দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

বনানীতে গেস্ট হাউজ-স্পা, ওসির ভূমিকা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন

ফোনে মেলেনা আইগত সেবা / বনানীতে গেস্ট হাউজ-স্পা, ওসির ভূমিকা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন

রাজধানীর অভিজাত বনানী থানা এলাকায় গেস্ট হাউজ, স্পা সেন্টার ও আবাসিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ঘিরে নানা অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে কথিত মাসোহারা, অপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়, মাদক সেবন, নারী পাচার ও স্কর্ট সার্ভিসের আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন অনিয়ম। এসব অভিযোগের সঙ্গে বনানী থানার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলামের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। তবে অভিযোগগুলোর সবকটির স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈধ কাগজপত্র, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান।আরও পড়ুন: পুলিশে একের পর এক রদবদল, অপরাধ দমনে নতুন পরীক্ষাঅনুসন্ধানে জানা যায়, এসব বিষয়ে গত ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। পরে অভিযোগটি ৭ সেপ্টেম্বর গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারের কাছে পাঠানো হয়। অভিযোগটির স্মারক নম্বর ২৯৯৩৫ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে বনানী এলাকার কয়েকটি গেস্ট হাউজ ও স্পা সেন্টারের কার্যক্রম খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। পরবর্তী সময়ে বিষয়টি বনানী থানার ওসির কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।অভিযোগকারী পক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, বিষয়টি নিয়ে বনানী থানার ওসির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সংবাদকর্মীদের থানায় আসতে বলা হয়। পরে সংবাদকর্মীরা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন এবং সংবাদকর্মীকে গেষ্ট হাউজটিতে যেতে বলেন আমি তাদেরকে বলে দিয়েছি। তার এই ভাষ্য অনুযায়ী স্পষ্ট ফটে উঠে যাতে সংবাদকর্মীর উপর অপরাধীদেও দিয়ে মব সৃষ্টি হয়। কিন্তু এরপরও সংশ্লিষ্ট গেস্ট হাউজ ও স্পা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর অভিযান বা আইনগত পদক্ষেপ তারা দেখতে পাননি। শুধু তাই নয় তাকে একের পর এক ফোন করলেও পাওয়া যায়না ও মিলেনা আইনগত সেবাও।আরও পড়ুন: বনানীতে স্পা-গেস্ট হাউজ ঘিরে ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগএখানেই উঠছে মূল প্রশ্ন কোনো লিখিত অভিযোগ পুলিশের ঊর্ধ্বতন পর্যায় থেকে থানায় পাঠানোর পর তার তদন্ত বা যাচাই প্রক্রিয়া কীভাবে পরিচালিত হয়েছে? অভিযোগ সত্য হলে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, আর অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে সেটি তদন্ত করে অভিযোগকারীকে কী জানানো হয়েছে এসব বিষয়ও পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।বনানীর ২৭ নম্বর সড়কের ৮ নং বাড়িটিতে বিগত আ.লীগের কর্মী ও গোপালগঞ্জে তার বাড়ি  পরিচয়ে মার্ভেল ইন গেস্ট হাউজ এবং একই সড়কে ৬৫/এ নম্বরের লাক্সারী গেষ্ট হাউজ যাহার মালিক সাকিব ও হান্নানসহ বেশ কয়েকজন। এসব প্রতিষ্ঠানে নিয়মিতভাবে নারী ও মানব পাচারচক্রের তৎপরতা, কথিত স্কর্ট সার্ভিস এবং মাদকসেবনের আসর বসার মতো কর্মকাণ্ড চলে। তবে এসব অভিযোগের কোনোটি আদালতে প্রমাণিত হয়েছে এমন তথ্য এই প্রতিবেদনের অনুসন্ধানে পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স, ফায়ার সেফটি ছাড়পত্র, ভবনের ব্যবহার অনুমোদন, অতিথি নিবন্ধন খাতা, সিসিটিভি ফুটেজ এবং পুলিশের তদন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। বিশেষ করে কোনো গেস্ট হাউজ বা স্পা প্রতিষ্ঠানে মানব পাচারের মতো গুরুতর অপরাধের অভিযোগ থাকলে সেটি কেবল স্থানীয় থানার পর্যায়ে সীমাবদ্ধ না রেখে সংশ্লিষ্ট বিশেষায়িত ইউনিটের মাধ্যমে তদন্তের প্রয়োজন হতে পারে।আরও পড়ুন: বনানীর আবাসিক ভবনে স্পা-গেস্ট হাউজ এখন অন্ধকার জগৎঅভিযোগের সবচেয়ে গুরুতর অংশগুলোর একটি হলো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে বনানী থানার ওসির বিরুদ্ধে নিয়মিত মাসোহারা নেওয়ার অভিযোগ। কথিত অবৈধ ব্যবসা পরিচালনাকারী কয়েকজন ব্যক্তি তাদের প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে পুলিশের স্থানীয় পর্যায়ে জানাশোনা থাকার কথা বলেছেন এবং মাসোহারা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। তবে এই অভিযোগের পক্ষে ব্যাংক লেনদেন, রসিদ, অডিও-ভিডিও, প্রত্যক্ষদর্শীর জবানবন্দি কিংবা অন্য কোনো স্বাধীন প্রমাণ এই প্রতিবেদকের হাতে আসেনি। ফলে অভিযোগটিকে আপাতত অভিযোগ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। বর্তমান অভিযোগের পাশাপাশি মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলামের ২০২৩ সালের একটি ঘটনাও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ২০২৩ সালের ২৬ আগস্ট একাধিক সংবাদমাধ্যমে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর থানার তৎকালীন ওসি মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলামকে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রথম আলো, কালের কণ্ঠ, ঢাকা ট্রিবিউন, ইত্তেফাক ও যুগান্তরসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, বদলির আদেশ পাওয়ার পর ভূঞাপুর থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম থানায় ব্যবহৃত এসি, টেলিভিশন, আইপিএস ও সোফা খুলে নিজের কোয়ার্টারে নিয়ে যান।যুগান্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৪ আগস্ট ২০২৩ তারিখে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সারের স্বাক্ষরিত আদেশে ফরিদুল ইসলামকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়। এর পরদিন রাতে থানার কক্ষ থেকে এসি, টেলিভিশন, সোফা ও আইপিএস খুলে নেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রের দাবি ছিল, এসব সামগ্রী স্থানীয় ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের অনুদানে থানার উন্নয়ন ও ব্যবহারের জন্য দেওয়া হয়েছিল।আরও পড়ুন: বনানীতে মার্ভেল ইন গেষ্ট হাউজ ঘিরে আবারও পায়েলের অপরাধ সিন্ডিকেটঅন্যদিকে ফরিদুল ইসলাম তখন সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, থানা থেকে খুলে নেওয়া সামগ্রীগুলো তার ব্যক্তিগত অর্থে কেনা। তাই সেগুলো তিনি নিতে পারেন। তৎকালীন জেলা পুলিশ সুপারও বলেছিলেন, যদি জিনিসগুলো ব্যক্তিগত অর্থে কেনা হয়ে থাকে, তাহলে নেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা নেই; তবে অনুদানের অর্থে কেনা হলে তিনি নিতে পারবেন না।অর্থাৎ ওই ঘটনার মূল বিতর্ক ছিল সামগ্রীগুলো ব্যক্তিগত অর্থে কেনা হয়েছিল, নাকি থানার জন্য অনুদান হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদনে স্থানীয় পক্ষের বক্তব্য এবং ফরিদুল ইসলামের বক্তব্য দুই ধরনের অবস্থানই উঠে এসেছিল।২০২৬ সালের মার্চে ডিএমপির এক আদেশে মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলামকে বনানী থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। একই আদেশে বনানী থানার তৎকালীন ওসি মোহাম্মদ খালিদ মুনসুরকে উত্তরা-পশ্চিম থানায় বদলি করা হয়। এরপর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও তার নতুন দায়িত্ব নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। মে ২০২৬-এ যুগান্তর ‘থানা থেকে এসি-সোফা সেট নিয়ে যাওয়া সেই ওসি এখন বনানী থানায়’ শিরোনামে ২০২৩ সালের ঘটনাটিকে সামনে এনে তার বর্তমান পদায়নের বিষয়টি তুলে ধরে।আরও পড়ুন: অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান দিলে পুরস্কার দেবে এসআরবিঅন্যদিকে ২০২৬ সালেই বনানী থানার বিভিন্ন অপরাধ দমন কার্যক্রমে ফরিদুল ইসলামের বক্তব্য সংবাদমাধ্যমে এসেছে। সেপ্টেম্বরের শুরুতে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বনানী অংশ থেকে মুখে স্কচটেপ বাঁধা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায়ও বনানী থানার ওসি হিসেবে তিনি গণমাধ্যমকে তথ্য দেন। অর্থাৎ একদিকে ২০২৩ সালের পুরোনো বিতর্কিত ঘটনা, অন্যদিকে ২০২৬ সালে গুরুত্বপূর্ণ বনানী থানায় তার পদায়ন—এই দুই বিষয়কে কেন্দ্র করে এখন নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।অভিযোগকারীদের বক্তব্য, বনানীর গেস্ট হাউজ ও স্পা সেন্টারগুলোতে যদি সত্যিই কোনো অপরাধী চক্রের তৎপরতা থাকে, তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন। বিশেষ করে মানব পাচার, মাদক ব্যবসা, যৌন হয়রানি বা সংঘবদ্ধ অপরাধের অভিযোগ থাকলে শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে দোষী সাব্যস্ত না করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করে আনা জরুরি।এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর লাইসেন্স, নিবন্ধন, ভবন ব্যবহারের অনুমোদন, কর্মচারীদের পরিচয়, অতিথি রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং অভিযোগে উল্লেখিত কথিত আর্থিক লেনদেনের তথ্য যাচাই করা যেতে পারে। কারণ একজন থানার ওসির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠলে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের পাশাপাশি অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য প্রকাশ করাও সাংবাদিকতার মৌলিক নীতির অংশ।সব মিলিয়ে বনানীর গেস্ট হাউজ ও স্পা সেন্টার ঘিরে ওঠা অভিযোগকে কেন্দ্র করে কয়েকটি প্রশ্ন সামনে এসেছে। ৩ সেপ্টেম্বরের অভিযোগের পর কী তদন্ত হয়েছে? ৭ সেপ্টেম্বর গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে পাঠানো অভিযোগের পর কী নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল? স্মারক নম্বর ২৯৯৩৫-এর অভিযোগের বর্তমান অবস্থা কী? বনানী থানায় পাঠানোর পর তদন্ত কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কি কোনো প্রতিবেদন দিয়েছেন? অভিযোগে উল্লেখ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈধতা যাচাই করা হয়েছে কি না? এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ওসির বিরুদ্ধে ওঠা মাসোহারা নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা কি কোনো অনুসন্ধান করবেন? এসব প্রশ্নের উত্তর মিললেই বোঝা যাবে অভিযোগগুলো কতটা বাস্তব, কতটা অতিরঞ্জিত এবং কোথাও দায়িত্বে অবহেলা বা অন্য কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না।আরও পড়ুন: এনআইডিতে ভুল থাকলে সংশোধনে লাগতে পারে যেসব কাগজএকই সঙ্গে ২০২৩ সালের ভূঞাপুর থানার ঘটনারও একটি বিষয় পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন সেই ঘটনায় সরকারি বা অনুদানের অর্থে কেনা সামগ্রী ব্যক্তিগতভাবে নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে শেষ পর্যন্ত কী প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হয়েছিল এবং তার কোনো তদন্ত বা নিষ্পত্তির নথি রয়েছে কি না। কারণ পুলিশের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে জনআস্থা বজায় রাখতে অভিযোগের সত্যতা যেমন নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন, তেমনি কোনো কর্মকর্তা সম্পর্কে ভিত্তিহীন অভিযোগ থাকলেও সেটির তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য জনসম্মুখে আনা জরুরি।বনানীর মতো রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকায় গেস্ট হাউজ ও স্পা সেন্টারকে ঘিরে অপরাধের অভিযোগ থাকলে তার দায় শুধু একটি থানার ওপর নয়; সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা কর্তৃপক্ষেরও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। আর যদি অভিযোগগুলো মিথ্যা হয়, তাহলেও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তা স্পষ্ট হওয়া দরকার।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বনানীর মতো গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক এলাকায় গেস্ট হাউজ ও স্পা সেন্টারের কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা অভিযোগ শোনা যায়। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ থাকলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি ও প্রয়োজনীয় তদন্ত করা উচিত। তাদের ভাষ্য, অভিযোগ সত্য হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। স্থানীয়দের দাবি, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিয়মিতভাবে এসব প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স, অনুমোদন, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও কার্যক্রম যাচাই করলে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও স্বচ্ছ থাকবে। একই সঙ্গে কোনো পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা জনসমক্ষে আনার দাবি জানান তারা।আরও পড়ুন: ডিএমপির অভিযানে অস্ত্র মাদকসহ গ্রেফতার ৫১৫এ বিষয়ে একজন আইন বিশেষজ্ঞ বলেন, কোনো পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মাসোহারা গ্রহণ, অপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় কিংবা দায়িত্বে অবহেলার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠলে শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যেমন ঠিক নয়, তেমনি অভিযোগটি উপেক্ষা করাও সমীচীন নয়। অভিযোগের ধরন ও গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে নিরপেক্ষভাবে তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা প্রয়োজন। অভিযোগের পক্ষে অর্থ লেনদেনের তথ্য, অডিও-ভিডিও, কল রেকর্ড, সাক্ষ্য বা অন্যান্য নথি থাকলে সেগুলো আইনানুগভাবে পরীক্ষা করা যেতে পারে। একই সঙ্গে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়াও ন্যায়সংগত তদন্তের অংশ। তিনি আরও বলেন, অভিযোগটি যদি পুলিশের কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হয়, তাহলে একই চেইন অব কমান্ডের মধ্যে তদন্তের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বা উপযুক্ত স্বাধীন তদন্তকারী সংস্থার মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই করা হলে জনআস্থা বাড়বে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা এবং অভিযোগ প্রমাণিত না হলে সেটিও স্পষ্টভাবে জানানো উচিত।এ বিষয়ে পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কোনো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়। অভিযোগের ধরন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈধতা, তাদের কার্যক্রম, পুলিশের ভূমিকা এবং অভিযোগের পক্ষে থাকা তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, কোনো গেস্ট হাউজ বা স্পা সেন্টারে মাদক, মানব পাচার কিংবা অন্য কোনো অপরাধ সংঘটনের তথ্য পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। একইভাবে কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অর্থ গ্রহণ বা দায়িত্ব পালনে অনিয়মের অভিযোগ থাকলে তারও তদন্ত হওয়া উচিত। প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।আরও পড়ুন: পুলিশে একের পর এক রদবদল, অপরাধ দমনে নতুন পরীক্ষাপুলিশে একের পর এক রদবদল, অপরাধ দমনে নতুন পরীক্ষাওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা পড়লে সেটির নথিভুক্তি, যাচাই এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের প্রক্রিয়া রয়েছে। অভিযোগের স্মারক নম্বর থাকলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে তার বর্তমান অবস্থাও জানা সম্ভব। বনানীর মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা পুলিশের দায়িত্ব। তাই কোনো অভিযোগকে ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থের ঊর্ধ্বে রেখে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করা উচিত।এবিষয়ে বানানী থানার ওসির মুঠোফোনে একাধিক ফোন করলে তাকে পাওয়া যায়নি।

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

হজের প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় শেষ হচ্ছে ২৪ সেপ্টেম্বর

২০২৭ সালের পবিত্র হজ পালনের জন্য প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় শেষ হচ্ছে আগামী বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর।ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের পর হজের প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় আর বাড়ানো হবে না। তাই হজে যেতে ইচ্ছুকদের ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।গত ২৭ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু হয়েছে। নিবন্ধন শেষে বাংলাদেশ থেকে কতসংখ্যক মানুষ হজ পালনের জন্য যেতে আগ্রহী সেই চূড়ান্ত সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।এদিকে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ২০২৭ সালের হজ পালনের ক্ষেত্রে কয়েক শ্রেণির মানুষকে অযোগ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।১৫ বছরের কম বয়সী শিশু এবং দীর্ঘমেয়াদি হৃদরোগ ফুসফুস লিভার ও কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা হজে যেতে পারবেন না। আরও  পড়ুন, নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রস্তুতি শেষ ,আজই আসতে পারে স্কেলের প্রজ্ঞাপনএকইভাবে স্নায়বিক রোগ গুরুতর মানসিক অসুস্থতা ও ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিদেরও হজ পালনের সুযোগ থাকছে না।কেমোথেরাপি বায়োলজিক্যাল থেরাপি বা রেডিওথেরাপি নিচ্ছেন এমন ক্যান্সার রোগীদেরও হজে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।এ ছাড়া জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এমন সক্রিয় সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদেরও হজে যাওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে।গর্ভাবস্থার শেষ দুই মাসে থাকা নারী এবং উচ্চঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থায় থাকা নারীদেরও হজের জন্য ফিটনেস সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না।হজের প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় প্রশিক্ষণ ও টিকাদানের জন্য জেলা নির্বাচন করতে হবে। একই সঙ্গে হজের ধরন ও প্যাকেজ নির্বাচন করতে হবে। হজযাত্রীর পাসপোর্টের মেয়াদ থাকতে হবে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত।

নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রস্তুতি শেষ ,আজই আসতে পারে স্কেলের প্রজ্ঞাপন

দীর্ঘ অপেক্ষার পর সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুরের পর নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয় বা বিজি প্রেসে প্রজ্ঞাপন ছাপার কাজ চলছে। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংসহ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে বলেও জানা গেছে। তবে প্রজ্ঞাপন প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি সম্ভাব্য হিসেবেই থাকছে।এর আগে ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভায় নবম জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ অনুমোদন দেওয়া হয়। বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে নতুন কাঠামোয় ২০তম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং প্রথম গ্রেডের নির্ধারিত বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করা হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে।আরও  পড়ুন, টেলিগ্রামে চাকরির প্রলোভন দিয়ে ৯৪ লাখ টাকা আত্মসাৎনতুন পে স্কেল একসঙ্গে বাস্তবায়ন না করে তিন ধাপে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত রয়েছে। মূল বেতন ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। আর অন্যান্য ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করার সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।নতুন কাঠামোয় ২০তম গ্রেডের বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ২০ হাজার টাকা এবং প্রথম গ্রেডের বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।সরকারি হিসাব অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে প্রায় ২৪ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী সরাসরি সুবিধা পাবেন। এর ফলে সরকারের বছরে অতিরিক্ত ব্যয়ের পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা হতে পারে।প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পুনর্নির্ধারণ এবং বকেয়া পাওনা সমন্বয়ের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে।

টেলিগ্রামে চাকরির প্রলোভন দিয়ে ৯৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ

চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অনলাইন অর্ডার ও কমিশনের ফাঁদে ফেলে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৯৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সংঘবদ্ধ অনলাইন প্রতারণা চক্রের আরও দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি।গ্রেফতাররা হলেন জুলহাস উদ্দিন ও প্রহড়। সিআইডি জানিয়েছে, এ নিয়ে এই চক্রের ১২ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ২৪ আগস্ট মেহেদি হক নিয়নকে টেলিগ্রাম অ্যাপের একটি আইডি থেকে একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরির প্রস্তাব দেওয়া হয়। চাকরিতে আগ্রহী হওয়ার পর তাকে একটি ফিশিং লিংকের মাধ্যমে ভুয়া ওয়েবসাইটে যুক্ত করা হয়।প্রথমে অনলাইনে অর্ডার সম্পন্ন করলে কমিশন দেওয়ার কথা বলা হয়।আরও  পড়ুন, এনআইডিতে ভুল থাকলে সংশোধনে লাগতে পারে যেসব কাগজকমিশন পাওয়ার পর ভুক্তভোগীর বিশ্বাস তৈরি হলে তাকে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা বিনিয়োগে উৎসাহিত করা হয়।একপর্যায়ে জানানো হয়, বিভিন্ন ধাপে মোট ৯০টি অর্ডার সম্পন্ন করতে হবে। প্রতিটি অর্ডারের বিপরীতে অ্যাকাউন্টে মুনাফার অর্থ দেখানো হলেও টাকা উত্তোলনের সময় নতুন নতুন শর্ত দেওয়া হতো।অতিরিক্ত অর্থ জমা দিয়ে আরও অর্ডার সম্পন্ন করার কথা বলে দফায় দফায় টাকা নেওয়া হয়। এভাবে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে টাকা পাঠানোর পর ভুক্তভোগীর কাছ থেকে মোট ৯৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে।এ ঘটনায় চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি পল্টন থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী। পরে গোয়েন্দা তথ্য ও বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে সিআইডি।এর ধারাবাহিকতায় কিশোরগঞ্জ সদর এলাকায় অভিযান চালিয়ে জুলহাস উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রহড়কে গ্রেফতার করা হয়। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।

এনআইডিতে ভুল থাকলে সংশোধনে লাগতে পারে যেসব কাগজ

জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডিতে নাম, জন্মস্থান, বাবা-মায়ের নাম, পেশা কিংবা ঠিকানায় ভুল থাকলে তা সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। তবে কোন তথ্য সংশোধন করা হচ্ছে তার ওপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ধরন ভিন্ন হতে পারে।নামের বানান বা আংশিক সংশোধনের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত সনদ, অনলাইন জন্মনিবন্ধন, পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্সের মতো নথি প্রয়োজন হতে পারে। প্রয়োজনে সন্তানের জন্মসনদ, কাবিননামা বা বিবাহ সনদ এবং স্বামী বা স্ত্রীর এনআইডিও চাওয়া হতে পারে।সম্পূর্ণ নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে অতিরিক্তভাবে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সম্পাদিত হলফনামা প্রয়োজন হতে পারে। প্রয়োজন হলে নির্বাচন কমিশন সরেজমিন তদন্তও করতে পারে।বাবা বা মায়ের নাম সংশোধনের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত সনদ, জন্মনিবন্ধন, বাবা-মায়ের এনআইডি এবং ভাই-বোনের এনআইডি বা শিক্ষাসনদ কাজে লাগতে পারে।জন্মস্থান সংশোধনে জন্মনিবন্ধন, পাসপোর্ট এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়নপত্র প্রয়োজন হতে পারে।আরও পড়ুন, বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সঙ্গে কমতে পারে গরমপেশার তথ্য পরিবর্তনের ক্ষেত্রে চাকরিজীবীদের নিয়োগপত্র, পেশাসংক্রান্ত সনদ অথবা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়নপত্র চাওয়া হতে পারে।দৃশ্যমান শনাক্তকরণ চিহ্ন সংশোধনে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার প্রতিবেদন ও মেডিক্যাল সনদ প্রয়োজন হতে পারে। আর রক্তের গ্রুপ সংযোজন বা সংশোধনে লাগবে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষার রিপোর্ট।স্থায়ী বা বর্তমান ঠিকানা সংশোধনে জন্মনিবন্ধন, বিদ্যুৎ বিল, চৌকিদারি ট্যাক্স বা পৌর করের রসিদ এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্র প্রয়োজন হতে পারে।তবে সংশোধনের ধরন ও আবেদনকারীর পরিস্থিতি অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন অতিরিক্ত নথি চাইতে পারে। তাই আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিসের সর্বশেষ নির্দেশনা যাচাই করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা ভালো।

রাজনীতিরাজনীতি

ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজে ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা

ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজে ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা

ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ ও ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক তানজীম রুবাইয়াত আফিফ এবং সদস্য সচিব মোস্তাফিজুল কবীর মমি আলসারীর স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক করা হয়েছে জিহাদুল মোতালেব মার্শালকে। সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হয়েছেন রায়হান আমিন ফাহিম এবং সদস্য সচিব করা হয়েছে জোবায়েল আলম পাভেলকে।আহ্বায়ক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের যৌথ স্বাক্ষরে শাখাটির সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। আরও  পড়ুন, জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে- মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ এমপিপাশাপাশি আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক করা হয়েছে মো. মহিবুর রহমানকে। যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন মো. হাসান আল বান্না, আমির হাসনাত খান, জোবায়ের ইবনে আলম, জান্নাতুল ফেরদৌস প্রীতি, সাবরিনা ইসলাম তরী, আশরাফুল ইসলাম ইমন ও ফাতেমা তুজ জোহুরা।এ শাখায় সদস্য সচিব করা হয়েছে গোলাম সরোয়ার হিমেলকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন ইশতিয়াকুর রহমান, মো. এমরামুল ইসলাম নাবিল, ইয়ামিন সরকার, ঐশ্বর্য মৃধা, সিনথিয়া ইসলাম ও এস এম ইয়াসিন আহমেদ।বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন কমিটির নেতাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে-  মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ এমপি

জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে- মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ এমপি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ বলেছেন, জনগণের দেওয়া গণরায় বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই দেশের মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি ও অনিয়মমুক্ত প্রশাসন এবং মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে দেশের মানুষ রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতার পাশাপাশি একটি জবাবদিহিমূলক ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রত্যাশা করছে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে। ক্ষমতা ভোগের বিষয় নয়; এটি জনগণের সেবা ও দায়িত্ব পালনের মাধ্যম।আরও  পড়ুন, সাতক্ষীরা পৌরসভা নির্বাচন আলোচনায় বিএনপির দুই প্রার্থীর মধ্যে মিঠু খান এগিয়েশনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর '২৬) দুপুর ১২টায় সাতক্ষীরা শহরের মুন্সিপাড়াস্থ কাজী শামছুর রহমান মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত দায়িত্বশীল শিক্ষা বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।বৈঠকের উদ্বোধনী বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও তারবিয়াত বিভাগের সেক্রেটারি ডা. মাহমুদুল হক।বৈঠকে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা জামাতের আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, জেলা নায়েবে আমির শেখ নুরুল হুদা, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক ওবায়দুল্লাহ, অফিস সেক্রেটারি মাওলানা রুহুল আমিন প্রমুখ। কর্মশালায় সাতক্ষীরা জেলার প্রত্যেকটা ইউনিয়ন এবং পৌরসভার আমির, ও সেক্রেটারি উপস্থিত ছিলেন।

জামায়াতের সংস্কার ও একাত্তরের ভূমিকা নিয়ে নতুন বিতর্ক

জামায়াতের সংস্কার ও একাত্তরের ভূমিকা নিয়ে নতুন বিতর্ক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের লেখা বই প্রকাশের পর দলটির ১৯৭১ সালের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।‘বাংলাদেশ জামায়াত-ই-ইসলামী: ইটস হিস্ট্রি অ্যান্ড পলিটিকস’ নামের মরণোত্তর প্রকাশিত বইটিতে জামায়াতের সঙ্গে দীর্ঘ ৩৩ বছরের অভিজ্ঞতা এবং দলটির অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন বিতর্ক তুলে ধরেছেন আবদুর রাজ্জাক।বই প্রকাশনা অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ২০১৬ সালে জামায়াতের শীর্ষ নেতৃত্ব ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাককে ১৯৭১ সালের ভূমিকা নিয়ে একটি বিবৃতির খসড়া তৈরি করতে বলেছিল। তার দাবি, ওই বিবৃতিতে স্বাক্ষর করা হলে জামায়াতকে ঘিরে অনেক প্রশ্নের সমাধান হতে পারত।আবদুর রাজ্জাকের বইয়ে বলা হয়েছে, একাত্তরের ভূমিকার জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার উদ্যোগ জামায়াতের ভেতরে একাধিকবার নেওয়া হয়েছিল। তবে দলীয় নেতৃত্বের মতপার্থক্য ও বিভিন্ন পর্যায়ের আপত্তির কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি।আরও  পড়ুন, ডা শফিকুর রহমানের সঙ্গে ডাকসু নেতাদের সাক্ষাৎএদিকে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, ২০১৬ সালের ওই অপ্রকাশিত খসড়াকে দলের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বলা যাবে না। তার বক্তব্য অনুযায়ী, জামায়াতের নীতিনির্ধারণী তিন ফোরাম—নির্বাহী পরিষদ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ ও মজলিসে শূরার কোনোটিই ওই বিবৃতি অনুমোদন করেনি।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ দলটির অভ্যন্তরীণ সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলছেন। অধ্যাপক আলী রীয়াজও আলোচনায় জামায়াতসহ ইসলামপন্থী রাজনীতির ক্ষেত্রে অতীতের ভুল এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে বৃহত্তর আলোচনা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন।ফলে আবদুর রাজ্জাকের বই প্রকাশের পর জামায়াতের ১৯৭১ সালের ভূমিকা, ক্ষমা চাওয়ার উদ্যোগ এবং দলটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

ডা শফিকুর রহমানের সঙ্গে ডাকসু নেতাদের সাক্ষাৎ

ডা শফিকুর রহমানের সঙ্গে ডাকসু নেতাদের সাক্ষাৎ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ডাকসুর ভিপি জিএস ও এজিএস। শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ডা শফিকুর রহমানের নিজ বাসভবনে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।সাক্ষাতে ডাকসুর মেয়াদ সফলভাবে ও জবাবদিহিতার সঙ্গে সম্পন্ন করায় ছাত্র সংসদের নেতাদের অভিনন্দন জানান ডা শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিস্থিতি এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা ও বিষয় নিয়ে খোঁজখবর নেন তিনি।ডাকসুর পক্ষ থেকে জানানো হয় শিক্ষার্থীদের কল্যাণে নেওয়া বিভিন্ন কার্যক্রমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অসহযোগিতা ও বাধার বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে ডাকসু ভবন ও বিভিন্ন হল সংসদে ছাত্রদলের মব সন্ত্রাসের অভিযোগ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন ডা শফিকুর রহমান।আরও  পড়ুন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক সন্ধ্যায়এ সময় পরবর্তী ডাকসু নির্বাচনের রূপরেখা প্রণয়ন ও তফসিল ঘোষণার দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন তিনি বলে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মৌলিক সংকট নিরসন এবং মানসম্মত শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত করতে ডাকসু নেতাদের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।ডা শফিকুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ে সুষ্ঠু পড়াশোনার পরিবেশ বজায় রাখা শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করা এবং তাদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে আরও সক্রিয় হওয়ার পরামর্শ দেন।এ ছাড়া দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে রাষ্ট্র সংস্কারের কাজে ছাত্র সংসদে অর্জিত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন তিনি।

সারাবাংলা

২২ বছর পর ভোটে জেলা কাজী সমিতির সভাপতি কসবার কাজী ইয়াহিয়া মাসুদ

২২ বছর পর ভোটে জেলা কাজী সমিতির সভাপতি কসবার কাজী ইয়াহিয়া মাসুদ

দীর্ঘ ২২ বছর পর ভোটের মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কাজী সমিতির নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কসবা পৌরসভার তালতলা গ্রামের কৃতি সন্তান ও কসবা পৌরসভার কাজী ইয়াহিয়া মাসুদ। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন কাজী নূরে আলম।নবনির্বাচিত সভাপতি কাজী ইয়াহিয়া মাসুদকে সংবর্ধনা দিয়েছে কসবা উপজেলার কাজীবৃন্দ। ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় কসবা উপজেলা সাংবাদিক ফোরামের কার্যালয়ে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে কসবা পশ্চিম ইউনিয়নের মাওলানা কাজী গোলাম জিলানী, বাদৈর ইউনিয়নের কাজী নিজাম, কুটি ইউনিয়নের কাজী বেলাল হোসাইন, কাজী আবু ইউসুফ, খাড়েরা ইউনিয়নের কাজী ছামসুল হক,আরও  পড়ুন, কালকিনিতে নবজাতকদের গাছের চারা উপহার দিলেন ইউএনও কিশোর কুমার দাস কাজী বাহা উদ্দিন, কাজী মোজ্জামেল হকসহ কসবা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কাজীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া গোপীনাথপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আবুল ওয়াফা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়িক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম  উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মেহারি ইউনিয়নের কাজী জহির।সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত সভাপতি কাজী ইয়াহিয়া মাসুদ তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করায় জেলা কাজী সমিতির সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন কসবা পশ্চিম ইউনিয়নের কাজী গোলাম জিলানী।

কালকিনিতে নবজাতকদের গাছের চারা উপহার দিলেন ইউএনও কিশোর কুমার দাস

কালকিনিতে নবজাতকদের গাছের চারা উপহার দিলেন ইউএনও কিশোর কুমার দাস

আজকের শিশু আগামীর প্রান, একটি চারা গাছ পৃথিবীর নতুন প্রান, এ শ্লোগানকে সামনে রেখে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও পৌরসভার অর্থায়নে বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে আসা নবজাতকের মাঝে একটি করে গাছের চারা উপহার দিলেন পৌর প্রশাসকআরও  পড়ুন, সরিষাবাড়ীতে এনসিপি'র কার্যালয় উদ্বোধন ইউএনও কিশোর কুমার দাশ। আজ শনিবার দুপুরে এ গাছের চারা বিতরন করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন কিশোর কুমার দাশ। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার সাইদুল বাশার,কালকিনি খিদমা হাসপাতালের পরিচালক আনিস মোল্লা, যুবদল নেতা মুভিন ও পৌরসভার কর্মচারী বৃন্দ।

সরিষাবাড়ীতে এনসিপি'র কার্যালয় উদ্বোধন

সরিষাবাড়ীতে এনসিপি'র কার্যালয় উদ্বোধন

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উপজেলা শাখার কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় পৌরসভার কামরাবাদ ঝিনাই ফিলিং স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় দলটির উপজেলা কার্যালয় উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এনসিপির জামালপুর জেলা শাখার সদস্য সচিব ডা. মোশারফ হোসেন। এনসিপির সরিষাবাড়ী উপজেলা শাখার আহ্বায়ক রাসেল আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি এ কে এম ফয়জুল কবীর তালুকদার শাহীন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সরিষাবাড়ী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মনির উদ্দিন, কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক শামীম হোসাইন সোহেল, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সরিষাবাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি আক্তারুজ্জামান সোহাগ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সরিষাবাড়ী উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ আনিছুর রহমান।আরও  পড়ুন, তারুণ্যকে কাজে লাগিয়ে সাভার থেকে মাদক সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি দূর করতে চাই এ ছাড়া এনসিপির জামালপুর সদর উপজেলার সদস্য সচিব সাখাওয়াত হোসেন বক্তব্য দেন। উপজেলা শাখার সদস্য সচিব ছাবের হোসেন বিপুলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে এনসিপির সরিষাবাড়ী উপজেলা শাখার সিনিয়র আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক পলাশ মাহমুদ সৌরভ ও আশরাফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার রাকিবুল হাসান, জাতীয় ছাত্রশক্তির জেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব ইব্রাহীম হোসেন, সদস্য ছাইদুর রহমান এবং সরিষাবাড়ী উপজেলা শাখার সংগঠক নুর সরকারসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে দলীয় অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তারুণ্যকে কাজে লাগিয়ে সাভার থেকে মাদক সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি দূর করতে চাই

তারুণ্যকে কাজে লাগিয়ে সাভার থেকে মাদক সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি দূর করতে চাই

ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ তমিজ উদ্দিন আসন্ন সাভার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়েছেন । তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই তরুণ রাজনীতিবিদ কাজে লাগাতে চান তরুণ সমাজকে । তারুণ্যকে কাজে লাগিয়ে সাভার উপজেলা থেকে দুর করতে চান মাদক, সন্ত্রাস, ইভটিজিং ও চাঁদাবাজি । একটি সুন্দর,  নিরাপদ, আধুনিক ও জনবান্ধব উপজেলা গড়তে তিনি সাভারের সর্বস্তরের জনগণের দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করছেন । কঠোর পরিশ্রম,সততা ও ন্যায়পরায়নতার মাধ্যমে আজ তিনি ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্র দলের সভাপতি । তার এই দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো প্রকার অন্যায়, অপকর্ম, চাঁদাবাজি কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহারের ন্যূনতম অভিযোগও নেই । সাভারের মাদক ব্যবসা, মাদক সেবন কিংবা মাদক কারবারিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া এই ধরনের সকল কাজের বিরুদ্ধে তিনি সর্বদা অবস্থান  করেছেন । মাদকের বিরুদ্ধে ঘোষণা করেছেন জিরো টলারেন্সে ।​সবচেয়ে প্রশংসনীয় বিষয় হলো, তমিজ উদ্দিনের দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রায় কোনো প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের ওপর হামলা, মারামারি কিংবা কোনো ধরনের দাঙ্গা-হাঙ্গামার ইতিহাস নেই । সম্পূর্ণ অহিংস, সুশৃঙ্খল ও আদর্শিক রাজনীতির চর্চা করে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এক ‘ক্লিন ইমেজের’ রাজপথের কাণ্ডারি । সাভারের দল-মত, ধর্ম - বর্ণ  নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ তাঁকে একজন অত্যন্ত নম্র, ভদ্র, বিনয়ী ও সুমিষ্টভাষী মানুষ হিসেবে জানেন । সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে তিনি সর্বদা পাশে থাকার চেষ্টা করেন ।আরও  পড়ুন, বরিশালের বাজারে দেশি বলে বিক্রি হচ্ছে গুজরাটের ইলিশ​স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে শাসকগোষ্ঠীর নির্যাতনের মুখোমুখি হয়েছেন মোঃ তমিজ উদ্দিন । ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের উত্তাল মুহূর্তে তরুণ ও শিক্ষার্থীদের রাজপথে সংগঠিত করতে তাঁর অদম্য সাহসিকতা ছিল অপরিসীম । তা দেখে ভীত হয়ে তৎকালেই ডিবি পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে । অন্ধকার ঘরে নির্যাতন কক্ষে টানা তিন দিন তাঁকে অনাহারে আটকে রাখা হয় ।​ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ডাঃ দেওয়ান মোঃ সালাউদ্দিন বাবুর অত্যন্ত আস্থাভাজন, বিশ্বস্ত ও প্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত মোঃ তমিজ উদ্দিন । প্রবীণ নেতৃত্বের নির্দেশনা ও তরুণদের প্রাণশক্তির এক অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে তাঁর মাঝে । ডাঃ দেওয়ান মোঃ সালাউদ্দিন বাবুর সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ও সার্বিক সমর্থনে তমিজ উদ্দিন সাভারের প্রতিটি ঘরে তরুণ সমাজকে সুসংগঠিত করে ইতিবাচক পরিবর্তনের ধারায় ধাবিত করছেন । আগামীতে এই তরুণ সমাজকে নিয়ে কাজ করে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান সাভার উপজেলাকে । প্রতিষ্ঠা করতে চান এক জবাবদিহিতামূলক সাভার উপজেলা ।​ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক এবং বর্তমানে সভাপতি হিসেবে তমিজ উদ্দিন নিজের শৈশব, কৈশোর ও যৌবনের পুরো সময়টাই উৎসর্গ করেছেন সাভারের মানুষের অধিকার আদায়ে । বহু হামলা, শত শত মিথ্যা মামলা ও বারবার কারাবরণ করেও যিনি সাভারের মাটি ও মানুষের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন । বর্তমান তরুণ সমাজ তাঁকে দেখে নিজেদের আইডল মনে করে । তার সততা ও মানুষের জন্য কাজ করার চেষ্টা  অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে বর্তমান তরুণ প্রজন্মের মাঝে । তিনি আজকের তরুণ প্রজন্মের এক উদীয়মান আইকন ও পরিবর্তনের রূপকার ।​রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরেও দীর্ঘদিন ধরে তিনি মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানাসহ বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন । এলাকার দরিদ্র, এতিম ও অসহায় মানুষের যেকোনো দরকারে সবার আগে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন তিনি ।সাভার উপজেলাবাসী তমিজ উদ্দিনকে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে পেলে কতটা উপকৃত হবেন ?আরও  পড়ুন, জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে- মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ এমপি​উপজেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী, ভাইস চেয়ারম্যান কেবল একটি প্রশাসনিক দায়িত্ব নয়, এটি স্থানীয় সামাজিক শান্তি, সার্বিক উন্নয়ন ও জনশৃঙ্খল নিশ্চিত করার মূল শক্তি । মোঃ তমিজ উদ্দিনের মতো একজন যোগ্য, সৎ, পরিচ্ছন্ন ও অহিংস চরিত্রের তরুণ নেতা ভাইস চেয়ারম্যান হলে সাভারবাসী অনেক উপকৃত হবেন । তরুণ সমাজকে সাথে নিয়ে তিনি গড়ে তুলতে চান  মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত নিরাপদ সাভার উপজেলা । যেখানে মা- বোনেরা রাতের বেলায়ও অবাদে এবং নির্ভয়ে চলাচল করতে পারবে । আসন্ন সাভার উপজেলা পরিষদ  নির্বাচন প্রসঙ্গে মোঃ তমিজ উদ্দিন বলেন,​"সাভারের রাজপথে রক্ত দিয়েছি, মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েছি বহুবার কিন্তু সাভারবাসীর ভালোবাসা থেকে কখনো একচুলও পিছপা হইনি । সাভার উপজেলাকে একটি মাদকমুক্ত, সন্ত্রাস মুক্ত,  আধুনিক, নিরাপদ ও শান্তিময় মডেল উপজেলায় রূপান্তরিত করাই আমার একমাত্র স্বপ্ন । সাভারবাসী যদি আমাকে ভালোবাসা ও সেবা করার সুযোগ দেন, তাহলে ডাঃ দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু ভাইয়ের অভিভাবকত্বে এবং সাভারের তরুণদের সঙ্গে নিয়ে একটি দুর্নীতিমুক্ত ও সুশৃঙ্খল সাভার উপজেলা পরিষদ উপহার দেব । দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের পাশে থেকে সেবা করাই হবে আমার আমৃত্যু অঙ্গীকার।"​বর্তমানে সাভারের সর্বস্তরের মানুষ সৎ , আদর্শবান, তারুণ্যের প্রতীক মোঃ তমিজ উদ্দিনকে নিয়ে আগামীর চিন্তা করছেন । ত্যাগের রাজনীতি, ক্লিন ইমেজ ও অদম্য সাহসিকতার প্রতীক হিসেবে সাভারবাসী মোঃ তমিজ উদ্দিনকে সাভার উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে পেতে চায় ।

আন্তর্জাতিক

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে সৌদি তেল সরবরাহে নতুন চাপ

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে সৌদি তেল সরবরাহে নতুন চাপ

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাব এবার সরাসরি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে পড়তে শুরু করেছে। অক্টোবরে ইউরোপের অন্তত দুটি তেল শোধনাগারে নির্ধারিত অপরিশোধিত তেল সরবরাহ করতে পারবে না বলে গ্রাহকদের জানিয়েছে সৌদি আরব।ইউরোপের বিভিন্ন শোধনাগার দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় সৌদি আরব থেকে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ অপরিশোধিত তেল কিনে থাকে। তবে জরুরি পরিস্থিতিতে চুক্তির সরবরাহ বাতিল করার সুযোগ রয়েছে।এর আগে কাতারও হরমুজ প্রণালির সামুদ্রিক অবরোধের কারণে এলএনজি রপ্তানিতে জারি থাকা জরুরি পরিস্থিতির ঘোষণা নভেম্বরের শুরু পর্যন্ত বাড়িয়েছে।সংঘাতের শুরুতে সৌদি আরব তুলনামূলক নিরাপদ অবস্থানে ছিল। কারণ দেশটির পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইন পারস্য উপসাগর এড়িয়ে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে তেল পরিবহনের সুযোগ দেয়।আরও  পড়ুন, হুতিদের ড্রোন ভূপাতিতের পর মক্কা চুক্তি নিয়ে খাজা আসিফতবে গত সপ্তাহে ড্রোন হামলায় পাইপলাইনটি অচল হয়ে পড়ে। সৌদি আরবের দাবি,হামলাটি ইরাক থেকে চালানো হয়েছে। অন্যদিকে ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী ইয়ানবু বন্দরসহ সৌদি আরামকোর বিভিন্ন তেল স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে।হুতিদের সঙ্গে সংঘাতের প্রভাবে লোহিত সাগর ও আশপাশের নৌপথে জাহাজ চলাচলও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে তেল ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বাড়ছে অনিশ্চয়তা।শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৩ ডলারে লেনদেন হয়েছে। জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, ডিজেল ও জেট ফুয়েলের মতো পরিশোধিত জ্বালানির দাম আরও বেশি বেড়েছে।এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে গত এক সপ্তাহে ডিজেলের দাম ৭ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও দামের ওপর এর প্রভাব আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

১ ঘন্টা আগে

রাজধানী

রাজধানীতে দুই শতাধিক চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি নিরাপত্তা জোরদার

রাজধানীতে দুই শতাধিক চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি নিরাপত্তা জোরদার

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনার পর নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।শুক্রবার রাত থেকে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সড়কে দুই শতাধিক চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।ঢাকা মহানগর পুলিশ জানিয়েছে, ঢাকায় প্রবেশের চারটি গুরুত্বপূর্ণ পথে পুলিশ কাজ করছে। পাশাপাশি বিভিন্ন সড়কে বাড়ানো হয়েছে টহল।শুক্রবারের ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি ও মামলা করা হয়েছে। ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।আরও  পড়ুন, ডিএমপির অভিযানে অস্ত্র মাদকসহ গ্রেফতার ৫১৫পুলিশের পাশাপাশি স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নও রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালিয়েছে।এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযানে ৫১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপি। এসব ঘটনায় ৪৭টি মামলা করা হয়েছে।ডিএমপি জানায়, রমনা বিভাগে ৩০ জন লালবাগে ৩৪ জন ওয়ারীতে ৬৪ জন মতিঝিলে ৭৬ জন তেজগাঁওয়ে ৯২ জন মিরপুরে ১২০ জন গুলশানে ৩৭ জন উত্তরা বিভাগে ৪৬ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।অভিযানে অস্ত্র গোলাবারুদ মাদকসহ বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।ডিএমপির জনসংযোগ ও গণমাধ্যম শাখার এডিসি নিয়াজ মেহেদী জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

৪৬ মিনিট আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

তারকা হওয়ার পথে বারবার বর্ণবাদের শিকার ইয়ামাল

তারকা হওয়ার পথে বারবার বর্ণবাদের শিকার ইয়ামাল

তারকা হয়ে ওঠার পথে হাজারোবার বর্ণবাদের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন বার্সেলোনার তরুণ ফরোয়ার্ড লামিন ইয়ামাল।সম্প্রচারমাধ্যম মুভিস্টারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন এই স্প্যানিশ তারকা।ইয়ামাল বলেন, মানুষ অনেক সময় পরোক্ষভাবে বর্ণবাদী আচরণ করে। কিন্তু তারা নিজেরাও হয়তো বুঝতে পারে না যে তাদের মন্তব্য কিংবা আচরণ আপত্তিকর বা বর্ণবাদী।তরুণ এই ফুটবলার জানান, তারকা হওয়ার পথে নিয়মিতভাবেই এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে তাকে। তাঁর ভাষায়, এমন ঘটনা ঘটেছে হাজারোবার।চলতি বছরের শুরুর দিকে স্পেনের সরকারি সংস্থা স্প্যানিশ অবজারভেটরি অন রেসিজম অ্যান্ড জেনোফোবিয়া জানিয়েছিল, ২০২৫ সালের শেষ দিকে অনলাইনে বর্ণবাদী আক্রমণের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে লামিন ইয়ামাল ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র অন্যতম প্রধান লক্ষ্যবস্তু ছিলেন।আরও  পড়ুন, সাতক্ষীরা পৌরসভা নির্বাচন আলোচনায় বিএনপির দুই প্রার্থীর মধ্যে মিঠু খান এগিয়ে২০২৪ সালের অক্টোবরে রিয়াল মাদ্রিদের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে এল ক্লাসিকোয়ও বর্ণবাদী আক্রমণের শিকার হন ইয়ামালসহ বার্সেলোনার কয়েকজন খেলোয়াড়।তবে বর্ণবাদ নিয়ে নিজের অবস্থানও স্পষ্ট করেছেন ইয়ামাল। তিনি বলেন, কেউ তাকে কালো বলে ডাকলে তাতে তাঁর সমস্যা নেই। কারণ তিনি নিজেকে কৃষ্ণাঙ্গ হিসেবেই পরিচয় দেন। তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো কথাটি কী উদ্দেশ্যে বলা হচ্ছে এবং সেটি অপমানজনক কি না।মাঠে দর্শকদের আচরণ নিয়েও নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন এই তরুণ ফুটবলার। তিনি জানান, শুধু অসম্মানজনক আচরণের কারণে প্রতিটি পরিস্থিতিতে তিনি রেগে যেতে চান না।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!