রাজধানীর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল—ঢামেকে চিকিৎসাধীন এক মুমূর্ষু শিশুকে অন্য হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় হাসপাতালের সাময়িক বরখাস্ত এক অফিস সহকারীকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে শিশুটির পরিবার।
আরও পড়ুন, ঈদ বাজারে ভাইরাল ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ মহিষ
মঙ্গলবার বিকেলে ঘটে এই ঘটনা। মারা যাওয়া শিশুর নাম হাসিব আহমেদ মিনহাজ। বয়স মাত্র সাত বছর। পরিবারের অভিযোগ, অক্সিজেন মাস্ক খুলে ভুলভাবে অন্য হাসপাতালে নেওয়ার কারণেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। স্বজনরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিল মিনহাজ। প্রথমে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় আনা হয়। শিশু হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে শয্যা না পেয়ে মঙ্গলবার বিকেলে তারা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান।
আরও পড়ুন, হান্টাভাইরাস নিয়ে সতর্ক করল ফ্রান্স
পরিবারের অভিযোগ, ওই সময় ঢামেক হাসপাতালের সাময়িক বরখাস্ত অফিস সহকারী মোহাম্মদ এনায়েত করিম তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি জানান, হাসপাতালে কোনো বেড খালি নেই এবং কাটাবনের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। সেখানে প্রতিদিন প্রায় ২৫ হাজার টাকা খরচ হবে বলেও জানান তিনি।
শিশুটির বাবা হেলাল মিয়া বলেন, চিকিৎসকরা আগেই সতর্ক করেছিলেন—এক মুহূর্তের জন্যও যেন অক্সিজেন মাস্ক খোলা না হয়। কিন্তু এনায়েত করিম তাদের কথা শোনেননি। অ্যাম্বুলেন্সে তোলার কথা বলে প্রায় আধা ঘণ্টা শিশুটিকে হাসপাতালের ভেতর ঘোরানো হয়। পরিবারের দাবি, হাসপাতালের ২ নম্বর ভবনের গেটে অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময় তারা বুঝতে পারেন শিশুটি আর শ্বাস নিচ্ছে না। এ সময় অভিযুক্ত কর্মচারী পালানোর চেষ্টা করলে স্বজনরা তাকে আটক করে পুলিশ ক্যাম্পে সোপর্দ করেন।
আরও পড়ুন, পটিয়ায় চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসে জড়িতদের পুলিশে সোপর্দের আহ্বান এমপি এনামের
মিনহাজের মামা রিপন বলেন, তারা গ্রামের মানুষ হওয়ায় ঢাকার হাসপাতাল ব্যবস্থা সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে তাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় শাহবাগ থানার পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে এনায়েত করিমকে আটক রাখা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিশুটির মরদেহ বর্তমানে ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
বিষয় : শিশু ঢামেক আটক অক্সিজেন মাস্ক

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
রাজধানীর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল—ঢামেকে চিকিৎসাধীন এক মুমূর্ষু শিশুকে অন্য হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় হাসপাতালের সাময়িক বরখাস্ত এক অফিস সহকারীকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে শিশুটির পরিবার।
আরও পড়ুন, ঈদ বাজারে ভাইরাল ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ মহিষ
মঙ্গলবার বিকেলে ঘটে এই ঘটনা। মারা যাওয়া শিশুর নাম হাসিব আহমেদ মিনহাজ। বয়স মাত্র সাত বছর। পরিবারের অভিযোগ, অক্সিজেন মাস্ক খুলে ভুলভাবে অন্য হাসপাতালে নেওয়ার কারণেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। স্বজনরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিল মিনহাজ। প্রথমে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় আনা হয়। শিশু হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে শয্যা না পেয়ে মঙ্গলবার বিকেলে তারা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান।
আরও পড়ুন, হান্টাভাইরাস নিয়ে সতর্ক করল ফ্রান্স
পরিবারের অভিযোগ, ওই সময় ঢামেক হাসপাতালের সাময়িক বরখাস্ত অফিস সহকারী মোহাম্মদ এনায়েত করিম তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি জানান, হাসপাতালে কোনো বেড খালি নেই এবং কাটাবনের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। সেখানে প্রতিদিন প্রায় ২৫ হাজার টাকা খরচ হবে বলেও জানান তিনি।
শিশুটির বাবা হেলাল মিয়া বলেন, চিকিৎসকরা আগেই সতর্ক করেছিলেন—এক মুহূর্তের জন্যও যেন অক্সিজেন মাস্ক খোলা না হয়। কিন্তু এনায়েত করিম তাদের কথা শোনেননি। অ্যাম্বুলেন্সে তোলার কথা বলে প্রায় আধা ঘণ্টা শিশুটিকে হাসপাতালের ভেতর ঘোরানো হয়। পরিবারের দাবি, হাসপাতালের ২ নম্বর ভবনের গেটে অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময় তারা বুঝতে পারেন শিশুটি আর শ্বাস নিচ্ছে না। এ সময় অভিযুক্ত কর্মচারী পালানোর চেষ্টা করলে স্বজনরা তাকে আটক করে পুলিশ ক্যাম্পে সোপর্দ করেন।
আরও পড়ুন, পটিয়ায় চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসে জড়িতদের পুলিশে সোপর্দের আহ্বান এমপি এনামের
মিনহাজের মামা রিপন বলেন, তারা গ্রামের মানুষ হওয়ায় ঢাকার হাসপাতাল ব্যবস্থা সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে তাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় শাহবাগ থানার পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে এনায়েত করিমকে আটক রাখা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিশুটির মরদেহ বর্তমানে ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন