দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1004.6 hPa
25.2° 95%
15mm
চট্টগ্রাম 1005.6 hPa
29.1° 83%
80° 15mm
রাজশাহী 1003.2 hPa
26° 93%
10° 15mm
খুলনা 1005.1 hPa
25° 91%
15mm
বরিশাল 1004.6 hPa
25.5° 87%
20° 15mm
সিলেট 1005.7 hPa
25.4° 96%
15mm
রংপুর 1003.9 hPa
28° 81%
20° 15mm
ময়মনসিংহ 1005.3 hPa
25.8° 93%
15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

গুলশান পুলিশকে বিতর্কিত করতেই মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

গুলশান পুলিশকে বিতর্কিত করতেই মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

সম্প্রতি একটি ভূঁইফোড় অনলাইন সংবাদমাধ্যমে রাজধানীর গুলশান-বনানী এলাকার বিভিন্ন স্পা সেন্টার, গেস্ট হাউস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তবে অনলাইনটির নেই কোন অনুমোদন। প্রতিবেদনে গুলশান থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) মিজানুর রহমানসহ পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ উত্থাপন করা হয়। প্রকাশিত প্রতিবেদনে মাসোহারা গ্রহণ, অবৈধ ব্যবসায় প্রশ্রয় এবং বিভিন্ন অনিয়মে সম্পৃক্ততার দাবি করা হলেও এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং অপপ্রচারমূলক বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত কর্মকর্তা সহ আরো অনেকে।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে গুলশান থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) মিজানুর রহমান বলেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। তার দাবি, ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত স্বার্থে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে আসছে।আরো পড়ুন: আলোচনা, সমালোচনা আর দায়িত্বের গল্প: ওসি দাউদতিনি বলেন, “বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে ছবি, অডিও, ভিডিও এমনকি কথোপকথনের স্ক্রিনশটও তৈরি করা সম্ভব। তাই কোনো স্ক্রিনশট বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কথোপকথন দেখিয়ে কাউকে দোষী প্রমাণ করা যায় না। প্রকাশিত প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে মিজানুর রহমান বলেন, দায়িত্ব পালনকালে তিনি সবসময় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও অপরাধ দমনে কাজ করে যাচ্ছেন। গুলশানের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কিছু গোষ্ঠী পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাতে পারে বলেও তিনি মনে করেন।তার ভাষ্য, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যদি পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে, সেটি অবশ্যই তদন্ত হতে পারে। কিন্তু অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের আগেই সেটিকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে প্রচার করা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।আরো পড়ুন:  ডিএমপির কয়েকটি থানায় দৃশ্যমান পরিবর্তনসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কারণে আলোচনায় থাকে। সময় সময় বিভিন্ন স্পা সেন্টার, গেস্ট হাউস ও বিনোদনকেন্দ্রকে ঘিরে অভিযোগ ওঠে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও অভিযান পরিচালনা করে। তবে কোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে তদন্তের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায়ী করা আইন ও ন্যায়বিচারের মূলনীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করেন আইন বিশ্লেষকরা।প্রতিবেদনে যে সব তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে তার অধিকাংশই যাচাইবিহীন এবং অনুমাননির্ভর। তিনি বলেন, প্রতিবেদনে কিছু স্ক্রিনশট ও কথিত তথ্যের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু এসব তথ্য কোথা থেকে এসেছে, সেগুলোর ফরেনসিক পরীক্ষা হয়েছে কি না কিংবা কোনো তদন্তকারী সংস্থা সত্যতা পেয়েছে কি না এসব বিষয়ে কিছুই উল্লেখ করা হয়নি।আরো পড়ুন: প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদতিনি আরও বলেন, “আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, একটি স্বার্থান্বেষী মহল আমাকে এবং পুলিশের কিছু কর্মকর্তাকে বিতর্কিত করার জন্য পরিকল্পিতভাবে এসব তথ্য ছড়াচ্ছে। উদ্দেশ্য হলো জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা এবং পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা।প্রকাশিত প্রতিবেদনে কথিতভাবে যেসব আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলোও সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেন তিনি। তার বক্তব্য, যে ধরনের অর্থ লেনদেনের কথা বলা হয়েছে তার কোনো প্রমাণ নেই। কেবল কারও বক্তব্য বা অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে অপরাধী বলা যায় না। যদি কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকে, তাহলে তা তদন্ত সংস্থার কাছে দেওয়া উচিত।এদিকে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দাউদ হোসেনও অভিযোগের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, পুলিশ কোনো অপরাধ বা অনিয়মকে প্রশ্রয় দেয় না। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। তবে অভিযোগেরও একটি গ্রহণযোগ্যতা ও তথ্যভিত্তিক ভিত্তি থাকতে হবে। আরো পড়ুন: অপরাধ দমনে নতুন ছকে ডিএমপিপ্রকাশিত প্রতিবেদনের পেছনে ব্যক্তিগত স্বার্থ ও উদ্দেশ্য কাজ করেছে। তিনি বলেন, কথিত জাফর নামের একজন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মাধ্যমে পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছেন। ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য তিনি বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছেন বলে আমার ধারণা। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। যদি কোনো ব্যক্তি আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, তাহলে আইন অনুযায়ী তদন্ত হোক। আমি তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করব। কিন্তু অভিযোগ প্রমাণের আগেই আমাকে দোষী সাব্যস্ত করার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। তবে এধরনের ভিক্তিহীন তথ্য ও গুজব ছড়ানো ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা খুবই জরুরী। তানহলে ভবিষতে তিনি আরো পুলিশের বিরুদ্ধে গুজব ছড়িয়ে পুলিশকে হয়রানী করার চেষ্টা চালিয়ে আসবে ও  তাদের তাদের দ্বায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করবে। জানা গেছে, উক্ত ব্যক্তি আ.লীগের দোষর এবং তার বিরুদ্ধে অপরাধের যথেষ্ট প্রমানাদি রয়েছে। স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশকে প্রতিনিয়ত নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়। এ অবস্থায় যেকোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে সত্য-মিথ্যা যাচাই করা জরুরি।আরো পড়ুন: এনবিআরের কর্মকর্তা সহিদুল ইসলামের অবৈধ সম্পদের পাহাড়এদিকে সংশ্লিষ্ট মহলের অনেকেই মনে করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তথ্য প্রচারের গতি বেড়ে যাওয়ায় অনেক সময় যাচাইবিহীন তথ্যও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ফলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় এবং ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।বিশ্লেষকদের মতে, কোনো অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থার। তদন্তের আগে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করা হলে তা আইনি জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।আরো পড়ুন: দৃষ্টান্তমূলক সেবায় আইজি ব্যাজ পেলেন ওসি হাফিজুর রহমানসর্বশেষে গুলশান থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) মিজানুর রহমান বলেন, “আমি সবসময় আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেছি এবং ভবিষ্যতেও করব। আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। প্রকৃত সত্য উদঘাটনের জন্য যে কোনো নিরপেক্ষ তদন্তকে আমি স্বাগত জানাই।অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ ও বিভিন্ন বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বিষয়টি এখন আলোচনায় রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রকৃত সত্য উদঘাটনে প্রয়োজন নিরপেক্ষ তদন্ত, তথ্যপ্রমাণের যথাযথ যাচাই এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা। তদন্তের ফলাফলই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে অভিযোগগুলোর বাস্তবতা কতটুকু এবং কার দাবি কতটা সত্য।

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

মানিক মিয়া এভিনিউকে আদর্শ জনপরিসর করতে উদ্যোগ

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও দৃষ্টিনন্দন জনসমাগমস্থল। তাই এই এলাকা আরও পরিচ্ছন্ন, পরিবেশবান্ধব ও জনবান্ধব করে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার মানিক মিয়া এভিনিউ সংলগ্ন এলাকায় চলমান পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।ডেপুটি স্পিকার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় সাধারণ মানুষের জন্য পর্যাপ্ত গণশৌচাগারের ব্যবস্থা না থাকায় দর্শনার্থীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। তাই ভ্রাম্যমাণ গণশৌচাগার ব্যবহার উপযোগী রাখার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে হবে।তিনি আরও বলেন, জাতীয় সংসদ ভবন একটি বিশ্বখ্যাত স্থাপত্য নিদর্শন। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এর সৌন্দর্য উপভোগ করতে মানিক মিয়া এভিনিউতে আসেন। কিন্তু কিছু স্থানে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা ও বর্জ্য আরো পড়ুন , জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকব্যবস্থাপনার ঘাটতি পরিবেশের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।তিনি সতর্ক করে বলেন, পরিচ্ছন্নতা শুধু সৌন্দর্যের বিষয় নয়, এটি জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। বিশেষ করে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।ডেপুটি স্পিকার সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সমন্বিতভাবে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জোরদারের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।তিনি বলেন, মানিক মিয়া এভিনিউ ও সংসদ ভবনসংলগ্ন এলাকা আরও সবুজ ও নান্দনিক করতে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম বাড়াতে হবে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং দর্শনার্থীদের জন্য মনোরম পরিবেশ তৈরি হবে।তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংসদ সচিবালয়, গণপূর্ত অধিদপ্তর ও সিটি করপোরেশনের সমন্বিত উদ্যোগে এই এলাকা রাজধানীর একটি আদর্শ, পরিচ্ছন্ন ও সবুজ জনপরিসরে রূপান্তরিত হবে।

জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।সভায় মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সরকারের বিভিন্ন চলমান কার্যক্রম, নীতিগত বিষয় আরো পড়ুন , তারেক রহমানের সঙ্গে ইয়াও ওয়েনের সৌজন্য সাক্ষাৎএবং প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।তবে সভার বিস্তারিত সিদ্ধান্ত বা আলোচ্যসূচি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।সরকারি পর্যবেক্ষকদের মতে, নিয়মিত এ ধরনের মন্ত্রিপরিষদ সভার মাধ্যমে প্রশাসনিক সমন্বয় ও নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হয়।এদিকে সভাটি সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হওয়ায় তা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে গুরুত্ব বহন করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

তারেক রহমানের সঙ্গে ইয়াও ওয়েনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন।সাক্ষাতের শুরুতে চীনের রাষ্ট্রদূত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২০২৬-২০২৭ সেশনের সভাপতি পদে ড. খলিলুর রহমান নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানান।বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো পড়ুন , বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক ইতিবাচক ধারায় এগোচ্ছে: হাইকমিশনারআরও জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কারিগরি শিক্ষা এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৈঠকে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন অংশীদারত্ব নিয়েও মতবিনিময় হয়। দুই দেশই পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট খাতে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে।বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এ ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎ দুই দেশের চলমান কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও গতিশীল করতে ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক ইতিবাচক ধারায় এগোচ্ছে: হাইকমিশনার

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দারের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক, শিক্ষা, বাণিজ্য ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।বৈঠকে পাকিস্তান হাইকমিশনের পলিটিক্যাল কাউন্সেলর কামরান দাংগালও উপস্থিত ছিলেন। উভয় পক্ষের অংশগ্রহণে বৈঠকটি আন্তরিক, ইতিবাচক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় বলে জানানো হয়েছে।পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বলেন, ভবিষ্যৎমুখী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে চায় ইসলামাবাদ। তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক ইতিবাচক ধারায় এগোচ্ছে। বাণিজ্য বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সামরিক ও বেসামরিক পর্যায়ে একাধিক সফর অনুষ্ঠিত হয়েছে।তিনি আরও জানান, সম্প্রতি বাংলাদেশের শিক্ষাবিদদের একটি প্রতিনিধিদল পাকিস্তান সফর করেছে এবং দেশটির শিক্ষা কাঠামো সম্পর্কে ইতিবাচক অভিমত ব্যক্ত করেছে। এছাড়া গত মাসে ঢাকায় অনুষ্ঠিত শিক্ষা মেলার সাফল্যের কথাও তুলে ধরেন তিনি।বৈঠকে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী পাঁচ বছরে পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশের ৫০০ জন শিক্ষার্থীকে স্কলারশিপ দেওয়া হবে। এরই মধ্যে ৭৪ জন শিক্ষার্থী পাকিস্তানে আরো পড়ুন , মাকে দেখতে বাড়ি ফেরার পথে মৃত্যু, শৌচাগার থেকে উদ্ধার লাশগেছেন। দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষা ও মেধা বিনিময় বাড়াতে চলমান ‘নলেজ করিডোর’ উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করার আশাবাদও ব্যক্ত করা হয়।এ সময় পাকিস্তানের হাইকমিশনার সংসদীয় পর্যায়ে যোগাযোগ বাড়াতে একটি সংসদীয় গ্রুপ গঠনের প্রস্তাব দেন। আলোচনার এক পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরে পাকিস্তানের ভূমিকার জন্য ডা. শফিকুর রহমান হাইকমিশনারের মাধ্যমে পাকিস্তান সরকারকে ধন্যবাদ জানান।বৈঠকে ডা. শফিকুর রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।

রাজনীতিরাজনীতি

পঞ্চগড়ে ক্যান্টনমেন্ট চেয়ে ফেসবুক পোস্টে সরব সারজিস আলম

পঞ্চগড়ে ক্যান্টনমেন্ট চেয়ে ফেসবুক পোস্টে সরব সারজিস আলম

দেশের উত্তরের সীমান্তঘেঁষা জেলা পঞ্চগড়ে নতুন সেনানিবাস স্থাপনের দাবি উঠেছে।এই দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।বুধবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে পঞ্চগড়ে ক্যান্টনমেন্ট স্থাপনের আহ্বান জানান।পোস্টটি প্রকাশের পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।আরও  পড়ুন ,তিন দলের দূরত্বে নতুন সমীকরণ, সুযোগ খুঁজছে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগঅনেক ব্যবহারকারী বিষয়টির পক্ষে সমর্থন জানিয়ে বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা ও ভূ-রাজনৈতিক দিক বিবেচনায় পঞ্চগড়ে সেনানিবাস প্রয়োজন।তারা মনে করেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় উত্তরাঞ্চলে সামরিক স্থাপনা আরও জোরদার করা জরুরি।তবে বিষয়টি নিয়ে এখনো সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।এদিকে ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে পঞ্চগড়সহ উত্তরাঞ্চলের নিরাপত্তা ইস্যুতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

তিন দলের দূরত্বে নতুন সমীকরণ, সুযোগ খুঁজছে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ

তিন দলের দূরত্বে নতুন সমীকরণ, সুযোগ খুঁজছে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ

দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনায় এসেছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর পারস্পরিক সম্পর্ক। বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে তিন দলের মধ্যে মতবিরোধ ও দূরত্ব বাড়তে থাকায় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাদের আশঙ্কা, এই অনৈক্য দীর্ঘস্থায়ী হলে এর রাজনৈতিক সুবিধা নিতে পারে বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ।রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, মাঠের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ আগের তুলনায় অনেকটাই কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তারা রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝে মধ্যেই দলটির নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিলের ঘটনাও সামনে আসছে।আরও  পড়ুন , ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের চাপেও থেমে নেই উন্নয়ন কার্যক্রম সম্প্রতি নোয়াখালী, কুমিল্লা, ঝিনাইদহ, ময়মনসিংহ, গোপালগঞ্জ, পটুয়াখালী ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঝটিকা কর্মসূচির খবর পাওয়া গেছে। এসব ঘটনাকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা নতুন বাস্তবতায় দলটির সাংগঠনিক উপস্থিতি জানান দেওয়ার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সংবিধান সংস্কার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন, প্রশাসনিক সংস্কার এবং অর্থনৈতিক বিভিন্ন ইস্যুতে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির মধ্যে মতপার্থক্য স্পষ্ট হয়েছে। বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ও রাজনৈতিক বক্তব্যে একে অপরের সমালোচনাও বেড়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি তৈরি হলে তা সামগ্রিক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল বা কোণঠাসা কোনো শক্তি নতুন করে সুযোগ খোঁজার চেষ্টা করতে পারে।

৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের চাপেও থেমে নেই উন্নয়ন কার্যক্রম

৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের চাপেও থেমে নেই উন্নয়ন কার্যক্রম

ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মাধ্যমে বর্তমান সরকার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।বুধবার হাটহাজারী উপজেলার গুমানমর্দন ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিপুল ঋণের চাপ থাকা সত্ত্বেও সরকার জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম থেকে সরে আসেনি। সামাজিক নিরাপত্তা ও উন্নয়নমূলক কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হয়েছে।আরো পড়ুন , গার্মেন্টস থেকে সংসদ সবখানেই বাড়ছে নারীর অবদানতিনি বলেন, শুধু অবকাঠামো নির্মাণ নয়, বরং প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নই প্রকৃত উন্নয়ন। এ লক্ষ্যেই ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ধর্মীয় ব্যক্তিদের ভাতা, ক্রীড়াবিদদের সম্মানীসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।মীর হেলাল আরও বলেন, সরকারের উদ্দেশ্য হলো মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মূলধারায় নিয়ে আসা।আসন্ন বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এবার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তি বয়ে আনবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সংসদে গঠনমূলক বিরোধী দলের ভূমিকায় থাকার ঘোষণা ডা. শফিকুর রহমানের

সংসদে গঠনমূলক বিরোধী দলের ভূমিকায় থাকার ঘোষণা ডা. শফিকুর রহমানের

জাতীয় সংসদে দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক বিরোধী দলের ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, যৌক্তিক বিষয়ে মতামত উপেক্ষিত হলে বিরোধী দল ওয়াকআউট করতে পারে, তবে তা দীর্ঘমেয়াদি হবে না।মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিরোধী দল হিসেবে তারা কোনোভাবেই সংঘাতমুখী অবস্থানে যেতে চান না। বরং সংসদে গঠনমূলক ভূমিকা রেখে দেশের স্বার্থে কাজ করতে চান।আরও পড়ুন, সংবিধান সংশোধন কমিটি অপ্রয়োজনীয় শফিকুর রহমানতিনি আরও বলেন, কোনো ইস্যুতে যদি যৌক্তিক মতামত উপেক্ষা করা হয় বা কথা বলার সুযোগ না দেওয়া হয়, তাহলে তারা ওয়াকআউটের পথ বেছে নিতে পারেন। তবে এটি দীর্ঘমেয়াদি আন্দোলন বা অবস্থান হবে না বলে তিনি স্পষ্ট করেন।সংসদীয় রাজনীতিতে সহযোগিতামূলক পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, সরকার ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে চান তারা।তিনি আরও বলেন, “আমাদের খুব গরম বিরোধী দল ভাববেন না, আমরা দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে কাজ করতে চাই।”তার এই বক্তব্য সংসদীয় রাজনীতিতে বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।

সারাবাংলা

মাজারকে আরও নিরাপদ ও পর্যটকবান্ধব করতে বিশেষ উদ্যোগ

মাজারকে আরও নিরাপদ ও পর্যটকবান্ধব করতে বিশেষ উদ্যোগ

আধ্যাত্মিক ও পর্যটন নগরী হিসেবে পরিচিত সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরাণ (রহ.)-এর মাজারে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশের কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এতে দেশ-বিদেশ থেকে আগত পর্যটক ও ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও নিরাপত্তাবোধ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের প্রধান ফটকে ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়। প্রতিদিন হাজারো ভক্ত, আশেকান ও পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত থাকে এই পবিত্র স্থান। সেই কারণে পর্যটকদের নির্বিঘ্ন ভ্রমণ, হয়রানি প্রতিরোধ এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিয়মিত টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।নোয়াখালী থেকে মাজার জিয়ারতে আসা মাহমুদ বলেন, আগে মাজার এলাকায় সাধারণ পুলিশ দেখা গেলেও এবার ট্যুরিস্ট পুলিশের উপস্থিতি চোখে পড়েছে। পাশাপাশি নতুন বড় দানবাক্স স্থাপন করায় পরিবেশ আরও সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ মনে হচ্ছে। পরিবার নিয়ে ভ্রমণে এসে তিনি স্বস্তি অনুভব করছেন বলেও জানান।একইভাবে কিশোরগঞ্জ থেকে আসা আখতার হোসাইন বলেন, পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রায়ই সিলেটের মাজারগুলোতে আসেন তারা। এবার ট্যুরিস্ট পুলিশের উপস্থিতি দেখে ভালো লেগেছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার হওয়ায় দূর-দূরান্ত আরো পড়ুন , মাকে দেখতে বাড়ি ফেরার পথে মৃত্যু, শৌচাগার থেকে উদ্ধার লাশথেকে আসা দর্শনার্থীরা আরও নিশ্চিন্তে মাজার জিয়ারত করতে পারছেন।ট্যুরিস্ট পুলিশ সিলেট জোনের পরিদর্শক রঞ্জন সামন্ত জানান, হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার সিলেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও পর্যটন কেন্দ্র। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হচ্ছে। কোনো দর্শনার্থী সমস্যার সম্মুখীন হলে দ্রুত সহায়তা পাওয়ার সুযোগও রয়েছে।তিনি বলেন, পর্যটকদের সেবা প্রদান, হয়রানি প্রতিরোধ এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশ নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, এ উদ্যোগ সিলেটের ধর্মীয় পর্যটনকে আরও নিরাপদ ও আকর্ষণীয় করে তুলবে।

মাকে দেখতে বাড়ি ফেরার পথে মৃত্যু, শৌচাগার থেকে উদ্ধার লাশ

মাকে দেখতে বাড়ি ফেরার পথে মৃত্যু, শৌচাগার থেকে উদ্ধার লাশ

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় একটি গণশৌচাগার থেকে ফরিদ উদ্দিন খান নামে এক প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে দামুড়হুদা বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি গণশৌচাগার থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহত ফরিদ উদ্দিন খান উপজেলার চারুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে। তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ফরিদের মা কয়েকদিন ধরে অসুস্থ অবস্থায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মাকে দেখতে বুধবার রাতে ঢাকা থেকে নিজ বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। পরে বৃহস্পতিবার সকালে দামুড়হুদা বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি গণশৌচাগারে তার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।খবর আরো পড়ুন, জাপানের প্রযুক্তি ও বাংলাদেশের জনশক্তি হতে পারে লাভজনক অংশীদারত্বপেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিক তদন্তে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মেজবাহ উদ্দিন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে স্ট্রোকজনিত কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে এবং পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।ঘটনাটি এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে। স্বজনরা জানান, অসুস্থ মাকে দেখতে বাড়ি ফেরার পথেই এমন আকস্মিক মৃত্যু তাদের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। স্থানীয়রাও এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

গাজীপুরে গড়ে উঠা টর্চার সেল নিয়ে এমপির গুরুতর অভিযোগ!

গাজীপুরে গড়ে উঠা টর্চার সেল নিয়ে এমপির গুরুতর অভিযোগ!

 গাজীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভাওয়াল সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মাসিক জেলা  আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় তিনি এই অভিযোগ উত্থাপন করেন।গাজীপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো: নুরুল করিম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় জেলার আইনশৃঙ্খলার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।বক্তব্য প্রদানকালে সংসদ সদস্য মুজিবুর রহ গাজীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভাওয়াল সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মাসিক জেলা  আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় তিনি এই অভিযোগ উত্থাপন করেন।গাজীপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মান জানান, গাজীপুরের অন্তত ৩ থেকে ৪টি জায়গায় বর্তমানে টর্চার সেল গড়ে ওঠেছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “এটা আমাদের কাম্য নয়।” কারা এসব সেল গড়ে তুলেছে তা খতিয়ে দেখার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানান। এমনকি এই অপকর্মের সাথে যদি সরকার দলীয় কোনো নেতাকর্মীও জড়িত থাকে, তবে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানান তিনি।অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য একটি নির্ভুল তালিকা প্রণয়নের দাবি জানিয়ে সংসদ সদস্য বলেন, অপরাধীদের নির্ভুল তালিকা প্রণয়ন করে তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। একইসাথে তিনি পুলিশকে সতর্ক করে বলেন, আরও  পড়ুন, সোনারগাঁয়ে শর্ট সার্কিটে আল-মদিনা শপিং মলে আগুন, কালো ধোঁয়ায় আতঙ্কঅপরাধী ধরতে গিয়ে কোনো নির্দোষ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হয়। চুরি ও ছিনতাই রোধ এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশি টহল আরও জোরদার করার তাগিদ দেন তিনি।এমপি মুজিবুর রহমানের এই অভিযোগকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক নুরুল করিম ভূঁইয়া। তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে এ ধরনের টর্চার সেলের সংস্কৃতি দেখা গেছে, কিন্তু বর্তমান নতুন সরকারের কাছে এসবের কোনো স্থান নেই। তিনি অবিলম্বে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিতে পুলিশ বিভাগকে নির্দেশ দেন।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অন্যান্য দিক তুলে ধরে জেলা প্রশাসক উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে, মহানগরীর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সম্প্রতি চুরির ঘটনা ঘটেছে যা উদ্বেগজনক। এছাড়া, জেলায় ক্রমবর্ধমান আত্মহত্যার প্রবণতা রোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।উক্ত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো: মঞ্জুরুল করিম রনি, গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন আইয়ুবীসহ জেলা ও মহানগর পুলিশ এবং  বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সোনারগাঁয়ে শর্ট সার্কিটে আল-মদিনা শপিং মলে আগুন, কালো ধোঁয়ায় আতঙ্ক

সোনারগাঁয়ে শর্ট সার্কিটে আল-মদিনা শপিং মলে আগুন, কালো ধোঁয়ায় আতঙ্ক

 নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় অবস্থিত আল-মদিনা শপিং মলে ট্রান্সফরমারে শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে মার্কেটের আন্ডারগ্রাউন্ড বৈদ্যুতিক সংযোগ ব্যবস্থায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো এলাকা ঘন কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। তবে ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত পদক্ষেপে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় বড় ধরনের কোনো হতাহত বা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল আনুমানিক ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মার্কেটের সম্মুখভাগে স্থাপিত একটি বিদ্যুৎ ট্রান্সফরমার থেকে হঠাৎ বিকট শব্দের সঙ্গে শর্ট সার্কিটের সৃষ্টি হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের সূত্রপাত হয়ে তা মার্কেটের আন্ডারগ্রাউন্ডে থাকা বৈদ্যুতিক মিটার ও সংযোগ লাইনে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ঘন কালো ধোঁয়া চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে ব্যবসায়ী, কর্মচারী ও ক্রেতাদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়।ঘটনার পর স্থানীয় ব্যবসায়ী, এলাকাবাসী ও মার্কেট কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালান। খবর পেয়ে সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।আরও  পড়ুন, কটিয়াদীতে ইয়াবা, নগদ টাকা ও দেশীয় অস্ত্রসহ নারী গ্রেপ্তার প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মকর্তা জাহিদ চৌধুরী জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।তবে কয়েকজন দোকান মালিকের অভিযোগ, দোকানদারদের উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানো হয়ে থাকতে পারে। তাদের দাবি, সম্প্রতি দোকান ছেড়ে দেওয়া নিয়ে মালিকপক্ষের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের মতবিরোধ চলছিল। যদিও এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মার্কেটের মালিক মাজহারুল ইসলাম নবী। তিনি বলেন, “এটি সম্পূর্ণ দুর্ঘটনাজনিত ঘটনা। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক তদন্তেও বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের বিষয়টি উঠে এসেছে।সোনারগাঁ থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ফায়ার সার্ভিসের তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, আগুনে কয়েকটি বৈদ্যুতিক মিটার ও সংযোগ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির কোনো খবর পাওয়া যায়নি। অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

আন্তর্জাতিক

মার্কিন সেনা নিহতের সংখ্যা নিয়ে ধোঁয়াশা

মার্কিন সেনা নিহতের সংখ্যা নিয়ে ধোঁয়াশা

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে মার্কিন সেনা হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনের এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এ আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়, এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প ইরানের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করতে গিয়ে এমন মন্তব্য করেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কিছু বিশ্লেষকের মতে, ওই মন্তব্য থেকে মার্কিন বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে নতুন প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে।তবে মার্কিন প্রশাসন বা পেন্টাগনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নতুন হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি। ফলে ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রকৃত আরো পড়ুন , চুক্তির ভাষা এমন কেন উভয় পক্ষকেই ‘বিজয়ী’ দেখানোর ব্যাখ্যাঅর্থ এবং সেটি বাস্তব হতাহতের পরিসংখ্যান নির্দেশ করে কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।একই সঙ্গে দক্ষিণ ইরানের মিনাব এলাকায় একটি স্কুলে হামলার ঘটনায়ও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে এ হামলার জন্য মার্কিন বাহিনীকে দায়ী করা হলেও, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আনুষ্ঠানিক তদন্ত ও চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিষয়টি এখনও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, চলমান সংঘাতের মধ্যে হতাহতের সংখ্যা, বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতি এবং সামরিক অভিযানের দায় নিয়ে তথ্যযুদ্ধও তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফলে এ ধরনের দাবির সত্যতা নিশ্চিত করতে স্বাধীন তদন্ত ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের অপেক্ষা জরুরি।

২ ঘন্টা আগে

রাজধানী

ধোলাইপাড়–যাত্রাবাড়ী এলাকায় সড়ক-ফুটপাত দখলমুক্ত করল ডিএসসিসি

ধোলাইপাড়–যাত্রাবাড়ী এলাকায় সড়ক-ফুটপাত দখলমুক্ত করল ডিএসসিসি

রাজধানীর সড়ক ও ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে। বুধবার পরিচালিত এ অভিযানে ধোলাইপাড় খালপাড় রোড, যাত্রাবাড়ী মোড় এবং শহীদ ফারুক সড়ক এলাকা লক্ষ্য করে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।ডিএসসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে এসব এলাকায় গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট, অস্থায়ী স্থাপনা এবং সড়ক-ফুটপাত দখল করে রাখা বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা উচ্ছেদ করা হয়।আরও  পড়ুন, গুলশান পুলিশকে বিতর্কিত করতেই মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার অভিযান চলাকালে ধোলাইপাড় খালপাড় রোড সম্পূর্ণ দখলমুক্ত করা হয় এবং খালপাড় সংলগ্ন সড়কটি সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এরপর ধোলাইপাড় থেকে যাত্রাবাড়ী মোড় এবং যাত্রাবাড়ী মোড় থেকে শহীদ ফারুক সড়ক পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযান শেষে ফুটপাত ও সড়ক পরিষ্কার করে পথচারী ও যানবাহনের নির্বিঘ্ন চলাচলের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করা হয়।ডিএসসিসি জানিয়েছে, নগরবাসীর জন্য নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও শৃঙ্খলাবদ্ধ নগর পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও জনস্বার্থে সড়ক ও ফুটপাতের অবৈধ দখল, অননুমোদিত স্থাপনা এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

৭ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়লেন মেসি: হ্যাটট্রিকে ক্লোসার পাশে

বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়লেন মেসি: হ্যাটট্রিকে ক্লোসার পাশে

৩৯ বছরে পা রাখার ঠিক আট দিন আগে আরও এক অনন্য কীর্তি গড়লেনলিওনেল মেসি।কানসাস সিটির মাঠে আলজেরিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে ইতিহাসের পাতায় নতুন করে নাম লেখান তিনি।এই ম্যাচে তিনটি গোল করে বিশ্বকাপে তার মোট গোল সংখ্যা দাঁড়ায় ১৬-তে, যা জার্মানির Miroslav Klose-এর রেকর্ডের সমান।এটি ছিল মেসির জাতীয় দলের হয়ে ২০০তম ম্যাচ, যা তার ক্যারিয়ারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।আরও পড়ুন , বিশ্বকাপে কলম্বিয়ার দাপট, প্রথমার্ধেই উজবেকিস্তানকে চাপে রেখে লিডম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলায় আধিপত্য দেখায় আর্জেন্টিনা। প্রথম গোলটি আসে ২১ মিটার দূর থেকে দারুণ এক শটে, এরপর আরও দুটি গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি।ম্যাচ শেষে মেসি বলেন, রেকর্ডের শীর্ষে ওঠা অবশ্যই গর্বের, তবে তার কাছে এগুলো কেবল পরিসংখ্যান। দলীয় সাফল্যই তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।বিশ্বকাপে ২০ বছর আগে প্রথম গোল করার স্মৃতি ফিরিয়ে এনে একই দিনে নতুন করে ইতিহাস গড়েন এই আর্জেন্টাইন সুপারস্টার।

আইন আদালত

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে আটকের পর কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা সাজিয়ে গুলি ও নির্যাতনের মাধ্যমে পঙ্গু করার অভিযোগে দায়ের করা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার আজ শুরু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলাটির সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) ও সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।আরও পড়ুন, ‘আমি শুধু ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার’: আসামি সোহেলমামলাটি শুনানি করবেন মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। মামলার প্রধান আসামি আনিসুর রহমান-সহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম চলবে।প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর চৌগাছা উপজেলা শাখার তৎকালীন সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন এবং সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিন-কে একটি মামলায় আটক করে পুলিশ। অভিযোগে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারের পর তাদের আদালতে হাজির না করে কয়েকদিন নির্যাতন করা হয়।আরও পড়ুন, শিশু রামিসা হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি আজপ্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ একটি সাজানো ঘটনা তৈরি করে দুই নেতার পায়ে গুলি করা হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে চিকিৎসার একপর্যায়ে তাদের পা কেটে ফেলতে হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় আরও বলা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অস্ত্র মামলাটি পরবর্তীতে আদালতে ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়।এর আগে গত ২০ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। সে সময় আদালতে উপস্থিত আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। বর্তমানে অভিযুক্তদের মধ্যে আকিকুল ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান এবং জহরুল হক কারাগারে রয়েছেন।আরও পড়ুন, সাইপ্রাসে এস আলমের ভবন জব্দের নির্দেশঅন্যদিকে প্রধান আসামি আনিসুর রহমান, সাবেক ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল এবং এসআই মাজেদুল পলাতক রয়েছেন বলে ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানিয়েছে। উল্লেখ্য, মামলার অভিযোগগুলো প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত অভিযোগ। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের রায়ের মাধ্যমে অভিযুক্তদের দায়-দায়িত্ব চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর