দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1002.1 hPa
35.2° 67%
240° 12mm
চট্টগ্রাম 1002.6 hPa
32° 81%
240° 12mm
রাজশাহী 1000 hPa
36.5° 76%
240° 12mm
খুলনা 1002.9 hPa
27.5° 96%
540° 15mm
বরিশাল 1003.1 hPa
27.5° 88%
540° 15mm
সিলেট 1001.1 hPa
33.2° 78%
240° 12mm
রংপুর 1000.8 hPa
30.7° 79%
540° 15mm
ময়মনসিংহ 1002.3 hPa
28° 83%
540° 15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদ

প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদ

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাম্প্রতিক প্রশাসনিক রদবদলে মো. দাউদ হোসেনকে গুলশান থানার নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার পর রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও অভিজাত এলাকা গুলশান থানার দায়িত্ব পাওয়াকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভ্যন্তরে একটি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে| দীর্ঘদিনের মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা, অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান এবং আলোচিত বিভিন্ন মামলার তদন্তে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি ইতোমধ্যেই পুলিশের একটি পরিচিত মুখে পরিণত হয়েছেন|আরও পড়ুন:  সংকট থেকে সাহসিকতায় আপেল মাহমুদের গল্পযশোর জেলার কৃতি সন্তান মো. দাউদ হোসেন কর্মজীবনের শুরু থেকেই দায়িত্বশীল ও পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত| বিভিন্ন সময়ে দেশের গুরুত্বপূর্ণ থানায় দায়িত্ব পালন করে তিনি নিজের দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন| বিশেষ করে রাজধানীর খিলগাঁও থানা এবং পরবর্তীতে ক্যান্টনমেন্ট থানায় দায়িত্ব পালনকালে তার কর্মকাণ্ড সাধারণ মানুষের পাশাপাশি পুলিশের উচ্চপর্যায়েও প্রশংসিত হয়েছে| পুলিশ সূত্রে জানা যায়, খিলগাঁও থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি মাদক, চুরি, ছিনতাই ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে বেশ সক্রিয় ভূমিকা রাখেন| তার নেতৃত্বে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে একাধিক অপরাধী চক্র ভেঙে দেওয়া হয়| একই সঙ্গে থানাভিত্তিক জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার করার ক্ষেত্রেও তিনি কাজ করেছেন| পরবর্তীতে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার দায়িত্ব পাওয়ার পরও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান বজায় রাখেন| বিশেষ করে চব্বিশের ৫ আগস্ট পরবর্তী পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিভিন্ন সংবেদনশীল মামলার তদন্ত ও আসামি গ্রেপ্তারে তার ভূমিকা ব্যাপক আলোচনায় আসে| ˆবষম্যবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় সাবেক সংসদ সদস্যসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের আইনের আওতায় আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি| আরও পড়ুন: আপেল মাহমুদকে ঘিরে সংবাদ নিয়ে প্রশ্ন, ভুয়া তথ্য ও অপপ্রচারআইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তার এই পদক্ষেপ বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হয়| তবে এসব কার্যক্রমের কারণে তাকে নানা ধরনের সমালোচনারও মুখোমুখি হতে হয়েছে| সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ও সমর্থকগোষ্ঠীর পক্ষ থেকে তাকে নিয়ে একাধিক নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হয়| বিশেষ করে আওয়ামী লীগের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে পোস্ট দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়| কিন্তু এসব প্রচারণা কিংবা সমালোচনাকে গুরুত্ব না দিয়ে তিনি তার দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন| আরও পড়ুন: পুলিশের দায়িত্ব পালনে বাধা মব কালচারআইনশৃঙ্খলা বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর মামলাগুলোতে পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করার কারণেই তিনি আলোচনায় আসেন| একজন পুলিশ কর্মকর্তার মূল দায়িত্ব আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা এবং সেই জায়গা থেকে তিনি দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছেন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা| ক্যান্টনমেন্ট থানায় দায়িত্ব পালনকালে অপরাধ দমনের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগেও অংশ নিতে দেখা গেছে তাকে| স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময়, বিট পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করেছেন তিনি|রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান থানা দীর্ঘদিন ধরেই নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ| এখানে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী, কূটনীতিক, বিদেশি নাগরিক এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বসবাস| একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানের হোটেল, দূতাবাস, করপোরেট অফিস এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থাকায় গুলশানের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়|সাম্প্রতিক সময়ে গুলশান এলাকায় সাইবার অপরাধ, প্রতারণা, মাদক ব্যবসা, অবৈধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ নিয়েও আলোচনা রয়েছে| ফলে এই থানার দায়িত্বে একজন অভিজ্ঞ ও দক্ষ কর্মকর্তার প্রয়োজন ছিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা|আরও পড়ুন: আইনের শাসন না মবের রাজত্ব?পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মো. দাউদ হোসেন মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে পছন্দ করেন| তিনি শুধুমাত্র অফিসকেন্দ্রিক কার্যক্রমে সীমাবদ্ধ না থেকে সরাসরি অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম তদারকি করেন| ফলে অধস্তন কর্মকর্তাদের মধ্যেও দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক চাপ ˆতরি হয়| তবে সাংবাদিক মহলেও তার কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা রয়েছে| বিভিন্ন অপরাধবিরোধী অভিযানে তথ্যভিত্তিক বক্তব্য প্রদান এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে সমš^য় রেখে কাজ করার কারণে অনেক প্রতিবেদকের কাছেও তিনি পরিচিত মুখ| তবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তিনি বরাবরই আইনি প্রক্রিয়াকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন বলে জানা যায়|নগরবাসীর প্রত্যাশা, গুলশান থানার নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি এলাকার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করবেন| বিশেষ করে অভিজাত এলাকার আড়ালে পরিচালিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, প্রতারণা চক্র, মাদক ব্যবসা এবং প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে আশা করা হচ্ছে|আরও পড়ুন: পুলিশ হত্যা, সংস্কার ও জননিরাপত্তা: সংকট উত্তরণের পথ কোথায়?অন্যদিকে অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান সময়ে নগর অপরাধের ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে| ফলে শুধু প্রচলিত পুলিশিং নয়, আধুনিক প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যনির্ভর কার্যক্রমও সমান গুরুত্বপূর্ণ| মো. দাউদ হোসেন তার পূর্ববর্তী দায়িত্বগুলোতে প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত কার্যক্রমে গুরুত্ব দিয়েছেন| গুলশান থানাতেও সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে|এদিকে তার নতুন দায়িত্ব গ্রহণকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নানা আলোচনা দেখা গেছে| অনেকেই তাকে একজন দৃঢ়চেতা ও পেশাদার কর্মকর্তা হিসেবে উল্লেখ করছেন| আবার কেউ কেউ তার সামনে থাকা চ্যালেঞ্জগুলোর কথাও তুলে ধরছেন| কারণ গুলশান থানা শুধু একটি সাধারণ থানা নয়, বরং দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর থানা এলাকাগুলোর একটি| পুলিশের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো বলছে, দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠা, সাহসিকতা এবং কর্মদক্ষতার কারণেই তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ থানার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে| অতীত অভিজ্ঞতা ও অর্জন বিবেচনায় গুলশান থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট মহল|আরও পড়ুন:  পেশা নাকি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলমের যুদ্ধ?সব মিলিয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানা থেকে গুলশান থানায় মো. দাউদ হোসেনের পদায়ন শুধুমাত্র একটি প্রশাসনিক রদবদল নয়; বরং এটি একজন আলোচিত ও অভিজ্ঞ পুলিশ কর্মকর্তার প্রতি কর্তৃপক্ষের আস্থার প্রতিফলন বলেও মনে করছেন অনেকে| এখন সময়ই বলে দেবে রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই থানায় দায়িত্ব পালন করে তিনি কতটা সফলতার সঙ্গে নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারেন| তবে আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্টদের মতে, অতীতের অভিজ্ঞতা, পেশাদার মনোভাব এবং অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে গুলশান থানার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে| তবে তার কর্মদক্ষতা আরো কাজে লাগিয়ে সাধারন মানুষের সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

দেশীয় ফ্লাইটে জেট ফুয়েলের দাম লিটারে কমলো ১৫ টাকা ৬৭ পয়সা

দেশে আবারও কমলো বিমানে ব্যবহৃত জ্বালানি তেল—জেট ফুয়েলের দাম। জুন মাসের জন্য অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে প্রতি লিটারে ১৫ টাকা ৬৭ পয়সা দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন—বিইআরসি।রোববার নতুন এই মূল্য ঘোষণা করে সংস্থাটি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচলকারী বিমানের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ টাকা ২১ পয়সা। যা আগের মাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।শুধু দেশীয় রুট নয়, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রেও আরো পড়ুন, সংসদে আবেগঘন মুহূর্ত: শোক প্রস্তাবে তোফায়েলসহ ১৬ জনের নামকমেছে জ্বালানি তেলের মূল্য। আন্তর্জাতিক রুটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ১ দশমিক ০৮২৩ ডলার থেকে কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে শূন্য দশমিক ৯৮০৮ ডলার।এর আগে গত ২৩ মে সর্বশেষ জেট ফুয়েলের দাম সমন্বয় করেছিল বিইআরসি। সে সময়ও বড় ধরনের মূল্যহ্রাস এনে অভ্যন্তরীণ রুটে প্রতি লিটার দাম ৩৯ টাকা কমিয়ে ১৬৫ টাকা ৮৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।বিশ্লেষকরা বলছেন, ধারাবাহিকভাবে জেট ফুয়েলের দাম কমায় এয়ারলাইন্সগুলোর পরিচালন ব্যয় কিছুটা কমতে পারে। যদিও যাত্রী ভাড়ায় এর সরাসরি প্রভাব পড়বে কি না, তা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলোর বাণিজ্যিক সিদ্ধান্তের ওপর।এখন দেখার বিষয়, জ্বালানি তেলের এই মূল্যহ্রাসে বিমান ভাড়ায় কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আসে কি না।

সংসদে আবেগঘন মুহূর্ত: শোক প্রস্তাবে তোফায়েলসহ ১৬ জনের নাম

জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের প্রথম দিনেই উঠে এলো শোক ও স্মরণের আবহ। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও ভোলা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদসহ ১৬ জন সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, হুইপ ও সংসদ সদস্যের নাম জাতীয় সংসদের শোক প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।রোববার বিকেলে অধিবেশনের শুরুতে সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম মৃত্যুবরণকারী এসব সাবেক সংসদ সদস্যের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন করেন। সংসদ কক্ষে এ সময় শোক ও শ্রদ্ধার পরিবেশ তৈরি হয়।শোক প্রস্তাবে স্থান পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আরো পড়ুন , হাম পরিস্থিতির অবনতি: ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৭, নতুন উপসর্গ ১,২৮৭ জনেরআহমেদ, সাবেক টেকনোক্রেট মন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, বিএনপির সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক এম এ মান্নান, জাতীয় পার্টির সাবেক উপমন্ত্রী গোলাম সারোয়ার মিলন, সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাবেক সংসদ সদস্যরা।এছাড়া জাতীয় পার্টি, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের একাধিক সাবেক সংসদ সদস্যের নামও শোক প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। রাজনৈতিক পরিচয় ভিন্ন হলেও দেশের সংসদীয় গণতন্ত্রে তাদের অবদানের কথা স্মরণ করা হয় এ সময়।সংসদীয় রীতি অনুযায়ী, প্রয়াত সাবেক সংসদ সদস্যদের স্মরণে শোক প্রস্তাব উত্থাপন করা হয় এবং তাদের অবদানের প্রতি সম্মান জানানো হয়। রাজনৈতিক মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় সংসদে এমন মুহূর্ত দেশের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

হাম পরিস্থিতির অবনতি: ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৭, নতুন উপসর্গ ১,২৮৭ জনের

দেশজুড়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে হাম পরিস্থিতি। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাম ও এর উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ২৮৭ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই উদ্বেগজনক তথ্য।রোববার প্রকাশিত নিয়মিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত একদিনে সবচেয়ে বেশি চারজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এছাড়া চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগে একজন করে মোট তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ জুন পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬২০ জনে। যা জনস্বাস্থ্য আরো পড়ুন, স্টাডি করে প্রতিশ্রুতি দিন’ জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকারের সতর্কবার্তাপরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।শুধু মৃত্যুই নয়, সংক্রমণও বাড়ছে দ্রুত। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬৬ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে আরও ১ হাজার ২২১ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। সব মিলিয়ে গত প্রায় তিন মাসে দেশে মোট ৭৯ হাজার ১২ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। আর নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ৯ হাজার ৬৮৬ জনের।হাসপাতালে চাপও বাড়ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও উপসর্গ নিয়ে ৬৪ হাজার ২৬৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬০ হাজার ৮৪ জন।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করা, আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসা এবং জনসচেতনতা বাড়ানো ছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়তে পারে। তাই অভিভাবকদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে বিশেষ নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্টাডি করে প্রতিশ্রুতি দিন’ জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকারের সতর্কবার্তা

জাতীয় সংসদে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদকে সতর্ক করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।রোববার সংসদ অধিবেশনে আশুগঞ্জ সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ নিয়ে এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা মন্ত্রীর আগের প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, সংসদে তিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন যে পহেলা মে’র মধ্যে আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার কারখানায় গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও এখনো সেই সংযোগ দেওয়া হয়নি।আরও  পড়ুন, ‘সংসদ আজ খুব কালারফুল : স্পিকারজবাবে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, দেশে গ্যাসের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখতে বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে সার কারখানায় সংযোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি।মন্ত্রী আরও জানান, নতুন করে গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং ভবিষ্যতে গ্যাস পাওয়া গেলে আশুগঞ্জ সার কারখানায় সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।তবে মন্ত্রীর বক্তব্যের পর স্পিকার সংসদে দেওয়া তার আগের প্রতিশ্রুতির বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন, সংসদে কোনো প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সব বিষয় ভালোভাবে পর্যালোচনা করা উচিত।স্পিকারের এই মন্তব্য সংসদে তাৎক্ষণিকভাবে আলোচনার জন্ম দেয়।

রাজনীতিরাজনীতি

ছাত্রলীগের সভা-মিছিলের অভিযোগ, সাবেক মেয়র মনজুর আলমসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ছাত্রলীগের সভা-মিছিলের অভিযোগ, সাবেক মেয়র মনজুর আলমসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের কথিত সভা ও মশাল মিছিলের ঘটনায় সাবেক মেয়র ও সাবেক সংসদ সদস্যসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ।শুক্রবার রাতে ফটিকছড়ি থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৮০ থেকে ৯০ জনকে আসামি করা হয়েছে।পুলিশ জানায়, উপজেলার রোসাঙ্গিরি এলাকায় মশাল হাতে একটি মিছিল বের হওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অভিযান চালানো হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অংশগ্রহণকারীরা পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ঘটনাস্থল থেকে দুইজনকে আটক করা হয়।আরও পড়ুন, বাজেট অধিবেশনে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে: জামায়াত আমিরমামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম, সাবেক সংসদ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার এবং উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম।এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা কিছু রাজনৈতিক নেতার নির্দেশনায় সেখানে জড়ো হওয়ার তথ্য দিয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে চারটি বাঁশের তৈরি মশালও জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।ফটিকছড়ি থানার ওসি মো. রবিউল আলম বলেছেন, মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।তবে মামলায় অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বাজেট অধিবেশনে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে: জামায়াত আমির

বাজেট অধিবেশনে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে: জামায়াত আমির

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদ-সদস্যদের প্রতিটি বক্তব্য ও সিদ্ধান্ত হতে হবে গণমুখী এবং জনকল্যাণভিত্তিক।শনিবার ঢাকায় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী দক্ষতা উন্নয়নমূলক কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আসন্ন বাজেট অধিবেশনে দেশের সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক অধিকার রক্ষা এবং একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে সংসদ-সদস্যদের বলিষ্ঠ ও গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে হবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে দায়িত্বশীল ও কার্যকর ভূমিকা রাখারও আহ্বান জানান তিনি।দলের কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ বিভাগের উদ্যোগে রাজধানীর আল-ফালাহ মিলনায়তনে আয়োজিত ‘বাজেট, আরও  পড়ুন, চাঁদপুরে এনসিপিতে যোগ দিলেন ৪ বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ দুই শতাধিক নেতাকর্মীঅর্থনীতি ও জননীতি: সংসদ-সদস্যদের সক্ষমতা উন্নয়ন’ শীর্ষক কর্মশালায় জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামীর ৭৭ জন সংসদ-সদস্য অংশ নেন।অনুষ্ঠানে দলের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদও বক্তব্য দেন। তারা সংসদীয় রীতিনীতি, আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া এবং জনকল্যাণমূলক নীতিনির্ধারণে আরও দক্ষ ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।কর্মশালায় দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, বাজেট বিশ্লেষক ও নীতিনির্ধারকরা বিভিন্ন বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।আসন্ন জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে সংসদ-সদস্যদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।আরও  পড়ুন , ‘আওয়ামী লীগের ফাঁদে আবারও পা দিয়েছে বিএনপি’ : নাসীরুদ্দীন

চাঁদপুরে এনসিপিতে যোগ দিলেন ৪ বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ দুই শতাধিক নেতাকর্মী

চাঁদপুরে এনসিপিতে যোগ দিলেন ৪ বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ দুই শতাধিক নেতাকর্মী

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও যোগদান অনুষ্ঠান বড় ধরনের রাজনৈতিক সমাবেশে পরিণত হয়েছে। অনুষ্ঠানে চারজন বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ দুই শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থক দলটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন।শুক্রবার ছেংগারচর ডিগ্রি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। দলটির দাবি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন থেকে আগত নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রতি মানুষের আগ্রহের প্রতিফলন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, যুগ্ম সদস্য সচিব মোহাম্মদ নিজামউদ্দিন, চাঁদপুর জেলা আহ্বায়ক মাহবুব আলম, আরও পড়ুন, ‘আওয়ামী লীগের ফাঁদে আবারও পা দিয়েছে বিএনপি’ : নাসীরুদ্দীনসদস্য সচিব আমানউল্লাহ পাটওয়ারীসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।এছাড়া ছাত্রশক্তি, যুবশক্তি, নারীশক্তি ও শ্রমিকশক্তির নেতাকর্মীরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।অনুষ্ঠানে বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদ, আপ বাংলাদেশসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক প্ল্যাটফর্ম থেকে দুই শতাধিক ব্যক্তি এনসিপিতে যোগদান করেন। নতুন যোগদানকারীদের মধ্যে চারজন বীর মুক্তিযোদ্ধার উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে বিশেষ তাৎপর্য দেয়।যোগদানকারী বীর মুক্তিযোদ্ধারা হলেন আবু বকর সিদ্দিক, ওসমান গনি, রমিজ উদ্দিন ও মোহাম্মদ আলী। তাদের মধ্যে একজন মুক্তিযুদ্ধকালীন কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

‘আওয়ামী লীগের ফাঁদে আবারও পা দিয়েছে বিএনপি’ :  নাসীরুদ্দীন

‘আওয়ামী লীগের ফাঁদে আবারও পা দিয়েছে বিএনপি’ : নাসীরুদ্দীন

‘আওয়ামী লীগের ফাঁদে আবারও পা দিয়েছে বিএনপি’— চাঁদপুরে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীজাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সমালোচনা করে বলেছেন, অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কৌশলের কারণে বিএনপি বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিল। তার দাবি, দলটি আবারও একই ধরনের রাজনৈতিক ফাঁদে পা দিচ্ছে।শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, বিএনপি অতীতে নানা রাজনৈতিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছে এবং সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন। তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে বলেন, অতীতের বিভিন্ন ঘটনার জন্য যাদের দায়ী করা হয়, তাদের বিষয়ে রাজনৈতিকভাবে আরও সতর্ক থাকা উচিত।আরও  পড়ুন , সিলেটে জামায়াত নেতার বক্তব্য ঘিরে উত্তাপ, পাল্টা বিবৃতিতে বিএনপিবক্তব্যে তিনি আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সহিংসতা, নির্যাতন এবং বিভিন্ন আলোচিত ঘটনার অভিযোগ উত্থাপন করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, দেশের গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও রাজনৈতিক সংস্কার প্রতিষ্ঠার জন্য নতুন রাজনৈতিক শক্তির প্রয়োজন রয়েছে।অনুষ্ঠানে এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং রাজনৈতিক কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, অনুষ্ঠানে পাঁচজন মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে শতাধিক নেতাকর্মী এনসিপিতে যোগদান করেন। নতুন সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন দলের নেতারা।এ সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, দেশের জনগণ একটি বৈষম্যহীন, জবাবদিহিমূলক এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রত্যাশা করে। সেই লক্ষ্যেই এনসিপি কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।অনুষ্ঠানটি ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।আরও  পড়ুন , ‘বাংলাদেশ ২.০’ গড়তে ৮.৫২ লাখ কোটি টাকার ছায়া বাজেট দিল এনসিপি

সারাবাংলা

৫৯ ঘণ্টা শূন্যরেখায় ১০ জন: রোদ-বৃষ্টি আর অনিশ্চয়তায় সীমান্তে মানবিক সংকট

৫৯ ঘণ্টা শূন্যরেখায় ১০ জন: রোদ-বৃষ্টি আর অনিশ্চয়তায় সীমান্তে মানবিক সংকট

পঞ্চগড় সদর উপজেলার বড়বাড়ি-প্রধানপাড়া সীমান্তে তৈরি হয়েছে এক হৃদয়বিদারক মানবিক সংকট। নারী ও শিশুসহ ১০ জন মানুষ টানা প্রায় ৫৯ ঘণ্টা ধরে শূন্যরেখার ফসলি জমির সরু আইলে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন। না তারা বাংলাদেশে ঢুকতে পারছেন, না ভারত তাদের ফিরিয়ে নিচ্ছে। ফলে সীমান্তের মাঝখানে অনিশ্চয়তার মধ্যে মানবেতর জীবন কাটছে তাদেরস্থানীয় সূত্র ও সীমান্ত এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, জ্যৈষ্ঠের তীব্র রোদ, ভ্যাপসা গরম ও মাঝে বৃষ্টির মধ্যেও ওই ১০ জন সীমান্তের আইলে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন পাঁচজন পুরুষ, দুইজন নারী ও তিন শিশু। শুক্রবার ভোর থেকে শুরু হওয়া এই অচলাবস্থা রোববার বিকেল পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।অভিযোগ উঠেছে, গত শুক্রবার ভোরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ তাদের বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে। তবে কঠোর নজরদারির কারণে তারা বাংলাদেশের ভেতরে প্রবেশ করতে আরো পড়ুন , আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা, ৩০ বছর ধরে জমি দখলের অভিযোগপারেননি বলে জানিয়েছে বিজিবি। এমনকি শুক্রবার রাতের বজ্রবৃষ্টিতেও খোলা আকাশের নিচেই থাকতে হয়েছে তাদের।ঘটনার সমাধানে ইতোমধ্যে দুই দফা পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোম্পানি কমান্ডার ও ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে বৈঠক হলেও কোনো সমাধান মেলেনি। বিজিবি জানিয়েছে, তারা বিএসএফকে ওই ব্যক্তিদের ফিরিয়ে নিতে বলেছে, তবে ভারতীয় পক্ষ এতে সম্মত হয়নি।এদিকে সীমান্তে আটকে থাকা শিশুদের দুরবস্থা দেখে স্থানীয়দের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ। এলাকাবাসীর দাবি, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দ্রুত দুই দেশের সরকারকে আলোচনায় বসে এই সংকটের সমাধান করতে হবে। তা না হলে নারী-শিশুসহ এসব মানুষের জীবন আরও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।সীমান্তের সরু আইলে জমে থাকা পানির ওপর, মাথার ওপরে শুধু খোলা আকাশ—এভাবেই কাটছে ১০টি জীবনের দীর্ঘ অপেক্ষা। এখন প্রশ্ন, কবে মিলবে এই মানবিক সংকটের সমাধান?

আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা, ৩০ বছর ধরে জমি দখলের অভিযোগ

আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা, ৩০ বছর ধরে জমি দখলের অভিযোগ

বান্দরবানের লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নের লাচ্ছাপাড়ায় জমি দখলকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী সালেহা বেগম ও তার পরিবার। তাদের দাবি, প্রায় ৩০ বছর ধরে মিজান, ইব্রাহিম গংসহ কয়েকজন ব্যক্তি জোরপূর্বক তাদের জমি দখল করে ভোগদখল করে আসছেন। শুধু তাই নয়, প্রতিবাদ করলেই প্রাণনাশের হুমকি, হামলার চেষ্টা এবং বসতবাড়িতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যার অপচেষ্টার মতো গুরুতর ঘটনাও ঘটেছে।শনিবার (৬ জুন) লামা সাংবাদিক ইউনিটি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে সালেহা বেগম বলেন, “আমরা কারও জমি চাই না, শুধু আমাদের ন্যায্য জমিটুকু বুঝিয়ে দেওয়া হোক। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে আমাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।”সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, জমির সীমানা নির্ধারণ ও প্রকৃত হিস্যা বুঝিয়ে না দিয়ে অভিযুক্তরা পুরো জমি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।আরও  পড়ুন, মির্জাপুরে মুদি দোকানে অভিযান, ৩৯০ পিস ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তারসালেহা বেগম বলেন এ বিষয়ে লামা থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। সালেহা বেগমের স্বামী মনোয়ার আলম বাদশা অভিযোগ করেন, তাকে একাধিকবার ছুরি ও চাপাতি নিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। যখন কোনোভাবেই পরিবারটিকে দমিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি, তখন তাদের বসতবাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে তারা প্রাণে বেঁচে গেলেও এখনও চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।ভুক্তভোগী পরিবার বলছে, প্রশাসন দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যেকোনো সময় আরও ভয়াবহ ও রক্তক্ষয়ী ঘটনা ঘটতে পারে।এদিকে অভিযোগের বিষয়ে মিজান, ইব্রাহিমসহ অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে চাইলে তারা সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। কোনো প্রশ্নের জবাব না দিয়ে উল্টো “যা পারেন লিখেন” বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান তারা।সংবাদ সম্মেলন থেকে ভুক্তভোগী পরিবার অবিলম্বে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ, জমির সঠিক পরিমাপ, দখলমুক্তকরণ এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছে।

মির্জাপুরে মুদি দোকানে অভিযান, ৩৯০ পিস ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার

মির্জাপুরে মুদি দোকানে অভিযান, ৩৯০ পিস ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ সাথী আক্তার নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।রোববার সকালে উপজেলার বানাইল ইউনিয়নের মাঝালিয়া বাজার এলাকায় একটি মুদি দোকানে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, মাঝালিয়া গ্রামের বাসিন্দা সাথী আক্তার দীর্ঘদিন ধরে মুদি দোকানের আড়ালে ইয়াবা বিক্রি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।আরও পড়ুন , মাত্র ৬ বছরে বিপুল সম্পদ অর্জন হারুনের, প্রতিবেশীর জমি দখলে নিয়ে করলেন ঘরগোপন সংবাদের ভিত্তিতে টাঙ্গাইল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসের ইন্সপেক্টর সাইফুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় দোকানে তল্লাশি চালিয়ে ৩৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।পরে মাদক বিক্রির অভিযোগে সাথী আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিস জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।স্থানীয়দের মতে, অভিযানের ফলে এলাকায় মাদকবিরোধী কার্যক্রম আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মাত্র ৬ বছরে বিপুল সম্পদ অর্জন হারুনের, প্রতিবেশীর জমি দখলে নিয়ে করলেন ঘর

মাত্র ৬ বছরে বিপুল সম্পদ অর্জন হারুনের, প্রতিবেশীর জমি দখলে নিয়ে করলেন ঘর

 মাত্র ছয় পূর্বেও ঢাকার হাজারীবাগ এলাকায় ট্যানারি কারখানায় করতেন সাধারণ শ্রমিকের কাজ। তিনি এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। এ যেন রুপকথার এক গল্প। ঢাকার হাজারীবাগ- কামরাঙ্গীর চর এলাকায় আছে একাধিক প্লট-ফ্লাট। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে থাকেন সেখানে। গ্রামের বাড়ির এলাকার ওয়াপদা ব্রীজের উত্তরে মেঘনা ব্রিক ফিল্ডের উত্তর- পূর্ব পাশে কিনেছেন ৪৮ শতাংশ জমি। ৫নং ওয়ার্ডের পূর্ব দিঘলী এলাকায় জনৈক ফরহাদ থেকে ৩০ শতাংশ জমি কিনেন। জমিটি বালু ভরাট করে চারপাশে শক্ত ওয়ালের বাউন্ডারি দিয়ে রেখেছেন যা যে কেউ দেখলে চোখে লাগবেই। এছাড়া বাড়ীর আশেপাশের বিভিন্ন স্হানে কিনেছেন বিপুল পরিমাণের সম্পদ। থাকেন ক্ষমতাশীন দলের ছায়াতলে। দু-হাত বিলিয়ে করছেন দান- খয়রাত। ক্ষমতাসীন দলের বিভিন্ন রকম অনুষ্ঠানে স্ব-ইচ্ছায় ব্যানার- ফেস্টুনসহ নানান বিষয়ে আগেও দিতেন এখনও দিয়ে যাচ্ছেন দান- অনুদান। একজন সাধারণ কর্মজীবি শ্রমিকের পক্ষে কিভাবে এতো অল্পসময়ের মধ্যে বিপুল পরিমাণের সম্পদ অর্জন সম্ভব? কি যাদুর বলে হারুন এতো সম্পদ করলেন। সেই প্রশ্ন এখন ওই এলাকার সাধারণ মানুষের মুখে মুখে। কিন্তু ভয়ে কেহ মুখ খুলে প্রকাশ করার সাহস পান না বিপদে পড়ার ভয়ে। ওই এলাকার স্হায়ী বাসিন্দা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি হারুন মোল্লার আঙুল ফুলে কলাগাছ হওয়ার বিষয়টি এ প্রতিবেদককে নিশ্চিত করেন। গত ২ মে মঙ্গলবার প্রতিবেশী মহিনউদ্দিনের জমি জোরপূর্বক দখল করে রাতারাতি ঘর তুলে আলোচনায় আসেন 'অভিযুক্ত' হারুন মোল্লা (৪৪)। তিনি লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার পূর্ব দিঘলী এলাকার মোল্লা বাড়ির মৃত ফয়েজ মোল্লার বড় পুত্র।আরও  পড়ুন, কসবায় আনোয়ার হোসেন হত্যা মামলার আসামি সাব্বির কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তারজানা যায়, লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার দিঘলী মৌজার আরএস ১৪১০ খতিয়ানে ৫৮৯৯ দাগের ২০ শতাংশ জমির মালিক মৃত সৈয়দ আহমেদ। ওই ২০ শতাংশ জমির কিছু জমি হারুন মোল্লার ঘরের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত। গত মঙ্গলবার মহিনউদ্দিনদের সেই জমি টুকু জোরপূর্বক দখলে নিয়ে রাতারাতি টিনসেড ঘর তুলেন হারুন মোল্লা। এমন অভিযোগ করেন প্রতিবেশী মৃত সৈয়দ আহমেদের পুত্র নোয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে ১৯৯৮ সনে বিএসএস পাস করা মহিনউদ্দিন মোল্লা। ৪ মে বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিনে সেখানে গেলে ১৬ থেকে ২৩ বছর বয়সী কয়েকজন তরুণ ছাত্রদলের পরিচয়ে এ প্রতিবেদকের উপর চড়াও হন। প্রথমে নানানরকম বঙ্গ- বিদ্রুপ করার পরে প্রকৃত সাংবাদিক কিনা করা হয় যাচাই-বাছাই। পরে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে এসময় ভুক্তভোগী মহিনউদ্দিন (৫০) এ প্রতিবেদককে জানান, হারুন মোল্লার ঘরের দক্ষিণ পাশের জমি আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি। এখানে সুপারিসহ অন্যান্য গাছ ছিলো। গত মঙ্গলবার আমি বাড়িতে না থাকায় হঠাৎ করে হারুন লোকজন নিয়ে এসে আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি দখল করে। পরে সেখানকার গাছ কেটে অবৈধভাবে মাটি- বালু ভরাট করে জোরপূর্বক টিনসেড ঘর তুলে আমাদের জমি দখলে নিয়েছেন। আমি প্রশাসনসহ সকলের নিকট হারুন মোল্লাগংদের বিরুদ্ধে সুবিচার চাই এবং আমার জমি অবমুক্ত করার জোর দাবি জানাই।অভিযোগের বিষয়ে শান্ত স্বভাবের ঠান্ডা মাথার হারুন মোল্লা বলেন, যেখানে ঘর উঠিয়েছি ওই জমিটি মহিন কাকাদের তা সঠিক। তবে মহিন কাকাদের বর্তমান রান্না ঘরের সাথে আমাদেরও কিছু জমি আছে যা আমাদের পূর্ব পুরুষদের সাথে অদলবদল এর মৌখিক কথা হয়ে আছে বলে আমার মা আমাকে জানান। এই কারণে আমি তাদের জমিতে আমাদের রান্না ঘরের জন্য ছোট একটি টিনসেড ঘর তুলেছি। আরও  পড়ুন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল হামিদ এর মৃত্যুবার্ষিকী পালিতবিষয়টি মহিন কাকার বড়ভাই এডভোকেট সামসউদ্দিন কাকার সাথে আলোচনা করে সমাধান করে ফেলবো। বিপুল পরিমাণ সম্পদের অর্জনের বিষয়ে হারুন মোল্লার নিকট জানতে চাইলে বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান।ওই বাড়ির মুরুব্বি শহীদ মাস্টার বলেন, জমিটির প্রকৃত মালিক মহিনউদ্দিনের পিতা মৃত সৈয়দ আহমেদ। ভাড়াটে লোকজন নিয়ে হারুন জোরপূর্বক জমিটি দখল করে ঘর নির্মাণ করেছে। তিনি আরও বলেন ৭/৮ বছর পূর্বে হারুন গ্রাম এলাকার মাঠে মাঠে গোবর খুজতো। আমার বাবাও তাকে একটা চায়ের দোকানে নিয়ে কাজে লাগিয়ে দিয়েছিলো। কিন্তু সে এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। দিঘলী ইউনিয়নের যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এবং একই বাড়ির বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন এ বিষয়ে বলেন, মহিনউদ্দিনদের জমি হারুন জোরপূর্বক দখল করে ঘর করেছে এটা সত্য কথা। হারুনের বিপুল পরিমাণে সম্পদের মালিক হওয়া সম্পর্ক আমি কিছু জানিনা। তবে এটা সত্য যে গত কয়েক বছরে হারুন গ্রামের বাড়িতে দেড়- দুই কোটি টাকার সম্পত্তি কিনেছেন এবং ঢাকা শহরেও অনেক সম্পদ করেছে।মহিনউদ্দিনদের পৈতৃক সম্পত্তি জোরপূর্বক হারুন মোল্লা দখলে নিয়ে ঘর করার অভিযোগের বিষয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মোরশেদ আলমের নিকট মুঠোফোন জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, এ ব্যাপারে এখন পযর্ন্ত অভিযোগ পাইনি। বিষয়টিতে কেহ লিখিত অভিযোগ দিলে আইনগতভাবে ব্যবস্হা নেয়া হবে

আন্তর্জাতিক

দুধ থেকে পনির ভারতে নিত্যপণ্যে ভেজাল আতঙ্ক

দুধ থেকে পনির ভারতে নিত্যপণ্যে ভেজাল আতঙ্ক

দুধের গ্লাস, রান্নার পনির কিংবা স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে কেনা ছোলা—প্রতিদিনের খাবারের টেবিলে থাকা এসব পরিচিত খাদ্য নিয়েই এখন ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে ভারতে। কারণ, সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ভয়াবহ তথ্য—দেশটিতে পরীক্ষা করা প্রতি ছয়টি খাদ্য নমুনার মধ্যে অন্তত একটি গুণগত মান বা নিরাপত্তা পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে।বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিষয়টি শুধু খাদ্যের মানের প্রশ্ন নয়, এটি মানুষের আস্থার জায়গায় বড় ধরনের আঘাত।দুধ, পনির, শস্য, ডাল—নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যে ভেজাল ও দূষণের অভিযোগ এখন নিয়মিত ঘটনা। এর সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আরো পড়ুন , ফিরহাদের ইস্তফার পর কলকাতা পুরবোর্ডে অনিশ্চয়তা, শেষ মুহূর্তে বৈঠক বাতিলছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। ফলে সাধারণ মানুষ নিরাপদ খাবার চিহ্নিত করতেই হিমশিম খাচ্ছেন।চিকিৎসকদের মতে, অনিরাপদ খাবারের প্রভাব কেবল সাময়িক অসুস্থতায় সীমাবদ্ধ নয়। দীর্ঘমেয়াদে লিভারের জটিলতা, ক্যান্সারসহ নানা মারাত্মক রোগের ঝুঁকি তৈরি করছে এসব দূষিত খাবার। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে শিশু ও বয়স্করা।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু আইন কঠোর করলেই হবে না—খাদ্য উৎপাদন থেকে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় নজরদারি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি সচেতন ভোক্তা হিসেবেও মানুষের দায়িত্ব বাড়ছে।এখন প্রশ্ন একটাই—যে খাবার প্রতিদিন পরিবারের টেবিলে উঠছে, সেটি কতটা নিরাপদ?

২ ঘন্টা আগে

রাজধানী

ফতুল্লায় প্রতিবেশীর বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, ৪ জন গ্রেপ্তার

ফতুল্লায় প্রতিবেশীর বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, ৪ জন গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিবেশীর বাড়িতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।রোববার সকালে ফতুল্লার ভোলাইল গেদ্দারবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় হামলায় ব্যবহৃত ৭টি রামদা, একটি কুড়াল ও একটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, গত ৪ জুন রাতে বদরুদ্দীন জামানের বাড়িতে একদল হামলাকারী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। তারা বাড়ির লোহার গেট ও দরজায় কোপানোর পাশাপাশি বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে।আরও  পড়ুন,  রাজধানীবাসীর জন্য সুখবর, আজ থেকে বাড়ল মেট্রোরেলের সময়সূচিঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে। পরে ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয় সাথী বেগম, শামীম, আরিফ ও আসলামকে। একই সঙ্গে হামলার সময় লুট করে নেওয়া একটি সাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে।এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

৫ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

ক্রিকেটার থেকে কর্ণধার: বিসিবির নতুন সভাপতি তামিম

ক্রিকেটার থেকে কর্ণধার: বিসিবির নতুন সভাপতি তামিম

বাংলাদেশ ক্রিকেটে শুরু হলো নতুন এক অধ্যায়। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল এখন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডবিসিবির নতুন সভাপতি।রোববার অনুষ্ঠিত বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে জয়ী হন তামিম ইকবাল। পরে সভাপতি পদে একমাত্র প্রার্থী হওয়ায় ভোট ছাড়াই নির্বাচিত হন তিনি। এর মধ্য দিয়ে বিসিবির ১৮তম এবং নির্বাচিত ষষ্ঠ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন দেশের অন্যতম সফল এই ওপেনার।মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ক্লাব ক্যাটাগরিতে মোট ৭৬ ভোটের মধ্যে ৭৪টি ভোট কাস্ট হয়। এর আরো পড়ুন , হাম পরিস্থিতির অবনতি: ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৭, নতুন উপসর্গ ১,২৮৭ জনেরমধ্যে সর্বোচ্চ ৭৩ ভোট পান তামিম ইকবাল—যা তার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার বড় বার্তা হিসেবে দেখছেন অনেকে।নির্বাচনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭২ ভোট পান সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ ও ইসরাফিল খসরু। এছাড়া মাসুদুজ্জামান পান ৭০ ভোট এবং ইয়াসির ফয়সাল পান ৬৮ ভোট।নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ফাহিম সিনহা। ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে নির্বাচিত অন্যদের মধ্যে রয়েছেন রফিকুল ইসলাম বাবু, ইয়াসির আব্বাস, শাহনিয়ান তানিম, আসিফ রাব্বানি, ডা. মাহবুব শামীমসহ আরও কয়েকজন।দীর্ঘ ক্রিকেট ক্যারিয়ারে ব্যাট হাতে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়া তামিম ইকবালের সামনে এবার নতুন চ্যালেঞ্জ—বাংলাদেশ ক্রিকেট প্রশাসনকে নতুন উচ্চতায় নেওয়া। মাঠের লড়াই শেষে এখন বোর্ড পরিচালনায় কতটা সফল হন, সেদিকেই তাকিয়ে ক্রিকেটভক্তরা।

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর

অপরাধ

গুলশানে স্পা সেন্টারে অভিযান: মালিকসহ নারী সিন্ডিকেট গ্রেফতার ও মামলা প্রক্রিয়াধীন

গুলশানে স্পা সেন্টারে অভিযান: মালিকসহ নারী সিন্ডিকেট গ্রেফতার ও মামলা প্রক্রিয়াধীন

রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে স্পা সেন্টারের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে চলা কথিত অসামাজিক কর্মকাণ্ড ও অপরাধমূলক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে মালিকসহ একটি সংঘবদ্ধ নারী সিন্ডিকেটের সদস্যদের গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গুলশান থানার নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে কয়েকটি স্পা সেন্টার থেকে একাধিক ব্যক্তি আটক করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গুলশান এলাকার ৯৯ নম্বর রোডে অবস্থিত বাহার পরিচালিত একটি স্পা সেন্টার এবং গুলশান-২ এলাকার এইচ হোটেলে অবস্থিত রত্না পরিচালিত স্পা সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্পা ব্যবসার আড়ালে অসামাজিক কর্মকাণ্ড, দেহব্যবসা এবং বিভিন্ন ধরনের অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ ছিল।স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহলের অভিযোগ, রাজধানীর অভিজাত এলাকাগুলোতে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু স্পা সেন্টার স্বাস্থ্যসেবা বা সৌন্দর্যচর্চার নামে পরিচালিত হলেও এর আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে গ্রাহক সংগ্রহ, নারী সরবরাহ এবং অর্থ লেনদেনের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।অভিযান প্রসঙ্গে গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাংবাদিকদের বলেন, “অপরাধীরা দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটি আরো পড়ুন ,যুবদলের নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ, গুরুত্বপূর্ণ পদে নতুন মুখসংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে স্পা সেন্টারের আড়ালে অসামাজিক কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধ করে আসছিল। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ বিষয়ে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়। পাশাপাশি সাংবাদিকরা তথ্য দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করেছেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে অপরাধীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং উক্ত বিষয়টি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।পুলিশের এ বক্তব্যের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, অপরাধ দমনে সংবাদমাধ্যম ও পুলিশের সমন্বিত উদ্যোগ ইতিবাচক ফল বয়ে আনছে।তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, অভিযানের আগে বেশ কিছুদিন ধরে সন্দেহভাজন প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নজরদারি চালানো হয়। বিভিন্ন অভিযোগ, তথ্য ও গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অভিযানের সময় স্পা সেন্টারগুলোতে কর্মরত কয়েকজন নারী, ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং মালিকপক্ষের প্রতিনিধিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয় অভিযানে উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন নথি, মোবাইল ফোন ও অন্যান্য আলামত পর্যালোচনা করে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের কার্যক্রম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। তদন্তকারীরা এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করছেন এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।স্থানীয়দের অভিযোগ, গুলশানের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কিছু প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে নানা অভিযোগের জন্ম দিলেও প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। অনেক সময় সাধারণ মানুষ অভিযোগ করলেও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বিলম্ব হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক এই অভিযানের ফলে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে মনে করছেন অনেকেই।একজন স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে এসব প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে বিভিন্ন কথা শুনে আসছিলাম। গভীর রাত পর্যন্ত সন্দেহজনক লোকজনের যাতায়াত ছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এ ধরনের অভিযান নিয়মিত হলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।”সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় স্পা, ম্যাসাজ পার্লার ও ওয়েলনেস সেন্টারের নামে বৈধ ব্যবসার পাশাপাশি কিছু প্রতিষ্ঠান অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সময়ে সময়েই অভিযান পরিচালনা করা হলেও নতুন নামে বা নতুন স্থানে আবারও কার্যক্রম শুরু করার অভিযোগ রয়েছে। ফলে আরো পড়ুন , কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণস্থায়ীভাবে এ ধরনের অপরাধ বন্ধে নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর আইন প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করছেন সংশ্লিষ্টরা।বিশেষজ্ঞদের মতে, নগর জীবনে স্পা ও ওয়েলনেস সেবা একটি বৈধ ও প্রয়োজনীয় খাত। তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এ খাতকে ব্যবহার করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করায় পুরো শিল্পখাতের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই বৈধ প্রতিষ্ঠান ও অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনাকারীদের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য নির্ধারণ করে কঠোর মনিটরিং প্রয়োজন।গণমাধ্যমকর্মীরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে স্পা সেন্টারের আড়ালে পরিচালিত অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিষয়টি তুলে ধরা হচ্ছিল। এসব প্রতিবেদনের পর প্রশাসনের নজরদারি বৃদ্ধি পায় এবং সাম্প্রতিক অভিযানের পথ সুগম হয়। তারা মনে করেন, জনস্বার্থে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা অব্যাহত থাকলে সমাজের বিভিন্ন অপরাধচক্র চিহ্নিত করা সহজ হবে।অভিযানের পর গুলশান এলাকায় অন্যান্য স্পা সেন্টারেও সতর্কতা দেখা গেছে বলে জানা গেছে। অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের লাইসেন্স, কার্যক্রম ও কর্মীদের তথ্য হালনাগাদ করার উদ্যোগ নিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নিয়মিত তদারকির আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ, আলামত বিশ্লেষণ এবং তথ্য যাচাই শেষে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে এ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তি বা সহযোগীদের শনাক্ত করার কাজও চলছে।সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, রাজধানীতে অপরাধ দমনে অভিযানের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত তদারকি এবং তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতার সমন্বয় প্রয়োজন। তাহলেই স্পা সেন্টার বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের আড়ালে সংঘটিত অপরাধ কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

আর্কাইভ

অর্থনীতি

জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন, নতুন নির্দেশনা এনবিআরের

জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন, নতুন নির্দেশনা এনবিআরের

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর ভ্যাট ব্যবস্থাকে পুরোপুরি ডিজিটাল করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে ই-ভ্যাট সিস্টেমে ‘হার্ড কপি রিটার্ন এন্ট্রি’ নামে একটি নতুন সাব-মডিউল চালু করা হয়েছে।রোববার এনবিআরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, করদাতারা অতীতে হার্ডকপি আকারে জমা দেওয়া মাসিক ভ্যাট রিটার্ন এখন অনলাইন সিস্টেমে সংরক্ষণ করতে পারবেন।এনবিআর জানায়, ৩১ মার্চ ২০২৬-এর মধ্যে সব হার্ডকপি রিটার্ন অনলাইনে এন্ট্রি করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে এখনো বিপুল সংখ্যক রিটার্ন অনলাইনে এন্ট্রি হয়নি।আরও  পড়ুন, এলপিজি বাজারে বড় পরিবর্তনের আভাস, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির পথে বাংলাদেশ এ কারণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সুবিধার্থে সময়সীমা বাড়িয়ে আগামী ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত করা হয়েছে।এনবিআর আরও জানিয়েছে, জুলাই ২০২৬ থেকে অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হবে। যেসব প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরোনো হার্ডকপি রিটার্ন অনলাইনে এন্ট্রি করবে না, তাদের ক্লোজিং ব্যালেন্স ‘ফ্রিজ’ করা হবে এবং সেই স্থিতির বিপরীতে কোনো সমন্বয় করা যাবে না।এছাড়া ভ্যাট রিফান্ড আবেদন করতে চাইলে পূর্বের সব রিটার্ন ই-ভ্যাট সিস্টেমে এন্ট্রি থাকা বাধ্যতামূলক হবে।কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে করদাতাদের সহযোগিতা কামনা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।আরও  পড়ুন , ১১ মাসে ৯ মাসই রপ্তানি আয় কমেছে, বাড়ছে অর্থনীতির উদ্বেগ

এলপিজি বাজারে বড় পরিবর্তনের আভাস, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির পথে বাংলাদেশ

এলপিজি বাজারে বড় পরিবর্তনের আভাস, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির পথে বাংলাদেশ

দেশের জ্বালানি খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বছরে ১০ লাখ টনের বেশি এলপিজি আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে একটি চুক্তির খসড়া ইতোমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে।চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল আজ যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছে। প্রতিনিধি দলের সঙ্গে রয়েছেন জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, যিনি সরকারের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন।জ্বালানি বিভাগ বলছে, মধ্যপ্রাচ্যসহ অন্যান্য উৎসের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে এলপিজির দাম তুলনামূলক কম। ফলে সেখান থেকে আমদানি করা গেলে দেশের ভোক্তারা উপকৃত হতে পারেন।আরও পড়ুন , ১১ মাসে ৯ মাসই রপ্তানি আয় কমেছে, বাড়ছে অর্থনীতির উদ্বেগ একই সঙ্গে সরকারি পর্যায়ে এলপিজি সরবরাহ শুরু হলে বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়বে বলেও আশা করা হচ্ছে।আগামী ১২ বা ১৩ জুন চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে প্রতি মাসে ৪৫ হাজার টন এবং পরবর্তীতে ৭৫ হাজার টন এলপিজি আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিবহন ব্যয়, খালাস সুবিধা এবং আমদানি প্রক্রিয়ার বিভিন্ন বিষয় এখনো পুরোপুরি চূড়ান্ত হয়নি। বিশেষ করে মাতারবাড়ি বন্দরে বড় জাহাজ থেকে এলপিজি খালাসের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।সরকারের দাবি, এই উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে দেশের এলপিজি বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে প্রকৃত লাভ-ক্ষতির হিসাব এখনো বিশ্লেষণ করা হয়নি।আরও  পড়ুন , ঈদের পর স্বস্তি সবজির বাজারে, কমেনি মাছ-মাংস-ডিমের দাম

১১ মাসে ৯ মাসই রপ্তানি আয় কমেছে, বাড়ছে অর্থনীতির উদ্বেগ

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি খাতে ধীরগতি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ১১ মাসের মধ্যে ৯ মাসেই রপ্তানি আয় কমেছে, যা বৈদেশিক বাণিজ্য ও অর্থনীতির জন্য নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো বা ইপিবির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মে মাসে দেশের রপ্তানি আয় হয়েছে ৪৪০ কোটি ২৮ লাখ ডলার। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ দশমিক ০৯ শতাংশ কম।চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মে পর্যন্ত মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩৭৯ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ৪ হাজার ৪৯৪ কোটি ডলার। অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে রপ্তানি আয় কমেছে ২ দশমিক ৫৫ শতাংশ।আরও  পড়ুন, ঈদের পর স্বস্তি সবজির বাজারে, কমেনি মাছ-মাংস-ডিমের দামদেশের প্রচলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি খাতে ধীরগতি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ১১ মাসের মধ্যে ৯ মাসেই রপ্তানি আয় কমেছে, যা বৈদেশিক বাণিজ্য ও অর্থনীতির জন্য নতুনচলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি খাতে ধীরগতি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ১১ মাসের মধ্যে ৯ মাসেই রপ্তানি আয় কমেছে, যা বৈদেশিক বাণিজ্য ও অর্থনীতির জন্য নতুন উদ্বেগের কারণ উদ্বেগের কারণধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পেও দেখা গেছে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি। এ খাতের রপ্তানি কমেছে ৩ দশমিক ৪১ শতাংশ। নিটওয়্যার রপ্তানি কমেছে ৪ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং ওভেন পোশাক কমেছে ২ দশমিক ৪২ শতাংশ।তবে আশার খবরও রয়েছে। ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, প্লাস্টিক, পাটপণ্য এবং সাইকেল রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। এর মধ্যে সাইকেল রপ্তানি বেড়েছে ২৮ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং ওষুধ রপ্তানি বেড়েছে ১০ দশমিক ৭৩ শতাংশ।অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, ক্রয়াদেশ কমে যাওয়া, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং জ্বালানি সংকট রপ্তানি খাতকে চাপে ফেলছে। তারা টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণের পাশাপাশি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।আরও  পড়ুন, উৎপাদন বাড়াতে বিশেষ তহবিল ঘোষণা বাংলাদেশ ব্যাংকের

১১ মাসে ৯ মাসই রপ্তানি আয় কমেছে, বাড়ছে অর্থনীতির উদ্বেগ

ঈদের পর স্বস্তি সবজির বাজারে, কমেনি মাছ-মাংস-ডিমের দাম

পবিত্র ঈদুল আজহার পর রাজধানীর কাঁচাবাজারে ফিরতে শুরু করেছে কিছুটা স্বস্তি। সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। তবে মাছ, মাংস ও ডিমের বাজারে এখনো মিলছে না স্বস্তির খবর।রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, ঈদের আগের তুলনায় বেশিরভাগ সবজির দাম কমেছে। যাত্রাবাড়ী বাজারে কাঁকরোল ও করলা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, ঢেঁড়শ ও উচ্ছে ৬০ টাকা, ঝিঙে ৬০ টাকা, গোল বেগুন ৬০ টাকা এবং লম্বা বেগুন ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ও লতিও মিলছে ৬০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়।বিক্রেতাদের দাবি, ঈদের আগে পরিবহন সংকট ও বাড়তি চাহিদার কারণে দাম বেড়েছিল।আরও  পড়ুন , উৎপাদন বাড়াতে বিশেষ তহবিল ঘোষণা বাংলাদেশ ব্যাংকের এখন দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পর্যাপ্ত সরবরাহ আসায় বাজারে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।তবে মাছের বাজারে এখনো স্বস্তি ফেরেনি। চাষের রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৩৫০ টাকা, পাঙ্গাস ২২০ টাকা, শিং মাছ ৩৮০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা এবং চিংড়ি ৮০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে।ডিমের বাজারেও দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ফার্মের ডিম প্রতি ডজন ১২০ টাকা এবং দেশি ডিম ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।অন্যদিকে গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।ক্রেতারা বলছেন, সবজির দাম কমায় কিছুটা স্বস্তি মিললেও মাছ, মাংস ও ডিমের উচ্চমূল্য এখনো সংসারের ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, মৌসুমি সবজির সরবরাহ আরও বাড়লে বাজারে ইতিবাচক প্রভাব অব্যাহত থাকতে পারে। তবে আমিষ পণ্যের বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

ঈদের পর স্বস্তি সবজির বাজারে, কমেনি মাছ-মাংস-ডিমের দাম

উৎপাদন বাড়াতে বিশেষ তহবিল ঘোষণা বাংলাদেশ ব্যাংকের

দেশের শিল্প খাতে স্থবিরতা কাটিয়ে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়াতে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বন্ধ ও আংশিক সচল শিল্প পুনরায় চালুর লক্ষ্যে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে জারি করা নীতিমালার নাম ‘বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত–সহায়ক প্রাক্‌-অর্থায়ন স্কিম’।এই স্কিমের আওতায় বড় শিল্প ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো সর্বোচ্চ ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবে। সুদের হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ শতাংশ, যা বর্তমানে বাজারের স্বাভাবিক ঋণের তুলনায় প্রায় অর্ধেক।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ৪ শতাংশ সুদে অর্থ নিয়ে ঋণ বিতরণ করবে। এর মাধ্যমে বন্ধ কারখানা পুনরায় চালু করা, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং রপ্তানি সম্প্রসারণকে লক্ষ্য করা হয়েছে।আরও  পড়ুন, মাসের শুরুতে রেমিট্যান্সে ধীরগতি, তিন দিনে এলো ৪৮৩ মিলিয়ন ডলারনীতিমালায় বলা হয়েছে, শুধুমাত্র সেই প্রতিষ্ঠানগুলোই এই সুবিধা পাবে, যেগুলো আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকলেও কার্যকর মূলধন পেলে আবার চালু হতে সক্ষম। একই সঙ্গে যেসব প্রতিষ্ঠান সচল থাকলেও পূর্ণ সক্ষমতায় যেতে পারছে না, তারাও অন্তর্ভুক্ত হবে।রপ্তানিমুখী ও প্রচ্ছন্ন রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি দক্ষ প্রতিষ্ঠান যদি বন্ধ কারখানা অধিগ্রহণ বা ইজারা নিয়ে পুনরায় চালু করতে চায়, তারাও এই সুবিধা পাবে।তবে খেলাপি ঋণ, অর্থপাচার বা অনিয়মে জড়িত প্রতিষ্ঠানের জন্য এই সুবিধা প্রযোজ্য হবে না।ঋণের অর্থ ব্যবহারে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন সরাসরি ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি ইউটিলিটি বিল ও কাঁচামাল কেনার বাইরে অর্থ ব্যবহার করা যাবে না। পুরোনো ঋণ পরিশোধের জন্য এই অর্থ ব্যবহার নিষিদ্ধ।আরও  পড়ুন, ২৭ মাস পর বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, বাড়তি চাপে পড়বেন কোটি কোটি গ্রাহক

উৎপাদন বাড়াতে বিশেষ তহবিল ঘোষণা বাংলাদেশ ব্যাংকের

মাসের শুরুতে রেমিট্যান্সে ধীরগতি, তিন দিনে এলো ৪৮৩ মিলিয়ন ডলার

চলতি জুন মাসের প্রথম তিন দিনে দেশে ৪৮৩ দশমিক ০৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। তবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ সময়ে প্রবাসী আয় প্রায় ২০ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান রেমিট্যান্স প্রবাহের সর্বশেষ তথ্য প্রকাশ করেন।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুনের ১ থেকে ৩ তারিখ পর্যন্ত মোট ৪৮৩ দশমিক ০৫ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। এর মধ্যে শুধু ৩ জুন একদিনেই এসেছে ১১৬ দশমিক ৩১ মিলিয়ন ডলার।আরও  পড়ুন, ২৭ মাস পর বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, বাড়তি চাপে পড়বেন কোটি কোটি গ্রাহকঅন্যদিকে, গত বছরের একই সময়ে দেশে এসেছিল ৬০৩ দশমিক ৫১ মিলিয়ন ডলার। ফলে চলতি বছরের জুনের শুরুতে রেমিট্যান্স প্রবাহে প্রায় ২০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।তবে সামগ্রিক চিত্রে রেমিট্যান্স প্রবাহ ইতিবাচক রয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৩ জুন পর্যন্ত দেশে মোট ৩৩ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮ দশমিক ২৫ শতাংশ বেশি। অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে প্রবাসীদের আগ্রহ বৃদ্ধি পাওয়ায় বছরজুড়ে রেমিট্যান্সে ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে।আরও  পড়ুন, মে মাসে রপ্তানি আয় কমলো ৭ শতাংশ, প্রধান কারণ পোশাক খাতে ধাক্কা

মাসের শুরুতে রেমিট্যান্সে ধীরগতি, তিন দিনে এলো ৪৮৩ মিলিয়ন ডলার

লাইফস্টাইললাইফস্টাইল

গরমে প্রাণ জুড়াবে ডাবের পানি কয়েকটি উপাদান মিশলেই পাবেন বেশি উপকার

গরমে প্রাণ জুড়াবে ডাবের পানি কয়েকটি উপাদান মিশলেই পাবেন বেশি উপকার

এই গরমে শরীরকে সতেজ ও পানিশূন্যতামুক্ত রাখতে সবচেয়ে কার্যকর প্রাকৃতিক পানীয়গুলোর একটি হলো ডাবের পানি। পুষ্টিবিদদের মতে, ডাবের পানিতে থাকা পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালসিয়াম শরীরের ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি শরীর ঠান্ডা রাখে, হজমশক্তি উন্নত করে এবং ক্লান্তি দূর করতে ভূমিকা রাখে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডাবের পানির উপকারিতা আরও বাড়াতে এর সঙ্গে কিছু স্বাস্থ্যকর উপাদান যোগ করা যেতে পারে।ডাবের পানির সঙ্গে বিট লবণ মিশালে সোডিয়াম ও অন্যান্য খনিজ উপাদান যুক্ত হয়, যা শরীরের পানির ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক। অন্যদিকে চিয়া সিডসে থাকা ফাইবার ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরকে দীর্ঘ সময় হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে।আরও  পড়ুন, স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে আজই ছাড়ুন ধূমপানলেবুর রস মিশিয়ে পান করলে বাড়ে ভিটামিন সি-এর যোগান। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করার পাশাপাশি হজমেও সহায়তা করে।এছাড়া মধু যোগ করলে পাওয়া যায় প্রাকৃতিক শক্তি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সুবিধা। পুদিনা পাতা মিশিয়ে পান করলে শরীরে আসে বাড়তি সতেজতা এবং হজমের সমস্যাও কমে।তবে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ডায়াবেটিস বা কিডনিসংক্রান্ত জটিলতা থাকলে নিয়মিত বা অতিরিক্ত ডাবের পানি পান করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।গরমে সুস্থ থাকতে পর্যাপ্ত পানি পান, স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ডাবের পানি খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।