দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

সাংবাদিকতা ও সমাজসেবায় দীর্ঘ পথচলা: শেখ আমিনুর হোসেনের নিরলস কর্মযাত্রা

সাংবাদিকতা ও সমাজসেবায় দীর্ঘ পথচলা: শেখ আমিনুর হোসেনের নিরলস কর্মযাত্রা

সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়, সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতারও এক অনন্য মাধ্যম। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া, অনিয়ম-দুর্নীতি ও অসঙ্গতির চিত্র তুলে ধরা, নিপীড়িত মানুষের কথা বলা এবং জনস্বার্থের বিষয়গুলোকে সামনে নিয়ে আসার মধ্য দিয়ে একজন সাংবাদিক সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সেই দায়িত্ববোধ ও পেশাগত নিষ্ঠাকে ধারণ করে দীর্ঘ সময় ধরে সাংবাদিকতায় কাজ করে আসছেন সাতক্ষীরার সিনিয়র সাংবাদিক শেখ আমিনুর হোসেন।দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত থেকে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন গণমাধ্যমে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। মাঠপর্যায়ে সংবাদ সংগ্রহ থেকে শুরু করে রিপোর্টিং, সম্পাদনা, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড এবং গণমাধ্যম পরিচালনা—সাংবাদিকতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে রয়েছে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। একই সঙ্গে সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তার সম্পৃক্ততা তাকে সাতক্ষীরার নাগরিক সমাজের একটি পরিচিত মুখে পরিণত করেছে।সাংবাদিকতার পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা তার কর্মজীবনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি স্থানীয় পর্যায়ে নানা ধরনের জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে আসছেন।সাংবাদিকতায় পথচলার শুরু-শেখ আমিনুর হোসেনের সাংবাদিকতা জীবনের সূচনা ২০০০ সালে। খুলনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক পাঠকের কাগজে সদর থানা প্রতিনিধি হিসেবে তিনি সাংবাদিকতায় আত্মপ্রকাশ করেন।আরও পড়ুন,ট্রাফিক আইন মানবো, নিরাপদ সিলেট গড়বো সেই সময় সাতক্ষীরার স্থানীয় সংবাদ, জনজীবনের সমস্যা, প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সাধারণ মানুষের নানা প্রত্যাশার বিষয় সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরার মধ্য দিয়ে তার পেশাগত পথচলা শুরু হয়।শুরু থেকেই সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশনের ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতাকে গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। একজন সংবাদকর্মীর জন্য স্থানীয় মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ, ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়া, তথ্য যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা তার পেশাগত অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে।সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সাংবাদিকতায় তার দায়িত্ব ও পরিধিও বাড়তে থাকে। স্থানীয় পর্যায়ের প্রতিনিধি থেকে তিনি বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করার সুযোগ পান। একপর্যায়ে তিনি সাতক্ষীরার সংবাদপেশায় পরিচিত ও অভিজ্ঞ সাংবাদিক হিসেবে নিজের অবস্থান তৈরি করেন।বিভিন্ন গণমাধ্যমে দায়িত্ব পালন-শেখ আমিনুর হোসেন বর্তমানে দৈনিক তৃতীয় মাত্রার সাতক্ষীরা ব্যুরো প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর পাশাপাশি তিনি সংবাদ দিগন্তের জেলা প্রতিনিধি, অনলাইন নিউজ পোর্টাল আওয়াজ নিউজবিডি, আইনিউজবিডি, কাল মহাকাল, দিগন্তের কাগজে সিনিয়র প্রতিবেদক হিসেবেও কাজ করছেন। সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক সাতক্ষীরার সকাল-এর চিফ রিপোর্টার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। একজন সাংবাদিকের পেশাগত দক্ষতার অন্যতম মাপকাঠি হলো বিভিন্ন ধরনের সংবাদ নিয়ে কাজ করার সক্ষমতা। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংবাদ থেকে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উন্নয়ন, জনদুর্ভোগ, সামাজিক সমস্যা, সংস্কৃতি ও মানবিক নানা বিষয়ে সংবাদ সংগ্রহের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। স্থানীয় সংবাদকে আঞ্চলিক ও জাতীয় গণমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত করার ক্ষেত্রেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন। সাতক্ষীরার বিভিন্ন ঘটনা, সমস্যা, সম্ভাবনা ও মানুষের প্রত্যাশা বৃহত্তর পরিসরে তুলে ধরার ক্ষেত্রে স্থানীয় সাংবাদিকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এ দায়িত্ব পালনে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছেন।এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ মেইল ২৪.নিউজ-এর সাতক্ষীরার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয়, খুলনা ও যশোরের আঞ্চলিক এবং ঢাকার বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকেও তিনি বিভিন্ন সময়ে সাংবাদিকতা করেছেন বলে জানা যায়। গণমাধ্যম পরিচালনায় নতুন অভিজ্ঞতাশুধু সংবাদ সংগ্রহ বা রিপোর্টিংয়ের মধ্যেই তার সাংবাদিকতা সীমাবদ্ধ থাকেনি। গণমাধ্যম পরিচালনার ক্ষেত্রেও তিনি নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েছেন। তিনি জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল দেশ টাইমস ২৪.নিউজ-এর সম্পাদক ও প্রকাশক।বর্তমান সময়ে সংবাদপত্রের পাশাপাশি অনলাইন গণমাধ্যম মানুষের সংবাদ গ্রহণের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে। দ্রুত সংবাদ প্রকাশ, তাৎক্ষণিক আপডেট এবং পাঠকের কাছে সহজে তথ্য পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে অনলাইন সংবাদমাধ্যমের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। এই পরিবর্তিত গণমাধ্যম বাস্তবতায় নিজস্ব সংবাদমাধ্যম পরিচালনার মাধ্যমে সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতাকে নতুন পরিসরে কাজে লাগাচ্ছেন শেখ আমিনুর হোসেন।সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে একটি সংবাদমাধ্যমের নীতি নির্ধারণ, সংবাদ নির্বাচন, রিপোর্টিং কাঠামো, সম্পাদনা এবং সামগ্রিক পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত থাকার সুযোগ তৈরি হয়েছে তার। ফলে মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকতার পাশাপাশি সংবাদ ব্যবস্থাপনারও বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন তিনি।সাংবাদিক সংগঠনে নেতৃত্ব-পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি সাংবাদিকদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে শেখ আমিনুর হোসেনের। তিনি সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সদস্য।এছাড়া তিনি সাতক্ষীরা জেলা সাংবাদিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক। সংগঠনটির নিবন্ধন নম্বর ৫৮৩/০৪। সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার, পারস্পরিক সহযোগিতা, ঐক্য এবং গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার সুযোগ পেয়েছেন তিনি।সাংবাদিকদের সংগঠনগুলো সাধারণত পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, পারস্পরিক সহযোগিতা, আরও পড়ুন,সাতক্ষীরায় মারামারি থামাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র নিহতসামাজিক দায়িত্ব পালন এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কাজ করে থাকে। দীর্ঘ সময় ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত থাকার পাশাপাশি সংগঠনের দায়িত্ব পালন তার কর্মজীবনে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।সাংবাদিকতার বাইরে সমাজসেবার বিস্তৃত পরিসরশেখ আমিনুর হোসেনের কর্মপরিধি শুধু সাংবাদিকতা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নয়। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও মানবিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।তিনি নলকুড়া দারুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি নলকুড়া কাসিমুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানার সহ-সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত থাকা স্থানীয় পর্যায়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক দায়িত্ব। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও এতিম শিশুদের শিক্ষা, নৈতিক বিকাশ এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়, তার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার সুযোগ রয়েছে তার।মানবিক কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রেও রয়েছে তার সম্পৃক্ততা। তিনি বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, সাতক্ষীরা ইউনিটের আজীবন সদস্য। দুর্যোগ, মানবিক সংকট ও বিভিন্ন সামাজিক প্রয়োজনে রেড ক্রিসেন্টের কার্যক্রম দেশের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ধরনের একটি মানবিক সংগঠনের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পৃক্ততা তার সামাজিক কর্মকাণ্ডের পরিধিকে আরও বিস্তৃত করেছে।সংস্কৃতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয়-সাংবাদিকতার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। তিনি সাতক্ষীরা জেলা সাংস্কৃতিক পরিষদের সদস্য এবং সাতক্ষীরা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য হিসেবে যুক্ত রয়েছেন।সংস্কৃতি একটি সমাজের মূল্যবোধ, ঐতিহ্য ও ইতিহাসকে ধারণ করে। সাংবাদিকতার মাধ্যমে যেমন সমাজের বাস্তব চিত্র মানুষের সামনে তুলে ধরা হয়, তেমনি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড মানুষের সৃজনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে ভূমিকা রাখে। আরও পড়ুন,শশিরচরে মাদক নির্মূলে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা চান এলাকাবাসীসাংবাদিকতা ও সংস্কৃতির এই দুই ক্ষেত্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততা তার কর্মজীবনকে বহুমাত্রিক করেছে।তিনি সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের সদস্য হিসেবেও যুক্ত রয়েছেন। ব্যবসায়ী ও পেশাজীবী সমাজের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও উদ্যোক্তাদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কেও কাজ করার সুযোগ রয়েছে তার।তরুণদের সংগঠিত করতে উদ্যোগ-স্থানীয় তরুণদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রেও তার উদ্যোগ রয়েছে। তিনি নলকুড়া তরুণ সংঘের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি।একটি এলাকার তরুণদের সংগঠিত করে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার উদ্যোগ স্থানীয় সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তরুণদের মাদক, অপরাধ ও বিভিন্ন নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে শিক্ষা, খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সামাজিক কাজে সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে স্থানীয় সংগঠনগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।নলকুড়া তরুণ সংঘের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততাও এ ধরনের সামাজিক কর্মকাণ্ডের একটি অংশ। একই সঙ্গে তিনি নলকুড়া নাট্যগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। নাট্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে স্থানীয় মানুষের মধ্যে সৃজনশীলতা, সামাজিক সচেতনতা এবং সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি হয়।নলকুড়ার মাটিতে বেড়ে ওঠাশেখ আমিনুর হোসেনের শিকড় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১৩ নম্বর লাবসা ইউনিয়নের নলকুড়া গ্রামে। একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা। তার বাবা শেখ আজাদ হোসেন এবং মা মোছা. আয়শা খাতুন।চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি পঞ্চম। গ্রামীণ পরিবেশে বেড়ে ওঠা একজন মানুষের জন্য স্থানীয় সমাজ, মানুষের জীবনযাপন ও নানা সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে প্রত্যক্ষ পরিচয় তার পরবর্তী জীবনের কর্মধারায় প্রভাব ফেলতে পারে। সাংবাদিকতা জীবনে স্থানীয় মানুষের জীবন, সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রেও নিজের শিকড়ের সঙ্গে তার সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হতে পারে।নলকুড়ার সঙ্গে তার সম্পর্ক কেবল জন্মসূত্রের নয়; সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়েও তিনি নিজ এলাকার মানুষের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। বিভিন্ন সংগঠনের দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে মানুষের সঙ্গে তার যোগাযোগ আরও বিস্তৃত হয়েছে।আরও পড়ুন,রামুতে ৫৯ হাজার ৭৭৫ ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তারপেশার প্রতি দায়িত্ববোধ-সাংবাদিকতা এমন একটি পেশা, যেখানে প্রতিদিনই নতুন ঘটনা, নতুন তথ্য ও নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়। একটি সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য সংগ্রহ, ঘটনার প্রেক্ষাপট বোঝা এবং পাঠকের কাছে সঠিক তথ্য তুলে ধরার দায়িত্ব সাংবাদিকের ওপর থাকে।দীর্ঘ সময় ধরে এই পেশায় থাকার কারণে শেখ আমিনুর হোসেনের সাংবাদিকতা জীবনে বিভিন্ন সময়ের পরিবর্তন প্রত্যক্ষ করার সুযোগ হয়েছে। প্রিন্টনির্ভর সংবাদমাধ্যমের সময় থেকে বর্তমানের দ্রুতগতির অনলাইন সাংবাদিকতা—গণমাধ্যমের পরিবর্তিত বাস্তবতার সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিয়ে কাজ করে চলেছেন তিনি।একই সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের দায়িত্বশীলতা, সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা এবং স্থানীয় সংবাদকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়েও তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।সম্মাননা ও স্বীকৃতি-দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবন এবং সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্মাননা পেয়েছেন শেখ আমিনুর হোসেন।২০২০ সালে এবং ২০২৪ সালের শেষদিকে তাকে বিশেষ ও আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। এসব সম্মাননা তার দীর্ঘ কর্মজীবনের প্রতি বিভিন্ন সংগঠন ও মানুষের স্বীকৃতির বহিঃপ্রকাশ।তবে একজন মানুষের কর্মজীবনের প্রকৃত মূল্যায়ন শুধু পুরস্কার বা সম্মাননার সংখ্যায় সীমাবদ্ধ থাকে না। দীর্ঘ সময় ধরে একটি পেশায় দায়িত্বশীলভাবে কাজ করে যাওয়া, মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করা এবং নিজের কর্মের মাধ্যমে সমাজে ভূমিকা রাখার ধারাবাহিকতাই একজন পেশাজীবীর সবচেয়ে বড় পরিচয় হয়ে ওঠে।সময়ের সঙ্গে বদলেছে সাংবাদিকতা, বদলায়নি দায়বদ্ধতা-গত দুই দশকের বেশি সময়ে সাংবাদিকতার ধরন অনেক বদলে গেছে। একসময় সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট সময়, মুদ্রণপ্রক্রিয়া এবং পত্রিকা প্রকাশের ওপর নির্ভর করতে হতো। এখন মোবাইল ফোন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন নিউজ পোর্টালের কারণে মুহূর্তেই একটি সংবাদ মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।এই পরিবর্তনের ফলে সাংবাদিকদের দায়িত্বও বেড়েছে।আরও পড়ুন,মধ্যনগরে মাদরাসায় অভিভাবক সমাবেশ দ্রুততার সঙ্গে সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি তথ্যের সত্যতা যাচাই, গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে পাঠককে সুরক্ষা দেওয়া এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নিশ্চিত করা এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ।শেখ আমিনুর হোসেনের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবন এই পরিবর্তনশীল সময়েরই একটি প্রতিচ্ছবি। স্থানীয় সংবাদপত্রের প্রতিনিধি হিসেবে শুরু করে বিভিন্ন গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল পদে কাজ করা এবং পরবর্তীতে নিজেই একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমের সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া তার পেশাগত পথচলার ধারাবাহিক পরিবর্তনকে তুলে ধরে।বহুমাত্রিক পরিচয়ের মানুষ- শেখ আমিনুর হোসেনকে শুধু একজন সাংবাদিক হিসেবে দেখলে তার কর্মপরিধির একটি অংশই সামনে আসে। সাংবাদিকতা, গণমাধ্যম পরিচালনা, সাংবাদিক সংগঠন, ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মানবিক সংগঠন, সাংস্কৃতিক সংগঠন, তরুণদের সংগঠন এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডবিভিন্ন ক্ষেত্রে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।একজন পেশাজীবীর সামাজিক পরিচয় যখন পেশার সীমানা ছাড়িয়ে মানুষের কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন তার কর্মপরিধিও বিস্তৃত হয়। শেখ আমিনুর হোসেনের দীর্ঘ পথচলায় সেই বহুমাত্রিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।সাংবাদিক হিসেবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পাশাপাশি তিনি সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে কাজ করেছেন; সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন; ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করেছেন; মানবিক সংগঠনের সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়েছেন এবং স্থানীয় তরুণদের সংগঠিত করার উদ্যোগ নিয়েছেন।সামনে আরও দীর্ঘ পথ-সাংবাদিকতা একটি চলমান পেশা। প্রতিদিন নতুন ঘটনা, নতুন প্রশ্ন ও নতুন বাস্তবতার জন্ম হয়। সেই বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে একজন সাংবাদিককে নিজেকেও প্রতিনিয়ত পরিবর্তন ও পরিমার্জন করতে হয়।দীর্ঘ সময়ের অভিজ্ঞতা, স্থানীয় সমাজ সম্পর্কে প্রত্যক্ষ ধারণা এবং বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে শেখ আমিনুর হোসেন এখনও সাংবাদিকতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়। তার কর্মজীবনের পরবর্তী অধ্যায়েও সংবাদপেশার পাশাপাশি সমাজ ও মানুষের জন্য বিভিন্ন ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা রয়েছে।আরও পড়ুন,এক পরিবারের চারজনসহ সাতজনের দাফন কান্নায় ভারী জামালপুরএকটি কলম কখনো শুধু সংবাদ লেখে না; মানুষের কথা বলে, সমাজের বাস্তবতা তুলে ধরে এবং কখনো কখনো পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তাকেও সামনে আনে। দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে সেই কলমকেই পেশার প্রধান হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছেন শেখ আমিনুর হোসেন।সাতক্ষীরার নলকুড়া গ্রামের একটি সম্ভ্রান্ত পরিবার থেকে উঠে এসে সাংবাদিকতার মাঠে পা রাখা, স্থানীয় প্রতিনিধি থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন, নিজস্ব অনলাইন সংবাদমাধ্যমের সম্পাদক ও প্রকাশক হওয়া এবং একই সঙ্গে সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকা—তার কর্মজীবনের এই দীর্ঘ পথচলা নিঃসন্দেহে বহুমাত্রিক।তার জীবন ও কর্মের দিকে তাকালে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে ওঠে সাংবাদিকতা তার কাছে শুধু জীবিকার মাধ্যম নয়; এটি মানুষের সঙ্গে যুক্ত থাকার, সমাজের কথা বলার এবং নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী জনকল্যাণে ভূমিকা রাখার একটি ক্ষেত্র। সেই পথচলায় অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দায়িত্ব, আর দায়িত্বের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা।দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনের অভিজ্ঞতা, পেশাগত দায়িত্ব ও সামাজিক সম্পৃক্ততার সমন্বয়ে শেখ আমিনুর হোসেন সাতক্ষীরার গণমাধ্যম অঙ্গনে নিজের একটি স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করেছেন। ভবিষ্যতেও সেই অভিজ্ঞতা ও কর্মস্পৃহা সাংবাদিকতা এবং সমাজসেবার বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে—এমন প্রত্যাশা তার সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও পরিচিতজনদের।

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

চকলেটের প্রলোভনে ৪ বছরের শিশুকে বাথরুমে নেওয়ার অভিযোগ

গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চার বছর বয়সী এক শিশুকে বাথরুমে নিয়ে অচেতন করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। পরে হাসপাতালের আনসার সদস্যরা অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। শনিবার রাত আড়াইটার দিকে হাসপাতালের আটতলার সার্জারি ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী শিশু দেবআদৃতা দাসের নানা ওই ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্বজনদের অভিযোগ, লিটন মিয়া নামের এক ব্যক্তি শিশুটিকে চকলেট দেওয়ার কথা বলে হাসপাতালের আটতলার একটি বাথরুমে নিয়ে যান। এদিকে শিশুটিকে খুঁজে না পেয়ে তার মা জবারানী দাস উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে তিনি হাসপাতালের তৃতীয় তলায় গিয়ে কর্তব্যরত আনসার সদস্যদের বিষয়টি জানান।আরও পড়ুন,মা ইলিশ সংরক্ষণে ৬ লাখ ৪৬ হাজার জেলে পরিবারকে চাল দেবে সরকার অভিযোগ পাওয়ার পর আনসার বাহিনীর পিসি মো. গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে এপিসি মো. উজ্জল হোসেন এবং আনসার সদস্য মো. সুজন মিয়া ও মো. শাকিল হকসহ একটি টহল দল শিশুটির সন্ধানে অভিযান শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টা অনুসন্ধানের পর ভোর সাড়ে ৪টার দিকে হাসপাতালের আটতলার একটি টয়লেট থেকে লিটন মিয়ার কাছ থেকে শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। স্বজনদের দাবি, উদ্ধারের সময় শিশুটি কথা বলতে পারছিল না। এ সময় অভিযুক্ত লিটন মিয়ার কাছ থেকে কিছু পরিমাণ গাঁজা ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। আটক লিটন মিয়া গাজীপুর সদর উপজেলার জয়দেবপুরের হোতাপাড়া এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। ঘটনাটি নিয়ে হাসপাতাল ও শিশুটির পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তবে শিশুটিকে কীভাবে অচেতন করা হয়েছিল এবং ঘটনার পেছনে সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য কী ছিল তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মা ইলিশ সংরক্ষণে ৬ লাখ ৪৬ হাজার জেলে পরিবারকে চাল দেবে সরকার

ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে আহরণ থেকে জেলেদের বিরত রাখতে দেশের ৩৮ জেলার ১৬৮টি উপজেলার ৬ লাখ ৪৬ হাজার ২৯০টি জেলে পরিবারকে ১ হাজার ৬৫৭ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার।মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মৎস্য-২ শাখা থেকে গত ২৮ সেপ্টেম্বর জারি করা সরকারি আদেশে এ বরাদ্দ দেওয়া হয়। এতে প্রতিটি জেলে পরিবারকে ২৫ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ইলিশ সংরক্ষণ কার্যক্রমের আওতায় ভিজিএফ কর্মসূচির মাধ্যমে এসব চাল বিতরণ করা হবে।সরকারি আদেশ অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ৬ অক্টোবর থেকে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ আহরণে বিরত থাকবেন সংশ্লিষ্ট জেলেরা। নিষেধাজ্ঞার সময়ে জেলে পরিবারগুলোর জীবনযাত্রা নির্বাহে মানবিক সহায়তা হিসেবে এই চাল দেওয়া হচ্ছে।বরাদ্দের তালিকায় দেশের ইলিশ আহরণ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন জেলার জেলে পরিবার রয়েছে। এর মধ্যে শরীয়তপুরে ২৬ হাজার ১২৯টি পরিবারকে ৬৫৩ দশমিক ২২৫ মেট্রিক টন, মানিকগঞ্জে ৯ হাজার ২৬২টি পরিবারকে ২৩১ দশমিক ৫৫ মেট্রিক টন এবং রাজবাড়ীতে ৫ হাজার ৫৯২টি পরিবারকে ১৩৯ দশমিক ৮ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।রাজশাহী বিভাগের ১৯ হাজার ৪১১টি জেলে পরিবারের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৪৮৫ দশমিক ২৭৫ মেট্রিক টন চাল। এর মধ্যে পাবনায় ৩ হাজার ৫০০ পরিবারকে ৮৭ দশমিক ৫ মেট্রিক টন, আরও  পড়ুন, ভোলার গ্যাসে খুলতে পারে জ্বালানি নিরাপত্তার নতুন দুয়ারবগুড়ায় ১ হাজার ৮৯০ পরিবারকে ৪৭ দশমিক ২৫ মেট্রিক টন এবং নাটোরে ৭৫০ পরিবারকে ১৮ দশমিক ৭৫ মেট্রিক টন চাল দেওয়া হয়েছে।রংপুর বিভাগের কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার ১৬ হাজার ১২৬টি জেলে পরিবারের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৪০৩ দশমিক ১৫ মেট্রিক টন চাল। এর মধ্যে কুড়িগ্রামে ৯ হাজার ৬১৬ পরিবারকে ২৪০ দশমিক ৪ মেট্রিক টন এবং গাইবান্ধায় ৬ হাজার ৫১০ পরিবারকে ১৬২ দশমিক ৭৫ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ রয়েছে।সরকারি নির্দেশনায় জেলা প্রশাসকদের প্রকৃত ও নির্বাচিত মৎস্যজীবীদের মধ্যে মানবিক সহায়তা কর্মসূচির নির্দেশিকা অনুযায়ী চাল বিতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৭ অক্টোবরের মধ্যে চাল উত্তোলন ও বিতরণ শেষ করে হিসাব সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে মা ইলিশ সংরক্ষণ কার্যক্রমের নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগে ৮ অক্টোবরের মধ্যে ভিজিএফ চাল বিতরণ সম্পন্ন করার নির্দেশ রয়েছে।নির্দেশনা অনুযায়ী, জেলা প্রশাসকদের বরাদ্দ পাওয়ার এক কার্যদিবসের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের অনুকূলে উপ-বরাদ্দ দিতে হবে। এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা দুই কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের অনুকূলে ছাড়পত্র দেবেন।বিতরণের সময় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বা তার প্রতিনিধি এবং ট্যাগ কর্মকর্তার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। নিবন্ধিত বা কার্ডধারী জেলে ছাড়া অন্য কাউকে ভিজিএফের চাল দেওয়া যাবে না।

ভোলার গ্যাসে খুলতে পারে জ্বালানি নিরাপত্তার নতুন দুয়ার

দেশে গ্যাসের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। শিল্পকারখানা থেকে শুরু করে বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রায় সব খাতেই দেখা দিয়েছে জ্বালানি সংকট। একই সময়ে আমদানিকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজির ওপর বাড়ছে নির্ভরতা। এমন বাস্তবতায় দক্ষিণের দ্বীপ জেলা ভোলার গ্যাসসম্পদ নতুন করে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।ভোলায় পর্যাপ্ত গ্যাসের মজুত থাকার পরও জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে কার্যকর সংযোগ না থাকায় এর বড় একটি অংশ এখনো কাজে লাগানো যাচ্ছে না। ফলে গ্যাসের মজুত থাকা সত্ত্বেও দেশের শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে কাঙ্ক্ষিত সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না।জ্বালানি মন্ত্রণালয় ও পেট্রোবাংলার হিসাব অনুযায়ী, ভোলার শাহবাজপুর, ভোলা-নর্থ ও ইলিশা এই তিনটি আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রে সম্মিলিতভাবে প্রায় ২ দশমিক ০৪৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) গ্যাসের মজুত রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১ দশমিক ৪৩২ থেকে ১ দশমিক ৪৩৩ টিসিএফ উত্তোলনযোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আরও  পড়ুন , কড়া নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের তিন লরিদেশে অবশিষ্ট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ প্রায় ৭ দশমিক ৬৩ টিসিএফ। সে হিসাবে দেশের অবশিষ্ট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের প্রায় ১৯ শতাংশই ভোলায় রয়েছে।বাপেক্সের তথ্য অনুযায়ী, ভোলার নয়টি কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ১৮২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে ব্যবহার করা হচ্ছে প্রায় ৭৫ মিলিয়ন ঘনফুট। অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে আরও প্রায় ৪৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস অব্যবহৃত থাকার তথ্য রয়েছে।পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান বলেন, ভোলার গ্যাস কাজে লাগাতে উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি সঞ্চালন অবকাঠামোর ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। মজুত থাকলেও তা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছানোর ব্যবস্থা না থাকলে জাতীয় অর্থনীতিতে প্রত্যাশিত সুফল পাওয়া যাবে না।

কড়া নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের তিন লরি

কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য অতিরিক্ত জ্বালানি ‘ফ্রেশ নিউক্লিয়ার ফুয়েল’ বা ইউরেনিয়াম বহনকারী গাড়িবহর প্রকল্প এলাকায় পৌঁছেছে।শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ২১ মিনিটে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিরাপত্তায় তিনটি লরিতে করে ইউরেনিয়াম বহনকারী গাড়িবহর নাটোর-কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়ক দিয়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে। এ সময় প্রকল্প পরিচালক ড. জাহেদুল হাছানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কনভয় গ্রহণ করেন। প্রকল্পে কর্মরত রাশিয়ান নাগরিকসহ শ্রমিক-কর্মকর্তারা গাড়িবহরকে স্বাগত জানান।জানা গেছে, শনিবার সকাল ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে ঢাকা থেকে গাড়িবহরটি রূপপুরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। আরও পড়ুন, মিথ্যা তথ্য না দিতে সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাসইউরেনিয়াম পরিবহনের নিরাপত্তায় সেনাবাহিনীর পাশাপাশি এসআরবি, পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।গাড়িবহরটি রূপপুরে পৌঁছানোর সময় মহাসড়কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে বিশেষ নিরাপত্তাবলয় তৈরি করা হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে বেলা পৌনে ১২টা থেকে সোয়া ১২টা পর্যন্ত পাবনা-নাটোর-কুষ্টিয়া মহাসড়কের সংশ্লিষ্ট অংশে ছোট-বড় যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়।এর আগে শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে প্রথম ইউনিটের জ্বালানি বহনকারী একটি বিমান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা ইউরেনিয়ামের চালান গ্রহণ করেন।পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যে আরও নয়টি ফ্লাইটে রূপপুরের প্রথম ইউনিটের জন্য অতিরিক্ত ৪৮টি এবং দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য ১৬৩টি ইউরেনিয়াম অ্যাসেম্বলি বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে।

রাজনীতিরাজনীতি

সরকারের নাম ভাঙিয়ে অপকর্ম করলে দায় নেবে না সরকার বললেন পার্থ

সরকারের নাম ভাঙিয়ে অপকর্ম করলে দায় নেবে না সরকার বললেন পার্থ

কিছু অভিযোগের প্রেক্ষাপটে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া পদক্ষেপকে ‘যুগান্তকারী’ বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ। তিনি বলেন, সরকারের নাম ব্যবহার করে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল বা অনিয়মে জড়িতদের জন্য এই সিদ্ধান্ত বড় সতর্কবার্তা। শুক্রবার দেওয়া বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারের পরিচয় ব্যবহার করে যারা দেশের ও দলের ক্ষতি করছেন তাদের দায় সরকার নেবে না। ব্যক্তিগত স্বার্থ রক্ষা চাঁদাবাজি কিংবা অপকর্মের সঙ্গে কেউ জড়িত হলে তার দায়ভার সরকার বা দলের ওপর বর্তাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পার্থ বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ইমেজ খালেদা জিয়ার ত্যাগ এবং তারেক রহমানের দেখানো স্বপ্নের প্রতি আস্থা রেখে মানুষ তাদের ভোট দিয়েছে। তাই জনগণের সেই আস্থার মর্যাদা রক্ষায় দলের পরিচয় ব্যবহার করে অনিয়মের সুযোগ দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।আরও পড়ুন,বিএনপি ছেড়ে জামায়াতে যোগ দেওয়ার ক্ষোভেই আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার: গোলাম পরওয়ার রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘিরে আলোচনায় আসেন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি। এ ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ নিয়ে তদন্ত চলার মধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেন। মিষ্টি অবশ্য ওই ঘটনায় নিজের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। গত ১ অক্টোবর জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি। পরে সংসদ সচিবালয় তার পদত্যাগ গ্রহণ করে সংবিধানের ৬৭(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংরক্ষিত নারী আসন-২৩ শূন্য ঘোষণা করে। একই সঙ্গে আসনটি পূরণের জন্য নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জানানো হয়েছে। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব ব্যবহার করে কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ দেওয়া হবে না। তবে রাড্ডা সেন্টারের ঘটনায় কারা প্রকৃতভাবে জড়িত ছিলেন তা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ হবে।

বিএনপি ছেড়ে জামায়াতে যোগ দেওয়ার ক্ষোভেই আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার: গোলাম পরওয়ার

বিএনপি ছেড়ে জামায়াতে যোগ দেওয়ার ক্ষোভেই আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার: গোলাম পরওয়ার

বিমানবন্দরের ঘটনায় নয় বরং বিএনপি ছেড়ে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেওয়ার ক্ষোভেই বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। শনিবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে আখতারুজ্জামানের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ দাবি করেন। গোলাম পরওয়ার বলেন, বিদেশ সফর শেষে জামায়াতের সংসদ সদস্য ও নেতারা বিমানবন্দরে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও লাগেজ ও জমজমের পানি না পাওয়ায় কর্তৃপক্ষের কাছে কৈফিয়ত চেয়েছেন। তাঁর দাবি, এ বিষয়ে আখতারুজ্জামান নাগরিক অধিকার হিসেবে প্রতিবাদ করেছেন। কিন্তু পরে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে মামলার এজাহার ও পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, আরও পড়ুন,নির্বাচন হলেও চাঁদাবাজি দুর্নীতি সন্ত্রাস কমেনি: নাসীরুদ্দীনসরকারি কাজে বাধা এবং একজন নিরাপত্তাকর্মীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা হয়। শুক্রবার তাঁকে গ্রেপ্তারের পর শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আল-বেরুনী মীর তাঁর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গোলাম পরওয়ার এজাহারে আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে আনা লাঞ্ছিত করার অভিযোগ অস্বীকার করে মামলা প্রত্যাহার ও রিমান্ড বাতিলের দাবি জানান। তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি থেকে জামায়াতে যোগ দেওয়ায় আখতারুজ্জামানের প্রতি রাজনৈতিক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। সমাবেশে তিনি বিএনপি সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন এবং বলেন, জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে বিএনপির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের বক্তব্যের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। একাত্তরে জামায়াতের ভূমিকা নিয়েও বক্তব্য দেন তিনি এবং এ বিষয়ে বিচার জনগণের ওপর ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেন। সমাবেশ শেষে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি পুরানা পল্টন, জাতীয় প্রেসক্লাব ও হাইকোর্ট মোড় হয়ে মৎস্য ভবন এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। 

নির্বাচন হলেও চাঁদাবাজি দুর্নীতি সন্ত্রাস কমেনি: নাসীরুদ্দীন

নির্বাচন হলেও চাঁদাবাজি দুর্নীতি সন্ত্রাস কমেনি: নাসীরুদ্দীন

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দপ্তরকে ‘ফ্যাসিবাদের পাহারাদার’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি দাবি করেছেন, দেশে গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি তৈরি হলেও চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও সন্ত্রাস কমেনি। তার বক্তব্যটি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেরানীহাটের একটি কমিউনিটি সেন্টারে এনসিপি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখা আয়োজিত মতবিনিময় সভা ও যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, তারা বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ সংস্কার চেয়েছিলেন। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ হবে এমন প্রত্যাশা করা হলেও বাস্তবে তা হয়নি বলে তিনি দাবি করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী,আরও  পড়ুন, তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে রিজভীর শোক নির্বাচন হওয়ার পরও চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বেড়েছে। আগামী স্থানীয় নির্বাচন প্রসঙ্গেও সতর্কবার্তা দেন এনসিপির এই নেতা। তিনি বলেন, নির্বাচনে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস বা দুর্নীতির অর্থ এবং পেশিশক্তির ব্যবহার করা হলে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের শক্তিগুলো আবারও ঐক্যবদ্ধ হয়ে এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। অনুষ্ঠানে এনসিপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ার বিভিন্ন এলাকা থেকে নতুন কর্মীদের যোগদানের কথাও জানানো হয়।

তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে রিজভীর শোক

তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে রিজভীর শোক

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী লন্ডনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শুক্রবার (২ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে লন্ডনের সেন্ট বার্থোলোমিউ’স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। শুক্রবার এক শোকবার্তায় তিনি তৌফিক ইমরোজ খালিদীর পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান এবং মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। আর ও পড়ুন, জামায়াতের রাজনৈতিক বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রাশেদ খানরিজভী বলেন, তৌফিক ইমরোজ খালিদী সৎ ও নিষ্ঠাবান সাংবাদিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি ছিলেন আপসহীন। সাংবাদিকতার পেশাগত দায়িত্ব পালনে তিনি নির্ভীক ও দ্বিধাহীন ছিলেন বলেও উল্লেখ করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।তৌফিক ইমরোজ খালিদী বাংলাদেশের অনলাইন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। ২০০৬ সাল থেকে তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রকাশক ও প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তার মৃত্যুতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও শোক প্রকাশ করেছেন। তার মৃত্যু দেশের গণমাধ্যম অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সারাবাংলা

গাজীপুরে মেট্রিক্স গার্মেন্টসে অগ্নিকাণ্ড: আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৯ ইউনিট

গাজীপুরে মেট্রিক্স গার্মেন্টসে অগ্নিকাণ্ড: আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৯ ইউনিট

গাজীপুর মহানগরের ডেগেরচালা এলাকার ফকির মার্কেটে অবস্থিত মেট্রিক্স গার্মেন্টসের আটতলা ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ৩টার দিকে ভবনটির তৃতীয় তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট কাজ করছে। ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, দুপুর পৌনে ৩টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে প্রথমে গাজীপুর চৌরাস্তা মডার্ন ফায়ার স্টেশনের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। পরে আগুনের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় কোনাবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট, গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের আরও তিনটি ইউনিট এবং রাজেন্দ্রপুর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যোগ দেয়।আরও পড়ুন,গাজীপুর মৌচাকে উর্মি ফ্যাশন ভান্ডারের বিরুদ্ধে সরকারি জমি ব্যবহারের অভিযোগগাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক সাইদুল আলম চৌধুরী জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের পরিদর্শক আনোয়ারুল ইসলাম জানান, গাছা থানাধীন ডেগেরচালা এলাকার ফকির মার্কেটে অবস্থিত মেট্রিক্স গার্মেন্টসের আটতলা ভবনের তৃতীয় তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রাথমিকভাবে পাঁচটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করলেও পরিস্থিতি বিবেচনায় আরও চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ চলমান ছিল। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 গাজীপুর মৌচাকে উর্মি ফ্যাশন ভান্ডারের বিরুদ্ধে সরকারি জমি ব্যবহারের অভিযোগ

গাজীপুর মৌচাকে উর্মি ফ্যাশন ভান্ডারের বিরুদ্ধে সরকারি জমি ব্যবহারের অভিযোগ

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক ফরেস্ট এলাকায় ‘উর্মি ফ্যাশন ভান্ডার’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সরকারি খাস জমি ও বন বিভাগের সম্পত্তির অংশ গাড়ি পার্কিংয়ের কাজে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তারা সরকারি জমির সীমানা নির্ধারণ, মালিকানা যাচাই এবং অনুমোদনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।স্থানীয়দের অভিযোগ, মৌচাক ফরেস্ট এলাকার সরকারি মালিকানাধীন জমি এবং বন বিভাগের সম্পত্তির একটি অংশে প্রতিষ্ঠানটির গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এভাবে জায়গাটি ব্যবহার করা হয়ে থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।তবে অভিযোগটি কতটা সত্য, ব্যবহৃত জমির প্রকৃত মালিকানা কার এবং প্রতিষ্ঠানটি কোনো বৈধ অনুমতি বা ইজারার ভিত্তিতে ওই জায়গা ব্যবহার করছে কি না—এসব বিষয় সরকারি নথিপত্র যাচাই ও সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। ভূমি রেকর্ড, খতিয়ান, দাগ নম্বর, মৌজা ম্যাপ এবং বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনা করলেই জমিটির প্রকৃত অবস্থান ও মালিকানা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া সম্ভব।আরও পড়ুন,কোনো অন্যায়কে ছাড়দেবেনা সরকার - প্রতিমন্ত্রীটুকুসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় বনভূমি, খাস জমি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির রেকর্ড নিয়ে জটিলতার বিষয় রয়েছে। সম্প্রতি গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বন বিভাগের জমি উদ্ধারে অভিযানও হয়েছে। ফলে মৌচাক ফরেস্ট এলাকার অভিযোগটিও যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সরকারি জমি বা বন বিভাগের জায়গা অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার করে থাকলে তা বন্ধ করা এবং সরকারি সম্পত্তি সংরক্ষণ করা জরুরি। একই সঙ্গে প্রকৃত মালিকানা নিয়ে কোনো বিরোধ থাকলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয়ে সীমানা নির্ধারণ করে বিষয়টির নিষ্পত্তি করার দাবি জানিয়েছেন তারা।এদিকে মৌচাক প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট বন বিভাগ, ভূমি প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে সরেজমিন তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে জমিটির মালিকানা, দখল ও ব্যবহারের বৈধতা নিশ্চিত করে প্রকৃত তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়েছে।তবে উর্মি ফ্যাশন ভান্ডারের কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।সরকারি সম্পত্তি ব্যবহারের অভিযোগের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে শুধু স্থানীয় অভিযোগের ওপর নির্ভর না করে সংশ্লিষ্ট সরকারি রেকর্ড, অনুমোদনপত্র এবং সরেজমিন পরিমাপের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন। এতে প্রকৃত ঘটনা যেমন স্পষ্ট হবে, তেমনি সরকারি সম্পত্তি নিয়ে ভবিষ্যতের বিরোধও এড়ানো সম্ভব হবে।

কোনো অন্যায়কে ছাড়দেবেনা সরকার - প্রতিমন্ত্রীটুকু

কোনো অন্যায়কে ছাড়দেবেনা সরকার - প্রতিমন্ত্রীটুকু

আইনশৃঙ্খলাবাহিনীযেখানেইঅনিয়মদেখছে,সেখানেইব্যবস্থানিচ্ছেউল্লেখকরেমৎস্যওপ্রাণিসম্পদপ্রতিমন্ত্রীসুলতানসালাউদ্দিনটুকুবলেছেন, কোনোঅন্যায়কেসরকারছাড়দেবেনা।অন্যায়কারীযেইহোকনাকেন, তারবিরুদ্ধেআইনগতব্যবস্থানেওয়াহবে।শনিবার, ৩অক্টোবরসকাল১১টায়টাঙ্গাইলপুলিশলাইন্সমাঠেআয়োজিত১মকমিউনিটিপুলিশকাবাডিচ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬-এরউদ্বোধনীঅনুষ্ঠানশেষেসাংবাদিকদেরপ্রশ্নেরজবাবেতিনিএসবকথাবলেন।প্রতিমন্ত্রীটুকুআরোবলেন, আইনশৃঙ্খলাপরিস্থিতিরউন্নয়নওসমাজথেকেমাদকনির্মূলেসরকারনিরলসভাবেকাজকরছে।তরুণসমাজকেমাদকেরভয়ালথাবাথেকেদূরেরাখতেসামাজিকসচেতনতারপাশাপাশিখেলাধুলাওসাংস্কৃতিককর্মকাণ্ডেযুক্তকরারওপরজোরদেনতিনি।রাজনৈতিকনেতাকর্মীদেরউদ্দেশ্যেপ্রতিমন্ত্রীস্পষ্টজানান, মাদকেরবিষয়েকোনোধরনেরসুপারিশবাতদবিরবরদাশতকরাহবেনা।আরও পড়ুন,জামিন পেয়েই বেপরোয়া! টিভি অফিসে হামলার অভিযোগে চাঞ্চল্যএকইসাথেপুলিশবাহিনীরকেউএতেজড়িতথাকলেতারবিরুদ্ধেওকঠোরব্যবস্থানেওয়ারকথাবলেনতিনি।টাঙ্গাইলেরপুলিশসুপারমুহম্মদশামসুলআলমসরকারেরসভাপতিত্বেঅনুষ্ঠানেঅতিরিক্তজেলাপ্রশাসক (শিক্ষাওআইসিটি) মো.সেলিমমিঞা, অতিরিক্তপুলিশসুপার (ক্রাইমঅ্যান্ডঅপস) মো.আদিবুলইসলাম, জেলাবিএনপিরসাবেকসদস্যসচিবমাহমুদুলহকসানুওসাবেকসাংগঠনিকসম্পাদকশফিকুররহমানখানশফিকসহস্থানীয়প্রশাসনিককর্মকর্তাওরাজনৈতিকনেতৃবৃন্দউপস্থিতছিলেন।খেলাপরিচালনাকরেনপ্রধানরেফারিআজগরআলী।সহকারীরেফারিহিসেবেদায়িত্বপালনকরেনশওকত, মোস্তফাকামালসহপাঁচজনকাবাডিপ্রতিযোগিতাশেষেপুলিশলাইনস্আদর্শউচ্চবিদ্যালয়ের২০২৬সালেরএসএসসিপরীক্ষায়জিপিএ-৫প্রাপ্তকৃতীশিক্ষার্থীদেরহাতেসংবর্ধনাস্মারকতুলেদেনপ্রতিমন্ত্রী।

জামিন পেয়েই বেপরোয়া! টিভি অফিসে হামলার অভিযোগে চাঞ্চল্য

জামিন পেয়েই বেপরোয়া! টিভি অফিসে হামলার অভিযোগে চাঞ্চল্য

মুভি বাংলা টেলিভিশন ও জাতীয় দৈনিক আলোর সময় অফিসে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগ উঠেছে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সৈয়দ আল আমিনের বিরুদ্ধে। অভিযোগের পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে পুরোনো মামলা, হামলা-সংঘর্ষ, সম্পদ দখল, জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অভিযোগও সামনে এসেছে।ডিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর রাতে মিরপুর থানা এলাকা থেকে সৈয়দ আল আমিনকে গ্রেফতার করা হয়। ডিবির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে বাড্ডা থানার মামলা নং–৪০(০৭)২৫ রয়েছে। ওই মামলায় ১৪৩/১৪৭/১৪৮/৩০৭/৩২৩/৩২৪/৩২৬/১০৯/৩৪ ধারার উল্লেখ রয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, বর্তমানে জামিনে থাকা আল আমিনকে ঘিরে নতুন করে বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের অভিযোগ সামনে এসেছে।আরও পড়ুন,রাড্ডাকাণ্ডে ৩০ জন শনাক্ত, এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে অনেকে বিশেষ করে মুভি বাংলা টেলিভিশন ও আলোর সময় অফিসে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগকে ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সৈয়দ আল আমিনকে বিভিন্ন প্রতিবেদনে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।এছাড়া তার বিরুদ্ধে সম্পদ দখল, জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ, হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে বিরোধে জড়ানোর অভিযোগ রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি। এসব বিষয়ে একাধিক অভিযোগ ও সাধারণ ডায়েরি থাকার সত্যতা পাওয়া গেছে। এদিকে, মুভি বাংলা টেলিভিশন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লি ষ্টকর্তৃপক্ষের নজরেও আনা হয়েছে।তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর বর্তমান অবস্থা, তিনি বর্তমানে কোন কোন মামলায় জামিনে রয়েছেন এবং অফিসে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগের বিষয়ে কী ধরনের তথ্য-প্রমাণ রয়েছে—এসব বিষয় যাচাই করা হচ্ছে। মুভি বাংলা টেলিভিশন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নেওয়া আইনগত ব্যবস্থা এবং এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত তথ্য আসবে পরবর্তী প্রতিবেদনে।

আন্তর্জাতিক

সহ-পাইলটের হামলায় রক্তাক্ত ক্যাপ্টেন খুললেন ককপিটের দরজা

সহ-পাইলটের হামলায় রক্তাক্ত ক্যাপ্টেন খুললেন ককপিটের দরজা

সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে সহ-পাইলটের হামলার শিকার ভারতীয় প্রধান পাইলট বা ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছার বলেছেন, ‘আমি ওই মানুষগুলোকে মরতে দিতে পারি না।’ ভয়াবহ ঘটনার পর শুক্রবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানান তিনি। ঘটনার সময় আহত ও রক্তাক্ত অবস্থাতেও ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন ক্যাপ্টেন মাচ্ছার। তার দরজা খোলার পর বিমানের যাত্রী ও অন্য ক্রু সদস্যরা ককপিটে প্রবেশ করে অভিযুক্ত সহ-পাইলটকে কাবু করেন। পরে বিমানটি সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ফোনালাপে ক্যাপ্টেন মাচ্ছার জানান, হামলার পর তিনি প্রায় সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েছিলেন। এ সময় বিমানটি দ্রুত নিচে নেমে যাওয়ার বিষয়টি বুঝতে পেরে শেষ শক্তি দিয়ে ককপিটের দরজা খোলার চেষ্টা করেন তিনি। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, আরও পড়ুন,ইমাম মুয়াজ্জিনদের আধুনিক কৃষিতে সম্পৃক্ত করতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে: কৃষিমন্ত্রীঘটনার সময় বিমানটি অল্প সময়ের মধ্যে প্রায় ১৭ হাজার ফুট নিচে নেমে যায়। ককপিটের দরজা খোলার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং অন্য পাইলটরা বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেন। পরে আহত ক্যাপ্টেনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়। বিমানের অধিকাংশ ইসরায়েলি যাত্রীকে পরবর্তীতে বিকল্প ফ্লাইটে গন্তব্যে পাঠানো হয়। এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ ঘটনাটিকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অভিযুক্ত সহ-পাইলটকে আমিরাত কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনার পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ক্যাপ্টেন মাচ্ছার ও যাত্রীদের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ঘটনার সঙ্গে কোনো দেশের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এদিকে ঘটনার পর ফ্লাইদুবাই কর্তৃপক্ষ ইসরায়েলগামী ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। হামলার প্রকৃত কারণ ও উদ্দেশ্য এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না তা জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

৫ ঘন্টা আগে

রাজধানী

চাঁদা না পেয়ে চাপ প্রয়োগ, বনানীতে দুই কথিত সাংবাদিক লাঞ্ছিত

চাঁদা না পেয়ে চাপ প্রয়োগ, বনানীতে দুই কথিত সাংবাদিক লাঞ্ছিত

রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানীতে সাংবাদিক পরিচয়ে একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে বারবার চাঁদা দাবির অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ রয়েছে, তাদের একজন নিজেকে ‘রূপান্তর টেলিভিশন’ নামের একটি চ্যানেলের সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিচ্ছিলেন। তার সঙ্গে থাকা অপর ব্যক্তিও সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করছিলেন বলে জানা গেছে।প্রতিষ্ঠানটির সংশ্লিষ্টদের দাবি, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সময়ে সেখানে গিয়ে নানা অজুহাতে অর্থ দাবি করে আসছিলেন। প্রথমদিকে বিষয়টি এড়িয়ে যেতে তাদের দাবি অনুযায়ী একাধিকবার টাকা দেওয়া হয়। কোনো কোনো সময়ে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থ দেওয়ার কথাও জানা গেছে। কিন্তু অর্থ দেওয়ার পরও তাদের দাবির শেষ হয়নি। বরং পরবর্তী সময়ে আবারও অর্থ দাবি করা হলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে।সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, সাংবাদিকতার পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে ওই দুই থেকে চার জন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ, হয়রানি কিংবা বিভিন্ন ধরনের চাপ সৃষ্টির ভয় দেখাতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের দাবির ধরন ও বারবার অর্থ চাওয়ার ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। একপর্যায়ে তারা আবারও অর্থ দাবি করতে গেলে সেখানে উপস্থিত লোকজনের সঙ্গে তাদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে দুজনকে মারধর করা হয়। ঘটনাটিকে ঘিরে বনানী এলাকায় ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে কেউ যদি ব্যক্তিগত বা আর্থিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করেন, তাহলে সেটি পুরো গণমাধ্যম পেশার ভাবমূর্তির জন্য উদ্বেগের বিষয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।আরও  পড়ুন, মৌচাক এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান ইয়াবা ও গাঁজাসহ তিনজন আটকসাংবাদিকতার মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের তথ্য জানার অধিকার নিশ্চিত করা, অনিয়ম-দুর্নীতি তুলে ধরা এবং জনস্বার্থে সত্য প্রকাশ করা। কিন্তু কোনো ব্যক্তি সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ দাবি করলে তা সাংবাদিকতার নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। একই সঙ্গে অভিযোগ সত্য হলে আইনগতভাবেও বিষয়টি তদন্তের দাবি রাখে।এদিকে ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত দুই ব্যক্তির পরিচয় ও তারা যে প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করার দাবি করছেন, সেই প্রতিষ্ঠানের বৈধতা, অনুমোদন এবং তাদের সাংবাদিক পরিচয়পত্রের সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে এসব বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে তা যুক্ত করা হবে। একইভাবে তারা সত্যিই কোনো গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত কি না, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ তাদের নিয়োগ দিয়েছে কি না এবং তাদের বিরুদ্ধে আগে এ ধরনের অভিযোগ উঠেছিল কি না এসব বিষয়ও যাচাই করা জরুরি।আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে কারও কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় করলে অভিযোগের ধরন অনুযায়ী সেটি ফৌজদারি অপরাধের আওতায় পড়তে পারে। তবে কোনো ঘটনাকে চাঁদাবাজি হিসেবে চূড়ান্তভাবে উল্লেখ করার আগে অভিযোগ, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য, অর্থ লেনদেনের প্রমাণ, কল রেকর্ড, ভিডিও ফুটেজ এবং সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন।আরও  পড়ুন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাঁদ গুলশানে বাহারের স্পা সেন্টার ঘিরে অন্ধকার জগতের অভিযোগ অন্যদিকে অভিযোগ থাকলেও কাউকে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে মারধর করা সমাধান নয়। কোনো ব্যক্তি অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ করার সুযোগ রয়েছে। গণধোলাইয়ের ঘটনা নিজেও আইনশৃঙ্খলার জন্য উদ্বেগের বিষয়। বনানীর এই ঘটনা আবারও সামনে এনেছে সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহারের ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজনীয়তা। প্রকৃত সাংবাদিকরা মাঠে কাজ করতে গিয়ে নানা ঝুঁকি নেন, তথ্য সংগ্রহ করেন এবং জনস্বার্থের বিষয় তুলে ধরেন। তাদের পরিচয়কে ব্যবহার করে কেউ ব্যক্তিগত সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করলে তার দায় কোনোভাবেই পুরো সাংবাদিক সমাজের ওপর বর্তানো উচিত নয়।সংশ্লিষ্টদের দাবি, ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত ঘটনা সামনে আসবে। একই সঙ্গে অভিযুক্তরা কোন গণমাধ্যমের পরিচয় ব্যবহার করছিলেন, তাদের কাছে বৈধ পরিচয়পত্র ছিল কি না, প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কতবার ও কী পরিমাণ অর্থ দাবি করা হয়েছে এবং অর্থ দেওয়ার কোনো নথি বা প্রমাণ রয়েছে কি না এসব বিষয় তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন। বনানীর মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এমন অভিযোগের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে কেউ অপরাধ করলে যেমন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, তেমনি নিরপরাধ কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হন, সেটিও নিশ্চিত করা জরুরি। ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য, অভিযুক্ত দুই ব্যক্তির বক্তব্য এবং পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অভিযোগের সত্যতা তদন্তে প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া এবং সাংবাদিকতার পরিচয় অপব্যবহারের পথ বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে।এবিষয়ে তাদেও সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তারা প্রথমবার ফেঅন রিসিভ করলেও অঅর ফেঅন রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

১৪ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৫ জন

খেলাধুলা

প্রথমবার ভারতের মাটিতে ব্রাজিল মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল

প্রথমবার ভারতের মাটিতে ব্রাজিল মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল

পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিপক্ষে আজ আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মাঠে নামছে ভারত। শনিবার কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় শুরু হবে বহুল আলোচিত এই ম্যাচ। জাতীয় পর্যায়ে এটিই ভারত ও ব্রাজিলের প্রথম মুখোমুখি লড়াই। একই সঙ্গে ভারতের মাটিতেও এই প্রথম খেলতে নামছে ব্রাজিল। ফলে ম্যাচটি দুই দলের ফুটবল ইতিহাসে আলাদা গুরুত্ব বহন করছে। ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ব্রাজিলের অবস্থান পঞ্চম। বিপরীতে ভারত রয়েছে ১৩৮তম স্থানে। ১৯৯২ সালে ফিফা র‍্যাঙ্কিং চালুর পর ভারতের মুখোমুখি হওয়া এটিই সর্বোচ্চ র‍্যাঙ্কিংয়ের দল। ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশে দেখা যেতে পারে পেদ্রো মরিসকোকে গোলরক্ষক হিসেবে। রক্ষণে থাকবেন মাতেউজিনিয়ো ভিতর রেইস গ্যাব্রিয়েল ও দানিলো সান্তোস। মাঝমাঠে আন্দ্রে সান্তোস ও ব্রুনো বিদন। আক্রমণভাগে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি এস্তেভাও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও এনদ্রিককে দেখা যেতে পারে।আরও পড়ুন,পাকিস্তানকে হারিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলের দুর্দান্ত শুরুঅন্যদিকে ভারতের সম্ভাব্য একাদশে গোলরক্ষক গুরপ্রীত সিং সান্ধুর সামনে রক্ষণে থাকবেন অভিষেক সিং বিজয় ভার্গেস আনোয়ার আলী ও আকাশ মিশ্র। মাঝমাঠে আপুইয়া ও অনিরুদ্ধ থাপা। আক্রমণভাগে প্রতাপ সিং রায়ান উইলিয়ামস নাওরেম মহেশ বা লালেংমাওইয়া ছাংতে এবং মনবীর সিংয়ের থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ভারতের ২৬ সদস্যের স্কোয়াডে অভিজ্ঞ গুরপ্রীত সিং সান্ধু অনিরুদ্ধ থাপা সাহাল আবদুল সামাদ মনবীর সিং ও রায়ান উইলিয়ামসের মতো খেলোয়াড় রয়েছেন। ব্রাজিলের স্কোয়াডে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এনদ্রিক মার্তিনেল্লি ব্রুনো গিমারায়েস ও মারকিনিওসের মতো তারকারাও রয়েছেন। বাংলাদেশে ম্যাচটি অনলাইনে দেখা যাবে সনি লিভে। আন্তর্জাতিক সম্প্রচারের তালিকায় সনি টেন ২ সনি টেন ৩ ও সনি টেন ৪-এর নামও রয়েছে। ভারতে সনি স্পোর্টস নেটওয়ার্ক ও সনি লিভে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে তাই আজকের ম্যাচ ঘিরে দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। প্রথমবার ভারতের মাটিতে ব্রাজিলের ম্যাচ হওয়ায় আন্তর্জাতিক ফুটবলের এই লড়াই নিয়ে দুই দেশের সমর্থকদের মধ্যেও রয়েছে বাড়তি উত্তেজনা।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!