প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ডলার কিনতে ব্যাংকগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়ায় ডলারের দাম আবারও বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে গ্রাহক পর্যায়ের বিক্রয়মূল্যেও।সোমবার ব্যাংকগুলো রেমিট্যান্সের প্রতি ডলার কিনেছে ১২৩ টাকা ৮৫ থেকে ৯০ পয়সা দরে।
আরও পড়ুন, বিশ্বের ব্যয়বহুল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের তালিকায় ঢাকা-আশুলিয়া
একই দিনে গ্রাহকদের কাছে ডলার বিক্রি করেছে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৯৫ পয়সা দরে।আন্তঃব্যাংক বাজারেও ডলারের দাম বেড়ে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৮২ পয়সায় পৌঁছেছে। গত সপ্তাহের তুলনায় এই দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উদ্যোক্তা ও সরকারের এলসি খোলার চাপ বেড়ে যাওয়ায় বাজারে ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই চাহিদা মেটাতে ব্যাংকগুলো চড়া দামে ডলার সংগ্রহ করছে।
রেমিট্যান্সের পাশাপাশি রপ্তানি আয়ের ডলারের দামও বেড়েছে। ফলে ব্যাংকগুলো এলসির ক্ষেত্রেও ডলারের বিক্রয়মূল্য বাড়িয়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, রেমিট্যান্সের ডলারের দাম বাড়ানোর ফলে প্রবাসীরা আরও বেশি বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে উৎসাহিত হবেন এবং রপ্তানি আয়েও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।ডলারের বাজারে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আমদানি ব্যয় ও ব্যবসায়িক খরচে কী প্রভাব ফেলে, সেদিকে এখন নজর অর্থনীতিবিদদের।
বিষয় : রেমিট্যান্স নতুন চাপ ডলারের দাম

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ডলার কিনতে ব্যাংকগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়ায় ডলারের দাম আবারও বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে গ্রাহক পর্যায়ের বিক্রয়মূল্যেও।সোমবার ব্যাংকগুলো রেমিট্যান্সের প্রতি ডলার কিনেছে ১২৩ টাকা ৮৫ থেকে ৯০ পয়সা দরে।
আরও পড়ুন, বিশ্বের ব্যয়বহুল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের তালিকায় ঢাকা-আশুলিয়া
একই দিনে গ্রাহকদের কাছে ডলার বিক্রি করেছে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৯৫ পয়সা দরে।আন্তঃব্যাংক বাজারেও ডলারের দাম বেড়ে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৮২ পয়সায় পৌঁছেছে। গত সপ্তাহের তুলনায় এই দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উদ্যোক্তা ও সরকারের এলসি খোলার চাপ বেড়ে যাওয়ায় বাজারে ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই চাহিদা মেটাতে ব্যাংকগুলো চড়া দামে ডলার সংগ্রহ করছে।
রেমিট্যান্সের পাশাপাশি রপ্তানি আয়ের ডলারের দামও বেড়েছে। ফলে ব্যাংকগুলো এলসির ক্ষেত্রেও ডলারের বিক্রয়মূল্য বাড়িয়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, রেমিট্যান্সের ডলারের দাম বাড়ানোর ফলে প্রবাসীরা আরও বেশি বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে উৎসাহিত হবেন এবং রপ্তানি আয়েও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।ডলারের বাজারে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আমদানি ব্যয় ও ব্যবসায়িক খরচে কী প্রভাব ফেলে, সেদিকে এখন নজর অর্থনীতিবিদদের।

আপনার মতামত লিখুন