রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে অজ্ঞান পার্টির এক সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে নৌ পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. ফারুক, বয়স ৪৪ বছর। তার বিরুদ্ধে যাত্রীদের অচেতন করে মালামাল ও টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার, ২৯ মে রাত আনুমানিক ৮টা ৪০ মিনিট থেকে ৯টা ১৫ মিনিটের মধ্যে ভোলা ইলিশাগামী এমভি ইয়াদ লঞ্চের দ্বিতীয় তলার ডেকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায় ফারুককে। এ সময় অন্য এক যাত্রীর ব্যাগ হাতানোর চেষ্টাও করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
আরও পড়ুন, ঈদের তৃতীয় দিনেও ঢাকা ছাড়ছেন মানুষ, গাবতলী-কল্যাণপুরে ঘরমুখো যাত্রীর ভিড়
বিষয়টি নজরে এলে সদরঘাট টার্মিনালে দায়িত্ব পালনরত নৌ পুলিশ সদস্যদের জানানো হয়। পরে ঢাকা সদরঘাট নৌ থানার একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে আটক করে। লঞ্চে থাকা আনসার সদস্য ও স্টাফদের সহায়তায় তাকে নৌ পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর! আসছে নবম পে স্কেল
এ সময় ফারুকের পাশে থাকা দুই যাত্রী—ভোলা সদর উপজেলার নাসিম হাজারী ও বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার সাহাবুদ্দিনকে তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে বিআইডব্লিউটিএ, লঞ্চ কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টদের সহায়তায় তাদের মুন্সিগঞ্জ লঞ্চঘাটে নামিয়ে সদর হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। চিকিৎসা শেষে তারা সুস্থ হয়ে ওঠেন। নৌ পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ফারুক তার সহযোগীদের নিয়ে চেতনানাশক বা নেশাজাতীয় খাবার খাইয়ে যাত্রীদের অচেতন করে মূল্যবান মালামাল হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতেন।
আরও পড়ুন, দুই দিনে ডিএসসিসির ২৩ হাজার ৭৯১ টন কোরবানির বর্জ্য অপসারণ
পুলিশের তথ্যভাণ্ডার অনুযায়ী, ফারুকের বিরুদ্ধে আগেও রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় একাধিক ধারায় মামলা এবং শরীয়তপুরের গোসাইরহাট থানায় সাধারণ ডায়েরির তথ্য রয়েছে। এ ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নৌ পুলিশ জানিয়েছে, অজ্ঞান পার্টির অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বিষয় : গ্রেপ্তার সদরঘাট অজ্ঞান পার্টি

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে অজ্ঞান পার্টির এক সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে নৌ পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. ফারুক, বয়স ৪৪ বছর। তার বিরুদ্ধে যাত্রীদের অচেতন করে মালামাল ও টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার, ২৯ মে রাত আনুমানিক ৮টা ৪০ মিনিট থেকে ৯টা ১৫ মিনিটের মধ্যে ভোলা ইলিশাগামী এমভি ইয়াদ লঞ্চের দ্বিতীয় তলার ডেকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায় ফারুককে। এ সময় অন্য এক যাত্রীর ব্যাগ হাতানোর চেষ্টাও করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
আরও পড়ুন, ঈদের তৃতীয় দিনেও ঢাকা ছাড়ছেন মানুষ, গাবতলী-কল্যাণপুরে ঘরমুখো যাত্রীর ভিড়
বিষয়টি নজরে এলে সদরঘাট টার্মিনালে দায়িত্ব পালনরত নৌ পুলিশ সদস্যদের জানানো হয়। পরে ঢাকা সদরঘাট নৌ থানার একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে আটক করে। লঞ্চে থাকা আনসার সদস্য ও স্টাফদের সহায়তায় তাকে নৌ পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর! আসছে নবম পে স্কেল
এ সময় ফারুকের পাশে থাকা দুই যাত্রী—ভোলা সদর উপজেলার নাসিম হাজারী ও বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার সাহাবুদ্দিনকে তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে বিআইডব্লিউটিএ, লঞ্চ কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টদের সহায়তায় তাদের মুন্সিগঞ্জ লঞ্চঘাটে নামিয়ে সদর হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। চিকিৎসা শেষে তারা সুস্থ হয়ে ওঠেন। নৌ পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ফারুক তার সহযোগীদের নিয়ে চেতনানাশক বা নেশাজাতীয় খাবার খাইয়ে যাত্রীদের অচেতন করে মূল্যবান মালামাল হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতেন।
আরও পড়ুন, দুই দিনে ডিএসসিসির ২৩ হাজার ৭৯১ টন কোরবানির বর্জ্য অপসারণ
পুলিশের তথ্যভাণ্ডার অনুযায়ী, ফারুকের বিরুদ্ধে আগেও রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় একাধিক ধারায় মামলা এবং শরীয়তপুরের গোসাইরহাট থানায় সাধারণ ডায়েরির তথ্য রয়েছে। এ ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নৌ পুলিশ জানিয়েছে, অজ্ঞান পার্টির অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন