দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1003.4 hPa
27° 87%
300° 15mm
চট্টগ্রাম 1004 hPa
29.8° 86%
220° 15mm
রাজশাহী 1003.3 hPa
26.5° 87%
90° 15mm
খুলনা 1002.7 hPa
25° 96%
20° 15mm
বরিশাল 1003.8 hPa
28.3° 88%
300° 15mm
সিলেট 1004.5 hPa
25.5° 96%
20° 15mm
রংপুর 1003.2 hPa
28° 85%
20° 15mm
ময়মনসিংহ 1004 hPa
26.4° 88%
40° 15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

ডিএমপির কয়েকটি থানায় দৃশ্যমান পরিবর্তন

ডিএমপির কয়েকটি থানায় দৃশ্যমান পরিবর্তন

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে পুলিশ বাহিনীর কার্যক্রমে ধীরে ধীরে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসছে বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। দীর্ঘদিন পর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের সক্রিয়তা, জনবান্ধব আচরণ এবং অপরাধ দমনে দৃশ্যমান তৎপরতায় নতুন করে আশার আলো দেখছেন নগরবাসী। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও জনমুখী করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি, সেবা প্রদান সহজ করা এবং অপরাধ দমনে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমে পুলিশের সক্ষমতা উন্নয়নের চেষ্টা চলছে।আরও পড়ুন: অবৈধ স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযানের পরও থামেনি বাহারের নেটওয়ার্ক!রাজধানী ঢাকা দেশের অর্থনৈতিক, প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক কেন্দ্র হওয়ায় এখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ। প্রতিদিন কোটি টাকার লেনদেন, হাজারো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যালয় এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) আওতাধীন কয়েকটি থানার কার্যক্রম বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে। গুলশান, বনানী, মিরপুর, বংশাল, রামপুরা, পল্টন ও যাত্রাবাড়ি থানার বিভিন্ন উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান ও বনানীতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা, মাদক, প্রতারণা ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে অভিযোগ ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ গ্রহণের কারণে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখন অভিযোগ করলে দ্রুত সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের উপস্থিতিও বেড়েছে। এতে নিরাপত্তা নিয়ে মানুষের মধ্যে আস্থা বাড়ছে।আরও পড়ুন: আইনশৃঙ্খলা শক্তিশালী করতে পুলিশের জন্য ২১২ ডাবল কেবিন পিকআপ অনুমোদনরাজধানীর সবচেয়ে জনবহুল এলাকাগুলোর একটি মিরপুর। এই এলাকায় ছিনতাই, কিশোর গ্যাং ও মাদকসংক্রান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ আগের তুলনায় অনেক বেশি সক্রিয় বলে দাবি স্থানীয়দের। রাতের টহল, সন্দেহভাজনদের ওপর নজরদারি এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম বৃদ্ধির ফলে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলে মনে করছেন বাসিন্দারা।আরও পড়ুন: জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসে বীর শান্তিরক্ষীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন তারেক রহমানপুরান ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ দুটি থানা বংশাল ও পল্টন। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের অভিযোগ থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা দৃশ্যমান হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিয়মিত অভিযান, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার এবং অপরাধপ্রবণ এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধির ফলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।রামপুরা ও যাত্রাবাড়ি এলাকায়ও পুলিশের কার্যক্রমে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ দ্রুত গ্রহণ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা এবং স্থানীয় সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ প্রশংসিত হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, পুলিশের সঙ্গে জনগণের দূরত্ব কমলে অপরাধ প্রতিরোধ আরও সহজ হবে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, পুলিশের সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে জনগণের আস্থা। জনগণ যদি পুলিশের ওপর বিশ্বাস রাখে, তাহলে অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা অনেক সহজ হয়ে যায়। তারা বলছেন, শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না, অভিযানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। পাশাপাশি অপরাধী যে-ই হোক, তার বিরুদ্ধে সমানভাবে আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।আরও পড়ুন: প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদবর্তমানে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সিসিটিভি মনিটরিং, ডিজিটাল অভিযোগ ব্যবস্থা, অনলাইন সেবা এবং তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। এতে অপরাধ শনাক্তকরণ ও তদন্তের গতি বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার যত বাড়বে, অপরাধ দমনে তত বেশি সফলতা আসবে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, পুলিশের এই ইতিবাচক পরিবর্তন যেন সাময়িক না হয়। বরং এটি যেন একটি স্থায়ী সংস্কৃতিতে পরিণত হয়। দুর্নীতি, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রেখে জনগণের আস্থা আরও শক্তিশালী করতে হবে। অনেকের মতে, রাজধানীর কয়েকটি থানায় যে পরিবর্তনের বার্তা দেখা যাচ্ছে, সেটি পুরো পুলিশ বাহিনীর জন্য একটি ইতিবাচক উদাহরণ হতে পারে।আরও পড়ুন: সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী মান্নানের সহকারী একান্ত সচিব' হাসনাত জেল হাজতেরাজধানীর বিভিন্ন এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলে যে চিত্র পাওয়া গেছে, তাতে স্পষ্ট পুলিশের কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত সাধারণ মানুষ অনুভব করতে শুরু করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পেশাদারিত্ব, জবাবদিহিতা ও জনসম্পৃক্ততা বাড়লে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন তারা। সব মিলিয়ে, পুলিশের পরিবর্তনের এই ধারা জনমনে নতুন আশা তৈরি করেছে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে এটাই এখন সবার প্রত্যাশা।  

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিতে প্রধান বিচারপতির উদ্যো

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা মামলায় অধস্তন আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে হাইকোর্টে বিশেষ বেঞ্চ গঠন করেছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।বুধবার সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজাকে নিয়ে এই বিশেষ বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। আগামী রবিবার থেকে বেঞ্চটির কার্যক্রম শুরু হবে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় অধস্তন আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে হাইকোর্টের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী, এ ধরনের মামলার রায়, নথিপত্র ও ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হলে তা শুনানির জন্য পেপারবুক আকারে প্রস্তুত করা হয়। একইসঙ্গে কারাগারে থাকা আসামিরা আপিল কিংবা জেল আপিলের আরো পড়ুন , রাজনৈতিক পরিচয় নয়, সব এলাকায় সমান উন্নয়ন: তারেক রহমানসুযোগ পান।সুপ্রিমকোর্টের তথ্য অনুযায়ী, গত এক দশকে ডেথ রেফারেন্স মামলাগুলোর শুনানির জন্য প্রস্তুত হতে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় লেগেছে। বর্তমানে হাইকোর্টের পৃথক চারটি বেঞ্চে ২০১৮ সালে নথিভুক্ত হওয়া মামলার শুনানি চলছে।সম্প্রতি পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর এমন মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জোরালো হয়। রামিসার মতো নৃশংস ঘটনার বিচার দ্রুত কার্যকর করা নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন ও দাবি ওঠে।এরপরই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অধীনে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল মামলার দ্রুত শুনানির জন্য বিশেষ বেঞ্চ গঠনের পরিকল্পনার কথা জানায় সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসন।অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজলও জানিয়েছিলেন, এ ধরনের মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য প্রধান বিচারপতি বিশেষ বেঞ্চ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

রাজনৈতিক পরিচয় নয়, সব এলাকায় সমান উন্নয়ন: তারেক রহমান

সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের নির্বাচনি এলাকার মতোই বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের এলাকাতেও সমান গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে সব নির্বাচনি এলাকায় উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। তিনি জানান, সরকারদলীয় সদস্যরা যেভাবে নিজ নিজ এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবেন, একইভাবে বিরোধী দলের সদস্যদের এলাকাতেও সমানভাবে উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া হবে।অর্থনৈতিক খাত নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে অরো পড়ুন , সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক নার্স সংকট, শূন্য ২৩ হাজারের বেশি পদসুদের হার পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার মাধ্যমে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও উৎপাদন বাড়াতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও জানান তিনি।সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির অগ্রগতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত ৬০ হাজার পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়া হয়েছে। আগামী অর্থবছরে আরও ৪১ লাখ ২০ হাজার পরিবারকে এই সুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আসন্ন বর্ষা মৌসুমেই ৩ কোটি ১৪ লাখ গাছ রোপণ করা হবে।এছাড়া পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা, জলাবদ্ধতা কমানো এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় এখন পর্যন্ত ৯৫৬ কিলোমিটার খাল খনন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, টেকসই উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক নার্স সংকট, শূন্য ২৩ হাজারের বেশি পদ

দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীর ২৩ হাজারের বেশি পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সর্দার মো: সাখাওয়াত হোসাইন।বুধবার সংসদে সরকারি দলের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ তথ্য তুলে ধরেন।মন্ত্রী জানান, সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকের অনুমোদিত মোট ৪১ হাজার ৮০৬টি পদের মধ্যে বর্তমানে ৯ হাজার ৪০৭টি পদ শূন্য রয়েছে। ফলে দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা দিতে বাড়তি চাপের মুখে পড়ছেন আরো পড়ুন , কুকুরে কামড় ভয় নয় দেশে পর্যাপ্ত জলাতঙ্ক টিকা আছে: মন্ত্রীকর্মরত চিকিৎসকরা।এছাড়া নার্সদের অনুমোদিত ৪৯ হাজার ৫০১টি পদের মধ্যে ৫ হাজার ৩২টি পদ বর্তমানে খালি রয়েছে বলেও জানান তিনি। হাসপাতালের সেবার মান ধরে রাখতে নার্স সংকটও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য অনুমোদিত ২৬ হাজার ৫৪৪টি পদের বিপরীতে বর্তমানে ৮ হাজার ৭৮৪টি পদ শূন্য রয়েছে।সব মিলিয়ে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীর ২৩ হাজারেরও বেশি পদ শূন্য থাকায় সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় জনবল সংকটের বিষয়টি আবারও সামনে এলো। বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত নিয়োগ না হলে রোগীসেবায় চাপ আরও বাড়তে পারে।

কুকুরে কামড় ভয় নয় দেশে পর্যাপ্ত জলাতঙ্ক টিকা আছে: মন্ত্রী

দেশে জলাতঙ্ক বা অ্যান্টি-র‍্যাবিস ভ্যাকসিনের কোনো সংকট নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সর্দার মো: সাখাওয়াত হোসাইন। তিনি জানিয়েছেন, উপজেলা, জেলা, কেন্দ্রীয় পর্যায়সহ চার স্তরে পর্যাপ্ত টিকার মজুত রাখা হয়েছে।বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের তারকা চিহ্নিত ও সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কুকুরে কামড়ানোর পর রোগীকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চারটি ডোজ নিতে হয়। শূন্য ঘণ্টা থেকে শুরু করে ১৮ দিনের মধ্যে এই ডোজ আরো পড়ুন , নিত্যপণ্যের সরবরাহ নিশ্চিতে ৮২ কোটি টাকার মসুর ডাল ক্রয় অনুমোদনসম্পন্ন করতে হয়। আর এ জন্য সারাদেশে পর্যাপ্ত অ্যান্টি-র‍্যাবিস ভ্যাকসিন সংরক্ষণ করা হয়েছে।তিনি জানান, উপজেলা পর্যায়ে পর্যাপ্ত টিকা রাখা হয়েছে। কোনো এলাকায় রোগীর সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে গেলে এবং মজুত শেষ হয়ে গেলে পাশের উপজেলা থেকে তাৎক্ষণিকভাবে টিকা সংগ্রহ করা হবে। প্রয়োজন হলে জেলা পর্যায়ের মজুত ব্যবহার করা হবে।স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, কোনো জেলার মজুত শেষ হয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক তাৎক্ষণিকভাবে টিকা কিনে সরবরাহ নিশ্চিত করবেন, যতক্ষণ না কেন্দ্রীয় মেডিকেল স্টোর ডিপো বা সিএমএসডি থেকে নতুন ভ্যাকসিন পৌঁছায়।সংসদ সদস্য ও দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে সর্দার মো: সাখাওয়াত হোসাইন বলেন, চার স্তরে টিকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। আশ্বিন মাসে কুকুরের আক্রমণ বাড়লেও দেশে জলাতঙ্ক টিকার কোনো ঘাটতি হবে না বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কুকুর বা সন্দেহভাজন প্রাণীর কামড়ে দ্রুত চিকিৎসা ও নির্ধারিত ডোজ সম্পন্ন করাই জলাতঙ্ক প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

রাজনীতিরাজনীতি

পুশ-ইনের প্রতিবাদে মাঠে নামছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট

পুশ-ইনের প্রতিবাদে মাঠে নামছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট

সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর অভিযোগ বা ‘পুশ-ইন’-এর প্রতিবাদে কর্মসূচি ঘোষণা করতে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য।মঙ্গলবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জোটের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।বৈঠক শেষে কমিটির সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ জানান, চলমান বিভিন্ন জাতীয় ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং বুধবার আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।জোট সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তে পুশ-ইনের প্রতিবাদের পাশাপাশি সীমান্ত হত্যা, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বিষয়েও কর্মসূচি দেওয়া হতে পারে।আরও পড়ুন, সংসদে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে ক্ষোভ জামায়াত আমিরেরবৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ড. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির আবদুল মাজেদ আতহারী, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির আহমাদ আলী কাসেমী, বিডিপির চেয়ারম্যান এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চান এবং এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বেল্লাল মিয়াজিসহ অন্যান্য নেতারা।তবে বৈঠকে খেলাফত আন্দোলনের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। রাজনৈতিক অঙ্গনে দলটির জোট ছাড়ার গুঞ্জনও রয়েছে।অন্যদিকে, বাংলাদেশ খেলাফত, এবি পার্টি এবং জাগপার প্রতিনিধিরা বৈঠকে না থাকলেও জামায়াতের ছায়া বাজেট উপস্থাপনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন বলে জানা গেছে।সব মিলিয়ে সীমান্ত পরিস্থিতি ও সমসাময়িক জাতীয় ইস্যুকে সামনে রেখে নতুন রাজনৈতিক কর্মসূচির দিকে এগোচ্ছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট।

সংসদে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে ক্ষোভ জামায়াত আমিরের

সংসদে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে ক্ষোভ জামায়াত আমিরের

ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে জাতীয় সংসদে দেওয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।মঙ্গলবার সংসদে আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে ইঙ্গিত করা হলেও সরাসরি নাম উল্লেখ করা হয়নি। তিনি মন্তব্য করেন, “নাম বলে দিলেই পারতেন জামায়াতে ইসলামী। মাঝেমধ্যে নেকাব খোলা ভালো—এখানে খুললেন না কেন?”ইসলামী ব্যাংক থেকে ৭০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে নির্বাচনী তহবিলে অর্থায়নের অভিযোগ প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান তা প্রত্যাখ্যান করে বলেন, এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণ করতে পারলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে পুরস্কৃত করবেন।তিনি আরও বলেন, রুরাল ডেভেলপমেন্ট স্কিম বা আরডিএস কোনো রাজনৈতিক বা ধর্মভিত্তিক প্রকল্প নয়, বরং এটি একটি আর্থিক কার্যক্রম। এ বিষয়ে ১১ হাজার কোটি টাকার অর্থায়ন নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যার দাবি জানান তিনি।আরও পড়ুন,বিএনপির প্রতিবাদ সভা, ‘অশান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখে দেওয়ার’ ঘোষণাব্যাংকের শেয়ারহোল্ডিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কীভাবে কারা শেয়ার নিয়ন্ত্রণে এসেছে তা স্বচ্ছভাবে প্রকাশ করা উচিত। এস আলমের নাম উল্লেখ না করে তিনি দাবি করেন, বড় অঙ্কের ঋণ ও শেয়ার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গুরুতর অনিয়ম হয়েছে, যা তদন্তের দাবি রাখে।শফিকুর রহমান সতর্ক করে বলেন, ইসলামী ব্যাংক কোনো নির্দিষ্ট দলের নয়; বরং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ধর্মীয় পরিচয়ের গ্রাহক এতে যুক্ত। ব্যাংকটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে দেশের অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।তিনি আরও দাবি করেন, অতীতে জোরপূর্বক শেয়ার হস্তান্তরের ঘটনা ঘটেছে এবং এর সঙ্গে প্রভাবশালী মহলের সম্পৃক্ততা রয়েছে। ব্যাংকের আগের মালিকদের অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে নিয়ম অনুযায়ী নতুন পরিচালনা বোর্ড গঠনের আহ্বান জানান তিনি।এদিকে ব্যাংক খাতের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, কয়েকটি ব্যাংকে আমানতকারীদের অর্থ ফেরত নিয়ে সংকট তৈরি হয়েছে, যা বড় আকারে দেখা দিলে অর্থনীতিতে গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।আরও  পড়ুন , দুর্নীতি-অর্থ পাচারের ক্ষত সারাতে বিকল্প বাজেট দিল জামায়াতে ইসলামী

বিএনপির প্রতিবাদ সভা, ‘অশান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখে দেওয়ার’ ঘোষণা

বিএনপির প্রতিবাদ সভা, ‘অশান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখে দেওয়ার’ ঘোষণা

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে উপজেলা ছাত্রদলের আয়োজনে ফ্যাসিবাদবিরোধী প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগ তুলে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দেন।মঙ্গলবার গৌরীপুরে উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. আসিফ কবির। উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবদুল বাসেদের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব রিমন খন্দকারের সঞ্চালনায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।সভায় বক্তারা অভিযোগ করেন, দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা ব্যাহত করতে একটি মহল নানা ধরনের অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে। তারা বলেন, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে যেকোনো গণবিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিহত করা হবে।আরও  পড়ুন, দুর্নীতি-অর্থ পাচারের ক্ষত সারাতে বিকল্প বাজেট দিল জামায়াতে ইসলামীপ্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এম এ লতিফ ভূঁইয়া বলেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। তিনি যেকোনো ধরনের সহিংসতা ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টির অপচেষ্টা মোকাবিলারও ঘোষণা দেন।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ভিপি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, শান্তিপ্রিয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গণবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।সভা শেষে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এম এ লতিফ ভূঁইয়া ও সদস্য সচিব ভিপি জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। এতে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অংশ নেনমিছিল শেষে নেতারা দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

দুর্নীতি-অর্থ পাচারের ক্ষত সারাতে বিকল্প বাজেট দিল জামায়াতে ইসলামী

দুর্নীতি-অর্থ পাচারের ক্ষত সারাতে বিকল্প বাজেট দিল জামায়াতে ইসলামী

বিরোধী দল হিসেবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার বিকল্প বা ‘ছায়া বাজেট’ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।মঙ্গলবার রাজধানীর আল ফালাহ মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হয়। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, পতিত ফ্যাসিবাদী আমলের দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের ক্ষত কাটিয়ে একটি ইনসাফভিত্তিক ও জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যেই এ বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে।প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে আরো পড়ুন , জনগণ সবকিছু মনে রেখেছে বর্তমান রাজনীতি নিয়ে মোহাম্মদ হোসেনের মন্তব্যসর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার পাশাপাশি ইমাম-মুয়াজ্জিন ভাতা বৃদ্ধি, শিক্ষায় করছাড় এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সম্প্রসারণের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন দলের নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের আর্থিক, রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন খাতে ‘অন্যায্য রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ’ দৃশ্যমান। কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিতর্কিত ব্যক্তিদের বসানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।এ সময় তিনি আরও বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে অতীত সরকার ব্যর্থ হয়েছে এবং দেশের অর্থনৈতিক সংকট ও বৈষম্য নিরসনে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন।

সারাবাংলা

র‌্যাব অভিযানে অস্ত্র ও গুলিসহ তিনজন আটক

র‌্যাব অভিযানে অস্ত্র ও গুলিসহ তিনজন আটক

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র, ১৩ রাউন্ড গুলি ও একটি প্রাইভেটকারসহ তিন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০।গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন— মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম, মোহাম্মদ মাহবুব আলম মানিক এবং মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। বুধবার দুপুরে কেরানীগঞ্জের রাজেন্দ্রপুরে র‌্যাব-১০ সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাব-১০ এর অধিনায়ক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।র‌্যাব জানায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যাত্রাবাড়ী থানার কাজলারপাড় এলাকায় একটি আরো পড়ুন , থানায় আশ্রয় নিলেন ছাত্রনেতা, অভিযোগে মিলেনি সত্যতাচেকপোস্ট বসানো হয়। সেখানে তল্লাশির সময় একটি প্রাইভেটকারকে থামার সংকেত দিলে সেটি নির্দেশ অমান্য করে পালানোর চেষ্টা করে।পরে র‌্যাব সদস্যরা গাড়িটি আটক করে তল্লাশি চালায়। এ সময় গাড়িতে থাকা ব্যক্তিদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি রিভলভার, দুটি ম্যাগাজিন, ১৩ রাউন্ড তাজা গুলি এবং একটি গুলির খালি খোসা উদ্ধার করা হয়।ঘটনার পর গাড়িতে থাকা তিনজনকে গ্রেফতার করা হয় এবং ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়। র‌্যাব জানিয়েছে, গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।এদিকে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের উৎস এবং এর সঙ্গে জড়িত কোনো চক্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একইসঙ্গে এসব অস্ত্র কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছিল কি না, সে বিষয়েও তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

থানায় আশ্রয় নিলেন ছাত্রনেতা, অভিযোগে মিলেনি সত্যতা

থানায় আশ্রয় নিলেন ছাত্রনেতা, অভিযোগে মিলেনি সত্যতা

হবিগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা শাখার সদস্যসচিব মাহাদী হাসান অভিযোগ করেছেন, ফেসবুকে দেওয়া একটি রাজনৈতিক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের কর্মীরা তাঁকে ধাওয়া দিয়েছেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় গিয়ে আশ্রয় নেন বলে দাবি করেন। বুধবার দুপুরে শহরের বৃন্দাবন সরকারি কলেজের সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।তবে মাহাদীর এই অভিযোগ সরাসরি নাকচ করেছে জেলা ছাত্রদল। একই সঙ্গে পুলিশও জানিয়েছে, তদন্তে অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।মাহাদী হাসান বিকেলে গণমাধ্যমকে বলেন, সম্প্রতি নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া একটি রাজনৈতিক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ওই স্ট্যাটাসে তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে সমালোচনা করেন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রশংসা করেন। এরপর জেলা আরো পড়ুন , বাসে উঠতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু, চালক আটকছাত্রদলের কিছু নেতা-কর্মী বিষয়টি সহজভাবে নেননি বলে দাবি করেন তিনি।মাহাদী ফেসবুক লাইভে জানান, ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার জন্য বিআরটিএ কার্যালয়ে গিয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকে ইজিবাইকে বাসায় ফেরার পথে ছাত্রদলের কর্মীরা তাঁকে ধাওয়া দেন। পরে তিনি হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় আশ্রয় নেন।থানা সূত্র জানায়, মাহাদী থানায় এসে ডিউটি অফিসারকে ধাওয়ার অভিযোগ জানান। পরে একজন এসআই ঘটনাস্থলের আশপাশে গিয়ে কাউকে খুঁজে পাননি। মাহাদী প্রায় এক ঘণ্টা থানায় অবস্থান করেন এবং পরে ওসিকেও বিষয়টি জানান।এদিকে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাজীব আহমেদ দাবি করেন, মাহাদীর সঙ্গে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। নিজের গুরুত্ব বাড়ানোর জন্য তিনি মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি জাহিদ হোসেন জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করেছে এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেছে। তবে অভিযোগের পক্ষে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি আরও তদন্ত করা হবে বলে জানান তিনি।

বাসে উঠতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু, চালক আটক

বাসে উঠতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু, চালক আটক

রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় বাসে উঠতে গিয়ে দুই বাসের মাঝে চাপা পড়ে জয় দেব পান্ডে নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। বুধবার বিকেল সোয়া চারটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত জয় দেব পান্ডে, বয়স ৩৮ বছর। তিনি রয়েল ল্যাবরেটরিজের হারবাল মেডিসিন বিভাগের একজন ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে কাজ করতেন। তার গ্রামের বাড়ি বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় হলেও বর্তমানে ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত মৌমিতা পরিবহনের দুটি বাস জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি বাসের চালককে আটক করেছে পুলিশ। নিহতের মরদেহ বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ আরো পড়ুন ,নেত্রকোনায় জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন, ২৫ সেকেন্ডের ভিডিও ভাইরালহাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক মোহাম্মদ খালেক মিয়া জানান, বিকেলে চানখাঁরপুল এলাকায় বাসে ওঠার সময় দুর্ঘটনার শিকার হন জয় দেব। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, একটি বাসে ওঠার চেষ্টা করছিলেন তিনি। এ সময় বাসটি চলতে শুরু করলে পাশ দিয়ে একই পরিবহনের আরেকটি বাস দ্রুতগতিতে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে যায়। একপর্যায়ে দুই বাসের মাঝখানে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি।পরে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।নিহতের সহকর্মী মিজানুর রহমান জানান, ব্যবসায়িক কাজ শেষে শাহবাগ থেকে যাত্রাবাড়ীর বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন জয় দেব। পরে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে এসে তার মৃত্যুর বিষয়টি জানতে পারেন।পরিবার সূত্রে জানা গেছে, জয় দেবের মাত্র দুই মাস বয়সী এক ছেলে সন্তান রয়েছে। বর্তমানে তার পরিবার গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছে।

নেত্রকোনায় জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন, ২৫ সেকেন্ডের ভিডিও ভাইরাল

নেত্রকোনায় জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন, ২৫ সেকেন্ডের ভিডিও ভাইরাল

নেত্রকোনায় জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন, ২৫ সেকেন্ডের ভিডিও ভাইরালনেত্রকোনায় শহরের জয়ের বাজার মোড়ে অবস্থিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার ২৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।মঙ্গলবার (৯ জুন) রাতে শহরের মগড়া নদীর মোক্তারপাড়া সেতু এলাকায় অবস্থিত স্মৃতিস্তম্ভটিতে দুর্বৃত্তরা আগুন দেয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, রাতের অন্ধকারে স্মৃতিস্তম্ভে আগুন জ্বলছে। আগুন দেওয়ার পর তিনজন যুবককে ঘটনাস্থল থেকে নেমে যেতে দেখা যায়। ভিডিওতে উপস্থিত কয়েকজনকে বিভিন্ন স্লোগান দিতেও শোনা যায়।আরও  পড়ুন, সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী মান্নানের সহকারী একান্ত সচিব' হাসনাত জেল হাজতেঘটনার পর বুধবার সকালে স্থানীয়রা স্মৃতিস্তম্ভে পোড়া দাগ দেখতে পান এবং বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতের কোনো এক সময় এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। পরে ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি সবার নজরে আসে।এদিকে নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি মো. আল মামুন সরকার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কেরোসিন জাতীয় দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করে আগুন দেওয়া হয়েছে। তবে স্মৃতিস্তম্ভটি স্টিলের তৈরি হওয়ায় বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি।পুলিশ আরও জানিয়েছে, ভাইরাল ভিডিওটি বিশ্লেষণ করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে। দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

আন্তর্জাতিক

ধৈর্য নয়, এবার পাল্টা শক্তি বদলে যাচ্ছে ইরানের কৌশল

ধৈর্য নয়, এবার পাল্টা শক্তি বদলে যাচ্ছে ইরানের কৌশল

মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে ইরানের নতুন নেতৃত্ব। বিশ্লেষকদের মতে, তেহরান এখন আর শুধু প্রক্সি গোষ্ঠী বা সীমিত প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করছে না; বরং সরাসরি সামরিক ও রাজনৈতিক ঝুঁকি নেওয়ার পথেও হাঁটছে।চলতি সপ্তাহে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলাকে এই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কয়েক দশক ধরে ইরান-ইসরায়েল দ্বন্দ্ব মূলত পরোক্ষ সংঘাত, গোয়েন্দা তৎপরতা ও মিত্র গোষ্ঠীর মাধ্যমে চললেও এবার তেহরান সরাসরি শক্তি প্রদর্শনের সংকেত দিচ্ছে বলে মনে আরো পড়ুন ,হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, ড্রোনে উদ্ধার দুই সেনা করছেন পর্যবেক্ষকরা।বিশ্লেষকদের মতে, লেবাননে ইসরায়েলি হামলার জবাবে ইরানের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ স্পষ্ট বার্তা বহন করছে। তেহরান জানিয়ে দিতে চাইছে, তাদের ‘লাল রেখা’ এখন শুধু নিজস্ব ভূখণ্ড নয়; আঞ্চলিক মিত্রদের ওপর হামলাও সরাসরি ইরানি প্রতিক্রিয়া ডেকে আনতে পারে।এদিকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার পরও ইরান অভিযোগ করছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সামরিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। পাল্টা হিসেবে ইরানও সীমিত হামলা চালিয়েছে এবং সতর্ক করেছে—কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে সংঘাত আরও বিস্তৃত হতে পারে।বিশ্লেষকদের মতে, তেহরান এখন ‘কৌশলগত ধৈর্য’ থেকে বেরিয়ে এসে আরও সক্রিয় ও ঝুঁকিপূর্ণ নীতি গ্রহণ করছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে বিদ্যমান মতপার্থক্যকেও কৌশলগতভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে ইরান।ফলে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত ও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

৩ ঘন্টা আগে

রাজধানী

অবৈধ স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযানের পরও থামেনি বাহারের নেটওয়ার্ক!

অবৈধ স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযানের পরও থামেনি বাহারের নেটওয়ার্ক!

রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে কথিত স্পা সেন্টারের আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসার অভিযোগ নতুন নয়| আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান, নজরদারি ও সতর্কতার পরও কিছু ব্যক্তি ও চক্র নানা কৌশলে এসব কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে| এমনই এক আলোচিত নাম বাহার, যাকে ঘিরে সম্প্রতি গুলশান এলাকায় নানা আলোচনা শুরু হয়েছে| ব্যবসায়ী মহল ও সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তির অভিযোগ, গুলশানের ৯৯ ন¤^র রোডের ৩৩/এ ন¤^র বাড়ির দুটি ফ্লোর ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একটি স্পা সেন্টারের আড়ালে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল একটি চক্র| ওই চক্রের অন্যতম নিয়ন্ত্রক হিসেবে বাহারের নাম সামনে এসেছে বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা| তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বাহারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি| ফলে অভিযোগগুলোর ¯^াধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি|আরও পড়ুন: গুলশানে স্পা সেন্টারে অভিযান: মালিকসহ নারী সিন্ডিকেট গ্রেফতার ও মামলা প্রক্রিয়াধীনসম্প্রতি গুলশান থানার একটি অভিযানের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে| অভিযোগ রয়েছে, অভিযানের আগেই বা অভিযানের সময় বাহার নিজেকে আড়ালে নিয়ে যান এবং এরপর থেকে প্রকাশ্যে দেখা না গেলেও তার নিয়ন্ত্রণে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে|স্থানীয়দের দাবি, গুলশানের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পরও সেটি পরিচালিত হওয়া নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে| অনেকেই মনে করছেন, এসব প্রতিষ্ঠানের পেছনে প্রভাবশালী ব্যক্তি বা সংঘবদ্ধ চক্রের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে| যদিও এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ এখনো প্রকাশ্যে আসেনি| অভিযোগ রয়েছে, বাহারের অনুপস্থিতিতেও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে| বিশেষ করে সুমন নামে এক ব্যক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ও অন্যান্য কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে| অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাহারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে এই ব্যক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন|আরও পড়ুন: ব্যভিচার ও প্রতারণা মামলায় ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও স্ত্রী তামিমা খালাসএদিকে বাড়ির মালিক ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধেও নানা অভিযোগ উঠেছে| স্থানীয়দের একটি অংশের দাবি, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে তারা অবগত থাকা সত্ত্বেও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি| বরং তাদের সহযোগিতার কারণেই প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পেরেছে বলে অভিযোগ রয়েছে| তবে বাড়ির মালিক কিংবা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা যায়নি| তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি| আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সূত্র জানিয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় স্পা, বিউটি সেলুন, ওয়েলনেস সেন্টার কিংবা অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হয়| গুলশান, বনানী ও বারিধারার মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এ ধরনের অভিযোগের বিষয়ে বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে| সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, গুলশান থানার সাম্প্রতিক অভিযানের পর কয়েকজন ব্যক্তি নজরদারির আওতায় রয়েছেন| অভিযানে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে|আরও পড়ুন: আইনশৃঙ্খলা শক্তিশালী করতে পুলিশের জন্য ২১২ ডাবল কেবিন পিকআপ অনুমোদনএ বিষয়ে গুলশান থানা সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ ব্যবসা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না| অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে| একই সঙ্গে যেসব ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন বা আত্মগোপনে আছেন বলে অভিযোগ রয়েছে, তাদেরও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে|আরও পড়ুন: জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উদযাপন, শহীদ শান্তিরক্ষীদের প্রতি শ্রদ্ধাস্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, গুলশান একটি কূটনৈতিক ও আবাসিক এলাকা| এখানে কোনো ধরনের অবৈধ কার্যক্রম এলাকার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে| তাই নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর আইন প্রয়োগের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম বন্ধ করা প্রয়োজন| সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও মনে করেন, কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে শুধু প্রতিষ্ঠান নয়, এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি, পৃষ্ঠপোষক ও সহযোগীদের ভূমিকাও তদন্ত করা জরুরি| অন্যথায় মূল হোতারা আড়ালে থেকে গেলেও কার্যক্রম বন্ধ হয় না|আরও পড়ুন: গুলশান বারিধারায় দোলার অবৈধ স্পা সেন্টার নিয়ে বিতর্কঅভিযোগ রয়েছে, বাহার দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন নামে বা বিভিন্ন ব্যক্তিকে সামনে রেখে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন| ফলে কোনো একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালিত হলেও অন্য মাধ্যমে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ ˆতরি হয়| তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি| আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, অপরাধ দমনে তথ্যভিত্তিক অভিযান পরিচালনা করা হয়| কোনো ব্যক্তি প্রভাবশালী বা পরিচিত হলেই তাকে ছাড় দেওয়া হবে—এমন সুযোগ নেই| সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে|আরও পড়ুন: রামিসা হত্যা মামলার আসামি সোহেল রানা: গ্রামের নীরব লজ্জা ও অপরাধের পেছনের গল্পস্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, গুলশানে সাম্প্রতিক অভিযানগুলো প্রমাণ করেছে যে প্রশাসন অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে| তবে শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না, অভিযানের পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে| একই সঙ্গে ভবন মালিক, ব্যবস্থাপক এবং ব্যবসা পরিচালনার সঙ্গে জড়িত সকল পক্ষের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন|আরও পড়ুন: লামায় স্বাস্থ্যসেবার নামে প্রতারণা, নেই প্রশাসনিক অভিযানগুলশান থানার এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আইনের চোখে সবাই সমান| কোনো ব্যক্তি যদি অবৈধ ব্যবসা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে| কাউকে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই| সাম্প্রতিক অভিযানের ধারাবাহিকতায় অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হবে এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে| একই সঙ্গে যারা আইন লঙ্ঘন করে ব্যবসা পরিচালনা করছেন কিংবা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে|

৬ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের, ২১ বছর পর ওয়ানডেতে হারাল টাইগাররা

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের, ২১ বছর পর ওয়ানডেতে হারাল টাইগাররা

অবশেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে ক্রিকেটে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ২১ বছর পর আবারও অজিদের হারানোর স্বাদ পেল টাইগাররা। দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এটিই বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে জয়।মঙ্গলবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে বৃষ্টি আইনে বাংলাদেশ ৮৬ রানে জয় লাভ করে। এই জয়ের ফলে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল স্বাগতিকরা।টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ৮ উইকেটে ২৮৪ রান সংগ্রহ করে। ইনিংসের সর্বোচ্চ ৮৬ রান করেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। এছাড়া নাজমুল হোসেন শান্ত করেন ৬৭ রান এবং ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম করেন ৫৪ রান।আরও পড়ুন, বিশ্বকাপে পেনাল্টি লড়াইয়ে মেসি বনাম রোনালদো, পরিসংখ্যানে এগিয়ে কেজবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। মাত্র ২ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে সফরকারীরা। তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমানের আঘাতে ব্যাকফুটে চলে যায় অজিরা।অধিনায়ক জশ ইংলিস, মার্নাস লাবুশেন ও অন্যান্য ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থ হলে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে অস্ট্রেলিয়া। ৪২.২ ওভারে ৯ উইকেটে ১৯১ রান করার পর বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ডিএলএস পদ্ধতিতে বাংলাদেশকে ৮৬ রানে জয়ী ঘোষণা করা হয়।বাংলাদেশের হয়ে নাহিদ রানা নেন সর্বোচ্চ ৪ উইকেট, মোসাদ্দেক ও মোস্তাফিজুর নেন ২টি করে উইকেট।এই জয়ের মধ্য দিয়ে ২০০৫ সালের কার্ডিফের পর আবারও অস্ট্রেলিয়াকে ওয়ানডেতে হারাল বাংলাদেশ, যা দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে নতুন এক স্মরণীয় অধ্যায় যোগ করল।আরও   পড়ুন , বজ্রপাতে বন্ধ ম্যাচ, এগিয়ে বাংলাদেশ

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর

অপরাধ

অবৈধ স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযানের পরও থামেনি বাহারের নেটওয়ার্ক!

অবৈধ স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযানের পরও থামেনি বাহারের নেটওয়ার্ক!

রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে কথিত স্পা সেন্টারের আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসার অভিযোগ নতুন নয়| আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান, নজরদারি ও সতর্কতার পরও কিছু ব্যক্তি ও চক্র নানা কৌশলে এসব কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে| এমনই এক আলোচিত নাম বাহার, যাকে ঘিরে সম্প্রতি গুলশান এলাকায় নানা আলোচনা শুরু হয়েছে| ব্যবসায়ী মহল ও সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তির অভিযোগ, গুলশানের ৯৯ ন¤^র রোডের ৩৩/এ ন¤^র বাড়ির দুটি ফ্লোর ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একটি স্পা সেন্টারের আড়ালে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল একটি চক্র| ওই চক্রের অন্যতম নিয়ন্ত্রক হিসেবে বাহারের নাম সামনে এসেছে বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা| তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বাহারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি| ফলে অভিযোগগুলোর ¯^াধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি|আরও পড়ুন: গুলশানে স্পা সেন্টারে অভিযান: মালিকসহ নারী সিন্ডিকেট গ্রেফতার ও মামলা প্রক্রিয়াধীনসম্প্রতি গুলশান থানার একটি অভিযানের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে| অভিযোগ রয়েছে, অভিযানের আগেই বা অভিযানের সময় বাহার নিজেকে আড়ালে নিয়ে যান এবং এরপর থেকে প্রকাশ্যে দেখা না গেলেও তার নিয়ন্ত্রণে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে|স্থানীয়দের দাবি, গুলশানের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পরও সেটি পরিচালিত হওয়া নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে| অনেকেই মনে করছেন, এসব প্রতিষ্ঠানের পেছনে প্রভাবশালী ব্যক্তি বা সংঘবদ্ধ চক্রের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে| যদিও এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ এখনো প্রকাশ্যে আসেনি| অভিযোগ রয়েছে, বাহারের অনুপস্থিতিতেও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে| বিশেষ করে সুমন নামে এক ব্যক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ও অন্যান্য কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে| অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাহারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে এই ব্যক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন|আরও পড়ুন: ব্যভিচার ও প্রতারণা মামলায় ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও স্ত্রী তামিমা খালাসএদিকে বাড়ির মালিক ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধেও নানা অভিযোগ উঠেছে| স্থানীয়দের একটি অংশের দাবি, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে তারা অবগত থাকা সত্ত্বেও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি| বরং তাদের সহযোগিতার কারণেই প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পেরেছে বলে অভিযোগ রয়েছে| তবে বাড়ির মালিক কিংবা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা যায়নি| তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি| আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সূত্র জানিয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় স্পা, বিউটি সেলুন, ওয়েলনেস সেন্টার কিংবা অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হয়| গুলশান, বনানী ও বারিধারার মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এ ধরনের অভিযোগের বিষয়ে বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে| সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, গুলশান থানার সাম্প্রতিক অভিযানের পর কয়েকজন ব্যক্তি নজরদারির আওতায় রয়েছেন| অভিযানে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে|আরও পড়ুন: আইনশৃঙ্খলা শক্তিশালী করতে পুলিশের জন্য ২১২ ডাবল কেবিন পিকআপ অনুমোদনএ বিষয়ে গুলশান থানা সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ ব্যবসা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না| অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে| একই সঙ্গে যেসব ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন বা আত্মগোপনে আছেন বলে অভিযোগ রয়েছে, তাদেরও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে|আরও পড়ুন: জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উদযাপন, শহীদ শান্তিরক্ষীদের প্রতি শ্রদ্ধাস্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, গুলশান একটি কূটনৈতিক ও আবাসিক এলাকা| এখানে কোনো ধরনের অবৈধ কার্যক্রম এলাকার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে| তাই নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর আইন প্রয়োগের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম বন্ধ করা প্রয়োজন| সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও মনে করেন, কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে শুধু প্রতিষ্ঠান নয়, এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি, পৃষ্ঠপোষক ও সহযোগীদের ভূমিকাও তদন্ত করা জরুরি| অন্যথায় মূল হোতারা আড়ালে থেকে গেলেও কার্যক্রম বন্ধ হয় না|আরও পড়ুন: গুলশান বারিধারায় দোলার অবৈধ স্পা সেন্টার নিয়ে বিতর্কঅভিযোগ রয়েছে, বাহার দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন নামে বা বিভিন্ন ব্যক্তিকে সামনে রেখে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন| ফলে কোনো একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালিত হলেও অন্য মাধ্যমে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ ˆতরি হয়| তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি| আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, অপরাধ দমনে তথ্যভিত্তিক অভিযান পরিচালনা করা হয়| কোনো ব্যক্তি প্রভাবশালী বা পরিচিত হলেই তাকে ছাড় দেওয়া হবে—এমন সুযোগ নেই| সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে|আরও পড়ুন: রামিসা হত্যা মামলার আসামি সোহেল রানা: গ্রামের নীরব লজ্জা ও অপরাধের পেছনের গল্পস্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, গুলশানে সাম্প্রতিক অভিযানগুলো প্রমাণ করেছে যে প্রশাসন অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে| তবে শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না, অভিযানের পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে| একই সঙ্গে ভবন মালিক, ব্যবস্থাপক এবং ব্যবসা পরিচালনার সঙ্গে জড়িত সকল পক্ষের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন|আরও পড়ুন: লামায় স্বাস্থ্যসেবার নামে প্রতারণা, নেই প্রশাসনিক অভিযানগুলশান থানার এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আইনের চোখে সবাই সমান| কোনো ব্যক্তি যদি অবৈধ ব্যবসা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে| কাউকে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই| সাম্প্রতিক অভিযানের ধারাবাহিকতায় অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হবে এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে| একই সঙ্গে যারা আইন লঙ্ঘন করে ব্যবসা পরিচালনা করছেন কিংবা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে|

আর্কাইভ

অর্থনীতি

দেশে ফের কমল রুপার দাম, ২২ ক্যারেট ভরি ৪,৮৯৯ টাকা নির্ধারণ

দেশে ফের কমল রুপার দাম, ২২ ক্যারেট ভরি ৪,৮৯৯ টাকা নির্ধারণ

দেশের বাজারে আবারও কমেছে রুপার দাম। আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি রুপার মূল্য কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারেও নতুন করে মূল্য সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন—বাজুস।বুধবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, প্রতি ভরিতে ৩৫০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, শুধু ২২ ক্যারেট নয়—২১ ক্যারেট, ১৮ ক্যারেট এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দামও সমন্বয় করা হয়েছে।আরও পড়ুন, বাজেটে স্বস্তির বার্তা: কমতে পারে স্বর্ণ, ফ্রিজ, সিম ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নতুন দর অনুযায়ী ২১ ক্যারেট রুপার ভরি ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।সংস্থাটি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি রুপার দাম কমার প্রভাবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বাজুস আরও জানায়, এর আগে সর্বশেষ গত ৬ জুন রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। চলতি বছর এখন পর্যন্ত মোট ৪৩ দফায় রুপার দাম সমন্বয় হয়েছে, যার মধ্যে ২২ বার দাম বেড়েছে এবং ২১ বার কমানো হয়েছে।

বাজেটে স্বস্তির বার্তা: কমতে পারে স্বর্ণ, ফ্রিজ, সিম ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম

বাজেটে স্বস্তির বার্তা: কমতে পারে স্বর্ণ, ফ্রিজ, সিম ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম

আগামী বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হতে যাচ্ছে বর্তমান সরকারের প্রথম জাতীয় বাজেট। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ বাজেট পেশ করবেন। বাজেটকে ঘিরে ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন বাজেটে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে বেশ কিছু পণ্য ও সেবায় ভ্যাট-কর হ্রাসের প্রস্তাব রাখা হচ্ছে। এর ফলে বাজারে বিভিন্ন পণ্যের দাম কমতে পারে।বিশেষ করে গৃহিণীদের জন্য সুখবর হিসেবে দেখা হচ্ছে কিছু কিচেন ও গৃহস্থালি পণ্যের মূল্য হ্রাসের সম্ভাবনাকে। দেশীয় ফ্রিজ ও রেফ্রিজারেটর উৎপাদনে ভ্যাট কমানো হলে এসব পণ্যের দাম কমতে পারে। আরও  পড়ুন , ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য বড় সুখবর, ৫ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিলএকই সঙ্গে সিম ও ই-সিম ব্যবহারের ওপর কর কাঠামো পরিবর্তনের ফলে মোবাইল সংযোগও সাশ্রয়ী হতে পারে।এছাড়া স্বর্ণালংকার বিক্রির বিদ্যমান ভ্যাট পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হলে স্বর্ণের দামও কিছুটা কমতে পারে। চিকিৎসা খাতে হার্টের রিং ও চোখের লেন্সের ওপর ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব রয়েছে, যা রোগীদের জন্য স্বস্তি বয়ে আনতে পারে।কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং শিল্প খাতেও একাধিক কর ছাড়ের প্রস্তাব থাকছে। ফলে কৃষি উপকরণ, সৌরবিদ্যুৎ সরঞ্জাম, কম্পিউটার ও কিছু প্রসাধনী পণ্যের দামও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।সব মিলিয়ে আসন্ন বাজেটকে ভোক্তাবান্ধব ও বিনিয়োগ সহায়ক বাজেট হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।আরও পড়ুন , জ্বালানি-বিদ্যুৎ ভর্তুকিতে ৭৫ হাজার কোটি টাকার চাপ, বাজেটের বড় দুশ্চিন্তা

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য বড় সুখবর, ৫ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল

দেশের কুটির, অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতকে আরও গতিশীল করতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।‘সিএমএসএমই খাতে চলতি মূলধন পুনঃঅর্থায়ন তহবিল’ নামে এই উদ্যোগের আওতায় উদ্যোক্তারা সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন। প্রাথমিকভাবে তহবিলটির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে তিন বছর।বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, চলতি মূলধনের ঘাটতির কারণে অনেক ছোট ও মাঝারি প্রতিষ্ঠান তাদের পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন ও ব্যবসা পরিচালনা করতে পারছে না। আরও  পড়ুন, জ্বালানি-বিদ্যুৎ ভর্তুকিতে ৭৫ হাজার কোটি টাকার চাপ, বাজেটের বড় দুশ্চিন্তাএই সমস্যা দূর করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতেই এই তহবিল গঠন করা হয়েছে।তহবিলের আওতায় ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ৪ শতাংশ সুদে অর্থ পাবে এবং তা উদ্যোক্তাদের কাছে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ সুদে বিতরণ করতে পারবে।তবে ঋণখেলাপিরা এই সুবিধা পাবেন না। পাশাপাশি উদ্যোক্তারা ঋণ নেওয়ার পর ৩ থেকে ৬ মাস পর্যন্ত গ্রেস পিরিয়ড সুবিধা পাবেন, অর্থাৎ এ সময়ে কোনো কিস্তি পরিশোধ করতে হবে না।অর্থনীতিবিদদের মতে, সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে এই তহবিল দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতে নতুন গতি আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।আরও  পড়ুন, তেলের বাজারে অস্থিরতা, বিনিয়োগকারীদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য বড় সুখবর, ৫ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল

জ্বালানি-বিদ্যুৎ ভর্তুকিতে ৭৫ হাজার কোটি টাকার চাপ, বাজেটের বড় দুশ্চিন্তা

আসন্ন জাতীয় বাজেটে সরকারের সবচেয়ে বড় মাথাব্যথা হয়ে উঠেছে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের ক্রমবর্ধমান ভর্তুকি। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগ আগামী অর্থবছরের জন্য মোট ৭৫ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি চেয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ খাতে ৪৯ হাজার কোটি এবং গ্যাস খাতে ২৬ হাজার কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে।এদিকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বা বিপিসি জানিয়েছে, গত তিন মাসে জ্বালানি তেল আমদানি করে তাদের লোকসান হয়েছে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা। এ লোকসান পূরণে বিশেষ বরাদ্দ চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন করা হয়েছে।আরও  পড়ুন, তেলের বাজারে অস্থিরতা, বিনিয়োগকারীদের দুশ্চিন্তা বাড়ছেসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও এলএনজির দাম বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। গত বছর এলএনজি আমদানিতে ব্যয় হয়েছিল ৪৫ হাজার কোটি টাকার বেশি, যা এবার ৬০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহে প্রতি ইউনিটে খরচ হচ্ছে প্রায় ১৩ টাকা, অথচ বিক্রি হচ্ছে গড়ে ৮ টাকা ৩৯ পয়সায়। ফলে বিশাল আর্থিক ঘাটতির মুখে পড়ছে সংস্থাটি।অন্যদিকে, পেট্রোবাংলা বলছে, গ্যাসের বিক্রয়মূল্য ও আমদানি ব্যয়ের মধ্যে বড় ব্যবধান থাকায় প্রতি মাসেই কয়েক হাজার কোটি টাকার লোকসান গুনতে হচ্ছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির এই চাপ আগামী বাজেট ও সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।আরও  পড়ুন,বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধাক্কা, বাংলাদেশেও কমতে পারে ভরির দাম

জ্বালানি-বিদ্যুৎ ভর্তুকিতে ৭৫ হাজার কোটি টাকার চাপ, বাজেটের বড় দুশ্চিন্তা

তেলের বাজারে অস্থিরতা, বিনিয়োগকারীদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা শুরু হওয়ায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আবারও বেড়েছে।সোমবার সকালে এশিয়ার বাজারে এই ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়।আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯৫ দশমিক ৫০ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) তেলের দামও ২ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৯২ দশমিক ৭৫ ডলারে।আরও  পড়ুন, বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধাক্কা, বাংলাদেশেও কমতে পারে ভরির দামবিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঘিরে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় বাজারে এই অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।গত এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির পর এবারই প্রথম ইরান ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। পাল্টা হামলায় জড়ায় ইসরায়েলও।ফলে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহ ও বৈশ্বিক বাজারে সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা এখন হিসাব-নিকাশ করছেন, এই সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে জ্বালানি সংকট ও মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়তে পারে।আরও  পড়ুন, নিত্যপণ্যের আগুনে পুড়ছে বাজার, ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি ৯.৪২ শতাংশ

তেলের বাজারে অস্থিরতা, বিনিয়োগকারীদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধাক্কা, বাংলাদেশেও কমতে পারে ভরির দাম

বিশ্ববাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা এবং শক্তিশালী কর্মসংস্থান প্রতিবেদনের কারণে বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণ থেকে সরে আসছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।সোমবার স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম শূন্য দশমিক ২ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৩২১ ডলার ৪৯ সেন্টে নেমে এসেছে। এর আগে শুক্রবার প্রায় ৩ শতাংশ দরপতনের মাধ্যমে স্বর্ণের দাম গত মার্চের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছায়।অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২ ডলারের বেশি বেড়েছে।আরও পড়ুন, নিত্যপণ্যের আগুনে পুড়ছে বাজার, ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি ৯.৪২ শতাংশ মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা এবং ইরান-ইসরায়েল পরিস্থিতি ঘিরে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বেড়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, তেলের দাম বৃদ্ধি বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। ফলে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন আশঙ্কা স্বর্ণের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।এদিকে বিশ্ববাজারে দাম কমায় বাংলাদেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম আরও কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাজুস ইতোমধ্যে ৬ জুন ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা দাম কমিয়েছে।আরও  পড়ুন, জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন, নতুন নির্দেশনা এনবিআরের

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধাক্কা, বাংলাদেশেও কমতে পারে ভরির দাম

লাইফস্টাইললাইফস্টাইল

গরমে প্রাণ জুড়াবে ডাবের পানি কয়েকটি উপাদান মিশলেই পাবেন বেশি উপকার

গরমে প্রাণ জুড়াবে ডাবের পানি কয়েকটি উপাদান মিশলেই পাবেন বেশি উপকার

এই গরমে শরীরকে সতেজ ও পানিশূন্যতামুক্ত রাখতে সবচেয়ে কার্যকর প্রাকৃতিক পানীয়গুলোর একটি হলো ডাবের পানি। পুষ্টিবিদদের মতে, ডাবের পানিতে থাকা পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালসিয়াম শরীরের ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি শরীর ঠান্ডা রাখে, হজমশক্তি উন্নত করে এবং ক্লান্তি দূর করতে ভূমিকা রাখে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডাবের পানির উপকারিতা আরও বাড়াতে এর সঙ্গে কিছু স্বাস্থ্যকর উপাদান যোগ করা যেতে পারে।ডাবের পানির সঙ্গে বিট লবণ মিশালে সোডিয়াম ও অন্যান্য খনিজ উপাদান যুক্ত হয়, যা শরীরের পানির ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক। অন্যদিকে চিয়া সিডসে থাকা ফাইবার ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরকে দীর্ঘ সময় হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে।আরও  পড়ুন, স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে আজই ছাড়ুন ধূমপানলেবুর রস মিশিয়ে পান করলে বাড়ে ভিটামিন সি-এর যোগান। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করার পাশাপাশি হজমেও সহায়তা করে।এছাড়া মধু যোগ করলে পাওয়া যায় প্রাকৃতিক শক্তি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সুবিধা। পুদিনা পাতা মিশিয়ে পান করলে শরীরে আসে বাড়তি সতেজতা এবং হজমের সমস্যাও কমে।তবে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ডায়াবেটিস বা কিডনিসংক্রান্ত জটিলতা থাকলে নিয়মিত বা অতিরিক্ত ডাবের পানি পান করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।গরমে সুস্থ থাকতে পর্যাপ্ত পানি পান, স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ডাবের পানি খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।