গাজীপুরে মাদকের বিস্তার নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগ দিন দিন বাড়ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অভিযান ও গ্রেফতারের ঘটনা ঘটলেও মাদকের ভয়াবহতা কমছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। অনেকের মতে, গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় মাদকের প্রভাব এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এর প্রতিফলন এখন দৈনন্দিন জীবনযাত্রার নানা দিকেই দৃশ্যমান।স্থানীয়দের দাবি, বাজারে প্রচলিত অনেক কাগুজে টাকার চারপাশে পোড়া দাগ দেখা যায়।তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু মাদকসেবী ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক গ্রহণের সময় কাগুজে টাকা ব্যবহার করে থাকে, যার ফলে টাকায় পোড়া দাগ সৃষ্টি হয়। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান বা নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি, তবুও বিষয়টি নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ রয়েছে।সচেতন মহলের মতে, মাদকের কারণে তরুণ সমাজ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
আরও পড়ুন, পানের পিক নিয়ে তর্ক, হাতুড়ির আঘাতে প্রাণ গেল হোটেলকর্মীর
পরিবারে অশান্তি, চুরি-ছিনতাই, সামাজিক অস্থিরতা এবং অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধির পেছনেও মাদকের প্রভাব রয়েছে বলে তারা মনে করেন। ফলে অনেকেই গাজীপুরে মাদকের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।নাগরিকদের প্রশ্ন, নিয়মিত অভিযান ও গ্রেফতারের পরও কেন মাদকের বিস্তার রোধ করা যাচ্ছে না? মাদক ব্যবসার মূল হোতাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।গাজীপুরবাসীর প্রত্যাশা, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, জনপ্রতিনিধি এবং সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে মুক্ত হবে শিল্পনগরী গাজীপুর এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত হবে
বিষয় : মাদকদ্রব্য নীরব সাক্ষী ঘটলে

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
গাজীপুরে মাদকের বিস্তার নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগ দিন দিন বাড়ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অভিযান ও গ্রেফতারের ঘটনা ঘটলেও মাদকের ভয়াবহতা কমছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। অনেকের মতে, গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় মাদকের প্রভাব এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এর প্রতিফলন এখন দৈনন্দিন জীবনযাত্রার নানা দিকেই দৃশ্যমান।স্থানীয়দের দাবি, বাজারে প্রচলিত অনেক কাগুজে টাকার চারপাশে পোড়া দাগ দেখা যায়।তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু মাদকসেবী ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক গ্রহণের সময় কাগুজে টাকা ব্যবহার করে থাকে, যার ফলে টাকায় পোড়া দাগ সৃষ্টি হয়। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান বা নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি, তবুও বিষয়টি নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ রয়েছে।সচেতন মহলের মতে, মাদকের কারণে তরুণ সমাজ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
আরও পড়ুন, পানের পিক নিয়ে তর্ক, হাতুড়ির আঘাতে প্রাণ গেল হোটেলকর্মীর
পরিবারে অশান্তি, চুরি-ছিনতাই, সামাজিক অস্থিরতা এবং অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধির পেছনেও মাদকের প্রভাব রয়েছে বলে তারা মনে করেন। ফলে অনেকেই গাজীপুরে মাদকের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।নাগরিকদের প্রশ্ন, নিয়মিত অভিযান ও গ্রেফতারের পরও কেন মাদকের বিস্তার রোধ করা যাচ্ছে না? মাদক ব্যবসার মূল হোতাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।গাজীপুরবাসীর প্রত্যাশা, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, জনপ্রতিনিধি এবং সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে মুক্ত হবে শিল্পনগরী গাজীপুর এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত হবে

আপনার মতামত লিখুন