দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

অনিয়মে এগিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ আওয়ামী চেয়ারম্যান অফিস করেন দুই দিন ইউপি সদস্যদেরাও অনিয়মে

অনিয়মে এগিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ আওয়ামী চেয়ারম্যান অফিস করেন দুই দিন ইউপি সদস্যদেরাও অনিয়মে
অনিয়মে এগিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ আওয়ামী চেয়ারম্যান

নাটোর জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়ন পরিষদ দুর্নীতি ও অনিয়মে এগিয়ে। আওয়ামী চেয়ারম্যান  মিজানুর রহমান সুজা  অফিস করেন সপ্তাহে মাত্র দুদিন কোন কোন সপ্তাহে একদিন। মাতৃকালীন ভাতা,বয়স্ক ভাতা, ভিজিডি কার্ড  ইত্যাদি সকল কাজেই কমিশন বাণিজ্য করছেন এই চেয়ারম্যান সহ ইউপি সদস্যরা।তথ্যসূত্র জানা যায়,  দুপুর ১১ টায় অফিসে এসে  বিকাল তিনটার মধ্যেই চলে যান। বিকালে বসে তার বাসায় মদের আড্ডা। সেখানেই তার  ব্যক্তিগত কম্পিউটার অপারেটর  ও পরিষদের কম্পিউটার অপারেটরের মধ্যে আলোচনা করার পর প্রত্যেকটা কাজের কমিশন গ্রহণ করা হয়। কোন কোন কাজে এক বোতল মদের দাম নেয় এই চেয়ারম্যান। চেয়ারম্যানের পাশাপাশি তারই ইউপি সদস্যরাও অনিয়মের বেড়াজালে বন্দি।

আরো পড়ুন ,গাজীপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৬৪ কেজি গাঁজা ও মদ উদ্ধার

স্থানীয় কয়েকজন ভুক্তভোগী বলেন, প্রত্যেকটা সেবা থেকে ঘুষ গ্রহণ করেন। এমনকি কোন কিছু তল্লাশি দিতে গেলেও কম্পিউটার অপারেটর সহ  আরো দুই একজনকে টাকা দিতে হয়  পরিষদে। জরুরি প্রয়োজনে কোন কাগজ স্বাক্ষর করতে হলে চেয়ারম্যানের বাসায় গিয়ে সিরিয়াল দিতে হয়। দুঃখ প্রকাশ করে ভুক্তভোগিরা বলেন এভাবে কোন পরিষদ চলতে পারে না। আরো বলেন, এই চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।নাটোর জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, দুর্নীতি অনিয়ম ও সেচ্ছাচারিতার অভিযোগে  অভিযুক্ত হলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এর আগেও এই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে আমরা তা খতিয়ে দেখছি।স্থানীয়রা বলেন, আমরা খুব তাড়াতাড়ি মানববন্ধন করে  সরকারের নজরে আনার চেষ্টা করব।  

বিষয় : দুর্নীতি চেয়ারম্যান অনিয়ম

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬


অনিয়মে এগিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ আওয়ামী চেয়ারম্যান অফিস করেন দুই দিন ইউপি সদস্যদেরাও অনিয়মে

প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

নাটোর জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়ন পরিষদ দুর্নীতি ও অনিয়মে এগিয়ে। আওয়ামী চেয়ারম্যান  মিজানুর রহমান সুজা  অফিস করেন সপ্তাহে মাত্র দুদিন কোন কোন সপ্তাহে একদিন। মাতৃকালীন ভাতা,বয়স্ক ভাতা, ভিজিডি কার্ড  ইত্যাদি সকল কাজেই কমিশন বাণিজ্য করছেন এই চেয়ারম্যান সহ ইউপি সদস্যরা।তথ্যসূত্র জানা যায়,  দুপুর ১১ টায় অফিসে এসে  বিকাল তিনটার মধ্যেই চলে যান। বিকালে বসে তার বাসায় মদের আড্ডা। সেখানেই তার  ব্যক্তিগত কম্পিউটার অপারেটর  ও পরিষদের কম্পিউটার অপারেটরের মধ্যে আলোচনা করার পর প্রত্যেকটা কাজের কমিশন গ্রহণ করা হয়। কোন কোন কাজে এক বোতল মদের দাম নেয় এই চেয়ারম্যান। চেয়ারম্যানের পাশাপাশি তারই ইউপি সদস্যরাও অনিয়মের বেড়াজালে বন্দি।

আরো পড়ুন ,গাজীপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৬৪ কেজি গাঁজা ও মদ উদ্ধার

স্থানীয় কয়েকজন ভুক্তভোগী বলেন, প্রত্যেকটা সেবা থেকে ঘুষ গ্রহণ করেন। এমনকি কোন কিছু তল্লাশি দিতে গেলেও কম্পিউটার অপারেটর সহ  আরো দুই একজনকে টাকা দিতে হয়  পরিষদে। জরুরি প্রয়োজনে কোন কাগজ স্বাক্ষর করতে হলে চেয়ারম্যানের বাসায় গিয়ে সিরিয়াল দিতে হয়। দুঃখ প্রকাশ করে ভুক্তভোগিরা বলেন এভাবে কোন পরিষদ চলতে পারে না। আরো বলেন, এই চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।নাটোর জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, দুর্নীতি অনিয়ম ও সেচ্ছাচারিতার অভিযোগে  অভিযুক্ত হলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এর আগেও এই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে আমরা তা খতিয়ে দেখছি।স্থানীয়রা বলেন, আমরা খুব তাড়াতাড়ি মানববন্ধন করে  সরকারের নজরে আনার চেষ্টা করব।  


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত