অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরেও দেশের সার্বিক অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। তবে অর্থনীতিতে রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়েছে। লুটপাটে লাগাম পড়েছে, রোধ হয়েছে অর্থনীতির নিম্নমুখী যাত্রা। ঘুচে গেছে ডলার সংকট, টাকার মানে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে। মূল্যস্ফীতির হার কমতে শুরু করেছে, তবে তা এখনো ঝুঁকির পর্যায়েই রয়েছে। কিন্তু অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার প্রধান উপকরণ আস্থার সংকট কাটেনি। কমেনি রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা। কমছে না ঋণের সুদহার। বেসরকারি খাতে মন্দা কোনোভাবেই কাটছে না। ফলে বাড়ছে না বিনিয়োগ।
আরো পড়ুন , ডিএসই-সিএসইতে সূচক বৃদ্ধি, লেনদেন অব্যাহত
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে অর্থনীতির বৈদেশিক খাতে স্বস্তি ফিরে এসেছে। কিন্তু অভ্যন্তরীণ খাতে অস্বস্তি রয়েই গেছে। এ অস্বস্তি ক্রমেই প্রকট আকার ধারণ করছে। সরকারের নেওয়া বহুমুখী পদক্ষেপে দেশ থেকে টাকা পাচার অনেক কমেছে। রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বেড়েছে। এতে বাজারে ডলারের প্রবাহ কমেছে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরেও দেশের সার্বিক অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। তবে অর্থনীতিতে রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়েছে। লুটপাটে লাগাম পড়েছে, রোধ হয়েছে অর্থনীতির নিম্নমুখী যাত্রা। ঘুচে গেছে ডলার সংকট, টাকার মানে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে। মূল্যস্ফীতির হার কমতে শুরু করেছে, তবে তা এখনো ঝুঁকির পর্যায়েই রয়েছে। কিন্তু অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার প্রধান উপকরণ আস্থার সংকট কাটেনি। কমেনি রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা। কমছে না ঋণের সুদহার। বেসরকারি খাতে মন্দা কোনোভাবেই কাটছে না। ফলে বাড়ছে না বিনিয়োগ।
আরো পড়ুন , ডিএসই-সিএসইতে সূচক বৃদ্ধি, লেনদেন অব্যাহত
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে অর্থনীতির বৈদেশিক খাতে স্বস্তি ফিরে এসেছে। কিন্তু অভ্যন্তরীণ খাতে অস্বস্তি রয়েই গেছে। এ অস্বস্তি ক্রমেই প্রকট আকার ধারণ করছে। সরকারের নেওয়া বহুমুখী পদক্ষেপে দেশ থেকে টাকা পাচার অনেক কমেছে। রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বেড়েছে। এতে বাজারে ডলারের প্রবাহ কমেছে।

আপনার মতামত লিখুন