দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং সম্ভাব্য মূল্যচাপ নিয়ন্ত্রণে সুগন্ধি চাল রপ্তানির অনুমোদিত কোটা ৫০ শতাংশ কমিয়েছে সরকার। আগে অনুমোদন পাওয়া ২৭৮টি প্রতিষ্ঠানের বরাদ্দ অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়েছে। পাশাপাশি রপ্তানি কার্যক্রমে আরোপ করা হয়েছে ১০টি বাধ্যতামূলক শর্ত।দেশের বাজারে চালের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুগন্ধি চাল রপ্তানিতে নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেছে সরকার।মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি-২ শাখার এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, আগে অনুমোদন পাওয়া ২৭৮টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের সুগন্ধি চাল রপ্তানির বরাদ্দ ৫০ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।সংশোধিত বরাদ্দ অবিলম্বে কার্যকর হবে। তবে অনুমোদনের মেয়াদ বহাল থাকবে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত।নতুন ব্যবস্থায় বড় খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে মাঝারি ও ক্ষুদ্র রপ্তানিকারকরাও নির্ধারিত সীমার বেশি সুগন্ধি চাল রপ্তানি করতে পারবেন না।
আরও পড়ুন, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
শুধু কোটা কমানো নয়, রপ্তানিতে নজরদারি ও জবাবদিহিও বাড়ানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে মোট ১০টি বাধ্যতামূলক শর্ত দেওয়া হয়েছে।প্রতিটি চালান রপ্তানির আগে পণ্যের মান ও সত্যতা যাচাই করবে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। জাহাজীকরণের পর সংশ্লিষ্ট নথিপত্র জমা দিতে হবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি-২ শাখায়।এ ছাড়া ভবিষ্যতে নতুন রপ্তানি অনুমোদনের আবেদন করলে আগের বরাদ্দের বিপরীতে প্রকৃত রপ্তানির পূর্ণাঙ্গ তথ্য ও প্রমাণ দিতে হবে।আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের মূল্য সুরক্ষায় সুগন্ধি চালের ন্যূনতম এফওবি রপ্তানিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি ১ দশমিক ৬০ মার্কিন ডলার।রপ্তানি অনুমোদন করা হয়েছে সম্পূর্ণ অহস্তান্তরযোগ্য। সাব-কন্ট্রাক্টিং বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে রপ্তানির সুযোগও রাখা হয়নি।এ ছাড়া রপ্তানি আয় দেশে প্রত্যাবাসনের প্রমাণ হিসেবে রপ্তানিকারকদের পিআরসি দাখিল করতে হবে।
বিষয় : সুগন্ধি চাল খাদ্য নিরাপত্তা অনুমোদিত

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং সম্ভাব্য মূল্যচাপ নিয়ন্ত্রণে সুগন্ধি চাল রপ্তানির অনুমোদিত কোটা ৫০ শতাংশ কমিয়েছে সরকার। আগে অনুমোদন পাওয়া ২৭৮টি প্রতিষ্ঠানের বরাদ্দ অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়েছে। পাশাপাশি রপ্তানি কার্যক্রমে আরোপ করা হয়েছে ১০টি বাধ্যতামূলক শর্ত।দেশের বাজারে চালের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুগন্ধি চাল রপ্তানিতে নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেছে সরকার।মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি-২ শাখার এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, আগে অনুমোদন পাওয়া ২৭৮টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের সুগন্ধি চাল রপ্তানির বরাদ্দ ৫০ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।সংশোধিত বরাদ্দ অবিলম্বে কার্যকর হবে। তবে অনুমোদনের মেয়াদ বহাল থাকবে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত।নতুন ব্যবস্থায় বড় খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে মাঝারি ও ক্ষুদ্র রপ্তানিকারকরাও নির্ধারিত সীমার বেশি সুগন্ধি চাল রপ্তানি করতে পারবেন না।
আরও পড়ুন, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
শুধু কোটা কমানো নয়, রপ্তানিতে নজরদারি ও জবাবদিহিও বাড়ানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে মোট ১০টি বাধ্যতামূলক শর্ত দেওয়া হয়েছে।প্রতিটি চালান রপ্তানির আগে পণ্যের মান ও সত্যতা যাচাই করবে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। জাহাজীকরণের পর সংশ্লিষ্ট নথিপত্র জমা দিতে হবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি-২ শাখায়।এ ছাড়া ভবিষ্যতে নতুন রপ্তানি অনুমোদনের আবেদন করলে আগের বরাদ্দের বিপরীতে প্রকৃত রপ্তানির পূর্ণাঙ্গ তথ্য ও প্রমাণ দিতে হবে।আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের মূল্য সুরক্ষায় সুগন্ধি চালের ন্যূনতম এফওবি রপ্তানিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি ১ দশমিক ৬০ মার্কিন ডলার।রপ্তানি অনুমোদন করা হয়েছে সম্পূর্ণ অহস্তান্তরযোগ্য। সাব-কন্ট্রাক্টিং বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে রপ্তানির সুযোগও রাখা হয়নি।এ ছাড়া রপ্তানি আয় দেশে প্রত্যাবাসনের প্রমাণ হিসেবে রপ্তানিকারকদের পিআরসি দাখিল করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন