ইন্দোনেশিয়ার সক্রিয় আগ্নেয়গিরি আনাক ক্রাকাতাওয়ের অগ্ন্যুৎপাতে ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে রাজধানী জাকার্তার বিমান চলাচল।আকাশে ঘন আগ্নেয় ছাইয়ের মেঘ ছড়িয়ে পড়ায় যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এখন পর্যন্ত ৫৮টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটসহ মোট ৩০১টি ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে।জাকার্তার সুকর্ণ-হাট্টা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আকাশে ছাইয়ের মেঘ এবং দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় বিমান চলাচলে এই বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূপদার্থবিদ্যা সংস্থা—
আড়ও পড়ুন,হরমুজে নৌবাহিনী পাঠালে ‘গুরুতর পরিণতি’, দক্ষিণ কোরিয়াকে ইরানের সতর্কবার্তা
বিএমকেজি জানিয়েছে, আগ্নেয়গিরি থেকে নির্গত ছাই জাভা অঞ্চলে প্রায় ৬ হাজার মিটার বা ২০ হাজার ফুট উচ্চতা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। আর সুমাত্রা ও বানতেন প্রদেশে ছাইয়ের মেঘ পৌঁছেছে প্রায় ১৫ হাজার মিটার বা ৫০ হাজার ফুট উচ্চতায়।অগ্ন্যুৎপাতের প্রভাবে স্থানীয় জনজীবনেও দেখা দিয়েছে ভোগান্তি। নিরাপত্তার কারণে কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলেদেরও আপাতত সাগরে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।তবে পরিস্থিতি নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বিএমকেজি জানিয়েছে, বর্তমান অগ্ন্যুৎপাতের কারণে কোনো সুনামির ঝুঁকি নেই।আগ্নেয় ছাই থেকে সুরক্ষায় প্রয়োজন হলে মাস্ক ও চশমা ব্যবহার এবং অপ্রয়োজনে বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপের মাঝামাঝি অবস্থিত আনাক ক্রাকাতাও প্রশান্ত মহাসাগরীয় রিং অব ফায়ারের অন্যতম সক্রিয় আগ্নেয়গিরি। ২০১৮ সালে এই আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের পর সৃষ্ট ভয়াবহ সুনামিতে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল।এবারও অগ্ন্যুৎপাতের কারণে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইন্দোনেশিয়ার সক্রিয় আগ্নেয়গিরি আনাক ক্রাকাতাওয়ের অগ্ন্যুৎপাতে ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে রাজধানী জাকার্তার বিমান চলাচল।আকাশে ঘন আগ্নেয় ছাইয়ের মেঘ ছড়িয়ে পড়ায় যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এখন পর্যন্ত ৫৮টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটসহ মোট ৩০১টি ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে।জাকার্তার সুকর্ণ-হাট্টা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আকাশে ছাইয়ের মেঘ এবং দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় বিমান চলাচলে এই বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূপদার্থবিদ্যা সংস্থা—
আড়ও পড়ুন,হরমুজে নৌবাহিনী পাঠালে ‘গুরুতর পরিণতি’, দক্ষিণ কোরিয়াকে ইরানের সতর্কবার্তা
বিএমকেজি জানিয়েছে, আগ্নেয়গিরি থেকে নির্গত ছাই জাভা অঞ্চলে প্রায় ৬ হাজার মিটার বা ২০ হাজার ফুট উচ্চতা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। আর সুমাত্রা ও বানতেন প্রদেশে ছাইয়ের মেঘ পৌঁছেছে প্রায় ১৫ হাজার মিটার বা ৫০ হাজার ফুট উচ্চতায়।অগ্ন্যুৎপাতের প্রভাবে স্থানীয় জনজীবনেও দেখা দিয়েছে ভোগান্তি। নিরাপত্তার কারণে কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলেদেরও আপাতত সাগরে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।তবে পরিস্থিতি নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বিএমকেজি জানিয়েছে, বর্তমান অগ্ন্যুৎপাতের কারণে কোনো সুনামির ঝুঁকি নেই।আগ্নেয় ছাই থেকে সুরক্ষায় প্রয়োজন হলে মাস্ক ও চশমা ব্যবহার এবং অপ্রয়োজনে বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপের মাঝামাঝি অবস্থিত আনাক ক্রাকাতাও প্রশান্ত মহাসাগরীয় রিং অব ফায়ারের অন্যতম সক্রিয় আগ্নেয়গিরি। ২০১৮ সালে এই আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের পর সৃষ্ট ভয়াবহ সুনামিতে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল।এবারও অগ্ন্যুৎপাতের কারণে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন