দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

বনানীতে গেস্ট হাউজ-স্পা, ওসির ভূমিকা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন

ফোনে মেলেনা আইগত সেবা / বনানীতে গেস্ট হাউজ-স্পা, ওসির ভূমিকা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন

রাজধানীর অভিজাত বনানী থানা এলাকায় গেস্ট হাউজ, স্পা সেন্টার ও আবাসিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ঘিরে নানা অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে কথিত মাসোহারা, অপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়, মাদক সেবন, নারী পাচার ও স্কর্ট সার্ভিসের আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন অনিয়ম। এসব অভিযোগের সঙ্গে বনানী থানার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলামের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। তবে অভিযোগগুলোর সবকটির স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈধ কাগজপত্র, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান।আরও পড়ুন: পুলিশে একের পর এক রদবদল, অপরাধ দমনে নতুন পরীক্ষাঅনুসন্ধানে জানা যায়, এসব বিষয়ে গত ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। পরে অভিযোগটি ৭ সেপ্টেম্বর গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারের কাছে পাঠানো হয়। অভিযোগটির স্মারক নম্বর ২৯৯৩৫ বলে উল্লেখ করা হয়েছে এবং তৎকালীন গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার তানভীর আহম্মেদ আইনগত ব্যবস্থা নিতে বনানী থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশও অমাণ্য করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি তিনি। অভিযোগে বনানী এলাকার কয়েকটি গেস্ট হাউজ ও স্পা সেন্টারের কার্যক্রম খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। পরবর্তী সময়ে বিষয়টি বনানী থানার ওসির কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।অভিযোগকারী পক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, বিষয়টি নিয়ে বনানী থানার ওসির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সংবাদকর্মীদের থানায় আসতে বলা হয়। পরে সংবাদকর্মীরা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন এবং সংবাদকর্মীকে গেষ্ট হাউজটিতে যেতে বলেন আমি তাদেরকে বলে দিয়েছি। তার এই ভাষ্য অনুযায়ী স্পষ্ট ফটে উঠে যাতে সংবাদকর্মীর উপর অপরাধীদেও দিয়ে মব সৃষ্টি হয়। কিন্তু এরপরও সংশ্লিষ্ট গেস্ট হাউজ ও স্পা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর অভিযান বা আইনগত পদক্ষেপ তারা দেখতে পাননি। শুধু তাই নয় তাকে একের পর এক ফোন করলেও পাওয়া যায়না ও মিলেনা আইনগত সেবাও।আরও পড়ুন: বনানীতে স্পা-গেস্ট হাউজ ঘিরে ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগএখানেই উঠছে মূল প্রশ্ন কোনো লিখিত অভিযোগ পুলিশের ঊর্ধ্বতন পর্যায় থেকে থানায় পাঠানোর পর তার তদন্ত বা যাচাই প্রক্রিয়া কীভাবে পরিচালিত হয়েছে? অভিযোগ সত্য হলে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, আর অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে সেটি তদন্ত করে অভিযোগকারীকে কী জানানো হয়েছে এসব বিষয়ও পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।বনানীর ২৭ নম্বর সড়কের ৮ নং বাড়িটিতে বিগত আ.লীগের কর্মী ও গোপালগঞ্জে তার বাড়ি  পরিচয়ে মার্ভেল ইন গেস্ট হাউজ এবং একই সড়কে ৬৫/এ নম্বরের লাক্সারী গেষ্ট হাউজ যাহার মালিক সাকিব ও হান্নানসহ বেশ কয়েকজন। এসব প্রতিষ্ঠানে নিয়মিতভাবে নারী ও মানব পাচারচক্রের তৎপরতা, কথিত স্কর্ট সার্ভিস এবং মাদকসেবনের আসর বসার মতো কর্মকাণ্ড চলে। তবে এসব অভিযোগের কোনোটি আদালতে প্রমাণিত হয়েছে এমন তথ্য এই প্রতিবেদনের অনুসন্ধানে পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স, ফায়ার সেফটি ছাড়পত্র, ভবনের ব্যবহার অনুমোদন, অতিথি নিবন্ধন খাতা, সিসিটিভি ফুটেজ এবং পুলিশের তদন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। বিশেষ করে কোনো গেস্ট হাউজ বা স্পা প্রতিষ্ঠানে মানব পাচারের মতো গুরুতর অপরাধের অভিযোগ থাকলে সেটি কেবল স্থানীয় থানার পর্যায়ে সীমাবদ্ধ না রেখে সংশ্লিষ্ট বিশেষায়িত ইউনিটের মাধ্যমে তদন্তের প্রয়োজন হতে পারে।আরও পড়ুন: বনানীর আবাসিক ভবনে স্পা-গেস্ট হাউজ এখন অন্ধকার জগৎঅভিযোগের সবচেয়ে গুরুতর অংশগুলোর একটি হলো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে বনানী থানার ওসির বিরুদ্ধে নিয়মিত মাসোহারা নেওয়ার অভিযোগ। কথিত অবৈধ ব্যবসা পরিচালনাকারী কয়েকজন ব্যক্তি তাদের প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে পুলিশের স্থানীয় পর্যায়ে জানাশোনা থাকার কথা বলেছেন এবং মাসোহারা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। তবে এই অভিযোগের পক্ষে ব্যাংক লেনদেন, রসিদ, অডিও-ভিডিও, প্রত্যক্ষদর্শীর জবানবন্দি কিংবা অন্য কোনো স্বাধীন প্রমাণ এই প্রতিবেদকের হাতে আসেনি। ফলে অভিযোগটিকে আপাতত অভিযোগ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। বর্তমান অভিযোগের পাশাপাশি মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলামের ২০২৩ সালের একটি ঘটনাও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ২০২৩ সালের ২৬ আগস্ট একাধিক সংবাদমাধ্যমে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর থানার তৎকালীন ওসি মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলামকে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রথম আলো, কালের কণ্ঠ, ঢাকা ট্রিবিউন, ইত্তেফাক ও যুগান্তরসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, বদলির আদেশ পাওয়ার পর ভূঞাপুর থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম থানায় ব্যবহৃত এসি, টেলিভিশন, আইপিএস ও সোফা খুলে নিজের কোয়ার্টারে নিয়ে যান।যুগান্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৪ আগস্ট ২০২৩ তারিখে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সারের স্বাক্ষরিত আদেশে ফরিদুল ইসলামকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়। এর পরদিন রাতে থানার কক্ষ থেকে এসি, টেলিভিশন, সোফা ও আইপিএস খুলে নেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রের দাবি ছিল, এসব সামগ্রী স্থানীয় ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের অনুদানে থানার উন্নয়ন ও ব্যবহারের জন্য দেওয়া হয়েছিল।আরও পড়ুন: বনানীতে মার্ভেল ইন গেষ্ট হাউজ ঘিরে আবারও পায়েলের অপরাধ সিন্ডিকেটঅন্যদিকে ফরিদুল ইসলাম তখন সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, থানা থেকে খুলে নেওয়া সামগ্রীগুলো তার ব্যক্তিগত অর্থে কেনা। তাই সেগুলো তিনি নিতে পারেন। তৎকালীন জেলা পুলিশ সুপারও বলেছিলেন, যদি জিনিসগুলো ব্যক্তিগত অর্থে কেনা হয়ে থাকে, তাহলে নেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা নেই; তবে অনুদানের অর্থে কেনা হলে তিনি নিতে পারবেন না।অর্থাৎ ওই ঘটনার মূল বিতর্ক ছিল সামগ্রীগুলো ব্যক্তিগত অর্থে কেনা হয়েছিল, নাকি থানার জন্য অনুদান হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদনে স্থানীয় পক্ষের বক্তব্য এবং ফরিদুল ইসলামের বক্তব্য দুই ধরনের অবস্থানই উঠে এসেছিল।২০২৬ সালের মার্চে ডিএমপির এক আদেশে মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলামকে বনানী থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। একই আদেশে বনানী থানার তৎকালীন ওসি মোহাম্মদ খালিদ মুনসুরকে উত্তরা-পশ্চিম থানায় বদলি করা হয়। এরপর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও তার নতুন দায়িত্ব নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। মে ২০২৬-এ যুগান্তর ‘থানা থেকে এসি-সোফা সেট নিয়ে যাওয়া সেই ওসি এখন বনানী থানায়’ শিরোনামে ২০২৩ সালের ঘটনাটিকে সামনে এনে তার বর্তমান পদায়নের বিষয়টি তুলে ধরে।আরও পড়ুন: অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান দিলে পুরস্কার দেবে এসআরবিঅন্যদিকে ২০২৬ সালেই বনানী থানার বিভিন্ন অপরাধ দমন কার্যক্রমে ফরিদুল ইসলামের বক্তব্য সংবাদমাধ্যমে এসেছে। সেপ্টেম্বরের শুরুতে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বনানী অংশ থেকে মুখে স্কচটেপ বাঁধা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায়ও বনানী থানার ওসি হিসেবে তিনি গণমাধ্যমকে তথ্য দেন। অর্থাৎ একদিকে ২০২৩ সালের পুরোনো বিতর্কিত ঘটনা, অন্যদিকে ২০২৬ সালে গুরুত্বপূর্ণ বনানী থানায় তার পদায়ন—এই দুই বিষয়কে কেন্দ্র করে এখন নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।অভিযোগকারীদের বক্তব্য, বনানীর গেস্ট হাউজ ও স্পা সেন্টারগুলোতে যদি সত্যিই কোনো অপরাধী চক্রের তৎপরতা থাকে, তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন। বিশেষ করে মানব পাচার, মাদক ব্যবসা, যৌন হয়রানি বা সংঘবদ্ধ অপরাধের অভিযোগ থাকলে শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে দোষী সাব্যস্ত না করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করে আনা জরুরি।এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর লাইসেন্স, নিবন্ধন, ভবন ব্যবহারের অনুমোদন, কর্মচারীদের পরিচয়, অতিথি রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং অভিযোগে উল্লেখিত কথিত আর্থিক লেনদেনের তথ্য যাচাই করা যেতে পারে। কারণ একজন থানার ওসির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠলে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের পাশাপাশি অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য প্রকাশ করাও সাংবাদিকতার মৌলিক নীতির অংশ।সব মিলিয়ে বনানীর গেস্ট হাউজ ও স্পা সেন্টার ঘিরে ওঠা অভিযোগকে কেন্দ্র করে কয়েকটি প্রশ্ন সামনে এসেছে। ৩ সেপ্টেম্বরের অভিযোগের পর কী তদন্ত হয়েছে? ৭ সেপ্টেম্বর গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে পাঠানো অভিযোগের পর কী নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল? স্মারক নম্বর ২৯৯৩৫-এর অভিযোগের বর্তমান অবস্থা কী? বনানী থানায় পাঠানোর পর তদন্ত কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কি কোনো প্রতিবেদন দিয়েছেন? অভিযোগে উল্লেখ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈধতা যাচাই করা হয়েছে কি না? এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ওসির বিরুদ্ধে ওঠা মাসোহারা নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা কি কোনো অনুসন্ধান করবেন? এসব প্রশ্নের উত্তর মিললেই বোঝা যাবে অভিযোগগুলো কতটা বাস্তব, কতটা অতিরঞ্জিত এবং কোথাও দায়িত্বে অবহেলা বা অন্য কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না।আরও পড়ুন: এনআইডিতে ভুল থাকলে সংশোধনে লাগতে পারে যেসব কাগজএকই সঙ্গে ২০২৩ সালের ভূঞাপুর থানার ঘটনারও একটি বিষয় পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন সেই ঘটনায় সরকারি বা অনুদানের অর্থে কেনা সামগ্রী ব্যক্তিগতভাবে নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে শেষ পর্যন্ত কী প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হয়েছিল এবং তার কোনো তদন্ত বা নিষ্পত্তির নথি রয়েছে কি না। কারণ পুলিশের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে জনআস্থা বজায় রাখতে অভিযোগের সত্যতা যেমন নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন, তেমনি কোনো কর্মকর্তা সম্পর্কে ভিত্তিহীন অভিযোগ থাকলেও সেটির তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য জনসম্মুখে আনা জরুরি।বনানীর মতো রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকায় গেস্ট হাউজ ও স্পা সেন্টারকে ঘিরে অপরাধের অভিযোগ থাকলে তার দায় শুধু একটি থানার ওপর নয়; সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা কর্তৃপক্ষেরও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। আর যদি অভিযোগগুলো মিথ্যা হয়, তাহলেও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তা স্পষ্ট হওয়া দরকার।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বনানীর মতো গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক এলাকায় গেস্ট হাউজ ও স্পা সেন্টারের কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা অভিযোগ শোনা যায়। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ থাকলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি ও প্রয়োজনীয় তদন্ত করা উচিত। তাদের ভাষ্য, অভিযোগ সত্য হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। স্থানীয়দের দাবি, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিয়মিতভাবে এসব প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স, অনুমোদন, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও কার্যক্রম যাচাই করলে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও স্বচ্ছ থাকবে। একই সঙ্গে কোনো পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা জনসমক্ষে আনার দাবি জানান তারা।আরও পড়ুন: ডিএমপির অভিযানে অস্ত্র মাদকসহ গ্রেফতার ৫১৫এ বিষয়ে একজন আইন বিশেষজ্ঞ বলেন, কোনো পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মাসোহারা গ্রহণ, অপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় কিংবা দায়িত্বে অবহেলার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠলে শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যেমন ঠিক নয়, তেমনি অভিযোগটি উপেক্ষা করাও সমীচীন নয়। অভিযোগের ধরন ও গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে নিরপেক্ষভাবে তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা প্রয়োজন। অভিযোগের পক্ষে অর্থ লেনদেনের তথ্য, অডিও-ভিডিও, কল রেকর্ড, সাক্ষ্য বা অন্যান্য নথি থাকলে সেগুলো আইনানুগভাবে পরীক্ষা করা যেতে পারে। একই সঙ্গে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়াও ন্যায়সংগত তদন্তের অংশ। তিনি আরও বলেন, অভিযোগটি যদি পুলিশের কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হয়, তাহলে একই চেইন অব কমান্ডের মধ্যে তদন্তের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বা উপযুক্ত স্বাধীন তদন্তকারী সংস্থার মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই করা হলে জনআস্থা বাড়বে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা এবং অভিযোগ প্রমাণিত না হলে সেটিও স্পষ্টভাবে জানানো উচিত।এ বিষয়ে পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কোনো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়। অভিযোগের ধরন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈধতা, তাদের কার্যক্রম, পুলিশের ভূমিকা এবং অভিযোগের পক্ষে থাকা তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, কোনো গেস্ট হাউজ বা স্পা সেন্টারে মাদক, মানব পাচার কিংবা অন্য কোনো অপরাধ সংঘটনের তথ্য পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। একইভাবে কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অর্থ গ্রহণ বা দায়িত্ব পালনে অনিয়মের অভিযোগ থাকলে তারও তদন্ত হওয়া উচিত। প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।আরও পড়ুন: পুলিশে একের পর এক রদবদল, অপরাধ দমনে নতুন পরীক্ষাপুলিশে একের পর এক রদবদল, অপরাধ দমনে নতুন পরীক্ষাওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা পড়লে সেটির নথিভুক্তি, যাচাই এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের প্রক্রিয়া রয়েছে। অভিযোগের স্মারক নম্বর থাকলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে তার বর্তমান অবস্থাও জানা সম্ভব। বনানীর মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা পুলিশের দায়িত্ব। তাই কোনো অভিযোগকে ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থের ঊর্ধ্বে রেখে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করা উচিত।এবিষয়ে বানানী থানার ওসির মুঠোফোনে একাধিক ফোন করলে তাকে পাওয়া যায়নি।

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় সাবেক এসপি আসাদুজ্জামান বরখাস্ত

কর্মস্থলে অননুমোদিতভাবে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকার সাবেক জেলা পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সই করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে পলায়নের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা অনুযায়ী আসাদুজ্জামানকে বরখাস্তকরণসূচক গুরুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর গত ১৭ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।বিভাগীয় মামলার নথি অনুযায়ী ঢাকার জেলা পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ২০২৪ সালের ২৭ আগস্টের প্রজ্ঞাপনে তাকে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে সংযুক্ত করা হয়। একই বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর তিনি সেখানে যোগ দেন।পরে ১৭ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর ছুটি কাটানোর উদ্দেশ্যে ১৭ সেপ্টেম্বর সকালে একাডেমি ত্যাগ করেন তিনি। তবে ছুটি শেষে কর্মস্থলে আর যোগ দেননি।আরও  পড়ুন, একাদশে ভর্তির দ্বিতীয় দফার আবেদন শুরু ২৭ সেপ্টেম্বরকর্মস্থলে ফেরার জন্য তার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা এবং ই-মেইলে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি সাড়া দেননি বলে বিভাগীয় মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।এরপর তার বিরুদ্ধে পলায়নের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করা হয়। নির্ধারিত সময়ে কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাবও দেননি তিনি। এমনকি জবাব দেওয়ার সময় বাড়ানোর আবেদনও করেননি।পরে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্ত শেষে প্রতিবেদনে পলায়নের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।এরপর দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি। পরে বিষয়টি বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শের জন্য পাঠানো হয়। পিএসসি গত ১২ আগস্ট তাকে বরখাস্তকরণসূচক গুরুদণ্ড দেওয়ার বিষয়ে পরামর্শ দেয়।সবশেষে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হিসেবে মো. আসাদুজ্জামানকে চাকরি থেকে বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

একাদশে ভর্তির দ্বিতীয় দফার আবেদন শুরু ২৭ সেপ্টেম্বর

২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির দ্বিতীয় দফার অনলাইন আবেদন শুরু হচ্ছে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর।আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী দ্বিতীয় দফায় আবেদন গ্রহণ চলবে ২৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত। আবেদনকারীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।দ্বিতীয় দফায় আবেদন করা শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১ অক্টোবর রাত ৮টায়। ফল প্রকাশের পর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নির্বাচন নিশ্চায়নের সুযোগ থাকবে ৩ অক্টোবর রাত ৮টা পর্যন্ত।নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন নিশ্চায়ন না করলে শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। এরপর পছন্দক্রম অনুযায়ী দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ৪ অক্টোবর রাত ৮টায়।আরও  পড়ুন, জবিতে‘বিশেষ গবেষণা পুরস্কার’অর্জনকারী ৩৪ শিক্ষককে সম্মাননাএরপর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের কলেজে ভর্তি কার্যক্রম চলবে ৫ অক্টোবর থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত।একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ভর্তি ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্দেশিকা অনুসরণ করে আবেদন করতে হবে। আবেদন করার সময় সংশ্লিষ্ট কলেজে বিদ্যমান আসন সংখ্যা বিবেচনা করে সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে পছন্দ দিতে হবে।ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনের মাধ্যমে দ্বিতীয় ধাপে আবেদন গ্রহণের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

জবিতে‘বিশেষ গবেষণা পুরস্কার’অর্জনকারী ৩৪ শিক্ষককে সম্মাননা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) প্রথমবারের মতো ‘Special Research Award’ অর্জনকারী শিক্ষকদের সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর ) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ২০১৮-২০১৯ থেকে ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত বিভিন্ন বিভাগের ৩৪ জন শিক্ষককে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল হান্নান চৌধুরী এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আব্দুল হান্নান চৌধুরী বলেন,"একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল উদ্দেশ্য শুধু শিক্ষাদান ও ডিগ্রি প্রদান নয়; নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করাও এর অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। গবেষণার মাধ্যমে শিক্ষকদের চিন্তার পরিসর বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে গবেষণাভিত্তিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে গবেষণায় প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।"সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ‘Special Research Award’ প্রদান করতে পেরে আমরা আনন্দিত ও গর্বিত।” আরও  পড়ুন, কাশিয়ানীতে ৮ কেজি গাঁজাসহ দুই নারী আটকগবেষণার কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে গবেষণার পরিধি আরও বাড়াতে হবে। এ ক্ষেত্রে পুরস্কারপ্রাপ্তদের পাশাপাশি অন্যান্য শিক্ষক-কর্মকর্তাদেরও গবেষণায় আরও উৎসাহিত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।"অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘Special Research Award’ শুধু স্বীকৃতি নয়, বরং গবেষণায় আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা। নতুন ও তরুণ গবেষক এবং শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও উদ্ভাবনে আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।২০১৮-২০১৯ থেকে ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত ‘Special Research Award’ অর্জনকারী ৩৪ শিক্ষকের মধ্যে ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে ১১ জন, ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ১১ জন, ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে ৫ জন, ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ৫ জন, ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে ১ জন এবং ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে ১ জন রয়েছেন।গবেষণা পরিচালক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, রেজিস্ট্রার, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, অধ্যাপক, গ্রন্থাগারিক, প্রভোস্ট, প্রক্টর, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, পরিবহন প্রশাসক ও ছাত্র উপদেষ্টাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকরা তাঁদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন। পরে তাঁদের হাতে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

সাইবার অপরাধ দমনে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের নতুন উদ্যোগ

সাইবার অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় চীনের সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।সোমবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সৌজন্য সাক্ষাতে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।বৈঠকে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সাইবার অপরাধ দমন, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিনিময় নিয়ে আলোচনা হয়।বৈঠকে ইয়াও ওয়েন জানান, গত দুই বছরে চীন বাংলাদেশের শতাধিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যকে সাইবার অপরাধ, জননিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, ট্রাফিক ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা, ইমিগ্রেশন এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়েছে।অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, পুলিশ বাহিনীর জন্য বিশেষায়িত সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি থানা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায় পর্যন্ত ডিজিটাল ফরেনসিক ও সাইবার ল্যাব প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।আরও  পড়ুন, এমপি গাজী নজরুল ৪ দিন প্রথম স্ত্রীর ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুরসাইবার অপরাধ মোকাবিলায় চীনের প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চীনের সাইবার ল্যাব পরিদর্শনের প্রস্তাব দেওয়া হয়।এর পরিপ্রেক্ষিতে সিআইডির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল চীনে পাঠানোর কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রতিনিধি দলটি দেশটির সাইবার ল্যাব ও প্রযুক্তি পর্যবেক্ষণ করে বাংলাদেশে ফরেনসিক ল্যাব ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম স্থাপনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তৈরি করবে।এদিকে বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন আগামী অক্টোবরের শুরুতে বাংলাদেশে তার দায়িত্ব শেষ করে দেশে ফিরে যাওয়ার বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানিয়েছেন। একই সঙ্গে চীনের জননিরাপত্তামন্ত্রীর পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সফর ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনার আমন্ত্রণও পৌঁছে দেন তিনি।

রাজনীতিরাজনীতি

জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধির প্রতিবাদে এনসিপির বিক্ষোভ আজ

জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধির প্রতিবাদে এনসিপির বিক্ষোভ আজ

জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধির প্রতিবাদে আজ রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি।সোমবার দলটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার উদ্যোগে এই বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বাংলামোটর থেকে মিছিলটি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এতে দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছে দলটি।এনসিপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদ জানাতেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।এর আগে রোববার জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়ানোর ঘোষণা দেয় সরকার। নতুন দরে প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম ২১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে।আরও  পড়ুন, স্বামীর অসুস্থতার কথা জানিয়ে দোয়া চাইলেন সামান্থা শারমিনসরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের লোকসান কমাতে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের হিসাবে মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিপিসির লোকসান হয়েছে প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা।অন্যদিকে, দাম বাড়ানোর ফলে পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এনসিপির আজকের বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে রাজধানীতে রাজনৈতিক কর্মসূচি ও জনসমাগমের দিকে নজর থাকবে।

স্বামীর অসুস্থতার কথা জানিয়ে দোয়া চাইলেন সামান্থা শারমিন

স্বামীর অসুস্থতার কথা জানিয়ে দোয়া চাইলেন সামান্থা শারমিন

নিজের স্বামীর অসুস্থতার কথা জানিয়ে তার সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্থা শারমিন।রোববার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান তার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ এবং বর্তমানে তার চিকিৎসা চলছে।সামান্থা শারমিন বলেন পরিবারের একজন ভীষণ অসুস্থ। তিনি তার প্রিয়তম স্বামী। পারিবারিক জীবনকে সম্পূর্ণভাবে আলোচনার বাইরে রাখতে চান বলেই আগের পোস্টে বিষয়টি বিস্তারিত জানাননি।তিনি আরও বলেন একজন উদ্যমী কর্মঠ তরুণ মানুষকে গত তিন মাস ধরে এভাবে নিস্প্রভ হতে দেখা তার জন্য অনেক যন্ত্রণার।আরও  পড়ুন, আবারও বাড়ল জ্বালানি তেলের দামস্বামীর অসুস্থতাকে তিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে পরীক্ষা কিংবা পাপমুক্তির একটি মাধ্যম হিসেবে দেখছেন বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন। এ নিয়ে তার কোনো আফসোস নেই বলেও জানান তিনি।তবে স্বামীর জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন এনসিপির এই নেতা।রাজনীতির কারণে তিনি কিংবা তার স্বামী অনেক মানুষের অপ্রিয়পাত্র হতে পারেন উল্লেখ করে সামান্থা শারমিন সবার কাছে তাদের জন্য দোয়া কামনা করেন।পোস্টের শেষ দিকে তিনি আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও হেদায়েত কামনা করেন এবং পরিবারের জন্য প্রার্থনা করেন।

আবারও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

আবারও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

আবারও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম। এক লাফে ডিজেল কেরোসিন পেট্রল ও অকটেন—চার ধরনের জ্বালানি তেলের দামই লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে।রোববার জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী নতুন দাম কার্যকর হবে সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর থেকে।নতুন দামে প্রতি লিটার ডিজেল বিক্রি হবে ১৩৫ টাকা। কেরোসিনের দাম হবে ১৫৫ টাকা। পেট্রল ১৬০ টাকা এবং অকটেন বিক্রি হবে ১৬৫ টাকা লিটারে।এর আগে ডিজেল ১১৫ টাকা কেরোসিন ১৩৫ টাকা পেট্রল ১৪০ টাকা এবং অকটেন ১৪৫ টাকা লিটারে বিক্রি হয়েছে।জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও ফ্রেইট চার্জ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।আরও  পড়ুন, কমলাপুরে হাওর এক্সপ্রেসের কোচে আগুন তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটিআন্তর্জাতিক বাজারে দাম দ্বিগুণের বেশি বাড়লেও জনস্বার্থে দেশে পুরোপুরি সমন্বয় করা হয়নি। এতে মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বা বিপিসির প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে।প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজারদরে ডিজেলে প্রতি লিটারে বিপিসির লোকসান প্রায় ৮৯ টাকা। এতে প্রতিদিন লোকসানের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১০৯ কোটি টাকা।লিটারপ্রতি ২০ টাকা দাম বাড়ানোর ফলে বছরে বিপিসির লোকসান প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন ও কৃষি খাতে ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি পণ্য পরিবহন খরচও বাড়তে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে।

সাত জেলা ও এক মহানগরে যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা

সাত জেলা ও এক মহানগরে যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা

সাত জেলা ও এক মহানগরীতে জাতীয়তাবাদী যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।রোববার সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন এসব কমিটি ঘোষণার তথ্য জানায় সংগঠনটি। যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন কমিটিগুলো অনুমোদন করেছেন।ঘোষিত কমিটিগুলোর মধ্যে রয়েছে সাতক্ষীরা খুলনা কুষ্টিয়া মুন্সীগঞ্জ শরীয়তপুর শেরপুর ও সিলেট জেলা এবং সিলেট মহানগর যুবদল।সাতক্ষীরা জেলা যুবদলে সভাপতি করা হয়েছে হাফিজুর রহমান মুকুলকে। সিনিয়র সহসভাপতি শেখ মনিরুজ্জামান প্রিন্স। সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম বাবু। প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল ইসলাম চন্দন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন মাসুম রানা সবুজ।খুলনা জেলা যুবদলে সভাপতি শেখ নাদিমুজ্জামান জনি এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা তুহিন। কুষ্টিয়া জেলা যুবদলে সভাপতি ফুহাদ রেজা ফাহিম এবং সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জনি।আরও পড়ুন, নারীর শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে বিএনপি উদ্যোগ নিয়েছে রিজভী মুন্সীগঞ্জ জেলা যুবদলে সভাপতি মোহাম্মদ সোহেল রানা ও সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক মুন্না। শরীয়তপুরে সভাপতি জামাল উদ্দিন বিদ্যুৎ এবং সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মৃধা।শেরপুর জেলা যুবদলে সভাপতি মো. আতাহারুল ইসলাম আতা ও সাধারণ সম্পাদক মো. শওকত হোসেন। সিলেট জেলা যুবদলে সভাপতি মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম টিপু।আর সিলেট মহানগর যুবদলে সভাপতি করা হয়েছে মির্জা মোহাম্মদ সম্রাটকে। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন দেলোয়ার হোসেন দিনার।ঘোষিত আংশিক কমিটিগুলোকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে ১০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে কেন্দ্রীয় দপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সারাবাংলা

বান্দরবান পাসপোর্ট অফিসে দালালচক্রের অভিযোগ

বান্দরবান পাসপোর্ট অফিসে দালালচক্রের অভিযোগ

বান্দরবান প্রতিনিধি: বান্দরবান আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে সেবা নিতে গিয়ে হয়রানি, অর্থের বিনিময়ে কাজ করে দেওয়া এবং দালালির সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, অফিসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা সাজু বড়ুয়া, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মো. মোস্তফা কামাল খান ও রেকর্ড কিপার নিউটন বড়ুয়াকে ঘিরে একটি প্রভাববলয় তৈরি হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ, দালালের মাধ্যমে না গিয়ে সরাসরি অফিসে সেবা নিতে গেলে নানা ধরনের হয়রানির মুখে পড়তে হয়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও অর্থের বিনিময়ে কাজ করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন কেউ কেউ। এমনকি বান্দরবানের বাইরের ব্যক্তিদের কাছ থেকেও অর্থের বিনিময়ে পাসপোর্টের ব্যবস্থা করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আবেদনপত্র, পরিচয় যাচাইয়ের নথি এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।আরও  পড়ুন, মহেশপুরে সাজেদা ফাউন্ডেশনের সদস্যদের মাঝে বিনামূল্যে গাছের চারা বিতরণএদিকে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা সাজু বড়ুয়ার ব্যবহৃত ব্যক্তিগত মোটরসাইকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার ব্যবহারের বিষয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে গাড়ি চুরি হওয়ার আশঙ্কায় স্টিকারটি ব্যবহার করা হয় বলে সাজু বড়ুয়া জানিয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে ব্যক্তিগত মোটরসাইকেলে মন্ত্রণালয়ের পরিচয়বাহী স্টিকার ব্যবহারের অনুমোদন রয়েছে কি না, স্টিকারটির উৎস কী এবং এটি বিধিসম্মতভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে কি না—তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।সাজু বড়ুয়া নিজেকে সাংবাদিক হিসেবেও পরিচয় দেন—এমন অভিযোগও রয়েছে। তিনি কোনো গণমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত কি না এবং সরকারি চাকরির পাশাপাশি এ ধরনের কর্মকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট বিধিমালা কী বলে, সে বিষয়েও তাঁর বক্তব্য প্রয়োজন।আরও  পড়ুন, জলাতঙ্ক প্রতিরোধে পথকুকুর-বিড়ালকে গণহারে টিকা পুশ করেছে কসবা পৌরসভাঅন্যদিকে বান্দরবান আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের ওয়েবসাইটে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত ফোন নম্বর নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সেবাগ্রহীতারা। তাঁদের অভিযোগ, ওয়েবসাইটে প্রকাশিত নম্বরগুলোতে যোগাযোগের চেষ্টা করেও অনেক সময় সাড়া পাওয়া যায় না। ফলে প্রয়োজনীয় তথ্য বা অভিযোগ জানানোর ক্ষেত্রেও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে তাঁদের।অভিযোগের বিষয়ে বান্দরবান আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক সচিব কুমার আইনের সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি জানান, অফিসের কেউ কোনো অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকলে বিষয়টি তাঁকে জানাতে হবে। দালালি প্রতিরোধে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।সেবাগ্রহীতাদের দাবি, পাসপোর্ট অফিসকে ঘিরে ওঠা অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষ যাতে কোনো দালালের সহায়তা ছাড়াই নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় পাসপোর্ট সেবা নিতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে।

মহেশপুরে সাজেদা ফাউন্ডেশনের সদস্যদের মাঝে বিনামূল্যে গাছের চারা   বিতরণ

মহেশপুরে সাজেদা ফাউন্ডেশনের সদস্যদের মাঝে বিনামূল্যে গাছের চারা বিতরণ

ঝিনাইদহের মহেশপুরে সাজেদা ফাউন্ডেশনের উদ্দ্যোগে বিনামূল্যে গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।সোমবার দুপুরে মহেশপুর উপজেলা সাজেদা ফাউন্ডেশন চত্বরে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। সাজেদা৬০০ সদস্য ও পরিবারের মাঝে বিনা মূল্যে ৩০৫০ টি ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করাহয়েছে।গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহেশপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ইমামহোসেন জ্যোতি, ঝিনাইদহ জেলা সাজেদা ফাউন্ডেশন এর আর এম গোবিন্দ কুমার শাহা,আরও পড়ুন, জলাতঙ্ক প্রতিরোধে পথকুকুর-বিড়ালকে গণহারে টিকা পুশ করেছে কসবা পৌরসভা আর এম নুরুলইসলামটেকনিকাল সার্ভস অফিসার মনিরুজ্জামান,মহেশপুর সাজেদা ফাউন্ডেশনের এ এম আরিফুল ইসলামপ্রমুখ।সাজেদা ফাউন্ডেশনের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানের অতিথিরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর ৫ বছরে ২৫কোটি গাছ লাগানোর যে পরিকল্পনা নিয়েছেন এটা তারই অংশ হিসেবে সারাদেশে সাজেদা ফাউন্ডেশনেরউদ্দ্যোগে সকল সদস্যদের মাঝে মিনা মূল্যে ৫ থেকে ১৫ টি করে ফলজ,বনজ ও ঔষধী গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

জলাতঙ্ক প্রতিরোধে পথকুকুর-বিড়ালকে গণহারে টিকা পুশ করেছে কসবা পৌরসভা

জলাতঙ্ক প্রতিরোধে পথকুকুর-বিড়ালকে গণহারে টিকা পুশ করেছে কসবা পৌরসভা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা পৌরএলাকায় পথকুকুর ও বিড়ালের জলাতঙ্ক (রেবিস) প্রতিরোধে গণহারে টিকা প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে কসবা পৌরসভার উদ্যোগে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের সহযোগিতায় পৌর এলাকার পথে-প্রান্তরে ঘুরে বেড়ানো বেওয়ারিশ কুকুর-বিড়ালকে জলাতঙ্ক প্রতিষেধক টিকা দেয়া হয়। কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন কসবা পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ছামিউল ইসলাম।এ সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ড. সোহেল রানা, পৌরসভা ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।পৌরসভা ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশে জলাতঙ্ক রোগ এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা। আক্রান্ত প্রাণীর কামড়ের মাধ্যমে এ রোগ মানুষের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং সময়মতো চিকিৎসা না নিলে মৃত্যুঝুঁকি তৈরি হয়। তাই পথপ্রাণীদের টিকাদান কর্মসূচি জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখে বলেই বেওয়ারিশ কুকুর-বিড়ালের দেহে এই টিকা পুশ করা হয়েছে। গণটিকাদান কর্মসূচির আওতায় পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ঘুরে ঘুরে পথকুকুর ও বিড়ালকে জলাতঙ্ক প্রতিরোধক টিকা প্রদান করা হয়।আরও  পড়ুন, কাশিয়ানীতে ৮ কেজি গাঁজাসহ দুই নারী আটক প্রশিক্ষিত টিকাদান কর্মীরা নিরাপদ পদ্ধতিতে প্রাণীগুলোকে টিকা প্রদান করেন। এতে স্থানীয় বাসিন্দারাও সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন। টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে কসবা পৌরসভার পাশাপাশি কারিগরি সহযোগিতা প্রদান করে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কসবা পৌর প্রশাসক মো: ছামিউল ইসলাম বলেন, জলাতঙ্ক একটি অত্যন্ত প্রাণঘাতী রোগ, যা মানুষ ও প্রাণী উভয়ের জন্যই মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, প্রাণিসম্পদের নিরাপত্তা এবং জলাতঙ্কমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কসবা পৌরসভার উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।পথপ্রাণীদের নিয়মিত টিকাদানের মাধ্যমে এ রোগের বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তিনি জনস্বার্থে এ ধরনের কার্যক্রমে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।প্রাণী ও মানুষের সহাবস্থান নিশ্চিত করতে এবং নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত নগর পরিবেশ গড়ে তুলতে কসবা পৌরসভার উদ্যোগে ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি পথপ্রাণীদের প্রতি মানবিক আচরণ এবং সচেতনতা বৃদ্ধির জন্যও বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান।

কাশিয়ানীতে ৮ কেজি গাঁজাসহ দুই নারী আটক

কাশিয়ানীতে ৮ কেজি গাঁজাসহ দুই নারী আটক

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ৮ কেজি গাঁজাসহ দুই নারীকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৬, সদর কোম্পানির ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত ৩টা ৪৫ মিনিটের দিকে কাশিয়ানী থানার ভাটিয়াপাড়া গোলচত্বর এলাকায় আতিক স্টোরের সামনে পাকা সড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় সন্দেহভাজন দুই নারীকে আটক করে তল্লাশি করা হলে তাদের কাছ থেকে ৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—যশোর সদর উপজেলার মাহিদিয়া এলাকার সুলতান হাওলাদারের মেয়ে সুলতানা খাতুন ওরফে আসমা (৩৫) এবং খুলনার দৌলতপুর থানার পশ্চিম সেনপাড়া এলাকার শামসুল হক ফরাজীর মেয়ে ফাহিমা বেগম (৪৮)। আর ও পড়ুন, ইসাহাক হত্যার বিচার দাবিতে কালকিনিতে বিক্ষোভএসআরবি-৬ সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্পের একটি দল ওই এলাকায় চেকপোস্ট পরিচালনা করছিল। পরে দুই নারীকে সন্দেহ হলে তাদের তল্লাশি করা হয়। তল্লাশির সময় তাদের হেফাজত থেকে ৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে বিধি অনুযায়ী মাদকদ্রব্যটি জব্দ করা হয়। এসআরবি-৬ জানায়, মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন স্থানে অভিযান ও চেকপোস্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই নারীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কাশিয়ানী থানায় মামলা করা হয়েছে। পরে উদ্ধার হওয়া গাঁজা ও অন্যান্য আলামতসহ তাদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কাশিয়ানী থানায় হস্তান্তর করা হয়।

আন্তর্জাতিক

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে সৌদি তেল সরবরাহে নতুন চাপ

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে সৌদি তেল সরবরাহে নতুন চাপ

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাব এবার সরাসরি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে পড়তে শুরু করেছে। অক্টোবরে ইউরোপের অন্তত দুটি তেল শোধনাগারে নির্ধারিত অপরিশোধিত তেল সরবরাহ করতে পারবে না বলে গ্রাহকদের জানিয়েছে সৌদি আরব।ইউরোপের বিভিন্ন শোধনাগার দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় সৌদি আরব থেকে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ অপরিশোধিত তেল কিনে থাকে। তবে জরুরি পরিস্থিতিতে চুক্তির সরবরাহ বাতিল করার সুযোগ রয়েছে।এর আগে কাতারও হরমুজ প্রণালির সামুদ্রিক অবরোধের কারণে এলএনজি রপ্তানিতে জারি থাকা জরুরি পরিস্থিতির ঘোষণা নভেম্বরের শুরু পর্যন্ত বাড়িয়েছে।সংঘাতের শুরুতে সৌদি আরব তুলনামূলক নিরাপদ অবস্থানে ছিল। কারণ দেশটির পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইন পারস্য উপসাগর এড়িয়ে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে তেল পরিবহনের সুযোগ দেয়।আরও  পড়ুন, হুতিদের ড্রোন ভূপাতিতের পর মক্কা চুক্তি নিয়ে খাজা আসিফতবে গত সপ্তাহে ড্রোন হামলায় পাইপলাইনটি অচল হয়ে পড়ে। সৌদি আরবের দাবি,হামলাটি ইরাক থেকে চালানো হয়েছে। অন্যদিকে ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী ইয়ানবু বন্দরসহ সৌদি আরামকোর বিভিন্ন তেল স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে।হুতিদের সঙ্গে সংঘাতের প্রভাবে লোহিত সাগর ও আশপাশের নৌপথে জাহাজ চলাচলও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে তেল ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বাড়ছে অনিশ্চয়তা।শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৩ ডলারে লেনদেন হয়েছে। জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, ডিজেল ও জেট ফুয়েলের মতো পরিশোধিত জ্বালানির দাম আরও বেশি বেড়েছে।এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে গত এক সপ্তাহে ডিজেলের দাম ৭ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও দামের ওপর এর প্রভাব আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানী

আফতাবনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ১৫ বছরের নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু

আফতাবনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ১৫ বছরের নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু

রাজধানীর বাড্ডার আফতাবনগরে নির্মাণাধীন ভবনে স্যানিটারি কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিহাম নামে ১৫ বছরের এক কিশোর নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার দিকে আফতাবনগরের এফ ব্লকের একটি নির্মাণাধীন ভবনের অষ্টম তলায় এ ঘটনা ঘটে।সহকর্মীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে সেখানে স্যানিটারি কাজ করছিল নিহাম। এ সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অচেতন হয়ে পড়ে সে। পরে কয়েকজন তাকে উদ্ধার করে নিচে নামিয়ে আনেন।অচেতন অবস্থায় নিহামকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।আরও  পড়ুন, যাত্রাবাড়ীতে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১০টি ককটেল উদ্ধারনিহামের সহকর্মী আলামিন জানান তারা ভবনের অষ্টম তলায় স্যানিটারি কাজ করছিলেন। কিছু সময়ের জন্য তিনি নিচে যাওয়ার পর ফিরে এসে নিহামকে কয়েকজনের মাধ্যমে নিচে নামিয়ে আনতে দেখেন। পরে জানতে পারেন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সে অচেতন হয়ে পড়েছে।নিহাম চাঁদপুর সদর উপজেলার উত্তর নানুপুর মিয়াজি বাড়ি গ্রামের চান মিয়া গাজীর ছেলে। পরিবারের সঙ্গে সে আফতাবনগরের এফ ব্লকে পাসপোর্ট অফিসের পাশে থাকত। দুই ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল ছোট।ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।

১২ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

মেসির শেষ ম্যাচ দেখতে গ্যালারিতে থাকবেন ডি মারিয়া

মেসির শেষ ম্যাচ দেখতে গ্যালারিতে থাকবেন ডি মারিয়া

আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির শেষ ম্যাচ ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে এবার গ্যালারিতে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন মেসির দীর্ঘদিনের সতীর্থ ও বন্ধু আনহেল ডি মারিয়া।আগামী ৬ অক্টোবর বুয়েনস আইরেসের মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনার হয়ে শেষবার মাঠে নামার কথা রয়েছে মেসির।বর্তমানে রোসারিও সেন্ট্রালের হয়ে খেলা ডি মারিয়া জানিয়েছেন, মেসির শেষ ম্যাচ সামনে থেকে দেখতে তিনি অবশ্যই স্টেডিয়ামে থাকবেন।ক্লাউসুরা টুর্নামেন্টে আর্জেন্তিনোস জুনিয়র্সের বিপক্ষে রোসারিও সেন্ট্রালের জয়ের পর মিক্সড জোনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নিজের পরিকল্পনার কথা জানান ডি মারিয়া।তিনি বলেন, মেসির শেষ ম্যাচ তাকে স্টেডিয়ামে গিয়েই দেখতে হবে। ৫ অক্টোবর ব্যানফিল্ডের বিপক্ষে রোসারিও সেন্ট্রালের ম্যাচ থাকায় বুয়েনস আইরেসেই থেকে যাওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।আরও  পড়ুন, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারতকে সরিয়ে টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ইংল্যান্ডমেসিকে ছাড়া আর্জেন্টিনা দলকে কল্পনা করা কঠিন বলেও আবেগ প্রকাশ করেন ডি মারিয়া। তাঁর মতে, এত বছর ধরে মেসি আর্জেন্টিনা, আর্জেন্টিনার মানুষ এবং পুরো বিশ্বকে যা দিয়েছেন, এরপর তাঁকে ছাড়া জাতীয় দলকে মেনে নেওয়া সহজ হবে না।মেসির সম্ভাব্য বিদায়ী ম্যাচে জাতীয় দলের পুরোনো সতীর্থ রদ্রিগো ডি পল, নিকোলাস ওতামেন্দি ও জিওভানি লো সেলসোরও মাঠে থাকার কথা রয়েছে।এদিকে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনা দলের সদস্যদেরও এই বিশেষ ম্যাচে আমন্ত্রণ জানিয়েছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। পরিবারসহ তাঁদের গ্যালারিতে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।ফলে মেসির সম্ভাব্য শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচটি শুধু একটি প্রীতি ম্যাচ নয়, আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসের একটি আবেগঘন মুহূর্ত হিসেবেও সামনে আসছে।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর
লিংক কপি করা হয়েছে!