টাঙ্গাইলের সখীপুরের সফল কৃষি উদ্যোক্তা মোসলেম উদ্দিনের বাগানে সাধারণত ফাল্গুন মাসে বরই পাকলেওআগাম জাতের টক বরই পাকে ভাদ্র মাসেই। তাঁর বরই চাষে এক মৌসুমে এই বাগান থেকে প্রায় এক কোটি টাকারবরই বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের ইন্দারজানি-ঘাটাইল সীমান্ত এলাকায় প্রায় ৫০ একর জমিতে গড়ে তোলা এইবাগান থেকে আগস্টের শুরু থেকেই বরই বাজারজাত শুরু হয়েছে। প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ জন শ্রমিক বাগান থেকেবরই তুলে ঢাকার কারওয়ান বাজার ও শ্যামবাজারে পাঠাচ্ছেন। ভরা মৌসুমে এ বাগানে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জনশ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়। ভরা মৌসুমে যেখানে বরইয়ের কেজি বিক্রি হয় ২০ থেকে ৪০ টাকায়, সেখানেঅসময়ে এ ফল প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১৬০ টাকা দরে বিক্রি করছেন তিনি।
আরও পড়ুন, বিদেশি নম্বরে চাঁদাবাজির ভয়ংকর চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
প্রতিদিন গড়ে ১৮ থেকে ২০ বস্তাবরই বিক্রি করে তাঁর আয় হচ্ছে প্রায় পৌনে দুই থেকে দুই লাখ টাকা।তিন দশকের কৃষিজীবনে সিডলেস লেবু ও বারি মাল্টা চাষের অভিজ্ঞতা থাকলেও আগাম টক বরই চাষেই সবচেয়েবড় বাণিজ্যিক সাফল্য পেয়েছেন মোসলেম উদ্দিন। স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি বিভিন্ন আচার প্রস্তুতকারকপ্রতিষ্ঠান তাঁর বাগান থেকে বিপুল পরিমাণ বরই সংগ্রহ করে। মোসলেম উদ্দিনের এ সফলতা দেখে সখীপুর ওআশপাশের অনেক বেকার যুবক এবং কৃষক বরই চাষে উৎসাহিত হচ্ছেন। অনেকেই নতুন করে বাগান তৈরিরউদ্যোগ নিয়েছেন।সখীপুর উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা সাদিয়া ইয়াসমিন রিপা এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিয়ন্তাবর্মন জানান, স্থানীয় উর্বর মাটিকে কাজে লাগিয়ে কৌশলগত উপায়ে দেশি টক বরই চাষ করে সফলতার দৃষ্টান্তস্থাপন করেছেন মোসলেম উদ্দিন। নতুন কৃষি উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে এবং সার্বিক সহায়তায় কৃষিবিভাগের মাঠপর্যায়ের কাজ অব্যাহত রয়েছে।
বিষয় : টক বরই ফাল্গুন মাসে কৃষি উদ্যোক্তা

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
টাঙ্গাইলের সখীপুরের সফল কৃষি উদ্যোক্তা মোসলেম উদ্দিনের বাগানে সাধারণত ফাল্গুন মাসে বরই পাকলেওআগাম জাতের টক বরই পাকে ভাদ্র মাসেই। তাঁর বরই চাষে এক মৌসুমে এই বাগান থেকে প্রায় এক কোটি টাকারবরই বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের ইন্দারজানি-ঘাটাইল সীমান্ত এলাকায় প্রায় ৫০ একর জমিতে গড়ে তোলা এইবাগান থেকে আগস্টের শুরু থেকেই বরই বাজারজাত শুরু হয়েছে। প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ জন শ্রমিক বাগান থেকেবরই তুলে ঢাকার কারওয়ান বাজার ও শ্যামবাজারে পাঠাচ্ছেন। ভরা মৌসুমে এ বাগানে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জনশ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়। ভরা মৌসুমে যেখানে বরইয়ের কেজি বিক্রি হয় ২০ থেকে ৪০ টাকায়, সেখানেঅসময়ে এ ফল প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১৬০ টাকা দরে বিক্রি করছেন তিনি।
আরও পড়ুন, বিদেশি নম্বরে চাঁদাবাজির ভয়ংকর চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
প্রতিদিন গড়ে ১৮ থেকে ২০ বস্তাবরই বিক্রি করে তাঁর আয় হচ্ছে প্রায় পৌনে দুই থেকে দুই লাখ টাকা।তিন দশকের কৃষিজীবনে সিডলেস লেবু ও বারি মাল্টা চাষের অভিজ্ঞতা থাকলেও আগাম টক বরই চাষেই সবচেয়েবড় বাণিজ্যিক সাফল্য পেয়েছেন মোসলেম উদ্দিন। স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি বিভিন্ন আচার প্রস্তুতকারকপ্রতিষ্ঠান তাঁর বাগান থেকে বিপুল পরিমাণ বরই সংগ্রহ করে। মোসলেম উদ্দিনের এ সফলতা দেখে সখীপুর ওআশপাশের অনেক বেকার যুবক এবং কৃষক বরই চাষে উৎসাহিত হচ্ছেন। অনেকেই নতুন করে বাগান তৈরিরউদ্যোগ নিয়েছেন।সখীপুর উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা সাদিয়া ইয়াসমিন রিপা এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিয়ন্তাবর্মন জানান, স্থানীয় উর্বর মাটিকে কাজে লাগিয়ে কৌশলগত উপায়ে দেশি টক বরই চাষ করে সফলতার দৃষ্টান্তস্থাপন করেছেন মোসলেম উদ্দিন। নতুন কৃষি উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে এবং সার্বিক সহায়তায় কৃষিবিভাগের মাঠপর্যায়ের কাজ অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন