আন্তর্জাতিক ক্রেডিট রেটিং সংস্থা ফিচ রেটিংস জানিয়েছে, বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি ঋণ পরিশোধ সক্ষমতা ভবিষ্যতে চাপে পড়তে পারে। এ কারণে দেশের দীর্ঘমেয়াদি ইস্যুয়ার ডিফল্ট রেটিংয়ের আউটলুক ‘স্থিতিশীল’ থেকে পরিবর্তন করে ‘ঋণাত্মক’ করেছে সংস্থাটি। তবে ফিচ বাংলাদেশের সার্বিক রেটিং অপরিবর্তিত রেখে ‘বি প্লাস’ রেখেছে। এই রেটিং অনুযায়ী বাংলাদেশ এখনো ঋণ পরিশোধে সক্ষম থাকলেও অর্থনীতি বাহ্যিক ঝুঁকির প্রতি সংবেদনশীল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, দেশের ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের প্রাথমিক অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
বুধবার হংকং থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ফিচ জানায়, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, বৈদেশিক অর্থায়নের অনিশ্চয়তা, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এবং নীতিগত সংস্কারের ধীরগতির কারণে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ঝুঁকি বেড়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব আদায় ঘাটতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক শাসনের দুর্বলতা দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিকে চাপে ফেলছে।
আরও পড়ুন, রেমিট্যান্সে রেকর্ড গতি, মে মাসের প্রথম ১১ দিনে ১৪৪ কোটি ডলার
ফিচের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মার্চে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ২৯.৫ বিলিয়ন ডলার, যা প্রায় চার মাসের আমদানি ব্যয় মেটাতে সক্ষম। তবে এটি সমমানের দেশের তুলনায় কম বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, বৈদেশিক চাহিদা বৃদ্ধি, চলতি হিসাব ঘাটতি এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক কর্মসূচি ঘিরে অনিশ্চয়তা বাড়লে রিজার্ভ আরও চাপের মুখে পড়তে পারে।
আরও পড়ুন, কোরবানির হাটে জাল নোট ঠেকাতে ব্যাংক বুথ বাধ্যতামূলক
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে বাংলাদেশের জন্য বড় ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করেছে ফিচ। কারণ দেশের মোট রেমিট্যান্সের প্রায় অর্ধেক এবং বড় অংশের জ্বালানি আমদানি ওই অঞ্চল থেকে আসে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৬ অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি দীর্ঘমেয়াদি হলে বৈদেশিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত, নীতি কাঠামো ও শাসনব্যবস্থা তুলনামূলকভাবে দুর্বল অবস্থানে রয়েছে, যা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।
বিষয় : ঝুঁকি অর্থনীতি ফিচ রেটিংস ঋণাত্মক

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
আন্তর্জাতিক ক্রেডিট রেটিং সংস্থা ফিচ রেটিংস জানিয়েছে, বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি ঋণ পরিশোধ সক্ষমতা ভবিষ্যতে চাপে পড়তে পারে। এ কারণে দেশের দীর্ঘমেয়াদি ইস্যুয়ার ডিফল্ট রেটিংয়ের আউটলুক ‘স্থিতিশীল’ থেকে পরিবর্তন করে ‘ঋণাত্মক’ করেছে সংস্থাটি। তবে ফিচ বাংলাদেশের সার্বিক রেটিং অপরিবর্তিত রেখে ‘বি প্লাস’ রেখেছে। এই রেটিং অনুযায়ী বাংলাদেশ এখনো ঋণ পরিশোধে সক্ষম থাকলেও অর্থনীতি বাহ্যিক ঝুঁকির প্রতি সংবেদনশীল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, দেশের ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের প্রাথমিক অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
বুধবার হংকং থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ফিচ জানায়, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, বৈদেশিক অর্থায়নের অনিশ্চয়তা, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এবং নীতিগত সংস্কারের ধীরগতির কারণে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ঝুঁকি বেড়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব আদায় ঘাটতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক শাসনের দুর্বলতা দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিকে চাপে ফেলছে।
আরও পড়ুন, রেমিট্যান্সে রেকর্ড গতি, মে মাসের প্রথম ১১ দিনে ১৪৪ কোটি ডলার
ফিচের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মার্চে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ২৯.৫ বিলিয়ন ডলার, যা প্রায় চার মাসের আমদানি ব্যয় মেটাতে সক্ষম। তবে এটি সমমানের দেশের তুলনায় কম বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, বৈদেশিক চাহিদা বৃদ্ধি, চলতি হিসাব ঘাটতি এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক কর্মসূচি ঘিরে অনিশ্চয়তা বাড়লে রিজার্ভ আরও চাপের মুখে পড়তে পারে।
আরও পড়ুন, কোরবানির হাটে জাল নোট ঠেকাতে ব্যাংক বুথ বাধ্যতামূলক
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে বাংলাদেশের জন্য বড় ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করেছে ফিচ। কারণ দেশের মোট রেমিট্যান্সের প্রায় অর্ধেক এবং বড় অংশের জ্বালানি আমদানি ওই অঞ্চল থেকে আসে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৬ অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি দীর্ঘমেয়াদি হলে বৈদেশিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত, নীতি কাঠামো ও শাসনব্যবস্থা তুলনামূলকভাবে দুর্বল অবস্থানে রয়েছে, যা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।

আপনার মতামত লিখুন