যুবদল নেতাসহ দুইটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে নাম থাকা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ মাহবুব আলম খানকে ফেনীর পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। এ পদায়নকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে মঙ্গলবার জারি করা প্রজ্ঞাপনে তাকে এই পদায়ন দেওয়া হয়। তবে পরদিনই ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে তার পদায়ন বাতিল এবং আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে লিখিত আবেদন করা হয়।অভিযোগ অনুযায়ী, চাঁপাইনবাবগঞ্জে দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে বিএনপি-জামায়াত কর্মীদের ওপর হামলা, নির্যাতন এবং একাধিক হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে। ২০১৭ সালের শিবগঞ্জ থানার যুবদল নেতা মিজান হত্যা মামলায় তার নাম আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আরও পড়ুন , সন্ধ্যায় শপিং মল বন্ধে বিদ্যুৎ সাশ্রয়, ফুটপাত-ইজিবাইকে বিপুল অপচয়
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ওই সময় পুলিশি অভিযানের নামে তাদের দুই সন্তানকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর একজনকে বন্দুকযুদ্ধে নিহত দেখানো হয় এবং অন্যজন এখনো নিখোঁজ। পরিবার আরও অভিযোগ করে, তাদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চাপও দেওয়া হয়েছিল।এদিকে আরেকটি হত্যা মামলায়ও তার নাম আসামি হিসেবে রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে তদন্ত কর্মকর্তারা বলছেন, একটি মামলায় তাকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে এবং অন্য মামলার তদন্ত চলছে।অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান বলেন, একটি মামলায় ইতোমধ্যে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং অন্য মামলায় ঘটনার সময় তিনি প্রশিক্ষণে ছিলেন বলে দাবি করেন।এ ঘটনায় মানবাধিকার আইনজীবীরা বলছেন, গুরুতর অভিযোগ থাকা অবস্থায় এমন পদায়ন প্রশ্নবিদ্ধ এবং প্রশাসনিক সতর্কতা প্রয়োজন।
বিষয় : মামলা এসপি ডিবি কর্মকর্তা

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
যুবদল নেতাসহ দুইটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে নাম থাকা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ মাহবুব আলম খানকে ফেনীর পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। এ পদায়নকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে মঙ্গলবার জারি করা প্রজ্ঞাপনে তাকে এই পদায়ন দেওয়া হয়। তবে পরদিনই ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে তার পদায়ন বাতিল এবং আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে লিখিত আবেদন করা হয়।অভিযোগ অনুযায়ী, চাঁপাইনবাবগঞ্জে দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে বিএনপি-জামায়াত কর্মীদের ওপর হামলা, নির্যাতন এবং একাধিক হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে। ২০১৭ সালের শিবগঞ্জ থানার যুবদল নেতা মিজান হত্যা মামলায় তার নাম আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আরও পড়ুন , সন্ধ্যায় শপিং মল বন্ধে বিদ্যুৎ সাশ্রয়, ফুটপাত-ইজিবাইকে বিপুল অপচয়
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ওই সময় পুলিশি অভিযানের নামে তাদের দুই সন্তানকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর একজনকে বন্দুকযুদ্ধে নিহত দেখানো হয় এবং অন্যজন এখনো নিখোঁজ। পরিবার আরও অভিযোগ করে, তাদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চাপও দেওয়া হয়েছিল।এদিকে আরেকটি হত্যা মামলায়ও তার নাম আসামি হিসেবে রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে তদন্ত কর্মকর্তারা বলছেন, একটি মামলায় তাকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে এবং অন্য মামলার তদন্ত চলছে।অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান বলেন, একটি মামলায় ইতোমধ্যে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং অন্য মামলায় ঘটনার সময় তিনি প্রশিক্ষণে ছিলেন বলে দাবি করেন।এ ঘটনায় মানবাধিকার আইনজীবীরা বলছেন, গুরুতর অভিযোগ থাকা অবস্থায় এমন পদায়ন প্রশ্নবিদ্ধ এবং প্রশাসনিক সতর্কতা প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন