।সাংবাদিকরা গেস্ট হাউজটির অন্যান্য কক্ষ ও কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করলে আল-আমিন নামের এক ব্যক্তি নিজেকে প্রতিষ্ঠানের মালিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে অনুসন্ধানে বাধা দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করেন এবং সংবাদ প্রকাশ নিয়ে আপত্তি জানান। অনুসন্ধানের সময় তিনি স্থানীয় বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন, সুজন ও শুভসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে তাদের কথিত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার দাবি করেন।ডেল্টা ডালিয়া ভবনের কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, গত কয়েক বছর ধরে ভবনে অপরিচিত মানুষের যাতায়াত বেড়েছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় বিভিন্ন ব্যক্তির চলাচল নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলে তারা দাবি করেন। আবার একজন বাসিন্দার ভাষ্য, “আমরা কারও বৈধ ব্যবসার বিরুদ্ধে নই। কিন্তু আবাসিক ভবনে এমন কোনো কর্মকাণ্ড চললে, যার কারণে বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়, তাহলে প্রশাসনের বিষয়টি দেখা উচিত। গেস্ট হাউজ এবং করিম ভিলাকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ তদন্তই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগটি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে পুলিশ চাইলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স, ব্যবসার অনুমোদন, অতিথি নিবন্ধন খাতা, সিসিটিভি ফুটেজ, কর্মচারীদের পরিচয় এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য নথি যাচাই করতে পারে। শুধু তাই নয় এসব আপরাধীদের যেকোন মুহুর্তে দমন করতে পারে। আরও পড়ুন: দারুসসালামে অনুমোদনহীন অনৈতিক কর্মকান্ডে জসিম ও হারুনের দাপটকোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শুধু অভিযোগ উঠলেই সেটিকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা সাংবাদিকতার নীতি নয়। একইভাবে ব্যবসার আড়ালে যদি সত্যিই মাদক সরবরাহ, মানবপাচার, প্রতারণা কিংবা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়, তাহলে সেটিও উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। এ কারণে করিম ভিলা ও লাক্সারি গেস্ট হাউজ দুই ক্ষেত্রেই প্রয়োজন নথি ও প্রমাণভিত্তিক তদন্ত। প্রতিষ্ঠানগুলোর লাইসেন্স বৈধ কি না, ভবনের ব্যবহার অনুমোদিত কি না, অতিথিদের পরিচয় সংরক্ষণ করা হচ্ছে কি না, সিসিটিভি সচল আছে কি না এবং কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ রয়েছে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করাই এখন মূল বিষয়।সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আবাসিক ভবনে বেআইনি কোনো কার্যক্রমের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। করিম ভিলা এবং লাক্সারি গেস্ট হাউজকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের মধ্যে কিছু অভিযোগ গুরুতর হলেও এখন পর্যন্ত সবকটির আইনগত সত্যতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। কোথাও মাদক পাওয়া গেছে কি না, কথিত দালালচক্র সত্যিই সক্রিয় কি না, কোনো ব্যবসা অনুমোদনহীন কি না কিংবা কোনো ব্যক্তি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত কি না এসব প্রশ্নের উত্তর নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।আরও পড়ুন: বনানীতে শহিদের অবৈধ স্পা সেন্টার ঘিরে অন্ধকার জগৎঅন্যদিকে কোনো অভিযোগ সত্য হলে শুধু তদন্তের আশ্বাসে বিষয়টি থেমে থাকা উচিত নয়। প্রমাণের ভিত্তিতে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়াও জরুরি। কারণ বনানীর মতো ঘনবসতিপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ দীর্ঘদিন অনিষ্পন্ন থাকলে তার প্রভাব আশপাশের বাসিন্দাদের ওপর পড়তে পারে। সবশেষে, করিম ভিলা ও ডেল্টা ডালিয়ার ‘লাক্সারি’ গেস্ট হাউজকে ঘিরে ওঠা অভিযোগ এখন তদন্তের দাবি রাখে। সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যকে চূড়ান্ত রায় হিসেবে নয়, বরং তদন্তের সূত্র হিসেবে দেখা প্রয়োজন। অভিযোগ সত্য হলে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা যেমন জরুরি, তেমনি অভিযোগ অসত্য হলে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানেরও দায়মুক্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

সারা বিশ্ব তাকিয়ে আছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিকে: সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন বলেছেন, এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন। সারা বিশ্ব এ নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছে। নির্বাচনের সময় কোনো ধরনের প্রচার-প্রচারণা চালানো যাবে না।বুধবার (১৯ আগস্ট) নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।সিইসি বলেন, ঐতিহাসিক এ নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে। প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি নেই এবং সব অংশীজনের সহযোগিতাও পাওয়া যাচ্ছে। আশা করি একটি সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।তিনি বলেন, ১৯৯১ সালের পর প্রথমবারের মতো এ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এটি তাঁর জন্য সৌভাগ্যের বিষয় বলেও মন্তব্য করেন সিইসি।রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণার সুযোগ নেই জানিয়ে এএমএম নাসির উদ্দিন বলেন, নির্বাচনী স্থানে উপস্থিত হয়ে কোনো ধরনের প্রচার-প্রচারণা চালানো যাবে না।আরও  পড়ুন, তিন জেলার ডিসিকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্তগত ২৪ জুলাই ২২তম রাষ্ট্রপতি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করায় রাষ্ট্রপতির পদটি শূন্য হয়। পরে ৬ আগস্ট নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এবারের নির্বাচনে বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অলি আহমদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই। সংসদ সদস্যরাই ভোট দেবেন। চট্টগ্রাম-৪ আসন শূন্য থাকায় মোট ভোটার ৩৪৯ জন।আগামী বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটাররা সরাসরি ভোটদান ও ভোট গণনার কার্যক্রম দেখতে পারবেন। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও স্পিকারের ভোটদান সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফলও সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।ভোট গণনা শেষে সংসদ ভবনের বৈঠককক্ষে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করবেন সিইসি। পরে একই দিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে।

তিন জেলার ডিসিকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত

নাটোর, গাইবান্ধা ও রংপুরের জেলা প্রশাসককে (ডিসি) প্রত্যাহার করেছে সরকার। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন, গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা এবং রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিনকে জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।আদেশে বলা হয়েছে, প্রত্যাহারের পর তিন ডিসিকেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। পরবর্তী পদায়নের জন্য তাদের মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।আরও পড়ুন, ১০ রুটে নারীদের ‘পিংক বাস’, চালক-কন্ডাক্টরও নারী

১০ রুটে নারীদের ‘পিংক বাস’, চালক-কন্ডাক্টরও নারী

১. নতুন বাজার (কোকাকোলা)-মতিঝিল কোকাকোলা, নতুন বাজার, উত্তর বাড্ডা, মধ্যবাড্ডা, মেরুল বাড্ডা, রামপুরা, আবুল হোটেল, মালিবাগ, কাকরাইল, পল্টন, গুলিস্তান ও মতিঝিল।২. তালতলা-মতিঝিল তালতলা, খিলগাঁও রেলগেট, বাসাবো, বৌদ্ধ মন্দির, মুগদা, কমলাপুর রেলস্টেশন, আরামবাগ, শাপলা চত্বর ও সচিবালয়।৩. ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার-জিপিও ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার, বাঁশের পুল, কাজলা, যাত্রাবাড়ী, জনপথ মোড়, ওয়ারি, গুলিস্তান, পল্টন, সচিবালয় ও মৎস্য ভবন।৪. মিরপুর-১০-মতিঝিল মিরপুর-১০, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, আসাদগেট, কলাবাগান, শাহবাগ, পল্টন ও মতিঝিল।৫. মিরপুর-মতিঝিল মিরপুর-১২, মিরপুর-১০, মিরপুর-১, টেকনিক্যাল, শ্যামলী, ফার্মগেট, শাহবাগ, গুলিস্তান ও মতিঝিল।৬. মিরপুর-১২-মতিঝিল মিরপুর-১২, মিরপুর-১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, ফার্মগেট, শাহবাগ, প্রেস ক্লাব, গুলিস্তান ও মতিঝিল।৭. নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা চাষাঢ়া, শিবু মার্কেট, স্টেডিয়াম, জালকুড়ি, ভূঁইঘর, সাইনবোর্ড, রায়েরবাগ, শনির আখড়া, টিকাটুলি, গুলিস্তান ও মতিঝিল।৮. মোহাম্মদপুর-মতিঝিল মোহাম্মদপুর, শঙ্কর, ধানমন্ডি-১৫, সিটি কলেজ, নিউমার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, শাহবাগ, পল্টন, মতিঝিল ও কমলাপুর।৯. আব্দুল্লাহপুর-মতিঝিল আব্দুল্লাহপুর, আজমপুর, বিমানবন্দর, খিলক্ষেত, বিশ্বরোড, কুর্মিটোলা, বনানী, মহাখালী, ফার্মগেট, শাহবাগ, মৎস্য ভবন, প্রেস ক্লাব, গুলিস্তান ও মতিঝিল।১০. গাজীপুর-বিমানবন্দর গাজীপুর শিববাড়ী, গাজীপুর চৌরাস্তা, মালেকের বাড়ি, বোর্ডবাজার, গাজীপুরা, কলেজগেট, স্টেশন রোড, আব্দুল্লাহপুর, আজমপুর ও বিমানবন্দর। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব রুট চালুর ফলে রাজধানী ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক এলাকা, কর্মস্থল ও পরিবহনকেন্দ্রের মধ্যে নারীদের সরাসরি যোগাযোগ সহজ হবে। পাশাপাশি নারী চালক ও কন্ডাক্টর থাকায় গণপরিবহনে নারীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্বামীর মৃত্যু, প্যারোলে মুক্তির আবেদন নিয়ে মুন্সীগঞ্জে দীপু মনি

মুন্সীগঞ্জ কারাগারে বন্দি সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনিকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হবে কি না—সেই সিদ্ধান্তের পরই তার স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের জানাজা ও দাফনের সময়-স্থান চূড়ান্ত করা হবে।বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে এ তথ্য জানিয়েছেন দীপু মনির আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম। তিনি জানান, প্যারোলে মুক্তির আবেদন করতে দীপু মনির আইনজীবী ও স্বজনরা বর্তমানে মুন্সীগঞ্জে অবস্থান করছেন।এর আগে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি।আরও  পড়ুন, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা শুরু, অনুমোদনের অপেক্ষায় ১১ প্রকল্পদীপু মনির বড় ভাই জে আর ওয়াদুদ টিপু জানান, রাত ১০টা ২৭ মিনিটে তৌফিক নেওয়াজের মৃত্যু হয়। তবে তার জানাজা ও দাফন কোথায় এবং কখন হবে, সে সিদ্ধান্ত বুধবার দুপুরের পর নেওয়া হবে।পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালে স্ট্রোক করার পর থেকে চিকিৎসাধীন ছিলেন তৌফিক নেওয়াজ। গত ২৭ মে হুইলচেয়ারে করে কারাবন্দি স্ত্রী দীপু মনির সঙ্গে দেখা করতে তাকে আদালতে নেওয়া হয়েছিল।সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তৌফিক নেওয়াজের মৃত্যুর পর স্বামীর জানাজায় অংশ নিতে দীপু মনির প্যারোলে মুক্তির বিষয়টি সামনে এসেছে। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন তার পরিবার ও আইনজীবীরা।

রাজনীতিরাজনীতি

খালেদা জিয়ার নাম বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে : রিজভী

খালেদা জিয়ার নাম বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে : রিজভী

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, গণতন্ত্রের মাতা ও আপসহীন দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার দেখিয়ে দেওয়া গণতন্ত্রের পথেই বিএনপির পথচলা।মঙ্গলবার রাজধানীর মতিঝিল এজিবি কলোনি কমিউনিটি সেন্টারে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।রিজভী বলেন, বাংলাদেশ যতদিন থাকবে এবং জাতীয়তাবাদ যতদিন থাকবে, ততদিন খালেদা জিয়ার নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।আরও  পড়ুন, ‘আমাকে আক্রমণ করবে, আর আমি চুমু দেবো এমন সুশীল আমি নই’: রাশেদ খাঁনতিনি বলেন, খালেদা জিয়া শিখিয়েছেন কীভাবে দেশকে ভালোবাসতে হয় এবং দেশের জন্য নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা, সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিতে হয়।বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ১৯৭১ সালে পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তার কথা উপেক্ষা করে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন। একইভাবে খালেদা জিয়াও দীর্ঘ সময় রাজপথে আপসহীন সংগ্রাম করেছেন।দোয়া মাহফিলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনুর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিনের সঞ্চালনায় দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

‘আমাকে আক্রমণ করবে, আর আমি চুমু দেবো এমন সুশীল আমি নই’: রাশেদ খাঁন

‘আমাকে আক্রমণ করবে, আর আমি চুমু দেবো এমন সুশীল আমি নই’: রাশেদ খাঁন

টেলিভিশন টকশোতে ব্যক্তিগত আক্রমণের অভিযোগ তুলে সারোয়ার তুষারের কড়া সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি বলেন, ‘আমাকে কেউ ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করবে, আর আমি তাকে চুমু দিবো—এমন সুশীল ব্যক্তি আমি না।’রাশেদ খাঁনের দাবি, সোমবার এটিএন নিউজের একটি টকশোতে তিনি গঠনমূলক আলোচনা করার চেষ্টা করেন। তবে অনুষ্ঠানের শেষ দিকে সারোয়ার তুষার তাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেন এবং তার রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।রাশেদ বলেন, তাকে ‘মিডিয়া দেখলে সবার আগে, পুলিশ দেখলে সবার পরে’ থাকার অভিযোগ করা হয়েছে।আরও  পড়ুন, বিএনপি সরকারের ৬ মাসের মূল্যায়ন জানাবে জামায়াত, সংবাদ সম্মেলন আজপাশাপাশি তার কারাবাস নিয়েও কটূক্তি করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।নিজের রাজনৈতিক ভূমিকার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে রাশেদ খাঁন ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে রাজনৈতিক সমন্বয়ের কথা তুলে ধরেন।তার দাবি, আন্দোলনের সময় তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সমন্বয় করেছেন এবং আন্দোলনে লজিস্টিক সহায়তাও দিয়েছেন।টকশোর বিতর্ক প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, তাকে বারবার ‘বেয়াদব’ বলা হলে তিনি পাল্টা জবাব দিয়েছেন।পোস্টের শেষ দিকে রাশেদ খাঁন বলেন, নতুন বন্দোবস্তের রাজনীতির কথা বলে ‘ভণ্ডবস্তের রাজনীতি’র সূচনা না করতে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক হওয়া উচিত।

বিএনপি সরকারের ৬ মাসের মূল্যায়ন জানাবে জামায়াত, সংবাদ সম্মেলন আজ

বিএনপি সরকারের ৬ মাসের মূল্যায়ন জানাবে জামায়াত, সংবাদ সম্মেলন আজ

বিএনপি সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ছয় মাসের কর্মকাণ্ড এবং দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে নিজেদের মূল্যায়ন তুলে ধরতে সংবাদ সম্মেলন করবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট বিকেল ৪টায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘বিএনপি সরকারের ৬ মাসের মূল্যায়ন’ শীর্ষক এই সংবাদ সম্মেলনে সরকারের গত ছয় মাসের কার্যক্রম, বিভিন্ন নীতি ও সিদ্ধান্ত এবং দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে জামায়াতের অবস্থান তুলে ধরা হবে।সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেবেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার।সোমবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে সংবাদ সম্মেলনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।আরও পড়ুন, ‘জামায়াত-শিবির পুরোপুরি জালিম সংগঠনে পরিণত হয়েছে’: রাশেদ খানদলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকারের ছয় মাসের কার্যক্রমের পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়েও জামায়াতের মূল্যায়ন তুলে ধরা হবে।ফলে সরকারের বিভিন্ন নীতি ও সিদ্ধান্ত নিয়ে জামায়াতের পক্ষ থেকে কী ধরনের সমালোচনা বা পর্যবেক্ষণ সামনে আসে, সেদিকে রাজনৈতিক অঙ্গনে নজর রয়েছে।বিশেষ করে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ছয় মাসে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত এবং দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে দলটির মূল্যায়নে কী বিষয় গুরুত্ব পায়—তা সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট হতে পারে।মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাসের কার্যক্রম নিয়ে দলটির আনুষ্ঠানিক অবস্থান প্রকাশ্যে আসবে।

‘জামায়াত-শিবির পুরোপুরি জালিম সংগঠনে পরিণত হয়েছে’: রাশেদ খান

‘জামায়াত-শিবির পুরোপুরি জালিম সংগঠনে পরিণত হয়েছে’: রাশেদ খান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে ‘জালিম সংগঠন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। একই সঙ্গে জামায়াত আওয়ামী লীগের ‘সব বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন রাশেদ খান।পোস্টে তিনি দাবি করেন, কুষ্টিয়ায় গণ-অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের রক্তাক্ত করার পর আবারও দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে জামায়াত-শিবির ‘পেশিশক্তির মহড়া’ দিয়েছে। এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সংগঠন দুটিকে নিয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি।রাশেদ খান বলেন, অতীতে বিরোধী দলগুলোকে ‘মজলুম ও বিনয়ী’ হিসেবে দেখা গেলেও প্রধান বিরোধী দল হওয়ার পর জামায়াত আওয়ামী লীগের বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে। ভবিষ্যতে দলটি ক্ষমতায় গেলে ভিন্নমতের কোনো জায়গা থাকবে না বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।জামায়াতের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার জন্য গণ-অধিকার পরিষদের নেতাদের ধন্যবাদ জানান রাশেদ খান। আরও  পড়ুন, এনসিপির কমিটিতে মৃত তরুণের নাম, একই ব্যক্তির নামও দুইবারবিশেষ করে দলটির সভাপতি নুরুল হক নুর ও সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুনের প্রশংসা করেন তিনি।রাশেদ খান দাবি করেন, গণ-অধিকার পরিষদকে জামায়াতমুখী করতে চেয়েছিলেন—এমন নেতাদের বিষয়ে দলটির বর্তমান নেতৃত্ব সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।এদিকে জামায়াত ও দলটির সেক্রেটারি জেনারেল গণ-অধিকার পরিষদকে নিয়ে ‘জঘন্য বক্তব্য’ দিয়েছেন দাবি করে এর প্রতিবাদ জানান রাশেদ খান।তিনি আরও বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রাম ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে দল হিসেবে জামায়াতের তুলনায় গণ-অধিকার পরিষদের অবদান বেশি। জামায়াত যখন ‘গুপ্ত’ ছিল, তখন গণ-অধিকার পরিষদ রাজপথে ছিল বলেও দাবি করেন তিনি।রাশেদ খানের ভাষ্য, সাম্প্রতিক বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড দেখে জামায়াত এমনভাবে আচরণ করছে যেন তারাই সবকিছু করেছে। তবে ইতিহাস পরিবর্তন করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সারাবাংলা

পীরগাছায় মাদক ও কিশোর অপরাধবিরোধী শপথ নিল শিক্ষার্থীরা

পীরগাছায় মাদক ও কিশোর অপরাধবিরোধী শপথ নিল শিক্ষার্থীরা

রংপুরের পীরগাছায় মাদক, কিশোর অপরাধ ও স্মার্টফোনের অপব্যবহার থেকে দূরে থাকার শপথ নিয়েছে শিক্ষার্থীরা।বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে উপজেলার রাজবাড়ী উচ্চবিদ্যালয়ে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে মাদক ও কিশোর অপরাধবিরোধী মতবিনিময় সভা এবং চরিত্র গঠনের শপথ অনুষ্ঠিত হয়।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল হাকিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম মালিক।অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উন্নত চরিত্র গঠন, মাদক থেকে দূরে থাকা, কিশোর অপরাধে না জড়ানো এবং স্মার্টফোনের অপব্যবহার থেকে বিরত থাকার বিষয়ে সচেতন করা হয়।পরে শিক্ষার্থীদের এসব বিষয়ে শপথ পাঠ করান ওসি মো. সেলিম মালিক।আরও  পড়ুন, শিবচরে পরিত্যক্ত স্থান থেকে অজ্ঞাত তরুণীর মরদেহ উদ্ধার

শিবচরে পরিত্যক্ত স্থান থেকে অজ্ঞাত তরুণীর মরদেহ উদ্ধার

শিবচরে পরিত্যক্ত স্থান থেকে অজ্ঞাত তরুণীর মরদেহ উদ্ধার

মাদারীপুরের শিবচরে পরিত্যক্ত স্থান থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার মাদবরেরচর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাখরেরকান্দি এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।স্থানীয়রা জানান, সকালে বাখরেরকান্দি দারুসসুন্নাহ ইসলামিয়া মাদ্রাসার পাশে একটি পরিত্যক্ত জায়গায় তরুণীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন তারা। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।আরও  পড়ুন, বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ১২ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণপুলিশ জানিয়েছে, নিহত তরুণীর বয়স আনুমানিক ২০ থেকে ২২ বছর। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম-পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।নিহতের পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ১২ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ১২ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা পুলিশ ১৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন মামলার ১২ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার সন্দিগ্ধ আসামী, মাদক মামলার এজাহারভুক্ত আসামী, সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামী এবং জিএমপি অধ্যাদেশ প্রসিকিউশনের আসামী রয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাসন থানার ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার তদন্তে সন্দিগ্ধ ও কুখ্যাত ছিনতাইকারী হিসেবে মোঃ রাব্বি মিয়া (২৮) এবং মোঃ উজ্জল মিয়া (৩৪) কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।এদিকে পৃথক অভিযানে ৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক মামলার এজাহারভুক্ত আসামী নূর জাহান (৪৩) ও পরিবানু (৫০) কে গ্রেফতার করা হয়। আরও  পড়ুন, ঈশ্বরদীতে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ একইসঙ্গে ২৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আরেকটি মাদক মামলার এজাহারভুক্ত আসামী মোসাঃ শিল্পী আক্তার (৩৭) কে আটক করে পুলিশ।অভিযানের অংশ হিসেবে সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামী মোঃ হাফিজুর রহমান, মোঃ এরশাদ আলী, রেদোয়ান আহমেদ নিয়ল, মোঃ আলিফ শেখ রাব্বি এবং মোসাঃ লাইজু আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পূর্বে জারি হওয়া আদালতের পরোয়ানা কার্যকর করতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।এছাড়া জিএমপি অধ্যাদেশ প্রসিকিউশনের আওতায় সাইমন ইসলাম (২৪) ও মোঃ দুলু মিয়া (৩৬) কে গ্রেফতার করা হয়েছে।বাসন থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মাদক নির্মূলে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের বিশেষ অভিযান চলমান থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।গ্রেফতারকৃত ১২ জন আসামীকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

ঈশ্বরদীতে  প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ

ঈশ্বরদীতে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ

পাবনার ঈশ্বরদীতে চাচার যৌন লালসার শিকার হয়েছেন প্রতিবন্ধী কিশোরী (১৩)। বুধবার (১৯ আগস্ট) সকাল ৯ টায় উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের বেতবাড়ীয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগী শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী কিশোরীর বয়স ১৩ বছর। সে মুলাডুলি ফার্মপাড়া এলাকার সাইদুল ইসলামের মেয়ে। বর্তমানে তারা বেতবাড়ীয়া গ্রামে তাদের নানা বাড়ীতে থাকেন।অভিযুক্ত মো: এসকেন হোসেন (৭০) ঐ এলাকার মৃত আয়জদ্দির ছেলে। প্রতিবন্ধী কিশোরী সম্পর্কে ধর্ষকের ভাজতী (ভাইয়ের মেয়ে)।প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, প্রতিবন্ধী হওয়ায় মোবাইল দেখার অজুহাতে বাড়িতেই আটকে রাখত পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু ঘটনার দিন সকালে হঠাৎ মোবাইলের ডাটা ফুড়িয়ে গেলে সে সকলের অগোচরে বাড়ির বাহিরে বের হয়। সে সময় ধর্ষক তাকে টেনে বাড়ির পার্শ্বের মৃত হাবিবের নির্মানাধীন পাকা বাড়িতে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করেন। সে সময় বিবস্ত্র অবস্থায় তাদের দেখে প্রতিবেশীদের ডাকেন রেখা খাতুন। আরও  পড়ুন, লামার সরইয়ে বালু লুটের মহোৎসব, শতাধিক পয়েন্টে চলছে অবৈধ উত্তোলনতার ডাকে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে এসে ধর্ষক এসকেন কে হাতেনাতে বিবস্ত্র অবস্থায় ধরে ফেলেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগীতায় এসকেন পালিয়ে যায়।ধর্ষিতার মামা আরাফাত রহমান বলেন, আমি সকালে কলেজ বের হয়েছিলাম। রাস্তার মধ্য থেকে ফোন পেয়ে বাড়িতে ফিরে আসি। তবে বাড়িতে আসার আগেই ধর্ষককে স্থানীয়রা পালিয়ে যেতে সহযোগীতা করেছে। আমরা থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক এলাকাবাসী জানান, এসকেন সিরিয়াল ধর্ষক। তার বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক ধর্ষনের ঘটনা রয়েছে। গ্রাম্য শালিশের মাধ্যমে দেড় লাখ টাকা জরিমানাও দিয়েছেন এই ধর্ষক। তার সঠিক বিচার দাবি করেন সচেতন এলাকাবাসী।ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশাদুর রহমান বলেন, প্রতিবন্ধী ধর্ষনের খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ প্রাপ্তির পর তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আন্তর্জাতিক

আব্রাহাম লিংকনে নৌসেনাদের সংঘর্ষ নিহত ৭ দাবি তাসনিমের

আব্রাহাম লিংকনে নৌসেনাদের সংঘর্ষ নিহত ৭ দাবি তাসনিমের

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের ভেতরে নৌসেনাদের মধ্যে সংঘর্ষে সাতজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন—এমন দাবি করেছে ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ।তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে রণতরীটি ওই অঞ্চলে মোতায়েন থাকায় নৌসেনাদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। এমনকি নৌসেনাদের পরিবারের সদস্যরাও দীর্ঘমেয়াদি মোতায়েনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।এই অসন্তোষ নিয়ে আলোচনা করতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান ব্র্যাড কুপারের এক উপদেষ্টা রণতরীটিতে যান বলে জানিয়েছে তাসনিম।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নৌসেনাদের এক সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় ওই উপদেষ্টাকে দুয়োধ্বনি দেওয়া হয় এবং তার দিকে পানির বোতল ছুড়ে মারা হয়। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ক্রুদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।আরও পড়ুন. ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীনের ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ইরানতাসনিমের দাবি, সংঘর্ষের সময় ছুরি ও অন্যান্য ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। এতে সাতজন নৌসেনা নিহত এবং কয়েকজন আহত হন। ঘটনার পরও রণতরীটির ভেতরে উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে দাবি করা হয়েছে।ইরানি সংবাদমাধ্যমটির আরও দাবি, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন টানা ২৬৩ দিন ধরে মোতায়েন রয়েছে এবং বর্তমানে ভারত মহাসাগরে অবস্থান করছে। রণতরীটির অন্যতম দায়িত্ব হিসেবে ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ কার্যকর করার কথাও উল্লেখ করেছে তারা।এ ছাড়া টানা ২০৮ দিন সমুদ্রে অবস্থানের দাবি করে তাসনিম বলেছে, আধুনিক সময়ে কোনো মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর জন্য এটি দীর্ঘতম একটানা সমুদ্র মোতায়েনের ঘটনা।তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নৌসেনাদের সংঘর্ষে সাতজন নিহত হওয়ার এই দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে নিহতের সংখ্যা ও ঘটনার বিস্তারিত তথ্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

১৩ আগস্ট ২০২৬

রাজধানী

নাগরিক সেবায় গাফিলতি পেলেই ব্যবস্থা: ডিএসসিসি প্রশাসক

নাগরিক সেবায় গাফিলতি পেলেই ব্যবস্থা: ডিএসসিসি প্রশাসক

নাগরিক সেবার মান নিশ্চিত করতে রাজধানীর সাইন্সল্যাব ও সিটি কলেজ এলাকায় সমন্বিত অভিযান চালিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, মশক নিয়ন্ত্রণ, সড়কবাতি, রাজস্ব আদায় ও ফুটপাত দখলমুক্তকরণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম সরেজমিনে তদারকি করা হয়।অভিযানে নেতৃত্ব দেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।অভিযান শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, নগর ভবনে বসে ঢাকা দক্ষিণের বিশাল এলাকার সেবা কার্যক্রম কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব নয়। তাই অঞ্চলভিত্তিক গণশুনানি চালু করা হয়েছে। সরাসরি এলাকায় গিয়ে নাগরিকদের সমস্যার কথা শোনা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।তিনি বলেন, গত পাঁচ মাস কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নাগরিকদের সচেতন হওয়ার জন্য সময় দেওয়া হয়েছে। এখন মাঠপর্যায়ে চূড়ান্তভাবে তদারকি করার সময় এসেছে।ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, এখন থেকে প্রতি সপ্তাহে অন্তত একদিন তিনি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক পরিদর্শনে যাবেন। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, মশক নিয়ন্ত্রণ,আরও  পড়ুন, ভোরে লাইনে, সন্ধ্যায়ও গ্যাস নেই রাজধানীতে সিএনজি সংকটে চরম ভোগান্তি রাজস্ব, সড়কবাতি ও প্রকৌশলসহ বিভিন্ন নাগরিক সেবার মান যাচাই করা হবে। কোনো বিভাগে গাফিলতি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে অভিযানে ফুটপাত, স্থাপনা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের পাশাপাশি ট্রেড লাইসেন্স পরীক্ষা করা হয়। ফুটপাতে অবৈধভাবে বসানো ভ্রাম্যমাণ দোকানের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। একই সঙ্গে ডিএসসিসির তিন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।অভিযানে নির্মাণাধীন ভবনে জমে থাকা পানিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ‘এ এইচোসাইন বিল্ডার’-কে দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারায় ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।এ ছাড়া অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার পরিবেশনের দায়ে ‘রসুই’ রেস্তোরাঁকে ১০ হাজার টাকা এবং ফুটপাতে অবৈধ পার্কিংয়ের দায়ে ধানমন্ডি পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।ডিএসসিসি জানিয়েছে, নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এ ধরনের সমন্বিত অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

১ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

দুই ম্যাচে মাঠে লুটিয়ে পড়া মুসিয়ালার স্নায়ুরোগ শনাক্ত

দুই ম্যাচে মাঠে লুটিয়ে পড়া মুসিয়ালার স্নায়ুরোগ শনাক্ত

চার দিনের ব্যবধানে দুই ম্যাচে মাঠে হঠাৎ পড়ে যাওয়া—শেষ পর্যন্ত বায়ার্ন মিউনিখ ও জার্মানির তারকা জামাল মুসিয়ালার শারীরিক সমস্যার কারণ শনাক্ত হয়েছে।পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ২৩ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডারের সাময়িক ‘অ্যাবসেন্স সিজার’ শনাক্ত হয়েছে। এটি এক ধরনের খিঁচুনি বা মৃগিরোগ-সম্পর্কিত স্নায়বিক সমস্যা।মঙ্গলবার হাইডেনহাইমের বিপক্ষে বায়ার্নের প্রস্তুতি ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন মুসিয়ালা। কয়েক মিনিট পরই হঠাৎ মাঠে পড়ে যান তিনি। প্রাথমিক চিকিৎসার সময় সতীর্থ ও প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়রা তাকে ঘিরে দাঁড়ান।আরও পড়ুন.রেফারি-ভিএআর সিদ্ধান্তে স্বচ্ছতা আনতে নতুন উদ্যোগ প্রিমিয়ার লিগেরপরে সতীর্থদের সহায়তায় মাঠ ছাড়েন এই জার্মান তারকা।এর মাত্র তিন দিন আগে লাইপজিগের বিপক্ষেও একই ধরনের ঘটনায় মাঠে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। সেই ম্যাচে অবশ্য নিজেই মাঠ ছাড়েন মুসিয়ালা।পরবর্তী পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তার স্নায়বিক সমস্যাটি ধরা পড়ে। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বার্তায় মুসিয়ালা নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, লাইপজিগ ও হাইডেনহাইমের ম্যাচে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর কারণ এই স্নায়বিক সমস্যা। তবে এতে তার স্বাস্থ্যের বাড়তি কোনো ঝুঁকি নেই।বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রত্যয় জানিয়েছেন মুসিয়ালা। স্বাভাবিক জীবনযাপনের পাশাপাশি ফুটবলের প্রতি নিজের ভালোবাসা ধরে রাখতেও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ তিনি।তবে বায়ার্ন মিউনিখ তাদের প্রতিবেদনে সরাসরি খিঁচুনির কথা উল্লেখ করেনি।আরও পড়ুন. ম্যাকেইয়ে নতুন চ্যালেঞ্জ, সিরিজ জয়ের স্বপ্নে বাংলাদেশক্লাবটি জানিয়েছে, আঘাতজনিত কারণে মুসিয়ালাকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়া হয়েছিল।গত বছর ক্লাব বিশ্বকাপে গুরুতর পায়ের চোটে ফিবুলা হাড় ভাঙার পাশাপাশি একাধিক লিগামেন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল তার। দীর্ঘ পুনর্বাসন শেষে জানুয়ারিতে মাঠে ফেরেন মুসিয়ালা।এবার নতুন স্নায়বিক সমস্যা শনাক্ত হওয়ায় তার পরবর্তী চিকিৎসা ও মাঠে ফেরার প্রক্রিয়া বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণেই এগোবে।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর