ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে বাড়তি কেনাবেচা, রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং ঈদ বোনাসের কারণে দেশের অর্থনীতিতে সাময়িক স্বস্তি ফিরে এসেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, কুরবানির ঈদে সৃষ্ট বিশাল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ভঙ্গুর অর্থনীতিতে নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছে।বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি ও বেসরকারি খাতের প্রায় ৮০ লাখ মানুষ ঈদ বোনাস পেয়েছেন। পাশাপাশি ঈদ উপলক্ষে রেমিট্যান্স প্রবাহও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। মে মাসে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।আরও পড়ুন , মে মাসে রেমিট্যান্স এলো সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশিপ্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এবার দেশে প্রায় ১ কোটি ১ লাখ পশু কুরবানি হয়েছে। পশুর বাজার, চামড়া, মসলা, পরিবহন, পোশাক, কামার শিল্প ও অন্যান্য খাত মিলিয়ে এবারের ঈদ অর্থনীতির আকার এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।তবে অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, এই সাময়িক স্বস্তিকে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করতে হবে। বিশেষ করে চামড়া খাতে সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং উৎপাদনমুখী বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।আরও পড়ুন , ঈদের পর প্রথম কার্যদিবসে শেয়ারবাজারে উত্থান