সম্প্রতি “মাতামুহুরী রিজার্ভে বনদস্যুদের দৌরাত্ম্য, রহস্যজনক সহযোগিতার অভিযোগ!” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। উক্ত প্রতিবেদনে মাতামুহুরী রেঞ্জের বিট কর্মকর্তা তপন চন্দ্র দাস ও রফিকুল ইসলাম রফিকের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।
আরও পড়ুন: টোল আদায় ৩ কোটি ৮২ লাখ, তবু দুর্ভোগ কমেনি যাত্রীদের
সরজমিনে গিয়ে সামাজিক বনায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তপন চন্দ্র দাস দায়িত্ব গ্রহণের আগেই সংশ্লিষ্ট এলাকার কিছু গাছ নিধনের ঘটনা ঘটে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন জানান, বর্তমান বিট কর্মকর্তাকে জড়িয়ে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর।
আরও পড়ুন: চ্যাট না খুলেই জানা যাবে কে অনলাইনে আছে
প্রকৃতপক্ষে বনবিভাগের চলমান কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে স্থানীয়দের দাবি। অথচ মাতামুহুরী রেঞ্জে বন সংরক্ষণ ও সামাজিক বনায়ন রক্ষায় বনবিভাগ নিয়মিতভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: সমুদ্রের বুকে আটকে ঈদ কাটালেন ৩১ নাবিক
তাই তথ্য যাচাই ছাড়া এ ধরনের মানহানিকর সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। পাশাপাশি ভবিষ্যতে সঠিক তথ্য যাচাই করে দায়িত্বশীল সংবাদ প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মে ২০২৬
সম্প্রতি “মাতামুহুরী রিজার্ভে বনদস্যুদের দৌরাত্ম্য, রহস্যজনক সহযোগিতার অভিযোগ!” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। উক্ত প্রতিবেদনে মাতামুহুরী রেঞ্জের বিট কর্মকর্তা তপন চন্দ্র দাস ও রফিকুল ইসলাম রফিকের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।
আরও পড়ুন: টোল আদায় ৩ কোটি ৮২ লাখ, তবু দুর্ভোগ কমেনি যাত্রীদের
সরজমিনে গিয়ে সামাজিক বনায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তপন চন্দ্র দাস দায়িত্ব গ্রহণের আগেই সংশ্লিষ্ট এলাকার কিছু গাছ নিধনের ঘটনা ঘটে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন জানান, বর্তমান বিট কর্মকর্তাকে জড়িয়ে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর।
আরও পড়ুন: চ্যাট না খুলেই জানা যাবে কে অনলাইনে আছে
প্রকৃতপক্ষে বনবিভাগের চলমান কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে স্থানীয়দের দাবি। অথচ মাতামুহুরী রেঞ্জে বন সংরক্ষণ ও সামাজিক বনায়ন রক্ষায় বনবিভাগ নিয়মিতভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: সমুদ্রের বুকে আটকে ঈদ কাটালেন ৩১ নাবিক
তাই তথ্য যাচাই ছাড়া এ ধরনের মানহানিকর সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। পাশাপাশি ভবিষ্যতে সঠিক তথ্য যাচাই করে দায়িত্বশীল সংবাদ প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন