তৈরি পোশাক রপ্তানিতে টানা পঞ্চমবারের মতো বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক দেশের অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিস্টিক্যাল রিভিউ ২০২৫-এ উঠে এসেছে এ তথ্য।ডব্লিউটিওর তথ্য অনুযায়ী, গত বছর বাংলাদেশ ৩৮ দশমিক ৮২ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ভিয়েতনামের তুলনায় বাংলাদেশের রপ্তানি প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার বেশি।বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন ক্রেতাদের একটি অংশ চীনের বিকল্প উৎস খোঁজায় বাংলাদেশ এ অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, বাংলাদেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ৮৯ শতাংশ।
আরও পড়ুন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে স্থিতি, রেমিট্যান্সে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি
একই সময়ে ভিয়েতনামের প্রবৃদ্ধি ১০ দশমিক ৫৩ শতাংশ, যা ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।বিশ্ববাজারে এখনো শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে চীন। যদিও দেশটির পোশাক রপ্তানি প্রায় ৫ শতাংশ কমেছে এবং বাজার অংশীদারত্বও হ্রাস পেয়েছে।বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, চীনের বাজার অংশীদারত্ব এত বড় যে অন্য দেশগুলো এখনো সেই শূন্যস্থান পুরোপুরি পূরণ করতে পারেনি। এ কারণেই বাংলাদেশ দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উৎপাদন সক্ষমতা, অবকাঠামো, জ্বালানি ও শ্রম দক্ষতায় উন্নতি না হলে ভবিষ্যতে ভিয়েতনামের সঙ্গে ব্যবধান ধরে রাখা বাংলাদেশের জন্য কঠিন হতে পারে।

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
তৈরি পোশাক রপ্তানিতে টানা পঞ্চমবারের মতো বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক দেশের অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিস্টিক্যাল রিভিউ ২০২৫-এ উঠে এসেছে এ তথ্য।ডব্লিউটিওর তথ্য অনুযায়ী, গত বছর বাংলাদেশ ৩৮ দশমিক ৮২ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ভিয়েতনামের তুলনায় বাংলাদেশের রপ্তানি প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার বেশি।বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন ক্রেতাদের একটি অংশ চীনের বিকল্প উৎস খোঁজায় বাংলাদেশ এ অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, বাংলাদেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ৮৯ শতাংশ।
আরও পড়ুন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে স্থিতি, রেমিট্যান্সে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি
একই সময়ে ভিয়েতনামের প্রবৃদ্ধি ১০ দশমিক ৫৩ শতাংশ, যা ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।বিশ্ববাজারে এখনো শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে চীন। যদিও দেশটির পোশাক রপ্তানি প্রায় ৫ শতাংশ কমেছে এবং বাজার অংশীদারত্বও হ্রাস পেয়েছে।বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, চীনের বাজার অংশীদারত্ব এত বড় যে অন্য দেশগুলো এখনো সেই শূন্যস্থান পুরোপুরি পূরণ করতে পারেনি। এ কারণেই বাংলাদেশ দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উৎপাদন সক্ষমতা, অবকাঠামো, জ্বালানি ও শ্রম দক্ষতায় উন্নতি না হলে ভবিষ্যতে ভিয়েতনামের সঙ্গে ব্যবধান ধরে রাখা বাংলাদেশের জন্য কঠিন হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন