দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1002.9 hPa
29.2° 83%
15mm
চট্টগ্রাম 1003.3 hPa
28° 90%
60° 15mm
রাজশাহী 999.8 hPa
36.7° 69%
10° 12mm
খুলনা 1002.4 hPa
29.3° 90%
15mm
বরিশাল 1003 hPa
28.2° 93%
20° 15mm
সিলেট 1003.2 hPa
26.8° 90%
20° 15mm
রংপুর 1002.1 hPa
29.6° 83%
20° 15mm
ময়মনসিংহ 1003.2 hPa
28.5° 88%
15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

পুলিশ সংস্কার কতদূর, কী ভাবছে সাধারণ মানুষ?

পুলিশ সংস্কার কতদূর, কী ভাবছে সাধারণ মানুষ?

দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ| সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশ প্রশাসনে একাধিক রদবদল, বদলি ও প্রশাসনিক সংস্কার উদ্যোগ নেওয়া হলেও সাধারণ মানুষের মনে এখনো একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, এই পরিবর্তন কি জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছে? নাকি কাঠামোগত ও নীতিগত আরও বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন? সাংবাদিকদের পর্যবেক্ষণ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, পুলিশ বাহিনীতে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হলেও এখনো অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে| বিশেষ করে অপরাধ দমন, রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী মহলের চাপ, জনসেবার মান এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাগত স্বাধীনতা নিয়ে নানা প্রশ্ন বিদ্যমান|আরও পড়ুন: আলোচনা, সমালোচনা আর দায়িত্বের গল্প: ওসি দাউদসাম্প্রতিক সময়ে পুলিশ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে কর্মকর্তাদের বদলি, নতুন দায়িত্ব প্রদান এবং কিছু ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে| সরকারের পক্ষ থেকে জনবান্ধব পুলিশিংয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে| থানাগুলোতে সেবার মান বাড়ানো, অভিযোগ গ্রহণে আন্তরিকতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত ব্যবস্থা চালুর মতো পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে| তবে শুধুমাত্র প্রশাসনিক রদবদল করলেই যে জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, বিষয়টি এত সহজ নয়| কারণ অপরাধের ধরন পরিবর্তন হচ্ছে, সাইবার অপরাধ বাড়ছে, মাদক ব্যবসা নতুন নতুন কৌশলে পরিচালিত হচ্ছে এবং সংঘবদ্ধ অপরাধচক্র আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে|বিশ্লেষকরা বলছেন, পুলিশে ব্যক্তি পরিবর্তনের চেয়ে প্রতিষ্ঠানগত সংস্কার বেশি জরুরি| একজন কর্মকর্তা বদলি হলে সাময়িক পরিবর্তন দেখা যেতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে হলে পুরো ব্যবস্থার সংস্কার প্রয়োজন| রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা এখনো নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে পুরোপুরি নিশ্চিন্ত নন| চুরি, ছিনতাই, কিশোর গ্যাং, মাদক ব্যবসা এবং বিভিন্ন ধরনের অপরাধের অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়| অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, থানায় গিয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেতে বিল¤^ হয়| আবার কোথাও কোথাও অভিযোগ গ্রহণে অনীহা বা দীর্ঘসূত্রতার অভিযোগও রয়েছে| যদিও পুলিশ কর্মকর্তারা এসব অভিযোগ অ¯^ীকার করে বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে সময় লাগে| তবে বাস্তবতা হলো, জনগণ দ্রুত ও কার্যকর সেবা প্রত্যাশা করে| একজন ভুক্তভোগী যখন থানায় যান, তখন তিনি আইনের জটিলতা নয়, সমস্যার সমাধান চান| সেই জায়গায় পুলিশকে আরও জনবান্ধব হতে হবে বলে মনে করেন সচেতন নাগরিকরা|আরও পড়ুন: গুলশান পুলিশকে বিতর্কিত করতেই মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারপুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনেক সময় বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতা বা স্থানীয় ক্ষমতাবানদের চাপের মুখে পড়তে হয়| ফলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে জটিলতা ˆতরি হয়| সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গিয়ে পুলিশ সদস্যরা নানা ধরনের চাপের সম্মুখীন হন| কখনো ফোনকল, কখনো সুপারিশ, আবার কখনো রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বাধা সৃষ্টি হয়|বিশেষজ্ঞদের মতে, পুলিশ যদি আইন প্রয়োগে ¯^াধীনতা না পায়, তাহলে অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখা কঠিন হয়ে পড়ে| কারণ অপরাধী যদি মনে করে তার রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রভাব তাকে রক্ষা করবে, তাহলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন সম্ভব নয়|পুলিশ বাহিনীকে কার্যকর করতে হলে তাদের পেশাগত স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে| একজন পুলিশ কর্মকর্তা যেন আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অযাচিত হস্তক্ষেপের শিকার না হন, সেই পরিবেশ সৃষ্টি করা জরুরি|আরও পড়ুন: প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদআইন-শৃঙ্খলা বিশ্লেষকরা বলছেন, একটি আধুনিক রাষ্ট্রে পুলিশকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে হয়| এতে জনগণের আস্থা বাড়ে এবং অপরাধীরা দ্রুত আইনের আওতায় আসে| বাংলাদেশে অনেক দক্ষ ও সৎ পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন| তারা আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন| কিন্তু যদি তাদের ওপর অযাচিত চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে তাদের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়| ফলে সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হন|রাজধানীর কয়েকটি থানার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, অনেক পুলিশ সদস্য আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করলেও কোথাও কোথাও সিদ্ধান্তহীনতা কাজ করছে| বিশেষ করে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা দেখা যায়|আরও পড়ুন: অপরাধ দমনে নতুন ছকে ডিএমপিএকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, থানায় গিয়ে অভিযোগ দেওয়ার পরও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি| পরে বিষয়টি উচ্চপর্যায়ে জানালে তদন্ত শুরু হয়| যদিও সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তারা দাবি করেন, প্রতিটি অভিযোগ আইন অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়|অন্যদিকে কিছু থানায় ভালো উদাহরণও রয়েছে| সেখানে ওসি ও তদন্ত কর্মকর্তারা সরাসরি অভিযোগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছেন| এমন উদ্যোগ জনমনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে|বর্তমান সময়ে শুধু অপরাধী গ্রেফতার করাই পুলিশের একমাত্র দায়িত্ব নয়| জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অপরাধ প্রতিরোধেও পুলিশের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ|বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে হবে| স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে অপরাধ প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করলে ইতিবাচক ফল পাওয়া সম্ভব| অনেক উন্নত দেশে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা রয়েছে| বাংলাদেশেও সেই ধরনের সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে| থানাকে ভয় নয়, আস্থার জায়গা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে|আরও পড়ুন: এনবিআরের কর্মকর্তা সহিদুল ইসলামের অবৈধ সম্পদের পাহাড়বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে| বাংলাদেশেও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে, তবে তা আরও বিস্তৃত করা প্রয়োজন| সিসিটিভি ক্যামেরা, ডিজিটাল ডাটাবেজ, সাইবার মনিটরিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং আধুনিক ফরেনসিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ালে অপরাধ তদন্ত আরও দ্রুত ও নির্ভুল হবে| অপরাধীরা প্রতিনিয়ত নতুন কৌশল ব্যবহার করছে| তাই পুলিশকেও প্রযুক্তিগতভাবে আরও দক্ষ হতে হবে| শুধু জনবল বৃদ্ধি নয়, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোও সময়ের দাবি| অনেক পুলিশ সদস্য দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন| উৎসব, ছুটির দিন কিংবা দুর্যোগকালেও তারা মাঠে কাজ করেন| কিন্তু তাদের কর্মপরিবেশ এবং কল্যাণমূলক সুবিধা নিয়ে এখনো নানা প্রশ্ন রয়েছে|বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পুলিশ সদস্যদের মানসিক চাপ কমানো, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করা এবং পেশাগত প্রশিক্ষণ বাড়ানো প্রয়োজন| কারণ একজন ক্লান্ত ও মানসিকভাবে চাপে থাকা সদস্যের কাছ থেকে সর্বোচ্চ সেবা আশা করা কঠিন| যদি পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করা যায়, তাহলে তাদের কর্মদক্ষতা এবং জনগণের প্রতি সেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে|আরও পড়ুন: ডিজিটাল হাইড্রোগ্রাফিতে নতুন সম্ভাবনা দেখছেন তারেক রহমানপুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা বাড়াতে হলে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি| কোনো সদস্য ক্ষমতার অপব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে| ভালো কাজের ¯^ীকৃতির পাশাপাশি অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে| এতে পুরো বাহিনীর ভাবমূর্তি উন্নত হবে| সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ক্ষেত্রে অনিয়মে জড়িত সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যা ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে| তবে এই প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করতে হবে|সাধারণ মানুষ একটি নিরাপদ সমাজ চায়| তারা চায় থানায় গেলে সম্মানজনক আচরণ, দ্রুত সেবা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হোক| পুলিশ রাজনৈতিক বা অন্য কোনো প্রভাবের ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করবে| অপরাধী যেই হোক, তার বিরুদ্ধে সমানভাবে আইন প্রয়োগ করা হবে|একজন নাগরিকের ভাষায়, “পুলিশ যদি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে এবং জনগণের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে অপরাধ অনেকটাই কমে আসবে| পুলিশ প্রশাসনে সাম্প্রতিক পরিবর্তন নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক উদ্যোগ| তবে শুধুমাত্র বদলি বা প্রশাসনিক রদবদল দিয়ে জননিরাপত্তার সব সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়| প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার, পেশাগত ¯^াধীনতা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, জবাবদিহিতা এবং জনবান্ধব পুলিশিং ব্যবস্থা| অপরাধ দমনে পুলিশকে কার্যকরভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে| একই সঙ্গে জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য বাহিনীকে আরও ¯^চ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং সেবামুখী হতে হবে| রাজনৈতিক বা প্রভাবশালী মহলের অযাচিত হস্তক্ষেপ বন্ধ করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা গেলে পুলিশ বাহিনী আরও শক্তিশালী হবে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ হবে| আরও পড়ুন: ১৫ বছরে যা হয়নি, ৩ মাসে তার চেয়ে বেশি হয়েছে : মির্জা ফখরুলসবশেষে বলা যায়, একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে পুলিশের ভূমিকা অপরিসীম| তাই পুলিশকে প্রয়োজনীয় স্বাধীনতা, আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং জনসমর্থন দিতে হবে| একই সঙ্গে বাহিনীর ভেতরে সংস্কার অব্যাহত রাখতে হবে| তাহলেই জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নয়ন সম্ভব হবে|

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

চিকিৎসা সংকটে কাঙালিনী সুফিয়া, সহায়তায় এবিজি ফাউন্ডেশন

দেশের বরেণ্য বাউল শিল্পী কাঙালিনী সুফিয়ার চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছে এবিজি ফাউন্ডেশন। চিকিৎসা ব্যয় বহনের পাশাপাশি তার হাতে নগদ এক লাখ টাকা সহায়তাও তুলে দেওয়া হয়েছে।বুধবার সন্ধ্যায় রাজবাড়ীর কল্যাণপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পে অবস্থিত সুফিয়া একাডেমির ভবনে এই অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়। এবিজি ফাউন্ডেশনের চিফ কোঅর্ডিনেটর মো. আমিনুল ইসলাম কাঙালিনী সুফিয়ার হাতে নগদ এক লাখ টাকা তুলে দেন। এ সময় ফাউন্ডেশনের কোঅর্ডিনেটর মো. আমির হোসেন মিয়াও উপস্থিত ছিলেন।জানা গেছে, কাঙালিনী সুফিয়ার চিকিৎসা অর্থের অভাবে আটকে আছে—এমন একটি সংবাদ নজরে আসার পরই এগিয়ে আসে এবিজি ফাউন্ডেশন। শিল্পীর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি তার চিকিৎসার সার্বিক দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দেয় প্রতিষ্ঠানটি।সহায়তা গ্রহণের পর কাঙালিনী সুফিয়া বলেন, তিনি বেশ কয়েকদিন ধরে অসুস্থ। অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না। এমনকি তার ডান হাতও ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। এ অবস্থায় চিকিৎসার জন্য অর্থ সহায়তা পাওয়ায় আরো পড়ুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৈষম্য নয়, চাই সম্প্রীতি ও মানবিকতাতিনি এবিজি ফাউন্ডেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।উল্লেখ্য, গত ১১ জুন রাজবাড়ীতে নিজ বাড়ির বাথরুমে মাথা ঘুরে পড়ে যান কাঙালিনী সুফিয়া। এরপর থেকে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও দীর্ঘদিন অর্থ সংকটের কারণে নিয়মিত চিকিৎসা বন্ধ ছিল। এমন পরিস্থিতিতে এবিজি ফাউন্ডেশনের এই সহায়তা শিল্পীর চিকিৎসা ও সুস্থতার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।দেশের বরেণ্য বাউল শিল্পী কাঙালিনী সুফিয়ার চিকিৎসার জন্য নগদ অর্থসহ সার্বিক দায়িত্ব নিয়েছে এবিজি ফাউন্ডেশন। তার চিকিৎসা অর্থের অভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর প্রকাশের পর সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয় প্রতিষ্ঠানটি।বুধবার সন্ধ্যায় রাজবাড়ীর কল্যাণপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পে অবস্থিত সুফিয়া একাডেমির ভবনে কাঙালিনী সুফিয়ার হাতে নগদ এক লাখ টাকা তুলে দেন এবিজি ফাউন্ডেশনের চিফ কোঅর্ডিনেটর মো. আমিনুল ইসলাম। এ সময় ফাউন্ডেশনের কোঅর্ডিনেটর মো. আমির হোসেন মিয়াও উপস্থিত ছিলেন।জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ রয়েছেন কাঙালিনী সুফিয়া। চিকিৎসার অভাবে তিনি কোথাও যেতে পারছিলেন না। তার ডান হাতও ভাঙা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে অর্থসংকটের কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা বন্ধ ছিল বলে জানা গেছে।সহায়তা পাওয়ার পর কাঙালিনী সুফিয়া বলেন, তিনি কয়েকদিন ধরে শারীরিকভাবে অসুস্থ এবং চিকিৎসার অভাবে ভোগান্তিতে ছিলেন। এই অবস্থায় চিকিৎসার জন্য অর্থ সহায়তা পাওয়ায় তিনি এবিজি ফাউন্ডেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।উল্লেখ্য, গত ১১ জুন রাজবাড়ীতে নিজ বাড়ির বাথরুমে মাথা ঘুরে পড়ে যান কাঙালিনী সুফিয়া। এরপর তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়। এমন অবস্থায় চিকিৎসা ব্যয় বহনের দায়িত্ব নেওয়া এবং নগদ সহায়তা দেওয়ার ঘটনায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন শিল্পীর স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের লোকসংগীতের এই কিংবদন্তি শিল্পীর চিকিৎসায় করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এবিজি ফাউন্ডেশনের এই সহায়তা প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এতে তার চিকিৎসা প্রক্রিয়া আবারও সচল হওয়ার পথ তৈরি হলো।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৈষম্য নয়, চাই সম্প্রীতি ও মানবিকতা

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। আগামী দিনের নেতৃত্ব গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হতে হবে।বুধবার রাজধানীর ডন বস্কো স্কুল পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি বিদ্যালয়ের অবকাঠামো ঘুরে দেখেন এবং শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেন।ডেপুটি স্পিকার বলেন, ডন বস্কো স্কুলে বিভিন্ন ধর্মের শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে পড়াশোনা করছে, যা সম্প্রীতি ও সংস্কৃতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত। তিনি শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করার আহ্বান জানান এবং বলেন, শুধু পাঠ্যবই নয়, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধেও সমৃদ্ধ হতে হবে।শিক্ষকদের উদ্দেশে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের বৈষম্যের সুযোগ থাকা উচিত নয়। সব শিক্ষার্থীকে সমানভাবে বিকশিত হওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি শিশুদের বাংলাদেশি কৃষ্টি-সংস্কৃতি, খেলাধুলা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, শিশু-কিশোরদের মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে পরিবার, শিক্ষা আরো পড়ুন , ১৭ বছর এমন কার্যকর সংসদ পাইনি: স্পিকারাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আগামী প্রজন্মকে সুস্থ, সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে ভূমিকা রাখতে হবে।বিদ্যালয়ের উন্নয়নে সরকারি সহায়তার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে অবকাঠামো ও শিক্ষা পরিবেশ উন্নয়নে সরকার ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।পরিদর্শন শেষে ডেপুটি স্পিকার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন এবং শিক্ষার্থীদের অটোগ্রাফ দেন। এ সময় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, অভিভাবক প্রতিনিধি, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

১৭ বছর এমন কার্যকর সংসদ পাইনি: স্পিকার

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশ একটি কার্যকর সংসদ পেয়েছে। গণমাধ্যমের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ আরও মহিমান্বিত হবে এবং সংসদের প্রতি জনগণের আস্থা আরও বাড়বে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।বুধবার জাতীয় সংসদের সাংবাদিক লাউঞ্জে বাংলাদেশ পার্লামেন্ট জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন—বিপিজেএ আয়োজিত ‘ফল উৎসব-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।স্পিকার বলেন, বাংলাদেশের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে একটি কার্যকর সংসদের অপেক্ষায় ছিল। অতীতের কিছু সংসদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, এমন সময়ও গেছে যখন টেলিভিশনে একজনকে নির্বাচিত হতে দেখা গেছে, পরে সংসদে গিয়ে দেখা গেছে অন্য কেউ সদস্য হয়ে বসে আছেন। বিশেষ করে অতীতের কিছু সংসদের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি বলেন, সে সময়ের সংসদের সদস্য ছিলেন—এ কথা বলতেও তার লজ্জা লাগে।হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ১৯৯১ সালের সংসদের পর এবারই আবার একটি সত্যিকারের সংসদ গঠিত হয়েছে। এবারের নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।আরও পড়ুন, বুলেট ট্রেনে বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার ভাষায়, অনেকেই এবার নিজগুণে নির্বাচিত হয়েছেন, যাদের আগে তেমন রাজনৈতিক পরিচিতি ছিল না। ভোটের ধরন দেখে মনে হয়েছে, সাধারণ মানুষ পরিবর্তন দেখতে চায়।স্পিকার আরও বলেন, অতীতে সংসদ ও সংসদ সদস্যদের কিছু কর্মকাণ্ডে মানুষ সন্তুষ্ট ছিল না। এখন জনগণ প্রকৃত সংসদ চায়। তাই নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের দায়িত্বও আগের চেয়ে অনেক বেশি। জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই এখন তাদের মূল কাজ হওয়া উচিত।অনুষ্ঠানে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, সংসদকে দেশের সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। আর গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সাংবাদিকদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি বলেন, সংসদকে জনগণের আরও কাছে নিয়ে যেতে সাংবাদিকদের সব উদ্যোগে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।ফল উৎসবে সরকার ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্য, জাতীয় সংসদের কর্মকর্তা, তথ্যসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং সংসদ সাংবাদিকরা অংশ নেন। পুরো আয়োজনটি সংসদ ও গণমাধ্যমের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার একটি ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে।

বুলেট ট্রেনে বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

চীনের লিয়াওনিং প্রদেশের ডালিয়ান থেকে হাই-স্পিড বুলেট ট্রেনে করে বেইজিং পৌঁছেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার চীনের স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় ডালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা করে বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে তিনি চীনের রাজধানীতে পৌঁছান। এ সময় তার সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।এর আগে, একই দিন সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডালিয়ানে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম—ডব্লিউইএফের ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’ সম্মেলনে অংশ নেন। ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘১৭তম অ্যানুয়াল মিটিং অব দ্য নিউ চ্যাম্পিয়নস’-এ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান, নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা অংশ নেন।সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছাড়াও গিনির প্রধানমন্ত্রী আমাদু উরি বাহ, কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওলজাস বেকতেনভ, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন সেওক, আরও পড়ুন ,জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে অবসর ভাতা পাবেন বেসরকারি শিক্ষকরা: শিক্ষামন্ত্রীমঙ্গোলিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিয়াম ওসর উচরাল এবং মন্টিনিগ্রোর প্রধানমন্ত্রী মিলোইকো স্পাইজিচ অংশ নেন। আয়োজকদের তথ্যমতে, ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে ১ হাজার ৭০০ জনের বেশি প্রতিনিধি এই সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’-এ প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এই প্ল্যাটফর্মে বৈশ্বিক বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি, বাণিজ্য ও টেকসই উন্নয়ন নিয়ে বিশ্বের শীর্ষ পর্যায়ের সিদ্ধান্তনির্ধারকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ একদিকে নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ, অন্যদিকে উন্নত অর্থনীতির সেরা অনুশীলন ও অভিজ্ঞতা গ্রহণের সুযোগ পেতে পারে।চীন সফরের এই ধাপকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। ডালিয়ান থেকে বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর যাত্রা এখন দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় আলোচনা, বিনিয়োগ সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সহযোগিতার দিকেই নতুন করে নজর তৈরি করেছে।

রাজনীতিরাজনীতি

আওয়ামী লীগ বিচারের কাঠগড়ায়, বিএনপি জনগণের কাঠগড়ায় : নাহিদ ইসলাম

আওয়ামী লীগ বিচারের কাঠগড়ায়, বিএনপি জনগণের কাঠগড়ায় : নাহিদ ইসলাম

রাজধানীর বিজয়নগরে ১১ দলীয় ঐক্য সমাবেশে কঠোর রাজনৈতিক মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, গণহত্যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ইতোমধ্যে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েছে, আর সংস্কার না করায় বিএনপি জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েছে।মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে নাহিদ ইসলাম বলেন, গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পার হলেও এখনো বিচার দাবিতে রাজপথে নামতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত হতাশাজনক।তিনি দাবি করেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা হত্যাকাণ্ড, জুলাইয়ের ঘটনা এবং ওসমান হাদীর হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় বর্তমান সরকারের টিকে থাকা কঠিন হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।আরও  পড়ুন, নাশকতা ও হামলার অভিযোগে সারাদেশে পুলিশের অভিযান, আটক ৮৪নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, গত চার মাসে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে কোনো নতুন রায় বা তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়েনি, যা বিচার প্রক্রিয়ায় ব্যর্থতার ইঙ্গিত দেয়।তিনি আইনমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও তথ্যমন্ত্রীকে ব্যর্থ বলে উল্লেখ করে তাদের পদত্যাগ দাবি করেন।আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে দলটি গুম, খুন ও সহিংসতার সঙ্গে জড়িত ছিল, যার ফলেই গণঅভ্যুত্থানের মুখে তাদের নেতৃত্ব দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়।সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকসহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

নাশকতা ও হামলার অভিযোগে সারাদেশে পুলিশের অভিযান, আটক ৮৪

নাশকতা ও হামলার অভিযোগে সারাদেশে পুলিশের অভিযান, আটক ৮৪

সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ অভিযানে হামলা, নাশকতা ও বিভিন্ন মামলার অভিযোগে ৮৪ জনকে আটক করা হয়েছে। সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন জেলায় পরিচালিত অভিযানে এসব আটক করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ এবং সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী রয়েছেন। এছাড়া ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি, মাদক মামলার অভিযুক্ত এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলার সন্দেহভাজনদেরও গ্রেফতার করা হয়েছে।কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া,আরও  পড়ুন, আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজবরিশাল, খাগড়াছড়ি, সাভার, রাঙামাটি, সাতক্ষীরা, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, ঝালকাঠি ও পটুয়াখালীসহ বিভিন্ন জেলায় একযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়।রাঙামাটিতে সবচেয়ে বেশি ১৬ জনকে আটক করা হয়েছে। গাজীপুরে পৃথক অভিযানে গ্রেফতার হয়েছেন ১৫ জন। সাভারে মহাসড়কে মিছিলের প্রস্তুতির অভিযোগে আওয়ামী লীগের ৬ সমর্থককে আটক করেছে পুলিশ।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং নাশকতা প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরান ঢাকার কে এম দাস লেনের ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেনে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রথম প্রধান বিরোধী দল হিসেবে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।প্রথম কাউন্সিলে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী সভাপতি এবং শামসুল হক সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তখন কারাগারে বন্দি থাকায় তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে সর্বসম্মতিক্রমে দলের যুগ্ম সম্পাদক করা হয়।পরবর্তীতে ১৯৫৩ সালের ময়মনসিংহের দ্বিতীয় কাউন্সিলে মওলানা ভাসানী সভাপতি এবং শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।আরও পড়ুন, রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে’ ছাত্রদলের বিক্ষোভ সমাবেশ১৯৫৫ সালের তৃতীয় কাউন্সিলে দলের নাম থেকে ‘মুসলিম’ শব্দ বাদ দিয়ে নামকরণ করা হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ। স্বাধীনতার পর এটি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নামে পরিচিত হয়।১৯৬৬ সালে ঐতিহাসিক ছয় দফা ঘোষণার প্রাক্কালে শেখ মুজিবুর রহমান দলের সভাপতি নির্বাচিত হন।পরবর্তীতে ১৯৮১ সালের কাউন্সিলে শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন।দলটির দীর্ঘ এই পথচলায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ বহু অধ্যায় যুক্ত রয়েছে।

রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে’ ছাত্রদলের বিক্ষোভ সমাবেশ

রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে’ ছাত্রদলের বিক্ষোভ সমাবেশ

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল।রোববার বিকেল ৫টায় রাজধানীর প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়ক থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে মিছিলটি গুলশান-২ সার্কেল প্রদক্ষিণ করে শেষ হয়।বিক্ষোভ মিছিলে ঢাকায় অবস্থিত প্রায় ৪৫ থেকে ৫০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।মিছিলে নেতৃত্ব দেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি মো. আবু হোরায়রা। আরও পড়ুন,গুম-খুনের বিচার চেয়ে মাঠে ১১ দল, আজ বিজয়নগরে সমাবেশএ সময় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এম. রাজিবুল ইসলাম তালুকদার, সিনিয়র সহ-সভাপতি রিসালাত ইসলাম সজীবসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তারা রাষ্ট্রবিরোধী যেকোনো কর্মকাণ্ড ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজকে সোচ্চার থাকার আহ্বান জানান।ছাত্রদলের নেতারা আরও বলেন, অতীতের স্বৈরাচারী শাসনের পুনরাবৃত্তি আর হতে দেওয়া হবে না এবং গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সংগঠনটি ভবিষ্যতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।

সারাবাংলা

জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী মাজারে নতুন ব্যবস্থাপনা কাঠামো: আরিফুল হক

জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী মাজারে নতুন ব্যবস্থাপনা কাঠামো: আরিফুল হক

মাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেছেন, মাজারের ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা অস্বচ্ছতার সুযোগ দেওয়া হবে না। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক কাঠামো গড়ে তোলা হবে।বুধবার সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের চলমান বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।মন্ত্রী জানান, প্রবাসীদের জন্য আধুনিক ও উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিপুলসংখ্যক প্রবাসী যাত্রী ব্যবহার করায় বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদার, রাতের ফ্লাইটে যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত, শিশুদের জন্য ‘কিডস জোন’ স্থাপনসহ বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, বিশেষ করে বয়োজ্যেষ্ঠ, অসুস্থ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন যাত্রীদের জন্য লাগেজ ব্যবস্থাপনা, সহায়ক সেবা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে প্রবাসীরা যেন বিমানবন্দরে কোনো ধরনের হয়রানি বা ভোগান্তির শিকার না হন, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।মালয়েশিয়া সফর প্রসঙ্গে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, সফরটি অত্যন্ত সফল ও ফলপ্রসূ হয়েছে। দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের আলোচনার ফলে শ্রমবাজার ও জনশক্তি রপ্তানিতে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আরো পড়ুন , চট্টগ্রামের খাল দখলমুক্তে কঠোর অবস্থানে চসিকআগামী জুলাইয়ের মধ্যেই মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ সফর করবেন এবং চলমান বিষয়গুলোতে দৃশ্যমান অগ্রগতি পাওয়া যাবে।এছাড়া কাতারে নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ দেশে আনা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার বিষয়টিকে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী।পরিদর্শনকালে সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব দেবজিৎ সিংহ, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ শামছুল ইসলাম, সিলেটের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক পিংকি সাহা এবং ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে মন্ত্রী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

চট্টগ্রামের খাল দখলমুক্তে কঠোর অবস্থানে চসিক

চট্টগ্রামের খাল দখলমুক্তে কঠোর অবস্থানে চসিক

চট্টগ্রাম নগরের খাল ও ছড়া দখল করে রাখা অবৈধ দখলদারদের স্বেচ্ছায় সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, কেউ স্বেচ্ছায় দখল না ছাড়লে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।বুধবার সকালে নগরের দক্ষিণ পাহাড়তলী এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ডে ঢুলুনিয়া ঢালা ছড়া, খাগড়িয়া ছড়া এবং খোশাল শাহ ছড়া পরিদর্শন ও পুনঃখনন কার্যক্রম উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।মেয়র বলেন, খাল ও ছড়াগুলো নগরবাসীর সম্পদ। কিন্তু দখল ও দূষণের কারণে এসব জলাধারের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, ফলে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। যারা খাল-ছড়া দখল করে রেখেছেন, তাদের দ্রুত অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, অনেক জায়গায় খালের ওপর স্থাপিত স্ল্যাব ও বিভিন্ন অবকাঠামো পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব আরো পড়ুন , দাম না পেয়ে ক্ষোভ ও অভিমানে নিজের উৎপাদিত পেঁয়াজ পানিতে ফেললেন রাজবাড়ীর কৃষকসমস্যা চিহ্নিত করে পুরো খাল পরিষ্কার ও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ওয়ার্ডভিত্তিক জলাবদ্ধতার কারণ শনাক্ত করে পরিকল্পিতভাবে কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।চসিক মেয়র আরও বলেন, নগরের ৪০টি খালের উন্নয়ন পরিকল্পনা বা ডিপিপি প্রণয়নের কাজ চলছে। এর আওতায় খাগড়িয়া ছড়া, খোশাল শাহ ছড়াসহ গুরুত্বপূর্ণ জলাধারগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পরিকল্পনায় খালের গভীরতা বৃদ্ধি, রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং আধুনিক ওয়াকওয়ে নির্মাণের বিষয়ও রয়েছে।তিনি বলেন, হালদা নদী রক্ষা করতে হলে এর সঙ্গে সংযুক্ত খাল-ছড়াগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। দীর্ঘদিনের অবহেলায় অনেক খাল ও ছড়া নাব্যতা হারিয়েছে। ধাপে ধাপে এসব জলপথ পুনরুদ্ধার করে নগরবাসীকে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে চসিক।এ সময় চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

দাম না পেয়ে ক্ষোভ ও অভিমানে নিজের উৎপাদিত পেঁয়াজ পানিতে ফেললেন রাজবাড়ীর কৃষক

দাম না পেয়ে ক্ষোভ ও অভিমানে নিজের উৎপাদিত পেঁয়াজ পানিতে ফেললেন রাজবাড়ীর কৃষক

রাজবাড়ীতে পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে ক্ষোভ আর হতাশায় নিজের কষ্টের ফসল পানিতে ফেলে প্রতিবাদ জানিয়েছেন এক কৃষক। এ ঘটনা শুধু একজন কৃষকের ক্ষোভ নয়, বরং জেলার হাজারো পেঁয়াজ চাষির দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও আর্তনাদের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে।মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার সোনাপুর বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি করতে আসেন স্থানীয় কৃষকরা। ভোর থেকে মাঠের ফসল নিয়ে বাজারে ছুটে এলেও দিনের শেষে অনেকের কপালে জোটেনি ন্যায্য দাম। উৎপাদন খরচের সঙ্গে বাজারদরের বিশাল ব্যবধান দেখে অনেকেই পেঁয়াজ বিক্রি না করে বাড়ি ফিরে যান।এ সময় ক্ষুব্ধ কৃষক আলী আজগর নিজের ৬ বস্তা পেঁয়াজ বাজার সংলগ্ন পানিতে ফেলে দেন। বছরের পর বছর ঘাম ঝরিয়ে উৎপাদন করা ফসল এভাবে পানিতে ভাসিয়ে দেওয়ার দৃশ্য উপস্থিত মানুষকে নাড়া দেয়। কেউ কেউ সেই মুহূর্ত ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে ঘটনাটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে।আরও  পড়ুন, বিশেষ অভিযানে ৭ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণস্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য, বীজ, সার, কীটনাশক, সেচ ও শ্রমিক খরচ মিটিয়ে এখন প্রতি মণ পেঁয়াজ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি করা মানে নিশ্চিত লোকসান। তাদের দাবি, বর্তমান বাজারদরে উৎপাদন খরচও উঠে আসে না। ফলে ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে পরিবার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে।একাধিক কৃষক আক্ষেপ করে বলেন, “মাঠে ফসল ফলাতে আমাদের যে কষ্ট, তার মূল্য কেউ দেয় না। পেঁয়াজ বিক্রি করে লাভ তো দূরের কথা, খরচও উঠছে না। এমন অবস্থা চলতে থাকলে আগামীতে অনেকেই পেঁয়াজ চাষ ছেড়ে দিতে বাধ্য হবেন।”কৃষকের চোখের জল আর পানিতে ভেসে যাওয়া পেঁয়াজ যেন আজ একটাই প্রশ্ন ছুড়ে দিচ্ছে—ঘাম ঝরিয়ে ফসল ফলানো মানুষ কি কখনো তার ন্যায্য মূল্য পাবে?পেঁয়াজের বাজার পরিস্থিতি দ্রুত পর্যালোচনা করে কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী কৃষকরা।

বিশেষ অভিযানে ৭ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

বিশেষ অভিযানে ৭ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা পুলিশ ২৪ জুন ২০২৬ তারিখে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ও প্রসিকিউশন কার্যক্রমের আওতায় মোট ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে। পরে তাদের আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সন্ত্রাস বিরোধী আইনের একটি মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন মোঃ ইব্রাহিম (৪৫) ও মোঃ দেলোয়ার হোসেন (৪৪)।এছাড়া সড়ক পরিবহন সংক্রান্ত একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মোঃ শাহিন (২৫) কে গ্রেফতার করা হয়।আরও  পড়ুন , জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম গড়তে খাল পুনরুদ্ধারে দখলদারদের স্বেচ্ছায় সরে যাওয়ার আহ্বান মেয়রেরদস্যুতা মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে মোঃ আলমগীর হোসেন সাগর (২১) কে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।অন্যদিকে, জিএমপি অধ্যাদেশে পরিচালিত প্রসিকিউশন কার্যক্রমে মোঃ মঞ্জিল মোল্লা (৪২), মোঃ মোবারক (৩০) এবং মোঃ রাকিব (১৯) নামের আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।বাসন থানা পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং তাদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের

আন্তর্জাতিক

হরমুজে ‘নো টোল’ বার্তা, ভুল হলে আলোচনা শেষ: ট্রাম্প

হরমুজে ‘নো টোল’ বার্তা, ভুল হলে আলোচনা শেষ: ট্রাম্প

মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জলপথগুলোর একটি হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন করে কূটনৈতিক বার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের কাছ থেকে কোনো ধরনের টোল, বীমা খরচ বা অতিরিক্ত ফি আদায় করা হবে না বলে তাকে আশ্বস্ত করেছে ইরান।বুধবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছে—হরমুজ প্রণালি অতিক্রমকারী জাহাজগুলোর কাছ থেকে কোনো টোল, কোনো বীমা খরচ কিংবা অন্য কোনো ধরনের অর্থ নেওয়া হবে না। একইসঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, এই তথ্য যদি ভুল প্রমাণিত হয়, তাহলে ইরানের সঙ্গে আলোচনা সঙ্গে সঙ্গে শেষ হয়ে যাবে।তবে ৬০ দিনের আলোচনাকাল শেষ হওয়ার পরও এই অবস্থান বহাল থাকবে কি না, সে বিষয়ে ট্রাম্প স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেননি। ফলে বিষয়টি সাময়িক আশ্বাস, নাকি দীর্ঘমেয়াদি আরো পড়ুন , মিনিটেই মাটিতে মিশল নির্মাণাধীন গুদাম, প্রাণ গেল ৩ শ্রমিকেরসমঝোতার অংশ—তা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।এর আগে ইরান বারবার বলেছে, তারা হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজের কাছ থেকে সরাসরি টোল নয়, বরং সামুদ্রিক সেবা বাবদ ফি আদায়ের পরিকল্পনা করছে। কিন্তু এ পরিকল্পনার কড়া বিরোধিতা করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের আশঙ্কা, এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক নৌপথে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে।এদিকে মঙ্গলবার ইরান ও ওমান যৌথভাবে জানায়, হরমুজ প্রণালি পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রদত্ত বিভিন্ন সেবার বিপরীতে কী পরিমাণ অর্থ আদায় করা হবে, তা তারা পর্যালোচনা করছে। একইসঙ্গে দুই দেশই এই কৌশলগত জলপথের ওপর নিজেদের সার্বভৌম অধিকার রয়েছে বলে জোর দিয়ে উল্লেখ করেছে।বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র হরমুজ প্রণালি। ফলে এই জলপথে যেকোনো নতুন ফি, টোল বা কূটনৈতিক টানাপোড়েন সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে আন্তর্জাতিক তেলবাজার, জাহাজ চলাচল এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে।

৩ ঘন্টা আগে

রাজধানী

২২ বছর গৃহকর্মী  আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতন ও ধর্ষণের অভিযোগ ও সংবাদ সম্মেলন

২২ বছর গৃহকর্মী আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতন ও ধর্ষণের অভিযোগ ও সংবাদ সম্মেলন

রাজধানীর মিরপুর দীর্ঘ ২২ বছর ধরে গৃহকর্মী হিসেবে আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতন, শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার এবং পরবর্তীতে ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধের অভিযোগ তুলে প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী কুমু বেগম (২৯) গতকাল ঢাকার মিরপুর-১০ নম্বর এলাকার সেনপাড়া পর্বতার ৬ নম্বর রোডের ১৫ নম্বর বাড়িতে অবস্থিত ‘মিরপুর প্রেস ক্লাব’-এ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে এই অভিযোগগুলো তুলে ধরেন।শৈশব থেকে গৃহবন্দি জীবনের অভিযোগ,সংবাদ সম্মেলনে কুমু বেগম দাবি করেন, ছোটবেলায় পরিবারহীন হয়ে পড়ার পর ২০০৫ সালের দিকে মাত্র ৭ বছর বয়সে তাকে ঢাকার কাফরুল থানার উত্তর ইব্রাহিমপুর এলাকার মুন্সি বাড়ির বাসিন্দা মো: জাহাঙ্গীর লতিফ (৫০)-এর বাসায় গৃহপরিচারিকা হিসেবে নিয়ে আসা হয়।তার অভিযোগ অনুযায়ী, শুরুতে স্বাভাবিকভাবে কাজ করালেও পরবর্তীতে তাকে দীর্ঘদিন ধরে বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করানো হয় এবং ধীরে ধীরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের মাত্রা বাড়তে থাকে।তিনি আরও অভিযোগ করেন, একপর্যায়ে গৃহকর্তা তার ওপর যৌন নির্যাতন চালান, যা ভয়ের কারণে দীর্ঘদিন প্রকাশ করতে পারেননি।আটক রাখা ও বাসা থেকে বিতাড়নের অভিযোগ,ভুক্তভোগীর বক্তব্য অনুযায়ী, তাকে বহুবার বাসার ভেতরে আটকে রাখা হয় এবং এক পর্যায়ে তিন দিন পর্যন্ত তালাবদ্ধ অবস্থায় রাখা হয়েছিল বলেও তিনি অভিযোগ করেন।আরও  পড়ুন, দাম না পেয়ে ক্ষোভ ও অভিমানে নিজের উৎপাদিত পেঁয়াজ পানিতে ফেললেন রাজবাড়ীর কৃষকএছাড়া, বিয়ের বয়স হলে বিয়ের খরচ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি থাকলেও পরে তা না দিয়ে তাকে বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে তিনি দাবি করেন।তার ভাষ্যমতে, ২০২৪ সালের ৩১ জুলাই তাকে কোনো প্রকার অর্থ বা নিরাপত্তা ছাড়াই চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে একটি বাসে তুলে দেওয়া হয়।পরিবারবিরোধী অভিযোগ,সংবাদ সম্মেলনে কুমু বেগম আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর লতিফের স্ত্রী ও দুই কন্যাও তার ওপর নির্যাতন ও মানসিক চাপ সৃষ্টি করতেন, যাতে তিনি বাসা ছাড়তে বাধ্য হন।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।বকেয়া মজুরি ও ক্ষতিপূরণের দাবি,ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে পাঠানো আইনি নোটিশে শ্রম আইনের আওতায় বকেয়া মজুরি ও প্রতিশ্রুত অর্থসহ মোট ৮ লাখ ৮৪ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে।তার হিসাব অনুযায়ী, ১৯ বছরের বকেয়া বেতন (মাসিক ৩,০০০ টাকা হারে) ৬ লাখ ৮৪ হাজার টাকা এবং বিয়ের খরচ বাবদ প্রতিশ্রুত ২ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছে।আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি,কুমু বেগম জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে তিনি প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ, নারী ও শিশু নির্যাতন, শ্রম আইন লঙ্ঘন এবং মানব পাচারসহ একাধিক ধারায় মামলা করবেন।

৩ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

বিশ্বকাপে বিরল রেকর্ডে একসঙ্গে মেসি-রোনালদো

বিশ্বকাপে বিরল রেকর্ডে একসঙ্গে মেসি-রোনালদো

ফুটবল ইতিহাসে লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো—এই দুই নাম যেন এক অনন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রতীক। ক্লাব ফুটবল থেকে আন্তর্জাতিক মঞ্চ, প্রায় দুই দশক ধরে বিশ্বের কোটি ভক্তকে তারা উপহার দিয়েছেন অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত। এবার সেই দুই মহাতারকা বিশ্বকাপের মঞ্চে গড়লেন আরেকটি বিরল রেকর্ড—যেখানে তারা পাশাপাশি।বিশ্বকাপে কোনো খেলোয়াড়ের প্রথম ও সর্বশেষ গোলের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানের রেকর্ড এখন যৌথভাবে ধরে রেখেছেন মেসি ও রোনালদো। দুজনের ক্ষেত্রেই এই ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ২০ বছর ১১ দিন।ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোল করেছিলেন ২০০৬ সালের ১৭ জুন, ইরানের বিপক্ষে ম্যাচে। এরপর দীর্ঘ ক্যারিয়ারের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে তিনি উজবেকিস্তানের বিপক্ষে গোল করে সেই ব্যবধানকে নিয়ে যান ২০ বছর ১১ দিনে।অন্যদিকে, লিওনেল মেসি বিশ্বকাপে প্রথম গোলের দেখা পেয়েছিলেন ২০০৬ সালের ১৬ জুন, সার্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে। পরে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে গোল করে তিনিও ছুঁয়ে ফেলেন একই রেকর্ড—প্রথম ও সর্বশেষ বিশ্বকাপ গোলের ব্যবধান ২০ বছর ১১ দিন।আরও  পড়ুন, মায়ামিতে স্কটল্যান্ড সমর্থকদের দখল, ব্রাজিল ম্যাচের আগেই ‘বিশ্বকাপ পার্টি জোনশুধু এখানেই শেষ নয়। বিশ্বকাপে নিজ দেশের হয়ে সবচেয়ে কম বয়সে এবং সবচেয়ে বেশি বয়সে গোল করা ফুটবলারদের বিশেষ তালিকাতেও এখন জায়গা করে নিয়েছেন এই দুই কিংবদন্তি। এতদিন এই অনন্য অর্জনে একমাত্র নাম ছিল ডেনমার্কের কিংবদন্তি মাইকেল লাউড্রপ। এবার সেখানে যুক্ত হলো মেসি ও রোনালদোর নামও।আর্জেন্টিনার হয়ে মেসি প্রথম বিশ্বকাপ গোল করেছিলেন ১৮ বছর ৩৫৭ দিন বয়সে। আর তার সর্বশেষ গোলের সময় বয়স ছিল ৩৮ বছর ৩৬৩ দিন। অন্যদিকে, পর্তুগালের হয়ে রোনালদো প্রথম গোল করেন ২১ বছর ১৩২ দিন বয়সে এবং সর্বশেষ গোলের সময় তার বয়স ছিল ৪১ বছর ১৩৮ দিন।একসময় মাঠের লড়াইয়ে মুখোমুখি থাকা এই দুই মহাতারকা এখন রেকর্ডের পাতায়ও পাশাপাশি। দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিজেদের ধরে রাখার এই কীর্তি ফুটবল ইতিহাসে বিশেষভাবেই স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আইন আদালত

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে আটকের পর কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা সাজিয়ে গুলি ও নির্যাতনের মাধ্যমে পঙ্গু করার অভিযোগে দায়ের করা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার আজ শুরু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলাটির সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) ও সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।আরও পড়ুন, ‘আমি শুধু ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার’: আসামি সোহেলমামলাটি শুনানি করবেন মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। মামলার প্রধান আসামি আনিসুর রহমান-সহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম চলবে।প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর চৌগাছা উপজেলা শাখার তৎকালীন সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন এবং সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিন-কে একটি মামলায় আটক করে পুলিশ। অভিযোগে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারের পর তাদের আদালতে হাজির না করে কয়েকদিন নির্যাতন করা হয়।আরও পড়ুন, শিশু রামিসা হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি আজপ্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ একটি সাজানো ঘটনা তৈরি করে দুই নেতার পায়ে গুলি করা হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে চিকিৎসার একপর্যায়ে তাদের পা কেটে ফেলতে হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় আরও বলা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অস্ত্র মামলাটি পরবর্তীতে আদালতে ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়।এর আগে গত ২০ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। সে সময় আদালতে উপস্থিত আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। বর্তমানে অভিযুক্তদের মধ্যে আকিকুল ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান এবং জহরুল হক কারাগারে রয়েছেন।আরও পড়ুন, সাইপ্রাসে এস আলমের ভবন জব্দের নির্দেশঅন্যদিকে প্রধান আসামি আনিসুর রহমান, সাবেক ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল এবং এসআই মাজেদুল পলাতক রয়েছেন বলে ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানিয়েছে। উল্লেখ্য, মামলার অভিযোগগুলো প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত অভিযোগ। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের রায়ের মাধ্যমে অভিযুক্তদের দায়-দায়িত্ব চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর