দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

আতঙ্কে সাংবাদিকরা

উত্তরায় পুলিশের নাকের ডগায় গ্রান্ড প্লাজায় সোহেলের অসামাজিক কার্যক্রম

উত্তরায় পুলিশের নাকের ডগায় গ্রান্ড প্লাজায় সোহেলের অসামাজিক কার্যক্রম

রাজধানীর উত্তরার আবাসিক হোটেলগুলোকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই নানা ধরনের অপরাধ, অসামাজিক কর্মকাণ্ড ও দালালচক্রের তৎপরতার অভিযোগ উঠে আসছে| এরই ধারাবাহিকতায় উত্তরার একটি আবাসিক হোটেলকে ঘিরে নতুন করে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী ও কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী| অভিযোগ রয়েছে, উত্তরার একটি বহুল পরিচিত আবাসিক হোটেলের একটি ফ্লোরে “স্পা” বা “এস্কর্ট সার্ভিস” এর আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে| যা পুলিশের নাকের ডগায় এধরনের অপরাধ কার্যক্রম চলমান রয়েছে| স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র ওই হোটেলকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের অসামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না| বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সংবাদ প্রকাশ হলেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি বলেও অভিযোগ উঠেছে|

আরও পড়ুন: উত্তরায় ‘হোটেল গ্রান্ট প্লাজা’ এক অন্ধকার জগৎ, নারী সিন্ডিকেটের ভয়াবাহতা

একাধিক সূত্রের দাবি, “সোহেল” নামের এক ব্যক্তি ওই চক্রটি নিয়ন্ত্রণ করেন বলে এলাকায় প্রচার রয়েছে| অভিযোগ রয়েছে, তিনি বিভিন্ন সময় নিজেকে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী পরিচয় দিয়ে থাকেন এবং সমালোচকদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করেন| কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তথ্য সংগ্রহ বা অনুসন্ধান করতে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয়| এমনকি মোবাইলে হুমকি ও অনুসরণ করার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন তারা|

এক সাংবাদিক বলেন, আমরা তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে হোটেলের আশপাশে অবস্থান করা কিছু ব্যক্তি আমাদের ছবি তোলে, প্রশ্ন করে এবং চলে যেতে চাপ দেয়| পরে ফোনে হুমকির মতো কথাও বলা হয়| তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সোহেলের বক্তব্য পাওয়া যায়নি| তার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া মেলেনি|

আরও পড়ুন: যমুনা অয়েলের মাসুদুল ইসলামকে ঘিরে ষড়যন্ত্রমূলক অসত্য ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচারে তুমুল সমালোচনার ঝড়

স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, দিনের চেয়ে রাতের বেলায় ওই হোটেলে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের আনাগোনা বেশি দেখা যায়| তাদের দাবি, অনেক তরুণীকে বিভিন্ন সময়ে সেখানে যাতায়াত করতে দেখা যায় এবং বাইরের দালালচক্র সক্রিয় থাকে| রাত গভীর হলে অনেক গাড়ি আসে| আশপাশের মানুষ এসব দেখে বিব্রত| কিন্তু কেউ মুখ খুলতে চায় না| 

অনুসন্ধানে জড়িত কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীর দাবি, হোটেলসংলগ্ন এলাকায় একটি দালালচক্র সক্রিয় রয়েছে| তাদের অভিযোগ, তথ্য সংগ্রহে গেলে কখনও রাজনৈতিক পরিচয়ের ভয় দেখানো হয়, কখনও স্থানীয় কিছু লোকজনকে ব্যবহার করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করা হয়|

আরও পড়ুন: দেশজুড়ে গরমের তীব্রতা, ১৩ জেলায় চলছে তাপপ্রবাহ

এক অনলাইন সংবাদকর্মী বলেন,আমরা ক্যামেরা নিয়ে গেলে কয়েকজন এসে প্রশ্ন করে কেন এসেছি| পরে বলে ‘বেশি বাড়াবাড়ি করলে দেখে নেওয়া হবে’| এটা খুব উদ্বেগজনক| শুধু তাই নয় ˆদনিক সংবাদ দিগন্ত পত্রিকার গনমাধ্যমকর্মীকে তুলে নেওয়ার হুমকি দিয়ে থাকেন উক্ত সোহেল| বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকজন কর্মকর্তাকে একাধিকবার জানানো হয়েছে| তবে সংশ্লিষ্ট থানার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি| অভিযোগের বিষয়ে জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তা মন্তব্য করতে রাজি হননি| তবে হোটেল মালিকরা বলছে ওসি থেকে শুরু করে থানার কয়েকজন আমাদের নিকট হতে মাসোহারা নিয়ে সুযোগ দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে| কিন্তু এর কিছুটা প্রমান পাওয়া গেছে থানার ওসিকে একাধিক হোয়াটসএ্যাপে জানালে তার কোন প্রতি উত্তর পাওয়া যায়নি|

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করা প্রশাসনের দায়িত্ব| যদি কোনো হোটেল বা প্রতিষ্ঠানে অনৈতিক বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়, তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে| উত্তরার বিভিন্ন আবাসিক হোটেল অতীতেও নানা ঘটনায় আলোচনায় এসেছে| হত্যাকাণ্ড, মাদক, দেহব্যবসা, প্রতারণা ও ব্ল্যাকমেইলের মতো অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে| বিশেষ করে অনলাইন বুকিং ও ¯^ল্প সময়ের কক্ষ ভাড়াকে কেন্দ্র করে কিছু অসাধু চক্র সক্রিয় থাকার অভিযোগ রয়েছে|

 আরও পড়ুন: রাজনৈতিক পরিচয়ে দাপট, উত্তরায় হোটেলজুড়ে অনৈতিক সাম্রাজ্য বিস্তার

সামাজিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজধানীর ব্যস্ত এলাকাগুলোতে আবাসিক হোটেল ব্যবস্থাপনার ওপর আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন| কারণ, কিছু অসাধু গোষ্ঠী ˆবধ ব্যবসার আড়ালে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ নিচ্ছে|

আরও পড়ুন: উত্তরায় হোটেল গ্রান্ড প্লাজার কাণ্ড: ফের সক্রিয় নারী চক্র

গণমাধ্যম বিশ্লেষকরা বলছেন, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা গণতান্ত্রিক সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে| তবে সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়া বা তথ্য সংগ্রহে বাধা দেওয়া উদ্বেগজনক| উত্তরার আলোচিত আবাসিক হোটেলকে ঘিরে ওঠা অভিযোগগুলো এখন স্থানীয়দের মুখে মুখে| তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে প্রয়োজন নিরপেক্ষ তদন্ত| প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং আইনের সঠিক প্রয়োগ ছাড়া এ ধরনের অভিযোগ ও বিতর্ক বন্ধ হবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা| আরো বিস্তারিত আসছে...

বিষয় : স্পা রাজধানী উত্তরা পুলিশ অপরাধ নারী বাণিজ্য

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬


উত্তরায় পুলিশের নাকের ডগায় গ্রান্ড প্লাজায় সোহেলের অসামাজিক কার্যক্রম

প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬

featured Image

রাজধানীর উত্তরার আবাসিক হোটেলগুলোকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই নানা ধরনের অপরাধ, অসামাজিক কর্মকাণ্ড ও দালালচক্রের তৎপরতার অভিযোগ উঠে আসছে| এরই ধারাবাহিকতায় উত্তরার একটি আবাসিক হোটেলকে ঘিরে নতুন করে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী ও কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী| অভিযোগ রয়েছে, উত্তরার একটি বহুল পরিচিত আবাসিক হোটেলের একটি ফ্লোরে “স্পা” বা “এস্কর্ট সার্ভিস” এর আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে| যা পুলিশের নাকের ডগায় এধরনের অপরাধ কার্যক্রম চলমান রয়েছে| স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র ওই হোটেলকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের অসামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না| বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সংবাদ প্রকাশ হলেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি বলেও অভিযোগ উঠেছে|

আরও পড়ুন: উত্তরায় ‘হোটেল গ্রান্ট প্লাজা’ এক অন্ধকার জগৎ, নারী সিন্ডিকেটের ভয়াবাহতা

একাধিক সূত্রের দাবি, “সোহেল” নামের এক ব্যক্তি ওই চক্রটি নিয়ন্ত্রণ করেন বলে এলাকায় প্রচার রয়েছে| অভিযোগ রয়েছে, তিনি বিভিন্ন সময় নিজেকে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী পরিচয় দিয়ে থাকেন এবং সমালোচকদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করেন| কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তথ্য সংগ্রহ বা অনুসন্ধান করতে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয়| এমনকি মোবাইলে হুমকি ও অনুসরণ করার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন তারা|

এক সাংবাদিক বলেন, আমরা তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে হোটেলের আশপাশে অবস্থান করা কিছু ব্যক্তি আমাদের ছবি তোলে, প্রশ্ন করে এবং চলে যেতে চাপ দেয়| পরে ফোনে হুমকির মতো কথাও বলা হয়| তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সোহেলের বক্তব্য পাওয়া যায়নি| তার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া মেলেনি|

আরও পড়ুন: যমুনা অয়েলের মাসুদুল ইসলামকে ঘিরে ষড়যন্ত্রমূলক অসত্য ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচারে তুমুল সমালোচনার ঝড়

স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, দিনের চেয়ে রাতের বেলায় ওই হোটেলে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের আনাগোনা বেশি দেখা যায়| তাদের দাবি, অনেক তরুণীকে বিভিন্ন সময়ে সেখানে যাতায়াত করতে দেখা যায় এবং বাইরের দালালচক্র সক্রিয় থাকে| রাত গভীর হলে অনেক গাড়ি আসে| আশপাশের মানুষ এসব দেখে বিব্রত| কিন্তু কেউ মুখ খুলতে চায় না| 

অনুসন্ধানে জড়িত কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীর দাবি, হোটেলসংলগ্ন এলাকায় একটি দালালচক্র সক্রিয় রয়েছে| তাদের অভিযোগ, তথ্য সংগ্রহে গেলে কখনও রাজনৈতিক পরিচয়ের ভয় দেখানো হয়, কখনও স্থানীয় কিছু লোকজনকে ব্যবহার করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করা হয়|

আরও পড়ুন: দেশজুড়ে গরমের তীব্রতা, ১৩ জেলায় চলছে তাপপ্রবাহ

এক অনলাইন সংবাদকর্মী বলেন,আমরা ক্যামেরা নিয়ে গেলে কয়েকজন এসে প্রশ্ন করে কেন এসেছি| পরে বলে ‘বেশি বাড়াবাড়ি করলে দেখে নেওয়া হবে’| এটা খুব উদ্বেগজনক| শুধু তাই নয় ˆদনিক সংবাদ দিগন্ত পত্রিকার গনমাধ্যমকর্মীকে তুলে নেওয়ার হুমকি দিয়ে থাকেন উক্ত সোহেল| বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকজন কর্মকর্তাকে একাধিকবার জানানো হয়েছে| তবে সংশ্লিষ্ট থানার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি| অভিযোগের বিষয়ে জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তা মন্তব্য করতে রাজি হননি| তবে হোটেল মালিকরা বলছে ওসি থেকে শুরু করে থানার কয়েকজন আমাদের নিকট হতে মাসোহারা নিয়ে সুযোগ দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে| কিন্তু এর কিছুটা প্রমান পাওয়া গেছে থানার ওসিকে একাধিক হোয়াটসএ্যাপে জানালে তার কোন প্রতি উত্তর পাওয়া যায়নি|

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করা প্রশাসনের দায়িত্ব| যদি কোনো হোটেল বা প্রতিষ্ঠানে অনৈতিক বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়, তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে| উত্তরার বিভিন্ন আবাসিক হোটেল অতীতেও নানা ঘটনায় আলোচনায় এসেছে| হত্যাকাণ্ড, মাদক, দেহব্যবসা, প্রতারণা ও ব্ল্যাকমেইলের মতো অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে| বিশেষ করে অনলাইন বুকিং ও ¯^ল্প সময়ের কক্ষ ভাড়াকে কেন্দ্র করে কিছু অসাধু চক্র সক্রিয় থাকার অভিযোগ রয়েছে|

 আরও পড়ুন: রাজনৈতিক পরিচয়ে দাপট, উত্তরায় হোটেলজুড়ে অনৈতিক সাম্রাজ্য বিস্তার

সামাজিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজধানীর ব্যস্ত এলাকাগুলোতে আবাসিক হোটেল ব্যবস্থাপনার ওপর আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন| কারণ, কিছু অসাধু গোষ্ঠী ˆবধ ব্যবসার আড়ালে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ নিচ্ছে|

আরও পড়ুন: উত্তরায় হোটেল গ্রান্ড প্লাজার কাণ্ড: ফের সক্রিয় নারী চক্র

গণমাধ্যম বিশ্লেষকরা বলছেন, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা গণতান্ত্রিক সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে| তবে সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়া বা তথ্য সংগ্রহে বাধা দেওয়া উদ্বেগজনক| উত্তরার আলোচিত আবাসিক হোটেলকে ঘিরে ওঠা অভিযোগগুলো এখন স্থানীয়দের মুখে মুখে| তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে প্রয়োজন নিরপেক্ষ তদন্ত| প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং আইনের সঠিক প্রয়োগ ছাড়া এ ধরনের অভিযোগ ও বিতর্ক বন্ধ হবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা| আরো বিস্তারিত আসছে...



দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত