দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1002 hPa
28° 88%
540° 15mm
চট্টগ্রাম 1002.4 hPa
27.2° 92%
540° 15mm
রাজশাহী 1001.7 hPa
28° 97%
540° 15mm
খুলনা 1001 hPa
29.2° 90%
540° 15mm
বরিশাল 1001.3 hPa
28.4° 93%
540° 15mm
সিলেট 1002.3 hPa
28.8° 89%
540° 15mm
রংপুর 1001.8 hPa
29.6° 0%
540° 15mm
ময়মনসিংহ 1002.3 hPa
28.2° 95%
540° 15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

বনানীতে অপহরণের অভিযোগে চাঞ্চল্য তথ্য, উদ্ধার হল শিশু

বনানীতে অপহরণের অভিযোগে চাঞ্চল্য তথ্য, উদ্ধার হল শিশু

রাজধানীর বনানী এলাকায় এক যুবককে অপহরণ করে আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবি এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বনানী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী যুবকের বাবা মো. বরিশ গাজী। অভিযোগে এক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ আনা হয়েছে।থানায় জমা দেওয়া অভিযোগে মো. বরিশ গাজী উল্লেখ করেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বনানীর সাততলা বস্তি এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন। জীবিকার তাগিদে তিনি বিভিন্ন ধরনের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তার এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করলেও সম্প্রতি একটি ঘটনার পর পুরো পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।আরও পড়ুন: পুলিশ সংস্কার কতদূর, কী ভাবছে সাধারণ মানুষ?অভিযোগ অনুযায়ী, পূর্ব থেকে পরিচিত এক ব্যক্তির সঙ্গে তাদের পারিবারিক ও আর্থিক বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। অভিযোগকারী দাবি করেন, সেই বিরোধের জের ধরেই তার ছেলে আতিফুল ইসলামকে টার্গেট করা হয়।লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২২ জুন রাতে বনানী এলাকায় একটি দোকান থেকে আতিফুল ইসলামকে কৌশলে ডেকে নেওয়া হয়। এরপর তার সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার কোনো সন্ধান না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।অভিযোগকারী দাবি করেন, পরদিন রাতের দিকে একটি মোবাইল ফোন থেকে যোগাযোগ করে জানানো হয় যে তার ছেলে তাদের হেফাজতে রয়েছে। তাকে মুক্ত করতে হলে চার লাখ টাকা দিতে হবে। অন্যথায় ছেলেকে হত্যা করা হতে পারে বলেও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।আরও পড়ুন: গুলশান পুলিশকে বিতর্কিত করতেই মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারঅভিযোগে আরও বলা হয়, প্রথমদিকে অভিযুক্ত ব্যক্তি আটকের বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে বিভিন্ন কথোপকথনের একপর্যায়ে স্বীকার করেন যে আতিফুল ইসলাম তাদের কাছে রয়েছে। অভিযোগকারী বলেন, এ সময় তাকে দ্রুত টাকা জোগাড় করার জন্য চাপ দেওয়া হয় এবং বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হলে ভয়াবহ পরিণতির হুমকি দেওয়া হয়।পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে বনানী থানার শরণাপন্ন হন ভুক্তভোগীর পরিবার। অভিযোগকারী দাবি করেন, পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনা করে তার ছেলেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তবে এরপরও অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ছেলেকে ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে চার লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে মিথ্যা মামলা, মারধর এবং হত্যার মতো পরিণতির ভয় দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।আরও পড়ুন: প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ঘটনার পর থেকে তারা চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। সন্তান ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন তারা। তাই অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে বনানী থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগ গ্রহণের পর বিষয়টি আইন অনুযায়ী তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।আইনজীবীরা বলছেন, অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে গুরুতর অপরাধ। এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। তবে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।আরও পড়ুন: অপরাধ দমনে নতুন ছকে ডিএমপিনিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ব্যক্তিগত বিরোধ কিংবা আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রায়ই সামনে আসে। তাই এমন ঘটনায় ভুক্তভোগীদের দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নেওয়া এবং সব ধরনের তথ্য-প্রমাণ সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।এদিকে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে তিনি এ বিষয়ে বক্তব্য দিলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।আরও পড়ুন: বাজেটে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত, শিল্প-শিক্ষা-স্টার্টআপে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি অংশও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এ ধরনের অভিযোগ জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

পানি, গ্যাস, জলাবদ্ধতাসহ নানা সমস্যা চিহ্নিত, সমন্বিত উদ্যোগের আশ্বাস

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের নির্বাচনি এলাকা ঢাকা-১৫-এর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।বুধবার দিনব্যাপী কর্মসূচির শুরুতে পশ্চিম শেওড়াপাড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডা. শফিকুর রহমান এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের প্রতিটি এলাকার উন্নয়নকে সমান গুরুত্ব দিচ্ছেন। বিরোধীদলীয় নেতার আবেদনের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার সমস্যা চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সরকারি দল ও বিরোধী দল একসঙ্গে জনগণের সমস্যা সমাধানে মাঠে কাজ করছে। ওয়াসা, তিতাস, বিদ্যুৎসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বয়ে ধাপে ধাপে আরো পড়ুন , গাঢ় নীল শার্ট ও খাকি প্যান্টে ফিরল পুলিশের পোশাকস্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা হবে।ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, উন্নয়নের স্বার্থে সরকারি দল ও বিরোধী দল একসঙ্গে কাজ করবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শুধু একটি আসনের নন, তিনি পুরো দেশের নেতা।এরপর প্রতিমন্ত্রী আনন্দবাজার খাল, পূর্ব মনিপুর, বাইশটেকী সরকার বাড়ি মোড় এবং ইব্রাহিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। স্থানীয়রা পানির সংকট, গ্যাস, জলাবদ্ধতা, ভাঙা রাস্তা, বাজার দখল, ট্রাফিক, মাদক, কিশোর গ্যাং এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফি সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন।প্রতিমন্ত্রী এসব সমস্যা দ্রুত অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের আশ্বাস দেন

গাঢ় নীল শার্ট ও খাকি প্যান্টে ফিরল পুলিশের পোশাক

রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর আবারও পরিবর্তন করা হয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের ইউনিফর্ম। বুধবার (১ জুলাই) থেকে নতুন পোশাকে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন পুলিশ সদস্যরা।নতুন ইউনিফর্ম অনুযায়ী, জেলা পুলিশসহ অধিকাংশ ইউনিটের সদস্যরা গাঢ় নীল রঙের শার্ট ও খাকি রঙের প্যান্ট পরছেন। মহানগর পুলিশের সদস্যদের জন্য হালকা জলপাই রঙের শার্ট এবং খাকি রঙের প্যান্ট নির্ধারণ করা হয়েছে।বুধবার রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) পরিচালিত পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে নবনির্মিত ‘বরকাউ পুলিশ ক্যাম্প’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরকে গাঢ় নীল শার্ট ও খাকি প্যান্টে এবং ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদকে হালকা জলপাই রঙের শার্ট ও খাকি প্যান্টে দেখা যায়।ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ জানান, আজ থেকেই নতুন পোশাক পরা শুরু করেছেন পুলিশ সদস্যরা। তবে এখনো সব সদস্যের হাতে নতুন ইউনিফর্ম পৌঁছায়নি। পর্যায়ক্রমে সবাই নতুন পোশাক পাবেন।আরও  পড়ুন, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহাকে বাংলাদেশের সুমিষ্ট আম শুভেচ্ছা উপহার দিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর পুলিশে সংস্কারের অংশ হিসেবে ইউনিফর্ম পরিবর্তন করা হয়। সে সময় শার্টের রং লোহা-ধূসর এবং প্যান্টের রং কফি-বাদামি ধূসর নির্ধারণ করা হয়েছিল। গত বছরের ২৫ নভেম্বর সেই ইউনিফর্ম কার্যকর হয়। তবে মাঠপর্যায়ের অনেক পুলিশ সদস্য ওই পোশাক নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।পরবর্তীতে নতুন সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ১৮ জুন পুলিশ সদর দপ্তর নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করে ইউনিফর্মের রঙ ও নকশায় পরিবর্তন আনে।নতুন প্রজ্ঞাপনে শার্ট, প্যান্ট, জার্সি, কার্ডিগান, পুলওভার, জ্যাকেট, নারী পুলিশের পোশাক এবং মাথার আবরণের রঙ ও ব্যবহারবিধি নির্ধারণ করা হয়েছে। জেলা পুলিশ এবং এপিবিএন, এসপিবিএন, এসবি, সিআইডি ও র‍্যাব ছাড়া অন্যান্য ইউনিটের সদস্যদের জন্য গাঢ় নীল শার্ট ও খাকি প্যান্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।এ ছাড়া নারী পুলিশ সদস্যদের জন্য গাঢ় নীল শাড়ি, ইউনিটভেদে গাঢ় নীল বা হালকা জলপাই রঙের ব্লাউজ, অনুমোদিত গাঢ় নীল মাথার আবরণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পূর্ণহাতা পোশাক ব্যবহারের বিধান রাখা হয়েছে। গ্রীষ্মকালে অর্ধহাতা এবং শীতকালে পূর্ণহাতা শার্ট পরার নির্দেশনাও নতুন প্রজ্ঞাপনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহাকে বাংলাদেশের সুমিষ্ট আম শুভেচ্ছা উপহার দিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহার জন্য উপহার হিসেবে বাংলাদেশের সুস্বাদু আম্রপালি ও হাড়িভাঙ্গা সুস্বাদু আম পাঠিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।মঙ্গলবার (৩০ জুব) বিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্তপথে আমগুলো আগরতলায় নিযুক্ত বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে মোট ১২০ কার্টন আম পাঠানো হয়েছে। প্রতি কার্টনে ৫ কেজি করে মোট ৬০০ কেজি আমের সবগুলোই আম্রপলি ও হাঁড়িভাঙ্গা ।আরও  পড়ুন,প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসে বড় সিদ্ধান্ত, অনুমোদন পেল ৩ উপজেলা ও ১ নতুন থানাআখাউড়া কাস্টমস ও বন্দর সূত্রে জানা যায়, একটি পিকআপ ভ্যানে করে পাঠানো আমগুলো দুপুরে আখাউড়া স্থলবন্দরে পৌঁছায়। পরে কাস্টম ক্লিয়ারিংস অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিংয়ের দায়িত্বে থাকা শোয়েব ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের তত্বাবধানে আম ভর্তি পিক-আপ আখাউড়া সীমান্তপথে আগরতলা পৌঁছায়। পরবর্তীতে আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশন ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা ও তার রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কাছে আমগুলো পৌঁছে দেবেন।

প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসে বড় সিদ্ধান্ত, অনুমোদন পেল ৩ উপজেলা ও ১ নতুন থানা

প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও বিকেন্দ্রীকরণ এবং জনসেবার পরিধি বাড়াতে তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি নতুন থানা অনুমোদন দিয়েছে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)।বুধবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত নিকারের ১২১তম বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন নিয়ে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা, কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার অংশ নিয়ে বাঙ্গরা উপজেলা এবং ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার আটটি ইউনিয়ন নিয়ে পাগলা উপজেলা গঠন করা হবে।আরও  পড়ুন , বেনজীরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলায় আরও ৬ সাক্ষীর জবানবন্দিএকই সঙ্গে চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানাকে বিভক্ত করে নতুন হালদা থানা প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত হয়, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাঞ্চল নতুন শহর প্রকল্পের নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলার অন্তর্ভুক্ত অংশ প্রশাসনিকভাবে ঢাকা জেলার আওতায় আনা হবে।সভায় স্থানীয় সরকার, অর্থ, স্বরাষ্ট্র, আইন, সড়ক পরিবহন, গৃহায়নসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাজনীতিরাজনীতি

‘৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলুন, না হলে জনগণই খুলবে’ : নাহিদ ইসলাম

‘৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলুন, না হলে জনগণই খুলবে’ : নাহিদ ইসলাম

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি সামনে রেখে আগামী ৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।বুধবার (১ জুলাই) রাজধানীর রায়েরবাজারে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের গণকবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাদুঘর উদ্বোধন করা না হলে জনগণ নিজেরাই সেটি খুলে প্রবেশ করবে।নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে সরকারের দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে জুলাই হত্যাকাণ্ড-সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর তদন্ত ও বিচারকাজ আরও দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের আওতায় আনতে হবে।আরও  পড়ুন , ‘মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাইকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই’ : আখতার হোসেনএ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে তাঁর বিরুদ্ধে থাকা মামলার বিচার সম্পন্ন করে ফাঁসির রায় কার্যকরের দাবিও জানান নাহিদ ইসলাম।হাসানুল হক ইনুর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার অন্যতম সহযোগী হিসেবে ইনুর ১০ বছরের সাজা যথেষ্ট নয়। আপিলের মাধ্যমে আরও কঠোর শাস্তির প্রত্যাশা করেন তিনি।সরকারের উদ্দেশে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান পালন করলেই হবে না। জুলাই সনদ, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং রাষ্ট্র কাঠামোর প্রয়োজনীয় সংস্কার নিশ্চিত করতে হবে।তিনি আরও জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ঘনিয়ে এলেও সরকার এখনো কোনো কর্মসূচি ঘোষণা করেনি। সরকার দ্রুত এ বিষয়ে কর্মসূচি ঘোষণা করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন।

‘মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাইকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই’ :  আখতার হোসেন

‘মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাইকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই’ : আখতার হোসেন

জাতীয় সংসদে বিএনপির সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান জুলাই অভ্যুত্থানকে অপমান করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপির সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন।মঙ্গলবার বাজেট-পরবর্তী প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে সংসদ ভবনে তিনি এ অভিযোগ করেন।আখতার হোসেন বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের জন্য ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাতার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বিএনপির সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করতে গিয়ে জুলাই অভ্যুত্থানকে অপমান করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।আরও  পড়ুন, জুলাইজুড়ে কর্মসূচি জামায়াতের, ১ আগস্ট গণমিছিল ও ৫ আগস্ট সমাবেশতিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধ এবং জুলাই অভ্যুত্থানকে আলাদা করে দেখার কোনো সুযোগ নেই।এনসিপির এই নেতা জুলাই জাদুঘর দ্রুত উদ্বোধনের দাবি জানিয়ে বলেন, জুলাই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম সচল রাখতে হবে। অন্যথায় গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিচিহ্ন নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজেট প্রসঙ্গে আখতার হোসেন বলেন, পাস হওয়া বাজেটে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। আগামী এক বছর এর বাস্তবায়ন ও প্রভাব পর্যবেক্ষণ করবে তাঁর দল।এ ছাড়া সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে কোনো ধরনের বৈষম্য না রাখারও প্রস্তাব দেন তিনি।

জুলাইজুড়ে কর্মসূচি জামায়াতের, ১ আগস্ট গণমিছিল ও ৫ আগস্ট সমাবেশ

জুলাইজুড়ে কর্মসূচি জামায়াতের, ১ আগস্ট গণমিছিল ও ৫ আগস্ট সমাবেশ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ২ থেকে ৯ জুলাই রাজধানীতে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ, আহত ও পঙ্গু পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময়, স্মৃতিচারণ, আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। ১৬ জুলাই জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে ঢাকার দুই মহানগরীতে পৃথক আলোচনা সভা হবে।আরও  পড়ুন, ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট দেশব্যাপী ৩৬ দিনের আয়োজন এনসিপিরএ ছাড়া ১৮ থেকে ৩১ জুলাই সারা দেশে একই ধরনের কর্মসূচি পালন করা হবে। ১ আগস্ট দেশব্যাপী গণমিছিল, ২ থেকে ৪ আগস্ট শ্রমিক সংগঠনের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি এবং ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে ১১ দলের উদ্যোগে রাজধানীসহ সারা দেশে সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত তিনটি দাবি তুলে ধরে। দাবিগুলো হলো—গণঅভ্যুত্থানের হত্যাকাণ্ড ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করা, শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির হত্যার বিচার এবং গণভোটের গণরায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান।এদিকে, জুলাইয়ের বিভিন্ন কর্মসূচিতে দলটির মহিলা বিভাগ, ছাত্রসংগঠন এবং জুলাই যোদ্ধাদের বিভিন্ন ফোরামও অংশ নেবে বলে জানানো হয়েছে।

১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট দেশব্যাপী ৩৬ দিনের আয়োজন এনসিপির

১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট দেশব্যাপী ৩৬ দিনের আয়োজন এনসিপির

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে আগামী ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত দেশব্যাপী ৩৬ দিনের ‘জুলাই জাগরণ’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি।রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কর্মসূচি ঘোষণা করেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।তিনি বলেন, জুলাইয়ের প্রতিটি দিনই ছিল গণঅভ্যুত্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। নতুন প্রজন্মের কাছে সেই ইতিহাস তুলে ধরতেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।আরও  পড়ুন , সংসদের দুই টায়ার সরকার ও বিরোধী দল, একটিও অচল হওয়া যাবে না: জামায়াত আমিরঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ১ জুলাই রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে কবর জিয়ারত, সংহতি সভা এবং ‘জুলাই থেকে জনপদ’ কর্মসূচির উদ্বোধনের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হবে।এরপর পুরো মাসজুড়ে গ্রাফিতি, দেয়াল লিখন, স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট, নারী সমাবেশ, কফিন মিছিল, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শহীদদের কবর জিয়ারত, স্মৃতিচারণ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে নানা কর্মসূচি পালিত হবে।এনসিপি জানিয়েছে, ৫ আগস্ট ‘বিজয়ের উল্লাস’ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মাসব্যাপী আয়োজন শেষ হবে। পাশাপাশি বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে ‘প্রবাসে জুলাই’ কর্মসূচিও চলবে।

সারাবাংলা

মনিরামপুরে শেষ হয়নি দুই বছরে সেতুর কাজ চলাচলে চরম ভোগান্তি

মনিরামপুরে শেষ হয়নি দুই বছরে সেতুর কাজ চলাচলে চরম ভোগান্তি

 খালের নাম 'বড় খাল'। খালের দুই পারে দুই ইউনিয়ন, দুই গ্রাম। দক্ষিণ পারে যশোরের মনিরামপুর উপজেলার কুলটিয়া ইউনিয়নের পাড়িয়ালী গ্রাম। আর উত্তরে একই উপজেলার হরিদাসকাটি ইউনিয়নের পাঁচকাটিয়া গ্রাম। খালের ওপর ছিল সেতু। দুই গ্রামকে যুক্ত করে ছিল সেতুটি। সেতুটি দিয়ে এলাকার লোকজন ও যানবাহন চলাচল করতো। কিন্তুটি সেতুটি একবারেই জরাজীর্ণ হয়ে পড়ায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সেতুটি ভেঙ্গে সেই জায়গায় নতুন একটি সেতু উদ্যোগ নেয়। খালের ওপর সেই  জরাজীর্ণ সেতু ভেঙ্গে সেই জায়গায় নতুন সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল দুই বছর আগে। কাজের মেয়াদও শেষ হয়েছে এক বছরেরও বেশি সময় আগে। কিন্তু সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হয়নি। সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় সড়কটি দিয়ে চলাচলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন অন্তত ২০টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ। স্থানীয়সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) যশোরের মনিরামপুর উপজেলার প্রকৌশলীর কার্যালয়সূত্রে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় আম্ফান ও বন্যায়ক্ষতিগ্রস্থ পল্লী সড়ক অবকাঠামো পূর্নবাসন প্রকল্পের (সিএএফডিআরআইআরপি) আওতায় নেহালপুর ইউপি-হাজিরহাট বাজার ভায়া কুলটিয়া ইউপি সড়কের 'বড় খালের' ওপর ২০ মিটার দীর্ঘ একটি আরসিসি গার্ডার সেতু পুনঃনির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২ কোটি ৭২ লাখ ৭৪ হাজার ৯৯২ টাকা ৮১৬ পয়সা ব্যয়ে সেতু পুনঃনির্মাণের কাজ পায় সাতক্ষীরার পলাশপোলের ঠিকাদার মো. ইকবাল জমাদার। ২০২৪ সালের ১ মে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত অর্ধেক কাজ হয়েছে।  সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার হরিদাসকাটি ইউনিয়নের হাজিরহাট থেকে একটি সড়ক সোজা দক্ষিণ দিকে চলে গেছে। সড়কটি ধরে প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার গেলে একটি বিল। বিলের বুক চিরে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে চলে গেছে বড় খাল। খালটির বেশিরভাগ অংশ বালু দিয়ে ভরাট করা হয়েছে। খালের দুই পাশে দুটি বড় কংক্রিটের পিলার তোলা হয়েছে। দুই পিলারের মাঝে পুরনো সেতু রয়েছে। সেতুটির বেশিরভাগ অংশ ভাঙ্গা হয়েছে। নিচের অংশ রয়ে গেছে। দুই পিলার নিচের দিকে মাটিতে পড়ে আছে কয়েকটি লোহার শার্টার।আরও পড়ুন, হাবিবের নেতৃত্বেই বিদ্যালয়ে হামলা-ভাংচুর হয়েছে যাতায়াতের জন্য নির্মাণাধীন সেতুটির পূর্ব পাশে খালের ভেতর কাঠের গুঁড়ি পুঁতে তার ওপর তক্তা বিছিয়ে দিয়ে অস্থায়ী সেতু তৈরি করা হয়েছে। অস্থায়ী সেতুটি নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। লোকজন পায়ে হেঁটে নড়বড়ে সেতু পার হচ্ছেন। অনেক কষ্ট করে ভ্যান, মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল নড়বড়ে সেতুর ওপর দিয়ে টেনে ও ঠেলে পার করছেন অনেকে। কেউ কেউ আবার নড়বড়ে সেতু পার হতে না পেরে পিলার সামনে সড়কে ভ্যান ও মোটরসাইকেল রেখে বসে আছেন।  এ সময়কথা হয় কয়েকজন এলাকাবাসীর সঙ্গে। তাঁরা জানান, নেহালপুর ইউপি-হাজিরহাট বাজার ভায়া কুলটিয়া ইউপি সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে এলাকার অন্তত ২০টি গ্রামের চার থেকে পাঁচ হাজার মানুষ চলাচল করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায়তাঁরা এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন চরম ভোগান্তিতে চলাচল করেন। ভবদহ জলাবদ্ধতার কারণে বর্ষা মৌসুমে অস্থায়ী কাঠের সেতুটি পানিতে ডুবে থাকে। এই সময় সড়কটি দিয়ে যাতায়াত একেবারেই বন্ধ হয়ে যায়। দুর্ভোগ আরও বাড়ে। তাঁরা জানান, ঠিকাদার কয়েকদিন ধরে কাজ করেন। এরপর চলে যান। আবার কয়েকদিন পর এসে কাজ শুরু করেন। এভাবে কাজ করায়দুই বছর ধরে কাজের অর্ধেকও হয়নি। পদ্মনাথপুর গ্রামের ভ্যানচালক আব্দুল আজিজ মোড়ল (৭০) বলেন, দুই বছর ধরে ঠিকাদার একটু একটু করে কাজ করছেন। কাজ শেষই হচ্ছে না। কাঠের নড়বড়ে সেতু দিয়ে ভ্যান পার করা খুবই কষ্টকর। এজন্য যাত্রীও ঠিকমতো হচ্ছে না। খুব কষ্টে আছি। ডাঙ্গা মহিষদিয়া গ্রামের ঘাটশ্রমিক রোস্তম সরদার (৫০) বলেন, সেতুর কারণে সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করতে খুবই সমস্যা হচ্ছে। শুকনোর সময়ভাঙ্গাচোরা কাঠের সেতু দিয়ে কষ্ট করে পার হতে পারলেও বর্ষার সময় একদম চলাচল করা যায়না। খুব দুর্ভোগে আছি। পাঁচবাড়িয়া গ্রামের ভ্যানচালক ভুপতি রায় (৬৫) বলেন, খালের ওপারে ভ্যান থেকে যাত্রী নামিয়ে দিয়ে কাঠের সেতুর ওপর দিয়ে টেনে ভ্যান পার করে এপারে এসেছি। নড়বড়ে সেতুর ওপর দিয়ে ভ্যান টানতে খুব কষ্ট হয়েছে।আরও  পড়ুন, আখাউড়া প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সেতুটি না হওয়া পর্যন্ত এই কষ্ট যাবে না। আমাদের কষ্ট দেখার কেউ নেই। হরিদাসকাটি গ্রামের কৃষক দেবদাস রায় (৪৬) বলেন, এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করা সহজ। দূরত্বও কম। সময়ও কম লাগে। কিন্তু সেতুর কাজ শেষ না হওয়ায় দুই বছর খুব কষ্ট করে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। কবে যে এই দুর্ভোগের শেষ হবে! বিষয়টি জানতে ঠিকাদার মো. ইকবাল জমাদারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। তিনি বলেন, এখন তিনি মসজিদে আছেন। পরে তিনি এ ব্যাপারে কথা বলবেন। পরে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। মনিরামপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো. ফয়সাল আহমেদ বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে এলাকা দীর্ঘদিন পানিতে ভরে থাকে। এজন্য ছয়মাস কোনো কাজ করা যায়না। বর্তমানে সেতুটির ঢালাইয়ের জন্য শার্টার বসানোর কাজ চলছে। তা ছাড়া নিচে পুরাতন সেতুর কিছুটা অংশ রয়ে গেছে। ওই অংশটি ভেঙ্গে সরিয়ে নেওয়ারও কাজ চলছে। এটা শেষ হলে স্লাবের কাজ শুরু হবে। বর্তমানে সেতুটির ৫০ শতাংশ কাজ হয়েছে। স্লাবের কাজ শেষ হলে ৮০ শতাংশ কাজ হয়ে যাবে। আশা করছি, চলতি বছরের মধ্যে সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ করা যাবে। তিনি বলেন, মানুষ ও ছোট যান চলাচলের জন্য খালের ওপর নির্মিত অস্থায়ী কাঠের সেতুটি নড়বড়ে হরয় পড়েছে। এতে চলাচলে দুর্ভোগের সৃষ্টি হচ্ছে। ঠিকাদারকে দ্রুত এই অস্থায়ী কাঠের সেতুটি ঠিক করে দিতে বলা হয়েছে। ঠিকাদার ইকবাল জমাদার বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে পানি সেচে সেতুর কাজ শুরু করতে হয়েছে। এজন্য সময়বেশি লাগছে। পুরাতন সেতু ভাঙ্গার কাজ আর দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। এরপর আমি সেতুর স্লাবের কাজ শুরু করবো।আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত আমার সময়আছে। আশা করছি, আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে সেতুর কাজ শেষ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, লোকজনের চলাচলের জন্য পাশের নড়বড়ে কাঠের সেতুটি দুইদিনের মধ্যে মেরামত করে দেওয়া হবে।

হাবিবের নেতৃত্বেই বিদ্যালয়ে হামলা-ভাংচুর হয়েছে

হাবিবের নেতৃত্বেই বিদ্যালয়ে হামলা-ভাংচুর হয়েছে

পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের নেতৃত্বেই দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বিদ্যালয়ে হামলা ও ভাংচুর করেছে সন্ত্রসীরা বলে মন্তব্য করেছেন ঈশ্বরদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচীব হুমায়ুন করিব দুলাল সরদার ।আজ বুধবার (১লা জুলাই) সকালে ঈশ্বরদী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।জগন্নাথপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, হাবিবুর রহমান হাবিব কখনো কুড়াল দিয়ে ধানের শীষকে দিখন্ডিত করেছেন আবার কখনো নৌকা দিয়ে ভাসিয়ে দিয়েছেন। তার ক্যাডার ভিত্তিক রাজনীতির কারনেই পাবনা জেলায় বিএনপির রাজনীতির এখন তালবেতাল অবস্থা। তিনি কখনই বিএনপিকে ভালোবেসে রাজনীতি করেননি। তিনি বরাবরই ধানের শীষকে বাধাগ্রস্থ করতে কাজ করেছেন।শুধু তাইনয়, হাবিবুর রহমান হাবিব ঈশ্বরদীর রাজনীতি বিভাজনের সবচেয়ে বেশী ভূমিকা রেখেছেন বলে দাবি করে তিনি আরও বলেন, ঈশ্বরদীর আশপাশের কয়েকটি থানার শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সাথে আতাত করে চলার কারনে পদ্মার চরাঞ্চল ও বালু মহলে সন্ত্রাসীদের আধিপত্য এখন অপ্রতিরোধ্য। তিনি সন্ত্রাস লালন করেন বলেই জনগণ তাকে প্রত্যাখান করেছে। জনপ্রিয়তার তলানীতে থাকা হাবিবুর রহমান হাবিব তাই অন্যের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে নানা অপরাধ অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে জেলা জুঁড়ে। তার এই অপরাজনীতির জন্য বিএনপির কেন্দ্র বরাবর অভিযোগ করা হবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা জানান।আরও  পড়ুন, আখাউড়া প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাঅভিযোগের বিষয়ে জানতে পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের ব্যবহৃত মুঠোফোনে কল দিলে সেটি বন্ধ থাকায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, অত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ফজলুর রহমান। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ঈশ্বরদী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুর রশিদ সরদার, যুগ্ন আহ্বায়ক মফিজ উদ্দিন মানিক, আবু তালেব ফকির, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মুশফিকুর রহমান সজল, পাকশী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুস সোবাহান, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আলী কাজল, সাধারণ সম্পাদক কবির আহম্মেদ, পাকশি ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দীন সরদার, সাদারণ সম্পাদক আজিহক সরদার, ঈশ্বরদী উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান প্রমূখ।উল্লেখ্য গত মঙ্গলবার (৩০শে জুন) উপজেলার জগন্নাথপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো: জহুরুল ইসলামের অবসর জনিত বিদায় ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর আয়োজনে পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বাযক হাবিবুর রহমান হাবিবকে অতিথি না করে পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, সাবেক সাংসদ ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম সরদারকে প্রধান অতিথি করায় হাবিব সমর্থিত আবুল কাশেম ওরফে হালট কাশেম, উপজেলা কৃষকদলের সদস্য সচীব মইনুল ইসলাম সরদার, আলম ওরফে দালাল আলম, মনিক্কারসহ ১৫/২০ জনের একটি স্বশস্ত্র সন্ত্রাসী দল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে। এসময় তারা বিদায়ী সভার মঞ্চ, চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করেন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য রান্নাকরা খাবার ফেলে নষ্ট করেন।

আখাউড়া প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

আখাউড়া প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম খন্দকার প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজা ও দাফনে অংশ নিয়েছেন। আদালতের অনুমোদনে কয়েক ঘণ্টার জন্য কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেষবারের মতো মাকে বিদায় জানান। নির্ধারিত সময় শেষে আবার তাঁকে জেলা কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। গতকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত তাঁকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়। এ সময় তিনি মায়ের জানাজা, দাফন ও পারিবারিক আনুষ্ঠানিকতায় অংশগ্রহণ করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আখাউড়া থানার জিআর-২১০/২৪ (মামলা নম্বর-২৫) মামলায় গ্রেপ্তারের পর শাহ আলম খন্দকার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে ছিলেন।আরও  পড়ুন, রায়পুরায় মৎস্যচাষি নির্বাচনে মৎস্য অফিসারে বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ,প্রদর্শনী ব্যানারে ভুয়া ঠিকানা মায়ের মৃত্যুর বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আদালতের অনুমোদনে তাঁকে সীমিত সময়ের জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়। প্যারোল চলাকালে তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল একটি সশস্ত্র পুলিশ এসকর্ট দল। ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ লাইনস থেকে একজন উপপরিদর্শক (এসআই), একজন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) এবং ছয়জন কনস্টেবল সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেন। নির্ধারিত সময় শেষ হলে তাঁকে পুনরায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে নেওয়া হয়। আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাবেদ উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “মায়ের জানাজা শেষে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আসামিকে আবার জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রায়পুরায় মৎস্যচাষি নির্বাচনে মৎস্য অফিসারে বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ,প্রদর্শনী ব্যানারে ভুয়া ঠিকানা

রায়পুরায় মৎস্যচাষি নির্বাচনে মৎস্য অফিসারে বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ,প্রদর্শনী ব্যানারে ভুয়া ঠিকানা

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্যচাষ প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় উপকারভোগী নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে একজন উপকারভোগীর প্রদর্শনী ব্যানারে উল্লেখিত ঠিকানা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।জানা যায়,প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ১৬ জন মৎস্যচাষির মাঝে জনপ্রতি ৫ বস্তা করে মাছের খাবার, ৬টি করে গাছের চারা এবং একটি করে প্রদর্শনী ব্যানার বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া নির্বাচিত ৪ জন মৎস্যচাষিকে একটি করে এরেটর প্রদান করা হয়।তবে বিতরণকৃত প্রদর্শনী ব্যানারে উপকারভোগী জরিনা বেগম-এর ঠিকানা আমিরগঞ্জ ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রাম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ স্থানীয়দের দাবি, আমিরগঞ্জ ইউনিয়নে হোসেনপুর নামে কোনো গ্রামের অস্তিত্ব নেই।বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান করে সাংবাদিকরা জানতে পারেন, জরিনা বেগমের বাড়ি পার্শ্ববর্তী পাড়াতলী ইউনিয়নের মধ্যনগর গ্রামে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দাদের সঙ্গেও কথা বলে আমিরগঞ্জ ইউনিয়নে হোসেনপুর নামে কোনো গ্রামের তথ্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া জরিনা বেগমও সাংবাদিকদের কাছে স্বীকার করেছেন যে, আরও  পড়ুন, পুলিশের 'সোর্স' পরিচয়ে ত্রাস: বাসন থানায় বগা রিপনের অপকর্মের শেষ কোথায়তাঁর বাড়ি পাড়াতলী ইউনিয়নের মধ্যনগর গ্রামে। এ ঘটনায় প্রকল্পের উপকারভোগী নির্বাচন,তথ্য যাচাই এবং সরকারি নথি প্রস্তুতের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন,সরকারি প্রকল্পের উপকারভোগীর তথ্য যাচাই-বাছাই না করেই কীভাবে এমন একটি ঠিকানা প্রদর্শনী ব্যানারে স্থান পেল?এছাড়াও স্থানীয়দের প্রশ্ন, এটি যদি শুধুই টাইপিং বা তথ্যগত ভুল হয়ে থাকে, তাহলে সরকারি প্রকল্পের উপকারভোগীর তালিকা ও প্রদর্শনী ব্যানার তৈরির আগে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই কেন করা হয়নি? স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন, তথ্যগত অসঙ্গতির কারণ নির্ণয় এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।এ বিষয়ে জানতে চাইলে রায়পুরা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন,"ব্যক্তি ঠিক আছেন,তবে নাম বা ঠিকানায় হয়তো ভুল হয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখব। যদি কোনো ভুল থেকে থাকে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

আন্তর্জাতিক

হরমুজ সংকট, নিরাপত্তা গ্যারান্টি ছাড়া অভিযান নয়

হরমুজ সংকট, নিরাপত্তা গ্যারান্টি ছাড়া অভিযান নয়

হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা সাড়ে আট হাজারের বেশি নাবিককে নিরাপদে সরিয়ে নিতে ইরানের কাছ থেকে স্পষ্ট নিরাপত্তা নিশ্চয়তা চেয়েছে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা, আইএমও।মঙ্গলবার সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আইএমওর মহাসচিব আর্সেনিও ডোমিঙ্গুয়েজ বলেন, উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া কোনো জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে না—ইরান এমন নিশ্চয়তা দিলেই সংস্থাটি অবিলম্বে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করতে প্রস্তুত।তিনি আরো পড়ুন , ক্লাস চলাকালে ছাদ ধস, ১৪ শিশুর প্রাণহানিজানান, গত বৃহস্পতিবার হরমুজ প্রণালিতে একটি জাহাজে ইরানের আকস্মিক হামলার পর নিরাপত্তাজনিত কারণে বাণিজ্যিক জাহাজ ও নাবিকদের সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়।আইএমওর মহাসচিব আরও বলেন, আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচল স্বাভাবিক করতে হরমুজ প্রণালিকে দ্রুত মাইনমুক্ত করা জরুরি। এ কাজে সহায়তার জন্য ফ্রান্সসহ কয়েকটি দেশের প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন তিনি।তবে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, অন্য কোনো দেশের সহায়তা ছাড়াই ইরান নিজ উদ্যোগে হরমুজ প্রণালির সব মাইন অপসারণ করবে।বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে চলমান উত্তেজনা আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেল সরবরাহ এবং বৈশ্বিক নৌ-বাণিজ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

৩০ জুন ২০২৬

রাজধানী

যাত্রাবাড়ীতে শ্রেণিকক্ষে বেঞ্চ থেকে পড়ে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু

যাত্রাবাড়ীতে শ্রেণিকক্ষে বেঞ্চ থেকে পড়ে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে একটি স্কুলের শ্রেণিকক্ষে বেঞ্চ থেকে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পাওয়া ফাতেমা (১৬) নামে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।নিহত ফাতেমা নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার মমিনপুর গ্রামের লুৎফর রহমানের মেয়ে। বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে যাত্রাবাড়ীর বিবির বাগিচা ৪ নম্বর গলিতে বসবাস করতেন।পরিবারের সদস্যরা জানান, সোমবার শহীদ জিয়া গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে ক্লাস চলাকালে হঠাৎ মাথা ঘুরে বেঞ্চ থেকে পড়ে যান ফাতেমা। এতে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। পরে সহপাঠী ও স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করেন।আরও  পড়ুন, রাজধানীর তিন হাসপাতালে র‍্যাবের দালালবিরোধী অভিযান, নারীসহ আটক ১৩চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকালে তার মৃত্যু হয়।নিহতের বাবা লুৎফর রহমান বলেন, তাঁর মেয়ে শহীদ জিয়া গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। মাথা ঘুরে বেঞ্চ থেকে পড়ে যাওয়ার পর হাসপাতালে নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ নেই।ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

৯ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

চার গোলে বিশ্বকাপ মাতাচ্ছেন ভিনিসিয়ুস, কৌশলের জাদু আনচেলত্তির

চার গোলে বিশ্বকাপ মাতাচ্ছেন ভিনিসিয়ুস, কৌশলের জাদু আনচেলত্তির

বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। আর সেলেসাওদের আক্রমণের সবচেয়ে বড় ভরসার নাম এখন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। চার গোল করে দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার পাশাপাশি প্রতিটি ম্যাচেই নিজের পরিণত ফুটবল দিয়ে আলো ছড়াচ্ছেন এই তারকা ফরোয়ার্ড।তবে এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পেছনে রয়েছে বড় একটি কারণ—কোচ কার্লো আনচেলত্তির কৌশলগত পরিকল্পনা।রিয়াল মাদ্রিদে দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ব্রাজিল জাতীয় দলেও ভিনিসিয়ুসের ভূমিকায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছেন আনচেলত্তি। আগে যেখানে তিনি মূলত বাম প্রান্তে সীমাবদ্ধ ছিলেন, এখন তাকে খেলানো হচ্ছে আরও ভেতরের দিকে। ফলে শুধু ড্রিবলিং নয়, গোল করা, সুযোগ তৈরি এবং আক্রমণের নেতৃত্ব—সব ক্ষেত্রেই আরও কার্যকর হয়ে উঠেছেন তিনি।এই পরিবর্তনের ফলও মিলছে মাঠে। বিশ্বকাপে ইতোমধ্যেই চারটি গোলের পাশাপাশি একটি অ্যাসিস্ট আরো পড়ুন , ৩১ মিনিটেই বাজিমাত, ইকুয়েডরকে বিদায় করে শেষ ষোলোতে মেক্সিকোকরেছেন ভিনিসিয়ুস। তার অবস্থান বদলের কারণে বাম দিক দিয়ে সহজেই ওপরে উঠতে পারছেন ডগলাস সান্তোস। একই সঙ্গে লুকাস পাকেতা ও ব্রুনো গিমারায়েসের সঙ্গে আক্রমণভাগের সমন্বয়ও হয়েছে আরও শক্তিশালী।শুধু আক্রমণ নয়, রক্ষণেও বাড়তি দায়িত্ব পালন করছেন ভিনিসিয়ুস। জাপানের বিপক্ষে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বল উদ্ধার করে তিনি প্রমাণ করেছেন, এখন তিনি কেবল একজন উইঙ্গার নন—বরং দলের পূর্ণাঙ্গ একজন ফুটবলার।ব্রাজিল হয়তো আগের মতো 'জোগো বনিতো'র ঝলক প্রতিটি ম্যাচে দেখাতে পারছে না। তবে আনচেলত্তির অধীনে দলটি এখন অনেক বেশি সংগঠিত, ভারসাম্যপূর্ণ এবং ফলমুখী। আর সেই দলের সবচেয়ে উজ্জ্বল মুখ হয়ে উঠেছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।এখন দেখার বিষয়, নকআউট পর্বেও কি একই ছন্দ ধরে রেখে ব্রাজিলকে বিশ্বকাপ শিরোপার আরও কাছে নিয়ে যেতে পারেন এই তারকা ফরোয়ার্ড।

আইন আদালত

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে আটকের পর কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা সাজিয়ে গুলি ও নির্যাতনের মাধ্যমে পঙ্গু করার অভিযোগে দায়ের করা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার আজ শুরু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলাটির সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) ও সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।আরও পড়ুন, ‘আমি শুধু ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার’: আসামি সোহেলমামলাটি শুনানি করবেন মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। মামলার প্রধান আসামি আনিসুর রহমান-সহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম চলবে।প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর চৌগাছা উপজেলা শাখার তৎকালীন সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন এবং সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিন-কে একটি মামলায় আটক করে পুলিশ। অভিযোগে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারের পর তাদের আদালতে হাজির না করে কয়েকদিন নির্যাতন করা হয়।আরও পড়ুন, শিশু রামিসা হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি আজপ্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ একটি সাজানো ঘটনা তৈরি করে দুই নেতার পায়ে গুলি করা হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে চিকিৎসার একপর্যায়ে তাদের পা কেটে ফেলতে হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় আরও বলা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অস্ত্র মামলাটি পরবর্তীতে আদালতে ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়।এর আগে গত ২০ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। সে সময় আদালতে উপস্থিত আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। বর্তমানে অভিযুক্তদের মধ্যে আকিকুল ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান এবং জহরুল হক কারাগারে রয়েছেন।আরও পড়ুন, সাইপ্রাসে এস আলমের ভবন জব্দের নির্দেশঅন্যদিকে প্রধান আসামি আনিসুর রহমান, সাবেক ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল এবং এসআই মাজেদুল পলাতক রয়েছেন বলে ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানিয়েছে। উল্লেখ্য, মামলার অভিযোগগুলো প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত অভিযোগ। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের রায়ের মাধ্যমে অভিযুক্তদের দায়-দায়িত্ব চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর