টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মূল ফটকের পাশে বেসরকারি লাইফ কেয়ার হাসপাতালেএবার মিলেছে সরকারি ওষুধ- এরকম একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বলে দেখা গেছে। এর আগেগত সপ্তাহে রাতের আঁধারে একটি মিনি ট্রাকভর্তি ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওষুধ যমুনা নদীতেফেলার সময় আটক করেন স্থানীয়রা। পার্শ্ববর্তী ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী এলাকার যমুনা নদীর ঘাটেট্রাকটি আটক করা হয়। ওই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে এবার সরকারি ওষুধ বেসরকারি হাসপাতালে পাওয়ায়চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, লাইফ কেয়ার হাসপাতালের তিন তলার একটি কক্ষে রাখা আছে সরকারিবিভিন্ন ধরনের বেশ কিছু ওষুধ। বিশেষ করে সেখানে দামি ইনজেকশনের ভায়াল লক্ষ্য করা যায়। ভিডিওটি ছড়িয়েপড়লে নিন্দার ঝড় ওঠে সামাজিক মাধ্যমে।এ বিষয়ে লাইফ কেয়ার হাসপাতালের ইনচার্জ সাব্বির হোসেন বলেন, আমাদের হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীদেরকখনও ওষুধ সরবরাহ করা হয় না। আর ভিডিওতে যে ইজেকশনের ভায়াল দেখানো হয়েছে তার সবগুলো ছিল ফাঁকা।ভেতর কোনো ওষুধ ছিল না। তিনি আরও বলেন, এটি ছিল একটি সাজানো নাটক। এতে জড়িত ছিল আমাদের একজননার্স। তাঁকে লাইফ কেয়ার হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, সখীপুরের কৃষি উদ্যোক্তা মোসলেম উদ্দিনের টক বরই চাষে চমক
ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. আলমগীর কবির বলেন, আমি ওইভিডিও দেখেছি। সরকারি হাসপাতালের ওষুধ কোনোভাবে বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার নিয়ম নেই। সরকারি সবওষুধের লেবেল এক থাকে। আমাদের ওষুধ বাইরে যাওয়ার কথা নয়। কোথা থেকে তারা (লাইফ কেয়ার হাসপাতাল) এওষুধ এনেছেন তা তারা ভালো বলতে পারবেন।প্রসঙ্গত, ঘাটাইল হাসপাতালের গত সপ্তাহের ওষুধকাণ্ডে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালট্যান্ট(মেডিসিন) আলমগীর কবিরকে (বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা) প্রধান করেচার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। দুই কর্মদিবসের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।এ বিষয়ে ডা. আলমগীর কবির বলেন, তারা তদন্ত করেছেন এবং প্রতিবেদন তাদের কাছে আছে।অন্যদিকে ওই ঘটনায় টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকেও পৃথকভাবে দুটি তদন্ত কমিটিগঠন করা হয়। চার সদস্যের তদন্ত কমিটিকে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। এ দুটি তদন্তকমিটির বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা ডা. আলমগীর কবির বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়এবং সিভিল সার্জনের গঠিত কমিটির তদন্তের সময় বাড়ানো হয়েছে।এদিকে ওষুধ কেলেঙ্কারির ওই ঘটনায় ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবুনয়িম মুহাম্মদ সোহেলকে ওএসডি করা হয়েছে।
বিষয় : স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘাটাইলে

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মূল ফটকের পাশে বেসরকারি লাইফ কেয়ার হাসপাতালেএবার মিলেছে সরকারি ওষুধ- এরকম একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বলে দেখা গেছে। এর আগেগত সপ্তাহে রাতের আঁধারে একটি মিনি ট্রাকভর্তি ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওষুধ যমুনা নদীতেফেলার সময় আটক করেন স্থানীয়রা। পার্শ্ববর্তী ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী এলাকার যমুনা নদীর ঘাটেট্রাকটি আটক করা হয়। ওই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে এবার সরকারি ওষুধ বেসরকারি হাসপাতালে পাওয়ায়চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, লাইফ কেয়ার হাসপাতালের তিন তলার একটি কক্ষে রাখা আছে সরকারিবিভিন্ন ধরনের বেশ কিছু ওষুধ। বিশেষ করে সেখানে দামি ইনজেকশনের ভায়াল লক্ষ্য করা যায়। ভিডিওটি ছড়িয়েপড়লে নিন্দার ঝড় ওঠে সামাজিক মাধ্যমে।এ বিষয়ে লাইফ কেয়ার হাসপাতালের ইনচার্জ সাব্বির হোসেন বলেন, আমাদের হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীদেরকখনও ওষুধ সরবরাহ করা হয় না। আর ভিডিওতে যে ইজেকশনের ভায়াল দেখানো হয়েছে তার সবগুলো ছিল ফাঁকা।ভেতর কোনো ওষুধ ছিল না। তিনি আরও বলেন, এটি ছিল একটি সাজানো নাটক। এতে জড়িত ছিল আমাদের একজননার্স। তাঁকে লাইফ কেয়ার হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, সখীপুরের কৃষি উদ্যোক্তা মোসলেম উদ্দিনের টক বরই চাষে চমক
ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. আলমগীর কবির বলেন, আমি ওইভিডিও দেখেছি। সরকারি হাসপাতালের ওষুধ কোনোভাবে বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার নিয়ম নেই। সরকারি সবওষুধের লেবেল এক থাকে। আমাদের ওষুধ বাইরে যাওয়ার কথা নয়। কোথা থেকে তারা (লাইফ কেয়ার হাসপাতাল) এওষুধ এনেছেন তা তারা ভালো বলতে পারবেন।প্রসঙ্গত, ঘাটাইল হাসপাতালের গত সপ্তাহের ওষুধকাণ্ডে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালট্যান্ট(মেডিসিন) আলমগীর কবিরকে (বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা) প্রধান করেচার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। দুই কর্মদিবসের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।এ বিষয়ে ডা. আলমগীর কবির বলেন, তারা তদন্ত করেছেন এবং প্রতিবেদন তাদের কাছে আছে।অন্যদিকে ওই ঘটনায় টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকেও পৃথকভাবে দুটি তদন্ত কমিটিগঠন করা হয়। চার সদস্যের তদন্ত কমিটিকে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। এ দুটি তদন্তকমিটির বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা ডা. আলমগীর কবির বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়এবং সিভিল সার্জনের গঠিত কমিটির তদন্তের সময় বাড়ানো হয়েছে।এদিকে ওষুধ কেলেঙ্কারির ওই ঘটনায় ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবুনয়িম মুহাম্মদ সোহেলকে ওএসডি করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন