দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1003.2 hPa
30.8° 75%
20° 15mm
চট্টগ্রাম 1005.2 hPa
29.7° 84%
100° 15mm
রাজশাহী 1002.6 hPa
31° 80%
15mm
খুলনা 1003.7 hPa
30.8° 78%
30° 15mm
বরিশাল 1004 hPa
29° 83%
15mm
সিলেট 1004.8 hPa
27.4° 92%
40° 15mm
রংপুর 1001.9 hPa
30.1° 83%
15mm
ময়মনসিংহ 1003.6 hPa
30.5° 80%
400° 15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

পুলিশ সংস্কার কতদূর, কী ভাবছে সাধারণ মানুষ?

পুলিশ সংস্কার কতদূর, কী ভাবছে সাধারণ মানুষ?

দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ| সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশ প্রশাসনে একাধিক রদবদল, বদলি ও প্রশাসনিক সংস্কার উদ্যোগ নেওয়া হলেও সাধারণ মানুষের মনে এখনো একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, এই পরিবর্তন কি জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছে? নাকি কাঠামোগত ও নীতিগত আরও বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন? সাংবাদিকদের পর্যবেক্ষণ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, পুলিশ বাহিনীতে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হলেও এখনো অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে| বিশেষ করে অপরাধ দমন, রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী মহলের চাপ, জনসেবার মান এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাগত স্বাধীনতা নিয়ে নানা প্রশ্ন বিদ্যমান|আরও পড়ুন: আলোচনা, সমালোচনা আর দায়িত্বের গল্প: ওসি দাউদসাম্প্রতিক সময়ে পুলিশ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে কর্মকর্তাদের বদলি, নতুন দায়িত্ব প্রদান এবং কিছু ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে| সরকারের পক্ষ থেকে জনবান্ধব পুলিশিংয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে| থানাগুলোতে সেবার মান বাড়ানো, অভিযোগ গ্রহণে আন্তরিকতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত ব্যবস্থা চালুর মতো পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে| তবে শুধুমাত্র প্রশাসনিক রদবদল করলেই যে জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, বিষয়টি এত সহজ নয়| কারণ অপরাধের ধরন পরিবর্তন হচ্ছে, সাইবার অপরাধ বাড়ছে, মাদক ব্যবসা নতুন নতুন কৌশলে পরিচালিত হচ্ছে এবং সংঘবদ্ধ অপরাধচক্র আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে|বিশ্লেষকরা বলছেন, পুলিশে ব্যক্তি পরিবর্তনের চেয়ে প্রতিষ্ঠানগত সংস্কার বেশি জরুরি| একজন কর্মকর্তা বদলি হলে সাময়িক পরিবর্তন দেখা যেতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে হলে পুরো ব্যবস্থার সংস্কার প্রয়োজন| রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা এখনো নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে পুরোপুরি নিশ্চিন্ত নন| চুরি, ছিনতাই, কিশোর গ্যাং, মাদক ব্যবসা এবং বিভিন্ন ধরনের অপরাধের অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়| অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, থানায় গিয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেতে বিল¤^ হয়| আবার কোথাও কোথাও অভিযোগ গ্রহণে অনীহা বা দীর্ঘসূত্রতার অভিযোগও রয়েছে| যদিও পুলিশ কর্মকর্তারা এসব অভিযোগ অ¯^ীকার করে বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে সময় লাগে| তবে বাস্তবতা হলো, জনগণ দ্রুত ও কার্যকর সেবা প্রত্যাশা করে| একজন ভুক্তভোগী যখন থানায় যান, তখন তিনি আইনের জটিলতা নয়, সমস্যার সমাধান চান| সেই জায়গায় পুলিশকে আরও জনবান্ধব হতে হবে বলে মনে করেন সচেতন নাগরিকরা|আরও পড়ুন: গুলশান পুলিশকে বিতর্কিত করতেই মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারপুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনেক সময় বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতা বা স্থানীয় ক্ষমতাবানদের চাপের মুখে পড়তে হয়| ফলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে জটিলতা ˆতরি হয়| সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গিয়ে পুলিশ সদস্যরা নানা ধরনের চাপের সম্মুখীন হন| কখনো ফোনকল, কখনো সুপারিশ, আবার কখনো রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বাধা সৃষ্টি হয়|বিশেষজ্ঞদের মতে, পুলিশ যদি আইন প্রয়োগে ¯^াধীনতা না পায়, তাহলে অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখা কঠিন হয়ে পড়ে| কারণ অপরাধী যদি মনে করে তার রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রভাব তাকে রক্ষা করবে, তাহলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন সম্ভব নয়|পুলিশ বাহিনীকে কার্যকর করতে হলে তাদের পেশাগত স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে| একজন পুলিশ কর্মকর্তা যেন আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অযাচিত হস্তক্ষেপের শিকার না হন, সেই পরিবেশ সৃষ্টি করা জরুরি|আরও পড়ুন: প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদআইন-শৃঙ্খলা বিশ্লেষকরা বলছেন, একটি আধুনিক রাষ্ট্রে পুলিশকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে হয়| এতে জনগণের আস্থা বাড়ে এবং অপরাধীরা দ্রুত আইনের আওতায় আসে| বাংলাদেশে অনেক দক্ষ ও সৎ পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন| তারা আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন| কিন্তু যদি তাদের ওপর অযাচিত চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে তাদের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়| ফলে সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হন|রাজধানীর কয়েকটি থানার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, অনেক পুলিশ সদস্য আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করলেও কোথাও কোথাও সিদ্ধান্তহীনতা কাজ করছে| বিশেষ করে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা দেখা যায়|আরও পড়ুন: অপরাধ দমনে নতুন ছকে ডিএমপিএকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, থানায় গিয়ে অভিযোগ দেওয়ার পরও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি| পরে বিষয়টি উচ্চপর্যায়ে জানালে তদন্ত শুরু হয়| যদিও সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তারা দাবি করেন, প্রতিটি অভিযোগ আইন অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়|অন্যদিকে কিছু থানায় ভালো উদাহরণও রয়েছে| সেখানে ওসি ও তদন্ত কর্মকর্তারা সরাসরি অভিযোগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছেন| এমন উদ্যোগ জনমনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে|বর্তমান সময়ে শুধু অপরাধী গ্রেফতার করাই পুলিশের একমাত্র দায়িত্ব নয়| জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অপরাধ প্রতিরোধেও পুলিশের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ|বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে হবে| স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে অপরাধ প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করলে ইতিবাচক ফল পাওয়া সম্ভব| অনেক উন্নত দেশে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা রয়েছে| বাংলাদেশেও সেই ধরনের সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে| থানাকে ভয় নয়, আস্থার জায়গা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে|আরও পড়ুন: এনবিআরের কর্মকর্তা সহিদুল ইসলামের অবৈধ সম্পদের পাহাড়বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে| বাংলাদেশেও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে, তবে তা আরও বিস্তৃত করা প্রয়োজন| সিসিটিভি ক্যামেরা, ডিজিটাল ডাটাবেজ, সাইবার মনিটরিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং আধুনিক ফরেনসিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ালে অপরাধ তদন্ত আরও দ্রুত ও নির্ভুল হবে| অপরাধীরা প্রতিনিয়ত নতুন কৌশল ব্যবহার করছে| তাই পুলিশকেও প্রযুক্তিগতভাবে আরও দক্ষ হতে হবে| শুধু জনবল বৃদ্ধি নয়, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোও সময়ের দাবি| অনেক পুলিশ সদস্য দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন| উৎসব, ছুটির দিন কিংবা দুর্যোগকালেও তারা মাঠে কাজ করেন| কিন্তু তাদের কর্মপরিবেশ এবং কল্যাণমূলক সুবিধা নিয়ে এখনো নানা প্রশ্ন রয়েছে|বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পুলিশ সদস্যদের মানসিক চাপ কমানো, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করা এবং পেশাগত প্রশিক্ষণ বাড়ানো প্রয়োজন| কারণ একজন ক্লান্ত ও মানসিকভাবে চাপে থাকা সদস্যের কাছ থেকে সর্বোচ্চ সেবা আশা করা কঠিন| যদি পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করা যায়, তাহলে তাদের কর্মদক্ষতা এবং জনগণের প্রতি সেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে|আরও পড়ুন: ডিজিটাল হাইড্রোগ্রাফিতে নতুন সম্ভাবনা দেখছেন তারেক রহমানপুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা বাড়াতে হলে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি| কোনো সদস্য ক্ষমতার অপব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে| ভালো কাজের ¯^ীকৃতির পাশাপাশি অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে| এতে পুরো বাহিনীর ভাবমূর্তি উন্নত হবে| সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ক্ষেত্রে অনিয়মে জড়িত সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যা ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে| তবে এই প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করতে হবে|সাধারণ মানুষ একটি নিরাপদ সমাজ চায়| তারা চায় থানায় গেলে সম্মানজনক আচরণ, দ্রুত সেবা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হোক| পুলিশ রাজনৈতিক বা অন্য কোনো প্রভাবের ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করবে| অপরাধী যেই হোক, তার বিরুদ্ধে সমানভাবে আইন প্রয়োগ করা হবে|একজন নাগরিকের ভাষায়, “পুলিশ যদি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে এবং জনগণের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে অপরাধ অনেকটাই কমে আসবে| পুলিশ প্রশাসনে সাম্প্রতিক পরিবর্তন নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক উদ্যোগ| তবে শুধুমাত্র বদলি বা প্রশাসনিক রদবদল দিয়ে জননিরাপত্তার সব সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়| প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার, পেশাগত ¯^াধীনতা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, জবাবদিহিতা এবং জনবান্ধব পুলিশিং ব্যবস্থা| অপরাধ দমনে পুলিশকে কার্যকরভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে| একই সঙ্গে জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য বাহিনীকে আরও ¯^চ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং সেবামুখী হতে হবে| রাজনৈতিক বা প্রভাবশালী মহলের অযাচিত হস্তক্ষেপ বন্ধ করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা গেলে পুলিশ বাহিনী আরও শক্তিশালী হবে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ হবে| আরও পড়ুন: ১৫ বছরে যা হয়নি, ৩ মাসে তার চেয়ে বেশি হয়েছে : মির্জা ফখরুলসবশেষে বলা যায়, একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে পুলিশের ভূমিকা অপরিসীম| তাই পুলিশকে প্রয়োজনীয় স্বাধীনতা, আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং জনসমর্থন দিতে হবে| একই সঙ্গে বাহিনীর ভেতরে সংস্কার অব্যাহত রাখতে হবে| তাহলেই জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নয়ন সম্ভব হবে|

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

করের নামে হয়রানি নয়, ৬০ নিত্যপণ্যে কর কমানোর বার্তা

মেগা প্রকল্পের নামে চমক দেখিয়ে উন্নয়নের ফানুস তৈরি কিংবা মেগা লুটের কোনো আগ্রহ বর্তমান সরকারের নেই বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি।শনিবার রাজধানীর এফডিসিতে ‘বাজেটের সুফল পেতে অর্থের যোগান ও বাস্তবায়ন দক্ষতা’ শীর্ষক ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, অতীত সরকারের সময় নেওয়া যেসব মেগা প্রকল্প মাঝপথে বন্ধ করলে বড় ধরনের অপচয় ও জটিলতা তৈরি হতে পারে, সেগুলোকে যৌক্তিকভাবে পুনর্মূল্যায়ন করা হচ্ছে। সরকার নতুন মেগা প্রকল্পের আরো পড়ুন , তেলবাহী জাহাজে হামলা, উত্তপ্ত হরমুজ প্রণালীচেয়ে মানবসম্পদ উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক প্রয়োজনীয় প্রকল্পকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের হার এখনও সন্তোষজনক নয়। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে করের আওতা বাড়াতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য ন্যূনতম কর ব্যবস্থার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে কর আদায়ের নামে কোনো ধরনের হয়রানি করা হবে না বলেও আশ্বাস দেন তিনি।তিনি আরও জানান, মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে সাধারণ মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দিতে ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর কর কমানো হয়েছে।অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, অতীত সরকারের দুর্নীতি, অনিয়ম ও ভুল নীতির কারণে দেশের অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়েছে। অবকাঠামো উন্নয়নের নামে অতিমূল্যায়িত প্রকল্পের মাধ্যমে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।তিনি বলেন, শিল্প খাতে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট দূর করা না গেলে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানো সম্ভব হবে না। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর নতুন ভ্যাটের চাপ মূল্যস্ফীতি আরও বাড়াতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন।অনুষ্ঠান শেষে ‘জাতীয় বাজেটের সুফল পেতে অর্থের যোগান অপেক্ষা বাস্তবায়ন দক্ষতা বেশি জরুরি’ শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।

বিয়ের অপচয় কমলে নিত্যপণ্যের দামও কমবে: শাহাদাত হোসেন

বিয়ের অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জাঁকজমক ও অপচয় রোধে নতুন এক প্রস্তাব দিয়েছেন লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা মো. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে অতিরিক্ত প্রত্যেক অতিথির জন্য এক হাজার টাকা সরকারি কর নির্ধারণ করা উচিত।শুক্রবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে অনুষ্ঠিত ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রস্তাব তুলে ধরেন।মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্তমানে বিয়ে ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অপ্রয়োজনীয় জাঁকজমক এবং বিত্তবৈভবের প্রদর্শনী আরো পড়ুন , চলচ্চিত্র শিল্পে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে সরকার: ডা. জাহেদ উর রহমানউদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। গায়ে হলুদের মতো অনুষ্ঠানের জন্য দীর্ঘদিন নাচের প্রশিক্ষণ, বিলাসী আয়োজন এবং বিপুল ব্যয়ের সংস্কৃতি সমাজে অপচয় বাড়াচ্ছে।তিনি আরও বলেন, এসব অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষকে আমন্ত্রণ জানানো হয়, অথচ পরিবেশিত খাবারের বড় একটি অংশ নষ্ট হয়ে যায়। এই অপচয় কমাতে আগে চালু থাকা অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইনের আদলে নতুন করে কর আরোপের প্রস্তাব দেন তিনি।বিএনপির এই সংসদ সদস্যের দাবি, সামাজিক অনুষ্ঠানে অপচয় নিয়ন্ত্রণ করা গেলে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর চাপ কমবে এবং এর ফলে পণ্যের দাম প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে।তবে এটি এখনো কেবল একটি প্রস্তাব। এ বিষয়ে সরকার বা জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

চলচ্চিত্র শিল্পে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে সরকার: ডা. জাহেদ উর রহমান

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই বাংলাদেশ বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায়। মালয়েশিয়া ও চীন সফরেও সরকার সেই বার্তাই আন্তর্জাতিক মহলের কাছে তুলে ধরেছে।শনিবার রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (বিসিটিআই) আয়োজিত প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ কোর্সের সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।ডা. জাহেদ উর রহমান আরো পড়ুন , সংসদে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা বাংলাদেশই ছিল প্রতিটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুবলেন, মালয়েশিয়া ও চীন—উভয় দেশই বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশও নিজস্ব জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে অর্থনীতি, বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারণে কাজ করবে।ভারতের রাষ্ট্রদূতকে মন্ত্রী মর্যাদা দেওয়ার বিষয়েও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। তিনি বলেন, এতে বাংলাদেশের ওপর নতুন কোনো রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি হবে না। বরং দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক ও গঠনমূলক কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে সরকার আশা করছে।চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা চলচ্চিত্র নির্মাণে যুক্ত হতে চান, সরকার সবসময় তাদের পাশে থাকবে। পাশাপাশি দেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে বাণিজ্যিকভাবে আরও শক্তিশালী ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে প্রয়োজনীয় নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে।অনুষ্ঠানে বিসিটিআই-এর কর্মকর্তা, প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করা অংশগ্রহণকারীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।

সংসদে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা বাংলাদেশই ছিল প্রতিটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মালয়েশিয়া ও চীন সফরে তিনি ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ নয়, বরং বাংলাদেশের মানুষ এবং রাষ্ট্রের স্বার্থকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। সফরে অর্জিত যেকোনো সাফল্য সরকারের নয়, পুরো বাংলাদেশের অর্জন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।শনিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন, অর্থাৎ বাজেট অধিবেশনের ১৬তম কার্যদিবসে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফরের সাফল্যের জন্য উত্থাপিত ধন্যবাদ প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলে সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষ সরকারকে তাদের স্বার্থ রক্ষার দায়িত্ব দিয়েছে। সেই দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবেই তিনি দুই দেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ, বাণিজ্য এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা করেছেন।তিনি আরও বলেন, সফরে যদি ইতিবাচক কোনো অর্জন হয়ে থাকে, আরো পড়ুন , ১৫ বছর পর বাধ্যতামূলক হতে পারে এনআইডি নবাসেটি ব্যক্তিগত নয়; বরং বাংলাদেশের মানুষের অর্জন। তিনি সংসদ সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তাদের এই স্বীকৃতি সরকারকে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে।এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিএনপির দীর্ঘদিনের স্লোগান ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা ‘বাংলাদেশ প্রথম’-এর কথা উল্লেখ করে বলেন, দেশের স্বার্থই সরকারের প্রতিটি সিদ্ধান্তের কেন্দ্রবিন্দু।তিনি সরকারি ও বিরোধী—উভয় দলের সংসদ সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। বিশেষ করে বিরোধীদলীয় নেতার সহযোগিতামূলক মনোভাবের প্রশংসা করে বলেন, জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।এর আগে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে আলোচনা শেষে কণ্ঠভোটে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।আলোচনায় অংশ নেওয়া সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফরকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি, অর্থনৈতিক কূটনীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক জোরদারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন।স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, সংসদে অনুষ্ঠিত আলোচনা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।

রাজনীতিরাজনীতি

জুলাই অভ্যুত্থানের পর মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি: ডা. শফিকুর রহমান

জুলাই অভ্যুত্থানের পর মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি: ডা. শফিকুর রহমান

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।শুক্রবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয় সংলগ্ন আল-ফালাহ মিলনায়তনে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার অধিবেশনে উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর জনগণ একটি মৌলিক পরিবর্তনের প্রত্যাশা করেছিল। কিন্তু দীর্ঘ সংলাপের পর প্রণীত সংস্কার সনদের ওপগণভোট হলেও সেই রায়ের বাস্তবায়ন হয়নি।আরও  পড়ুন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি ধরে রাখতে ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা ১১ দলেরতিনি অভিযোগ করেন, অতীতে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার জন্য দায়ী রাষ্ট্রীয় কাঠামো এখনও অপরিবর্তিত রয়েছে। ফলে জাতীয় জীবনে নতুন করে সংকট তৈরি হয়েছে।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, দেশে খুন, ধর্ষণ, সন্ত্রাস ও জুলুম-নিপীড়ন বেড়েই চলেছে এবং মানুষের জানমাল ও সম্ভ্রমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।তিনি আরও বলেন, জনগণের স্বার্থবিরোধী যেকোনো সরকারি পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সংসদের ভেতরে ও বাইরে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি ধরে রাখতে ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা ১১ দলের

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি ধরে রাখতে ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা ১১ দলের

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় জোট।রাজধানীর মগবাজারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত কর্মসূচি আগামী ১ জুলাই থেকে শুরু হয়ে ৫ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১ থেকে ১৫ জুলাই দেশের বিভিন্ন জেলা শহরে সেমিনার আয়োজন করা হবে। এছাড়া ২৩, ২৪ ও ২৫ জুলাই চিত্র প্রদর্শনী ও গ্রাফিতি অঙ্কনের আয়োজন করা হবে।আরও  পড়ুন, সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় চার নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করল জামায়াতজুলাই আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে স্মৃতিচারণমূলক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি ৫ আগস্ট সারাদেশের জেলা, উপজেলা ও মহানগরে বিক্ষোভ সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটবে।সংবাদ সম্মেলনে নেতারা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন বক্তব্য তুলে ধরেন। তারা বিচার প্রক্রিয়ায় বিলম্ব এবং রাজনৈতিক পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক পক্ষগুলোর আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে ঘোষিত এ কর্মসূচি আগামী দিনের রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় চার নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করল জামায়াত

সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় চার নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করল জামায়াত

রাজধানীর ধানমন্ডিতে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত চার সদস্যকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বুধবার (২৪ জুন) গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।বহিষ্কৃতরা হলেন—শফিকুল ইসলাম, খায়রুল আলম রাসেল, আবুল কালাম ও মামুন হোসেন।জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী প্রচার সম্পাদক আব্দুস সাত্তার সুমন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক ঘটনার পরপরই সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য চার সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই অভিযুক্ত চার সদস্যকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আরও  পড়ুন, ‘মানহানিকর’ বক্তব্যের অভিযোগ, মুফতি ফয়জুল করিমের বিরুদ্ধে মামলাদলীয় সূত্র জানায়, ঘটনার পর জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নেতারা আহত সাংবাদিক মাহফুজুর রহমান শিশিরের বাসায় গিয়ে তার খোঁজখবর নেন। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় ও মহানগর শাখার পক্ষ থেকে ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতিও দেওয়া হয়।উল্লেখ্য, গত ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় সংবাদ সংগ্রহের সময় কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় তাদের ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।ঘটনাটি নিয়ে সাংবাদিক সমাজ ও বিভিন্ন মহলে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নিজস্ব তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে। তদন্ত শেষে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

‘মানহানিকর’ বক্তব্যের অভিযোগ, মুফতি ফয়জুল করিমের বিরুদ্ধে মামলা

‘মানহানিকর’ বক্তব্যের অভিযোগ, মুফতি ফয়জুল করিমের বিরুদ্ধে মামলা

কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক ও মানহানিকর বক্তব্য প্রচারের অভিযোগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।বুধবার (২৪ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম।তিনি জানান, গত ২০ জুন জালাল আহমেদ খোকন তালুকদার নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। তিনি নিজেকে যুবদলের নেতা বলে দাবি করেছেন।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ জুন ফেসবুক ও ইউটিউবের বিভিন্ন কনটেন্টে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীকে নিয়ে কটূক্তি, বিদ্রুপ এবং মানহানিকর বক্তব্য প্রচার করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, একটি ইউটিউব ভিডিওতে তার দাড়ি, টুপি ও পোশাক নিয়ে বিদ্রুপাত্মক মন্তব্য করা হয়। এছাড়া একটি ফেসবুক আইডি থেকে তার ছবি ব্যবহার করে তাকে ‘গুপ্ত আওয়ামী লীগ নেতা’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দিয়ে পোস্ট দেওয়া হয়।এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক তথ্য ছড়িয়ে সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।আরও  পড়ুন, আওয়ামী লীগ বিচারের কাঠগড়ায়, বিএনপি জনগণের কাঠগড়ায় : নাহিদ ইসলামএদিকে মামলাটি ঘিরে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের নেতারা।কুমিল্লা মহানগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ বলেন, জালাল আহমেদ খোকন তালুকদার যুবদলের নেতা নন। তিনি পূর্বে যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত একজন ব্যক্তি কীভাবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমিরের বিরুদ্ধে মামলা করেন, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।অন্যদিকে, কুমিল্লা মহানগর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সভাপতি এম এম বিলাল হোসাইন দাবি করেন, মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বিষয়টি তারা আইনগতভাবে মোকাবিলা করবেন।বাদী জালাল আহমেদ খোকন তালুকদার বলেন, তার নেতা মনিরুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ায় তিনি মামলা করেছেন।সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মামলাটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সদর দক্ষিণ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস বলেন, যে কেউ আইনের আশ্রয় নিয়ে মামলা করতে পারেন। অভিযোগ যাচাই করেই মামলাটি গ্রহণ করা হয়েছে।

সারাবাংলা

কসবায় র‍্যাবের অভিযানে ২৫.৫ কেজি গাঁজাসহ নারী আটক

কসবায় র‍্যাবের অভিযানে ২৫.৫ কেজি গাঁজাসহ নারী আটক

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবায় র‍্যাবের নেতৃত্বে পরিচালিত যৌথ অভিযানে ২৫ দশমিক ৫ কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে আটক করা হয়েছে।শুক্রবার (২৬ জুন) রাত আনুমানিক ১১টা ২৫ মিনিটে কসবা উপজেলার ১০ নম্বর বায়েক ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট বায়েক মধ্যপাড়ায় নুরু মিয়ার বাড়ির সুখীয়া খাতুনের দোচালা রান্নাঘরে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে সেখান থেকে ২৫ দশমিক ৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।আরও  পড়ুন, 'এই এলাকার মালিক আমরা' এসআই এর মন্তব্য ঘিরে কটিয়াদীতে সমালোচনার ঝড়এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিজের দখলে রাখার অভিযোগে সুখীয়া খাতুন (৪২)কে আটক করা হয়েছে। তিনি উপজেলার বায়েক (মধ্যপাড়া) এলাকার বিল্লাল হোসেনের স্ত্রী।পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় কসবা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১৯(গ)/৩৮ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার এফআইআর নম্বর-৪৫, তারিখ ২৭ জুন ২০২৬ এবং জি.আর. নম্বর-২৬৮।কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটক আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

'এই এলাকার মালিক আমরা' এসআই এর মন্তব্য ঘিরে কটিয়াদীতে সমালোচনার ঝড়

'এই এলাকার মালিক আমরা' এসআই এর মন্তব্য ঘিরে কটিয়াদীতে সমালোচনার ঝড়

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার বাট্টা হাওর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের দুই উপ-পরিদর্শকের (এসআই) কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওতে দায়িত্বপ্রাপ্ত এক পুলিশ কর্মকর্তাকে বলতে শোনা যায়, "এলাকা দেখাশোনা করি আমরা, এই এলাকার মালিক আমরা।" এমন বক্তব্যকে কেন্দ্র করে পুলিশের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।জানা যায়, গত ৮ জুন কটিয়াদী উপজেলার চান্দপুর কুড়েরপাড় এলাকায় পূর্ব বিরোধের জেরে এক নারীকে মারধর, তার বসতঘরে ভাঙচুর এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ ওঠে। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে তিনি নিরাপত্তা ও আইনগত প্রতিকার চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।অভিযোগের তদন্তে বাট্টা হাওর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই রেজাউল ইসলাম ও এসআই সুবাস চন্দ্র বর্মন ঘটনাস্থলে যান। এ সময় ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে তাদের কথোপকথনের একটি ভিডিও পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।ভিডিওতে এসআই রেজাউল ইসলামকে বলতে শোনা যায়, "এলাকা দেখাশোনা করি আমরা, এই এলাকার মালিক আমরা। আমরা যদি বিচার না করে দিই, তাহলে ডিআইজি, আইজি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কিংবা প্রধানমন্ত্রীর কাছেও গিয়ে লাভ হবে না।"এর জবাবে অভিযোগকারী নারী বলেন, তারা ন্যায়বিচার না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ করছেন এবং আইনের আশ্রয় নিতে চান।ভিডিওতে আরও দেখা যায়, এসআই সুবাস চন্দ্র বর্মন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের প্রসঙ্গ তুলে জানতে চান, অভিযোগকারীরা কার মাধ্যমে সমাধান চান। তবে ভুক্তভোগী পক্ষ জানায়, তারা কোনো রাজনৈতিক প্রভাব নয়, আইনের মাধ্যমে নিরপেক্ষ বিচার প্রত্যাশা করেন। একই সঙ্গে তারা অভিযোগ করেন, তদন্তে অভিযুক্তদের পক্ষ নেওয়া হয়েছে।এ বিষয়ে এসআই সুবাস চন্দ্র বর্মন বলেন, তিনি তদন্তে আইনের বাইরে কোনো তথ্য উল্লেখ করেন না। তদন্ত প্রতিবেদনে কেউ অসন্তুষ্ট হলে আদালতে আপত্তি জানানোর সুযোগ রয়েছে এবং বিচার করার ক্ষমতা আদালতের।আরও পড়ুন, পুত্র কর্তৃক পিতাকে মারধর! মামলা-পাল্টা মামলা, পিতার পক্ষে পুত্রবধূর সংবাদ সম্মেলনঅন্যদিকে এসআই রেজাউল ইসলাম বলেন, অভিযোগে উল্লেখিত হুমকির বিষয়টি তদন্ত প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করতে সাক্ষ্য-প্রমাণ প্রয়োজন। আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় তথ্য উপস্থাপন করা হবে।ভুক্তভোগী শারমিন আক্তারের দাবি, একটি মাছের ঘের নিয়ে বিরোধের জেরে তাদের ওপর হামলা হয়। কিন্তু অভিযোগ করার পরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং অভিযুক্তদের পুলিশের সঙ্গে চলাফেরা করতে দেখা গেছে এবং তাদের অভিযোগগুলো যথাযথ গুরুত্ব পায়নি।অভিযোগের বিষয়ে এসআই রেজাউল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে বিরোধ নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হয়। সংশ্লিষ্ট জলাশয়ে মাছ ধরার বিষয়ে উভয় পক্ষের সম্মতিতে নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে এবং তাদের দৃষ্টিতে সমস্যার সমাধান হয়েছে। তিনি আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে কারও অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানাতে কোনো বাধা নেই।কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। এসআই রেজাউলের মন্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে কটিয়াদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তোফাজ্জল হোসেন জানান, ভুক্তভোগীকে ভিডিওসহ লিখিত অভিযোগ পুলিশ সুপারের কাছে জমা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।ভিডিওটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুলিশের দায়িত্বশীল আচরণ, তদন্তের নিরপেক্ষতা এবং জনসেবামূলক ভূমিকা নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপের মাধ্যমে বিষয়টির স্বচ্ছ নিষ্পত্তি হওয়া জরুরি।

পুত্র কর্তৃক পিতাকে মারধর! মামলা-পাল্টা মামলা, পিতার পক্ষে পুত্রবধূর সংবাদ সম্মেলন

পুত্র কর্তৃক পিতাকে মারধর! মামলা-পাল্টা মামলা, পিতার পক্ষে পুত্রবধূর সংবাদ সম্মেলন

নীলফামারীর সদর উপজেলার চাপড়া সুকানপুকুর এলাকায় পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে পিতা-পুত্রের মধ্যে সংঘর্ষ, মামলা-পাল্টা মামলা এবং সংবাদ সম্মেলনকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার জেরে আহত বৃদ্ধ পিতার পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার পুত্রবধূ মুক্তা খাতুন।বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে চাপড়া সুকানপুকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মুক্তা খাতুন। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিনের পারিবারিক ও সম্পত্তিগত বিরোধের জেরে তার শ্বশুর, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মজিদুল ইসলাম, বর্তমানে নানা ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছেন।সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, মজিদুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী তহমিনা বেগমের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলে আসছিল। সম্প্রতি তালাক দেওয়ার পর বিরোধ আরও তীব্র আকার ধারণ করে। এ অবস্থায় গত ১৭ জুন তহমিনা বেগম ও তার ছেলে রবিউল ইসলামসহ কয়েকজন মজিদুল ইসলামের বাড়িতে প্রবেশ করে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়।লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, হামলার সময় বৃদ্ধ মজিদুল ইসলাম বাধা দিতে গেলে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। তাকে রক্ষা করতে গিয়ে তার ছেলে ওবায়দুল ইসলামও গুরুতর আহত হন।আরও  পড়ুন, কসবায় র‌্যাব-৯-এর অভিযানে ৭২ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ, গ্রেপ্তার ২ পরে তাদের নীলফামারী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় ওবায়দুল ইসলামকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।ঘটনার পর মজিদুল ইসলাম বাদী হয়ে নীলফামারী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তবে আসামিরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় তারা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং উল্টো মজিদুল ইসলাম, তার স্ত্রী ও দুই ছেলেকে আসামি করে পাল্টা মামলা দায়ের করে বলে অভিযোগ করেন মুক্তা খাতুন।তিনি আরও বলেন, "প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে এবং সামাজিকভাবে আমাদের হেয় প্রতিপন্ন করতে রবিউল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনের নামে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। একজন মামলার আসামি প্রকাশ্যে সংবাদ সম্মেলন করলেও তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি, যা আমাদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।"সংবাদ সম্মেলনে মুক্তা খাতুন অভিযোগ করেন, মামলার প্রধান আসামি রবিউল ইসলাম প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সুসম্পর্কের কারণে আইনের আওতার বাইরে থেকে যাচ্ছেন। ফলে তার শ্বশুর, শাশুড়ি ও স্বামী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আদালতের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কসবায় র‌্যাব-৯-এর অভিযানে ৭২ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ, গ্রেপ্তার ২

কসবায় র‌্যাব-৯-এর অভিযানে ৭২ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ, গ্রেপ্তার ২

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় র‌্যাব-৯-এর অভিযানে চোরাচালানের আনুমানিক ৭২ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ি জব্দ করা হয়েছে। এ সময় চোরাচালানের অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।র‌্যাব-৯, সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২৬ জুন) ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কসবা উপজেলার কদমতলা বাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়। খবর পেয়ে ভোর আনুমানিক ৫টা ২০ মিনিটে কসবা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে নয়নপুর-কসবা সড়কে একটি চেকপোস্ট স্থাপন করে র‌্যাব।এ সময় একটি নীল-হলুদ রঙের কাভারভ্যান থামানোর সংকেত দিলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে গাড়ি থেকে নেমে দুই ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাদের আটক করা হয়।আরও  পড়ুন, মিঠাপুকুরে গৃহবধূকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা: স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে মামলাআটকদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কাভারভ্যান তল্লাশি করে ৪০টি পাটের বস্তার ভেতর থেকে ১ হাজার ৯০৫ পিস ভারতীয় শাড়ি উদ্ধার করা হয়। শাড়িগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ৭২ লাখ টাকা। একই সঙ্গে শাড়িবাহী কাভারভ্যানটিও জব্দ করা হয়।গ্রেপ্তাররা হলেন কসবা উপজেলার কায়েমপুর গ্রামের মো. জাহিদ হোসেন (২৬) এবং কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার চৌব্বাস গ্রামের মঈন সরকার (২৫)।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছেন, পরস্পরের যোগসাজশে ভারত থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে শাড়িগুলো বাংলাদেশে এনে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন।র‌্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুইজনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শেষে তাদের এবং জব্দকৃত আলামত কসবা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে র‌্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আন্তর্জাতিক

তেলবাহী জাহাজে হামলা, উত্তপ্ত হরমুজ প্রণালী

তেলবাহী জাহাজে হামলা, উত্তপ্ত হরমুজ প্রণালী

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালীতে একটি তেলবাহী ট্যাংকার অজ্ঞাত একটি প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা ইউকেএমটিও জানিয়েছে, জাহাজটির ক্যাপ্টেন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন যে, ট্যাংকারটি অজ্ঞাত একটি প্রজেক্টাইলের আঘাতে আক্রান্ত হয়েছে। এতে জাহাজের ব্রিজ বা নিয়ন্ত্রণকক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সব নাবিক নিরাপদ রয়েছেন এবং এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, হামলার পর সমুদ্রে তেল ছড়িয়ে পড়া বা পরিবেশগত কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্যও পাওয়া যায়নি। ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।তদন্তে হামলায় কী ধরনের প্রজেক্টাইল ব্যবহার করা হয়েছে, কারা এর পেছনে রয়েছে এবং হামলার উদ্দেশ্য কী—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এমন এক সময়ে এই ঘটনা ঘটল, যখন হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র আরো পড়ুন , ট্রাম্পের নতুন চমক, বিশেষ সংস্করণের পাসপোর্ট প্রকাশআকার ধারণ করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে উভয় দেশই একে অপরের বিরুদ্ধে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে।বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালীতে যেকোনো নিরাপত্তা সংকট আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার, তেলের দাম এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এই হামলার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

৬ ঘন্টা আগে

রাজধানী

রাজধানীতে বিশেষ অভিযানে চাঁদাবাজ-ছিনতাইকারীসহ গ্রেফতার ৬৩

রাজধানীতে বিশেষ অভিযানে চাঁদাবাজ-ছিনতাইকারীসহ গ্রেফতার ৬৩

রাজধানীতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৬৩ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ বা ডিএমপি।শুক্রবার দিনব্যাপী পরিচালিত এ অভিযানে একজন তালিকাবহির্ভূত চাঁদাবাজ, তিনজন অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী, সন্ত্রাসী, দস্যু, ছিনতাইকারী ও ডাকাতি সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িত ১৩ জন এবং মাদক কারবারে জড়িত ৩৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়।আরও  পড়ুন, বংশালের আবাসিক হোটেলে রহস্যজনক মৃত্যু, কক্ষ থেকে ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারঅন্যদিকে, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি পৃথক অভিযানে আরও সাতজনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের মধ্যে ছয়জন মাদক কারবারি এবং একজন দস্যু, ছিনতাই ও ডাকাতি মামলার আসামি রয়েছেন।ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

১০ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউটে কেপ ভার্দে, বিদায় সৌদি আরবের

প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউটে কেপ ভার্দে, বিদায় সৌদি আরবের

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাসের জন্ম দিয়েছে কেপ ভার্দে। গ্রুপ ‘এইচ’-এর শেষ ম্যাচে সৌদি আরব-এর বিপক্ষে ০-০ গোলে ড্র করেই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে দেশটি।চার ম্যাচে প্রয়োজনীয় পয়েন্ট সংগ্রহ করে গ্রুপ রানার্সআপ হিসেবে শেষ ষোলোতে উঠেছে কেপ ভার্দে। ছোট একটি দেশ হয়েও শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে দারুণ লড়াই করে এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম চমক হয়ে উঠেছে তারা।গ্রুপ পর্বে কেপ ভার্দে স্পেন-এর সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে। এরপর উরুগুয়ে-এর বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র এবং সৌদি আরবের বিপক্ষে ০-০ গোলে ড্র করে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট সংগ্রহ করে। আরও পড়ুন, চেকদের উড়িয়ে শতভাগ জয় নিয়ে শেষ ষোলোয় মেক্সিকোবিশ্লেষকদের মতে, পুরো টুর্নামেন্টে তাদের সংগঠিত রক্ষণভাগই ছিল সবচেয়ে বড় শক্তি।অন্যদিকে, বড় প্রত্যাশা নিয়ে বিশ্বকাপে আসা সৌদি আরবের জন্য এবারের আসর ছিল হতাশার। উরুগুয়ের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করলেও স্পেনের কাছে ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে হার দলটিকে চাপে ফেলে। শেষ ম্যাচে জয় তুলে নিতে ব্যর্থ হওয়ায় গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে তাদের।এদিকে গ্রুপের অপর ম্যাচে স্পেন ১-০ গোলে উরুগুয়েকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে। রানার্সআপ কেপ ভার্দের সামনে এখন আরও কঠিন পরীক্ষা। নকআউট পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

আইন আদালত

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে আটকের পর কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা সাজিয়ে গুলি ও নির্যাতনের মাধ্যমে পঙ্গু করার অভিযোগে দায়ের করা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার আজ শুরু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলাটির সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) ও সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।আরও পড়ুন, ‘আমি শুধু ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার’: আসামি সোহেলমামলাটি শুনানি করবেন মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। মামলার প্রধান আসামি আনিসুর রহমান-সহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম চলবে।প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর চৌগাছা উপজেলা শাখার তৎকালীন সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন এবং সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিন-কে একটি মামলায় আটক করে পুলিশ। অভিযোগে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারের পর তাদের আদালতে হাজির না করে কয়েকদিন নির্যাতন করা হয়।আরও পড়ুন, শিশু রামিসা হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি আজপ্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ একটি সাজানো ঘটনা তৈরি করে দুই নেতার পায়ে গুলি করা হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে চিকিৎসার একপর্যায়ে তাদের পা কেটে ফেলতে হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় আরও বলা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অস্ত্র মামলাটি পরবর্তীতে আদালতে ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়।এর আগে গত ২০ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। সে সময় আদালতে উপস্থিত আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। বর্তমানে অভিযুক্তদের মধ্যে আকিকুল ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান এবং জহরুল হক কারাগারে রয়েছেন।আরও পড়ুন, সাইপ্রাসে এস আলমের ভবন জব্দের নির্দেশঅন্যদিকে প্রধান আসামি আনিসুর রহমান, সাবেক ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল এবং এসআই মাজেদুল পলাতক রয়েছেন বলে ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানিয়েছে। উল্লেখ্য, মামলার অভিযোগগুলো প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত অভিযোগ। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের রায়ের মাধ্যমে অভিযুক্তদের দায়-দায়িত্ব চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর