ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শোকযাত্রায় অংশ নিয়েছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দূরত্বের পর তার এই উপস্থিতি দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।আহমাদিনেজাদের ঘনিষ্ঠ টেলিগ্রাম চ্যানেল ‘দৌলত-ই বাহার’-এ প্রকাশিত ছবিতে তাকে শোকযাত্রায় অংশ নিতে দেখা যায়।একসময় খামেনির ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন আহমাদিনেজাদ। ২০০৫ থেকে ২০০৯ সালের প্রথম মেয়াদে তিনি সর্বোচ্চ নেতার দৃঢ় সমর্থন পেয়েছিলেন। বিশেষ করে ২০০৯ সালের বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময়
আরো পড়ুন , পুতিনের সফরের পর বড় সামরিক মহড়া
খামেনি প্রকাশ্যে তার পক্ষে অবস্থান নেন।তবে ২০১০ সালে গোয়েন্দামন্ত্রী হেইদার মোসলেহিকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে দুই নেতার সম্পর্কে বড় ধরনের টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়। খামেনি মোসলেহিকে পুনর্বহাল করলে আহমাদিনেজাদ টানা ১১ দিন সরকারি দায়িত্ব থেকে বিরত থাকেন।এরপর থেকেই ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্র থেকে ক্রমশ দূরে সরে যান তিনি। পরবর্তীতে ২০১৭, ২০২১ ও ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তাকে প্রার্থী হওয়ার অনুমতিও দেয়নি গার্ডিয়ান কাউন্সিল।এ অবস্থায় খামেনির শোকযাত্রায় আহমাদিনেজাদের উপস্থিতিকে অনেক বিশ্লেষক ইরানের রাজনীতিতে সম্ভাব্য নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।
বিষয় : ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ শোকযাত্রায় অংশ

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শোকযাত্রায় অংশ নিয়েছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দূরত্বের পর তার এই উপস্থিতি দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।আহমাদিনেজাদের ঘনিষ্ঠ টেলিগ্রাম চ্যানেল ‘দৌলত-ই বাহার’-এ প্রকাশিত ছবিতে তাকে শোকযাত্রায় অংশ নিতে দেখা যায়।একসময় খামেনির ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন আহমাদিনেজাদ। ২০০৫ থেকে ২০০৯ সালের প্রথম মেয়াদে তিনি সর্বোচ্চ নেতার দৃঢ় সমর্থন পেয়েছিলেন। বিশেষ করে ২০০৯ সালের বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময়
আরো পড়ুন , পুতিনের সফরের পর বড় সামরিক মহড়া
খামেনি প্রকাশ্যে তার পক্ষে অবস্থান নেন।তবে ২০১০ সালে গোয়েন্দামন্ত্রী হেইদার মোসলেহিকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে দুই নেতার সম্পর্কে বড় ধরনের টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়। খামেনি মোসলেহিকে পুনর্বহাল করলে আহমাদিনেজাদ টানা ১১ দিন সরকারি দায়িত্ব থেকে বিরত থাকেন।এরপর থেকেই ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্র থেকে ক্রমশ দূরে সরে যান তিনি। পরবর্তীতে ২০১৭, ২০২১ ও ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তাকে প্রার্থী হওয়ার অনুমতিও দেয়নি গার্ডিয়ান কাউন্সিল।এ অবস্থায় খামেনির শোকযাত্রায় আহমাদিনেজাদের উপস্থিতিকে অনেক বিশ্লেষক ইরানের রাজনীতিতে সম্ভাব্য নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।

আপনার মতামত লিখুন