দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

উত্তরায় হোটেল গ্রান্ট প্লাজা’র আড়ালে নারী সিন্ডিকেটের অভিযোগ

উত্তরায় হোটেল গ্রান্ট প্লাজা’র আড়ালে নারী সিন্ডিকেটের অভিযোগ
হোটেল গ্রান্ট প্লাজা’র আড়ালে নারী সিন্ডিকেট

রাজধানীর উত্তরার পশ্চিম থানাধীন একটি ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত হোটেল গ্রান্ট প্লাজা নামেই যেন আধুনিকতার ছাপ, কিন্তু অভিযোগের ভারে এখন তা প্রশ্নবিদ্ধ| স্থানীয়দের দাবি, এই হোটেলের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ নারী সিন্ডিকেট পরিচালিত হচ্ছে, যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে হোটেলের মালিক ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে| বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হলেও রহস্যজনকভাবে কার্যকর কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ চোখে পড়েনি|

স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী এবং কিছু সচেতন নাগরিকদের ভাষ্যমতে, হোটেল গ্রান্ট প্লাজা দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে| অভিযোগ রয়েছে, হোটেলের নির্দিষ্ট কিছু কক্ষ নিয়মিতভাবে ভাড়া দেওয়া হয় এমন উদ্দেশ্যে, যা সাধারণ আবাসিক ব্যবস্থার বাইরে| এখানে আসা-যাওয়া করা ব্যক্তিদের আচরণ, সময়সূচি এবং গোপনীয়তার মাত্রা নিয়ে বহুবার প্রশ্ন উঠেছে|

আরো পড়ুন: যাত্রাবাড়ি হোটেলপাড়া স্বৈরাচারী আ.লীগের দাপট: অভিযোগের পাহাড়

একজন স্থানীয় দোকানদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হোটেলের ভেতরে অচেনা মানুষের আনাগোনা বাড়ে| অনেক সময় অপ্রাপ্তবয়স্ক বা সন্দেহজনক বয়সী মেয়েদেরও দেখা যায়, যা স্বাভাবিক নয়| সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, একটি সংঘবদ্ধ চক্র পরিকল্পিতভাবে নারীদের ব্যবহার করে অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করছে| অভিযোগ রয়েছে, কিছু নারীকে বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখিয়ে বা চাপ প্রয়োগ করে এই কাজে যুক্ত করা হয়| এই সিন্ডিকেটের কার্যক্রম পরিচালনায় হোটেলটি একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে ধারণা করছেন অনুসন্ধান সংশ্লিষ্টরা|

একজন অনুসন্ধানী প্রতিবেদক জানান, আমরা তথ্য পেয়েছি যে একটি নির্দিষ্ট নেটওয়ার্ক এই হোটেলকে কেন্দ্র করে কাজ করছে| তাদের মধ্যে যোগাযোগ, ক্লায়েন্ট ম্যানেজমেন্ট এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাও অত্যন্ত সংগঠিত| এর আগেও বিভিন্ন গণমাধ্যমে হোটেল গ্রান্ট প্লাজার বিরুদ্ধে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে| সেসব প্রতিবেদনে একই ধরনের অভিযোগ উঠে আসে নারী পাচার, দেহব্যবসা এবং অবৈধ লেনদেন| প্রতিবেদন প্রকাশের পরপরই হোটেলটির মালিকপক্ষ কিছুদিনের জন্য আড়ালে চলে যায় বলে জানা যায়|

আরো পড়ুন: রাজনৈতিক দলের নাম ভাঙিয়ে ফর্টিস গ্রুপের অবৈধ ব্যবসা , পর্ব -৪

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, হোটেলটির কর্তৃপক্ষ রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিজেদের রক্ষা করে আসছে এমন অভিযোগও রয়েছে| ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের কিছু ব্যক্তির সঙ্গে হোটেল মালিকদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে, যার কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা অনেক সময় সীমিত হয়ে পড়ে| এখানে অভিযোগ করলে লাভ হয় না| তারা অনেক প্রভাবশালী| পুলিশও অনেক সময় চুপ থাকে|

এই বিষয়ে হোটেল গ্রান্ট প্লাজার মালিক বা ম্যানেজার সোহেলের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি| ফোনে যোগাযোগ করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়, এবং সরাসরি হোটেলে গিয়েও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি|

আরো পড়ুন: কিশোর অপরাধে ১৬-১৮ বছরেই জড়াচ্ছে হত্যা-ধর্ষণে

এবিষয়ে উত্তরা পশ্চিম থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলে তারা জানান, অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে| তবে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অভিযান বা গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি| একজন পুলিশ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি| যদি কোনো অবৈধ কার্যকলাপের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে| এ ধরনের কার্যক্রম শুধু আইনশৃঙ্খলার জন্যই নয়, বরং সমাজের ˆনতিক কাঠামোর জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়ায়| বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন সমাজ বিশ্লেষকরা|

একজন সমাজকর্মী বলেন, এই ধরনের সিন্ডিকেট সমাজের ভিত নষ্ট করে দেয়| এটি শুধু একটি হোটেলের সমস্যা নয়, বরং একটি বৃহত্তর সামাজিক সংকটের অংশ| সাংবাদিক সমাজ, স্থানীয় বাসিন্দা এবং সচেতন মহল প্রশাসনের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন এই অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য| একই সঙ্গে, যারা এই ধরনের সিন্ডিকেটের শিকার হয়েছেন, তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে|

আরো পড়ুন: জরিমানার-সিলগালার পরও থেমে নেই শাহীনের ‘ভেজাল ঘি'র সাম্রাজ্য’ নীরব ভুমিকায় প্রশাসন

হোটেল গ্রান্ট প্লাজা ঘিরে ওঠা এই অভিযোগগুলো শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নয়, বরং একটি সম্ভাব্য অপরাধ চক্রের ইঙ্গিত বহন করে| বারবার প্রতিবেদন প্রকাশের পরও কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে এটি আরও বিস্তৃত আকার ধারণ করতে পারে| এখন দেখার বিষয় প্রশাসন কত দ্রুত এবং কতটা কার্যকরভাবে এই অভিযোগগুলোর তদন্ত করে সত্য উদঘাটন করতে পারে| জনমনে যে প্রশ্নগুলো ˆতরি হয়েছে, তার উত্তর পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে সবাই|


বিষয় : #উত্তরা #উত্তরা_পশ্চিম #হোটেল_গ্রান্ট_প্লাজা #নারী_সিন্ডিকেট #অনুসন্ধানী_প্রতিবেদন

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬


উত্তরায় হোটেল গ্রান্ট প্লাজা’র আড়ালে নারী সিন্ডিকেটের অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

রাজধানীর উত্তরার পশ্চিম থানাধীন একটি ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত হোটেল গ্রান্ট প্লাজা নামেই যেন আধুনিকতার ছাপ, কিন্তু অভিযোগের ভারে এখন তা প্রশ্নবিদ্ধ| স্থানীয়দের দাবি, এই হোটেলের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ নারী সিন্ডিকেট পরিচালিত হচ্ছে, যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে হোটেলের মালিক ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে| বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হলেও রহস্যজনকভাবে কার্যকর কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ চোখে পড়েনি|

স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী এবং কিছু সচেতন নাগরিকদের ভাষ্যমতে, হোটেল গ্রান্ট প্লাজা দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে| অভিযোগ রয়েছে, হোটেলের নির্দিষ্ট কিছু কক্ষ নিয়মিতভাবে ভাড়া দেওয়া হয় এমন উদ্দেশ্যে, যা সাধারণ আবাসিক ব্যবস্থার বাইরে| এখানে আসা-যাওয়া করা ব্যক্তিদের আচরণ, সময়সূচি এবং গোপনীয়তার মাত্রা নিয়ে বহুবার প্রশ্ন উঠেছে|

আরো পড়ুন: যাত্রাবাড়ি হোটেলপাড়া স্বৈরাচারী আ.লীগের দাপট: অভিযোগের পাহাড়

একজন স্থানীয় দোকানদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হোটেলের ভেতরে অচেনা মানুষের আনাগোনা বাড়ে| অনেক সময় অপ্রাপ্তবয়স্ক বা সন্দেহজনক বয়সী মেয়েদেরও দেখা যায়, যা স্বাভাবিক নয়| সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, একটি সংঘবদ্ধ চক্র পরিকল্পিতভাবে নারীদের ব্যবহার করে অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করছে| অভিযোগ রয়েছে, কিছু নারীকে বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখিয়ে বা চাপ প্রয়োগ করে এই কাজে যুক্ত করা হয়| এই সিন্ডিকেটের কার্যক্রম পরিচালনায় হোটেলটি একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে ধারণা করছেন অনুসন্ধান সংশ্লিষ্টরা|

একজন অনুসন্ধানী প্রতিবেদক জানান, আমরা তথ্য পেয়েছি যে একটি নির্দিষ্ট নেটওয়ার্ক এই হোটেলকে কেন্দ্র করে কাজ করছে| তাদের মধ্যে যোগাযোগ, ক্লায়েন্ট ম্যানেজমেন্ট এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাও অত্যন্ত সংগঠিত| এর আগেও বিভিন্ন গণমাধ্যমে হোটেল গ্রান্ট প্লাজার বিরুদ্ধে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে| সেসব প্রতিবেদনে একই ধরনের অভিযোগ উঠে আসে নারী পাচার, দেহব্যবসা এবং অবৈধ লেনদেন| প্রতিবেদন প্রকাশের পরপরই হোটেলটির মালিকপক্ষ কিছুদিনের জন্য আড়ালে চলে যায় বলে জানা যায়|

আরো পড়ুন: রাজনৈতিক দলের নাম ভাঙিয়ে ফর্টিস গ্রুপের অবৈধ ব্যবসা , পর্ব -৪

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, হোটেলটির কর্তৃপক্ষ রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিজেদের রক্ষা করে আসছে এমন অভিযোগও রয়েছে| ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের কিছু ব্যক্তির সঙ্গে হোটেল মালিকদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে, যার কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা অনেক সময় সীমিত হয়ে পড়ে| এখানে অভিযোগ করলে লাভ হয় না| তারা অনেক প্রভাবশালী| পুলিশও অনেক সময় চুপ থাকে|

এই বিষয়ে হোটেল গ্রান্ট প্লাজার মালিক বা ম্যানেজার সোহেলের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি| ফোনে যোগাযোগ করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়, এবং সরাসরি হোটেলে গিয়েও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি|

আরো পড়ুন: কিশোর অপরাধে ১৬-১৮ বছরেই জড়াচ্ছে হত্যা-ধর্ষণে

এবিষয়ে উত্তরা পশ্চিম থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলে তারা জানান, অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে| তবে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অভিযান বা গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি| একজন পুলিশ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি| যদি কোনো অবৈধ কার্যকলাপের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে| এ ধরনের কার্যক্রম শুধু আইনশৃঙ্খলার জন্যই নয়, বরং সমাজের ˆনতিক কাঠামোর জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়ায়| বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন সমাজ বিশ্লেষকরা|

একজন সমাজকর্মী বলেন, এই ধরনের সিন্ডিকেট সমাজের ভিত নষ্ট করে দেয়| এটি শুধু একটি হোটেলের সমস্যা নয়, বরং একটি বৃহত্তর সামাজিক সংকটের অংশ| সাংবাদিক সমাজ, স্থানীয় বাসিন্দা এবং সচেতন মহল প্রশাসনের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন এই অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য| একই সঙ্গে, যারা এই ধরনের সিন্ডিকেটের শিকার হয়েছেন, তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে|

আরো পড়ুন: জরিমানার-সিলগালার পরও থেমে নেই শাহীনের ‘ভেজাল ঘি'র সাম্রাজ্য’ নীরব ভুমিকায় প্রশাসন

হোটেল গ্রান্ট প্লাজা ঘিরে ওঠা এই অভিযোগগুলো শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নয়, বরং একটি সম্ভাব্য অপরাধ চক্রের ইঙ্গিত বহন করে| বারবার প্রতিবেদন প্রকাশের পরও কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে এটি আরও বিস্তৃত আকার ধারণ করতে পারে| এখন দেখার বিষয় প্রশাসন কত দ্রুত এবং কতটা কার্যকরভাবে এই অভিযোগগুলোর তদন্ত করে সত্য উদঘাটন করতে পারে| জনমনে যে প্রশ্নগুলো ˆতরি হয়েছে, তার উত্তর পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে সবাই|



দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত