বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক উল্লেখ করে বাহিনীর প্রতি জনগণের গভীর আস্থার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বরিশালে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শনে গিয়ে তিনি সেনাসদস্যদের পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমের প্রশংসা করেন।রোববার বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব রহমতপুর এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।এ সময় তিনি বলেন, জাতীয় সংকট মোকাবিলা, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী বারবার পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।প্রধানমন্ত্রী জঙ্গলের ভেতরে দায়িত্ব পালনরত সেনাসদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং দায়িত্ব পালনে আরও নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন, বিদ্যালয়েই সবুজ বিপ্লব, ১৫ জুলাই সারাদেশে একযোগে বৃক্ষরোপণের নির্দেশ
তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর প্রতি মানুষের যে আস্থা ও মর্যাদা রয়েছে, তা ধরে রাখতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে হবে।নিজের পারিবারিক স্মৃতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি একটি সেনা পরিবারে বেড়ে উঠেছেন। তাই সেনাসদস্যদের কাছে এলে শৈশবের নানা স্মৃতি ফিরে আসে।মহড়া চলাকালে প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টি-ড্রোন মাল্টি-ব্যারেল সিস্টেমের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন এবং যুদ্ধক্ষেত্রের বিভিন্ন কৌশলগত প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত হন। একপর্যায়ে তিনি সেনাসদস্যদের সঙ্গে মাটিতে বসে যুদ্ধক্ষেত্রের পরিবেশে প্রস্তুত করা খাবারও গ্রহণ করেন।প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও আরও বেশি সুনাম, মর্যাদা ও পেশাগত স্বীকৃতি অর্জন করবে। একই সঙ্গে বাহিনীর সক্ষমতা ও আধুনিকায়নে সরকারের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
বিষয় : সেনাবাহিনী সার্বভৌমত্ব পেশাদারিত্ব

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক উল্লেখ করে বাহিনীর প্রতি জনগণের গভীর আস্থার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বরিশালে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শনে গিয়ে তিনি সেনাসদস্যদের পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমের প্রশংসা করেন।রোববার বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব রহমতপুর এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।এ সময় তিনি বলেন, জাতীয় সংকট মোকাবিলা, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী বারবার পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।প্রধানমন্ত্রী জঙ্গলের ভেতরে দায়িত্ব পালনরত সেনাসদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং দায়িত্ব পালনে আরও নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন, বিদ্যালয়েই সবুজ বিপ্লব, ১৫ জুলাই সারাদেশে একযোগে বৃক্ষরোপণের নির্দেশ
তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর প্রতি মানুষের যে আস্থা ও মর্যাদা রয়েছে, তা ধরে রাখতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে হবে।নিজের পারিবারিক স্মৃতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি একটি সেনা পরিবারে বেড়ে উঠেছেন। তাই সেনাসদস্যদের কাছে এলে শৈশবের নানা স্মৃতি ফিরে আসে।মহড়া চলাকালে প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টি-ড্রোন মাল্টি-ব্যারেল সিস্টেমের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন এবং যুদ্ধক্ষেত্রের বিভিন্ন কৌশলগত প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত হন। একপর্যায়ে তিনি সেনাসদস্যদের সঙ্গে মাটিতে বসে যুদ্ধক্ষেত্রের পরিবেশে প্রস্তুত করা খাবারও গ্রহণ করেন।প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও আরও বেশি সুনাম, মর্যাদা ও পেশাগত স্বীকৃতি অর্জন করবে। একই সঙ্গে বাহিনীর সক্ষমতা ও আধুনিকায়নে সরকারের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

আপনার মতামত লিখুন