চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার একটি বেসরকারি মাদ্রাসায় ১১ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি শিশু অধিকার ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয় হিসেবে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। আহত শিক্ষার্থীর হাতে, পেটে, মুখে ও পিঠে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। বর্তমানে সে চন্দনাইশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
আরও পড়ুন, ব্যক্তিস্বার্থে কালভার্ট বন্ধে ডুবছে ফসল, দিশেহারা পাকুন্দিয়ার কৃষক
গত বুধবার (৬ মে) চন্দনাইশ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ওপরে অবস্থিত ‘গুলজারে মদিনা হিফজুল কোরআন প্রাইভেট মাদ্রাসা’-য় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী মো. আহিল ওই মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের ছাত্র এবং দক্ষিণ জোয়ারা হারলা গ্রামের নুরুল আলমের ছেলে।
আরও পড়ুন, চট্টগ্রাম পুলিশের নেতৃত্বে নতুন অধ্যায়, দায়িত্ব নিলেন আলোচিত মাসুদ আলম বিপিএম
আহত শিক্ষার্থীর স্বজনরা অভিযোগ করেন, সামান্য ভুলের কারণে শিশুটিকে অমানবিকভাবে বেত্রাঘাত করা হয়েছে। তাদের দাবি, একজন শিক্ষকের এমন আচরণ শুধু শিক্ষানীতির পরিপন্থী নয়, বরং শিশুদের নিরাপদ শিক্ষার অধিকার ও মানবাধিকারেরও লঙ্ঘন। স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শারীরিক শাস্তি বন্ধে সরকারের কঠোর নির্দেশনা থাকলেও এখনো কিছু প্রতিষ্ঠানে শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন, মিঠাপুকুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ আশিক ইলাহী জানান, ঘটনার সময় তিনি মাদ্রাসায় উপস্থিত ছিলেন না। শিক্ষক মো. আমান উল্লাহ পাঠ আদায়ের উদ্দেশ্যে ছাত্রটিকে মারধর করেছেন বলে তিনি নিশ্চিত করেন। বিষয়টি নিয়ে অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম দিদারুল ইসলাম সিকদার বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিষয় : চট্টগ্রাম নির্যাতন মাদ্রাসা ছাত্র নির্যাতন

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার একটি বেসরকারি মাদ্রাসায় ১১ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি শিশু অধিকার ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয় হিসেবে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। আহত শিক্ষার্থীর হাতে, পেটে, মুখে ও পিঠে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। বর্তমানে সে চন্দনাইশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
আরও পড়ুন, ব্যক্তিস্বার্থে কালভার্ট বন্ধে ডুবছে ফসল, দিশেহারা পাকুন্দিয়ার কৃষক
গত বুধবার (৬ মে) চন্দনাইশ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ওপরে অবস্থিত ‘গুলজারে মদিনা হিফজুল কোরআন প্রাইভেট মাদ্রাসা’-য় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী মো. আহিল ওই মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের ছাত্র এবং দক্ষিণ জোয়ারা হারলা গ্রামের নুরুল আলমের ছেলে।
আরও পড়ুন, চট্টগ্রাম পুলিশের নেতৃত্বে নতুন অধ্যায়, দায়িত্ব নিলেন আলোচিত মাসুদ আলম বিপিএম
আহত শিক্ষার্থীর স্বজনরা অভিযোগ করেন, সামান্য ভুলের কারণে শিশুটিকে অমানবিকভাবে বেত্রাঘাত করা হয়েছে। তাদের দাবি, একজন শিক্ষকের এমন আচরণ শুধু শিক্ষানীতির পরিপন্থী নয়, বরং শিশুদের নিরাপদ শিক্ষার অধিকার ও মানবাধিকারেরও লঙ্ঘন। স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শারীরিক শাস্তি বন্ধে সরকারের কঠোর নির্দেশনা থাকলেও এখনো কিছু প্রতিষ্ঠানে শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন, মিঠাপুকুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ আশিক ইলাহী জানান, ঘটনার সময় তিনি মাদ্রাসায় উপস্থিত ছিলেন না। শিক্ষক মো. আমান উল্লাহ পাঠ আদায়ের উদ্দেশ্যে ছাত্রটিকে মারধর করেছেন বলে তিনি নিশ্চিত করেন। বিষয়টি নিয়ে অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম দিদারুল ইসলাম সিকদার বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন