দেশে সড়ক দুর্ঘটনা যেন থামছেই না। বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি—বিআরটিএর সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত জুন মাসে সারাদেশে ৫৩০টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪৬২ জন। আহত হয়েছেন আরও ৭৫০ জন।বিআরটিএর প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুন মাসে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রাম বিভাগে। সেখানে ১৭১টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৪৩ জন এবং আহত হয়েছেন ২৬৪ জন।ঢাকা বিভাগে ১১৫টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১০৩ জন। এছাড়া রাজশাহী বিভাগে নিহত ৬৭, রংপুরে ৪৭, খুলনায় ৪০, ময়মনসিংহে ২২, বরিশালে ২০ এবং সিলেট বিভাগে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
আর ও পড়ুন, ‘দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীক সেনাবাহিনী’ : প্রধানমন্ত্রী
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, জুন মাসে সংঘটিত দুর্ঘটনায় মোট ৮২৭টি যানবাহন জড়িত ছিল। এর মধ্যে ট্রাক, বাস, মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যাই ছিল বেশি।যানবাহনভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি ১২১ জন নিহত হয়েছেন। এরপর ট্রাক বা কাভার্ডভ্যান দুর্ঘটনায় ৭১ জন, বাস বা মিনিবাসে ৪৫ জন এবং অটোরিকশা দুর্ঘটনায় ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সড়কে আইন প্রয়োগ, চালকদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং যানবাহনের ফিটনেস নিশ্চিত করা না গেলে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি কমানো কঠিন হবে।
বিষয় : দুর্ঘটনা সড়ক দুর্ঘটনা মৃত্যুমিছিল

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
দেশে সড়ক দুর্ঘটনা যেন থামছেই না। বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি—বিআরটিএর সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত জুন মাসে সারাদেশে ৫৩০টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪৬২ জন। আহত হয়েছেন আরও ৭৫০ জন।বিআরটিএর প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুন মাসে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রাম বিভাগে। সেখানে ১৭১টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৪৩ জন এবং আহত হয়েছেন ২৬৪ জন।ঢাকা বিভাগে ১১৫টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১০৩ জন। এছাড়া রাজশাহী বিভাগে নিহত ৬৭, রংপুরে ৪৭, খুলনায় ৪০, ময়মনসিংহে ২২, বরিশালে ২০ এবং সিলেট বিভাগে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
আর ও পড়ুন, ‘দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীক সেনাবাহিনী’ : প্রধানমন্ত্রী
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, জুন মাসে সংঘটিত দুর্ঘটনায় মোট ৮২৭টি যানবাহন জড়িত ছিল। এর মধ্যে ট্রাক, বাস, মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যাই ছিল বেশি।যানবাহনভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি ১২১ জন নিহত হয়েছেন। এরপর ট্রাক বা কাভার্ডভ্যান দুর্ঘটনায় ৭১ জন, বাস বা মিনিবাসে ৪৫ জন এবং অটোরিকশা দুর্ঘটনায় ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সড়কে আইন প্রয়োগ, চালকদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং যানবাহনের ফিটনেস নিশ্চিত করা না গেলে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি কমানো কঠিন হবে।

আপনার মতামত লিখুন