স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকছে না। নির্বাচন কমিশন খসড়া বিধিমালা ও আচরণবিধিতে এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে।একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্দলীয় ভিত্তিতে আয়োজনের বিধানও বহাল রাখা হয়েছে।নির্বাচন কমিশন বলছে, প্রবাসী ভোটারদের কাছে ব্যালট পাঠানো, তা সংগ্রহ, যাচাই এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভোট গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত জটিল ও ব্যয়বহুল। তাই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ডাকযোগে ভোটের সুযোগ রাখা হয়নি।গত ১০ জুন কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের খসড়া আচরণবিধি ও বিধিমালা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে জনমত আহ্বান করেছে। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত এ বিষয়ে মতামত দেওয়া যাবে।
আরও পড়ুন ,শাপলা চত্বর মামলায় জিজ্ঞাসাবাদে মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রূপা
বর্তমানে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইনে এমন কোনো বিধান নেই।তবে নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করেছেন অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি। তাদের দাবি, জাতীয় নির্বাচনে ভোটাধিকার থাকলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ না দেওয়া বৈষম্যমূলক।এদিকে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, প্রবাসীরাও বাংলাদেশের নাগরিক এবং ভোটার। তাই সব ধরনের নির্বাচনে তাদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে কমিশনের এ সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে রাজনৈতিক ও নাগরিক মহলে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকছে না। নির্বাচন কমিশন খসড়া বিধিমালা ও আচরণবিধিতে এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে।একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্দলীয় ভিত্তিতে আয়োজনের বিধানও বহাল রাখা হয়েছে।নির্বাচন কমিশন বলছে, প্রবাসী ভোটারদের কাছে ব্যালট পাঠানো, তা সংগ্রহ, যাচাই এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভোট গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত জটিল ও ব্যয়বহুল। তাই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ডাকযোগে ভোটের সুযোগ রাখা হয়নি।গত ১০ জুন কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের খসড়া আচরণবিধি ও বিধিমালা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে জনমত আহ্বান করেছে। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত এ বিষয়ে মতামত দেওয়া যাবে।
আরও পড়ুন ,শাপলা চত্বর মামলায় জিজ্ঞাসাবাদে মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রূপা
বর্তমানে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইনে এমন কোনো বিধান নেই।তবে নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করেছেন অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি। তাদের দাবি, জাতীয় নির্বাচনে ভোটাধিকার থাকলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ না দেওয়া বৈষম্যমূলক।এদিকে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, প্রবাসীরাও বাংলাদেশের নাগরিক এবং ভোটার। তাই সব ধরনের নির্বাচনে তাদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে কমিশনের এ সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে রাজনৈতিক ও নাগরিক মহলে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন