দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1005.2 hPa
29.4° 74%
15mm
চট্টগ্রাম 1006.2 hPa
27.7° 94%
50° 15mm
রাজশাহী 1005.3 hPa
27.6° 90%
15mm
খুলনা 1005 hPa
28.5° 88%
15mm
বরিশাল 1005.5 hPa
27.5° 88%
100° 15mm
সিলেট 1006.1 hPa
26.1° 95%
20° 15mm
রংপুর 1004.8 hPa
28.5° 88%
15mm
ময়মনসিংহ 1005.4 hPa
29° 86%
15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

গুলশান পুলিশকে বিতর্কিত করতেই মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

গুলশান পুলিশকে বিতর্কিত করতেই মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

সম্প্রতি একটি ভূঁইফোড় অনলাইন সংবাদমাধ্যমে রাজধানীর গুলশান-বনানী এলাকার বিভিন্ন স্পা সেন্টার, গেস্ট হাউস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তবে অনলাইনটির নেই কোন অনুমোদন। প্রতিবেদনে গুলশান থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) মিজানুর রহমানসহ পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ উত্থাপন করা হয়। প্রকাশিত প্রতিবেদনে মাসোহারা গ্রহণ, অবৈধ ব্যবসায় প্রশ্রয় এবং বিভিন্ন অনিয়মে সম্পৃক্ততার দাবি করা হলেও এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং অপপ্রচারমূলক বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত কর্মকর্তা সহ আরো অনেকে।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে গুলশান থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) মিজানুর রহমান বলেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। তার দাবি, ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত স্বার্থে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে আসছে।আরো পড়ুন: আলোচনা, সমালোচনা আর দায়িত্বের গল্প: ওসি দাউদতিনি বলেন, “বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে ছবি, অডিও, ভিডিও এমনকি কথোপকথনের স্ক্রিনশটও তৈরি করা সম্ভব। তাই কোনো স্ক্রিনশট বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কথোপকথন দেখিয়ে কাউকে দোষী প্রমাণ করা যায় না। প্রকাশিত প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে মিজানুর রহমান বলেন, দায়িত্ব পালনকালে তিনি সবসময় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও অপরাধ দমনে কাজ করে যাচ্ছেন। গুলশানের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কিছু গোষ্ঠী পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাতে পারে বলেও তিনি মনে করেন।তার ভাষ্য, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যদি পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে, সেটি অবশ্যই তদন্ত হতে পারে। কিন্তু অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের আগেই সেটিকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে প্রচার করা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।আরো পড়ুন:  ডিএমপির কয়েকটি থানায় দৃশ্যমান পরিবর্তনসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কারণে আলোচনায় থাকে। সময় সময় বিভিন্ন স্পা সেন্টার, গেস্ট হাউস ও বিনোদনকেন্দ্রকে ঘিরে অভিযোগ ওঠে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও অভিযান পরিচালনা করে। তবে কোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে তদন্তের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায়ী করা আইন ও ন্যায়বিচারের মূলনীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করেন আইন বিশ্লেষকরা।প্রতিবেদনে যে সব তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে তার অধিকাংশই যাচাইবিহীন এবং অনুমাননির্ভর। তিনি বলেন, প্রতিবেদনে কিছু স্ক্রিনশট ও কথিত তথ্যের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু এসব তথ্য কোথা থেকে এসেছে, সেগুলোর ফরেনসিক পরীক্ষা হয়েছে কি না কিংবা কোনো তদন্তকারী সংস্থা সত্যতা পেয়েছে কি না এসব বিষয়ে কিছুই উল্লেখ করা হয়নি।আরো পড়ুন: প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদতিনি আরও বলেন, “আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, একটি স্বার্থান্বেষী মহল আমাকে এবং পুলিশের কিছু কর্মকর্তাকে বিতর্কিত করার জন্য পরিকল্পিতভাবে এসব তথ্য ছড়াচ্ছে। উদ্দেশ্য হলো জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা এবং পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা।প্রকাশিত প্রতিবেদনে কথিতভাবে যেসব আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলোও সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেন তিনি। তার বক্তব্য, যে ধরনের অর্থ লেনদেনের কথা বলা হয়েছে তার কোনো প্রমাণ নেই। কেবল কারও বক্তব্য বা অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে অপরাধী বলা যায় না। যদি কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকে, তাহলে তা তদন্ত সংস্থার কাছে দেওয়া উচিত।এদিকে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দাউদ হোসেনও অভিযোগের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, পুলিশ কোনো অপরাধ বা অনিয়মকে প্রশ্রয় দেয় না। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। তবে অভিযোগেরও একটি গ্রহণযোগ্যতা ও তথ্যভিত্তিক ভিত্তি থাকতে হবে। আরো পড়ুন: অপরাধ দমনে নতুন ছকে ডিএমপিপ্রকাশিত প্রতিবেদনের পেছনে ব্যক্তিগত স্বার্থ ও উদ্দেশ্য কাজ করেছে। তিনি বলেন, কথিত জাফর নামের একজন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মাধ্যমে পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছেন। ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য তিনি বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছেন বলে আমার ধারণা। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। যদি কোনো ব্যক্তি আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, তাহলে আইন অনুযায়ী তদন্ত হোক। আমি তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করব। কিন্তু অভিযোগ প্রমাণের আগেই আমাকে দোষী সাব্যস্ত করার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। তবে এধরনের ভিক্তিহীন তথ্য ও গুজব ছড়ানো ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা খুবই জরুরী। তানহলে ভবিষতে তিনি আরো পুলিশের বিরুদ্ধে গুজব ছড়িয়ে পুলিশকে হয়রানী করার চেষ্টা চালিয়ে আসবে ও  তাদের তাদের দ্বায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করবে। জানা গেছে, উক্ত ব্যক্তি আ.লীগের দোষর এবং তার বিরুদ্ধে অপরাধের যথেষ্ট প্রমানাদি রয়েছে। স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশকে প্রতিনিয়ত নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়। এ অবস্থায় যেকোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে সত্য-মিথ্যা যাচাই করা জরুরি।আরো পড়ুন: এনবিআরের কর্মকর্তা সহিদুল ইসলামের অবৈধ সম্পদের পাহাড়এদিকে সংশ্লিষ্ট মহলের অনেকেই মনে করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তথ্য প্রচারের গতি বেড়ে যাওয়ায় অনেক সময় যাচাইবিহীন তথ্যও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ফলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় এবং ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।বিশ্লেষকদের মতে, কোনো অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থার। তদন্তের আগে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করা হলে তা আইনি জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।আরো পড়ুন: দৃষ্টান্তমূলক সেবায় আইজি ব্যাজ পেলেন ওসি হাফিজুর রহমানসর্বশেষে গুলশান থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) মিজানুর রহমান বলেন, “আমি সবসময় আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেছি এবং ভবিষ্যতেও করব। আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। প্রকৃত সত্য উদঘাটনের জন্য যে কোনো নিরপেক্ষ তদন্তকে আমি স্বাগত জানাই।অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ ও বিভিন্ন বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বিষয়টি এখন আলোচনায় রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রকৃত সত্য উদঘাটনে প্রয়োজন নিরপেক্ষ তদন্ত, তথ্যপ্রমাণের যথাযথ যাচাই এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা। তদন্তের ফলাফলই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে অভিযোগগুলোর বাস্তবতা কতটুকু এবং কার দাবি কতটা সত্য।

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

আগের রঙের পোশাকে ফিরছে পুলিশ

দেশের পুলিশ সদস্যদের পোশাকে আবারও পরিবর্তন আনা হয়েছে। ‘গাঢ় নীল’ এবং ‘হালকা অলিভ’ বা জলপাই রঙের সংমিশ্রণে আগের পোশাক ব্যবস্থায় ফিরছে বাংলাদেশ পুলিশ। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।পুলিশ সদর দপ্তর থেকে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে সই করেছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির।গেজেট অনুযায়ী, জেলা পুলিশসহ অন্যান্য ইউনিটের সদস্যদের শার্ট হবে গাঢ় নীল রঙের। অন্যদিকে দেশের সব মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যরা আরো পড়ুন , জনপ্রশাসনে বড় রদবদল, বদলি-পদোন্নতি ১২ কর্মকর্তারহালকা অলিভ বা জলপাই রঙের শার্ট পরবেন। তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সব ইউনিটের পুলিশ সদস্যদের প্যান্টের রঙ হবে খাকি।পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, নতুন ইউনিফর্মের মাধ্যমে বাহিনীর পরিচিত ঐতিহ্যবাহী রঙের ধারাবাহিকতা ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। একই সঙ্গে মাঠ পর্যায়ে ইউনিফর্ম ব্যবস্থায় সমন্বয় আনার লক্ষ্যেও এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।তবে এই পরিবর্তনের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে কয়েকটি বিশেষায়িত ইউনিটকে। এর মধ্যে রয়েছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, স্পেশাল প্রোটেকশন ব্যাটালিয়ন, স্পেশাল ব্রাঞ্চ, অপরাধ তদন্ত বিভাগ এবং র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন। অর্থাৎ এসব ইউনিটের বর্তমান পোশাকে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।নতুন গেজেট জারির ফলে শিগগিরই মাঠপর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের পোশাকে এ পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

জনপ্রশাসনে বড় রদবদল, বদলি-পদোন্নতি ১২ কর্মকর্তার

প্রশাসন ক্যাডারের ১২ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি ও বদলি করে নতুন দায়িত্ব দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি হওয়া এ সিদ্ধান্ত জনস্বার্থে অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কয়েকজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বা ইউএনও পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। এর মধ্যে রাঙ্গামাটি সদরের ইউএনও মোহাম্মদ কামরুল হোসেন চৌধুরীকে খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার ইউএনও সজীব কান্তি রুদ্রকে বান্দরবান এবং ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার ইউএনও রিগ্যান চাকমাকে চাঁদপুর জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।এছাড়া টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ইউএনও মো. খায়রুল ইসলামকে জামালপুর জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত এসব কর্মকর্তাকে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর ১০(২) ধারা অনুযায়ী অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, দুই অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের কর্মস্থল পরিবর্তন করা হয়েছে। কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খানকে সাতক্ষীরা এবং বান্দরবানের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবু তালেবকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে বদলি করা হয়েছে।একই সঙ্গে প্রশাসন ক্যাডারের আরও ছয় কর্মকর্তাকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে পদায়নের জন্য বিভিন্ন বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার ইউএনও মংচিংনু মারমাকে সিলেট বিভাগে এবং জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার ইউএনও নাজমুল হুসাইনকে ঢাকা বিভাগে আরো পড়ুন , নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সতর্ক পুলিশ, দেশজুড়ে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশন্যস্ত করা হয়েছে।এ ছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তরের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট লাভলী ইয়াসমিন, রাজউকের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহনাজ পারভীন বীথি, ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার কাজী তাহমিনা শারমিন এবং জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের উপপ্রধান নূরী তাসমিন ঊর্মিকেও নতুন দায়িত্বে পদায়নের জন্য বিভিন্ন বিভাগে পাঠানো হয়েছে।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ন্যস্তকৃত কর্মকর্তাদের কয়েকজনকে আগামী ২৪ জুনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বর্তমান দায়িত্ব থেকে অবমুক্ত বলে গণ্য হবেন।

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সতর্ক পুলিশ, দেশজুড়ে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

কার্যক্রমে নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে সারা দেশে পুলিশকে বিশেষ সতর্কতা ও নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।পুলিশের গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে দলীয় কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন, ব্যানার নিয়ে মিছিল এবং বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের চেষ্টা করতে পারেন।এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (কনফিডেনশিয়াল) মোহাম্মদ কামরুল আহসানের স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এসব কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, বিশেষ করে এনসিপি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে।আরও  পড়ুন, হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬০ হাজার ৫৮৮ জন হাজিনির্দেশনায় আরও বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এসব কার্যক্রমে বাধা দিলে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। তাই দেশের সব মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।এরই মধ্যে রাজধানীর মহাখালীতে আওয়ামী লীগের ব্যানারে একটি ঝটিকা মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। এছাড়া গণভবনের সামনেও যুবলীগের একটি মিছিলের খবর পাওয়া গেছে।পুলিশ জানিয়েছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম যেন জননিরাপত্তা বিঘ্নিত না করে, সে জন্য সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সম্ভাব্য নাশকতা ও সহিংসতা প্রতিরোধে মাঠপর্যায়ে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।

হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬০ হাজার ৫৮৮ জন হাজি

হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরতে শুরু করেছেন বাংলাদেশি হাজিরা। এখন পর্যন্ত মোট ৬০ হাজার ৫৮৮ জন হাজি দেশে ফিরে এসেছেন বলে জানিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।চলতি বছরের হজ শেষে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় ৩০ মে থেকে। শেষ ফ্লাইট নির্ধারিত রয়েছে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত।সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশে ফেরা হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৫৬ হাজার ২৬৯ জন।অন্যদিকে, হজ পালনের সময় সৌদি আরবে এ পর্যন্ত ৫৪ জন বাংলাদেশি মৃত্যুবরণ করেছেন। আরও  পড়ুন , বর্ষার ছোঁয়ায় রঙিন প্রকৃতি, ফুলে ফুলে ভরে উঠেছে বাংলার মাঠ-ঘাট তাদের মধ্যে ৩৬ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী।মৃতদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩৭ জন মারা গেছেন মক্কায়, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন।ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানায়, হজযাত্রীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন মেডিকেল সেন্টারের মাধ্যমে চিকিৎসা কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে।এ পর্যন্ত ৬৬ হাজারের বেশি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে এবং আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে প্রায় ২৮ হাজার সেবা দেওয়া হয়েছে।সরকার বলছে, হাজিদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

রাজনীতিরাজনীতি

একদলীয় শাসনের আশঙ্কা, সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ জামায়াত আমিরের

একদলীয় শাসনের আশঙ্কা, সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ জামায়াত আমিরের

দেশে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার সকালে নারায়ণগঞ্জের মাসদাইর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন।জামায়াত আমির বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ থেকে শুরু করে বিভিন্ন ব্যাংক, বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের মাধ্যমে সরকার একদলীয় শাসনের দিকে এগোচ্ছে। তিনি দাবি করেন, গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে যোগ্য ব্যক্তিদের পরিবর্তে দলীয় অনুগতদের বসানো হচ্ছে।সরকারকে সতর্ক করে তিনি বলেন, ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—একদলীয় শাসন দেশের মানুষ কখনো মেনে নেয়নি এবং ভবিষ্যতেও মেনে নেবে না।আরও পড়ুন,রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল থেকে আ. লীগের ককটেল বিস্ফোরণ, উত্তেজনাবক্তব্যে তিনি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি সম্মানজনক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের বাস্তবায়ন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তার অভিযোগ, দুর্নীতি, ঘুষ ও চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে বড় বাজেটও জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে না।জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আন্দোলনকারীদের ত্যাগ ও অবদানের কারণেই দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। তাদের অবদানকে কোনোভাবেই খাটো করে দেখা উচিত নয়।নারায়ণগঞ্জের কর্মী সম্মেলনে দেওয়া এই বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল থেকে আ. লীগের  ককটেল বিস্ফোরণ, উত্তেজনা

রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল থেকে আ. লীগের ককটেল বিস্ফোরণ, উত্তেজনা

রাজধানীর মহাখালী এলাকায় ঝটিকা মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্ঠিত ওই মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে মহাখালী টার্মিনালের মূল সড়কে কয়েকজন একত্র হয়ে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলকারীরা সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এবং স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম-এর শাস্তির দাবি জানায়।আরও  পড়ুন, তৃণমূল শক্তিশালী করতে একক নির্বাচনী কৌশলে এনসিপিএ সময় মিছিলে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে, যা এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে।পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং তিনজনকে আটক করা হয়েছে।আটকরা হলেন মিজানুর রহমান হাওলাদার (৪০), শামীম আর বেবি (৫০) ও শামীম হোসেন (৪৮)।তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান বলেন, মিছিলে ৪–৫টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

তৃণমূল শক্তিশালী করতে একক নির্বাচনী কৌশলে এনসিপি

তৃণমূল শক্তিশালী করতে একক নির্বাচনী কৌশলে এনসিপি

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক জোটের অধীনে নয়, বরং এককভাবে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।দলটির নেতারা বলছেন, তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করা এবং ওয়ার্ডভিত্তিক রাজনৈতিক কার্যক্রম বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই কৌশল নেওয়া হয়েছে।দলটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম জানিয়েছেন, দেশের যেসব এলাকায় দলের সাংগঠনিক উপস্থিতি নেই, সেখানে নতুন কমিটি গঠন করা হচ্ছে। পাশাপাশি পুরোনো কমিটিগুলোর কার্যক্রম মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় সংস্কারও আনা হচ্ছে।আরও  পড়ুন, জীবিত বাবাকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলায় দুঃখ প্রকাশ এমপি মুনতাকিমেরতিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিলে ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়বে এবং সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে। তবে ভোট বিভাজনের কারণে কিছু এলাকায় জয়ের সম্ভাবনা কমে যাওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে।অন্যদিকে দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে হবে এবং কী প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাই জোট গঠন নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।তিনি আরও বলেন, দলের পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি বজায় রাখতে বিতর্কিত ব্যক্তিদের দলে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে এনসিপি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

জীবিত বাবাকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলায় দুঃখ প্রকাশ এমপি মুনতাকিমের

জীবিত বাবাকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলায় দুঃখ প্রকাশ এমপি মুনতাকিমের

জাতীয় সংসদে নিজের জীবিত বাবাকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলে বক্তব্য দেওয়ার পর দুঃখ প্রকাশ করেছেন নীলফামারী-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সমর্থিত সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিম।গত ১৪ জুন বাজেট অধিবেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, তাঁর পরিবারে ৪৭ জন মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি বলেন, তাঁর বাবা ও দাদা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন।তবে পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। কারণ, নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী এমপি মুনতাকিমের জন্ম ১৯৮১ সালের ১০ জানুয়ারি, যা মুক্তিযুদ্ধের প্রায় এক দশক পরে।আরও পড়ুন , পঞ্চগড়ে ক্যান্টনমেন্ট চেয়ে ফেসবুক পোস্টে সরব সারজিস আলম এছাড়া তাঁর বাবা আব্দুল কাদের সৈয়দী বর্তমানে জীবিত রয়েছেন।এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এমপি মুনতাকিম বলেন, সংসদ অধিবেশনের সময় তিনি অসুস্থ ছিলেন এবং প্রচণ্ড মাথাব্যথায় ভুগছিলেন। ফলে তিনি কী বলেছেন, তা পুরোপুরি বুঝতে পারেননি।তিনি স্পষ্ট করে জানান, তাঁর বাবা জীবিত আছেন। মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন তাঁর দাদা ও চাচা। সংসদে ভুল কিছু বলে থাকলে দেশের মানুষের কাছে তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেন।ঘটনাটি রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সারাবাংলা

ট্রাকভর্তি অবৈধ চিনি উদ্ধার করল কোস্টগার্ড

ট্রাকভর্তি অবৈধ চিনি উদ্ধার করল কোস্টগার্ড

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় একটি বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা ৮০০ কেজি চিনি জব্দ করেছে কোস্টগার্ড। এ ঘটনায় দুই চোরাকারবারিকে আটক করা হয়েছে।শুক্রবার ভোরে পতেঙ্গার চরপাড়াঘাট সংলগ্ন এলাকায় কোস্টগার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এসব চিনি উদ্ধার করা হয়। কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার বিএন সুমন আল মুকিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্টগার্ড জানতে পারে, একটি সংঘবদ্ধ চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত আরো পড়ুন , সবুজ বাংলাদেশ গড়তে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই: খোকনকরার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ এলাকায় অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত চিনির আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে কোস্টগার্ড।এ সময় ট্রাকটিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া চিনি শুল্ক ফাঁকি দিয়ে বাজারে সরবরাহের উদ্দেশ্যে পরিবহন করা হচ্ছিল।কোস্টগার্ড জানিয়েছে, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, উপকূলীয় এলাকায় চোরাচালান ও শুল্ক ফাঁকি রোধে কোস্টগার্ডের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সবুজ বাংলাদেশ গড়তে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই: খোকন

সবুজ বাংলাদেশ গড়তে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই: খোকন

মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার বলেছেন, খাল খনন কর্মসূচির আওতায় খালের দুই পাড়ের রাস্তায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।শুক্রবার বিকেলে মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার কাজী বাকাই ইউনিয়নের উত্তর ভাউতলী এলাকার ঘটকের খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।খোকন তালুকদার জানান, খাল খননের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর খালের দুই পাড়ের রাস্তাজুড়ে হাজার হাজার গাছ রোপণ করা হবে। এরই অংশ হিসেবে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা আরো পড়ুন , ধারা বাজারের ধান মহলে মহাসড়ক জিম্মি, সাপ্তাহিক হাটে তীব্র যানজটে নাকাল জনজীবনহয়েছে।তিনি বলেন, এই গাছগুলো ভবিষ্যতে পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। একই সঙ্গে স্থানীয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং মানুষের জন্য স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতেও সহায়ক হবে।সংসদ সদস্য আরও বলেন, অক্সিজেন ও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে হলে বৃক্ষরোপণ ও জলাশয় সংরক্ষণের বিকল্প নেই। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট বিভিন্ন ঝুঁকি ও পরিবেশগত বিপর্যয় থেকে দেশকে রক্ষা করতে হলে ব্যাপকভাবে গাছ লাগানোর উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে।তিনি ‘সবুজ বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্য বাস্তবায়নে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে ডাসার উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন তালুকদার, কালকিনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম খান, ডাসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোলায়মান মাহমুদ, ডাসার উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আলাউদ্দিন সরদারসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ধারা বাজারের ধান মহলে মহাসড়ক জিম্মি, সাপ্তাহিক হাটে তীব্র যানজটে নাকাল জনজীবন

ধারা বাজারের ধান মহলে মহাসড়ক জিম্মি, সাপ্তাহিক হাটে তীব্র যানজটে নাকাল জনজীবন

ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী হালুয়াঘাট উপজেলার ধারা বাজার এলাকায় মহাসড়কের ওপর গড়ে ওঠা ধান মহলের কারণে ভয়াবহ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে প্রতি শুক্র ও সোমবার সাপ্তাহিক হাটের দিনে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয়।স্থানীয়দের অভিযোগ, ময়মনসিংহ-হালুয়াঘাট মহাসড়কের পাশে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা ধান কেনাবেচা করলেও ধান বহনকারী ট্রলি, নছিমন, করিমন, ভটভটি ও ট্রাক সরাসরি সড়কের ওপর রাখায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মহাসড়কের বড় অংশজুড়ে চলছে ধান কেনাবেচা। আরও  পড়ুন , গাজীপুরের ৩৫ কেজির ‘মহাকাঁঠাল’ নজর কাড়ল ফল মেলায়, রপ্তানির সম্ভাবনায় নতুন আশার আলো এতে ঢাকা ও ময়মনসিংহগামী বাস, ট্রাক এবং অন্যান্য যানবাহন দীর্ঘ সময় আটকে থাকছে। চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও সাধারণ যাত্রীরা।পরিবহন চালকদের অভিযোগ, ধারা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় প্রতিদিনই যানজট থাকলেও হাটের দিনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।স্থানীয় কৃষকরাও বিকল্প স্থানে ধান মহল স্থানান্তরের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, ধারা বাজার বাইপাস এলাকায় হাট সরিয়ে নেওয়া হলে মহাসড়কের যানজট অনেকটাই কমে যাবে।এ বিষয়ে হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ জানিয়েছেন, মহাসড়কের ওপর গড়ে ওঠা ধান মহল অবৈধ। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত এটি অন্যত্র স্থানান্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গাজীপুরের ৩৫ কেজির ‘মহাকাঁঠাল’ নজর কাড়ল ফল মেলায়, রপ্তানির সম্ভাবনায় নতুন আশার আলো

গাজীপুরের ৩৫ কেজির ‘মহাকাঁঠাল’ নজর কাড়ল ফল মেলায়, রপ্তানির সম্ভাবনায় নতুন আশার আলো

গাজীপুর সদর উপজেলা চত্বরে জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, গাজীপুরের যৌথ আয়োজনে ‘ফল মেলা-২০২৬’ এবং কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, এমপি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ নূরুল করিম ভূঁইয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মেলার উদ্বোধন ঘোষণা করেন।এবারের ফল মেলায় ৩৪ প্রকারের দেশীয় ফল প্রদর্শন করা হয়। মেলার প্রধান আকর্ষণ ছিল গাজীপুরের ঐতিহ্যবাহী ৩৫ কেজি ওজনের একটি বিশাল কাঁঠাল, যা ভিডিও কনফারেন্সে মন্ত্রীকে প্রদর্শন করা হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক জানান, গাজীপুরের কাঁঠাল ও কাঁঠালজাত পণ্য বিদেশে রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কাঁঠালের বাজারমূল্য প্রায় ৫০০ কোটি টাকা হলেও সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত ও বাজারজাত করা গেলে এর বাজার ২ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হতে পারে।জেলা প্রশাসক কাঁঠালের ব্যাপক প্রচার-প্রচারণার জন্য মন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করলে তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)-এর মাধ্যমে দেশব্যাপী কাঁঠালের প্রচারে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন। বিশাল আকারের কাঁঠাল দেখে তিনি গাজীপুরের বাম্পার উৎপাদনে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং কাঁঠালের বহুমুখী ব্যবহার সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।আরও  পড়ুন , আখাউড়ায় ব্রাজিলের পতাকার রঙে সাজানো বাড়ি, বিশ্বকাপ উন্মাদনায় নতুন মাত্রাঅনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোঃ নূরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, “ফল মেলা অত্যন্ত দরকারি একটি আয়োজন। এর মাধ্যমে মানুষ দেশীয় ফলের সঙ্গে নতুন করে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পায় এবং ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানতে পারে। একই সঙ্গে ফলভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের সুযোগও সৃষ্টি হয়।”তিনি আরও বলেন, “আমাদের স্বদেশীয় ফুল, ফল ও গাছপালাকে সংরক্ষণ করতে হবে। নিজেদের শেকড় ও ঐতিহ্য ধরে রাখতে এসব সম্পদ রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব।”জানা গেছে, চলতি মৌসুমে গাজীপুর জেলায় ৯ হাজার ১২৫ হেক্টর জমিতে কাঁঠালের আবাদ হয়েছে এবং উৎপাদন হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন।গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ সাজ্জাত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, গাজীপুরের উপপরিচালক মোঃ রফিকুল ইসলাম খান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মঈন খান এলিস, জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা ড. মোঃ আবদুল্লাহ আল ফারুক এবং অতিরিক্ত উপপরিচালক আব্দুল মতিন বিশ্বাস।এদিকে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় পরিবেশ উন্নয়ন ও ফলদ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হয়। উদ্বোধনী দিনে ৬০ জন প্রান্তিক কৃষকের মধ্যে উন্নত জাতের ৫টি ফলদ গাছের কলম চারা, ৫টি বাঁশের খুঁটি এবং ৪০ কেজি করে পরিবেশবান্ধব ভার্মি কম্পোস্ট (কেঁচো সার) বিতরণ করা হয়।আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, ফল মেলা ও কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি গাজীপুরে ফল চাষ সম্প্রসারণ এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আন্তর্জাতিক

ভ্যান্সের সফর বাতিল, হচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক

ভ্যান্সের সফর বাতিল, হচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক

সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বহুল প্রতীক্ষিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষ মুহূর্তে স্থগিত করা হয়েছে। শুক্রবার দেশটির বুর্গেনস্টক রিসোর্টে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা আপাতত হচ্ছে না বলে জানিয়েছে সুইস পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টজেডি ভ্যান্স-এর সুইজারল্যান্ড সফর স্থগিত করেছে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে তার বৈঠকে বসার কথা ছিল। তবে আলোচনার প্রস্তুতি ও কারিগরি বিষয়গুলো পুরোপুরি চূড়ান্ত না হওয়ায় সফর এবং বৈঠক—দুটিই আপাতত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি আরো পড়ুন , মার্কিন সেনা নিহতের সংখ্যা নিয়ে ধোঁয়াশাসমঝোতা স্মারকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে স্বাক্ষর করেছিল। ওই সমঝোতার আওতায় হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা, আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানো এবং বিভিন্ন কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে পরবর্তী আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। বুর্গেনস্টকের বৈঠককে সেই বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছিল।তবে বৈঠক স্থগিত হওয়ায় সমঝোতার ভবিষ্যৎ বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, আলোচনার সময়সূচি, অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিদের সফর এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে কিছু জটিলতা তৈরি হওয়ায় বৈঠকটি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।সুইজারল্যান্ড সরকার জানিয়েছে, তারা এখনও দুই দেশের মধ্যে সংলাপ আয়োজনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। পরিস্থিতি অনুকূলে এলে নতুন সময়সূচি ঘোষণা করা হবে।বিশ্লেষকদের মতে, এই স্থগিতাদেশ সাময়িক হলেও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা এবং দুই দেশের মধ্যে আস্থার ঘাটতি কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। 

২ ঘন্টা আগে

রাজধানী

যাত্রাবাড়ীতে বিশেষ অভিযানে অস্ত্র-গোলাবারুদ ও মাদকসহ ১৯ জন গ্রেপ্তার

যাত্রাবাড়ীতে বিশেষ অভিযানে অস্ত্র-গোলাবারুদ ও মাদকসহ ১৯ জন গ্রেপ্তার

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় অপরাধ দমনে বড় ধরনের অভিযান চালিয়ে ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।বৃহস্পতিবার যাত্রাবাড়ী থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। শুক্রবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে নিয়মিত ও পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামি, মাদক ব্যবসায়ী, আরও  পড়ুন, পরিকল্পনাহীন নগরায়ণেই ঢাকার যানজট সংকট তীব্রজুয়াড়ি এবং অসামাজিক কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন ব্যক্তি।অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে দুটি টরাস ব্র্যান্ডের পিস্তল, চারটি ম্যাগাজিন, ৭৭ রাউন্ড তাজা গুলি, ৫৯ গ্রাম হেরোইন, হেরোইন তৈরির কাজে ব্যবহৃত ৮৭ গ্রাম উপাদান, নগদ ২২ হাজার ৯৬০ টাকা এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত চারটি মোবাইল ফোন।ডিএমপি জানায়, যাত্রাবাড়ী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় অপরাধচক্রকে লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

৬ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

মিথ্যা অভিযোগ’ দাবি হাকিমির, তবু বিচার শুরু হচ্ছে

মিথ্যা অভিযোগ’ দাবি হাকিমির, তবু বিচার শুরু হচ্ছে

মরক্কোর অধিনায়ক ও ফরাসি ক্লাব Achraf Hakimi ধর্ষণের অভিযোগে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচারের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ফরাসি আদালত তার বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম চালানোর জন্য পর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে বলে মত দিয়েছে।ফরাসি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে এক তরুণী হাকিমির বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, প্যারিসের উপকণ্ঠে তার বাসভবনে ওই ঘটনা ঘটেছিল। অভিযোগ প্রকাশের পর থেকেই হাকিমি তা অস্বীকার করে আসছেন এবং একে ‘মিথ্যা অভিযোগ’ বলে দাবি করছেন।প্রায় তিন বছর ধরে তদন্তের পর প্রসিকিউটররা মামলাটি পূর্ণাঙ্গ বিচারের জন্য আদালতে পাঠানোর সুপারিশ করেন। পরে ভার্সাই আপিল আদালতও সেই সিদ্ধান্ত বহাল রাখে। ফলে এখন আরো পড়ুন , জয় ছাড়া বিকল্প নেই, বললেন আলফারোফৌজদারি আদালতে মামলার বিচার শুরুর পথ উন্মুক্ত হয়েছে।আদালতের সিদ্ধান্তের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে হাকিমি দাবি করেন, তার খ্যাতির কারণেই মামলাটি এতদূর গড়িয়েছে। তিনি বলেন, যদি তিনি বিখ্যাত না হতেন, তাহলে হয়তো এই মামলাও হতো না। দীর্ঘ সময় তিনি নীরব থেকেছেন এবং বিচার ব্যবস্থার ওপর আস্থা রেখেছেন বলেও উল্লেখ করেন।অন্যদিকে অভিযোগকারী পক্ষের আইনজীবী রাচেল-ফ্লোর পার্দো আদালতের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তার মতে, তদন্তে পাওয়া তথ্য-প্রমাণ বিচার শুরুর জন্য যথেষ্ট এবং আদালতের সিদ্ধান্ত মামলার উপাত্ত ও তদন্তকারী সংস্থার মতামতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।এদিকে আইনি জটিলতার মধ্যেই ২০২৬ বিশ্বকাপে মরক্কো দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন হাকিমি। মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি আদালতের লড়াইটিও এখন সমান গুরুত্ব নিয়ে সামনে এসেছে মরক্কোর এই তারকা ফুটবলারের জন্য।

আইন আদালত

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে আটকের পর কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা সাজিয়ে গুলি ও নির্যাতনের মাধ্যমে পঙ্গু করার অভিযোগে দায়ের করা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার আজ শুরু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলাটির সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) ও সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।আরও পড়ুন, ‘আমি শুধু ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার’: আসামি সোহেলমামলাটি শুনানি করবেন মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। মামলার প্রধান আসামি আনিসুর রহমান-সহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম চলবে।প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর চৌগাছা উপজেলা শাখার তৎকালীন সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন এবং সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিন-কে একটি মামলায় আটক করে পুলিশ। অভিযোগে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারের পর তাদের আদালতে হাজির না করে কয়েকদিন নির্যাতন করা হয়।আরও পড়ুন, শিশু রামিসা হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি আজপ্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ একটি সাজানো ঘটনা তৈরি করে দুই নেতার পায়ে গুলি করা হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে চিকিৎসার একপর্যায়ে তাদের পা কেটে ফেলতে হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় আরও বলা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অস্ত্র মামলাটি পরবর্তীতে আদালতে ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়।এর আগে গত ২০ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। সে সময় আদালতে উপস্থিত আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। বর্তমানে অভিযুক্তদের মধ্যে আকিকুল ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান এবং জহরুল হক কারাগারে রয়েছেন।আরও পড়ুন, সাইপ্রাসে এস আলমের ভবন জব্দের নির্দেশঅন্যদিকে প্রধান আসামি আনিসুর রহমান, সাবেক ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল এবং এসআই মাজেদুল পলাতক রয়েছেন বলে ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানিয়েছে। উল্লেখ্য, মামলার অভিযোগগুলো প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত অভিযোগ। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের রায়ের মাধ্যমে অভিযুক্তদের দায়-দায়িত্ব চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর