দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

অপরাধীদের দৌরাত্ম্য, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

অপরাধীদের দৌরাত্ম্য, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

দেশে একের পর এক পুলিশের ওপর হামলা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মনোবল দুর্বল করার অপচেষ্টা, মব সহিংসতা, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য এবং মাদক কারবারের বিস্তার—সব মিলিয়ে জননিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অপরাধ দমনে পুলিশের ভূমিকা, মাঠপর্যায়ে কার্যক্রমের গতি এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশিত আইনি সেবা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন। বিশেষ করে রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান, বনানীসহ বিভিন্ন স্থানে অবৈধ আবাসিক হোটেল, অনুমোদনহীন স্পা সেন্টার, মাদক সংশ্লিষ্ট আস্তানা ও নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ সামনে আসছে। এসব অভিযোগ যথাযথভাবে তদন্ত ও প্রতিরোধ করা না গেলে অপরাধীদের তৎপরতা আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল। পুলিশ একটি রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান। অপরাধ প্রতিরোধ, অপরাধী শনাক্ত, জননিরাপত্তা নিশ্চিত এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা, দায়িত্ব পালনে বাধা, বিভিন্ন স্থানে সংঘবদ্ধ বিশৃঙ্খলা এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ নিয়ে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, মাঠপর্যায়ে পুলিশ কতটা স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারছে? অপরাধ দমনে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা, জনবল, প্রযুক্তি ও প্রশাসনিক সহযোগিতা কতটা নিশ্চিত করা হচ্ছে? রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকদের আন্দোলন ও বিভিন্ন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুলিশের ওপর হামলা এবং সংঘর্ষের ঘটনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে। কোনো দাবি বা অধিকার আদায়ের আন্দোলন গণতান্ত্রিক অধিকার হলেও সেই আন্দোলনের আড়ালে পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি সম্পদ ভাঙচুর কিংবা সাধারণ মানুষের চলাচলে বাধা সৃষ্টি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। পুলিশের দায়িত্ব পালনের সময় তাদের ওপর হামলা হলে শুধু সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নিরাপত্তাই বিঘ্নিত হয় না, বরং সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষ করে সংঘবদ্ধ হামলা ও সহিংসতার ঘটনায় পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে পুলিশের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা, অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ থাকলে সেসব অভিযোগও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে। আইনের প্রয়োগ হতে হবে সবার জন্য সমান। পুলিশের ওপর হামলার বিচার যেমন নিশ্চিত করতে হবে, তেমনি পুলিশের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগেরও স্বচ্ছ তদন্ত প্রয়োজন। কারণ জবাবদিহি ও পেশাদারত্বের সমন্বয় ছাড়া একটি বাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা সুদৃঢ় করা সম্ভব নয়। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরেকটি উদ্বেগজনক বিষয় মব সহিংসতা ও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা। বিভিন্ন এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ হয়ে হামলা, মারধর, ভাঙচুর, চাঁদাবাজি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। কোথাও কোথাও কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার ঘটনাও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে সংঘবদ্ধ হওয়ার প্রবণতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেই আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা আইনের শাসনের জন্য বড় হুমকি। অপরাধের অভিযোগ থাকলে তদন্ত ও বিচারের দায়িত্ব আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং আদালতের। জনতার হাতে বিচার প্রতিষ্ঠার চেষ্টা রাষ্ট্রের বিচারব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। এ ক্ষেত্রে পুলিশের দ্রুত সাড়া, গোয়েন্দা নজরদারি এবং স্থানীয় পর্যায়ে অপরাধ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কিশোর গ্যাংয়ের পেছনে থাকা প্রাপ্তবয়স্ক পৃষ্ঠপোষক, মাদক সরবরাহকারী এবং অপরাধে অর্থায়নকারীদের শনাক্ত করতে হবে। শুধু কয়েকজন কিশোরকে আটক করে অভিযান শেষ করলে সমস্যার মূল উৎপাটন হবে না। রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান ও বনানীকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন আবাসিক হোটেল, গেস্ট হাউস, স্পা সেন্টার এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে মাঝেমধ্যে নানা অভিযোগ সামনে আসে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় অনুমোদন, বৈধ ব্যবসায়িক কাগজপত্র কিংবা নিরাপত্তাবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ না করেই পরিচালিত হচ্ছে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, মাদক সংশ্লিষ্টতা, অসামাজিক কার্যকলাপ এবং অপরাধীদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। তবে অভিযোগের ভিত্তিতে কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। প্রশ্ন হচ্ছে, একটি প্রতিষ্ঠান কীভাবে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হচ্ছে, তাদের ট্রেড লাইসেন্স রয়েছে কি না, ভবনের অনুমোদিত ব্যবহার কী, অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর কি না এবং আবাসিক অতিথিদের তথ্য সংরক্ষণের বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না—এসব বিষয় নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে তো? বিশেষ করে গুলশান ও বনানীর মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আবাসিক হোটেল, গেস্ট হাউস এবং স্পা সেন্টারের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। পুলিশ, সিটি করপোরেশন, রাজউক, ফায়ার সার্ভিস ও সংশ্লিষ্ট লাইসেন্স প্রদানকারী সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় না থাকলে অনিয়ম শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়লে সেগুলো ফাইলবন্দি না রেখে তদন্তের অগ্রগতি নিশ্চিত করা জরুরি। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। আর অভিযোগ প্রমাণিত না হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক সুনাম ও অধিকারও সুরক্ষিত রাখতে হবে।আরও পড়ুন, পুলিশের মাসোহারা বৈধ, সাংবাদিকের উপহার অপরাধ?মাদক অপরাধের বিস্তার শুধু ব্যক্তিগত জীবন নয়, পরিবার ও সমাজের নিরাপত্তাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। মাদক ব্যবসার সঙ্গে অনেক সময় চাঁদাবাজি, ছিনতাই, সংঘবদ্ধ অপরাধ এবং কিশোর গ্যাংয়ের সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া যায়। ফলে মাদক নিয়ন্ত্রণকে বিচ্ছিন্ন কোনো অভিযান হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। মাদক কারবারের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি সরবরাহের উৎস, পরিবহন নেটওয়ার্ক, অর্থের লেনদেন এবং পৃষ্ঠপোষকদের শনাক্ত করা প্রয়োজন। শুধু খুচরা পর্যায়ের কয়েকজন মাদক বিক্রেতাকে আটক করে অভিযান শেষ করলে বড় চক্রগুলো আড়ালে থেকে যেতে পারে। বিশেষ করে আবাসিক হোটেল, গেস্ট হাউস, বিনোদনকেন্দ্র এবং সন্দেহজনক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্টতার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনানুগভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। তবে কোনো নির্দিষ্ট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বা এলাকার বিরুদ্ধে ঢালাও অভিযোগ না তুলে প্রমাণভিত্তিক তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের চিহ্নিত করাই হবে দায়িত্বশীল পদক্ষেপ। জনসাধারণের মধ্যে আরেকটি প্রশ্ন দেখা দিয়েছে থানায় গিয়ে প্রত্যাশিত সেবা পাওয়া নিয়ে। অভিযোগ রয়েছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে অপরাধের তথ্য নিয়ে থানায় যোগাযোগ করলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সরাসরি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার পরিবর্তে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। অবশ্য সব ক্ষেত্রে এমন আচরণ ঘটে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। তবে এ ধরনের অভিজ্ঞতা যদি কোনো নাগরিকের হয়ে থাকে, তাহলে সেটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। একজন নাগরিক যখন কোনো অপরাধের তথ্য নিয়ে থানায় যান, তখন তিনি দ্রুত সাড়া, প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং আইনগত সহায়তা প্রত্যাশা করেন। কিন্তু অভিযোগ জানানোর পর যদি তাঁকে এক দপ্তর থেকে অন্য দপ্তরে যোগাযোগ করতে হয়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই পুলিশের প্রতি তাঁর আস্থায় প্রভাব পড়তে পারে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব শুধু ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার অপেক্ষায় থাকা নয়, আইন ও বিধি অনুযায়ী নিজের এখতিয়ারের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করাও তাঁর দায়িত্ব। কোনো অভিযোগ ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে পাঠানোর প্রয়োজন হলে সেটি যথাযথ প্রক্রিয়ায় পাঠাতে হবে। কিন্তু সেই অজুহাতে জরুরি অপরাধের তথ্য গ্রহণ বা প্রাথমিক ব্যবস্থা গ্রহণে বিলম্ব করা উচিত নয়। বিশেষ করে মাদক কারবার, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং, নারী ও শিশু নির্যাতন, সংঘবদ্ধ অপরাধ কিংবা কোনো ব্যক্তির তাৎক্ষণিক নিরাপত্তাঝুঁকির তথ্য পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। পুলিশের ওপর ধারাবাহিক হামলা এবং দায়িত্ব পালনে বাধার ঘটনা বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করতে পারে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মনোবল ধরে রাখার দায়িত্ব শুধু প্রশাসনের নয়; পেশাদারিত্ব, নৈতিকতা, জবাবদিহি এবং জনবান্ধব আচরণের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করাও গুরুত্বপূর্ণ। পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, প্রশিক্ষণ, জনবল এবং কার্যকর অপারেশনাল নির্দেশনা দিতে হবে। একই সঙ্গে অপরাধ দমনে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অযৌক্তিক চাপ বা বাধা থাকলে তা দূর করতে হবে। পুলিশকে এমন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে একজন কর্মকর্তা অপরাধের তথ্য পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পারবেন। আবার কোনো পুলিশ সদস্য দায়িত্বে অবহেলা করলে কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহার করলে তাঁকেও জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে মাঠপর্যায়ের ইউনিটগুলোকে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে মব সহিংসতা, কিশোর গ্যাং, মাদক কারবার, অবৈধ অস্ত্র, চাঁদাবাজি এবং সংঘবদ্ধ অপরাধের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযান জোরদার করতে হবে। রাজধানীর গুলশান, বনানীসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে সন্দেহজনক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম যাচাইয়ে নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন। যেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে, সেগুলোর লাইসেন্স, নিবন্ধন, ভবনের ব্যবহার, অগ্নিনিরাপত্তা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র পরীক্ষা করতে হবে। অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি প্রতিটি থানায় নাগরিকদের অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তির কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে কার্যকর ব্যবস্থা থাকা দরকার। অভিযোগ গ্রহণের পর কী পদক্ষেপ নেওয়া হলো, তদন্ত কোন পর্যায়ে রয়েছে এবং কেন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না—এসব বিষয়ে অভিযোগকারীকে প্রয়োজনীয় তথ্য জানাতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে, সাধারণ মানুষ যদি অপরাধের তথ্য দিয়েও দ্রুত প্রতিকার না পান, তাহলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য কোথায় যাবেন? অপরাধীরা যদি পুলিশের ওপর হামলা করে পার পেয়ে যায়, সংঘবদ্ধভাবে জনজীবন অস্থির করে তোলে এবং বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগের যথাযথ তদন্ত না হয়, তাহলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা কঠিন হয়ে পড়বে। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলার নামে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ কিংবা নির্বিচারে গ্রেপ্তার কোনো সমাধান হতে পারে না। অপরাধ দমন করতে হবে আইন মেনে, নিরপেক্ষভাবে এবং প্রমাণের ভিত্তিতে। একই সঙ্গে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পুলিশের হলেও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সামগ্রিক দায়িত্ব। এ জন্য পুলিশ প্রশাসন, স্থানীয় প্রশাসন, বিচার বিভাগ, সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সহযোগিতা প্রয়োজন। অপরাধ দমনে পুলিশের দৃশ্যমান তৎপরতা, দ্রুত অভিযোগ গ্রহণ, নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। বিশেষ করে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে অপরাধের অভিযোগগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করতে হবে। জনগণ পুলিশের প্রতিপক্ষ নয়; বরং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জনগণই পুলিশের সবচেয়ে বড় সহযোগী হতে পারে। তাই পুলিশ ও জনগণের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক ফিরিয়ে আনা জরুরি। শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটি থেকেই যায়—পুলিশের ওপর হামলা, মব সহিংসতা, কিশোর গ্যাং ও মাদক কারবারের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কতটা প্রস্তুত? থানায় গিয়ে সাধারণ মানুষ কি সহজে আইনি সেবা পাবেন? গুলশান-বনানীসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অপরাধের অভিযোগগুলো কি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হবে? এসব প্রশ্নের উত্তর শুধু বক্তব্য কিংবা আশ্বাসে নয়, প্রয়োজন বাস্তব পদক্ষেপে। কারণ জননিরাপত্তা কোনো বিশেষ শ্রেণির মানুষের অধিকার নয়; এটি দেশের প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক ও আইনগত সুরক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত। রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী, পেশাদার ও জবাবদিহিমূলক করার মধ্য দিয়েই জনগণের নিরাপত্তা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করা সম্ভব।

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা পাবে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস, জুতা, মোজা ও ব্যাগ

নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি স্কুল ড্রেস, জুতা, মোজা ও ব্যাগ দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এসব উপকরণ সরবরাহে শিক্ষার্থীপ্রতি বছরে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯৫০ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। পাশাপাশি শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে সম্প্রসারণ করা হবে মিড-ডে মিল কার্যক্রম। বিদ্যালয়ের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে নিয়োগ দেওয়া হবে পরিচ্ছন্নতাকর্মী। রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ যুগান্তরকে এসব তথ্য জানান। প্রতিমন্ত্রী জানান, শিক্ষার্থীপ্রতি স্কুল ড্রেসের জন্য ৬০০ টাকা, ব্যাগে ৬০০, জুতায় ৭০০ এবং মোজায় ৫০ টাকা বরাদ্দের হিসাব করা হয়েছে। এটি সম্ভাব্য সর্বোচ্চ ব্যয়। দরপত্রের মাধ্যমে কেনাকাটার সময় ব্যয় আরও কমানোর চেষ্টা করা হবে। পাঁচ বছর মেয়াদি প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৫)-এর আওতায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে। পিইডিপি-৫ প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪১ হাজার ৯০ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের অর্থায়ন ৩৩ হাজার ২০৩ কোটি এবং বৈদেশিক অর্থায়ন ৭ হাজার ৮৮৭ কোটি টাকা। স্কুল ড্রেসের মান, রং, কাপড় ও মাপ নির্ধারণে বিজিএমইএ, বিটিএমএসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে কমিটি করা হয়েছে। পাইলট কার্যক্রমের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রায় দুই লাখ ইউনিফর্ম এবং বাটা ও অ্যাপেক্সসহ জুতা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান প্রায় ৫০ হাজার জুতা দিয়েছে।আরও পড়ুন, ১ম থেকে ১২তম শিক্ষক নিবন্ধনধারীদের নির্বাহী আদেশে নিয়োগের সুপারিশদেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনাও রয়েছে। এ খাতে একজন কর্মীর মাসিক সর্বোচ্চ বেতন ধরা হয়েছে ৫ হাজার টাকা। পাঁচ বছরে এ খাতে ব্যয় হবে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের শৌচাগার ও পরিবেশ স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে পরিচ্ছন্নতাকর্মী প্রয়োজন। শিক্ষকদের দিয়ে শৌচাগার পরিষ্কার করানো কিংবা শিক্ষার্থীদের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চলতে বাধ্য করা গ্রহণযোগ্য নয়। প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী ২৪ ডিসেম্বর প্রাথমিকের বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের সময় নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই দেওয়া হবে। তবে এক কোটির বেশি শিক্ষার্থীর জন্য পোশাক ও জুতার মাপ এবং মান নিশ্চিত করতে সময় প্রয়োজন হওয়ায় প্রথম বছর শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই সব উপকরণ দেওয়া সম্ভব নাও হতে পারে। পরবর্তী বছরগুলোতে স্কুল খোলার সময়ই সব উপকরণ সরবরাহের লক্ষ্য রয়েছে। এ ছাড়া বর্তমানে ১৫০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল চালু রয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্য বিদ্যালয়গুলোতেও এ কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। রান্না করা খাবার ও কুপনের মাধ্যমে খাবার দেওয়ার দুটি পদ্ধতি পরীক্ষামূলকভাবে চালুর পর ফলাফল পর্যালোচনা করে জাতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শিশুদের দৈনিক পুষ্টির চাহিদার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বিদ্যালয়ের খাবার থেকে পূরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

১ম থেকে ১২তম শিক্ষক নিবন্ধনধারীদের নির্বাহী আদেশে নিয়োগের সুপারিশ

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অধীন প্রথম থেকে দ্বাদশ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের সরকারের নির্বাহী আদেশে নিয়োগ দেওয়ার সুপারিশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। একই সঙ্গে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের চলমান মৌখিক পরীক্ষা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার কথা জানিয়েছে এনটিআরসিএ। রোববার (৮ নভেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। কমিটির সভাপতি মো. সেলিম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রাশেদ মিজানের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে প্রথম থেকে দ্বাদশ শিক্ষক নিবন্ধনধারীদের বিষয়ে এনটিআরসিএর সর্বশেষ সিদ্ধান্ত কমিটির সামনে তুলে ধরা হয়। এ বিষয়ে আলোচনা শেষে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধনধারীদের সরকারের নির্বাহী আদেশে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সুপারিশ করে কমিটি।আরও পড়ুন, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্ট এক্সিবিশন আয়োজনের নির্দেশনা মাউশিরবৈঠকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার, সহ-সুপার, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের অগ্রগতিও তুলে ধরে এনটিআরসিএ। সংস্থাটি জানায়, এসব পদে চলমান নিয়োগপ্রক্রিয়ার মৌখিক পরীক্ষা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করা হবে। এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামোসংক্রান্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন এবং চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করা হয়। কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করেছে কমিটি। বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, কমিটির সদস্য মোছা. তাহসিনা রুশদীর, মো. সেলিমুজ্জামান মোল্যা, মো. জাহান্দার আলী মিয়া, বীথিকা বিনতে হোসাইন, মো. মুজিবুর রহমান ও আতিকুর রহমান মোজাহিদ অংশ নেন। এ ছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, এনটিআরসিএ, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি), সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর ও শিক্ষা বোর্ড এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০টি ইউপিতে নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা ইসির

দেশে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রথম ধাপে দেশের ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট গ্রহণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে উপজেলা সদরসংলগ্ন ইউনিয়নগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। রোববার (৮ নভেম্বর) ইসি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।আরও পড়ুন, সোমবার শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ সংসদের চতুর্থ অধিবেশন, চলতে পারে ১০ কার্যদিবসতিনি বলেন, প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে উপজেলা সদরের ইউনিয়নগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এদিকে ভবিষ্যতে কোনো নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার না করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন ইসি সচিব। তবে বর্তমানে অব্যবহৃত ইভিএমগুলোর বিষয়ে কী করা হবে, সে সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এ ছাড়া ছয় বছর বয়স থেকে নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন আখতার আহমেদ। তবে এ তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া ও বাস্তবায়নের সময়সূচি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।

সোমবার শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ সংসদের চতুর্থ অধিবেশন, চলতে পারে ১০ কার্যদিবস

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন শুরু হচ্ছে সোমবার (৯ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায়। সংবিধান অনুযায়ী, একটি অধিবেশন শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে পরবর্তী অধিবেশন আহ্বানের বাধ্যবাধকতা থাকায় এ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত ১৪ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ অধিবেশন আহ্বান করেন। সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, অধিবেশন আয়োজনের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আগামী ২০ নভেম্বর পর্যন্ত অধিবেশনটি চলতে পারে। এ সময়ে মোট ১০ কার্যদিবস নির্ধারণের সম্ভাবনা রয়েছে। চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, এবারের অধিবেশন সংক্ষিপ্ত হবে। এতে পাঁচ থেকে ছয়টি বিল উত্থাপিত হতে পারে এবং সেগুলোর ওপর আলোচনা হবে।আরও পড়ুন, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্ট এক্সিবিশন আয়োজনের নির্দেশনা মাউশিরআগামী জানুয়ারিতে নতুন অধিবেশন আহ্বানের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থাকায় চলতি অধিবেশনের মেয়াদ সংক্ষিপ্ত রাখা হচ্ছে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি বছর জানুয়ারিতে সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে। সে হিসাবে ২০২৭ সালের প্রথম অধিবেশন আগামী জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে শুরু হতে পারে। এদিকে, অধিবেশনের প্রথম দিন জাতীয় সংসদের কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠকে অধিবেশনের মেয়াদ, কার্যদিবস ও কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর, জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশ এবং সাধারণ আলোচনার বিষয়গুলো থাকবে। পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির বাইরে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে চলমান কোনো জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সাধারণ আলোচনার প্রস্তাব এলে তা নিয়েও আলোচনার জন্য সময় নির্ধারণ করা হতে পারে। তবে বহুল আলোচিত সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব এবারের অধিবেশনে উত্থাপিত হচ্ছে না। সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটি এ বিষয়ে প্রস্তাব তৈরির কাজ করছে। আগামী জানুয়ারিতে সংসদের পঞ্চম অধিবেশনে প্রস্তাবটি উপস্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

রাজনীতিরাজনীতি

নারীঘটিত অডিও-ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন আমির হামজা

নারীঘটিত অডিও-ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন আমির হামজা

নারীঘটিত কথোপকথনের অডিও ও ভিডিও নিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা মুফতি আমির হামজা। তাঁকে ঘিরে অডিও-ভিডিও থাকার দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তবে এ ঘটনাকে ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করেছেন আমির হামজা। সম্প্রতি বগুড়ার একটি ওয়াজ মাহফিলে বক্তব্য দিতে গিয়ে আমির হামজা রাশেদ খাঁনের নাম উল্লেখ করে তাঁর সমালোচনা করেন। একই সঙ্গে আলেমদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলেন তিনি। বক্তব্যে আমির হামজা বলেন, আলেমদের পেছনে যারা লেগে থাকেন, তাঁদের বিষয়ে আল্লাহর কাছে বিচার চেয়েছেন তিনি। রাশেদ খাঁনের পদ ও যোগ্যতা নিয়েও কটূক্তিমূলক মন্তব্য করেন। তবে তাঁর বক্তব্যে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো প্রমাণ পাওয়া গেছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। আমির হামজা আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রিমান্ডে থাকাকালে তাঁকে একটি অডিও শোনানো হয়েছিল। সেটিকে তিনি প্রয়াত আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর কণ্ঠস্বরের সঙ্গে মিলে যাওয়ার দাবি করেন। তাঁর অভিযোগ, সে সময় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে আলেমদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের চেষ্টা করা হয়েছিল।আরও পড়ুন, ‘মুখোশ উন্মোচন করতে চেয়েছি’, জামায়াত নেতাদের নিয়ে রাশেদতিনি বলেন, আল্লামা সাঈদীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগের মতোই বর্তমানে আলেমদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এ ঘটনায় বগুড়ার মাটিতে দাঁড়িয়ে আল্লাহর কাছে বিচার চেয়েছেন বলেও বক্তব্যে উল্লেখ করেন তিনি। এর আগে গত ৬ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে আমির হামজাকে ঘিরে নারীসংক্রান্ত অডিও ও ভিডিও থাকার দাবি করেন। তিনি জানান, এসব উপকরণ ফ্যাক্ট চেক করে তথ্যের সত্যতা পেয়েছেন। পাশাপাশি কথোপকথনের কিছু অংশ প্রকাশ করে অডিওর লিংক কমেন্ট বক্সে যুক্ত করার কথাও জানান। রাশেদ খাঁনের প্রকাশ করা অডিওতে এক ব্যক্তিকে ক্ষমা চাওয়া, অনুতপ্ত হওয়া এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে গিয়ে ক্ষমা চাওয়ার কথা বলতে শোনা যায় বলে দাবি করা হয়েছে। কথোপকথনে ওই ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, শয়তানের ধোঁকা বা নফসের প্রভাবে ভুল হয়ে যাওয়ার পর তিনি অনুতপ্ত হয়েছেন। তবে প্রকাশিত অডিওর ব্যক্তির পরিচয়, এর সত্যতা এবং কথোপকথনের প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই করা না গেলে এসব বক্তব্যকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে বিবেচনার সুযোগ নেই। এ নিয়ে আমির হামজা ও রাশেদ খাঁনের বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

‘মুখোশ উন্মোচন করতে চেয়েছি’, জামায়াত নেতাদের নিয়ে রাশেদ

‘মুখোশ উন্মোচন করতে চেয়েছি’, জামায়াত নেতাদের নিয়ে রাশেদ

জামায়াতের নেতা গাজী নজরুল ইসলাম ও আমির হামজাকে দলটির জন্য ‘অভিশাপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন। তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেছেন, এসব ঘটনার মাধ্যমে জামায়াতের নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তিদের একটি অংশের মুখোশ উন্মোচন করতে চেয়েছেন তিনি। রোববার (৮ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন। পোস্টে তিনি প্রশ্ন তোলেন, দ্য ডিসেন্ট ও রিউমার স্ক্যানারের মতো তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এখন পর্যন্ত আমির হামজার কথিত অডিও কথোপকথন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি বলে কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কি না। তিনি দাবি করেন, কোনো তথ্য শেয়ার করার আগে সেটির সত্যতা যাচাই করে নেন। রাশেদ খাঁন তাঁর পোস্টে জামায়াতের মুখপাত্র নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়ি ও ল্যাপটপ-সংক্রান্ত ঘটনা এবং দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের সঙ্গে ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার বৈঠকের অভিযোগের কথাও উল্লেখ করেন। পাশাপাশি আমির হামজাকে ঘিরে ওঠা ব্যক্তিগত জীবনসংক্রান্ত অভিযোগের প্রসঙ্গ তোলেন।আরও পড়ুন,ছাত্রদলে নির্ধারিত কর্মসূচিতে অনুপস্থিতি বরদাস্ত না করার বার্তা কেন্দ্রীয় ও শাখা সংসদের এসব তথ্য যাচাই করেই শেয়ার করেছেন বলে দাবি করেন রাশেদ খাঁন। তাঁর ভাষ্য, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তথ্যগুলো মিথ্যা প্রমাণ করতে তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেননি বা চ্যালেঞ্জ জানাননি। পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই’ স্লোগান দেওয়া জামায়াতের নেতৃত্বে কারা রয়েছেন, তা তুলে ধরাই তাঁর উদ্দেশ্য। তাঁর অভিযোগ, দলটির কিছু নেতার বিরুদ্ধে নারীঘটিতসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। শেষে রাশেদ খাঁন বলেন, অতীতে জামায়াতের পরিচয় ও সংশ্লিষ্টতা বোঝা কঠিন ছিল। তবে গণঅভ্যুত্থানের পর দলটির পরিচয়ে আবির্ভূত হওয়া কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ সামনে এসেছে বলে তিনি দাবি করেন। তবে পোস্টে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য কিংবা তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

জুলাই বিপ্লবের চেতনায় মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার তাগিদ

জুলাই বিপ্লবের চেতনায় মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার তাগিদ

কোনো ডিসেম্বরেই শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কোনো সুযোগ নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, দেশে ফ্যাসিবাদের সহযোগীদের পুনর্বাসনের কোনো সুযোগ নেই এবং তাদের জন্য বিচার ও ফাঁসির মঞ্চ পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। শনিবার (০৭ নভেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় ছাত্রশক্তির নোবিপ্রবি শাখা আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে নাহিদ ইসলাম বলেন, আন্দোলনের পর ছাত্র-জনতা অনেক উদারতা দেখিয়েছিল এবং তারা দ্রুত ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা করেছিল। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলো, গত দুই বছরেও শহীদদের হত্যার বিচার কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, রাষ্ট্র যদি সঠিক বিচার নিশ্চিত করতে না পারে, তবে জনগণ নিজেরাই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বাধ্য হবে। আরও পড়ুন,ছাত্রদলে নির্ধারিত কর্মসূচিতে অনুপস্থিতি বরদাস্ত না করার বার্তা কেন্দ্রীয় ও শাখা সংসদেরআগামী ডিসেম্বর মাসকে প্রতিরোধের ও বিজয়ের মাস উল্লেখ করে তিনি জানান, বাংলাদেশের সচেতন ছাত্র-জনতা ঘুমিয়ে পড়েনি; কোনো বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা রাষ্ট্রযন্ত্রের কোথাও আর কখনো ফ্যাসিবাদের পুনর্বাসন বরদাশত করা হবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ও শিক্ষার্থীকৈন্দিক সংস্কার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এনসিপি আহ্বায়ক উল্লেখ করেন, কেবল ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার গঠনই নয়, বরং দেশ ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালন করাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত উদ্দেশ্য। বিগত শাসনামলের র‍্যাগিং, গেস্টরুম নির্যাতন ও গণরুম সংস্কৃতির তীব্র সমালোচনা করে তিনি এর বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, ছাত্রসংগঠনগুলোর দায়িত্ব শুধু ফুল দিয়ে নবীনদের বরণ করা নয়, বরং আবাসন, পরিবহন ও শ্রেণিকক্ষের সংকটের মতো মৌলিক সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের ওপর কার্যকর চাপ সৃষ্টি করা। জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে ধারণ করে মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ গঠন, দুর্নীতি-স্বজনপ্রীতি বন্ধ এবং শিক্ষাঙ্গনে গণতান্ত্রিক পরিবেশ সুসংহত রাখতে শিক্ষার্থীদের সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার তাগিদ দেন তিনি।

ছাত্রদলে নির্ধারিত কর্মসূচিতে অনুপস্থিতি বরদাস্ত না করার বার্তা কেন্দ্রীয় ও শাখা সংসদের

ছাত্রদলে নির্ধারিত কর্মসূচিতে অনুপস্থিতি বরদাস্ত না করার বার্তা কেন্দ্রীয় ও শাখা সংসদের

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচিতে উপস্থিত না থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রদলের ১০ জন শীর্ষ নেতাকে কারণ দর্শানোর (শো-কজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। শোকজ পাওয়া এই নেতারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প Currently 2026 য়ে দায়িত্ব পালন করছেন। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাদের এই অনুপস্থিতির সন্তোষজনক লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রবিবার (৮ নভেম্বর) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর এবং সদস্য সচিব ওয়াসিম আহমেদ অনীক এই নির্দেশনা প্রদান করেন। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সদস্য (সহ-দপ্তর সম্পাদক) জহিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়েছে, সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকেও কেন্দ্রীয় নির্ধারিত কর্মসূচিতে অনুপস্থিত থাকা দায়িত্বে চরম অবহেলার সামিল। আরও পড়ুন,শেখ হাসিনার বিষয়ে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে সরকারএই গুরুতর অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বে অবহেলার কারণে কেন তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তার সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে। শোকজপ্রাপ্ত নেতারা হলেন আল বেরুনী হল শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম, আ ফ ম কামাল উদ্দিন হল শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ফাহাদুর জামান শোভন ও সাধারণ সম্পাদক রিফাত হোসেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল শাখা ছাত্রদলের সভাপতি হামিদুল্লাহ সালমান, শহীদ রফিক-জব্বার হল শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ খান, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক হল শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সাইফ বিন মাহাবুব ও সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ সিয়াম, শহীদ সালাম-বরকত হল শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সাইদুল ইসলাম এবং শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ হল শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ফিরোজ আহমেদ পাপন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

সারাবাংলা

সিএমপির সদরঘাট পুলিশের বিশেষ অভিযানে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার ও ১৯ জন গ্রেপ্তার

সিএমপির সদরঘাট পুলিশের বিশেষ অভিযানে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার ও ১৯ জন গ্রেপ্তার

চট্টগ্রাম নগরীর সদরঘাট থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি, ডাকাতির প্রস্তুতি, অপহরণ ও ধর্ষণ এবং দ্রুত বিচার আইনের মামলার অভিযুক্তসহ মোট ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় একটি ফোল্ডিং টিপ ছুরি, একটি সাধারণ ছুরি ও একটি কিরিচ উদ্ধার করা হয়। রোববার (৮ নভেম্বর) সদরঘাট থানা পুলিশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। পুলিশ জানায়, সিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ)-এর নির্দেশনায়, অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) ও সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালী)-এর তত্ত্বাবধানে সদরঘাট থানার ওসি মোহাম্মদ একরাম উল্লাহর নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়। এতে এসআই মো. শাহিনুর রহমান, পিপিএম, এসআই মো. মনির উদ্দিন, এসআই মো. ফারুক আহমদ, এসআই হেদায়েত উল্লাহ, এএসআই শিপু মারমা ও এএসআই সরওয়ার মাহমুদসহ পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন। অভিযানে হালিশহরের সিআর মামলা নম্বর ৫৩৬/২৫ ও দায়রা মামলা নম্বর ৬৭৬/২৬-এর সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. সেলিম এবং কোতোয়ালীর সিআর মামলা নম্বর ২৩৩২/২৫-এ এনআই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত কাজী মোহাম্মদ আলিমুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়।আরও পড়ুন, তালতলীর টেংরাগিরি বন, নিলামে ঝড়ে পড়া গাছ কাটার আড়ালে অর্ধশতাধিক জীবিত গাছ কাটার অভিযোগএদিকে শুভপুর মোড়ের হোটেল বিরতির পাশের ঝোপঝাড়পূর্ণ এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে রাহাত হোসেনকে (২২) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁর কাছ থেকে একটি ফোল্ডিং টিপ ছুরি এবং পালিয়ে যাওয়া সহযোগীদের ফেলে যাওয়া একটি ছুরি ও একটি কিরিচ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সদরঘাট থানায় দণ্ডবিধির ৩৯৯/৪০২ ধারায় মামলা নম্বর ০৬ দায়ের হয়েছে। পৃথক অভিযানে বাঁশখালীর চাম্বল এলাকা থেকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭/৯(১)/৩০ ধারায় দায়ের করা সদরঘাট থানার মামলা নম্বর ০৭-এর আসামি নুরুল হুদা তাসিফকে (২৩) গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া দ্রুত বিচার আইনের ৪(১) ধারায় ১৯ অক্টোবর দায়ের করা মামলা নম্বর ১০-এর আসামি মো. রমজানকেও (১৯) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অন্যদিকে শুভপুর রেলবিট ও কদমতলী এলাকায় রাতের অন্ধকারে সন্দেহজনক চলাফেরার অভিযোগে আরও ১৪ জনকে আটক করা হয়। তারা হলেন মো. কাউছার, মো. আরমান, নুর মোহাম্মদ সম্রাট, মো. রিফাত, মো. মাহিম, মো. সুমন ওরফে শাহজাহান, মো. নুর নবী, মো. হেলাল, মো. হৃদয় হোসেন, মো. বাঁচা মিয়া, মো. রফিক, মো. রাকিব, মো. পারভেজ ও মো. রাশেদ। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ১৯ জনকে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় যথাযথ নিরাপত্তার মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তালতলীর টেংরাগিরি বন, নিলামে ঝড়ে পড়া গাছ কাটার আড়ালে অর্ধশতাধিক জীবিত গাছ কাটার অভিযোগ

তালতলীর টেংরাগিরি বন, নিলামে ঝড়ে পড়া গাছ কাটার আড়ালে অর্ধশতাধিক জীবিত গাছ কাটার অভিযোগ

বরগুনার তালতলীতে ‘টেংরাগিরি সংরক্ষিত’ বনাঞ্চলের নিলামকৃত ঝড়ে পড়া গাছের আড়ালে অর্ধশতাধিক জীবিত গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। বনবিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে গাছ কাটার আলামত নষ্ট করতে গাছের গোড়ায় আগুন দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, রেঞ্জ কর্মকর্তা জিয়াউল ইসলামের যোগসাজশে নিলামের শর্ত ও নীতিমালা লঙ্ঘন করে প্রভাব খাটিয়ে এসব গাছ কেটে নিয়েছেন। বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালী উপকূলীয় বন বিভাগের অধীন আমতলী রেঞ্জ (তালতলী) কেন্দ্রের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের লট নং-০৫ ও ০৬-এর অনুকূলে বনজ সম্পদ উত্তোলনের কার্যাদেশ দেওয়া হয়। চলতি বছরের ০১ জুলাই উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. মো. জাহিদুর রহমান মিয়া স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।  দরপত্র বিজ্ঞপ্তির শর্ত অনুযায়ী, লটের মূল্য ৫৯,৪৭০ টাকা, ১৫ শতাংশ ভ্যাট বাবদ ৮,৯২১ টাকা এবং ১০ শতাংশ আয়কর বাবদ ৫,৯৪৭ টাকাসহ মোট ৭৪,৩৮৮ টাকা রেঞ্জ কর্মকর্তার কাছে পরিশোধ করার পর ক্রেতা মো. সোহেল রানাকে লট ক্রয়ের কার্যাদেশ দেওয়া হয়।  নলবুনিয়া ফরেস্ট ক্যাম্পের চর রতনের পূর্ব পার্শ্বের বাগান এলাকায় অবস্থিত ৫ নম্বর লটে ২৫টি গাছ (মার্ককৃত ক্রমিক নং ০১-২৫) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যাতে মোট ৭৮.৩৫ ঘনফুট কাঠ ও ৪৮.০ ঘনফুট জ্বালানি রয়েছে। একই এলাকার ৬ নম্বর লটে আরও ২৫টি গাছ (মার্ককৃত ক্রমিক নং ২৬-৫০) রয়েছে, যাতে ৭০.১৯ ঘনফুট কাঠ ও ৪২.০ ঘনফুট জ্বালানি রয়েছে।আরও পড়ুন, গঙ্গাচড়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভাখোঁজ নিয়ে জানা যায়, লট ক্রয়ের কার্যাদেশ অনুযায়ী- চলতি বছরের ০১ জুলাই থেকে ১০ জুলাই গাছ কাটার মেয়াদ শেষ হয়। কিন্তু কার্যাদেশ অমান্য করে গত ১০ অক্টোবর নিলামকৃত গাছ কেটে নিয়ে যান ক্রেতা সোহেল রানা। পরবর্তীতে, নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যে বাকি গাছ কাটা সম্ভব হয়নি জানিয়ে অতিবৃষ্টি, জলোচ্ছ্বাস ও সমুদ্র উত্তাল থাকার কারণ দেখিয়ে গত ১২ অক্টোবর সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন করেন তিনি। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, ২৮ অক্টোবর উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. মো. জাহিদুর রহমান মিয়া স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে আগামী ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ বর্ধিত করেন। গত ০৬ নভেম্বর সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার টেংরাগিরি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের আওতায় নলবুনিয়া ফরেষ্ট ক্যাম্পের চর রওশনের পূর্ব পর্শ্বে বাগান এলাকায় সরাসরি বন বিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতেই নিলামকৃত ঝড়ে পড়া গাছের আড়ালে অর্ধশতাধিক জীবত গাছ কেটে ট্রলার নিয়ে যাচ্ছে নিলাম ক্রয়কৃত ব্যক্তি সোহেল রানা। এসময় নিলামকৃত ঝড়ে পড়া গাছে বন বিভাগের নির্দিষ্ট মার্ক থাকার কথা থাকলেও অধিকাংশ গাছে কোনো মার্ক বা সিল দেখা যায়নি। এছাড়াও বিভিন্ন গাছে একই ক্রমিক নম্বর দিয়ে মার্ক করার অনিয়ম দেখা গেছে। নিয়মবহির্ভূতভাবে বনের মূল্যবান আকাশমনি, ঝাউগাছ, বাবলা গাছসহ অবাধে জীবিত গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে। পরবর্তীতে বনবিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে গাছ কাটার আলামত নষ্ট করতে গাছের গোড়ায় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলতে দেখা যায়। খবর পেয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে একাধিক জীবিত গাছ কাটা অবস্থায় দেখলেও মাত্র ১ টি গাছের ৪ খন্ড জব্দ করেন। স্থানীয় বেশ কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করেন, 'রেঞ্জ কর্মকর্তা জিয়াউল ইসলাম নিলাম ক্রয়কৃত ব্যক্তির কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে বনের জীবন্ত গাছ কাটার সুযোগ করে দিয়েছেন। এমনকি খবর পেয়ে ঘটনাস্থল এসেও তিনি রহস্যজনকভাবে কোনো ব্যবস্থা নেননি।'আরও পড়ুন, গঙ্গাচড়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভাঅভিযোগের বিষয়ে নিলামে গাছ ক্রয়কারী সোহেল রানা বলেন, 'নিলামের মাধ্যমে আমরা কেবল ঝড়ে পড়ে যাওয়া গাছগুলোই কেটেছি। এর বাইরে কোনো জীবন্ত গাছ কাটা হয়নি। এছাড়া, আগুন লাগানোর ঘটনার সাথে আমাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই এবং কে বা কারা এই আগুন দিয়েছে, সে বিষয়েও আমাদের কিছু জানা নেই।' নলবুনিয়া ফরেষ্ট ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত বিট কর্মকর্তা জহিরুল হক বলেন, ‘পূর্বের বিট কর্মকর্তা যাওয়ার পরে আমি কিছুদিন আগে দায়িত্ব নিয়েছি। একই ক্রমিক নম্বর একাধিক গাছে থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, 'যিনি গাছগুলো মার্ক (চিহ্নিত) করেছেন, এটি তাঁর ভুল ছিল।" তবে বর্তমান সময়ে ঠিক কত পিস গাছ কাটা হয়েছে এবং কত পিস নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি অবগত নন বলে এড়িয়ে যান। অভিযোগ অস্বীকার করে বনবিভাগের আমতলী রেঞ্জ (তালতলী) কেন্দ্রের রেঞ্জ কর্মকর্তা জিয়াউল ইসলাম বলেন, 'আমি এখানে যোগদানের আগেই এই গাছের নিলাম কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। তাই এখান থেকে আমার কোনো সুবিধা নেওয়ার প্রশ্নই আসে না।' তবে জীবন্ত গাছ কাটা ও বনে আগুন দেওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে তিনি আরও বলেন, 'ঘটনাস্থল থেকে আকাশমনি গাছের ৪টি খণ্ড উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি, বনে আগুন দেওয়ার ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।' এবিষয়ে বনবিভাগের বরগুনা কার্যালয়ের সহকারী বন সংরক্ষক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেন ভূঞা বলেন, 'নলবুনিয়া ক্যাম্পে অনুমোদিত দুটি লটের আওতায় মোট ৫০টি গাছ আহরণের কার্যক্রম চলমান ছিল। এর ধারাবাহিকতায় নির্ধারিত সীমার বাইরে অতিরিক্ত ১টি আকাশমনি গাছ অবৈধভাবে কর্তন করার বিষয়টি ধরা পড়ে। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গঙ্গাচড়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা

গঙ্গাচড়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা করেছে উপজেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন। রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে উপজেলা ডাকবাংলো থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে তাকওয়া  মসজিদের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা দলীয় পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে অংশগ্রহণ করেন।আরও পড়ুন, মাদারগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত: জনসভায় রূপ নিল বিএনপির সমাবেশর‍্যালি শেষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন গঙ্গাচড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাঁদ সরকার। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আয়ুব আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আপেল মাহমুদ, বিএনপি নেতা নাজিমুদ্দিন প্রামাণিক লিজুসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সভায় সভাপতির বক্তব্যে চাঁদ সরকার ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক তাৎপর্য, দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস এবং জাতীয় জীবনে এ দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরেন। এ সময় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

মাদারগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত: জনসভায় রূপ নিল বিএনপির সমাবেশ

মাদারগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত: জনসভায় রূপ নিল বিএনপির সমাবেশ

যথাযোগ্য মর্যাদা ও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে জামালপুরের মাদারগঞ্জে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‍্যালিটি শেষ পর্যন্ত জনসমুদ্রে ও বিশাল জনসভায় রূপ নেয়। রবিবার (৮নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বালিজুড়ী ফাজেল মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে দুপুর থেকেই মাদারগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার ওয়ার্ডগুলো থেকে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক মিছিল নিয়ে খণ্ড খণ্ড আকারে বিদ্যালয় মাঠে জড়ো হতে শুরু করেন। মুহূর্তেই পুরো বিদ্যালয় মাঠ ও এর আশপাশের এলাকা নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে এক বিশাল জনসভায় রূপ নেয়।আরও পড়ুন, দুপুরের পর শ্রমিক বিক্ষোভে উত্তপ্ত গাজীপুর, ভাঙচুর-ছুটি ঘোষণা; সন্ধ্যায় পরিস্থিতি স্বাভাবিকমাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মঞ্জুর কাদের বাবুল খান সভাপতিত্বে মেলান্দহ- মাদারগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল (এমপি )প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন এবং উপজেলা ও পৌর বিএনপির শীর্ষস্থানীয় পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ আব্দুল গফুর, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান রতন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খালেদ মাসুদ তালুকদার সোহেল, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল মান্নান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া ,সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রহমান সাকুসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভায় বক্তারা ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের চেতনা ধারণ করে দেশ ও দলের স্বার্থে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা হয়েছিল এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথ সুগম হয়েছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও ১৯ দফার বার্তা তৃণমূলের মানুষের মাঝে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন নেতৃবৃন্দ। এই পুরো আয়োজনে স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ,মহিলাদল অঙ্গসংগঠনের সহস্রাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থক স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...

আন্তর্জাতিক

মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেল ট্রাম্প প্রশাসন

মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেল ট্রাম্প প্রশাসন

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ রিপাবলিকানদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে বিশাল ব্যবধানে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি। কানসাস, টেক্সাস ও মিসিসিপির মতো দীর্ঘদিন ধরে রিপাবলিকানদের শক্তিশালী দুর্গ বলে পরিচিত অঙ্গরাজ্যগুলোতেও জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে ভোটারদের তীব্র উদ্বেগ, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির প্রতি অসন্তোষ, দেশজুড়ে দলীয় সংগঠন সম্প্রসারণ এবং স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রিয় প্রার্থী বাছাইয়ের মতো সুচিন্তিত কৌশল এই সাফল্যের পেছনে প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে। দীর্ঘকাল যেসব আসনে দলটির জয়ের সম্ভাবনা কম বলে ধরে নেওয়া হতো, এবার সেখানেও প্রার্থী দেওয়ার সাহসী সিদ্ধান্ত নেয় ডেমোক্র্যাটরা। যার সফল উদাহরণ দেখা গেছে মিসিসিপি ও কানসাসের মতো অঙ্গরাজ্যে। সিনেটে সংখ্যালঘু দলের নেতা চাক শুমারের উদ্যোগে মিসিসিপিতে পাবলিক প্রসিকিউটর স্কট কলোমকে প্রার্থী করা হয়। সর্বশেষ গণনা অনুযায়ী এগিয়ে থাকা কলোম এই ব্যবধান ধরে রাখতে পারলে গৃহযুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন যুগের পর রাজ্যটি থেকে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ সিনেটর হওয়ার গৌরব অর্জন করবেন। একইভাবে কানসাসে ১৯৩২ সালের পর সিনেট নির্বাচনে জয় পেয়ে দীর্ঘ খরা কাটিয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী অ্যাডাম হ্যামিলটন।আরও পড়ুন,নেতানিয়াহুর বিকল্প সরকার গঠনে জটিল সমীকরণ এবারের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের কৌশলের মূল ভিত্তি ছিল কেবল কয়েকটি দোদুল্যমান অঙ্গরাজ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সারা দেশের ৫৭টি অঙ্গরাজ্য ও আঞ্চলিক সংস্থায় দলীয় কার্যক্রম জোরদার করা। পাশাপাশি, প্রচারণায় শুধু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ব্যক্তিগতভাবে লক্ষ্যবস্তু না বানিয়ে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন অর্থনৈতিক সংকট, জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতের ভর্তুকি হ্রাসের মতো বিষয়গুলোকে সামনে নিয়ে আসেন প্রার্থীরা। বিদেশি পণ্যের ওপর ট্রাম্পের শুল্কনীতি এবং জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট জনঅসন্তোষকে নিজেদের পক্ষে সফলভাবে কাজে লাগাতে পেরেছে দলটি। নির্বাচনে এই অপ্রত্যাশিত পরাজয়ের পর হোয়াইট হাউস ও রিপাবলিকান শিবিরের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ভোটারদের প্রকৃত মনোভাব বুঝতে ব্যর্থ হওয়া এবং অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সংকট সমাধানে অমনোযোগী হওয়াই রিপাবলিকানদের এই বিপর্যয়ের প্রধান কারণ। নতুন এলাকায় সংগঠন গড়ে তোলা এবং জনদুর্ভোগকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ডেমোক্র্যাটদের এই রাজনৈতিক কৌশল ভবিষ্যতের নির্বাচনেও বড় প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

৭ ঘন্টা আগে

রাজধানী

এবার মালিবাগে সিআইডি ও এসবি কার্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরণ

এবার মালিবাগে সিআইডি ও এসবি কার্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরণ

রাজধানীর মালিবাগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) প্রধান কার্যালয়ের পার্কিংয়ে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সিআইডি ও এসবির প্রধান কার্যালয় প্রাঙ্গণে দুর্বৃত্তরা একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। ককটেলটি কার্যালয়ের ভেতরে পার্কিং করে রাখা একটি গাড়ির বনেটের ওপর পড়ে বিস্ফোরিত হয়। ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেন। সরেজমিনে সিআইডি কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটের সদস্যরা বিস্ফোরণস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করছেন।আরও পড়ুন, পল্লবী থানার ভেতরে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত এসআরবির সদস্যএ সময় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সিআইডি ও এসবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার প্রধান কার্যালয়ের পার্কিং এলাকায় এ ধরনের বিস্ফোরণের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এ বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, তা জানতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তদন্ত করছে।

৪৫ মিনিট আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৬ জন

খেলাধুলা

কাভারাস্খেইয়া, দেম্বেলে ও হাকিমিকে ছাড়াই মাঠে নেমেছিল লুইস এনরিকের দল

কাভারাস্খেইয়া, দেম্বেলে ও হাকিমিকে ছাড়াই মাঠে নেমেছিল লুইস এনরিকের দল

দলের একঝাঁক তারকা খেলোয়াড় মাঠের বাইরে থাকা সত্ত্বেও ফরাসি লিগে জয়ের অসাধারণ ধারা অব্যাহত রেখেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। শনিবার ঘরের মাঠ পার্ক দেস প্রিন্সেসে সদ্য উন্নীত ক্লাব ত্রয়কে ১-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়েছে লুইস এনরিকের দল। এই জয়ে সব ধরনের প্রতিযোগিতায় টানা ১১টি ম্যাচে জয় পাওয়ার অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়ল পিএসজি। ২০২৩ সালে পিএসজির দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই এনরিকের অধীনে টানা সর্বোচ্চ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড। আন্তর্জাতিক বিরতির আগে ইনজুরি ও বিশ্রামের কারণে এই ম্যাচে দলের বাইরে ছিলেন খিচা কাভারাস্খেইয়া, উসমান দেম্বেলে, নুনো মেন্দেস, মাগনেস আকলিউশ এবং অধিনায়ক মার্কিনিয়োস। পাশাপাশি রাইট-ব্যাক আশরাফ হাকিমিকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল এবং জোয়াও নেভেস শুরু করেছিলেন বেঞ্চ থেকে। আরও পড়ুন,আগামী ১০ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়বে বাংলাদেশ দলএতসব অনুপস্থিতির পরও ম্যাচের ৩৯তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় পিএসজি। তরুণ উইঙ্গার দেজিরে দুয়ের দ্রুত নেওয়া কর্নার থেকে সেনি মায়ুলুর ক্রসে চমৎকার হেডে বল জালে জড়ান ইউক্রেনীয় ডিফেন্ডার ইলিয়া জাবার্নি। প্রথমার্ধের এই ১-ই গোলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। ম্যাচ শেষে পিএসজি কোচ লুইস এনরিকে বলেন, ‘ফুটবলে টানা এতগুলো ম্যাচ জেতা অত্যন্ত কঠিন। তবে টানা ১১ জয়ের চেয়েও আন্তর্জাতিক বিরতির পর শেষ ৮ ম্যাচের প্রতিটিতে জয় পাওয়াটা আমাকে বেশি আনন্দ দিয়েছে।’ লিগে ১০ ম্যাচ শেষে ২৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে পিএসজি। অন্যদিকে, দিনের অন্য ম্যাচে লাসিন সিনায়োকোর একমাত্র গোলে ওসেরকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে ২০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে নগরপ্রতিদ্বন্দ্বী প্যারিস এফসি।

আইন আদালত

পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত। ব্যবসায়ী নাসির ইউ আহমেদের করা মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মামলায় আদালতে হাজির না হওয়ায় তার জামিন বাতিল করে এ আদেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমান এ আদেশ দেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, বুধবার মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। এদিন বাদীপক্ষ আসামিদের জামিন বাতিলের আবেদন করেন। অন্যদিকে, পরীমনির আইনজীবী সময়ের আবেদন জানিয়ে আদালতকে বলেন, অ্যালার্জিজনিত রোগে আক্রান্ত থাকায় তিনি আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। পরে আদালত বাদীপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে পরীমনির জামিন বাতিল এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন। এর আগে ২০২৫ সালের ২৬ জানুয়ারি এ মামলায় পরীমনিসহ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। ওই দিনও তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। পরে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান তিনি।আরও পড়ুন, হুমায়ূন আহমেদের হাত ধরেই বড় পর্দায় মিমের অভিষেকমামলার তদন্তে ২০২৪ সালে পিবিআইয়ের ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন পরীমনি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমের বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রতিবেদন দাখিল করেন। তবে অপর আসামি ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ২০২১ সালের ৬ জুলাই বোট ক্লাবের সভাপতি ও ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। অন্য দুই আসামি হলেন ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিম। মামলার অভিযোগে নাসির উদ্দিন মাহমুদ দাবি করেন, ২০২১ সালের ৯ জুন রাত ১২টার পর পরীমনি ও তার সহযোগীরা সাভারের বোট ক্লাবে প্রবেশ করেন। সেখানে তারা ক্লাবের দ্বিতীয় তলার ওয়াশরুম ব্যবহার এবং পরে বসে অ্যালকোহল পান করেন। এ সময় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!