দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1002 hPa
28.3° 88%
15mm
চট্টগ্রাম 1002.8 hPa
27.9° 95%
50° 15mm
রাজশাহী 1001.4 hPa
30° 84%
15mm
খুলনা 1001.7 hPa
27.3° 94%
15mm
বরিশাল 1002.2 hPa
27° 96%
15mm
সিলেট 1001.5 hPa
30.5° 80%
15mm
রংপুর 1001.7 hPa
28.1° 91%
15mm
ময়মনসিংহ 1001.9 hPa
29.4° 89%
15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

বনানীতে অপহরণের অভিযোগে চাঞ্চল্য তথ্য, উদ্ধার হল শিশু

বনানীতে অপহরণের অভিযোগে চাঞ্চল্য তথ্য, উদ্ধার হল শিশু

রাজধানীর বনানী এলাকায় এক যুবককে অপহরণ করে আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবি এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বনানী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী যুবকের বাবা মো. বরিশ গাজী। অভিযোগে এক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ আনা হয়েছে।থানায় জমা দেওয়া অভিযোগে মো. বরিশ গাজী উল্লেখ করেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বনানীর সাততলা বস্তি এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন। জীবিকার তাগিদে তিনি বিভিন্ন ধরনের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তার এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করলেও সম্প্রতি একটি ঘটনার পর পুরো পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।আরও পড়ুন: পুলিশ সংস্কার কতদূর, কী ভাবছে সাধারণ মানুষ?অভিযোগ অনুযায়ী, পূর্ব থেকে পরিচিত এক ব্যক্তির সঙ্গে তাদের পারিবারিক ও আর্থিক বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। অভিযোগকারী দাবি করেন, সেই বিরোধের জের ধরেই তার ছেলে আতিফুল ইসলামকে টার্গেট করা হয়।লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২২ জুন রাতে বনানী এলাকায় একটি দোকান থেকে আতিফুল ইসলামকে কৌশলে ডেকে নেওয়া হয়। এরপর তার সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার কোনো সন্ধান না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।অভিযোগকারী দাবি করেন, পরদিন রাতের দিকে একটি মোবাইল ফোন থেকে যোগাযোগ করে জানানো হয় যে তার ছেলে তাদের হেফাজতে রয়েছে। তাকে মুক্ত করতে হলে চার লাখ টাকা দিতে হবে। অন্যথায় ছেলেকে হত্যা করা হতে পারে বলেও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।আরও পড়ুন: গুলশান পুলিশকে বিতর্কিত করতেই মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারঅভিযোগে আরও বলা হয়, প্রথমদিকে অভিযুক্ত ব্যক্তি আটকের বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে বিভিন্ন কথোপকথনের একপর্যায়ে স্বীকার করেন যে আতিফুল ইসলাম তাদের কাছে রয়েছে। অভিযোগকারী বলেন, এ সময় তাকে দ্রুত টাকা জোগাড় করার জন্য চাপ দেওয়া হয় এবং বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হলে ভয়াবহ পরিণতির হুমকি দেওয়া হয়।পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে বনানী থানার শরণাপন্ন হন ভুক্তভোগীর পরিবার। অভিযোগকারী দাবি করেন, পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনা করে তার ছেলেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তবে এরপরও অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ছেলেকে ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে চার লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে মিথ্যা মামলা, মারধর এবং হত্যার মতো পরিণতির ভয় দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।আরও পড়ুন: প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ঘটনার পর থেকে তারা চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। সন্তান ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন তারা। তাই অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে বনানী থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগ গ্রহণের পর বিষয়টি আইন অনুযায়ী তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।আইনজীবীরা বলছেন, অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে গুরুতর অপরাধ। এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। তবে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।আরও পড়ুন: অপরাধ দমনে নতুন ছকে ডিএমপিনিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ব্যক্তিগত বিরোধ কিংবা আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রায়ই সামনে আসে। তাই এমন ঘটনায় ভুক্তভোগীদের দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নেওয়া এবং সব ধরনের তথ্য-প্রমাণ সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।এদিকে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে তিনি এ বিষয়ে বক্তব্য দিলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।আরও পড়ুন: বাজেটে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত, শিল্প-শিক্ষা-স্টার্টআপে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি অংশও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এ ধরনের অভিযোগ জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

বাজেট পাসের পর নৈশভোজ বাতিলের ঘোষণা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট-পরবর্তী ঐতিহ্যবাহী নৈশভোজ বাতিল করা হয়েছে। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যয় সংকোচনের অংশ হিসেবে নেওয়া এ সিদ্ধান্তে প্রায় ৫০ লাখ টাকা সাশ্রয় হয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রতি বছর বাজেট পাসের দিন রাতে জাতীয় সংসদ ভবনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হতো। সেখানে প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নিতেন।তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সরকারি ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। তার অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আপ্যায়ন ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে।আরো পড়ুন , নতুন দামে ফার্নেস তেল বিক্রি করবে চার সরকারি কোম্পানিআতিকুর রহমান রুমনের দাবি, অতীত সরকারের সময়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আপ্যায়ন খাতে প্রতিবছর ৩০ থেকে ৫৫ কোটি টাকা ব্যয় হতো। এছাড়া অতিরিক্ত ১০ থেকে ১২ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচের নজিরও ছিল।তিনি জানান, চলতি মাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আপ্যায়নে ব্যয় হয়েছে ১১ লাখ ৬৯ হাজার টাকা। আর দুই ঈদ উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আপ্যায়নে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৯০ লাখ টাকা।এদিকে, জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়েছে। অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, বাজেট পাসের পুরো প্রক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে উপস্থিত থেকে ভোট গ্রহণ, আইন প্রণয়ন কার্যক্রম এবং দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করেন।

নতুন দামে ফার্নেস তেল বিক্রি করবে চার সরকারি কোম্পানি

বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত ফার্নেস তেলের দাম লিটারে ৪ টাকা ৪৪ পয়সা কমিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন, সংক্ষেপে বিইআরসি।নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফার্নেস তেলের দাম প্রতি লিটার ১০৯ টাকা ১০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।মঙ্গলবার বিইআরসির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।এর আগে, চলতি বছরের মে মাসে ফার্নেস তেলের দাম এক লাফে ১৮ টাকা ৮৫ পয়সা বাড়িয়ে প্রতি লিটার ১১৩ টাকা ৫৪ পয়সা করা হয়েছিল। এবার সেই দামে আংশিক সমন্বয় এনে মূল্য কমানো হলো।উল্লেখ্য, আগে ফার্নেস তেলের দাম নির্ধারণ করত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বা বিপিসি। তবে আরো পড়ুন , সংশোধিত আইনে তামাক প্রচারে নিষেধাজ্ঞা আরও জোরালোঅন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তে সেই দায়িত্ব বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর গত ফেব্রুয়ারিতে প্রথমবারের মতো বিইআরসি ফার্নেস তেলের দাম ঘোষণা করে। এবার নিয়ে চতুর্থবার দাম সমন্বয় করল সংস্থাটি।নতুন দামে বিপিসির অধীন পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি ফার্নেস তেল বিক্রি করবে। এই তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা সরকারি বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বা পিডিবি।

সংশোধিত আইনে তামাক প্রচারে নিষেধাজ্ঞা আরও জোরালো

তামাক নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া, ইন্টারনেট, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম, অ্যাপস, সিনেমা, নাটক এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তামাক ও তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন এবং প্রদর্শন সংক্রান্ত বিধান কঠোরভাবে প্রতিপালনের আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।মঙ্গলবার প্রকাশিত এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়, ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ চলতি বছরের ১০ এপ্রিল জাতীয় সংসদে পাস হওয়ার পর তা সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হয়েছে।আরো পড়ুন , স্মার্ট হোটেল বুকিং' প্রকল্পে প্রতারণার অভিযোগ, আলোচনায় অতিথি ডটকমআইনের ৫ ধারার (গ) উপধারায় বলা হয়েছে, কোনো প্রেক্ষাগৃহ, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া, ইন্টারনেট, ওয়েবসাইট, ওয়েবপেজ, ই-মেইল কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তামাক বা তামাকজাত দ্রব্যের কোনো বিজ্ঞাপন প্রচার করা যাবে না।এছাড়া ৫ ধারার (ঙ) উপধারা অনুযায়ী, বাংলাদেশে নির্মিত বা বিদেশে নির্মিত ও দেশে প্রচারিত সিনেমা, নাটক কিংবা প্রামাণ্যচিত্রে তামাকজাত দ্রব্য বা ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম ব্যবহারের দৃশ্য কিংবা পণ্যের মোড়ক টেলিভিশন, রেডিও, ইন্টারনেট, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম, অ্যাপস বা অন্য কোনো গণমাধ্যমে প্রদর্শন বা বর্ণনা করা যাবে না।স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আইনটির কার্যকর বাস্তবায়নে সব গণমাধ্যম এবং চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এসব বিধান মেনে চলার বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।

স্মার্ট হোটেল বুকিং' প্রকল্পে প্রতারণার অভিযোগ, আলোচনায় অতিথি ডটকম

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বেকার যুবকদের লক্ষ্য করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম 'অতিথি ডটকম'-এর মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। একটি অনুসন্ধানে দাবি করা হয়েছে, 'স্মার্ট হোটেল ও রিসোর্ট বুকিং' প্রকল্পের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ জামানত হিসেবে সংগ্রহ করা হচ্ছে।অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি কক্সবাজার, কুয়াকাটা, সিলেট ও সাজেকের বিভিন্ন হোটেল-রিসোর্টের সঙ্গে চুক্তির কথা বলে এজেন্ট নিয়োগ করছে। তাদের আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে, পর্যটন মৌসুমে লাভের অংশ দেওয়া হবে। তবে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বাস্তবে এই প্রতিশ্রুতির কোনো কার্যকর প্রমাণ পাওয়া যায়নি।অনুসন্ধানে আরও দাবি করা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যুক্ত সাইফুল ইসলাম সোহেল অতীতে ডেসটিনি এবং নোভেরা প্রডাক্টসের সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে অতীতে প্রতারণা ও অন্য মামলায় গ্রেফতারের তথ্যও উঠে এসেছে।প্রতিবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, ডিজিটাল ট্রেডিং, ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ই-কমার্সের নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ও অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তাসহ কয়েকজন পরিচিত ব্যক্তির নামও উল্লেখ করা হয়েছে।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে। এদিকে অভিযোগগুলোর বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার আনুষ্ঠানিক অবস্থানও এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।

রাজনীতিরাজনীতি

১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট দেশব্যাপী ৩৬ দিনের আয়োজন এনসিপির

১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট দেশব্যাপী ৩৬ দিনের আয়োজন এনসিপির

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে আগামী ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত দেশব্যাপী ৩৬ দিনের ‘জুলাই জাগরণ’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি।রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কর্মসূচি ঘোষণা করেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।তিনি বলেন, জুলাইয়ের প্রতিটি দিনই ছিল গণঅভ্যুত্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। নতুন প্রজন্মের কাছে সেই ইতিহাস তুলে ধরতেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।আরও  পড়ুন , সংসদের দুই টায়ার সরকার ও বিরোধী দল, একটিও অচল হওয়া যাবে না: জামায়াত আমিরঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ১ জুলাই রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে কবর জিয়ারত, সংহতি সভা এবং ‘জুলাই থেকে জনপদ’ কর্মসূচির উদ্বোধনের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হবে।এরপর পুরো মাসজুড়ে গ্রাফিতি, দেয়াল লিখন, স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট, নারী সমাবেশ, কফিন মিছিল, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শহীদদের কবর জিয়ারত, স্মৃতিচারণ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে নানা কর্মসূচি পালিত হবে।এনসিপি জানিয়েছে, ৫ আগস্ট ‘বিজয়ের উল্লাস’ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মাসব্যাপী আয়োজন শেষ হবে। পাশাপাশি বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে ‘প্রবাসে জুলাই’ কর্মসূচিও চলবে।

সংসদের দুই টায়ার সরকার ও বিরোধী দল, একটিও অচল হওয়া যাবে না: জামায়াত আমির

সংসদের দুই টায়ার সরকার ও বিরোধী দল, একটিও অচল হওয়া যাবে না: জামায়াত আমির

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে রাজনৈতিক সহনশীলতা, দায়িত্বশীল আচরণ এবং কার্যকর সংসদীয় চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।সোমবার সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, সংসদকে কার্যকর রাখতে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে ভারসাম্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ থাকতে হবে। তিনি সংসদকে একটি যানবাহনের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, যেমন একটি গাড়ি চালাতে দুটি চাকা প্রয়োজন হয়, তেমনি সংসদ পরিচালনার জন্যও সরকার ও বিরোধী দলের সমান ভূমিকা রয়েছে।তিনি সতর্ক করে বলেন, কোনো পক্ষ যদি অপর পক্ষকে দুর্বল বা অকার্যকর করার চেষ্টা করে, তাহলে পুরো সংসদীয় ব্যবস্থাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।আরও  পড়ুন, আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা হলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীরসরকারি দলের কয়েকজন সদস্যের বক্তব্যের সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে আক্রমণ বা বিভক্ত করার প্রবণতা পরিহার করতে হবে। তিনি ঐক্য, সহমর্মিতা এবং ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানান।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের ট্যাক্সের অর্থে পরিচালিত সংসদে ব্যক্তিপূজা, তোষামূলক বক্তব্য কিংবা অপ্রয়োজনীয় প্রশংসা কাম্য নয়। নবীন সংসদ সদস্যদের উচিত অতীত থেকে ভালো শিক্ষা গ্রহণ করা এবং সংসদের মর্যাদা রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা।তিনি বলেন, এই সংসদ দেশের সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তাই সংসদের প্রতিটি আচরণ ও বক্তব্য এমন হওয়া উচিত, যা জনগণকে অনুপ্রাণিত করবে এবং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।

আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা হলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর

আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা হলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে আয়োজিত এক পথসভায় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গ এবং সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।রোববার দুপুরে বড়লেখায় যাওয়ার পথে জুড়ী উপজেলার বিজিবি ক্যাম্প চত্বরে অনুষ্ঠিত পথসভায় তিনি বলেন, দেশে ভবিষ্যতে কোনো ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হলে তা প্রতিরোধে তাদের দল রাজপথে থাকবে।তিনি আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গেও দলের অবস্থান তুলে ধরে বলেন, দলটির পুনর্বাসনের যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।আরও  পড়ুন, এনসিপি জনগণের আশা পূরণে ব্যর্থ, অভিজ্ঞতার অভাবে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছেসীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেন, সীমান্ত দিয়ে ‘পুশইন’-এর মতো ঘটনা ঘটছে। এ বিষয়ে স্থানীয় জনগণকে সতর্ক থাকার এবং সীমান্ত নিরাপত্তায় বিজিবিকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।পথসভায় এনসিপি নেতা আব্দুল মালিক সাচ্চু, প্রীতম দাস, মৌলভীবাজার জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আফজাল হোসেন, আমির হামজাসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।এদিকে, আসরের নামাজের পর বড়লেখা উপজেলা সদরের হাজীগঞ্জ বড় মসজিদে মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। পরে উপজেলা পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন তিনি।

এনসিপি জনগণের আশা পূরণে ব্যর্থ, অভিজ্ঞতার অভাবে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে

এনসিপি জনগণের আশা পূরণে ব্যর্থ, অভিজ্ঞতার অভাবে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে

এনসিপির অঙ্গসংগঠন যুব শক্তির ঢাকা জেলা উত্তরের আহ্বায়ক সেঁজুতি হোসাইন বলেছেন, অভিজ্ঞতার অভাবের কারণে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) অনেক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর শনিবার (২৭ জুন) একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।সেঁজুতি হোসাইন বলেন, তিনি কোনো পদ-পদবির লোভে বিএনপিতে যোগ দেননি। জনগণের জন্য কাজ করা এবং গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের প্রতি বিশ্বাস থেকেই তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি বলেন, এলাকার সমস্যার সমাধানে কাজ করবেন এবং সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকবেন।আরও  পড়ুন, গণভোটে জনগণ যে রায় দিয়েছে তা সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে : মামুনুল হকএনসিপির সাংগঠনিক কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও নাগরিক কমিটির ব্যানারে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়েছেন। তবে মানুষ নাগরিক কমিটি বা এনসিপিকে সেভাবে চিনত না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সেঁজুতি আরও বলেন, পরিবারকে দূরে ঠেলে, ব্যক্তিগত অর্থ ও সময় ব্যয় করে তিনি এনসিপিকে সংগঠিত করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু বিশেষ করে ঢাকা উত্তর জেলায় দলের কর্মীদের হতাশ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।দলীয় মনোনয়ন প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলে সেঁজুতি অভিযোগ করেন, যোগ্যতা ও সাংগঠনিক অবদান বিবেচনা না করেই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

সারাবাংলা

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাবেক সহসভাপতি এস. এম. রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী সুমনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।সোমবার দিবাগত রাতে চট্টগ্রাম নগরের সদরঘাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বৈলছড়ি এলাকার বাসিন্দা। এছাড়া আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন।সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ শরীফ আরো পড়ুন , সংশোধিত আইনে তামাক প্রচারে নিষেধাজ্ঞা আরও জোরালোজানিয়েছেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের করা একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।পুলিশের দাবি, অনলাইনের বিভিন্ন মাধ্যমে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের নেতাকর্মীদের সক্রিয় করার চেষ্টা করছিলেন রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন পর্যালোচনা করে কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে তার সদস্য থাকার তথ্য পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশ আরও জানায়, তিনি অতীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জহুরুল হক হল ছাত্রলীগের সভাপতি, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি এবং যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।তবে এ বিষয়ে গ্রেফতার হওয়া রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী বা তার আইনজীবীর কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

টঙ্গী পশ্চিম থানার বিশেষ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ ৮ জন গ্রেফতার

টঙ্গী পশ্চিম থানার বিশেষ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ ৮ জন গ্রেফতার

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অপরাধ (দক্ষিণ) বিভাগের আওতাধীন টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে সাজাপ্রাপ্ত আসামি, দেশীয় অস্ত্রধারী এবং মাদকসেবীসহ মোট ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৩০ জুন ২০২৬) টঙ্গী পশ্চিম থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এক জন সাজা পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। একই অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ দুই জনকে আটক করা হয়। এছাড়া মাদক সেবনের অভিযোগে আরও পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আরও  পড়ুন, মুলাদীতে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারীর মৃত্যুপরবর্তীতে তাদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।পুলিশের দাবি, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ দমন, মাদক নির্মূল এবং পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে এ ধরনের বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।স্থানীয়রা পুলিশের এ ধরনের তৎপরতাকে স্বাগত জানিয়ে অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন।

বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ৫ আসামি গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ৫ আসামি গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন মামলার ৫ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন ২০২৬) পরিচালিত এ অভিযানে অন্যান্য মামলার এজাহারভুক্ত আসামি, মাদক মামলার আসামি, ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার সন্দেহভাজন ব্যক্তি এবং গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে আটক করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অন্যান্য মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আব্দুর রহমান ওরফে বাচ্চু মিয়া (৪০) কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি গাইবান্ধা সদর উপজেলার বালুয়া এলাকার বাসিন্দা এবং বর্তমানে গাজীপুর মহানগরের বাসন থানাধীন তেলিপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন।এদিকে ডাকাতির প্রস্তুতি সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে তাকবির (২০) নামের এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তার স্থায়ী বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়নে। বর্তমানে তিনি গাজীপুর সদর থানার পশ্চিম জয়দেবপুর মুন্সিপাড়া এলাকায় বসবাস করছিলেন।আরও  পড়ুন, বগুড়ায় কুকুরকে নির্মমভাবে কূপিয়ে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় বার্মিজ চা'কুসহ স্বপন গ্রেফতারঅভিযানে মাদক মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামি অহিদুর মিয়া (৩৫) ও মোঃ রনি মিয়া (৩৬) কে গ্রেফতার করা হয়। তাদের উভয়ের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলায়।এছাড়া সিআর মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি মোঃ আবুল হোসেনকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে বাসন থানার চান্দনা এলাকায় বসবাস করতেন।বাসন থানা পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। অপরাধ দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে গাজীপুর মহানগর পুলিশের বিশেষ অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত রয়েছে।পুলিশের এই অভিযানে এলাকাবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক

হরমুজ সংকট, নিরাপত্তা গ্যারান্টি ছাড়া অভিযান নয়

হরমুজ সংকট, নিরাপত্তা গ্যারান্টি ছাড়া অভিযান নয়

হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা সাড়ে আট হাজারের বেশি নাবিককে নিরাপদে সরিয়ে নিতে ইরানের কাছ থেকে স্পষ্ট নিরাপত্তা নিশ্চয়তা চেয়েছে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা, আইএমও।মঙ্গলবার সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আইএমওর মহাসচিব আর্সেনিও ডোমিঙ্গুয়েজ বলেন, উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া কোনো জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে না—ইরান এমন নিশ্চয়তা দিলেই সংস্থাটি অবিলম্বে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করতে প্রস্তুত।তিনি আরো পড়ুন , ক্লাস চলাকালে ছাদ ধস, ১৪ শিশুর প্রাণহানিজানান, গত বৃহস্পতিবার হরমুজ প্রণালিতে একটি জাহাজে ইরানের আকস্মিক হামলার পর নিরাপত্তাজনিত কারণে বাণিজ্যিক জাহাজ ও নাবিকদের সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়।আইএমওর মহাসচিব আরও বলেন, আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচল স্বাভাবিক করতে হরমুজ প্রণালিকে দ্রুত মাইনমুক্ত করা জরুরি। এ কাজে সহায়তার জন্য ফ্রান্সসহ কয়েকটি দেশের প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন তিনি।তবে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, অন্য কোনো দেশের সহায়তা ছাড়াই ইরান নিজ উদ্যোগে হরমুজ প্রণালির সব মাইন অপসারণ করবে।বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে চলমান উত্তেজনা আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেল সরবরাহ এবং বৈশ্বিক নৌ-বাণিজ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

১ ঘন্টা আগে

রাজধানী

রাজধানীতে ২ জুলাই থেকে ডিএমপির বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা, জারি ৫ জরুরি নির্দেশ

রাজধানীতে ২ জুলাই থেকে ডিএমপির বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা, জারি ৫ জরুরি নির্দেশ

আগামী ২ জুলাই থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। রাজধানীর ৩০৯টি কেন্দ্রে একযোগে অনুষ্ঠিতব্য এই পরীক্ষাকে ঘিরে বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার্থী, অভিভাবক, যানবাহন চালক এবং নগরবাসীর প্রতি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে রওনা হতে হবে, যাতে যানজট বা অন্য কোনো কারণে পরীক্ষায় অংশগ্রহণে বিঘ্ন না ঘটে।ব্যক্তিগত গাড়িতে আসা পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রের মূল ফটকের সামনে না নেমে কিছুটা দূরের কম ব্যস্ত স্থানে নেমে হেঁটে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে বলা হয়েছে। একই নিয়ম অনুসরণ করতে হবে পরীক্ষা শেষে ফেরার সময়ও।ডিএমপি আরও জানিয়েছে, কোনো অবস্থাতেই পরীক্ষা কেন্দ্রসংলগ্ন সড়কে যানবাহন পার্কিং করা যাবে না। আরও পড়ুন , গেন্ডারিয়ায় দুই অটোরিকশার সংঘর্ষে চালক নিহতএ নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।অভিভাবকদেরও পরীক্ষা কেন্দ্রের আশপাশের সড়কে অবস্থান না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাস্তায় অবস্থান করে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করলে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী অর্থদণ্ডসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।এছাড়া পরীক্ষার্থীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত সাধারণ যাত্রীদের জরুরি প্রয়োজন ছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রসংলগ্ন সড়ক ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়েছে ডিএমপি।আগামী ২ জুলাই সকাল ১০টায় শুরু হবে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। রাজধানীর ট্রাফিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং পরীক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।

৬ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

লাউতারো না আলভারেজ, স্কালোনির সামনে কঠিন সিদ্ধান্ত

লাউতারো না আলভারেজ, স্কালোনির সামনে কঠিন সিদ্ধান্ত

টানা তিন জয়ে দাপটের সঙ্গে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। তবে শেষ ৩২-এ কেপ ভের্দের মুখোমুখি হওয়ার আগে শুরুর একাদশ নিয়ে কিছুটা চিন্তায় আছেন কোচ লিওনেল স্কালোনি।গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারায় আর্জেন্টিনা। ওই ম্যাচে বিশ্রামে ছিলেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে নেমে গোলও করেন তিনি। ফলে নকআউট ম্যাচে মেসির শুরুর একাদশে ফেরাটা প্রায় নিশ্চিত।মিডফিল্ডে রদ্রিগো ডি পল, এনজো ফার্নান্দেজ ও অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের জায়গা অনেকটাই নিশ্চিত হলেও রক্ষণভাগ ও আক্রমণভাগে এখনো রয়েছে কিছু প্রশ্ন।বিশেষ করে সেন্টার-ব্যাকে ক্রিস্টিয়ান রোমেরোর অরো পড়ুন , প্রথম ইনিংসেই ম্যাচ হেরেছি: শান্তফিটনেস নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। হাঁটুর চোট কাটিয়ে অনুশীলনে ফিরলেও স্কালোনি ঝুঁকি নিতে না চাইলে লিসান্দ্রো মার্তিনেজের সঙ্গে নিকোলাস ওতামেন্দিকে খেলাতে পারেন।এদিকে লেফট-ব্যাকে নিকোলাস তাগলিয়াফিকো ফেরার সম্ভাবনাও উজ্জ্বল।সবচেয়ে বড় আলোচনা আক্রমণভাগে। মেসির সঙ্গী হিসেবে কে খেলবেন—হুলিয়ান আলভারেজ, নাকি লাউতারো মার্তিনেজ? চোট কাটিয়ে ওঠা আলভারেজকে নিয়ে সতর্ক কোচিং স্টাফ। অন্যদিকে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা লাউতারো শেষ পর্যন্ত প্রথম একাদশে সুযোগ পেতে পারেন।আগামী শনিবার কেপ ভের্দের বিপক্ষে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। লক্ষ্য, জয় দিয়ে নকআউট পর্বের বাধা পেরিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের পথে আরও একধাপ এগিয়ে যাওয়া।

আইন আদালত

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে আটকের পর কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা সাজিয়ে গুলি ও নির্যাতনের মাধ্যমে পঙ্গু করার অভিযোগে দায়ের করা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার আজ শুরু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলাটির সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) ও সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।আরও পড়ুন, ‘আমি শুধু ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার’: আসামি সোহেলমামলাটি শুনানি করবেন মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। মামলার প্রধান আসামি আনিসুর রহমান-সহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম চলবে।প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর চৌগাছা উপজেলা শাখার তৎকালীন সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন এবং সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিন-কে একটি মামলায় আটক করে পুলিশ। অভিযোগে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারের পর তাদের আদালতে হাজির না করে কয়েকদিন নির্যাতন করা হয়।আরও পড়ুন, শিশু রামিসা হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি আজপ্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ একটি সাজানো ঘটনা তৈরি করে দুই নেতার পায়ে গুলি করা হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে চিকিৎসার একপর্যায়ে তাদের পা কেটে ফেলতে হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় আরও বলা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অস্ত্র মামলাটি পরবর্তীতে আদালতে ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়।এর আগে গত ২০ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। সে সময় আদালতে উপস্থিত আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। বর্তমানে অভিযুক্তদের মধ্যে আকিকুল ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান এবং জহরুল হক কারাগারে রয়েছেন।আরও পড়ুন, সাইপ্রাসে এস আলমের ভবন জব্দের নির্দেশঅন্যদিকে প্রধান আসামি আনিসুর রহমান, সাবেক ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল এবং এসআই মাজেদুল পলাতক রয়েছেন বলে ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানিয়েছে। উল্লেখ্য, মামলার অভিযোগগুলো প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত অভিযোগ। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের রায়ের মাধ্যমে অভিযুক্তদের দায়-দায়িত্ব চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর