দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1001.9 hPa
29.3° 78%
20° 15mm
চট্টগ্রাম 1002.6 hPa
28.5° 80%
90° 15mm
রাজশাহী 1002 hPa
28.6° 92%
15mm
খুলনা 1001.3 hPa
28.3° 89%
15mm
বরিশাল 1001.9 hPa
27.8° 89%
15mm
সিলেট 1001.6 hPa
30.1° 79%
110° 15mm
রংপুর 1001.7 hPa
30.6° 80%
15mm
ময়মনসিংহ 1002.2 hPa
30° 86%
15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

চট্রগ্রাম গোয়ালপাড়ায় মাদক সম্রাজ্ঞী

চট্রগ্রাম গোয়ালপাড়ায় মাদক সম্রাজ্ঞী "আকলিমার" মাদকের হাট

চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালী থানাধীন ২২ নং এনায়েত বাজার ওয়ার্ডের গোয়ালপাড়া ও সংলগ্ন তুলাতলী বস্তি দীর্ঘদিন ধরে মাদক কেনাবেচার অন্যতম আলোচিত স্পট হিসেবে পরিচিত| বিভিন্ন সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান, গণমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধারের ঘটনায় এলাকাটির নাম বারবার সামনে এসেছে| তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানের ১/২ ঘন্টা পর পরই আবারো পুনরায় বীরদর্পে মাদক বাণিজ্য পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে|স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, গোয়ালপাড়া ও তুলাতলীর মাদক সমস্যা কেবল একটি এলাকার বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয় বরং এটি বৃহত্তর সরবরাহ ও পাচার নেটওয়ার্কের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারে| ফলে শুধু খুচরা বিক্রেতাদের গ্রেপ্তার করলেই স্থায়ী সমাধান আসবে না|আরও পড়ুন: বনানীতে স্পা কাণ্ডে প্রশাসনের নীরবতাস্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, গোয়ালপাড়ার আলোচিত মাদক কারবারিদের মধ্যে আকলিমা নামে এক নারীর নাম দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত| তার বিরুদ্ধে ১৮টির বেশি মামলা রয়েছে এবং তিনি ২১ বারের অধিক কারাভোগও করেছেন| তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত রায়ের বিষয়টি প্রতিবেদকের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি| নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রির পাশাপাশি বস্তির ভেতরে টিনশেডের কয়েকটি ঘরে মাদকসেবনের সুযোগও রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে| একই সঙ্গে অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরদের মাধ্যমে মাদক বিক্রির অভিযোগও উঠেছে| প্রতিবেদকের কাছে থাকা একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি ঘরের সামনে দুই কিশোর পলিথিনে মোড়ানো গাঁজার পুরিয়া ও ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট নিয়ে অবস্থান করছে ক্রেতাদের অপেক্ষায়|আরও পড়ুন: উজাড় হচ্ছে লামার সংরক্ষিত বন, রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগঅভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আকলিমা বলেন, আগে একাই ব্যবসা করতাম| এখন গোয়ালপাড়ায় অনেকেই মাদক ব্যবসা ও স্পট পরিচালনা করে| আমার অনেক মামলা আছে|তাই এখন শুধু গাঁজা বিক্রি করি|"এছাড়াও তিনি আরও দাবি করেন, "আপনাকে খরচের জন্য মাঝে মাঝে টাকা দেব| পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী বলেন, দিন-রাত প্রায় সব সময়ই অনেক অপরিচিত মানুষের আনাগোনা দেখা যায়| এতে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে|" একজন অভিভাবকের ভাষ্য, "আমাদের সবচেয়ে বড় ভয় হচ্ছে কিশোররা|সহজ টাকার লোভে অনেকেই অপরাধচক্রে জড়িয়ে পড়ছে|একজন রিকশাচালক বলেন, পুলিশ অভিযান চালালে কিছু সময় শান্ত থাকে| ১/২ ঘন্টা পরে আবার আগের মতো হয়ে যায়|" এছাড়াও একজন শিক্ষক বলেন, "মাদক শুধু একজন মানুষকে নয়, পুরো একটি প্রজন্মকে ধ্বংস করে দেয়| স্থানীয়দের মতে, অপরাধচক্রে কিশোরদের সম্পৃক্ত করা হলে তারা ভবিষ্যতে সংঘবদ্ধ অপরাধের অংশ হয়ে পড়তে পারে| শিশু ও কিশোরদের অপরাধে ব্যবহার তাদের শিক্ষা,মানসিক বিকাশ ও সামাজিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি| গোয়ালপাড়া ও আশপাশের এলাকায় মাদকের প্রভাবে স্থানীয়দের মতে, কিশোর অপরাধ বৃদ্ধি, চুরি, ছিনতাই ও সহিংসতা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা ˆতরি, পরিবারে অশান্তি ও অর্থনৈতিক সংকট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার বৃদ্ধি,নারীরা ও সাধারণ পথচারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন,স্থানীয় ব্যবসা ও বিনিয়োগের পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ও নতুন প্রজন্ম মাদকের সহজ প্রাপ্যতার ঝুঁকিতে রয়েছে|আরও পড়ুন: গাজীপুরে লাইসেন্স ছাড়া এমএলএম কার্যক্রমের অভিযোগনিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, খুচরা বিক্রেতাদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি মাদকের অর্থের উৎস শনাক্ত করা, সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে দেওয়া, পাচারকারীদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা অভিযান, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি, কিশোরদের পুনর্বাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক ও ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ততা| এসব উদ্যোগ একসঙ্গে বাস্তবায়ন না হলে দীর্ঘমেয়াদে সুফল পাওয়া কঠিন হতে পারে| সচেতন নাগরিকদের মতে, গোয়ালপাড়া ও তুলাতলীর মতো আলোচিত এলাকায় ধারাবাহিক ও গোয়েন্দা-তথ্যভিত্তিক অভিযান, সন্দেহভাজন অর্থনৈতিক লেনদেনের তদন্ত, কিশোরদের পুনর্বাসন এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি| একই সঙ্গে আইনের শাসন নিশ্চিত করা হলে এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে| আরও পড়ুন: বনানীর ২৭ নম্বর রোডের স্পা নিয়ে প্রশ্নের শেষ কোথায়?গোয়ালপাড়া ও তুলাতলীর মাদক সমস্যাকে কেবল একটি বস্তির সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই| এটি জননিরাপত্তা, কিশোরদের ভবিষ্যৎ, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং নগর নিরাপত্তার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত| উল্লেখ্য যে, উক্ত বিষয়ে অতি দ্রুত আরও চমকপ্রদ তথ্য নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বক্তব্য সহ থাকছে অনুসন্ধানী ধারাবাহিক প্রতিবেদন -২|

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

বৈরী আবহাওয়ায় পরীক্ষা মিস? ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে করতে হবে নিবন্ধন

বৈরী আবহাওয়ার কারণে নির্ধারিত দিনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি। পুনঃপরীক্ষায় অংশ নিতে আগামী ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। বিস্তারিত জানাচ্ছেন...এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি।বৈরী আবহাওয়ার কারণে গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত কয়েকটি বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা পরীক্ষার্থীদের পুনঃপরীক্ষায় অংশ নিতে হলে আগামী ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে নিজ নিজ পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।আরও  পড়ুন, চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৪০, আক্রান্ত ১২ হাজার ছাড়ালশনিবার প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানু।নির্দেশনা অনুযায়ী, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড ছাড়া অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, হিসাববিজ্ঞান প্রথম পত্র, যুক্তিবিদ্যা প্রথম পত্র পরীক্ষার্থীরা এ সুযোগ পাবেন। এছাড়া মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অফিস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ের পরীক্ষার্থীরাও এর আওতায় থাকবেন।শিক্ষা বোর্ড আরও জানিয়েছে, নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে জরুরি ভিত্তিতে পাঠাতে হবে।

চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৪০, আক্রান্ত ১২ হাজার ছাড়াল

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ এখনো অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ৪৩৯ জন রোগী। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য। বিস্তারিত জানাচ্ছেন...ডেঙ্গু সংক্রমণ কমার লক্ষণ এখনো স্পষ্ট নয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে।একই সময়ে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৪৩৯ জন ডেঙ্গুরোগী।আরও  পড়ুন, রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, জারি হলো প্রজ্ঞাপননতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৬৪ জন ঢাকা বিভাগে। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ৭৫ জন, খুলনায় ৪১ জন, রংপুরে ৩০ জন, রাজশাহীতে ২৬ জন, ময়মনসিংহে ১৯ জন, বরিশালে ১৩ জন এবং সিলেটে একজন ভর্তি হয়েছেন।চলতি বছরের ২৫ জুলাই পর্যন্ত দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১২ হাজার ৬৪০ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১১ হাজার ৪৯৭ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ১০৩ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছরে ডেঙ্গুতে এখন পর্যন্ত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, জারি হলো প্রজ্ঞাপন

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। বিস্তারিত জানাচ্ছেন...দেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম।আরও  পড়ুন, নতুন পে-স্কেল চূড়ান্তের পথে: আগস্টেই গেজেট, কার্যকরশুক্রবার (২৪ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আরও জানিয়েছে, জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।এর ফলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত ও শপথ গ্রহণ না করা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার

নতুন পে-স্কেল চূড়ান্তের পথে: আগস্টেই গেজেট, কার্যকর

সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার নতুন পে-স্কেল এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দ্বারপ্রান্তে। চলতি মাসেই সুপারিশ চূড়ান্ত করে মন্ত্রিসভায় পাঠানো হতে পারে। সব প্রক্রিয়া শেষ হলে আগস্টেই গেজেট প্রকাশের প্রস্তুতি রয়েছে। তবে কার্যকারিতা ধরা হবে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে। বিস্তারিত জানাচ্ছেন...১১ বছর পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আসছে নতুন বেতনকাঠামো। জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫-এর সুপারিশ পর্যালোচনায় গঠিত কমিটি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে কাজ করছে।অর্থ বিভাগ সূত্র বলছে, শুধু মূল বেতন নয়—বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা, যাতায়াত ভাতা, পেনশন এবং অবসরকালীন সুবিধার কাঠামোতেও বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তুতি চলছে। কয়েকটি ভাতা একীভূত করার পাশাপাশি নতুন সুবিধা যুক্ত হওয়ারও আলোচনা রয়েছে।কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী,আরও  পড়ুন, প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশের পথে, সেমিকন্ডাক্টর সামিটের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রীর সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বৈশাখী ভাতা ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করারও সুপারিশ রয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়াতে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডে তুলনামূলক বেশি বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। অন্যদিকে ১ম থেকে ৯ম গ্রেডেও উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি থাকতে পারে।এখন সচিব কমিটির সুপারিশ মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। এরপর আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং, প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন এবং গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে নতুন পে-স্কেল কার্যকর হবে।বর্তমানে দেশে প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগী রয়েছেন। নতুন কাঠামো বাস্তবায়নে অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে বলে কমিশনের হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাজনীতিরাজনীতি

নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে সম্পৃক্ততা, ছাত্র ইউনিয়ন ছাড়লেন দুই কেন্দ্রীয় নেতা

নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে সম্পৃক্ততা, ছাত্র ইউনিয়ন ছাড়লেন দুই কেন্দ্রীয় নেতা

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু এবং সহসভাপতি মাঈন আহমেদ সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একই সঙ্গে সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকেও সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।শনিবার সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শিমুল কুম্ভকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।ছাত্র ইউনিয়ন জানায়, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের নীতিনির্ধারণী দায়িত্ব পালন করলে স্বার্থের দ্বন্দ্ব বা সাংগঠনিক মতদ্বৈধতার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। এ কারণেই মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদ স্বেচ্ছায় পদত্যাগপত্র জমা দেন এবং কেন্দ্রীয় কমিটি তা গ্রহণ করে।একই প্রেক্ষাপটে সংগঠনের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকেও দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ছাত্র ইউনিয়নের ভাষ্য, সংগঠনের আদর্শ, নীতিমালা এবং সাংগঠনিক স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন. ১১ দলীয় ঐক্য থেকে সরে দাঁড়াল খেলাফত মজলিসবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিদায়ী নেতাদের সাংগঠনিক অবদানকে সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করছে ছাত্র ইউনিয়ন। পাশাপাশি শিক্ষার অধিকার, অসাম্প্রদায়িকতা, গণতন্ত্র, সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রাম এবং বৈষম্যহীন সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে সংগঠনটি।উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি যাত্রা শুরু করা নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন’ বা এনপিএর প্রতিষ্ঠাকালীন ১০১ সদস্যের কাউন্সিলে যুক্ত হয়েছিলেন মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদ।পদত্যাগের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মেঘমল্লার বসু লিখেছেন, ছাত্র ইউনিয়ন তাঁর কাছে রাজনৈতিক শিক্ষার একটি বিদ্যালয়, যার আদর্শ ও শিক্ষা ভবিষ্যতেও তাঁর রাজনৈতিক পথচলায় প্রেরণা হয়ে থাকবে।

১১ দলীয় ঐক্য থেকে সরে দাঁড়াল খেলাফত মজলিস

১১ দলীয় ঐক্য থেকে সরে দাঁড়াল খেলাফত মজলিস

জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে খেলাফত মজলিস। দলটি বলছে, নির্বাচন শেষ হওয়ায় জোটের কার্যকারিতাও শেষ হয়েছে।শনিবার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।দলের প্রচার সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুল হাফিজ খসরু জানান, এখন থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের সব কর্মসূচি থেকে বিরত থাকবে খেলাফত মজলিস। তবে ভবিষ্যতে দেশ, জাতি ও ইসলামের স্বার্থে বৃহত্তর কোনো ঐক্যের প্রয়োজন হলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।আরও  পড়ুন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগকে স্বাগত ইসলামী আন্দোলনের, ‘ফ্যাসিবাদের পতনের পরই এটি প্রত্যাশিত ছিল’বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১১ দলীয় ঐক্য মূলত নির্বাচনী সমঝোতার ভিত্তিতে গঠিত হয়েছিল। নির্বাচন শেষ হওয়ায় সেই জোটের কার্যকারিতাও বাস্তবে শেষ হয়ে গেছে।সভায় সভাপতিত্ব করেন দলের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ। পরিচালনা করেন মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের। এতে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও শূরা সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।এর আগে গত ১৩ জুন চট্টগ্রামের বিভাগীয় সমাবেশের পর খেলাফত মজলিস জোটকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেয়, ভবিষ্যতে কোনো সমাবেশ বা প্রচারণায় দলের নাম ব্যবহার না করার জন্য। পরবর্তীতে জোটের পক্ষ থেকেও তাদের নাম ব্যবহার বন্ধ করা হয়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, খেলাফত মজলিসের এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে ইসলামপন্থী দলগুলোর রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন আলোচনার জন্ম দিতে পারে।

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগকে স্বাগত ইসলামী আন্দোলনের, ‘ফ্যাসিবাদের পতনের পরই এটি প্রত্যাশিত ছিল’

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগকে স্বাগত ইসলামী আন্দোলনের, ‘ফ্যাসিবাদের পতনের পরই এটি প্রত্যাশিত ছিল’

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগকে স্বাগত জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটির মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদের পতনের পরই এই পদত্যাগ প্রত্যাশিত ছিল। বিস্তারিত জানাচ্ছেন...শুক্রবার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগের পর এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এ প্রতিক্রিয়া জানান।তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের পতনের পর রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ প্রত্যাশিত ছিল। তবে বিভিন্ন রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে তিনি এতদিন বঙ্গভবনে বহাল ছিলেন।বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ মর্যাদার সাংবিধানিক পদ হলেও বর্তমান সাংবিধানিক কাঠামোয় তার কার্যকর ক্ষমতা সীমিত। আরও  পড়ুন, ‘জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করলে শেষ পর্যন্ত রক্ষা নেই’ : হাসনাত আবদুল্লাহফলে ক্ষমতার ভারসাম্যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে।জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগের সময় এসব বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হবে।উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার তিনি শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন।রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের প্রতিক্রিয়া আসছে। একই সঙ্গে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।

‘জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করলে শেষ পর্যন্ত রক্ষা নেই’  : হাসনাত আবদুল্লাহ

‘জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করলে শেষ পর্যন্ত রক্ষা নেই’ : হাসনাত আবদুল্লাহ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করলে শেষ পর্যন্ত তার পরিণতি ভোগ করতেই হবে। যশোরের অভয়নগরে দলটির জুলাই পদযাত্রা ও পথসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। বিস্তারিত জানাচ্ছেন...শুক্রবার বিকেলে যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জুলাই পদযাত্রা ও পথসভা আয়োজন করে জাতীয় নাগরিক পার্টি।সভায় বক্তব্যে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, দেশের মানুষের সঙ্গে প্রতারণা না করে উৎপাদনমুখী রাষ্ট্র গঠনে কাজ করতে হবে। আরও  পড়ুন ,  ‘আমরা ফেরেশতা নই, ভুল হলে ধরিয়ে দিন’—জামায়াত আমিরতিনি দাবি করেন, বিভিন্ন কার্ডভিত্তিক কর্মসূচির পরিবর্তে কর্মসংস্থান ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতিতে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, ভোটের সঠিক মূল্যায়ন না হলে জনগণই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই সচেতনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান তিনি।নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের প্রসঙ্গ তুলে এনসিপির এই নেতা বলেন, দেশের মোট জনগোষ্ঠীর বড় একটি অংশ নারী। তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া একটি পথসভায় কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা অংশ নেন। আগামী দিনে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদার করার কথাও জানান দলটির নেতারা।

সারাবাংলা

শিক্ষার মানোন্নয়নে মোবাইল ব্যবহারে সংযমের আহ্বান পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির

শিক্ষার মানোন্নয়নে মোবাইল ব্যবহারে সংযমের আহ্বান পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির

লক্ষ্মীপুরের দত্তপাড়া রামরতন বহুমুখী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়োজনে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় ফার্নিচার ক্রয়ের জন্য ১৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের খেলার মাঠের উন্নয়নের জন্য একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীরা আরও উন্নত পরিবেশে খেলাধুলার সুযোগ পাবে।মন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার থেকে দূরে থাকতে হবে। ভালো ফলাফল ও জ্ঞান অর্জনের জন্য নিয়মিত পড়াশোনার কোনো বিকল্প নেই।"আরও  পড়ুন, কিশোরগঞ্জে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিতঅভিভাবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, মোবাইলের শিক্ষামূলক দিকগুলো কাজে লাগাতে প্রতিদিন এক থেকে দুই ঘণ্টা সন্তানের হাতে মোবাইল দেওয়া যেতে পারে। তবে সার্বক্ষণিক মোবাইল ব্যবহারের সুযোগ দিলে তা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।তিনি আরও ঘোষণা দেন, বিদ্যালয়ে একটি আধুনিক হলরুম নির্মাণের কাজ দ্রুত শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শিক্ষা, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কার্যক্রম আরও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা যায়।অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। শেষে ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথিসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা।

কিশোরগঞ্জে  মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন (বিএমবিএফ)-এর কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে এক মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (২৬ জুলাই) সকাল ১০টায় শহরের কালিবাড়ি মোড় এলাকায়  নজরুল ইসলাম চত্বরে আয়োজিত এ মানববন্ধনে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, মানবাধিকারকর্মী, আইনজীবী, শিক্ষক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ  অংশ নেয়। তারা মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি মাদকের কুফল সম্পর্কে   জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।বক্তারা বলেন, মাদক আজ সমাজের জন্য এক ভয়াবহ অভিশাপ, বিশেষ করে তরুণ সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে মাদক। এ ভয়াবহ পরিস্থিতি মোকাবিলায় পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং সামাজিক সংগঠনসমূহকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। আরও  পড়ুন, কক্সবাজারের আইফোনসহ হারানো বিভিন্ন প্রকার ৬০টি মোবাইল উদ্ধার - মালিকদের কাছে হস্তান্তরবক্তারা আরও বলেন, "মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে হলে এখনই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। একটি মাদকমুক্ত, সুস্থ ও নিরাপদ সমাজ গড়তে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার কোনো বিকল্প নেই।মানববন্ধন শেষে মাদকবিরোধী জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার জাহান রাজন, লিগ্যাল এইড সভাপতি অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম কাজল,  অ্যাডভোকেট সুমন ঘোষ,  অ্যাডভোকেট জোবায়ের আলম এবং বিশিষ্ট মানবাধিকারকর্মী ও শিক্ষক নেতা মাজহারুল আলম ভূঞা প্রমুখ।

কক্সবাজারের আইফোনসহ  হারানো বিভিন্ন প্রকার  ৬০টি মোবাইল  উদ্ধার - মালিকদের কাছে হস্তান্তর

কক্সবাজারের আইফোনসহ হারানো বিভিন্ন প্রকার ৬০টি মোবাইল উদ্ধার - মালিকদের কাছে হস্তান্তর

বিভিন্ন সময়ে হারিয়ে যাওয়া আইফোনসহ মূল্যবান  ৬০টি মোবাইল কক্সবাজার জেলা পুলিশের  উদ্যোগে  উদ্ধার করা হয়েছে।মালিকদেরকে  প্রযোজনীয় কাগজপত্রসহ পুলিশ সুপার অফিসে  যোগাযোগ করতে  বলা হয়েছে।  যাচাই বাচাইয়ের পরে প্রকৃত মালিকদেরকে নিজ নিজ মোবাইল  হস্তান্তর”করা হবে বলে পুলিশ জানায়। ইতোমধ্যে অধিকাংশ মোবাইল হস্তান্তর করা হয়েছে। এদিকে এই নিয়ে  কক্সবাজার জেলার পুলিশ সুপারের  উপস্থিতিতে ২৫ জুলাই ২০২৬ (শনিবার) পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে । পর্যটন নগরী কক্সবাজারে বিভিন্ন সময়ে নাগরিকদের সখের মোবাইল ফোন হারিয়ে যায়। হারানো ফোন ফিরে পেতে ভুক্তভোগীদের ।আরও  পড়ুন, কিশোরগঞ্জ ডায়াবেটিক সমিতি দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন ২০২৬ সম্পন্ন  জিডির সূত্র ধরে কক্সবাজার জেলা পুলিশের ‘সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেল এবং আইসিটি শাখা’র নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে  হারিয়ে যাওয়া আইফোন (iPhone)সহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সর্বমোট ৬০টি মোবাইল উদ্ধারপূর্বক প্রকৃত মালিকের নিকট হস্তান্তর করতে সক্ষম হয় বলে জেলা পুলিশ, কক্সবাজার জানান। এদিকে হারিয়ে যাওয়া শখের ফোনটি ফিরে পেয়ে পুলিশের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী মালিকগণ। আগামীতেও জেলা পুলিশের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। আপনাদের সন্তুষ্টি আমাদের প্রেরণা বলে পুলিশ জানান। উদ্ধারকৃত ফোনের তালিকায় থাকা অনেক জিডিতে প্রদত্ত মোবাইল নম্বরটি বর্তমানে বন্ধ থাকায় প্রকৃত মালিকদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।এমতাবস্থায়, উদ্ধারকৃত ফোনের প্রকৃত মালিকদের আইএমইআই (IMEI) নম্বর মিলিয়ে এবং জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) ও ফোন ক্রয়ের রসিদসহ (ক্যাশ মেমো) প্রয়োজনীয় প্রমাণ সাপেক্ষে নিম্নোক্ত ঠিকানায় যোগাযোগ করে নিজ নিজ ফোন সংগ্রহ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।  ঠিকানা হলে :আইসিটি শাখা, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, কক্সবাজার।1. 353913100765632- I phone 11 pro max2. 869575068480871-Vivo Y163. 3530032261712326-Tecno4. 869575067720798-Vivo Y165. 353033140006069-Itel s246. 354103342911165-Infinx hot 40i7. 866333071840282-Redmi A38. 353927348404952-Galaxy M149. 862603075480754-Vivo V1810. 863304051250951-Oppo F19 pro11. 869575062732970-Vivo Y1612. 868126062449453-Y2113. 861484069276495- N20 se14. 868126066035753-Vivo Y2115. 862487057732915- Vivo Y15s16. 866955052348917-Honor 5017. 869383062088539-Realme C3318. 866183068462776- Vivo Y17s19. 863259053549133-Oppo A15s20. 869575063989850- Vivo Y1621. 355995792075741- Tecno spark22. 351387532406267- Tecno pop523. 868241057167398- Vivo Y2024. 868009061779452-Realme c5125. 869575064043236- Vivo26. 964377066986636-Vivo Y0227. 868208071900542-Redmi 14

কিশোরগঞ্জ ডায়াবেটিক সমিতি দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন ২০২৬ সম্পন্ন

কিশোরগঞ্জ ডায়াবেটিক সমিতি দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন ২০২৬ সম্পন্ন

কিশোরগঞ্জ ডায়াবেটিক সমিতি এর কার্যনির্বাহী পরিষদ দ্বি-বার্ষিক  নির্বাচন ২০২৬ সম্পন্ন হয়েছে। উক্ত নির্বাচনে  মোস্তফা - শামছুন নাহার- লাক মিয়া পরিষদ ও নজরুল ইসলাম - শফিকুল ইসলাম পরিষদ এই দুই প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। নির্বাচনে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত  উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয় ডায়াবেটিক সমিতি কার্যালয় এলাকায়।শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল ৯ টা থেকে কিশোরগঞ্জ ডায়াবেটিক সমিতি কার্যালয়ে  ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে শেষ হয় বিকাল ৪ টায়। পরে শুরু হয় গননা, ভোট  গননা শেষে  সন্ধ্যার পর ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের ফলাফলে জানা যায়, মোস্তফা - শামছুন নাহার- লাক মিয়া পরিষদের  প্রায় পুরো প্যানেল বিজয়ী হয়েছে।  উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার, উপজেলা মাধ্যমিক  শিক্ষা অফিস কিশোরগঞ্জ সদর ওকিশোরগঞ্জ ডায়াবেটিক সমিতি নির্বাচনের প্রিজাইডিং অফিসার এন এম বদরুজ্জামান তালুকদার স্বাক্ষরিত ফলাফলে জানা যায়, সহ-সভাপতি পদে মিসেস শামছুন নাহার  হাবিব (জাহাজ প্রতীকে) ৪২৬ ভোট, আরও  পড়ুন, গঙ্গাচড়ায় তিস্তার তীর রক্ষা বাঁধে ভয়াবহ ধস, ঝুঁকিতে ইউপি ভবন ও মসজিদএ.টি.এম.  মোস্তফা (বাস প্রতীকে) ৩৫৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন এবং  কোষাধ্যক্ষ পদে হাফেজ মাওঃ রাশিদ আহমাদ (টেবিল ফ্যান প্রতীকে) ২৬৩ ভোট,সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মিসেস ইসরাত জাহান (টেবিল ল্যাম্প প্রতীকে) ৩৩৪ ভোট, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক  পদে এ. কে. এম. ইতিমুদ্দৌলা সেলিম  (বাল্ব প্রতীকে) ৩২৭ ভোট,দপ্তর সম্পাদক পদে অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম ফকির মতি (কলস প্রতীকে) ২৯৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া কার্যকরী সদস্য পদে  ওয়াছিল আহম্মদ সাদেক (টিটু)  ( উড়োজাহাজ প্রতিকে) ৪২৬ ভোট,  অধ্যাপক মো. আজিজুল হক (সূর্যমুখী ফুল প্রতীকে) ৩৮৩ ভোট, অধ্যাপক মো. জৈন উদ্দিন (নলকূপ প্রতীকে) ৩৭৬ ভোট, মো. তাজুল ইসলাম (গোলাপফুল প্রতীকে) ৩৬৫ ভোট,  এড. মাসুদ আহম্মদ  (লিচু প্রতীকে)   ৩৫৭ ভোট ও হাজী মো. কামরুজ্জামান জাহাঙ্গীর (বেবি ট্যাক্সি প্রতীকে) ৩৩৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। উক্ত নির্বাচনে  সাধারণ সম্পাদক পদে নজরুল ইসলাম - শফিকুল ইসলাম পরিষদের মো. শফিকুল  ইসলাম ও সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মোস্তফা - শামছুন নাহার- লাক মিয়া পরিষদের মো. আব্দুল্লাহ আল মোহাইমিন লাক মিয়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা নির্বাচিত হয়েছেন।

আন্তর্জাতিক

নিট প্রশ্নফাঁসের আন্দোলনের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

নিট প্রশ্নফাঁসের আন্দোলনের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

ভারতের বহুল আলোচিত মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে টানা আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেছেন দেশটির শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। শনিবার নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে গত দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে শিক্ষার্থীরা লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন। আন্দোলনের মূল দাবি ছিল, পরীক্ষায় অনিয়মের দায় নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা।এই আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বে শিক্ষার্থী ও তরুণদের একটি বড় অংশ আন্দোলনে যুক্ত হয়আরও পড়ুন. ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম মোদি সরকারকে, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগে অনড় সিজেপিশিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর অভিজিৎ দীপক বলেন, দেশের হিন্দু-মুসলিম বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে যদি মানুষ জনস্বার্থের ইস্যুতে একত্রিত হয়, তবে আরও বড় পরিবর্তন সম্ভব। তাঁর ভাষায়, ধর্মীয় বিভাজনের বদলে সাধারণ মানুষের সমস্যা নিয়ে রাজনীতি শক্তিশালী গণআন্দোলনের পথ তৈরি করতে পারে।একই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারকে উদ্দেশ করে বলেন, এতদিন ধারণা ছিল এই সরকারের অভিধানে পদত্যাগ বলে কিছু নেই। কিন্তু ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের শক্তির কাছে শেষ পর্যন্ত সরকারকে নতি স্বীকার করতেই হয়েছে।উল্লেখ্য, ভারতের চিকিৎসা শিক্ষায় ভর্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা ‘নিট’-এ প্রতি বছর লাখো শিক্ষার্থী অংশ নেন। প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ সামনে আসার পর দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং তা রূপ নেয় দীর্ঘ আন্দোলনে

৭ ঘন্টা আগে

রাজধানী

রাজধানীজুড়ে ডিএমপির অভিযান: ৪৪২ গ্রেপ্তার, ২৯ মামলা

রাজধানীজুড়ে ডিএমপির অভিযান: ৪৪২ গ্রেপ্তার, ২৯ মামলা

রাজধানীজুড়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় দায়ের করা হয়েছে ২৯টি মামলা। অভিযানে উদ্ধার হয়েছে মাদকদ্রব্য, মোবাইল ফোন, সিমকার্ড, ব্যাংক কার্ডসহ বিভিন্ন আলামত। বিস্তারিত জানাচ্ছেন...রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ—ডিএমপি।ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী জানান, একই সময়ে ২৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।গ্রেপ্তারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১১৯ জন মিরপুর বিভাগ থেকে। এছাড়া তেজগাঁও বিভাগে ৬৭ জন, আরও  পড়ুন, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে চার গাড়ির সংঘর্ষ, প্রাণ গেলো দুই শিক্ষার্থীরউত্তরা বিভাগে ৫৬ জন, মতিঝিলে ৫৪ জন, ওয়ারীতে ৪৯ জন, রমনায় ৩১ জন, লালবাগে ৩০ জন এবং গুলশান বিভাগে ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গোয়েন্দা বিভাগ গ্রেপ্তার করেছে ৬ জন এবং সিটিটিসি একজনকে।অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে ৪৬ পিস ইয়াবা, ২১৬ গ্রাম গাঁজা, ১৬টি মোবাইল ফোন, ৪৪৩টি সিমকার্ড, ২১টি ব্যাংকের ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড, ১০টি চেক বইসহ অপরাধে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম। একই সঙ্গে একজন ভিকটিমকেও উদ্ধার করা হয়েছে।ডিএমপি জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং রাজধানীতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

৯ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

বিশ্বকাপ হারলেও সুখবর আর্জেন্টিনার, ২০৩০ আসরে সরাসরি খেলার সুযোগ

বিশ্বকাপ হারলেও সুখবর আর্জেন্টিনার, ২০৩০ আসরে সরাসরি খেলার সুযোগ

২০২৬ বিশ্বকাপের শিরোপা হাতছাড়া হওয়ার হতাশা এখনও কাটেনি আর্জেন্টিনার। তবে ২০৩০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বড় সুখবর পেয়েছে লিওনেল মেসিদের দল। ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে অতিরিক্ত সময়ে হেরে শিরোপা জয়ের স্বপ্ন ভেঙে যায় আর্জেন্টিনার। তবে সেই আক্ষেপের মাঝেই ২০৩০ বিশ্বকাপের আগে এসেছে স্বস্তির খবর।ফিফার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিশ্বকাপের শতবর্ষ উপলক্ষে ২০৩০ সালের আসর যৌথভাবে আয়োজন করবে ছয়টি দেশ। মূল আয়োজন হবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কোতে। পাশাপাশি আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়েতে অনুষ্ঠিত হবে একটি করে ম্যাচ।আরও  পড়ুন, ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ শুরুর আগে ফাজালকে হারাল পাকিস্তানসহ-আয়োজক হওয়ায় এই তিনটি দক্ষিণ আমেরিকার দেশ সরাসরি বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার সুযোগ পাবে। ফলে কঠিন বাছাইপর্ব খেলতে হবে না আর্জেন্টিনাকে।বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে উরুগুয়ের ঐতিহাসিক এস্তাদিও সেন্তেনারিওতে, যেখানে ১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ হয়েছিল।অন্যদিকে আর্জেন্টিনা আয়োজন করবে বুয়েনস আইরেসের বিখ্যাত রিভার প্লেটের এস্তাদিও মনুমেন্তালে একটি ম্যাচ। প্যারাগুয়ের রাজধানী আসুনসিওনেও হবে একটি ম্যাচ।বিশ্বকাপের শতবর্ষ উদযাপনের বিশেষ এই আয়োজনে সরাসরি মূল পর্বে খেলার সুযোগ পাওয়ায় নতুন করে শিরোপা স্বপ্ন দেখছে আর্জেন্টিনা।

আইন আদালত

বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতা

বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতা

বর্ষার বৃষ্টির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি জেলা শহরগুলোতেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এডিস মশাবাহিত এই রোগ। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু সংক্রমণের উচ্চ প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২০ জুলাই পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০ হাজার ৪৮৫ জন। এ সময় ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৯ হাজার ৪৪০ জন।শুধু জুলাই মাসের প্রথম ১৯ দিনেই আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৮১ জন, যা জুন মাসের মোট আক্রান্ত ২ হাজার ৯০৭ জনের তুলনায় প্রায় ৩৪ শতাংশ বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪৭৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর ডেঙ্গুর জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়। বিশেষ করে বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং ঢাকার আশপাশের জেলাগুলোতে সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।আরও  পড়ুন, জুলাই আন্দোলনের রক্তাক্ত দিন: ২০ জুলাইয়ে দেশজুড়ে কারফিউ ও সেনা টহলতিনি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত লার্ভা ধ্বংস, লার্ভিসাইড প্রয়োগ এবং জেলা-উপজেলা হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী জানান, ডেঙ্গুর উৎস শনাক্ত ও ধ্বংসে কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। শিগগিরই ৩০০ স্বেচ্ছাসেবক বাসাবাড়ির ছাদ, গ্যারেজ ও সম্ভাব্য প্রজননস্থল পরিদর্শনে নামবেন।জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু ফগিং করে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। জমে থাকা পরিষ্কার পানি অপসারণ, নির্মাণাধীন ভবনে নিয়মিত তদারকি, লার্ভা জরিপ এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিই ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।চিকিৎসকদের পরামর্শ, জ্বর, শরীরব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, বমি বা রক্তক্ষরণের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও দীর্ঘমেয়াদি রোগীদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর