নিম্নস্তরের সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য বাড়ানোর প্রস্তাবে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ১০ শলাকা নিম্নস্তরের সিগারেটের বিদ্যমান সর্বোচ্চ মূল্য ৬২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬৫ টাকা বা তদূর্ধ্ব নির্ধারণ করা হয়েছে।সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ২০তম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।মন্ত্রিসভার বৈঠকে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের উদ্যোগে সিগারেটের মূল্য নির্ধারণ এবং স্ট্যাম্প ও ব্যান্ডরোল ব্যবহার সংক্রান্ত দুটি প্রজ্ঞাপন সংশোধনের প্রস্তাব তোলা হয়। পরে প্রস্তাবটিতে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।নতুন মূল্য নির্ধারণের ফলে নিম্নস্তরের সিগারেটের অবৈধ বাণিজ্য কমার পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব ঘাটতিও কমবে বলে মনে করছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ।এদিকে একই বৈঠকে নবায়নযোগ্য সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক-কর রেয়াত দেওয়ার প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
আরও পড়ুন, মূল্যস্ফীতি কমলেও বেড়েছে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের দাম
প্রস্তাব অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে ছয় মাস পর্যন্ত সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি ও সম্পূরক শুল্কসহ বিভিন্ন কর অব্যাহতি সুবিধা দেওয়া হবে।এছাড়া বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে বিনিয়োগ সুরক্ষা ও উৎসাহ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তাবেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।দশ বছর মেয়াদি এ চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশে হংকংয়ের বিনিয়োগ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।একই বৈঠকে সিগারেটের মূল্য পুনর্নির্ধারণ, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের যন্ত্রপাতি আমদানিতে কর-শুল্ক ছাড় এবং বাংলাদেশ-হংকং বিনিয়োগ চুক্তিসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিম্নস্তরের সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য বাড়ানোর প্রস্তাবে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ১০ শলাকা নিম্নস্তরের সিগারেটের বিদ্যমান সর্বোচ্চ মূল্য ৬২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬৫ টাকা বা তদূর্ধ্ব নির্ধারণ করা হয়েছে।সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ২০তম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।মন্ত্রিসভার বৈঠকে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের উদ্যোগে সিগারেটের মূল্য নির্ধারণ এবং স্ট্যাম্প ও ব্যান্ডরোল ব্যবহার সংক্রান্ত দুটি প্রজ্ঞাপন সংশোধনের প্রস্তাব তোলা হয়। পরে প্রস্তাবটিতে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।নতুন মূল্য নির্ধারণের ফলে নিম্নস্তরের সিগারেটের অবৈধ বাণিজ্য কমার পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব ঘাটতিও কমবে বলে মনে করছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ।এদিকে একই বৈঠকে নবায়নযোগ্য সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক-কর রেয়াত দেওয়ার প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
আরও পড়ুন, মূল্যস্ফীতি কমলেও বেড়েছে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের দাম
প্রস্তাব অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে ছয় মাস পর্যন্ত সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি ও সম্পূরক শুল্কসহ বিভিন্ন কর অব্যাহতি সুবিধা দেওয়া হবে।এছাড়া বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে বিনিয়োগ সুরক্ষা ও উৎসাহ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তাবেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।দশ বছর মেয়াদি এ চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশে হংকংয়ের বিনিয়োগ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।একই বৈঠকে সিগারেটের মূল্য পুনর্নির্ধারণ, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের যন্ত্রপাতি আমদানিতে কর-শুল্ক ছাড় এবং বাংলাদেশ-হংকং বিনিয়োগ চুক্তিসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

আপনার মতামত লিখুন