দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

চুক্তির ভাষা এমন কেন উভয় পক্ষকেই ‘বিজয়ী’ দেখানোর ব্যাখ্যা

চুক্তির ভাষা এমন কেন উভয় পক্ষকেই ‘বিজয়ী’ দেখানোর ব্যাখ্যা
উভয় দেশ জানিয়েছে

দীর্ঘ তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা উত্তেজনা ও সংঘাতের পর অবশেষে একটি অন্তর্বর্তী শান্তি সমঝোতায় পৌঁছেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। উভয় দেশ জানিয়েছে, গত ১৪ জুন চূড়ান্ত সমঝোতা সম্পন্ন হয়েছে এবং আগামী ১৯ জুন সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের মাধ্যমে এটি কার্যকর হবে।তবে বহুল আলোচিত এই চুক্তির খসড়া ভাষা নিয়েই নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তির শব্দচয়ন এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয়ই নিজ নিজ জনগণের কাছে এটিকে কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে তুলে ধরতে পারে।কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ এসলামী বলেন, যদি চুক্তির ভাষা অত্যন্ত কঠোর এবং একক ব্যাখ্যাযোগ্য হতো, তাহলে কোনো 

আরো পড়ুন , ইরান ইস্যুতে উত্তেজনা কমার আভাস, সরছে মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান

পক্ষই সমঝোতায় পৌঁছাতে পারতো না।বিশেষজ্ঞদের মতে, লেবাননের পরিস্থিতি, ইরানের জব্দকৃত সম্পদের ভবিষ্যৎ এবং হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণসহ বেশ কয়েকটি স্পর্শকাতর বিষয় ইচ্ছাকৃতভাবে অস্পষ্ট রাখা হয়েছে। এসব বিষয় পরবর্তী ধাপে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের জন্য খোলা রাখা হয়েছে।অধ্যাপক এসলামী সতর্ক করে বলেন, এই সমঝোতাকে চূড়ান্ত সমাধান মনে করার সুযোগ নেই। বরং আগামী ৩০ থেকে ৬০ দিন হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। কারণ মূল বিরোধপূর্ণ ইস্যুগুলোতে সমাধান না এলে বর্তমান সমঝোতা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম।বিশ্লেষকদের ধারণা, বর্তমান চুক্তি মূলত একটি রাজনৈতিক বিরতি বা সময় কেনার কৌশল, যার মাধ্যমে বড় ধরনের সংঘাত এড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যৎ আলোচনার পথ উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

বিষয় : দীর্ঘ তিন মাসেরও বেশি সংঘাতের পর

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬


চুক্তির ভাষা এমন কেন উভয় পক্ষকেই ‘বিজয়ী’ দেখানোর ব্যাখ্যা

প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬

featured Image

দীর্ঘ তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা উত্তেজনা ও সংঘাতের পর অবশেষে একটি অন্তর্বর্তী শান্তি সমঝোতায় পৌঁছেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। উভয় দেশ জানিয়েছে, গত ১৪ জুন চূড়ান্ত সমঝোতা সম্পন্ন হয়েছে এবং আগামী ১৯ জুন সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের মাধ্যমে এটি কার্যকর হবে।তবে বহুল আলোচিত এই চুক্তির খসড়া ভাষা নিয়েই নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তির শব্দচয়ন এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয়ই নিজ নিজ জনগণের কাছে এটিকে কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে তুলে ধরতে পারে।কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ এসলামী বলেন, যদি চুক্তির ভাষা অত্যন্ত কঠোর এবং একক ব্যাখ্যাযোগ্য হতো, তাহলে কোনো 

আরো পড়ুন , ইরান ইস্যুতে উত্তেজনা কমার আভাস, সরছে মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান

পক্ষই সমঝোতায় পৌঁছাতে পারতো না।বিশেষজ্ঞদের মতে, লেবাননের পরিস্থিতি, ইরানের জব্দকৃত সম্পদের ভবিষ্যৎ এবং হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণসহ বেশ কয়েকটি স্পর্শকাতর বিষয় ইচ্ছাকৃতভাবে অস্পষ্ট রাখা হয়েছে। এসব বিষয় পরবর্তী ধাপে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের জন্য খোলা রাখা হয়েছে।অধ্যাপক এসলামী সতর্ক করে বলেন, এই সমঝোতাকে চূড়ান্ত সমাধান মনে করার সুযোগ নেই। বরং আগামী ৩০ থেকে ৬০ দিন হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। কারণ মূল বিরোধপূর্ণ ইস্যুগুলোতে সমাধান না এলে বর্তমান সমঝোতা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম।বিশ্লেষকদের ধারণা, বর্তমান চুক্তি মূলত একটি রাজনৈতিক বিরতি বা সময় কেনার কৌশল, যার মাধ্যমে বড় ধরনের সংঘাত এড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যৎ আলোচনার পথ উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত