হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ ঘিরে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো উত্তেজনা বিরাজ করেছে। আগের দিনের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করলেও পুলিশি বাধার মুখে তা কার্যত পণ্ড হয়ে যায়।বুধবার বিকেলে শ্রীমঙ্গল থেকে হবিগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহর প্রথমে সাতগাঁও এলাকায় এবং পরে বাহুবলের কামাইছড়া এলাকায় আটকে দেয় পুলিশ। এ সময় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহসহ কেন্দ্রীয় নেতারা সড়কে অবস্থান নেন।বৃষ্টির মধ্যেই প্রায় চার ঘণ্টা ধরে পুলিশ ও এনসিপি নেতাদের মধ্যে উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডা চলে। একপর্যায়ে নেতারা কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। অভিযোগে আগের দিনের হামলার বিচার এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
আরও পড়ুন. মির্জা ফখরুলের জুতা টানার যোগ্যতা আছে?’ রাশেদ খাঁনের প্রশ্ন
এর আগে মঙ্গলবার হবিগঞ্জ শহরে এনসিপির সমাবেশ শেষে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরে ইটপাটকেল নিক্ষেপের অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সারজিস আলমকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়। ওই ঘটনার জেরে বুধবার একই সময়ে এনসিপি ও ছাত্রদলের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসন শহরের নির্দিষ্ট এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে।এদিকে হামলায় আহত জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতা আলিফ চৌধুরীকে গুরুতর চোখের আঘাত নিয়ে ঢাকার জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এনসিপির দাবি, তাঁর চোখে রড দিয়ে আঘাত করা হয়েছে এবং অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি চলছে।এ ঘটনায় হবিগঞ্জের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। হামলার অভিযোগ, পুলিশি বাধা এবং পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ঘিরে পরিস্থিতি এখনো থমথমে।
বিষয় : এনসিপি হবিগঞ্জে পুলিশ মুখোমুখি

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ ঘিরে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো উত্তেজনা বিরাজ করেছে। আগের দিনের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করলেও পুলিশি বাধার মুখে তা কার্যত পণ্ড হয়ে যায়।বুধবার বিকেলে শ্রীমঙ্গল থেকে হবিগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহর প্রথমে সাতগাঁও এলাকায় এবং পরে বাহুবলের কামাইছড়া এলাকায় আটকে দেয় পুলিশ। এ সময় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহসহ কেন্দ্রীয় নেতারা সড়কে অবস্থান নেন।বৃষ্টির মধ্যেই প্রায় চার ঘণ্টা ধরে পুলিশ ও এনসিপি নেতাদের মধ্যে উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডা চলে। একপর্যায়ে নেতারা কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। অভিযোগে আগের দিনের হামলার বিচার এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
আরও পড়ুন. মির্জা ফখরুলের জুতা টানার যোগ্যতা আছে?’ রাশেদ খাঁনের প্রশ্ন
এর আগে মঙ্গলবার হবিগঞ্জ শহরে এনসিপির সমাবেশ শেষে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরে ইটপাটকেল নিক্ষেপের অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সারজিস আলমকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়। ওই ঘটনার জেরে বুধবার একই সময়ে এনসিপি ও ছাত্রদলের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসন শহরের নির্দিষ্ট এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে।এদিকে হামলায় আহত জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতা আলিফ চৌধুরীকে গুরুতর চোখের আঘাত নিয়ে ঢাকার জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এনসিপির দাবি, তাঁর চোখে রড দিয়ে আঘাত করা হয়েছে এবং অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি চলছে।এ ঘটনায় হবিগঞ্জের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। হামলার অভিযোগ, পুলিশি বাধা এবং পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ঘিরে পরিস্থিতি এখনো থমথমে।

আপনার মতামত লিখুন