দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

শিকলে বেঁধে বেল্ট দিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ, পরে গৃহবধূর মৃত্যু

শিকলে বেঁধে বেল্ট দিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ, পরে গৃহবধূর মৃত্যু
শিকলে বেঁধে বেল্ট দিয়ে নির্যাতনের অভিযো

রাজধানীর খিলক্ষেতে স্ত্রীকে শিকল দিয়ে বেঁধে বেল্ট দিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্বামী সোহেল শিকদারের বিরুদ্ধে। পরিবারের অভিযোগ, নির্যাতনের একটি ভিডিও স্বজনদের কাছে পাঠিয়ে ‘তোমার বোনকে নিয়ে যাও’ বার্তাও দেন তিনি। এর কয়েক দিন পর বাসা থেকে গৃহবধূ মুক্তা ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় করা মামলায় স্বামী সোহেলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।রাজধানীর খিলক্ষেতে গৃহবধূ মুক্তা ইসলামকে শিকল দিয়ে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী সোহেল শিকদারের বিরুদ্ধে।নিহতের পরিবারের অভিযোগ, যৌতুকের দাবি ও পরকীয়া সন্দেহে কয়েক মাস ধরে মুক্তার ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন সোহেল।পরিবারের দাবি, গত ৩০ আগস্ট মুক্তার পা শিকল দিয়ে বেঁধে বেল্ট দিয়ে তাকে মারধর করেন সোহেল। এ সময় নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করে মুক্তার ভাইয়ের মোবাইলে পাঠানো হয়। সঙ্গে লেখা হয়—‘তোমার বোনকে নিয়ে যাও।’

আরও  পড়ুন, বদরটুনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শৃঙ্খলায় গুরুত্ব

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনায় মুক্তার দুই শিশুসন্তান ভীত হয়ে কান্নাকাটি করতে থাকে। কিন্তু নির্যাতন বন্ধ হয়নি।পরে ৩ সেপ্টেম্বর খিলক্ষেতের বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মুক্তার মরদেহ উদ্ধার করেন স্বজনরা। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই মরদেহ নামানো হয়েছিল বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।এ ঘটনায় পরদিন খিলক্ষেত থানায় মামলা করেন মুক্তার ভাই তানভীর রহমান।মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের সন্দেহে মুক্তার ওপর নির্যাতন চালাতেন সোহেল। সর্বশেষ ৩০ আগস্ট তাকে বেল্ট দিয়ে মারধর করে গুরুতর অসুস্থ করে দেওয়া হয়।খিলক্ষেত থানার ওসি মুহাম্মাদ সোহরাব আল হোসাইন জানিয়েছেন, নির্যাতনের ভিডিওটি মৃত্যুর তিন দিন আগের। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।নিহতের পরিবারের দাবি, মুক্তাকে নির্যাতনের পর হত্যার ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। তবে প্রকৃত ঘটনা কী, তা তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনেই স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বিষয় : নির্যাতন গৃহবধূর মৃত্যু শিকলে বেঁধে

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


শিকলে বেঁধে বেল্ট দিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ, পরে গৃহবধূর মৃত্যু

প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

রাজধানীর খিলক্ষেতে স্ত্রীকে শিকল দিয়ে বেঁধে বেল্ট দিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্বামী সোহেল শিকদারের বিরুদ্ধে। পরিবারের অভিযোগ, নির্যাতনের একটি ভিডিও স্বজনদের কাছে পাঠিয়ে ‘তোমার বোনকে নিয়ে যাও’ বার্তাও দেন তিনি। এর কয়েক দিন পর বাসা থেকে গৃহবধূ মুক্তা ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় করা মামলায় স্বামী সোহেলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।রাজধানীর খিলক্ষেতে গৃহবধূ মুক্তা ইসলামকে শিকল দিয়ে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী সোহেল শিকদারের বিরুদ্ধে।নিহতের পরিবারের অভিযোগ, যৌতুকের দাবি ও পরকীয়া সন্দেহে কয়েক মাস ধরে মুক্তার ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন সোহেল।পরিবারের দাবি, গত ৩০ আগস্ট মুক্তার পা শিকল দিয়ে বেঁধে বেল্ট দিয়ে তাকে মারধর করেন সোহেল। এ সময় নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করে মুক্তার ভাইয়ের মোবাইলে পাঠানো হয়। সঙ্গে লেখা হয়—‘তোমার বোনকে নিয়ে যাও।’

আরও  পড়ুন, বদরটুনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শৃঙ্খলায় গুরুত্ব

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনায় মুক্তার দুই শিশুসন্তান ভীত হয়ে কান্নাকাটি করতে থাকে। কিন্তু নির্যাতন বন্ধ হয়নি।পরে ৩ সেপ্টেম্বর খিলক্ষেতের বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মুক্তার মরদেহ উদ্ধার করেন স্বজনরা। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই মরদেহ নামানো হয়েছিল বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।এ ঘটনায় পরদিন খিলক্ষেত থানায় মামলা করেন মুক্তার ভাই তানভীর রহমান।মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের সন্দেহে মুক্তার ওপর নির্যাতন চালাতেন সোহেল। সর্বশেষ ৩০ আগস্ট তাকে বেল্ট দিয়ে মারধর করে গুরুতর অসুস্থ করে দেওয়া হয়।খিলক্ষেত থানার ওসি মুহাম্মাদ সোহরাব আল হোসাইন জানিয়েছেন, নির্যাতনের ভিডিওটি মৃত্যুর তিন দিন আগের। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।নিহতের পরিবারের দাবি, মুক্তাকে নির্যাতনের পর হত্যার ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। তবে প্রকৃত ঘটনা কী, তা তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনেই স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত