দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

যাত্রাবাড়ীর-সায়েদাবাদ এলাকায় একাধিক আবাসিক হোটেল ঘিরে অভিযোগ

অনৈতিক কর্মকাণ্ড, মাদক কারবার / যাত্রাবাড়ীর-সায়েদাবাদ এলাকায় একাধিক আবাসিক হোটেল ঘিরে অভিযোগ

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা এলাকার কয়েকটি আবাসিক হোটেলকে কেন্দ্র করে কথিত অনৈতিক কর্মকাণ্ড, মাদক কারবার, নারী পাচার এবং সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের তৎপরতার অভিযোগ উঠেছে। যাত্রাবাড়ী-মাওয়া সড়ক থেকে সায়েদাবাদ জনপদ মোড় পর্যন্ত বিভিন্ন হোটেলের কার্যক্রম নিয়ে উত্থাপিত এসব অভিযোগ স্থানীয় পর্যায়ে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, হোটেলগুলোর বৈধতা যাচাই এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত নজরদারি নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।অভিযোগে যাত্রাবাড়ী-মাওয়া সড়কের হোটেল রাজমহল ও হোটেল মেঘনা এবং সায়েদাবাদ জনপদ মোড় এলাকার হোটেল আল নাহিদ, কিং প্যালেস, রোজ গার্ডেন ও নিউ সাগতমের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দেওয়া তথ্যে এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কয়েকজন ব্যক্তির মালিকানা বা ব্যবস্থাপনাগত সংশ্লিষ্টতার কথাও বলা হয়েছে। তবে এসব তথ্যের স্বাধীন যাচাই, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তসংক্রান্ত নথি ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত প্রবেশপথ যাত্রাবাড়ী। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, মাওয়া সড়ক এবং সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালকেন্দ্রিক যোগাযোগব্যবস্থার কারণে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যাত্রী, পরিবহনশ্রমিক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ এ এলাকা দিয়ে যাতায়াত করেন। যাত্রীদের সাময়িক অবস্থান ও আবাসনের চাহিদা পূরণে এখানে বিভিন্ন আবাসিক হোটেল গড়ে উঠেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশ বৈধভাবে পরিচালিত হলে তা নগরজীবনের প্রয়োজনীয় সেবা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে কোনো প্রতিষ্ঠানের আড়ালে বেআইনি কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।আরও পড়ুন: মিরপুর মাজার রোডে ‘নিউ গোল্ডেন’ হোটেল ঘিরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মাদক সিন্ডিকেটযাত্রাবাড়ি থানাধীন যাত্রাবাড়ি মাওয়া রোডে হোটেল রাজ মহল, যাহার মালিক তারেক, জামাই হাসান এবং বিল্ডিং মালিক স্বৈরাচারী আ.লীগের আলামিন যিনি ছাত্র হত্যার মামলার আসামী ও বর্তমানে জেলখানায় অবস্থানরত আরো অনেকে, হোটেল মেঘনা যাহার মালিক শাহিন, এবং সায়দাবাদ জনপদ মোড়ে হোটেল আল নাহিদ, যাহার মালিক জসিম, তারেকসহ আরো অনেকে কিং প্যালেজ, যহার মালিক অভি, সাজ্জাদসহ আরো অনেকে, হোটেল রোজ গার্ডেন, যাহার মালিক মহমদ আলী ও স্বৈরাচারী আ.লীগের সোহাগ,  নিউ সাগতম যাহার মালিক আলামিন ওরফে মাসুম , সান্ত ও মধুসহ আরো অনেকে আবাসিক হোটেলের আড়ালে এরা নারী ও মাদক চক্রের একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। তবে তাদের সিন্ডিকেট থেকে মাসোহারা পেয়ে থাকেন পুলিশসহ আরো অনেকে বলে অপরাধীরা শিকারউক্তি দিয়েছেন।অভিযোগকারীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যাত্রাবাড়ী-মাওয়া সড়কের হোটেল রাজমহল ও হোটেল মেঘনাকে ঘিরে বিভিন্ন প্রশ্ন তোলা হয়েছে। একইভাবে সায়েদাবাদ জনপদ মোড়ের হোটেল আল নাহিদ, কিং প্যালেস, রোজ গার্ডেন ও নিউ সাগতমের নামও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব হোটেলের মালিকানা, পরিচালনাকারী ব্যক্তি, নিবন্ধন, ব্যবসায়িক অনুমোদন এবং প্রকৃত কার্যক্রম সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বৈধ কাগজপত্র, ব্যবসার ধরন, অতিথিদের তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা, কর্মীদের পরিচয় এবং আইনগত বাধ্যবাধকতা পালনের বিষয়গুলো পরীক্ষা করতে হবে। আরও পড়ুন:  আব্দুল্লাহপুরের ‘গ্রীন গার্ডেন’: আবাসিক হোটেলের আড়ালে কী চলছে?অভিযোগে কয়েকটি হোটেলকে কেন্দ্র করে মাদকদ্রব্যের অবৈধ লেনদেনের সম্ভাব্য তৎপরতার কথা বলা হয়েছে। মাদক কারবারের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। কোনো আবাসিক হোটেলে মাদক সংরক্ষণ, বিক্রি, সরবরাহ কিংবা সংশ্লিষ্ট অপরাধী চক্রের যোগাযোগ রয়েছে। মাদকদ্রব্যের অবৈধ বাণিজ্য কোনো এলাকায় বিস্তার লাভ করলে তার প্রভাব শুধু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। স্থানীয় তরুণদের ঝুঁকিতে পড়া, অপরাধের সঙ্গে নতুন ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত হওয়া, আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে বিরোধ এবং জননিরাপত্তার অবনতি ঘটার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।  অপরাধের ধরন ও সংশ্লিষ্টতার মাত্রা অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। উত্থাপিত অভিযোগগুলোর মধ্যে নারী পাচার এবং সংঘবদ্ধ শোষণচক্রের কথিত তৎপরতার বিষয়টিও রয়েছে। নারী পাচার, জোরপূর্বক আটকে রাখা, প্রতারণার মাধ্যমে কাজে নিয়োগ, ভয়ভীতি দেখিয়ে শোষণ কিংবা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ রয়েছে। তবে নারী পাচারের মতো গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রমাণ থাকা অপরিহার্য। কোনো নারীকে হোটেলে অবস্থান করতে দেখা, কোনো প্রতিষ্ঠানে কাজ করা কিংবা কারও সঙ্গে যোগাযোগ থাকার ভিত্তিতে তাঁকে পাচার বা অপরাধী চক্রের সদস্য হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। বয়স, সম্মতি, প্রতারণা, জবরদস্তি, শোষণের উদ্দেশ্য এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করে আইনগত সিদ্ধান্ত নিতে হয়। আরও পড়ুন:  দারুসসালামে অনুমোদনহীন অনৈতিক কর্মকান্ডে জসিম ও হারুনের দাপটযাত্রাবাড়ী এলাকার উল্লেখিত হোটেলগুলোর বিরুদ্ধে নারী পাচারসংক্রান্ত কোনো মামলা, সাধারণ ডায়েরি, উদ্ধার অভিযান কিংবা তদন্তের নথি রয়েছে রয়েছে। অভিযোগকারীদের বক্তব্যে কিছু হোটেলকে ঘিরে সংঘবদ্ধ ব্যক্তিদের তৎপরতা এবং মব-সহিংসতার মতো ঘটনার আশঙ্কার কথাও এসেছে। কোনো বিরোধকে কেন্দ্র করে একদল মানুষের জড়ো হওয়া, কাউকে ভয়ভীতি দেখানো, মারধর করা কিংবা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া জননিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক। অপরাধের অভিযোগ থাকলেও কাউকে গণপিটুনি দেওয়া বা জনতার চাপে শাস্তি দেওয়ার অধিকার কারও নেই। কোনো অভিযোগের বিচার করতে হবে আইনানুগ প্রক্রিয়ায়। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট থানার কাছ থেকে জানতে হবে, অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ কী ব্যবস্থা নিয়েছে এবং তদন্তের অগ্রগতি কী।স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের দৃশ্যমান উপস্থিতি, দ্রুত অভিযোগ গ্রহণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ। তবে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মব-সহিংসতা সংঘটনের অভিযোগ রয়েছে।অভিযোগে কয়েকজন ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের উল্লেখ রয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে ছাত্রহত্যার মামলায় আসামি থাকার কথাও বলা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি কারাগারে থাকলে তাঁর বর্তমান অবস্থান, মামলার পর্যায় এবং সংশ্লিষ্ট ঘটনার সময়কাল নির্ভরযোগ্য সূত্রে যাচাই করতে হবে। একই সঙ্গে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে নতুন কোনো অভিযোগ থাকলে তার সঙ্গে আগের মামলার সম্পর্ক আছে কি না, সেটিও আলাদাভাবে অনুসন্ধান করতে হবে।আরও পড়ুন:  বনানীতে শহিদের অবৈধ স্পা সেন্টার ঘিরে অন্ধকার জগৎযাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদ এলাকার আবাসিক হোটেলগুলোর বৈধতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিষ্ঠানের প্রযোজ্য লাইসেন্স ও নিবন্ধন, ভবন ব্যবহারের অনুমোদন, অগ্নিনিরাপত্তা, অতিথিদের পরিচয় সংরক্ষণ এবং কর্মীদের দায়িত্ব পালনের বিষয়গুলো নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা করা যেতে পারে। কোনো প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্রে অসংগতি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তা সংশোধনের সুযোগ, আইনগত নোটিশ কিংবা প্রযোজ্য বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয় বিবেচনা করতে হবে। আর অপরাধের নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট অপরাধের তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করতে হবে।স্থানীয় বাসিন্দা, পরিবহনশ্রমিক, দোকানদার, হোটেলকর্মী এবং সম্ভাব্য ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে অভিযোগের প্রকৃত চিত্র সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতে পারে। তবে তথ্যদাতাদের নিরাপত্তা রক্ষা এবং তাঁদের বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করতে হবে। স্থানীয়দের কেউ কোনো অপরাধের প্রত্যক্ষদর্শী হলে তাঁদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে তথ্য দেওয়ার সুযোগ থাকতে হবে। একই সঙ্গে অভিযোগ গ্রহণের পর কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা জানার জন্য কার্যকর যোগাযোগব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। আরও পড়ুন: গুলশানে বাহারের স্পা সেন্টার ঘিরে রহস্য অনৈতিক কারবারযাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদ এলাকার আবাসিক হোটেলগুলোকে ঘিরে উত্থাপিত অভিযোগগুলো অবহেলা করার সুযোগ নেই। অভিযোগের ভিত্তি থাকলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা, অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া এবং প্রশাসনিক তদারকির ঘাটতি থাকলে তা দূর করা জরুরি। একই সঙ্গে যাচাইবিহীন অভিযোগের কারণে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সুনামহানি যেন না ঘটে, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।একটি এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করতে নিয়মিত তদারকি, জনসাধারণের সঙ্গে পুলিশের যোগাযোগ, দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং প্রমাণভিত্তিক তদন্তের বিকল্প নেই। অপরাধ দমনের নামে হয়রানি যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি প্রভাবশালী পরিচয়ের কারণে কেউ যেন আইনের ঊর্ধ্বে থাকতে না পারেন, সেটিও নিশ্চিত করা প্রয়োজন। জননিরাপত্তা রক্ষা, সম্ভাব্য ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা এবং আবাসিক হোটেল খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার স্বার্থে বিষয়টি যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন। নিরপেক্ষ অনুসন্ধান ও জবাবদিহিই পারে অভিযোগের আড়ালে থাকা প্রকৃত সত্য সামনে আনতে এবং যাত্রাবাড়ী এলাকার মানুষের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনতে।

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

সংসদ মেডিকেল সেন্টারে ফিজিওথেরাপি ও আধুনিক পরীক্ষার যন্ত্রপাতি সংযোজনের প্রস্তাব

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের পার্লামেন্ট মেডিকেল সেন্টারকে আরও আধুনিক ও মানসম্মত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসাসেবার পরিধি বাড়াতে সেখানে ১০ শয্যাবিশিষ্ট একটি হাসপাতাল নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে চিকিৎসক, নার্সসহ প্রয়োজনীয় জনবল বৃদ্ধি এবং আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সংযোজনের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মেডিকেল সেন্টারের সেবার মান উন্নয়ন এবং সেবা বিষয়ে পরামর্শ ও তদারকিসংক্রান্ত কমিটির প্রথম সভায় এসব প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। কমিটির সভাপতি ও হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর সভাপতিত্বে সভায় কমিটির সদস্য হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া এবং সংসদ সদস্য ইকরামুল বারী টিপুসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় মেডিকেল সেন্টারের সাংগঠনিক কাঠামো সংশোধন করে চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য জনবল বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। আরও পড়ুন,কলকাতার হাসপাতালে মারা গেলেন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা রোটনপাশাপাশি একটি আধুনিক ফিজিওথেরাপি সেন্টার স্থাপন এবং ইকো, ইসিজি, সিটি স্ক্যান, ওপিজি, আরপিজি ও প্যাথলজি পরীক্ষার যন্ত্রপাতি উন্নত করার প্রস্তাব উঠে আসে। এ ছাড়া জরুরি রোগীদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউ সুবিধাসম্পন্ন অ্যাম্বুলেন্স চালুর বিষয়েও আলোচনা হয়। প্রস্তাবিত উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নে বিশেষ বরাদ্দের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। এ জন্য সংসদ সচিবালয়ের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ চাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। অন্যদিকে, সংসদ মেডিকেল সেন্টার থেকে বিভিন্ন হাসপাতালে রেফার করা রোগীদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে আশপাশের স্বনামধন্য হাসপাতালগুলোর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সইয়ের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে সংসদ মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা বাড়তে পারে। তবে হাসপাতাল নির্মাণ, জনবল নিয়োগ ও আধুনিক সরঞ্জাম সংযোজনের প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের অগ্রগতি নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত ও প্রয়োজনীয় বরাদ্দের ওপর।

মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় পরিবার ও সমাজের সহযোগিতা জরুরি: রাষ্ট্রপতি

মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতা ও সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে তাঁদের যথাযথ চিকিৎসা ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পরিবার, সমাজ এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্মিলিত ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস-২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। দিবসটি পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি দেশের সব নাগরিকের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান জানান।এ বছরের দিবসের প্রতিপাদ্য ‘জীবনের কথা শুনি, বাস্তব পরিবর্তন আনি’ বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। তাঁর মতে, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার অভিজ্ঞতা রয়েছে এমন ব্যক্তিদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং নীতিনির্ধারণ ও সেবা পরিকল্পনায় তাঁদের অভিজ্ঞতা ও মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া এই প্রতিপাদ্যের মূল বার্তা।আরও পড়ুন, দিল্লিতে মমতা ব্যানার্জিকে আটক করল পুলিশ, সঙ্গে তৃণমূল নেতারাওরাষ্ট্রপতি বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য মানুষের সার্বিক সুস্থতা, কর্মক্ষমতা ও জীবনমানের অপরিহার্য অংশ। অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা, সামাজিক অস্থিরতা, একাকিত্ব, মাদকাসক্তি, পারিবারিক ও কর্মক্ষেত্রের চাপসহ নানা প্রতিকূলতা মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলে। তাই শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক সুস্থতাকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।তিনি আরও বলেন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সমন্বিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা দ্রুত শনাক্ত করা এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় সেবা পৌঁছে দিতে পরিবার ও সমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার ক্ষেত্রে ঝাড়ফুঁক বা অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতির পরিবর্তে যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণে জনসচেতনতা তৈরির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি।তিনি আশা প্রকাশ করেন, মানসিকভাবে সুস্থ ও কর্মক্ষম জাতি গঠনে সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করবেন। একই সঙ্গে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন তিনি।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত, নীলক্ষেতে পরীক্ষার্থীদের অবরোধ

প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১১টায় পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও ঠিক আগমুহূর্তে স্থগিতের ঘোষণা আসে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রাজধানীর নীলক্ষেত মোড়ে অবরোধ ও বিক্ষোভ করেন পরীক্ষার্থীরা।পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, পরীক্ষা শুরুর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়েছিল। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে বলে তাঁরা মনে করছেন। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্তের ফল জানা যায়নি।রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে আসা এক চাকরিপ্রত্যার্থী জানান, নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা শুরুর ১৫ মিনিট আগে প্রশ্নপত্র সরবরাহ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কেন্দ্রে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে তা হয়নি। সকাল ১১টায় পরীক্ষা শুরু না হওয়ায় পরীক্ষার্থীরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে কক্ষ থেকে বের হলে তাঁদের জানানো হয়, পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না।আরও পড়ুন, তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৩আরেক পরীক্ষার্থী বলেন, পরীক্ষার আগেই ফেসবুকে সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের প্রশ্ন বলে কিছু প্রশ্ন ছড়িয়ে পড়েছিল। পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা শেষ মুহূর্তে আসায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা প্রার্থীদের যাতায়াত, থাকা ও অন্যান্য খরচের কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে।পরীক্ষার্থীরা প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ২৪২টি পদের বিপরীতে সারা দেশ থেকে তিন লাখের বেশি প্রার্থীর এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল। এ জন্য রাজধানীর প্রায় ১০০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল।পরীক্ষা স্থগিত হওয়ায় এখন নিয়োগ প্রক্রিয়ার পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা দ্রুত নতুন পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৩

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল নিক্ষেপের ঘটনায় সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুরে তাঁদের আটক করা হয়। তবে ঘটনার সময় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে দুর্বৃত্তরা। এর মধ্যে একটি বিস্ফোরিত হয়। অপর ককটেলটি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বোম ডিসপোজাল ইউনিট বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করে।ঘটনার পরপরই জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। প্রাথমিক তথ্যে জানা যায়, দুই মোটরসাইকেল আরোহী ঘটনাস্থলে এসে প্রায় দুই থেকে তিন মিনিট অবস্থান করেন। এ সময় তাঁরা আশপাশ পর্যবেক্ষণ করে দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে দ্রুত চলে যান।আরও পড়ুন , শিগগিরই সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানপুলিশ জানায়, মোটরসাইকেল আরোহীরা পরে আগারগাঁও হয়ে কাফরুল রোডের দিকে চলে যান বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাঁদের শনাক্ত করতে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। ফুটেজ বিশ্লেষণের পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হলেও তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিস্তারিত এবং ঘটনার সঙ্গে তাঁদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তদন্তের চূড়ান্ত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি। একই সঙ্গে ককটেল নিক্ষেপে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার না হওয়ায় সেটির সন্ধানেও কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনের সামনে এ ধরনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তবে ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য এবং কারা এতে জড়িত, তা তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

রাজনীতিরাজনীতি

নতুন লোগো-ওয়েবসাইট উন্মোচন করল জাগপা, সম্মেলন ২ জানুয়ারি

নতুন লোগো-ওয়েবসাইট উন্মোচন করল জাগপা, সম্মেলন ২ জানুয়ারি

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি—জাগপার নতুন লোগো ও ওয়েবসাইট উন্মোচন করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলের জাতীয় সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ, গঠনতন্ত্র সংস্কার এবং আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১০টায় রাজধানীর আসাদ গেটে জাগপার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম প্রেসিডিয়াম কমিটির বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জাগপার সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান এমপি। সভা শেষে তিনি বলেন, সংবিধান সংস্কারের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর নিজস্ব গঠনতন্ত্রেও সংস্কার প্রয়োজন। আধিপত্যবাদ ও স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সব পর্যায়ে সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এবার দলের গঠনতন্ত্র নতুনভাবে সাজানো ও সংস্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি ১১ দলীয় ঐক্যের শরিক হিসেবে আন্দোলন-সংগ্রামে আরও জোরালো ভূমিকা রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।জাগপার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন জানান, আগামী ২ জানুয়ারি দলের জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনের আগে সারা দেশের সাংগঠনিক জেলা ও মহানগর কমিটি পুনর্গঠন করা হবে।আরও পড়ুন,গুলশানে বিএনপির নীতিনির্ধারণী বৈঠক, সভাপতিত্বে তারেক রহমানঅন্যদিকে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের অংশগ্রহণের বিষয়ে জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেন, যেসব ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভায় দলের যোগ্য প্রার্থী রয়েছেন, তাঁরা নির্বাচনে অংশ নেবেন। তবে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জাগপা নিজস্ব প্রার্থী দেবে না। এ ক্ষেত্রে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের যোগ্যতর প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন জাগপার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি রাশেদ প্রধান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহিদুর রহমান বাবলাসহ প্রেসিডিয়াম কমিটির অন্যান্য সদস্য।নতুন লোগো ও ওয়েবসাইট উন্মোচনের পাশাপাশি সাংগঠনিক পুনর্গঠন, গঠনতন্ত্র সংস্কার এবং নির্বাচনী পরিকল্পনা—এই তিনটি বিষয়কে সামনে রেখে দলটির পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

গুলশানে বিএনপির নীতিনির্ধারণী বৈঠক, সভাপতিত্বে তারেক রহমান

গুলশানে বিএনপির নীতিনির্ধারণী বৈঠক, সভাপতিত্বে তারেক রহমান

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বৈঠক শুরুর বিষয়টি জানিয়েছেন। বৈঠকে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী উপস্থিত রয়েছেন। এ ছাড়া উপস্থিত রয়েছেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আরও পড়ুন,কলকাতার হাসপাতালে মারা গেলেন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা রোটন আমান উল্লাহ আমান, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার ও মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের এই বৈঠকে সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, দলীয় কার্যক্রম এবং সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। তবে বৈঠকের নির্দিষ্ট আলোচ্যসূচি কিংবা গৃহীত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানানো হয়নি। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটি দলটির গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী ফোরাম। এই কমিটির বৈঠকে দলীয় অবস্থান, সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং রাজনৈতিক কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়ে থাকে। বৈঠক শেষে আলোচনার বিষয়বস্তু ও সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হলে বিএনপির পরবর্তী রাজনৈতিক কর্মসূচি ও দলীয় অবস্থান সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

কলকাতার হাসপাতালে মারা গেলেন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা রোটন

কলকাতার হাসপাতালে মারা গেলেন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা রোটন

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন মারা গেছেন। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে ভারতের কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন।তাঁর মৃত্যুর খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক শোকবার্তার মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম। শোকবার্তায় তিনি রোটনকে নিজের ভাই, সহযোদ্ধা ও সুখ-দুঃখের সঙ্গী হিসেবে উল্লেখ করে গভীর শোক প্রকাশ করেন।এনামুল হক শামীম তাঁর বার্তায় লেখেন, মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের চলে যাওয়ার বেদনা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। অল্প সময়ের মধ্যে তাঁকে হারানোর বিষয়টি মেনে নেওয়া কঠিন বলেও শোকবার্তায় উল্লেখ করেন তিনি।মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আরও পড়ুন, দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন করতে সজাগ থাকবে বিএনপি: গয়েশ্বরওই সময় সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন মাহমুদ হাসান রিপন।ছাত্রলীগের রাজনীতিতে দায়িত্ব পালনের পর রোটন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেও সক্রিয় হন। তাঁর বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায়। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে ২০২১ সালে আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক উপকমিটির সদস্য হিসেবেও মনোনীত হন তিনি।দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক জীবনে ছাত্রসংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে দায়িত্ব পালন এবং পরবর্তী সময়ে দলীয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ততার মধ্য দিয়ে পরিচিতি লাভ করেন রোটন।তাঁর মৃত্যুর খবরে রাজনৈতিক সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর মরদেহ দেশে আনা এবং দাফনসংক্রান্ত পরবর্তী কর্মসূচির বিষয়ে প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন করতে সজাগ থাকবে বিএনপি: গয়েশ্বর

দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন করতে সজাগ থাকবে বিএনপি: গয়েশ্বর

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদ্‌যাপন নিশ্চিত করতে বিএনপির নেতাকর্মীরা ভ্যানগার্ড বা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাতে সাভার নামাবাজারের পঞ্চবটি আশ্রমে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সাভার পৌর এলাকার বিভিন্ন মন্দির ও পূজামণ্ডপের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আসন্ন দুর্গাপূজা ঘিরে মানুষের মধ্যে নানা ধরনের আশঙ্কা থাকতে পারে। তবে সেই আশঙ্কা যেন বাস্তবে রূপ না নেয়, সে জন্য বিএনপির নেতাকর্মীরা সর্বদা সজাগ রয়েছেন। কোথাও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে দেওয়া হবে না বলেও তিনি আশ্বাস দেন।তিনি আরও বলেন, পূজা উদ্‌যাপন নিয়ে মানুষের মধ্যে যাতে আতঙ্ক তৈরি না হয়, আরও  পড়ুন ,দুর্গাপূজার নিরাপত্তা ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বিএনপির কমিটিসে জন্য বিএনপির নেতাকর্মীরা চারদিকে ভ্যানগার্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।শহীদ মজনু ফাউন্ডেশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সাভার পৌরসভার মেয়র প্রার্থী ও ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো. খোরশেদ আলম। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন বাবু।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইব্রাহিম মিয়া, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি মো. আশরাফ উদ্দিন খান, শহীদ মজনু ফাউন্ডেশনের মহাসচিব নাজমুল হাসান অভি এবং ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবালসহ অন্যরা।সভা শেষে বিভিন্ন পূজামণ্ডপের নেতৃবৃন্দের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেওয়া হয়। এ সময় সনাতন ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং সাভার পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের বিএনপি নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সারাবাংলা

তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে নারায়ণগঞ্জ জেলা রোভারের ডে ক্যাম্প

তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে নারায়ণগঞ্জ জেলা রোভারের ডে ক্যাম্প

তরুণদের দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলি ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশের লক্ষ্যে বাংলাদেশ স্কাউটস, নারায়ণগঞ্জ জেলা রোভারের আয়োজনে ‘ডে ক্যাম্প ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (১০ অক্টোবর ২০২৬) আয়োজিত এ ডে ক্যাম্পে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা রোভারের সভাপতি মোঃ রায়হান কবির।স্কাউটিং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলি, শৃঙ্খলাবোধ, দেশপ্রেম, আরও পড়ুন,সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরে মাদকবিরোধী প্রচারণা, তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বানমানবিক মূল্যবোধ ও সেবার মানসিকতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। স্কাউটিংয়ের মাধ্যমে তরুণরা দায়িত্বশীলতা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার শিক্ষা লাভ করে।এ ধরনের আয়োজন রোভার স্কাউটদের দক্ষতা বৃদ্ধি, নেতৃত্বের সক্ষমতা বিকাশ এবং সমাজ ও দেশের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করতে উৎসাহিত করে। পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে স্কাউটিং কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরে মাদকবিরোধী প্রচারণা, তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান

সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরে মাদকবিরোধী প্রচারণা, তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান

মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষার লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নের নয়াবাড়ি এলাকায় মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) স্থানীয় সামাজিক সংগঠন নয়াবাড়ি সমাজকল্যাণ সংঘের উদ্যোগে নয়াবাড়ি মসজিদসংলগ্ন এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।ক্যাম্পেইনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাঁচপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শাহ আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান মো. হোসাইন, নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ রুবেল হোসেন, মো. আব্দুর রউফ, মেম্বার পদপ্রার্থী নজরুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী মোহাম্মদ ওসমান গনি এবং কাঁচপুর ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই আরিফুল ইসলাম।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবন ধ্বংস করে না, এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে পুরো পরিবার ও সমাজের ওপর। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম মাদকের সংস্পর্শে এলে তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। তাই মাদকের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।তারা বলেন, মাদক প্রতিরোধে শুধু আইন প্রয়োগ যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা ও পারিবারিক নজরদারি। তরুণদের খেলাধুলা, আরও পড়ুন,কালীগঞ্জে স্বামীহারা পরমিলাকে ঘরে ফিরিয়ে দিলেন ইউএনওসাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং গঠনমূলক সামাজিক কাজে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে মাদক থেকে দূরে রাখা সম্ভব। একই সঙ্গে মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের সুযোগ তৈরি করে তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সহযোগিতা করা জরুরি।বক্তারা নয়াবাড়ি ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তারা বলেন, প্রত্যেক নাগরিক নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন ভূমিকা রাখলে মাদকের বিস্তার রোধ এবং নিরাপদ সমাজ প্রতিষ্ঠা সহজ হবে।এ সময় নয়াবাড়ি সমাজকল্যাণ সংঘের সদস্য মো. মাহাবুব আলম, মো. মাহফুজ, মো. বিল্লাল হোসেন, মো. আব্দুল্লাহ আল মারুফ, মো. মেহেদি হাসান, মো. সাদ্দাম হোসেন ও মো. আকাশসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।স্থানীয়রা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কর্মসূচি নিয়মিত আয়োজন করা হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়বে এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ঝুঁকি থেকে রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।নয়াবাড়ি সমাজকল্যাণ সংঘের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

কালীগঞ্জে স্বামীহারা পরমিলাকে ঘরে ফিরিয়ে দিলেন ইউএনও

কালীগঞ্জে স্বামীহারা পরমিলাকে ঘরে ফিরিয়ে দিলেন ইউএনও

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠা স্বামীহারা বৃদ্ধা পরমিলাকে তাঁর নিজ বাড়িতে ফিরিয়ে দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা নাহিদ। দুই ছেলে, ছেলের বউ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে পারিবারিক বিরোধ মীমাংসার উদ্যোগ নেন তিনি। পরে বৃদ্ধাকে তাঁর ঘরে তুলে দেন ইউএনও। মানবিক এ ঘটনাটি ঘটে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে। সভা শেষ করে গাড়িতে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ইউএনও রেজওয়ানা নাহিদ। এ সময় এক বৃদ্ধা তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে আসেন। কাছে গিয়ে তিনি দেখতে পান, বৃদ্ধা কান্নাকাটি করছেন। তাঁর কান্নার কারণ জানতে চাইলে বৃদ্ধা জানান, ছেলেরা তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন। থাকার মতো অন্য কোনো জায়গাও তাঁর নেই। বৃদ্ধার অসহায়ত্বের কথা শুনে তাঁকে গাড়িতে উঠতে বলেন ইউএনও। এরপর তাঁর বাড়িতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। গাড়িতে যেতে যেতে বৃদ্ধার পরিচয় ও পারিবারিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে পারেন। বৃদ্ধার নাম পরমিলা। তাঁর স্বামী অনেক আগেই মারা গেছেন। জীবিকার তাগিদে অন্যের বাড়িতে কাজ করেন তিনি। তাঁর বাড়ি কালীগঞ্জ উপজেলার ১ নম্বর সুন্দরপুর-দুর্গাপুর ইউনিয়নের বড় ভাটপাড়া গ্রামে। আরও পড়ুন,টুঙ্গিপাড়ায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের প্রস্তুতি, মাঠকর্মীদের প্রশিক্ষণ শুরুপরিস্থিতি জানার পর বৃদ্ধাকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর বাড়িতে পৌঁছান ইউএনও। সেখানে পরমিলার দুই ছেলে, ছেলের বউ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। আলোচনার মাধ্যমে পারিবারিক বিরোধ মিটিয়ে বৃদ্ধাকে তাঁর ঘরে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। একজন স্বামীহারা ও অসহায় বৃদ্ধার পাশে দাঁড়িয়ে ইউএনওর এমন মানবিক উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে পারিবারিক সম্পর্কের গুরুত্ব ও সামাজিক দায়িত্ববোধের বিষয়টি সামনে এনেছে। পরিবারে মতবিরোধ থাকলেও তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা প্রয়োজন—এমন বার্তাও উঠে এসেছে ঘটনাটিতে। এ বিষয়ে ইউএনও রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, “প্রতিটি পরিবারের মাঝে পারিবারিক সম্পর্ক সুদৃঢ় হোক।” তাঁর এ উদ্যোগের মধ্য দিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং পারিবারিক বিরোধ নিরসনে প্রশাসনের মানবিক ভূমিকার একটি দৃষ্টান্ত তৈরি হলো।

টুঙ্গিপাড়ায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের প্রস্তুতি, মাঠকর্মীদের প্রশিক্ষণ শুরু

টুঙ্গিপাড়ায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের প্রস্তুতি, মাঠকর্মীদের প্রশিক্ষণ শুরু

সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগী পরিবার চিহ্নিতকরণ, প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ এবং সংগৃহীত তথ্য যাচাইয়ের জন্য মাঠকর্মীদের প্রস্তুত করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে এ কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১০টায় টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদের বজ্রকণ্ঠ হলরুমে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে মোট ৫২ জন মাঠকর্মীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে ১৫ জন প্রশিক্ষণার্থীর অংশগ্রহণে প্রশিক্ষণ শুরু হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী। সভাপতিত্ব করেন টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ দিদারুল আলম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা প্রকাশ চক্রবর্তী।আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, ১০ ও ১১ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলবে। প্রশিক্ষণ শেষে মাঠকর্মীরা নির্ধারিত এলাকায় গিয়ে সম্ভাব্য উপকারভোগী পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করবেন। পাশাপাশি সংগৃহীত তথ্যের যথার্থতা যাচাইয়ের কাজও করবেন তাঁরা। এ লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। আরও পড়ুন,খাবারের প্রলোভনে ১২ বছরের শিশুকে অপহরণ, ভারতে পাচারের আগেই উদ্ধারকর্মসূচির প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে উপজেলার ৩ নম্বর গোপালপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হবে। এরপর ৪ নম্বর পাটগাতী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার অন্যান্য এলাকাতেও তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ের কাজ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য এস এম জিলানী বলেন, সরকার পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। প্রতিটি ফ্যামিলি কার্ডের বিপরীতে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সহায়তা দেওয়া হবে। এ সহায়তা উপকারভোগী পরিবারগুলোর জন্য কিছুটা হলেও উপকার বয়ে আনবে। সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ দিদারুল আলম ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে সঠিক তথ্য সংগ্রহের গুরুত্ব তুলে ধরেন। কর্মসূচির কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা প্রকাশ চক্রবর্তী জানান, ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১০ ও ১১ অক্টোবর পর্যায়ক্রমে মোট ৫২ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষ হলে তাঁদের পুরো উপজেলায় তথ্য সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত করা হবে।সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, প্রশিক্ষিত মাঠকর্মীদের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই কার্যক্রম সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হবে। এর ফলে কর্মসূচির আওতায় সম্ভাব্য উপকারভোগী পরিবারগুলোর তথ্য নির্ভুলভাবে প্রস্তুত করা সহজ হবে এবং টুঙ্গিপাড়ায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

আন্তর্জাতিক

হ্যারিকেন ইসাইয়াসের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত ফ্লোরিডা ও আলাবামা

হ্যারিকেন ইসাইয়াসের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত ফ্লোরিডা ও আলাবামা

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা উপকূলে ঘণ্টায় ১৭০ কিলোমিটার বেগে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী হ্যারিকেন ‘ইসাইয়াস’। ঝড়ের প্রভাবে ফ্লোরিডা ও আলাবামা অঙ্গরাজ্যে সাত লাখের বেশি মানুষ বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছেন। বিভিন্ন এলাকায় গাছপালা ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়ার পাশাপাশি জলাবদ্ধতায় ব্যাহত হচ্ছে সড়ক যোগাযোগ। প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার (১০ অক্টোবর) ফ্লোরিডার ডেসটিন শহরের কাছে আঘাত হানে ঝড়টি। মেক্সিকো উপসাগরের উষ্ণ পানির কারণে দ্রুত শক্তি সঞ্চয় করে এটি শক্তিশালী হ্যারিকেনে পরিণত হয়। উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো বাতাসে বেশ কয়েকটি বাড়ির ছাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভেঙে পড়া গাছের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে অনেক সড়ক। ঝড়ের তীব্রতা ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ফ্লোরিডার কয়েকটি এলাকায় রাতের বেলায় উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে হয়। আরও পড়ুন,দিল্লিতে মমতা ব্যানার্জিকে আটক করল পুলিশ, সঙ্গে তৃণমূল নেতারাওপরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও জরুরি সেবাকর্মীদের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডেসান্টিস বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। ঝড়ের কারণে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রেক্ষাপটে আলাবামায় নির্ধারিত সফর বাতিল করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আবহাওয়াবিদদের তথ্য অনুযায়ী, হ্যারিকেনটি দুর্বল হয়ে এলেও এর প্রভাবে ফ্লোরিডা ও আশপাশের এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত এবং আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি রয়েছে। ফলে ঝড়-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ রয়ে গেছে। এ ছাড়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলের দিকে আরও দুটি শক্তিশালী ঝড় এগিয়ে আসছে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। সব মিলিয়ে, হ্যারিকেন ইসাইয়াসের আঘাতে ফ্লোরিডা ও আলাবামার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ, সড়ক যোগাযোগ এবং জরুরি উদ্ধার কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলা ও বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

৬ ঘন্টা আগে

রাজধানী

যাত্রাবাড়ীর-সায়েদাবাদ এলাকায় একাধিক আবাসিক হোটেল ঘিরে অভিযোগ

অনৈতিক কর্মকাণ্ড, মাদক কারবার / যাত্রাবাড়ীর-সায়েদাবাদ এলাকায় একাধিক আবাসিক হোটেল ঘিরে অভিযোগ

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা এলাকার কয়েকটি আবাসিক হোটেলকে কেন্দ্র করে কথিত অনৈতিক কর্মকাণ্ড, মাদক কারবার, নারী পাচার এবং সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের তৎপরতার অভিযোগ উঠেছে। যাত্রাবাড়ী-মাওয়া সড়ক থেকে সায়েদাবাদ জনপদ মোড় পর্যন্ত বিভিন্ন হোটেলের কার্যক্রম নিয়ে উত্থাপিত এসব অভিযোগ স্থানীয় পর্যায়ে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, হোটেলগুলোর বৈধতা যাচাই এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত নজরদারি নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।অভিযোগে যাত্রাবাড়ী-মাওয়া সড়কের হোটেল রাজমহল ও হোটেল মেঘনা এবং সায়েদাবাদ জনপদ মোড় এলাকার হোটেল আল নাহিদ, কিং প্যালেস, রোজ গার্ডেন ও নিউ সাগতমের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দেওয়া তথ্যে এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কয়েকজন ব্যক্তির মালিকানা বা ব্যবস্থাপনাগত সংশ্লিষ্টতার কথাও বলা হয়েছে। তবে এসব তথ্যের স্বাধীন যাচাই, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তসংক্রান্ত নথি ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত প্রবেশপথ যাত্রাবাড়ী। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, মাওয়া সড়ক এবং সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালকেন্দ্রিক যোগাযোগব্যবস্থার কারণে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যাত্রী, পরিবহনশ্রমিক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ এ এলাকা দিয়ে যাতায়াত করেন। যাত্রীদের সাময়িক অবস্থান ও আবাসনের চাহিদা পূরণে এখানে বিভিন্ন আবাসিক হোটেল গড়ে উঠেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশ বৈধভাবে পরিচালিত হলে তা নগরজীবনের প্রয়োজনীয় সেবা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে কোনো প্রতিষ্ঠানের আড়ালে বেআইনি কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।আরও পড়ুন: মিরপুর মাজার রোডে ‘নিউ গোল্ডেন’ হোটেল ঘিরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মাদক সিন্ডিকেটযাত্রাবাড়ি থানাধীন যাত্রাবাড়ি মাওয়া রোডে হোটেল রাজ মহল, যাহার মালিক তারেক, জামাই হাসান এবং বিল্ডিং মালিক স্বৈরাচারী আ.লীগের আলামিন যিনি ছাত্র হত্যার মামলার আসামী ও বর্তমানে জেলখানায় অবস্থানরত আরো অনেকে, হোটেল মেঘনা যাহার মালিক শাহিন, এবং সায়দাবাদ জনপদ মোড়ে হোটেল আল নাহিদ, যাহার মালিক জসিম, তারেকসহ আরো অনেকে কিং প্যালেজ, যহার মালিক অভি, সাজ্জাদসহ আরো অনেকে, হোটেল রোজ গার্ডেন, যাহার মালিক মহমদ আলী ও স্বৈরাচারী আ.লীগের সোহাগ,  নিউ সাগতম যাহার মালিক আলামিন ওরফে মাসুম , সান্ত ও মধুসহ আরো অনেকে আবাসিক হোটেলের আড়ালে এরা নারী ও মাদক চক্রের একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। তবে তাদের সিন্ডিকেট থেকে মাসোহারা পেয়ে থাকেন পুলিশসহ আরো অনেকে বলে অপরাধীরা শিকারউক্তি দিয়েছেন।অভিযোগকারীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যাত্রাবাড়ী-মাওয়া সড়কের হোটেল রাজমহল ও হোটেল মেঘনাকে ঘিরে বিভিন্ন প্রশ্ন তোলা হয়েছে। একইভাবে সায়েদাবাদ জনপদ মোড়ের হোটেল আল নাহিদ, কিং প্যালেস, রোজ গার্ডেন ও নিউ সাগতমের নামও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব হোটেলের মালিকানা, পরিচালনাকারী ব্যক্তি, নিবন্ধন, ব্যবসায়িক অনুমোদন এবং প্রকৃত কার্যক্রম সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বৈধ কাগজপত্র, ব্যবসার ধরন, অতিথিদের তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা, কর্মীদের পরিচয় এবং আইনগত বাধ্যবাধকতা পালনের বিষয়গুলো পরীক্ষা করতে হবে। আরও পড়ুন:  আব্দুল্লাহপুরের ‘গ্রীন গার্ডেন’: আবাসিক হোটেলের আড়ালে কী চলছে?অভিযোগে কয়েকটি হোটেলকে কেন্দ্র করে মাদকদ্রব্যের অবৈধ লেনদেনের সম্ভাব্য তৎপরতার কথা বলা হয়েছে। মাদক কারবারের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। কোনো আবাসিক হোটেলে মাদক সংরক্ষণ, বিক্রি, সরবরাহ কিংবা সংশ্লিষ্ট অপরাধী চক্রের যোগাযোগ রয়েছে। মাদকদ্রব্যের অবৈধ বাণিজ্য কোনো এলাকায় বিস্তার লাভ করলে তার প্রভাব শুধু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। স্থানীয় তরুণদের ঝুঁকিতে পড়া, অপরাধের সঙ্গে নতুন ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত হওয়া, আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে বিরোধ এবং জননিরাপত্তার অবনতি ঘটার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।  অপরাধের ধরন ও সংশ্লিষ্টতার মাত্রা অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। উত্থাপিত অভিযোগগুলোর মধ্যে নারী পাচার এবং সংঘবদ্ধ শোষণচক্রের কথিত তৎপরতার বিষয়টিও রয়েছে। নারী পাচার, জোরপূর্বক আটকে রাখা, প্রতারণার মাধ্যমে কাজে নিয়োগ, ভয়ভীতি দেখিয়ে শোষণ কিংবা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ রয়েছে। তবে নারী পাচারের মতো গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রমাণ থাকা অপরিহার্য। কোনো নারীকে হোটেলে অবস্থান করতে দেখা, কোনো প্রতিষ্ঠানে কাজ করা কিংবা কারও সঙ্গে যোগাযোগ থাকার ভিত্তিতে তাঁকে পাচার বা অপরাধী চক্রের সদস্য হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। বয়স, সম্মতি, প্রতারণা, জবরদস্তি, শোষণের উদ্দেশ্য এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করে আইনগত সিদ্ধান্ত নিতে হয়। আরও পড়ুন:  দারুসসালামে অনুমোদনহীন অনৈতিক কর্মকান্ডে জসিম ও হারুনের দাপটযাত্রাবাড়ী এলাকার উল্লেখিত হোটেলগুলোর বিরুদ্ধে নারী পাচারসংক্রান্ত কোনো মামলা, সাধারণ ডায়েরি, উদ্ধার অভিযান কিংবা তদন্তের নথি রয়েছে রয়েছে। অভিযোগকারীদের বক্তব্যে কিছু হোটেলকে ঘিরে সংঘবদ্ধ ব্যক্তিদের তৎপরতা এবং মব-সহিংসতার মতো ঘটনার আশঙ্কার কথাও এসেছে। কোনো বিরোধকে কেন্দ্র করে একদল মানুষের জড়ো হওয়া, কাউকে ভয়ভীতি দেখানো, মারধর করা কিংবা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া জননিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক। অপরাধের অভিযোগ থাকলেও কাউকে গণপিটুনি দেওয়া বা জনতার চাপে শাস্তি দেওয়ার অধিকার কারও নেই। কোনো অভিযোগের বিচার করতে হবে আইনানুগ প্রক্রিয়ায়। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট থানার কাছ থেকে জানতে হবে, অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ কী ব্যবস্থা নিয়েছে এবং তদন্তের অগ্রগতি কী।স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের দৃশ্যমান উপস্থিতি, দ্রুত অভিযোগ গ্রহণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ। তবে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মব-সহিংসতা সংঘটনের অভিযোগ রয়েছে।অভিযোগে কয়েকজন ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের উল্লেখ রয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে ছাত্রহত্যার মামলায় আসামি থাকার কথাও বলা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি কারাগারে থাকলে তাঁর বর্তমান অবস্থান, মামলার পর্যায় এবং সংশ্লিষ্ট ঘটনার সময়কাল নির্ভরযোগ্য সূত্রে যাচাই করতে হবে। একই সঙ্গে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে নতুন কোনো অভিযোগ থাকলে তার সঙ্গে আগের মামলার সম্পর্ক আছে কি না, সেটিও আলাদাভাবে অনুসন্ধান করতে হবে।আরও পড়ুন:  বনানীতে শহিদের অবৈধ স্পা সেন্টার ঘিরে অন্ধকার জগৎযাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদ এলাকার আবাসিক হোটেলগুলোর বৈধতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিষ্ঠানের প্রযোজ্য লাইসেন্স ও নিবন্ধন, ভবন ব্যবহারের অনুমোদন, অগ্নিনিরাপত্তা, অতিথিদের পরিচয় সংরক্ষণ এবং কর্মীদের দায়িত্ব পালনের বিষয়গুলো নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা করা যেতে পারে। কোনো প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্রে অসংগতি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তা সংশোধনের সুযোগ, আইনগত নোটিশ কিংবা প্রযোজ্য বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয় বিবেচনা করতে হবে। আর অপরাধের নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট অপরাধের তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করতে হবে।স্থানীয় বাসিন্দা, পরিবহনশ্রমিক, দোকানদার, হোটেলকর্মী এবং সম্ভাব্য ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে অভিযোগের প্রকৃত চিত্র সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতে পারে। তবে তথ্যদাতাদের নিরাপত্তা রক্ষা এবং তাঁদের বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করতে হবে। স্থানীয়দের কেউ কোনো অপরাধের প্রত্যক্ষদর্শী হলে তাঁদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে তথ্য দেওয়ার সুযোগ থাকতে হবে। একই সঙ্গে অভিযোগ গ্রহণের পর কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা জানার জন্য কার্যকর যোগাযোগব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। আরও পড়ুন: গুলশানে বাহারের স্পা সেন্টার ঘিরে রহস্য অনৈতিক কারবারযাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদ এলাকার আবাসিক হোটেলগুলোকে ঘিরে উত্থাপিত অভিযোগগুলো অবহেলা করার সুযোগ নেই। অভিযোগের ভিত্তি থাকলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা, অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া এবং প্রশাসনিক তদারকির ঘাটতি থাকলে তা দূর করা জরুরি। একই সঙ্গে যাচাইবিহীন অভিযোগের কারণে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সুনামহানি যেন না ঘটে, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।একটি এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করতে নিয়মিত তদারকি, জনসাধারণের সঙ্গে পুলিশের যোগাযোগ, দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং প্রমাণভিত্তিক তদন্তের বিকল্প নেই। অপরাধ দমনের নামে হয়রানি যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি প্রভাবশালী পরিচয়ের কারণে কেউ যেন আইনের ঊর্ধ্বে থাকতে না পারেন, সেটিও নিশ্চিত করা প্রয়োজন। জননিরাপত্তা রক্ষা, সম্ভাব্য ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা এবং আবাসিক হোটেল খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার স্বার্থে বিষয়টি যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন। নিরপেক্ষ অনুসন্ধান ও জবাবদিহিই পারে অভিযোগের আড়ালে থাকা প্রকৃত সত্য সামনে আনতে এবং যাত্রাবাড়ী এলাকার মানুষের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনতে।

১০ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৫ জন

খেলাধুলা

সমর্থকদের উচ্ছ্বাসের জবাব গোলেই দিলেন ৪১ বছর বয়সী রোনালদো

সমর্থকদের উচ্ছ্বাসের জবাব গোলেই দিলেন ৪১ বছর বয়সী রোনালদো

বিতর্ক পেছনে ফেলে মাঠে ফিরেই গোলের দেখা পেলেন পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। শুক্রবার আল দিরিয়ার বিপক্ষে আল নাসরের ৩-০ গোলের জয়ে একটি গোল করেন ৪১ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। এ গোলের মাধ্যমে ক্যারিয়ারের ৯৮০তম গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।পর্তুগাল জাতীয় দলের ক্যাম্প ছাড়ার এক সপ্তাহ পর আল নাসরের জার্সিতে মাঠে নামেন রোনালদো। গত ২৭ সেপ্টেম্বর উয়েফা নেশনস লিগে নরওয়ের বিপক্ষে পর্তুগালের ২-১ গোলের জয়ের ম্যাচে তিনি বদলি খেলোয়াড় হিসেবে বেঞ্চে থাকলেও মাঠে নামার সুযোগ পাননি। পরে রোনালদো অভিযোগ করেন, কোচ জর্জ জেসুস তাঁকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি। বিষয়টি নিয়ে পর্তুগালে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়।তবে সৌদি প্রো লিগে ফেরার ম্যাচে আল নাসরের সমর্থকদের কাছ থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা পান রোনালদো। আরও পড়ুন, শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটে হারিয়ে পাকিস্তানের দুর্দান্ত জয়ম্যাচ শুরুর আগে গ্যালারিতে তাঁর সাত নম্বর জার্সি ও ‘গ্রেটনেস অর্জন করতে হয়’ লেখা বিশাল ব্যানার প্রদর্শন করা হয়।  সপ্তম মিনিটে সমর্থকেরা তাঁর নামে স্লোগান দেন।ম্যাচের ২৩তম মিনিটে গোল করে সমর্থকদের উচ্ছ্বাস আরও বাড়িয়ে দেন রোনালদো। কিংসলে কোমানের নেওয়া শট গোলরক্ষক ওয়ালিদ আলী ধরে রাখতে ব্যর্থ হলে ফিরতি বলে জাল খুঁজে নেন পর্তুগিজ তারকা। ৩৫তম মিনিটে সামু কস্তা ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। পরে ৭৭তম মিনিটে কোমানের গোলে ৩-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত হয়।এই জয়ে লিগের পয়েন্ট তালিকায় আল কাদসিয়ার সমান পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে আল নাসর। তবে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে আছে দলটি।ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গোল উদযাপনের ছবি প্রকাশ করে রোনালদো লেখেন, ‘কাজ শেষ। এবার পরের ম্যাচ!’ পর্তুগালের হয়ে ২৩৪ ম্যাচে তাঁর গোলসংখ্যা ১৪৬। জাতীয় দলের হয়ে খেলার জন্য প্রস্তুত থাকার কথাও জানিয়েছেন তিনি। তবে সাম্প্রতিক ঘটনার পর তাঁকে কোনো শাস্তির মুখে পড়তে হবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!