দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1003.5 hPa
30.6° 79%
300° 15mm
চট্টগ্রাম 1004.1 hPa
27.2° 95%
40° 15mm
রাজশাহী 1000.3 hPa
35.8° 68%
12mm
খুলনা 1002.8 hPa
29.5° 82%
15mm
বরিশাল 1003.3 hPa
28.4° 85%
20° 15mm
সিলেট 1003.9 hPa
27° 88%
15mm
রংপুর 1001.4 hPa
29.5° 85%
40° 15mm
ময়মনসিংহ 1003.8 hPa
27.6° 95%
15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

ডিএমপির কয়েকটি থানায় দৃশ্যমান পরিবর্তন

ডিএমপির কয়েকটি থানায় দৃশ্যমান পরিবর্তন

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে পুলিশ বাহিনীর কার্যক্রমে ধীরে ধীরে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসছে বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। দীর্ঘদিন পর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের সক্রিয়তা, জনবান্ধব আচরণ এবং অপরাধ দমনে দৃশ্যমান তৎপরতায় নতুন করে আশার আলো দেখছেন নগরবাসী। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও জনমুখী করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি, সেবা প্রদান সহজ করা এবং অপরাধ দমনে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমে পুলিশের সক্ষমতা উন্নয়নের চেষ্টা চলছে।আরও পড়ুন: অবৈধ স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযানের পরও থামেনি বাহারের নেটওয়ার্ক!রাজধানী ঢাকা দেশের অর্থনৈতিক, প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক কেন্দ্র হওয়ায় এখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ। প্রতিদিন কোটি টাকার লেনদেন, হাজারো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যালয় এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) আওতাধীন কয়েকটি থানার কার্যক্রম বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে। গুলশান, বনানী, মিরপুর, বংশাল, রামপুরা, পল্টন ও যাত্রাবাড়ি থানার বিভিন্ন উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান ও বনানীতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা, মাদক, প্রতারণা ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে অভিযোগ ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ গ্রহণের কারণে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখন অভিযোগ করলে দ্রুত সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের উপস্থিতিও বেড়েছে। এতে নিরাপত্তা নিয়ে মানুষের মধ্যে আস্থা বাড়ছে।আরও পড়ুন: আইনশৃঙ্খলা শক্তিশালী করতে পুলিশের জন্য ২১২ ডাবল কেবিন পিকআপ অনুমোদনরাজধানীর সবচেয়ে জনবহুল এলাকাগুলোর একটি মিরপুর। এই এলাকায় ছিনতাই, কিশোর গ্যাং ও মাদকসংক্রান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ আগের তুলনায় অনেক বেশি সক্রিয় বলে দাবি স্থানীয়দের। রাতের টহল, সন্দেহভাজনদের ওপর নজরদারি এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম বৃদ্ধির ফলে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলে মনে করছেন বাসিন্দারা।আরও পড়ুন: জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসে বীর শান্তিরক্ষীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন তারেক রহমানপুরান ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ দুটি থানা বংশাল ও পল্টন। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের অভিযোগ থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা দৃশ্যমান হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিয়মিত অভিযান, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার এবং অপরাধপ্রবণ এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধির ফলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।রামপুরা ও যাত্রাবাড়ি এলাকায়ও পুলিশের কার্যক্রমে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ দ্রুত গ্রহণ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা এবং স্থানীয় সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ প্রশংসিত হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, পুলিশের সঙ্গে জনগণের দূরত্ব কমলে অপরাধ প্রতিরোধ আরও সহজ হবে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, পুলিশের সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে জনগণের আস্থা। জনগণ যদি পুলিশের ওপর বিশ্বাস রাখে, তাহলে অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা অনেক সহজ হয়ে যায়। তারা বলছেন, শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না, অভিযানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। পাশাপাশি অপরাধী যে-ই হোক, তার বিরুদ্ধে সমানভাবে আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।আরও পড়ুন: প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদবর্তমানে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সিসিটিভি মনিটরিং, ডিজিটাল অভিযোগ ব্যবস্থা, অনলাইন সেবা এবং তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। এতে অপরাধ শনাক্তকরণ ও তদন্তের গতি বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার যত বাড়বে, অপরাধ দমনে তত বেশি সফলতা আসবে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, পুলিশের এই ইতিবাচক পরিবর্তন যেন সাময়িক না হয়। বরং এটি যেন একটি স্থায়ী সংস্কৃতিতে পরিণত হয়। দুর্নীতি, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রেখে জনগণের আস্থা আরও শক্তিশালী করতে হবে। অনেকের মতে, রাজধানীর কয়েকটি থানায় যে পরিবর্তনের বার্তা দেখা যাচ্ছে, সেটি পুরো পুলিশ বাহিনীর জন্য একটি ইতিবাচক উদাহরণ হতে পারে।আরও পড়ুন: সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী মান্নানের সহকারী একান্ত সচিব' হাসনাত জেল হাজতেরাজধানীর বিভিন্ন এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলে যে চিত্র পাওয়া গেছে, তাতে স্পষ্ট পুলিশের কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত সাধারণ মানুষ অনুভব করতে শুরু করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পেশাদারিত্ব, জবাবদিহিতা ও জনসম্পৃক্ততা বাড়লে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন তারা। সব মিলিয়ে, পুলিশের পরিবর্তনের এই ধারা জনমনে নতুন আশা তৈরি করেছে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে এটাই এখন সবার প্রত্যাশা।  

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

দেশজুড়ে শিক্ষক নিয়োগে বড় ঘোষণা, শূন্যপদ পূরণে অগ্রাধিকার

দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক সংকট নিরসনে শিগগিরই নতুন গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।রবিবার জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ৭৭ হাজার ৭৯৯টি শূন্যপদ শনাক্ত করা হয়েছে। এসব পদ পূরণের লক্ষ্যে দ্রুত নতুন গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে।তিনি আরও জানান, শিক্ষক সংকট নিরসনকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শূন্যপদের তালিকা প্রক্রিয়াকরণ শেষে তা বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনে পাঠানো হয়েছে।মন্ত্রী বলেন, এনটিআরসিএর মাধ্যমে জাতীয় মেধাতালিকার ভিত্তিতে সম্পূর্ণ অটোমেশন পদ্ধতিতে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৫৩ হাজারের বেশি শিক্ষক নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, রংপুর-৪ এলাকার শূন্যপদসহ সারাদেশের পদগুলো পর্যায়ক্রমে পূরণ করা হবে।দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বিদ্যমান শিক্ষক শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্যে শিগগিরই নতুন গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।রবিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।মন্ত্রী জানান, ই-রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ৭৭ হাজার ৭৯৯টি শূন্যপদ শনাক্ত করা আরো পড়ুন , বিআরটি প্রকল্প বাস্তবায়নে নতুন দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনাহয়েছে। এসব পদ পূরণে দ্রুত নতুন গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়া চলছে।তিনি বলেন, সরকার শিক্ষক সংকট নিরসনে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে। সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শূন্যপদের তালিকা প্রস্তুত করে পিএসসিতে পাঠানোর কার্যক্রমও চলমান।এনটিআরসিএর মাধ্যমে জাতীয় মেধাতালিকার ভিত্তিতে সম্পূর্ণ অটোমেশন পদ্ধতিতে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন ধাপে ৫৩ হাজার ৩৪০ জন শিক্ষক নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।মন্ত্রী আরও জানান, দেশের বিভিন্ন এলাকার শূন্যপদগুলো ধাপে ধাপে পূরণ করা হবে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

বিআরটি প্রকল্প বাস্তবায়নে নতুন দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট বা বিআরটি প্রকল্প নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।রবিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিমানবন্দর থেকে গাজীপুরের জয়দেবপুর পর্যন্ত বিস্তৃত বিআরটি প্রকল্পের অগ্রগতি, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এবং ভবিষ্যৎ সুফল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানায়, সভায় প্রকল্পের নকশা, স্টেশন ব্যবস্থাপনা, যাত্রীসেবা এবং পরিচালন কাঠামোসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিশেষজ্ঞরা মতামত তুলে ধরেন।বিশেষ করে প্রকল্পটির কার্যকারিতা বাড়ানো এবং সেবা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও যাত্রীবান্ধব করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌ পরিবহনমন্ত্রীসহ সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক ও সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীও বৈঠকে অংশ নেন।সরকারের এই উদ্যোগকে ঢাকার যানজট নিরসন ও আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।ঢাকা-গাজীপুর করিডরে বাস্তবায়নাধীন বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।রবিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি, বাস্তবায়ন কাঠামো এবং সম্ভাব্য আরো পড়ুন , দুবাই আবুধাবি সমন্বয়ে দেশে ফেরানো হবে বেনজীরকে সুফল নিয়ে আলোচনা হয়।প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানায়, সভায় বিশেষজ্ঞরা বিআরটি প্রকল্পের নকশা, স্টেশন ব্যবস্থাপনা, যাত্রীসেবা এবং পরিচালন কাঠামো নিয়ে বিস্তারিত মতামত দেন।এ সময় প্রকল্পের কার্যকারিতা ও সেবা মান উন্নয়নে বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরা হয়।সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌ পরিবহনমন্ত্রী, সড়ক পরিবহন ও রেলপথ প্রতিমন্ত্রী, সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।এছাড়া বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) একাধিক শিক্ষক এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীসহ বিশেষজ্ঞরাও সভায় অংশ নেন।বিআরটি প্রকল্পকে ঢাকার যানজট কমানো এবং আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

দুবাই আবুধাবি সমন্বয়ে দেশে ফেরানো হবে বেনজীরকে

দুর্নীতি, অর্থপাচার ও জালিয়াতিসহ একাধিক মামলায় অভিযুক্ত সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ সংযুক্ত আরব আমিরাতে গ্রেফতার হয়েছেন বলে জাতীয় সংসদে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।রবিবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, গত ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডাইরেক্টরেট জেনারেল অব ফেডারেল ক্রিমিনাল পুলিশ এবং ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো—এনসিবি আবুধাবি থেকে পাঠানো ই-মেইলে বাংলাদেশ সরকারকে গ্রেফতারের তথ্য জানানো হয়। বর্তমানে বেনজীর আহমেদ দেশটিতে পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন।মন্ত্রী জানান, দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত বেনজীরকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ বা এক্সট্রাডিশন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইন অনুযায়ী গ্রেফতারের ৩০ দিনের মধ্যে কূটনৈতিক চ্যানেলে প্রত্যর্পণ আবেদন আরো পড়ুন , ঢাকাসহ ১১ অঞ্চলে রাতের মধ্যে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাসপাঠাতে হয়।সরকার ইতোমধ্যে দুদকের মামলা, গ্রেফতারি পরোয়ানা ও তদন্ত-সংক্রান্ত নথিপত্র প্রস্তুত করেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক্সট্রাডিশন প্রস্তাব অনুমোদন করেছে এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তা ইউএই কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হচ্ছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বেনজীরকে গ্রেফতারে ইন্টারপোলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বজায় রাখা হয়। ২০২৫ সালের ১১ এপ্রিল ইন্টারপোলে আবেদন পাঠানোর পর তার বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি হয়, যার ভিত্তিতে ইউএই কর্তৃপক্ষ তাকে গ্রেফতার করে।বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, মানি লন্ডারিং, জালিয়াতি, প্রতারণা, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এটিকে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ‘ঐতিহাসিক সাফল্য’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, অপরাধী যত প্রভাবশালী হোক, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।

ঢাকাসহ ১১ অঞ্চলে রাতের মধ্যে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে আজ রাত ১টার মধ্যে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর মধ্যে ঢাকাসহ ১১টি অঞ্চলে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।রবিবার বিকাল ৩টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য দেওয়া বিশেষ আবহাওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।আবহাওয়া অফিস বলছে, ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পূর্ব অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার আরো পড়ুন, সংগীত শিক্ষক নিয়োগে মন্ত্রিপরিষদের আপত্তি, সংসদে জানালেন মন্ত্রীবেগে দমকা কিংবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে হতে পারে অস্থায়ী বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি।এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বজ্রপাত ও ঝড়ো হাওয়ার সময় খোলা জায়গায় অবস্থান না করা এবং নৌযানগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করার প্রয়োজন রয়েছে।বিশেষ করে উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের আবহাওয়ার সর্বশেষ পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।তাই রাতে বাইরে বের হলে ছাতা সঙ্গে রাখা এবং ঝড়ো আবহাওয়ায় অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত এড়িয়ে চলাই হতে পারে নিরাপদ সিদ্ধান্ত।

রাজনীতিরাজনীতি

প্রস্তাবিত বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের আনন্দ মিছিল

প্রস্তাবিত বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের আনন্দ মিছিল

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে রাজধানীতে আনন্দ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছে স্বেচ্ছাসেবক দল।শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে কাকরাইল মোড় থেকে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা এ মিছিল বের করেন। মিছিলটি পল্টন ও কাকরাইলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় কাকরাইল মোড়ে এসে শেষ হয়।কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির ১নং সহ-সভাপতি ফখরুল ইসলাম রবিন।আরও  পড়ুন , বাজেট ও দুর্নীতি নিয়ে সরকারের সমালোচনায় নাহিদ ইসলাম  সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, সাধারণ মানুষের কল্যাণ এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে।এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু ও দেশের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের সফলতাও কামনা করা হয়।মিছিলে কেন্দ্রীয় কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

বাজেট ও দুর্নীতি নিয়ে সরকারের সমালোচনায় নাহিদ ইসলাম

বাজেট ও দুর্নীতি নিয়ে সরকারের সমালোচনায় নাহিদ ইসলাম

“প্রধানমন্ত্রীর মন খারাপ দেখে আমাদেরও মন খারাপ”—এমন মন্তব্য করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় হুইপ নাহিদ ইসলাম।শনিবার (১৩ জুন) চট্টগ্রাম নগরের ঐতিহাসিক লালদিঘী ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের আয়োজিত মহাসমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি সরকারের নানা নীতি ও কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন।নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার চাইলে জনগণের স্বার্থে বাজেট প্রণয়ন করতে পারত, কিন্তু দুর্নীতি ও লুটপাটের পথ বন্ধ করা হয়নি। তার অভিযোগ, ব্যাংক দখল ও অনিয়ম অব্যাহত রয়েছে।আরও  পড়ুন ,ভারত-বাংলাদেশ ‘এক হয়ে যাওয়ার’ মন্তব্যে উদ্বেগ, সরকারের ব্যাখ্যা চাইলেন জামায়াত আমির তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এই বাজেট বাস্তবায়ন করতে গিয়ে দেশকে বিভিন্ন দেশ থেকে ঋণ নিতে হবে, যা অর্থনীতিকে আরও চাপে ফেলবে।বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়েও সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিদ্যুতের দাম নজিরবিহীনভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ এখনও অস্থিতিশীল।নাহিদ ইসলাম দাবি করেন, বর্তমান বাজেট জনগণের জীবনে কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারবে না। দেশের পরিবর্তনের জন্য রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সংস্কার এবং গণরায়ের ভিত্তিতে সরকার গঠন প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।তিনি আরও অভিযোগ করেন, চট্টগ্রামে জাতীয় দলের এক ক্রিকেটারকে মারধরের ঘটনায় পুলিশ কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি, যা আইনের শাসন নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

ভারত-বাংলাদেশ ‘এক হয়ে যাওয়ার’ মন্তব্যে উদ্বেগ, সরকারের ব্যাখ্যা চাইলেন জামায়াত আমির

ভারত-বাংলাদেশ ‘এক হয়ে যাওয়ার’ মন্তব্যে উদ্বেগ, সরকারের ব্যাখ্যা চাইলেন জামায়াত আমির

ভারতীয় হাইকমিশনারের মন্তব্যে বিতর্ক, ব্যাখ্যা দাবি শফিকুর রহমানেরবাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কূটনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।তিনি বলেন, “ভারত-বাংলাদেশ এক হয়ে যাওয়ার” মতো মন্তব্য কী অর্থে বলা হয়েছে, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন।আরও  পড়ুন , ‘গুমের নাটক সাজিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চাইছে শিবির’ : রাশেদ খানতার মতে, বাংলাদেশ ও ভারত দুইটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র, তাই এ ধরনের বক্তব্যের ব্যাখ্যা না থাকলে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।তিনি সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন, বিষয়টি দ্রুত পরিষ্কার করে জনসম্মুখে ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য।কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের বক্তব্যকে ঘিরে ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে উভয় দেশেরই আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন।এ ঘটনায় সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনা চলছে।

‘গুমের নাটক সাজিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চাইছে শিবির’ : রাশেদ খান

‘গুমের নাটক সাজিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চাইছে শিবির’ : রাশেদ খান

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের এক কেন্দ্রীয় নেতাকে ঘিরে আলোচিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংগঠনটির বিরুদ্ধে ‘গুমের নাটক’ সাজানোর অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান।নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি দাবি করেন, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসানকে ঘিরে ওঠা বিতর্ক আড়াল করতে রাজনৈতিকভাবে একটি ‘গুমের নাটক’ তৈরি করা হয়েছে।রাশেদ খান অভিযোগ করেন, জিসান এক নারীর সঙ্গে প্রতারণা ও ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত। আরও  পড়ুন, ‘চানাচুরের মতো বাজেট, দেখতে ভালো কিন্তু পুষ্টিগুণ নেই’ : নাহিদ ইসলামপরে আত্মগোপনে গিয়ে তাকে ‘গুম’ করা হয়েছে বলে প্রচার চালানো হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকারকে দায়ী করে ছাত্রশিবির বিক্ষোভ কর্মসূচিও পালন করেছে।এদিকে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান-এর বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন রাশেদ খান। তিনি দাবি করেন, গুম একটি গুরুতর অপরাধ, তবে ‘গুমের নাটক’ করাও সমান গুরুতর বিষয়।তবে এ বিষয়ে ছাত্রশিবির বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

সারাবাংলা

ঘরের ভেতরে রক্তক্ষয়ী হামলা, চট্টগ্রামে মা ও মেয়ে নিহত

ঘরের ভেতরে রক্তক্ষয়ী হামলা, চট্টগ্রামে মা ও মেয়ে নিহত

 চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় ঘরের ভেতরে মা ও মেয়েকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পাঁচ বছর বয়সী এক শিশু গুরুতর আহত হয়েছে।শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার পরৈকোড়া ইউনিয়নের চেনামতি বড়ুয়াপাড়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন সুজন বড়ুয়ার স্ত্রী এনি বড়ুয়া এবং তার মেয়ে প্রিয়ন্তি বড়ুয়া। আহত হয়েছে তাদের পাঁচ বছর বয়সী ছেলে পিয়াস।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের দিকে ঘর থেকে চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে যান। পরে তারা ঘরের ভেতরে রক্তাক্ত অবস্থায় এনি বড়ুয়াকে দেখতে পান। একই সঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে প্রিয়ন্তির নিথর দেহ দেখতে পান তারা। আহত শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করে এবং মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে পাওনা টাকা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি তদন্তাধীন।এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেও পুলিশ বলছে, অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় ঘরের ভেতরে মা ও মেয়েকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার দিবাগত রাতে পরৈকোড়া ইউনিয়নের চেনামতি বড়ুয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন এনি বড়ুয়া (৪০) এবং তার কন্যা প্রিয়ন্তি বড়ুয়া (১৬)। ঘটনায় পাঁচ বছর বয়সী শিশু পিয়াস আহত হয়েছে।স্থানীয়রা জানান, রাতের দিকে ঘর থেকে আরো পড়ুন , বিআরটি প্রকল্প বাস্তবায়নে নতুন দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনাচিৎকার শুনে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে এনি বড়ুয়াকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে ঘরের ভেতরে প্রিয়ন্তির নিথর দেহ পাওয়া যায়। আহত শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।আনোয়ারা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, পাওনা টাকা সংক্রান্ত বিরোধ থেকেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।অন্যদিকে নিহতের স্বজনরা দাবি করেছেন, পূর্ব বিরোধের জেরে এক আত্মীয়ের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। তবে পুলিশ বলছে, তদন্ত ছাড়া নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।আনোয়ারা থানার ওসি জানান, ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। আহত শিশুটি বর্তমানে চিকিৎসাধীন এবং শঙ্কামুক্ত রয়েছে।

তারাপুর খেয়াঘাটে রক্তাক্ত ছিনতাই, আহত বিক্রয় প্রতিনিধি

তারাপুর খেয়াঘাটে রক্তাক্ত ছিনতাই, আহত বিক্রয় প্রতিনিধি

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় এক ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিকে কুপিয়ে আহত করে প্রায় তিন লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাতে উপজেলার তারাপুর খেয়াঘাট এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আহত রবিউল আউয়াল আলফাদ একটি ওষুধ কোম্পানির প্রাণিসম্পদ বিভাগে বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। তিনি নওপাড়া বাজারসহ আশপাশের বিভিন্ন ফার্মেসি থেকে বকেয়া টাকা সংগ্রহ করে বাগাট বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন।পথে নওপাড়া ইউনিয়নের তারাপুর খেয়াঘাট এলাকায় পৌঁছালে দুটি মোটরসাইকেলে আসা কয়েকজন দুর্বৃত্ত তার পথরোধ করে। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে আহত করা হয়। পরে তার কাছে থাকা প্রায় তিন লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় আরোপড়ুন , দুবাই আবুধাবি সমন্বয়ে দেশে ফেরানো হবে বেনজীরকেহামলাকারীরা।আহত রবিউল আউয়াল আলফাদ জানান, তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনায় জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার, মধুখালী সার্কেলের কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজম খান জানিয়েছেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হবে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। রাতের বেলায় ওই সড়কে নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবিও জানিয়েছেন অনেকে।

কসবায় গাঁজাসহ ০১ জন গ্রেফতার

কসবায় গাঁজাসহ ০১ জন গ্রেফতার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় গত শনিবার ১৩ জুন কসবা থানা পুলিশের একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। এসময় পুলিশ অত্র থানাধীন ০৯নং কায়েমপুর ইউনিয়নের কায়েমপুর এলাকা হতে ০১ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার পূর্বক তার হেফাজত হতে ০৯ (নয়) কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়।আরও পড়ুন , কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত সাকিবের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে ০১টি মাদক মামলা রয়েছে।গ্রেফতারকৃত আসামির নাম ও ঠিকানা: ১। মোঃ সাকিব, পিতা- মোঃ কবির হোসেন, সাং- মাদলা, থানা- কসবা, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া। এ-সংক্রান্তে কসবা থানায় একটি মাদক মামলা রুজু হয়েছে।

কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ

কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে কয়েকজন যুবক মিলে এক কিশোরীকে জোরপূর্বকভাবে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার সন্ধ্যায় ওই কিশোরীকে পরিবারের লোকজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। এর আগে গত ১০ জুন আশুগঞ্জ উপজেলা শহরের কলাবাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার খাউজি গ্রামের মেয়ে। পেশাগত কারণে পরিবারটি আশুগঞ্জের কলাবাগান এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন।কিশোরীর পরিবার জানান, গত ১০ জুন রাত ৮টার দিকে ওই কিশোরীকে তার মা দোকান থেকে রুটি কিনতে পাঠায়। দোকানে যাওয়ার সময় স্থানীয় যুবক জাকারিয়া, অনিকসহ তিন যুবক ওই কিশোরীকে ডেকে পাশ্ববর্তী একটি ভবনের পাঁচতলায় নিয়ে যায়। আরও  পড়ুন ,ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের নতুন অধ্যক্ষকে জেলা উন্নয়ন পরিষদের শুভেচ্ছাসেখানে তাকে হাত পা বেঁধে জোরপূর্বকভাবে গণধর্ষণ করে। পরে বিষয়টি কাউকে বললে তার পিতা ও পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। ভয়ে ওই কিশোরী কিছু না বললেও দুইদিন পর তার শারীরিক ভাবে অসুস্থ হলে সে তার মাকে বিষয়টি খুলে বলে।আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল আলম চৌধুরী (ওসি) জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সাথে কথা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনও লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাক্তার রতন কুমার ঢালি জানান, ভুক্তভোগী ওই কিশোরী হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছে। তার শারীরিক পরীক্ষা নিরিক্ষার রিপোর্ট পেলে ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। 

আন্তর্জাতিক

পদত্যাগ, ভিসা ও চাকরিতে বড় পরিবর্তন আনল সৌদি আরব

পদত্যাগ, ভিসা ও চাকরিতে বড় পরিবর্তন আনল সৌদি আরব

সৌদি আরবে বসবাসরত প্রিমিয়াম রেসিডেন্সি বা বিশেষায়িত আকামাধারীদের জন্য নতুন নিয়ম চালু করেছে দেশটির সরকার। এখন থেকে সৌদিতে কর্মসংস্থানের জন্য তাদের বাধ্যতামূলকভাবে পৃথক ওয়ার্ক পারমিট বা কাজের অনুমতিপত্র নিতে হবে।দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত ডিজিটাল শ্রম প্ল্যাটফর্ম ‘কিওয়া’ জানিয়েছে, এই বিশেষ ওয়ার্ক পারমিট পেতে প্রিমিয়াম রেসিডেন্সিধারীদের ১০০ সৌদি রিয়াল ফি পরিশোধ করতে হবে। অনুমতিপত্র সংগ্রহ করতে হবে কিওয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেই।শুধু চাকরির ক্ষেত্রেই নয়, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সাবস্ক্রিপশন, ইন্টার্নশিপ ও প্রশিক্ষণ চুক্তি, পদত্যাগপত্র এবং ভিসা–সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবার ক্ষেত্রেও নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এসব সেবার অর্থ পরিশোধ করা যাবে ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড, সাদাদ পেমেন্ট সিস্টেম অথবা কিওয়া ডিজিটাল ওয়ালেটের আরো পড়ুন ,  তেহরান-ওয়াশিংটন সমঝোতা ঘিরে রাশিয়া-চীনের সঙ্গে ইরানের সমন্বয় বৈঠকমাধ্যমে।এদিকে সৌদির বহুল পরিচিত ‘তামহির’ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় থাকা প্রশিক্ষণার্থীদের চুক্তি এখন থেকে ইলেকট্রনিকভাবে কিওয়া প্ল্যাটফর্মে নথিভুক্ত করা যাবে। তবে এসব প্রশিক্ষণ চুক্তি সৌদিকরণ নীতি বা কর্মসংস্থান কোটার আওতায় গণ্য হবে না বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।কর্মীদের পদত্যাগ প্রক্রিয়াতেও এসেছে নতুন নিয়ম। কোনো কর্মী পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর সাত দিনের মধ্যে তা প্রত্যাহার করতে পারবেন। তবে এই সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠান পদত্যাগপত্র গ্রহণ বা ঝুলিয়ে রাখতে পারবে না।এ ছাড়া ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা এড়াতে একবার ভিসা ইস্যু হলে তার তথ্য আর সংশোধনের সুযোগ থাকবে না। ভুল তথ্য দিলে পুরোনো ভিসা বাতিল করে নতুন করে আবেদন করতে হবে।সৌদির নতুন এই নির্দেশনা দেশটিতে থাকা প্রিমিয়াম রেসিডেন্সিধারীদের চাকরি, ভিসা ও কর্মচুক্তি ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

৪ ঘন্টা আগে

রাজধানী

মেট্রোরেলের হাই-ভোল্টেজ ট্র্যাকে বিড়াল ঢুকে পড়ায় ট্রেন চলাচল বন্ধ, যাত্রী ভোগান্তি

মেট্রোরেলের হাই-ভোল্টেজ ট্র্যাকে বিড়াল ঢুকে পড়ায় ট্রেন চলাচল বন্ধ, যাত্রী ভোগান্তি

মেট্রোরেলের হাই-ভোল্টেজ ট্র্যাকে একটি বিড়ালের অনুপ্রবেশের ঘটনায় ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।শনিবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিট থেকে এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। হঠাৎ সেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রাজধানীর মেট্রোরেল স্টেশনগুলোতে যাত্রীদের মধ্যে চরম ভোগান্তি দেখা দেয়।স্টেশনগুলোতে মুহূর্তের মধ্যেই দীর্ঘ সারি তৈরি হয়।আরও পড়ুন, ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ছাত্রদলের শহীদ মিনার–শাহবাগ বিক্ষোভ মিছিল অনেক যাত্রী দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর বাধ্য হয়ে বিকল্প পরিবহনের দিকে চলে যান।এদিকে নিরাপত্তাজনিত কারণে নতুন যাত্রীদের স্টেশনে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। ইতোমধ্যে যেসব যাত্রী ভেতরে প্রবেশ করেছিলেন, তাদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।মেট্রোরেল পরিচালনাকারী সংস্থা বিএমটিসিএল জানায়, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বৈদ্যুতিক লাইনে কোনো প্রাণীর উপস্থিতি বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই সতর্কতামূলকভাবে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, লাইন সম্পূর্ণ নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত করার কাজ চলছে। ঝুঁকি দূর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দ্রুত সেবা পুনরায় চালু করা হবে।

৯ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন