দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1002.5 hPa
29.8° 79%
15mm
চট্টগ্রাম 1003.6 hPa
27.7° 85%
40° 15mm
রাজশাহী 1002.2 hPa
26° 85%
40° 15mm
খুলনা 1002 hPa
30° 84%
15mm
বরিশাল 1002.7 hPa
28.7° 90%
20° 15mm
সিলেট 1003.3 hPa
28° 88%
20° 15mm
রংপুর 1001.5 hPa
27.5° 88%
15mm
ময়মনসিংহ 1003.1 hPa
27.2° 92%
15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

পুলিশ সংস্কার কতদূর, কী ভাবছে সাধারণ মানুষ?

পুলিশ সংস্কার কতদূর, কী ভাবছে সাধারণ মানুষ?

দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ| সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশ প্রশাসনে একাধিক রদবদল, বদলি ও প্রশাসনিক সংস্কার উদ্যোগ নেওয়া হলেও সাধারণ মানুষের মনে এখনো একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, এই পরিবর্তন কি জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছে? নাকি কাঠামোগত ও নীতিগত আরও বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন? সাংবাদিকদের পর্যবেক্ষণ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, পুলিশ বাহিনীতে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হলেও এখনো অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে| বিশেষ করে অপরাধ দমন, রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী মহলের চাপ, জনসেবার মান এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাগত স্বাধীনতা নিয়ে নানা প্রশ্ন বিদ্যমান|আরও পড়ুন: আলোচনা, সমালোচনা আর দায়িত্বের গল্প: ওসি দাউদসাম্প্রতিক সময়ে পুলিশ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে কর্মকর্তাদের বদলি, নতুন দায়িত্ব প্রদান এবং কিছু ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে| সরকারের পক্ষ থেকে জনবান্ধব পুলিশিংয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে| থানাগুলোতে সেবার মান বাড়ানো, অভিযোগ গ্রহণে আন্তরিকতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত ব্যবস্থা চালুর মতো পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে| তবে শুধুমাত্র প্রশাসনিক রদবদল করলেই যে জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, বিষয়টি এত সহজ নয়| কারণ অপরাধের ধরন পরিবর্তন হচ্ছে, সাইবার অপরাধ বাড়ছে, মাদক ব্যবসা নতুন নতুন কৌশলে পরিচালিত হচ্ছে এবং সংঘবদ্ধ অপরাধচক্র আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে|বিশ্লেষকরা বলছেন, পুলিশে ব্যক্তি পরিবর্তনের চেয়ে প্রতিষ্ঠানগত সংস্কার বেশি জরুরি| একজন কর্মকর্তা বদলি হলে সাময়িক পরিবর্তন দেখা যেতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে হলে পুরো ব্যবস্থার সংস্কার প্রয়োজন| রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা এখনো নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে পুরোপুরি নিশ্চিন্ত নন| চুরি, ছিনতাই, কিশোর গ্যাং, মাদক ব্যবসা এবং বিভিন্ন ধরনের অপরাধের অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়| অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, থানায় গিয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেতে বিল¤^ হয়| আবার কোথাও কোথাও অভিযোগ গ্রহণে অনীহা বা দীর্ঘসূত্রতার অভিযোগও রয়েছে| যদিও পুলিশ কর্মকর্তারা এসব অভিযোগ অ¯^ীকার করে বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে সময় লাগে| তবে বাস্তবতা হলো, জনগণ দ্রুত ও কার্যকর সেবা প্রত্যাশা করে| একজন ভুক্তভোগী যখন থানায় যান, তখন তিনি আইনের জটিলতা নয়, সমস্যার সমাধান চান| সেই জায়গায় পুলিশকে আরও জনবান্ধব হতে হবে বলে মনে করেন সচেতন নাগরিকরা|আরও পড়ুন: গুলশান পুলিশকে বিতর্কিত করতেই মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারপুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনেক সময় বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতা বা স্থানীয় ক্ষমতাবানদের চাপের মুখে পড়তে হয়| ফলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে জটিলতা ˆতরি হয়| সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গিয়ে পুলিশ সদস্যরা নানা ধরনের চাপের সম্মুখীন হন| কখনো ফোনকল, কখনো সুপারিশ, আবার কখনো রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বাধা সৃষ্টি হয়|বিশেষজ্ঞদের মতে, পুলিশ যদি আইন প্রয়োগে ¯^াধীনতা না পায়, তাহলে অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখা কঠিন হয়ে পড়ে| কারণ অপরাধী যদি মনে করে তার রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রভাব তাকে রক্ষা করবে, তাহলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন সম্ভব নয়|পুলিশ বাহিনীকে কার্যকর করতে হলে তাদের পেশাগত স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে| একজন পুলিশ কর্মকর্তা যেন আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অযাচিত হস্তক্ষেপের শিকার না হন, সেই পরিবেশ সৃষ্টি করা জরুরি|আরও পড়ুন: প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদআইন-শৃঙ্খলা বিশ্লেষকরা বলছেন, একটি আধুনিক রাষ্ট্রে পুলিশকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে হয়| এতে জনগণের আস্থা বাড়ে এবং অপরাধীরা দ্রুত আইনের আওতায় আসে| বাংলাদেশে অনেক দক্ষ ও সৎ পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন| তারা আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন| কিন্তু যদি তাদের ওপর অযাচিত চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে তাদের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়| ফলে সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হন|রাজধানীর কয়েকটি থানার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, অনেক পুলিশ সদস্য আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করলেও কোথাও কোথাও সিদ্ধান্তহীনতা কাজ করছে| বিশেষ করে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা দেখা যায়|আরও পড়ুন: অপরাধ দমনে নতুন ছকে ডিএমপিএকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, থানায় গিয়ে অভিযোগ দেওয়ার পরও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি| পরে বিষয়টি উচ্চপর্যায়ে জানালে তদন্ত শুরু হয়| যদিও সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তারা দাবি করেন, প্রতিটি অভিযোগ আইন অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়|অন্যদিকে কিছু থানায় ভালো উদাহরণও রয়েছে| সেখানে ওসি ও তদন্ত কর্মকর্তারা সরাসরি অভিযোগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছেন| এমন উদ্যোগ জনমনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে|বর্তমান সময়ে শুধু অপরাধী গ্রেফতার করাই পুলিশের একমাত্র দায়িত্ব নয়| জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অপরাধ প্রতিরোধেও পুলিশের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ|বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে হবে| স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে অপরাধ প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করলে ইতিবাচক ফল পাওয়া সম্ভব| অনেক উন্নত দেশে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা রয়েছে| বাংলাদেশেও সেই ধরনের সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে| থানাকে ভয় নয়, আস্থার জায়গা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে|আরও পড়ুন: এনবিআরের কর্মকর্তা সহিদুল ইসলামের অবৈধ সম্পদের পাহাড়বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে| বাংলাদেশেও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে, তবে তা আরও বিস্তৃত করা প্রয়োজন| সিসিটিভি ক্যামেরা, ডিজিটাল ডাটাবেজ, সাইবার মনিটরিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং আধুনিক ফরেনসিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ালে অপরাধ তদন্ত আরও দ্রুত ও নির্ভুল হবে| অপরাধীরা প্রতিনিয়ত নতুন কৌশল ব্যবহার করছে| তাই পুলিশকেও প্রযুক্তিগতভাবে আরও দক্ষ হতে হবে| শুধু জনবল বৃদ্ধি নয়, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোও সময়ের দাবি| অনেক পুলিশ সদস্য দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন| উৎসব, ছুটির দিন কিংবা দুর্যোগকালেও তারা মাঠে কাজ করেন| কিন্তু তাদের কর্মপরিবেশ এবং কল্যাণমূলক সুবিধা নিয়ে এখনো নানা প্রশ্ন রয়েছে|বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পুলিশ সদস্যদের মানসিক চাপ কমানো, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করা এবং পেশাগত প্রশিক্ষণ বাড়ানো প্রয়োজন| কারণ একজন ক্লান্ত ও মানসিকভাবে চাপে থাকা সদস্যের কাছ থেকে সর্বোচ্চ সেবা আশা করা কঠিন| যদি পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করা যায়, তাহলে তাদের কর্মদক্ষতা এবং জনগণের প্রতি সেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে|আরও পড়ুন: ডিজিটাল হাইড্রোগ্রাফিতে নতুন সম্ভাবনা দেখছেন তারেক রহমানপুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা বাড়াতে হলে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি| কোনো সদস্য ক্ষমতার অপব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে| ভালো কাজের ¯^ীকৃতির পাশাপাশি অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে| এতে পুরো বাহিনীর ভাবমূর্তি উন্নত হবে| সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ক্ষেত্রে অনিয়মে জড়িত সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যা ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে| তবে এই প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করতে হবে|সাধারণ মানুষ একটি নিরাপদ সমাজ চায়| তারা চায় থানায় গেলে সম্মানজনক আচরণ, দ্রুত সেবা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হোক| পুলিশ রাজনৈতিক বা অন্য কোনো প্রভাবের ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করবে| অপরাধী যেই হোক, তার বিরুদ্ধে সমানভাবে আইন প্রয়োগ করা হবে|একজন নাগরিকের ভাষায়, “পুলিশ যদি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে এবং জনগণের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে অপরাধ অনেকটাই কমে আসবে| পুলিশ প্রশাসনে সাম্প্রতিক পরিবর্তন নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক উদ্যোগ| তবে শুধুমাত্র বদলি বা প্রশাসনিক রদবদল দিয়ে জননিরাপত্তার সব সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়| প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার, পেশাগত ¯^াধীনতা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, জবাবদিহিতা এবং জনবান্ধব পুলিশিং ব্যবস্থা| অপরাধ দমনে পুলিশকে কার্যকরভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে| একই সঙ্গে জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য বাহিনীকে আরও ¯^চ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং সেবামুখী হতে হবে| রাজনৈতিক বা প্রভাবশালী মহলের অযাচিত হস্তক্ষেপ বন্ধ করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা গেলে পুলিশ বাহিনী আরও শক্তিশালী হবে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ হবে| আরও পড়ুন: ১৫ বছরে যা হয়নি, ৩ মাসে তার চেয়ে বেশি হয়েছে : মির্জা ফখরুলসবশেষে বলা যায়, একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে পুলিশের ভূমিকা অপরিসীম| তাই পুলিশকে প্রয়োজনীয় স্বাধীনতা, আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং জনসমর্থন দিতে হবে| একই সঙ্গে বাহিনীর ভেতরে সংস্কার অব্যাহত রাখতে হবে| তাহলেই জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নয়ন সম্ভব হবে|

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে স্লোগানে মুখর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।গতকাল সোমবার রাত থেকেই ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় সতর্ক অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। এরপর মঙ্গলবার সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হয়।দুপুরে অবস্থান কর্মসূচি শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এ সময় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, ফ্যাসিবাদী রাজনীতি বাংলাদেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও মানবাধিকারের জন্য হুমকি। ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের সন্ত্রাস বা দখলদারিত্বের স্থান নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের নামে বা ব্যানারে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে তা প্রতিহত করা হবে।অন্যদিকে ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন বলেন, ২৩ জুনকে কেন্দ্র করে নিষিদ্ধ সংগঠনের তৎপরতা নিয়ে সতর্ক রয়েছে সংগঠনটি। ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে ছাত্রদল সবসময় সচেষ্ট থাকবে বলেও তিনি জানান।কর্মসূচিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় আরো পড়ুন , জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতি তহবিল বাস্তবায়নের দাবিশাখা ছাত্রদল।সোমবার রাত থেকেই ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় সতর্ক অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। পরবর্তীতে মঙ্গলবার সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।দুপুরে অবস্থান কর্মসূচি শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানান।জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, ফ্যাসিবাদী রাজনীতি দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও মানবাধিকারের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস, দখলদারিত্ব বা ফ্যাসিবাদী রাজনীতির কোনো স্থান নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের নামে বা ব্যানারে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে তা প্রতিহত করা হবে।ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন বলেন, ২৩ জুনকে কেন্দ্র করে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে সংগঠনটি সতর্ক রয়েছে। ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে ছাত্রদল সবসময় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে বলেও তিনি জানান।কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতি তহবিল বাস্তবায়নের দাবি

চীনের ডালিয়ান শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’-এ জলবায়ু নেতৃত্ব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে পাঁচটায় ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন এ শিফটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্কেপ’ শীর্ষক সেশনে তিনি অংশ নেন।বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, পর্যাপ্ত অর্থায়ন এবং সম্মিলিত অঙ্গীকারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।তিনি বলেন, জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলার জন্য ঘোষিত তহবিলকে বাস্তবায়নে রূপ দিতে হবে। একইসঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য জলবায়ু অর্থায়ন আরও সহজলভ্য করা এবং সবুজ জলবায়ু তহবিলকে কার্যকর করার ওপরও তিনি জোর দেন।প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, শুধু ক্ষতি প্রশমন নয়, বরং জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে অভিযোজন সক্ষমতা তৈরি করাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।এর আগে সম্মেলনস্থলে তাকে স্বাগত জানান ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগি।২৩ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত চলমান এবারের দাভোস সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ‘বৃহৎ পরিসরে উদ্ভাবন’। এতে বৈশ্বিক অর্থনীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, শিল্প কাঠামোর পরিবর্তন, তরুণদের কর্মসংস্থান এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা চলছে।এবারের সম্মেলনে ৯০টিরও বেশি দেশের প্রায় ১ হাজার ৭০০ প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তারা।বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম আয়োজিত ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’-এ জলবায়ু নেতৃত্ব বিষয়ক একটি উচ্চপর্যায়ের সেশনে অংশ নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।চীনের ডালিয়ান শহরের ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন এ শিফটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্কেপ’ শীর্ষক সেশনে তিনি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বৈশ্বিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তুলতে অংশীদারত্ব, প্রযুক্তি, পর্যাপ্ত অর্থায়ন এবং যৌথ অঙ্গীকার অপরিহার্য। তিনি বিশেষভাবে জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতি তহবিলকে কেবল আরো পড়ুন , ২২ বছরে ১ কোটি ৫০ লাখ কর্মী বিদেশে, ফিরে আসাদের তথ্য নেইপ্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।তিনি আরও বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য জলবায়ু অর্থায়ন সহজলভ্য করা এবং সবুজ জলবায়ু তহবিলকে কার্যকরভাবে কাজে লাগানো জরুরি। পাশাপাশি প্রশমন ও অভিযোজন—উভয় দিকেই সমান গুরুত্ব দিতে হবে।এর আগে সম্মেলনস্থলে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং তাকে স্বাগত জানান।২৩ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত চলমান এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘বৃহৎ পরিসরে উদ্ভাবন’। এতে বৈশ্বিক অর্থনীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, শিল্প কাঠামোর পরিবর্তন, উদীয়মান প্রযুক্তি, তরুণদের কর্মসংস্থান এবং জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।এবারের সম্মেলনে ৯০টিরও বেশি দেশের প্রায় ১ হাজার ৭০০ জনের বেশি সরকারি প্রতিনিধি, নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা অংশ নিচ্ছেন।

২২ বছরে ১ কোটি ৫০ লাখ কর্মী বিদেশে, ফিরে আসাদের তথ্য নেই

২০০৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের ১৬ জুন পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের জন্য গেছেন ১ কোটি ৫০ লাখ ৭ হাজার ১২৯ জন বাংলাদেশি কর্মী। তবে তাদের একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে দেশে ফিরে আসায় বর্তমানে বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকের সঠিক সংখ্যা জানাতে পারছে না সরকার মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।মন্ত্রী জানান, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো বা বিএমইটির ডাটাবেজে ২০০৪ সাল থেকে বিদেশগামী কর্মীদের তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে। সেই তথ্য অনুযায়ী গত ২২ বছরে বিশ্বের বিভিন্ন শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে দেড় কোটিরও বেশি বাংলাদেশি পাড়ি জমিয়েছেন।তবে বৈদেশিক কর্মসংস্থান শেষে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মী দেশে ফিরে এসেছেন। ফেরত আসা কর্মীদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য সরকারের কাছে না থাকায় বর্তমানে বিদেশে কতজন বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছেন, সে বিষয়ে নির্ভুল তথ্য দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে জানান মন্ত্রী।তিনি বলেন, বিদেশ আরো পড়ুন , শেখ হাসিনা-জয়-পুতুলের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন পদক্ষেপফেরত কর্মীদের তথ্য সংগ্রহ ও আদান-প্রদানের জন্য বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের সঙ্গে বিএমইটির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে বিদেশফেরত কর্মীদের একটি নির্ভরযোগ্য ডাটাবেজ তৈরি করা সম্ভব হবে।প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরও জানান, মধ্যপ্রাচ্য এখনো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও ওমানে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি কর্মী কাজ করছেন।তবে ইরান, লেবানন, সিরিয়াসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান অস্থিরতার কারণে শ্রমিক পাঠানোর হার কিছুটা কমেছে। এ পরিস্থিতিতে বিদ্যমান শ্রমবাজার ধরে রাখা, নতুন শ্রমবাজার সম্প্রসারণ এবং বিকল্প গন্তব্য খুঁজতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

শেখ হাসিনা-জয়-পুতুলের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন পদক্ষেপ

ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির আবেদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আবেদনটি পাঠানো হয়েছে পুলিশ সদর দপ্তরে।দুদকের তালিকায় আরও রয়েছেন সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ, ব্যবসায়ী এস আলম এবং সাবেক সরকারের কয়েকজন প্রভাবশালী মন্ত্রী ও ব্যক্তি। দুদকের দাবি, দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত এসব ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা হচ্ছে।দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা তানজীর হাসান জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশনার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির জন্য আবেদন করা হয়েছে। পুলিশ আরো পড়ুন , আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: ডিএমপির বিশেষ ট্রাফিক ও নিরাপত্তা পরিকল্পনাসদর দপ্তরের মাধ্যমে এটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যাবে এবং পরে ইন্টারপোল সদর দপ্তরে পাঠানো হবে।এদিকে, সম্প্রতি রেড নোটিশভুক্ত সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেফতার হওয়ার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই ঘটনাই পলাতক আসামিদের অবস্থান ও আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইন্টারপোলের রেড নোটিশ কোনো আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি পরোয়ানা নয়। এটি মূলত সদস্য দেশগুলোর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কোনো পলাতক ব্যক্তির অবস্থান শনাক্ত ও আটক করার বিষয়ে সতর্কবার্তা দেয়।ফলে রেড নোটিশ জারি হলেও অভিযুক্তদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট দেশের আইন, প্রত্যর্পণ চুক্তি, আদালতের সিদ্ধান্ত এবং ইন্টারপোলের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার ওপর।দুদক বলছে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং নজির সৃষ্টির লক্ষ্যে অভিযুক্তদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

রাজনীতিরাজনীতি

আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরান ঢাকার কে এম দাস লেনের ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেনে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রথম প্রধান বিরোধী দল হিসেবে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।প্রথম কাউন্সিলে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী সভাপতি এবং শামসুল হক সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তখন কারাগারে বন্দি থাকায় তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে সর্বসম্মতিক্রমে দলের যুগ্ম সম্পাদক করা হয়।পরবর্তীতে ১৯৫৩ সালের ময়মনসিংহের দ্বিতীয় কাউন্সিলে মওলানা ভাসানী সভাপতি এবং শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।আরও পড়ুন, রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে’ ছাত্রদলের বিক্ষোভ সমাবেশ১৯৫৫ সালের তৃতীয় কাউন্সিলে দলের নাম থেকে ‘মুসলিম’ শব্দ বাদ দিয়ে নামকরণ করা হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ। স্বাধীনতার পর এটি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নামে পরিচিত হয়।১৯৬৬ সালে ঐতিহাসিক ছয় দফা ঘোষণার প্রাক্কালে শেখ মুজিবুর রহমান দলের সভাপতি নির্বাচিত হন।পরবর্তীতে ১৯৮১ সালের কাউন্সিলে শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন।দলটির দীর্ঘ এই পথচলায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ বহু অধ্যায় যুক্ত রয়েছে।

রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে’ ছাত্রদলের বিক্ষোভ সমাবেশ

রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে’ ছাত্রদলের বিক্ষোভ সমাবেশ

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল।রোববার বিকেল ৫টায় রাজধানীর প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়ক থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে মিছিলটি গুলশান-২ সার্কেল প্রদক্ষিণ করে শেষ হয়।বিক্ষোভ মিছিলে ঢাকায় অবস্থিত প্রায় ৪৫ থেকে ৫০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।মিছিলে নেতৃত্ব দেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি মো. আবু হোরায়রা। আরও পড়ুন,গুম-খুনের বিচার চেয়ে মাঠে ১১ দল, আজ বিজয়নগরে সমাবেশএ সময় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এম. রাজিবুল ইসলাম তালুকদার, সিনিয়র সহ-সভাপতি রিসালাত ইসলাম সজীবসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তারা রাষ্ট্রবিরোধী যেকোনো কর্মকাণ্ড ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজকে সোচ্চার থাকার আহ্বান জানান।ছাত্রদলের নেতারা আরও বলেন, অতীতের স্বৈরাচারী শাসনের পুনরাবৃত্তি আর হতে দেওয়া হবে না এবং গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সংগঠনটি ভবিষ্যতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।

গুম-খুনের বিচার চেয়ে মাঠে ১১ দল, আজ বিজয়নগরে সমাবেশ

গুম-খুনের বিচার চেয়ে মাঠে ১১ দল, আজ বিজয়নগরে সমাবেশ

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুম-খুনের বিচার দাবিতে আজ রাজধানীতে সমাবেশ করতে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য। বিকেল ৫টায় রাজধানীর বিজয়নগরে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন।রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন ১১-দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।তিনি অভিযোগ করেন, দেশে এখনো বিচারহীনতার সংস্কৃতি অব্যাহত রয়েছে এবং জুলাইয়ের গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়া ধীরগতিতে চলছে। তার ভাষ্য, বিচার প্রক্রিয়ায় শিথিলতার কারণেই ‘ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থানের’ আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।আরও  পড়ুন, গুম-খুনের বিচারের দাবিতে দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা এনসিপিরহামিদুর রহমান আযাদ বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ঠেকানোর দায়িত্ব সরকারের। সরকার ব্যর্থ হলে ১১ দল জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তা প্রতিহত করবে।সংবাদ সম্মেলনে আরও ঘোষণা দেওয়া হয়, আগামী ৪ জুলাই দেশের সব জেলায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করবে ১১-দলীয় ঐক্য। ওই কর্মসূচিতে গুম-খুনের বিচার, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদ জানানো হবে।১১ দলের নেতারা দেশবাসীকে নৃশংসতা, অন্যায় এবং বিচারহীনতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

গুম-খুনের বিচারের দাবিতে দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা এনসিপির

গুম-খুনের বিচারের দাবিতে দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা এনসিপির

দেশব্যাপী নতুন রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটি আগামীকাল মঙ্গলবার সব জেলা ও মহানগর শাখাকে বিক্ষোভ সমাবেশ করার নির্দেশ দিয়েছে।সোমবার দুপুরে এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের দ্বারা সংঘটিত গুম, খুন ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় দেশের সব জেলা ও মহানগরে একযোগে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।আরও  পড়ুন, ‘খুনের রাজনীতি পরিহার না করলে বিএনপিকেও জনগণ প্রত্যাখ্যান করবে’ : শিবির সভাপতিএদিকে একই দিনে রাজধানীর বিজয়নগরে পৃথক বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে ১১ দলীয় জোট।সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেন জোটের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আজাদ। তিনি জানান, সমাবেশে জোটভুক্ত দলগুলোর শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন, যার মধ্যে জামায়াত আমিরসহ বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।রাজনৈতিক অঙ্গনে একই দিনে একাধিক কর্মসূচি ঘোষণায় পরিস্থিতি ঘিরে বাড়তি নজর রাখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সারাবাংলা

স্কাউটিং চরিত্র গঠনের অন্যতম মাধ্যম নারায়ণগঞ্জ জেলা রোভারের কাউন্সিল সভায় জেলা প্রশাসক

স্কাউটিং চরিত্র গঠনের অন্যতম মাধ্যম নারায়ণগঞ্জ জেলা রোভারের কাউন্সিল সভায় জেলা প্রশাসক

বাংলাদেশ স্কাউটস নারায়ণগঞ্জ জেলা রোভারের বার্ষিক কাউন্সিল সভা মঙ্গলবার (২৩ জুন) নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় রোভার স্কাউটিং কার্যক্রমের সার্বিক অগ্রগতি পর্যালোচনা, বিগত বছরের কার্যক্রম মূল্যায়ন এবং আগামী বছরের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ স্কাউটস নারায়ণগঞ্জ জেলা রোভারের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির।সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, “স্কাউটিং শুধু একটি সংগঠন নয়, এটি চরিত্র গঠনের পাঠশালা। সেবাই স্কাউটের মূলমন্ত্র। তরুণ রোভারদের দেশ গঠন, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং মানবিক সংকটে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে আরও বেশি করে এগিয়ে আসতে হবে।তিনি বলেন, আরও  পড়ুন, মানুষের সেবাই সর্বোত্তম মানবতা: ইসলামপুর পশ্চিমপাড়ায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণশৃঙ্খলা, নেতৃত্ব ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চার মাধ্যমে রোভার সদস্যরা আগামীর দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে পারে। এ সময় তিনি রোভারদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ গ্রহণ, কমিউনিটি সেবামূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সিফাত উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আলীনূর খান, বাংলাদেশ স্কাউটস নারায়ণগঞ্জ জেলা রোভারের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও রোভার স্কাউট সদস্যরা।সভায় বিগত বছরের কার্যক্রমের প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয় এবং সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও বেগবান করার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রস্তাব ও পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। বক্তারা রোভার স্কাউটিংয়ের মাধ্যমে তরুণদের দক্ষ, মানবিক ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মানুষের সেবাই সর্বোত্তম মানবতা: ইসলামপুর পশ্চিমপাড়ায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ

মানুষের সেবাই সর্বোত্তম মানবতা: ইসলামপুর পশ্চিমপাড়ায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইসলামপুর পশ্চিমপাড়া মাদ্রাসা মাঠে অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য এক দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানবিক এ উদ্যোগে এলাকার শতাধিক রোগী বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ গ্রহণ করেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও মেয়র জনাব মজিবুর রহমানের সহধর্মিণী আজমেরী রহমান মুন্নি। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, সমাজের অসহায় ও পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো প্রত্যেকের নৈতিক দায়িত্ব। এ ধরনের সেবামূলক উদ্যোগ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব মোঃ আলাউদ্দিন চৌধুরী, বাসন ইউনিয়ন পরিষদের তিনবারের স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত সাবেক চেয়ারম্যান ও গাজীপুর মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি। তিনি আয়োজকদের এ মহতী উদ্যোগের প্রশংসা করে ভবিষ্যতেও এমন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব মোঃ তানভীর সিরাজ, মোঃ মনিরুল ইসলাম মনির,আরও  পড়ুন, সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন মাদক মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে: সিএমপি কমিশনার সিরাজুল হক (কাউন্সিলর পদপ্রার্থী, ১৪ নম্বর ওয়ার্ড), নাহিদ চৌধুরী বাবু (কাউন্সিলর পদপ্রার্থী, ১৫ নম্বর ওয়ার্ড) এবং অ্যাডভোকেট দিলারা সুলতানা সেতু, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সাবেক কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যসহ গাজীপুর আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ।আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এলাকার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বৃদ্ধি এবং চিকিৎসা ব্যয়ের চাপ কমানোর লক্ষ্যেই এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। ক্যাম্পে অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পরামর্শ প্রদান এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করেন।স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এমন মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি সমাজের অসহায় মানুষের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তারা ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে এ ধরনের চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম পরিচালনার দাবি জানান।"মানুষের সেবাই সর্বোত্তম মানবতা"—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পটি স্থানীয় মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন মাদক মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে: সিএমপি কমিশনার

সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন মাদক মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে: সিএমপি কমিশনার

মাদক শুধু আইনশৃঙ্খলার সমস্যা নয় এটি পরিবার, শিক্ষা, সামাজিক মূল্যবোধ ও রাষ্ট্রীয় উন্নয়নের জন্য এক গভীর সংকট। তাই মাদক প্রতিরোধে কেবল অভিযান, গ্রেপ্তার বা আইনি ব্যবস্থার ওপর নির্ভর না করে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সমাজ ও রাষ্ট্রকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী।রোববার চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজ অডিটোরিয়ামে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম মেট্রো দক্ষিণ কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ‘মাদকাসক্তিমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণদের করণীয় ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।সিএমপি কমিশনার বলেন, মাদকাসক্তি প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর জায়গা হলো পরিবার। সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে, কীভাবে সময় কাটাচ্ছে এসব বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন থাকতে হবে। শুধু শাসন নয়, সন্তানদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলে তাদের মানসিক অবস্থা বুঝতে হবে। পরিবারে নৈতিক শিক্ষা, দায়িত্ববোধ, মানবিকতা ও শৃঙ্খলার চর্চা থাকলে তরুণরা সহজে মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ে না। মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই শুধু পুলিশের একার দায়িত্ব নয়। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মাদক কারবারি ও অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে কাজ করবে, কিন্তু মাদক গ্রহণের প্রবণতা কমাতে হলে সামাজিক ও নৈতিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। পরিবার, শিক্ষক, সহপাঠী, প্রতিবেশী, ধর্মীয় ও সামাজিক নেতৃত্ব সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব নিতে হবে।সেমিনারে বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে মাদক তরুণ সমাজের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কৌতূহল, খারাপ সঙ্গ, হতাশা, বেকারত্ব, পারিবারিক দূরত্ব এবং সামাজিক নজরদারির অভাব অনেক সময় তরুণদের বিপথে ঠেলে দেয়। তাই শুধু ‘মাদক খারাপ’ বললেই হবে না তরুণদের জন্য সুস্থ বিনোদন, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, স্বেচ্ছাসেবা এবং দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ বাড়াতে হবে।আরও  পড়ুন, বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ১৫ জন গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণসিএমপি কমিশনার আরও বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো মাদকবিরোধী সচেতনতা তৈরির অন্যতম শক্তিশালী ক্ষেত্র। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত কাউন্সেলিং, মাদকবিরোধী আলোচনা, বিতর্ক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করা গেলে তারা ইতিবাচক পথে এগোবে। তিনি তরুণদের উদ্দেশে বলেন, নিজের জীবন, পরিবার ও দেশের ভবিষ্যতের প্রতি দায়িত্বশীল হতে হবে। সাময়িক আনন্দের নামে মাদক একটি জীবনকে ধ্বংস করে দিতে পারে।আয়োজনে বক্তারা মাদকাসক্তিকে ব্যক্তি পর্যায়ের দুর্বলতা হিসেবে না দেখে সামাজিক ব্যাধি হিসেবে বিবেচনার ওপর গুরুত্ব দেন। তারা বলেন, একজন তরুণ মাদকাসক্ত হলে শুধু তার নিজের জীবনই ক্ষতিগ্রস্ত হয় না পরিবারে অশান্তি তৈরি হয়, শিক্ষাজীবন ব্যাহত হয়, কর্মক্ষমতা নষ্ট হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে অপরাধপ্রবণতা বাড়ে। ফলে মাদক প্রতিরোধ জাতীয় উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তার সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত।চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজের অধ্যক্ষ আবু ছালেহ মোহাম্মদ নঈম উদ্দীনের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মো. জাহিদ হোসেন মোল্লা এবং সরকারি সিটি কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক জসিম উদ্দিন আহমেদ। আলোচক ছিলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমগীর।সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম মেট্রো দক্ষিণ কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মানজুরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার দক্ষিণ মো. হাবিবুর রহমানসহ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, সরকারি সিটি কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।আরও  পড়ুন, ঈশ্বরদীতে অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে বিএনপির প্রতিবাদ মিছিলমূল প্রবন্ধে মাদকাসক্তিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে তরুণদের ভূমিকা, সামাজিক সচেতনতার প্রয়োজনীয়তা, মাদকের কুফল এবং প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের ওপর আলোকপাত করা হয়। বক্তারা বলেন, তরুণদের মধ্যে নেতৃত্বগুণ, আত্মনিয়ন্ত্রণ, দেশপ্রেম ও সামাজিক দায়িত্ববোধ তৈরি করা গেলে মাদকের বিস্তার রোধে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা সম্ভব।অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলা হয়, মাদক থেকে দূরে থাকার প্রথম শর্ত হলো সচেতন সিদ্ধান্ত নেওয়া। বন্ধুবান্ধবের চাপ, কৌতূহল বা মানসিক হতাশা থেকে কেউ যেন মাদকের দিকে না যায়, সে বিষয়ে নিজেকে দৃঢ় রাখতে হবে। একই সঙ্গে কোনো সহপাঠী বা পরিচিত ব্যক্তি মাদকের ঝুঁকিতে থাকলে তাকে অবহেলা না করে পরিবার, শিক্ষক বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।বক্তারা আরও বলেন, মাদকবিরোধী আন্দোলনকে শুধু সভা-সেমিনারের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। শিক্ষাঙ্গন, পাড়া-মহল্লা, পরিবার ও সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে নিয়মিত প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে। তরুণদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ, সুস্থ বিনোদন এবং ইতিবাচক জীবনদর্শন নিশ্চিত করা গেলে মাদকের বিরুদ্ধে স্থায়ী প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব।সেমিনার শেষে আয়োজকরা মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন জোরদার করার আহ্বান জানান। তারা বলেন, আইন প্রয়োগ, সামাজিক সচেতনতা, পারিবারিক নজরদারি এবং নৈতিক মূল্যবোধ এই চারটি স্তম্ভকে শক্তিশালী করতে পারলেই মাদকের ভয়াবহতা থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করা যাবে।

বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ১৫ জন গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ

বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ১৫ জন গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ

গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা পুলিশ ২৩ জুন ২০২৬ তারিখে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন মামলা ও তদন্তসংশ্লিষ্ট অভিযোগে মোট ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের তদন্তে সন্দেহভাজন, বিভিন্ন মামলার এজাহারভুক্ত আসামি, জিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি, ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন এবং অপহরণ মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন ব্যক্তি রয়েছেন।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য মামলার এজাহারভুক্ত ২ জন, আরও  পড়ুন, ঈশ্বরদীতে অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে বিএনপির প্রতিবাদ মিছিলজিআর পরোয়ানাভুক্ত ১ জন, ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন ১ জন এবং অপহরণ মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন ১ জনকে আটক করা হয়।বাসন থানা পুলিশের দাবি, নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনের অংশ হিসেবে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।পুলিশ আরও জানায়, অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মহানগর এলাকায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আন্তর্জাতিক

ইরানের পর সুন্নি শক্তিই বড় হুমকি: ইসরায়েলি বিশ্লেষকের দাবি

ইরানের পর সুন্নি শক্তিই বড় হুমকি: ইসরায়েলি বিশ্লেষকের দাবি

আগামী ১৫ বছরের মধ্যে ইসরায়েল ও মিসরের মধ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ইহুদিবাদী কৌশলগত বিশ্লেষক আমিয়াদ কোহেন। তার এই মন্তব্য ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।জেরুজালেমে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক নীতি সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ইরান-নেতৃত্বাধীন শক্তি দুর্বল হয়ে পড়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন কৌশলগত চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে সুন্নি মুসলিম শক্তিগুলোর দিক থেকে।কোহেনের মতে, ভবিষ্যতে মিসর ও তুরস্ক ইসরায়েল এবং পশ্চিমা বিশ্বের জন্য দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা হুমকি হয়ে উঠতে পারে। তিনি দাবি করেন, মিসরে মুসলিম ব্রাদারহুড ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা থাকলে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা আরও ঝুঁকির মুখে পড়বে।তিনি আরও বলেন, সুন্নি আরো পড়ুন , ৫০ লাখ ডলারের রায় বাতিলে ট্রাম্পের লড়াই, সিদ্ধান্তে অস্বাভাবিক দেরিরাজনৈতিক আন্দোলন ও সংগঠনগুলো শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই নয়, যুক্তরাষ্ট্রেও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে—যা বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক।তুরস্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশটি ক্রমেই আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে নিজেদের অবস্থান শক্ত করছে এবং এটি ভবিষ্যতে ইসরায়েলের কৌশলগত নিরাপত্তা নীতিতে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।এর আগে সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা জোনাথন পোলার্ডও একই ধরনের সতর্কতা দেন। তিনি ইরানের পর তুরস্ক ও মিসরকে সম্ভাব্য ঝুঁকির তালিকায় উল্লেখ করেন।উল্লেখ্য, ইসরায়েল ও মিসরের মধ্যে ১৯৭৯ সালে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং এরপর থেকে দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক পরিবর্তন এই সম্পর্ককে ঘিরে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।

২ ঘন্টা আগে

রাজধানী

দায়িত্ব পালনের ফাঁকে অপরাধ দমন, প্রশংসায় ভাসছেন সার্জেন্ট মাহমুদ আলি

দায়িত্ব পালনের ফাঁকে অপরাধ দমন, প্রশংসায় ভাসছেন সার্জেন্ট মাহমুদ আলি

রাজধানীর মিরপুর কালশী মোড়ে দায়িত্ব পালনকালে অসাধারণ সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছেন ট্রাফিক পল্লবী জোনের পুলিশ সার্জেন্ট এম এস মাহমুদ আলি। তাঁর তাৎক্ষণিক তৎপরতায় এক ছিনতাইকারীকে হাতেনাতে আটক করা সম্ভব হয়েছে এবং উদ্ধার করা হয়েছে ছিনতাইকৃত মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান স্বর্ণালংকার। গতকাল মঙ্গলবার (২৩ জুন ২০২৬) সকাল আনুমানিক ১১টা ১৩ মিনিটে রাজধানীর কালশী মোড় ফ্লাইওভারের নিচে দায়িত্ব পালন করছিলেন পুলিশ সার্জেন্ট এম এস মাহমুদ আলি। এ সময় তিনি দেখতে পান, এক ব্যক্তি একটি মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে দ্রুত দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। তার আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে সার্জেন্ট মাহমুদ আলি কোনো সময় নষ্ট না করে তাকে ধাওয়া করেন।কিছু দূর ধাওয়ার পর ওই ব্যক্তিকে আটক করতে সক্ষম হন তিনি পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন,আরও  পড়ুন, ধানমন্ডি-৩২ এ সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস জামায়াতের স্বর্ণের কানের দুল, আংটি এবং গলার চেইন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত সামগ্রীগুলোর বিষয়ে অনুসন্ধান করে প্রকৃত মালিকদের শনাক্ত করা হয় এবং যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাদের কাছে মালামাল বুঝিয়ে দেওয়া হয়।আটক ব্যক্তির নাম মানিক (পিতা- আবুল)। তিনি ঢাকার শাহপরান বস্তি এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।ঘটনার পর ডিসি ট্রাফিক মিরপুর সার্জেন্ট এম এস মাহমুদ আলির সাহসিকতা, দায়িত্ববোধ ও পেশাদার আচরণের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তিনি ট্রাফিক মিরপুর বিভাগের অন্যান্য সদস্যদেরও জননিরাপত্তা ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্ব শুধু যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে সীমাবদ্ধ নয়; জননিরাপত্তা নিশ্চিত করাও তাদের অন্যতম দায়িত্ব। কালশী মোড়ের এ ঘটনা তারই একটি উজ্জ্বল উদাহরণ। ট্রাফিক মিরপুর বিভাগের সদস্যরা ভবিষ্যতেও জনগণের নিরাপত্তা ও সেবায় এ ধরনের দায়িত্বশীল ভূমিকা অব্যাহত রাখবেন বলে জানিয়েছেন।

৪ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

পেনাল্টি মিসের পরও নায়ক মেসি, আর্জেন্টিনার জয়ে গড়লেন নতুন রেকর্ড

পেনাল্টি মিসের পরও নায়ক মেসি, আর্জেন্টিনার জয়ে গড়লেন নতুন রেকর্ড

লিওনেল মেসির রাতটা শুরু হয়েছিল হতাশা দিয়ে। ম্যাচের শুরুতে পেনাল্টি মিস করেছিলেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত সেই হতাশাকে পেছনে ফেলে গোল করে আর্জেন্টিনাকে ২-০ গোলের জয় এনে দেন এই মহাতারকা।অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জয়ের পর মেসি জানান, পেনাল্টি মিস করাটা হয়তো শেষ পর্যন্ত দলের জন্যই ভালো হয়েছে।ম্যাচ শেষে মেসি বলেন, ‘সত্যি বলতে, সবকিছু যেভাবে ঘটেছে তা অসাধারণ। পেনাল্টি মিস করেছিলাম, হয়তো সেটি গোল হলে পরের দুই গোল হতো না। কে জানে! তবে জয়ে, নিজের অবদান এবং দলের পারফরম্যান্সে আমি খুশি।’ব্যক্তিগত রেকর্ডের চেয়ে দলের জয়কেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। আরও  পড়ুন, দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়িয়ে জর্ডানের বিপক্ষে আলজেরিয়ার দারুণ জয় তিনি বলেন, ‘সবার আগে জয়ের জন্য খুশি। এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং কঠিন একটি জয় ছিল। সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য এটি আমাদের মানসিক স্বস্তি দিয়েছে।’এই জয়ে টানা দুই ম্যাচে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা।এর আগে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার রেকর্ড স্পর্শ করেছিলেন মেসি। ডালাসে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে গোল করে সেই রেকর্ড এককভাবে নিজের করে নিলেন ইন্টার মায়ামির এই তারকা।শিরোপা ধরে রাখার মিশনে এখন দুর্দান্ত ছন্দে এগিয়ে চলেছে লিওনেল স্কালোনির আর্জেন্টিনা।

আইন আদালত

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে আটকের পর কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা সাজিয়ে গুলি ও নির্যাতনের মাধ্যমে পঙ্গু করার অভিযোগে দায়ের করা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার আজ শুরু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলাটির সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) ও সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।আরও পড়ুন, ‘আমি শুধু ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার’: আসামি সোহেলমামলাটি শুনানি করবেন মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। মামলার প্রধান আসামি আনিসুর রহমান-সহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম চলবে।প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর চৌগাছা উপজেলা শাখার তৎকালীন সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন এবং সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিন-কে একটি মামলায় আটক করে পুলিশ। অভিযোগে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারের পর তাদের আদালতে হাজির না করে কয়েকদিন নির্যাতন করা হয়।আরও পড়ুন, শিশু রামিসা হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি আজপ্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ একটি সাজানো ঘটনা তৈরি করে দুই নেতার পায়ে গুলি করা হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে চিকিৎসার একপর্যায়ে তাদের পা কেটে ফেলতে হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় আরও বলা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অস্ত্র মামলাটি পরবর্তীতে আদালতে ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়।এর আগে গত ২০ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। সে সময় আদালতে উপস্থিত আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। বর্তমানে অভিযুক্তদের মধ্যে আকিকুল ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান এবং জহরুল হক কারাগারে রয়েছেন।আরও পড়ুন, সাইপ্রাসে এস আলমের ভবন জব্দের নির্দেশঅন্যদিকে প্রধান আসামি আনিসুর রহমান, সাবেক ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল এবং এসআই মাজেদুল পলাতক রয়েছেন বলে ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানিয়েছে। উল্লেখ্য, মামলার অভিযোগগুলো প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত অভিযোগ। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের রায়ের মাধ্যমে অভিযুক্তদের দায়-দায়িত্ব চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর