দেশের দরিদ্র মানুষের জন্য সরকারের বহুল আলোচিত ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি আগামী ১৬ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হচ্ছে। প্রথম ধাপে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।এর আগে গত ১০ মার্চ দিনাজপুর থেকে এই কর্মসূচির পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছিল। পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে ইতিবাচক ফল পাওয়ার পর এবার সারাদেশে পর্যায়ক্রমে কর্মসূচি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী চার বছরের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে।
আরও পড়ুন, তিন দশকের বেশি সময় পর ফিরছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ২০ আগস্ট সংসদে ভোট
তবে তথ্য সংগ্রহ ও মূল্যায়নের ভিত্তিতে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো প্রকৃত দরিদ্র পরিবারকে সঠিকভাবে শনাক্ত করে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পদ্ধতিতে সামাজিক নিরাপত্তা সহায়তা পৌঁছে দেওয়া।জানা গেছে, ইউনিয়ন পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ের দায়িত্বে থাকবেন প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তারা। উপজেলা পর্যায়ে ইউএনওর নেতৃত্বে, জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে এবং বিভাগীয় পর্যায়ে বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে পৃথক কমিটি কাজ করবে।সরকারের আশা, অক্টোবরের শেষ নাগাদ দেশের সব উপজেলা ও ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির কার্যক্রম শুরু হবে।
বিষয় : কর্মসূচি ফ্যামিলি কার্ড পর্যায়ক্রমে

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
দেশের দরিদ্র মানুষের জন্য সরকারের বহুল আলোচিত ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি আগামী ১৬ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হচ্ছে। প্রথম ধাপে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।এর আগে গত ১০ মার্চ দিনাজপুর থেকে এই কর্মসূচির পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছিল। পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে ইতিবাচক ফল পাওয়ার পর এবার সারাদেশে পর্যায়ক্রমে কর্মসূচি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী চার বছরের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে।
আরও পড়ুন, তিন দশকের বেশি সময় পর ফিরছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ২০ আগস্ট সংসদে ভোট
তবে তথ্য সংগ্রহ ও মূল্যায়নের ভিত্তিতে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো প্রকৃত দরিদ্র পরিবারকে সঠিকভাবে শনাক্ত করে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পদ্ধতিতে সামাজিক নিরাপত্তা সহায়তা পৌঁছে দেওয়া।জানা গেছে, ইউনিয়ন পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ের দায়িত্বে থাকবেন প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তারা। উপজেলা পর্যায়ে ইউএনওর নেতৃত্বে, জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে এবং বিভাগীয় পর্যায়ে বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে পৃথক কমিটি কাজ করবে।সরকারের আশা, অক্টোবরের শেষ নাগাদ দেশের সব উপজেলা ও ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির কার্যক্রম শুরু হবে।

আপনার মতামত লিখুন