দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1003.4 hPa
30.5° 77%
3mm
চট্টগ্রাম 1004 hPa
30.4° 81%
100° 3mm
রাজশাহী 1003.1 hPa
31.7° 76%
20° 3mm
খুলনা 1003 hPa
32° 77%
3mm
বরিশাল 1003.5 hPa
31.5° 74%
3mm
সিলেট 1004.3 hPa
28.9° 83%
20° 3mm
রংপুর 1003 hPa
30.4° 87%
20° 3mm
ময়মনসিংহ 1004.2 hPa
30° 84%
3mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

গ্রাহকের অর্থ কোথায়? Divine Group-এর প্রকল্প ও সম্পদ

গ্রাহকের অর্থ কোথায়? Divine Group-এর প্রকল্প ও সম্পদ

দেশের আবাসন ও পর্যটন খাতে দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম চালিয়ে আসা Divine Group-এর বিভিন্ন প্রকল্প, গ্রাহকের অর্থ ব্যবস্থাপনা, জমির মালিকানা, প্রকল্প বাস্তবায়ন, কর্পোরেট গভর্ন্যান্স, কর-ভ্যাট ও কমপ্লায়েন্স এবং গ্রাহক রিফান্ড নিয়ে একাধিক গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। ১৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রস্তুত করা একটি Preliminary Findings, Risk Assessment & Corporate Governance Report-এ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমের ওপর প্রাথমিক মূল্যায়নে একাধিক ক্ষেত্রে ‘অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকি’ চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে প্রতিবেদনের শুরুতেই স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এতে থাকা প্রতারণা, অর্থ পাচার, অর্থ আত্মসাৎ, রাজনৈতিক প্রভাব, ব্যক্তিগত স্বার্থে অর্থ ব্যবহার কিংবা অন্য কোনো বেআইনি কর্মকাণ্ডের অভিযোগকে আদালত বা নিয়ন্ত্রক সংস্থা কর্তৃক প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে না। বরং এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে নথিপত্র, ব্যাংক রেকর্ড, ভূমি রেকর্ড, আদালতের নথি, অডিট এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাইয়ের প্রয়োজন রয়েছে।আরও পড়ুন: ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে দেশজুড়ে র‍্যাবের বাড়তি নিরাপত্তাপ্রাথমিক অনুসন্ধানভিত্তিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, Divine প্রায় ২০০৯ সালে Divine Holdings Limited নামে ব্যবসা শুরু করে। শুরুতে রাজধানীর পূর্বাচল এলাকার ২৬ ও ২৭ নম্বর সেক্টরের কাছাকাছি একটি ভূমি উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়। সময়ের সঙ্গে প্রকল্পটি বিভিন্ন নামে বাজারজাত করা হয়েছে এবং বর্তমানে সেটি Divine Purbachal City নামে উপস্থাপিত হচ্ছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, পূর্বাচল প্রকল্পে প্রায় ৫৫৬ কাঠা জমি গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে বলে দাবি রয়েছে। এসব গ্রাহকের প্রায় ৯০ শতাংশ মধ্যপ্রাচ্য ও মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি বা NRB বলে উল্লেখ করা হয়েছে।বিদেশে থাকা গ্রাহকদের বড় অংশের ওপর নির্ভরশীল এই ব্যবসায়িক মডেলকে প্রতিবেদনে একটি ঝুঁকির কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। কারণ, দেশের বাইরে অবস্থানরত ক্রেতাদের পক্ষে প্রকল্পের জমির বাস্তব অবস্থা, মালিকানা, দখল ও উন্নয়নকাজ সরেজমিনে যাচাই করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে।Divine-এর ভূমি প্রকল্পের জমির পরিমাণ নিয়েও প্রতিবেদনে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে প্রায় ১ হাজার ৩০০ বিঘার একটি land project উপস্থাপনের তথ্য রয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় ৪৫ বিঘা জমি acquisition করা হয়েছে বলে দাবি থাকার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, বাস্তবে প্রতিষ্ঠানের নিজস্বভাবে অর্জিত জমির পরিমাণ হয়তো পাঁচ বিঘার বেশি নয়। তবে প্রতিবেদনে এটিকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি; বরং ভূমি-সংক্রান্ত নথি দিয়ে বিষয়টি সম্পূর্ণ যাচাই করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।এক্ষেত্রে নিবন্ধিত দলিল, নামজারি, খতিয়ান, ভূমি উন্নয়ন করের রসিদ, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি, বিক্রয় চুক্তি, জমির মূল্য পরিশোধের রেকর্ড, দখল সংক্রান্ত নথি, মামলা-মোকদ্দমার তথ্য এবং গ্রাহকের কাছে বরাদ্দ দেওয়া জমির তালিকা যাচাইয়ের কথা বলা হয়েছে। এসব নথিতে ঘোষিত জমি ও আইনগতভাবে অর্জিত জমির মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য পাওয়া গেলে সেটি ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় ধরনের সতর্কসংকেত হতে পারে।আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানদের সৌজন্য সাক্ষাৎপ্রাথমিক প্রতিবেদনে গত প্রায় ১৭ বছরের কার্যক্রম নিয়ে আরও একটি প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, Divine-এর ব্যবসার বড় অংশ ভূমি বিক্রি ও গ্রাহকের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের ওপর নির্ভরশীল ছিল বলে তথ্য পাওয়া যায়। অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্প এলাকায় পর্যাপ্ত site development হয়নি, অবকাঠামো উন্নয়ন সীমিত এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের তুলনায় sales activity বেশি ছিল। ফলে গ্রাহকদের কাছ থেকে সংগৃহীত অর্থের কত অংশ প্রকৃত প্রকল্প উন্নয়নে ব্যয় হয়েছে সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। এই প্রশ্নের উত্তর পেতে project-wise accounting এবং প্রতিটি প্রকল্পের আয়-ব্যয়ের পৃথক হিসাব যাচাই করা জরুরি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।Divine-এর ব্যবসার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় কক্সবাজারের হোটেল প্রকল্প। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পূর্বাচলের ভূমি ব্যবসার পর কক্সবাজারে একটি পাঁচ তারকা হোটেল প্রকল্পের জন্য অর্থ সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্পটির প্রাথমিক নাম ছিল Divine Sea Point। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটির জন্য ১ হাজার ৩০০টির বেশি শেয়ার বিক্রি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে এবং প্রতি শেয়ারের গড় মূল্য ছিল প্রায় ৬ লাখ টাকা। প্রায় ২০১৭ সাল পর্যন্ত শেয়ার বিক্রির কার্যক্রম চলেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। পরবর্তীতে একই প্রকল্প Cox Holiday Inn নামে বাজারজাত করা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া যায়।এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রশ্ন দাঁড়িয়েছে গ্রাহকের কাছ থেকে মোট কত টাকা সংগ্রহ হয়েছে, তার কত অংশ জমি কেনায়, কত অংশ নির্মাণকাজে, কত অংশ প্রকল্প পরিচালনায় এবং কত টাকা রিফান্ড হিসেবে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বর্তমানে প্রকল্পটির সম্পদ ও দায় কত সেটিও নির্ভরযোগ্য নথি দিয়ে পুনর্মিলন করা প্রয়োজন।আরও পড়ুন: শিক্ষা সহযোগিতা জোরদারে চীন সফরে শিক্ষামন্ত্রী মিলনCox Holiday Inn প্রকল্পের নির্মাণ অগ্রগতি নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, করোনা মহামারির সময়ে নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল। বেজমেন্ট এবং একতলা পর্যন্ত নির্মাণের পর কাজ বন্ধ হয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। প্রায় ২০২১ সাল থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রকল্পটি কার্যত stalled অবস্থায় থাকার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। ফলে পুরোনো নির্মাণ অসম্পূর্ণ থাকার পরও কেন নতুন করে গ্রাহক বা বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে—এ প্রশ্ন সামনে এসেছে।Cox Holiday Inn-এর জমির মালিকানা নিয়ে আরও গুরুতর প্রশ্নের কথা বলা হয়েছে। কিছু জমি Divine Holdings Limited-এর নামে, কিছু Divine Hotel and Resort Limited-এর নামে এবং কিছু জমি খাস হতে পারে এমন তথ্য প্রতিবেদনে রয়েছে। এছাড়া কিছু জমি এখনও Power of Attorney-ভিত্তিক হতে পারে এবং সম্পূর্ণ clean title chain প্রস্তুত হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে। এসব তথ্য সত্য হলে প্রকল্পটির জন্য বড় ধরনের আইনি ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এ কারণে স্বাধীন সম্পত্তি আইনজীবীর মাধ্যমে root of title, বর্তমান মালিকানা, নামজারি, খতিয়ান, ভূমি কর, দখল, খাস মর্যাদা, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি, বন্ধক, মামলা, অধিগ্রহণ নোটিশ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন যাচাই করার সুপারিশ করা হয়েছে।আরও পড়ুন: আব্দুল্লাহপুরে রাহিমের দাপটে হোটেল সি-গাল ও রাজমনিতে নারী-মাদক সিন্ডিকেটপ্রকল্পের নকশা, নির্মাণ এলাকা ও মার্কেটিং উপস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনুমোদিত বা নথিভুক্ত construction area প্রায় ৭৬ হাজার বর্গফুট হলেও marketing presentation-এ প্রায় ১ লাখ বর্গফুট দেখানো হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে প্রকল্পের মূল্য প্রায় ৩০০ কোটি টাকা হিসেবে উপস্থাপনের কথাও উল্লেখ রয়েছে। অনুমোদিত নকশা, স্থাপত্য পরিকল্পনা, structural design, MEP design, BOQ, construction permit ও হালনাগাদ অনুমোদন পরস্পরের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।Divine-এর বিভিন্ন প্রকল্প থেকে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে অন্য সম্পদ কেনা বা নিয়ন্ত্রণের অভিযোগও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এর মধ্যে কুড়িল এলাকায় হাসপাতালের জন্য জমি, প্রায় ২০০ কোটি টাকার প্রস্তাবিত হাসপাতাল প্রকল্প, সংসদ এলাকার কাছাকাছি হোটেল প্রকল্পের জমি, পূর্বাচলের বিভিন্ন জমি এবং ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অ্যাপার্টমেন্টের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, এসব সম্পদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ SM Habibur Rahman অথবা তাঁর step-brother Hedayat Mowla-এর নামে থাকতে পারে। তবে প্রায় ৯০ শতাংশ identified asset একজনের নামে থাকার যে দাবি করা হয়েছে, সেটি certified property record দিয়ে যাচাই করার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। এখানেই সামনে এসেছে একটি মৌলিক প্রশ্ন—কোনো সম্পদ যদি গ্রাহক বা প্রকল্পের অর্থ দিয়ে কেনা হয়ে থাকে, তাহলে সেটি সংশ্লিষ্ট কোম্পানি বা প্রকল্পের নামে নয় কেন? এর উত্তর পেতে source of funds এবং beneficial ownership অনুসন্ধান প্রয়োজন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।SM Habibur Rahman-এর বিভিন্ন সম্পত্তির বিপরীতে ব্যাংক ঋণ নেওয়া এবং কয়েকটি ঋণ খেলাপি হওয়ার অভিযোগও প্রতিবেদনে রয়েছে। ব্যাংকগুলোর আইনগত পদক্ষেপ, recovery proceedings এবং কয়েকটি মামলায় judgment হওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।সম্মিলিত ব্যাংক দাবির পরিমাণ ১০ কোটি টাকার বেশি হতে পারে বলে প্রাথমিক তথ্যের কথা বলা হয়েছে। তবে এসব দাবিও ব্যাংক ঋণের হিসাব, mortgage document, আদালতের রায়, recovery proceedings এবং বর্তমান outstanding-এর মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।আরও পড়ুন: গোবিপ্রবিতে মাসের ব্যবধানে ২ ভিসি পরিবর্তন, নতুন ভিসি ড. মো. সোহেল হাসানব্যবসায়িক আস্থা তৈরিতে রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিচয় ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, SM Habibur Rahman নিজেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্কের মাধ্যমে উপস্থাপন করেছেন এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে ছবি ব্যবহার করে গ্রাহক ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা তৈরির চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে রিপোর্টটি নিজেই সতর্ক করেছে এসবকে প্রমাণিত রাজনৈতিক সম্পর্ক বা অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না, যতক্ষণ না নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়।প্রতিবেদনে Divine-এর কথিত business model নিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর একটি তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে একটি সম্ভাব্য চিত্র দেখানো হয়েছে project presentation, customer trust, fund collection, fund utilization, project delay, new project বা resale এবং এরপর continued fund collection। অর্থাৎ পুরোনো প্রকল্পের দায় ও কাজ সম্পন্ন করার পরিবর্তে নতুন গ্রাহকের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের ওপর ব্যবসার ধারাবাহিকতা নির্ভর করছে কি না সেটিই অনুসন্ধানের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এজন্য গ্রাহকের টাকা কোন ব্যাংক হিসাবে গেছে, কার কাছে স্থানান্তর হয়েছে, কী উদ্দেশ্যে ব্যয় হয়েছে, কোন নথি দিয়ে তা সমর্থিত এবং শেষ পর্যন্ত প্রকৃত সুবিধাভোগী কে প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করার সুপারিশ করা হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে Divine নতুন করে Divine Purbachal City এবং Cox Holiday Inn প্রকল্পকে সামনে নিয়ে বাজারে সক্রিয় হয়। ২০২৫ সাল থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রায় ৫ কোটি টাকার hotel share sale এবং প্রায় ২.৫ কোটি টাকা collection হয়েছে বলে তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু একই সময়ে প্রকল্প উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এই হিসাব bank statement, share register ও customer ledger দিয়ে যাচাই করা প্রয়োজন।আরও পড়ুন: ঈদে মিলাদুন্নবী ঘিরে জশনে জুলুস ঘিরে চট্টগ্রামে কঠোর নিরাপত্তা, অস্ত্র বহনে নিষেধাজ্ঞাগ্রাহকদের রিফান্ড বা ফেরতযোগ্য অর্থ নিয়েও বড় ধরনের উদ্বেগের কথা বলা হয়েছে। প্রাথমিক প্রতিবেদনে ২০ কোটি টাকার বেশি refund-related issue থাকার দাবি এবং কিছু refund claim প্রায় ১৩ বছর ধরে unresolved থাকার অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিটি গ্রাহকের জন্য কত টাকা জমা হয়েছে, কোন প্রকল্পে, কখন দেওয়া হয়েছে, চুক্তি কী ছিল, রিফান্ডের তারিখ কখন, কত টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে এবং কত টাকা বকেয়া—এসব তথ্য নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ customer liability schedule তৈরির সুপারিশ করা হয়েছে।Divine-এর বিরুদ্ধে ৬০ থেকে ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত investor/client fund mismanagement-এর একটি estimate থাকার কথাও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে স্পষ্ট করা হয়েছে এটি কোনো verified liability নয় এবং documentary evidence দিয়ে যাচাই করতে হবে। প্রস্তাবিত reconciliation অনুযায়ী মোট customer collection থেকে বৈধ ভূমি অধিগ্রহণ, নির্মাণ, পরিচালন ব্যয়, রিফান্ড, কর-ভ্যাট এবং যাচাইকৃত প্রকল্প সম্পদের মূল্য বাদ দিয়ে অব্যাখ্যাত অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে।Cox Holiday Inn-এর নামে customer money গ্রহণের জন্য একটি proprietorship account ব্যবহারের কথাও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। সেখানে Cox Holiday Inn একটি proprietorship business এবং সেটি SM Habibur Rahman-এর নিয়ন্ত্রণে বলে দাবি করা হয়েছে। এখানে প্রশ্ন উঠেছে যদি গ্রাহকের কাছে company share বা ownership বিক্রি করা হয়, তাহলে কেন সেই অর্থ proprietorship account-এ যাবে? কে অর্থ গ্রহণ করছে, কোন entity contract করছে, কে share issue করছে, প্রকল্পের মালিক কে, জমির মালিক কে এবং বিনিয়োগকারীর কাছে আইনগতভাবে দায়ী entity কোনটি এসব বিষয়ে স্পষ্টতা থাকা জরুরি।আরও পড়ুন: অনৈতিক কর্মকাণ্ড নয়, গঠনমূলক কাজে দল শক্তিশালী করুন: রিজভীDivine-এর বিভিন্ন কোম্পানির Tax, VAT, Trade License এবং অন্যান্য regulatory compliance দীর্ঘদিন সঠিকভাবে maintained হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ২০১৩ সালের পর থেকে compliance gap থাকার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে RJSC filing, আয়কর রিটার্ন, VAT return, trade license, corporate annual return, audited financial statement, bank account status এবং regulatory approval যাচাই করার সুপারিশ করা হয়েছে।প্রতিবেদনটির একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হলোসাধারণ management accounting-এর পরিবর্তে Divine-এর ক্ষেত্রে forensic audit বেশি উপযোগী হতে পারে। Cash book, general ledger, customer ledger, bank reconciliation, project accounts, refund ledger, share-sale ledger, construction expense, related-party payment, personal expense, loan liability এবং asset register যাচাইয়ের কথা বলা হয়েছে।গ্রাহকের অর্থ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিযোগ থাকলেও রিপোর্টে এটিকে সরাসরি ‘money laundering’ হিসেবে ঘোষণা না করার সতর্কতা রয়েছে। বরং Potential Fund Diversion/Misuse of Customer Funds/Related-Party Transaction Risk হিসেবে forensic verification-এর বিষয় হিসেবে দেখানো হয়েছে।প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে কর্মীদের বেতন বিলম্ব, sales team-এর বেতন সমস্যা, প্রশিক্ষণের অভাব, HR policy-এর ঘাটতি, শ্রম আইন বাস্তবায়নের প্রশ্ন, unpaid/free work এবং কর্মী হয়রানির অভিযোগও প্রতিবেদনে রয়েছে। Sales team-এর প্রায় ৯০ শতাংশ কর্মী চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন বলে একটি দাবি উল্লেখ করা হয়েছে। এর সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বেতন সমস্যা, ব্যবস্থাপনার আচরণ, প্রশিক্ষণের অভাব, HR কাঠামোর দুর্বলতা, অবাস্তব প্রতিশ্রুতি এবং sales support-এর অভাবের কথা বলা হয়েছে। তবে এসব তথ্য payroll, employment contract, attendance, resignation record ও employee complaint দিয়ে যাচাই করা প্রয়োজন।আরও পড়ুন: ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ, নিরাপত্তা শঙ্কা নেই: জামায়াতপ্রতিবেদনে Divine-এর corporate governance কাঠামো নিয়েও একাধিক প্রশ্ন রয়েছে। Board oversight, financial control, segregation of duties, project accounting, customer fund segregation, contract management, tax/VAT compliance, HR, asset ownership, related-party transaction এবং investor reporting বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্বলতার আশঙ্কা চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষ করে Managing Director-কেন্দ্রিক অতিরিক্ত প্রশাসনিক ও আর্থিক নিয়ন্ত্রণের অভিযোগকে বড় governance risk হিসেবে দেখা হয়েছে।প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়নে Project Execution, Land Title, Financial Transparency, Customer Refund, Corporate Governance, Accounting Control, Investor Protection, Management Dependency এবং Construction Risk এসব ক্ষেত্রে ‘অত্যন্ত উচ্চ’ ঝুঁকি দেখানো হয়েছে। Regulatory Compliance-কে উচ্চ থেকে অত্যন্ত উচ্চ এবং HR & Employment-কে উচ্চ ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। Related-party transaction ও fund diversion-এর ঝুঁকিও অত্যন্ত উচ্চ বলা হয়েছে, তবে যাচাই সাপেক্ষে।প্রতিবেদনের চূড়ান্ত মূল্যায়নে বলা হয়েছে, নতুন বিনিয়োগ, share purchase বা customer fund collection-এর আগে ব্যাপক independent due diligence প্রয়োজন। এজন্য forensic financial audit, land audit, legal audit, tax/VAT audit এবং project audit করার সুপারিশ করা হয়েছে।আরও পড়ুন: ছয় মাসে সরকার একটি কথাও রাখতে পারেনি: মান্নাDivine Group-কে ঘিরে উঠে আসা প্রশ্নগুলোর ব্যাপ্তি এখন শুধু একটি প্রকল্পের নির্মাণ অগ্রগতি বা গ্রাহকের রিফান্ডে সীমাবদ্ধ নেই। জমির মালিকানা, প্রকল্প অনুমোদন, গ্রাহকের অর্থ কোথায় যাচ্ছে, কোম্পানির নামে সম্পদ কেন নেই, কর্পোরেট কাঠামো কতটা স্বচ্ছ, রিফান্ডের দায় কত এবং নতুন করে অর্থ সংগ্রহের আর্থিক ভিত্তি কী—এসব প্রশ্ন একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত।তবে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো—অভিযোগকে রায় হিসেবে উপস্থাপন না করা। Divine Group বা সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তিকে প্রতারক, অর্থ পাচারকারী বা অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করার মতো প্রমাণ এই রিপোর্টে নেই। বরং মূল নথিটিও বলছে, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ভূমির দলিল, customer ledger, আদালতের নথি, tax/VAT record, approved plan, construction BOQ এবং audited financial statement স্বাধীনভাবে যাচাই করাই হবে প্রকৃত সত্য নির্ধারণের ভিত্তি।অতএব এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন দীর্ঘদিনের পুরোনো প্রকল্প, অসম্পূর্ণ নির্মাণ, সম্ভাব্য রিফান্ড দায় এবং নতুন করে অর্থ সংগ্রহের মধ্যে বাস্তব আর্থিক ভারসাম্য কোথায়? গ্রাহকদের অর্থ যে উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে, সেই অর্থের প্রতিটি টাকা কি প্রকল্প পর্যন্ত trace করা সম্ভব?

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

রিয়াদ অগ্নিকাণ্ড: দেশে ফিরছে ৯ বাংলাদেশির মরদেহ, আত্রাইয়ের ৭ জন

সৌদি আরবের রিয়াদে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ বাংলাদেশির মধ্যে শনাক্ত হওয়া ৯ জনের মরদেহ আজ দেশে ফিরছে। নিহতদের মধ্যে সাতজনই নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বাসিন্দা।বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৩৪০ ফ্লাইটে মরদেহগুলো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।আত্রাইয়ের নিহত সাতজন হলেন—উদনপৈ গ্রামের ফরিদ, গন্ডগোহালী গ্রামের রুবেল প্রামাণিক, কলিমউদ্দিন ইসলাম, মোহন আলী ও তার ছোট ভাই সুমন আলী, ডুবাই গ্রামের সোহেল রানা এবং পারকাসুন্দা গ্রামের আব্দুল জলিল সরকার।এ ছাড়া নাটোরের নলডাঙ্গার রবিউল ইসলাম এবং রাজশাহীর বাগমারার শ্যামল উদ্দিনের মরদেহও শনাক্ত হয়েছে।আরও  পড়ুন, রিয়াদে কারখানায় আগুনে নিহত ১৬ বাংলাদেশির ৯ জনের মরদেহ আসছে কালগত ৯ আগস্ট রিয়াদের একটি সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারান এই বাংলাদেশি শ্রমিকরা। ফিঙ্গারপ্রিন্ট পরীক্ষার মাধ্যমে প্রথম দফায় নয়জনের পরিচয় নিশ্চিত করে সৌদি কর্তৃপক্ষ। তবে ডিএনএ পরীক্ষা শেষ না হওয়ায় বাকি সাতজনের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।ফলে স্বজনদের অপেক্ষাও শেষ হচ্ছে না। দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।আত্রাইয়ের ইউএনও মো. মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, প্রশাসনের সমন্বয়ে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে পৌঁছে দিতে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে শুক্রবার রাতের মধ্যে মরদেহগুলো নিজ নিজ গ্রামে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।দূতাবাস জানিয়েছে, বাকি সাতজনের ডিএনএ ম্যাচিং সম্পন্ন হলেই তাদের মরদেহও দ্রুত দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হবে।প্রবাসে পরিবারের স্বপ্ন পূরণে ছুটে যাওয়া এসব শ্রমিকের নিথর দেহ দেশে ফিরলেও, তাদের স্বজনদের জীবনে নেমে এসেছে অপূরণীয় শোক।

রিয়াদে কারখানায় আগুনে নিহত ১৬ বাংলাদেশির ৯ জনের মরদেহ আসছে কাল

সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ বাংলাদেশির মধ্যে ৯ জনের মরদেহ আগামীকাল বৃহস্পতিবার দেশে আনা হবে।বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।মন্ত্রণালয় জানায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ৩৪০ ফ্লাইটে নিহত ৯ বাংলাদেশির মরদেহ আগামীকাল বিকেল ৪টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।মরদেহ গ্রহণ করতে বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকবেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।আরও  পড়ুন, সংসদের তৃতীয় অধিবেশন কাল, বিরোধীদের তোপে পড়তে পারে সরকারসৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে একটি সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি নিহত হন। মর্মান্তিক এ ঘটনায় স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।নিহতদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর স্বজনরা প্রিয়জনের মরদেহের অপেক্ষায় রয়েছেন। আগামীকাল ৯ জনের মরদেহ দেশে পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে তাদের সেই অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে।বাকি নিহতদের মরদেহ কবে দেশে আনা হবে, সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

সংসদের তৃতীয় অধিবেশন কাল, বিরোধীদের তোপে পড়তে পারে সরকার

আগামীকাল বিকেল ৩টায় বসছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন। রাজনৈতিক ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনার কারণে এবারের অধিবেশন ঘিরে তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট, লোডশেডিং ও জনদুর্ভোগের বিষয়গুলোতে সরকারকে জবাবদিহির মুখে ফেলতে চান বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা।বিরোধী দলীয় এমপিরা বলছেন, সরকার ইতোমধ্যে দায়িত্ব পালনের ছয় মাস পূর্ণ করেছে। তাই সরকারের কাছে এখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য-ব্যর্থতার হিসাব চাইবেন তারা। দেশ গঠনে সরকারের দুর্বলতা এবং জনগণের দুর্ভোগের বিষয়গুলো সংসদে তুলে ধরে কার্যকর বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করার কথাও জানিয়েছেন তারা।তবে সরকারদলীয় এমপিদের মতে, সংসদীয় গণতন্ত্রে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে বিতর্ক এবং বিভিন্ন ইস্যুতে মতপার্থক্য স্বাভাবিক। দেশের স্বার্থে গঠনমূলক আলোচনা হওয়াই সংসদের সৌন্দর্য।আরও  পড়ুন, আনসার-ভিডিপির উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতএদিকে সংবিধান সংশোধন, সংসদীয় কমিটি গঠন, গণভোটের বিধান এবং জুলাই সনদ—এই চারটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য থাকায় অধিবেশনে উত্তপ্ত বিতর্কের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তন এবং সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে বিরোধী দলের ভূমিকা ও সভাপতি পদ বণ্টন নিয়ে টানাপড়েন তৈরি হতে পারে।অধিবেশনকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদ ভবন ও আশপাশের এলাকায় জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আজ রাত ১২টা থেকে অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট এলাকায় সভা-সমাবেশ, মিছিল ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।ফার্মগেট, বিজয় সরণি, শ্যামলী মোড়সহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বাড়ানো হয়েছে টহল ও নজরদারি। বসানো হয়েছে অতিরিক্ত চেকপোস্ট এবং বাড়ানো হয়েছে ক্যামেরার আওতা।সব মিলিয়ে, রাজনৈতিক বিতর্ক ও জনদুর্ভোগের ইস্যুতে এবারের সংসদ অধিবেশন বেশ সরগরম হতে পারে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের।

আনসার-ভিডিপির উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তরসহ সব ইউনিটে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। পরে জোহরের নামাজ শেষে সদর দপ্তর মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।এ সময় অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুনূর রশীদ, উপমহাপরিচালকসহ সদর দপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আনসার-ভিডিপি একাডেমি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের মাঝে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়।আরও  পড়ুন, সরকার ভুল করলে আঙুল দিয়ে ধরিয়ে দিন: আইনমন্ত্রীদোয়া অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, দরুদ ও সালাম পেশ করা হয়। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মানবিকতা, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, ন্যায়বিচার, সততা ও শান্তির শিক্ষা অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।বিশেষ মোনাজাতে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের সুরক্ষা এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সার্বিক উন্নতি কামনা করা হয়। পাশাপাশি বাহিনীর সদস্য ও তাদের পরিবারের সুস্থতা এবং দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়।এ সময় মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণ করে সততা, দায়িত্ববোধ, শৃঙ্খলা ও মানবিকতার সঙ্গে দেশ ও জনগণের সেবায় কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।সদর দপ্তরের পাশাপাশি বাহিনীর অধীন সব ইউনিটেও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করা হয়েছে।

রাজনীতিরাজনীতি

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পাঁচ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পাঁচ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পাঁচ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের যৌথসভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ১ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টায় দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।এ ছাড়া ৫ সেপ্টেম্বর আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। এতে দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেবেন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উন্মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণ এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও পালন করবে দলটি।আরও  পড়ুন, ৬ দফা দাবিতে ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ, সফল করার আহ্বান জামায়াতেরসংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী জানান, বিএনপির কাউন্সিলের দিন-তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে শিগগিরই কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে।তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে বিএনপি সবসময় সততার পরিচয় দিয়েছে। নানা সংগ্রাম ও শোক ধারণ করে দলটি এগিয়ে যাচ্ছে। নিপীড়ন ও অত্যাচারের মুখেও ফ্যাসিবাদীরা বিএনপিকে ন্যূনতম ক্ষতি বা আত্মসমর্পণ করাতে পারেনি।শরীয়তপুরে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, বিষয়টি দলের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৬ দফা দাবিতে ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ, সফল করার আহ্বান জামায়াতের

৬ দফা দাবিতে ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ, সফল করার আহ্বান জামায়াতের

ছয় দফা দাবিতে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।মঙ্গলবার দুপুরে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, কোনো ধরনের উসকানির সুযোগ না দিয়ে শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে লংমার্চ কর্মসূচি পালন করা হবে। কর্মসূচিতে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।তিনি জানান, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে দলীয়করণ বন্ধ—এই ছয় দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্য এ কর্মসূচির আয়োজন করছে।জামায়াতের এই নেতা জানান, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় ঢাকার শাপলা চত্বর থেকে লংমার্চ শুরু হবে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক হয়ে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে গিয়ে কর্মসূচি শেষ হবে। পথে মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অনুষ্ঠিত হবে পথসভা।আরও  পড়ুন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি ঠিক করতে বিএনপির যৌথসভা লংমার্চে এক হাজারের বেশি যানবাহন অংশ নিতে পারে বলেও জানান তিনি। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও মহানগর এলাকা থেকে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ এতে অংশ নেবেন বলে আশা করছে ১১ দলীয় ঐক্য।কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ রাখতে পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে বলেও জানান মিয়া গোলাম পরওয়ার। সাধারণ মানুষের চলাচলে যাতে কম বিঘ্ন ঘটে, সে জন্য মহাসড়কের একটি অংশ দিয়ে লংমার্চের বহর পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। অন্য অংশ দিয়ে সাধারণ যানবাহন চলাচল অব্যাহত রাখার চেষ্টা করা হবে।তবে বড় এই কর্মসূচির কারণে কোথাও সাময়িক ভোগান্তি হতে পারে উল্লেখ করে আগাম দেশবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, এটি একটি শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক রাজনৈতিক কর্মসূচি। কোনো ধরনের উসকানির সুযোগ না দিয়ে লংমার্চ সফল করতে প্রশাসন, রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম ও সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা চান তিনি।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি ঠিক করতে বিএনপির যৌথসভা

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি ঠিক করতে বিএনপির যৌথসভা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের—বিএনপির আসন্ন ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে যৌথসভা আহ্বান করেছে দলটি।বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ১২টায় শুরু হতে যাওয়া সভায় সভাপতিত্ব করবেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।মঙ্গলবার বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি এবং দলীয় করণীয় নির্ধারণ করতেই এই যৌথসভার আয়োজন করা হয়েছে।আরও পড়ুন, অনৈতিক কর্মকাণ্ড নয়, গঠনমূলক কাজে দল শক্তিশালী করুন: রিজভীসভায় দলের সংশ্লিষ্ট নেতাদের পাশাপাশি বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতারা অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে সামনে রেখে দলের সাংগঠনিক প্রস্তুতি, কর্মসূচির ধরন এবং তা বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে সভায় আলোচনা হতে পারে।বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী প্রতিবছরই দলীয়ভাবে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালন করা হয়। এবারও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি সারাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।নয়াপল্টনের এই যৌথসভা থেকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের কর্মসূচি ও দলীয় করণীয় বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অনৈতিক কর্মকাণ্ড নয়, গঠনমূলক কাজে দল শক্তিশালী করুন: রিজভী

অনৈতিক কর্মকাণ্ড নয়, গঠনমূলক কাজে দল শক্তিশালী করুন: রিজভী

অনৈতিক কর্মকাণ্ডে না জড়িয়ে গঠনমূলক কাজে অংশ নিয়ে বিএনপিকে আরও শক্তিশালী করতে নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।সোমবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা ও দোয়া শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ নির্দেশনা দেন তিনি।রিজভী বলেন, দলের মধ্যে দু-একজন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারেন। তবে দলীয় নাম ব্যবহার করে অপকর্মে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিএনপির চেয়ারম্যান কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন। তাই নেতা-কর্মীদের অনৈতিক কাজ থেকে বিরত থেকে জনগণের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।আরও  পড়ুন, ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ, নিরাপত্তা শঙ্কা নেই: জামায়াততিনি বলেন, দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড সুশৃঙ্খল ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করাই এখন অন্যতম দায়িত্ব। জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে নেতা-কর্মীদের মানুষের সঙ্গে আরও বেশি সম্পৃক্ত হতে হবে।রিজভীর ভাষ্য, বিএনপি জনগণের সমর্থন নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত কর্মসূচিগুলো জনস্বার্থ ও মানবকল্যাণকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে। এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে নেতা-কর্মীদের সহযোগিতা করতে হবে এবং জনগণের কাছে সরকারের কার্যক্রম তুলে ধরতে হবে।স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দলীয় প্রতীকে নির্বাচন না হওয়ায় স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা যাচাই-বাছাই করে যোগ্য প্রার্থীকে সমর্থন দেবেন।এ সময় বিএনপির জনপ্রিয়তা নিয়ে বিভিন্ন জরিপের কথা উল্লেখ করে রিজভী দাবি করেন, জনগণের স্বার্থে কাজ করলে বিএনপির সরকার ব্যর্থ হবে না।

সারাবাংলা

পূবাইলে ইঞ্জিন বিকল, ৪৫ মিনিট আটকা চট্টলা এক্সপ্রেস

পূবাইলে ইঞ্জিন বিকল, ৪৫ মিনিট আটকা চট্টলা এক্সপ্রেস

গাজীপুর মহানগরীর পূবাইলে ইঞ্জিন বিকল হয়ে প্রায় ৪৫ মিনিট রেললাইনে আটকা পড়ে চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেন। এতে ওই রেলপথে কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায় ট্রেন চলাচল। পরে ইঞ্জিন মেরামত করে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে আবার যাত্রা শুরু করে ট্রেনটি।বুধবার বিকেল ৫টা ৫ মিনিটের দিকে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা চট্টলা এক্সপ্রেস পূবাইল থানাধীন মিরের বাজার রেলক্রসিংয়ের কিছুটা আগে তালটিয়া এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়।এতে রেললাইনের ওপরই থেমে যায় ট্রেনটি। ফলে ওই পথে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায় অন্যান্য ট্রেনের চলাচলও। আকস্মিক এ ঘটনায় চট্টলা এক্সপ্রেসের যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন।আরও  পড়ুন, হালচাষের পাওনা টাকা নিয়ে সরাইলে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩০পরে রেলওয়ের সংশ্লিষ্টরা বিকল ইঞ্জিন মেরামতের কাজ শুরু করেন। প্রায় ৪৫ মিনিট পর ইঞ্জিন সচল হলে ট্রেনটি আবার চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে।পূবাইল স্টেশন মাস্টার মুসা জানান, তিনি ঘটনার সময় ডিউটিতে ছিলেন না। তবে শুনেছেন চট্টলা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন বিকল হয়েছিল। পরে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।ঞ্জিন বিকলের কারণে অল্প সময়ের জন্য রেলপথে ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। তবে চলন্ত ট্রেনে এ ধরনের যান্ত্রিক ত্রুটি নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

হালচাষের পাওনা টাকা নিয়ে সরাইলে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩০

হালচাষের পাওনা টাকা নিয়ে সরাইলে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩০

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে হালচাষের পাওনা টাকা নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। বুধবার বিকেলে উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের টিঘর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, টিঘর গ্রামের জামাল মিয়ার কাছে হালচাষের পাওনা টাকা পেতেন একই গ্রামের আইয়ুব খান। বুধবার সকালে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়।পরে সেই বিরোধ ছড়িয়ে পড়ে উভয়পক্ষের লোকজনের মধ্যে। একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। কয়েক ঘণ্টা ধরে চলা সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন।আহতদের উদ্ধার করে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়।আরও  পড়ুন, কোনাবাড়ীতে ভয়াবহ আগুন, পুড়ল ১২ ঝুটের গোডাউন তাদের মধ্যে কয়েকজনের আঘাত গুরুতর বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।সংঘর্ষের খবর পেয়ে সরাইল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নতুন করে সংঘর্ষের আশঙ্কায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনজুর কাদের ভূঁইয়া জানান, হালচাষের পাওনা টাকা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।সামান্য পাওনা টাকার বিরোধ কীভাবে বড় ধরনের সংঘর্ষে রূপ নিল, তা নিয়ে এলাকায় তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। ফের সংঘর্ষ এড়াতে ঘটনাস্থলে নজরদারি জোরদার করেছে পুলিশ।

কোনাবাড়ীতে ভয়াবহ আগুন, পুড়ল ১২ ঝুটের গোডাউন

কোনাবাড়ীতে ভয়াবহ আগুন, পুড়ল ১২ ঝুটের গোডাউন

গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১২টি ঝুটের গোডাউন পুড়ে গেছে। এতে বিপুল পরিমাণ ঝুটসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন গোডাউন মালিকরা। বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে কোনাবাড়ী মেট্রো থানাধীন দেওয়ালিয়া বাড়ি এলাকার বাচ্চু মিয়ার পলি গোডাউন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুরুতে একটি গোডাউনে আগুন দেখা গেলেও মুহূর্তের মধ্যেই তা আশপাশের গোডাউনগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। ঝুট ও দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন দ্রুত ভয়াবহ রূপ নেয়। একপর্যায়ে কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে পুরো এলাকা। পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। আরও  পড়ুন,শ্রীপুরে কৃষক দল নেতা মাসুদ রানার বিরুদ্ধে সাংবাদিক হেনস্থার অভিযোগআগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় আরও দুটি ইউনিট যোগ দেয়। বর্তমানে মোট পাঁচটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। কোনাবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, বাতাসের গতিবেগ বেশি থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট কাজ করছে। এখন পর্যন্ত অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ জানা যায়নি। আগুনে কোনো হতাহতের খবরও পাওয়া যায়নি। তবে গোডাউন মালিকদের দাবি, আগুনে বিপুল পরিমাণ ঝুট ও অন্যান্য মালামাল পুড়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় অর্ধশত কোটি টাকা হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন। আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসার পর ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ ও অগ্নিকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

শ্রীপুরে কৃষক দল নেতা মাসুদ রানার বিরুদ্ধে সাংবাদিক হেনস্থার অভিযোগ

শ্রীপুরে কৃষক দল নেতা মাসুদ রানার বিরুদ্ধে সাংবাদিক হেনস্থার অভিযোগ

গাজীপুরের শ্রীপুরে কৃষক দল নেতা মাসুদ রানার বিরুদ্ধে সাংবাদিককে হেনস্থা ও অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।জানা গেছে, সম্প্রতি শ্রীপুরে সংবাদ সংগ্রহের কাজে গেলে সাংবাদিক সাদিকুল ইসলাম প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ও আমির হোসেন এস টিভির সাংবাদিক এর সঙ্গে কৃষক দল নেতা মাসুদ রানা অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। একপর্যায়ে তাকে হেনস্থা ও সংবাদ সংগ্রহে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করেছেন ওই সাংবাদিক।আরও  পড়ুন, বাসন থানার বিশেষ অভিযানে সন্ত্রাসবিরোধী মামলার ২ আসামিসহ ৫ জন গ্রেফতারভুক্তভোগী সাংবাদিকের দাবি, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তিনি এমন পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন। সংবাদ সংগ্রহের কাজে সাংবাদিকদের বাধা দেওয়া বা হেনস্থা করা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য উদ্বেগজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।ঘটনার পর স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা স্বাভাবিক  ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সাংবাদিকরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং ভবিষ্যতে সংবাদ সংগ্রহে যাতে কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি না করা হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন।এ বিষয়ে কৃষক দল নেতা মাসুদ রানার বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং পেশাগত কাজে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ না করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা।

আন্তর্জাতিক

গাজা থেকে ঘুড়ি বেলুন ড্রোন পাঠালে অভিযান বাড়াবে ইসরাইল

গাজা থেকে ঘুড়ি বেলুন ড্রোন পাঠালে অভিযান বাড়াবে ইসরাইল

গাজা থেকে ইসরাইলের দিকে ঘুড়ি, ড্রোন ও বেলুন পাঠানো অব্যাহত থাকলে গাজায় সামরিক অভিযান আরও জোরদার করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসরাইল।রোববার গাজা সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর এ সতর্কবার্তা দেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ।ইসরাইলি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক দিনে গাজা সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রায় ১০টি ঘুড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে শনিবার বিভিন্ন এলাকায় চারটি ঘুড়ি পাওয়া যায়। রোববার আরও একটি ঘুড়ি গুলি করে নামায় ইসরাইলি সেনারা।ইসরাইলের দাবি, এসব উড়ন্ত বস্তুর পেছনে হামাসের হাত থাকতে পারে। যদিও ঘুড়ি, ড্রোন ও বেলুন পাঠানোর অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে হামাস।ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, সাম্প্রতিক ঘটনায় উদ্ধার হওয়া এসব ঘুড়িতে কোনো বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি। আরও পড়ুন. সংঘাত থামাতে চায় ইরান চাপ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রতবে ইসরাইলের প্রতিক্রিয়া যাচাই করতেই এগুলো পাঠানো হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে দেশটির সামরিক বাহিনী।নেতানিয়াহু ও কাটজ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ইসরাইলের দিকে ঘুড়ি, ড্রোন ও বেলুন পাঠানো বন্ধ না হলে এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান আরও জোরদার করা হবে।এমনকি যেসব এলাকা থেকে এসব উড়ন্ত বস্তু পাঠানো হচ্ছে, সেসব এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার কথাও জানিয়েছে ইসরাইল।এরই মধ্যে কয়েক বছর আগের স্মৃতি ফিরে এসেছে। সে সময় গাজা থেকে আগুন ধরিয়ে দিতে সক্ষম ঘুড়ি ও বেলুন পাঠানো হতো। এতে দক্ষিণ ইসরাইলের কৃষিজমিতে ব্যাপক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।তবে হামাস বলছে, এসব ঘুড়ি গাজা থেকে শিশুরাই উড়িয়েছে। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে হারিয়ে যাওয়া শৈশব ফিরে পাওয়ার চেষ্টা থেকেই তারা এসব করেছে বলে দাবি সংগঠনটির।একই সঙ্গে হামাস অভিযোগ করেছে, ঘুড়ি ওড়ানোর ঘটনাকে মধ্য গাজায় বিমান হামলার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছে ইসরাইল।গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা ও উদ্ধারকারী সংস্থার দাবি, রোববারের ওই বিমান হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন।ফলে ঘুড়ি, বেলুন ও ড্রোন ঘিরে নতুন করে গাজা-ইসরাইল সীমান্তে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

২৪ আগস্ট ২০২৬

রাজধানী

বাবুবাজার-বাদামতলীতে দখলমুক্ত অভিযান, ২১ মামলা

বাবুবাজার-বাদামতলীতে দখলমুক্ত অভিযান, ২১ মামলা

রাজধানীর বাবুবাজার ও বাদামতলী এলাকায় ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে দ্বিতীয় দিনের মতো অভিযান চালিয়েছে ট্রাফিক লালবাগ বিভাগ। অভিযানে অবৈধ পার্কিং ও বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদের পাশাপাশি ২১টি মামলা করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে হোটেল পরিচালনার অভিযোগে এক কর্মচারীকে।বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ২টা পর্যন্ত চলে এ অভিযান।অভিযানে বাবুবাজার ব্রিজের নিচে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ইজারা বাতিল করা চারটি ব্লকের অবৈধ স্থাপনা ও পার্কিং সরিয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বাদামতলী থেকে ওয়াচঘাট পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন অংশে থাকা অবৈধ পার্কিং, ফলের দোকানসহ সড়ক দখল করে গড়ে ওঠা বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।সড়ক ও ফুটপাত দখল করে ব্যবসা এবং অবৈধভাবে যানবাহন পার্কিংয়ের অভিযোগে বাস, আরও  পড়ুন, চাঁদা না দিলে বাড়ি দখলের হুমকি, পল্লবীতে বৃদ্ধার মামলা লরি, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে করা হয় ২১টি মামলা। এসব মামলায় লক্ষাধিক টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।লালবাগ ট্রাফিক বিভাগের উপকমিশনার মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, অবৈধ পার্কিং ও সড়ক অবরোধের কারণে এসব মামলা করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের বাইরে ভারী যানবাহন চলাচল বা পার্কিং করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তিনি আরও জানান, রাস্তার ওপর ট্রাক রেখে পণ্য বিক্রি করতে দেওয়া হবে না। ট্রাক রাখার জন্য নির্ধারিত স্থান ব্যবহার করতে হবে।এদিকে ফুটপাত ও সড়ক দখল, অবৈধ পার্কিং এবং চাঁদাবাজি বন্ধে এসব স্থান ভবিষ্যতে ইজারা না দিতে সিটি করপোরেশনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ ও স্থানীয়রা।পুলিশ জানিয়েছে, বাবুবাজার ও বাদামতলী এলাকায় দখল, অবৈধ পার্কিং ও যানজট সৃষ্টিকারী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

১১ মিনিট আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

এমবাপের ঝলকে রিয়ালের বড় জয়, টানা দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্ট

এমবাপের ঝলকে রিয়ালের বড় জয়, টানা দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্ট

স্প্যানিশ লিগে দারুণ ছন্দে রিয়াল মাদ্রিদ। কিলিয়ান এমবাপের দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকে রিয়াল সোসিয়েদাদকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে হোসে মরিনহোর দল।সান্তিয়াগো বের্নাবেউয়ে বুধবার ম্যাচটি ৪-১ গোলে জেতে স্বাগতিকরা। রিয়ালের হয়ে বাকি গোলটি করেন ভিনিসিউস জুনিয়র।শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে দুই দল। ম্যাচের ১১তম মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় সোসিয়েদাদ। তবে মিকেল ওইয়ারসাবালের জোরালো শট দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন রিয়াল গোলরক্ষক তিবো কোর্তোয়া।এরপর রিয়ালও একাধিক সুযোগ তৈরি করে। ৪০তম মিনিটে ফেদে ভালভের্দের অসাধারণ পাস থেকে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিখুঁত শটে রিয়ালকে এগিয়ে দেন কিলিয়ান এমবাপে।তবে লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি স্বাগতিকরা। মাত্র চার মিনিট পর রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ নিয়ে গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান সোসিয়েদাদের সুচিচ।আরও  পড়ুন, মেসির সামনে ১৩ বছরের পুরোনো দুঃস্বপ্ন, জয়হীনতার রেকর্ড ছোঁয়ার শঙ্কাবিরতির পর অবশ্য ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় রিয়াল। ৬০তম মিনিটে জুড বেলিংহ্যামের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এমবাপে।এরপর ৬৮তম মিনিটে ব্যবধান বাড়ান ভিনিসিউস জুনিয়র। এ গোলেও বড় অবদান ছিল বেলিংহ্যামের। প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেঙে তার বাড়ানো পাস থেকে সহজেই বল জালে পাঠান ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।ম্যাচের ৮০তম মিনিটে ভিনিসিউসের দুর্দান্ত থ্রু পাস থেকে গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক পূরণ করেন এমবাপে।শেষদিকে বদলি হিসেবে নেমে ব্রাহিম দিয়াস আরও একটি গোল করলেও ভিএআরের সহায়তায় অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়ে যায়।শেষ পর্যন্ত ৪-১ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল মাদ্রিদ। টানা দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে রয়েছে তারা।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর