দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1001.4 hPa
29.8° 75%
15mm
চট্টগ্রাম 1001.1 hPa
29.4° 87%
15mm
রাজশাহী 1001.4 hPa
29° 96%
10° 15mm
খুলনা 1000.7 hPa
28.5° 88%
15mm
বরিশাল 1000.7 hPa
28.2° 91%
15mm
সিলেট 1000.7 hPa
29.9° 82%
220° 15mm
রংপুর 1000.5 hPa
30.5° 88%
15mm
ময়মনসিংহ 1000.7 hPa
31° 88%
15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

হামলা-হয়রানিতে চ্যালেঞ্জে পুলিশ

হামলা-হয়রানিতে চ্যালেঞ্জে পুলিশ

রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা| একটি দেশের নাগরিক নিরাপদে চলাফেরা করবে, ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করবে, বিনিয়োগ করবে এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন করবে এর পূর্বশর্ত হচ্ছে কার্যকর আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা| আর সেই দায়িত্ব পালনের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পুলিশ| অপরাধ দমন, আইন প্রয়োগ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং রাষ্ট্রের শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব পুলিশ বাহিনীর ওপরই বর্তায়| তবে সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের নানা ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা আলোচনায় এসেছে| কোথাও অভিযানে বাধা, কোথাও থানা বা পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগ, কোথাও সামাজিক ও রাজনৈতিক চাপের কথা উঠে এসেছে| এসব ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং পুলিশের কার্যক্রম নিয়ে জনপরিসরে আলোচনা ˆতরি হয়েছে|আরও পড়ুন:  পুলিশ সংস্কার কতদূর, কী ভাবছে সাধারণ মানুষ?নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, যদি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আইনসম্মতভাবে দায়িত্ব পালনে ধারাবাহিকভাবে বাধার মুখে পড়ে, তাহলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি ˆতরি হতে পারে| তবে প্রতিটি ঘটনার প্রেক্ষাপট আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা এবং অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ|বাংলাদেশ পুলিশ শুধু অপরাধী গ্রেপ্তার বা মামলা তদন্তই করে না; জনসমাবেশে নিরাপত্তা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, সন্ত্রাসবাদ দমন, মাদকবিরোধী অভিযান, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ, সাইবার অপরাধ তদন্ত, দুর্যোগকালে উদ্ধারকাজসহ বহু দায়িত্ব পালন করে| একজন পুলিশ সদস্যকে প্রায়ই দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করতে হয়| ঈদ, পূজা, নির্বাচন, জাতীয় অনুষ্ঠান কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগ সব ক্ষেত্রেই পুলিশকে সামনের সারিতে থাকতে হয়| ফলে বাহিনীটির ওপর দায়িত্বের চাপও তুলনামূলক বেশি|আরও পড়ুন:  গুলশান পুলিশকে বিতর্কিত করতেই মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারমাঠপর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক সময় তারা স্থানীয় প্রতিরোধ, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের চাপ কিংবা উত্তেজিত জনতার প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়েন| তবে এসব অভিজ্ঞতা অঞ্চলভেদে ভিন্ন হতে পারে এবং প্রতিটি ঘটনার নিজস্ব প্রেক্ষাপট রয়েছে|কিছু কর্মকর্তা মনে করেন, আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগের পরিবেশ নিশ্চিত হলে দায়িত্ব পালন আরও কার্যকর হবে| অন্যদিকে মানবাধিকারকর্মীরা মনে করেন, আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জবাবদিহি ও নাগরিক অধিকার রক্ষাও সমান গুরুত্বপূর্ণ| বিগত কয়েক বছরে দেশের বিভিন্ন স্থানে থানা, পুলিশ ফাঁড়ি বা টহলরত সদস্যদের ওপর হামলার খবর প্রকাশিত হয়েছে| কোথাও ভাঙচুর, কোথাও সরকারি সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি, আবার কোথাও পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন|নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এমন ঘটনা শুধু পুলিশের জন্য নয়, রাষ্ট্রীয় আইন প্রয়োগ ব্যবস্থার জন্যও উদ্বেগের বিষয়| তারা বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানে হামলার প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি|আরও পড়ুন: আলোচনা, সমালোচনা আর দায়িত্বের গল্প: ওসি দাউদদায়িত্ব পালনের সময় কোনো সিদ্ধান্ত পরে বিতর্কের জন্ম দিতে পারে| এমন আশঙ্কাও কিছু পুলিশ সদস্যের মধ্যে কাজ করে বলে বিভিন্ন পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে| ফলে কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতার কারণে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সময় লাগতে পারে| বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত সুরক্ষা থাকতে হবে, অন্যদিকে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্তের ব্যবস্থাও থাকতে হবে|অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, যখন আইন প্রয়োগের গতি মন্থর হয় বা বাহিনী চাপে থাকে, তখন সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে| মাদক, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, কিশোর গ্যাং, অনলাইন প্রতারণা ও সাইবার অপরাধের মতো ক্ষেত্রগুলোতে কার্যকর নজরদারি গুরুত্বপূর্ণ| তবে কোনো নির্দিষ্ট কারণেই অপরাধ বাড়ে এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হলে সরকারি অপরাধ পরিসংখ্যান, বিচারিক তথ্য এবং গবেষণা একসঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন|আরও পড়ুন: ডিএমপির কয়েকটি থানায় দৃশ্যমান পরিবর্তনআইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মানুষের ধারণা অনেক সময় বাস্তব অপরাধের পরিসংখ্যানের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, প্রচারিত ঘটনা এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ওপরও নির্ভর করে| ফলে জনমনে নিরাপত্তাবোধ বজায় রাখতে শুধু অপরাধ দমন নয়, কার্যকর যোগাযোগও গুরুত্বপূর্ণ| সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, মানুষ যদি বিশ্বাস করে যে অপরাধের বিচার হবে এবং আইন সবার জন্য সমানভাবে কার্যকর, তাহলে রাষ্ট্রের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পায়|বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশেই আইন প্রয়োগকারী সংস্থার স্বাধীনতা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়| বিশেষজ্ঞরা বলেন, আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বা অন্য কোনো অযাচিত প্রভাবের অভিযোগ উঠলে তা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা উচিত| তাদের মতে, পেশাদার পুলিশিং নিশ্চিত করতে আইনের শাসন, নিরপেক্ষতা এবং জবাবদিহি এই তিনটি বিষয় অপরিহার্য| বর্তমানে শুধু প্রচলিত অপরাধ নয়, সাইবার জালিয়াতি, অনলাইন প্রতারণা, ডিজিটাল ব্ল্যাকমেইল, মোবাইল ব্যাংকিং জালিয়াতি এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ চক্রের মতো নতুন চ্যালেঞ্জও পুলিশের সামনে এসেছে|আরও পড়ুন:  প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদবিশেষজ্ঞদের মতে, এসব অপরাধ মোকাবিলায় উন্নত প্রযুক্তি, প্রশিক্ষিত জনবল এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন| একটি বাহিনীর কার্যকারিতা অনেকাংশে নির্ভর করে তার সদস্যদের মনোবলের ওপর| কর্মপরিবেশ, প্রশিক্ষণ, নিরাপত্তা, স্বীকৃতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা মনোবল বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে| অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তারা মনে করেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে আইনগত সুরক্ষা, পর্যাপ্ত সরঞ্জাম, আধুনিক প্রযুক্তি এবং স্বচ্ছ মূল্যায়ন ব্যবস্থা থাকলে বাহিনীর দক্ষতা আরও বাড়তে পারে|বিশেষজ্ঞরা বলেন, শুধু পুলিশ নয়, সাধারণ জনগণেরও দায়িত্ব রয়েছে আইন মেনে চলা এবং অপরাধ দমনে সহযোগিতা করা| সন্দেহজনক কার্যকলাপ সম্পর্কে তথ্য দেওয়া, গুজব না ছড়ানো এবং আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়া এসব বিষয়ও জননিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত| কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করার মাধ্যমে জনগণ ও পুলিশের মধ্যে আস্থা বাড়ানো সম্ভব বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা|আরও পড়ুন:  অপরাধ দমনে নতুন ছকে ডিএমপিআইন বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি রাষ্ট্রে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়| সেখানে অপরাধী যেমন আইনের বাইরে থাকতে পারে না, তেমনি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরাও আইনের ঊর্ধ্বে নন| তাদের মতে, দায়িত্ব পালনে স্বাধীনতা এবং জবাবদিহি দুইয়ের সমম্মই একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে কার্যকর মডেল|জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নগরায়ণ, প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ, আন্তঃদেশীয় অপরাধ চক্র এবং সামাজিক পরিবর্তনের কারণে ভবিষ্যতে পুলিশের দায়িত্ব আরও বাড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা| এ কারণে এখন থেকেই আধুনিক পুলিশিং, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, গোয়েন্দা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে|আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ| দায়িত্ব পালনের সময় তাদের নিরাপত্তা, পেশাগত স্বধীনতা এবং আইনসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা যেমন জরুরি, তেমনি নাগরিক অধিকার, মানবাধিকার এবং জবাবদিহিও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ|আরও পড়ুন:  আইনের শাসন না মবের রাজত্ব?পুলিশের ওপর হামলা, দায়িত্ব পালনে বাধা বা অযাচিত প্রভাবের যেকোনো অভিযোগ নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করা প্রয়োজন| একই সঙ্গে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আইনের সীমার মধ্যে থেকে কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব| নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে সরকার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিচার বিভাগ, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যম এবং সাধারণ জনগণ সব পক্ষের সম্মতি ভূমিকা অপরিহার্য| আইনের শাসন, পেশাদার পুলিশিং, জবাবদিহি এবং জনগণের আস্থা এই চারটি স্তম্ভের ওপরই একটি নিরাপদ, স্থিতিশীল ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব|

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

দেশে ফিরলে আইনের আওতায় আনা হবে শেখ হাসিনাকে

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আত্মসমর্পণের সুযোগ দেওয়া হবে না, বরং তাকে গ্রেফতার করে আদালতের রায় কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাকে আইন অনুযায়ী গ্রেফতার করা হবে এবং তার বিরুদ্ধে দেওয়া আদালতের রায় কার্যকর করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এর আগে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। পরে তিনি ভারতে অবস্থান নেন। তার আরো পড়ুন ,পরীক্ষা নিয়ে অনিশ্চয়তা, রাস্তায় নেমেছেন শিক্ষার্থীরাবিরুদ্ধে জুলাই গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হয়।এদিকে আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, আগামী ডিসেম্বরের দিকে দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন তিনি। দেশে ফিরে তিনি এবং নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন বলেও জানান তিনি।তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, দেশে ফিরলে তাকে আত্মসমর্পণের সুযোগ না দিয়ে আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হবে।শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা এবং সরকারের এই অবস্থান ঘিরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

পরীক্ষা নিয়ে অনিশ্চয়তা, রাস্তায় নেমেছেন শিক্ষার্থীরা

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দাবিতে আবারও সংসদ ভবন এলাকায় জড়ো হয়েছেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পুলিশ লাঠিপেটা করে সরিয়ে দেওয়ার পর রাতেই দ্বিতীয় দফায় সড়কে অবস্থান নেন তারা।আন্দোলনরত পরীক্ষার্থীরা রাত সোয়া ৮টার দিকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জড়ো হয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। পরে খামারবাড়ি থেকে আসাদগেটমুখী সড়কেও অবরোধ করেন তারা। এতে ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে একই দাবিতে সংসদ ভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছিলেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। পরে পুলিশ আরো পড়ুন , পার্ক ও উন্মুক্ত স্থান বাড়াতে সরকারের মেগা পরিকল্পনাতাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। এ সময় পুলিশের লাঠিচার্জ ও ধাওয়ার অভিযোগ করেন আন্দোলনকারীরা।আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধি দলের এক শিক্ষার্থী জানান, তাদের একটি প্রতিনিধি দল সংসদ ভবনের ভেতরে গেলেও দায়িত্বশীল কারও সঙ্গে কার্যকর আলোচনা হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিনিধি চাওয়ার পর ভেতরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হলেও বাইরে থাকা শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ লাঠিচার্জ করে।তিনি আরও বলেন, আগামী দিনের পরীক্ষা হবে কি না, সে বিষয়েও এখনো স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। এ নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন পরীক্ষার্থীরা।শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, পরীক্ষাসংক্রান্ত বিষয়ে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত এবং তাদের দাবির সমাধান।এদিকে আন্দোলনের কারণে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অবস্থান করছে।

পার্ক ও উন্মুক্ত স্থান বাড়াতে সরকারের মেগা পরিকল্পনা

দেশজুড়ে পার্ক, খেলার মাঠ ও উন্মুক্ত স্থানের সংকট দূর করতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সারা দেশে ১০১টি নতুন পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলামের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এ তথ্য জানান।মন্ত্রী বলেন, ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে দেশব্যাপী প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। কোথায় নতুন পার্ক নির্মাণ করা হবে, সে বিষয়ে মাঠপর্যায়ে তথ্য যাচাই চলছে।তিনি আরও জানান, রাজধানীর ফার্মগেটের আনোয়ারা উদ্যানে একটি নতুন পার্ক নির্মাণ, রামপুরা ও খিলগাঁও এলাকায় তিনটি খেলার আরো পড়ুন , এআই যুগে দক্ষ জনশক্তি গড়তে সরকারের নতুন অঙ্গীকারমাঠ উন্নয়ন এবং খিলগাঁওয়ে ঈদগাহ, পার্ক ও কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ প্রকল্প বর্তমানে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব বা ডিপিপি অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।এদিকে চট্টগ্রামে দুটি এবং কক্সবাজারে দুটি পার্ক নির্মাণের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। আধুনিকায়নের পর রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী রমনা পার্কও জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহের তারাকান্দায় আরও একটি পার্ক নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে পরিবেশ সংরক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বহুতল ভবন নির্মাণে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রী, জ্বালানি সাশ্রয়ী ব্যবস্থা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, স্বতন্ত্র পয়ঃশোধনাগার এবং পর্যাপ্ত সবুজায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।সবুজ ও বাসযোগ্য নগর গড়ার এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত বিনোদন ও পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এআই যুগে দক্ষ জনশক্তি গড়তে সরকারের নতুন অঙ্গীকার

দেশের যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাকে বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উৎপাদনশীল, আত্মনির্ভর, বৈষম্যহীন এবং প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে দক্ষতা উন্নয়নকে জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেছে সরকার।তিনি বলেন, বৈশ্বিক অর্থনীতি ও প্রযুক্তিনির্ভর কর্মপরিবেশের পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি তৈরি করাই সরকারের লক্ষ্য।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ আরো পড়ুন , বিদেশে এনআইডি কার্যক্রম সম্প্রসারণ, নতুন তালিকায় ৫ দেশরাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তরুণদের উৎপাদনশীল জনশক্তিতে রূপান্তরের যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, বর্তমান সরকার সেই উদ্যোগকে আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করছে।তারেক রহমান জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অটোমেশন এবং নতুন প্রযুক্তির যুগে দক্ষতা উন্নয়ন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ, অভিন্ন সনদায়ন ব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এবং বিশ্ব দক্ষতা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।তিনি আশা প্রকাশ করেন, পুনঃদক্ষায়ন, দক্ষতার নবায়ন এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশের যুবসমাজ বৈশ্বিক শ্রমবাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রাজনীতিরাজনীতি

ভুয়া ফটোকার্ড ছড়ানোয় আইনি পদক্ষেপের ইঙ্গিত রাকিবের

ভুয়া ফটোকার্ড ছড়ানোয় আইনি পদক্ষেপের ইঙ্গিত রাকিবের

নিজের নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভুয়া ফটোকার্ডকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। তিনি দাবি করেছেন, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।মঙ্গলবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে তার সব বক্তব্যই রেকর্ড থাকে এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রতিক্রিয়াগুলো ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকেই প্রকাশ করা হয়।তিনি আরো পড়ুন , স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে দল গোছাতে মাঠে বিএনপিঅভিযোগ করেন, সম্প্রতি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর তার নামে ভুয়া ফটোকার্ড তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এর আগেও একাধিকবার একই ধরনের ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর ফটোকার্ড ছড়ানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।রাকিব বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড কোনো সাধারণ শিক্ষার্থীর পক্ষে দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। তার ভাষায়, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী ইসলামের লেবাসে রাজনীতির নামে অসুস্থ রাজনৈতিক চর্চা করছে।ছাত্রদল সভাপতি আরও বলেন, অতীতেও এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে তিনি আইনের আশ্রয় নিয়েছেন। তবে এসব অপপ্রচার বন্ধ হয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সবশেষে তিনি বলেন, 'কথায় আছে, শয়তান কখনো ক্লান্ত হয় না। তাই সর্বক্ষেত্রে এ ধরনের শয়তানদের ধ্বংস কামনা করি।'

স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে দল গোছাতে মাঠে বিএনপি

স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে দল গোছাতে মাঠে বিএনপি

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি। দলটির কেন্দ্রীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিগুলো পুনর্গঠন এবং জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।দলের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ জাতীয় কাউন্সিল হয়েছিল ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ। এরপর প্রায় এক দশক পেরিয়ে গেলেও নতুন কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়নি। বর্তমানে বিএনপির ৮২টি সাংগঠনিক ইউনিটের মধ্যে ৭২টিরই মেয়াদ শেষ হয়েছে। এছাড়া ১১টি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের মধ্যে ১০টির কমিটিও মেয়াদোত্তীর্ণ।দলীয় সূত্র বলছে, সরকারে দায়িত্ব নেওয়ায় অনেক নেতা মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন। এতে সাংগঠনিক কার্যক্রমে কিছুটা শূন্যতা তৈরি হয়েছে। সেই ঘাটতি পূরণে নতুন নেতৃত্ব আনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি।আরও পড়ুন , ‘মুখে এক, অন্তরে আরেক’ বিএনপিকে কড়া ভাষায় সমালোচনা গোলাম পরওয়ারসম্প্রতি দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে চেয়ারম্যান তারেক রহমান দ্রুত সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাসের নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। পাশাপাশি স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূল পর্যন্ত দলকে সক্রিয় করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, নতুন কমিটি গঠন সংগঠনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়নের মাধ্যমেই দল আরও শক্তিশালী হবে।অন্যদিকে স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, অতীতে রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে কাউন্সিল করা সম্ভব হয়নি। এখন পরিবেশ অনুকূলে থাকায় জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও জানিয়েছেন, চলতি বছরের মধ্যেই দলের জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। তবে এখনো নির্দিষ্ট তারিখ চূড়ান্ত হয়নি।

‘মুখে এক, অন্তরে আরেক’ বিএনপিকে কড়া ভাষায় সমালোচনা গোলাম পরওয়ার

‘মুখে এক, অন্তরে আরেক’ বিএনপিকে কড়া ভাষায় সমালোচনা গোলাম পরওয়ার

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিএনপির কড়া সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি দাবি করেন, সংসদে এ বিষয়ে সমাধান না হলে রাজপথে আন্দোলনে নামবে জামায়াত।সোমবার সন্ধ্যায় ফেনী শহরের একটি কনভেনশন হলে ১১ দলীয় জোট আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার এবং আমাদের বাস্তবতা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার পর জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা থেকে সরে গিয়ে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে। তার ভাষায়, ‘তাদের মুখে এক, অন্তরে আরেক।’আরও পড়ুন, দেশে ফেরার ঘোষণা শেখ হাসিনার, বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্নতিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুযোগ এখনও সংসদে রয়েছে। তবে তা বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সমালোচনা করে গোলাম পরওয়ার বলেন, একজন মন্ত্রী যদি সব বিষয়ে কথা বলেন, তাহলে অন্য মন্ত্রীদের ভূমিকা কী—এ প্রশ্নও তোলেন তিনি।অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার, বিরোধী দল এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে সমন্বিত কমিটি গঠনের আহ্বান জানান।সেমিনারে অংশ নেওয়া নেতারা জুলাই সনদ, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে রাজনৈতিক ঐকমত্যেরও আহ্বান জানান।

দেশে ফেরার ঘোষণা শেখ হাসিনার, বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন

দেশে ফেরার ঘোষণা শেখ হাসিনার, বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন

ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তিনি ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ পরিকল্পনার কথা জানান। এর আগে এনডিটিভিকেও দেওয়া সাক্ষাৎকারে দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন তিনি।তবে শেখ হাসিনার এই ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। কয়েকজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলছেন, এটি বাস্তব পরিকল্পনার চেয়ে রাজনৈতিক বার্তা বা কৌশল হতে পারে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. নুরুল আমিন বেপারী বলেন,আরও পড়ুন, বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর শেখ হাসিনা কোন ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন, তা স্পষ্ট করেননি। অতীতেও দেশে ফেরার বিষয়ে একাধিকবার বক্তব্য এলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। তার মতে, বর্তমান রাজনৈতিক ও আইনি পরিস্থিতিতে দেশে ফেরা শেখ হাসিনার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি হতে পারে।একই বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আইনুল ইসলামও এ ঘোষণাকে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, দলীয় নেতাকর্মীদের উৎসাহিত করতেই এমন বক্তব্য দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তবে বাস্তবে দেশে ফিরে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা কম বলেই তার ধারণা।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ভারত চলে যান শেখ হাসিনা। এরপর বিভিন্ন সময়ে দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানালেও এখন পর্যন্ত তিনি দেশে ফেরেননি।

সারাবাংলা

আনন্দ টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের জন্মদিনে মণিরামপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন

আনন্দ টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের জন্মদিনে মণিরামপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন

আনন্দ টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের জন্মদিন উপলক্ষে সারাদেশব্যাপী আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে যশোরের মনিরামপুর উপজেলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সরকারের সবুজায়ন কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ গ্রহণ করেন আনন্দ টিভির জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধিরা।এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার  মনিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ ভূমি অফিস প্রাঙ্গণে চারটি বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি বৃক্ষের চারা রোপণ করেন আনন্দ টিভির মনিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধি মো. রাশেদ আলী।এ সময় উপস্থিত ছিলেন মনিরামপুর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জনাব মতলেব গাজী, রাজগঞ্জ ভূমি অফিসের নায়েব মো. সফিয়ার রহমান এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।বৃক্ষরোপণ শেষে উপস্থিত অতিথিরা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত উদ্যোগেই দেশকে আরও সবুজ ও পরিবেশবান্ধব করা সম্ভব।আরও পড়ুন, শ্যামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় এডহক কমিটির সভাপতি টিপুআনন্দ টিভির মনিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধি মো. রাশেদ আলী বলেন, “আমাদের প্রিয় ব্যবস্থাপনা পরিচালকের জন্মদিনকে ব্যতিক্রমীভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণের মতো একটি জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। আনন্দ টিভির জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধিরা সারাদেশে একযোগে এই কর্মসূচি পালন করে সরকারের পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। জন্মদিনের আনন্দকে সমাজের কল্যাণের সঙ্গে সম্পৃক্ত করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।”তিনি আরও বলেন, “শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোর পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে। একটি গাছ একটি প্রাণ—এই চেতনাকে ধারণ করে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসতে হবে।”অনুষ্ঠান শেষে রোপণ করা চারাগুলোর নিয়মিত পরিচর্যার অঙ্গীকার করা হয় এবং পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানানো হয়। উপস্থিত অতিথিরা আনন্দ টিভির এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

শ্যামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় এডহক কমিটির সভাপতি টিপু

শ্যামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় এডহক কমিটির সভাপতি টিপু

সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর শ্যামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের কমিটির সভাপতি এডহক নির্বাচিত হলেন আনোয়ার হোসেন টিপু তিনি ঢাকা নিউ মার্কেট থানা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও সাবেক ছাত্র দলের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি। কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এ কমিটি অনুমোদন দেন।এছাড়া কমিটিতে সদস্য সচিব প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মোঃ সেলিম হোসেন,আর ও পড়ুন, বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ৫ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ শিক্ষক প্রতিনিধি মোঃ জাকির হোসেন, অভিভাবক প্রতিনিধি মোঃ ইউসুফ কামাল।আনোয়ার হোসেন টিপু দায়িত্ব পেয়ে  বলেন, নতুন দায়িত্ব পেয়েছি আমি প্রতিষ্ঠানের খোঁজ খবর নিয়েছি। শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যক্রম থাকবে নিয়মিত কর্মসূচির অংশ। কিন্তু বর্তমানে হলরুমের কাজ হাতে নিয়েছি। এছাড়া নতুন ভবনের উদ্যোগ গ্রহন করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্যঅবকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ করা হবে। এই দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ৫ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ৫ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা পুলিশ ১৪ জুলাই ২০২৬ তারিখে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত, এজাহারভুক্ত এবং মাদক মামলার আসামিসহ মোট ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।পুলিশ জানায়, অন্যান্য ধারার একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে মোঃ শামীম হোসেন সরকার (৫৫)-কে গ্রেফতার করা হয়েছে।ছাড়া মাদকবিরোধী অভিযানে ১০০ গ্রাম গাঁজা ও ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। আরও পড়ুন, চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ ঠেকাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেলওয়ে পুলিশের সচেতনতামূলক অভিযানএ ঘটনায় সামারি ট্রায়ালে বিচারের জন্য বৃষ্টি আক্তার (২৫) এবং মোঃ আকাশ (২২)-কে গ্রেফতার করা হয়েছে।অভিযানে একটি জিআর পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামি মোঃ রাজিব হোসেন (৩০)-কেও গ্রেফতার করা হয়।অন্যদিকে, জিএমপি অধ্যাদেশের প্রসিকিউশন মামলায় মোঃ রবিন হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।বাসন থানা পুলিশ জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত সকলকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ ঠেকাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেলওয়ে পুলিশের সচেতনতামূলক অভিযান

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ ঠেকাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেলওয়ে পুলিশের সচেতনতামূলক অভিযান

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা প্রতিরোধে মাঠে নেমেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ।মঙ্গলবার দিনব্যাপী ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলপথের আশুগঞ্জ, তালশহর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনসহ বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।এ সময় যাত্রী, পথচারী এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ভয়াবহ পরিণতি এবং এর আইনি শাস্তি সম্পর্কে জানানো হয়।কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন আখাউড়া রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল কুদ্দুস, ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ শাহ আলম,আরও  পড়ুন, চট্টগ্রাম বোর্ডের পাঁচ জেলার পরীক্ষা স্থগিত, অন্য সব বোর্ডে যথাসময়ে পরীক্ষা আখাউড়া রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর ইনচার্জ জাহাঙ্গীর আলমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।ওসি আব্দুল কুদ্দুস জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলপথে চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের প্রতিটি ঘটনায় মামলা হয়েছে। যেসব এলাকায় এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে, সেখানে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক ও সিলেট বিভাগের উপকমিশনারের নেতৃত্বে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।রেলওয়ে পুলিশ জানায়, গত জুন মাসে মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে তিনটি পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় একজন আয়কর আইনজীবী একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি হারান এবং আরও দুজন গুরুতর আহত হন। এরপর থেকেই ট্রেনযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক

রমুজে নৌ চলাচল নিয়ে ভিন্ন দাবি তেহরান ও ওয়াশিংটনের

রমুজে নৌ চলাচল নিয়ে ভিন্ন দাবি তেহরান ও ওয়াশিংটনের

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে নতুন করে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। জাহাজ চলাচল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি অবস্থানের মধ্যেই পার্সিয়ান গালফ ওয়াটারওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে এই জলপথ দিয়ে ট্রানজিট বা জাহাজ চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে।কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী অপেক্ষমাণ আবেদনগুলো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ট্রানজিট অনুমতি দেওয়া হবে। একই সঙ্গে ট্রানজিট সংক্রান্ত সব আবেদন কেবল পার্সিয়ান গালফ ওয়াটারওয়ের নির্ধারিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আরো পড়ুন , ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় দফার হামলা, ১৪০ সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের দাবিগ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।এছাড়া হরমুজ প্রণালী সংক্রান্ত সর্বশেষ নির্দেশনা ও আপডেট সংস্থাটির এক্সের অফিসিয়াল অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, আন্তর্জাতিক এই জলপথ বৈধভাবে চলাচলকারী সব জাহাজের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। সেন্টকমের ভাষ্য, নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে মার্কিন বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে এবং ইরান এই প্রণালী নিয়ন্ত্রণ করে না।তবে সামুদ্রিক ট্র্যাকিং সংস্থা ‘মেরিনট্রাফিক’-এর তথ্য অনুযায়ী, ইরানের ঘোষণার পর আবারও হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের সংখ্যা কমে গেছে। ফলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জ্বালানি পরিবহন রুটকে ঘিরে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

১২ জুলাই ২০২৬

রাজধানী

বনানীতে শহিদের অবৈধ স্পা সেন্টার ঘিরে অন্ধকার জগৎ

বনানীতে শহিদের অবৈধ স্পা সেন্টার ঘিরে অন্ধকার জগৎ

রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানী| কূটনৈতিক মিশন, বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের কার্যালয় এবং উচ্চবিত্ত আবাসনের জন্য পরিচিত এই এলাকায় একটি স্পা সেন্টারকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে নানা অভিযোগ স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে| অভিযোগ রয়েছে, বনানীর ২৭ নং রোডে পরিচালিত একটি স্পা সেন্টারের আড়ালে অনৈতিক কার্যক্রম, মাদক লেনদেন এবং সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের তৎপরতা চলছে| একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হলেও কার্যকর পদক্ষেপের অভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে|স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দিনের পাশাপাশি গভীর রাত পর্যন্ত ওই প্রতিষ্ঠানে নারী-পুরুষের অস্বাভাবিক যাতায়াত লক্ষ্য করা যায়| প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সাধারণ স্পা ব্যবসার সীমা অতিক্রম করেছে বলে তাদের সন্দেহ|আরও পড়ুন: হামলা-হয়রানিতে চ্যালেঞ্জে পুলিশঅভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শহিদ ও মিঠু নামে দুই ব্যক্তির সম্পৃক্ততা রয়েছে| এরমধ্যে শহিদ স্বৈরাচারী শাসন আমলে বেশ ক্ষমতার দাপটে দেখিয়ে অনেককেই হয়রানী ও মেয়েদেরকে দিয়ে প্রতারনার ফাঁদ পাতিয়েছিলেন এবং স্বৈরাচারী আ.লীগের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের অর্থদাতা হিবেবে তাকে দেখা গিয়েছে| সেগুলো ধামাচাপা বর্তমানের বিএনপির নেতাকর্মীদের পরিচয় দিয়ে চলছে উক্ত অবৈধ স্পা সেন্টারটি| তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি| তবে শহিদ ইতিপূর্বে বলেন, আমি যে ব্যবসা করি তা বনানী থানা পুলিশ সবই জানে| তাই তাদেরকে নিয়ে চিন্তা করিনা| তারা আমাদের কথা শুনে| ফলে অভিযানের কোন ভয় নেই| এসব ব্যবসা করতে গেলে সব কিছুই মেইনটেইন্স করতে হয়|প্রতিবেশীদের কয়েকজন জানান, প্রায় প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যক্তির আনাগোনা বাড়তে থাকে| অনেক সময় বিলাসবহুল গাড়ি ও মোটরসাইকেলের সারিও দেখা যায়| তাদের অভিযোগ, এসব কার্যক্রমের কারণে এলাকায় সামাজিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সাধারণ বাসিন্দারা অ¯^স্তিতে রয়েছেন| আরও পড়ুন: বনানীর ২৭ নম্বর রোডের স্পা নিয়ে প্রশ্নের শেষ কোথায়?একজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অনেকবার অভিযোগ করা হয়েছে| কিন্তু দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখিনি| আরেকজন ব্যবসায়ী বলেন,  এটি যদি ˆবধ ব্যবসা হয়, তাহলে এত অভিযোগ কেন? স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, স্পা সেন্টারটিকে ঘিরে মাদক সেবন ও সরবরাহের অভিযোগও রয়েছে| তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যার পর কিছু সন্দেহভাজন ব্যক্তির নিয়মিত উপস্থিতি দেখা যায়| তবে এই অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি|আরও পড়ুন:  বনানীতে কোটি টাকার লাভের লোভ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেফতার ৩বিশ্লেষকদের মতে, এমন অভিযোগ উঠলে তা দ্রুত তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করা জরুরি| কারণ অভিযোগ সত্য হলে তা কেবল একটি প্রতিষ্ঠানের বিষয় নয়, বরং পুরো এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত| এয়াড়া বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যম কর্মীরা বনানী থানা পুলিশকে একাধিকবার মৌখিক ও লিখিতভাবে জানানো হয়েছে| অভিযোগকারীদের ভাষ্য, তারা বিভিন্ন তথ্য ও প্রমাণও দিয়েছেন বলে দাবি করেন| তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ কী ব্যবস্থা নিয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি| এমন অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে এলাকার তরুণ সমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে| তারা মনে করেন, বনানীর মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সব ধরনের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা প্রয়োজন|আরও পড়ুন: গুলশান-বনানীতে অবৈধ স্পা সেন্টার কেন্দ্র করে পুলিশের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের চেষ্টাআইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যদি অনৈতিক কার্যক্রম বা মাদক সংশ্লিষ্ট অভিযোগ ওঠে, তাহলে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সম্মিলিত অভিযান প্রয়োজন| সংশ্লিষ্ট স্পা সেন্টারের ব্যবসায়িক লাইসেন্স, পরিচালনার অনুমোদন, কর্মীদের পরিচয় এবং কার্যক্রমের ˆবধতা খতিয়ে দেখা হোক| প্রয়োজন হলে পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, সিটি করপোরেশন ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থা যৌথভাবে তদন্ত পরিচালনা করতে পারে| আরও পড়ুন:  কম খরচে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে ডিএমপির নতুন উদ্যোগএই প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে শহিদ ও মিঠুর বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি| প্রতিবেদন প্রকাশের আগে বনানী থানার অফিসার ইনচার্জকে ফোন করে বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তা পাওয়া যায়নি| বনানীর মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কোনো প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ থাকলে সেটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন| 

৭ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

প্রস্তুতির ঘাটতি, তবু গ্লাসগো যাচ্ছে বাংলাদেশ

প্রস্তুতির ঘাটতি, তবু গ্লাসগো যাচ্ছে বাংলাদেশ

কমনওয়েলথ গেমসে অংশ নিতে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে গ্লাসগো যাচ্ছে বাংলাদেশ। তবে ৩৫ সদস্যের বহরে ক্রীড়াবিদ মাত্র ১৫ জন, আর কর্মকর্তা ও কোচ মিলিয়ে রয়েছেন ২০ জন। ফলে ক্রীড়াবিদের চেয়ে কর্মকর্তার সংখ্যাই বেশি হওয়ায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।মঙ্গলবার বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সংবাদ সম্মেলনে আসন্ন কমনওয়েলথ গেমসের প্রস্তুতি তুলে ধরেন বিওএর মহাসচিব জোবায়েদুর রহমান রানা।আগামী ২৩ জুলাই স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে শুরু হবে কমনওয়েলথ গেমস। ১০টি ডিসিপ্লিনের এই আসরে বাংলাদেশ অংশ নেবে মাত্র চারটি ইভেন্টে—অ্যাথলেটিকস, বক্সিং, সাঁতার এবং জিমন্যাস্টিকসে।পদক জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে বিওএ মহাসচিব বলেন, মাত্র আড়াই মাসের প্রস্তুতি, পর্যাপ্ত ক্রীড়া অবকাঠামোর অভাব এবং ইউরোপে প্রতিযোগিতা হওয়ায় ব্যয় বেড়েছে। একই ভেন্যু ভাগাভাগি করে একাধিক ডিসিপ্লিনকে অনুশীলন করাতে হয়েছে বলেও জানান তিনি।এবারের আসরে বাংলাদেশের সম্ভাবনা আরও কমে গেছে, কারণ দেশের সফল দুই ডিসিপ্লিন শুটিং ও আরচারি এবার কমনওয়েলথ গেমসের সূচিতে নেই।আরো পড়ুন ,উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ৪৪ বছরের রেকর্ড ভাঙার মিশনে এমিলিয়ানো মার্তিনেজপতাকা বহন করবেন সাঁতারু সামিউল ইসলাম রাফি। ব্যাটন রিলেতে থাকবেন সোনিয়া আক্তার।বাংলাদেশের হয়ে বক্সিংয়ে অংশ নেবেন জিনাত ফেরদৌস, রাকিব হোসেন ও রুহিন রেজা। অ্যাথলেটিকসে থাকছেন দেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর রহমান, শিরিন আক্তারসহ পাঁচজন। এছাড়া সাঁতার ও জিমন্যাস্টিকসেও থাকছে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব।এবারের আসরে পদকের চেয়ে ভালো পারফরম্যান্সই মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন।

আইন আদালত

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে আটকের পর কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা সাজিয়ে গুলি ও নির্যাতনের মাধ্যমে পঙ্গু করার অভিযোগে দায়ের করা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার আজ শুরু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলাটির সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) ও সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।আরও পড়ুন, ‘আমি শুধু ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার’: আসামি সোহেলমামলাটি শুনানি করবেন মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। মামলার প্রধান আসামি আনিসুর রহমান-সহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম চলবে।প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর চৌগাছা উপজেলা শাখার তৎকালীন সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন এবং সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিন-কে একটি মামলায় আটক করে পুলিশ। অভিযোগে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারের পর তাদের আদালতে হাজির না করে কয়েকদিন নির্যাতন করা হয়।আরও পড়ুন, শিশু রামিসা হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি আজপ্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ একটি সাজানো ঘটনা তৈরি করে দুই নেতার পায়ে গুলি করা হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে চিকিৎসার একপর্যায়ে তাদের পা কেটে ফেলতে হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় আরও বলা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অস্ত্র মামলাটি পরবর্তীতে আদালতে ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়।এর আগে গত ২০ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। সে সময় আদালতে উপস্থিত আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। বর্তমানে অভিযুক্তদের মধ্যে আকিকুল ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান এবং জহরুল হক কারাগারে রয়েছেন।আরও পড়ুন, সাইপ্রাসে এস আলমের ভবন জব্দের নির্দেশঅন্যদিকে প্রধান আসামি আনিসুর রহমান, সাবেক ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল এবং এসআই মাজেদুল পলাতক রয়েছেন বলে ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানিয়েছে। উল্লেখ্য, মামলার অভিযোগগুলো প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত অভিযোগ। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের রায়ের মাধ্যমে অভিযুক্তদের দায়-দায়িত্ব চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর