দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

সাভার গেন্ডায় ঢাকা ইন গেস্ট হাউজে জুলহাসের অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মাদক সিন্ডিকেট

কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা / সাভার গেন্ডায় ঢাকা ইন গেস্ট হাউজে জুলহাসের অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মাদক সিন্ডিকেট

ঢাকার সাভার থানাধীন গেন্ডা এলাকায় আবাসিক হোটেল ও গেস্ট হাউজকে ঘিরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, মাদক বেচাকেনা এবং অপরাধী চক্রের তৎপরতার অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গেন্ডা এলাকার ‘ঢাকা ইন গেস্ট হাউজ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে জড়িত জুলহাস নামের এক ব্যক্তিকে ঘিরে মানব পাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগও রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে পূর্ণাঙ্গ যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া জরুরি। অভিযোগের সত্যতা নিরূপণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।সরেজমিন অনুসন্ধান ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গেন্ডা এলাকায় আবাসিক হোটেল ও গেস্ট হাউজের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কিছু কিছু ক্ষেত্রে বৈধ অনুমোদন, ব্যবসায়িক লাইসেন্স, অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা, অতিথিদের তথ্য সংরক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন রয়েছে কি না—তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়মিত নজরদারি ও যথাযথ যাচাই না থাকায় কিছু প্রতিষ্ঠান অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছে।আরও  পড়ুন : বনানীতে গেস্ট হাউজ-স্পা, ওসির ভূমিকা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্নস্থানীয়দের একটি অংশের দাবি, ঢাকা ইন গেস্ট হাউজের সঙ্গে জুলহাস নামের এক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তাকে ঘিরে মানব পাচার ও বিভিন্ন স্থানে গেস্ট হাউজ, আবাসিক হোটেল এবং কথিত অনৈতিক ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের ব্যবসার সঙ্গে তিনি যুক্ত বলে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা রয়েছে। তবে জুলহাসের বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব অভিযোগের পক্ষে আদালতের রায় বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিশ্চিত তথ্য পাওয়া না গেলেও তাকে অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে উল্লেখ করেছেন স্থানীয়রা। ঢাকা ইন গেস্ট হাউজকে ঘিরে মাদক বেচাকেনা ও সরবরাহের অভিযোগও তুলেছেন স্থানীয় কয়েকজন। তাদের দাবি, বিভিন্ন বয়সী তরুণদের আনাগোনা এবং রাতের বেলায় সন্দেহজনক ব্যক্তিদের চলাচল নিয়ে এলাকায় উদ্বেগ রয়েছে। গেস্ট হাউজের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো যদি যথাযথভাবে তদারকি না করা হয়, তাহলে সেখানে মাদক ব্যবসায়ী বা অপরাধী চক্রের সদস্যরা সহজেই অবস্থান নেওয়ার সুযোগ পেতে পারে। বিশেষ করে তরুণদের মাদকাসক্তির ঝুঁকি বাড়লে তার প্রভাব পড়ে পরিবার ও সামাজিক পরিবেশের ওপর। প্রতিষ্ঠানের মালিক জুলহাসের দালাল চক্র খদ্দের যোগানের তাগিদে বিভিন্ন সোসাল মিডিয়াতে সুন্দরী নারীদের ছবি দিয়ে প্রচার করে থাকে এবং ওইসব খদ্দেররা তাদেও হাতে ব্ল্যাক মেইলের শিকার হয় বলে জানা গেছে।আরও  পড়ুন :পুলিশে একের পর এক রদবদল, অপরাধ দমনে নতুন পরীক্ষাসাভার এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও বিভিন্ন সময়ে তৎপরতা চালিয়েছে। চলতি বছর ঢাকা জেলার পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকেও মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদারের কথা জানানো হয়েছে।গেন্ডা এলাকায় কিশোর ও তরুণদের একটি অংশকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের মতে, মাদক, আড্ডা, অপরাধপ্রবণ পরিবেশ এবং অপরাধীদের আনাগোনা কিশোরদের একটি অংশকে বিপথে ঠেলে দিতে পারে। কোনো এলাকায় মাদক বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিস্তার ঘটলে সেখানে কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও বাড়ে। এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মারামারি, মাদক পরিবহনসহ নানা অপরাধ। তবে গেন্ডা এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে ঢাকা ইন গেস্ট হাউজের সরাসরি সাংগঠনিক সম্পর্ক রয়েছে—এমন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া না গেলেও আলোচনায় এসেছে।  আরও  পড়ুন:গুলশানে গেস্ট হাউজ-স্পা, পেছনে মিরাজের অজানা সাম্রাজ্য?একটি আবাসিক হোটেল বা গেস্ট হাউজ পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন, ব্যবসায়িক লাইসেন্স, অগ্নিনিরাপত্তা এবং অতিথিদের তথ্য সংরক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। কোনো প্রতিষ্ঠান এসব নিয়ম না মেনে পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা প্রশাসনের নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। সাভার ও আশুলিয়া এলাকায় গেস্ট হাউজকে কেন্দ্র করে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ নিয়ে এর আগেও সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। ২০২৬ সালের একটি প্রতিবেদনে গেন্ডাসহ সাভারের বিভিন্ন এলাকায় গেস্ট হাউজ ও আবাসিক হোটেলকে ঘিরে এমন অভিযোগের কথা উঠে আসে। বাংলাদেশ পুলিশও মানব পাচারসংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট ব্যবস্থা রেখেছে। পুলিশ সদর দপ্তরের সেবা সংক্রান্ত তথ্যে মানব পাচার অপরাধের অভিযোগ গ্রহণের কথা উল্লেখ রয়েছে। অন্যদিকে, গেস্ট হাউজ বা আবাসিক প্রতিষ্ঠানের আড়ালে অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে কি না, তা যাচাইয়ে পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট অনুমোদনকারী সংস্থার সমন্বিত নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।ঢাকা ইন গেস্ট হাউজের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ এবং জুলহাসের সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে তার বক্তব্য জানার চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায়নি। প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ বা জুলহাসের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তি প্রতিবেদনে যথাযথভাবে সংযোজন করা হবে।অভিযোগের সত্যতা থাকলে দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে সেটিও তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হবে। কারণ কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগের কারণে পুরো ব্যবসায়ী বা আবাসিক হোটেল খাতকে প্রশ্নবিদ্ধ না করে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়াই হতে পারে কার্যকর সমাধান। গেন্ডার মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় অপরাধ, মাদক ও মানব পাচারের মতো অভিযোগকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। একই সঙ্গে অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত না করে নিরপেক্ষ অনুসন্ধান ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করাও জরুরি।আর ও পড়ুন :তৃণমূলের কাণ্ডারী বকুল: ফরিদপুর বিএনপিতে ফের নেতৃত্বের আশাবাদএবিষয়ে সাভার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, গেন্ডা এলাকায় কোনো গেস্ট হাউজ বা আবাসিক প্রতিষ্ঠানের আড়ালে মাদক, মানব পাচার কিংবা কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে—এমন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা তথ্য পাওয়া গেলে তা আইনের আওতায় আনা হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করছে। কোনো প্রতিষ্ঠান বৈধ অনুমোদন ছাড়া পরিচালিত হচ্ছে কি না, সেটিও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে যাচাই করা হবে। তিনি বলেন, অপরাধের সঙ্গে কারও সম্পৃক্ততা তদন্তে প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি সই

বেসামরিক পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৌশলগত দ্বিপক্ষীয় চুক্তি করেছে বাংলাদেশ।স্থানীয় সময় শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দুই দেশের প্রতিনিধিরা এই চুক্তিতে সই করেন। শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করা হয়।বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসাদ। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে স্বাক্ষর করেন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি জ্বালানি ও পরিবেশবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জ্যাকব হেলবার্গ। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে চুক্তিটিকে দুই দেশের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক সহযোগিতার নতুন পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।চুক্তির আওতায় পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের পাশাপাশি নিরাপত্তা সুরক্ষা ও পারমাণবিক বিস্তার রোধের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশই আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার নিরাপত্তা চুক্তি এবং পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতার প্রথম চুক্তি হয়েছিল ১৯৮১ সালে। দীর্ঘ বিরতির পর নতুন এই চুক্তির মাধ্যমে পারমাণবিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।আড়ও পড়ুন,ফ্যাসিবাদের দোসরদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশবিশেষ করে রাশিয়ার সহায়তায় নির্মিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ যখন শেষ পর্যায়ের দিকে এগোচ্ছে তখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই সহযোগিতা বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা ও পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু শক্তি আইনের ১২৩ ধারার অধীনে দেশটি বিভিন্ন রাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক সহযোগিতার আইনি কাঠামো তৈরি করে। এসব চুক্তি প্রযুক্তিগত সহযোগিতা গবেষণা এবং নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার ভিত্তি তৈরি করে।

ফ্যাসিবাদের দোসরদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ

রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত পদক প্রদান অনুষ্ঠানে ফ্যাসিবাদ ও আওয়ামী শক্তির দোসরদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশকে নিজস্ব গোয়েন্দা সক্ষমতা কাজে লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।শনিবারের অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা ফ্যাসিবাদ ও আওয়ামী শক্তির দোসরদের আইনের আওতায় আনতে পারবে তাদের পুরস্কৃত করা হবে।তিনি জানান, সম্প্রতি এ ধরনের কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। গত সপ্তাহে দুইজনকে এবং শুক্রবার আরও একজনকে আটক করা হয় বলে জানান তিনি।পুলিশের গোয়েন্দা সক্ষমতার কার্যকর ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আটক ব্যক্তিরা এতদিন দেশেই লুকিয়ে ছিলেন। তাহলে পুলিশের গোয়েন্দা সহায়তা কোথায় ছিল—এমন প্রশ্নও তোলেন তিনি।দেশে যারা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।আড়ও পড়ুন,২৮ সেপ্টেম্বর থেকে সিএনজি স্টেশন বন্ধের ধর্মঘট প্রত্যাহারচব্বিশের আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে সালাহউদ্দিন আহমদ জাতিসংঘের পরিসংখ্যানের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ওই সময় এক মাসে দেশে প্রায় এক হাজার ৪০০ মানুষ নিহত হয়েছে। পাশাপাশি গত ১৭ বছরে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড গুম ও হেফাজতে মৃত্যুর বিভিন্ন পরিসংখ্যানের কথাও তুলে ধরেন তিনি।রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর দলীয়করণ এবং এসব ঘটনার জন্য দায়ীদের ভবিষ্যতে রাজনীতিতে মানুষ দেখতে চাইবে কি না সে প্রশ্নও তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।শেখ হাসিনাসহ সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় তাদের ফেরত পাঠাতে প্রতিবেশী দেশটির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ।সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে আইনের মুখোমুখি হলে আইনি প্রক্রিয়া নিজস্ব গতিতেই চলবে বলেও জানান তিনি।অনুষ্ঠানে ৯৮ জন পুলিশ সদস্যকে বিপিএম ও পিপিএম পদক প্রদান করা হয়।

২৮ সেপ্টেম্বর থেকে সিএনজি স্টেশন বন্ধের ধর্মঘট প্রত্যাহার

পূর্বঘোষিত লাগাতার ধর্মঘট কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিয়েছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটি আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে সারা দেশে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিল।শনিবার এক বিবৃতিতে ধর্মঘট বাস্তবায়নে গঠিত স্টিয়ারিং কমিটির আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান চৌধুরী কর্মসূচি প্রত্যাহারের বিষয়টি জানান।বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর সঙ্গে সংগঠনের নেতাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও কনভার্শন ওয়ার্কশপ মালিকদের বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়।এর আগে গত ২২ সেপ্টেম্বর প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সঙ্গেও সংগঠনের নেতাদের বৈঠক হয়। এসব বৈঠকে সমস্যাগুলো সমাধানের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস পাওয়ায় পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত লাগাতার বন্ধ কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে বলে জানায় সংগঠনটি।আরও  পড়ুন, পানি বিপৎসীমার ওপরে বন্যার পানি প্রবাহিত হয়ার শঙ্কাবিবৃতিতে আরও বলা হয়, গত ২৩ জুলাই প্রতীকী ধর্মঘট পালন এবং ২৩ আগস্ট থেকে লাগাতার বন্ধ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হলেও সরকারকে সহযোগিতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়েছে। সংগঠনটি আশা করছে, সরকার তাদের যৌক্তিক দাবি ও বিদ্যমান সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেবে।সিএনজি ফিলিং স্টেশন মালিকদের অন্যতম প্রধান দাবি হলো প্রতি ঘনমিটার সিএনজি বিক্রিতে কমিশন ৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা করা। সংগঠনটির দাবি, ২০১৩ সাল থেকে প্রায় এক যুগ ধরে এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে আসছেন তারা। বিভিন্ন সময়ে সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হলেও দাবি বাস্তবায়ন হয়নি।সংগঠনটির ভাষ্য, বিদ্যুতের দাম বাড়ার সঙ্গে সিএনজি স্টেশন পরিচালনার ব্যয়ও বেড়েছে। সাত দফায় বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলেও সে অনুযায়ী তাদের কমিশন বাড়ানো হয়নি। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠানকে লোকসান দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করতে হচ্ছে।

পানি বিপৎসীমার ওপরে বন্যার পানি প্রবাহিত হয়ার শঙ্কা

উজানে ও দেশের অভ্যন্তরে বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর পানি রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার কিছু এলাকায় বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এ তথ্য জানিয়েছে।পাউবোর পূর্বাভাস অনুযায়ী, স্থল নিম্নচাপটি বর্তমানে ভারতের উত্তর ছত্রিশগড় ও তৎসংলগ্ন উত্তর-পূর্ব মধ্যপ্রদেশ এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হতে পারে। একই সময়ে বাংলাদেশের ওপর মৌসুমি বায়ু মোটামুটি সক্রিয় রয়েছে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে তা মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে পাউবো জানিয়েছে, আগামী তিন দিন দেশের অভ্যন্তরে এবং তৎসংলগ্ন উজান এলাকায় মাঝারি থেকে মাঝারি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এর প্রভাবে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি সমতলে পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।আরও  পড়ুন, সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন সুখবর, জিপিএফে মুনাফার হার নির্ধারণপাউবোর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলের তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানি সমতল বেড়েছে। অপরদিকে ধরলা নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল রয়েছে।তিস্তা নদীর পানি আগামী একদিন আরও বাড়তে পারে। এরপর পরবর্তী দুই দিন পানি কমার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি আগামী তিন দিন কমতে পারে।তবে আগামী ২৪ ঘণ্টায় তিস্তার পানি রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার কিছু স্থানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে বলে সতর্ক করেছে পাউবো। এতে তিস্তা নদীসংলগ্ন নিচু এলাকা ও চরাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে পানি ঢুকে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।এদিকে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। আগামী পাঁচ দিন এ নদ-নদীর পানি সমতল আরও কমতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানিও গত ২৪ ঘণ্টায় হ্রাস পেয়েছে। আগামী পাঁচ দিন এ নদ-নদীর পানি সমতল কমার প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

রাজনীতিরাজনীতি

গুলিস্তানে জাসদ কার্যালয় থেকে শতাধিক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী আটক

গুলিস্তানে জাসদ কার্যালয় থেকে শতাধিক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী আটক

রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের জাসদের প্রধান কার্যালয় থেকে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতাকর্মীকে আটক করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ডিএমপি।শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে জাসদের প্রধান কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে গোপন বৈঠক চলছিল এবং ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি বহিরাগত অনেকে অবস্থান করছিলেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে ক্রাইম ও গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ অভিযান চালানো হয়।পল্টন মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আরিফুর ইসলাম জানান, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কয়েকজনকে থানায় আনা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই শেষে এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে।আড়ও পড়ুন,নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর পাঞ্জাবি ছিঁড়ে ফেলার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল নেতা তমিজেরডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপকমিশনার মো. আকতার হোসেন জানান, অভিযান চলাকালে ইতোমধ্যে অর্ধশতাধিক ব্যক্তিকে হেফাজতে নিয়ে পল্টন থানায় নেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তথ্য বিশ্লেষণ এবং জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পুলিশ জানিয়েছে, জাসদের প্রধান কার্যালয়ে অভিযান এখনো চলমান রয়েছে। আটক ব্যক্তিদের পরিচয় ও তাদের বিরুদ্ধে কোনো নির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে কি না তা যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর পাঞ্জাবি ছিঁড়ে ফেলার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল নেতা তমিজের

নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর পাঞ্জাবি ছিঁড়ে ফেলার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল নেতা তমিজের

‘মুখের ভাষা সংযত করে বক্তব্য দিন। তা না হলে ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা যেখানে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীকে পাবেন, সেখানে তার পাঞ্জাবি টেনে ছিঁড়ে ফেলবেন।’নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীকে উদ্দেশ্য করে এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন।শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সাভার থানাস্ট্যান্ডে দেশজুড়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ঢাকা জেলা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।আরও  পড়ুন, আল্লাহর আইন ছাড়া সুশাসন সম্ভব নয়’: জামায়াত আমিরতমিজ উদ্দিন বলেন, বিএনপির বিরুদ্ধে এখনো ষড়যন্ত্র থেমে নেই। সব ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করার সক্ষমতা বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর রয়েছে।তিনি নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীকে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে মুখের ভাষা সংযত করার আহ্বান জানান।সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব খান। সভাপতিত্ব করেন ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নাজমুল হাসান অভি। এসময় ঢাকা জেলা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আল্লাহর আইন ছাড়া সুশাসন সম্ভব নয়’: জামায়াত আমির

আল্লাহর আইন ছাড়া সুশাসন সম্ভব নয়’: জামায়াত আমির

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আল্লাহর আইন ছাড়া সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। যেসব ইসলামী দল আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী অগ্রগামী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সিলেট নগরীর মদিনা মার্কেট এলাকার একটি মিলনায়তনে সিলেট মহানগর জামায়াত আয়োজিত দুই দিনব্যাপী রুকন (সদস্য) শিক্ষাশিবিরের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংগঠনের দায়িত্বশীলদের মানুষের সঙ্গে আচরণের ক্ষেত্রে সবসময় সম্মান প্রদর্শন করতে হবে। একই সঙ্গে মানবিক গুণাবলি ও নৈতিক মান উন্নত করার পাশাপাশি মানুষের সুখ-দুঃখ ও প্রয়োজনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে জনআস্থা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড বাড়ানোর আহ্বান জানান।আরও  পড়ুন, রিমান্ডে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি তানভীরের পাশাপাশি অবৈধ উপার্জনের চিন্তা থেকে দূরে থেকে ব্যবসায়িক লেনদেনে শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রাখার নির্দেশনা দেন।জামায়াত আমির আরও বলেন, সংগঠনের সর্বস্তরের দায়িত্বশীলদের নিজেদের যোগ্যতা, দক্ষতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বাড়াতে হবে। নিয়মিত জ্ঞানচর্চা, প্রশিক্ষণ ও আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে নৈতিক ও সাংগঠনিক মানোন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং মহানগর সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান আলীর সঞ্চালনায় শিক্ষাশিবির অনুষ্ঠিত হয়।এতে জামায়াতের সিলেট অঞ্চল টিম সদস্য হাফিজ আব্দুল হাই হারুন, মহানগর নায়েবে আমির হাফিজ মিফতাহুদ্দীন ও ড. নূরুল ইসলাম বাবুল, জেলা নায়েবে আমির অধ্যাপক আব্দুল হান্নানসহ স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন। শিক্ষাশিবিরে মহানগর জামায়াতের রুকনরাও অংশ নেন।

রিমান্ডে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি তানভীরের

রিমান্ডে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি তানভীরের

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে অব্যাহতি পাওয়া যুগ্ম সদস্যসচিব গাজী সালাউদ্দিন তানভীর কারাগার ও রিমান্ডে থাকাকালে শারীরিক নির্যাতন, চিকিৎসায় অনিয়ম এবং হুমকির অভিযোগ তুলেছেন। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন। অসুস্থতার কারণে তিনি নিজে বক্তব্য দিতে না পারায় তার লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনানো হয়।লিখিত বক্তব্যে তানভীর দাবি করেন, ৫ আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কারাগার ও রিমান্ডে থাকাকালে তাকে নির্যাতন করা হয়েছে এবং এসব ঘটনা প্রকাশ করলে পরিবারের সদস্যদের ক্ষতির হুমকি দেওয়া হয়। তিনি কারাগারের পরিবেশ, খাবার এবং চিকিৎসা নিয়েও নানা অভিযোগ করেন।তানভীরের অভিযোগ, অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার দাবি, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ না দিয়ে অজ্ঞাত ওষুধ দেওয়া হয়েছে এবং তাকে ৭০-৮০টি ইনজেকশন দেওয়া হয়। একপর্যায়ে তার ডান হাত ও পা অবশ হয়ে যাওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। এসব চিকিৎসা-সংক্রান্ত অভিযোগের স্বাধীন যাচাই এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পাওয়া যায়নি।সংবাদ সম্মেলনে তানভীর আরও অভিযোগ করেন, কারাগারে থাকা আওয়ামী লীগের মামলার আসামিদের বিশেষ সুবিধা দেওয়া হতো। তার দাবি, রাতে কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতাকে গাড়িতে করে কারাগারের বাইরে নিয়ে যাওয়া এবং ভোরে ফিরিয়ে আনার ঘটনা তিনি দেখেছেন।আরও  পড়ুন, হাতিয়ায় বিএনপি-এনসিপি সংঘর্ষ, আহত ৮ তবে এই দাবির পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো প্রমাণ বা সংশ্লিষ্ট কারা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।তানভীরের অভিযোগের মধ্যে আরও রয়েছে, চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া-আসার সময় সাদা পোশাকের কয়েকজন ব্যক্তি তাকে নির্যাতন করেন। তিনি দাবি করেন, নির্যাতনের সময় এনসিপির কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখ করে ‘জুলাইয়ের’ সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের একইভাবে নির্যাতনের হুমকি দেওয়া হয়।এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে করা সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায় ৫ আগস্ট তানভীরকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং আদালতের আদেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে অসুস্থ হয়ে তিনি বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়া হয় এবং ১৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান।সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার তানভীরের অভিযোগ তদন্তে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানান। অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কারা কর্তৃপক্ষ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিস্তারিত বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে স্বাধীন তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্ট বিষয়টি সামনে এসেছে।

সারাবাংলা

তিন দশকের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, গাজীপুর জেলা যুবদলের নেতৃত্বে মাসুদ রানার প্রত্যাশা

তিন দশকের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, গাজীপুর জেলা যুবদলের নেতৃত্বে মাসুদ রানার প্রত্যাশা

রাজনীতির পথ কখনো মসৃণ নয়। কখনো রাজপথের উত্তাপ, কখনো মামলা—হামলার চাপ, কখনো কারাবরণের কঠিন সময়—সবকিছুর মধ্য দিয়েই একজন রাজনৈতিক কর্মীর পথচলা তৈরি হয়। দীর্ঘদিনের সেই পথচলায় যারা সংগঠনের সঙ্গে থেকেছেন, তাদের কাছে রাজনীতি শুধু পদ—পদবি নয়; বরং এটি হয়ে ওঠে বিশ্বাস, আদর্শ ও মানুষের সঙ্গে সম্পর্কের এক দীর্ঘ অধ্যায়।গাজীপুরের কালীগঞ্জের সন্তান মোঃ মাসুদ রানা তেমনই দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার একজন নেতা হিসেবে নিজের পরিচয় তুলে ধরেছেন। ছাত্ররাজনীতি দিয়ে শুরু হওয়া তাঁর রাজনৈতিক জীবনের বিস্তার ঘটেছে উপজেলা থেকে জেলা পর্যায়ে। বিভিন্ন সময়ে ছাত্রদল ও যুবদলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে বর্তমানে তিনি জাতীয়তাবাদী যুবদল, গাজীপুর জেলা শাখার সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের অবস্থান তুলে ধরছেন।মোঃ মাসুদ রানার পিতা মৃত জিন্নত আলী এবং মাতা মৃত সামেদা শিরীন। গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার উত্তর সোম গ্রামের এই সন্তান বি.এ (স্নাতক) সম্পন্ন করেছেন।যে পথচলা শুরু হয়েছিল ছাত্ররাজনীতি দিয়েরাজনীতির সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততার শুরু ছাত্রজীবন থেকেই। ১৯৯১ সালে তুমলিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর সাংগঠনিক পথচলা আরও দৃশ্যমান হয় বলে তাঁর জীবনবৃত্তান্তে উল্লেখ রয়েছে।এরপর একে একে কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সম্পাদক, আহ্বায়ক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি। একই সঙ্গে গাজীপুর জেলা ছাত্রদলের বিভিন্ন কমিটিতেও দায়িত্ব পালন করেছেন।জেলা ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং ১ম যুগ্ম সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালনের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। এর পাশাপাশি গাজীপুর জেলা ছাত্রদলের সদস্য হিসেবেও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন।ছাত্ররাজনীতির সেই সময় থেকেই সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী করার বিষয়টি তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম অংশ হয়ে ওঠে বলে তাঁর দেওয়া তথ্য থেকে জানা যায়।ছাত্রদল থেকে যুবদলের নেতৃত্বেসময় গড়িয়েছে। ছাত্ররাজনীতির গণ্ডি পেরিয়ে মোঃ মাসুদ রানা যুক্ত হন যুবদলের রাজনীতিতে। কালীগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক এবং পরবর্তীতে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি।একই সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাঁর সাংগঠনিক যোগাযোগ আরও বিস্তৃত হয়। উপজেলা পর্যায়ের নেতৃত্ব থেকে ধীরে ধীরে জেলা পর্যায়ের রাজনীতিতে তাঁর অবস্থান তৈরি হয়।পরবর্তীতে তিনি গাজীপুর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সদ্য বিদায়ী এই দায়িত্বের পর এবার জেলা যুবদলের সভাপতি পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি।তাঁর রাজনৈতিক পথচলার দিকে তাকালে দেখা যায়, ছাত্রদল ও যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে সাংগঠনিক রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি।মামলা—কারাবরণও এসেছে রাজনৈতিক জীবনের অংশ হয়েরাজনৈতিক জীবনের পথচলায় নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হওয়ার কথাও তুলে ধরেছেন মোঃ মাসুদ রানা। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে ২৪টি মামলা হয়েছে এবং তিনি একাধিকবার কারাবরণ করেছেন।তবে এসব মামলার সুনির্দিষ্ট ধারা, আদালতের সিদ্ধান্ত কিংবা মামলাগুলোর বর্তমান অবস্থা তাঁর দেওয়া জীবনবৃত্তান্তে বিস্তারিত উল্লেখ নেই। ফলে মামলাগুলোকে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের বর্ণিত অভিজ্ঞতা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।তাঁর রাজনৈতিক সমর্থকদের কাছে এসব মামলা ও কারাবরণ রাজনৈতিক পথচলার কঠিন সময়ের স্মৃতি। আর তাঁর নিজের বক্তব্যে দল ও সংগঠনের প্রতি দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততাই সামনে এসেছে।রাজনীতি শুধু পদ নয়, ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন—মাসুদ রানার বক্তব্য রাজনৈতিক সংগঠনে পদ—পদবি গুরুত্বপূর্ণ হলেও তৃণমূলের কর্মীদের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ—এমন মত পোষণ করেন মোঃ মাসুদ রানা।গাজীপুর জেলা যুবদলকে গতিশীল করার বিষয়ে তাঁর মতামতের মূলকথা হলো—“ত্যাগী, দলনিবেদিত ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের দলের মাধ্যমে মূল্যায়ন।”এই বক্তব্যের মধ্যেই তাঁর সাংগঠনিক ভাবনার একটি দিক ফুটে ওঠে। তাঁর মতে, যারা দীর্ঘদিন ধরে দলের সঙ্গে থেকে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সংগঠনের জন্য কাজ করেছেন, তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।কারণ মাঠের কর্মীরাই একটি রাজনৈতিক সংগঠনের মূল শক্তি। তাদের মূল্যায়ন ও সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় রাখার মাধ্যমে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।তৃণমূলকে শক্তিশালী করার প্রত্যাশাগাজীপুর জেলা যুবদলের সভাপতি পদে দায়িত্ব পাওয়ার সুযোগ হলে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের আরও বেশি সম্পৃক্ত করার প্রত্যাশা রয়েছে তাঁর।দীর্ঘদিনের ছাত্র ও যুব রাজনীতির অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে জেলা পর্যায়ের সংগঠনকে আরও গতিশীল করার কথা বলছেন তিনি। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের নেতাকর্মীদের রাজনৈতিকভাবে প্রস্তুত করা এবং পরীক্ষিত কর্মীদের মূল্যায়নের মাধ্যমে নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা তৈরি করার বিষয়েও গুরুত্ব দিতে চান।তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের অন্যতম জায়গা হলো—শুধু কেন্দ্র বা জেলা পর্যায়ের নেতৃত্ব নয়, সংগঠনের প্রতিটি ইউনিটে সক্রিয় নেতৃত্ব তৈরি করা।কালীগঞ্জ থেকে গাজীপুর জেলা—এক দীর্ঘ অধ্যায়মোঃ মাসুদ রানার রাজনৈতিক পরিচিতির বড় একটি অংশজুড়ে রয়েছে কালীগঞ্জ। স্থানীয় ওয়ার্ড পর্যায়ের ছাত্রদল থেকে উপজেলা ছাত্রদল, এরপর উপজেলা যুবদল—প্রতিটি পর্যায় অতিক্রম করে তিনি জেলা রাজনীতিতে জায়গা করে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন।তাঁর রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন দায়িত্বের তালিকায় রয়েছে—সভাপতি—তুমলিয়া ইউনিয়ন ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদল, ১৯৯১।সাধারণ সম্পাদক—কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল।যুগ্ম সম্পাদক—কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল।আহ্বায়ক—কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল।সভাপতি—কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল।আহ্বায়ক—কালীগঞ্জ উপজেলা যুবদল।সভাপতি—কালীগঞ্জ উপজেলা যুবদল।সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক—গাজীপুর জেলা ছাত্রদল।আড়ও পড়ুন,বরিশালের গৌরব এসআই মেহেদি হাসান পেলেন ‘রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক’ (পিপিএম-সেবা)১ম যুগ্ম সম্পাদক—গাজীপুর জেলা ছাত্রদল।সদস্য—গাজীপুর জেলা ছাত্রদল।সাধারণ সম্পাদক—গাজীপুর জেলা যুবদল।এছাড়া কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজ ছাত্র সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক এবং সোমবাজার জিয়া স্মৃতি সংসদের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন বলে তাঁর জীবনবৃত্তান্তে উল্লেখ রয়েছে।সামনে নতুন দায়িত্বের প্রত্যাশাদীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার পর এবার তাঁর লক্ষ্য গাজীপুর জেলা যুবদলের সভাপতি পদ। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড এবং তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগকে সামনে রেখে তিনি এই দায়িত্বের জন্য নিজেকে প্রস্তুত বলে মনে করছেন।তবে যেকোনো রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃত্ব নির্ধারণ শেষ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট দলের সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের বিষয়। সেই সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকা সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে মোঃ মাসুদ রানাও নিজের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক ভূমিকা তুলে ধরে সভাপতি পদে দায়িত্ব পালনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।রাজনীতির কাছে তাঁর প্রত্যাশামোঃ মাসুদ রানার রাজনৈতিক বক্তব্যের কেন্দ্রে রয়েছে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন। তাঁর বিশ্বাস, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হলে সংগঠনের প্রতি তাদের দায়িত্ববোধ আরও বাড়বে এবং নতুন কর্মীরাও রাজনীতিতে উৎসাহিত হবে।ছাত্ররাজনীতির শুরু থেকে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দায়িত্ব—এই দীর্ঘ সময়কে নিজের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার ভিত্তি হিসেবে দেখছেন তিনি।তাঁর সামনে এখন নতুন দায়িত্বের প্রত্যাশা। গাজীপুর জেলা যুবদলের সভাপতি পদে তাঁর প্রার্থিতা তাই শুধু একটি পদ পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা নয়; বরং দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার পর সংগঠনের নেতৃত্বে নতুনভাবে ভূমিকা রাখার একটি প্রত্যাশা হিসেবেই তিনি বিষয়টিকে দেখছেন।মোঃ মাসুদ রানার ভাষায়, ত্যাগী, দলনিবেদিত ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের মধ্য দিয়েই একটি শক্তিশালী, সক্রিয় ও গতিশীল যুবদল গড়ে তোলা সম্ভব।

বরিশালের গৌরব এসআই মেহেদি হাসান পেলেন ‘রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক’ (পিপিএম-সেবা)

বরিশালের গৌরব এসআই মেহেদি হাসান পেলেন ‘রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক’ (পিপিএম-সেবা)

দেশের সেবা, জনগণের নিরাপত্তা প্রদান এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মর্যাদাপূর্ণ ‘রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম-সেবা)’ অর্জন করেছেন বাংলাদেশ পুলিশের গর্বিত সদস্য এসআই এস এম মেহেদি হাসান।  ​বরিশাল জেলার সন্তান এসআই এস এম মেহেদি হাসান দেশের বিভিন্ন জেলার থানায় অত্যন্ত সততা, পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কর্মজীবনে চাঞ্চল্যকর ও জটিল মামলার সুষ্ঠু তদন্ত, অপরাধ দমন এবং মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে তিনি বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন।  আড়ও পড়ুন,সুন্দরবনে মজনু বাহিনীর হাতে চার জেলে অপহরণ​বর্তমানে তিনি গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) টঙ্গী পশ্চিম থানায় সাব-ইনস্পেক্টর (এসআই) হিসেবে কর্মরত আছেন। তাঁর এই অর্জনে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ, সহকর্মী এবং তাঁর জন্মভূমি বরিশাল জেলার মানুষের মাঝে আনন্দের জোয়ার বইছে।  ​এই মহান অর্জনের জন্য বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানিয়েছেন।  ​রাষ্ট্রপ্রদত্ত এই সম্মাননা প্রাপ্তির অনুভূতি প্রকাশ করে এসআই এস এম মেহেদি হাসান জানান, "এই পদক লাভ আমার কাজের প্রতি দায়বদ্ধতা আরও বাড়িয়ে দিল। রাষ্ট্র ও জনগণের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করে অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ভবিষ্যতে আরও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যেতে চাই।"

সুন্দরবনে মজনু বাহিনীর হাতে চার জেলে অপহরণ

সুন্দরবনে মজনু বাহিনীর হাতে চার জেলে অপহরণ

পূর্ব সুন্দরবনের পৃথক দুটি এলাকা থেকে মজনু বাহিনী নৌকাসহ চার জেলেকে অপহরণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে সুন্দরবনের নারিকেলবাড়ীয়া ও কালামেয়া এবং আমবাড়ীয়া এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।বনবিভাগ ও জেলে মহাজন সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দিবাগত রাতে সাগর-সংলগ্ন নারিকেলবাড়ীয়া ও কালামেয়া এলাকায় মাছ ধরারত জেলেদের বহরে হামলা চালায় বনদস্যু মজনু বাহিনীর সদস্যরা। এ সময় তিন জেলেকে তুলে নিয়ে যায় তারা।অপহৃতদের মধ্যে রিপন নামে ২৬ বছর বয়সী এক জেলে এবং ফরিদ নামে ৩০ বছর বয়সী আরেকজন রয়েছেন। অপর জেলের নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তাদের বাড়ি কয়রা ও শরণখোলা এলাকায় বলে জানা গেছে।একই রাতে সুন্দরবনের আমবাড়ীয়া এলাকা থেকেও রিপন নামে ২৮ বছর বয়সী এক জেলেকে অপহরণ করা হয়। এ সময় তার নৌকা পাঁচটি মোবাইল ফোন এবং জেলেদের খাদ্যসামগ্রী নিয়ে যায় দস্যুরা। পরে ওই জেলেকে সুন্দরবনের অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।আড়ও পড়ুন,শ্রীপুরে জমি দখলের অভিযোগ, ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও শতাধিক গাছ কাটার দাবিমোংলার মাছ ব্যবসায়ী ও জেলে মহাজন ইসমাইল হোসেন লিটন গাজী জানান, অপহৃত রিপনের বাড়ি বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার পেড়িখালী গ্রামে।একসঙ্গে চার জেলে অপহরণের ঘটনায় সুন্দরবন-সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকার জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অপহৃত জেলেদের দ্রুত উদ্ধার এবং বনদস্যুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন জেলে মহাজনরা। সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলা টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্ট রেঞ্জার মিল্টন রায় নারিকেলবাড়ীয়া ও কালামেয়া এলাকা থেকে তিন জেলে অপহরণের খবর পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শ্রীপুরে জমি দখলের অভিযোগ, ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও শতাধিক গাছ কাটার দাবি

শ্রীপুরে জমি দখলের অভিযোগ, ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও শতাধিক গাছ কাটার দাবি

গাজীপুরের শ্রীপুরে পৈতৃক ও ক্রয়কৃত জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জমি দখল, বসতঘরের টিন ও বেড়া ভাঙচুর, খুঁটি তুলে নেওয়া এবং শতাধিক ফলজ ও বনজ গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একই এলাকার পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৫ থেকে ৭ জনের বিরুদ্ধে শ্রীপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী বিল্লাল হোসেন (৪০)।শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে শ্রীপুর উপজেলার চন্নাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযোগকারী বিল্লাল হোসেন চন্নাপাড়া এলাকার মৃত আজম আলীর ছেলে। অভিযোগে অভিযুক্তরা হলেন—মো. আলমগীর হোসেন (৪৮), রফিকুল ইসলাম (৫২), শফিকুল (৩৮), সাইফুল ইসলাম (৪৫) ও কফিল উদ্দিন (৪৭)। তাঁরা সবাই একই এলাকার বাসিন্দা।থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে বিল্লাল হোসেন উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে পৈতৃক ও ক্রয়কৃত জমি নিয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে তাঁদের পরিবারের বিরোধ চলছে। এ বিরোধের জেরে অভিযুক্তরা জমি দখলের হুমকি দিয়ে আসছিলেন।আড়ও পড়ুন,টাঙ্গাইল জেলা টেলিভিশন সাংবাদিকদের মিলনমেলা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতঅভিযোগে বলা হয়, শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র দা, লাঠি ও লোহার রড নিয়ে তাঁদের বসতবাড়ির পূর্ব পাশে অবস্থিত জমিতে প্রবেশ করেন। এ সময় জমিতে থাকা টিনের ঘর ও বেড়া ভাঙচুর করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যান। পাশাপাশি জমিতে থাকা জিআই পাইপের সিমেন্টের খুঁটি ও বাঁশের খুঁটিফেলা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।বিল্লাল হোসেনের দাবি, এ সময় তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দিলে অভিযুক্তরা দা ও লাঠি নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান। জীবন রক্ষার্থে তাঁরা ঘটনাস্থল থেকে সরে যান। পরে জমিতে পুনরায় গেলে হামলা ও প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করেন তিনি।এ ঘটনায় প্রতিকার ও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য শ্রীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বিল্লাল হোসেন।

আন্তর্জাতিক

ইরানের প্রস্তাবের পর হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের নতুন বার্তা

ইরানের প্রস্তাবের পর হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের নতুন বার্তা

হরমুজ প্রণালিকে ‘ট্রাম্প প্রণালি’ নামে উল্লেখ করে একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।ইরান সাত দিনের মধ্যে কৌশলগত এই জলপথ পুনরায় খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা প্রস্তাব করার কয়েক ঘণ্টা পর ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে মানচিত্রটি প্রকাশ করেন।এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র নির্দিষ্ট কিছু শর্ত মেনে নিলে সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে পরমাণু আলোচনা পুনরায় শুরু করা সম্ভব হবে।ইরানের প্রস্তাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর নৌ অবরোধ তুলে নিতে হবে, তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে হবে এবং যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে হবে। এরপর সপ্তম দিনে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার কথা বলা হয়।তেহরান আরও জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র শর্ত মেনে নিলে পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় বসতে প্রস্তুত তারা। তবে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অধিকার এবং উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে পাঠানোর মতো বিষয়ে ছাড় দিতে ইরান রাজি নয় বলে জানিয়েছে।আড়ও পড়ুন,পাকিস্তানে পুলিশ চেকপোস্টে আত্মঘাতী হামলা নিহত ১২অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দাবি হচ্ছে ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে সরিয়ে নেওয়া এবং পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনাকে বৃহত্তর সমঝোতার অংশ করা।ইরানের এই প্রস্তাবের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শনিবার জানান তিনি প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছেন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ট্রাম্পের মতে ইরান অর্থনৈতিক চাপে পড়ে দ্রুত হরমুজ খুলতে চাইছে।এদিকে হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ। যুদ্ধের আগে বিশ্বের বাণিজ্যিক তেল ও গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই জলপথ দিয়ে পরিবহন হতো। ফলে প্রণালিটিতে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ ও দামের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

৬ ঘন্টা আগে

রাজধানী

ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক তিনজন

ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক তিনজন

রাজধানীর ধানমন্ডি ২৭ নম্বর সড়কে মিনা বাজারের সামনে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ধানমন্ডি ২৭ নম্বর সড়কের মিনা বাজারের সামনে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলটি ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর থানার সীমানা এলাকায় পড়েছে। ফলে ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন। বিস্ফোরণের ঘটনায় কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।আরও  পড়ুন, কারাগারে অসুস্থ, ঢামেকে চিকিৎসাধীন কয়েদির মৃত্যুপুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদসহ ঘটনার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা যাচাই করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে।এদিকে একটি সূত্র দাবি করেছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি সংগঠনের কয়েকজন সদস্য ওই এলাকায় জড়ো হয়ে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়েছেন। তবে এ দাবির বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ধানমন্ডি থানা পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের পর ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় সাময়িক উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

১৫ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৫ জন

খেলাধুলা

পাকিস্তানকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে ফিফা আসিয়ান কাপে থাইল্যান্ডের দুর্দান্ত শুরু

পাকিস্তানকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে ফিফা আসিয়ান কাপে থাইল্যান্ডের দুর্দান্ত শুরু

ফিফা আসিয়ান কাপের গ্রুপ পর্বে পাকিস্তানকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে দুর্দান্ত জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে থাইল্যান্ড।ইন্দোনেশিয়ার বান্দুং শহরের ঐতিহ্যবাহী সি জালাক হারুপাত স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে পাকিস্তানকে ৪-০ গোলে পরাজিত করে পূর্ণ তিন পয়েন্ট পেয়েছে থাইল্যান্ড।ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল নিয়ে মাঠে নামে থাইল্যান্ড। ৩১ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন তারকা স্ট্রাইকার তিরাসাক পোয়েইফিমাই।প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার চার মিনিট আগে আবারও পাকিস্তানের রক্ষণে আঘাত হানে থাইল্যান্ড। ৪১ মিনিটে সাবেক চেলসি একাডেমির খেলোয়াড় জ্যুড সুনসুপ-বেল দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।আড়ও পড়ুন,মালয়েশিয়ার কাছে হেরে ফিফা আসিয়ান কাপে চাপে বাংলাদেশদ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে পাকিস্তান। কয়েকটি আক্রমণ তৈরি করলেও থাইল্যান্ডের শক্তিশালী রক্ষণভাগ ভেদ করে গোল আদায় করতে পারেনি তারা।বরং ৬৪ মিনিটে আত্মঘাতী গোলে আরও পিছিয়ে পড়ে পাকিস্তান। হারিস জেবের আত্মঘাতী গোলে থাইল্যান্ডের লিড বেড়ে দাঁড়ায় ৩-০।ম্যাচের শেষ দিকে আবারও গোলের দেখা পান তিরাসাক পোয়েইফিমাই। ৮৪ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে থাইল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করেন এই স্ট্রাইকার।শেষ পর্যন্ত ৪-০ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে থাইল্যান্ড। আর বড় ব্যবধানে হেরে টুর্নামেন্টের শুরুতেই ধাক্কা খায় পাকিস্তান।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!