যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই সৌদি আরবে বড় ধরনের সামরিক শক্তি মোতায়েন করেছে পাকিস্তান। পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় প্রায় ৮ হাজার সেনা, একটি যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রন এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে একাধিক নিরাপত্তা ও সরকারি সূত্র।
ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্রথমবারের মতো বিষয়টি প্রকাশ্যে এলো। সূত্রগুলো জানায়, সৌদি আরবের নিরাপত্তা জোরদার এবং সম্ভাব্য হামলা প্রতিরোধে এই মোতায়েন করা হয়েছে। এতে অংশ নিয়েছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট।
আরও পড়ুন, বেতন না বাড়িয়ে ‘উপহারের ব্যাগ’
গত বছর স্বাক্ষরিত গোপন প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় পাকিস্তান ও সৌদি আরব একে অপরকে সামরিক সহায়তা দিতে বাধ্য থাকবে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান প্রায় ১৬টি জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড্রন সৌদি আরবে পাঠিয়েছে। পাশাপাশি দুটি ড্রোন স্কোয়াড্রন এবং চীনের তৈরি এইচকিউ-৯ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও মোতায়েন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, এবার হজের খুতবা দেবেন শেখ আলি আল হুজাইফি
এই সব সামরিক সরঞ্জাম পরিচালনা করছেন পাকিস্তানি সেনারা, আর এর ব্যয় বহন করছে সৌদি আরব।নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই বাহিনীর মূল দায়িত্ব প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়া হলেও প্রয়োজনে সরাসরি সহায়তাও দেওয়া হতে পারে। একটি সূত্র দাবি করেছে, চুক্তির আওতায় সর্বোচ্চ ৮০ হাজার পাকিস্তানি সেনা পর্যন্ত সৌদি আরবে মোতায়েনের সুযোগ রয়েছে।
আরও পড়ুন, জুন থেকে ইমাম-পুরোহিতদের সরকারি ভাতা বন্ধ পশ্চিমবঙ্গে
এদিকে ইসলামাবাদ এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকাও পালন করছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, অতীতেও সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সামরিক সহযোগিতা ছিল, যা এখন নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে আরও বিস্তৃত হয়েছে। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এই বিষয়ে পাকিস্তান, সৌদি আরব বা তাদের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিষয় : যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তান ইসরায়েল ইরান

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই সৌদি আরবে বড় ধরনের সামরিক শক্তি মোতায়েন করেছে পাকিস্তান। পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় প্রায় ৮ হাজার সেনা, একটি যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রন এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে একাধিক নিরাপত্তা ও সরকারি সূত্র।
ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্রথমবারের মতো বিষয়টি প্রকাশ্যে এলো। সূত্রগুলো জানায়, সৌদি আরবের নিরাপত্তা জোরদার এবং সম্ভাব্য হামলা প্রতিরোধে এই মোতায়েন করা হয়েছে। এতে অংশ নিয়েছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট।
আরও পড়ুন, বেতন না বাড়িয়ে ‘উপহারের ব্যাগ’
গত বছর স্বাক্ষরিত গোপন প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় পাকিস্তান ও সৌদি আরব একে অপরকে সামরিক সহায়তা দিতে বাধ্য থাকবে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান প্রায় ১৬টি জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড্রন সৌদি আরবে পাঠিয়েছে। পাশাপাশি দুটি ড্রোন স্কোয়াড্রন এবং চীনের তৈরি এইচকিউ-৯ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও মোতায়েন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, এবার হজের খুতবা দেবেন শেখ আলি আল হুজাইফি
এই সব সামরিক সরঞ্জাম পরিচালনা করছেন পাকিস্তানি সেনারা, আর এর ব্যয় বহন করছে সৌদি আরব।নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই বাহিনীর মূল দায়িত্ব প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়া হলেও প্রয়োজনে সরাসরি সহায়তাও দেওয়া হতে পারে। একটি সূত্র দাবি করেছে, চুক্তির আওতায় সর্বোচ্চ ৮০ হাজার পাকিস্তানি সেনা পর্যন্ত সৌদি আরবে মোতায়েনের সুযোগ রয়েছে।
আরও পড়ুন, জুন থেকে ইমাম-পুরোহিতদের সরকারি ভাতা বন্ধ পশ্চিমবঙ্গে
এদিকে ইসলামাবাদ এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকাও পালন করছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, অতীতেও সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সামরিক সহযোগিতা ছিল, যা এখন নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে আরও বিস্তৃত হয়েছে। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এই বিষয়ে পাকিস্তান, সৌদি আরব বা তাদের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন