দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস হোক জাতীয় অগ্রাধিকার, সম্মিলিত দায়িত্ব হোক বাস্তবায়নের শক্তি

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস হোক জাতীয় অগ্রাধিকার, সম্মিলিত দায়িত্ব হোক বাস্তবায়নের শক্তি

‘নিরাপদ সড়ক, সমৃদ্ধ দেশ সবার আগে বাংলাদেশ’ এমন প্রত্যাশাকে সামনে রেখে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সড়কে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান নিয়ে পালিত হচ্ছে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস। দিবসটি ঘিরে নানা সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হলেও সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঝুঁকি এখনো বাংলাদেশের অন্যতম বড় জননিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ। প্রতিদিন দেশের কোথাও না কোথাও সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন মানুষ, আহত হয়ে অনেকে পঙ্গুত্ব বরণ করছেন। মুহূর্তের একটি দুর্ঘটনা একটি পরিবারকে নিঃস্ব করে দিতে পারে, থামিয়ে দিতে পারে একটি শিশুর ভবিষ্যৎ কিংবা কেড়ে নিতে পারে পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে। সড়ক দুর্ঘটনা শুধু ব্যক্তিগত বা পারিবারিক বিপর্যয় নয়; এটি দেশের অর্থনীতি, জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপরও গভীর প্রভাব ফেলে। দুর্ঘটনায় প্রাণহানি, চিকিৎসা ব্যয়, কর্মক্ষমতা হারানো এবং পরিবারের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সংকট জাতীয় উন্নয়নের পথেও বাধা সৃষ্টি করে। তাই নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা কোনো আনুষ্ঠানিক দিবসের প্রতিপাদ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, আরও পড়ুন,গঙ্গাচড়ায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে মাহমুদুল হাসান সবুজসড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, রোড সেফটি সেল, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠন, চালক, পথচারী, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ নাগরিক সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। দিবসের তাৎপর্য ও বাস্তবতার চ্যালেঞ্জ -জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের মূল উদ্দেশ্য হলো সড়ক দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি, ট্রাফিক আইন মেনে চলার সংস্কৃতি গড়ে তোলা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা। দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা, শোভাযাত্রা, প্রচারাভিযান ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি মানুষের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দিতে পারে। তবে এসব কর্মসূচির সুফল পেতে হলে সারা বছর ধরে ধারাবাহিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য শুধু চালকদের সচেতন করলেই চলবে না; একই সঙ্গে যানবাহনের ফিটনেস, চালকের যোগ্যতা, সড়কের নকশা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, আইন প্রয়োগ এবং জরুরি চিকিৎসাসেবার মান উন্নত করতে হবে। দুর্ঘটনার পর তদন্ত ও দায় নির্ধারণের পাশাপাশি দুর্ঘটনা ঘটার আগেই ঝুঁকি শনাক্ত করে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। দিবসটির প্রতিপাদ্য যে প্রত্যাশার কথা বলে, বাস্তবে তার প্রতিফলন ঘটাতে হলে সড়ক ব্যবহারকারী প্রত্যেককে বুঝতে হবে—সড়ক নিরাপত্তা কারও একার দায়িত্ব নয়, এটি একটি সম্মিলিত সামাজিক অঙ্গীকার। দুর্ঘটনার পেছনে যেসব কারণ - সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো, বিপজ্জনকভাবে ওভারটেকিং, ট্রাফিক আইন অমান্য, অদক্ষ চালক, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন এবং চালকের ক্লান্তি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অতিরিক্ত যাত্রী ও পণ্য পরিবহন, গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার, মাদকাসক্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো এবং যাত্রী তোলার জন্য যানবাহনের মধ্যে পাল্লাপাল্লি করার প্রবণতা। অন্যদিকে, অপরিকল্পিত সড়ক নকশা, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক, পর্যাপ্ত সড়কবাতির অভাব, অস্পষ্ট সড়কচিহ্ন, ফুটপাত দখল, যত্রতত্র পার্কিং, অনিরাপদ পারাপার এবং মহাসড়কে ধীরগতির যানবাহনের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়। অনেক ক্ষেত্রে সড়ক নির্মাণ বা সংস্কারের সময় পথচারী ও সাইকেলচালকদের নিরাপত্তা যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয় না। কোথাও কোথাও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার ও জনবহুল এলাকায় পর্যাপ্ত নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা না থাকায় মানুষ ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হন। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে অনুমানের পরিবর্তে নিরপেক্ষ তদন্ত, নির্ভরযোগ্য তথ্য সংগ্রহ এবং বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ প্রয়োজন। কোন স্থানে, কী কারণে এবং কোন পরিস্থিতিতে দুর্ঘটনা বেশি ঘটছে, তা শনাক্ত করা গেলে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ সহজ হবে। আরও পড়ুন,শিবচরে ইয়াবা ও সদরে হেরোইন উদ্ধারজেলা প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি - সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পরিবহন সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজের মধ্যে সমন্বয় প্রতিষ্ঠা করতে পারে জেলা প্রশাসন।জেলার দুর্ঘটনাপ্রবণ সড়ক ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া, নিয়মিত সমন্বয় সভা করা এবং গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা জরুরি। বিশেষ করে বাজার, বাসস্ট্যান্ড, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও জনবহুল এলাকায় যানজট নিয়ন্ত্রণ, ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা এবং নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। সড়ক দখল, অবৈধ পার্কিং, অনুমোদনহীন স্ট্যান্ড এবং যত্রতত্র যানবাহন থামানোর কারণে সৃষ্ট ঝুঁকি নিরসনে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক প্রচারাভিযান পরিচালনা এবং স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগ শুধু সভা বা নির্দেশনা জারির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে নিয়মিত তদারকি এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। পুলিশ প্রশাসনের দায়িত্ব ও আইনের প্রয়োগ - সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং ট্রাফিক আইন বাস্তবায়নে পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা অপরিহার্য। ট্রাফিক পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশকে বেপরোয়া গাড়ি চালানো, বিপজ্জনক ওভারটেকিং, অতিরিক্ত গতি, অবৈধ পার্কিং এবং ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করার বিরুদ্ধে নিয়মিত ব্যবস্থা নিতে হবে। শুধু অভিযান পরিচালনা করাই যথেষ্ট নয়; আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। প্রভাবশালী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে শিথিলতা কিংবা সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে অযৌক্তিক হয়রানি—কোনোটিই গ্রহণযোগ্য নয়। মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে যানবাহনের গতিনিয়ন্ত্রণ, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা এবং ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে সতর্কতা নিশ্চিত করতে হবে। চালকদের বৈধ কাগজপত্র, লাইসেন্স ও যানবাহনের ফিটনেস যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন। দুর্ঘটনা ঘটলে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার, যান চলাচল স্বাভাবিক করা এবং যথাযথ তদন্তের ব্যবস্থা করতে হবে। দুর্ঘটনাকবলিত মানুষকে সাহায্য করার পরিবর্তে ভিড় সৃষ্টি বা ভিডিও ধারণের প্রবণতা বন্ধে জনসচেতনতা বাড়ানোও জরুরি। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের করণীয় - নিরাপদ সড়ক গড়ে তুলতে উন্নত ও ঝুঁকিমুক্ত অবকাঠামোর বিকল্প নেই। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরকে সড়কের নকশা, নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যালোচনা করতে হবে।আরও পড়ুন,কসবায় উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বেহাল দশা সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক, অপর্যাপ্ত দৃশ্যমানতা, ভাঙা সেতু বা কালভার্ট এবং বিপজ্জনক প্রবেশপথ দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন। মহাসড়কে যথাযথ সড়কচিহ্ন, নির্দেশনামূলক সাইনবোর্ড, রোড মার্কিং, প্রতিফলক এবং প্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা নিশ্চিত করতে হবে। জনবহুল এলাকা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বাজারের কাছে নিরাপদ পারাপার এবং উপযুক্ত গতিনিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। নির্মাণ বা সংস্কারকাজ চলাকালে বিকল্প চলাচলের পথ, সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড এবং নিরাপত্তাবেষ্টনী স্থাপন করতে হবে। কারণ অপর্যাপ্ত সতর্কতার কারণে নির্মাণাধীন সড়কেও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ ছাড়া সড়ক নিরাপত্তা নিরীক্ষার মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে অগ্রাধিকারভিত্তিতে উন্নয়ন করতে হবে। শুধু নতুন সড়ক নির্মাণ নয়, বিদ্যমান সড়কগুলোকে নিরাপদ রাখা এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। রোড সেফটি সেল ও বিআরটিএর কার্যকর ভূমিকা - সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক পরিকল্পনা গ্রহণ, তথ্য বিশ্লেষণ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন সংস্থার কার্যক্রম সমন্বয়ে রোড সেফটি সেলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। দুর্ঘটনার তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে কোন সড়কে কী ধরনের ঝুঁকি রয়েছে, তা নির্ধারণ করা প্রয়োজন। সেই তথ্যের ভিত্তিতে স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। আরও পড়ুন,লামায় জমি জবরদখলের চেষ্টা ও সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগঅন্যদিকে, বিআরটিএকে চালকের লাইসেন্স প্রদান, যানবাহনের নিবন্ধন, ফিটনেস সনদ এবং পরিবহনসংক্রান্ত বিধিবিধান বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও কঠোরতা নিশ্চিত করতে হবে। চালকের দক্ষতা যাচাই ছাড়া লাইসেন্স প্রদান, যানবাহনের যথাযথ পরীক্ষা ছাড়া ফিটনেস সনদ নবায়ন কিংবা অনিয়মের মাধ্যমে সড়কে ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহন চলাচলের সুযোগ বন্ধ করতে হবে। পেশাদার চালকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ, ট্রাফিক আইন সম্পর্কে জ্ঞান বৃদ্ধি, ক্লান্ত অবস্থায় গাড়ি চালানোর ঝুঁকি এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার কৌশল শেখানোর ব্যবস্থা করা জরুরি। একই সঙ্গে পরিবহন মালিকদেরও যানবাহনের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং চালকদের উপযুক্ত কর্মঘণ্টা নিশ্চিত করতে উৎসাহিত করতে হবে। চালক, মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের দায়বদ্ধতা - সড়ক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে চালকদের দায়িত্ব সরাসরি মানুষের জীবন রক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত। নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলা, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা, বিপজ্জনক ওভারটেকিং পরিহার এবং মোবাইল ফোন ব্যবহার না করে গাড়ি চালানো প্রতিটি চালকের কর্তব্য। ঘুম ঘুম অবস্থায়, অসুস্থ শরীরে কিংবা মাদক গ্রহণ করে গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকতে হবে। দীর্ঘ যাত্রায় পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করতে হবে এবং যাত্রী তোলার জন্য প্রতিযোগিতা কিংবা নির্ধারিত সময়ে পৌঁছানোর অতিরিক্ত চাপ পরিহার করতে হবে।পরিবহন মালিকদের ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন সড়কে নামানো বন্ধ করতে হবে। চালকের বৈধ লাইসেন্স, প্রশিক্ষণ ও শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ের পাশাপাশি যানবাহনের ব্রেক, টায়ার, হেডলাইট ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ নিয়মিত পরীক্ষা করা জরুরি। শ্রমিক সংগঠনগুলো চালকদের অধিকার রক্ষার পাশাপাশি পেশাগত শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে পারে। ন্যায্য মজুরি, যুক্তিসংগত কর্মঘণ্টা, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং প্রশিক্ষণের সুযোগ নিশ্চিত হলে চালকদের ওপর অযৌক্তিক চাপ কমবে। সড়ক নিরাপত্তাকে কেন্দ্র করে মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় গড়ে তোলা প্রয়োজন।আরও পড়ুন,বিরোধীদল সরকারের কাজে ঈর্ষান্বিত হয়ে মিডিয়ার সামনে আবোল তাবোল বলছে - এমপি খোকনপথচারী ও শিক্ষার্থীদের সচেতনতা - নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে পথচারীদেরও ট্রাফিক আইন মেনে চলতে হবে। রাস্তা পারাপারে জেব্রা ক্রসিং, ফুটওভারব্রিজ কিংবা নির্ধারিত পারাপারের স্থান ব্যবহার করা জরুরি। চলন্ত যানবাহনের সামনে দিয়ে দৌড়ে রাস্তা পার হওয়া, মোবাইল ফোনে মনোযোগ রেখে হাঁটা এবং ট্রাফিক সিগন্যাল উপেক্ষা করা থেকে বিরত থাকতে হবে। শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি ও প্রতিবন্ধী মানুষের নিরাপদ চলাচলের বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে হবে। ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা এবং পথচারীবান্ধব অবকাঠামো নিশ্চিত করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই সড়ক নিরাপত্তার শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ট্রাফিক আইন, সড়কচিহ্ন, নিরাপদ পারাপার, গণপরিবহনে ওঠানামা এবং মোটরসাইকেলে হেলমেট ব্যবহারের গুরুত্ব নিয়ে নিয়মিত সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করা যেতে পারে। শিক্ষার্থীরা নিজেরা নিয়ম মেনে চলার পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের অন্যদেরও সচেতন করতে পারে। এভাবে সড়ক নিরাপত্তাকে দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করা সম্ভব। গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের ভূমিকা - সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা শুধু দুর্ঘটনার খবর প্রকাশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দুর্ঘটনার কারণ, ঝুঁকিপূর্ণ সড়কের অবস্থা, যানবাহনের ফিটনেস, চালকদের প্রশিক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়বদ্ধতা নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরি করা প্রয়োজন। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি এবং নাগরিক সমাজের সদস্যদেরও সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক কার্যক্রমে অংশ নিতে হবে। স্থানীয় পর্যায়ে দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থান চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা যেতে পারে।আরও পড়ুন,টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশের অভিযানে দুই দুর্ধর্ষ আসামি গ্রেপ্তারএকই সঙ্গে দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তিদের প্রতি মানবিক আচরণ, দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো সামাজিক দায়িত্বের অংশ। আনুষ্ঠানিকতা নয়, চাই কার্যকর বাস্তবায়ন - জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস আমাদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরে—সচেতনতার বার্তা দেওয়ার পরও কেন সড়কে মানুষের নিরাপত্তা বারবার হুমকির মুখে পড়ছে? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে দায় এড়ানোর সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। প্রতিটি সংস্থাকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে এবং ব্যর্থতার ক্ষেত্রে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থানগুলো চিহ্নিত করা, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন চলাচল বন্ধ করা, দক্ষ চালক তৈরি, ট্রাফিক আইন কার্যকরভাবে প্রয়োগ, নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা এবং দুর্ঘটনার পর দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা—এসব উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। পাশাপাশি সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক তথ্য প্রকাশ, নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং বাস্তব ফলাফল মূল্যায়নের ব্যবস্থা থাকা জরুরি। সড়ক নিরাপত্তা কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নয়। সরকারকে কার্যকর নেতৃত্ব দিতে হবে, প্রশাসনকে সমন্বয় ও তদারকি করতে হবে, পুলিশকে আইন প্রয়োগ করতে হবে, সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে নিরাপদ অবকাঠামো নিশ্চিত করতে হবে, পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের দায়িত্বশীল হতে হবে এবং চালক ও পথচারীদের নিয়ম মেনে চলতে হবে। জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের অঙ্গীকার হোক—সড়ক সবার জন্য নিরাপদ করা। একটি দুর্ঘটনাও যেন অবহেলা, অনিয়ম কিংবা দায়িত্বহীনতার কারণে না ঘটে, সেই লক্ষ্য সামনে রেখে প্রত্যেককে কাজ করতে হবে। কারণ প্রতিটি প্রাণ অমূল্য, প্রতিটি পরিবার নিরাপত্তার অধিকারী এবং নিরাপদে চলাচল করা প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক প্রত্যাশা। আসুন, দিবস পালনের আনুষ্ঠানিকতার বাইরে গিয়ে সড়ক নিরাপত্তাকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করি। সম্মিলিত উদ্যোগ, কার্যকর আইন প্রয়োগ এবং দায়িত্বশীল আচরণের মধ্য দিয়ে গড়ে তুলি এমন বাংলাদেশ, যেখানে সড়কে বেরিয়ে প্রতিটি মানুষ নিরাপদে ঘরে ফিরতে পারেন। নিরাপদ সড়ক হোক সবার অধিকার, সবার দায়িত্ব—সড়ক দুর্ঘটনামুক্ত বাংলাদেশ গড়াই হোক আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার।

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

ইতিহাস গড়ে শান্তিপূর্ণ দুর্গোৎসব

বাংলাদেশের সাড়ে পাঁচ দশকের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সারা দেশে রেকর্ড সংখ্যক মণ্ডপে শান্তিপূর্ণভাবে শারদীয় দুর্গোৎসব উদ্‌যাপিত হয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এই ঐতিহাসিক সাফল্যের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, দেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী দুর্গোৎসবের সময় ঢাকার গণ্ডি পেরিয়ে রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামের মতো তিনটি আলাদা অঞ্চলে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যান, যা অসাম্প্রদায়িক চেতনার ক্ষেত্রে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। গত বৃহস্পতিবার বগুড়ার হোটেল মম-ইনের অডিটরিয়ামে 'বাংলাদেশ প্রতিদিন' আয়োজিত ‘উত্তরাঞ্চলের প্রাণকেন্দ্র বগুড়ার উন্নয়ন সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিশিষ্ট সাংবাদিক ও 'বাংলাদেশ প্রতিদিন'-এর সম্পাদক লোটন একরামের সভাপতিত্বে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরে বলেন, আরোও পড়ুন,কালকিনিতে ভাড়ায় মারা-মারি করতে এসে হত্যা মামলার আসামি নিহত আহত-৫ জনবিগত দিনে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক গোষ্ঠী হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে নিজেদের একক সম্পদ মনে করত। তবে বর্তমানে সেই পুরাতন অবস্থান থেকে বেরিয়ে এসে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখে ভোট দিয়েছেন। এই অর্জিত আস্থার ইতিবাচক প্রতিফলন হিসেবেই এবার সারা দেশে প্রায় ১,২০০টি অতিরিক্ত পূজামণ্ডপে অত্যন্ত ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দের সাথে দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের মোট ৩৩,৮৫১টি মণ্ডপে এই উৎসব পালিত হয়। প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জোর দিয়ে বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন জনগণের সরকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের দেওয়া এই ভালোবাসা, আস্থা ও বিশ্বাসের যথাযথ মর্যাদা দিতে সক্ষম হয়েছে। উৎসবের দিনগুলোতে প্রশাসন ও বিএনপির নেতাকর্মীরা হাত মিলিয়ে একযোগে প্রতিটি পূজামণ্ডপ পাহারা দিয়েছেন। এই সম্মিলিত সচেতনতা ও দায়িত্বশীল উদ্যোগের ফলেই সমগ্র দেশে একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরাপত্তাবেষ্টিত পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।

আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার ফেরার সুযোগ নেই: স্পিকার

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে। তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৭ বছর দেশে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। বৃহস্পতিবার ভোলা সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, বিত্তহীন হলেও সমাজে যাদের গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা রয়েছে, তাদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকা উচিত। এ জন্য সাধারণ মানুষের জন্য উপযোগী নির্বাচনী ব্যবস্থা নির্ধারণে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। আরোও পড়ুন,প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মোংলা সফর নিজ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে স্পিকার বলেন, আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার রাজনীতিতে ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই। বিগত সরকারের সময়ে ভালো ও সৎ মানুষের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পরিবেশ ছিল না উল্লেখ করে তিনি বর্তমান নির্বাচন ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের গুরুত্ব তুলে ধরেন। এছাড়া, ভোলার প্রাকৃতিক গ্যাসের সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ভোলাবাসীর জন্য গ্যাস পাওয়া তাদের ন্যায্য অধিকার। সাধারণ মানুষের এ দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে তিনি দ্রুত জ্বালানি মন্ত্রীর সাথে কথা বলবেন বলে আশ্বাস দেন। তিনদিনের সফর শেষে বেলা সাড়ে ১১টায় তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে ভোলা ত্যাগ করেন। 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মোংলা সফর

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাগেরহাটের মোংলায় অবস্থিত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঘাঁটি 'বানৌজা মোংলা'-তে পৌঁছান। দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে নৌপথে তিনি বানৌজা মোংলার জেটিতে এসে পৌঁছান। এর আগে সকালে তিনি বিশেষ হেলিকপ্টারযোগে রাজধানী ঢাকা থেকে খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা হন। খুলনায় অবতরণের আগে প্রধানমন্ত্রী আকাশপথে আন্তর্জাতিক ঐতিহ্যের অংশ সুন্দরবন এবং হিরণ পয়েন্ট এলাকা সরজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। সুন্দরবন পরিদর্শন শেষে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্মিত হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন। সেখান থেকে তিনি নদীপথে বাগেরহাটের বানৌজা মোংলার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। আরোও পড়ুন,২০২৭-২৮ অন্তর্বর্তীকালীন অর্থবছর থেকে শুরু হচ্ছে নতুন অর্থবছর কাঠামোপ্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য সকাল থেকেই মোংলা ও আশপাশের এলাকার নদীর দু'পারে উৎসুক হাজারো মানুষের বিপুল উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। পরবর্তীতে বিকেলে প্রধানমন্ত্রী মোংলা বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ জেটি এলাকা পরিদর্শন করেন এবং কন্টেইনার হ্যান্ডলিং ও বাণিজ্যিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন। এরপর তিনি প্রস্তাবিত বেজা (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ) অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করেন, যা দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নতুন শিল্পায়ন ও বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। দিনব্যাপী খুলনা ও বাগেরহাটের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পরিদর্শন শেষে বিকেল ৫টায় মোংলার সাময়িক হেলিপ্যাড থেকে হেলিকপ্টারযোগে প্রধানমন্ত্রী পুনরায় ঢাকায় ফিরে যান। তাঁর এই সফর আঞ্চলিক অর্থনীতি ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রসারে একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ।

২০২৭-২৮ অন্তর্বর্তীকালীন অর্থবছর থেকে শুরু হচ্ছে নতুন অর্থবছর কাঠামো

সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৭-২৮ অর্থবছরকে ৯ মাস মেয়াদী (জুলাই থেকে মার্চ) অন্তর্বর্তীকালীন অর্থবছর হিসেবে পরিচালনা করা হবে এবং ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত নতুন অর্থবছর কার্যকর হবে। আরও পড়ুন,দুদকের দুই মামলায় কাতারে গ্রেপ্তার সাবেক বিমান বাহিনী প্রধানএই পরিবর্তনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি), জাতীয় পরিসংখ্যান এবং আইবাস++ ও ভ্যাট ব্যবস্থার মতো তথ্যপ্রযুক্তিগত কাঠামোতেও পরিবর্তন আনতে হবে। রাজউক, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাজনীতিরাজনীতি

সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে হুশিয়ারি

সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে হুশিয়ারি

রাঙামাটির পাহাড়ি পর্যটন এলাকা বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেককে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতির বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রকৃত ঘটনা জানতে চেয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তার মাধ্যমে তিনি এ বিষয়ে সরকারের প্রতি সুস্পষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে জামায়াত আমির প্রশ্ন তোলেন, আরোও পড়ুন,হাসপাতালে অসুস্থ দুই মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু ও আবদুল মঈন খান‘রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেককে কেন্দ্র করে কী হচ্ছে?’ তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, মনগড়া বা ভুয়া গোয়েন্দা তথ্যের পেছনে না দৌঁড়ে সঠিক ও নিখুঁত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই বিষয়ে কার্যকর ও সুস্পষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি। একই পোস্টে তিনি সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তুলে ধরে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, ‘সাধারণ নাগরিকদের জীবন নিয়ে তামাশা করার অধিকার কারও নেই।’ রাঙামাটি ও সাজেক এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং জনসাধারণের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অনতিবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘সময় থাকতে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।’

হাসপাতালে অসুস্থ দুই মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু ও আবদুল মঈন খান

হাসপাতালে অসুস্থ দুই মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু ও আবদুল মঈন খান

অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া দুই মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু ও আবদুল মঈন খানকে দেখতে গেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে তাঁরা পৃথকভাবে হাসপাতালে গিয়ে অসুস্থ এই দুই নেতার শারীরিক পরিস্থিতির বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বুধবার (২১ অক্টোবর) হঠাৎ অসুস্থ হয়ে প্রথমে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য বৃহস্পতিবার তাঁকে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। আরোও পড়ুন,দুর্গাপূজার উপহার বিতরণী অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর উদ্দেশ্যে ইউএনওর অদ্ভুত বক্তব্যআজ দুপুরে সেখানে গিয়ে তাঁর সার্বিক শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। অন্যদিকে, বুধবার রাতে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী (এলজিআরডি) আবদুল মঈন খানকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে হাসপাতালে গিয়ে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। 

দুর্গাপূজার উপহার বিতরণী অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর উদ্দেশ্যে ইউএনওর অদ্ভুত বক্তব্য

দুর্গাপূজার উপহার বিতরণী অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর উদ্দেশ্যে ইউএনওর অদ্ভুত বক্তব্য

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিলা তাসনিম মাত্র দেড় মিনিটের বক্তব্যে প্রধান অতিথি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুকে ৩৫ বার ‘স্যার’ সম্বোধন করে নতুন করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। বুধবার রাজারহাটের বৈদ্যের বাজার হরিসভা সংস্কৃতি দুর্গা মন্দির প্রাঙ্গণে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে অসচ্ছল হরিজন, রবিদাস ও বেদে সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝে বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ বক্তব্য প্রদান করেন। সংক্ষিপ্ত সেই বক্তব্য জুড়ে অতিরিক্ত 'স্যার' শব্দের ব্যবহারে উপস্থিত সবাই বিস্মিত হলেও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ্যে আসার পরপরই তীব্র হাস্যরস ও আলোচনার ঝড় তোলে।আরোও পড়ুন,সিটি নির্বাচন ঘোষণা হয়নি তবু মাঠে জামায়াতের প্রার্থীরাঅবশ্য অতিরিক্ত মাত্রায় 'স্যার' বলা ছাড়াও ইউএনও তানজিলা তাসনিম তার বক্তব্যে রাজারহাটে একটি সার্ভেয়ার কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবি উত্থাপন করেন। এছাড়াও ভিজিএফ চালের বস্তা পরিবহন সহজ করার সরকারি পদক্ষেপ এবং সরকারি কর্মচারীদের প্রত্যাশিত নবম পে-স্কেলের বিষয়ে ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, জেলা পুলিশ সুপার ফজলে রাব্বিসহ স্থানীয় বিএনপি ও প্রশাসনিক ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। তবে সব প্রশাসনিক ও জনকল্যাণমূলক দাবির চেয়ে দেড় মিনিটে ৩৫ বার 'স্যার' বলার রেকর্ডই বর্তমানে পুরো এলাকা এবং সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রূপ নিয়েছে।

চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বর্ষীয়ান জ্যেষ্ঠ নেতা

চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বর্ষীয়ান জ্যেষ্ঠ নেতা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান হঠাৎ অসুস্থ হয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে (করোনারি কেয়ার ইউনিট) ভর্তি হয়েছেন। ২১ অক্টোবর রাতে বুকে তীব্র ব্যথা অনুভূত হলে তাকে দ্রুত বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত উক্ত হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে তার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রয়েছে। আরোও পড়ুন,ভঙ্গুর অর্থনীতি নিয়েই সরকারের যাত্রা শুরু: চিফ হুইপবৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে তাকে দেখতে হাসপাতালে যান বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের কাছ থেকে মঈন খানের শারীরিক পরীক্ষার প্রতিবেদন এবং চিকিৎসার সার্বিক অগ্রগতির খোঁজখবর নেন। বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে সিনিয়র এই নেতার দ্রুত সুস্থতার কথা জানিয়ে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে। তাঁর অসুস্থতার খবরে দলীয় নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে গভীর দুশ্চিন্তা নেমে এসেছে।

সারাবাংলা

কক্সবাজারে সদর থানা পুলিশের অভিযানে ১০ জন গ্রেপ্তার

কক্সবাজারে সদর থানা পুলিশের অভিযানে ১০ জন গ্রেপ্তার

কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) কক্সবাজার পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন ছিনতাইকারী, তিনজন মাদক সেবনকারী, বিভিন্ন ধর্তব্য অপরাধে অভিযুক্ত দুজন এবং ওয়ারেন্টভুক্ত তিনজন আসামি রয়েছেন। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার দুই ছিনতাইকারী হলেন নুরুল আজিম (৪৩) ও মো. রাকিবুল হাসান ওরফে রাকিব (২৬)। তাঁদের মধ্যে রাকিবের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় ২০২৫ সালের ২৮ জানুয়ারি একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) নথিভুক্ত রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আরোও পড়ুন,গঙ্গাচড়ায় মাদ্রাসার নতুন ভবন উদ্বোধনএ ছাড়া মাদক সেবনের অভিযোগে গ্রেপ্তার তিনজন হলেন গুরা মিয়া (২২), মো. সাইফুল (২২) ও মো. নুরুল আবছার (১৯)। বিভিন্ন ধর্তব্য অপরাধে গ্রেপ্তার দুজন হলেন হেলাল উদ্দিন (২৫) ও মোজাহিদ (২৪)। অন্যদিকে, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হিসেবে মো. রফিক, আল আমিন এবং মো. নুরুল আমিন ওরফে সোহেল ওরফে রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, কক্সবাজার পৌরসভা ও ইউনিয়ন এলাকায় অপরাধ দমন এবং চোর-ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় এসব আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

গঙ্গাচড়ায় মাদ্রাসার নতুন ভবন উদ্বোধন

গঙ্গাচড়ায় মাদ্রাসার নতুন ভবন উদ্বোধন

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নে বড়বিল শালমারা কবরস্থান মাজ্জানুল উলুম হাফিজিয়া ও ফুরকানী মাদ্রাসার নবনির্মিত চারতলা ভবনের প্রথম তলার উদ্বোধন করেছেন রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া) আসনের সংসদ সদস্য মো. রায়হান সিরাজী। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন করেন। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাদ্রাসার সভাপতি আলহাজ আব্দুল গফুর মাস্টার। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মাদ্রাসার সেক্রেটারি আব্দুর রশিদ মাস্টার, গঙ্গাচড়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মো. নায়েবুজ্জামান এবং প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য মো. রায়হান সিরাজী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন, শ্রমিক নেতা মো. শোয়াইবুর রহমান, জামায়াত নেতা মো. সোহাগ রহমান, মাওলানা মো. আব্দুল মতিন, আলহাজ আব্দুল ওহাব,আরোও পড়ুন,গাজীপুরে বিআরটি প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন মোহাম্মদ আবু বক্কর মাস্টার, আলহাজ মাহফুজার রহমান, রাজু আহমেদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। এ ছাড়া মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা নাজমুল ইসলাম, আলহাজ লুৎফর রহমান মকু, মোহাম্মদ মাসুদার রহমান অপু, মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন মাস্টার ও মো. আওরঙ্গজেব হোসেন বাদশা। অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা আব্দুল মালেকও উপস্থিত ছিলেন। মাদ্রাসাটির নতুন ভবন নির্মাণের ফলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনায় আরও উন্নত পরিবেশ ও সুযোগ-সুবিধা তৈরি হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রসারে প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। নবনির্মিত ভবনটি চালু হওয়ায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার শিক্ষক, পরিচালনা কমিটির সদস্য, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।

গাজীপুরে বিআরটি প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

গাজীপুরে বিআরটি প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

দ্রুত আধুনিক ও নিরাপদ গণপরিবহন চালুর দাবি সচেতন নাগরিকদের বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে দ্রুত আধুনিক, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী গণপরিবহন ব্যবস্থা চালুর দাবিতে গাজীপুরে অবস্থান কর্মসূচি ও মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকেরা। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভোগড়া বাইপাস এলাকায় ‘সচেতন নাগরিক ঐক্য, গাজীপুর’-এর ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বিআরটি প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত গাজীপুরের সামগ্রিক যোগাযোগব্যবস্থা ও নগর উন্নয়নকে দীর্ঘমেয়াদে পিছিয়ে দিতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ তীব্র যানজট, যাতায়াতে ভোগান্তি এবং কর্মঘণ্টা নষ্ট হওয়ার সমস্যায় ভুগছেন। এ অবস্থায় প্রকল্প বাতিল না করে জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত আধুনিক ও নিরাপদ গণপরিবহন ব্যবস্থা চালু করতে হবে। বক্তারা আরও বলেন, অবকাঠামো খাতে জনগণের করের টাকায় করা বিনিয়োগের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে নারী, প্রবীণ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের নির্বিঘ্ন যাতায়াতের উপযোগী পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। আরোও পড়ুন,টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানগাজীপুরের পরিবহন সংকট সমাধানে একতরফা সিদ্ধান্ত না নিয়ে নগর বিশেষজ্ঞ, পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মতামতের ভিত্তিতে বাস্তবসম্মত মহাপরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানান তাঁরা। এ সময় বিআরটি প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতা, অব্যবস্থাপনা, জনদুর্ভোগ ও প্রাণহানির ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানান বক্তারা। তাঁদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে চলমান এ প্রকল্পের সমস্যা চিহ্নিত করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এবং জনস্বার্থে টেকসই সমাধান নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক অ্যাডভোকেট আলী নাছের খান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের গাজীপুর মহানগর সদর মেট্রোর সভাপতি মুফতি মাহবুব আশরাফী, গাজীপুর জেলা এনসিপির সদস্যসচিব আবুল কাশেম শিকদার, গাজীপুর মহানগর এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনিস খান, মহানগর যুবশক্তির আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম, জ্যেষ্ঠ মুখ্য সংগঠক সাকিল সরদার, সদর মেট্রো এনসিপির সদস্যসচিব রেদোয়ানুল হক এবং মহানগর যুবশক্তির সংগঠক শাকিল আহমেদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। মানববন্ধন থেকে গাজীপুরবাসীর দীর্ঘদিনের যাতায়াত সংকট নিরসনে জনবান্ধব পরিবহন পরিকল্পনা গ্রহণ এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান

টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান

গাজীপুর, ২২ অক্টোবর ২০২৬: গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অপরাধ দক্ষিণ বিভাগের আওতাধীন টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৩৫৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। এ ছাড়া অস্ত্র মামলায় তিনজন, নারী ও শিশু নির্যাতন-সংক্রান্ত মামলায় একজন এবং মাদকসেবী হিসেবে আরও দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশের পরিচালিত অভিযানে মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও বিভিন্ন মামলার আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে কার্যক্রম চালানো হয়। অভিযানে ৩৫৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিনজনকে আটক করা হয়। পাশাপাশি অস্ত্র মামলার তিনজন আসামি, আরোও পড়ুন,দেওয়ানগঞ্জে বিজিবির মাদকবিরোধী অভিযাননারী ও শিশু-সংক্রান্ত মামলার একজন আসামি এবং মাদকসেবী হিসেবে আরও দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের এ ধরনের অভিযান অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে ইয়াবার মতো ক্ষতিকর মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা সমাজের তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষিত রাখতে সহায়ক হতে পারে। টঙ্গী পশ্চিম থানা এলাকায় অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং মাদকদ্রব্যের সরবরাহ ও অপব্যবহার প্রতিরোধে পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইন ও মামলার বিধান অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...

আন্তর্জাতিক

কিম জং উনের মৃত্যুর গুজব ও নতুন ছবি

কিম জং উনের মৃত্যুর গুজব ও নতুন ছবি

উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের মস্তিস্কে রক্তক্ষরণে মৃত্যুর খবর নিয়ে আবারও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুজব ছড়িয়ে পড়ে। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত এক চীনা ভিন্নমতাবলম্বীর এই প্রমাণহীন দাবির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম 'রোদং সিনমুন' ৪২ বছর বয়সী কিম জং উন ও তাঁর আনুমানিক ১৩ বছর বয়সী মেয়ে কিম জু আয়ের একটি প্রদর্শনীর নতুন ছবি প্রকাশ করে। যদিও ছবিগুলো ঠিক কখন তোলা তা নির্দিষ্ট করে জানানো হয়নি, তবে দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থাও কিমের মৃত্যুর খবরের সমর্থনে কোনো তথ্য পাওয়ার কথা অস্বীকার করেছে।আরোও পড়ুন,কোরিয়ান সীমান্তে ফের লাউডস্পিকারবিশেষজ্ঞদের মতে, উত্তর কোরিয়া বিশ্বের অন্যতম গোপনীয় রাষ্ট্র হওয়ায় দেশটি সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। এছাড়া কিমের স্থূলতা, অতিরিক্ত ধূমপান ও পরিবারের হৃদ্রোগের ইতিহাস নিয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকির বাস্তব উদ্বেগের কারণেই বারবার এ ধরনের জল্পনা তৈরি হয়। যদি হঠাৎ কিমের কিছু ঘটে যায়, তবে দেশের পারমাণবিক অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে যাবে এবং উত্তর কোরিয়ার শাসনক্ষমতায় কিমের মেয়ে উত্তরসূরি হতে পারবেন কি না—তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। ক্ষমতার উত্তরাধিকার ও তথ্যের গোপনীয়তাই মূলত কিম জং উনকে ঘিরে বারবার এমন গুজব ছড়ানোর প্রধান কারণ।

৯ ঘন্টা আগে

রাজধানী

৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে পুলিশি উদ্ধার ও প্রাথমিক তদন্ত

৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে পুলিশি উদ্ধার ও প্রাথমিক তদন্ত

রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশু চোর সন্দেহে মো. আলম শেখ (৪১) নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার রাত ১১টার দিকে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের সামনে ঘোরাঘুরির সময় রোগীর স্বজনরা তাঁকে সন্দেহ করে পরিচয় ও উপস্থিতি সম্পর্কে জানতে চায়। সদুত্তর দিতে না পারায় উত্তেজিত জনতা তাঁকে টেনেহিঁচড়ে হাসপাতালের নিচে নিয়ে গণপিটুনি দেয়, যার ফলে বৃহস্পতিবার ভোরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আঙুলের ছাপের মাধ্যমে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করে;আরোও পড়ুন,১ নভেম্বর থেকে ঢাকার ছয় রুটে চালু হচ্ছে ‘এক রুট, এক কোম্পানি’ বাসব্যবস্থা তাঁর বাড়ি নাটোর জেলায়। পুলিশ ইতোমধ্যেই স্বজনদের সংবাদ দিয়েছে এবং তাঁরা ঢাকায় পৌঁছানোর পর তেজগাঁও থানায় আনুষ্ঠানিক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। পুলিশ তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মোস্তাফিজুর রহমান অয়ন নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

১২ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৬ জন

খেলাধুলা

কঠিন 'জি' গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ পর্তুগাল ও ওয়েলসসহ পাঁচ দেশ

কঠিন 'জি' গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ পর্তুগাল ও ওয়েলসসহ পাঁচ দেশ

ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভালে অংশ নিতে আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে সফলভাবে পৌঁছেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল দল। বুধবার স্থানীয় সময় রাত ৯টায় বাকুর মাটিতে পা রাখে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। বর্তমানে বাকুর অ্যাথলেটস ভিলেজে অবস্থান করছে দেশের তরুণ ফুটবলাররা। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সফরকারী দলের সকল খেলোয়াড় ও কর্মকর্তা পুরোপুরি সুস্থ ও মানসিকভাবে চাঙ্গা অবস্থায় রয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার বাকুতে দলীয় অনুশীলন সেশন সম্পন্ন করার কথা রয়েছে। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার বিশেষ উদ্যোগে প্রথমবারের মতো ছোট সংস্করণের এই অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ আয়োজিত হচ্ছে, আরোও পড়ুন,স্পেনের রাজপরিবারের হাতে পুরস্কার গ্রহণের প্রস্তুতিযেখানে বিশ্বের মোট ১৯১টি দেশের তরুণ ফুটবল দল অংশ নিচ্ছে। ৮ জন খেলোয়াড় নিয়ে গঠিত এই বিশেষ টুর্নামেন্টের খেলাগুলো ৬৮ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৪৮ মিটার প্রস্থের মাঠে মোট ৪০ মিনিটের (২০ মিনিটের দুই অর্ধ) মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ কঠিন 'জি' গ্রুপে স্থান পেয়েছে, যেখানে লাল-সবুজের যুবাদের প্রতিপক্ষ ওয়েলস, পর্তুগাল, ইন্দোনেশিয়া, ফিজি ও বুরুন্ডি। আগামী ২৪ অক্টোবর ওয়েলসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে। পরবর্তীতে ২৫ ও ২৬ অক্টোবর প্রতিদিন দুটি করে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। বাকুর হোভসান কম্পিটিশন কমপ্লেক্স ও বাকু ক্রিস্টাল হলে ম্যাচের রোমাঞ্চকর খেলাগুলো অনুষ্ঠিত হবে এবং টুর্নামেন্ট শেষে আগামী ৩ নভেম্বর দেশে ফিরবে বাংলাদেশ দল।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!