বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলীর পদত্যাগ দাবিতে ডাকা শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ও হামলার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ‘সাধারণ শিক্ষার্থীদের’ ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ধরার কথা ছিল। তবে সংবাদ সম্মেলন শুরুর আগেই সেখানে উপস্থিত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ফেরদৌস রহমান। তিনি আয়োজকদের কাছে অনুমতির বিষয়ে জানতে চান এবং অনুমতি ছাড়া সংবাদ সম্মেলন করতে দেওয়া হবে না বলে জানান।
আরও পড়ুন, ভুল সেটে এসএসসি পরীক্ষা: শিক্ষার্থীর ফল নিয়ে উদ্বেগ
এ সময় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজক পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হাফিজুর রহমান সিয়াম উপাচার্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি জাল সনদের অভিযোগে অভিযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যখন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অভিযোগকারী শিক্ষার্থীকে ছাত্রলীগের কর্মী আখ্যা দেন। উভয়পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা একপর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়।
আরও পড়ুন, ঈদুল আজহায় স্কুল-কলেজে ১৬ দিন ও মাদ্রাসায় ২১ দিনের ছুটি নির্ধারণ
হাফিজুর রহমান সিয়ামের অভিযোগ, প্রক্টরের উপস্থিতিতেই ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তার ওপর হামলা চালায় এবং সংবাদ সম্মেলনের টেবিল ভাঙচুর করে অনুষ্ঠান পণ্ড করে দেয়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিফাত রাফি-এর বিরুদ্ধে গায়ে হাত তোলার অভিযোগ করেন।
আরও পড়ুন, আগামীতে নোট-গাইডের দরকার হবে না: শিক্ষামন্ত্রী
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে রিফাত রাফি দাবি করেন, হাফিজুর রহমান সিয়াম ছাত্রলীগের এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছেন। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ফেরদৌস রহমান বলেন, তিনি শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলছিলেন। পরে এক সাবেক শিক্ষার্থী সেখানে আসলে পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলীর পদত্যাগ দাবিতে ডাকা শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ও হামলার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ‘সাধারণ শিক্ষার্থীদের’ ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ধরার কথা ছিল। তবে সংবাদ সম্মেলন শুরুর আগেই সেখানে উপস্থিত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ফেরদৌস রহমান। তিনি আয়োজকদের কাছে অনুমতির বিষয়ে জানতে চান এবং অনুমতি ছাড়া সংবাদ সম্মেলন করতে দেওয়া হবে না বলে জানান।
আরও পড়ুন, ভুল সেটে এসএসসি পরীক্ষা: শিক্ষার্থীর ফল নিয়ে উদ্বেগ
এ সময় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজক পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হাফিজুর রহমান সিয়াম উপাচার্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি জাল সনদের অভিযোগে অভিযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যখন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অভিযোগকারী শিক্ষার্থীকে ছাত্রলীগের কর্মী আখ্যা দেন। উভয়পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা একপর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়।
আরও পড়ুন, ঈদুল আজহায় স্কুল-কলেজে ১৬ দিন ও মাদ্রাসায় ২১ দিনের ছুটি নির্ধারণ
হাফিজুর রহমান সিয়ামের অভিযোগ, প্রক্টরের উপস্থিতিতেই ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তার ওপর হামলা চালায় এবং সংবাদ সম্মেলনের টেবিল ভাঙচুর করে অনুষ্ঠান পণ্ড করে দেয়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিফাত রাফি-এর বিরুদ্ধে গায়ে হাত তোলার অভিযোগ করেন।
আরও পড়ুন, আগামীতে নোট-গাইডের দরকার হবে না: শিক্ষামন্ত্রী
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে রিফাত রাফি দাবি করেন, হাফিজুর রহমান সিয়াম ছাত্রলীগের এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছেন। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ফেরদৌস রহমান বলেন, তিনি শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলছিলেন। পরে এক সাবেক শিক্ষার্থী সেখানে আসলে পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন