রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান, বনানী ও বারিধারা দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত| তবে সময়ে সময়েই এসব এলাকায় কথিত স্পা সেন্টার, ওয়েলনেস সেন্টার ও হোটেল ব্যবসার আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ সামনে এসেছে| সাম্প্রতিক সময়ে এমনই এক আলোচিত নাম নুর ইসলাম, যাকে ঘিরে স্থানীয় ব্যবসায়ী মহল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সূত্র এবং সংশ্লিষ্ট মহলে নানা আলোচনা চলছে| একাধিক সূত্রের দাবি, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে স্পা ও হোটেল ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন নুর ইসলাম| যদিও তিনি প্রকাশ্যে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে থাকেন এবং নিজেকে একজন ˆবধ ব্যবসায়ী ও ডেভেলপার হিসেবে পরিচয় দেন| তবে অভিযোগকারীদের দাবি, তার প্রকৃত ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড এবং প্রকাশ্য পরিচয়ের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য রয়েছে|
আরও পড়ুন: গুলশানে স্পা সেন্টারে অভিযান: মালিকসহ নারী সিন্ডিকেট গ্রেফতার ও মামলা প্রক্রিয়াধীন
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গুলশানের ৫৫ ও ৪৭ নং রোডে অবস্থিত কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নুর ইসলামের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে| যদিও এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকানা নিয়ে প্রকাশ্যে খুব বেশি তথ্য পাওয়া যায় না| অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে নিজের সরাসরি সম্পৃক্ততা আড়াল করার চেষ্টা করা হয়|
আরও পড়ুন: ভারত-বাংলাদেশ ‘এক হয়ে যাওয়ার’ মন্তব্যে উদ্বেগ, সরকারের ব্যাখ্যা চাইলেন জামায়াত আমির
সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি দাবি করেছেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভিন্ন ভিন্ন ব্যবস্থাপনা কাঠামো থাকলেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ একই কেন্দ্র থেকে পরিচালিত হয়| তবে এই দাবির পক্ষে আনুষ্ঠানিক কোনো নথি প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি| ব্যবসায়ী মহলে প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন সময় নুর ইসলাম তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অ¯^ীকার করে বলেছেন, তিনি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিক নন| বরং তিনি নিজেকে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও ডেভেলপার হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন| তবে অভিযোগকারীরা বলছেন, মালিকানা সরাসরি নিজের নামে না থাকলেও বিভিন্ন প্রতিনিধি, ম্যানেজার বা সহযোগীর মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনার কৌশল নতুন কিছু নয়| ফলে প্রকৃত মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন|
আরও পড়ুন: কেরানীগঞ্জে নিষিদ্ধ সংগঠনের ছয় নেতা–কর্মী গ্রেফতার, ডিবির অভিযান
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বছর ধরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন নুর ইসলাম| এই সময়ে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসার পাশাপাশি স্পা ও হোটেল খাতেও তার প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে|
আরও পড়ুন: রামপুরায় প্রকাশ্যে গুলিতে ‘কাইল্যা পলাশ’ গুরুতর আহত, আইসিইউতে চিকিৎসাধীন
স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে পরিচালিত কোনো ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও প্রশাসনিক নানা সম্পর্ক ˆতরি হয়| ফলে এসব বিষয়ে তদন্ত করতে হলে আর্থিক লেনদেন, মালিকানা কাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা গভীরভাবে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন| শুধু স্পা ব্যবসাই নয়, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় হোটেল ব্যবসার সঙ্গেও নুর ইসলামের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে| অভিযোগকারীদের দাবি, কিছু প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্য মালিকানা না থাকলেও নেপথ্যে তার প্রভাব রয়েছে| তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে নির্ভরযোগ্য নথিপত্র বা আদালতের সিদ্ধান্ত ছাড়া চূড়ান্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয় বলে মনে করেন আইন বিশেষজ্ঞরা|
সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্রের দাবি, অতীতে নুর ইসলামের বিরুদ্ধে মানবপাচার দমন আইনে মামলা হয়েছে| তবে মামলার বর্তমান অবস্থা, বিচারিক অগ্রগতি কিংবা আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি|
আরও পড়ুন: উত্তরায় পুলিশের নাকের ডগায় গ্রান্ড প্লাজায় সোহেলের অসামাজিক কার্যক্রম
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা থাকা এবং আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়া এক বিষয় নয়| তাই সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুযায়ী অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই উপস্থাপন করা উচিত এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার প্রতি সম্মান দেখানো প্রয়োজন| সম্প্রতি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কথিত স্পা সেন্টার ও হোটেল ব্যবসার ওপর নজরদারি বৃদ্ধি করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী| বিশেষ করে গুলশান ও বনানী এলাকায় পরিচালিত একাধিক অভিযানের পর অনেক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নতুন করে আলোচনায় এসেছে|
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে| কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান প্রভাবশালী হলেই তাকে ছাড় দেওয়া হবে না| নুর ইসলামকে ঘিরে সবচেয়ে বড় প্রশ্নগুলোর একটি হলো, তিনি কি কেবল একজন ডেভেলপার ও বিনিয়োগকারী, নাকি অভিযোগকারীদের দাবি অনুযায়ী বিভিন্ন ব্যবসার নেপথ্য নিয়ন্ত্রক?
আরও পড়ুন: মুগদা পেট্রল পাম্প সংলগ্ন হোটেল গ্রীন সিলেট ঘিরে চাঞ্চল্য
গুলশান ও বনানী এলাকার অনেক বাসিন্দা মনে করেন, কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যদি দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখা| একই সঙ্গে অভিযোগ মিথ্যা হলে সেটিও স্পষ্টভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন| তাদের মতে, আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ হলে জনমনে আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে| বর্তমানে নুর ইসলামকে ঘিরে যে অভিযোগ, আলোচনা ও প্রশ্ন ˆতরি হয়েছে, তার সঠিক উত্তর দিতে পারে কেবল নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিক তদন্ত| অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, আর অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে সেটিও স্পষ্ট হয়ে উঠবে|
আরও পড়ুন: ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন গংগাচড়ায়
তবে একটি বিষয় স্পষ্ট রাজধানীর স্পা ও হোটেল ব্যবসা নিয়ে যে আলোচনা চলছে, সেখানে নুর ইসলাম নামটি এখন অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে| আর সেই কারণেই তাকে ঘিরে ওঠা অভিযোগ, ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততা এবং বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর জানতে আগ্রহ বাড়ছে সংশ্লিষ্ট মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে|

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান, বনানী ও বারিধারা দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত| তবে সময়ে সময়েই এসব এলাকায় কথিত স্পা সেন্টার, ওয়েলনেস সেন্টার ও হোটেল ব্যবসার আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ সামনে এসেছে| সাম্প্রতিক সময়ে এমনই এক আলোচিত নাম নুর ইসলাম, যাকে ঘিরে স্থানীয় ব্যবসায়ী মহল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সূত্র এবং সংশ্লিষ্ট মহলে নানা আলোচনা চলছে| একাধিক সূত্রের দাবি, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে স্পা ও হোটেল ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন নুর ইসলাম| যদিও তিনি প্রকাশ্যে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে থাকেন এবং নিজেকে একজন ˆবধ ব্যবসায়ী ও ডেভেলপার হিসেবে পরিচয় দেন| তবে অভিযোগকারীদের দাবি, তার প্রকৃত ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড এবং প্রকাশ্য পরিচয়ের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য রয়েছে|
আরও পড়ুন: গুলশানে স্পা সেন্টারে অভিযান: মালিকসহ নারী সিন্ডিকেট গ্রেফতার ও মামলা প্রক্রিয়াধীন
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গুলশানের ৫৫ ও ৪৭ নং রোডে অবস্থিত কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নুর ইসলামের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে| যদিও এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকানা নিয়ে প্রকাশ্যে খুব বেশি তথ্য পাওয়া যায় না| অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে নিজের সরাসরি সম্পৃক্ততা আড়াল করার চেষ্টা করা হয়|
আরও পড়ুন: ভারত-বাংলাদেশ ‘এক হয়ে যাওয়ার’ মন্তব্যে উদ্বেগ, সরকারের ব্যাখ্যা চাইলেন জামায়াত আমির
সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি দাবি করেছেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভিন্ন ভিন্ন ব্যবস্থাপনা কাঠামো থাকলেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ একই কেন্দ্র থেকে পরিচালিত হয়| তবে এই দাবির পক্ষে আনুষ্ঠানিক কোনো নথি প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি| ব্যবসায়ী মহলে প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন সময় নুর ইসলাম তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অ¯^ীকার করে বলেছেন, তিনি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিক নন| বরং তিনি নিজেকে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও ডেভেলপার হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন| তবে অভিযোগকারীরা বলছেন, মালিকানা সরাসরি নিজের নামে না থাকলেও বিভিন্ন প্রতিনিধি, ম্যানেজার বা সহযোগীর মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনার কৌশল নতুন কিছু নয়| ফলে প্রকৃত মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন|
আরও পড়ুন: কেরানীগঞ্জে নিষিদ্ধ সংগঠনের ছয় নেতা–কর্মী গ্রেফতার, ডিবির অভিযান
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বছর ধরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন নুর ইসলাম| এই সময়ে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসার পাশাপাশি স্পা ও হোটেল খাতেও তার প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে|
আরও পড়ুন: রামপুরায় প্রকাশ্যে গুলিতে ‘কাইল্যা পলাশ’ গুরুতর আহত, আইসিইউতে চিকিৎসাধীন
স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে পরিচালিত কোনো ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও প্রশাসনিক নানা সম্পর্ক ˆতরি হয়| ফলে এসব বিষয়ে তদন্ত করতে হলে আর্থিক লেনদেন, মালিকানা কাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা গভীরভাবে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন| শুধু স্পা ব্যবসাই নয়, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় হোটেল ব্যবসার সঙ্গেও নুর ইসলামের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে| অভিযোগকারীদের দাবি, কিছু প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্য মালিকানা না থাকলেও নেপথ্যে তার প্রভাব রয়েছে| তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে নির্ভরযোগ্য নথিপত্র বা আদালতের সিদ্ধান্ত ছাড়া চূড়ান্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয় বলে মনে করেন আইন বিশেষজ্ঞরা|
সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্রের দাবি, অতীতে নুর ইসলামের বিরুদ্ধে মানবপাচার দমন আইনে মামলা হয়েছে| তবে মামলার বর্তমান অবস্থা, বিচারিক অগ্রগতি কিংবা আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি|
আরও পড়ুন: উত্তরায় পুলিশের নাকের ডগায় গ্রান্ড প্লাজায় সোহেলের অসামাজিক কার্যক্রম
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা থাকা এবং আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়া এক বিষয় নয়| তাই সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুযায়ী অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই উপস্থাপন করা উচিত এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার প্রতি সম্মান দেখানো প্রয়োজন| সম্প্রতি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কথিত স্পা সেন্টার ও হোটেল ব্যবসার ওপর নজরদারি বৃদ্ধি করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী| বিশেষ করে গুলশান ও বনানী এলাকায় পরিচালিত একাধিক অভিযানের পর অনেক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নতুন করে আলোচনায় এসেছে|
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে| কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান প্রভাবশালী হলেই তাকে ছাড় দেওয়া হবে না| নুর ইসলামকে ঘিরে সবচেয়ে বড় প্রশ্নগুলোর একটি হলো, তিনি কি কেবল একজন ডেভেলপার ও বিনিয়োগকারী, নাকি অভিযোগকারীদের দাবি অনুযায়ী বিভিন্ন ব্যবসার নেপথ্য নিয়ন্ত্রক?
আরও পড়ুন: মুগদা পেট্রল পাম্প সংলগ্ন হোটেল গ্রীন সিলেট ঘিরে চাঞ্চল্য
গুলশান ও বনানী এলাকার অনেক বাসিন্দা মনে করেন, কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যদি দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখা| একই সঙ্গে অভিযোগ মিথ্যা হলে সেটিও স্পষ্টভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন| তাদের মতে, আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ হলে জনমনে আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে| বর্তমানে নুর ইসলামকে ঘিরে যে অভিযোগ, আলোচনা ও প্রশ্ন ˆতরি হয়েছে, তার সঠিক উত্তর দিতে পারে কেবল নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিক তদন্ত| অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, আর অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে সেটিও স্পষ্ট হয়ে উঠবে|
আরও পড়ুন: ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন গংগাচড়ায়
তবে একটি বিষয় স্পষ্ট রাজধানীর স্পা ও হোটেল ব্যবসা নিয়ে যে আলোচনা চলছে, সেখানে নুর ইসলাম নামটি এখন অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে| আর সেই কারণেই তাকে ঘিরে ওঠা অভিযোগ, ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততা এবং বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর জানতে আগ্রহ বাড়ছে সংশ্লিষ্ট মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে|

আপনার মতামত লিখুন