সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের নির্বাচনি এলাকার মতোই বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের এলাকাতেও সমান গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে সব নির্বাচনি এলাকায় উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। তিনি জানান, সরকারদলীয় সদস্যরা যেভাবে নিজ নিজ এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবেন, একইভাবে বিরোধী দলের সদস্যদের এলাকাতেও সমানভাবে উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া হবে।অর্থনৈতিক খাত নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে
অরো পড়ুন , সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক নার্স সংকট, শূন্য ২৩ হাজারের বেশি পদ
সুদের হার পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার মাধ্যমে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও উৎপাদন বাড়াতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও জানান তিনি।সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির অগ্রগতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত ৬০ হাজার পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়া হয়েছে। আগামী অর্থবছরে আরও ৪১ লাখ ২০ হাজার পরিবারকে এই সুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আসন্ন বর্ষা মৌসুমেই ৩ কোটি ১৪ লাখ গাছ রোপণ করা হবে।এছাড়া পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা, জলাবদ্ধতা কমানো এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় এখন পর্যন্ত ৯৫৬ কিলোমিটার খাল খনন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, টেকসই উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের নির্বাচনি এলাকার মতোই বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের এলাকাতেও সমান গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে সব নির্বাচনি এলাকায় উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। তিনি জানান, সরকারদলীয় সদস্যরা যেভাবে নিজ নিজ এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবেন, একইভাবে বিরোধী দলের সদস্যদের এলাকাতেও সমানভাবে উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া হবে।অর্থনৈতিক খাত নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে
অরো পড়ুন , সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক নার্স সংকট, শূন্য ২৩ হাজারের বেশি পদ
সুদের হার পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার মাধ্যমে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও উৎপাদন বাড়াতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও জানান তিনি।সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির অগ্রগতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত ৬০ হাজার পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়া হয়েছে। আগামী অর্থবছরে আরও ৪১ লাখ ২০ হাজার পরিবারকে এই সুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আসন্ন বর্ষা মৌসুমেই ৩ কোটি ১৪ লাখ গাছ রোপণ করা হবে।এছাড়া পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা, জলাবদ্ধতা কমানো এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় এখন পর্যন্ত ৯৫৬ কিলোমিটার খাল খনন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, টেকসই উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন