গাজীপুর কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর এলাকায় অবস্থিত আনন্দ পার্ক এন্ড রিসোর্ট। দীর্ঘ বছর যাবত প্রতিষ্ঠানটি দাঁড়িয়ে আছে মজবুত ভিত্তিতে। রাজনৈতিক উত্থান পতন স্থানীয় সমস্যা সবকিছু উপেক্ষা করে দূরদূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীদের আগমনে মুখরিত হয়েছে আনন্দ পার্ক।সরেজমিনে দেখা যায়, নানান ফুলের বাগান, বাচ্চাদের জন্য বিভিন্ন খেলনা, ইত্যাদিতে ভরেছে পার্কের জায়গা। এমনকি রয়েছে শুটিং স্পট। হচ্ছে নানান গান ও নাটকের শুটিং। আশেপাশে অন্যান্য রিসোর্ট এর চাইতে টিকিটের দামও অনেক সাশ্রয়ে।পরিবার নিয়ে বিনোদনের উত্তম জায়গা বলে বিবেচিত হয়েছে।
আরও পড়ুন , গাজীপুরে মাদকের ভয়াল বিস্তার: পোড়া টাকাই যেন বাস্তবতার নীরব সাক্ষী
স্থানীয় শফিকুল বলেন,আরো ৮-১০ বছর আগে থেকেই আনন্দ পার্ক ও রিসোর্ট এখানে চলছে। বিগত দিনের চাইতে এখন তাদের কার্যক্রম খুবই সাবলীল। নেই অনৈতিক কোন কার্যকলাপ। ছোট বড় সকলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানের এই ধারা অব্যাহত থাকলে আনন্দ রিসোর্টের সফলতা খুব কাছাকাছি।রিসোর্টের ম্যানেজার ফজলু বলেন, বিগত দিনের মতো এখন আর রিসোর্ট নেই। এখন অনেক পরিবর্তন। সরকারের আইন নীতিমালার মধ্যে থেকে রিসোর্ট পরিচালনা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন প্রশাসনিক, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যম কর্মীগণ রিসোর্টে পরিদর্শন করেছেন। আমরা সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করছি গ্রাহকের মন রক্ষার্থে। এর জন্য সকলের কাছে আমরা সহযোগিতা কামনা করি।
বিষয় : দর্শনার্থী আনন্দ পার্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
গাজীপুর কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর এলাকায় অবস্থিত আনন্দ পার্ক এন্ড রিসোর্ট। দীর্ঘ বছর যাবত প্রতিষ্ঠানটি দাঁড়িয়ে আছে মজবুত ভিত্তিতে। রাজনৈতিক উত্থান পতন স্থানীয় সমস্যা সবকিছু উপেক্ষা করে দূরদূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীদের আগমনে মুখরিত হয়েছে আনন্দ পার্ক।সরেজমিনে দেখা যায়, নানান ফুলের বাগান, বাচ্চাদের জন্য বিভিন্ন খেলনা, ইত্যাদিতে ভরেছে পার্কের জায়গা। এমনকি রয়েছে শুটিং স্পট। হচ্ছে নানান গান ও নাটকের শুটিং। আশেপাশে অন্যান্য রিসোর্ট এর চাইতে টিকিটের দামও অনেক সাশ্রয়ে।পরিবার নিয়ে বিনোদনের উত্তম জায়গা বলে বিবেচিত হয়েছে।
আরও পড়ুন , গাজীপুরে মাদকের ভয়াল বিস্তার: পোড়া টাকাই যেন বাস্তবতার নীরব সাক্ষী
স্থানীয় শফিকুল বলেন,আরো ৮-১০ বছর আগে থেকেই আনন্দ পার্ক ও রিসোর্ট এখানে চলছে। বিগত দিনের চাইতে এখন তাদের কার্যক্রম খুবই সাবলীল। নেই অনৈতিক কোন কার্যকলাপ। ছোট বড় সকলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানের এই ধারা অব্যাহত থাকলে আনন্দ রিসোর্টের সফলতা খুব কাছাকাছি।রিসোর্টের ম্যানেজার ফজলু বলেন, বিগত দিনের মতো এখন আর রিসোর্ট নেই। এখন অনেক পরিবর্তন। সরকারের আইন নীতিমালার মধ্যে থেকে রিসোর্ট পরিচালনা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন প্রশাসনিক, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যম কর্মীগণ রিসোর্টে পরিদর্শন করেছেন। আমরা সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করছি গ্রাহকের মন রক্ষার্থে। এর জন্য সকলের কাছে আমরা সহযোগিতা কামনা করি।

আপনার মতামত লিখুন