দেশজুড়ে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে হামে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১১ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২৫ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত মোট সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ৬০৭ জনে। এর মধ্যে ৪ হাজার ৪৬০ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে।এদিকে, পরিস্থিতির ভয়াবহতা বোঝা যাচ্ছে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা থেকে। এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত মিলিয়ে ২০ হাজার ৪৭৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৭ হাজার ৮১ জন।সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য হলো মৃত্যুর সংখ্যা। প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ২০৯ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ৫৮ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছেন, যাদের বড় একটি অংশই শিশু।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রমে ঘাটতি এবং সচেতনতার আরো পড়ুন , রাজধানীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল ঘুরে দেখলেন প্রধানমন্ত্রীঅভাবের কারণেই এই প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বাড়ায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা হিমশিম খাচ্ছেন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সবাইকে শিশুদের টিকা নিশ্চিত করা এবং উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।দেশে আবারও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে হামের প্রাদুর্ভাব। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় মাসে সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ৩০ হাজার ছাড়িয়েছে। নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা কয়েক হাজারে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যা স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকাদান কর্মসূচিতে বিঘ্ন, কিছু এলাকায় টিকার ঘাটতি এবং অভিভাবকদের অসচেতনতা—এই তিনটি কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে।বর্তমানে সরকারের পক্ষ থেকে দেশব্যাপী টিকাদান জোরদার করার পাশাপাশি হাসপাতালগুলোতে জরুরি চিকিৎসা সেবা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এক্সক্লুসিভ
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি একটি রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতার অন্যতম প্রধান সূচক| আর এই সূচককে সচল রাখতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা পুলিশ| সাম্প্রতিক সময়ের নানা প্রতিকূলতা, সমালোচনা এবং বাস্তব সংকটের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশ পুলিশ আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে| তবে এই পথ মোটেও সহজ নয়; বরং এটি একটি দীর্ঘ, জটিল এবং বহুমাত্রিক প্রক্রিয়া|আরো পড়ুন: আইনের শাসন না মবের রাজত্ব?ইতিপূর্বে বিভিন্ন ঘটনা, বিতর্ক এবং চাপের কারণে পুলিশের মনোবলে বড় ধরনের প্রভাব পড়ে| বিশেষ করে একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর (যেমন ৫ আগস্ট পরবর্তী পরিস্থিতি) পুলিশের মধ্যে একধরনের হতাশা, অনিশ্চয়তা এবং পেশাগত চাপ বৃদ্ধি পায়| অনেক সদস্য নিজেদের দায়িত্ব পালনে নিরুৎসাহিত বোধ করতে থাকেন| তবে সময়ের সাথে সাথে পরিস্থিতির পরিবর্তন হচ্ছে| প্রশাসনিক উদ্যোগ, নতুন দিকনির্দেশনা এবং অভ্যন্তরীণ পুনর্গঠনের মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীর মধ্যে আবারও কর্মস্পৃহা ফিরে আসছে| মাঠপর্যায়ে তাদের কার্যক্রমে ধীরে ধীরে দৃঢ়তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত|পুলিশ সদস্যরা যখন আইন প্রয়োগ করতে মাঠে নামেন, তখন তাদের নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়| বিশেষ করে কিছু ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রভাবশালী গোষ্ঠী, রাজনৈতিক চাপ এবং জনতার ভুল প্রতিক্রিয়া তাদের কাজকে কঠিন করে তোলে| সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, মব বা গণজমায়েতের মাধ্যমে আইন প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করা| কোনো ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেক সময় যাচাই-বাছাই ছাড়াই জনতা উত্তেজিত হয়ে ওঠে| ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়|আরো পড়ুন: মাঠে মব, কোণঠাসা পুলিশ বাহিনীপুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ যেমন রয়েছে, তেমনি তাদের নিজেরাও অনেক সময় হয়রানির শিকার হচ্ছেন এমন অভিযোগও কম নয়| মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার, এমনকি সরাসরি হামলার ঘটনাও ঘটছে| এতে একদিকে যেমন তাদের মানসিক চাপ বাড়ছে, অন্যদিকে দায়িত্ব পালনের আগ্রহও কমে যাচ্ছে|আরো পড়ুন: মিঠাপুকুরে আলপনা ফিলিং স্টেশনে জার্কিনে তেল বিক্রি বন্ধ, পুলিশের হস্তক্ষেপে শৃঙ্খলা ফিরেছেবিশেষ করে ট্রাফিক পুলিশ বা সার্জেন্টদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়| তারা যখন সড়কে নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে যানবাহন থামান বা আইনগত ব্যবস্থা নিতে চান, তখন অনেক সময় উল্টো তাদেরই হয়রানির শিকার হতে হয়| এমনকি কিছু ক্ষেত্রে শারীরিক লাঞ্ছনার ঘটনাও ঘটছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক| এই ধরনের বাধা ও হয়রানি পুলিশের কার্যক্রমে সরাসরি প্রভাব ফেলছে| যখন একজন পুলিশ সদস্য তার দায়িত্ব পালনের সময় নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করেন, তখন তার পক্ষে নিরপেক্ষ ও কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে| ফলে অপরাধীরা সুযোগ পায় এবং অপরাধ প্রবণতা বাড়তে থাকে| বিশেষজ্ঞদের মতে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতি যদি সামাজিকভাবে সম্মান ও সহযোগিতা না থাকে, তাহলে কোনোভাবেই টেকসই আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়| একজন ট্রাফিক সার্জেন্ট বলেন, আমরা যখন গাড়ি থামাই, তখন অনেকেই মনে করে আমরা হয়রানি করছি| কিন্তু আমরা তো আইনের প্রয়োগ করছি| এই জায়গাটাই মানুষ বুঝতে চায় না|আরো পড়ুন: কোন্দলের আগুনে পুড়ছে রাজনীতিবাংলাদেশ পুলিশের কাঠামোতে রয়েছে বিভিন্ন বিশেষায়িত ইউনিট, যারা নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালন করে থাকে| এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য, (১) রেঞ্জ পুলিশ, (২). স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) (৩). ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি), (৪). রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি) (৫). হাইওয়ে পুলিশ (৬). ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ (৭). পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) (৮). স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রোটেকশন ব্যাটালিয়ন (এসপিবিএন) (৯). আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), (১০). এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ (এএপি), (১১). র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), (১২). নৌ পুলিশ (১৩). ট্যুরিষ্ট পুলিশ (১৪). পর্যটন পুলিশ (১৫). কমিউনিটি পুলিশ এসব ইউনিট দেশের বিভিন্ন খাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে| তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের দক্ষতা আরও বাড়ানো, প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং সমš^য় জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি|আরো পড়ুন: কক্সবাজার খুরুশকুল নতুন ব্রীজে বাইকের ধাক্কায় এক জনের মৃত্যুএদিকে রাজধানীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে| ডিএমপির প্রতিটি স্তরের কর্মকর্তাদের বিশেষ করে ডিসি (উপ-পুলিশ কমিশনার) এবং ওসি (থানা ইনচার্জ) আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করা প্রয়োজন| তাদেরকে স্থানীয় পরিস্থিতি অনুযায়ী দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দিতে হবে এবং জনগণের সাথে সরাসরি যোগাযোগ বাড়াতে হবে| কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার করা গেলে অপরাধ প্রতিরোধ অনেক সহজ হবে| পুলিশের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হলো জনআস্থা পুনরুদ্ধার করা| অতীতে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা, অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগের কারণে জনগণের একটি অংশ পুলিশের প্রতি আস্থা হারিয়েছিল| তবে বর্তমানে সেই পরিস্থিতি ধীরে ধীরে পরিবর্তন হচ্ছে| পুলিশের কিছু ইতিবাচক উদ্যোগ, মানবিক আচরণ এবং দ্রুত সেবা প্রদান জনমনে আস্থা ফিরিয়ে আনছে|আরো পড়ুন: পুলিশ হত্যা, সংস্কার ও জননিরাপত্তা: সংকট উত্তরণের পথ কোথায়? বিশেষজ্ঞদের মতে, জনআস্থা অর্জন করতে হলে পুলিশের আচরণ হতে হবে ¯^চ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং মানবিক| বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য সবচেয়ে বড় হুমকিগুলোর একটি হলো ‘মব জাস্টিস’ বা গণপিটুনি| এটি শুধু আইনবিরোধী নয়, বরং একটি সভ্য সমাজের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর| কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে তার বিচার করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের| কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, জনতা নিজেরাই বিচার করতে এগিয়ে যায়, যা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তোলে| এই প্রবণতা বন্ধ করতে হলে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে এবং আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে| এছাড়া পুলিশ সদস্যদের জন্য একটি নিরাপদ ও সম্মানজনক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি|আরো পড়ুন: ব্যাংককের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডিএমপির ইন্সপেক্টর মো. আসাদুজ্জামানের মৃত্যুআইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব শুধু পুলিশের নয়; এটি একটি সম্মিলিত দায়িত্ব| জনগণ যদি সচেতন না হয় এবং আইন মেনে না চলে, তাহলে কোনোভাবেই একটি নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব নয়| পুলিশকে সহযোগিতা করা, আইন মেনে চলা এবং অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া—এসবই একজন দায়িত্বশীল নাগরিকের কর্তব্য| সব মিলিয়ে বলা যায়, বাংলাদেশ পুলিশ বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে| নানা চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও তারা আবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে| এই প্রচেষ্টাকে সফল করতে হলে প্রয়োজন সমšি^ত উদ্যোগ—সরকার, প্রশাসন এবং জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টা| আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে| যদি এই সম্পর্ক শক্তিশালী করা যায়, তাহলে খুব শিগগিরই দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এমনটাই আশা করা যায়|
অনলাইন জরিপ
দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে ক্রমেই বাড়ছে চাপ। রপ্তানি আয় টানা কয়েক মাস ধরে নিম্নমুখী থাকলেও একই সময়ে আমদানি ব্যয় বেড়ে চলেছে। ফলে রপ্তানি ও আমদানির ব্যবধান দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা বাণিজ্য ঘাটতির ওপর নতুন চাপ তৈরি করছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬.৯১ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৩.৭১ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ এক বছরে ঘাটতি বেড়েছে ৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য বলছে, জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৩ হাজার ৫৩৮ কোটি ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ কম। বিশেষ করে মার্চ মাসে রপ্তানি বড় ধসের মুখে পড়ে, যেখানে পতন হয় প্রায় ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ।আরো পড়ুন , দেশের জ্বালানি মজুত মাত্র ৩ মাস, বড় ঝুঁকির সতর্কতা পিআরআই’র তৈরি পোশাক, চামড়া, হোম টেক্সটাইল ও পাটজাত পণ্যের মতো প্রধান খাতগুলোতে এই পতনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে।অন্যদিকে আমদানি ব্যয় বেড়েছে প্রায় ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। একই সময়ে আমদানি দাঁড়িয়েছে ৪৬.১৪ বিলিয়ন ডলার। এতে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ আরও বেড়েছে।অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা, খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এই সংকটকে আরও জটিল করছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ সুদহার ও জ্বালানি সংকটের কারণে রপ্তানি খাতেও অর্ডার কমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, যা ভবিষ্যতে অর্থনীতির ওপর আরও চাপ ফেলতে পারে।
দেশের জ্বালানি মজুত বর্তমানে মাত্র তিন মাসের চাহিদা মেটানোর মতো, যা একটি গুরুতর সীমাবদ্ধতা বলে সতর্ক করেছেন অর্থনীতিবিদরা। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে এ মন্তব্য করেন পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআরআই)-এর চেয়ারম্যান জাইদী সাত্তার।তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির অস্থিরতা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় প্রভাব ফেলছে। পিআরআই চেয়ারম্যান জানান, বাংলাদেশের জ্বালানি মজুত সীমিত হওয়ায় যেকোনো বৈশ্বিক সংকট সরাসরি দেশের অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। একই সঙ্গে সার ও খাদ্যের দাম বাড়লে সামগ্রিক অর্থনীতি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।আরও পড়ুন, ফার্নিচার শিল্পে বাজেটে শুল্ক-ভ্যাট কমানোর প্রস্তাবতিনি আরও বলেন, বিগত কয়েক বছর ধরে করোনা, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, সরবরাহ শৃঙ্খল সংকট এবং বৈদেশিক মুদ্রার চাপের মধ্যে অর্থনীতি নানা ধাক্কা সামলাচ্ছে। এর সঙ্গে নতুন করে মধ্যপ্রাচ্য সংকট যুক্ত হয়েছে। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পিআরআই-এর প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. আশিকুর রহমান। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি এখন ভঙ্গুর পুনরুদ্ধারের মধ্যে রয়েছে, যেখানে প্রবৃদ্ধি কমে ৩ শতাংশে নেমেছে এবং ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ৩০ শতাংশে পৌঁছেছে।আরও পড়ুন, আইএমএফ নিজ গরজেই বাংলাদেশকে ঋণ দেবে: ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদতিনি আরও বলেন, রাজস্ব ঘাটতি ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর নির্ভরতা অর্থনৈতিক ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, জ্বালানি, রাজস্ব ও ব্যাংক খাতে দ্রুত সংস্কার না হলে বৈশ্বিক চাপের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরও ঝুঁকির মুখে পড়বে।
দেশের সম্ভাবনাময় আসবাবপত্র শিল্পকে টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে একগুচ্ছ প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ ফার্নিচার শিল্প মালিক সমিতি। সম্প্রতি তারা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাছে পাঠানো চিঠিতে কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক কমানো, ভ্যাট ব্যবস্থার সহজীকরণ এবং করপোরেট কর যৌক্তিক করার দাবি জানিয়েছে।আরও পড়ুন, মুরগির দাম কমলেও মাছের বাজারে আগুন, চাপে ক্রেতারাচিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশের ফার্নিচার শিল্প মূলত আমদানিনির্ভর কাঁচামালের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। তবে করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম ও পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। এর পাশাপাশি উচ্চ আমদানি শুল্ক এবং এইচএস কোড জটিলতা দেশীয় শিল্পকে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে দিচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।আরও পড়ুন, আইএমএফ নিজ গরজেই বাংলাদেশকে ঋণ দেবে: ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদসংগঠনটি আরও বলেছে, আমদানি কাঁচামালের এইচএস কোড নির্ধারণ সহজ করা হলে উদ্যোক্তারা দীর্ঘসূত্রিতা থেকে মুক্তি পাবেন। তারা উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ এবং খুচরা পর্যায়ে ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ করার প্রস্তাব দিয়েছে। এছাড়া ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য কর কাঠামো পুনর্নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে, যাতে নতুন বিনিয়োগ উৎসাহিত হয়। বিশ্লেষকদের মতে, এসব প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে উৎপাদন ব্যয় কমবে, ভোক্তারা তুলনামূলক কম দামে আসবাবপত্র পাবেন এবং রপ্তানি সম্ভাবনাও বাড়তে পারে।
বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ নিজস্ব স্বার্থেই বাংলাদেশকে ঋণ দেবে। তিনি বৃহস্পতিবার একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর মূল কাজই হচ্ছে অর্থনৈতিক সংকটে থাকা দেশগুলোকে সহায়তা করা।আরও পড়ুন, টাকা ছাপিয়ে ঋণ দিলে মূল্যস্ফীতি বাড়বে: অর্থনীতিবিদদের সতর্কতাওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, আইএমএফ সংস্কারের শর্ত দেখিয়ে কিস্তি বিলম্বিত করার কৌশল ব্যবহার করতে পারে, তবে বাস্তবে তারা জানে এখন বড় ধরনের কাঠামোগত সংস্কারের সময় নয়। তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধসহ বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে যে অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে, আগে তা সামাল দেওয়া জরুরি। অধ্যাপক মাহমুদ বর্তমানে ৩৬ সদস্যের একটি অর্থনৈতিক পরামর্শক কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কমিটি আগামী পাঁচ বছরের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়নে কাজ করছে।আরও পড়ুন, মুরগির দাম কমলেও মাছের বাজারে আগুন, চাপে ক্রেতারাতিনি বলেন, বড় গ্রুপের বদলে ছোট অর্থনীতিবিদদের টিম দিয়ে কাজ শুরু করা উচিত এবং পরে মন্ত্রণালয়গুলোকে যুক্ত করা প্রয়োজন। সাবেক এই উপদেষ্টা আরও বলেন, বিগত সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা কতটা বাস্তবায়িত হয়েছে তা আগে মূল্যায়ন করা জরুরি। জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমান সংকটে সরকারের দায় কম, তবে জনগণকে বাস্তব পরিস্থিতি খোলাখুলি জানানো উচিত। এতে আস্থা বাড়বে। আসন্ন বাজেট নিয়ে তিনি সতর্ক করে বলেন, রাজস্ব ঘাটতি ও বাজেট ঘাটতি বাড়তে পারে, যা বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ কমিয়ে দিতে পারে এবং মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর রাজধানীর বাজারে মুরগির দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তবে একই সময়ে মাছের বাজারে নতুন করে দামের চাপ তৈরি হয়েছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর রামপুরা, আফতাবনগর ও ডিএনসিসি কৃষি মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, এক সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগির দাম কেজিতে সর্বোচ্চ ৫০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।সোনালি মুরগি এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকায়, যা আগে ছিল আরও বেশি। ব্রয়লার মুরগির দামও কমে দাঁড়িয়েছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়। দেশি মুরগির দাম কমে ৭২০ টাকায় নেমেছে। তবে লেয়ার মুরগির দাম কিছুটা বেড়ে ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, খামারে উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়ায় মুরগির দাম কমেছে। আগামী দিনে দাম আরও কমতে পারে বলেও তারা আশা করছেন।আরও পড়ুন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাটা গ্লোবাল সিইওর সৌজন্য সাক্ষাৎতবে বিপরীতে মাছের বাজারে দামের উল্টো চিত্র দেখা গেছে। প্রায় সব ধরনের মাছেই কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। পাঙ্গাশ মাছ এখন ২৩০ টাকায়, রুই মাছ ৩৪০ থেকে ৪৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এদিকে গরু ও খাসির মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে—গরুর মাংস ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১১৫০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।আরও পড়ুন, টাকা ছাপিয়ে ঋণ দিলে মূল্যস্ফীতি বাড়বে: অর্থনীতিবিদদের সতর্কতাসবজির বাজারে অবশ্য কিছুটা স্বস্তি দেখা গেছে। বেশিরভাগ সবজির দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। পটল ও করলা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং বেগুন ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা বলছেন, মুরগি ও সবজির দাম কিছুটা কমলেও মাছের দাম এখনও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। অনেকের মতে, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাবও বাজারে পড়ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরকারকে টাকা ছাপিয়ে ঋণ দেওয়ার প্রবণতা বাড়ায় মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন অর্থনীতিবিদরা। বৃহস্পতিবার রাজধানীর বনানীতে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই) আয়োজিত এক সেমিনারে তারা এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পিআরআইর প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. আশিকুর রহমান। তিনি বলেন, গত মার্চ মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরকার প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে, যা মূলত ‘হাইপাওয়ারড মানি’ বা ছাপানো অর্থ।আরও পড়ুন, শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের অর্থ বিতরণে নগদতার মতে, এই ধরনের অর্থায়ন সরাসরি বাজারে মুদ্রাস্ফীতির চাপ তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি রাজস্ব আয় কম থাকায় সরকার উচ্চ সুদের স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। তিনি আরও বলেন, দেশের অর্থনীতি বর্তমানে ধীরগতির পুনরুদ্ধারের মধ্যে রয়েছে। জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে ৩ শতাংশে নেমেছে, যা কোভিড-পরবর্তী সময়ের মধ্যে অন্যতম নিম্ন হার। ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ৩০ শতাংশে পৌঁছানোয় আর্থিক খাতও চাপের মুখে রয়েছে।আরও পড়ুন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাটা গ্লোবাল সিইওর সৌজন্য সাক্ষাৎসেমিনারে প্রধান অতিথি মাহবুবুর রহমান বলেন, অতীতে এত দীর্ঘ সময় উচ্চ মূল্যস্ফীতি দেখা যায়নি। তিনি সতর্ক করে বলেন, টাকা ছাপানোর প্রবণতা অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। পিআরআই চেয়ারম্যান জাইদি সাত্তার বলেন, বৈশ্বিক সংঘাত, জ্বালানি সংকট ও বাণিজ্য অনিশ্চয়তা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করছে। তিনি বড় ধরনের কাঠামোগত সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, রাজস্ব ও আর্থিক খাতে দ্রুত সংস্কার না হলে মুদ্রাস্ফীতি ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি আরও বাড়বে।
লাইফস্টাইল
তীব্র গরমে শরীর যখন ক্লান্ত ও অবসন্ন, তখন এক গ্লাস ঠান্ডা বেলের শরবত এনে দিতে পারে তাত্ক্ষণিক স্বস্তি।প্রাকৃতিকভাবে শীতলকারী এই পানীয় শুধু তৃষ্ণা মেটায় না, বরং শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখতেও সহায়তা করে।গরমের এই সময়ে সুস্থ থাকতে প্রাকৃতিক পানীয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। এর মধ্যে বেলের শরবত অন্যতম জনপ্রিয় ও উপকারী একটি পানীয় হিসেবে বিবেচিত।বেল একটি পুষ্টিকর ফল, যা শরীরকে ঠান্ডা রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এতে থাকা ভিটামিন সি, ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং পানিশূন্যতা রোধে সহায়তা করে।আরো পড়ুন , বিয়ের আগে ৬টি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য পরীক্ষাগরমে হজমের সমস্যা, পেটের অস্বস্তি বা কোষ্ঠকাঠিন্য অনেকেরই দেখা দেয়। এ ক্ষেত্রে বেলের শরবত পেট ঠান্ডা রেখে হজম প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।এছাড়া এটি শরীরের অতিরিক্ত তাপ কমিয়ে ক্লান্তি দূর করে এবং দ্রুত শক্তি জোগায়।ঘরে তৈরি করার প্রক্রিয়াও বেশ সহজ। পাকা বেলের ভেতরের অংশ বের করে পানি মিশিয়ে ভালোভাবে চটকে ছেঁকে নিতে হয়। এরপর চিনি বা গুড়, সামান্য লবণ এবং ইচ্ছা অনুযায়ী গোলমরিচ মিশিয়ে বরফ দিয়ে পরিবেশন করা যায়।বাজারের কৃত্রিম কোমল পানীয়ের তুলনায় এটি অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর, কারণ এতে কোনো কেমিক্যাল বা প্রিজারভেটিভ নেই।সব মিলিয়ে, তীব্র গরমে শরীরকে ঠান্ডা ও সতেজ রাখতে বেলের শরবত হতে পারে সহজ, নিরাপদ ও কার্যকর একটি প্রাকৃতিক সমাধান।