থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিস লিমিটেডের পরিবর্তিত নাম নগদ লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর আহমেদ মিশুকসহ অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ৭৮৬ কোটি টাকার শেয়ার ফ্রিজ বা অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত।রোববার দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এই আদেশ দেন।দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে অননুমোদিত ডিস্ট্রিবিউটরের মাধ্যমে সরকারি অর্থ বের করে নেওয়া বৈধ চ্যানেলে বৈদেশিক মুদ্রা না এনে অনাবাসী বিনিয়োগকারীদের অনুকূলে শেয়ার হস্তান্তর জিরো কুপন বন্ডের অর্থ দিয়ে বিদেশি ঋণ পরিশোধ বিদেশে অর্থ পাচার এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তানভীর আহমেদ মিশুকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে।দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নগদের মাধ্যমে বিতরণ করা সরকারি ভাতার অব্যবহৃত অর্থ সফটওয়্যার জালিয়াতির মাধ্যমে ২৪ হাজার ১৫৯টি ভুয়া উদ্যোক্তার ওয়ালেটে স্থানান্তর করা হয়।
আরও পড়ুন,জুলাইয়ের ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ ৬৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
পরে এসব অর্থ ৬৪৮টি ভুয়া ডিএসও এবং ৩৪টি অননুমোদিত ডিস্ট্রিবিউটরের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।দুদকের দাবি এ প্রক্রিয়ায় প্রাথমিকভাবে এক হাজার ৭০৬ কোটি ৩৮ লাখ ৫৪ হাজার ২২৯ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে।অভিযোগ অনুযায়ী আত্মসাৎ করা অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে লেয়ারিংয়ের মাধ্যমে থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিস লিমিটেডের ১৬ কোটি ৮৪ লাখের বেশি শেয়ার কেনায় ব্যবহার করা হয়েছে।দুদক আশঙ্কা করছে এসব শেয়ার বিক্রি বা স্থানান্তরের মাধ্যমে অর্থ বিদেশে পাচার হতে পারে। তাই অনুসন্ধান শেষ হওয়ার আগে শেয়ারগুলো বিক্রি বা হস্তান্তর ঠেকাতে আদালতের কাছে অবরুদ্ধের আবেদন করা হয়।দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ৭৮৬ কোটি ৩৯ হাজার ২৮৪ টাকার শেয়ার ফ্রিজের আদেশ দিয়েছেন।

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিস লিমিটেডের পরিবর্তিত নাম নগদ লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর আহমেদ মিশুকসহ অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ৭৮৬ কোটি টাকার শেয়ার ফ্রিজ বা অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত।রোববার দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এই আদেশ দেন।দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে অননুমোদিত ডিস্ট্রিবিউটরের মাধ্যমে সরকারি অর্থ বের করে নেওয়া বৈধ চ্যানেলে বৈদেশিক মুদ্রা না এনে অনাবাসী বিনিয়োগকারীদের অনুকূলে শেয়ার হস্তান্তর জিরো কুপন বন্ডের অর্থ দিয়ে বিদেশি ঋণ পরিশোধ বিদেশে অর্থ পাচার এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তানভীর আহমেদ মিশুকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে।দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নগদের মাধ্যমে বিতরণ করা সরকারি ভাতার অব্যবহৃত অর্থ সফটওয়্যার জালিয়াতির মাধ্যমে ২৪ হাজার ১৫৯টি ভুয়া উদ্যোক্তার ওয়ালেটে স্থানান্তর করা হয়।
আরও পড়ুন,জুলাইয়ের ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ ৬৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
পরে এসব অর্থ ৬৪৮টি ভুয়া ডিএসও এবং ৩৪টি অননুমোদিত ডিস্ট্রিবিউটরের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।দুদকের দাবি এ প্রক্রিয়ায় প্রাথমিকভাবে এক হাজার ৭০৬ কোটি ৩৮ লাখ ৫৪ হাজার ২২৯ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে।অভিযোগ অনুযায়ী আত্মসাৎ করা অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে লেয়ারিংয়ের মাধ্যমে থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিস লিমিটেডের ১৬ কোটি ৮৪ লাখের বেশি শেয়ার কেনায় ব্যবহার করা হয়েছে।দুদক আশঙ্কা করছে এসব শেয়ার বিক্রি বা স্থানান্তরের মাধ্যমে অর্থ বিদেশে পাচার হতে পারে। তাই অনুসন্ধান শেষ হওয়ার আগে শেয়ারগুলো বিক্রি বা হস্তান্তর ঠেকাতে আদালতের কাছে অবরুদ্ধের আবেদন করা হয়।দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ৭৮৬ কোটি ৩৯ হাজার ২৮৪ টাকার শেয়ার ফ্রিজের আদেশ দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন