দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1002.9 hPa
28.5° 90%
3mm
চট্টগ্রাম 1003 hPa
32° 67%
60° 3mm
রাজশাহী 1002.6 hPa
32.2° 79%
20° 3mm
খুলনা 1002.4 hPa
32° 81%
3mm
বরিশাল 1002.6 hPa
29.9° 83%
3mm
সিলেট 1004.4 hPa
26.5° 90%
3mm
রংপুর 1002.5 hPa
32.1° 76%
3mm
ময়মনসিংহ 1003.3 hPa
29.4° 87%
40° 3mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

গ্রাহকের অর্থ কোথায়? Divine Group-এর প্রকল্প ও সম্পদ

গ্রাহকের অর্থ কোথায়? Divine Group-এর প্রকল্প ও সম্পদ

দেশের আবাসন ও পর্যটন খাতে দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম চালিয়ে আসা Divine Group-এর বিভিন্ন প্রকল্প, গ্রাহকের অর্থ ব্যবস্থাপনা, জমির মালিকানা, প্রকল্প বাস্তবায়ন, কর্পোরেট গভর্ন্যান্স, কর-ভ্যাট ও কমপ্লায়েন্স এবং গ্রাহক রিফান্ড নিয়ে একাধিক গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। ১৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রস্তুত করা একটি Preliminary Findings, Risk Assessment & Corporate Governance Report-এ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমের ওপর প্রাথমিক মূল্যায়নে একাধিক ক্ষেত্রে ‘অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকি’ চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে প্রতিবেদনের শুরুতেই স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এতে থাকা প্রতারণা, অর্থ পাচার, অর্থ আত্মসাৎ, রাজনৈতিক প্রভাব, ব্যক্তিগত স্বার্থে অর্থ ব্যবহার কিংবা অন্য কোনো বেআইনি কর্মকাণ্ডের অভিযোগকে আদালত বা নিয়ন্ত্রক সংস্থা কর্তৃক প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে না। বরং এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে নথিপত্র, ব্যাংক রেকর্ড, ভূমি রেকর্ড, আদালতের নথি, অডিট এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাইয়ের প্রয়োজন রয়েছে।আরও পড়ুন: ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে দেশজুড়ে র‍্যাবের বাড়তি নিরাপত্তাপ্রাথমিক অনুসন্ধানভিত্তিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, Divine প্রায় ২০০৯ সালে Divine Holdings Limited নামে ব্যবসা শুরু করে। শুরুতে রাজধানীর পূর্বাচল এলাকার ২৬ ও ২৭ নম্বর সেক্টরের কাছাকাছি একটি ভূমি উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়। সময়ের সঙ্গে প্রকল্পটি বিভিন্ন নামে বাজারজাত করা হয়েছে এবং বর্তমানে সেটি Divine Purbachal City নামে উপস্থাপিত হচ্ছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, পূর্বাচল প্রকল্পে প্রায় ৫৫৬ কাঠা জমি গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে বলে দাবি রয়েছে। এসব গ্রাহকের প্রায় ৯০ শতাংশ মধ্যপ্রাচ্য ও মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি বা NRB বলে উল্লেখ করা হয়েছে।বিদেশে থাকা গ্রাহকদের বড় অংশের ওপর নির্ভরশীল এই ব্যবসায়িক মডেলকে প্রতিবেদনে একটি ঝুঁকির কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। কারণ, দেশের বাইরে অবস্থানরত ক্রেতাদের পক্ষে প্রকল্পের জমির বাস্তব অবস্থা, মালিকানা, দখল ও উন্নয়নকাজ সরেজমিনে যাচাই করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে।Divine-এর ভূমি প্রকল্পের জমির পরিমাণ নিয়েও প্রতিবেদনে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে প্রায় ১ হাজার ৩০০ বিঘার একটি land project উপস্থাপনের তথ্য রয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় ৪৫ বিঘা জমি acquisition করা হয়েছে বলে দাবি থাকার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, বাস্তবে প্রতিষ্ঠানের নিজস্বভাবে অর্জিত জমির পরিমাণ হয়তো পাঁচ বিঘার বেশি নয়। তবে প্রতিবেদনে এটিকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি; বরং ভূমি-সংক্রান্ত নথি দিয়ে বিষয়টি সম্পূর্ণ যাচাই করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।এক্ষেত্রে নিবন্ধিত দলিল, নামজারি, খতিয়ান, ভূমি উন্নয়ন করের রসিদ, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি, বিক্রয় চুক্তি, জমির মূল্য পরিশোধের রেকর্ড, দখল সংক্রান্ত নথি, মামলা-মোকদ্দমার তথ্য এবং গ্রাহকের কাছে বরাদ্দ দেওয়া জমির তালিকা যাচাইয়ের কথা বলা হয়েছে। এসব নথিতে ঘোষিত জমি ও আইনগতভাবে অর্জিত জমির মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য পাওয়া গেলে সেটি ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় ধরনের সতর্কসংকেত হতে পারে।আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানদের সৌজন্য সাক্ষাৎপ্রাথমিক প্রতিবেদনে গত প্রায় ১৭ বছরের কার্যক্রম নিয়ে আরও একটি প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, Divine-এর ব্যবসার বড় অংশ ভূমি বিক্রি ও গ্রাহকের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের ওপর নির্ভরশীল ছিল বলে তথ্য পাওয়া যায়। অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্প এলাকায় পর্যাপ্ত site development হয়নি, অবকাঠামো উন্নয়ন সীমিত এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের তুলনায় sales activity বেশি ছিল। ফলে গ্রাহকদের কাছ থেকে সংগৃহীত অর্থের কত অংশ প্রকৃত প্রকল্প উন্নয়নে ব্যয় হয়েছে সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। এই প্রশ্নের উত্তর পেতে project-wise accounting এবং প্রতিটি প্রকল্পের আয়-ব্যয়ের পৃথক হিসাব যাচাই করা জরুরি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।Divine-এর ব্যবসার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় কক্সবাজারের হোটেল প্রকল্প। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পূর্বাচলের ভূমি ব্যবসার পর কক্সবাজারে একটি পাঁচ তারকা হোটেল প্রকল্পের জন্য অর্থ সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্পটির প্রাথমিক নাম ছিল Divine Sea Point। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটির জন্য ১ হাজার ৩০০টির বেশি শেয়ার বিক্রি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে এবং প্রতি শেয়ারের গড় মূল্য ছিল প্রায় ৬ লাখ টাকা। প্রায় ২০১৭ সাল পর্যন্ত শেয়ার বিক্রির কার্যক্রম চলেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। পরবর্তীতে একই প্রকল্প Cox Holiday Inn নামে বাজারজাত করা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া যায়।এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রশ্ন দাঁড়িয়েছে গ্রাহকের কাছ থেকে মোট কত টাকা সংগ্রহ হয়েছে, তার কত অংশ জমি কেনায়, কত অংশ নির্মাণকাজে, কত অংশ প্রকল্প পরিচালনায় এবং কত টাকা রিফান্ড হিসেবে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বর্তমানে প্রকল্পটির সম্পদ ও দায় কত সেটিও নির্ভরযোগ্য নথি দিয়ে পুনর্মিলন করা প্রয়োজন।আরও পড়ুন: শিক্ষা সহযোগিতা জোরদারে চীন সফরে শিক্ষামন্ত্রী মিলনCox Holiday Inn প্রকল্পের নির্মাণ অগ্রগতি নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, করোনা মহামারির সময়ে নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল। বেজমেন্ট এবং একতলা পর্যন্ত নির্মাণের পর কাজ বন্ধ হয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। প্রায় ২০২১ সাল থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রকল্পটি কার্যত stalled অবস্থায় থাকার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। ফলে পুরোনো নির্মাণ অসম্পূর্ণ থাকার পরও কেন নতুন করে গ্রাহক বা বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে—এ প্রশ্ন সামনে এসেছে।Cox Holiday Inn-এর জমির মালিকানা নিয়ে আরও গুরুতর প্রশ্নের কথা বলা হয়েছে। কিছু জমি Divine Holdings Limited-এর নামে, কিছু Divine Hotel and Resort Limited-এর নামে এবং কিছু জমি খাস হতে পারে এমন তথ্য প্রতিবেদনে রয়েছে। এছাড়া কিছু জমি এখনও Power of Attorney-ভিত্তিক হতে পারে এবং সম্পূর্ণ clean title chain প্রস্তুত হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে। এসব তথ্য সত্য হলে প্রকল্পটির জন্য বড় ধরনের আইনি ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এ কারণে স্বাধীন সম্পত্তি আইনজীবীর মাধ্যমে root of title, বর্তমান মালিকানা, নামজারি, খতিয়ান, ভূমি কর, দখল, খাস মর্যাদা, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি, বন্ধক, মামলা, অধিগ্রহণ নোটিশ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন যাচাই করার সুপারিশ করা হয়েছে।আরও পড়ুন: আব্দুল্লাহপুরে রাহিমের দাপটে হোটেল সি-গাল ও রাজমনিতে নারী-মাদক সিন্ডিকেটপ্রকল্পের নকশা, নির্মাণ এলাকা ও মার্কেটিং উপস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনুমোদিত বা নথিভুক্ত construction area প্রায় ৭৬ হাজার বর্গফুট হলেও marketing presentation-এ প্রায় ১ লাখ বর্গফুট দেখানো হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে প্রকল্পের মূল্য প্রায় ৩০০ কোটি টাকা হিসেবে উপস্থাপনের কথাও উল্লেখ রয়েছে। অনুমোদিত নকশা, স্থাপত্য পরিকল্পনা, structural design, MEP design, BOQ, construction permit ও হালনাগাদ অনুমোদন পরস্পরের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।Divine-এর বিভিন্ন প্রকল্প থেকে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে অন্য সম্পদ কেনা বা নিয়ন্ত্রণের অভিযোগও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এর মধ্যে কুড়িল এলাকায় হাসপাতালের জন্য জমি, প্রায় ২০০ কোটি টাকার প্রস্তাবিত হাসপাতাল প্রকল্প, সংসদ এলাকার কাছাকাছি হোটেল প্রকল্পের জমি, পূর্বাচলের বিভিন্ন জমি এবং ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অ্যাপার্টমেন্টের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, এসব সম্পদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ SM Habibur Rahman অথবা তাঁর step-brother Hedayat Mowla-এর নামে থাকতে পারে। তবে প্রায় ৯০ শতাংশ identified asset একজনের নামে থাকার যে দাবি করা হয়েছে, সেটি certified property record দিয়ে যাচাই করার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। এখানেই সামনে এসেছে একটি মৌলিক প্রশ্ন—কোনো সম্পদ যদি গ্রাহক বা প্রকল্পের অর্থ দিয়ে কেনা হয়ে থাকে, তাহলে সেটি সংশ্লিষ্ট কোম্পানি বা প্রকল্পের নামে নয় কেন? এর উত্তর পেতে source of funds এবং beneficial ownership অনুসন্ধান প্রয়োজন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।SM Habibur Rahman-এর বিভিন্ন সম্পত্তির বিপরীতে ব্যাংক ঋণ নেওয়া এবং কয়েকটি ঋণ খেলাপি হওয়ার অভিযোগও প্রতিবেদনে রয়েছে। ব্যাংকগুলোর আইনগত পদক্ষেপ, recovery proceedings এবং কয়েকটি মামলায় judgment হওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।সম্মিলিত ব্যাংক দাবির পরিমাণ ১০ কোটি টাকার বেশি হতে পারে বলে প্রাথমিক তথ্যের কথা বলা হয়েছে। তবে এসব দাবিও ব্যাংক ঋণের হিসাব, mortgage document, আদালতের রায়, recovery proceedings এবং বর্তমান outstanding-এর মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।আরও পড়ুন: গোবিপ্রবিতে মাসের ব্যবধানে ২ ভিসি পরিবর্তন, নতুন ভিসি ড. মো. সোহেল হাসানব্যবসায়িক আস্থা তৈরিতে রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিচয় ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, SM Habibur Rahman নিজেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্কের মাধ্যমে উপস্থাপন করেছেন এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে ছবি ব্যবহার করে গ্রাহক ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা তৈরির চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে রিপোর্টটি নিজেই সতর্ক করেছে এসবকে প্রমাণিত রাজনৈতিক সম্পর্ক বা অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না, যতক্ষণ না নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়।প্রতিবেদনে Divine-এর কথিত business model নিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর একটি তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে একটি সম্ভাব্য চিত্র দেখানো হয়েছে project presentation, customer trust, fund collection, fund utilization, project delay, new project বা resale এবং এরপর continued fund collection। অর্থাৎ পুরোনো প্রকল্পের দায় ও কাজ সম্পন্ন করার পরিবর্তে নতুন গ্রাহকের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের ওপর ব্যবসার ধারাবাহিকতা নির্ভর করছে কি না সেটিই অনুসন্ধানের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এজন্য গ্রাহকের টাকা কোন ব্যাংক হিসাবে গেছে, কার কাছে স্থানান্তর হয়েছে, কী উদ্দেশ্যে ব্যয় হয়েছে, কোন নথি দিয়ে তা সমর্থিত এবং শেষ পর্যন্ত প্রকৃত সুবিধাভোগী কে প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করার সুপারিশ করা হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে Divine নতুন করে Divine Purbachal City এবং Cox Holiday Inn প্রকল্পকে সামনে নিয়ে বাজারে সক্রিয় হয়। ২০২৫ সাল থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রায় ৫ কোটি টাকার hotel share sale এবং প্রায় ২.৫ কোটি টাকা collection হয়েছে বলে তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু একই সময়ে প্রকল্প উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এই হিসাব bank statement, share register ও customer ledger দিয়ে যাচাই করা প্রয়োজন।আরও পড়ুন: ঈদে মিলাদুন্নবী ঘিরে জশনে জুলুস ঘিরে চট্টগ্রামে কঠোর নিরাপত্তা, অস্ত্র বহনে নিষেধাজ্ঞাগ্রাহকদের রিফান্ড বা ফেরতযোগ্য অর্থ নিয়েও বড় ধরনের উদ্বেগের কথা বলা হয়েছে। প্রাথমিক প্রতিবেদনে ২০ কোটি টাকার বেশি refund-related issue থাকার দাবি এবং কিছু refund claim প্রায় ১৩ বছর ধরে unresolved থাকার অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিটি গ্রাহকের জন্য কত টাকা জমা হয়েছে, কোন প্রকল্পে, কখন দেওয়া হয়েছে, চুক্তি কী ছিল, রিফান্ডের তারিখ কখন, কত টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে এবং কত টাকা বকেয়া—এসব তথ্য নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ customer liability schedule তৈরির সুপারিশ করা হয়েছে।Divine-এর বিরুদ্ধে ৬০ থেকে ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত investor/client fund mismanagement-এর একটি estimate থাকার কথাও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে স্পষ্ট করা হয়েছে এটি কোনো verified liability নয় এবং documentary evidence দিয়ে যাচাই করতে হবে। প্রস্তাবিত reconciliation অনুযায়ী মোট customer collection থেকে বৈধ ভূমি অধিগ্রহণ, নির্মাণ, পরিচালন ব্যয়, রিফান্ড, কর-ভ্যাট এবং যাচাইকৃত প্রকল্প সম্পদের মূল্য বাদ দিয়ে অব্যাখ্যাত অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে।Cox Holiday Inn-এর নামে customer money গ্রহণের জন্য একটি proprietorship account ব্যবহারের কথাও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। সেখানে Cox Holiday Inn একটি proprietorship business এবং সেটি SM Habibur Rahman-এর নিয়ন্ত্রণে বলে দাবি করা হয়েছে। এখানে প্রশ্ন উঠেছে যদি গ্রাহকের কাছে company share বা ownership বিক্রি করা হয়, তাহলে কেন সেই অর্থ proprietorship account-এ যাবে? কে অর্থ গ্রহণ করছে, কোন entity contract করছে, কে share issue করছে, প্রকল্পের মালিক কে, জমির মালিক কে এবং বিনিয়োগকারীর কাছে আইনগতভাবে দায়ী entity কোনটি এসব বিষয়ে স্পষ্টতা থাকা জরুরি।আরও পড়ুন: অনৈতিক কর্মকাণ্ড নয়, গঠনমূলক কাজে দল শক্তিশালী করুন: রিজভীDivine-এর বিভিন্ন কোম্পানির Tax, VAT, Trade License এবং অন্যান্য regulatory compliance দীর্ঘদিন সঠিকভাবে maintained হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ২০১৩ সালের পর থেকে compliance gap থাকার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে RJSC filing, আয়কর রিটার্ন, VAT return, trade license, corporate annual return, audited financial statement, bank account status এবং regulatory approval যাচাই করার সুপারিশ করা হয়েছে।প্রতিবেদনটির একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হলোসাধারণ management accounting-এর পরিবর্তে Divine-এর ক্ষেত্রে forensic audit বেশি উপযোগী হতে পারে। Cash book, general ledger, customer ledger, bank reconciliation, project accounts, refund ledger, share-sale ledger, construction expense, related-party payment, personal expense, loan liability এবং asset register যাচাইয়ের কথা বলা হয়েছে।গ্রাহকের অর্থ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিযোগ থাকলেও রিপোর্টে এটিকে সরাসরি ‘money laundering’ হিসেবে ঘোষণা না করার সতর্কতা রয়েছে। বরং Potential Fund Diversion/Misuse of Customer Funds/Related-Party Transaction Risk হিসেবে forensic verification-এর বিষয় হিসেবে দেখানো হয়েছে।প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে কর্মীদের বেতন বিলম্ব, sales team-এর বেতন সমস্যা, প্রশিক্ষণের অভাব, HR policy-এর ঘাটতি, শ্রম আইন বাস্তবায়নের প্রশ্ন, unpaid/free work এবং কর্মী হয়রানির অভিযোগও প্রতিবেদনে রয়েছে। Sales team-এর প্রায় ৯০ শতাংশ কর্মী চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন বলে একটি দাবি উল্লেখ করা হয়েছে। এর সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বেতন সমস্যা, ব্যবস্থাপনার আচরণ, প্রশিক্ষণের অভাব, HR কাঠামোর দুর্বলতা, অবাস্তব প্রতিশ্রুতি এবং sales support-এর অভাবের কথা বলা হয়েছে। তবে এসব তথ্য payroll, employment contract, attendance, resignation record ও employee complaint দিয়ে যাচাই করা প্রয়োজন।আরও পড়ুন: ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ, নিরাপত্তা শঙ্কা নেই: জামায়াতপ্রতিবেদনে Divine-এর corporate governance কাঠামো নিয়েও একাধিক প্রশ্ন রয়েছে। Board oversight, financial control, segregation of duties, project accounting, customer fund segregation, contract management, tax/VAT compliance, HR, asset ownership, related-party transaction এবং investor reporting বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্বলতার আশঙ্কা চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষ করে Managing Director-কেন্দ্রিক অতিরিক্ত প্রশাসনিক ও আর্থিক নিয়ন্ত্রণের অভিযোগকে বড় governance risk হিসেবে দেখা হয়েছে।প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়নে Project Execution, Land Title, Financial Transparency, Customer Refund, Corporate Governance, Accounting Control, Investor Protection, Management Dependency এবং Construction Risk এসব ক্ষেত্রে ‘অত্যন্ত উচ্চ’ ঝুঁকি দেখানো হয়েছে। Regulatory Compliance-কে উচ্চ থেকে অত্যন্ত উচ্চ এবং HR & Employment-কে উচ্চ ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। Related-party transaction ও fund diversion-এর ঝুঁকিও অত্যন্ত উচ্চ বলা হয়েছে, তবে যাচাই সাপেক্ষে।প্রতিবেদনের চূড়ান্ত মূল্যায়নে বলা হয়েছে, নতুন বিনিয়োগ, share purchase বা customer fund collection-এর আগে ব্যাপক independent due diligence প্রয়োজন। এজন্য forensic financial audit, land audit, legal audit, tax/VAT audit এবং project audit করার সুপারিশ করা হয়েছে।আরও পড়ুন: ছয় মাসে সরকার একটি কথাও রাখতে পারেনি: মান্নাDivine Group-কে ঘিরে উঠে আসা প্রশ্নগুলোর ব্যাপ্তি এখন শুধু একটি প্রকল্পের নির্মাণ অগ্রগতি বা গ্রাহকের রিফান্ডে সীমাবদ্ধ নেই। জমির মালিকানা, প্রকল্প অনুমোদন, গ্রাহকের অর্থ কোথায় যাচ্ছে, কোম্পানির নামে সম্পদ কেন নেই, কর্পোরেট কাঠামো কতটা স্বচ্ছ, রিফান্ডের দায় কত এবং নতুন করে অর্থ সংগ্রহের আর্থিক ভিত্তি কী—এসব প্রশ্ন একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত।তবে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো—অভিযোগকে রায় হিসেবে উপস্থাপন না করা। Divine Group বা সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তিকে প্রতারক, অর্থ পাচারকারী বা অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করার মতো প্রমাণ এই রিপোর্টে নেই। বরং মূল নথিটিও বলছে, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ভূমির দলিল, customer ledger, আদালতের নথি, tax/VAT record, approved plan, construction BOQ এবং audited financial statement স্বাধীনভাবে যাচাই করাই হবে প্রকৃত সত্য নির্ধারণের ভিত্তি।অতএব এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন দীর্ঘদিনের পুরোনো প্রকল্প, অসম্পূর্ণ নির্মাণ, সম্ভাব্য রিফান্ড দায় এবং নতুন করে অর্থ সংগ্রহের মধ্যে বাস্তব আর্থিক ভারসাম্য কোথায়? গ্রাহকদের অর্থ যে উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে, সেই অর্থের প্রতিটি টাকা কি প্রকল্প পর্যন্ত trace করা সম্ভব?

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

১০ দিন বৃষ্টির আধিক্য, কমতে পারে তাপমাত্রা

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের প্রায় সর্বত্র আগামী ১০ দিন ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির আধিক্য থাকতে পারে। এর ফলে দিনে ও রাতে সার্বিক তাপমাত্রাও কিছুটা কমে যেতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর।বৃহস্পতিবার আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাস সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে মৌসুমি অক্ষের সঙ্গে মিলিত হওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকায় অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও হতে পারে মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ।আরও  পড়ুন, পুলিশে নতুন করে ১৪ হাজার ৪০০ জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীশুক্রবারের পর শনিবার ও রোববার দেশের আট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এ সময় কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। একই সঙ্গে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।সোমবারও দেশের প্রায় সব বিভাগে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। তবে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।এদিকে আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, সোমবারের পরও বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ায় বৃষ্টিপাতের এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।ফলে আগামী কয়েকদিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি, ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির কারণে জনজীবনে সাময়িক ভোগান্তি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে ভারি বৃষ্টিপ্রবণ এলাকার মানুষকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে

পুলিশে নতুন করে ১৪ হাজার ৪০০ জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশ পুলিশে নতুন করে ১৪ হাজার ৪০০ জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে রংপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল আমিনের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশের জনবল বাড়াতে নতুন করে চার হাজার নিরস্ত্র উপপরিদর্শক বা এসআই, ৪০০ সার্জেন্ট এবং ১০ হাজার কনস্টেবল পদ সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এসব পদ সৃজিত হলে দেশের বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি রংপুরেও পুলিশের জনবল বাড়বে বলে জানান তিনি।আরও  পড়ুন, নেপাল দুর্যোগে বাংলাদেশিদের বিষয়ে খোঁজ চলছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রীপুলিশের জনবল বৃদ্ধির পাশাপাশি আগামী পাঁচ বছরে পর্যায়ক্রমে বাহিনীর যানবাহন ও জলযানের ঘাটতিও পূরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।তিনি বলেন, পুলিশের ডেভেলপড অ্যান্ড অর্গানোগ্রাম ইক্যুইপমেন্টভুক্ত যানবাহন ও জলযানের ঘাটতি রাজস্ব বাজেটের আওতায় পর্যায়ক্রমে পূরণ করা হবে।সরকারের এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে একদিকে পুলিশের জনবল বাড়বে, অন্যদিকে যানবাহন ও জলযান সংকটও অনেকটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নেপাল দুর্যোগে বাংলাদেশিদের বিষয়ে খোঁজ চলছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপক প্রাণহানি এবং ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশি নাগরিক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান তিনি।পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানালের সঙ্গে সকালে টেলিফোনে তার কথা হয়েছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে নেপালের ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে গভীর শোক ও সহমর্মিতা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি নেপালকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।আরও  পড়ুন, মক্কা চুক্তি বিশ্ব মুসলিম পরিবারের আত্মরক্ষার বিষয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রীখলিলুর রহমান বলেন, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, তারা এখনো দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি পর্যবেক্ষণ করছেন। কী ধরনের সহায়তা প্রয়োজন, তা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা কিংবা শুক্রবারের মধ্যে জানানো হতে পারে।নেপালে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের বিষয়ে খোঁজ নেওয়ার কথা জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোনো বাংলাদেশি এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কি না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকলে তাদের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা করা হবে।তিনি আরও বলেন, কোনো বাংলাদেশি জীবিত কিংবা মৃত অবস্থায় পাওয়া গেলে নেপাল সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্যও সরকার প্রস্তুত রয়েছে।

মক্কা চুক্তি বিশ্ব মুসলিম পরিবারের আত্মরক্ষার বিষয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আলোচিত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে বিশ্ব মুসলিম পরিবারের আত্মরক্ষার বিষয় হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ। তবে এই চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদান সদস্য দেশগুলোর ইচ্ছার ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার বীর বিক্রম মেজর অবসরপ্রাপ্ত হাফিজ উদ্দিন আহমদ।ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা এবং এতে যোগ দিলে দেশের কী ধরনের সুবিধা হতে পারে—তা জানতে চান।জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এই চুক্তিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। এটি বিশ্ব মুসলিম পরিবারের আত্মরক্ষার বিষয়।আরও পড়ুন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মিলিটারি পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা সেনাপ্রধানের তিনি আরও বলেন, চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়টি নির্ভর করছে সংশ্লিষ্ট সদস্য দেশগুলোর ইচ্ছার ওপর।সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে পারস্পরিক নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করে। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।গত ৭ আগস্ট মক্কায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ চুক্তিতে সই করেন।বাংলাদেশ এই চুক্তিতে যুক্ত হলে সামরিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সুবিধা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন কেউ কেউ। তবে দক্ষিণ এশিয়ায় এর সম্ভাব্য রাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও রয়েছে আলোচনা।

রাজনীতিরাজনীতি

আইনশৃঙ্খলা নিয়ে হাসনাতের প্রশ্ন, সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাল্টা জবাব

আইনশৃঙ্খলা নিয়ে হাসনাতের প্রশ্ন, সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাল্টা জবাব

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গান-বাজনা ও নৌকাবাইচ বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে গত ছয় মাসে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুনরুদ্ধারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সফল হয়েছেন কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রথম কার্যদিবসে সম্পূরক প্রশ্নে তিনি এ প্রশ্ন করেন।হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই একটি সাংস্কৃতিক জেলা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অথচ সেখানে গান-বাজনা ও নৌকাবাইচ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি সিনেমা হলও প্রায় বন্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।এ অবস্থায় গত ছয় মাসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুনরুদ্ধার এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পর্যাপ্ত ভূমিকা রাখতে পেরেছেন কি না, নাকি ব্যর্থ হয়েছেন—তা জানতে চান হাসনাত।আরও  পড়ুন, ‘এনসিপির বেরিয়ে যাওয়ার প্রশ্নই নেই, এটা কারও এজেন্ডা না’: শফিকুর রহমানজবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এটা প্রশ্ন হলো, না পল্টনের বক্তৃতা—বুঝতে পারিনি।’তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে কি না, তা দৃশ্যমান। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন অপরাধের ঘটনায় ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।হাসনাতের বক্তব্যে বিভিন্ন হত্যা ও আহতের যে পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে, তার ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ওই পরিসংখ্যান কীসের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে, তা তার জানা নেই।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, কোনো নির্দিষ্ট ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যর্থ হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নোটিশ দিলে সংসদে এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও বিতর্ক করা যাবে।তিনি বলেন, সংসদে তথ্যভিত্তিক কথা বলতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতা থাকলে নির্দিষ্ট ঘটনার ভিত্তিতে তা তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।

‘এনসিপির বেরিয়ে যাওয়ার প্রশ্নই নেই, এটা কারও এজেন্ডা না’: শফিকুর রহমান

‘এনসিপির বেরিয়ে যাওয়ার প্রশ্নই নেই, এটা কারও এজেন্ডা না’: শফিকুর রহমান

জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপি বেরিয়ে যাচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেছেন, এটি এনসিপি কিংবা জামায়াত—কারও এজেন্ডা নয়।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কার্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।জামায়াতের আমির বলেন, ১১ দলীয় ঐক্য মূলত কোনো আনুষ্ঠানিক জোট নয়। এটি একটি নির্বাচনি ঐক্য। বর্তমানে জনগণের স্বার্থে তারা একসঙ্গে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।ঐক্য থেকে কোনো দল বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আরও  পড়ুন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইসলামের আদর্শ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করছেন: ড. মঈন খানগণতন্ত্রে প্রত্যেক দলের নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম বেছে নেওয়ার অধিকার রয়েছে। কাউকে জোর করে ঐক্যে রাখা সম্ভব নয়। তবে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এই ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা থাকবে।নিজেদের দীর্ঘ জোট রাজনীতির অভিজ্ঞতা তুলে ধরে শফিকুর রহমান বলেন, সময়ের সঙ্গে বিভিন্ন জোটে দলের সংখ্যা পরিবর্তন হয়েছে। মতপার্থক্য থাকলেও একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্য ধরে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।এদিকে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের বিষয়ে তিনি জানান, এ নিয়ে হোমওয়ার্ক শুরু হয়েছে। শরিক দলগুলোর সম্ভাবনাময় ব্যক্তিদের পাশাপাশি দেশ-বিদেশে থাকা যোগ্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদেরও এতে যুক্ত করা হবে।দেশের স্বার্থে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে থাকা মেধাবী ও অভিজ্ঞ বাংলাদেশিদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর কথাও জানান জামায়াতের আমির।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইসলামের আদর্শ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করছেন: ড. মঈন খান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইসলামের আদর্শ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করছেন: ড. মঈন খান

বাংলাদেশে ইসলামের আদর্শ প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজ করছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ইসলামের মূল শিক্ষা হচ্ছে ন্যায়, সাম্য, মানবতা ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই মূল্যবোধকে সামনে রেখে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।ড. মঈন খান বলেন, ইসলাম শুধু ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের প্রতি দায়িত্বশীলতা, অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে অবস্থান এবং সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মধ্যেই ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা নিহিত।আরও  পড়ুন, প্রশাসনিক দক্ষতা ও সততায় মানুষের মন জয় করেছেন ইউএনও সাইফ উল আরেফীন: এমপি খোকনতিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় মানুষের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা জরুরি। সে লক্ষ্যেই বর্তমান সরকার কাজ করছে।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, একটি শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণমুখী সমাজ প্রতিষ্ঠায় ধর্মীয় মূল্যবোধের পাশাপাশি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখা প্রয়োজন।ড. মঈন খান বলেন, বাংলাদেশে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেখানে সব মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় ও সামাজিক অধিকার নিয়ে নিরাপদে বসবাস করতে পারেন। এ জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পাঁচ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পাঁচ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পাঁচ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের যৌথসভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ১ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টায় দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।এ ছাড়া ৫ সেপ্টেম্বর আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। এতে দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেবেন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উন্মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণ এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও পালন করবে দলটি।আরও  পড়ুন, ৬ দফা দাবিতে ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ, সফল করার আহ্বান জামায়াতেরসংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী জানান, বিএনপির কাউন্সিলের দিন-তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে শিগগিরই কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে।তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে বিএনপি সবসময় সততার পরিচয় দিয়েছে। নানা সংগ্রাম ও শোক ধারণ করে দলটি এগিয়ে যাচ্ছে। নিপীড়ন ও অত্যাচারের মুখেও ফ্যাসিবাদীরা বিএনপিকে ন্যূনতম ক্ষতি বা আত্মসমর্পণ করাতে পারেনি।শরীয়তপুরে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, বিষয়টি দলের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সারাবাংলা

ঘাটাইলে ১৮ বস্তা সরকারি ওষুধ যমুনা নদীতে ফেলার সময় পিকাপসহ চালক আটক

ঘাটাইলে ১৮ বস্তা সরকারি ওষুধ যমুনা নদীতে ফেলার সময় পিকাপসহ চালক আটক

ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ পাশ্ববর্তীউপজেলা ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে ফেলার সময় জনতার হাতে পিকআপ ভর্তি ওষুধসহ এক চালক আটক হয়েছেন। পরে তাকে পিকআপসহ ভূঞাপুর থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।বুধবার, ২৬ আগস্ট মধ্যরাতে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের টি রোডের কালা সড়ক এলাকায় এঘটনা ঘটে।স্থানীয়রা জানান, রাতে একটি পিকআপ ভ্যানে করে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধ নিয়ে যমুনা নদীর তীরেআসেন চালক। ওষুধগুলো নদীতে ফেলে দেওয়ার প্রস্তুতিকালে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরেতারা পিকআপটি আটক করে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে ভূঞাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েচালকসহ পিকআপটি থানায় নিয়ে আসে। তবে এ সময় পিকআপে থাকা অন্য ব্যক্তিরা পালিয়ে যেতেসক্ষম হন।স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদে আটক পিকআপ চালক ও মালিক আজমতের জানান, পিকআপ ভর্তিওষুধগুলো টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা সরকারি হাসপাতালের। এর আগেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ।আরও পড়ুন, পাগলাপীর স্কুল অ্যান্ড কলেজের এডহক কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ, বাতিলের দাবিসঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফেলে দেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি দাবি করেন, সে সময়ঘাটাইলের বনাঞ্চলের গভীরে নিয়ে ওষুধগুলো ফেলে দিয়েছিলেন। এবারও একইভাবে ওষুধগুলো ফেলেদেওয়ার জন্য তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি ওষুধ নদীতে ফেলে পরিবেশেরক্ষতি এবং সরকারি সম্পদের এমন অপচয়ের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলকশাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম রেজাউল করিম বলেন, স্থানীয় জনগণমেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধসহ পিকআপটি আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকেপিকআপ ও মালামাল থানায় নিয়ে আসে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এ ঘটনায়আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (পঃ পঃ) আবু নাইম সোহেল জানান,এতগুলো ঔষধ নদীতে ফেলতে নিয়ে গেছে বিষয়টি আমি জানি না। তবে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছেআসল ঘটনাটি বের হয়ে আসবে।

পাগলাপীর স্কুল অ্যান্ড কলেজের এডহক কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ, বাতিলের দাবি

পাগলাপীর স্কুল অ্যান্ড কলেজের এডহক কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ, বাতিলের দাবি

রংপুর সদর উপজেলার পাগলাপীর স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবগঠিত এডহক কমিটি গঠনে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, অভিভাবক ও উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে নবগঠিত কমিটি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পাগলাপীর স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষের কার্যালয়ে গিয়ে উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও কয়েকজন অভিভাবক নবগঠিত এডহক কমিটি সম্পর্কে জানতে চান। এ সময় অধ্যক্ষের সঙ্গে আলোচনার একপর্যায়ে নবগঠিত কমিটির সভাপতি আব্দুল গনি অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ করেন উপস্থিত বিএনপি নেতৃবৃন্দ।পরে সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহ মো. মাসুদ রানা, দলীয় নেতৃবৃন্দ ও অভিভাবকরা অধ্যক্ষের কার্যালয় থেকে বেরিয়ে প্রতিষ্ঠানের সামনে শান্তিপূর্ণভাবে সভা করেন।সভায় শাহ মো. মাসুদ রানা অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও অভিভাবকদের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা না করেই গোপনে এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। অধ্যক্ষ জয়নাল আবেদীন স্থানীয় সংসদ সদস্যের সঙ্গে আলোচনা করে এ কমিটি গঠন করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।বক্তারা বলেন, গত ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পর দেশের বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে কমিটি না থাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রমে নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরি হলে সমস্যা সমাধানে এডহক কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।আরও  পড়ুন, নতুন মোটরসাইকেল কেনার তিন দিন পরই সড়কে ঝরল দুই প্রাণঅভিযোগকারীদের দাবি, ওই নির্দেশনার সুযোগ নিয়ে পাগলাপীর স্কুল অ্যান্ড কলেজে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে যথাযথ আলোচনা ছাড়াই নতুন এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অধ্যক্ষের মাধ্যমে শিক্ষা অফিসে এডহক কমিটি গঠনের জন্য তিনজনের নাম প্রস্তাব করা হলে নতুন কমিটি গঠনের বিষয়টি জানা যায়।এরপর উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও অভিভাবকরা নবগঠিত কমিটি প্রত্যাখ্যান করে গঠনপ্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। তারা দ্রুত নবগঠিত কমিটি বাতিল করে শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে সকলের সম্মতিক্রমে নতুন এডহক কমিটি গঠনের দাবি জানান।সভায় ২ নম্বর হরিদেবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সৈয়দ আব্দুর রাসেল বলেন, দ্রুত দাবি মেনে নেওয়া না হলে জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। প্রয়োজনে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।এ সময় সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হারুনুর রশিদ, ২ নম্বর হরিদেবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সুরুজ, যুবদল নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।অভিযোগের বিষয়ে পাগলাপীর স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ জয়নাল আবেদীন বলেন, সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ীই নতুন এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার নবগঠিত এডহক কমিটির সভাপতি আব্দুল গনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

নতুন মোটরসাইকেল কেনার তিন দিন পরই সড়কে ঝরল দুই প্রাণ

নতুন মোটরসাইকেল কেনার তিন দিন পরই সড়কে ঝরল দুই প্রাণ

বাবার কাছে বায়না ধরে নতুন মোটরসাইকেল কিনেছিলেন ১৭ বছরের রাতুল সর্দার। কিন্তু সেই মোটরসাইকেল কেনার মাত্র তিন দিন পরই বন্ধুকে নিয়ে ঘুরতে বেরিয়ে প্রাণ গেল তার। বাসের ধাক্কায় নিহত হয়েছেন রাতুল ও তার বন্ধু ২০ বছরের রাজু মাতুব্বর।বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা গোলচত্বর এলাকায় ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত রাতুল সর্দার ভাঙ্গা উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের জান্দী গ্রামের শাহাদাত সর্দারের ছেলে। আর রাজু মাতুব্বর পাশের পুকুরহাটি গ্রামের খোকন মাতুব্বরের ছেলে।স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিন দিন আগে বাবার কাছে বায়না ধরে নতুন মোটরসাইকেল কিনেছিলেন রাতুল।আরও পড়ুন, সিজারিয়ান অপারেশনের সময় প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যু, ভুল চিকিৎসার অভিযোগ বৃহস্পতিবার সকালে বন্ধু রাজুকে সঙ্গে নিয়ে নতুন মোটরসাইকেলে ভাঙ্গা গোলচত্বর এলাকায় ঘুরতে যান তিনি। সেখানে দ্রুতগতির গোল্ডেন লাইন পরিবহণের একটি বাস পেছন থেকে তাদের মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়।ধাক্কায় মোটরসাইকেলটি ছিটকে পড়ে দুমড়েমুচড়ে যায়। গুরুতর আহত হন রাতুল ও রাজু।পরে হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতুলের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত রাজুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তারও মৃত্যু হয়।ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক মো. হাসান হোসেন জানান, দুর্ঘটনার পর ধাওয়া করে গোল্ডেন লাইন পরিবহণের বাসটি আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সিজারিয়ান অপারেশনের সময় প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যু, ভুল চিকিৎসার অভিযোগ

সিজারিয়ান অপারেশনের সময় প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যু, ভুল চিকিৎসার অভিযোগ

গাজীপুরের টঙ্গী স্টেশন রোড এলাকার নিউ লাইফ হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশন করতে গিয়ে তামান্না (২১) নামে এক প্রসূতি ও তার নবজাতক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় হাসপাতালটির বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলেছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা।নিহত তামান্না গাজীপুর মহানগরীর পূবাইল থানার বসুগাঁও-মীরের বাজার এলাকার বাসিন্দা। তিনি তুহিনের স্ত্রী এবং সিদ্দিকের মেয়ে।পরিবার সূত্রে জানা যায়, সন্তান প্রসবের জন্য তামান্নাকে টঙ্গীর নিউ লাইফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে তার সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়। আরও  পড়ুন, সোনারগাঁয়ে পুলিশের অভিযানে মাদক মামলাসহ ১১ আসামি আটকঅপারেশনের সময় মা ও নবজাতকের মৃত্যু হলে স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে এবং হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসকদের অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার কারণেই তামান্না এবং তার নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।এদিকে, ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও নিহতের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে।তবে এ বিষয়ে নিউ লাইফ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

আন্তর্জাতিক

গাজা থেকে ঘুড়ি বেলুন ড্রোন পাঠালে অভিযান বাড়াবে ইসরাইল

গাজা থেকে ঘুড়ি বেলুন ড্রোন পাঠালে অভিযান বাড়াবে ইসরাইল

গাজা থেকে ইসরাইলের দিকে ঘুড়ি, ড্রোন ও বেলুন পাঠানো অব্যাহত থাকলে গাজায় সামরিক অভিযান আরও জোরদার করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসরাইল।রোববার গাজা সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর এ সতর্কবার্তা দেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ।ইসরাইলি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক দিনে গাজা সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রায় ১০টি ঘুড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে শনিবার বিভিন্ন এলাকায় চারটি ঘুড়ি পাওয়া যায়। রোববার আরও একটি ঘুড়ি গুলি করে নামায় ইসরাইলি সেনারা।ইসরাইলের দাবি, এসব উড়ন্ত বস্তুর পেছনে হামাসের হাত থাকতে পারে। যদিও ঘুড়ি, ড্রোন ও বেলুন পাঠানোর অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে হামাস।ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, সাম্প্রতিক ঘটনায় উদ্ধার হওয়া এসব ঘুড়িতে কোনো বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি। আরও পড়ুন. সংঘাত থামাতে চায় ইরান চাপ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রতবে ইসরাইলের প্রতিক্রিয়া যাচাই করতেই এগুলো পাঠানো হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে দেশটির সামরিক বাহিনী।নেতানিয়াহু ও কাটজ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ইসরাইলের দিকে ঘুড়ি, ড্রোন ও বেলুন পাঠানো বন্ধ না হলে এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান আরও জোরদার করা হবে।এমনকি যেসব এলাকা থেকে এসব উড়ন্ত বস্তু পাঠানো হচ্ছে, সেসব এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার কথাও জানিয়েছে ইসরাইল।এরই মধ্যে কয়েক বছর আগের স্মৃতি ফিরে এসেছে। সে সময় গাজা থেকে আগুন ধরিয়ে দিতে সক্ষম ঘুড়ি ও বেলুন পাঠানো হতো। এতে দক্ষিণ ইসরাইলের কৃষিজমিতে ব্যাপক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।তবে হামাস বলছে, এসব ঘুড়ি গাজা থেকে শিশুরাই উড়িয়েছে। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে হারিয়ে যাওয়া শৈশব ফিরে পাওয়ার চেষ্টা থেকেই তারা এসব করেছে বলে দাবি সংগঠনটির।একই সঙ্গে হামাস অভিযোগ করেছে, ঘুড়ি ওড়ানোর ঘটনাকে মধ্য গাজায় বিমান হামলার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছে ইসরাইল।গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা ও উদ্ধারকারী সংস্থার দাবি, রোববারের ওই বিমান হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন।ফলে ঘুড়ি, বেলুন ও ড্রোন ঘিরে নতুন করে গাজা-ইসরাইল সীমান্তে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

২৪ আগস্ট ২০২৬

রাজধানী

‘আমি পিস্তল বাবু’ বলেই অস্ত্র ঠেকিয়ে ২ লাখ টাকা ছিনতাই

‘আমি পিস্তল বাবু’ বলেই অস্ত্র ঠেকিয়ে ২ লাখ টাকা ছিনতাই

রাজধানীর উত্তরায় প্রকাশ্যে পিস্তল ঠেকিয়ে এক ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের কর্মীর কাছ থেকে ২ লাখ ১ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। ছিনতাইয়ের সময় এক ব্যক্তি নিজেকে ‘পিস্তল বাবু’ পরিচয় দেন বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী।বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের সোনারগাঁও জনপথ রোডের লেকসংলগ্ন একটি কফি শপের সামনে এ ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগী নাদিম আহমেদ সুজন নূর নাফি ডেভেলপারস লিমিটেডের সহকারী হিসাবরক্ষক। অফিস থেকে ২ লাখ ১ হাজার টাকা নিয়ে রিকশায় করে উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টরের জনতা ব্যাংকে যাচ্ছিলেন তিনি। ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার কথা ছিল।আরও  পড়ুন, বাবুবাজার-বাদামতলীতে দখলমুক্ত অভিযান, ২১ মামলাপথে কফি শপের সামনে এক ব্যক্তি রিকশা থামাতে বলেন। রিকশা থামানোর পর আরও তিনজন সেখানে আসেন। এ সময় তাদের একজন সুজনের দিকে পিস্তল তাক করে নিজেকে ‘পিস্তল বাবু’ বলে পরিচয় দেন।ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, পিস্তল ঠেকিয়ে টাকা না দিলে গুলি করার হুমকি দেওয়া হয়। পরে সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের একজন তার কাছ থেকে টাকাগুলো নিয়ে নেয়। এরপর তাকে চুপচাপ চলে যেতে বলা হয়।ঘটনার পর বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে উত্তরা পশ্চিম থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে ছিনতাইকারীদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।পুলিশ জানিয়েছে, এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ চলছে।

১৯ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

বাংলাদেশকে গুঁড়িয়ে স্টার্কের ক্যারিয়ারসেরা অর্জন, শীর্ষে বোলিং র‍্যাংকিংয়ে

বাংলাদেশকে গুঁড়িয়ে স্টার্কের ক্যারিয়ারসেরা অর্জন, শীর্ষে বোলিং র‍্যাংকিংয়ে

বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাকাই টেস্টে আগুন ঝরানো বোলিংয়ের পুরস্কার পেলেন মিচেল স্টার্ক। ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো টেস্ট বোলিং র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষে উঠেছেন অস্ট্রেলিয়ার এই বাঁহাতি পেসার।ম্যাকাইয়ে দুই টেস্ট সিরিজের শেষ ম্যাচে দুই ইনিংস মিলিয়ে ১০ উইকেট শিকার করেন স্টার্ক। এর মধ্যে প্রথম ইনিংসেই নেন ৬ উইকেট। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ গুঁড়িয়ে যায়। আর এরই সুবাদে দুই ধাপ এগিয়ে র‍্যাংকিংয়ের এক নম্বরে উঠে আসেন তিনি।স্টার্কের রেটিং পয়েন্ট এখন ৮৭২। তার চেয়ে মাত্র ১০ পয়েন্ট পিছিয়ে দুই নম্বরে নেমে গেছেন ভারতের পেসার যশপ্রীত বুমরা। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে শীর্ষে ওঠার পর গত দুই বছরের বেশির ভাগ সময় বোলিং র‍্যাংকিংয়ের সিংহাসন ধরে রেখেছিলেন বুমরা।আরও  পড়ুন, এমবাপের ঝলকে রিয়ালের বড় জয়, টানা দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্টনতুন তালিকায় নিউজিল্যান্ডের ম্যাট হেনরি নেমে গেছেন তৃতীয় স্থানে। আর ম্যাকাই টেস্টে ৬ উইকেট নেওয়া অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্স এক ধাপ এগিয়ে উঠেছেন চতুর্থ স্থানে।বাংলাদেশের জন্যও র‍্যাংকিংয়ে সুখবর আছে। ম্যাকাই টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার একমাত্র ইনিংসে ৭ উইকেট শিকার করে ১৭ ধাপ লাফ দিয়েছেন শরীফুল ইসলাম। উঠে এসেছেন ৫৭তম স্থানে।এদিকে পাকিস্তানের বিপক্ষে হেডিংলি টেস্টে ৮ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডের ওলি রবিনসন ১৫ ধাপ এগিয়ে ১১তম স্থানে উঠেছেন। একই ম্যাচে ৮ উইকেট নিয়ে জশ টাং ১৬ ধাপ এগিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন ১৭তম স্থানে।ব্যাটিং র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ইংল্যান্ডের হ্যারি ব্রুক। আর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গলে দুই ইনিংসে ৩৯ ও ৬৬ রান করা ভারতের ঋষভ পন্ত ছয় ধাপ এগিয়ে উঠে এসেছেন সপ্তম স্থানে।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর