রাজধানীর অভিজাত এলাকা উত্তরা পরিচ্ছন্ন নগর পরিকল্পনা, আধুনিক জীবনযাত্রা আর সুশৃঙ্খল পরিবেশের জন্য পরিচিত| তবে এই আলোকিত এলাকার মাঝেই যেন নীরবে বেড়ে উঠছে এক অন্ধকার জগৎ| উত্তরা পশ্চিম থানাধীন হোটেল ‘গ্রান্ট প্লাজা’ ঘিরে উঠেছে গুরুতর অভিযোগ আড়ালে চলছে নারী সিন্ডিকেটের সংঘবদ্ধ কার্যক্রম| স্থানীয়দের দাবি, এটি শুধুই একটি আবাসিক হোটেল নয়; বরং নির্দিষ্ট একটি চক্রের নিরাপদ আশ্রয়স্থল, যেখানে নিয়মিতভাবে চলে অসামাজিক ও অবৈধ কর্মকাণ্ড| দিনের আলোয় সাধারণ ব্যবসা, আর রাত নামলেই পাল্টে যায় ভেতরের দৃশ্য এমনটাই বলছেন আশপাশের ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা|
অনুসন্ধানে জানা গেছে, হোটেলটির কিছু কক্ষ নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়| সেখানে প্রবেশ ও প্রস্থানের সময়, অতিথিদের আচরণ এবং নিরাপত্তার অ¯^াভাবিক কড়াকড়ি সব মিলিয়ে ˆতরি হয়েছে রহস্যের জাল| একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন, রাত ১০টার পর থেকে ভিন্ন ধরনের লোকজনের আনাগোনা শুরু হয়| অনেক সময় সন্দেহজনক পরিস্থিতি চোখে পড়ে, কিন্তু কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না| তবে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, একটি সুসংগঠিত সিন্ডিকেট পরিকল্পিতভাবে নারীদের ব্যবহার করে অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করছে| অভিযোগ রয়েছে প্রলোভন, প্রতারণা কিংবা চাপে ফেলে কিছু নারীকে এই চক্রে জড়িয়ে ফেলা হয়|
আরো পড়ুন: উত্তরায় হোটেল গ্রান্ট প্লাজা’র আড়ালে নারী সিন্ডিকেটের অভিযোগ
সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, এই সিন্ডিকেটের নিজস্ব যোগাযোগ ব্যবস্থা, ক্লায়েন্ট ম্যানেজমেন্ট এবং নিরাপত্তা কাঠামো রয়েছে, যা তাদের কার্যক্রমকে দীর্ঘদিন ধরে টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করছে| এর আগে একাধিক গণমাধ্যমে হোটেলটি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়| তখন কিছুদিনের জন্য হোটেলের কার্যক্রম স্তিমিত হয়ে পড়ে এবং মালিকপক্ষ আড়ালে চলে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে| তবে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হতেই আবার আগের মতো কার্যক্রম শুরু হয়| হোটেলটি উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ৯ নং সেক্টরে অবস্থিত।
স্থানীয়দের অভিযোগ, হোটেলটির পেছনে রয়েছে রাজনৈতিক প্রভাব| ক্ষমতার ছত্রছায়ায় থেকে তারা দীর্ঘদিন ধরে আইনের চোখ এড়িয়ে যাচ্ছে এমন ধারণা অনেকের| এখানে সবাই জানে কী হচ্ছে, কিন্তু কেউ কিছু বলতে পারে না| প্রভাবশালীদের কারণে বিষয়টি ধামাচাপা পড়ে যায়| এই অভিযোগের বিষয়ে হোটেলের মালিক বা ম্যানেজার সোহেলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি| ফোন বন্ধ, সরাসরি যোগাযোগেও ব্যর্থতা সব মিলিয়ে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে| তবে উত্তরা পশ্চিম থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে| তবে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কঠোর পদক্ষেপ না থাকায় প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনের কার্যকারিতা নিয়ে|
আরো পড়ুন: কোন্দলের আগুনে পুড়ছে রাজনীতি
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের কার্যক্রম শুধু আইনশৃঙ্খলার জন্য হুমকি নয়, বরং সমাজের ˆনতিক ভিত্তিকেও দুর্বল করে| তরুণ সমাজের ওপর এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না| সচেতন মহল এবং সাংবাদিক সমাজের একটাই দাবি এই অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে| একইসঙ্গে, এই ধরনের সিন্ডিকেটের শিকার নারীদের পুনর্বাসনের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে| হোটেল ‘গ্রান্ট প্লাজা’ এখন শুধু একটি নাম নয়, বরং একটি প্রশ্নচিহ্ন| অভিযোগের ভারে নত এই প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের ওপর|
অভিযোগের বিষয়ে হোটেল গ্রান্ট প্লাজার মালিক সোহেল ও ম্যানেজার ইমরান বলেন, ভাই, আমরা কেবল ব্যবসা শুরু করেছি| আগের তুলনায় এখন ব্যবসা মোটামুটি চলছে| একটি প্রতিষ্ঠান দাঁড় করাতে অনেক কিছুই বিবেচনায় নিতে হয়| তারা আরও বলেন, আপনারা জানেন, ব্যবসা পরিচালনা করতে গেলে বিভিন্ন দিক সামলাতে হয়| থানা-পুলিশসহ নানা জায়গার বিষয়ও দেখতে হয়| সবকিছু মিলিয়েই প্রতিষ্ঠান চালাতে হয়| একেবারে সরলভাবে ব্যবসা করে টিকে থাকা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে| প্যাকেজ’ ভিত্তিক ব্যবসা প্রসঙ্গে তারা ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পদ্ধতি বা প্যাকেজ রেখেই ব্যবসা পরিচালনা করতে হয়| এখানে অনেক মানুষের রিজিক রয়েছে| এ সময় নারী সিন্ডিকেটের অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তারা বলেন, হোটেল ব্যবসার সঙ্গে নানা ধরনের বাস্তবতা জড়িত থাকে| ইতিপূর্বেও তাদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে|
আরো পড়ুন: পুলিশ হত্যা, সংস্কার ও জননিরাপত্তা: সংকট উত্তরণের পথ কোথায়?
উত্তরা পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ বিষয়ে বলেন, হোটেল গ্রান্ট প্লাজাকে ঘিরে যে অভিযোগগুলো বিভিন্ন মহল থেকে উঠছে, সেগুলোকে আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি| কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইনের ঊর্ধ্বে নয় এই নীতিতেই আমরা কাজ করছি তিনি আরও বলেন, অভিযোগে উল্লেখিত নারী সিন্ডিকেট বা অনৈতিক কার্যকলাপের বিষয়ে অবশ্যই আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে| প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট হোটেলে অভিযান পরিচালনা করা হবে এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে| আমরা চাই, এলাকায় একটি সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ বজায় থাকুক|
ওসি জানান, অনেক সময় ভুক্তভোগীরা বা স্থানীয়রা ভয়ে সরাসরি অভিযোগ করতে চান না| তাই তিনি সকলকে অনুরোধ করেন, নির্ভয়ে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করতে| গোপনীয়তা রক্ষা করে তথ্য গ্রহণের ব্যবস্থাও রয়েছে| তিনি আরও বলেন, আমরা কাউকে হয়রানি করতে চাই না, তবে অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না| তবে আমরা সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করে যাচ্ছি| আরো বিস্তারিত আসছে..

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর অভিজাত এলাকা উত্তরা পরিচ্ছন্ন নগর পরিকল্পনা, আধুনিক জীবনযাত্রা আর সুশৃঙ্খল পরিবেশের জন্য পরিচিত| তবে এই আলোকিত এলাকার মাঝেই যেন নীরবে বেড়ে উঠছে এক অন্ধকার জগৎ| উত্তরা পশ্চিম থানাধীন হোটেল ‘গ্রান্ট প্লাজা’ ঘিরে উঠেছে গুরুতর অভিযোগ আড়ালে চলছে নারী সিন্ডিকেটের সংঘবদ্ধ কার্যক্রম| স্থানীয়দের দাবি, এটি শুধুই একটি আবাসিক হোটেল নয়; বরং নির্দিষ্ট একটি চক্রের নিরাপদ আশ্রয়স্থল, যেখানে নিয়মিতভাবে চলে অসামাজিক ও অবৈধ কর্মকাণ্ড| দিনের আলোয় সাধারণ ব্যবসা, আর রাত নামলেই পাল্টে যায় ভেতরের দৃশ্য এমনটাই বলছেন আশপাশের ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা|
অনুসন্ধানে জানা গেছে, হোটেলটির কিছু কক্ষ নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়| সেখানে প্রবেশ ও প্রস্থানের সময়, অতিথিদের আচরণ এবং নিরাপত্তার অ¯^াভাবিক কড়াকড়ি সব মিলিয়ে ˆতরি হয়েছে রহস্যের জাল| একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন, রাত ১০টার পর থেকে ভিন্ন ধরনের লোকজনের আনাগোনা শুরু হয়| অনেক সময় সন্দেহজনক পরিস্থিতি চোখে পড়ে, কিন্তু কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না| তবে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, একটি সুসংগঠিত সিন্ডিকেট পরিকল্পিতভাবে নারীদের ব্যবহার করে অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করছে| অভিযোগ রয়েছে প্রলোভন, প্রতারণা কিংবা চাপে ফেলে কিছু নারীকে এই চক্রে জড়িয়ে ফেলা হয়|
আরো পড়ুন: উত্তরায় হোটেল গ্রান্ট প্লাজা’র আড়ালে নারী সিন্ডিকেটের অভিযোগ
সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, এই সিন্ডিকেটের নিজস্ব যোগাযোগ ব্যবস্থা, ক্লায়েন্ট ম্যানেজমেন্ট এবং নিরাপত্তা কাঠামো রয়েছে, যা তাদের কার্যক্রমকে দীর্ঘদিন ধরে টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করছে| এর আগে একাধিক গণমাধ্যমে হোটেলটি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়| তখন কিছুদিনের জন্য হোটেলের কার্যক্রম স্তিমিত হয়ে পড়ে এবং মালিকপক্ষ আড়ালে চলে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে| তবে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হতেই আবার আগের মতো কার্যক্রম শুরু হয়| হোটেলটি উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ৯ নং সেক্টরে অবস্থিত।
স্থানীয়দের অভিযোগ, হোটেলটির পেছনে রয়েছে রাজনৈতিক প্রভাব| ক্ষমতার ছত্রছায়ায় থেকে তারা দীর্ঘদিন ধরে আইনের চোখ এড়িয়ে যাচ্ছে এমন ধারণা অনেকের| এখানে সবাই জানে কী হচ্ছে, কিন্তু কেউ কিছু বলতে পারে না| প্রভাবশালীদের কারণে বিষয়টি ধামাচাপা পড়ে যায়| এই অভিযোগের বিষয়ে হোটেলের মালিক বা ম্যানেজার সোহেলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি| ফোন বন্ধ, সরাসরি যোগাযোগেও ব্যর্থতা সব মিলিয়ে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে| তবে উত্তরা পশ্চিম থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে| তবে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কঠোর পদক্ষেপ না থাকায় প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনের কার্যকারিতা নিয়ে|
আরো পড়ুন: কোন্দলের আগুনে পুড়ছে রাজনীতি
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের কার্যক্রম শুধু আইনশৃঙ্খলার জন্য হুমকি নয়, বরং সমাজের ˆনতিক ভিত্তিকেও দুর্বল করে| তরুণ সমাজের ওপর এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না| সচেতন মহল এবং সাংবাদিক সমাজের একটাই দাবি এই অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে| একইসঙ্গে, এই ধরনের সিন্ডিকেটের শিকার নারীদের পুনর্বাসনের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে| হোটেল ‘গ্রান্ট প্লাজা’ এখন শুধু একটি নাম নয়, বরং একটি প্রশ্নচিহ্ন| অভিযোগের ভারে নত এই প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের ওপর|
অভিযোগের বিষয়ে হোটেল গ্রান্ট প্লাজার মালিক সোহেল ও ম্যানেজার ইমরান বলেন, ভাই, আমরা কেবল ব্যবসা শুরু করেছি| আগের তুলনায় এখন ব্যবসা মোটামুটি চলছে| একটি প্রতিষ্ঠান দাঁড় করাতে অনেক কিছুই বিবেচনায় নিতে হয়| তারা আরও বলেন, আপনারা জানেন, ব্যবসা পরিচালনা করতে গেলে বিভিন্ন দিক সামলাতে হয়| থানা-পুলিশসহ নানা জায়গার বিষয়ও দেখতে হয়| সবকিছু মিলিয়েই প্রতিষ্ঠান চালাতে হয়| একেবারে সরলভাবে ব্যবসা করে টিকে থাকা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে| প্যাকেজ’ ভিত্তিক ব্যবসা প্রসঙ্গে তারা ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পদ্ধতি বা প্যাকেজ রেখেই ব্যবসা পরিচালনা করতে হয়| এখানে অনেক মানুষের রিজিক রয়েছে| এ সময় নারী সিন্ডিকেটের অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তারা বলেন, হোটেল ব্যবসার সঙ্গে নানা ধরনের বাস্তবতা জড়িত থাকে| ইতিপূর্বেও তাদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে|
আরো পড়ুন: পুলিশ হত্যা, সংস্কার ও জননিরাপত্তা: সংকট উত্তরণের পথ কোথায়?
উত্তরা পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ বিষয়ে বলেন, হোটেল গ্রান্ট প্লাজাকে ঘিরে যে অভিযোগগুলো বিভিন্ন মহল থেকে উঠছে, সেগুলোকে আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি| কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইনের ঊর্ধ্বে নয় এই নীতিতেই আমরা কাজ করছি তিনি আরও বলেন, অভিযোগে উল্লেখিত নারী সিন্ডিকেট বা অনৈতিক কার্যকলাপের বিষয়ে অবশ্যই আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে| প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট হোটেলে অভিযান পরিচালনা করা হবে এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে| আমরা চাই, এলাকায় একটি সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ বজায় থাকুক|
ওসি জানান, অনেক সময় ভুক্তভোগীরা বা স্থানীয়রা ভয়ে সরাসরি অভিযোগ করতে চান না| তাই তিনি সকলকে অনুরোধ করেন, নির্ভয়ে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করতে| গোপনীয়তা রক্ষা করে তথ্য গ্রহণের ব্যবস্থাও রয়েছে| তিনি আরও বলেন, আমরা কাউকে হয়রানি করতে চাই না, তবে অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না| তবে আমরা সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করে যাচ্ছি| আরো বিস্তারিত আসছে..

আপনার মতামত লিখুন