দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1005.6 hPa
27.2° 83%
15mm
চট্টগ্রাম 1006.4 hPa
27.6° 92%
40° 15mm
রাজশাহী 1005.8 hPa
25.2° 98%
40° 15mm
খুলনা 1006.1 hPa
27° 88%
300° 15mm
বরিশাল 1005.5 hPa
30° 84%
15mm
সিলেট 1005.4 hPa
28.3° 85%
20° 15mm
রংপুর 1004.9 hPa
25.7° 91%
15mm
ময়মনসিংহ 1004.9 hPa
28.5° 88%
40° 15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

ডিএমপির কয়েকটি থানায় দৃশ্যমান পরিবর্তন

ডিএমপির কয়েকটি থানায় দৃশ্যমান পরিবর্তন

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে পুলিশ বাহিনীর কার্যক্রমে ধীরে ধীরে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসছে বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। দীর্ঘদিন পর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের সক্রিয়তা, জনবান্ধব আচরণ এবং অপরাধ দমনে দৃশ্যমান তৎপরতায় নতুন করে আশার আলো দেখছেন নগরবাসী। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও জনমুখী করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি, সেবা প্রদান সহজ করা এবং অপরাধ দমনে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমে পুলিশের সক্ষমতা উন্নয়নের চেষ্টা চলছে।আরও পড়ুন: অবৈধ স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযানের পরও থামেনি বাহারের নেটওয়ার্ক!রাজধানী ঢাকা দেশের অর্থনৈতিক, প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক কেন্দ্র হওয়ায় এখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ। প্রতিদিন কোটি টাকার লেনদেন, হাজারো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যালয় এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) আওতাধীন কয়েকটি থানার কার্যক্রম বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে। গুলশান, বনানী, মিরপুর, বংশাল, রামপুরা, পল্টন ও যাত্রাবাড়ি থানার বিভিন্ন উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান ও বনানীতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা, মাদক, প্রতারণা ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে অভিযোগ ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ গ্রহণের কারণে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখন অভিযোগ করলে দ্রুত সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের উপস্থিতিও বেড়েছে। এতে নিরাপত্তা নিয়ে মানুষের মধ্যে আস্থা বাড়ছে।আরও পড়ুন: আইনশৃঙ্খলা শক্তিশালী করতে পুলিশের জন্য ২১২ ডাবল কেবিন পিকআপ অনুমোদনরাজধানীর সবচেয়ে জনবহুল এলাকাগুলোর একটি মিরপুর। এই এলাকায় ছিনতাই, কিশোর গ্যাং ও মাদকসংক্রান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ আগের তুলনায় অনেক বেশি সক্রিয় বলে দাবি স্থানীয়দের। রাতের টহল, সন্দেহভাজনদের ওপর নজরদারি এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম বৃদ্ধির ফলে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলে মনে করছেন বাসিন্দারা।আরও পড়ুন: জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসে বীর শান্তিরক্ষীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন তারেক রহমানপুরান ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ দুটি থানা বংশাল ও পল্টন। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের অভিযোগ থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা দৃশ্যমান হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিয়মিত অভিযান, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার এবং অপরাধপ্রবণ এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধির ফলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।রামপুরা ও যাত্রাবাড়ি এলাকায়ও পুলিশের কার্যক্রমে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ দ্রুত গ্রহণ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা এবং স্থানীয় সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ প্রশংসিত হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, পুলিশের সঙ্গে জনগণের দূরত্ব কমলে অপরাধ প্রতিরোধ আরও সহজ হবে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, পুলিশের সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে জনগণের আস্থা। জনগণ যদি পুলিশের ওপর বিশ্বাস রাখে, তাহলে অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা অনেক সহজ হয়ে যায়। তারা বলছেন, শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না, অভিযানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। পাশাপাশি অপরাধী যে-ই হোক, তার বিরুদ্ধে সমানভাবে আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।আরও পড়ুন: প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদবর্তমানে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সিসিটিভি মনিটরিং, ডিজিটাল অভিযোগ ব্যবস্থা, অনলাইন সেবা এবং তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। এতে অপরাধ শনাক্তকরণ ও তদন্তের গতি বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার যত বাড়বে, অপরাধ দমনে তত বেশি সফলতা আসবে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, পুলিশের এই ইতিবাচক পরিবর্তন যেন সাময়িক না হয়। বরং এটি যেন একটি স্থায়ী সংস্কৃতিতে পরিণত হয়। দুর্নীতি, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রেখে জনগণের আস্থা আরও শক্তিশালী করতে হবে। অনেকের মতে, রাজধানীর কয়েকটি থানায় যে পরিবর্তনের বার্তা দেখা যাচ্ছে, সেটি পুরো পুলিশ বাহিনীর জন্য একটি ইতিবাচক উদাহরণ হতে পারে।আরও পড়ুন: সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী মান্নানের সহকারী একান্ত সচিব' হাসনাত জেল হাজতেরাজধানীর বিভিন্ন এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলে যে চিত্র পাওয়া গেছে, তাতে স্পষ্ট পুলিশের কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত সাধারণ মানুষ অনুভব করতে শুরু করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পেশাদারিত্ব, জবাবদিহিতা ও জনসম্পৃক্ততা বাড়লে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন তারা। সব মিলিয়ে, পুলিশের পরিবর্তনের এই ধারা জনমনে নতুন আশা তৈরি করেছে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে এটাই এখন সবার প্রত্যাশা।  

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

বিদ্যুৎ জ্বালানি খাতে ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকার বাজেট

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে মোট ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। যা বিদায়ী অর্থবছরের তুলনায় ৩৯৩ কোটি টাকা বেশি। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনকালে এ প্রস্তাব দেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।সরকার বলছে, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত এবং উৎপাদনশীল কর্মকাণ্ড সচল রাখতেই এ খাতকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে অতীতের ভুল নীতি, দুর্নীতি, ক্যাপাসিটি চার্জ এবং বিতর্কিত চুক্তির কারণে ব্যয় বেড়েছে। চলতি অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির পরিমাণ ৪০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ২৮ হাজার ৯১৯ মেগাওয়াট। তবে নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এখনো পুরোপুরি আরো পড়ুন , আয়কর রিটার্নে বড় পরিবর্তন, আগে দিলে ছাড় পরে জরিমানানিশ্চিত হয়নি। এ অবস্থায় সরকার অদক্ষ বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, স্মার্ট গ্রিড উন্নয়ন, সিস্টেম লস কমানো এবং সর্বনিম্ন ব্যয়ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।একই সঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বড় বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে। সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুতের ২০ শতাংশ এবং ২০৫০ সালের মধ্যে ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। সোলার, উইন্ড ও ব্যাটারি প্ল্যান্টে বিনিয়োগকারীদের প্রণোদনা দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।এছাড়া রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের আগস্টে ৩০০ মেগাওয়াট এবং ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে।সরকার আরও জানিয়েছে, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান বাড়াতে বাপেক্সের মাধ্যমে নতুন কূপ খনন, সমুদ্রে অফশোর গ্যাস অনুসন্ধান এবং নতুন এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আয়কর রিটার্নে বড় পরিবর্তন, আগে দিলে ছাড় পরে জরিমানা

আগামী অর্থবছর থেকে সারা বছর আয়কর রিটার্ন দাখিলের সুযোগ পাচ্ছেন দেশের করদাতারা। তবে সময়ের ভিত্তিতে থাকছে কর ছাড় ও অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধের নতুন ব্যবস্থা। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপনকালে এ ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন জমা দিলে করদাতারা বিশেষ সুবিধা পাবেন। এ সময়ে রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা—যেটি কম, সেই পরিমাণ কর ছাড় দেওয়া হবে।অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকে রিটার্ন দাখিল করলে কোনো বাড়তি কর ছাড় বা আরো পড়ুন , নতুন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে লাগবে টিআইএন, বাজেটে ঘোষণাজরিমানা থাকবে না। অর্থাৎ, করদাতাদের শুধু নির্ধারিত কর পরিশোধ করলেই চলবে।তবে জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত তৃতীয় প্রান্তিকে রিটার্ন দাখিল করলে অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হবে। সেক্ষেত্রে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ অথবা ৩ হাজার টাকা—যেটি বেশি, সেই পরিমাণ অর্থ অতিরিক্ত দিতে হবে।আর এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে রিটার্ন জমা দিলে আরও বেশি অর্থ পরিশোধ করতে হবে। এ সময়ে করদাতাদের পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ৫ হাজার টাকা—যেটি বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হবে।সরকার বলছে, করদাতাদের নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন জমা দিতে উৎসাহিত করা এবং কর প্রশাসনকে আরও সুশৃঙ্খল ও কার্যকর করতেই এ নতুন ব্যবস্থার প্রস্তাব আনা হয়েছে।

নতুন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে লাগবে টিআইএন, বাজেটে ঘোষণা

দেশে ব্যাংক হিসাব খুলতে এখন থেকে কর শনাক্তকরণ নম্বর বা টিআইএন সনদ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব এসেছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট ঘোষণাকালে এ প্রস্তাব দেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।নতুন বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, যেকোনো ব্যক্তি নতুন ব্যাংক হিসাব খুলতে চাইলে তাকে টিআইএন সনদ দেখাতে হবে। সরকারের ভাষ্য, করের আওতা বাড়ানো এবং অর্থনৈতিক লেনদেন আরও স্বচ্ছ করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।তবে সবার জন্য এক নিয়ম থাকছে না। কিছু ক্ষেত্রে রাখা হয়েছে বিশেষ ছাড়। শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাব আরো পড়ুন , চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানখোলার ক্ষেত্রে টিআইএন বাধ্যতামূলক হবে না। এছাড়া ১০ টাকার নো-ফ্রিলস হিসাব, সরকারি ভাতা গ্রহণের হিসাব এবং পেনশনভোগীদের ব্যাংক হিসাবের জন্যও টিআইএন দেখানোর প্রয়োজন হবে না।বর্তমানে দেশে ১৭ কোটির বেশি ব্যাংক হিসাব রয়েছে। নতুন নিয়ম কার্যকর হলে ভবিষ্যতে যারা নতুন হিসাব খুলবেন, তাদের বড় একটি অংশকে আগে টিআইএন সনদ নিতে হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, এ উদ্যোগের মাধ্যমে সরকার করদাতার সংখ্যা বাড়াতে এবং রাজস্ব ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে চাইছে।এখন দেখার বিষয়, প্রস্তাবিত এই নিয়ম বাস্তবায়নে সাধারণ মানুষের জন্য টিআইএন নিবন্ধন প্রক্রিয়া কতটা সহজ করা হয় এবং ব্যাংকিং সেবায় এর কী প্রভাব পড়ে।

চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে রাষ্ট্রীয় সফরে চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ তথ্য জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।চীনের ইউনান প্রদেশে অনুষ্ঠিত ৭ম চায়না–সাউথ এশিয়া কো-অপারেশন ফোরামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই ঘোষণা দেন।তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিগগিরই চীন সফর করবেন। এ সফর দুই দেশের কূটনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতাকে আরও জোরদার করবে।অনুষ্ঠানে কায়সার কামাল বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে অবকাঠামো, বিদ্যুৎ,আরও  পড়ুন, বাজেটে করের চাপ, বাড়তে পারে সিগারেট-গাড়িসহ নানা পণ্যের দাম স্বাস্থ্য, তথ্যপ্রযুক্তি ও বাণিজ্য খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।ফোরামে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি, যার মধ্যে নেপাল, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানসহ সার্কভুক্ত দেশগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নেন।বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কায়সার কামাল বলেন, চীন বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার। দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্ককে কৌশলগত সহযোগিতায় আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।এদিকে আসন্ন এই রাষ্ট্রীয় সফরকে দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা ও বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রাজনীতিরাজনীতি

প্রবাসীদের ‘টাকার মেশিন’ নয়, বীরের মর্যাদা দেওয়ার আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার

প্রবাসীদের ‘টাকার মেশিন’ নয়, বীরের মর্যাদা দেওয়ার আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার

দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা প্রবাসীদের ‘টাকার মেশিন’ হিসেবে না দেখে তাদের বীরের মর্যাদা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. মো. শফিকুর রহমান।বুধবার জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি বিধির ১৪৭ অনুযায়ী উত্থাপিত এক প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, প্রবাসীরা শুধু রেমিট্যান্সই নয়, দেশের অর্থনীতি ও ভাবমূর্তিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। আরও  পড়ুন ,সীমান্তে ‘ভারতের আগ্রাসনের’ অভিযোগে গণঅধিকার পরিষদের প্রতিবাদ মিছিলতাই ‘শ্রমিক’ শব্দের পরিবর্তে তাদের সম্মানজনক পরিচয়ে সম্বোধন করা উচিত।তিনি প্রবাসীদের এনআইডি ও পাসপোর্ট সংক্রান্ত জটিলতা দূর করতে বিদেশেই সমাধানযোগ্য ব্যবস্থা চালুর পাশাপাশি একটি সংসদীয় টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দেন।এছাড়া প্রবাসীদের সম্পত্তি সুরক্ষা, দেশে ফিরে আইনি হয়রানি বন্ধ এবং দূতাবাসগুলোর সেবার মান উন্নয়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, মেধা পাচার রোধ করে বিদেশে থাকা দক্ষ বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে সম্মানজনক কর্মপরিবেশ তৈরি করতে হবে।সরকার এ বিষয়ে উদ্যোগ নিলে বিরোধী দল সহযোগিতা করবে বলেও তিনি জানান।আরও  পড়ুন , পুশ-ইনের প্রতিবাদে মাঠে নামছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট

সীমান্তে ‘ভারতের আগ্রাসনের’ অভিযোগে গণঅধিকার পরিষদের প্রতিবাদ মিছিল

সীমান্তে ‘ভারতের আগ্রাসনের’ অভিযোগে গণঅধিকার পরিষদের প্রতিবাদ মিছিল

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে কথিত জোরপূর্বক অনুপ্রবেশ, সীমান্ত হত্যা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে রাজধানীতে প্রতিবাদ মিছিল করেছে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ। (১০ জুন) বিকেল ৪টায় দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় আল রাজী কমপ্লেক্সের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে পুরানা পল্টন মোড়, জাতীয় প্রেস ক্লাব এলাকা প্রদক্ষিণ করে বিজয়নগর পানির ট্যাংকি মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।মিছিল শেষে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপস করা যাবে না। তিনি সীমান্ত হত্যা বন্ধ এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।আরও পড়ুন, পুশ-ইনের প্রতিবাদে মাঠে নামছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটদলের মুখপাত্র ফারুক হাসান বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় সীমান্ত নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। তিনি সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।সমাবেশে বক্তব্য দেন দলের উচ্চতর পরিষদের সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ, শহিদুল ইসলাম ফাহিম, আব্দুজ জাহের, মাহফুজুর রহমান খান, হাবিবুর রহমান রিজু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, অ্যাডভোকেট খালিদ হাসান, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নাজমুল হাসান, সাবেক সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা, যুব অধিকার পরিষদের নেতা মনজুর মোর্শেদ মামুনসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা।বক্তারা সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক পাচার ও নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং এ বিষয়ে সরকারের কঠোর নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।আও  পড়ুন, সংসদে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে ক্ষোভ জামায়াত আমিরের

পুশ-ইনের প্রতিবাদে মাঠে নামছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট

পুশ-ইনের প্রতিবাদে মাঠে নামছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট

সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর অভিযোগ বা ‘পুশ-ইন’-এর প্রতিবাদে কর্মসূচি ঘোষণা করতে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য।মঙ্গলবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জোটের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।বৈঠক শেষে কমিটির সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ জানান, চলমান বিভিন্ন জাতীয় ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং বুধবার আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।জোট সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তে পুশ-ইনের প্রতিবাদের পাশাপাশি সীমান্ত হত্যা, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বিষয়েও কর্মসূচি দেওয়া হতে পারে।আরও পড়ুন, সংসদে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে ক্ষোভ জামায়াত আমিরেরবৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ড. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির আবদুল মাজেদ আতহারী, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির আহমাদ আলী কাসেমী, বিডিপির চেয়ারম্যান এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চান এবং এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বেল্লাল মিয়াজিসহ অন্যান্য নেতারা।তবে বৈঠকে খেলাফত আন্দোলনের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। রাজনৈতিক অঙ্গনে দলটির জোট ছাড়ার গুঞ্জনও রয়েছে।অন্যদিকে, বাংলাদেশ খেলাফত, এবি পার্টি এবং জাগপার প্রতিনিধিরা বৈঠকে না থাকলেও জামায়াতের ছায়া বাজেট উপস্থাপনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন বলে জানা গেছে।সব মিলিয়ে সীমান্ত পরিস্থিতি ও সমসাময়িক জাতীয় ইস্যুকে সামনে রেখে নতুন রাজনৈতিক কর্মসূচির দিকে এগোচ্ছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট।

সংসদে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে ক্ষোভ জামায়াত আমিরের

সংসদে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে ক্ষোভ জামায়াত আমিরের

ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে জাতীয় সংসদে দেওয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।মঙ্গলবার সংসদে আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে ইঙ্গিত করা হলেও সরাসরি নাম উল্লেখ করা হয়নি। তিনি মন্তব্য করেন, “নাম বলে দিলেই পারতেন জামায়াতে ইসলামী। মাঝেমধ্যে নেকাব খোলা ভালো—এখানে খুললেন না কেন?”ইসলামী ব্যাংক থেকে ৭০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে নির্বাচনী তহবিলে অর্থায়নের অভিযোগ প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান তা প্রত্যাখ্যান করে বলেন, এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণ করতে পারলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে পুরস্কৃত করবেন।তিনি আরও বলেন, রুরাল ডেভেলপমেন্ট স্কিম বা আরডিএস কোনো রাজনৈতিক বা ধর্মভিত্তিক প্রকল্প নয়, বরং এটি একটি আর্থিক কার্যক্রম। এ বিষয়ে ১১ হাজার কোটি টাকার অর্থায়ন নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যার দাবি জানান তিনি।আরও পড়ুন,বিএনপির প্রতিবাদ সভা, ‘অশান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখে দেওয়ার’ ঘোষণাব্যাংকের শেয়ারহোল্ডিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কীভাবে কারা শেয়ার নিয়ন্ত্রণে এসেছে তা স্বচ্ছভাবে প্রকাশ করা উচিত। এস আলমের নাম উল্লেখ না করে তিনি দাবি করেন, বড় অঙ্কের ঋণ ও শেয়ার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গুরুতর অনিয়ম হয়েছে, যা তদন্তের দাবি রাখে।শফিকুর রহমান সতর্ক করে বলেন, ইসলামী ব্যাংক কোনো নির্দিষ্ট দলের নয়; বরং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ধর্মীয় পরিচয়ের গ্রাহক এতে যুক্ত। ব্যাংকটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে দেশের অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।তিনি আরও দাবি করেন, অতীতে জোরপূর্বক শেয়ার হস্তান্তরের ঘটনা ঘটেছে এবং এর সঙ্গে প্রভাবশালী মহলের সম্পৃক্ততা রয়েছে। ব্যাংকের আগের মালিকদের অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে নিয়ম অনুযায়ী নতুন পরিচালনা বোর্ড গঠনের আহ্বান জানান তিনি।এদিকে ব্যাংক খাতের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, কয়েকটি ব্যাংকে আমানতকারীদের অর্থ ফেরত নিয়ে সংকট তৈরি হয়েছে, যা বড় আকারে দেখা দিলে অর্থনীতিতে গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।আরও  পড়ুন , দুর্নীতি-অর্থ পাচারের ক্ষত সারাতে বিকল্প বাজেট দিল জামায়াতে ইসলামী

সারাবাংলা

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের জন্য নতুন উদ্যোগ সরকারের

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের জন্য নতুন উদ্যোগ সরকারের

দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের কল্যাণে সরকার বহুমুখী উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নূরুল হক নুর। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, দেশে লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রায় ৩ হাজার রিক্রুটিং এজেন্সির মধ্যে মানসম্মত যাচাইয়ে ৪০০ থেকে ৫০০টির বেশি টিকবে না।বুধবার জাতীয় সংসদে ১৪৭ বিধিতে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান-এর আনা প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নিয়ে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর লাইসেন্স মূল্যায়ন ও গ্রেডিং চালু করা হবে।প্রবাসীদের সুবিধার জন্য ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। পেমেন্ট গেটওয়ে-সংযুক্ত এ কার্ডের মাধ্যমে প্রবাসীরা নিরাপদে দেশে অর্থ পাঠাতে পারবেন এবং তাদের পরিবার সহজেই সেই অর্থ উত্তোলন করতে পারবে। আরো পড়ুন , বান্দরবান সদর হাসপাতালে নির্মাণাধীন ভবনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই শ্রমিকের মৃত্যুএছাড়া প্রবাসীদের বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে পূর্বাচলসহ বিভিন্ন জেলায় ‘প্রবাসী সিটি’ গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী।নূরুল হক নুর বলেন, রাজধানীর গুলশানে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের জায়গায় আন্তর্জাতিক মানের একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে, যেখানে প্রবাসী ও তাদের পরিবার স্বল্প খরচে চিকিৎসা পাবেন। পাশাপাশি বিদেশফেরত কর্মীদের পুনর্বাসনে প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।প্রবাসীদের বিমানবন্দরে হয়রানি কমাতে ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ কেন্দ্র সম্প্রসারণ করা হয়েছে। নির্যাতনের শিকার প্রবাসীদের আইনি সহায়তায় ১০টি দেশের আইন সংস্থার সঙ্গে চুক্তি হয়েছে এবং জরুরি সহায়তার জন্য টোল-ফ্রি হেল্পলাইন ১৬১৩৫ চালু রয়েছে।মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাজারটি বন্ধ রয়েছে। তবে ইউরোপ, এশিয়া-প্যাসিফিক ও জাপানে নতুন শ্রমবাজার সম্প্রসারণে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, অভিবাসন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সমন্বয়ে সরকার কাজ করছে।

বান্দরবান সদর হাসপাতালে নির্মাণাধীন ভবনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই শ্রমিকের মৃত্যু

বান্দরবান সদর হাসপাতালে নির্মাণাধীন ভবনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই শ্রমিকের মৃত্যু

বান্দরবান সদর হাসপাতালের নির্মাণাধীন সম্প্রসারিত ভবনে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন ২০২৬) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন মো. সাকিব (২০) ও কামরুল হাসান (৩৫)। তারা ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।প্রত্যক্ষদর্শী, ফায়ার সার্ভিস ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সদর হাসপাতালের সার্ভিস ভবনের নির্মাণকাজে নিয়োজিত ছিলেন ওই দুই শ্রমিক। কাজ করার একপর্যায়ে ভবনের পাশে থাকা ১১ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে একটি লোহার অ্যাঙ্গেল চলে গেলে তারা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।খবর পেয়ে বান্দরবান ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করেন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।আরও  পড়ুন, জয়দেবপুর তিতাসের অভিযানবান্দরবান ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক আব্দুল মান্নান আনসারী জানান, নির্মাণকাজের সময় একটি লোহার অ্যাঙ্গেল উচ্চ ভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে এলে শ্রমিকরা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। বিদ্যুতের তীব্রতায় ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।বান্দরবানের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরী বলেন, “নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করার সময় দুর্ঘটনাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তদন্ত করছে। নির্মাণকাজে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হলে এ ধরনের দুর্ঘটনা অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।”ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতদের মরদেহ আইনগত প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।

জয়দেবপুর তিতাসের অভিযান

জয়দেবপুর তিতাসের অভিযান

গাজীপুর জয়দেবপুর তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষে  গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন অভিযান পরিচালনা হয়েছে। গত কাল এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযান পরিচালনাকারী বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট,প্রভাকর রায়।  জেলা প্রশাসন, গাজীপুর এর নেতৃত্বে  অভিযান হয়।এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রকৌ. মু. আসগর আলী, ব্যবস্থাপক, প্রকৌ. শেখ জাবের নুরানী, উপব্যবস্থাপক, প্রকৌ. হাসান আল ফয়সাল, সহকারী প্রকৌশলী, প্রকৌ. রাকিব হাসান, সহকারী প্রকৌশলী, সৈয়দ মুয়াজ হোসেন, সহকারী ব্যবস্থাপক, প্রকৌ. সোহেল মিয়া, সহকারী প্রকৌশলী, মো: আমিনুল ইসলাম, সহকারী ব্যবস্থাপকআরও  পড়ুন,বেনাপোল অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা, রোববার থেকে থমকে যেতে পারে আমদানি-রপ্তানি, আতাউর রহমান, উপসহকারী প্রকৌশলী সহ অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীগণ।অভিযানের হয়  মির্জাপুর, বাংলা বাজার রোড, গাজীপুর (ডেকর ওয়েট প্রসেসিং নামক শিল্প প্রতিষ্ঠান)অপসারণকৃত পাইপেট দৈর্ঘ্যঃ আনুমানিক ২৩০ ফুট১" কিল- ০১ টি। জরিমানাঃ ২ লক্ষ টাকাজরিমানার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি সীলগালা করে বন্ধের উদ্যেগ নেয়া হলে শ্রমিক কর্তৃক মব সৃষ্টির মাধ্যমে চরম বাধা প্রদান করায় সীলগালা করা সম্ভব হয় নি।উক্ত  শিল্প প্রতিষ্ঠান হতে ০১ টি বুস্টার কমপ্রেসর জব্দ করা হয়েছে।প্রকৌশলী হাসান আল ফয়সাল বলেন, জয়দেবপুর তিতাস গ্যাসের অফিসের  নেতৃত্বে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বেনাপোল  অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা, রোববার থেকে থমকে যেতে পারে আমদানি-রপ্তানি

বেনাপোল অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা, রোববার থেকে থমকে যেতে পারে আমদানি-রপ্তানি

দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে পণ্য লোড-আনলোড কাজে নিয়োজিত দুটি শ্রমিক সংগঠন। আগামী রোববার থেকে এ কর্মবিরতি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের নেতারা।শ্রমিকদের দাবি, বন্দর কর্তৃপক্ষের নিয়োগপ্রাপ্ত ঠিকাদার গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে তাদের সংগঠনের সঙ্গে কোনো কার্যকর যোগাযোগ বা সমন্বয় করেননি। এ বিষয়ে একাধিকবার লিখিত ও মৌখিকভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি।এ নিয়ে গত বুধবার বেনাপোল স্থলবন্দর শ্রমিক ইউনিয়ন ও বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের কাছে একটি লিখিত আবেদন জমা দেন।আরও পড়ুন ,বান্দরবান সদর হাসপাতালে নির্মাণকাজে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট, প্রাণ গেল দুই শ্রমিকের আবেদনটি বেনাপোল বন্দরের পরিচালকের মাধ্যমে ঢাকা প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।শ্রমিক নেতারা জানান, এর আগেও কয়েকবার কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও বন্দর পরিচালকের আশ্বাসে তা স্থগিত করা হয়েছিল। তবে দীর্ঘ সময়েও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় এবার তারা কর্মবিরতির সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন।এদিকে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, কর্মবিরতি বাস্তবায়িত হলে দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দরটির স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হবে। এতে ভারত-বাংলাদেশ আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য, পণ্য পরিবহন এবং রাজস্ব আহরণেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।তবে বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, শ্রমিকদের আবেদনটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আন্তর্জাতিক

‘আজ রাতেই কঠোর হামলা’, ইরানকে সতর্ক করলেন ট্রাম্প

‘আজ রাতেই কঠোর হামলা’, ইরানকে সতর্ক করলেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল রফতানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে যুক্তরাষ্ট্র ‘আজ রাতেই’ ইরানের ওপর খুব কঠোর সামরিক হামলা চালাতে পারে।বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, পারস্য উপসাগরে অবস্থিত খার্গ দ্বীপসহ ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল ও গ্যাস অবকাঠামোর নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্র নেবে। তিনি বলেন, এই দ্বীপটি ইরানের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আরো পড়ুন , ইরানসংশ্লিষ্ট ট্যাংকারে মার্কিন হামলা, নিহত ৩ ভারতীয়এবং দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রফতানি এখান দিয়েই হয়।ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের নৌবাহিনী, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও রাডার সক্ষমতা ইতোমধ্যে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে এবং দেশটির সামরিক সক্ষমতা দুর্বল হয়ে গেছে। তবে এসব দাবির বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক স্বাধীন যাচাই পাওয়া যায়নি।বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও বাড়াতে পারে। বিশেষ করে খার্গ দ্বীপ ইরানের তেল রফতানির কেন্দ্র হওয়ায় সেখানে যেকোনো সামরিক পদক্ষেপ বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপ এবং হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনা আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বাড়িয়েছে। পর্যবেক্ষকদের আশঙ্কা, কূটনৈতিক সমাধান না হলে এই সংঘাত আরও বিস্তৃত আকার নিতে পারে।

৩ ঘন্টা আগে

রাজধানী

মিরপুরে ঘুস কাণ্ডে দুই পুলিশ ‘ক্লোজড’, প্রতিবেদন প্রকাশের ২৪ ঘণ্টায় প্রশাসনিক পদক্ষেপ

মিরপুরে ঘুস কাণ্ডে দুই পুলিশ ‘ক্লোজড’, প্রতিবেদন প্রকাশের ২৪ ঘণ্টায় প্রশাসনিক পদক্ষেপ

রাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় ঘুস লেনদেনের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পর মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রশাসনিকভাবে ‘ক্লোজড’ করা হয়েছে।ডিএমপি মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারের স্বাক্ষরিত আদেশে মিরপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মেহেদী হাসান এবং সহকারী উপ-পরিদর্শক রেজাউল করিমকে তাদের কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। সেখানে তারা নিয়মিত হাজিরা দিয়ে দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানানো হয়েছে।আরও  পড়ুন ,মিরপুরে চলন্ত বাইক আরোহীর মাথায় ইট ছুড়ে ছিনতাই, ভাইরাল ভিডিওতে চাঞ্চল্যপ্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, মিরপুর এলাকার এক ব্যক্তিকে আটক করে তার পরিবারের কাছে অর্থ দাবি করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রথমে এক লাখ টাকা দাবি করা হলেও পরে ৫০ হাজার টাকায় সমঝোতার মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে বাকি টাকার জন্যও চাপ প্রয়োগ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর প্রশাসনিক পর্যায়ে তৎপরতা শুরু হয়। পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত বা অভ্যন্তরীণ যাচাইয়ের প্রক্রিয়াও চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।তবে অভিযুক্ত এসআই মেহেদী হাসান অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।এদিকে, ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভ্যন্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে।

৫ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

জয় পেল পর্তুগাল, তবু আলোচনায় রোনালদোর অফ-ফর্ম

জয় পেল পর্তুগাল, তবু আলোচনায় রোনালদোর অফ-ফর্ম

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের আগে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে নাইজেরিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়েছে পর্তুগাল। তবে জয়ের আনন্দকে ছাপিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডো।ম্যাচজুড়ে একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেছেন আন্তর্জাতিক ফুটবলের সর্বোচ্চ গোলদাতা রোনালদো। শুধু গোল মিসই নয়, তার বল নিয়ন্ত্রণ ও ফার্স্ট টাচও ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। ফলে বিশ্বকাপের ঠিক আগে পর্তুগাল শিবিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।ম্যাচের ২৩ মিনিটে পেদ্রো নেতোর গোলে এগিয়ে যায় পর্তুগাল। আরও  পড়ুন নিরাপত্তা ত্রুটিতে আর্জেন্টিনা স্কোয়াডের পাসপোর্ট তথ্য ফাঁস, জয় দিয়ে প্রস্তুতি শেষদ্বিতীয়ার্ধে নাইজেরিয়ার হয়ে সমতা ফেরান আকর অ্যাডামস। পরে বদলি হিসেবে নেমে ৭৫ মিনিটে জয়সূচক গোল করেন ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও।রোনালদোকে ৬৫ মিনিটে মাঠ থেকে তুলে নেন কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। বিশ্বকাপের আগে তার এমন পারফরম্যান্স সমর্থক ও বিশ্লেষকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।যদিও সদ্য সমাপ্ত মৌসুমে Al Nassr-এর হয়ে ৩০ ম্যাচে ২৮ গোল করেছেন সিআর সেভেন। তবে জাতীয় দলের জার্সিতে সেই ধার এখনো দেখা যাচ্ছে না।আগামী ১৭ জুন কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে পর্তুগাল। গ্রুপ পর্বে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ উজবেকিস্তান ও কলম্বিয়া।

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর

অপরাধ

অবৈধ স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযানের পরও থামেনি বাহারের নেটওয়ার্ক!

অবৈধ স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযানের পরও থামেনি বাহারের নেটওয়ার্ক!

রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে কথিত স্পা সেন্টারের আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসার অভিযোগ নতুন নয়| আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান, নজরদারি ও সতর্কতার পরও কিছু ব্যক্তি ও চক্র নানা কৌশলে এসব কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে| এমনই এক আলোচিত নাম বাহার, যাকে ঘিরে সম্প্রতি গুলশান এলাকায় নানা আলোচনা শুরু হয়েছে| ব্যবসায়ী মহল ও সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তির অভিযোগ, গুলশানের ৯৯ ন¤^র রোডের ৩৩/এ ন¤^র বাড়ির দুটি ফ্লোর ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একটি স্পা সেন্টারের আড়ালে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল একটি চক্র| ওই চক্রের অন্যতম নিয়ন্ত্রক হিসেবে বাহারের নাম সামনে এসেছে বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা| তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বাহারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি| ফলে অভিযোগগুলোর ¯^াধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি|আরও পড়ুন: গুলশানে স্পা সেন্টারে অভিযান: মালিকসহ নারী সিন্ডিকেট গ্রেফতার ও মামলা প্রক্রিয়াধীনসম্প্রতি গুলশান থানার একটি অভিযানের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে| অভিযোগ রয়েছে, অভিযানের আগেই বা অভিযানের সময় বাহার নিজেকে আড়ালে নিয়ে যান এবং এরপর থেকে প্রকাশ্যে দেখা না গেলেও তার নিয়ন্ত্রণে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে|স্থানীয়দের দাবি, গুলশানের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পরও সেটি পরিচালিত হওয়া নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে| অনেকেই মনে করছেন, এসব প্রতিষ্ঠানের পেছনে প্রভাবশালী ব্যক্তি বা সংঘবদ্ধ চক্রের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে| যদিও এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ এখনো প্রকাশ্যে আসেনি| অভিযোগ রয়েছে, বাহারের অনুপস্থিতিতেও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে| বিশেষ করে সুমন নামে এক ব্যক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ও অন্যান্য কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে| অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাহারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে এই ব্যক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন|আরও পড়ুন: ব্যভিচার ও প্রতারণা মামলায় ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও স্ত্রী তামিমা খালাসএদিকে বাড়ির মালিক ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধেও নানা অভিযোগ উঠেছে| স্থানীয়দের একটি অংশের দাবি, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে তারা অবগত থাকা সত্ত্বেও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি| বরং তাদের সহযোগিতার কারণেই প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পেরেছে বলে অভিযোগ রয়েছে| তবে বাড়ির মালিক কিংবা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা যায়নি| তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি| আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সূত্র জানিয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় স্পা, বিউটি সেলুন, ওয়েলনেস সেন্টার কিংবা অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হয়| গুলশান, বনানী ও বারিধারার মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এ ধরনের অভিযোগের বিষয়ে বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে| সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, গুলশান থানার সাম্প্রতিক অভিযানের পর কয়েকজন ব্যক্তি নজরদারির আওতায় রয়েছেন| অভিযানে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে|আরও পড়ুন: আইনশৃঙ্খলা শক্তিশালী করতে পুলিশের জন্য ২১২ ডাবল কেবিন পিকআপ অনুমোদনএ বিষয়ে গুলশান থানা সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ ব্যবসা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না| অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে| একই সঙ্গে যেসব ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন বা আত্মগোপনে আছেন বলে অভিযোগ রয়েছে, তাদেরও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে|আরও পড়ুন: জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উদযাপন, শহীদ শান্তিরক্ষীদের প্রতি শ্রদ্ধাস্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, গুলশান একটি কূটনৈতিক ও আবাসিক এলাকা| এখানে কোনো ধরনের অবৈধ কার্যক্রম এলাকার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে| তাই নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর আইন প্রয়োগের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম বন্ধ করা প্রয়োজন| সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও মনে করেন, কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে শুধু প্রতিষ্ঠান নয়, এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি, পৃষ্ঠপোষক ও সহযোগীদের ভূমিকাও তদন্ত করা জরুরি| অন্যথায় মূল হোতারা আড়ালে থেকে গেলেও কার্যক্রম বন্ধ হয় না|আরও পড়ুন: গুলশান বারিধারায় দোলার অবৈধ স্পা সেন্টার নিয়ে বিতর্কঅভিযোগ রয়েছে, বাহার দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন নামে বা বিভিন্ন ব্যক্তিকে সামনে রেখে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন| ফলে কোনো একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালিত হলেও অন্য মাধ্যমে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ ˆতরি হয়| তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি| আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, অপরাধ দমনে তথ্যভিত্তিক অভিযান পরিচালনা করা হয়| কোনো ব্যক্তি প্রভাবশালী বা পরিচিত হলেই তাকে ছাড় দেওয়া হবে—এমন সুযোগ নেই| সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে|আরও পড়ুন: রামিসা হত্যা মামলার আসামি সোহেল রানা: গ্রামের নীরব লজ্জা ও অপরাধের পেছনের গল্পস্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, গুলশানে সাম্প্রতিক অভিযানগুলো প্রমাণ করেছে যে প্রশাসন অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে| তবে শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না, অভিযানের পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে| একই সঙ্গে ভবন মালিক, ব্যবস্থাপক এবং ব্যবসা পরিচালনার সঙ্গে জড়িত সকল পক্ষের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন|আরও পড়ুন: লামায় স্বাস্থ্যসেবার নামে প্রতারণা, নেই প্রশাসনিক অভিযানগুলশান থানার এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আইনের চোখে সবাই সমান| কোনো ব্যক্তি যদি অবৈধ ব্যবসা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে| কাউকে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই| সাম্প্রতিক অভিযানের ধারাবাহিকতায় অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হবে এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে| একই সঙ্গে যারা আইন লঙ্ঘন করে ব্যবসা পরিচালনা করছেন কিংবা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে|

আর্কাইভ

অর্থনীতি

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ৪,৪৩২ টাকা হ্রাস

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ৪,৪৩২ টাকা হ্রাস

দেশের বাজারে আবারও কমানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ভরিতে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন—বাজুস।নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ৩৫০ টাকা, যা আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, তেজাবী স্বর্ণের আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য কমে যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আরও  পড়ুন , বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ৩৪.৭৩ বিলিয়ন ডলারেবাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং সভায় দাম পুনঃনির্ধারণ করা হয়।নতুন দামে ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি ২ লাখ ৮ হাজার ৪৩৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৭৮ হাজার ৬৯২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫০৮ টাকা।বাজুস আরও জানিয়েছে, ক্রেতাদের কাছ থেকে ৫ শতাংশ ভ্যাট সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে। পাশাপাশি অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী আলাদা মজুরিও যুক্ত হবে।স্বর্ণের দামে এই ধারাবাহিক ওঠানামা বাজারে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ৩৪.৭৩ বিলিয়ন ডলারে

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ৩৪.৭৩ বিলিয়ন ডলারে

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কিছুটা কমে ৩৪ দশমিক ৭৩ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১০ জুন পর্যন্ত দেশের গ্রস বা মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৭৩৪ দশমিক ৮৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফের বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ ৩০ হাজার ৭৭ দশমিক ৯৩ মিলিয়ন ডলার।আরও পড়ুন, দেশে ফের কমল রুপার দাম, ২২ ক্যারেট ভরি ৪,৮৯৯ টাকা নির্ধারণএর আগে ৩ জুন দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৪ হাজার ৮২১ দশমিক ৮৩ মিলিয়ন ডলার। একই সময়ে বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩০ হাজার ১৬০ দশমিক ৬০ মিলিয়ন ডলার।ফলে এক সপ্তাহের ব্যবধানে গ্রস রিজার্ভ প্রায় ৮৭ মিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ প্রায় ৮৩ মিলিয়ন ডলার কমেছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমদানি ব্যয়, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ এবং ডলারের চাহিদার কারণে রিজার্ভে সাময়িক ওঠানামা দেখা দিতে পারে।

দেশে ফের কমল রুপার দাম, ২২ ক্যারেট ভরি ৪,৮৯৯ টাকা নির্ধারণ

দেশের বাজারে আবারও কমেছে রুপার দাম। আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি রুপার মূল্য কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারেও নতুন করে মূল্য সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন—বাজুস।বুধবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, প্রতি ভরিতে ৩৫০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, শুধু ২২ ক্যারেট নয়—২১ ক্যারেট, ১৮ ক্যারেট এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দামও সমন্বয় করা হয়েছে।আরও পড়ুন, বাজেটে স্বস্তির বার্তা: কমতে পারে স্বর্ণ, ফ্রিজ, সিম ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নতুন দর অনুযায়ী ২১ ক্যারেট রুপার ভরি ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।সংস্থাটি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি রুপার দাম কমার প্রভাবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বাজুস আরও জানায়, এর আগে সর্বশেষ গত ৬ জুন রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। চলতি বছর এখন পর্যন্ত মোট ৪৩ দফায় রুপার দাম সমন্বয় হয়েছে, যার মধ্যে ২২ বার দাম বেড়েছে এবং ২১ বার কমানো হয়েছে।

দেশে ফের কমল রুপার দাম, ২২ ক্যারেট ভরি ৪,৮৯৯ টাকা নির্ধারণ

বাজেটে স্বস্তির বার্তা: কমতে পারে স্বর্ণ, ফ্রিজ, সিম ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম

আগামী বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হতে যাচ্ছে বর্তমান সরকারের প্রথম জাতীয় বাজেট। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ বাজেট পেশ করবেন। বাজেটকে ঘিরে ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন বাজেটে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে বেশ কিছু পণ্য ও সেবায় ভ্যাট-কর হ্রাসের প্রস্তাব রাখা হচ্ছে। এর ফলে বাজারে বিভিন্ন পণ্যের দাম কমতে পারে।বিশেষ করে গৃহিণীদের জন্য সুখবর হিসেবে দেখা হচ্ছে কিছু কিচেন ও গৃহস্থালি পণ্যের মূল্য হ্রাসের সম্ভাবনাকে। দেশীয় ফ্রিজ ও রেফ্রিজারেটর উৎপাদনে ভ্যাট কমানো হলে এসব পণ্যের দাম কমতে পারে। আরও  পড়ুন , ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য বড় সুখবর, ৫ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিলএকই সঙ্গে সিম ও ই-সিম ব্যবহারের ওপর কর কাঠামো পরিবর্তনের ফলে মোবাইল সংযোগও সাশ্রয়ী হতে পারে।এছাড়া স্বর্ণালংকার বিক্রির বিদ্যমান ভ্যাট পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হলে স্বর্ণের দামও কিছুটা কমতে পারে। চিকিৎসা খাতে হার্টের রিং ও চোখের লেন্সের ওপর ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব রয়েছে, যা রোগীদের জন্য স্বস্তি বয়ে আনতে পারে।কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং শিল্প খাতেও একাধিক কর ছাড়ের প্রস্তাব থাকছে। ফলে কৃষি উপকরণ, সৌরবিদ্যুৎ সরঞ্জাম, কম্পিউটার ও কিছু প্রসাধনী পণ্যের দামও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।সব মিলিয়ে আসন্ন বাজেটকে ভোক্তাবান্ধব ও বিনিয়োগ সহায়ক বাজেট হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।আরও পড়ুন , জ্বালানি-বিদ্যুৎ ভর্তুকিতে ৭৫ হাজার কোটি টাকার চাপ, বাজেটের বড় দুশ্চিন্তা

বাজেটে স্বস্তির বার্তা: কমতে পারে স্বর্ণ, ফ্রিজ, সিম ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য বড় সুখবর, ৫ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল

দেশের কুটির, অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতকে আরও গতিশীল করতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।‘সিএমএসএমই খাতে চলতি মূলধন পুনঃঅর্থায়ন তহবিল’ নামে এই উদ্যোগের আওতায় উদ্যোক্তারা সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন। প্রাথমিকভাবে তহবিলটির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে তিন বছর।বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, চলতি মূলধনের ঘাটতির কারণে অনেক ছোট ও মাঝারি প্রতিষ্ঠান তাদের পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন ও ব্যবসা পরিচালনা করতে পারছে না। আরও  পড়ুন, জ্বালানি-বিদ্যুৎ ভর্তুকিতে ৭৫ হাজার কোটি টাকার চাপ, বাজেটের বড় দুশ্চিন্তাএই সমস্যা দূর করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতেই এই তহবিল গঠন করা হয়েছে।তহবিলের আওতায় ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ৪ শতাংশ সুদে অর্থ পাবে এবং তা উদ্যোক্তাদের কাছে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ সুদে বিতরণ করতে পারবে।তবে ঋণখেলাপিরা এই সুবিধা পাবেন না। পাশাপাশি উদ্যোক্তারা ঋণ নেওয়ার পর ৩ থেকে ৬ মাস পর্যন্ত গ্রেস পিরিয়ড সুবিধা পাবেন, অর্থাৎ এ সময়ে কোনো কিস্তি পরিশোধ করতে হবে না।অর্থনীতিবিদদের মতে, সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে এই তহবিল দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতে নতুন গতি আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।আরও  পড়ুন, তেলের বাজারে অস্থিরতা, বিনিয়োগকারীদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য বড় সুখবর, ৫ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল

জ্বালানি-বিদ্যুৎ ভর্তুকিতে ৭৫ হাজার কোটি টাকার চাপ, বাজেটের বড় দুশ্চিন্তা

আসন্ন জাতীয় বাজেটে সরকারের সবচেয়ে বড় মাথাব্যথা হয়ে উঠেছে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের ক্রমবর্ধমান ভর্তুকি। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগ আগামী অর্থবছরের জন্য মোট ৭৫ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি চেয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ খাতে ৪৯ হাজার কোটি এবং গ্যাস খাতে ২৬ হাজার কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে।এদিকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বা বিপিসি জানিয়েছে, গত তিন মাসে জ্বালানি তেল আমদানি করে তাদের লোকসান হয়েছে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা। এ লোকসান পূরণে বিশেষ বরাদ্দ চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন করা হয়েছে।আরও  পড়ুন, তেলের বাজারে অস্থিরতা, বিনিয়োগকারীদের দুশ্চিন্তা বাড়ছেসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও এলএনজির দাম বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। গত বছর এলএনজি আমদানিতে ব্যয় হয়েছিল ৪৫ হাজার কোটি টাকার বেশি, যা এবার ৬০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহে প্রতি ইউনিটে খরচ হচ্ছে প্রায় ১৩ টাকা, অথচ বিক্রি হচ্ছে গড়ে ৮ টাকা ৩৯ পয়সায়। ফলে বিশাল আর্থিক ঘাটতির মুখে পড়ছে সংস্থাটি।অন্যদিকে, পেট্রোবাংলা বলছে, গ্যাসের বিক্রয়মূল্য ও আমদানি ব্যয়ের মধ্যে বড় ব্যবধান থাকায় প্রতি মাসেই কয়েক হাজার কোটি টাকার লোকসান গুনতে হচ্ছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির এই চাপ আগামী বাজেট ও সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।আরও  পড়ুন,বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধাক্কা, বাংলাদেশেও কমতে পারে ভরির দাম

জ্বালানি-বিদ্যুৎ ভর্তুকিতে ৭৫ হাজার কোটি টাকার চাপ, বাজেটের বড় দুশ্চিন্তা

লাইফস্টাইললাইফস্টাইল

তীব্র গরমে সুস্থ থাকার সহজ উপায়, জীবনযাত্রায় ছোট পরিবর্তনেই বড় সুরক্ষা

তীব্র গরমে সুস্থ থাকার সহজ উপায়, জীবনযাত্রায় ছোট পরিবর্তনেই বড় সুরক্ষা

দেশজুড়ে তীব্র গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। তাপমাত্রা প্রায় ৪০ ডিগ্রি ছুঁইছুঁই এবং উচ্চ আর্দ্রতার কারণে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জীবনযাত্রায় কিছু ছোট পরিবর্তনই বড় সুরক্ষা দিতে পারে।গরমে সুস্থ থাকতে হালকা রঙের সুতি বা লিনেন কাপড় পরার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ঢিলেঢালা পোশাক শরীরকে আরাম দেয় এবং ঘাম কমাতে সাহায্য করে।আরও পড়ুন, গরমে প্রাণ জুড়াবে ডাবের পানি কয়েকটি উপাদান মিশলেই পাবেন বেশি উপকারএছাড়া পর্যাপ্ত পানি পান, ডাবের পানি, লেবুর শরবত এবং পানিযুক্ত ফল খাওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। চিনি বেশি থাকা কোমল পানীয় এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।একটানা কাজ না করে মাঝেমধ্যে বিশ্রাম নেওয়া এবং ছায়াযুক্ত স্থানে অবস্থান করাও গুরুত্বপূর্ণ বলে জানানো হয়েছে।বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, দুপুরের তীব্র রোদ এড়িয়ে চলা, হালকা খাবার গ্রহণ এবং ঘর ঠান্ডা রাখার ব্যবস্থা নেওয়া গরমে সুস্থ থাকার অন্যতম উপায়।