শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ ছেলে মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বনানী কবরস্থানে তার কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।কবর জিয়ারত শেষে রিজভী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন এবং তিনি ছিলেন একজন বরেণ্য মুক্তিযোদ্ধা। তার দাবি, মুক্তিযুদ্ধের এই পরিবারকে ধ্বংস করতে শেখ হাসিনা এমন কোনো কাজ নেই যা করেননি।রিজভী অভিযোগ করেন, জিয়াউর রহমানের পরিবারকে রাজনৈতিকভাবে পর্যুদস্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ড, অপপ্রচার ও মিথ্যাচার করা হয়েছে।আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুর প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশের মধ্যেই কোকো পৃথিবী থেকে চলে যান।
আরও পড়ুন. সৌদিতে নিহত নলডাঙ্গার ৩ প্রবাসীর পরিবারের পাশে জামায়াত
হৃদরোগে আক্রান্ত কোকোর মৃত্যুকে ঘিরে বেগম খালেদা জিয়ার কষ্টের কথাও তুলে ধরেন তিনি।রিজভী বলেন, বালুর ট্রাক দিয়ে বন্দী করে রাখা খালেদা জিয়ার কোলে সন্তানের লাশ দেওয়ার ঘটনা ছিল অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও মর্মান্তিক। তার ভাষায়, এটি ছিল একজন শাসকের প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ।তিনি আরও অভিযোগ করেন, জিয়া পরিবারের জনপ্রিয়তা মুছে দিতে শেখ হাসিনা বিভিন্ন কৌশল নিয়েছেন। অপপ্রচার ও মিথ্যাচারের মাধ্যমে পরিবারটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।বিএনপির এই নেতা বলেন, জনগণের ধাওয়ায় শেখ হাসিনাকে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে। আর শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ সন্তান তারেক রহমান বর্তমানে জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বিষয় : অভিযোগ বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ ছেলে মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বনানী কবরস্থানে তার কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।কবর জিয়ারত শেষে রিজভী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন এবং তিনি ছিলেন একজন বরেণ্য মুক্তিযোদ্ধা। তার দাবি, মুক্তিযুদ্ধের এই পরিবারকে ধ্বংস করতে শেখ হাসিনা এমন কোনো কাজ নেই যা করেননি।রিজভী অভিযোগ করেন, জিয়াউর রহমানের পরিবারকে রাজনৈতিকভাবে পর্যুদস্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ড, অপপ্রচার ও মিথ্যাচার করা হয়েছে।আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুর প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশের মধ্যেই কোকো পৃথিবী থেকে চলে যান।
আরও পড়ুন. সৌদিতে নিহত নলডাঙ্গার ৩ প্রবাসীর পরিবারের পাশে জামায়াত
হৃদরোগে আক্রান্ত কোকোর মৃত্যুকে ঘিরে বেগম খালেদা জিয়ার কষ্টের কথাও তুলে ধরেন তিনি।রিজভী বলেন, বালুর ট্রাক দিয়ে বন্দী করে রাখা খালেদা জিয়ার কোলে সন্তানের লাশ দেওয়ার ঘটনা ছিল অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও মর্মান্তিক। তার ভাষায়, এটি ছিল একজন শাসকের প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ।তিনি আরও অভিযোগ করেন, জিয়া পরিবারের জনপ্রিয়তা মুছে দিতে শেখ হাসিনা বিভিন্ন কৌশল নিয়েছেন। অপপ্রচার ও মিথ্যাচারের মাধ্যমে পরিবারটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।বিএনপির এই নেতা বলেন, জনগণের ধাওয়ায় শেখ হাসিনাকে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে। আর শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ সন্তান তারেক রহমান বর্তমানে জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আপনার মতামত লিখুন