দৈনিক আমার স্বাদ ও দৈনিক সিরাজগঞ্জ সংবাদ নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে সিরাজগঞ্জ শহরের ঐতিহাসিকইলিয়ট ব্রিজসংলগ্ন শতবর্ষী কড়ই গাছের ঝুঁকিপূর্ণ শুকনো ডাল অপসারণ করেছে পৌর কর্তৃপক্ষ। বুধবার (২৯ জুলাই ২০২৬) পৌর নির্বাহী মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তাৎক্ষণিকভাবে শুকনো ডালপালা অপসারণের নির্দেশ দেন। পরে পৌরসভার কর্মীরা ঝুঁকিপূর্ণ ডালগুলো কেটে অপসারণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।দীর্ঘদিন ধরে গাছটির অন্তত পাঁচটি বড় শুকনো ডাল ঝুলে থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছিল। যেকোনো সময় ডাল ভেঙে পড়ে পথচারী, দর্শনার্থী ও যানবাহনের ওপর দুর্ঘটনা ঘটতে পারে—এমন আশঙ্কার কথা স্থানীয়রা বারবার তুলে ধরেছিলেন। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে ঝড়-বৃষ্টির সময় ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।
আরও পড়ুন, বিশেষ অভিযানে অস্ত্র মামলার আসামিসহ ৪ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিদিন শত শত মানুষ ও যানবাহন ইলিয়ট ব্রিজ দিয়ে চলাচল করে। তাই জননিরাপত্তার স্বার্থে শুকনো ডালগুলো অপসারণ ছিল অত্যন্ত জরুরি।ইলিয়ট ব্রিজ ও এর পাশের শতবর্ষী কড়ই গাছটি সিরাজগঞ্জের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বহু বছর ধরে এটি শহরবাসীর মিলনস্থল, বিশ্রাম ও আড্ডার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। পরিবেশপ্রেমী ও সচেতন নাগরিকরা গাছটি কেটে না ফেলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শে নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন।এদিকে, ঝুঁকিপূর্ণ শুকনো ডাল অপসারণের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করায় পৌর প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম ও পৌর কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়েছেন শহরবাসী। তাদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও গাছটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় পরিচর্যা ও সংরক্ষণে নিয়মিত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে একদিকে জননিরাপত্তা নিশ্চিত হয় এবং অন্যদিকে সিরাজগঞ্জের ইতিহাসের নীরব সাক্ষী এই শতবর্ষী কড়ই গাছটি টিকে থাকে।
বিষয় : ঝুঁকিপূর্ণ স্বস্তি পথচারী প্রকাশে

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
দৈনিক আমার স্বাদ ও দৈনিক সিরাজগঞ্জ সংবাদ নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে সিরাজগঞ্জ শহরের ঐতিহাসিকইলিয়ট ব্রিজসংলগ্ন শতবর্ষী কড়ই গাছের ঝুঁকিপূর্ণ শুকনো ডাল অপসারণ করেছে পৌর কর্তৃপক্ষ। বুধবার (২৯ জুলাই ২০২৬) পৌর নির্বাহী মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তাৎক্ষণিকভাবে শুকনো ডালপালা অপসারণের নির্দেশ দেন। পরে পৌরসভার কর্মীরা ঝুঁকিপূর্ণ ডালগুলো কেটে অপসারণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।দীর্ঘদিন ধরে গাছটির অন্তত পাঁচটি বড় শুকনো ডাল ঝুলে থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছিল। যেকোনো সময় ডাল ভেঙে পড়ে পথচারী, দর্শনার্থী ও যানবাহনের ওপর দুর্ঘটনা ঘটতে পারে—এমন আশঙ্কার কথা স্থানীয়রা বারবার তুলে ধরেছিলেন। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে ঝড়-বৃষ্টির সময় ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।
আরও পড়ুন, বিশেষ অভিযানে অস্ত্র মামলার আসামিসহ ৪ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিদিন শত শত মানুষ ও যানবাহন ইলিয়ট ব্রিজ দিয়ে চলাচল করে। তাই জননিরাপত্তার স্বার্থে শুকনো ডালগুলো অপসারণ ছিল অত্যন্ত জরুরি।ইলিয়ট ব্রিজ ও এর পাশের শতবর্ষী কড়ই গাছটি সিরাজগঞ্জের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বহু বছর ধরে এটি শহরবাসীর মিলনস্থল, বিশ্রাম ও আড্ডার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। পরিবেশপ্রেমী ও সচেতন নাগরিকরা গাছটি কেটে না ফেলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শে নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন।এদিকে, ঝুঁকিপূর্ণ শুকনো ডাল অপসারণের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করায় পৌর প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম ও পৌর কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়েছেন শহরবাসী। তাদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও গাছটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় পরিচর্যা ও সংরক্ষণে নিয়মিত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে একদিকে জননিরাপত্তা নিশ্চিত হয় এবং অন্যদিকে সিরাজগঞ্জের ইতিহাসের নীরব সাক্ষী এই শতবর্ষী কড়ই গাছটি টিকে থাকে।

আপনার মতামত লিখুন