দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1003.4 hPa
27.5° 97%
940° 9mm
চট্টগ্রাম 1003.8 hPa
31.8° 70%
940° 9mm
রাজশাহী 1003.9 hPa
29.4° 86%
940° 9mm
খুলনা 1003.4 hPa
29° 86%
940° 9mm
বরিশাল 1003.3 hPa
29° 92%
940° 9mm
সিলেট 1003 hPa
31.2° 72%
940° 9mm
রংপুর 1002.6 hPa
35° 62%
940° 9mm
ময়মনসিংহ 1003.6 hPa
33° 70%
940° 9mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

তৃণমূলের কাণ্ডারী বকুল: ফরিদপুর বিএনপিতে ফের নেতৃত্বের আশাবাদ

তৃণমূলের কাণ্ডারী বকুল: ফরিদপুর বিএনপিতে ফের নেতৃত্বের আশাবাদ

​পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলার রাজনীতিতে এক পরিচিত ও আস্থার নাম মোঃ জহুরুল ইসলাম বকুল। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে নিজের মেধা, শ্রম ও ত্যাগের মাধ্যমে তৃণমূল সংগঠনকে সুসংগঠিত রাখতে তিনি অবিচল ভূমিকা পালন করে আসছেন। জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি থেকে শুরু করে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে দীর্ঘকাল দায়িত্ব সামলেছেন এই প্রবীণ জননেতা।​দলীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৪ সাল থেকে টানা ১৫ বছর দক্ষতার সাথে ফরিদপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন মোঃ জহুরুল ইসলাম বকুল। পরবর্তীতে ২০০৯ সালে তৃণমূল নেতাকর্মীদের জোরালো সমর্থনে তিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথপরিক্রমায় নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও মাঠপর্যায়ের কর্মীদের পাশে থেকে সংগঠনকে একসুতোয় বেঁধে রেখেছেন তিনি। তার হাত ধরেই অঞ্চলে গড়ে উঠেছেন অসংখ্য ত্যাগী নেতাকর্মী, যাদের তিনি সর্বদাই অভিভাবকের মতো দিকনির্দেশনা ও সামাজিক মূল্যায়ন প্রদান করে আসছেন।ঐতিহাসিক স্মৃতির স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে স্থানীয় বয়োজ্যেষ্ঠ নেতাকর্মীরা জানান, ১৯৮৮ সালে ফরিদপুর উপজেলায় বিএনপির এক বিশাল জনসভায় যোগদান করেছিলেন দলের চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া। জনসভা শেষে তিনি ফরিদপুর উপজেলার নিবেদিতপ্রাণ নেতা মোঃ জহুরুল ইসলাম বকুলের বাসভবনে নৈশভোজে অংশ নেন—যা বকুলের দলের প্রতি একনিষ্ঠতা ও জাতীয় নেতৃত্বের নিকট তার গ্রহণযোগ্যতার এক উজ্জ্বল ঐতিহাসিক নিদর্শন।আরও  পড়ুন, মেয়ের বিয়ের টাকা ছিনিয়ে নিতে যাত্রীকে হত্যা, গ্রেফতার বাসের চালক-হেলপার​রাজনৈতিক সাফল্যের পাশাপাশি জনসেবাতেও উজ্জ্বল স্বাক্ষর রেখেছেন এই নেতা। ২০০৯ সালে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ফরিদপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন মোঃ জহুরুল ইসলাম বকুল। তার মেয়াদে এলাকার রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা ও ধর্মীয় উপাসনালয়ের ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধিত হয়। সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে সর্বদা পাশে থাকায় সর্বস্তরের জনগণের কাছে তিনি একজন মানবিক ও পরোপকারী প্রতিনিধি হিসেবে সুপরিচিত।​বর্তমানে ফরিদপুর উপজেলা বিএনপির পূর্বের কমিটি বিলুপ্ত থাকায় নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। এই প্রেক্ষাপটে উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন জহুরুল ইসলাম বকুলের নাম। তৃণমূলের সিংহভাগ নেতাকর্মী দলের এই দুঃসময়ের পরীক্ষিত ও প্রবীণ অভিভাবককেই পুনরায় ফরিদপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদে দেখতে চান।​স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, রাজনীতির বর্তমান ক্রান্তিকালে দল পরিচালনায় অভিজ্ঞ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের বিকল্প নেই। জহুরুল ইসলাম বকুলের মতো জনপ্রিয় ও পরীক্ষিত নেতা পুনঃরায় ফরিদপুর উপজেলা বিএনপির হাল ধরলে সংগঠনটি আরও সুসংগঠিত, ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী হয়ে উঠবে বলে তারা দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শতভাগ ই-পাসপোর্ট, বন্ধ হচ্ছে এমআরপি

মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট বা এমআরপি ব্যবস্থা পুরোপুরি বন্ধ করে শতভাগ ই-পাসপোর্ট চালুর পথে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলোতে ইতোমধ্যে প্রায় ৯৯ শতাংশ পাসপোর্ট সেবাগ্রহীতা ই-পাসপোর্ট নিচ্ছেন। আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সব মিশনে ই-পাসপোর্ট চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার পাসপোর্ট সেবায় ডিজিটাল রূপান্তরের পথে আরও এক ধাপ এগোচ্ছে বাংলাদেশ।বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলোতে পর্যায়ক্রমে বন্ধ হচ্ছে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট বা এমআরপি সেবা। এর পরিবর্তে চালু করা হবে শতভাগ ই-পাসপোর্ট।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক আন্তঃমন্ত্রণালয় পর্যালোচনা সভায় এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় বিদেশের বাংলাদেশ মিশনগুলোতে এমআরপি, ই-পাসপোর্ট ও নাগরিকসেবার মানোন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়।সভায় জানানো হয়, বিদেশের বাংলাদেশ মিশনগুলোতে ই-পাসপোর্ট এনরোলমেন্ট ইতোমধ্যে ৯৯ শতাংশে পৌঁছেছে। ফলে এমআরপির চাহিদা প্রায় নেই বললেই চলে।আরও  পড়ুন, হারানো সরকারি অস্ত্র উদ্ধারে দেশজুড়ে বিশেষ যৌথ অভিযান র‍্যাবেরসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০১৮ সালে এমআরপি প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পুরোনো যন্ত্রপাতি সচল রাখা ও রক্ষণাবেক্ষণ ক্রমেই ব্যয়বহুল ও জটিল হয়ে উঠেছে।পাসপোর্ট অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক লাখ সাত হাজার একটি ই-পাসপোর্টের বিপরীতে মাত্র একটি এমআরপি ইস্যু হয়েছে। সেটিও বিদেশের একটি কনস্যুলেট থেকে।তবে প্রবাসীদের একটি বড় অংশের এনআইডি না থাকা এবং জন্মনিবন্ধন ও এনআইডির তথ্যে অসঙ্গতির কারণে এতদিন এমআরপি সেবা চালু রাখা হয়েছিল।নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যেসব মিশনে ই-পাসপোর্ট পুরোপুরি চালু হয়েছে, সেখানে অবিলম্বে এমআরপি ইস্যু বন্ধ হবে। পাশাপাশি প্রবাসীদের ই-পাসপোর্টের তথ্য সংশোধনে এনআইডি বা জন্মনিবন্ধন সনদ ব্যবহারের সুযোগ থাকবে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।সৌদি আরবে থাকা বিপুলসংখ্যক প্রবাসীকে দ্রুত সেবা দিতে আরও আটটি মোবাইল এনরোলমেন্ট কিট পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। দিল্লি ও কলকাতা মিশনেও দ্রুত ই-পাসপোর্ট সেবা চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হারানো সরকারি অস্ত্র উদ্ধারে দেশজুড়ে বিশেষ যৌথ অভিযান র‍্যাবের

দেশব্যাপী হারিয়ে যাওয়া সরকারি অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সমন্বিত এই অভিযান কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য এলিট ফোর্স র‍্যাবকে প্রধান সমন্বয়কারী সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে গণমাধ্যমকর্মীদের বিষয়টি জানিয়ে সংবাদ পরিবেশনে সহযোগিতা কামনা করেছে র‍্যাব ফোর্সেস।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হারানো সরকারি অস্ত্রের সঠিক তথ্য দিয়ে যৌথ অভিযানে সহযোগিতা করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। কোনো ব্যক্তি অস্ত্রের অবস্থান বা সংশ্লিষ্ট তথ্য জানালে তার পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে। একই সঙ্গে তথ্যদাতাকে নিরাপদে পুরস্কার দেওয়ার নিশ্চয়তা দিয়েছে র‍্যাব।হারানো অস্ত্রের তথ্য জানাতে র‍্যাবের নির্ধারিত হটলাইন নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করা যাবে। নম্বরগুলো হলো—০১৭৭৭৭১১৪৪১, ০১৭৭৭৭১১৪৪২, ০১৭৭৭৭১১৪৪৩, ০১৭৭৭৭১১৪৪৪ এবং ০২৫৫৬৬৯৯৯৯।আরও  পড়ুন, খাদ্য নিরাপত্তায় নজর, সুগন্ধি চাল রপ্তানিতে ৫০% কোটা কমল সরকারএ ছাড়া এসব নম্বরে ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম ও ভাইবারের মাধ্যমেও সরাসরি তথ্য পাঠানো যাবে। প্রয়োজনে হারানো অস্ত্রের ছবি বা সংশ্লিষ্ট তথ্যও এসব যোগাযোগমাধ্যমে পাঠানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।র‍্যাব জানিয়েছে, তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় গোপন রাখা হবে এবং তথ্য সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ গোপনীয়তা বজায় রাখা হবে।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে হারানো সরকারি অস্ত্র উদ্ধারে এই বিশেষ অভিযানকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।বিষয়ে জনগণের সহযোগিতা কামনা করে র‍্যাব বলেছে, হারানো অস্ত্র সংক্রান্ত যেকোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো প্রয়োজন।একই সঙ্গে জনস্বার্থে এ সংক্রান্ত তথ্য ব্যাপকভাবে প্রচারের জন্য গণমাধ্যমগুলোর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে র‍্যাব ফোর্সেস।

খাদ্য নিরাপত্তায় নজর, সুগন্ধি চাল রপ্তানিতে ৫০% কোটা কমল সরকার

দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং সম্ভাব্য মূল্যচাপ নিয়ন্ত্রণে সুগন্ধি চাল রপ্তানির অনুমোদিত কোটা ৫০ শতাংশ কমিয়েছে সরকার। আগে অনুমোদন পাওয়া ২৭৮টি প্রতিষ্ঠানের বরাদ্দ অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়েছে। পাশাপাশি রপ্তানি কার্যক্রমে আরোপ করা হয়েছে ১০টি বাধ্যতামূলক শর্ত।দেশের বাজারে চালের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুগন্ধি চাল রপ্তানিতে নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেছে সরকার।মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি-২ শাখার এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, আগে অনুমোদন পাওয়া ২৭৮টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের সুগন্ধি চাল রপ্তানির বরাদ্দ ৫০ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।সংশোধিত বরাদ্দ অবিলম্বে কার্যকর হবে। তবে অনুমোদনের মেয়াদ বহাল থাকবে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত।নতুন ব্যবস্থায় বড় খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে মাঝারি ও ক্ষুদ্র রপ্তানিকারকরাও নির্ধারিত সীমার বেশি সুগন্ধি চাল রপ্তানি করতে পারবেন না।আরও পড়ুন, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎশুধু কোটা কমানো নয়, রপ্তানিতে নজরদারি ও জবাবদিহিও বাড়ানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে মোট ১০টি বাধ্যতামূলক শর্ত দেওয়া হয়েছে।প্রতিটি চালান রপ্তানির আগে পণ্যের মান ও সত্যতা যাচাই করবে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। জাহাজীকরণের পর সংশ্লিষ্ট নথিপত্র জমা দিতে হবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি-২ শাখায়।এ ছাড়া ভবিষ্যতে নতুন রপ্তানি অনুমোদনের আবেদন করলে আগের বরাদ্দের বিপরীতে প্রকৃত রপ্তানির পূর্ণাঙ্গ তথ্য ও প্রমাণ দিতে হবে।আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের মূল্য সুরক্ষায় সুগন্ধি চালের ন্যূনতম এফওবি রপ্তানিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি ১ দশমিক ৬০ মার্কিন ডলার।রপ্তানি অনুমোদন করা হয়েছে সম্পূর্ণ অহস্তান্তরযোগ্য। সাব-কন্ট্রাক্টিং বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে রপ্তানির সুযোগও রাখা হয়নি।এ ছাড়া রপ্তানি আয় দেশে প্রত্যাবাসনের প্রমাণ হিসেবে রপ্তানিকারকদের পিআরসি দাখিল করতে হবে।

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। মঙ্গলবার বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে দুই দেশের অভিন্ন ইতিহাস, সাংস্কৃতিক বন্ধন ও জনগণের পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয় গুরুত্ব পায়। একই সঙ্গে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থে দ্বিপাক্ষিক অংশীদারত্ব আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন মঙ্গলবার দুপুরে এক পোস্টে এ তথ্য জানায়।সাক্ষাতে ভারতীয় হাইকমিশনার রাষ্ট্রপতিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান এবং বাংলাদেশের জনগণের সেবায় তার সাফল্য কামনা করেন।আরও  পড়ুন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা চলছে: রিজভীএ সময় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে দুই দেশের অভিন্ন ইতিহাস, ঘনিষ্ঠ সাংস্কৃতিক বন্ধন এবং জনগণের মধ্যে বিদ্যমান পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা গভীর বন্ধনের বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে।আলোচনায় দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।রাষ্ট্রপতি ও ভারতীয় হাইকমিশনার উভয়েই দুই সার্বভৌম দেশের স্বার্থে সহযোগিতা ও অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে গুরুত্ব দেন।কূটনৈতিক পর্যায়ে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনার মধ্যেই বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হলো এ সৌজন্য সাক্ষাৎ। দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থে ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে।

রাজনীতিরাজনীতি

বাঁধনের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা, ‘আমরা সবাই বিচার চাই’: পাটওয়ারী

বাঁধনের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা, ‘আমরা সবাই বিচার চাই’: পাটওয়ারী

ইতালির ভেনিসে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন ও তার পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। হামলায় জড়িতদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবার ভোরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে বাঁধনের বক্তব্য তুলে ধরে প্রতিক্রিয়া জানান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।স্ট্যাটাসে বাঁধনের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি লেখেন—‘আজ ওখানে আমার সন্তানও থাকতে পারতো। এভাবে শান্তিতে থাকা যায় না। এগুলো বন্ধ করতে হবে। আমরা সবাই বিচার চাই। রাষ্ট্রের কাছে বিচার চাই।’পাটওয়ারী বলেন, জুলাইয়ের কঠিন সময়ে আজমেরী হক বাঁধন ছাত্র-জনতার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে কণ্ঠ তুলেছেন, এমনকি রাজপথেও নেমেছিলেন।তার দাবি, আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আসর ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভালে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে গিয়ে পরিবারসহ হামলার শিকার হয়েছেন বাঁধন।আরও  পড়ুন ,সার সংকটে আমন চাষ ঝুঁকিতে, সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগ জামায়াতেরহামলার সময় তাকে জোর করে ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ বলানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন এনসিপির এই নেতা।রাজনৈতিক স্লোগান ভয়, হুমকি কিংবা শক্তি প্রয়োগ করে কারও মুখে তুলে দেওয়ার চেষ্টা হলে সেটিকে রাজনৈতিক আদর্শ বলা যায় না বলেও মন্তব্য করেন পাটওয়ারী।তার ভাষায়, এমন আচরণ জবরদস্তি ও অসহিষ্ণুতার রাজনীতিতে পরিণত হয়।বাঁধনের ওপর হামলার অভিযোগের তীব্র নিন্দা জানিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, জুলাইয়ে বাঁধন ছাত্র-জনতার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তার ও তার পরিবারের ওপর হামলার ঘটনায় তিনি প্রতিবাদ জানাচ্ছেন এবং বিচার দাবি করছেন।ভেনিসে আজমেরী হক বাঁধন ও তার পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগের ঘটনায় এনসিপির পক্ষ থেকে নিন্দা ও বিচার দাবি করা হয়েছে। তবে হামলার অভিযোগের বিস্তারিত কারণ এবং জড়িতদের বিষয়ে আরও তথ্যের অপেক্ষা রয়েছে।

সার সংকটে আমন চাষ ঝুঁকিতে, সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগ জামায়াতের

সার সংকটে আমন চাষ ঝুঁকিতে, সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগ জামায়াতের

দেশজুড়ে সার সংকটে আমন ধানের চাষ ঝুঁকিতে পড়েছে—এমন দাবি করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।সোমবার দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি কৃষকদের হাতে পর্যাপ্ত সার পৌঁছে দিতে সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগ করেন।বিবৃতিতে গোলাম পরওয়ার বলেন, তীব্র সার সংকটের কারণে সারা দেশে আমন ধান চাষ চরম ঝুঁকিতে পড়েছে। একইসঙ্গে মৌসুমি সবজিসহ অন্যান্য কৃষিপণ্যের উৎপাদনও কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।তার অভিযোগ, সরকারের অব্যবস্থাপনার কারণে প্রান্তিক কৃষকরা চাহিদা অনুযায়ী সার পাচ্ছেন না। এতে কৃষকদের বাড়তি ভোগান্তির পাশাপাশি কোথাও কোথাও তারা সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করতে বাধ্য হচ্ছেন।গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে গোলাম পরওয়ার আরও দাবি করেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় বেশি দামে সার বিক্রির ঘটনা ঘটছে। অনুমোদিত ডিলারের দোকানে সার না মিললেও খোলা বাজারে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।আরও  পড়ুন, জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত এমপিকে কমিটিতে রাখা নিয়ে বিতর্কবিবৃতিতে বলা হয়, রাজশাহী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় পর্যাপ্ত সার সরবরাহের দাবিতে কৃষকরা বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ করেছেন। কোথাও সারের গোডাউন থেকে লুটপাট এবং কৃষি বিভাগের মাঠকর্মীকে অবরুদ্ধ করার মতো ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করেন জামায়াতের এই নেতা।এসব ঘটনাকে সার সংকটের তীব্রতার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে উল্লেখ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, কোথাও কোথাও সরকারদলীয় সিন্ডিকেট কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অধিক মুনাফার সুযোগ নিচ্ছে। তার দাবি, এ ধরনের সিন্ডিকেটের কারণে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি দেশের খাদ্য নিরাপত্তাও ঝুঁকিতে পড়তে পারে।কৃষকদের হয়রানি বন্ধ, সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া এবং আমনসহ কৃষি উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত পর্যাপ্ত সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত এমপিকে কমিটিতে রাখা নিয়ে বিতর্ক

জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত এমপিকে কমিটিতে রাখা নিয়ে বিতর্ক

জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সাতক্ষীরা–৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে সংসদীয় কমিটিতে রাখা নিয়ে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে বিতর্ক হয়েছে। পরে বিরোধী দলের আপত্তির পর সরকারি প্রতিশ্রুতি কমিটি থেকে তাঁর নাম বাদ দেওয়া হয়।সোমবার জাতীয় সংসদে সরকারি প্রতিশ্রুতি কমিটি গঠনের সময় এ ঘটনা ঘটে।কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। প্রস্তাবটি পাস হওয়ার পর বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান প্রশ্ন তোলেন, গাজী নজরুল ইসলাম বিরোধী দলের কোটা থেকে কমিটিতে এসেছেন কি না।জবাবে চিফ হুইপ জানান, সংসদে থাকা প্রত্যেক সদস্যকে অন্তত একটি কমিটিতে রাখার সুযোগ রয়েছে। তবে গাজী নজরুলকে বিরোধী দলের কোটা থেকে কমিটিতে রাখা হয়নি।এরপর বিষয়টি নিয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনা হয়।ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল জানানআড়ও পড়ুন,সম্পত্তি হস্তান্তর আইন প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতেরগাজী নজরুল এর আগে একাধিক স্থায়ী কমিটিতে ছিলেন। বিরোধী দলের অনুরোধে তাঁকে সেসব কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।চিফ হুইপ বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ বহাল আছে, ততক্ষণ তাঁকে কোনো না কোনো কমিটিতে রাখার পক্ষে তিনি। কারণ দল থেকে বহিষ্কার হলেও এখনো তিনি সংসদ সদস্য।অন্যদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দল থেকে বহিষ্কার করলেই সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্য পদ শূন্য হয় না। তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বিপরীতে ভোট দেওয়া বা ভোটদানে বিরত থাকার বিষয়টি সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের আওতায় পড়তে পারে।এ নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, গাজী নজরুলকে তাঁরা নৈতিক কারণে দল থেকে বহিষ্কার করেছেন। তাই সংসদের কোনো কমিটিতে তাঁকে না রাখাই উত্তম।পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিরোধীদলীয় নেতার অনুরোধে গাজী নজরুলকে কমিটি থেকে বাদ দেওয়া যেতে পারে।শেষ পর্যন্ত গাজী নজরুল ইসলামের নাম বাদ দিয়ে সরকারি প্রতিশ্রুতি কমিটি পুনর্গঠন করা হয়।উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর গত ২২ জুলাই গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াতে ইসলামী। তাঁর সংসদ সদস্য পদ নিয়ে ব্যবস্থা নিতে স্পিকার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে চিঠিও দিয়েছিল দলটি। তবে এখন পর্যন্ত তাঁর সংসদ সদস্য পদ বহাল রয়েছে।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের

জাতীয় সংসদে পাস হওয়া সম্পত্তি হস্তান্তর আইনকে ‘কোরআন-সুন্নাহবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, আইনটি প্রত্যাহার না হলে আন্দোলন আরও জোরদার করা হব সোমবার বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন জামায়াতের নেতা-কর্মীরা। মিছিলটি কাকরাইল মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।গতকাল রোববার জাতীয় সংসদে ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের সংশোধনী বিল পাস হয়।সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, পিতা-মাতা বা পিতামহ-মাতামহ সন্তান বা নাতি-নাতনিকে সম্পত্তি দান করলে, অথবা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পত্তি দান হলে, দাতা জীবিত থাকা পর্যন্ত ওই সম্পত্তি ভোগ করতে পারবেন।এ ছাড়া দাতার জীবদ্দশায় গ্রহীতার মৃত্যু হলে,আড়ও পড়ুন,আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন নিয়ে হাইকোর্টে রিট আইন অনুযায়ী সম্পত্তির ভোগাধিকার গ্রহীতার ওয়ারিশদের কাছে যাওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।তবে এই সংশোধনীর বিরোধিতা করেছে জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলের সদস্যরা। তাদের দাবি, এতে ইসলামি উত্তরাধিকার বিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।সমাবেশে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সম্পত্তির উত্তরাধিকার ও বণ্টনের বিধান আল্লাহ নির্ধারণ করে দিয়েছেন। তাই আইনটি নিয়ে দেশের আলেম-ওলামা ও ইসলামি বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া উচিত।আইনমন্ত্রীর বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন তিনি। পাশাপাশি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফতোয়া বোর্ডসহ দেশি-বিদেশি ইসলামি বিশেষজ্ঞদের দিয়ে আইনটি পর্যালোচনার আহ্বান জানান।অন্যদিকে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সংসদে বলেছিলেন, সংশোধিত আইনের বিধান হেবা বা মুসলিম আইনের অধীন অন্য কোনো সম্পত্তি হস্তান্তর পদ্ধতিতে প্রভাব ফেলবে না। বিরোধী দলের আপত্তি নাকচ করে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।জামায়াত বলছে, আইনটি প্রত্যাহার না হলে এ ইস্যুতে তাদের আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে।

সারাবাংলা

বদরটুনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শৃঙ্খলায় গুরুত্ব

বদরটুনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শৃঙ্খলায় গুরুত্ব

বরিশালের হিজলা উপজেলার বদরটুনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আজ এক সুধী ও অভিভাবক সমাবেশ অত্যন্ত জাঁকঝমকপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব ইব্রাহিম খলিলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দসহ স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সমাবেশে উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য ও সংহতি প্রকাশ করেন:সালাউদ্দিন সরদার — আহ্বায়ক, হরিনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপিআব্দুল খালেক মাঝী — সাবেক সাধারণ সম্পাদক, হরিনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপি মোঃ মাজহারুল ইসলাম — সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খ হরিনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপিআব্দুস সাত্তার মাঝী — সদস্য, আরও  পড়ুন, মহাদেবপুরে স্বর্ণকারকে কুপিয়ে হত্যা, ৬ ভরি সোনা ও ৭ লাখ টাকা ছিনতাইবরিশাল উত্তর জেলা যুবদল ও নেতা, হরিনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপিআজিম উদ্দিন — সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, হিজলা উপজেলা যুবদলইমরান খন্দকার — সদস্য, হিজলা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলজাহিদ হাসান হিরা — সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক, বরিশাল জেলা ছাত্রদলকবির সরদার — নেতা, হরিনাথপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলসালাম খান — সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, হরিনাথপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলসমাবেশে বক্তারা বিদ্যালয়ের শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শ্রেণি উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। একই সাথে অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয় সুধীজনের যৌথ সহযোগিতায় বিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ আরও সুদৃঢ় ও উন্নত করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।

মহাদেবপুরে স্বর্ণকারকে কুপিয়ে হত্যা, ৬ ভরি সোনা ও ৭ লাখ টাকা ছিনতাই

মহাদেবপুরে স্বর্ণকারকে কুপিয়ে হত্যা, ৬ ভরি সোনা ও ৭ লাখ টাকা ছিনতাই

নওগাঁর মহাদেবপুরে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের হামলায় অলিফ চন্দ্র দত্ত নামে এক স্বর্ণকার নিহত হয়েছেন। পরিবারের দাবি, হামলার পর তার কাছ থেকে প্রায় ৬ ভরি সোনা ও নগদ ৭ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।নওগাঁর মহাদেবপুরে বাড়ির সামনে স্বর্ণকারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা এবং সোনা ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে।নিহত অলিফ চন্দ্র দত্তের বয়স ৪৫ বছর। তিনি উপজেলার দুলালপাড়া গ্রামের মৃত সুনিল চন্দ্র দত্তের ছেলে।স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, প্রতিদিনের মতো সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মহাদেবপুর বাজারে নিজের স্বর্ণের দোকান বন্ধ করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন অলিফ চন্দ্র দত্ত।আরও  পড়ুন, বাসন থানার বিশেষ অভিযানে মাদক মামলার আসামীসহ ৩ জন গ্রেফতাররাত ৯টার দিকে বাড়ির সামনে পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা পেছন থেকে তার মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে সজোরে আঘাত করে।আঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন অলিফ। এ সময় তার সঙ্গে থাকা প্রায় ৬ ভরি সোনা ও নগদ ৭ লাখ টাকা নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায় হামলাকারীরা।পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।মহাদেবপুর থানার ওসি ওমর ফারুক জানান, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।পুলিশ বলছে, ঘটনাটি শুধু ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে সংঘটিত হয়েছে, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো শত্রুতা বা কারণ রয়েছে—তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

বাসন থানার বিশেষ অভিযানে মাদক মামলার আসামীসহ ৩ জন গ্রেফতার

বাসন থানার বিশেষ অভিযানে মাদক মামলার আসামীসহ ৩ জন গ্রেফতার

গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা পুলিশ ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মাদক মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামীসহ মোট তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযানের সময় পাঁচশত (৫০০) গ্রাম গাঁজাসহ মাদক মামলার এজাহারনামীয় আসামী মোসাঃ হোসনে আরা (৫০)-কে গ্রেফতার করা হয়। তিনি গাজীপুর জেলার বাসন থানার নলজানী এলাকার (এলজিইডি ভবনের পেছনে, কাঁচারী পুকুর পাড়) বাসিন্দা। তার পিতা মৃত আহাদ আলী, মাতা মৃত গোলাপজান এবং স্বামী মৃত নূর ইসলাম।আরও  পড়ুন, ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় আখাউড়ায় গ্রেফতার আশুলিয়া থানার ২ হত্যা মামলার আসামিএছাড়া ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় আলম হোসেন (২৬)-কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানার ছালোরা গ্রামের আব্বাস আলী ও রোকেয়া বেগমের ছেলে। বর্তমানে তিনি গাজীপুর মহানগরের নাওজোড় হোসেন মার্কেট এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।একই অভিযানে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত মোট তিনজনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে তাদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।বাসন থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ দমনে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় আখাউড়ায় গ্রেফতার আশুলিয়া থানার ২ হত্যা মামলার আসামি

ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় আখাউড়ায় গ্রেফতার আশুলিয়া থানার ২ হত্যা মামলার আসামি

 আশুলিয়া থানায় দুটি হত্যা মামলার আসামি ইদ্রিস আলী (৪০) ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে।মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ইদ্রিস আলী নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতারের পর আখাউড়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন ইমিগ্রেশন পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইনচার্জ মো. শরীফুল ইসলাম।মূলত, একাধিক হত্যা মামলা থাকার কারণে তার বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ছিল।ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্র জানায়, অভিযুক্ত ইদ্রিস আলী, মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে, তার ছোট বোন ও ভাগিনাকে সঙ্গে নিয়ে ভারতে যাওয়ার জন্য আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনে আসেন।সে সময় কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে ৫ আগস্টের পর ঢাকার আশুলিয়া থানায় একাধিক হত্যা মামলা থাকার বিষয়টি জানতে পেরে তাকে গ্রেফতার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। .আরও  পড়ুন ,বিদ্যুতের সংকটে সরিষাবাড়ী হাসপাতাল, দুর্ভোগে রোগী-স্বজনতবে তার বোনের বিরুদ্ধে কোনো মামলা না থাকায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। তিনি আশুলিয়ার জামপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আলী আহম্মদের ছেলে।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অবৈধ অস্ত্র সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের তথ্যসহ ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগ আছে।এছাড়াও তার বিরুদ্ধে এলাকায় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে আধিপত্য বিস্তার ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দায়িত্বরত ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, ইদ্রিস আলী ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সকালে ইমিগ্রেশন করতে আসেন। এ সময় তার ডাটাবেজ যাচাইয়ে দেখা যায়, তার নামে একাধিক হত্যা মামলা রয়েছে। পরে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে গ্রেফতার করে আখাউড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়। 

আন্তর্জাতিক

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের নিশানায় মার্কিন জাহাজ

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের নিশানায় মার্কিন জাহাজ

ইরানের তৈরি ডেস্ট্রয়ার-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র প্রথমবারের মতো একটি মার্কিন জাহাজকে লক্ষ্য করে ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল কাউন্সিলের সেক্রেটারি মোহসেন রেজায়ী।টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রেজায়ী বলেন, প্রায় ৪৮ ঘণ্টা আগে প্রথমবারের মতো একটি মার্কিন জাহাজকে লক্ষ্য করে ইরানি ডেস্ট্রয়ার-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হয়।তার দাবি, ক্ষেপণাস্ত্রটির প্রভাবে মার্কিন জাহাজটি ওই এলাকা থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়।তবে ইরানের এই দাবির বিষয়ে এখনো সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড।এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় ইরানের বিপ্লবী গার্ডকে কঠোর সতর্কবার্তা দেয় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড।বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি জাহাজে হামলা চালানো হলে এর চেয়েও বড় অর্থনৈতিক মূল্য দিতে হবে। আড়ও পড়ুন,আগ্নেয় ছাইয়ে জাকার্তা, বাতিল ৩০১ ফ্লাইট; নেই সুনামির ঝুঁকিএকই সঙ্গে ইরানের তিনটি জাহাজ ধ্বংস করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।মার্কিন বাহিনীকে সুরক্ষিত রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে তারা দ্বিধা করবে না বলেও জানানো হয়েছে।এমনকি প্রয়োজনে ইরানের সীমিত ও ঝুঁকিপূর্ণ তেলবাহী জাহাজের বহর ধ্বংস করা হতে পারে বলেও সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র।অন্যদিকে, ইরানের বিপ্লবী গার্ডের সাবেক কমান্ডার মোহসেন রেজায়ী ওই অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি নিয়েও সতর্ক করেছেন।তার দাবি, ইরানের সঙ্গে সমন্বয় ছাড়া পরিচালিত জাহাজগুলোকে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় যুক্ত করা হতে পারে। এতে বীমা জটিলতার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এসব জাহাজের চলাচলেও নানা ধরনের বাধা তৈরি হতে পারে।ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারির মধ্যে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে সামুদ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি।তবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের দাবি এবং মার্কিন জাহাজ সরে যাওয়ার দাবির স্বাধীন কোনো নিশ্চিতকরণ এখনো পাওয়া যায়নি।

২২ ঘন্টা আগে

রাজধানী

বৃষ্টিতে ভিজতে ছাদে উঠে বজ্রপাতে প্রাণ গেল তরুণের

বৃষ্টিতে ভিজতে ছাদে উঠে বজ্রপাতে প্রাণ গেল তরুণের

রাজধানীর হাজারীবাগে চার বছরের ভাতিজিকে নিয়ে বৃষ্টিতে ভেজার জন্য ছাদে উঠে বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছেন ১৮ বছর বয়সী মো. রিয়াজ। এ ঘটনায় তার চার বছরের ভাতিজি অন্তরা গুরুতর আহত হয়েছে। স্বজনরা জানিয়েছেন, শিশুটির অবস্থাও আশঙ্কাজনক।সোমবার দুপুর পৌনে ৩টার দিকে হাজারীবাগ থানার ৩০ ফুট এলাকার বউবাজারে একটি চারতলা ভবনের ছাদে এ ঘটনা ঘটে।স্বজনদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে রিয়াজ তার চার বছরের ভাতিজি অন্তরাকে নিয়ে ওই ভবনের ছাদে ওঠেন। বৃষ্টিতে ভেজার জন্য তাদের ছাদে উঠতে দেখে পরিবারের একজন তাদের সেখানে না থাকার জন্য সতর্কও করেছিলেন।এর কিছুক্ষণ পরই বিকট শব্দে বজ্রপাত হয়। পরে ছাদের পেছনে থাকা এক ভাড়াটিয়ার চিৎকার শুনে স্বজনরা সেখানে গিয়ে রিয়াজ ও অন্তরাকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।দ্রুত তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। রিয়াজকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।আরও  পড়ুন, গুলশানে গেস্ট হাউজ ও দীর্ঘদিনের স্পা ব্যবসায় কোটিপতি মিরাজঅন্যদিকে, শিশু অন্তরাকে শিকদার মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে। স্বজনদের দাবি, তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।রিয়াজের স্বজনরা জানান, তিনি আগে হাজারীবাগের একটি জুতা ও লেদার কারখানায় কাজ করতেন। কিছুদিন গ্রামের বাড়িতে থাকার পর প্রায় এক মাস আগে আবার ঢাকায় ফিরে কাজে যোগ দেন।নিহত রিয়াজের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদর থানার চর রমণী গ্রামে। তার বাবার নাম মো. ইউসুফ। বর্তমানে তিনি হাজারীবাগের বউবাজার এলাকায় বসবাস করতেন।ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান রিয়াজের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং ঘটনাটি হাজারীবাগ থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।বৃষ্টির সময় বজ্রপাতের ঝুঁকি থাকায় খোলা ছাদ, মাঠ কিংবা উঁচু স্থানে অবস্থান না করার পরামর্শ দিয়ে আসছেন সংশ্লিষ্টরা।

৬ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

‘ব্রাজিল আর কখনো বিশ্বকাপ জিতবে না’সিলাসের বিস্ফোরক মন্তব্য

‘ব্রাজিল আর কখনো বিশ্বকাপ জিতবে না’সিলাসের বিস্ফোরক মন্তব্য

ব্রাজিলের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য হতাশার খবর। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল আর কখনো বিশ্বকাপ জিততে পারবে না—এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন দেশটির সাবেক জাতীয় দলের খেলোয়াড় ও কোচ পাওলো সিলাস। ব্রাজিলিয়ান ফুটবলে বিদেশি খেলোয়াড়ের আধিক্যকেই এর অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন তিনি।ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের অন্যতম পরিচিত মুখ পাওলো সিলাস। জাতীয় দলের হয়ে খেলার পাশাপাশি গ্রেমিও ও ফ্লামেঙ্গোর মতো ক্লাবেও কাজ করেছেন তিনি।এবার সেই সিলাসই ব্রাজিলের জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রকাশ করেছেন চরম হতাশা।ইএসপিএন আর্জেন্টিনার এক অনুষ্ঠানে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সরাসরি তিনি বলেন—‘ব্রাজিল আর কখনো চ্যাম্পিয়ন হবে না।’সিলাসের এমন মন্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।আরও  পড়ুন, টানা তিন জয়, জুনিয়র এশিয়া কাপে চ্যালেঞ্জার পুলের শীর্ষে বাংলাদেশ তবে শুধু জাতীয় দলের পারফরম্যান্স নয়, ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের কাঠামোগত সমস্যাকেও এর পেছনে দায়ী করছেন সাবেক এই খেলোয়াড়।তার অভিযোগ, ব্রাজিলের ক্লাব ফুটবলে বিদেশি খেলোয়াড়ের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে। ফলে দেশটির তরুণ ফুটবলারদের মূল দলে জায়গা পাওয়ার সুযোগ কমে যাচ্ছে।উদাহরণ হিসেবে গ্রেমিওর কথা তুলে ধরেন সিলাস। তার দাবি, ক্লাবটির দলে ১৩ জন বিদেশি খেলোয়াড় রয়েছে। অথচ তাদের কেউই নিজ নিজ জাতীয় দলের প্রথম একাদশে নিয়মিত খেলেন না। তারপরও তারা জায়গা দখল করে রাখায় ব্রাজিলের তরুণ প্রতিভাদের উঠে আসার পথ সংকুচিত হচ্ছে।সিলাসের ভাষায়, পুরো দলটাই এখন এমন খেলোয়াড়ে ভরে গেছে, যাদের উপস্থিতিতে স্থানীয় তরুণদের জন্য সুযোগ কমে যাচ্ছে।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর