তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলীয় মানিসা প্রদেশে খনি ধসে আটকা পড়া আরও তিন শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) ভোরে তাদের মরদেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে এ দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে পাঁচজনে দাঁড়িয়েছে। উদ্ধার অভিযানও শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় গভর্নরের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ইজমির শহর থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে মানিসা প্রদেশের সোমা জেলায় একটি খনিতে ধসের ঘটনা ঘটে। এ সময় খনির ভেতরে সাতজন শ্রমিক আটকা পড়েন। দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু করেন কর্মীরা। প্রথম পর্যায়ে দুই শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন,তুরস্কে গোপনে সিরিয়া সরকার ও হিজবুল্লাহর বৈঠক
একই সময় আরও দুজন শ্রমিককে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে খনির ভেতরে আরও তিন শ্রমিক আটকা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। শুক্রবার ভোরে তাদের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকর্মীরা। পাঁচ শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তবে খনিধসের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, তুরস্কের সোমা এলাকায় ২০১৪ সালেও ভয়াবহ খনি দুর্ঘটনা ঘটেছিল। ওই ঘটনায় খনির ভেতরে আগুন লাগার পর কার্বন মনোক্সাইড বিষক্রিয়ায় ৩০১ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়। এটি তুরস্কের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী খনি দুর্ঘটনা হিসেবে পরিচিত।

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলীয় মানিসা প্রদেশে খনি ধসে আটকা পড়া আরও তিন শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) ভোরে তাদের মরদেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে এ দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে পাঁচজনে দাঁড়িয়েছে। উদ্ধার অভিযানও শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় গভর্নরের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ইজমির শহর থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে মানিসা প্রদেশের সোমা জেলায় একটি খনিতে ধসের ঘটনা ঘটে। এ সময় খনির ভেতরে সাতজন শ্রমিক আটকা পড়েন। দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু করেন কর্মীরা। প্রথম পর্যায়ে দুই শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন,তুরস্কে গোপনে সিরিয়া সরকার ও হিজবুল্লাহর বৈঠক
একই সময় আরও দুজন শ্রমিককে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে খনির ভেতরে আরও তিন শ্রমিক আটকা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। শুক্রবার ভোরে তাদের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকর্মীরা। পাঁচ শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তবে খনিধসের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, তুরস্কের সোমা এলাকায় ২০১৪ সালেও ভয়াবহ খনি দুর্ঘটনা ঘটেছিল। ওই ঘটনায় খনির ভেতরে আগুন লাগার পর কার্বন মনোক্সাইড বিষক্রিয়ায় ৩০১ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়। এটি তুরস্কের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী খনি দুর্ঘটনা হিসেবে পরিচিত।

আপনার মতামত লিখুন