দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আজকের আবহাওয়া

ঢাকা 1004.7 hPa
29.2° 83%
15mm
চট্টগ্রাম 1007 hPa
29.6° 83%
15mm
রাজশাহী 1003.6 hPa
30.8° 86%
20° 15mm
খুলনা 1004.5 hPa
29.5° 87%
20° 15mm
বরিশাল 1005.6 hPa
28.3° 89%
15mm
সিলেট 1005.4 hPa
27° 92%
20° 15mm
রংপুর 1003.3 hPa
30° 0%
20° 15mm
ময়মনসিংহ 1004.7 hPa
29.1° 91%
20° 15mm
Weather

এক্সক্লুসিভএক্সক্লুসিভ

পুলিশ সংস্কার কতদূর, কী ভাবছে সাধারণ মানুষ?

পুলিশ সংস্কার কতদূর, কী ভাবছে সাধারণ মানুষ?

দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ| সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশ প্রশাসনে একাধিক রদবদল, বদলি ও প্রশাসনিক সংস্কার উদ্যোগ নেওয়া হলেও সাধারণ মানুষের মনে এখনো একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, এই পরিবর্তন কি জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছে? নাকি কাঠামোগত ও নীতিগত আরও বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন? সাংবাদিকদের পর্যবেক্ষণ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, পুলিশ বাহিনীতে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হলেও এখনো অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে| বিশেষ করে অপরাধ দমন, রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী মহলের চাপ, জনসেবার মান এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাগত স্বাধীনতা নিয়ে নানা প্রশ্ন বিদ্যমান|আরও পড়ুন: আলোচনা, সমালোচনা আর দায়িত্বের গল্প: ওসি দাউদসাম্প্রতিক সময়ে পুলিশ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে কর্মকর্তাদের বদলি, নতুন দায়িত্ব প্রদান এবং কিছু ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে| সরকারের পক্ষ থেকে জনবান্ধব পুলিশিংয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে| থানাগুলোতে সেবার মান বাড়ানো, অভিযোগ গ্রহণে আন্তরিকতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত ব্যবস্থা চালুর মতো পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে| তবে শুধুমাত্র প্রশাসনিক রদবদল করলেই যে জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, বিষয়টি এত সহজ নয়| কারণ অপরাধের ধরন পরিবর্তন হচ্ছে, সাইবার অপরাধ বাড়ছে, মাদক ব্যবসা নতুন নতুন কৌশলে পরিচালিত হচ্ছে এবং সংঘবদ্ধ অপরাধচক্র আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে|বিশ্লেষকরা বলছেন, পুলিশে ব্যক্তি পরিবর্তনের চেয়ে প্রতিষ্ঠানগত সংস্কার বেশি জরুরি| একজন কর্মকর্তা বদলি হলে সাময়িক পরিবর্তন দেখা যেতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে হলে পুরো ব্যবস্থার সংস্কার প্রয়োজন| রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা এখনো নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে পুরোপুরি নিশ্চিন্ত নন| চুরি, ছিনতাই, কিশোর গ্যাং, মাদক ব্যবসা এবং বিভিন্ন ধরনের অপরাধের অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়| অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, থানায় গিয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেতে বিল¤^ হয়| আবার কোথাও কোথাও অভিযোগ গ্রহণে অনীহা বা দীর্ঘসূত্রতার অভিযোগও রয়েছে| যদিও পুলিশ কর্মকর্তারা এসব অভিযোগ অ¯^ীকার করে বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে সময় লাগে| তবে বাস্তবতা হলো, জনগণ দ্রুত ও কার্যকর সেবা প্রত্যাশা করে| একজন ভুক্তভোগী যখন থানায় যান, তখন তিনি আইনের জটিলতা নয়, সমস্যার সমাধান চান| সেই জায়গায় পুলিশকে আরও জনবান্ধব হতে হবে বলে মনে করেন সচেতন নাগরিকরা|আরও পড়ুন: গুলশান পুলিশকে বিতর্কিত করতেই মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারপুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনেক সময় বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতা বা স্থানীয় ক্ষমতাবানদের চাপের মুখে পড়তে হয়| ফলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে জটিলতা ˆতরি হয়| সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গিয়ে পুলিশ সদস্যরা নানা ধরনের চাপের সম্মুখীন হন| কখনো ফোনকল, কখনো সুপারিশ, আবার কখনো রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বাধা সৃষ্টি হয়|বিশেষজ্ঞদের মতে, পুলিশ যদি আইন প্রয়োগে ¯^াধীনতা না পায়, তাহলে অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখা কঠিন হয়ে পড়ে| কারণ অপরাধী যদি মনে করে তার রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রভাব তাকে রক্ষা করবে, তাহলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন সম্ভব নয়|পুলিশ বাহিনীকে কার্যকর করতে হলে তাদের পেশাগত স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে| একজন পুলিশ কর্মকর্তা যেন আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অযাচিত হস্তক্ষেপের শিকার না হন, সেই পরিবেশ সৃষ্টি করা জরুরি|আরও পড়ুন: প্রশংসা-সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা ওসি দাউদআইন-শৃঙ্খলা বিশ্লেষকরা বলছেন, একটি আধুনিক রাষ্ট্রে পুলিশকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে হয়| এতে জনগণের আস্থা বাড়ে এবং অপরাধীরা দ্রুত আইনের আওতায় আসে| বাংলাদেশে অনেক দক্ষ ও সৎ পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন| তারা আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন| কিন্তু যদি তাদের ওপর অযাচিত চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে তাদের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়| ফলে সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হন|রাজধানীর কয়েকটি থানার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, অনেক পুলিশ সদস্য আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করলেও কোথাও কোথাও সিদ্ধান্তহীনতা কাজ করছে| বিশেষ করে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা দেখা যায়|আরও পড়ুন: অপরাধ দমনে নতুন ছকে ডিএমপিএকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, থানায় গিয়ে অভিযোগ দেওয়ার পরও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি| পরে বিষয়টি উচ্চপর্যায়ে জানালে তদন্ত শুরু হয়| যদিও সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তারা দাবি করেন, প্রতিটি অভিযোগ আইন অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়|অন্যদিকে কিছু থানায় ভালো উদাহরণও রয়েছে| সেখানে ওসি ও তদন্ত কর্মকর্তারা সরাসরি অভিযোগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছেন| এমন উদ্যোগ জনমনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে|বর্তমান সময়ে শুধু অপরাধী গ্রেফতার করাই পুলিশের একমাত্র দায়িত্ব নয়| জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অপরাধ প্রতিরোধেও পুলিশের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ|বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে হবে| স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে অপরাধ প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করলে ইতিবাচক ফল পাওয়া সম্ভব| অনেক উন্নত দেশে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা রয়েছে| বাংলাদেশেও সেই ধরনের সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে| থানাকে ভয় নয়, আস্থার জায়গা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে|আরও পড়ুন: এনবিআরের কর্মকর্তা সহিদুল ইসলামের অবৈধ সম্পদের পাহাড়বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে| বাংলাদেশেও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে, তবে তা আরও বিস্তৃত করা প্রয়োজন| সিসিটিভি ক্যামেরা, ডিজিটাল ডাটাবেজ, সাইবার মনিটরিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং আধুনিক ফরেনসিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ালে অপরাধ তদন্ত আরও দ্রুত ও নির্ভুল হবে| অপরাধীরা প্রতিনিয়ত নতুন কৌশল ব্যবহার করছে| তাই পুলিশকেও প্রযুক্তিগতভাবে আরও দক্ষ হতে হবে| শুধু জনবল বৃদ্ধি নয়, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোও সময়ের দাবি| অনেক পুলিশ সদস্য দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন| উৎসব, ছুটির দিন কিংবা দুর্যোগকালেও তারা মাঠে কাজ করেন| কিন্তু তাদের কর্মপরিবেশ এবং কল্যাণমূলক সুবিধা নিয়ে এখনো নানা প্রশ্ন রয়েছে|বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পুলিশ সদস্যদের মানসিক চাপ কমানো, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করা এবং পেশাগত প্রশিক্ষণ বাড়ানো প্রয়োজন| কারণ একজন ক্লান্ত ও মানসিকভাবে চাপে থাকা সদস্যের কাছ থেকে সর্বোচ্চ সেবা আশা করা কঠিন| যদি পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করা যায়, তাহলে তাদের কর্মদক্ষতা এবং জনগণের প্রতি সেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে|আরও পড়ুন: ডিজিটাল হাইড্রোগ্রাফিতে নতুন সম্ভাবনা দেখছেন তারেক রহমানপুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা বাড়াতে হলে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি| কোনো সদস্য ক্ষমতার অপব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে| ভালো কাজের ¯^ীকৃতির পাশাপাশি অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে| এতে পুরো বাহিনীর ভাবমূর্তি উন্নত হবে| সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ক্ষেত্রে অনিয়মে জড়িত সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যা ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে| তবে এই প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করতে হবে|সাধারণ মানুষ একটি নিরাপদ সমাজ চায়| তারা চায় থানায় গেলে সম্মানজনক আচরণ, দ্রুত সেবা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হোক| পুলিশ রাজনৈতিক বা অন্য কোনো প্রভাবের ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করবে| অপরাধী যেই হোক, তার বিরুদ্ধে সমানভাবে আইন প্রয়োগ করা হবে|একজন নাগরিকের ভাষায়, “পুলিশ যদি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে এবং জনগণের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে অপরাধ অনেকটাই কমে আসবে| পুলিশ প্রশাসনে সাম্প্রতিক পরিবর্তন নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক উদ্যোগ| তবে শুধুমাত্র বদলি বা প্রশাসনিক রদবদল দিয়ে জননিরাপত্তার সব সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়| প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার, পেশাগত ¯^াধীনতা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, জবাবদিহিতা এবং জনবান্ধব পুলিশিং ব্যবস্থা| অপরাধ দমনে পুলিশকে কার্যকরভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে| একই সঙ্গে জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য বাহিনীকে আরও ¯^চ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং সেবামুখী হতে হবে| রাজনৈতিক বা প্রভাবশালী মহলের অযাচিত হস্তক্ষেপ বন্ধ করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা গেলে পুলিশ বাহিনী আরও শক্তিশালী হবে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ হবে| আরও পড়ুন: ১৫ বছরে যা হয়নি, ৩ মাসে তার চেয়ে বেশি হয়েছে : মির্জা ফখরুলসবশেষে বলা যায়, একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে পুলিশের ভূমিকা অপরিসীম| তাই পুলিশকে প্রয়োজনীয় স্বাধীনতা, আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং জনসমর্থন দিতে হবে| একই সঙ্গে বাহিনীর ভেতরে সংস্কার অব্যাহত রাখতে হবে| তাহলেই জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নয়ন সম্ভব হবে|

সারাবাংলা

জাতীয়জাতীয়

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদীর শেষ বিদায়

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি, মুক্তিযোদ্ধা ও বরেণ্য সাংবাদিক আল মুজাহিদীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে। শনিবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন ও গার্ড অব অনার শেষে তাকে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।শনিবার সকাল থেকে কবিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভিড় করেন সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক, রাজনীতিক ও সাধারণ মানুষ। বেলা ১১টায় সেখানে ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।এর আগে জাতীয়তাবাদী লেখক ফোরামের আয়োজনে অনুষ্ঠিত শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে কবির দীর্ঘদিনের বন্ধু, সহকর্মী, স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সাহিত্য সংগঠনের পক্ষ থেকেও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, আবদুল হাই শিকদার, মোহাম্মদ আজম, শাহীন রেজা, আরো পড়ুন , বন্ধ কারখানায় উৎপাদন ফিরিয়ে আনতে চায় সরকারতপন বাগচী, রাজু আলীম ও আবিদ আজমসহ বিশিষ্টজনরা।সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, আল মুজাহিদী কবিতা, গল্প, উপন্যাস, অনুবাদসহ সাহিত্যের নানা শাখায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। তার সাহিত্যকর্ম ও সাংস্কৃতিক অবদান দীর্ঘদিন স্মরণ করবে জাতি।অন্যদিকে কবি আবদুল হাই শিকদার বলেন, ষাটের দশকের ছাত্রনেতা, মহান মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনের যোদ্ধা এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যু দেশের সাহিত্য ও সাংবাদিকতা অঙ্গনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।পরে দুপুর ১২টায় কবির মরদেহ নেওয়া হয় জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে। সেখানে তার ইচ্ছা অনুযায়ী জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা পরিচালনা করেন মাওলানা মাসুম বিল্লাহ।সবশেষে বিকেলে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান-এ তাকে দাফন করা হয়।

বন্ধ কারখানায় উৎপাদন ফিরিয়ে আনতে চায় সরকার

বন্ধ ও লোকসানি রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পকারখানাগুলো পুনরুজ্জীবিত করতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে আগ্রহী বিনিয়োগকারীদের সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।শনিবার রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক রোডশোতে ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা চাই আপনারা এগিয়ে যান, সমৃদ্ধ হোন। আমরা আপনাদের সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা করব।”প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মোস্তাফা জুলফিকার হাসান জানান, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে এ রোডশোর আয়োজন করা হয়। এর মূল লক্ষ্য ছিল বন্ধ ও অকার্যকর রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানাগুলো পুনরুজ্জীবনে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা।তারেক রহমান বলেন, একটি আরো পড়ুন, ডিজিটাল হাইড্রোগ্রাফিতে নতুন সম্ভাবনা দেখছেন তারেক রহমানরাজনৈতিক সরকারের প্রধান দায়িত্ব হলো ব্যবসা ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পথ তৈরি করা। তবে তিনি স্বীকার করেন, একা সরকারের পক্ষে সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়।তিনি বলেন, “সব সমস্যার সমাধান একদিনে সম্ভব নয়। তবে ধীরে ধীরে এবং পরিকল্পিতভাবে এগোলে সেগুলোর সমাধান করা সম্ভব।”অনুষ্ঠানে ৪৪টি রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানার বিস্তারিত তথ্য বিনিয়োগকারীদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। সেখানে কারখানাগুলোর অবস্থান, অবকাঠামো, যোগাযোগ সুবিধা, বিনিয়োগ প্রণোদনা এবং উৎপাদন সম্প্রসারণের সম্ভাবনার বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।পরে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন। তারা প্রায় ৫০টি প্রশ্ন তুলে ধরেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সেসব প্রশ্নের জবাব দেন।প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, সরকার, বিনিয়োগকারী এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ একসঙ্গে কাজ করলে বন্ধ শিল্পকারখানাগুলো আবারও উৎপাদনে ফিরবে এবং দেশের অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে।

ডিজিটাল হাইড্রোগ্রাফিতে নতুন সম্ভাবনা দেখছেন তারেক রহমান

বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের সামুদ্রিক সম্ভাবনাকে পূর্ণমাত্রায় কাজে লাগিয়ে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও শক্তিশালী বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন, সুনীল অর্থনীতি আগামী দিনের বাংলাদেশের সমৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হতে পারে।শনিবার দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একবিংশ শতাব্দীর বিশ্বে সমুদ্র শুধু ভৌগোলিক সীমানার অংশ নয়; বরং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশগত ভারসাম্য এবং জাতীয় কৌশলগত সক্ষমতার অন্যতম ভিত্তি।তিনি বলেন, সমুদ্র-সংক্রান্ত তথ্যের আধুনিক, নিরাপদ ও নির্ভুল আদান-প্রদান নিশ্চিত করা জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জন, সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার এবং কৌশলগত সক্ষমতা বৃদ্ধির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। নির্ভরযোগ্য তথ্যের মাধ্যমে নিরাপদ নৌ-চলাচল, দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করা সম্ভব।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ সমুদ্র এলাকা দেশের অর্থনৈতিক শক্তি, সার্বভৌমত্ব এবং ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। এই সমুদ্রসীমায় রয়েছে বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদ, জীববৈচিত্র্য এবং বাণিজ্যিক সম্ভাবনা। নিরাপদ নৌপথ নিশ্চিতকরণ, সমুদ্রতলের সঠিক মানচিত্র প্রণয়ন এবং উপকূলীয় অঞ্চলের পরিকল্পিত উন্নয়নে আরো পড়ুন , ১৫ বছরে যা হয়নি, ৩ মাসে তার চেয়ে বেশি হয়েছে : মির্জা ফখরুলবাংলাদেশ নৌবাহিনীর হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।তারেক রহমান জানান, সরকার দেশের সামুদ্রিক সম্পদের সুরক্ষা, সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সুনীল অর্থনীতির বিকাশে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ লক্ষ্যে হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রমের আধুনিকায়ন, উন্নত প্রযুক্তির সংযোজন, তথ্যব্যবস্থার ডিজিটাল রূপান্তর এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল হাইড্রোগ্রাফি, জিওস্পেশাল ডাটা ব্যবস্থাপনা এবং স্বয়ংক্রিয় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার এ খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিচ্ছে। পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, গবেষণা ও উদ্ভাবন সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর সক্ষমতা বৃদ্ধি করাও জরুরি।প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশের সামুদ্রিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো সম্ভব হবে এবং সুনীল অর্থনীতি বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

১৫ বছরে যা হয়নি, ৩ মাসে তার চেয়ে বেশি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন ও পরিদর্শনকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এলাকায় চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সম্পূর্ণভাবে শেষ করা হবে। তিনি দাবি করেন, গত তিন মাসে যে উন্নয়ন কাজ হয়েছে, তা পূর্ববর্তী ১৫ বছরের তুলনায় বেশি দৃশ্যমান।তিনি আরও জানান, বহুল প্রতীক্ষিত ফুলদী ব্রিজের নির্মাণ কাজ চলতি বছরের মধ্যেই শুরু হবে।আরও  পড়ুন, গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক করল সরকার, ফিটনেস নবায়নের সঙ্গে যুক্ত নতুন নিয়ম একই সঙ্গে গজারিয়ায় অবকাঠামো উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে রাস্তাঘাট ও সেতু নির্মাণ দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন তিনি।এদিন তিনি ভবেরচর বাজারে ২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত দুই তলা বিশিষ্ট গ্রামীণ বাজার ভবন উদ্বোধন করেন। পরে কালীগাছ তলায় ব্র্যাক অফিস-ইমামপুর সড়কের দুই কিলোমিটার রাস্তার পুনর্বাসন ও প্রশস্তকরণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং রসূলপুর খেয়াঘাট এলাকায় ফুলদী ব্রিজ নির্মাণের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেন।

রাজনীতিরাজনীতি

শিক্ষার্থীদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান

শিক্ষার্থীদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, সার্টিফিকেট অর্জনই শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য নয়। শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, নৈতিকতা ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।শনিবার দুপুরে ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকার কেরানীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজ মাঠে এইচএসসি ও ডিগ্রি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর বড় কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সার্টিফিকেট ছিল না, কিন্তু তাঁদের জ্ঞানের ভাণ্ডার ছিল সমৃদ্ধ। প্রকৃত শিক্ষা হলো সেই শিক্ষা, যা মানুষ ও দেশের কল্যাণে আসে। তাই শিক্ষার্থীদের প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক সনদ যথেষ্ট নয়। প্রযুক্তিগত জ্ঞান, সৃজনশীলতা এবং কর্মদক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। শিক্ষা এমন হওয়া উচিত, যা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখে।অনুষ্ঠানে শিক্ষা আরো পড়ুন , ‘৫০১ ছিল রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ’ রিসোর্টকাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হকব্যবস্থার সমালোচনা করে তিনি দাবি করেন, গত ১৭ বছরে শিক্ষা ব্যবস্থার মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশের হার বাড়ানোর প্রবণতার কারণে মেধার যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, বর্তমানে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের একটি বড় অংশ জিপিএ-৫ বা ভালো ফলাফলের প্রতিযোগিতায় বেশি মনোযোগী। ফলে মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিক শিক্ষা এবং বাস্তব দক্ষতা অর্জনের বিষয়টি অনেক ক্ষেত্রে আড়ালে পড়ে যাচ্ছে। শিক্ষা শুধু পরীক্ষার ফলাফলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী। এছাড়া স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন।

‘৫০১ ছিল রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ’ রিসোর্টকাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক

‘৫০১ ছিল রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ’ রিসোর্টকাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন মামুনুল হক

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক পাঁচ বছর আগের আলোচিত নারায়ণগঞ্জ রিসোর্টকাণ্ড নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দীর্ঘ ব্যাখ্যামূলক পোস্ট দিয়েছেন।শনিবার নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি দাবি করেন, ২০২১ সালের রয়েল রিসোর্টের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ সংক্রান্ত ঘটনা ছিল তৎকালীন সরকারের একটি রাজনৈতিক প্রকল্প, যার উদ্দেশ্য ছিল তাকে রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা।মামুনুল হক বলেন, তিনি তার স্ত্রী জান্নাত আরাকে নিয়ে রিসোর্টে অবস্থান করছিলেন এবং ওই সময় পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন তাদের হেনস্তা করে।আরও  পড়ুন, গণতন্ত্র হত্যাকারীদের সহাবস্থানের সুযোগ নেই: রুহুল কবীর রিজভীপোস্টে তিনি আরও দাবি করেন, তাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে ‘মুতা বিয়ে’সহ নানা অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ছড়ানো হয়েছিল।মামুনুল হক এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, জান্নাত আরার সঙ্গে তার বিয়ে ছিল শরিয়তসম্মত ইসলামি বিয়ে এবং তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক ২০১৯ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ছিল।এছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, ঘটনার পর তাকে এবং সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যদের ওপর বিভিন্ন ধরনের চাপ প্রয়োগ করা হয়েছিল।=সম্প্রতি সংসদে রিসোর্টকাণ্ড নিয়ে আলোচনা হওয়ার পরই তার এই ফেসবুক পোস্ট নতুন করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

গণতন্ত্র হত্যাকারীদের সহাবস্থানের সুযোগ নেই: রুহুল কবীর রিজভী

গণতন্ত্র হত্যাকারীদের সহাবস্থানের সুযোগ নেই: রুহুল কবীর রিজভী

যারা গণতন্ত্রকে হত্যা করে, তাদের সহাবস্থানের কোনো সুযোগ দেওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির আর্ট গ্যালারিতে আয়োজিত এক আর্ট এক্সিবিশন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।আরও  পড়ুন ,চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট বন্ধ না হলে স্বস্তি আসবে না: ডা. শফিকুর রহমানরিজভী বলেন, সবার কথা বলার অধিকার থাকলেও হত্যাকারীর কোনো কথা বলার অধিকার থাকতে পারে না। তার মতে, গণতন্ত্রবিরোধী শক্তির সঙ্গে সহাবস্থানের সুযোগ দেওয়া উচিত নয়।তিনি আরও বলেন, অতীতের ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় রাজনৈতিক দলকে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে এবং ‘আয়নাঘর’ তৈরি করা হয়েছে।তার দাবি, সেই সময়ের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে জনগণ রাস্তায় নেমে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে।

চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট বন্ধ না হলে স্বস্তি আসবে না: ডা. শফিকুর রহমান

চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট বন্ধ না হলে স্বস্তি আসবে না: ডা. শফিকুর রহমান

দেশে চাঁদাবাজি পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হলে সাধারণ মানুষের জীবনে স্বস্তি ফিরে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।শুক্রবার বিকেলে মুন্সীগঞ্জ শহরের রয়েল পার্টি সেন্টারে জেলা জামায়াতের বার্ষিক সদস্য (রুকন) সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় ছাড়া চাঁদাবাজি বা সিন্ডিকেট কোনোভাবেই টিকে থাকতে পারে না। তার মতে, চাঁদাবাজি কমার পরিবর্তে বরং দিন দিন বাড়ছে।তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো যদি তাদের কর্মীদের সামাজিক অপকর্ম ও চাঁদাবাজি থেকে বিরত রাখতে ব্যর্থ হয়, তবে সেই দলের রাষ্ট্র পরিচালনার নৈতিক অধিকার প্রশ্নবিদ্ধ হয়।আরও  পড়ুন, একদলীয় শাসনের আশঙ্কা, সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ জামায়াত আমিরেরবাজারে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তার ভাষায়, সরকার কর কমালেও সাধারণ মানুষ তার সুফল পাচ্ছে না, কারণ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বিভিন্ন সিন্ডিকেট।তিনি বলেন, কিছু প্রভাবশালী গোষ্ঠীর কারণে সাধারণ ব্যবসায়ীরা স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারছেন না, তারা চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেটের চাপে অতিষ্ঠ।গণমাধ্যমের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করেন। তাই অন্যায়, দুর্নীতি ও পেশিশক্তির বিরুদ্ধে তাদের নিরপেক্ষ ও সাহসী ভূমিকা রাখা প্রয়োজন।সম্মেলনে তিনি আগামীর বাংলাদেশ নিয়ে তাঁর রূপকল্প তুলে ধরে বলেন, একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব, যেখানে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাই সমান ন্যায়বিচার পাবে।

সারাবাংলা

নদীতে নৌকায় বসে থাকা অবস্থায় বজ্রাঘাত

নদীতে নৌকায় বসে থাকা অবস্থায় বজ্রাঘাত

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও একজন জেলে আহত হয়েছেন।শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার মালঞ্চ নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নূর হোসেন গাজী উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ কদমতলা গ্রামের বাসিন্দা। আহত জহির হোসেনও একই এলাকার বাসিন্দা।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নূর হোসেনসহ কয়েকজন জেলে মালঞ্চ নদীতে মাছ ধরার জন্য জাল পেতে নৌকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বৃষ্টি শুরু হয়। হঠাৎ বজ্রপাত হলে নৌকায় থাকা নূর হোসেন সরাসরি বজ্রাঘাতে গুরুতর আহত হন।অন্যদিকে তার কাছাকাছি অবস্থান করা জহির হোসেনও বজ্রপাতের প্রভাবে অচেতন হয়ে পড়েন। পরে সঙ্গে থাকা অন্য জেলেরা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে আরো পড়ুন , চট্টগ্রামে মসজিদের টাকা চুরির ঘটনায় দুই আটকহরিনগর বাজারে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।সেখানে চিকিৎসক নূর হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত জহির হোসেনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলে তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন।নিহতের ভাই আমজাদ হোসেন জানান, নদীতে মাছ ধরার সময় আকস্মিক বজ্রপাতের ঘটনাই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার কারণ।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল রহমান পল্টু। স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।বিশেষজ্ঞরা বর্ষা মৌসুমে নদী, খোলা মাঠ ও জলাশয়ে অবস্থানের সময় বজ্রপাত থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

চট্টগ্রামে মসজিদের টাকা চুরির ঘটনায় দুই আটক

চট্টগ্রামে মসজিদের টাকা চুরির ঘটনায় দুই আটক

চট্টগ্রাম নগরীর সদরঘাট থানা এলাকায় একটি জামে মসজিদের অফিস কক্ষ থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা চুরির ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযানে চুরি হওয়া টাকার বড় একটি অংশও উদ্ধার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার জুমার নামাজের আগে মসজিদের ইমাম তামজিদ রহমান অফিস কক্ষে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা রেখে যান। পরে আসরের নামাজ শেষে অফিস কক্ষে গিয়ে তিনি টাকাগুলো খুঁজে না পেয়ে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করেন। এতে চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে সদরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগ পাওয়ার পর সদরঘাট থানা পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু আরো পড়ুন , সুন্দরগঞ্জের বাজারে ভয়াবহ আগুন, নিঃস্ব ব্যবসায়ীরাকরে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে চুরির ঘটনায় জড়িত আরিফ নামে এক ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়। পরে হালিশহর ঈদগাহ বরফকল এলাকার সোনা শাহ মাজার সংলগ্ন একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।এ সময় তার কাছ থেকে চুরি হওয়া টাকার মধ্যে ১ লাখ ২৬ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে আরিফের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মো. সুমন নামে আরেক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকেও ৬০ হাজার টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ শরীফ জানান, চুরির অভিযোগ পাওয়ার পরপরই সিসিটিভি ফুটেজের সহায়তায় অভিযুক্তদের শনাক্ত ও আটক করা হয়েছে। দুই আসামির কাছ থেকে মোট ১ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা জব্দ করা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং ঘটনার আরও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সুন্দরগঞ্জের বাজারে ভয়াবহ আগুন, নিঃস্ব ব্যবসায়ীরা

সুন্দরগঞ্জের বাজারে ভয়াবহ আগুন, নিঃস্ব ব্যবসায়ীরা

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৪টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। এতে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।শনিবার ভোরে উপজেলার শান্তিরাম ইউনিয়নের ফোরকানিয়া বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, ভোর ৪টার দিকে বাজারের একটি দোকানে প্রথম আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে এবং একের পর এক দোকান জ্বলতে শুরু করে।স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। পরে খবর পেয়ে সুন্দরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।অগ্নিকাণ্ডে মুদি দোকান, ওষুধের দোকান, টেলিকম ব্যবসা, কাঁচামালের দোকান, কফি হাউজ ও আরো পড়ুন , ব্রাজিল জয়ে চ্যালেঞ্জ পূরণ: আর্জেন্টিনা সমর্থকের মাথা ন্যাড়া করে এলাকায় চাঞ্চল্যকনফেকশনারিসহ মোট ১৪টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, তাদের অনেকের জীবনের সঞ্চয় ও ব্যবসার মূলধন আগুনে ভস্মীভূত হয়েছে।সুন্দরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মো. লিটন বলেন, ভোর ৩টা ৪০ মিনিটে আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। আগুনের সূত্রপাত এবং প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।এদিকে শান্তিরাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবিএম মিজানুর রহমান খোকন জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করে উপজেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঈফফাত জাহান তুলি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।আগুন লাগার কারণ উদঘাটন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত সহায়তার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

ব্রাজিল জয়ে চ্যালেঞ্জ পূরণ: আর্জেন্টিনা সমর্থকের মাথা ন্যাড়া করে এলাকায় চাঞ্চল্য

ব্রাজিল জয়ে চ্যালেঞ্জ পূরণ: আর্জেন্টিনা সমর্থকের মাথা ন্যাড়া করে এলাকায় চাঞ্চল্য

ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে সমর্থকদের উন্মাদনা নতুন কিছু নয়। এবার সেই উন্মাদনার এক ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটেছে জামালপুরের বকশীগঞ্জে, যেখানে ব্রাজিলের জয়ের পর এক আর্জেন্টিনা সমর্থক নিজের দেওয়া চ্যালেঞ্জ পূরণ করে মাথা ন্যাড়া করেছেন।ঘটনাটি ঘটে বকশীগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের সাধুরপাড়া এলাকায়। স্থানীয় আর্জেন্টিনা সমর্থক ফয়সাল আহমেদ জুম্মান (২৩) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দেন—হাইতির বিপক্ষে ব্রাজিল জয়ী হলে তিনি মাথা ন্যাড়া করবেন।শনিবার (২০ জুন) সকালে অনুষ্ঠিত ম্যাচে হাইতিকে ৩-০ গোলে হারায় ব্রাজিল। ম্যাচ শেষ হতেই নিজের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এগিয়ে আসেন ফয়সাল।আরও  পড়ুন , আড়াইহাজারে ডাকাত হামলায় ইউএনওসহ ৬ জন আহত, পরপর দুই বাড়িতে লুটপাটআর্জেন্টিনা দলের জার্সি গায়ে দিয়েই তিনি নিজের মাথা ন্যাড়া করেন, যা দেখতে এলাকায় ভিড় করেন স্থানীয় ফুটবলপ্রেমীরা।“খেলাধুলা বিনোদনের একটি বড় মাধ্যম। আমি মজা করেই এই চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলাম। ব্রাজিল জিতেছে, তাই কথা অনুযায়ী মাথা ন্যাড়া করেছি। প্রতিশ্রুতি দিলে তা রাখতে হয়।”ঘটনার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়। স্থানীয়দের মতে, বিশ্বকাপকে ঘিরে এমন বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা ফুটবলপ্রেমকে আরও রঙিন করে তুলেছে।ফুটবল নিয়ে এমন মজার প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবায়ন এখন এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

আন্তর্জাতিক

গোলাবারুদ নয়, বিনিয়োগেই প্রভাব বাড়াল চীন

গোলাবারুদ নয়, বিনিয়োগেই প্রভাব বাড়াল চীন

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের নতুন সমীকরণের মধ্যে সবচেয়ে বড় কৌশলগত সুবিধাভোগী হিসেবে উঠে আসছে চীনের নাম। সামরিক সংঘাতে সরাসরি জড়িত না হয়েও কূটনীতি, বাণিজ্য এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের মাধ্যমে বেইজিং নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ নতুন করে আলোচনায় এনেছে চীনের ভূমিকা। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি করিডোর হিসেবে পরিচিত এই প্রণালি দিয়ে বৈশ্বিক তেল বাণিজ্যের বড় একটি অংশ পরিচালিত হয়। ফলে এখানে স্থিতিশীলতা ফিরে আসা চীনেরমতো বৃহৎ জ্বালানি আমদানিকারক দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বিশ্লেষকদের মতে, গত এক দশকে মধ্যপ্রাচ্যে চীনের কৌশল ছিল সামরিক প্রভাব বিস্তারের পরিবর্তে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা। ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগের আওতায় বন্দর, আরো পড়ুন , ভ্যান্সের সফর বাতিল, হচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকশিল্পাঞ্চল এবং লজিস্টিক অবকাঠামোয় বিপুল বিনিয়োগ করেছে দেশটি। একই সঙ্গে সৌদি আরব ও ইরানের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে আঞ্চলিক কূটনীতিতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে বেইজিং।অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক ও নিরাপত্তা ইস্যুকে অগ্রাধিকার দিলেও চীন গুরুত্ব দিয়েছে বাণিজ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তাকে। এর ফলে আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে তাদের অর্থনৈতিক নির্ভরতা ও প্রভাব ক্রমেই বেড়েছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরমুজ প্রণালিতে স্থিতিশীলতা ফিরে এলে জাহাজ চলাচল, বীমা ব্যয় এবং সরবরাহ ব্যবস্থার খরচ কমবে। এতে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাবে এশিয়ার উৎপাদন ও বাণিজ্যনির্ভর অর্থনীতিগুলো, যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে চীন।তবে পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করেন, মধ্যপ্রাচ্যের বাস্তবতা এখনও জটিল এবং যেকোনো সময় নতুন উত্তেজনা দেখা দিতে পারে। ফলে চীনকে ‘চূড়ান্ত বিজয়ী’ বলা এখনও সময়ের আগে হয়ে যাবে। তবুও এটা স্পষ্ট যে, কূটনীতি ও অর্থনৈতিক সংযোগকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে বেইজিং আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক রাজনীতিতে নিজের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে।

৩ ঘন্টা আগে

রাজধানী

আল-আমিনের শাহজাদপুর-মেরুলে হোটেল ব্যবসার আড়ালে কী চলছে?

আল-আমিনের শাহজাদপুর-মেরুলে হোটেল ব্যবসার আড়ালে কী চলছে?

রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে অসংখ্য আবাসিক হোটেল| স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব হোটেলের একটি অংশে ˆবধ আবাসন সেবার আড়ালে চলছে নানা ধরনের অনৈতিক ও অবৈধ কর্মকাণ্ড| বিশেষ করে বাড্ডা থানার মেরুল, শাহজাদপুর ও আশপাশের এলাকায় গড়ে ওঠা কয়েকটি আবাসিক হোটালকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে নানা অভিযোগ থাকলেও কার্যকর নজরদারি ও তদারকির অভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে|আরও পড়ুন: গুলশানে স্পা নেটওয়ার্কের নেপথ্যে কে এই নুর-ইসলাম?স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড্ডা থানাধীন মেরুল এলাকায় অবস্থিত হোটেল অরণ্য এবং শাহজাদপুর এলাকার সাউথ বাংলা হোটেল, গোল্ডেন ইনসহ আরও কয়েকটি আবাসিক হোটেলের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে| অভিযোগকারীদের দাবি, বাইরে থেকে সাধারণ আবাসিক হোটেল মনে হলেও ভেতরে ঘণ্টাভিত্তিক কক্ষ ভাড়া দিয়ে বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালিত হচ্ছে|এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, দিনের তুলনায় সন্ধ্যার পর এসব হোটেলে মানুষের আনাগোনা কয়েকগুণ বেড়ে যায়| অনেক ক্ষেত্রে অল্প সময়ের জন্য কক্ষ ভাড়া নেওয়া হয় এবং পরিচয় যাচাই ছাড়াই অতিথিদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে|আরও পড়ুন: উত্তরায় পুলিশের নাকের ডগায় গ্রান্ড প্লাজায় সোহেলের অসামাজিক কার্যক্রমএকজন স্থানীয় ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে দেখছি, কিছু হোটেলে রাতের বেলা সন্দেহজনক লোকজনের যাতায়াত বেড়ে যায়| অনেক সময় ¯^ামী-স্ত্রী পরিচয়ে তরুণ-তরুণীরা প্রবেশ করে আবার অল্প সময়ের মধ্যে বের হয়ে যায়| বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে| যে ধরনের কার্যক্রম হওয়ার কথা একটি আবাসিক হোটেলে, বাস্তবে তার চেয়ে ভিন্ন কিছু ঘটছে বলে আশপাশের মানুষ মনে করেন| প্রশাসনের নিয়মিত তদারকি থাকলে প্রকৃত অবস্থা বেরিয়ে আসবে|অভিযোগ রয়েছে, কিছু হোটেলকে কেন্দ্র করে একটি দালাল চক্র সক্রিয় রয়েছে| এই চক্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মোবাইল ফোন ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে গ্রাহক সংগ্রহ করে থাকে| পরে নির্দিষ্ট হোটেলে নিয়ে গিয়ে কক্ষ বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হয়| এই দালালদের মাধ্যমে অনেক সময় বাইরের এলাকা থেকে আগত ব্যক্তিদের সঙ্গে বিভিন্ন নারীর যোগাযোগ করিয়ে দেওয়া হয়| ফলে আবাসিক হোটেলগুলো ধীরে ধীরে অসামাজিক কর্মকাণ্ডের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা ˆতরি হয়েছে|আরও পড়ুন:  নদীতে নৌকায় বসে থাকা অবস্থায় বজ্রাঘাতহোটেল ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো অতিথিকে কক্ষ দেওয়ার আগে জাতীয় পরিচয়পত্র বা ˆবধ পরিচয়পত্র যাচাই করা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক| কিন্তু কয়েকটি হোটেলের বিরুদ্ধে এই নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ না করার অভিযোগ রয়েছে| অনেক ক্ষেত্রে ভুয়া পরিচয়ে কিংবা স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে কক্ষ ভাড়া নেওয়া হয়| এমনকি অতিথিদের প্রকৃত পরিচয় যাচাই ছাড়াই রুম বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে| এতে করে আবাসিক হোটেলগুলো কেন্দ্র করে যেকোন মুহুর্তে ঘটতে পারে বড় কোন দুর্ঘটনা এবং মব সৃষ্টির আসংখ্যাও রয়েছে| নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, পরিচয় যাচাই ছাড়া কক্ষ ভাড়া দেওয়া শুধু অনৈতিক কর্মকাণ্ডই নয়, বরং বিভিন্ন ধরনের অপরাধ সংঘটনের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়| মাদক লেনদেন, প্রতারণা, ব্ল্যাকমেইল কিংবা অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংঘটনের ক্ষেত্রেও এসব হোটেল ব্যবহার হতে পারে| ঘণ্টাভিত্তিক কক্ষ ভাড়া ও কথিত এসকর্ট সার্ভিসের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট একটি চক্র বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করছে| প্রতিদিন অসংখ্য গ্রাহকের যাতায়াতের ফলে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রাতারাতি আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে বলে স্থানীয়দের ধারণা|একজন সমাজকর্মী বলেন, যদি এসব অভিযোগ সত্য হয়, তাহলে এটি শুধু একটি সামাজিক সমস্যা নয়; বরং আইনশৃঙ্খলা ও ˆনতিকতার জন্যও বড় ধরনের হুমকি| দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র সামনে আনা প্রয়োজন|আরও পড়ুন:  সুন্দরগঞ্জের বাজারে ভয়াবহ আগুন, নিঃস্ব ব্যবসায়ীরাসামাজিক বিশ্লেষকদের মতে, আবাসিক হোটেলের আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হলে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে তরুণ সমাজের ওপর| সহজে অর্থ উপার্জনের লোভ, সামাজিক অবক্ষয় এবং অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধির পেছনে এসব কর্মকাণ্ড ভূমিকা রাখতে পারে| তাদের মতে, নগর জীবনের ব্যস্ততা ও গোপনীয়তার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একটি চক্র যদি অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে, তাহলে তা বন্ধে সম্নিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন| দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান পদক্ষেপ খুব একটা দেখা যায়নি| নিয়মিত অভিযান, লাইসেন্স যাচাই এবং অতিথি নিবন্ধন খাতা পর্যালোচনার মাধ্যমে প্রকৃত অবস্থা উদঘাটন সম্ভব বলে মনে করছেন তারা|এলাকাবাসীর প্রশ্ন, যদি সবকিছু নিয়ম মেনেই পরিচালিত হয়ে থাকে, তাহলে পরিচয় যাচাই ও নথিপত্র সংরক্ষণের বিষয়গুলো আরও কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে না কেন? তাদের মতে, নিয়মিত মনিটরিং থাকলে কোনো প্রতিষ্ঠানই আইন বহির্ভূত কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারবে না|অভিযোগের বিষয়ে হোটেল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে উল্লেখ করা আল-আমিনের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়| তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি| ফলে তার বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি| ভবিষ্যতে তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে|আরও পড়ুন:  টঙ্গী পশ্চিম থানার বিশেষ অভিযানে জালনোট চক্রের সদস্যসহ গ্রেফতার ১৩আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো আবাসিক হোটেল যদি লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করে পরিচালিত হয় অথবা অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে, তাহলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে| তাদের মতে, নিয়মিত তদারকি, সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ, অতিথি নিবন্ধন যাচাই এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হলে অনেক অনিয়ম প্রতিরোধ করা সম্ভব| স্থানীয় বাসিন্দারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সিটি করপোরেশনের প্রতি দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন| তারা বলছেন, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ অনুসন্ধান করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা প্রয়োজন| একই সঙ্গে অনুমোদনবিহীন আবাসিক হোটেল চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিয়মিত মনিটরিং নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা|আরও পড়ুন: কালিয়াকৈর চন্দ্রা মহাসড়কে হোটেলের আড়ালে নারী সিন্ডিকেটরাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা বাড্ডায় আবাসিক হোটেলকে ঘিরে ওঠা এসব অভিযোগ নতুন নয়| তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের| অন্যদিকে অভিযোগের মুখে থাকা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের বক্তব্যও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ| অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ এবং স্থানীয়দের উদ্বেগের মধ্যেই প্রশ্ন রয়ে গেছে বাড্ডার কিছু আবাসিক হোটেল কি শুধুই আবাসন সেবা দিচ্ছে, নাকি এর আড়ালে চলছে আরও কিছু? সেই উত্তর খুঁজতে প্রয়োজন নিরপেক্ষ তদন্ত, কঠোর নজরদারি এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ|

১ ঘন্টা আগে

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গণতন্ত্র যাত্রায় দেশর উন্নয়ন হবে কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খেলাধুলা

একই পরিবার, ভিন্ন জাতীয় দল

একই পরিবার, ভিন্ন জাতীয় দল

ফুটবলের বিশ্বমঞ্চে সাধারণত জাতীয় পতাকা, দেশপ্রেম আর জয়ের গল্পই বেশি শোনা যায়। তবে এবারের বিশ্বকাপে দেখা যাচ্ছে এক ভিন্ন বাস্তবতা। একই পরিবারের আপন ভাইরা খেলছেন ভিন্ন ভিন্ন দেশের হয়ে, যা তৈরি করেছে এক বিরল ও আবেগঘন অধ্যায়।সবচেয়ে আলোচিত ভ্রাতৃদ্বন্দ্বের একটি ডুয়ে পরিবারে। কাঙ্ক্ষিত প্রতিভাবানখেলছেন ফ্রান্সের হয়ে, আর তার বড় ভাইগুয়েলা ডুয়েপ্রতিনিধিত্ব করছেন আইভরি কোস্টকে। ফ্রান্সের অঁজে শহরে জন্ম নেওয়া এই দুই ভাই ক্লাব ফুটবলে পরিচিত মুখ হলেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেছে নিয়েছেন ভিন্ন পথ। ভাগ্য সহায় হলে নকআউট পর্বেই মুখোমুখি হতে পারেন তারা।আরেকটি আলোচিত জুটি উইলিয়ামস ভ্রাতৃদ্বয়।নিকো উইলিয়ামস খেলছেন স্পেনের হয়ে, অন্যদিকে বড় ভাই ইনাকি উইলিয়ামস প্রতিনিধিত্ব আরো পড়ুন , ইনজুরিতে শেষ ম্যাচেও নেই লিটন, ধবলধোলাই এড়ানোর মিশনে বাংলাদেশকরছেন ঘানাকে। একই পরিবার থেকে উঠে এসেও দুই ভাইয়ের জাতীয় দলের জার্সি আলাদা হওয়ায় তাদের সম্ভাব্য মুখোমুখি লড়াই নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ তুঙ্গে।অস্ট্রেলিয়া ও স্কটল্যান্ডের মধ্যেও রয়েছে এমন একটি গল্প। হ্যারি সাউটার খেলছেন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে, আর তার ভাই জন সাউটার স্কটল্যান্ডের জার্সিতে মাঠে নামছেন। এছাড়া ডেরিক লুকাসেন ও ব্রায়ান ব্রোবি-এর পরিবারেও দেখা যাচ্ছে একই চিত্র, যেখানে একজন ঘানার হয়ে এবং অন্যজন নেদারল্যান্ডসের হয়ে খেলছেন।বিশ্বকাপে ভাইয়ের বিপক্ষে ভাইয়ের লড়াই অবশ্য নতুন নয়। এর আগেজেরোম বোয়াটেং এবং কেভিন-প্রিন্স বোয়াটেং২০১০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। তবে এবারের আসরে এমন উদাহরণ আরও বেশি হওয়ায় বিষয়টি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।মাঠে তারা একে অপরের প্রতিপক্ষ হলেও পরিবারের বন্ধন অটুট। জাতীয় দলের প্রতি দায়বদ্ধতা ও জয়ের আকাঙ্ক্ষা তাদের মুখোমুখি দাঁড় করালেও রক্তের সম্পর্ক যে সব প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঊর্ধ্বে, সেটিই যেন নতুন করে মনে করিয়ে দিচ্ছে এবারের বিশ্বকাপ।

আইন আদালত

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

আজ ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে পঙ্গু করার অভিযোগে মামলার বিচার শুরু

যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে আটকের পর কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা সাজিয়ে গুলি ও নির্যাতনের মাধ্যমে পঙ্গু করার অভিযোগে দায়ের করা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার আজ শুরু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলাটির সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) ও সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।আরও পড়ুন, ‘আমি শুধু ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার’: আসামি সোহেলমামলাটি শুনানি করবেন মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। মামলার প্রধান আসামি আনিসুর রহমান-সহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম চলবে।প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর চৌগাছা উপজেলা শাখার তৎকালীন সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন এবং সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিন-কে একটি মামলায় আটক করে পুলিশ। অভিযোগে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারের পর তাদের আদালতে হাজির না করে কয়েকদিন নির্যাতন করা হয়।আরও পড়ুন, শিশু রামিসা হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি আজপ্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ একটি সাজানো ঘটনা তৈরি করে দুই নেতার পায়ে গুলি করা হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে চিকিৎসার একপর্যায়ে তাদের পা কেটে ফেলতে হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় আরও বলা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অস্ত্র মামলাটি পরবর্তীতে আদালতে ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়।এর আগে গত ২০ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। সে সময় আদালতে উপস্থিত আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। বর্তমানে অভিযুক্তদের মধ্যে আকিকুল ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান এবং জহরুল হক কারাগারে রয়েছেন।আরও পড়ুন, সাইপ্রাসে এস আলমের ভবন জব্দের নির্দেশঅন্যদিকে প্রধান আসামি আনিসুর রহমান, সাবেক ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল এবং এসআই মাজেদুল পলাতক রয়েছেন বলে ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানিয়েছে। উল্লেখ্য, মামলার অভিযোগগুলো প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত অভিযোগ। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের রায়ের মাধ্যমে অভিযুক্তদের দায়-দায়িত্ব চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

বিশেষ প্রতিবেদন

সকল জেলার খবর