দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1006.3 hPa
25° 96%
15mm
চট্টগ্রাম 1006.8 hPa
29° 85%
50° 15mm
রাজশাহী 1004.4 hPa
28.3° 85%
40° 15mm
খুলনা 1005.5 hPa
27.7° 96%
30° 15mm
বরিশাল 1005.9 hPa
25.8° 96%
15mm
সিলেট 1005.6 hPa
24.5° 98%
15mm
রংপুর 1004.4 hPa
27.6° 87%
15mm
ময়মনসিংহ 1006.2 hPa
25.8° 97%
40° 15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

পুলিশ সংস্কার কতদূর, কী ভাবছে সাধারণ মানুষ?

পুলিশ সংস্কার কতদূর, কী ভাবছে সাধারণ মানুষ?

দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ| সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশ প্রশাসনে একাধিক রদবদল, বদলি ও প্রশাসনিক সংস্কার উদ্যোগ নেওয়া হলেও সাধারণ মানুষের মনে এখনো একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, এই পরিবর্তন কি জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছে? নাকি কাঠামোগত ও নীতিগত আরও বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন? সাংবাদিকদের পর্যবেক্ষণ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, পুলিশ বাহিনীতে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হলেও এখনো অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে| বিশেষ করে অপরাধ দমন, রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী মহলের চাপ, জনসেবার মান এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাগত স্বাধীনতা নিয়ে নানা প্রশ্ন বিদ্যমান|আরও পড়ুন: আলোচনা, সমালোচনা আর দায়িত্বের গল্প: ওসি দাউদসাম্প্রতিক সময়ে পুলিশ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে কর্মকর্তাদের বদলি, নতুন দায়িত্ব প্রদান এবং কিছু ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে| সরকারের পক্ষ থেকে জনবান্ধব পুলিশিংয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে| থানাগুলোতে সেবার মান বাড়ানো, অভিযোগ গ্রহণে আন্তরিকতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত ব্যবস্থা চালুর মতো পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে| তবে শুধুমাত্র প্রশাসনিক রদবদল করলেই যে জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, বিষয়টি এত সহজ নয়| কারণ অপরাধের ধরন পরিবর্তন হচ্ছে, সাইবার অপরাধ বাড়ছে, মাদক ব্যবসা নতুন নতুন কৌশলে পরিচালিত হচ্ছে এবং সংঘবদ্ধ অপরাধচক্র আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে|বিশ্লেষকরা বলছেন, পুলিশে ব্যক্তি পরিবর্তনের চেয়ে প্রতিষ্ঠানগত সংস্কার বেশি জরুরি| একজন কর্মকর্তা বদলি হলে সাময়িক পরিবর্তন দেখা যেতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে হলে পুরো ব্যবস্থার সংস্কার প্রয়োজন| রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা এখনো নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে পুরোপুরি নিশ্চিন্ত নন| চুরি, ছিনতাই, কিশোর গ্যাং, মাদক ব্যবসা এবং বিভিন্ন ধরনের অপরাধের অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়| অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, থানায় গিয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেতে বিল¤^ হয়| আবার কোথাও কোথাও অভিযোগ গ্রহণে অনীহা বা দীর্ঘসূত্রতার অভিযোগও রয়েছে| যদিও পুলিশ কর্মকর্তারা এসব অভিযোগ অ¯^ীকার করে বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে সময় লাগে| তবে বাস্তবতা হলো, জনগণ দ্রুত ও কার্যকর সেবা প্রত্যাশা করে| একজন ভুক্তভোগী যখন থানায় যান, তখন তিনি আইনের জটিলতা নয়, সমস্যার সমাধান চান| সেই জায়গায় পুলিশকে আরও জনবান্ধব হতে হবে বলে মনে করেন সচেতন নাগরিকরা|আরও পড়ুন: গুলশান পুলিশকে বিতর্কিত করতেই মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারপুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনেক সময় বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতা বা স্থানীয় ক্ষমতাবানদের চাপের মুখে পড়তে হয়| ফলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে জটিলতা ˆতরি হয়| সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গিয়ে পুলিশ সদস্যরা নানা ধরনের চাপের সম্মুখীন হন| কখনো ফোনকল, কখনো সুপারিশ, আবার কখনো রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বাধা সৃষ্টি হয়|বিশেষজ্ঞদের মতে, পুলিশ যদি আইন প্রয়োগে ¯^াধীনতা না পায়, তাহলে অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখা কঠিন হয়ে পড়ে| কারণ অপরাধী যদি মনে করে তার রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রভাব তাকে রক্ষা করবে, তাহলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন সম্ভব নয়|পুলিশ বাহিনীকে কার্যকর করতে হলে তাদের পেশাগত স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে| একজন পুলিশ কর্মকর্তা যেন আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অযাচিত হস্তক্ষেপের শিকার না হন, সেই পরিবেশ সৃষ্টি করা জরুরি|আরও পড়ুন: প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদআইন-শৃঙ্খলা বিশ্লেষকরা বলছেন, একটি আধুনিক রাষ্ট্রে পুলিশকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে হয়| এতে জনগণের আস্থা বাড়ে এবং অপরাধীরা দ্রুত আইনের আওতায় আসে| বাংলাদেশে অনেক দক্ষ ও সৎ পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন| তারা আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন| কিন্তু যদি তাদের ওপর অযাচিত চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে তাদের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়| ফলে সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হন|রাজধানীর কয়েকটি থানার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, অনেক পুলিশ সদস্য আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করলেও কোথাও কোথাও সিদ্ধান্তহীনতা কাজ করছে| বিশেষ করে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা দেখা যায়|আরও পড়ুন: অপরাধ দমনে নতুন ছকে ডিএমপিএকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, থানায় গিয়ে অভিযোগ দেওয়ার পরও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি| পরে বিষয়টি উচ্চপর্যায়ে জানালে তদন্ত শুরু হয়| যদিও সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তারা দাবি করেন, প্রতিটি অভিযোগ আইন অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়|অন্যদিকে কিছু থানায় ভালো উদাহরণও রয়েছে| সেখানে ওসি ও তদন্ত কর্মকর্তারা সরাসরি অভিযোগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছেন| এমন উদ্যোগ জনমনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে|বর্তমান সময়ে শুধু অপরাধী গ্রেফতার করাই পুলিশের একমাত্র দায়িত্ব নয়| জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অপরাধ প্রতিরোধেও পুলিশের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ|বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে হবে| স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে অপরাধ প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করলে ইতিবাচক ফল পাওয়া সম্ভব| অনেক উন্নত দেশে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা রয়েছে| বাংলাদেশেও সেই ধরনের সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে| থানাকে ভয় নয়, আস্থার জায়গা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে|আরও পড়ুন: এনবিআরের কর্মকর্তা সহিদুল ইসলামের অবৈধ সম্পদের পাহাড়বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে| বাংলাদেশেও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে, তবে তা আরও বিস্তৃত করা প্রয়োজন| সিসিটিভি ক্যামেরা, ডিজিটাল ডাটাবেজ, সাইবার মনিটরিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং আধুনিক ফরেনসিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ালে অপরাধ তদন্ত আরও দ্রুত ও নির্ভুল হবে| অপরাধীরা প্রতিনিয়ত নতুন কৌশল ব্যবহার করছে| তাই পুলিশকেও প্রযুক্তিগতভাবে আরও দক্ষ হতে হবে| শুধু জনবল বৃদ্ধি নয়, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোও সময়ের দাবি| অনেক পুলিশ সদস্য দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন| উৎসব, ছুটির দিন কিংবা দুর্যোগকালেও তারা মাঠে কাজ করেন| কিন্তু তাদের কর্মপরিবেশ এবং কল্যাণমূলক সুবিধা নিয়ে এখনো নানা প্রশ্ন রয়েছে|বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পুলিশ সদস্যদের মানসিক চাপ কমানো, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করা এবং পেশাগত প্রশিক্ষণ বাড়ানো প্রয়োজন| কারণ একজন ক্লান্ত ও মানসিকভাবে চাপে থাকা সদস্যের কাছ থেকে সর্বোচ্চ সেবা আশা করা কঠিন| যদি পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করা যায়, তাহলে তাদের কর্মদক্ষতা এবং জনগণের প্রতি সেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে|আরও পড়ুন: ডিজিটাল হাইড্রোগ্রাফিতে নতুন সম্ভাবনা দেখছেন তারেক রহমানপুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা বাড়াতে হলে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি| কোনো সদস্য ক্ষমতার অপব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে| ভালো কাজের ¯^ীকৃতির পাশাপাশি অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে| এতে পুরো বাহিনীর ভাবমূর্তি উন্নত হবে| সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ক্ষেত্রে অনিয়মে জড়িত সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যা ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে| তবে এই প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করতে হবে|সাধারণ মানুষ একটি নিরাপদ সমাজ চায়| তারা চায় থানায় গেলে সম্মানজনক আচরণ, দ্রুত সেবা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হোক| পুলিশ রাজনৈতিক বা অন্য কোনো প্রভাবের ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করবে| অপরাধী যেই হোক, তার বিরুদ্ধে সমানভাবে আইন প্রয়োগ করা হবে|একজন নাগরিকের ভাষায়, “পুলিশ যদি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে এবং জনগণের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে অপরাধ অনেকটাই কমে আসবে| পুলিশ প্রশাসনে সাম্প্রতিক পরিবর্তন নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক উদ্যোগ| তবে শুধুমাত্র বদলি বা প্রশাসনিক রদবদল দিয়ে জননিরাপত্তার সব সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়| প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার, পেশাগত ¯^াধীনতা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, জবাবদিহিতা এবং জনবান্ধব পুলিশিং ব্যবস্থা| অপরাধ দমনে পুলিশকে কার্যকরভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে| একই সঙ্গে জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য বাহিনীকে আরও ¯^চ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং সেবামুখী হতে হবে| রাজনৈতিক বা প্রভাবশালী মহলের অযাচিত হস্তক্ষেপ বন্ধ করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা গেলে পুলিশ বাহিনী আরও শক্তিশালী হবে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ হবে| আরও পড়ুন: ১৫ বছরে যা হয়নি, ৩ মাসে তার চেয়ে বেশি হয়েছে : মির্জা ফখরুলসবশেষে বলা যায়, একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে পুলিশের ভূমিকা অপরিসীম| তাই পুলিশকে প্রয়োজনীয় স্বাধীনতা, আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং জনসমর্থন দিতে হবে| একই সঙ্গে বাহিনীর ভেতরে সংস্কার অব্যাহত রাখতে হবে| তাহলেই জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নয়ন সম্ভব হবে|

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

৮০ বছর বয়সে না ফেরার দেশে আবদুস সাদেক

বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের কিংবদন্তি খেলোয়াড়, কোচ ও সংগঠক আবদুস সাদেককে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।রবিবার দুপুর ১২টার দিকে বনানী কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়। এসময় মরহুমের পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।এর আগে সকাল ১১টায় রাজধানীর বনানী ওল্ড ডিওএইচএস মাঠে তাঁর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন হাফেজ মাওলানা মুফতি আবদুস সাকুর। এতে অংশ নেন পরিবারের সদস্য, ক্রীড়া সংগঠক, সাবেক ও বর্তমান খেলোয়াড়সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।জানাজা শেষে দেশের শীর্ষ ক্রীড়া সংগঠন ও ক্লাবগুলোর পক্ষ থেকে মরহুমের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়। এর মধ্যে ছিল আবাহনী লিমিটেড ঢাকা, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড, বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন, মেরিনার্স ক্লাব ও আজাদ স্পোর্টিংস ক্লাব।এর আগে শনিবার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বায়তুস আরো পড়ুন , ৫ বছরে ৯ হাজার কিমি খাল খননের পরিকল্পনা সরকারেরসোবহান জামে মসজিদে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।শনিবার সকাল ৮টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আবদুস সাদেক। তিনি দীর্ঘদিন ক্যানসারে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর ছোট ভাই বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান এবং বড় ছেলে টি স্পোর্টসের সিইও ইশতিয়াক সাদেক।অবিভক্ত পাকিস্তান জাতীয় হকি দলের তারকা খেলোয়াড়, বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় হকি দলের অধিনায়ক, এবং আবাহনী লিমিটেডের প্রথম ফুটবল ও হকি অধিনায়ক হিসেবে আবদুস সাদেক দেশের ক্রীড়াঙ্গনে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ক্রীড়া অঙ্গনে।

৫ বছরে ৯ হাজার কিমি খাল খননের পরিকল্পনা সরকারের

ভারতের সঙ্গে বিদ্যমান আন্তঃসীমান্ত পানি বণ্টনসংক্রান্ত চুক্তি ও সমঝোতাগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।রবিবার জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের দ্বিতীয় অধিবেশনের ১১তম কার্যদিবসে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান। কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, আন্তঃসীমান্ত নদীগুলোর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। বিষয়টি সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ লক্ষ্যেই বিদ্যমান চুক্তি ও সমঝোতাগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে।তিনি আরও জানান, যৌথ নদী কমিশনকে আরও শক্তিশালী করা এবং ভারত, নেপাল, ভুটান ও চীনের সমন্বয়ে সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।উজানের দেশগুলোতে বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের কারণে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশে পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করা যায় না বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেও পানির প্রাপ্যতা কমছে বলে জানান তিনি।পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এটি জাতীয় স্বার্থ, কৃষি, মৎস্য, পরিবেশ এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও বিশেষজ্ঞ পরামর্শের ভিত্তিতে প্রকল্পটি যাচাই-বাছাই করে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।এছাড়া নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ৯ হাজার ৪৬ কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় আগামী জুনের মধ্যে ৩৬৬ কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন সম্পন্ন করা হবে। ভারতের সঙ্গে বিদ্যমান আন্তঃসীমান্ত পানি বণ্টন চুক্তি ও সমঝোতাগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী আরো পড়ুন , সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানি রোধে নজরদারি বাড়ানোর আহ্বানএ্যানি।রবিবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি বলেন, আন্তঃসীমান্ত নদীগুলোর ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে এবং বিষয়টি নির্বাচনি ইশতেহারেও অন্তর্ভুক্ত।মন্ত্রী জানান, যৌথ নদী কমিশন (জেআরসি) বাংলাদেশকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভারত, নেপাল, ভুটান ও চীনের সমন্বয়ে সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার কাজ চলছে।তিনি বলেন, উজানের দেশগুলোর বিভিন্ন অবকাঠামোর কারণে শুষ্ক মৌসুমে পানিপ্রবাহ হ্রাস পাচ্ছে, যা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেও পানির প্রাপ্যতা কমছে।পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এটি জাতীয় স্বার্থের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ। কৃষি, মৎস্য, পরিবেশ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।এছাড়া তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ৯ হাজার ৪৬ কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় আগামী জুনের মধ্যে ৩৬৬ কিলোমিটার খাল খনন সম্পন্ন করা হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানি রোধে নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বর্তমানে বড় ধরনের গোলযোগ সৃষ্টির সক্ষমতা নেই বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষাবিদ, সমাজচিন্তক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ। তবে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা হতে পারে।রবিবার রাজধানীর এফডিসিতে ‘সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহারের কারণে সহিংসতা বৃদ্ধি পাচ্ছে’ শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্কে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, আগামী ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে দলটি একত্রিত হয়ে বড় ধরনের গোলযোগ সৃষ্টি করতে পারবে—এমন শক্তি এখনো তাদের হয়নি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার, গুজব ও উসকানির বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানের সঙ্গে দিল্লির ইমিগ্রেশনে যে আচরণ করা হয়েছে, তা শুধু একজন ব্যক্তির আরো পড়ুন , চাহিদা মিটিয়েও উদ্বৃত্ত মাছ উৎপাদন করছে বাংলাদেশনয়, বাংলাদেশের মর্যাদার প্রতিও অসম্মানজনক আচরণ।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্টের উসকানি ও ভুয়া প্রচারণা এখনও অব্যাহত রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোরও এ বিষয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন। গুজব ও অপপ্রচার অব্যাহত থাকলে পরাজিত শক্তি পুনরায় মাথাচাড়া দেওয়ার সুযোগ পেতে পারে।অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার করে কেউ যাতে সামাজিক অস্থিরতা তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকতে হবে।তিনি বলেন, মিথ্যা তথ্য, ভুয়া ছবি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি বিভ্রান্তিকর ভিডিও এবং উসকানিমূলক পোস্ট সমাজে সংঘাত ও সহিংসতা বাড়িয়ে তুলছে। পাশাপাশি ডিজিটাল আসক্তিও শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সংকট হিসেবে দেখা দিয়েছে।

চাহিদা মিটিয়েও উদ্বৃত্ত মাছ উৎপাদন করছে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ মাছ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেছেন, দেশে বর্তমানে মাছের কোনো ঘাটতি নেই, বরং জাতীয় চাহিদার তুলনায় উৎপাদন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেশি।রবিবার জাতীয় সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।মন্ত্রী বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী দেশে মাথাপিছু দৈনিক ৬০ গ্রাম মাছের চাহিদা বিবেচনায় বার্ষিক মোট চাহিদা ৩৮ লাখ ৯ হাজার মেট্রিক টন। অথচ একই সময়ে দেশে মাছ উৎপাদন হয়েছে ৫১ লাখ ১১ হাজার মেট্রিক টন। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় আরো পড়ুন , বুধবার- বৃহস্পতিবারেই আসতে পারে ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলপ্রায় ১৩ লাখ মেট্রিক টনের বেশি মাছ উৎপাদিত হয়েছে।তিনি আরও জানান, দেশে উৎপাদন পর্যাপ্ত হওয়ায় সাধারণ ভোক্তার জন্য মাছ আমদানির প্রয়োজন হয় না। তবে বিশেষ ভোক্তা গোষ্ঠীর চাহিদা ও খাদ্যাভ্যাসের কথা বিবেচনায় রেখে সীমিত পরিসরে কিছু নির্দিষ্ট প্রজাতির মাছ আমদানি করা হয়।সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট মাছ উৎপাদনের তুলনায় আমদানিকৃত মাছের পরিমাণ ছিল মাত্র ১ শতাংশের কাছাকাছি। এ সময়ে ৫৫ হাজার ৫৪ মেট্রিক টন মাছ আমদানি করা হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৪৭৫ কোটি টাকা।আমদানিকৃত মাছের তালিকায় রয়েছে টুনা, হেরিং, রূপচাঁদা, ম্যাকেরেল, ছুরি, স্ন্যাপার, কিং ফিশ, স্কুইড ও অক্টোপাসসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ।মন্ত্রী বলেন, দেশের মৎস্য খাতকে আরও টেকসই ও উৎপাদনমুখী করতে সরকার গবেষণা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে যাচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতেও মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রাজনীতিরাজনীতি

মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, দ্রুত ফিরবেন কাজে: প্রতিমন্ত্রী

মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, দ্রুত ফিরবেন কাজে: প্রতিমন্ত্রী

সুস্থ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।রবিবার (২১ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।পোস্টে তিনি দেশবাসীর দোয়া ও শুভকামনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।আরও  পড়ুন, মাদারীপুর-১ আসনের এমপিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য বিএনপি নেতা রাশেদ খানেরতিনি আরও বলেন, দ্রুতই পূর্ণ সুস্থতা লাভ করে মির্জা আব্বাস পুনরায় জনগণের মাঝে ফিরে এসে দেশের কল্যাণে তার দায়িত্ব ও কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন বলে আশা করা হচ্ছে।এর আগে তার শারীরিক অবস্থাকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল।

মাদারীপুর-১ আসনের এমপিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য বিএনপি নেতা রাশেদ খানের

মাদারীপুর-১ আসনের এমপিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য বিএনপি নেতা রাশেদ খানের

মাদারীপুর-১ আসনের  পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালাকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান।শনিবার (২০ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ওই মন্তব্য করেন, যা ইতোমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।পোস্টে তিনি একজন বিএনপি নেতার সঙ্গে এমপি হানজালার আচরণ নিয়ে সমালোচনা করে তীব্র ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, একজন সংসদ সদস্য হিসেবে আচরণে শালীনতা থাকা উচিত ছিল, কিন্তু তা দেখা যায়নি বলে দাবি করেন তিনি।আরও পড়ুন, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে এনসিপির দুই নেতা শোকজপোস্টে আরও কিছু রাজনৈতিক প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিরোধীদের অবস্থান ও আচরণ নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।এদিকে তার এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই বিষয়টিকে ব্যক্তিগত মতামত হিসেবে দেখলেও কেউ কেউ এটিকে অশোভন ভাষা ব্যবহার বলে সমালোচনা করছেন।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট এমপি বা তার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে এনসিপির দুই নেতা শোকজ

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে এনসিপির দুই নেতা শোকজ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রামের দুই নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে দলীয় কেন্দ্রীয় দপ্তর।শনিবার (২০ জুন) এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য মোহাম্মদ উসামা স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি নোটিশে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।নোটিশে বলা হয়, গত ১৮ জুন চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ এস এম সুজাউদ্দীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপিত হলে কেন্দ্রীয় শৃঙ্খলা কমিটি তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে। বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন রয়েছে।আরও  পড়ুন, দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে : সুলতান সালাউদ্দিন টুকুএ অবস্থায় চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির প্যাডে প্রেস রিলিজের মাধ্যমে তদন্তাধীন বিষয়ে সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের আগে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগ ওঠে দুই নেতার বিরুদ্ধে।একজন নেতার ক্ষেত্রে অভিযোগ করা হয়েছে যে, তিনি ব্যক্তিগত ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে অবস্থান নিয়েছেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগকারীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন।এ ধরনের কর্মকাণ্ড দলীয় শৃঙ্খলার পরিপন্থি উল্লেখ করে তাদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এনসিপি জানিয়েছে, অভিযোগের ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হলে সাংগঠনিকভাবে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে :  সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে : সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, ফ্যাসিবাদী চক্র আবারও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে ঐক্যবদ্ধ বিএনপি ও জাতীয়তাবাদী শক্তি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে।শনিবার (২০ জুন) বিকেলে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর পৌর বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেনের শোকসভায় যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে যেভাবে ফ্যাসিবাদী শক্তিকে প্রতিহত করা হয়েছে, ঠিক একইভাবে ভবিষ্যতেও দেশবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া হবে।আরও  পড়ুন , শিক্ষার্থীদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বানসুলতান সালাউদ্দিন টুকু অভিযোগ করেন, স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী এবং গণহত্যার সঙ্গে জড়িত শক্তি এখন বিভিন্ন রাজনৈতিক বক্তব্যের মাধ্যমে বিএনপিকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। তবে বিএনপি জনগণের দল হওয়ায় কোনো জনবিচ্ছিন্ন শক্তি তাদের ক্ষতি করতে পারবে না।তিনি আরও বলেন, বিএনপির বিরুদ্ধে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র সবসময়ই চলে আসছে, কারণ দলটি জনগণের পক্ষে কথা বলে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জনগণের বিজয়ই নিশ্চিত হবে।বিগত সরকারের সময় জিয়া পরিবারের ওপর সবচেয়ে বেশি নির্যাতন চালানো হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।শোকসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টু। সভায় উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

সারাবাংলা

হাতির আবাসস্থলে নির্মাণকাজ, প্রশ্নে পরিবেশ সুরক্ষা

হাতির আবাসস্থলে নির্মাণকাজ, প্রশ্নে পরিবেশ সুরক্ষা

কক্সবাজারের টেকনাফে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভেতরে বন্যহাতির চলাচলের করিডোরে স্থায়ী ইটের বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণকে কেন্দ্র করে উদ্বেগ ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশকর্মীদের মধ্যে। তাদের আশঙ্কা, এ নির্মাণকাজ বনের জীববৈচিত্র্য এবং বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক বিচরণে মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।বন বিভাগ জানিয়েছে, টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ২৬ নম্বর শালবাগান রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পেছনে সংরক্ষিত বনভূমির মধ্যে প্রায় ৫ মিটার উঁচু এবং ১৩৭ মিটার দীর্ঘ একটি বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, গত দুই মাস ধরে বনের ভেতরে চলা এ নির্মাণকাজের কারণে গাছপালা অপসারণ করা হচ্ছে এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এতে বন্যহাতি, বানর, শিয়াল, সরীসৃপ ও বিভিন্ন প্রজাতির পাখির আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।পরিবেশকর্মীরা বলছেন, শালবাগান বন বন্যহাতির একটি গুরুত্বপূর্ণ চলাচল আরো পড়ুন , বৃষ্টি এলেই ভিজে যায় বিছানা, অন্ধকার ঘরে দিন কাটে বিধবা হালিমারকরিডোর। সেখানে স্থায়ী দেয়াল নির্মাণ হলে হাতির চলাচল বাধাগ্রস্ত হবে। ফলে লোকালয়ে হাতির প্রবেশ বাড়তে পারে এবং মানুষ-হাতি সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।জানা গেছে, জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির অর্থায়নে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র নির্মাণের অংশ হিসেবে এই অবকাঠামো তৈরি করা হচ্ছে।তবে কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, এ কাজের জন্য বন বিভাগের কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। ইতোমধ্যে কাজ বন্ধের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেছেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিপুল পরিমাণ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা থেকেই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তবে বনাঞ্চলের মধ্যে দেয়াল নির্মাণ আদর্শ সমাধান নয় বলেও তিনি স্বীকার করেছেন।

বৃষ্টি এলেই ভিজে যায় বিছানা, অন্ধকার ঘরে দিন কাটে বিধবা হালিমার

বৃষ্টি এলেই ভিজে যায় বিছানা, অন্ধকার ঘরে দিন কাটে বিধবা হালিমার

বৃষ্টি অনেকের কাছে স্বস্তি ও প্রশান্তির বার্তা নিয়ে আসে। কৃষকের মুখে হাসি ফোটায়, প্রকৃতিকে করে তোলে সজীব ও প্রাণবন্ত। অথচ সেই বৃষ্টিই ফুলবাড়িয়ার অসহায় বিধবা হালিমা খাতুনের জীবনে বয়ে আনে দুর্ভোগ, আতঙ্ক ও নির্ঘুম রাতের দীর্ঘশ্বাস।আকাশে মেঘ জমলেই দুশ্চিন্তা ঘিরে ধরে হালিমা খাতুনকে। বৃষ্টি শুরু হলেই ঘরের জরাজীর্ণ চাল দিয়ে টপটপ করে পানি পড়ে বিছানায়। বিছানা, কাপড়চোপড় ও সামান্য গৃহস্থালি জিনিসপত্র রক্ষায় পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে হয়। তবুও শেষ রক্ষা হয় না। ভেজা বিছানা, অন্ধকার ঘর আর অনিশ্চয়তার মধ্যেই কাটছে তার জীবন।ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ফুলতলা গ্রামের বাসিন্দা হালিমা খাতুন (৫০)। প্রায় ১৬ বছর আগে দুই সন্তান রেখে মারা যান তার স্বামী হাবুল মিয়া। এরপর থেকেই জীবনের কঠিন সংগ্রাম একাই বয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি।হালিমার বসতঘরটি এখন বসবাসের অনুপযোগী। সামান্য বৃষ্টিতেই ঘরের ভেতর পানি ঢুকে পড়ে। নেই বিদ্যুৎ সংযোগও। গরমের রাতে অন্ধকার ঘরে কষ্ট করে দিন কাটাতে হয় তাকে।জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন অন্যের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করেন হালিমা।]আরও  পড়ুন, কক্সবাজারে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ ও অপরাধসহ নানা বিষয়ের উপর পর্যালোচনা সভা অনুষ্টিতযা পায় তা দুই সন্তান নিয়ে কোনরকম দিন পার করে, সারাদিন পরিশ্রমের পর ফিরে আসেন ছোট্ট ভাঙাচোরা ঘরে। বয়স ও দারিদ্র্যের ভারে ক্লান্ত এই নারী এখন শুধু মাথা গোঁজার জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়ের অপেক্ষায় দিন গুনছেন।স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন হালিমা খাতুন। একটি নিরাপদ ঘরের অভাবে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাকে। সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্প কিংবা কোনো মানবিক সহায়তা পেলে হয়তো তার জীবন কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরে পেতে পারে।দুই সন্তানের জননী হালিমা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “বৃষ্টি হলেই ঘরের সবকিছু ভিজে যায়। পলিথিন দিয়ে বিছানা ঢেকে রাখি। ঘরে বিদ্যুৎও নেই। অনেক কষ্টে দিন কাটাই। আমার শুধু থাকার মতো একটা নিরাপদ ঘর চাই।”এলাকাবাসীর দাবি, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, মানবিক সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পাশাপাশি সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যদি বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিতে বিবেচনা করেন, তাহলে অসহায় বিধবা হালিমা খাতুনের মাথা গোঁজার একটি নিরাপদ আশ্রয়ে

কক্সবাজারে  জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ ও অপরাধসহ নানা বিষয়ের উপর পর্যালোচনা সভা অনুষ্টিত

কক্সবাজারে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ ও অপরাধসহ নানা বিষয়ের উপর পর্যালোচনা সভা অনুষ্টিত

কক্সবাজার জেলায় পুলিশের মাসিক কল্যাণ ও অপরাধসহ নানা বিষয়ের  উপরে পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  ২১ জুন রবিবার  কক্সবাজার জেলা পুলিশের স্বাভাবিক দায়িত্ব পালন ও  শৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশ সুপরারের  সভাপতিত্বে  পুলিশলাইন মিলনায়তনের  হল রুমে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় বিভিন্ন পদবির অফিসার ও ফোর্সদের বিভিন্ন সমস্যাসহ আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে এবং অফিসার ফোর্সের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিতকরণ ও তাদের বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধার কথা শুনে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করেন  কক্সবাজার জেলা  পুলিশ সুপার।  এসময় জেলার অফিসার ও ফোর্সদের বিভিন্ন কৃতিত্বপূর্ণ কাজের জন্য পুরস্কার প্রদান করা হয়। পুরস্কার হিসেবে ম পুলিশ সুপার মহোদয় অফিসার ও ফোর্সের হাতে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন।আরও  পড়ুন, রাজবাড়ীতে নারী ইউপি সদস্যকে মারধর মামলায় যুবক গ্রেপ্তারএছাড়াও তিনি পুরস্কারের অভিন্ন মানদন্ড অনুযায়ী জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসারদের পুরস্কৃত করেন। এদিকে কল্যাণ সভা শেষে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে মে-২০২৬ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। কক্সবাজার জেলার পুলিশ সুপার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মাদক, খুন, ধর্ষণ, ডাকাতি, অপহরণ, মানব পাচার ও অন্যান্য চাঞ্চল্যকর মামলাসহ সকল গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। তিনি দীর্ঘদিন তদন্তাধীন মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পাশাপাশি অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলাসমূহের সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিতকল্পে সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তাদের কার্যকর দিকনির্দেশনা প্রদান করেন পুলিশ সুপার মহোদয়।

রাজবাড়ীতে নারী ইউপি সদস্যকে মারধর মামলায় যুবক গ্রেপ্তার

রাজবাড়ীতে নারী ইউপি সদস্যকে মারধর মামলায় যুবক গ্রেপ্তার

রাজবাড়ী সদর উপজেলার শহীদ ওহাবপুর ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী সদস্য মোছা. মিরা বেগমের ওপর হামলা ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে আল-আমীন শেখ (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।রবিবার (২১ জুন) সকালে এ ঘটনায় রাজবাড়ী সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে অভিযুক্ত আল-আমীন শেখকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।গ্রেপ্তার আল-আমীন সদর উপজেলার গোয়ালন্দ মোড়ের আহলাদীপুর গ্রামের মো. সোনামদ্দিন শেখ সোনাইয়ের ছেলে।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মিরা বেগম শহীদ ওহাবপুর ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত আসনের নির্বাচিত সদস্য। তিনি এলাকায় মাদকবিরোধী জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম ও গণসংযোগ চালিয়ে আসছিলেন। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে স্থানীয় আল-আমীন শেখ তার প্রতি ক্ষুব্ধ ছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।আরও  পড়ুন, গঙ্গাচড়ায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দায়িত্বশীলদের যৌথ সভা অনুষ্ঠিতএজাহারে আরও বলা হয়, পূর্বপরিকল্পিতভাবে গত ২০ জুন রাত সাড়ে ৯টার দিকে মিরা বেগম গোয়ালন্দ মোড় কাঁচাবাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে শহীদ ওহাবপুর ইউনিয়নের গোয়ালন্দ মোড় হাজী মার্কেট এলাকার একটি পানের দোকানের সামনে পৌঁছালে আল-আমীন শেখ তার ওপর হামলা চালান। অভিযোগ রয়েছে, তিনি রড দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করলে মিরা বেগম গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এ সময় তার ভ্যানিটি ব্যাগে থাকা তিন হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তিনি চিকিৎসা নেন।রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার ঘোষ জানান, “অভিযুক্ত আল-আমীন শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিকেলে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।”

আন্তর্জাতিক

ইরানকে লক্ষ্য করে কড়া বার্তা ট্রাম্পের, বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ

ইরানকে লক্ষ্য করে কড়া বার্তা ট্রাম্পের, বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ

সুইজারল্যান্ডে ইরানের নেতাদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা চলাকালেই দেশটিকে আবারও ‘ধ্বংস করে দেওয়ার’ হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালী বন্ধের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কঠোর হুঁশিয়ারি দেন।রবিবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি যদি হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয়, তাহলে ইরানের অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়বে। তার ভাষায়, প্রণালী বন্ধ করলে ইরানের আর কোনো দেশ থাকবে না, এমনকি নেতৃত্বের জন্যও কোনো নিরাপদ জায়গা থাকবে না।ট্রাম্প আরও দাবি করেন, শনিবার হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বিশ্ব বাণিজ্যের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ আরো পড়ুন, গোলাবারুদ নয়, বিনিয়োগেই প্রভাব বাড়াল চীনকরতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।ইরান যদি কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর টোল আরোপের সম্ভাবনার কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, প্রয়োজনে প্রণালী দখল করার কথাও ভাবা হতে পারে।এছাড়া ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে উদ্দেশ করে ট্রাম্প কড়া ভাষায় বলেন, তার উচিত সাবধানে কথা বলা, নইলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।তিনি আরও উল্লেখ করেন, গত সপ্তাহে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা কাঠামোর আওতায় ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি ও আলোচনার সুযোগ রাখা হয়েছে, তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে।হরমুজ প্রণালী ঘিরে এই বক্তব্যের পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

২ ঘন্টা আগে

রাজধানী

রাতের দুর্ঘটনায় রাজধানীর ডেমরায় ট্রাকের ধাক্কায় যুবক নিহত

রাতের দুর্ঘটনায় রাজধানীর ডেমরায় ট্রাকের ধাক্কায় যুবক নিহত

রাজধানীর ডেমরা থানার মেহেন্দিপুর এলাকায় ট্রাকের ধাক্কায় অজ্ঞাতপরিচয় এক পথচারী (প্রায় ২৫) নিহত হয়েছেন।রবিবার ভোরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।পুলিশ জানায়, শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ডেমরা থানাধীন রামপুরা সড়কের মেহেন্দিপুর এলাকায় ম্যাগাজিন গ্রুপ প্রতিষ্ঠানের সামনে রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি দ্রুতগতির ট্রাক ওই পথচারীকে ধাক্কা দেয় এবং চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।আরও  পড়ুন, সন্ত্রাস ও ছিনতাইয়ে জড়িত ‘মাওরা সোহেল’ গ্রেফতার, উদ্ধার বিদেশি অস্ত্রধাক্কায় গুরুতর আহত অবস্থায় ওই ব্যক্তি রাস্তায় পড়ে থাকেন। পরে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর দিলে ডেমরা থানার এসআই মোহাম্মদ মঈনুদ্দিন তাকে উদ্ধার করে রাত সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

১১ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

স্পেন সসৌদি আরব লড়াইয়ে প্রথম জয়ের সন্ধান দুই দলেরই

স্পেন সসৌদি আরব লড়াইয়ে প্রথম জয়ের সন্ধান দুই দলেরই

বিশ্বকাপে প্রথম জয় পেতে আজ মুখোমুখি হচ্ছে ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের তিন নম্বর দল স্পেন এবং ৫৯ নম্বরে থাকা সৌদি আরব। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে জর্জিয়ার মার্সিডিজ–বেঞ্জ স্টেডিয়ামে, বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায়।‘এইচ’ গ্রুপের এই ম্যাচে দুই দলই এখন পর্যন্ত জয়হীন। প্রথম ম্যাচে কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে স্পেন, আর উরুগুয়ের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে সৌদি আরব পয়েন্ট ভাগ করে নেয়।পরিসংখ্যান বলছে, স্পেন ও সৌদি আরব এখন পর্যন্ত তিনবার মুখোমুখি হয়েছে এবং প্রতিবারই জয় পেয়েছে স্পেন। এই তিন ম্যাচে স্প্যানিশরা করেছে ৯ গোল, হজম করেছে মাত্র ২ গোল। এর মধ্যে ২০০৬ বিশ্বকাপে আরো পড়ুন , বিশ্বকাপের ১০০০তম ম্যাচে তিউনিসিয়ার জালে জাপানের গোলবৃষ্টিগ্রুপ পর্বে ১-০ ব্যবধানে জয় ছিল স্পেনের।অন্যদিকে সৌদি আরবের জন্য ইউরোপীয় দলের বিপক্ষে পরিসংখ্যানও খুব একটা সুখকর নয়। বিশ্বকাপে ইউরোপীয় দলের বিপক্ষে ১১ ম্যাচে ১০টিতেই হেরেছে তারা।তবে স্পেনের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সও চিন্তার বিষয়। বিশ্বকাপে শেষ চার ম্যাচে জয় পায়নি তারা—৩টি ড্র এবং ১টি হার। গত তিন বিশ্বকাপে ৯ ম্যাচে মাত্র ২ জয়, যা তাদের সামগ্রিক ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।আরও উদ্বেগের বিষয় স্পেনের গোলখরা। শেষ দুই বিশ্বকাপ ম্যাচে তারা কোনো গোল করতে পারেনি। ২০২২ বিশ্বকাপে জাপানের বিপক্ষে ১১তম মিনিটের পর থেকে প্রায় ২ হাজার ৫০০টি পাস ও ৪৯টি শট নিয়েও গোলহীন রয়েছে স্প্যানিশরা।ফলে আজকের ম্যাচে স্পেন যেমন জয়ের ধারায় ফিরতে চায়, তেমনি সৌদি আরবও বড় দলের বিপক্ষে চমক দেখানোর লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে।

আইন আদালত

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে আটকের পর কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা সাজিয়ে গুলি ও নির্যাতনের মাধ্যমে পঙ্গু করার অভিযোগে দায়ের করা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার আজ শুরু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলাটির সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) ও সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।আরও পড়ুন, ‘আমি শুধু ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার’: আসামি সোহেলমামলাটি শুনানি করবেন মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। মামলার প্রধান আসামি আনিসুর রহমান-সহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম চলবে।প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর চৌগাছা উপজেলা শাখার তৎকালীন সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন এবং সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিন-কে একটি মামলায় আটক করে পুলিশ। অভিযোগে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারের পর তাদের আদালতে হাজির না করে কয়েকদিন নির্যাতন করা হয়।আরও পড়ুন, শিশু রামিসা হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি আজপ্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ একটি সাজানো ঘটনা তৈরি করে দুই নেতার পায়ে গুলি করা হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে চিকিৎসার একপর্যায়ে তাদের পা কেটে ফেলতে হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় আরও বলা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অস্ত্র মামলাটি পরবর্তীতে আদালতে ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়।এর আগে গত ২০ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। সে সময় আদালতে উপস্থিত আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। বর্তমানে অভিযুক্তদের মধ্যে আকিকুল ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান এবং জহরুল হক কারাগারে রয়েছেন।আরও পড়ুন, সাইপ্রাসে এস আলমের ভবন জব্দের নির্দেশঅন্যদিকে প্রধান আসামি আনিসুর রহমান, সাবেক ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল এবং এসআই মাজেদুল পলাতক রয়েছেন বলে ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানিয়েছে। উল্লেখ্য, মামলার অভিযোগগুলো প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত অভিযোগ। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের রায়ের মাধ্যমে অভিযুক্তদের দায়-দায়িত্ব চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর