আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে দণ্ডিত কোনো ব্যক্তি রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে পরে আর আপিলের সুযোগ থাকে না বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।সোমবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১-এর ৩ ধারায় রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার বিধান রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করা না হলে পরবর্তীতে সেই আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না।তিনি বলেন, আইন সবার জন্য সমান। কোনো ব্যক্তি পলাতক থাকুন কিংবা কারাগারে—রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যেই তাকে আপিল করতে হবে। এ বিধান মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য, একইভাবে পলাতক মাওলানা আবুল কালাম আজাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
আরও পড়ুন, নেপাল থেকে ১২ দিন ধরে আসছে না বিদ্যুৎ, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জলবিদ্যুৎ প্রকল্প
আবুল কালাম আজাদকে ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দিলেও তিনি দীর্ঘদিন দেশের বাইরে ছিলেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করেননি বলে জানান আমিনুল ইসলাম।তিনি আরও বলেন, আবুল কালাম আজাদের মামলা নিয়ে আপিল বিভাগে শুনানি হলেও তার আপিল এখনো গ্রহণ করা হয়নি। ফলে এ বিষয়ে আপিল বিভাগে কোনো বিচারিক কার্যক্রমও বর্তমানে চলমান নেই বলে দাবি করেন তিনি।চিফ প্রসিকিউটরের ভাষ্য, রায়ের পর ৩০ দিন পেরিয়ে গেলে অন্য কোনো ফোরামেও আইনগত প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ থাকে না। সেক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালের রায় বাস্তবায়ন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তবে সরকার চাইলে যেকোনো সাজা স্থগিত করতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি সরকারের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা। সরকার কোনো ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, আবার নাও করতে পারে।এদিকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কোনো অসংগতি হবে না বলেও জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর। গুমের অভিযোগ ও প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
বিষয় : ট্রাইব্যুনাল আপিল

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে দণ্ডিত কোনো ব্যক্তি রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে পরে আর আপিলের সুযোগ থাকে না বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।সোমবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১-এর ৩ ধারায় রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার বিধান রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করা না হলে পরবর্তীতে সেই আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না।তিনি বলেন, আইন সবার জন্য সমান। কোনো ব্যক্তি পলাতক থাকুন কিংবা কারাগারে—রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যেই তাকে আপিল করতে হবে। এ বিধান মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য, একইভাবে পলাতক মাওলানা আবুল কালাম আজাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
আরও পড়ুন, নেপাল থেকে ১২ দিন ধরে আসছে না বিদ্যুৎ, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জলবিদ্যুৎ প্রকল্প
আবুল কালাম আজাদকে ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দিলেও তিনি দীর্ঘদিন দেশের বাইরে ছিলেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করেননি বলে জানান আমিনুল ইসলাম।তিনি আরও বলেন, আবুল কালাম আজাদের মামলা নিয়ে আপিল বিভাগে শুনানি হলেও তার আপিল এখনো গ্রহণ করা হয়নি। ফলে এ বিষয়ে আপিল বিভাগে কোনো বিচারিক কার্যক্রমও বর্তমানে চলমান নেই বলে দাবি করেন তিনি।চিফ প্রসিকিউটরের ভাষ্য, রায়ের পর ৩০ দিন পেরিয়ে গেলে অন্য কোনো ফোরামেও আইনগত প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ থাকে না। সেক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালের রায় বাস্তবায়ন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তবে সরকার চাইলে যেকোনো সাজা স্থগিত করতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি সরকারের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা। সরকার কোনো ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, আবার নাও করতে পারে।এদিকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কোনো অসংগতি হবে না বলেও জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর। গুমের অভিযোগ ও প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন