দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1006.7 hPa
32.2° 65%
940° 9mm
চট্টগ্রাম 1006.7 hPa
31.4° 74%
940° 9mm
রাজশাহী 1006.4 hPa
30.3° 86%
940° 9mm
খুলনা 1006.5 hPa
30° 80%
940° 9mm
বরিশাল 1006.2 hPa
28.5° 92%
940° 9mm
সিলেট 1006.4 hPa
28.7° 82%
940° 9mm
রংপুর 1005.7 hPa
33° 0%
940° 9mm
ময়মনসিংহ 1007.2 hPa
30° 76%
940° 9mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

Divine Group ঘিরে এবার মামলার হিসাব

Divine Group ঘিরে এবার মামলার হিসাব

Divine Group-এর প্রকল্প, জমির মালিকানা, গ্রাহকের অর্থ ব্যবস্থাপনা, রিফান্ড এবং করপোরেট গভর্ন্যান্স নিয়ে প্রশ্নের পর এবার প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে থাকা মামলা ও আদালতের আদেশ নিয়েও অনুসন্ধানের দাবি উঠেছে। বিভিন্ন গ্রাহকের করা মামলার পাশাপাশি একটি ব্যাংক-সংক্রান্ত মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সেই পরোয়ানা গুলশান থানায় পৌঁছানোর পরও কেন তা কার্যকর হয়নি এ প্রশ্ন এখন সামনে এসেছে। তবে মামলার সংখ্যা, পরোয়ানার বর্তমান কার্যকারিতা এবং কোনো মামলায় আসামির জামিন বা স্থগিতাদেশ রয়েছে কি না এসব বিষয়ে আদালতের নথি ও সংশ্লিষ্ট থানার রেকর্ড দিয়ে পূর্ণাঙ্গ যাচাই জরুরি। সংবাদ দিগন্তের অনুসন্ধানেও এসব নথির সত্যতা ও বর্তমান অবস্থা যাচাইয়ের চেষ্টা চলছে। গুলশানের মত এমন একটি এলাকায় প্রতারনার ফাঁদ গ্রাহকের টাকা লুটেপুটে খাচ্ছে ডিভাইন গ্রুপ।আরও পড়ুন: গ্রাহকের অর্থ কোথায়? Divine Group-এর প্রকল্প ও সম্পদDivine Group-এর ওপর করা প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক স্বচ্ছতা, গ্রাহকের রিফান্ড, ব্যাংক দায়, জমির মালিকানা, কর-ভ্যাট ও করপোরেট গভর্ন্যান্স নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রতিবেদনে SM Habibur Rahman-এর বিরুদ্ধে ব্যাংক ঋণ খেলাপি, আইনগত পদক্ষেপ এবং ব্যাংকগুলোর recovery চেষ্টার অভিযোগের কথাও উল্লেখ রয়েছে। তবে ওই রিপোর্টও এসব অভিযোগকে প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে উপস্থাপন না করে ব্যাংক নথি, আদালতের রেকর্ড ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রের মাধ্যমে যাচাইয়ের কথা বলেছে। আরও পড়ুন: অপসাংবাদিকতার তাণ্ডব: মূলধারা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার বড় সংকটঅনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, One Bank-এর একটি মামলায় এস এম হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে এবং ওই পরোয়ানা গুলশান থানায় পাঠানো হয়েছে। কিন্তু পরোয়ানা থানায় পৌঁছানোর পর সেটি কার্যকর হয়েছে কি না, হলে কখন হয়েছে, না হলে তার কারণ কী এসব প্রশ্নের উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো থানায় আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পৌঁছালে সেটির কার্যকর করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্ব থাকে। তবে কোনো আসামির বিরুদ্ধে পরোয়ানা থাকলেই তিনি গ্রেপ্তারযোগ্য অবস্থায় আছেন এমন সরল সিদ্ধান্তে যাওয়ার আগে পরোয়ানার সর্বশেষ অবস্থা, জামিন, স্থগিতাদেশ, প্রত্যাহার বা অন্য কোনো আদালতের আদেশ আছে কি না তা যাচাই করা প্রয়োজন। সুতরাং এখানে মূল অনুসন্ধানের বিষয় শুধু ‘ওয়ারেন্ট আছে কি না’ নয়; বরং ওয়ারেন্টটি বর্তমানে কার্যকর কি না এবং থাকলে সেটি বাস্তবায়নে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন: চোরাচালান-মাদকপাচার ও সীমান্ত হত্যা বন্ধে বিজিবিকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশএদিকে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, এস এম হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আদালতে মোট ৫৪টি মামলা রয়েছে। তবে সংবাদ দিগন্তের হাতে এই মুহূর্তে ৫৪টি মামলার পূর্ণাঙ্গ মামলানম্বর, আদালতের নাম, মামলার ধারা, বাদীর পরিচয় এবং বর্তমান অবস্থার সমন্বিত তালিকা নেই।ফলে ৫৪টি মামলাকে নিশ্চিত সংখ্যা হিসেবে প্রকাশের আগে আদালতের নথি দিয়ে তা যাচাই করা জরুরি। কারণ একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভিন্ন পর্যায়ের মামলা, আপিল, রিভিশন বা আর্থিক বিরোধের মামলা থাকতে পারে; আবার কোনো মামলা নিষ্পত্তি, খারিজ, স্থগিত কিংবা জামিনের আওতায়ও থাকতে পারে।এ কারণে সংবাদ দিগন্তের অনুসন্ধানের পরবর্তী ধাপে মামলার নম্বর ধরে ধরে যাচাই করার প্রয়োজন রয়েছে। প্রথম পর্বের অনুসন্ধানে যে বিষয়টি সামনে এসেছিল, সেটি হলো Divine Group-এর বিভিন্ন প্রকল্পে দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকের অর্থ, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং রিফান্ড নিয়ে প্রশ্ন। প্রাথমিক প্রতিবেদনে ২০ কোটি টাকার বেশি refund-related issue থাকার দাবি এবং কিছু গ্রাহকের রিফান্ড দীর্ঘ সময় ধরে অনিষ্পন্ন থাকার অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।Divine Group-সংক্রান্ত প্রাথমিক রিপোর্টে এস এম হাবিবুর রহমানের বিভিন্ন সম্পত্তির বিপরীতে ব্যাংক ঋণ নেওয়ার তথ্যের সঙ্গে একাধিক ঋণ খেলাপির অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কয়েকটি ক্ষেত্রে ব্যাংক আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছে এবং recovery proceedings চলার দাবিও সেখানে রয়েছে। সম্মিলিত ব্যাংক দাবির পরিমাণ ১০ কোটি টাকার বেশি হতে পারে বলে একটি প্রাথমিক অনুমানের কথা বলা হয়েছে।তবে এটিও মনে রাখা জরুরি ব্যাংক ঋণ, ঋণখেলাপি, দেওয়ানি অর্থঋণ মামলা এবং ফৌজদারি মামলা এক বিষয় নয়। কোন মামলায় কী অভিযোগ রয়েছে এবং আদালত কী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন তা নথি দেখে আলাদাভাবে নির্ধারণ করতে হবে।আরও পড়ুন: ‘সাংবাদিক আবদুস সালাম সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার প্রতীক’: রিজভীDivine Group-এর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি হলো গ্রাহক বা প্রকল্পের অর্থ অন্যত্র ব্যবহারের অভিযোগ। প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এ বিষয়টিকে সরাসরি ‘মানি লন্ডারিং’ না বলে Potential Fund Diversion/Misuse of Customer Funds/Related-Party Transaction Risk হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং forensic verification-এর প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য শুধু মুখের কথা বা বাজারের গুঞ্জন যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন হবে ব্যাংক স্টেটমেন্ট, গ্রাহকের পেমেন্ট রেকর্ড, প্রকল্পের হিসাব, জমি কেনার দলিল, নির্মাণ ব্যয়, রিফান্ডের হিসাব এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বা প্রতিষ্ঠানের কাছে অর্থ স্থানান্তরের নথি। প্রতিবেদনটির ভাষায়, গ্রাহকের টাকা থেকে শুরু করে ব্যাংক হিসাব, অর্থ স্থানান্তর, প্রাপক, ব্যয়ের উদ্দেশ্য, ভাউচার এবং শেষ পর্যন্ত প্রকৃত সুবিধাভোগী পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে।আরও পড়ুন:আইসিসিবিতে ৩ সেপ্টেম্বর শুরু কসমেটিকা ঢাকা ২০২৬২০২৫ সাল থেকে Divine Purbachal City এবং Cox Holiday Inn প্রকল্পকে সামনে রেখে নতুন করে বাজারে সক্রিয় হওয়ার তথ্যও প্রাথমিক প্রতিবেদনে রয়েছে। সেখানে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রায় ৫ কোটি টাকার hotel share sale এবং প্রায় ২.৫ কোটি টাকা collection হওয়ার দাবি উল্লেখ করা হয়েছে। একই সময়ে প্রকল্প উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব তথ্য ব্যাংক স্টেটমেন্ট, শেয়ার রেজিস্টার ও গ্রাহক লেজার দিয়ে যাচাইয়ের প্রয়োজন রয়েছে। এখানেই অনুসন্ধানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন পুরোনো প্রকল্পের গ্রাহক, বিনিয়োগকারী ও পাওনাদারদের দায় পরিশোধের আগে নতুন প্রকল্প বা শেয়ারের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে কি না। এটি কোনো অপরাধের প্রমাণ নয়; তবে একটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা মূল্যায়নে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।আরও পড়ুন: আমিরাতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি নাকচCox Holiday Inn প্রকল্পটি নিয়েও দীর্ঘদিনের স্থবিরতার অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হয়ে basement ও একতলা পর্যন্ত নির্মাণের পর কাজ বন্ধ হয়ে যায় এবং প্রায় ২০২১ সাল থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রকল্পটি কার্যত stalled অবস্থায় রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। যদি এই তথ্য নথিপত্রে সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে বিনিয়োগকারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াবে প্রকল্পের বর্তমান সম্পদ কত, ইতোমধ্যে কত টাকা ব্যয় হয়েছে, বাকি নির্মাণে কত টাকা লাগবে এবং সেই অর্থের উৎস কী। Cox Holiday Inn-এর জমির মালিকানা নিয়েও প্রাথমিক রিপোর্টে প্রশ্ন রয়েছে। সেখানে কিছু জমি Divine Holdings Limited, কিছু Divine Hotel and Resort Limited-এর নামে এবং কিছু জমি খাস হতে পারে বলে তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। কিছু জমি Power of Attorney-ভিত্তিক হওয়ার সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে। প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়নে Divine Group-এর corporate governance নিয়ে board oversight, financial control, segregation of duties, project accounting, customer fund segregation, contract management, investor reporting এবং related-party transactionসহ একাধিক ক্ষেত্রে দুর্বলতার আশঙ্কা চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষ করে Managing Director-কেন্দ্রিক অতিরিক্ত আর্থিক ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ থাকায় কোম্পানির সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাঠামো নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। একটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক নিয়ন্ত্রণে সাধারণত কে টাকা গ্রহণ করবে, কে অনুমোদন দেবে, কে ব্যয় করবে এবং কে হিসাব নিরীক্ষা করবে—এসব দায়িত্ব আলাদা থাকার কথা। সেখানে একই ব্যক্তির হাতে অতিরিক্ত ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হলে governance risk তৈরি হতে পারে।আরও পড়ুন: লংমার্চ ঘিরে সিএমপির সঙ্গে জামায়াতের মতবিনিময়এসব অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে একটি বিষয় পরিষ্কার রাখা জরুরি মামলা হওয়া মানেই অপরাধ প্রমাণিত হওয়া নয়। আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত কোনো ব্যক্তিকে অপরাধী বলা আইনগত ও সাংবাদিকতার দিক থেকে সমীচীন নয়। একইভাবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকলেও তার বর্তমান অবস্থা জামিন, স্থগিতাদেশ, প্রত্যাহার বা অন্য কোনো আদালতের আদেশ যাচাই করা জরুরি। তাই এস এম হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ৫৪টি মামলা রয়েছে এই তথ্যটি বর্তমানে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সংবাদ দিগন্ত আদালতের নথির ভিত্তিতে মামলাগুলোর প্রকৃত সংখ্যা ও বর্তমান অবস্থা যাচাই করার চেষ্টা করছে।Divine Group-এর প্রাথমিক ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রতিবেদনের চূড়ান্ত মতামতেও বলা হয়েছে, নতুন বিনিয়োগ বা আর্থিক সম্পর্ক স্থাপনের আগে independent forensic investigation প্রয়োজন। এজন্য forensic financial audit, land audit, legal audit, tax/VAT audit এবং project audit করার সুপারিশ করা হয়েছে।প্রাথমিক রিপোর্টে stakeholder-দের জন্যও নতুন আর্থিক সম্পর্ক স্থাপনের আগে জমির বৈধ মালিকানা, প্রকল্পের অনুমোদন, বাস্তব নির্মাণ অবস্থা, audited financial statement, customer/refund liability, ব্যাংক ও creditor position এবং customer fund-এর source ও utilization যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন: জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সংসদে সরকার-বিরোধী দলের টানাপোড়েন ফের উত্তাপDivine Group নিয়ে প্রথম পর্বে উঠে এসেছিল প্রকল্পের অগ্রগতি, জমির মালিকানা, অর্থ ব্যবস্থাপনা ও করপোরেট গভর্ন্যান্সের প্রশ্ন। দ্বিতীয় পর্বে সামনে এসেছে মামলা, ব্যাংক-সংক্রান্ত বিরোধ এবং কথিত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা।

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

নবম পে-স্কেলে অবসরপ্রাপ্তদের পেনশন বাড়ছে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ

নবম জাতীয় পে-স্কেলে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশনে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। দীর্ঘদিন আগে অবসরে যাওয়া এবং তুলনামূলক কম পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের স্বস্তি দিতে নিট পেনশন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।তবে সবার পেনশন একই হারে বাড়ছে না। বর্তমানে যে পরিমাণ নিট পেনশন পাওয়া যাচ্ছে, তার ভিত্তিতে পাঁচটি স্তরে বৃদ্ধির হার নির্ধারণ করা হয়েছে।সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৯ হাজার টাকা বা এর কম নিট পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের পেনশন বাড়বে ১০০ শতাংশ। অর্থাৎ ৯ হাজার টাকা পেনশন হলে নতুন পেনশন দাঁড়াবে ১৮ হাজার টাকা।৯ হাজার ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিট পেনশনে বৃদ্ধি হবে ৭৫ শতাংশ। যেমন, ২০ হাজার টাকা পেনশন পেলে তা বেড়ে হবে ৩৫ হাজার টাকা।আরও  পড়ুন, দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যেতে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর২০ হাজার ১ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনে বাড়বে ৬৫ শতাংশ। ফলে ৩০ হাজার টাকা পেনশন হলে নতুন পরিমাণ দাঁড়াবে ৪৯ হাজার ৫০০ টাকা।৩০ হাজার ১ টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশন বাড়বে ৬০ শতাংশ। অর্থাৎ ৪০ হাজার টাকা পেনশন হলে তা বেড়ে হবে ৬৪ হাজার টাকা।আর ৪০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি নিট পেনশনধারীদের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৫ শতাংশ।অর্থাৎ নতুন পে-স্কেলে তুলনামূলক কম পেনশন পাওয়া অবসরপ্রাপ্তদের জন্য বৃদ্ধির হার রাখা হয়েছে বেশি। আর বেশি পেনশনধারীদের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার তুলনামূলক কম।তবে চূড়ান্তভাবে প্রত্যেকের পেনশনের পরিমাণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত নিয়ম, সংশ্লিষ্ট সীমা এবং অবসর-পরবর্তী অন্যান্য সুবিধা বিবেচনায় নেওয়া হবে।সরকারের এ সিদ্ধান্তে দীর্ঘদিন আগে অবসরে যাওয়া কম পেনশনভোগীদের আর্থিক স্বস্তি বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যেতে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

পরবর্তী প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যেতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।তিনি বলেছেন, নদী ও পরিবেশ রক্ষায় শুধু সরকারি নির্দেশনার অপেক্ষায় থাকলে হবে না। ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ থেকেই সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।রোববার দুপুরে সচিবালয়ে রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে এক পর্যালোচনা সভায় এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।সভায় বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, ধলেশ্বরী, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি এসব নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খাল ও ড্রেনের বর্জ্য অপসারণ, সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা এবং নাব্যতা নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়।ঢাকার চারপাশে বিদ্যমান বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়ন এবং নদীগুলোকে ঘিরে নেওয়া বিভিন্ন পরিকল্পনার অগ্রগতিও পর্যালোচনা করা হয়।আরও  পড়ুন, নিজ জেলায় ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলএ সময় এ পর্যন্ত নেওয়া পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার মধ্যে যথাযথ সমন্বয় নিশ্চিত করে কাজ এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজেদের জন্য যেমন, তেমনি পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও দূষণমুক্ত নদী ও একটি বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। এ দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, প্রত্যেক নাগরিকেরও।সভায় স্থানীয় সরকার, পরিবেশ, শিল্প ও বাণিজ্য, পানিসম্পদ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।রাজধানীর চারপাশের নদীগুলোর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং নৌপথের উন্নয়নে সমন্বিতভাবে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপরই সভায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।

নিজ জেলায় ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

দুই দিনের সরকারি সফরে নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রোববার দুপুর ১টার দিকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁওয়ের মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়াম মাঠে পৌঁছান তিনি। পরে সেখান থেকে জেলা সার্কিট হাউসে যান রাষ্ট্রপতি। সেখানে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়ার কথা রয়েছে।রাষ্ট্রপতির সফরকে ঘিরে ঠাকুরগাঁওজুড়ে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বিভিন্ন স্থাপনা সাজানো হয়েছে তোরণ ও আলোকসজ্জায়। পাশাপাশি রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তায় জোরদার করা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা।আরও  পড়ুন, ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস, কমতে পারে দিন-রাতের তাপমাত্রাসফরের প্রথম দিনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সেনুয়া কবরস্থানে গিয়ে তার বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করবেন। এরপর তিনি নাগরিক সংবর্ধনাসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে এটিই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রথম সফর। তাই তাকে একনজর দেখতে এবং স্বাগত জানাতে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।দুই দিনের সফরে রাষ্ট্রপতির বিভিন্ন কর্মসূচিকে ঘিরে ঠাকুরগাঁওয়ে তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। সফর নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে বাড়তি প্রস্তুতি।

৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস, কমতে পারে দিন-রাতের তাপমাত্রা

সক্রিয় রয়েছে মৌসুমি বায়ু। এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি এবং কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।শনিবার দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রোববার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।এ সময় দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণও হতে পারে। পাশাপাশি দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমার সম্ভাবনা রয়েছে।রোববার সন্ধ্যা ৬টার পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের আট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।আরও  পড়ুন, জ্বালানি সংকটে বাড়ছে বিদ্যুৎ খাতের লোকসান কোথাও কোথাও হতে পারে মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ। তবে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।সোমবারও রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।মঙ্গলবারও একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।বুধবার বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা কমতে পারে। এদিন রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।তবে এ সময় দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। বুধবার সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।সব মিলিয়ে আগামী কয়েক দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রাজনীতিরাজনীতি

নিজ জেলায় ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

নিজ জেলায় ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

দুই দিনের সরকারি সফরে নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রোববার দুপুর ১টার দিকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁওয়ের মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়াম মাঠে পৌঁছান তিনি। পরে সেখান থেকে জেলা সার্কিট হাউসে যান রাষ্ট্রপতি। সেখানে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়ার কথা রয়েছে।রাষ্ট্রপতির সফরকে ঘিরে ঠাকুরগাঁওজুড়ে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বিভিন্ন স্থাপনা সাজানো হয়েছে তোরণ ও আলোকসজ্জায়। পাশাপাশি রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তায় জোরদার করা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা।আরও  পড়ুন, ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস, কমতে পারে দিন-রাতের তাপমাত্রাসফরের প্রথম দিনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সেনুয়া কবরস্থানে গিয়ে তার বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করবেন। এরপর তিনি নাগরিক সংবর্ধনাসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে এটিই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রথম সফর। তাই তাকে একনজর দেখতে এবং স্বাগত জানাতে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।দুই দিনের সফরে রাষ্ট্রপতির বিভিন্ন কর্মসূচিকে ঘিরে ঠাকুরগাঁওয়ে তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। সফর নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে বাড়তি প্রস্তুতি।

ছয় দফা না মানলে সরকারের পদত্যাগের আন্দোলন: নাসীরুদ্দীন

ছয় দফা না মানলে সরকারের পদত্যাগের আন্দোলন: নাসীরুদ্দীন

সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনায় অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলে ছয় দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য।দাবি বাস্তবায়ন না হলে ছয় দফা এক দফার আন্দোলনে রূপ নেবে—অর্থাৎ সরকারের পদত্যাগের দাবিতে রাজপথে আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।শনিবার বিকেলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফেনীর মহিপালে আয়োজিত পথসভায় এ কথা বলেন তিনি।নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দাবি করেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় বর্তমান সরকারের অদক্ষতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তাঁর অভিযোগ, জনগণের ৭০ শতাংশের গণরায় সরকার অমান্য করেছে। এ কারণে সরকারের প্রতি জনগণের আর কোনো আস্থা নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সাম্প্রতিক সময়ে নিহত ওসমান হাদিসহ অন্যদের হত্যার বিচার দাবি করে পাটওয়ারী বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথে থাকবেন।আরও  পড়ুন, চট্টগ্রামে ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ, সরকারকে জামায়াত-এনসিপির হুঁশিয়ারিদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তরুণদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তাঁর ভাষায়, আগামীর বাংলাদেশ হবে শহীদ ও ন্যায়-ইনসাফের বাংলাদেশ।নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, জুলাই গণহত্যার বিচার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন এবং দলীয়করণ বন্ধ—এই ছয় দফা দাবিতে লংমার্চের আয়োজন করেছে ১১ দলীয় ঐক্য।ফেনীর পথসভায় ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারাও বক্তব্য দেন। তাদের মধ্যে ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, এলডিপি সভাপতি কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত অলি আহমেদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক এবং জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ অন্য নেতারা।রাজনৈতিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এই লংমার্চে ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান নেতারা।

চট্টগ্রামে ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ, সরকারকে জামায়াত-এনসিপির হুঁশিয়ারি

চট্টগ্রামে ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ, সরকারকে জামায়াত-এনসিপির হুঁশিয়ারি

চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে ১১ দলীয় জোটের লংমার্চের সমাপনী সমাবেশে সরকার ও প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর নানা সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতারা।শনিবার রাতে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, পরিবর্তনের প্রত্যাশা নিয়ে মানুষ ভোট দিয়েছিল। কিন্তু চাঁদাবাজি, ঘুষ, দুর্নীতি ও শোষণ-বঞ্চনা বন্ধের যে প্রত্যাশা ছিল, তার কোনোটিই পূরণ হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।বিমানবন্দরে এক প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাইয়ের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, নিজেদের পরিচয় গোপন করে অপকর্ম ও দুর্নীতি করে যারা, তারাই সবচেয়ে বড় ‘গুপ্ত’।সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, স্বৈরাচারের রেখে যাওয়া সমস্যার সমাধান সরকার একা করতে না পারলে তা জনগণের কাছে স্বীকার করে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে।তিনি অভিযোগ করেন, সংসদ কার্যকর না হওয়ায় আন্দোলন রাজপথে গড়িয়েছে। একই সঙ্গে পতিত স্বৈরাচার যাতে দেশে ফিরে আসতে না আরও  পড়ুন, ‘ওয়াদা দিয়ে সরকার প্রতারণা করছে, জনগণ ক্ষমা করবে না’: শফিকুর রহমানপারে এবং নতুন করে কোনো স্বৈরাচার তৈরি না হয়—সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, জনগণের ছয় দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলন এক দফায় রূপ নিতে পারে।অন্যদিকে ১১ দলীয় জোটের সমন্বয়ক এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, গ্যাস সংকট নিয়ে সরকারের বক্তব্যের সঙ্গে বাস্তবতার মিল নেই। সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।শনিবার দুপুরের পর থেকেই চট্টগ্রাম ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা লালদীঘি ময়দানে জড়ো হন। কক্সবাজার, তিন পার্বত্য জেলা, চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা ও মহানগরের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে সমাবেশস্থল ও আশপাশের এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।সমাবেশ ঘিরে নেওয়া হয় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। লংমার্চটি শনিবার সকালে ঢাকার মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।

‘ওয়াদা দিয়ে সরকার প্রতারণা করছে, জনগণ ক্ষমা করবে না’: শফিকুর রহমান

‘ওয়াদা দিয়ে সরকার প্রতারণা করছে, জনগণ ক্ষমা করবে না’: শফিকুর রহমান

সরকার জনগণের সঙ্গে ভাঁওতাবাজি ও প্রতারণা করছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।তিনি বলেছেন, ওয়াদা দিয়ে তা লঙ্ঘন করছে সরকার। জনগণ তাদের ক্ষমা করবে না। জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকার ঘোষণাও দেন তিনি।শনিবার দুপুরে কুমিল্লা নগরীর পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শফিকুর রহমান।তিনি বলেন, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এই রাস্তায় যারা রক্ত দিয়েছেন, তাদের দাবি এখনো পূরণ হয়নি। সেই দাবি পূরণ করতেই তারা রাজপথে নেমেছেন। দাবি পূরণ করেই ঘরে ফেরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন জামায়াত আমির।গণভোটের রায় ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নের দাবি তুলে তিনি বলেন, জনগণের ঘরে গ্যাস ও বিদ্যুৎ নিশ্চিত করার জন্যও তারা রাস্তায় নেমেছেন।আরও  পড়ুন, লংমার্চে বাধা দিলে ছয় দফা এক দফায় পরিণত হবে : নাহিদ ইসলামএকই সঙ্গে চাঁদাবাজি বন্ধ এবং মাদক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।পথসভায় জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের ১১ দলীয় জোটের ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। এসব মৌলিক দাবি পূরণ না হলে সরকার ক্ষমতায় থাকতে পারবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত অলি আহমদ গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি জানান। আর খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক বলেন, আন্দোলনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হচ্ছে এবং সামনে আরও কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে।এর আগে সকালে ছয় দফা দাবি নিয়ে রাজধানী থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ শুরু করে ১১ দলীয় ঐক্যজোট। বিভিন্ন স্থানে পথসভা শেষে লংমার্চটি কুমিল্লা হয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করে।

সারাবাংলা

তাহেরপুর হাজী লালমিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষা নিয়ে আলোচনা ও পরামর্শ সভা

তাহেরপুর হাজী লালমিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষা নিয়ে আলোচনা ও পরামর্শ সভা

এসএসসি পরীক্ষা-২০২৭ ও জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬-এর ফরম পূরণ এবং শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের তাহেরপুর হাজী লালমিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের অংশগ্রহণে আলোচনা ও পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি রকিবুল হাসান। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল আহাদ। এছাড়া বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাত্তার উপস্থিত ছিলেন।প্রধান অতিথি বলেন, “শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে শুধু শিক্ষকদের প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয় এর সঙ্গে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন।সভায় শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অধ্যয়ন, পরীক্ষার প্রস্তুতি, ফলাফল উন্নয়ন, অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে শিক্ষার মান আরও উন্নত করার বিষয়ে বিস্তারিত ।আরও  পড়ুন, সরিষাবাড়ীতে দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে অপহরণ : পুলিশের অভিযানে ৪ ঘন্টা পর উদ্ধারআলোচনা ও পরামর্শ দেওয়া হয়।সাবেক শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আক্তার হোসেন বক্তব্যে বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাফল্য শুধু ভালো ফলাফলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, মানবিক মূল্যবোধ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই প্রকৃত শিক্ষা। সভায় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, এই ওয়ার্ডের বর্তমান সদস্য আব্দুল আজিজ এবং সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে মোহাম্মদ আক্তার হোসেন, মোর্শেদ, ইঞ্জিনিয়ার মো. আমিনুল ইসলাম, মো. আল-আমিন, সাদিকুর রহমান, মাহাবুব, নুরে আলম সরকার ও রিপন ভূঁইয়াসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।সভায় বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল অর্জনের পাশাপাশি নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করাই বিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, ম্যানেজিং কমিটি ও সাবেক শিক্ষার্থীদের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।বক্তারা এসএসসি পরীক্ষা-২০২৭ এবং জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬-এ শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জনের জন্য নিয়মিত পাঠদান, পরীক্ষাভিত্তিক প্রস্তুতি ও অভিভাবকদের সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

সরিষাবাড়ীতে দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে অপহরণ : পুলিশের অভিযানে ৪ ঘন্টা পর উদ্ধার

সরিষাবাড়ীতে দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে অপহরণ : পুলিশের অভিযানে ৪ ঘন্টা পর উদ্ধার

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে দ্বিতীয় বিয়ে করায় প্রথম স্ত্রীর ভাইয়ের নেতৃত্বে স্বামীকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে।দ্বিতীয় বিয়ে করার অপরাধে শফিকুল ইসলাম মোল্লা (৫২) নামে এক ব্যক্তিকে প্রথম স্ত্রীর ভাই ও তার লোকজন ঘরে আটকে রেখে নির্যাতন, স্বর্ণালঙ্কার, নগদ টাকা ও জমি লিখে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার প্রায় চার ঘণ্টা পর টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী ও জামালপুরের সরিষাবাড়ী থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাঁকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় গত শুক্রবার রাতে ভুক্তভোগী শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে তাঁর প্রথম স্ত্রী ও সমুন্দির নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনকে আসামি করে সরিষাবাড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, শফিকুল ইসলাম মোল্লা সরিষাবাড়ী উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের হাটবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা। গত ১২ জুলাই তিনি একই গ্রামের পাশের বাড়ির এক অসহায় বিধবা নারীকে তাঁর দুই সন্তানসহ কাবিনমূলে বিয়ে করেন। দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বিরোধ চলছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রথম স্ত্রী তাঁকে নিজ বাড়িতে প্রবেশে বাধা দেওয়াসহ বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছিলেন। অভিযোগে বলা হয়, শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে শফিকুল নিজ বাড়িতে গেলে প্রথম স্ত্রীসহ কয়েকজন তাঁকে বাড়িতে প্রবেশে বাধা দেন। একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করে জোরপূর্বক সরিষাবাড়ী উপজেলার ড়োয়াইল ইউনিয়নের হাটবাড়ী মোল্লাবাড়ি থেকে বাড়ি থেকে টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলার বালাসূতি গ্রামে প্রথম স্ত্রীর বাড়িতে নিয়ে একটি ঘরে আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।আরও  পড়ুন, সরিষাবাড়ীতে বিএনপি নেতা ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ পরে পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে খবর পেয়ে বিষয়টি সরিষাবাড়ী ও ধনবাড়ী থানা পুলিশকে জানানো হয়। খবর পেয়ে দুই থানার পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে ধনবাড়ী উপজেলার বালাসূতি গ্রাম থেকে শফিকুল ইসলামকে উদ্ধার করে। পরে তাঁকে সরিষাবাড়ী থানায় নিয়ে আসা হয়। এরপর তিনি সরিষাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।এ ঘটনায় শফিকুল ইসলাম তাঁর প্রথম স্ত্রী সানজিদা আক্তার শিমু, ও সম্বন্ধি সাইফুল ইসলামসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫/৬ জনকে আসামি করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।এ বিষয়ে অভিযোগ অস্বীকার করে সাইফুল ইসলাম বলেন, “আমার বোন ও ভাগনেকে রেখে শফিকুল দ্বিতীয় বিয়ে করে পলাতক ছিলেন। গত শুক্রবার সকালে হঠাৎ বাড়িতে এসে ঘরের দরজা খুলতে দেরি হওয়ায় আমার বোন শিমুকে মারধর করা হয়। এ খবর পেয়ে আমরা শফিকুলের বাড়িতে যাই। পরে তাঁর সঙ্গে কিছু কথা বলার জন্য তাঁকে আমাদের বাড়িতে নিয়ে আসি। তাঁকে কোনো ধরনের মারধর করা হয়নি।”এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, শফিকুল ইসলামের দেওয়া একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরিষাবাড়ীতে বিএনপি নেতা ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

সরিষাবাড়ীতে বিএনপি নেতা ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে বিএনপি নেতা ও মহাদান ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য মো. আব্দুল ওয়াদুদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের সানাকৈর বাজারে বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে গতকাল সন্ধ্যায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।মহাদান ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন লিটনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা জহরুল ইসলাম, সাবেক ইউপি সদস্য ইসাহাক আলী, উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব আল আমিন শেখ,আরও পড়ুন, ইবিতে চড়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, মহাসড়কে সংঘর্ষ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন আল আসাদ, যুবদল নেতা শেখ ফরিদ, রিপন মিয়া ও সেকান্দার আলীসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।বক্তারা অভিযোগ করেন, আব্দুল ওয়াদুদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে তাকে মারধর করা হয়েছে। তারা এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।সমাবেশে বক্তারা বলেন, রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব বিবেচনা না করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় স্থানীয় নেতাকর্মীরা কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

ইবিতে চড়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, মহাসড়কে সংঘর্ষ

ইবিতে চড়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, মহাসড়কে সংঘর্ষ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) এক ছাত্রনেতাকে চড় মারার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। পরে এ উত্তেজনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ও কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক পর্যন্ত গড়ায়। এ ঘটনায় কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলে ছাত্রশিবিরের হল শাখার সেক্রেটারি কাজী জুহায়েরকে ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলীনূর রহমান চড় মারেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তবে ঘটনার কারণ নিয়ে উভয় পক্ষের বক্তব্যে ভিন্নতা রয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করে। অভিযুক্ত আলীনূর রহমানকে হল থেকে বের করে প্রক্টর কার্যালয়ে নেওয়ার সময় প্রক্টরের গাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে।আরও  পড়ুন, বৃদ্ধ রিকশাচালকেকে মারধরের প্রতিবাদ করায় এসবি সদস্যকে পিটিয়ে হত্যাপরে বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক এলাকায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের অবস্থান এবং লাঠিসোঁটা প্রদর্শনের অভিযোগ পাওয়া যায়। একই সময়ে শিবিরের নেতাকর্মীরাও বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেখানে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে।এ ঘটনায় শহীদুল ও বাবুল নামে দুজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে আহতের প্রকৃত সংখ্যা ও সংঘর্ষে কারা জড়িত ছিলেন, তা নিয়ে বিভিন্ন সূত্রে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে।ঘটনার কারণ ও দায়ীদের চিহ্নিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়ার পরই ঘটনার দায় নির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।

আন্তর্জাতিক

নেতানিয়ায় পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি, পাল্টা গুলিতে সেনা নিহত

নেতানিয়ায় পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি, পাল্টা গুলিতে সেনা নিহত

ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলীয় শহর নেতানিয়ায় পুলিশের গুলিতে এক ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন। শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় কিরিয়াত হাশারোন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।ইসরায়েলি পুলিশ জানায়, রাইফেল হাতে এক ব্যক্তি গুলি চালাচ্ছেন—এমন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশের একটি দল। সেখানে ওই ব্যক্তি পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি চালালে শুরু হয় পাল্টাপাল্টি গুলি।একপর্যায়ে পুলিশের গুলিতে ওই বন্দুকধারী নিহত হন। এ ঘটনায় কোনো পুলিশ সদস্য বা অন্য কোনো ব্যক্তি আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।পরে ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানায়, নিহত ব্যক্তি দেশটির সীমান্ত পুলিশের সক্রিয় দায়িত্বে থাকা সদস্য। তাঁর নাম ডেভিড আমরানি। বয়স ২০ বছর। তিনি ২০২৪ সালে সীমান্ত পুলিশে যোগ দিয়েছিলেন।স্থানীয় সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম কেএএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আরও  পড়ুন, সেউতায় ১০ হাজার অভিবাসী, বাড়ছে উদ্বেগওই সেনা শহরের বিভিন্ন এলাকায় চলাফেরা করার সময় গুলি চালাচ্ছিলেন।তবে কেন তিনি হঠাৎ গুলি চালাতে শুরু করেছিলেন, কিংবা ঘটনার পেছনে তাঁর উদ্দেশ্য কী ছিল—তা এখনো স্পষ্ট নয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার কারণ ও পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে।ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ওই সদস্য মানসিক আঘাতজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি রয়েছে। তবে এ বিষয়টি এখনো তদন্তের অংশ এবং পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে গুলির কারণ নিশ্চিত করেনি।ঘটনার পর নেতানিয়ার ওই এলাকায় বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পাশাপাশি পুরো ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।আপাতত সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—নিজ দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য হয়েও কেন পুলিশের ওপর গুলি চালালেন ওই সেনা? সেই উত্তরই খুঁজছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।

৬ ঘন্টা আগে

রাজধানী

আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ডিএমপি, দুই দিনে ৩২০৬ মামলা

আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ডিএমপি, দুই দিনে ৩২০৬ মামলা

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে গত দুই দিনে ৩ হাজার ২০৬টি মামলা করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ।বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার—৩ ও ৪ সেপ্টেম্বর—রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব মামলা করা হয়।ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, আটটি ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে মিরপুর বিভাগে। সেখানে ৬৬৯টি মামলা করা হয়েছে। এরপর উত্তরা বিভাগে ৬২০টি এবং মতিঝিল বিভাগে ৫১২টি মামলা হয়েছে।এ ছাড়া ওয়ারী বিভাগে ৪৪৫টি, গুলশান বিভাগে ২৭৩টি, তেজগাঁও বিভাগে ২৪৪টি, লালবাগ বিভাগে ২২৮টি এবং রমনা বিভাগে ২১৫টি মামলা করা হয়েছে।আরও  পড়ুন, তেজগাঁওয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল অজ্ঞাত ব্যক্তিরএসব মামলার মধ্যে বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, সিএনজি ও মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিভাগভিত্তিক হিসাবে মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে।অভিযান চলাকালে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের কারণে ৮৭৮টি গাড়ি ডাম্পিং এবং ৫০১টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীর সড়কে ট্রাফিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।পুলিশের পক্ষ থেকে সড়কে চলাচলের সময় ট্রাফিক আইন মেনে চলা, নির্ধারিত লেন ব্যবহার এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।রাজধানীর যানজট ও সড়কে বিশৃঙ্খলা কমাতে ট্রাফিক আইন বাস্তবায়নে পুলিশের এই তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।

২২ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে ইয়ামাল খেলবেন? একাদশ নিয়ে ধোঁয়াশায় ফ্লিক

ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে ইয়ামাল খেলবেন? একাদশ নিয়ে ধোঁয়াশায় ফ্লিক

ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে বার্সেলোনার একাদশ নিয়ে এখনো রহস্য কাটেনি। আর সেই রহস্যের কেন্দ্রে তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল।ম্যাচের আগের শেষ অনুশীলনে দলের সঙ্গে অনুশীলন করেননি এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড। আলাদাভাবে অনুশীলন করায় তৈরি হয়েছে নতুন করে জল্পনা—ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে কি মাঠে দেখা যাবে ইয়ামালকে?স্পোর্তের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বার্সেলোনার শেষ অনুশীলনে অংশ নেন ২৩ জন খেলোয়াড়। সেখানে ছিলেন গাভি, গাব্রিয়েল জেসুস ও দমিনিক লিভাকোভিচও। তবে ইয়ামাল দলের সঙ্গে না থেকে আলাদাভাবে অনুশীলন করেন।তবে বিষয়টি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু নেই বলে জানিয়েছেন কোচ হানসি ফ্লিক।জার্মান এই কোচ জানান, সাম্প্রতিক সময়ে চোট পেয়েছিলেন ইয়ামাল।আরও  পড়ুন , ২-০ থেকে ৩-২! মার্তিনেসের জোড়া গোলে নাপোলিকে হারাল ইন্টার সে কারণেই সতর্কতা হিসেবে তাকে দলের অন্যদের থেকে আলাদা অনুশীলন করানো হয়েছে।ফ্লিক আরও নিশ্চিত করেছেন, ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে দলের সঙ্গেই যাবেন ইয়ামাল। তবে তিনি শুরুর একাদশে থাকবেন কি না, কিংবা তাকে বিশ্রাম দেওয়া হবে কি না—সে সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি।ইয়ামাল অবশ্য নিজে ম্যাচ খেলতে আগ্রহী। ফ্লিকের ভাষ্য, একা অনুশীলন করাও ইয়ামালের পছন্দ নয়।তবে মানসিকতা, মনোবল এবং খেলার মান—সব দিক থেকেই ইয়ামাল ভালো অবস্থায় আছেন বলে মনে করেন বার্সা কোচ। সবশেষ ম্যাচে তার পারফরম্যান্সেরও প্রশংসা করেছেন তিনি।ফ্লিকের মতে, ইয়ামালের জন্য শুধু অনুশীলনের চেয়ে ম্যাচ খেলাই বেশি উপকারী হতে পারে। তারপরও তরুণ এই তারকাকে নিয়ে কোনো ঝুঁকি নিতে চান না কোচিং স্টাফ।লা লিগা ও চ্যাম্পিয়নস লিগ মিলিয়ে ব্যস্ত এক সপ্তাহের শুরুতেই তাই ইয়ামালকে নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে ফ্লিককে।ফলে ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে বার্সার একাদশে ইয়ামাল থাকছেন কি না—উত্তর মিলবে ম্যাচের দিনই।

আইন আদালত

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলার শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে।মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ মে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।আরও পড়ুন. বর্ষায় বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতাতবে একই রায়ে অপর তিন আসামি—শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।এরপর ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয় শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ মারা যায় আট বছরের এই শিশু।নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১০ জুন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়।এই বিশেষ বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে বিশেষ আইনজীবী টিমও গঠন করা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর