প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের বাইরে প্রথমবারের মতো এবার ময়মনসিংহের একটি আসনে জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। স্বাধীনতার পর তিনবার নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হলেও এবারই প্রথম জেলার কোনো আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন
জামায়াতের প্রার্থী। ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) আসনে জয়ী হয়েছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মো. কামরুল হাসান। দেশের একমাত্র এ আসনে জামায়াতের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী দাঁড়ালেও দাঁড়িপাল্লার বিজয় ঠেকাতে পারেননি।
মো. কামরুল হাসান জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির। তৃণমূল পর্যায়ে ধারাবাহিক সাংগঠনিক কার্যক্রম, নিয়মিত গণসংযোগ ও স্থানীয় বিভিন্ন ইস্যুতে সক্রিয় ভূমিকা তাঁর পক্ষে জনমত তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় লোকজন। এ ছাড়া
ময়মনসিংহ শহরে ব্রহ্মপুত্র রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করছেন তিনি।জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্যমতে, কামরুল হাসানের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী
আরো পড়ুন , এনসিপির ১০ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
ছিলেন বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী আখতার সুলতানা। কামরুল হাসান ৭৭ হাজার ৩২৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হলেও ফুটবল প্রতীক নিয়ে আখতার সুলতানা পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৩৩১ ভোট। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. আখতারুল আলম ৪৯
হাজার ৪৭৬ ভোট এবং জামায়াতের ‘বিদ্রোহী’ অধ্যাপক জসিম উদ্দিন ৫১ হাজার ৯৭০ ভোট পেয়েছেন। এ আসনে মোট ৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্যমতে, স্বাধীনতার পর এ আসনে কখনো জামায়াতের প্রার্থী এমপি হতে পারেননি। অতীতে দলটি থেকে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে অধ্যাপক জসিম উদ্দিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ
নিলেও প্রতিবারই পরাজিত হয়েছেন। তিনি ১৯৯১ সালে ২১ হাজার ৮৩০, ১৯৯৬ সালে ১৭ হাজার ৩৩৮ এবং ২০০১ সালে ৪৭ হাজার ৩৭৫ ভোট পেয়েছিলেন। এবারই প্রথম ভোটে অংশ নিয়ে জয় পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী কামরুল হাসান।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের বাইরে প্রথমবারের মতো এবার ময়মনসিংহের একটি আসনে জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। স্বাধীনতার পর তিনবার নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হলেও এবারই প্রথম জেলার কোনো আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন
জামায়াতের প্রার্থী। ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) আসনে জয়ী হয়েছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মো. কামরুল হাসান। দেশের একমাত্র এ আসনে জামায়াতের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী দাঁড়ালেও দাঁড়িপাল্লার বিজয় ঠেকাতে পারেননি।
মো. কামরুল হাসান জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির। তৃণমূল পর্যায়ে ধারাবাহিক সাংগঠনিক কার্যক্রম, নিয়মিত গণসংযোগ ও স্থানীয় বিভিন্ন ইস্যুতে সক্রিয় ভূমিকা তাঁর পক্ষে জনমত তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় লোকজন। এ ছাড়া
ময়মনসিংহ শহরে ব্রহ্মপুত্র রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করছেন তিনি।জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্যমতে, কামরুল হাসানের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী
আরো পড়ুন , এনসিপির ১০ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
ছিলেন বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী আখতার সুলতানা। কামরুল হাসান ৭৭ হাজার ৩২৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হলেও ফুটবল প্রতীক নিয়ে আখতার সুলতানা পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৩৩১ ভোট। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. আখতারুল আলম ৪৯
হাজার ৪৭৬ ভোট এবং জামায়াতের ‘বিদ্রোহী’ অধ্যাপক জসিম উদ্দিন ৫১ হাজার ৯৭০ ভোট পেয়েছেন। এ আসনে মোট ৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্যমতে, স্বাধীনতার পর এ আসনে কখনো জামায়াতের প্রার্থী এমপি হতে পারেননি। অতীতে দলটি থেকে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে অধ্যাপক জসিম উদ্দিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ
নিলেও প্রতিবারই পরাজিত হয়েছেন। তিনি ১৯৯১ সালে ২১ হাজার ৮৩০, ১৯৯৬ সালে ১৭ হাজার ৩৩৮ এবং ২০০১ সালে ৪৭ হাজার ৩৭৫ ভোট পেয়েছিলেন। এবারই প্রথম ভোটে অংশ নিয়ে জয় পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী কামরুল হাসান।

আপনার মতামত লিখুন