দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এমন পর্যায়ে নেওয়া হচ্ছে, যেখানে নোট-গাইডের প্রয়োজনীয়তা থাকবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তবে শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য সহযোগী বই থাকবে বলেও জানান তিনি।শুক্রবার দুপুরে বাংলা একাডেমি-তে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
আরও পড়ুন, ঢাকায় নতুন চার থানা ও একাধিক পুলিশ ফাঁড়ির পরিকল্পনা ডিএমপির
তিনি বলেন, শিক্ষকরা যদি শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট নোট-গাইড পড়তে বাধ্য করেন, সেটি গ্রহণযোগ্য নয়। বরং শিক্ষকদের সহযোগী বইয়ের তালিকা দিতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজন অনুযায়ী বই সংগ্রহ করতে পারে।
আরও পড়ুন, ঈদুল আজহা ঘিরে দূরপাল্লার বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, তিনি কখনোই নোট-গাইড সংস্কৃতিকে সমর্থন করেন না। গাইড বইকে কেন্দ্র করে নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। কিছু প্রতিষ্ঠানের গাইড বই থেকে প্রশ্ন করা হয় বলেও অভিযোগ আছে। অতীতে শিক্ষকদের মাধ্যমে গাইড বই বিতরণ এবং এ খাতে বিপুল অর্থ লেনদেনের খবরও প্রকাশিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
আরও পড়ুন, ঈদুল আজহায় স্কুল-কলেজে ১৬ দিন ও মাদ্রাসায় ২১ দিনের ছুটি নির্ধারণ
তিনি বলেন, এসব অনিয়ম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন। তবে সহায়ক ও সহযোগী বই থাকবে এবং শিক্ষার্থীরা প্রয়োজন অনুযায়ী তা ব্যবহার করবে। অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, বই বিক্রিকে শিল্প হিসেবে স্বীকৃতি দিতে সরকারের আপত্তি নেই, যদি এতে ব্যবসায়ীদের সুবিধা হয়। একই সঙ্গে তিনি প্রকাশকদের মানসম্মত কাগজ ব্যবহার করে বই ছাপানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বইয়ের ব্যবসা শুধু বাণিজ্য নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনের সঙ্গেও জড়িত।
বিষয় : সভা গাইড শিক্ষামন্ত্রী নোট

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এমন পর্যায়ে নেওয়া হচ্ছে, যেখানে নোট-গাইডের প্রয়োজনীয়তা থাকবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তবে শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য সহযোগী বই থাকবে বলেও জানান তিনি।শুক্রবার দুপুরে বাংলা একাডেমি-তে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
আরও পড়ুন, ঢাকায় নতুন চার থানা ও একাধিক পুলিশ ফাঁড়ির পরিকল্পনা ডিএমপির
তিনি বলেন, শিক্ষকরা যদি শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট নোট-গাইড পড়তে বাধ্য করেন, সেটি গ্রহণযোগ্য নয়। বরং শিক্ষকদের সহযোগী বইয়ের তালিকা দিতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজন অনুযায়ী বই সংগ্রহ করতে পারে।
আরও পড়ুন, ঈদুল আজহা ঘিরে দূরপাল্লার বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, তিনি কখনোই নোট-গাইড সংস্কৃতিকে সমর্থন করেন না। গাইড বইকে কেন্দ্র করে নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। কিছু প্রতিষ্ঠানের গাইড বই থেকে প্রশ্ন করা হয় বলেও অভিযোগ আছে। অতীতে শিক্ষকদের মাধ্যমে গাইড বই বিতরণ এবং এ খাতে বিপুল অর্থ লেনদেনের খবরও প্রকাশিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
আরও পড়ুন, ঈদুল আজহায় স্কুল-কলেজে ১৬ দিন ও মাদ্রাসায় ২১ দিনের ছুটি নির্ধারণ
তিনি বলেন, এসব অনিয়ম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন। তবে সহায়ক ও সহযোগী বই থাকবে এবং শিক্ষার্থীরা প্রয়োজন অনুযায়ী তা ব্যবহার করবে। অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, বই বিক্রিকে শিল্প হিসেবে স্বীকৃতি দিতে সরকারের আপত্তি নেই, যদি এতে ব্যবসায়ীদের সুবিধা হয়। একই সঙ্গে তিনি প্রকাশকদের মানসম্মত কাগজ ব্যবহার করে বই ছাপানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বইয়ের ব্যবসা শুধু বাণিজ্য নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনের সঙ্গেও জড়িত।

আপনার মতামত লিখুন