হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে হামলায় গুরুতর আহত জাতীয় ছাত্রশক্তির নবীগঞ্জ উপজেলা সংগঠক আলিফ চৌধুরীর বাঁ চোখের দৃষ্টিশক্তি আর ফিরবে না। রাজধানীর জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পরও চিকিৎসকরা তার চোখের দৃষ্টি ফিরিয়ে আনতে পারেননি।বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতু। তিনি দাবি করেন, ছাত্রদলের সন্ত্রাসীদের রডের আঘাতে আলিফের চোখ গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অস্ত্রোপচার শেষ হলেও বাম চোখের আলো আর কোনোদিন ফিরবে না।এর আগে এনসিপি জানিয়েছিল, আলিফের চোখে গুরুতর আঘাত লাগায় দৃষ্টিশক্তি হারানোর আশঙ্কা ছিল।
আরও পড়ুন. মারলে সেটাই আমার কামাই’ হবিগঞ্জে যেতে গিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহর বক্তব্য
সেই আশঙ্কাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হলো।উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার হবিগঞ্জে এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি শেষে কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে হামলা ও নেতা-কর্মীদের মারধরের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় গুরুতর আহত হন আলিফ চৌধুরীসহ একাধিক নেতা-কর্মী।পরে শহরে প্রতিবাদ মিছিল বের করলে আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ আরও কয়েকজন আহত হন।এদিকে হামলার ঘটনায় এনসিপি ক্ষমতাসীন বিএনপিকে দায়ী করলেও এ বিষয়ে বিএনপির আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে হামলায় গুরুতর আহত জাতীয় ছাত্রশক্তির নবীগঞ্জ উপজেলা সংগঠক আলিফ চৌধুরীর বাঁ চোখের দৃষ্টিশক্তি আর ফিরবে না। রাজধানীর জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পরও চিকিৎসকরা তার চোখের দৃষ্টি ফিরিয়ে আনতে পারেননি।বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতু। তিনি দাবি করেন, ছাত্রদলের সন্ত্রাসীদের রডের আঘাতে আলিফের চোখ গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অস্ত্রোপচার শেষ হলেও বাম চোখের আলো আর কোনোদিন ফিরবে না।এর আগে এনসিপি জানিয়েছিল, আলিফের চোখে গুরুতর আঘাত লাগায় দৃষ্টিশক্তি হারানোর আশঙ্কা ছিল।
আরও পড়ুন. মারলে সেটাই আমার কামাই’ হবিগঞ্জে যেতে গিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহর বক্তব্য
সেই আশঙ্কাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হলো।উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার হবিগঞ্জে এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি শেষে কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে হামলা ও নেতা-কর্মীদের মারধরের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় গুরুতর আহত হন আলিফ চৌধুরীসহ একাধিক নেতা-কর্মী।পরে শহরে প্রতিবাদ মিছিল বের করলে আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ আরও কয়েকজন আহত হন।এদিকে হামলার ঘটনায় এনসিপি ক্ষমতাসীন বিএনপিকে দায়ী করলেও এ বিষয়ে বিএনপির আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন