সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। শুক্রবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার দেশে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৮ জুন তিনি চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন। সফরের মূল লক্ষ্য ছিল দুই দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও সামরিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা।সফরকালে সেনাপ্রধান উভয় দেশের প্রতিরক্ষা ও সামরিক খাতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন।
আরও পড়ুন, নতুন ভোটার নিবন্ধনের সময় বাড়াল ইসি, শেষ সময় ৩১ জুলাই
বৈঠকে পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা, প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং ভবিষ্যৎ অংশীদারিত্বের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।এছাড়া তিনি বিভিন্ন সামরিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রতিরক্ষা শিল্প-কারখানা এবং সংশ্লিষ্ট স্থাপনা পরিদর্শন করেন। এসব সফরের মাধ্যমে আধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ও সামরিক সক্ষমতা সম্পর্কে ধারণা বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে আইএসপিআর।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ, চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়ার মধ্যে বিদ্যমান প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে এবং ভবিষ্যতে সামরিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচিত হবে।
বিষয় : সফর সেনাপ্রধান প্রতিরক্ষা

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬
সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। শুক্রবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার দেশে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৮ জুন তিনি চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন। সফরের মূল লক্ষ্য ছিল দুই দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও সামরিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা।সফরকালে সেনাপ্রধান উভয় দেশের প্রতিরক্ষা ও সামরিক খাতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন।
আরও পড়ুন, নতুন ভোটার নিবন্ধনের সময় বাড়াল ইসি, শেষ সময় ৩১ জুলাই
বৈঠকে পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা, প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং ভবিষ্যৎ অংশীদারিত্বের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।এছাড়া তিনি বিভিন্ন সামরিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রতিরক্ষা শিল্প-কারখানা এবং সংশ্লিষ্ট স্থাপনা পরিদর্শন করেন। এসব সফরের মাধ্যমে আধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ও সামরিক সক্ষমতা সম্পর্কে ধারণা বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে আইএসপিআর।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ, চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়ার মধ্যে বিদ্যমান প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে এবং ভবিষ্যতে সামরিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন