একাত্তরে যারা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নির্যাতন করেছিল, তারাই আবার নবরূপে ফিরে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি একই সঙ্গে দেশবাসীর কাছে প্রশ্ন তুলেছেন, তাদের হাতে জনগণ নিরাপদ কি না। শুক্রবার নিজ নির্বাচনি এলাকা পেকুয়া সদরের বিশ্বাসপাড়ায় হিন্দু-বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন সালাহউদ্দিন আহমদ।
কক্সবাজার-১ আসনের এই প্রার্থী আরও বলেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে একটি ধর্মভিত্তিক দলের হাতে এদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হতে হয়েছিল। যা সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের পূর্ব পুরুষেরা জানেন। যারা স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেনি, কিংবা স্বাধীনতা চায়নি, তাদের দ্বারাই সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নির্যাতনের শিকার হন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বিএনপির শাসনামলে এদেশের সব ধর্মের মানুষ নিরাপদ ছিল। আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন। আমরা কোনো ধরনের জাতি বিভক্তি, ধর্মীয় বিভক্তি কিংবা বর্ণ বিভক্তি চাই না। আমরা বাংলাদেশি হিসেবে সবাই মিলেমিশে বসবাস করতে চাই।’ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পেকুয়া উপজেলা বিশ্বাসপাড়া পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক চন্দময় বিশ্বাস তিলক। এ সময় বক্তব্য রাখেন পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাহাদুর শাহ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরান জাদীদ মুকুট, বিশ্বাসপাড়া কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দিরের সভাপতি শিমুল বিশ্বাস, উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক রমেশ বিশ্বাস।
আরও পড়ুন, আজ ইশতেহার ঘোষণা করবে জাতীয় নাগরিক পার্টি
এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুমন বিশ্বাস, উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অংতোয়াইচিং রাখাইন, বারবাকিয়া লোকনাথ মন্দিরের পরিচালনা কমিটির সভাপতি রিপন কান্তি নাথ, বারবাকিয়া সর্বজনীন দূর্গা মন্দিরের সভাপতি পরিতোষ নাথ, শিলখালী বিষ্ণু মন্দিরের সভাপতি মাস্টার অনিল কান্তি শিলসহ অনেকে।
বিষয় : ধর্মাবলম্বী সনাতন নির্যাতন সালাহউদ্দিন

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
একাত্তরে যারা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নির্যাতন করেছিল, তারাই আবার নবরূপে ফিরে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি একই সঙ্গে দেশবাসীর কাছে প্রশ্ন তুলেছেন, তাদের হাতে জনগণ নিরাপদ কি না। শুক্রবার নিজ নির্বাচনি এলাকা পেকুয়া সদরের বিশ্বাসপাড়ায় হিন্দু-বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন সালাহউদ্দিন আহমদ।
কক্সবাজার-১ আসনের এই প্রার্থী আরও বলেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে একটি ধর্মভিত্তিক দলের হাতে এদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হতে হয়েছিল। যা সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের পূর্ব পুরুষেরা জানেন। যারা স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেনি, কিংবা স্বাধীনতা চায়নি, তাদের দ্বারাই সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নির্যাতনের শিকার হন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বিএনপির শাসনামলে এদেশের সব ধর্মের মানুষ নিরাপদ ছিল। আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন। আমরা কোনো ধরনের জাতি বিভক্তি, ধর্মীয় বিভক্তি কিংবা বর্ণ বিভক্তি চাই না। আমরা বাংলাদেশি হিসেবে সবাই মিলেমিশে বসবাস করতে চাই।’ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পেকুয়া উপজেলা বিশ্বাসপাড়া পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক চন্দময় বিশ্বাস তিলক। এ সময় বক্তব্য রাখেন পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাহাদুর শাহ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরান জাদীদ মুকুট, বিশ্বাসপাড়া কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দিরের সভাপতি শিমুল বিশ্বাস, উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক রমেশ বিশ্বাস।
আরও পড়ুন, আজ ইশতেহার ঘোষণা করবে জাতীয় নাগরিক পার্টি
এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুমন বিশ্বাস, উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অংতোয়াইচিং রাখাইন, বারবাকিয়া লোকনাথ মন্দিরের পরিচালনা কমিটির সভাপতি রিপন কান্তি নাথ, বারবাকিয়া সর্বজনীন দূর্গা মন্দিরের সভাপতি পরিতোষ নাথ, শিলখালী বিষ্ণু মন্দিরের সভাপতি মাস্টার অনিল কান্তি শিলসহ অনেকে।

আপনার মতামত লিখুন