নদীভাঙনের তীব্র হুমকিতে রয়েছে একটি বিদ্যালয়। প্রতিদিন একটু একটু করে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বিদ্যালয়ের আশপাশের মাটি। এতে চরম আতঙ্কে রয়েছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। বিদ্যালয়টি রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয়রা।মানববন্ধনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী অংশ নেন। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন অব্যাহত থাকলেও ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে বিদ্যালয় ভবনসহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এখন বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়েছে।
আরও পড়ুন, নকল পণ্য উৎপাদন ও মাদকসেবনের দায়ে ৪ জনকে দণ্ড, জরিমানা ৫০ হাজার ৩০০ টাকা
বক্তারা বলেন, নদীর ভাঙন যেভাবে এগিয়ে আসছে, তাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে যেকোনো সময় বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। এতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি শত শত পরিবারের ভবিষ্যৎও অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে।শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, বিদ্যালয়টি শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, এটি এলাকার শিশুদের শিক্ষার প্রধান আশ্রয়। ভাঙনের কারণে প্রতিদিন বিদ্যালয়ে আসতেও তাদের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করছে।মানববন্ধন থেকে নদীভাঙন রোধে দ্রুত জিওব্যাগ ফেলা, প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ এবং প্রয়োজনীয় স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেবে। তাদের প্রশ্ন—প্রতিরোধের ব্যবস্থা কি নেওয়া হবে বিদ্যালয়টি হারিয়ে যাওয়ার পর, নাকি তার আগেই
বিষয় : মানববন্ধন নদীভাঙন তীব্র হুমকি

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
নদীভাঙনের তীব্র হুমকিতে রয়েছে একটি বিদ্যালয়। প্রতিদিন একটু একটু করে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বিদ্যালয়ের আশপাশের মাটি। এতে চরম আতঙ্কে রয়েছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। বিদ্যালয়টি রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয়রা।মানববন্ধনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী অংশ নেন। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন অব্যাহত থাকলেও ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে বিদ্যালয় ভবনসহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এখন বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়েছে।
আরও পড়ুন, নকল পণ্য উৎপাদন ও মাদকসেবনের দায়ে ৪ জনকে দণ্ড, জরিমানা ৫০ হাজার ৩০০ টাকা
বক্তারা বলেন, নদীর ভাঙন যেভাবে এগিয়ে আসছে, তাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে যেকোনো সময় বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। এতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি শত শত পরিবারের ভবিষ্যৎও অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে।শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, বিদ্যালয়টি শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, এটি এলাকার শিশুদের শিক্ষার প্রধান আশ্রয়। ভাঙনের কারণে প্রতিদিন বিদ্যালয়ে আসতেও তাদের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করছে।মানববন্ধন থেকে নদীভাঙন রোধে দ্রুত জিওব্যাগ ফেলা, প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ এবং প্রয়োজনীয় স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেবে। তাদের প্রশ্ন—প্রতিরোধের ব্যবস্থা কি নেওয়া হবে বিদ্যালয়টি হারিয়ে যাওয়ার পর, নাকি তার আগেই

আপনার মতামত লিখুন