দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1002.3 hPa
29.7° 75%
300° 15mm
চট্টগ্রাম 1003.1 hPa
27.6° 87%
300° 15mm
রাজশাহী 1002 hPa
28.5° 92%
15mm
খুলনা 1001.4 hPa
29.3° 86%
15mm
বরিশাল 1002.1 hPa
28.5° 82%
30° 15mm
সিলেট 1002.3 hPa
30.4° 82%
20° 15mm
রংপুর 1001.7 hPa
31.2° 77%
300° 15mm
ময়মনসিংহ 1002.8 hPa
30.6° 81%
20° 15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

বনানীর আবাসিক ভবনে স্পা-গেস্ট হাউজ এখন অন্ধকার জগৎ

বনানীর আবাসিক ভবনে স্পা-গেস্ট হাউজ এখন অন্ধকার জগৎ

রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানীতে আবাসিক ভবনকে কেন্দ্র করে পরিচালিত বিভিন্ন ব্যবসা ও গেস্ট হাউজের কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বনানীর ২৭ নং রোডের ৬৫ নং বাড়ির ‘করিম ভিলা’ নামের একটি আবাসিক ভবনে পরিচালিত কয়েকটি পার্লার, সেলুন ও স্পা সেন্টারকে ঘিরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, মাদক সরবরাহ এবং কথিত দালালচক্রের তৎপরতার অভিযোগের পাশাপাশি ডেল্টা ডালিয়া নামের একটি বহুতল ভবনের ষষ্ঠ তলায় পরিচালিত ‘লাক্সারি’ গেস্ট হাউজ নিয়েও উঠেছে গুরুতর অভিযোগ।আরও পড়ুন: গুলশান ২৬-এ কথিত গেস্ট হাউস সিন্ডিকেটের রহস্যস্থানীয় বাসিন্দা, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং সাংবাদিকদের মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানে এসব অভিযোগের বিভিন্ন দিক সামনে এসেছে। তবে অনুসন্ধানে পাওয়া প্রতিটি অভিযোগ স্বাধীনভাবে এবং আইনগতভাবে চূড়ান্তভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে না দেখে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং দায়িত্বশীল নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে দুটি বিষয় আবাসিক ভবনে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার বৈধতা এবং এসব প্রতিষ্ঠানে আগত ব্যক্তিদের পরিচয় ও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা। স্থানীয়দের প্রশ্ন, আবাসিক ভবনে যদি বৈধ ব্যবসা পরিচালিত হয়ে থাকে, তাহলে তার ট্রেড লাইসেন্স, ভবনের ব্যবহার অনুমোদন, অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা, কর্মী গ্রাহকের নিরাপত্তা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অনুমোদন কতটা সঠিকভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে?আরও পড়ুন: বনানীতে শৈশবের স্পা সেন্টার ঘিরে নারী ও দালাল সিন্ডিকেটবনানীর ‘করিম ভিলা’ নামের আবাসিক ভবনের কয়েকটি ফ্ল্যাটে দীর্ঘদিন ধরে বিউটি পার্লার, সেলুন ও স্পা-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন না থাকলেও অভিযোগ উঠেছে, কিছু প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের আড়ালে ভিন্ন ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতে পারে।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, দিনের তুলনায় সন্ধ্যার পর ভবনটিতে অপরিচিত নারী-পুরুষের চলাচল বেড়ে যায়। গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যক্তির যাতায়াত নিয়ে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, কোনো ব্যক্তিগত ব্যবসা পরিচালনায় আপত্তি না থাকলেও আবাসিক ভবনের পরিবেশ, নিরাপত্তা এবং অন্য বাসিন্দাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা যাতে ব্যাহত না হয়, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি।অভিযোগ রয়েছে, কথিত কিছু মধ্যস্থতাকারী বা দালালের মাধ্যমে নির্দিষ্ট গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরে তাদের বিভিন্ন পার্লার, সেলুন কিংবা নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে নেওয়া হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মোবাইল ফোন ব্যবহার করে যোগাযোগ করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল নথি বা আইনগতভাবে যাচাইকৃত তথ্য প্রতিবেদকের হাতে পাওয়া যায়নি।আরও পড়ুন: চট্রগ্রাম গোয়ালপাড়ায় মাদক সম্রাজ্ঞী "আকলিমার" মাদকের হাটমাদকদ্রব্য সরবরাহের অভিযোগও উঠেছে করিম ভিলাকে ঘিরে। অভিযোগকারীদের কেউ কেউ দাবি করেছেন, ইয়াবা ও ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য সরবরাহের সঙ্গে কথিত একটি চক্র জড়িত থাকতে পারে। ফলে এ অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।অভিযোগ সূত্রে করিম ভিলাকে ঘিরে কথিত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সোলেমান ওরফে সাকিব এবং মাসুদ নামের দুই ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ করা হলেও স্বাধীনভাবে সেসব অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ প্রকাশের আগে তার বক্তব্য নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রতিবেদনের সময় পর্যন্ত সোলেমান ওরফে সাকিব এবং মাসুদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য বা অভিযোগের বিষয়ে কোনো নথি পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে যথাযথভাবে তুলে ধরা হবে।আরও পড়ুন: https://www.youtube.com/watch?v=p5fy5JPIYPUঅভিযোগ সূত্রে তাদের রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে যোগাযোগ থাকার কথাও বলা হয়েছে। তবে এ ধরনের দাবিরও স্বাধীন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাবের বিষয়টি অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে, প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে নয়।অভিযোগের বিভিন্ন দিক যাচাই করতে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে মাঠপর্যায়ে অনুসন্ধান চালানো হয়। অনুসন্ধানের সময় কথিত মাদকদ্রব্যের মূল্য নিয়ে এক ব্যক্তির সঙ্গে কথোপকথন রেকর্ড করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। কথোপকথনের প্রেক্ষাপট, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়, আর্থিক লেনদেন এবং কথিত মাদকদ্রব্যের অস্তিত্ব আইনগতভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। তাই অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে উপস্থাপন করে প্রয়োজনীয় তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।আরও পড়ুন: https://www.youtube.com/shorts/_rE9ZWrEISUকরিম ভিলার ব্যবস্থাপকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি বলে জানা গেছে। ফলে ভবন কর্তৃপক্ষের অবস্থান এই প্রতিবেদনে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা সম্ভব হয়নি। তবে ভবন কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মালিক-কর্তৃপক্ষ পরবর্তীতে কোনো বক্তব্য, নথি বা ব্যাখ্যা দিলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।এদিকে করিম ভিলাকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের পাশাপাশি বনানীর ডেল্টা ডালিয়া নামের একটি বহুতল ভবনের ষষ্ঠ তলায় পরিচালিত ‘লাক্সারি’ গেস্ট হাউজ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে গেস্ট হাউজটির কার্যক্রম, অতিথি নিবন্ধন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং ব্যবসায়িক বৈধতা নিয়ে একাধিক বিষয় সামনে আসে। সরেজমিনে গেস্ট হাউজটির বাইরে উল্লেখযোগ্য কোনো স্পষ্ট সাইনবোর্ড চোখে পড়েনি বলে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ষষ্ঠ তলায় গেস্ট হাউজ পরিচালনার কিছু নির্দেশনা দেখা গেলেও অতিথিদের পরিচয় যাচাই ও নিবন্ধন সংক্রান্ত নথি সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। অনুসন্ধানের সময় কয়েকজন অবস্থানরত অতিথির সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। তাদের কয়েকজন দাবি করেন, কক্ষ নেওয়ার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র জমা বা পরিচয় নিবন্ধনের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। তবে এটি গেস্ট হাউজটির নিয়মিত নীতি কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ কারণে গেস্ট হাউজটির অতিথি নিবন্ধন খাতা, পরিচয়পত্র সংরক্ষণের তথ্য, সিসিটিভি ফুটেজ এবং ব্যবসা পরিচালনার বৈধ কাগজপত্র যাচাই করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।আরও পড়ুন: প্রভার পোস্টে আলোড়নঅনুসন্ধানের সময় একটি কক্ষে এক তরুণী নারী ও চল্লিশোর্ধ্ব এক ব্যক্তিকে মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ দেখা গেছে বলে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। ওই কক্ষে কিছু ট্যাবলেট সদৃশ বস্তু দেখা যায় বলেও জানানো হয়েছে। তবে সেগুলো আদৌ মাদকদ্রব্য কি না, ঘটনাস্থলে বৈজ্ঞানিকভাবে নিশ্চিত করার সুযোগ ছিল না। অন্য একটি কক্ষে একজন নারী ও এনামুল হক নামে পরিচয় দেওয়া এক পুরুষকে অবস্থান করতে দেখা যায়। তারা স্বামী-স্ত্রী নন বলে স্বীকার করেছেন এমন দাবি প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে করা হয়েছে। তবে প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষ একই গেস্ট হাউজের কক্ষে অবস্থান করলেই তা কোনো অপরাধের প্রমাণ নয়। এখানে মূল প্রশ্ন হলো গেস্ট হাউজ কর্তৃপক্ষ অতিথিদের পরিচয় যাচাই করেছে কি না এবং আইন ও ব্যবসায়িক বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করছে কি না।সাংবাদিকরা গেস্ট হাউজটির অন্যান্য কক্ষ ও কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করলে আল-আমিন নামের এক ব্যক্তি নিজেকে প্রতিষ্ঠানের মালিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে অনুসন্ধানে বাধা দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করেন এবং সংবাদ প্রকাশ নিয়ে আপত্তি জানান। অনুসন্ধানের সময় তিনি স্থানীয় বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন, সুজন ও শুভসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে তাদের কথিত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার দাবি করেন।ডেল্টা ডালিয়া ভবনের কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, গত কয়েক বছর ধরে ভবনে অপরিচিত মানুষের যাতায়াত বেড়েছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় বিভিন্ন ব্যক্তির চলাচল নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলে তারা দাবি করেন। আবার একজন বাসিন্দার ভাষ্য, “আমরা কারও বৈধ ব্যবসার বিরুদ্ধে নই। কিন্তু আবাসিক ভবনে এমন কোনো কর্মকাণ্ড চললে, যার কারণে বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়, তাহলে প্রশাসনের বিষয়টি দেখা উচিত। গেস্ট হাউজ এবং করিম ভিলাকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ তদন্তই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগটি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে পুলিশ চাইলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স, ব্যবসার অনুমোদন, অতিথি নিবন্ধন খাতা, সিসিটিভি ফুটেজ, কর্মচারীদের পরিচয় এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য নথি যাচাই করতে পারে। শুধু তাই নয় এসব আপরাধীদের যেকোন মুহুর্তে দমন করতে পারে। আরও পড়ুন: দারুসসালামে অনুমোদনহীন অনৈতিক কর্মকান্ডে জসিম ও হারুনের দাপটকোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শুধু অভিযোগ উঠলেই সেটিকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা সাংবাদিকতার নীতি নয়। একইভাবে ব্যবসার আড়ালে যদি সত্যিই মাদক সরবরাহ, মানবপাচার, প্রতারণা কিংবা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়, তাহলে সেটিও উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। এ কারণে করিম ভিলা ও লাক্সারি গেস্ট হাউজ দুই ক্ষেত্রেই প্রয়োজন নথি ও প্রমাণভিত্তিক তদন্ত। প্রতিষ্ঠানগুলোর লাইসেন্স বৈধ কি না, ভবনের ব্যবহার অনুমোদিত কি না, অতিথিদের পরিচয় সংরক্ষণ করা হচ্ছে কি না, সিসিটিভি সচল আছে কি না এবং কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ রয়েছে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করাই এখন মূল বিষয়।সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আবাসিক ভবনে বেআইনি কোনো কার্যক্রমের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। করিম ভিলা এবং লাক্সারি গেস্ট হাউজকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের মধ্যে কিছু অভিযোগ গুরুতর হলেও এখন পর্যন্ত সবকটির আইনগত সত্যতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। কোথাও মাদক পাওয়া গেছে কি না, কথিত দালালচক্র সত্যিই সক্রিয় কি না, কোনো ব্যবসা অনুমোদনহীন কি না কিংবা কোনো ব্যক্তি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত কি না এসব প্রশ্নের উত্তর নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।আরও পড়ুন: বনানীতে শহিদের অবৈধ স্পা সেন্টার ঘিরে অন্ধকার জগৎঅন্যদিকে কোনো অভিযোগ সত্য হলে শুধু তদন্তের আশ্বাসে বিষয়টি থেমে থাকা উচিত নয়। প্রমাণের ভিত্তিতে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়াও জরুরি। কারণ বনানীর মতো ঘনবসতিপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ দীর্ঘদিন অনিষ্পন্ন থাকলে তার প্রভাব আশপাশের বাসিন্দাদের ওপর পড়তে পারে। সবশেষে, করিম ভিলা ও ডেল্টা ডালিয়ার ‘লাক্সারি’ গেস্ট হাউজকে ঘিরে ওঠা অভিযোগ এখন তদন্তের দাবি রাখে। সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যকে চূড়ান্ত রায় হিসেবে নয়, বরং তদন্তের সূত্র হিসেবে দেখা প্রয়োজন। অভিযোগ সত্য হলে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা যেমন জরুরি, তেমনি অভিযোগ অসত্য হলে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানেরও দায়মুক্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

ধর্মীয় নেতাদের রাষ্ট্রীয় সম্মানি প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

কিশোরগঞ্জে মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন উপাসনালয়ের সেবকদের চলতি অর্থবছরের রাষ্ট্রীয় সম্মানি বিতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার বিকেল ৪টায় কিশোরগঞ্জ সদরের পুরাতন স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তিনি।সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সম্মানি বিতরণের পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ডও বিতরণ করা হবে।সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন,আরও  পড়ুন,নবম জাতীয় পে স্কেল মন্ত্রিসভার পথে, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়তে পারে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন।এর আগে সকালে পাকুন্দিয়ায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে কটিয়াদি কার্প হ্যাচারি কমপ্লেক্স পরিদর্শন এবং জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সারা দেশের ৮৬ হাজার ৭০৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন ধর্মীয় নেতা রাষ্ট্রীয় সম্মানি সুবিধার আওতায় আসবেন।

নবম জাতীয় পে স্কেল মন্ত্রিসভার পথে, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়তে পারে

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেলের খসড়া প্রস্তাব এখন মন্ত্রিসভার অনুমোদনের অপেক্ষায়। মন্ত্রিসভা সচিবের নেতৃত্বাধীন সচিব কমিটি প্রস্তাবটি নীতিগতভাবে চূড়ান্ত করেছে এবং প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি মিললে চলতি সপ্তাহেই এটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হতে পারে।খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। তবে সব গ্রেডে সমান হারে বেতন বাড়ানো হবে না। নিম্ন গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন তুলনামূলক বেশি হারে বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছে সচিব কমিটি।আরও  পড়ুন, দেশে বাড়ছে হামের প্রকোপ, একদিনে ৭৯৮ শিশু আক্রান্তপ্রস্তাবে নবম পে স্কেল দুই ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথম ধাপে বাড়ানো হবে মূল বেতন এবং দ্বিতীয় ধাপে ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা সমন্বয় করা হবে।পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই থেকে আংশিক বাস্তবায়ন শুরু হতে পারে এবং ২০২৮ সালের জানুয়ারির মধ্যে পূর্ণ বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।তবে বিচার বিভাগ-সংক্রান্ত কিছু জটিলতা থাকায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি বিষয়টি পর্যালোচনা করছে।মন্ত্রিসভার অনুমোদন মিললে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো, ভাতা এবং বাস্তবায়নের সময়সূচি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

দেশে বাড়ছে হামের প্রকোপ, একদিনে ৭৯৮ শিশু আক্রান্ত

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৭৯৮ শিশু। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। তবে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮ শিশুর মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৮০৩ শিশু। আর নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৯৯ শিশু। অর্থাৎ এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৯০২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।আর ও পড়ুন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য নতুন কার্যক্রমের উদ্বোধন, প্রধানমন্ত্রীর হাতে চেক বিতরণগত ২৪ ঘণ্টায় ৭০ শিশু নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৭২৮ জন। এ সময়ে ৭০০ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং ৫৪৯ শিশু চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৪১ হাজার ৭৭৬ এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৭ হাজার ৮০০।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা, আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং অভিভাবকদের সচেতনতা বাড়ানো এখন অত্যন্ত জরুরি।

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য নতুন কার্যক্রমের উদ্বোধন, প্রধানমন্ত্রীর হাতে চেক বিতরণ

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অবসর ও কল্যাণ ভাতা প্রদান কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার বেলা পৌনে ১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের হাতে সম্মানসূচক অবসর ও কল্যাণ ভাতার চেক তুলে দেন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।আরও  পড়ুন,‘৩১ দফা নয়, ৩২ দফাও বাস্তবায়ন করছি’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীএছাড়াও শিক্ষা মন্ত্রণালয়, অবসর সুবিধা বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।সংশ্লিষ্টরা জানান, এই কার্যক্রমের মাধ্যমে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের আর্থিক সহায়তা আরও কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে তাদের প্রাপ্য সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগকে আরও গতিশীল করা হবে।

রাজনীতিরাজনীতি

বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে চার জ্যেষ্ঠ নেতা, রিজভী-আমানসহ নতুন সদস্য মনোনীত

বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে চার জ্যেষ্ঠ নেতা, রিজভী-আমানসহ নতুন সদস্য মনোনীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে চার জ্যেষ্ঠ নেতাকে সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। দলটির সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএনপি।নতুন সদস্যরা হলেন—অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, মো. আমান উল্লাহ আমান, ফরহাদ হালিম এবং মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।শনিবার বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেন এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন। বার্তায় বলা হয়, আরও  পড়ুন,‘নির্বাচনের পরও দৃশ্যমান সংস্কার হয়নি’ : আসিফ মাহমুদদলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই চার নেতাকে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।বিএনপি আশা প্রকাশ করেছে, নতুন সদস্যরা তাদের অভিজ্ঞতা, মেধা ও বিচক্ষণতার মাধ্যমে দল ও জনগণের স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে অবদান রাখবেন।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অভিজ্ঞ নেতৃত্বের পরিধি আরও শক্তিশালী হবে।

‘নির্বাচনের পরও দৃশ্যমান সংস্কার হয়নি’ : আসিফ মাহমুদ

‘নির্বাচনের পরও দৃশ্যমান সংস্কার হয়নি’ : আসিফ মাহমুদ

নির্বাচনের পরও দৃশ্যমান সংস্কার হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। শুক্রবার রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে আয়োজিত এক গণসমাবেশে তিনি সরকারের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।সমাবেশে তিনি বলেন, নির্বাচন হলেই সব সমস্যার সমাধান হবে—এমন প্রতিশ্রুতি দীর্ঘদিন জনগণকে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ক্ষমতায় আসার কয়েক মাস পরও গ্যাস, বিদ্যুৎ, নিত্যপণ্যের দাম এবং কর্মসংস্থানের মতো বিষয়ে প্রত্যাশিত পরিবর্তন দেখা যায়নি বলে তার দাবি।আরও  পড়ুন, সাঈদীর মৃত্যুবার্ষিকীতে ডা. শফিকুর রহমান: ‘তিনি মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন’আসিফ মাহমুদ চাঁদাবাজি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজির ঘটনা বেড়েছে এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পাওয়া প্রশাসকদের নির্বাচন অংশগ্রহণের সুযোগ থাকলে নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনসহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার পর স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করা হলে একটি সমতাভিত্তিক পরিবেশ তৈরি হতে পারে।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকার বা বিএনপির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সাঈদীর মৃত্যুবার্ষিকীতে ডা. শফিকুর রহমান: ‘তিনি মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন’

সাঈদীর মৃত্যুবার্ষিকীতে ডা. শফিকুর রহমান: ‘তিনি মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন’

আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক বিবৃতি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার দেওয়া ওই বিবৃতিতে তিনি সাঈদীকে একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামি চিন্তাবিদ, বিশিষ্ট মুফাসসিরে কুরআন এবং মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকা একজন ব্যক্তিত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে আল্লামা সাঈদী দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কুরআনের দাওয়াত নিয়ে কাজ করেছেন। তিনি দাবি করেন, দেশ ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও সাঈদীর কার্যক্রম বিস্তৃত ছিল।আরও  পড়ুন, যেকোনো মুহূর্তে নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা আবেগঘন বার্তায় বিদায়ের ইঙ্গিত দিলেন সভাপতিবিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, আল্লামা সাঈদী সংসদ সদস্য হিসেবে ধর্মীয় মূল্যবোধ, আলিয়া ও কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা এবং সাধারণ মানুষের বিভিন্ন দাবি নিয়ে কথা বলেছেন।ডা. শফিকুর রহমান তার বিবৃতিতে সাঈদীর ওপর নির্যাতনের অভিযোগও উল্লেখ করেন এবং বলেন, তার প্রতি মানুষের ভালোবাসা সময়ের সঙ্গে মুছে যায়নি।এদিকে সাঈদীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ে স্মরণ ও দোয়া কর্মসূচি পালনের তথ্যও জানা গেছে।

যেকোনো মুহূর্তে নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা আবেগঘন বার্তায় বিদায়ের ইঙ্গিত দিলেন সভাপতি

যেকোনো মুহূর্তে নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা আবেগঘন বার্তায় বিদায়ের ইঙ্গিত দিলেন সভাপতি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে নেতৃত্ব পরিবর্তনের জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে ঘোষণা হতে পারে নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি। এরই মধ্যে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে দলটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন ছাত্রদলের শীর্ষ পাঁচ নেতা।বৃহস্পতিবার রাতের এই বৈঠককে ছাত্রদলের নেতৃত্ব পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।সাক্ষাতের পর ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি আবেগঘন পোস্ট দেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘অনেক বেশি সম্মান ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে জীবনের শ্রেষ্ঠ অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটতে চলেছে।’আরও  পড়ুন, ভাঙ্গা সুইচগেটের কারণে ভাঙ্গনের হুমকিতে বসতবাড়ি, আতঙ্কে অর্ধশত পরিবাররাকিব তার বার্তায় বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির শীর্ষ নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।নিজেদের মেয়াদের মূল্যায়ন করতে গিয়ে তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন, ক্যাম্পাসে মব পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং বিতর্ক এড়িয়ে সংগঠন পরিচালনাই ছিল তাদের অন্যতম অর্জন।পোস্টের শেষদিকে নিজের ভুলত্রুটির জন্য ক্ষমা চেয়ে তিনি নতুন নেতৃত্বকে সাদরে গ্রহণ করার আহ্বান জানান।রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—ছাত্রদলের নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব কার হাতে যাচ্ছে?

সারাবাংলা

মহেশপুর সীমান্তে নারী শিশুসহ ৪ বাংলাদেশি আটক

মহেশপুর সীমান্তে নারী শিশুসহ ৪ বাংলাদেশি আটক

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার শ্যামকুড় সীমান্তে অভিযান চালিয়ে নারী শিশুসহ ৪ বাংলাদেশিকে আটক করেছে বিজিবি। আটকদের মধ্যে দুইজন নারী,একজন পুরুষ ও একজন শিশু।‎শনিবার দুপুরে মহেশপুর ৫৮ বিজিবি’র সহকারী পরিচালক মুন্সি ইমদাদুর রহমানের পাঠানো প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে শ্যামকুড় বিজিবি’র নায়েব সুবেদার নজরুল ইসলামেরনেতৃত্বে অভিযান চালায় বিজিবি’র টহল দল। আরও  পড়ুন,ভাটিয়ারীতে জাহাজে মাত্রাতিরিক্ত বিষাক্ত গ্যাসেই ৯ শ্রমিকের মৃত্যুএ সময় সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে নারী শিশুসহ ৪ জনকেআটক করা হয়। আটককৃরা অবৈধ ভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন বলে বিজিবি’রপক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।আটক কৃতদেরকে মহেশপুর থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে বিজিবি’র এ সহকারী পরিচালক।মহেশপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, আটক নারী ও শিশুদের যশোর জাস্টিস এন্ডকেয়ার সেন্টারে পাঠানো হবে। প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষকে মামলা দায়েরের মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

ভাটিয়ারীতে জাহাজে মাত্রাতিরিক্ত বিষাক্ত গ্যাসেই ৯ শ্রমিকের মৃত্যু

ভাটিয়ারীতে জাহাজে মাত্রাতিরিক্ত বিষাক্ত গ্যাসেই ৯ শ্রমিকের মৃত্যু

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারীতে ফেরদৌস শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডে দুর্ঘটনাকবলিত জাহাজে স্বাভাবিক মাত্রার তুলনায় অতিরিক্ত হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাসের উপস্থিতি পেয়েছে বিস্ফোরক অধিদপ্তর। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, জাহাজের অভ্যন্তরে জমে থাকা এই বিষাক্ত গ্যাসের কারণেই ৯ শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান শিল্প সচিব আব্দুন নাসের খান। তিনি বলেন, এ ঘটনায় প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন, নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্তকরণ এবং দায় নির্ধারণে শিল্প মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ শিপ ব্রেকিং অ্যান্ড রিসাইক্লিং বোর্ড (বিএসবিআর) পৃথকভাবে তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।শিল্প সচিবের ভাষ্য অনুযায়ী, শিল্প মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একজন অতিরিক্ত সচিবকে প্রধান করে ১১ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ৯ সদস্যের এবং বিএসবিআর ৫ সদস্যের আরেকটি তদন্ত কমিটি করেছে।তিনি বলেন, “দুর্ঘটনার আগে ও পরে ঠিক কী ঘটেছে, কর্মপরিবেশ কতটা নিরাপদ ছিল, এবং এ ঘটনায় কারও অবহেলা বা দায়িত্বে গাফিলতি ছিল কি না তা বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখতে কমিটিগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতেও বলা হয়েছে।”আব্দুন নাসের খান আরও জানান, তদন্তে যদি কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা কর্তৃপক্ষের অবহেলা কিংবা দায়িত্বে গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।আরও  পড়ুন, বাসন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৭ আসামি গ্রেফতারশিল্প সচিব জানান, বিস্ফোরক অধিদপ্তরের পরীক্ষার ফলাফলে জাহাজটিতে স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে অতিরিক্ত হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস শনাক্ত হয়েছে। এই গ্যাস মানুষের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং বদ্ধ পরিবেশে তা দ্রুত প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। ফলে শ্রমিকদের মৃত্যু বিষাক্ত গ্যাসের কারণেই হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া, পুলিশ সুপার মাসুদ আলম, বিস্ফোরক অধিদপ্তরের পরিদর্শক এস এম সাখাওয়াত হোসেন, বাংলাদেশ শিপব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসবিআরএ) সভাপতি মোহাম্মদ মহসিন, সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লাহ আল মামুনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।এদিকে, দুর্ঘটনায় নিহত শ্রমিকদের পরিবারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সীতাকুণ্ড থানা পুলিশ। স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল ১১টার দিকে নিহত কয়েকজন শ্রমিকের পরিবারের সদস্যদের থানায় ডাকা হয়।ভাটিয়ারীর এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আবারও জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাত শিল্পে শ্রমিক নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে। কীভাবে জাহাজের ভেতরে এমন প্রাণঘাতী মাত্রায় বিষাক্ত গ্যাস জমে থাকল, সেখানে কাজ শুরুর আগে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা পরীক্ষা হয়েছিল কি না, এবং শ্রমিকদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কি না এসব প্রশ্নের উত্তর এখন তদন্ত প্রতিবেদনের দিকেই তাকিয়ে আছে সংশ্লিষ্ট মহল।৯ শ্রমিকের প্রাণহানির এ ঘটনায় শোকের পাশাপাশি দায় নির্ধারণ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে। তদন্তে সত্য উদ্ঘাটিত হলে তবেই স্পষ্ট হবে, এটি কেবল একটি দুর্ঘটনা ছিল, নাকি এর পেছনে ছিল মারাত্মক অব্যবস্থাপনা ও অবহেলা।

বাসন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৭ আসামি গ্রেফতার

বাসন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৭ আসামি গ্রেফতার

গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা পুলিশ ১৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন মামলার ৭ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ডাকাতি প্রস্তুতি, সড়ক পরিবহন আইন, জিআর পরোয়ানা এবং জিএমপি অধ্যাদেশে মামলা রয়েছে। পরবর্তীতে তাদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার তদন্তে সন্দিগ্ধ (ছিনতাইকারী) হিসেবে রাকিব আকন্দ (১৯) ও মাফুজ হোসেন (২৫) নামে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া সড়ক পরিবহন আইনের মামলার এজাহারনামীয় আসামি মো. নেজাম (৩৮)-কে আটক করা হয়েছে।আরও  পড়ুন, চার দিন পর গ্যাস ফিরতেই সচল হবিগঞ্জ শিল্পাঞ্চল, উৎপাদনে ফিরল ১৭১ কারখানাঅভিযানে আরও গ্রেফতার করা হয় জিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. সেলিম মিয়া (৩০)-কে। একই সঙ্গে জিএমপি অধ্যাদেশ প্রসিকিউশনের আওতায় রাকিব (১৯), মো. রুস্তম (৩০) ও সোলাইমান (৩২)-সহ মোট ৭ জনকে আটক করা হয়।গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে গাজীপুরের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে বাসন থানা পুলিশ জানিয়েছে।আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধ দমনে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

চার দিন পর গ্যাস ফিরতেই সচল হবিগঞ্জ শিল্পাঞ্চল, উৎপাদনে ফিরল ১৭১ কারখানা

চার দিন পর গ্যাস ফিরতেই সচল হবিগঞ্জ শিল্পাঞ্চল, উৎপাদনে ফিরল ১৭১ কারখানা

চার দিন বন্ধ থাকার পর হবিগঞ্জ শিল্পাঞ্চলে আবারও গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে সরবরাহ কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় কারখানাগুলোতে উৎপাদন কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়েছে। এতে দীর্ঘদিন পর আবার কর্মচঞ্চল হয়ে উঠেছে শিল্পাঞ্চল।জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড জানিয়েছে, শুক্রবার রাত থেকেই গ্যাস সরবরাহ শুরু হয় এবং শনিবার সকাল থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে সরবরাহ এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।শিল্প প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আরও  পড়ুন, মুরগি বিক্রি করতে গিয়ে নিখোঁজ, একদিন পর মিলল কলেজছাত্রের মরদেহগ্যাস সরবরাহ স্থিতিশীল হওয়ার পর ধাপে ধাপে জেনারেটর ও উৎপাদন লাইন চালু করা হয়েছে।গ্যাস সংকটের কারণে জেলার ১৭১টি শিল্পকারখানার অধিকাংশের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এতে প্রায় দেড় লাখ শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েন এবং রপ্তানিমুখী শিল্পে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়।শনিবার কারখানা চালু হওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা বলছেন, দীর্ঘদিন কারখানা বন্ধ থাকলে চাকরি ও বেতন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হতো।গ্যাস কর্তৃপক্ষ আশা করছে, কোনো নতুন সমস্যা না হলে দ্রুতই সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে।

আন্তর্জাতিক

আব্রাহাম লিংকনে নৌসেনাদের সংঘর্ষ নিহত ৭ দাবি তাসনিমের

আব্রাহাম লিংকনে নৌসেনাদের সংঘর্ষ নিহত ৭ দাবি তাসনিমের

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের ভেতরে নৌসেনাদের মধ্যে সংঘর্ষে সাতজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন—এমন দাবি করেছে ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ।তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে রণতরীটি ওই অঞ্চলে মোতায়েন থাকায় নৌসেনাদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। এমনকি নৌসেনাদের পরিবারের সদস্যরাও দীর্ঘমেয়াদি মোতায়েনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।এই অসন্তোষ নিয়ে আলোচনা করতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান ব্র্যাড কুপারের এক উপদেষ্টা রণতরীটিতে যান বলে জানিয়েছে তাসনিম।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নৌসেনাদের এক সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় ওই উপদেষ্টাকে দুয়োধ্বনি দেওয়া হয় এবং তার দিকে পানির বোতল ছুড়ে মারা হয়। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ক্রুদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।আরও পড়ুন. ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীনের ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ইরানতাসনিমের দাবি, সংঘর্ষের সময় ছুরি ও অন্যান্য ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। এতে সাতজন নৌসেনা নিহত এবং কয়েকজন আহত হন। ঘটনার পরও রণতরীটির ভেতরে উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে দাবি করা হয়েছে।ইরানি সংবাদমাধ্যমটির আরও দাবি, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন টানা ২৬৩ দিন ধরে মোতায়েন রয়েছে এবং বর্তমানে ভারত মহাসাগরে অবস্থান করছে। রণতরীটির অন্যতম দায়িত্ব হিসেবে ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ কার্যকর করার কথাও উল্লেখ করেছে তারা।এ ছাড়া টানা ২০৮ দিন সমুদ্রে অবস্থানের দাবি করে তাসনিম বলেছে, আধুনিক সময়ে কোনো মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর জন্য এটি দীর্ঘতম একটানা সমুদ্র মোতায়েনের ঘটনা।তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নৌসেনাদের সংঘর্ষে সাতজন নিহত হওয়ার এই দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে নিহতের সংখ্যা ও ঘটনার বিস্তারিত তথ্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

১৩ আগস্ট ২০২৬

রাজধানী

আব্দুল্লাহপুরের ‘গ্রীন গার্ডেন’: আবাসিক হোটেলের আড়ালে কী চলছে?

আব্দুল্লাহপুরের ‘গ্রীন গার্ডেন’: আবাসিক হোটেলের আড়ালে কী চলছে?

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানাধীন আব্দুল্লাহপুর এলাকায় একটি আবাসিক হোটেলকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে নানা অভিযোগ উঠছে। স্থানীয়দের ভাষ্য ও সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ‘গ্রীন গার্ডেন’ নামে পরিচিত আবাসিক হোটেলটিতে আবাসিক সেবার আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং মাদক বেচাকেনা আর অভিযোগ রয়েছে। হোটেলটির মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ থাকলেও কার্যকর ও স্থায়ীভাবে বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।আরও পড়ুন:  দারুসসালামে অনুমোদনহীন অনৈতিক কর্মকান্ডে জসিম ও হারুনের দাপটঅভিযোগ রয়েছে, এর আগেও বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে হোটেলটিকে ঘিরে নানা অনিয়মের খবর প্রকাশিত হয়েছে। এসব প্রতিবেদন প্রকাশের পর কিছু সময়ের জন্য কার্যক্রম কমে গেলেও পরবর্তীতে আবারও একই ধরনের কর্মকাণ্ড শুরু হওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। ফলে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনের নজরদারি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বারবার একই ধরনের অভিযোগ উঠছে? তবে বাইরে থেকে দেখলে এটি একটি সাধারণ আবাসিক হোটেল। ভবনের সামনে হোটেলের সাইনবোর্ড, অভ্যর্থনা কক্ষ এবং কক্ষ ভাড়ার ব্যবস্থা থাকলেও ভেতরের কার্যক্রম নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন। বিশেষ করে রাতের দিকে অপরিচিত ব্যক্তিদের যাতায়াত, স্বল্প সময়ের জন্য কক্ষ ভাড়া এবং কিছু সন্দেহজনক ব্যক্তির আনাগোনা স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। আর দিনের বেলায় তো রয়েছেই। নারী ও মাদকের দালাল চক্রের তারড়নায় পথচারীদের পড়তে হয় বিপাকে। এসব হোটেল কেন্দ্র করে যেকোন মুহুর্তে ঘটতে পারে বড় কোন অপরাধ।আরও পড়ুন:  বনানীতে শহিদের অবৈধ স্পা সেন্টার ঘিরে অন্ধকার জগৎস্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য, কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একবার অভিযোগ ওঠা আর দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের অভিযোগ পুনরাবৃত্তি হওয়া এক বিষয় নয়। তাদের প্রশ্ন, যদি অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত করে তা পরিষ্কার করা উচিত। আর অভিযোগের সত্যতা থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। একজন স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “হোটেলটি নিয়ে বিভিন্ন সময় নানা কথা শুনেছি। মাঝে মাঝে মনে হয় কার্যক্রম বন্ধ বা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। কিন্তু কিছুদিন পর আবার আগের মতো লোকজনের আনাগোনা দেখা যায়। প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি থাকলে বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া দরকার।সংশ্লিষ্টদের অভিযোগের সবচেয়ে গুরুতর অংশ হলো, আবাসিক হোটেলের বৈধ ব্যবসার আড়ালে সেখানে অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মাদকসংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে কি না। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে প্রয়োজন সরেজমিন তদন্ত, বৈধ কাগজপত্র যাচাই, হোটেলের রেজিস্টার পরীক্ষা, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান। এ কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রশ্ন গ্রীন গার্ডেন হোটেলের বৈধ লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স, আবাসিক হোটেল পরিচালনার অনুমোদন, অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অতিথিদের রেজিস্টার নিয়মিত পরীক্ষা করা হয় কি না?আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে ১৫ই আগস্ট শিক্ষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিতবিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো আবাসিক হোটেলে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে কি না, সেটি নির্ধারণের দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত না করে শুধু সাময়িক অভিযান চালালে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয় না। হোটেলটিকে ঘিরে ওঠা অভিযোগ সম্পর্কে মালিকপক্ষের বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ। তাদের দাবি, এই ব্যবসায় তারা নতুন নন এবং হোটেলের কার্যক্রম সম্পর্কে প্রশাসনও অবগত। হোটেল মালিক জসিম বক্তব্য ঘিরে আরও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। যদি হোটেলের সব কার্যক্রম বৈধ হয় এবং প্রশাসন বিষয়টি জানে, তাহলে হোটেলটির বিরুদ্ধে বারবার কেন একই ধরনের অভিযোগ উঠছে এটি পরিষ্কার করা প্রয়োজন।অন্যদিকে, যদি কোনো অনিয়ম বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে মালিকপক্ষের ‘প্রশাসন জানে’ এমন বক্তব্য কোনোভাবেই আইনগত দায় থেকে অব্যাহতি দিতে পারে না। একইভাবে, প্রশাসন জানে এমন দাবিও যাচাই ছাড়া সত্য ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই।আব্দুল্লাহপুর এলাকাটি উত্তরা পশ্চিম থানার আওতাধীন। ফলে হোটেলটিকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের ক্ষেত্রে স্থানীয় থানার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয়দের প্রশ্ন, আবাসিক হোটেলগুলোতে নিয়মিত তদারকি করা হয় কি না এবং অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়।আরও পড়ুন: মান্দারী বাজারের রহমত খালী খাল পরিষ্কারে প্রশাসনের উদ্যোগ, স্বস্তি এলাকাবাসীএকাধিক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, কোনো হোটেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে শুধু অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে আটক করাই যথেষ্ট নয়। হোটেলটি কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে, কারা মালিক, কারা ব্যবস্থাপনায় রয়েছে, অতিথিদের পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে কি না, রাতের বেলায় কক্ষ ব্যবহারের ধরন কী এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনের সঙ্গে তা যুক্ত করা জরুরি। হোটেলটিকে ঘিরে মাদক বেচাকেনার অভিযোগও গুরুতর। কারণ একটি আবাসিক হোটেল মাদক ব্যবসার জন্য ব্যবহৃত হলে শুধু ওই প্রতিষ্ঠানের অতিথিরাই নয়, আশপাশের পরিবেশও ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। তবে মাদকসংক্রান্ত অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত অপরিহার্য।  আরও পড়ুন: দারুস সালামে আবাসিক হোটেলের আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগহোটেলটিকে ঘিরে নারী ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগও রয়েছে বলে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের ক্ষেত্রেও একইভাবে যথাযথ তদন্ত প্রয়োজন। আবাসিক হোটেলের নামে যদি কোনো ধরনের যৌন হয়রানি, মানবপাচার, জোরপূর্বক যৌন শোষণ বা অন্য কোনো অপরাধ ঘটে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। গ্রীন গার্ডেনকে ঘিরে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হচ্ছে প্রশাসনের নজরদারি যদি নিয়মিত থাকে, তাহলে একই ধরনের অভিযোগ বারবার কেন উঠছে? কোনো হোটেল একবার অভিযান বা অভিযোগের পর সাময়িকভাবে কার্যক্রম পরিবর্তন করে আবার একই ধরনের কর্মকাণ্ডে যুক্ত হলে শুধু তাৎক্ষণিক অভিযান যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন ধারাবাহিক নজরদারি ও নিয়মিত পরিদর্শন।  (চলমান..)

৯ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাপিয়ে মানবিকতার জয়, মেসির পাশে রোনালদো

প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাপিয়ে মানবিকতার জয়, মেসির পাশে রোনালদো

ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও মাঠের বাইরের পারস্পরিক সম্মান ও মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন তারা।মেসির বাবার মৃত্যুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে সমবেদনা জানিয়েছেন রোনালদো। আর সেই মন্তব্যই ইনস্টাগ্রামের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি লাইক পাওয়া কমেন্টের নতুন রেকর্ড গড়েছে বলে জানা গেছে।রোনালদো তার মন্তব্যে লিখেছেন, ‘এই কঠিন সময়ে তোমার এবং তোমার পরিবারের জন্য অনেক ভালোবাসা ও আলিঙ্গন রইল, লিও। অনেক শক্তি লাভ করো।’আরও  পড়ুন, মিরাজের ব্যাটে বড় লিডের পথে বাংলাদেশ, ডারউইনে চাপে অস্ট্রেলিয়াপ্রকাশের তিন দিনেরও কম সময়ের মধ্যে রোনালদোর এই মন্তব্যে ৬৪ লাখের বেশি লাইক পড়ে, যা পরে ৬৫ লাখ স্পর্শ করে। এর মাধ্যমে এটি ইনস্টাগ্রামের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি লাইক পাওয়া মন্তব্যে পরিণত হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এর আগে ইনস্টাগ্রামে সবচেয়ে বেশি লাইক পাওয়া কমেন্টের রেকর্ডও ছিল রোনালদোর দখলে। ২০২৪ সালে কিলিয়ান এমবাপ্পের রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার পোস্টে রোনালদোর মন্তব্যে ৬০ লাখের বেশি লাইক পড়েছিল।মেসির শোকের মুহূর্তে রোনালদোর এই বার্তা শুধু একটি মন্তব্য নয়, বরং দুই কিংবদন্তির পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও মানবিক সম্পর্কের এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে ফুটবল ভক্তদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর