ল্যান্ড বিজনেসের নামে ফর্টিস গ্রুপের ভূমিদস্যুতা বর্তমান বাংলাদেশের শীর্ষে। সব সরকারের আমলে যেন সামলে জমি দখল করে প্লট বিজনেসের নাম ও আবাসন প্রকল্পের নামে গরিবের জমি দখল করছে। যা নিয়ে বেশ কয়েকটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়। ইতিমধ্যে সংবাদ আমলে নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন বলেছেন, এমডি বা কর্মচারী যত শক্তিশালী হোক না কেন তাদের বিরুদ্ধে নোটিশ করে খুব তাড়াতাড়ি তদন্ত শুরুর কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়াও বলেন,ফর্টিস গ্রুপে কর্মরত এক কর্মকর্তার ব্যাংক টাউন সহ সাভারের বিভিন্ন জায়গায় ফ্ল্যাট ও জমির খোঁজ খবর পাওয়া গেছে। সেটা নিয়েও কাজ করছে দুদক।
আরও পড়ুন, গংগাচড়ায় জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদ ও অতিরিক্ত দামের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট, দোকানিকে জরিমানা
এছাড়াও রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, নারায়ণগঞ্জের স্থায়ী বাসিন্দা ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদ প্রকাশের আমরা জানতে পেরেছি,এটাতে আমাদের কাজ শুরু হয়েছে খুব দ্রুতই আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। সেটা তদন্ত চলছে। অবৈধভাবে প্রত্যেকটি জমি কেড়ে নেওয়া ব্যক্তিদেরকে জমি ফেরত দিতে হবে এই গ্রুপটির। এ কোম্পানিটির নামে অভিযোগে বলা হয়, ঢাকা গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলে বেশ পরিচিত একটি গ্রুপ অফ কোম্পানি ফর্টিস গ্রুপ। আওয়ামী লীগের আমল থেকেই বড় বড় কর্তাদের ছত্রছায়ায়, নানান অনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন। উপদেষ্টা সরকারের সময়ও ছিলেন একই ফর্মে। আবার এখন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরও আওয়ামী তন্ত্রেই অফিসে ধরে রেখেছেন ফর্টিস গ্রুপের কর্তৃপক্ষ তথা এমডি শাহাদাত হোসেন।
আরও পড়ুন, বগুড়ার কাহালুতে পুলিশের পৃথক পৃথক অভিযানে তিনজন সাজা প্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
জানা যায়, উপদেষ্টা সরকারের আমলে বরখাস্ত হওয়া আওয়ামী ছয় পুলিশ সদস্যের মধ্যে চারজনকে ভালো বেতনে চাকরি দিয়েছে ফটিস গ্রুপ। আবার সব সেক্টরে সমন্বয় করেন সাবেক এই চার পুলিশ সদস্য। তথ্য সুত্রে আরও জানা যায়, এটা পুলিশ সদস্যের হুকুমে ইতিমধ্যেই কোম্পানিটিতে বিনা নোটিশে অনেক কর্মচারীকে ছাটাই করা হয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে ল্যান্ডের বিজনেসের নামে করেছেন জমি দখল।একাধিক ভুক্তভোগী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ৩০ শতাংশ জমি কিনে, সালেহা বেগমের আরো ৬০ শতাংশ জবর দখল করেছেন এই গ্রুপের কর্মচারীরা। নিজেদের কোম্পানির নামে লাগিয়েছেন সাইনবোর্ড। ইতিমধ্যে নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় কর্মকর্তা কর্মচারীদের নামে হয়েছে অভিযোগ। কোম্পানিটির কর্মকর্তার সাথে কথা বলার চেষ্টা করলে, পূর্বের মতো এবারও কেউ কথা বলতে নারাজ।

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
ল্যান্ড বিজনেসের নামে ফর্টিস গ্রুপের ভূমিদস্যুতা বর্তমান বাংলাদেশের শীর্ষে। সব সরকারের আমলে যেন সামলে জমি দখল করে প্লট বিজনেসের নাম ও আবাসন প্রকল্পের নামে গরিবের জমি দখল করছে। যা নিয়ে বেশ কয়েকটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়। ইতিমধ্যে সংবাদ আমলে নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন বলেছেন, এমডি বা কর্মচারী যত শক্তিশালী হোক না কেন তাদের বিরুদ্ধে নোটিশ করে খুব তাড়াতাড়ি তদন্ত শুরুর কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়াও বলেন,ফর্টিস গ্রুপে কর্মরত এক কর্মকর্তার ব্যাংক টাউন সহ সাভারের বিভিন্ন জায়গায় ফ্ল্যাট ও জমির খোঁজ খবর পাওয়া গেছে। সেটা নিয়েও কাজ করছে দুদক।
আরও পড়ুন, গংগাচড়ায় জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদ ও অতিরিক্ত দামের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট, দোকানিকে জরিমানা
এছাড়াও রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, নারায়ণগঞ্জের স্থায়ী বাসিন্দা ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদ প্রকাশের আমরা জানতে পেরেছি,এটাতে আমাদের কাজ শুরু হয়েছে খুব দ্রুতই আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। সেটা তদন্ত চলছে। অবৈধভাবে প্রত্যেকটি জমি কেড়ে নেওয়া ব্যক্তিদেরকে জমি ফেরত দিতে হবে এই গ্রুপটির। এ কোম্পানিটির নামে অভিযোগে বলা হয়, ঢাকা গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলে বেশ পরিচিত একটি গ্রুপ অফ কোম্পানি ফর্টিস গ্রুপ। আওয়ামী লীগের আমল থেকেই বড় বড় কর্তাদের ছত্রছায়ায়, নানান অনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন। উপদেষ্টা সরকারের সময়ও ছিলেন একই ফর্মে। আবার এখন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরও আওয়ামী তন্ত্রেই অফিসে ধরে রেখেছেন ফর্টিস গ্রুপের কর্তৃপক্ষ তথা এমডি শাহাদাত হোসেন।
আরও পড়ুন, বগুড়ার কাহালুতে পুলিশের পৃথক পৃথক অভিযানে তিনজন সাজা প্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
জানা যায়, উপদেষ্টা সরকারের আমলে বরখাস্ত হওয়া আওয়ামী ছয় পুলিশ সদস্যের মধ্যে চারজনকে ভালো বেতনে চাকরি দিয়েছে ফটিস গ্রুপ। আবার সব সেক্টরে সমন্বয় করেন সাবেক এই চার পুলিশ সদস্য। তথ্য সুত্রে আরও জানা যায়, এটা পুলিশ সদস্যের হুকুমে ইতিমধ্যেই কোম্পানিটিতে বিনা নোটিশে অনেক কর্মচারীকে ছাটাই করা হয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে ল্যান্ডের বিজনেসের নামে করেছেন জমি দখল।একাধিক ভুক্তভোগী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ৩০ শতাংশ জমি কিনে, সালেহা বেগমের আরো ৬০ শতাংশ জবর দখল করেছেন এই গ্রুপের কর্মচারীরা। নিজেদের কোম্পানির নামে লাগিয়েছেন সাইনবোর্ড। ইতিমধ্যে নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় কর্মকর্তা কর্মচারীদের নামে হয়েছে অভিযোগ। কোম্পানিটির কর্মকর্তার সাথে কথা বলার চেষ্টা করলে, পূর্বের মতো এবারও কেউ কথা বলতে নারাজ।

আপনার মতামত লিখুন