দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

বিএডিসির ডিডি দীপকের বিরুদ্ধে শতকোটি টাকার দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদের পাহাড়

একাধিক প্লট ও জমির সন্ধান / বিএডিসির ডিডি দীপকের বিরুদ্ধে শতকোটি টাকার দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদের পাহাড়

​বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) তিন পার্বত্য জেলার (বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি) দায়িত্বপ্রাপ্ত উপপরিচালক (ডিডি) দীপক কুমার দাসের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ এবং নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ধারাবাহিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে তাঁর ক্ষমতার অপব্যবহার ও শতকোটি টাকার দুর্নীতির তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর সংস্থাটির ভেতর ও বাইরে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, সংবাদ প্রকাশের পর দুর্নীতির তথ্য ধামাচাপা দিতে এবং নিজেকে রক্ষা করতে নানা তৎপরতা শুরু করেছেন বিতর্কিত এই কর্মকর্তা। অপরাধের আলামত গোপন করার অংশ হিসেবে তাঁর ব্যক্তিগত ব্যবহৃত 'এক্স-করোলা' মডেলের একটি বিলাসবহুল গাড়ির মালিকানা দ্রুত পরিবর্তন করা হয়েছে। এ ছাড়া বিএডিসি প্রধান কার্যালয়ের প্রভাবশালী মহলকে ব্যবহার করে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিএডিসির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী জানান, প্রধান কার্যালয়ের একজন শীর্ষস্থানীয় পরিচালক দীপক কুমার দাসকে সুরক্ষা দিতে পেছন থেকে সরাসরি কলকাঠি নাড়ছেন। ​নামে-বেনামে বিপুল সম্পদের সাম্রাজ্য ​অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দীপক কুমার দাসের অর্জিত অস্বাভাবিক সম্পদের বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়, বিএডিসি চেয়ারম্যান এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জমা পড়া অভিযোগ ও প্রতিবেদন অনুযায়ী তাঁর যেসব সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে: আবাসন ও বিলাসবহুল গাড়ি: চট্টগ্রাম শহরের অভিজাত এলাকায় তাঁর নামে কোটি কোটি টাকা মূল্যের একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট রয়েছে। চলাচলের জন্য তিনি যে এক্স-করোলা গাড়িটি ব্যবহার করতেন, আরও পড়ুন,সাংবাদিকতা ও সমাজসেবায় দীর্ঘ পথচলা: শেখ আমিনুর হোসেনের নিরলস কর্মযাত্রাতা আয়কর ও আইনি ঝামেলা এড়াতে তাঁর নিজস্ব গাড়িচালক হামিম (যাকে ‘ভাগিনা হামিম’ নামে ডাকা হয়)-এর নামে নিবন্ধন করে রাখা হয়েছিল। ​জমি ও বাণিজ্যিক বিনিয়োগ: বান্দরবানের বালাঘাটা এলাকায় স্ত্রী দীপ্তি দাসের নামে প্রায় ছয় একর মূল্যবান জমি কেনা হয়েছে। এছাড়া বান্দরবান জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি বাদশা মিয়ার মাধ্যমে তিনি বেনামে ২০টি ট্রাক বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে পরিচালনা করছেন বলে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ রয়েছে। ​স্বর্ণ ব্যবসা ও শেয়ারে অর্থ ঢালা: অবৈধ উপার্জনের অর্থ সাদা করতে তিনি দেশের একটি বড় স্বর্ণ ব্যবসায়ী চক্রের কাছে ৭ শতাংশ লভ্যাংশের মৌখিক শর্তে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেছেন। ​ব্যাংক ব্যালেন্স ও অন্যান্য সম্পত্তি: তিন পার্বত্য জেলা, চট্টগ্রাম মহানগরী এবং তাঁর নিজ এলাকা মিরসরাইয়ের বিভিন্ন স্থানে তাঁর একাধিক প্লট ও জমির সন্ধান মিলেছে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকে তাঁর ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে কোটি কোটি টাকা জমা রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ​কৃষি ও নার্সারি প্রকল্পে হরিলুট: কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অর্থ আত্মসাৎ ​দেশের কৃষিখাতের সার্বিক উন্নয়নের উদ্দেশ্যে পার্বত্য অঞ্চলে সরকারের গৃহীত একাধিক মানবকল্যাণকর প্রকল্পে দীপক কুমার দাস ব্যাপক অনিয়ম চালিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে অভিযোগ উঠে এসেছে। ​১. কাজুবাদামের চারা বিক্রির জালিয়াতি: স্থানীয় পাহাড়ি ও সাধারণ কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য সরকার যে বিপুল পরিমাণ কাজুবাদামের চারা বরাদ্দ দিয়েছিল, তার সিংহভাগই কৃষকদের না দিয়ে গোপন আঁতাতে স্থানীয় নার্সারি মালিকদের কাছে চড়া দামে বিক্রি করে দেওয়া হয়। কৃষকদের খাতায় কেবল নামমাত্র চারা বিতরণের ভুয়া মাস্টাররোল তৈরি করা হতো। ২. নারিকেলের চারা প্রকল্পে ভুয়া লোকসান: নারকেল চারা উৎপাদন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পে নথিপত্রে চারা ‘পচে নষ্ট হয়েছে’ কিংবা ‘বিনষ্ট হয়েছে’ দেখিয়ে কোটি কোটি টাকার সরকারি তহবিল আত্মসাৎ করা হয়েছে। ৩. সরকারি জমি ইজারা বাণিজ্য: খাগড়াছড়িতে বিএডিসির মালিকানাধীন নার্সারি প্রকল্পের প্রায় ১৫ একর সরকারি জমি নিয়মবহির্ভূতভাবে প্রতি মাসে দুই লাখ টাকায় ব্যক্তিমালিকানায় ইজারা দিয়ে সম্পূর্ণ টাকা নিজের পকেটে পুরেছেন এই কর্মকর্তা। ​ঘুষের বিনিময়ে বদলি বাতিল ও সরকারি সম্পদের অপব্যবহার ​আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের শেষ সময়ে দীপক কুমার দাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ওঠায় তাঁকে পার্বত্য অঞ্চল থেকে প্রশাসনিক উদ্দেশ্যে অন্য জেলায় বদলি করা হয়।আরও পড়ুন,গুলশানে বাহারের স্পা সেন্টার ঘিরে রহস্য অনৈতিক কারবার তবে অভিযোগ রয়েছে, বিএডিসির তৎকালীন এক প্রভাবশালী পরিচালকের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে তিনি সেই বদলির আদেশ রাতারাতি বাতিল করান। ​এ ছাড়া বিএডিসি প্রধান কার্যালয় থেকে ইতিপূর্বে যখনই কোনো তদন্ত দল তিন পার্বত্য অঞ্চলের দুর্নীতি অনুসন্ধানে গেছে, তখনই দীপক কুমার দাস ও তাঁর সিন্ডিকেট তদন্ত কর্মকর্তাদের অকাতরে প্রভাবিত করে নিজেদের অনুকূলে প্রতিবেদন বানিয়ে নিয়েছে। বর্তমানে নিজের চেয়ার ও অবস্থান টিকিয়ে রাখতে তিনি চট্টগ্রাম জোনের এক উর্ধ্বতন উপপরিচালকের শরণাপন্ন হয়েছেন। শুধু তা-ই নয়, সরকারি জ্বালানি তেল ব্যবহার করে বিএডিসি থেকে তাঁর নামে বরাদ্দ করা সরকারি গাড়িটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কাজে ব্যবহার করার অভিযোগও দীর্ঘদিনের। ​অভিযুক্ত ও দুদকের বক্তব্য ​উত্থাপিত সব চাঞ্চল্যকর ও গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা যাচাই করতে ডিডি দীপক কুমার দাসের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হয় এবং বিস্তারিত উল্লেখ করে খুদে বার্তা (SMS) পাঠানো হয়। তবে তাঁর পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জনসংযোগ কর্মকর্তা ও সহকারী পরিচালক মো. তানজির আহমেদ জানান, "কৃষি খাতের সংবেদনশীল প্রকল্প ও কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেলে বা আমাদের কাছে জমা হলে আইন অনুযায়ী নিরপেক্ষ তদন্ত চালানো হবে। তদন্তে সত্যতা মিললে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" ​পার্বত্য অঞ্চলের প্রান্তিক কৃষক ও বিএডিসির সাধারণ কর্মচারীরা অবিলম্বে দীপক কুমার দাসের সব দুর্নীতির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিভাগীয় ও বিচারিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। এবিষয়ে দিপক কুমার দাসের সাথে যোগাযোগ করলে তাকে পাওয়া যায়নি।

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

লঘুচাপের প্রভাবে টানা বৃষ্টি হতে পারে পাঁচ দিন

মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।পূর্বাভাস অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এদিন সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।বুধবার (৭ অক্টোবর) রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।আরও  পড়ুন, নিরাপদ শৈশব ও সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ নিশ্চিতের আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানেরবৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। এদিন দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রংপুর, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং অন্যান্য বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।শনিবার (১০ অক্টোবর) দেশের আট বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা খুলনায় রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে সর্বোচ্চ ২৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে চট্টগ্রামের আমবাগন এলাকায়।

নিরাপদ শৈশব ও সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ নিশ্চিতের আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

শিশুদের শৈশব নিরাপদ এবং ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার আহ্বান জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেছেন, নিরাপদ পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে শিশুরা নতুন উদ্যমে নিজেদের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে সফল হবে।মঙ্গলবার শিশু অধিকার দিবস-২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, প্রত্যেক শিশুর মধ্যেই অপার সম্ভাবনা ও প্রতিভা লুকিয়ে আছে। সেই প্রতিভা বিকাশে শিশুদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ ও সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। শিশুদের সৃজনশীলতা ও মেধা বিকাশে বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ভূমিকারও প্রশংসা করেন তিনি।বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিশু-কিশোরদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, পাঁচ দশক ধরে নানা বাধা-বিপত্তির মধ্যেও প্রতিষ্ঠানটি শিশুদের সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে।আরও  পড়ুন, দরজায় কড়া নাড়ছে শীত ভোরের হালকা কুয়াশার সাথেতিনি বলেন, শিশু একাডেমির আঙিনায় ছবি আঁকা, সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি ও সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে অসংখ্য শিশু-কিশোরের প্রতিভা বিকশিত হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে দেশের প্রতিটি প্রান্তের শিশুর কাছে শিশু একাডেমির কার্যক্রম পৌঁছে দেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, সব বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে তাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে। প্রতিটি শিশুর প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ তৈরি করতে হবে।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা, শিশু ও সমাজকল্যাণবিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।এর আগে প্রধানমন্ত্রী ও ডা. জুবাইদা রহমান বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে পৌঁছালে ১৫০ শিশু তাদের স্বাগত জানায়। জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে তারা শিশুদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন এবং শিশুদের আঁকা ছবি নিয়ে আয়োজিত প্রদর্শনী ও আলোকচিত্র গ্যালারি পরিদর্শন করেন।

দরজায় কড়া নাড়ছে শীত ভোরের হালকা কুয়াশার সাথে

ঋতুর পালাবদলে প্রকৃতিতে এখন শীতের আগমনী বার্তা। ভোরের কুয়াশা, হালকা ঠান্ডা বাতাস আর সন্ধ্যার পর শীতের অনুভূতি জানান দিচ্ছে—দরজায় কড়া নাড়ছে শীত। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রাত ও ভোরের দিকে আবহাওয়ায় শীতের আমেজ অনুভূত হচ্ছে।শরতের শেষভাগে এসে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও ভোর ও রাতে বাড়ছে ঠান্ডার অনুভূতি। ভোরে ঘাসের ডগায় শিশিরের উপস্থিতিও জানান দিচ্ছে ঋতু পরিবর্তনের। অনেকেই সকালে ঘর থেকে বের হওয়ার সময় হালকা গরম পোশাক ব্যবহার শুরু করেছেন।গ্রামাঞ্চলে শীতের উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি অনুভূত হচ্ছে। ভোরের কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে মাঠ-ঘাট ও সড়ক। সকালে কাজে বের হওয়া শ্রমজীবী মানুষ ও কৃষকদের অনেককে চাদর বা গরম কাপড় জড়িয়ে চলতে দেখা যাচ্ছে। সন্ধ্যার পরও বাতাসে বাড়ছে শীতের পরশ।আরও  পড়ুন, গুমের মামলায় জিয়াউল আহসানের পক্ষে ব্রিটিশ আইনজীবীশীতকে ঘিরে এরই মধ্যে বাজারে গরম পোশাকের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। ফুটপাত থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিপণিবিতানে শীতের পোশাক উঠতে শুরু করেছে। শিশু ও বয়স্কদের জন্য সোয়েটার, জ্যাকেট, চাদর ও কম্বলসহ নানা ধরনের গরম পোশাকের চাহিদা বাড়ছে।শীতের আগমনে প্রকৃতিতেও আসছে পরিবর্তন। খেজুর গাছ প্রস্তুত করছেন গাছিরা। কোথাও কোথাও খেজুরের রস সংগ্রহের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। শীতের পিঠাপুলি, খেজুরের রস ও নানা ধরনের মৌসুমি খাবার ঘিরে গ্রামবাংলায় তৈরি হচ্ছে উৎসবের আবহ।তবে শীত যেমন স্বস্তি নিয়ে আসে, তেমনি দরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষের জন্য হয়ে ওঠে কষ্টের সময়। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের প্রয়োজন হয় গরম কাপড় ও আশ্রয়ের। তাই শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবান ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।সব মিলিয়ে প্রকৃতিতে এখন শীতের আগমনী সুর। কুয়াশার চাদর, শিশিরভেজা সকাল আর হিমেল বাতাস জানান দিচ্ছে—আর বেশি দেরি নেই, শীত আসছে আপন মহিমায়।

গুমের মামলায় জিয়াউল আহসানের পক্ষে ব্রিটিশ আইনজীবী

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের পক্ষে গুমের মামলায় আইনজীবী হিসেবে লড়তে আবেদন করেছেন ব্রিটিশ আইনজীবী স্টিভেন কে সি। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে তার আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে শতাধিক গুম ও হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ। মামলাটিতে মঙ্গলবার রাষ্ট্রপক্ষের ১৫তম ও সর্বশেষ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের সর্বশেষ সাক্ষী হিসেবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেবেন।এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ১৫তম সাক্ষী হিসেবে রফিকুল ইসলামের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে তিনি মামলার তদন্তকালে সংগৃহীত বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত, নথি ও আলামতের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরবেন।আরও  পড়ুন, মাদকের সাম্রাজ্য অটুট নেপথ্যের কারবারিরা ধরাছোঁয়ার বাইরেরাষ্ট্রপক্ষের দাবি, ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যের মাধ্যমে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দি ও আসামিপক্ষের জেরা শেষ হওয়ার পর জিয়াউল আহসানের পক্ষ থেকে সাফাই সাক্ষ্য উপস্থাপনের সুযোগ থাকবে। এরপর মামলায় যুক্তিতর্কের পর্যায় শুরু হবে।মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মোট তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে ২০১১ সালে গাজীপুরের পুবাইলে সজলসহ তিনজনকে হত্যার অভিযোগ এবং ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে বরগুনার পাথরঘাটায় নজরুল, মল্লিকসহ ৫০ জনকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।এদিকে তার পক্ষে ব্রিটিশ আইনজীবী স্টিভেন কে সি-এর আবেদনকে মামলার বিচারপ্রক্রিয়ায় নতুন একটি আইনি পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বার কাউন্সিলে আবেদন জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের বিষয়টি এখন সামনে রয়েছে।মামলার পরবর্তী কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য, জেরা, আসামিপক্ষের সাফাই সাক্ষ্য এবং যুক্তিতর্কের মাধ্যমে বিচারপ্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে।

রাজনীতিরাজনীতি

শিক্ষিত চোর ডাকাত তৈরি করছে সার্টিফিকেটনির্ভর শিক্ষা: মুজিবুর রহমান

শিক্ষিত চোর ডাকাত তৈরি করছে সার্টিফিকেটনির্ভর শিক্ষা: মুজিবুর রহমান

 বিস্তারিত শিক্ষা প্রকৃত না হলে শিক্ষিত ব্যক্তিরাই চোর-ডাকাত হয়ে যায় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনের নামে যারা জনগণের সম্পদ বিদেশে পাচার করছেন এবং দুর্নীতি ও অনিয়ম করছেন তারা প্রকৃত শিক্ষা অর্জন করেননি। তারা শুধু সার্টিফিকেট অর্জন করেছেন। সোমবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আরও পড়ুন,ছাত্রদলে কোনো ছাত্র নেই’ মন্তব্যের জবাব দিলেন নাছির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, প্রচলিত গতানুগতিক শিক্ষাব্যবস্থায় আলোকিত মানুষ তৈরি সম্ভব নয়। তাই সার্টিফিকেট অর্জননির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তে ইসলামী শিক্ষানীতির আলোকে শিক্ষানীতি প্রণয়ন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, শুধু দিবস পালন ও আলোচনা করে শিক্ষকদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা হবে না। আগামী বছরের বিশ্ব শিক্ষক দিবস যেন শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবি পূরণ ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার বাস্তব উদাহরণ হয় সে উদ্যোগ নিতে হবে। আলোচনা সভায় বক্তারা শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি, চাকরি জাতীয়করণ, অবসর সুবিধা দ্রুত প্রদান, বাড়িভাড়া ও চিকিৎসাভাতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন। একই সঙ্গে শিক্ষক সমাজের মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

ছাত্রদলে কোনো ছাত্র নেই’ মন্তব্যের জবাব দিলেন নাছির

ছাত্রদলে কোনো ছাত্র নেই’ মন্তব্যের জবাব দিলেন নাছির

কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদিরের ‘ছাত্রদলে কোনো ছাত্র নেই’ মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির। মঙ্গলবার ৬ অক্টোবর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে সালমান মুক্তাদিরের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানান নাছির। তিনি বলেন, সালমানের মন্তব্য থেকে তার মনে হয়েছে দেশের ছাত্ররাজনীতির বর্তমান বাস্তবতা সম্পর্কে হয়তো তার পূর্ণাঙ্গ ধারণা নেই। নাছির উদ্দীন নাছিরের দাবি, বর্তমানে দেশের দুই হাজারেরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের সিংহভাগই নিয়মিত শিক্ষার্থী বলেও দাবি করেন তিনি।আরও পড়ুন,একের পর এক বিতর্কে অস্বস্তিতে জামায়াতছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে নিয়মিত শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। অনেক নেতাকর্মী ক্লাসরুম ও পরীক্ষার হল থেকে আটক হয়ে নির্যাতন ও কারাবরণের শিকার হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এমনকি কারাগারে থাকা অবস্থায়ও অনেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন বলে দাবি করেন নাছির। সর্বশেষ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ওয়াসিম আকরামসহ ছাত্রদলের অনেক নিয়মিত শিক্ষার্থী শহীদ হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। সালমান মুক্তাদিরকে উদ্দেশ করে নাছির উদ্দীন বলেন, বাংলাদেশের যেকোনো কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে ছাত্রদলের নিয়মিত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলার জন্য তিনি তাকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। এতে বাস্তবতা নিজ চোখে দেখে সালমানের ভুল ধারণার অবসান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন ছাত্রদলের এই নেতা।

একের পর এক বিতর্কে অস্বস্তিতে জামায়াত

একের পর এক বিতর্কে অস্বস্তিতে জামায়াত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সংসদে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তবে এরই মধ্যে দলটির কয়েকজন সংসদ-সদস্য ও নেতাকর্মীর বিতর্কিত মন্তব্য, আচরণ ও কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একের পর এক ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার পাশাপাশি দলটির ভেতরেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।তবে জামায়াতের নীতিনির্ধারকদের অবস্থান হলো, বিচ্ছিন্ন ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ড দিয়ে পুরো দলের অবস্থান মূল্যায়ন করা ঠিক নয়। অভিযোগ ওঠার পর সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নজিরও রয়েছে।এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাগুলোর একটি সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ-সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে। একটি ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর তৈরি হওয়া বিতর্কের পর জামায়াতে ইসলামী তাকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়। পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে সংসদীয় ও নির্বাচনী পর্যায়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনের কাছেও দলটি চিঠি দেয়।কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ-সদস্য মুফতি আমির হামজার বিভিন্ন বক্তব্য নিয়েও বিতর্ক হয়েছে। নারী সংসদ-সদস্যদের নিয়ে তার বক্তব্যের সমালোচনা হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদকে নিয়ে মন্তব্যের ঘটনায় সিরাজগঞ্জের আদালতেও মামলা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির খবর প্রকাশিত হয়েছে।আরও  পড়ুন, আগারগাঁওয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে বিএনপি নেতা স্বপন গ্রেপ্তারঅন্যদিকে সার মজুতের অভিযোগে জরিমানা হওয়ার পর সিরাজগঞ্জের এক জামায়াত নেতার সদস্যপদ বাতিল এবং সরকারি বরাদ্দের বাইসাইকেল প্রকৃত উপকারভোগীর বদলে আত্মীয়কে দেওয়ার অভিযোগে এক স্থানীয় নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার ঘটনাও আলোচনায় এসেছে।সর্বশেষ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি ঘটনায় মেজর (অব.) মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যাওয়ার পর বিষয়টি নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি করেছে। বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডা, সরকারি কাজে বাধা ও নিরাপত্তাকর্মীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। ২ অক্টোবর তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ৪ অক্টোবর রিমান্ড শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠান।তবে জামায়াত এ ঘটনায় আখতারুজ্জামানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার মামলাটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তার মুক্তির দাবি জানিয়েছেন। দলটির আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানও আখতারুজ্জামানের পক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংসদে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নেতাকর্মীদের আচরণ ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ধরে রাখাও জামায়াতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডের দায় দল কতটা সফলভাবে মোকাবিলা করতে পারে এবং একই সঙ্গে নিজেদের ঘোষিত নৈতিক অবস্থান কতটা কার্যকরভাবে ধরে রাখতে পারে—সেটিই এখন দলটির সামনে বড় প্রশ্ন।

আগারগাঁওয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে বিএনপি নেতা স্বপন গ্রেপ্তার

আগারগাঁওয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে বিএনপি নেতা স্বপন গ্রেপ্তার

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানা বিএনপির ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি মিজানুর রহমান স্বপনকে চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-২। সোমবার (৫ অক্টোবর) আগারগাঁও এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তারের পর শেরেবাংলা নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এসআরবি সদস্যরা মিজানুর রহমান স্বপনকে গ্রেপ্তার করে শেরেবাংলা নগর থানায় হস্তান্তর করেছে।পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শেরেবাংলা নগর ও মোহাম্মদপুর এলাকায় স্বপনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে ছয়তলা গার্মেন্টস থেকে চাঁদা আদায়, নিউরোসায়েন্স হাসপাতালকেন্দ্রিক অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট পরিচালনা এবং আগারগাঁও নতুন রাস্তা এলাকার ফুটপাত থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ।এ ছাড়া শেরেবাংলা নগর থানার পাশের সমবায় বস্তিতে মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেও নিয়মিত মাসিক চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ ও এসআরবি সূত্র।আরও  পড়ুন, বাংলাবান্ধা থেকে টেকনাফ ৩৬ দিনের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো তদন্ত চলছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশ বলছে, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে চাঁদাবাজির সঙ্গে আরও কেউ জড়িত থাকলে তদন্তের ভিত্তিতে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।এদিকে স্থানীয় পর্যায়ে একজন রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে এ ধরনের একাধিক অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে গ্রেপ্তার হওয়া মিজানুর রহমান স্বপনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষ হওয়ার পর অভিযোগগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এবং পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ সম্পর্কে জানানো হবে।

সারাবাংলা

মাদারীপুরে *সুস্বাস্থ্যেই কর্মচাঞ্চল্য* ' ব্যানারে  চক্ষু সেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

মাদারীপুরে *সুস্বাস্থ্যেই কর্মচাঞ্চল্য* ' ব্যানারে চক্ষু সেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় 'সুস্বাস্থ্যেই কর্মচাঞ্চল্য' প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, মাদারীপুর এবং ঢাকা প্রোগ্রেসিভ লায়ন্স চক্ষু হাসপাতাল, রাজৈর, মাদারীপুরের যৌথ উদ্যোগে দিনব্যাপী  চক্ষু ক্যাম্পের  আয়োজন করা হয়।জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ চক্ষু ক্যাম্পের  আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মর্জিনা আক্তার। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)।আরও পড়ুন,আহত সাংবাদিক দুলালকে দেখতে হাসপাতালে প্রশাসনের কর্মকর্তারাকর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণ ও দাপ্তরিক কর্মস্পৃহা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করা হয়। উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধান অতিথি বলেন, "সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মচাঞ্চল্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতে এ ধরনের স্বাস্থ্য সেবা ক্যাম্প আরও আয়োজন করা হবে।"  একই সাথে এ ধরনের সামাজিক ও মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার জন্য তিনি ঢাকা প্রোগ্রেসিভ লায়ন্স চক্ষু হাসপাতাল, রাজৈর কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়

‎আহত সাংবাদিক দুলালকে দেখতে হাসপাতালে প্রশাসনের কর্মকর্তারা

‎আহত সাংবাদিক দুলালকে দেখতে হাসপাতালে প্রশাসনের কর্মকর্তারা

‎সংবাদ প্রকাশের জেরে হামলায় আহত সাংবাদিক আব্দুল বারী দুলালকে হাসপাতালে দেখতে গিয়ে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।‎সোমবার (৬ অক্টোবর) সকালে গঙ্গাচড়া ৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাংবাদিক আব্দুল বারী দুলালের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে যান তারা।‎হাসপাতালে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. জেসমিন আক্তার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হামিদুল ইসলাম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মাহফুজুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রুবেল হুসেইন ও সমবায় কর্মকর্তা আবতাবুজ্জামান চয়নসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।‎এ সময় তারা আহত সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলেন এবং তার চিকিৎসার বিষয়ে হাসপাতালের চিকিৎসকদের কাছ থেকে বিস্তারিত খোঁজ নেন। আরও পড়ুন,টঙ্গীতে ওসি মাকছুদুল আলমের জিরো টলারেন্স: ৪০ দিনের বিশেষ অভিযানে ৪১৯ অপরাধী গ্রেপ্তার, জব্দ বিপুল পরিমাণ মাদক ও অস্ত্রপাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন। এ সময় হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু মো. আলেমুল বাশারসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।‎চিকিৎসকরা জানান, হামলায় সাংবাদিক দুলালের মাথা, বাম পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শরীরের বিভিন্ন অংশে ছেঁড়া-ফাটা ও কালশিরার দাগও রয়েছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।‎অবৈধভাবে মাটি ও বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান ও জরিমানার সংবাদ প্রকাশের জেরে গত ২ অক্টোবর সাংবাদিক আব্দুল বারী দুলালের ওপর হামলা করা হয়। আহত আব্দুল বারী দুলাল দৈনিক লাখোকণ্ঠ ও দৈনিক প্রতিদিনের বার্তার গঙ্গাচড়া প্রতিনিধি এবং গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি।

টঙ্গীতে ওসি মাকছুদুল আলমের জিরো টলারেন্স: ৪০ দিনের বিশেষ অভিযানে ৪১৯ অপরাধী গ্রেপ্তার, জব্দ বিপুল পরিমাণ মাদক ও অস্ত্র।  ​

টঙ্গীতে ওসি মাকছুদুল আলমের জিরো টলারেন্স: ৪০ দিনের বিশেষ অভিযানে ৪১৯ অপরাধী গ্রেপ্তার, জব্দ বিপুল পরিমাণ মাদক ও অস্ত্র। ​

গাজীপুরের শিল্প ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা টঙ্গীতে অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে পুলিশ। টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাকছুদুল আলমের নেতৃত্বে পরিচালিত একের পর এক চিরুনি অভিযানে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে স্থানীয় অপরাধী চক্র। গত ৪০ দিনের ধারাবাহিক অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ৪১৯ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ। পুলিশের এমন সাঁড়াশি অভিযানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে, আর অপরাধীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে তীব্র আতঙ্ক।​৪০ দিনের অভিযানের খতিয়ান ও পরিসংখ্যান টঙ্গী পূর্ব থানা সূত্রে জানা গেছে, অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো, রাতভর টহল এবং সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে গত ৪০ দিন ধরে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানে গ্রেপ্তার ৪১৯ জনের মধ্যে রয়েছে:​ছিনতাইকারী: বিভিন্ন এলাকায় পথচারীদের কাছ থেকে অস্ত্র ঠেকিয়ে ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৫৮ জন।​মাদক কারবারি: অবৈধ মাদকের বেচাকেনা ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত ৩৬ জন।​পরোয়ানাভুক্ত আসামি: আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা (ওয়ারেন্ট) তামিল করে গ্রেপ্তার ১৪২ জন।​অন্যান্য অপরাধী: মারামারি, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার ১৮৩ জন। বিপুল পরিমাণ মাদক ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার অভিযান পরিচালনাকালে গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে এবং তাদের গোপন আস্তানা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও অপরাধে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে:​৫৭২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট​প্রায় ১৮ কেজি গাঁজা​২২ গ্রাম হেরোইন​১৫ বোতল বিদেশি মদ​বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র (ছুরি, চাপাতি ও রামদা)​ওসি মাকছুদুল আলমের কঠোর হুঁশিয়ারিআরও পড়ুন,কিশোর গ্যাং-মাদকের বিরুদ্ধে সিএমপি কমিশনারের কঠোর বার্তাঅপরাধীদের উদ্দেশে টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাকছুদুল আলম অত্যন্ত স্পষ্ট ও কঠোর বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “টঙ্গীতে অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। অপরাধী যত শক্তিশালী বা প্রভাবশালীই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আসতে হবে। অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানোর সুযোগ নেই।”​পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে থাকা অপরাধীদের বিষয়ে ওসি জানান, “পুলিশি অভিযানের কারণে অনেক চিহ্নিত অপরাধী এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছে। তবে আত্মগোপনে থেকেও তারা রেহাই পাবে না। পুলিশের বিশেষ গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে, তাদের অবস্থান শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।” ​স্বস্তি ফিরছে জনমনে, স্থানীদের প্রত্যাশা ঘনবসতিপূর্ণ ও শিল্পাঞ্চল টঙ্গী পূর্ব থানা এলাকায় প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষের যাতায়াত। এখানে ছিনতাই ও মাদকের বিস্তার দীর্ঘদিনের সমস্যা ছিল। সম্প্রতি পুলিশের এই অল-আউট অভিযানে সাধারণ পথচারী, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। ​এলাকাবাসীর মতে, পুলিশের এই জিরো টলারেন্স নীতি ও নিয়মিত টহল অব্যাহত থাকলে এই অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থায়ীভাবে স্বাভাবিক হয়ে আসবে। অপরাধ দমনে স্থানীয় জনগণ পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে প্রস্তুত বলেও জানান তারা। টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ জানিয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এই ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

কিশোর গ্যাং-মাদকের বিরুদ্ধে সিএমপি কমিশনারের কঠোর বার্তা

কিশোর গ্যাং-মাদকের বিরুদ্ধে সিএমপি কমিশনারের কঠোর বার্তা

 চট্টগ্রাম নগরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাদক কারবার, কিশোর গ্যাং, চুরি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ও কার্যকর অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী।মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বেলা ১১টায় নগরের দামপাড়ায় সিএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সেপ্টেম্বর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় এ নির্দেশনা দেন তিনি।সভায় চট্টগ্রাম মহানগরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধের ধরন ও প্রবণতা, মামলা তদন্তের অগ্রগতি, মামলা নিষ্পত্তি, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর এবং নগরের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করা হয়।সভায় সিএমপি কমিশনার সংশ্লিষ্ট উপ-পুলিশ কমিশনারদের নিজ নিজ আওতাধীন এলাকায় অপরাধপ্রবণতা নিয়ন্ত্রণে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেন। বিশেষ করে মাদক বেচাকেনা ও সেবন, চুরি-ছিনতাই, চাঁদাবাজি এবং কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা বন্ধে দৃশ্যমান ও কার্যকর পুলিশি উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।নগরের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান, নজরদারি এবং প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম আরও কার্যকর করার বিষয়েও সভায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।সিএমপি কমিশনার রুজু হওয়া হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলা ও অভিযোগ দ্রুত তদন্ত ও নিষ্পত্তির ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। জনগণ যেন যথাসময়ে কাঙ্ক্ষিত পুলিশি সেবা পান, সে লক্ষ্যে তদন্ত কার্যক্রম আরও গতিশীল করার নির্দেশ দেন তিনি।একই সঙ্গে থানাভিত্তিক মামলা নিষ্পত্তির হার বাড়ানো এবং আদালত থেকে জারি হওয়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দ্রুত কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। আরও  পড়ুন,  নরসিংদীতে দিনব্যাপী ‘রেমিট্যান্স উৎসব-২০২৬’ অনুষ্ঠিতসভায় পুলিশি সেবার মান বৃদ্ধি, তদন্তে দীর্ঘসূত্রতা কমানো এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।নগরের ট্রাফিক পরিস্থিতি নিয়েও সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়। সিএমপি কমিশনার নগরের সড়কে চলাচলকারী ফিটনেসবিহীন ও অননুমোদিত যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো, যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি দায়িত্ব পালনে আরও সক্রিয় থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়।মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সেপ্টেম্বর মাসে দায়িত্ব পালনে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স দেখানো পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করা হয়। কর্মক্ষেত্রে পেশাদারিত্ব, দক্ষতা এবং দায়িত্বশীলতার স্বীকৃতি হিসেবে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।সভায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়া, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) মো. ফেরদৌস আলী চৌধুরী বিপিএম, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মো. হাবিবুর রহমান প্রাং, উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-দক্ষিণ) শেখ শরীফুল ইসলাম এবং উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-উত্তর) নেছার উদ্দিন আহম্মেদসহ সিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।সিএমপির মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভার সার্বিক নির্দেশনায় নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশি তৎপরতা বাড়ানো এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে দৃশ্যমান উন্নতি আনাকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক

লোকসানি চিনি কলকে লাভজনক করতে বায়োপ্রোডাক্ট তৈরির উদ্যোগ

লোকসানি চিনি কলকে লাভজনক করতে বায়োপ্রোডাক্ট তৈরির উদ্যোগ

লোকসানে থাকা সরকারি চিনি কলগুলোকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চিনি উৎপাদনের পাশাপাশি আখের উপজাত ও অন্যান্য পণ্য ব্যবহার করে বায়োপ্রোডাক্ট তৈরির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নিয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি মো. আবুল কালাম এমপি। কমিটি বলেছে, শুধু চিনি উৎপাদনের ওপর নির্ভর না করে সরকারি চিনি কলগুলোর বিদ্যমান সম্পদ ও উৎপাদন ব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়ে বিকল্প পণ্য ও আয়ের উৎস তৈরি করতে হবে। এ বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই করে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের আওতাধীন সার কারখানাগুলোর উৎপাদন পরিস্থিতি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। আরও পড়ুন,রিয়াদের কিং খালিদ বিমানবন্দরে ফের হুথিদের হামলাসার কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ এবং বিদ্যমান উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে কমিটি। এ ছাড়া শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি, অর্থ ছাড় ও ব্যয়, বাস্তবায়নের প্রতিবন্ধকতা এবং প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে শেষ করার বিষয়েও আলোচনা হয়। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার জনবল পরিস্থিতির বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে সংসদীয় কমিটি। কোন প্রতিষ্ঠানের কোন পদে কতটি শূন্য পদ রয়েছে এবং এর মধ্যে কতটি পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে, তা উল্লেখ করে আগামী বৈঠকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। কমিটি সরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়ানো, বিনিয়োগের সর্বোত্তম ব্যবহার এবং লোকসানি প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাভজনক করার লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

৬ ঘন্টা আগে

রাজধানী

নয়াপল্টনে এসি মেরামতের সময় বিস্ফোরণে মেকানিকের মৃত্যু

নয়াপল্টনে এসি মেরামতের সময় বিস্ফোরণে মেকানিকের মৃত্যু

রাজধানীর নয়াপল্টনে এসি মেরামতের সময় কম্প্রেসার বিস্ফোরণে জীবন বর্মন (২৫) নামে এক মেকানিকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নয়াপল্টনের এমআই ইঞ্জিনিয়ারিং প্লাস নামে একটি দোকানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত জীবন বর্মন গাইবান্ধা সদর উপজেলার ভাটপাড়া গোপালপুর গ্রামের সচিন বর্মনের ছেলে।নিহতের ভাই অনিক বর্মন জানান, মঙ্গলবার সকালে কর্মস্থলে এসি মেরামতের কাজ করছিলেন জীবন। কাজের একপর্যায়ে হঠাৎ এসিটির কম্প্রেসার বিস্ফোরিত হলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে সহকর্মীরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।আরও পড়ুন, সিএমএম আদালত থেকে হাতকড়া খুলে আসামি পলাতকঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর সোয়া ১২টার দিকে চিকিৎসক জীবন বর্মনকে মৃত ঘোষণা করেন।বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানান, নিহতের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।এদিকে কর্মস্থলে এসি মেরামতের সময় এমন দুর্ঘটনায় এক তরুণ মেকানিকের মৃত্যুতে সহকর্মী ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

১০ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৫ জন

খেলাধুলা

আলকারাজের চোট কাটিয়ে শিরোপায় প্রত্যাবর্তন

আলকারাজের চোট কাটিয়ে শিরোপায় প্রত্যাবর্তন

প্রায় সাড়ে চার মাসের চোটের বিরতি শেষে টেনিসে ফিরে প্রথম শিরোপার দেখা পেয়েছেন কার্লোস আলকারাজ। মঙ্গলবার জাপান ওপেনের ফাইনালে চেক প্রজাতন্ত্রের জিরি লেহেচকাকে ৭-৬ (৭/৪), ৬-৪ গেমে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন স্প্যানিশ তারকা। বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ের তিন নম্বরে থাকা ও টুর্নামেন্টের শীর্ষ বাছাই আলকারাজকে শুরুতে বেশ কঠিন পরীক্ষায় ফেলেন ১৯ নম্বরে থাকা লেহেচকা। প্রথম গেমেই আলকারাজের সার্ভিস ব্রেক করে এগিয়ে যান তিনি। তবে দ্রুতই ম্যাচে ফিরেন আলকারাজ এবং ৩-৩ গেমে সমতা ফেরান। প্রথম সেটের টাইব্রেকারে একসময় ৪-২ পয়েন্টে পিছিয়ে পড়লেও টানা পাঁচ পয়েন্ট জিতে সেটটি নিজের করে নেন আলকারাজ। দ্বিতীয় সেটেও লড়াই ছিল হাড্ডাহাড্ডি। তবে মাঝপথে লেহেচকার সার্ভিস ভেঙে ৪-৩ গেমে এগিয়ে যান আলকারাজ। আরও পড়ুন,আর মাত্র এক ম্যাচ মেসির আর্জেন্টিনা অধ্যায়ের শেষএরপর আর সুযোগ না দিয়ে জয় নিশ্চিত করেন তিনি। চোটের পর এটি আলকারাজের তৃতীয় টুর্নামেন্ট। এর আগে ইউএস ওপেনে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত খেলেন তিনি এবং লেভার কাপেও অংশ নেন। জাপান ওপেনের এই জয় ফেব্রুয়ারিতে কাতার ওপেনের পর তার প্রথম শিরোপা। চলতি মৌসুমে এটি আলকারাজের তৃতীয় শিরোপা এবং ক্যারিয়ারের ২৭তম এটিপি শিরোপা। একই সঙ্গে ১৯৯৩-৯৪ সালে পিট সাম্প্রাসের পর প্রথম পুরুষ খেলোয়াড় হিসেবে টোকিওতে টানা দুই বছর জাপান ওপেন জয়ের কীর্তি গড়েছেন তিনি। চোটের সময় নানা নেতিবাচক চিন্তা মাথায় এসেছিল বলে জানিয়েছেন আলকারাজ। সুস্থ হয়ে আগের ছন্দে ফিরতে পারবেন কি না, তা নিয়েও সংশয় ছিল তার। তবে নিজের ওপর আস্থা রেখে সেই সময় পার করেছেন বলে জানান তিনি। জাপান ওপেনের শিরোপা জয়ের পর আলকারাজের পরবর্তী লক্ষ্য সাংহাই মাস্টার্স। সেখানে চোট কাটিয়ে ফেরার পর আরও একবার নিজের সেরা ছন্দ ধরে রাখার সুযোগ পাবেন ২৩ বছর বয়সী এই তারকা।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!