দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1004.4 hPa
29.4° 77%
300° 15mm
চট্টগ্রাম 1006 hPa
28° 92%
220° 15mm
রাজশাহী 1003.3 hPa
27° 97%
10° 15mm
খুলনা 1004.4 hPa
29.5° 79%
30° 15mm
বরিশাল 1004.8 hPa
27.8° 85%
300° 15mm
সিলেট 1005.8 hPa
26° 91%
200° 15mm
রংপুর 1003.2 hPa
29.1° 80%
30° 15mm
ময়মনসিংহ 1005.2 hPa
27.5° 92%
30° 15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

আলোচনা, সমালোচনা আর দায়িত্বের গল্প: ওসি দাউদ

আলোচনা, সমালোচনা আর দায়িত্বের গল্প: ওসি দাউদ

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি)  অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর গুলশান থানা| রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান শুধু একটি থানা এলাকা নয়, এটি দেশের অর্থনীতি, কূটনীতি, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ এবং উচ্চপর্যায়ের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের অন্যতম কেন্দ্র| ফলে এই থানার দায়িত্বে কে আসছেন, তা সবসময়ই বিশেষ গুরুত্ব বহন করে| আর সেই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব এবার কাঁধে তুলে নিয়েছেন যশোরের সন্তান, অপরাধ দমনে আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা মো. দাউদ হোসেন|অরও পড়ুন: ডিএমপির কয়েকটি থানায় দৃশ্যমান পরিবর্তনপুলিশের বিভিন্ন সূত্র বলছে, মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং আইন প্রয়োগে দৃঢ় অবস্থানের কারণেই গুলশানের মতো গুরুত্বপূর্ণ থানার দায়িত্ব তার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে| মো. দাউদ হোসেনের কর্মজীবনের শুরু থেকেই দায়িত্বশীল ও পেশাদার কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি রয়েছে| দীর্ঘ চাকরি জীবনে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট ও থানায় দায়িত্ব পালন করে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন| তবে রাজধানীর খিলগাঁও থানা এবং পরবর্তীতে ক্যান্টনমেন্ট থানায় দায়িত্ব পালনকালে তিনি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসেন|সহকর্মীদের মতে, তিনি এমন একজন কর্মকর্তা যিনি অফিসকেন্দ্রিক পুলিশিংয়ের চেয়ে মাঠপর্যায়ে কাজ করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন| অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর শুধু তদন্ত নয়, অপরাধ প্রতিরোধেও তিনি গুরুত্ব দেন|অরও পড়ুন: প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদখিলগাঁও থানায় দায়িত্ব পালনকালে মাদক, চুরি, ছিনতাই, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে একাধিক সফল অভিযান পরিচালনা করেন| তার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে বেশ কয়েকটি অপরাধী নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া হয়| একই সঙ্গে বিট পুলিশিং ও জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার উদ্যোগ নেন তিনি|খিলগাঁও থেকে ক্যান্টনমেন্ট থানায় দায়িত্ব গ্রহণের পরও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে একই ধরনের সক্রিয়তা বজায় রাখেন তিনি| বিশেষ করে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন এলাকায় যখন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে, তখন ক্যান্টনমেন্ট থানার দায়িত্বে থেকে তিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত ও অভিযান পরিচালনা করেন| চব্বিশের ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে দায়ের হওয়া ˆবষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিভিন্ন মামলায় সাবেক সংসদ সদস্যসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাদের গ্রেপ্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি|অরও পড়ুন: অপরাধ দমনে নতুন ছকে ডিএমপিপুলিশ সূত্র বলছে, এসব মামলার তদন্ত ও অভিযান পরিচালনার সময় ব্যাপক চাপ ও নানা ধরনের সমালোচনার মুখোমুখি হতে হলেও তিনি আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে যাননি| বরং তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন| তার কর্মকাণ্ডের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা ˆতরি হয়| আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ও সমর্থক গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে তাকে নিয়ে একাধিক নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হয়| এমনকি আওয়ামী লীগের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজেও তাকে নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সমালোচনামূলক পোস্ট দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়| তবে এসব বিষয়কে গুরুত্ব না দিয়ে নিজের দায়িত্ব পালনেই মনোযোগী ছিলেন তিনি| তার ঘনিষ্ঠরা বলছেন, সমালোচনা কিংবা চাপ নয়, বরং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাই ছিল তার মূল লক্ষ্য|একজন জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, দাউদ হোসেন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কখনো ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক বিবেচনাকে প্রাধান্য দেন না| আইন যেদিকে নির্দেশ করে, তিনি সেদিকেই কাজ করার চেষ্টা করেন| ক্যান্টনমেন্ট থানায় দায়িত্ব পালনকালে মাদকবিরোধী অভিযান, চুরি-ডাকাতি প্রতিরোধ, সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্র শনাক্তকরণ এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তারে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেন তিনি|পুলিশের অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, তার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে বিভিন্ন অপরাধী চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে| ফলে ক্যান্টনমেন্ট এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি| শুধু অপরাধ দমন নয়, জনগণের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক উন্নয়নেও তিনি কাজ করেছেন| স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময়, সচেতনতামূলক সভা এবং বিট পুলিশিং কার্যক্রম জোরদারের মাধ্যমে জনমুখী পুলিশিং নিশ্চিত করার চেষ্টা করেন|অরও পড়ুন: মধ্যরাতে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে, পরে হেলিকপ্টারে ঢাকায় ডিসিরাজধানীর গুলশান এলাকা দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক জোন| এখানে রয়েছে বিভিন্ন দেশের দূতাবাস, আন্তর্জাতিক সংস্থা, বহুজাতিক কোম্পানি, পাঁচতারকা হোটেল এবং দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের আবাসস্থল| ফলে গুলশান থানার দায়িত্ব শুধু সাধারণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা নয়, বরং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার সঙ্গেও সংশ্লিষ্ট|সাম্প্রতিক সময়ে এই এলাকায় সাইবার অপরাধ, আর্থিক প্রতারণা, মাদক ব্যবসা, সংঘবদ্ধ অপরাধ এবং বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা রয়েছে| এছাড়া অভিজাত এলাকার আড়ালে সংঘটিত কিছু অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে|অরও পড়ুন: মিরপুরে আলোচিত ওসি হাফিজুর রহমানএই বাস্তবতায় একজন অভিজ্ঞ, দৃঢ়চেতা এবং মাঠপর্যায়ে সক্রিয় কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা ছিল বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা| গণমাধ্যমকর্মীদের কাছেও মো. দাউদ হোসেন পরিচিত একটি নাম| বিভিন্ন অভিযানের বিষয়ে তথ্যভিত্তিক বক্তব্য প্রদান এবং সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সমš^য় করে কাজ করার কারণে সাংবাদিক মহলেও তার একটি ইতিবাচক ভাবমূর্তি রয়েছে|একাধিক অপরাধবিষয়ক প্রতিবেদক জানান, তিনি তথ্য গোপন না করে আইনি সীমার মধ্যে থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহের চেষ্টা করেন| ফলে সংবাদ সংগ্রহের ক্ষেত্রেও সহযোগিতামূলক মনোভাব দেখা যায় তার মধ্যে| আইনশৃঙ্খলা বিশেষজ্ঞদের মতে, গুলশান থানার দায়িত্ব পাওয়া যেমন সম্মানের, তেমনি এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জও| কারণ রাজধানীর সবচেয়ে সংবেদনশীল ও আলোচিত এলাকাগুলোর একটি হলো গুলশান| এখানে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি কূটনৈতিক নিরাপত্তা, বিদেশি নাগরিকদের সুরক্ষা, করপোরেট নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ মোকাবিলা সমান গুরুত্বপূর্ণ|অরও পড়ুন: পুলিশ হত্যা, সংস্কার ও জননিরাপত্তা: সংকট উত্তরণের পথ কোথায়?বিশেষজ্ঞদের মতে, অতীত অভিজ্ঞতা এবং মাঠপর্যায়ের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে তিনি গুলশান থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে আরও শক্তিশালী করতে সক্ষম হবেন| ডিএমপির অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো বলছে, নিষ্ঠা, সাহসিকতা, পেশাদারিত্ব এবং দায়িত্ব পালনে দৃঢ়তার কারণেই তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে|গুলশান থানায় যোগদানের পর তার সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি জনগণের আস্থা আরও বৃদ্ধি করা| বিশেষ করে আধুনিক নগর অপরাধ, সাইবার জালিয়াতি, মাদক কারবার এবং সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি গুরুত্ব পাবে| সব মিলিয়ে ক্যান্টনমেন্ট থেকে গুলশান এই যাত্রা শুধুমাত্র একজন পুলিশ কর্মকর্তার পদায়ন নয়, বরং এটি তার কর্মদক্ষতা ও পেশাদার নেতৃত্বের প্রতি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আস্থার প্রতিফলন বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা| এখন রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই থানার দায়িত্বে থেকে তিনি কতটা সফলভাবে নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারেন, সেদিকেই নজর থাকবে নগরবাসী, আইনশৃঙ্খলা বিশ্লেষক এবং সংশ্লিষ্ট মহলের|

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

গার্মেন্টস থেকে সংসদ সবখানেই বাড়ছে নারীর অবদান

জাতীয় সংসদসহ দেশের প্রায় সব খাতেই নারীর অংশগ্রহণ আগের চেয়ে বেড়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।বুধবার স্পিকারের কার্যালয়ে ইউএন উইমেন বাংলাদেশের প্রতিনিধি গীতাঞ্জলি সিংহের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এ মন্তব্য করেন।স্পিকার বলেন, বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাতসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নারীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত ৫০টি আসনের মধ্যে ৪৯ জন নারী সদস্য সক্রিয়ভাবে অধিবেশনে অংশ নিচ্ছেন। চিকিৎসক, প্রকৌশলী, অর্থনীতিবিদ ও আইনজীবীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী নারীরা সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছেন।তিনি আরও বলেন, নারী ও শিশুদের প্রতি যেকোনো ধরনের সহিংসতার ঘটনায় সরকার অত্যন্ত আরো পড়ুন বিএনপির পরিকল্পনা জনগণের পরিকল্পনা, ভেস্তে দিতে চাইলে সতর্ক থাকুনসংবেদনশীল। এ প্রসঙ্গে আলোচিত শিশু রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি।অসচ্ছল পরিবারের নারীদের ক্ষমতায়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন স্পিকার। তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো কর্মসূচি নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।বৈঠকে ইউএন উইমেন বাংলাদেশের প্রতিনিধি গীতাঞ্জলি সিংহ বলেন, নারী অধিকার, জেন্ডার সমতা, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ এবং নারী-শিশুর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে।

বিএনপির পরিকল্পনা জনগণের পরিকল্পনা, ভেস্তে দিতে চাইলে সতর্ক থাকুন

মৌলভীবাজারে এক জনসভায় জনগণের প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, যারা সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না বলে হুমকি দিচ্ছে, তারা জনগণের স্বার্থে নয়, নিজেদের স্বার্থে কথা বলছে।বুধবার বিকেলে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত সমাবেশে তিনি বলেন, জনগণ বিএনপিকে আগামী পাঁচ বছর দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য সময়ও দিয়েছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা বিএনপিকে সময় দিতে চায় না, তারা মূলত জনগণের রায়কে অস্বীকার করছে। তাই তাদের বিষয়ে দেশের মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে।একটি রাজনৈতিক দলের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি অতীতের বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন এবং বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের সময় তাদের ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ।তারেক রহমান দাবি করেন, বিগত আন্দোলন, গুম, কারাবরণ এবং রাজনৈতিক নির্যাতনের অধিকাংশ শিকার ছিলেন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দলমত নির্বিশেষে সকল মানুষের সরকার। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কৃষিঋণ মওকুফ, শিক্ষা সহায়তা এবং সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচিগুলোর সুবিধা সব শ্রেণি-পেশার মানুষ পাবেন।অর্থ পাচারের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সম্পদ দেশের মানুষের কল্যাণেই ব্যয় হবে এবং জনগণকে সঙ্গে নিয়ে অর্থ পাচার প্রতিরোধ করা হবে।তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই দেশের উন্নয়ন সম্ভব। তাই সবাইকে দেশ গড়ার কাজে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ বলে যারা হুমকি দিচ্ছে, তারা জনগণের স্বার্থে নয়; বরং নিজেদের স্বার্থে কথা বলছে। তাদের বিষয়ে জনগণকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।বুধবার বিকেলে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ বিএনপিকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে এবং আগামী পাঁচ বছর দেশের উন্নয়ন ও আরো পড়ুন , শেখ হাসিনাসহ ২৫৯ জন পলাতক, রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার শুনানি পিছিয়ে ১৪ জুলাইসংস্কারের জন্য সময়ও দিয়েছে। তাই যারা বিএনপিকে সময় দিতে চায় না, তারা প্রকৃতপক্ষে জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে।তিনি বলেন, বিএনপির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা আসলে জনগণের পরিকল্পনা। এটি যারা ব্যাহত করতে চায়, তাদের ব্যাপারে দেশের মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে।তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কৃষিঋণ মওকুফ, ইমাম-মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মীয় নেতাদের সম্মানিভাতা, শিক্ষার্থীদের পোশাক বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।তিনি বলেন, এসব উদ্যোগের সুফল দলমত নির্বিশেষে দেশের সকল মানুষ ভোগ করবে। কারণ বর্তমান সরকার সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সরকার।সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, অতীতে অর্থ পাচারের মাধ্যমে দেশের বিপুল সম্পদ বিদেশে চলে গেছে। এখন সেই অর্থ দেশের মানুষের উন্নয়নে ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

শেখ হাসিনাসহ ২৫৯ জন পলাতক, রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার শুনানি পিছিয়ে ১৪ জুলাই

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আগামী ১৪ জুলাই দিন ধার্য করেছেন ঢাকার একটি আদালত।বুধবার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মঈন উদ্দিন চৌধুরীর আদালতে মামলাটির অভিযোগ গঠন শুনানির দিন নির্ধারিত ছিল। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের মক্কেলদের অব্যাহতি চেয়ে আদালতে বক্তব্য দেন।তবে আসামিপক্ষের শুনানি শেষ না হওয়ায় আদালত মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৪ জুলাই দিন ধার্য করেন।মামলার নথি অনুযায়ী, শেখ হাসিনাসহ মোট ২৮৬ জন আসামির মধ্যে ২৫৯ জন বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। অন্যদিকে সাবেক সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তর যুব মহিলা লীগের সাবেক সভাপতি সাবিনা আক্তার তুহিনসহ ২৭ জন গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন।অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ নামে একটি অনলাইন জুম বৈঠকে দেশ-বিদেশ থেকে শত শত ব্যক্তি অংশ নেন। সেখানে শেখ হাসিনাকে পুনরায় ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে আরো পড়ুন , স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ডাকযোগে ভোট নয়, প্রবাসীদের জন্য সুযোগ রাখছে না ইসিগৃহযুদ্ধের মাধ্যমে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে।তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি দাবি করেছে, বৈঠকের অডিও ও অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণে বৈধ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড এবং রাষ্ট্রদ্রোহিতার উপাদান পাওয়া গেছে।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ মামলাটি দায়ের করা হয়। পরে তদন্ত শেষে শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়।এখন মামলার পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে আগামী ১৪ জুলাই অভিযোগ গঠনের শুনানির দিকে নজর থাকবে সংশ্লিষ্টদের।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ডাকযোগে ভোট নয়, প্রবাসীদের জন্য সুযোগ রাখছে না ইসি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকছে না। নির্বাচন কমিশন খসড়া বিধিমালা ও আচরণবিধিতে এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে।একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্দলীয় ভিত্তিতে আয়োজনের বিধানও বহাল রাখা হয়েছে।নির্বাচন কমিশন বলছে, প্রবাসী ভোটারদের কাছে ব্যালট পাঠানো, তা সংগ্রহ, যাচাই এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভোট গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত জটিল ও ব্যয়বহুল। তাই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ডাকযোগে ভোটের সুযোগ রাখা হয়নি।গত ১০ জুন কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের খসড়া আচরণবিধি ও বিধিমালা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে জনমত আহ্বান করেছে। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত এ বিষয়ে মতামত দেওয়া যাবে।আরও  পড়ুন ,শাপলা চত্বর মামলায় জিজ্ঞাসাবাদে মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রূপাবর্তমানে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইনে এমন কোনো বিধান নেই।তবে নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করেছেন অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি। তাদের দাবি, জাতীয় নির্বাচনে ভোটাধিকার থাকলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ না দেওয়া বৈষম্যমূলক।এদিকে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, প্রবাসীরাও বাংলাদেশের নাগরিক এবং ভোটার। তাই সব ধরনের নির্বাচনে তাদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে কমিশনের এ সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে রাজনৈতিক ও নাগরিক মহলে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।

রাজনীতিরাজনীতি

৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের চাপেও থেমে নেই উন্নয়ন কার্যক্রম

৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের চাপেও থেমে নেই উন্নয়ন কার্যক্রম

ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মাধ্যমে বর্তমান সরকার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।বুধবার হাটহাজারী উপজেলার গুমানমর্দন ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিপুল ঋণের চাপ থাকা সত্ত্বেও সরকার জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম থেকে সরে আসেনি। সামাজিক নিরাপত্তা ও উন্নয়নমূলক কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হয়েছে।আরো পড়ুন , গার্মেন্টস থেকে সংসদ সবখানেই বাড়ছে নারীর অবদানতিনি বলেন, শুধু অবকাঠামো নির্মাণ নয়, বরং প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নই প্রকৃত উন্নয়ন। এ লক্ষ্যেই ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ধর্মীয় ব্যক্তিদের ভাতা, ক্রীড়াবিদদের সম্মানীসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।মীর হেলাল আরও বলেন, সরকারের উদ্দেশ্য হলো মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মূলধারায় নিয়ে আসা।আসন্ন বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এবার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তি বয়ে আনবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সংসদে গঠনমূলক বিরোধী দলের ভূমিকায় থাকার ঘোষণা ডা. শফিকুর রহমানের

সংসদে গঠনমূলক বিরোধী দলের ভূমিকায় থাকার ঘোষণা ডা. শফিকুর রহমানের

জাতীয় সংসদে দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক বিরোধী দলের ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, যৌক্তিক বিষয়ে মতামত উপেক্ষিত হলে বিরোধী দল ওয়াকআউট করতে পারে, তবে তা দীর্ঘমেয়াদি হবে না।মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিরোধী দল হিসেবে তারা কোনোভাবেই সংঘাতমুখী অবস্থানে যেতে চান না। বরং সংসদে গঠনমূলক ভূমিকা রেখে দেশের স্বার্থে কাজ করতে চান।আরও পড়ুন, সংবিধান সংশোধন কমিটি অপ্রয়োজনীয় শফিকুর রহমানতিনি আরও বলেন, কোনো ইস্যুতে যদি যৌক্তিক মতামত উপেক্ষা করা হয় বা কথা বলার সুযোগ না দেওয়া হয়, তাহলে তারা ওয়াকআউটের পথ বেছে নিতে পারেন। তবে এটি দীর্ঘমেয়াদি আন্দোলন বা অবস্থান হবে না বলে তিনি স্পষ্ট করেন।সংসদীয় রাজনীতিতে সহযোগিতামূলক পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, সরকার ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে চান তারা।তিনি আরও বলেন, “আমাদের খুব গরম বিরোধী দল ভাববেন না, আমরা দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে কাজ করতে চাই।”তার এই বক্তব্য সংসদীয় রাজনীতিতে বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।

সংবিধান সংশোধন কমিটি অপ্রয়োজনীয় শফিকুর রহমান

সংবিধান সংশোধন কমিটি অপ্রয়োজনীয় শফিকুর রহমান

সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে গঠিত বিশেষ কমিটিতে দল থেকে কোনো প্রতিনিধি না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, সংবিধান সংশোধনের বিষয়টি নিয়মিত আইনপ্রণয়ন প্রক্রিয়ার অংশ, তাই এ জন্য আলাদা কমিটির প্রয়োজন নেই।মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের দাবি ছিল সংবিধান সংস্কার, আর সেই উদ্দেশ্যেই গণভোট হয়েছে। তাই সংশোধনের জন্য নয়, যদি সংস্কারের জন্য কমিটি গঠন করা হয়, তাহলে তা বিবেচনা করা হবে। তাঁর মতে, সংবিধান সংশোধনের কাজ সংসদে বিল আকারে আসবে, সেখানে আলোচনা ও ভোটের মাধ্যমে তা নিষ্পত্তি হবে।তিনি আরও বলেন, আরো পড়ুন , বিদেশে হামলার ঘটনায় হাসনাত-মোশাররফের প্রতি সংহতি জানালেন তাসনিম জারাসংসদে সমাধান হলে ভালো, না হলে রাজপথেও জনগণের দাবি নিয়ে আন্দোলন চলবে। তবে জামায়াত দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে কাজ করতে চায় এবং জনস্বার্থবিরোধী কোনো অবস্থান তারা নেবে না।শফিকুর রহমান বলেন, কোনো ইস্যুতে তাদের যৌক্তিক দাবি উপেক্ষা করা হলে তারা ওয়াকআউট করবেন, তবে তা দীর্ঘ সময়ের জন্য নয়। তিনি নিজ দলের অবস্থানকে “যৌক্তিক বিরোধী দল” হিসেবে তুলে ধরেন এবং সংসদের ভেতরে দায়িত্বশীল আচরণের অঙ্গীকার করেন।এ সময় তিনি সীমান্তে পুশ-ইন ইস্যু নিয়েও কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করেন, একটি গুরুত্বপূর্ণ নোটিশ আলোচনায় আনার কথা থাকলেও পরে সেটি বাদ দেওয়া হয়, যা দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়।মতবিনিময় সভায় বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, হুইপ রফিকুল ইসলাম খান এবং জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বিদেশে হামলার ঘটনায় হাসনাত-মোশাররফের প্রতি সংহতি জানালেন তাসনিম জারা

বিদেশে হামলার ঘটনায় হাসনাত-মোশাররফের প্রতি সংহতি জানালেন তাসনিম জারা

দেশের বাইরে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপির নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ এবং জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিমকে ঘিরে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন চিকিৎসক ও রাজনীতিক ডা. তাসনিম জারা।মঙ্গলবার নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, বিদেশে হামলা, ডিম নিক্ষেপ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা আসলে হতাশা এবং রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের বহিঃপ্রকাশ।আরও  পড়ুন , লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর সভা ঘিরে উত্তেজনা, বিক্ষোভ-হাতাহাতিতে আটক ৩তাসনিম জারা আরও জানান, জনগণের অধিকারের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার কারণে হাসনাত আবদুল্লাহ ও মোশাররফ করিমের প্রতি তার শ্রদ্ধা রয়েছে এবং তিনি তাদের পাশে আছেন।উল্লেখ্য, সম্প্রতি লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর একটি সভাকে ঘিরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে কলকাতায় অভিনেতা মোশাররফ করিম ও তার স্ত্রীর ওপর আওয়ামী লীগ সমর্থকদের চড়াও হওয়ার চেষ্টার অভিযোগও সামনে আসে।এসব ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন ডা. তাসনিম জারা।

সারাবাংলা

ধর্ষণ ও হত্যার শিকার শিশু নিসার বাড়িতে বিএনপি নেতা প্রিন্স

ধর্ষণ ও হত্যার শিকার শিশু নিসার বাড়িতে বিএনপি নেতা প্রিন্স

ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার চার বছর বয়সী শিশু নিসার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।বুধবার বিকেলে তিনি ধোবাউড়া উপজেলার গোয়াতলা ইউনিয়নের টেংগটি গ্রামে নিসার বাড়িতে যান এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।এ সময় তিনি পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সান্ত্বনা পৌঁছে দেন। শিশুটির মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের আবহ তৈরি হয়।এমরান আরো পড়ুন , বগুড়া মহানগর বিএনপির নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দুপচাঁচিয়ায় শুভেচ্ছাসালেহ প্রিন্স বলেন, একটি নিষ্পাপ শিশুর সঙ্গে এমন নির্মম ঘটনা পুরো সমাজকে লজ্জিত করেছে। তিনি ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।তিনি আরও জানান, ঘটনায় পুলিশ ইতোমধ্যে তিনজনকে আটক করেছে এবং দুইজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।বিএনপি নেতা বলেন, তিনি এ বিষয়ে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার বিষয়ে আশ্বাস পেয়েছেন। প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন এবং স্থানীয়দেরও শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

বগুড়া মহানগর বিএনপির নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দুপচাঁচিয়ায় শুভেচ্ছা

বগুড়া মহানগর বিএনপির নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দুপচাঁচিয়ায় শুভেচ্ছা

নবগঠিত বগুড়া মহানগর বিএনপির সভাপতি এ্যাড হামিদুল হক চৌধুরী হিরু, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি সিনিয়র সহ সভাপতি মশিউর রহমান শামিম,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহমমদুল হাসান তুহিন ও সাংগঠনিক সম্পাদক সোলাইমান আলী কে দুপচাঁচিয়া পৌর বিএনপি যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, মহিলাদল সহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃদের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মহানগর দলীয় কার্যলয়ে  ফুলেল শুভেচছা জানানো হয়। এই উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপি র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইফুর রহমান মিলু, সাধারণ সম্পাদক আখতারুজ্জামান তুহিন, সহসভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, আরও  পড়ুন, বগুড়ায় র‌্যাবের দুই পৃথক অভিযানে ২ জন গ্রেফতার, চেতনানাশক মিশ্রিত ৩ পুরিয়া উদ্ধারযুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকিউল ইসলাম খান তপু সাংগঠনিক সম্পাদক জাহেদুল হক তালুকদার কাজল, বিএনপি নেতােত  আবুল হোসেন, জুয়েল হোসেন, সরোয়ার হোসেন, বাছেদ হোসেন,ফৈরদোস আলম,আবুল কালাম আজাদ সাজু, এমদাদুল হক যুবদল নেতা আশরাফুল আলম, আব্দুস সবুর খন্দকার রাকিব রাবু খান আনোয়ার হোসেন, জুয়েল হোসেন, রবিউল ইসলাম, মেহেদী হাসান, তারিকুল ইসলাম, সবুজ প্রাং, বেলাল হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আব্দুর রাজ্জাক, সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান, মন্টু প্রাং কৃষক দল নেতা কাওসার আলী সেখ, আয়তানুর , মহিলা দলের নেত্রী নাসরিন সুলতানা, পরশমুনি,জেসমিন আকতার,হেলােনা বেগম সহ প্রমুখ এবং বিভিন্ন ইউনিটের সভাপতি সম্পাদক সহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

বগুড়ায় র‌্যাবের দুই পৃথক অভিযানে ২ জন গ্রেফতার, চেতনানাশক মিশ্রিত ৩ পুরিয়া উদ্ধার

বগুড়ায় র‌্যাবের দুই পৃথক অভিযানে ২ জন গ্রেফতার, চেতনানাশক মিশ্রিত ৩ পুরিয়া উদ্ধার

বগুড়ায় র‍্যাব-১২ এর দুটি পৃথক অভিযানে নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করে চুরি করার অপরাধে তদন্তেপ্রাপ্ত প্রধান আসামীসহ মোঃ মেহেদী হাসান সৌরভ (২০) ও মোঃ উজাম মিয়া (৩৪) গ্রেফতার।   সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানার রুজুকৃত মামলা নং-০৭, তারিখ ১০ এপ্রিল ২০২৬, ধারা-৩২৮/৩৭৯ পেনাল কোড ১৮৬০ এবং এজাহার থেকে জানা যায় যে, ভিকটিম মোঃ সবুজ হাওলাদার (২৮) বগুড়ার শাকপালা থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মোটরসাইকেল যোগে কুষ্টিয়া যাবার সময় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েন এবং তার হাতে থাকা ছোট ব্যাগে নগদ ২ লক্ষ টাকা, প্যান্টের পকেটে থাকা ১টি মোবাইল, যাহার মূল্য অনুমান-১৪ হাজার টাকা ও ১টি আইফোন যাহার মূল্য অনুমান-১,৯৬,০০০/- (এক লক্ষ ছিয়ানব্বই হাজার) টাকা এবং মানিব্যাগের ভিতরে থাকা জাতীয় পরিচয় পত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ব্যাংকের কার্ডসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র খোয়া যায়।উক্ত মামলার প্রেক্ষিতে র‍্যাব-১২, সিপিএসসি, বগুড়া অজ্ঞাতনামা আসামীদেরকে দ্রুত গ্রেফতার করতে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করে এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, আরও  পড়ুন, ২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ কক্সবাজারের মাদককারবারী করিম বগুড়ায় গ্রেফতারউক্ত মামলার তদন্তেপ্রাপ্ত একজন আসামী বগুড়া সদর থানা এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত (১৬ জুন) র‌্যাব-১২, সিপিএসসি বগুড়া এর একটি চৌকষ আভিযানিক দল বগুড়া শহরের সাতমাথা এলাকার সপ্তপদী মার্কেটের সামনে অভিযান পরিচালনা করে উল্লেখিত মামলার তদন্তেপ্রাপ্ত সন্ধিগ্ধ প্রধান পলাতক আসামী মোঃ মেহেদী হাসান সৌরভ (২০), পিতা-হাজী শাহিন, সাং-হাড্ডিপট্টি, থানা-বগুড়া সদর, জেলা-বগুড়াকে আটক করতে সক্ষম হয়। উক্ত আটককৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রাপ্ত তথ্যের ভিক্তিতে পৃথক একটি অভিযানে, আজ বুধবার (১৭ জুন) রাত আনুমানিক টার সময় বগুড়া সদর মাটিডালি রাজা ফিলিং স্টেশনের সামনে অভিযান পরিচালনা করে উক্ত মামলার তদন্তেপ্রাপ্ত সন্ধিগ্ধ পলাতক আসামী মোঃ উজাম মিয়া (৩৪), পিতা হায়দার আলী, সাং-ধুনদিয়া হরিরামপুর, থানা-গোবিন্দগঞ্জ, জেলা-গাইবান্ধাকে আটক করতে সক্ষম হয়। আটককৃত মোঃ উজাম মিয়ার নিকট থেকে সাধারন পথচারী এবং যাত্রীকে অজ্ঞান করার নিমিত্তে তার সংগ্রহকৃত বিভিন্ন চেতনানাশক ঔষধের সংমিশ্রনে তৈরি ৩টি পুরিয়া উদ্ধার করা হয়। আটককৃত আসামীদ্বয়কে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিরাজগঞ্জ জেলার তারাশ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ কক্সবাজারের মাদককারবারী করিম বগুড়ায় গ্রেফতার

২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ কক্সবাজারের মাদককারবারী করিম বগুড়ায় গ্রেফতার

বগুড়ায় মাদক বিরোধী অভিযানে অরিন পরিবহন নামীয় যাত্রীবাহী কোচ থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত অবৈধ ২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ কক্সবাজার জেলার, টেকনাফ থানা কলেজ পাড়ার পিতা মৃত নূর আহমদ এর ছেলে মোঃ আব্দুল করিম (৩৯) কে গ্রেফতার করে, ডিএমসি।গ্রেফতারকৃত আসামী হলো অবৈধ ইয়াবা ট্যাবলেট কারবারী, মোঃ আব্দুল করিম (৩৯), পিতা মৃত নূর আহমদ, মাতা মৃত সুফিয়া খাতুন, সাং-কলেজপাড়া, থানা-টেকনাফ, জেলা-কক্সবাজার।আজ (১৭ জুন) রাতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, বগুড়া কর্তৃক গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় একটা মাদকের চালান পাচার হবে সে অনুযায়ী মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বগুড়া সদর উপজেলার গোকুল এলাকাস্থ ঢাকা টুু রংপুর মহাসড়কের পশ্চিম পার্শ্বে নিউ চলাচল ফিলিং স্টেশনের সামনে পাকা রাস্তার অবস্থান করে, একটি অরিন নামীয় যাত্রীবাহী কোচ উক্ত স্থানে আসা মাত্র সংকেত প্রদান করিলে গাড়ীটি রেইডিং টিমের সংকেত বুঝতে না পেরে গোকুল এলাকা হয়ে গাইবান্ধাগামী পথে অগ্রসর হতে থাকে। তৎপরবর্তীতে উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে দ্রুত রেইডিং টিমকে নিয়ে উক্ত কোচটিকে অনুসরন করে যেতে থাকি। আরও  পড়ুন , “বান্দরবান পার্বত্য জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত”এক পর্যায়ে কোচটি বগুড়া জেলার সীমানা ক্রস করে গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জগামী পথে এগোতে থাকলে পূনরায় উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষকে মুঠো ফোনে অবহিত করে তাদের অনুমতিক্রমে গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা গোবিন্দগঞ্জ দক্ষিণ বাসস্ট্যান্ড নামক এলাকার হুদা মটরসাইকেল সার্ভিসিং সেন্টারের সামনে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পশ্চিম পার্শ্বে পাকা রাস্তার উপর ঢাকা টু গাইবান্ধাগামী অরিন পরিবহন নামীয় যাত্রীবাহী কোচ যার রেজি: নং ঢাকা মেট্রো-ব-১২-৫৭২২ বাসের A-4 সিটে বসা (টিকিট বিহীন) যাত্রীর দেহ ও তার ব্যাগ তল্লাশী করে, নিষিদ্ধ ঘোষিত অবৈধ ইয়াবা ট্যাবলেট ২ হাজার পিস ও মোবাইল ফোন ২টি উদ্ধারসহ আসামীকে গ্রেফতার করা হয়।উল্লিখিত আসামীর বিরুদ্ধে গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বগুড়া'র পরিদর্শক মোঃ সামসুল আলম বাদী হয়ে, নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।মাদকের এই চালানের সাথে অন্যান্য কে বা কারা জড়িত তা নিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তদন্ত চলছে। সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে সনাক্ত করে দ্রুতই আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলমান।

আন্তর্জাতিক

চুক্তির ভাষা এমন কেন উভয় পক্ষকেই ‘বিজয়ী’ দেখানোর ব্যাখ্যা

চুক্তির ভাষা এমন কেন উভয় পক্ষকেই ‘বিজয়ী’ দেখানোর ব্যাখ্যা

দীর্ঘ তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা উত্তেজনা ও সংঘাতের পর অবশেষে একটি অন্তর্বর্তী শান্তি সমঝোতায় পৌঁছেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। উভয় দেশ জানিয়েছে, গত ১৪ জুন চূড়ান্ত সমঝোতা সম্পন্ন হয়েছে এবং আগামী ১৯ জুন সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের মাধ্যমে এটি কার্যকর হবে।তবে বহুল আলোচিত এই চুক্তির খসড়া ভাষা নিয়েই নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তির শব্দচয়ন এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয়ই নিজ নিজ জনগণের কাছে এটিকে কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে তুলে ধরতে পারে।কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ এসলামী বলেন, যদি চুক্তির ভাষা অত্যন্ত কঠোর এবং একক ব্যাখ্যাযোগ্য হতো, তাহলে কোনো আরো পড়ুন , ইরান ইস্যুতে উত্তেজনা কমার আভাস, সরছে মার্কিন রিফুয়েলিং বিমানপক্ষই সমঝোতায় পৌঁছাতে পারতো না।বিশেষজ্ঞদের মতে, লেবাননের পরিস্থিতি, ইরানের জব্দকৃত সম্পদের ভবিষ্যৎ এবং হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণসহ বেশ কয়েকটি স্পর্শকাতর বিষয় ইচ্ছাকৃতভাবে অস্পষ্ট রাখা হয়েছে। এসব বিষয় পরবর্তী ধাপে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের জন্য খোলা রাখা হয়েছে।অধ্যাপক এসলামী সতর্ক করে বলেন, এই সমঝোতাকে চূড়ান্ত সমাধান মনে করার সুযোগ নেই। বরং আগামী ৩০ থেকে ৬০ দিন হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। কারণ মূল বিরোধপূর্ণ ইস্যুগুলোতে সমাধান না এলে বর্তমান সমঝোতা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম।বিশ্লেষকদের ধারণা, বর্তমান চুক্তি মূলত একটি রাজনৈতিক বিরতি বা সময় কেনার কৌশল, যার মাধ্যমে বড় ধরনের সংঘাত এড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যৎ আলোচনার পথ উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

৪ ঘন্টা আগে

রাজধানী

মিরপুরে বন্ধ বাসা থেকে তরুণীর মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ সঙ্গীকে খুঁজছে পুলিশ

মিরপুরে বন্ধ বাসা থেকে তরুণীর মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ সঙ্গীকে খুঁজছে পুলিশ

রাজধানীর মিরপুরের কাজীপাড়ায় একটি বাসা থেকে জেনি খান নামে ২৪ বছর বয়সী এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস।মঙ্গলবার দুপুরে কাজীপাড়া মেট্রো স্টেশনের পাশের একটি বহুতল ভবনের সাততলার ফ্ল্যাট থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।পুলিশ জানায়, বাসা থেকে দুর্গন্ধ বের হলে বাড়ির মালিক বিষয়টি টের পান এবং পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে শয়নকক্ষ থেকে তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেন।আরও পড়ুন , আদাবরে ফের সক্রিয় ‘কব্জি কাটা’ গ্যাং? ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ৩ লাখ টাকা ছিনতাই কাফরুল থানা পুলিশ জানিয়েছে, গত এপ্রিল মাসে জেনি খান ও মুন্না নামে এক যুবক স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ওই বাসাটি ভাড়া নেন। তবে গত রোববার মুন্না বাসা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর আর ফিরে আসেননি।পুলিশ বলছে, ঘটনাটি রহস্যজনক। মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে পলাতক মুন্নার সন্ধানে কাজ চলছে।প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ জানা না গেলেও তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

৭ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

ছয় বিশ্বকাপে গোলের বিশ্বরেকর্ডের সামনে রোনালদো

ছয় বিশ্বকাপে গোলের বিশ্বরেকর্ডের সামনে রোনালদো

বিশ্ব ফুটবলে আরেকটি বড় মাইলফলকের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। পর্তুগালের হয়ে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে গ্রুপ ‘কে’-এর ম্যাচ খেলতে নামছেন ৪১ বছর বয়সী এই তারকা, যেখানে তার সামনে রয়েছে একাধিক ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়ার সুযোগ।এই ম্যাচটি রোনালদোর ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ফিফা বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে তিনি বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে আরও একটি অনন্য অর্জনের অংশ হতে যাচ্ছেন। এর আগে আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসিও ছয়টি বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে একই অভিজাত তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন।তবে এবার রোনালদোর সামনে সবচেয়ে বড় অর্জন হতে পারে একটি নতুন বিশ্বরেকর্ড। এই ম্যাচে গোল করতে পারলে তিনি হয়ে উঠবেন প্রথম ফুটবলার, যিনি ছয়টি আলাদা বিশ্বকাপে গোল করার কৃতিত্ব আরো পড়ুন , বিশ্বকাপে শুরুতেই অস্ট্রিয়ার গোল, চাপের মুখে জর্ডানঅর্জন করবেন—যা এখনো ফুটবল ইতিহাসে কারও নেই।বিশ্বকাপে ম্যাচ খেলার দিক থেকেও রোনালদো এগিয়ে চলেছেন। বর্তমানে তার ম্যাচ সংখ্যা ২২। অপরদিকে লিওনেল মেসির রয়েছে ২৭ ম্যাচ। ফলে কঙ্গোর বিপক্ষে মাঠে নামার মাধ্যমে সেই ব্যবধান আরও কমিয়ে আনবেন পর্তুগিজ অধিনায়ক।বয়সভিত্তিক আরেকটি রেকর্ডের দিকেও নজর রোনালদোর সামনে। গোল করতে পারলে তিনি হয়ে উঠবেন বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বয়সে গোল করা ফুটবলার। এই তালিকায় শীর্ষে আছেন ক্যামেরুনের রজার মিলা, যিনি ৪২ বছর ৩৯ দিন বয়সে গোল করেছিলেন।সব মিলিয়ে হিউস্টনের এই ম্যাচ রোনালদোর ক্যারিয়ারে আরও একটি ঐতিহাসিক অধ্যায়ের জন্ম দিতে পারে বলে মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।

আইন আদালত

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে আটকের পর কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা সাজিয়ে গুলি ও নির্যাতনের মাধ্যমে পঙ্গু করার অভিযোগে দায়ের করা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার আজ শুরু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলাটির সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) ও সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।আরও পড়ুন, ‘আমি শুধু ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার’: আসামি সোহেলমামলাটি শুনানি করবেন মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। মামলার প্রধান আসামি আনিসুর রহমান-সহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম চলবে।প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর চৌগাছা উপজেলা শাখার তৎকালীন সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন এবং সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিন-কে একটি মামলায় আটক করে পুলিশ। অভিযোগে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারের পর তাদের আদালতে হাজির না করে কয়েকদিন নির্যাতন করা হয়।আরও পড়ুন, শিশু রামিসা হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি আজপ্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ একটি সাজানো ঘটনা তৈরি করে দুই নেতার পায়ে গুলি করা হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে চিকিৎসার একপর্যায়ে তাদের পা কেটে ফেলতে হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় আরও বলা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অস্ত্র মামলাটি পরবর্তীতে আদালতে ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়।এর আগে গত ২০ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। সে সময় আদালতে উপস্থিত আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। বর্তমানে অভিযুক্তদের মধ্যে আকিকুল ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান এবং জহরুল হক কারাগারে রয়েছেন।আরও পড়ুন, সাইপ্রাসে এস আলমের ভবন জব্দের নির্দেশঅন্যদিকে প্রধান আসামি আনিসুর রহমান, সাবেক ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল এবং এসআই মাজেদুল পলাতক রয়েছেন বলে ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানিয়েছে। উল্লেখ্য, মামলার অভিযোগগুলো প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত অভিযোগ। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের রায়ের মাধ্যমে অভিযুক্তদের দায়-দায়িত্ব চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর