বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য, সাবেক মন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ভূ-বিজ্ঞানী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ৮১তম জন্মদিন আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর)। ১৯৪৬ সালের এই দিনে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গয়েশপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।দীর্ঘ কর্মজীবনে শিক্ষকতা, গবেষণা, রাজনীতি ও লেখালেখিতে যুক্ত ছিলেন ড. মোশাররফ। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি যুক্তরাজ্যে যান এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় ও ইম্পেরিয়াল কলেজে পড়াশোনা করেন। ভূ-বিজ্ঞানে গবেষণার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন বিষয়ে গ্রন্থ ও কলাম লিখেছেন।১৯৭৯ সালে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পর দলটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ১৯৯৪ সাল থেকে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ; স্বরাষ্ট্র এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত বাঙালিদের সংগঠিত করা এবং বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত গঠনে ভূমিকা রাখার কথাও তাঁর জীবনীতে উল্লেখ রয়েছে।
আরও পড়ুন, অপরাধী যে-ই হোক, কোনো রাজনৈতিক ছাড় নেই: মাহ্দী আমিন
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সরকারি গেজেটভুক্ত হয়েছেন।শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নেও তাঁর নামে বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করা হয়। তাঁর নিজ এলাকা দাউদকান্দি ও আশপাশের অঞ্চলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা, সড়ক, সেতু ও অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়নে তাঁর ভূমিকার দাবি করা হয়েছে।মৎস্য খাতেও ড. মোশাররফের গবেষণার অবদান রয়েছে। ‘প্লাবন ভূমিতে মৎস্য চাষ পদ্ধতি’ নিয়ে তাঁর কাজের জন্য তিনি জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার পেয়েছেন। ২০০৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সম্মেলনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং তামাক নিয়ন্ত্রণে ভূমিকার জন্য ২০০৪ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘ওয়ার্ল্ড নো টোব্যাকো অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেন বলে বিভিন্ন জীবনীমূলক প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।রাজনীতির পাশাপাশি তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য। মুক্তিযুদ্ধ, রাজনীতি, সমকালীন বাংলাদেশ, জরুরি আইন ও ব্যক্তিগত স্মৃতিকে কেন্দ্র করে তাঁর একাধিক বই প্রকাশিত হয়েছে।জন্মদিন উপলক্ষে এক প্রতিক্রিয়ায় ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন এবং সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। তাঁর ৮১তম জন্মদিনে দলীয় নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
বিষয় : বীর মুক্তিযোদ্ধা ৮১তম মোশাররফ হোসেন

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য, সাবেক মন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ভূ-বিজ্ঞানী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ৮১তম জন্মদিন আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর)। ১৯৪৬ সালের এই দিনে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গয়েশপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।দীর্ঘ কর্মজীবনে শিক্ষকতা, গবেষণা, রাজনীতি ও লেখালেখিতে যুক্ত ছিলেন ড. মোশাররফ। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি যুক্তরাজ্যে যান এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় ও ইম্পেরিয়াল কলেজে পড়াশোনা করেন। ভূ-বিজ্ঞানে গবেষণার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন বিষয়ে গ্রন্থ ও কলাম লিখেছেন।১৯৭৯ সালে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পর দলটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ১৯৯৪ সাল থেকে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ; স্বরাষ্ট্র এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত বাঙালিদের সংগঠিত করা এবং বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত গঠনে ভূমিকা রাখার কথাও তাঁর জীবনীতে উল্লেখ রয়েছে।
আরও পড়ুন, অপরাধী যে-ই হোক, কোনো রাজনৈতিক ছাড় নেই: মাহ্দী আমিন
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সরকারি গেজেটভুক্ত হয়েছেন।শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নেও তাঁর নামে বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করা হয়। তাঁর নিজ এলাকা দাউদকান্দি ও আশপাশের অঞ্চলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা, সড়ক, সেতু ও অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়নে তাঁর ভূমিকার দাবি করা হয়েছে।মৎস্য খাতেও ড. মোশাররফের গবেষণার অবদান রয়েছে। ‘প্লাবন ভূমিতে মৎস্য চাষ পদ্ধতি’ নিয়ে তাঁর কাজের জন্য তিনি জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার পেয়েছেন। ২০০৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সম্মেলনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং তামাক নিয়ন্ত্রণে ভূমিকার জন্য ২০০৪ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘ওয়ার্ল্ড নো টোব্যাকো অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেন বলে বিভিন্ন জীবনীমূলক প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।রাজনীতির পাশাপাশি তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য। মুক্তিযুদ্ধ, রাজনীতি, সমকালীন বাংলাদেশ, জরুরি আইন ও ব্যক্তিগত স্মৃতিকে কেন্দ্র করে তাঁর একাধিক বই প্রকাশিত হয়েছে।জন্মদিন উপলক্ষে এক প্রতিক্রিয়ায় ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন এবং সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। তাঁর ৮১তম জন্মদিনে দলীয় নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন