দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1003.9 hPa
29.4° 77%
15mm
চট্টগ্রাম 1004.8 hPa
27.9° 90%
50° 15mm
রাজশাহী 1003.2 hPa
29° 92%
10° 15mm
খুলনা 1004.1 hPa
29° 88%
15mm
বরিশাল 1004.4 hPa
28.2° 90%
300° 15mm
সিলেট 1004.7 hPa
26.2° 95%
15mm
রংপুর 1003 hPa
28.1° 92%
15mm
ময়মনসিংহ 1004.1 hPa
96%
10° 15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

পুলিশ সংস্কার কতদূর, কী ভাবছে সাধারণ মানুষ?

পুলিশ সংস্কার কতদূর, কী ভাবছে সাধারণ মানুষ?

দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ| সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশ প্রশাসনে একাধিক রদবদল, বদলি ও প্রশাসনিক সংস্কার উদ্যোগ নেওয়া হলেও সাধারণ মানুষের মনে এখনো একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, এই পরিবর্তন কি জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছে? নাকি কাঠামোগত ও নীতিগত আরও বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন? সাংবাদিকদের পর্যবেক্ষণ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, পুলিশ বাহিনীতে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হলেও এখনো অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে| বিশেষ করে অপরাধ দমন, রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী মহলের চাপ, জনসেবার মান এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাগত স্বাধীনতা নিয়ে নানা প্রশ্ন বিদ্যমান|আরও পড়ুন: আলোচনা, সমালোচনা আর দায়িত্বের গল্প: ওসি দাউদসাম্প্রতিক সময়ে পুলিশ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে কর্মকর্তাদের বদলি, নতুন দায়িত্ব প্রদান এবং কিছু ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে| সরকারের পক্ষ থেকে জনবান্ধব পুলিশিংয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে| থানাগুলোতে সেবার মান বাড়ানো, অভিযোগ গ্রহণে আন্তরিকতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত ব্যবস্থা চালুর মতো পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে| তবে শুধুমাত্র প্রশাসনিক রদবদল করলেই যে জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, বিষয়টি এত সহজ নয়| কারণ অপরাধের ধরন পরিবর্তন হচ্ছে, সাইবার অপরাধ বাড়ছে, মাদক ব্যবসা নতুন নতুন কৌশলে পরিচালিত হচ্ছে এবং সংঘবদ্ধ অপরাধচক্র আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে|বিশ্লেষকরা বলছেন, পুলিশে ব্যক্তি পরিবর্তনের চেয়ে প্রতিষ্ঠানগত সংস্কার বেশি জরুরি| একজন কর্মকর্তা বদলি হলে সাময়িক পরিবর্তন দেখা যেতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে হলে পুরো ব্যবস্থার সংস্কার প্রয়োজন| রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা এখনো নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে পুরোপুরি নিশ্চিন্ত নন| চুরি, ছিনতাই, কিশোর গ্যাং, মাদক ব্যবসা এবং বিভিন্ন ধরনের অপরাধের অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়| অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, থানায় গিয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেতে বিল¤^ হয়| আবার কোথাও কোথাও অভিযোগ গ্রহণে অনীহা বা দীর্ঘসূত্রতার অভিযোগও রয়েছে| যদিও পুলিশ কর্মকর্তারা এসব অভিযোগ অ¯^ীকার করে বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে সময় লাগে| তবে বাস্তবতা হলো, জনগণ দ্রুত ও কার্যকর সেবা প্রত্যাশা করে| একজন ভুক্তভোগী যখন থানায় যান, তখন তিনি আইনের জটিলতা নয়, সমস্যার সমাধান চান| সেই জায়গায় পুলিশকে আরও জনবান্ধব হতে হবে বলে মনে করেন সচেতন নাগরিকরা|আরও পড়ুন: গুলশান পুলিশকে বিতর্কিত করতেই মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারপুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনেক সময় বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতা বা স্থানীয় ক্ষমতাবানদের চাপের মুখে পড়তে হয়| ফলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে জটিলতা ˆতরি হয়| সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গিয়ে পুলিশ সদস্যরা নানা ধরনের চাপের সম্মুখীন হন| কখনো ফোনকল, কখনো সুপারিশ, আবার কখনো রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বাধা সৃষ্টি হয়|বিশেষজ্ঞদের মতে, পুলিশ যদি আইন প্রয়োগে ¯^াধীনতা না পায়, তাহলে অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখা কঠিন হয়ে পড়ে| কারণ অপরাধী যদি মনে করে তার রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রভাব তাকে রক্ষা করবে, তাহলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন সম্ভব নয়|পুলিশ বাহিনীকে কার্যকর করতে হলে তাদের পেশাগত স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে| একজন পুলিশ কর্মকর্তা যেন আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অযাচিত হস্তক্ষেপের শিকার না হন, সেই পরিবেশ সৃষ্টি করা জরুরি|আরও পড়ুন: প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদআইন-শৃঙ্খলা বিশ্লেষকরা বলছেন, একটি আধুনিক রাষ্ট্রে পুলিশকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে হয়| এতে জনগণের আস্থা বাড়ে এবং অপরাধীরা দ্রুত আইনের আওতায় আসে| বাংলাদেশে অনেক দক্ষ ও সৎ পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন| তারা আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন| কিন্তু যদি তাদের ওপর অযাচিত চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে তাদের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়| ফলে সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হন|রাজধানীর কয়েকটি থানার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, অনেক পুলিশ সদস্য আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করলেও কোথাও কোথাও সিদ্ধান্তহীনতা কাজ করছে| বিশেষ করে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা দেখা যায়|আরও পড়ুন: অপরাধ দমনে নতুন ছকে ডিএমপিএকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, থানায় গিয়ে অভিযোগ দেওয়ার পরও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি| পরে বিষয়টি উচ্চপর্যায়ে জানালে তদন্ত শুরু হয়| যদিও সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তারা দাবি করেন, প্রতিটি অভিযোগ আইন অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়|অন্যদিকে কিছু থানায় ভালো উদাহরণও রয়েছে| সেখানে ওসি ও তদন্ত কর্মকর্তারা সরাসরি অভিযোগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছেন| এমন উদ্যোগ জনমনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে|বর্তমান সময়ে শুধু অপরাধী গ্রেফতার করাই পুলিশের একমাত্র দায়িত্ব নয়| জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অপরাধ প্রতিরোধেও পুলিশের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ|বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে হবে| স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে অপরাধ প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করলে ইতিবাচক ফল পাওয়া সম্ভব| অনেক উন্নত দেশে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা রয়েছে| বাংলাদেশেও সেই ধরনের সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে| থানাকে ভয় নয়, আস্থার জায়গা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে|আরও পড়ুন: এনবিআরের কর্মকর্তা সহিদুল ইসলামের অবৈধ সম্পদের পাহাড়বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে| বাংলাদেশেও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে, তবে তা আরও বিস্তৃত করা প্রয়োজন| সিসিটিভি ক্যামেরা, ডিজিটাল ডাটাবেজ, সাইবার মনিটরিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং আধুনিক ফরেনসিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ালে অপরাধ তদন্ত আরও দ্রুত ও নির্ভুল হবে| অপরাধীরা প্রতিনিয়ত নতুন কৌশল ব্যবহার করছে| তাই পুলিশকেও প্রযুক্তিগতভাবে আরও দক্ষ হতে হবে| শুধু জনবল বৃদ্ধি নয়, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোও সময়ের দাবি| অনেক পুলিশ সদস্য দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন| উৎসব, ছুটির দিন কিংবা দুর্যোগকালেও তারা মাঠে কাজ করেন| কিন্তু তাদের কর্মপরিবেশ এবং কল্যাণমূলক সুবিধা নিয়ে এখনো নানা প্রশ্ন রয়েছে|বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পুলিশ সদস্যদের মানসিক চাপ কমানো, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করা এবং পেশাগত প্রশিক্ষণ বাড়ানো প্রয়োজন| কারণ একজন ক্লান্ত ও মানসিকভাবে চাপে থাকা সদস্যের কাছ থেকে সর্বোচ্চ সেবা আশা করা কঠিন| যদি পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করা যায়, তাহলে তাদের কর্মদক্ষতা এবং জনগণের প্রতি সেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে|আরও পড়ুন: ডিজিটাল হাইড্রোগ্রাফিতে নতুন সম্ভাবনা দেখছেন তারেক রহমানপুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা বাড়াতে হলে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি| কোনো সদস্য ক্ষমতার অপব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে| ভালো কাজের ¯^ীকৃতির পাশাপাশি অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে| এতে পুরো বাহিনীর ভাবমূর্তি উন্নত হবে| সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ক্ষেত্রে অনিয়মে জড়িত সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যা ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে| তবে এই প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করতে হবে|সাধারণ মানুষ একটি নিরাপদ সমাজ চায়| তারা চায় থানায় গেলে সম্মানজনক আচরণ, দ্রুত সেবা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হোক| পুলিশ রাজনৈতিক বা অন্য কোনো প্রভাবের ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করবে| অপরাধী যেই হোক, তার বিরুদ্ধে সমানভাবে আইন প্রয়োগ করা হবে|একজন নাগরিকের ভাষায়, “পুলিশ যদি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে এবং জনগণের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে অপরাধ অনেকটাই কমে আসবে| পুলিশ প্রশাসনে সাম্প্রতিক পরিবর্তন নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক উদ্যোগ| তবে শুধুমাত্র বদলি বা প্রশাসনিক রদবদল দিয়ে জননিরাপত্তার সব সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়| প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার, পেশাগত ¯^াধীনতা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, জবাবদিহিতা এবং জনবান্ধব পুলিশিং ব্যবস্থা| অপরাধ দমনে পুলিশকে কার্যকরভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে| একই সঙ্গে জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য বাহিনীকে আরও ¯^চ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং সেবামুখী হতে হবে| রাজনৈতিক বা প্রভাবশালী মহলের অযাচিত হস্তক্ষেপ বন্ধ করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা গেলে পুলিশ বাহিনী আরও শক্তিশালী হবে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ হবে| আরও পড়ুন: ১৫ বছরে যা হয়নি, ৩ মাসে তার চেয়ে বেশি হয়েছে : মির্জা ফখরুলসবশেষে বলা যায়, একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে পুলিশের ভূমিকা অপরিসীম| তাই পুলিশকে প্রয়োজনীয় স্বাধীনতা, আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং জনসমর্থন দিতে হবে| একই সঙ্গে বাহিনীর ভেতরে সংস্কার অব্যাহত রাখতে হবে| তাহলেই জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নয়ন সম্ভব হবে|

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলায় মমতাজের জামিনে নতুন মোড়

সাবেক সংসদ সদস্য ও জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম-এর বিরুদ্ধে করা দুই মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।সোমবার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ দেন। আদালতে জামিন স্থগিতের আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু।এর আগে গত ১৫ জুন আশুলিয়া থানা-র একটি হত্যা মামলা, একটি হত্যাচেষ্টা মামলা এবং মিরপুর মডেল থানা-র একটি হত্যা মামলায় মমতাজ বেগমকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।পরবর্তীতে ওই তিন মামলায় দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়। এর মধ্যে একটি মামলার বিষয়ে রবিবার শুনানি শেষে কোনো আদেশ দেননি আদালত। তবে সোমবার দুই মামলায় দেওয়া জামিন স্থগিতের নির্দেশ আসে।মামলার নথি অনুযায়ী, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৫ সালের ১২ মে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে মমতাজ বেগমকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।পরদিন তাকে আদালতে হাজির করা হলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে ঢাকার বিভিন্ন থানায় হত্যাসহ আরো পড়ুন , তিন মাসে সন্দেহজনক হামে ৫৯০ শিশুর মৃত্যুএকাধিক অভিযোগে মামলা রয়েছে।মমতাজের জামিন স্থগিতের এ আদেশের ফলে মামলাগুলোর পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের দিকে এখন নজর সংশ্লিষ্ট মহলের।দুই মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম-কে হাইকোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন জামিন স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।সোমবার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু।গত ১৫ জুন হাইকোর্ট আশুলিয়া থানা-র একটি হত্যা মামলা, একটি হত্যাচেষ্টা মামলা এবং মিরপুর মডেল থানা-র একটি হত্যা মামলায় মমতাজ বেগমকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন প্রদান করেন।পরে ওই তিন মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়। এর মধ্যে একটি মামলার শুনানি রবিবার অনুষ্ঠিত হলেও আদালত কোনো আদেশ দেননি। তবে সোমবার দুই মামলার জামিন স্থগিত করা হয়।মামলার তথ্য অনুযায়ী, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ২০২৫ সালের ১২ মে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে মমতাজ বেগমকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরদিন তাকে আদালতে হাজির করা হলে কারাগারে পাঠানো হয়।বর্তমানে তার বিরুদ্ধে ঢাকার বিভিন্ন থানায় হত্যাসহ একাধিক অভিযোগে মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

তিন মাসে সন্দেহজনক হামে ৫৯০ শিশুর মৃত্যু

দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ১২৫ জন।সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৯৬৫ জন। আর চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২২ জুন পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৩ হাজার ৭৫৫ জনে।এ সময়ের মধ্যে পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া হামরোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ১৭১ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টাতেই নতুন করে ১৬০ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৭ হাজার আরো পড়ুন , মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনের দালিয়ানের উদ্দেশে রওনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান৭৪৩ জন। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭৩ হাজার ৯৮৫ জন।সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য হলো, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। আর ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে প্রাণ হারিয়েছে ৫৯০ শিশু।তবে স্বস্তির খবর হলো, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। যদিও চলতি প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকে নিশ্চিত হামে মোট ৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা, আক্রান্তদের দ্রুত শনাক্ত করা এবং শিশুদের স্বাস্থ্যসুরক্ষায় পরিবারগুলোকে আরও সচেতন হতে হবে।সারাদেশে হামের সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছেই। গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ১২৫ জন।সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৯৬৫ জন। আর ১৫ মার্চ থেকে ২২ জুন পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হামরোগীর আরো পড়ুন , স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারের সর্বাত্মক উদ্যোগ শুরুসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৩ হাজার ৭৫৫ জনে।এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষার মাধ্যমে ১৬০ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে। ফলে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা বেড়ে ১১ হাজার ১৭১ জনে পৌঁছেছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলমান প্রাদুর্ভাবের সময়ে সন্দেহজনক হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৭ হাজার ৭৪৩ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৯৮৫ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। আর ১৫ মার্চ থেকে ২২ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে ৫৯০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে।তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। যদিও চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মোট ৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে শিশুদের নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করা, আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসা প্রদান এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোনো বিকল্প নেই।

স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারের সর্বাত্মক উদ্যোগ শুরু

দেশে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসতন্ত্রের রোগ ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যাসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সর্বাত্মক সরকারি উদ্যোগ জোরদার করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে গঠিত ‘অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ সমন্বয় কমিটির’ প্রথম উচ্চ পর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে সচিবালয়ে।সোমবার অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। সভায় যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষরকারী ৩৫টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব ও সচিবরা অংশ নেন। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় কারিগরি সহযোগিতা দেয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বর্তমানে দেশের ৭১ শতাংশেরও বেশি মৃত্যুর জন্য দায়ী অসংক্রামক রোগ। এর মধ্যে প্রায় ৫১ শতাংশ মৃত্যু অকালপ্রাপ্ত, যা দেশের অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতা ও টেকসই উন্নয়নের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।তিনি বলেন, চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধে গুরুত্ব দিতে হবে। নিয়মিত হাঁটাচলা, কায়িক পরিশ্রম ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমে অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে আরো পড়ুন, গুজব-অপতথ্য ঠেকাতে নজরদারি জোরদার, ২৪ ঘণ্টা ফ্যাক্টচেক ইউনিট চালু : তথ্যমন্ত্রীকমানো সম্ভব। এ জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি উদ্ভাবনী ও সময়োপযোগী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের ওপর জোর দেন তিনি।সভায় সিদ্ধান্ত হয়, আগামী এক মাসের মধ্যে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ একজন করে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে মনোনয়ন দেবে। তাদের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী বিশেষ ওরিয়েন্টেশন আয়োজন করা হবে।এছাড়া আগামী এক থেকে তিন মাসের মধ্যে প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ নিজ নিজ খাতভিত্তিক সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করবে। এতে থাকবে মনিটরিং ব্যবস্থা ও পরিমাপযোগ্য সূচক।সভায় ‘হেলথ ইন অল পলিসিস’ বা ‘সব নীতিতে স্বাস্থ্য’ বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। উন্নয়ন পরিকল্পনা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পে অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধের বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি ডা. আহমেদ জামশীদ মোহাম্মদ বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের কারিগরি সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারের এই সমন্বিত উদ্যোগ কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে অসংক্রামক রোগজনিত মৃত্যু ও স্বাস্থ্যঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসতে পারে।

গুজব-অপতথ্য ঠেকাতে নজরদারি জোরদার, ২৪ ঘণ্টা ফ্যাক্টচেক ইউনিট চালু : তথ্যমন্ত্রী

দেশজুড়ে অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা ঠেকাতে সরকারের নজরদারি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।তিনি জানান, তথ্য অধিদপ্তরের সদর দপ্তরে একটি বিশেষায়িত ‘গুজব প্রতিরোধ ও ফ্যাক্ট চেকিং কমিটি’ ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্য দ্রুত যাচাই করে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্যবিবরণী ও প্রতিবাদলিপি গণমাধ্যমে পাঠানো হচ্ছে।আজ সোমবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে তিনি এসব তথ্য জানান।মন্ত্রী আরও বলেন, কেন্দ্রীয় পর্যায়ের পাশাপাশি বিভাগীয় শহরগুলোতেও আঞ্চলিক তথ্য অফিসগুলো নিজ নিজ এলাকার অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্য পর্যবেক্ষণ করছে।অপতথ্য ও সাইবার হয়রানি মোকাবেলায় জনসচেতনতা বাড়াতে নিয়মিত নিবন্ধ, ফিচার ও প্রচারণাও চালানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।আরও  পড়ুন, মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনের দালিয়ানের উদ্দেশে রওনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানঅন্যদিকে, পিআইবি’র ফ্যাক্টচেক উদ্যোগ ‘বাংলাফ্যাক্ট’ ইতিমধ্যে ১৬টি ভুয়া ওয়েবসাইট এবং ৪০০টির বেশি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করেছে বলে সংসদে জানানো হয়।এছাড়া এ পর্যন্ত ৭৮৩টি ফ্যাক্টচেক, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে বর্তমান সরকারের সময়েই ২২৯টি প্রকাশিত হয়েছে বলে তথ্য দেওয়া হয়।প্রতিদিন গড়ে ৩ থেকে ৫টি ভাইরাল দাবির সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করা হয়।সংসদে আরও জানানো হয়, ভুয়া তথ্য ছড়ানোর সঙ্গে জড়িত শত শত ফেসবুক ও এক্স অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ৬৪ জেলায় সাংবাদিকদের জন্য প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে প্রায় ছয় হাজার সাংবাদিককে ফ্যাক্টচেকিং ও ডিজিটাল সাংবাদিকতায় দক্ষ করে তোলা হয়েছে।সরকার জানিয়েছে, অপতথ্য মোকাবেলায় ভবিষ্যতে ‘ফ্যাক্টচেক ম্যানুয়াল’ও প্রকাশ করা হবে, যা সাংবাদিকদের জন্য সহায়ক গাইড হিসেবে কাজ করবে।

রাজনীতিরাজনীতি

গুম-খুনের বিচারের দাবিতে দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা এনসিপির

গুম-খুনের বিচারের দাবিতে দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা এনসিপির

দেশব্যাপী নতুন রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটি আগামীকাল মঙ্গলবার সব জেলা ও মহানগর শাখাকে বিক্ষোভ সমাবেশ করার নির্দেশ দিয়েছে।সোমবার দুপুরে এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের দ্বারা সংঘটিত গুম, খুন ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় দেশের সব জেলা ও মহানগরে একযোগে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।আরও  পড়ুন, ‘খুনের রাজনীতি পরিহার না করলে বিএনপিকেও জনগণ প্রত্যাখ্যান করবে’ : শিবির সভাপতিএদিকে একই দিনে রাজধানীর বিজয়নগরে পৃথক বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে ১১ দলীয় জোট।সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেন জোটের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আজাদ। তিনি জানান, সমাবেশে জোটভুক্ত দলগুলোর শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন, যার মধ্যে জামায়াত আমিরসহ বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।রাজনৈতিক অঙ্গনে একই দিনে একাধিক কর্মসূচি ঘোষণায় পরিস্থিতি ঘিরে বাড়তি নজর রাখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

‘খুনের রাজনীতি পরিহার না করলে বিএনপিকেও জনগণ প্রত্যাখ্যান করবে’ : শিবির সভাপতি

‘খুনের রাজনীতি পরিহার না করলে বিএনপিকেও জনগণ প্রত্যাখ্যান করবে’ : শিবির সভাপতি

গাইবান্ধায় ছাত্রশিবিরের ইউনিয়ন সভাপতি সাইফুল্লাহ হত্যার প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।রোববার রাত সাড়ে ৯টায় ঢাকা মহানগর ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে শাহবাগে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগের মতো খুনের রাজনীতি পরিহার না করলে জনগণ বিএনপিকেও প্রত্যাখ্যান করবে।আরও  পড়ুন, শাহবাগে বিক্ষোভ সমাবেশ, ২৩ জুন ‘নিষিদ্ধ লীগ’ প্রতিহতের ঘোষণা ছাত্রদলেরতিনি অভিযোগ করেন, গাইবান্ধায় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল্লাহর ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে, যা কোনো সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ হতে পারে না।নূরুল ইসলাম এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের বিচার না হলে ছাত্রসমাজকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

শাহবাগে বিক্ষোভ সমাবেশ, ২৩ জুন ‘নিষিদ্ধ লীগ’ প্রতিহতের ঘোষণা ছাত্রদলের

শাহবাগে বিক্ষোভ সমাবেশ, ২৩ জুন ‘নিষিদ্ধ লীগ’ প্রতিহতের ঘোষণা ছাত্রদলের

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগকে আগামী ২৩ জুন প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল।রোববার রাজধানীর শাহবাগে বিভিন্ন ইউনিটের ছাত্রদল নেতাকর্মীদের উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।সমাবেশে ‘স্বৈরাচার আর রাজাকার মিলেমিশে একাকার’ এবং ‘নিষিদ্ধ লীগের দালালেরা হুঁশিয়ার সাবধান’— এমন বিভিন্ন স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে শাহবাগ এলাকা।আরও  পড়ুন, মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, দ্রুত ফিরবেন কাজে: প্রতিমন্ত্রীবক্তব্যে ডা. আউয়াল অভিযোগ করে বলেন, জামায়াত-শিবির গিরগিটির মতো রং বদলায় এবং তাদের মাধ্যমেই নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে। তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের বর্তমান সাম্যাবস্থা একটি মহল মেনে নিতে পারছে না।এ সময় তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নিরাপদে বসবাস করছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ যারা তুলছেন, তাদের অসৎ উদ্দেশ্য রয়েছে।সমাবেশে ছাত্রদল নেতা ডা. সাব্বির, ডা. প্রিন্স, শাহ পরান, মিরাজ হোসেন, মেহেদী, কামরুল ও আশরাফুলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, দ্রুত ফিরবেন কাজে: প্রতিমন্ত্রী

মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, দ্রুত ফিরবেন কাজে: প্রতিমন্ত্রী

সুস্থ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।রবিবার (২১ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।পোস্টে তিনি দেশবাসীর দোয়া ও শুভকামনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।আরও  পড়ুন, মাদারীপুর-১ আসনের এমপিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য বিএনপি নেতা রাশেদ খানেরতিনি আরও বলেন, দ্রুতই পূর্ণ সুস্থতা লাভ করে মির্জা আব্বাস পুনরায় জনগণের মাঝে ফিরে এসে দেশের কল্যাণে তার দায়িত্ব ও কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন বলে আশা করা হচ্ছে।এর আগে তার শারীরিক অবস্থাকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল।

সারাবাংলা

কৃষকদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে

কৃষকদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে কুড়িগ্রামের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে জেলার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে কিছু এলাকায় পানি ঢুকে কৃষিজমি প্লাবিত হতে শুরু করেছে।সোমবার কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর পানি কিছুটা কমলেও কাউনিয়া পয়েন্টে তা এখনও বিপদসীমার ৫৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে দুধকুমার নদের পানি ৪৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে।এদিকে নীলফামারীর তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দেওয়ায় তিস্তা নদীর তীরবর্তী নিচু চরাঞ্চলে এর প্রভাব পড়েছে। নদীর পানি বাড়তে থাকায় চর ও দ্বীপচর এলাকায় পানি প্রবেশ শুরু করেছে।সবচেয়ে বেশি ক্ষতির আশঙ্কায় রয়েছেন কৃষকরা। আমন ধানের বীজতলা, শাকসবজি, পাট ও ভুট্টাখেতে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। রাজারহাট উপজেলার চর গতিয়াসাম, সরিষাবাড়ি এবং উলিপুরের চর গোড়াই পিয়ার ও রামনিয়াসহ বেশ কয়েকটি নিম্নাঞ্চল ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে।কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার জানিয়েছে, আগামী ৭২ ঘণ্টায় জেলার সব নদ-নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। ফলে নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা ও প্লাবনের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে।কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গজলডোবা ব্যারাজের ২০টি গেট খুলে দেওয়ায় তিস্তা নদীতে পানির চাপ বেড়েছে। তবে বর্তমানে জেলায় বড় ধরনের বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা না থাকলেও সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে কুড়িগ্রামের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। এতে জেলার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি এলাকায় পানি প্রবেশ করে কৃষিজমি প্লাবিত হতে শুরু করেছে।সোমবার দুপুরে আরো পড়ুন , মেহেরপুরে বিচারপতি জাফর আহমেদ: বিচারপ্রার্থীরা যেন অনুভব করেন রাষ্ট্র তাদের পাশে আছেকুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর পানি কিছুটা কমলেও কাউনিয়া পয়েন্টে তা এখনও বিপদসীমার ৫৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে দুধকুমার নদের পানি ৪৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে।এছাড়া ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা নদীর পানিও স্থিতিশীল থাকলেও নদীগুলোর চর ও দ্বীপচর এলাকায় পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। এর ফলে আমন ধানের বীজতলা, শাকসবজি, পাট ও ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসলি জমি ক্ষতির মুখে পড়েছে।রাজারহাট উপজেলার চর গতিয়াসাম ও সরিষাবাড়ি এবং উলিপুর উপজেলার চর গোড়াই পিয়ার ও রামনিয়াসহ বেশ কয়েকটি নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার জানিয়েছে, আগামী ৭২ ঘণ্টায় জেলার সব নদ-নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। ফলে নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা ও প্লাবনের ঝুঁকি রয়েছে।কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অংশের গজলডোবা ব্যারাজের ২০টি গেট খুলে দেওয়ায় তিস্তা নদীর পানি বেড়েছে। পাশাপাশি উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত এবং ভারতের মেঘালয় ও আসামে অব্যাহত বর্ষণের কারণে নদীগুলোর পানির চাপ বাড়ছে।তবে বর্তমানে বড় ধরনের বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা না থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

মেহেরপুরে বিচারপতি জাফর আহমেদ: বিচারপ্রার্থীরা যেন অনুভব করেন রাষ্ট্র তাদের পাশে আছে

মেহেরপুরে বিচারপতি জাফর আহমেদ: বিচারপ্রার্থীরা যেন অনুভব করেন রাষ্ট্র তাদের পাশে আছে

মেহেরপুর জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণে বিচারপ্রার্থী মানুষের সুবিধার্থে নির্মিত ‘ন্যায়কুঞ্জ’ এর উদ্বোধন করেছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি জাফর আহমেদ।এ সময় তিনি বলেন, “আমরা যে যেখান থেকে কাজ করছি, রাষ্ট্রের পক্ষে এবং জনগণের পক্ষে কাজ করছি। এই বিষয়টি মাথায় রেখে দায়িত্ব পালন করলে বিচারপ্রার্থী মানুষ অনুভব করবে যে রাষ্ট্র তাদের কথা ভাবে এবং তারা রাষ্ট্রের অংশীদার। বিচার বিভাগের সংশ্লিষ্টদের জনগণের প্রতি মানবিক আচরণ নিশ্চিত করতে হবে।”সোমবার সকালে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিচারপতি জাফর আহমেদ এসব কথা বলেন।উদ্বোধন শেষে বিচারপতি ন্যায়কুঞ্জের নামফলক উন্মোচন করেন, স্থাপনাটি পরিদর্শন করেন এবং সেখানে অনুষ্ঠিত মোনাজাতে অংশ নেন। পরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক শিল্পী রানী রায় বলেন, ন্যায়কুঞ্জ চালুর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সেবাপ্রাপ্তির সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে এবং মেহেরপুরের জনগণ আরও উন্নত সেবা পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।জেলা ও দায়রা জজ মো. গোলাম কবির বলেন, “ন্যায়কুঞ্জ শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি বিচার বিভাগের একটি মানবিক প্রতীক।”তিনি জানান, আদালতে আসা সাধারণ মানুষের বসা, বিশ্রাম, পানি পান ও সাময়িক অপেক্ষার সুবিধার কথা বিবেচনা করেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন, জাইমা রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর ফেইজবুকে পোস্টের অভিযোগ, কলেজছাত্র গ্রেপ্তারএর ফলে মামলা-সংক্রান্ত কাজে আসা মানুষ অন্তত প্রাথমিকভাবে কিছুটা স্বস্তি পাবেন।অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক।এ সময় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আলী মাসুদ শেখ, পারিবারিক আপিল আদালতের বিচারক মো. কেরামত আলী, শিশুর প্রতি সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এস. এম. মাসুদ জামান, মো. ওয়াহিদুজ্জামান, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ নাজনীন রেহেনা ও মুহাম্মদ নাছির উদ্দীন ফরাজী, অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাহিদুর রহমান ও মেঘা গুপ্তা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাজওয়ার আকরাম শাখাপি ইবনে সাজ্জাদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান, সিনিয়র সহকারী জজ (সদর) মো. মাসুদ রানা, পিপি নজরুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান তুহিন, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আসাদুল আজম খোকন, সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মো. নাসিম, সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মারুফ আহমেদ বিজনসহ বিচার বিভাগ, প্রশাসন ও আইনজীবী মহলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জাইমা রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর ফেইজবুকে পোস্টের অভিযোগ, কলেজছাত্র গ্রেপ্তার

জাইমা রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর ফেইজবুকে পোস্টের অভিযোগ, কলেজছাত্র গ্রেপ্তার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় সাবিদুল ইসলাম সিয়াম (১৭) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।রোববার (২১ জুন) দিবাগত রাতে তথ্যপ্রযুক্তি ও মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের উত্তর জগৎসার এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তের খালার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার সিয়াম আখাউড়া উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের আজমপুর গ্রামের শাহনেওয়াজ মিয়ার ছেলে। তিনি একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জাইমা রহমানকে নিয়ে ‘Sabidul Islam Siam’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে আপত্তিকর পোস্ট ছড়ানোর অভিযোগ পাওয়ার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আইডিটির ব্যবহারকারীকে শনাক্ত করে পুলিশ। পরে মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত করে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।আরও  পড়ুন, যাত্রীবাহী বাসে ৭০০ পিস ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তারএর আগে গত ১৯ জুন রাতে আখাউড়া থানায় এ ঘটনায় পৃথক দুটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আখাউড়া পৌর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রিফাতুল ইসলাম তারেক এবং উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক পলাশ মিয়া।অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তের ফেসবুক আইডি থেকে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে নিয়ে অশালীন, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর মন্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, এসব পোস্টে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাবেদুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযোগের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

যাত্রীবাহী বাসে ৭০০ পিস ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার

যাত্রীবাহী বাসে ৭০০ পিস ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার

বগুড়ার শাহজাহানপুরে যাত্রীবাহী বাসে ইয়াবা পাচারের সময় ৭০০ পিস ইয়াবাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) বগুড়া জেলা কার্যালয়।রোববার (২১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে ৪টা ২০ মিনিট পর্যন্ত শাহজাহানপুর উপজেলার নয়মাইল জামালপুর এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে পরিচালিত এক অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তারকৃত নারী হলেন লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার কুমলিহাট ইউনিয়নের বালাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মোছা. জরিনা (৫০)।ডিএনসি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল ঢাকা থেকে বগুড়াগামী আর-কে ট্রাভেলসের একটি যাত্রীবাহী কোচে অভিযান চালায়। এ সময় বাসের বি-৪ নম্বর আসনে বসা এক যাত্রীর দেহ ও তার সঙ্গে থাকা কালো রঙের ভ্যানিটি ব্যাগ তল্লাশি করা হয়।আরও  পড়ুন, সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন মাদক মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে: সিএমপি কমিশনারতল্লাশিতে স্কচটেপে মোড়ানো চারটি প্যাকেট থেকে মোট ৭০০ পিস অ্যাম্ফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার মোট ওজন ৭০ গ্রাম। এছাড়া মাদক ব্যবসার কাজে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন ও একটি সিমকার্ড জব্দ করা হয়েছে।এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় শাহজাহানপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার বাদী হয়েছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বগুড়া জেলা কার্যালয়ের উপপরিদর্শক মো. তাহিদুল আলম।ডিএনসি জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ইয়াবার চালানের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সম্পৃক্তদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

আন্তর্জাতিক

৬০ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা শিথিল

৬০ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা শিথিল

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল খাতের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ৬০ দিনের জন্য সাময়িকভাবে শিথিল করেছে। এর ফলে ইরান আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেল, পেট্রোকেমিক্যাল ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্য উৎপাদন, সরবরাহ এবং বিক্রি করতে পারবে।মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের ঘোষণায় বলা হয়েছে, এই সাময়িক ছাড় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান শান্তি আলোচনার অংশ। দুই দেশ আরো পড়ুন , ইরানকে লক্ষ্য করে কড়া বার্তা ট্রাম্পের, বিশ্বজুড়ে উদ্বেগবর্তমানে সুইজারল্যান্ডে একটি চূড়ান্ত সমঝোতার লক্ষ্যে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখার এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার পরিদর্শকদের সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর বিনিময়ে ওয়াশিংটন তেল রপ্তানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকিং, বীমা ও পরিবহন সেবার ক্ষেত্রেও ছাড় দিচ্ছে।বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামও নিম্নমুখী হয়েছে।তবে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নয়; বরং শান্তি আলোচনা এগিয়ে নিতে একটি অস্থায়ী ব্যবস্থা। আগামী ৬০ দিনের আলোচনার অগ্রগতির ওপর ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে।

৩ ঘন্টা আগে

রাজধানী

ঢাকা মেডিক্যাল আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাফির মৃত্যু

ঢাকা মেডিক্যাল আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাফির মৃত্যু

রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে গুরুতর আহত তরুণ সাজিদ চৌধুরী রাফি (২১) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। সোমবার (২২ জুন) সকালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়।ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কাফরুল থানাকে অবহিত করা হয়েছে।পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ১০ জুন রাতে শেওড়াপাড়া এলাকায় মোটরসাইকেলে থাকা অবস্থায় রাফিকে লক্ষ্য করে ইট নিক্ষেপ করা হয়। আরও  পড়ুন, অভিযোগের পাহাড়, তবুও বহাল তবিয়তে হোটেল সবুজ বাংলা এতে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।পরবর্তীতে তার মাথায় অস্ত্রোপচার করা হয় এবং আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রাখা হয়। তবে দীর্ঘ চিকিৎসা চলার পর সোমবার সকাল ৭টার দিকে তিনি মারা যান।ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি কালু ও পারভেজসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।নিহত রাফি কাফরুল ইব্রাহিমপুর এলাকার বাসিন্দা শামসুল চৌধুরী শান্তর ছেলে।এদিকে নিহতের মা তানিয়া সিকদার দাবি করেন, পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে তার ছেলেকে টার্গেট করে এই হামলা চালানো হতে পারে। তবে এ বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।

৪ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

১৮ বছরেই বিশ্বমঞ্চে ঝলক, ইয়ামালের পায়ে স্পেনের বড় জয়

১৮ বছরেই বিশ্বমঞ্চে ঝলক, ইয়ামালের পায়ে স্পেনের বড় জয়

ফুটবল বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস গড়লেন স্পেনের তরুণ সেনসেশন লামিন ইয়ামাল। ২০২৬ বিশ্বকাপে সৌদি আরবের বিপক্ষে ম্যাচে গোল করে তিনি ছুঁয়ে ফেলেছেন এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, যা এতদিন লিওনেল মেসির নামে ছিল।যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে স্পেন। ম্যাচের শুরুতেই সতীর্থের নিখুঁত পাস থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে বল জালে জড়ান ইয়ামাল।এটি ছিল বিশ্বকাপে তার প্রথম গোল। গোল করার সময় ইয়ামালের বয়স ছিল ১৮ বছর ৩৪৩ দিন। এই অর্জনের মাধ্যমে তিনি বিশ্বকাপে প্রথম গোল করার ।আরও  পড়ুন, মেসির হ্যাটট্রিকে উড়ছে আর্জেন্টিনা, এবার নজর অস্ট্রিয়া ম্যাচে  ক্ষেত্রে লিওনেল মেসির চেয়ে কম বয়সে এই কৃতিত্ব অর্জন করেন।বিশ্বকাপে মেসি সার্বিয়া ও মন্টেনেগ্রোর বিপক্ষে প্রথম গোল করেছিলেন ১৮ বছর ৩৫৭ দিন বয়সে। সেই হিসেবে ইয়ামাল ১৪ দিন আগে এই রেকর্ড গড়লেন।তবে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতার রেকর্ড এখনও ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলের দখলে রয়েছে, যিনি ১৭ বছর বয়সে বিশ্বকাপে গোল করেছিলেন।অল্প বয়সেই ক্লাব ও জাতীয় দলে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখিয়ে আলোচনায় থাকা ইয়ামাল এবার বিশ্বকাপ মঞ্চেও নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখলেন।তার এই সাফল্য ফুটবল অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং ভবিষ্যতে তাকে ঘিরে প্রত্যাশাও আরও বেড়ে গেছে।

আইন আদালত

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে আটকের পর কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা সাজিয়ে গুলি ও নির্যাতনের মাধ্যমে পঙ্গু করার অভিযোগে দায়ের করা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার আজ শুরু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলাটির সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) ও সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।আরও পড়ুন, ‘আমি শুধু ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার’: আসামি সোহেলমামলাটি শুনানি করবেন মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। মামলার প্রধান আসামি আনিসুর রহমান-সহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম চলবে।প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর চৌগাছা উপজেলা শাখার তৎকালীন সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন এবং সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিন-কে একটি মামলায় আটক করে পুলিশ। অভিযোগে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারের পর তাদের আদালতে হাজির না করে কয়েকদিন নির্যাতন করা হয়।আরও পড়ুন, শিশু রামিসা হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি আজপ্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ একটি সাজানো ঘটনা তৈরি করে দুই নেতার পায়ে গুলি করা হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে চিকিৎসার একপর্যায়ে তাদের পা কেটে ফেলতে হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় আরও বলা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অস্ত্র মামলাটি পরবর্তীতে আদালতে ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়।এর আগে গত ২০ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। সে সময় আদালতে উপস্থিত আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। বর্তমানে অভিযুক্তদের মধ্যে আকিকুল ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান এবং জহরুল হক কারাগারে রয়েছেন।আরও পড়ুন, সাইপ্রাসে এস আলমের ভবন জব্দের নির্দেশঅন্যদিকে প্রধান আসামি আনিসুর রহমান, সাবেক ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল এবং এসআই মাজেদুল পলাতক রয়েছেন বলে ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানিয়েছে। উল্লেখ্য, মামলার অভিযোগগুলো প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত অভিযোগ। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের রায়ের মাধ্যমে অভিযুক্তদের দায়-দায়িত্ব চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর