ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণে কেউ দুর্নীতি করলে আইনজীবী হিসেবে নিজেই বাদী হয়ে মামলা করার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। বৃহস্পতিবার দুপুরে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার বলেন, তার নির্বাচনী প্রধান ওয়াদা ছিল ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড নিয়ে কেউ দুর্নীতি করলে তিনি নিজেই বাদী হয়ে মামলা করবেন। তিনি সেই ওয়াদা রক্ষা করবেন। তবে এমন পরিস্থিতি তিনি চান না। তাই মাঠকর্মীদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে প্রকৃত তথ্য সংগ্রহের আহ্বান জানান। তথ্য সংগ্রহকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দল-মত ধর্ম-বর্ণ ও শ্রেণির ঊর্ধ্বে উঠে প্রকৃত হকদারদের খুঁজে বের করতে হবে। তালিকা তৈরির কাজ একেবারে সর্বনিম্ন পর্যায় থেকে শুরু করতে হবে। দুর্গাপুরের কোনো দরিদ্র মানুষ যেন এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
আরও পড়ুন,জামায়াতের রাজনৈতিক বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রাশেদ খান
ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, অতীতে তালিকা তৈরিতে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ ছিল। সচ্ছল ও ভবন মালিকদেরও ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এসব অনিয়ম থেকে বেরিয়ে এসে স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চান তারা। তিনি সতর্ক করে বলেন, অনিয়ম বা ঘুষের অভিযোগ পাওয়া গেলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। সরাসরি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সভায় জানানো হয়, দুর্গাপুর উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের শুমারি ও তথ্য সংগ্রহের কাজে ১০৭ জন মাঠকর্মী দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের মধ্যে ৯৭ জন তথ্য সংগ্রহকারী এবং ১০ জন সুপারভাইজার। মাঠপর্যায়ে কোনো সমস্যা হলে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ও ইউএনওর সঙ্গে যোগাযোগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিষয় : দুর্নীতি মামলা ফ্যামিলি কার্ড

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণে কেউ দুর্নীতি করলে আইনজীবী হিসেবে নিজেই বাদী হয়ে মামলা করার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। বৃহস্পতিবার দুপুরে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার বলেন, তার নির্বাচনী প্রধান ওয়াদা ছিল ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড নিয়ে কেউ দুর্নীতি করলে তিনি নিজেই বাদী হয়ে মামলা করবেন। তিনি সেই ওয়াদা রক্ষা করবেন। তবে এমন পরিস্থিতি তিনি চান না। তাই মাঠকর্মীদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে প্রকৃত তথ্য সংগ্রহের আহ্বান জানান। তথ্য সংগ্রহকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দল-মত ধর্ম-বর্ণ ও শ্রেণির ঊর্ধ্বে উঠে প্রকৃত হকদারদের খুঁজে বের করতে হবে। তালিকা তৈরির কাজ একেবারে সর্বনিম্ন পর্যায় থেকে শুরু করতে হবে। দুর্গাপুরের কোনো দরিদ্র মানুষ যেন এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
আরও পড়ুন,জামায়াতের রাজনৈতিক বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রাশেদ খান
ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, অতীতে তালিকা তৈরিতে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ ছিল। সচ্ছল ও ভবন মালিকদেরও ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এসব অনিয়ম থেকে বেরিয়ে এসে স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চান তারা। তিনি সতর্ক করে বলেন, অনিয়ম বা ঘুষের অভিযোগ পাওয়া গেলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। সরাসরি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সভায় জানানো হয়, দুর্গাপুর উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের শুমারি ও তথ্য সংগ্রহের কাজে ১০৭ জন মাঠকর্মী দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের মধ্যে ৯৭ জন তথ্য সংগ্রহকারী এবং ১০ জন সুপারভাইজার। মাঠপর্যায়ে কোনো সমস্যা হলে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ও ইউএনওর সঙ্গে যোগাযোগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন