দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1006.1 hPa
26.5° 97%
15mm
চট্টগ্রাম 1007.2 hPa
26.4° 95%
40° 15mm
রাজশাহী 1003.1 hPa
34.4° 70%
20° 12mm
খুলনা 1005.9 hPa
29° 83%
15mm
বরিশাল 1006.1 hPa
29.5° 88%
15mm
সিলেট 1006 hPa
27° 92%
20° 15mm
রংপুর 1005.2 hPa
29° 0%
15mm
ময়মনসিংহ 1006 hPa
30° 80%
15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

ডিএমপির কয়েকটি থানায় দৃশ্যমান পরিবর্তন

ডিএমপির কয়েকটি থানায় দৃশ্যমান পরিবর্তন

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে পুলিশ বাহিনীর কার্যক্রমে ধীরে ধীরে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসছে বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। দীর্ঘদিন পর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের সক্রিয়তা, জনবান্ধব আচরণ এবং অপরাধ দমনে দৃশ্যমান তৎপরতায় নতুন করে আশার আলো দেখছেন নগরবাসী। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও জনমুখী করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি, সেবা প্রদান সহজ করা এবং অপরাধ দমনে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমে পুলিশের সক্ষমতা উন্নয়নের চেষ্টা চলছে।আরও পড়ুন: অবৈধ স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযানের পরও থামেনি বাহারের নেটওয়ার্ক!রাজধানী ঢাকা দেশের অর্থনৈতিক, প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক কেন্দ্র হওয়ায় এখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ। প্রতিদিন কোটি টাকার লেনদেন, হাজারো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যালয় এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) আওতাধীন কয়েকটি থানার কার্যক্রম বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে। গুলশান, বনানী, মিরপুর, বংশাল, রামপুরা, পল্টন ও যাত্রাবাড়ি থানার বিভিন্ন উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান ও বনানীতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা, মাদক, প্রতারণা ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে অভিযোগ ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ গ্রহণের কারণে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখন অভিযোগ করলে দ্রুত সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের উপস্থিতিও বেড়েছে। এতে নিরাপত্তা নিয়ে মানুষের মধ্যে আস্থা বাড়ছে।আরও পড়ুন: আইনশৃঙ্খলা শক্তিশালী করতে পুলিশের জন্য ২১২ ডাবল কেবিন পিকআপ অনুমোদনরাজধানীর সবচেয়ে জনবহুল এলাকাগুলোর একটি মিরপুর। এই এলাকায় ছিনতাই, কিশোর গ্যাং ও মাদকসংক্রান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ আগের তুলনায় অনেক বেশি সক্রিয় বলে দাবি স্থানীয়দের। রাতের টহল, সন্দেহভাজনদের ওপর নজরদারি এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম বৃদ্ধির ফলে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলে মনে করছেন বাসিন্দারা।আরও পড়ুন: জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসে বীর শান্তিরক্ষীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন তারেক রহমানপুরান ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ দুটি থানা বংশাল ও পল্টন। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের অভিযোগ থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা দৃশ্যমান হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিয়মিত অভিযান, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার এবং অপরাধপ্রবণ এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধির ফলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।রামপুরা ও যাত্রাবাড়ি এলাকায়ও পুলিশের কার্যক্রমে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ দ্রুত গ্রহণ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা এবং স্থানীয় সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ প্রশংসিত হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, পুলিশের সঙ্গে জনগণের দূরত্ব কমলে অপরাধ প্রতিরোধ আরও সহজ হবে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, পুলিশের সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে জনগণের আস্থা। জনগণ যদি পুলিশের ওপর বিশ্বাস রাখে, তাহলে অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা অনেক সহজ হয়ে যায়। তারা বলছেন, শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না, অভিযানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। পাশাপাশি অপরাধী যে-ই হোক, তার বিরুদ্ধে সমানভাবে আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।আরও পড়ুন: প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদবর্তমানে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সিসিটিভি মনিটরিং, ডিজিটাল অভিযোগ ব্যবস্থা, অনলাইন সেবা এবং তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। এতে অপরাধ শনাক্তকরণ ও তদন্তের গতি বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার যত বাড়বে, অপরাধ দমনে তত বেশি সফলতা আসবে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, পুলিশের এই ইতিবাচক পরিবর্তন যেন সাময়িক না হয়। বরং এটি যেন একটি স্থায়ী সংস্কৃতিতে পরিণত হয়। দুর্নীতি, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রেখে জনগণের আস্থা আরও শক্তিশালী করতে হবে। অনেকের মতে, রাজধানীর কয়েকটি থানায় যে পরিবর্তনের বার্তা দেখা যাচ্ছে, সেটি পুরো পুলিশ বাহিনীর জন্য একটি ইতিবাচক উদাহরণ হতে পারে।আরও পড়ুন: সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী মান্নানের সহকারী একান্ত সচিব' হাসনাত জেল হাজতেরাজধানীর বিভিন্ন এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলে যে চিত্র পাওয়া গেছে, তাতে স্পষ্ট পুলিশের কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত সাধারণ মানুষ অনুভব করতে শুরু করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পেশাদারিত্ব, জবাবদিহিতা ও জনসম্পৃক্ততা বাড়লে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন তারা। সব মিলিয়ে, পুলিশের পরিবর্তনের এই ধারা জনমনে নতুন আশা তৈরি করেছে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে এটাই এখন সবার প্রত্যাশা।  

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

চুরি নাকি পরিকল্পিত ঘটনা সন্দেহ প্রকাশ অ্যাটর্নি জেনারেলের

সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় অবস্থিত অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে মধ্যরাতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। দুষ্কৃতিকারীরা ভবনের জানালার থাই গ্লাস খুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে ঘটে এই ঘটনা।অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, কয়েকজন দুষ্কৃতিকারী অফিস ভবনের নিচতলা ও দ্বিতীয় তলার লিফটের সামনে থাকা জানালার দুটি থাই গ্লাস খুলে ফেলে। পরে ভবনের পেছন দিক দিয়ে একটি গ্লাস নিয়ে যেতে সক্ষম হলেও অন্যটি নিতে পারেনি।তিনি জানান, শব্দ শুনে অফিসের দারোয়ান ফজলুল হক ও মিঠুন বাড়ৈ এবং আরো পড়ুন , তারেক রহমানের প্রথম কক্সবাজার সফরকর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে দুষ্কৃতিকারীদের ধাওয়া করেন। তবে তারা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।ঘটনার পর অ্যাটর্নি জেনারেলকে বিষয়টি জানানো হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে থানায় অভিযোগ দায়েরের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ঘটনায় জড়িত ব্যক্তি এবং সম্ভাব্য ইন্ধনদাতাদের শনাক্ত করে সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।তবে ঘটনাটিকে শুধু সাধারণ চুরি হিসেবে দেখছেন না অ্যাটর্নি জেনারেল। তার ভাষ্য, সম্প্রতি কার্যালয়ের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং দুর্নীতির অভিযোগে একজনকে জেলেও পাঠানো হয়েছে। দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানের কারণে অসাধু চক্র সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনার পেছনে পরিকল্পিত ইন্ধন থাকতে পারে বলে পুলিশকে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

তারেক রহমানের প্রথম কক্সবাজার সফর

একদিনের সফরে আগামীকাল শনিবার কক্সবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তার প্রথম কক্সবাজার সফর। সফরে উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, জনসভা ও সুধী সমাবেশসহ একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানিয়েছেন, শনিবার সকালে বিমানযোগে কক্সবাজার পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সড়কপথে চকরিয়ার পিএমখালী এলাকায় যাবেন তিনি।দিনের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে পাতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন, আরোপড়ুন, বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব আরও শক্তিশালী করতে চায় সরকারমালুমঘাট সংরক্ষিত বনে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন।এছাড়া কক্সবাজারবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি পেকুয়া পৌরসভা এবং মাতামুহুরী নতুন উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরকালে তিনি মেরিন ড্রাইভ সড়কও ঘুরে দেখবেন।বিকেলে চকরিয়া বাস টার্মিনালে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত এক জনসভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এরপর সন্ধ্যায় একটি সুধী সমাবেশেও যোগ দেবেন তিনি।সব কর্মসূচি শেষ করে রাতের ফ্লাইটেই ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।একদিনের সফরে আগামীকাল কক্সবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই তার প্রথম কক্সবাজার সফর।

বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব আরও শক্তিশালী করতে চায় সরকার

বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক আরও গভীর এবং শক্তিশালী করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সার্বভৌম সমতা এবং শান্তি ও সমৃদ্ধির অংশীদারত্বের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।শুক্রবার চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ডে’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী। চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপোর দ্বিতীয় দিনে স্থানীয় একটি হোটেলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের জনগণ যাতে বাস্তব ও প্রত্যক্ষভাবে উপকৃত হতে পারে, সে ধরনের টেকসই সম্পর্ক গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। এবারের মেলায় বাংলাদেশের রেকর্ডসংখ্যক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ সেই প্রচেষ্টারই প্রতিফলন।তিনি বলেন, কুনমিংয়ে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন দুই দেশের গভীর বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক আস্থার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ‘ডেস্টিনেশন আরো পড়ুন কায়সার কামালের নেতৃত্বে কুনমিংয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকবাংলাদেশ: ল্যান্ড অব অপরচুনিটিজ’ শুধু একটি স্লোগান নয়, বরং বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের জন্য একটি উন্মুক্ত আহ্বান।এ সময় ইউনানের ব্যবসায়ী সমাজের প্রতি বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি পণ্য আমদানির আহ্বান জানান তিনি।অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম, ইউনান প্রদেশের ভাইস গভর্নর লিউ ইয়াং, ইউনান প্রদেশের বাণিজ্য বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল লি ই, রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফসহ দুই দেশের বিভিন্ন প্রতিনিধি।এদিকে ‘বাংলাদেশ ডে’ উপলক্ষে ‘বাংলাদেশ: সোর্সিং উইথ কোয়ালিটি অ্যান্ড কম্পিটিটিভনেস’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।উল্লেখ্য, দশম চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপো এবং ৩০তম চায়না কুনমিং আমদানি-রফতানি মেলা ১১ জুন শুরু হয়ে আগামী ১৬ জুন পর্যন্ত চলবে। বিশ্বের ৬৮টি দেশের প্রায় ২ হাজার ৩০০ প্রদর্শক এ মেলায় অংশ নিয়েছে। এবারের মেলায় বাংলাদেশের রেকর্ডসংখ্যক ১০১টি প্রতিষ্ঠানের ১৭৫ জন প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন।ভিজ্যুয়াল: কুনমিংয়ে ‘বাংলাদেশ ডে’ অনুষ্ঠান, বাংলাদেশের পতাকাভয়েসওভার: বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক আরও গভীর ও শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।ভিজ্যুয়াল: বাণিজ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের দৃশ্যভয়েসওভার: কুনমিংয়ে ‘বাংলাদেশ ডে’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে কাজ করছে সরকার।ভিজ্যুয়াল: বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন, বিভিন্ন পণ্যের প্রদর্শনীভয়েসওভার: এবারের মেলায় বাংলাদেশের রেকর্ড ১০১টি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণকে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।ভিজ্যুয়াল: চীনা ব্যবসায়ী ও বাংলাদেশি প্রতিনিধিদের মতবিনিময়ভয়েসওভার: চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং আরও বেশি পণ্য আমদানির আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

কায়সার কামালের নেতৃত্বে কুনমিংয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিংয়ে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে স্বাস্থ্য, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।শুক্রবার (১২ জুন) অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির, সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, খালেদ মাহমুদ শ্যামল ও সুলতানা জেসমিন এবং চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নাজমুল ইসলাম।চীনের পক্ষ থেকে বৈঠকে নেতৃত্ব দেন ইউনান পিপলস কংগ্রেসের চেয়ারম্যান এবং ইউনান প্রদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক ওয়াং নিং। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ইউনান প্রদেশের শীর্ষ প্রশাসনিক ও নীতিনির্ধারক কর্মকর্তারা, যার মধ্যে ভাইস গভর্নর, পররাষ্ট্র, শিক্ষা, বাণিজ্য ও স্বাস্থ্য খাতের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ছিলেন।আরও পড়ুন, সব শ্রেণির মানুষকে বাজেটের আওতায় আনার চেষ্টা করেছি: অর্থমন্ত্রীবৈঠকে উভয় পক্ষ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে একমত হয়। বিশেষ করে স্বাস্থ্য খাতে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শিল্প ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং রোড কানেকটিভিটি উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।বাংলাদেশ পক্ষ থেকে চীনা বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়, বিশেষ করে স্বাস্থ্য খাতে আধুনিক প্রযুক্তি ও অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়।এছাড়া ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত প্রতিনিধি বিনিময়, উচ্চপর্যায়ের সফর এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের বিষয়ে উভয় পক্ষ ঐকমত্যে পৌঁছায়।বিশ্লেষকদের মতে, এ বৈঠক বাংলাদেশ–চীন কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

রাজনীতিরাজনীতি

‘চানাচুরের মতো বাজেট, দেখতে ভালো কিন্তু পুষ্টিগুণ নেই’ : নাহিদ ইসলাম

‘চানাচুরের মতো বাজেট, দেখতে ভালো কিন্তু পুষ্টিগুণ নেই’ : নাহিদ ইসলাম

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বাজেটকে ‘উচ্চাভিলাষী, বাস্তবতাবিবর্জিত ও ঋণগ্রস্ত’ হিসেবে উল্লেখ করে এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নাহিদ ইসলাম বলেন, বাজেটের বাহ্যিক চাকচিক্য থাকলেও সাধারণ মানুষের জন্য এতে বাস্তব কোনো সুফল নেই। তিনি রূপকভাবে বলেন, “এই বাজেট অনেকটা চানাচুরের মতো—দেখতে আকর্ষণীয়, খেতেও ভালো লাগতে পারে, কিন্তু এর কোনো পুষ্টিগুণ নেই।”নাহিদের অভিযোগ, অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তব্যে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়নের কথা বললেও ব্যাংকিং খাত সংস্কার, ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, অর্থপাচারকারীদের জবাবদিহির আওতায় আনা কিংবা অভ্যন্তরীণ রাজস্ব বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে কার্যকর কোনো দিকনির্দেশনা দেননি। আরও  পড়ুন, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট বাস্তবসম্মত নয়: ফয়জুল করিমতিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি বর্তমানে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবসম্মত সংস্কারের পরিবর্তে ঋণনির্ভর প্রবৃদ্ধিকে উৎসাহিত করবে। ফলে দেশি-বিদেশি ঋণের পরিমাণ এবং মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়তে পারে।ব্যাংকিং খাত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক প্রভাব ও দলীয়করণের কারণে ব্যাংকিং খাতে সাধারণ আমানতকারীদের আস্থা কমছে। ইসলামী ব্যাংকের প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, ব্যাংকটিকে আবারও একটি প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে দেওয়ার চেষ্টা চলছে, যা ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতার জন্য উদ্বেগজনক।তিনি আরও বলেন, বাজেটের সুষ্ঠু বাস্তবায়নের জন্য বিচার বিভাগ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সংস্কার অত্যন্ত জরুরি। এসব প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর ও স্বাধীন না করা গেলে বড় বাজেটের আড়ালে দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।নাহিদ ইসলামের ভাষ্য, রাজনৈতিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা ছাড়া অর্থনৈতিক সংস্কার সফল হবে না। তাই জনগণের কল্যাণে কার্যকর বাজেট বাস্তবায়নের জন্য রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট বাস্তবসম্মত নয়: ফয়জুল করিম

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট বাস্তবসম্মত নয়: ফয়জুল করিম

সরকার ঘোষিত নতুন বাজেটকে ‘ভঙ্গুর অর্থনীতির ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া উচ্চাভিলাষী বাজেট’ আখ্যা দিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম।বৃহস্পতিবার বিকেলে সিলেট নগরীর সারদা হলে জেলা ও মহানগর ইসলামী আন্দোলনের উদ্যোগে আয়োজিত দায়িত্বশীল সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।ফয়জুল করিম বলেন, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেটের বিপরীতে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি রয়েছে। এই ঘাটতি পূরণে সরকারকে দেশি-বিদেশি উৎস থেকে ঋণ নিতে হবে, আরও পড়ুন , প্রবাসীদের ‘টাকার মেশিন’ নয়, বীরের মর্যাদা দেওয়ার আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতারযা ব্যাংক খাতের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে এবং সাধারণ মানুষের ওপর অর্থনৈতিক বোঝা আরও বাড়াবে।তিনি দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। খুন, গুম, ধর্ষণ, অপহরণ, ছিনতাই ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের ঘটনা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।সীমান্তে পুশইন ও উত্তেজনার জন্য সরকারের পররাষ্ট্রনীতির সমালোচনা করে সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান ফয়জুল করিম। পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষায় ঢোল-তবলা ও নৃত্য শিক্ষার উদ্যোগ বন্ধ না হলে কঠোর আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

প্রবাসীদের ‘টাকার মেশিন’ নয়, বীরের মর্যাদা দেওয়ার আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার

প্রবাসীদের ‘টাকার মেশিন’ নয়, বীরের মর্যাদা দেওয়ার আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার

দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা প্রবাসীদের ‘টাকার মেশিন’ হিসেবে না দেখে তাদের বীরের মর্যাদা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. মো. শফিকুর রহমান।বুধবার জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি বিধির ১৪৭ অনুযায়ী উত্থাপিত এক প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, প্রবাসীরা শুধু রেমিট্যান্সই নয়, দেশের অর্থনীতি ও ভাবমূর্তিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। আরও  পড়ুন ,সীমান্তে ‘ভারতের আগ্রাসনের’ অভিযোগে গণঅধিকার পরিষদের প্রতিবাদ মিছিলতাই ‘শ্রমিক’ শব্দের পরিবর্তে তাদের সম্মানজনক পরিচয়ে সম্বোধন করা উচিত।তিনি প্রবাসীদের এনআইডি ও পাসপোর্ট সংক্রান্ত জটিলতা দূর করতে বিদেশেই সমাধানযোগ্য ব্যবস্থা চালুর পাশাপাশি একটি সংসদীয় টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দেন।এছাড়া প্রবাসীদের সম্পত্তি সুরক্ষা, দেশে ফিরে আইনি হয়রানি বন্ধ এবং দূতাবাসগুলোর সেবার মান উন্নয়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, মেধা পাচার রোধ করে বিদেশে থাকা দক্ষ বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে সম্মানজনক কর্মপরিবেশ তৈরি করতে হবে।সরকার এ বিষয়ে উদ্যোগ নিলে বিরোধী দল সহযোগিতা করবে বলেও তিনি জানান।আরও  পড়ুন , পুশ-ইনের প্রতিবাদে মাঠে নামছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট

সীমান্তে ‘ভারতের আগ্রাসনের’ অভিযোগে গণঅধিকার পরিষদের প্রতিবাদ মিছিল

সীমান্তে ‘ভারতের আগ্রাসনের’ অভিযোগে গণঅধিকার পরিষদের প্রতিবাদ মিছিল

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে কথিত জোরপূর্বক অনুপ্রবেশ, সীমান্ত হত্যা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে রাজধানীতে প্রতিবাদ মিছিল করেছে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ। (১০ জুন) বিকেল ৪টায় দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় আল রাজী কমপ্লেক্সের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে পুরানা পল্টন মোড়, জাতীয় প্রেস ক্লাব এলাকা প্রদক্ষিণ করে বিজয়নগর পানির ট্যাংকি মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।মিছিল শেষে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপস করা যাবে না। তিনি সীমান্ত হত্যা বন্ধ এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।আরও পড়ুন, পুশ-ইনের প্রতিবাদে মাঠে নামছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটদলের মুখপাত্র ফারুক হাসান বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় সীমান্ত নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। তিনি সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।সমাবেশে বক্তব্য দেন দলের উচ্চতর পরিষদের সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ, শহিদুল ইসলাম ফাহিম, আব্দুজ জাহের, মাহফুজুর রহমান খান, হাবিবুর রহমান রিজু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, অ্যাডভোকেট খালিদ হাসান, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নাজমুল হাসান, সাবেক সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা, যুব অধিকার পরিষদের নেতা মনজুর মোর্শেদ মামুনসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা।বক্তারা সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক পাচার ও নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং এ বিষয়ে সরকারের কঠোর নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।আও  পড়ুন, সংসদে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে ক্ষোভ জামায়াত আমিরের

সারাবাংলা

পদ্মা নদীতে গোসল, পরে মিলল দুই শিশুর মরদেহ

পদ্মা নদীতে গোসল, পরে মিলল দুই শিশুর মরদেহ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার চর বাগডাঙ্গা ইউনিয়নে পদ্মা নদীতে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে বেলাসদর থানার বাখরআলী গ্রামে ঘটে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা।নিহত শিশুরা হলো— বাখরআলী গ্রামের মোঃ জোহর আলীর মেয়ে মোছাঃ জেসমিন, বয়স সাত বছর এবং চকপাড়া গ্রামের মৃত কাজলের মেয়ে মোছাঃ ইসরাত খাতুন, বয়স আট বছর। তারা উভয়েই চর আরো পড়ুন, পিরোজপুরের তারাবুনিয়া এখন ‘লিচু গ্রাম’, বাণিজ্যিক চাষে বদলে যাচ্ছে অর্থনীতিবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের বাসিন্দা।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে পদ্মা নদীতে গোসল করতে নামে শিশুরা। একপর্যায়ে তারা পানিতে তলিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাদের খোঁজ শুরু করলে বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে নদী থেকে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। স্থানীয়রা বলছেন, নদী এলাকায় শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আরও সচেতনতা প্রয়োজন।চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একরামুল হোসাইন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

পিরোজপুরের তারাবুনিয়া এখন ‘লিচু গ্রাম’, বাণিজ্যিক চাষে বদলে যাচ্ছে অর্থনীতি

পিরোজপুরের তারাবুনিয়া এখন ‘লিচু গ্রাম’, বাণিজ্যিক চাষে বদলে যাচ্ছে অর্থনীতি

পিরোজপুরে সবুজ পাতার ফাঁকে থোকায় থোকায় ঝুলছে লাল টুকটুকে লিচু। দৃষ্টিনন্দন এই লিচু বাগান এখন স্থানীয়দের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। এক সময় শখের বশে বাড়ির আঙিনায় সীমিত পরিসরে লিচু গাছ লাগানো হলেও এখন তা রূপ নিয়েছে বাণিজ্যিক চাষে।ধান ও মাছের জন্য পরিচিত পিরোজপুর জেলায় এখন বাড়ছে লিচুর উৎপাদন। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গড়ে উঠেছে ছোট-বড় লিচু বাগান। কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় অনেক কৃষক এখন লিচু চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।এর মধ্যে নাজিরপুর উপজেলার তারাবুনিয়া গ্রাম ইতোমধ্যে পরিচিত হয়ে উঠেছে ‘লিচু গ্রাম’ নামে। গ্রামের প্রবেশদ্বার থেকেই চোখে পড়ে গাছভর্তি লাল লিচুর সমাহার। মৌসুমে এখানে নারী-পুরুষ সবাই লিচু সংগ্রহ, বাছাই ও বাজারজাতকরণের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।আরও পড়ুন,র‌্যাবের অভিযানে মিঠাপুকুর ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আটকপ্রায় দুই যুগ ধরে এই গ্রামে লিচু চাষ হয়ে আসছে। বর্তমানে শতাধিক পরিবার এই চাষের সঙ্গে যুক্ত। চলতি মৌসুমে অনুকূল আবহাওয়ার কারণে গাছে ভালো ফলন হয়েছে। বিষমুক্ত ও অর্গানিক পদ্ধতিতে উৎপাদিত লিচু স্থানীয় বাজার ছাড়িয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় ব্যাপক চাহিদা তৈরি করেছে।এখানে প্রধানত বেদানা, চায়না-৩ ও বোম্বাই জাতের লিচু উৎপাদন হয়। পাইকাররা সরাসরি বাগান থেকে লিচু সংগ্রহ করে নাজিরপুর, পিরোজপুর, টুঙ্গিপাড়া, বাগেরহাটসহ বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করছে।চাষিরা জানান, পাইকারি বাজারে প্রতি শত লিচু বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকার মধ্যে। এতে অনেক কৃষক লাভবান হচ্ছেন এবং লিচু চাষকে নতুন সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে দেখছেন।

র‌্যাবের অভিযানে মিঠাপুকুর ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আটক

র‌্যাবের অভিযানে মিঠাপুকুর ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আটক

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় দায়ের করা একটি ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামিকে নোয়াখালী থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা ওই আসামিকে যৌথ অভিযানে আটক করা হয়।র‌্যাব-১৩-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার গোস্বামী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, র‌্যাব-১৩ এবং র‌্যাব-১১’র নোয়াখালী ক্যাম্পের যৌথ অভিযানে বৃহস্পতিবার দুপুরে সোনাইমুড়ি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকেই মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।মামলার নথি অনুযায়ী, চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি ভুক্তভোগীকে অপহরণ করে নিয়ে যায় আসামিরা। পরে ভুক্তভোগীর মা মিঠাপুকুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।আরও  পড়ুন, খুলনায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে বিএনপি নেতা রফিক নিহতপরে গাজীপুরের বাসন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় দুই আসামিকে আটক করা হলেও প্রধান আসামি মো. মুশফিকুর রহমান মোমিন পালিয়ে যায়।পরবর্তীতে ভুক্তভোগী তার পরিবারকে জানান, পলাতক ওই আসামি তাকে একাধিকবার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে গত ৭ এপ্রিল মিঠাপুকুর থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।ঘটনার পর থেকে আসামি আত্মগোপনে ছিল। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব।র‌্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

খুলনায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে বিএনপি নেতা রফিক নিহত

খুলনায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে বিএনপি নেতা রফিক নিহত

খুলনা মহানগরীর দক্ষিণ লবণচরায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গাজী রফিক (৪৫) ওরফে ঢাকাইয়া রফিক নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি বটিয়াঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ১১টার দিকে লবণচরার দশগেট এলাকায় নিজ বাড়ির পাশেই এ ঘটনা ঘটে। হঠাৎ গুলির শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।পরিবারের বরাত দিয়ে জানা যায়, রফিকের বড় ছেলে বাসা থেকে বের হয়ে গেলে তাকে খুঁজতে তিনি বাড়ির পেছনের ফাঁকা জায়গায় যান। আরও পড়ুন,  গাজীপুরে ইয়াবা ও সুইচ গিয়ার চাকুসহ ৪ জন গ্রেফতার, বিভিন্ন মামলায় আরও ৭ জন আটক এ সময় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিটি তার তলপেটে বিদ্ধ হলে তিনি গুরুতর আহত হন।পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।নিহতের স্ত্রী জানান, ঘটনার সময় তিনি বাড়ির কাজে ব্যস্ত ছিলেন। পরে গুলির শব্দ শুনে বাইরে এসে স্বামীকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি)। সহকারী কমিশনার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ কাজ করছে এবং হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত হত্যাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক

সুইজারল্যান্ডে অভিবাসন ইস্যুতে বড় গণভোট

সুইজারল্যান্ডে অভিবাসন ইস্যুতে বড় গণভোট

অভিবাসনের চাপ কমানো এবং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে নজিরবিহীন এক গণভোটের আয়োজন করেছে সুইজারল্যান্ড। প্রস্তাবটি পাস হলে আগামী কয়েক দশকে দেশটির জনসংখ্যা ১ কোটির মধ্যে সীমিত রাখতে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এতে ভবিষ্যতের অভিবাসন নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।আগামী রবিবার অনুষ্ঠিতব্য এই গণভোটে সুইস নাগরিকরা সিদ্ধান্ত দেবেন—দেশের জনসংখ্যা ১ কোটির বেশি হতে দেওয়া হবে কি না। সুইজারল্যান্ডের সরাসরি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত প্রশ্নে নিয়মিতভাবে এমন গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।প্রস্তাবটির পক্ষে রয়েছে দেশটির বৃহত্তম রাজনৈতিক দল সুইস পিপলস পার্টি। দলটি দীর্ঘদিন ধরে অভিবাসনবিরোধী অবস্থান নিয়ে প্রচার চালিয়ে আসছে। সমর্থকদের দাবি, প্রতিবেশী ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষের আগমনে আরো পড়ুন , এই গণভোটে সুইস নাগরিকরা সিদ্ধান্ত দেবেনআবাসন, অবকাঠামো, সামাজিক সেবা ও জীবনযাত্রার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।তবে বিরোধীদের আশঙ্কা, এমন সিদ্ধান্ত সুইজারল্যান্ডের অর্থনীতি ও শ্রমবাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ, স্বাস্থ্যসেবা, প্রযুক্তি, অর্থনীতি ও ওষুধশিল্পসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিদেশি কর্মী ও বিশেষজ্ঞদের ওপর দেশটি ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০০২ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে চলাচল সহজ হওয়ার পর সুইজারল্যান্ডের জনসংখ্যা ২৩ শতাংশ বেড়ে গত বছরের শেষে ৯১ লাখে পৌঁছেছে। একই সময়ে দেশটির অর্থনৈতিক উৎপাদনও ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, প্রস্তাবটি পাস হলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটতে পারে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে। কারণ, ইইউ সুইজারল্যান্ডের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, সুইজারল্যান্ডের মোট জনসংখ্যার ৩২ শতাংশই বিদেশে জন্মগ্রহণকারী—যা বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ হার।

২২ মিনিট আগে

রাজধানী

শেরেবাংলা নগরে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে আহত ২ পুলিশ সদস্য, অভিযুক্তরা গ্রেপ্তার

শেরেবাংলা নগরে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে আহত ২ পুলিশ সদস্য, অভিযুক্তরা গ্রেপ্তার

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন দুই পুলিশ সদস্য। ছিনতাইকারীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত ওই দুই সদস্য বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাত একটার দিকে শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানের গ্লাস ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ছিনতাই করে অটোরিকশাযোগে পালিয়ে যাওয়ার সময় সন্দেহভাজন কয়েকজনকে ধাওয়া করে টহল পুলিশ।এক পর্যায়ে মোটরসাইকেলে থাকা দুই পুলিশ সদস্যের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় ছিনতাইকারীরা। এতে তারা গুরুতর আহত হন।আরও  পড়ুন, আফতাবনগরে ডিএনসির অভিযান, ৯ হাজার ৮০০ ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তারখবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালিয়ে হামলার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে।শেরেবাংলা নগর থানার ডিউটি অফিসার এসআই ওবায়দুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আহত দুই পুলিশ সদস্যকে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে।ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

৭ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন