দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আর্কাইভ দেখুন

বেগম সুফিয়া মডেল হাই স্কুলে এডহক কমিটি অনুমোদন দিল ঢাকা শিক্ষা বোর্ড

বেগম সুফিয়া মডেল হাই স্কুলে এডহক কমিটি অনুমোদন দিল ঢাকা শিক্ষা বোর্ড

​গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অবস্থিত 'বেগম সুফিয়া মডেল হাই স্কুল'-এর নতুন এডহক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা। বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন সংক্রান্ত প্রবিধানমালা অনুযায়ী পত্র ইস্যুর তারিখ থেকে আগামী ৬ (ছয়) মাসের জন্য এই চার সদস্যবিশিষ্ট কমিটির অনুমোদন প্রদান করা হয়।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রফেসর ড. মো: মাসুদ রানা খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই অনুমোদনের তথ্য জানানো হয়।আড়ও পড়ুন,টাঙ্গাইলে ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা শিশু: আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ডঅনুমোদিত কমিটির সদস্যবৃন্দ​সভাপতি: খন্দকার দিদার উস সালাম (শিক্ষাগত যোগ্যতা: মাস্টার্স, ক্যাটাগরি: প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি)।​সাধারণ শিক্ষক সদস্য: দেওয়ান মোয়াজ্জেম হোসেন (প্রতিষ্ঠানে যোগদানের তারিখ: ২৩-০৩-১৯৯৬)।​অভিভাবক সদস্য: নাজনীন হিরণ (যার পোষ্য দেওয়ান মোস্তফা আল রাজী ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী, রোল-০১)।​সদস্য সচিব: প্রধান শিক্ষক, বেগম সুফিয়া মডেল হাই স্কুল।​গত ৩০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত আবেদনের প্রেক্ষিতে বোর্ড চেয়ারম্যানের আদেশক্রমে এই এডহক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তির অনুলিপি অবগতির জন্য কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, গাজীপুর জেলা শিক্ষা অফিসার এবং বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে প্রেরণ করা হয়েছে।


টাঙ্গাইলে ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা শিশু: আসামির যাবজ্জীবন  কারাদণ্ড

টাঙ্গাইলে ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা শিশু: আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

হেমায়েত হোসেন হিমু, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলে শিশু ধর্ষণ মামলার রায়ে রশিদ মিয়া (৫৫) নামে ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেনআদালত। এছাড়া ২ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আব্দুলমজিদ এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত রশিদ মিয়া মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের আগছাওয়ালীগ্রামের গোলাম হোসেনের ছেলে।ট্রাইব্যুনালের বিচারক রায়ে আরও উল্লেখ করেন, অর্থদণ্ড আদায় করা সম্ভব না হলে ভবিষ্যতেআসামি যে সম্পদের মালিক হবেন সেই সম্পদ থেকে ভিকটিমকে দেওয়া হবে। ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টরটাঙ্গাইলকে দণ্ডিত আসামির স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে অর্থদণ্ডেরসমপরিমাণ অর্থ ভিকটিমকে দেওয়ার নির্দেশ দেন। আড়ও পড়ুন,কসবায় মহাসড়কের পাশে অবৈধ বালু স্তুপ, ৩ জনকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানাধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুর পিতা ধর্ষকরশিদ মিয়াকে উত্তরাধিকার ঘোষণা করেন এবং শিশুর ভরপোষণের ব্যয় রাষ্ট্র গ্রহণ করবে জানানোহয়। শিশুর শিক্ষা, চিকিৎসা ও ভরপোষণ বাবদ মাসিক প্রদেয় অর্থের পরিমাণ নির্ধারণপূর্বকট্রাইব্যুনালকে অবহিত করতে হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।টাঙ্গাইলের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পিপি খন্দকার মো. রোকুনুজ্জামান জানান, ২০২৪ সালে১৪ এপ্রিল ১৪ বছরের এক শিশু তার দাদিকে ডাকার জন্য পুকুর পাড়ে যায়। এসময় প্রতিবেশী সম্পর্কেদাদা রশিদ মিয়া জানায়, শিশুটির দাদি তার বাড়িতে গেছে। পরে শিশুটিকে সাথে নিয়ে নিজ বাড়িতে যায় এবংজোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনা কাউকে জানালে শিশু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করবে বলেহুমকি দেন রশিদ। পরে ভিকটিমের শারীরিক অবস্থা পরিবর্তন হলে শিশু তার মার কাছে ধর্ষণের কথাবলে। এ ঘটনায় শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর ভিকটিম তার বাবারবাড়িতে কন্যা সন্তানের জন্ম দেয়। পরে ভিকটিম বাদী হয়ে ২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি নারী ও শিশুনির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করে। পরে আদালত মির্জাপুর থানাকে মামলাটি এজাহারেরজন্য আদেশ দেন। পরে দণ্ডিত আসামির ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টে ভিকটিমের কন্যা সন্তানের পিতাবলে নিশ্চিত হয়।


কসবায় মহাসড়কের পাশে অবৈধ  বালু স্তুপ, ৩ জনকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা

কসবায় মহাসড়কের পাশে অবৈধ বালু স্তুপ, ৩ জনকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা

কসবার কুটি এলাকায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের পাশে বালু স্তুপ করে বায়ুদূষণ ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টির দায়ে তিনজনকে মোট ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কালামুড়িয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিক আদায় করা হয়েছে।অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানজিল কবির। স্তুপ করে রাখা বালু ১৫ দিনের মধ্যে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিবেশ দূষণ রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।আরও  পড়ুন, গঙ্গাচড়ায় ২৫ পরিবারের মাঝে ৫০টি ছাগল বিতরণ


সাইবার অপরাধ ঠেকাতে পুলিশের নতুন ইউনিট

সাইবার অপরাধ ঠেকাতে পুলিশের নতুন ইউনিট

সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে পূর্ণাঙ্গ ও প্রাতিষ্ঠানিক সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার। রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ পুলিশ স্টাফ কলেজের পরিচালনা বোর্ডের ২১তম সভায় এ তথ্য জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।মঙ্গলবার পুলিশ স্টাফ কলেজের বোর্ডরুমে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একজন অতিরিক্ত আইজিপির নেতৃত্বে এই ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা চলছে।তিনি জানান, বর্তমানে পুলিশ বাহিনীতে প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি ও কম্পিউটার সায়েন্সে দক্ষ অনেক সদস্য কর্মরত রয়েছেন। তাদের বিশেষায়িত দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় নতুন ইউনিটকে কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে পুলিশ সদর দপ্তর, ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার ইউনিট এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগ বা সিআইডির মাধ্যমে বিভিন্ন ডিজিটাল অপরাধের তদন্ত ও ফরেনসিক বিশ্লেষণ পরিচালিত হচ্ছে। তবে সাইবার অপরাধের ধরন ও পরিধি ক্রমেই বাড়ছে। তাই একটি স্থায়ী ও সমন্বিত কাঠামো গড়ে তোলা প্রয়োজন।আরও  পড়ুন, সার ডিলারদের কমিশন বাড়াল সরকারপুলিশ সদস্যদের উচ্চতর প্রশিক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুলিশের সক্ষমতা ও মনোবল বাড়াতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।বিশেষ করে মাস্টার ট্রেইনার পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আরও দক্ষ করে তুলতে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়ানোর কথা জানান তিনি।প্রয়োজনে বিদেশ থেকে প্রশিক্ষক এনে অথবা দেশে আধুনিক প্রশিক্ষণ সুবিধা গড়ে তুলে পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা বাড়ানো হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।তিনি বলেন, সাইবার স্পেসসহ যেকোনো ধরনের অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশ বাহিনীকে সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুত রাখাই সরকারের লক্ষ্য।সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন, পুলিশ সদর দপ্তর, বিপিএটিসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, আইন ও বিচার বিভাগ এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


গঙ্গাচড়ায় ২৫ পরিবারের মাঝে ৫০টি ছাগল বিতরণ

গঙ্গাচড়ায় ২৫ পরিবারের মাঝে ৫০টি ছাগল বিতরণ

‎রংপুরের গংগাচড়ায় দুঃস্থ ও অসহায় ২৫ পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে ৫০টি ছাগল বিতরণ করা হয়েছে। পরিবারের আর্থিক স্বাবলম্বিতা অর্জন ও আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে দুঃস্থ উন্নয়ন সংস্থা—ডাসের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ছাগল পালনের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন অতিথিরা।‎রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার ডাক্তারপাড়া।‎এখানে দুঃস্থ উন্নয়ন সংস্থা—ডাসের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় বিনামূল্যে ছাগল বিতরণ ও মতবিনিময় সভা।‎মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সংস্থাটির সম্মেলন কক্ষ ও অফিস প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ২৫ জন উপকারভোগীর প্রত্যেককে দেওয়া হয় দুটি করে ছাগল।‎সব মিলিয়ে বিতরণ করা হয় ৫০টি ছাগল।‎আয়োজকদের লক্ষ্য—ছাগল পালনের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোর বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি করা এবং তাদের ধীরে ধীরে স্বাবলম্বী করে তোলা।‎ছাগল হাতে পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন উপকারভোগীরা।‎তারা জানান, এই সহায়তা তাদের পরিবারের আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।আরও  পড়ুন, সাতক্ষীরায় চিকিৎসককে অপহরণ ‎করে মারধর ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোঃআবতাবুজ্জামান  ‎বিশেষ অতিথি হিসেবে  ছিলেন ,নুরুল ইসলাম সরদার,  অবসরপ্রাপ্ত যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ,আহসান হাবিব রবু, এডহক নিবাহী কমিটির সদস্য, নজরুল ইসলাম ‎নিবাহী পরিচালক  ইনসাফ,রংপুর, সাখয়াত হোসেন সোহাগ‎কো অডিনটর,  প্রগতি ব্যামাগার রংপুর ‎চঞ্চল মামুদ ,সাংবাদিক‎অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দুঃস্থ উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মো. চাঁদ মিঞা।‎বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন—বিএনএফ, ঢাকার সহযোগিতায় এবং দুঃস্থ উন্নয়ন সংস্থা—ডাসের বাস্তবায়নে পরিচালিত হচ্ছে এ কর্মসূচি।‎“একটি ছাগল থেকে ভবিষ্যতে আরও ছাগল উৎপাদন করে পারিবারিক আয় বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। আর সেই লক্ষ্যেই গংগাচড়ায় ২৫ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হলো ৫০টি ছাগল। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সঠিক পরিচর্যা ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে এ উদ্যোগ দারিদ্র্য বিমোচন ও স্বাবলম্বিতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”


সাতক্ষীরায় চিকিৎসককে অপহরণ ‎করে মারধর ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

সাতক্ষীরায় চিকিৎসককে অপহরণ ‎করে মারধর ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

সাতক্ষীরায় হাবিবুর রহমান ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে শেখ মেহেদী হাসান নামে এক ব্যবসায়ীকে দোকান থেকে ডেকে নিয়ে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে আটকে রেখে মারধর, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে জোরপূর্বক সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ।‎মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর '২৬) সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে সদর উপজেলার বিনেরপোতা এলাকার শেখ রজব আলীর ছেলে শেখ মেহেদী হাসান এই অভিযোগ করেন।‎লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তিনি পেশায় একজন ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী পল্লী চিকিৎসক। চিকিৎসা পেশার পাশাপাশি তিনি বিনেরপোতা মেঘনা মোড়ে ফ্লেক্সিলোড ও বিকাশের ব্যবসা করেন। দোকানে থাকা অবস্থায় গত ৮ সেপ্টেম্বর রাত সোয়া ৮ টার দিকে বিনেরপোতা গ্রামের মোহাম্মদ আলী চৌকিদারেরবিরুদ্ধে ছেলে‎হাবিবুর রহমান তাকে বাইরে ডেকে নেন। পরে মোটরসাইকেলে তুলে সাতক্ষীরা সিটি কলেজের সামনে রসুলপুর এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে যান। আগে থেকে ওই বাড়িতে ৭-৮ জন ব্যক্তি অবস্থান করছিলেন। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর হাবিবুর রহমানের নির্দেশে তাদের কয়েকজন তাকে মারধর করেন। একপর্যায়ে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ নিয়ে নেওয়া হয়। মানিব্যাগে প্রায় ১৩ হাজার ৮৭০ টাকা ছিল বলে জানান তিনি।‎মেহেদী হাসান আরো বলেন,  মারধরের সময় হাবিবুর রহমানের স্ত্রীকে পাঠানো একটি তালাকের চিঠির বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তবে ওই তালাকের বিষয়ে তিনি কিছু জানতেন না বলে দাবি করেন। তার ভাষ্য, পোস্ট অফিসে কর্মরত তার ভাবি হাবিবুর রহমানের নামে একটি চিঠি আসার কথা জানালে তিনি শুধু হাবিবুরকে ফোন করে চিঠি আসার বিষয়টি জানিয়েছিলেন।আরও  পড়ুন, বাসের ধাক্কায় নিহত শিক্ষিকা সড়ক অবরোধে শিক্ষার্থীরা‎‎তিনি অভিযোগ করে আরো বলেন, ঘরে আটকে মারধর করার সময় তার বিকাশ ও নগদ হিসাবে থাকা প্রায় ৩৬ হাজার টাকা জোরপূর্বক উত্তোলন করে নেওয়া হয়। পরে আরও দুই দফায় ৭ হাজার ৪০০ টাকা নেয় তারা। পরে ৯ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টার দিকে তাকে ওই ঘর থেকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে ২ লাখ টাকা দাবি করা হয়।‎মেহেদী হাসান বলেন, মুক্তি পাওয়ার আশায় তিনি ফাস্ট লিং ওয়াই-ফাই অফিসের মালিক আক্তারের কাছে ৩০ হাজার টাকা ধার চান। পরে রাসেল নামে এক ব্যক্তি ওই অফিস থেকে ৩০ হাজার টাকা নগদ নিয়ে আসেন। এ সময় তার কাছে মাদকদ্রব্য রেখে জোরপূর্বক ভিডিও ধারণ করা হয়। একই সাথে তার স্ত্রী চলে যাওয়ার জন্য আমিই দায়ী  এমন বক্তব্যও জোর করে ভিডিও ধারণ করা হয়।‎তিনি আরও বলেন, ৮ সেপ্টেম্বর রাতে তাকে নিয়ে যাওয়ার পর ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে ছেড়ে দেওয়ার আগে ভয়ভীতি দেখিয়ে নন-জুডিশিয়াল ৫০ টাকার তিনটি সাদা স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করে নেওয়া হয়। এরপর থেকে হাবিবুর রহমান তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিচ্ছেন এবং দোকানের কর্মচারীকেও এ বিষয়ে কথা না বলার জন্য ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।‎মেহেদী হাসান জানান, তাকে দোকান থেকে ডেকে নেওয়ার সময় মিজানুর রহমান, ফেরদৌসুর রহমান ও তার স্ত্রী মোছা. হোসনেয়ারা খাতুন উপস্থিত ছিলেন। তাদের অব্যাহত হুমকিধানকিতে বর্তমানে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।‎লিখিত বক্তব্যে তিনি তার ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি‎সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।


বাসের ধাক্কায় নিহত শিক্ষিকা সড়ক অবরোধে শিক্ষার্থীরা

বাসের ধাক্কায় নিহত শিক্ষিকা সড়ক অবরোধে শিক্ষার্থীরা

বরিশালের বাবুগঞ্জে দ্রুতগতির বাসের ধাক্কায় রাকুদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী রেহানা বেগম নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের দ্বারিকা-শিকারপুর ব্রিজের ঢালে পশ্চিম রাকুদিয়া মাদ্রাসার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত রেহানা বেগমের বয়স ৪৫ বছর। তিনি একই মাদ্রাসার সুপার মাওলানা নাসির উদ্দিনের স্ত্রী।স্থানীয় ও মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে রেহানা বেগম মহাসড়ক পার হয়ে মাদ্রাসায় যাচ্ছিলেন। এ সময় ঢাকা থেকে বরিশালগামী লাবিবা কোম্পানির আহনাফ পরিবহনের একটি বাস দ্রুতগতিতে এসে তাকে ধাক্কা দেয়।এতে সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি। মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পান রেহানা বেগম। পরে মাদ্রাসার শিক্ষকরা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।আরও  পড়ুন, এক কিলোমিটার রাস্তা পেরোতে দুই ঘণ্টা চরম দুর্ভোগে মানুষরেহানা বেগমের মৃত্যুর খবর মাদ্রাসায় পৌঁছালে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। পরে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়কের দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করেন।শিক্ষার্থীদের দাবি ছিল দুর্ঘটনার জন্য দায়ী চালকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া এবং মহাসড়কে বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা।অবরোধের কারণে মহাসড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ও বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে।পরে পুলিশ লাবিবা কোম্পানির কয়েকটি বাস আটক করলে প্রায় এক ঘণ্টা পর অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন শিক্ষার্থীরা। এরপর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।বাবুগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, আহত নারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। দুর্ঘটনার ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


ছয় কার্যদিবস পর ঘুরে দাঁড়াল পুঁজিবাজার

ছয় কার্যদিবস পর ঘুরে দাঁড়াল পুঁজিবাজার

টানা ছয় কার্যদিবস পর বড় উত্থানে লেনদেন শেষ করেছে দেশের পুঁজিবাজার। সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সূচকের পাশাপাশি লেনদেনও বেড়েছে।দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৯৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৪৭২ পয়েন্টে। একই সময়ে শরিয়াহ সূচক ১৬ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ২৪ পয়েন্ট বেড়েছে।মঙ্গলবার ডিএসইতে শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মোট লেনদেন হয়েছে ৫০৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৮৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে প্রায় ১৮ কোটি টাকা।এদিন ডিএসইতে ৩৯৪টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ৩৩৬টির দর বেড়েছে। বিপরীতে দর কমেছে ২১টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৭টি প্রতিষ্ঠানের।আরও  পড়ুন, সঞ্চয়পত্রে ভুল ব্যাংক হিসাবে টাকা যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে নতুন ব্যবস্থালেনদেনের শীর্ষে ছিল আইপিডিসি, রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স, ইস্টার্ন ব্যাংক, সার্প ইন্ডাস্ট্রি, এনভয় টেক্সটাইল, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স, সায়হাম টেক্সটাইল, মার্কেন্টাইল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স, মালেক স্পিনিং ও প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল।অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও সূচক বেড়েছে। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৪৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৫৯৮ পয়েন্টে।তবে সিএসইতে লেনদেন কিছুটা কমেছে। মঙ্গলবার সেখানে ১৯ কোটি ২০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে যার পরিমাণ ছিল ২১ কোটি ৩৪ লাখ টাকা।সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৮১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০৫টির দর বেড়েছে। কমেছে ৬১টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১৫টির দর।সব মিলিয়ে টানা ছয় কার্যদিবসের পতনের পর সূচকের বড় উত্থানে পুঁজিবাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।


সার ডিলারদের কমিশন বাড়াল সরকার

সার ডিলারদের কমিশন বাড়াল সরকার

সার বিতরণ ব্যবস্থায় ডিলারদের প্রণোদনা বাড়িয়েছে সরকার। ইউরিয়া, ডিএপি, টিএসপি ও এমওপি—এই চার ধরনের সারের ক্ষেত্রে ডিলার পর্যায়ে কেজিপ্রতি কমিশন ৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে কৃষক পর্যায়ে সারের বিক্রয়মূল্য অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন এ সিদ্ধান্ত আগামী ১ জুলাই ২০২৭ থেকে কার্যকর হবে।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ইউরিয়া সারের ডিলার পর্যায়ের দাম প্রতি কেজি ২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ২৪ টাকা করা হয়েছে। তবে কৃষক পর্যায়ে এর বিক্রয়মূল্য আগের মতোই ২৭ টাকা থাকবে।ডিএপি সারের ডিলার পর্যায়ের দাম ১৯ টাকা থেকে কমিয়ে ১৮ টাকা করা হয়েছে। কৃষক পর্যায়ে এই সারের দাম থাকছে ২১ টাকা।আরও  পড়ুন, দুর্গাপূজায় দুই দিনের সরকারি ছুটি থাকলেও জরুরি সেবাএকইভাবে টিএসপি সারের ডিলার পর্যায়ের দাম ২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ২৪ টাকা করা হয়েছে। কৃষক পর্যায়ে এর বিক্রয়মূল্য অপরিবর্তিত রয়েছে ২৭ টাকা।এমওপি সারের ডিলার পর্যায়ের দাম ১৮ টাকা থেকে কমিয়ে ১৭ টাকা করা হয়েছে। তবে কৃষক পর্যায়ে এর বিক্রয়মূল্য আগের মতোই ২০ টাকা রাখা হয়েছে।অর্থাৎ চার ধরনের সারের ক্ষেত্রেই ডিলার পর্যায়ের নির্ধারিত দাম কেজিতে ১ টাকা করে কমানো হয়েছে। অন্যদিকে কৃষক পর্যায়ের দাম অপরিবর্তিত থাকায় ডিলারদের কেজিপ্রতি কমিশন দাঁড়াচ্ছে ৩ টাকা।সরকার বলছে, কৃষি উৎপাদনে সারের সরবরাহ ও বাজার ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রাখা এবং ডিলার পর্যায়ে বিতরণ কার্যক্রমে উৎসাহ বাড়াতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।নতুন সিদ্ধান্তে কৃষকদের সারের জন্য অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হবে না। আগের নির্ধারিত মূল্যেই ইউরিয়া, ডিএপি, টিএসপি ও এমওপি সার কিনতে পারবেন তারা।


এক কিলোমিটার রাস্তা পেরোতে দুই ঘণ্টা চরম দুর্ভোগে মানুষ

এক কিলোমিটার রাস্তা পেরোতে দুই ঘণ্টা চরম দুর্ভোগে মানুষ

কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। রাস্তার অসংখ্য গর্ত, খানাখন্দ, কাদা ও জলাবদ্ধতার কারণে কখনো কখনো এই সামান্য পথ অতিক্রম করতেই প্রায় দুই ঘণ্টা সময় লেগে যাচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির কোনো কার্যকর সংস্কার না হওয়ায় সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী, ব্যবসায়ী এবং চাকরিজীবীরা প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া মানুষ এবং রোগীবাহী যানবাহনও ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকছে।বিশেষ করে সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তার গর্তগুলো পানিতে ডুবে যায়। ফলে কোথায় রাস্তা আর কোথায় গর্ত তা বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে যানবাহন এবং নষ্ট হচ্ছে মানুষের মূল্যবান কর্মঘণ্টা।আরও  পড়ুন, সাতক্ষীরায় জেলা পুলিশের সাপ্তাহিক মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত স্থানীয়দের মতে, এই সড়কটি এলাকার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত রয়েছে। জনগণের করের অর্থে উন্নয়ন কাজ হলেও এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এলাকাবাসী।এ অবস্থায় গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবি, সালনা–দেশীপাড়া–জয়দেবপুর সড়কটি অবিলম্বে টেকসই ও মানসম্মতভাবে সংস্কার করতে হবে। পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করে দীর্ঘদিনের যানজট ও জনদুর্ভোগ নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।স্থানীয়দের ভাষায়, “এক কিলোমিটার রাস্তা পার হতে দুই ঘণ্টা সময় লাগা কোনো স্বাভাবিক ঘটনা নয়। এটি জনগণের প্রতি চরম অবহেলারই প্রতিচ্ছবি।”এলাকাবাসী দ্রুত সড়ক সংস্কারের মাধ্যমে স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


সাতক্ষীরায় জেলা পুলিশের সাপ্তাহিক মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরায় জেলা পুলিশের সাপ্তাহিক মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের সাপ্তাহিক মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্স ড্রিলসেডে পুলিশ সদস্যদের শারীরিক সক্ষমতা ও সুদৃঢ় মনোবল বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাপ্তাহিক মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত মাস্টার প্যারেডে কুচকাওয়াজ অভিবাদন গ্রহণ ও প্যারেড পরিদর্শন করেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম।প্যারেড পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার ফোর্সদের মাঠ পর্যায়ের প্যারেড দক্ষতা মুল্যায়ন, শারীরিক ফিটনেস ও টার্ন আউট এর উপর ভিত্তি করে চৌকস পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করেন এবং পরিদর্শন শেষে সন্তোষ প্রকাশ করেন।পুলিশ সুপার সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, মাস্টার প্যারেড হলো শৃঙ্খলার একটা অংশ। পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন বা বিনষ্ট হয় এমন আচরণ থেকে সকলকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করেন। নিজেদের স্মার্ট পুলিশ হিসেবে গড়ে তুলতে শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিকল্প নেই। ড্রেসরুলস মেনে পোশাক পরিধান করা, স্বাস্থ্য সচেতনতা, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসহ সরকারি অন্যান্য সম্পদ ব্যবহারে মিতব্যয়ী হওয়া, আরও  পড়ুন, কসবায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতি কালে ডাকাত গ্রেফতারসরকারি মালামালের হেফাজত করা, ফেসবুক তথা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে সচেতন হওয়া, জনসাধারণের সাথে উত্তম ব্যবহার ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে পুলিশি সেবা নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।মাস্টার প্যারেডে কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ), শাওন রেজা।পরবর্তীতে পুলিশ সুপার পুলিশ লাইন্সের ব্যারাক, ডি-স্টোর, অস্ত্রাগার, ডিবি অফিস, মোটরযান শাখা ও পুলিশ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্), মিথুন সরকার; অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), মোঃ শাহীনুর চৌধুরী; সহকারী পুলিশ‌ সুপার (দেবহাটা সার্কেল), মোঃ বায়েজীদ ইসলাম; সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ সহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্যবৃন্দ।


কসবায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতি কালে ডাকাত গ্রেফতার

কসবায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতি কালে ডাকাত গ্রেফতার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি রামদা ও তিনটি চাইনিজ কুড়ালসহ মোট আটটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুইজন পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশ জানায়, সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত দেড়টার দিকে কসবা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের তালতলা চৌর রাস্তার মোড়সংলগ্ন ব্রিজের ওপর অভিযান চালানো হয়। কসবা থানার এসআই মো. নুরুন নবীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সাধারণ ডায়েরির (জিডি) ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—বিল্লাল হোসেন (৪২), জুনায়েদ মিয়া (২০), রাজু (২১), রুমান ভূইয়া (২৭), মনির ওরফে কসাই মনির (৩০) এবং সুজন মিয়া (৫৫)। তারা সবাই কসবা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।আড়ও পড়ুন,সবুজ বাংলাদেশ গড়তে গাছের যত্ন নাও-কালকিনিতে ইউএনও কিশোর কুমার দাসপুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযানের সময় গ্রেপ্তার ছয়জনের কাছ থেকে তিনটি রামদা ও তিনটি চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করা হয়। পরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেখানো ও তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পলাতক ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের ফেলে যাওয়া আরও দুটি রামদা উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে আটটি দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে।এ ঘটনায় কসবা থানায় ১৫ সেপ্টেম্বর মামলা হয়েছে। মামলাটি দণ্ডবিধির ৩৯৯ ও ৪০২ ধারায় করা হয়েছে। পলাতক দুই আসামি ও অজ্ঞাতনামা আরও ৬-৭ জনকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।


‘দার-ই-নাজাত’-এ জামিলের দ্বিচারিতা নিয়ে ক্ষুব্ধ দর্শক

‘দার-ই-নাজাত’-এ জামিলের দ্বিচারিতা নিয়ে ক্ষুব্ধ দর্শক

‘দার-ই-নাজাত’—পাকিস্তানের জনপ্রিয় এই ধারাবাহিকের ১৩তম পর্ব ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে তুমুল আলোচনা। বিশেষ করে জামিল চরিত্রের আচরণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন দর্শকেরা।ধারাবাহিকে দীর্ঘদিনের প্রেমিকা ও শৈশবের ভালোবাসার মানুষ জারিয়াবের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল জামিলের। এমনকি একসময় তাঁরা একসঙ্গে বসবাসও করেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জারিয়াবকে কিছু না জানিয়েই এক মাদ্রাসার অচেনা নারীকে বিয়ে করেন জামিল।বিষয়টি জানতে জারিয়াব যখন জামিলের বাড়িতে যান তখন দুজনের কথোপকথন আবেগঘন হয়ে ওঠে। জারিয়াব জানতে চান হঠাৎ করে কেন সম্পর্ক শেষ করে দেওয়া হলো।জবাবে জামিল দাবি করেন জারিয়াব তাঁর জন্য উপযুক্ত নন। ধর্মের পথে এগিয়ে যেতে তিনি এমন একজন জীবনসঙ্গী চেয়েছেন যিনি ধার্মিক পবিত্র ও নিষ্পাপ।আড়ও পড়ুন,‘সেপারেশন’-এ পরীমনিজামিল আরও দাবি করেন তাঁর তওবা আল্লাহ কবুল করেছেন এবং এর বিনিময়েই ওই নারীকে তাঁর জীবনে পেয়েছেন।জামিলের বক্তব্যে জারিয়াব প্রশ্ন করেন তওবা করার অধিকার কি শুধু পুরুষের? তবে সেই প্রশ্নের সরাসরি জবাব না দিয়ে জামিল ধার্মিক স্ত্রীর গুণাবলি নিয়ে কথা বলতে থাকেন এবং জারিয়াবের মধ্যে সেসব গুণ নেই বলে দাবি করেন।এই দৃশ্যই দর্শকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। অনেকের মতে ধর্মের কথা বললেও জামিলের আচরণে আত্মঅহংকার ও দ্বিচারিতা স্পষ্ট।অন্যদিকে জারিয়াব চরিত্রে দুরে ফিশান সেলিমের অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন দর্শকেরা। হৃদয়ভাঙা নারীর আবেগ তিনি যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তা দর্শকদের বিশেষভাবে নাড়া দিয়েছে।ধারাবাহিকে এমনও দেখা যায় হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে না পারা জামিলকে সান্ত্বনা দিতে জারিয়াব নিজের হার্ভার্ডে ভর্তির সুযোগ পর্যন্ত ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন। সেই জারিয়াবকেই পরে ধর্ম ও নৈতিকতার প্রশ্ন তুলে প্রত্যাখ্যান করেন জামিল।এ কারণে দর্শকদের অনেকে জামিলকে ভণ্ড ও আত্মকেন্দ্রিক চরিত্র হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। কেউ কেউ তাঁকে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘রেড ফ্ল্যাগ’ হিসেবেও উল্লেখ করছেন।


দুর্গাপূজায় দুই দিনের সরকারি ছুটি থাকলেও জরুরি সেবা

দুর্গাপূজায় দুই দিনের সরকারি ছুটি থাকলেও জরুরি সেবা

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০২৬ সালে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য থাকছে দুই দিনের সরকারি ছুটি। তবে এই ছুটি সবার জন্য প্রযোজ্য নয়।২০ অক্টোবর মঙ্গলবার মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। পরদিন ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমী উপলক্ষে থাকবে সাধারণ ছুটি।তবে হাসপাতাল ফায়ার সার্ভিস পুলিশ বিদ্যুৎ গ্যাস ও পানি সরবরাহের মতো জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় সেবা সরকারি ছুটির দিনেও চালু থাকবে। এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশকে ছুটির দিনেও দায়িত্ব পালন করতে হতে পারে।সরকারি ছুটির দিনেও সচল থাকবে সংবাদমাধ্যমের কার্যক্রম। টেলিভিশন সংবাদপত্র ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমের অনেক কর্মীকে পূজার ছুটির দিনেও দায়িত্ব পালন করতে হবে।এদিকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সাধারণত সরকারি ছুটির দিনে বন্ধ থাকেআড়ও পড়ুন,২০ অক্টোবর থেকে শুরু দুর্গাপূজার সরকারি ছুটি। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কিছু শাখা বা নির্দিষ্ট সেবা চালু থাকতে পারে। এটিএম কার্ড ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মতো ডিজিটাল সেবাও সাধারণত চালু থাকে।বেসরকারি প্রতিষ্ঠান শিল্পকারখানা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সরকারি ছুটির একই নিয়ম প্রযোজ্য নাও হতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কর্মীদের ছুটি দেওয়া কিংবা দায়িত্বে রাখা হতে পারে।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও রয়েছে আলাদা ছুটির সূচি। স্কুল ও কলেজের ছুটি নির্ধারিত হয় প্রকাশিত শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুসরণ করে ছুটি ঘোষণা করতে পারে।অন্যদিকে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য মূল সরকারি ছুটির বাইরে আরও দুই দিনের ঐচ্ছিক ছুটি রয়েছে। ১৮ অক্টোবর মহাসপ্তমী ও ১৯ অক্টোবর মহাষ্টমী উপলক্ষে নিয়ম অনুযায়ী তারা এই ছুটি নিতে পারবেন।তাই দুর্গাপূজায় কোথায় কতদিন ছুটি থাকবে তা জানতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত ছুটির নোটিশ অনুসরণ করাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য।


২০ অক্টোবর থেকে শুরু দুর্গাপূজার সরকারি ছুটি

২০ অক্টোবর থেকে শুরু দুর্গাপূজার সরকারি ছুটি

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০২৬ সালে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য থাকছে দুই দিনের সরকারি ছুটি। এর মধ্যে ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি এবং ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি থাকবে।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী দুর্গাপূজার মূল সরকারি ছুটি শুরু হবে ২০ অক্টোবর থেকে।তবে এর পরদিন ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার একদিনের ছুটি নিতে পারলেই শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে টানা পাঁচ দিনের অবকাশ কাটানোর সুযোগ পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।অর্থাৎ ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার থেকে ২৪ অক্টোবর শনিবার পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের ছুটি পাওয়া সম্ভব হবে।আরও  পড়ুন, মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ ৮ অক্টোবর থেকেএদিকে মূল সরকারি ছুটির বাইরে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য দুর্গাপূজা উপলক্ষে আরও দুই দিনের ঐচ্ছিক ছুটির ব্যবস্থা রয়েছে। নির্ধারিত নিয়ম ও অনুমোদন সাপেক্ষে তারা এই অতিরিক্ত ছুটি নিতে পারবেন।এ বছর ১০ অক্টোবর শনিবার মহালয়ার মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এরপর ১৬ অক্টোবর শুক্রবার মহাষষ্ঠী ১৮ অক্টোবর রবিবার মহাসপ্তমী ১৯ অক্টোবর সোমবার মহাষ্টমী ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমী পালিত হবে।অর্থাৎ মহালয়ার মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলেও সরকারি ছুটি শুরু হবে ২০ অক্টোবর থেকে।আর ২২ অক্টোবর একদিনের ছুটি নিতে পারলে পূজার ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে সরকারি চাকরিজীবীরা টানা পাঁচ দিনের অবকাশ উপভোগ করতে পারবেন।


সবুজ বাংলাদেশ গড়তে গাছের যত্ন নাও-কালকিনিতে ইউএনও  কিশোর কুমার দাস

সবুজ বাংলাদেশ গড়তে গাছের যত্ন নাও-কালকিনিতে ইউএনও কিশোর কুমার দাস

পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির আওতায় মাদারীপুরের কালকিনিতে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে বনজ ও ফলজ গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ কর্মসূচির সূচনা করা হয়।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কালকিনি উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কিশোর কুমার দাসের তত্ত্বাবধানে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে গাছের চারা তুলে দেন। পরে সাংবাদিক ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিদের হাতেও গাছের চারা বিতরণ করা হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালকিনি উপজেলা সাবেক বিএনপির সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক বেপারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.জহিরুল আলম, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন মুন্সিসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এছাড়া স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিডি ক্লিন কালকিনি,আরও  পড়ুন, দশ বছর পর নিজ প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষের চেয়ারে শাহিনুর রহমান, করলেন সংবাদ সম্মেলন কালকিনি ব্লাড ডোনেশন সোসাইটি ও রেড ক্রিসেন্ট কালকিনি উপজেলা ইউনিটের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।গাছের চারা হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়। তারা গাছগুলো বাড়ি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আঙিনায় রোপণ করে নিয়মিত পরিচর্যার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।উপজেলা নির্বাহী অফিসার কিশোর কুমার দাস বলেন, “সরকারের পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের হাতে গাছ তুলে দিয়ে আমরা কালকিনিতে এই কর্মসূচির সূচনা করলাম। তোমরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে তোমরা এই গাছগুলোর যত্ন নেবে।”তিনি আরও বলেন, “গাছ আমাদের অক্সিজেনের ফ্যাক্টরি। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়তে বেশি বেশি গাছ লাগানোর পাশাপাশি সেগুলোর পরিচর্যাও করতে হবে


ধামরাইয়ে চীনা ব্যাটারি কারখানায় চীনা কর্মকর্তাকে বেঁধে ৭০ লাখ টাকা লুট

২৩ সেপ্টেম্বর ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি

বাড়ি দখল ও চাঁদা দাবির মামলায় এসআরবিকে তদন্তের নির্দেশ

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত পেট্রোল পাম্পে সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা

কোতোয়ালীর ভাইরাল ছিনতাইয়ের ঘটনায় সংঘবদ্ধ চক্রের এক সদস্য গ্রেপ্তার

উপকূলের নিরাপত্তায় কোস্ট গার্ডকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

টোল অনিয়মের মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের প্রতিবেদন ১০ ডিসেম্বর

বাসন থানার বিশেষ অভিযানে তিন আসামি গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

কালকিনিতে সোনালী ব্যাংকের সিআরএম বুথের শুভ উদ্বোধন

১০

জানুয়ারিতে হতে পারে ইউপি নির্বাচন : ইসি মাছউদ

সর্বশেষ সব খবর

আর্কাইভ