এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। ২০২৬ সালের ফলাফলে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এবার কমেছে পাসের হার এবং জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা।এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার কমেছে ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ।একই সঙ্গে কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যাও। এবার সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন।
আরও পড়ুন.শিশু রামিসা ধর্ষণ হত্যা মামলা হাইকোর্টে শুনানি শুরু শিগগিরই
গত বছর এ সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ১৮ জন। অর্থাৎ এবার জিপিএ-৫ কমেছে ১৯ হাজার ৯ জন।ফলাফলের আরেকটি উদ্বেগজনক দিক হলো শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠান বেড়ে যাওয়া। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। গত বছর এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১৩৪টি। অর্থাৎ এক বছরে শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠান বেড়েছে ১৭৮টি।তবে এবার ৬৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে।কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৯৫১ জন। অন্যদিকে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৭১৬ জন।এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল এবং শেষ হয় ২০ মে।নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ পর ফল প্রকাশ হলেও ফলাফলের সামগ্রিক চিত্রে পাসের হার ও জিপিএ-৫—দুই সূচকেই নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।
বিষয় : এসএসসি পাসের হার ৬২.২৫%

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। ২০২৬ সালের ফলাফলে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এবার কমেছে পাসের হার এবং জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা।এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার কমেছে ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ।একই সঙ্গে কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যাও। এবার সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন।
আরও পড়ুন.শিশু রামিসা ধর্ষণ হত্যা মামলা হাইকোর্টে শুনানি শুরু শিগগিরই
গত বছর এ সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ১৮ জন। অর্থাৎ এবার জিপিএ-৫ কমেছে ১৯ হাজার ৯ জন।ফলাফলের আরেকটি উদ্বেগজনক দিক হলো শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠান বেড়ে যাওয়া। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। গত বছর এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১৩৪টি। অর্থাৎ এক বছরে শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠান বেড়েছে ১৭৮টি।তবে এবার ৬৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে।কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৯৫১ জন। অন্যদিকে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৭১৬ জন।এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল এবং শেষ হয় ২০ মে।নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ পর ফল প্রকাশ হলেও ফলাফলের সামগ্রিক চিত্রে পাসের হার ও জিপিএ-৫—দুই সূচকেই নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন