দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1005.6 hPa
26.2° 95%
15mm
চট্টগ্রাম 1006 hPa
27.3° 87%
70° 15mm
রাজশাহী 1004.9 hPa
27° 96%
15mm
খুলনা 1004.8 hPa
26.2° 98%
15mm
বরিশাল 1005.5 hPa
26.7° 96%
15mm
সিলেট 1006.6 hPa
25.5° 91%
15mm
রংপুর 1005.1 hPa
26.6° 95%
15mm
ময়মনসিংহ 1006 hPa
26.9° 92%
15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

চট্রগ্রাম গোয়ালপাড়ায় মাদক সম্রাজ্ঞী

চট্রগ্রাম গোয়ালপাড়ায় মাদক সম্রাজ্ঞী "আকলিমার" মাদকের হাট

চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালী থানাধীন ২২ নং এনায়েত বাজার ওয়ার্ডের গোয়ালপাড়া ও সংলগ্ন তুলাতলী বস্তি দীর্ঘদিন ধরে মাদক কেনাবেচার অন্যতম আলোচিত স্পট হিসেবে পরিচিত| বিভিন্ন সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান, গণমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধারের ঘটনায় এলাকাটির নাম বারবার সামনে এসেছে| তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানের ১/২ ঘন্টা পর পরই আবারো পুনরায় বীরদর্পে মাদক বাণিজ্য পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে|স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, গোয়ালপাড়া ও তুলাতলীর মাদক সমস্যা কেবল একটি এলাকার বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয় বরং এটি বৃহত্তর সরবরাহ ও পাচার নেটওয়ার্কের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারে| ফলে শুধু খুচরা বিক্রেতাদের গ্রেপ্তার করলেই স্থায়ী সমাধান আসবে না|আরও পড়ুন: বনানীতে স্পা কাণ্ডে প্রশাসনের নীরবতাস্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, গোয়ালপাড়ার আলোচিত মাদক কারবারিদের মধ্যে আকলিমা নামে এক নারীর নাম দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত| তার বিরুদ্ধে ১৮টির বেশি মামলা রয়েছে এবং তিনি ২১ বারের অধিক কারাভোগও করেছেন| তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত রায়ের বিষয়টি প্রতিবেদকের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি| নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রির পাশাপাশি বস্তির ভেতরে টিনশেডের কয়েকটি ঘরে মাদকসেবনের সুযোগও রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে| একই সঙ্গে অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরদের মাধ্যমে মাদক বিক্রির অভিযোগও উঠেছে| প্রতিবেদকের কাছে থাকা একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি ঘরের সামনে দুই কিশোর পলিথিনে মোড়ানো গাঁজার পুরিয়া ও ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট নিয়ে অবস্থান করছে ক্রেতাদের অপেক্ষায়|আরও পড়ুন: উজাড় হচ্ছে লামার সংরক্ষিত বন, রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগঅভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আকলিমা বলেন, আগে একাই ব্যবসা করতাম| এখন গোয়ালপাড়ায় অনেকেই মাদক ব্যবসা ও স্পট পরিচালনা করে| আমার অনেক মামলা আছে|তাই এখন শুধু গাঁজা বিক্রি করি|"এছাড়াও তিনি আরও দাবি করেন, "আপনাকে খরচের জন্য মাঝে মাঝে টাকা দেব| পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী বলেন, দিন-রাত প্রায় সব সময়ই অনেক অপরিচিত মানুষের আনাগোনা দেখা যায়| এতে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে|" একজন অভিভাবকের ভাষ্য, "আমাদের সবচেয়ে বড় ভয় হচ্ছে কিশোররা|সহজ টাকার লোভে অনেকেই অপরাধচক্রে জড়িয়ে পড়ছে|একজন রিকশাচালক বলেন, পুলিশ অভিযান চালালে কিছু সময় শান্ত থাকে| ১/২ ঘন্টা পরে আবার আগের মতো হয়ে যায়|" এছাড়াও একজন শিক্ষক বলেন, "মাদক শুধু একজন মানুষকে নয়, পুরো একটি প্রজন্মকে ধ্বংস করে দেয়| স্থানীয়দের মতে, অপরাধচক্রে কিশোরদের সম্পৃক্ত করা হলে তারা ভবিষ্যতে সংঘবদ্ধ অপরাধের অংশ হয়ে পড়তে পারে| শিশু ও কিশোরদের অপরাধে ব্যবহার তাদের শিক্ষা,মানসিক বিকাশ ও সামাজিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি| গোয়ালপাড়া ও আশপাশের এলাকায় মাদকের প্রভাবে স্থানীয়দের মতে, কিশোর অপরাধ বৃদ্ধি, চুরি, ছিনতাই ও সহিংসতা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা ˆতরি, পরিবারে অশান্তি ও অর্থনৈতিক সংকট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার বৃদ্ধি,নারীরা ও সাধারণ পথচারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন,স্থানীয় ব্যবসা ও বিনিয়োগের পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ও নতুন প্রজন্ম মাদকের সহজ প্রাপ্যতার ঝুঁকিতে রয়েছে|আরও পড়ুন: গাজীপুরে লাইসেন্স ছাড়া এমএলএম কার্যক্রমের অভিযোগনিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, খুচরা বিক্রেতাদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি মাদকের অর্থের উৎস শনাক্ত করা, সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে দেওয়া, পাচারকারীদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা অভিযান, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি, কিশোরদের পুনর্বাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক ও ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ততা| এসব উদ্যোগ একসঙ্গে বাস্তবায়ন না হলে দীর্ঘমেয়াদে সুফল পাওয়া কঠিন হতে পারে| সচেতন নাগরিকদের মতে, গোয়ালপাড়া ও তুলাতলীর মতো আলোচিত এলাকায় ধারাবাহিক ও গোয়েন্দা-তথ্যভিত্তিক অভিযান, সন্দেহভাজন অর্থনৈতিক লেনদেনের তদন্ত, কিশোরদের পুনর্বাসন এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি| একই সঙ্গে আইনের শাসন নিশ্চিত করা হলে এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে| আরও পড়ুন: বনানীর ২৭ নম্বর রোডের স্পা নিয়ে প্রশ্নের শেষ কোথায়?গোয়ালপাড়া ও তুলাতলীর মাদক সমস্যাকে কেবল একটি বস্তির সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই| এটি জননিরাপত্তা, কিশোরদের ভবিষ্যৎ, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং নগর নিরাপত্তার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত| উল্লেখ্য যে, উক্ত বিষয়ে অতি দ্রুত আরও চমকপ্রদ তথ্য নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বক্তব্য সহ থাকছে অনুসন্ধানী ধারাবাহিক প্রতিবেদন -২|

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টির দাপট

দেশজুড়ে আবারও সক্রিয় হচ্ছে মৌসুমি বায়ু। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিন দেশের সব বিভাগেই বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও হতে পারে ভারি বর্ষণও।সোমবার সকাল ৯টা থেকে আগামী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রথম তিন দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আরও  পড়ুন, বিজিবিকে সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরআর শেষ দুই দিনে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারি বর্ষণ হতে পারে।আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। এরপর মঙ্গলবার থেকে টানা চার দিন তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।বর্তমানে মৌসুমি বায়ু দেশের উত্তরাঞ্চলে সক্রিয় রয়েছে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরেও এর প্রভাব মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ১০১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে নীলফামারীর ডিমলায়।আবহাওয়াবিদরা ভারি বৃষ্টিপ্রবণ এলাকার বাসিন্দাদের প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে না যাওয়ার এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন।

বিজিবিকে সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ, পুশইন, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে দেশপ্রেম, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।সোমবার রাজধানীর পিলখানায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ—বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শনকালে বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে এসব নির্দেশনা দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।তিনি বলেন, সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ, মানবপাচার, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান ঠেকাতে বিজিবিকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। পাশাপাশি বাহিনীর শৃঙ্খলা, চেইন অব কমান্ড, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও পেশাদার আচরণ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।আরও  পড়ুন. মানবতাবিরোধী অপরাধ: রামপুরা-বনশ্রীর ঘটনায় মৃত্যুদণ্ড ৩, যাবজ্জীবন ১স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, গুজব ও অপপ্রচার থেকে দূরে থেকে যাচাইকৃত তথ্যের ভিত্তিতে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সর্বোত্তম ব্যবহারের পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনগণের আস্থা অর্জনেও গুরুত্ব দিতে হবে।পরিদর্শনকালে তিনি বিজিবির অপারেশনাল, প্রশিক্ষণ, প্রশাসনিক ও উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন। পরে মতবিনিময় সভায় বিজিবির সদস্যদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।‘সবার আগে বাংলাদেশ’—এই মূলমন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে বিজিবি ভবিষ্যতেও দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

মানবতাবিরোধী অপরাধ: রামপুরা-বনশ্রীর ঘটনায় মৃত্যুদণ্ড ৩, যাবজ্জীবন ১

চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরা-বনশ্রী এলাকায় নিরস্ত্র আন্দোলনকারীদের ওপর হামলাকে ‘রাষ্ট্রীয় নীতির অংশ হিসেবে পরিচালিত ব্যাপক ও পরিকল্পিত আক্রমণ’ বলে মন্তব্য করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।গত ১৬ জুলাই প্রকাশিত ১৪৭ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, তৎকালীন এডিসি রাশেদুল ইসলাম এবং রামপুরা থানার ওসি মশিউর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।এছাড়া কার্নিশে ঝুলন্ত এক তরুণকে গুলি করার ঘটনায় এসআই তারিকুল ইসলামকে যাবজ্জীবন এবং এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।রায়ে ট্রাইব্যুনাল উল্লেখ করেছে, রামপুরা-বনশ্রীর ঘটনাগুলো বিচ্ছিন্ন কোনো ফৌজদারি অপরাধ নয়; আরও  পড়ুন, পর্যায়ক্রমে দেশজুড়ে ফ্যামিলি কার্ড, বাস্তবায়ন কৌশল চূড়ান্তে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীবরং রাষ্ট্রীয় বাহিনী ও তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের সহযোগী সদস্যদের সমন্বয়ে বেসামরিক জনগণের বিরুদ্ধে পরিচালিত বৃহত্তর ও পরিকল্পিত হামলার অংশ।আদালতের পর্যবেক্ষণে আরও বলা হয়, প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের পাশাপাশি ইন্টারনেট বন্ধ রাখা, চিকিৎসাসেবায় বাধা, অ্যাম্বুলেন্স চলাচলে প্রতিবন্ধকতা এবং মৃতদেহ গুমের মতো ঘটনাও একই পদ্ধতিগত আক্রমণের অংশ ছিল।ট্রাইব্যুনাল জানায়, ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষায় সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানের একটি ওয়্যারলেস নির্দেশনার অডিওর সত্যতা মিলেছে। আদালত এটিকে মামলার গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করেছে।পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে আপিলের সুযোগ রয়েছে। ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে রায় বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছে।

পর্যায়ক্রমে দেশজুড়ে ফ্যামিলি কার্ড, বাস্তবায়ন কৌশল চূড়ান্তে বৈঠক প্রধানমন্ত্রী

পর্যায়ক্রমে সারাদেশে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং নির্ভুল তথ্যভাণ্ডার তৈরির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।সোমবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির অগ্রগতি এবং দেশব্যাপী সম্প্রসারণের রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে যেন কার্যকর, স্বচ্ছ ও নির্ভুলভাবে এই সুবিধা পৌঁছায়, সে জন্য একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় ডাটাবেজ গড়ে তুলতে হবে।আরও  পড়ুন, আদালতের নির্দেশে সাবেক সেনা জিয়াউল আহসানের বাড়ির মালামাল গুনছে দুদকতিনি আরও নির্দেশ দেন, তথ্য সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই এবং উপকারভোগী নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।এছাড়া আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার এবং সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে কর্মসূচি বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন সরকারপ্রধান।বৈঠকে সমাজকল্যাণমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, মুখ্য সচিবসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।সরকারের লক্ষ্য, পর্যায়ক্রমে দেশের সব যোগ্য পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় এনে সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও প্রযুক্তিনির্ভর করা।

রাজনীতিরাজনীতি

আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন শিবির সভাপতি

আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন শিবির সভাপতি

বৃহস্পতিবার রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে আবু সাঈদের নিজ বাড়ির পাশের পারিবারিক কবরস্থানে যান নুরুল ইসলাম। পরে তিনি শহীদ আবু সাঈদ ফাউন্ডেশনও পরিদর্শন করেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা নূরুল আমীন, চিকিৎসক ও সমাজসেবক ডা. এস এম খালিদুজ্জামান, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাকিলসহ সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।কবর জিয়ারত শেষে নুরুল ইসলাম বলেন, আবু সাঈদের আত্মত্যাগ জাতির সংগ্রামের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে এবং তাঁর আত্মদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ন্যায় ও অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অনুপ্রাণিত করবেআরও পড়ুন. 'নতুন জীবনের পথচলায় সবার দোয়া চাই' ; রাশেদ খাঁন তিনি জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত সব শহীদের হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত সম্পন্নের দাবি জানান। একই সঙ্গে আবু সাঈদ, আলী রায়হান, মুগ্ধ, শান্ত, ওয়াসিম এবং শরীফ ওসমান হাদীসহ নিহতদের হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আহ্বান জানান।এছাড়া তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ, আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জুলাই জাতীয় সনদ এবং গণভোটের রায় পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গঠনে ছাত্রশিবির কাজ করে যাবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি

'নতুন জীবনের পথচলায় সবার দোয়া চাই' ; রাশেদ খাঁন

'নতুন জীবনের পথচলায় সবার দোয়া চাই' ; রাশেদ খাঁন

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ পাওয়ার পর সবার সহযোগিতা, দোয়া ও ভালোবাসা কামনা করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।সোমবার (২০ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি এ আহ্বান জানান।ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাকে তার রাজনৈতিক সহকারী পদে সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ দিয়েছেন। অশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই বাংলাদেশের জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিমূর্তি, আরও  পড়ুন, লোডশেডিং নিয়ে সরকারের সমালোচনায় হাসনাত আবদুল্লাহবিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান স্যারকে।’তিনি আরও লেখেন, ‘আমি যাতে আস্থা ও বিশ্বাসের সহিত আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পারি, এজন্য সবার দোয়া ও ভালোবাসা চাই। নতুন জীবনের এই পথচলায় সবার সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।’তার এ পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলীয় নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও অনুসারীরা তাকে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানিয়েছেন।

লোডশেডিং নিয়ে সরকারের সমালোচনায় হাসনাত আবদুল্লাহ

লোডশেডিং নিয়ে সরকারের সমালোচনায় হাসনাত আবদুল্লাহ

বিদ্যুৎ সংকট, লোডশেডিং এবং দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি দাবি করেছেন, গ্রামাঞ্চলের মানুষ এখন বিদ্যুতের পরিবর্তে মোমবাতি ও হারিকেনের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হচ্ছেন।রোববার রাতে পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় এনসিপির পদযাত্রা উপলক্ষে আয়োজিত পথসভায় এসব মন্তব্য করেন হাসনাত আবদুল্লাহ।তিনি অভিযোগ করেন, সরকার ক্ষমতায় আসার পর আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির অজুহাতে জ্বালানি ।আরও  পড়ুন, স্বৈরাচারের বিচার না হলে আবারও স্বৈরাচার জন্ম নেবে : নাহিদ ইসলাম তেলের দাম বাড়ানো হলেও পরে তা কমানোর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।লোডশেডিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। অনেক এলাকায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ থাকে না, ফলে মানুষ বিকল্প হিসেবে মোমবাতি ও হারিকেন ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে।দ্রব্যমূল্য নিয়েও সরকারের সমালোচনা করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হয়েছে এবং চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর ঘোষণার পর থেকেই নিত্যপণ্যের দাম আরও বেড়েছে।পথসভায় এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

স্বৈরাচারের বিচার না হলে আবারও স্বৈরাচার জন্ম নেবে  : নাহিদ ইসলাম

স্বৈরাচারের বিচার না হলে আবারও স্বৈরাচার জন্ম নেবে : নাহিদ ইসলাম

আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের চেষ্টা হলে উত্তরা থেকেই প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, যারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়, তারা ফিরে না এসে বিচারের মুখোমুখি হতে পারত।রোববার উত্তরার মীর মুগ্ধ মঞ্চে ‘রক্তাক্ত জুলাই’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। জুলাই আন্দোলনে নিহত ও আহতদের স্মরণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এনসিপি ঢাকা মহানগর উত্তর।নাহিদ ইসলাম বলেন, উত্তরা ছিল গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। এখান থেকেই গণভবনমুখী ঐতিহাসিক পদযাত্রা শুরু হয়েছিল, যা তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে তিনি দাবি করেন।আরও  পড়ুন, ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে গণতন্ত্রে আস্থা হারাবে জনগণ’ : ডা. শফিকুর রহমানতিনি আরও বলেন, দুই বছর আগে একই দিনে তাকে গুম করা হয়েছিল এবং অনেক মানুষও গুমের শিকার হন। তাঁর দাবি, স্বৈরাচার ও তাদের সহযোগীদের বিচার নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে আবারও স্বৈরাচার সৃষ্টি হতে পারে।বিএনপির সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে দলটি বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত আন্দোলনকারীরাও উপস্থিত ছিলেন এবং জুলাইয়ের প্রত্যাশা বাস্তবায়নের দাবি জানান।অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত উত্তরা গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ারও আহ্বান জানান এনসিপি আহ্বায়ক।

সারাবাংলা

বাগমারা থানা দ্বিবার্ষিক পরিদর্শন করলেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি

বাগমারা থানা দ্বিবার্ষিক পরিদর্শন করলেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি

আজ ২০ জুলাই ২০২৬  (সোমবার) রাজশাহী জেলার বাগমারা থানা দ্বিবার্ষিক পরিদর্শন করেন রাজশাহী রেঞ্জের মাননীয় ডিআইজি জনাব মোঃ আশিক সাঈদ মহোদয়।পরিদর্শনকালে মাননীয় ডিআইজি মহোদয় বাগমারা থানার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন এবং থানার সকল গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টারসমূহ নিবিড়ভাবে পরিদর্শন করেন। পর্যালোচনা শেষে তিনি দাপ্তরিক কার্যক্রমের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং সেবার আরও  পড়ুন , ভাঙনের মুখে ১৪ সদস্যের পরিবার, আখালিয়া নদী গিলে খাচ্ছে পৈত্রিক ভিটামান উন্নয়নে উপস্থিত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর সার্কেল) জনাব হেলেনা আকতার, বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ জিল্লুর রহমানসহ বাগমারা থানার অন্যান্য অফিসার ও ফোসবৃন্দ।

ভাঙনের মুখে ১৪ সদস্যের পরিবার, আখালিয়া নদী গিলে খাচ্ছে পৈত্রিক ভিটা

ভাঙনের মুখে ১৪ সদস্যের পরিবার, আখালিয়া নদী গিলে খাচ্ছে পৈত্রিক ভিটা

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গৌরীপুর গ্রামে ঘেঁষে বয়ে যাওয়া আখালিয়া নদীর তীর এখন আতঙ্কের আরেক নাম নদীভাঙন। বর্ষার প্রতিটি বৃষ্টি, নদীর প্রতিটি ঢেউ আর তীব্র স্রোত যেন একটু একটু করে গিলে খাচ্ছে রহিমের বহু বছরের কষ্টে গড়ে তোলা বসতভিটা। সেই ভাঙনের নির্মম শিকার কৃষক আব্দুল রহিমের পরিবার। ইতোমধ্যে তাদের বসতভিটার প্রায় অর্ধেক নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। অবশিষ্ট অংশটুকুও এখন যে কোনো সময় নদীতে তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির অভিযোগ, সম্প্রতি খাল খননের সময় উত্তোলিত মাটি দিয়ে নদীতীরে নতুন বাঁধ নির্মাণ করা হয়। সেই বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম ও যথাযথ প্রকৌশলগত ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষা শুরু হতেই নদীর স্রোত তীব্র আকার ধারণ করে এবং ভাঙন দ্রুত বিস্তার করে। ফলে তাদের বসতবাড়ি এখন চরম হুমকির মুখে।ভুক্তভোগী কৃষক আব্দুল রহিম বলেন“আমার ছয় ছেলে মেয়ে, নাত-নাতনিসহ ১৪ সদস্যের সংসার। কয়েক যুগ ধরে এই পৈত্রিক বাড়িতে বসবাস করছি। খাল খননের সময় আমরা বাড়ি রক্ষার কথা বলেছিলাম। কিন্তু কেউ গুরুত্ব দেয়নি। এখন চোখের সামনে ভিটেমাটি নদীতে চলে যাচ্ছে। আরও  পড়ুন, রায়গঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ নিহত ১পরিবারের বড় ছেলে খোকা বলেন, “জীবনের সব সঞ্চয় দিয়ে এই বাড়ি করেছি। এখন প্রতিদিন ভাঙন দেখছি, কিন্তু কিছুই করতে পারছি না। মনে হচ্ছে, যে কোনো মুহূর্তে আমাদের শেষ আশ্রয়টুকুও এই নদী গিলে ফেলবে।”পরিবারটির দাবি, খাল খননের সময় সম্ভাব্য ঝুঁকির বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের একাধিকবার জানানো হলেও কোনো কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আজ সেই অবহেলার ফলই তাদের বয়ে বেড়াতে হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আরও ভয়াবহ পড়বে এই পরিবার। পরিস্থিতি সামাল দিতে না পারলে আরো ভয়াবহ মুখোমুখি হবে বলে আশঙ্কা তাদের।এলাকাবাসীর দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা দ্রুত পরিদর্শন করে জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলা, নদীতীর সংরক্ষণ, টেকসই প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ এবং ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলোর নিরাপত্তা ও পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে খাল খননকাজে কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানান তারা।একটি বসতভিটা শুধু একটি ঘর নয়, এটি একটি পরিবারের স্মৃতি, নিরাপত্তা, পরিচয় এবং ভবিষ্যতের প্রতীক। সেই আশ্রয় যখন নদীর গর্ভে হারিয়ে যেতে থাকে, তখন শুধু মাটি ভাঙে না ভেঙে যায় মানুষের স্বপ্ন, নিরাপত্তাবোধ ও বেঁচে থাকার ভরসাও।এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপই পারে রহিমের পরিবারের শেষ আশ্রয়টুকু রক্ষা করতে।

রায়গঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ নিহত ১

রায়গঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ নিহত ১

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার পাঙ্গাসী ইউনিয়নের কালিঞ্জা এলাকায় ফুটবল খেলা কে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে মো. ইলিয়াস খান (২৬) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি ওই এলাকার সাত্তার খানের ছেলে।রোববার (১৯ জুলাই২০২৬) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্বকাপ ফুটবল  ফাইনাল খেলা কে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সিয়াম আহমেদের বাবা রাসেলের সঙ্গে ইলিয়াস খানের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বিরোধের জেরে রাসেল ও তাঁর কিশোর ছেলে সিয়াম আহমেদ ধারালো অস্ত্র দিয়ে ইলিয়াস কে ছুরিকাঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।আরও  পড়ুন. দুর্গাপুর উপজেলায় নবাগত ইউএনও উম্মে হাবিবা ফারজানার যোগদানঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কালিঞ্জা এলাকার ইউপি সদস্য মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, “ইলিয়াস নামে এক যুবক মারা গেছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসেছে। আমিও ঘটনাস্থলে রয়েছি। বিস্তারিত পরে জানাতে পারব।”রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, “খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখনো কোনো মামলা হয়নি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”এ বিষয়ে অভিযুক্ত রাসেল ও সিয়াম আহমেদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাঁরা পলাতক থাকায় তাঁদের বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও পরিস্থিতি বর্তমানে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। 

দুর্গাপুর উপজেলায় নবাগত ইউএনও উম্মে হাবিবা ফারজানার যোগদান

দুর্গাপুর উপজেলায় নবাগত ইউএনও উম্মে হাবিবা ফারজানার যোগদান

 রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে যোগদান করেছেন উম্মে হাবিবা ফারজানা।গত ১৬ জুলাই তিনি দুর্গাপুর উপজেলায় ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এ সময় তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লায়লা নূর তানজু। পরে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ নবাগত ইউএনওকে শুভেচ্ছা জানান।উম্মে হাবিবা ফারজানা ৩৭তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা। এর আগে তিনি ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।আরও  পড়ুন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা শামীমের এছাড়াও তিনি মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।১৯৯০ সালে বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলায় জন্মগ্রহণকারী উম্মে হাবিবা ফারজানা বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল ও কলেজ, চট্টগ্রাম থেকে শিক্ষাজীবনের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের পড়াশোনা সম্পন্ন করেন।দায়িত্ব গ্রহণের পর এক মতবিনিময় সভায় তিনি উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের সেবা নিশ্চিত করা, প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত ও মানসম্মত সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়াই হবে তার প্রধান অগ্রাধিকার।

আন্তর্জাতিক

ক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানি, ধ্বংসস্তূপে চাপা বহু ঘরবাড়ি .নিহত ৬

ক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানি, ধ্বংসস্তূপে চাপা বহু ঘরবাড়ি .নিহত ৬

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুর আন্দিজ অঞ্চলে ৫ দশমিক ৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৩০ জনের বেশি। এছাড়া ঘরবাড়ি হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় ৩০০ মানুষ। ধসে পড়েছে অসংখ্য ভবন, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গির্জা ও ধর্মীয় স্থাপনাও।শনিবার স্থানীয় সময় রাত ৯টা ২৪ মিনিটে আঘাত হানে ভূমিকম্পটি। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল হুয়ানকায়ো প্রদেশের সিকায়া শহরের পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে। উৎপত্তিস্থলের গভীরতা ছিল মাত্র ১০ কিলোমিটার, ফলে ভূ-পৃষ্ঠে কম্পনের তীব্রতা ছিল বেশি।পেরুর জাতীয় বেসামরিক প্রতিরক্ষা ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, এখনো নিখোঁজ মানুষের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।আর ও পড়ুন .মিয়ানমার উপকূলে রোহিঙ্গাবাহী দুটি নৌকাডুবি, ৫০০ জনের বেশি মৃত্যার আশঙ্কাউদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের খোঁজে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।স্থানীয় কর্মকর্তাদের ভাষ্য, পার্বত্য অঞ্চলের অধিকাংশ বাড়ি কাঁচা অ্যাডোবি ইট দিয়ে নির্মিত হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষিপ্রধান চোঙ্গো বাজো এলাকায় বহু পরিবার খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছে গবাদিপশুও।ভূমিকম্পে সবকিছু হারানো তিন সন্তানের জননী হারমেনেগিলদা গুয়ামালাতো বলেন, তার বাড়ি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। সন্তানদের নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে পাশের জেলায় যেতে বাধ্য হয়েছেন তিনি।প্রশান্ত মহাসাগরীয় 'রিং অব ফায়ার' অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় পেরু ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ হিসেবে পরিচিত। এর আগে ২০০৭ সালে দেশটির ইকা অঞ্চলে ৭ দশমিক ৯ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রায় ৬০০ মানুষের প্রাণহানি হয়েছিল।

১৩ ঘন্টা আগে

রাজধানী

আতশবাজি ফোটাতে গিয়ে বিস্ফোরণ, মিরপুরে দগ্ধ ৪ তরুণ

আতশবাজি ফোটাতে গিয়ে বিস্ফোরণ, মিরপুরে দগ্ধ ৪ তরুণ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী থানার সিটি ক্লাব এলাকায় আতশবাজি ফোটানোর সময় আকস্মিক বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়েছেন চার যুবক। তাদের মধ্যে একজনকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।রোববার দিবাগত রাত প্রায় ২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন—মো. সাকিব, রিফাত, সজীব ও তাহসিন। পরে রাত ৩টার দিকে তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।হাসপাতাল সূত্র জানায়, তাহসিন, সজীব ও রিফাতকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে দুই পায়ে দগ্ধ হওয়ায় সাকিবকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।আরও  পড়ুন, অপ্রয়োজনীয় হর্ন নিরুৎসাহিত করতে ট্রাফিক কর্মকর্তাদের নির্দেশআহতদের সঙ্গে থাকা আরাফাত জানান, আতশবাজি ফোটানোর সময় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে চারজনই দগ্ধ হন।জানা গেছে, আহত সাকিব বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি—বিইউবিটির প্রথম বর্ষের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী। তিনি মিরপুর-১২ এলাকার বাসিন্দা।জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, সাকিবের দুই পা দগ্ধ হয়েছে। তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।এ ঘটনায় আবারও অনিয়ন্ত্রিতভাবে আতশবাজি ব্যবহারের ঝুঁকি সামনে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্কতা ছাড়া আতশবাজি ব্যবহার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

৮ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

বিশ্বকাপ জেতালেন ফেরান তোরেস, স্পেনের নতুন নায়ক

বিশ্বকাপ জেতালেন ফেরান তোরেস, স্পেনের নতুন নায়ক

পুরো বিশ্বকাপে মাত্র একটি গোল। কিন্তু সেই এক গোলই বদলে দিয়েছে সব হিসাব। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের জয়সূচক গোলে চতুর্থবারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট জিতেছে স্পেন।ফাইনালের ১০৬তম মিনিটে নিকো উইলিয়ামসের হেড থেকে আসা বল নিয়ন্ত্রণে এনে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে জাল খুঁজে নেন তোরেস। গোলের পর কর্নার ফ্ল্যাগে লাথি মেরে নিজের আবেগ প্রকাশ করেন তিনি। মুহূর্তেই সতীর্থদের উল্লাসে ভেসে যায় পুরো স্টেডিয়াম।বিশ্বকাপজুড়ে সমালোচনার মুখে ছিলেন স্পেনের এই ফরোয়ার্ড। ফাইনালের আগে তাঁর ঝুলিতে ছিল না কোনো গোল। পর্তুগালের বিপক্ষে একটি অ্যাসিস্ট ছাড়া আলোচনায় আসার মতো পারফরম্যান্সও ছিল না।আরও পড়ুন. জিম্বাবুয়ের মাটিতে টাইগারদের দাপট, ২-১ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয় এমনকি কেপ ভার্দের বিপক্ষে ব্যর্থতার পর একাদশ থেকেও বাদ পড়েছিলেন তিনি।ফাইনালে শুরুটাও হয়েছিল বেঞ্চে বসেই। ৬২ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে বদলে দেন ম্যাচের ভাগ্য। তাঁর দুর্দান্ত শট ঠেকাতে ব্যর্থ হন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। পরে আরও একবার বল জালে জড়ালেও সেটি অফসাইডের কারণে বাতিল হয়।তবে একমাত্র বৈধ গোলেই স্পেনকে এনে দেন বিশ্বকাপের শিরোপা। একই সঙ্গে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতে নেন ফেরান তোরেস। পাশাপাশি গড়েন নতুন ইতিহাস—২০১৪ সালে মারিও গোটজের পর বিশ্বকাপ ফাইনালে বদলি হিসেবে নেমে গোল করা প্রথম ফুটবলার হলেন তিনি।

আইন আদালত

বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতা

বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতা

বর্ষার বৃষ্টির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি জেলা শহরগুলোতেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এডিস মশাবাহিত এই রোগ। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু সংক্রমণের উচ্চ প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২০ জুলাই পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০ হাজার ৪৮৫ জন। এ সময় ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৯ হাজার ৪৪০ জন।শুধু জুলাই মাসের প্রথম ১৯ দিনেই আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৮১ জন, যা জুন মাসের মোট আক্রান্ত ২ হাজার ৯০৭ জনের তুলনায় প্রায় ৩৪ শতাংশ বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪৭৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর ডেঙ্গুর জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়। বিশেষ করে বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং ঢাকার আশপাশের জেলাগুলোতে সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।আরও  পড়ুন, জুলাই আন্দোলনের রক্তাক্ত দিন: ২০ জুলাইয়ে দেশজুড়ে কারফিউ ও সেনা টহলতিনি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত লার্ভা ধ্বংস, লার্ভিসাইড প্রয়োগ এবং জেলা-উপজেলা হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী জানান, ডেঙ্গুর উৎস শনাক্ত ও ধ্বংসে কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। শিগগিরই ৩০০ স্বেচ্ছাসেবক বাসাবাড়ির ছাদ, গ্যারেজ ও সম্ভাব্য প্রজননস্থল পরিদর্শনে নামবেন।জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু ফগিং করে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। জমে থাকা পরিষ্কার পানি অপসারণ, নির্মাণাধীন ভবনে নিয়মিত তদারকি, লার্ভা জরিপ এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিই ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।চিকিৎসকদের পরামর্শ, জ্বর, শরীরব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, বমি বা রক্তক্ষরণের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও দীর্ঘমেয়াদি রোগীদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর